NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বুধবার, জুন ২৪, ২০২৬ | ১০ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
‘ক্লাইমেট লিডারশিপ ইন এ শিপটিং গ্লোবাল ল্যান্ডস্ক্যাপ’ সেশনে অংশগ্রহণ উত্তর কোরিয়ার নৌবাহিনীকে পারমাণবিক অস্ত্রে সজ্জিত করার ঘোষণা কিম জং উনের পরমাণু পরিদর্শন ছাড়া চুক্তি নয়, ইরানকে ট্রাম্পের সতর্কতা রোনালদোর স্বরূপে ফেরার রাতে পর্তুগালের গোলোৎসব জন্মদিনে নেই শুভেচ্ছা, ইনস্টাগ্রামেও আনফলো! বিজয়-তৃষার সম্পর্ক কি শেষ? যৌথ প্রতিরক্ষা সহযোগিতা কমিটি গঠনে সম্মত বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া ইরানের তেল রপ্তানির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ব্রিটিশ রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ, কে হচ্ছেন স্টারমারের উত্তরসূরি? হালান্ডের জোড়া গোলে ২৮ বছর পর বিশ্বকাপের নকআউটে নরওয়ে জনপ্রিয়তার শীর্ষে যে ৬ পাকিস্তানি নাটক
Logo
logo

বার্ড ফ্লুতে ভিয়েতনামে ৪৭ বাঘের মৃত্যু


খবর   প্রকাশিত:  ০৫ অক্টোবর, ২০২৪, ০১:৪৪ এএম

বার্ড ফ্লুতে ভিয়েতনামে ৪৭ বাঘের মৃত্যু

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ ভিয়েতনামে বার্ড ফ্লুতে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারিয়েছে ৪৭টি বাঘ, তিনটি সিংহ ও একটি প্যান্থার। ভিয়েতনামের লং অন প্রদেশের বেসরকারি মালিকানাধীন মাই কাইন সাফারি পার্ক এবং ডং নাই শহরের ভুওন জোয়াই চিড়িয়াখানায় ছিল এসব বাঘ ও সিংহ। গত আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে প্রাণীগুলোর মৃত্যু হয়। বার্ড ফ্লুর বিপজ্জনক সংক্রামক ধরন এইচ৫এন১-এর টাইপ এ ভাইরাস এই বাঘ-সিংহগুলোর মৃত্যুর জন্য দায়ী বলে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন।

 

এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে সাফারি পার্ক ও চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন সাংবাদিকরা। কিন্তু কর্তৃপক্ষ মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, এসব বাঘ-সিংহের মৃত্যুর জন্য বার্ড ফ্লুর পাশাপাশি সাফারি পার্ক ও চিড়িয়াখানার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অবহেলাও দায়ী। বন্য প্রাণী সংরক্ষণ ইস্যুতে কর্মরত ভিয়েতনামভিত্তিক এনজিও সংস্থা এডুকেশন ফর নেচার ভিয়েতনামের তথ্য অনুযায়ী, গত জুলাই পর্যন্ত ভিয়েতনামের বিভিন্ন সাফারি পার্ক ও চিড়িয়াখানায় মোট ৩৮৫টি বাঘ ছিল।

 


 

তার মধ্যে ৩১০টি বিভিন্ন বেসরকারি সাফারি পার্ক ও চিড়িয়াখানার এবং বাকিগুলো ছিল সরকারি পার্ক ও চিড়িয়াখানাগুলোতে। বার্ড ফ্লুতে আক্রান্ত হয়ে বাঘের মৃত্যু অবশ্য এবারই প্রথম নয়। ২০০৪ সালে থাইল্যান্ডে বাঘের একটি প্রজননকেন্দ্রে বার্ড ফ্লুতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছিল ২৪টিরও বেশি বাঘের। থাইল্যান্ডের সেই কেন্দ্রটি বিশ্বে বাঘের সবচেয়ে বড় প্রজননকেন্দ্র।