NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, আগস্ট ১৫, ২০২৬ | ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
আজ ১৫ আগস্ট সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ‘অগ্রগতি হলে জানানো হবে’, প্রধানমন্ত্রীর সফর নিয়ে বলল দিল্লি খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন আজ হরমুজ প্রণালিকে যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ড করা হবে : ট্রাম্প শোকাবহ ১৫ আগস্ট আজ ডালাস-ফোর্ট ওর্থ বিমানবন্দরে অজুর বিশেষ ব্যবস্থা: চলতি বছরের শেষেই চালু হচ্ছে নতুন প্রকল্প প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গণিত অলিম্পিয়াডে পদকজয়ীদের সাক্ষাৎ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন ব্যবসায়ীদের আলোচনা, বাণিজ্য-বিনিয়োগ বাড়াতে আগ্রহ উত্তরাখণ্ডে নির্মাণাধীন সুড়ঙ্গে ধস, নিহত ৬ কোন ছবির জন্য পারিশ্রমিক বাড়ালেন শ্রদ্ধা কাপুর?
Logo
logo

ডেঙ্গুতে আরো তিন মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৪০৩


খবর   প্রকাশিত:  ০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ০৯:৪৪ পিএম

ডেঙ্গুতে আরো তিন মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৪০৩

এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরো তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে আরো ৪০৩ ডেঙ্গু রোগী। গতকাল শনিবার (৭ সেপ্টেম্বর) দেশের ডেঙ্গু পরিস্থিতির এমন তথ্য জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। 

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমারজেন্সি অপারেশন সেন্টারের তথ্য মতে, চলতি বছরে এ পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে ১৫ হাজার ২০৭ জন।

তাদের মধ্যে মারা গেছে ৯৫ জন। এর আগে গত বছরে একই সময়ে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিল এক লাখ ৪০ হাজার ৭১১ জন ও মৃত্যু হয়েছিল ৬৯১ জনের।

 

গত এক দিনে হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের মধ্যে ঢাকা মহানগরে ২৫২ জন ও ঢাকা বিভাগের অন্য জেলায় ৩৬ জন। চট্টগ্রামে ৯২, খুলনায় ১৫ জন ও ময়মনসিংহ বিভাগে আটজন ভর্তি হয়েছে।

 

এ নিয়ে দেশের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে এক হাজার ৫০৯ জন। এর মধ্যে ঢাকায় ৮৯০ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ডেঙ্গু আক্রান্তদের ৪২.৯৫ শতাংশ ঢাকা মহানগর ও ৫৭.০৫ শতাংশ ঢাকার বাইরের। মৃতদের মধ্যে ৭০ শতাংশ ঢাকা ও ৩০ শতাংশ ঢাকার বাইরে।

 

ডেঙ্গু আক্রান্তদের মধ্যে ৩৮.৭ শতাংশ নারী ও ৬১.৩ শতাংশ পুরুষ। মৃতদের মধ্যে ৫৪.২ শতাংশ নারী ও ৪৫.৮ শতাংশ পুরুষ।

দেশে প্রথম ২০০০ সালে ডেঙ্গুর বড় ধরনের প্রকোপ দেখা দেয়। এর পর থেকে এ পর্যন্ত সর্বোচ্চ আক্রান্ত ও মৃত্যু হয়েছে গত বছর। গেল বছর আক্রান্ত হয়েছিল তিন লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন ও মৃত্যু হয় এক হাজার ৭০৫ জনের।

 

এর আগে ২০১৯ সালে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা প্রথমবার এক লাখ ছাড়ায়, ওই বছর ভর্তি হয়েছিল এক লাখ এক হাজার ৩৫৪ জন। মৃত্যু হয় ১৭৯ জনের।