NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬ | ৭ আশ্বিন ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা করতে যাচ্ছে তিন গণমাধ্যম বৈশ্বিক কূটনীতিতে প্রথম পরীক্ষায় যুক্তরাজ্যের নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম যে ১০ সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার সিনেমা না দেখলেই নয় সব মন্ত্রণালয়ের অভিন্ন প্রশিক্ষণ সিলেবাসের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর রাষ্ট্রপতির সঙ্গে নিউ হোপ গ্লোবালের চেয়ারম্যান ড. ফয়েজ উদ্দিনের সৌজন্য সাক্ষাৎ ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞার পর ৩ সাংবাদমাধ্যমকে হোয়াইট হাউসে প্রবেশে বাধা বাংলাদেশসহ ৮ দেশকে ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সতর্কবার্তা দিলেন গবেষকরা রাফিনিয়ার টানা দ্বিতীয় হ্যাটট্রিকে বার্সেলোনার জয় প্রধানমন্ত্রী নিউইয়র্ক যাচ্ছেন সোমবার
Logo
logo

সমুদ্রে চোরাচালান প্রতিরোধে সহযোগিতা জোরদার করতে চায় অস্ট্রেলিয়া


খবর   প্রকাশিত:  ২২ মে, ২০২৪, ০২:৪১ এএম

সমুদ্রে চোরাচালান প্রতিরোধে সহযোগিতা জোরদার করতে চায় অস্ট্রেলিয়া

সমুদ্র নিরাপত্তা ও চোরাচালান প্রতিরোধে অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার করতে চায় বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওং। তিনি বলেন, সমুদ্র খাতে কোনো দেশই এসব চ্যালেঞ্জ এককভাবে মোকাবিলা করতে পারে না। আমরা এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় একযোগে কাজ করতে আগ্রহী।

মঙ্গলবার (২১ মে) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় যৌথ প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

বিজ্ঞাপন

পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদের সঙ্গে বৈঠক করেন অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রী পেনি ওং। বৈঠক শেষে যৌথ প্রেস ব্রিফিংয়ে বক্তব্য দেন তারা ।

যৌথ প্রেস ব্রিফিংয়ে অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রী পেনি ওং এক প্রশ্নের উত্তরে বলেন, রোহিঙ্গাদের মানবিক সংকটের আমরা সমাধান প্রত্যাশা করি। আমি মনে করি, আপনাদের সরকার যা চায় আমরাও চাই, তা হলো মিয়ানমারের সংঘাতের সমাধান হোক। কেন না রোহিঙ্গারা যেন তাদের প্রত্যাবাসনের আকাঙ্খা উপলব্ধি করতে পারে।

 

তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন প্রভাব মোকাবিলায় আমরা যৌথভাবে কাজ করছি। এখানে পারস্পরিক অংশীদারত্ব এবং সহযোগিতাও প্রয়োজন। অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশি প্রবাসীরা গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। তারা উভয় দেশের জন্যই অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা রাখছে।

যৌথ ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য অস্ট্রেলিয়ার প্রতি আহ্বান জানিয়েছি। এছাড়া কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়নে সহযোগিতা চেয়েছি। আমরা অস্ট্রেলিয়ায় দক্ষ অভিবাসী পাঠাতে চাই। বৈঠকে মানব পাচার প্রতিরোধ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এ খাতে আমরা এক যোগে কাজ করবো বলে জানিয়েছি।

পেনি অং বলেন, মানব পাচার প্রতিরোধ নিয়ে আমরা আলোচনা করেছি। এ খাতে আমরা একযোগে কাজ করব। মেরিটাইম সিকিউরিটি নিয়ে আমরা বিস্তারিত আলোচনা করেছি। এর মধ্যে একটি ছিল-আমাদের কোস্ট গার্ডের মধ্যে গভীর সহযোগিতা। এ খাতে আমরা প্র্যাকটিক্যাল সহযোগিতা ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে কথা বলেছি। আমাদের একসঙ্গে যেমন কাজ করার সুযোগ রয়েছে তেমনি চ্যালেঞ্জও রয়েছে। এর মধ্যে আমরা যতটা সহযোতিার মাধ্যমে কাজ করতে পারি; সেটা আলোচনায় এসেছে।

 

যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, অস্ট্রেলিয়া ও জাপানের জোট কোয়াড নিয়ে আলোচনার বিষয়ে এক প্রশ্নে পেনি অং বলেন, আমরা (অস্ট্রেলিয়া) কোয়াডের সদস্য। আমরা আঞ্চলিক অন্যান্য সংস্থারও সদস্য। আমরা আইওরার সদস্য। অস্ট্রেলিয়া মধ্যম শক্তির দেশ। অস্ট্রেলিয়া সুপার পাওয়ার নয়। আমরা আলোচনার মাধ্যমে সহযোগিতায় বিশ্বাস করি। আমরা ভারত মসাগারীয় অঞ্চলে আইওরায় সহযোগিতা করছি। আমরা আসিয়োনের প্রথম ডায়লগ পার্টনার। অস্ট্রেলিয়ার শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধ ভারতীয় মহাসাগরীয় অঞ্চলে বিশ্বাসী।