NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বুধবার, অক্টোবর ১৪, ২০২৬ | ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
বাংলাদেশে বিরোধী রাজনৈতিক কর্মীদের গণগ্রেপ্তার, মানবাধিকার নিয়ে হিউম্যান রাইটস ওয়াচের উদ্বেগ ঢাকা-রিয়াদ রুটের সব ফ্লাইট ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত ‘ইউ টেররিস্ট’, নিউইয়র্কে তোপের মুখে ড. ইউনূস সদস্য দেশে হামলা হলে সব ধ্বংস করে দেওয়া হবে: ন্যাটো প্রধান ভিনিসিয়ুসের লাল কার্ড ঘিরে বিতর্ক, ১৮ মাস আগের ঘটনা কেন আবার আলোচনায় এবার ইমরান খানের বিরুদ্ধে মামলা পুলিশের জেএফকে বিমানবন্দরে ড. ইউনূসকে প্রতিহত করার দাবি, বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ এলএনজি-এলপিজি সহযোগিতা বাড়াতে বাংলাদেশ-আলজেরিয়ার আলোচনা প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সরকারদলীয় এমপিদের বৈঠক বাংলাদেশসহ ৩১ মুসলিম দেশের পাইলটদের ওপর ইসরায়েলি নিষেধাজ্ঞায় এয়ার ফ্রান্সের সায়
Logo
logo

শাজাহান খানের ‘গোমর’ ফাঁস


খবর   প্রকাশিত:  ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ০২:৫৬ এএম

শাজাহান খানের ‘গোমর’ ফাঁস

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিকের ছত্রচ্ছায়ায় শাজাহান খানের গোমর ফাঁস হয়েছে। গত ৪ বছরে ছয় হাজার কোটি টাকার বেশি চাঁদাবাজি হয়েছে। ‘সড়ক পরিবহনে সংগঠন পরিচালনা ব্যয়’ সংক্রান্ত নির্দেশিকা প্রণয়ন করে এই চাঁদাবাজিকে বৈধতাও দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ আছে, সড়কে চাঁদাবাজিকে প্রাতিষ্ঠনিক রূপ দিয়েছেন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি শাজাহান খান।

 

 

ফেডারেশনের অন্তর্ভুক্ত ২৪৯ শ্রমিক ইউনিয়নের মাধ্যমে চাঁদা তোলা হয়েছে। এর একটি বড় অংশ নিয়মিত গেছে শাজাহান খানের পকেটে। ফেডারেশনের শীর্ষ নেতা হওয়ার সুবাদে পরিবহন মালিক সমিতির অন্য প্রভাবশালী নেতাকে সঙ্গে নিয়ে সড়ক থেকে কোটি কোটি টাকা চাঁদাবাজি করেছেন। তার ছিল মাস্তান বাহিনী।

 

 

এ বাহিনীর কাছে বছরের পর বছর জিম্মি পরিবহন মালিকরা। বিগত সময়ে বিএনপির নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিসহ অন্যান্য দাবিতে বৃহৎ পরিসরে আন্দোলনের ডাক দিলেই বন্ধ হয়ে গেছে সড়কের যান চলাচল। এর নেপথ্যেও ছিলেন এই শাজাহান খান। সড়কের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কঠোর শাস্তির বিধান রেখে সড়ক পরিবহন আইন প্রণয়নের অন্যতম বাধাও ছিলেন তিনি।

 

 

এদিকে নির্বাচনী হলফনামায় দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০০৮ সালে শাজাহান খানের বার্ষিক আয় ছিল ছয় লাখ ৮৫ হাজার টাকা। যা ২০২৪ সালে হয়েছে দুই কোটি ২১ লাখ টাকা। এ সময়ে তার আয় বেড়েছে প্রায় ৩২ গুণ। 

পরিবহন শ্রমিক নেতা মোহাম্মদ হানিফ খোকন বলেন, সড়ক পরিবহন আইনে রাস্তা থেকে চাঁদা উঠানোর কোনো বিধান নেই। এর পরও পরিবহন খাতে বেপরোয়া চাঁদাবাজির নেতৃত্বে ছিলেন শাজাহান খান।

বিভিন্ন টার্মিনাল, উপজেলা পর্যায়ে চাঁদা তুলে পাঁচ ভাগের এক ভাগ বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের নামে গেছে। এই ফেডারেশনের সব কিছুই চলেছে শাজাহান খানের ইশারায়। ২০০৯ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত পরিবহন সেক্টরে ১২ হাজার কোটি টাকা চাঁদাবাজি করেছে শাজাহান খানের লোকজন। 

 

তিনি আরো বলেন, শাজাহান খান ও সহযোগীরা ক্ষমতার অপব্যবহার করে পরিবহনে চাঁদাবাজির স্বর্গরাজ্য গড়ে তুলেছিলেন। চাঁদাবাজির আয়ে পরিবার, পরিজন, আত্মীয়স্বজনের নামে তারা বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ ও সম্পদ করেছেন। বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার কাছে আমাদের আবেদন, অনতিবিলম্বে তদন্ত করে এসব অবৈধ সম্পত্তি জব্দ করে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়া হোক।

সূত্রে জানা গেছে, আওয়ামী লীগ ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার পরপরই পরিবহন খাতে অপ্রতিরোধ্য হয়ে ওঠেন নেতা শাজাহান খান। ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের আগ মুহূর্ত পর্যন্ত পরিবহন খাতে একচ্ছত্র প্রভাব ছিল তার। ২০০৯ সাল থেকে সড়কে বিক্ষিপ্ত আকারে নানা অঙ্কের চাঁদা তোলা হতো।