NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ৪, ২০২৬ | ২০ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
৮১তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের নেতৃত্বে বাংলাদেশ সিরিয়ায় আসাদ আমলের রাসায়নিক অস্ত্র ধ্বংস শুরু, ২০১৪ সালের পর প্রথম যাচাইয়ে স্বাগত জানাল জাতিসংঘ রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপের বৈঠক মার্কিন হামলায় ৩ ইরানি সামরিক পাইলট নিহত: আইআরজিসি সুড়ঙ্গের ভেতর থেকে ভেসে আসছে আরো মানুষের কণ্ঠস্বর রেকর্ড ৯৯৫ কোটি টাকায় আল হিলালে ব্রাজিলের মার্তিনেল্লি টিজারের সমালোচনা কাটিয়ে ‘হ্যারি পটার’ ট্রেলারে মুগ্ধ ভক্তরা ইন্দো-প্যাসিফিকে সহযোগিতা জোরদারে দিল্লিতে কোয়াড শেরপাদের বৈঠক কিউবার বিরুদ্ধে ফের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, টার্গেটে কাস্ত্রো পরিবারের সদস্য ও ব্যাংক-জ্বালানি খাত মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার মধ্যে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে সিরিয়ার রাসায়নিক অস্ত্র নিয়ে বৈঠক
Logo
logo

ইসরায়েলি বন্দি নিয়ে যা জানাল হামাস


খবর   প্রকাশিত:  ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫, ০১:৫৩ এএম

ইসরায়েলি বন্দি নিয়ে যা জানাল হামাস

গত বছরের ৭ অক্টোবরে ইসরায়েলের ইতিহাসে ঘটা নজিরবিহীন হামলার মূল হোতা বলা হয় ইয়াহিয়া সিনওয়ারকে। বুধবার দেশটির সামরিক বাহিনী এক অভিযানে ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের প্রধান সেই ইয়াহিয়া সিনওয়ারকে হত্যা করেছে। বছরব্যাপী হত্যার মিশন তারা শেষ করেছে।

তবে সিনওয়ার হত্যার পর ইসরায়েলি বন্দি নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত জানিয়েছে হামাস।

দলটি জানিয়েছে, গাজায় যুদ্ধ শেষ না হওয়া পর্যন্ত গত বছরের ৭ অক্টোবর থেকে তাদের হাতে আটক থাকা আর কোনো বন্দিকে মুক্তি দেওয়া হবে না। ইসরায়েলি হামলায় হামাসপ্রধান ইয়াহিয়া সিনওয়ার নিহত হওয়ার পর শোক জানানোর পাশাপাশি সংগঠনটি এ ঘোষণা দিয়েছে।

 

৭ অক্টোবর হামলার মাস্টারমাইন্ড বা মূল হোতা বলা হয় ইয়াহিয়া সিনাওয়ারকে। তাকে হত্যার পর চলমান যুদ্ধে মোড় বদলের আশা জেগেছিল অনেকের মনে।

বিশেষত বন্দিদের পরিবারের সদস্যদের স্বজনদের ফিরে পাওয়া এবং গাজাবাসীর আরো মানবিক সহায়তা পাওয়ার আশা তৈরি হয়েছিল। 

 


 

কিন্তু হামাসের কর্মকর্তা খলিল আল-হায়া এক ভিডিও বার্তায় বলেন, ‘গাজায় আমাদের মানুষদের ওপর ইসরায়েলি আগ্রাসন বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত আর কোনো বন্দিকে মুক্তি দেওয়া হবে না। এটাই হামাসের সর্বশেষ অবস্থান।’

হামাসপ্রধান ইয়াহিয়া সিনওয়ার ইসরায়েলের ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ তালিকায় ছিলেন।

বৃহস্পতিবার সিনওয়ারের নিহত হওয়ার খবর জানায় ইসরায়েল। পরে হামাসের পক্ষ থেকেও আনুষ্ঠানিকভাবে তা জানানো হয়।

 


 

সিনওয়ারকে মৃত্যুর বিষয়ে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, সিনওয়ারের মৃত্যু হামাসের অশুভ শাসনের পতনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ যুগান্তকারী ঘটনা। যদিও এটি গাজা যুদ্ধের শেষ নয়, এটি শেষের শুরু।

এদিকে সিনওয়ারের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর সিনিয়র সদস্য বাসেম নাইম এএফপিকে বলেছেন, ‘হামাস একটি মুক্তি আন্দোলন, যার নেতৃত্বে মানুষ স্বাধীনতা ও মর্যাদা খুঁজছে।

নেতাদের হত্যার মাধ্যমে ফিলিস্তিনি গোষ্ঠীটিকে নির্মূল করা যাবে না।

 

এক বিবৃতিতে তিনি অতীতে নিহত হামাস নেতাদের স্মরণ করে বলেছেন, তাদের মৃত্যু এ গোষ্ঠীর জনপ্রিয়তা বাড়িয়েছে।


 

তিনি বলেন, ‘ইসরায়েল বিশ্বাস করে আমাদের নেতাদের হত্যার অর্থ আন্দোলন এবং ফিলিস্তিনি জনগণের সংগ্রামের সমাপ্তি। তবে প্রতিবারই হামাস শক্তিশালী ও জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এবং এই নেতারা মুক্ত ফিলিস্তিনের দিকে যাত্রা চালিয়ে যাওয়ার জন্য আইকনে পরিণত হয়েছেন।’ 

ইসরায়েলি সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড্যানিয়েল লেভি আলজাজিরাকে বলেছেন, সিনওয়ারের মৃত্যু হলেও তাতে নিপীড়নের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনিদের প্রতিরোধের অবসান ঘটবে না। কারণ এটি একটি প্রতিরোধ আন্দোলন, যা এর জনগণের মধ্যে নিহিত। ফলে এটি চলতে থাকবে। 


 

এদিকে লেবাননের ইসলামী প্রতিরোধ আন্দোলন হিজবুল্লাহ ঘোষণা দিয়েছে, তারা ইসরায়েলের বিরুদ্ধে অভিযানের নতুন ধাপ শুরু করেছে। শুক্রবার হিজবুল্লাহর অভিযান পরিচালনাকারী সদর দপ্তর থেকে প্রকাশিত বিবৃতিতে ইসরায়েলবিরোধী লড়াইয়ের দ্বিতীয় ধাপের ঘোষণা দেওয়া হয়। এতে বলা হয়, আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই নতুন ধাপের লড়াই দৃশ্যমান হবে এবং এর সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত ঘটনাগুলো দেখা যাবে।