NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, আগস্ট ১৩, ২০২৬ | ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
জনগণ অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হলেই রাষ্ট্র শক্তিশালী হবে : প্রধানমন্ত্রী খাবারের ভ্যানে বিমান বদলেছিলেন ট্রাম্প! লোহিত সাগরে জাহাজে হুতির হামলায় নিহত ৩ হাইড্রেশন ব্রেক রেখে দিতে চায় ফিফা জ্যাকসন হাইটসে বঙ্গবন্ধুর ৫১তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হবে ১৫ আগস্ট বেলুচিস্তানের স্বঘোষিত স্বাধীনতা দিবস আজ: বিশ্বজুড়ে বেলুচদের নানা কর্মসূচি শহীদদের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে দায়িত্বশীল আচরণের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশসহ অংশীদার দেশগুলোর সঙ্গে বন্ধুত্ব আরো জোরদারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড়ের শর্তে হরমুজ খোলার ঘোষণা ইরানের বিপুল ক্ষতির মুখে ট্রাম্পের ‘ট্রুথ সোশ্যাল’
Logo
logo

ফের বিতর্কে জড়ালেন রূপঙ্কর বাগচি


খবর   প্রকাশিত:  ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫, ০৮:৪৩ এএম

>
ফের বিতর্কে জড়ালেন রূপঙ্কর বাগচি

বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না সঙ্গীতশিল্পী রূপঙ্কর বাগচির। কিছুদিন আগেই কেকে’র বিতর্কে জড়িয়েছিলেন। এবার তার বিরুদ্ধে উঠল গান চুরি করার।

উঠতি গায়িকা মনোরমা ঘোষাল কলকাতার একটি থানায় তার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ এনেছেন। শুধু রূপঙ্করই নয়, সঙ্গীত আয়োজক পার্থ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধেও অভিযোগ এনেছেন মনোরমা।

মনোরমার দাবি, ২০২১ সালের নভেম্বরে তার সঙ্গে যোগাযোগ হয় পার্থ বন্দ্যোপাধ্যায়ের। যে গানটি নিয়ে অভিযোগ উঠেছে, সেই গানটি হলো, ‘সাগর তুমি কেন ডাকো’। এই গানের প্রথম ঝলক প্রকাশিত হয় গত নভেম্বরে। সেই সময় প্রথম কিস্তিতেই ১০ টাকা মনোরমা দিয়েছিলেন পার্থকে। এরপর গত ১২ই ডিসেম্বর গানটি মুক্তি পায় ইউটিউবে। সেই সময় ২৮ হাজার টাকা দিয়ে ওই গানটি পার্থ বন্দ্যোপাধ্যায়ের থেকে কিনেছিলেন বলে দাবি মনোরমার।

কিন্তু সপ্তাহখানেক আগেই নাকি তার গানটি ইউটিউব থেকে তুলে নেওয়ার কথা তাকে বলেন পার্থ। তিনি জানান যে এই গানটি নাকি রূপঙ্কর বাগচি গেয়েছেন। মনোরমার দাবি, এই বিষয়ে তিনি রূপঙ্কর বাগচির সঙ্গে কথাও বলেছেন। মনোরমার কথায়, এমন নীতি বিরুদ্ধ কাজ মেনে নিতে পারবেন না তিনি।

এ এক সংবাদমাধ্যমে রূপঙ্কর বলেন,আমি এমন অনেক অ্যালবামে গান করি। যে চ্যানেল থেকে এই গান মুক্তি পেয়েছে, তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

মনোরমার দাবি, ওই গানটির জন্য তার মোট ৪৮ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। তার গানটি মুক্তি পেয়েছিল গত বছরের ডিসেম্বরে। আর ইউটিউবে দেখা যাচ্ছে যে রূপঙ্করের গানটি মুক্তি পেয়েছে গতকাল অর্থাৎ বুধবার। মনোরমার কথায়, এরপর থেকেই তার ইউটিউব চ্যানেলের গানটি উধাও হয়ে যায়। তিনি এও দাবি করেন যে তার চ্যানেলের সবকিছুই পার্থর জানা ছিল। পার্থই নিশ্চয় অবাঞ্ছিত কিছু করেছেন।

এ বিষয়ে পার্থের বক্তব্য, আইনত কোনোভাবেই মনোরমাকে ওই গান বিক্রি করা হয়নি। আমাকে উনি পাঁচ হাজার টাকা দিয়েছিলেন। বাকি টাকা যদি কাউকে দিয়ে থাকেন, আমি বলতে পারব না। উনি ভাল করে গানটি গাইতে পারেননি। তখন আমরা রূপঙ্করদার দ্বারস্থ হই। এখানে ওর (রূপঙ্কর) কোনো দোষ নেই।