NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, আগস্ট ১৬, ২০২৬ | ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
আজ ১৫ আগস্ট সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ‘অগ্রগতি হলে জানানো হবে’, প্রধানমন্ত্রীর সফর নিয়ে বলল দিল্লি খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন আজ হরমুজ প্রণালিকে যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ড করা হবে : ট্রাম্প শোকাবহ ১৫ আগস্ট আজ ডালাস-ফোর্ট ওর্থ বিমানবন্দরে অজুর বিশেষ ব্যবস্থা: চলতি বছরের শেষেই চালু হচ্ছে নতুন প্রকল্প প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গণিত অলিম্পিয়াডে পদকজয়ীদের সাক্ষাৎ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন ব্যবসায়ীদের আলোচনা, বাণিজ্য-বিনিয়োগ বাড়াতে আগ্রহ উত্তরাখণ্ডে নির্মাণাধীন সুড়ঙ্গে ধস, নিহত ৬ কোন ছবির জন্য পারিশ্রমিক বাড়ালেন শ্রদ্ধা কাপুর?
Logo
logo

৩০ কোটি টাকার দুর্নীতি মামলার আসামি আপন জুয়েলার্সের মালিক


খবর   প্রকাশিত:  ১১ এপ্রিল, ২০২৫, ০৭:৪০ এএম

৩০ কোটি টাকার দুর্নীতি মামলার আসামি আপন জুয়েলার্সের মালিক

৩০ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের অভিযোগে আপন জুয়েলার্সের মালিক গুলজার আহমেদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বৃহস্পতিবার (৬ জুলাই) দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে সংস্থাটির সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ নেয়ামুল আহসান গাজী বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। দুদকের ঊর্ধ্বতন একটি সূত্র ঢাকা পোস্টকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গুলজার আহমেদের কর্তৃক দুদকের দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে ১ কোটি ৬১ লাখ ৫০ হাজার ৪৮০ সম্পদের তথ্য প্রদর্শন না করে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য দেওয়াসহ মোটি ৩০ কোটি ৫৩ লাখ ৮৫ হাজার ৮৪৯ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে। দুদকের দায়ের করা মামলায় তার বিরুদ্ধে দুদক আইন ২০০৪ এর ২৬(২) এবং ২৭(১) ধারায় মামলাটি দায়ের করা হয়।

দুদক সূত্রে জানা যায়, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ও প্রাথমিক অনুসন্ধানের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ২০১৭ সালের মে ও জুন মাসের বিভিন্ন সময়ে আপন জুয়েলার্সের পাঁচটি শোরুম থেকে অবৈধ ১৫ মণ স্বর্ণ ও হীরার অলঙ্কার জব্দ করে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। ওই স্বর্ণ কেলেঙ্কারির পর প্রতিষ্ঠানটির মালিকদের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনজনিত দুর্নীতির বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নিতে শুল্ক গোয়েন্দা থেকে চিঠি পাঠানোর পর দুদকে কার্যক্রম শুরু হয়। দুদকের অনুসন্ধান শুরুর ৬ বছর ওই মামলা দায়ের করলো দুদক।

২০১৭ সালের ৮ জুন ও ১২ আগস্ট যথাক্রমে আপন জুয়েলার্সের বিরুদ্ধে দ্য কাস্টমস অ্যাক্ট, ১৯৬৯ ও মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে ১০ মামলা দায়ের করেছিল শুল্ক গোয়েন্দা।