NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, আগস্ট ১৬, ২০২৬ | ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
আজ ১৫ আগস্ট সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ‘অগ্রগতি হলে জানানো হবে’, প্রধানমন্ত্রীর সফর নিয়ে বলল দিল্লি খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন আজ হরমুজ প্রণালিকে যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ড করা হবে : ট্রাম্প শোকাবহ ১৫ আগস্ট আজ ডালাস-ফোর্ট ওর্থ বিমানবন্দরে অজুর বিশেষ ব্যবস্থা: চলতি বছরের শেষেই চালু হচ্ছে নতুন প্রকল্প প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গণিত অলিম্পিয়াডে পদকজয়ীদের সাক্ষাৎ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন ব্যবসায়ীদের আলোচনা, বাণিজ্য-বিনিয়োগ বাড়াতে আগ্রহ উত্তরাখণ্ডে নির্মাণাধীন সুড়ঙ্গে ধস, নিহত ৬ কোন ছবির জন্য পারিশ্রমিক বাড়ালেন শ্রদ্ধা কাপুর?
Logo
logo
কোরআন পোড়ানোর ঘটনা

জাতিসংঘ মহাসচিবের কাছে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের নিন্দা


খবর   প্রকাশিত:  ০৫ ডিসেম্বর, ২০২৩, ০৫:৩৯ পিএম

জাতিসংঘ মহাসচিবের কাছে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের নিন্দা

ঢাকা: “বিশ্বব্যাপী মুসলমানদের পবিত্র মূল্যবোধকে অবমাননা করে কিছু দেশে প্রকাশ্যে পবিত্র কোরআনের কপি পোড়ানোর ঘটনায় আমরা তীব্র নিন্দা জানাই”। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের সঙ্গে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে ওআইসি গ্রুপের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে সাক্ষাৎকালে এ মন্তব্য করেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ আব্দুল মুহিত। 

বাংলাদেশের নেতৃত্বে উক্ত বৈঠকে ওআইসির সদস্য রাষ্ট্রের মধ্যে মিশর, সৌদি আরব, মৌরিতানিয়া ও পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত পর্যায়ের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

এ  সময় ওআইসির পক্ষ থেকে রাষ্ট্রদূত মুহিত জাতিসংঘ মহাসচিবকে বলেন, ‘পবিত্র কোরআন পোড়ানোর এই ঘৃণ্য কাজটি শুধু বিশ্বব্যাপী মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিকেই গভীরভাবে আঘাত করেনি, বরং এটি মত প্রকাশের স্বাধীনতা, ধর্মীয় সহনশীলতা এবং ব্যক্তি বিশ্বাসের নীতিরও পরিপন্থী।’

 

তিনি আরো বলেন, ‘এই ধরণের ধর্মীয় বিদ্বেষের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তা সহিংসতার জন্ম দিতে পারে এবং বিভিন্ন দেশে শান্তি ও নিরাপত্তাকে অস্থিতিশীল করতে পারে। এই প্রেক্ষাপটে রাষ্ট্রদূত মুহিত  মিয়ানমারের রোহিঙ্গা মুসলিমদের কথা তুলে ধরেন যারা ধর্মীয় ও জাতিগত বিদ্বেষের স্বীকার হয়ে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে।’

রাষ্ট্রদূত মুহিত জাতিসংঘ মহাসচিবকে ইসলামফোবিয়া, বিদ্বেষপূর্ণ বক্তব্য এবং পবিত্র কোরআন ও অন্যান্য ধর্মীয় প্রতীক অবমাননাসহ সকল ধরনের ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা মোকাবেলায় জাতীয় পর্যায়ে প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জাতিসংঘের সকল সদস্য রাষ্ট্রকে অনুরোধ করার আহ্বান জানান।

জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস ওআইসি সদস্যদের সঙ্গে গভীর সংহতি প্রকাশ করেন এবং ধর্মীয় বিদ্বেষমূলক এই জঘন্য ঘটনায়  তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করেন।

তিনি ওআইসি প্রতিনিধিদের আশ্বস্ত করেন, ভবিষ্যতে এই ধরনের ধর্মবিরোধী ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে বিশ্বব্যাপী চলমান প্রচেষ্টাকে জোরালোভাবে সমর্থন করার জন্য তিনি তার অবস্থান থেকে যথাসাধ্য চেষ্টা চালিয়ে যাবেন।

 

উল্লেখ্য, ইতোপূর্বে রাষ্ট্রদূত মুহিতের নেতৃত্বে ওআইসির প্রতিনিধিগণ ১৪ জুলাই ২০২৩ তারিখে সাধারণ পরিষদের সভাপতি সাবা কোরোসি এবং ২০ জুলাই ২০২৩ তারিখে নিরাপত্তা পরিষদের প্রেসিডেন্ট রাষ্ট্রদূত ডেম বারবারা উডওয়ার্ডের সঙ্গে দেখা করেন। উক্ত বৈঠক সমূহেও তারা একই ধরণের উদ্বেগ ও নিন্দা জ্ঞাপন করেন।