NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, আগস্ট ১৪, ২০২৬ | ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
বাংলাদেশে আল-কায়েদার সেল গঠনের চেষ্টা, সতর্ক করল জাতিসংঘ দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে মির্জা ফখরুল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ইসিতে জমা পড়েছে তিন মনোনয়নিপত্র বিএনপির মহাসচিব পদ থেকে পদত্যাগ মির্জা ফখরুলের, রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ঘোষণা বেলুচিস্তানের স্বাধীনতা দিবস পালন: বিশ্বমঞ্চে সার্বভৌমত্বের জোরালো স্বীকৃতি দাবি বাংলাদেশে মার্কিন বিনিয়োগ বাড়াতে গুরুত্বারোপ হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারির পদ ছাড়ছেন ক্যারোলিন লেভিট তুরস্কে ট্রাম্পের অবস্থান জানত ইরান, ছিল বিমানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পরিকল্পনা প্রথম সেশনেই ৪ উইকেট শিকার বাংলাদেশের, চাপে অস্ট্রেলিয়া
Logo
logo

বাংলাদেশি নাদিয়ার লিভারে বেঁচে গেলো আমেরিকান শিশু ডায়নার জীবন


খবর   প্রকাশিত:  ২৭ জানুয়ারী, ২০২৪, ১২:১৪ এএম

বাংলাদেশি নাদিয়ার লিভারে বেঁচে গেলো আমেরিকান শিশু ডায়নার জীবন

নিজের লিভারের একাংশ দান করে এক আমেরিকান শিশুর জীবন বাঁচালেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভুত নিউজার্সি রাজ্যের বাসিন্দা নাদিয়া হোসেন। নাদিয়ার শরীর থেকে অপারেশনের মাধ্যমে লিভারের অংশবিশেষ কেটে তা প্রতিস্থাপন করা হয়েছে শিশু ডায়নার শরীরে। আর এতেই মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরেছে শিশু ডায়না। যুক্তরাষ্ট্রের মিসৌরি ষ্টেট এর সেন্ট লুইস হসপিটালে হয়েছে এ জটিল অপারেশন। উল্লেখ্য, বরিশালের ডা. জাকির হোসেন এবং সিলেটের ফারিয়েল সুলতানা, নাদিয়া হোসেনের গর্বিত পিতা-মাতা।

সম্প্রতি লিভারের জটিলতা নিয়েই পৃথিবীর আলো দেখে শিশু ডায়না। জন্মের পরই তাকে নিতে হয় হাসপাতালের নীবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে। ডাক্তাররা জানালেন লিভার প্রতিস্থাপন না করলে ডায়নাকে বাঁচানো যাবে না। চোখে অন্ধকার দেখতে লাগলেন ডায়নার বাবা, মা। কোথায় পাবেন লিভার? একটা সুস্থ, স্বাভাবিক লিভার কে ডোনেট করবে তাদের সন্তানকে?

মমস রাইজিং নামের একটি সংগঠনের মাধ্যমে আবেদন জানালেন স্যোসাল মিডিয়া প্ল্যাটফরমে। সেই আবেদন চোখে পড়ে নিউজার্সি রাজ্যের বাসিন্দা বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নাদিয়া হোসেনের। তিন সন্তানের জননী নাদিয়া সাথে সাথে সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি শিশুটিকে লিভার ডোনেট করবেন। হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগ করে নিউজার্সি থেকে ফ্লাইট করে ছুটে গেলেন মিসৌরি স্টেট এর সেন্ট লুইস হসপিটালে।

গত ১৯ জানুয়ারি শুক্রবার সেখানে অপারেশনের মাধ্যমে নাদিয়ার শরীর থেকে লিভার এর অংশবিশেষ কেটে তা প্রতিস্থাপন করা হলো শিশু ডায়নার শরীরে।

ধীরে ধীরে সুস্থ হতে থাকলো ডায়না। অপারেশনজনিত ধকল কাটিয়ে স্বাভাবিক হয়ে ওঠেছেন নাদিয়াও। গত ২১ জানুয়ারি রোববার তিনি বাসায় ফিরেছেন। একটি নিষ্পাপ শিশুর জীবন রক্ষায় দুঃসাহসী মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করায় কমিউনিটির প্রসংশায় ভাসছেন নাদিয়া হোসেন।