যুদ্ধবিধ্বস্ত ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় মানবিক পরিস্থিতি এখনো অত্যন্ত ভয়াবহ অবস্থায় রয়েছে। সেখানে অধিকাংশ মানুষ বাস্তুচ্যুত অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছে।
আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে সংস্থাটি জানায়, গাজার বিভিন্ন আবাসিক এলাকায় এখনো বিমান হামলা, গোলাবর্ষণ ও গুলির ঘটনা ঘটছে। ফলে বহু এলাকা বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।
এক বিবৃতিতে ওসিএইচএ জানায়, গাজায় মৌলিক সেবার প্রবেশাধিকার অত্যন্ত সীমিত। বিশুদ্ধ পানির সরবরাহ অনিয়মিত হয়ে পড়েছে এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে।
বিশেষ করে ইঁদুরসহ বিভিন্ন রোগবাহী উপদ্রব পরিস্থিতিকে আরো জটিল করে তুলছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
লজিস্টিকস ক্লাস্টারের তথ্য অনুযায়ী, মে মাসের প্রথম ১১ দিনে মিসর থেকে আসা প্রতি দুইটি ত্রাণবাহী ট্রাকের মধ্যে মাত্র একটি ইসরায়েল নিয়ন্ত্রিত সীমান্ত ক্রসিংয়ে পণ্য খালাস করতে সক্ষম হয়েছে।
ওসিএইচএ বলেছে, জরুরি যন্ত্রপাতির খুচরা যন্ত্রাংশ, ব্যাকআপ জেনারেটর ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম আমদানির ওপর বিধিনিষেধের কারণে মানবিক কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এছাড়া জ্বালানি ও ইঞ্জিন তেলের ঘাটতিও পরিস্থিতিকে আরও সংকটপূর্ণ করে তুলেছে।
সংস্থাটি জানায়, গাজার ভেতরে চলাচলে বিধিনিষেধ, ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক ও অবকাঠামো, অংশীদার সংস্থাগুলোর কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা এবং অব্যাহত হামলা ও নিরাপত্তাহীনতার কারণে ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করাও কঠিন হয়ে পড়েছে।


