আন্তোয়ান সেমেনিওর দুর্দান্ত ফ্লিক গড়ে দিল ব্যবধান। চলতি মৌসুমে ট্রেবলের আশা বাঁচিয়ে রাখল ম্যানচেস্টার সিটি।
ওয়েম্বলিতে শনিবার ফাইনালে ১-০ গোলে জিতেছে সিটি। ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে একমাত্র গোলটি করেছেন সেমেনিও।
স্টেডিয়ামে তখন ম্যাড়মেড়ে ফুটবলের ক্লান্তি।
ম্যাচের শুরু থেকেই চেলসির কৌশল ছিল অতি-রক্ষণাত্মক। নিজেদের গুটিয়ে রেখে সিটিকে আটকে রাখাই ছিল ব্লুদের মূল লক্ষ্য। অন্যদিকে সিটির খেলায়ও চেনা সেই ধার বা সৃজনশীলতা ছিল না। ফলে প্রথমার্ধে মাঠের ফুটবলে রোমাঞ্চের বড্ড অভাব ছিল।
তবুও এর মাঝেই গোলের দেখা পেয়েছিলেন আর্লিং হলান্ড।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ম্যাচের আবহ কিছুটা বদলায়। গোল করার সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করেন ম্যাচের নায়ক সেমেনিও নিজেই। নিকো ও’রাইলির দারুণ ক্রস থেকে ব্যাক পোস্টে ফাঁকায় বল পেয়েও হেডটি গোলবারের ওপর দিয়ে মারেন এই ফরোয়ার্ড। চেলসিও অবশ্য পাল্টা আক্রমণ শানিয়েছিল। ময়জেস কাইসেদোর একটি হেড যখন সিটির গোললাইন অতিক্রম করার মুখে, ঠিক সেই মুহূর্তে দুর্দান্ত দক্ষতায় হেড করে বিপদমুক্ত করেন রদ্রি।
খেলার বয়স যখন মাঝামাঝি, তখন ম্যাচের চিত্রনাট্য বদলাতে শুরু করে। ৭২ মিনিটে আসে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। হলান্ড-সিলভার যুগলবন্দি থেকে পাওয়া বলে সেমেনিওর ওই চোখজুড়ানো ফ্লিক ডেডলক ভেঙে দেয়। ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে চেলসি মরিয়া হয়ে ওঠে। সমতা ফেরানোর দারুণ সুযোগ পেয়েছিলেন এনজো ফার্নান্দেজ। একটি লং থ্রো থেকে বল পেয়ে বক্সের ভেতর তার নেওয়া ভলিটি ক্রসবারের সামান্য ওপর দিয়ে চলে যায়।
ম্যাচের শেষ দিকে ব্যবধান দ্বিগুণ করার সুযোগ পেয়েছিল সিটি। কিন্তু মাথেউস নুনেস ও রায়ান চেরকির দুটি প্রচেষ্টা দারুণভাবে রুখে দেন চেলসি গোলরক্ষক সানচেজ। তবে তাতে সিটির অষ্টমবারের মতো এফএ কাপ


