NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বুধবার, জুন ২৪, ২০২৬ | ১০ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
‘ক্লাইমেট লিডারশিপ ইন এ শিপটিং গ্লোবাল ল্যান্ডস্ক্যাপ’ সেশনে অংশগ্রহণ উত্তর কোরিয়ার নৌবাহিনীকে পারমাণবিক অস্ত্রে সজ্জিত করার ঘোষণা কিম জং উনের পরমাণু পরিদর্শন ছাড়া চুক্তি নয়, ইরানকে ট্রাম্পের সতর্কতা রোনালদোর স্বরূপে ফেরার রাতে পর্তুগালের গোলোৎসব জন্মদিনে নেই শুভেচ্ছা, ইনস্টাগ্রামেও আনফলো! বিজয়-তৃষার সম্পর্ক কি শেষ? যৌথ প্রতিরক্ষা সহযোগিতা কমিটি গঠনে সম্মত বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া ইরানের তেল রপ্তানির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ব্রিটিশ রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ, কে হচ্ছেন স্টারমারের উত্তরসূরি? হালান্ডের জোড়া গোলে ২৮ বছর পর বিশ্বকাপের নকআউটে নরওয়ে জনপ্রিয়তার শীর্ষে যে ৬ পাকিস্তানি নাটক
Logo
logo

বিতর্কিত নাগরিকত্ব আইন চালু করল ভারত


খবর   প্রকাশিত:  ১৩ মার্চ, ২০২৪, ১১:০৩ এএম

বিতর্কিত নাগরিকত্ব আইন চালু করল ভারত

২০১৯ সালে নরেন্দ্র মোদি সরকারের পাস করা বিতর্কিত সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিটিজেনশিপ অ্যামেন্ডমেন্ট অ্যাক্ট-সিএএ) কার্যকর করল ভারত। কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশে সোমবার থেকে ভারতজুড়ে আইনটি কার্যকর হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র এক বার্তায় বলেছেন, ‘মোদি সরকার নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন বাস্তবায়নের ঘোষণা দিচ্ছে। এ আইন ২০১৯ সালে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নির্বাচনী ম্যানিফেস্টোর অবিচ্ছেদ্য অংশ।

এর আওতায় নিপীড়িতদের ভারতীয় নাগরিকত্ব লাভের পথ সুগম হবে।’

 

 এ আইনে বলা হয়েছে, ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত পাকিস্তান, বাংলাদেশ এবং আফগানিস্তানের মতো মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ থেকে হিন্দু, খ্রিস্টান, শিখ, বৌদ্ধ ও পার্সি সম্প্রদায়ের যেসব মানুষ ধর্মীয় নিপীড়নের মুখে টিকতে না পেরে ভারতে চলে গেছেন, সেইসব শরণার্থীকে ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। তবে এ আইনে মুসলিম সম্প্রদায়ভুক্তদের কথা উল্লেখ না থাকায় আইনটি বৈষম্যমূলক বলে সমালোচিত হয়েছে। এ ছাড়া তামিল উদ্বাস্তুদের বাদ দেওয়া নিয়েও আইনটি দক্ষিণ ভারতে বিতর্কিত হয়েছে।

ভারতে প্রথমবার নাগরিকত্ব আইন পাস হয় ১৯৫৫ সালে। সেই আইন অনুযায়ী, বিদেশ থেকে ভারতে আসা যেসব ব্যক্তি বিগত ১৪ বছরের মধ্যে ১১ বছর ধরে ভারতে বসবাস করছেন এবং অন্তত ১ বছর টানা থেকেছেন, তারা ভারতের নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করলে তা অনুমোদন করা হবে।

 

২০১৯ সালে আইনটি পাসের পর থেকে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে বিক্ষোভ শুরু হয়। বিজেপিবিরোধী বিভিন্ন ভারতীয় দল ছিল সেই বিক্ষোভের নেতৃত্বে।

পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারে ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেসও সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের ব্যাপক বিরোধী। এমনকি দাঙ্গাও বাধে রাজধানী দিল্লিতে। এসব দাঙ্গায় প্রাণ হারিয়েছেন শতাধিক মানুষ। ফলে ভারত সরকার তখন আইনটি চালু করেনি।

 

এবার যেন কোনো প্রকার সহিংসতা না ছড়ায়, সে জন্য সব রাজ্যের পুলিশ বিভাগকে সজাগ থাকার নোটিশ আগেই দিয়েছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

এর আগে গত ১০ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানিয়েছিলেন, লোকসভা ভোটের আগেই সিএএ কার্যকর করার নোটিশ জারি হবে। সেই মতোই কাজ হলো।