NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, জুন ২৫, ২০২৬ | ১০ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
‘ক্লাইমেট লিডারশিপ ইন এ শিপটিং গ্লোবাল ল্যান্ডস্ক্যাপ’ সেশনে অংশগ্রহণ উত্তর কোরিয়ার নৌবাহিনীকে পারমাণবিক অস্ত্রে সজ্জিত করার ঘোষণা কিম জং উনের পরমাণু পরিদর্শন ছাড়া চুক্তি নয়, ইরানকে ট্রাম্পের সতর্কতা রোনালদোর স্বরূপে ফেরার রাতে পর্তুগালের গোলোৎসব জন্মদিনে নেই শুভেচ্ছা, ইনস্টাগ্রামেও আনফলো! বিজয়-তৃষার সম্পর্ক কি শেষ? যৌথ প্রতিরক্ষা সহযোগিতা কমিটি গঠনে সম্মত বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া ইরানের তেল রপ্তানির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ব্রিটিশ রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ, কে হচ্ছেন স্টারমারের উত্তরসূরি? হালান্ডের জোড়া গোলে ২৮ বছর পর বিশ্বকাপের নকআউটে নরওয়ে জনপ্রিয়তার শীর্ষে যে ৬ পাকিস্তানি নাটক
Logo
logo

ইংলিশ চ্যানেলে নৌকাডুবি, ১২ অভিবাসনপ্রত্যাশীর মৃত্যু


খবর   প্রকাশিত:  ০৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ০৮:০৭ এএম

ইংলিশ চ্যানেলে নৌকাডুবি, ১২ অভিবাসনপ্রত্যাশীর মৃত্যু

যুক্তরাজ্যে যাওয়ার পথে ইংলিশ চ্যানেলে নৌকাডুবির ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১২ অভিবাসীর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। তাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার ফ্রান্সের বুলান শহরের কাছে নৌকাটি ডুবে যায়।

 

ফ্রান্সের উপকূলীয় শহর বুলানের সরকারি কৌঁসুলি জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে মৃত সবাই আফ্রিকার দেশ ইরিত্রিয়ার নাগরিক। তবে উদ্ধারকারীরা তাদের নাগরিকত্ব সম্পর্কে এখনো পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য জানাতে পারেনি।

ফরাসি কোস্টগার্ড জানিয়েছে, নৌকাডুবির ঘটনায় ৫০ জনের বেশি অভিবাসনপ্রত্যাশীকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে দু'জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

 ফরাসি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জেরাল্ড ডারমানিন জানিয়েছেন, নৌডুবিতে যারা এখনো নিখোঁজ আছেন তাদের উদ্ধারে অভিযান চালানো হচ্ছে। 

 

এদিকে নৌকাডুবিতে প্রাণহানির ঘটনাকে ‘ভয়ঙ্কর ও অত্যন্ত দুঃখজনক’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইভেত্তে কুপার।আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবারের আগপর্যন্ত চলতি বছর নৌকার করে যুক্তরাজ্যে পৌঁছানোর চেষ্টার সময় ৩০ জন অভিবাসী মারা গেছেন। যা ২০২১ সালের রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে।

ওই বছর ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিতে গিয়ে ৪৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল।

 

ইংলিশ চ্যানেল দিয়ে অবৈধ অভিবাসীরা যেন ফ্রান্স থেকে যুক্তরাজ্যে আসতে না পারেন সেজন্য সবসময় সচেষ্ট থাকার চেষ্টা করে দুই দেশের সরকার। কিন্তু তা সত্ত্বেও অভিবাসীদের এই ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রা থামানো সম্ভব হচ্ছে না।