NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬ | ৫ আশ্বিন ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
সব মন্ত্রণালয়ের অভিন্ন প্রশিক্ষণ সিলেবাসের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর রাষ্ট্রপতির সঙ্গে নিউ হোপ গ্লোবালের চেয়ারম্যান ড. ফয়েজ উদ্দিনের সৌজন্য সাক্ষাৎ ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞার পর ৩ সাংবাদমাধ্যমকে হোয়াইট হাউসে প্রবেশে বাধা বাংলাদেশসহ ৮ দেশকে ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সতর্কবার্তা দিলেন গবেষকরা রাফিনিয়ার টানা দ্বিতীয় হ্যাটট্রিকে বার্সেলোনার জয় প্রধানমন্ত্রী নিউইয়র্ক যাচ্ছেন সোমবার মার্কিন বিমান বাহিনীর এফ-১৬ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত চীনে স্বাধীনভাবে ধর্ম পালনে ‘নিষেধাজ্ঞা’, তথ্য দিলেই পুরস্কার এশিয়ান গেমসের সেমিফাইনালে মুখোমুখি ভারত-বাংলাদেশ ক্যাটরিনা কাইফকে বডিশেমিং, প্রতিবাদে সরব আলী জাফর
Logo
logo

শনিবার ড. ইউনূসের সঙ্গে রাজনৈতিক দলের বৈঠক, জাপা নিয়ে যে সিদ্ধান্ত


খবর   প্রকাশিত:  ১৬ অক্টোবর, ২০২৪, ০৫:০১ পিএম

শনিবার ড. ইউনূসের সঙ্গে রাজনৈতিক দলের বৈঠক, জাপা নিয়ে যে সিদ্ধান্ত

সংস্কারের বিষয়ে আগামী শনিবার আবারও রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনায় বসবেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস।

মঙ্গলবার (১৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজধানীর হেয়ার রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার উপ প্রেস সচিব মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ মজুমদার এ কথা জানান।

তিনি বলেন, রাষ্ট্র সংস্কারের প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে অন্তর্বতী সরকার রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ করছে। গত সপ্তাহে একটি সংলাপ হয়েছিল।

তার ধারাবাহিকতায় শনিবার (১৯ অক্টোবর) রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আবারও সংলাপ করবে সরকার।

 

তিনি জানান, সংলাপের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে গণফোরাম, জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট, বিজেপি, ১২ দলীয় জোট, এলডিপি, জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল ও লেবার পার্টিকে। আরো দুই-একটি রাজনৈতিক দলকে আমন্ত্রণ জানানো হতে পারে।


 

জাতীয় পার্টিকে সংলাপে ডাকা হবে কি না, এমন প্রশ্নে আবুল কালাম আজাদ মজুমদার জানান, এ বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

এটি চলমান প্রক্রিয়া, পরে এ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

 

এর আগে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও জামায়াত ইসলামীসহ কয়েকটি দলের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এসব জাতীয় পার্টিকে না ডাকায় বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়। পরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একাধিক সমন্বয়ক প্রধান উপদেষ্টার বৈঠকে জাতীয় পার্টিকে ডাকলে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন।

দলটির বিরুদ্ধে স্বৈরাচার শাসনের সহযোগিতার অভিযোগ এনেছে তারা।

 

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার সরকারের পতন ঘটে গত ৫ আগস্ট। তারপর ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্ব নেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তার সরকার এরইমধ্যে দুই দফা রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ করেছে। তবে আগের দুই দফা ও আগামীতেও 'ফ্যাসিবাদী শাসন' ও 'গণহত্যায়' অভি্যুক্ত আওয়ামী লীগকে সংলাপে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি এবং হবে না বলে আগেই সরকার জানিয়েছে।

 


 

এদিকে জাতীয় পার্টির বিরুদ্ধে সম্প্রতি ওঠা অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ ভ্রান্ত বলে দাবি করেছেন দলটির চেয়ারম্যান জি এম কাদের।

গত রবিবার তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে রাষ্ট্র সংস্কারের বিষয়ে আলোচনা করতে না ডাকা আমাদের জন্য বিব্রতকর। আমাদের দলের একটি ঐতিহ্য আছে, এটি একটি পুরোনো দল এবং দেশের উন্নয়নের সঙ্গে আমাদের সংযোগ রয়েছে, রাষ্ট্র পরিচালনার অভিজ্ঞতাও আছে। তবুও রাষ্ট্র সংস্কারের আলোচনায় আমাদের না ডাকায় আপত্তি নেই। তবে আমাদের বিরুদ্ধে বাইরে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হচ্ছে।