NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, আগস্ট ১৪, ২০২৬ | ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
বাংলাদেশে আল-কায়েদার সেল গঠনের চেষ্টা, সতর্ক করল জাতিসংঘ দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে মির্জা ফখরুল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ইসিতে জমা পড়েছে তিন মনোনয়নিপত্র বিএনপির মহাসচিব পদ থেকে পদত্যাগ মির্জা ফখরুলের, রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ঘোষণা বেলুচিস্তানের স্বাধীনতা দিবস পালন: বিশ্বমঞ্চে সার্বভৌমত্বের জোরালো স্বীকৃতি দাবি বাংলাদেশে মার্কিন বিনিয়োগ বাড়াতে গুরুত্বারোপ হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারির পদ ছাড়ছেন ক্যারোলিন লেভিট তুরস্কে ট্রাম্পের অবস্থান জানত ইরান, ছিল বিমানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পরিকল্পনা প্রথম সেশনেই ৪ উইকেট শিকার বাংলাদেশের, চাপে অস্ট্রেলিয়া
Logo
logo

৭-১ গোলের ট্রাজেডির এক দশক আজ


খবর   প্রকাশিত:  ০৯ জুলাই, ২০২৪, ০২:৩৯ এএম

৭-১ গোলের ট্রাজেডির এক দশক আজ

৮ জুলাই ২০২৪। বেলো হরিজন্তে ট্রাজেডির এক দশক পূর্ণ হলো আজ। ২০১৪ সালের আজকের এই দিনে ব্রাজিল ফুটবলে রচিত হয়েছিল এক কালো অধ্যায়।  বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে সেদিন জার্মানির কাছে ৭-১ গোলে বিধ্বস্ত হয়েছিল সেলেসাওরা।

সেদিনই ব্রাজিলের কপালে লেগে যায় সেভেন আপের তকমা।

 

সেবার ঘরের মাঠে বিশ্বকাপে ব্রাজিলের আত্মবিশ্বাস ছিল তুঙ্গে। টুর্নামেন্টে তখন পর্যন্ত অপরাজিত ব্রাজিল। অপরাজিত ছিল প্রতিপক্ষ জার্মানরাও।

দুর্দান্ত এক সেমিফাইনাল আশা করেছিল ফুটবল বিশ্ব। তবে সেমি ফাইনালের আগে ব্রাজিলের আত্নবিশ্বাসে কিছুটা ভাটা পড়ে কোয়ার্টার ফাইনালে নেইমারের ইনজুরি আর অধিনায়ক সিলভার নিষেধাজ্ঞা। নেইমার-সিলভার অনুপস্থিতিতেও জার্মানির বিপক্ষে স্বাগতিকরা শুরুটা করেছিল আক্রমণাত্মক। সেই আক্রমন থেমে যায় ১১ মিনিটে থমাস মুলার গোল দিলে।
সেই তো শুরু। এরপর মুলার, ক্রুস, খেদিরা ও ক্লোসারা ব্রাজিল গোলপোস্টে রীতিমতো ধ্বংসযজ্ঞ চালায়। তছনছ করে দেয় ব্রাজিল রক্ষণ। ২৯ মিনিটে ম্যাচের স্কোরলাইন হয়ে যায় ৫-০। সেদিন ব্রাজিল ৬ মিনিটে হজম করেছিল ৪ গোল।
দ্বিতীয়ার্ধের ৬৯ ও ৭৯ মিনিটে আরও দুটি গোল করেন জার্মান ফরোয়ার্ড আন্দ্রে হর্স্ট স্কুরেল। এতে স্কোরলাইন দাঁড়ায় ৭-০ তে।। ম্যাচের শেষ মিনিটে ব্রাজিলের হয়ে একমাত্র গোলটি করেন অস্কার (৭-১)। 

 

সেদিন বিশ্বকাপের অন্যতম ফেবারিট ব্রাজিলের সঙ্গে ফুটবল ইতিহাসের কি বিভীষিকাময় ঘটনাই না ঘটেছিল। ব্রাজিল সে ঘটনার রেশ বয়ে বেড়াচ্ছে এখনো। কে জানতো ঘরের মাঠে টানা ৬২ ম্যাচে অপরাজিত সেলেসাওদের হজম করতে হবে ৭-১ গোলের নেক্কারজনক হার। এরপর শুরু। ব্রাজিল আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। মাঝে একবার কোপা, দুই বার অলিম্পিকে সোনা জিতেছে বটে কিন্তু পেলে-গারিঞ্চা, জিকো-সক্রেটিস, রোমারিও-রোনালদো-রিভালদোর ব্রাজিল যেন নিজেকে হারিয়ে খুঁজছে। এরপর একেকটা বিশ্বকাপ আসে, একেকটা কোপা আমেরিকা আসে; আর হতাশায় পুড়তে হয় ব্রাজিলের ফুটবলের ভক্ত-সমর্থকদের।