NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, জুন ২৫, ২০২৬ | ১১ আষাঢ় ১৪৩৩
Logo
logo

ইন্দোনেশিয়ার নতুন রাজধানীতে মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক


খবর   প্রকাশিত:  ১৩ আগস্ট, ২০২৪, ০৪:২২ পিএম

ইন্দোনেশিয়ার নতুন রাজধানীতে মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক

ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট জোকো উইদোদো সোমবার প্রস্তাবিত নতুন রাজধানী নুসানতারায় প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠক করেছেন। ৩২ বিলিয়ন ডলারের মেগাপ্রকল্পটি সঠিক পথে রয়েছে বলে তিনি বিনিয়োগকারীদের আশ্বস্ত করেন। উইদোদো আগামী অক্টোবরে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দ্বিতীয় ও শেষ মেয়াদ শেষ করবেন।

এদিন বৈঠকে প্রতিরক্ষামন্ত্রীসহ ৩৪ জন মন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন।

ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী বর্তমান জাকার্তার ওপর চাপ কমাতেই প্রেসিডেন্ট জোকো নুসানতারায় একটি বিকল্প রাজধানী প্রতিষ্ঠা করার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। তবে বিদেশি বিনিয়োগ ও নির্মাণকাজে বেশি সময় লাগায় প্রকল্পটি শুরু থেকেই নানা প্রতিকূলতার সম্মুখীন হয়।

 

জোকো উইদোদো সর্বোচ্চ দুই মেয়াদে দায়িত্ব পালনের পর বিদায় নিচ্ছেন। তিনি তার মন্ত্রীদের উদ্দেশে বলেন, নতুন রাজধানী দেশের জন্য একটি ঐতিহাসিক নতুন অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হবে।

 

তিনি আরো বলেন, ‘নতুন রাজধানী নুসানতারা হলো একটি ক্যানভাস, যার ওপর আমরা ভবিষ্যৎ আঁকতে পারি। যেকোনো দেশ চাইলেই শূন্য থেকে নতুন রাজধানী তৈরি করতে পারে না।’

বর্তমান রাজধানী জাকার্তা থেকে প্রায় এক হাজার ২০০ কিলোমিটার দূরে বোর্নিও দ্বীপের একটি বনভূমিতে নতুন রাজধানীটি নির্মিত হচ্ছে।

কৌশলগত কারণ ও দেশের সব অঞ্চলে সমানভাবে অর্থনৈতিক উন্নয়ন করার জন্যই দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ এই প্রকল্পটি হাতে নেয়।

বর্তমানে দেশটির অর্থনৈতিক উন্নয়ন বহুলাংশেই জাভা দ্বীপের ওপর নির্ভরশীল। জিডিপির ৫৮ শতাংশই আসে জাভা দ্বীপ থেকে। 

 

জোকো উইদোদো এই প্রকল্পে পর্যাপ্ত বিদেশি বিনিয়োগ প্রাপ্তির ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী। তিনি বিশ্বাস করেন, নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাওয়া প্রাবোও এই প্রকল্পে কাজ চালিয়ে যাবেন। ২০ অক্টোবর প্রাবোওর দায়িত্ব নেওয়ার কথা রয়েছে।

 

বৈঠক শুরুর আগে প্রাবোও সাংবাদিকদের বলেন, ‘অন্তত আমি এই প্রকল্পের কাজ চালিয়ে যাব। যদি সম্ভব হয় তবে আমি এটি শেষ করব।’ তিনি আরো বলেন, ‘আমরা জানি, নতুন রাজধানী তৈরি করা কোনো সহজ কাজ নয়। এটি একটি সময়সাপেক্ষ ও জটিল কাজ।’