NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬ | ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
জাতিসংঘে দূরদর্শী ভাষণের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন বাংলাদেশকে নিয়ে ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্পের পোস্ট ইতালির স্কুলে নিষিদ্ধ হচ্ছে বোরকা-নিকাব, বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যাতেও সীমা গাজায় নিজেদের ড্রোন বিস্ফোরণে দুই ইসরায়েলি সেনা নিহত বানসালির ‘লাভ অ্যান্ড ওয়ার’-এর পোস্টারে নতুন লুকে রণবীর বাংলাদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার আধুনিকায়ন নিয়ে আলোচনা কেন জাতিসংঘে ভাষণের মাঝে মেলানিয়াকে খুঁজলেন ট্রাম্প নিউইয়র্কে বোয়িংয়ের সঙ্গে ১১ উড়োজাহাজের চুক্তি বিমানের ভিসা জালিয়াতির তথ্য জানাতে অনলাইন পোর্টাল চালু করল যুক্তরাষ্ট্র বোয়িংয়ের আরও ১১ উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি
Logo
logo

দেশের উন্নয়নে ব্রিটিশ-বাংলাদেশি কমিউনিটিকে সম্পৃক্ত করার আহ্বান


খবর   প্রকাশিত:  ২৪ জানুয়ারী, ২০২৫, ০৫:২৪ এএম

দেশের উন্নয়নে ব্রিটিশ-বাংলাদেশি কমিউনিটিকে সম্পৃক্ত করার আহ্বান

বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় ব্রিটিশ-বাংলাদেশি কমিউনিটিকে সম্পৃক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন বক্তারা। বৃহস্পতিবার লন্ডনেরি রেডব্রিজ সেন্ট্রাল লাইব্রেরিতে আয়োজিত এক সংলাপে এ আহ্বান জানানো হয়। 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতি বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমান। ইলফোর্ড টাউন কাউন্সিলর ও রেডব্রিজ লেবার গ্রুপের চেয়ার সায়মা আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংলাপে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সেন্টার ফর বাংলাদেশ স্টাডিজের পরিচালক ব্যারিস্টার প্রশান্ত ভূষণ বড়ুয়া। যুক্তরাজ্যে বেড়ে ওঠা বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত দ্বিতীয় ও তৃতীয় প্রজন্মের তরুণদের প্রশ্ন এবং বাংলাদেশ ভাবনা দিয়ে শুরু হওয়া এই সংলাপে বিভিন্ন সেক্টরে অসামান্য অবদান রাখা পেশাজীবী ও কমিউনিটি ব্যক্তিবর্গ অংশ নেন।

প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমান বলেন, ডায়াস্পোরা কমিউনিটি বা প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে সরকারের নীতিনির্ধারকদের এ ধরনের সংলাপ বা চিন্তার আদান-প্রদান অত্যন্ত জরুরি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রবাস-বান্ধব নীতিসহ বাংলাদেশের সামগ্রিক অগ্রযাত্রার চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, ঐতিহাসিকভাবে ব্রিটিশ-বাংলাদেশি কমিউনিটি আমাদের সব ধরনের সংকটে অবদান রেখে এসেছে। প্রবাসীদের যৌক্তিক দাবি-দাওয়া পূরণসহ তাদের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতে পারলে বাংলাদেশের উন্নয়ন বেগবান হবে।

অন্যদিকে বিনিয়োগ, শিক্ষা-গবেষণা এবং সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানের মধ্য দিয়ে তরুণ প্রজন্মের ব্রিটিশ-বাংলাদেশিদের শেকড়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত করার অনুকূল পরিবেশ সরকারকেই সৃষ্টি করতে হবে বলে অভিমত ব্যক্ত করেন অংশগ্রহণকারীরা।