NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, আগস্ট ১৫, ২০২৬ | ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
আজ ১৫ আগস্ট সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ‘অগ্রগতি হলে জানানো হবে’, প্রধানমন্ত্রীর সফর নিয়ে বলল দিল্লি খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন আজ হরমুজ প্রণালিকে যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ড করা হবে : ট্রাম্প শোকাবহ ১৫ আগস্ট আজ ডালাস-ফোর্ট ওর্থ বিমানবন্দরে অজুর বিশেষ ব্যবস্থা: চলতি বছরের শেষেই চালু হচ্ছে নতুন প্রকল্প প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গণিত অলিম্পিয়াডে পদকজয়ীদের সাক্ষাৎ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন ব্যবসায়ীদের আলোচনা, বাণিজ্য-বিনিয়োগ বাড়াতে আগ্রহ উত্তরাখণ্ডে নির্মাণাধীন সুড়ঙ্গে ধস, নিহত ৬ কোন ছবির জন্য পারিশ্রমিক বাড়ালেন শ্রদ্ধা কাপুর?
Logo
logo

১ নভেম্বর থেকে বাজারে পলিব্যাগ নিষিদ্ধ


খবর   প্রকাশিত:  ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ০৯:৩৪ এএম

১ নভেম্বর থেকে বাজারে পলিব্যাগ নিষিদ্ধ

আগামী ১ নভেম্বর থেকে বাজারে পলিথিন জাতীয় সব ধরনের ব্যাগ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। কোনো ক্রেতাকে এ ব্যাগ দেওয়া যাবে না। এ ছাড়া পলিথিন ব্যাগ নিষিদ্ধ কার্যক্রমে কাঁচাবাজার ও পলিথিন উৎপাদন কারখানায় অভিযান চালানো হবে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।

আগামী ১ অক্টোবর থেকে রাজধানীর সব সুপারশপে এবং ১ নভেম্বর থেকে সব কাঁচাবাজারে এ পদক্ষেপ কার্যকর হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

 

মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মোহাম্মদপুরের টাউন হল ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন কাঁচাবাজার বণিক সমিতির অফিসে পলিথিন শপিং ব্যাগ ব্যবহার বন্ধে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা নিয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এসব সিদ্ধান্তের কথা জানান।


 

এর আগে পলিথিন শপিং ব্যাগ, পলিইথিলিন বা পলিপ্রপাইলিন তৈরির সামগ্রীর ওপর বিদ্যমান নিষেধাজ্ঞা কঠোরভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে টাউন হল কাঁচাবাজারে ক্লিন-আপ কার্যক্রম উদ্বোধন ও বাজারে পলিথিনের বিকল্প সামগ্রী বিতরণ, বাজারে বিদ্যমান পলিথিন ব্যাগসহ অন্যান্য পলিথিনজাত প্যাকেজিং সংগ্রহের জন্য বিন ও স্থায়ী নোটিশ বোর্ড স্থাপন কাজের উদ্বোধন করেন পরিবেশ উপদেষ্টা।

মতবিনিময় সভায় পরিবেশ উপদেষ্টা বলেন, কাঁচাবাজারগুলো যাতে আর পলিথিন ব্যাগ ব্যবহার না করে, সেজন্য আমরা বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছি। এটা নতুন করে নিষেধ করার কিছু নেই।

এটা ২০০২ সাল থেকে আইন করে নিষিদ্ধ করা আছে। ২০০৪-২০০৬ সাল পর্যন্ত সফলভাবেই প্লাস্টিক ব্যাগের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছিল। পলিথিন উৎপাদনকারী বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে অভিযান চালানো হয়েছিল। কিন্তু মার্কেটে কখনো অভিযান চালানো হয়নি।
ফলে মার্কেটগুলো দেদারসে পলিথিন এনেছে এবং পলিথিনে পণ্য দিয়েছে।

 

তিনি আরও বলেন, পলিথিন ব্যাগগুলো রিসাইকেল করা যায়, কিন্তু সেটা সন্তোষজনক নয়। কারণ পলিথিন ব্যাগ বা অন্যান্য সামগ্রী থেকে মানুষের রক্তে, মস্তিষ্কে, লিভারে পলিথিনের অস্তিত্ব পাওয়া যাচ্ছে। বাংলাদেশে পলিথিন দিয়ে মোড়ক করার কারণে লবণের মধ্যে পর্যন্ত মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া যাচ্ছে। আমাদের অনেক নদীর মাছের মধ্যে মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া যাচ্ছে।

কাজেই প্লাস্টিক ব্যবহার করাই একটা ক্ষতিকারক বিষয়। সুতরাং এটাকে কালেক্ট করে রিসাইকেল হচ্ছে সর্বশেষ সমাধান, যেখানে আর কোনো বিকল্প থাকবে না।