ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস ও ইসলামিক জিহাদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা হিজবুল্লাহ নেতা হাসান নাসরুল্লাহর সঙ্গে বৈঠক করেছেন। ইসরায়েলের সঙ্গে গাজার যুদ্ধে ‘প্রকৃত বিজয়’ অর্জনের বিষয়ে আলোচনা করেছেন তারা। লেবানিজ সামরিক গোষ্ঠীটি আজ বুধবার এ তথ্য জানিয়েছে।

নাসরুল্লাহ কখন বা কোথায় হামাসের উপপ্রধান সালেহ আল-আরৌরি ও ইসলামিক জিহাদ নেতা জিয়াদ নাখালেহ বিয়ংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেছেন তা হিজবুল্লাহর বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়নি।

 
তবে লেবাননের একটি গোপন স্থানে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে তারা জানিয়েছে।

 

হিজবুল্লাহ ও সহযোগী ফিলিস্তিনি দলগুলো লেবানন-ইসরায়েল সীমান্তজুড়ে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর সঙ্গে প্রতিদিন সংঘর্ষে জড়ানোর সময় এ বৈঠকের খবর এলো। গাজায় হামাসের সঙ্গে ইসরায়েলের যুদ্ধে একটি নতুন ফ্রন্টের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

ফিলিস্তিনি, লেবানিজ, সিরিয়ান ও ইসরায়েলের বিরোধিতাকারী অন্যান্য ইরান সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী মূলত ‘প্রতিরোধের অক্ষের’ অংশ।

 
 

 

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গাজা ও ফিলিস্তিনে ইসরায়েলের ‘নৃশংস আগ্রাসন’ বন্ধ করতে এবং এই সংকটময় পর্যায়ে প্রকৃত বিজয় অর্জনের জন্য প্রতিরোধের অক্ষের কী করা উচিত তা নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি তারা গাজা উপত্যকার সাম্প্রতিক ঘটনাবলি নিয়েও আলোচনা করেছেন।

৭ অক্টোবর হামাস ইসরায়েলে নজিরবিহীন হামলা চালালে এক হাজার ৪০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়। এর পর থেকে ইসরায়েল গাজায় প্রতিশোধমূলক হামলা চালাচ্ছে।

 
হামাস নিয়ন্ত্রিত গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলছে, ইসরায়েলের ভূখণ্ডে বোমাবর্ষণে পাঁচ হাজার ৭৯১ জন নিহত হয়েছে।

 

এ ছাড়া লেবানন-ইসরায়েল সীমান্তে আন্তঃসীমান্ত সংঘর্ষের বিষয়েও নেতারা আলোচনা করেছেন। লেবাননে সাম্প্রতিক উত্তেজনায় এখন পর্যন্ত অন্তত ৫২ জন নিহত হয়েছে, যাদের অধিকাংশই হিজবুল্লাহর যোদ্ধা। তবে রয়টার্সের সাংবাদিক ইসাম আবদুল্লাহসহ চারজন বেসামরিক নাগরিকও নিহত হয়েছেন। ইসরায়েলে এক বেসামরিক নাগরিকসহ চারজন নিহত হয়েছে।