NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৬ | ২০ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
৮১তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের নেতৃত্বে বাংলাদেশ সিরিয়ায় আসাদ আমলের রাসায়নিক অস্ত্র ধ্বংস শুরু, ২০১৪ সালের পর প্রথম যাচাইয়ে স্বাগত জানাল জাতিসংঘ রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপের বৈঠক মার্কিন হামলায় ৩ ইরানি সামরিক পাইলট নিহত: আইআরজিসি সুড়ঙ্গের ভেতর থেকে ভেসে আসছে আরো মানুষের কণ্ঠস্বর রেকর্ড ৯৯৫ কোটি টাকায় আল হিলালে ব্রাজিলের মার্তিনেল্লি টিজারের সমালোচনা কাটিয়ে ‘হ্যারি পটার’ ট্রেলারে মুগ্ধ ভক্তরা ইন্দো-প্যাসিফিকে সহযোগিতা জোরদারে দিল্লিতে কোয়াড শেরপাদের বৈঠক কিউবার বিরুদ্ধে ফের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, টার্গেটে কাস্ত্রো পরিবারের সদস্য ও ব্যাংক-জ্বালানি খাত মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার মধ্যে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে সিরিয়ার রাসায়নিক অস্ত্র নিয়ে বৈঠক
Logo
logo

মৃত্যুপুরী গাজার শিশুদের সংগীত শিক্ষক আবু আমশা


খবর   প্রকাশিত:  ০২ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ০৭:৪৬ পিএম

মৃত্যুপুরী গাজার শিশুদের সংগীত শিক্ষক আবু আমশা

আহমেদ আবু আমশা ৪২ বছর বয়সী একজন সংগীত শিক্ষক। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর তাকে উত্তর গাজা উপত্যকার বেইত হানুন থেকে পালাতে হয়েছিল। দক্ষিণ গাজা উপত্যকার খান ইউনিসে বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের জন্য একটি শিবির ও সমুদ্রসৈকতের কাছে তার পরিবারের সঙ্গে আশ্রয় নিতে হয়েছিল। এখন আবু আমশা ফিলিস্তিনি শিশুদের গিটার বাজিয়ে গান গেয়ে ও শিখিয়ে বিনোদন দেওয়ার চেষ্টা করছেন।

 

 

শিশুদের জন্য গাজা যুদ্ধ ভয়াবহ এক পরিস্থিতি নিয়ে এসেছে। ইতিমধ্যে হাজার হাজার শিশুর মৃত্যু হয়েছে ইসরায়েলি হামলায়। অনেক শিশু হারিয়েছে তাদের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ, কেউ পুরো পরিবার হারিয়ে নিঃসঙ্গ হয়ে বেঁচে আছে। কেউ হারিয়েছে বাবা-মা।

অনেক শিশু তাদের মূল্যবান জীবন হারিয়েছে খাবারের অভাবে। খাবারের সংকট, পানির সংকট, নানা রোগ-শোক মিলিয়ে শিশুরা বিভীষিকাময় জীবনযাপন করছে। যে শিশুরা বেঁচে আছে তারা জানে না আগামীকাল তারা বেঁচে থাকবে কি না?

 

এমন পরিস্থিতির মধ্যেই আবু আমশা স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে তরুণ বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের সংগীত শেখাচ্ছেন। শিবিরে আশ্রয় নেওয়া শিশু ও তরুণদের সামান্য বিনোদন দেওয়ার চেষ্টা করছেন।

৭ অক্টোবর ২০২৩ সালে হামাসের নজিরবিহীন হামলার পর যখন যুদ্ধ শুরু হয়, তখন গাজা স্ট্রিপের উত্তরাঞ্চলের একটি স্কুলে আমশা একজন সংগীত শিক্ষক ছিলেন। যুদ্ধ শুরুর পর তাকে দক্ষিণে পালিয়ে আসতে হয়েছিল। 

 

ছবিতে গাজার শিশু ও তরুণদের সঙ্গে আবু আমশা।