NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, আগস্ট ১৫, ২০২৬ | ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
আজ ১৫ আগস্ট সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ‘অগ্রগতি হলে জানানো হবে’, প্রধানমন্ত্রীর সফর নিয়ে বলল দিল্লি খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন আজ হরমুজ প্রণালিকে যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ড করা হবে : ট্রাম্প শোকাবহ ১৫ আগস্ট আজ ডালাস-ফোর্ট ওর্থ বিমানবন্দরে অজুর বিশেষ ব্যবস্থা: চলতি বছরের শেষেই চালু হচ্ছে নতুন প্রকল্প প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গণিত অলিম্পিয়াডে পদকজয়ীদের সাক্ষাৎ পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন ব্যবসায়ীদের আলোচনা, বাণিজ্য-বিনিয়োগ বাড়াতে আগ্রহ উত্তরাখণ্ডে নির্মাণাধীন সুড়ঙ্গে ধস, নিহত ৬ কোন ছবির জন্য পারিশ্রমিক বাড়ালেন শ্রদ্ধা কাপুর?
Logo
logo

এশিয়ার সেরা ১০০ বিজ্ঞানীর তালিকায় দুই বাংলাদেশি


খবর   প্রকাশিত:  ০৮ জানুয়ারী, ২০২৪, ১০:৩৪ এএম

এশিয়ার সেরা ১০০ বিজ্ঞানীর তালিকায় দুই বাংলাদেশি

ঢাকা: গবেষণায় বিশেষ অবদানের জন্য এশিয়ার সেরা ১০০ বিজ্ঞানীর তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন বাংলাদেশের দুই নারী। তাঁরা হলেন চাইল্ড হেলথ রিসার্চ ফাউন্ডেশনের (সিএইচআরএফ) বিজ্ঞানী সেঁজুতি সাহা এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক গাউসিয়া ওয়াহিদুন্নেসা চৌধুরী।

সম্প্রতি সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সাময়িকী ‘এশিয়ান সায়েন্টিস্ট’ ২০২৩ সালে এশিয়ার সেরা ১০০ বিজ্ঞানীর তালিকা প্রকাশ করে। সেখানেই জায়গা করে নিয়েছেন এই দুজন।

 

দেশের অন্যতম শীর্ষ বিজ্ঞানী সেঁজুতি সাহা লাইফ সায়েন্সে ভূমিকা রাখায় তালিকায় জায়গা পেয়েছেন। বৈশ্বিক স্বাস্থ্য গবেষণায় সমতা অর্জনে চ্যাম্পিয়ন হিসেবে ভূমিকা রাখছেন তিনি। তাঁর দলই প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের জিন নকশা উন্মোচন করে। এ ছাড়া চিকুনগুনিয়া ভাইরাস যে শুধু রক্তে নয়, শিশুদের মস্তিষ্কে ছড়িয়ে মেনিনজাইটিস রোগ সৃষ্টি করতে পারে, তা উন্মোচন করেছেন সেঁজুতি সাহা।

 

আরেক বাংলাদেশি বিজ্ঞানী গাউসিয়া ওয়াহিদুন্নেসা চৌধুরী ‘সাসটেইনেবিলিটি’ খাতে অবদানের জন্য তালিকায় স্থান পেয়েছেন। জলজ বাস্তুতন্ত্র ও বিপন্ন প্রজাতির প্রাণী সংরক্ষণে অবদানের জন্য ২০২২ সালে ওডাব্লিউএসডি-এলসেভিয়ার ফাউন্ডেশন অ্যাওয়ার্ড পান তিনি। এ ছাড়া প্লাস্টিক দূষণের ঝুঁকি নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে কাজ করেন তিনি। মাছ ধরার পরিত্যক্ত জাল দিয়ে কিভাবে কার্পেটের মতো পণ্য বানানো যায়, তা শেখানোর মাধ্যমে গরিব ও প্রান্তিক নারীদের ক্ষমতায়নে ভূমিকা রাখছেন এই বিজ্ঞানী।

এর মাধ্যমে ওই নারীদের জন্য বিকল্প আয়ের উৎস তৈরির পাশাপাশি জলজ বাস্তুতন্ত্র রক্ষায় অবদান রাখছেন। তিনি জুওলজিক্যাল সোসাইটি অব বাংলাদেশের সদস্য।

 

‘এশিয়ান সায়েন্টিস্ট’ সাময়িকী জানিয়েছে, এই তালিকায় এমন সব গবেষক স্থান পেয়েছেন, যাঁরা নিজ নিজ ক্ষেত্রে অনন্য কাজের মাধ্যমে মানুষের জীবন ও পরিবেশের উন্নতিতে অবদান রাখছেন। এশিয়ার গবেষকরা বড় স্বপ্ন দেখা অব্যাহত রেখেছেন এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সেবা করে যাচ্ছেন। নিজের দলের সহায়তায় বাধা পেরিয়ে বিশাল সাফল্য অর্জন করেছেন তাঁরা।

 

এর মধ্যে মালয়েশিয়ায় গত এক দশকে নতুন করে এইআইভি/এইডস সংক্রমণের হার ৫০ শতাংশে নামিয়ে আনা, বাংলাদেশি শিশুদের মধ্যে চিকুনগুনিয়া ভাইরাস ও মেনিনজাইটিসের সংযোগ শনাক্ত করা অন্যতম।