NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, মঙ্গলবার, জুলাই ১৪, ২০২৬ | ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ঢাকার ৪১৬ বছর পূর্তিতে ‘ঢাকা উৎসব’, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে ১০ লাখ ডলারের বেশি অনুদান যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটর গ্রাহামের সম্মানে মার্কিন পতাকা অর্ধনমিত রাখার নির্দেশ ট্রাম্পের চড়া মূল্যে বিক্রি হচ্ছে টেইলর সুইফটের বিয়ের ‘আবর্জনা’! ইতিহাস বলছে আর্জেন্টিনা ফাইনাল খেলবে পানিবন্দি মানুষের জীবন-সম্পদ রক্ষায় মাঠ প্রশাসনকে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ নির্দেশনা স্বামীর গুলিতে প্রাণ হারালেন গুগলে কর্মরত ভারতীয় নারী প্রতারণার মামলায় তানজিন তিশাকে আদালতে হাজিরের নির্দেশ বছরের পর বছর জয়ের ধারা ধরে রাখা সহজ নয় : মেসি প্রধানমন্ত্রী সার্বক্ষণিক বন্যা পরিস্থিতি মনিটর করছেন : মাহদী আমিন
Logo
logo

কানাডায় প্রবাসীদের বার্ষিক বনভোজন


খবর   প্রকাশিত:  ২৯ নভেম্বর, ২০২৩, ০৮:৫৫ এএম

কানাডায় প্রবাসীদের বার্ষিক বনভোজন

কানাডার কেলগেরী শহরে প্রবাসী বাংলাদেশিদের বার্ষিক বনভোজন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শহরের কর্মব্যস্ত জীবনের ফাকে গ্রীষ্মের মনোরম আবহাওয়ায় শিশু, কিশোর, তরুণ-তরুণী আর বয়োবৃদ্ধসহ সর্বস্তরের প্রবাসী বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণে এ যেন ছিল এক আবেগঘন আনন্দ আয়োজন।

কানাডার কেলগেরী শহরে এডঅর্থি পার্কের সবুজ বনায়নে দিনব্যাপী আয়োজিত অনুষ্ঠানে শিশু, কিশোর, পুরুষ, নারীরা বিভিন্ন ইভেন্টে অংশগ্রহণ করেন।

বাংলাদেশ কানাডা এসোসিয়েশন অব কেলগেরী (বিসিএওসি) আয়োজিত বার্ষিক বনভোজনে সকালের নাস্তা, মধ্যাহ্নভোজ আর ডিনারের মাধ্যমে দিনব্যাপী আয়োজনে কারো যেন কোন ক্লান্তি ছিল না। এর পাশাপাশি কমিউনিটির মানুষের মধ্যে দলে দলে আড্ডা আর গল্পে মুখরিত হয়ে উঠেছিল সবুজ শ্যামল বনায়নে পরিবেষ্টিত বিশালাকার পিকনিক স্পট।

বিশিষ্ট রবীন্দ্র সংগীতশিল্পী, অন্যতম কমিউনিটি সংগঠক, খাদ্য ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত ড. রিতা কর্মকার বলেন, প্রতি বছর আমি এ দিনটির অপেক্ষায় থাকি। এই মিলনমেলায় আমি বাঙালির সমাজ, সংস্কৃতি আর তার গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্যকে খুঁজে পাই।

বিসিএওসির সভাপতি কয়েস চৌধুরী বলেন, নতুন প্রজন্মকে আমাদের সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে এটি আমাদের ধারাবাহিক প্রচেষ্টা। বিশাল আয়োজনের এই অনুষ্ঠান সফল করে তোলার জন্য তিনি কমিউনিটির সকল সদস্যদের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

সাধারণ সম্পাদক শুভ্র দাস বলেন, বিসিএওসি আয়োজিত প্রতিটি অনুষ্ঠানে কেলগেরীর বাংলাদেশি কমিউনিটির অব্যাহত সমর্থন ও সহযোগিতা আমাদের হৃদয়ে এক ভিন্ন রকম আনন্দ ভালোবাসার জন্ম দেয়। রাত-দিন কাজ করলেও আমাদের চোখে মুখে ক্লান্তির কোন চাপ নেই।