NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬ | ৬ আশ্বিন ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
সব মন্ত্রণালয়ের অভিন্ন প্রশিক্ষণ সিলেবাসের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর রাষ্ট্রপতির সঙ্গে নিউ হোপ গ্লোবালের চেয়ারম্যান ড. ফয়েজ উদ্দিনের সৌজন্য সাক্ষাৎ ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞার পর ৩ সাংবাদমাধ্যমকে হোয়াইট হাউসে প্রবেশে বাধা বাংলাদেশসহ ৮ দেশকে ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সতর্কবার্তা দিলেন গবেষকরা রাফিনিয়ার টানা দ্বিতীয় হ্যাটট্রিকে বার্সেলোনার জয় প্রধানমন্ত্রী নিউইয়র্ক যাচ্ছেন সোমবার মার্কিন বিমান বাহিনীর এফ-১৬ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত চীনে স্বাধীনভাবে ধর্ম পালনে ‘নিষেধাজ্ঞা’, তথ্য দিলেই পুরস্কার এশিয়ান গেমসের সেমিফাইনালে মুখোমুখি ভারত-বাংলাদেশ ক্যাটরিনা কাইফকে বডিশেমিং, প্রতিবাদে সরব আলী জাফর
Logo
logo

সোনা জিতে মহিষ উপহার পেলেন আরশাদ


খবর   প্রকাশিত:  ১৩ আগস্ট, ২০২৪, ০৪:২৩ পিএম

সোনা জিতে মহিষ উপহার পেলেন আরশাদ

প্যারিস অলিম্পিকে দেশকে সোনা এনে দিয়ে এখন পাকিস্তানের জাতীয় হিরো আরশাদ নাদিম। গতকাল দেশে ফেরার পর তাকে নিয়ে বাঁধনহারা উচ্ছ্বাস করেছেন ভক্ত-সমর্থকরা। সোনা এনে দেওয়ার পুরস্কার হিসেবে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন জায়গা থেকে নগদ অর্থমূল্য, গাড়িসহ আরো অনেক গিফট পাচ্ছেন তিনি।

এমনকি দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের জন্য পাকিস্তানের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার ‘হিলাল-ই-ইমতিয়াজ’ পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণাও দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি।

তবে আনুষ্ঠানিকভাবে পাকিস্তানের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পুরস্কার পাওয়ার আগে ব্যতিক্রম এক গিফট পেয়েছেন পাকিস্তানকে প্রথমবারের মতো ব্যক্তিগত ইভেন্টে স্বর্ণ এনে দেওয়া আরশাদ।

 

পুরস্কার হিসেবে মহিষ উপহার পেয়েছেন সোনাজয়ী আরশাদ। অলিম্পিকের রেকর্ড ৯২.৯৭ মিটার বর্শা নিক্ষেপকারী অ্যাথলেটকে পুরস্কারটি দিয়েছেন তার শ্বশুর মুহাম্মদ নওয়াজ। গ্রামের ঐতিহ্য মেনে অত্যন্ত মর্যাদা ও সম্মানের প্রতীক হিসেবে মহিষ উপহার দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন নওয়াজ।

 

মহিষ দেওয়ার বিষয়ে সংবাদমাধ্যমকে নওয়াজ বলেছেন, ‘গ্রামের ঐতিহ্য অনুযায়ী মহিষ উপহার দেওয়া আমাদের এখানে অত্যন্ত মূল্যবান ও সম্মানের। নাদিম সাফল্য পেয়েও গ্রামকে ভুলে যায়নি। তার বাড়ি এখনো গ্রামেই। মা-বাবা ও ভাইয়েদের সঙ্গে এখনো সে গ্রামে থাকে।

 

আর্থিকভাবে অসচ্ছল হলেও শৈশব থেকেই আরশাদ খেলার প্রতি খুবই প্যাশোনেট ছিলেন বলে জানিয়েছেন নওয়াজ। আরশাদের শ্বশুর বলেছেন, ‘ছয় বছর আগে যখন সে আমার মেয়েকে বিয়ে করতে রাজি হয়েছিল তখন সে ছোট একটা জব করত। তবে নিজের খেলার বিষয়ে খুবই প্যাশোনেট ছিল। বাড়ির পাশে এবং মাঠে প্রতিনিয়ত জ্যাভলিন অনুশীলন করত।’