NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, মে ১৭, ২০২৬ | ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
আজ চাঁদপুর যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, অংশ নেবেন যেসব কর্মসূচিতে মারা গেছেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর কারিনা কায়সার অচলাবস্থা কাটেনি, ট্রাম্প-শি বৈঠকের পর ইউরোপীয় শেয়ারবাজারে বড় পতন বিশ্বকাপ ফাইনালের হাফটাইম শোতে মঞ্চ মাতাবেন শাকিরা-ম্যাডোনা-বিটিএস সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স-এর সমর্থন পেলেন শামসুল হক জ্বালানি সহযোগিতায় বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের সমঝোতা স্মারক সই শান্তি প্রতিষ্ঠা, টেকসই উন্নয়ন ও বহুপাক্ষিক সহযোগিতায় বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত জ্বালানি সহযোগিতায় বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা স্মারক সই ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি চীনও সমর্থন করে না, দাবি ট্রাম্পের মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের ডাকে সাড়া দিলেন ব্যবসায়ীরা
Logo
logo

আখেরি চাহার শোম্বা আজ


খবর   প্রকাশিত:  ২১ এপ্রিল, ২০২৫, ০৭:৪২ এএম

আখেরি চাহার শোম্বা আজ

পবিত্র আখেরি চাহার শোম্বা আজ। এই দিনে নবিজি (স.) শেষবারের মতো রোগ থেকে মুক্ত হয়ে আল্লাহর শোকর আদায় করেছিলেন বলে প্রতিবছর মুসলমানরা শুকরিয়ার দিবস হিসেবে দিনটি পালন করে থাকেন।

এ উপলক্ষ্যে আজ বাদ জোহর ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে আলোচনা সভা ও দোয়া মোনাজাতের আয়োজন করা হয়েছে। এতে সভাপতিত্ব করবেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক মোহা. বশিরুল আলম।

আখেরি চাহার শোম্বা মূলত ফার্সি পরিভাষা। ফার্সি শব্দ আখেরি অর্থ শেষ। চাহার অর্থ সফর মাস এবং শোম্বা অর্থ বুধবার। অর্থাৎ সফর মাসের শেষ বুধবারে হজরত মোহাম্মদ (সা.)-এর সাময়িক সুস্থতাকে স্মরণ করে মুসলমানরা যে ইবাদত করেন, তাই আখেরি চাহার শোম্বা।

এ বিষয়ে ইসলামী শরিয়তে সুনির্দিষ্ট কোনো নির্দেশনা নেই। জানা গেছে, ২৩ হিজরির শুরুতে হজরত মোহাম্মদ (সা.) গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। ক্রমেই তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় ইমামতি পর্যন্ত করতে পারেননি। ২৮ সফর মহানবী (সা.) সুস্থ হয়ে ওঠেন।

২৯ সফর তিনি আবার অসুস্থ হয়ে পড়েন। এর মাত্র কয়েক দিন পর ১২ রবিউল আউয়াল ইহকাল ত্যাগ করেন মানবতার মুক্তিদূত হজরত মোহাম্মদ (স.)।

পৃথিবীর সব মুসলিম যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যে এই দিনটি স্মরণ না করলেও বাংলাদেশসহ ভারত উপমহাদেশের মুসলিমরা এই দিন বিশেষভাবে পালন করেন। পারসিক প্রভাবিত এই এলাকার ইসলাম ও মুসলিম সংস্কৃতির অন্যতম বিষয় আখেরি চাহার শোম্বা। কারণ, এ অঞ্চলের সুফিরা এবং দিল্লির শাসকরা রাজকীয় পৃষ্ঠপোষকতায় দিনটি পালন করতেন। ফলে ধীরে ধীরে দিনটি ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে পালন করা এই এলাকার মুসলিমদের ধর্মীয় জীবনের অংশ হয়ে ওঠে।