NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, মঙ্গলবার, অক্টোবর ১৩, ২০২৬ | ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
এলএনজি-এলপিজি সহযোগিতা বাড়াতে বাংলাদেশ-আলজেরিয়ার আলোচনা প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সরকারদলীয় এমপিদের বৈঠক বাংলাদেশসহ ৩১ মুসলিম দেশের পাইলটদের ওপর ইসরায়েলি নিষেধাজ্ঞায় এয়ার ফ্রান্সের সায় পোল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী-প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে হত্যার চক্রান্ত, নিরাপত্তা বাহিনীর জরুরি বৈঠক মদিনায় বিয়ে করলেন ইনফ্লুয়েন্সার মিস্টার ফয়সু ২৬ অক্টোবর জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যুক্তরাষ্ট্রে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে বন্দুক হামলায় নিহত ১৪ দিল্লিতে বিক্ষোভকারীদের আটকের ঘটনায় জাতিসংঘের উদ্বেগ গোল বাতিল করে ভিনিসিয়ুসকে দেখানো হলো লাল কার্ড, কষ্টে জিতল রিয়াল সড়ক দুর্ঘটনার কবলে অভিনেত্রী তানজিন তিশা
Logo
logo

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক মেরামতে এগিয়ে এলো যুক্তরাষ্ট্র


খবর   প্রকাশিত:  ২৭ অক্টোবর, ২০২৪, ১১:৩৭ পিএম

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক মেরামতে এগিয়ে এলো যুক্তরাষ্ট্র

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের টানাপড়েন শুরু হয় শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই। আর এখন যেন এটি চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। এদিকে বাংলাদেশ-ভারতের ভঙ্গুর সম্পর্ক মেরামতে উদ্যোগী হয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। পুরনো দুই বন্ধুর মধ্যে টানাপড়েনের সুযোগে চীন বা পাকিস্তান যেন কোনো সুযোগ নিতে না পারে এ জন্য তৎপরতা শুরু করেছে দেশটি।

 


 

হাসিনাকে এখনো সমর্থন করে চলেছে ভারত। হাসিনার আমলে ঘটে যাওয়া সব অনিয়ম-দুর্নীতিতে ভারত শেষ পর্যন্ত তার পক্ষেই থেকেছে। আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় রাখতে গিয়ে গোটা বাংলাদেশকে হারানোর ঝুঁকি নিতেও কুণ্ঠাবোধ করেনি ভারতের নেতৃত্ব। 

বিগত সরকার পতনের পর বাংলাদেশ-ভারত উভয় সরকারের বক্তৃতা-বিবৃতিতে এসেছে নাটকীয় পরিবর্তন।

সরকারি চিঠিপত্রে শক্ত ভাষার ব্যবহার বাড়ছে। এ সবই দুই দেশের সম্পর্ক তিক্ততার চরমে পৌঁছার ইঙ্গিত। পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনের বক্তব্যও ভালোভাবে নিচ্ছে না ভারত। বর্তমানে নিরাপত্তার অজুহাতে ঢাকায় ভারতীয় ভিসা কার্যক্রমও শিথিল রাখা হয়েছে।
 

 


 

এমন অবস্থায় সম্পর্কটা স্বাভাবিক করতে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র। বাংলাদেশের নতুন সরকারের প্রতি তাদের সমর্থনে কোনো রাখঢাক নেই। ৩৬ জুলাইয়ের পটপরিবর্তনে ওয়াশিংটনের ভূমিকা থাকতে পারে বলে অনেকে বিশ্বাস করেন। যদিও এটা আরো বিচার-বিশ্লেষণের দাবি রাখে। ওয়াশিংটন তার অবস্থান পরিষ্কার করার চেষ্টা করেছে।

বলেছে, বাইরের শক্তি নয়, দেশের মানুষই বুকের তাজা রক্ত ঢেলে সরকার পরিবর্তন করেছে। 

 

দক্ষিণ এশিয়ায় চীনের উপস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন যুক্তরাষ্ট্র। নতুন বাংলাদেশে কী ঘটছে তাতে ভারতের উদ্বেগেরও শেষ নেই। প্রতিটি ঘটনা পর্যবেক্ষণ করছে তারা। স্ট্র্যাটেজিক বন্ধু ভারতকে হারাতে চায় না যুক্তরাষ্ট্র। বাংলাদেশকেও পাশে চায় তারা। বাইডেন প্রশাসন পুরো বিষয়টি বিবেচনায় রেখেই সামনে অগ্রসর হচ্ছে। আর এই সম্পর্ক মেরামতে দৃশ্যপটে দক্ষিণ এশিয়ায় বহুল আলোচিত মার্কিন কূটনীতিক ডোনাল্ড লু।

 

সূত্র বলছে, ডোনাল্ড লুর বার্তা বিনিময়ের কারণেই জাতিসংঘ অধিবেশনের সাইডলাইনে বসে ছিলেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা এবং ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের যেন আর অবনতি না ঘটে বরং এটি দিনে দিনে স্বাভাবিক এবং উন্নত হয়, সেই চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র। বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের বিষয়ে ‘শেখ হাসিনা’ এখন বড় ইস্যু। 

এখন পর্যন্ত ঢাকা-দিল্লি যেসব বৈঠক হয়েছে তার কোথাও শেখ হাসিনার স্ট্যাটাস বা অবস্থান নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি। দুই পক্ষই বিষয়টি সচেতনভাবে এড়িয়ে গেছে। যুক্তরাষ্ট্র চাইছে ইস্যু যা-ই থাক, সম্পর্কের স্বার্থে যেন তা যতটা সম্ভব এড়িয়ে যাওয়া যায়।