NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ৪, ২০২৬ | ২০ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
৮১তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের নেতৃত্বে বাংলাদেশ সিরিয়ায় আসাদ আমলের রাসায়নিক অস্ত্র ধ্বংস শুরু, ২০১৪ সালের পর প্রথম যাচাইয়ে স্বাগত জানাল জাতিসংঘ রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপের বৈঠক মার্কিন হামলায় ৩ ইরানি সামরিক পাইলট নিহত: আইআরজিসি সুড়ঙ্গের ভেতর থেকে ভেসে আসছে আরো মানুষের কণ্ঠস্বর রেকর্ড ৯৯৫ কোটি টাকায় আল হিলালে ব্রাজিলের মার্তিনেল্লি টিজারের সমালোচনা কাটিয়ে ‘হ্যারি পটার’ ট্রেলারে মুগ্ধ ভক্তরা ইন্দো-প্যাসিফিকে সহযোগিতা জোরদারে দিল্লিতে কোয়াড শেরপাদের বৈঠক কিউবার বিরুদ্ধে ফের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, টার্গেটে কাস্ত্রো পরিবারের সদস্য ও ব্যাংক-জ্বালানি খাত মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার মধ্যে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে সিরিয়ার রাসায়নিক অস্ত্র নিয়ে বৈঠক
Logo
logo

বার্ড ফ্লুতে ভিয়েতনামে ৪৭ বাঘের মৃত্যু


খবর   প্রকাশিত:  ০৫ অক্টোবর, ২০২৪, ০১:৪৪ এএম

বার্ড ফ্লুতে ভিয়েতনামে ৪৭ বাঘের মৃত্যু

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ ভিয়েতনামে বার্ড ফ্লুতে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারিয়েছে ৪৭টি বাঘ, তিনটি সিংহ ও একটি প্যান্থার। ভিয়েতনামের লং অন প্রদেশের বেসরকারি মালিকানাধীন মাই কাইন সাফারি পার্ক এবং ডং নাই শহরের ভুওন জোয়াই চিড়িয়াখানায় ছিল এসব বাঘ ও সিংহ। গত আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে প্রাণীগুলোর মৃত্যু হয়। বার্ড ফ্লুর বিপজ্জনক সংক্রামক ধরন এইচ৫এন১-এর টাইপ এ ভাইরাস এই বাঘ-সিংহগুলোর মৃত্যুর জন্য দায়ী বলে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন।

 

এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে সাফারি পার্ক ও চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন সাংবাদিকরা। কিন্তু কর্তৃপক্ষ মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, এসব বাঘ-সিংহের মৃত্যুর জন্য বার্ড ফ্লুর পাশাপাশি সাফারি পার্ক ও চিড়িয়াখানার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অবহেলাও দায়ী। বন্য প্রাণী সংরক্ষণ ইস্যুতে কর্মরত ভিয়েতনামভিত্তিক এনজিও সংস্থা এডুকেশন ফর নেচার ভিয়েতনামের তথ্য অনুযায়ী, গত জুলাই পর্যন্ত ভিয়েতনামের বিভিন্ন সাফারি পার্ক ও চিড়িয়াখানায় মোট ৩৮৫টি বাঘ ছিল।

 


 

তার মধ্যে ৩১০টি বিভিন্ন বেসরকারি সাফারি পার্ক ও চিড়িয়াখানার এবং বাকিগুলো ছিল সরকারি পার্ক ও চিড়িয়াখানাগুলোতে। বার্ড ফ্লুতে আক্রান্ত হয়ে বাঘের মৃত্যু অবশ্য এবারই প্রথম নয়। ২০০৪ সালে থাইল্যান্ডে বাঘের একটি প্রজননকেন্দ্রে বার্ড ফ্লুতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছিল ২৪টিরও বেশি বাঘের। থাইল্যান্ডের সেই কেন্দ্রটি বিশ্বে বাঘের সবচেয়ে বড় প্রজননকেন্দ্র।