NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৬ | ২০ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
৮১তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের নেতৃত্বে বাংলাদেশ সিরিয়ায় আসাদ আমলের রাসায়নিক অস্ত্র ধ্বংস শুরু, ২০১৪ সালের পর প্রথম যাচাইয়ে স্বাগত জানাল জাতিসংঘ রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপের বৈঠক মার্কিন হামলায় ৩ ইরানি সামরিক পাইলট নিহত: আইআরজিসি সুড়ঙ্গের ভেতর থেকে ভেসে আসছে আরো মানুষের কণ্ঠস্বর রেকর্ড ৯৯৫ কোটি টাকায় আল হিলালে ব্রাজিলের মার্তিনেল্লি টিজারের সমালোচনা কাটিয়ে ‘হ্যারি পটার’ ট্রেলারে মুগ্ধ ভক্তরা ইন্দো-প্যাসিফিকে সহযোগিতা জোরদারে দিল্লিতে কোয়াড শেরপাদের বৈঠক কিউবার বিরুদ্ধে ফের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, টার্গেটে কাস্ত্রো পরিবারের সদস্য ও ব্যাংক-জ্বালানি খাত মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার মধ্যে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে সিরিয়ার রাসায়নিক অস্ত্র নিয়ে বৈঠক
Logo
logo

ইংলিশ চ্যানেলে নৌকাডুবি, ১২ অভিবাসনপ্রত্যাশীর মৃত্যু


খবর   প্রকাশিত:  ০৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ০৮:০৭ এএম

ইংলিশ চ্যানেলে নৌকাডুবি, ১২ অভিবাসনপ্রত্যাশীর মৃত্যু

যুক্তরাজ্যে যাওয়ার পথে ইংলিশ চ্যানেলে নৌকাডুবির ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১২ অভিবাসীর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। তাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার ফ্রান্সের বুলান শহরের কাছে নৌকাটি ডুবে যায়।

 

ফ্রান্সের উপকূলীয় শহর বুলানের সরকারি কৌঁসুলি জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে মৃত সবাই আফ্রিকার দেশ ইরিত্রিয়ার নাগরিক। তবে উদ্ধারকারীরা তাদের নাগরিকত্ব সম্পর্কে এখনো পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য জানাতে পারেনি।

ফরাসি কোস্টগার্ড জানিয়েছে, নৌকাডুবির ঘটনায় ৫০ জনের বেশি অভিবাসনপ্রত্যাশীকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে দু'জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

 ফরাসি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জেরাল্ড ডারমানিন জানিয়েছেন, নৌডুবিতে যারা এখনো নিখোঁজ আছেন তাদের উদ্ধারে অভিযান চালানো হচ্ছে। 

 

এদিকে নৌকাডুবিতে প্রাণহানির ঘটনাকে ‘ভয়ঙ্কর ও অত্যন্ত দুঃখজনক’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইভেত্তে কুপার।আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবারের আগপর্যন্ত চলতি বছর নৌকার করে যুক্তরাজ্যে পৌঁছানোর চেষ্টার সময় ৩০ জন অভিবাসী মারা গেছেন। যা ২০২১ সালের রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে।

ওই বছর ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিতে গিয়ে ৪৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল।

 

ইংলিশ চ্যানেল দিয়ে অবৈধ অভিবাসীরা যেন ফ্রান্স থেকে যুক্তরাজ্যে আসতে না পারেন সেজন্য সবসময় সচেষ্ট থাকার চেষ্টা করে দুই দেশের সরকার। কিন্তু তা সত্ত্বেও অভিবাসীদের এই ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রা থামানো সম্ভব হচ্ছে না।