NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, মঙ্গলবার, জুন ২৩, ২০২৬ | ৯ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
যৌথ প্রতিরক্ষা সহযোগিতা কমিটি গঠনে সম্মত বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া ইরানের তেল রপ্তানির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ব্রিটিশ রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ, কে হচ্ছেন স্টারমারের উত্তরসূরি? হালান্ডের জোড়া গোলে ২৮ বছর পর বিশ্বকাপের নকআউটে নরওয়ে জনপ্রিয়তার শীর্ষে যে ৬ পাকিস্তানি নাটক মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক চলছে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হলেও রয়েছে বড় চ্যালেঞ্জ সুইজারল্যান্ডে নতুন দফা আলোচনা, ইরানকে আবারও হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের কাতারে গ্যাস কারখানায় বিস্ফোরণে আহত ৫৪, নিখোঁজ ১৮ আবার কেপ ভার্দের চমক, এবার উরুগুয়ের জালে ২ গোল
Logo
logo

ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থান দিবস আজ


খবর   প্রকাশিত:  ২৪ জানুয়ারী, ২০২৪, ০৮:৫২ এএম

ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থান দিবস আজ

ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থান দিবস আজ বুধবার। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। এতে রাষ্ট্রপতি বলেছেন, ‘ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ মতিউরসহ অন্য শহীদদের রক্ত বৃথা যায়নি। গণ-অভ্যুত্থানের ফলে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহারসহ রাজবন্দিদের মুক্তি এবং প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খানের ক্ষমতা হস্তান্তর ছিল বাঙালির মুক্তি আন্দোলনে একটি মাইলফলক।

গণ-অভ্যুত্থানের পথ ধরেই আমরা পেয়েছি স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক অধিকার।’

 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান বাংলাদেশের ইতিহাসে এক তাত্পর্যপূর্ণ অধ্যায়। বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন, বাঙালির মুক্তি সনদ ছয় দফা, পরবর্তী সময়ে ১১ দফা ও ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানের ধারাবাহিকতায় সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমরা অর্জন করেছি মহান স্বাধীনতা। পেয়েছি স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র বাংলাদেশ।

 

তবে ইতিহাসের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া সেই ঘটনার ৫৪ বছর পরও গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয়ভাবে তেমন কাজ হয়নি। শহীদ ও নিহতদের নেই কোনো রাষ্ট্রীয় হিসাব। শহীদদের স্মরণে নেই কোনো কেন্দ্রীয় স্মৃতিস্তম্ভও। সরকারি ও ব্যক্তি পর্যায়ে গবেষণার প্রকট ঘাটতি চোখে পড়ার মতো।

এমন প্রেক্ষাপটে আজ পালিত হচ্ছে গণ-অভ্যুত্থান দিবস।

 

এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ও গবেষক মেসবাহ কামাল কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘এত গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয় আমাদের দেশের রাজনৈতিক ডিসকোর্স ও ইতিহাসচর্চায় এটা যথেষ্ট গুরুত্ব পায়নি। ঊনসত্তরের শহীদদের স্মরণে একটি জাতীয় স্মৃতিস্তম্ভ হওয়া দরকার।’

লেখক, গবেষক ও মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি মফিদুল হক বলেন, ‘এই প্রশ্ন (গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে যথেষ্ট গবেষণা ও কাজ না হওয়া) ওঠাটা খুবই সংগত। আমাদের গবেষণায় অনেক অচিহ্নিত ও অজানা জায়গা রয়ে গেছে।

আমাদের গবেষণায় মনোযোগী হতে হবে। এখন গবেষণাটা কিন্তু নতুন প্রজন্মকে করতে হবে।’

 

এ বিষয়ে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক এর আগে কালের কণ্ঠকে বলেছিলেন, ‘ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের কোনো রাষ্ট্রীয় হিসাব আছে বলে আমার জানা নেই। তাঁদের নাম ও স্মৃতি সংরক্ষণের উদ্যোগ অবশ্যই নেওয়া উচিত। এটা রাষ্ট্রের দীনতা যদি তার ইতিহাস সে সংরক্ষণ না করে।