<?xml version="1.0" encoding="UTF-8" ?>
<rss version="2.0"
  xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
 >
<channel>
  <title>Khabor</title>
  <link>https://khabor.com/public</link>
  <atom:link href="https://khabor.com/public/feed" type="application/rss+xml" rel="self"/>
  <description>First Bangla Online News World Wide |. All Rights Reserved. Website Design: HOTLancer</description>
  <image>
    <url>https://khabor.com/public/upload/images/logo/logo.png</url>
    <title>Khabor</title>
    <link>https://khabor.com/public</link>
  </image>
  
      <copyright>কপিরাইট © 2022 Khabor.com | একটি USBD Group প্রতিষ্ঠান</copyright>
    <language>bn</language>



  <item>
    <title><![CDATA[নিউইয়র্কে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার শহীদদের স্মরণে দোয়া ও আলোচনা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/29453</link>
    <pubDate>Sat, 22 Aug 2026 20:27:16 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/29453</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/08222026_image11_usal_enamul_huq_shamim.jpeg" />    <p>নিউইয়র্ক: ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট ঢাকার বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলায় নিহতদের স্মরণে নিউইয়র্কে দোয়া ও আলোচনা সভা করেছে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ। বৃহস্পতিবার, ২১ আগস্ট নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসের নবান্ন পার্টি সেন্টারে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও শোক পালন করা হয়।</p>

<p>পরে আইভী রহমানসহ ২১ আগস্টের হামলায় নিহতদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এরপর ভাবগম্ভীর পরিবেশে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত ও যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়।</p>

<p><img alt="" src="https://khabor.com/upload/images/news/08222026_image12_usal_babu.jpeg" style="width: 899px; height: 594px;" /></p>

<p>স্বাগত বক্তব্য ও অতিথি পরিচয় পর্বের পর অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আবদুস সামাদ আজাদসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।</p>

<p>সভায় বক্তব্য দেন যুক্তরাষ্ট্র ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হৃদয় মিয়া ও সভাপতি মাহমুদুল হাসান, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ কিবরিয়া জামান ও সভাপতি এইচ এম ইকবাল, যুবলীগ নেতা জুলফিকার আহমেদ, যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগের সভাপতি সেবুল মিয়া, ভার্জিনিয়া স্টেট আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ড. মোহাম্মদ হোসেন ও সভাপতি জি আই রাসেল, নিউইয়র্ক স্টেট আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন আজমল এবং যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নাফিকুর রহমান তুরান।</p>

<p>এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সহসভাপতি জয়নাল আবেদীন, পান্না, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দুরুদ মিয়া, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক ছাত্রনেতা আমিনুল ইসলাম, যুক্তরাষ্ট্র ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জাহিদ হাসান, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক মাহবুবুর রহমান টুকু, ইলিয়ার রহমান, এমদাদ রাজু, শিল্প ও বাণিজ্য সম্পাদক জনি সিকদার, সবুজ, সহসভাপতি আশরাফ উদ্দিন ও সোলায়মান আলী, নিউইয়র্ক স্টেট আওয়ামী লীগ নেতা গোলাম রাব্বানী এবং যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ নেতা শাহানা রহমান বক্তব্য দেন।</p>

<p><img alt="" src="https://khabor.com/upload/images/news/08222026_image10_usal_zi_russell.jpeg" style="width: 899px; height: 596px;" /></p>

<p>অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ও বিশেষ বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশের সাবেক উপমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক শামীম এবং সাবেক সংসদ সদস্য, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম বাবু। বক্তব্যে তাঁরা ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট এবং ২০০৪ সালের ২১ আগস্টের ঘটনাপ্রবাহ, রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও হামলার পেছনে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ নিয়ে আলোচনা করেন।</p>

<p>এনামুল হক শামীম বলেন, শেখ হাসিনা দেশ ও মানুষের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করেছেন এবং দীর্ঘ সময় ধরে দল ও দেশ গঠনে ভূমিকা রেখেছেন। তিনি নেতাকর্মীদের মিথ্যাচার ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।</p>

<p>নজরুল ইসলাম বাবু তাঁর বক্তব্যে ছাত্ররাজনীতি ও রাজপথের দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের স্মৃতিচারণ করেন। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের শিকড় বাংলার মাটির গভীরে প্রোথিত এবং অপপ্রচার চালিয়ে এই দলকে দমিয়ে রাখা যাবে না।</p>

<p><img alt="" src="https://khabor.com/upload/images/news/08222026_image13_usal.jpg" style="width: 899px; height: 582px;" /></p>

<p>যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুস সামাদ আজাদ অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন। সভায় বক্তারা প্রবাসে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান। দলের আদর্শ ও শেখ হাসিনার নেতৃত্বকে শক্তিশালী করার আহ্বানের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/08222026_image11_usal_enamul_huq_shamim.jpeg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[35 Years Under a Death Sentence, Still No Freedom for Bangladeshi Prisoner Syed Rabbani]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/english/29452</link>
    <pubDate>Sat, 22 Aug 2026 20:11:09 +0600</pubDate>
    <category> English </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/english/29452</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/08222026_image09_us_young_rabbani_texas.jpeg" />    <p><strong>Shibbir Ahmed, Houston, Texas:</strong> Syed Mohammed Rabbani came to the United States from Bangladesh at the age of 23 to pursue higher education. But his life in America took a devastating turn after he was accused of a murder in Houston. Convicted in 1988 and sentenced to death, Rabbani spent nearly 35 years on Texas death row.</p>

<p>For nearly three decades, a crucial appeal in his case remained unresolved within the court system. The petition resurfaced in 2022. A year later, the Texas Court of Criminal Appeals overturned his death sentence while leaving his murder conviction intact.</p>

<p>On November 14, 2023, Rabbani was resentenced from death to life imprisonment with the possibility of parole. Texas prison records also document that his sentence was formally changed from death to life on that date. But while Rabbani escaped the death penalty, he did not escape prison.</p>

<p><img alt="" src="https://khabor.com/upload/images/news/08222026_image08_us_young_rabbani_texas.jpeg" style="width: 999px; height: 745px;" /></p>

<p>According to the latest information available in 2026, Rabbani, now 60, remains incarcerated at the Carole Young Unit in Dickinson, Texas. He is receiving hospice care. His parole request has been denied. According to his attorney, Benjamin Wolff, Rabbani&#39;s immigration status also prevents him from receiving certain forms of medical release.</p>

<p><strong>The Murder That Changed His Life</strong></p>

<p>The case began on November 1, 1987. A Bangladeshi immigrant, Mohammed Zakir Hassan, was shot and killed at a Quick-N-Easy convenience store in Houston. Rabbani was accused of killing him. Court records and subsequent reports indicate that Hassan was known to Rabbani and was part of the same Bangladeshi immigrant community. In 1988, a Harris County jury convicted Rabbani of capital murder and sentenced him to death.</p>

<p>Texas prison records identify him as Syed Rabbani, with Texas Department of Criminal Justice identification number 910. According to the official records, he was taken into TDCJ custody on July 25, 1988. His date of birth is listed as June 12, 1965, and the date of the offense as November 1, 1987.</p>

<p><strong>First Appeal Fails</strong></p>

<p>Rabbani&#39;s direct appeal reached the Texas Court of Criminal Appeals, the state&#39;s highest court for criminal cases. In 1992, the court upheld both his conviction and death sentence. A date for his execution was also set in 1993. But the execution never took place. Another legal battle was about to begin.</p>

<p><strong>A 1994 Petition and Nearly Three Decades of Silence</strong></p>

<p>In 1994, Rabbani&#39;s attorneys filed a petition challenging the constitutionality of his death sentence. The petition questioned whether the jury had been properly allowed to consider important mitigating circumstances during the punishment phase of his trial, including issues related to Rabbani&#39;s mental health.</p>

<p>But the petition did not move through the judicial system in a normal or timely manner. Investigations by Houston Landing and reporting by The Texas Tribune found that Harris County&#39;s court system had allowed numerous old criminal appeals to remain unresolved for years. Rabbani&#39;s case was among them.</p>

<p>His petition remained effectively unresolved for approximately 28 years. During that time, a 23-year-old immigrant who had come to America seeking an education grew into an older, seriously ill prisoner&mdash;while a critical constitutional question in his case remained unanswered.</p>

<p><strong>His Attorney Died, and the Case Was Lost in the System</strong></p>

<p>The attorney who filed Rabbani&#39;s 1994 legal challenge, Dick Whelan, died in 2008. Another attorney was subsequently appointed to represent Rabbani. But his current attorneys later told the court that little meaningful legal action had been taken in the case for many years.</p>

<p>According to the Houston Landing investigation, Rabbani was at one point effectively without meaningful legal representation while his petition remained buried in the Harris County court system. The Harris County prosecution also failed to respond to the petition for an extended period.</p>

<p><strong>The Forgotten Petition Resurfaces in 2022</strong></p>

<p>After nearly three decades, Rabbani&#39;s old petition resurfaced in 2022. The Harris County District Clerk&#39;s Office was reviewing old cases that had remained unresolved for years when the petition was discovered and eventually sent to the Texas Court of Criminal Appeals. It was one of more than a hundred old cases that had languished within the court system. By then, Rabbani was in his 50s.</p>

<p>The young man who had received a death sentence in 1988 had spent roughly 35 years in prison, and his physical and mental health had deteriorated significantly.</p>

<p><strong>His Health Deteriorated Behind Bars</strong></p>

<p>Rabbani&#39;s health declined during his decades in prison. Texas prison medical records documented serious mental-health problems. He was later diagnosed with conditions including schizophrenia and schizoaffective disorder. According to his attorneys, his physical condition also deteriorated severely around 2022. He experienced significant problems with mobility and communication.</p>

<p>His attorneys also said prison medical personnel had recommended hospice care. They argued that his status as a death-row prisoner prevented him from receiving the care in the manner recommended.</p>

<p><strong>A Major Legal Victory in 2023</strong></p>

<p>On September 6, 2023, the Texas Court of Criminal Appeals granted a significant part of Rabbani&#39;s legal challenge. The court found that the jury had not been properly instructed regarding certain mitigating circumstances that could have been considered when determining whether Rabbani should receive the death penalty.</p>

<p>A central issue was whether the jury had been given an adequate opportunity to consider evidence concerning Rabbani&#39;s mental illness and other mitigating factors. The court overturned his death sentence and ordered a new punishment proceeding. But the decision did not mean that Rabbani was acquitted of murder. His conviction remained intact. In other words, the court did not overturn the underlying murder conviction. It overturned only the death sentence.&nbsp;</p>

<p><strong>November 14, 2023: Death Sentence Replaced With Life</strong></p>

<p>Following the court&#39;s decision, Harris County prosecutors decided not to seek the death penalty again. At the November 14, 2023 resentencing hearing, prosecutors said they would no longer pursue execution, citing Rabbani&#39;s serious physical and mental-health conditions as well as the extraordinary history of the case.</p>

<p>Harris County prosecutor Joshua Reiss described the extraordinary delay in Rabbani&#39;s case as a serious failure of the justice system. Rabbani was then resentenced to life in prison with the possibility of parole.</p>

<p>Texas prison records formally record the change on November 14, 2023, showing that his sentence was reformed from death to life. That date officially ended nearly 35 years of death-row confinement. But it did not make Rabbani a free man.</p>

<p><strong>Separated From His Family for Decades</strong></p>

<p>Another painful chapter of Rabbani&#39;s story involves his family in Bangladesh. According to information presented by his attorneys, contact between Rabbani and his family in Bangladesh was lost after his father&#39;s death in 1995. For nearly three decades, his family did not know what had happened to him.</p>

<p>In 2023, relatives discovered through news coverage of Rabbani&#39;s case that he was still alive and imprisoned in Texas. The family expressed a willingness to take him back and care for him if he were released. But that reunion has yet to happen.</p>

<p><strong>Parole Was Denied</strong></p>

<p>After his death sentence was reduced to life imprisonment, Rabbani became eligible to seek parole because of the decades he had already spent behind bars. But his parole request was denied. As a result, although Rabbani was spared execution, he remained incarcerated.</p>

<p><strong>His Final Chapter Is Now Unfolding in Prison</strong></p>

<p>A June 2026 report by the Houston Chronicle brought renewed attention to Rabbani&#39;s current condition. Rabbani, now 60, remains incarcerated at the Carole Young Unit in Dickinson. He is receiving hospice care. His attorney, Benjamin Wolff, said Rabbani&#39;s immigration status also prevents him from accessing certain forms of medical release. More than three decades after receiving a death sentence, Rabbani is therefore still behind bars.</p>

<p><strong>Nearly 28 Years for One Appeal</strong></p>

<p>Perhaps the most extraordinary aspect of Rabbani&#39;s case is the length of time it took for a critical legal petition to receive judicial attention. The petition was filed in 1994. It resurfaced in 2022. For approximately 28 years, it remained unresolved within the court system.</p>

<p>During those years, Rabbani went from a young man in his 20s to a seriously ill prisoner in his late 50s. His physical and mental health deteriorated. He lost contact with his family. And he spent decades living under the threat of execution.</p>

<p>Investigations into the Harris County court system uncovered more than a hundred old cases that had remained unresolved for years. Rabbani&#39;s case was among the most consequential because he was a death-row prisoner throughout much of that period.</p>

<p><strong>No Longer Facing Execution&mdash;But Still Not Free</strong></p>

<p>Rabbani&#39;s murder conviction remains intact. His death sentence has been overturned. On November 14, 2023, he was resentenced to life in prison with the possibility of parole. His parole request was denied. And in 2026, he is receiving hospice care inside a Texas prison.</p>

<p>A 23-year-old Bangladeshi man came to America with hopes of pursuing higher education. Today, at 60, nearly four decades of his life have passed behind prison walls. The death sentence is no longer hanging over his head. But the prison doors have not opened either.</p>

<p>Rabbani&#39;s story is therefore more than the story of a murder conviction or a death sentence. It is also a story of extraordinary judicial delay, a failure within the court system, the physical and mental deterioration of a prisoner over decades, and a family separated from a loved one for nearly a generation.</p>

<p>The central question remains, how could a constitutional petition filed by a death-row prisoner remain unresolved within the court system for nearly 28 years? Rabbani&#39;s death sentence was ultimately overturned. But the years he lost can never be returned.</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/08222026_image09_us_young_rabbani_texas.jpeg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[মৃত্যুদণ্ডের রায় মাথায় নিয়ে ৩৫ বছর, তবু মুক্তি নেই বাংলাদেশি সৈয়দ রব্বানীর]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/29451</link>
    <pubDate>Sat, 22 Aug 2026 20:04:09 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/29451</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/08222026_image08_us_young_rabbani_texas.jpeg" />    <p><strong>শিব্বীর আহমেদ, হিউস্টন, টেক্সাস:</strong> উচ্চশিক্ষার জন্য মাত্র ২৩ বছর বয়সে বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে এসেছিলেন সৈয়দ মোহাম্মদ রব্বানী। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রে তাঁর জীবন থেমে যায় একটি হত্যাকাণ্ডের মামলায়। ১৯৮৮ সালে মৃত্যুদণ্ড পাওয়ার পর প্রায় ৩৫ বছর টেক্সাসের মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বন্দিদের কারাগারে কাটিয়েছেন তিনি।</p>

<p>প্রায় তিন দশক ধরে তাঁর একটি গুরুত্বপূর্ণ আপিল আদালতের ব্যবস্থায় অমীমাংসিত পড়ে ছিল। ২০২২ সালে সেই আবেদন আবার সামনে আসে। পরের বছর টেক্সাসের সর্বোচ্চ ফৌজদারি আপিল আদালত তাঁর মৃত্যুদণ্ড বাতিল করে। তবে হত্যার মামলায় তাঁর দোষী সাব্যস্ত হওয়ার রায় বহাল থাকে।</p>

<p>এরপর ২০২৩ সালের ১৪ নভেম্বর মৃত্যুদণ্ডের পরিবর্তে তাঁকে প্যারোলের সুযোগসহ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। টেক্সাসের সরকারি কারা নথিতেও ওই দিন তাঁর সাজা মৃত্যুদণ্ড থেকে যাবজ্জীবনে পরিবর্তনের তথ্য রয়েছে। তবে মৃত্যুদণ্ড থেকে মুক্তি পেলেও কারাগার থেকে মুক্তি পাননি রব্বানী।</p>

<p>২০২৬ সালের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ৬০ বছর বয়সী রব্বানী টেক্সাসের ডিকিনসনের ক্যারোল ইয়ং কারাগার ইউনিটে বন্দি। তিনি বর্তমানে মৃত্যুপথযাত্রী রোগীদের জন্য নির্ধারিত বিশেষ চিকিৎসাসেবা বা হসপিস সেবা পাচ্ছেন। তাঁর প্যারোলের আবেদনও প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। আইনজীবী বেঞ্জামিন উলফের ভাষ্য অনুযায়ী, অভিবাসনগত অবস্থানের কারণে চিকিৎসাজনিত বিশেষ মুক্তির একটি সুযোগও তাঁর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হচ্ছে না।</p>

<p><strong>হিউস্টনে শুরু সেই হত্যাকাণ্ডের মামলা</strong></p>

<p>ঘটনার শুরু ১৯৮৭ সালের ১ নভেম্বর।হিউস্টনের একটি কুইক-এন-ইজি নামের সুবিধাজনক পণ্যের দোকানে গুলিতে নিহত হন বাংলাদেশি অভিবাসী মোহাম্মদ জাকির হাসান। রব্বানীর বিরুদ্ধে তাঁকে হত্যার অভিযোগ আনা হয়। মামলার নথি ও পরবর্তী সংবাদ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হাসান ছিলেন রব্বানীর পরিচিত এবং একই বাংলাদেশি অভিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষ। ১৯৮৮ সালে হ্যারিস কাউন্টির একটি জুরি রব্বানীকে মৃত্যুদণ্ডযোগ্য হত্যা মামলায় দোষী সাব্যস্ত করে এবং মৃত্যুদণ্ড দেয়।</p>

<p>টেক্সাসের সরকারি কারা নথিতে রব্বানীর নাম রয়েছে সৈয়দ রব্বানী হিসেবে। তাঁর কারাবন্দি নম্বর ৯১০। সরকারি নথি অনুযায়ী, তাঁকে ১৯৮৮ সালের ২৫ জুলাই টেক্সাসের কারা কর্তৃপক্ষের হেফাজতে নেওয়া হয়। তাঁর জন্মতারিখ ১৯৬৫ সালের ১২ জুন এবং অপরাধের তারিখ ১৯৮৭ সালের ১ নভেম্বর হিসেবে সরকারি রেকর্ডে উল্লেখ রয়েছে।</p>

<p><strong>প্রথম আপিলেও বহাল থাকে মৃত্যুদণ্ড</strong></p>

<p>মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে রব্বানীর সরাসরি আপিল যায় টেক্সাসের সর্বোচ্চ ফৌজদারি আপিল আদালতে। ১৯৯২ সালে আদালত তাঁর দোষী সাব্যস্ত হওয়ার রায় এবং মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখে। পরবর্তী আদালতের নথিতেও ওই সিদ্ধান্তের উল্লেখ রয়েছে। ১৯৯৩ সালে তাঁর মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের তারিখও নির্ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই সাজা কার্যকর হয়নি। এরপর শুরু হয় আরেকটি আইনি লড়াই।</p>

<p><strong>১৯৯৪ সালের আবেদন, তারপর প্রায় তিন দশকের নীরবতা</strong></p>

<p>১৯৯৪ সালে রব্বানীর পক্ষে তাঁর মৃত্যুদণ্ডের সাংবিধানিক বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে একটি আবেদন করা হয়। এই আবেদনে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার সময় জুরিদের সামনে রব্বানীর পক্ষে থাকা গুরুত্বপূর্ণ পরিস্থিতি যথাযথভাবে বিবেচনার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল কি না, সেই প্রশ্ন তোলা হয়। এর মধ্যে তাঁর মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়ও ছিল। কিন্তু আবেদনটি স্বাভাবিক বিচারিক প্রক্রিয়ায় এগোয়নি।</p>

<p>রব্বানীর মামলার ওপর অনুসন্ধান চালানো হিউস্টন ল্যান্ডিং এবং পরে টেক্সাস ট্রিবিউনের প্রতিবেদনে উঠে আসে, হ্যারিস কাউন্টির আদালত ব্যবস্থায় শতাধিক পুরোনো ফৌজদারি আপিল বছরের পর বছর পড়ে ছিল। রব্বানীর আবেদনও সেগুলোর মধ্যে ছিল।</p>

<p>রব্বানীর আবেদনটি প্রায় ২৮ বছর আদালতের ব্যবস্থায় কার্যত অমীমাংসিত অবস্থায় পড়ে থাকে। এই সময়ে একজন ২৩ বছর বয়সী তরুণ ধীরে ধীরে বয়সের ভারে প্রবীণ হয়ে ওঠেন&mdash;কিন্তু তাঁর মামলার গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রশ্নের নিষ্পত্তি হয়নি।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><strong>আইনজীবী হারালেন, মামলাও হারিয়ে গেল</strong></p>

<p>রব্বানীর পক্ষে ১৯৯৪ সালে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া আইনজীবী ডিক হুইলান ২০০৮ সালে মারা যান। এরপর আরেক আইনজীবীকে তাঁর পক্ষে নিয়োগ দেওয়া হলেও, পরবর্তী সময়ে রব্বানীর বর্তমান আইনজীবীরা আদালতে জানান, বহু বছর তাঁর মামলায় কার্যকর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।</p>

<p>হিউস্টন ল্যান্ডিংয়ের অনুসন্ধানে বলা হয়েছে, এক পর্যায়ে রব্বানী কার্যত আইনগত প্রতিনিধিত্বহীন অবস্থায় ছিলেন এবং তাঁর আবেদন হ্যারিস কাউন্টির আদালত ব্যবস্থায় পড়ে ছিল। অন্যদিকে হ্যারিস কাউন্টির প্রসিকিউটরদের পক্ষ থেকেও দীর্ঘ সময় ওই আবেদনের জবাব দেওয়া হয়নি।</p>

<p><strong>২০২২ সালে হঠাৎ খুঁজে পাওয়া গেল পুরোনো আবেদন</strong></p>

<p>প্রায় তিন দশক পর ২০২২ সালে রব্বানীর সেই পুরোনো আবেদন আবার সামনে আসে। হ্যারিস কাউন্টির জেলা কেরানি কার্যালয় পুরোনো ও দীর্ঘদিন অমীমাংসিত মামলাগুলো পর্যালোচনা করার সময় আবেদনটি খুঁজে পায় এবং টেক্সাসের সর্বোচ্চ ফৌজদারি আপিল আদালতে পাঠায়। এটি ছিল এমন শতাধিক পুরোনো মামলার একটি, যেগুলো আদালতের ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন পড়ে ছিল। তত দিনে রব্বানীর বয়স ৫০-এর কোঠায়। ১৯৮৮ সালে যে তরুণ মৃত্যুদণ্ড পেয়েছিলেন, প্রায় ৩৫ বছর পর তাঁর শরীর ও মানসিক স্বাস্থ্যের ব্যাপক অবনতি ঘটে।</p>

<p><strong>কারাগারেই গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন</strong></p>

<p>রব্বানীর দীর্ঘ কারাবাসের মধ্যে তাঁর শারীরিক ও মানসিক অবস্থার অবনতি ঘটে। টেক্সাসের কারা চিকিৎসকদের নথিতে তাঁর গুরুতর মানসিক অসুস্থতার উল্লেখ রয়েছে। পরবর্তী সময়ে তাঁকে সিজোফ্রেনিয়া ও সিজোঅ্যাফেকটিভ ধরনের মানসিক অসুস্থতায় আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত করা হয়। তাঁর আইনজীবীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালের দিকে তাঁর শারীরিক অবস্থাও ভয়াবহভাবে অবনতি ঘটে। তিনি চলাফেরা ও স্বাভাবিক যোগাযোগের ক্ষমতা হারাতে থাকেন।</p>

<p>রব্বানীর আইনজীবীরা আরও দাবি করেন, কারা কর্তৃপক্ষের চিকিৎসকেরা তাঁকে হসপিস সেবায় স্থানান্তরের সুপারিশ করেছিলেন। কিন্তু মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বন্দি থাকার কারণে সেই সুযোগ কার্যকর হয়নি বলে তাঁরা জানান।</p>

<p><strong>টেক্সাসের সর্বোচ্চ আদালতে বড় আইনি জয়</strong></p>

<p>২০২৩ সালের ৬ সেপ্টেম্বর টেক্সাসের সর্বোচ্চ ফৌজদারি আপিল আদালত রব্বানীর আবেদনের গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ গ্রহণ করে। আদালত দেখতে পায়, মৃত্যুদণ্ড নির্ধারণের সময় জুরিদের প্রয়োজনীয় কিছু প্রশমনকারী পরিস্থিতি বিবেচনার বিষয়ে যথাযথ নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। বিশেষ করে, রব্বানীর মানসিক অসুস্থতার সম্ভাব্য প্রমাণের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জুরিরা যথাযথভাবে বিবেচনা করার সুযোগ পেয়েছিল কি না, সেটি ছিল মামলার গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।</p>

<p>আদালত তাঁর মৃত্যুদণ্ড বাতিল করে এবং নতুন করে সাজা নির্ধারণের নির্দেশ দেয়। তবে এই সিদ্ধান্তের অর্থ রব্বানী হত্যার মামলা থেকে খালাস পেয়েছেন&mdash;এমন নয়। তাঁর দোষী সাব্যস্ত হওয়ার রায় বহাল থাকে। অর্থাৎ আদালত হত্যার মামলার মূল রায় বাতিল করেনি; শুধু মৃত্যুদণ্ডের সাজা বাতিল করেছে।</p>

<p><strong>১৪ নভেম্বর ২০২৩: মৃত্যুদণ্ড বদলে যাবজ্জীবন</strong></p>

<p>আদালতের সিদ্ধান্তের পর হ্যারিস কাউন্টির প্রসিকিউটররা রব্বানীর বিরুদ্ধে নতুন করে মৃত্যুদণ্ড দাবি না করার সিদ্ধান্ত নেন। ২০২৩ সালের ১৪ নভেম্বর নতুন সাজা নির্ধারণের শুনানিতে হ্যারিস কাউন্টির প্রসিকিউশন জানায়, রব্বানীর গুরুতর মানসিক ও শারীরিক অসুস্থতা এবং মামলার দীর্ঘ আইনি ইতিহাস বিবেচনায় তারা আর মৃত্যুদণ্ড চাইছে না। প্রসিকিউশনের কর্মকর্তা জোশুয়া রেইস রব্বানীর মামলার দীর্ঘ বিলম্বকে ন্যায়বিচারের প্রক্রিয়ায় ভয়াবহ ব্যর্থতা হিসেবে বর্ণনা করেন। এরপর রব্বানীর মৃত্যুদণ্ড পরিবর্তন করে প্যারোলের সুযোগসহ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।</p>

<p>টেক্সাসের সরকারি কারা নথিতে ১৪ নভেম্বর ২০২৩ তারিখের পাশে স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে&mdash;তাঁর সাজা মৃত্যুদণ্ড থেকে যাবজ্জীবনে পরিবর্তন করা হয়েছে। অর্থাৎ, ওই দিন আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর প্রায় ৩৫ বছরের মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বন্দিজীবনের অবসান ঘটে। কিন্তু তিনি মুক্তি পাননি।</p>

<p><strong>পরিবারের সঙ্গেও বিচ্ছিন্ন ছিলেন বহু বছর</strong></p>

<p>রব্বানীর জীবনের আরেকটি করুণ অধ্যায় তাঁর পরিবারের সঙ্গে বিচ্ছিন্নতা। ১৯৯৫ সালে তাঁর বাবার মৃত্যুর পর বাংলাদেশে পরিবারের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় বলে তাঁর আইনজীবীদের নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে। এরপর প্রায় তিন দশক পরিবার জানত না তাঁর কী হয়েছে।</p>

<p>২০২৩ সালে রব্বানীর মামলা নিয়ে প্রকাশিত সংবাদ প্রতিবেদন থেকে পরিবারের সদস্যরা জানতে পারেন, তিনি এখনও জীবিত এবং টেক্সাসের কারাগারে বন্দি। পরিবারের পক্ষ থেকে তাঁকে গ্রহণ করার এবং মুক্তি পেলে তাঁর দেখাশোনা করার ইচ্ছা প্রকাশ করা হয়। কিন্তু সেই পুনর্মিলনও এখনো সম্ভব হয়নি।</p>

<p><strong>প্যারোলও মেলেনি</strong></p>

<p>মৃত্যুদণ্ড থেকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে যাওয়ার পর রব্বানী প্যারোলের জন্য যোগ্য হন। কারণ, তিনি ইতোমধ্যে কারাগারে প্রায় ৩৫ বছর কাটিয়ে ফেলেছিলেন। ২০২৩ সালের প্রতিবেদনে তাঁর দীর্ঘ কারাবাসের কারণে প্যারোলের যোগ্যতার কথা উল্লেখ করা হয়। কিন্তু প্যারোলের আবেদন প্রত্যাখ্যাত হয়। ফলে মৃত্যুদণ্ডের হাত থেকে রক্ষা পেলেও কারাগার থেকে বের হওয়ার সুযোগ তিনি পাননি।&nbsp;</p>

<p><strong>২০২৬ সালে জীবনের শেষ অধ্যায়ও কারাগারে</strong></p>

<p>২০২৬ সালের জুনে প্রকাশিত হিউস্টন ক্রনিকলের প্রতিবেদনে রব্বানীর বর্তমান অবস্থার কথা আবার সামনে আসে। ৬০ বছর বয়সী রব্বানী এখন ডিকিনসনের ক্যারোল ইয়ং কারাগার ইউনিটে বন্দি। তিনি হসপিস সেবা পাচ্ছেন। তাঁর আইনজীবী বেঞ্জামিন উলফের মতে, রব্বানীর অভিবাসনগত অবস্থানের কারণে বিশেষ চিকিৎসাজনিত মুক্তির ব্যবস্থার সুযোগও তাঁর জন্য নেই। অর্থাৎ, ২০২৩ সালে মৃত্যুদণ্ড বাতিল হওয়ার পরও তাঁর জীবনে মুক্তি আসেনি।</p>

<p><strong>একটি আপিলের নিষ্পত্তিতে প্রায় ২৮ বছর</strong></p>

<p>সৈয়দ রব্বানীর মামলার সবচেয়ে বিস্ময়কর দিক হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনি আবেদনের দীর্ঘ বিলম্ব। ১৯৯৪ সালে আবেদন করা হয়েছিল। ২০২২ সালে সেটি আবার খুঁজে পাওয়া যায়। প্রায় ২৮ বছর ধরে আবেদনটি আদালতের ব্যবস্থায় পড়ে ছিল। এর মধ্যে রব্বানী বয়সে তরুণ থেকে প্রবীণ হয়েছেন। তাঁর শারীরিক ও মানসিক অবস্থার অবনতি হয়েছে। পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ হারিয়েছেন। আর মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বন্দি হিসেবে জীবনের কয়েক দশক কাটিয়েছেন।</p>

<p>হ্যারিস কাউন্টির এই দীর্ঘস্থায়ী আদালত-ব্যর্থতার ঘটনা নিয়ে তদন্তে শতাধিক পুরোনো মামলার সন্ধান পাওয়া যায়। রব্বানীর মামলাটি ছিল সেগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরুতরগুলোর একটি, কারণ তিনি তখনও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বন্দি ছিলেন।</p>

<p><strong>এখন আর মৃত্যুদণ্ড নেই, কিন্তু স্বাধীনতাও নেই</strong></p>

<p>সৈয়দ রব্বানীর বিরুদ্ধে হত্যার দোষী সাব্যস্ত হওয়ার রায় এখনো বহাল। মৃত্যুদণ্ড বাতিল হয়েছে। ২০২৩ সালের ১৪ নভেম্বর তাঁর সাজা যাবজ্জীবনে পরিবর্তিত হয়েছে। প্যারোলের সুযোগ ছিল, কিন্তু তা প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। ২০২৬ সালে তিনি গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় কারাগারের হসপিস সেবা নিচ্ছেন। একজন বাংলাদেশি তরুণ ২৩ বছর বয়সে যুক্তরাষ্ট্রে এসেছিলেন উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন নিয়ে। আজ তাঁর বয়স ৬০। জীবনের প্রায় চার দশক কেটে গেছে কারাগারের ভেতরে। মৃত্যুদণ্ডের রায় আর তাঁর মাথার ওপর নেই। কিন্তু কারাগারের দরজাও খোলেনি।</p>

<p>সৈয়দ রব্বানীর গল্প তাই শুধু একটি হত্যামামলা বা মৃত্যুদণ্ডের গল্প নয়। এটি একই সঙ্গে দীর্ঘ আইনি বিলম্ব, আদালত ব্যবস্থার ব্যর্থতা, কারাগারে একজন বন্দির শারীরিক ও মানসিক অবনতির গল্প এবং বহু বছর পর পরিবারের সঙ্গে পুনরায় যোগাযোগ ফিরে পাওয়ার এক বেদনাদায়ক ইতিহাস।</p>

<p>সবচেয়ে বড় প্রশ্নটি হলো, একজন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বন্দির সাংবিধানিক আবেদন কীভাবে প্রায় ২৮ বছর আদালতের ব্যবস্থায় পড়ে থাকতে পারে?&nbsp;রব্বানীর মৃত্যুদণ্ড শেষ পর্যন্ত বাতিল হয়েছে। কিন্তু যে বছরগুলো হারিয়ে গেছে, সেগুলো আর ফিরবে না।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/08222026_image08_us_young_rabbani_texas.jpeg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[U.S. Court Strikes Down Immigrant Visa Suspension for Bangladesh, 74 Other Countries]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/english/29450</link>
    <pubDate>Sat, 22 Aug 2026 19:19:35 +0600</pubDate>
    <category> English </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/english/29450</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/08222026_image07_us_visa_interview.jpeg" />    <p>Shibbir Ahmed, New York: A federal court in New York has struck down a Trump administration policy that suspended the issuance of immigrant visas to nationals of Bangladesh and 74 other countries. The court ruled that Secretary of State Marco Rubio exceeded his legal authority in imposing the policy.</p>

<p>In a ruling by U.S. District Judge Jeannette Vargas, the court said suspending immigrant visa issuance based solely on an applicant&rsquo;s nationality conflicted with federal immigration law. The lawsuit was brought by immigrant rights organizations, affected visa applicants and a group of U.S. citizens.</p>

<p><strong>Visa Issuance Suspended in January</strong></p>

<p>The State Department suspended the issuance of immigrant visas to nationals of 75 countries beginning Jan. 21. The list included Bangladesh as well as countries across South Asia, Africa, the Middle East, Latin America and the Caribbean.</p>

<p>The State Department said the policy was based on concerns that applicants from the affected countries could be at greater risk of becoming dependent on U.S. public benefits. The department said the suspension was intended to allow a review of immigrant visa policies.</p>

<p><strong>Important Ruling for Bangladeshis</strong></p>

<p>Because Bangladesh was among the 75 countries affected by the policy, the court&#39;s decision is particularly significant for Bangladeshi applicants seeking immigrant visas to the United States. It remains unclear how and when the State Department will resume processing immigrant visa applications that were affected by the suspension. The department&#39;s next steps following the court ruling will therefore be closely watched. According to current State Department information, the U.S. Embassy in Dhaka processes immigrant visa applications for Bangladeshi nationals.</p>

<p><strong>Not a Suspension of All Visas</strong></p>

<p>The court&#39;s decision should not be interpreted as the lifting of a broad visa ban covering all types of U.S. visas.&nbsp;The January policy applied specifically to immigrant visa issuance. Nonimmigrant visas&mdash;including tourist, business and student visas&mdash;were not covered by this particular suspension.</p>

<p>The key questions now are whether the Trump administration will appeal the ruling and how the State Department will handle immigrant visa applications that were placed on hold under the policy. According to Reuters, the State Department did not immediately comment on the court&#39;s ruling.</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/08222026_image07_us_visa_interview.jpeg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসা স্থগিত নীতি বাতিল]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/intrelations/29449</link>
    <pubDate>Sat, 22 Aug 2026 19:17:54 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক সম্পর্ক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/intrelations/29449</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/08222026_image06_us_visa_interview.jpeg" />    <p><strong>শিব্বীর আহমেদ, নিউ ইয়র্ক: </strong>বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের নাগরিকদের অভিবাসী ভিসা দেওয়া স্থগিত করার ট্রাম্প প্রশাসনের নীতি বাতিল করেছে নিউইয়র্কের একটি ফেডারেল আদালত। আদালত বলেছে, এই নীতি জারি করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও তার আইনগত ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করেছেন।</p>

<p>বিচারক জেনেট ভার্গাসের রায়ে বলা হয়, শুধু কোনো ব্যক্তির জাতীয়তার ভিত্তিতে অভিবাসী ভিসা প্রদান স্থগিত করার এই নীতি ফেডারেল অভিবাসন আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। মামলাটি দায়ের করেছিলেন অভিবাসী অধিকার সংগঠন, ক্ষতিগ্রস্ত ভিসা আবেদনকারী এবং যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের একটি দল।</p>

<p><strong>জানুয়ারিতে স্থগিত হয় ভিসা প্রদান</strong></p>

<p>যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর ২১ জানুয়ারি থেকে ৭৫ দেশের নাগরিকদের অভিবাসী ভিসা প্রদান স্থগিত করেছিল। তালিকায় বাংলাদেশের পাশাপাশি দক্ষিণ এশিয়া, আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য, লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের বিভিন্ন দেশ ছিল। পররাষ্ট্র দপ্তরের ব্যাখ্যা ছিল, এসব দেশের কিছু আবেদনকারী যুক্তরাষ্ট্রে সরকারি সহায়তার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ার তুলনামূলক বেশি ঝুঁকিতে থাকতে পারেন। সেই যুক্তিতে অভিবাসী ভিসা প্রদানের নীতিমালা পুনর্বিবেচনার কথা বলা হয়েছিল।</p>

<p><strong>বাংলাদেশিদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ রায়</strong></p>

<p>বাংলাদেশ ওই ৭৫ দেশের তালিকায় থাকায় আদালতের এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশি অভিবাসনপ্রত্যাশীদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। তবে রায়ের পর বাংলাদেশি আবেদনকারীদের ভিসা প্রক্রিয়া কীভাবে পুনরায় শুরু হবে, সে বিষয়ে পররাষ্ট্র দপ্তরের পরবর্তী নির্দেশনার দিকে নজর থাকবে।&nbsp;পররাষ্ট্র দপ্তরের বর্তমান তথ্য অনুযায়ী, ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস অভিবাসী ভিসা প্রক্রিয়াকরণ করে।</p>

<p><strong>সব ধরনের ভিসা নয়</strong></p>

<p>আদালতের এই রায়কে সাধারণ ভিসা নিষেধাজ্ঞা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। জানুয়ারির নীতিটি অভিবাসী ভিসা প্রদানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ছিল। অর্থাৎ পর্যটন, ব্যবসা বা শিক্ষার্থীসহ অ-অভিবাসী ভিসা এই নির্দিষ্ট স্থগিতাদেশের আওতায় ছিল না। আদালতের রায়ের পর এখন মূল প্রশ্ন হলো, ট্রাম্প প্রশাসন এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করবে কি না এবং পররাষ্ট্র দপ্তর ৭৫ দেশের স্থগিত থাকা অভিবাসী ভিসা আবেদনগুলো কীভাবে পুনরায় প্রক্রিয়া করবে। রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রায়ের বিষয়ে পররাষ্ট্র দপ্তর তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/08222026_image06_us_visa_interview.jpeg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[U.S. Embassy Warns Students About Visa Compliance, Risks of Visa Revocation]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/english/29448</link>
    <pubDate>Sat, 22 Aug 2026 19:07:52 +0600</pubDate>
    <category> English </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/english/29448</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/08222026_image03_bangladesh_students_usa.jpeg" />    <p><strong>Shibbir Ahmed, Washington, D.C.:</strong> The U.S. Embassy in Dhaka has warned international students studying in the United States to comply with the conditions of their student visas and maintain their lawful student status.</p>

<p>In a warning posted on its social media account, the embassy said a student&#39;s visa could be revoked if the student drops out, regularly skips classes, or leaves a program of study without notifying the school. Such actions could also create complications when applying for U.S. visas in the future, the embassy warned. The embassy urged students to comply with all visa requirements and maintain their lawful status as students while studying in the United States.</p>

<p><strong>Warning for International Students</strong></p>

<p>International students in the United States are required to comply not only with the academic requirements of their schools but also with U.S. immigration rules governing their student status.</p>

<p>Maintaining lawful student status generally requires students to remain properly enrolled and continue their studies at their designated educational institution. Dropping out, failing to attend classes without authorization, or leaving a program without notifying the school could affect a student&#39;s immigration status.</p>

<p>The embassy urged students who are considering changes to their studies or facing difficulties that could affect their enrollment to communicate with the appropriate officials at their educational institution and remain aware of their visa requirements.</p>

<p><strong>Message Is Relevant to Bangladeshi Students</strong></p>

<p>The warning is particularly relevant to Bangladeshi students pursuing higher education in the United States. Students who are unable to continue their studies, want to change schools or need to make changes to their academic program should not make such decisions on their own. Instead, they should first consult their school&#39;s international student office or designated officials to understand how the change could affect their immigration status.</p>

<p>The embassy&#39;s message emphasizes the importance of maintaining lawful student status and complying with the conditions of a U.S. student visa. For students studying in the United States, the message is clear: obtaining a student visa is only the beginning. Students must continue to meet the requirements of their visa and maintain their lawful status throughout their studies.</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/08222026_image03_bangladesh_students_usa.jpeg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[শিক্ষার্থীদের ভিসা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের সতর্কবার্তা, ভিসা বাতিলের ঝুঁকি]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/education/29447</link>
    <pubDate>Sat, 22 Aug 2026 19:05:27 +0600</pubDate>
    <category> শিক্ষা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/education/29447</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/08222026_image05_bangladesh_students_usa.jpeg" />    <p><strong>শিব্বীর আহমেদ, ওয়াশিংটন ডিসি:</strong> যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনা করতে যাওয়া বিদেশি শিক্ষার্থীদের ভিসার শর্ত মেনে চলার বিষয়ে সতর্ক করেছে ঢাকায় অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস। দূতাবাসের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, কোনো শিক্ষার্থী পড়াশোনা ছেড়ে দিলে, নিয়মিত ক্লাসে অনুপস্থিত থাকলে অথবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে না জানিয়ে নিজের অধ্যয়ন কর্মসূচি থেকে সরে গেলে তার শিক্ষার্থী ভিসা বাতিল হতে পারে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পাওয়ার ক্ষেত্রেও জটিলতা তৈরি হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে। দূতাবাস শিক্ষার্থীদের সব সময় ভিসার শর্ত মেনে চলার এবং শিক্ষার্থী হিসেবে নিজেদের বৈধ অবস্থান বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছে।</p>

<p><strong>শিক্ষার্থীদের জন্য সতর্কতা</strong></p>

<p>যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি তাদের অভিবাসনসংক্রান্ত নিয়মও মেনে চলতে হয়। শিক্ষার্থী হিসেবে বৈধ অবস্থান বজায় রাখতে নির্ধারিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যথাযথভাবে অধ্যয়ন চালিয়ে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ। পড়াশোনা বন্ধ করা, অনুমতি ছাড়া ক্লাসে অনুপস্থিত থাকা কিংবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে অবহিত না করে অধ্যয়ন কর্মসূচি থেকে সরে যাওয়ার মতো পদক্ষেপ শিক্ষার্থীর বৈধ অবস্থার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।দূতাবাসের সতর্কবার্তায় শিক্ষার্থীদের এ ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হলে নিজের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করার এবং ভিসার শর্ত সম্পর্কে সচেতন থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।</p>

<p><strong>বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্যও প্রযোজ্য</strong></p>

<p>যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষার জন্য প্রতিবছর বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী যান। তাদের জন্য দূতাবাসের এই সতর্কবার্তা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।&nbsp;শিক্ষার্থীরা যদি পড়াশোনা চালিয়ে যেতে না পারেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিবর্তন করতে চান কিংবা তাদের অধ্যয়ন কর্মসূচিতে কোনো পরিবর্তন আনতে চান, তাহলে নিজের ইচ্ছায় সিদ্ধান্ত না নিয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী বিষয়ক কর্মকর্তার সঙ্গে আগে যোগাযোগ করা গুরুত্বপূর্ণ।</p>

<p>দূতাবাসের বার্তায় মূলত শিক্ষার্থীদের নিজেদের বৈধ শিক্ষার্থী অবস্থান বজায় রাখা এবং ভিসার শর্ত লঙ্ঘন না করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।&nbsp;শিক্ষার্থীদের জন্য বার্তাটি স্পষ্ট&mdash;যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনার সুযোগ পাওয়ার পরও ভিসার শর্ত মেনে চলা এবং শিক্ষার্থী হিসেবে বৈধ অবস্থান বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/08222026_image05_bangladesh_students_usa.jpeg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[TPS Protections Face Major Setbacks as Deportation Fears Grow]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/english/29446</link>
    <pubDate>Sat, 22 Aug 2026 18:26:08 +0600</pubDate>
    <category> English </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/english/29446</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/08222026_image01_us_on_tps.jpeg" />    <p>Shibbir Ahmed | Washington, D.C.:&nbsp;Thousands of immigrants in the United States are facing growing uncertainty after federal courts cleared the way for the Trump administration to end Temporary Protected Status, or TPS, for nationals of several countries.</p>

<p>The court decisions have removed legal barriers that had temporarily prevented the administration from terminating protections for certain groups. For immigrants who rely solely on TPS to remain legally in the United States, the changes could significantly increase the risk of deportation.</p>

<p>TPS is a federal humanitarian program that allows eligible nationals of designated countries to remain temporarily in the United States and obtain work authorization when conditions in their home countries make it unsafe for them to return. Such conditions can include armed conflict, political instability, natural disasters and other extraordinary circumstances.</p>

<p>The Trump administration has moved to terminate TPS designations for nationals of several countries, prompting immigrant rights groups and affected individuals to challenge the decisions in federal court. In several cases, judges initially blocked or delayed the terminations while the legal challenges proceeded.&nbsp;Those court protections, however, have increasingly been lifted in recent months.</p>

<p><strong>Major Blow for Haitians</strong></p>

<p>The changes represent a significant setback for roughly 350,000 Haitian nationals who had been protected under TPS. With court-ordered restrictions lifted, the administration has been able to move forward with ending the protections. Affected Haitians could lose their work authorization and protection from removal if they do not have another legal basis to remain in the United States. The arrival of a U.S. deportation flight in Haiti on Aug. 21 underscored the growing consequences of the administration&#39;s broader immigration enforcement policies.</p>

<p><strong>Other Countries Also Affected</strong></p>

<p>Haiti is not the only country affected by the administration&#39;s efforts to end TPS protections. Recent court decisions have also cleared the way for the termination of protections for nationals of Syria, South Sudan, Myanmar, Somalia and Ethiopia.</p>

<p>A federal judge recently lifted a stay that had prevented the administration from ending TPS for Somali nationals. In another case, a judge allowed the administration to proceed with terminating TPS protections for thousands of Ethiopians. The developments have raised concerns among immigrants who have lived and worked in the United States for years but whose legal status depends primarily on TPS.</p>

<p><strong>Supreme Court Ruling Changes the Legal Landscape</strong></p>

<p>A major turning point came in June 2026, when the U.S. Supreme Court issued a decision limiting the ability of lower federal courts to intervene in certain challenges involving the termination of TPS.</p>

<p>The ruling has made it more difficult for immigrant groups to obtain lengthy court orders blocking the administration from ending TPS designations. As a result, several cases that had temporarily halted the terminations have moved forward, allowing the administration to implement its decisions.</p>

<p><strong>Does Losing TPS Mean Immediate Deportation?</strong></p>

<p>Not necessarily. The termination of TPS does not automatically mean that an immigrant will be deported the following day. Some TPS holders may have other forms of legal protection or pending immigration cases.</p>

<p>For example, an individual may have a pending asylum application, a family-based immigration case or another valid immigration status that provides an independent basis for remaining in the United States.</p>

<p>The situation is more serious for individuals whose only legal protection is TPS. Once that protection ends, they may become subject to removal proceedings unless they qualify for another form of immigration relief.</p>

<p><strong>What TPS Holders Should Know</strong></p>

<p>Immigrants affected by the TPS terminations should carefully review their individual immigration situations, including their current status, employment authorization, pending applications and any previous or existing removal orders. Immigration cases are highly individual. Two people from the same country may have very different legal options depending on their immigration history and pending applications.</p>

<p>The series of TPS terminations has created significant uncertainty for thousands of immigrants across the United States. As federal courts continue to lift stays and other legal barriers, affected immigrants are increasingly being urged to determine whether they have another legal pathway to remain in the country.</p>

<p><strong>What This Means for Bangladeshis</strong></p>

<p>Bangladesh is not currently among the countries whose nationals are covered by TPS in the United States. The recent court decisions involving the termination of TPS therefore do not directly affect Bangladeshi nationals.</p>

<p>However, the broader tightening of U.S. immigration enforcement could have indirect consequences for Bangladeshi immigrants, particularly those without another lawful basis to remain in the country.</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/08222026_image01_us_on_tps.jpeg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রে অস্থায়ী সুরক্ষা নিয়ে বড় সংকট, বাড়ছে নির্বাসনের আশঙ্কা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29445</link>
    <pubDate>Sat, 22 Aug 2026 18:20:47 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29445</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/08222026_image02_us_on_tps.jpeg" />    <p><strong>শিব্বীর আহমেদ, ওয়াশিংটন ডিসি:</strong> যুক্তরাষ্ট্রে বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের দেওয়া সাময়িক সুরক্ষা সুবিধা নিয়ে নতুন করে সংকট তৈরি হয়েছে। আদালতের একের পর এক সিদ্ধান্তে এই সুরক্ষা বাতিলের বিরুদ্ধে থাকা স্থগিতাদেশ উঠে যাওয়ায় হাজার হাজার অভিবাসী এখন নির্বাসনের ঝুঁকিতে পড়েছেন।</p>

<p>যুক্তরাষ্ট্র সরকার নির্দিষ্ট কিছু দেশের নাগরিকদের নিজ দেশে যুদ্ধ, রাজনৈতিক অস্থিরতা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ কিংবা অন্য কোনো গুরুতর পরিস্থিতির কারণে সাময়িকভাবে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস ও কাজ করার অনুমতি দিয়ে থাকে। এই ব্যবস্থাই সাময়িক সুরক্ষা সুবিধা (TPS) হিসেবে পরিচিত।</p>

<p>তবে বর্তমান প্রশাসন বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের জন্য দেওয়া এই সুবিধা বাতিলের উদ্যোগ নেওয়ার পর দেশজুড়ে শুরু হয় আইনি লড়াই। অভিবাসী অধিকার সংগঠন ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আদালতের দ্বারস্থ হন। কয়েকটি মামলায় আদালত সাময়িকভাবে সুরক্ষা বাতিলের সিদ্ধান্ত কার্যকর হওয়া বন্ধ করে দিয়েছিল। সাম্প্রতিক সময়ে সেই পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে।</p>

<p><strong>হাইতিয়ান নাগরিকদের জন্য বড় ধাক্কা</strong></p>

<p>হাইতির প্রায় ৩ লাখ ৫০ হাজার নাগরিক এই সাময়িক সুরক্ষার আওতায় ছিলেন। আদালতের নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার পর তাদের সুরক্ষা বাতিলের পথ অনেকটাই পরিষ্কার হয়েছে। এর ফলে এসব মানুষ শুধু যুক্তরাষ্ট্রে কাজ করার অনুমতিই হারানোর ঝুঁকিতে পড়েননি, বরং দেশ থেকে বহিষ্কারের আশঙ্কার মধ্যেও পড়েছেন। গত ২১ আগস্ট হাইতিতে যুক্তরাষ্ট্রের একটি বড় বহিষ্কারকারী বিমান পৌঁছানোর ঘটনা পরিস্থিতির গুরুত্ব আরও স্পষ্ট করেছে।</p>

<p><strong>আরও কয়েকটি দেশের নাগরিক ঝুঁকিতে</strong></p>

<p>হাইতির পাশাপাশি সিরিয়া, দক্ষিণ সুদান, মিয়ানমার, সোমালিয়া ও ইথিওপিয়ার নাগরিকদের সাময়িক সুরক্ষা নিয়েও আদালতে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এসেছে। সোমালিয়ার নাগরিকদের সুরক্ষা বাতিল ঠেকাতে থাকা আদালতের স্থগিতাদেশ সম্প্রতি তুলে নেওয়া হয়েছে। ইথিওপিয়ার কয়েক হাজার নাগরিকের ক্ষেত্রেও একই ধরনের সিদ্ধান্ত এসেছে।</p>

<p>ফলে এসব দেশের নাগরিকদের মধ্যে যারা যুক্তরাষ্ট্রে থাকার জন্য শুধু এই সাময়িক সুরক্ষার ওপর নির্ভর করছেন, তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।</p>

<p><strong>সর্বোচ্চ আদালতের সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ</strong></p>

<p>এই পরিবর্তনের পেছনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর একটি হলো চলতি বছরের জুনে যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আদালতের একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত। এই সিদ্ধান্তের ফলে সাময়িক সুরক্ষা বাতিলের মতো প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে নিম্ন আদালতের হস্তক্ষেপের সুযোগ অনেকটাই সীমিত হয়েছে। ফলে সুরক্ষা বাতিল ঠেকাতে আদালতের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি স্থগিতাদেশ পাওয়া আগের তুলনায় কঠিন হয়ে পড়েছে।</p>

<p><strong>সুরক্ষা শেষ হলেই কি সঙ্গে সঙ্গে বহিষ্কার?</strong></p>

<p>না। কোনো ব্যক্তির সাময়িক সুরক্ষা শেষ হওয়ার অর্থ এই নয় যে তাকে পরদিনই যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কার করা হবে। কারও অন্য কোনো বৈধ অভিবাসন অনুমতি থাকতে পারে। কারও আশ্রয়ের আবেদন বিচারাধীন থাকতে পারে। আবার কেউ পরিবারভিত্তিক স্থায়ী বসবাসের আবেদনের প্রক্রিয়ায় থাকতে পারেন।</p>

<p>কিন্তু যাদের যুক্তরাষ্ট্রে থাকার একমাত্র আইনি ভিত্তি ছিল এই সাময়িক সুরক্ষা, তাদের জন্য পরিস্থিতি অনেক বেশি কঠিন। সুরক্ষা শেষ হয়ে গেলে তারা বহিষ্কারের প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হতে পারেন।</p>

<p><strong>অভিবাসীদের জন্য এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়</strong></p>

<p>বর্তমান পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর নাগরিকদের নিজেদের অভিবাসন অবস্থা, কাজের অনুমতির মেয়াদ, চলমান আবেদন এবং বহিষ্কারের কোনো আদেশ রয়েছে কি না&mdash;এসব বিষয় দ্রুত যাচাই করা জরুরি। কারণ একই দেশের দুইজন নাগরিকের আইনি পরিস্থিতি এক নাও হতে পারে। একজনের অন্য কোনো বৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে থাকার সুযোগ থাকতে পারে, অন্যজনের নাও থাকতে পারে।</p>

<p>সাময়িক সুরক্ষা বাতিলের এই ধারাবাহিক সিদ্ধান্তের ফলে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত হাজার হাজার অভিবাসীর ভবিষ্যৎ এখন অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে। আদালতের স্থগিতাদেশ একের পর এক উঠে যাওয়ায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জন্য নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে দ্রুত আইনি পদক্ষেপ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।</p>

<p><strong>বাংলাদেশ প্রসঙ্গে</strong></p>

<p>বর্তমানে বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সাময়িক সুরক্ষা সুবিধা চালু নেই। তাই সাম্প্রতিক এই সিদ্ধান্ত সরাসরি বাংলাদেশিদের ওপর প্রযোজ্য নয়। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সামগ্রিক অভিবাসন নীতি কঠোর হওয়ায় ভবিষ্যতে বাংলাদেশি অভিবাসীদের ওপরও এর পরোক্ষ প্রভাব পড়তে পারে।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/08222026_image02_us_on_tps.jpeg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[U.S. Plans $850 Million Payment Toward UN Arrears]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/english/29444</link>
    <pubDate>Sat, 22 Aug 2026 08:56:15 +0600</pubDate>
    <category> English </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/english/29444</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/08212026_image32_us_on_un_debt.jpeg" />    <p><em><strong>Shibbir Ahmed, Washington, D.C.:</strong></em> The United States has taken steps to pay a significant portion of its outstanding financial obligations to the United Nations. The Trump administration has notified Congress of plans to provide a total of $850 million to the United Nations. Of that amount, $725 million is planned for the UN regular budget, while $125 million is earmarked for UN peacekeeping operations in Haiti and the Democratic Republic of Congo (DRC).</p>

<p>However, the funds have not yet been transferred to the United Nations. U.S. officials said the release of the money is tied to continued reforms at the United Nations. Washington has been pushing for reductions in UN spending and reforms aimed at addressing what the administration considers growing Chinese influence within the organization.</p>

<p>According to UN figures, the United States owes the organization more than $4 billion in outstanding payments. This includes approximately $2.04 billion for the regular budget, about $2.2 billion for peacekeeping operations, and additional amounts related to international tribunals. However, Washington and the United Nations differ in their calculations of the total amount owed.</p>

<p>UN Secretary-General Ant&oacute;nio Guterres has warned that the organization is facing a serious financial crisis as member states continue to fall behind on their payments this year. To address the funding shortfall, the United Nations has already begun cutting its budget and reducing expenditures. The 2026 UN budget was reduced by 9.2 percent compared with the previous year.</p>

<p>Although the United States remains the United Nations&#39; largest financial contributor, the Trump administration has significantly reduced funding to the UN and several of its agencies over the past year and a half. At the same time, the administration has called for major reforms within the organization.</p>

<p>The proposed payment represents less than 20 percent of the total amount the United States owes, according to UN figures. However, UN officials and experts say the funding could help ease some of the organization&#39;s immediate financial pressure.</p>

<p>The proposed payment comes as preparations are underway for President Donald Trump to address the United Nations General Assembly in New York next month. The development is expected to draw renewed international attention to the financial relationship between Washington and the United Nations, as well as the future of reforms within the organization.</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/08212026_image32_us_on_un_debt.jpeg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[জাতিসংঘের বকেয়া পরিশোধে ৮৫০ মিলিয়ন ডলার দেওয়ার পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29443</link>
    <pubDate>Sat, 22 Aug 2026 08:54:56 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29443</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/08212026_image31_us_on_un_debt.jpeg" />    <p><em><strong>শিব্বীর আহমেদ, ওয়াশিংটন ডিসি: </strong></em>জাতিসংঘের বকেয়া অর্থের একটি বড় অংশ পরিশোধের উদ্যোগ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ট্রাম্প প্রশাসন জাতিসংঘকে মোট ৮৫০ মিলিয়ন ডলার দেওয়ার পরিকল্পনার কথা কংগ্রেসকে জানিয়েছে। এর মধ্যে ৭২৫ মিলিয়ন ডলার জাতিসংঘের নিয়মিত বাজেটের জন্য এবং ১২৫ মিলিয়ন ডলার হাইতি ও ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে (ডিআর কঙ্গো) জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের জন্য বরাদ্দের পরিকল্পনা রয়েছে।&nbsp;তবে অর্থ এখনো জাতিসংঘের কাছে হস্তান্তর করা হয়নি। মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অর্থ ছাড়ের বিষয়টি জাতিসংঘের সংস্কার কার্যক্রম অব্যাহত রাখার ওপর নির্ভরশীল। যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘের ব্যয় কমানো এবং সংস্থাটিতে চীনের প্রভাব মোকাবিলাসহ বিভিন্ন সংস্কারের ওপর জোর দিয়ে আসছে।</p>

<p>জাতিসংঘের হিসাবে, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে সংস্থাটির ৪ বিলিয়ন ডলারের বেশি বকেয়া রয়েছে। এর মধ্যে নিয়মিত বাজেটের জন্য প্রায় ২.০৪ বিলিয়ন ডলার, শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের জন্য প্রায় ২.২ বিলিয়ন ডলার এবং ট্রাইব্যুনালের জন্য আরও অর্থ রয়েছে। তবে বকেয়ার মোট পরিমাণ নিয়ে ওয়াশিংটন ও জাতিসংঘের হিসাবের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে।</p>

<p>জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস চলতি বছর সদস্য দেশগুলোর বকেয়া অর্থ পরিশোধ না হওয়ায় সংস্থাটি গুরুতর আর্থিক সংকটের মুখে পড়েছে বলে সতর্ক করেছেন। অর্থসংকট মোকাবিলায় জাতিসংঘ ইতোমধ্যে বাজেট কমানো ও ব্যয় সংকোচনের উদ্যোগ নিয়েছে। ২০২৬ সালের বাজেটও আগের তুলনায় ৯.২ শতাংশ কমানো হয়েছে।</p>

<p>যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘের সবচেয়ে বড় অর্থদাতা হলেও ট্রাম্প প্রশাসন গত দেড় বছরে জাতিসংঘ ও এর বিভিন্ন সংস্থায় অর্থায়ন উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়েছে। একই সঙ্গে প্রশাসন জাতিসংঘে ব্যাপক সংস্কারের দাবি জানিয়ে আসছে। প্রস্তাবিত অর্থের পরিমাণ জাতিসংঘের হিসাবে যুক্তরাষ্ট্রের মোট বকেয়ার ২০ শতাংশেরও কম। তবে জাতিসংঘের কর্মকর্তারা ও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই অর্থ সংস্থাটির তাৎক্ষণিক আর্থিক চাপ কিছুটা কমাতে সহায়তা করতে পারে।</p>

<p>এই অর্থ বরাদ্দের পরিকল্পনাটি এমন সময়ে সামনে এলো, যখন আগামী মাসে নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে। ফলে যুক্তরাষ্ট্র ও জাতিসংঘের আর্থিক সম্পর্কের পাশাপাশি সংস্থাটির ভবিষ্যৎ সংস্কার নিয়েও নতুন করে আন্তর্জাতিক মনোযোগ তৈরি হয়েছে।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/08212026_image31_us_on_un_debt.jpeg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[U.S. Moves Military Assets From Asia Amid Iran War, Raising Concerns Among Allies]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/english/29442</link>
    <pubDate>Sat, 22 Aug 2026 08:32:44 +0600</pubDate>
    <category> English </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/english/29442</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/08212026_image29_us_warship.jpeg" />    <p><strong>Shibbir Ahmed, Washington, D.C.</strong>: As the war with Iran continues to drag on, the growing demand for U.S. military forces in the Middle East is prompting Washington to move some key military assets from the Asia-Pacific region. The development has raised fresh concerns among U.S. allies in Asia about Washington&rsquo;s military capabilities and deterrence strategy toward China and North Korea.</p>

<p>One of the most significant recent developments is the deployment of the U.S. aircraft carrier USS George Washington, which had been stationed in Japan, to the Middle East. The carrier is expected to replace the USS Abraham Lincoln, which has been involved in operations related to the Iran war for an extended period. The move will temporarily leave the Western Pacific without a U.S. aircraft carrier.</p>

<p>As the conflict between the United States and Iran approaches the six-month mark, pressure on U.S. military resources in the Middle East is also increasing. The decision to send the George Washington to replace the Abraham Lincoln, which has spent an extended period at sea, is being viewed as a reflection of that growing pressure.</p>

<p><strong>Concerns Growing in Asia</strong></p>

<p>U.S. allies in Asia are particularly concerned about the military redeployment. Their concern is that shifting military assets to the Middle East could temporarily weaken the United States&rsquo; ability to deter China in the Indo-Pacific region.</p>

<p>China&rsquo;s military power has been expanding rapidly, particularly in the Western Pacific. As a result, the absence of a U.S. aircraft carrier from the region has raised new questions about the military balance. However, most U.S. military forces remain in Asia, and the current moves are not being viewed as a permanent withdrawal from the region.</p>

<p><strong>New Questions Over North Korea</strong></p>

<p>The military repositioning comes at a sensitive time, as North Korea has launched approximately 10 short-range ballistic missiles. At the same time, the Trump administration has reduced the scope of joint military exercises between the United States and South Korea, with the exercise ending six days earlier than originally scheduled.</p>

<p>While Washington is seeking to reopen the possibility of negotiations with North Korean leader Kim Jong Un, the Iran war is simultaneously forcing the United States to reassess the deployment of its military assets in Asia. The developments have prompted renewed discussions about the long-term U.S. defense commitment to allies such as South Korea and Japan.</p>

<p><strong>Is the Situation Creating an Opportunity for China?</strong></p>

<p>For analysts, one of the most important questions is how a prolonged conflict in the Middle East could affect the United States&rsquo; broader Indo-Pacific strategy. The United States is facing pressure on its military resources as it attempts to address security challenges involving Iran, China, North Korea and other potential threats simultaneously. Concerns have also emerged over U.S. stocks of weapons and missile-defense systems.</p>

<p>Meanwhile, the Pentagon is also reviewing the possibility of reducing or restructuring the U.S. military presence in the Persian Gulf after the Iran war ends. However, no final decision has been made on the matter.</p>

<p>Overall, the Iran war is not only changing the military balance in the Middle East; it is also having implications for U.S. global military strategy. With key military assets being shifted from Asia to the Middle East, a major question now facing Washington is whether the United States can maintain the same level of military presence and deterrence on both fronts&mdash;the Middle East and the Indo-Pacific.</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/08212026_image29_us_warship.jpeg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ইরান যুদ্ধের প্রভাবে এশিয়া থেকে সামরিক সম্পদ সরাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, উদ্বিগ্ন মিত্ররা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29441</link>
    <pubDate>Sat, 22 Aug 2026 08:31:29 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29441</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/08212026_image30_us_warship.jpeg" />    <p><strong>শিব্বীর আহমেদ, ওয়াশিংটন ডিসি:</strong> ইরান যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ার প্রেক্ষাপটে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক উপস্থিতির চাপ বাড়ায় এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল থেকে গুরুত্বপূর্ণ কিছু সামরিক সম্পদ সরিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এর ফলে চীন ও উত্তর কোরিয়াকে মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সক্ষমতা ও প্রতিরোধ কৌশল নিয়ে এশিয়ার মিত্র দেশগুলোর মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।</p>

<p>সাম্প্রতিক সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনগুলোর একটি হলো, জাপানে মোতায়েন থাকা মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস জর্জ ওয়াশিংটনকে মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানো হয়েছে। রণতরীটি দীর্ঘদিন ধরে ইরান যুদ্ধের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অভিযানে থাকা ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনকে প্রতিস্থাপন করতে যাচ্ছে। এর ফলে সাময়িকভাবে পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো বিমানবাহী রণতরী থাকছে না।</p>

<p>ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাত ছয় মাসের দিকে এগিয়ে যাওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক সম্পদের ওপর চাপও বাড়ছে। দীর্ঘ সময় ধরে সমুদ্রে থাকা আব্রাহাম লিংকনের পরিবর্তে জর্জ ওয়াশিংটনকে পাঠানোর সিদ্ধান্ত সেই চাপেরই প্রতিফলন বলে মনে করা হচ্ছে।</p>

<p><strong>এশিয়ায় বাড়ছে উদ্বেগ</strong></p>

<p>যুক্তরাষ্ট্রের এই সামরিক পুনর্বিন্যাস নিয়ে এশিয়ার মিত্র দেশগুলো বিশেষভাবে উদ্বিগ্ন। তাদের আশঙ্কা, মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক সম্পদ সরিয়ে নেওয়ার ফলে চীনকে প্রতিরোধ করার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের তাৎক্ষণিক সক্ষমতা কিছুটা দুর্বল হতে পারে।</p>

<p>বিশেষ করে পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চীনের সামরিক শক্তি দ্রুত বাড়ছে। তাই ওই অঞ্চলে মার্কিন বিমানবাহী রণতরীর অনুপস্থিতি সামরিক ভারসাম্য নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। তবে এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের অধিকাংশ সামরিক বাহিনী এখনো বহাল রয়েছে এবং এই পরিবর্তনকে স্থায়ী প্রত্যাহার হিসেবে দেখা হচ্ছে না।</p>

<p><strong>উত্তর কোরিয়ার ক্ষেত্রেও নতুন প্রশ্ন</strong></p>

<p>এই সামরিক পুনর্বিন্যাসের সময়েই উত্তর কোরিয়া প্রায় ১০টি স্বল্প-পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করেছে। একই সময়ে ট্রাম্প প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ সামরিক মহড়া কমিয়ে দিয়েছে এবং মহড়াটি নির্ধারিত সময়ের ছয় দিন আগেই শেষ হয়েছে।</p>

<p>ওয়াশিংটন একদিকে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সঙ্গে নতুন করে আলোচনার সম্ভাবনা তৈরি করছে, অন্যদিকে ইরান যুদ্ধের কারণে এশিয়ায় সামরিক সম্পদের ব্যবহার পুনর্বিন্যাস করছে। ফলে দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের মতো মিত্রদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদি প্রতিরক্ষা প্রতিশ্রুতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।</p>

<p><strong>চীনের জন্য কি সুযোগ তৈরি হচ্ছে?</strong></p>

<p>বিশ্লেষকদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো&mdash;মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত যুক্তরাষ্ট্রের ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশলকে কতটা প্রভাবিত করবে।&nbsp;যুক্তরাষ্ট্র একই সঙ্গে ইরান, চীন, উত্তর কোরিয়া ও অন্যান্য নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে গিয়ে সামরিক সম্পদের ওপর চাপের মুখে পড়ছে। মার্কিন অস্ত্র ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মজুত নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।</p>

<p>এদিকে ইরান যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি কমানো বা পুনর্বিন্যাসের সম্ভাবনাও পেন্টাগন পর্যালোচনা করছে। তবে এখনো এ বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।</p>

<p>সব মিলিয়ে, ইরান যুদ্ধ শুধু মধ্যপ্রাচ্যের সামরিক ভারসাম্যই বদলে দিচ্ছে না; এর প্রভাব পড়ছে যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক সামরিক কৌশলেও। এশিয়া থেকে মধ্যপ্রাচ্যে গুরুত্বপূর্ণ সামরিক সম্পদ সরিয়ে নেওয়ার ফলে এখন বড় প্রশ্ন&mdash;ওয়াশিংটন কি একই সময়ে মধ্যপ্রাচ্য ও ইন্দো-প্যাসিফিক&mdash;দুই ফ্রন্টেই আগের মতো শক্তিশালী সামরিক উপস্থিতি ধরে রাখতে পারবে?</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/08212026_image30_us_warship.jpeg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[Hint of Trump–Kim Summit as North Korea Launches Missiles]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/english/29440</link>
    <pubDate>Sat, 22 Aug 2026 08:23:56 +0600</pubDate>
    <category> English </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/english/29440</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/08212026_image27_trump_kim.jpeg" />    <p><strong>Shibbir Ahmed, Washington, D.C.:</strong> The possibility of renewed diplomatic engagement between Washington and Pyongyang has emerged, but there are no signs of tensions easing. U.S. President Donald Trump has expressed interest in meeting North Korean leader Kim Jong Un again later this year. Shortly afterward, North Korea launched approximately 10 short-range ballistic missiles, further escalating tensions.</p>

<p>Amid Trump&rsquo;s renewed interest in holding a summit, Pyongyang has made clear that it is not prepared to return to negotiations based solely on the two leaders&rsquo; personal relationship. Kim Jong Un&rsquo;s influential sister, Kim Yo Jong, said that although Trump and her brother have a good personal relationship, North Korea&rsquo;s strategic and national security interests would not be sacrificed under any circumstances. Pyongyang&rsquo;s position suggests that a major change in Washington&rsquo;s policy may be necessary before new negotiations can take place.</p>

<p><strong>North Korea Sends a Message With Missile Launches</strong></p>

<p>On Thursday, North Korea launched approximately 10 short-range ballistic missiles from the Pyongyang region toward the sea to the east. South Korea&rsquo;s military said the missiles traveled approximately 300 kilometers. Following the launches, an emergency security meeting was held in South Korea, while surveillance and intelligence-sharing with the United States and Japan were strengthened.</p>

<p>South Korea condemned the missile launches and called on Pyongyang to stop such provocative actions. The United States, South Korea and Japan also coordinated their responses to North Korea&rsquo;s latest missile launches.</p>

<p><strong>U.S. Also Scales Back Military Exercises</strong></p>

<p>As part of efforts to improve relations with North Korea, the Trump administration has decided to reduce joint military exercises between the United States and South Korea. The annual Ulchi Freedom Shield exercise was originally scheduled to last 11 days but ended Friday&mdash;six days earlier than planned. Joint field training exercises were also reduced.</p>

<p>Trump&rsquo;s decision is being viewed as an effort to reopen diplomatic channels with Pyongyang. However, North Korea does not appear to consider the move sufficient. Kim Yo Jong has continued to describe U.S. policy as &ldquo;hostile&rdquo; even after the reduction in military exercises.</p>

<p><img alt="" src="https://khabor.com/upload/images/news/08212026_image28_north_korea_attack.jpeg" style="width: 1280px; height: 667px;" /></p>

<p><strong>How Likely Is a New Trump&ndash;Kim Summit?</strong></p>

<p>Trump and Kim Jong Un have previously met three times. However, after their 2019 summit in Hanoi ended without an agreement, negotiations over North Korea&rsquo;s nuclear program effectively stalled. If a new summit takes place, North Korea&rsquo;s nuclear program could once again become the central issue.</p>

<p>But the situation is more complicated than it was previously. Pyongyang has further expanded its nuclear and missile capabilities, while its relationship with Russia has also deepened. As a result, analysts believe Kim Jong Un could enter any new negotiations from a stronger bargaining position than before.</p>

<p>Overall, Trump&rsquo;s interest in another meeting and North Korea&rsquo;s missile launches are sending two very different signals. The contrasting developments have once again drawn global attention to the Korean Peninsula. The key question now is whether Trump and Kim can return to the negotiating table despite continued missile launches and military tensions.</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/08212026_image27_trump_kim.jpeg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ট্রাম্প–কিম বৈঠকের ইঙ্গিত, উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29439</link>
    <pubDate>Sat, 22 Aug 2026 08:21:54 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29439</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/08212026_image28_north_korea_attack.jpeg" />    <p><b>শিব্বীর আহমেদ, ওয়াশিংটন ডিসি:</b> ওয়াশিংটন ও পিয়ংইয়ংয়ের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক যোগাযোগের সম্ভাবনা তৈরি হলেও উত্তেজনা কমার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ বছরের শেষ দিকে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সঙ্গে আবার বৈঠকে বসার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। এর পরপরই উত্তর কোরিয়া প্রায় ১০টি স্বল্প-পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।<br />
ট্রাম্পের নতুন বৈঠকের আগ্রহের মধ্যেই পিয়ংইয়ং স্পষ্ট করেছে, শুধু ব্যক্তিগত সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে আলোচনায় ফিরতে তারা প্রস্তুত নয়। কিম জং উনের প্রভাবশালী বোন কিম ইয়ো জং বলেছেন, ট্রাম্প ও তাঁর ভাইয়ের ব্যক্তিগত সম্পর্ক ভালো হলেও উত্তর কোরিয়ার কৌশলগত ও জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থ কোনোভাবেই বিসর্জন দেওয়া হবে না। ওয়াশিংটনের নীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন ছাড়া নতুন আলোচনা কঠিন হতে পারে বলে পিয়ংইয়ংয়ের অবস্থান থেকে ইঙ্গিত মিলেছে।<br />
<b>ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে বার্তা পিয়ংইয়ংয়ের</b><br />
বৃহস্পতিবার উত্তর কোরিয়া রাজধানী পিয়ংইয়ং অঞ্চল থেকে প্রায় ১০টি স্বল্প-পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পূর্ব দিকে সমুদ্রের দিকে নিক্ষেপ করে। দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী জানায়, ক্ষেপণাস্ত্রগুলো প্রায় ৩০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দেয়। উৎক্ষেপণের পর দক্ষিণ কোরিয়ায় জরুরি নিরাপত্তা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় এবং যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের সঙ্গে নজরদারি ও তথ্য বিনিময় জোরদার করা হয়।&nbsp;দক্ষিণ কোরিয়া এই ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের নিন্দা জানিয়ে পিয়ংইয়ংকে এ ধরনের কর্মকাণ্ড বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানও উত্তর কোরিয়ার সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ নিয়ে সমন্বয় করেছে।</p>

<p><img alt="" src="https://khabor.com/upload/images/news/08212026_image27_trump_kim.jpeg" style="width: 999px; height: 756px;" /><br />
<b>সামরিক মহড়াও কমিয়ে দিল যুক্তরাষ্ট্র</b><br />
উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগের অংশ হিসেবে ট্রাম্প প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ সামরিক মহড়া কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। &lsquo;উলচি ফ্রিডম শিল্ড&rsquo; নামের বার্ষিক মহড়াটি ১১ দিন চলার কথা থাকলেও শুক্রবারই তা শেষ করা হয়েছে&mdash;নির্ধারিত সময়ের ছয় দিন আগে। যৌথ ফিল্ড প্রশিক্ষণও কমানো হয়েছে।<br />
ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তকে পিয়ংইয়ংয়ের সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ পুনরায় শুরু করার প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে উত্তর কোরিয়া এই পদক্ষেপকে যথেষ্ট মনে করছে না। কিম ইয়ো জং সামরিক মহড়া কমানোর পরও যুক্তরাষ্ট্রের নীতিকে &lsquo;শত্রুতাপূর্ণ&rsquo; হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।<br />
<b>নতুন বৈঠকের সম্ভাবনা কতটা?</b><br />
ট্রাম্প ও কিম জং উন এর আগে তিনবার বৈঠক করেছেন। তবে ২০১৯ সালে হ্যানয় বৈঠক কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ হওয়ার পর দুই দেশের পারমাণবিক আলোচনা কার্যত স্থবির হয়ে যায়। এবার নতুন করে বৈঠক হলে উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক কর্মসূচিই আবার আলোচনার কেন্দ্রে আসতে পারে।কিন্তু এবার পরিস্থিতি আগের চেয়ে জটিল। পিয়ংইয়ং তার পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা আরও বাড়িয়েছে এবং রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্কও গভীর হয়েছে। ফলে নতুন আলোচনায় কিম জং উন আগের তুলনায় শক্তিশালী অবস্থান থেকে দর-কষাকষি করতে পারেন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।</p>

<p>সব মিলিয়ে, একদিকে ট্রাম্পের বৈঠকের আগ্রহ, অন্যদিকে উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ&mdash;দুই বিপরীত বার্তায় আবারও কোরীয় উপদ্বীপের দিকে বিশ্বের নজর পড়েছে। এখন মূল প্রশ্ন, ক্ষেপণাস্ত্র ও সামরিক উত্তেজনার মধ্যেও ট্রাম্প&ndash;কিম নতুন করে আলোচনার টেবিলে ফিরতে পারবেন কি না।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/08212026_image28_north_korea_attack.jpeg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[757 U.S. Service Members Wounded in Iran War: Pentagon]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/english/29438</link>
    <pubDate>Fri, 21 Aug 2026 22:08:29 +0600</pubDate>
    <category> English </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/english/29438</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1-08212026_image26_us_army.jpeg" />    <p><strong>Shibbir Ahmed, Washington, D.C.</strong>: As many as 757 U.S. service members have been wounded so far in the ongoing war against Iran, according to the Pentagon&rsquo;s wartime casualty database. The total surpassed 750 after the Defense Department added information on more than 50 newly wounded service members this week.</p>

<p>According to data from the U.S. Department of Defense&rsquo;s Defense Casualty Analysis System (DCAS), 18 U.S. service members have been killed and 757 wounded since the United States launched its military operation against Iran on February 28. More than 580 of the wounded service members are from the U.S. Army. In addition, 86 Navy personnel, 64 Air Force personnel and 19 Marines have been wounded.</p>

<p><strong>Controversy Over Pentagon Casualty Figures</strong></p>

<p>The Pentagon has previously faced criticism over the way it has reported casualties from the Iran war.&nbsp;At the end of July, the Defense Department created a new category called &ldquo;Overseas Operations.&rdquo; Casualties occurring after July 7 began to be reported separately from those listed under &ldquo;Operation Epic Fury.&rdquo;</p>

<p>The move raised questions about the actual number of U.S. military casualties in the conflict. When the figures from the two categories were combined, the total number of wounded service members surpassed 750.</p>

<p><strong>Majority of Wounded Suffered Head Injuries</strong></p>

<p>The Pentagon and U.S. Central Command have released only limited details about the injuries suffered by American service members. However, U.S. officials have said that a significant number of the wounded suffered serious head injuries.&nbsp;</p>

<p>Meanwhile, alongside the ongoing war with Iran, President Donald Trump has announced plans to impose unprecedented economic pressure on Tehran. As a result, tensions between the United States and Iran are expected to intensify not only on the military front but also through an increasingly severe economic confrontation.</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1-08212026_image26_us_army.jpeg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ইরান যুদ্ধে ৭৫৭ মার্কিন সেনা আহত: পেন্টাগন]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29437</link>
    <pubDate>Fri, 21 Aug 2026 22:06:50 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29437</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/08212026_image26_us_army.jpeg" />    <p><strong>শিব্বীর আহমেদ, ওয়াশিংটন ডিসি:</strong> ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে এখন পর্যন্ত ৭৫৭ জন মার্কিন সেনাসদস্য আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে পেন্টাগনের যুদ্ধকালীন হতাহতের তথ্যভান্ডার। চলতি সপ্তাহে নতুন করে ৫০ জনেরও বেশি আহত সেনাসদস্যের তথ্য যুক্ত করার পর মোট সংখ্যা ৭৫০ ছাড়িয়েছে।</p>

<p>মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের ডিফেন্স ক্যাজুয়ালটি অ্যানালাইসিস সিস্টেম (ডিসিএএস)-এর তথ্য অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত ১৮ জন মার্কিন সেনাসদস্য নিহত এবং ৭৫৭ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ৫৮০ জনের বেশি সেনাবাহিনীর সদস্য। এছাড়া ৮৬ জন নৌসেনা, ৬৪ জন বিমানবাহিনীর সদস্য এবং ১৯ জন মেরিন আহত হয়েছেন।</p>

<p><strong>হতাহতের হিসাব নিয়ে পেন্টাগনের বিতর্ক</strong></p>

<p>ইরান যুদ্ধের হতাহতের হিসাব প্রকাশ নিয়ে এর আগেও পেন্টাগন সমালোচনার মুখে পড়ে। জুলাইয়ের শেষ দিকে প্রতিরক্ষা বিভাগ &ldquo;ওভারসিজ অপারেশনস&rdquo; নামে একটি নতুন শ্রেণি তৈরি করে। এর মাধ্যমে ৭ জুলাইয়ের পরের হতাহতদের &ldquo;অপারেশন এপিক ফিউরি&rdquo;-এর হিসাব থেকে আলাদা করে দেখানো শুরু হয়। এর ফলে যুদ্ধের প্রকৃত হতাহতের সংখ্যা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। পরে দুটি শ্রেণির হিসাব একত্র করলে আহতের সংখ্যা ৭৫০ ছাড়িয়ে যায়।</p>

<p><strong>অধিকাংশ আহত হয়েছেন মাথায় আঘাতে</strong></p>

<p>পেন্টাগন ও মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড আহত সেনাদের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য খুব সীমিতভাবে প্রকাশ করেছে। তবে মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আহতদের বড় একটি অংশ মাথায় গুরুতর আঘাতজনিত সমস্যায় ভুগছেন। এদিকে ইরান যুদ্ধের পাশাপাশি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে নজিরবিহীন অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগের ঘোষণা দিয়েছেন। ফলে সামরিক সংঘাতের পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সংঘাতও আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/08212026_image26_us_army.jpeg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[Treasury Bond Yield Turmoil Sparks Global Concerns]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/english/29436</link>
    <pubDate>Fri, 21 Aug 2026 21:58:34 +0600</pubDate>
    <category> English </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/english/29436</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/08212026_image24_us_treasury_bond.jpeg" />    <p><strong>Shibbir Ahmed, Washington, D.C.:</strong> A sharp rise in yields on long-term U.S. government bonds has triggered renewed turmoil in the country&rsquo;s debt market. To help stabilize the situation, the U.S. Treasury Department has decided to double the size of its long-term government bond buyback operations. While the move initially brought some relief to the market, yields have started rising again. As a result, investor concerns over the United States&rsquo; massive government debt, budget deficit and future inflation have deepened.</p>

<p><strong>Why Has the Market Become So Turbulent?</strong></p>

<p>In recent weeks, yields on long-term U.S. government bonds have risen sharply. On Wednesday, the yield on the 30-year Treasury bond reached 5.34 percent, its highest level since 2007. The yield declined somewhat after the Treasury Department announced its expanded buyback program. However, that relief did not last, and yields began rising again.</p>

<p>Higher yields increase the cost of borrowing for the U.S. government. At the same time, they can push up the cost of mortgages, business loans and other long-term borrowing. This could also put pressure on economic growth.</p>

<p><strong>Treasury Doubles the Size of Bond Buybacks</strong></p>

<p>U.S. Treasury Secretary Scott Bessent announced that from September 9 through November 4, the Treasury will spend up to $4 billion in each operation to buy back government bonds with maturities ranging from 10 to 30 years. Previously, the maximum amount for each operation was $2 billion.</p>

<p>The Treasury Department&#39;s goal is to buy back some of the longer-term bonds that are traded less frequently, improve market liquidity and reduce pressure on long-term interest rates.</p>

<p>Bessent has also indicated that the Treasury could buy back more than $4 billion in individual operations if necessary. Following the Treasury&#39;s announcement, government bond yields initially declined. But within a short period, those gains were erased and yields began rising again.</p>

<p>This suggests that government bond buybacks alone may not be enough to address the underlying causes of the market turmoil. Investors remain focused on the United States&rsquo; massive government debt, large budget deficit, inflation concerns and uncertainty over the future path of interest rates.</p>

<p><strong>U.S. Government Debt Surpasses $40 Trillion</strong></p>

<p>One of the biggest factors behind the current market turmoil is the enormous size of the U.S. government debt. The country&#39;s total government debt recently surpassed $40 trillion for the first time. Along with the massive debt burden, the government&#39;s large budget deficit is also raising concerns among investors. As government debt continues to increase, so does the cost of servicing that debt.</p>

<p>Analysts say government bond buybacks may provide temporary relief to financial markets, but they cannot solve the underlying problems associated with the country&#39;s rising debt and budget deficit.</p>

<p><strong>Impact Extends Beyond the United States</strong></p>

<p>U.S. government bonds are considered one of the foundations of the global financial system. As a result, rising yields on long-term U.S. government bonds can affect debt markets in other countries as well.&nbsp;Long-term government bond yields have also been rising in countries including Germany and Japan. This has raised concerns that governments, businesses and consumers around the world could face higher borrowing costs.</p>

<p>Investors across Asian markets are also closely watching the Treasury Department&#39;s moves. A decline in long-term U.S. Treasury yields could provide some relief to other markets. But if yields continue to rise, global financial markets could come under renewed pressure.</p>

<p>The key question now is whether the Treasury Department can use government bond buybacks to bring down long-term interest rates on a sustained basis. Analysts say bond buybacks can improve market liquidity and ease pressure in the short term. However, if the United States continues to face massive government debt, large budget deficits and inflation risks, keeping long-term interest rates low could become increasingly difficult.</p>

<p>In other words, Bessent&#39;s move may give the market some breathing room for now. But unless the underlying problems surrounding U.S. debt and the budget deficit are addressed, turmoil in the Treasury bond market could return. For global markets, the most important question is now this: Is the current turmoil in the U.S. debt market temporary, or could it mark the beginning of even greater pressure on global debt markets?</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/08212026_image24_us_treasury_bond.jpeg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ট্রেজারি বন্ডের সুদহারে অস্থিরতা, বিশ্বজুড়ে বাড়ছে উদ্বেগ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29435</link>
    <pubDate>Fri, 21 Aug 2026 21:56:56 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29435</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/08212026_image23_us_treasury_bond.jpeg" />    <p><strong>শিব্বীর আহমেদ, ওয়াশিংটন ডিসি:</strong> যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদি সরকারি বন্ডের সুদের হার অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় দেশটির ঋণবাজারে নতুন করে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে দীর্ঘমেয়াদি সরকারি বন্ড পুনঃক্রয়ের পরিমাণ দ্বিগুণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয়। তবে সরকারের এই পদক্ষেপে সাময়িক স্বস্তি এলেও সুদের হার আবারও বাড়তে শুরু করেছে। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের বিপুল সরকারি ঋণ, বাজেট ঘাটতি এবং ভবিষ্যৎ মূল্যস্ফীতি নিয়ে বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ আরও গভীর হয়েছে।</p>

<p><strong>কেন হঠাৎ এত অস্থিরতা?</strong></p>

<p>সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদি সরকারি বন্ডের সুদের হার দ্রুত বেড়েছে। বুধবার ত্রিশ বছর মেয়াদি সরকারি বন্ডের সুদের হার ৫ দশমিক ৩৪ শতাংশে পৌঁছায়, যা ২০০৭ সালের পর সর্বোচ্চ পর্যায়। পরে অর্থ মন্ত্রণালয়ের পুনঃক্রয়ের ঘোষণা আসার পর সুদের হার কিছুটা কমে যায়। কিন্তু সেই স্বস্তি স্থায়ী হয়নি; পরবর্তী সময়ে সুদের হার আবার বাড়তে শুরু করে।</p>

<p>সুদের হার বেড়ে গেলে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের নতুন ঋণ নেওয়ার খরচ বাড়ে। একই সঙ্গে বাড়তে পারে গৃহঋণ, ব্যবসায়িক ঋণ এবং অন্যান্য দীর্ঘমেয়াদি ঋণের খরচ। এর ফলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ওপরও চাপ তৈরি হতে পারে।</p>

<p><strong>বন্ড পুনঃক্রয়ের পরিমাণ দ্বিগুণ</strong></p>

<p>মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ঘোষণা দিয়েছেন, আগামী ৯ সেপ্টেম্বর থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত ১০ থেকে ৩০ বছর মেয়াদি সরকারি বন্ড পুনঃক্রয়ের ক্ষেত্রে প্রতিটি দফায় কমপক্ষে ৪০০ কোটি ডলার পর্যন্ত অর্থ ব্যয় করা হবে। এর আগে প্রতিটি দফায় সর্বোচ্চ ২০০ কোটি ডলারের বন্ড পুনঃক্রয় করা হতো।</p>

<p>অর্থ মন্ত্রণালয়ের লক্ষ্য হলো বাজারে অপেক্ষাকৃত কম লেনদেন হওয়া দীর্ঘমেয়াদি বন্ড নিজেদের কাছে ফিরিয়ে নিয়ে বাজারে লেনদেনের স্বাভাবিকতা বাড়ানো এবং দীর্ঘমেয়াদি ঋণের সুদের হারের ওপর চাপ কমানো। বেসেন্ট জানিয়েছেন, প্রয়োজন হলে ভবিষ্যতে প্রতিটি দফায় ৪০০ কোটি ডলারের চেয়েও বেশি সরকারি বন্ড পুনঃক্রয় করা হতে পারে।</p>

<p>অর্থ মন্ত্রণালয়ের ঘোষণার পর প্রথমে সরকারি বন্ডের সুদের হার কমে যায়। কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যেই সেই পতন মুছে গিয়ে সুদের হার আবার বাড়তে শুরু করে। এতে স্পষ্ট হয়েছে, শুধু সরকারি বন্ড পুনঃক্রয় করে বাজারের অস্থিরতার মূল কারণ দূর করা সম্ভব হচ্ছে না। বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগের কেন্দ্রে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের বিপুল সরকারি ঋণ, বড় বাজেট ঘাটতি, মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা এবং ভবিষ্যৎ সুদের হার নিয়ে অনিশ্চয়তা।</p>

<p><strong>যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ঋণ ৪০ লাখ কোটি ডলার ছাড়িয়েছে</strong></p>

<p>এই অস্থিরতার সবচেয়ে বড় পটভূমিগুলোর একটি হলো যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ঋণের বিশাল আকার। দেশটির মোট সরকারি ঋণ সম্প্রতি প্রথমবারের মতো ৪০ লাখ কোটি ডলার ছাড়িয়েছে।&nbsp;বিপুল ঋণের পাশাপাশি সরকারের বড় বাজেট ঘাটতিও বিনিয়োগকারীদের উদ্বিগ্ন করে তুলছে। সরকারের ঋণের পরিমাণ যত বাড়বে, সেই ঋণের সুদ পরিশোধের ব্যয়ও তত বাড়বে। বিশ্লেষকদের মতে, সরকারি বন্ড পুনঃক্রয় বাজারে সাময়িক স্বস্তি দিতে পারে, কিন্তু সরকারের ঋণ ও ঘাটতির মূল সমস্যার সমাধান করতে পারে না।</p>

<p><strong>শুধু যুক্তরাষ্ট্র নয়, বিশ্ববাজারেও প্রভাব</strong></p>

<p>যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি বন্ডকে বিশ্ব আর্থিক ব্যবস্থার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তাই যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদি বন্ডের সুদের হার বাড়লে তার প্রভাব অন্যান্য দেশের ঋণবাজারেও পড়তে পারে।সাম্প্রতিক সময়ে জার্মানি ও জাপানসহ বিভিন্ন দেশের দীর্ঘমেয়াদি সরকারি ঋণের সুদের হারও বাড়ছে। ফলে বিশ্বজুড়ে সরকার, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং সাধারণ মানুষের জন্য ঋণ নেওয়ার খরচ বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।</p>

<p>এশিয়ার বিভিন্ন বাজারেও যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয়ের পদক্ষেপের দিকে বিনিয়োগকারীরা নজর রাখছেন। দীর্ঘমেয়াদি মার্কিন বন্ডের সুদের হার কমলে অন্যান্য বাজারে কিছুটা স্বস্তি তৈরি হতে পারে। কিন্তু সুদের হার আবার বাড়তে থাকলে বিশ্ববাজারে নতুন করে চাপ সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।</p>

<p>এখন মূল প্রশ্ন হলো&mdash;সরকারি বন্ড পুনঃক্রয়ের মাধ্যমে মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় কি দীর্ঘমেয়াদি সুদের হার স্থায়ীভাবে কমাতে পারবে? বিশ্লেষকদের মতে, বন্ড পুনঃক্রয় বাজারের তারল্য বাড়িয়ে সাময়িকভাবে চাপ কমাতে পারে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের বিপুল সরকারি ঋণ, বড় বাজেট ঘাটতি এবং মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি যদি অব্যাহত থাকে, তাহলে দীর্ঘমেয়াদি সুদের হার কমিয়ে রাখা কঠিন হবে।&nbsp;অর্থাৎ, বেসেন্টের পদক্ষেপ আপাতত বাজারকে কিছুটা সময় দিতে পারে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের ঋণ ও ঘাটতির মৌলিক সমস্যা সমাধান না হলে ট্রেজারি বন্ডের বাজারে অস্থিরতা আবারও ফিরে আসতে পারে। বিশ্ববাজারের জন্য তাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন&mdash;যুক্তরাষ্ট্রের এই ঋণবাজারের অস্থিরতা কি সাময়িক, নাকি এটি বৈশ্বিক ঋণবাজারে আরও বড় চাপের সূচনা?</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/08212026_image23_us_treasury_bond.jpeg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের হাতে শপথ নিলেন নতুন চার মন্ত্রী ও দুই প্রতিমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29434</link>
    <pubDate>Fri, 21 Aug 2026 21:44:54 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29434</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/08212026_image22_pnew_ministers_bd.jpg" />    <p>ঢাকা : রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নতুন চার মন্ত্রী ও দুই প্রতিমন্ত্রীকে শপথবাক্য পাঠ করিয়েছেন। শপথ গ্রহণকারী মন্ত্রীরা হলেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান এমপি, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত এমপি, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ এমপি।</p>

<p>শপথ গ্রহণকারী দুই প্রতিমন্ত্রী হলেন- বান্দরবানের এমপি সাচিং প্রু জেরি এবং গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন। এ সময় রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নবনিযুক্ত মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের দায়িত্ব গ্রহণের শপথ এবং গোপনীয়তা রক্ষার শপথ পাঠ করান।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/08212026_image22_pnew_ministers_bd.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিয়েছেন মির্জা ফখরুল]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29433</link>
    <pubDate>Fri, 21 Aug 2026 21:43:23 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29433</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/08212026_image21_president_mirza_fakhrul.jpg" />    <p>ঢাকা: বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ শুক্রবার সন্ধ্যা ৭.৩০ মিনিটে রাষ্ট্রপতির কার্যালয় বঙ্গভবনে এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে শপথবাক্য পাঠ করান।</p>

<p>এর আগে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে বঙ্গভবনের সামরিক সচিব এবং অন্যান্য সচিবরা অক্টাগনে অভ্যার্থনা জানান এবং ভিভিআইপি-১ আসনে নিয়ে যান। পরে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভ্যর্থনা জানান। এরপর রাষ্ট্রপতি ও নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি একসঙ্গে দরবার হলে প্রবেশ করলে রাষ্ট্রপতির আগমনী সুর বাজিয়ে নব নির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে অভ্যার্থনা জানানো হয়। এবং জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়।</p>

<p>অতিথিদের আসন গ্রহণের পর মন্ত্রিপরিষদ সচিব ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির অনুমতিক্রমে পবিত্র কোরান তেলওয়াতের মাধ্যমে শপথ অনুষ্ঠান শুরু করেন।&nbsp; এরপর মন্ত্রিপরিষদ সচিব রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন উপস্থিত অতিথিদের সামনে উপস্থাপন করেন এবং স্পিকারকে (ভারপ্রাপ্ত) নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে শপথবাক্য পাঠ করানোর অনুরোধ জানান।&nbsp;&nbsp;শপথ গ্রহণ শেষে রাষ্ট্রপতি ও বিদায়ী ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি পরস্পরের আসন পরিবর্তন করেন এবং স্পিকার ও নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি শপথ-সংক্রান্ত নথিতে স্বাক্ষর করেন।&nbsp;</p>

<p>দায়িত্ব গ্রহনের পর বিদায়ী রাষ্ট্রপতি ও নতুন রাষ্ট্রপতি ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।&nbsp; এরপর রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নতুন চার মন্ত্রী ও দুই প্রতিমন্ত্রীকে দায়িত্ব গ্রহনের শপথ পাঠ করান। জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান শেষ হয়।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/08212026_image21_president_mirza_fakhrul.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[Who Will Be the Next UN Secretary-General?]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/english/29432</link>
    <pubDate>Fri, 21 Aug 2026 18:29:04 +0600</pubDate>
    <category> English </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/english/29432</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/08212026_image13_rebeca_grynspan_mayufis.jpeg" />    <p><strong>Shibbir Ahmed, United Nations, New York: </strong>Who will become the next Secretary-General of the United Nations? The question has become one of the most closely watched issues in international diplomacy. The second term of current Secretary-General Ant&oacute;nio Guterres ends on December 31, 2026. As a result, intense diplomatic activity is underway in New York over who will lead the United Nations beginning January 1, 2027.</p>

<p>Eight candidates are currently in the race to become the next Secretary-General. They are Costa Rica&rsquo;s Rebeca Grynspan, Guyana&rsquo;s Carolyn Rodrigues-Birkett, Argentina&rsquo;s Rafael Grossi, former Chilean President Michelle Bachelet, former Ecuadorian Foreign Minister Mar&iacute;a Fernanda Espinosa and Ivonne Baki, former Senegalese President Macky Sall, and former UN official Olara Otunnu of Uganda.</p>

<p><strong>Grynspan Leads in First Straw Poll</strong></p>

<p>On July 30, the 15 members of the UN Security Council participated in the first informal &ldquo;straw poll.&rdquo; The vote was not a formal election but rather a confidential process designed to gauge the level of support or opposition among Security Council members for each candidate.</p>

<p>In the first round, Costa Rica&rsquo;s Rebeca Grynspan ranked first with 10 &ldquo;encourage&rdquo; votes. Guyana&rsquo;s Carolyn Rodrigues-Birkett received 9, while Argentina&rsquo;s Rafael Grossi received 7.</p>

<p>The results, however, cannot be considered a final election outcome. Rather, they provide an important indication of the candidates&rsquo; initial standing in the race. On August 21, the Security Council is conducting a second informal straw poll. The international community is closely watching whether the candidates&rsquo; positions change in the second round.</p>

<p><strong>Who Is Rebeca Grynspan?</strong></p>

<p>Rebeca Grynspan, who led the first round of voting, is a former Vice President of Costa Rica. She currently serves as Secretary-General of the United Nations Conference on Trade and Development (UNCTAD).</p>

<p>She has extensive experience in economics, development, international cooperation and multilateral diplomacy. The most significant political aspect of her candidacy is that, if elected, she would become the first woman Secretary-General in the nearly 80-year history of the United Nations.</p>

<p>Given her background and policy positions, Grynspan is also viewed as a potential &ldquo;continuity candidate&rdquo;&mdash;someone who could maintain continuity with the UN&rsquo;s existing multilateral framework and approach.</p>

<p><strong>Carolyn Rodrigues-Birkett: A Strong Challenger</strong></p>

<p>Guyana&rsquo;s Carolyn Rodrigues-Birkett finished second in the first straw poll, just one vote behind Grynspan. A former Foreign Minister of Guyana and currently the country&rsquo;s Permanent Representative to the United Nations, Rodrigues-Birkett&rsquo;s candidacy has received particular attention in the Caribbean region. If elected, she would not only become the UN&rsquo;s first woman Secretary-General but also the first Secretary-General from the Caribbean. She has emphasized climate change, development financing and bringing the interests of small states closer to the center of international decision-making.</p>

<p><strong>Rafael Grossi: Another Major Contender</strong></p>

<p>Argentina&rsquo;s Rafael Mariano Grossi finished third in the first round. He currently serves as Director General of the International Atomic Energy Agency (IAEA). His experience in nuclear security, international crises and wartime diplomacy distinguishes him from many of the other candidates. He has played a direct diplomatic role in complex international issues involving Ukraine and Iran. With seven &ldquo;encourage&rdquo; votes in the first straw poll, Grossi remains an important contender in the race.</p>

<p><strong>Five Other Candidates</strong></p>

<p>Former Chilean President and former UN High Commissioner for Human Rights Michelle Bachelet is another prominent candidate. Former Ecuadorian Foreign Minister and former President of the UN General Assembly Mar&iacute;a Fernanda Espinosa is also considered an important contender because of her extensive experience in multilateral diplomacy.</p>

<p>Former Senegalese President Macky Sall is participating as one of Africa&rsquo;s most prominent political figures. Former UN Under-Secretary-General Olara Otunnu of Uganda has emphasized UN reform and ethical leadership. He has argued that structural reforms are necessary to make the organization more effective and efficient.</p>

<p>The newest candidate in the race is Ecuadorian diplomat Ivonne Baki. Her candidacy formally emerged on August 18, meaning she was not included in the first straw poll held in July.</p>

<p><strong>Possibility of the First Woman Secretary-General</strong></p>

<p>One of the most historic aspects of this year&rsquo;s selection process is the strong presence of women candidates. Five of the eight candidates are women. Since the founding of the United Nations, no woman has ever served as Secretary-General. Therefore, if Grynspan, Rodrigues-Birkett, Bachelet, Espinosa or Baki is elected, the organization will enter a new chapter in its history.</p>

<p>The strong performances of Grynspan and Rodrigues-Birkett in the first straw poll have further strengthened the possibility of the UN having its first woman Secretary-General.</p>

<p><strong>Is It Latin America and the Caribbean&rsquo;s Turn?</strong></p>

<p>Another notable feature of this year&rsquo;s race is the strong presence of candidates from Latin America and the Caribbean. Grynspan is from Costa Rica, Grossi from Argentina, Bachelet from Chile, and Espinosa and Baki from Ecuador. Rodrigues-Birkett represents Guyana.</p>

<p>There is no formal mandatory regional rotation system for selecting the UN Secretary-General. However, regional balance has traditionally played an important political role in the selection process. As a result, the possibility of a candidate from Latin America or the Caribbean emerging as the next Secretary-General is receiving considerable diplomatic attention.</p>

<p><strong>Where Does the Real Power Lie?</strong></p>

<p>The number of votes received in the first straw poll is important, but an even more critical factor is the position of the five permanent members of the UN Security Council. The United States, Russia, China, the United Kingdom and France are the five permanent members, and each has veto power.</p>

<p>Even if a candidate receives sufficient support within the Security Council, a veto from any one of the five permanent members could block that candidate&rsquo;s nomination. For this reason, despite receiving the highest number of votes in the first round, Rebeca Grynspan cannot yet be considered the certain winner.</p>

<p>Instead, future straw polls will be closely watched to determine which candidates continue to receive &ldquo;encourage&rdquo; votes and which begin to face increasing &ldquo;discourage&rdquo; votes.</p>

<p><strong>A Challenging World Awaits the New Secretary-General</strong></p>

<p>The next Secretary-General will take office in 2027 at a time when the United Nations itself faces numerous challenges. The war in Ukraine, conflicts in the Middle East, the Gaza crisis, nuclear security, climate change, refugee crises, global economic inequality and geopolitical tensions between the United States and China are among the major issues the new Secretary-General will have to confront.</p>

<p><img alt="" src="https://khabor.com/upload/images/news/08212026_image15_un_gs_8_candidate.jpg" style="width: 1280px; height: 667px;" /></p>

<p>At the same time, pressure is growing for the United Nations to address its financial difficulties, administrative costs and the need to make the organization more effective.</p>

<p>Ivonne Baki has recently emphasized the importance of preventing conflicts before they begin and reforming the United Nations. Olara Otunnu has also stressed the need to restore the organization&rsquo;s effectiveness and ethical leadership.</p>

<p><strong>When Will the New Secretary-General Be Known?</strong></p>

<p>Following several rounds of informal voting and diplomatic consultations, the Security Council will formally recommend one candidate for the position. The UN General Assembly will then appoint that candidate as Secretary-General.</p>

<p>The process could involve several rounds of voting and negotiations. The final decision could come between late September and October, although the process could take longer if the members fail to reach a consensus.</p>

<p><strong>So, Who Is Leading the Race?</strong></p>

<p>At this stage, it is impossible to say with certainty who will become the next UN Secretary-General. However, based on the results of the first Security Council straw poll, Rebeca Grynspan is currently the leading candidate. Her closest challenger is Carolyn Rodrigues-Birkett, followed by Rafael Grossi.</p>

<p>But the real contest is not simply about the number of votes a candidate receives. Ultimately, the outcome will depend on who can gain the acceptance of all five permanent members of the Security Council.</p>

<p>If a woman ultimately secures the necessary consensus, the United Nations could witness a historic moment: for the first time in its nearly 80-year history, a woman would take charge of the world&rsquo;s largest multilateral organization.</p>

<p>For now, all eyes are on the second Security Council straw poll. Its outcome could provide a clearer picture of whether Rebeca Grynspan is truly moving closer to becoming the next UN Secretary-General&mdash;or whether another candidate could emerge at the final stage as the consensus choice.</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/08212026_image13_rebeca_grynspan_mayufis.jpeg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব কে?]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29431</link>
    <pubDate>Fri, 21 Aug 2026 18:25:32 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29431</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/08212026_image15_un_gs_8_candidate.jpg" />    <p><strong>শিব্বীর আহমেদ, জাতিসংঘ, নিউইয়র্ক:</strong> জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব কে হচ্ছেন&mdash;এই প্রশ্ন এখন আন্তর্জাতিক কূটনীতির অন্যতম আলোচিত বিষয়। বর্তমান মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের দ্বিতীয় মেয়াদ আগামী ৩১ ডিসেম্বর শেষ হচ্ছে। ফলে ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে জাতিসংঘের নেতৃত্বে কে আসবেন, তা নিয়ে নিউইয়র্কের কূটনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে জোর তৎপরতা।</p>

<p>ইতোমধ্যে পরবর্তী মহাসচিব হওয়ার দৌড়ে আটজন প্রার্থী রয়েছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন কোস্টারিকার রেবেকা গ্রিনস্প্যান, গায়ানার ক্যারোলিন রদ্রিগেস-বিরকেট, আর্জেন্টিনার রাফায়েল গ্রোসি, চিলির সাবেক প্রেসিডেন্ট মিশেল ব্যাশেলেত, ইকুয়েডরের মারিয়া ফার্নান্দা এস্পিনোসা ও ইভন বাকী, সেনেগালের সাবেক প্রেসিডেন্ট মাকি সাল এবং উগান্ডার সাবেক জাতিসংঘ কর্মকর্তা ওলার ওতুনু।</p>

<p><strong>প্রথম দফার ভোটে এগিয়ে গ্রিনস্প্যান</strong></p>

<p>জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ১৫ সদস্য ৩০ জুলাই প্রথম অনানুষ্ঠানিক &lsquo;স্ট্র পোল&rsquo;-এ অংশ নেন। এই ভোট কোনো আনুষ্ঠানিক নির্বাচন নয়; বরং কোন প্রার্থীর প্রতি কতটা সমর্থন বা আপত্তি রয়েছে, তা বোঝার জন্য নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যদের মধ্যে গোপন মতামত যাচাই। প্রথম দফার ফলাফলে কোস্টারিকার রেবেকা গ্রিনস্প্যান ১০টি &lsquo;এনকারেজ&rsquo; বা উৎসাহসূচক ভোট পেয়ে প্রথম অবস্থানে ছিলেন। গায়ানার ক্যারোলিন রদ্রিগেস-বিরকেট পান ৯টি এবং আর্জেন্টিনার রাফায়েল গ্রোসি পান ৭টি।</p>

<p><img alt="" src="https://khabor.com/upload/images/news/08212026_image13_rebeca_grynspan_mayufis.jpeg" style="width: 999px; height: 666px;" /></p>

<p>তবে এই ফলাফলকে চূড়ান্ত নির্বাচনী ফল হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। বরং এটি প্রার্থীদের প্রাথমিক অবস্থান সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত। আজ, ২১ আগস্ট, নিরাপত্তা পরিষদ দ্বিতীয় দফার অনানুষ্ঠানিক &lsquo;স্ট্র পোল&rsquo; করছে। দ্বিতীয় দফার ভোটের মাধ্যমে প্রার্থীদের অবস্থানে পরিবর্তন আসে কি না, সেদিকেই এখন আন্তর্জাতিক মহলের নজর।</p>

<p><strong>কে এই রেবেকা গ্রিনস্প্যান?</strong></p>

<p>প্রথম দফার ভোটে এগিয়ে থাকা রেবেকা গ্রিনস্প্যান কোস্টারিকার সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট। বর্তমানে তিনি জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন সংস্থা UNCTAD-এর মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। অর্থনীতি, উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও বহুপাক্ষিক কূটনীতিতে তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। তাঁর প্রার্থিতার সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক তাৎপর্য হলো&mdash;নির্বাচিত হলে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার প্রায় ৮০ বছরের ইতিহাসে প্রথম নারী মহাসচিব হবেন তিনি।</p>

<p>বর্তমান পরিস্থিতিতে গ্রিনস্প্যানকে একজন ধারাবাহিকতা বজায় রাখার প্রার্থী (continuity candidate) হিসেবেও দেখা হচ্ছে&mdash;অর্থাৎ জাতিসংঘের বর্তমান বহুপাক্ষিক কাঠামোর সঙ্গে ধারাবাহিকতা বজায় রাখার সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে।</p>

<p><strong>শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী ক্যারোলিন রদ্রিগেস-বিরকেট</strong></p>

<p>প্রথম দফার ভোটে মাত্র এক ভোটের ব্যবধানে দ্বিতীয় অবস্থানে ছিলেন গায়ানার ক্যারোলিন রদ্রিগেস-বিরকেট। গায়ানার সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং বর্তমানে জাতিসংঘে দেশটির স্থায়ী প্রতিনিধি রদ্রিগেস-বিরকেটের প্রার্থিতা বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে ক্যারিবীয় অঞ্চলে। তাঁর নির্বাচিত হওয়া হলে তিনি শুধু জাতিসংঘের প্রথম নারী মহাসচিবই নন, ক্যারিবীয় অঞ্চলের প্রথম মহাসচিবও হবেন। জলবায়ু পরিবর্তন, উন্নয়ন অর্থায়ন এবং ছোট রাষ্ট্রগুলোর স্বার্থকে আন্তর্জাতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের কেন্দ্রে নিয়ে আসার ওপর তিনি গুরুত্ব দিচ্ছেন।</p>

<p><strong>রাফায়েল গ্রোসি&mdash;আরেক গুরুত্বপূর্ণ প্রতিদ্বন্দ্বী</strong></p>

<p>প্রথম দফার ভোটে তৃতীয় অবস্থানে ছিলেন আর্জেন্টিনার রাফায়েল মারিয়ানো গ্রোসি। তিনি বর্তমানে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা&mdash;IAEA-এর মহাপরিচালক। পারমাণবিক নিরাপত্তা, আন্তর্জাতিক সংকট এবং যুদ্ধকালীন কূটনীতিতে তাঁর অভিজ্ঞতা তাঁকে অন্যদের থেকে কিছুটা আলাদা অবস্থানে রেখেছে। ইউক্রেন ও ইরানের মতো জটিল আন্তর্জাতিক ইস্যুতে তাঁর সরাসরি কূটনৈতিক ভূমিকা রয়েছে। প্রথম স্ট্র পোলে সাতটি &lsquo;এনকারেজ&rsquo; ভোট পাওয়ায় গ্রোসি এখনও প্রতিযোগিতার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।</p>

<p><strong>আরও পাঁচ প্রার্থী</strong></p>

<p>চিলির সাবেক প্রেসিডেন্ট ও সাবেক জাতিসংঘ মানবাধিকার হাইকমিশনার মিশেল ব্যাশেলেতও এবারের অন্যতম আলোচিত প্রার্থী। ইকুয়েডরের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সাবেক সভাপতি মারিয়া ফার্নান্দা এস্পিনোসা বহুপাক্ষিক কূটনীতিতে তাঁর অভিজ্ঞতার কারণে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিদ্বন্দ্বী।</p>

<p>সেনেগালের সাবেক প্রেসিডেন্ট মাকি সাল আফ্রিকার অন্যতম পরিচিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে প্রতিযোগিতায় রয়েছেন। উগান্ডার সাবেক জাতিসংঘ আন্ডার-সেক্রেটারি-জেনারেল ওলার ওতুনু জাতিসংঘের সংস্কার ও নৈতিক নেতৃত্বের ওপর জোর দিচ্ছেন। তাঁর মতে, সংস্থাটিকে আরও কার্যকর ও দক্ষ করে তুলতে কাঠামোগত সংস্কার জরুরি।</p>

<p>আর সর্বশেষ প্রার্থী হিসেবে প্রতিযোগিতায় যোগ দিয়েছেন ইকুয়েডরের অভিজ্ঞ কূটনীতিক ইভন বাকী। ১৮ আগস্ট তাঁর প্রার্থিতা আনুষ্ঠানিকভাবে সামনে আসে। ফলে তিনি প্রথম দফার জুলাইয়ের স্ট্র পোলে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাননি।</p>

<p><strong>প্রথম নারী মহাসচিব পাওয়ার সম্ভাবনা</strong></p>

<p>এবারের নির্বাচনকে ঐতিহাসিক করে তুলেছে নারী প্রার্থীদের শক্তিশালী উপস্থিতি। আট প্রার্থীর মধ্যে পাঁচজনই নারী। জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার পর থেকে এখন পর্যন্ত কোনো নারী মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করেননি। তাই গ্রিনস্প্যান, রদ্রিগেস-বিরকেট, ব্যাশেলেত, এস্পিনোসা বা বাকীর যেকোনো একজন নির্বাচিত হলে জাতিসংঘের ইতিহাসে নতুন অধ্যায় শুরু হবে। বিশেষ করে গ্রিনস্প্যান ও রদ্রিগেস-বিরকেটের প্রথম দফার শক্তিশালী অবস্থান নারী নেতৃত্বের সম্ভাবনাকে আরও জোরালো করেছে।</p>

<p><strong>লাতিন আমেরিকার পালা কি এবার?</strong></p>

<p>এবারের প্রতিযোগিতায় লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের প্রার্থীদের আধিপত্যও বিশেষভাবে লক্ষণীয়। গ্রিনস্প্যান কোস্টারিকার, গ্রোসি আর্জেন্টিনার, ব্যাশেলেত চিলির এবং এস্পিনোসা ও বাকী ইকুয়েডরের। রদ্রিগেস-বিরকেট গায়ানার প্রার্থী।</p>

<p>জাতিসংঘের মহাসচিব নির্বাচনে আনুষ্ঠানিক কোনো বাধ্যতামূলক আঞ্চলিক রোটেশন ব্যবস্থা নেই। তবে দীর্ঘদিন ধরে অঞ্চলভিত্তিক ভারসাম্য বিবেচনার একটি রাজনৈতিক রীতি রয়েছে। ফলে এবার লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের একজন প্রার্থী নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনাও কূটনৈতিক আলোচনায় গুরুত্ব পাচ্ছে।</p>

<p><strong>আসল ক্ষমতা কোথায়?</strong></p>

<p>প্রথম স্ট্র পোলে কে কত ভোট পেলেন&mdash;তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় রয়েছে। সেটি হলো জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্যের অবস্থান। যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স&mdash;এই পাঁচ দেশের ভেটো ক্ষমতা রয়েছে। নিরাপত্তা পরিষদের কোনো প্রার্থী প্রয়োজনীয় সমর্থন পেলেও পাঁচ স্থায়ী সদস্যের যেকোনো একটি দেশ তাঁকে ভেটো দিলে তাঁর প্রার্থিতা আটকে যেতে পারে। এ কারণেই প্রথম দফায় সর্বোচ্চ ভোট পাওয়া রেবেকা গ্রিনস্প্যানকেও এখনই নিশ্চিত বিজয়ী বলা যাচ্ছে না। বরং পরবর্তী স্ট্র পোলগুলোতে কোন প্রার্থী কতটা &lsquo;এনকারেজ&rsquo; পাচ্ছেন এবং কোন প্রার্থীর বিরুদ্ধে &lsquo;ডিসকারেজ&rsquo; বাড়ছে&mdash;সেটিই হবে গুরুত্বপূর্ণ সূচক।</p>

<p><strong>নতুন মহাসচিবের সামনে কঠিন বিশ্ব</strong></p>

<p>২০২৭ সালের নতুন মহাসচিব এমন এক সময়ে দায়িত্ব নেবেন, যখন জাতিসংঘ নিজেই নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। ইউক্রেন যুদ্ধ, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত, গাজা সংকট, পারমাণবিক নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন, শরণার্থী সংকট, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক বৈষম্য এবং যুক্তরাষ্ট্র-চীনের ভূরাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার মতো একাধিক সংকট একই সময়ে মোকাবিলা করতে হবে তাঁকে।</p>

<p>এর পাশাপাশি জাতিসংঘের আর্থিক সংকট, প্রশাসনিক ব্যয় এবং সংস্থাটিকে আরও কার্যকর করার দাবি ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। ইভন বাকী সম্প্রতি সংঘাত শুরু হওয়ার আগেই তা প্রতিরোধ এবং জাতিসংঘের সংস্কারের ওপর জোর দিয়েছেন। ওলার ওতুনুও সংস্থাটির কার্যকারিতা ও নৈতিক নেতৃত্ব পুনরুদ্ধারের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন।</p>

<p><strong>কবে জানা যাবে নতুন মহাসচিবের নাম?</strong></p>

<p>নিরাপত্তা পরিষদের বিভিন্ন দফার অনানুষ্ঠানিক ভোট ও কূটনৈতিক আলোচনার পর একজন প্রার্থীকে আনুষ্ঠানিকভাবে সুপারিশ করা হবে। এরপর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ সেই প্রার্থীকে নিয়োগ দেবে। প্রক্রিয়াটি একাধিক দফায় চলতে পারে এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সেপ্টেম্বরের শেষ থেকে অক্টোবরের মধ্যে আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ঐকমত্যে পৌঁছাতে দেরি হলে প্রক্রিয়া আরও দীর্ঘ হতে পারে।</p>

<p><strong>কে সবচেয়ে এগিয়ে?</strong></p>

<p>এই মুহূর্তে নিশ্চিতভাবে কারও নাম বলা সম্ভব নয়। তবে প্রথম নিরাপত্তা পরিষদ স্ট্র পোলের ফলাফল বিবেচনায় রেবেকা গ্রিনস্প্যানই প্রাথমিকভাবে সবচেয়ে এগিয়ে থাকা প্রার্থী। তাঁর সবচেয়ে কাছের প্রতিদ্বন্দ্বী ক্যারোলিন রদ্রিগেস-বিরকেট। এরপর রয়েছেন রাফায়েল গ্রোসি। তবে এবারের প্রতিযোগিতার আসল লড়াই শুধু ভোটের সংখ্যায় নয়&mdash;কে পাঁচ স্থায়ী সদস্যের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠতে পারেন, শেষ পর্যন্ত তার ওপরই নির্ভর করবে ফলাফল।</p>

<p>আর যদি কোনো নারী প্রার্থী শেষ পর্যন্ত নিরাপত্তা পরিষদের ঐকমত্য অর্জন করতে পারেন, তাহলে জাতিসংঘের ৮০ বছরের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বিশ্বের সবচেয়ে বড় বহুপাক্ষিক সংস্থাটির শীর্ষ নেতৃত্বে দেখা যাবে একজন নারীকে। এখন তাই সবার চোখ জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের দ্বিতীয় স্ট্র পোলের দিকে। সেখানেই হয়তো আরও স্পষ্ট হবে&mdash; রেবেকা গ্রিনস্প্যান কি সত্যিই পরবর্তী মহাসচিব হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে যাচ্ছেন, নাকি শেষ মুহূর্তে অন্য কোনো প্রার্থী হয়ে উঠবেন ঐকমত্যের মুখ?</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/08212026_image15_un_gs_8_candidate.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিউইয়র্ক এলিট ক্লাবের বনভোজনে আনন্দ-উচ্ছ্বাসে জমজমাট মিলনমেলা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/29430</link>
    <pubDate>Fri, 21 Aug 2026 17:45:19 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/29430</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/08212026_image06_elite_club.jpg" />    <p><strong>লং আইল্যান্ড, নিউইয়র্ক:</strong> ১৯ আগস্ট নিউইয়র্কের ওয়েস্ট ব্যাবিলনে অবস্থিত বেলমন্ট লেক স্টেট পার্কে অত্যন্ত আনন্দমুখর ও বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো নিউইয়র্ক এলিট ক্লাবের বার্ষিক বনভোজন ২০২৬। প্রচণ্ড দাবদাহ উপেক্ষা করে ক্লাবের সদস্য, পরিবার-পরিজন ও আমন্ত্রিত অতিথিদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে দিনব্যাপী এই আয়োজন পরিণত হয় এক প্রাণবন্ত মিলনমেলায়।</p>

<p>সেদিন পুরো নিউইয়র্কজুড়েই ছিল তীব্র গরম। সকালের দিকে পার্কে মানুষের উপস্থিতি তুলনামূলক কম থাকলেও মাথার ওপর প্রখর রোদকে উপেক্ষা করে অতিথি ও আয়োজকদের একে একে পার্কে প্রবেশ করতে দেখা যায়। তবে বেলমন্ট লেক স্টেট পার্কের অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, সবুজের সমারোহ ও নির্মল পরিবেশ মুহূর্তেই সবার মন ভালো করে দেয়। প্রকৃতির স্নিগ্ধতায় অনেকেই যেন কিছুক্ষণের জন্য ভুলে যান তীব্র গরমের কথা।</p>

<p>বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে, বিশেষ করে দুপুর ১২টা থেকে সাড়ে ১২টার দিকে, পার্কে অতিথিদের উপস্থিতি বাড়তে থাকে। কেউ একা, আবার কেউ পরিবারের সদস্য ও শিশুসন্তানদের সঙ্গে নিয়ে হাসিমুখে অনুষ্ঠানে যোগ দেন। পার্কে প্রবেশের পর প্রচণ্ড গরমে স্বস্তি দিতে আয়োজকদের পক্ষ থেকে পরিবেশন করা হয় তরমুজ। আগে থেকেই ফালি করে রাখা সুমিষ্ট তরমুজের টুকরো খরতপ্ত দুপুরে হয়ে ওঠে দারুণ এক আপ্যায়ন। এরপর পরিবেশন করা হয় হালকা নাস্তা ও ঠান্ডা পানীয়, যা মুহূর্তেই সবার মধ্যে এনে দেয় স্বস্তি ও প্রাণচাঞ্চল্য।</p>

<p><img alt="" src="https://khabor.com/upload/images/news/08212026_image03_elite_club.jpg" style="width: 999px; height: 676px;" /></p>

<p>উৎসবমুখর এই আয়োজনের পেছনে ছিল আয়োজকদের নিরলস পরিশ্রম ও চমৎকার ব্যবস্থাপনা। বনভোজনের আহ্বায়ক কাজপ্রেমী সাকিল মিয়া ও রফিকুল ইসলাম তীব্র রোদ উপেক্ষা করে অত্যন্ত উৎসাহের সঙ্গে শুরু করেন বারবিকিউ ও সুস্বাদু খাসির গোশত রান্নার আয়োজন। রান্না থেকে শুরু করে বিনোদন, খেলাধুলা ও সার্বিক শৃঙ্খলা&mdash;প্রত্যেকেই নিজ নিজ দায়িত্ব অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে পালন করেন।</p>

<p>শিশুদের আনন্দের জন্য নানা ধরনের খেলাধুলার আয়োজন নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন রকি। অন্যদিকে সংগীতশিল্পী কামরুজ্জামান বকুল, সায়েমকে সঙ্গে নিয়ে মিউজিক ইন্সট্রুমেন্ট প্রস্তুত করে পুরো পরিবেশে সৃষ্টি করেন সুরের আবহ। আকরাম হোসেন বিপ্লব ব্যস্ত ছিলেন সবার জন্য সুস্বাদু সালাদ তৈরিতে।</p>

<p>এদিকে ছোট্ট সোনামণিরা পার্কের এদিক-সেদিক ছুটে বেড়িয়ে নিজেদের মতো করে আনন্দে মেতে ওঠে। ভাবীদের প্রাণবন্ত আড্ডা, ক্যামেরা হাতে মাহি আহমেদ জেমসের ক্ষণে ক্ষণে ছবি তোলার ক্লিক-ক্লিক শব্দ এবং এলিট ক্লাবের সভাপতি আজিম ও ডিউক খানের সার্বক্ষণিক দৌড়ঝাঁপ ও তদারকি পুরো আয়োজনকে করে তোলে আরও প্রাণবন্ত।&nbsp;বড়-ছোট সবার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এই বনভোজন শেষ পর্যন্ত নিছক একটি পিকনিকের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি; এটি রূপ নেয় এক আনন্দঘন মিলনমেলায়।</p>

<p><img alt="" src="https://khabor.com/upload/images/news/08212026_image07_elite_club.jpg" style="width: 999px; height: 617px;" /></p>

<p>খেলাধুলার পর্বেও ছিল নানা আকর্ষণ। মহিলাদের জন্য পিলোপাসসহ পুরুষ ও শিশুদের জন্য রকির পরিকল্পনায় ছিল বেশ কিছু নতুন ও মজার খেলার আয়োজন। এসব প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে উপস্থিত সবাই দারুণ আনন্দ উপভোগ করেন। বনভোজনের শেষদিকে অনুষ্ঠিত হয় আকর্ষণীয় র&zwj;্যাফেল ড্র। বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী উৎসবের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।</p>

<p>এলিট ক্লাবের এই জমজমাট ও বর্ণাঢ্য বার্ষিক বনভোজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে আয়োজনের শোভা বাড়ান নিউইয়র্কের অন্যতম প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী, সফল উদ্যোক্তা ও সমাজসেবী সিআইপি শাহ নেওয়াজ। তাঁর উপস্থিতি অনুষ্ঠানে যোগ করে বিশেষ মাত্রা।</p>

<p><img alt="" src="https://khabor.com/upload/images/news/08212026_image09_elite_club.jpg" style="width: 999px; height: 637px;" /></p>

<p>এছাড়াও আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সোসাইটির বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব মোহাম্মদ আলী, কমিউনিটির প্রিয়মুখ ফাহাদ সোলায়মান ও রতন কবির, প্রখ্যাত লেখক ও সাংবাদিক শাহ জে. চৌধুরী, সাংবাদিক আকবর হায়দার কিরন, লেখক শিব্বীর আহমেদ, কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট রিদোয়ানুল হক, গাজী সোহেল, মফিজুল ইসলাম, খায়রুল ইসলাম খোকন, দিদারুল ইসলাম, মনিরুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ সোসাইটির আসন্ন নির্বাচনের সম্মানিত নির্বাচন কমিশনার মিয়া মোহাম্মদ দুলাল।</p>

<p><img alt="" src="https://khabor.com/upload/images/news/08212026_image08_elite_club.jpg" style="width: 999px; height: 653px;" /></p>

<p>সাংস্কৃতিক পর্বে সুরের মূর্ছনা ছড়াতে উপস্থিত ছিলেন দেশের প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী রিজিয়া পারভিন। এছাড়াও সংগীতাঙ্গনে কমিউনিটির পরিচিত ও জনপ্রিয় মুখ নাজু আকন্দ, কৃষ্ণাতিথি ও রোজী আজাদ, সস্ত্রীক আফতাব জনি, জয়সহ কমিউনিটির আরও বহু গণ্যমান্য ব্যক্তি অনুষ্ঠানে অংশ নেন।</p>

<p>প্রচণ্ড গরম ও দাবদাহকে পেছনে ফেলে পার্কের সবুজ ছায়া, সুস্বাদু খাবার, প্রাণবন্ত আড্ডা, খেলাধুলা, সংগীত এবং অতিথিদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এলিট ক্লাবের এবারের বার্ষিক বনভোজন হয়ে ওঠে আনন্দ ও সম্প্রীতির এক অনন্য আয়োজন। দিনশেষে এই মিলনমেলা উপস্থিত সবার হৃদয়ে রেখে যায় দীর্ঘস্থায়ী ও মধুর এক স্মৃতি।<br />
&nbsp;</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/08212026_image06_elite_club.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিউইয়র্কের বাংলাদেশ সোসাইটির আসন্ন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী ‘সেলিম-আলী’ পরিষদকে সমর্থন জানালো গ্রেটার নোয়াখালী সোসাইটি ইউএসএ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/29429</link>
    <pubDate>Fri, 21 Aug 2026 09:47:47 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/29429</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/708-2.jpg" />    <p>নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির আসন্ন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী &lsquo;সেলিম-আলী&rsquo; পরিষদকে সমর্থন জানিয়েছে গ্রেটার নোয়াখালী সোসাইটি ইউএসএ। গত ১৯ আগস্ট ব্রুকলীনের নোয়াখালী ভবনে আয়োজিত এক সভায় &lsquo;সেলিম-আলী&rsquo; পরিষদকে আনুষ্ঠানিকভাবে সমর্থন জানায় প্রবাসের অন্যতম বৃহত্তম আঞ্চলিক এ সংগঠনটি।<img alt="" decoding="async" height="1152" sizes="(max-width: 2048px) 100vw, 2048px" src="https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/08/Noakhali_2.jpg" srcset="https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/08/Noakhali_2.jpg 2048w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/08/Noakhali_2-300x169.jpg 300w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/08/Noakhali_2-1024x576.jpg 1024w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/08/Noakhali_2-150x84.jpg 150w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/08/Noakhali_2-768x432.jpg 768w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/08/Noakhali_2-1536x864.jpg 1536w" width="2048" /><br />
বৃহত্তর নোয়াখালী সোসাইটির সাবেক সভাপতি নাজমুল হাসান মানিকের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক এএসএম মাইনউদ্দিন পিন্টুর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নোয়াখালী সোসাইটির ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য খোকন মোশাররফ, সহ-সভাপতি তাজু মিয়া, কোষাধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম, বাংলাদেশ সোসাইটির সভাপতি আতাউর রহমান সেলিম, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী, সিনিয়র সহ-সভাপতি মহিউদ্দিন দেওয়ান প্রমুখ।<br />
অনুষ্ঠানে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন বৃহত্তর নোয়াখালী সোসাইটির ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম।<br />
অনুষ্ঠানে বৃহত্তর নোয়াখালী সোসাইটির সাবেক সভাপতি সালামত উল্যাহ, ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য আবুল কালাম, বাংলাদেশ সোসাইটির কার্যকরী সদস্য হারুন চেয়্যারম্যান, জাহাঙ্গীর সোহরাওয়ার্দী, বৃহত্তর নোয়াখালী সোসাইটির ট্রাস্টি বোর্ড ও কার্যকরী কমিটির কর্মকর্তাসহ বিপুল সংখ্যক নোয়াখালীবাসী উপস্থিত ছিলেন।<img alt="" decoding="async" height="1152" sizes="(max-width: 2048px) 100vw, 2048px" src="https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/08/Noakhali_4.jpg" srcset="https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/08/Noakhali_4.jpg 2048w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/08/Noakhali_4-300x169.jpg 300w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/08/Noakhali_4-1024x576.jpg 1024w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/08/Noakhali_4-150x84.jpg 150w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/08/Noakhali_4-768x432.jpg 768w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/08/Noakhali_4-1536x864.jpg 1536w" width="2048" /><br />
এসময় বৃহত্তর নোয়াখালী সোসাইটির কর্মকর্তারা আসন্ন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী &lsquo;সেলিম-আলী&rsquo; পরিষদকে তাদের সমর্থনের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তাদের প্রত্যাশার কথা জানান।<br />
বৃহত্তর নোয়াখালী সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক এএসএম মাইনউদ্দিন পিন্টু বলেন, বিগত নির্বাচনে আমাদের সংগঠন &lsquo;সেলিম-আলী&rsquo; পরিষদের বিপক্ষে থাকলেও সভাপতি আতাউর রহমান সেলিম তার সুন্দর ব্যবহার দিয়ে আমাদের মন জয় করে গেছেন। &lsquo;সেলিম-আলী&rsquo; পরিষদকে আমাদের সমর্থনে এটিও একটি ভূমিকা রেখেছে।<img alt="" decoding="async" height="1152" loading="lazy" sizes="auto, (max-width: 2048px) 100vw, 2048px" src="https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/08/Noakhali_5.jpg" srcset="https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/08/Noakhali_5.jpg 2048w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/08/Noakhali_5-300x169.jpg 300w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/08/Noakhali_5-1024x576.jpg 1024w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/08/Noakhali_5-150x84.jpg 150w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/08/Noakhali_5-768x432.jpg 768w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/08/Noakhali_5-1536x864.jpg 1536w" width="2048" /><br />
&lsquo;সেলিম-আলী&rsquo; পরিষদের সভাপতি প্রার্থী আতাউর রহমান সেলিম তাদের প্যানেলকে সমর্থন জানানের জন্যে বৃহত্তর নোয়াখালী সোসাইটির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, এ ঋন কোন দিন পরিশোধ করতে পারবোনা। তিনি বৃহত্তর নোয়াখালী সোসাইটিকে প্রবাসের একটি অনন্য সংগঠন হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, তারা নির্বাচিত হলে নোয়াখালী সোসাইটিসহ অন্যান্য সংগঠনকে সাথে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কমিউনিটির কল্যাণে কাজ করে যাবেন। তিনি অতীত ভুল-ত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ জানান।<br />
সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী মোহাম্মদ আলীও তাদের প্যানেলকে সমর্থন জানানের জন্যে বৃহত্তর নোয়াখালী সোসাইটির প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা জানান।<br />
তারা সোসাইটির আগামী নির্বাচনে &lsquo;সেলিম-আলী&rsquo; প্যানেলকে নির্বাচিত করার জন্য সবার সহযোগিতা কামনা করেন।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/708-2.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিউইয়র্ক সিটি ডিপার্টমেন্ট অব বিল্ডিংস এর কমিশনারের সঙ্গে এএবিইএ নিউইয়র্ক চ্যাপ্টারের সৌজন্য সাক্ষাৎ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/29428</link>
    <pubDate>Fri, 21 Aug 2026 09:47:18 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/29428</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/974-1.jpg" />    <p>আমেরিকান অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশি ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যান্ড আর্কিটেক্টস (AABEA NY Chapter)-এর একটি প্রতিনিধিদল গত ১৭ আগস্ট নিউইয়র্ক সিটি ডিপার্টমেন্ট অব বিল্ডিংস (NYC DOB)-এর কমিশনার Ahmed Tigani, ডেপুটি কমিশনার (বহিঃসম্পর্ক বিষয়ক) Rosa Kelly, ডেপুটি কমিশনার Mark Sanbaria এবং Sonia Guior, Chief of Staff-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করে।<br />
এএবিইএ নিউইয়র্ক চ্যাপ্টারের পক্ষ থেকে কমিশনার আহমেদ তিগানির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পেরে প্রতিনিধিদল গভীর সম্মান ও আনন্দ প্রকাশ করে। সভায় নিউইয়র্ক সিটি ডিপার্টমেন্ট অব বিল্ডিংস এবং এএবিইএ নিউইয়র্ক চ্যাপ্টারের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। বিশেষ করে প্রকৌশলী ও স্থপতিদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি, পেশাগত উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ কার্যক্রম এবং বর্তমানে নিউইয়র্ক সিটি ডিওবিতে কর্মরত এএবিইএ সদস্যদের পেশাগত অগ্রগতি ও পদোন্নয়নের বিষয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় করা হয়।<br />
সভায় আরও জানানো হয় যে, নিউইয়র্ক সিটি ডিওবি আগামী ২৪ অক্টোবর ২০২৬ অনুষ্ঠিতব্য এএবিইএ নিউইয়র্ক চ্যাপ্টারের দ্বিবার্ষিক সম্মেলন ও ক্যারিয়ার ফেয়ারে অংশগ্রহণের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। পাশাপাশি ডিওবি তাদের চাকরির বিজ্ঞপ্তি, ইন্টার্নশিপ কর্মসূচি, প্রশিক্ষণ এবং অন্যান্য পেশাগত উন্নয়নমূলক কার্যক্রম এএবিইএ সদস্যদের সঙ্গে নিয়মিতভাবে ভাগাভাগি করার বিষয়ে সম্মতি জানিয়েছে।<br />
এছাড়াও, নিউইয়র্কের অন্যতম কমিউনিটি সংগঠন ইসলামিক ফাউন্ডেশন অব নিউইয়র্ক (IFNY)-এর বিভিন্ন কার্যক্রমে নিউইয়র্ক সিটি ডিওবির সহযোগিতা ও পরামর্শ গ্রহণের বিষয়েও আলোচনা হয়।<br />
এএবিইএ নিউইয়র্ক চ্যাপ্টারের পক্ষ থেকে কমিশনার আহমেদ তিগানি এবং উপস্থিত ডেপুটি কমিশনারদের ২০২৬ সালের দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানানো হয়। একই সঙ্গে সম্মেলন স্মারকের জন্য কমিশনারের একটি শুভেচ্ছাবার্তা বা লিখিত বক্তব্য প্রদানের অনুরোধও জানানো হয়।<br />
সভা শেষে উভয় পক্ষই প্রকৌশলী, স্থপতি এবং কমিউনিটি সংগঠনগুলোর উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদি ও কার্যকর অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।<br />
এএবিইএ নিউইয়র্ক চ্যাপ্টারের প্রতিনিধিদলে ছিলেন: ইঞ্জিনিয়ার মো. সাজেদুল মোনায়েম খান (শরীফ), পিই &mdash; সভাপতি, এএবিইএ নিউইয়র্ক চ্যাপ্টার; ইঞ্জিনিয়ার ইন চার্জ, ব্রিজ রিহ্যাবিলিটেশন প্রজেক্ট, NYSDOT Region 11। ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ সাদিক, পিই &mdash; সাবেক সভাপতি, এএবিইএ নিউইয়র্ক চ্যাপ্টার; চিফ ইঞ্জিনিয়ার, টপোগ্রাফিক্যাল ব্যুরো, কুইন্স বরো প্রেসিডেন্ট অফিস। ইঞ্জিনিয়ার মো. আমিনুল ইসলাম (রিংকন), পিই, সিইএম, ইবিসিপি &mdash; সভাপতি-নির্বাচিত, এএবিইএ নিউইয়র্ক চ্যাপ্টার; প্রেসিডেন্ট, NY Building Systems Consultant Inc. এবং MD Engineering PC। ইঞ্জিনিয়ার মাহমুদুল ইসলাম (শামীম) &mdash; সাংগঠনিক সম্পাদক, এএবিইএ নিউইয়র্ক চ্যাপ্টার; ইঞ্জিনিয়ার ইন চার্জ, NYSDOT Region 11। আর্কিটেক্ট কাজী নাফিসা আঞ্জুম &mdash; নির্বাহী সদস্য, এএবিইএ নিউইয়র্ক চ্যাপ্টার; অ্যাসিস্ট্যান্ট কনস্ট্রাকশন ম্যানেজার, Gannett Fleming, নিউইয়র্ক। ইঞ্জিনিয়ার শাদিয়া সারমিন &mdash; সদস্য, এএবিইএ নিউইয়র্ক চ্যাপ্টার; প্ল্যান এক্সামিনার, NYC DOB। ইঞ্জিনিয়ার শরীফ ফিরোজ রহমান&mdash; সদস্য, এএবিইএ নিউইয়র্ক চ্যাপ্টার; Asst Chief Trainer, NYC DOB। ইসলামিক ফাউন্ডেশন অব নিউইয়র্ক (IFNY)-এর সভাপতি এবং এএবিইএ নিউইয়র্ক চ্যাপ্টারের একজন সদস্য।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/974-1.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির শপথ আজ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29427</link>
    <pubDate>Fri, 21 Aug 2026 09:45:35 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29427</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/843-99.jpg" />    <article>
<p>সংসদ সদস্যদের ভোটে বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির সাবেক মহাসচিব ও দলের মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ভোটাভুটিতে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সঙ্গে ১৬৭ ভোটের ব্যবধানে তিনি জয়ী হয়েছেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির শপথগ্রহণ করবেন তিনি।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/sport/2026/08/21/1728478" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>এর আগে জাতীয় সংসদের প্রধান হুইপ নূরুল ইসলাম মনি গণমাধ্যমকে বলেছেন, &lsquo;আগামী ২১ অগাস্ট সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বঙ্গভবনে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতির শপথগ্রহণের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।&rsquo;</p>

<p>গতকাল বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) জাতীয় সংসদের বিশেষ অধিবেশনে এই ভোট অনুষ্ঠিত হয়। দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ করা হয়।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/national/2026/08/21/1728476" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>ভোটের ফলাফলে দেখা গেছে, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর পেয়েছেন ২৫৫ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্য সমর্থিত প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ পেয়েছেন ৮৮ ভোট।</p>

<p>নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকায় ভোটার ছিলেন ৩৪৯ জন। এর মধ্যে ৩৪৩ জন ভোট দিয়েছেন।</p>
</article>

<p>
<video autoplay="autoplay" loop="" playsinline="">Your browser does not support the video tag.</video>
</p>

<article>বিভিন্ন কারণে ছয়জন সংসদ সদস্য (এমপি) ভোট দিতে পারেননি বলে জানান প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের নির্বাচনী কর্মকর্তা এ এম এম নাসির উদ্দিন।
<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/business/2026/08/21/1728475" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>এদিকে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে নির্বাচিত ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/national/2026/08/21/1728471" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন, ১৯৯১ (১৯৯১ সনের ২৭ নম্বর আইন) এর ধারা ১১ অনুসারে নির্বাচনী কর্তা ও নির্বাচন কমিশনারের ঘোষণা মোতাবেক মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, পিতা-মির্জা রুহুল আমিন, গ্রাম-কালিবাড়ী, ডাকঘর-ঠাকুরগাঁও ৫১০০, ঠাকুরগাঁও সদর, ঠাকুরগাঁও পৌরসভা, ঠাকুরগাঁওকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বিধিমালা, ১৯৯১-এর বিধি ১২(৬) অনুযায়ী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত হয়েছেন মর্মে ঘোষণা করা হলো।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/843-99.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[রাষ্ট্রপতি নির্বাচন শেষে মা-বাবার কবর জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29426</link>
    <pubDate>Fri, 21 Aug 2026 09:44:37 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29426</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1035-88.jpg" />    <article>
<p>রাষ্ট্রপতি নির্বাচন শেষে বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।</p>

<p>বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টার দিকে শেরেবাংলা নগরে জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করেন তিনি।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেসসচিব আতিকুর রহমান জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংসদ ভবন থেকে শেরেবাংলা নগরে সমাধিস্থলে যান। সেখানে তিনি তার বাবা ও মায়ের কবরের সামনে দাঁড়িয়ে ফাতেহা পাঠ করেন এবং তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাত করেন।</p>

<p>তিনি আরো জানান, কবর জিয়ারতের আগে প্রধানমন্ত্রী কিছুক্ষণ একা নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। জিয়ারত শেষে তিনি গুলশানে নিজ কার্যালয়ে যান।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1035-88.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলকে লাল গোলাপ শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29425</link>
    <pubDate>Fri, 21 Aug 2026 09:43:38 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29425</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1158-77.jpg" />    <article>
<p>বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে তাৎক্ষণিক অভিনন্দন জানিয়েছেন সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের &lsquo;নির্বাচনী কর্তা&rsquo; ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন ফল ঘোষণা করার পরপরই নিজ আসন থেকে উঠে পাশের আসনে বসে থাকা নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে লাল গোলাপ দিয়ে শুভেচ্ছা জানান সরকারপ্রধান।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) জাতীয় সংসদ ভবনের অধিবেশন কক্ষে দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। পরে ভোট গণনা শেষে বিকেল সাড়ে ৫টায় ফল ঘোষণা করেন সিইসি।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/campus-online/2026/08/20/1728246" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মোট ভোটার ছিলেন ৩৪৯ জন। এর মধ্যে ৩৪৩টি ব্যালট পেপার ব্যবহার করা হয়।</p>
</article>

<article>অব্যবহৃত থাকে ছয়টি ব্যালট পেপার। ব্যবহৃত ৩৪৩টি ব্যালটের সবগুলোই বৈধ বলে জানান সিইসি।
<p>&nbsp;</p>

<p>বৈধ ভোটের মধ্যে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৫৫ ভোট এবং তার প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ড. অলি আহমদ (বীরবিক্রম) ৮৮ ভোট পান। ফলে ১৬৭ ভোটের ব্যবধানে মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।</p>
</article>

<article>
<p>ফল ঘোষণার পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে লাল গোলাপ দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। গোলাপের শুভেচ্ছা পেয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।</p>

<p>এরপর বিএনপির নেতারা একে একে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে শুভেচ্ছা জানান। এ সময় বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানও মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে শুভেচ্ছা জানান।</p>

<p>রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জাতীয় সংসদ ভবনে দিনভর উৎসবমুখর পরিবেশ ছিল।</p>
</article>

<article>ভোট চলাকালে সংসদ সদস্যদের খোশ গল্প করতে দেওয়া যায়। দীর্ঘ প্রায় ৩৫ বছর পর প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হওয়ায় এবারের নির্বাচন রাজনৈতিকভাবে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1158-77.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ভারতীয় তরুণদের নিয়ে যেভাবে ‘সন্ত্রাসী সাম্রাজ্য’ গড়লেন পাকিস্তানের শাহজাদ ভাট্টি]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29424</link>
    <pubDate>Fri, 21 Aug 2026 09:42:52 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29424</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1275-66.jpg" />    <article>
<p>শাহজাদ ভাট্টি। পাকিস্তানের কুখ্যাত গ্যাংস্টার ও আন্ত সীমান্ত অপরাধ চক্রের এই প্রধান অনলাইনে &lsquo;৩৩৩&rsquo; নামেও বেশ পরিচিত।</p>
</article>

<article>তার সঙ্গে&nbsp;কথিত যোগাযোগের অভিযোগে গত ১২ আগস্ট একদিনেই ভারতের ১৪টি রাজ্য থেকে ২৫০ জনের বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>এ বিষয়ে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের দাবি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে তরুণদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে যুক্ত করার অভিযোগে ভাট্টির সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে এ অভিযান চালানো হয়েছে।</p>

<p><strong>অনলাইনে &lsquo;সন্ত্রাসী সাম্রাজ্য&rsquo;</strong></p>

<p>প্রথম দেখায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাট্টির উপস্থিতি গ্যাংস্টার বা সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক পরিচালনাকারীর প্রচারমাধ্যম বলে মনে হয় না। সেখানে জনপ্রিয় পাঞ্জাবি গান ও বলিউডের সিনেমার সংলাপের সঙ্গে তৈরি ঝকঝকে ভিডিও, ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের ক্লিপ এবং ভারতে জনপ্রিয় বিভিন্ন হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করা হয়।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>তার অনলাইন নেটওয়ার্ক খুব বেশি পেশাদারও নয়। বরং তরুণ স্বেচ্ছাসেবকদের ওপর এর বড় অংশ নির্ভরশীল বলে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম <a href="https://www.ndtv.com/india-news/how-pak-backed-handler-shahzad-bhatti-built-online-terror-network-11933109">এনডিটিভির</a> এক বিশ্লেষণে উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লক্ষ্য হিসেবে বিশেষ করে এমন ভারতীয় তরুণদের বেছে নেওয়া হচ্ছে, যারা দরিদ্র এবং একই সঙ্গে দ্রুত অর্থ ও পরিচিতি পাওয়ার আশায় অপরাধজগতে প্রবেশ করতেও দ্বিধা করে না।</p>

<p>এনডিটিভির ডেটাফাইয়ের <a href="https://www.ndtv.com/india-news/how-pak-backed-handler-shahzad-bhatti-built-online-terror-network-11933109">বিশ্লেষণে</a> বলা হয়েছে, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, স্ন্যাপচ্যাট, হোয়াটসঅ্যাপ ও ইউটিউবজুড়ে ভাট্টির বিস্তৃত অনলাইন নেটওয়ার্ক রয়েছে।</p>
</article>

<p>
<video autoplay="autoplay" loop="" playsinline="">Your browser does not support the video tag.</video>
</p>

<article>শুধু &lsquo;শাহবাজ ভাট্টি&rsquo; নাম ব্যবহার করা সক্রিয় অ্যাকাউন্ট ও পেজের সংখ্যা দুই ডজনের বেশি। বিভিন্ন অ্যাকাউন্ট ও পেজ মিলিয়ে তার অনুসারীর সংখ্যা এক কোটির বেশি হতে পারে। তবে এটি তার মোট অনলাইন উপস্থিতির একটি অংশমাত্র বলে ধারণা করা হচ্ছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>এ ছাড়া &lsquo;৩৩৩&rsquo; বা &lsquo;সফটওয়্যার আপডেট&rsquo; শব্দ ব্যবহার করা আরও কয়েক ডজন অ্যাকাউন্ট রয়েছে। পাকিস্তানে অবস্থানকারী তরুণ ভিডিও এডিটররা ভাট্টির পুরোনো ভিডিও নতুনভাবে সম্পাদনা করে এসব অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ছড়িয়ে দেন বলে বিশ্লেষণে উঠে এসেছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>এ ঘটনায় ভারত সরকার &lsquo;৩৩৩&rsquo; যুক্ত বেশ কয়েকটি অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দিলেও নতুন অ্যাকাউন্ট খুলে সেই নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে যাচ্ছেন ভাট্টি। একই সঙ্গে অনুসারীদের সঙ্গে সমন্বয় করে অনলাইন উপস্থিতি ধরে রাখছেন তিনি। এসব তরুণ ভিডিও এডিটরের সঙ্গে নিয়মিত গ্রুপ ভিডিও কলও করেন ভাট্টি।</p>

<p>এক ভিডিও বার্তায় তিনি তার &lsquo;এডিটর ভাইদের&rsquo; ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, তারা তার ভিডিও ডাউনলোড, সম্পাদনা ও পুনরায় পোস্ট করছেন এবং তাকে বড় ভাই হিসেবে বিবেচনা করছেন।</p>

<p><strong>&lsquo;রবিনহুড&rsquo; ভাবমূর্তি</strong></p>

<p>ভাট্টির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিলাসবহুল গাড়ির বহর, অস্ত্র প্রদর্শন, বাঘ-সিংহের সঙ্গে ভিডিও, বিদেশ ভ্রমণ এবং জনপ্রিয় পাঞ্জাবি গান ও চলচ্চিত্রের সংলাপ ব্যবহার করে তৈরি ভিডিও দেখা যায়। এসবের মাধ্যমে তিনি নিজেকে &lsquo;রবিন হুড&rsquo; ধাঁচের একজন প্রভাবশালী ও দরিদ্রবান্ধব গ্যাংস্টার হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করেন বলে <a href="https://www.ndtv.com/india-news/how-pak-backed-handler-shahzad-bhatti-built-online-terror-network-11933109">প্রতিবেদনে</a> দাবি করা হয়েছে।</p>

<p>বিশেষ করে ভারতের সুবিধাবঞ্চিত ও অপরাধপ্রবণতার ঝুঁকিতে থাকা তরুণদের লক্ষ্য করে এই অনলাইন নেটওয়ার্ক পরিচালিত হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ভাট্টির বিলাসবহুল ও মাফিয়া-ধাঁচের জীবনযাপনকে আকর্ষণীয়ভাবে উপস্থাপন করে তরুণদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করা হয়।</p>

<p><strong>ভিনদেশী রাজনৈতিক প্রভাব</strong></p>

<p>বিদেশে অবস্থান করেও তিনি ভারতের রাজনৈতিক ও সামাজিক ঘটনাপ্রবাহের ওপরও নজর রাখেন। সুযোগ পেলেই বিভাজনমূলক বক্তব্য ছড়ানোর চেষ্টা করেন।&nbsp;</p>

<p>চলতি মাসের শুরুতে পাঞ্জাবের গুরদাসপুরে রণজিৎ সিং নামের এক তরুণ নিহত হওয়ার ঘটনায় ভিডিও পোস্ট করেন ভাট্টি। তিনি ঘটনাটিকে &lsquo;ভুয়া এনকাউন্টার&rsquo; বলে দাবি করেন এবং ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে ওই তরুণকে টার্গেট করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন।</p>

<p>এছাড়াও&nbsp;ভারতীয় মুসলিম তরুণদের আকৃষ্ট করতে ভাট্টি প্রায়ই ইসলামবিরোধী কথা বলা বা মুসলিমদের ক্ষতি করতে চায়&mdash;এমন ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেন।</p>

<p><strong>গ্রেপ্তারের পর নতুন বার্তা</strong></p>

<p>১২ আগস্ট ব্যাপক গ্রেপ্তারের পর ভাট্টি নতুন একটি ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট খোলেন। প্রথম ভিডিওতেই ভারতে থাকা অনুসারীদের সতর্ক করে তিনি ওই অ্যাকাউন্ট অনুসরণ না করতে, পোস্টে লাইক বা মন্তব্য না করতে বলেন, যাতে ভারতীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলো তাদের শনাক্ত করতে না পারে।</p>

<p>তিনি বলেন, তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে চাইলে সরাসরি বার্তা পাঠাতে হবে।</p>

<p><strong>তরুণদের অপরাধে টানার অভিযোগ</strong></p>

<p>ভাট্টির কথিত মাফিয়া-ধাঁচের জীবনযাপন ভারতের এক শ্রেণির তরুণকে আকৃষ্ট করছে বলে এনডিটিভির বিশ্লেষণে উঠে এসেছে। তাদের কেউ কেউ তার নির্দেশে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়ানোর ইঙ্গিতও প্রকাশ্যে দিয়েছে।</p>

<p>পাঞ্জাবের গ্রামীণ এলাকার এক তরুণ ভাট্টির একটি ভিডিওতে মন্তব্য করে তাকে আশ্বস্ত করে যে, ভাট্টি চাইলে সে তার সঙ্গে যোগাযোগ করবে এবং কার বাড়িতে বোমা হামলা করতে হবে, সেই ব্যক্তির নামও নিতে পারবে।</p>

<p>পাঞ্জাবের আরেক তরুণ আরমান দীপ। তিনি অমৃতসরভিত্তিক একটি নিরাপত্তা সংস্থার পোশাক পরা ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেন। ভাট্টির একটি ভিডিওতে মন্তব্য করে তার সঙ্গে দেখা করার আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি।</p>

<p><strong>ভাট্টির বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ</strong></p>

<p>সাম্প্রতিক বছরগুলোতে একাধিক অপরাধমূলক মামলায় জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে শাহজাদ ভাট্টির বিরুদ্ধে। মহারাষ্ট্রের রাজনীতিক বাবা সিদ্দিকির হত্যাকারীকে ভারত থেকে পালিয়ে যেতে সহায়তা করার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।</p>

<p>এছাড়া গত বছর পাঞ্জাবের গুরদাসপুরে একটি থানায় গ্রেনেড হামলার নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগও ওঠে তার বিরুদ্ধে।</p>

<p>নিজের বক্তব্য অনুযায়ী, প্রায় সাত বছর আগে তিনি বিদেশে চলে যান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওগুলো থেকে ধারণা করা হচ্ছে, বর্তমানে দুবাই থেকে নিজের অনলাইন নেটওয়ার্ক পরিচালনা করছেন ভাট্টি।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1275-66.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[‘বাবা নিশ্চয়ই ওপর থেকে গর্বভরে তার প্রিয় সোনিয়াকে দেখছেন’—রাহুল গান্ধী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29423</link>
    <pubDate>Fri, 21 Aug 2026 09:42:04 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29423</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1376-55.jpg" />    <article>
<p>মা সোনিয়া গান্ধীর আসন্ন আত্মজীবনী প্রকাশকে ঘিরে আবেগঘন বার্তা দিয়েছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। প্রয়াত বাবা ও ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর জন্মবার্ষিকীতে মায়ের জীবনের নানা কঠিন অধ্যায়ের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, তার বাবা নিশ্চয়ই ওপর থেকে গর্বভরে তার প্রিয় সোনিয়াকে দেখছেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>ভারতীয় সংবাদমাধ্যম <strong><a href="https://www.ndtv.com/india-news/papa-smiling-looking-down-proudly-at-his-beautiful-sonia-gandhi-rahul-gandhi-11935228">এনডিটিভি</a></strong>র এক প্রতিবেদন এ তথ্য জানায়।</p>

<p>সোনিয়া গান্ধীর আসন্ন স্মৃতিকথার নাম &lsquo;বিলংগিং : আ জার্নি অব লাভ&rsquo;। বইটিতে যুদ্ধ-পরবর্তী ইতালিতে তার শৈশব, রাজীব গান্ধীর সঙ্গে পরিচয় ও প্রেম, ভারতে আসা এবং জীবনের নানা ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার কথা উঠে আসবে।</p>

<p>রাহুল গান্ধী বলেন, রাজীব গান্ধীকে শেষবার সোনিয়ার সঙ্গে একসঙ্গে দেখার পর ৩৫ বছরেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেছে।</p>
</article>

<article>বাবার মৃত্যুর পর থেকে তিনি ও তার বোন প্রিয়াঙ্কা দেখেছেন, কিভাবে নানা কঠিন পরিস্থিতি সাহস ও মর্যাদার সঙ্গে সামলেছেন তাদের মা।
<p>&nbsp;</p>

<p>সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক আবেগঘন বার্তায় রাহুল জানান, বাবা চলে যাওয়ার পর জীবন তার জন্য কতটা কঠিন ছিল, তা শুধু প্রিয়াঙ্কা ও তিনিই জানেন।</p>

<p>মায়ের স্মৃতিকথা প্রকাশিত হতে যাওয়ায় নিজের আনন্দ ও গর্বের কথাও জানান রাহুল গান্ধী। তিনি বলেন, সোনিয়া গান্ধীর মতো ব্যক্তিগত জীবনকে আড়ালে রাখা একজন মানুষের জন্য নিজের গল্প বিশ্বের সামনে তুলে ধরা সহজ ছিল না।</p>
</article>

<p>
<video autoplay="autoplay" loop="" playsinline="">Your browser does not support the video tag.</video>
</p>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>রাহুল গান্ধী জানান, সোনিয়ার জীবনের গল্প এখন লাখো মানুষের কাছে পৌঁছাবে, যারা তাকে ভালোবাসেন। এরপর প্রয়াত বাবাকে স্মরণ করে তিনি আরো বলেন, &lsquo;আজ তার জন্মদিনে আমি দেখতে পাচ্ছি, বাবা নিশ্চয়ই ওপর থেকে হাসছেন এবং তাঁর প্রিয় সোনিয়াকে নিয়ে গর্বিত।&rsquo;</p>

<p>উল্লেখ্য, সোনিয়া গান্ধীর স্মৃতিকথাটি প্রকাশ করবে মার্কিন প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান আলফ্রেড আ নফ। আগামী ১০ নভেম্বর বইটি প্রকাশের কথা রয়েছে।</p>

<p>বইটিতে সোনিয়া গান্ধীর ইতালির ছোট শহরে বেড়ে ওঠা থেকে শুরু করে কেমব্রিজে রাজীব গান্ধীর সঙ্গে পরিচয় ও প্রেমের গল্প উঠে আসবে।</p>
</article>

<article>পাশাপাশি শাশুড়ি ইন্দিরা গান্ধী ও স্বামী রাজীব গান্ধীর হত্যাকাণ্ডের মতো জীবনের গভীর ব্যক্তিগত শোকের ঘটনাগুলোও স্মৃতিকথায় স্থান পেয়েছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>১৯৪৬ সালে ইতালিতে জন্ম নেওয়া সোনিয়া গান্ধী ১৯ বছর বয়সে ইংল্যান্ডের কেমব্রিজে পড়াশোনার সময় রাজীব গান্ধীর সঙ্গে পরিচিত হন। ১৯৬৮ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি তাদের বিয়ে হয়। পরবর্তী সময়ে ভারতের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন সোনিয়া গান্ধী এবং দীর্ঘ সময় কংগ্রেস সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1376-55.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ে যে তথ্য দিলেন ট্রাম্প]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29422</link>
    <pubDate>Fri, 21 Aug 2026 09:41:20 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29422</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1442-44.jpg" />    <article>
<p>উত্তর কোরিয়ার কাছে অন্তত ৫৭টি পারমাণবিক ওয়ারহেড (যা পরমাণু বিক্রিয়ার মাধ্যমে অত্যন্ত শক্তিশালী ও ধ্বংসাত্মক বিস্ফোরণ ঘটাতে সক্ষম) আছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।</p>

<p>মার্কিন সংবাদ মাধ্যম <a href="https://www.foxnews.com/politics/trump-reveals-exact-number-north-koreas-nuclear-weapons">ফক্স নিউজ</a> বলছে, দেশটির শীর্ষ নেতা কিম জং উনের সঙ্গে চলতি বছরের শেষের দিকে সম্ভাব্য এক বৈঠকের বিষয়ে আলোচনার সময় এ কথা জানান তিনি।</p>
</article>

<article>এ সময় কিম জং উনের সঙ্গে তার সম্পর্কের সুবিধা তুলে ধরে ট্রাম্প বলেন, উত্তর কোরিয়ার নেতার সঙ্গে তার ভালো সম্পর্ক বজায় থাকা একটি &lsquo;ইতিবাচক দিক&rsquo;।
<p>&nbsp;</p>

<p>এদিকে ট্রাম্পই যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ে থাকা প্রথম ব্যক্তি হিসেবে উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক ওয়ারহেডের সুনির্দিষ্ট সংখ্যা জানিয়েছেন। যদিও মার্কিন গোয়েন্দা তথ্যের ওপর ভিত্তি করে তার এই মন্তব্য কি না, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানা যায়নি।</p>

<p>কিমকে &lsquo;অত্যন্ত প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব&rsquo; হিসেবে অভিহিত করে ট্রাম্প বলেন, আমি কিম জং উনকে খুব ভালোভাবে চিনি।</p>
</article>

<article>যতক্ষণ পর্যন্ত আমাদের দেশে একজন বুদ্ধিমান প্রেসিডেন্ট থাকবে, ততক্ষণ সবকিছু ঠিকঠাক চলবে। আপনি ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্রের মালিক হতে দিতে পারেন না।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>এদিকে ট্রাম্পের বক্তব্যের পরই দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী আহন গিউ বাক দেশটির সংসদে দাঁড়িয়ে বলেছেন, উত্তর কোরিয়ার কাছে থাকা পারমাণবিক ওয়ারহেডের প্রকৃত সংখ্যা ৮০ থেকে ১২০-এর মধ্যে।</p>

<p>প্রসঙ্গত, বিশ্বের দুটি বৃহৎ পারমাণবিক শক্তিধর দেশের তুলনায় উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক অস্ত্রাগার এখনো অনেক ছোট।</p>
</article>

<p>
<video autoplay="autoplay" loop="" playsinline="">Your browser does not support the video tag.</video>
</p>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউটের জানুয়ারির পরিসংখ্যান অনুযায়ী, রাশিয়ার কাছে প্রায় ৪ হাজার ৪০০টি এবং যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ৩ হাজার ৭০০টি পারমাণবিক ওয়ারহেড রয়েছে। এ ছাড়া চীনের কাছে রয়েছে ৬২০টি, ফ্রান্সের ২৯০টি, যুক্তরাজ্যের ২২৫টি, ভারতের ১৯০টি, পাকিস্তানের ১৭০টি এবং ইসরায়েলের কাছে ৯০টি ওয়ারহেড রয়েছে। আর উত্তর কোরিয়ার কাছে প্রায় ৬০টি ওয়ারহেড রয়েছে বলে ধারণা সংস্থাটির।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1442-44.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ইরান যুদ্ধে হতাহত মার্কিন সেনার সংখ্যা জানাল পেন্টাগন]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29421</link>
    <pubDate>Fri, 21 Aug 2026 09:40:23 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29421</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1528-33.jpg" />    <article>
<p>ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ১৮ জন মার্কিন সেনা সদস্য নিহত হয়েছেন। একই সঙ্গে আহত মার্কিন সেনার সংখ্যা ৭৫০ ছাড়িয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তরের (পেন্টাগন) ডেটাবেস হালানাগাদে এ তথ্য জানা গেছে। দেখা যায়, নতুন করে আরো ৫০ জনের বেশি সেনার আহত হওয়ার তথ্য রেকর্ড করা হয়েছে।</p>

<p>ডিফেন্স ক্যাজুয়াল্টি অ্যানালাইসিস সিস্টেমের (<a href="https://edition.cnn.com/2026/08/19/politics/us-casualties-iran-war-more-than-750">ডিসিএএস</a>) &lsquo;ওভারসিজ অপারেশনস&rsquo; এবং &lsquo;অপারেশন এপিক ফিউরির&rsquo; হিসাব একত্রিত করলে দেখা যায়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ১৮ জন মার্কিন সেনা নিহত এবং ৭৫৭ জন আহত হয়েছেন।</p>

<p>গত মাসে প্রতিরক্ষা দপ্তর ডিসিএএস-এ &lsquo;ওভারসিজ অপারেশনস&rsquo; নামে নতুন একটি ক্যাটাগরি যুক্ত করে।</p>
</article>

<article>সেখানে মূলত গত ৭ জুলাই থেকে নিহত ও আহত সেনাদের হিসাব রাখা হচ্ছে।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>তবে পেন্টাগন এখনো এ বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য দেয়নি, কিংবা ঠিক কোন সংঘাতে এসব হতাহতের ঘটনা ঘটেছে তা সুনির্দিষ্ট করেনি।</p>

<p>এদিকে ইরানের লাগাতার হামলার পরও ডিসিএএস-এ হতাহতের সংখ্যা কমে যাওয়ার ঘটনায় গণমাধ্যম ও আইনপ্রণেতাদের ব্যাপক তোপের মুখে পড়েছিল পেন্টাগন। এরপরই বুধবার ডেটাবেসে হালনাগাদ পরিসংখ্যান প্রকাশ করা হলো।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1528-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[‘আইকনিক ১০’ নিয়েই পেশাদার ফুটবলে ফিরলেন রোনালদিনহো, কবে মাঠে নামছেন?]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/29420</link>
    <pubDate>Fri, 21 Aug 2026 09:39:41 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/29420</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1570-22.jpg" />    <article>
<p>অবসরের লম্বা বিরতি ভেঙে ৪৬ বছর বয়সে ফের পেশাদার ফুটবলে ফিরছেন ব্রাজিলিয়ান ফুটবল জাদুকর রোনালদিনহো। ইতালির তৃতীয় বিভাগের ক্লাব রাভেনার হয়ে খেলার ঘোষণা দিয়েছেন সাবেক এই বিশ্বসেরা তারকা।</p>
</article>

<article>নতুন এই ইনিংস শুরুর পর ক্যারিয়ারের ৩০০তম গোলের মাইলফলক স্পর্শ করার স্বপ্ন বুনছেন সাবেক পিএসজি, বার্সেলোনাসহ খ্যাতনামা সব ক্লাবে খেলা প্লেমেকার।
<p>&nbsp;</p>

<p>রোনালদিনহোর আগমনকে স্মরণীয় করে রাখতে সমুদ্রসৈকতে আয়োজন করা হয় &lsquo;রোনালদিনহো ডে&rsquo;। বৃষ্টি উপেক্ষা করে হাজার হাজার ভক্ত সেখানে ভিড় জমান তাদের প্রিয় তারকাকে একনজর দেখার জন্য। ২০১৫ সালে বুট জোড়া তুলে রাখা এই মহাতারকা রাভেনা ক্লাবের শেয়ারহোল্ডার হিসেবেও যুক্ত হচ্ছেন।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>নতুন অধ্যায় নিয়ে উচ্ছ্বসিত রোনালদিনহো বলেন, &lsquo;পুরোনো বন্ধুদের সঙ্গে এখানে আসতে পেরে দারুণ লাগছে। মাঠে আমাকে নামানো হবে কি না, তা কোচই ভালো বলতে পারবেন। তবে ইতালিতে ফিরতে পেরে দুর্দান্ত লাগছে, আমি সতীর্থদের জেতাতেই এসেছি। ফিটনেস নিয়ে কোনো সমস্যা নেই, শতভাগ ফিট আছি।</p>
</article>

<p>
<video autoplay="autoplay" loop="" playsinline="">Your browser does not support the video tag.</video>
</p>

<article>যদি ৩০০তম গোলটি পেয়ে যাই, তবে তা হবে অবিশ্বাস্য এক অনুভূতি।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>২০০২ বিশ্বকাপজয়ী এই ফরোয়ার্ড ২০০৫ সালে জিতেছিলেন ব্যালন ডি&rsquo;অর। ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে ব্রাজিলিয়ান ক্লাব ফ্লুমিনেন্সের হয়ে ক্যারিয়ারের শেষ অফিসিয়াল ম্যাচটি খেলেছিলেন তিনি। এতদিন পর তার মাঠে ফেরার বিষয়টি প্রথম গুঞ্জন হিসেবে সামনে এনেছিলেন ক্লাব মালিক ইগনাজিও চিপ্রিয়ানি।</p>

<p>রাভেনার মালিক স্পষ্ট করে জানান, এই উদ্যোগ কেবল কোনো বাজারজাতকরণ বা চমক দেওয়ার চেষ্টা নয়, বরং ফুটবলের এক রোমান্টিক প্রত্যাবর্তন।</p>
</article>

<article>তবে আগামী সোমবার সেরি সি-র উদ্বোধনী ম্যাচে রেগিয়ানার বিপক্ষে দেখা যাবে না এই ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তিকে। তাই কিংবদন্তিকে মাঠে দেখতে আপাতত কিছুদিন অপেক্ষা করতে হচ্ছে ফুটবল ভক্তদের।&nbsp;</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1570-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[‘জয়পুরেই ঐশ্বরিয়া আর আমার প্রেম শুরু’—অভিষেক বচ্চন]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/29419</link>
    <pubDate>Fri, 21 Aug 2026 09:38:50 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/29419</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1668-11.jpg" />    <article>
<p>বলিউডের তারকা দম্পতি অভিষেক বচ্চন ও ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের প্রেমের গল্পে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে ভারতের জয়পুর। সম্প্রতি এক পডকাস্টে অভিষেক জানিয়েছেন, এই শহরেই ঐশ্বরিয়ার সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক শুরু হয়েছিল।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>ভারতীয় সংবাদমাধ্যম <strong><a href="https://www.ndtv.com/entertainment/abhishek-bachchan-on-jaipurs-role-in-his-love-story-aishwarya-and-i-started-dating-here-11936570">এনডিটিভির</a></strong> এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায়।</p>

<p>পিঙ্ক প্যান্থার্স দলের মালিক অভিষেক বচ্চন। দলটির সঙ্গে জয়পুরের নাম জড়িয়ে থাকায় শহরটির প্রতি তার আলাদা আবেগ রয়েছে। সেই প্রসঙ্গে নিজের ব্যক্তিগত জীবনের কথাও তুলে ধরেন তিনি।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>অভিষেক জানান, জয়পুরে তিনি তার প্রথম সিনেমা রিফিউজির একটি অংশের শুটিং করেছিলেন। তাই নতুন কিছু শুরুর জন্য শহরটিকে তিনি শুভ মনে করেন। এর পাশাপাশি জয়পুর তার ও ঐশ্বরিয়ার প্রেমের স্মৃতির সঙ্গেও জড়িয়ে আছে।</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/entertainment/2026/08/20/1728289" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>তিনি বলেন &ldquo;জয়পুরেই ঐশ্বরিয়া আর আমার প্রেম শুরু হয়েছিল।</p>
</article>

<p>
<video autoplay="autoplay" loop="" playsinline="">Your browser does not support the video tag.</video>
</p>

<article>তাই এই শহরের সঙ্গে আমার আবেগের সম্পর্ক রয়েছে।&rdquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>অভিষেক আরো জানান, জয়পুর পিংক প্যান্থার্স নামের মধ্যেও রয়েছে তার পরিবারের ছোঁয়া। পিংক ছিল তার মেয়ে আরাধ্যার পছন্দের রং। আর &lsquo;পিংক প্যান্থার&rsquo; সিনেমায় ঐশ্বরিয়াও অভিনয় করেছিলেন। দলের লোগোর প্যান্থারের চোখের নীল-সবুজ রংও তার স্ত্রীর চোখের সঙ্গে মিল রেখে রাখা হয়েছে বলে জানান তিনি।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>অভিষেক ও ঐশ্বরিয়ার প্রথম পরিচয় হয় ২০০০ সালে ঢাই অক্ষর প্রেম কে সিনেমার সেটে। তবে তখন তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল না। পরে কুছ না কহো সিনেমাতেও একসঙ্গে কাজ করেন তারা।</p>

<p>এরপর ২০০৬ সালে উমরাও জান ও গুরু সিনেমার সময় তাঁদের সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হয়। ২০০৭ সালের এপ্রিল মাসে মুম্বাইয়ে জমকালো আয়োজনে বিয়ে করেন অভিষেক ও ঐশ্বরিয়া। তাঁদের একমাত্র মেয়ে আরাধ্যা বচ্চন।</p>

<p>দাম্পত্য জীবনের ১৯ বছর পার করেছেন এই তারকা দম্পতি। স্ত্রীকে নিজের &lsquo;আত্মার সঙ্গী&rsquo; বলেও উল্লেখ করেছেন অভিষেক। তাদের সম্পর্কের অন্যতম রহস্য হিসেবে তিনি প্রতিদিন স্ত্রীকে তিনবার &lsquo;সরি&rsquo; বলার মজার পরামর্শও দিয়েছেন।</p>

<p>উল্লেখ্য, অভিষেক ও ঐশ্বরিয়া একসঙ্গে ঢাই অক্ষর প্রেম কে, কুছ না কহো, ধুম ২, গুরু ও সরকার রাজসহ বেশ কয়েকটি সিনেমায় অভিনয় করেছেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1668-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[94% of Gazans Need Shelter as Attacks Continue]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/english/29418</link>
    <pubDate>Fri, 21 Aug 2026 02:47:21 +0600</pubDate>
    <category> English </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/english/29418</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/08202026_image07_un_on_gaza.jpg" />    <p><strong>Shibbir Ahmed, United Nations, New York: </strong>Nearly 94 percent of Gaza&rsquo;s 2.1 million residents are now in urgent need of shelter, according to the United Nations. At the same time, Israeli gunfire and airstrikes continue across Gaza. In southern Lebanon, Israeli airstrikes, destruction of infrastructure and restrictions on movement are also continuing, according to the UN peacekeeping mission.</p>

<p>According to UN humanitarian agencies and their partners, more than four out of five families in Gaza are currently living in critical or catastrophic conditions. Severe shortages of fuel, energy and essential household items are making daily life increasingly difficult.&nbsp;UN spokesperson St&eacute;phane Dujarric said these restrictions are affecting people&rsquo;s ability to sleep, cook, wash, store food and water, maintain adequate lighting, and cope with extreme heat and cold.</p>

<p><strong>Two-Thirds of Families Living in Tents</strong></p>

<p>According to the UN Office for the Coordination of Humanitarian Affairs, nearly two-thirds of families in Gaza are living in tents or makeshift shelters. These shelters are not designed for long-term habitation and deteriorate rapidly in harsh weather conditions.</p>

<p>More than 70 percent of families experienced flooding during the previous winter season. As the cold and rainy season approaches, humanitarian agencies are working to provide families with more durable shelter. However, Israeli restrictions on the entry of construction materials and essential equipment, along with funding shortages, remain major obstacles. UN partners estimate that approximately $562 million is needed to improve living conditions for people in Gaza.</p>

<p><strong>50 Bodies Recovered from Rubble Buried</strong></p>

<p>Reports of Palestinian civilians being killed or injured in Israeli airstrikes, shelling and gunfire in Gaza continue, including children. On Thursday, the remains of 50 people recovered from beneath the rubble were buried, including 19 children. According to the United Nations, they were killed more than two years ago.</p>

<p>Efforts to remove rubble and recover bodies are also being hampered by various restrictions. Access to heavy machinery, spare parts, lubricants and other essential equipment remains limited, while access to large areas of the Gaza Strip is also restricted. The UN spokesperson said civilians should never be targeted or used for military purposes.</p>

<p><strong>Campaign to Combat Rodents and Disease</strong></p>

<p>The accumulation of rubble and deteriorating sanitary conditions have also contributed to an increase in rodents and other pests across Gaza. To address the problem, the United Nations Development Programme (UNDP) has intensified pest-control operations. Since May, the programme has reached more than 3,250 high-risk sites, including displacement shelters, markets and hospitals.</p>

<p><strong>Israeli Attacks Continue in Lebanon</strong></p>

<p>Meanwhile, the UN Interim Force in Lebanon (UNIFIL) has reported continued Israeli military activity in southern Lebanon. From Monday to Wednesday, UNIFIL observed 86 airspace violations, nine airstrikes and 265 projectiles launched by Israeli forces. Nearly 30 drone-related activities were also detected, including reconnaissance flights, kinetic strikes and suicide drones.</p>

<p>Israeli forces have also continued demolishing and destroying infrastructure and other facilities, according to UNIFIL. Restrictions on movement have also continued. Seven such incidents have been recorded so far this week, causing UN patrols, convoys and humanitarian movements to be delayed, rerouted or forced to turn back.</p>

<p><strong>UN Assistance in Gaza and Lebanon</strong></p>

<p>Despite the worsening crisis, various UN agencies continue to provide humanitarian assistance in Gaza and Lebanon. In Gaza, the UN agency for Palestinian refugees, UNRWA, is opening a new temporary learning space. UNICEF is providing essential assistance to vulnerable families and supporting educational spaces and the continuity of healthcare services in the West Bank.</p>

<p>The World Food Programme (WFP) is reaching approximately 1.5 million people in Gaza with food parcels, wheat flour, bread, hot meals, nutritious food for children, nutrition services and cash assistance.</p>

<p>The UN Development Programme has also issued new guidelines on debris removal and recycling in Gaza. The initiative aims to reopen roads, prepare sites for shelters and restore access to hospitals and humanitarian service points. The United Nations warns that as the humanitarian crisis in Gaza deepens, shortages of shelter, fuel and basic necessities could make conditions even more severe as the winter season approaches.</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/08202026_image07_un_on_gaza.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[গাজার ৯৪ শতাংশ মানুষের প্রয়োজন আশ্রয়, লেবাননে ইসরায়েলি হামলা ও ধ্বংসযজ্ঞ অব্যাহত]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29417</link>
    <pubDate>Fri, 21 Aug 2026 02:44:23 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29417</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/08202026_image08_un_on_gaza.jpg" />    <p><strong>শিব্বীর আহমেদ, জাতিসংঘ, নিউইয়র্ক:</strong> গাজার ২১ লাখ বাসিন্দার প্রায় ৯৪ শতাংশেরই এখন জরুরি ভিত্তিতে আশ্রয়ের প্রয়োজন বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ। একই সঙ্গে গাজায় ইসরায়েলি গুলিবর্ষণ ও বিমান হামলা অব্যাহত রয়েছে। অন্যদিকে দক্ষিণ লেবাননেও ইসরায়েলি বিমান হামলা, স্থাপনা ধ্বংস এবং চলাচলে বিধিনিষেধ অব্যাহত থাকার কথা জানিয়েছে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশন।</p>

<p>জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা সংস্থা ও অংশীদারদের তথ্য অনুযায়ী, গাজার পাঁচটির মধ্যে চারটির বেশি পরিবার বর্তমানে সংকটপূর্ণ বা বিপর্যয়কর জীবনযাত্রার মধ্যে রয়েছে। জ্বালানি, বিদ্যুৎ এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় গৃহস্থালি সামগ্রীর তীব্র ঘাটতির কারণে তাদের দৈনন্দিন জীবন আরও কঠিন হয়ে পড়েছে।</p>

<p>জাতিসংঘের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক বলেন, এসব সীমাবদ্ধতার কারণে মানুষের ঘুমানো, রান্না করা, গোসল করা, খাবার ও পানি সংরক্ষণ, পর্যাপ্ত আলো নিশ্চিত করা এবং অতিরিক্ত গরম বা ঠান্ডা মোকাবিলা করা কঠিন হয়ে পড়েছে।</p>

<p><strong>তাঁবুতে বসবাস করছে দুই-তৃতীয়াংশ পরিবার</strong></p>

<p>জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা সমন্বয় দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গাজার প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ পরিবার তাঁবু অথবা অস্থায়ী আশ্রয়ে বসবাস করছে। এসব তাঁবু দীর্ঘমেয়াদি বসবাসের জন্য তৈরি নয় এবং প্রতিকূল আবহাওয়ায় দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়ে। গত শীত মৌসুমে গাজার ৭০ শতাংশের বেশি পরিবার বন্যার শিকার হয়েছিল। আসন্ন শীত ও বর্ষা মৌসুম সামনে রেখে মানবিক সহায়তা সংস্থাগুলো পরিবারগুলোর জন্য আরও টেকসই আশ্রয়ের ব্যবস্থা করার চেষ্টা করছে।</p>

<p>তবে গাজায় নির্মাণসামগ্রী ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম প্রবেশে ইসরায়েলি বিধিনিষেধ এবং অর্থের ঘাটতি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। জাতিসংঘের অংশীদারদের হিসাব অনুযায়ী, গাজার মানুষের জীবনযাত্রার পরিস্থিতি উন্নত করতে প্রায় ৫৬২ মিলিয়ন ডলার প্রয়োজন।</p>

<p><strong>ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার ৫০ মরদেহের দাফন</strong></p>

<p>গাজায় ইসরায়েলি বিমান হামলা, গোলাবর্ষণ ও গুলিবর্ষণে বেসামরিক মানুষ হতাহত হওয়ার খবরও অব্যাহত রয়েছে। নিহতদের মধ্যে শিশুও রয়েছে। বৃহস্পতিবার ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে উদ্ধার করা ৫০ জনের মরদেহ দাফন করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ১৯ জন শিশু। জাতিসংঘ জানিয়েছে, এসব মানুষ দুই বছরেরও বেশি সময় আগে নিহত হয়েছিলেন।</p>

<p>তবে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে মরদেহ উদ্ধারের কাজও নানা বিধিনিষেধের কারণে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ভারী যন্ত্রপাতি, যন্ত্রাংশ, লুব্রিকেন্ট ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম গাজায় প্রবেশে সীমাবদ্ধতা রয়েছে। এ ছাড়া গাজার বিস্তীর্ণ এলাকায় প্রবেশাধিকারও সীমিত। জাতিসংঘের মুখপাত্র বলেন, বেসামরিক মানুষকে কখনোই লক্ষ্যবস্তু করা বা সামরিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা উচিত নয়।</p>

<p><strong>ইঁদুর ও রোগবালাই মোকাবিলায় অভিযান</strong></p>

<p>ধ্বংসস্তূপ ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের কারণে গাজায় ইঁদুরসহ বিভিন্ন ধরনের পোকামাকড়ের উপদ্রবও বেড়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি বা ইউএনডিপির উদ্যোগে কীটপতঙ্গ নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। গত মে মাস থেকে এই কার্যক্রমের আওতায় ৩ হাজার ২৫০টির বেশি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় পৌঁছানো হয়েছে। এসব এলাকার মধ্যে রয়েছে বাস্তুচ্যুত মানুষের আশ্রয়স্থল, বাজার ও হাসপাতাল।</p>

<p><strong>লেবাননেও ইসরায়েলি হামলা</strong></p>

<p>এদিকে দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি সামরিক তৎপরতা অব্যাহত থাকার কথা জানিয়েছে জাতিসংঘের অন্তর্বর্তী বাহিনী&mdash;ইউনিফিল। সোমবার থেকে বুধবার পর্যন্ত ইউনিফিল ৮৬টি আকাশসীমা লঙ্ঘন, নয়টি বিমান হামলা এবং ইসরায়েলি বাহিনীর ছোড়া ২৬৫টি প্রজেক্টাইল পর্যবেক্ষণ করেছে। এ ছাড়া ড্রোনের প্রায় ৩০টি কর্মকাণ্ডও শনাক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে নজরদারি, হামলা এবং আত্মঘাতী ড্রোনের ব্যবহার ছিল।</p>

<p>ইসরায়েলি বাহিনীর মাধ্যমে অবকাঠামো ধ্বংস এবং বিভিন্ন স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনাও অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে ইউনিফিল। এ ছাড়া চলাচলের ওপর বিধিনিষেধের কারণে চলতি সপ্তাহে সাতটি ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে। এসব ঘটনায় জাতিসংঘের টহল, বহর ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রম বিলম্বিত হয়েছে, পথ পরিবর্তন করতে হয়েছে অথবা ফিরে যেতে হয়েছে।</p>

<p><strong>গাজা ও লেবাননে জাতিসংঘের সহায়তা</strong></p>

<p>সংকটের মধ্যেও গাজা ও লেবাননে জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা তাদের মানবিক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। গাজায় জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএ একটি নতুন অস্থায়ী শিক্ষা কেন্দ্র চালু করছে। ইউনিসেফ ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলোকে জরুরি সহায়তা দিচ্ছে এবং পশ্চিম তীরে শিক্ষা কার্যক্রম ও স্বাস্থ্যসেবার ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করতে কাজ করছে। বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি বা ডব্লিউএফপি গাজায় প্রায় ১৫ লাখ মানুষের কাছে খাদ্যপ্যাকেট, গমের আটা, রুটি, রান্না করা খাবার, শিশুদের পুষ্টিকর খাবার, পুষ্টি সহায়তা এবং নগদ সহায়তা পৌঁছে দিচ্ছে।</p>

<p>গাজায় ধ্বংসস্তূপ অপসারণ ও পুনর্ব্যবহার নিয়ে নতুন নির্দেশিকাও প্রকাশ করেছে ইউএনডিপি। এর লক্ষ্য হলো রাস্তা পুনরায় চালু করা, আশ্রয়কেন্দ্র তৈরির জন্য জায়গা প্রস্তুত করা এবং হাসপাতাল ও মানবিক সহায়তা কেন্দ্রগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ পুনঃস্থাপন করা। জাতিসংঘ&nbsp;বলছে, গাজায় মানবিক সংকট আরও গভীর হওয়ার পাশাপাশি আসন্ন শীত মৌসুমে আশ্রয়, জ্বালানি ও মৌলিক প্রয়োজনীয়তার ঘাটতি পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তুলতে পারে।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/08202026_image08_un_on_gaza.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[UN Raises Alarm Over New Illegal Israeli Settlements,]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/english/29416</link>
    <pubDate>Fri, 21 Aug 2026 02:37:15 +0600</pubDate>
    <category> English </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/english/29416</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/08202026_image06_un_on_gaza.jpg" />    <p><strong>Shibbir Ahmed, United Nations, New York: </strong>The United Nations has expressed deep concern over reports of new illegal Israeli settlements in the occupied West Bank. The UN human rights office has also strongly condemned remarks by Israeli National Security Minister Itamar Ben-Gvir that allegedly incite violence against Palestinians.</p>

<p>UN spokesperson St&eacute;phane Dujarric said Wednesday that Secretary-General Ant&oacute;nio Guterres was deeply alarmed by reports of new illegal Israeli settlement activity in the occupied West Bank, particularly the issuance of tenders for new housing projects in the E1 area. The Israeli government this week issued tenders for the construction of more than 1,200 new housing units in the E1 area.</p>

<p>According to the United Nations, implementation of the plan could sever the geographic connection between occupied East Jerusalem and the West Bank. It could also effectively divide the West Bank into northern and southern parts.</p>

<p>The UN warned that such a development could seriously undermine the territorial integrity of the occupied Palestinian territory and pose a major threat to the prospects for a two-State solution. The UN Secretary General has called on Israel to refrain from taking further steps in this regard and to comply with relevant UN resolutions and international law.</p>

<p>The UN spokesperson also referred to the 19 July 2024 advisory opinion of the International Court of Justice (ICJ), which stated that Israel&rsquo;s occupation of the Gaza Strip and the West Bank, including East Jerusalem, is unlawful.</p>

<p><strong>Nearly 40,000 Palestinians Trapped in the West Bank</strong></p>

<p>Meanwhile, nearly 40,000 people, including children, have been effectively trapped inside their homes in Dahiriya, in the Hebron area of the West Bank, following an Israeli military operation. According to UN humanitarian partners, Israeli forces imposed a curfew, deployed snipers on rooftops, blocked roads with earth mounds and arrested several people. At least seven Palestinian homes were reportedly used as interrogation centres.</p>

<p>The UN spokesperson said the operation was having an immediate humanitarian impact. Residents have been unable to replenish food and other essential supplies, access vital services or travel to their workplaces. He stressed that homes and families must be protected and that any security operation must be conducted in accordance with international law, with the protection and dignity of civilians ensured.</p>

<p><strong>Israeli Attacks Continue in Gaza</strong></p>

<p>Despite the interim ceasefire plan of October 2025, deadly attacks, gunfire, missile launches and airstrikes have continued in Gaza on an almost daily basis. UN security and safety partners reported continued Israeli military activity in areas west of the so-called &ldquo;Yellow Line,&rdquo; a line marked by concrete blocks installed by Israel following the ceasefire.</p>

<p>According to preliminary local reports cited by the United Nations, an Israeli airstrike on a Gaza seaport on Tuesday killed at least seven people and injured several others. Further attacks were reported on Wednesday. UN spokesperson St&eacute;phane Dujarric said such incidents put civilians at risk and restrict their ability to reach safety, receive medical care and access humanitarian assistance.</p>

<p><strong>&lsquo;Beyond the Bounds of Humanity&rsquo;</strong></p>

<p>The UN human rights office has also issued a strong response following recent remarks by Israeli National Security Minister Itamar Ben-Gvir concerning Palestinians. The Office of the UN High Commissioner for Human Rights (OHCHR) in the Occupied Palestinian Territory said Ben-Gvir&rsquo;s remarks amounted to &ldquo;incitement to violence amounting to atrocity crimes.&rdquo;</p>

<p>The office said such comments by a senior Israeli government official represented yet another example of what it described as &ldquo;utter contempt&rdquo; for international humanitarian law, international human rights law and the basic principles of humanity. The UN human rights office said: &ldquo;It is beyond the bounds of humanity.&rdquo;</p>

<p>According to OHCHR, such &ldquo;dehumanising remarks&rdquo; have come amid an extremely high death and injury toll among Palestinians in Gaza since 7 October 2023. Citing figures from the Palestinian Ministry of Health, the United Nations said 73,400 Palestinians have been killed and 174,312 injured in Gaza since then. Another 1,123 Palestinians have been killed in the occupied West Bank, according to the figures cited by the UN.</p>

<p><strong>UN Calls on Israel to Condemn Incitement Against Palestinians</strong></p>

<p>The UN human rights office also recalled that in January 2024, the International Court of Justice issued binding provisional measures concerning Israel. In response to a case brought by South Africa, the court ordered Israel to take all measures within its power to prevent and punish direct and public incitement to genocide against Palestinians in Gaza.</p>

<p>OHCHR said that even amid the widespread destruction in Gaza and continued attacks by Israeli settlers and the forced displacement of Palestinians in the West Bank, statements by senior Israeli officials that encourage or justify unlawful mass killings of Palestinians continue. The UN human rights office called on the Israeli government to unequivocally condemn and investigate incidents of incitement to violence against Palestinians.</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/08202026_image06_un_on_gaza.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নতুন অবৈধ ইসরায়েলি বসতি নিয়ে জাতিসংঘের উদ্বেগ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29415</link>
    <pubDate>Fri, 21 Aug 2026 02:27:47 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29415</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/08202026_image04_un_on_gaza.jpg" />    <p><strong>শিব্বীর আহমেদ, জাতিসংঘ, নিউ ইয়র্ক: </strong>অধিকৃত পশ্চিম তীরে নতুন অবৈধ ইসরায়েলি বসতি স্থাপনের খবর নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ। একই সঙ্গে ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে সহিংসতায় উসকানি দেওয়ার অভিযোগে ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভিরের বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তর। জাতিসংঘের মুখপাত্র স্টেফান দুজারিক বুধবার বলেন, অধিকৃত পশ্চিম তীরে নতুন অবৈধ ইসরায়েলি বসতি স্থাপনের খবর&mdash;বিশেষ করে ই১ এলাকায় নতুন আবাসন প্রকল্পের জন্য দরপত্র আহ্বান&mdash;নিয়ে মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। ইসরায়েলি সরকার চলতি সপ্তাহে ই১ এলাকায় ১,২০০টির বেশি নতুন আবাসিক ইউনিট নির্মাণের জন্য দরপত্র আহ্বান করেছে।</p>

<p>জাতিসংঘের মতে, এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেম ও পশ্চিম তীরের মধ্যকার ভৌগোলিক সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে। একই সঙ্গে পশ্চিম তীরকে উত্তর ও দক্ষিণ অংশে কার্যত বিভক্ত করার আশঙ্কা রয়েছে। এর ফলে অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের ভৌগোলিক অখণ্ডতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এবং দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের সম্ভাবনাও বড় ধরনের হুমকির মুখে পড়বে।</p>

<p>জাতিসংঘ মহাসচিব ইসরায়েলকে এ ধরনের পদক্ষেপ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন এবং জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট প্রস্তাব ও আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি সম্মান দেখানোর আহ্বান জানিয়েছেন। জাতিসংঘের মুখপাত্র ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের (ICJ) পরামর্শমূলক মতামতের কথাও উল্লেখ করেন। ওই মতামতে অধিকৃত গাজা ও পশ্চিম তীর, যার মধ্যে পূর্ব জেরুজালেমও রয়েছে, ইসরায়েলের দখলকে &ldquo;অবৈধ&rdquo; হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল।</p>

<p><strong>পশ্চিম তীরে অবরুদ্ধ প্রায় ৪০ হাজার ফিলিস্তিনি</strong></p>

<p>এদিকে পশ্চিম তীরের হেবরন এলাকার দাহিরিয়ায় ইসরায়েলি বাহিনীর অভিযানকে কেন্দ্র করে প্রায় ৪০ হাজার মানুষ, যাদের মধ্যে শিশুও রয়েছে, কার্যত নিজ নিজ বাড়িতে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন। জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা অংশীদারদের তথ্য অনুযায়ী, ইসরায়েলি বাহিনী সেখানে কারফিউ জারি করেছে, ভবনের ছাদে স্নাইপার মোতায়েন করেছে, মাটির বাঁধ দিয়ে সড়ক বন্ধ করেছে এবং বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছে। অন্তত সাতটি ফিলিস্তিনি বাড়ি জিজ্ঞাসাবাদ কেন্দ্র হিসেবেও ব্যবহার করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।</p>

<p>জাতিসংঘের মুখপাত্র বলেন, এর তাৎক্ষণিক মানবিক প্রভাব পড়ছে। মানুষ খাদ্য ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী সংগ্রহ করতে পারছে না, জরুরি সেবা নিতে পারছে না এবং কর্মস্থলেও যেতে পারছে না।&nbsp;তিনি বলেন, বাড়িঘর ও পরিবারগুলোকে অবশ্যই সুরক্ষা দিতে হবে। যেকোনো নিরাপত্তা অভিযান আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী পরিচালিত হওয়া উচিত এবং এতে বেসামরিক মানুষের সুরক্ষা ও মর্যাদা নিশ্চিত করতে হবে।</p>

<p><strong>গাজায়ও অব্যাহত ইসরায়েলি হামলা</strong></p>

<p>২০২৫ সালের অক্টোবরের অন্তর্বর্তী যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনার পরও গাজায় প্রায় প্রতিদিনই প্রাণঘাতী হামলা, গুলিবর্ষণ, ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ ও বিমান হামলার খবর পাওয়া যাচ্ছে। জাতিসংঘের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা সংক্রান্ত অংশীদার সংস্থাগুলো জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতির পর ইসরায়েল যে &lsquo;ইয়েলো লাইন&rsquo; নামে পরিচিত সিমেন্টের ব্লক স্থাপন করেছে, তার পশ্চিম দিকের এলাকাগুলোতেও ইসরায়েলি সামরিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।স্থানীয় প্রাথমিক প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে জাতিসংঘ জানিয়েছে, মঙ্গলবার গাজার একটি সমুদ্রবন্দরে ইসরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত সাতজন নিহত এবং আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন। বুধবারও সেখানে নতুন করে হামলার খবর পাওয়া গেছে।</p>

<p>জাতিসংঘের মুখপাত্র দুজারিক বলেন, এ ধরনের হামলা বেসামরিক মানুষকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে এবং তাদের নিরাপদ স্থানে যাওয়া, চিকিৎসা নেওয়া ও মানবিক সহায়তা পাওয়ার সুযোগ সীমিত করছে।</p>

<p><strong>&lsquo;মানবতার সীমা অতিক্রম করেছে&rsquo;</strong></p>

<p>ফিলিস্তিনিদের নিয়ে ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভিরের সাম্প্রতিক বক্তব্যের পর জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তরও কঠোর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তর (OHCHR) বলেছে, বেন-গভিরের বক্তব্য &ldquo;নৃশংস অপরাধের পর্যায়ে পড়ে এমন সহিংসতায় উসকানি&rdquo; দেওয়ার শামিল। দপ্তরটি বলেছে, ইসরায়েলি সরকারের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার এমন বক্তব্য আন্তর্জাতিক মানবিক আইন, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন এবং মানবতার মৌলিক নীতির প্রতি চরম অবজ্ঞার আরেকটি উদাহরণ। জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তর মন্তব্য করেছে, &ldquo;এটি মানবতার সীমা অতিক্রম করেছে।&rdquo;</p>

<p>OHCHR-এর মতে, এ ধরনের &ldquo;অমানবিক বক্তব্য&rdquo; এমন এক সময়ে এসেছে, যখন ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় ফিলিস্তিনিদের প্রাণহানি ও আহতের সংখ্যা অত্যন্ত উচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য উদ্ধৃত করে জাতিসংঘ জানিয়েছে, ওই সময় থেকে গাজায় ৭৩,৪০০ ফিলিস্তিনি নিহত এবং ১,৭৪,৩১২ জন আহত হয়েছেন। অধিকৃত পশ্চিম তীরেও ১,১২৩ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন বলে জানানো হয়েছে।</p>

<p><strong>ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে উসকানির নিন্দা জানাতে ইসরায়েলকে আহ্বান</strong></p>

<p>জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তর মনে করিয়ে দিয়েছে, ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (ICJ) ইসরায়েলের জন্য বাধ্যতামূলক অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা জারি করেছিল। দক্ষিণ আফ্রিকার করা মামলার প্রেক্ষাপটে আদালত ইসরায়েলকে গাজায় ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে গণহত্যায় সরাসরি ও প্রকাশ্য উসকানি প্রতিরোধ এবং শাস্তি দেওয়ার জন্য তার ক্ষমতার মধ্যে থাকা সব ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল।</p>

<p>OHCHR বলেছে, গাজায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ এবং পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতিস্থাপনকারীদের অব্যাহত হামলা ও ফিলিস্তিনিদের জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতির মধ্যেও ইসরায়েলি সরকারের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের বক্তব্যে ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে বেআইনি ব্যাপক হত্যাকাণ্ডকে উৎসাহিত ও ন্যায্যতা দেওয়ার প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তর ইসরায়েল সরকারকে ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে সহিংসতায় উসকানির ঘটনাগুলো স্পষ্টভাবে নিন্দা এবং তদন্ত করার আহ্বান জানিয়েছে।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/08202026_image04_un_on_gaza.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[U.S. Imposes New Sanctions on Cuban Government Officials and Entities]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/english/29414</link>
    <pubDate>Fri, 21 Aug 2026 00:24:42 +0600</pubDate>
    <category> English </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/english/29414</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/08192026-mage20_usa_cuba.jpg" />    <p><strong>Shibbir Ahmed, Washington, D.C.: </strong>The United States has imposed a new round of sanctions on individuals and entities associated with the Cuban government. The U.S. Department of State said the measures target actors allegedly involved in operating &ldquo;Marxist subversive networks&rdquo; in the United States and engaging in corrupt economic activities.</p>

<p>According to a statement and fact sheet released Thursday by the State Department, the Trump administration has designated nine entities and three individuals as part of its broader effort to increase pressure on the Cuban government. The latest measures also target Cuban state-owned entities operating in the mining, metals, and construction sectors.</p>

<p><strong>Allegations of &ldquo;Subversive Networks&rdquo; in the United States</strong></p>

<p>U.S. Secretary of State Marco Rubio alleged that the Cuban government has long maintained an extensive network inside the United States aimed at identifying American citizens, building relationships with them, and influencing them with radical political ideologies.</p>

<p>The measures specifically target leadership associated with the Cuban Institute of Friendship with the Peoples (ICAP). According to the U.S. administration, the organization has used international solidarity and cultural engagement activities to advance Cuba&rsquo;s political and ideological influence in the United States and other countries.</p>

<p>Rubio also alleged that Cuba recently brought a new group of international supporters to Havana in connection with the centennial of Fidel Castro&rsquo;s birth and provided them opportunities to interact with Cuban government officials. The U.S. administration views the initiative as part of Cuba&rsquo;s efforts to strengthen its international political networks.</p>

<p><strong>Economic Sectors Also Targeted</strong></p>

<p>The latest measures are not limited to allegations involving political networks. Important sectors of Cuba&rsquo;s state-controlled economy&mdash;including entities involved in mining, metals, and construction&mdash;have also been targeted by U.S. sanctions.</p>

<p>Washington alleges that revenues generated through these state-owned enterprises help support the Cuban government and its activities. The Trump administration says increasing pressure on Cuba&rsquo;s state-controlled economic network is intended to restrict financial resources available to the government.</p>

<p><strong>Trump Administration Increases Pressure on Cuba</strong></p>

<p>President Donald Trump&rsquo;s administration has significantly increased economic and diplomatic pressure on Cuba in recent months. The latest sanctions are part of that broader policy, with several additional Cuba-related measures introduced by the U.S. government during August 2026.</p>

<p>According to the U.S. administration, the measures are not intended to target ordinary Cuban citizens. Instead, Washington says its focus is on the Cuban government, state-controlled economic structures, and individuals and organizations accused of supporting the government&rsquo;s political and international activities.</p>

<p><strong>U.S. Policy Faces Criticism</strong></p>

<p>The expanding U.S. sanctions against Cuba have also drawn international criticism. United Nations human rights experts have expressed concern about the potential humanitarian consequences of additional sanctions amid Cuba&rsquo;s continuing economic and humanitarian difficulties. Critics argue that further economic restrictions could place additional pressure on ordinary Cubans.</p>

<p>Cuba, meanwhile, has long rejected U.S. sanctions and the broader economic embargo as unjust. Havana has accused Washington of attempting to weaken the Cuban economy because of longstanding political and ideological differences. The latest sanctions are likely to add another layer of tension to the already strained relationship between Washington and Havana.</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/08192026-mage20_usa_cuba.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[কিউবার সরকারি কর্মকর্তা ও প্রতিষ্ঠানের ওপর নতুন মার্কিন নিষেধাজ্ঞা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29413</link>
    <pubDate>Fri, 21 Aug 2026 00:22:52 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29413</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/08192026-mage20_usa_cuba.jpg" />    <p>শিব্বীর আহমেদ, ওয়াশিংটন ডিসি: কিউবার সরকার-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বলছে, যুক্তরাষ্ট্রে কথিত &lsquo;মার্কসবাদী নাশকতামূলক নেটওয়ার্ক&rsquo; পরিচালনা এবং দুর্নীতিপূর্ণ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।</p>

<p>বৃহস্পতিবার প্রকাশিত মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের বিবৃতি ও ফ্যাক্ট শিট অনুযায়ী, ট্রাম্প প্রশাসনের কিউবার ওপর চাপ বাড়ানোর নীতির অংশ হিসেবে ৯টি প্রতিষ্ঠান ও ৩ ব্যক্তিকে নতুন করে নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হয়েছে। একই সময়ে কিউবার রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন খনি, ধাতু ও নির্মাণ খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।</p>

<p><strong>যুক্তরাষ্ট্রে &lsquo;নাশকতামূলক নেটওয়ার্ক&rsquo; পরিচালনার অভিযোগ</strong></p>

<p>মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর অভিযোগ, কিউবার সরকার দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরে একটি বিস্তৃত নেটওয়ার্ক পরিচালনা করছে, যার উদ্দেশ্য মার্কিন নাগরিকদের চিহ্নিত করা, তাদের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করা এবং উগ্র রাজনৈতিক মতাদর্শে প্রভাবিত করা।</p>

<p>বিশেষভাবে কিউবান ইনস্টিটিউট অব ফ্রেন্ডশিপ উইথ দ্য পিপলস (ICAP)-এর নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মার্কিন প্রশাসনের দাবি, প্রতিষ্ঠানটি আন্তর্জাতিক সংহতি ও সাংস্কৃতিক যোগাযোগের আড়ালে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশে কিউবার রাজনৈতিক ও আদর্শিক প্রভাব বিস্তারে ভূমিকা রাখছে।</p>

<p>রুবিও অভিযোগ করেন, সম্প্রতি ফিদেল কাস্ত্রোর শততম জন্মবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে কিউবা আন্তর্জাতিক সমর্থকদের একটি নতুন দলকে হাভানায় নিয়ে যায় এবং তাদের কিউবার সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ করে দেয়। মার্কিন প্রশাসন এটিকে কিউবার আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক নেটওয়ার্ক শক্তিশালী করার প্রচেষ্টা হিসেবে দেখছে।</p>

<p><strong>অর্থনৈতিক খাতও নিষেধাজ্ঞার লক্ষ্য</strong></p>

<p>নতুন পদক্ষেপ শুধু রাজনৈতিক নেটওয়ার্কের অভিযোগে সীমাবদ্ধ নয়। কিউবার রাষ্ট্রীয় অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ কিছু অংশ&mdash;বিশেষ করে খনি, ধাতু ও নির্মাণ খাতের প্রতিষ্ঠান&mdash;মার্কিন নিষেধাজ্ঞার আওতায় এসেছে।</p>

<p>ওয়াশিংটনের অভিযোগ, এসব রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে অর্জিত অর্থ কিউবার ক্ষমতাসীন সরকারের কার্যক্রমে সহায়তা করে। ট্রাম্প প্রশাসন বলছে, কিউবার সরকারি অর্থনৈতিক নেটওয়ার্কের ওপর চাপ বাড়িয়ে সরকারের অর্থের উৎস সীমিত করাই এসব পদক্ষেপের অন্যতম লক্ষ্য।</p>

<p><strong>কিউবার ওপর চাপ আরও বাড়াচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন</strong></p>

<p>প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বর্তমান প্রশাসন সাম্প্রতিক মাসগুলোতে কিউবার বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে। নতুন নিষেধাজ্ঞাও সেই বৃহত্তর নীতির অংশ। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের কিউবা-সংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞার তালিকায় ২০২৬ সালের আগস্টেও একাধিক নতুন পদক্ষেপ যুক্ত হয়েছে।</p>

<p>মার্কিন প্রশাসনের ভাষ্য অনুযায়ী, তাদের লক্ষ্য কিউবার সাধারণ জনগণ নয়; বরং কিউবার সরকার, রাষ্ট্রীয় অর্থনৈতিক কাঠামো এবং যেসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান সরকারের রাজনৈতিক ও আন্তর্জাতিক কার্যক্রমকে সহায়তা করছে, তাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করা।</p>

<p><strong>যুক্তরাষ্ট্রের নীতির সমালোচনাও রয়েছে</strong></p>

<p>তবে কিউবার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান নিষেধাজ্ঞা নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সমালোচনাও রয়েছে। জাতিসংঘের মানবাধিকার বিশেষজ্ঞরা চলতি আগস্টে যুক্তরাষ্ট্রের কিউবা-সংক্রান্ত নতুন নিষেধাজ্ঞার মানবিক প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, কিউবায় চলমান অর্থনৈতিক ও মানবিক সংকটের মধ্যে অতিরিক্ত নিষেধাজ্ঞা সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ওপর আরও চাপ সৃষ্টি করতে পারে।</p>

<p>অন্যদিকে, কিউবা দীর্ঘদিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা ও অর্থনৈতিক অবরোধকে অন্যায্য বলে প্রত্যাখ্যান করে আসছে। হাভানার অভিযোগ, আদর্শিক ও রাজনৈতিক বিরোধের কারণে ওয়াশিংটন কিউবার অর্থনীতিকে দুর্বল করার চেষ্টা করছে। নতুন এই নিষেধাজ্ঞার ফলে যুক্তরাষ্ট্র-কিউবা সম্পর্কের বিদ্যমান উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/08192026-mage20_usa_cuba.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[U.S. National Debt Surpasses $40 Trillion]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/english/29412</link>
    <pubDate>Thu, 20 Aug 2026 07:51:13 +0600</pubDate>
    <category> English </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/english/29412</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1-08192026_image11_us_national_debt.jpg" />    <p><em><strong>Shibbir Ahmed, Washington DC:</strong></em> The United States&rsquo; national debt has surpassed the $40 trillion mark for the first time, reaching approximately $40.047 trillion on Wednesday, according to the latest data from the U.S. Treasury Department. The historic milestone underscores the scale of the U.S. government&rsquo;s accumulated debt and is renewing concerns over the country&rsquo;s long-term fiscal stability.</p>

<p>According to Treasury data, about $32.266 trillion of the total debt is debt held by the public, while approximately $7.782 trillion consists of intragovernmental holdings&mdash;amounts owed by one government account or agency to another.</p>

<p><strong>Debt More Than Doubles in Less Than a Decade</strong></p>

<p>The U.S. national debt has increased at an extraordinary pace over the past decade. When Donald Trump first took office as president in 2017, the national debt stood at approximately $19.95 trillion. It has now more than doubled, surpassing $40 trillion.</p>

<p>Economists say no single administration is responsible for the rapid increase. Massive government spending during the COVID-19 pandemic, persistent federal budget deficits, tax cuts and rising spending on major entitlement programs have all contributed to the growth of the national debt. The debt increased substantially during both the Trump and Joe Biden administrations.</p>

<p><strong>Rising Interest Costs Add to Fiscal Pressure</strong></p>

<p>Beyond the size of the debt itself, the cost of servicing it has become a major concern for the U.S. government. According to Reuters analysis, interest payments on the federal debt have become one of the largest components of federal spending and have surpassed spending on Medicare, ranking behind Social Security among the government&#39;s largest expenditures.</p>

<p>Economists warn that interest costs could rise further as older debt is refinanced at higher interest rates. This could limit the government&#39;s ability to allocate resources to areas such as education, infrastructure, defense and other public programs.</p>

<p><strong>Large July Budget Deficit</strong></p>

<p>The latest milestone comes amid continuing large federal budget deficits. According to Reuters, the U.S. government recorded a budget deficit of approximately $432 billion in July alone, one of the largest monthly deficits in the country&rsquo;s history.</p>

<p>Rising spending on Social Security and Medicare, along with lower-than-expected revenue from tariffs and other sources, contributed to the large shortfall.</p>

<p><strong>Trump Policies Could Add Further to Debt</strong></p>

<p>Concerns are also growing over the potential impact of the Trump administration&#39;s recent tax and spending policies. According to Reuters, President Trump&rsquo;s widely discussed &ldquo;One Big Beautiful Bill Act&rdquo; could add approximately $4.7 trillion to the national debt over the coming years, based on estimates cited in the report.</p>

<p>Economists and budget watchdogs warn that continued growth in federal debt could reduce the government&#39;s fiscal flexibility. It could also make it more difficult for Washington to respond to future economic downturns, inflationary pressures or other national emergencies.</p>

<p><strong>Investor Concerns Grow</strong></p>

<p>The growing national debt is also putting pressure on the U.S. government bond market. Yields on long-term Treasury securities have recently reached multi-year highs as investors demand higher returns to hold long-term U.S. government debt.</p>

<p>On Wednesday, the Treasury Department announced plans to increase its long-term Treasury bond buyback operations. The size of individual operations is expected to increase from about $2 billion to at least $4 billion.</p>

<p>Following the announcement, yields on long-term U.S. government bonds declined somewhat, while global bond markets also reacted positively.</p>

<p><strong>Global Economic Implications</strong></p>

<p>U.S. Treasury securities are widely regarded as among the safest and most important financial assets in the world. As a result, major changes in the U.S. debt and Treasury markets can have consequences far beyond American financial markets.</p>

<p>High government debt, inflation concerns and geopolitical tensions have recently contributed to higher long-term government bond yields in several countries.</p>

<p>Reuters reported that following the latest Treasury action, long-term European bond yields also declined somewhat. At the same time, the U.S. dollar came under pressure while gold prices rose sharply.</p>

<p><strong>A Major Fiscal Challenge Ahead</strong></p>

<p>The crossing of the $40 trillion threshold is more than a statistical milestone for the United States. It reflects decades of federal budget deficits and growing reliance on government borrowing.</p>

<p>Budget analysts warn that if the current pace of debt accumulation continues, Washington could face increasingly limited fiscal flexibility. Borrowing could also become more expensive, particularly during periods of economic stress.</p>

<p>The ultimate impact of the $40 trillion debt level will depend on several factors, including economic growth, interest rates, government spending, tax revenues and the fiscal policies adopted by future administrations.</p>

<p>But the historic milestone has already renewed international debate over the sustainability of U.S. government finances and the future management of the world&#39;s largest sovereign debt.</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1-08192026_image11_us_national_debt.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঋণ ছাড়াল ৪০ ট্রিলিয়ন ডলার]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29411</link>
    <pubDate>Thu, 20 Aug 2026 07:50:09 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29411</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/08192026_image11_us_national_debt.jpg" />    <p><strong>শিব্বীর আহমেদ, ওয়াশিংটন ডিসি:</strong> যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঋণ প্রথমবারের মতো ৪০ ট্রিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করেছে। মার্কিন ট্রেজারি বিভাগের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বুধবার দেশটির মোট জাতীয় ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪০.০৪৭ ট্রিলিয়ন ডলার। বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির জন্য এটি একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক এবং দেশটির দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক স্থিতিশীলতা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।</p>

<p>ট্রেজারি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, মোট ঋণের মধ্যে প্রায় ৩২.২৬৬ ট্রিলিয়ন ডলার জনগণের হাতে থাকা সরকারি ঋণ এবং প্রায় ৭.৭৮২ ট্রিলিয়ন ডলার সরকারি বিভিন্ন সংস্থার পারস্পরিক ঋণ বা আন্তঃসরকারি দায়।</p>

<p>এক দশকে দ্বিগুণের বেশি ঋণ</p>

<p>যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঋণ গত এক দশকে নজিরবিহীন গতিতে বেড়েছে। ২০১৭ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রথমবার প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার সময় দেশটির জাতীয় ঋণ ছিল প্রায় ১৯.৯৫ ট্রিলিয়ন ডলার। বর্তমানে তা ৪০ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে&mdash;অর্থাৎ এক দশকেরও কম সময়ে ঋণের পরিমাণ দ্বিগুণের বেশি হয়েছে।</p>

<p>বিশ্লেষকদের মতে, ঋণ বৃদ্ধির পেছনে একক কোনো প্রশাসন দায়ী নয়। কোভিড-১৯ মহামারির সময় ব্যাপক সরকারি ব্যয়, দীর্ঘদিনের বাজেট ঘাটতি, কর হ্রাস এবং সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির ক্রমবর্ধমান ব্যয়&mdash;সব মিলিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ঋণের বোঝা দ্রুত বেড়েছে। ট্রাম্প ও জো বাইডেন&mdash;উভয় প্রশাসনের সময়ই ঋণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।</p>

<p><strong>সুদ পরিশোধেই বাড়ছে চাপ</strong></p>

<p>ঋণের পরিমাণ বাড়ার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র সরকারের জন্য সবচেয়ে বড় উদ্বেগ হয়ে উঠছে ঋণের সুদ পরিশোধের ব্যয়। রয়টার্স এর বিশ্লেষণ অনুযায়ী, সরকারি ঋণের সুদ পরিশোধ এখন ফেডারেল বাজেটের অন্যতম বড় ব্যয় এবং তা মেডিকেয়ারের ব্যয়কেও ছাড়িয়ে গেছে; সামাজিক নিরাপত্তার পর এটি অন্যতম বৃহৎ ফেডারেল ব্যয়।</p>

<p>উচ্চ সুদের হার ও পুরোনো ঋণ নতুন সুদহারে পুনঃঅর্থায়ন করার কারণে ভবিষ্যতে এই ব্যয় আরও বাড়তে পারে। ফলে শিক্ষা, অবকাঠামো, প্রতিরক্ষা ও অন্যান্য সরকারি কর্মসূচিতে অর্থ বরাদ্দের ক্ষেত্রে সরকারের হাতে তুলনামূলকভাবে কম সুযোগ থাকবে বলে সতর্ক করছেন অর্থনীতিবিদেরা।</p>

<p><strong>জুলাইয়ে বড় বাজেট ঘাটতি</strong></p>

<p>জাতীয় ঋণের এই মাইলফলকের পেছনে সাম্প্রতিক বাজেট ঘাটতিও বড় ভূমিকা রাখছে। রয়টার্স এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুধু জুলাই মাসেই যুক্তরাষ্ট্রের বাজেট ঘাটতি ছিল প্রায় ৪৩২ বিলিয়ন ডলার&mdash;যা দেশটির ইতিহাসে অন্যতম বড় মাসিক ঘাটতি। সামাজিক নিরাপত্তা ও মেডিকেয়ারের ব্যয় বৃদ্ধি এবং শুল্ক থেকে প্রত্যাশার তুলনায় কম রাজস্বসহ বিভিন্ন কারণে ঘাটতি বেড়েছে।</p>

<p><strong>ট্রাম্পের নতুন নীতিতেও ঋণ বাড়ার আশঙ্কা</strong></p>

<p>ট্রাম্প প্রশাসনের সাম্প্রতিক ব্যয় ও করসংক্রান্ত উদ্যোগ নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে। রয়টার্স এর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বহুল আলোচিত &ldquo;One Big Beautiful Bill Act&rdquo;-এর কারণে আগামী বছরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঋণে আরও প্রায় ৪.৭ ট্রিলিয়ন ডলার যোগ হতে পারে বলে হিসাব করা হয়েছে।</p>

<p>অর্থনীতিবিদ ও বাজেট পর্যবেক্ষকরা বলছেন, ক্রমবর্ধমান ঋণ সরকারের ভবিষ্যৎ ব্যয় পরিচালনার সক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে। একই সঙ্গে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, অর্থনৈতিক মন্দার সময় সরকারি সহায়তা দেওয়া এবং নতুন সংকট মোকাবিলায় সরকারের আর্থিক সক্ষমতার ওপরও চাপ তৈরি হতে পারে।</p>

<p><strong>বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ বাড়ছে</strong></p>

<p>জাতীয় ঋণের পরিমাণ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মার্কিন সরকারি বন্ডের বাজারেও চাপ দেখা দিয়েছে। দীর্ঘমেয়াদি ট্রেজারি বন্ডের সুদের হার সাম্প্রতিক সময়ে বহু বছরের উচ্চতায় পৌঁছেছে। বিনিয়োগকারীরা দীর্ঘমেয়াদি মার্কিন সরকারি ঋণ ধারণের জন্য বেশি রিটার্ন দাবি করছেন।</p>

<p>বুধবার পরিস্থিতি সামাল দিতে মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ দীর্ঘমেয়াদি সরকারি বন্ডের পুনঃক্রয় কার্যক্রম (buyback operation) বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। প্রতিটি কার্যক্রমে আগের ২ বিলিয়ন ডলারের পরিবর্তে অন্তত ৪ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত বন্ড পুনঃক্রয়ের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এর পর দীর্ঘমেয়াদি মার্কিন বন্ডের সুদের হার কিছুটা কমেছে এবং বৈশ্বিক বন্ড বাজারেও ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।</p>

<p><strong>বিশ্ব অর্থনীতিতেও প্রভাব</strong></p>

<p>যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি বন্ডকে বিশ্বের অন্যতম নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ফলে মার্কিন ঋণ ও বন্ডবাজারে বড় ধরনের পরিবর্তন হলে তার প্রভাব বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়তে পারে।</p>

<p>সাম্প্রতিক সময়ে উচ্চ সরকারি ঋণ, মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা এবং ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের দীর্ঘমেয়াদি সরকারি বন্ডের সুদের হারও বেড়েছে। Reuters জানিয়েছে, মার্কিন ট্রেজারির সাম্প্রতিক পদক্ষেপের পর ইউরোপের দীর্ঘমেয়াদি বন্ডের সুদের হারও কিছুটা কমেছে। একই সময়ে ডলারের ওপর চাপ এবং সোনার দামে বড় উত্থান দেখা গেছে।</p>

<p><strong>সামনে বড় চ্যালেঞ্জ</strong></p>

<p>৪০ ট্রিলিয়ন ডলারের মাইলফলক যুক্তরাষ্ট্রের জন্য শুধু একটি পরিসংখ্যানগত রেকর্ড নয়; এটি দেশটির দীর্ঘদিনের বাজেট ঘাটতি ও ঋণনির্ভর সরকারি ব্যয়ের গভীরতর সমস্যার প্রতিফলন। বাজেট পর্যবেক্ষকরা সতর্ক করে বলছেন, ঋণের এই গতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে সরকারের আর্থিক নমনীয়তা আরও কমে যেতে পারে এবং অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় নতুন করে ঋণ নেওয়াও ব্যয়বহুল হয়ে উঠতে পারে।</p>

<p>যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঋণ এখন ৪০ ট্রিলিয়ন ডলারের সীমা অতিক্রম করলেও এর প্রকৃত প্রভাব নির্ভর করবে অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি, সুদের হার, সরকারি ব্যয়, কর রাজস্ব এবং ভবিষ্যৎ প্রশাসনগুলোর আর্থিক নীতির ওপর। তবে ঐতিহাসিক এই মাইলফলক ইতোমধ্যে ওয়াশিংটনের আর্থিক নীতি ও ঋণ ব্যবস্থাপনা নিয়ে নতুন করে আন্তর্জাতিক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/08192026_image11_us_national_debt.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[Trump Labels Strait of Hormuz ‘New U.S. Territory’ as Iran Rejects Claim]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/english/29410</link>
    <pubDate>Wed, 19 Aug 2026 21:29:01 +0600</pubDate>
    <category> English </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/english/29410</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/08192026_image05_trump_on_hormuz_strait.jpeg" />    <p><strong>Shibbir Ahmed, New York:</strong> U.S. President Donald Trump has posted a map on social media labeling the strategically important Strait of Hormuz as &ldquo;New U.S. Territory,&rdquo; escalating an already tense confrontation with Iran over the vital shipping route.</p>

<p>Trump shared the map on his Truth Social account on Tuesday, August 18, without providing additional explanation. The post came days after he said he intended to declare the Strait of Hormuz a U.S. territory.</p>

<p>The move immediately drew a sharp response from Tehran. Iranian Deputy Foreign Minister Kazem Gharibabadi dismissed Trump&#39;s claim as a &ldquo;delusion&rdquo; and warned that it would either be corrected or challenged by Iran.</p>

<p>The dispute comes as the United States and Iran remain locked in a confrontation over the future of the waterway, which is one of the world&#39;s most important energy and shipping corridors.</p>

<p><strong>Trump Doubles Down on Hormuz Claim</strong></p>

<p>Trump had first suggested last week that the United States could take control of the Strait of Hormuz. On Monday, he told reporters at the White House that making the waterway part of the United States was, in his words, a &ldquo;great idea.&rdquo;</p>

<p>His latest social media post went a step further by displaying a map with the strait marked as &ldquo;New U.S. Territory.&rdquo;</p>

<p>The Strait of Hormuz lies between Iran and Oman and connects the Persian Gulf with the Gulf of Oman and the Arabian Sea. It is a critical passage for global energy shipments.</p>

<p>Trump&#39;s move has raised questions about the legal and diplomatic implications of any attempt by Washington to claim sovereignty over the waterway.</p>

<p><img alt="" src="https://khabor.com/upload/images/news/08192026_image06_trump_on_hormuz_strait.jpeg" style="width: 799px; height: 942px;" /></p>

<p>International law recognizes territorial waters in the Strait as belonging to the coastal states, principally Iran and Oman. A U.S. declaration alone would not establish American sovereignty over the waterway.</p>

<p><strong>Iran Rejects Trump&#39;s Claim</strong></p>

<p>Iran has strongly rejected Trump&#39;s statements about the strait. Iranian Deputy Foreign Minister Kazem Gharibabadi responded directly to Trump&#39;s map, calling the U.S. president&#39;s claim a &ldquo;delusion.&rdquo;</p>

<p>He said the claim would either be corrected or that Iran would take steps to correct what he described as Trump&#39;s mistaken view. Iranian officials have repeatedly insisted that the Strait of Hormuz remains under the control and sovereignty of the countries bordering it.</p>

<p>Iranian Parliament Speaker Mohammad Bagher Ghalibaf said Tuesday that the strait would remain closed until the United States accepts Tehran&#39;s demands.&nbsp;Those demands include lifting the U.S. blockade, releasing frozen Iranian assets, ending the oil embargo and stopping military operations against Iran.</p>

<p><strong>Trump Says No Talks Are Underway</strong></p>

<p>Trump&#39;s territorial claim came at the same time as he said there were no negotiations currently taking place with Iran. In a Truth Social post Tuesday, Trump said there were &ldquo;no talks or conversations&rdquo; underway or scheduled with Tehran and declared that the U.S. naval blockade remained in force.</p>

<p>The statement appeared to contradict reports from the previous day suggesting that back-channel contacts between U.S. and Iranian officials had taken place. The breakdown in diplomacy comes after a 60-day negotiating period failed to produce a comprehensive agreement between Washington and Tehran.</p>

<p><strong>A Strategic Global Waterway</strong></p>

<p>The Strait of Hormuz is one of the most strategically important waterways in the world. Approximately one-fifth of global oil shipments pass through the strait, making any prolonged disruption a major threat to international energy markets and global economic stability.</p>

<p>Shipping through the waterway has already fallen sharply because of the conflict and security concerns. Major shipping companies have avoided the route, while insurers and energy traders face growing uncertainty over whether commercial vessels can safely transit the area.</p>

<p>A vessel was also reportedly struck by an unknown projectile while transiting the Strait of Hormuz on Tuesday, according to an alert from the United Kingdom Maritime Trade Operations center. The incident caused damage to the vessel&#39;s engine room and resulted in a crew casualty.</p>

<p><strong>Iran Strikes Back With California Map</strong></p>

<p>Iran responded to Trump&#39;s provocative map with a provocative image of its own. An official Iranian social media account associated with Iran&#39;s consulate in Hyderabad posted a map of the United States highlighting California and labeling it &ldquo;NEW TERRITORY OF ISLAMIC REPUBLIC OF IRAN.&rdquo;</p>

<p>The post appeared to be a direct satirical response to Trump&#39;s depiction of the Strait of Hormuz as U.S. territory. California is also home to a large Iranian-American community. The exchange of maps underscores the increasingly confrontational rhetoric between Washington and Tehran.</p>

<p><strong>What Would a U.S. Territorial Claim Mean?</strong></p>

<p>Trump&#39;s post does not itself change the legal status of the Strait of Hormuz. The waterway passes through territorial waters associated with Iran and Oman, and its international navigation regime is governed by international maritime law.</p>

<p>Any attempt by the United States to formally claim sovereignty over the strait would therefore have major legal and diplomatic consequences and could trigger opposition from Iran, Oman and other regional states. The dispute also risks complicating efforts to keep one of the world&#39;s most important shipping routes open to international commerce.</p>

<p><strong>Regional Tensions Continue to Rise</strong></p>

<p>The confrontation is also placing pressure on U.S. relations with other Gulf countries. The United Arab Emirates announced Wednesday that it had suspended financial and economic transactions with Iran following what it said were Iranian missile launches toward maritime areas. Iran denied the allegation.</p>

<p>Iranian military officials have separately warned Gulf states against assisting U.S. military operations. The developments indicate that the dispute over Hormuz is increasingly affecting countries beyond the United States and Iran.</p>

<p><strong>Global Energy Security at Risk</strong></p>

<p>The latest escalation has significant implications for the global economy. If shipping through the Strait of Hormuz remains severely restricted, oil and gas supplies from the Persian Gulf could be disrupted, putting upward pressure on energy prices.</p>

<p>Higher energy prices could increase inflation, raise transportation and manufacturing costs and put additional pressure on economies across Asia, Europe and other energy-importing regions. For China, India, Japan, South Korea and European economies that rely heavily on Gulf energy supplies, prolonged disruption could have particularly serious consequences.</p>

<p><strong>A New Flashpoint in the U.S.-Iran Conflict</strong></p>

<p>Trump&#39;s &ldquo;New U.S. Territory&rdquo; map represents another escalation in the increasingly bitter confrontation between Washington and Tehran. While the post does not establish any change in sovereignty, it has added a new territorial dimension to an already dangerous dispute over the future of the Strait of Hormuz.</p>

<p>Iran has rejected the claim, while commercial shipping remains severely disrupted and diplomatic efforts remain stalled. The coming days could determine whether the dispute remains primarily a war of rhetoric or develops into a broader confrontation over control of one of the world&#39;s most important strategic waterways.</p>

<p>For the international community, the stakes are enormous. The Strait of Hormuz is not only a regional waterway&mdash;it is a critical artery for global energy supplies, international trade and economic stability.</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/08192026_image05_trump_on_hormuz_strait.jpeg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[কোনো আলোচনা নয়, বন্ধ হরমুজ প্রণালি: বৈশ্বিক জ্বালানি নিরাপত্তায় হুমকি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংকট]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29409</link>
    <pubDate>Wed, 19 Aug 2026 21:06:29 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29409</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/08192026_image03_hormuz_strait.jpeg" />    <p><strong>শিব্বীর আহমেদ, নিউ ইয়র্ক:</strong> কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি ঘিরে অচলাবস্থা আরও গভীর হওয়ায় ইরানের সঙ্গে তাৎক্ষণিক কোনো আলোচনা হবে না বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সময়ে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ রয়েছে বলে জানিয়েছে ইরান। ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ও আন্তর্জাতিক বাজার নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বাড়ছে।</p>

<p>মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ট্রাম্প বলেন, ইরানের সঙ্গে বর্তমানে কোনো আলোচনা চলছে না এবং শিগগিরই কোনো আলোচনা হওয়ারও কথা নেই। এর বিপরীতে ইরান জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি এখনো বন্ধ এবং যুক্তরাষ্ট্র তাদের দাবি পূরণ না করা পর্যন্ত এই জলপথ স্বাভাবিকভাবে খুলে দেওয়া হবে না।</p>

<p>দুই পক্ষের পরস্পরবিরোধী অবস্থান বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহনপথকে ঘিরে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। বিশ্বের মোট অপরিশোধিত তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়। ফলে দীর্ঘস্থায়ীভাবে এই পথের জাহাজ চলাচল ব্যাহত হলে তা জ্বালানি বাজার ও বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।</p>

<p><strong>ইরানের সঙ্গে কোনো আলোচনা নয়</strong></p>

<p>ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ আবার শুরু হতে পারে&mdash;এমন আগের ইঙ্গিত থেকে ট্রাম্পের সর্বশেষ বক্তব্যকে বড় ধরনের পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে। ইরান জানিয়েছে, তারা সংকট নিয়ে আলোচনায় বসতে প্রস্তুত। তবে স্বাভাবিকভাবে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল শুরুর আগে তেহরান যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ প্রত্যাহার, জব্দ করা ইরানি সম্পদ ছাড় এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ছাড় দাবি করছে।</p>

<p>তবে ট্রাম্প প্রশাসন তেহরানের সঙ্গে বর্তমানে কোনো আলোচনা চলছে&mdash;এমন ধারণা প্রত্যাখ্যান করেছে এবং ইরানের ওপর অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক চাপ অব্যাহত রেখেছে।</p>

<p>এর আগে দুই দেশের মধ্যে বৃহত্তর একটি সমঝোতার লক্ষ্যে আলোচনার সুযোগ তৈরি করতে ৬০ দিনের একটি মার্কিন-ইরান সমঝোতা কার্যকর ছিল। কিন্তু কোনো স্থায়ী শান্তি বা সমঝোতা ছাড়াই সেই সময়সীমা শেষ হয়েছে। ফলে ওয়াশিংটন ও তেহরানের অবস্থান আরও দূরে সরে গেছে।</p>

<p><strong>হরমুজে জাহাজ চলাচল ব্যাপকভাবে কমেছে</strong></p>

<p>ট্রাম্প হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত থাকার কথা বললেও বাস্তবে জলপথটিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল ব্যাপকভাবে কমে গেছে। রয়টার্সের উদ্ধৃত কেপলার ডেটা অনুযায়ী, মঙ্গলবার হরমুজ প্রণালি দিয়ে মাত্র ছয়টি পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল করেছে। এর আগের দিন এই সংখ্যা ছিল নয়টি। সাম্প্রতিক সময়ে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১১টি পণ্যবাহী জাহাজ এই জলপথ ব্যবহার করছিল।</p>

<p>নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের কারণে বড় বড় জাহাজ পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোও হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে চলছে। জাহাজ চলাচল কমে যাওয়ায় পারস্য উপসাগর থেকে তেল ও গ্যাসের স্বাভাবিক সরবরাহ অব্যাহত থাকবে কি না, তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।</p>

<p>মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানির অন্যতম বড় ক্রেতা চীনও এই সংকটে বিশেষভাবে ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। চীনের দুটি বড় শিপিং কোম্পানি, যারা আগে মধ্যপ্রাচ্য থেকে চীনে তেলের বড় অংশ পরিবহন করত, হরমুজ প্রণালি ও বাব আল-মান্দেব জলপথ দিয়ে চলাচল বন্ধ করেছে।</p>

<p><strong>চাপে বৈশ্বিক তেলের বাজার</strong></p>

<p>হরমুজকে ঘিরে অনিশ্চয়তার প্রভাব ইতোমধ্যে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে পড়েছে। বুধবার (১৯ আগস্ট) ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৯১ দশমিক ২০ ডলার এবং যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) প্রায় ৮৫ দশমিক ১০ ডলারে লেনদেন হচ্ছিল। এর আগে উভয় বেঞ্চমার্কই জুলাইয়ের শেষ দিকের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠেছিল।</p>

<p>বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালি ঘিরে অব্যাহত ঝুঁকির কারণে তেলের দামের সঙ্গে অতিরিক্ত ভূরাজনৈতিক ঝুঁকি-প্রিমিয়াম যুক্ত হয়েছে। সংকট দীর্ঘায়িত হলে কিংবা সামরিক উত্তেজনা আরও বাড়লে অপরিশোধিত তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে।</p>

<p>এর প্রভাব শুধু পেট্রোল বা পরিবহন ব্যয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। জ্বালানির দাম বাড়লে মূল্যস্ফীতির চাপ বাড়তে পারে, উৎপাদন ও পরিবহন ব্যয় বেড়ে যেতে পারে এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অর্থনৈতিক নীতি নির্ধারণ আরও কঠিন হয়ে উঠতে পারে।</p>

<p><strong>ইরান: হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকবে</strong></p>

<p>ইরান জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র তেহরানের দাবি পূরণ না করা পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকবে। তেহরানের এই অবস্থান ট্রাম্পের বক্তব্যের সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক। ট্রাম্প বলছেন, বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য প্রণালিটি উন্মুক্ত ও নিরাপদ। অন্যদিকে ইরান বলছে, তাদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত স্বাভাবিক জাহাজ চলাচল পুনরায় শুরু হবে না।</p>

<p>ফলে সংকটের মধ্যে দুটি ভিন্ন বাস্তবতা তৈরি হয়েছে। ওয়াশিংটন বলছে, জাহাজ চলাচল করতে পারে; আর তেহরান বলছে, শর্ত পূরণ না হওয়া পর্যন্ত স্বাভাবিক চলাচল হবে না। এই অনিশ্চয়তাই জাহাজ মালিক, বীমা কোম্পানি এবং জ্বালানি ব্যবসায়ীদের জন্য বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।</p>

<p><strong>আঞ্চলিক উত্তেজনা বাড়ছে</strong></p>

<p>সংকট এখন আর শুধু যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। বুধবার সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ইরানের সঙ্গে আর্থিক ও অর্থনৈতিক লেনদেন স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছে। দেশটি জানিয়েছে, সামুদ্রিক এলাকায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের পর তারা এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে ইরান ইউএইর অভিযোগ অস্বীকার করেছে।</p>

<p>ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য ও আর্থিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে ইউএই ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ একটি কেন্দ্র হওয়ায় আবুধাবির এই সিদ্ধান্তকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও ইউএই ইরানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক ও আর্থিক যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে ভূমিকা পালন করেছে।</p>

<p>এদিকে সংকটের প্রভাব পারস্য উপসাগরের বাইরেও ছড়িয়ে পড়েছে। লোহিত সাগর ও বাব আল-মান্দেব প্রণালিতেও জাহাজ চলাচল নিয়ে নিরাপত্তা উদ্বেগ বাড়ছে।</p>

<p><strong>ওয়াশিংটন ও তেহরানের অবস্থান এখনও বিপরীতমুখী</strong></p>

<p>সর্বশেষ কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ভেস্তে যাওয়ায় দ্রুত কোনো সমাধানের সম্ভাবনা কমে গেছে। ইরান নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, মার্কিন অবরোধের অবসান, জব্দ করা সম্পদ ফেরত এবং সংঘাতের কারণে ক্ষতিপূরণ দাবি করছে। তবে ট্রাম্প এসব দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং ইরানের ওপর অর্থনৈতিক ও সামরিক চাপ অব্যাহত রেখেছেন।</p>

<p>দুই পক্ষই একে অপরকে শান্তির পথ বন্ধ করার জন্য দায়ী করছে। ফলে একটি বিপজ্জনক অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র চাইছে, ইরান তার পারমাণবিক কর্মসূচি এবং বৃহত্তর নিরাপত্তা ইস্যুতে একটি চুক্তিতে সম্মত হোক। অন্যদিকে তেহরানের দাবি, আলোচনার আগে যুক্তরাষ্ট্রকে তার সামরিক ও অর্থনৈতিক নীতি পরিবর্তন করতে হবে।</p>

<p><strong>বৈশ্বিক অর্থনীতিতে প্রভাবের আশঙ্কা</strong></p>

<p>হরমুজ প্রণালির সংকট এখন মধ্যপ্রাচ্যের সীমানা ছাড়িয়ে বিশ্বজুড়ে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হলে এশিয়া ও ইউরোপের জ্বালানি আমদানিনির্ভর অর্থনীতিগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। বিশেষ করে উপসাগরীয় দেশগুলোর তেল ও গ্যাসের ওপর নির্ভরশীল দেশগুলো বড় ধরনের সরবরাহ সংকটে পড়তে পারে।</p>

<p>অপরিশোধিত তেলের দাম বাড়লে মূল্যস্ফীতির চাপও বাড়তে পারে। এমন পরিস্থিতিতে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতির মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর জন্য নীতি নির্ধারণ আরও কঠিন হয়ে উঠবে।</p>

<p>রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতের কারণে জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা আর্থিক বাজারেও প্রভাব ফেলছে। এর ফলে ঋণের খরচ বৃদ্ধি এবং নতুন করে মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।</p>

<p><strong>কূটনীতির জন্য বড় পরীক্ষা</strong></p>

<p>এই মুহূর্তে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো&mdash;হরমুজ সংকট বৈশ্বিক বাণিজ্যে দীর্ঘস্থায়ী বাধায় পরিণত হওয়ার আগে ওয়াশিংটন ও তেহরান আবার আলোচনায় ফিরতে পারবে কি না। ট্রাম্প বর্তমানে কোনো আলোচনা বা নির্ধারিত বৈঠকের সম্ভাবনা নাকচ করেছেন। অন্যদিকে ইরান হরমুজ প্রণালি পুনরায় স্বাভাবিকভাবে খুলে দেওয়ার বিষয়টিকে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক দাবির সঙ্গে যুক্ত রেখেছে।</p>

<p>এদিকে বাণিজ্যিক জাহাজগুলো জলপথটি এড়িয়ে চলছে, তেলের দাম তুলনামূলকভাবে উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে এবং আঞ্চলিক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ছে। সংকট যত দীর্ঘায়িত হবে, হরমুজ প্রণালি ততই শুধু যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র নয়, বরং বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্য বড় ধরনের অস্থিতিশীলতার উৎস হয়ে উঠতে পারে।</p>

<p>আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য তাই এই সংকটের গুরুত্ব মধ্যপ্রাচ্যের সীমানার অনেক বাইরে। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি ও বাণিজ্যিক নৌপথের ভবিষ্যৎ এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের স্থিতিশীলতা এখন অনেকটাই নির্ভর করছে&mdash;ওয়াশিংটন ও তেহরান আবার কূটনীতির টেবিলে ফিরতে পারে কি না, তার ওপর।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/08192026_image03_hormuz_strait.jpeg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[No Talks, Closed Strait: U.S.–Iran Crisis Threatens Global Energy Security]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/english/29408</link>
    <pubDate>Wed, 19 Aug 2026 20:59:36 +0600</pubDate>
    <category> English </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/english/29408</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/08192026_image04_hormuz_strait.jpeg" />    <p><em><strong>Shibbir Ahmed, New York:</strong></em> U.S. President Donald Trump has ruled out any immediate negotiations with Iran, as the standoff over the strategically vital Strait of Hormuz deepens and uncertainty over global energy supplies continues to grow. Trump said Tuesday, August 18, that no talks were currently taking place with Tehran and that none were scheduled. His comments came as Iran insisted that the Strait of Hormuz remains closed to shipping and said the waterway would stay shut until the United States meets its demands.</p>

<p>The conflicting claims have added to uncertainty surrounding one of the world&#39;s most important energy corridors. The Strait of Hormuz carries roughly one-fifth of global crude oil and liquefied natural gas shipments, making prolonged disruption a major concern for energy markets and the global economy.</p>

<p><strong>No Talks With Tehran</strong></p>

<p>Trump&#39;s statement marked a sharp departure from earlier suggestions that diplomatic contacts might resume. Iran has indicated that it is willing to discuss the conflict, but Tehran has demanded significant concessions, including an end to the U.S. blockade, the release of frozen Iranian assets and other measures before normal shipping through the strait can resume.</p>

<p>Trump, however, has rejected the idea that Washington is currently negotiating with Tehran and has continued to maintain pressure on Iran.</p>

<p>The breakdown follows the expiration of a 60-day U.S.-Iran memorandum that had been intended to provide time for negotiations toward a broader agreement. The arrangement expired without a lasting peace deal, leaving the two sides further apart.</p>

<p><strong>Hormuz Traffic Falls Sharply</strong></p>

<p>Despite Trump&#39;s assertion that the Strait of Hormuz is open, commercial shipping through the waterway remains severely restricted. According to Kpler data cited by Reuters, only six commodity vessels passed through the strait on Tuesday, down from nine the previous day and below the recent average of about 11 daily transits. Major shipowners continue to avoid the waterway because of security concerns.</p>

<p>The decline in shipping has raised concerns about the continued flow of oil and gas from the Persian Gulf. China, one of the world&#39;s largest buyers of Middle Eastern energy, is particularly exposed to the disruption. Two major Chinese shipping companies that previously transported a substantial share of China&#39;s Middle Eastern oil imports have stopped operating through the Strait of Hormuz and Bab al-Mandeb.</p>

<p><strong>Oil Prices Under Pressure</strong></p>

<p>The uncertainty has already affected global energy markets. Brent crude was trading around $91.20 a barrel on Wednesday, August 19, while U.S. West Texas Intermediate crude was around $85.10 a barrel. Both benchmarks had reached their highest levels since late July before retreating slightly.</p>

<p>Analysts say the continuing risk surrounding Hormuz is keeping a geopolitical premium in oil prices. If the disruption persists or the conflict escalates, crude prices could move substantially higher again.</p>

<p>The implications extend beyond gasoline and transportation costs. Higher energy prices can increase inflationary pressure, raise production and shipping costs, and complicate economic policy for governments around the world.</p>

<p><strong>Iran Says Strait Will Remain Closed</strong></p>

<p>Iran has maintained that the Strait of Hormuz will remain closed until Washington meets conditions Tehran considers necessary for reopening the waterway. The Iranian position directly contradicts Trump&#39;s assertion that the strait remains open and safe.</p>

<p>The standoff has effectively created two competing realities: Washington says commercial shipping can use the waterway, while Tehran maintains that normal passage will not resume until its demands are addressed. That uncertainty itself has become a major problem for shipping companies, insurers and energy traders.</p>

<p><strong>Regional Tensions Escalate</strong></p>

<p>The crisis is no longer limited to the United States and Iran. The United Arab Emirates announced Wednesday that it had suspended financial and economic transactions with Iran following what it said were Iranian missile launches toward maritime areas. Iran denied the UAE&#39;s allegations.</p>

<p>The UAE&#39;s decision represents another significant escalation because the country has historically been an important commercial and financial channel for Iran despite extensive U.S. sanctions. The crisis has also affected shipping beyond the Gulf, with security concerns extending to the Red Sea and the Bab al-Mandeb waterway.</p>

<p><strong>Washington and Tehran Remain Far Apart</strong></p>

<p>The collapse of the latest diplomatic effort leaves little indication of an immediate breakthrough. Iran wants sanctions relief, an end to the U.S. blockade, the release of frozen assets and compensation related to the conflict. Trump has rejected Iran&#39;s demands and has continued to apply economic and military pressure.</p>

<p>Both sides have also accused the other of blocking the path to peace. The result is a dangerous stalemate: the United States says it wants Iran to accept an agreement on its nuclear program and broader security concerns, while Tehran insists that Washington must first change its own military and economic policies.</p>

<p><strong>Global Economic Consequences</strong></p>

<p>The Strait of Hormuz crisis is being closely watched far beyond the Middle East. A prolonged disruption could affect energy-importing economies across Asia and Europe, particularly countries heavily dependent on Gulf oil and gas. Higher crude prices could also increase inflation at a time when central banks are attempting to balance economic growth with price stability.</p>

<p>Reuters reported that financial markets have already been reacting to the broader U.S.-Iran confrontation, with concerns over energy disruptions contributing to higher borrowing costs and renewed inflation fears.</p>

<p><strong>A Critical Test for Diplomacy</strong></p>

<p>For now, the immediate question is whether Washington and Tehran can return to negotiations before the Hormuz crisis becomes a longer-term disruption to global trade. Trump has ruled out current or scheduled talks, while Iran continues to link the reopening of the waterway to political and economic concessions.</p>

<p>Meanwhile, commercial vessels are avoiding the strait, oil prices remain elevated and regional tensions continue to spread. The longer the standoff lasts, the greater the risk that the Strait of Hormuz becomes not only a flashpoint in the U.S.-Iran conflict but also a major source of instability for the global economy.</p>

<p>For the international community, the stakes extend well beyond the Middle East: the future of one of the world&#39;s most important shipping routes&mdash;and the stability of global energy markets&mdash;may depend on whether diplomacy can be restored.</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/08192026_image04_hormuz_strait.jpeg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[U.S. Sanctions ICC President and Senior Official]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/english/29407</link>
    <pubDate>Wed, 19 Aug 2026 20:45:43 +0600</pubDate>
    <category> English </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/english/29407</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/08192026_image02_tomoko_akane.jpeg" />    <p>Shibbir Ahmed, New York:&nbsp;The United States has imposed sanctions on International Criminal Court (ICC) President Tomoko Akane and senior trial lawyer Abdoulaye Sey. U.S. Secretary of State Marco Rubio announced the sanctions on Tuesday, August 18. On Wednesday, August 19, Japan, the ICC and the Netherlands expressed opposition to the move.</p>

<p>The Trump administration accused Akane and Sey of being directly involved in efforts to investigate, arrest, detain or prosecute government officials and nationals of countries that have not accepted the ICC&rsquo;s jurisdiction. The dispute between Washington and the court has intensified particularly over the ICC&rsquo;s arrest warrants for Israeli Prime Minister Benjamin Netanyahu and former Defense Minister Yoav Gallant.</p>

<p><strong>Akane and Sey Added to U.S. Sanctions List</strong></p>

<p>Tomoko Akane, a Japanese national, has served as president of the ICC since 2024. She is the court&rsquo;s sixth president and the first Japanese national to hold the position. Abdoulaye Sey, a Senegalese national, is a senior trial lawyer at the ICC. He was part of the prosecution team involved in seeking an arrest warrant for Israeli Prime Minister Benjamin Netanyahu. Sey has also been nominated for election as an ICC judge.</p>

<p>According to the U.S. Treasury Department&rsquo;s sanctions list, Akane and Sey have been designated as Specially Designated Nationals (SDNs). As a result, any property or property interests they hold within U.S. jurisdiction will be blocked, and U.S. citizens and companies will generally be prohibited from conducting transactions with them. The U.S. Treasury Department also issued a general license on August 18, allowing certain transactions involving Akane and Sey to be wound down until September 17.</p>

<p><strong>Why Did the U.S. Impose the Sanctions?</strong></p>

<p>Secretary of State Marco Rubio said Akane and Sey were directly involved in ICC efforts to investigate, arrest, detain or prosecute officials from countries whose governments have not accepted the court&rsquo;s jurisdiction. Rubio has accused the ICC of exceeding the limits of its authority and said its actions pose a threat to U.S. sovereignty. The Trump administration has repeatedly argued that the ICC has sought to expand its jurisdiction by taking legal action against officials from the United States and its close ally, Israel.</p>

<p>Neither the United States nor Israel is a member of the ICC. Under the Rome Statute, however, the court can exercise jurisdiction over certain international crimes committed on the territory of a member state, including in circumstances involving nationals of non-member countries.</p>

<p><strong>ICC Arrest Warrants for Netanyahu and Gallant</strong></p>

<p>The ICC issued arrest warrants in November 2024 for Israeli Prime Minister Benjamin Netanyahu and then-Defense Minister Yoav Gallant in connection with alleged war crimes related to the Gaza conflict. The decision further intensified tensions between Washington and the ICC. The Trump administration has since imposed several rounds of sanctions against officials associated with the court.</p>

<p>Former ICC Prosecutor Karim Khan, along with several judges and other court officials, had previously been placed under U.S. sanctions. The addition of Akane and Sey further expands the list of ICC officials targeted by Washington.</p>

<p><strong>ICC Condemns U.S. Action</strong></p>

<p>Following the latest sanctions, the ICC strongly condemned the U.S. decision on Wednesday. The court described the move as a serious attack on judicial independence and a threat to the international rule-of-law system. The ICC said that when judicial officials face threats and pressure for carrying out their legal responsibilities, it puts not only the independence of the court but the broader international justice system at risk.</p>

<p>The court also warned that such coercive measures could undermine the ability of victims of war crimes and other serious international crimes to seek justice.</p>

<p><strong>Japan Voices Rare Criticism</strong></p>

<p>Japan has criticized the United States over the sanctions imposed on its citizen and ICC President Tomoko Akane. On Wednesday, Japan&rsquo;s Foreign Ministry described the U.S. decision as &ldquo;very unfortunate.&rdquo; Tokyo said it has long supported the ICC&rsquo;s efforts to ensure accountability for the most serious crimes of concern to the international community.</p>

<p>Japan also reaffirmed its commitment to strengthening the rule of law within the international community and said it would continue discussions with relevant countries on the issue. The public criticism from Japan, a close U.S. ally, is considered significant amid growing international debate over the future of the ICC.</p>

<p><strong>Netherlands Supports the ICC</strong></p>

<p>The ICC is headquartered in The Hague, Netherlands. Dutch Foreign Minister Tom Berendsen has also opposed the U.S. sanctions. He said international courts and tribunals must be allowed to carry out their responsibilities independently. Berendsen also invited ICC President Tomoko Akane for discussions and reaffirmed the Netherlands&rsquo; continued support for the court.</p>

<p><strong>Trump Administration&#39;s Campaign Against the ICC</strong></p>

<p>The Trump administration&rsquo;s current campaign against the ICC began on February 6, 2025, when President Donald Trump signed an executive order titled &ldquo;Imposing Sanctions on the International Criminal Court.&rdquo;</p>

<p>The executive order subsequently became the basis for sanctions against several ICC officials. The addition of Akane and Sey represents another escalation in Washington&rsquo;s pressure campaign against the court.</p>

<p>In July, Rubio took an even tougher position, saying the Trump administration would intensify its campaign against the ICC. Washington has also encouraged other countries to reconsider their membership in the court.</p>

<p><strong>Growing International Divide Over the ICC</strong></p>

<p>The latest U.S. sanctions have further exposed divisions among Western allies over the ICC and its role in international justice. Japan and the Netherlands have defended the court&rsquo;s independence, while several European countries have also expressed support for the ICC and the principle of judicial independence.</p>

<p>At the same time, political pressure surrounding the ICC has increased among its member states, with some countries recently discussing or considering whether to withdraw from the court.</p>

<p>The legality of U.S. sanctions against ICC officials is also being challenged in U.S. courts. In June, three ICC judges filed a lawsuit against the Trump administration, while human rights organizations have filed separate legal challenges. The new sanctions against Tomoko Akane and Abdoulaye Sey mark another escalation in the ongoing confrontation between the Trump administration and the ICC.</p>

<p>Washington argues that the court&rsquo;s actions threaten U.S. sovereignty and the security of its allies. The ICC, meanwhile, maintains that pressure and sanctions against judicial officials threaten the independence of international justice and the rule of law.</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/08192026_image02_tomoko_akane.jpeg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের প্রেসিডেন্টসহ দুই কর্মকর্তার ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29406</link>
    <pubDate>Wed, 19 Aug 2026 20:42:02 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29406</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/08192026_image01_tomoko_akane.jpeg" />    <p><strong><em>শিব্বীর আহমেদ, নিউ ইয়র্ক: </em></strong>আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) প্রেসিডেন্ট তোমোকো আকানে এবং আদালটির সিনিয়র ট্রায়াল লয়ার আবদুলায়ে সেয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এ নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দেন। বুধবার (১৯ আগস্ট) এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে জাপান, আইসিসি ও নেদারল্যান্ডস।</p>

<p>মার্কিন প্রশাসনের অভিযোগ, আকানে ও সেয়ে এমন কর্মকাণ্ডে সরাসরি যুক্ত ছিলেন, যার মাধ্যমে এমন দেশের সরকারি কর্মকর্তা ও নাগরিকদের বিরুদ্ধে তদন্ত, গ্রেপ্তার, আটক বা বিচার করার চেষ্টা করা হচ্ছে&mdash;যেসব দেশ আইসিসির এখতিয়ার মেনে নেয়নি। বিশেষ করে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে আইসিসির গ্রেপ্তারি পরোয়ানাকে কেন্দ্র করেই ওয়াশিংটন ও আদালটির মধ্যে বিরোধ তীব্র হয়েছে।</p>

<p><strong>নিষেধাজ্ঞার আওতায় আকানে ও সেয়ে</strong></p>

<p>জাপানের নাগরিক তোমোকো আকানে ২০২৪ সাল থেকে আইসিসির প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি আদালতের ষষ্ঠ প্রেসিডেন্ট এবং এই পদে দায়িত্ব পালন করা প্রথম জাপানি নাগরিক।</p>

<p>অন্যদিকে সেনেগালের নাগরিক আবদুলায়ে সেয়ে আইসিসির একজন সিনিয়র ট্রায়াল লয়ার। তিনি সেই প্রসিকিউশন দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, যারা ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা চেয়েছিল। সেয়েকে আইসিসির বিচারক পদে নির্বাচনের জন্যও মনোনীত করা হয়েছে।</p>

<p>যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগের নিষেধাজ্ঞার তালিকা অনুযায়ী, আকানে ও সেয়েকে &lsquo;স্পেশালি ডিজিগনেটেড ন্যাশনালস&rsquo; (এসডিএন) তালিকায় যুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রের আওতাধীন তাদের যেকোনো সম্পদ বা সম্পদে স্বার্থ জব্দ হবে এবং মার্কিন নাগরিক ও প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের সঙ্গে লেনদেন করতে পারবে না।</p>

<p>এ ছাড়া মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ ১৮ আগস্ট একটি সাধারণ লাইসেন্স জারি করেছে। এর আওতায় আকানে ও সেয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কিছু লেনদেন গুটিয়ে নেওয়ার জন্য ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে।</p>

<p><em><strong>কেন নিষেধাজ্ঞা দিল যুক্তরাষ্ট্র</strong></em></p>

<p>মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, আকানে ও সেয়ে এমন কর্মকাণ্ডে সরাসরি যুক্ত ছিলেন, যার মাধ্যমে আইসিসি এমন দেশের কর্মকর্তাদের তদন্ত, গ্রেপ্তার, আটক বা বিচারের চেষ্টা করছে, যাদের সরকার আদালটির এখতিয়ার মেনে নেয়নি।</p>

<p>রুবিওর অভিযোগ, আইসিসি তার ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করেছে এবং আদালটির কার্যক্রম মার্কিন সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি তৈরি করছে। ট্রাম্প প্রশাসন দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছে, আইসিসি যুক্তরাষ্ট্র ও তার ঘনিষ্ঠ মিত্র ইসরায়েলের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিচারিক পদক্ষেপ নেওয়ার মাধ্যমে নিজের এখতিয়ার বাড়িয়ে তুলছে।</p>

<p>যুক্তরাষ্ট্র আইসিসির সদস্য নয়। ইসরায়েলও আদালটির সদস্য রাষ্ট্র নয়। তবে আইসিসির রোম সংবিধি অনুযায়ী, নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে আদালত সদস্য রাষ্ট্রের ভূখণ্ডে সংঘটিত আন্তর্জাতিক অপরাধের বিষয়ে বিচারিক এখতিয়ার প্রয়োগ করতে পারে, এমনকি অভিযুক্ত ব্যক্তি অ-সদস্য দেশের নাগরিক হলেও।</p>

<p><strong><em>নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা</em></strong></p>

<p>গাজা যুদ্ধকে কেন্দ্র করে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও তৎকালীন প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের নভেম্বরে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে আইসিসি।</p>

<p>ওই সিদ্ধান্তের পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্র ও আইসিসির মধ্যে বিরোধ আরও তীব্র হয়। ট্রাম্প প্রশাসন আদালটির বিরুদ্ধে একাধিক দফায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।</p>

<p>এর আগে সাবেক আইসিসি প্রধান কৌঁসুলি করিম খান এবং আদালটির একাধিক বিচারক ও প্রসিকিউশন-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা হয়। নতুন দুই ব্যক্তিকে যুক্ত করার ফলে নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা আইসিসি কর্মকর্তার সংখ্যা আরও বেড়েছে।</p>

<p><em><strong>আইসিসির তীব্র প্রতিবাদ</strong></em></p>

<p>নতুন নিষেধাজ্ঞার পর বুধবার আইসিসি যুক্তরাষ্ট্রের সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। আদালত বলেছে, এই পদক্ষেপ বিচারিক স্বাধীনতার ওপর &lsquo;নির্লজ্জ আক্রমণ&rsquo; এবং আন্তর্জাতিক আইনভিত্তিক ব্যবস্থার জন্য হুমকি।</p>

<p>আইসিসির ভাষ্য, বিচারিক কর্মকর্তারা আইন প্রয়োগ করার কারণে যদি হুমকি ও চাপের মুখে পড়েন, তাহলে শুধু আদালতের স্বাধীনতাই নয়, পুরো আন্তর্জাতিক আইনব্যবস্থাই ঝুঁকির মুখে পড়ে।</p>

<p>আদালত আরও বলেছে, এ ধরনের হুমকি ও জবরদস্তিমূলক পদক্ষেপ যুদ্ধাপরাধ ও অন্যান্য গুরুতর আন্তর্জাতিক অপরাধের শিকার ব্যক্তিদের ন্যায়বিচার পাওয়ার সুযোগকেও ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।</p>

<p><em><strong>জাপানের বিরল সমালোচনা</strong></em></p>

<p>নিজ দেশের নাগরিক ও আইসিসির প্রেসিডেন্ট তোমোকো আকানের ওপর নিষেধাজ্ঞার ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের সমালোচনা করেছে জাপান।</p>

<p>বুধবার জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মার্কিন সিদ্ধান্তকে &lsquo;অত্যন্ত দুঃখজনক&rsquo; বলে মন্তব্য করেছে। দেশটি জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য সবচেয়ে গুরুতর অপরাধগুলোর বিচার ও শাস্তি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে জাপান দীর্ঘদিন ধরে আইসিসিকে সমর্থন করে আসছে।</p>

<p>জাপান আরও জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে আইনের শাসন শক্তিশালী করার বিষয়ে তারা অঙ্গীকারবদ্ধ থাকবে এবং সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা করবে।</p>

<p>যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র জাপানের এমন প্রকাশ্য সমালোচনা বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।</p>

<p><em><strong>নেদারল্যান্ডসের সমর্থন</strong></em></p>

<p>আইসিসির সদর দপ্তর নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগে অবস্থিত। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী টম বেরেন্ডসেনও মার্কিন নিষেধাজ্ঞার বিরোধিতা করেছেন।</p>

<p>তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক আদালত ও ট্রাইব্যুনালগুলোকে তাদের দায়িত্ব স্বাধীনভাবে পালন করতে দিতে হবে। একই সঙ্গে তিনি আইসিসির প্রেসিডেন্ট তোমোকো আকানেকে আলোচনার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন এবং আদালটির প্রতি নেদারল্যান্ডসের অব্যাহত সমর্থনের কথা জানিয়েছেন।</p>

<p><em><strong>ট্রাম্প প্রশাসনের আইসিসিবিরোধী অভিযান</strong></em></p>

<p>আইসিসির বিরুদ্ধে ট্রাম্প প্রশাসনের বর্তমান পদক্ষেপ শুরু হয় ২০২৫ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি। ওই দিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প &lsquo;ইমপোজিং স্যাংশনস অন দ্য ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্ট&rsquo; শীর্ষক নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেন।&nbsp;এই নির্বাহী আদেশের অধীনেই পরবর্তী সময়ে আইসিসির একাধিক কর্মকর্তা নিষেধাজ্ঞার আওতায় আসেন। নতুন করে আকানে ও সেয়েকে তালিকাভুক্ত করার মাধ্যমে আদালটির বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের চাপ আরও বাড়ল।</p>

<p>জুলাইয়ে রুবিও আরও কঠোর অবস্থান ঘোষণা করে বলেছিলেন, ট্রাম্প প্রশাসন আইসিসির বিরুদ্ধে তাদের অভিযান জোরদার করবে। অন্যান্য দেশকে আদালটি থেকে বেরিয়ে আসার জন্যও ওয়াশিংটন কূটনৈতিকভাবে উৎসাহিত করছে।</p>

<p><strong>আইসিসি নিয়ে আন্তর্জাতিক বিভাজন বাড়ছে</strong></p>

<p>যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞা আইসিসি নিয়ে পশ্চিমা মিত্রদের মধ্যেও মতপার্থক্য আরও স্পষ্ট করেছে। জাপান ও নেদারল্যান্ডসের পাশাপাশি ইউরোপের কয়েকটি দেশ আদালটির স্বাধীনতার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।&nbsp;একই সময়ে আইসিসির সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যেও আদালটি নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক চাপ তৈরি হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে অন্তত কয়েকটি সদস্য রাষ্ট্র আদালটি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে।</p>

<p>অন্যদিকে, আইসিসির কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার বৈধতা নিয়েও যুক্তরাষ্ট্রে আইনি লড়াই চলছে। জুন মাসে আইসিসির তিন বিচারক ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকেও পৃথক মামলা করা হয়েছে।</p>

<p>তোমোকো আকানে ও আবদুলায়ে সেয়ের ওপর নতুন মার্কিন নিষেধাজ্ঞা আইসিসির সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের চলমান সংঘাতকে আরও গভীর করেছে। ওয়াশিংটন বলছে, আইসিসি যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করছে। বিপরীতে আইসিসি বলছে, বিচারিক কর্মকর্তাদের ওপর এমন চাপ আন্তর্জাতিক আইন ও ন্যায়বিচারের স্বাধীনতাকে হুমকির মুখে ফেলছে।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/08192026_image01_tomoko_akane.jpeg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিউইয়র্কের পিওর ফার্মার্স মার্কেটে মাসব্যাপী মাছ মেলা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/29405</link>
    <pubDate>Wed, 19 Aug 2026 10:15:35 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/29405</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/707-2.jpg" />    <p>নিউইয়র্কের ব্রুকলিনের পিওর ফার্মার্স মার্কেটে পঞ্চমবারের মতো শুরু হয়েছে জমজমাট &lsquo;মাছ মেলা&rsquo;। ১২৪২ লিবার্টি অ্যাভিনিউতে গত ৭ আগস্ট থেকে শুরু হওয়া মাসব্যাপী এ আয়োজনে প্রবাসীদের জন্য বাংলাদেশের নদী, পুকুর ও হাওরের পরিচিত নানা মাছ তুলনামূলক সাশ্রয়ী দামে কেনার সুযোগ তৈরি হয়েছে। ইলিশ, শোল, রুই, কাতাল, মৃগেল, কই, চিংড়ি, কাচকি, মলাসহ নানা ধরনের দেশীয় ও সামুদ্রিক মাছ নিয়ে সাজানো হয়েছে এই বিশেষ আয়োজন। আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত চলবে এই মেলা।</p>

<p>পিওর ফার্মার্সের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাছ সরাসরি আমদানি করার কারণে এখানে মধ্যস্বত্বভোগীর সংখ্যা কম। ফলে তুলনামূলক কম দামে ক্রেতাদের কাছে মাছ পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। মেলা উপলক্ষে বিভিন্ন মাছের ওপর বিশেষ মূল্যছাড়ও দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি একসঙ্গে তিন থেকে পাঁচটি মাছ কেনার জন্য রয়েছে বিশেষ প্যাকেজ সুবিধা।&nbsp;</p>

<p>ইলিশপ্রেমীদের জন্যও রয়েছে বিশেষ আয়োজন। মেলায় বিভিন্ন ধরনের ও ব্র্যান্ডের ইলিশ মাছ পাওয়া যাচ্ছে। এর মধ্যে পিউর অ্যান্ড জেল, চাঁদপুর ইলিশ ও পুতুল ব্র্যান্ডের ইলিশ রয়েছে। দেশীয় খাবারের তালিকায় ইলিশকে যারা নিয়মিত রাখেন, তাদের জন্য তুলনামূলক কম দামে মাছ কেনার এই সুযোগ বেশ আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে।</p>

<p data-added-after="1">প্রবাসী বাংলাদেশিরা বলছেন, নিউইয়র্কে বসে বাংলাদেশের পরিচিত স্বাদের তাজা মাছ পাওয়া সবসময় সহজ নয়। তাই একই জায়গায় দেশীয় বিভিন্ন মাছ এবং তুলনামূলক কম দামের বিশেষ অফার পাওয়ায় তারা সন্তুষ্ট। পরিবারের খাবারের জন্য পছন্দের মাছ কেনার পাশাপাশি অনেকেই মেলা থেকে একসঙ্গে কয়েক ধরনের মাছ কিনছেন।</p>

<p>মেলা ঘুরে দেখা গেছে, ক্রেতাদের মধ্যে দেশীয় মাছের প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। বিশেষ করে ইলিশ, কই, রুই ও মৃগেলের মতো মাছের চাহিদা বেশি। মাছের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি সাশ্রয়ী মূল্যও ক্রেতাদের আকৃষ্ট করছে।</p>

<p>পিওর ফার্মার্স মার্কেটের ম্যানেজিং ডিরেক্টর পরিচালক সামছুল হক বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশিদের দেশীয় মাছের প্রতি আগ্রহ ও চাহিদার কথা বিবেচনা করেই মাছের মেলার আয়োজন করা হয়েছে। নিউইয়র্কে বসবাসরত বাংলাদেশিরা যাতে তুলনামূলক কম দামে পরিচিত দেশীয় স্বাদের তাজা মাছ কিনতে পারেন, সে বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। মেলায় ক্রেতাদের কাছ থেকে ভালো সাড়া পাওয়া যাচ্ছে বলেও জানান তিনি।<br />
&nbsp;</p>

<p data-added-after="1">পিওর ফার্মার্সের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাছ সরাসরি আমদানি করার কারণে এখানে মধ্যস্বত্বভোগীর সংখ্যা কম। ফলে তুলনামূলক কম দামে ক্রেতাদের কাছে মাছ পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। মেলা উপলক্ষে বিভিন্ন মাছের ওপর বিশেষ মূল্যছাড়ও দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি একসঙ্গে তিন থেকে পাঁচটি মাছ কেনার জন্য রয়েছে বিশেষ প্যাকেজ সুবিধা।&nbsp;</p>

<p>ইলিশপ্রেমীদের জন্যও রয়েছে বিশেষ আয়োজন। মেলায় বিভিন্ন ধরনের ও ব্র্যান্ডের ইলিশ মাছ পাওয়া যাচ্ছে। এর মধ্যে পিউর অ্যান্ড জেল, চাঁদপুর ইলিশ ও পুতুল ব্র্যান্ডের ইলিশ রয়েছে। দেশীয় খাবারের তালিকায় ইলিশকে যারা নিয়মিত রাখেন, তাদের জন্য তুলনামূলক কম দামে মাছ কেনার এই সুযোগ বেশ আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে।</p>

<p>প্রবাসী বাংলাদেশিরা বলছেন, নিউইয়র্কে বসে বাংলাদেশের পরিচিত স্বাদের তাজা মাছ পাওয়া সবসময় সহজ নয়। তাই একই জায়গায় দেশীয় বিভিন্ন মাছ এবং তুলনামূলক কম দামের বিশেষ অফার পাওয়ায় তারা সন্তুষ্ট। পরিবারের খাবারের জন্য পছন্দের মাছ কেনার পাশাপাশি অনেকেই মেলা থেকে একসঙ্গে কয়েক ধরনের মাছ কিনছেন।</p>

<p>মেলা ঘুরে দেখা গেছে, ক্রেতাদের মধ্যে দেশীয় মাছের প্রতি বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। বিশেষ করে ইলিশ, কই, রুই ও মৃগেলের মতো মাছের চাহিদা বেশি। মাছের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি সাশ্রয়ী মূল্যও ক্রেতাদের আকৃষ্ট করছে।</p>

<p data-added-after="1">পিওর ফার্মার্স মার্কেটের ম্যানেজিং ডিরেক্টর পরিচালক সামছুল হক বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশিদের দেশীয় মাছের প্রতি আগ্রহ ও চাহিদার কথা বিবেচনা করেই মাছের মেলার আয়োজন করা হয়েছে। নিউইয়র্কে বসবাসরত বাংলাদেশিরা যাতে তুলনামূলক কম দামে পরিচিত দেশীয় স্বাদের তাজা মাছ কিনতে পারেন, সে বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। মেলায় ক্রেতাদের কাছ থেকে ভালো সাড়া পাওয়া যাচ্ছে বলেও জানান তিনি।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/707-2.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[আটলান্টিক সিটিতে ঐতিহ্যবাহী উৎসব &#039;ওয়েডিং অব দ্য সী&#039;]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/29404</link>
    <pubDate>Wed, 19 Aug 2026 10:14:59 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/29404</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/973-1.jpg" />    <p>মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সি অঙ্গরাজ্যের আটলান্টিক সিটিতে মহাসাগর ও নগরীর দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক সম্পর্ককে উদযাপন করতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ঐতিহ্যবাহী উৎসব &#39;ওয়েডিং অব দ্য সী&#39;।</p>

<p>শনিবার (১৫ আগস্ট) সকালে নগরীর হার্ড রক ক্যাসিনো সংলগ্ন আটলান্টিক মহাসাগরের তীরে উৎসবমুখর পরিবেশে এ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।</p>

<p>আটলান্টিক সিটির অর্থনীতি ও জীবনযাত্রায় মহাসাগরের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিবছর আগস্ট মাসে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রতীকীভাবে আটলান্টিক সিটির সঙ্গে মহাসাগরের বন্ধনকে উদযাপন করা হয়। অনুষ্ঠান চলাকালে বিশেষ ধর্মীয় আচার ও প্রার্থনার মধ্য দিয়ে মহাসাগরকে সম্মান জানানো হয়। একই সঙ্গে নগরীর শান্তি, সমৃদ্ধি ও সর্বাঙ্গীন নিরাপত্তার জন্য বিশেষ প্রার্থনা করা হয়।</p>

<p>অনুষ্ঠানে স্থানীয় বাসিন্দা, ধর্মীয় নেতা, জনপ্রতিনিধি এবং বিভিন্ন স্থান থেকে আসা বিপুলসংখ্যক দর্শনার্থী অংশ নেন। মহাসাগরের ঢেউ, ধর্মীয় আচার ও মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো সৈকত এলাকা এক উৎসবমুখর মিলনমেলায় পরিণত হয়।</p>

<p data-added-after="1">স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, &#39;ওয়েডিং অব দ্য সী&#39; কেবল একটি ধর্মীয় আয়োজন নয়; বরং এটি আটলান্টিক সিটির সংস্কৃতি, ইতিহাস, সম্প্রীতি ও ক কমিউনিটির পারস্পরিক বন্ধনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক। ঐতিহ্য ও বিশ্বাসের মেলবন্ধনে আয়োজিত এ উৎসব এবারও স্থানীয় জীবনযাত্রায় এক প্রাণবন্ত আবহ তৈরি করেছে।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/973-1.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[৬৪৬৫ অমুক্তিযোদ্ধার গেজেট বাতিলের সুপারিশ জামুকার]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29403</link>
    <pubDate>Wed, 19 Aug 2026 10:14:27 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29403</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/842-99.jpg" />    <article>
<p>২০১০ সাল থেকে এখন পর্যন্ত ৬ হাজার ৪৬৫ জন অমুক্তিযোদ্ধার গেজেট বাতিল করার সুপারিশ করেছে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা)।</p>

<p>মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠকে এ তথ্য জানানো হয়।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>বৈঠকে জানানো হয়, ২০১০ সালে জামুকা গঠনের পর থেকে এ পর্যন্ত ১৮ হাজার ৪১৭ জনকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকাভুক্ত করার সুপারিশ করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ৭৬৮ জন শহীদ, ১৯৮ জন যুদ্ধাহত, ৫২৯ জন বীরাঙ্গনা এবং ১৬ হাজার ৯২২ জন সাধারণ মুক্তিযোদ্ধা।</p>

<p>জামুকার কার্যক্রম সম্পর্কে বৈঠকে আরো জানানো হয়, বীরাঙ্গনা হিসেবে অন্তর্ভুক্তির জন্য ২২২টি আবেদন বর্তমানে অপেক্ষমাণ রয়েছে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানপরবর্তী সময়ে গঠিত উপকমিটির যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে সুপারিশ পাওয়া ১০৪ জন মুক্তিযোদ্ধার গেজেটভুক্তিও অপেক্ষমাণ।</p>
</article>

<article>এ ছাড়া ভাতাপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে করা ২০২টি আবেদন শুনানির জন্য অপেক্ষমাণ রয়েছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>সংসদ সচিবালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৈঠকে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়, জামুকা, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থান অধিদপ্তরের কার্যক্রম সম্পর্কে কমিটিকে অবহিত করা হয়।</p>

<p>কমিটির সভাপতি মনিরুল হক চৌধুরীর সভাপতিত্বে বৈঠকে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান, প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন, ফজলুর রহমান, আব্দুল হান্নান, আমীর এজাজ খান ও রোকেয়া বেগম উপস্থিত ছিলেন।</p>

<p>এদিকে জামায়াতের অনুরোধে কমিটির সদস্য ও জামায়াত থেকে বহিষ্কৃত সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র দাবি করেছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/842-99.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[সবাই এগিয়ে এলে অনেক বড় সমস্যার সমাধান সম্ভব : প্রধানমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29402</link>
    <pubDate>Wed, 19 Aug 2026 10:11:49 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29402</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1034-88.jpg" />    <article>
<p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, &lsquo;সমাজের সবাই একটু একটু করে এগিয়ে এলে অনেক বড় সমস্যার সমাধান করা সম্ভব।&rsquo; মানবিক ও সামাজিক উদ্যোগে বেসরকারি খাতকে সরকারের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, &lsquo;যারা এ জনকল্যাণমূলক কাজে অংশ নিতে চায়, সরকার সর্বদা তাদের পাশে থাকবে।</p>
</article>

<article>&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে সিলেট বিভাগের চা-বাগান শ্রমিকদের প্রতিকূল আবহাওয়ায় সুরক্ষার লক্ষ্যে ২০ হাজার রেইনকোট বিতরণ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক সূচনা করে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/national/2026/08/18/1727235" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>অনুষ্ঠানে শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জের ১০ জন চা-শ্রমিকের হাতে রেইনকোট তুলে দিয়ে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় প্রধানমন্ত্রী শ্রমিকদের সার্বিক খোঁজখবর নেন।</p>

<p>প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেসসচিব আবদুল্লাহ আল মাহমুদ শাহরিয়ার (পামির) এ কথা জানান।</p>
</article>

<article>তিনি বলেন, &lsquo;সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বিশেষ উদ্যোগে গৃহীত এই কর্মসূচির আওতায় সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার চা-বাগানগুলোতে কর্মরত শ্রমিকদের জন্য মোট ২০ হাজার রেইনকোট প্রদান করা হচ্ছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বাপি) ১০ হাজার, শেভরন বাংলাদেশ পাঁচ হাজার এবং পাণ্ডুঘর গ্রুপ পাঁচ হাজার রেইনকোট সরবরাহ করছে।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>অনুষ্ঠানে উপস্থিত বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিরা জানান, ব্যাবসায়িক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি সমাজের পিছিয়ে পড়া ও শ্রমজীবী মানুষের কল্যাণে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করা সিএসআরের অংশ। সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে ভবিষ্যতেও চা-শ্রমিকসহ বিভিন্ন প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ উন্নয়নে সম্পৃক্ত থাকার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।</p>
</article>

<p>
<video autoplay="autoplay" loop="" playsinline="">Your browser does not support the video tag.</video>
</p>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>রেইনকোট গ্রহণকালে শ্রীমঙ্গলের মাজদিহি চা-বাগানের শ্রমিক সন্তুকী রায় চা-শ্রমিকদের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা হিসেবে চা-পাতা উপহার দেন। অনুষ্ঠানে চা-শ্রমিকদের পক্ষে শান্তি উড়িয়া, মুন্নী কুর্মি, জ্যোৎস্না আক্তার, রিনা তাঁতী, শশিকা ব্যানার্জি, কবিতা কর্মকার, সুজাতা বিশ্বাস, রিতা রানী বাউরী ও আফখাতুন নাহার উপস্থিত থেকে প্রধানমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।</p>

<p>অনুষ্ঠানে সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন, বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এবং সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন উপস্থিত ছিলেন। আরো উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য এমরান আহমদ চৌধুরী, নাসির উদ্দিন মিঠু, মো. শওকতুল ইসলাম, এম নাসের রহমান, মুজিবুর রহমান চৌধুরী, জি কে গউছ এবং এস এম ফয়সাল।</p>

<p>বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিদের মধ্যে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাপির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মোসাদ্দেক হোসেন, উপদেষ্টা তপন চৌধুরী, ট্রান্সকম গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) সিমিন রহমান, বাপির নির্বাহী পরিচালক মো. সাইফুল ইসলাম; শেভরন বাংলাদেশের পরিচালক মো. ইমরুল কবির, আশিক শেহজাদ রহমান ও হেড অব কমিউনিটি এনগেজমেন্ট এ কে এম আরিফ আখতার এবং পাণ্ডুঘর গ্রুপের পিপল অ্যান্ড করপোরেট অ্যাফেয়ার্স চিফ গোলাম হাবিব।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1034-88.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সফরে অত্যন্ত সম্মানজনক সংবর্ধনা দেবে দিল্লি : দীনেশ ত্রিবেদী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29401</link>
    <pubDate>Wed, 19 Aug 2026 10:10:51 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29401</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1157-77.jpg" />    <article>
<p>বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য ভারত সফর প্রসঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ঢাকায় সাক্ষাতের পর আমি সরাসরি দিল্লি গিয়েছিলাম। আমাদের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চমৎকার বৈঠক হয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>ভারত নিশ্চিত করছে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী যখন ভারত সফর করবেন, তাকে অত্যন্ত সম্মানজনক সংবর্ধনা দেওয়া হবে এবং এই সম্পর্কের চূড়ান্ত সুফল দুই দেশের সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাবে।</p>

<p>মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাতে রাজধানীর হোটেল ওয়েস্টিনে বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী এবং কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রির (সিআইআই) সফররত প্রতিনিধিদলের সম্মানে ভারতীয় হাইকমিশন আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।</p>

<p>দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, পারস্পরিক শর্তহীন বিশ্বাস ও দীর্ঘস্থায়ী অংশীদারত্বের ভিত্তিতে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক এগিয়ে যাবে।</p>

<p>হাইকমিশনার&nbsp;বলেন, আমরা এমন একটি যুগে বাস করছি যেখানে প্রযুক্তির কারণে মানুষ বিশ্বব্যাপী যুক্ত হলেও ব্যক্তিগত দূরত্ব বাড়ছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>এ বাস্তবতায় প্রতিবেশীর গুরুত্ব অপরিসীম। আমাদের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির &lsquo;প্রতিবেশী প্রথম&rsquo; নীতির আলোকে আমি এখানে এসেছি।</p>

<p>উভয় দেশের ব্যবসা ও অংশীদারত্বের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, আমাদের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও স্বপ্ন অভিন্ন। দুটি দেশেই তরুণ জনগোষ্ঠীর বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে।</p>
</article>

<p>
<video autoplay="autoplay" loop="" playsinline="">Your browser does not support the video tag.</video>
</p>

<article>কোনো দেশই একা সব কর্মসংস্থান তৈরি করতে পারে না; এতে বেসরকারি খাতের ভূমিকাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
<p>&nbsp;</p>

<p>বাংলাদেশের চলমান প্রেক্ষাপট তুলে ধরে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, এটি একটি নতুন বাংলাদেশ, যার চালিকাশক্তি তরুণ প্রজন্ম। এই তরুণদের অনেক সংগ্রাম ও ত্যাগের ইতিহাস রয়েছে। একদিকে যেমন রয়েছে &lsquo;সবার আগে বাংলাদেশ&rsquo;, অন্যদিকে &lsquo;বিকশিত ভারত&rsquo;&mdash;দুটি দর্শনের লক্ষ্যই এক। অতীতের মতপার্থক্যগুলো সমাধান করে আমাদের একযোগে সামনে এগিয়ে যেতে হবে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক উদ্&zwnj;বেগের বিষয়ে তিনি জানান, বিগত কয়েক সপ্তাহে বাংলাদেশের সম্মানিত মন্ত্রীদের সঙ্গে ভারতের প্রতিনিধিরা ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছেন। তিনি বলেন, প্রাণবন্ত যেকোনো গণতন্ত্রে মতপার্থক্য বা উদ্বেগ থাকা স্বাভাবিক। তবে সমতার ভিত্তিতে গড়ে ওঠা এই অংশীদারত্বে মুখোমুখি আলোচনার মাধ্যমেই সব সমস্যার সমাধান সম্ভব।</p>

<p>বক্তৃতার শেষভাগে ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির মেলবন্ধনের কথা উল্লেখ করে ভারতীয় হাইকমিশনার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতার পঙ্&zwnj;ক্তি ও বিখ্যাত সুরের উদাহরণ টানেন। তিনি বলেন, &lsquo;তোমার সুর, মোদের সুর, সৃষ্টি করুক ঐকতান&rsquo;&mdash;এই মধুর মেলবন্ধন ভারত ও বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি সোনালি অধ্যায় রচনা করবে।</p>

<p>অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত ভৌগোলিকভাবে প্রতিবেশী, সামাজিকভাবে যুক্ত এবং অর্থনৈতিকভাবে একে অপরের পরিপূরক। তবে আমরা আমাদের দূরবর্তী অংশীদারদের সঙ্গে যতটা বাণিজ্য করি, এই অঞ্চলের দেশগুলোর সঙ্গে তার চেয়ে কম করি। তাই সার্বিক অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব বাড়াতে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জগুলো দূর করা জরুরি।</p>

<p>ব্যবসা-বাণিজ্যে বিদ্যমান সংকটের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, শুল্কবহির্ভূত বাণিজ্য বাধা, টেস্টিং ও স্ট্যান্ডার্ড সম্পর্কিত জটিলতা, প্রক্রিয়াগত বিলম্ব এবং অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কারণে ব্যবসা পরিচালনায় কিছু সমস্যা রয়ে গেছে।</p>

<p>এ বিষয়ে ভারতের ব্যবসায়ী সম্প্রদায় এবং বিশেষ করে সিআইআই প্রতিনিধিদলকে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, সফরকালে অর্জিত অভিজ্ঞতা ভারতীয় কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরা প্রয়োজন, যেন উভয় দেশের ব্যবসায় একটি সহজ ও টেকসই পরিবেশ তৈরি হয়।</p>

<p>তৈরি পোশাক, টেক্সটাইল, পাট ও পাটজাত পণ্য, চামড়া, ওষুধ, কৃষি প্রক্রিয়াজাত পণ্য, সিরামিক, প্লাস্টিক এবং হালকা প্রকৌশল পণ্যের মতো বাংলাদেশি প্রতিযোগিতামূলক পণ্যগুলো আরো বেশি পরিমাণে আমদানির জন্য ভারতীয় কোম্পানিগুলোর প্রতি আহ্বান জানান তিনি।</p>

<p>এ ছাড়া বাণিজ্য ও আঞ্চলিক সংযোগ বাড়াতে সার্ক এবং বিমসটেকের মতো কাঠামোগুলোর সর্বোচ্চ ব্যবহারের ওপর জোর দেন শামা ওবায়েদ।</p>

<p>এর আগে দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ভারতীয় ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলের সঙ্গে তার একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সিআইআই ডিরেক্টর জেনারেল চন্দ্রজিৎ ব্যানার্জিও বক্তব্য রাখেন। এতে দুই দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী নেতা এবং ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1157-77.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[হরমুজকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘নতুন ভূখণ্ড’ দেখিয়ে ট্রাম্পের পোস্ট]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29400</link>
    <pubDate>Wed, 19 Aug 2026 10:09:17 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29400</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1274-66.jpg" />    <article>
<p>যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে একটি ছবি <a href="https://x.com/TrumpTruthOnX/status/2089671371693728188?s=20">পোস্ট</a> করেছেন। যেখানে কৌশলগত হরমুজ প্রণালিকে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ভূখণ্ড হিসেবে দেখানো হয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>এর কয়েক দিন আগে ট্রাম্প বলেছিলেন, তিনি শিগগিরই গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথকে যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ড হিসেবে ঘোষণা করবেন।</p>

<p><img alt="2" height="1262" src="https://asset.kalerkantho.com/public/news_images/share/photo/shares/online/2026/08/18/my1241/HQABBOtbIAArXD3.jfif" width="1200" /></p>

<p>এদিকে প্রায় ছয় মাস ধরে চলা সংঘাতের অবসানে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে সমঝোতায় পৌঁছানোর চেষ্টা চললেও এখনও অচলাবস্থা কাটেনি। তবে হরমুজ প্রণালিকে যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ড ঘোষণার বিষয়ে ট্রাম্প কতটা গুরুত্বের সঙ্গে এগোচ্ছেন, তা স্পষ্ট নয়।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/08/15/1725786" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>আলোচনার সময়ে তিনি তেহরানের বিরুদ্ধে একাধিক বড় ধরনের হুমকি দিলেও শেষ পর্যন্ত সেগুলোর কিছু বাস্তবায়িত হয়নি।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1274-66.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[রুশ হুমকির মুখে ইউক্রেনকে ‘শতভাগ’ সমর্থনের ঘোষণা ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29399</link>
    <pubDate>Wed, 19 Aug 2026 10:08:17 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29399</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1375-55.jpg" />    <article>
<p>ইউক্রেনে সম্প্রতি চালানো হামলায় ব্রিটিশ তৈরি ড্রোন ব্যবহারের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর মস্কো &lsquo;পরিণতি&rsquo; ভোগ করার হুঁশিয়ারি দেয়; এর জবাবে প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম বলেছেন, যুক্তরাজ্য ইউক্রেনকে &lsquo;শতভাগ সমর্থন&rsquo; দিয়ে যাবে।</p>

<p><strong><a href="https://www.bbc.com/news/articles/cy5dz0kkn0wo">বিবিসি</a></strong>র প্রতিবেদনে বলা হয়, বার্নহাম বলেন, &lsquo;আমরা সুসময়ের বন্ধু নই, ইউক্রেনের এই সংকটের মুহূর্তে আমরা তাদের পাশে থাকব এবং এতে কোনো পরিবর্তন হবে না।</p>
</article>

<article>&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>এর আগে যুক্তরাজ্যের রুশ দূতাবাস ব্রিটেনের বিরুদ্ধে &lsquo;ইউক্রেন সংকটকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে উসকে দেওয়ার&rsquo; অভিযোগ এনে বলে, &lsquo;এই সংঘাতে তাদের সম্পৃক্ততা যত গভীর হবে... তত বেশি মূল্য তাদের চোকাতে হবে।&rsquo;</p>

<p>ইউক্রেন রাশিয়ার রাজধানীসহ অভ্যন্তরীণ অঞ্চলগুলোতে হামলা জোরদার করেছে। যেখানে বিশেষ করে তেল শোধনাগার এবং তাদের প্রধান ই-কর্মাস প্রতিষ্ঠান ওয়াইল্ডবেরিজের লজিস্টিক সাইটগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে।</p>

<p>রাশিয়ার এই হুমকির বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে প্রধানমন্ত্রী নিজের অবস্থানে অনড় থেকে বলেন, যুক্তরাজ্য মূলত &lsquo;ইউক্রেনকে আত্মরক্ষার জন্য সহায়তা দিচ্ছে এবং এই সংঘাতের শুরু থেকে পূর্ববর্তী প্রধানমন্ত্রীদের মাধ্যমে নেওয়া ব্রিটিশ অবস্থান এটিই ছিল&mdash;আমার ক্ষেত্রেও এই নীতি অপরিবর্তিত রয়েছে।</p>
</article>

<article>&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>ইউক্রেনকে ড্রোন প্রযুক্তির পাশাপাশি স্টর্ম শ্যাডো ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহের ভূমিকার জন্য রাশিয়া এরআগেও যুক্তরাজ্যকে সতর্ক করেছিল। রুশ দূতাবাস জানিয়েছে, লন্ডনের এসব পদক্ষেপের কারণে অনিবার্যভাবেই এমন কিছু পরিণতি নেমে আসবে যার জবাবদিহি তাদের করতে হবে। তবে মস্কো ঠিক কী ধরনের হুমকির কথা ভাবছে সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানায়নি।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1375-55.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[দাফনের ৪০ দিন, খামেনির স্মরণে ৩ দিনের রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29398</link>
    <pubDate>Wed, 19 Aug 2026 10:07:34 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29398</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1441-44.jpg" />    <article>
<p>ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী হোসেইনি খামেনির দাফনের ৪০ দিন পূর্তি বা চল্লিশা উপলক্ষে রাষ্ট্রীয় স্মরণ অনুষ্ঠানের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।</p>

<p>রাজধানী তেহরানসহ পবিত্র শহর কোম ও মাশহাদে শহীদ নেতা খামেনি ও তার পরিবারের শহীদ সদস্যদের স্মরণে এসব অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে বলে জানিয়েছে ইসলামী বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ মুজতবা হোসেইনি খামেনির কার্যালয়।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>এক বিবৃতিতে দেওয়া <a href="https://www.tasnimnews.ir/en/news/2026/08/18/3674101/40th-day-commemorations-for-martyred-leader-planned-in-tehran-qom-mashhad">সূচি অনুযায়ী</a>, তেহরানে ১৮ আগস্ট ইমাম খোমেনি মুসাল্লায়, কোমে ১৯ আগস্ট হজরত ফাতেমা মাসুমা (সা.)-এর মাজারে এবং মাশহাদে ২০ আগস্ট ইমাম রেজা (আ.)-এর পবিত্র মাজারে স্মরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে।</p>

<p>ইরানের জনগণকে এসব অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে বিবৃতিতে। বলা হয়েছে, শহীদ নেতার চল্লিশা উপলক্ষে জনগণের ব্যাপক উপস্থিতি ইসলামী বিপ্লবের নেতৃত্বের প্রতি নতুন করে আনুগত্য ও খামেনির আদর্শের প্রতি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করবে।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/07/09/1709216" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>প্রসঙ্গত, গত ৯ জুলাই জন্মশহর মাশহাদে ইমাম রেজার মাজারে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে দাফন করা হয়েছে।</p>
</article>

<article>এর আগে গত ফেব্রুয়ারিতে নিজের বাসভবনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত হন ৮৬ বছর বয়সী ইরানের ইসলামি বিপ্লবের এই নেতা।</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1441-44.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডে ৯ বাংলাদেশি নিহত]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29397</link>
    <pubDate>Wed, 19 Aug 2026 10:06:37 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29397</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1527-33.jpg" />    <article>
<p>কলকাতার একটি হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে ৯ জন বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>মঙ্গলবার দিবাগত রাত পৌনে ২টার দিকে &lsquo;শিখা ইন&rsquo; নামের ওই আবাসিক হোটেলে আগুন লাগে। অগ্নিকাণ্ডের সময় হোটেলের অধিকাংশ অতিথি ঘুমিয়ে ছিলেন।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/08/19/1727552" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>খবর পেয়ে পুলিশ ও দমকল বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। আহত ছয়জনকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রাথমিকভাবে শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আগুনে হোটেলের বিভিন্ন কক্ষে ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ায় দম বন্ধ হয়ে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/sport/2026/08/19/1727549" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>বুধবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন ফায়ার সার্ভিসের ডিজি অনুজ শর্মা। অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও হতাহতদের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানার চেষ্টা চলছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1527-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[স্পেনের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক রদ্রি এখন বার্সেলোনার]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/29396</link>
    <pubDate>Wed, 19 Aug 2026 10:03:49 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/29396</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1569-22.jpg" />    <article>
<p>ম্যানচেস্টার সিটি থেকে প্রায় ৬৫ মিলিয়ন পাউন্ডে মিডফিল্ডার রদ্রিকে দলে ভেড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বার্সেলোনা। ২০২৪ সালের ব্যালন ডি&rsquo;অরজয়ী এ স্প্যানিশ মিডফিল্ডারের সঙ্গে চার বছরের চুক্তি করেছে কাতালান ক্লাবটি।</p>
</article>

<article>২০১৯ সালে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ ছাড়ার পর প্রথমবারের মতো স্প্যানিশ ফুটবলে ফিরলেন রদ্রি। বিবিসির এক <a href="https://www.bbc.com/sport/football/articles/c2k7w3vwv5yo">প্রতিবেদনে</a> এ তথ্য জানা যায়।

<p>&nbsp;</p>

<p>এর আগে, সোমবার (১৭ আগস্ট) লা লিগার বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করতে স্পেনের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক রদ্রি বার্সেলোনায় পৌঁছান। এর মধ্য দিয়ে এবারের গ্রীষ্মের অন্যতম আলোচিত দলবদল কাহিনির পরিসমাপ্তি হলো।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>গত দুই মৌসুমে চোটের কারণে বেশ ভুগেছেন রদ্রি। তবে গত মাসে উত্তর আমেরিকায় অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে স্পেনের দ্বিতীয়বারের মতো শিরোপা জয়ের পথে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেন তিনি।</p>

<p>ম্যানচেস্টার সিটিতে ৭টি শিরোপায় সমৃদ্ধ সময় কাটানোর পর সাবেক অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ ও ভিয়ারিয়ালের এ খেলোয়াড়ের রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে খবর ছড়িয়েছিল। শেষ পর্যন্ত অবশ্য তিনি রিয়ালের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বার্সেলোনাকেই বেছে নিলেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1569-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[এবার লন্ডন চলচ্চিত্র উৎসবে ‘ডিফিকাল্ট ব্রাইড’]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/29395</link>
    <pubDate>Wed, 19 Aug 2026 10:02:52 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/29395</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1667-11.jpg" />    <article>
<p>আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র অঙ্গনে একের পর এক চমক দেখাচ্ছে নির্মাতা রুবাইয়াত হোসেনের নতুন সিনেমা &lsquo;দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড&rsquo;। বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে নির্বাচিত হওয়ার পর সিনেমাটি জায়গা করে নিয়েছে কানাডার টরন্টো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবেও।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>এবার সেই সাফল্যের মুকুটে যুক্ত হলো আরো একটি পালক&mdash;লন্ডন চলচ্চিত্র উৎসবের ৭০তম আসরে নির্বাচিত হয়েছে সিনেমাটি।</p>

<p>শুধু নির্বাচিত হওয়াই নয়, লন্ডন চলচ্চিত্র উৎসবের &lsquo;বেস্ট ফিল্ম অ্যাওয়ার্ড&rsquo;-এর জন্য প্রতিযোগিতা করবে &lsquo;দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড&rsquo;। আগামী ৭ থেকে ১৮ অক্টোবর যুক্তরাজ্যে অনুষ্ঠিত হবে ৭০তম বিএফআই লন্ডন ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল। এবারের মূল প্রতিযোগিতায় মোট ১০টি সিনেমা লড়াই করবে, যার একটি বাংলাদেশের এই সিনেমা।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>সংবাদমাধ্যম ভ্যারাইটি জানিয়েছে, এবারের প্রতিযোগিতায় &lsquo;দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড&rsquo;-এর সঙ্গে রয়েছে জাপানের হিরোকাজু কোরে-এদার &lsquo;লুক ব্যাক&rsquo;, ইউক্রেনের সের্গেই লোজনিতসার &lsquo;ইম্পেরিয়াম&rsquo;, যুক্তরাজ্যের ক্যারল মরলির &lsquo;৭ মাইলস আউট&rsquo;, হাঙ্গেরির লিলি হরভাটের &lsquo;মাই নোটস অন মার্স&rsquo;, আর্জেন্টিনার বেঞ্জামিন নাইশতাটের &lsquo;গ্ল্যাক্সো&rsquo;, আইরিশ নির্মাতা জুটি ক্রিস্টিন মলয় ও জো ললারের &lsquo;অ্যাক্ট ৩&rsquo;, ইতালির জিওভান্নি তরতোরিচির &lsquo;কেটিসে&rsquo;, পোল্যান্ডের মালগোর্জাতা সুমোভস্কা ও মাইকেল এঙ্গলার্টের &lsquo;দ্য ইডিয়টস&rsquo; এবং ডেনমার্কের মে এল-তুখির &lsquo;উইমেন আননোন&rsquo;।</p>

<p>এর আগে ভেনিস ও টরন্টো উৎসবেও প্রথম বাংলাদেশি সিনেমা হিসেবে জায়গা করে নিয়ে আলোচনায় এসেছিল &lsquo;দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড&rsquo;। এবার লন্ডন চলচ্চিত্র উৎসবের প্রতিযোগিতা বিভাগে জায়গা করে নেওয়ায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সিনেমাটিকে ঘিরে প্রত্যাশা আরো বেড়েছে।</p>

<p>নির্মাতা রুবাইয়াত হোসেন জানিয়েছেন, &lsquo;দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড&rsquo; একটি মনস্তাত্ত্বিক হরর সিনেমা।</p>
</article>

<p>
<video autoplay="autoplay" loop="" playsinline="">Your browser does not support the video tag.</video>
</p>

<article>ঢাকার ঐতিহ্যবাহী মেফেয়ার বিউটি পার্লারকে ঘিরেই আবর্তিত হয়েছে গল্প। কথিত আছে, একসময় এই পার্লারে এক কনে রহস্যজনকভাবে মারা গিয়েছিলেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>সিনেমার গল্পে এক তরুণী বিয়ের প্রস্তুতির জন্য ওই পার্লারে আসে। এরপরই একের পর এক অদ্ভুত ও অতিপ্রাকৃত ঘটনার মুখোমুখি হতে থাকে সে। রহস্য, মনস্তত্ত্ব ও অতিপ্রাকৃত উপাদানের সমন্বয়ে ধীরে ধীরে উন্মোচিত হয় গল্পের অজানা দিক।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>&lsquo;দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড&rsquo;-এর কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন জাইনীন করিম। এই সিনেমার মাধ্যমে অভিনয়ে অভিষেক হচ্ছে তার। এ ছাড়া গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে রয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারজয়ী তিন অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন, রিকিতা নন্দিনী শিমু ও সুনেরাহ বিনতে কামাল। আরো অভিনয় করেছেন শতাব্দী ওয়াদুদ, সাবেরী আলম ও মোহাম্মদ বারী।</p>

<p>রুবাইয়াত হোসেনের সঙ্গে সিনেমাটি যৌথভাবে প্রযোজনা করেছেন ফ্রান্সের ফ্রাঁসোয়া ডি&rsquo;আর্টেমারে, জার্মানির আন্না ক্যাচকো, পর্তুগালের পেদ্রো বোর্গস ও নরওয়ের ইনগার্ড লিল হটন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1667-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিউইয়র্কে বালাগঞ্জ ও ওসমানীনগর প্রবাসী কল্যাণ সোসাইটির আনন্দঘন বনভোজন]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/29394</link>
    <pubDate>Tue, 18 Aug 2026 11:15:17 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/29394</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/706-2.jpg" />    <p>নিউইয়র্কে বালাগঞ্জ ও ওসমানীনগর প্রবাসী কল্যাণ সোসাইটির উদ্যোগে আনন্দঘন পরিবেশে বার্ষিক বনভোজন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (১৬ আগস্ট) নিউইয়র্কের বেলমন্ট লেক স্টেট পার্কে এ বনভোজনের আয়োজন করা হয়।</p>

<p>এদিন সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে নাশতা বিতরণের মধ্য দিয়ে বনভোজনের কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর দুপুর ১২টায় পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত, জাতীয় সংগীত ও পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। বনভোজনের অন্যতম আকর্ষণ ছিল টি-শার্ট পরিধান করে ফটো সেশন ও বিভিন্ন খেলাধুলা। দুপুর ২টা থেকে ৩টা পর্যন্ত মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করা হয়। বিকেলে অতিথি পরিচিতি ও বক্তব্য পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। দিনব্যাপী আয়োজনের অংশ হিসেবে যোহরের নামাজের জন্যও সময় রাখা হয়। বিকেল ৫টায় অনুষ্ঠিত হয় র&zwnj;্যাফেল ড্র। পরে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।</p>

<p><img alt="" src="https://khabor.com/public/upload/images/news/423-3.jpg" style="width: 534px; height: 400px;" /></p>

<p data-added-after="1">এদিন সকালে বনভোজনের উদ্বোধন করেন ড. মুস্তাক আহমেদ বড় ভূঁইয়া। বনভোজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডা. জুন্নুন চৌধুরী। এ সময় বক্তব্য দেন ডা. আজাদুর রহমান মিয়া। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রব কাওসার ও আহ্বায়ক তৌফিক আলম। পুরো আয়োজনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন সংগঠনের সভাপতি মিজানুর রহমান মিজান।</p>

<p>বনভোজনে বালাগঞ্জ ও ওসমানীনগর এলাকার প্রবাসীরা পরিবার-পরিজন নিয়ে অংশ নেন। দিনব্যাপী আয়োজনে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ব ও সম্প্রীতির বন্ধন আরও সুদৃঢ় হয়। উপস্থিত প্রবাসীরা আনন্দ-উৎসবের পাশাপাশি সংগঠনের বিভিন্ন কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়েও মতবিনিময় করেন।</p>

<p>আয়োজকরা জানান, প্রবাসে বসবাসরত বালাগঞ্জ ও ওসমানীনগরবাসীর মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও ঐক্য আরও জোরদার করাই এ ধরনের আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/706-2.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিউইয়র্কে আইসের অভিযান জোরদার, নজরে যেসব এলাকা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/29393</link>
    <pubDate>Tue, 18 Aug 2026 11:14:27 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/29393</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/972-1.jpg" />    <p>নিউইয়র্ক সিটির বিভিন্ন অভিবাসী অধ্যুষিত এলাকায় সাম্প্রতিক সময়ে ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট-আইসের অভিযান বেড়েছে বলে জানিয়েছে অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলো।</p>

<p>নিউইয়র্ক ইমিগ্রেশন কোয়ালিশনের তথ্য অনুযায়ী, গত দুই সপ্তাহে ম্যানহাটন, ব্রুকলিন ও স্ট্যাটেন আইল্যান্ডের কয়েকটি এলাকায় আইসের তৎপরতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।</p>

<p>অভিবাসী অধিকার সংগঠনটির চিহ্নিত এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে&mdash;ম্যানহাটনের ইনউড ও ওয়াশিংটন হাইটস; স্ট্যাটেন আইল্যান্ডের পোর্ট রিচমন্ড ও স্ট্যাপলটন; ব্রুকলিনের সানসেট পার্ক, ডাইকার হাইটস, বেনসনহার্স্ট ও সাইপ্রেস হিলস।</p>

<p>এর আগে মেক দ্য রোড নিউইয়র্ক কুইন্সের এলমহার্স্ট, ইস্ট এলমহার্স্ট, কলেজ পয়েন্ট ও করোনা এলাকাতেও আইসের অভিযান বাড়ার কথা জানিয়েছিল।</p>

<p>নিউইয়র্কের স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও আইসের সাম্প্রতিক তৎপরতার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। কাউন্সিল মেম্বার কারমেন দে লা রোসা এবং অ্যাসেম্বলি মেম্বার গনজালেজ-রোহাস অভিবাসী পরিবারগুলোর পাশে থাকার কথা জানিয়েছেন।</p>

<p data-added-after="1">ইনউডে গত ২৮ জুলাই আইসের এক এজেন্টের বিরুদ্ধে এক নারীকে মরিচের স্প্রে করার অভিযোগ ওঠার পর দে লা রোসা প্রতিবাদ জানান। তিনি বলেন, অভিবাসীদের ভয় পাওয়ার কারণ নেই এবং নিউইয়র্কে তাদের অধিকার রক্ষায় সবাইকে সোচ্চার থাকতে হবে।</p>

<p>এদিকে কুইন্সে অভিবাসনবিষয়ক অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে প্রচারণায় অংশ নিয়েছেন নিউইয়র্কের পাবলিক অ্যাডভোকেট জুমানে উইলিয়ামস। বিশেষ করে অস্থায়ী সুরক্ষিত মর্যাদা এবং আইসের সঙ্গে যোগাযোগের সময় অভিবাসীদের অধিকার সম্পর্কে বাসিন্দাদের জানানো হচ্ছে।</p>

<p>ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটির এক নোটিশে আইসের অভিযানে বৈদ্যুতিক শক দিতে সক্ষম গ্লাভস ব্যবহারের বিষয়টি প্রকাশ পাওয়ার পর অভিবাসী অধিকারকর্মীদের মধ্যে উদ্বেগ আরও বেড়েছে।</p>

<p>অভিবাসী অধিকার সংগঠনগুলো নিউইয়র্কের বাসিন্দাদের আইসের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে নিজেদের আইনগত অধিকার সম্পর্কে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়েছে।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/972-1.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[সড়ক-বাঁধ সুরক্ষায় বিন্না ঘাস ব্যবহারের সিদ্ধান্ত]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29392</link>
    <pubDate>Tue, 18 Aug 2026 11:13:12 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29392</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/841-99.jpg" />    <p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সড়ক ও বাঁধ ভাঙন রোধে পরিবেশবান্ধব বিন্না ঘাসের ব্যবহার নিয়ে সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।</p>

<p>সোমবার (১৭ আগস্ট) বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।</p>

<p>প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন এ কথা জানিয়েছেন।</p>

<p>তিনি বলেন, বৈঠকে বিন্না ঘাসের ব্যবহার নিয়ে একটি প্রস্তাবনা তুলে ধরেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরকৌশল বিভাগের শিক্ষক ও গবেষক ড. মোহাম্মদ শরীফুল ইসলাম।</p>

<p>বৈঠকে বিন্না ঘাসের উপকারিতা এবং দেশের সড়ক ও বাঁধ নির্মাণ প্রকল্পে এই ঘাসের ব্যবহার নিয়ে একমত পোষণ করা হয়।</p>

<p>বৈঠকে ঠিক কোন কোন প্রকল্পে এই ঘাসের ব্যবহার করা যেতে পারে, তা আরও বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনার জন্য অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীরের নেতৃত্বে প্রস্তাবক ড. মোহাম্মদ শরীফুল ইসলামকে অন্তর্ভুক্ত একটি টেকনিক্যাল কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে।</p>

<p>পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে এই ঘাসের ব্যবহার বিষয়ে একটি গাইডলাইন তৈরির সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে বলে জানান শাহাদাৎ স্বাধীন।</p>

<p>উল্লেখ্য, এই ঘাসকে ভেটিভার ঘাসও বলা হয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাঁধ ভাঙন মোকাবিলায় এই ঘাসের ব্যবহার হচ্ছে। বিন্না ঘাসের লম্বা মূল বা শিকড় খুব দ্রুত মাটির গভীরে প্রবেশ করে এবং মাটিকে শক্তভাবে আঁকড়ে ধরে রাখে।</p>

<p>প্রচণ্ড ঠান্ডা ও তীব্র গরমসহ প্রতিকূল পরিবেশেও এই ঘাস বেঁচে থাকতে পারে। পানিতে ডুবে থাকলেও এটি পচেঁ না এবং লবণাক্ত পানিতেও টিকে থাকতে পারে।</p>

<p>বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/841-99.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[৪ দে‌শে বসবাসরত প্রবাসী‌দের জন্য রোমানিয়া দূতাবা‌সের সতর্ক বার্তা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/29391</link>
    <pubDate>Tue, 18 Aug 2026 11:12:03 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/29391</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1033-88.jpg" />    <p><strong>রোমানিয়া, বুলগেরিয়া, উত্তর মেসিডোনিয়া ও মলদোভায় বসবাসরত বাংলাদেশি নাগরিকদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারে সতর্ক ও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে বুখারেস্টের বাংলাদেশ দূতাবাস।</strong></p>

<p>বিজ্ঞাপন</p>

<p>সোমবার (১৭ আগস্ট) রা&zwnj;তে বুখারেস্টের বাংলাদেশ দূতাবাস এক জনসচেতনতামূলক বিজ্ঞপ্তিতে এ আহ্বান জানায়।&nbsp;</p>

<p>বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বর্তমানে যোগাযোগ, তথ্য আদান-প্রদান ও পারস্পরিক সম্পৃক্ততার গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত বা শেয়ার করা পোস্ট, মন্তব্য, ছবি, ভিডিওসহ বিভিন্ন কনটেন্ট অনেক সময় আইনি বা অন্য ধরনের জটিলতা তৈরি করতে পারে।</p>

<p>বিশেষ করে ধর্ম, রাজনীতি, জনশৃঙ্খলা, জাতীয় নিরাপত্তা কিংবা অন্যান্য সংবেদনশীল বিষয়সংক্রান্ত কোনো কনটেন্ট প্রকাশ বা শেয়ারের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে দূতাবাস।</p>

<p>বিজ্ঞাপন</p>

<p>কোনো পোস্ট বা তথ্য শেয়ার করার আগে বিষয়টি ভালোভাবে যাচাই এবং তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে দূতাবাস বলেছে, এমন কোনো কনটেন্ট প্রকাশ বা শেয়ার করা উচিত নয়, যা সংশ্লিষ্ট দেশের আইনের পরিপন্থি, হুমকিমূলক, উসকানিমূলক, বৈষম্যমূলক বা আপত্তিকর হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।</p>

<p>বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, কোনো কনটেন্ট থেকে সহিংসতা বা উগ্রবাদী কর্মকাণ্ডকে সমর্থন করা হচ্ছে বলে মনে হতে পারে&mdash; এমন বিষয় থেকেও বিরত থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।</p>

<p>বিদেশে বসবাসরত বাংলাদেশিদের স্থানীয় দেশের আইন ও বিধিবিধানের প্রতি সম্মান দেখানোর আহ্বান জানিয়েছে দূতাবাস। পাশাপাশি স্থানীয় আইন-কানুন, সামাজিক মূল্যবোধ ও সংবেদনশীলতার প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করে নিরাপদ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।</p>

<p>বিজ্ঞাপন</p>

<p>সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের দায়িত্বশীল ব্যবহার ব্যক্তিকে সম্ভাব্য আইনি ও অন্যান্য অনাকাঙ্ক্ষিত জটিলতা থেকে সুরক্ষিত রাখতে সহায়তা করে। একই সঙ্গে বিদেশে বাংলাদেশ ও বাংলাদেশি নাগরিকদের মর্যাদা ও ইতিবাচক ভাবমূর্তি সমুন্নত রাখতেও এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।</p>

<p>রোমানিয়া, বুলগেরিয়া, উত্তর মেসিডোনিয়া ও মলদোভায় বসবাসরত সকল বাংলাদেশিকে সচেতন ও তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দায়িত্বশীল, সংযত, সম্মানজনক ও আইনসম্মতভাবে ব্যবহারের আহ্বান জানানো হয়।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1033-88.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[লিবিয়া থেকে ফিরলেন আরো ১৭৪ বাংলাদেশি]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29390</link>
    <pubDate>Tue, 18 Aug 2026 11:11:22 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29390</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1156-77.jpg" />    <article>
<p>লিবিয়ার বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে দীর্ঘদিন আটক থাকার পর আরো ১৭৪ বাংলাদেশি নাগরিক দেশে ফিরেছেন। বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগ এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহযোগিতায় বেনগাজীর গ্যানফুদা ডিটেনশন সেন্টার থেকে তাদের নিরাপদ ও মানবিকভাবে দেশে প্রত্যাবাসন করা হয়।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/national/2026/08/18/1727051" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ভোর ৬টায় লিবিয়ার বুরাক এয়ারের ইউজেড-২২২ ফ্লাইটে তারা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। দেশে ফেরা ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন ৩ নারী, এক শিশু এবং ১৫ জন অসুস্থ ব্যক্তি।</p>

<p>জানা গেছে, এসব বাংলাদেশি উন্নত জীবনের আশায় অনিয়মিত পথে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। তবে সমুদ্রপথে অভিযানের সময় তারা উদ্ধার বা আটক হন।</p>
</article>

<article>পরে দীর্ঘ সময় লিবিয়ার গ্যানফুদা ডিটেনশন সেন্টারে মানবেতর পরিবেশে বন্দি জীবন কাটান।
<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/country-news/2026/08/18/1727050" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>বাংলাদেশ দূতাবাস সূত্রে জানা গেছে, লিবিয়ায় আটক বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনের জন্য দূতাবাস স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও আইওএমের সঙ্গে নিয়মিত সমন্বয় করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় স্থানীয় প্রশাসনের অনুমোদন এবং আইওএমের সার্বিক সহযোগিতায় সর্বশেষ এই ১৭৪ জনকে দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে।</p>

<p>দূতাবাস আরো জানায়, বেনগাজীর গ্যানফুদা ও ত্রিপলীর তাজুরা ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশিদের নিয়মিত সাক্ষাৎকার গ্রহণ, পরিচয় যাচাই এবং প্রত্যাবাসন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।</p>
</article>

<p>
<video autoplay="autoplay" loop="" playsinline="">Your browser does not support the video tag.</video>
</p>

<article>বর্তমানে এসব কেন্দ্রে অবস্থানরত অবশিষ্ট বাংলাদেশিদেরও পর্যায়ক্রমে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/social-media/2026/08/18/1727049" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>এর আগে একই ধরনের পরিস্থিতির শিকার হয়ে গত ৭ আগস্ট লিবিয়া থেকে দেশে ফিরেছিলেন ৩৪০ বাংলাদেশি। সর্বশেষ ১৭৪ জনসহ চলতি মাসে মোট ৫১৪ বাংলাদেশিকে দেশে ফিরিয়ে আনা হলো।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/08/18/1727046" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>বাংলাদেশ দূতাবাস সবাইকে দালাল ও মানব পাচারকারীদের প্রলোভনে না পড়ে বৈধ ও নিরাপদ অভিবাসনপথ অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে বিদেশে কর্মসংস্থান বা অভিবাসনের ক্ষেত্রে সরকারি অনুমোদিত এবং আইনসম্মত পদ্ধতি অনুসরণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1156-77.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[স্পেনের সিউটাতে আশ্রয়ের দাবিতে শত শত অভিবাসীর বিক্ষোভ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29389</link>
    <pubDate>Tue, 18 Aug 2026 11:10:16 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29389</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1273-66.jpg" />    <article>
<p>স্পেনের ছিটমহল সিউটায় গত ৩০ ও ৩১ জুলাই মরক্কো সীমান্ত দিয়ে রেকর্ডসংখ্যক অভিবাসী প্রবেশে করেছে। এই উদ্ভূত পরিস্থিতির মধ্যেই স্পেনে আশ্রয়ের দাবিতে শত শত অভিবাসীর বিক্ষোভ।</p>
</article>

<article>মরক্কোতে ফেরত না পাঠিয়ে তাঁদের স্পেনে আশ্রয় দিতে জোর দাবি জানাচ্ছেন তারা।
<p>&nbsp;</p>

<p>দুই সপ্তাহ আগে মরক্কো সীমান্ত পেরিয়ে ৭২ হাজার মানুষ সিউটায় প্রবেশ করেছেন, যা সাম্প্রতিককালের সবচেয়ে বড় সীমান্ত অনুপ্রবেশের ঘটনা।</p>

<p><strong><a href="https://www.thesun.co.uk/news/40078488/cops-probe-sexual-assaults-ceuta-border-tensions-rise/">দ্য সানে</a></strong>র প্রতিবেদন অনুযায়ী, ছিটমহলটিতে সক্ষমতার ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হওয়ায় অধিকাংশ অভিবাসী মূল ভূখণ্ডে যাওয়ার সুযোগের অপেক্ষায় এল ত্রাম্পোলিন সৈকত বা শহরের উপকণ্ঠে মানবেতরভাবে বসবাস করছেন।</p>

<p>মরক্কোর তেতুয়ান থেকে আসা আইয়ুব এলআরুদ বলেন, &lsquo;আমরা সমুদ্রের পাশে ঘুমাচ্ছি।</p>
</article>

<article>এখানে মারাত্মক ঠান্ডা আর দুর্গন্ধ। আমরা অনেক কষ্টে আছি। পুলিশও শহরে দিকে যেতে বাধা দিচ্ছে।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>স্পেনের পতাকা ও বিভিন্ন ব্যানার তুলে ধরেন বিক্ষোভকারীরা।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1273-66.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[পারমাণবিক অস্ত্রমুক্ত ইরান চান ট্রাম্প, জানালেন কুশনার]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29388</link>
    <pubDate>Tue, 18 Aug 2026 11:08:39 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29388</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1374-55.jpg" />    <article>
<p>ইরান ইস্যুতে ওয়াশিংটনের অত্যন্ত কঠোর ও স্পষ্ট অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন ট্রাম্পের জামাতা ও মার্কিন দূত জ্যারেড কুশনার। তিনি জানিয়েছেন, তেহরানকে কোনো অবস্থাতেই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে দেওয়া হবে না।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>সম্প্রতি তেল আবিবে থাকাকালীন <a href="https://aninews.in/news/world/middle-east/trump-envoy-jared-kushner-reiterates-firm-stance-says-iran-cannot-have-a-nuclear-weapon20260818081052/?fbclid=IwY2xjawTwq4VwZG9mBWV4dG4DYWVtAjEwAGJyaWQRMWFsUlRSN2hmSmZnYkNZZThzcnRjBmFwcF9pZBAyMjIwMzkxNzg4MjAwODkyAAEeKN4RhIgIEbpUcWv4C-YKOEZ35C95a467Nou9RumrFCrjEynWTUfTjYoaIbI_aem_69HqdBuUZF_I894h_AoO_Q">মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে</a> কুশনার এই কথা বলেন। তেহরানের সঙ্গে সম্ভাব্য কূটনৈতিক অগ্রগতির জন্য মার্কিন প্রশাসনের মূল শর্তগুলো বিস্তারিত তুলে ধরেন তিনি। কুশনার বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এ বিষয়ে অত্যন্ত স্পষ্ট। তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন যে ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র রাখার কোনো সুযোগ নেই।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি আরো জানান, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প একটি ন্যায্য ও দ্বিপাক্ষিক লাভজনক চুক্তিতে পৌঁছাতে ইচ্ছুক, তবে তার আগে ইরানকে মৌলিক শর্তগুলো মেনে চলতে হবে। চুক্তিতে আসার জন্য তেহরানকে পারমাণবিক কর্মসূচির পথ ত্যাগ করার পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে অর্থায়ন বন্ধ করার আহ্বান জানান মার্কিন এই দূত।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1374-55.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[প্রতি রাতে গাজায় ৩০-৪০ জন মানুষ হত্যার পরামর্শ ইসরায়েলি মন্ত্রীর]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29387</link>
    <pubDate>Tue, 18 Aug 2026 11:07:46 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29387</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1440-44.jpg" />    <article>
<p>ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন-গভির গাজায় প্রতি রাতে ৩০ থেকে ৪০ মানুষকে হত্যার পরামর্শ দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর জোট সরকারের প্রভাবশালী অংশীদার বেন গভির রবিবার প্রচারিত এক পডকাস্ট শো&rsquo;তে এই&nbsp;পরামর্শ দিয়েছেন।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>গাজায় জিম্মি অবস্থা থেকে মুক্ত হয়ে আসা রোম ব্রাসলাভস্কির পডকাস্টে অংশ নেন ইসরায়েলের কট্টরপন্থী রাজনৈতিক দল &lsquo;ওতজমা ইয়েহুদিত&#39;-এর প্রধান বেন-গভির।&nbsp;</p>

<p>২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর ইসরায়েলের ঘুরে দাঁড়ানোর বিষয়ে আলোচনা করার সময় বেন-গভির গাজায় ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হামলা কমিয়ে আনার সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, &rsquo;এটি কোনো গোপন বিষয় নয়। আমি প্রধানমন্ত্রীর সাথে একমত নই।</p>
</article>

<article>আমি মনে করি, গাজায় সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে হত্যাকাণ্ড চালানো উচিত এবং প্রতি রাতে ৩০ থেকে ৪০ জনকে হত্যা করা উচিত। শুধু তারাই নয়, যারা তাৎক্ষণিক হুমকি সৃষ্টি করে; সেখানে এমন কিছু মানুষ আছে যারা বেঁচে থাকার যোগ্য নয়। তাদের বেঁচে থাকা উচিত নয়। তারা মানুষই নয়।</article>

<p>
<video autoplay="autoplay" loop="" playsinline="">Your browser does not support the video tag.</video>
</p>

<article>&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>বেন-গভির অতি-ডানপন্থী এবং চরম ইহুদি জাতীয়তাবাদী মতাদর্শের অনুসারী। তিনি আরববিরোধী এবং ফিলিস্তিনিবিরোধী কঠোর অবস্থানের জন্য পরিচিত। একসময় ইসরায়েলি সমাজে তার চিন্তাভাবনাকে অত্যন্ত উগ্র ও প্রান্তিক মনে করা হতো। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে, বিশেষ করে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর, ইসরায়েলি জনগণের একটি বড় অংশের মধ্যে তাঁর জনপ্রিয়তা নাটকীয়ভাবে বেড়ে যায়।</p>

<p>দেশের সামরিক বাহিনীর ওপর বেন-গভিরের কোনো ক্ষমতা নেই এবং তিনি গাজায় হামলার নির্দেশ দিতে পারেন না।</p>
</article>

<article>কিন্তু কয়েক দশক ধরে ইসরায়েলের অতি-ডানপন্থী প্রান্তিক দলগুলোর মধ্যে কাজ করার পর, তিনি এখন দেশের অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তি হয়ে উঠেছেন। ইসরায়েলের নিরাপত্তা ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলোর ওপর তার ব্যাপক নিয়ন্ত্রণ রয়েছে; তিনি দেশের কারাগারগুলো পরিচালনা করেন; যেখানে গাজা ও পশ্চিম তীরের হাজার হাজার ফিলিস্তিনি বন্দি রয়েছে। পাশাপাশি জাতীয় পুলিশ বাহিনীও তার অধীনে। তিনি এর আগে ফিলিস্তিনি বন্দিদের খাবারের বরাদ্দ কমিয়ে দেওয়ার বিষয়ে বড়াই করেছিলেন। ২০২৫ সালে ইসরায়েলের সর্বোচ্চ আদালত রায় দেয় যে, বেন-গ্যভিরের অধীনে থাকা কারা বিভাগ ফিলিস্তিনিদের বেঁচে থাকার জন্য ন্যূনতম প্রয়োজনীয় খাদ্য থেকে বঞ্চিত করছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>বেন গ্যভির গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের গণ-অভিবাসন বা চলে যাওয়ার পক্ষে ওকালতি করেন; যাকে আন্তর্জাতিক আইনজীবীরা জাতিগত নির্মূলের শামিল হতে পারে বলে মনে করেন। কট্টরপন্থি এই নেতা গাজায় ইসরায়েলিদের নতুন করে বসতি স্থাপনের প্রস্তাব দেন। বিশ বছর আগে ইসরায়েল গাজা উপত্যকা থেকে তাদের বাহিনী প্রত্যাহার করে নিয়েছিল এবং ২১টি ইহুদি বসতির একটি ব্লক ভেঙে দিয়েছিল, যা গুশ কাতিফ নামে পরিচিত ছিল।&nbsp;</p>

<p>পডকাস্টে বেন-গভির বলেন, &lsquo;আমি পুরো গাজাকে আমাদের হিসেবে দেখি। কেবল গুশ কাতিফেই নয়, বরং পুরো গাজাজুড়ে বসতি স্থাপন করা দরকার। যতটা সম্ভব অভিবাসনকে উৎসাহিত করতে হবে। তাদের নিজস্ব দেশে পাঠিয়ে দিতে হবে। আর সন্ত্রাসীদের জন্য কোনো অভিবাসন বা অন্য কিছু নয়, শুধু একে একে তাদের হত্যা করতে হবে।&rsquo;</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1440-44.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[অবশেষে বিয়ের গুঞ্জন নিয়ে মুখ খুললেন পূজা চেরী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/29386</link>
    <pubDate>Tue, 18 Aug 2026 11:06:44 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/29386</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1526-33.jpg" />    <article>
<p>বিয়ে নিয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত গুঞ্জন ও ভিত্তিহীন খবর নিয়ে মুখ খুলেছেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের অভিনেত্রী পূজা চেরী। নিজের বিয়ে নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশ না করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেছেন, &lsquo;আমার এখনও বিয়ে হয়নি।</p>
</article>

<article>যখন হবে, আপনারাই প্রথম জানতে পারবেন।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>সোমবার (১৭ আগস্ট) রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজের অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা জানান।</p>

<p>পূজা বলেন, গত কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে তার বিয়ে ও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে একের পর এক ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ করা হচ্ছে। কখনো অমুক পেশার কারও সঙ্গে, আবার কখনো অন্য কারও সঙ্গে তার নাম জড়িয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সংবাদ তৈরি করা হচ্ছে, যা তার জন্য অত্যন্ত বিব্রতকর ও দুঃখজনক।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>অভিনেত্রী জানান, এর আগেও একটি সাক্ষাৎকারে তিনি স্পষ্ট করে বলেছিলেন যে তিনি এনগেজড এবং পারিবারিকভাবে তার বিয়ে ঠিক করা হয়েছে। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হলে তিনি নিজেই আনন্দের সঙ্গে বিষয়টি সবাইকে জানাবেন বলেও জানান।</p>

<p>পূজা বলেন, বর্তমানে তিনি নিজেকে কিছুটা সময় দিচ্ছেন এবং নতুন কাজের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এ কারণেই তাকে ক্যামেরার সামনে তুলনামূলকভাবে কম দেখা যাচ্ছে।</p>
</article>

<p>
<video autoplay="autoplay" loop="" playsinline="">Your browser does not support the video tag.</video>
</p>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>তবে কোনো তথ্য যাচাই না করে বারবার তাকে জড়িয়ে অসত্য সংবাদ প্রকাশের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এই অভিনেত্রী। তিনি বলেন, &lsquo;আমার নীরবতাকে কেউ যদি ভিত্তিহীন সংবাদের সুযোগ বানিয়ে নেয়, তবে আমি নিজের আইনি অধিকার রক্ষায় বাধ্য হব।&rsquo;</p>

<p>নিজের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও সুনাম রক্ষার অধিকার রয়েছে উল্লেখ করে পূজা চেরী বাংলাদেশের সংবিধানের ৩১ ও ৪৩ অনুচ্ছেদের কথাও তুলে ধরেন। একই সঙ্গে সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩-এর ২৫ ধারার উল্লেখ করে ইন্টারনেট বা ডিজিটাল মাধ্যমে কোনো ব্যক্তিকে নিয়ে মিথ্যা, অপমানজনক বা বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের বিষয়ে সতর্ক করেন।</p>

<p>গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশে পূজা বলেন, তিনি সবসময় দর্শকদের ভালোবাসা ও গণমাধ্যমের সহযোগিতাকে সম্মান করেন।</p>
</article>

<article>তবে সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীদের বস্তুনিষ্ঠ তথ্য পরিবেশন এবং অসত্য সংবাদ প্রকাশ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1526-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ভারতীয় ধনকুবেরের দল ইংল্যান্ডের দ্য হানড্রেডে চ্যাম্পিয়ন]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/29385</link>
    <pubDate>Tue, 18 Aug 2026 11:05:42 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/29385</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1568-22.jpg" />    <article>
<p>২০১৬ সাল থেকে ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে বিনিয়োগ করছেন সঞ্জীব গোয়েঙ্কা। কিন্তু ভারতীয় এই ধনকুবেরের শিরোপা জয়ের আশা কিছুতেই পূরণ হচ্ছিল না।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>অবশেষে সেই আশা পূরণ হলো গোয়েঙ্কার। কলকাতার এই শিল্পপতির দল ম্যানচেস্টার সুপার জায়ান্টস প্রথমবারের মতো ইংল্যান্ডের দ্য হান্ড্রেডে চ্যাম্পিয়ন হলো। ট্রফি হাতে দলের সঙ্গে গোয়েঙ্কার উচ্ছ্বাসই বলে দিচ্ছিল, তিনি কতটা খুশি।</p>

<p>লন্ডনের লর্ডসে কাল রাতে দ্য হান্ড্রেডের ফাইনালে ট্রেন্ট রকেটসকে ৫ উইকেটে হারিয়েছে ম্যানচেস্টার সুপার জায়ান্টস।</p>
</article>

<article>শেষ দিকে নাটকীয় পরিস্থিতি তৈরি হলেও ২ বল হাতে রেখে জয় নিশ্চিত করে তারা।
<p>&nbsp;</p>

<p>১৫৯ রানের লক্ষ্য তাড়ায় দুর্দান্ত শুরু এনে দেন নিউজিল্যান্ডের টিম সাইফার্ট। মাত্র ৩৮ বলে ৭২ রান করেন তিনি।&nbsp;</p>

<p>সাইফার্ট ও পল ওয়াল্টার উদ্বোধনী জুটিতে ৩১ বলে যোগ করেন ৬৬ রান।</p>
</article>

<p>
<video autoplay="autoplay" loop="" playsinline="">Your browser does not support the video tag.</video>
</p>

<article>পরে জস বাটলার ১৪ বলে ২৩ রান করে জয়ের পথ সহজ করেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>দ্য হান্ড্রেডের ষষ্ঠ আসরে এসে প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন হলো ম্যানচেস্টার সুপার জায়ান্টস। এর আগে ২০২২ ও ২০২৩ আসরে রানার্স আপ হয়েছিল তারা।&nbsp;</p>

<p>তবে সেই সময় দলটির নাম ছিল ম্যানচেস্টার অরিজিনালস। তখন মালিকানাও সঞ্জীব গোয়েঙ্কার হাতে ছিল না।</p>
</article>

<article>গত বছর তার মালিকানাধীন আরপিএসজি গ্রুপ ৮ কোটি পাউন্ডে (প্রায় ১২৬০ কোটি টাকা) ৭০% শেয়ার কিনে নেয়। এরপর দলের নাম পরিবর্তন করে।
<p>&nbsp;</p>

<p>আইপিএলের বিলুপ্ত দল রাইজিং পুনে সুপার জায়ান্টস কেনার মধ্য দিয়ে ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে নাম লেখান সঞ্জীব গোয়েঙ্কা। বতর্মানে লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টসের মালিকানায় আছেন তিনি।</p>

<p>এ ছাড়া দক্ষিণ আফ্রিকার এসএ২০-তে ডারবান সুপার জায়ান্টসেরও কর্ণধার সঞ্জীব গোয়েঙ্কা। তবে সবার আগে তাকে ট্রফি জয়ের স্বাদ দিল দ্য হান্ড্রেডের দল ম্যানচেস্টার সুপার জায়ান্টস।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1568-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[আশা ভোঁসলের স্মরণে এ আর রহমানের বিশেষ উদ্যোগ, সঙ্গে শাহরুখ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/29384</link>
    <pubDate>Tue, 18 Aug 2026 11:04:47 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/29384</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1666-11.jpg" />    <article>
<p>উপমহাদেশের সংগীতজগতের কিংবদন্তি আশা ভোঁসলের প্রয়াণে তৈরি হয়েছে অপূরণীয় শূন্যতা। তাঁর কালজয়ী কণ্ঠ ও সৃষ্টিকে নতুনভাবে স্মরণ করতে এবার বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছেন অস্কারজয়ী সংগীত পরিচালক এ আর রহমান।</p>
</article>

<article>এই উদ্যোগে তাঁর সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন বলিউডের &lsquo;বাদশাহ&rsquo; শাহরুখ খান।
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রয়াত শিল্পীর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে একটি বিশেষ মিউজিক্যাল প্রজেক্ট তৈরি করছেন এ আর রহমান। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি পোস্ট দিয়ে বিষয়টি নিজেই জানিয়েছেন তিনি।</p>

<p>পোস্টে রহমান লিখেছেন, &lsquo;কিংবদন্তি আশা তাইয়ের স্মরণে নির্মিত এই মিউজিক ভিডিওতে অংশ নেওয়ার জন্য শাহরুখ খানকে আন্তরিক ধন্যবাদ।</p>
</article>

<article>আশাজির স্মৃতিতে তৈরি এই ভালোবাসার অর্ঘ্যে তার যুক্ত হওয়া ঘটনাটিকে আরো বিশেষ করে তুলেছে।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই প্রজেক্টের পরিকল্পনা অবশ্য আশা ভোঁসলে জীবিত থাকতেই করা হয়েছিল। ইচ্ছা ছিল গানটি তাঁর হাতেই তুলে দেওয়া হবে। কিন্তু শিল্পীর প্রয়াণে সেই পরিকল্পনা আর বাস্তবায়িত হয়নি।</p>
</article>

<p>
<video autoplay="autoplay" loop="" playsinline="">Your browser does not support the video tag.</video>
</p>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>ইতিমধ্যে প্রকাশিত হয়েছে প্রজেক্টটির টিজার। সেখানে আশা ভোঁসলের স্মৃতিবিজড়িত বিভিন্ন দৃশ্য উঠে এসেছে, যা দর্শকদের আবেগাপ্লুত করেছে। টিজার প্রকাশের পর থেকেই পুরো গানটি নিয়ে তৈরি হয়েছে আগ্রহ।</p>

<p>শুধু শাহরুখ খান নন, এই বিশেষ গানে কণ্ঠ দিয়েছেন ভারতের সংগীতজগতের একাধিক শীর্ষস্থানীয় শিল্পী। পাশাপাশি গানটিতে থাকবে আশা ভোঁসলের নিজের কণ্ঠে আগে রেকর্ড করা কিছু বিশেষ অংশও।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>ফলে প্রয়াত কিংবদন্তির কণ্ঠ ও সমকালীন শিল্পীদের অংশগ্রহণে তৈরি এই গানটি হয়ে উঠতে পারে আশা ভোঁসলের প্রতি এক আবেগঘন শ্রদ্ধার্ঘ্য। শিগগিরই প্রকাশ করা হবে পুরো গান।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1666-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[U.S. Business Delegation in Dhaka Signals Growing Investment Interest in Bangladesh]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/english/29383</link>
    <pubDate>Tue, 18 Aug 2026 08:03:49 +0600</pubDate>
    <category> English </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/english/29383</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1-08172026_image06_bangladesh_america.jpeg" />    <p><strong>Shibbir Ahmed: </strong>A high-level U.S. business delegation representing 25 American companies has arrived in Dhaka to explore new investment opportunities in Bangladesh, highlighting growing interest among leading U.S. businesses in the country&rsquo;s energy, technology, agriculture, and financial sectors.</p>

<p>The executive delegation of the U.S.-Bangladesh Business Council (USBBC) arrived in Dhaka on August 11 and participated in meetings and business programs through August 13. Representatives of major American companies, including Chevron, Excelerate Energy, Visa, and Mastercard, were among those taking part in the visit.</p>

<p>The delegation&rsquo;s visit is being viewed as an important initiative to deepen the longstanding economic relationship between Bangladesh and the United States, which spans more than five decades.</p>

<p>U.S. Ambassador to Bangladesh Brent T. Christensen welcomed the delegation to Dhaka, saying that leading American companies from the energy, technology, agriculture, and finance sectors had come to explore opportunities and build on more than 50 years of U.S.-Bangladesh economic ties.</p>

<p><strong>Focus on Trade and Investment</strong></p>

<p>The delegation&rsquo;s primary objective is to explore new investment opportunities and potential business partnerships in Bangladesh.</p>

<p>Energy, infrastructure, technology, digital services, healthcare, agriculture, and financial services are among the sectors attracting particular attention from U.S. businesses.</p>

<p>During meetings with Bangladeshi officials, representatives of the U.S. business community discussed ways to expand bilateral trade and investment and strengthen private-sector cooperation.</p>

<p>The delegation also met with Bangladesh&rsquo;s Foreign Affairs Adviser Humayun Kabir, with discussions focusing on expanding economic relations and creating greater opportunities for U.S. investment in areas including industry, infrastructure, energy, technology, the digital economy, and healthcare.</p>

<p>Atul Keshap, President of the U.S.-Bangladesh Business Council and a former U.S. ambassador, also emphasized the potential for expanding business cooperation between the two countries.</p>

<p><strong>$5 Billion Investment Goal</strong></p>

<p>The U.S. business delegation&rsquo;s visit comes as the American Chamber of Commerce in Bangladesh (AmCham) has set an ambitious target for mobilizing additional U.S. investment in Bangladesh.</p>

<p>AmCham has said it aims to help mobilize up to $5 billion in additional U.S. investment over the next five years, involving existing member companies as well as potential new American investors.</p>

<p>The investment target was discussed during an August 11 meeting between Prime Minister Tarique Rahman and an AmCham executive delegation.</p>

<p>The discussions also covered measures to improve Bangladesh&rsquo;s investment climate, including reforms related to taxation, value-added tax, customs procedures, and other issues affecting businesses.</p>

<p>AmCham has said that its member companies have already invested more than $5 billion in Bangladesh. If the new investment target is achieved, the U.S. corporate presence in Bangladesh could expand significantly.</p>

<p><em><strong>Energy and Technology Attract Strong Interest</strong></em></p>

<p>The participation of companies such as Chevron and Excelerate Energy underscores the importance of Bangladesh&rsquo;s energy sector to American investors.</p>

<p>Bangladesh has growing demand for reliable energy and infrastructure, creating potential opportunities for U.S. companies with expertise in energy production, liquefied natural gas, infrastructure, and related technologies.</p>

<p>The participation of global financial technology companies such as Visa and Mastercard also points to growing interest in Bangladesh&rsquo;s rapidly developing digital economy and financial-services sector.</p>

<p>With a large population, expanding consumer market, growing digital economy, and increasing demand for infrastructure and energy, Bangladesh offers a range of potential opportunities for international investors.</p>

<p><strong>New Opportunities Following the Trade Agreement</strong></p>

<p>The U.S. business delegation&rsquo;s visit comes several months after Bangladesh and the United States signed the Agreement on Reciprocal Trade earlier this year. The agreement created a new framework for expanding bilateral trade and improving market access between the two countries.</p>

<p>Against this backdrop, the business delegation&rsquo;s visit can be viewed as more than a routine commercial engagement. It represents an effort to translate recent progress in government-to-government economic relations into concrete investment, business partnerships, and private-sector cooperation.</p>

<p>For Bangladesh, increased U.S. investment could bring more than capital. New investments could also contribute to technology transfer, skills development, employment generation, and greater integration into global supply chains.</p>

<p><img alt="" src="https://khabor.com/upload/images/news/1-08172026_image05_bangladesh_america.jpeg" style="width: 899px; height: 477px;" /></p>

<p>For American companies, Bangladesh represents a large and evolving South Asian market with opportunities in manufacturing, energy, digital services, financial technology, infrastructure, and consumer-oriented businesses.</p>

<p><strong>A New Chapter in Economic Relations?</strong></p>

<p>For more than five decades, Bangladesh-U.S. economic relations have been strongly associated with trade, particularly Bangladesh&rsquo;s ready-made garment exports to the American market. Recent developments, however, suggest that the economic relationship could be entering a broader phase.</p>

<p>The visit by U.S. Special Envoy Sergio Gor to Bangladesh earlier this month, followed by the arrival of the high-level U.S. business delegation and AmCham&rsquo;s $5 billion investment target, indicates growing engagement not only between the two governments but also between the private sectors of both countries.</p>

<p>The challenge now will be turning growing investor interest into actual projects. To attract and retain more U.S. investment, Bangladesh will need to maintain policy stability, improve transparency, streamline regulatory procedures, strengthen infrastructure, and ensure a more predictable business environment.</p>

<p>The latest U.S. business delegation&rsquo;s visit therefore represents both an opportunity and a test for Bangladesh. Whether the growing interest of American companies can be converted into long-term investment, new jobs, technology partnerships, and expanded trade will be an important measure of the next phase of Bangladesh-U.S. economic relations.</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1-08172026_image06_bangladesh_america.jpeg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বাংলাদেশে নতুন বিনিয়োগের সম্ভাবনা খুঁজছে মার্কিন শীর্ষস্থানীয় কোম্পানি]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/intrelations/29382</link>
    <pubDate>Tue, 18 Aug 2026 07:55:14 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক সম্পর্ক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/intrelations/29382</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/08172026_image05_bangladesh_america.jpeg" />    <p><strong>শিব্বীর আহমেদ:</strong> বাংলাদেশে বিনিয়োগের নতুন সুযোগ খুঁজতে যুক্তরাষ্ট্রের ২৫টি কোম্পানির প্রতিনিধিত্বকারী ৪৫ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল ঢাকায় এসেছে। জ্বালানি, প্রযুক্তি, কৃষি ও আর্থিক খাতের মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলোর এই সফরকে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও গভীর করার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।</p>

<p>U.S.-Bangladesh Business Council (USBBC)-এর Executive Business Delegation ১১ আগস্ট ঢাকায় পৌঁছায় এবং ১৩ আগস্ট পর্যন্ত বিভিন্ন বৈঠক ও কর্মসূচিতে অংশ নেয়। প্রতিনিধিদলে যুক্তরাষ্ট্রের বড় কোম্পানিগুলোর কর্মকর্তারা রয়েছেন। সফরে অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে Chevron, Excelerate Energy, Visa এবং Mastercard-এর প্রতিনিধিদের থাকার কথা জানিয়েছে মার্কিন দূতাবাস-সংশ্লিষ্ট সূত্র।</p>

<p>মার্কিন রাষ্ট্রদূত Brent T. Christensen ঢাকায় প্রতিনিধিদলটিকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, জ্বালানি, প্রযুক্তি, কৃষি ও অর্থ খাতের শীর্ষস্থানীয় মার্কিন কোম্পানিগুলো নতুন ব্যবসায়িক সম্ভাবনা খুঁজে দেখতে বাংলাদেশে এসেছে। একই সঙ্গে তিনি দুই দেশের ৫০ বছরেরও বেশি সময়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন।</p>

<p><strong>বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সম্প্রসারণে গুরুত্ব</strong></p>

<p>প্রতিনিধিদলের সফরের মূল লক্ষ্য বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে নতুন বিনিয়োগের সুযোগ এবং ব্যবসায়িক অংশীদারত্বের সম্ভাবনা যাচাই করা। বিশেষ করে জ্বালানি, অবকাঠামো, প্রযুক্তি, ডিজিটাল অর্থনীতি, স্বাস্থ্যসেবা, কৃষি ও আর্থিক খাতকে সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র হিসেবে দেখা হচ্ছে।</p>

<p>বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে প্রতিনিধিদলের বৈঠকেও দুই দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার বিষয়টি গুরুত্ব পায়। বৈঠকে শিল্প ও অবকাঠামো খাতের পাশাপাশি জ্বালানি, প্রযুক্তি, ডিজিটাল অর্থনীতি ও স্বাস্থ্যসেবায় মার্কিন বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।</p>

<p>USBBC প্রেসিডেন্ট ও সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত Atul Keshap বাংলাদেশে বিনিয়োগের সম্ভাবনার প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং দুই দেশের বেসরকারি খাতের মধ্যে সহযোগিতা আরও বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন।</p>

<p><strong>পাঁচ বছরে আরও ৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের লক্ষ্য</strong></p>

<p>মার্কিন ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলের ঢাকা সফরের মধ্যেই বাংলাদেশে নতুন মার্কিন বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে আরও বড় একটি ঘোষণা এসেছে।</p>

<p>American Chamber of Commerce in Bangladesh (AmCham) জানিয়েছে, আগামী পাঁচ বছরে তাদের বর্তমান সদস্য প্রতিষ্ঠান এবং বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী সম্ভাব্য মার্কিন কোম্পানিগুলোর মাধ্যমে অতিরিক্ত ৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে সহায়তা ও তা mobilise করার লক্ষ্য রয়েছে।</p>

<p>১১ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকে AmCham-এর নির্বাহী কমিটি এই বিনিয়োগ লক্ষ্যের কথা জানায়। একই বৈঠকে বিনিয়োগ সহজীকরণ, কর, ভ্যাট ও শুল্কব্যবস্থার সংস্কার এবং ব্যবসায়িক পরিবেশ উন্নয়নের বিভিন্ন বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়।</p>

<p>AmCham-এর সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলো ইতোমধ্যে বাংলাদেশে ৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগ করেছে বলে সংগঠনটি জানিয়েছে। ফলে নতুন ৫ বিলিয়ন ডলারের লক্ষ্য বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশে মার্কিন করপোরেট উপস্থিতি আরও বিস্তৃত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হবে।</p>

<p><img alt="" src="https://khabor.com/upload/images/news/08172026_image06_bangladesh_america.jpeg" style="width: 899px; height: 637px;" /></p>

<p><strong>জ্বালানি ও প্রযুক্তিতে বিশেষ আগ্রহ</strong></p>

<p>বাংলাদেশের জ্বালানি খাতে মার্কিন কোম্পানিগুলোর দীর্ঘদিনের ব্যবসায়িক উপস্থিতি রয়েছে। নতুন প্রতিনিধিদলের সফরে এই খাতকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। Chevron ও Excelerate Energy-এর মতো মার্কিন কোম্পানির প্রতিনিধিত্ব সফরটির জ্বালানি খাতকেন্দ্রিক গুরুত্বও তুলে ধরছে। একই সঙ্গে Visa ও Mastercard-এর মতো বৈশ্বিক আর্থিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ বাংলাদেশের ডিজিটাল অর্থনীতি ও আর্থিক সেবার বাজার নিয়েও মার্কিন ব্যবসায়ীদের আগ্রহের ইঙ্গিত দিচ্ছে। বাংলাদেশের দ্রুত সম্প্রসারিত ডিজিটাল অর্থনীতি, জ্বালানি চাহিদা, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং বৃহৎ ভোক্তা বাজার মার্কিন কোম্পানিগুলোর জন্য নতুন ব্যবসায়িক সুযোগ তৈরি করতে পারে।</p>

<p><strong>বাণিজ্য চুক্তির পর নতুন বাস্তবতা</strong></p>

<p>বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক সম্পর্কের এই নতুন তৎপরতা এসেছে দুই দেশের Reciprocal Trade Agreement স্বাক্ষরের কয়েক মাস পর। ফলে ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলের ঢাকা সফরকে শুধু একটি সাধারণ বাণিজ্যিক সফর হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। এটি দুই দেশের সাম্প্রতিক বাণিজ্যিক সমঝোতাকে বাস্তব বিনিয়োগ, ব্যবসায়িক অংশীদারত্ব এবং দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক সহযোগিতায় রূপ দেওয়ার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে।</p>

<p>বাংলাদেশের জন্য মার্কিন বিনিয়োগ শুধু নতুন মূলধন আনার বিষয় নয়; এর সঙ্গে প্রযুক্তি স্থানান্তর, দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মসংস্থান এবং বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থায় বাংলাদেশের অংশগ্রহণ বাড়ানোর সম্ভাবনাও রয়েছে। অন্যদিকে মার্কিন কোম্পানিগুলোর জন্য বাংলাদেশ হতে পারে দক্ষিণ এশিয়ার একটি বড় ও দ্রুত পরিবর্তনশীল বাজার, যেখানে উৎপাদন, জ্বালানি, ডিজিটাল সেবা, আর্থিক প্রযুক্তি ও অবকাঠামোতে দীর্ঘমেয়াদি ব্যবসার সুযোগ রয়েছে।</p>

<p><strong>অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন অধ্যায়?</strong></p>

<p>বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পাঁচ দশকের বেশি সময়ের সম্পর্ক ঐতিহ্যগতভাবে বাণিজ্য ও তৈরি পোশাক রপ্তানিকে কেন্দ্র করে এগিয়েছে। তবে সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহে সম্পর্কের অর্থনৈতিক পরিধি আরও বিস্তৃত হওয়ার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। মার্কিন বিশেষ দূত সার্জিও গরের সাম্প্রতিক বাংলাদেশ সফরের পরপরই মার্কিন ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলের ঢাকা সফর এবং AmCham-এর অতিরিক্ত ৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের লক্ষ্য&mdash;তিনটি ঘটনাই একই সময়ে ঘটেছে। ফলে দুই দেশের সরকারি কূটনৈতিক যোগাযোগের পাশাপাশি বেসরকারি খাতের সম্পৃক্ততাও এখন নতুন গুরুত্ব পাচ্ছে।</p>

<p>তবে বিনিয়োগের আগ্রহ বাস্তব প্রকল্পে রূপান্তর করতে হলে বাংলাদেশকে ব্যবসা ও বিনিয়োগ পরিবেশের ধারাবাহিক সংস্কার, নীতিগত স্থিতিশীলতা, স্বচ্ছতা এবং দ্রুত প্রশাসনিক সেবা নিশ্চিত করতে হবে।&nbsp;সাম্প্রতিক মার্কিন ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলের সফর এবং নতুন বিনিয়োগ লক্ষ্যমাত্রা তাই বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগের পাশাপাশি একটি বড় পরীক্ষাও। মার্কিন কোম্পানিগুলোর আগ্রহকে কতটা বাস্তব বিনিয়োগে রূপ দেওয়া যায়, সেটিই আগামী দিনে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র অর্থনৈতিক সম্পর্কের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সূচক হয়ে উঠতে পারে।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/08172026_image05_bangladesh_america.jpeg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে নতুন গতি, অর্থনীতি ও কৌশলগত অংশীদারত্বে ওয়াশিংটনের আগ্রহ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/intrelations/29381</link>
    <pubDate>Tue, 18 Aug 2026 07:48:54 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক সম্পর্ক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/intrelations/29381</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/08172026_image03_sergio_gor_bangladesh_visit.jpg" />    <p>শিব্বীর আহমেদ, ওয়াশিংটন ডিসি: বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে সাম্প্রতিক সময়ে নতুন গতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের পাশাপাশি কৌশলগত সহযোগিতা, আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং রোহিঙ্গা সংকটকে ঘিরে দুই দেশের যোগাযোগও বাড়ছে। বিশেষ করে চলতি বছরের বাণিজ্য চুক্তি এবং মার্কিন প্রেসিডেন্টের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গরের সাম্প্রতিক বাংলাদেশ সফর দুই দেশের সম্পর্কের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত গুরুত্বকে নতুন করে সামনে এনেছে।</p>

<p>মার্কিন বিশেষ দূত সার্জিও গর ৩০ জুলাই থেকে ১ আগস্ট বাংলাদেশ সফর করেন। সফর শেষে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস জানায়, তাঁর সফর বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের পরিধি ও গভীরতা তুলে ধরেছে এবং দুই দেশের কৌশলগত ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত হয়েছে।</p>

<p><strong>বিনিয়োগে নতুন আগ্রহ</strong></p>

<p>সার্জিও গরের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যুক্তরাষ্ট্রের আরও বেশি বিনিয়োগ এবং দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পৃক্ততা বাড়ানোর আহ্বান জানান। বৈঠকে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, রোহিঙ্গা সংকট এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।</p>

<p>বৈঠকে গর বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেন। তিনি বাংলাদেশের পরিস্থিতিতে ইতিবাচক পরিবর্তনের কথা উল্লেখ করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ভ্রমণ পরামর্শে সাম্প্রতিক পরিবর্তন আমেরিকান বিনিয়োগকারীদের কাছে বাংলাদেশ সম্পর্কে একটি ইতিবাচক বার্তা দিতে পারে।</p>

<p>বাংলাদেশে সম্ভাব্য মার্কিন বিনিয়োগ এবং যুক্তরাষ্ট্রের International Development Finance Corporation (DFC)-এর মাধ্যমে বিনিয়োগের সুযোগ নিয়েও আলোচনা হয়েছে। একই সঙ্গে U.S.-Bangladesh Business Council-এর একটি প্রতিনিধিদলের বাংলাদেশ সফরের সম্ভাবনাও আলোচনায় আসে।</p>

<p>এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে বাণিজ্যের পাশাপাশি অবকাঠামো, জ্বালানি, প্রযুক্তি ও অন্যান্য সম্ভাবনাময় খাতে মার্কিন বেসরকারি বিনিয়োগের সুযোগ বাড়তে পারে।</p>

<p><strong>বাণিজ্য সম্পর্কে নতুন ভিত্তি</strong></p>

<p>বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র অর্থনৈতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে চলতি বছরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হলো দুই দেশের Agreement on Reciprocal Trade (ART)।</p>

<p>৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ স্বাক্ষরিত এই চুক্তির মাধ্যমে দুই দেশের বাজারে পণ্য প্রবেশের সুযোগ সম্প্রসারণ এবং দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্পর্ককে আরও কাঠামোবদ্ধ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধির কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, চুক্তির আওতায় মার্কিন শিল্প ও কৃষিপণ্যের জন্য বাংলাদেশের বাজারে বিভিন্ন সুবিধা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি রয়েছে। এর মধ্যে যন্ত্রপাতি, চিকিৎসা সরঞ্জাম, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি পণ্য, জ্বালানি এবং কৃষিপণ্যসহ বিভিন্ন খাত রয়েছে।</p>

<p>অন্যদিকে বাংলাদেশের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে প্রবেশাধিকার, রপ্তানি সুবিধা এবং মার্কিন বিনিয়োগ গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক বিষয়। ফলে ফেব্রুয়ারির বাণিজ্য চুক্তির পর গরের সফরকে দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরও কার্যকর করার ধারাবাহিক প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।</p>

<p><strong>অর্থনীতির বাইরে কৌশলগত গুরুত্ব</strong></p>

<p>বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থানও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। বঙ্গোপসাগর ও বৃহত্তর ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে বাংলাদেশের অবস্থান দেশটিকে অর্থনৈতিক ও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে।</p>

<p>গরের সফরের সময় অর্থনীতি ও বাণিজ্যের পাশাপাশি আঞ্চলিক সহযোগিতা এবং নিরাপত্তাসংশ্লিষ্ট বিষয়ও আলোচনায় আসে। প্রযুক্তি, বিনিয়োগ ও নিরাপত্তা সহযোগিতার মতো ক্ষেত্রেও দুই দেশের সম্পর্ক সম্প্রসারণের সম্ভাবনা রয়েছে।</p>

<p>সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক বিশ্লেষণগুলোতেও বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত সম্পৃক্ততার বিষয়টি উঠে এসেছে। বিশেষ করে বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক সম্পর্ক, ভারতের সঙ্গে ঢাকার সম্পর্কের পরিবর্তন এবং বঙ্গোপসাগরকেন্দ্রিক বৃহৎ শক্তিগুলোর ভূরাজনৈতিক প্রতিযোগিতার প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।</p>

<p>তবে বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ককে কেবল চীন বা ভারতকে কেন্দ্র করে ব্যাখ্যা করা হলে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের অর্থনৈতিক ও নিজস্ব স্বার্থের বিষয়গুলো আড়ালে পড়ে যেতে পারে। দুই দেশের বাণিজ্য, বিনিয়োগ, নিরাপত্তা, প্রযুক্তি ও মানবিক সহযোগিতার নিজস্ব স্বার্থও এই সম্পর্কের গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি।</p>

<p><strong>রোহিঙ্গা সংকটেও সহযোগিতা</strong></p>

<p>বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মানবিক বিষয় রোহিঙ্গা সংকট। বাংলাদেশ সফরের সময় সার্জিও গর কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন করেন।</p>

<p>রোহিঙ্গা প্রতিনিধিরা তাঁর কাছে নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক, টেকসই ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।</p>

<p>মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গার আশ্রয়, মানবিক সহায়তা এবং ভবিষ্যৎ প্রত্যাবাসন নিয়ে বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চেয়ে আসছে। যুক্তরাষ্ট্র এই মানবিক সংকটে বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার।</p>

<p>ফলে দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের পাশাপাশি রোহিঙ্গা সংকটও একটি গুরুত্বপূর্ণ সহযোগিতার ক্ষেত্র হিসেবে থেকে যাচ্ছে।</p>

<p><strong>কেন বাংলাদেশের গুরুত্ব বাড়ছে?</strong></p>

<p>বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার একটি বড় অর্থনীতি এবং বিপুল ভোক্তা বাজারের দেশ। একই সঙ্গে দেশটির তরুণ কর্মশক্তি এবং তৈরি পোশাকসহ বিভিন্ন উৎপাদন খাত বিদেশি বিনিয়োগের সম্ভাবনা তৈরি করেছে।</p>

<p>যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ একটি বাণিজ্যিক অংশীদার এবং মার্কিন কোম্পানিগুলোর জন্য একটি সম্ভাবনাময় বাজার। অন্যদিকে বাংলাদেশের জন্য যুক্তরাষ্ট্র গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানি বাজারগুলোর একটি। ফলে দুই দেশের অর্থনৈতিক স্বার্থের মধ্যে একটি শক্তিশালী পারস্পরিক নির্ভরতা রয়েছে।</p>

<p>এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বাংলাদেশের বঙ্গোপসাগরীয় অবস্থান এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে এর ক্রমবর্ধমান কৌশলগত গুরুত্ব।</p>

<p>এই বাস্তবতায় যুক্তরাষ্ট্র যেমন বাংলাদেশে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সুযোগ বাড়াতে আগ্রহী, তেমনি বাংলাদেশও মার্কিন বাজারে প্রবেশাধিকার, বিনিয়োগ, প্রযুক্তি এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে আগ্রহী।</p>

<p><strong>সামনে বাস্তবায়নের পরীক্ষা</strong></p>

<p>তবে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও রাজনৈতিক সদিচ্ছা শেষ পর্যন্ত কতটা বাস্তব অর্থনৈতিক ফলাফলে রূপ নেয়, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।</p>

<p>ফেব্রুয়ারির Reciprocal Trade Agreement-এর প্রতিশ্রুতিগুলো কীভাবে বাস্তবায়িত হয়, মার্কিন কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে নতুন বিনিয়োগে কতটা আগ্রহ দেখায় এবং দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক কীভাবে এগিয়ে যায়&mdash;এসব বিষয় আগামী দিনের সম্পর্কের বাস্তব চিত্র নির্ধারণ করবে।</p>

<p>একই সঙ্গে বাংলাদেশকে তার অর্থনৈতিক স্বার্থের পাশাপাশি ভারত, চীন, যুক্তরাষ্ট্রসহ বৃহৎ শক্তিগুলোর সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি ভারসাম্যপূর্ণ কূটনৈতিক অবস্থান বজায় রাখতে হবে।</p>

<p>সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহে অন্তত একটি বিষয় স্পষ্ট&mdash;বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক এখন শুধু পোশাক রপ্তানি বা প্রচলিত বাণিজ্যিক যোগাযোগের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রযুক্তি, মানবিক সহযোগিতা, আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং ইন্দো-প্যাসিফিক ভূরাজনীতির সমন্বয়ে সম্পর্কটি আরও বহুমাত্রিক হয়ে উঠছে।</p>

<p>সার্জিও গরের বাংলাদেশ সফর এবং চলতি বছরের Reciprocal Trade Agreement সেই পরিবর্তনের গুরুত্বপূর্ণ দুটি দৃষ্টান্ত। এখন মূল বিষয় হলো, এই কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক গতি কতটা দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারত্বে রূপ নেয়।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/08172026_image03_sergio_gor_bangladesh_visit.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[Bangladesh-U.S. Relations Gain New Momentum as Washington Deepens Economic and Strategic Engagement]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/english/29380</link>
    <pubDate>Tue, 18 Aug 2026 07:47:18 +0600</pubDate>
    <category> English </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/english/29380</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/08172026_image02_sergio_gor_bangladesh_visit.jpg" />    <p>Shibbir Ahmed, Washington, D.C.: Bangladesh-U.S. bilateral relations appear to be entering a new phase, with growing engagement on trade and investment alongside broader discussions on strategic cooperation, regional security, and the Rohingya crisis. The two countries&rsquo; trade agreement earlier this year and the recent visit to Bangladesh by U.S. Special Envoy for South and Central Asia Sergio Gor have brought renewed attention to the economic and strategic dimensions of the relationship.</p>

<p>Gor visited Bangladesh from July 30 to August 1. Following the visit, the U.S. Embassy in Dhaka said the trip underscored the breadth and depth of the Bangladesh-U.S. relationship and reaffirmed Washington&rsquo;s commitment to strengthening bilateral strategic and economic ties.</p>

<p><strong>Renewed Interest in Investment</strong></p>

<p>During a meeting with Sergio Gor, Bangladesh Prime Minister Tarique Rahman called for greater U.S. investment and stronger economic engagement between the two countries. The discussions covered trade, investment, the Rohingya crisis, and a range of issues of mutual interest.</p>

<p>Gor expressed a positive assessment of Bangladesh&rsquo;s political and economic stability. He pointed to recent positive developments in the country and suggested that changes in the U.S. travel advisory could send a favorable message to American investors about Bangladesh as an investment destination.</p>

<p>The two sides also discussed potential U.S. investment in Bangladesh and opportunities for financing through the U.S. International Development Finance Corporation (DFC). The possibility of a future visit to Bangladesh by a delegation from the U.S.-Bangladesh Business Council was also discussed.</p>

<p>If these initiatives translate into concrete projects, they could expand opportunities for U.S. companies in areas such as infrastructure, energy, technology, manufacturing, and other emerging sectors.</p>

<p><strong>A New Framework for Trade Relations</strong></p>

<p>One of the most significant recent developments in Bangladesh-U.S. economic relations has been the signing of the Agreement on Reciprocal Trade (ART) earlier this year.</p>

<p>Signed on February 9, 2026, the agreement seeks to expand market access and provide a new framework for bilateral trade. According to information from the Office of the U.S. Trade Representative, Bangladesh has committed to providing various market-access benefits for U.S. industrial and agricultural products, including machinery, medical equipment, information and communications technology products, energy-related products, and agricultural goods.</p>

<p>For Bangladesh, access to the U.S. market, export opportunities, and increased American investment remain important economic priorities. Against this backdrop, Gor&rsquo;s visit can also be viewed as part of the broader effort to translate the commitments of the February trade agreement into deeper commercial and investment ties.</p>

<p><strong>Strategic Importance Beyond Economics</strong></p>

<p>Bangladesh&rsquo;s geographic position also adds a strategic dimension to its relationship with the United States. Located along the Bay of Bengal and within the broader Indo-Pacific region, Bangladesh has increasing economic and geopolitical significance.</p>

<p>During Gor&rsquo;s visit, discussions extended beyond trade and investment to issues related to regional cooperation and security. There are also opportunities for expanding bilateral cooperation in areas such as technology, investment, and security.</p>

<p>Recent international analyses have highlighted the growing strategic engagement between Washington and Dhaka. Bangladesh&rsquo;s expanding economic relationship with China, changing dynamics with India, and the broader competition among major powers in the Bay of Bengal have all contributed to increased international attention toward Bangladesh.</p>

<p>However, viewing Bangladesh-U.S. relations solely through the lens of competition with China or India would overlook the broader interests shaping the bilateral relationship. Trade, investment, security, technology, and humanitarian cooperation all have their own significance in the relationship.</p>

<p><strong>Rohingya Crisis Remains a Major Area of Cooperation</strong></p>

<p>The Rohingya crisis remains another important pillar of Bangladesh-U.S. relations. During his Bangladesh visit, Sergio Gor visited a Rohingya refugee camp in Ukhia, Cox&rsquo;s Bazar.</p>

<p>Rohingya representatives called for continued international support for a safe, voluntary, sustainable, and dignified repatriation process.</p>

<p>Bangladesh has hosted a large Rohingya refugee population since hundreds of thousands fled violence in Myanmar. The country has repeatedly sought stronger international support for humanitarian assistance and a sustainable solution to the crisis.</p>

<p>The United States remains an important humanitarian partner for Bangladesh on the Rohingya issue. As a result, humanitarian cooperation continues to complement the broader economic and strategic relationship between the two countries.</p>

<p><strong>Why Bangladesh Matters More to Washington</strong></p>

<p>Bangladesh is one of South Asia&rsquo;s major economies, with a large consumer market and a substantial workforce. Its manufacturing base, particularly the ready-made garment sector, along with its growing services and technology sectors, offers opportunities for foreign investors.</p>

<p>For the United States, Bangladesh is an important trading partner and a potentially significant market for American companies. For Bangladesh, the United States remains one of its most important export destinations.</p>

<p>This creates a degree of economic interdependence between the two countries. Washington has an interest in expanding trade and investment opportunities in Bangladesh, while Dhaka is seeking greater access to the U.S. market, more American investment, technology cooperation, and stronger economic partnerships.</p>

<p>Bangladesh&rsquo;s location along the Bay of Bengal and its role in the wider Indo-Pacific further enhance its importance.</p>

<p><strong>Implementation Will Be the Real Test</strong></p>

<p>Despite the recent diplomatic momentum, the key question is whether political engagement and economic agreements will translate into measurable long-term results.</p>

<p>The implementation of commitments under the Reciprocal Trade Agreement, the level of interest shown by U.S. companies in new investments in Bangladesh, and the future trajectory of bilateral trade will help determine the next phase of the relationship.</p>

<p>At the same time, Bangladesh will need to maintain a balanced foreign policy while protecting its economic interests and managing relations with major powers, including the United States, China, and India.</p>

<p>Recent developments suggest that Bangladesh-U.S. relations are no longer limited to traditional trade or garment exports. Trade, investment, technology, humanitarian cooperation, regional security, and Indo-Pacific geopolitics are increasingly shaping a broader and more multidimensional partnership.</p>

<p>Sergio Gor&rsquo;s visit and the Reciprocal Trade Agreement signed earlier this year are two significant indicators of this evolving relationship. The next challenge will be turning the current diplomatic and economic momentum into sustained, mutually beneficial partnership.</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/08172026_image02_sergio_gor_bangladesh_visit.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিউইয়র্কে নৌবাহিনীর সাবেক প্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খানের স্মরণ ও দোয়া মাহফিল]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29379</link>
    <pubDate>Mon, 17 Aug 2026 10:45:01 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29379</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/705-2.jpg" />    <p>বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সাবেক প্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খানের ৪২তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বাদ মাগরিব জ্যাকসন হাইটস জামে মসজিদে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন এই কর্মসূচির আয়োজন করে।</p>

<p>অনুষ্ঠানের শুরুতে মরহুম মাহবুব আলী খানের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বক্তব্য দেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক সহসভাপতি আলহাজ সোলাইমান ভূঁইয়া। তিনি বলেন, ১৯৭৯ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সময়ে নৌপ্রধানের দায়িত্ব নিয়ে মাহবুব আলী খান বাংলাদেশ নৌবাহিনীকে আধুনিক ও শক্তিশালী হিসেবে গড়ে তুলতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। বিশেষ করে দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপসহ দেশের সামুদ্রিক সীমার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তার ঐতিহাসিক অবদানের কথা স্মরণ করেন তিনি। বক্তব্যে উপস্থিত সবার কাছে তার আত্মার মাগফিরাত কামনার পাশাপাশি তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তার রুহের মাগফিরাতও কামনা করা হয়।</p>

<p><img alt="" data-mfp-src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/1000219277.jpg" src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/1000219277.jpg" /></p>

<p data-added-after="1">মিলাদ ও দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন জ্যাকসন হাইটস জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মোহাম্মদ সাদেক। মোনাজাতে রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খান, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া ও তাদের কনিষ্ঠ পুত্র আরাফাত রহমান কোকোর আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়।</p>

<p>এ ছাড়া মোনাজাতে বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, ডা. জোবাইদা রহমানসহ জিয়া পরিবারের সব সদস্যের দীর্ঘায়ু ও সুস্বাস্থ্য কামনা করা হয়। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির অসুস্থ নেতা আব্দুস সবুর, রুহুল আমিন নাসির ও শাহাদাত হোসেন রাজুর দ্রুত সুস্থতা কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়।</p>

<p>অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতা জাকির এইচ চৌধুরী, গিয়াস উদ্দিন, মোশারফ হোসেন সবুজ, আবু সাঈদ আহমেদ, মাকসুদুল এইচ চৌধুরী, নাসিম আহমেদ, মোতাহার হোসেন, এ টি এম হেলালুর রহমান, মোহাম্মদ বাচ্চু, শেখ ইউসুফ আলী, তারেক চৌধুরী, দিপু, মনির হোসেন, মোর্শেদুল আলম, মোহাম্মদ রাসেল, নসিব ভান্ডারীসহ বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি ও সাধারণ মুসল্লি অংশ নেন।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/705-2.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[&quot;সাবান-টুথপেস্ট চুরি জৈবিক প্রয়োজন&quot; — নিউইয়র্কের এক আইনপ্রণেতার মন্তব্যে বিতর্ক]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/29378</link>
    <pubDate>Mon, 17 Aug 2026 10:44:34 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/29378</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/971-1.jpg" />    <p>নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্য অ্যাসেম্বলির সদস্য এমিলি গ্যালাগার এই সপ্তাহে দাবি করেছেন, সাবান বা টুথপেস্টের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য দোকান থেকে চুরি করা মানুষদের শাস্তি পাওয়া উচিত নয়। কারণ সেই চুরি আসলে তাদের &quot;জৈবিক প্রয়োজন&quot; থেকে আসে। ব্রুকলিনের গ্রিনপয়েন্ট এলাকার প্রতিনিধিত্বকারী এই ডেমোক্র্যাটিক সোশ্যালিস্ট আইনপ্রণেতা বৃহস্পতিবার ম্যানহাটন ক্রিমিনাল কোর্টের বাইরে কোর্ট ওয়াচ এনওয়াইসি ও অন্যান্য বামপন্থী রাজনীতিক ও ফৌজদারি ন্যায়বিচার-কর্মীদের সঙ্গে এক সংবাদ সম্মেলনে এই মন্তব্য করেন। সংগঠনটির দাবি, তারা চার দিনে ৩৬০টি আদালতে হাজিরার তথ্য পর্যবেক্ষণ করে দেখেছে, এর অর্ধেকেরও বেশি ছিল লঘু অপরাধের মামলা।</p>

<p>গ্যালাগার বলেন, &quot;আমরা যা দেখেছি তার বেশিরভাগই দারিদ্র্যজনিত অপরাধ। মানুষ টুথপেস্ট চুরি করছে, সাবান চুরি করছে। আর তার মানে হলো, আপনি যদি এসব জিনিস চুরি করেন, তার মানে আপনার সেগুলো দরকার।&quot; তিনি আরও বলেন, &quot;আমরা সিভিএস বা ওয়ালগ্রিনসের মতো শত কোটি ডলারের প্রতিষ্ঠানকে রক্ষা করার পথ বেছে নিচ্ছি, যেখানে মানুষ কষ্টে দিন কাটাচ্ছে। তাই আমি বলব, প্রকৃত অপরাধ হলো এই শহরে এমন ভয়াবহ ধনবৈষম্য থাকা, যেখানে নিছক জৈবিক প্রয়োজনের কারণেই কাউকে জেলে যেতে হতে পারে।&quot; ডেমোক্র্যাটিক সোশ্যালিস্টস অব আমেরিকার এই সদস্য জানান, তিনি &quot;চিকিৎসা, জেল নয়&quot; &mdash; এই নীতির পক্ষে সোচ্চার থাকবেন। একই অনুষ্ঠানে অন্য রাজনীতিকেরা সহকর্মী সমাজতান্ত্রিক মেয়র জহরান মামদানির প্রতি আহ্বান জানান, তিনি যেন তাঁর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী গ্রাফিতি বা ভাড়া ফাঁকি দেওয়ার মতো &quot;জীবনমানসংক্রান্ত&quot; অপরাধের বিরুদ্ধে এনওয়াইপিডির কড়াকড়ি নীতি বন্ধ করেন।</p>

<p data-added-after="1">এই মন্তব্যের পর প্রতিক্রিয়া এসেছে বিভিন্ন মহল থেকে। ব্রঙ্কসের কো-অপ সিটির একটি সুপারমার্কেটে ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে দেখা গেছে, অনেকেই এই মন্তব্যে ক্ষুব্ধ। ৬৮ বছর বয়সী রেভারেন্ড সুসান ওয়েব বলেন, &quot;চুরির জন্য শাস্তি হওয়া উচিত নয় &mdash; এটা ভাবাই বোকামি। এটা একটা অপরাধ।&quot; একাডেমিক উপদেষ্টা ৪৯ বছর বয়সী জ্যানেট ম্যাক বলেন, গ্যালাগারের মতো বামপন্থী রাজনীতিকদের নরম নীতি &quot;হাস্যকর&quot;, কারণ তাঁর ভাষায় &quot;তাঁরা চোরদের সাহায্য না করে বরং তাদের উৎসাহই দিচ্ছেন।&quot; সুপারমার্কেটের ব্যবস্থাপক ৩৩ বছর বয়সী এডউইন পিচাদো বলেন, ভাড়া ও কর্মী-খরচ এত বেশি যে এভাবে ব্যবসা চালানো সম্ভব নয় &mdash; চুরি বন্ধ না হলে দোকান বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কাও তিনি প্রকাশ করেন।</p>

<p>সমালোচনা এসেছে রাজনৈতিক মহল থেকেও। কুইন্সের রিপাবলিকান কাউন্সিলওম্যান ভিকি প্যালাডিনো এক্সে লিখেছেন, গ্যালাগারের মতো রাজনীতিকেরা বাস্তবতা আড়াল করতে চান, কারণ তাঁরা এই ধরনের কর্মকাণ্ডকে উৎসাহই দিতে চান। কুইন্সের সাবেক কাউন্সিলম্যান রবার্ট হোল্ডেন সরাসরি বলেন, গ্যালাগার &quot;একজন বড় বোকা।&quot; আরেক রিপাবলিকান কাউন্সিলওম্যান জোয়ান আরিওলা বলেন, নিউইয়র্কের ব্যবসাগুলো এমনিতেই টিকে থাকতে হিমশিম খাচ্ছে, আর এখন রাজনীতিকেরা চুরির পক্ষে সাফাই গাইলে আরও ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাবে।</p>

<p>নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগের (এনওয়াইপিডি) তথ্য অনুযায়ী, ৯ আগস্ট পর্যন্ত হিসাবে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় খুচরা দোকানে চুরির ঘটনা কমেছে ১৪ দশমিক ৭ শতাংশ এবং সাধারণ চুরির (পেটিট লার্সেনি) ঘটনা কমেছে ৫ দশমিক ৪ শতাংশ।&nbsp;<br />
&nbsp;</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/971-1.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[মসজিদ পরিদর্শন নিয়ে ক্যালিফোর্নিয়ার স্কুলের বিরুদ্ধে মামলা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29377</link>
    <pubDate>Mon, 17 Aug 2026 10:44:00 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29377</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/840-99.jpg" />    <p>যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার বে এরিয়ায় পালো অল্টো হাই স্কুলের একদল অভিভাবক তাঁদের সন্তানদের একটি মসজিদ পরিদর্শনের সফর নিয়ে স্কুলের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। দুই ইহুদি অভিভাবক, তিনজন সাবেক ইহুদি শিক্ষার্থী, একজন হিন্দু অভিভাবক ও একজন জরথুস্ত্রীয় অভিভাবককে প্রতিনিধিত্বকারী একটি সংগঠন &mdash; &quot;কমিউনিটি মেম্বারস ফর রিলিজিয়াস নিউট্রালিটি ইন পাবলিক স্কুলস&quot; &mdash; এই মামলা দায়ের করেছে, তাদের অভিযোগ, স্কুল শিক্ষার্থীদের এমনভাবে বিষয়টি তুলে ধরেছে যেন ইসলাম সামাজিক ন্যায়বিচার আন্দোলনের সঙ্গে সরাসরি সংযুক্ত।</p>

<p>মামলার বিবরণ অনুযায়ী, স্কুলের &quot;সোশ্যাল জাস্টিস পাথওয়ে&quot; কর্মসূচির অধীনে গত শরতে শিক্ষার্থীদের একটি মসজিদে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। যেখানে তাদের কোরআনের কপি দেওয়া হয় এবং ছাত্রীদের হিজাব পরার জন্য উৎসাহিত করা হয় বলে অভিযোগ। মামলায় আরও দাবি করা হয়েছে, অভিভাবকদের সম্মতি ছাড়াই শিক্ষার্থীদের ছবি তুলে অনলাইনে প্রকাশ করা হয়েছিল। মামলায় পালো অল্টো ইউনিফাইড স্কুল ডিস্ট্রিক্ট এবং স্কুলের অধ্যক্ষ ব্রেন্ট ক্লাইনকেও বিবাদী করা হয়েছে।</p>

<p>স্কুল ডিসট্রিক্টের সুপারিনটেনডেন্ট জেসন গ্লাস এক বিবৃতিতে জানান, সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনের মাধ্যমেই তাঁরা প্রথম এই মামলার কথা জানতে পারেন। আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো তাঁদের কাছে কোনো নথি পৌঁছায়নি। তিনি বলেন, তিনি অভিযোগপত্রটি পড়েছেন, তবে স্কুল ডিসট্রিক্ট এখনো কোনো অভিযোগ যাচাই করতে পারেনি। গ্লাস আরও বলেন, যেকোনো ধর্মীয় শিক্ষা অবশ্যই একাডেমিক পর্যায়ে সীমাবদ্ধ থাকতে হবে, ধর্মচর্চামূলক হওয়া চলবে না। স্কুল ডিসট্রিক্ট তাদের চলমান নীতি পর্যালোচনা করে দেখছে বলে তিনি জানান।</p>

<p data-added-after="1">অভিভাবকপক্ষ চাইছে, স্কুল ডিসট্রিক্ট স্বীকার করুক যে তারা শিক্ষার্থীদের তদারকিতে অবহেলা করেছে এবং শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের গোপনীয়তা ও যথাযথ প্রক্রিয়ার অধিকার লঙ্ঘন করেছে। মামলায় আরও অভিযোগ করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের কাউন্সিল অন আমেরিকান-ইসলামিক রিলেশনসের (সিএআইআর) বে এরিয়া কার্যালয়ের নির্বাহী পরিচালক জাহরা বিলুর সংস্পর্শেও আনা হয়েছিল। যিনি মে মাসে দেওয়া এক মন্তব্যের জন্য সমালোচিত হয়েছিলেন, যেখানে তিনি সমর্থকদের জায়নবাদ-বিরোধী মনোভাব প্রকাশে আরও সতর্ক হতে বলেছিলেন।</p>

<p>বিলু নিজে অবশ্য সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, এই মামলা &quot;বিভ্রান্তিকর।&quot; তাঁর ভাষ্যে, সরকারি স্কুল ও রাষ্ট্রের ধর্মের প্রতি নিরপেক্ষ থাকার বাধ্যবাধকতা আছে ঠিকই। কিন্তু নিরপেক্ষতার অর্থ শিক্ষার্থীদের সম্পূর্ণভাবে আড়াল করে রাখা নয়। শিক্ষকদের কাজ হলো শিক্ষার্থীদের ভিন্ন ভিন্ন বিশ্বদৃষ্টির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া, আর এই সফরে ঠিক সেটাই হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। তিনি জানান, শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ ছিল স্বেচ্ছামূলক এবং তাদের ইসলামি ধর্মচর্চা সম্পর্কে শেখানো হয়েছিল। বিলু অভিভাবকদের বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগ তুলে বলেন, তাঁরা শুধু নিজেদের সন্তানদের অন্যদের সম্পর্কে শেখা থেকে বিরত রাখতে চাইছেন তা নয়। বরং স্কুল ও স্কুল ডিসট্রিক্টগুলোকে পরবর্তী প্রজন্মকে শিক্ষিত করার প্রয়োজনীয় কাজ থেকে ভয় দেখিয়ে সরিয়ে রাখারও চেষ্টা করছেন। তাঁর ভাষায়, &quot;ঘৃণা মোকাবিলার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপায়গুলোর একটি হলো একে অপরের সম্পর্কে জানা।&quot;</p>

<p>মামলাটি এখনো আদালতে বিচারাধীন, আর এখন পর্যন্ত স্কুল ডিসট্রিক্টের পক্ষ থেকে অভিযোগগুলোর সরাসরি কোনো নিশ্চিতকরণ বা খণ্ডন আসেনি।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/840-99.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[যারা দেশে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে তাদের নজরদারিতে রাখার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29376</link>
    <pubDate>Mon, 17 Aug 2026 10:43:09 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29376</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1032-88.jpg" />    <article>
<p>যারা দেশে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে তাদের &lsquo;চোখে চোখে&rsquo; নজরদারিতে রাখতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, &lsquo;দেশে অনেক বিভ্রান্তকারী আছে, অনেক রটনাকারী আছে।</p>
</article>

<article>এদের ব্যাপারে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। দেখতে হবে এরা অতীতে কী করেছে? সেই অতীত বিবেচনা করে আমাদের তাদের চোখে চোখে রাখতে হবে, অতীত বিবেচনা করেই ভবিষ্যতে তারা কী করছে সেদিকে আমাদের নজরে রাখতে হবে।
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রধানমন্ত্রী বলেন, &lsquo;দেশকে আমাদের স্থিতিশীল রাখতে হবে। কোনো বিভ্রান্তকারীর কথায় বিভ্রান্ত হলে চলবে না।</p>
</article>

<article>বিভ্রান্তকারীরা যদি বিভ্রান্ত করতে আসে অতীতের মতো তাদেরকে সমুচিত জবাব দিতে হবে।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>রবিবার (১৬ আগস্ট) বিকেলে পুরাতন কিশোরগঞ্জ স্টেডিয়ামে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ এবং ইমাম, মুয়াজ্জিন, পুরোহিত, ভিক্ষু, পাদ্রিদেরসহ বিভিন্ন ধর্মীয় ব্যক্তিত্বদের সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।</p>

<p>প্রধানমন্ত্রী অতীতে বিভিন্ন রাজনৈতিক সংকটকালে কিছু গোষ্ঠীর ভূমিকার সমালোচনা করে বলেন, &lsquo;এরা অতীতে কী করেছে তা বিবেচনায় নিয়ে এদের চোখে চোখে রাখতে হবে। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে, ১৯৮৬ ও ১৯৯৬ সালের রাজনৈতিক ঘটনাবলি এবং বিগত ১৭ বছরের জনগণের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে রাজপথে এদের কোনো ভূমিকা ছিল না।</p>
</article>

<p>
<video autoplay="autoplay" loop="" playsinline="">Your browser does not support the video tag.</video>
</p>

<article>&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি বলেন, গত ১৭ বছরের আন্দোলনে বিএনপি ও তার মিত্র দলগুলোর নেতাকর্মীরাই গুম, খুন, নির্যাতন ও অত্যাচারের শিকার হয়েছেন।</p>

<p>সাম্প্রতিক &lsquo;সংস্কার&rsquo; সংক্রান্ত আলোচনার প্রতি ইঙ্গিত করে তারেক রহমান বলেন, &lsquo;বিগত ১৭ বছর ধরে রাজপথে অনুপস্থিত থেকে যারা আজ সংস্কারের নামে বড় বড় কথা বলছেন, তারা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন। বিএনপিই ২০২২ সালে সর্বপ্রথম রাষ্ট্রীয় সংস্কারের রূপরেখা জনগণের সামনে উপস্থাপন করেছিল। এরও আগে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বেই দেশে সংস্কারের প্রথম প্রস্তাবনা তৈরি হয়।&rsquo;</p>

<p>জনকল্যাণমূলক অগ্রাধিকারের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, &lsquo;সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের কার্যকর বাস্তবায়ন, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের ভাতা প্রদান এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার কাজ দ্রুত এগিয়ে নিতে হবে।</p>
</article>

<article>পাশাপাশি কৃষি খাতের আধুনিকায়ন এবং তরুণ-তরুণীদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে নতুন মিল-কারখানা ও শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রধানমন্ত্রী বলেন, &lsquo;মানুষকে পেছনে রেখে বা তাদের সঠিকভাবে তৈরি করতে না পারলে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারা যাবে না। আমরা যতই বড় স্লোগান দিই না কেন, মানুষকে যদি আমরা আত্মনির্ভরশীল হিসেবে গড়ে তুলতে না পারি, দেশের প্রতিটি নাগরিককে যদি আমরা অর্থনৈতিকভাবে আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তুলতে না পারি তাহলে কখনোই আমরা দেশকে গড়ে তুলতে পারব না।&rsquo;</p>

<p>অন্য কোনো দেশের অনুকরণে নয়, বাংলাদেশকে একটি আত্মনির্ভরশীল ও কল্যাণমুখী রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলাই সরকারের মূল লক্ষ্য উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, &lsquo;এমন এক বাংলাদেশ তৈরি করা হবে, যেখানে দেশের প্রতিটি শ্রেণির মানুষ রাষ্ট্রের কাছ থেকে তার প্রাপ্য মর্যাদা ও সামর্থ্য অনুযায়ী সহায়তা পাবে।&rsquo;</p>

<p>প্রধানমন্ত্রী বলেন, &lsquo;দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারী। নারীদের পেছনে ফেলে কোনো দেশ এগিয়ে যেতে পারে না। নারীদের আত্মনির্ভরশীল ও ক্ষমতায়িত করতেই ফ্যামিলি কার্ডের মতো যুগান্তকারী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে প্রতিটি পরিবারকে অর্থনৈতিকভাবে একটি শক্তিশালী ভিত্তির ওপর দাঁড় করানো সম্ভব হবে। নারীদের স্নাতক পর্যায় পর্যন্ত বিনামূল্যে পড়াশোনার সুবিধা দেওয়ার পাশাপাশি ভালো ফলাফলের জন্য সরকারি সহায়তার ব্যবস্থাও করা হচ্ছে।&rsquo;</p>

<p>কৃষি ও কৃষকের কল্যাণে সরকারের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, &lsquo;কৃষক ভাইদের পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করা বর্তমান সরকারের অগ্রাধিকার। সে লক্ষ্যেই কৃষক কার্ড প্রবর্তন করা হয়েছে। ইতোমধ্যেই ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ সুদসহ মওকুফ করা হয়েছে, যার মাধ্যমে দেশের ১৩ লাখ কৃষক সরাসরি উপকৃত হয়েছেন।&rsquo;</p>

<p>&lsquo;এ ছাড়া সেচ সুবিধা ও পানি সংকট দূরীকরণে আগামীতে দেশব্যাপী আড়াইশ কিলোমিটার খাল খনন কর্মসূচি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।&rsquo;</p>

<p>শিক্ষাব্যবস্থা উন্নতকরণে ও তরুণ প্রজন্মের জন্য নতুন রূপরেখা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, &lsquo;শুধু প্রাতিষ্ঠানিক সনদ নয়, শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড এবং ভাষার দক্ষতায় পারদর্শী করে পরিপূর্ণ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা হবে।&rsquo;</p>

<p>শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের চালু করা &lsquo;নতুন কুঁড়ি&rsquo; প্রতিযোগিতা পুনরায় চালু করার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, &lsquo;মেধা ও প্রতিভাকে সঠিকভাবে বিকাশ ঘটাতে প্রতিটি ক্ষেত্রে সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।&rsquo;</p>

<p>সমাজের সর্বস্তরের মানুষের কল্যাণে সরকারের প্রতিশ্রুতির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, &lsquo;সমাজের দিকনির্দেশক হিসেবে ইমাম, মুয়াজ্জিন, খতিব ও অন্যান্য ধর্মীয় গুরুদের আত্মনির্ভরশীল রাখতে বিশেষ সামাজিক ভাতা প্রদান করা হচ্ছে। পাশাপাশি অসচ্ছল, শারীরিক প্রতিবন্ধী ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের রাষ্ট্রীয় সহায়তা অব্যাহত রয়েছে।&rsquo;</p>

<p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, &lsquo;স্বৈরাচারের সময় বঞ্চনার শিকার ১ লাখ ২৩ হাজার শিক্ষকের অবসর ভাতার জটিলতা নিরসন করে অর্থ প্রদান সম্পন্ন করেছে বর্তমান বিএনপি সরকার।&rsquo;</p>

<p>বিএনপি দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের রাজনীতি করে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপি জনগণের কল্যাণে এমন রাজনীতি করে, যে রাজনীতি কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে, শিক্ষায় সহায়তা দেয়, কৃষকের ফসল বাড়াতে ভূমিকা রাখে এবং কলকারখানা গড়ে তোলে, সেটিই বিএনপির রাজনীতি। নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিটি অঙ্গীকার পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে এবং এই উন্নয়ন যাত্রার প্রত্যক্ষ সাক্ষী দেশের সাধারণ মানুষ।</p>

<p>তিনি বলেন, &lsquo;অর্থাৎ আমাদের লক্ষ্যই হচ্ছে দেশের জন্য কাজ করা, মানুষের জন্য কাজ করা। মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা। দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে পারলেই একমাত্র দেশের ভাগ্যের পরিবর্তন করা যাবে।&rsquo;</p>

<p>সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক এ জেড এম জাহিদ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম, সংসদ সদস্য ফজলুর রহমান, মাজহারুল ইসলাম, জালাল উদ্দীন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1032-88.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ঢাবির ফজলুল হক মুসলিম হলে মধ্যরাতে সংঘর্ষ, ভিপি-জিএসসহ আহত ৬]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29375</link>
    <pubDate>Mon, 17 Aug 2026 10:42:25 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29375</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1272-66.jpg" />    <p>ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ফজলুল হক মুসলিম হলের প্রাধ্যক্ষের বিরুদ্ধে এক শিক্ষার্থীকে কার্যালয়ে আটকে রেখে শারীরিক ও মানসিকভাবে হেনস্থার অভিযোগ উঠেছে। এর প্রতিবাদে প্রাধ্যক্ষের পদত্যাগ ও সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশের দাবিতে সন্ধ্যা থেকে কার্যালয় অবরুদ্ধ করে রাখেন শিক্ষার্থীরা।</p>

<p>প্রায় আট ঘণ্টা অবস্থানের পরও ফুটেজ প্রকাশ না করায় রোববার (১৭ আগস্ট) রাত ৩টার দিকে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা প্রাধ্যক্ষকে কার্যালয় থেকে বের করে নিতে গেলে শিক্ষার্থী ও হল সংসদের নেতারা বাধা দেন। এ নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি ও ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে।</p>

<p>এ ঘটনায় হল সংসদের ভিপি আবু নাঈম ও জিএস ইমামুল হাসানসহ অন্তত ছয়জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। আহত অন্যদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। পরে আহতদের অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।</p>

<p>এর আগে. গত ৯ আগস্ট হলের প্রাধ্যক্ষের সমালোচনা করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট শেয়ার করেন হলের আবাসিক শিক্ষার্থী মো. ইব্রাহীম। তিনি রোবোটিকস অ্যান্ড মেকাট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। ওই পোস্টের জেরে গতকাল তাকে প্রাধ্যক্ষের কক্ষে প্রায় দেড় ঘণ্টা আটকে রেখে ভয়ভীতি প্রদর্শন, শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন, মুঠোফোন কেড়ে নেওয়া এবং জোরপূর্বক লিখিত বক্তব্যে স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগ ওঠে প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ইলিয়াস আল মামুনের বিরুদ্ধে।</p>

<p>এ ঘটনার প্রতিবাদে এবং প্রাধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবিতে গতকাল রাত ৭টার পর হল কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন আবাসিক শিক্ষার্থীরা। এতে ফজলুল হক মুসলিম হল সংসদের নির্বাচিত নেতাকর্মী, ডাকসুর নেতা-কর্মী, ছাত্রশিবির নেতাকর্মী এবং জাতীয় ছাত্রশক্তির নেতারাও অংশ নেন।</p>

<p>পরে হল সংসদ ও ডাকসুর পক্ষ থেকে একটি প্রতিনিধিদল প্রাধ্যক্ষের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশের দাবি জানায়। সাক্ষাৎ শেষে প্রতিনিধিদলের সদস্যরা জানান, ইচ্ছে করেই প্রাধ্যক্ষ সিসিটিভি ফুটেজ দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।</p>

<p>এদিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং প্রাধ্যক্ষকে কার্যালয় থেকে বের করে আনতে রাতে সেখানে উপস্থিত হন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. আল মোজাদ্দেদী আলফেসানী, প্রো-ভিসি (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আব্দুস সালাম, ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর অধ্যাপক ড. ইসরাফিল প্রাং এবং কয়েকজন সহকারী প্রক্টর। সিসিটিভি প্রকাশ না করা এবং সমাধানের চেষ্টা না করার অভিযোগে একপর্যায়ে শিক্ষার্থীরা তাদেরও কার্যালয়ের ভেতরে অবরুদ্ধ করে রাখেন। পরে দুই প্রো-ভিসি সেখান থেকে বের হয়ে যান। এ সময় প্রাধ্যক্ষের কার্যালয়ের গেটে ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর অধ্যাপক ড. ইসরাফিল প্রাংয়ের সঙ্গে হল সংসদের ভিপি আবু নাঈম, জিএস ইমামুল হাসানসহ কয়েকজন শিক্ষার্থী অবস্থান করছিলেন।</p>

<p>সরেজমিনে দেখা যায়, রাত পৌনে ৩টার দিকে ছাত্রদলের একটি দল শিবিরবিরোধী স্লোগান দিতে দিতে মিছিল নিয়ে প্রাধ্যক্ষের কার্যালয়ের দিকে এগিয়ে আসে। মিছিলটি দেখে হল সংসদের ভিপি আবু নাঈম বলেন, &lsquo;শহীদুল্লাহ হলের সন্ত্রাসীরা এখানে কী করছে?&rsquo; এরপরই ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ভিপি আবু নাঈমসহ সেখানে থাকা শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালান বলে অভিযোগ ওঠে। এতে ভিপি ও জিএসসহ অন্তত ছয়জন আহত হন।</p>

<p>প্রাধ্যক্ষকে নিয়ে যাওয়ার সময় সাংবাদিকদের ভিডিও ধারণে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা বাঁধা দেয় এমন অভিযোগ করে উপস্থিত সাংবাদিকরা। তবে ঢাবি ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক মল্লিক ওয়াসি তামি বলেন, গণমাধ্যমকর্মীদের ভিডিও ধারণে কোনো বাধা দেওয়া হয়নি। তিনি বলেন, অন্যান্য হল থেকে শিবিরের নেতাকর্মীরা সেখানে এসেছিলেন। পরে ভিপি-জিএসদের ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সেখানে যান।</p>

<p>উল্লেখ্য, প্রাধ্যক্ষের কক্ষে শিক্ষার্থীকে আটকে রেখে নির্যাতনের অভিযোগের ঘটনায় সন্ধ্যা থেকেই প্রাধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবিতে কার্যালয় অবরুদ্ধ করে রেখেছিলেন শিক্ষার্থীরা। এ ঘটনায় ক্যাম্পাসে উত্তেজনা বিরাজ করছে।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1272-66.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[মেয়াদ শেষের পথে যুদ্ধবিরতি, ফের কি সংঘাতে জড়াবে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান?]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29374</link>
    <pubDate>Mon, 17 Aug 2026 10:40:01 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29374</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1373-55.jpg" />    <p>যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতির লক্ষ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকটির মেয়াদ সোমবার শেষ হতে চলেছে। তবে, কোনো পক্ষই যে চুক্তিটির মেয়াদ বাড়াতে ইচ্ছুক, তার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। উভয় পক্ষই সপ্তাহ ধরে একে অপরকে চুক্তিটি লঙ্ঘনের জন্য অভিযুক্ত করে আসছে।</p>

<p>শনিবার টেলিগ্রামে এক পোস্টে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেন, আমরা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা পুনরায় শুরু করার বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নিইনি।</p>

<p>এদিকে, কাতার ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকারীরা ইরানের সঙ্গে বার্তা আদান-প্রদান অব্যাহত রেখেছেন। আরাঘচি আরও বলেন যে, হরমুজ প্রণালীতে নতুন নৌপথ নির্ধারণের জন্য ইরান ওমানের সঙ্গে একটি পৃথক চুক্তির ওপর কাজ করছে, তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন যে এটি কেবল তখনই সম্ভব যদি একটি রাজনৈতিক সমাধান হয়।</p>

<p>মার্কিন পক্ষে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুক্রবার নিউইয়র্কে সমর্থকদের বলেছেন যে যুক্তরাষ্ট্র শীঘ্রই এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জলপথটি নিজেদের বলে দাবি করবে।</p>

<p>পাকিস্তানের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এক বিরল উচ্চ-পর্যায়ের আলোচনার পর ১৭ জুন ট্রাম্প এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের মধ্যে এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। এর উদ্দেশ্য ছিল তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা যুদ্ধের অবসান ঘটানো, যে যুদ্ধে হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছিল এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে বাণিজ্যিক চলাচল, বিশেষ করে বিশ্বব্যাপী নির্ভরশীল তেল ও গ্যাস রপ্তানি পঙ্গু হয়ে গিয়েছিল।</p>

<p>ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির মতো জটিল বিষয়গুলো পরে সমাধানের জন্য রেখে, এই চুক্তির লক্ষ্য ছিল শুধু তেহরানের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধ করার জন্য একটি তাৎক্ষণিক কূটনৈতিক সমাধান খুঁজে বের করাই নয়, বরং লেবাননের সংঘাতেরও অবসান ঘটানো।</p>

<p>চুক্তিতে বলা হয়, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র &ldquo;সামরিক অভিযানের অবিলম্বে ও স্থায়ী সমাপ্তি ঘোষণা করছে&rdquo; এবং একটি &ldquo;চূড়ান্ত চুক্তি&rdquo; &ldquo;সকল রণাঙ্গনে যুদ্ধের স্থায়ী সমাপ্তি নিশ্চিত করবে।&rdquo; চুক্তিতে বলা হয়, এই &ldquo;চূড়ান্ত চুক্তি&rdquo; জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ দ্বারা অনুমোদিত হবে এবং এটি সর্বোচ্চ ৬০ দিনের মধ্যে সম্পন্ন হবে, যা পারস্পরিক সম্মতিতে বাড়ানো যেতে পারে।</p>

<p>যুক্তরাষ্ট্রকে ৩০ দিনের মধ্যে তার নৌ অবরোধ শেষ করতে, &ldquo;চূড়ান্ত চুক্তি&rdquo; সম্পন্ন হওয়ার পর ইরানের নিকটবর্তী এলাকা থেকে তার বাহিনী সরিয়ে নিতে এবং ইরানের জন্য কমপক্ষে ৩০০ বিলিয়ন ডলারের একটি পুনর্গঠন ও উন্নয়ন প্যাকেজের কাজ শুরু করতে বলা হয়েছিল। ওয়াশিংটন ইরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে, ইরানের তেল রপ্তানিতে ছাড় দিতে এবং তেহরানকে জব্দকৃত তহবিল ব্যবহারের অনুমতি দিতেও সম্মত হয়েছে। এর বিনিময়ে, ইরান হরমুজ প্রণালী থেকে মাইন অপসারণ করবে এবং ৬০ দিনের জন্য জাহাজগুলোকে &lsquo;বিনা মূল্যে&rsquo; যাতায়াতের অনুমতি দেবে।</p>

<p>তেহরান এও পুনর্ব্যক্ত করেছে যে, তারা পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের চেষ্টা করবে না এবং ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের মতো বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করবে, যার বিস্তারিত বিবরণ জাতিসংঘের সমর্থিত একটি &lsquo;চূড়ান্ত চুক্তিতে&rsquo; তুলে ধরা হবে।</p>

<p>সূত্র: আল জাজিরা</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1373-55.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[জনপ্রিয় টিকটক তারকাকে গুলি করে হত্যা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29373</link>
    <pubDate>Mon, 17 Aug 2026 10:39:39 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29373</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1439-44.jpg" />    <article>
<p>পাকিস্তানের জনপ্রিয় এক টিকটক তারকাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।&nbsp;গত শুক্রবার (১৪ আগস্ট) ইসলামাবাদে এই ঘটনাটি ঘটে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p><a href="http://gulfnews.com/world/asia/pakistan/pakistani-tiktok-star-28-with-13m-followers-shot-dead-near-islamabad-1.500642899">গালফ নিউজের</a> প্রতিবেদনে বলা হয়, নিহত ওই নারী কনটেন্ট ক্রিয়েটরের নাম শামসো বিবি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে &lsquo;আয়েশা গিলামানা&rsquo; নামেও পরিচিত ছিলেন তিনি। তার বাবা ফজল সাহেবজাদার দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছে।</p>

<p>বিবির বাবা পুলিশকে জানান, ঘটনার দিন কাশিফ নামের এক ব্যক্তির কাছ থেকে তার মেয়ে একটি ফোন কল পান।</p>
</article>

<article>ফোনে তাকে বাড়ির বাইরে আসতে বলা হয়েছিল।
<p>&nbsp;</p>

<p>ফোন পাওয়ার পর বিবি তার ১৫ বছর বয়সী বোন আসিমা এবং ভাই নেয়ামতুল্লাহকে নিয়ে বের হন। তারা গাড়িতে করে যাওয়ার সময় একটি পেট্রল পাম্পের কাছে মোটরবাইকে থাকা দুই অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে শুরু করে।</p>

<p>অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, একটি গুলি বিবির ঘাড়ে বিদ্ধ হলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।</p>
</article>

<p>
<video autoplay="autoplay" loop="" playsinline="">Your browser does not support the video tag.</video>
</p>

<article>এ সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তাদের গাড়িটি অন্য একটি গাড়িকে ধাক্কা দিলে তার বোন আসিমা গুরুতর আহত হন।
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রতিবেদন অনুযায়ী বিবির বাবা পুলিশকে আরও জানিয়েছেন, কাউসার এবং জাভেদ নামের দুই ব্যক্তির সঙ্গে তার মেয়ের আর্থিক লেনদেন ছিল। তার অভিযোগ, অর্থ ফেরতের দাবি নিয়ে বিবিকে হুমকি দেওয়া হয়েছিল। এ নিয়ে পূর্বে ইসলামাবাদে ওই দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগও দায়ের করেছিলেন তিনি।</p>

<p>নিহতের বাবার দেয়া তথ্যমতে, বিবি প্রায় তিন থেকে চার বছর ধরে টিকটক ভিডিও তৈরি করছিলেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1439-44.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[হামাস নেতাদের সঙ্গে কেন গোপন বৈঠকে ট্রাম্পের জামাতা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29372</link>
    <pubDate>Mon, 17 Aug 2026 10:39:16 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29372</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1525-33.jpg" />    <article>
<p>ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত গাজা শান্তি পরিকল্পনা আবার চালু করতে মিসরে হামাস নেতাদের সঙ্গে গোপন বৈঠকে বসেছেন ট্রাম্পের জামাতা ও মার্কিন দূত জ্যারেড কুশনার।&nbsp;<a href="https://aninews.in/news/world/others/us-envoy-kushner-meets-hamas-leader-khalil-al-hayya-in-egypt-as-efforts-to-revive-gaza-peace-plan-intensify20260817013007/?fbclid=IwY2xjawTvT_JwZG9mBWV4dG4DYWVtAjEwAGJyaWQRMWxoU1lqNXhiSFY3ZW10dXlzcnRjBmFwcF9pZBAyMjIwMzkxNzg4MjAwODkyAAEeiqDeyOKF5GaTbjXwie9AFaX95u92iGV4FegX0o5YZVxYBLWvIqh6mJF2EBw_aem_N0opHa0c4X9IO_dzqPNASQ">মিসরের আল-আলামিনে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে</a> হামাসের জ্যেষ্ঠ নেতা খলিল আল-হায়া এবং বোর্ড অব পিস-এর পরিচালক নিকোলাই ম্লাদেনভ অংশ নেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু মার্কিন-সমর্থিত যুদ্ধবিরতি ও যুদ্ধ-পরবর্তী কাঠামোর কয়েকটি ধারা প্রত্যাখ্যান করার পর নতুন করে এই কূটনৈতিক আলোচনা শুরু হয়। এ ধারাবাহিকতায় মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসির সঙ্গে&nbsp;জ্যারেড কুশনার আলোচনা করেছেন। শান্তি প্রস্তাবটি চূড়ান্ত করতে তিনি নেতানিয়াহুসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন আঞ্চলিক নেতাদের সঙ্গেও বৈঠকে বসবেন বলে আশা করা হচ্ছে।</p>

<p>এদিকে মার্কিন রোডম্যাপ গ্রহণে ইসরায়েলের অস্বীকৃতির কঠোর সমালোচনা করেছে মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ার ৮টি দেশ।</p>
</article>

<article>জর্ডান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান, তুরস্ক, সৌদি আরব, কাতার ও মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা এক যৌথ বিবৃতিতে ইসরায়েলি পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানান। এই উদ্যোগ আটকে গেলে গাজায় স্থায়ী রাজনৈতিক সমাধানের বৈশ্বিক প্রচেষ্টা ব্যাহত হবে বলে তারা সতর্ক করে দেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>অন্যদিকে নিজের কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী। এক ভিডিও বার্তায় নেতানিয়াহু জানান, গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তা ও সামরিক উপস্থিতির বিষয়ে কোনো আপস করা হবে না।</p>
</article>

<p>
<video autoplay="autoplay" loop="" playsinline="">Your browser does not support the video tag.</video>
</p>

<article>হামাস পুরোপুরি&nbsp;অস্ত্র জমা দেওয়া&nbsp;পর্যন্ত ইসরায়েলি বাহিনী বর্তমান অবস্থান থেকে এক চুলও সরবে না বলে তিনি স্পষ্ট বার্তা দেন।</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1525-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ম্যানচেস্টার সিটিকে গুঁড়িয়ে মৌসুমের প্রথম শিরোপা জিতল আর্সেনাল]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/29371</link>
    <pubDate>Mon, 17 Aug 2026 10:38:41 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/29371</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1567-22.jpg" />    <article>
<p>নতুন মৌসুমের শুরুতেই বড় বার্তা দিল আর্সেনাল। ম্যানচেস্টার সিটিকে ৩-০ গোলে গুঁড়িয়ে এফএ কমিউনিটি শিল্ড জিতেছে মিকেল আর্তেতার।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>কার্ডিফের প্রিন্সিপালিটি স্টেডিয়ামে আজ ম্যাচের শুরু থেকেই দাপট দেখায় আর্সেনাল। মাত্র ২৩ সেকেন্ডেই এগিয়ে যায় গানাররা। দ্রুত আক্রমণে উঠে রিকার্দো কালাফিওরি দলকে এগিয়ে দেন। কমিউনিটি শিল্ডের ইতিহাসে এটিই দ্রুততম গোল।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রথমার্ধে আরেকবার সিটিকে চাপে ফেলে আর্সেনাল। ২৮ মিনিটের কাই হাভার্টজের হেড থেকে ব্যবধান দ্বিগুণ হয়। সিটির গোলকিপার জিয়ানলুইজি দোন্নারুম্মা বল ঠেকাতে পারেননি।</p>

<p>বিরতির পরও আর্সেনালের দাপট কমেনি।</p>
</article>

<p>
<video autoplay="autoplay" loop="" playsinline="">Your browser does not support the video tag.</video>
</p>

<article>দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই অধিনায়ক মার্টিন ওডেগার্ড তৃতীয় গোলটি করেন। নতুন খেলোয়াড় ক্রিস্তোস জোলিসের পাস থেকে গোলটি করেন তিনি। জোলিস ম্যাচে আর্সেনালের দুটি গোলে সহায়তা করেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>অন্যদিকে নতুন কোচ এনজো মারেস্কার অধীনে প্রথম প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচেই বড় ধাক্কা খেল ম্যানচেস্টার সিটি। ফিল ফোডেন ও আর্লিং হালান্ড কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও আর্সেনালের গোলকিপার দাভিদ রায়ার দৃঢ়তায় সফল হতে পারেননি তারা।</p>
</article>

<article>শেষ পর্যন্ত গোল না খেয়েই মাঠ ছাড়ে আর্সেনাল।
<p>&nbsp;</p>

<p>ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের নতুন মৌসুম শুরুর আগে এই জয় স্বাভাবিকভাবেই আর্সেনালের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিল। অন্যদিকে সিটির নতুন কোচ মারেস্কার জন্য শুরুটা হলো হতাশার।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1567-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[কলকাতার রাজপথে মিছিলে নেমে তোপের মুখে জয়া]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/29370</link>
    <pubDate>Mon, 17 Aug 2026 10:37:22 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/29370</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1665-11.jpg" />    <article>
<p>কলকাতার চলচ্চিত্র অঙ্গনে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন বাংলাদেশের অভিনেত্রী জয়া আহসান। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে সাধারণত দূরে থাকলেও এবার কলকাতার রাজপথে একটি মিছিলে অংশ নিয়ে আলোচনায় এসেছেন তিনি।</p>
</article>

<article>শুধু মিছিলে অংশ নেওয়াই নয়, সেখানে স্লোগান দেওয়ার পাশাপাশি সমবেত কণ্ঠে গানও গেয়েছেন এই অভিনেত্রী।
<p>&nbsp;</p>

<p>ভারতের স্বাধীনতা দিবসের আগের রাতে কলকাতায় নারীদের নিরাপত্তার দাবিতে আয়োজিত একটি মিছিলে অংশ নেন জয়া আহসান। পশ্চিমবঙ্গের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের ডাকে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে রাজনীতিক, নারী বিধায়ক, সাধারণ মানুষ ছাড়াও বাংলা চলচ্চিত্র ও সংগীতজগতের একাধিক তারকা অংশ নেন।</p>

<p>রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে সাধারণত দূরে থাকলেও কলকাতার রাজপথে একটি মিছিলে অংশ নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছেন জয়া আহসান।</p>
</article>

<article>শুধু মিছিলে অংশ নেওয়াই নয়, সেখানে স্লোগান দেওয়ার পাশাপাশি সমবেত কণ্ঠে গানও গেয়েছেন এই অভিনেত্রী।
<p>&nbsp;</p>

<p>মিছিলের ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই জয়া আহসানকে ঘিরে শুরু হয়েছে আলোচনা-সমালোচনা। কেউ কেউ প্রশ্ন তুলেছেন, বাংলাদেশের নাগরিক হয়ে কেন কলকাতার এমন একটি কর্মসূচিতে অংশ নিলেন এই অভিনেত্রী।&nbsp;</p>

<p>জয়া আহসানের সঙ্গে মিছিলে দেখা যায় ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, চৈতি ঘোষাল, ইমন চক্রবর্তী, পৌষালীসহ আরও অনেককে।</p>
</article>

<p>
<video autoplay="autoplay" loop="" playsinline="">Your browser does not support the video tag.</video>
</p>

<article>মিছিল চলাকালে সমবেত কণ্ঠে &lsquo;কারার ঐ লৌহ কপাট&rsquo; গানেও কণ্ঠ মেলান তারা।
<p>&nbsp;</p>

<p>তাদের মতে, নারীদের নিরাপত্তার মতো গুরুত্বপূর্ণ দাবিতে একজন শিল্পীর রাজপথে দাঁড়িয়ে আওয়াজ তোলা প্রশংসনীয়।</p>

<p>জানা গেছে, কলকাতার রাতের রাজপথ নারীদের জন্য আরো নিরাপদ করার দাবিতেই এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক ইস্যুকে কেন্দ্র করে নয়, নারীদের নিরাপত্তার দাবিতে আয়োজিত এই মিছিলে রাজনীতিক, তারকা ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে জয়া আহসানও অংশ নেন।</p>

<p>তবে মিছিলে অংশ নেওয়া নিয়ে এখনো প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি জয়া আহসান।</p>
</article>

<article>সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া প্রশংসা কিংবা সমালোচনা&mdash;কোনোটিরই প্রতিক্রিয়া জানাননি তিনি।
<p>&nbsp;</p>

<p>এদিকে অভিনয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন জয়া আহসান। সম্প্রতি ভারতের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে তাঁর অভিনীত সিনেমা &lsquo;আজও অর্ধাঙ্গিনী&rsquo;। মুক্তির পর ছবিটি দর্শকদের কাছ থেকে ভালো সাড়া পেয়েছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1665-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[Jackson Heights Elakabashi Observe National Mourning Day]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/english/29369</link>
    <pubDate>Sun, 16 Aug 2026 18:47:43 +0600</pubDate>
    <category> English </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/english/29369</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/08162026_image05_jackson_heights_elakabashi_jatio_shok_dibosh.jpg" />    <p><strong>Shibbir Ahmed, Jackson Heights, New York: </strong>A commemorative program marking the 51st death anniversary of Father of the Nation Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman and National Mourning Day was held in Jackson Heights, New York, with due respect and solemnity. The daylong program included a memorial gathering, prayer session, blood donation drive, and distribution of food and prayer mats.</p>

<p>The program was organized by the Jackson Heights Elakabashi&nbsp;on Saturday, August 15, in front of Nabanna Restaurant at 37-22, 73rd Street, Jackson Heights. The blood donation drive began at 1:00 p.m., followed by the distribution of food and prayer mats from 3:00 p.m.</p>

<p>At the beginning of the program, prayers were offered for the eternal peace and forgiveness of those who lost their lives during the month of August. Imam Kazi Qayum led the prayers and supplication. Following the prayer session, food and prayer mats were distributed among those attending the program.</p>

<p>According to the organizers, five cows were slaughtered for the event, and food and tabarruk were distributed among approximately 1,500 people. Fresh mango juice was also prepared and distributed among members of the general public. Prayer mats were also distributed. Chief Coordinator Shah J. Chowdhury said approximately 40 people voluntarily donated blood during the blood donation program.</p>

<p><img alt="" src="https://khabor.com/upload/images/news/08162026_image06_jackson_heights_elakabashi_jatio_shok_dibosh.jpg" style="width: 899px; height: 641px;" /></p>

<p>President of Jackson Heights Elakabashi&nbsp;Sakil Mia, General Secretary Mohammad Alam Nomi, Convener Mir Nizamul Haque, Member Secretary Mamun Miaji, Chairman Redwanul Haque, Chief Coordinator Shah J. Chowdhury, and other leaders and representatives of the organization were present at the event.</p>

<p>Speakers at the program recalled the August 15, 1975 assassination of Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman and members of his family. They prayed for the eternal peace and forgiveness of all those who were killed during August and remembered the events of August 15 as one of the darkest and most tragic chapters in the history of Bangladesh.</p>

<p>On August 15, 1975, Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman was assassinated along with members of his family. Several family members and close relatives were also killed in the massacre. His two daughters, Sheikh Hasina and Sheikh Rehana, survived because they were abroad at the time. Bangabandhu&#39;s nephew Sheikh Fazlul Haque Moni, his pregnant wife Arzu Moni, and members of the family of Abdus Rab Sernabat were also killed during the attacks.</p>

<p>Following the fall of the Awami League government on August 5, 2024, the National Mourning Day designation and public holiday associated with August 15 were abolished in Bangladesh. Despite this, Bangladeshi expatriates in Jackson Heights organized the program to remember Bangabandhu and those who lost their lives on August 15.</p>

<p>President of Jackson Heights Elakabashi&nbsp;Shakil Mia said, &ldquo;Although we live abroad, expatriate Bangladeshis have a deep connection with the history and heritage of Bangladesh. This type of program is organized with the aim of introducing the younger generation to the history of the country and the spirit of the Liberation War, while also bringing everyone together in social and humanitarian activities.&rdquo;</p>

<p><img alt="" src="https://khabor.com/upload/images/news/08162026_image08_jackson_heights_elakabashi_jatio_shok_dibosh.jpg" style="width: 899px; height: 674px;" /></p>

<p>General Secretary Mohammad Alam Nomi said, &ldquo;A large number of people participated in the program organized by the Jackson Heights Elakabashi. Through distributing food and prayer mats among approximately 1,500 people and preparing tabarruk from five slaughtered cows, we tried to strengthen our connection with the community. We will continue such social and humanitarian activities in the future.&rdquo;</p>

<p>Chairman Redwanul Haque said, &ldquo;It is our responsibility to remember Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman and those who were killed on August 15, even while living abroad. At the same time, we must work together for the welfare of our community.&rdquo;</p>

<p>Chief Coordinator Shah J. Chowdhury said, &ldquo;This year&#39;s program included a memorial gathering, prayer session, distribution of food and prayer mats, as well as a blood donation drive. Approximately 40 people voluntarily donated blood. We will continue organizing similar programs in the future as part of our commitment to serving people and fulfilling our social responsibilities.&rdquo;</p>

<p>Children&#39;s author and a prominent voice for the Liberation War, Humayun Kabir Dhali, said that remembering the history of Bangladesh&#39;s Liberation War, Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman, and those who were killed on August 15 is a moral responsibility even for Bangladeshis living abroad. He emphasized the importance of presenting the younger generation with an accurate account of the Liberation War and the sacrifices made during that period. He also called on expatriate Bangladeshis to remain united and participate in social and humanitarian activities while preserving the history and heritage of the nation.</p>

<p>Also present at the program were Joint Conveners Mia Md. Dulal, Alamgir Hossain, Abdul Malek, and Abdul Hamid. The program was conducted by Shah Newaz. Joint Member Secretaries were Duke Khan and Md. Mahbub Rahman. Bipul Saha and Moinuzzaman Chowdhury were responsible for supervision. The principal patrons were M. A. Aziz and Asef Bari Tutul.</p>

<p><img alt="" src="https://khabor.com/upload/images/news/08162026_image09_jackson_heights_elakabashi_jatio_shok_dibosh.jpg" style="width: 899px; height: 647px;" /></p>

<p>Co-Chairmen present at the event included Sakhawat Biswas, Z. R. Chowdhury (Litu), and Mofizur Rahman. Patrons included Moinul Islam, Attorney Moin Chowdhury, Ashraf Chowdhury Khokon, Sohel Gazi, Fahad Solaiman, Nurul Azim, and Tarek Hasan Khan.</p>

<p>The chief adviser to the program was Shah Newaz. Other advisers included Harun Bhuiyan, Md. Mohiuddin Dewan, Rashed Ahmed, Ishtiaq Rumi, Sirajul Haque Kamal, Kamruzzaman Kamrul, Mansur Chowdhury, Md. Piar, Rafiq Ahmed, Iqtaruzzaman Ratan, Md. Kabir Ratan, Shafiuddin Mia, and Shahadat Hossain.</p>

<p>The program received support from Golden Age Home Care, NY Home Care, All County Home Care, Bari Home Care, NY Senior Adult Day Care, Caring Friend Direct, Eternal Care Service, Dera Restaurant, Ruposhi Chandpur Foundation, Premium Sweets, Reliable Home Care, First Home Care, SS Brokerage, JBBA, Patel Brothers, and various individuals, organizations, and business owners.</p>

<p>Additional supporters included Md. Manik Babu, Zahid Alam, Kamruzzaman Bakul, Humayun Kabir Dhali, Anwar Milon, Abu Nasr, Shams Jony, Shaheen Chowdhury, Aftab Jony, Akram Hossain Biplob, Md. Sayem Ullah, Mukta Mia, Gopal Sanyal, Z. A. Joy, Jahangir H. Mia, Nuruzzaman Sardar, Golam Kibria, Kamal Hossain Rakib, H. M. Iqbal, Zafar Ahmed, Wasim, Ganesh Kirtaniya, Md. Radbi, Shahriar Hossain, Shovon, Anwar Uddin, Mohiuddin Rahul, Redwanur Rahman Jewel, Jahanara Akter (Lucky), Farhana Chowdhury, Monir Hossain, Shyamal Nath, Matiur Rahman, Matin, Manzur Chowdhury, Md. Zahid Mia, Anisuzzaman Sobuj, Abdul Hadi Rana, Bidyut Hossain, and Hasanuzzaman Sabu, among others.</p>

<p><img alt="" src="https://khabor.com/upload/images/news/08162026_image07_jackson_heights_elakabashi_jatio_shok_dibosh.jpg" style="width: 899px; height: 480px;" /></p>

<p>Also present at the event were Rashed Ahmed, Faruk Hossain, Golam Mostafa Khan Meraj, Mukit Chowdhury, Lavlu Ansar, Abul Bashar Chunnu, Khurshed Alam Bablu, Mizanur Rahman, Md. Chana Ullah, and Saikat Akbar (Ritchie).</p>

<p>The organizers said that Bangladeshi expatriates in Jackson Heights intend to continue organizing such programs to remember the history of Bangladesh, the spirit of the Liberation War, Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman, and those who lost their lives on August 15. They also expressed their commitment to standing beside members of the Bangladeshi community in New York through continued social and humanitarian initiatives.</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/08162026_image05_jackson_heights_elakabashi_jatio_shok_dibosh.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসীর উদ্যোগে জাতীয় শোক দিবস পালিত]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/29368</link>
    <pubDate>Sun, 16 Aug 2026 18:42:05 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/29368</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/08162026_image04_jackson_heights_elakabashi_jatio_shok_dibosh.jpg" />    <p><strong>শিব্বীর আহমেদ, জ্যাকসন হাইটস, নিউইয়র্ক: </strong>যথাযোগ্য মর্যাদায় নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৫১তম মৃত্যুবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে শোকসভা, দোয়া মাহফিল, রক্তদান কর্মসূচি এবং তবারক বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৫ আগস্ট) জ্যাকসন হাইটসের ৩৭-২২, ৭৩ স্ট্রিটে নবান্ন রেস্টুরেন্টের সামনে জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসীর উদ্যোগে দিনব্যাপী এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। দুপুর ১টা থেকে রক্তদান কর্মসূচি এবং বিকেল ৩টা থেকে খাবার ও জায়নামাজ বিতরণ শুরু হয়।</p>

<p>অনুষ্ঠানের শুরুতে আগস্ট মাসে নিহতদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও মুনাজাত করা হয়। দোয়া পরিচালনা করেন ইমাম কাজী কাইয়ুম। দোয়া-মুনাজাত শেষে উপস্থিত মানুষের মধ্যে খাবার ও জায়নামাজ বিতরণ করা হয়। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, কর্মসূচিতে পাঁচটি গরু জবাই করা হয় এবং প্রায় দেড় হাজার মানুষের মধ্যে খাবার ও তবারক বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি মানুষের মধ্যে জায়নামাজও বিতরণ করা হয়। এছাড়াও তাজা আমের জুস বানিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিতরণ করা হয়।&nbsp; অনুষ্ঠানের প্রধান সমন্বয়ক শাহ জে চৌধুরী জানান, রক্তদান কর্মসূচিতে প্রায় ৪০ জন স্বেচ্ছায় রক্তদান করেন।</p>

<p><img alt="" src="https://khabor.com/upload/images/news/08162026_image05_jackson_heights_elakabashi_jatio_shok_dibosh.jpg" style="width: 899px; height: 564px;" /></p>

<p>অনুষ্ঠানে জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসীর সভাপতি সাকিল মিয়া, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলম নমি, আহ্বায়ক মীর নিজামুল হক, সদস্য সচিব মামুন মিয়াজী, চেয়ারম্যান রেদোয়ানুল হক ও প্রধান সমন্বয়ক শাহ জে চৌধুরীসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বক্তারা ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের হত্যাকাণ্ডের কথা স্মরণ করেন। তাঁরা আগস্ট মাসে নিহত সবার আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং বাংলাদেশের ইতিহাসে ১৫ আগস্টের ঘটনাকে গভীর শোক ও বেদনার সঙ্গে স্মরণ করেন।</p>

<p>উল্লেখ্য, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করা হয়। ওই হত্যাকাণ্ডে বঙ্গবন্ধুর পরিবারের সদস্য ও নিকটাত্মীয়সহ অনেকে নিহত হন। বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা সে সময় বিদেশে অবস্থান করায় প্রাণে বেঁচে যান। একই সময় বঙ্গবন্ধুর ভাগনে শেখ ফজলুল হক মনি, তাঁর অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আরজু মনি এবং আবদুর রব সেরনিয়াবাতের পরিবারের সদস্যদেরও হত্যা করা হয়। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বাংলাদেশে ১৫ আগস্টের জাতীয় শোক দিবস ও সরকারি ছুটি বাতিল করা হয়। এরপরও নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসের প্রবাসী বাংলাদেশিদের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধু ও ১৫ আগস্টের শহীদদের স্মরণে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।</p>

<p><img alt="" src="https://khabor.com/upload/images/news/08162026_image06_jackson_heights_elakabashi_jatio_shok_dibosh.jpg" style="width: 899px; height: 641px;" /></p>

<p>জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসীর সভাপতি সাকিল মিয়া বলেন, &ldquo;প্রবাসে বসবাস করলেও বাংলাদেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সঙ্গে প্রবাসীদের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। নতুন প্রজন্মের কাছে দেশের ইতিহাস ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা তুলে ধরার পাশাপাশি সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে সবাইকে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যেই এ ধরনের আয়োজন করা হয়েছে।&rdquo;</p>

<p>সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলম নমি বলেন, &ldquo;জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসীর উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে বিপুলসংখ্যক মানুষ অংশ নিয়েছেন। প্রায় দেড় হাজার মানুষের মধ্যে খাবার ও জায়নামাজ বিতরণ এবং পাঁচটি গরু জবাই করে তবারক বিতরণের মাধ্যমে মানুষের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।&rdquo;</p>

<p><img alt="" src="https://khabor.com/upload/images/news/08162026_image07_jackson_heights_elakabashi_jatio_shok_dibosh.jpg" style="width: 899px; height: 480px;" /></p>

<p>চেয়ারম্যান রেদোয়ানুল হক বলেন, &ldquo;১৫ আগস্টের মতো একটি ঐতিহাসিক ও শোকাবহ দিনে প্রবাসে থেকেও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং ওই দিনের শহীদদের স্মরণ করা আমাদের দায়িত্ব। একই সঙ্গে কমিউনিটির মানুষের কল্যাণে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।&rdquo;</p>

<p>প্রধান সমন্বয়ক শাহ জে চৌধুরী বলেন, &ldquo;এবারের কর্মসূচিতে শোকসভা, দোয়া মাহফিল ও খাবার-জায়নামাজ বিতরণের পাশাপাশি রক্তদান কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। এতে প্রায় ৪০ জন স্বেচ্ছায় রক্তদান করেছেন। মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং সামাজিক দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে ভবিষ্যতেও এ ধরনের কর্মসূচি আয়োজন করা হবে।&rdquo;</p>

<p><img alt="" src="https://khabor.com/upload/images/news/08162026_image08_jackson_heights_elakabashi_jatio_shok_dibosh.jpg" style="width: 899px; height: 674px;" /></p>

<p>শিশু সাহিত্যিক ও মুক্তিযুদ্ধের বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর হুমায়ুন কবির ঢালী বলেন, প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং ১৫ আগস্টের শহীদদের স্মরণ করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। নতুন প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস ও আত্মত্যাগের কথা তুলে ধরতে হবে। তিনি বলেন, দেশ ও জাতির ইতিহাসকে ধারণ করে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ঐক্যবদ্ধভাবে সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে এগিয়ে আসতে হবে।</p>

<p>অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম আহ্বায়ক মিয়া মো. দুলাল, আলমগীর হোসেন, আব্দুল মালেক ও আব্দুল হামিদ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন শাহ নেওয়াজ। যুগ্ম সদস্য সচিবের দায়িত্বে ছিলেন ডিউক খান ও মো. মাহবুব রহমান। তত্ত্বাবধানে ছিলেন বিপ্লব সাহা ও ময়নুজ্জামান চৌধুরী। প্রধান পৃষ্ঠপোষক ছিলেন এম এ আজিজ ও আসেফ বারী টুটুল। কো-চেয়ারম্যান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাখাওয়াত বিশ্বাস, জেড আর চৌধুরী (লিটু) ও মফিজুর রহমান। পৃষ্ঠপোষকদের মধ্যে ছিলেন মইনুল ইসলাম, অ্যাটর্নি মঈন চৌধুরী, আশরাফ চৌধুরী খোকন, সোহেল গাজী, ফাহাদ সোলায়মান, নুরুল আজিম ও তারেক হাসান খান।</p>

<p>অনুষ্ঠানের প্রধান উপদেষ্টা ছিলেন শাহ নেওয়াজ। অন্যান্য উপদেষ্টাদের মধ্যে ছিলেন হারুন ভূঁইয়া, মো. মহিউদ্দিন দেওয়ান, রাশেদ আহমেদ, ইশতিয়াক রুমী, সিরাজুল হক কামাল, কামরুজ্জামান কামরুল, মনসুর চৌধুরী, মো. পিয়ার, রফিক আহমেদ, ইকতারুজ্জামান রতন, মো. কবির রতন, শফিউদ্দিন মিয়া ও শাহাদাৎ হোসেন।</p>

<p><img alt="" src="https://khabor.com/upload/images/news/08162026_image09_jackson_heights_elakabashi_jatio_shok_dibosh.jpg" style="width: 899px; height: 647px;" /></p>

<p>অনুষ্ঠানের সার্বিক সহযোগিতায় ছিল গোল্ডেন এইজ হোম কেয়ার, এন ওয়াই হোম কেয়ার, অল কাউন্টি হোম কেয়ার, বারী হোম কেয়ার, এন ওয়াই সিনিয়র এডাল্ট ডে কেয়ার, কেয়ারিং ফ্রেন্ড ডিরেক্ট, এটারনাল কেয়ার সার্ভিস, ডেরা রেস্টুরেন্ট, রূপসী চাঁদপুর ফাউন্ডেশন, প্রিমিয়াম সুইটস, রিলায়েবল হোম কেয়ার, ফার্স্ট হোম কেয়ার, এস এস ব্রোকারেজ, জেবিবিএ, পাটেল ব্রাদার্সসহ বিভিন্ন ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসায়ী।</p>

<p>সার্বিক সহযোগিতায় আরও ছিলেন মো. মানিক বাবু, জাহিদ আলম, কামরুজ্জামান বকুল, হুমায়ূন কবীর ঢালী, আনোয়ার মিলন, আবু নসর, শামস জনি, শাহীন চৌধুরী, আফতাব জনি, আকরাম হোসেন বিপ্লব, মো. সায়েম উল্লাহ, মুক্তা মিয়া, গোপাল সান্যাল, জেড এ জয়, জাহাঙ্গীর এইচ মিয়া, নুরুজ্জামান সরদার, গোলাম কিবরিয়া, কামাল হোসেন রাকিব, এইচ এম ইকবাল, জাফর আহমেদ, ওয়াসীম, গনেশ কীর্তণীয়া, মো. রাদবি, শাহরিয়ার হোসেন, শোভন, আনোয়ার উদ্দিন, মহিউদ্দিন রাহুল, রেদওয়ানুর রহমান জুয়েল, জাহানারা আক্তার (লাকী), ফারহানা চৌধুরী, মনির হোসেন, শ্যামল নাথ, মতিউর রহমান, মতিন, মঞ্জুর চৌধুরী, মো. জাহিদ মিয়া, আনিসুজ্জামান সবুজ, আব্দুল হাদী রানা, বিদ্যুৎ হোসেন ও হাসানুজ্জামান সাবুসহ অনেকে। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাশেদ আহমেদ, ফারুক হোসেন, গোলাম মোস্তফা খান মেরাজ, মুকিত চৌধুরী, লাভলু আনসার, আবুল বাসার চুন্নু, খুরশেদ আলম বাবলু, মিজানুর রহমান, মো. ছানা উল্লাহ এবং সৈকত আকবর (রিচি)।</p>

<p>আয়োজকরা জানান, প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশের ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং বঙ্গবন্ধু ও ১৫ আগস্টের শহীদদের স্মরণে জ্যাকসন হাইটসের প্রবাসী বাংলাদেশিরা এ ধরনের কর্মসূচি অব্যাহত রাখতে চান। একই সঙ্গে সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে নিউইয়র্কের বাংলাদেশি কমিউনিটির মানুষের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তাঁরা।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/08162026_image04_jackson_heights_elakabashi_jatio_shok_dibosh.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু হত্যা ও ৫ আগস্টের ‘রেজিম চেঞ্জ অপারেশন’ এক সূত্রে গাঁথা: জাসদ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/bangladesh/29367</link>
    <pubDate>Sun, 16 Aug 2026 17:51:34 +0600</pubDate>
    <category> সারাবাংলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/bangladesh/29367</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/08162026_image03_jashod_jatio_shok_dibosh.jpg" />    <p>ঢাকাঃ ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু হত্যা ও ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের &lsquo;রেজিম চেঞ্জ অপারেশন&rsquo; একই সূত্রে গাঁথা বলে জানিয়েছে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ। আজ শনিবার বিকেলে রাজধানীর গুলিস্থানে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব কথা জানান নেতারা।&nbsp;এ ছাড়াও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে মাল্যদান, ১ মিনিট নীরবতা পালন করে শ্রদ্ধা নিবেদন করে জাতীয় শোক দিবস পালন করেছে দলটি।</p>

<p>জাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শফিউদ্দিন মোল্লার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন জাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা সাইফুজ্জামান বাদশা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহিল কাইয়ূম, জাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সরদার হুমায়ূন কবির প্রমুখ। সভায় বক্তারা বলেন, ১৫ আগস্ট সপরিবার বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড শুধু বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাসই না, বিশ্বের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি কালো দিন, কলঙ্কিত দিন, সবচেয়ে বড় বিয়োগান্ত ঘটনা।</p>

<p>জাসদ নেতাদের দাবি, &lsquo;বাংলাদেশের জন্মশত্রু, চিরশত্রুরা ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছিল। সেই একই শক্তি ২০২৬ এর জুলাইয়ে মেটিক্যুলাস ডিজাইনে কোটা আন্দোলনের ছদ্মবেশে ৫ আগস্ট রেজিম চেঞ্জ অপারেশনের ঘটিয়েছে।&rsquo; বক্তারা বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু ভবন গুঁড়িয়ে দেওয়া, বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ম্যুরাল গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনাই প্রমাণ করে ১৫ আগস্ট ও ৫ আগস্ট সেই একই রাজনৈতিক শক্তি বাংলাদেশের জন্মশত্রু-চিরশত্রুদের কাজ। তারা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে পরাজয়ের প্রতিশোধ নিচ্ছে, প্রতিহিংসা চরিতার্থ করছে।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/08162026_image03_jashod_jatio_shok_dibosh.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[মানবতার সেবায় বগুড়ায় হেল্পিং হ্যান্ড ফাউন্ডেশনের নির্বাহী সদস্য আলমগীর হোসাইন]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/bangladesh/29366</link>
    <pubDate>Sun, 16 Aug 2026 17:36:30 +0600</pubDate>
    <category> সারাবাংলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/bangladesh/29366</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/08162026_image01_helping_hand.jpeg" />    <p>বগুড়া প্রতিনিধি: সুদূর যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশে এসে বগুড়ায় হেল্পিং হ্যান্ড ফাউন্ডেশনের মানবিক কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন সংগঠনটির নির্বাহী সদস্য ও আমেরিকা প্রবাসী আলমগীর হোসাইন। এ সময় তিনি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে ফাউন্ডেশনের বিভিন্ন কার্যক্রম ঘুরে দেখেন এবং সুবিধাভোগী নারী-পুরুষদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। ঢাকা থেকে বগুড়ায় এসে আলমগীর হোসাইন ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে ইতিপূর্বে সহযোগিতা পাওয়া বিভিন্ন সুবিধাভোগীর খোঁজখবর নেন। এ সময় আর্থিক সহায়তা, সেলাই মেশিন, ঘর নির্মাণসহ বিভিন্ন ধরনের সহযোগিতা পাওয়া মানুষের সঙ্গে তিনি সরাসরি কথা বলেন এবং তাদের বর্তমান জীবনযাত্রা সম্পর্কে জানতে চান।</p>

<p>সফরকালে তিনি সুবিধাভোগীদের মধ্যে নিজ হাতে কাপড় ও নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করেন। পাশাপাশি ফাউন্ডেশনের চলমান মানবিক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে বিস্তারিত অবগত হন।&nbsp;আলমগীর হোসাইনের সঙ্গে এ সময় তার স্ত্রী, এক ছেলে ও দুই কন্যা উপস্থিত ছিলেন। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে তিনি বগুড়ার অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর ফাউন্ডেশনের বিভিন্ন উদ্যোগ প্রত্যক্ষ করেন।</p>

<p><img alt="" src="https://khabor.com/upload/images/news/08162026_image02_helping_hand.jpeg" style="width: 799px; height: 461px;" /></p>

<p>ফাউন্ডেশন সংশ্লিষ্টরা জানান, মানবিক সহায়তার পাশাপাশি অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জীবনমান উন্নয়নে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে হেল্পিং হ্যান্ড ফাউন্ডেশন। দেশের বাইরে অবস্থান করেও সংগঠনের কার্যক্রমে যুক্ত থেকে আলমগীর হোসাইনের এ সফর এবং সহযোগিতা কার্যক্রমকে তারা ইতিবাচকভাবে দেখছেন। সফর শেষে আলমগীর হোসাইন ও তার পরিবারের সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ফাউন্ডেশনের সংশ্লিষ্টরা। মানবতার কল্যাণে ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তারা।<br />
&nbsp;</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/08162026_image01_helping_hand.jpeg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিউইয়র্কে বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন ২০২৬: কুনু-ফিরোজ পরিষদের আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারণা শুরু ব্রঙ্কস থেকে]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/29365</link>
    <pubDate>Sun, 16 Aug 2026 10:46:07 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/29365</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/422-3.jpg" />    <p>নিউইয়র্কে প্রবাসী বাংলাদেশিদের অন্যতম বৃহৎ সামাজিক সংগঠন বাংলাদেশ সোসাইটির আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে কুনু-ফিরোজ পরিষদের আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হয়েছে। ১১ আগস্ট মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ব্রঙ্কসের গোল্ডেন প্যালেসে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে নির্বাচনী প্রচারণার আনুষ্ঠানিক সূচনা করা হয়। সভায় কুনু-ফিরোজ পরিষদের ব্রঙ্কস ব্যুরো নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করা হয়।<img alt="" decoding="async" height="1152" sizes="(max-width: 2048px) 100vw, 2048px" src="https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/08/Kunu_Feroz_2.jpg" srcset="https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/08/Kunu_Feroz_2.jpg 2048w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/08/Kunu_Feroz_2-300x169.jpg 300w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/08/Kunu_Feroz_2-1024x576.jpg 1024w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/08/Kunu_Feroz_2-150x84.jpg 150w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/08/Kunu_Feroz_2-768x432.jpg 768w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/08/Kunu_Feroz_2-1536x864.jpg 1536w" width="2048" /><br />
বাংলাবাজার জামে মসজিদের ইমাম-খতীব মাওলানা আবুল কাশেম এয়াহইয়ার কোরআন তেলাওয়াত ও দোয়ার মাধ্যমে শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সোসাইটির ট্রাস্টি বোর্ড এর সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল আজিজ।<br />
বিশিষ্ট কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব বীর মুক্তিযোদ্ধা তোফায়েল চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং জামিল আনসারি ও মাইনুদ্দিন নটুর যৌথ সঞ্চালনায় কুনু-ফিরোজ সমর্থক গোষ্ঠী ব্রঙ্কস আয়োজিত এ মতবিনিময় সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ সোসাইটির সভাপতি প্রার্থী আজমল হোসেন কুনু, সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী ফিরোজ আহমেদ, বিশিষ্ট কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব আলহাজ্ব সোলায়মান ভূঁইয়া, বাবুল চৌধুরী, আনোয়ার হোসেন, মইনুল ইসলাম, রুহুল আমিন সিদ্দিকী, দুলাল বেহেদু, মনজুর চৌধুরী জগলু, মিজানুর রহমান চৌধুরী শেফাজ, বেলাল ইসলাম, মীর মারফত উল্লাহ সুমন, ফুল মিয়া, মোহাম্মদ সোলায়মান, ফারুক চৌধুরী, নুরে আলম জিকু, শাহ সুফিয়ান, শফিকুর রহমান, প্রফেসর আব্দুল করিম, ইদ্রিছ আলী, জাবেদ উদ্দিন, আবুল কালাম ভূঁইয়া, নওশের আহমেদ, জাফর তালুকদার, মিয়া মোহাম্মদ আলতাফ, আহাদ মিয়া, সৈয়দ গৌছুল হোসেন, মোশতাকুর রহমান লিটন, আক্তারুজ্জামান হ্যাপী, মোঃ আলাউদ্দিন, এন ইসলাম মামুন, কাজী সুমন প্রমুখ।<img alt="" decoding="async" height="1152" sizes="(max-width: 2048px) 100vw, 2048px" src="https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/08/Kunu_Feroz_3.jpg" srcset="https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/08/Kunu_Feroz_3.jpg 2048w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/08/Kunu_Feroz_3-300x169.jpg 300w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/08/Kunu_Feroz_3-1024x576.jpg 1024w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/08/Kunu_Feroz_3-150x84.jpg 150w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/08/Kunu_Feroz_3-768x432.jpg 768w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/08/Kunu_Feroz_3-1536x864.jpg 1536w" width="2048" /><br />
উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত এ সমাবেশে বাংলাদেশি কমিউনিটির গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিপুল সংখ্যক প্রবাসী উপস্থিত ছিলেন।<br />
মত বিনিময় সভায় কুনু-ফিরোজ পরিষদের ব্রঙ্কস ব্যুরো নির্বাচন পরিচালনা কমিটির নাম ঘোষণা করা হয়। কমিটিতে রয়েছেন : চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সোলায়মান ভূঁইয়া, প্রধান উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা তোফায়েল চৌধুরী, আহবায়ক আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী খসরু, সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোঃ সোলায়মান, প্রধান সমন্বয়কারী লেইছ চৌধুরী।<br />
সভায় কুনু-ফিরোজ পরিষদের ২১ সদস্য বিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটিতে ব্রঙ্কস থেকে ৪ জনকে নির্বাচনে প্রাথমিকভাবে মনোনয়ন প্রদানে বাছাই করা হয়। তারা হলেন: সৈয়দ গৌছুল হোসেন, জামিল আনসারি, মাইনুদ্দিন নটু ও কাজী সুমন।<br />
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ সোসাইটির নির্বাচন শুধু একটি সংগঠনের নেতৃত্ব নির্বাচনের বিষয় নয়, এটি নিউইয়র্কে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের ঐক্য, অধিকার, মর্যাদা ও কল্যাণের সঙ্গে সম্পৃক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া। তারা যোগ্য, সৎ ও গ্রহণযোগ্য নেতৃত্ব নির্বাচনের জন্য ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানান।<br />
নির্বাচনী প্রচারণার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রার্থীরা তাদের পরিকল্পনা, ভবিষ্যৎ কর্মসূচি এবং বাংলাদেশ সোসাইটিকে আরও কার্যকর ও আধুনিক সংগঠন হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। পাশাপাশি নতুন প্রজন্মকে সংগঠনের কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত করা, কমিউনিটির ঐক্য সুদৃঢ় করা এবং প্রবাসীদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রাখার ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়।<br />
আয়োজকদের মতে, ব্রঙ্কসে সভায় প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার নেতৃবৃন্দ, সংগঠক, সমাজকর্মী ও সাধারণ ভোটারদের উপস্থিতিতে নির্বাচনী কার্যক্রমের নতুন অধ্যায়ের সূচনা হল।<br />
বক্তৃতা, স্লোগান ও শুভেচ্ছা বিনিময়ের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া এই প্রচারণা আগামী দিনগুলোতে নিউইয়র্কের বাংলাদেশি কমিউনিটিতে আরও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন।<br />
সংশ্লিষ্টদের মতে, বাংলাদেশ সোসাইটি নির্বাচন ২০২৬ ঘিরে এরই মধ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে দেখা দিয়েছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা। নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হওয়ার মধ্য দিয়ে এখন সরগরম হয়ে ওঠছে বাংলাদেশি অধ্যুষিত বিভিন্ন এলাকা/</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/422-3.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[অক্টোবরেই চালু হবে ৫ বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল : প্রধানমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29364</link>
    <pubDate>Sun, 16 Aug 2026 10:44:13 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29364</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/704-2.jpg" />    <article>
<p>শিশু স্বাস্থ্যসেবা উন্নত করার লক্ষ্যে খুলনা, বরিশাল, রংপুর রাজশাহী বিভাগ ও কুমিল্লা জেলায় পাঁচটি ২০০ শয্যাবিশিষ্ট বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল চালুর কাজ শুরু করেছে সরকার। আগামী অক্টোবর মাসেই একযোগে এ হাসপাতালগুলো উদ্বোধন করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>শনিবার (১৫ আগস্ট) সকালে রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হাসপাতালের নবনির্মিত ৫০০ শয্যার নতুন ভবন উদ্বোধন শেষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা জানান।</p>

<p>এর আগে সকাল ১০টার দিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হাসপাতালের নতুন ৫০০ শয্যার ভবনটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন।</p>

<p>উদ্বোধনী কার্যক্রমের অংশ হিসেবে তিনি হাসপাতাল প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপণ করেন। এরপর বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন এবং বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে নতুন ভবনের শুভ সূচনা করেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/national/2026/08/15/1725710" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনসহ সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।</p>

<p>প্রধানমন্ত্রী বলেন, আধুনিক স্বাস্থ্যব্যবস্থার লক্ষ্য শুধু অবকাঠামো ও প্রযুক্তির সম্প্রসারণ নয়। উন্নত প্রযুক্তি, দক্ষ মানবসম্পদ, সুশাসন ও সময়োপযোগী নীতির সমন্বয়ের মাধ্যমে দেশের প্রতিটি মানুষের জন্য সহজলভ্য, সাশ্রয়ী ও মানসম্মত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করাই এর মূল লক্ষ্য।</p>

<p>তিনি বলেন, ২০০৬ সালের ২৩ অক্টোবর এই হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুম বেগম খালেদা জিয়া।</p>
</article>

<p>
<video autoplay="autoplay" loop="" playsinline="">Your browser does not support the video tag.</video>
</p>

<article>সময়ের প্রয়োজনে আরো আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিয়ে হাসপাতালটি এখন আকার ও আয়তনে আরো বড় হয়েছে।
<p>&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/national/2026/08/15/1725707" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>বর্তমান সরকার স্বাস্থ্যকে শুধু একটি মৌলিক অধিকার হিসেবে নয়, একটি জাতির অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নতির চাবিকাঠি হিসেবেও দেখছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য এবং সবার জন্য সমানভাবে প্রাপ্য হওয়া জরুরি। উন্নত চিকিৎসা যদি শুধু শহরের বিত্তবান মানুষের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে, তাহলে সেটিকে পূর্ণাঙ্গ আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা বলা যায় না।</p>

<p>প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ, দরিদ্র জনগোষ্ঠী ও প্রান্তিক মানুষের কাছে সাশ্রয়ী ও মানসম্মত চিকিৎসা পৌঁছে দিতে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে বলেও জানান তিনি।</p>
</article>

<article>প্রত্যন্ত অঞ্চলের একজন রোগী যাতে চিকিৎসার জন্য প্রচুর অর্থ ব্যয় করে রাজধানীতে আসতে বাধ্য না হন, সে জন্য ই-হেলথ কার্ডের মাধ্যমে আধুনিক ও কার্যকর রেফারেল ব্যবস্থা গড়ে তোলার পাশাপাশি চিকিৎসাসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।
<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি বলেন, এর অংশ হিসেবে দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে পূর্ণাঙ্গ প্রাইমারি হেলথ কেয়ার ইউনিট প্রতিষ্ঠার কাজ শুরু হয়েছে। পাশাপাশি বর্তমান সরকারের মেয়াদকালে পর্যায়ক্রমে প্রতিটি উপজেলা হাসপাতালকে ১৫১ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে উন্নীত করা হচ্ছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/704-2.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[এলএনজি টার্মিনাল থেকেই গ্যাস সরবরাহ শুরু, শিগগির কাটবে সংকট]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29363</link>
    <pubDate>Sun, 16 Aug 2026 10:43:25 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29363</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/970-1.jpg" />    <article>
<p>মহেশখালীর ভাসমান দুটি সামিট ও এক্সিলারেট এনার্জির এলএনজি টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে। এতে জাতীয় গ্রিডে গ্যাসের সরবরাহ বেড়েছে।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>আজ শনিবার সকালে সামিট থেকে প্রায় ৪৬০ মিলিয়ন ঘনফুট এবং এক্সিলারেট থেকে প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়েছে। এতে জাতীয় গ্রিডে দেশীয় গ্যাসসহ মোট সরবরাহ বেড়ে প্রায় ২৪০০ মিলিয়ন ঘনফুটে দাঁড়িয়েছে। পেট্রোবাংলা সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।</p>

<p>এর আগে গতকাল শুক্রবার বিকেলে কারিগরি সমস্যার কারণে এক্সিলারেটের টার্মিনাল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।</p>
</article>

<article>তখন জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ নেমে আসে প্রায় ১৬৫০ মিলিয়ন ঘনফুটে। এর কয়েক ঘণ্টা পর সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটে সামিট থেকে সরবরাহ শুরু হলে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়। শুরুতে সামিট থেকে প্রায় ১১০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস দেওয়া হলেও রাতে ধাপে ধাপে তা বাড়ানো হয়।
<p>&nbsp;</p>

<p>একই রাতে এক্সিলারেটের টার্মিনাল থেকেও আবার সরবরাহ শুরু হয়।</p>
</article>

<p>
<video autoplay="autoplay" loop="" playsinline="">Your browser does not support the video tag.</video>
</p>

<article>বর্তমানে সেখান থেকে প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যাচ্ছে। দুই টার্মিনাল মিলে এলএনজি থেকে প্রায় ৭৬০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>দেশে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় চার হাজার মিলিয়ন ঘনফুট। স্বাভাবিক সময়ে সরবরাহ থাকে ২৬০০ থেকে ২৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট। এর মধ্যে এলএনজি থেকে সর্বোচ্চ ১০৫০ মিলিয়ন ঘনফুট সরবরাহ করা হয়।</p>
</article>

<article>ফলে সরবরাহ বাড়লেও চাহিদার তুলনায় ঘাটতি এখনো যথেষ্ট।
<p>&nbsp;</p>

<p>মহেশখালীতে আমদানি করা এলএনজি জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের জন্য দুটি ভাসমান টার্মিনাল রয়েছে। এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালের সক্ষমতা দিনে ৬০০ এবং সামিটের ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট।</p>

<p>গত ২১ জুলাই অগ্নিদুর্ঘটনায় এক্সিলারেটের একটি বয়লার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে টার্মিনালটির স্বাভাবিক সরবরাহ ব্যাহত হয়। পরে অক্ষত বয়লার থেকে ৬ আগস্ট সীমিত পরিমাণে গ্যাস সরবরাহ শুরু করা হয়। তবে শুক্রবার বিকেলে কারিগরি সমস্যার কারণে সেটিও বন্ধ হয়ে যায়। মেরামতের পর রাতে আবার সরবরাহ শুরু হয়েছে।</p>

<p>তবে দুই টার্মিনাল পূর্ণ সক্ষমতায় চালু না হওয়া পর্যন্ত গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হবে না বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/970-1.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বিভ্রান্তির রাজনীতি ছেড়ে দেশ গঠনে এগিয়ে আসুন : প্রধানমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29362</link>
    <pubDate>Sun, 16 Aug 2026 10:42:37 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29362</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/839-99.jpg" />    <article>
<p>রাজনীতি হওয়া উচিত মানুষের কল্যাণের জন্য, বিভ্রান্তি ছড়ানোর জন্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, &lsquo;রাস্তায় বসে ভাঙচুর ও বিশৃঙ্খলা তৈরির রাজনীতি ছেড়ে জনগণের জন্য কাজ করুন।</p>
</article>

<article>আপনাদের কাছে যদি জ্বালানি বা বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধানের কোনো বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা থাকে, তবে তা জনগণের সামনে উপস্থাপন করুন। যদি আপনাদের পরিকল্পনা ৬ মাসের মধ্যেও সমস্যার সমাধান করতে পারে, তবে সরকার তা সানন্দে বাস্তবায়ন করবে।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>শনিবার (১৫ আগস্ট) রাজধানীর মহাখালীর টিঅ্যান্ডটি মাঠে মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন উপলক্ষে দুস্থ, অসহায় ও অসুস্থ মানুষের মাঝে চেক বিতরণ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/country-news/2026/08/15/1725845" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>উপজেলা পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবার মহাপ্রকল্প প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, &lsquo;আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি আগামী ৫ বছরের মধ্যে দেশের ৫০৩টি উপজেলার প্রত্যেকটি হাসপাতালকে ১৫১ শয্যায় রূপান্তর করা হবে।</p>
</article>

<article>এতে করে সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে মা ও শিশুরা নিজ এলাকায় উন্নত চিকিৎসা সুবিধা পাবেন।&rsquo;&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি বলেন, &lsquo;অতীতে স্বাস্থ্যসেবা এমনভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হতো যাতে মানুষ বিদেশে যেতে বাধ্য হয়, কিন্তু বর্তমান সরকার দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে বদ্ধপরিকর।</p>

<p>দেশের বর্তমান বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকট নিয়ে প্রধানমন্ত্রী সরাসরি জনগণের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, &lsquo;ফ্যাসিবাদী সরকার বিদ্যুৎ খাতে প্রায় ৩ লাখ কোটি টাকার দেনা রেখে গিয়েছে এবং জ্বালানি আমদানির অবকাঠামো তৈরি করেনি।</p>
</article>

<p>
<video autoplay="autoplay" loop="" playsinline="">Your browser does not support the video tag.</video>
</p>

<article>আমরা ক্ষমতায় আসার পর বাপেক্সকে দেশের মাটিতে গ্যাস খননের নির্দেশ দিয়েছি। দুর্ঘটনাজনিত কারণে একটি এলএনজি জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সাময়িক সমস্যা হচ্ছে, যা দ্রুতই কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>সম্প্রতি কিছু রাজনৈতিক দলের প্রতিবাদের ধরন নিয়ে সমালোচনা করে তারেক রহমান বলেন, &lsquo;কিছু দলকে দেখা যাচ্ছে হারিকেন সামনে নিয়ে প্রতিবাদ করছে, অথচ তাদের পেছনে ফ্যান চলছে। এই হঠকারিতা জনগণ এখন আর পছন্দ করে না। ১৭ বছর যখন মানুষ নির্যাতিত হয়েছে, গুম-খুনের শিকার হয়েছে, তখন এসব নেতাকে রাজপথে দেখা যায়নি।</p>
</article>

<article>&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/national/2026/08/15/1725841" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার ভবিষ্যৎ স্বপ্নের কথা উল্লেখ করে বলেন, &lsquo;বাংলাদেশের ২০ কোটি মানুষের যে ৪০ কোটি হাত আছে, সেগুলোকে শ্রমিকের নয় বরং দক্ষ কর্মীর হাতে রূপান্তরিত করতে হবে। আমি নিজে কী পেলাম সেটি বড় কথা নয়, আমি দেশ ও দেশের মানুষের জন্য কী করতে পারলাম&mdash;সেটিই বড় সার্থকতা।&rsquo;</p>

<p>বক্তব্যের শেষে তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ এবং বেগম খালেদা জিয়ার দেশপ্রেমের পথ ধরে বাংলাদেশকে পৃথিবীর বুকে একটি সমৃদ্ধ রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার শপথ ব্যক্ত করেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/839-99.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্পে প্রাণহানি-ক্ষয়ক্ষতিতে প্রধানমন্ত্রীর শোক]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29361</link>
    <pubDate>Sun, 16 Aug 2026 10:41:37 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29361</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1031-88.jpg" />    <article>
<p>ইন্দোনেশিয়ায় ভয়াবহ ভূমিকম্পে প্রাণহানি ও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতিতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।</p>

<p>ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তোকে পাঠানো এক শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, &lsquo;ইন্দোনেশিয়ার পূর্ব নুসা তেঙ্গারা প্রদেশে ভয়াবহ ভূমিকম্পের ঘটনায় বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে আপনি, ইন্দোনেশিয়া সরকার এবং দেশটির ভ্রাতৃপ্রতিম জনগণের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।</p>
</article>

<article>&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রধানমন্ত্রী বলেন, ৭ দশমিক ৭ মাত্রার এই ভয়াবহ ভূমিকম্পে ৩৮ জনের প্রাণহানি এবং ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞে বাংলাদেশের জনগণ গভীরভাবে শোকাহত।</p>

<p>&lsquo;নিহতদের শোকসন্তপ্ত পরিবার এবং এই ভয়াবহ দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত সবার জন্য গভীর সমবেদনা ও প্রার্থনা জানাচ্ছি।&rsquo;</p>

<p>তিনি বলেন, &lsquo;আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি এবং আশা করি, চলমান উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম দুর্দশাগ্রস্ত মানুষের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় সহায়তা ও স্বস্তি বয়ে আনবে।&rsquo;</p>

<p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, &lsquo;এই কঠিন সময়ে বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়ার পাশে রয়েছে এবং সম্ভাব্য সব ধরনের সহায়তা ও সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত রয়েছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1031-88.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[পুত্রবধূর রাজকীয় খেতাব কেড়ে নিলেন ব্রুনেইয়ের সুলতান]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29360</link>
    <pubDate>Sun, 16 Aug 2026 10:40:42 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29360</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1155-77.jpg" />    <article>
<p>রাজপরিবারের সদস্য হিসেবে &lsquo;অশোভন আচরণের&rsquo; অভিযোগে নিজের পুত্রবধূর সব রাজকীয় উপাধি কেড়ে নিয়েছেন ব্রুনেইয়ের সুলতান হাসানাল বলকিয়াহ। তবে ঠিক কী ঘটেছিল, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>নিউইয়র্ক পোস্টের <a href="https://nypost.com/2026/08/13/world-news/sultan-of-brunei-strips-daughter-in-law-of-royal-titles-over-unbecoming-behavior/">এক প্রতিবেদনে</a> বলা হয়েছে, চলতি মাসের শুরুতে ব্রুনেই দারুসসালামের গ্র্যান্ড চেম্বারলেইনের কার্যালয় থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়, সুলতানের আদেশে সিদ্ধান্তটি অবিলম্বে কার্যকর হয়েছে।</p>

<p>পেঙ্গিরান রাবিয়াতুল আদাউইয়াহর বিরুদ্ধে সুলতান হাজি হাসানাল বলকিয়াহর প্রতি অসম্মান প্রদর্শন এবং রাজপরিবারের সদস্যের স্ত্রী হিসেবে অনুপযুক্ত আচরণের অভিযোগ আনা হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, তার কর্মকাণ্ড রাজপরিবারের সুনামও ক্ষুণ্ন করেছে। ফলে রাবিয়াতুল আদাউইয়াহর &lsquo;ইয়াং আমাত মুলিয়া পেঙ্গিরান আনাক ইস্তেরি&rsquo; রাজকীয় উপাধি বাতিল করা হয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>৩৩ বছর বয়সী রাবিয়াতুল আদাউইয়াহ ব্রুনেইয়ের প্রিন্স আবদুল মালিকের স্ত্রী। ৪৩ বছর বয়সী প্রিন্স আবদুল মালিক সিংহাসনের উত্তরাধিকারক্রমে চতুর্থ স্থানে রয়েছেন।</p>

<p>প্রসঙ্গত, ব্রুনেইয়ের সুলতান এর আগেও রাজপরিবারের সদস্যদের উপাধি কেড়ে নিয়েছেন। ২০০৩ সালে দ্বিতীয় স্ত্রী মারিয়াম আবদুল আজিজের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের পর তার সব রাজকীয় উপাধি প্রত্যাহার করা হয়।</p>
</article>

<p>
<video autoplay="autoplay" loop="" playsinline="">Your browser does not support the video tag.</video>
</p>

<article>২০১০ সালে তৃতীয় স্ত্রী আজরিনাজ মাজহার হাকিমের উপাধিও কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। তবে রাবিয়াতুলের ঘটনা আলাদা। কারণ তিনি এখনো সুলতানের ছেলের স্ত্রী এবং রাজপরিবারের সদস্য।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রিন্স আবদুল মালিক ২০১৫ সালে রাজধানী বন্দর সেরি বেগাওয়ানের রাজপ্রাসাদে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের মধ্য দিয়ে রাবিয়াতুলকে বিয়ে করেন। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা চলে ১০ দিন।</p>
</article>

<article>এতে হাজার হাজার অতিথি অংশ নেন। এই দম্পতির চার মেয়ে রয়েছে।</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1155-77.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[সাগরপথে ইউরোপে ২৬% বাংলাদেশি, চলতি বছরে মৃত্যু ১৬৬৮ অভিবাসীর]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29359</link>
    <pubDate>Sun, 16 Aug 2026 10:39:53 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29359</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1271-66.jpg" />    <article>
<p>চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে ইউরোপে পৌঁছানোর চেষ্টা করে ভূমধ্যসাগরে অন্তত এক হাজার ৬৬৮ জন অভিবাসী নিহত বা নিখোঁজ হয়েছেন। ২০২৫ সালের একই সময়ের তুলনায় এই সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বেশি।</p>
</article>

<article>সমুদ্র পাড়ি দেওয়ায় শীর্ষে রয়েছেন বাংলাদেশ, ইরিত্রিয়া, সুদান, পাকিস্তান ও মিসরের অভিবাসীরা।
<p>&nbsp;</p>

<p>ঝুঁকিপূর্ণ নৌযাত্রা এবং সমুদ্রে উদ্ধার তৎপরতায় বাধা এই সংখ্যা বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। চলতি বছরের শুরুটা ছিল বিশেষভাবে প্রাণঘাতী।</p>

<p>আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৬ সালের শুরু থেকে ইউরোপে পৌঁছানোর চেষ্টা করে ভূমধ্যসাগরে এক হাজার ৬৬৮ জন নিহত বা নিখোঁজ হয়েছেন।</p>
</article>

<article>২০২৫ সালের একই সময়ে এই সংখ্যা ছিল এক হাজার ৩৫ জন।
<p>&nbsp;</p>

<p>নিহত বা নিখোঁজদের মধ্যে ৮৭২ জন সেন্ট্রাল ভূমধ্যসাগরীয় রুটে বিভিন্ন পথে যাত্রা করার সময় প্রাণ হারিয়েছেন। এসব রুটের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত পথটি উত্তর আফ্রিকার দেশগুলো বিশেষ করে লিবিয়া থেকে লাম্পেদুসা দ্বীপ হয়ে ইতালির সঙ্গে যুক্ত।</p>

<p>ইউরোপে যাওয়ার জন্য অভিবাসীদের অন্যতম প্রধান ট্রানজিট ও যাত্রার দেশ হিসেবে এখনো প্রথম অবস্থানে রয়েছে লিবিয়া।</p>
</article>

<p>
<video autoplay="autoplay" loop="" playsinline="">Your browser does not support the video tag.</video>
</p>

<article>৯ আগস্ট প্রকাশিত এনজিও অ্যালার্ম ফোনের অর্ধবার্ষিক প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>এনজিও এসওএস মেদিতারানের ২০২৫ সালের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেন্ট্রাল ভূমধ্যসাগরীয় রুটে যাত্রা করা অভিবাসীদের মধ্যে শীর্ষে আছে দক্ষিণ এশিয়ার দেশ বাংলাদেশ থেকে আসা অভিবাসীরা। যা মোট অভিবাসীর ২৬ শতাংশ। এরপর রয়েছেন ইরিত্রিয়ার ১৬ শতাংশ, সুদানের ১৩ শতাংশ, পাকিস্তানের ১২ শতাংশ এবং মিসরের ৯ শতাংশ নাগরিক।</p>

<p>২০১৬ সাল থেকে নাইজেরিয়া, আইভরি কোস্ট, গিনি এবং মালি থেকেও এই পথে আসা অভিবাসীদের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে বেশি।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের শুরু থেকে লিবিয়া ও টিউনিশিয়া থেকে যাত্রা করে ২৬ হাজার ৬০০ জনের বেশি মানুষ ইউরোপে পৌঁছেছেন। আগের বছরগুলোর তুলনায় এই সংখ্যা কমেছে। তবে এর সঙ্গে নিহত বা নিখোঁজের সংখ্যা বেড়েছে।</p>

<p>এপ্রিলের শুরুতে সমুদ্রপথে অভিবাসন বিষয়ক বিশেষজ্ঞ আরনো বানস ইনফোমাইগ্রেন্টসকে বলেছিলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বহির্সীমান্তে অভিবাসীদের যাত্রা ঠেকানো হচ্ছে ক্রমবর্ধমানভাবে। একই সময়ে আমরা দেখছি, সমুদ্রপথে যাত্রা আরও বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। ইউরোপের উপকূলে পৌঁছাতে পারছে কম মানুষ। কিন্তু মারা যাচ্ছে বেশি। ইনফোমাইগ্রেন্টস।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1271-66.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় নিহত বেড়ে ১১]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29358</link>
    <pubDate>Sun, 16 Aug 2026 10:39:09 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29358</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1438-44.jpg" />    <article>
<p>দক্ষিণ লেবাননে দুটি ইসরায়েলি বিমান হামলায় তিন শিশুসহ অন্তত ১১ জন নিহত এবং ১৯ জন আহত হয়েছে। গত জুনে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে সমঝোতার পর এটিই সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামলা বলে জানা গেছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম <a href="https://www.theguardian.com/world/2026/aug/15/israeli-strike-on-southern-lebanon-kills-seven-in-worst-toll-since-june-state-media-says">দ্য গার্ডিয়ান</a>&nbsp;বলছে, স্থানীয় সময় শনিবার ভোরে আনসার গ্রামের উপকণ্ঠে একটি বাড়িতে ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান হামলা চালালে ৭ জন নিহত হয়। হামলায় ভবনটি পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যায়। ধ্বংসস্তূপের নিচে কেউ আটকা পড়ে আছেন কি না এবং নিহতদের মরদেহ উদ্ধারে উদ্ধারকর্মীরা সেখানে অভিযান চালান।</p>

<p>এর কয়েক ঘণ্টা পর দেইর আল-জাহরানি শহরের একটি বাড়িতে আরেকটি বিমান হামলা চালানো হয়।</p>
</article>

<article>এতে দুজন নিহত ও ৯ জন আহত হয়। হামলার পর শহরের রাস্তাগুলো ধ্বংসস্তূপ ও ধোঁয়ায় ছেয়ে যায়।
<p>&nbsp;</p>

<p>এ ছাড়া নাবাতিয়েহ শহরের কাছে একটি মোটরসাইকেল লক্ষ্য করে ইসরায়েলি ড্রোন হামলা চালায়। এতে মোটরসাইকেলটির চালক নিহত হয়েছেন কি না, তাৎক্ষণিকভাবে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।</p>
</article>

<p>
<video autoplay="autoplay" loop="" playsinline="">Your browser does not support the video tag.</video>
</p>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>জুনে হওয়া যুদ্ধবিরতির পর ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে বড় ধরনের সংঘর্ষ অনেকটাই থেমে গিয়েছিল। এর মধ্যেই নতুন করে এই হামলা দক্ষিণ লেবাননে উত্তেজনা বাড়িয়ে দিয়েছে।</p>

<p>স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে হামলাগুলো আরো বড় ধরনের সংঘাতের সূচনা করবে কি না, তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে অনেকে নিজেদের বাড়িতে থাকা নিরাপদ কি না, সে বিষয়েও অনিশ্চয়তায় পড়েছেন। হামলার লক্ষ্যবস্তু দুটি গ্রামই ইসরায়েলের ঘোষিত &lsquo;নিরাপত্তা অঞ্চলের&rsquo; বাইরে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>হামলার পর নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে নাবাতিয়েহ ও আশপাশের এলাকার বাসিন্দারা উত্তর দিকে পালিয়ে যেতে শুরু করলে সড়কগুলোতে ব্যাপক যানজট তৈরি হয়।</p>

<p>এ বিষয়ে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র এলা ওয়াওয়েয়া বলেন, আলি তাহের এলাকায় হিজবুল্লাহর যোদ্ধারা ইসরায়েলি সেনাদের ওপর হামলা চালানোর জবাবে আনসার ও নাবাতিয়েহ এলাকায় হিজবুল্লাহর অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1438-44.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[কিমের সঙ্গে পুরনো ছবি শেয়ার করে ‘চমৎকার সম্পর্কের’ দাবি ট্রাম্পের]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29357</link>
    <pubDate>Sun, 16 Aug 2026 10:38:18 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29357</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1524-33.jpg" />    <article>
<p>কিম জং উনের সঙ্গে একটি পুরনো ছবি সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করে তাদের সম্পর্ক নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবিতে কিমের অবন্ধুসুলভ চেহারা নিয়ে কৌতুক করে ট্রাম্প দাবি করেন, তাদের দুজনের মধ্যে এখনো সুসম্পর্ক বজায় রয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম <a href="https://aninews.in/news/world/us/trump-shares-throwback-unfriendly-look-post-with-kim-jong-un-says-we-get-along-great20260816034945/?fbclid=IwY2xjawTt_exwZG9mBWV4dG4DYWVtAjEwAGJyaWQRMXVta3pUWWFIS1lzUzZldVhzcnRjBmFwcF9pZBAyMjIwMzkxNzg4MjAwODkyAAEeLMGyxe7wEsuehn23xXsH4lLE3YQTNZDMy5_RXolomn_94vUrJF7btEtEgYQ_aem__SbX7k3K9_xkkqPRcMjn_A">&lsquo;ট্রুথ সোশ্যাল&rsquo;-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প লেখেন</a>, &lsquo;এই ছবিতে আমাদের বন্ধুত্বপূর্ণ মুখভঙ্গি দেখা না গেলেও এমন অনেক ছবি রয়েছে যেখানে আমরা হাসিমুখে আছি। কিম জং উন ও আমার মধ্যকার সম্পর্ক চমৎকার।&rsquo;</p>

<p>যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ সামরিক মহড়া &lsquo;উলচি ফ্রিডম শিল্ড&rsquo; ঘিরে যখন কোরীয় উপদ্বীপে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে, ঠিক তখনই ট্রাম্পের এই বার্তা সামনে এলো। ১৭ থেকে ২৭ আগস্ট পর্যন্ত নির্ধারিত এই মহড়ায় ড্রোন, জিপিএস ব্ল্যাকিং এবং সাইবার হামলা মোকাবেলার মতো প্রশিক্ষণ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>উত্তর কোরিয়া দীর্ঘদিন ধরেই এই ধরনের সামরিক মহড়াকে উসকানিমূলক আখ্যা দিয়ে আসছে। পিয়ংইয়ংয়ের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার এই সমন্বিত পদক্ষেপ একটি &lsquo;পারমাণবিক জোটে&rsquo; রূপ নিচ্ছে। উদ্ভূত এই হুমকির বিপরীতে নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নতুন মাত্রার প্রতিরোধ ব্যবস্থা গ্রহণের হুঁশিয়ারি দিয়েছে দেশটি।</p>

<p>এই উত্তেজনার আবহেই সম্প্রতি পূর্ব সাগরের দিকে একটি সন্দেহভাজন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে উত্তর কোরিয়া, যা এক সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে দ্বিতীয় উৎক্ষেপণের ঘটনা।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1524-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ডারউইন টেস্ট ইতিহাস গড়তে বাংলাদেশের দরকার ৫৭ রান]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/29356</link>
    <pubDate>Sun, 16 Aug 2026 10:37:33 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/29356</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1566-22.jpg" />    <article>
<p>ডারউইন টেস্টের চতুর্থ দিনে ইনিংস পরাজয়ের চোখরাঙানি এড়িয়ে দারুণভাবে অজিদের ম্যাচে ফেরান ক্যামেরন গ্রিন। তার পাল্টা প্রতিরোধ ও সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশ ইনিংস ব্যবধানে জিততে না পারলেও ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ের সুবাস কিন্তু ভালোভাবেই পাচ্ছে সফরকারীরা।</p>
</article>

<article>ঘরের মাটিতে শক্তিশালী অস্ট্রেলিয়াকে ধসিয়ে দিয়ে ডারউইনে স্মরণীয় জয় হাসিল করতে নাজমুল হোসেন শান্তর দলের প্রয়োজন মাত্র ৫৭ রান।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রথম ইনিংসে স্বাগতিকদের ১৯৮ রানে গুটিয়ে দিয়ে ৪২৬ রানের পাহাড় গড়েছিল বাংলাদেশ। ২২৮ রানের বিশাল ঘাটতি নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় ইনিংসে ২৮৪ রানে অলআউট হয় অজিরা। ফলে জয়ের জন্য লাল-সবুজের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় মাত্র ৫৭ রান।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>ইনিংস হার বাঁচিয়ে স্বাগতিকদের ম্যাচে টিকিয়ে রাখা ক্যামেরন গ্রিন একটা সময় টাইগারদের জন্য গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। তবে সেঞ্চুরিয়ান গ্রিনকে সাজঘরের পথ দেখিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে ম্যাচ থেকে পুরোপুরি ছিটকে যায় বাংলাদেশ।&nbsp;</p>

<p>এরপর মেহেদী হাসান মিরাজ তার ইনিংসে ৫ম উইকেট হিসেবে শেষ ব্যাটার নাথান লায়নকে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে ফেললে ২৮৪ রানেই থেমে যায় অজিদের দ্বিতীয় ইনিংস।</p>

<p>এর আগে চতুর্থ দিনে প্রথমবারের মতো বোলিংয়ে এসে বিপজ্জনক হয়ে ওঠা গ্রিনের প্রতিরোধ ভাঙেন হাসান মাহমুদ।</p>
</article>

<p>
<video autoplay="autoplay" loop="" playsinline="">Your browser does not support the video tag.</video>
</p>

<article>অফস্টাম্প বরাবর একটি দুর্দান্ত ডেলিভারিতে শতক হাঁকানো গ্রিনকে সরাসরি বোল্ড করেন তিনি। আউট হওয়ার আগে ২০১ বলে ৪টি চার ও ১টি ছক্কায় ১০৪ রান করেন অজি এই অলরাউন্ডার। প্রথম ইনিংসে ৬ উইকেট নেওয়া হাসান দ্বিতীয় ইনিংসে তুলে নেন তার ৩ নম্বর উইকেট, যার মাধ্যমে ম্যাচে তার শিকার দাঁড়ায় মোট ৯টি।
<p>&nbsp;</p>

<p>অবশ্য দ্বিতীয় সেশনের শুরুতে ৯৫ রানে থাকা অবস্থায় তাসকিন আহমেদের বলে জীবন পেয়েছিলেন গ্রিন। সেই সুযোগের সদ্ব্যবহার করে সেঞ্চুরি পূরণ করলেও দলকে বড় রানের লিড এনে দিতে পারেননি তিনি।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1566-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[প্রথম দিনেই ‘আওয়ারাপন ২’ ঝড়, আসছে তৃতীয় কিস্তি?]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/29355</link>
    <pubDate>Sun, 16 Aug 2026 10:36:50 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/29355</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1664-11.jpg" />    <article>
<p>দীর্ঘ অপেক্ষার পর প্রেক্ষাগৃহে ফিরেছে ইমরান হাশমির জনপ্রিয় সিনেমা &lsquo;আওয়ারাপন&rsquo;-এর দ্বিতীয় কিস্তি &lsquo;আওয়ারাপন ২&rsquo;। ১৪ আগস্ট মুক্তির পর থেকেই দর্শকদের মধ্যে সাড়া ফেলেছে রোমান্টিক-অ্যাকশন ঘরানার সিনেমাটি।</p>
</article>

<article>একই দিনে মুক্তি পাওয়া সানি দেওল অভিনীত &lsquo;বাটওয়ারা ১৯৪৭&rsquo;-এর সঙ্গে বক্স অফিসের লড়াইয়ে প্রথম দিনেই এগিয়ে গেছে ইমরান হাশমির সিনেমা।
<p>&nbsp;</p>

<p>বক্স অফিস ট্র্যাকার স্যাকনিল্কের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার ভারতে ৯ হাজার ৩৩টি শো থেকে &lsquo;আওয়ারাপন ২&rsquo; আয় করেছে ২১ কোটি রুপি নেট। বিশ্বব্যাপী সিনেমাটির প্রথম দিনের গ্রস সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে ২৭ কোটি ২০ লাখ রুপি, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় সাড়ে ৩৪ কোটি টাকারও বেশি।</p>

<p>ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুক্তির প্রথম দিনে সিনেমাটির সার্বিক থিয়েটার অকুপেন্সি ছিল ৪৫ দশমিক ৭৩ শতাংশ।</p>
</article>

<article>এর মধ্যে সকালের শোগুলোতে দর্শক উপস্থিতি ছিল ২২ দশমিক ৬২ শতাংশ, দুপুরের শোতে ৩৫ দশমিক ৪৬ শতাংশ, সন্ধ্যার শোতে ৪৬ শতাংশ এবং রাতের শোগুলোতে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৭৪ দশমিক ৩১ শতাংশে। দিল্লি-এনসিআর অঞ্চলে ৮৫৮টি শোতে সিনেমাটির অকুপেন্সি ছিল ৫৮ দশমিক ৫ শতাংশ। অন্যদিকে মুম্বাইয়ে ৬৮৭টি শো থেকে ৩৯ দশমিক ৫ শতাংশ দর্শক উপস্থিতি রেকর্ড করা হয়েছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>স্বাধীনতা দিবসকে ঘিরে কৌশলগতভাবে মুক্তি পাওয়া সানি দেওল ও প্রীতি জিনতা অভিনীত &lsquo;বাটওয়ারা ১৯৪৭&rsquo;-এর তুলনায়ও অনেক এগিয়ে রয়েছে &lsquo;আওয়ারাপন ২&rsquo;।</p>
</article>

<p>
<video autoplay="autoplay" loop="" playsinline="">Your browser does not support the video tag.</video>
</p>

<article>প্রথম দিনে সিনেমাটির বিশ্বব্যাপী আয় হয়েছে মাত্র ৮ কোটি ৩৪ লাখ রুপি। অর্থাৎ উদ্বোধনী দিনেই &lsquo;আওয়ারাপন ২&rsquo; তিন গুণেরও বেশি ব্যবসা করেছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রথম দিনের ব্যবসার পাশাপাশি আরও একটি চমক দেখিয়েছে সিনেমাটি। মুক্তির মাত্র এক দিনের মধ্যেই ইমরান হাশমির ক্যারিয়ারের অন্যতম আলোচিত সিনেমা &lsquo;মার্ডার&rsquo;-এর পুরো সময়ের আয়কে ছাড়িয়ে গেছে &lsquo;আওয়ারাপন ২&rsquo;। ২০০৪ সালে মুক্তি পাওয়া &lsquo;মার্ডার&rsquo; ভারতীয় বাজারে প্রায় ১৬ কোটি রুপি নেট আয় করেছিল।</p>
</article>

<article>বিশ্বব্যাপী সিনেমাটির গ্রস আয় ছিল প্রায় ২৫ কোটি রুপি। অর্থাৎ মুক্তির প্রথম দিনেই এই দুই হিসাব পেরিয়ে গেছে &lsquo;আওয়ারাপন ২&rsquo;।
<p>&nbsp;</p>

<p>শুধু &lsquo;মার্ডার&rsquo; নয়, প্রথম &lsquo;আওয়ারাপন&rsquo;-এর লাইফটাইম আয়ও এক দিনেই ছাড়িয়ে গেছে সিক্যুয়ালটি। ২০০৮ সালে মুক্তি পাওয়া &lsquo;আওয়ারাপন&rsquo; বক্স অফিসে বড় সাফল্য না পেলেও পরবর্তী সময়ে ইমরান হাশমির ক্যারিয়ারের অন্যতম কাল্ট সিনেমা হিসেবে দর্শকদের কাছে বিশেষ জায়গা করে নেয়। দীর্ঘ অপেক্ষার পর দ্বিতীয় কিস্তি মুক্তি পাওয়ায় শুরু থেকেই সিনেমাটি নিয়ে দর্শকদের আগ্রহ ছিল তুঙ্গে।</p>

<p>সিনেমাটিতে শিবম পণ্ডিত চরিত্রে ফিরেছেন ইমরান হাশমি। তার সঙ্গে রয়েছেন দিশা পাটানি, পুরান গাব্বি, অনিরুদ্ধ রাওয়াল, শাবানা আজমি, সুবিন্দর ভিকি, বিজয়ন্ত কোহলি ও অতুল কুমার।</p>

<p>নিতিন কক্কর পরিচালিত &lsquo;আওয়ারাপন ২&rsquo; প্রযোজনা করেছেন বিশাল ভাট ও মুকেশ ভাট। বিশেষ ফিল্মসের ব্যানারে নির্মিত সিনেমাটির প্রথম দিনের সাফল্যের পর এরই মধ্যে তৃতীয় কিস্তির সম্ভাবনা নিয়ে ইঙ্গিত দিয়েছেন ইমরান হাশমি।&nbsp;ফলে &lsquo;আওয়ারাপন&rsquo; ভক্তদের অপেক্ষার তালিকায় এবার যুক্ত হতে পারে আরও একটি অধ্যায়।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1664-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিউইয়র্কে কবিরহাট উপজেলা অ্যাসোসিয়েশন অব ইউএসএর বর্ণাঢ্য বনভোজন]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/29354</link>
    <pubDate>Sat, 15 Aug 2026 10:26:13 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/29354</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/7-3.jpeg" />    <p>নিউইয়র্কে উৎসবমুখর পরিবেশে কবিরহাট উপজেলা অ্যাসোসিয়েশন অব ইউএসএর তৃতীয় বনভোজন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ২ আগস্ট স্থানীয় বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যদের অংশগ্রহণে হেম্পস্টেড লেক স্টেট পার্কে আয়োজিত এ বনভোজনে দিনব্যাপী আনন্দ, আড্ডা, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।</p>

<p><img alt="" data-mfp-src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/WhatsApp%20Image%202026-08-11%20at%201_16_09%20AM%20(4).jpeg" src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/WhatsApp%20Image%202026-08-11%20at%201_16_09%20AM%20(4).jpeg" /></p>

<p>অনুষ্ঠানে কবিরহাট উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও এলাকার প্রবাসীরা অংশ নেন। দীর্ঘদিন পর স্বজন, বন্ধু ও পরিচিতজনদের সঙ্গে মিলিত হওয়ার সুযোগ পেয়ে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়। শিশু-কিশোরদের জন্যও বিভিন্ন খেলাধুলা ও বিনোদনমূলক আয়োজন ছিল।</p>

<p><img alt="" src="https://khabor.com/public/upload/images/news/703-2.jpg" style="width: 680px; height: 388px;" /></p>

<p>এদিন সকালে সংগঠনটির উপদেষ্টা সাহাবুদ্দিন চৌধুরী বেলুন উড়িয়ে বনভোজনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। পরে সকালের নাস্তা, দুপুরের খাবার, নানা ধরনের খেলাধুলা, গান, আড্ডা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও র&zwj;্যাফেল ড্র অনুষ্ঠিত হয়। দিনব্যাপী নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে আনন্দ-উৎসবের পরিবেশে বনভোজনের সমাপ্তি ঘটে।</p>

<p><img alt="" data-mfp-src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/WhatsApp%20Image%202026-08-11%20at%201_16_08%20AM%20(2).jpeg" src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/WhatsApp%20Image%202026-08-11%20at%201_16_08%20AM%20(2).jpeg" /></p>

<p data-added-after="1">এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী-৫ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম। তিনি বলেন, এ ধরনের আয়োজন প্রবাসী ও স্থানীয়দের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক ও ভ্রাতৃত্ববোধ আরও সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ব্যস্ত জীবনের বাইরে সবাইকে একত্রিত করে আনন্দ ও সৌহার্দ্য ভাগাভাগির সুযোগ করে দেওয়ায় আয়োজকদের ধন্যবাদ জানান তিনি। সংগঠনের যেকোনো ভালো ও জনকল্যাণমূলক উদ্যোগে পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি সংগঠনের উত্তরোত্তর সাফল্য ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।</p>

<p><img alt="" data-mfp-src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/WhatsApp%20Image%202026-08-11%20at%201_16_08%20AM%20(1).jpeg" src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/WhatsApp%20Image%202026-08-11%20at%201_16_08%20AM%20(1).jpeg" /></p>

<p>কবিরহাট উপজেলা অ্যাসোসিয়েশন অব ইউএসএর কার্যনির্বাহী কমিটির সাধারণ সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদের সঞ্চালনা অনুষ্ঠানে সংগঠনের সভাপতি মির্জা মোহাম্মদ হোসেন, বনভোজন আয়োজন কমিটির আহ্বায়ক মোহাম্মদ শফিউল বাশার এবং সদস্য-সচিব আবু নাসের চৌধুরীসহ সংগঠনের সহসভাপতি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদক, অর্থ সম্পাদক, তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক, আপ্যায়ন সম্পাদক, প্রচার সম্পাদক, সমাজকল্যাণ সম্পাদকসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।</p>

<p><img alt="" data-mfp-src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/WhatsApp%20Image%202026-08-11%20at%201_16_09%20AM%20(1).jpeg" src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/WhatsApp%20Image%202026-08-11%20at%201_16_09%20AM%20(1).jpeg" /></p>

<p>বনভোজন আয়োজনে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান সহযোগিতা করেন। এতে গ্র্যান্ড স্পনসর ছিল ইককোভিশন। টাইটেল স্পন্সর ছিলেন গ্রেটার নোয়াখালী সোসাইটি ইউএসএ&rsquo;র সভাপতি জাহিদ মিন্টু। সাংস্কৃতিক পৃষ্ঠপোষক ছিলেন এমডি শফিক। ডায়মন্ড পৃষ্ঠপোষক ছিলেন আরিবা কনস্ট্রাকশন ইনকের সভাপতি আয়ুব নবী।</p>

<p><img alt="" data-mfp-src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/WhatsApp%20Image%202026-08-11%20at%201_16_09%20AM.jpeg" src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/WhatsApp%20Image%202026-08-11%20at%201_16_09%20AM.jpeg" /></p>

<p data-added-after="1">অনুষ্ঠানে পৃষ্ঠপোষক হিসেবে আরও ছিলেন সন্দ্বীপ এডুকেশন সোসাইটি ইউএসএর সাবেক সভাপতি ও ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য ইকবাল হায়দার, আর অ্যান্ড এসএস জেনারেল কনস্ট্রাকশনের সভাপতি রিয়াজ খান, আরএফ কনস্ট্রাকশন এনওয়াই করপোরেশনের সভাপতি আওলাদ হোসাইন এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও কমিউনিটি নেতা নূর মোহাম্মদসহ আরও অনেকে।</p>

<p><img alt="" data-mfp-src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/WhatsApp%20Image%202026-08-11%20at%201_16_08%20AM.jpeg" src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/WhatsApp%20Image%202026-08-11%20at%201_16_08%20AM.jpeg" /></p>

<p data-added-after="1">এ সময় সংগঠনের সভাপতি মির্জা মোহাম্মদ হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ প্রবাসে কবিরহাটবাসীর মধ্যে ঐক্য, সৌহার্দ্য ও পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেন। তারা বলেন, এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে প্রবাসে বসবাসরত কবিরহাটবাসীর মধ্যে যোগাযোগ ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও দৃঢ় হয়। ভবিষ্যতেও সংগঠনের পক্ষ থেকে এ ধরনের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক আয়োজন অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্তও করেন তারা।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/7-3.jpeg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[আজ ১৫ আগস্ট সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29353</link>
    <pubDate>Sat, 15 Aug 2026 10:22:16 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29353</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/969-1.jpg" />    <p>বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মৃতু্যবার্ষিকী ১৫ আগস্টকে কেন্দ্র করে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। জননিরাপত্তা যাতে বিঘ্নিত না হয় সে লক্ষ্যে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।</p>

<p>ইতোমধ্যে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের শতাধিক নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে ১৫ আগস্ট ঘিরে বড় ধরনের কোনো নাশকতার তথ্য নেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে।&nbsp;</p>

<p>যে কোনো ধরনের নাশকতা ও অপতৎপরতা রোধে গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।</p>

<p>পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত আইজিপি খোন্দকার রফিকুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, এটা (১৫ আগস্ট) একটা সেনসেটিভ ডে। আমাদের সব ইউনিটেরই আলাদা প্রস্তুতি আছে। আমরা এলার্ট থাকব। বড় ধরনের কোনো আতঙ্কের বিষয় নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, এরকম একটার পর একটা ইভেন্ট আসতেই থাকে, আমরা ফেস করছি।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/969-1.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[যুবদের কর্মসংস্থান হলে সামাজিক অপরাধ কমবে : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29352</link>
    <pubDate>Sat, 15 Aug 2026 10:21:00 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29352</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/838-99.jpg" />    <article>
<p>যুবকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হলে সমাজে অপরাধপ্রবণতা কমে আসবে বলে মন্তব্য করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। তিনি বলেছেন, বর্তমান সরকার দুর্নীতিতে &lsquo;জিরো টলারেন্স&rsquo; নীতি অবলম্বন করছে।</p>
</article>

<article>প্রতিহিংসার রাজনীতি নয়, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরির মাধ্যমে যুবসমাজকে দক্ষ ও কর্মক্ষম হিসেবে গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য।
<p>&nbsp;</p>

<p>শুক্রবার (১৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক যুব দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনে (বিএফডিসি) আয়োজিত এক ছায়া সংসদ বিতর্ক প্রতিযোগিতায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।</p>

<p>অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি। এতে সহযোগিতা করে কেয়ার বাংলাদেশ ও এসওএস চিলড্রেনস ভিলেজেস বাংলাদেশ।</p>
</article>

<article>অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ।
<p>&nbsp;</p>

<p>যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, &lsquo;শুধু উচ্চশিক্ষার ডিগ্রি নিয়ে যুবকেরা যাতে বেকার বসে না থাকেন, সে জন্য কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমে তাদের নানা দক্ষতায় পারদর্শী করে তোলার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, যাতে তারা স্বাবলম্বী হতে পারেন।&rsquo;</p>

<p>তরুণ সমাজকে মাদকের গ্রাস থেকে মুক্ত রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, &lsquo;সরকার খেলাধুলাকে একটি পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে কাজ শুরু করেছে। যেখানেই খালি জায়গা পাওয়া যাবে, সেখানেই খেলার মাঠ করার পরিকল্পনা রয়েছে।</p>
</article>

<p>
<video autoplay="autoplay" loop="" playsinline="">Your browser does not support the video tag.</video>
</p>

<article>এ ছাড়া আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে চতুর্থ শ্রেণি থেকেই খেলাধুলাকে শিক্ষার অংশ হিসেবে বাধ্যতামূলক করা হবে।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ সভাপতির বক্তব্যে বলেন, &lsquo;সরকার দেশ ও বিদেশের চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে প্রশিক্ষিত জনগোষ্ঠী গড়ে তোলার উদ্যোগ নিচ্ছে। নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস কর্মসূচি, মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণ, ক্রীড়া ভাতা প্রদান ও খেলার মাঠ আধুনিকায়নের মতো বহুমুখী পদক্ষেপ তরুণদের মাদকমুক্ত রাখতে এবং কর্মক্ষম জাতি গঠনে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।&rsquo;</p>

<p>&lsquo;দক্ষ যুবশক্তি গড়ে তুলতে সরকারের চেয়ে বেসরকারি খাতের সম্পৃক্ততা বেশি গুরুত্বপূর্ণ&rsquo; শীর্ষক এই ছায়া সংসদ বিতর্ক প্রতিযোগিতায় ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটিকে পরাজিত করে বিজয়ী হয়েছে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ী ও বিজিত দলের হাতে ট্রফি, ক্রেস্ট ও সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/838-99.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[‘অগ্রগতি হলে জানানো হবে’, প্রধানমন্ত্রীর সফর নিয়ে বলল দিল্লি]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29351</link>
    <pubDate>Sat, 15 Aug 2026 10:19:59 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29351</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1030-88.jpg" />    <article>
<p>আগামী সপ্তাহের শেষার্ধে ভারত সফরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান&mdash;এমন খবর প্রকাশ করেছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো। তবে তা আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>শুক্রবার (১৪ আগস্ট) এক ব্রিফিংয়ে মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেছেন, দিল্লিতে বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রীর আগমনের বিষয়ে &lsquo;নতুন কোনো অগ্রগতি হলে তা পরবর্তীতে জানিয়ে দেওয়া হবে&rsquo;।</p>

<p>রণধীর জয়সওয়াল বলেন, &lsquo;আমরা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে একটি দ্বিপক্ষীয় সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছি। এর পাশাপাশি ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের আউটরিচ সেশনে অংশ নেওয়ার জন্যও ভারতের তরফ থেকে তাকে সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এই আমন্ত্রণগুলো ইতিমধ্যে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে এবং এ বিষয়ে নতুন কোনো অগ্রগতি হলে তা পরবর্তীতে জানিয়ে দেওয়া হবে।</p>
</article>

<article>&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>এর আগে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি ঢাকা ও নয়াদিল্লির সূত্রের বরাতে তাদের প্রতিবেদনে দাবি করে, প্রধানমন্ত্রীর সফরের সম্ভাব্য তারিখ হতে পারে ২২-২৩ আগস্ট।</p>

<p>সংবাদমাধ্যমটি বলছে, সম্ভাব্য এই সফরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে। এর মধ্যে বাণিজ্য, যোগাযোগ, জ্বালানি, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা গুরুত্ব পেতে পারে।</p>
</article>

<p>
<video autoplay="autoplay" loop="" playsinline="">Your browser does not support the video tag.</video>
</p>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>তবে এ বিষয়ে বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেয়নি। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্র জানায়, আরো কয়েকটি দেশের মতো ভারতের সঙ্গেও প্রধানমন্ত্রীর সফর নিয়ে আলোচনা চলছে। তবে সফরসূচি এখনো&nbsp;চূড়ান্ত হয়নি।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1030-88.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট বিশেষ অধিবেশন চেয়ে রাষ্ট্রপতিকে বিরোধী নেতার চিঠি]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29350</link>
    <pubDate>Sat, 15 Aug 2026 10:18:43 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29350</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1154-77.jpg" />    <p>দেশে চলমান তীব্র বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট এবং সার্বিক আর্থ-সামাজিক ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় জাতীয় সংসদের বিশেষ অধিবেশন আহ্বানের জন্য রাষ্ট্রপতিকে চিঠি দিয়েছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান শুক্রবার রাষ্ট্রপতি বরাবর এ চিঠি পাঠান। চিঠির অনুলিপি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ সচিবালয়েও দেওয়া হয়েছে।</p>

<p>চিঠিতে বলা হয়েছে, বর্তমানে দেশজুড়ে তীব্র বিদ্যুৎ সংকট বিরাজ করছে। লাগামহীন লোডশেডিংয়ের ফলে একদিকে সাধারণ মানুষের জীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে, অন্যদিকে শিল্প-উৎপাদন ও ব্যবসা-বাণিজ্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের প্রত্যক্ষ প্রভাবে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে এবং সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি ঘটেছে, যা জনগণকে এক চরম অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিচ্ছে।&nbsp;</p>

<p>এতে বলা হয়েছে, জনগণের প্রতিনিধি হিসাবে এ সংকটকালে আমরা নীরব থাকতে পারি না। দেশের এ উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংসদে অর্থবহ আলোচনা ও আশু সমাধান খোঁজা অত্যন্ত জরুরি। চিঠিতে দেশজুড়ে চলমান এ সংকটসহ আনুষঙ্গিক অন্যান্য সমস্যার দ্রুত সমাধানে অবিলম্বে জাতীয় সংসদের একটি বিশেষ অধিবেশন আহ্বান করার জন্য বিরোধীদলীয় নেতা মহামান্য রাষ্ট্রপতির প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1154-77.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন আজ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29349</link>
    <pubDate>Sat, 15 Aug 2026 10:17:57 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29349</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1270-66.jpg" />    <p>প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন আজ। ১৯৪৫ সালের এই দিনে তিনি দিনাজপুরে জন্মগ্রহণ করেন। এ উপলক্ষ্যে সারা দেশে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল করবে বিএনপি।&nbsp;</p>

<p>শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকালে দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।</p>

<p>এতে বলা হয়, সারা দেশে দলীয় কার্যালয়ে অথবা মসজিদে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল হবে। আর ঢাকায় বেলা ১১টায় নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ কর্মসূচি পালন করা হবে।</p>

<p>এ কর্মসূচি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।</p>

<p>খালেদা জিয়ার পারিবারিক নাম খালেদা খানম, ডাকনাম পুতুল। তার বাবা ইস্কান্দার মজুমদারের বাড়ি ফেনীতে হলেও তিনি জলপাইগুড়িতে বোনের বাসায় থেকে পড়ালেখা করেন। সেখানে চা ব্যবসাও করেন তিনি। পরে পরিবার নিয়ে দিনাজপুর শহরে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। সেখানকার একটি মিশনারি স্কুল ও পরে দিনাজপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়ালেখা করেন খালেদা জিয়া।</p>

<p>১৯৬০ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন জিয়াউর রহমানের সঙ্গে খালেদার বিয়ে হয়। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য ভূমিকা রাখেন জিয়াউর রহমান। তখন তিনি পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মেজর ছিলেন। তিনি চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে ২৭ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। ওই ঘোষণা শুনে বাঙালি যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে।&nbsp;</p>

<p>স্বাধীনতার পর ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর বিএনপি নামে একটি রাজনৈতিক দল গঠন করেন জিয়াউর রহমান। সে সময় তিনি রাষ্ট্রপতি ছিলেন। ১৯৮১ সালে চট্টগ্রামে এক ব্যর্থ সেনা অভু্যত্থানে জিয়াউর রহমান নিহত হন। এরপর বিএনপির হাল ধরেন তার স্ত্রী খালেদা জিয়া।</p>

<p>১৯৮৩ সালে তার নেতৃত্বে বিএনপি সাতদলীয় জোট গঠন করে এরশাদবিরোধী আন্দোলন শুরু করে। সেই আন্দোলনে অন্যান্য রাজনৈতিক দল ও জোট ছিল। তারা এরশাদ সরকারের সঙ্গে কখনো কখনো সমঝোতায় গেলেও খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন জোট সমঝোতায় যায়নি। এ কারণেই তিনি আপসহীন নেত্রী উপাধি পান।&nbsp;</p>

<p>১৯৯১ সালে তিনি বাংলাদেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। পরে তিন আরও দুই দফায় প্রধানমন্ত্রী হন। ওয়ান-ইলেভেনের পর ফখরুদ্দীন-মউনউদ্দিন সরকারের আমলে তিনি কারাবন্দি হন। পরে ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি দুর্নীতির অভিযোগে তাকে গ্রেফতার করা হয়। মিথ্যা মামলায় কারাদণ্ড দেওয়া হয় তাকে।</p>

<p>নানা শারীরিক জটিলতা নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ৩০ ডিসেম্বর খালেদা জিয়া মারা যান। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি বিএনপির চেয়ারপারসন ছিলেন। ক্ষমতাসীন দলটির নেতৃত্বে এখন আছেন তার জ্যেষ্ঠ ছেলে তারেক রহমান, যিনি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে সরকারপ্রধানের দায়িত্ব পালন করছেন।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1270-66.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[হরমুজ প্রণালিকে যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ড করা হবে : ট্রাম্প]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29348</link>
    <pubDate>Sat, 15 Aug 2026 10:10:36 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29348</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1372-55.jpg" />    <article>
<p>হরমুজ প্রণালীকে যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব ভূখণ্ড হিসেবে ঘোষণা করার পরিকল্পনা করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন নিউ ইয়র্ক পোস্টের সূত্রে বার্তা সংস্থা এএনআই জানায়, <a href="https://aninews.in/news/world/us/will-declare-hormuz-us-territory-after-defeating-iran-trump20260815022407/?fbclid=IwY2xjawTspzBwZG9mBWV4dG4DYWVtAjEwAGJyaWQRMU05Vzc3Z3JPNHpOTGt5c2FzcnRjBmFwcF9pZBAyMjIwMzkxNzg4MjAwODkyAAEeuWCRdbNR1PLqNE2Pft-qUtp6FPJ1Io093pxunfA9s5UlewQXg9rWHUFqh8g_aem_Y4v3S4B4myyXeenCfEsIZw">লং আইল্যান্ডে আয়োজিত এক রাজনৈতিক সমাবেশে</a> ট্রাম্প এ ঘোষণা দেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>ট্রাম্প দাবি করেন, যুদ্ধে ইরান ব্যাপকভাবে পরাজিত হচ্ছে এবং দ্রুতই কৌশলগত এই প্রণালীটির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ যুক্তরাষ্ট্রের অধীনে আনা হবে। মার্কিন নৌ-অবরোধকে ইস্পাতের প্রাচীর উল্লেখ করে তিনি জানান, তেহরানের সামরিক অবকাঠামো ধ্বংস করা হয়েছে এবং সেখানে মার্কিন আধিপত্য বজায় থাকবে।</p>

<p>তবে ট্রাম্পের এই দাবি পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান ও পারস্য উপসাগরীয় প্রণালী কর্তৃপক্ষ। এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানায়, আমেরিকার এসব মৌখিক দাবি বাস্তব পরিস্থিতি পরিবর্তন করতে পারেনি।</p>
</article>

<article>তেহরানের বেঁধে দেওয়া শর্ত পূরণ না হওয়া পর্যন্ত কৌশলগত এই সমুদ্রপথ অবরুদ্ধই থাকবে।
<p>&nbsp;</p>

<p>বিশ্বের অন্যতম সংবেদনশীল বাণিজ্যিক জলপথ হরমুজ প্রণালীতে দুই দেশের চরম উত্তেজনার ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম এক লাফেই আশঙ্কাজনক হারে বাড়ার তৈরি হয়েছে। বাণিজ্যিক জাহাজগুলো তাদের নিরাপদ পথ পরিবর্তন করতে বাধ্য হচ্ছে এবং মার্কিন-ইরান সংঘাত এড়াতে আন্তর্জাতিক মহল থেকে জরুরি কূটনৈতিক সংযমের আহ্বান জানানো হচ্ছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1372-55.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিরাপত্তা ঝুঁকিতেও হরমুজ ও লোহিত সাগরে বাড়ছে জাহাজ চলাচল]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29347</link>
    <pubDate>Sat, 15 Aug 2026 10:09:13 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29347</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1437-44.jpg" />    <article>
<p>চলমান উচ্চ নিরাপত্তা ঝুঁকিতেও পারস্য উপসাগরের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। একই সঙ্গে লোহিত সাগরের বাব আল-মান্দাব প্রণালিতেও বেড়েছে জাহাজ চলাচল।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>সামুদ্রিক জাহাজ ট্র্যাকিং প্রতিষ্ঠান মেরিনট্রাফিকের <a href="https://gulfnews.com/world/mena/hormuz-ship-crossings-jump-44-marine-traffic-tracker-1.500641135">তথ্য অনুযায়ী</a>, বৃহস্পতিবার প্রণালিটি দিয়ে ১৩টি জাহাজের চলাচল নিশ্চিত করা হয়েছে, যা আগের দিনের তুলনায় ৪৪ শতাংশ বেশি। তবে চলমান সংঘাত এবং প্রণালিটির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পাল্টাপাল্টি দাবির মধ্যে জাহাজ চলাচলের পরিমাণ এখনো স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় অনেক কম।</p>

<p>শুক্রবার <a href="https://x.com/MarineTraffic/status/2088204114261885024?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E2088204114261885024%7Ctwgr%5E43e271659b4ccdd9677966f3a5a9145286ec9675%7Ctwcon%5Es1_&amp;ref_url=https%3A%2F%2Fgulfnews.com%2Fworld%2Fmena%2Fhormuz-ship-crossings-jump-44-marine-traffic-tracker-1.500641135">এক পোস্টে</a> প্রতিষ্ঠানটি জানায়, ১৩টি জাহাজের মধ্যে ৭টি আরব উপসাগরে প্রবেশ করেছে এবং ৬টি সেখান থেকে বের হয়েছে। এর মধ্যে ৯টি জাহাজ ইরানের ইউনিল্যাটারাল স্কিম ব্যবহার করেছে।</p>
</article>

<article>তবে হরমুজের প্রচলিত ট্রাফিক সেপারেশন স্কিম দিয়ে কোনো জাহাজ চলাচলের বিষয় নিশ্চিত করা যায়নি। আরো ৪টি জাহাজ কোন রুট ব্যবহার করেছে, তা নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি।
<p>&nbsp;</p>

<p><iframe allowfullscreen="true" allowtransparency="true" frameborder="0" id="twitter-widget-0" scrolling="yes" src="https://platform.twitter.com/embed/Tweet.html?id=2088204114261885024"></iframe></p>

<p>&nbsp;</p>

<p>চলাচলকারী জাহাজগুলোর মধ্যে দুটি নিষেধাজ্ঞার আওতাভুক্ত, তিনটি &lsquo;শ্যাডো&rsquo; বা গোপন নৌবহরের জাহাজ এবং আরো ৮টি অন্যান্য জাহাজ ছিল বলেও জানায় মেরিনট্রাফিক।</p>

<p><strong>বাব আল-মান্দাবেও বাড়ছে</strong></p>

<p>লোহিত সাগরের বাব আল-মান্দাব প্রণালিতেও জাহাজ চলাচল সামান্য বেড়েছে।</p>
</article>

<p>
<video autoplay="autoplay" loop="" playsinline="">Your browser does not support the video tag.</video>
</p>

<article>বৃহস্পতিবার সেখানে ২৯টি জাহাজের চলাচল নিশ্চিত করা হয়, যা আগের দিনের ২৮টির তুলনায় প্রায় ৪ শতাংশ বেশি।
<p>&nbsp;</p>

<p>এর মধ্যে ১৮টি জাহাজ লোহিত সাগরে প্রবেশ করে এবং ১১টি বের হয়ে যায়। দুটি জাহাজের চলাচলের সময় তাদের অটোমেটিক আইডেন্টিফিকেশন সিস্টেম (এআইএস) বন্ধ ছিল। চলাচলকারী জাহাজগুলোর মধ্যে চারটি নিষেধাজ্ঞার আওতাভুক্ত এবং দুটি &lsquo;শ্যাডো&rsquo; জাহাজ ছিল। তবে ওই দিন নতুন কোনো জাহাজে হামলার ঘটনা নিশ্চিত করা হয়নি।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/08/13/1725003" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ব্যাপকভাবে কমে গেছে। বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে যুদ্ধ শুরুর আগে প্রতিদিন সাধারণত প্রায় ১০০ থেকে ১৪০টি জাহাজ অতিক্রম করত।</p>

<p>লোহিত সাগরে হুতিদের হামলার আশঙ্কার কারণে বাব আল-মান্দাব প্রণালিতেও জাহাজ চলাচল বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। তবে সাম্প্রতিক দিনগুলোতে সেখানেও চলাচল তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল রয়েছে।</p>

<p>মেরিনট্রাফিকসহ জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো জানিয়েছে, কিছু জাহাজ এআইএস ট্রান্সপন্ডার বন্ধ রেখে চলাচল করে। ফলে নিশ্চিত করা জাহাজের সংখ্যা প্রকৃত মোট চলাচলের তুলনায় কম হতে পারে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1437-44.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[তালেবান শাসনের ৫ বছর: বদলে গেছে আফগান নারীদের জীবনধারা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29346</link>
    <pubDate>Sat, 15 Aug 2026 10:08:18 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29346</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1523-33.jpg" />    <article>
<p><a href="https://www.bbc.com/news/articles/clyje43dz4eo?fbclid=IwY2xjawTsrgdwZG9mAWV4dG4DYWVtAjEwAGJyaWQRMXlCUko4N0JSckxLU2p5VUlzcnRjBmFwcF9pZBAyMjIwMzkxNzg4MjAwODkyAAEeGzZFtafgaG_VG3pcpmXc57sGAS5HhtvibkhZhITE2vilvOjJpSgzOz0y74s_aem_x2JNDtpuZlryF4R2F0O7CA">তালেবান </a>আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখলের পাঁচ বছর পর দেশটির নারী ও মেয়েদের জীবন অনেকটাই বদলে গেছে। শিক্ষা, চাকরি, চলাফেরা ও স্বাস্থ্যসেবাসহ জীবনের নানা ক্ষেত্রে তারা কঠোর বিধিনিষেধের মুখে পড়েছেন।</p>
</article>

<article>নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়েও অনিশ্চয়তায় আছেন অনেকে।
<p>&nbsp;</p>

<p>২০২১ সালের ১৫ আগস্ট আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ নেয় তালেবান। এর আগে প্রায় দুই দশক যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটের সঙ্গে লড়াইয়ের পর তালেবানকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে রাখা হয়েছিল। ক্ষমতা ফিরে পাওয়ার পর থেকেই নারী ও মেয়েদের ওপর একের পর এক বিধিনিষেধ আরোপ করেছে তালেবান।</p>
</article>

<article>বিবিসি কাবুলসহ আফগানিস্তানের বিভিন্ন শহর ও প্রত্যন্ত এলাকার নারীদের সঙ্গে কথা বলেছে। তাদের অনেকেই বলেছেন, তালেবান শাসনে তাদের জীবন আগের মতো নেই। তালেবানের বিভিন্ন সিদ্ধান্তের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মেয়েদের শিক্ষা। ১২ বছরের বেশি বয়সী মেয়েদের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষায় যাওয়ার সুযোগ বন্ধ রয়েছে।</article>

<p>
<video autoplay="autoplay" loop="" playsinline="">Your browser does not support the video tag.</video>
</p>

<article>জাতিসংঘের শিশু বিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ২৬ লাখ মেয়ে ষষ্ঠ শ্রেণি শেষ করার পর আর স্কুলে যেতে পারছে না। বর্তমানে আফগানিস্তানই বিশ্বের একমাত্র দেশ, যেখানে মেয়েদের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা সরকারি ভাবে নিষিদ্ধ।
<p>&nbsp;</p>
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/country-news/2026/08/15/1725647" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>কাবুলের শাকিবা তালেবান ক্ষমতায় আসার দিনটিকে তার জীবনের সবচেয়ে কষ্টের দিনগুলোর একটি বলে মনে করেন। তিনি বলেন, ১৫ আগস্ট এলেই তার মনে হয় পুরোনো ক্ষত আবার জেগে উঠেছে। বছরের পর বছর যে স্বপ্নগুলো তিনি মনে লালন করেছেন, সেগুলো এক মুহূর্তে তার কাছ থেকে কেড়ে নেওয়া হয়েছে বলে মনে হয়েছিল।</p>
</article>

<article>অনলাইনে মাধ্যমিক শিক্ষা শেষ করতে পেরেছেন শাকিবা। এটিকে তিনি নিজের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন মনে করেন। তবে তার সবচেয়ে বড় স্বপ্ন ছিল পাইলট হওয়া। এখন সেই স্বপ্ন পূরণ করা অসম্ভব বলেই মনে করেন তিনি। শাকিবা বলেন, ছোটবেলায় আকাশের দিকে তাকিয়ে নিজেকে উড়োজাহাজ চালাতে কল্পনা করতেন। তিনি স্বাধীনভাবে উড়তে এবং সীমাহীন পৃথিবী দেখতে চেয়েছিলেন। তালেবানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি অবশ্য নারীদের শিক্ষা নিয়ে নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করেছেন। বিবিসির প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নারীদের জন্য সবকিছু নিষিদ্ধ করা হয়নি।
<p>&nbsp;</p>

<p>মুত্তাকির দাবি, বর্তমানে প্রায় ৩০ লাখ মেয়ে স্কুল ও মাদরাসায় পড়ছে। তার ভাষ্য, নারীদের জীবন ও কাজের সব ক্ষেত্র বন্ধ করে দেওয়া হয়নি; কিছু কার্যক্রম সাময়িকভাবে সীমিত করা হয়েছে। তবে তালেবানের এই বক্তব্যের সঙ্গে আফগান নারী ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর তথ্যের বড় পার্থক্য রয়েছে। শিক্ষার পাশাপাশি কর্মক্ষেত্রেও নারীদের ওপর নানা বিধিনিষেধ রয়েছে। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, আফগানিস্তানে মাত্র ৭ শতাংশ নারী কর্মরত। তালেবানের বিভিন্ন নির্দেশের কারণে সংবাদ উপস্থাপক জুহাল তার চাকরি হারিয়েছেন। টেলিভিশনে সংবাদ পড়া ছিল তার কাছে শুধু একটি চাকরি নয়, জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। জুহাল বলেন, ক্যামেরার সামনে বসে সংবাদ পড়ার সময় তিনি গর্বিত ও আনন্দিত বোধ করতেন। কাজটি তার পরিচয়ের অংশ হয়ে উঠেছিল। এখন তার সেই জীবন নেই। সকালে ঘুম থেকে উঠে তিনি জানেন, সারাদিন তাকে বাড়িতে থাকতে হবে।</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/business/2026/08/15/1725646" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>তবে তালেবানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি দাবি করেছেন, নারী উদ্যোক্তার সংখ্যা বরং বেড়েছে। তার মতে, ২০২০ ও ২০২১ সালে আফগানিস্তানে ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত নারী ছিলেন প্রায় ৩০ হাজার। বর্তমানে এই সংখ্যা বেড়ে ১ লাখ ২০ হাজার হয়েছে। তালেবানের দাবি, নারীরা শিক্ষক, সরকারি কর্মচারী ও উদ্যোক্তা হিসেবে কাজ করছেন। নারীদের স্বাধীন চলাফেরার ওপরও নানা বিধিনিষেধ রয়েছে। পুরুষ অভিভাবক ছাড়া দূরে ভ্রমণের ক্ষেত্রে তাদের বাধার মুখে পড়তে হয়। এসব নিয়মের কারণে নারীদের নিজেদের জীবন নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগও কমে গেছে বলে জানিয়েছেন অনেকে। কাবুলের এলা বলেন, দারিদ্র্য ও প্রতিদিনের নানা সমস্যা মানুষের জীবনকে এতটাই কঠিন করে তুলেছে যে অনেকে তাদের শিক্ষা, স্বপ্ন ও ভবিষ্যতের আশা ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছেন। তিনি বলেন, এখন বেচে থাকাই অনেকের কাছে সবচেয়ে বড় বিষয়। ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা করার মতো সময় বা শক্তি অনেকেরই নেই।</p>

<p>তালেবান আবার প্রকাশ্যে শারীরিক শাস্তি কার্যকর করা শুরু করেছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সাল থেকে শত শত মানুষকে বেত্রাঘাত করা হয়েছে। প্রকৃত সংখ্যা আরো বেশি হতে পারে। শাইমা নামের এক নারী জানান, তাকে ৫০ বার বেত্রাঘাত করা হয়েছিল। এতে তার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় গুরুতর দাগ পড়ে। এই ঘটনার পর তার পুরো পরিবারও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। শাইমার ভাষ্য, তাকে জোর করে একটি কাগজে স্বীকারোক্তি দিতে হয়েছিল। সেখানে তাকে ধর্মত্যাগী এবং অবিশ্বাসীদের সঙ্গে সহযোগিতাকারী হিসেবে স্বীকার করতে বাধ্য করা হয়। অপরিচিত পুরুষদের সঙ্গে কথা বলার অভিযোগও আনা হয়েছিল তার বিরুদ্ধে। তিনি বলেন, বেত্রাঘাতের সময় এত জোরে মারা হচ্ছিল যে তার মাথা বারবার মাটির দিকে নুয়ে যাচ্ছিল।</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/08/15/1725645" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>প্রায় ২০০ স্থানীয় মানুষ ওই শাস্তি দেখার জন্য জড়ো হয়েছিল। তাদের মধ্যে পুরুষ, কিশোর ও শিশুও ছিল। শাইমাকে সবার সামনে নিজের ভুল স্বীকার করে অনুতপ্ত হওয়ার কথা বলতে হয়েছিল। এই ঘটনার প্রভাব তার মেয়ের ওপরও পড়েছে। শাইমা বলেন, তার বড় মেয়ে প্রায় প্রতি রাতেই ভয় পেয়ে ঘুম থেকে ওঠে। সে মাকে বলে, &lsquo;তারা তোমাকে মারছে&rsquo; বা &lsquo;তারা তোমাকে মেরে ফেলছে।&rsquo; মেয়ের এই ভয়ই শাইমাকে সবচেয়ে বেশি কষ্ট দেয়। আরেক নারী মানিজাকেও এক পুরুষের সঙ্গে বন্ধুত্বের কারণে প্রকাশ্যে ৩৯ বার বেত্রাঘাত করা হয়। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। মানিজা জানান, ওই পুরুষের সঙ্গে তার বিয়ে হওয়ার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু তালেবানের গোয়েন্দারা তাদের গ্রেপ্তার করে। কারাগারে থাকার সময় তিনি ভয়াবহ অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গেছেন বলে জানান। একপর্যায়ে তার বেচে থাকার ইচ্ছাও চলে গিয়েছিল। মানিজা বলেন, কারাগার থেকে বের হলে নিজের জীবন শেষ করে দেওয়ার কথা ভাবতেন তিনি। গ্রেপ্তার ও শাস্তির পর নিজেকে পরিবার ও বন্ধুদের জন্য লজ্জার কারণ মনে হতে শুরু করে তার।</p>

<p>আফগানিস্তানে নারীদের স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার ক্ষেত্রেও বড় সমস্যা তৈরি হয়েছে। দেশটিতে মাতৃমৃত্যুর হার বিশ্বের অন্যতম বেশি। নারী চিকিৎসকের সংখ্যা কমে যাওয়া এবং পুরুষ চিকিৎসকের মাধ্যমে চিকিৎসা নেওয়ার ক্ষেত্রে থাকা বিভিন্ন বিধিনিষেধের কারণে অনেক নারী ও মেয়ে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিতে পারেন না। ধাত্রী মারজিয়া জানান, প্রত্যন্ত এলাকা থেকে চিকিৎসাকেন্দ্রে আসা ৪৫ বছর বয়সী ছয় সন্তানের এক মাকে তার চোখের সামনে মারা যেতে দেখেছেন। শিশুটিকে বাঁচানো গেলেও মাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। মারজিয়া বলেন, ওই শিশুর ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি এখনো চিন্তা করেন। মা ছাড়া শিশুটি এবং তার ভাইবোনেরা কীভাবে বড় হবে&mdash;এই প্রশ্ন তাকে ভাবায়। তার মতে, একজন রোগীকে হারানো চিকিৎসাকর্মীদের জন্য সবচেয়ে কষ্টের অভিজ্ঞতাগুলোর একটি। এতে তারা শারীরিক ও মানসিক- দুই দিক থেকেই ক্লান্ত হয়ে পড়েন।</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/Islamic-lifestylie/2026/08/15/1725644" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>মরিয়ম একটি কন্যাসন্তানের মা হতে চলেছেন। কিন্তু মেয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি চিন্তিত। মরিয়ম বলেন, তালেবানের বর্তমান বিধিনিষেধ চলতে থাকলে তার মেয়ে হয়তো পড়াশোনা শেষ করার সুযোগও পাবে না। বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার সুযোগ পাওয়া তো আরো কঠিন। তিনি আরো বলেন, ভবিষ্যতে তার মেয়ে বিয়ে করে সন্তান জন্ম দিতে গেলে যদি একজন নারী চিকিৎসকের প্রয়োজন হয়, কিন্তু সেই সময় পর্যাপ্ত নারী চিকিৎসক না থাকেন, তাহলে পরিস্থিতি জীবন-মরণের প্রশ্ন হয়ে দাঁড়াতে পারে।</p>

<p>তালেবান শাসনের কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও কিছু আফগান নারী এখনো আশা ধরে রেখেছেন। ২৪ বছর বয়সী নূরি নারীদের অধিকার রক্ষার জন্য আইন ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান পড়তে চেয়েছিলেন। তালেবান ক্ষমতা নেওয়ার পর তার পড়াশোনা শেষ করা সম্ভব হয়নি। তবে তিনি হাল ছাড়েননি। আর্থিকভাবে স্বাধীন হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে একটি জ্যাম তৈরির প্রতিষ্ঠানে কাজ শুরু করেন। সেখানে তিন বছর ধরে কাজ করছেন তিনি। এখন নিজের প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার পরিকল্পনা করছেন নূরি। তার লক্ষ্য, অন্য নারীদের জন্যও কাজের সুযোগ তৈরি করা। নূরি বলেন, তিনি চান অন্য নারীরা তাঁর মতো স্বাধীন, শক্তিশালী ও সফল হয়ে উঠুক। বর্তমানে তাঁর প্রতিষ্ঠানে ১০ জন নারী কাজ করছেন।&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/national/2026/08/15/1725643" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>১৩ বছর বয়সী আসামার স্বপ্ন চিকিৎসক হওয়া। স্কুলে যেতে না পারলেও সে বিশ্বাস করে, একদিন পরিস্থিতি বদলাবে এবং সে চিকিৎসক হতে পারবে। আসামা বলে, একদিন সবকিছু বদলে যাবে। সেই সময়ের জন্য সবাইকে ধৈর্য ধরে এগিয়ে যেতে হবে এবং আশা হারানো যাবে না। দাঁতের চিকিৎসকের সহকারী হিসেবে কাজ করা এলা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আফগান নারী ও মেয়েদের পাশে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, বিশ্বের মানুষের উচিত আফগান নারীদের কথা বলা এবং তাদের শিক্ষা ও কাজের অধিকারকে সমর্থন করা। তাদের পরিস্থিতির ওপর আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নজর রাখা জরুরি। এলার মতে, আফগান নারীদের এখন নীরবতা নয়, সংহতি প্রয়োজন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1523-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[২২৮ রানের লিডে শেষ বাংলাদেশের ইনিংস]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/29345</link>
    <pubDate>Sat, 15 Aug 2026 10:06:54 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/29345</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1565-22.jpg" />    <article>
<p>প্যাট কামিন্সের একই ওভারে দুই ক্যাচ মিস। তাতে জীবন পেলেন দুই ব্যাটার তাসকিন আহমেদ ও মেহেদী হাসান মিরাজ।</p>
</article>

<article>জীবন পাওয়া দুই ব্যাটারের ঠোটে হাসি থাকলেও বিষন্ন মন কামিন্সের।
<p>&nbsp;</p>

<p>এই বিষন্নতা শুধু অধিনায়ক কামিন্সকেই ঝেঁকে বসেনি পুরো অস্ট্রেলিয়া দলকেই বসছে। ডারউইন টেস্টে তাদের ওপর শাসন করে যে ২২৮ রানের লিড নিয়েছে বাংলাদেশ। অথচ, টেস্ট শুরুর আগে কত কথাই না চলছিল।</p>
</article>

<article>বাংলাদেশ পারবে তো প্রথম টেস্টকে পঞ্চম দিনে নিয়ে যেতে।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>এখন সেই টেস্টেই জয়ের স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়াকে তাদের মাটিতে হারানোর স্বপ্ন। দলীয় প্রচেষ্টার ফল পাওয়ার অপেক্ষায় এখন নাজমুল হোসেন শান্তর নেতৃত্বাধীন দল।</p>
</article>

<p>
<video autoplay="autoplay" loop="" playsinline="">Your browser does not support the video tag.</video>
</p>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ইনিংসের ১৯৮ রানের বিপরীতে ৪২৬ রানে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ। আজ তৃতীয় দিনের শুরুতে উইকেট হারালেও মিরাজ ঠিকই লেজের দিকের ব্যাটারদের নিয়ে বড় লিড এনে দিয়েছেন। ২২৮ রানের লিড এনে দেওয়ার পথে তুলে নিয়েছেন ক্যারিয়ারের ১০ম ফিফটিও।</p>

<p>ডারউইনে আজ ৬ &zwj;উইকেটে ৩৫১ রান নিয়ে তৃতীয় দিনের খেলা শুরু করেছিল বাংলাদেশ। গত দিনের দুই অপরাজিত ব্যাটার মিরাজ-হাসান মাহমুদের জুটি আজ দ্রুতই ভেঙে যায়।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>দলীয় খাতায় আজ ৩ রান যোগ হতেই বিদায় নেন পেসার হাসান। তবে জশ হ্যাজলউডের বলে ১৪ রানে এলবিডব্লিউ হওয়ার আগে ৯২ বল খেলে অস্ট্রেলিয়াকে ভালোই প্যারা দিয়েছেন এই পেসার। তার বিদায়ে ভেঙে যায় ১৭০ বলে ৪৬ রানের জুটি।</p>

<p>নতুন ব্যাটার তাইজুল ইসলামও ফেরেন দ্রুতই। হ্যাজলউডের শিকার হওয়ার আগে অবশ্য ১ চার ও ১ ছক্কায় ১৭ রানের ইনিংস খেলেন বাঁহাতি স্পিনার। তাতে বাংলাদেশকে দ্রুতই অলআউট করার স্বপ্ন দেখছিল অস্ট্রেলিয়া।</p>

<p>তবে তা হতে দেননি মিরাজ-তাসকিন আহমেদ। দুজনে মিলে পরে প্রথম সেশন কাটিয়ে দেন। অস্ট্রেলিয়ার হতাশা এতটাই বাড়ে যে লাঞ্চে যাওয়ার আগে একই ওভারে ২ ক্যাচ মিস করে। ইনিংসের ১২৯তম ওভারে দুই উইকেট পাওয়ার দ্বারপ্রান্তে ছিলেন কামিন্স। কিন্তু উভয় ক্যাচই মিস করেন তার দুই সতীর্থ। তাতে জীবন পান তাসকিন ও মিরাজ।&nbsp;</p>

<p>প্রথমটা খুব সহজ ছিল। কামিন্সের করা ওভারের প্রথম বলে ডিপ ব্যাকওয়ার্ড স্কয়ার দিয়ে ৪ মারেন তাসকিন। লোভে পরে আবারও মারত যান তিনি। তবে ফিরতি বলে ক্যাচ দিয়ে বসেন। কিন্তু সহজ ক্যাচটা মিস করলেন স্টিভেন স্মিথ। অথচ, গতকাল স্লিপের মতো কঠিন জায়গায় হ্যাটট্রিক ক্যাচ নেন তিনি।</p>

<p>২ বল পর এবার ক্যাচ তুলেন মিরাজ। তবে মিডউইকেটে ওঠা ক্যাচটা একটু কঠিন ছিল ট্রাভিস হেডের জন্য। তবুও প্যাডসহ দৌড়ে বলকে হাতেও পেয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ার বাঁহাতি ওপেনার, তবে তা তালুবন্দী করতে পারেননি।</p>

<p>লাঞ্চের পরপরই অবশ্য আউট হয়েছেন মিরাজ। ব্যক্তিগত ৬৫ রানে হ্যাজলউডের বলে উইকেটরক্ষক অ্যালেক্স ক্যারিকে ক্যাচ দেন। তাতে ১৪তম বারের মতো ৫ উইকেটে নেওয়ার কীর্তি গড়েন তিনি। দলীয় ৮ রান পর ইবাদত হোসেনকে (৭) ফিরিয়ে বাংলাদেশের ইনিংস শেষ করেন অস্ট্রেলিয়ান পেসার। বিপরীতে ১৪ রানে অপরাজিত থাকেন তাসকিন। ৮৯ রানে ৬ উইকেট নেন হ্যাজলউড।&nbsp;</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1565-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[সিনেপ্লেক্সে মুক্তি পেল ওক স্ট্রিটের অদ্ভুত ঘটনার গল্প]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/29344</link>
    <pubDate>Sat, 15 Aug 2026 10:05:54 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/29344</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1663-11.jpg" />    <article>
<p>অচেনা এক জগতে হারিয়ে গেছে পুরো একটি শহরতলি। পরিচিত বাড়িঘর, রাস্তা আর চারপাশের পরিবেশ বদলে গিয়ে সেখানে হাজির হয়েছে প্রাগৈতিহাসিক জঙ্গল।</p>
</article>

<article>আর সেই জঙ্গলে ঘুরে বেড়াচ্ছে ভয়ংকর সব ডাইনোসর। এমনই অদ্ভুত ও রোমাঞ্চকর গল্প নিয়ে পর্দায় আসছে হলিউডের নতুন সিনেমা &lsquo;দ্য এন্ড অব ওক স্ট্রিট&rsquo;।
<p>&nbsp;</p>

<p>১৪ আগস্ট আন্তর্জাতিকভাবে মুক্তি পেয়েছে সিনেমাটি। একই দিনে বাংলাদেশের স্টার সিনেপ্লেক্সেও মুক্তি পাবে এটি।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>সায়েন্স ফিকশন, মিস্ট্রি ও সারভাইভাল থ্রিলারের মিশেলে নির্মিত সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন ডেভিড রবার্ট মিশেল। এতে অভিনয় করেছেন অ্যান হ্যাথাওয়ে, ইউয়ান ম্যাকগ্রেগর, মেইসি স্টেলা, ক্রিশ্চিয়ান কনভেরিসহ আরো অনেকে। সিনেমায় তারা একটি পরিবারের সদস্যের চরিত্রে অভিনয় করেছেন।</p>

<p>গল্পের কেন্দ্রে রয়েছে প্ল্যাট পরিবার।</p>
</article>

<p>
<video autoplay="autoplay" loop="" playsinline="">Your browser does not support the video tag.</video>
</p>

<article>১৯৮০-এর দশকের একটি সাধারণ শহরতলির এলাকায় তাদের বসবাস। হঠাৎ একদিন ঘটে যায় রহস্যময় এক মহাজাগতিক ঘটনা। এরপর পুরো ওক স্ট্রিট যেন পৃথিবীর স্বাভাবিক অবস্থান থেকে উপড়ে গিয়ে অন্য কোনো জগতে চলে যায়। বদলে যায় তাদের বাড়ি, রাস্তা এবং আশপাশের পরিবেশও।
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রথমে কী ঘটেছে, তা বুঝতে পারে না পরিবারটি।</p>
</article>

<article>কিন্তু বাইরে বেরিয়ে তারা দেখতে পায়, পরিচিত সেই শহরতলি আর নেই। ওক স্ট্রিটের সামনে বিশাল অচেনা জঙ্গল। রাস্তার শেষ প্রান্ত গিয়ে থেমেছে এক বিশাল খাদের কাছে। চারপাশে প্রাগৈতিহাসিক পরিবেশ। আর সবচেয়ে আতঙ্কের বিষয়&mdash;সেখানে ঘুরে বেড়াচ্ছে ডাইনোসর।
<p>&nbsp;</p>

<p>এরপরই শুরু হয় প্ল্যাট পরিবারের টিকে থাকার লড়াই। খাবার সংগ্রহ, নিরাপদ আশ্রয় খোঁজা এবং সন্তানদের সুরক্ষিত রাখাই হয়ে ওঠে তাদের প্রধান লক্ষ্য। তবে তাদের বিপদ কেবল ডাইনোসরেই সীমাবদ্ধ নয়। সম্পূর্ণ অচেনা পরিবেশের পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদের মধ্যকার টানাপোড়েনও পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করে তোলে।</p>

<p>তবে সিনেমার সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হয়ে উঠেছে এর রহস্য। ওক স্ট্রিট কীভাবে অন্য এক জগতে চলে গেল? পরিবারটি কি সত্যিই অতীতে পৌঁছে গেছে? ডাইনোসরগুলোই বা সেখানে এল কীভাবে? শেষ পর্যন্ত কি তারা নিজেদের পৃথিবীতে ফিরে যেতে পারবে?</p>

<p>ট্রেলার ও প্রকাশিত তথ্য থেকে ধারণা করা যায়, &lsquo;দ্য এন্ড অব ওক স্ট্রিট&rsquo; নিছক ডাইনোসরের হাত থেকে পালিয়ে বাঁচার গল্প নয়। বরং পুরো ঘটনার পেছনে থাকা রহস্যই সিনেমাটির মূল চালিকাশক্তি।</p>

<p>পরিচালক ডেভিড মিশেল জানিয়েছেন, সিনেমাটির ধারণার সঙ্গে তার শৈশবের স্মৃতিরও যোগ রয়েছে। ছোটবেলায় মিশিগানে নিজের এলাকায় হাঁটার সময় সাধারণ গলি, গ্যারেজ কিংবা রাস্তার শেষ প্রান্তও তার কাছে রহস্যময় এবং অন্য কোনো জগতের মতো মনে হতো। সেই অনুভূতিই পরবর্তী সময়ে সিনেমাটির ভাবনার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।</p>

<p>মিশেল শুধু ডাইনোসরনির্ভর একটি সিনেমা বানাতে চাননি। বরং একটি পরিচিত ও সাধারণ পারিবারিক পরিবেশের মধ্যে হঠাৎ অস্বাভাবিক এবং ভয়ংকর কিছু প্রবেশ করিয়ে দেওয়াই ছিল তার লক্ষ্য।</p>

<p>সিনেমায় অ্যান হ্যাথাওয়ের অভিনয় নিয়েও উচ্ছ্বসিত পরিচালক। তার মতে, পারিবারিক আবেগ ও নাটকীয় দৃশ্যগুলোতে হ্যাথাওয়ে অসাধারণ অভিনয় করেছেন। তবে গল্পে রহস্য, ভয় ও বিপদের মাত্রা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তিনি অভিনয়কে আরও ভিন্ন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। চরিত্রের শক্তি, ভয় এবং অসহায়ত্ব&mdash;সব কিছুই তিনি বিশ্বাসযোগ্যভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন বলে মনে করেন মিশেল।</p>

<p>সব মিলিয়ে প্রাগৈতিহাসিক প্রাণী, রহস্যময় মহাজাগতিক ঘটনা এবং একটি পরিবারের টিকে থাকার লড়াই&mdash;এই তিনের সমন্বয়ে &lsquo;দ্য এন্ড অব ওক স্ট্রিট&rsquo; দর্শকদের জন্য তৈরি করতে পারে ভিন্নধর্মী এক সিনেমার অভিজ্ঞতা।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1663-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[শোকাবহ ১৫ আগস্ট আজ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/bangladesh/29343</link>
    <pubDate>Sat, 15 Aug 2026 04:09:21 +0600</pubDate>
    <category> সারাবাংলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/bangladesh/29343</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/08142026_image06_jatio_shok_dibosh.jpg" />    <p>শোকাবহ ১৫ আগস্ট আজ। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৫১তম শাহাদতবার্ষিকী। এবারও ভিন্ন প্রেক্ষাপটে এসেছে ১৫ আগস্টের দিনটি। ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানে সরকার পরিবর্তনের পর দিবসটি রাষ্ট্রীয়ভাবে জাতীয় শোক দিবস হিসেবে পালন হয় না। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতা ছেড়ে ভারতে চলে যান শেখ হাসিনা। এরপর অন্তর্বর্তী সরকার ১৫ আগস্টের সরকারি ছুটি বাতিল করে দেয়।</p>

<p>১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট রাতে ঢাকায় বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবার এবং নিকটাত্মীয়সহ ২৬ জনকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। দুই মেয়ে শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা সে সময় জার্মানিতে অবস্থান করায় প্রাণে বেঁচে যান। ১৫ আগস্ট রাতে ধানমন্ডির বাড়িতে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে হত্যা করা হয় তার সহধর্মিণী শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব, ছেলে শেখ কামাল, শেখ জামাল ও শিশুপুত্র শেখ রাসেল, পুত্রবধূ সুলতানা কামাল ও রোজী জামাল, বঙ্গবন্ধুর একমাত্র ভাই শেখ আবু নাসের, বঙ্গবন্ধুর ফোন পেয়ে তার জীবন বাঁচাতে ছুটে আসা নিরাপত্তা কর্মকর্তা কর্নেল জামিল, এসবির কর্মকর্তা সিদ্দিকুর রহমান ও সেনাসদস্য সৈয়দ মাহবুবুল হককে।</p>

<p><img alt="" src="https://khabor.com/upload/images/news/08142026_image06_jatio_shok_dibosh.jpg" style="width: 799px; height: 814px;" /></p>

<p>বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাগ্নে যুবলীগ নেতা শেখ ফজলুল হক মনির বাসায় হামলা চালিয়ে তাকে, তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আরজু মনি, বঙ্গবন্ধুর ভগ্নিপতি আবদুর রব সেরনিয়াবাতের বাসায় হামলা করে তাকে ও তার কন্যা বেবী, ছেলে আরিফ সেরনিয়াবাত, নাতি সুকান্ত বাবু, সেরনিয়াবাতের বড় ভাইয়ের ছেলে সজীব সেরনিয়াবাত এবং এক আত্মীয় রেন্টু খানকে হত্যা করা হয়। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রথম শোক দিবস পালনের সিদ্ধান্ত হয়। ২০০১ সালে বিএনপির নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট ক্ষমতায় এলে সে সিদ্ধান্ত বাতিল করা হয়। তবে ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় এসে আবার রাষ্ট্রীয়ভাবে ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেয়। ড. ইউনূসের শাসনামলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে জাতীয় শোক দিবসের সাধারণ ছুটি বাতিল করা হয়। তা এখনো বহাল আছে।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/08142026_image06_jatio_shok_dibosh.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[১৫ আগস্টকে কেন্দ্র করে ডিএমপির নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা জোরদার]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/bangladesh/29342</link>
    <pubDate>Sat, 15 Aug 2026 01:14:09 +0600</pubDate>
    <category> সারাবাংলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/bangladesh/29342</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/08142026_image03_dmp.jpeg" />    <p>ঢাকা ১৫ আগস্টকে কেন্দ্র করে রাজধানীর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত ও যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজধানীজুড়ে বসানো হয়েছে চেকপোস্ট, বাড়ানো হয়েছে নজরদারি। গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, জনসমাগমস্থল ও প্রবেশপথগুলোতে নেওয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ডিএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) নিয়াজ মেহেদী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এ কথা বলা হয়েছে।</p>

<p>ডিএমপি জানায়, নিরাপত্তা জোরদারে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে পিকেট ও তল্লাশি চৌকি (চেকপোস্ট) বসানো হয়েছে। মহানগরের প্রবেশপথগুলোতে কড়া নজরদারির পাশাপাশি তল্লাশি কার্যক্রমও চলছে। নিরাপত্তা কার্যক্রমে মাঠে রয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট। গুরুত্বপূর্ণ স্থান ও জনসমাগমস্থলে সুইপিং কার্যক্রম পরিচালনা করছে সোয়াট, বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ও কে-নাইন (কুকুর) দল।</p>

<p>ডিএমপি আরও জানায়, রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোকে বিশেষ নিরাপত্তা পরিকল্পনার আওতায় আনা হয়েছে। এসব এলাকা সিসিটিভি ক্যামেরা ও ড্রোনের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি করা হচ্ছে। পাশাপাশি সাদা পোশাকে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহে নিয়োজিত রয়েছেন সিটিএসবি ও আইএডির সদস্যরা। ডিএমপির পাশাপাশি সার্বিক নিরাপত্তায় র&zwnj;্যাব ও সিআইডির অতিরিক্ত সদস্যরাও মাঠে কাজ করছেন।</p>

<p>যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি দ্রুত মোকাবিলায় পর্যাপ্ত কুইক রেসপন্স টিম (কিউআরটি) প্রস্তুত ও মোতায়েন রাখা হয়েছে। এ ছাড়া নিয়মিত দায়িত্বের বাইরে অতিরিক্ত পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যরা রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট, বিভিন্ন অনুষ্ঠানস্থল, মেট্রোরেল স্টেশন, বাস ও ট্রেন টার্মিনাল, লঞ্চঘাট, শপিংমলসহ বিভিন্ন সংবেদনশীল এলাকায় দায়িত্ব পালন করছেন। ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা মাঠপর্যায়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা সরেজমিনে তদারকি করছেন বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/08142026_image03_dmp.jpeg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[১৫ আগস্ট ঘিরে নাশকতার অভিযোগে গ্রেফতার ৫২ আসামি কারাগারে]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/bangladesh/29341</link>
    <pubDate>Sat, 15 Aug 2026 01:12:46 +0600</pubDate>
    <category> সারাবাংলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/bangladesh/29341</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/08142026_image02_dwf_wudu_station.jpeg" />    <p>ঢাকা: ১৫ আগস্টকে কেন্দ্র করে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় নাশকতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনার অভিযোগে গ্রেফতার ৫২ আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন &nbsp;আদালত।&nbsp;এছাড়া গ্রেফতার দুই কিশোরকে গাজীপুরের টঙ্গী কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ &nbsp;(শুক্রবার) তাদের ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।</p>

<p>কারাগারে পাঠানো আসামিরা হলে-যুবলীগ নেতা মোতালিব, যুবলীগ নেত্রী মেহেজাবীন আক্তার মালা, রুবেল, জি কে মাসুদ, অন্তর মিয়া, রমজান, মামুন, মিঠু ওরফে আমির হোসেন, আব্দুর রহমান ওরফে আব্দুল্লাহ, সুমন মিয়া, আরিফ মিয়া, মোস্তাক মিয়া, সাইম হোসেন, জাহিদ হাসান, শাহিন হোসেন ইমন, লিমন খান, দেওয়ান ইসমাইল, ফাহিম মিয়া, রতন, রাব্বি ওরফে রাফি, রাতুল শীল, মিনারুল মিয়া, মাসুদ রানা ওরফে লিমু, জিহাদ হাসান, আবু সাইম ওরফে সায়েম বাবু, ফাহিম, শাকিল মিয়া, রাজীব, সানি, রাজন মিয়া, মো. তারেক, তারেক, শাহিন, ফয়সাল, মামুন মিয়া, মুন্না, তামজিদ মিয়া নয়ন, ইয়াছিন, জামিল, রাকিবুল হাসান রাতুল, ফয়সাল, সিয়াম, শরিফ, সাদিকুর রহমান পায়েল, শাহিন আলম, আব্দুল আলী বাবু, অনিক, তারিকুল ইসলাম, আ. রহমান, ইয়ামিন মিয়া, আতিক ও আশিক।</p>

<p>মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, গত ১৩ আগস্ট রাতে ভাটারা থানার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি বাসার দ্বিতীয় তলার ফ্ল্যাটে অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন পালিয়ে গেলেও ৫২ জনকে আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিরা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গসংগঠন যুবলীগ, যুব মহিলা লীগ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তারা ১৫ আগস্ট উপলক্ষে একত্রিত হয়ে নাশকতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা করছিল।</p>

<p>অভিযানের সময় তাদের কাছ থেকে দুটি আইফোন, একটি স্যামসাং গ্যালাক্সি এস২৫ আল্ট্রা মোবাইল ফোন এবং তিনটি ব্যানার জব্দ করা হয় বলে মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।&nbsp;জব্দ করা ব্যানারগুলোর মধ্যে ১৫ আগস্ট উপলক্ষে আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিল আয়োজনের কথা উল্লেখ ছিল। এ ঘটনায় ভাটারা থানায় তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে মামলা দায়ের করা হয়।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/08142026_image02_dwf_wudu_station.jpeg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[US Business Leaders Discuss Expanding Trade and Investment with Foreign Affairs State Minister]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/english/29340</link>
    <pubDate>Fri, 14 Aug 2026 22:54:37 +0600</pubDate>
    <category> English </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/english/29340</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1153-77.jpg" />    <p>Shibbir Ahmed:&nbsp;Representatives of 25 leading US companies have held discussions with Bangladesh&rsquo;s State Minister for Foreign Affairs, Shama Obayed Islam, focusing on trade and investment opportunities in Bangladesh as well as challenges faced by businesses operating in the country.</p>

<p>The discussions reaffirmed the shared interest of Bangladesh and the United States in strengthening bilateral economic and commercial relations and expanding cooperation in trade and investment.</p>

<p>On Thursday, August 13, Shama Obayed Islam hosted a luncheon in Dhaka in honor of a visiting delegation from the US-Bangladesh Business Council (USBBC). Bangladeshi business leaders and members of the US delegation exchanged views and shared their experiences regarding trade, investment, and the opportunities and challenges of doing business in Bangladesh.</p>

<p>Welcoming the US delegation, the State Minister emphasized the importance of sustained engagement and stronger connections between the business communities of Bangladesh and the United States.</p>

<p>The discussions covered a broad range of areas in Bangladesh-US economic relations. Business leaders from both countries explored opportunities for greater cooperation in key sectors, including energy, technology, the digital economy, healthcare, agriculture, and financial services.</p>

<p>Earlier in the day, the US business delegation held a two-hour meeting with the Prime Minister. The Foreign Minister, Finance Minister, Commerce Minister, State Minister for Foreign Affairs, Foreign Affairs Adviser, and relevant advisers to the Prime Minister were also present.</p>

<p>The meeting included detailed discussions on strengthening Bangladesh-US trade and investment relations and identifying new areas for economic cooperation between the two countries.</p>

<p>The 45-member US delegation is visiting Dhaka from August 11 to 13. It includes representatives from 25 leading American companies operating across a range of sectors, including energy, technology, financial services, healthcare, and agriculture. One of the key objectives of the visit is to identify opportunities to deepen trade and investment cooperation between Bangladesh and the United States.</p>

<p>Among those attending the luncheon were Oliver Simpson, Executive Vice President and Chief Commercial Officer of Excelerate Energy and mission lead of the delegation, and Ambassador (Ret.) Atul Keshap, President of the US-Bangladesh Business Council and Senior Vice President for South Asia at the US Chamber of Commerce. Other USBBC representatives, senior Bangladeshi government officials, and prominent business leaders were also present.</p>

<p>At the conclusion of the luncheon, Peter Haas, Strategic Adviser at Excelerate Energy, and Ambassador (Ret.) Atul Keshap delivered remarks and expressed their appreciation.</p>

<p>They praised Bangladesh&rsquo;s warm hospitality and expressed gratitude for the opportunity to hold meaningful discussions with government officials, business leaders, and other stakeholders in the country.</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1153-77.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[Dallas-Fort Worth International Airport to Install Dedicated Wudu Stations by Year&#039;s End]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/english/29339</link>
    <pubDate>Fri, 14 Aug 2026 18:57:28 +0600</pubDate>
    <category> English </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/english/29339</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1-08142026_image01_dwf_wudu_station.jpeg" />    <p><em><strong>Shibbir Ahmed, DALLAS, United States: Dallas</strong></em>-Fort Worth (DFW) International Airport is taking steps to enhance passenger convenience by installing dedicated foot-washing (wudu) stations near its restrooms, according to a report by Fox News. The project is slated for completion by the end of this year.</p>

<p>Officially registered on July 31, the project carries an estimated budget of approximately $300,000, funded entirely through private contributions. The new facilities will feature separate, low-profile wudu stations for men and women within the existing restrooms of Terminal D.</p>

<p>Airport authorities noted that the initiative addresses common maintenance issues, such as slippery, wet floors and potential damage to standard bathroom basins caused by passengers attempting to wash their feet in regular sinks. Several other major U.S. international airports have already implemented similar accommodations.</p>

<p>While this expansion marks a significant upgrade, dedicated facilities are not entirely unprecedented at DFW. When the Interfaith Chapel near Gate D40 in Terminal D opened in 2019, it introduced the airport&#39;s first two wudu stations, setting a precedent for inclusive travel infrastructure.</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1-08142026_image01_dwf_wudu_station.jpeg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ডালাস-ফোর্ট ওর্থ বিমানবন্দরে অজুর বিশেষ ব্যবস্থা: চলতি বছরের শেষেই চালু হচ্ছে নতুন প্রকল্প]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29338</link>
    <pubDate>Fri, 14 Aug 2026 18:56:05 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29338</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/08142026_image01_dwf_wudu_station.jpeg" />    <p>শিব্বীর আহমেদ, ডালাস, টেক্সাস, যুক্তরাষ্ট্র: মুসলিম যাত্রীদের সুবিধার্থে শৌচাগারের পাশে অজুর জন্য পা ধোয়ার বিশেষ ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম ব্যস্ত ডালাস-ফোর্ট ওর্থ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, চলতি বছরের শেষ নাগাদ এই প্রকল্পের নির্মাণকাজ সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে।</p>

<p>প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ৩১ জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে নিবন্ধিত এই প্রকল্পের আনুমানিক ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৩ লাখ মার্কিন ডলার। সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত অর্থায়নে এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বিমানবন্দরের ডি টার্মিনালের বিদ্যমান শৌচাগারগুলোতে পুরুষ ও নারীদের জন্য সম্পূর্ণ পৃথক এই অজু স্টেশনগুলো স্থাপন করা হবে।</p>

<p>বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সাধারণ বেসিনে পা ধোয়ার কারণে প্রায়ই মেঝে ভিজে পিচ্ছিল হয়ে যায় এবং বেসিনের অবকাঠামোগত ক্ষতি হয়। এসব সমস্যা এড়াতে এবং যাত্রীদের স্বস্তি বাড়াতে নিচু উচ্চতার এই বিশেষ অজু স্টেশনগুলো বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের আরও কয়েকটি বড় আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এ ধরনের আধুনিক ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল।</p>

<p>উল্লেখ্য, ডালাস ফোর্ট ওয়ার্থ বিমানবন্দরে এই ব্যবস্থাপনা সম্পূর্ণ নতুন কোনো ধারণা নয়। এর আগে ২০১৯ সালে টার্মিনাল ডি-এর গেট ডি৪০-এর কাছাকাছি অবস্থিত ইন্টারফেইথ চ্যাপেল চালুর সময় সেখানে দুটি অজু স্টেশন স্থাপন করা হয়েছিল, যা যাত্রীদের মধ্যে বেশ ইতিবাচক সাড়া ফেলেছিল।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/08142026_image01_dwf_wudu_station.jpeg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিউইয়র্কে মিলন মোল্লার ছেলে সাজিদ মিলনের বিবাহোত্তর সংবর্ধনা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/29337</link>
    <pubDate>Fri, 14 Aug 2026 09:25:57 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/29337</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/702-2.jpg" />    <p>নিউইয়র্কে কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট ও সমাজসেবক মিলন মোল্লার ছেলে সাজিদ মিলন ও নূর এ পারভিনের বিবাহোত্তর সংবর্ধনা আনন্দঘন পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ৮ আগস্ট (শনিবার) সন্ধ্যায় কুইন্সের উডহ্যাভেন ম্যানরে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।</p>

<p><img alt="" data-mfp-src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/IMG-20260812-WA0004.jpg" src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/IMG-20260812-WA0004.jpg" /></p>

<p>মিলন মোল্লা নিউইয়র্কের বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একজন পরিচিত সমাজসেবক ও কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট হিসেবে বিভিন্ন সামাজিক ও আঞ্চলিক সংগঠনের কর্মকাণ্ডে দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত রয়েছেন। তার ছেলের বিবাহোত্তর সংবর্ধনা উপলক্ষে কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট, বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক, সুধী সমাজের প্রতিনিধি, শিল্পী ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিবর্গসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে নবদম্পতিকে শুভেচ্ছা জানান।</p>

<p><img alt="" data-mfp-src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/IMG-20260812-WA0002.jpg" src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/IMG-20260812-WA0002.jpg" /></p>

<p><img alt="" data-mfp-src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/IMG-20260812-WA0006.jpg" src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/IMG-20260812-WA0006.jpg" /></p>

<p>অনুষ্ঠানে অতিথিরা সাজিদ মিলন ও নূর এ পারভিনকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান এবং তাদের সুখী ও সমৃদ্ধ দাম্পত্য জীবনের জন্য শুভকামনা করেন। স্বজন, বন্ধু ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের উপস্থিতিতে পুরো অনুষ্ঠানটি আনন্দ ও উৎসবমুখর পরিবেশে পরিণত হয়।</p>

<p><img alt="" data-mfp-src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/IMG-20260812-WA0000.jpg" src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/IMG-20260812-WA0000.jpg" /><img alt="" data-mfp-src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/IMG-20260812-WA0003.jpg" src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/IMG-20260812-WA0003.jpg" /></p>

<p data-added-after="1">ছেলের বিবাহোত্তর সংবর্ধনায় উপস্থিত হওয়া অতিথিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে মিলন মোল্লা বলেন, তার ছেলের জীবনের বিশেষ এই দিনে যারা উপস্থিত হয়ে নবদম্পতিকে শুভেচ্ছা ও আশীর্বাদ করেছেন, তাদের প্রতি তিনি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। তিনি ছেলে সাজিদ মিলন ও পুত্রবধূ নূর এ পারভিনের দাম্পত্য জীবন যেন সুখী, সুন্দর ও শান্তিময় হয়, সেজন্য সবার কাছে দোয়া কামনা করেন।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/702-2.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিউইয়র্কে ভুয়া বিয়ের মাধ্যমে গ্রিনকার্ড দেওয়ার অভিযোগ, গ্রেপ্তার ১১]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/29336</link>
    <pubDate>Fri, 14 Aug 2026 09:25:07 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/29336</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/968-1.jpg" />    <p>নিউইয়র্কে বিদেশি নাগরিকদের ভুয়া বিয়ের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে বৈধভাবে বসবাসের সুযোগ করে দেওয়ার অভিযোগে ১১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে কর্তৃপক্ষ। বুধবার এ ঘটনায় বড় ধরনের আন্তর্জাতিক বিয়ে জালিয়াতির চক্রের তথ্য প্রকাশ করা হয়।</p>

<p>প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, নিউইয়র্কের একটি চক্র এক দশকেরও বেশি সময় ধরে যুক্তরাষ্ট্রে বৈধ মর্যাদা পেতে আগ্রহী বিদেশি নাগরিকদের জন্য মার্কিন নাগরিকদের সঙ্গে সাজানো বিয়ের ব্যবস্থা করে আসছিল। বিশেষ করে গ্রিনকার্ড ও পরবর্তী সময়ে মার্কিন নাগরিকত্ব পাওয়ার সুযোগ নিতে চাওয়া চীনা নাগরিকদের লক্ষ্য করে এই কার্যক্রম চালানো হতো।</p>

<p>কর্তৃপক্ষের দাবি, ভুয়া বিয়েতে রাজি হওয়া মার্কিন নাগরিকদের হাজার হাজার ডলার করে দেওয়া হতো। অন্যদিকে, বিদেশি নাগরিকদের কাছ থেকে ভুয়া বিয়ে এবং গ্রিনকার্ডের আবেদন প্রক্রিয়ায় সহায়তার জন্য সর্বোচ্চ প্রায় ১ লাখ ডলার পর্যন্ত নেওয়া হয়েছে।</p>

<p>দক্ষিণ নিউইয়র্ক জেলার মার্কিন অ্যাটর্নি জেমি ম্যাকডোনাল্ড বলেন, অভিযুক্তরা এই কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ আয় করেছেন। তার ধারণা, এক দশকের বেশি সময় ধরে চলা এই চক্রের মাধ্যমে কয়েক কোটি ডলারের লেনদেন হয়েছে। এটিকে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় বিয়ে জালিয়াতির মামলাগুলোর একটি বলেও উল্লেখ করেন তিনি।</p>

<p data-added-after="1">অভিযোগপত্র অনুযায়ী, চক্রের সদস্যরা শুধু কাগজে-কলমে বিয়ের ব্যবস্থা করতেন না, বরং বিয়েকে সত্যিকারের বলে দেখানোর জন্য পুরো আয়োজনও করতেন। কোথাও কোথাও রেস্তোরাঁয় ভুয়া বিয়ের অনুষ্ঠান আয়োজন করা হতো। সেখানে বিদেশি নাগরিক ও মার্কিন নাগরিকদের ঐতিহ্যবাহী চীনা বিয়ের পোশাক পরানো, ছবি তোলা এবং অতিথি উপস্থিত রাখার ব্যবস্থা করা হতো।</p>

<p>এমনকি কোনো কোনো ভুয়া বিয়ের চুক্তিতে স্বামী-স্ত্রী আলাদা জীবনযাপন করবেন এবং একে অপরের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক রাখবেন না&mdash;এমন অস্বাভাবিক শর্তও রাখা হয়েছিল বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।</p>

<p>কর্তৃপক্ষ বলছে, প্রথমে মার্কিন নাগরিকদের ভুয়া বিয়েতে রাজি করানো হতো। এরপর বিয়ের অনুষ্ঠান, পুরোহিত বা আনুষ্ঠানিকতা পরিচালনাকারী ব্যক্তি, পোশাক, আলোকচিত্রী ও অতিথি&mdash;সবকিছুর ব্যবস্থা করা হতো, যাতে অভিবাসন কর্তৃপক্ষের কাছে বিয়েটি বাস্তব বলে মনে হয়।</p>

<p>বিদেশি নাগরিক গ্রিনকার্ড পাওয়ার পর তাদের সঙ্গে বিয়ে দেওয়া মার্কিন নাগরিকদের মাধ্যমে বিবাহবিচ্ছেদের ব্যবস্থাও করা হতো বলে অভিযোগ রয়েছে।</p>

<p data-added-after="1">প্রসিকিউটরদের ভাষ্য, এই চক্রের কার্যক্রম ছিল বিস্তৃত এবং এর সঙ্গে শত শত ভুয়া বিয়ে জড়িত থাকতে পারে। দীর্ঘদিন ধরে চলা এই প্রতারণার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থাকে পাশ কাটিয়ে বিদেশি নাগরিকদের বৈধ মর্যাদা পাওয়ার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।</p>

<p>গ্রেপ্তার হওয়া ১১ জনকে বর্তমানে নিউইয়র্কের হোয়াইট প্লেইন্সে আদালতে হাজির করা হচ্ছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাদের প্রত্যেকের সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত ফেডারেল কারাদণ্ড হতে পারে।</p>

<p>তবে আদালতে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আসামিরা আইনগতভাবে নির্দোষ হিসেবে বিবেচিত হবেন।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/968-1.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গণিত অলিম্পিয়াডে পদকজয়ীদের সাক্ষাৎ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29335</link>
    <pubDate>Fri, 14 Aug 2026 09:23:44 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29335</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/837-99.jpg" />    <article>
<p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াড (আইএমও) ও ইউরোপীয় বালিকা গণিত অলিম্পিয়াডের (ইজিএমও) পদকজয়ী বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।</p>

<p>বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।</p>
</article>

<article>এ সময় প্রধানমন্ত্রী পদকজয়ী শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানান এবং তাদের ভবিষ্যৎ সাফল্যের জন্য শুভকামনা জানান।
<p>&nbsp;</p>

<p>সাক্ষাৎকালে দেশে গণিতচর্চা ও গণিত অলিম্পিয়াডের কার্যক্রম তৃণমূল ও স্কুল পর্যায়ে আরো বিস্তৃত করার বিভিন্ন প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়। স্কুল পর্যায়ে গণিত অলিম্পিয়াডের জন্য তহবিল গঠন এবং একটিভিটি-অরিয়েন্টেড ম্যাথমেটিকস চালুর প্রস্তাবে প্রধানমন্ত্রী সম্মতি জানান।</p>

<p>পাশাপাশি স্কুল শিক্ষকদের গণিত দক্ষতা যাচাইয়ে পৃথক পরীক্ষা চালুর প্রস্তাব গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস দেন তিনি।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে গণিতচর্চা ও গণিত অলিম্পিয়াডের কার্যক্রম আরো বিস্তৃত করতে ভবিষ্যতে সরকারের পক্ষ থেকে যেকোনো ধরনের সহযোগিতার প্রয়োজন হলে তা প্রদান করা হবে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/837-99.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়নপত্র জমা হয়েছে ৩টি]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29334</link>
    <pubDate>Fri, 14 Aug 2026 09:22:57 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29334</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1029-88.jpg" />    <article>
<p>২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে সামনে রেখে তিনটি মনোনয়নপত্র জমা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় শেষ হওয়ার পরে নিজ দপ্তরের সামনে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।</p>

<p>ইসি সচিব বলেন, মোট তিনটি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে। এর মধ্যে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী অলি আহমদের দুটি এবং বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের একটি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে। তিনি বলেন, &nbsp;এই মুহূর্তে আমাদের কাছে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হচ্ছেন দু&rsquo;জন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>আগামী ১৬ আগস্ট সকাল ১০টা থেকে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই হবে বলেও জানান তিনি।</p>

<p>দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দল থেকে মির্জা ফখরুল ইসলামকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। এদিকে বিরোধী দল বা ১১ দলীয় জোট থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ।</p>

<p>তফসিল অনুযায়ী, আগামী ২০ আগস্ট রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1029-88.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন ব্যবসায়ীদের আলোচনা, বাণিজ্য-বিনিয়োগ বাড়াতে আগ্রহ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29333</link>
    <pubDate>Fri, 14 Aug 2026 09:22:11 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29333</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1153-77.jpg" />    <article>
<p><em><strong>শিব্বীর আহমেদঃ</strong></em> বাংলাদেশে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সুযোগ এবং ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ নিয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে আলোচনা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় ২৫টি কোম্পানির প্রতিনিধিরা। আলোচনায় বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরো জোরদার এবং দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে উভয় পক্ষের অভিন্ন আগ্রহের বিষয় পুনর্ব্যক্ত হয়।</p>

<p>বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ঢাকায় সফররত মার্কিন-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের (ইউএসবিবিসি) প্রতিনিধিদলের সম্মানে মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করেন শামা ওবায়েদ ইসলাম। সেখানে বাংলাদেশি ব্যবসায়ী নেতা ও মার্কিন প্রতিনিধিরা বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং বাংলাদেশে ব্যবসা পরিচালনার সুযোগ ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে নিজেদের মতামত ও অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।</p>

<p>মধ্যাহ্নভোজে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মার্কিন প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানান। বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের মধ্যে ধারাবাহিক যোগাযোগ ও সম্পৃক্ততার গুরুত্ব তুলে ধরেন তিনি।</p>

<p>আলোচনায় বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক সম্পর্কের বিস্তৃত ক্ষেত্র উঠে আসে। জ্বালানি ও প্রযুক্তির পাশাপাশি ডিজিটাল অর্থনীতি, স্বাস্থ্যসেবা, কৃষি এবং আর্থিক সেবার মতো খাতে সহযোগিতার সুযোগ নিয়ে আলোচনা করেন দুই দেশের ব্যবসায়ীরা।</p>

<p>এর আগে আজ মার্কিন ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলটি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দুই ঘণ্টার বৈঠক করে। বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী, বাণিজ্যমন্ত্রী, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী, পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা এবং প্রধানমন্ত্রীর সংশ্লিষ্ট উপদেষ্টারা উপস্থিত ছিলেন।</p>

<p>সেখানে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক আরো শক্তিশালী করার পাশাপাশি অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র খুঁজে বের করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।</p>

<p>৪৫ সদস্যের মার্কিন প্রতিনিধিদলটি ১১ থেকে ১৩ আগস্ট ঢাকা সফর করছে। এতে জ্বালানি, প্রযুক্তি, আর্থিক সেবা, স্বাস্থ্যসেবা ও কৃষিসহ বিভিন্ন খাতের ২৫টি শীর্ষস্থানীয় মার্কিন কোম্পানির প্রতিনিধিরা রয়েছেন। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা আরো গভীর করার সুযোগ খুঁজে বের করাই তাদের সফরের অন্যতম উদ্দেশ্য।</p>

<p>মধ্যাহ্নভোজে এক্সিলারেট এনার্জির নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট ও প্রধান বাণিজ্যিক কর্মকর্তা এবং প্রতিনিধিদলের মিশন লিড অলিভার সিম্পসন এবং ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের সভাপতি ও ইউএস চেম্বার অব কমার্সের দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি রাষ্ট্রদূত (অব.) অতুল কেশপসহ ইউএসবিবিসির অন্য প্রতিনিধিরা অংশ নেন। বাংলাদেশের সরকারের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।</p>

<p>মধ্যাহ্নভোজের শেষে এক্সিলারেট এনার্জির কৌশলগত উপদেষ্টা পিটার হাস এবং রাষ্ট্রদূত (অব.) অতুল কেশপ বক্তব্য দেন ও ধন্যবাদ জানান। তারা বাংলাদেশের উষ্ণ আতিথেয়তার প্রশংসা করেন এবং বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে অর্থবহ আলোচনার সুযোগ পাওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1153-77.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বিতর্কিত কুরিল দ্বীপে পুতিনের সফর, জাপানের তীব্র প্রতিবাদ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29332</link>
    <pubDate>Fri, 14 Aug 2026 09:21:27 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29332</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1269-66.jpg" />    <article>
<p>রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বিতর্কিত কুরিল দ্বীপপুঞ্জের ইতুরূপ দ্বীপ পরিদর্শন করেছেন। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা তাস বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানিয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.reuters.com/3fec1b0a85a0/world/russias-putin-visits-disputed-kuril-islands-samples-fish-roe-media-say-2026-08-13/">রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে</a>, পুতিন ইতুরূপ দ্বীপ সফর করেছেন। জাপানে দ্বীপটি এতোরোফু নামে পরিচিত। এটি কুরিল দ্বীপপুঞ্জের চারটি দ্বীপের একটি। এসব দ্বীপের মালিকানা রাশিয়া ও জাপান, দুই দেশই দাবি করে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর রাশিয়া ও জাপান কখনো আনুষ্ঠানিক শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর করেনি। এর প্রধান কারণ কুরিল দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে দুই দেশের দীর্ঘদিনের বিরোধ। জাপান এই দ্বীপগুলোকে &lsquo;নর্দার্ন টেরিটোরিজ&rsquo; বা &lsquo;উত্তরাঞ্চলীয় ভূখণ্ড&rsquo; বলে দাবি করে।</p>

<p>তাস জানিয়েছে, কুরিল দ্বীপপুঞ্জে এটিই পুতিনের প্রথম সরাসরি সফর।</p>
</article>

<p>
<video autoplay="autoplay" loop="" playsinline="">Your browser does not support the video tag.</video>
</p>

<article>রাশিয়ার সুদূর পূর্বাঞ্চলে নৌবাহিনীর মহড়া পরিদর্শনের পর তিনি ইতুরূপের ইয়াসনি মাছ প্রক্রিয়াজাতকরণ কেন্দ্র ঘুরে দেখেন।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>রাশিয়ার ভেস্তি টিভি চ্যানেলের প্রকাশ করা ছবিতে দেখা গেছে, পুতিন কালো স্যুট পরে একটি কক্ষে দাঁড়িয়ে টেবিলের ওপর রাখা দুটি বড় টুনা ও হ্যালিবাট মাছ দেখছেন। এ সময় দুজন কর্মকর্তা তাকে মাছ ধরা এবং মাছের পরিযায়ী আচরণ সম্পর্কে জানান। পুতিন সেখানে স্থানীয় মাছের ডিমও চেখে দেখেন।</p>

<p>এদিকে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি বৃহস্পতিবার বিতর্কিত কুরিল দ্বীপপুঞ্জে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের প্রথম সফরের তীব্র সমালোচনা করেছেন।</p>
</article>

<article>তিনি এই সফরকে &lsquo;একেবারেই অগ্রহণযোগ্য&rsquo; বলে মন্তব্য করেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>তাকাইচি সাংবাদিকদের বলেন, পুতিনের এই সফর &lsquo;রাশিয়ার প্রতি জাপানিদের মনোভাবকে খারাপ করেছে&rsquo;।</p>

<p>তিনি বলেন, কুরিল দ্বীপপুঞ্জ &lsquo;ঐতিহাসিকভাবে এবং আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী জাপানের স্বতন্ত্র ভূখণ্ড&rsquo;। কুরিল দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে রাশিয়া ও জাপানের মধ্যে কয়েক দশক ধরে বিরোধ চলে আসছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর দুই দেশের মধ্যে শান্তি চুক্তি না হওয়ার অন্যতম প্রধান কারণও এই ভূখণ্ডগত বিরোধ।</p>

<p>কুরিল দ্বীপপুঞ্জ জাপানের উত্তরাঞ্চলের হোক্কাইডো ও রাশিয়ার কামচাটকা উপদ্বীপের মাঝখানে অবস্থিত। এর দক্ষিণের চারটি দ্বীপের মালিকানা জাপান দাবি করে। জাপান এসব দ্বীপকে &lsquo;নর্দার্ন টেরিটোরিজ&rsquo; বা &lsquo;উত্তরাঞ্চলীয় ভূখণ্ড&rsquo; বলে।</p>

<p>বর্তমানে দ্বীপগুলো রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ দিকে সোভিয়েত ইউনিয়ন এসব দ্বীপ দখল করে নেয় এবং প্রায় ১৭ হাজার জাপানি বাসিন্দাকে সেখান থেকে সরিয়ে দেয়।</p>

<p>রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, সফরের সময় পুতিন স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং দ্বীপের স্থানীয় মাছের ডিমও চেখে দেখেন। এর আগে বৃহস্পতিবার জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তোশিমিৎসু মোতেগি বলেন, এসব দ্বীপ &lsquo;ঐতিহাসিকভাবে এবং আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী জাপানের অবিচ্ছেদ্য ভূখণ্ড&rsquo;।</p>

<p>পুতিনের সফরের বিরুদ্ধে জাপান সরকার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বলেও তিনি জানান। বছরের পর বছর ধরে কুরিল দ্বীপপুঞ্জের ভূখণ্ডগত বিরোধ মীমাংসার চেষ্টা খুব বেশি সফল হয়নি। দুই দেশের সম্পর্কও এখনো শীতল।</p>

<p>২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলার পর জাপান মস্কোর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। এর আগে বিতর্কিত দ্বীপগুলোতে রুশ কর্মকর্তাদের সফরের বিরুদ্ধেও জাপান প্রতিবাদ জানিয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন রাশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মিখাইল মিশুস্তিন এবং তার পূর্বসূরি দিমিত্রি মেদভেদেভ।</p>

<p>কুরিল দ্বীপপুঞ্জ রাশিয়ার জন্য কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ। গত এক দশকে দেশটি সেখানে সামরিক উপস্থিতি আরো শক্তিশালী করেছে। ইতুরূপ দ্বীপে রাশিয়ার একটি প্রধান সামরিক বিমানঘাঁটিও রয়েছে।</p>

<p>গত মাসে চীন ও রাশিয়ার নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ যৌথ টহল দেওয়ার সময় কুরিল দ্বীপপুঞ্জের একটি প্রণালি দিয়ে অতিক্রম করে। রাশিয়া কুরিল দ্বীপপুঞ্জের আশপাশে নিয়মিত সামরিক মহড়াও চালায়। এসব মহড়ার কারণে জাপান একাধিকবার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1269-66.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[সৌদির রাষ্ট্রীয় তেল শোধনাগারে হুতিদের ড্রোন হামলা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29331</link>
    <pubDate>Fri, 14 Aug 2026 09:19:58 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29331</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1371-55.jpg" />    <article>
<p>সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় তেল প্রতিষ্ঠান আরামকোর একটি শোধনাগার লক্ষ্য করে দুটি ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান-সমর্থিত ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থার বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদ মাধ্যম <a href="https://aje.news/zy2uq8?update=4852062">আলজাজিরা</a>।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রতিবেদনে একটি সামরিক সূত্র বলছে, সৌদি আরবের জিজান অঞ্চলে ওই হামলা চালায়। তবে হামলায় শোধনাগারটির কী ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বা হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেছে কি না, তা প্রতিবেদনে জানানো হয়নি।</p>

<p>এদিকে হামলার দায় স্বীকার করে গোষ্ঠীটি জানায়, ইয়েমেনের সাদা ও হাজ্জাহ প্রদেশের আকাশসীমা ও সার্বভৌমত্ব সৌদি আরব লঙ্ঘন করায় এর জবাব হিসেবে হামলাটি চালানো হয়েছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1371-55.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[উত্তরাখণ্ডে নির্মাণাধীন সুড়ঙ্গে ধস, নিহত ৬]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29330</link>
    <pubDate>Fri, 14 Aug 2026 09:16:45 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29330</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1436-44.jpg" />    <article>
<p>ভারতের উত্তরাখণ্ডের চামোলি জেলার পিপালকোটি এলাকার মায়াপুরে নির্মাণাধীন একটি পানিবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গ ধসে ৬ জন শ্রমিক নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার পর উদ্ধারকারীরা ১৪ জন শ্রমিককে নিরাপদে বের করে এনেছেন।</p>
</article>

<article>এ ঘটনায় আরো দুজন নিখোঁজ রয়েছেন। টাইমস অব ইন্ডিয়ার <a href="https://timesofindia.indiatimes.com/city/dehradun/six-workers-dead-2-missing-after-water-debris-enter-under-construction-tunnel-in-uttarakhand/articleshow/133223387.cms">প্রতিবেদনে</a> এসব তথ্য জানা যায়।

<p>&nbsp;</p>

<p>বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সন্ধ্যা ৭টার দিকে ভূমিধসের কারণে টানেলের ভেতরে একটি গর্ত তৈরি হলে হুড়মুড় করে পানি ও ধ্বংসাবশেষ ঢুকে পড়ে। এতে টানেলের ভেতরে থাকা ২২ শ্রমিক আটকা পড়েন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অলকানন্দা নদীর তীরে নির্মাণাধীন বিষ্ণুগড়-পিপলকোটি পানিবিদ্যুৎ প্রকল্পের একটি সুড়ঙ্গে এ দুর্ঘটনা ঘটে। রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা টিএইচডিসি ইন্ডিয়া প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।</p>

<p>জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, দুর্ঘটনার সময় সুড়ঙ্গের ভেতরে প্রায় ২২ জন শ্রমিক কাজ করছিলেন। হঠাৎ প্রবল পানির স্রোত ও ভূমিধসের কারণে সুড়ঙ্গের একটি অংশ ধসে পড়ে।</p>
</article>

<p>
<video autoplay="autoplay" loop="" playsinline="">Your browser does not support the video tag.</video>
</p>

<article>এতে শ্রমিকেরা ভেতরে আটকা পড়েন।
<p>&nbsp;</p>

<p>খবর পেয়ে উদ্ধারকারী দল, পুলিশ ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন।</p>

<p>প্রশাসনের ভাষ্য, এখন পর্যন্ত ১৪ জন শ্রমিককে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।</p>

<p>দুর্ঘটনার কারণ জানতে তদন্তও শুরু করেছে স্থানীয় প্রশাসন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1436-44.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[রেকর্ড বৃষ্টিতে জাপানে নিহত ৪, নারিতা বিমানবন্দরে আটকা হাজারো যাত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29329</link>
    <pubDate>Fri, 14 Aug 2026 09:15:51 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29329</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1522-33.jpg" />    <article>
<p><a href="https://www.channelnewsasia.com/east-asia/japan-record-rain-kills-four-narita-stranded-airport-6318756">জাপানের </a>রাজধানী টোকিও ও আশপাশের এলাকায় রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টিতে ব্যাপক দুর্ভোগ তৈরি হয়েছে। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকালে বন্যা ও যান চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রায় সাত হাজার যাত্রী আটকা পড়েছেন।</p>
</article>

<article>অতিরিক্ত বৃষ্টিতে সড়ক ও রেলপথ ডুবে গেছে। বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগও বিচ্ছিন্ন হয়েছে। এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় অন্তত চারজনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে কর্তৃপক্ষ।
<p>&nbsp;</p>

<p>বৃহস্পতিবার রাত থেকে টোকিওর পাশের চিবা প্রদেশে ভারী বৃষ্টি শুরু হয়।</p>
</article>

<article>পরিস্থিতি এতটাই খারাপ হয় যে সেখানে ভূমিধসের সতর্কতা জারি করা হয়। একই সঙ্গে আবহাওয়াবিদরা চিবা অঞ্চলে ভারী বৃষ্টির সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করেন। জাপানে এই অঞ্চলের জন্য প্রথমবারের মতো এমন সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। চিবা প্রদেশের কয়েকটি এলাকায় ২৪ ঘণ্টায় ৩৬০ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টি হয়েছে।</article>

<p>
<video autoplay="autoplay" loop="" playsinline="">Your browser does not support the video tag.</video>
</p>

<article>এতে নিচু এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়। অনেক সড়ক ও রেললাইন ডুবে যাওয়ায় যানবাহন ও ট্রেন চলাচল ব্যাহত হয়। জাপানের টোকিও ইলেকট্রিক পাওয়ার কোম্পানি জানিয়েছে, শুক্রবার ভোর সাড়ে পাঁচটা পর্যন্ত চিবা, ইবারাকি ও তোচিগি প্রদেশের প্রায় ২৭ হাজার বাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগ ছিল না। ভারী বৃষ্টি ও দুর্যোগের কারণে এসব এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়।
<p>&nbsp;</p>
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/08/14/1725226" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত চারজনের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে।</p>
</article>

<article>তাদের মধ্যে অন্তত একজন পানিতে ডুবে যাওয়া একটি গাড়ির ভেতরে আটকা পড়েছিলেন। দুর্যোগ মোকাবিলা, উদ্ধার ও ত্রাণকাজে সহায়তার জন্য ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় সেনাসদস্য পাঠানো হয়েছে। চিবা প্রদেশের গভর্নর তোশিহিতো কুমাগাই শুক্রবার সকালে সাংবাদিকদের বলেন, পরিস্থিতি অত্যন্ত অস্বাভাবিক। অতীতে তিনি অনেক দুর্যোগ মোকাবিলা করলেও এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি আগে কখনো হননি। জাপান আবহাওয়া সংস্থার এক কর্মকর্তা বৃহস্পতিবারের সংবাদ সম্মেলনে বলেন, পরিস্থিতি নজিরবিহীন মাত্রার ভারী বৃষ্টিতে রূপ নিচ্ছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>বন্যা ও পরিবহনব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় নারিতা বিমানবন্দরে প্রায় সাত হাজার মানুষ আটকা পড়েছেন বলে বিমানবন্দরের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের আশা, শুক্রবার ফ্লাইট চলাচল স্বাভাবিক থাকবে। তবে জাপান এয়ারলাইনস জানিয়েছে, বৃষ্টির কারণে কিছু ফ্লাইটে দেরি হতে পারে। এখন পর্যন্ত বড় ধরনের ফ্লাইট বাতিলের আশঙ্কা নেই। আটকা পড়া যাত্রীদের সহায়তায় বিমানবন্দরের কর্মীরা পানি, খাবার ও ঘুমানোর ব্যাগ বিনা মূল্যে বিতরণ করেছেন বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীরা জানিয়েছেন।&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/country-news/2026/08/14/1725225" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>ভারী বৃষ্টির কারণে চিবা প্রদেশের প্রধান মহাসড়কগুলোর বেশ কয়েকটি এখনো বন্ধ রয়েছে। এর মধ্যে নারিতা বিমানবন্দর থেকে টোকিওর কেন্দ্রের সঙ্গে যোগাযোগকারী গুরুত্বপূর্ণ সড়কও রয়েছে। নারিতা বিমানবন্দর জাপানের অন্যতম প্রধান আন্তর্জাতিক পরিবহনকেন্দ্র। গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো বন্ধ থাকায় গাড়িচালকদের বিকল্প পথে যেতে হচ্ছে। এতে বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক যানজট তৈরি হয়েছে বলে মহাসড়ক পরিচালনাকারী সংস্থা নেক্সকো ইস্ট জানিয়েছে। শুক্রবার সকালেও চিবার কয়েকটি রেলসেবা বন্ধ ছিল। তবে নারিতা থেকে টোকিওগামী কিছু ট্রেন আবার চলাচল শুরু করেছে। রেল চলাচল বন্ধ থাকায় চিবা স্টেশনেও শত শত মানুষ আটকা পড়েন।&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/08/14/1725226" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>সেখানে দুর্ভোগের চিত্র দেখেছেন বার্তা সংস্থা এএফপির এক সাংবাদিক। এনএইচকের প্রতিবেদনে জানা যায়, চিবার বিভিন্ন এলাকায় শত শত মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে রাত কাটিয়েছেন। কাশিওয়া শহরে বন্যার পানি গাড়ির হেডলাইট পর্যন্ত উঠে যাওয়ার ছবিও সম্প্রচার করেছে তারা। অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে চিবা ও আশপাশের এলাকায় বহু মানুষ ঘরবন্দী হয়ে পড়েছেন। কোথাও কোথাও পানির নিচে চলে গেছে রাস্তা ও যানবাহন। বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রাও ব্যাহত হয়েছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, মানুষের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের কারণে পৃথিবীর জলবায়ু পরিবর্তন হচ্ছে। এর ফলে ভারী বৃষ্টি, বন্যা, তাপপ্রবাহসহ চরম আবহাওয়ার ঘটনা আগের তুলনায় বেশি ঘটছে এবং দীর্ঘস্থায়ী ও আরো তীব্রও হচ্ছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1522-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[তানজিদের ফিফটিতে অজিদের ওপর রাজত্ব করে লাঞ্চ বিরতিতে বাংলাদেশ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/29328</link>
    <pubDate>Fri, 14 Aug 2026 09:14:46 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/29328</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1564-22.jpg" />    <article>
<p>ডারউইন টেস্টের প্রথম দিন নিজেদের কাজটা করেছেন পেসাররা। বাদ যাবেন কেন ব্যাটাররা? নিজেরা যখন সুযোগ পেল তখন দেখিয়ে দিচ্ছেন তানজিদ হাসান তামিম-মমিনুল হকরা।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>মমিনুল অবশ্য আক্ষেপ নিয়ে মাঠ ছেড়েছেন। বাংলাদেশকে দারুণ ভিত এনে দেওয়ার টেস্টে যে ১ রানের জন্য ফিফটিটা পাওয়া হয়নি বাঁহাতি ব্যাটারের। জশ হ্যাজলউডের করা অফ স্টাম্পের অনেক বাইরের বল মারতে গিয়ে উইকেটরক্ষক অ্যালেক্স ক্যারির হাতে ক্যাচ দিয়েছেন তিনি। তাতে ৮ চারে ৪৯ রানে থামে তার ইনিংস।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>আউট হওয়ার আগে তানজিদ তামিমের সঙ্গে দ্বিতীয় উইকেটে ১০২ রানের দুর্দান্ত জুটি গড়েন মমিনুল। তাদের এই জুটিতে ভর করেই এখন বড় লিড নেওয়ার স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশ। যদিও অস্ট্রেলিয়ার থেকে এখনো ১৭ রানে পিছিয়ে বাংলাদেশ। প্রথম সেশন শেষে বাংলাদেশের স্কোর ২ উইকেটে ১৮১ রান।</p>
</article>

<p>
<video autoplay="autoplay" loop="" playsinline="">Your browser does not support the video tag.</video>
</p>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>মমিনুল না পারলেও ঠিকই ফিফটি তুলে নিয়েছেন ওপেনার তানজিদ তামিম। ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় টেস্ট খেলতে নেমে অভিষেক ফিফটি পেয়েছেন তিনি। ক্যারিয়ারের প্রথম ফিফটির কাজ এখনো শেষ হয়নি তার। নাজমুল হোসেন শান্তর সঙ্গে বাংলাদেশকে লিড এনে দেওয়ার লক্ষ্যে লড়ছেন তিনি।&nbsp;</p>

<p>লাঞ্চ বিরতিতে যাওয়ার আগে ৭৪ রানে অপরাজিত আছেন তানজিদ তামিম।</p>
</article>

<article>১৪৪ বলের ইনিংসটি সাজিয়েছেন ৬ চার ও ১ ছক্কায়। সেঞ্চুরির পথে ছোটা বাঁহাতি ওপেনারের বিপরীতে ২৮ রানে ক্রিজে আছেন অধিনায়ক শান্ত। চার মেরেছেন ৩টি। তৃতীয় উইকেটে দুজনের জুটি দাঁড়িয়েছে ৪৩ রানে।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে দ্বিতীয় দিনের প্রথম সেশনটাও তাই বাংলাদেশের। সেশনটা নিজেদের করে নেওয়ার আগে বাংলাদেশ দিনের শুরুটা করেছিল ১ উইকেটে ৯৬ রানে। এর আগে অস্ট্রেলিয়া প্রথম ইনিংসে ১৯৮ রানে অলআউট হয়। বাংলাদেশের হয়ে ৫৫ রানে ৬ উইকেট নিয়ে ক্যারিয়ারসেরা বোলিং করেছেন হাসান মাহমুদ।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1564-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[কোন ছবির জন্য পারিশ্রমিক বাড়ালেন শ্রদ্ধা কাপুর?]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/29327</link>
    <pubDate>Fri, 14 Aug 2026 09:13:23 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/29327</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1662-11.jpg" />    <p><strong>&#39;স্ত্রী ২&#39;-এর অভাবনীয় সাফল্যের পর থেকেই বলিপাড়ায় সাফল্যের নতুন সংজ্ঞা লিখছেন শ্রদ্ধা কাপুর। সাফল্যের এই জোয়ারে এবার নিজের পারিশ্রমিক এক লাফে তিনগুণ বাড়িয়ে দিয়ে ইন্ডাস্ট্রিকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন এই জনপ্রিয় অভিনেত্রী। যার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে তার আসন্ন এক ভিন্নধর্মী প্রজেক্ট।</strong></p>

<p>&nbsp;</p>

<p>ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, শ্রদ্ধা কাপুর বর্তমান সময়ে দারুণ সময় কাটাচ্ছেন। বক্স অফিসে ব্লকবাস্টার হিট উপহার দেওয়ার পর এবার তিনি খবরের শিরোনামে এসেছেন নিজের পারিশ্রমিক বাড়ানোর কারণে। আগামী সিনেমা &lsquo;ইথা&rsquo;-র জন্য প্রায় ১৫ কোটি রুপি পারিশ্রমিক নিচ্ছেন এই তারকা, যা তার আগের পারিশ্রমিকের তুলনায় প্রায় তিনগুণ বেশি।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>যদিও অভিনেত্রী কিংবা ছবির নির্মাতাদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এখনও বিষয়টি নিয়ে কিছু জানানো হয়নি, তবে বলিপাড়ার অন্দরে এই ফি বৃদ্ধির গুঞ্জন বেশ জোরালো রূপ নিয়েছে। চলতি দশকের অন্যতম সফল সিনেমা &lsquo;স্ত্রী ২&rsquo;-এর আকাশছোঁয়া সাফল্যের পরই শ্রদ্ধার ক্যারিয়ারে এই বড় পরিবর্তন এসেছে।&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>পরিচালক লক্ষ্মণ উটেকরের আগামী ছবি &lsquo;ইথা&rsquo; প্রখ্যাত লাবণী নৃত্যশিল্পী বিঠাবাঈ নারায়ণগাঁওকরের জীবনের উপর ভিত্তি করে নির্মিত হচ্ছে। এই চলচ্চিত্রে শ্রদ্ধাকে তার চিরচেনা গ্ল্যামারাস রূপের বাইরে সম্পূর্ণ ভিন্ন এবং অভিনব একটি চরিত্রে দেখতে পাবেন দর্শকরা, যা তার অভিনয় জীবনের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে।</p>

<p>ইতোমধ্যেই ছবিটির টিজার প্রকাশ্যে এসেছে এবং তা নেটদুনিয়ায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। টিজারে শ্রদ্ধার নতুন লুক ও নিপুণ অভিনয়ের ঝলক দর্শকের মাঝে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। সব ঠিকঠাক থাকলে আগামী ২০২৬ সালের ৪ ডিসেম্বর বড়পর্দায় মুক্তি পাবে প্রতীক্ষিত এই সিনেমাটি।</p>

<p>&nbsp;</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1662-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[Bangladesh gets lowest US tariff, retains competitive edge]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/english/29326</link>
    <pubDate>Fri, 14 Aug 2026 00:05:18 +0600</pubDate>
    <category> English </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/english/29326</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/07242026_image03_us_tariffs_on_bangladesh.jpg" />    <p>DHAKA - Bangladesh has secured the lowest tariff rate of 10 percent under a new US trade measure, helping the country retain a competitive edge over major apparel-exporting rivals, including China, Vietnam and Thailand.&nbsp;&nbsp;The US government on July 23 announced tariffs under Section 301 of the Trade Act of 1974 on 60 economies representing 86 countries globally following investigations by the Office of the United States Trade Representative (USTR) into the use of forced labour.</p>

<p>The new tariffs, ranging from 10 percent to 12.5 percent, took effect at 12:01 am [Washington DC time] today, replacing the temporary 10-percent global tariff previously imposed under Section 122. Under the decision, imports originating from Bangladesh will face a 10-percent tariff, in addition to the existing Most-Favored-Nation (MFN) tariff rates, said the foreign ministry here today.&nbsp;</p>

<p>Bangladesh is among only 17 of the 86 countries placed in the lower 10-percent tariff tier, a position expected to help preserve its competitiveness in the US apparel and broader export market.</p>

<p>In contrast, several of Bangladesh&#39;s major competitors in global apparel manufacturing, including China, Vietnam and Thailand, have been placed under the maximum 12.5-percent tariff rate.The tariff differential is expected to reinforce Bangladesh&#39;s comparative advantage in the US market relative to competitors facing the higher rate.</p>

<p>Meanwhile, the USTR is considering establishing a three-year Tariff-Rate Quota (TRQ) for Bangladesh, Cambodia, Indonesia and Malaysia that could waive Section 301 tariffs on goods manufactured using US cotton and textile inputs.If implemented, the facility could provide Bangladesh with an additional competitive advantage while encouraging greater use of US textile inputs and supporting further expansion of Bangladeshi exports to the American market.</p>

<p>The government reaffirmed its commitment to upholding international labour standards and continuing close engagement with international partners to ensure robust growth, compliance and sustainability of the country&#39;s critical export sectors.<br />
&nbsp;</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/07242026_image03_us_tariffs_on_bangladesh.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[US Fed approves Santander&#039;s acquisition of regional bank]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/english/29325</link>
    <pubDate>Thu, 13 Aug 2026 23:58:30 +0600</pubDate>
    <category> English </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/english/29325</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/08052026_image17_webster_stander_bank.jpg" />    <p>WASHINGTON DC - The US Federal Reserve on Tuesday announced it had approved the acquisition of Connecticut-based Webster Bank by Spanish financial giant Santander, a deal valued at $12.2 billion. The acquisition is part of Santander&#39;s push to expand in the United States, where it currently has a footprint in nine states and operates more than $81 billion in consolidated deposits. Webster Bank has a large footprint in the US northeast, operating consolidated deposits of approximately $69 billion, according to the US central bank.</p>

<p>&quot;On consummation of this proposal, SHUSA (Santander&#39;s US holding company) would become the 19th largest insured depository organization in the United States, with consolidated assets of approximately $253.6 billion,&quot; the Federal Reserve said in a statement.</p>

<p>The deal for the retail and commercial bank &quot;will create a stronger, more competitive bank for customers,&quot; Santander said in a statement in February. The Spanish banking giant said the Webster acquisition would make it a top-10 retail and commercial bank in the United States by assets.</p>

<p>In April, Santander reported &quot;record&quot; first-quarter profit as customer growth and strong commercial activity outweighed global economic uncertainty caused by the Middle East war. It is a major player in Europe and Latin America, and the Webster acquisition is part of its goal to grab more of the lucrative US market.<br />
&nbsp;</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/08052026_image17_webster_stander_bank.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[PM Urges US Companies to Invest Confidently and Build Long-Term Businesses in Bangladesh]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/english/29324</link>
    <pubDate>Thu, 13 Aug 2026 23:49:35 +0600</pubDate>
    <category> English </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/english/29324</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/08132026_image11_pm_on_us.jpg" />    <p>Shibbir Ahmed &mdash; Prime Minister Tarique Rahman has urged American companies to invest in Bangladesh with confidence and pursue long-term business opportunities, saying increased U.S. investment would create jobs, expand trade and further strengthen economic ties between Bangladesh and the United States. The Prime Minister made the remarks during a meeting with a 50-member delegation of the U.S.-Bangladesh Business Council at his office at the Bangladesh Secretariat on Thursday.</p>

<p>&ldquo;Our six-month-old visionary government wants US companies to invest in Bangladesh and expand their businesses. We welcome your capital, technology, expertise and global experience,&rdquo; Tarique Rahman told the visiting business leaders.</p>

<p>He assured the delegation that his government would provide support for American investors while working to create a more predictable and investment-friendly business environment. The Prime Minister said his government is committed to simplifying regulations, introducing business-friendly budgetary measures and pursuing liberal economic and fiscal policies to encourage investment.</p>

<p>&ldquo;Our goal is to build a private-sector-led, rules-based and globally connected economy. We want American businesses to be our partners in this transformation,&rdquo; he said.</p>

<p><strong>Opportunities for American businesses</strong></p>

<p>Tarique Rahman highlighted investment opportunities for U.S. companies across a wide range of sectors, including energy, infrastructure, technology, digital services, finance, agriculture, healthcare, manufacturing and logistics. He said Bangladesh is taking steps to strengthen investor protection, simplify regulations, improve tax and VAT administration, facilitate profit repatriation and reduce bureaucratic obstacles.</p>

<p>The government is also working to modernize infrastructure, ports and logistics systems while improving energy security and encouraging investment in renewable energy and advanced technologies, he said. The Prime Minister called on U.S. businesses to look at Bangladesh as a long-term investment destination.</p>

<p>&ldquo;Let us grow together and build a prosperous, competitive and globally connected Bangladesh,&rdquo; he said.</p>

<p><strong>Strengthening bilateral economic ties</strong></p>

<p>Tarique Rahman said Bangladesh welcomes American investment through direct investment, joint ventures, public-private partnerships and consultancy services. He also emphasized the government&#39;s desire to expand bilateral trade and strengthen Bangladesh&#39;s export and import relationships with the United States.</p>

<p>&ldquo;At the same time, initiatives have been taken to align our economic partnership with the broader strategic interests shared by the two countries,&rdquo; he said. Referring to the government&#39;s goal of building a $1 trillion economy by 2034, the Prime Minister said Bangladesh is pursuing policies aimed at transforming the country into a manufacturing and investment hub through targeted incentives, skills development and investment in technology.</p>

<p>&ldquo;Our objective is not merely to attract foreign direct investment, but to build a lasting and mutually beneficial economic partnership,&rdquo; he said.</p>

<p><strong>Government ready to support investors</strong></p>

<p>The Prime Minister also referred to his own professional background in business before entering politics, saying that experience had given him an understanding of the importance of sound policies and a favorable environment for business expansion.</p>

<p>&ldquo;My message today is very simple,&rdquo; he told the visiting business leaders. &ldquo;Consider the entire government as your partner. We are here to listen to you, respond to you and cooperate with you.&rdquo;</p>

<p>Tarique Rahman expressed hope that the delegation&#39;s meetings with Bangladeshi officials would provide American business leaders with a clearer understanding of the government&#39;s priorities and Bangladesh&#39;s investment prospects.</p>

<p>&ldquo;I wish all of you a successful visit. My government is ready to extend all possible cooperation to make it successful,&rdquo; he said.</p>

<p>The U.S.-Bangladesh Business Council delegation was led by Oliver Simpson, Executive Vice President and Chief Commercial Officer of Excelerate Energy, and Ambassador (Ret.) Atul Keshap, President of the U.S.-Bangladesh Business Council and Senior Vice President for South Asia at the U.S. Chamber of Commerce.</p>

<p>Earlier, members of the delegation met with several ministers, state ministers, advisers and senior government officials to discuss investment opportunities and business prospects in Bangladesh.</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/08132026_image11_pm_on_us.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[UN Warns of Al-Qaeda Cell-Building Efforts in Bangladesh]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/english/29323</link>
    <pubDate>Thu, 13 Aug 2026 23:09:57 +0600</pubDate>
    <category> English </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/english/29323</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/08132026_image15_al_qaedda_bangladesh.jpg" />    <p><em><strong>Shibbir Ahmed | UN। New York:</strong></em> The United Nations has raised concerns that Al-Qaeda in the Indian Subcontinent (AQIS), the South Asian affiliate of Al-Qaeda, is attempting to establish new cells or operational networks in Bangladesh.</p>

<p>The concern was highlighted in the 38th report of the United Nations Security Council&rsquo;s Analytical Support and Sanctions Monitoring Team, which monitors the activities of ISIL (Da&rsquo;esh), Al-Qaeda and associated organizations. The report, S/2026/651, was released on August 10, 2026, and assesses developments between December 16, 2025, and June 9, 2026.</p>

<p>According to paragraph 101 of the report, AQIS is seeking to strengthen its position as a regional terrorist organization through small, dispersed and decentralized cells, rather than large operational units. The group is also working to develop logistical and financial networks.</p>

<p>The monitoring team expressed concern that AQIS may be seeking to exploit Bangladesh to establish cells there.</p>

<p><strong>AQIS and the Delhi Red Fort Attack</strong></p>

<p>The report also addresses the November 2025 attack near Delhi&rsquo;s Red Fort, noting the reported connection between the incident and AQIS. The incident has added to concerns over the group&rsquo;s expanding regional capabilities and networks.</p>

<p>The UN monitoring team further assesses that AQIS is playing a significant role within the Ittehad-ul-Mujahideen Pakistan (IMP) network operating in Pakistan. Some senior figures associated with the organization are reportedly based in Kabul and maintain contacts with the Afghan Taliban authorities, according to the report.</p>

<p>G<strong>rowing Terrorist Threats Across South Asia</strong></p>

<p>The UN report warns that the security environment in South Asia remains increasingly complex. Cross-border violence and clashes along the Afghanistan-Pakistan frontier, combined with the continued presence of militant organizations in the region, are contributing to broader regional security concerns.</p>

<p>The report also says that the Tehrik-e-Taliban Pakistan (TTP) reorganized its institutional structure following its annual Rahbari Shura, or leadership council, meeting on December 25.</p>

<p>Under the new structure, the group reportedly added two administrative divisions&mdash;&ldquo;Balochistan and Central&rdquo; and &ldquo;Kashmir and Gilgit.&rdquo; The report also refers to the announcement of a controversial new unit known as the &ldquo;TTP Air Force.&rdquo;</p>

<p><strong>Al-Qaeda Support for the Taliban and TTP</strong></p>

<p>The report states that on April 28, Al-Qaeda&rsquo;s media outlet, As-Sahab Media Foundation, publicly expressed support for the Afghan Taliban and, notably, for the TTP.</p>

<p>According to UN monitoring assessments, Al-Qaeda has maintained longstanding ideological and organizational links with the TTP. The continued interaction among militant networks operating from Afghanistan and Pakistan is adding another layer of complexity to the security situation in South Asia.</p>

<p><strong>Concerns Over Chemical and Biological Weapons</strong></p>

<p>The report also raises concerns about the long-standing interest of Al-Qaeda and ISIL in developing chemical and biological weapons.</p>

<p>Although technical difficulties have prevented these organizations from achieving major capabilities in this area, the UN says extremist networks continue to disseminate information online concerning toxic substances and potential chemical and biological agents.</p>

<p>The report notes that an English-language ISIL publication released material concerning toxic substances in February and highlights the group&rsquo;s continuing interest in ricin.</p>

<p>In late 2025, three people&mdash;including a doctor&mdash;were arrested in India in a case involving an ISIL-linked network. According to the UN assessment, the individuals had allegedly been tasked by an ISIL cell operating abroad with producing ricin.</p>

<p><strong>What Does the UN Warning Mean for Bangladesh?</strong></p>

<p>One of the most significant findings in the latest UN assessment is the changing organizational strategy of Al-Qaeda&rsquo;s regional affiliates. Rather than relying primarily on large bases, these groups are increasingly attempting to operate through small, decentralized cells supported by financial and logistical networks.</p>

<p>The UN warning about possible AQIS efforts to establish cells in Bangladesh therefore represents a significant security concern for the country.</p>

<p>It also highlights the importance of strengthening monitoring of cross-border networks, extremist propaganda, terrorist financing and the development of small, decentralized cells.</p>

<p>However, the UN report does not identify any specific AQIS cell, location, number of members or operational base in Bangladesh. Therefore, the report should not be interpreted as confirmation that an AQIS cell has already been established in the country.</p>

<p>Overall, the UN&rsquo;s 38th report warns that the terrorist threat in South Asia is becoming increasingly complex, with AQIS and other regional networks adopting more decentralized structures and seeking to expand their operational, financial and logistical capabilities.</p>

<p>For Bangladesh, the warning over possible AQIS efforts to establish cells is among the most significant security concerns highlighted in the latest UN assessment.</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/08132026_image15_al_qaedda_bangladesh.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বাংলাদেশে আল-কায়েদার সেল গঠনের চেষ্টা, সতর্ক করল জাতিসংঘ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/bangladesh/29322</link>
    <pubDate>Thu, 13 Aug 2026 23:08:03 +0600</pubDate>
    <category> সারাবাংলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/bangladesh/29322</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/08132026_image17_un_security_council_report.jpeg" />    <p>শিব্বীর আহমেদ, নিউইয়র্ক: বাংলাদেশকে কাজে লাগিয়ে আল-কায়েদার দক্ষিণ এশীয় শাখা আল-কায়েদা ইন দ্য ইন্ডিয়ান সাবকন্টিনেন্ট (AQIS) নতুন সেল বা সাংগঠনিক ঘাঁটি গড়ে তোলার চেষ্টা করছে&mdash;এমন উদ্বেগ জানিয়েছে জাতিসংঘ। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ISIL (দায়েশ), আল-কায়েদা ও সংশ্লিষ্ট সংগঠনবিষয়ক নিষেধাজ্ঞা পর্যবেক্ষণ দলের ৩৮তম প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। S/2026/651 নম্বরের প্রতিবেদনটি ১০ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত হয়। এতে ২০২৫ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ৯ জুন পর্যন্ত সংগঠনগুলোর কার্যক্রম ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি মূল্যায়ন করা হয়েছে।</p>

<p>প্রতিবেদনের ১০১ নম্বর অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, AQIS বড় কোনো ইউনিটের পরিবর্তে ছোট ও ছড়িয়ে থাকা বিকেন্দ্রীভূত সেল-এর মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। একই সঙ্গে সংগঠনটি লজিস্টিক ও আর্থিক নেটওয়ার্ক গড়ে তুলে নিজেদের আঞ্চলিক সক্ষমতা বাড়ানোর চেষ্টা করছে। জাতিসংঘের পর্যবেক্ষকদের মধ্যে বাংলাদেশকে কাজে লাগিয়ে AQIS-এর সেল প্রতিষ্ঠার চেষ্টা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে।</p>

<p><strong>দিল্লির লালকেল্লা হামলার সঙ্গে AQIS-এর যোগ</strong></p>

<p>প্রতিবেদনে ২০২৫ সালের নভেম্বরে দিল্লির লালকেল্লার কাছে হামলার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। জাতিসংঘের মূল্যায়নে হামলাটির সঙ্গে AQIS-এর সংশ্লিষ্টতার কথা উঠে এসেছে। ঘটনাটি দক্ষিণ এশিয়ায় সংগঠনটির সম্ভাব্য আঞ্চলিক সক্ষমতা ও নেটওয়ার্ক নিয়ে উদ্বেগ আরও বাড়িয়েছে। জাতিসংঘের পর্যবেক্ষক দলের মতে, AQIS বর্তমানে পাকিস্তানে সক্রিয় ইত্তিহাদ-উল-মুজাহিদিন পাকিস্তান (IMP)-এর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত। সংগঠনটির কয়েকজন শীর্ষ নেতা আফগানিস্তানের কাবুলে অবস্থান করছেন এবং তাদের সঙ্গে আফগান তালেবান কর্তৃপক্ষের যোগাযোগ রয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।</p>

<p><strong>দক্ষিণ এশিয়ায় বাড়ছে সন্ত্রাসী ঝুঁকি</strong></p>

<p>জাতিসংঘের প্রতিবেদনে দক্ষিণ এশিয়ার সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। বিশেষ করে আফগানিস্তান-পাকিস্তান সীমান্তে সংঘাত, আন্তঃসীমান্ত হামলা এবং বিভিন্ন সন্ত্রাসী সংগঠনের তৎপরতা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য ঝুঁকি তৈরি করছে বলে পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন।&nbsp;প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৫ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত বার্ষিক রাহবারি শুরা বা নেতৃত্ব পরিষদের বৈঠকের পর নিষিদ্ধঘোষিত তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (TTP) তাদের সাংগঠনিক কাঠামো পুনর্গঠন করেছে।</p>

<p>নতুন কাঠামোয় &lsquo;বেলুচিস্তান ও মধ্যাঞ্চল&rsquo; এবং &lsquo;কাশ্মীর ও গিলগিট&rsquo; নামে দুটি বিভাগ যুক্ত করার পাশাপাশি &lsquo;TTP Air Force&rsquo; নামে একটি নতুন ইউনিট চালুর ঘোষণার কথাও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।</p>

<p><strong>তালেবান ও TTP-কে আল-কায়েদার সমর্থন</strong></p>

<p>প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২৮ এপ্রিল আল-কায়েদার প্রচারমাধ্যম আস-সাহাব মিডিয়া ফাউন্ডেশন আফগান তালেবান এবং TTP-এর প্রতি প্রকাশ্য সমর্থন জানায়। জাতিসংঘের পর্যবেক্ষকদের মতে, আল-কায়েদা দীর্ঘদিন ধরে TTP-এর সঙ্গে আদর্শিক ও সাংগঠনিক যোগাযোগ বজায় রেখেছে। ফলে আফগানিস্তান ও পাকিস্তানকেন্দ্রিক বিভিন্ন জঙ্গি নেটওয়ার্কের পারস্পরিক সম্পর্ক দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।</p>

<p><strong>রাসায়নিক ও জৈবিক অস্ত্র নিয়েও উদ্বেগ</strong></p>

<p>প্রতিবেদনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অংশে আল-কায়েদা ও আইএসআইএলের রাসায়নিক ও জৈবিক অস্ত্র তৈরির প্রচেষ্টার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। জাতিসংঘের মতে, প্রযুক্তিগত জটিলতার কারণে এসব সংগঠন এখনো বড় ধরনের সক্ষমতা অর্জন করতে পারেনি। তবে অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে বিষাক্ত পদার্থ ও সম্ভাব্য রাসায়নিক-জৈবিক অস্ত্র তৈরির তথ্য ছড়িয়ে দেওয়ার প্রবণতা উদ্বেগজনক।&nbsp;প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ফেব্রুয়ারিতে আইএসআইএলের একটি ইংরেজি ভাষার অনলাইন ম্যাগাজিনে বিষাক্ত উপাদান নিয়ে প্রচারণা চালানো হয়। রিসিন তৈরির প্রচেষ্টার সঙ্গেও আইএসআইএল-সংশ্লিষ্ট একটি নেটওয়ার্কের যোগসূত্রের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।</p>

<p>২০২৫ সালের শেষ দিকে ভারতে তিনজনকে গ্রেপ্তারের ঘটনাও প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। তাদের মধ্যে একজন চিকিৎসক ছিলেন। জাতিসংঘের ভাষ্য অনুযায়ী, বিদেশে অবস্থানরত একটি আইএসআইএল-সংশ্লিষ্ট সেলের নির্দেশে তাদের রিসিন তৈরির কাজে যুক্ত করা হয়েছিল।</p>

<p><strong>বাংলাদেশের জন্য কী বার্তা?</strong></p>

<p>জাতিসংঘের সর্বশেষ মূল্যায়নের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো&mdash;আল-কায়েদার আঞ্চলিক শাখাগুলো বড় ঘাঁটির পরিবর্তে ছোট, বিকেন্দ্রীভূত সেল এবং আর্থিক ও লজিস্টিক নেটওয়ার্কের মাধ্যমে নিজেদের কার্যক্রম বিস্তারের চেষ্টা করছে। বাংলাদেশকে কাজে লাগিয়ে AQIS-এর সম্ভাব্য সেল প্রতিষ্ঠার বিষয়ে জাতিসংঘের উদ্বেগ তাই দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সতর্কবার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে সীমান্তপারের যোগাযোগ, উগ্রবাদী প্রচারণা, অর্থায়ন এবং ছোট সেলভিত্তিক নেটওয়ার্কের বিস্তার ঠেকাতে নজরদারি জোরদারের প্রয়োজনীয়তা সামনে এসেছে।</p>

<p>তবে জাতিসংঘের প্রতিবেদনে বাংলাদেশে AQIS-এর কোনো নির্দিষ্ট সেলের অবস্থান, সদস্যসংখ্যা বা কার্যক্রমের বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়নি। ফলে বাংলাদেশে সংগঠনটির সেল ইতোমধ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে&mdash;এমন কোনো নিশ্চিত দাবি প্রতিবেদনের ভিত্তিতে করা যাচ্ছে না। জাতিসংঘের বক্তব্য মূলত সম্ভাব্য তৎপরতা ও নিরাপত্তা ঝুঁকি নিয়ে একটি সতর্কতামূলক মূল্যায়ন।</p>

<p>সার্বিকভাবে জাতিসংঘের ৩৮তম প্রতিবেদনে দক্ষিণ এশিয়ায় সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কের পরিবর্তিত কৌশল, বিকেন্দ্রীভূত সাংগঠনিক কাঠামো এবং আন্তঃদেশীয় যোগাযোগ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশকে কাজে লাগিয়ে AQIS-এর সেল গঠনের সম্ভাবনা বাংলাদেশের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ একটি সতর্কবার্তা হিসেবে উঠে এসেছে।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/08132026_image17_un_security_council_report.jpeg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[লিগস কাপে ক্লাব থেকে ইন্টার মায়ামির বিদায়]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/29321</link>
    <pubDate>Thu, 13 Aug 2026 20:56:16 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/29321</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/08132026_image14_leagues_cup.jpeg" />    <p>স্পোর্টস ডেস্কঃ&nbsp;লিওনেল মেসির অপ্রত্যাশিত প্রত্যাবর্তনেও লিগস কাপে ক্লাব লিওনের কাছে ৩-২ গোলে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিতে হয়েছে ইন্টার মায়ামিকে। ঘরের মাঠে এগিয়ে গিয়েও শেষ পর্যন্ত হার মানে।&nbsp;টুর্নামেন্টের পরের ধাপে যেতে হলে ম্যাচডে ৩-এ মায়ামির জয়ের কোনো বিকল্প ছিল না। শুধু নিজেদের ম্যাচে জয়ই যথেষ্ট ছিল না, পাশাপাশি এমএলএসের অন্য ম্যাচগুলোর ফলও তাদের পক্ষে আসার প্রয়োজন ছিল। ফলে শুরু থেকেই ম্যাচটি মায়ামির জন্য হয়ে উঠেছিল বাঁচা-মরার লড়াই।</p>

<p>এর আগে, অ্যাথলেটিকো সান লুইসকে ৪-২ গোলে হারিয়ে তিন পয়েন্ট পেয়েছিল মায়ামি। তবে পরের ম্যাচে মন্টেরের কাছে ২-১ গোলে হারায় তাদের হিসাব অনেকটাই কঠিন হয়ে যায়। শেষ ম্যাচে লিওনের বিপক্ষে জয় নিয়ে পরের ধাপে ওঠার আশা বাঁচিয়ে রাখার লক্ষ্যেই মাঠে নামে হেরনরা। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলার চেষ্টা করে মায়ামি। প্রথমার্ধে ৪২ মিনিটে গোল করে মায়ামিকে এগিয়ে দেন ১৯ বছর বয়সী ড্যানিয়েল পিন্টার।</p>

<p>তবে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ম্যাচের চিত্র বদলে যায়। ৫০ মিনিটে গোল করে লিওনকে সমতায় ফেরান ড্যানিয়েল আরসিলা। সমতা ফেরার আনন্দ অবশ্য বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি সফরকারী দলের। মাত্র তিন মিনিট পর গোল করে আবারও মায়ামিকে এগিয়ে দেন ইয়ানিক ব্রাইট। ২-১ গোলে পিছিয়ে পড়েও ম্যাচ থেকে ছিটকে যায়নি লিওন। বরং ধীরে ধীরে তারা মায়ামির ওপর চাপ বাড়াতে থাকে। ৬১তম মিনিটে হুয়ান ডমিনগেজের গোলে আবারও সমতায় ফেরে ম্যাচ। তখন দু&rsquo;দলই জয়ের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে।</p>

<p>ম্যাচের শেষ ভাগে এসে নাটক আরও জমে ওঠে। ৮৩ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন আরসিলা। তার সেই গোলেই প্রথমবারের মতো ম্যাচে এগিয়ে যায় লিওন। শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোল না হওয়ায় ৩-২ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে মেক্সিকান দলটি। মায়ামির জন্য ম্যাচটির আরেকটি বড় ঘটনা ছিল মেসির মাঠে ফেরা। স্বল্প সময়ের বিরতির পর আর্জেন্টাইন তারকাকে শুরুতে একাদশে না রেখে বদলি হিসেবে রাখা হয়েছিল। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই পিন্টারের জায়গায় মাঠে নামানো হয় তাকে।</p>

<p>মেসি মাঠে পা রাখার সঙ্গে সঙ্গে গ্যালারিতে তৈরি হয় অন্য রকম আবহ। নু স্টেডিয়ামের দর্শকেরা দাঁড়িয়ে করতালি দিয়ে তাকে স্বাগত জানান। মেসির প্রত্যাবর্তন মায়ামির সমর্থকদের মধ্যে নতুন আশার জন্ম দিয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তার উপস্থিতিও দলের ভাগ্য বদলাতে পারেনি।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/08132026_image14_leagues_cup.jpeg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[গোপন তৎপরতায় লিপ্ত ঢাবি’র কতিপয় শিক্ষকের বিষয় খতিয়ে দেখতে কমিটি গঠন]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/education/29320</link>
    <pubDate>Thu, 13 Aug 2026 20:51:15 +0600</pubDate>
    <category> শিক্ষা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/education/29320</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/08132026_image14_dhaka_university.jpg" />    <p>ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়: রাষ্ট্রবিরোধী গোপন তৎপরতায় লিপ্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট শিক্ষকগণের বিষয় খতিয়ে দেখে করণীয় নির্ধারণ ও প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানের লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালামকে আহ্বায়ক করে ৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।&nbsp;কমিটির অন্য ২ জন সদস্য হলেন- বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও আইন অনুষদের ডিন। এই কমিটি সংশ্লিষ্ট শিক্ষকগণের সার্বিক বিষয় খতিয়ে দেখে করণীয় নির্ধারণ ও সুপারিশ প্রদান করবে। কমিটি ইতোমধ্যেই কার্যক্রম শুরু করেছে।</p>

<p>উল্লেখ্য, সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনা এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ একটি রাজনৈতিক দলকে সক্রিয় করার লক্ষ্যে দেশের ২২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০৪ জন শিক্ষকের গোপন তৎপরতা সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগোচর হয়।</p>

<p>প্রতিবেদনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯২ জন শিক্ষক গোপন তৎপরতায় লিপ্ত আছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছিলো। তাদের মধ্যে ইতোমধ্যেই ৫৮ জন শিক্ষকের নাম সনাক্ত করা গেছে। আরও কারও নাম সনাক্ত করা গেলে কমিটি তাদের বিষয়ও খতিয়ে দেখবে এবং প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদান করবে।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/08132026_image14_dhaka_university.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[১৫ আগস্ট ঘিরে সারাদেশে র‌্যাবের বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/bangladesh/29319</link>
    <pubDate>Thu, 13 Aug 2026 20:48:08 +0600</pubDate>
    <category> সারাবাংলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/bangladesh/29319</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/08132026_image13_rab.jpg" />    <p>ডেস্ক রিপোর্টঃ&nbsp;১৫ আগস্ট উপলক্ষ্যে সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং যেকোনো ধরনের নাশকতা ও অপ্রীতিকর ঘটনা প্রতিরোধে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে র&zwnj;্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র&zwnj;্যাব)।&nbsp;এ উপলক্ষ্যে সংবেদনশীল স্থান চিহ্নিত করে নিরাপত্তা জোরদার, গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি, সাদা পোশাকে গোয়েন্দা দল মোতায়েন এবং সাইবার পেট্রোলিং জোরদার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার র&zwj;্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখা থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।</p>

<p>র&zwnj;্যাব জানায়, রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং অপরাধ দমনে র&zwnj;্যাব পেশাদারিত্ব, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছে। সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নিয়মিত অভিযান ও প্রতিরোধমূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে সংঘবদ্ধ অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে র&zwnj;্যাব সর্বদা তৎপর রয়েছে। যেকোনো ধরনের সহিংসতা প্রতিরোধে র&zwnj;্যাবের প্রতিটি সদস্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়ে জনসাধারণের জন্য নিরাপদ ও বাসযোগ্য সমাজ তথা দেশ বিনির্মাণে কাজ করে যাচ্ছে।</p>

<p>বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১৫ আগস্ট উপলক্ষ্যে সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং কোনো নিষিদ্ধ সংগঠন, উগ্রবাদী গোষ্ঠী বা দুষ্কৃতকারী যাতে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে না পারে, সে লক্ষ্যে প্রত্যেক ব্যাটালিয়ন নিরাপত্তা হুমকি পর্যালোচনা করে নিরাপত্তা পরিকল্পনা প্রণয়ন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে।</p>

<p>নিজ নিজ ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সংবেদনশীল স্থানগুলো চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। দেশব্যাপী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে কোনো উগ্রবাদী গোষ্ঠী, অন্যান্য নিষিদ্ধ ঘোষিত ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন এবং রাষ্ট্র ও সরকারবিরোধী কুচক্রী মহল যাতে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে না পারে, সেজন্য এসব সংগঠনের অপতৎপরতা ও গতিবিধির ওপর গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।</p>

<p>র&zwnj;্যাব নিজস্ব নেতৃত্বে দায়িত্ব পালন করবে। তবে বিশেষ ক্ষেত্রে স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ), দায়িত্বপূর্ণ এলাকার স্থানীয় প্রশাসন, অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করা হয়েছে। গোয়েন্দা কার্যক্রম জোরদার এবং আগাম তথ্য সংগ্রহের জন্য এলাকাভিত্তিক কনট্যাক্ট/ইনফরমার অথবা সোর্স নিয়োগ করা হয়েছে। দায়িত্বপূর্ণ এলাকার অনুষ্ঠানস্থলে গমনাগমনের রুটগুলোতে সাদা পোশাকে গোয়েন্দা দল নিয়োগের মাধ্যমে নজরদারি করা হচ্ছে। একই সঙ্গে দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় সন্দেহভাজন ও নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের ব্যক্তিবর্গের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।</p>

<p>যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিরোধে রাজনৈতিক কর্মসূচির অনুষ্ঠানস্থল ও আশপাশের এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি জোরদারসহ র&zwnj;্যাব সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। ১৫ আগস্ট উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে নিষিদ্ধ ঘোষিত ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মী, দুষ্কৃতকারী বা কোনো উগ্রবাদী গোষ্ঠীর অনুপ্রবেশের মাধ্যমে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির সুযোগ যাতে না থাকে, সে বিষয়েও সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছে। সন্দেহভাজন ব্যক্তি ও নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের মাধ্যমে নাশকতা ও অপতৎপরতা রোধে গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।</p>

<p>এ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ও অপপ্রচার রোধে সাইবার পেট্রোলিং জোরদার করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিমূলক পোস্ট, মন্তব্য বা ছবি আপলোড করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে র&zwnj;্যাব। কোনো স্থানে বিস্ফোরক বা বিস্ফোরক সদৃশ দ্রব্যসামগ্রী পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক কার্যক্রম গ্রহণের জন্য র&zwnj;্যাবের বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।</p>

<p>র&zwnj;্যাব ফোর্সেস জানায়, ১৫ আগস্ট উপলক্ষ্যে সকল নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অপরাধ চিহ্নিত ও প্রতিরোধ করা এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসতে র&zwnj;্যাব বদ্ধপরিকর। একই সঙ্গে সর্বসাধারণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে কোনো সন্দেহজনক ব্যক্তি, বস্তু বা কার্যকলাপ চোখে পড়লে দ্রুত নিকটস্থ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবহিত করার অনুরোধ জানিয়েছে র&zwnj;্যাব।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/08132026_image13_rab.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[আত্মসমর্পণের পর জামিন পেলেন অভিনেত্রী তানজিন তিশা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/29318</link>
    <pubDate>Thu, 13 Aug 2026 20:41:13 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/29318</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/08132026_image12_tanjin_tisha.jpeg" />    <p>ঢাকা : প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের মামলায় আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন অভিনেত্রী তানজিন তিশা। অনলাইন ফ্যাশন পেজ থেকে শাড়ি নেওয়ার পর মূল্য পরিশোধ ও প্রচারের প্রতিশ্রুতি রক্ষা না করার অভিযোগে করা তার বিরুদ্ধে এ মামলা করা হয়। আজ ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার আদালতে তিনি আত্মসমর্পণ করে আইনজীবীর মাধ্যমে জামিন চেয়ে আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন।&nbsp;তানজিন তিশার আইনজীবী নেহার হোসেন ফারুকী বাসস&rsquo;কে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।</p>

<p>গত ২০২৫ সালের ৫ নভেম্বর তার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন অ্যাপোনিয়া ফ্যাশনের এক্সিকিউটিভ আমিনুল ইসলাম। আদালতের গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নির্দেশ দেন। তদন্ত শেষে ডিবি পুলিশ তানজিন তিশাকে অভিযুক্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন। গত ১২ জুলাই তানজিন তিশার বিরুদ্ধে সমন জারি করে ১৩ আগস্ট আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন।</p>

<p>মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, অনলাইন ফ্যাশন পেজ &lsquo;অ্যাপোনিয়া&rsquo; থেকে প্রায় ২৮ হাজার ৮০০ টাকা মূল্যের একটি শাড়ি সংগ্রহ করেন তানজিন তিশা। শাড়িটির প্রচারণা চালানো এবং মূল্য পরিশোধের আশ্বাস দেওয়া হলেও পরে তিনি যোগাযোগ বন্ধ করে দেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে মামলা করা হয়।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/08132026_image12_tanjin_tisha.jpeg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[মার্কিন কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও ব্যবসা সম্প্রসারণের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/diplomatic/29317</link>
    <pubDate>Thu, 13 Aug 2026 20:37:08 +0600</pubDate>
    <category> কূটনৈতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/diplomatic/29317</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/08132026_image11_pm_on_us.jpg" />    <p>ঢাকা : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মার্কিন কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও ব্যবসা সম্প্রসারণের আহ্বান জানিয়েছেন। একইসঙ্গে তিনি আমেরিকান বিনিয়োগকারীদের সরকারি সহায়তা ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি আজ সকালে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের ৫০ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ কথা বলেন।&nbsp;&nbsp;প্রতিনিধিদলে নেতৃত্ব দেন এক্সিলারেট এনার্জির এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও চিফ কমার্শিয়াল অফিসার অলিভার সিম্পসন এবং ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট ও ইউএস চেম্বার অব কমার্সের দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট রাষ্ট্রদূত (অব.) অতুল কেশপ।</p>

<p>প্রধানমন্ত্রী বলেন, &lsquo;আমাদের ছয় মাসের এই দূরদর্শী সরকার চায় মার্কিন কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে বিনিয়োগ করুক এবং তাদের ব্যবসা সম্প্রসারণ করুক। আমরা আপনাদের পুঁজি, প্রযুক্তি, দক্ষতা ও বৈশ্বিক অভিজ্ঞতাকে স্বাগত জানাই।&rsquo; তিনি বলেন, &lsquo;বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে সরকার নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা সহজীকরণ, ব্যবসাবান্ধব বাজেট এবং উদার অর্থনৈতিক ও রাজস্ব নীতির প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।&rsquo; ব্যাবসাবান্ধব অর্থনীতি গড়ে তুলতে সরকার বদ্ধপরিকর উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, &lsquo;আমাদের লক্ষ্য হলো বেসরকারি খাতনির্ভর একটি নিয়মভিত্তিক ও বৈশ্বিকভাবে সংযুক্ত অর্থনীতি গড়ে তোলা। আমরা চাই, এই রূপান্তরে মার্কিন ব্যবসাগুলো আমাদের অংশীদার হোক।&rsquo;</p>

<p>তারেক রহমান বলেন, &lsquo;জ্বালানি, অবকাঠামো, প্রযুক্তি, ডিজিটাল সেবা, অর্থ, কৃষি, স্বাস্থ্যসেবা, উৎপাদন ও লজিস্টিকস খাতে মার্কিন ব্যবসার জন্য বাংলাদেশে উল্লেখযোগ্য সুযোগ রয়েছে।&rsquo; তিনি বলেন, &lsquo;সরকার বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা জোরদার, বিধি-বিধান সহজীকরণ, কর ও ভ্যাট প্রশাসনের উন্নতি, মুনাফা প্রত্যাবাসন সহজ করা, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমানো এবং সরকারি সেবার ডিজিটালাইজেশনে কাজ করছে।&rsquo;&nbsp;প্রধানমন্ত্রী বলেন, &lsquo;আমরা অবকাঠামো, বন্দর, লজিস্টিকস ও জ্বালানি নিরাপত্তারও উন্নতি করছি। একইসঙ্গে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও আধুনিক প্রযুক্তিতে বিনিয়োগকে উৎসাহিত করছি।&rsquo;</p>

<p>সরাসরি বিনিয়োগ, যৌথ উদ্যোগ, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব এবং পরামর্শক সেবার মাধ্যমে বাংলাদেশে মার্কিন বিনিয়োগকে স্বাগত জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, &lsquo;সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দীর্ঘস্থায়ী ও পারস্পরিক লাভজনক অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে চায়।&rsquo; তিনি বলেন, &lsquo;সরকার দুই দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের রপ্তানি-আমদানি সম্পর্ক আরও জোরদারে কাজ করছে। একইসঙ্গে দুই দেশের অভিন্ন বৃহত্তর কৌশলগত স্বার্থের সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বকে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।&rsquo;</p>

<p>সরকার ২০৩৪ সালের মধ্যে ১ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের অর্থনীতি গড়ে তোলার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, &lsquo;অগ্রাধিকার খাতে লক্ষ্যভিত্তিক প্রণোদনা এবং দক্ষতা ও প্রযুক্তিতে বিনিয়োগের মাধ্যমে বাংলাদেশকে উৎপাদন ও বিনিয়োগের কেন্দ্রে পরিণত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।&rsquo;&nbsp;তিনি বলেন, &lsquo;আমাদের উদ্দেশ্য শুধু বিদেশি সরাসরি বিনিয়োগ আকর্ষণ করা নয়, বরং একটি দীর্ঘস্থায়ী ও পারস্পরিক লাভজনক অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব গড়ে তোলা।&rsquo;</p>

<p>প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, &lsquo;রাজনীতিতে আসার আগে তিনি নিজেও একজন ব্যবসায়ী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেছিলেন। ফলে ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য সঠিক নীতি ও অনুকূল পরিবেশের গুরুত্ব তিনি বোঝেন।&rsquo; সফররত ব্যবসায়ী নেতাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, &lsquo;আজ আমার বার্তা খুবই সহজ। সরকার বাংলাদেশে তাদের ব্যবসায়িক স্বার্থের বিষয়ে শুনতে, সাড়া দিতে এবং সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। আপনারা পুরো সরকারকেই আপনাদের অংশীদার হিসেবে বিবেচনা করুন। আমরা আপনাদের কথা শুনতে, সাড়া দিতে এবং সহযোগিতা করতে এখানে আছি।&rsquo;</p>

<p>মার্কিন কোম্পানিগুলোকে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বিনিয়োগ এবং দীর্ঘমেয়াদে ব্যবসা গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, &lsquo;এ ধরনের বিনিয়োগ কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদারে সহায়তা করবে।&rsquo;</p>

<p>তিনি বলেন, &lsquo;আসুন আমরা একসঙ্গে প্রবৃদ্ধি অর্জন করি এবং একটি সমৃদ্ধ, প্রতিযোগিতামূলক ও বৈশ্বিকভাবে সংযুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলি।&rsquo; প্রতিনিধিদলটি এর আগে বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও ব্যবসার সুযোগ নিয়ে কয়েকজন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা ও জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠক করে।&nbsp;তারেক রহমান বলেন, এসব বৈঠক বাংলাদেশ সরকারের অগ্রাধিকার ও বিনিয়োগের সম্ভাবনা সম্পর্কে সফররত ব্যবসায়ী নেতাদের আরও স্পষ্ট ধারণা দিয়েছে বলে আশা করছি। আমি আপনাদের সবার সফল সফর কামনা করছি। আর এ জন্য আমার সরকার সব ধরনের সম্ভাব্য সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত।</p>

<p>ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের প্রতিনিধিদলে অন্যদের মধ্যে ছিলেন মাস্টারকার্ডের গ্লোবাল পাবলিক পলিসি ও ইন্দো-প্যাসিফিক পলিসি অপারেশন্সের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট রবি অরোরা, মাস্টারকার্ড বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার জাকিয়া সুলতানা, মেটার দক্ষিণ এশিয়ার পাবলিক পলিসি পরিচালক চা ইউয়েন টিং, মেটা বাংলাদেশের হেড অব পাবলিক পলিসি রুজান সারওয়ার, ইউএস সয়াবিন এক্সপোর্ট কাউন্সিলের মধ্যপ্রাচ্য, উত্তর আফ্রিকা ও দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক নির্বাহী পরিচালক কেভিন রোপকে, ইউএস সয়াবিন এক্সপোর্ট কাউন্সিলের বাংলাদেশ কান্ট্রি টিম লিড খবিবুর রহমান, ভিসার ভারত ও দক্ষিণ এশিয়ার গভর্নমেন্ট অ্যাফেয়ার্স বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও প্রধান আনন্দ বিজয় ঝা এবং ভিসার বাংলাদেশ, নেপাল ও ভুটানের কান্ট্রি ম্যানেজার সাব্বির আহমেদ।</p>

<p>বৈঠকে বক্তব্য দেন বোয়িংয়ের দক্ষিণ এশিয়া ও ভারতের প্রেসিডেন্ট এবং বোয়িং গ্লোবালের ভাইস প্রেসিডেন্ট সলিল গুপ্তে, শেভরন বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রেসিডেন্ট শু শিয়ং, মেটলাইফের বাংলাদেশ, মালয়েশিয়া, নেপাল ও ভিয়েতনাম অঞ্চলের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট এলেনা বুতারোভা, উবারের এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের পাবলিক পলিসি অ্যান্ড গভর্নমেন্ট রিলেশনস বিভাগের প্রধান পিয়া ব্রুনার এবং ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের বাংলাদেশ ও দক্ষিণ এশিয়ার নির্বাহী পরিচালক সিদ্ধান্ত মেহরা।</p>

<p>এছাড়া প্রতিনিধিদলে ছিলেন ইউএস চেম্বার অব কমার্সের দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক সিনিয়র ডিরেক্টর প্যাট্রিক পিটস, ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক পরিচালক উদয়া অরুণ, ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের পরিচালক দেবী চ্যাটার্জি এবং ইউএস চেম্বার অব কমার্সের সিনিয়র সিকিউরিটি কনসালটেন্ট শেমেই লেভি।</p>

<p>বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন, প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-২ মো. মেহেদুল ইসলাম এবং উপ-প্রেস সচিব-১ জাহিদুল ইসলাম রনি প্রমুখ।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/08132026_image11_pm_on_us.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বিএনপি থেকে মির্জা ফখরুলের পদত্যাগ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/politics/29316</link>
    <pubDate>Thu, 13 Aug 2026 20:34:48 +0600</pubDate>
    <category> রাজনীতি </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/politics/29316</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/08132026_image03_mirza_fakhrul.jpg" />    <p>ঢাকা : বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দলীয় পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। বাংলাদেশ সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠকে তিনি আজ প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে তার পদত্যাগপত্র হস্তান্তর করেন। এর আগে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেন।</p>

<p>বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, সেলিমা রহমান এবং এ জেড এম জাহিদ হোসেন উপস্থিত ছিলেন।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/08132026_image03_mirza_fakhrul.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে মির্জা ফখরুল]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29315</link>
    <pubDate>Thu, 13 Aug 2026 20:33:36 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29315</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/08132026_image10_mirza_fakhrul.jpg" />    <p>ঢাকা: তৃণমূলের রাজনীতি থেকে ধাপে ধাপে উঠে এসেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছাত্রজীবনে ছিলেন ছাত্রনেতা, কর্মজীবনে অর্থনীতির শিক্ষক। পরবর্তীতে রাজনীতিতে যোগ দিয়ে পৌর চেয়ারম্যান, সংসদ সদস্য, প্রতিমন্ত্রী ও মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বিএনপি মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম এবার দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হতে যাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ তাঁকে বিএনপির রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছেন। ৭৮ বছর বয়সী মির্জা ফখরুলের রাজনৈতিক জীবন দীর্ঘ ও বৈচিত্র্যময়। রাজনৈতিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়েও এগিয়েছেন তিনি।</p>

<p>২০১৬ সালের ৩০ মার্চ থেকে বিএনপির মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মির্জা ফখরুল। এর আগে ২০১১ সালের ২০ মার্চ থেকে দীর্ঘ পাঁচ বছর দলটির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের দায়িত্বে ছিলেন তিনি। ২০০৯ সালের ৮ ডিসেম্বর বিএনপির পঞ্চম জাতীয় কাউন্সিলে তাকে দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব মনোনীত করা হয়। ছাত্রজীবন থেকেই তাঁর রাজনৈতিক পথচলা শুরু। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতিতে পড়ার সময় তিনি বামপন্থী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন এবং পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের বিভিন্ন পর্যায়ে নেতৃত্ব দেন। তিনি সংগঠনটির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শাখার সভাপতি এবং এসএম হল শাখার নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় তিনি ছাত্র ইউনিয়নের ঢাবি শাখার সভাপতি ছিলেন।</p>

<p>ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেওয়ার পর মির্জা ফখরুল অধ্যাপনা পেশায় যোগদান করেন। ঢাকা কলেজে অর্থনীতি বিভাগে শিক্ষকতার পর তিনি সরকারি চাকরিতে প্রবেশ করেন। ১৯৭৯ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাসনকালে তৎকালীন উপ-প্রধানমন্ত্রী এস এ বারীর একান্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ১৯৮৬ সালে সরকারি চাকরি ছেড়ে তিনি সক্রিয় রাজনীতিতে ফেরেন।</p>

<p>১৯৮৮ সালে মির্জা ফখরুল ইসলাম স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ঠাকুরগাঁও পৌরসভা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হন। ৯০-এর দশকের শুরুতে এরশাদ বিরোধী দেশব্যাপী আন্দোলনের সময় তিনি বিএনপিতে যোগ দেন। ১৯৯২ সালে তাঁকে ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি করা হয়। বিএনপির সাংগঠনিক কাঠামোর বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে মির্জা ফখরুল প্রথমে দলের নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং পরবর্তীতে জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব হন।</p>

<p>দলের শীর্ষ নেতৃত্বে আসার আগে তিনি বিএনপির কৃষক সংগঠন জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের প্রথম সহ-সভাপতি ছিলেন। পরবর্তীতে দীর্ঘদিন সংগঠনটির সভাপতির দায়িত্বও সামলেছেন তিনি। ২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিজ এলাকা ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে বিএনপি প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন মির্জা ফখরুল। ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত তিনি কৃষি এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।</p>

<p>২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ এবং বগুড়া-৬ আসন থেকে জয়লাভ করেন তিনি। তবে, দেশজুড়ে ভোট কারচুপির অভিযোগ এনে তিনি সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেননি।</p>

<p>বিএনপির ইতিহাসের সবচেয়ে কঠিন ও সংকটময় সময়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম দলের অন্যতম শীর্ষ নেতৃত্বের দায়িত্বে আসেন। এক-এগারোর রাজনৈতিক পটপরিবর্তন এবং আওয়ামী লীগের দীর্ঘ শাসনকালে বিএনপি তীব্র দমন-পীড়ন ও রাজনৈতিক প্রতিকূলতার মুখে পড়ে। তৎকালীন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ২০১৮ সাল থেকে প্রায় দুই বছর কারাগারে ছিলেন।&nbsp;</p>

<p>পরবর্তীতে শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনি রাজনীতিতে নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েন। অন্যদিকে, ২০০৮ সালে সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় বিএনপির তৎকালীন জ্যেষ্ঠ ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান লন্ডনে চলে যান এবং সেখান থেকেই দল পরিচালনা করতে থাকেন।</p>

<p>এমন এক পরিস্থিতিতে মির্জা ফখরুল ইসলামই দেশে থেকে বিএনপির রাজনৈতিক কার্যক্রম ও আন্দোলনের মূল কাণ্ডারী হয়ে ওঠেন। ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে রাজপথের আন্দোলনে তিনি সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন। শুধু রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে তিনবার কারাবরণ করেন তিনি।</p>

<p>২০১৬ সালে বিএনপির ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিলে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দলের মহাসচিব নির্বাচিত হন। সেই থেকে টানা এই দায়িত্বে রয়েছেন তিনি। ছাত্র রাজনীতি ও শিক্ষকতা থেকে শুরু করে তৃণমূলের নেতৃত্ব অতিক্রম করে শেষ পর্যন্ত তিনি বিএনপির মহাসচিব হন।</p>

<p>মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ১৯৪৮ সালের ২৬ জানুয়ারি ঠাকুরগাঁও শহরের কালিবাড়ী এলাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা মির্জা রুহুল আমিন পেশায় আইনজীবী ছিলেন। তিনি পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের দুইবারের সদস্য এবং পরবর্তীতে বাংলাদেশের সংসদ সদস্য ছিলেন। এরশাদ সরকারের আমলে তিনি মন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেন। তাঁর মা মির্জা ফাতেমা আমিন।</p>

<p>ঠাকুরগাঁওয়ে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা শেষে মির্জা ফখরুল ইসলাম ঢাকা কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে অর্থনীতিতে পড়াশোনা সম্পন্ন করেন। তবে তাঁর রাজনীতির শেকড় গড়ে উঠেছিল ছাত্রজীবনেই। বামপন্থী ছাত্র রাজনীতি দিয়ে শুরু করে মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ)-এর মাধ্যমে তিনি জাতীয় রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। পরবর্তীতে শিক্ষকতা ও সরকারি চাকরির পথ পেরিয়ে তিনি বিএনপিতে যোগ দেন।</p>

<p>বিএনপি মহাসচিব হিসেবে দলের নীতি-নির্ধারণ ও সার্বিক কার্যক্রমে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন। কঠিন সময়ে বিএনপি-কে সুসংগঠিত রাখা এবং দলের রাজনৈতিক অবস্থান টিকিয়ে রাখার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকার প্রশংসা করেছেন দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা।</p>

<p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার গঠনের পর নতুন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে মির্জা ফখরুল ইসলাম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। ১৩তম জাতীয় সংসদে তাঁর আসনটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঠিক পাশেই। বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতাদের মতে, দলের চরম সংকটে দীর্ঘদিনের ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাঁকে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে সম্মানিত করা হচ্ছে।</p>

<p>ব্যক্তিগত জীবনে মির্জা ফখরুল ইসলাম পারিবারিক জীবনকেন্দ্রিক এক ব্যক্তিত্ব। স্ত্রী রাহাত আরা বেগম এবং দুই কন্যা মির্জা শামারুহ ও মির্জা সাফারুহকে নিয়ে তাঁর পরিবার। তাঁর স্ত্রী বেসরকারি একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সাবেক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা, বর্তমানে তিনি অবসর জীবন কাটাচ্ছেন। তাঁর বড় মেয়ে অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী এবং সিডনিতে পোস্ট ডক্টরাল ফেলো। ছোট মেয়ে ঢাকার একটি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে শিক্ষকতা করছেন।</p>

<p>ছাত্রনেতা ও শিক্ষক থেকে শুরু করে তৃণমূলের রাজনীতিবিদ, সংসদ সদস্য, প্রতিমন্ত্রী, মন্ত্রী ও বিএনপি মহাসচিব পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে বিস্তৃত মির্জা ফখরুলের রাজনৈতিক পথচলা বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসের সাথে নিবিড়ভাবে জড়িত। রাষ্ট্রপতি পদে তাঁর এই মনোনয়ন দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের নতুন এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সূচনা করতে যাচ্ছে।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/08132026_image10_mirza_fakhrul.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29314</link>
    <pubDate>Thu, 13 Aug 2026 20:28:25 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29314</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/08132026_image09_bnp_mirza_fakhrul.jpg" />    <p>ঢাকা: রাষ্ট্রপতি পদে দলের প্রার্থী হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কক্ষে দলের চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৈঠকের শুরুতে তাঁর এ সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেন।&nbsp;এ সময়ে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যরা তাঁকে শুভেচ্ছা জানান। বৈঠক চলার মধ্যে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী সাংবাদিকদের বলেন, &lsquo;বিএনপির পক্ষ থেকে আনন্দের সাথে জানাচ্ছি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী হয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।&#39;</p>

<p>কিছুক্ষণ আগে দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। রিজভী জানান, মির্জা ফখরুলকে প্রার্থী ঘোষণার সাথে সাথে তিনি বিএনপির মহাসচিব পদ এবং জাতীয় স্থায়ী কমিটি সদস্যপদ থেকে পদত্যাগ করেন।&nbsp;মহাসচিবের শুন্য পদে কে আসছেন প্রশ্ন করা হলে রুহুল কবির রিজভী বলেন, &lsquo;আমাদের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী, তাঁর কাছে দায়িত্ব দেয়া আছে। তিনি যেভাবে হোক সেটা মতামত নিয়ে জানাবেন। সেটি আপনারা পরে জানতে পারবেন।&#39;</p>

<p>তিনি বলেন, &#39;এখন শুধু রাষ্ট্রপতি পদে দলের মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে প্রার্থী করার কথা আমরা জানালাম।&#39; বেলা ১২টায় স্থায়ী কমিটির এই বৈঠকে দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব, যুগ্ম মহাসচিব, চিফ হুইপ, হুইপগণ উপস্থিত ছিলেন।&nbsp;রিজভী জানান, বৈঠক চলছে। বৈঠকে মধ্যে দলের চেয়ারম্যান স্থায়ী কমিটির সদস্যসহ সিনিয়র নেতাদের নিয়ে মধ্যাহ্ন ভোজ করেন।</p>

<p><br />
&nbsp;</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/08132026_image09_bnp_mirza_fakhrul.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[অনিয়মের অভিযোগে নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে জনপ্রিয় ‘ইত‍্যাদি রেস্টুরেন্ট’ বন্ধ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/29313</link>
    <pubDate>Thu, 13 Aug 2026 19:25:05 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/29313</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/08132026_image09_ittadi_garden_and_grill.jpeg" />    <p>নিউজ ডেস্ক: স্বাস্থ&zwj;্য ও পরিচালনা সংক্রান্ত বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে নিউইয়র্কের জ&zwj;্যাকসন হাইটসে অবস্থিত প্রবাসী বাংলাদেশীদের অত&zwj;্যন্ত জনপ্রিয় রেস্তোরাঁ &lsquo;ইত&zwj;্যাদি গার্ডেন এন্ড গ্রিল&rsquo; (Ittadi Garden &amp; Grill) সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছে নিউইয়র্ক সিটির হেলথ ডিপার্টমেন্ট। ডাইভারসিটি প্লাজা সংলগ্ন এই খাবারের দোকানটি দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশী কমিউনিটির অন্যতম প্রধান প্রধান মিলনস্থল হিসেবে পরিচিত।</p>

<p>নিউইয়র্ক সিটির হেলথ ডিপার্টমেন্টের (স্বাস্থ্য বিভাগ) কর্মকর্তারা সম্প্রতি রেস্টুরেন্টটিতে একটি নিয়মিত তদারকি অভিযান পরিচালনা করেন।<br />
পরিদর্শনের সময় রেস্টুরেন্টের রান্নাঘরের পরিচ্ছন্নতা এবং খাবার সংরক্ষণে স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নীতিমালার বড় ধরণের লঙ্ঘন ধরা পড়ে। সিটির কঠোর স্বাস্থ&zwj;্যবিধি অমান্য করার কারণে ডিপার্টমেন্ট অব হেলথ কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে রেস্টুরেন্টটির ব্যবসায়িক কার্যক্রম স্থগিত করে এর প্রধান ফটকে নোটিশ ঝুলিয়ে দেয়।&nbsp;</p>

<p>কমিউনিটিতে প্রতিক্রিয়া ও পরবর্তী পদক্ষেপ:জ্যাকসন হাইটসের অন্যতম ব্যস্ততম ও পরিচিত এই রেস্টুরেন্টটি হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় স্থানীয় নিয়মিত গ্রাহক এবং বাংলাদেশী প্রবাসীদের মধ্যে ব&zwj;্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী, চিহ্নিত ত্রুটি ও অনিয়মগুলো সংশোধন করে রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষকে পুনরায় স্বাস্থ্য বিভাগের কাছে পরিদর্শনের আবেদন করতে হবে। হেলথ ডিপার্টমেন্টের সন্তোষজনক চূড়ান্ত ছাড়পত্র পাওয়ার পরই কেবল রেস্টুরেন্টটি আবার সবার জন্য খুলে দেওয়া সম্ভব হবে।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/08132026_image09_ittadi_garden_and_grill.jpeg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বাংলাদেশ সোসাইটি অব নিউ ইয়র্কের নির্বাচন ১৮ অক্টোবর, ভোটার ৩৫ হাজার, লড়বে দুটি প্যানেল]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/29312</link>
    <pubDate>Thu, 13 Aug 2026 19:17:21 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/29312</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/08132026_image06_bangladesh_society.jpg" />    <p>নিজস্ব প্রতিনিধি:&nbsp;উত্তর আমেরিকার অন্যতম বড় সামাজিক সংগঠন &lsquo;বাংলাদেশ সোসাইটি অব নিউ ইয়র্ক&rsquo;-এর কার্যনির্বাহী পরিষদের নির্বাচনি তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ১৮ অক্টোবর দিনব্যাপী নিউ ইয়র্কের ব্রঙ্কস, কুইন্সের উডসাইড ও জ্যামাইকা এবং ব্রুকলিনের ফুলটন ও ওজনপার্কে অবস্থিত মোট ৫টি কেন্দ্রে বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এবারের নির্বাচনে মাথাপিছু ২০ ডলার ফি দিয়ে মোট ৩৫ হাজার ২৬৯ জন প্রবাসী ভোটার হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছেন।<br />
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এক সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিক নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশনের প্রধান আবু নাসের। এ সময় কমিশনের অন্য সদস্য বদরুল হোসেন খান, শামসুদ্দিন আজাদ, রুহুল আমিন সরকার, আহবাব চৌধুরী, মিয়া মোহাম্মদ দুলাল ও মিতু হামিদ উপস্থিত ছিলেন।</p>

<p>পঞ্চাশ বছরের পুরনো এই সংগঠনের গঠনতন্ত্রে সর্বশেষ সাধারণ সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কার্যনির্বাহী কমিটির মেয়াদ দুই বছর থেকে বাড়িয়ে তিন বছর করা হয়েছে। ফলে এবারের নির্বাচিত কমিটি আগামী তিন বছর দায়িত্ব পালন করবে।</p>

<p>মনোনয়ন ও অন্যান্য তারিখসমূহ ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র সংগ্রহের তারিখ ২৫ আগস্ট এবং জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ৩০ আগস্ট। এরপর আগামী ৩ সেপ্টেম্বর মনোনয়ন প্রত্যাহার করা যাবে এবং ৪ সেপ্টেম্বর চূড়ান্ত প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ করা হবে।</p>

<p>নির্বাচনে সভাপতি পদে মনোনয়ন ফি ৬ হাজার মার্কিন ডলার এবং সাধারণ সম্পাদক পদে ৫ হাজার মার্কিন ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি অন্যান্য পদের জন্যও নির্দিষ্ট ফি ধার্য করা হয়েছে। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানে গণমাধ্যম এবং প্রার্থীদের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।</p>

<p><img alt="" src="https://khabor.com/upload/images/news/08132026_image05_bangladesh_society.jpg" style="width: 899px; height: 418px;" /></p>

<p>দ্বিমুখী লড়াইয়ের আভাস এদিকে তফসিল ঘোষণার পর থেকেই মাঠের প্রচারণায় নেমেছেন প্রার্থীরা। এবারের নির্বাচনে মূলত দুটি প্যানেলের মধ্যে দ্বিমুখী লড়াইয়ের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। এর একটি হলো বর্তমান সভাপতি আতাউর রহমান সেলিম ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলীর নেতৃত্বাধীন &lsquo;সেলিম-আলী প্যানেল&rsquo; এবং অন্যটি হলো আজমল হোসেন কুনু ও ফিরোজ আহমেদের নেতৃত্বাধীন &lsquo;কুনু-ফিরোজ প্যানেল&rsquo;। এর বাইরে স্বতন্ত্রভাবে দু-একজনের নাম শোনা গেলেও ভোটার সংগ্রহের সময় তাদের মাঠপর্যায়ে খুব একটা সক্রিয় দেখা যায়নি।</p>

<p><br />
&nbsp;</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/08132026_image06_bangladesh_society.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ইসিতে জমা পড়েছে তিন মনোনয়নিপত্র]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29311</link>
    <pubDate>Thu, 13 Aug 2026 19:04:50 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29311</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/08132026_image04_rashtrapoti.jpg" />    <p>নিজস্ব প্রতিবেদক :&nbsp;আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মোট তিনটি মনোনয়নিপত্র জমা পড়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সংবাদমাধ্যমকে তিনি এই তথ্য নিশ্চিত করেন।&nbsp;ইসি সচিব জানান, জমা পড়া তিনটি মনোনয়নপত্রের মধ্যে একটি বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পক্ষে এবং বাকি দুটি কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ বীর বিক্রমের পক্ষে জমা দেওয়া হয়েছে।</p>

<p>এর আগে গত ২৪ জুলাই রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন মোড. সাহাবুদ্দিন। সংবিধানের নিয়ম অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে নির্বাচন কমিশন থেকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের এই তফসিল ঘোষণা করা হয়। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ২০ আগস্ট দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/08132026_image04_rashtrapoti.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বিএনপির মহাসচিব পদ থেকে পদত্যাগ মির্জা ফখরুলের, রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ঘোষণা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/Politics/29310</link>
    <pubDate>Thu, 13 Aug 2026 19:01:41 +0600</pubDate>
    <category> politics </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/Politics/29310</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/08132026_image03_mirza_fakhrul.jpg" />    <p>নিজস্ব প্রতিবেদক :&nbsp;বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি পদে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত করেছে বিএনপি। দলীয় প্রধান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জ্যেষ্ঠ নেতাদের জরুরি বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। রাষ্ট্রপতি পদে দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার পরই মির্জা ফখরুল বিএনপির মহাসচিব ও স্থায়ী কমিটির সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন।&nbsp;বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত দলের শীর্ষ ও জ্যেষ্ঠ নেতাদের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এই তথ্য নিশ্চিত করেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।</p>

<p>তিনি জানান, আজ সকাল ৯টার দিকে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সভাপতিত্বে জরুরি বৈঠকটি শুরু হয়। বৈঠকে সর্বসম্মতভাবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মির্জা ফখরুলের নাম চূড়ান্ত করা হয় এবং দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তিনি তার বর্তমান পদগুলো থেকে পদত্যাগ করেন।</p>

<p>আগামী ২০ আগস্ট দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আজ বৃহস্পতিবারই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন। এছাড়া আগামী ১৬ আগস্ট মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই এবং ১৮ আগস্ট প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।</p>

<p>মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত হলে বিএনপির মহাসচিব পদটি শূন্য হবে। এ পরিস্থিতিতে দলের পরবর্তী মহাসচিব কে হবেন, তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গন ও দলের ভেতরে আলোচনা শুরু হয়েছে। দলের অন্দরে জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এবং স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদের নাম এই পদের জন্য জোরালোভাবে আলোচনায় রয়েছে।<br />
&nbsp;</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/08132026_image03_mirza_fakhrul.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[Balochistan Celebrates Independence Day, Demands Strong Sovereignty Recognition on the World Stage]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/english/29309</link>
    <pubDate>Thu, 13 Aug 2026 18:56:54 +0600</pubDate>
    <category> English </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/english/29309</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/08132026_image01_beluchisthan_indipendence_day.png" />    <p><strong>Shibbir Ahmed, New York: </strong>As with every year, the Baloch diaspora and nationalist organizations worldwide observed August 11 as &quot;Balochistan Independence Day.&quot; Alongside various events held across the United Kingdom, Europe, and different parts of the world, strong demands were made to the international community for the full independence and legal recognition of Balochistan.</p>

<p>Highlighting the historical context, Baloch groups observe this day based on the claim that on this day in 1947, the then-independent ruler of present-day Balochistan, the &quot;Khanate of Kalat,&quot; declared its sovereignty separately from British India.</p>

<p>During these worldwide events, the global Baloch diaspora and nationalist organizations demanded freedom and sovereignty for Balochistan. Prominent Baloch leader Mir Yar Baloch made a strong appeal to the global community in support of this demand. Additionally, top leaders of prominent political organizations, such as the Baloch National Movement (BNM), also called upon the United Nations and the international community to stand with Balochistan&#39;s sovereignty and grant it full recognition.</p>

<p>Meanwhile, the Government of Pakistan has taken a strict stance against this independence celebration and demand for recognition by the Baloch people. Reports indicate that security measures have been intensified across Balochistan, alongside strict crackdowns on communication and information exchange in various areas.</p>

<p>According to international relations analysts, amidst decades of political discontent, discrimination in resource extraction, and allegations of human rights violations, the Baloch people&#39;s demand for the right to self-determination has now emerged as a crucial and sensitive issue on the table of global diplomacy.</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/08132026_image01_beluchisthan_indipendence_day.png</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বেলুচিস্তানের স্বাধীনতা দিবস পালন: বিশ্বমঞ্চে সার্বভৌমত্বের জোরালো স্বীকৃতি দাবি]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29308</link>
    <pubDate>Thu, 13 Aug 2026 18:54:45 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29308</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/08132026_image02_beluchisthan_indipendence_day.jpg" />    <p>শিব্বীর আহমেদ, নিউ ইয়র্ক: প্রতি বছরের মতো এবারও ১১ আগস্ট &lsquo;বেলুচিস্তান স্বাধীনতা দিবস&rsquo; হিসেবে পালন করেছেন বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা বেলুচ প্রবাসীরা ও জাতীয়তাবাদী সংগঠনগুলো। যুক্তরাজ্য, ইউরোপ এবং বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিনটি উদযাপনের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে বেলুচিস্তানের পূর্ণাঙ্গ স্বাধীনতা ও আইনি স্বীকৃতির জোরালো দাবি জানানো হয়েছে।</p>

<p>ঐতিহাসিক পটভূমিকে সামনে রেখে ১৯৪৭ সালের এই দিনে বর্তমান বেলুচিস্তানের তৎকালীন স্বাধীন শাসক &lsquo;খানাতে কালত&rsquo; ব্রিটিশ ভারত থেকে আলাদা হয়ে নিজেদের সার্বভৌমত্ব ঘোষণা করেছিল&mdash;এমন দাবি করেই বেলুচ গোষ্ঠীগুলো দিনটিকে স্বাধীনতা দিবস হিসেবে পালন করে আসছে।</p>

<p>বিশ্বজুড়ে পালিত এই কর্মসূচিতে বেলুচিস্তানের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের স্বীকৃতি চেয়েছে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা বেলুচ প্রবাসীরা ও বেলুচ জাতীয়তাবাদী সংগঠনগুলো। এই দাবিতে বিশ্ববাসীর কাছে জোরালো আবেদন জানিয়েছেন বিশিষ্ট বেলুচ নেতা মীর ইয়ার বেলুচ (Mir Yar Baloch)। এছাড়া বেলুচ ন্যাশনাল মুভমেন্ট (BNM)-এর মতো প্রথিতযশা রাজনৈতিক সংগঠনের শীর্ষ নেতারাও জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে বেলুচিস্তানের সার্বভৌমত্বের পক্ষে দাঁড়ানোর এবং পূর্ণাঙ্গ স্বীকৃতির আহ্বান জানিয়েছেন।</p>

<p>এদিকে বিশ্বজুড়ে বেলুচদের এই স্বাধীনতা উদযাপন ও স্বীকৃতির দাবির মুখে কঠোর অবস্থান নিয়েছে পাকিস্তান সরকার। বেলুচিস্তানজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকায় যোগাযোগ ও তথ্য আদান-প্রদানে কড়াকড়ি আরোপের খবর পাওয়া গেছে।</p>

<p>আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকদের মতে, দশকের পর দশক ধরে চলা রাজনৈতিক অসন্তোষ, সম্পদ আহরণে বৈষম্য এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগের মধ্যে বেলুচ জনগণের এই আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকারের দাবি এখন বৈশ্বিক কূটনীতির টেবিলে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর ইস্যু হয়ে উঠেছে।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/08132026_image02_beluchisthan_indipendence_day.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বাংলাদেশিদের নেতৃত্বে নিউইয়র্কে প্রথম সাউথ এশিয়ান ইউনিটি প্যারেড]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/29307</link>
    <pubDate>Thu, 13 Aug 2026 10:13:04 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/29307</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/701-2.jpg" />    <p>ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে নিউইয়র্কে বাংলাদেশিদের নেতৃত্বে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হয়েছে সাউথ এশিয়ান ইউনিটি প্যারেড। দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের প্রবাসীদের ঐক্য, সংস্কৃতি ও সম্প্রীতির বার্তা তুলে ধরতে গত ৯ আগস্ট এ আয়োজন করা হয়। এদিন সকাল ১১টা থেকে জ্যাকসন হাইটসের ৫৯ &nbsp;স্ট্রিট থেকে শুরু হয়ে দুপুর ১টায় ৮৬ স্ট্রিটে গিয়ে শেষ হয় এই প্যারেড। এ সময় পুরো পথজুড়ে রাস্তার দুই পাশে দাঁড়িয়ে দক্ষিণ এশীয় কমিউনিটির মানুষসহ বিপুলসংখ্যক স্থানীয় বাসিন্দা ও আমেরিকান করতালি দিয়ে অংশগ্রহণকারীদের স্বাগত জানান।</p>

<p>এতে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ ও আফগানিস্তানের অভিবাসীরা নিজ নিজ দেশের পতাকা নিয়ে অংশগ্রহণ করেন। ঘোড়ার পিঠে পুলিশের উপস্থিতি এবং নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগের ব্যান্ডের তালে বিভিন্ন দেশের পতাকা ও বর্ণিল ফেস্টুনে সাজানো গাড়ির বহর এগিয়ে যায়।</p>

<p>প্যারেডের গ্র্যান্ড মার্শাল ছিলেন বাংলাদেশ সোসাইটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ গ্রুপের প্রেসিডেন্ট ও সিইও শাহ নেওয়াজ। অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় অংশ নেন কণ্ঠশিল্পী রানো আমেনা নেওয়াজ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গ্র্যান্ড মার্শাল শাহ নেওয়াজ বলেন, বাংলাদেশ সোসাইটির নেতৃত্বে সাউথ এশিয়ান ইউনিটি প্যারেড আয়োজন কমিউনিটির জন্য একটি ঐতিহাসিক ও গর্বের মুহূর্ত। দলমত ও ভেদাভেদ ভুলে সবাই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এই আয়োজনে অংশ নিয়েছেন। এই আয়োজনের মাধ্যমে দক্ষিণ এশীয় কমিউনিটির ঐক্য, সম্প্রীতি ও শক্তিকে বৃহত্তর পরিসরে তুলে ধরা সম্ভব হয়েছে।</p>

<p data-added-after="1">আয়োজকেরা জানান, নিউইয়র্কে বসবাসরত বিভিন্ন দক্ষিণ এশীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি, ঐক্য ও সাংস্কৃতিক বন্ধন আরও জোরদার করাই এই আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য। বাংলাদেশিদের নেতৃত্বে প্রথমবারের মতো আয়োজিত এই প্যারেডে বিভিন্ন দেশের মানুষের অংশগ্রহণ নিউইয়র্কের বহুসাংস্কৃতিক সমাজে দক্ষিণ এশীয় কমিউনিটির বৈচিত্র্য ও ঐক্যের চিত্র তুলে ধরে।</p>

<p><img alt="" data-mfp-src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/772534949_1936395311043321_7470426203735325408_n.jpg" src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/772534949_1936395311043321_7470426203735325408_n.jpg" /></p>

<p data-added-after="1">প্যারেড এক্সিকিউটিভ কমিটির চিফ কোঅর্ডিনেটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন শাহ শহীদুল হক এবং কনভেনার হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন মহিউদ্দিন দেওয়ান। এতে বাংলাদেশ সোসাইটির সভাপতি আতাউর রহমান, কুইন্স ডেমোক্রেটিক ডিস্ট্রিক্ট লিডার অ্যাট লার্জ ও গেস্ট অব অনার অ্যাটর্নি মঈন চৌধুরী, বাংলাদেশ সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী, সহসভাপতি কামরুজ্জামান কামরুল, ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য আহসান হাবিব, আজহারুল হক মিলন ও নাঈম টুটুলসহ বিভিন্ন কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/701-2.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ওয়ার্ল্ড বাংলা মিউজিকের আয়োজনে ওজন পার্ক পথমেলায় বাঙালির উপচে পড়া উন্মাদনা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/29306</link>
    <pubDate>Thu, 13 Aug 2026 10:12:34 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/29306</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/967-1.jpg" />    <p>নিউইয়র্কের ব্রুকলিনের ওজন পার্কে বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশির উপস্থিতিতে বর্ণাঢ্য পথমেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ৯ আগস্ট (রোববার) ওয়ার্ল্ড বাংলা মিউজিকের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ মেলা দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত চলে। মেলায় বাংলাদেশি বিভিন্ন পণ্য ও প্রতিষ্ঠানের স্টল বসে। নারী উদ্যোক্তারাও নিজেদের তৈরি বিভিন্ন পণ্যের পসরা সাজিয়ে অংশ নেন। দিনভর হাজারো প্রবাসী বাংলাদেশি মেলায় ঘুরে ঘুরে পছন্দের পণ্য কেনেন। বিভিন্ন পর্যায়ে মূলধারার জনপ্রতিনিধিসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে মেলাটি উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।<br />
<img alt="" data-mfp-src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/PHOTO-2026-08-10-17-39-12%20(1).jpg" src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/PHOTO-2026-08-10-17-39-12%20(1).jpg" /></p>

<p>ওয়ার্ল্ড বাংলা মিউজিকের আয়োজনে মেলাটি উদ্বোধন করেন বাংলাদেশি কমিউনিটির প্রিয় ব্যক্তিত্ব জাকির এইচ চৌধুরী। অনুষ্ঠানে আয়োজক ওয়ার্ল্ড বাংলা মিউজিকের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আজাদ এবং প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এম এন জামান লাল্টুসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন জাকির এইচ চৌধুরী। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অ্যাটর্নি মইন চৌধুরী, ঠিকানার চেয়ারম্যান এম এম শাহীন, টাইম টেলিভিশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবু তাহের এবং কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট ফাহাদ সোলাইমান।</p>

<p data-added-after="1">বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আজমল হোসেন কুনু, কামাল পাশা বাবুল, কাজী আজম, ফিরোজ আহমেদ, আহসান হাবিব, মাজেদা উদ্দিন, শামসুল আলম মজনু, গোলাম ছারওয়ার সুমন, তরিকুল ইসলাম, আব্দুল রশিদ বাবু, শামীম মাহমুদ, আরিফুল হক চৌধুরী, আবুল কালাম ভূঁইয়া, খান মোহাম্মদ টিপু, আবুল বাশার ভূঁইয়া, সাব্বির তাহের আবির, খায়রুল সুমন, নূর মোহাম্মদ মাহবুবুল আলম, নূর মোহাম্মদ কাউছার ও খায়রুল কবির খোকনসহ আরও অনেকে।</p>

<p>মেলার প্রোগ্রাম কমিটির আহ্বায়ক ছিলেন মোরশেদ আলম। প্রধান সমন্বয়কের দায়িত্বে ছিলেন মাইন উদ্দিন তুহিন। সদস্য সচিব ছিলেন আল মামুন সবুজ। সমন্বয়ক ছিলেন ফরহাদ মৃধা এবং সহসমন্বয়ক ছিলেন প্রিন্স ও সাকিব করিম। এছাড়া নজরুল ইসলাম ও সাদ্দাম হোসেনসহ অনেকে আয়োজনে দায়িত্ব পালন করেন। সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন রেজাউল করিম তানভির, সাকি খান, সাকিব করিম, মাহফুজুর আলম, মশিউর রুবেল, হৃদয়, রোমেল, রাসেল, হারুন, মাহফুজুর রহমান, সাগর, রাব্বি, দুলাল, রকিব, রুবেল, মসু রুবেল, রাজু, হাসান ও জাহিদ হাসানসহ অনেকে।</p>

<p>অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি জাকির এইচ চৌধুরী বলেন, নতুন প্রজন্মকে বাংলা ভাষা, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও সামাজিক মূল্যবোধের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া এবং পরিবারভিত্তিক সামাজিক বন্ধন আরও দৃঢ় করাই তাঁদের অন্যতম লক্ষ্য।</p>

<p data-added-after="1">আয়োজক অধ্যাপক সৈয়দ আজাদ বলেন, বাংলাদেশিরা আমেরিকার মাটিতে নিজেদের সংস্কৃতিকে ছড়িয়ে দিচ্ছেন। এই মেলার মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের কাছে বাংলাদেশের সংস্কৃতি তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে। আয়োজক এম এন জামান লাল্টু বলেন, তাঁরা যুগ যুগ ধরে এমন মেলার আয়োজন করে আসছেন। এটি একে অপরের প্রতি ভালোবাসা ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনের প্রতীক।</p>

<p><img alt="" data-mfp-src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/PHOTO-2026-08-10-17-39-12%20(2).jpg" src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/PHOTO-2026-08-10-17-39-12%20(2).jpg" /></p>

<p>মেলার মূল মঞ্চে ছিল জমকালো সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ও নৃত্য। মেলার অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ছিলেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় শিল্পী রিজিয়া পারভীন ও অভিনেত্রী মৌসুমি। তাঁদের দলীয় পরিবেশনায় বিপুলসংখ্যক দর্শকের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস সৃষ্টি হয়। এছাড়াও বিন্দু কণা, কামরুজ্জামান বকুল, নাজু আকন্দ, শাহ মাহমুদ, কৃষ্ণা তিথি, ত্রিনিয়া হাসানসহ নিউইয়র্কে বসবাসকারী বাংলাদেশি কমিউনিটির পরিচিত শিল্পীরা সংগীত পরিবেশন করেন।</p>

<p>মেলায় বিভিন্ন ধরনের মুখরোচক বাংলাদেশি খাবারের আয়োজনও ছিল। পুরো আয়োজনজুড়ে ফুটে ওঠে বাঙালির ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও প্রাণের উচ্ছ্বাস। দিনব্যাপী আনন্দ, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, কেনাকাটা ও পারিবারিক মিলনমেলায় পরিণত হয় ওজন পার্কের পথমেলা।</p>

<p data-added-after="1">মানবিক মূল্যবোধ, সাংস্কৃতিক চর্চা, সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের ঐক্যের শক্তিকে একসূত্রে গেঁথে এ আয়োজন নিউইয়র্কের বাংলাদেশি কমিউনিটির একটি সফল ও স্মরণীয় আয়োজনে পরিণত হয়েছে। প্রবাসে থেকেও নিজেদের ভাষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের চর্চার মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের সঙ্গে বাংলাদেশের শিকড়ের সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার প্রত্যয়ই ছিল এ পথমেলার মূল বার্তা।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/967-1.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র অর্থনৈতিক সম্পর্ক এগিয়ে নিতেই ঢাকায় ইউএসবিবিসি : রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29305</link>
    <pubDate>Thu, 13 Aug 2026 10:12:02 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29305</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/836-99.jpg" />    <article>
<p>বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন জানিয়েছেন, বাংলাদেশ ও&nbsp;যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরো এগিয়ে নিতেই ঢাকায় সফরে এসেছেন মার্কিন-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের (ইউএসবিবিসি) ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দল।</p>

<p>ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের স্বাগত জানিয়ে আজ বুধবার (১২ আগস্ট) ঢাকায় অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের ভেরিফায়েড ফেসবুকে&nbsp;এক পোস্ট দেওয়া হয়।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>পোস্টে ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন বলেন, ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের (ইউএসবিবিসি) উচ্চপর্যায়ের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলকে ঢাকায় স্বাগতম।&nbsp;</p>

<p>পোস্টে তিনি আরো বলেন, জ্বালানি, প্রযুক্তি, কৃষি ও আর্থিক খাতে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় কম্পানিগুলো নতুন সম্ভাবনা খুঁজে দেখতে এবং যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশের ৫০ বছরেরও বেশি সময়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ককে আরো এগিয়ে নিতে এখানে এসেছে।</p>

<p>এর আগে গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে মার্কিন-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের (ইউএসবিবিসি) প্রেসিডেন্ট এবং ইউএস চেম্বার অব কমার্সের দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট অতুল কেশাপের নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/836-99.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বাংলাদেশে মার্কিন বিনিয়োগ বাড়াতে গুরুত্বারোপ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29304</link>
    <pubDate>Thu, 13 Aug 2026 10:11:19 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29304</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1152-77.jpg" />    <article>
<p data-end="329" data-start="72">বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক আরও জোরদার এবং পারস্পরিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় বিভিন্ন খাতে মার্কিন বিনিয়োগের সুযোগ নিয়েও মতবিনিময় করেছেন দুই দেশের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p data-end="589" data-start="331">বুধবার (১২ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট অতুল কেশবের নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্রের একটি উচ্চ পর্যায়ের ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দল প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলে এসব বিষয়ে আলোচনা হয়।</p>

<p data-end="810" data-start="591">সাক্ষাতে হুমায়ুন কবির প্রতিনিধি দলকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের এবং বহুমাত্রিক। বাণিজ্য ও বিনিয়োগসহ অর্থনৈতিক সহযোগিতা এ সম্পর্ককে আরো শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।</p>
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/national/2026/08/12/1724481" target="_blank">&nbsp;</a>

<p data-end="978" data-start="812">বাংলাদেশে মার্কিন বিনিয়োগকারীদের জন্য বিদ্যমান সুযোগ-সুবিধা ও সম্ভাবনাময় খাতগুলো তুলে ধরে তিনি বলেন, ব্যবসা ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p data-end="1277" data-start="980">তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে অর্থনৈতিক রূপান্তর ও নতুন সম্ভাবনার একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এ সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অংশীদারত্ব বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং প্রযুক্তি ও জ্ঞান বিনিময়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।</p>

<p data-end="1583" data-start="1279">ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট অতুল কেশব বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা ও বিনিয়োগের সুযোগের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন। বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের বেসরকারি খাতের মধ্যে সহযোগিতা আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি দুই দেশের ব্যবসায়িক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে কাউন্সিলের আগ্রহের কথা জানান।</p>
</article>

<p>
<video autoplay="autoplay" loop="" playsinline="">Your browser does not support the video tag.</video>
</p>

<article>
<p>&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/jobs/2026/08/12/1724483" target="_blank">&nbsp;</a>

<p data-end="1771" data-start="1585">সাক্ষাতে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি, শিল্প ও অবকাঠামো খাতে সহযোগিতা, জ্বালানি, প্রযুক্তি, ডিজিটাল অর্থনীতি ও স্বাস্থ্যসেবাসহ বিভিন্ন সম্ভাবনাময় খাতে মার্কিন বিনিয়োগের সুযোগ নিয়ে আলোচনা হয়।</p>

<p data-end="1942" data-is-last-node="" data-is-only-node="" data-start="1773">উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়িক সম্প্রদায়ের মধ্যে যোগাযোগ ও অংশীদারত্ব আরও গভীর করার মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক সম্পর্ককে গতিশীল করার ওপর গুরুত্বারোপ করে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1152-77.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[জরুরি গ্যাস আমদানিসহ ৪ প্রস্তাবের নীতিগত অনুমোদন]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29303</link>
    <pubDate>Thu, 13 Aug 2026 10:10:27 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29303</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1028-88.jpg" />    <article>
<p>দেশে জরুরি গ্যাসের চাহিদা মেটাতে সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে (ডিপিএম) আটটি কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানিসহ চারটি প্রস্তাবের নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।</p>

<p>বুধবার (১২ আগস্ট) কমিটির ২৫তম সভায় এসব প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়।</p>
</article>

<article>সভায় সভাপতিত্ব করেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী। সভা শেষে অনুমোদিত প্রস্তাবগুলোর বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়।
<p>&nbsp;</p>

<p>জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যসহ আন্তর্জাতিক অস্থিতিশীল ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে দেশে সৃষ্ট জরুরি গ্যাসের চাহিদা পূরণে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের তিনটি পৃথক প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে মোট আটটি কার্গো এলএনজি আমদানির নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।</p>

<p>এর মধ্যে হংকং ঝেনইউ শিপিং থেকে দুই কার্গো, মালয়েশিয়ার পেট্রোনাস থেকে দুই কার্গো, চীনের চায়না রুনজে হোল্ডিংস থেকে দুই কার্গো এবং যুক্তরাষ্ট্রের দারাব ইনকর্পোরেটেড থেকে দুই কার্গো এলএনজি সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে আমদানি করা হবে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>এছাড়া নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) বাস্তবায়নাধীন &lsquo;নদী প্রবাহ পুনরুদ্ধার, নৌ-পথের উন্নয়ন ও বন্যা ব্যবস্থাপনা&rsquo; প্রকল্পের আওতায় &lsquo;জিনাই, সুতিয়া ও কাঁচামাটিয়া নদীর খননসহ আনুষঙ্গিক কাজ&rsquo; সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে সম্পাদনের নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।</p>

<p>অন্যদিকে, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন সমাজসেবা অধিদপ্তর বাস্তবায়নাধীন &lsquo;এসএসপিরিট&rsquo; প্রকল্পের আওতায় ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নের জন্য সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে অ্যানড্রয়েড ট্যাব কেনার একটি প্রস্তাবও নীতিগতভাবে অনুমোদন করেছে কমিটি।</p>

<p>সভায় অনুমোদিত চারটি প্রস্তাবের মধ্যে তিনটি এলএনজি আমদানিসংক্রান্ত এবং অপর দু&rsquo;টি প্রস্তাব নদী খনন ও ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে ট্যাব কেনাসংক্রান্ত বলে জানানো হয়।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1028-88.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারির পদ ছাড়ছেন ক্যারোলিন লেভিট]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29302</link>
    <pubDate>Thu, 13 Aug 2026 10:09:13 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29302</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1268-66.jpg" />    <article>
<p><a href="https://www.bbc.com/news/articles/cvglzrvyrz3o?fbclid=IwY2xjawTqDGhwZG9mAWV4dG4DYWVtAjEwAGJyaWQRMW5BQW9XOTlSSTlyeGQyRlZzcnRjBmFwcF9pZBAyMjIwMzkxNzg4MjAwODkyAAEeuMpFLLOVjsD_YVbpuJYnLydzQucGzGD1HH10dMuTjkdpsK_GzM5l8rJU-JI_aem_rqhESYZPTwHRRiad1dtytw">চলতি </a>মাসের শেষে হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারির পদ ছাড়ছেন ক্যারোলিন লেভিট। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ ঘোষণা দিয়েছেন।</p>
</article>

<article>ছোট সন্তান ও পরিবারের সঙ্গে আরো সময় কাটানোর জন্য লেভিট এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
<p>&nbsp;</p>

<p>সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প লেভিটকে তার &lsquo;সবচেয়ে বিশ্বস্ত সহযোগীদের&rsquo; একজন হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, লেভিটের সিদ্ধান্ত তিনি পুরোপুরি বুঝতে এবং সম্মান করতে পারেন। ট্রাম্প আরো বলেন, পদ ছাড়ার পর লেভিট তার অন্যতম প্রধান বাইরের পরামর্শক হিসেবে কাজ করবেন।</p>
</article>

<article>একই সঙ্গে তিনি রিপাবলিকান পার্টির একজন প্রভাবশালী কণ্ঠস্বর হয়ে উঠবেন বলেও মন্তব্য করেন ট্রাম্প। ২৮ বছর বয়সী লেভিট গত বছর হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারির দায়িত্ব নেন। দায়িত্ব নেওয়ার সময় তিনি এই পদে কাজ করা সবচেয়ে কম বয়সী ব্যক্তি হন। তবে তার জায়গায় কে দায়িত্ব নেবেন, তা এখনো জানানো হয়নি।</article>

<p>
<video autoplay="autoplay" loop="" playsinline="">Your browser does not support the video tag.</video>
</p>

<article><br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/08/13/1724744" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>গত মে মাসে স্বামী নিকোলাস রিচিওর সঙ্গে লেভিটের দ্বিতীয় সন্তান জন্ম নেয়। তাদের একটি কন্যাসন্তান হয়েছে। এর আগে তাদের দুই বছর বয়সী একটি ছেলে রয়েছে। সন্তান জন্মের পর প্রায় সাত সপ্তাহ মাতৃত্বকালীন ছুটিতে ছিলেন লেভিট। গত মাসে তিনি কাজে ফিরে আসেন।</p>
</article>

<article>পদ ছাড়ার ঘোষণা আসার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজের সিদ্ধান্তের কথা জানান লেভিটও। তিনি বলেন, হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি হিসেবে কাজ করা তার জীবনের সবচেয়ে বড় সম্মান এবং রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতাগুলোর একটি। লেভিট বলেন, বিশ্বের অন্যতম কঠিন একটি দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি মা হওয়া এবং নতুন সন্তানকে স্বাগত জানানো তার জীবনের সবচেয়ে আনন্দের, আবার সবচেয়ে কঠিন সময়ও ছিল।
<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি বলেন, মেয়ের জন্মের পর হোয়াইট হাউসে ফিরে আসার পর থেকেই তার মনে হচ্ছিল, তিনি তার দুই ছোট সন্তানের জন্য যে ধরনের মা হতে চান, তা হতে পারছেন না। কারণ প্রেস সেক্রেটারির দায়িত্ব পালনের জন্য নিয়মিত অনেক সময়, শক্তি ও মনোযোগ দিতে হয়। এই পরিস্থিতির কারণেই অনেকটা আনন্দ-বেদনা মিশ্রিত অনুভূতি নিয়ে হোয়াইট হাউস ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানান লেভিট। তার ভাষায়, এখন তিনি জীবনের নতুন একটি অধ্যায় শুরু করতে যাচ্ছেন। হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি হওয়ার আগেও ট্রাম্পের সঙ্গে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন লেভিট। ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে তিনি সহকারী প্রেস সেক্রেটারি ও ভাষণ লেখক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/sport/2026/08/13/1724747" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>পরে নিউইয়র্কের রিপাবলিকান কংগ্রেস সদস্য এলিস স্টেফানিকের প্রধান সহযোগী হিসেবে কাজ করেন তিনি। সেখানে যোগাযোগবিষয়ক পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেন লেভিট। ২০২২ সালে নিউ হ্যাম্পশায়ার থেকে কংগ্রেস নির্বাচনে প্রার্থী হন লেভিট। রিপাবলিকান দলের প্রাথমিক নির্বাচনে জয় পান তিনি। তবে চূড়ান্ত নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী ক্রিস পাপ্পাসের কাছে হেরে যান। এরপর ট্রাম্পপন্থী তহবিল সংগ্রহকারী সংগঠন মাগা ইনকরপোরেটেডের মুখপাত্র হিসেবে কাজ করেন লেভিট। পরে ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনী প্রচারে ট্রাম্পের জাতীয় প্রেস সেক্রেটারি হিসেবে যোগ দেন।</p>

<p>প্রেস সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় গণমাধ্যমের সঙ্গে লেভিটের সম্পর্ক সব সময় মসৃণ ছিল না। সংবাদ সম্মেলনে তিনি কয়েকজন সাংবাদিককে পক্ষপাতদুষ্ট ও বামপন্থী বলে অভিযুক্ত করেছেন। গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে তার দপ্তর হোয়াইট হাউসের প্রেস পুলের নিয়ন্ত্রণ নেয়। এর আগে প্রেস পুল পরিচালনার দায়িত্ব ছিল হোয়াইট হাউস সংবাদদাতা সমিতির হাতে। লেভিটের দপ্তর দায়িত্ব নেওয়ার পর সেই ব্যবস্থায় পরিবর্তন আসে। একই সময়ে &lsquo;আমেরিকা উপসাগর&rsquo; নামটি ব্যবহার করতে অস্বীকার করায় অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে শুরুতে হোয়াইট হাউসের কার্যক্রম থেকেও বাদ দেওয়া হয়।</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/08/13/1724744" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>তবে ট্রাম্প প্রশাসনের সমর্থকদের মধ্যে লেভিট ব্যাপক প্রশংসা পেয়েছেন। তাদের মতে, তিনি ট্রাম্পের বক্তব্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে গণমাধ্যমের সামনে কথা বলেছেন এবং প্রেসিডেন্টের নীতিগুলো জোরালোভাবে তুলে ধরেছেন। ফক্স নিউজের উপস্থাপক ও রক্ষণশীল কর্মী রাইলি গেইনস এক উত্তেজনাপূর্ণ সংবাদ সম্মেলনের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লেভিটের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, সরাসরি সংবাদ সম্মেলন দেখার অভিজ্ঞতা অনলাইনে দেখার চেয়ে ভালো ছিল এবং লেভিট তার কাজে অসাধারণ।</p>

<p>ট্রাম্পের দুই মেয়াদের প্রশাসন মিলিয়ে লেভিট এখন পর্যন্ত দ্বিতীয় দীর্ঘতম সময় দায়িত্ব পালন করা প্রেস সেক্রেটারি। তার চেয়ে বেশি সময় এই পদে ছিলেন শুধু সারাহ হাকাবি স্যান্ডার্স। লেভিটের বিদায়ের পর ট্রাম্প প্রশাসনের ষষ্ঠ প্রধান মুখপাত্র কে হবেন, তা এখনো স্পষ্ট নয়। চলতি বছরের শুরুতে লেভিট প্রায় সাত সপ্তাহ মাতৃত্বকালীন ছুটিতে ছিলেন। ওই সময়ে ট্রাম্প প্রশাসনের কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। তাদের মধ্যে ছিলেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ডগ বার্গাম।&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/dhaka/2026/08/13/1724741" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>লেভিটের স্থলাভিষিক্ত কে হবেন এবং কবে নতুন প্রেস সেক্রেটারির নাম ঘোষণা করা হবে, তা জানতে হোয়াইট হাউসের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে বিবিসি। এদিকে বুধবার ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হোয়াইট হাউসের উপপ্রধান কর্মকর্তা স্টিফেন মিলার লেভিটকে তার &lsquo;ঘনিষ্ঠ বন্ধু&rsquo; ও &lsquo;আদর্শ&rsquo; হিসেবে উল্লেখ করেন। মিলার বলেন, তারা ভবিষ্যতেও প্রতিদিন একসঙ্গে কাজ করবেন। তার মতে, লেভিটের গল্প মাত্র শুরু হয়েছে এবং ভবিষ্যতে তার জন্য কী অপেক্ষা করছে, তা দেখার জন্য তিনি অপেক্ষা করছেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1268-66.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[চীনের অর্থনীতির রূপকার ঝু রংজি মারা গেছেন]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29301</link>
    <pubDate>Thu, 13 Aug 2026 10:07:41 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29301</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1370-55.jpg" />    <article>
<p>বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে চীনের উন্মুক্ততা বাড়ানোর প্রধান কারিগর এবং দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী ঝু রংজি মারা গেছেন। রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা <a href="https://english.news.cn/20260812/e5d0bd12de6d4a5997fc37530b942176/c.html">সিনহুয়া </a>জানিয়েছে, বেইজিংয়ের স্থানীয় সময় বুধবার সকাল ১১টার দিকে অসুস্থতাজনিত কারণে ঝু রংজির মৃত্যু হয়।</p>
</article>

<article>তার বয়স হয়েছিল ৯৭ বছর।
<p>&nbsp;</p>

<p>তীক্ষ্ণভাষী ও সংস্কারপন্থী এই অর্থনীতিবিদ ১৯৯০-এর দশকে রাষ্ট্রীয় শিল্প খাতে ব্যাপক পরিবর্তন এনে চীনের দ্রুত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ভিত্তি শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। পরবর্তীতে তার নেতৃত্বেই চীন বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থায় (ডব্লিউটিও) যোগ দেয়।</p>

<p>১৯৯৮ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত চীনের প্রধানমন্ত্রী এবং দেশটির সর্বোচ্চ অর্থনৈতিক পদে থাকার সময় তিনি ব্যাপক ও দ্রুতগতির অর্থনৈতিক সংস্কার বাস্তবায়ন করেন।</p>
</article>

<article>রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরো দক্ষ ও লাভজনক করার উদ্যোগ নিতে গিয়ে ঝু রংজি কমিউনিস্ট পার্টির রক্ষণশীল অংশ এবং রাষ্ট্রীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠানের কর্তাদের সঙ্গে সংঘাতে জড়ান।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/08/12/1724504" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>তার সংস্কারের ফলে লাখ লাখ মানুষ চাকরি হারালেও এসব পদক্ষেপ চীনের অর্থনীতিকে আরো গতিশীল করতে সহায়তা করে। পরবর্তী সময়ে চীন ২০১০ সালে জাপানকে ছাড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পর বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হয়।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1370-55.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[তুরস্কে ট্রাম্পের অবস্থান জানত ইরান, ছিল বিমানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পরিকল্পনা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29300</link>
    <pubDate>Thu, 13 Aug 2026 09:11:40 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29300</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1435-44.jpg" />    <article>
<p>ন্যাটোর শীর্ষ সম্মেলন চলাকালে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হত্যার ছক কষেছিল ইরানি এজেন্টরা। তবে শেষ মুহূর্তে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে এক অভিনব ছদ্মবেশী অভিযানে তাকে নিরাপদে উদ্ধার করে মার্কিন নিরাপত্তা সংস্থা &lsquo;সিক্রেট সার্ভিস&rsquo;।</p>
</article>

<article><a href="https://aninews.in/news/world/us/iran-knew-trumps-exact-ankara-location-at-nato-summit-as-us-detected-missile-threat-against-air-force-one-nyt-report20260812222747/?fbclid=IwY2xjawTqCKFwZG9mBWV4dG4DYWVtAjEwAGJyaWQRMTBzQW00aXZQSGNFTDVXcHlzcnRjBmFwcF9pZBAyMjIwMzkxNzg4MjAwODkyAAEemtObAo9Ut4Qb6R0TVD2hYP7gbSZ23j5fIozI5muhvmmOLRx2piUvrqt1kRA_aem_uS-mOgwax4U_F1Rzn1mkQA">দ্য নিউইয়র্ক টাইমস-এর এক প্রতিবেদনে</a> সম্প্রতি এই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে।

<p>&nbsp;</p>

<p>প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত মাসে তুরস্কের আঙ্কারায় ন্যাটো সম্মেলনকালে ট্রাম্প যে হোটেলের কোন তলায় অবস্থান করছেন, তার নিখুঁত তথ্য পৌঁছে যায় ইরানি এজেন্টদের হাতে। এমনকি ট্রাম্পকে বহনকারী বিমান লক্ষ্য করে জমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র হামলার প্রস্তুতিও ছিল তাদের। এ ছাড়া সম্মেলনস্থলের খুব কাছে কাঁধে বহনযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্রসহ এক সন্দেহভাজনকেও চিহ্নিত করেন গোয়েন্দারা।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>হুমকি এতটাই মারাত্মক ছিল যে সিক্রেট সার্ভিস কৌশল পরিবর্তন করে&mdash;প্রথমে ট্রাম্পকে সবার সামনে তার &lsquo;এয়ার ফোর্স ওয়ান&rsquo; বিমানে তোলা হয়, এরপর গোপনে একটি ক্যাটারিং কন্টেইনারে লুকিয়ে বিমানবন্দর থেকে বের করে অন্য একটি সামরিক বিমানে চড়িয়ে তাকে দ্রুত তুরস্ক থেকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়।</p>

<p>মূল &lsquo;এয়ার ফোর্স ওয়ান&rsquo; বিমানটি যথারীতি যুক্তরাজ্যের উদ্দেশ্যে উড্ডয়ন করে। তবে মূল বিমানে থাকা শীর্ষ কর্মকর্তাদের এই গোপন উদ্ধার পরিকল্পনা সম্পর্কে কিছু জানানো হয়নি। পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ও অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টসহ সাংবাদিক ও কর্মীদের না জানিয়েই পুরো বিমানটিকে এক ধরণের &lsquo;নকল লক্ষ্যবস্তু&rsquo; হিসেবে ব্যবহার করা হয়।</p>
</article>

<p>
<video autoplay="autoplay" loop="" playsinline="">Your browser does not support the video tag.</video>
</p>

<article>ট্রাম্প পরবর্তীতে যুক্তরাজ্যে পৌঁছানোর পর আবার ওই বিমানে যোগ দেন, যেন বাইরে থেকে মনে হয় তিনি পুরো পথ একই বিমানেই ভ্রমণ করেছেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>বিমানের অন্য যাত্রীদের জীবনকে ঝুঁকিতে ফেলে এভাবে কেবল প্রেসিডেন্টকে আলাদা করে সরিয়ে নেওয়া নিয়ে হোয়াইট হাউসের সাবেক একাধিক কর্মকর্তা তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তবে সব সমালোচনা নাকচ করে দিয়ে ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি সিক্রেট সার্ভিসের নির্দেশনা অনুসারেই কাজ করেছেন এবং বিমানে থাকা যাত্রীরা মারাত্মক কোনো বিপদের মুখে ছিলেন না।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1435-44.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বিরল সূর্যগ্রহণে মুগ্ধ যুক্তরাজ্য-ইউরোপ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29299</link>
    <pubDate>Thu, 13 Aug 2026 09:09:36 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29299</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1521-33.jpg" />    <article>
<p><a href="http://IwY2xjawTqCwhwZG9mAWV4dG4DYWVtAjEwAGJyaWQRMW5BQW9XOTlSSTlyeGQyRlZzcnRjBmFwcF9pZBAyMjIwMzkxNzg4MjAwODkyAAEe4sLqack8ScgICsA8Npka12_aNQx3hPtlsP6N256YpHRbFPgABQvCI1WflBw_aem_l0">যুক্তরাজ্য </a>ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশ প্রায় ৩০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে নাটকীয় সূর্যগ্রহণের সাক্ষী হয়েছে। বিরল এই মহাজাগতিক দৃশ্য দেখতে যুক্তরাজ্য ও ইউরোপের বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানে জড়ো হন হাজারো মানুষ।</p>
</article>

<article>অনেকের মতে, এক প্রজন্মে একবার দেখা যায়- এমন অভিজ্ঞতা ছিল এটি।
<p>&nbsp;</p>

<p>যুক্তরাজ্য থেকে দেখা গেছে আংশিক সূর্যগ্রহণ। স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টার কিছু পর এটি সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়। তখন দেশটির বেশির ভাগ এলাকা থেকে দেখা যায়, চাঁদ সূর্যের ৯০ শতাংশের বেশি অংশ ঢেকে ফেলেছে।</p>
</article>

<article>কর্নওয়ালে সূর্যের সর্বোচ্চ ৯৫ শতাংশ পর্যন্ত ঢাকা পড়ে। অন্যদিকে গ্রিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড ও স্পেনের কিছু এলাকায় দেখা গেছে পূর্ণ সূর্যগ্রহণ। সেখানে কয়েক মিনিটের জন্য সূর্যের আলো প্রায় পুরোপুরি ঢেকে যায় এবং চারপাশে অন্ধকার নেমে আসে। সূর্যগ্রহণ দেখতে যুক্তরাজ্য ও ইউরোপের বিভিন্ন বিখ্যাত স্থানে বড় ভিড় হয়।</article>

<p>
<video autoplay="autoplay" loop="" playsinline="">Your browser does not support the video tag.</video>
</p>

<article>গ্রহণের সময় অনেকেই বিস্ময়ে উল্লাস করেন। জ্যোতির্বিজ্ঞানপ্রেমীরা বলেন, এমন ঘটনা মহাবিশ্বের বিশালতা ও বৈচিত্র্যের কথা আবারও মনে করিয়ে দেয়।
<p>&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/national/2026/08/13/1724742" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>পূর্ণ সূর্যগ্রহণের পথ শুরু হয় রাশিয়ার সাইবেরিয়ার উত্তর প্রান্ত থেকে। এরপর তা আর্কটিক মহাসাগরের ওপর দিয়ে এগিয়ে আইসল্যান্ডে পৌঁছায়। সেখান থেকে দক্ষিণ দিকে এগিয়ে যুক্তরাজ্যের ওপর দিয়ে যায়।</p>
</article>

<article>ফলে যুক্তরাজ্যের মানুষও গ্রহণের বড় একটি অংশ দেখার সুযোগ পান। উত্তর স্কটল্যান্ডে স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টার দিকে আংশিক সূর্যগ্রহণ শুরু হয়। ইংল্যান্ডের দক্ষিণ উপকূলে শুরু হয় সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের কিছু আগে। প্রথম দিকে অনেক জায়গা থেকেই গ্রহণ স্পষ্টভাবে বোঝা যাচ্ছিল না। তবে যেসব এলাকায় আকাশ পরিষ্কার ছিল, সেখানকার মানুষ ধীরে ধীরে সূর্যের ওপর চাঁদের ছায়া পড়তে দেখেন। মধ্য ও দক্ষিণ ইংল্যান্ড এবং ওয়েলসের বেশির ভাগ এলাকায় আকাশ পরিষ্কার থাকায় প্রায় এক ঘণ্টা ধরে চাঁদকে ধীরে ধীরে সূর্যের সামনে এগিয়ে যেতে দেখা যায়। উত্তর ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড ও উত্তর আয়ারল্যান্ডে আকাশ ছিল তুলনামূলক বেশি মেঘলা। তবু এসব এলাকার বিভিন্ন বিখ্যাত স্থানেও মানুষের ভিড় ছিল।
<p>&nbsp;</p>

<p>সূর্যগ্রহণ দেখার জন্য বিশেষ চশমা ব্যবহার করেন অনেকে। তবে গ্রহণের আগে এসব চশমার ব্যাপক সংকট দেখা দেয়। চশমার দোকানের পাশাপাশি হার্ডওয়্যারের দোকান ও বেকারিতেও এগুলো বিক্রি হয়ে যায়। যারা চশমা পাননি, তাদের কেউ কেউ নিরাপদভাবে আংশিক গ্রহণ দেখার জন্য ছাঁকনি, খাবারের বাক্স ও কাগজের টুকরা ব্যবহার করেন। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ ছিল, সরাসরি খালি চোখে সূর্যের দিকে না তাকাতে। কারণ সূর্যের তীব্র আলো চোখের স্থায়ী ক্ষতি করতে পারে।</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/dhaka/2026/08/13/1724741" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>সূর্যগ্রহণ ঘটে যখন চাঁদ সূর্য ও পৃথিবীর মাঝখানে চলে আসে। তখন চাঁদ সূর্যের আলো পুরোপুরি বা আংশিকভাবে আটকে দেয়। ফলে পৃথিবীর কোনো কোনো অংশে চাঁদের ছায়া পড়ে। চাঁদ যত সামনে এগিয়ে যায়, সূর্যের আরো বেশি অংশ ঢেকে যায়। এতে দিনের আলো ধীরে ধীরে কমে আসে। অনেকটা ঘরের আলোর উজ্জ্বলতা কমিয়ে দেওয়ার মতোই পরিস্থিতি তৈরি হয়। যুক্তরাজ্য থেকে দেখা গ্রহণটি ছিল আংশিক। কারণ ওই সময় সূর্য, চাঁদ ও পৃথিবী পুরোপুরি এক সরল রেখায় ছিল না। ফলে চাঁদ সূর্যের পুরো অংশ ঢাকতে পারেনি। ১৯৯৯ সালের পর যুক্তরাজ্যে এটিই ছিল সবচেয়ে নাটকীয় সূর্যগ্রহণ। দেশটির বেশির ভাগ এলাকায় সূর্যের প্রায় ৯০ শতাংশ ঢাকা পড়ে।</p>

<p>স্পেনের কিছু এলাকায় মানুষ আরো বিরল দৃশ্য দেখার সুযোগ পান। স্থানীয় সময় রাত সাড়ে ৮টার দিকে, অর্থাৎ ব্রিটিশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায়, সূর্য, চাঁদ ও পৃথিবী পুরোপুরি এক সরল রেখায় চলে আসে। তখন শুরু হয় পূর্ণ সূর্যগ্রহণ। এই দৃশ্য দেখতে চিলি থেকে স্পেনের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের লা কোরুনিয়ায় যান বিজ্ঞানী ইয়াসমিন ক্যাট্রিচে। তিনি বলেন, পূর্ণগ্রহণের সময় সবাই আনন্দে চিৎকার করছিলেন এবং দেখা দৃশ্য নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছিলেন। তার ভাষায়, সেই অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। তার মন্তব্য, &lsquo;মহাবিশ্ব অসাধারণ।&rsquo; পূর্ণ সূর্যগ্রহণের সময় চাঁদ পুরো সূর্যকে ঢেকে ফেলে। তখন সূর্যের চারপাশে একটি ম্লান আলোর বলয় দেখা যায়। এটি সূর্যের করোনা। করোনা হলো সূর্যের বাইরের অত্যন্ত উত্তপ্ত গ্যাসের স্তর, যা মহাকাশে অনেক দূর পর্যন্ত ছড়িয়ে আছে। কিছু দর্শক সূর্যের পেছন থেকে গোলাপি রঙের ছোট ছোট গ্যাসের লুপও দেখতে পারেন। এগুলোকে বলা হয় প্রমিনেন্স। সূর্যের অস্থির চৌম্বকক্ষেত্রের কারণে এসব গ্যাসের গঠন তৈরি হয়। &nbsp;এরপর চাঁদ ধীরে ধীরে সূর্যের সামনে থেকে সরে যায়। আবার সূর্যের আলো দেখা দিতে শুরু করে। পূর্ণ সূর্যগ্রহণ সাধারণত খুব অল্প সময় স্থায়ী হয়। এই গ্রহণের পূর্ণ পর্যায়ও দুই মিনিটের কম সময় স্থায়ী হয়। তবে যারা এটি দেখেছেন, তাদের অনেকের কাছেই এটি জীবনের স্মরণীয় অভিজ্ঞতা হয়ে থাকবে।</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/08/13/1724740" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>পৃথিবীর কোনো না কোনো জায়গা থেকে প্রায় ১৮ মাসে একবার পূর্ণ সূর্যগ্রহণ দেখা যায়। কিন্তু নির্দিষ্ট কোনো জায়গা থেকে পূর্ণ সূর্যগ্রহণ দেখা অনেক বেশি বিরল। একটি নির্দিষ্ট এলাকায় এমন ঘটনা গড়ে প্রায় ৪০০ বছরে একবার দেখা যেতে পারে। পূর্ণ সূর্যগ্রহণ সম্ভব হওয়ার পেছনেও রয়েছে একটি আশ্চর্য কাকতালীয় বিষয়। সূর্য পৃথিবী থেকে প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার দূরে। সূর্য চাঁদের চেয়ে পৃথিবী থেকে প্রায় ৪০০ গুণ দূরে। একই সময়ে সূর্যের ব্যাস চাঁদের চেয়ে প্রায় ৪০০ গুণ বড়। এই কারণে পৃথিবী থেকে আকাশের দিকে তাকালে সূর্য ও চাঁদকে প্রায় একই আকারের মনে হয়। ফলে চাঁদ সূর্যের সামনে এসে সেটিকে পুরোপুরি ঢেকে দিতে পারে। চাঁদ যদি সামান্য ছোট হতো, অথবা পৃথিবী থেকে তার কক্ষপথ কিছুটা দূরে হতো, তাহলে পূর্ণ সূর্যগ্রহণ দেখা সম্ভব হতো না।</p>

<p>২০২৬ থেকে ২০২৮ সাল পর্যন্ত পূর্ণ সূর্যগ্রহণ দেখার জন্য বিশ্বজুড়ে ভ্রমণকারীদের জন্য বিশেষ সময় আসছে। এই সময়ে তারা তিনটি পূর্ণ সূর্যগ্রহণ দেখার সুযোগ পাবেন। তবে এসব গ্রহণের কোনোটিই যুক্তরাজ্য থেকে পূর্ণ অবস্থায় দেখা যাবে না। যুক্তরাজ্যে ২০২৭ সালে সর্বোচ্চ যে সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে, সেটিও হবে আংশিক। ওই সময় দেশটির কিছু এলাকায় সূর্যের প্রায় ৪৫ শতাংশ ঢাকা পড়তে পারে। আজকের গ্রহণের চেয়ে বেশি অংশ ঢাকা পড়া সূর্যগ্রহণ দেখতে যুক্তরাজ্যবাসীকে আরো কয়েক দশক অপেক্ষা করতে হবে। ২০৮১ সালে দেশটি থেকে এমন একটি গ্রহণ দেখা যাবে, যখন সূর্যের সর্বোচ্চ ৯৯ শতাংশ ঢাকা পড়বে। আর যুক্তরাজ্য থেকে পরবর্তী পূর্ণ সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে ২০৯০ সালে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1521-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[প্রথম সেশনেই ৪ উইকেট শিকার বাংলাদেশের, চাপে অস্ট্রেলিয়া]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/29298</link>
    <pubDate>Thu, 13 Aug 2026 09:06:28 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/29298</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1563-22.jpg" />    <article>
<p>ইশ, নাহিদ রানা যদি থাকতেন! বাংলাদেশের সমর্থকরা এমন আক্ষেপ করতেই পারেন।&nbsp;</p>

<p>অস্ট্রেলিয়া মাটিতে ২৩ বছর পর টেস্ট খেলতে নেমে বল রাতে যেন ছড়ি ঘোরাচ্ছেন বাংলাদেশের পেসাররা।</p>
</article>

<article>ডারউইনের মারারা ওভালে নাহিদ খেলতে পারলে তিনিও হয়তো দারুণ কিছু করতেন।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>তবে চোটের কারণে নাহিদ না থাকলেও বাংলাদেশের অন্য তিন পেসার হাসান মাহমুদ, তাসকিন আহমেদ ও ইবাদত হোসেন তার অভাব আপাতত বুঝতে দিচ্ছেন না।&nbsp;</p>

<p>ক্রিকেট বিশ্বকে চমকে দিয়ে ডারউইন টেস্টের প্রথম দিনের প্রথম সেশনেই অস্ট্রেলিয়াকে বিষম চাপে ফেলেছে বাংলাদেশ। ২২ ওভারে ৭৪ রানে ৪ উইকেট হারিয়েছে স্বাগতিকরা।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>দুই ওপেনার জেক ওয়েদারাল্ড ও ট্রাভিস হেডকে ফিরিয়েছেন হাসান। মারনাস লাবুশেন হয়েছেন ইবাদতের শিকার। আর মধ্যাহ্ন বিরতির আগে শেষ বলে ক্যামেরন গ্রিনকে আউট করেছেন তাসকিন। &nbsp;</p>

<p>আউট হতে পারতেন স্টিভেন স্মিথও।</p>
</article>

<p>
<video autoplay="autoplay" loop="" playsinline="">Your browser does not support the video tag.</video>
</p>

<article>কিন্তু জীবন পেয়েছেন তিনি। ইবাদতের বলে স্মিথের দেওয়া ক্যাচ ছেড়েছেন তানজিদ হাসান।
<p>&nbsp;</p>

<p>অফ স্টাম্পের বাইরের বল ঠিকঠাক খেলতে পারেননি স্মিথ। ব্যাটের কানা ছুঁয়ে ক্যাচ যায় তৃতীয় স্লিপে। সামনে হাত বড়িয়ে বলে হাত ছোঁয়ালেও মুঠোয় নিতে পারেননি তানজিদ।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>সংক্ষিপ্ত স্কোর</p>

<p><strong>অস্ট্রেলিয়া ১ম ইনিংস:</strong> ২২ ওভারে ৭৪/৪ (ওয়েদারাল্ড ২৩, হেড ২২, গ্রিন ১৩, স্মিথ ৭*, লাবুশেন ১; হাসান ২/২৫, ইবাদত ১/১৭, তাসকিন ১/২৬)।<br />
<em>* প্রথম দিনের প্রথম সেশন শেষে।&nbsp;</em></p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1563-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ডন-সামিরার সেই ‘অন্তরঙ্গ’ ছবির নেপথ্যে কী?]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/29297</link>
    <pubDate>Thu, 13 Aug 2026 09:05:34 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/29297</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1660-11.jpg" />    <article>
<p>অভিনেতা ডনের সঙ্গে এক নারীর &lsquo;অন্তরঙ্গ&rsquo; ছবি কয়েক বছর আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দেয়। ছবির নারীকে চিত্রনায়ক সালমান শাহর স্ত্রী সামিরা বলে দাবি করা হলেও পরে এ বিষয়ে ভিন্ন তথ্য সামনে আসে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>সালমান শাহর ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও সামিরার সাবেক স্বামী মোস্তাক ওয়াইজ এক সাক্ষাৎকারে দাবি করেন, ভাইরাল হওয়া ছবির নারী সামিরা নন; তিনি অভিনেত্রী সাবরিনা। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ছবিটি &lsquo;আশা ভালোবাসা&rsquo; সিনেমার শুটিং চলাকালে তোলা হয়েছিল।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/08/12/1724504" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>মোস্তাক ওয়াইজ বলেন, &lsquo;আশা ভালোবাসা&rsquo; সিনেমার মূল নায়ক-নায়িকা ছিলেন সালমান শাহ ও শাবনাজ। সাবরিনা ছিলেন পার্শ্বনায়িকা।</p>
</article>

<article>শুটিং চলাকালে সালমান শাহ মজার ছলে একটি ঘরের ভেন্টিলেটরের ফাঁক দিয়ে ডন ও সাবরিনার ওই ছবি তুলেছিলেন। পরে ছবিটি নিয়ে ডনের সঙ্গে হাস্যরসও করতেন তিনি।
<p>&nbsp;</p>

<p>তবে ডনের সঙ্গে সামিরার একটি আলাদা ছবির কথাও উল্লেখ করেন মোস্তাক। তার দাবি, একবার সামিরা ম্যাগাজিন পড়ছিলেন, সে সময় সালমান শাহ ছবি তুলছিলেন।</p>
</article>

<p>
<video autoplay="autoplay" loop="" playsinline="">Your browser does not support the video tag.</video>
</p>

<article>তখন ডন হাত বাড়িয়ে দিলে তাদের একটি ছবি ধারণ করা হয়।
<p>&nbsp;</p>

<p>মোস্তাক ওয়াইজ আরো দাবি করেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ডন ও সামিরার নামে প্রচারিত বেশির ভাগ ছবিই সম্পাদিত বা ফটোশপের মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে।</p>

<p>এ বিষয়ে সামিরাও অতীতে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছিলেন। তিনি বলেন, তার একটি ছবি দেখিয়ে মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। এর ফলে অনেকেই তাকে ভুল বুঝছেন এবং অপবাদ দিচ্ছেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1660-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিউইয়র্কে এসএসসি ১৯৮৪ ব্যাচের চতুর্থ পুনর্মিলনী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/29296</link>
    <pubDate>Wed, 12 Aug 2026 09:32:01 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/29296</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/700-2.jpg" />    <p>দীর্ঘদিন পর বন্ধুদের সান্নিধ্যে ফিরে যেন কৈশোরের সেই সোনালি দিনগুলোতে ফিরে গেলেন এসএসসি ১৯৮৪ ব্যাচের (চুরাশিয়ান) সদস্যরা। গত ২৫ জুলাই শনিবার নিউইয়র্কের নান্দনিক ওয়ার্ল্ডস ফেয়ার মেরিনায় অনুষ্ঠিত হলো এসএসসি ১৯৮৪ ব্যাচ নর্থ আমেরিকার চতুর্থ পুনর্মিলনী।</p>

<p>উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য, কানাডা, শ্রীলঙ্কা ও বাংলাদেশ থেকে দূর-দূরান্ত পাড়ি দিয়ে অনুষ্ঠানে যোগ দেন ব্যাচের সদস্যরা। দীর্ঘদিন পর প্রিয় বন্ধুদের একসঙ্গে পেয়ে স্মৃতিচারণ, গল্প, আড্ডা ও খুনসুটিতে মেতে ওঠেন তারা। পরিবার-পরিজনের অংশগ্রহণে পুরো আয়োজন পরিণত হয় আনন্দ, আবেগ ও ভালোবাসার এক বর্ণিল মিলনমেলায়।</p>

<p>নদীর তীরঘেঁষা সবুজে ঘেরা ওয়ার্ল্ডস ফেয়ার মেরিনার উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে বিকেল ৬টায় শুরু হয় অনুষ্ঠানের প্রথম পর্ব। উদ্বোধন, স্মৃতিচারণ ও ককটেল পর্বের শুরুতে পরিবেশন করা হয় বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত ও যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সংগীত। পরে মহামিলনের কনভেনর শামস চৌধুরী রুশো আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধনের ঘোষণা দেন।</p>

<p data-added-after="1">স্মৃতিচারণ পর্বে নিউইয়র্কের চুরাশিয়ানদের পাশাপাশি কানাডা, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য থেকে আসা প্রতিনিধিরা বক্তব্য দেন। কানাডা থেকে মিজান রহমান, ইমাম উদ্দিন, সোহেল মাহমুদ, মঈন তালুকদার ও মজিবুর মোল্লা; বাংলাদেশ থেকে সানোয়ার হোসেন নওরোজ, কাজী জাহাঙ্গীর কবির, ইমন শেখ ও আলীম উল্লাহ এবং শ্রীলঙ্কা থেকে হীরা ডি সেরাম বক্তব্য দেন।</p>

<p>এছাড়া টেক্সাসের সামু হোসাইন, ইফতেখার আলম লিটন, শাহীন শাহনাজ ও মোহাম্মদ আলী; ফ্লোরিডার টিটন মালিক, আশরাফ উদ্দিন, হাসিবুল হাসান, ইকবাল করিম ও শারমীন জামান লিপি; বোস্টনের ডা. শেখ শাহাবুদ্দিন, লাল গোলাম ফারুক ও মশিউর রহমান; পেনসিলভানিয়ার মাহফুজ শিপু ও কামরুন নাহার; নিউ জার্সির তোহেল ইসলাম, শরিফুল পারভেজ তপু, মোস্তাফুল হক টুটুল ও মোর্শেদ আহমেদ; মেরিল্যান্ডের কলিমুল্লাহ ও নির্মল গোমেজ; কানেকটিকাটের সুব্রত বণিক ও কামরুল চৌধুরী এবং জর্জিয়ার নজরুল চৌধুরী স্মৃতিচারণে অংশ নেন।</p>

<p>আয়োজনে ছিল বাহারি খাবারের সমৃদ্ধ আয়োজন। পাশাপাশি গান, কবিতা আবৃত্তি ও বিভিন্ন বিনোদনমূলক পরিবেশনা অনুষ্ঠানে যোগ করে ভিন্ন মাত্রা।</p>

<p data-added-after="1">পরে সুসজ্জিত বলরুমে অনুষ্ঠিত হয় দ্বিতীয় পর্বের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও মিউজিক নাইট। চুরাশিয়ানদের গর্ব দেশবরেণ্য সংগীতশিল্পী রিজিয়া পারভীনসহ নিউইয়র্কের জনপ্রিয় শিল্পী হাসান মাহমুদ, ঝুলন সেন, দীপক দাস, খালেদ সরকার, মহুয়া আহমেদ ও আলভান চৌধুরীর পরিবেশনায় সংগীত উপভোগ করেন উপস্থিতরা। কবিতা আবৃত্তি করেন আবদুল্লাহ আল মাহের, মাহফুজ শিপু ও শোয়েব মজুমদার।</p>

<p>পুনর্মিলনী উপলক্ষে প্রকাশ করা হয় স্মারক ম্যাগাজিন &lsquo;বন্ধু চল্ আড্ডা দিই&rsquo;। এতে চুরাশিয়ানদের পরিচিতি, স্মৃতি ও বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরা হয়। অংশগ্রহণকারী প্রত্যেক চুরাশিয়ানের হাতে তুলে দেওয়া হয় স্মারক উপহার ও কোট পিন।</p>

<p>শ্রীলঙ্কা থেকে আসা চুরাশিয়ান হীরা ডি সেরাম বলেন, &ldquo;এটি শুধু একটি পুনর্মিলনী ছিল না; এটি ছিল ১৯৮৪ সালের সেই সোনালি স্কুলজীবনকে আবার নতুন করে ফিরে পাওয়ার এক আবেগঘন মুহূর্ত।&rdquo;</p>

<p>কনভেনর শামস চৌধুরী রুশো বলেন, &ldquo;বাফেলো, টেক্সাস ও টরন্টোর সফল আয়োজনের ধারাবাহিকতায় নিউইয়র্কও আমাদের বন্ধুত্বের ইতিহাসে আরেকটি উজ্জ্বল অধ্যায় হয়ে থাকবে। এই বন্ধন ভবিষ্যতেও আরও শক্তিশালী হবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।&rdquo;</p>

<p data-added-after="1">অংশগ্রহণকারীরা বলেন, ভৌগোলিক দূরত্ব যতই থাকুক, বন্ধুত্ব, ভালোবাসা ও স্মৃতির টানই তাদের বারবার একত্রিত করে। পেশা, বসবাসের দেশ কিংবা জীবনের ব্যস্ততা&mdash;সবকিছুকে ছাপিয়ে পুরোনো বন্ধুত্বের শক্তিই তাদের এই মিলনমেলার মূল প্রেরণা।</p>

<p>দুই পর্বের পুরো অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন রাব্বী সৈয়দ, ইয়ার আহমেদ, আনোয়ারুল আরিফ ও মহুয়া আহমেদ। অনুষ্ঠানের শেষ দিকে কণ্ঠভোটের মাধ্যমে আগামী ২০২৭ সালের মহামিলনের ভেন্যু হিসেবে ফ্লোরিডা নির্ধারণ করা হয়।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/700-2.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[মিশিগানে মুনার নর্থ জোনের দাওয়াহ কনফারেন্স]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/29295</link>
    <pubDate>Wed, 12 Aug 2026 09:31:14 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/29295</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/966-1.jpg" />    <p>যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানে বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে মুসলিম উম্মাহ অব নর্থ আমেরিকা (মুনা) নর্থ জোনের দাওয়াহ কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছে।&nbsp;</p>

<p>রোববার (৯ আগস্ট) ওয়ারেন শহরের ইসলামিক সেন্টার অব নাইন মাইল ব্যাংকুয়েট হলে দিনব্যাপী এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে মিশিগানসহ পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য থেকে বিপুল সংখ্যক প্রবাসী অংশ নেন।</p>

<p>ক্বারী শায়খ আব্দুল মুকিতের কুরআন তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এরপর রেনেসাঁ কালচারাল গ্রুপ অব মিশিগানের শিল্পীরা ইসলামি নাশিদ পরিবেশন করেন।<br />
<img alt="" data-mfp-src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/1000216217.png" src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/1000216217.png" /></p>

<p>মুনা নর্থ জোনের প্রেসিডেন্ট নেসার উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি আনোয়ার হোসেনের সঞ্চালনায় সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মুনার সাবেক প্রেসিডেন্ট ডা. সায়ীদুর রহমান চৌধুরী। প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ লইয়ার্স কাউন্সিলের ভাইস প্রেসিডেন্ট এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।</p>

<p data-added-after="1">সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন ওয়েইন স্টেট ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ড. রামজি মুহাম্মদ, মুনার সহকারী নির্বাহী পরিচালক হাফেজ আবদুল্লাহ আল আরিফ, এমসিএম মসজিদের ইমাম শায়খ তারিক আদনান, দারুল কুরআন মসজিদের ইমাম শায়খ সাঈদ আহমদ এবং মুনার কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক খাইরুল হাসান রফিকসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।</p>

<p>সম্মেলনে বক্তারা বলেন, ইসলামের সুমহান আদর্শ ছড়িয়ে দেওয়া এবং সমাজে নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় দাওয়াহর ভূমিকা অপরিসীম। শুধু আনুষ্ঠানিক আলোচনার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে নিজেদের ব্যক্তিগত চরিত্র, সততা, সুসংহত আচরণ ও মানবিক কাজের মাধ্যমে ইসলামের প্রকৃত সৌন্দর্য ফুটিয়ে তুলতে হবে।</p>

<p>বক্তারা নতুন প্রজন্মকে ইসলামের শিক্ষা ও মানবিক মূল্যবোধের সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে পরিবার ও সচেতন কমিউনিটিকে আরও কার্যকর ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।</p>

<p>সম্মেলন শেষে বিশেষ দোয়া পরিচালনা করেন সিডিআর মসজিদের ইমাম শায়খ নেছার উদ্দিন।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/966-1.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ডিজিটাল লেনদেনের পরিধি বাড়াতে সহযোগিতা করতে চায় ‘ভিসা’]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29294</link>
    <pubDate>Wed, 12 Aug 2026 09:30:47 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29294</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/835-99.jpg" />    <article>
<p>ডিজিটাল লেনদেনের পরিধি বাড়াতে বিনিয়োগ ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতার মাধ্যমে &lsquo;ভিসা&rsquo; কাজ করতে চায় বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান &lsquo;ভিসা&rsquo;র এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের প্রেসিডেন্ট স্টিফেন কার্পিন।</p>

<p>মঙ্গলবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাতে এ কথা জানান তিনি।</p>
</article>

<article>মন্ত্রি পরিষদ বিভাগে এ সাক্ষাৎ হয় বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি।
<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/entertainment/2026/08/11/1723906" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>তিনি বলেন, &lsquo;বাংলাদেশে ডিজিটাল আর্থিক সেবা, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনী খাত প্রভৃতি বিষয় নিয়ে বিশ্বখ্যাত ভিসা প্রতিষ্ঠান তাদের আগ্রহের কথা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে বলেছেন।&rsquo; &nbsp;</p>

<p>&ldquo;সাধারণ মানুষের নিত্যদিনের লেনদেন সহজ করতে মেট্রোরেল, টোল প্লাজা ও এক্সপ্রেসওয়েসহ বিভিন্ন সরকারি ও জনসেবামূলক ব্যবস্থায় &lsquo;ভিসা&rsquo; কার্ড ব্যবহারের সুযোগ সম্প্রসারণের সম্ভাবনা নিয়েও বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।&rdquo;</p>

<p>বাংলাদেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে ভিসার একটি প্রযুক্তি ডেভেলপমেন্ট সেন্টার বা গ্লোবাল সার্ভিস সেন্টার বাংলাদেশে স্থাপনের জন্য ভিসার প্রতিনিধিকে আহ্বান জানানো হয়েছে বলেও জানান উপ-প্রেস সচিব।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/campus-online/2026/08/11/1723904" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>&lsquo;ভিসা&rsquo;র এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের প্রেসিডেন্ট স্টিফেন কার্পিন তিন দিনের সফরে ঢাকায় আসেন আজ (১১ আগস্ট)।</p>

<p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে ডিজিটাল আর্থিক সেবা ও প্রযুক্তির সম্প্রসারণে বেসরকারি খাতের অংশীদারিত্বকে স্বাগত জানিয়েছেন। &nbsp;তিনি বাংলাদেশের ডিজিটাল অর্থনীতি, বিনিয়োগ ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ভিসার মতো আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।</p>

<p>বাংলাদেশের ডিজিটাল অর্থনীতি ও ক্রিয়েটিভ ইকোনমির বিকাশে অবদান রাখতে ভিসা আগ্রহ প্রকাশ করে ভিসা&rsquo;র এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের প্রেসিডেন্ট স্টিফেন কার্পিন বলেছেন, &lsquo;বাংলাদেশে ডিজিটাল আর্থিক সেবা, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে কাজ করার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে।</p>
</article>

<p>
<video autoplay="autoplay" loop="" playsinline="">Your browser does not support the video tag.</video>
</p>

<article>&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/multimedia/reels/2026/08/11/1723901" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>&lsquo;বাংলাদেশে যেসব ব্যাংক অ্যাকাউন্টধারীর কার্ড ব্যবহারের আওতায় নেই, তাদের কার্ড ব্যবহারে উৎসাহিত করতে এবং ডিজিটাল লেনদেনের পরিধি বাড়াতে বিনিয়োগ ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতার মাধ্যমে ভিসা কাজ করতে চায়।&rsquo;</p>

<p>কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে বাংলাদেশের ব্যাংকিং ও ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থাকে আরো নিরাপদ, সহজ ও দ্রুত করার বিষয়ে ভিসা কাজ করতে আগ্রহী বলেও বৈঠকে জানিয়েছেন স্টিফেন কার্পিন।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/country-news/2026/08/11/1723897" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>বৈঠকে বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সারদের বৈদেশিক আয় নিরাপদ ও সহজে দেশে আনার জন্য কার্যকর ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রক্রিয়া নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানান উপ-প্রেস সচিব।</p>

<p>সাক্ষাতে প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান এবং ভিসার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/835-99.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ কার্যকর থাকবে : চিফ হুইপ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29293</link>
    <pubDate>Wed, 12 Aug 2026 09:28:53 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29293</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1027-88.jpg" />    <article>
<p>রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ কার্যকর থাকবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম মনি।</p>

<p>&nbsp;মঙ্গলবার সংসদ ভবনে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে সরকারি ও বিরোধী দলের সংসদীয় প্রতিনিধিদের সঙ্গে নির্বাচন কমিশন ও সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তাদের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/national/2026/08/11/1723924" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>চিফ হুইপ বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আগামী ২০ আগস্ট অনুষ্ঠিত হবে। মনোনয়নপত্র দাখিল ও বাছাই শেষে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ১৮ আগস্ট রাত। সরকারি দলের রাষ্ট্রপতি প্রার্থী এখনো চূড়ান্ত হয়নি। প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী মনোনয়ন দেবেন এবং মনোনয়নপত্র দাখিলের দিনই প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হবে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সুষ্ঠু ও স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে আজকের বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ২০ আগস্ট দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সংসদ ভবনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। সংসদ সদস্যরা তাঁদের আসন ও বিভক্তি নম্বর অনুযায়ী ভোট দেবেন।</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/campus-online/2026/08/11/1723939" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>নূরুল ইসলাম মনি বলেন, রাষ্ট্রপতি, সংসদ নেতা, বিরোধীদলীয় নেতা ও স্পিকারের ভোট দেওয়ার দৃশ্য গণমাধ্যমকে সরাসরি সম্প্রচারের সুযোগ দেওয়া হবে।</p>
</article>

<p>
<video autoplay="autoplay" loop="" playsinline="">Your browser does not support the video tag.</video>
</p>

<article>ভোটগ্রহণ শেষে ব্যালট গণনা ও ফলাফল প্রস্তুতের কার্যক্রমও ফলাফল ঘোষণা পর্যন্ত সরাসরি সম্প্রচার করা যাবে।
<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি বলেন, সংসদে মোট ৩৪৯ জন ভোটার রয়েছেন। নির্ধারিত সময়ের আগেই ভোটগ্রহণ শেষ হলে গণনা শেষে দ্রুত ফলাফল ঘোষণা করা হবে। তবে কোনো ভোট বাকি থাকলে বিকেল ৫টা পর্যন্ত অপেক্ষা করে এরপর ফলাফল ঘোষণা করা হবে।</p>

<p>চিফ হুইপ জানান, প্রধান নির্বাচন কমিশনার রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।</p>
</article>

<article>নির্বাচন কমিশনের প্রয়োজনীয় কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নির্বাচনী কার্যক্রমে দায়িত্ব পালন করবেন এবং সংসদ সচিবালয় তাঁদের প্রয়োজনীয় সাচিবিক সহায়তা দেবে।
<p>&nbsp;</p>

<p>সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ কার্যকর থাকবে কি না&mdash;সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, &lsquo;সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ যেহেতু সংশোধন হয়নি, সুতরাং এটা কার্যকর থাকবে।&rsquo;</p>

<p>নিজ দলের পছন্দের প্রার্থীর বাইরে কোনো সংসদ সদস্য ভোট দিতে পারবেন কি না&mdash;এমন প্রশ্নের জবাবে নূরুল ইসলাম মনি বলেন, সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী দলের সিদ্ধান্তের বাইরে কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলে সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যের সদস্যপদ বাতিল হবে।</p>

<p>এ সময় বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেন, ১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে কর্নেল (অব.) অলি আহমদ, বীর মুক্তিযোদ্ধাকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিরোধী দলের প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।</p>

<p>তিনি বলেন, প্রায় ৩৫ বছর ধরে দেশে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হয়নি। গণতন্ত্রের স্বার্থে একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন প্রয়োজন বলেই বিরোধী দল রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী দিয়েছে।</p>

<p>তিনি বলেন, বিরোধী দল নির্বাচনটি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় হতে দিতে চায়নি। সে কারণেই প্রার্থী দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করার লক্ষ্যে আজকের বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।</p>

<p>পরে চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি বলেন, জুলাই সনদে ৭০ অনুচ্ছেদ নিয়ে চারটি ক্ষেত্রে ঐকমত্য রয়েছে এবং এর মধ্যে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনও রয়েছে। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হলেও রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ৭০ অনুচ্ছেদ কার্যকর থাকবে।</p>

<p>তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ও গণতান্ত্রিক যাত্রা অব্যাহত রাখা এবং গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার লক্ষ্যে স্বচ্ছ নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। যাতে দেশের মানুষ ভবিষ্যতে নির্বাচনমুখী হয় এবং নিজেদের পছন্দের প্রার্থীকে নির্বাচিত করার মাধ্যমে সন্তুষ্টি লাভ করতে পারে, সে লক্ষ্যেই কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।</p>

<p>সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠনের বিষয়ে নূরুল ইসলাম মনি বলেন, এ ধরনের পরিষদ গঠনের প্রয়োজন নেই। বিশ্বের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক দেশের মতো বাংলাদেশেও সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সংস্কার করা হবে।</p>

<p>ভারতের সংবিধানের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, ১৯৫০ সালে ভারতের সংবিধান গ্রহণের পর ২০২৪ সাল পর্যন্ত ১০৬ বার সংশোধন করা হয়েছে। প্রতিবারই সংশোধনের মাধ্যমে পরিবর্তন আনা হয়েছে, নতুন করে সংবিধান রচনা বা সংবিধান সংশোধন পরিষদ গঠন করা হয়নি।</p>

<p>তিনি বলেন, জুলাই সনদের প্রতিটি অক্ষর, প্রতিটি দাঁড়ি, কমা ও সেমিকোলন যেভাবে আছে, সেভাবেই আমরা বাস্তবায়ন করব। সবাই মিলে যে সনদে স্বাক্ষর করেছি, সেটিই বাস্তবায়ন করা আমাদের কমিটমেন্ট।</p>

<p>চিফ হুইপ জানান, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে আগামী সংসদ অধিবেশনেই একটি নতুন বিল আনা হবে। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখা এবং গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সব কার্যক্রম সরকার করবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1027-88.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[জনগণ অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হলেই রাষ্ট্র শক্তিশালী হবে : প্রধানমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29292</link>
    <pubDate>Wed, 12 Aug 2026 09:28:06 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29292</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1151-77.jpg" />    <article>
<p>দেশকে অর্থনৈতিক ও সামাজিকভাবে শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে যাওয়াই সরকারের লক্ষ্য বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, &lsquo;রাজনৈতিক অধিকারের পাশাপাশি মানুষের অর্থনৈতিক সক্ষমতা নিশ্চিত করা জরুরি।</p>
</article>

<article>এ জন্য দেশীয় উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে উৎসাহিত করতে সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের নীতিসহায়তা দেবে।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে বন্ধ থাকা রাষ্ট্রায়ত্ত তিনটি পাটকল বেসরকারি দুই প্রতিষ্ঠানের কাছে লিজ দেওয়ার চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/country-news/2026/08/11/1724075" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>প্রধানমন্ত্রী বলেন, &lsquo;জনগণের অর্থনৈতিক সক্ষমতা নিশ্চিত করা গেলে রাষ্ট্র শক্তিশালী হয়।&rsquo; সাধারণ মানুষকে অভাবের মধ্যে রেখে কিংবা তাদের মুখ বন্ধ করে কোনো রাষ্ট্র শক্তিশালী হতে পারে না।</p>
</article>

<article>দেশের প্রকৃত উদ্যোক্তাদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি বলেন, &lsquo;সরকার তাদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেবে। উদ্যোক্তাদের সহযোগিতা করা গেলে একদিকে মানুষের কর্মসংস্থান ও জীবনের নিশ্চয়তা তৈরি হবে, অন্যদিকে সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির উন্নতি হবে।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রধানমন্ত্রী বলেন, &lsquo;আমরা এমন একটা দেশ তৈরি করতে চাই, যেখানে সবাই এখন যে অবস্থায় আছে, তার থেকে ভালো থাকবে। এটাই আমাদের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য।</p>
</article>

<p>
<video autoplay="autoplay" loop="" playsinline="">Your browser does not support the video tag.</video>
</p>

<article>&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>বিদেশি বিনিয়োগের পাশাপাশি দেশি বিনিয়োগের ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, &lsquo;বিদেশি বিনিয়োগ অবশ্যই আসবে এবং সরকার সেটি চায়। তবে দেশের নিজস্ব বিনিয়োগকারী ও উদ্যোক্তাদেরও উৎসাহিত করতে হবে। তাদের ব্যবসা ও বিনিয়োগের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে যতটুকু নীতিসহায়তা দরকার, তা দেওয়া হবে।&rsquo;</p>

<p>সরকারের নীতির মূল উদ্দেশ্য, সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের জন্য সুযোগ তৈরি করা, এ কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, &lsquo;সবার সহযোগিতায় একটি সুন্দর ও শক্তিশালী দেশ গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে।&rsquo;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/chattogram/2026/08/11/1724071" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>বক্তব্যের শেষ দিকে তিনটি মিলের দায়িত্ব নেওয়া দুই ব্যবসায়ী গ্রুপকে ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।</p>
</article>

<article>নতুন বিনিয়োগে প্রতিষ্ঠানগুলো সফল হবে এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
<p>&nbsp;</p>

<p>অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম, বস্ত্র ও পাটসচিব শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান আহসান খান চৌধুরী এবং হ্যামকো গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ টি এম মোস্তফা। অনুষ্ঠানে বিজেএমসি ও লিজ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1151-77.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[খাবারের ভ্যানে বিমান বদলেছিলেন ট্রাম্প!]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29291</link>
    <pubDate>Wed, 12 Aug 2026 09:27:22 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29291</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1267-66.jpg" />    <article>
<p>ইরানের হুমকির কারণে গত মাসে তুরস্ক থেকে দেশে ফিরতে নতুন এয়ার ফোর্স ওয়ানের বদলে পুরনো এয়ার ফোর্স ওয়ান ব্যবহার করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এটাই এত দিন সবাই জানতেন।</p>
</article>

<article>হুট করে এয়ার ফোর্স ওয়ানের বিমান পরিবর্তন নিয়েই তখন অরেক আলোচনা হয়েছিল। কিন্তু এখন জানা যাচ্ছে, সবার সামনে এয়ার ফোর্স ওয়ানের একটি পুরনো বিমানে চড়লেও ট্রাম্প আসলে আঙ্কারা ছেড়েছিলেন একটি ছোট সামরিক বিমানে চড়ে।
<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/sport/2026/08/11/1723869" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>সোমবার ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, সবার সামনে পুরনো এয়ার ফোর্স ওয়ানে চড়ার পর অতিগোপনে তাকে বিমানবন্দরে একটি খাবার সরবরাহকারী ভ্যানে করে ছোট সামরিক বিমানে স্থানান্তর করা হয়। তবে এ খবর কাউকে জানানো হয়নি।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>এয়ার ফোর্স ওয়ানের পুরনো বিমানের স্টাফ এবং ট্রাম্পের সফরসঙ্গী সাংবাদিকরা জানতেন, তারা প্রেসিডেন্টের সঙ্গেই ভ্রমণ করছেন।</p>

<p>ন্যাটো সম্মেলনে যোগ দিতে গত ৭ জুলাই তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় যান ট্রাম্প। যাওয়ার সময় তিনি কাতার রাজ পরিবারের দেওয়া নতুন এয়ার ফোর্স ওয়ানেই ভ্রমণ করেন। সেটিই ছিল সংস্কার করা এয়ার ফোর্স ওয়ানের নতুন বিমানটির প্রথম আন্তর্জাতিক ফ্লাইট।</p>
</article>

<p>
<video autoplay="autoplay" loop="" playsinline="">Your browser does not support the video tag.</video>
</p>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/Islamic-lifestylie/2026/08/11/1723870" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>পরদিন তিনি এয়ার ফোর্স ওয়ানের একটি পুরোনো বিমানে চড়ে আঙ্কারা ছেড়েছিলেন বলে দাবি করেছিল ওয়াশিংটন। তখন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নিরাপত্তা নিয়ে অনেক আলোচনা হচ্ছিল। বিভিন্ন গণমাধ্যমে ইরানের দিক থেকে ট্রাম্পের প্রতি হুমকির খবর প্রকাশিত হয়।</p>

<p>দাবি করা হয়েছিল তুরস্কের প্রতিবেশী দেশ ইরানের হুমকির কারণেই ট্রাম্প বিমান বদল করেছিলেন। নতুন বিমানটির নিরাপত্তা নিয়েও তৈরি হয়েছিল নানা শঙ্কা।</p>
</article>

<article>তবে নিরাপত্তার কারণে বিমান বদলের বিষয়টি স্বীকার করেনি ওয়াশিংটন।
<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/country-news/2026/08/11/1723863" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদন সত্যি হলে ট্রাম্প নিজেই তখন সবাইকে ধোঁকা দিয়েছিলেন। ডোনাল্ড ট্রাম্প তার মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম &lsquo;ট্রুথ সোশ্যাল&rsquo;-এ লিখেছিলেন, তিনি আঙ্কারা থেকে ব্রিটেনের র&zwnj;্যাফ মিল্ডেনহল ঘাঁটিতে যাওয়ার জন্য পুরনো দিনের স্মৃতির খাতিরে হালকা নীল রঙের এয়ার ফোর্স ওয়ানের পুরনো বিমানটি ব্যবহার করবেন। আর নতুন বিমানটি একই ঘাঁটিতে থামবে, যাতে সেখানে দায়িত্বরত মার্কিন সেনাসদস্যরা বিমানটি ঘুরে দেখতে পারেন।</p>

<p>এখন জানা যাচ্ছে আরো চমকপ্রদ খবর। শুধু বিমান নয়, একেবারে এয়ারফোর্স ওয়ানই ছেড়েছিলেন ট্রাম্প। পুরনো এয়ারফোর্স ওয়ান থেকে সবার চোখের আড়ালে ট্রাম্পকে একটি খাবার সরবরাহকারী ভ্যানে করে বিমানবাহিনীর &lsquo;সি-৩২এ&rsquo; মডেলের একটি ছোট বিমানে তোলা হয়। সেটিতে করেই যুক্তরাজ্যের উদ্দেশে তুরস্ক ছাড়েন ট্রাম্প। অপারেশনের সঙ্গে পরিচিত একজন মার্কিন কর্মকর্তা এবং প্রেসিডেন্টের ভ্রমণের বিষয়ে অবগত অন্য এক ব্যক্তির সূত্রে ওয়াশিংটন পোস্ট এ খবর জানিয়েছে।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/08/11/1723861" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>পোস্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে নিয়ে সি-৩২এ বিমানটি ব্রিটেনের উদ্দেশ্যে উড়াল দেয় এবং রাত প্রায় ১০টা ২০ মিনিটে সেখানে পৌঁছায়। এর কয়েক মিনিট পরই পুরনো এয়ার ফোর্স ওয়ানের বিমানটি গণমাধ্যমকর্মীদের নিয়ে সেখানে অবতরণ করে।</p>

<p>তৃতীয় একটি বিমানে গোপন ফ্লাইটের এই তথ্য ফাঁসের পর হোয়াইট হাউসের কাছে মন্তব্য চাওয়া হলে, জনসংযোগ পরিচালক স্টিভ চেংয়ের একটি বিবৃতি দেন।</p>

<p>বিবৃতিতে বলা হয়, কাতার থেকে উপহার পাওয়া জেটটিতে উচ্চ-পর্যায়ের নিরাপত্তা প্রটোকল যুক্ত করা হয়েছে, যা প্রেসিডেন্ট এবং তার কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।</p>

<p>বিবৃতিতে বলা হয়, &lsquo;প্রেসিডেন্ট সম্প্রতি যেমনটা বলেছেন, আমেরিকার এমন অনেক শত্রু রয়েছে যারা তার ওপর নজর রাখছে এবং সেই হুমকিগুলো মোকাবেলা করতে আমরা আমাদের হাতের সব উপায় ব্যবহার করছি।&rsquo; তবে এই বিষয়ে পেন্টাগন কোনো মন্তব্য করেনি।</p>

<p>হোয়াইট হাউস স্বীকার না করলেও এয়ার ফোর্স ওয়ানের নতুন বিমানটির নিরাপত্তা শঙ্কা নিয়ে ওঠা প্রশ্ন কার্যত প্রমাণিত। কারণ আঙ্কারা থেকে ফেরার পরই নতুন বিমানটি আবার সংস্কারের জন্য পাঠানো হয়েছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1267-66.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[২৭১ কোটি রুপিতে পেন্টহাউস কিনে আলোচনায় মানব সারদানা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29290</link>
    <pubDate>Wed, 12 Aug 2026 09:26:34 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29290</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1369-55.jpg" />    <article>
<p>ভারতে একটি ডুপ্লেক্স পেন্টহাউসের দাম ২৭১ কোটি রুপি! অবিশ্বাস্য হলেও এটা সত্যি। সম্প্রতি শিল্পপতি মানব সারদানা দিল্লি-এনসিআরের গুরুগ্রামের একটি আল্ট্রা লাক্সারি আবাসিক প্রকল্পে ১৭ হাজার ২০০ বর্গফুটের বিলাসবহুল ডুপ্লেক্স পেন্টহাউসটি কেনেন।</p>
</article>

<article>এটিকে ভারতের সবচেয়ে ব্যয়বহুল একক বাড়ির সম্পত্তি লেনদেন হিসেবে বিচেনা করা হচ্ছে। এটি ভারতের অন্যতম শীর্ষ আবাসন প্রতিষ্ঠান ডিএলএফের উচ্চাভিলাসী প্রকল্প &lsquo;দ্য ডালিয়াস&rsquo;-এর অন্তর্ভুক্ত।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/08/10/1723592" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>ডিএলএপেফের ফ্ল্যাগশিপ সুপার-লাক্সারি প্রকল্পটি গুরুগ্রামের ৫৪ নাম্বার সেক্টরে গলফ কোর্স রোডের পাশে অবস্থিত। পেন্টহাউসটির সুপার এরিয়া প্রায় ১৭ হাজার ২০০ বর্গফুট এবং কার্পেট এরিয়া প্রায় ১০ হাজার ৫০০ বর্গফুট।</p>
</article>

<article>সুপার এরিয়া ধরলে পেন্টহাউসটির প্রতি বর্গফুটের দাম পড়েছে প্রায় ১ কোটি ৫৮ লাখ রুপি, আর কার্পেট এরিয়ার হিসেবে প্রতি বর্গফুটের দাম &nbsp;প্রায় ২ কোটি ৬০ লাখ টাকা রুপি। এই বিক্রয় চুক্তিটি গুরুগ্রামে বিলাসবহুল বাড়ির আকাশছোঁয়া দামকে তুলে ধরেছে। বর্তমানে উচ্চবিত্ত বিনিয়োগকারীদের কাছে এই ধরনের হাই-এন্ড অ্যাপার্টমেন্ট এবং পেন্টহাউসগুলোর জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/08/10/1723571" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>২৭১ কোটি রুপিতে পেন্টহাউস কিনে আলোচনায় এলেও মানব সারদানা একজন পরিচিত উদ্যোক্তা এবং দিল্লির ঐতিহ্যবাহী সারদানা পরিবারের সদস্য।</p>
</article>

<p>
<video autoplay="autoplay" loop="" playsinline="">Your browser does not support the video tag.</video>
</p>

<article>এই ব্যবসায়ী পরিবারের ১০০ বছরেরও বেশি সময়ের ঐতিহ্য রয়েছে। ১৯৬৯ সালে মানবের বাবা এসবি সারদানা এবং জগজিৎ সিং মিলে যৌথভাবে &#39;ইম্পেরিয়াল অটো ইন্ডাস্ট্রিজ&#39; নামের একটি অটোমোবাইল যন্ত্রাংশ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন, যা তাদের ভারতজুড়ে খ্যাতি এনে দেয়। মানব সারদানা ইম্পেরিয়াল অটো গ্রুপের সাথে যুক্ত এক ডজনেরও বেশি কোম্পানিতে পরিচালক &nbsp;হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>২০২৪ সালের অক্টোবরে গুরুগ্রামের ডিএলএফ ফেজ ৫-এর আওতায় ১৭ একর জায়গার ওপর একটি সুপার-লাক্সারি আবাসন প্রকল্প হিসেবে &lsquo;দ্য ডালিয়াস&rsquo; শুরু করে। বর্তমানে এটির নির্মাণকাজ চলছে।</p>
</article>

<article>২০২৯ থেকে ২০৩১ সালের মধ্যে প্রকল্পের ফ্ল্যাট এবং পেন্টহাউস হস্তান্তর শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই প্রকল্পে ১৫টি পেন্টহাউসসহ ৪২০টি অ্যাপার্টমেন্ট রয়েছে। প্রকল্পের প্রতিটি অ্যাপার্টমেন্টের দাম ১০০ কোটি থেকে ১৭০ কোটি রুপির মধ্যে। পেন্টহাউসগুলো আয়তনে অনেক বড় এবং প্রিমিয়াম লোকেশনে হওয়ায় এগুলোর দাম আরও অনেক বেশি। ডিএলএফ এই প্রকল্প থেকে ৪০ হাজার কোটি রুপিরও বেশি রাজস্ব আয়ের আশা করছে। ইতিমধ্যে প্রকল্পের ৬৫ ভাগেরও বেশি ইউনিট বিক্রি হয়ে গেছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/08/10/1723594" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>ভারতের বিলাসবহুল আবাসনের মানচিত্রে গুরুগ্রামকে তুলে ধরার ক্ষেত্রে &lsquo;দ্য ডালিয়াস&rsquo;-ই ডিএলএফের প্রথম আল্ট্রা-লাক্সারি প্রকল্প নয়। এর আগের প্রকল্প &lsquo;দ্য ক্যামেলিয়াস&rsquo; গলফ কোর্স রোড এলাকাটিকে দেশের অন্যতম একচেটিয়া বা অভিজাত আবাসিক এলাকা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সাহায্য করেছিল। করোনা মহামারির পরবর্তী সময়ে ভারতের প্রধান প্রধান আবাসন বাজারগুলোতে বিলাসবহুল বাড়ির ব্যাপক চাহিদা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে গুরুগ্রাম এবং মুম্বাইতে বেশ কিছু উচ্চ-মূল্যের অ্যাপার্টমেন্ট এবং পেন্টহাউস লেনদেন হয়েছে। কারণ ধনী ক্রেতারা এখন দিন দিন আরও বড় এবং অনন্য বাড়ির খোঁজ করছেন। ভারতের অন্যতম বৃহত্তম আবাসন প্রতিষ্ঠান ডিএলএফ এ পর্যন্ত ১৮৫টিরও বেশি প্রকল্প তৈরি করেছে।</p>

<p>ডিএলএফের ফ্ল্যাগশিপ প্রকল্প &lsquo;দ্য ডালিয়াস&rsquo;-এর পেন্টহাউসগুলোতে সাধারণ বিলাসবহুল ফ্ল্যাটের চেয়ে অনেক বেশি প্রিমিয়াম ও অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধা রাখা হয়েছে। &lsquo;দ্য ডালিয়াস&rsquo;-এ ১৭ একর জায়গায় ২৯ তলা বিশিষ্ট টাওয়ার থাকছে। প্রতিটি টাওয়ারের ২৮ ও ২৯ তলা নিয়ে মোট ১৫টি পেন্টহাউস বানানো হচ্ছ। পেন্টহাউসগুলো মূলত বিলাসবহুল ডুপ্লেক্স &nbsp;ফরম্যাটে তৈরি। সাধারণ ফ্ল্যাটের তুলনায় এগুলোর ছাদের উচ্চতা অনেক বেশি (প্রায় ১৩ ফুট), যা ঘরের ভেতর একটি রাজকীয় ও খোলামেলা পরিবেশ তৈরি করে।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/08/10/1723535" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>প্রকল্পের বাসিন্দাদের জন্য প্রায় সাড়ে ৩ লাখ বর্গফুটের একটি বিশাল ক্লাবহাউস থাকরছ; যেখানে ফাইন ডাইনিং রেস্তোরাঁ, রুফটপ বার, স্কাই লাউঞ্জ এবং ক্যাফে সুবিধা অন্তর্ভুক্ত। পেন্টহাউসগুলো থেকে আরাবল্লী পাহাড় এবং সংলগ্ন গলফ কোর্সের চমৎকার প্যানোরমিক ভিউ দেখা যাবে। এছাড়া পুরো আবাসনটি বিশাল কৃত্রিম হ্রদ ও সবুজ ল্যান্ডস্কেপ দিয়ে ঘেরা। সর্বোচ্চ প্রাইভেসি নিশ্চিত করতে প্রতিটি পেন্টহাউসের সাথে রয়েছে প্রাইভেট লিফটের লবি। এছাড়া রয়েছে নিজস্ব ইনফিনিটি পুল ও বিশাল খোলা টেরেস। পেন্টহাউসগুলোতে অত্যাধুনিক স্মার্ট হোম টেকনোলজি ব্যবহার করা হয়েছে।&nbsp;</p>

<p>এ ছাড়া বিনোদনের জন্য রয়েছে প্রাইভেট সিনেমা থিয়েটার ও মিউজিক পড। আবাসনটিতে সম্পূর্ণ গোপনীয়তা ও সুরক্ষার জন্য পাঁচ স্তরের নিরাপত্তা এবং সার্বক্ষণিক সিসিটিভি নজরদারি রয়েছে। এছাড়া অত্যাধুনিক আন্তর্জাতিক মানের জিমনেশিয়াম, লাক্সারি স্পা, সাউনা, যোগব্যায়াম ডেক এবং জগিং ট্র্যাকের সুবিধা রয়েছে &lsquo;দ্য ডালিয়াস&rsquo;-এ।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1369-55.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[স্বাধীনতা দিবসের আগে দিল্লিতে হাই অ্যালার্ট, ১৯ পলাতক সন্ত্রাসীর পোস্টার প্রকাশ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29289</link>
    <pubDate>Wed, 12 Aug 2026 09:24:47 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29289</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1434-44.jpg" />    <article>
<p>স্বাধীনতা দিবসকে সামনে রেখে দিল্লিতে উচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। নিরাপত্তাব্যবস্থার অংশ হিসেবে দিল্লি পুলিশ ১৯ জন মোস্ট-ওয়ান্টেড সন্ত্রাসীর ছবিসংবলিত পোস্টার প্রকাশ করেছে।</p>
</article>

<article>তাদের খুঁজে বের করতে সাহায্যকারীকে পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।
<p>&nbsp;</p>

<p><strong><a href="https://www.ptcnews.tv/amp/delhi-nation/delhi-high-alert-independence-day-19-wanted-terrorists-posters-4428044">পিটিসি নিউজের</a></strong> প্রতিবেদনে বলা হয়, পোস্টারগুলোতে ইন্ডিয়ান মুজাহিদিন, আল-কায়েদা এবং বিভিন্ন সন্ত্রাসী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত সন্দেহভাজনদের নাম রয়েছে। ১৫ আগস্টের উদযাপনের আগে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে এগুলো লাগানো হয়েছে।</p>
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/08/10/1723506" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সমন্বয়ে এই &lsquo;হাই অ্যালার্ট&rsquo; জারি করা হয়েছে।</p>
</article>

<article>যাতে সম্ভাব্য সন্ত্রাসী আক্রমণ রোধে সতর্কতা বৃদ্ধি পায়। এ সতর্কতা বিশেষ করে শহরের প্রধান সড়ক, সরকারি ভবন ও জনসাধারণের সমাগমস্থলগুলোকে লক্ষ্য করে প্রকাশ করা হয়েছে।
<p>&nbsp;</p>

<p><strong><a href="https://www.focusbarta.com/portal/focusbarta.com/general-1786442688">সতর্কতা ঘোষণা করার</a></strong> পরই দিল্লি পুলিশ ১৯ জন &lsquo;মোস্ট ওয়ান্টেড&rsquo; জঙ্গির ছবি, পরিচয়সহ পোস্টার প্রকাশ করেছে। এ তালিকায় আছে এমন কয়েকজন, যাঁরা পূর্বে দাঙ্গা, সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর অবৈধ কার্যক্রম ও আন্তর্জাতিক অপরাধে জড়িত ছিলেন।</p>
</article>

<p>
<video autoplay="autoplay" loop="" playsinline="">Your browser does not support the video tag.</video>
</p>

<article>ছবিগুলোতে প্রতিটি ব্যক্তির নাম, বয়স, অপরাধের ধরন, পুরস্কারসহ বিশদ তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে, যাতে নাগরিকরা সহজে শনাক্ত করতে পারে।
<p>&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/08/11/1723970" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>প্রকাশ্য পোস্টারগুলোকে ইতিমধ্যে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা ও শেয়ারিংয়ের মুখে পড়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, যেকোনো সন্দেহজনক চলাচল দ্রুত রিপোর্ট করা হলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া, নিরাপত্তা রক্ষার জন্য বিশেষ টহল, এয়ার সার্ভে ও সিসিটিভি নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।</p>

<p>নাগরিকদের কাছেও আপিল করা হয়েছে যে, নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সচেতন থাকবেন এবং অজানা কোনো ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ বা সহায়তা করা হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবিলম্বে জানাবেন।</p>
</article>

<article>এ ধরনের যৌথ প্রচেষ্টা সন্ত্রাসী চক্রকে ভেঙে ফেলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে বিশ্লেষকরা মত প্রকাশ করছেন।
<p>&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/08/10/1723562" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>হাই অ্যালার্ট ও &lsquo;মোস্ট ওয়ান্টেড&rsquo; পোস্টার প্রকাশের মাধ্যমে দিল্লি নিরাপত্তা ব্যবস্থার এক নতুন স্তর গড়ে তুলেছে। স্বাধীনতা দিবসের উদযাপনে শহরকে সুরক্ষিত রাখতে এই পদক্ষেপগুলো কেবল সতর্কতা নয়, বাস্তবিক ফলাফলও আনবে বলে আশা করা হচ্ছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1434-44.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[লোহিত সাগরে জাহাজে হুতির হামলায় নিহত ৩]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29288</link>
    <pubDate>Wed, 12 Aug 2026 09:23:28 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29288</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1520-33.jpg" />    <article>
<p>রান-সমর্থিত ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতিদের হামলায় লোহিত সাগরে একটি বাণিজ্যিক জাহাজের তিন ক্রু নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার এ অঞ্চলের বাব আল-মান্দেব প্রণালিতে জাহাজটিতে হামলা চালানো হয়।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>বার্তা সংস্থা রয়টার্সের <a href="https://www.reuters.com/world/asia-pacific/cargo-ship-attacked-red-sea-sources-say-2026-08-11/">এক প্রতিবেদনে</a> এ তথ্য জানিয়েছে ইয়েমেনের সরকারি বাহিনীর দুই সামরিক কর্মকর্তা ও দেশটির কোস্ট গার্ড সূত্র।</p>

<p>প্রতিবেদনে সামুদ্রিক নিরাপত্তা-সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, তানজানিয়ার পতাকাবাহী &lsquo;তিহামাহ&rsquo; নামের একটি জাহাজে এ হামলা হয়। হামলায় নিহত তিনজনের মধ্যে দুজন পাকিস্তানি এবং একজন ইন্দোনেশিয়ার নাগরিক। জাহাজটি ওমানের সালালাহ বন্দর থেকে জিবুতির দিকে যাচ্ছিল বলে জানা গেছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার পর মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত নতুন করে ছড়িয়ে পড়ার পর জাহাজে হুতিদের হামলায় প্রাণহানির এটিই প্রথম ঘটনা।</p>

<p>এর আগে গত মাসে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে লোহিত সাগরে নৌ অবরোধ ঘোষণা করে হুতিরা। তাদের দাবি, ইয়েমেনের ওপর অবরোধ আরোপ করেছে রিয়াদ। তবে রিয়াদ এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1520-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[হাইড্রেশন ব্রেক রেখে দিতে চায় ফিফা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/29287</link>
    <pubDate>Wed, 12 Aug 2026 09:22:41 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/29287</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1562-22.jpg" />    <article>
<p>২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে প্রতি অর্ধে তিন মিনিটের হাইড্রেশন ব্রেক (পানি পানের বিরতি) দিয়ে বিজ্ঞাপন থেকে বিপুল অর্থ আয় করেছে সম্প্রচারকারী প্রতিষ্ঠানগুলো। সেই সুযোগ ধরে রাখতে ২০৩০ ও ২০৩৪ বিশ্বকাপেও এই বিরতি বাধ্যতামূলক করার কথা ভাবছে ফিফা&mdash;এমনই প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম&nbsp;<em>ব্লুমবার্গ</em>।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>বিশ্বকাপ ম্যাচের মাঝপথে তিন মিনিটের বিরতিকে মূলত ফুটবলারদের পানি পান ও শরীর ঠান্ডা রাখার সুযোগ হিসেবে দেখা হয়েছে। সেটিই এখন ফিফার জন্য হয়ে উঠেছে বড় বাণিজ্যিক সম্ভাবনার জায়গা।</p>

<p><em>ব্লুমবার্গের</em> প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০৩০ ও ২০৩৪ বিশ্বকাপের সম্প্রচারস্বত্বের নতুন চুক্তিতে প্রতি অর্ধে বাধ্যতামূলক তিন মিনিটের বিরতি রাখার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করার কথা ভাবছে ফিফা। অর্থাৎ, ভবিষ্যতের বিশ্বকাপেও ম্যাচের মাঝপথে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য খেলা থামবে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>২০২৬ বিশ্বকাপে ফিফা প্রতিটি ম্যাচের দুই অর্ধেই তিন মিনিটের হাইড্রেশন ব্রেক বাধ্যতামূলক করেছিল। আবহাওয়া বা তাপমাত্রা যেমনই হোক, প্রতি অর্ধের মাঝামাঝি সময়ে এই বিরতি দেওয়ার নিয়ম ছিল। ফিফার ভাষ্য ছিল, খেলোয়াড়দের স্বাস্থ্য ও সুস্থতার কথা বিবেচনা করেই এই সিদ্ধান্ত।</p>

<p>কিন্তু এই বিরতি সম্প্রচারকারীদের জন্য তৈরি করেছে বিজ্ঞাপন দেখানোর আলাদা সুযোগ।</p>
</article>

<p>
<video autoplay="autoplay" loop="" playsinline="">Your browser does not support the video tag.</video>
</p>

<article>যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বকাপের সম্প্রচারস্বত্ব পাওয়া ফক্স স্পোর্টস এই বিরতিতে বিজ্ঞাপন দেখিয়ে বিপুল অর্থ আয় করেছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুধু এই তিন মিনিটের বিরতিকে ঘিরেই ফক্সের বিজ্ঞাপন আয় ২৫ কোটি ডলারের (৩ হাজার ৮৫ কোটি ৩১ লাখ টাকা) কাছাকাছি হতে পারে। ম্যাচের গুরুত্ব অনুযায়ী ৩০ সেকেন্ডের বিজ্ঞাপনের দাম ছিল প্রায় ২ লাখ (২ কোটি ৪৬ লাখ টাকা) থেকে ৭ লাখ ৫০ হাজার ডলার (৯ কোটি ২৫ লাখ টাকা) পর্যন্ত।</p>

<p>ফলে যে বিরতি শুরু হয়েছিল খেলোয়াড়দের স্বস্তির জন্য, সেটিই এখন সম্প্রচার ব্যবসার জন্য মূল্যবান বিজ্ঞাপনের সময় হয়ে দাঁড়িয়েছে।</p>

<p>২০২৬ বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পর ফিফার প্রধান বৈশ্বিক ফুটবল উন্নয়ন কর্মকর্তা আর্সেন ওয়েঙ্গার জানিয়েছিলেন, হাইড্রেশন ব্রেকের কারণে ম্যাচের ফল বা খেলার প্রবাহে উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়েনি।</p>
</article>

<article>তবে ভবিষ্যতের বিশ্বকাপে এই ব্যবস্থা থাকবে কি না, তখনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছিলেন তিনি।
<p>&nbsp;</p>

<p>তবে এখনকার নতুন প্রতিবেদনে ইঙ্গিত মিলছে, বাণিজ্যিক দিকটি ফিফার ভাবনায় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সম্প্রচারস্বত্বের নতুন চুক্তির শর্ত হিসেবে হাইড্রেশন ব্রেক রাখলে সম্প্রচারকারীরা আগে থেকেই নির্দিষ্ট বিজ্ঞাপনের জন্য সময় ঠিক করার নিশ্চয়তা পাবে।</p>

<p>২০৩০ ও ২০৩৪ বিশ্বকাপের সম্প্রচারস্বত্ব নিয়েও এরই মধ্যে বড় প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সম্প্রচারস্বত্বের বাজারে নেটফ্লিক্স, ডিজনি ও ইউটিউব আগ্রহ দেখিয়েছে। আমাজন ও অ্যাপলও সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আলোচনায় রয়েছে।&nbsp;</p>

<p>বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতিটি বিশ্বকাপের জন্য সম্প্রচারস্বত্ব কিনতে প্রতিষ্ঠানগুলো ১৫০ কোটি ডলার (১৮ হাজার ৫১১ কোটি ৮৯ লাখ টাকা) থেকে ২০০ কোটি ডলার (২৪ হাজার ৬৮২ কোটি ৫২ লাখ টাকা) পর্যন্ত বাজেট ধরছে।</p>

<p>ফিফা এবার যুক্তরাষ্ট্রের ইংরেজি ও স্প্যানিশ ভাষার সম্প্রচারস্বত্ব একসঙ্গে বিক্রি করার কথাও ভাবছে। এতে স্বাভাবিকভাবেই স্বত্বের দাম আরো বাড়তে পারে।</p>

<p>অর্থাৎ, বিশ্বকাপ এখন শুধু মাঠের লড়াই নয়; বরং সম্প্রচার, বিজ্ঞাপন ও বিপুল অর্থেরও প্রতিযোগিতা। আর সেই বাণিজ্যিক সমীকরণে ম্যাচের মাঝের তিন মিনিটের হাইড্রেশন ব্রেক যে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে, ২০২৬ বিশ্বকাপের অভিজ্ঞতা সেটিই বুঝিয়ে দিচ্ছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1562-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[দেড় বছর আগেই বিয়ে করেছেন সোহানা সাবা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/29286</link>
    <pubDate>Wed, 12 Aug 2026 09:19:51 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/29286</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1659-11.jpg" />    <article>
<p>দীর্ঘদিন ধরে একমাত্র সন্তানকে ঘিরেই নিজের জীবন সাজিয়েছেন অভিনেত্রী সোহানা সাবা। ব্যক্তিগত জীবনে নানা উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে যাওয়া এই অভিনেত্রীর জীবনে এবার এসেছে নতুন অধ্যায়।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রায় সাড়ে পাঁচ বছরের সম্পর্কের পর দেড় বছর আগেই বিয়ে করেছেন তিনি। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের দাম্পত্য জীবনের কথা জানিয়ে বিষয়টি সামনে আনেন সাবা।</p>

<p>সোহানা সাবার বর্তমান স্বামীর নাম ফয়সাল। পেশায় তিনি একজন ব্যবসায়ী।</p>
</article>

<article>তবে ব্যক্তিগত জীবনের এই অধ্যায় নিয়ে বিস্তারিত কিছু প্রকাশ করতে চান না অভিনেত্রী। স্বামীর সঙ্গে ভালো আছেন&mdash;এটুকুই জানিয়েছেন তিনি।
<p>&nbsp;</p>

<p>সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সোহানা সাবা বলেন, &lsquo;আমার স্বামী, আমরা ভালো আছি। সাড়ে পাঁচ বছরের সম্পর্ক।</p>
</article>

<p>
<video autoplay="autoplay" loop="" playsinline="">Your browser does not support the video tag.</video>
</p>

<article>বিয়ে অনেক আগে হয়েছে। দিন-তারিখ বলতে চাই না। আমার ছেলে অনেক খুশি।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>সাবার এই বক্তব্যের মধ্য দিয়ে তার ব্যক্তিগত জীবনের নতুন অধ্যায়ের খবর প্রকাশ্যে আসে। তবে বিয়ের দিন-তারিখ কিংবা স্বামীর সঙ্গে সম্পর্কের বিস্তারিত তথ্য জানাতে আগ্রহী নন তিনি।</p>
</article>

<article>বরং নতুন সংসারে ভালো থাকার কথাই জানিয়েছেন এই অভিনেত্রী।
<p>&nbsp;</p>

<p>এর আগে নির্মাতা ও অভিনেতা মুরাদ পারভেজের সঙ্গে ভালোবেসে ঘর বেঁধেছিলেন সোহানা সাবা। প্রায় এক দশকের সেই সংসারে তাদের একটি সন্তান রয়েছে। তবে ২০১৫ সালে সেই দাম্পত্য জীবনের ইতি ঘটে। বিচ্ছেদের পর একমাত্র সন্তানকে নিয়ে নিজের মতো করে জীবন এগিয়ে নেন তিনি।</p>

<p>টেলিভিশন নাটকের মাধ্যমে পরিচিতি পাওয়া সোহানা সাবা পরবর্তী সময়ে বড় পর্দায়ও নিজের অবস্থান তৈরি করেন। অভিনেত্রী ও নির্মাতা কবরীর পরিচালনায় &lsquo;আয়না&rsquo; সিনেমার শুটিংয়ের মধ্য দিয়ে বড় পর্দায় তার যাত্রা শুরু হয়। তবে মুক্তির দিক থেকে মোরশেদুল ইসলামের &lsquo;খেলাঘর&rsquo; ছিল তার প্রথম মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা। &lsquo;খেলাঘর&rsquo; মুক্তির পরের মাসে প্রেক্ষাগৃহে আসে &lsquo;আয়না&rsquo;।</p>

<p>এরপর একে একে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন সোহানা সাবা। তার অভিনীত সিনেমার তালিকায় রয়েছে &lsquo;চন্দ্রগ্রহণ&rsquo;, &lsquo;প্রিয়তমেষু&rsquo;, &lsquo;বৃহন্নলা&rsquo; ও &lsquo;অসম্ভব&rsquo;। ভিন্নধর্মী গল্প ও চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে বড় পর্দায়ও নিজের আলাদা পরিচিতি তৈরি করেছেন তিনি।</p>

<p>শুধু দেশের চলচ্চিত্রেই সীমাবদ্ধ থাকেননি সোহানা সাবা। ভারতের চলচ্চিত্রেও কাজ করেছেন এই অভিনেত্রী। দেশটির &lsquo;ষড়্&zwnj;রিপু&rsquo; ও &lsquo;এপার ওপার&rsquo; সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1659-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[জ্যাকসন হাইটসে বঙ্গবন্ধুর ৫১তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হবে ১৫ আগস্ট]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/29285</link>
    <pubDate>Wed, 12 Aug 2026 08:19:35 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/29285</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/08112026_image05_shokaboho_august.jpg" />    <p>বিশেষ প্রতিনিধিঃ নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৫১তম মৃত্যুবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উদযাপিত হতে যাচ্ছে। আগামী ১৫ আগস্ট&nbsp;২০২৬, শনিবার জ্যাকসন হাইটসের ৩৭-২২, ৭৩ স্ট্রিটে (নবান্ন রেস্টুরেন্টের সামনে) &lsquo;জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসী&rsquo;র উদ্যোগে এই শোকসভা, দোয়া মাহফিল ও তবারক বিতরণ অনুষ্ঠিত হবে। দুপুর ১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত এই কর্মসূচি চলবে। দিবসের অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে এক হাজার জায়নামাজ বিতরণ, রক্তদান কর্মসূচি এবং গাছের চারা বিতরণ।</p>

<p>অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন শাকিল মিয়া এবং পরিচালনা করবেন শাহ নেওয়াজ। আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন মীর নিজামুল হক এবং সদস্য সচিব হিসেবে থাকবেন মামুন মিয়াজী। অনুষ্ঠানের চেয়ারম্যান হারুন ভূঁইয়া ও সাধারণ সম্পাদক মো. আলম নমির পাশাপাশি সার্বিক তত্ত্বাবধানে থাকছেন শাহ জে. চৌধুরী এবং প্রধান সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন মইনুল ইসলাম ও ময়নু জামান চৌধুরী। অনুষ্ঠানের প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে রয়েছেন এম এ আজিজ ও আসেফ বারী টুটুল। এছাড়াও যুগ্ম আহ্বায়ক, যুগ্ম সদস্য সচিব, কো-চেয়ারম্যান এবং বিভিন্ন পৃষ্ঠপোষক ও উপদেষ্টাগণের সমন্বয়ে একটি বড় কমিটি এই আয়োজন সফল করতে কাজ করছে।</p>

<p><img alt="" src="https://khabor.com/upload/images/news/08112026_image05_shokaboho_august.jpg" style="width: 899px; height: 1266px;" /></p>

<p>গোল্ডেন এইজ হোম কেয়ার, এন ওয়াই হোম কেয়ার, অল কাউন্টি হোম কেয়ার, বারী হোম কেয়ারসহ অসংখ্য ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় এই আয়োজন সম্পন্ন হতে যাচ্ছে। আয়োজক সংগঠনের পক্ষ থেকে বাঙালি জাতির জনকের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় আয়োজিত এই দোয়া মাহফিল ও তবারক বিতরণ অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট এলাকার সকল প্রবাসী বাংলাদেশিকে উপস্থিত থাকার জন্য বিনীত অনুরোধ জানানো হয়েছে।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/08112026_image05_shokaboho_august.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[Self-Declared Balochistan Independence Day Observed Today with Events Worldwide]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/english/29284</link>
    <pubDate>Tue, 11 Aug 2026 20:30:07 +0600</pubDate>
    <category> English </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/english/29284</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/08112026_image01_beluchisttan_independence_day.jpg" />    <p>Shibbir Ahmed, New York: Baloch nationalists, rights activists and members of the diaspora are observing August 11 as the self-declared &ldquo;Balochistan Independence Day&rdquo; with various programs around the world, commemorating what they describe as a historic development in 1947.</p>

<p>According to Baloch nationalist groups, the Khanate of Kalat emerged as an independent state on August 11, 1947, following the end of British rule in the region. However, several months later, in March 1948, Pakistan incorporated the territory into the country. Baloch activists have long regarded August 11 as their principal day of independence and continue to promote the date internationally.</p>

<p>To mark the occasion, Baloch diaspora organizations in the United Kingdom, Germany, Canada and other parts of Europe and North America have organized rallies, seminars and cultural programs. Supporters are also using social media hashtags to draw international attention to their demand for Balochistan&rsquo;s independence. The self-declared &ldquo;Republic of Balochistan&rdquo; government has also issued a special message marking the day.</p>

<p><img alt="" src="https://khabor.com/upload/images/news/08112026_image03_beluchisttan_independence_day.jpg" style="width: 1280px; height: 667px;" /></p>

<p>The day, however, has no formal recognition in the international community. Neither the United Nations nor any sovereign state has recognized Balochistan as an independent country. Pakistan, meanwhile, has consistently rejected the Baloch nationalists&rsquo; claims, maintaining that Balochistan is an integral and legally constituted part of Pakistan. Islamabad has also continued its policy of taking strong measures against separatist activities in the region.</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/08112026_image01_beluchisttan_independence_day.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বেলুচিস্তানের স্বঘোষিত স্বাধীনতা দিবস আজ: বিশ্বজুড়ে বেলুচদের নানা কর্মসূচি]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29283</link>
    <pubDate>Tue, 11 Aug 2026 20:28:31 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29283</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/08112026_image03_beluchisttan_independence_day.jpg" />    <p>শিব্বীর আহমেদ, নিউ ইয়র্ক: ১৯৪৭ সালের ঐতিহাসিক চুক্তিকে স্মরণ করে আজ ১১ আগস্ট বিশ্বজুড়ে স্বঘোষিত &lsquo;বেলুচিস্তান স্বাধীনতা দিবস&rsquo; পালন করছেন বেলুচ জাতীয়তাবাদী, অধিকারকর্মী ও প্রবাসী সম্প্রদায়।জাতীয়তাবাদীদের দাবি অনুযায়ী, ১৯৪৭ সালের ১১ আগস্ট ব্রিটিশ শাসন অবসানের পর &#39;কালত খানাত&#39; (Khanate of Kalat) একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছিল। তবে এর মাত্র কয়েক মাস পর, ১৯৪৮ সালের মার্চ মাসে পাকিস্তান অঞ্চলটি নিজেদের অন্তর্ভুক্ত করে নেয়। বেলুচ আন্দোলনকারীরা দীর্ঘ সময় ধরে এই দিনটিকে তাদের মূল স্বাধীনতা দিবস হিসেবে দাবি করে আসছেন।</p>

<p>আজকের দিনটি উপলক্ষে যুক্তরাজ্য, জার্মানি, কানাডাসহ ইউরোপ ও আমেরিকার বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত প্রবাসী বেলুচ সংগঠনগুলো সমাবেশ, সেমিনার এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও হ্যাশট্যাগ ব্যবহারের মাধ্যমে এই দিবসের পক্ষে বিশ্ববাসীর দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা চলছে। স্বঘোষিত &#39;রিপাবলিক অব বেলুচিস্তান&#39; সরকার দিনটি উদযাপনের জন্য বিশেষ বার্তা প্রকাশ করেছে।</p>

<p><img alt="" src="https://khabor.com/upload/images/news/08112026_image01_beluchisttan_independence_day.jpg" style="width: 899px; height: 662px;" /></p>

<p>তবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এই দিবসের কোনো আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি নেই। জাতিসংঘ বা বিশ্বের কোনো সার্বভৌম রাষ্ট্র বেলুচিস্তানের এই স্বঘোষিত স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি দেয়নি। অন্যদিকে, পাকিস্তান সরকার বেলুচ জাতীয়তাবাদীদের এই দাবিকে সম্পূর্ণ নাকচ করে দিয়ে আসছে। ইসলামাবাদের পক্ষ থেকে বেলুচিস্তানকে পাকিস্তানের একটি অবিচ্ছেদ্য এবং আইনি অংশ হিসেবে গণ্য করা হয় এবং অঞ্চলটিতে যেকোনো ধরনের বিচ্ছিন্নতাবাদী তৎপরতাকে কঠোর হস্তে দমন করার নীতি বজায় রাখা হয়েছে।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/08112026_image03_beluchisttan_independence_day.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বুয়েটের সাবেক শিক্ষার্থী ইরফান আল-হুসাইনির মৃত্যুর ঘটনায় স্বচ্ছ তদন্তের দাবি বন্ধুদের]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/29282</link>
    <pubDate>Tue, 11 Aug 2026 10:58:14 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/29282</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/421-3.jpg" />    <p>যুক্তরাষ্ট্রে বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের ২০১২ ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থী ইরফান আল-হুসাইনির মৃত্যুর ঘটনায় স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তাঁর বন্ধু ও সহপাঠীরা।</p>

<p>বন্ধুদের পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, গত ২২ জুলাই ক্যালিফোর্নিয়ার স্ট্যানফোর্ডে নিজ বাসভবনে ইরফানকে অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে প্রায় নয় দিন লাইফ সাপোর্টে থাকার পর তিনি মারা যান।</p>

<p>বিবৃতিতে দাবি করা হয়, ঘটনাটিকে আত্মহত্যাজনিত ফাঁসের ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করা হলেও এর আগে ও পরের ঘটনাপ্রবাহে কিছু অসংগতি রয়েছে, যা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন।</p>

<p>বন্ধুদের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার দিন সকালে ইরফানের একটি কর্মস্থল-সংক্রান্ত প্রেজেন্টেশন ছিল। সেটি শেষ হওয়ার পর তিনি টিমের গ্রুপ চ্যাটে বার্তা পাঠিয়ে জানান, &quot;Athe&quot; অসুস্থ বোধ করছে এবং তিনি দিনের বাকি সময় ছুটি নেবেন। বিবৃতিতে দাবি করা হয়, সহকর্মীদের অনেকেই &quot;Athe&quot; নামে কাউকে চিনতেন না।</p>

<p data-added-after="1">এদিকে, পালো অল্টো পুলিশ বিভাগের নথির বরাত দিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়, সেদিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ইরফানের বাসা থেকে ৯১১ নম্বরে জরুরি কল করা হয়। বন্ধুদের দাবি, চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী দীর্ঘ সময় মস্তিষ্কে অক্সিজেন বা রক্ত সরবরাহ না হওয়ায় তাঁর মস্তিষ্কে অপরিবর্তনীয় ক্ষতি হয়েছিল। এসব তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনার সময়রেখা ও তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তারা।</p>

<p>বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ইরফানের পেশাগত জীবন সফল ছিল এবং সম্প্রতি তিনি পদোন্নতি পেয়েছিলেন। তবে ব্যক্তিগত ও বৈবাহিক জীবন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই তিনি মানসিক চাপে ছিলেন বলে তাঁর কয়েকজন ঘনিষ্ঠ বন্ধু দাবি করেছেন।</p>

<p>এছাড়া, ইরফানের স্ত্রী অ্যাথেনার বিরুদ্ধে নিয়ন্ত্রণমূলক আচরণ, মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এসব অভিযোগ স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।</p>

<p>বন্ধুরা তাদের বিবৃতিতে বলেন, ইরফানের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটন, সম্ভাব্য সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করা এবং প্রয়োজন হলে দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনতে নিরপেক্ষ তদন্ত জরুরি। একই সঙ্গে এ ঘটনায় যাদের কাছে কোনো তথ্য বা প্রমাণ রয়েছে, তাদের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে তা ভাগ করে নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/421-3.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[এক লাখ ৭৫ হাজারের বেশি ভিসা বাতিল করল ট্রাম্প প্রশাসন]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/29281</link>
    <pubDate>Tue, 11 Aug 2026 10:57:43 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/29281</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/699-2.jpg" />    <p>ট্রাম্প প্রশাসন সোমবার জানিয়েছে, চলতি বছরে তারা এক লাখ পঁচাত্তর হাজারেরও বেশি বিদেশি নাগরিকের ভিসা বাতিল করেছে। অভিযোগের তালিকায় আছে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে শুরু করে মার্কিন নাগরিকদের বিরুদ্ধে সহিংসতার আহ্বান পর্যন্ত নানা কারণ। পররাষ্ট্র দপ্তরের ভাষ্য অনুযায়ী, বাতিল হওয়া ভিসার বেশিরভাগই এসেছে &quot;আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সংঘটিত ঘটনা&quot; থেকে। এটি অভিবাসন আইনজীবীদের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। তাঁদের আশঙ্কা, বিচারিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে না গিয়েই সামান্য অভিযোগ বা এমনকি অপ্রমাণিত মামলার ভিত্তিতেও অনেকের ভিসা কেড়ে নেওয়া হচ্ছে।</p>

<p>সংখ্যার হিসাবেও এবারের পরিসংখ্যান আগের চেয়ে বেশ চড়া। ২০২৫ সালে গোটা বছরে বাতিল হয়েছিল প্রায় আট হাজার ভিসা। সেখানে ২০২৬ সালে গড়ে প্রতি মাসে দশ হাজারেরও বেশি ভিসা বাতিলের ঘটনা ঘটছে। জানুয়ারি মাসেই প্রশাসন ঘোষণা দিয়েছিল, আগের এক বছরে তারা এক লাখেরও বেশি ভিসা বাতিল করেছে। এই ধারাবাহিক ঊর্ধ্বগতিকে প্রশাসন অভিহিত করছে পররাষ্ট্র দপ্তরের &quot;নিরবচ্ছিন্ন যাচাই-প্রক্রিয়া&quot; হিসেবে। যার লক্ষ্য ভিসাধারীরা যেন শর্ত মেনে চলেন এবং আমেরিকানদের জন্য হুমকি হয়ে না ওঠেন।</p>

<p>পররাষ্ট্র দপ্তরের বিবৃতি বলছে, বাতিল হওয়া ভিসার সিংহভাগের পেছনে আছে হামলা, মাতাল অবস্থায় গাড়ি চালানো, চুরি ও মাদক সংক্রান্ত অপরাধ। এর বাইরে বেপরোয়া গাড়িচালনা, যৌন নিপীড়ন, শিশু নির্যাতন, প্রতারণা ও তহবিল তছরুপের মতো অভিযোগও উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় আছে। প্রশাসনের ভাষায়, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী রুবিওর নেতৃত্বে যেসব বিদেশি নাগরিক আমেরিকার জনগণের নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ, তাঁদের চিহ্নিত করে ভিসা বাতিলের কাজ চলবে অব্যাহতভাবে।</p>

<p data-added-after="1">তালিকায় বিশেষভাবে উঠে এসেছে এমন কয়েকজনের প্রসঙ্গ, যাঁরা গত বছর নিহত রক্ষণশীল রাজনৈতিক কর্মী চার্লি কার্কের মৃত্যুতে উল্লাস প্রকাশ করেছিলেন। পররাষ্ট্র দপ্তরের দাবি, এমন মন্তব্যকারীদের কারও কারও ভিসা কেবল এই কারণেই বাতিল হয়েছে যে তাঁরা কার্কের মৃত্যুকে রাজনৈতিক প্রতিশোধ হিসেবে স্বাগত জানিয়েছিলেন বা বলেছিলেন তাঁর মৃত্যু আরও আগে হওয়া উচিত ছিল।</p>

<p>এই তালিকায় সবচেয়ে আলোচিত নাম বিয়াল্লিশ বছর বয়সী তু লু ভাং-এর।ছয় সন্তানের জনক এই ব্যক্তিকে গত মাসে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ লাওসে ফেরত পাঠিয়েছে। কয়েক সপ্তাহ আগেই মিনেসোটার গভর্নর টিম ওয়ালজ তাঁকে ২০০৫ সালের এক শিশু যৌন নির্যাতন মামলায় ক্ষমা করেছিলেন। তা সত্ত্বেও পররাষ্ট্র দপ্তর তাঁকে &quot;পররাষ্ট্রনীতিগত কারণে&quot; বহিষ্কারের আওতায় ফেলেছে।</p>

<p>&quot;পররাষ্ট্রনীতিগত কারণে&quot; বহিষ্কৃতদের তালিকায় আরও আছেন কমিউনিস্ট শাসনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে কিউবার কয়েকজন নাগরিক।ইরান সরকারের সঙ্গে সংযোগ থাকা ইরানি নাগরিকেরা, এবং কুয়েতের এক নাগরিক, যাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি প্রেসিডেন্ট ও যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সহিংসতা কামনা করেছিলেন এবং আমেরিকানদের নিজের &quot;শত্রু&quot; বলে অভিহিত করেছিলেন।</p>

<p data-added-after="1">বাতিল হওয়া ভিসাগুলোর মধ্যে যৌন নিপীড়ন বা নাবালকদের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ, অপহরণ, মানব পাচার, মাদক বা মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানো এবং প্রতারণার অভিযোগও রয়েছে। উত্তর আফ্রিকার একটি মার্কিন দূতাবাস আলাদাভাবে জানিয়েছে, তারা শতাধিক এমন অভিভাবকের ভিসা বাতিল করেছে।যাঁরা মূলত সন্তানের জন্মসূত্রে মার্কিন নাগরিকত্ব পাইয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যেই যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েছিলেন&mdash;অভিবাসন বিতর্কে যা পরিচিত &quot;জন্ম-পর্যটন&quot; নামে।</p>

<p>পররাষ্ট্র দপ্তরের ভাষায় সবশেষে যে কথাটি জোর দিয়ে বলা হয়েছে, তা হলো&mdash;মার্কিন ভিসা কোনো অধিকার নয়, বরং একটি সুবিধা, এবং এই সুবিধার অপব্যবহার ঠেকাতে প্রশাসন হাতের সব উপায় কাজে লাগাতে বদ্ধপরিকর।</p>

<p>সংখ্যার এই উল্লম্ফন যতটা প্রশাসনিক কড়াকড়ির প্রমাণ বহন করে, ততটাই প্রশ্ন তুলে দেয় স্বচ্ছতা নিয়ে। &quot;আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সংঘটিত ঘটনা&quot; - এর আড়ালে ঠিক কতজনের বিরুদ্ধে প্রকৃত অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে, আর কতজন শুধু সন্দেহ বা সামান্য অভিযোগের ভিত্তিতে দেশ থেকে বিতাড়িত হয়েছেন&mdash;সেই হিসাব এখনো স্পষ্ট নয়। যারা বৈধ ভিসা নিয়েও যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন, প্রতিদিনকার অনিশ্চয়তার একটি নতুন মাত্রা এখন যোগ হয়েছে।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/699-2.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[অভিবাসন ব্যয় কমিয়ে আনতে কাজ করছে সরকার : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29280</link>
    <pubDate>Tue, 11 Aug 2026 10:57:15 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29280</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/965-1.jpg" />    <article>
<p>পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশি কর্মীদের অভিবাসন খরচ অনেক বেশি। অসাধু ব্যবসায়ী ও সিন্ডিকেটের কারণে জমিজমা বিক্রি করে প্রবাসীদের ১০ থেকে ১৪ লাখ টাকা খরচ করে বিদেশে আসতে হয়।</p>
</article>

<article>বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর এই খরচ কমিয়ে সর্বোচ্চ তিন লাখ টাকার মধ্যে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নিয়ে কাজ শুরু করেছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>সোমবার (১০ আগস্ট) সিঙ্গাপুরে &lsquo;দ্বিতীয় বাংলাদেশ রেমিট্যান্স সম্মাননা-২০২৬ সিঙ্গাপুর&rsquo; অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। &lsquo;বাংলাদেশ রেমিট্যান্স সম্মাননা ২০২৫-সিঙ্গাপুর&rsquo;-এর সাফল্যের ধারাবাহিকতায় এবার দ্বিতীয়বারের মতো এ আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠিয়ে দেশের অর্থনীতিতে বিশেষ অবদান রাখা প্রবাসীদের সম্মাননা দেওয়া হয়।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/national/2026/08/10/1723588" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী প্রবাসী বাংলাদেশিদের দেশের অর্থনীতি ও উন্নয়নে অবদানের জন্য কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধা জানান। তিনি বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশের গর্ব ও শক্তি। তাদের কঠোর পরিশ্রম একদিকে পরিবারের জীবনমান উন্নত করছে, অন্যদিকে দেশের অর্থনীতির ভিত শক্তিশালী করছে।</p>

<p>পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জানান, বর্তমানে প্রায় দেড় লাখ বাংলাদেশি সিঙ্গাপুরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাতে কর্মরত রয়েছেন।</p>
</article>

<article>২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশে প্রায় ৪৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। এর মধ্যে সিঙ্গাপুর থেকে এসেছে প্রায় ৪৭৫ দশমিক ০৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি বলেন, অভিবাসীদের সেবা ও সমস্যা দ্রুত সমাধানে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি পৃথক অভিবাসন শাখা খোলা হয়েছে। এটি প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যৌথ কর্মদল হিসেবে কাজ করছে।</p>

<p>বাংলাদেশ ও সিঙ্গাপুরের মধ্যে জনশক্তি ও কর্মসংস্থান সহযোগিতা আরো সম্প্রসারিত হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দক্ষতা উন্নয়ন, পুনঃকর্মসংস্থান, আন্তঃপ্রতিষ্ঠান কর্মী স্থানান্তর এবং ন্যায্য কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>সিঙ্গাপুরপ্রবাসী বাংলাদেশিদের পাঁচটি বিষয়ে বিশেষ অনুরোধ জানান শামা ওবায়েদ। এগুলো হলো&mdash;হুন্ডি পরিহার করে বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠানো, সিঙ্গাপুরের আইন ও কর্মসংস্কৃতির প্রতি সম্মান দেখানো, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারে দায়িত্বশীল থাকা, উগ্রবাদ ও বিদ্বেষমূলক প্রচারণা থেকে বিরত থাকা এবং নতুন প্রযুক্তি, কারিগরি জ্ঞান ও ভাষা দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে নিজেদের দক্ষ করে তোলা।</p>

<p>এ ছাড়া ভিন্ন ভাষা ও ধর্মের মানুষের প্রতি সম্মান দেখিয়ে সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান জানান তিনি।</p>

<p>সম্প্রতি সিঙ্গাপুরে বেতন-বকেয়া ও কর্মসংস্থান হারানো বাংলাদেশি কর্মীদের সহায়তায় সিঙ্গাপুরের সংশ্লিষ্ট কূটনীতিক, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও জনশক্তি মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতার জন্যও তিনি ধন্যবাদ জানান।</p>

<p>প্রবাসীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দেশে স্বচ্ছ, দুর্নীতিমুক্ত ও একক সেবার আওতাভুক্ত বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি করছে। বিদেশে প্রতিষ্ঠিত প্রবাসীরা শুধু রেমিট্যান্স প্রেরক না হয়ে বাংলাদেশে বিনিয়োগকারী ও উদ্যোক্তা হিসেবে ভূমিকা রাখলে দেশের বিপুল তরুণ জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বড় ভূমিকা রাখবে।</p>

<p>অনুষ্ঠানে সিঙ্গাপুরে কর্মরত ১৫ জন অসাধারণ প্রবাসী &lsquo;রেমিট্যান্স যোদ্ধাকে&rsquo; সম্মাননা দেওয়া হয়। এ ছাড়া চারটি প্রতিষ্ঠান, দুজন সিআইপি এবং সিঙ্গাপুরে বাংলাদেশভিত্তিক ব্যাংকগুলোর আওতাধীন শীর্ষস্থানীয় তিনটি এক্সচেঞ্জ হাউজকে বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হয়। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সম্মাননাপ্রাপ্তদের হাতে স্মারক তুলে দেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/965-1.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[শহীদদের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে দায়িত্বশীল আচরণের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29279</link>
    <pubDate>Tue, 11 Aug 2026 10:55:00 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29279</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/833-99.jpg" />    <article>
<p>জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে দায়িত্বশীল আচরণ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, &lsquo;৭১ ও ২৪-এর শহীদদের লক্ষ্য ছিল মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা।</p>
</article>

<article>যেখানে মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণ হবে এবং সবাই শান্তিতে বসবাস করতে পারবে।&rsquo; &nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>সোমবার (১০ আগস্ট) বিকেলে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ সভাকক্ষে আয়োজিত জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে বাংলাদেশ স্কাউটসের শহীদদের পরিবারের সদস্যদের সম্মাননা ও আর্থিক সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/national/2026/08/10/1723588" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>তিনি বলেন, &lsquo;জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে যারা শহীদ হয়েছেন, তাদের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য ছিল দেশে একটি পরিবর্তন আনা। এমন একটি পরিবর্তন, যার মধ্য দিয়ে মানুষের মৌলিক চাহিদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে এবং মানুষ অন্তত শান্তিতে বসবাস করতে পারবে।</p>
</article>

<article>&rsquo; &nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রধানমন্ত্রী বলেন, &lsquo;শহীদদের আত্মত্যাগের ঋণ শোধ করার ক্ষমতা কারোর নেই। যারা শহীদ হয়েছেন, তারা একটি মহৎ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য লড়াই করতে গিয়ে তাদের জীবন দিয়েছেন। তাদের আত্মত্যাগের যথাযথ মর্যাদা নিশ্চিত করতে হলে শুধু তাদের স্মরণ করলেই হবে না; তাদের মধ্যে থেকে আমরা যারা বেঁচে আছি, আমাদের প্রত্যেককেই নিজ নিজ জায়গা থেকে দেশের জন্য কাজ করতে হবে।&rsquo;</p>

<p>বাংলাদেশ স্কাউটসদের সদস্যদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, &lsquo;সবাইকে দেশ ও জাতির জন্য কাজ করতে হবে।</p>
</article>

<article>মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং প্রাণ-প্রকৃতির পাশে থাকার মানসিকতা গড়ে তুলতে হবে। দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করার পাশাপাশি অন্যদেরও এই কাজে উদ্বুদ্ধ করতে হবে।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>অনুষ্ঠানে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে বাংলাদেশ স্কাউটসের ১০ শহীদ পরিবারের হাতে আর্থিক অনুদানের চেক ও সম্মাননা পদক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/national/2026/08/10/1723603" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>এ সময় বাংলাদেশ স্কাউটসের সভাপতি নাসিমুল গণি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের অবদান ও আত্মত্যাগ নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে জাতীয় পাঠ্যক্রমে তাদের ভূমিকা অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান।</p>

<p>অনুষ্ঠানে শিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিনসহ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/833-99.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বাংলাদেশসহ অংশীদার দেশগুলোর সঙ্গে বন্ধুত্ব আরো জোরদারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29278</link>
    <pubDate>Tue, 11 Aug 2026 10:54:25 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29278</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1026-88.jpg" />    <article>
<p>ঢাকায় উদযাপিত হয়েছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক জোট আশিয়ানের ৫৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশসহ অংশীদার দেশগুলোর সঙ্গে বন্ধুত্ব, সংলাপ ও সহযোগিতা আরো জোরদারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>সোমবার (১০ আগস্ট) রাজধানীর গুলশানের রেনেসাঁ ঢাকায় আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আশিয়ানভুক্ত দেশগুলোর ঢাকায় নিযুক্ত মিশনপ্রধানরা এ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করেন।</p>

<p>অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আশিয়ানের প্রায় ছয় দশকের অর্জন, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য এবং শান্তিপূর্ণ, সমৃদ্ধ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই ভবিষ্যৎ গড়ার অভিন্ন প্রত্যয় তুলে ধরা হয়।</p>

<p>প্রতিবছর ৮ আগস্ট আশিয়ান দিবস পালন করা হয়। ১৯৬৭ সালের ৮ আগস্ট ব্যাংককে পাঁচটি দেশ ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর ও থাইল্যান্ড আশিয়ান প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেয়।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>এবারের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর প্রতিপাদ্য ছিল &lsquo;নেভিগেটিং আওয়ার ফিউচার, টুগেদার&rsquo;। আঞ্চলিক যোগাযোগের স্থিতিস্থাপকতা, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং খাদ্য সরবরাহের স্থিতিশীলতার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে এ প্রতিপাদ্যে।</p>

<p>অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিনুর রশিদ। এতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা, ঢাকায় নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধি, ব্যবসায়ী ও বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন আশিয়ান ঢাকা কমিটির চেয়ারম্যান ও ঢাকায় নিযুক্ত মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার মোহাম্মদ শুহাদা উথমান। এরপর ২০২৬ সালে আশিয়ানের সভাপতিত্বকারী দেশ ফিলিপাইনের রাষ্ট্রদূত নিনা পাদিলা কেইংলেট আশিয়ান দিবস উপলক্ষে বক্তব্য দেন।</p>

<p>অনুষ্ঠানে ২০২৬ সালে আশিয়ান ঢাকা কমিটির বিভিন্ন কার্যক্রম ও অংশীদারদের সঙ্গে সম্পৃক্ততার ওপর একটি ভিডিওচিত্র প্রদর্শন করা হয়। পাশাপাশি ফিলিপাইনের আশিয়ান সভাপতিত্বের বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরে আরেকটি ভিডিও প্রদর্শন করা হয়। পরে প্রধান অতিথি বক্তব্য দেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রায় ছয় দশক ধরে আশিয়ান আঞ্চলিক শান্তি, স্থিতিশীলতা, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও অভিন্ন সমৃদ্ধির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। একই সঙ্গে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার করে চলেছে সংগঠনটি।</p>

<p>অনুষ্ঠান শেষে আশিয়ানভুক্ত দেশগুলোর মিশনপ্রধানদের অংশগ্রহণে একটি দলীয় ছবি তোলা হয়।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1026-88.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[আনোয়ার ইব্রাহিমের দ্রুত আরোগ্য কামনা করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29277</link>
    <pubDate>Tue, 11 Aug 2026 10:54:00 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29277</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1150-77.jpg" />    <article>
<p>মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী দাতুক সেরি আনোয়ার ইব্রাহিমের দ্রুত ও পূর্ণাঙ্গ আরোগ্য কামনা করে প্রার্থনা এবং উষ্ণ শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।</p>

<p>সোমবার (১০ আগস্ট) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর আরোগ্য কামনা করেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p><iframe allow="autoplay; clipboard-write; encrypted-media; picture-in-picture; web-share" allowfullscreen="true" frameborder="0" height="297" scrolling="no" src="https://www.facebook.com/plugins/post.php?href=https%3A%2F%2Fwww.facebook.com%2Fbdpmoffice%2Fposts%2Fpfbid03JcgyYpXZuzD78teVVc5cCeRJhZboftr1Ba4gkjjnimSbe1Lcb3D6JP6EsNVfRmxl&amp;show_text=true&amp;width=500" width="500"></iframe></p>

<p>বার্তায় তিনি বলেন, &lsquo;আমি মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী দাতুক সেরি আনোয়ার ইব্রাহিমের দ্রুত ও পূর্ণাঙ্গ আরোগ্য কামনা করছি। মহান আল্লাহ তাকে টেকসই স্বাস্থ্য ও শক্তি দান করুন। আমাদের দেশের এই বিশেষ বন্ধুর প্রতি বাংলাদেশের জনগণ আমার সঙ্গে একাত্ম হয়ে উষ্ণ শুভেচ্ছা জানাচ্ছে।&rsquo;</p>

<p>এর আগে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের প্রেস সেক্রেটারি তুনকু নাশরুল আবাইদাহ এক বিবৃতিতে জানান, চিকিৎসাবিশেষজ্ঞদের একটি দল প্রধানমন্ত্রীর বিভিন্ন পরীক্ষা ও চিকিৎসা প্রক্রিয়া পরিচালনা করছে।</p>
</article>

<article>তবে কী ধরনের পরীক্ষা বা চিকিৎসা করা হচ্ছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
<p>&nbsp;</p>

<p>বিবৃতিতে আনোয়ারের সুস্বাস্থ্য ও দ্রুত স্বাভাবিক দায়িত্বে ফেরার জন্য সবার কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে।</p>

<p>আনোয়ার ইব্রাহিম সোমবার ৭৯ বছর বয়সে পা দিয়েছেন। ২০২২ সাল থেকে তিনি মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>এর আগে আনোয়ার ইব্রাহিমের কাঁধ ও পিঠের ব্যথার সমস্যা বারবার দেখা দিয়েছে। &nbsp;২০১৮ সালে কাঁধ ও পিঠের ব্যথার কারণে তাকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছিল। &nbsp;গত বছরের নভেম্বরেও পিঠের ব্যথার কারণে পাহাং রাজ্যে একটি সফর বাতিল করেছিলেন তিনি।</p>

<p>তবে চলতি বছরের জানুয়ারিতে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর চিকিৎসকেরা তাকে সুস্থ বলে জানিয়েছিলেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1150-77.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড়ের শর্তে হরমুজ খোলার ঘোষণা ইরানের]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29276</link>
    <pubDate>Tue, 11 Aug 2026 10:53:32 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29276</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1266-66.jpg" />    <article>
<p>হরমুজ প্রণালি দিয়ে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করার প্রশ্নে ফের কড়া অবস্থান নিল ইরান। তেহরানের দাবি, যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের নীতি ও আচরণ পরিবর্তন না করা পর্যন্ত এই নৌরুট পুরোপুরি খুলবে না।</p>
</article>

<article>ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল এ ব্যাপারে একাধিক শর্তারোপ করেছে। ফলে হরমুজ নিয়ে কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনা তৈরি হলেও দ্রুত স্বাভাবিক নৌ চলাচল শুরু হবে কি না, তা নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://eisamay.com/world-news/iran-conditions-to-reopen-strait-of-hormuz-key-demands-to-us/200529793.cms">ইরানের দাবি অনুযায়ী</a>, হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি খুলতে হলে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিতে হবে যুক্তরাষ্ট্রকে। এর মধ্যে রয়েছে&mdash;ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন সামরিক অভিযান বন্ধ করা।</p>
</article>

<article>অঞ্চল থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী প্রত্যাহার করা। ইরানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা। বিদেশে আটকে থাকা ইরানের সম্পদ মুক্ত করা। যুদ্ধের কারণে ইরানের যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তার জন্য ক্ষতিপূরণ দেওয়া।</article>

<article>ইরান-ঘনিষ্ঠ আঞ্চলিক গোষ্ঠীগুলির বিরুদ্ধে হামলা বন্ধ করা।
<p>&nbsp;</p>

<p>শুধু সাময়িক কোনো চুক্তি করলেই হবে না। যুক্তরাষ্ট্রকে নিজেদের নীতি পরিবর্তন করতে হবে বলেও জানায় তেহরান।</p>

<p>হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলতে ইরান ও ওমানের মধ্যে আলাদা করে আলোচনা চলছে। দুই দেশ ইতিমধ্যেই প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের সম্ভাব্য নতুন রুট নিয়ে সমঝোতার কাছাকাছি পৌঁছেছে বলে জানা গেছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1266-66.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[কলম্বিয়ায় ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ১১১, ‘জরুরি অবস্থা’ ঘোষণা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29275</link>
    <pubDate>Tue, 11 Aug 2026 10:53:04 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29275</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1368-55.jpg" />    <article>
<p>দক্ষিণ আমেরিকার দেশ কলম্বিয়ায় ৭ দশমিক ৪ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১১১ জনে দাঁড়িয়েছে। ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানির এ ঘটনায় দেশটিতে &lsquo;জাতীয় দুর্যোগ&rsquo; বা জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে কলম্বিয়া সরকার।</p>
</article>

<article>রয়টার্সের এক <a href="https://www.reuters.com/world/earthquake-pacific-coast-shakes-colombian-capital-2026-08-10/">প্রতিবেদনে</a> এ তথ্য জানা যায়।

<p>&nbsp;</p>

<p>সোমবারের (১০ আগস্ট) এ ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর উদ্ধারকাজ ও ক্ষয়ক্ষতির সর্বশেষ তথ্যের ভিত্তিতে প্রেসিডেন্ট আবেলাদো দে লা এসপ্রিয়েলা এ জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন।</p>

<p>প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, শক্তিশালী এ ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত অন্তত ৮৭ জন আহত হয়েছেন। এ ছাড়া ৬১টি ভবন পুরোপুরি ধসে পড়েছে এবং ১ হাজার ৫৭৫টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>দ্য অ্যাসোসিয়েশন অব ক্যাপিটাল সিটিস অব কলম্বিয়া জানিয়েছে, প্রেসিডেন্টের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির এক বৈঠকের পর এই জরুরি অবস্থার ঘোষণা দেওয়া হয়। এর ফলে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলগুলোতে অতিরিক্ত সম্পদ ও সহায়তা পাঠানো আরো সহজ হবে।</p>

<p>এর আগে, মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ (ইউএসজিএস) জানায়, সোমবার রাজধানী বোগোটা থেকে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার পশ্চিমে চোকো অঞ্চলের সান হোসে দেল পালমার পৌরসভার কাছে ভূপৃষ্ঠের ১০৭ কিলোমিটার গভীরে এ ভূমিকম্প আঘাত হানে। শুরুতে নিহতের সংখ্যা ৪৭ জন বলে জানানো হয়েছিল।</p>
</article>

<article>পেরেইরা শহরে ১৮ জন, মানিজালেস শহরে দুজন এবং ভ্যালে দে কাউকায় অন্তত ২৭ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। এএফপির সাংবাদিকরা জানিয়েছেন, ভূমিকম্পের ফলে বোগোটায় বিভিন্ন ভবন থেকে বাসিন্দাদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>এ কম্পন অনুভূত হয়েছে কলম্বিয়ার রাজধানী বোগোটা ছাড়াও আন্তিওকিয়া, কুন্দিনামার্কা, মেটা ও অন্যান্য এলাকায় বলে জানা গেছে। কলম্বিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে জোর ঝাঁকুনি অনুভূত হয় বলেও জানিয়েছে বাসিন্দারা।</p>

<p>সংবাদ সংস্থার প্রতিবেদন অনুসারে, কলম্বিয়ার মূল ভূখণ্ড ছাড়িয়ে এই কম্পন অনুভূত হয়েছে ভেনেজুয়েলা সীমান্ত এলাকাতেও।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>চোকো প্রদেশের গভর্নর নুবিয়া কর্ডোবা এক্সে দেওয়া পোস্টে বলেন, &lsquo;আমরা এইমাত্র চোকো বিভাগে একটি বড় ভূমিকম্প অনুভব করেছি। আমরা আফটারশক নিয়ে উদ্বিগ্ন।&rsquo;</p>

<p>তিনি জানান, রাজধানী কুইবদোতেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।</p>

<p>উল্লেখ্য, জুনের শেষের দিকে ভেনেজুয়েলায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে ৬ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যুর কয়েক সপ্তাহ পরই কলম্বিয়ায় এ ঘটনা ঘটল।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1368-55.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বিপুল ক্ষতির মুখে ট্রাম্পের ‘ট্রুথ সোশ্যাল’]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29274</link>
    <pubDate>Tue, 11 Aug 2026 10:52:28 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29274</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1433-44.jpg" />    <article>
<p>সোশ্যাল মিডিয়া &lsquo;ট্রুথ সোশ্যাল&rsquo;-এর মালিকানা প্রতিষ্ঠান &lsquo;ট্রাম্প মিডিয়া&rsquo; বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে। চলতি বছরের এপ্রিল থেকে জুন&mdash;এই তিন মাসে <a href="https://www.indiatoday.in/world/story/trump-media-loss-truth-social-owner-pivots-back-to-social-media-and-bets-on-truth-api-ptag-2968234-2026-08-11?fbclid=IwY2xjawTnZAhwZG9mBWV4dG4DYWVtAjEwAGJyaWQRMXo2ekJCZDZGcXFzNVNXb1pzcnRjBmFwcF9pZBAyMjIwMzkxNzg4MjAwODkyAAEewUGAJ6a1dHInmGHDciuS19-gk4T-1URy1ljP2rhK4NWB4Ds3GdIXvxnXSe8_aem_GzbgWHeyqvY7R6gNO-sQDQ">কম্পানিটির প্রায় ২৩৮ মিলিয়ন ডলার লোকসান হয়েছে</a>, যা গত বছরের তুলনায় ১০ গুণেরও বেশি।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>এই ধাক্কা সামলাতে অন্য সব অলাভজনক প্রজেক্ট বন্ধ করে আবার নিজেদের মূল সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মেই মনোযোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ট্রাম্প মিডিয়া। কম্পানিটি এখন আয়ের নতুন পথ হিসেবে &lsquo;ট্রুথ এপিআই&rsquo; নামে একটি সেবা চালু করেছে। এর মাধ্যমে বিখ্যাত ট্রেডিং ফার্মগুলো মোটা টাকার বিনিময়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের পোস্ট সাধারণ মানুষের আগেই পড়ার সুযোগ পাবে। ডেমোক্র্যাটরা এই ব্যবস্থার সমালোচনা করলেও কম্পানিটি বলছে, এটি প্রযুক্তি খাতের একটি সাধারণ নিয়ম।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রতিষ্ঠানটির আয় বাড়লেও বিটকয়েনসহ বিভিন্ন ক্রিপ্টোকারেন্সির দাম কমে যাওয়ার কারণে এই বড় অংকের ক্ষতি হয়েছে। তবে লোকসান সত্ত্বেও ট্রাম্প মিডিয়ার হাতে ৪০০ মিলিয়ন ডলারের নগদ অর্থ এবং ১.২ বিলিয়ন ডলার মূল্যের ক্রিপ্টো সম্পদ রয়েছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1433-44.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নেপালের পাহাড়ে শুরু অপু বিশ্বাসের নতুন সিনেমার শুটিং]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/29273</link>
    <pubDate>Tue, 11 Aug 2026 10:52:03 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/29273</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1519-33.jpg" />    <article>
<p>দুই পাশে উঁচু পাহাড়, সামনে বিশাল পর্বতশ্রেণি, নীল আকাশ আর চোখজুড়ানো প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, নেপালের পোখারার এমন মনোরম পরিবেশেই শুরু হয়েছে অপু বিশ্বাস অভিনীত সিনেমা &lsquo;শিকার&rsquo;-এর শুটিং।</p>

<p>শুটিং শুরুর আগে আয়োজন করা হয় মহরতের আনুষ্ঠানিকতা।</p>
</article>

<article>নিজস্ব রীতি ও নিয়ম অনুসরণ করে সিনেমাটির মঙ্গল কামনায় প্রথমে দোয়া করেন এর প্রধান অভিনেতা মুর্তজা পলাশ। পরে নারিকেল ভেঙে সিনেমাটির শুভ সূচনা করেন অভিনেতা শ্যাম ভট্টাচার্য।
<p>&nbsp;</p>

<p>মহরতের আনুষ্ঠানিকতা শেষে শুরু হয় কামরুজ্জামান রোমান পরিচালিত ও রেজা ফিল্ম প্রযোজিত &lsquo;শিকার&rsquo;-এর দৃশ্যধারণ।&nbsp;সিনেমাটির প্রথম দিনের দৃশ্যধারণে একে একে অংশ নেন অপু বিশ্বাস, মুর্তজা পলাশ, বড়দা মিঠু, কলকাতার জনপ্রিয় অভিনেতা রজতাভ দত্ত এবং &lsquo;রনি&rsquo; ও &lsquo;জিল্লু&rsquo;খ্যাত অভিনেতা শ্যাম ভট্টাচার্য।</p>
</article>

<article>বাংলাদেশ, ভারত ও নেপালের শিল্পী ও কলাকুশলীদের সমন্বয়ে নির্মিত হচ্ছে সিনেমাটি।
<p>&nbsp;</p>

<p>সিনেমাটির গল্পে অভিনয়ের সুযোগই তাকে প্রথমে আকৃষ্ট করেছে বলে জানান অপু বিশ্বাস। তিনি বলেন, &lsquo;যখন নির্মাতা গল্প নিয়ে আসেন, আমি তখনই রাজি হয়ে যাই। কারণ, সিনেমাটিতে আমার কাজের জায়গা আছে, অভিনয়ের জায়গা আছে।</p>
</article>

<article>আর এই সিনেমার মাধ্যমে আরও একজন নতুন নায়ক মুর্তজা পলাশের অভিষেক হবে। এটা নিয়েও আমি অনেক বেশি এক্সাইটেড। আশা করি, গল্পটি দর্শকের ভালো লাগবে।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>নাটকে একাধিকবার অভিনয় করলেও &lsquo;শিকার&rsquo;-এর মাধ্যমে প্রথমবারের মতো বড় পর্দায় অভিষেক হচ্ছে মুর্তজা পলাশের। সিনেমায় নিজের চরিত্রের জন্য দীর্ঘ প্রস্তুতিও নিয়েছেন এই অভিনেতা।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>জানা গেছে, নেপালের বিভিন্ন মনোরম লোকেশন ও পাহাড়ঘেরা প্রাকৃতিক পরিবেশে প্রায় এক মাস ধরে চলবে &lsquo;শিকার&rsquo; সিনেমার দৃশ্যধারণ। তিন দেশের শিল্পী ও কলাকুশলীদের অংশগ্রহণে নির্মিত সিনেমাটি আগামী বছর ঈদে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1519-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[কেইনের ঝুলিতে দ্বিতীয় ‘গোল্ডেন শু’]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/29272</link>
    <pubDate>Tue, 11 Aug 2026 10:51:32 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/29272</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1561-22.jpg" />    <article>
<p>ইউরোপের সেরা গোলদাতার সিংহাসনে আবার বসলেন বায়ার্ন মিউনিখের ফরোয়ার্ড হ্যারি কেইন। ২০২৫-২৬ মৌসুমে ইউরোপের শীর্ষ গোলদাতা হিসেবে দ্বিতীয়বারের মতো মর্যাদাপূর্ণ &lsquo;গোল্ডেন শু&rsquo; নিজের করে নিয়েছেন বায়ার্ন তারকা।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>এর আগে ২০২৪ সালেও ইউরোপের সেরা গোলদাতার এই স্বীকৃতি পেয়েছিলেন কেইন। আগামী ১৯ আগস্ট বায়ার্ন মিউজিয়ামে এক জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তার হাতে তুলে দেওয়া হবে কাঙ্ক্ষিত এই পুরস্কার।</p>

<p>এ দিয়ে অন্তত দুবার গোল্ডেন শু জেতা ইতিহাসের হাতেগোনা ফুটবলারদের অভিজাত তালিকায় নাম লেখালেন কেইন। এই জায়গায় তার চেয়ে এগিয়ে আছেন কেবল দুই ফুটবল মহাতারকা লিওনেল মেসি ও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>সদ্য সমাপ্ত মৌসুমে ক্লাব ও জাতীয় দলের জার্সিতে গোলের সুবাস ছড়িয়েছেন কেইন। ৬৫ ম্যাচে প্রতিপক্ষের জালে বল পাঠিয়েছেন রেকর্ড ৭৩ বার, সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন আরও ৮ গোল। একবিংশ শতাব্দীতে একক মৌসুমে এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলের কীর্তি; যার ওপরে আছেন কেবল ২০১১-১২ মৌসুমে রেকর্ড গড়া লিওনেল মেসি।</p>

<p>৩৩ ছুঁইছুঁই এই ইংলিশ স্ট্রাইকার টানা তৃতীয়বারের মতো বুন্দেসলিগার সর্বোচ্চ গোলদাতার মুকুট নিজের দখলে রেখেছেন।</p>
</article>

<article>একই সাথে ২০২৫-২৬ মৌসুমের চ্যাম্পিয়নস লিগে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনটি ছিল তার দখলে। শুধু তা-ই নয়, ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগের ইতিহাসে এক ক্লাবের হয়ে দ্রুততম ১০০ গোলের মাইলফলক ছুঁয়ে নতুন ইতিহাস গড়েছেন কেইন।
<p>&nbsp;</p>

<p>জাতীয় দলের জার্সিতেও কেইনের ছন্দ ছিল চোখে পড়ার মতো। থ্রি লায়ন্সদের সর্বোচ্চ এই গোলদাতার অধিনায়কত্বে বাছাইপর্ব ও মূল টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত পারফর্ম করে ১৯৬৬ সালের পর বিশ্বমঞ্চে নিজেদের সেরা সাফল্য পায় ইংল্যান্ড। সেই সঙ্গে বিশ্বকাপ ইতিহাসের সবচেয়ে সফল ব্রিটিশ ফুটবলার হিসেবে নিজের নাম অমর করে রেখেছেন কেইন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1561-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[মারা গেছেন অভিনেত্রী টেডি মুর]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/29271</link>
    <pubDate>Tue, 11 Aug 2026 10:48:53 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/29271</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1658-11.jpg" />    <article>
<p>বিশ্বখ্যাত ক্লাসিক চলচ্চিত্র &lsquo;এ ক্রিসমাস স্টোরি&rsquo;-র জনপ্রিয় অভিনেত্রী টেডি মুর মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৯ বছর।</p>
</article>

<article>গত ৫ আগস্ট কানাডার অন্টারিওর হান্টসভিলে পরিবারের সদস্যদের সান্নিধ্যে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। অভিনেত্রীর অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে এক বিবৃতির মাধ্যমে তার প্রয়াণের খবর নিশ্চিত করা হয়েছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>মৃত্যুর নির্দিষ্ট কোনো কারণ জানানো না হলেও, পরিবার সূত্রে জানা গেছে ২০০৯ সাল থেকে তিনি &lsquo;<a href="https://www.cbr.com/tedde-moore-dead/">মাল্টিপল স্ক্লেরোসিস&rsquo; নামক জটিল স্নায়ুরোগে ভুগছিলেন</a>। জীবনের শেষ সময়ে কঠিন সিদ্ধান্ত গ্রহণে তিনি অসাধারণ সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন বলে পরিবার জানিয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>১৯৮৩ সালের জনপ্রিয় ছুটির দিনের ছবি &lsquo;এ ক্রিসমাস স্টোরি&rsquo;-তে শিশু চরিত্র র&zwj;্যালফি পার্কারের শিক্ষিকা &lsquo;মিস শিল্ডস&rsquo; চরিত্রে অভিনয়ের জন্য টেডি মুর বিশ্বজুড়ে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন। এই চরিত্রে অসামান্য অভিনয়ের জন্য তিনি একাডেমি অফ কানাডিয়ান সিনেমা অ্যান্ড টেলিভিশন থেকে শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেত্রী হিসেবে জিনি অ্যাওয়ার্ডের মনোনয়ন পান। পরবর্তীতে ১৯৯৪ সালের সিক্যুয়েল &lsquo;মাই সামার স্টোরি&rsquo;-তেও তিনি একই চরিত্রে অভিনয় করেন। দুইটি সিনেমাতেই কাজ করা একমাত্র অভিনয়শিল্পী ছিলেন তিনিই।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>এর আগে ১৯৭৬ সালে &lsquo;সেকেন্ড উইন্ড&rsquo; চলচ্চিত্রে দুর্দান্ত অভিনয়ের জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেত্রী হিসেবে &lsquo;কানাডিয়ান ফিল্ম অ্যাওয়ার্ড&rsquo;&nbsp;জয় করেন। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি &lsquo;মার্ডার বাই ডিক্রি&rsquo;, &lsquo;দ্য অ্যামেচার&rsquo;, &lsquo;দ্য কেনেডিস&rsquo; এবং &lsquo;গটি&rsquo;-র মতো বহু প্রশংসিত সিনেমা ও টিভি সিরিজে অভিনয় করেছেন।</p>

<p>১৯৪৭ সালের ১১ই এপ্রিল জন্মগ্রহণ করা টেডি মুর লন্ডনের ঐতিহ্যবাহী রয়্যাল একাডেমি অফ ড্রামাটিক আর্টস থেকে সম্মানজনক ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিজীবনে চলচ্চিত্র নির্মাতা ডোনাল্ড শেবিবের সাথে তার দুই সন্তান রয়েছে। তার ছেলে নোয়া শেবিব (সঙ্গীত অঙ্গনে ৪০ নামে পরিচিত) বিশ্বখ্যাত র&zwj;্যাপার ড্রেকের অন্যতম প্রধান সঙ্গীত প্রযোজক।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1658-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা বার্ষিকী উপলক্ষে ইউএসবিসিসিআই’র বিশেষ আয়োজন]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/29270</link>
    <pubDate>Mon, 10 Aug 2026 10:45:28 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/29270</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/964-1.jpg" />    <p>যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০তম বার্ষিকী উপলক্ষে ইউ.এস.-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (USBCCI)-এর উদ্যোগে নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত হলো &ldquo;Celebrating 250 Years of Service &amp; Beyond &ndash; America 250&rdquo; শীর্ষক এক মর্যাদাপূর্ণ অনুষ্ঠান।<br />
নিউইয়র্কের ডাবলট্রি বাই হিলটন লা গার্ডিয়া এয়ারপোর্ট-এ আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসওম্যান গ্রেস মেং (নিউইয়র্কের ৬ষ্ঠ কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্ট) Keynote Speaker হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন।<br />
অনুষ্ঠানে ফেডারেল, স্টেট ও স্থানীয় পর্যায়ের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, ব্যবসায়ী নেতা, উদ্যোক্তা, কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ, পেশাজীবী এবং প্রবাসী বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।<br />
অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী বক্তব্যে ইউএসবিসিসিআই-এর প্রতিষ্ঠাতা, প্রেসিডেন্ট ও সিইও মো. লিটন আহমেদ বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০ বছরের এই ঐতিহাসিক পথচলা স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, আইনের শাসন, বহুত্ববাদ ও জনসেবার মূল্যবোধের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বাণিজ্য, বিনিয়োগ, উদ্যোক্তা উন্নয়ন এবং জনগণের পারস্পরিক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণে ইউএসবিসিসিআই নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।<br />
কংগ্রেসওম্যান গ্রেস মেং তাঁর বক্তব্যে যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা বার্ষিকীর তাৎপর্য তুলে ধরেন এবং বহুসাংস্কৃতিক সমাজ গঠনে অভিবাসী জনগোষ্ঠীর গুরুত্বপূর্ণ অবদানের প্রশংসা করেন। তিনি বাংলাদেশি-আমেরিকান কমিউনিটির অর্থনৈতিক, সামাজিক ও নাগরিক অবদানকে স্বীকৃতি দিয়ে দুই দেশের জনগণের মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদারের আহ্বান জানান।<br />
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, উদ্যোক্তা, কমিউনিটি নেতা এবং সংগঠনকে America 250 Leadership &amp; Service Awards প্রদান করা হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন সরকারি দপ্তর ও জনপ্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছাবার্তা, প্রোক্লেমেশন এবং বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়।<br />
অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্যে মো. লিটন আহমেদ কংগ্রেসওম্যান গ্রেস মেং, উপস্থিত জনপ্রতিনিধি, কূটনীতিক, অতিথিবৃন্দ, স্পন্সর, স্ট্র্যাটেজিক পার্টনার, ইউএসবিসিসিআই-এর পরিচালনা পর্ষদ, স্বেচ্ছাসেবক, গণমাধ্যমকর্মী এবং সকল অংশগ্রহণকারীর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।<br />
তিনি বলেন, &ldquo;এই আয়োজন শুধু যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা বার্ষিকী উদযাপন নয়; এটি বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং জনগণের পারস্পরিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। আমরা বিশ্বাস করি, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা উন্নয়নের মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্ক আগামী দিনে আরও নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে।&rdquo;<br />
ইউএসবিসিসিআই জানায়, ভবিষ্যতেও বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, ব্যবসায়িক সহযোগিতা, উদ্যোক্তা উন্নয়ন এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধিতে আন্তর্জাতিক মানের এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/964-1.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিউইয়র্কে এনসিপি ইউএসএ ডায়াস্পোরা’র ‘আমেরিকায় জুলাই জাগরণ’]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/29269</link>
    <pubDate>Mon, 10 Aug 2026 10:44:22 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/29269</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/698-2.jpg" />    <p>বাংলাদেশে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত ও শহীদদের স্মরণে এনসিপি ইউএসএ ডায়াস্পোরার উদ্যোগে নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে সানাই পার্টি হলে অনুষ্ঠিত হয়েছে স্মরণসভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান &lsquo;আমেরিকায় জুলাই জাগরণ&rsquo;। এতে নিউইয়র্কসহ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য থেকে প্রবাসী বাংলাদেশি, এনসিপির নেতাকর্মী এবং কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন।<br />
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ থেকে অনলাইনে প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত ছিলেন জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় হুইপ ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এমপি। তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ধারণ করে রাষ্ট্র সংস্কার, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান শক্তিশালীকরণ এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়নে দেশ-বিদেশের সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।<br />
বিশেষ অতিথি হিসেবে অনলাইনে বক্তব্য দেন আসিফ মাহমুদ। এছাড়া বক্তব্য দেন মুনিরা শারমিন, এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব আলাউদ্দিন মোহাম্মদ, কেন্দ্রীয় সদস্য তাওহিদ তানজিম, যুগ্ম সদস্যসচিব উম্মে তাসবিহ এবং কেন্দ্রীয় সদস্য রাশেল উল আলম। ভিডিও বার্তার মাধ্যমে অংশ নেন আখতার হোসেন, হাসনাত আব্দুল্লাহ, দিলশাদ পারুল, এহতেশামুল হক এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশের এনসিপি ডায়াস্পোরার নেতৃবৃন্দ।<br />
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এনসিপি ইউএসএ ডায়াস্পোরার আহ্বায়ক রিদোয়ান হোসেন তালুকদার (অক্ষর), সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মুনা হাফসা, সদস্যসচিব মো. আবদুল মোহাইমিন (সাইমন), মুখ্য সংগঠক এম. এইচ. সিদ্দিক, যুগ্ম অর্থ সম্পাদক নিজামুল ওয়াহেদ শাহির, নিউইয়র্ক স্থানীয় সংগঠক রাকিব উদ্দিন, নিউ জার্সি স্থানীয় সংগঠক তৌকির চৌধুরী এবং উপদেষ্টা রওশন হক ও সেলিনা ফেরদৌসী উদ্দিন।<br />
কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে বক্তব্য দেন ড. ওয়াজেদ খান, কবি কাজী জহিরুল ইসলাম, বিএসএস প্রধান আল আমিন রাসেল, মানবাধিকারকর্মী কাজী ফৌজিয়া এবং লেখক-গবেষক আনোয়ার হোসেন মনজু।<br />
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন এম. এইচ. সিদ্দিক। কারিগরি সহায়তায় ছিলেন ক্যানসার বিজ্ঞানী রাহাত আলম। মিডিয়া সমন্বয়ে সহযোগিতা করেন সানজিদা নওশীন প্রমি ও হাসিবুল কবির মাহিন।<br />
অনুষ্ঠানের অন্যতম আবেগঘন পর্ব ছিল জুলাই আন্দোলনের শহীদ পরিবারের সদস্যদের অংশগ্রহণ। তাঁদের স্মৃতিচারণে উঠে আসে আত্মত্যাগ, বেদনা, সাহস এবং নতুন বাংলাদেশের স্বপ্নের কথা।<br />
উপস্থিত অতিথিদের মধ্যে ছিলেন জামায়াতে ইসলামী আমেরিকার কেন্দ্রীয় প্রধান অধ্যাপক ড. নকিবুর রহমান, হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ড. মির্জা গালিব, অবসরপ্রাপ্ত মেজর সুমন, অবসরপ্রাপ্ত মেজর হালিম, যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তা, শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক এবং বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা।<br />
বক্তারা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে রাষ্ট্র সংস্কার, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান সুদৃঢ়করণ এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়নে দেশ-বিদেশের নাগরিকদের সক্রিয় ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।<br />
অনুষ্ঠানে জুলাই আন্দোলনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত, বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে জুলাই উপলক্ষে আয়োজিত কর্মসূচির ওপর নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। পরে বাংলাদেশি-আমেরিকান তরুণদের ব্যান্ড Qissa সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপস্থাপন করে।<br />
আলোচনা, স্মৃতিচারণ, প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী এবং সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন এবং নতুন বাংলাদেশ গঠনের প্রত্যয় পুনর্ব্যক্ত করে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/698-2.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[জ্বালানি উৎসের বৈচিত্র্য নিশ্চিতের তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29268</link>
    <pubDate>Mon, 10 Aug 2026 10:43:56 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29268</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/832-99.jpg" />    <article>
<p>দেশের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণের পাশাপাশি জ্বালানি উৎসের বৈচিত্র্য নিশ্চিত করার তাগিদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বৃহৎ অবকাঠামো পরিচালনার ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক সক্ষমতা, পরিবেশগত প্রভাব এবং জনগণের দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>রবিবার (৯ আগস্ট) কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ীতে অবস্থিত ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন মাতারবাড়ী আল্ট্রা-সুপারক্রিটিক্যাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিদর্শনকালে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের এসব নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী।</p>

<p>সফরসূচি অনুযায়ী, সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে হেলিকপ্টারযোগে মাতারবাড়ী বিদ্যুৎকেন্দ্রের হেলিপ্যাডে অবতরণ করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে তিনি প্রকল্পের প্রশাসনিক ভবনে যান। সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত প্রকল্পের সার্বিক কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত ব্রিফিং গ্রহণ করেন তিনি।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>এ সময় প্রকল্পসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বিদ্যুৎকেন্দ্রের বর্তমান অবস্থা, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও পরিচালন কার্যক্রম, উৎপাদন সক্ষমতা, জ্বালানি সরবরাহ ও ব্যবস্থাপনা, প্ল্যান্টের পরিচালন দক্ষতা, রক্ষণাবেক্ষণ, নিরাপত্তাব্যবস্থা এবং সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন। একই সঙ্গে প্রকল্পের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাও তার সামনে তুলে ধরা হয়।</p>

<p>ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রী জানতে পারেন, মাতারবাড়ী বিদ্যুৎকেন্দ্রটি শতভাগ দেশীয় প্রকৌশলী ও জনবল দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে। এতে সন্তোষ প্রকাশ করে তিনি দেশীয় প্রকৌশলী ও সংশ্লিষ্ট কর্মীদের দক্ষতা ও সক্ষমতার প্রশংসা করেন এবং তাদের উৎসাহ দেন।</p>
</article>

<article>এ সময় প্রকল্প এলাকায় একটি স্মারক নিমগাছের চারা রোপণ করেন প্রধানমন্ত্রী।
<p>&nbsp;</p>

<p>মাতারবাড়ী বিদ্যুৎকেন্দ্রটি দুটি ৬০০ মেগাওয়াট ইউনিটের সমন্বয়ে মোট ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন। বিদ্যুৎকেন্দ্রটিতে আধুনিক আল্ট্রা-সুপারক্রিটিক্যাল প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় বিদ্যুৎকেন্দ্রের পাশাপাশি কয়লা পরিবহনের জন্য বন্দর সুবিধা, বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন, অ্যাকসেস রোড এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য অবকাঠামো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা) ঋণ সহায়তা দিয়েছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/832-99.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[সৌদিতে আগুনে নিহত ১৬ জনের ১৫ জনই নওগাঁ-নাটোরের]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29267</link>
    <pubDate>Mon, 10 Aug 2026 10:43:27 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29267</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1025-88.jpg" />    <article>
<p>সৌদি আরবের রিয়াদে সোফা কারখানায় আগুনে মারা যাওয়া ১৬ বাংলাদেশির ১৫ জনই নওগাঁ ও নাটোরের বলে জানা গেছে। তাদের মধ্যে ১৩ জনের বাড়ি নওগাঁর আত্রাই থানার বিভিন্ন ইউনিয়নে।</p>
</article>

<article>এর মধ্যে চারজন একই গ্রামের। এ ছাড়া নাটোরের নলডাঙ্গা থানার দুজন এবং রাজশাহীর বাগমারা থানার একজন রয়েছেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>গতকাল রবিবার (৯ আগস্ট) স্থানীয় সময় দুপুর ২টার দিকে রিয়াদের শিফা থানার মুসা সানাইয়া শিল্প এলাকায় এ আগুন লাগে। কারখানাটিতে ১৭ জন বাংলাদেশি কাজ করতেন বলে জানা গেছে।</p>
</article>

<article>তাদের মধ্যে আগুনে দগ্ধ হয়ে ও ধোঁয়ায় শ্বাস রোধে ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।
<p>&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/sport/2026/08/10/1723334" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>এ ঘটনায় বেঁচে যাওয়া বাংলাদেশি কর্মী হাবিবুর রহমান জানান, অগ্নিকাণ্ডের সময় তিনি সেলুনে যাওয়ার জন্য বাইরে থাকায় প্রাণে বেঁচে যান।</p>

<p>প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ভয়াবহ এ অগ্নিকাণ্ডে ঘটনাস্থলে ১৬ জন মারা যাওয়ার তথ্য দিয়েছেন দেশটির ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকর্মীরা। আগুনে পুড়ে যাওয়ায় মরদেহ শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/national/2026/08/10/1723333" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>স্থানীয় ফায়ার সার্ভিস ও প্রশাসনের সহযোগিতায় রাত ৮টার দিকে অগ্নিকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। পরে রাত ১১টার দিকে মরদেহগুলো কিং সৌদ হাসপাতালের মর্গে নেওয়া হয়। এ সময় বাংলাদেশ দূতাবাসের লেবার কাউন্সেলরসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সার্বিক সহযোগিতা করেন সায়েখ আফতাবউদ্দিন ফারুক।</p>

<p>রিয়াদে বাংলাদেশ দূতাবাসের কাউন্সিলর (শ্রম) মোহাম্মদ রেজায়ে রাব্বী নিহতদের পরিচয় শনাক্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।</p>
</article>

<article>নিহতরা হলেন&mdash;নওগাঁর আত্রাই উপজেলার উজানপই গ্রামের ফরিদ, ডুবাই গ্রামের শুভ ও সুমন, গণ্ডগোহালী গ্রামের মো. রুবেল প্রামাণিক, মো. কলিমউদ্দিন, মো. মোহন ও মো. সুমন, মিনহাজ, বোয়ালা গ্রামের হৃদয়, নওগাঁ গ্রামের শাহিন, খরস্রোতা গ্রামের আব্দুল জলিল ও মজিদুল এবং সাদনগর গ্রামের সাগর।
<p>&nbsp;</p>

<p>নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার দীঘিরপাড় গ্রামের শামিম ও খাজুরা গ্রামের সাব্বির এবং রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার ডাংগাপাড়া গ্রামের শ্যামলও নিহতদের মধ্যে রয়েছেন।</p>

<p>বাংলাদেশ দূতাবাস, রিয়াদ এ ঘটনায় গভীর শোক জানিয়েছে। দূতাবাসের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে মৃত ব্যক্তিদের নাম-পরিচয় শনাক্তকরণে স্থানীয় সৌদি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1025-88.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[যুক্তরাজ্যে আশ্রয় আবেদনের তালিকায় শীর্ষ পাঁচে বাংলাদেশ : সারাহ কুক]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29266</link>
    <pubDate>Mon, 10 Aug 2026 10:42:46 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29266</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1149-77.jpg" />    <article>
<p>বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক জানিয়েছেন, বর্তমানে যুক্তরাজ্যে আশ্রয়ের আবেদনকারীদের তালিকায় শীর্ষ পাঁচ দেশের একটি বাংলাদেশ। তিনি জানান, সম্প্রতি আশ্রয়ের আবেদনকারীদের মধ্যে অল্পসংখ্যক আবেদন অনুমোদিত হয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>রবিবার (৯ আগস্ট) ঢাকায় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে তিনি এ কথা জানান।</p>

<p>বৈঠকে যুক্তরাজ্যে অনিয়মিত অভিবাসন ও আশ্রয়প্রার্থীদের বিষয়টি গুরুত্ব পায়। ব্রিটিশ হাইকমিশনার জানান, যুক্তরাজ্যে আশ্রয়প্রার্থীদের বিষয়ে সরকার ও জনগণ কঠোর অবস্থানে রয়েছে।</p>

<p>সারাহ কুক বলেন, আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী বাংলাদেশে দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে সরকারের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করতে আগ্রহী যুক্তরাজ্য।</p>
</article>

<article>বাংলাদেশ থেকে নিরাপদ, নিয়মিত ও যৌক্তিক ব্যয়ে শ্রম অভিবাসনের বিষয়ে তিনি যুক্তরাজ্যের উদ্বেগ তুলে ধরেন। পাশাপাশি অভিবাসনব্যবস্থা উন্নয়নে সহযোগিতা জোরদার এবং &lsquo;গ্লোবাল কমপ্যাক্ট অন মাইগ্রেশন&rsquo; বাস্তবায়নে সহযোগিতার কথা জানান তিনি।
<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি আরো জানান, আশ্রয়ের আবেদন নামঞ্জুর হওয়ার পর কেউ স্বেচ্ছায় বাংলাদেশে ফিরতে চাইলে পুনর্বাসনের জন্য ৩ হাজার পাউন্ড আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়।</p>

<p>অপরদিকে, মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী দক্ষ ও মানসম্পন্ন জনশক্তি তৈরি, নিরাপদ ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিত এবং অনিয়মিত অভিবাসন ও মানবপাচার রোধে যুক্তরাজ্যের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1149-77.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[সৌদিতে আগুনে ১৬ বাংলাদেশির মৃত্যুতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর শোক]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29265</link>
    <pubDate>Mon, 10 Aug 2026 10:42:17 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29265</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1265-66.jpg" />    <article>
<p>সৌদি আরবের রিয়াদে একটি সোফা তৈরির কারখানায় আগুনে ১৬ জন বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুতে গভীর শোক ও আন্তরিক সমবেদনা প্রকাশ করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।</p>

<p>সোমবার (১০ আগস্ট) এক বার্তায় তারা নিহত বাংলাদেশি নাগরিকদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সহমর্মিতা জ্ঞাপন করেছেন এবং তাদের এই অপূরণীয় ক্ষতি ও শোকের সময়ে পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/08/10/1723348" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>উল্লেখ্য, দুর্ঘটনার সংবাদ পাওয়ার পরপরই রিয়াদের বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। নিহতদের পরিচয় শনাক্তকরণ এবং মরদেহের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে বাংলাদেশ দূতাবাস সংশ্লিষ্ট সৌদি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিবিড় সমন্বয়ে কাজ করছে।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/campus-online/2026/08/10/1723345" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সার্বক্ষণিকভাবে উদ্ভূত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে ও তদানুসারে সয়াহতা দিচ্ছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1265-66.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[‘ইসলামিক ন্যাটো’ পাল্টে দিতে পারে মুসলিমবিশ্বের নিরাপত্তা ভাবনা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29264</link>
    <pubDate>Mon, 10 Aug 2026 10:41:41 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29264</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1367-55.jpg" />    <article>
<p>নিজেদের সুরক্ষার জন্য সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ দেশগুলো এত দিন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওপরই নির্ভর করতো। কিন্তু ৫ মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা ইরান যুদ্ধ সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোকে বুঝিয়ে দিয়েছে এ নির্ভরতা আসলে ফাঁকা বুলি।</p>
</article>

<article>বরং অতিরিক্ত যুক্তরাষ্ট্রনির্ভরতা এবং সংশ্লিষ্টতার কারণেই তারা বারবার ইরানের হামলার শিকার হচ্ছে। ইরান সমর্থিত হুতিদের অন্যতম টার্গেটও সৌদি আরব। তার চেয়ে বড় কথা হলো হরমুজ প্রণালি প্রায় বন্ধ থাকায় তেল সরবরাহ কমে যাওয়ায় সৌদি আরবের আয়েও বড় ধাক্কা লেগেছে। ইরান যুদ্ধ আসলে সৌদি আরবের এত দিনের নিশ্চিন্তিকেই দুশ্চিন্তায় পরিণত করেছে।</article>

<article>সৌদি আরবকে বদলে দিতে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের অর্থনৈতিক পরিকল্পনা &lsquo;ভিশন ২০৩০&rsquo;-কেও ঝুঁকির মুখে ফেলেছে ইরান যুদ্ধ।
<p>&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/08/08/1722643" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>অর্থ এবং যুক্তরাষ্ট্র কোনোটাই নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারবে না, এটা বুঝে যাওয়ার পর সৌদি আরব নিজেদের সুরক্ষায় বিকল্প ভাবনা শুরু করে। সে ভাবনারই ফল নতুন ইসলামী প্রতিরক্ষা জোট। গত শুক্রবার পবিত্রভূমি মক্কায় সৌদি আরব, পাকিস্তান এবং তুরস্কের মধ্যে স্বাক্ষরিত ত্রিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা চুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়েছে নতুন এই প্রতিরক্ষা জোট।</p>
</article>

<article>ন্যাটো স্টাইলে গঠিত এই জোটকে বলা হচ্ছে &lsquo;ইসলামিক ন্যাটো&rsquo;। নতুন জোটের তিন দেশই মুসলিমবিশ্বের তিন শক্তিশালী ও প্রভাবশালী দেশ। সামরিক সক্ষমতায় কিছুটা পিছিয়ে থাকলেও সৌদি আরবের আছে অঢেল অর্থ। আর ন্যাটো জোটে যুক্তরাষ্ট্রের পরেই সামরিক সক্ষমতায় তুরস্কের অবস্থান। পাকিস্তান হলো মুসলিম বিশ্বের একমাত্র পারমাণবিক শক্তির অধিকারী।</article>

<article>আর্থিক ও সামরিক সক্ষমতা মিলিয়ে নতুন এই জোট মুসলিম বিশ্বে নিরাপত্তা ভাবনায় বড় পরিবর্তন আনতে পারে। পরিবর্তন আসবে বৈশ্বিক ভাবনায়ও। ইসরায়েল যখন পুরো অঞ্চলে তার সামরিক প্রভাব বিস্তার করছে এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের সাথে রিয়াদের সম্পর্কের টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে, ঠিক তখনই এই জোট আঞ্চলিক সম্পর্কেও নতুন মেরুকরণ আনতে পারে। &nbsp;
<p>&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/08/07/1722163" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>মক্কা চুক্তির প্রধান অঙ্গীকার হলো তাদের যেকোনো একটি দেশের ওপর আক্রমণ সবার ওপর আক্রমণ হিসেবে গণ্য করা হবে। এই অঙ্গীকার পাকিস্তান ও তুরস্ককে এমন একটি যুদ্ধের মধ্যে টেনে আনতে পারে, যা তারা এত দিন বেশ সতর্কতার সাথেই এড়িয়ে চলছিল। তিন দেশের পক্ষ থেকে দেওয়া এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই চুক্তির আনুষ্ঠানিক যৌক্তিকতা হলো যেকোনো আগ্রাসনের বিরুদ্ধে যৌথ প্রতিরোধকে শক্তিশালী করা এবং তিনটি রাষ্ট্রের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতার সব দিকের আরো উন্নতি করা। জোটের তিনটি দেশই সুন্নি নেতৃত্বাধীন। তাদের প্রাথমিক মূল লক্ষ্য যে শিয়া নেতৃত্বাধীন ইরান, তা নিয়ে কারোই সন্দেহ নেই। তবে এ জোটের &nbsp;মানেই যে পাকিস্তান ও তুরস্ক ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়বে বিষয়টি এমনও নয়। বরং পাকিস্তান আর তুরস্ক ইরান যুদ্ধ বন্ধে দীর্ঘদিন ধরেই মধ্যস্থতার ভূমিকা পালন করছে। সৌদি আরবের যুবরাজ সালমান নিজেও হামলা থেকে বিরত থাকতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অনুরোধ করেছেন। পাকিস্তান ও তুরস্ক উভয়ের সাথেই ইরানের সীমান্ত রয়েছে এবং এই সংঘাত যাতে আরো ছড়িয়ে না পড়ে তা ঠেকানোর জন্য উভয় দেশেরই জোরালো কারণ রয়েছে। পাকিস্তানকে তার দেশের বড় আকারের শিয়া জনগোষ্ঠী এবং তেহরানের সাথে তার সংবেদনশীল সম্পর্ক সামাল দিতে হবে। অন্যদিকে, তুরস্ক ও ইরান অঞ্চলের অন্যান্য জায়গায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও কুর্দি বিচ্ছিন্নতাবাদ নিয়ে উভয়েরই সাধারণ উদ্বেগ রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, তাৎক্ষণিক যুদ্ধে জড়িয়ে পড়া হয়তো এই জোটের আশু লক্ষ্য নয়। নিজেদের সক্ষমতাকে বাড়িয়ে ইরানের দিক থেকে আক্রমণের হুমকি কমিয়ে রাখতেই নতুন এই জোটের যাত্রা।&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/08/09/1722996" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>তুরস্কের একজন কর্মকর্তা সিএনএন-কে জানিয়েছেন, এই জোট কোনো নির্দিষ্ট পক্ষকে লক্ষ্য করে করা হয়নি। পাশাপাশি সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও জোর দিয়ে বলেছে যে, এটি কোনো সামরিক অক্ষ বা কোনো উপদলীয় ব্লক তৈরির প্রচেষ্টা নয়।&rsquo; তুরস্কের ওই কর্মকর্তা আরও যোগ করেন, অন্যান্য আঞ্চলিক দেশগুলোও এতে যোগ দিতে পারে, যা ন্যাটো-র মতোই এই জোটে নতুন সদস্য যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা বাড়িয়ে তুলেছে।</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/08/08/1722631" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>এই জোট নিয়ে ইরানের সন্তুষ্ট হওয়ার কোনো কারণ নেই। নিজেদের অসন্তুষ্টি গোপনও করেনি ইরান। ইরানি পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতি কমিটির সদস্য ইব্রাহিম রেজায়ি এক্স (সাবেক টুইটার)-এ লিখেছেন, &rsquo;সৌদিদের বোঝা উচিত, তুরস্ক ও পাকিস্তানের সাথে একটি কাগজের চুক্তি তাদের&nbsp;<br />
নিরাপত্তা এনে দেবে না। ঠিক যেভাবে আমেরিকানদের ওপর দশকের পর দশক ধরে একতরফা নির্ভরতাও ব্যর্থ হয়েছে।&rsquo;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/08/08/1722598" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>মুখে যাই বলুক, নতুন এই জোটের ফলে ইরানের নেতৃত্বের কপালে দুশ্চিন্তার ভাজের সংখ্যা আরো বাড়বে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। এখন সৌদি আরবের ওপর হামলার আগে ইরান নিশ্চয়ই নতুন করে ভাববে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1367-55.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[কসোভোর প্রধানমন্ত্রীকে ডিম ছুড়ে মারলেন আইন প্রণেতা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29263</link>
    <pubDate>Mon, 10 Aug 2026 10:40:50 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29263</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1432-44.jpg" />    <article>
<p>দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের দেশ কসোভোর ভারপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী আলবিন কুর্তিকে লক্ষ্য করে ডিম ছুড়ে মারলেন এক আইন প্রণেতা। একটি দুটি নয়, একে একে চারটি।</p>
</article>

<article>এ ঘটনার পর পার্লামেন্টের কার্যক্রম স্থগিত করা হয়।
<p>&nbsp;</p>

<p>এশিয়ান নিউজ ইন্টারন্যাশনাল (<a href="https://aninews.in/news/world/europe/kosovo-opposition-lawmaker-hurls-eggs-at-caretaker-pm-in-parliament-amid-political-crisis-house-suspended20260809160226/?fbclid=IwcGRvZgVleHRuA2FlbQIxMABicmlkETFmRVBNYXZkSGJ0V1hWQmxQc3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHuE0q0mbjiQj2q5vDOAm2G26TfHAuhDRgxQW2revKnNZ3Rs_t9g4P0kLnbKx_aem_EbLPZ2zfNttDxLxw9GpYzg">এএনআই</a>) বলছে, স্থানীয় সময় শনিবার দেশটির পার্লামেন্ট অধিবেশন চলাকালে ভারপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী আলবিন কুর্তির দিকে ডিম ছুড়ে মারেন বিরোধীদলীয় আইন প্রণেতা তাইম কাদরিজা। এ সময় তিনি চিৎকার করে বলেন, &lsquo;তোমার জন্য লজ্জা!&rsquo;&nbsp;</p>

<p>এদিন পার্লেমেন্টে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ইস্যুতে শুরু হয় বিবাদ। আলোচনার জন্য প্রধানমন্ত্রী কুর্তি অতিরিক্ত সময় চাওয়ায় ক্ষেপে যান কাদরিজা।</p>
</article>

<article>এক পর্যায়ে ছুড়তে শুরু করেন ডিম।
<p>&nbsp;</p>

<p>উপস্থিত আইন প্রণেতা এবং পুলিশ কর্মকর্তারা দৌড়ে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। পার্লামেন্টের সভাপতির নির্দেশে সরাসরি টেলিভিশন সম্প্রচার বন্ধ করে দেওয়া হয়।</p>

<p>এদিকে কসোভোয় হঠাৎ আগাম নির্বাচন ঘিরে বেশ কিছুদিন ধরেই উত্তপ্ত রাজনৈতিক পরিস্থিতি।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1432-44.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ইরান নিয়ে ‘নিম্নমাত্রার’ কৌশলে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29262</link>
    <pubDate>Mon, 10 Aug 2026 10:40:15 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29262</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1518-33.jpg" />    <article>
<p><a href="https://aninews.in/news/world/us/trump-says-us-taking-low-key-approach-towards-iran-not-seeking-fresh-military-offensive20260810015950/?fbclid=IwY2xjawTmKTBwZG9mAWV4dG4DYWVtAjEwAGJyaWQRMWhLeXNKWkZhT2RXMnZXWHFzcnRjBmFwcF9pZBAyMjIwMzkxNzg4MjAwODkyAAEeRqslvY3b-1aIeAS1NB7IRIpFIET4bAH21zhdzW3wg1MIAzw578sOvIzszFI_aem_tlUXYCnQrqKHvLa--TSjAQ">হরমুজ </a>প্রণালি নিয়ে চলমান উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রবিবার স্থানীয় সময় বলেছেন, ইরানের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র এখন &lsquo;নিম্নমাত্রার&rsquo; কৌশল অবলম্বন করেছে। আপাতত নতুন করে সামরিক অভিযান চালানোর পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছে অ্যাক্সিওস।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>অ্যাক্সিওস ট্রাম্পকে উদ্ধৃত করে বলেছে, &#39;আমরা বিষয়টি এখন খুব নিচু মাত্রায় রাখছি।&#39; ট্রাম্প আরো বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে শুধু &#39;আংশিকভাবে আলোচনা&#39; করছে। একই সঙ্গে ইরানের খারাপ হতে থাকা অর্থনৈতিক পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে। তিনি আরো বলেন, &#39;আমরা তাদের সঙ্গে শুধু আংশিকভাবে আলোচনা করছি।</p>
</article>

<article>ইরানে মূল্যস্ফীতি অনেক বেশি। তাদের কাছে কোনো টাকা নেই। আমরা শুধু সেটাই দেখছি।&#39;
<p>&nbsp;</p>
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/08/10/1723348" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>ট্রাম্প বলেন, অর্থনৈতিকভাবে ইরান &#39;খুব খারাপ অবস্থায়&#39; আছে।</p>
</article>

<article>তিনি দাবি করেন, পারস্য উপসাগরীয় দেশটির সেনাদের বেতন দেওয়ার মতো পর্যাপ্ত অর্থ নেই। তিনি আরো বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ ইরানি সরকারের অর্থনৈতিক সংকট আরো বাড়িয়েছে। তবে ট্রাম্প বলেন, তেলের দাম কমে যাওয়ায় আমেরিকার সাধারণ মানুষের ওপর এই সংঘাতের প্রভাব কমেছে। প্রতি ব্যারেল তেলের দাম এখন ৭৫ মার্কিন ডলারের কিছু বেশি।
<p>&nbsp;</p>

<p>ইরানের সঙ্গে চলমান পরিস্থিতি নিয়ে ট্রাম্প বলেন, &#39;সব ঠিক হয়ে যাবে।</p>
</article>

<article>সব সময়ই ঠিক হয়ে যায়। এটা দাবা খেলার মতো।&#39; অ্যাক্সিওস এ তথ্য জানিয়েছে। হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে বিভিন্ন ঘটনার কারণে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা এখনও অনেক বেশি। হরমুজ প্রণালি বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন পথগুলোর একটি। ট্রাম্পের এই মন্তব্য এমন সময়ে এল, যখন ইরান, ওমান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচনা থেমে আছে। এই আলোচনার লক্ষ্য ছিল হরমুজ প্রণালি আবার খুলে দেওয়া।
<p>&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/campus-online/2026/08/10/1723353" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>ইরান নতুন কিছু শর্ত দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ তুলে নেওয়া এবং ইরানের কাছে অবস্থান করা মার্কিন সেনাদের পেছনে সরিয়ে নেওয়া। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ মার্কিন প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলোকে জরুরি ভিত্তিতে অস্ত্র উৎপাদন বাড়াতে এবং সরবরাহ দ্রুত করতে বলেছে। ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের কারণে গুরুত্বপূর্ণ গোলাবারুদের ঘাটতি তৈরি হতে পারে&mdash;এমন আশঙ্কার মধ্যে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একটি স্মারকের বরাত দিয়ে ওয়াশিংটন পোস্ট এ তথ্য জানিয়েছে।</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/08/10/1723348" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>প্রতিরক্ষা উপমন্ত্রী স্টিভ ফেইনবার্গ বুধবার শিল্প খাতের নেতাদের বলেন, গুরুত্বপূর্ণ সামরিক সরঞ্জামের উৎপাদন বাড়ানো এবং সরবরাহের সময়সূচি উল্লেখযোগ্যভাবে দ্রুত ও আরো জোরালো করার পরিকল্পনা জমা দিতে তাদের সর্বোচ্চ ২১ দিন সময় দেওয়া হয়েছে। এদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, তেহরান বর্তমানে ওয়াশিংটনের সঙ্গে সরাসরি কোনো আলোচনা করছে না। শুধু মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে বার্তা আদান-প্রদান হচ্ছে বলে জানিয়েছে আল জাজিরা। আরাগচি বলেন, &#39;আলোচনার পথ তৈরি করার জন্য চেষ্টা চলছে।&#39;</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1518-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ডিগবাজি খেয়ে থ্রো-ইন, সেই বলেই গোল—ভাইরাল ইরানি ডিফেন্ডার]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/29261</link>
    <pubDate>Mon, 10 Aug 2026 10:39:21 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/29261</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1560-22.jpg" />    <article>
<p>ফুটবলে থ্রো-ইন খুবই সাধারণ একটি বিষয়। কিন্তু কেউ যদি সেই থ্রো-ইন করেন ডিগবাজি খেয়ে, আর তা থেকেই যদি গোল হয়, তাহলে সেটি যে আলাদাভাবে নজর কাড়বে, সেটাই স্বাভাবিক।</p>
</article>

<article>এমনই এক অবিশ্বাস্য কাণ্ড ঘটিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছেন ইরানের ডিফেন্ডার নাদের মোহাম্মাদি।
<p>&nbsp;</p>

<p>গতকাল রাশিয়ার ক্লাব ফুটবলের দ্বিতীয় স্তরের ম্যাচে স্পার্তাক কোস্ত্রোমার হয়ে খেলছিলেন ২৯ বছর বয়সী নাদের মোহাম্মাদি। এসকেএ-খাবারোভস্কের বিপক্ষে ম্যাচের শেষ দিকে তার দল ২-১ গোলে এগিয়ে ছিল। তখন ডান প্রান্ত দিয়ে থ্রো-ইনের সুযোগ পায় স্পার্তাক।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>বল হাতে নিয়ে এরপর যা করলেন মোহাম্মাদি, সেটিই হয়ে ওঠে ম্যাচের সবচেয়ে আলোচিত দৃশ্য। দৌড়ে এসে তিনি সামনে ডিগবাজি খান। এরপর শরীরের গতি ও শক্তি কাজে লাগিয়ে দুই হাত দিয়ে বলটি ছুড়ে দেন প্রতিপক্ষের পেনাল্টি বক্সের ভেতর।</p>

<p>মোহাম্মাদির ছোড়া বলটি পৌঁছে যায় গোলমুখের খুব কাছাকাছি।</p>
</article>

<article>সেখানে হেড দিয়ে বল জালে পাঠান তার সতীর্থ আমুর কালমিকভ।&nbsp;এই গোলেই এসকেএ-খাবারোভস্ককে শেষ পর্যন্ত ৩-১ ব্যবধানে হারায় মোহাম্মাদির দল স্পার্তাক কোস্ত্রোমা।
<p>&nbsp;</p>

<p>মোহাম্মাদির এই অভিনব থ্রো-ইন অবশ্য নতুন নয়। লম্বা থ্রো-ইনের জন্য ইরানি এই ডিফেন্ডার আগে থেকেই পরিচিত। ২০২০ সালে ইরানের ঘরোয়া ফুটবলেও ডিগবাজি খেয়ে দেওয়া তার একটি থ্রো-ইন থেকে সরাসরি গোল হয়েছিল।</p>
</article>

<article>ওই ঘটনাও তখন ব্যাপক আলোচনায় এসেছিল।
<p>&nbsp;</p>

<p>২০২১ সালেও নিজেদের অর্ধ থেকে একই ধরনের থ্রো-ইন করে আলোচনায় এসেছিলেন মোহাম্মাদি। তার ছোড়া বল থেকে দল কর্নার পেয়েছিল। অর্থাৎ, থ্রো-ইনকে আক্রমণের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করার এই অদ্ভুত কৌশল তার বেশ পুরোনো।</p>

<p>এবার রাশিয়ার মাঠে আবারো সেই কৌশল কাজে লাগিয়ে আলোচনায় উঠে এসেছেন নাদের মোহাম্মাদি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, বল হাতে নিয়ে দৌড় শুরু করেন মোহাম্মাদি। এরপর বলের ওপর ভর দিয়ে শরীরকে সামনের দিকে ঘুরিয়ে ডিগবাজি খান এবং একই সঙ্গে প্রচণ্ড শক্তিতে বল ছুড়ে দেন প্রতিপক্ষের বক্সের দিকে।</p>

<p>ঘটনাটি দেখে ফুটবলপ্রেমীদের অনেকেই বিস্মিত হয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কেউ কেউ মজা করে লিখেছেন, ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের চ্যাম্পিয়ন আর্সেনালের কোচ মিকেল আর্তেতা এই কৌশল দেখে ফেললে মোহাম্মাদিকে দলে ভেড়াতে চাইবেন। সেট-পিস বা থ্রো-ইন থেকে গোলের সুযোগ তৈরিতে আর্তেতার আগ্রহের কারণেই এমন মন্তব্য করেছেন ফুটবলপ্রেমীরা।</p>

<p>অবশ্য ফুটবলে ডিগবাজি খেয়ে থ্রো-ইনের কৌশলটি ১৯৯০-এর দশকের শুরুর দিকেই পরিচিতি পেয়েছিল। এস্তোনিয়ার রিস্তো কাল্লাস্তে ও ইংলিশ ক্লাব নিউক্যাসলের স্টিভ ওয়াটসন সেই সময় এই কৌশল ব্যবহার করে বেশ পরিচিতি পেয়েছিলেন। এখন তা বারবার মনে করিয়ে দিচ্ছেন মোহাম্মাদি।</p>

<p>ইরানের রাজধানী তেহরানে জন্ম নেওয়া নাদের মোহাম্মাদি সম্প্রতি স্পার্তাক কোস্ত্রোমায় যোগ দিয়েছেন। এর আগে তিনি ইরানের পাইকান, ত্রাকতোর, গোল গোহর ও জোব আহানের হয়ে খেলেছেন। মূলত রক্ষণভাগের খেলোয়াড় হলেও লম্বা ও কৌশলী থ্রো-ইনের জন্যই তিনি বেশি পরিচিত।&nbsp;</p>

<p>ইরান অনূর্ধ্ব-২৩ দলের হয়ে একটি ম্যাচ খেলেছেন নাদের মোহাম্মাদি। জাতীয় দলের জার্সিতে এখনো তার অভিষেক হয়নি।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1560-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[সুযোগ পেলে আবারও ‘দেবদাস’ হতে চান শাকিব]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/29260</link>
    <pubDate>Mon, 10 Aug 2026 10:38:48 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/29260</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1657-11.jpg" />    <article>
<p>শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কালজয়ী উপন্যাস &lsquo;দেবদাস&rsquo; অবলম্বনে নির্মিত সিনেমায় অভিনয় করে দর্শক-সমালোচকদের প্রশংসা পেয়েছিলেন ঢালিউড তারকা শাকিব খান। ২০১৩ সালে মুক্তি পাওয়া চাষী নজরুল ইসলাম পরিচালিত সিনেমাটিতে তার অভিনয় নিয়ে সেই সময় বেশ আলোচনা হয়েছিল।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>তবে ব্যস্ততার কারণে চরিত্রটিতে নিজের সর্বোচ্চটা দিতে পারেননি বলে মনে করেন শাকিব। তাই সুযোগ পেলে আবারও &lsquo;দেবদাস&rsquo; চরিত্রে অভিনয় করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন এই অভিনেতা।</p>

<p>সম্প্রতি চ্যানেল আইয়ের এক বিশেষ অনুষ্ঠানে সাংবাদিক আবদুর রহমানের মুখোমুখি হয়ে নিজের এই ইচ্ছার কথা জানান শাকিব খান।</p>

<p>সাক্ষাৎকারে শাকিব বলেন, &ldquo;&lsquo;দেবদাস&rsquo;-এর মতো চলচ্চিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পাওয়া যেকোনো অভিনেতার জন্যই ভাগ্যের ব্যাপার।</p>
</article>

<article>ওই সময় আমি অনেক ব্যস্ত ছিলাম। একসঙ্গে অনেক সিনেমা করতাম। এখন এসে মনে হয়, সুযোগ পেলে আবার &nbsp;&lsquo;দেবদাস&rsquo; করতে চাই। এই চরিত্রটি এত সুন্দর যে কোনো শিল্পীরই মন ভরে না।</article>

<article>&rdquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>নিজের আগের কাজ নিয়ে আত্মসমালোচনাও করেছেন শাকিব। তিনি জানান, বর্তমানে যেভাবে সময় নিয়ে প্রতিটি সিনেমায় কাজ করেন, &lsquo;দেবদাস&rsquo; করার সময়ও যদি তেমন সময় দিতে পারতেন, তাহলে চরিত্রটি আরো ভালোভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারতেন।</p>

<p>বাংলা ও হিন্দি সিনেমায় &lsquo;দেবদাস&rsquo; চরিত্রে অভিনয় করা কিংবদন্তি অভিনেতা বুলবুল আহমেদ ও শাহরুখ খানের সঙ্গে নিজের অভিনয়ের তুলনা নিয়েও অকপট ছিলেন শাকিব। জনপ্রিয় দুই অভিনেতার অভিনীত দেবদাসের পাশে নিজের চরিত্রায়নকে তুলনামূলকভাবে পিছিয়েই রাখেন তিনি।</p>

<p>তবে পর্দায় বিরহী &lsquo;দেবদাস&rsquo; হলেও বাস্তব জীবনে তিনি তেমন নন&mdash;এমন প্রশ্নের মুখে হাসতে হাসতে শাকিব বলেন, &lsquo;না না, আমি ব্যক্তিজীবনে খুব সুন্দরভাবে বাঁচতে ভালোবাসি।</p>
</article>

<article>হাসি-আনন্দে দিন কাটাতে চাই।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>চাষী নজরুল ইসলাম পরিচালিত &lsquo;দেবদাস&rsquo;-এ শাকিব খানের বিপরীতে পার্বতী চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন অপু বিশ্বাস। আর চন্দ্রমুখীর ভূমিকায় দেখা গিয়েছিল মৌসুমীকে।</p>

<p>এদিকে ভবিষ্যতে আবারও &lsquo;দেবদাস&rsquo; চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ এলে সিনেমাটির কেন্দ্রীয় নারী চরিত্রে কাকে দেখতে চান&mdash;এমন প্রশ্নও করা হয় শাকিবকে। তবে এ বিষয়ে কোনো নাম উল্লেখ না করে নায়ক বলেন, &lsquo;সেসব উত্তর সময়ই বলে দেবে।&rsquo;</p>

<p>আলাপচারিতায় অভিনয়জীবনের নানা অভিজ্ঞতার পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবনের কিছু বিষয় নিয়েও কথা বলেন শাকিব। এক পর্যায়ে জীবনে কোনো ভুল করেছেন কি না&mdash;উপস্থাপকের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, জীবনে অনেক ভুল করেছেন।</p>

<p>শাকিব খান বলেন, &lsquo;অনেক ভুল করেছি। অনেক সময় মনে হয়, এমন ভুল না করলেও পারতাম। অনেক কথা আমি বলার আগেই মানুষ জেনে যায়। আমার বলা পর্যন্ত আর অপেক্ষা করতে হয় না। যতটুকু বলার বলছি, অনেক সময় পেছন ফিরে তাকালে আফসোস লাগে।&rsquo;</p>

<p>এসব ভুল কেন হয়েছিল&mdash;জানতে চাইলে শাকিব বলেন, &lsquo;ওই যে, কপাল। সেই ভুলগুলো না হলে ব্যাপারটা এখন হয়তো আরো স্মুথ হতে পারত। আসলে ভুল তো প্রত্যেক মানুষেরই হয়।&rsquo;</p>

<p>অতীতের সেই ভুলগুলো নিয়ে কখনো কখনো ভাবনায় ডুবে যান বলেও জানান এই অভিনেতা। নিজের সঙ্গে একান্তে সময় কাটানোর সময় এসব বিষয় তাকে কষ্ট দেয়। অভিনেতার ভাষ্যে, &lsquo;নিভৃতে যখন নিজের সঙ্গে বসি, তখন এই হিসাব-নিকাশগুলো আমাকে পীড়া দেয়। কিন্তু কী আর করব, অনেক কিছু চাইলেও তো চেঞ্জ করা সম্ভব না, হাতে নেই আমাদের। কিন্তু যখন জেনে যাই এটা ভুল, তখন আর জেনে-শুনে সেটা করা যায় না, আর সম্ভাবনাও নেই।&rsquo;</p>

<p>আলাপচারিতার এক পর্যায়ে শাকিবের ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও প্রশ্ন করা হয়। তার দুই সাবেক স্ত্রী অপু বিশ্বাস ও শবনম বুবলীকে নিয়ে জানতে চাইলে শাকিব বলেন, &lsquo;তারা দুজন আমার লাইফের পার্ট। তবে আমি কিছু বলতে চাই না তাদের নিয়ে। আমি বিষয়গুলো নিজের মধ্যেই রাখি।&rsquo;</p>

<p>তাদের সঙ্গে দেখা হলে কোনো পরামর্শ দেন কি না&mdash;এমন প্রশ্নের জবাবে শাকিব জানান, মাঝে মাঝে তাদের সতর্ক করেন। এরপর বললেন, &lsquo;আমি তো বলি, এরপর তারা কী করবেন বা বলবেন, সেটা তো তাদের ব্যাপার।&rsquo;</p>

<p>সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাকে নিয়ে ছড়িয়ে পড়া নানা অতিরঞ্জিত খবর নিয়েও কথা বলেন শাকিব। তার দাবি, অনেক সময় কোনো ঘটনা ঘটার আগেই সেটিকে ঘিরে নানা ধরনের খবর ছড়িয়ে পড়ে। এমনকি এমন কিছু ঘটনার সঙ্গেও তার নাম জড়ানো হয়, যার সঙ্গে বাস্তবে তার কোনো সম্পর্ক নেই।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1657-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিউইয়র্কে বর্ণিল আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো জাতীয় ডোমিনিকান ডে প্যারেড]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29259</link>
    <pubDate>Mon, 10 Aug 2026 05:11:39 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29259</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/08092026_image15_dominican_day_parade.jpg" />    <p>শিব্বীর আহমেদ, ম্যানহাটান, নিউইয়র্ক: বর্ণিল উৎসব, নাচ-গান এবং ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে নিউইয়র্ক সিটিতে অনুষ্ঠিত হলো ঐতিহ্যবাহী জাতীয় ডোমিনিকান ডে প্যারেড (National Dominican Day Parade)। ৪৪তম বারের মতো আয়োজিত এই প্যারেড দেখতে ম্যানহাটনে প্রায় ৪ লাখ দর্শকের সমাগম ঘটে বলে আশা করা হয়েছিল।&nbsp;</p>

<p>রোববার সকালে ফিতা কেটে এই বর্ণাঢ্য উৎসবের আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন সিটির উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। অনুষ্ঠানে নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি ডোমিনিকান সম্প্রদায়ের প্রশংসা করে বলেন, &quot;প্রতি আটজন নিউইয়র্কবাসীর মধ্যে একজনের শেকড় রয়েছে ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্রে। আজকের এই দিনটি এই সম্প্রদায়টি আমাদের সিটিকে যা কিছু দিয়েছে, তা উদযাপনের দিন। ডোমিনিকান বংশোদ্ভূত নিউইয়র্কবাসীরা এই সিটিকে নিজেদের বাড়ি হিসেবে গণ্য করায় আমরা অত্যন্ত গর্বিত।</p>

<p><img alt="" src="https://khabor.com/upload/images/news/08092026_image14_dominican_day_parade.jpg" style="width: 899px; height: 552px;" /></p>

<p>এদিকে ডোমিনিকান জনগণের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে নিউইয়র্কের গভর্নর ক্যাথি হাচুল বলেন, &quot;আমরা তাদের সম্মান জানাই, তাদের অর্জনকে উদ্&zwnj;যাপন করি। একই সাথে আমেরিকার রাস্তায় সাধারণ মানুষের মনে আতঙ্ক সৃষ্টিকারী আইস (ICE) কর্তৃপক্ষের অতিরিক্ত বাড়াবাড়ি থেকে আমরা তাদের রক্ষা করতে চাই। এই ধরনের অনধিকারচর্চা অবশ্যই বন্ধ হতে হবে। নিউইয়র্ক রাজ্য এই বাড়াবাড়ির বিরুদ্ধে দৃঢ়ভাবে রুখে দাঁড়াতে প্রস্তুত।&quot; &nbsp;</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/08092026_image15_dominican_day_parade.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে বর্ণাঢ্য আয়োজনে সম্পন্ন হলো প্রথম ‘সাউথ এশিয়ান ইউনিটি প্যারেড ২০২৬’]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/29258</link>
    <pubDate>Mon, 10 Aug 2026 05:05:59 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/29258</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/08092026_image13_saup_parade.jpg" />    <p>শিব্বীর আহমেদ, নিউইয়র্ক: বর্ণিল উৎসব, নাচ-গান এবং ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে নিউইয়র্ক সিটির কুইন্সের জ্যাকসন হাইটসে আজ অনুষ্ঠিত হলো ঐতিহাসিক &lsquo;সাউথ এশিয়ান ইউনিটি প্যারেড ২০২৬&rsquo; (South Asian Unity Parade 2026)। নিউইয়র্কের মাটিতে দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের কৃষ্টি, সংস্কৃতি ও পারস্পরিক সম্প্রীতি তুলে ধরার এই প্রথম যৌথ উদ্যোগটি স্থানীয় প্রবাসী কমিউনিটিতে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে। &nbsp;</p>

<p>রবিবার দুপুরে জ্যাকসন হাইটসের প্রধান রাজপথগুলো দক্ষিণ এশীয় সম্প্রদায়ের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে মুখরিত হয়ে ওঠে। বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলঙ্কা এবং ভুটানসহ বিভিন্ন দক্ষিণ এশীয় দেশের প্রবাসীরা নিজ নিজ দেশের ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরে, হাতে দেশের পতাকা নিয়ে এবং নানা সাংস্কৃতিক বাদ্যের তালে মিছিলে অংশ নেন। &nbsp;</p>

<p><img alt="" src="https://khabor.com/upload/images/news/08092026_image12_saup_parade.jpg" style="width: 899px; height: 627px;" /></p>

<p>আয়োজকরা জানান, নিউইয়র্কের মূলধারার বহুকৃষ্টিক সমাজে দক্ষিণ এশিয়ার সম্মিলিত ঐতিহ্য ও মৈত্রী সুদৃঢ় করতে এই প্যারেড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ী এবং নানা পেশার প্রবাসীদের উপস্থিতিতে জ্যাকসন হাইটসের প্যারেড প্রাঙ্গণটি যেন এক টুকরো দক্ষিণ এশিয়ায় পরিণত হয়। বর্ণাঢ্য এই শোভাযাত্রা ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা দেখতে সাধারণ দর্শকদেরও উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। &nbsp;</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/08092026_image13_saup_parade.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[Grand Success of the First &quot;South Asian Unity Parade 2026&quot; in Jackson Heights, New York]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/english/29257</link>
    <pubDate>Mon, 10 Aug 2026 05:01:06 +0600</pubDate>
    <category> English </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/english/29257</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/08092026_image10_saup_parade.jpg" />    <p data-path-to-node="1"><b data-index-in-node="0" data-path-to-node="1">Shabbir Ahmed, New York:</b> Amidst vibrant festivities, dance, music, and immense enthusiasm, the historic <b data-index-in-node="104" data-path-to-node="1">&ldquo;South Asian Unity Parade 2026&rdquo;</b> was successfully held today in Jackson Heights, Queens, New York City. This pioneering joint initiative&mdash;designed to showcase the diverse heritage, culture, and mutual harmony of various South Asian nations on New York soil&mdash;has added a remarkable new dimension to the local immigrant community.</p>

<p data-path-to-node="2">On Sunday afternoon, the main thoroughfares of Jackson Heights resonated with the spontaneous participation of the South Asian community. Immigrants from Bangladesh, India, Pakistan, Nepal, Sri Lanka, and Bhutan donned traditional attire of their respective homelands, carried national flags, and marched to the rhythmic beats of traditional cultural instruments.</p>

<p data-path-to-node="2"><img alt="" src="https://khabor.com/upload/images/news/08092026_image11_saup_parade.jpg" style="width: 899px; height: 505px;" /></p>

<p data-path-to-node="3">Organizers stated that the parade played a vital role in strengthening the collective heritage and alliance of South Asia within New York&#39;s mainstream multicultural society. With the presence of leaders from various social and cultural organizations, business owners, and professionals from diverse fields, the parade grounds in Jackson Heights transformed into a vibrant miniature South Asia. A massive crowd of spectators also gathered to witness the colorful procession and cultural performances.</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/08092026_image10_saup_parade.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[Manhattan Fills With Culture And Celebration For The 44th Annual National Dominican Day Parade]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/english/29256</link>
    <pubDate>Mon, 10 Aug 2026 04:56:07 +0600</pubDate>
    <category> English </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/english/29256</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/08092026_image08_dominican_day_parade.jpg" />    <p><strong>Shibbir Ahmed, Manhattan, NY:</strong> The traditional National Dominican Day Parade filled Sixth Avenue in Midtown Manhattan with vibrant music, colorful dance groups, and massive crowds on Sunday for its forty-fourth consecutive year. Operating under the theme &quot;Dominicanos: Identidad y Cultura,&quot; the event drew approximately 400,000 spectators to celebrate the deep historical and cultural footprint of the Dominican community in New York City. &nbsp;</p>

<p>The morning festivities commenced with a ribbon-cutting ceremony led by senior government officials, including New York City Mayor Zohran Mamdani, who emphasized the strong presence of the community by noting that one in every eight New Yorkers traces their roots to the Dominican Republic. Governor Kathy Hochul also addressed attendees, voicing strong support for immigrant residents and emphasizing the state&#39;s dedication to protecting local communities from federal enforcement overreach. &nbsp;</p>

<p><img alt="" src="https://khabor.com/upload/images/news/08092026_image09_dominican_day_parade.jpg" style="width: 899px; height: 495px;" /></p>

<p>The grand procession featured over forty elaborate floats, traditional folkloric attire, and thousands of marchers moving down the designated route from 37th Street to 55th Street. Dr. Ramon Tallaj, founder of the Somos Community Care healthcare network serving over one million Medicaid and Medicare beneficiaries in the city, served as this year&#39;s official grand marshal. To ensure a safe environment for the hundreds of thousands of participants and families in attendance, the NYPD implemented heightened security protocols, utilizing extended patrols, double barricades along the route, and increased surveillance across transit hubs and surrounding streets. &nbsp;</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/08092026_image08_dominican_day_parade.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[300 Children Killed in Gaza in 300 Days of Ceasefire: UNICEF]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/english/29255</link>
    <pubDate>Sun, 09 Aug 2026 05:28:03 +0600</pubDate>
    <category> English </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/english/29255</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1-08082026_image05_gaza_child_killed.jpg" />    <p><strong>Shibbir Ahmed, United Nations, New York:</strong> At least 300 children have been killed in the besieged Gaza Strip over the 300 days since a so-called ceasefire agreement went into effect, according to the United Nations Children&#39;s Fund (UNICEF), which stated that the truce has proven to be a complete failure for the children of Gaza. The ceasefire agreement was signed in October of last year with the aim of halting military operations between Hamas and Israeli forces, but violence has continued despite the deal.</p>

<p>Edouard Beigbeder, UNICEF&#39;s regional director for the Middle East and North Africa, expressed outrage, stating that a ceasefire in which an average of one child dies every day is a total failure to protect children. He added that hundreds of children are spending their days in hospital beds with severe injuries, and that the children of Gaza are still waiting for the peace they were promised.</p>

<p>Despite the agreement, the procession of children&#39;s deaths in Gaza has not stopped. Premature and sick babies are being born to hunger-stricken mothers. A severe humanitarian crisis has been created due to a lack of adequate medical supplies and relief, and an entire generation in Gaza is being deprived of basic amenities and education. With renewed Israeli airstrikes and military operations, Gaza&#39;s families have been forced to seek shelter in only one-third of the territory, living subhuman lives amidst rubble and piles of garbage.</p>

<p>UNICEF spokesperson Louise Wateridge stated that due to a lack of adequate incubators, two or three newborns are often placed in a single machine. Newborns just days old, born in partially functioning hospitals lacking sufficient medicine and equipment, are fighting desperately to survive. She said the international community has accepted this situation, but this carnage must be stopped, adequate relief must be allowed to enter, and children must be protected. While the world calls it a ceasefire, families in Gaza are still burying their children, as a ceasefire does not mean children should die every day.</p>

<p>According to data from the UN Office for the Coordination of Humanitarian Affairs (OCHA), a total of 1,209 people have been killed and 3,943 injured in Gaza since the ceasefire was declared on October 10 of last year. Additionally, a recent attack on a medical warehouse near Al-Aqsa Hospital in Deir al-Balah destroyed emergency medical supplies provided by the World Health Organization (WHO).</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1-08082026_image05_gaza_child_killed.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[যুদ্ধবিরতির ৩০০ দিনে গাজায় নিহত তিনশ শিশু: ইউনিসেফ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29254</link>
    <pubDate>Sun, 09 Aug 2026 05:27:16 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29254</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/08082026_image05_gaza_child_killed.jpg" />    <p data-path-to-node="0"><b data-index-in-node="0" data-path-to-node="1">শিব্বীর আহমেদ, জাতিসংঘ, নিউ ইয়র্ক:&nbsp;</b>তথাকথিত যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকরের পর গত ৩০০ দিনে অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় অন্তত ৩০০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। জাতিসংঘ শিশু তহবিল (ইউনিসেফ) জানিয়েছে, এর মধ্য দিয়ে গাজার শিশুদের জন্য যুদ্ধবিরতি সম্পূর্ণ ব্যর্থ প্রমাণিত হয়েছে। গত বছরের অক্টোবর মাসে হামাস ও ইসরায়েলি বাহিনীর মধ্যে সামরিক অভিযান স্থগিতের লক্ষ্যে এই যুদ্ধবিরতি চুক্তি সই হয়েছিল। কিন্তু চুক্তি সত্ত্বেও সহিংসতা থামেনি।</p>

<p data-path-to-node="3">ইউনিসেফের মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকা অঞ্চলের পরিচালক এদুয়ার্দ বেইগবেদার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, যে যুদ্ধবিরতিতে প্রতিদিন গড়ে একটি করে শিশুর মৃত্যু হয়, সে যুদ্ধবিরতি শিশুদের রক্ষা করতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ। তিনি আরও বলেন, শত শত শিশু গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালের বিছানায় দিন কাটাচ্ছে এবং গাজার শিশুরা তাদের ওয়াদাকৃত শান্তির জন্য এখনও অপেক্ষা করে আছে।</p>

<p data-path-to-node="4">চুক্তি সত্ত্বেও গাজায় শিশুদের মৃত্যুর মিছিল থামেনি। ক্ষুধায় জর্জরিত মায়েদের কোল জুড়ে জন্ম নিচ্ছে অপরিপক্ব ও অসুস্থ শিশুরা। পর্যাপ্ত চিকিৎসাসামগ্রী ও ত্রাণের অভাবে চরম মানবিক বিপর্যয় তৈরি হয়েছে এবং মৌলিক সুযোগ-সুবিধা ও শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে গাজার একটি পুরো প্রজন্ম। নতুন করে ইসরায়েলি বিমান হামলা ও সামরিক অভিযান বাড়ায় গাজার পরিবারগুলো উপত্যকার মাত্র এক-তৃতীয়াংশ এলাকায় আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছে। তারা ধ্বংসস্তূপ ও ময়লার স্তূপের মাঝেই মানবেতর জীবনযাপন করছে।</p>

<p data-path-to-node="5">ইউনিসেফের মুখপাত্র লুইস ওয়াটারিজ জানিয়েছেন, পর্যাপ্ত ইনকিউবেটরের অভাবে অনেক সময় একটিমাত্র মেশনেই দুই বা তিনটি নবজাতককে রাখা হচ্ছে। অপর্যাপ্ত ওষুধ ও সরঞ্জামের আংশিক সচল হাসপাতালেই জন্ম নেওয়া কয়েক দিন বয়সি শিশুরা বেঁচে থাকার জন্য তীব্র লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, বিশ্ববাসী এই পরিস্থিতি মেনে নিয়েছে। এই হত্যাযজ্ঞ অবশ্যই বন্ধ হতে হবে, পর্যাপ্ত পরিমাণে ত্রাণ প্রবেশের সুযোগ দিতে হবে এবং শিশুদের রক্ষা করতে হবে। বিশ্ব যেটিকে যুদ্ধবিরতি বলছে, গাজার পরিবারগুলো এখনও তাদের শিশুদের কবর দিয়ে চলেছে। যুদ্ধবিরতি মানে এই নয় যে শিশুরা প্রতিদিন মারা যাবে।</p>

<p data-path-to-node="6">জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা সমন্বয় দফতরের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের ১০ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর থেকে এ পর্যন্ত গাজায় মোট ১,২০৯ জন নিহত এবং ৩,৯৪৩ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া দের আল-বালাহতে আল-আকসা হাসপাতালের পাশের একটি মেডিকেল গুদামে সম্প্রতি হামলার ফলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সরবরাহকৃত জরুরি চিকিৎসাসামগ্রীও ধ্বংস হয়ে গেছে।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/08082026_image05_gaza_child_killed.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[৯ আগস্ট রবিবার নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে সাউথ এশিয়ান ইউনিটি প্যারেড]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/29253</link>
    <pubDate>Sun, 09 Aug 2026 05:02:49 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/29253</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/08082026_image04_south_asina_unity_parade.jpg" />    <p>৯ আগস্ট রবিবার নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে অনুষ্ঠিত হবে দক্ষিণ এশীয় মিলনমেলা &lsquo;সাউথ এশিয়ান ইউনিটি প্যারেড&rsquo;। বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভুটান ও মালদ্বীপ-এই সাত দেশের কৃষ্টি, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং ঐক্যের অনন্য বার্তা নিয়ে এই প্যারেডের মূল প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে &lsquo;এক অঞ্চল : এক সংস্কৃতি : এক ভবিষ্যৎ&rsquo; (Together We Can Make a Difference)।</p>

<p>দক্ষিণ এশীয় অভিবাসীদের মধ্যে এক নতুন মেলবন্ধন ও ভ্রাতৃত্ববোধ গড়ে তোলার লক্ষ্যে এই প্যারেডের মূল প্রতিপাদ্যকে ধারণ করে থিম সং লিখেছেন দেশের খ্যাতিমান শিশুসাহিত্যিক ও কবি হুমায়ুন কবীর ঢালী। গানটির মর্মস্পর্শী মুখবন্ধ হলো: &ldquo;জ্যাকসন হাইটসের রাজপথে আজ রঙের মশাল জ্বলে, / সাতটি দেশের হৃদয় নাচে প্রেমের কথা বলে। / নিউইয়র্কের আকাশ জুড়ে রংধনুর রঙ ছড়ায়, / দক্ষিণ এশিয়ার ভাই-বোনেরা ঐক্যে মিশে যায়।&rdquo;&nbsp;এদিন সকাল ১০টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত এই প্যারেড জ্যাকসন হাইটসের ৬৯ স্ট্রিট থেকে ৩৭ এভিনিউ হয়ে ৮৭ স্ট্রিট পর্যন্ত প্রদক্ষিণ করবে বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/08082026_image04_south_asina_unity_parade.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[পাটওয়ারীর ওপর ‘আসল মার শুরুই হয়নি’: নিউইয়র্কে বিএনপি এমপি মঞ্জুরুল ইসলাম]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/29252</link>
    <pubDate>Sun, 09 Aug 2026 04:57:05 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/29252</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/08082026_image03_monjurul_islam_mp.jpg" />    <p>জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর সামনে &lsquo;কঠিন&rsquo; সময় অপেক্ষা করছে বলে মন্তব্য করেছেন দিনাজপুর-১ আসনে বিএনপি থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য মনজুরুল ইসলাম। &nbsp;তিনি বলেছেন, &lsquo;পাটওয়ারীর ওপর মার শুরু হয়েছে কেবল। আসল মার তো শুরুই হয়নি। একজন এমপি হিসেবেই বলছি, ভবিষ্যৎ অনেক কঠিন তার জন্য।&rsquo;</p>

<p>শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেটে এক সুধী সমাবেশে তিনি এসব মন্তব্য করেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসের দুই বছর পূর্তি উপলক্ষে এ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। মনজুরুল ইসলামের মতে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার পরিবার নিয়ে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী যেসব মন্তব্য করেন, তা বাকস্বাধীনতার সীমা লঙ্ঘন করে।</p>

<p><img alt="" src="https://khabor.com/upload/images/news/08082026_image02_monjurul_islam_mp.jpg" style="width: 899px; height: 493px;" /></p>

<p>তিনি বলেন, &lsquo;সে শুধু প্রধানমন্ত্রীই নয়, তার স্ত্রী ও কণ্যাকে নিয়ে যখন কথা বলে, তখন আমরা সহ্য করতে পারি না। কারণ তারা তো এটার কোনো অংশ না। অথচ প্রতিনিয়ত (পাটওয়ারী) এটা করছেন। &ldquo;ফ্রিডম অব স্পিস&rdquo; কী! এটা ফ্রিডম অব স্পিস নয়।&rsquo;</p>

<p>তিনি আর বলেন, &lsquo;তারেক রহমান সাহেব যে ধৈর্যের পরিচয় দিচ্ছেন&hellip;বিশ্বাস করুন আপনারা, আমরা যেটা সহ্য করতে পারি না, সেটি উনি (পাটওয়ারী) করছেন। উনার (তারেক রহমান) সম্পর্কে যেসব বাজে ল্যাঙ্গুয়েজ করছে পাটওয়ারী, তুষার&hellip;।&rsquo;</p>

<p>অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কনসাল জেনারেল মোজাম্মেল হক পিটার। এতে অন্যদের মধ্যে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি সালাহ উদ্দীন নোমান চৌধুরী, ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রেস মিনিস্টার গোলাম মোর্তোজা, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আব্দুল লতিফ সম্রাট , গিয়াস আহমেদ ও জিল্লুর রহমান জিল্লু উপস্থিত ছিলেন।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/08082026_image03_monjurul_islam_mp.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিউইয়র্ক কনস্যুলেটে জুলাই ঘিরে বিতর্ক, জুলাই-যোদ্ধা বহিষ্কার]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/29251</link>
    <pubDate>Sun, 09 Aug 2026 04:48:07 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/29251</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/08082026_image01_sny_consulate_july.jpg" />    <p>নিজস্ব প্রতিবেদক, নিউইয়র্ক: &lsquo;জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান&rsquo;-এর দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেটে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রদর্শিত প্রামাণ্যচিত্রকে কেন্দ্র করে তুমুল বিতর্ক ও উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। প্রামাণ্যচিত্রটিতে &lsquo;ইতিহাস বিকৃত করা হয়েছে&rsquo; এমন অভিযোগ তুলে প্রতিবাদ জানানোর পর নূর হোসেন নামের এক প্রবাসী &lsquo;জুলাই-যোদ্ধা&rsquo;কে অনুষ্ঠানস্থল থেকে বের করে দেওয়া হয়। গত ৭ আগস্ট কনস্যুলেট কার্যালয়ে এই ঘটনা ঘটে।</p>

<p>অনুষ্ঠানে জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের ওপর তৈরি একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। প্রদর্শনীর পরপরই নিজেকে জুলাই-যোদ্ধা হিসেবে পরিচয়দানকারী প্রবাসী নূর হোসেন এর তীব্র প্রতিবাদ জানান। তিনি কনসাল জেনারেল এবং ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রেস মিনিস্টার গোলাম মর্তুজাসহ উপস্থিত কর্তাব্যক্তিদের উদ্দেশে আঙুল উঁচিয়ে বলেন, &ldquo;বিএনপির ১৭ বছরের আন্দোলনের ফসল জুলাই বিপ্লব। অথচ বিএনপির মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরই বলেছিলেন, ছাত্রদের আন্দোলনের ফসল ফ্যাসিবাদের পতন। আমরা আন্দোলন করি নাই? ডকুমেন্টারিতে ইতিহাসের বিকৃতি করা হয়েছে।&rdquo;</p>

<p>তার এই বক্তব্যের পরেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। বক্তব্যের একপর্যায়ে নূর হোসেনের সঙ্গে উপস্থিত কয়েকজন নেতার বাক-বিতণ্ডা শুরু হয়। পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে উঠলে তাকে ধাক্কা দিয়ে অনুষ্ঠানস্থল থেকে বের করে দেওয়া হয়। কনস্যুলেটের নিরাপত্তা রক্ষীরা পরবর্তীতে তাকে আর ভেতরে প্রবেশ করতে দেননি। ত টানটান উত্তেজনার মধ্যেই পরে কনস্যুলেটের পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অব্যাহত থাকে এবং যথারীতি অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। এতে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন সংসদ সদস্য মঞ্জুরুল হক।</p>

<p>উত্তেজনার একপর্যায়ে মাইক হাতে নিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন ডেমোক্র্যাটিক পার্টির ডিস্ট্রিক্ট লিডার অ্যাট লার্জ ও অ্যাটর্নি মইন চৌধুরী। তিনি উপস্থিতদের উদ্দেশে বলেন, &ldquo;ভাইয়েরা উচ্ছৃঙ্খল হবেন না। এটা সরকারি প্রতিষ্ঠান।&rdquo;</p>

<p>ঘটনার তীব্র সমালোচনা করে বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য গিয়াস আহমেদ বলেন, `৪০ বছর আমরা এদেশে এরশাদবিরোধী, ১/১১ বিরোধী এবং ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে লাগাতার আন্দোলনে ছিলাম। কখনো এই লোকটিকে দেখিনি। সে হচ্ছে ফ্যাসিস্ট হাসিনার এজেন্ট। জুলাই আন্দোলন এবং সফলতা সম্পর্কে তার কোনো ধারণা নেই বলেই মনে হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের গুপ্ত আগন্তুক যেন কোনো অনুষ্ঠানে প্রবেশ করতে না পারে, তা নিশ্চিত করা উচিত।&#39;</p>

<p>এদিকে, উদ্ভূত পরিস্থিতিকে &lsquo;অনাকাঙ্ক্ষিত&rsquo; হিসেবে অভিহিত করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের তারেক রহমানের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির অন্যতম সদস্য গোলাম ফারুক শাহীন। তিনি বলেন, `যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির ব্যানারে আমরা সকলেই সোচ্চার ছিলাম ফ্যাসিস্ট তাড়ানোর আন্দোলনে। এ নিয়ে বাক-বিতণ্ডার কোনোই অবকাশ থাকতে পারে না।&#39;</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/08082026_image01_sny_consulate_july.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিউইয়র্কে নোয়াখালী-৫ আসনের এমপি ফখরুল ইসলামকে নাগরিক সংবর্ধনা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/29250</link>
    <pubDate>Sat, 08 Aug 2026 11:05:27 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/29250</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/420-3.jpg" />    <p>নোয়াখালী-৫ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব ফখরুল ইসলামের যুক্তরাষ্ট্র সফর উপলক্ষে নিউইয়র্কে এক বর্ণাঢ্য নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। নোয়াখালী-৫ আসনের সর্বস্তরের প্রবাসীদের উদ্যোগে গত ৫ আগস্ট (বুধবার) সন্ধ্যা ৭টায় ব্রুকলিনের জলসা রেস্টুরেন্টে এ সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়।<br />
<img alt="" data-mfp-src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/IMG-20260807-WA0006.jpg" src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/IMG-20260807-WA0006.jpg" /></p>

<p>আয়োজক কমিটির সভাপতি ও বাংলাদেশ সোসাইটির ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য নাঈম টুটুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ফখরুল ইসলাম এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির নেতা গিয়াস আহমেদ।</p>

<p>এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন আয়োজক কমিটির সদস্য সচিব মোশাররফ হোসেন ফয়সাল, যুগ্ম আহ্বায়ক ইমতিয়াজ আহমেদ, মিজানুর রহমান ও মোতাসিম বিল্লাহ সিরাজী, প্রধান সমন্বয়কারী মোশারফ হোসেন সবুজ, যুগ্ম সমন্বয়কারী আকরামুল হাসান ও দেলোয়ার হোসেন সাহেল, যুগ্ম সদস্য সচিব নুরুল ইসলাম বাবু ও মোরসালিন হোসাইনসহ নোয়াখালী-৫ আসনের বিপুলসংখ্যক প্রবাসী।</p>

<p>সংবর্ধনায় ফখরুল ইসলাম এমপি বলেন, দেশের অর্থনীতি ও উন্নয়নে প্রবাসী বাংলাদেশিদের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নোয়াখালীর উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে প্রবাসীদের পরামর্শ ও সহযোগিতা সবসময় গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে।&nbsp;</p>

<p data-added-after="1">তিনি বলেন, নোয়াখালীকে একটি আধুনিক ও বিনিয়োগবান্ধব জেলায় পরিণত করতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ চলছে।<br />
তিনি নোয়াখালীতে আন্তর্জাতিক মানের একটি বিমানবন্দর প্রতিষ্ঠার আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, এ ধরনের একটি প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে জেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা, ব্যবসা-বাণিজ্য, পর্যটন এবং প্রবাসীদের যাতায়াতে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। এ স্বপ্ন বাস্তবায়নে সরকার, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং প্রবাসীদের সম্মিলিত সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।</p>

<p>বিশেষ অতিথির বক্তব্যে গিয়াস আহমেদ বলেন, দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে প্রবাসীদের ভূমিকা অপরিসীম। নোয়াখালীর উন্নয়নে প্রবাসীদের ঐক্যবদ্ধ অংশগ্রহণ ভবিষ্যতে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।</p>

<p>অনুষ্ঠানের শেষপর্বে ফখরুল ইসলাম এমপিকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। আয়োজকদের পক্ষ থেকে নোয়াখালী-৫ আসনের প্রবাসীসহ অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয় এবং সংবর্ধনা অনুষ্ঠান সফল করতে সহযোগিতাকারীদের ধন্যবাদ জানানো হয়।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/420-3.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[উত্তর আমেরিকা&#039;র আয়োজনে হয়ে গেল এক অভিনব ও চমকপ্রদ আড্ডা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/29249</link>
    <pubDate>Sat, 08 Aug 2026 11:04:55 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/29249</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/697-2.jpg" />    <p>গত ৩০ জুলাই, &nbsp;&#39;প্রথম আলো উত্তর আমেরিকা&#39;র আয়োজনে হয়ে গেল এক অভিনব ও চমকপ্রদ আড্ডা। আড্ডার নাম&mdash; &#39;কাঁঠালিয়া আড্ডা&#39;। শিশুকাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত অনেক কাঁঠাল খেয়েছি, কিন্তু কাঁঠাল নিয়েও আড্ডা হয়&mdash; তা এই প্রথম শুনলাম! &nbsp;সম্পাদক ইব্রাহিম চৌধুরী আগেই বলেছিলেন, সবাই যেন কাঁঠাল রঙের শাড়ি এবং পাঞ্জাবি পরে আসে। সে মোতাবেক সবাই হলুদ শাড়ি আর পাঞ্জাবি, কেউবা আবার লাল-সবুজ মিলিয়ে পরে এসেছেন।&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>আমিও কাজ থেকে তিন ঘণ্টা আগেই ছুটি নিয়ে অনুষ্ঠানে পৌঁছে গেলাম হলুদ শাড়ি পরে। গিয়ে দেখি, ইলহাম একাডেমি রঙিন হয়ে উঠেছে কাঁঠালপ্রেমীদের কাঁঠালিয়া রঙে। চারপাশের এত হলুদ রঙের বাহার দেখে মনে হলো&mdash; হলুদে হলুদে এ যেন আমার ফেলে আসা সেই শর্ষে ক্ষেতের স্মৃতি! &nbsp;এ যেন শীতের শেষ আর বসন্তের আগে গ্রামবাংলা সেজেছে অপরূপ সাজে। যদিও আমাদের এই কৃত্রিম হলুদ সরিষা ক্ষেতে মৌমাছির আনাগোনা ছিল না, তবু মনে পড়ে গেল কবি নবকৃষ্ণ ভট্টাচার্যের কবিতা,&nbsp;</p>

<p>&#39;মৌমাছি মৌমাছি</p>

<p>কোথা যাও নাচি নাচি</p>

<p>দাঁড়াও না একবার ভাই,</p>

<p data-added-after="1">ওই ফুল ফোটে বনে,&nbsp;</p>

<p>যাই মধু আহরণে,</p>

<p>দাঁড়াবার সময় তো নাই...।&#39;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>সত্যিই তো, প্রবাসের ব্যস্ত জীবনে আমাদের কারোই তো একটু দাঁড়াবার সময় নেই! তবু সব কাজ সামলে এই হলুদ উৎসবে মধু আহরণ করতেই যেন আমরা সবাই ছুটে এসেছি।</p>

<p>কাঁঠাল নিয়ে চমৎকার সব আলোচনা হলো, গল্প হলো, হাসাহাসি হলো। আমরা সবাই প্রাণভরে উপভোগ করলাম মজার সব কাঁঠালি গল্প।&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p data-added-after="1">পশ্চিমবঙ্গের কবি সুবোধ সরকার এসেছিলেন আমাদের এই কাঁঠালিয়া আড্ডায়। উনি আবেগে আপ্লুত হয়ে বললেন, &quot;অনেক আড্ডায় গিয়েছি, অনেক আড্ডার নাম শুনেছি, কিন্তু এই প্রথম শুনলাম কাঁঠালিয়া আড্ডার কথা!&quot;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>মজার সব আলোচনার শেষে এলো সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। সবাই থালা হাতে দাঁড়িয়ে গেলেন কাঁঠাল খাওয়ার জন্য। বোন রাশিদা সবার প্লেটে তুলে দিলেন কাঁঠাল আর বিন্নি চালের ভাত; সাথে কাঁঠালের এঁচোড়, কাঁঠালের পায়েস আর দই!</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>অনুষ্ঠান শেষে বেরিয়ে আসছি আমি আর বন্ধু স্নোফ্লেক্স। রাস্তার কোণায় দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছি আমাদের গাড়ির জন্য। হঠাৎ এক মহিলা হন্তদন্ত হয়ে রাস্তা পার হয়ে আমাদের কাছে আসলেন।</p>

<p>উত্তেজিত হয়ে বললেন, &quot;অনুষ্ঠান কি শেষ হয়ে গেছে?&quot; আমরা বললাম, &quot;হ্যাঁ!&quot; মহিলা খুবই হতাশ হয়ে বললেন, &quot;পত্রিকায় দেখে আসছিলাম কাঁঠাল খাওয়ার জন্য!&quot;&nbsp;</p>

<p data-added-after="1">আমাদেরও খারাপ লাগলো। বললাম, &quot;পরের বার যখন হবে, তখন আবার আসবেন।&quot;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>ধন্যবাদ ইব্রাহিম চৌধুরী ভাইজানকে, এমন চমৎকার একটা আয়োজন করার জন্য!</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/697-2.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[আদিবাসীদের সাংবিধানিক স্বীকৃতি ও ভূমি অধিকার নিশ্চিতের দাবি]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29248</link>
    <pubDate>Sat, 08 Aug 2026 11:02:50 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29248</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/963-1.jpg" />    <article>
<p>আদিবাসী জনগোষ্ঠীর সাংবিধানিক স্বীকৃতি, ভূমির অধিকার নিশ্চিত, পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশনকে কার্যকর করা এবং সমতলের আদিবাসীদের জন্য পৃথক ভূমি কমিশন গঠনের দাবি জানিয়েছেন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। তারা আদিবাসীদের সংস্কৃতি, মাতৃভাষা, স্বাস্থ্যসেবা ও ঐতিহ্যগত জ্ঞান সংরক্ষণে কার্যকর সরকারি উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বানও জানিয়েছেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে অ্যাসোসিয়েশন ফর ল্যান্ড রিফর্ম অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (এএলআরডি) ও বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামসহ জাতীয় পর্যায়ের ১৭টি অধিকারভিত্তিক সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে এ আহ্বান জানান তারা। &lsquo;আদিবাসী জনগণ : জীবন, ভূমি অধিকার ও সংস্কৃতির সম্মান&rsquo; শীর্ষক সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন এএলআরডির নির্বাহী পরিচালক শামসুল হুদা।</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/national/2026/08/06/1721693" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন মানবাধিকারকর্মী ইলিরা দেওয়ান। মূল প্রবন্ধে তিনি সংবিধানের ২৩(ক) অনুচ্ছেদে ব্যবহৃত &lsquo;উপজাতি&rsquo; ও &lsquo;নৃ-গোষ্ঠী&rsquo; শব্দের পরিবর্তে আদিবাসীদের কাছে গ্রহণযোগ্য পরিভাষা সংযোজন, পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশনকে সক্রিয় করা, সমতলের আদিবাসীদের জন্য পৃথক ভূমি কমিশন গঠন এবং আদিবাসী এলাকায় পর্যটন উন্নয়নের আগে তাদের জীবনধারা ও সংস্কৃতি সুরক্ষায় নীতিমালা প্রণয়নের সুপারিশ করেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>আলোচনায় অংশ নিয়ে সংসদ সদস্য আন্না মিনজ বলেন, অতীতের বঞ্চনার পাশাপাশি আদিবাসীদের উন্নয়নে সরকারের ইতিবাচক উদ্যোগগুলোকে মূল্যায়ন করতে হবে। বর্তমান সরকারের বিভিন্ন নীতিপত্র ও কর্মসূচিতে আদিবাসীদের উন্নয়নের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত হওয়াকে তিনি গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি হিসেবে উল্লেখ করেন।</p>

<p>সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মাধবী মারমা বলেন, জুম চাষকে পরিবেশবিনাশী হিসেবে উপস্থাপন করা ঠিক নয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এটি পরিবেশবান্ধব কৃষিপদ্ধতি হিসেবে স্বীকৃত।</p>
</article>

<article>তিনি আদিবাসীদের মাতৃভাষায় শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ এবং আদিবাসী সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরো শক্তিশালী করার বিষয়ে সরকারের সঙ্গে কাজ করার আশ্বাস দেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, কোনো বিতর্ক ছাড়াই আদিবাসীদের সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেওয়া উচিত। পাশাপাশি তাদের প্রথাগত ভূমির মালিকানার আইনগত স্বীকৃতি এবং সংসদীয় আদিবাসীবিষয়ক ককাস গঠনের আহ্বান জানান তিনি।</p>

<p>গবেষক ও নৃবিজ্ঞানী ড. ঈশিতা দস্তিদার বলেন, বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশনে ২৭ হাজারের বেশি আবেদন জমা থাকলেও কমিশনের কার্যক্রম কার্যত স্থবির। দ্রুত কমিশনকে সক্রিয় করা, আদিবাসীদের ভূমি অধিকার নিশ্চিত করা এবং তাদের এলাকায় উন্নয়ন প্রকল্প ও ইকো-ট্যুরিজম বাস্তবায়নে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>মহিলা পরিষদের সভানেত্রী ডা. ফওজিয়া মোসলেম বলেন, আদিবাসীদের সংস্কৃতি, সমাজ সবকিছু ভূমির সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। বর্তমানের আদিবাসীদের যে ভূমিহীনতার সংস্কৃতি দৃশ্যমান তা বন্ধ করে আদিবাসীদের ন্যায্য ভূমি অধিকার নিশ্চিতে তিনি সরকারকে উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান জানান।</p>

<p>আদিবাসী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সঞ্জীব দ্রং বলেন, বৈষম্য দূর করে অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনের কথা বলা হলেও আদিবাসীদের বাদ দিয়ে সেই লক্ষ্য অর্জন সম্ভব নয়। সরকারের ইতিবাচক ঘোষণাগুলো বাস্তবায়নের ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।</p>

<p>সমাপনী বক্তব্যে এএলআরডির নির্বাহী পরিচালক শামসুল হুদা বলেন, আদিবাসীদের উন্নয়নে সরকারের ইতিবাচক বক্তব্য আশাব্যঞ্জক হলেও সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়নই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তিনি সরকারিভাবে আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস পালনেরও আহ্বান জানান।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/963-1.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ড্যাবের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29247</link>
    <pubDate>Sat, 08 Aug 2026 11:01:47 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29247</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/831-99.jpg" />    <article>
<p>ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।</p>

<p>শনিবার (৮ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টায় জাতীয় সংসদের এলডি হলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দেন তিনি।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/campus-online/2026/08/08/1722413" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে আয়োজনের সূচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান।</p>

<p>এ ছাড়া আররো উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ড্যাব সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশীদ, মহাসচিব ডা. মো. জহিরুল ইসলাম শাকিল প্রমুখ।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/831-99.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[রাষ্ট্রপতি নির্বাচন : ডাকা হবে সংসদের বিশেষ অধিবেশন]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29246</link>
    <pubDate>Sat, 08 Aug 2026 11:00:56 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29246</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1024-88.jpg" />    <article>
<p>রাষ্ট্রপতি নির্বাচন উপলক্ষে জাতীয় সংসদের বিশেষ অধিবেশন ডাকা হবে। অধিবেশনটি স্বল্পমেয়াদি হবে বলে গণমাধ্যমে জানিয়েছেন সরকারি দলের চিফ হুইফ নুরুল ইসলাম মনি।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>তবে এই অধিবেশন কবে আহ্বান করা হবে, সে বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।</p>

<p>গতকাল বৃহস্পতিবার নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তফসিল অনুসারে, ২০ আগস্ট হবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোট। অবশ্য একাধিক প্রার্থী না থাকলে ভোটাভুটির প্রয়োজন হবে না।</p>
</article>

<article>তখন ১৬ আগস্ট বাছাই শেষে একক প্রার্থী নির্বাচিত হয়ে যাবেন। তবে ১৩ আগস্ট মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার দিনই পরিষ্কার হয়ে যেতে পারে, কে হচ্ছেন পরবর্তী রাষ্ট্রপতি।
<p>&nbsp;</p>

<p>রাষ্ট্রপতির পদ থেকে গত ২৪ জুলাই পদত্যাগ করেন মো. সাহাবুদ্দিন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1024-88.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতে খুদে শিল্পী অনুশ্রী রায়ের স্বপ্নপূরণ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29245</link>
    <pubDate>Sat, 08 Aug 2026 11:00:04 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29245</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1148-77.jpg" />    <article>
<p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাতের মধ্য দিয়ে স্বপ্নপূরণ হলো রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার খুদে সংগীতশিল্পী অনুশ্রী রায়ের। মা-বাবাকে সঙ্গে নিয়ে আজ বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২৬-এ দেশের গানে প্রথম স্থান অর্জনকারী এ খুদে শিল্পী।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>এ সময় প্রধানমন্ত্রী তার সংগীতচর্চার খোঁজখবর নেন, নিয়মিত অনুশীলন চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন এবং চিঠিতে চাওয়া হারমোনিয়ামটি উপহার হিসেবে তুলে দেন।</p>

<p>সাক্ষাতের সময় অনুশ্রী প্রধানমন্ত্রীকে একটি দেশাত্মবোধক গান শোনায়। প্রধানমন্ত্রী তার প্রতিভার প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতে নিয়মিত সংগীতচর্চা চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। প্রধানমন্ত্রীর এই আন্তরিকতায় অনুশ্রী ও তার পরিবার গভীর আনন্দ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>গত ১৫ জুলাই বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬ প্রদান অনুষ্ঠানে অনুশ্রী প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে একটি চিঠি লিখে সংগীতচর্চার জন্য একটি হারমোনিয়ামের প্রয়োজন এবং প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের ইচ্ছার কথা জানিয়েছিল। সেই চিঠির পরিপ্রেক্ষিতেই প্রধানমন্ত্রী তাকে ও তার পরিবারকে সাক্ষাতের জন্য আমন্ত্রণ জানান।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/country-news/2026/08/06/1721677" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে আনন্দে আত্মহারা খুদে সংগীতশিল্পী অনুশ্রী বলে, &lsquo;কখনো বিশ্বাসই করতে পারিনি যে আমার চিঠি প্রধানমন্ত্রী পড়বেন এবং আমাকে সাক্ষাতের জন্য ডাকবেন। আমার সংগীতচর্চার জন্য একটি হারমোনিয়াম খুব প্রয়োজন ছিল।</p>
</article>

<article>কিন্তু আমার পরিবারের পক্ষে সেটি কেনার সামর্থ্য ছিল না। তাই চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের অনুষ্ঠানের দিন সেসব লিখে প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে একটি চিঠি দিয়েছিলাম।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>সে আরো বলে, সেই চিঠি সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর হাতে দিতে না পেরে তার একজন কর্মকর্তার হাতে দিয়েছিলাম। ভাবিনি, প্রধানমন্ত্রী আমার চিঠি পাবেন এবং পড়বেন। যখন প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে একজন কর্মকর্তা (অতিরিক্ত প্রেসসচিব আতিকুর রহমান রুমন) আমাদের ফোন করে জানালেন যে প্রধানমন্ত্রী আমার লেখা সেই চিঠি পড়েছেন এবং আমাদের সাক্ষাতের জন্য ডেকেছেন, তখন যেন কোনোভাবেই বিশ্বাস করতে পারছিলাম না।</p>
</article>

<article>এরপর আজ আমাদের অবাক করে দিয়ে আমাদের সঙ্গে দেখা করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>অনুশ্রী জানায়, সাক্ষাতে প্রধানমন্ত্রী স্নেহভরে তার সঙ্গে কথা বলেন। তিনি তার সংগীতচর্চার খোঁজখবর নেন এবং ভবিষ্যতে নিয়মিত অনুশীলন চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। পাশাপাশি তার সংগীতসাধনায় উৎসাহ দিতে চিঠির মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে চাওয়া সেই হারমোনিয়ামও উপহার হিসেবে তার হাতে তুলে দেন।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/business/2026/08/06/1721672" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ হওয়ায় অনুশ্রীর বাবাও আবেগাপ্লুত। তিনি বলেন, &lsquo;আমার মেয়েকে প্রধানমন্ত্রী ডেকে উৎসাহ দেবেন&mdash;এটা আমরা কখনো কল্পনাও করিনি। বিভিন্ন সময় মেয়েকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিভিন্ন মানবিক কার্যক্রম ও মানুষের পাশে দাঁড়ানোর গল্প বলতাম। এর পর থেকেই অনুশ্রীর বিশ্বাস জন্মায়, প্রধানমন্ত্রীর কাছে চিঠি লিখলে হয়তো তার কাছ থেকেও সাড়া পাওয়া যাবে। সেই বিশ্বাস থেকেই জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রদান অনুষ্ঠানে এসে সে প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে একটি চিঠি লেখে। কিন্তু সেই চিঠি যে প্রধানমন্ত্রীর হাতে পৌঁছাবে, তা জানতাম না। আর সেই চিঠি প্রধানমন্ত্রী পড়বেন&mdash;সেটাও ছিল অবিশ্বাস্য। আজ আমরা কতটা খুশি, তা ভাষায় প্রকাশ করতে পারছি না।&rsquo;</p>

<p>প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং তার কাছ থেকে হারমোনিয়াম উপহার পেয়ে অনুশ্রী ও তার পরিবার গভীর আনন্দ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে। প্রধানমন্ত্রীর এই উৎসাহ তার সংগীতচর্চায় আরো অনুপ্রেরণা জোগাবে এবং ভবিষ্যতে দেশের একজন প্রতিষ্ঠিত সংগীতশিল্পী হওয়ার স্বপ্ন পূরণে তাকে এগিয়ে যেতে সাহস দেবে বলে জানায় তার পরিবার।</p>

<p>এদিকে একই দিনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তাবিউল ইসলাম রাকিব নামের এক নিরাপত্তাকর্মী। রাকিব রাজধানীর কুড়িল-বিশ্বরোড এলাকায় একটি বেসরকারি ভবনে নিরাপত্তা প্রহরী হিসেবে কর্মরত।</p>

<p>রাকিব জানান, তিনি ছোটবেলা থেকেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার পরিবারের ভক্ত। তখন থেকেই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার প্রবল ইচ্ছা ছিল তার। সেই আকাঙ্ক্ষার কথা জানিয়ে তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছিলেন। ভিডিওতে তিনি বলেছিলেন, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা না হওয়া পর্যন্ত তিনি ঢাকা ছাড়বেন না। অবশেষে সেই ইচ্ছা পূরণ হওয়ায় তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন এবং প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/national/2026/08/06/1721671" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>সাক্ষাৎকালে রাকিব প্রধানমন্ত্রীর কাছে তার এলাকার দীর্ঘদিনের একটি জনদাবির কথা তুলে ধরেন। তিনি জানান, মোরেলগঞ্জের পানগুছি নদীর ওপর একটি সেতু নির্মাণের দাবি এলাকাবাসী দীর্ঘদিন ধরে জানিয়ে আসছেন। নদী পারাপারে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। সেখানে একটি সেতু নির্মিত হলে হাজারো মানুষের দুর্ভোগ লাঘব হবে।</p>

<p>রাকিব গত সাত মাস ধরে রাজধানীর কুড়িল বিশ্বরোড এলাকায় নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে কর্মরত। তার গ্রামের বাড়ি বাগেরহাট জেলার মোরেলগঞ্জ উপজেলার নুরুল্লাহপুর শিকদারবাড়ি এলাকায়।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1148-77.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[পাকিস্তান-তুরস্কের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি সৌদি আরবকে কতটা নিরাপত্তা দেবে?]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29244</link>
    <pubDate>Sat, 08 Aug 2026 10:58:47 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29244</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1264-66.jpg" />    <article>
<p>পাকিস্তান ও তুরস্কের মধ্যে স্বাক্ষরিত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি সৌদি আরবের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারবে না বলে সতর্ক করেছেন ইরানের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। শুক্রবার ইরানের পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতি কমিটির সদস্য ইব্রাহিম রেজায়ি এ সতর্কবার্তা দেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম <a href="https://www.cnn.com/2026/08/07/world/live-news/iran-war-trump?post-id=cmsiwhud7000a356ufu90gh8m">এক্সে</a> তিনি বলেন, &lsquo;সৌদিদের বুঝতে হবে, তুরস্ক ও পাকিস্তানের সঙ্গে কাগজে-কলমে করা একটি চুক্তি তাদের নিরাপত্তা এনে দেবে না। যেমন কয়েক দশক ধরে একতরফাভাবে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভর করেও তারা নিরাপত্তা পায়নি।&rsquo;</p>

<p>এ সময় সৌদি আরবকে নীতি পরিবর্তনের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, &lsquo;আপনাদের নীতি পরিবর্তন করুন, যাতে নিরাপত্তার জন্য অন্যদের কাছে হাত পাততে না হয়।&rsquo;</p>

<p>এর আগে শুক্রবার সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্ক পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।</p>
</article>

<article>চুক্তি অনুযায়ী, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর হামলা হলে অন্য দুই দেশও আক্রান্ত দেশটির প্রতিরক্ষায় এগিয়ে আসবে। চুক্তিটিকে ন্যাটোর মতো পারস্পরিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>তুরস্কের এক কর্মকর্তা সংবাদ মাধ্যম <a href="https://www.cnn.com/2026/08/07/world/live-news/iran-war-trump?post-id=cmsiwhud7000a356ufu90gh8m">সিএনএনকে</a> বলেছেন, চুক্তিটি &lsquo;সম্পূর্ণ প্রতিরক্ষামূলক&rsquo; এবং কোনো নির্দিষ্ট দেশের বিরুদ্ধে লক্ষ্য করে করা হয়নি।&nbsp;</p>

<p>তবে এমন সময় এই চুক্তি হলো, যখন সৌদি আরব একাধিক দিক থেকে নিরাপত্তা হুমকির মুখে রয়েছে।</p>
</article>

<article>এ বিষয়ে দেশটির এক কর্মকর্তা সিএনএনকে জানান, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) সমর্থনে ইরানপন্থী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো ইরাক ও ইয়েমেন থেকে সৌদি আরবে বড় ধরনের সমন্বিত হামলা চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে আশঙ্কা করছে রিয়াদ।</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1264-66.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[যুক্তরাজ্যে গ্রুমিং কেলেঙ্কারি : পাকিস্তানির অপরাধে অস্বস্তিতে দক্ষিণ এশীয়রা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29243</link>
    <pubDate>Sat, 08 Aug 2026 10:57:57 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29243</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1366-55.jpg" />    <article>
<p>কথায় বলে দশের লাঠি একের বোঝা। আবার একের অপরাধে দশের সাজা পাওয়ার ঘটনাও কম নয়।</p>
</article>

<article>যুক্তরাজ্যে পাকিস্তানিদের কারো কারো ঘৃণ্য অপরাধ গোটা দক্ষিণ এশিয়ার প্রবাসীদের অস্বস্তিতে ফেলেছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>দশকের পর দশক ধরে যুক্তরাজ্যে শিশু নিপীড়ন চক্রের (গ্রুমিং গ্যাং) অপরাধ এক ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক অবহেলার শিকার হয়ে আসছে। তবে গতবছর ব্যারনেস লুইস কেসির নেতৃত্বে পরিচালিত এক উচ্চপর্যায়ের তদন্তে গ্রুমিং গ্যাং-এর অন্ধকারে আলো ফেলা হয়।</p>

<p>গত বছর জুনে প্রকাশিত কেসি রিভিউ রিপোর্টে বলা হয়, প্রশাসনের তীব্র অন্ধত্ব, অজ্ঞতা, কুসংস্কার এবং অস্বীকৃতির কারণে দশকের পর দশক ধরে অপরাধীরা পার পেয়ে গেছে।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>ব্যারনেস কেসি তার রিপোর্টে স্পষ্ট করে বলেছেন, এই অপরাধী চক্রগুলোর মূল হোতারা পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত হওয়ায় ব্রিটিশ পুলিশ এবং স্থানীয় কাউন্সিলগুলো ব্যবস্থা নিতে ভয় পেয়েছিল। তারা ভেবেছিল কঠোর পদক্ষেপ নিলে তাদের ওপর &lsquo;বর্ণবাদী&rsquo; তকমা দেওয়া হতে পারে।</p>

<p>কেসি তার রিপোর্টে সাফ বলেন, &rsquo;অপরাধীদের জাতিগত বা ভৌগোলিক পরিচয় নিয়ে তদন্ত করা কোনো বর্ণবাদ নয়।&rsquo;&nbsp;</p>

<p>কেসি রিভিউ এবং সাথে সাস্প্রতিক দুটি ঘটনা পুরো বিষয়টিকে আবার আলোচনায় এনেছে।</p>
</article>

<article>আর অস্তস্তি বেড়েছে প্রবাসী দক্ষিণ এশীয়দের মধ্যে।
<p>&nbsp;</p>

<p>রচডেলের গ্রুমিং চক্রের সাজাপ্রাপ্ত মূল হোতা শাবির আহমেদকে পাকিস্তানে ফেরত পাঠানো নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পাকিস্তানের কূটনৈতিক টানাপড়েন চলছে অনেকদিন ধরেই। পাকিস্তান কিছুতেই শাবির আহমেদকে ফিরিয়ে নিতে চায় না। এরমধ্যে গত সপ্তাহে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মিরের বিধানসভায় রুখসার আহমেদ নামে এমন একজন ব্যক্তি নির্বাচিত হয়েছেন, যার বিরুদ্ধে যুক্তরাজ্যে শিশু যৌন নির্যাতন ও পাচারের অভিযোগের তদন্ত চলছে। সাবেক মন্ত্রী রুখসার আহমেদ ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগের মনোনয়নে নির্বাচনে অংশ নেন।</p>
</article>

<article>শিশু নির্যাতনের ঘটনায় অভিযুক্ত ও সাজাপ্রাপ্তদের ব্যাপারে পাকিস্তানের পৃষ্ঠপোষকতামূলক মনোভাব সমস্যাকে আরো জটিল করেছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>সমস্যা হলো এই ঘটনাগুলো কেবল যুক্তরাজ্য এবং পাকিস্তানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; এগুলো সামগ্রিকভাবে যুক্তরাজ্যে দক্ষিণ এশীয় প্রবাসীদের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলছে। এ ধরনের প্রতিটি কেলেঙ্কারি সেই সব সম্প্রদায়ের প্রতি জনমনে সন্দেহ আরও গভীর করে, যারা এই অপরাধগুলোর সঙ্গে কোনোভাবেই জড়িত ছিল না এবং এগুলোকে কখনো সমর্থনও করেনি।</p>

<p>ব্রিটিশ বাংলাদেশি, ভারতীয়, শ্রীলঙ্কান এবং অন্যান্য দক্ষিণ এশীয়রা প্রায়শই এই পরিস্থিতির শিকার হন। যখন ভিন্ন ভিন্ন স্বতন্ত্র সম্প্রদায়গুলোকে সহজ এবং বিভ্রান্তিকর &lsquo;দক্ষিণ এশীয়&rsquo; লেবেলের অধীনে এক করে ফেলা হয়। এমনকি যুক্তরাজ্যের গণমাধ্যমও পাকিস্তানীদের অপরাধকে &lsquo;দক্ষিণ এশীয়&rsquo; বা &rsquo;এশিয়&rsquo; বলে শিরোণাম করে, যা সমাজে এক ধরনের বিভ্রান্তি তৈরি করে এবং নিরপরাধীদেরও অস্বস্তিতে ফেলে।&nbsp;</p>

<p>সমস্যাটি মোটেই জাতিগত বা ধর্মীয় নয়। পাকিস্তানী সমাজে পুরুষতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গি, দুর্বল প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা এবং রাজনৈতিক অস্বীকৃতির কারণেই নারী ও শিশুদের ওপর সহিংসতা জেঁকে বসার সুযোগ পায়।</p>

<p>পাকিস্তানে এখনও উচ্চ হারে ধর্ষণ, শিশু নির্যাতন, অনার কিলিং এবং পারিবারিক সহিংসতার ঘটনা ঘটছে। সামাজিকভাবে একধরনের গ্রহণযোগ্যতা থাকায় এসব অপরাধে সাজা হয় খুবই কম। উল্টো ভুক্তভোগীদের তীব্র সামাজিক কলঙ্ক, হুমকির মুখে পড়তে হয়। ফলে এ ধরনের অপরাধ না কমে বরং বাড়ে।</p>

<p>জনপ্রতিনিধি বা প্রভাবশালী ব্যক্তিদের যেসব বক্তব্য যৌন সহিংসতার জন্য নারীর পোশাক, আচরণ বা স্বাধীন চলাচলকে দায়ী করে; তা সমাজে বিপজ্জনক বার্তা দেয়। এই ধরনের বক্তব্য অপরাধীদের দায়মুক্ত করে এবং ভুক্তভোগীদের ওপর অন্যায় বোঝা চাপিয়ে দেয়।</p>

<p>&rsquo;পারিবারিক সম্মান&rsquo;এর বিষয়ে পাকিস্তানের সামাজিক ভাবনাটাই পুরুষতান্ত্রিক এবং বৈপরীত্যে ঠাসা। পুরুষতান্ত্রিক ধারণাগুলো নির্ধারণ করে দেয় যে, নারীরা শালীনতা ও আনুগত্যের মাধ্যমে পরিবারের সুনাম রক্ষা করবে। নইলে অনার কিলিংএর নামে তাদের হত্যা করা হবে। অন্যদিকে পুরুষদের অপকর্মকে প্রায়শই যৌক্তিক বলে মেনে নেওয়া হয় বা এড়িয়ে যাওয়া হয়। ফলে সমাজের নীরবতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক নিষ্ক্রিয়তা অনেক সময় অপরাধীদের সুরক্ষা দেয়। আর পাকিস্তানীরা এই মানসিকতা বয়ে নিয়ে যায় যুক্তরাজ্য পর্যন্ত।</p>

<p>এই সমস্যা থেকে পাকিস্তানকে রক্ষায় কাঠামোগত সংস্কার যেমন দরকার, তেমনি দরকার অপরাধীর কঠোর সাজা নিশ্চিত করা এবং তাদের পাশে ঢাল হয়ে না দাড়ানো। দুঃখজনক হলো কাঠামোগত এই সমস্যাগুলোর যৌক্তিক সমালোচনাকে প্রায়শই পাকিস্তান-বিরোধী অপপ্রচার বা ইসলামোফোবিয়া হিসেবে খারিজ করে দেওয়া হয়। এই তাৎক্ষণিক আত্মরক্ষামূলক মনোভাবই সংস্কারের পথে প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।</p>

<p>ব্রিটেনের নিজস্ব ইতিহাস এই ধরনের মানসিকতার মারাত্মক বিপদ প্রমাণ করে। সেখানে গ্রুমিং গ্যাং কেলেঙ্কারি দশকের পর দশক ধরে টিকে ছিল প্রমাণের অভাবে নয়; বরং বর্ণবাদের অভিযোগ বা রাজনৈতিক সংবেদনশীলতার ভয়ে প্রতিষ্ঠানগুলো বারবার চোখ ফিরিয়ে নিয়েছিল। যখন শিশুদের সুরক্ষার চেয়ে জাতীয় গৌরব বা প্রাতিষ্ঠানিক ভাবমূর্তি বেশি অগ্রাধিকার পায়, তখন অপরাধীরা পার পেয়ে যাওয়ার সংস্কৃতি বা দায়মুক্তি পেয়ে জেঁকে বসে।</p>

<p>অপরাধের দায় সম্পূর্ণরূপে ব্যক্তিগত। ব্রিটিশ পাকিস্তানিদের বিশাল সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশও এই সহিংসতাকে প্রত্যাখ্যান করে এবং সমাজে ইতিবাচক অবদান রাখে। তবে, এই সামাজিক সমস্যাগুলো নিয়ে সততার সাথে আলোচনা করতে ব্যর্থ হওয়া সামগ্রিকভাবে প্রবাসীদের ওপর একটি ভারী বোঝা চাপিয়ে দেয়।</p>

<p>ব্রিটিশ বাংলাদেশি এবং ভারতীয়রা; যাদের এই গ্রুমিং চক্রের সাথে কোনো সম্পর্ক নেই; তারাও প্রায়শই নেতিবাচক জনধারণার শিকার হন। এর ফলে সাধারণ বর্ণবাদী আচরণ বা বিদ্বেষ বেড়ে যায়। তরুণ পেশাজীবী বা শিক্ষার্থীরা কেবল একই রকম দক্ষিণ এশীয় চেহারার কারণে সম্পূর্ণ অপরিচিত ব্যক্তিদের করা অপরাধের দায়বদ্ধতার মুখোমুখি হতে বাধ্য হন, যা অত্যন্ত অন্যায়।</p>

<p>এই ধরনের ঢালাও মন্তব্য কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়। তবে সমানভাবে অসমর্থনযোগ্য হলো সেই সামাজিক পরিস্থিতিগুলোকে মোকাবিলা করতে অস্বীকৃতি জানানো, যা নারীবিদ্বেষকে টিকিয়ে রাখতে সাহায্য করে। পাকিস্তান শিশু সুরক্ষা, রাজনৈতিক জবাবদিহিতা এবং নারীর ওপর পদ্ধতিগত সহিংসতার মতো অভ্যন্তরীণ কঠিন আলোচনাগুলো এড়িয়ে গিয়ে প্রতিটি বহিরাগত সমালোচনাকে পক্ষপাতিত্ব বা বৈষম্য হিসেবে আখ্যায়িত করা চালিয়ে যেতে পারে না।</p>

<p>কোনো সমাজ রক্ষণশীল জাতীয়তাবাদের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক শ্রদ্ধা অর্জন করে না। বরং নিজেদের প্রাতিষ্ঠানিক ব্যর্থতাগুলো উন্মোচন করে এবং সেই অনুযায়ী সংস্কার করার সাহসের মাধ্যমেই তা অর্জন করে। যতক্ষণ না পাকিস্তানের ভেতর থেকে সেই আত্মোপলব্ধি বা জবাবদিহিতা শুরু হচ্ছে, ততক্ষণ প্রতিটি নতুন কেলেঙ্কারি কেবল পাকিস্তানের বৈশ্বিক ভাবমূর্তিকেই ক্ষুণ্ন করবে। শুধু তাই নয় পাকিস্তানের এই সঙ্কট, যুক্তরাজ্যে থাকা লক্ষ লক্ষ নিরীহ দক্ষিণ এশীয়কেও ক্ষতিগ্রস্ত করতে থাকবে; যারা অল্প কিছু অপরাধীর কর্মের কারণে অন্যায়ভাবে বিচার বা সন্দেহের মুখোমুখি হচ্ছেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1366-55.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বিরোধ কাটিয়ে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃস্থাপন করছে মেক্সিকো ও পেরু]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29242</link>
    <pubDate>Sat, 08 Aug 2026 10:57:07 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29242</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1431-44.jpg" />    <article>
<p>দীর্ঘদিন ধরে চলা রাজনৈতিক উত্তেজনা ও বিবাদের অবসান ঘটিয়ে অবশেষে পূর্ণ কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃস্থাপনে সম্মত হয়েছে মেক্সিকো ও পেরু। ২০২২ সালের ব্যর্থ অভ্যুত্থান চেষ্টায় অভিযুক্ত পেরুর সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেটসি শাভেজকে মেক্সিকো রাজনৈতিক আশ্রয় দেওয়ার পর তৈরি হওয়া কূটনৈতিক জটিলতা কাটিয়ে উঠতে এই পদক্ষেপ নিয়েছে দেশ দুইটি।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.bbc.com/news/articles/cz7dy1l3e77o?fbclid=IwY2xjawTjcZ9wZG9mBWV4dG4DYWVtAjEwAGJyaWQRMTU3UWpVdEFSZzR1cGdleDZzcnRjBmFwcF9pZBAyMjIwMzkxNzg4MjAwODkyAAEerpBLUDCMsbWcFNooK-ggjI6WTmHLBDh0celj06FL2xQan_m3ban0qzMgAs0_aem_aylRugHwZNDVTUZkxOE36Q">৭ আগস্ট (শুক্রবার) দুই দেশের পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়</a>, &lsquo;ভ্রাতৃত্ব, বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার ঐতিহাসিক বন্ধন&rsquo;-কে সম্মান জানিয়েই এই সম্পর্ক পুনঃস্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে উভয় দেশই আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘ সনদের প্রতি তাদের পূর্ণ শ্রদ্ধাশীল থাকার বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করেছে।</p>

<p>গত বছরের নভেম্বরে পেরুর সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেটসি শাভেজ মেক্সিকান দূতাবাসে রাজনৈতিক আশ্রয় প্রার্থনা করার পর থেকেই দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সংকট তৈরি হয়। পেরুর পররাষ্ট্রমন্ত্রী কার্লোস এসপা স্থানীয় সংবাদমাধ্যম আরপিপি-কে জানান, শাভেজকে নিরাপদে পেরু ত্যাগের অনুমতি দেওয়া হয়েছে এবং তিনি ইতিমধ্যে দেশ ছেড়েছেন।</p>
</article>

<article>তবে পেরুর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়া অপর এক বিবৃতিতে জানানো হয়, শাভেজকে মেক্সিকো গমনের সুযোগ দেওয়া হলেও পরবর্তীতে তাকে আইনি প্রক্রিয়ায় ফিরিয়ে আনার (প্রত্যর্পণ) অধিকার পেরু সংরক্ষণ করে।
<p>&nbsp;</p>

<p>এদিকে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখার সময় মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লদিয়া শেইনবাম সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেটসি শাভেজকে মেক্সিকোতে স্বাগত জানান। একইসঙ্গে তিনি ২০২২ সালে ক্ষমতাচ্যুত হওয়া পেরুর সাবেক প্রেসিডেন্ট পেদ্রো কাস্তিলোর প্রতি তার সরকারের আগের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন।</p>

<p>উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ডিসেম্বরে পেরুর কংগ্রেস ভেঙে দিয়ে জরুরি সরকার গঠনের চেষ্টার পর দেশদ্রোহ ও বিদ্রোহের অভিযোগে গ্রেপ্তার হন তৎকালীন প্রেসিডেন্ট পেদ্রো কাস্তিলো।</p>
</article>

<article>ওই প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ততার অভিযোগে ২০২৩ সালের জুনে কারারুদ্ধ করা হয় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেটসি শাভেজকে। যদিও শুরু থেকেই শাভেজ তার বিরুদ্ধে আনা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে আসছিলেন এবং ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে আদালত তাকে জামিন দেন। পরবর্তীতে গত নভেম্বরে বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে কাস্তিলো ও শাভেজ উভয়কেই ১১ বছরের বেশি কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
<p>&nbsp;</p>

<p>সম্প্রতি পেরুর রাজনীতিতে পরিবর্তনের হাওয়া বইতে শুরু করে। গত সপ্তাহে পেরুর নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে কেইকো ফুজিমোরি দায়িত্ব গ্রহণের পরই মেক্সিকো ও পেরুর মধ্যে জমে থাকা দ্বিপাক্ষিক বরফ গলতে শুরু করে এবং শেষ পর্যন্ত দুই দেশ কূটনৈতিক সম্পর্ক জোড়া লাগানোর ঘোষণা দেয়।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1431-44.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[এবার ওটিটিতে মুক্তি পেল ‘মালিক’]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/29241</link>
    <pubDate>Sat, 08 Aug 2026 10:55:59 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/29241</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1517-33.jpg" />    <article>
<p>ঈদুল আজহায় প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়ে দর্শকদের নজর কাড়া আরিফিন শুভ ও বিদ্যা সিনহা মিম অভিনীত সিনেমা &lsquo;মালিক&rsquo; এবার দেখা যাচ্ছে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম &lsquo;উৎসব&rsquo;-এ। গতকাল ৬ আগস্ট রাত ১২টা থেকে সিনেমাটি প্ল্যাটফর্মটিতে স্ট্রিমিং শুরু হয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>অ্যাকশন-থ্রিলার ঘরানার এই সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন সাইফ চন্দন। প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পর গল্প, অ্যাকশন ও অভিনয়ের জন্য দর্শকদের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পেয়েছিল &lsquo;মালিক&rsquo;।</p>

<p>সিনেমাটির কাহিনি আবর্তিত হয়েছে মায়ের সম্মান, অধিকার আদায়ের লড়াই, প্রেম, প্রতিশোধ এবং ক্ষমতার দ্বন্দ্বকে কেন্দ্র করে। কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন আরিফিন শুভ।</p>
</article>

<article>তার বিপরীতে রয়েছেন বিদ্যা সিনহা মিম।
<p>&nbsp;</p>

<p>এ ছাড়া বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন ডিপজল, মিশা সওদাগর, শিপন মিত্র, এলিনা শাম্মী, ডন, কাজী হায়াৎ, এ জে রানা এবং আরো অনেকে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1517-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[রিয়ালকে ‘না’ বলা রদ্রির জন্য বার্সার কাছে কত চাইল ম্যানসিটি]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/29240</link>
    <pubDate>Sat, 08 Aug 2026 10:55:11 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/29240</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1559-22.jpg" />    <article>
<p>ম্যানচেস্টার সিটির সঙ্গে কথা হচ্ছিল রিয়াল মাদ্রিদের। রদ্রিকে চায় রিয়াল।</p>
</article>

<article>বেশ কিছুদিন ধরেই চলছিল তাদের আলোচনা। তবে হুট করে তাদের আলোচনায় ঢুকে পড়ে বার্সেলোনা।
<p>&nbsp;</p>

<p>রদ্রিকে চাই বার্সারও। দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীর লড়াইয়ে যেকোনো এক দলকে বেছে নিতে হবে স্পেনের মিডফিল্ডারকে।</p>
</article>

<article>রিয়ালকে &lsquo;না&rsquo; করে দিয়ে বার্সেলোনাকে বেছে নেন ৩০ বছর বয়সী রদ্রি। এই সিদ্ধান্ত নিতে সাবেক কোচ পেপ গার্দিওলার দ্বারস্থ হয়েছিলেন বলে শোনা যাচ্ছে।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>তবে বার্সায় যেতে রাজি হলেও রদ্রির জন্য যাওয়াটা সহজ হচ্ছে না। কেননা দরদামে বনছে না সিটি-বার্সার।</p>
</article>

<article>বিশ্বকাপজয়ী রদ্রিকে পেতে ৩৮.৫ মিলিয়ন পাউন্ডের প্রস্তাব দিয়েছিল বার্সা। বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৬৪০ কোটি ৫৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা। তাতে রাজি হয়নি ম্যানচেস্টার সিটি।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p><iframe allowfullscreen="true" allowtransparency="true" frameborder="0" id="twitter-widget-0" scrolling="yes" src="https://platform.twitter.com/embed/Tweet.html?id=2085703199806431305"></iframe></p>

<p>&nbsp;</p>

<p>নতুন করে আলোচনায় বসেছে দুই পক্ষ। বিবিসি জানিয়েছে, ৬০ মিলিয়ন পাউন্ডের বেশি হলে তবেই রদ্রিকে বিক্রি করতে রাজি ম্যানসিটি।</p>
</article>

<article>নতুন করে কোনো অফার বার্সা দিয়েছে কিনা এখন পর্যন্ত জানা যায়নি।
<p>&nbsp;</p>

<p>ম্যানসিটির সঙ্গে ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত চুক্তি রয়েছে রদ্রির। স্প্যানিশ মিডফিল্ডারকে নেওয়ার পেছনে ফ্রেঙ্কি ডি ইয়ংয়ের চোট অন্যতম কারণ। নতুন মৌসুমের শুরুতে পাওয়া যাবে না ডান হাঁটুর লিগামেন্টে চোট পাওয়া নেদারল্যান্ডসের মিডফিল্ডারকে। এ ছাড়া রদ্রির সঙ্গে পেদ্রি-দানি ওলমোদের জুটিও দুর্দান্ত জমে। ইউরো ও বিশ্বকাপ তারই প্রমাণ। উভয় টুর্নামেন্টে স্পেনকে চ্যাম্পিয়ন করতে অনবদ্য অবদান রদ্রির। তার স্বীকৃতি হিসেবে জিতেছেন টুর্নামেন্ট সেরার পুরস্কার।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1559-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[শিল্পকলায় চলচ্চিত্র উৎসব, বিনা মূল্যে দেখা যাবে ৬ সিনেমা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/29239</link>
    <pubDate>Sat, 08 Aug 2026 10:53:56 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/29239</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1656-11.jpg" />    <article>
<p>নতুন ও পুরনো সময়ের আলোচিত ছয়টি বাংলা চলচ্চিত্র নিয়ে রাজধানীর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে শুরু হচ্ছে তিন দিনব্যাপী চলচ্চিত্র উৎসব &lsquo;একাল-সেকাল&rsquo;। আগামী ৯ থেকে ১১ আগস্ট জাতীয় চলচ্চিত্র মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে এ উৎসব।</p>
</article>

<article>সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয় হলো, দর্শকরা কোনো টিকিট ছাড়াই বিনা মূল্যে সব সিনেমা উপভোগ করতে পারবেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>&lsquo;সবার জন্য চলচ্চিত্র, সবার জন্য শিল্প-সংস্কৃতি&rsquo; প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এ উৎসবের সহযোগিতায় রয়েছে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়। আয়োজনটি বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির নাট্যকলা ও চলচ্চিত্র বিভাগ।</p>

<p><strong>উদ্বোধনী দিনেই &lsquo;রইদ&rsquo; ও &lsquo;জীবন থেকে নেয়া&rsquo;</strong></p>

<p>৯ আগস্ট বিকেল ৫টায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে উৎসবের পর্দা উঠবে।</p>
</article>

<article>এরপর সন্ধ্যা ৬টায় প্রদর্শিত হবে মেজবাউর রহমান সুমন পরিচালিত বহুল আলোচিত চলচ্চিত্র &lsquo;রইদ&rsquo;। এবারের ঈদুল আজহায় মুক্তি পাওয়া সিনেমাটি দেশে-বিদেশে প্রশংসা কুড়িয়েছে। এতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন মোস্তাফিজুর নূর ইমরান ও নাজিফা তুষি।
<p>&nbsp;</p>

<p>একই দিন রাত ৮টায় প্রদর্শিত হবে জহির রায়হানের কালজয়ী চলচ্চিত্র &lsquo;জীবন থেকে নেয়া&rsquo;।</p>
</article>

<article>সিনেমাটিতে অভিনয় করেছেন রাজ্জাক, সুচন্দা, রোজী সামাদ, খান আতাউর রহমান, রওশন জামিল, আনোয়ার হোসেনসহ বহু গুণী শিল্পী।
<p>&nbsp;</p>

<p><strong>দ্বিতীয় দিনে &lsquo;আবার তোরা মানুষ হ&rsquo; ও &lsquo;মাস্তুল&rsquo;</strong></p>

<p>উৎসবের দ্বিতীয় দিন ১০ আগস্ট বিকেল সাড়ে ৫টায় দেখানো হবে খান আতাউর রহমান পরিচালিত &lsquo;আবার তোরা মানুষ হ&rsquo;। এরপর রাত ৮টায় দর্শকদের জন্য থাকছে মোহাম্মদ নূরুজ্জামান পরিচালিত সাম্প্রতিক আলোচিত চলচ্চিত্র &lsquo;মাস্তুল&rsquo;।</p>

<p><strong>সমাপনী দিনে &lsquo;দুই পয়সার আলতা&rsquo; ও &lsquo;দ্য ইউনিভার্সিটি অব চানখাঁরপুল&rsquo;</strong></p>

<p>উৎসবের শেষ দিন ১১ আগস্ট বিকেল সাড়ে ৫টায় প্রদর্শিত হবে আমজাদ হোসেন পরিচালিত &lsquo;দুই পয়সার আলতা&rsquo;। আর রাত ৮টায় আকাশ হক পরিচালিত &lsquo;দ্য ইউনিভার্সিটি অব চানখাঁরপুল&rsquo; প্রদর্শনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে তিন দিনের এই আয়োজন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p><strong>উৎসব ঘিরে বিশেষ সেমিনার</strong></p>

<p>চলচ্চিত্র উৎসবকে ঘিরে আজ শুক্রবার (৭ আগস্ট) বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির নাট্যকলা ও চলচ্চিত্র বিভাগের সেমিনার কক্ষে আয়োজন করা হয়েছে &lsquo;সমসাময়িক প্রেক্ষাপটে চলচ্চিত্রের একাল সেকাল&rsquo; শীর্ষক একটি বিশেষ সেমিনার।</p>

<p>সেমিনারে সভাপতিত্ব করবেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক রেজাউদ্দিন স্টালিন। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন তথ্য ও সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন আকতানিন খায়ের তানিন। আলোচনায় অংশ নেবেন বাংলাদেশ ফেডারেশন অব ফিল্ম সোসাইটির সভাপতি জহিরুল ইসলাম কচি, চলচ্চিত্র নির্মাতা মতিন রহমান, শাহীন দিল-রিয়াজ, মোহাম্মদ নূরুজ্জামান এবং এস এম ইমরান হোসেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1656-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[সিলেটের কন্যা মোহিনী রশিদ এনওয়াইপিডির উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/29238</link>
    <pubDate>Thu, 06 Aug 2026 10:29:50 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/29238</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/419-3.jpg" />    <p>সিলেটের মেয়ে ও বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আমেরিকান নাগরিক মির্জা মোহিনী রশিদ নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগ (এনওয়াইপিডি)-এর একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার এই সাফল্য প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির জন্য গর্বের বিষয় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।</p>

<p>মোহিনী রশিদ সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ইকড়ছই মির্জা বাড়ির সন্তান। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব এবং নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের প্রথম নির্বাচিত বাংলাদেশি-আমেরিকান জুডিশিয়াল ডেলিগেট মির্জা মামুন রশীদের কন্যা।</p>

<p>বর্তমানে তিনি এনওয়াইপিডির ম্যানহাটন নর্থ নারকোটিক্স বিভাগে কর্মরত রয়েছেন। এ দায়িত্বে থেকে তিনি মাদক-সংক্রান্ত অপরাধ দমন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং সেবাভুক্ত এলাকার জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।</p>

<p>এর আগে তিনি এনওয়াইপিডির ৩৪তম প্রিসিঙ্কটে সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। সেখানে টহল পুলিশ হিসেবে কাজ করার মাধ্যমে তিনি মাঠপর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ অভিজ্ঞতা অর্জনের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে আস্থাপূর্ণ ও ইতিবাচক সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন।</p>

<p data-added-after="1">মির্জা মোহিনী রশিদ বাংলাদেশি-আমেরিকান পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনেরও একজন গর্বিত সদস্য। পেশাগত দক্ষতা, নিষ্ঠা ও নেতৃত্বগুণের মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশি কমিউনিটির নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উদাহরণ হয়ে উঠেছেন।</p>

<p>তার এই অর্জনে মির্জা পরিবার গর্ব ও আনন্দ প্রকাশ করেছে। পরিবারের সদস্যরা তার ভবিষ্যৎ কর্মজীবনে আরও সাফল্য ও সম্মান কামনা করেছেন।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/419-3.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[মিশিগানে ‘ফ্রেন্ডস এন্ড ফ্যামিলি’র বর্ণাঢ্য বনভোজন]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/29237</link>
    <pubDate>Thu, 06 Aug 2026 10:28:58 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/29237</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/696-2.jpg" />    <p>যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সংগঠন &lsquo;ফ্রেন্ডস এন্ড ফ্যামিলি&rsquo;র উদ্যোগে বর্ণাঢ্য আয়োজন ও উৎসবমুখর পরিবেশে বার্ষিক বনভোজন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ২ আগস্ট (রোববার) বাংলা টাউনখ্যাত ডেট্রয়েটের জেইন ফিল্ডে আয়োজিত এ বনভোজন প্রবাসীদের মিলনমেলায় পরিণত হয়।</p>

<p>অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা জামিল মর্তুজা। ময়নুল ইসলাম রাফি ও ছাইফুর রহমানের যৌথ সঞ্চালনায় আয়োজিত উদ্বোধনী পর্বে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন উপদেষ্টা আকমল খান, প্রবীর রায়, মিনহাজ আহমেদ, শামসুল হক, সাবিনা আক্তারসহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।</p>

<p>দিনব্যাপী আয়োজনে ছিল প্রবাসীদের জন্য নানা পদের খাবারের ব্যবস্থা। পাশাপাশি নারী, পুরুষ ও শিশুদের অংশগ্রহণে বিভিন্ন ধরনের ক্রীড়া ও বিনোদনমূলক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। নারীরা মিউজিক্যাল পিলো ও চেয়ার সেটিং প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। পুরুষদের জন্য ছিল ফুটবল ও রশি টানাটানির মতো প্রতিযোগিতা। শিশুদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে পুরো আয়োজন হয়ে ওঠে আরও আনন্দঘন।</p>

<p data-added-after="1">অনুষ্ঠানে সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রধান উপদেষ্টা জামিল মর্তুজা এবং উপদেষ্টা আকমল খান, প্রবীর রায় ও মিনহাজ আহমেদকে সম্মাননা সনদ প্রদান করা হয়। সংগঠনের প্রতি তাঁদের অবদান ও সহযোগিতার স্বীকৃতিস্বরূপ এই সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়।</p>

<p>বিকেলে অনুষ্ঠিত হয় বহুল প্রতীক্ষিত র&zwj;্যাফেল ড্র। এতে বিজয়ীদের মধ্যে আকর্ষণীয় পুরস্কার বিতরণ করা হয়। একই সঙ্গে বিভিন্ন খেলাধুলায় বিজয়ী ও অংশগ্রহণকারীদেরও পুরস্কৃত করা হয়।</p>

<p>সমাপনী বক্তব্যে সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বলেন, প্রবাসে পারস্পরিক সম্প্রীতি, বন্ধুত্ব ও পারিবারিক বন্ধন আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্যেই প্রতিবছর এ ধরনের আয়োজন করা হয়। বনভোজন সফল করতে যারা শ্রম, সময়, সহযোগিতা ও আন্তরিকতা দিয়ে অনুষ্ঠানকে প্রাণবন্ত করে তুলেছেন, তাদের সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান তারা।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/696-2.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[আজ থেকে সবার জন্য উন্মুক্ত জুলাই স্মৃতি জাদুঘর]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29236</link>
    <pubDate>Thu, 06 Aug 2026 10:20:56 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29236</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/962-1.jpg" />    <article>
<p>&lsquo;জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর&rsquo; উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পরে জাদুঘরের বিভিন্ন গ্যালারি ও প্রদর্শনী পরিদর্শন করেন।</p>
</article>

<article>রাজধানীর শেরেবাংলানগরে জাদুঘরটি উদ্বোধনের আজ বৃহস্পতিবার থেকে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত হচ্ছে।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>জানা গেছে, দর্শনার্থীদের জন্য জাদুঘরে প্রবেশের সময়কে কয়েকটি স্লটে ফেলা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৯০০ &nbsp;দর্শনার্থী জাদুঘরের মূল ভবনে প্রবেশের সুযোগ পাবেন।&nbsp;</p>

<p>জাদুঘর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অনলাইন বুকিং ব্যবস্থার পাশাপাশি জাদুঘরের কাউন্টার থেকেও টিকিট সংগ্রহ করা যাবে।</p>
</article>

<article>আজ প্রথম দিনের ৯০০টি টিকিট গতকালই বিক্রি হয়েছে।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>জাদুঘরের মূল ভবনে যেতে প্রতিদিন তিনটি সময়সীমা রাখা হয়েছে। প্রতিটি স্লটে সর্বোচ্চ ৩০০ জন করে দর্শনার্থী প্রবেশ করতে পারবেন। এর মধ্যে মর্নিং স্লটে বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১টা, মিড ডে স্লটে দুপুর ১টা থেকে বিকেল ৩টা এবং ইভিনিং স্লটে বিকেল ৪টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ঘুরে দেখা যাবে।</p>
</article>

<article>টিকিটের গায়ে উল্লিখিত সময়ের মধ্যেই কেবল মূল ভবনে প্রবেশ করা যাবে।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে দেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যান তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর ৮ আগস্ট অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার শপথ নেন। পরে অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনেই জুলাইয়ের নানা স্মৃতিচিহ্ন নিয়ে গণভবনে তৈরি করা হয় জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর।&nbsp;</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/962-1.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ফের বন্যার আশঙ্কা, ১০ জেলায় সতর্কতা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29235</link>
    <pubDate>Thu, 06 Aug 2026 10:20:02 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29235</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/830-99.jpg" />    <article>
<p>দেশের বিভিন্ন এলাকায় বন্যার প্রভাব কাটতে না কাটতেই আবারও নতুন করে বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সিলেট, সুনামগঞ্জ, লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনার নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে বলে সতর্ক করেছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>বুধবার (৬ আগস্ট) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ পূর্বাভাস দেওয়া হয়। এতে বলা হয়, উজানে ভারী বৃষ্টিপাত এবং পাহাড়ি ঢলের কারণে কয়েকটি নদ-নদীর পানি দ্রুত বাড়ছে। আগামী দুদিনের মধ্যে বিভিন্ন এলাকায় নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে।</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/national/2026/08/06/1721517" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানায়, ২৪ ঘণ্টায় উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানি বেড়েছে এবং আগামী দুই দিন এ ধারা অব্যাহত থাকতে পারে।</p>
</article>

<article>এতে সিলেট ও সুনামগঞ্জের কয়েকটি পয়েন্টে নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।
<p>&nbsp;</p>

<p>উত্তরাঞ্চলে তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানিও বাড়ছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় তিস্তা ও দুধকুমার নদীর কয়েকটি পয়েন্টে পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করে লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে পারে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।</p>

<p>এ ছাড়া সোমেশ্বরী, ভুলাই ও কংস নদীর পানিও বাড়তে পারে।</p>
</article>

<article>এতে শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনার কিছু নিম্নাঞ্চলেও স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদ-নদীর পানি আগামী পাঁচদিন পর্যন্ত বাড়তে পারে। একই সঙ্গে চট্টগ্রাম বিভাগের গোমতী, মুহুরী, সেলোনিয়া, ফেনী ও হালদা নদীর পানিও আগামী তিনদিনে বৃদ্ধি পেতে পারে।</p>

<p>এদিকে ভারতের উজানে টানা বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলের প্রভাবে লালমনিরহাটে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। সকাল ৯টায় ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি রেকর্ড করা হয়েছে ৫২ দশমিক ২৮ মিটার, যা বিপৎসীমার ১৩ সেন্টিমিটার ওপরে।</p>
</article>

<article>একই সময়ে ধরলা নদীর শিমুলবাড়ী পয়েন্টে পানির সমতল রেকর্ড করা হয়েছে ২৯ দশমিক ৪৬ মিটার।
<p>&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/Court/2026/08/06/1721515" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, ভারতের পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ির গজলডোবা ব্যারেজের সব জলকপাট খুলে দেওয়ায় তিস্তার পানিপ্রবাহ দ্রুত বেড়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে তিস্তা ব্যারেজের ৪৪টি জলকপাট খুলে দেওয়া হয়েছে।</p>

<p>পানি বাড়তে থাকায় লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা, কালীগঞ্জ, আদিতমারী ও সদর উপজেলার তিস্তা তীরবর্তী চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চলে পানি ঢোকার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, ২৪ ঘণ্টায় তিস্তার পানি আরও বাড়তে পারে। এ কারণে নদীতীরবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। তবে পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টায় উজানের ঢল কমে এলে পানির স্তর স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।</p>

<p>অন্যদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, বুধবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টায় দেশের অধিকাংশ এলাকায় দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণও হতে পারে। এ সময় দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকলেও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/830-99.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[জুলাইয়ের কৃতিত্ব নেওয়ার জন্য সবাই প্রতিযোগিতায় নেমেছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29234</link>
    <pubDate>Thu, 06 Aug 2026 10:17:46 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29234</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1023-88.jpg" />    <article>
<p>জুলাইয়ের কৃতিত্ব নেওয়ার জন্য সবাই প্রতিযোগিতায় নেমেছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। বুধবার (৫ আগস্ট) রাজধানীর শেরেবাংলানগরের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত &lsquo;জুলাই গণ-অভ্যুত্থান শহীদ পরিবার ও জুলাইযোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্যকালে এমন মন্তব্য করেন তিনি।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, &lsquo;যারা জুলাই চেতনার ওপর নির্ভর করে রাজনীতি করছে, সেই রাজনীতি করা যাবে না। একাত্তরের চেতনাকে বিক্রি করতে করতে ফ্যাসিবাদী শেখ হাসিনা দিল্লি গিয়ে বসে আছে। আমি অনেকবার বক্তব্য দিয়েছি&mdash;শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক মৃত্যু হয়েছে ঢাকায়, দাফন হয়েছে দিল্লিতে। তারা এই চেতনা বিক্রি করতে করতে দেশকে এমন একটি জায়গায় নিয়ে গিয়েছিল যে তারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বললে মানুষ ঘৃণা করত।</p>
</article>

<article>&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি বলেন, &lsquo;আমরা যেন জুলাইয়ের এই চেতনাকে কোনো দিন অসম্মান না করতে হয়, সেই রকম রাজনীতি করি। জুলাই আমাদের সবার, বাংলাদেশের ২০ কোটি মানুষের, সবার সম্মিলিত প্রয়াসেই জুলাই। কেউ কেউ আমরা হয়তো নেতৃত্ব দিয়েছি, তবে আমাদের সামনের সারিতে যারা শহীদ হয়েছেন, তারাই আসল জুলাইযোদ্ধা, আসল নেতা। তাদের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করা আমাদের জন্য ফরজ।</p>
</article>

<article>অথচ জুলাইয়ের কৃতিত্ব নেওয়ার জন্য, রাজনীতি করার জন্য সবাই প্রতিযোগিতায় নেমেছে। আর আমরা প্রতিযোগিতা করছি জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের জন্য।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>জুলাই জাতীয় সনদ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি বলেন, &lsquo;গণভোটের রায় ও জনগণের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে রাজনৈতিক দলগুলোকে একসঙ্গে বসতে হবে।&rsquo; এ সময় সংশোধন কমিটিতে অংশ নিতে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানান তিনি।</p>

<p>আওয়ামী লীগ প্রশ্নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, &lsquo;বাংলাদেশের মানুষ গণহত্যাকারী কোনো মাফিয়া শক্তিকে এই দেশে রাজনীতি করার আর অনুমতি দেবে না।</p>
</article>

<article>বাংলাদেশের মানুষ আওয়ামী লীগের প্রশ্নে এক, ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রামের জন্য এক। আমরা জাতীয় সংসদে সরকারি ও বিরোধী দল তর্ক-বিতর্ক করব, কিন্তু প্রশ্ন যখন আওয়ামী লীগের আসবে, তখন আমরা সমগ্র জাতি এক। আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকব ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে। এই জাতির সামনে কোনো দিন আমরা ফ্যাসিবাদের উৎপত্তি হতে দেব না।&rsquo;</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1023-88.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য : প্রধানমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29233</link>
    <pubDate>Thu, 06 Aug 2026 10:17:03 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29233</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1147-77.jpg" />    <article>
<p>ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হতাহতদের পরিবারের শোকাহত সদস্যদের আশ্বস্ত করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আইনের যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য উপায়ে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে সংঘটিত প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে।</p>

<p>তিনি বলেন, বর্তমান সরকার মনে করে, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করার জন্যই প্রতিটি অপরাধের বিচার হওয়া অত্যন্ত জরুরি।</p>
</article>

<article>বিগত ১৭ বছর এবং জুলাই আন্দোলনে যে মানুষগুলো শহীদ হয়েছেন এবং গুম-খুনের শিকার হয়েছেন, তাদের নামে নিজেদের এলাকায় যেকোনো একটি প্রতিষ্ঠানের নামকরণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে সরকার।
<p>&nbsp;</p>

<p>আজ বুধবার (৫ আগস্ট) সকালে রাজধানীর শেরেবাংলানগরে অবস্থিত জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন শেষে &nbsp;&lsquo;জুলাই ৩৬&rsquo; শীর্ষক আলোচনাসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব কথা বলেন।</p>

<p>জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, &lsquo;দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণ আশা করে এই জাদুঘর কোনো একটি দল, গোষ্ঠী বা ব্যক্তির একক রাজনৈতিক ভাষ্য প্রতিষ্ঠার স্থান হবে না। ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থান কোনো একক ব্যক্তি, গোষ্ঠী কিংবা দলের নয়।</p>
</article>

<article>এই অভ্যুত্থানের মহানায়ক বাংলাদেশের গণতন্ত্রকামী জনগণ।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি বলেন, &lsquo;১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ ছিল স্বাধীনতা অর্জনের। আর ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থান ছিল দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার। একাত্তরের মুক্তিযোদ্ধাদের মানুষ যেমন ভুলে যায়নি, একইভাবে ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদেরকেও জনগণ কখনোই ভুলবে না।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1147-77.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ভারত সরকারের কাছে ক্ষমা চাইলেন জাকারবার্গ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29232</link>
    <pubDate>Thu, 06 Aug 2026 10:16:23 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29232</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1263-66.jpg" />    <article>
<p>সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শিশু যৌন নিপীড়নমূলক কনটেন্ট ও বিভিন্ন পরিচালনাগত ত্রুটির কারণে ভারত সরকারের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন মেটার প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গ। সূত্রের বরাতে বুধবার এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম <a href="https://www.ndtv.com/india-news/meta-executive-joel-kaplan-apologises-for-error-restricting-pm-modis-post-11870123?pfrom=home-ndtv_topscroll">এনডিটিভি</a>।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্প্রতি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির একটি ভিডিও ফেসবুক থেকে সাময়িক সময়ের জন্য সরিয়ে দেয় মেটা। এর পরেই ভারত সরকার মেটাকে তলব করে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে কম্পানিটির গ্লোবাল টিম ভারতের আইটি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছে। বৈঠকে জাকারবার্গের এই ক্ষমা চাওয়ার বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/08/05/1721274" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>সূত্রগুলো বলছে, এদিন মেটা টিমকে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে যে তারা &lsquo;মধ্যস্থতাকারী&rsquo; সংজ্ঞার আওতাভুক্ত নয়। সোশ্যাল মিডিয়া ঠিক করে কারা কনটেন্টগুলো দেখতে পাবে এবং এটি আইটি অ্যাক্টে সেইভ হারবারের আওতাধীন না।</p>

<p>এ সময় মেটার কর্মকর্তারা স্বীকার করেছেন যে, নির্দিষ্ট কিছু কনটেন্টে বুস্ট দেওয়ার জন্য প্রচুর অর্থ ঢালা হয়েছে। ভারতীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে, অবৈধ কনটেন্ট প্রচারের জন্য মেটা তাদের ভুল মেনে নিয়েছে।</p>
</article>

<article>সেই সঙ্গে সূত্রগুলো জানিয়েছে, মেটার কর্মকর্তাদের ফের ডাকা হবে।
<p>&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/08/05/1721262" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>এর আগে এনডিটিভির আরেক প্রতিবেদনে বলা হয়, নরেন্দ্র মোদির ভিডিও মুছে ফেলা নিয়ে মেটার সিইও জাকারবার্গকে তিন দিনের আলটিমেটাম দিয়েছে ভারত। এই সময়ের মধ্যে ক্ষমা চাইতে হবে বা দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1263-66.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[আকাশে ট্রাম্পের হেলিকপ্টার ও যাত্রীবাহী বিমান মুখোমুখি, তদন্তে মার্কিন সংস্থা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29231</link>
    <pubDate>Thu, 06 Aug 2026 10:15:28 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29231</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1365-55.jpg" />    <article>
<p>যুক্তরাষ্ট্রের আকাশে ট্রাম্পকে বহনকারী সামরিক হেলিকপ্টার &lsquo;মেরিন ওয়ান&rsquo; ও একটি যাত্রীবাহী বাণিজ্যিক বিমানের মধ্যে বিপজ্জনকভাবে দূরত্ব কমে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিকেলের এই ঘটনার পর বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে দেশটির ফেডারেল অ্যাভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফএএ) ও ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্টেশন সেফটি বোর্ড (এনটিএসবি)।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://aninews.in/news/world/us/close-call-faa-probes-trumps-marine-one-helicopter-operational-lapse-wsj-report20260805230150/?fbclid=IwY2xjawTgzJdleHRuA2FlbQIxMABicmlkETFORTFZVTZxcEt2MVVDR05Fc3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHi1u5HNQ03FJ73-4Rg8Lci0ZcOvF4_v19jjcyEH4KLbKR0ydUjANb2fYnSpd_aem_eGMIJ-PITzgQ61RKPCJFcg">মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটার দিকে</a> প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে নিয়ে মেরিন ওয়ান অ্যান্ড্রুস বিমান ঘাঁটির দিকে যাওয়ার জন্য হোয়াইট হাউস থেকে উড্ডয়ন করে। একই সময়ে নিকটবর্তী রিগান ওয়াশিংটন ন্যাশনাল বিমানবন্দর থেকে &lsquo;এনভয় এয়ার&rsquo; পরিচালিত আমেরিকান এয়ারলাইন্সের একটি বাণিজ্যিক বিমান (এমব্রেয়ার ই-১৭০) উড্ডয়ন করে।</p>

<p>সাধারণ নিরাপত্তা নিয়ম অনুযায়ী, প্রেসিডেন্টের বিমান বা হেলিকপ্টার চলাচলের সময় আশেপাশের বাণিজ্যিক বিমান চলাচল স্থগিত রাখার কথা থাকলেও এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল তা করতে ব্যর্থ হয়। যোগাযোগের অস্পষ্টতা ও বিলম্বের কারণে আকাশে হেলিকপ্টার ও যাত্রীবাহী বিমানের দূরত্ব ১ মাইলেরও নিচে চলে আসে।</p>
</article>

<article>উল্লেখ্য, ফেডারেল নিরাপত্তা আইন অনুযায়ী দুইটি উড্ডয়নরত যানের মধ্যে আনুভূমিকভাবে অন্তত ১.৫ মাইল অথবা উল্লম্বভাবে ৫০০ ফুট নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখা বাধ্যতামূলক।
<p>&nbsp;</p>

<p>পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হলেও হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র কুশ দেসাই নিশ্চিত করেছেন যে, প্রেসিডেন্ট কোনো মুহূর্তেই বিপদের মুখে ছিলেন না। মেরিন ওয়ান বিশ্বের সেরা বৈমানিকদের দ্বারা পরিচালিত হয় উল্লেখ করে তিনি জানান, ঘটনাটি নিয়ে আনুষ্ঠানিক পর্যালোচনা চলছে এবং প্রয়োজনীয় সংশোধনমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হবে।&nbsp;মার্কিন বিমান চলাচল নিয়ামক সংস্থা এফএএ জানায়, দুইটি বিমানের দূরত্ব নির্ধারিত নিরাপত্তার নিচে নেমে যাওয়ার মুহূর্তটিতেও এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল উভয় বিমানের পাইলটদের সাথেই সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখছিল।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>উল্লেখ, ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ওয়াশিংটনের একই বিমানবন্দর এলাকায় যাত্রীবাহী বিমান ও সেনা হেলিকপ্টারের সংঘর্ষে ৬৭ জন নিহত হওয়ার পর থেকে এই আকাশসীমায় নিরাপত্তা প্রটোকল অত্যন্ত কড়া করা হয়েছিল। মঙ্গলবার কোনো বড় দুর্ঘটনা না ঘটলেও প্রটোকল ভঙ্গের এই মারাত্মক ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে মার্কিন বিমান চলাচল প্রশাসন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1365-55.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[হিরোশিমায় বোমা হামলার ৮১ বছর, অস্ত্রমুক্ত বিশ্বের আহ্বান জাপানের]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29230</link>
    <pubDate>Thu, 06 Aug 2026 10:14:47 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29230</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1430-44.jpg" />    <article>
<p><a href="https://aninews.in/news/world/asia/japan-marks-81st-anniversary-of-hiroshima-atomic-bombing-renews-call-for-world-without-nuclear-weapons20260806063844/?fbclid=IwY2xjawTg2a5wZG9mAWV4dG4DYWVtAjEwAGJyaWQRMU1wSzRkUzQ0V3ppYXZyU1VzcnRjBmFwcF9pZBAyMjIwMzkxNzg4MjAwODkyAAEezdLVPJxFSjyFJaBjqDfzE-T4sPXKhxwyu8qZjSHbCZftsOiD0Phz7swrwW4_aem_6vEQx-x_f--6dl2BDVUMqw">দ্বিতীয় </a>বিশ্বযুদ্ধের সময় হিরোশিমায় পারমাণবিক বোমা হামলার ৮১তম বার্ষিকী পালন করেছে জাপান। বৃহস্পতিবার দেশজুড়ে নানা কর্মসূচির মাধ্যমে হামলায় নিহতদের স্মরণ করা হয়।</p>
</article>

<article>একই সঙ্গে বিশ্ব থেকে সব ধরনের পারমাণবিক অস্ত্র বিলুপ্ত করার আহ্বান জানিয়েছে জাপান।
<p>&nbsp;</p>

<p>জাপানের সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম এনএইচকে জানিয়েছে, হিরোশিমার শান্তি স্মৃতি উদ্যানে এ উপলক্ষে বার্ষিক স্মরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধানমন্ত্রী তাকাইচি সানায়ে অংশ নেন। এছাড়া বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও অঞ্চলের প্রতিনিধিরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।</p>
</article>

<article>এবার রেকর্ড ১২৩টি দেশ ও অঞ্চলের প্রতিনিধি এই অনুষ্ঠানে যোগ দেন। তারা সবাই পারমাণবিক বোমা হামলায় নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। অনুষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বোমা হামলায় নিহতদের হালনাগাদ নামের তালিকা শান্তি স্মৃতিস্তম্ভের ভেতরে সংরক্ষণ করা হয়। এনএইচকের তথ্য অনুযায়ী, এই তালিকায় এখন মোট ৩ লাখ ৫৩ হাজার ৬৩৯ জনের নাম রয়েছে।</article>

<article>গত এক বছরে মারা যাওয়া বোমা হামলা থেকে বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিদের নামও এবার তালিকায় যুক্ত করা হয়েছে।
<p>&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/08/06/1721511" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>সকাল ঠিক ৮টা ১৫ মিনিটে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাই। ১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট ঠিক এই সময়েই যুক্তরাষ্ট্র হিরোশিমা শহরের ওপর বিশ্বের প্রথম যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যবহৃত পারমাণবিক বোমা ফেলেছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ পর্যায়ে হিরোশিমায় এই হামলা ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হয়। যুক্তরাষ্ট্র শহরটির ওপর ইউরেনিয়ামভিত্তিক পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপ করে।</p>
</article>

<article>বোমাটির সাংকেতিক নাম ছিল &lsquo;লিটল বয়&rsquo;। ভয়াবহ বিস্ফোরণ, তীব্র তাপ এবং তেজস্ক্রিয়তার কারণে পুরো শহর ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। ১৯৪৫ সালের শেষ নাগাদ বিস্ফোরণের সরাসরি প্রভাব, আগুনে দগ্ধ হওয়া এবং তেজস্ক্রিয়তার কারণে আনুমানিক ১ লাখ ৪০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়।
<p>&nbsp;</p>

<p>এর মাত্র তিন দিন পর, ৯ আগস্ট, যুক্তরাষ্ট্র জাপানের আরেক শহর নাগাসাকিতে দ্বিতীয় পারমাণবিক বোমা ফেলে। সেই বোমার সাংকেতিক নাম ছিল &lsquo;ফ্যাট ম্যান&rsquo;। এরপর ১৫ আগস্ট ১৯৪৫ সালে জাপান আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণের ঘোষণা দেয়। এর মধ্য দিয়েই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তি ঘটে। হিরোশিমা ও নাগাসাকির পারমাণবিক হামলা থেকে জীবিত ফিরে আসা মানুষদের জাপানে &lsquo;হিবাকুশা&rsquo; নামে ডাকা হয়। এনএইচকের তথ্য অনুযায়ী, এসব মানুষ দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে তেজস্ক্রিয়তার প্রভাবে নানা ধরনের স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছেন। তাদের অনেকেই ক্যানসারসহ বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। চলতি বছরের মার্চ মাসের শেষ পর্যন্ত জাপানে প্রায় ৯১ হাজার হিবাকুশা জীবিত ছিলেন। তাদের গড় বয়স এখন ৮৬ বছর। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এই প্রত্যক্ষ সাক্ষীদের সংখ্যা দ্রুত কমে আসছে।</p>

<p>&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/08/06/1721511" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>হিবাকুশারা দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বব্যাপী পারমাণবিক অস্ত্র সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করার দাবিতে প্রচার চালিয়ে আসছেন। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরো জটিল হয়ে উঠেছে। এনএইচকে জানায়, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ নিউ স্টার্ট চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়েছে। এছাড়া পশ্চিম এশিয়ায় চলমান উত্তেজনার মধ্যে মে মাসে অনুষ্ঠিত পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তির (এনপিটি) পর্যালোচনা সম্মেলনও কোনো চূড়ান্ত নথি গ্রহণ করতে পারেনি। ফলে বিশ্বে পারমাণবিক ঝুঁকি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে হিরোশিমার বার্ষিক স্মরণ অনুষ্ঠান থেকে আবারও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি পারমাণবিক অস্ত্র পুরোপুরি বিলুপ্ত করার আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে স্থায়ী বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় সব দেশের সম্মিলিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছে জাপান।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1430-44.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রে পারিবারিক সংঘাতে বন্দুক হামলা, নিহত ৩]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29229</link>
    <pubDate>Thu, 06 Aug 2026 10:13:39 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29229</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1516-33.jpg" />    <article>
<p>মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলাইনা অঙ্গরাজ্যের প্রসপেক্ট হিল শহরে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। একই পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ঘটা এই গোলাগুলির ঘটনায় সন্দেহভাজন হামলাকারীসহ তিনজন নিহত হয়েছেন এবং একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>স্থানীয় সময় বুধবার সকাল ৮টার (জিএমটি ১২:০০) ঠিক আগে জরুরি বার্তা পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। ক্যাশওয়েল কাউন্টির শেরিফ টনি ডারডেন সাংবাদিকদের জানান, এ ঘটনায় জড়িত সবাই প্রাপ্তবয়স্ক এবং তারা সবাই একই পরিবারের সদস্য।</p>

<p><a href="https://www.aljazeera.com/news/2026/8/5/us-law-enforcement-reports-deadly-mass-shooting-in-north-carolina?fbclid=IwY2xjawTg25hleHRuA2FlbQIxMABicmlkETFORTFZVTZxcEt2MVVDR05Fc3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHkr4KOBphMwgRhC6FyFpRwk-7nk7h0VPheeqbWYu9bBErG8LBUQEnzkkALWH_aem_4OGjeWverMMwxBETTrImsQ">নর্থ ক্যারোলাইনা স্টেট ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (এসবিআই) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে</a>, পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে গুলিবিদ্ধ একাধিক ব্যক্তিকে পড়ে থাকতে দেখে। তাদের মধ্যে একজনকে তাৎক্ষণিকভাবে ডিউক ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় এবং বাকিদের ঘটনাস্থলেই মৃত ঘোষণা করা হয়।</p>
</article>

<article>তবে নিহত ও আহতদের নাম-পরিচয় এখনো প্রকাশ করা হয়নি। শেরিফ কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এর আগে এই পরিবারের সঙ্গে স্থানীয় শেরিফ দপ্তরের যোগাযোগ বা কোনো ঝামেলা হয়েছিল এমন কোনো রেকর্ড নেই।
<p>&nbsp;</p>

<p>বর্তমানে এসবিআই-এর অপরাধ তদন্তকারী দল ঘটনাস্থল থেকে তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করছে এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষাৎকার নিচ্ছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই ঘটনাটি পুরোপুরি পারিবারিক হওয়ায় সাধারণ জনগণের জন্য নতুন করে কোনো হুমকির আশঙ্কা নেই।</p>
</article>

<article>ঘটনার মূল কারণ জানতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1516-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[টি-টোয়েন্টি ইতিহাসের সর্বোচ্চ রানের মালিক এখন জস বাটলার]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/29228</link>
    <pubDate>Thu, 06 Aug 2026 10:12:52 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/29228</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1558-22.jpg" />    <article>
<p>টি-টোয়েন্টিতে ক্রিকেটে বিশ্ব রেকর্ড গড়েছেন ইংল্যান্ডের তারকা উইকেটকিপার-ব্যাটার জস বাটলার। ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাইরন পোলার্ডকে পেছনে ফেলে এই সংস্কণের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক এখন বাটলার।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>গতকাল রাতে দ্য হান্ড্রেড টুর্নামেন্টে ম্যানচেস্টার সুপার জায়ান্টসের হয়ে ওয়েলশ ফায়ারের বিপক্ষে ব্যাটিংয়ের সময় বাটলার এই কীর্তি গড়েন। ম্যাচে মাত্র ২০ বলে অপরাজিত ৫১ রানের ঝোড়ো ইনিংস উপহার দেন তিনি। মারেন ২টি চার ও ৬টি ছক্কা।&nbsp;</p>

<p>টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে ৬৬৩ ইনিংস খেলে পোলার্ড করেছেন ১৪৮০৩ রান।</p>
</article>

<article>বাটলার কাল খেলতে নেমেছিলেন ১৮৭৮২ রান নিয়ে। অর্থাৎ, পোলার্ডকে ছাড়িয়ে যেতে তার দরকার ছিল ২২ রান। সেখানে তিনি করেছেন ৫১।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>বর্তমানে বাটলারের রান ১৪৮৩৩।</p>
</article>

<article>৪৯২ ইনিংস ব্যাটিং করে চূড়ায় উঠে গেলেন এই ইংলিশ তারকা। পোলার্ডের চেয়ে ১৭১ ইনিংস কম খেলতে হয়েছে তাকে।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>এর আগে দীর্ঘদিন টি-টোয়েন্টির সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের তালিকার শীর্ষে ছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের আরেক কিংবদন্তি ক্রিস গেইল। পরে তাকে পেছনে ফেলেছিলেন পোলার্ড। এবার সেই রেকর্ড নিজের করে নিলেন বাটলার।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p><img alt="RECORD" height="1402" src="https://asset.kalerkantho.com/public/news_images/share/photo/shares/online/2026/08/06/my1236/RECORD.jpg" width="1122" />বাটলারের টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে রয়েছে ৯টি সেঞ্চুরি ও ১০৬টি ফিফটি। ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সই তাকে এই অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে।&nbsp;</p>

<p>৩৫ বছর বয়সী বাটলার ইংল্যান্ডের হয়ে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে করেছেন ৪২১২ রান। আইপিএল, এসএ২০, দ্য হান্ড্রেডসহ বিশ্বের বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে নিয়মিত রান করে গেছেন তিনি।&nbsp;</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1558-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বস্তিতে কেটেছে শৈশব, আজ মুম্বাইয়ে দুই বাড়ির মালিক]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/29227</link>
    <pubDate>Thu, 06 Aug 2026 10:11:59 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/29227</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1655-11.jpg" />    <article>
<p>নেটফ্লিক্সের নতুন ওয়েব ফিল্ম &lsquo;মুসাফির ক্যাফে&rsquo; দিয়ে সম্প্রতি দর্শকমহলে ব্যাপক আলোচনা ও জনপ্রিয়তা কুড়িয়েছেন অভিনেত্রী মহিমা মাকওয়ানা। আজ সাফল্যের শিখরে থাকলেও তার ক্যারিয়ারের পেছনের গল্পটা ছিল চরম সংগ্রামের।</p>
</article>

<article>মাত্র পাঁচ মাস বয়সে বাবাকে হারিয়ে মুম্বাইয়ের বস্তিতে বড় হওয়া এই অভিনেত্রী ২৬ বছর বয়সেই এখন মুম্বাই শহরের দুইটি অভিজাত বাড়ির মালিক।
<p>&nbsp;</p>

<p>মহিমা জানান, অভিনয় কখনোই তার নিজের স্বপ্নের পেশা ছিল না। ছোটবেলায় স্কুলের অর্ধেক সময় ক্লাস করে, বাসে চেপে অডিশন দিতে যেতেন। ক্লান্ত হয়ে ফিরলেও মা তাকে উৎসাহ দিতেন।</p>
</article>

<article>মহিমার ভাষায়, &lsquo;আমার মা সব সময় অভিনেত্রী হতে চেয়েছিলেন, কিন্তু পারেননি। অভাবের দিনে মা আমাকে বলেছিলেন&mdash;এই পৃথিবী ছেড়ে যাওয়ার আগে তিনি নিজের একটা বাড়ি চান। <a href="https://www.businesstoday.in/trending/entertainment/story/from-a-mumbai-chawl-to-2-homes-heres-how-mahima-makwana-turned-childhood-struggles-into-success-by-26-546365-2026-07-30">মায়ের এই ইচ্ছাই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা হয়ে দাঁড়ায়</a>।&rsquo;

<p>&nbsp;</p>

<p>শিশুশিল্পী হিসেবে কাজ করার সময় নানা অপমান সহ্য করতে হয়েছে মহিমাকে।</p>
</article>

<article>৯ বছর বয়সে &lsquo;বালিকা বধূ&rsquo;র সেটে এক পরিচালক তাকে বলেছিলেন, &lsquo;অভিনয়ই যদি না জানো, তবে এখানে কেন এসেছ?&rsquo; সেই অপমানকে শক্তিতে রূপান্তর করেন তিনি। ২০১২ সালে মাত্র ১৩ বছর বয়সে জি টিভির জনপ্রিয় ধারাবাহিক &lsquo;সাপনে সুহানে লাড়কাপান কে&rsquo;-তে মূল চরিত্রে সুযোগ পান। শো-টি সুপারহিট হওয়ার পর মাত্র ১৪ বছর বয়সে মায়ের জন্য নিজের প্রথম বাড়ি ও গাড়ি কেনেন মহিমা।
<p>&nbsp;</p>

<p>টেলিভিশনে তুমুল জনপ্রিয় হলেও চলচ্চিত্রে কাজের সুযোগ পাওয়া সহজ ছিল না। বারবার রিজেকশন এবং &lsquo;টিভির অভিনেত্রী&rsquo; তকমা কাটিয়ে ২০২১ সালে সালমান খানের &lsquo;অন্তিম&rsquo; সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয় তার।</p>
</article>

<article>মহিমা বলেন, &lsquo;অন্তিম মুক্তির পর হঠাৎ করেই মানুষের আচরণ বদলে যায়। সবাই আমার বন্ধু হতে চেয়েছিল। কিন্তু এর পেছনে ছিল আমার এক দশকেরও বেশি সময়ের হাড়ভাঙ্গা খাটুনি।
<p>&nbsp;</p>

<p>১৪ বছর বয়সে প্রথম বাড়ি কেনার ঠিক ১১ বছর পর, গত বছর মুম্বাইয়ে নিজের দ্বিতীয় ও আরো বড় একটি বাড়ি কিনেছেন মহিমা। তেলুগু সিনেমা, ওটিটি সিরিজ &lsquo;শোটাইম&rsquo; ও অতিসম্প্রতি নেটফ্লিক্সের জনপ্রিয় হিট &lsquo;মুসাফির ক্যাফে&rsquo;-তে দুর্দান্ত অভিনয় দিয়ে ২৬ বছর বয়সেই ইন্ডাস্ট্রিতে দুই দশকের সাফল্য উদ্&zwnj;যাপন করছেন তিনি।</p>

<p>সাফল্য আর কোটি টাকার সম্পত্তি পেলেও বাবাকে না পাওয়ার কষ্ট আজও তাকে তাড়া করে ফেরে। মহিমা আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, &lsquo;বাবা থাকলে কেমন লাগে, তা আমি জানি না। বন্ধুদের যখন তাদের বাবার সঙ্গে দেখি, তখন বুকের ভেতরটা খালি লাগে। তবে জীবনের সব কষ্ট জয় করে মাকে দেওয়া কথা রাখতে পেরেছি, এটাই আমার বড় তৃপ্তি।&rsquo;</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1655-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসীর বারবিকিউ পার্টি]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/29226</link>
    <pubDate>Thu, 06 Aug 2026 08:38:18 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/29226</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/08052026_image07_jackson_heights_elakabashi.jpg" />    <p>নিজস্ব প্রতিবেদক, নিউইয়র্ক: বরাবরের মতো এবারও বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে নিউইয়র্কের কুইন্সের ওয়ার্ল্ড ফেয়ার মেরিনায় অনুষ্ঠিত হলো &lsquo;জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসী&rsquo;র উদ্যোগে বারবিকিউ পার্টি। গতকাল ৩ আগস্ট ২০২৬, এক জমকালো অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পালিত হয় এই আয়োজন। প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটি, বিশেষ করে জ্যাকসন হাইটসের সঙ্গে সম্পৃক্ত বাসিন্দারা প্রতিবছর এই বিশেষ দিনটির অপেক্ষায় থাকেন।</p>

<p>সোমবার আয়োজিত এই বারবিকিউ পার্টিতে নিউইয়র্কের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, ব্যবসায়ী, চাকরিজীবী, সাংবাদিক, লেখক-সাহিত্যিকসহ কমিউনিটির সর্বস্তরের মানুষের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যায়। দিনব্যাপী এই আয়োজনের মূল আকর্ষণ ছিল হরেক রকমের সুস্বাদু খাবার, আড্ডা, আলোচনা, শুভেচ্ছা বক্তব্য এবং শিল্পীদের পরিবেশনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানের শুরুতে &lsquo;জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসী&rsquo;র সভাপতি সাকিল মিয়া, সাধারণ সম্পাদক মো. আলম নমী, বারবিকিউ আয়োজনের আহ্বায়ক শাহ জে. চৌধুরী এবং সদস্য সচিব মহিউদ্দিন রাহুল মঞ্চে এসে উপস্থিত সবাইকে শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ জানান।</p>

<p>মিয়া মোহাম্মদ দুলালের প্রাণবন্ত সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানটি এক আনন্দঘন উৎসবে রূপ নেয়। এছাড়াও ধাপে ধাপে সঞ্চালনায় যুক্ত ছিলেন মো. সারোয়ার, কামরুজ্জামান বকুল ও আফতাব জনি। তারা একসাথে গান পরিবেশন করে দর্শকদের মাতিয়ে রাখেন। শিল্পীদের পরিবেশিত গানের পাশাপাশি সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন নিউইয়র্কের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, মূলধারার রাজনীতিক ও সমাজকর্মী, গোল্ডেন এজ হোমকেয়ারের প্রেসিডেন্ট ও সিইও শাহ নেওয়াজ, বাংলাদেশ সোসাইটি নিউইয়র্কের সভাপতি আতাউর রহমান সেলিম, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী, &lsquo;জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসী&rsquo;র সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মীর নিজামুল হক, দুলাল বেহেদু এবং অ্যাটর্নি মঈন চৌধুরীসহ কমিউনিটির বিশিষ্টজনেরা।</p>

<p><img alt="" src="https://khabor.com/upload/images/news/08052026_image08_jackson_heights_elakabashi.jpg" style="width: 899px; height: 438px;" /></p>

<p>আয়োজনের অন্যতম আকর্ষণ ছিল জাতীয় পর্যায়ে ও কমিউনিটিতে বিশেষ অবদান রাখার জন্য তিন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে সম্মাননা প্রদান। এ বছর সম্মাননাপ্রাপ্তরা হলেন&mdash; কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী ও কণ্ঠযোদ্ধা রথীন্দ্রনাথ রায়, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শাহনেওয়াজ এবং মো. জাহিদ। নানা আয়োজন, র&zwj;্যাফেল ড্র, সুস্বাদু খাবার আর পরিচিত মুখগুলোর মিলনমেলায় প্রবাসের যান্ত্রিকতার মাঝেও দিনটি হয়ে উঠেছিল এক টুকরো বাংলাদেশ।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/08052026_image07_jackson_heights_elakabashi.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[Progressive Abdul El-Sayed Wins Michigan Senate Primary, Sending New Signal Within Democratic Party]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/english/29225</link>
    <pubDate>Wed, 05 Aug 2026 23:06:16 +0600</pubDate>
    <category> English </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/english/29225</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1-08052026_image01_dr_abdul_el_sayed.jpg" />    <p><strong>Michigan, USA:&nbsp;</strong>Progressive politician and physician Dr. Abdul El-Sayed has won the Democratic Senate primary in the important battleground state of Michigan. In a closely contested race, he defeated moderate Democratic candidate Congresswoman Haley Stevens.</p>

<p>El-Sayed&rsquo;s victory is being viewed as a major achievement for the progressive wing of the Democratic Party. Michigan&rsquo;s Senate seat is considered one of the most competitive races ahead of the 2026 U.S. Senate elections.</p>

<p>During his campaign, El-Sayed focused on issues including healthcare reform, reducing the cost of living for ordinary Americans, and addressing economic inequality. His campaign attracted strong support from young voters and progressive activists.</p>

<p>Meanwhile, Haley Stevens was backed by established Democratic leaders and moderate voters. The contest between the two candidates highlighted the broader debate over the future direction of the Democratic Party.</p>

<p>El-Sayed will now face Republican candidate Mike Rogers in the general election. Political analysts believe the race could have significant implications for the balance of power in the U.S. Senate, as Michigan remains a key swing state.</p>

<p>Dr. Abdul El-Sayed&rsquo;s primary victory is being seen as a sign of the growing influence of progressive politics within the Democratic Party, sparking new discussions in national politics ahead of the 2026 midterm elections.</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1-08052026_image01_dr_abdul_el_sayed.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[মিশিগান সিনেট প্রাইমারিতে প্রগতিশীল আবদুল এল-সায়েদের জয়, ডেমোক্র্যাট শিবিরে নতুন বার্তা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29224</link>
    <pubDate>Wed, 05 Aug 2026 23:05:28 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29224</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/08052026_image01_dr_abdul_el_sayed.jpg" />    মিশিগান, যুক্তরাষ্ট্র: যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ ডেমোক্র্যাটিক সিনেট প্রাইমারিতে জয় পেয়েছেন প্রগতিশীল রাজনীতিক ও চিকিৎসক ড. আবদুল এল-সায়েদ। ঘনিষ্ঠ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এই নির্বাচনে তিনি ডেমোক্র্যাটিক দলের মধ্যপন্থী প্রার্থী কংগ্রেসওম্যান হেইলি স্টিভেন্সকে পরাজিত করেন।

এল-সায়েদের এই বিজয়কে ডেমোক্র্যাট দলের প্রগতিশীল ধারার জন্য বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে। মিশিগানের এই আসনটি ২০২৬ সালের সিনেট নির্বাচনে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ আসন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

প্রচারণায় এল-সায়েদ স্বাস্থ্যসেবা সংস্কার, সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো এবং অর্থনৈতিক বৈষম্য মোকাবিলার মতো বিষয়কে গুরুত্ব দেন। তার প্রচারণায় তরুণ ভোটার ও প্রগতিশীল কর্মীদের ব্যাপক সমর্থন দেখা যায়।

অন্যদিকে, হেইলি স্টিভেন্স ডেমোক্র্যাট দলের প্রতিষ্ঠিত নেতৃত্ব ও মধ্যপন্থী ভোটারদের সমর্থন পেয়েছিলেন। দুই প্রার্থীর লড়াইটি ডেমোক্র্যাট দলের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক দিকনির্দেশনা নিয়ে বিতর্ককে সামনে নিয়ে আসে।

এল-সায়েদ এখন সাধারণ নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্সের মুখোমুখি হবেন। মিশিগানের মতো ‘সুইং স্টেট’-এ এই লড়াই যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটের ভারসাম্যের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

ড. আবদুল এল-সায়েদের জয় ডেমোক্র্যাট দলের ভেতরে প্রগতিশীল রাজনীতির প্রভাব বাড়ার একটি ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে জাতীয় রাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/08052026_image01_dr_abdul_el_sayed.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিউইয়র্কে ইউএসবিসিসিআইএর উদ্যোগে আমেরিকার ২৫০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/29223</link>
    <pubDate>Wed, 05 Aug 2026 11:16:30 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/29223</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/418-3.jpg" />    <p>নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০তম বার্ষিকী উদযাপন করেছে &nbsp;ইউএস-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ইউএসবিসিসিআই)। গত ২৯ জুলাই কুইন্সের ডাবলট্রি বাই হিলটন লাগোর্ডিয়া এয়ারপোর্টে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে কংগ্রেসওম্যান গ্রেস মেং কীনোট স্পিকার হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন। অনুষ্ঠানে ফেডারেল, স্টেট ও স্থানীয় পর্যায়ের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, ব্যবসায়ী নেতা, উদ্যোক্তা, কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ, পেশাজীবী এবং প্রবাসী বাংলাদেশী কম্যুনিটির প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।<br />
<br />
অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী বক্তব্যে ইউএসবিসিসিআই&rsquo;র প্রতিষ্ঠাতা, প্রেসিডেন্ট ও সিইও মো. লিটন আহমেদ বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০ বছরের এই ঐতিহাসিক পথচলা স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, আইনের শাসন, বহুত্ববাদ ও জনসেবার মূল্যবোধের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার বাণিজ্য, বিনিয়োগ, উদ্যোক্তা উন্নয়ন এবং জনগণের পারস্পরিক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণে ইউএসবিসিসিআই নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।<br />
<img alt="" data-mfp-src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/762677043_798626623313814_8120672043616994418_n(1).jpg" src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/762677043_798626623313814_8120672043616994418_n(1).jpg" /></p>

<p>কংগ্রেসওম্যান গ্রেস মেং তার বক্তব্যে যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা বার্ষিকীর তাৎপর্য তুলে ধরেন এবং বহুসাংস্কৃতিক সমাজ গঠনে ইমিগ্রান্টদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের প্রশংসা করেন। তিনি বাংলাদেশী-আমেরিকান কমিউনিটির অর্থনৈতিক, সামাজিক ও নাগরিক অবদানকে স্বীকৃতি দিয়ে দুই দেশের জনগণের মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদারের আহ্বান জানান।</p>

<p data-added-after="1">অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, উদ্যোক্তা, কমিউনিটি নেতা ও বিভিন্ন সংগঠনকে &lsquo;আমেরিকা ২৫০ লিডারশিপ অ্যান্ড সার্ভিস অ্যাওয়ার্ড&rsquo; প্রদান করা হয়। একই সঙ্গে বিভিন্ন সরকারি দপ্তর ও জনপ্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছাবার্তা, আনুষ্ঠানিক প্রোক্লেমেশন এবং বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়। সম্মাননা প্রাপ্তরা হলেন, ইউএসবিসিসিআইএর প্রতিষ্ঠাতা ডিরেক্টর ফখরুল ইসলাম দেলোয়ার, ক্যাপিটল এডভাইজারের সিইও মুশতাক চৌধুরী, ডোমিনোস ফ্রাঞ্চইজের স্বত্বাধিকারী মিলি এ ভূঁইয়া, ঈশিকা সাইনের সিইও মোহাম্মদ শাহীন ভুঁইয়া, সিপিএ আহাদ আলী, ট্যাবি আল, ভিএনএস হেলথের মার্কেট ডেভেলপমেন্ট ডিরেক্টর সালেহ আহমেদ, কুইন্স বরো প্রেসিডেন্টের অফিসের ডিরেক্টর অব টমোগ্রাফি ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ সাদিক।</p>

<p>অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্যে মো. লিটন আহমেদ কংগ্রেসউয়োম্যান গ্রেস মেং, উপস্থিত সম্মানিত জনপ্রতিনিধি, কূটনীতিক, অতিথিবৃন্দ, স্পন্সর, স্ট্র্যাটেজিক পার্টনার, ইউএসবিসিসিআই&rsquo;র পরিচালনা পরিষদ, স্বেচ্ছাসেবক, গণমাধ্যমকর্মী এবং সকল অংশগ্রহণকারীর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।</p>

<p>তিনি বলেন, এই আয়োজন শুধু যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা বার্ষিকী উদযাপন নয়; এটি বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং জনগণের পারস্পরিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। আমরা বিশ্বাস করি, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা উন্নয়নের মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্ক আগামী দিনে আরও নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/418-3.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29222</link>
    <pubDate>Wed, 05 Aug 2026 11:15:58 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29222</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/695-2.jpg" />    <article>
<p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন দেশটির উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়ালিদ এল-খেরেইজি। আমন্ত্রণের জন্য প্রধানমন্ত্রী ধন্যবাদ জানিয়ে সুবিধাজনক সময়ে সৌদি আরব সফরের আশা প্রকাশ করেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন সৌদি আরবের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী। সাক্ষাতে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া, বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং কৌশলগত সহযোগিতা আরো জোরদারের বিষয়ে উভয় পক্ষ একমত পোষণ করে।</p>

<p>এ সময় বাংলাদেশ সৌদি আরবের বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, &lsquo;বাংলাদেশ পরিচ্ছন্ন জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।</p>
</article>

<article>এ খাতে সৌদি কম্পানিগুলোর বিনিয়োগ দুই দেশের জন্যই লাভজনক হবে।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রধানমন্ত্রী বলেন, &lsquo;বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের সম্পর্ক পারস্পরিক আস্থা ও দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত। বর্তমান সরকার সৌদি আরবের সঙ্গে একটি কৌশলগত, বহুমাত্রিক ও দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারি গড়ে তুলতে চায়।&rsquo; তিনি বাংলাদেশে, বিশেষ করে সৌরবিদ্যুৎ খাতে সৌদি বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহ্বান জানান।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>সৌদি উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশে বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে এবং বিভিন্ন সম্ভাবনাময় খাতে সহযোগিতা ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে সৌদি আরব আগ্রহী।</p>

<p>তিনি সৌদি আরবের উন্নয়নে বাংলাদেশি কর্মীদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথাও উল্লেখ করেন এবং জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান নির্বাচিত হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান।</p>

<p>সৌদি উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সৌদি আরব বাংলাদেশে প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, সি-ফুড, ট্রপিক্যাল ফুড, কৃষিভিত্তিক শিল্প, তথ্য-প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, নবায়নযোগ্য জ্বালানিসহ বিভিন্ন সম্ভাবনাময় খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/695-2.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস আজ, স্মরণে দেশজুড়ে কর্মসূচি]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29221</link>
    <pubDate>Wed, 05 Aug 2026 11:14:11 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29221</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/961-1.jpg" />    <article>
<p>জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস আজ বুধবার। সারা দেশে সরকারি সাধারণ ছুটি থাকবে।</p>
</article>

<article>২০২৪ সালের এ দিনে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে পতন ঘটে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের। দিবসটি উপলক্ষে আজ দেশজুড়ে নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে শুরু হওয়া শিক্ষার্থীদের আন্দোলন শেষ পর্যন্ত বৈষম্যবিরোধী নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যাশায় এক ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নেয়।</p>

<p>দীর্ঘ এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা আন্দোলনের চূড়ান্ত পরিণতি ঘটে ওই বছরের আজকের দিনে (৫ আগস্ট)।</p>
</article>

<article>সেদিন ছাত্র-জনতার প্রবল গণ-আন্দোলনের মুখে ক্ষমতা ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যান তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
<p>&nbsp;</p>

<p>ত্যাগ ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে অর্জিত রক্তাক্ত এই দিনটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।</p>

<p>অভ্যুত্থানের আগে ৩ আগস্ট আন্দোলনকারীরা আনুষ্ঠানিকভাবে &lsquo;একদফা&rsquo; দাবি ঘোষণা করেন।</p>

<p>এরপর থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখো মানুষ শেখ হাসিনার পতনের দাবিতে জোরালোভাবে রাজপথে নামতে শুরু করেন।</p>
</article>

<article>বিভিন্ন স্থানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষ, গুলিবর্ষণ এবং সহিংসতার ঘটনাও ঘটে।
<p>&nbsp;</p>

<p>৫ আগস্ট &lsquo;মার্চ টু ঢাকা&rsquo; কর্মসূচি ঘোষণা করা হলে কারফিউ উপেক্ষা করে ভোর থেকেই দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন। কেউ বাসে, কেউ মোটরসাইকেলে, আবার অনেকে মাইলের পর মাইল হেঁটে রাজধানীতে প্রবেশ করেন। দুপুর গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে রাজধানীর প্রধান সড়কগুলো জনসমুদ্রে পরিণত হয়। একদফার স্লোগানে মুখরিত রাজপথ ধরে আন্দোলনকারীরা গণভবনের দিকে অগ্রসর হতে থাকেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>এ সময় ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশত্যাগ করেন। এর মধ্য দিয়ে টানা প্রায় ১৫ বছরের শাসনের অবসান ঘটে। পরবর্তীতে সরকার ৫ আগস্টকে &lsquo;জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস&rsquo; হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেয়। সাধারণ হিসাবে তারিখটি ৫ আগস্ট হলেও অভ্যুত্থানকারীরা জুলাইয়ের রক্তস্রোত না থামা পর্যন্ত মাসটিকে ৩৬ জুলাই পর্যন্ত বিবেচনা করেন।</p>

<p>আন্দোলনের সূচনা হয় ২০২৪ সালের ৫ জুন। ওই দিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল শিক্ষার্থী সরকারি চাকরিতে কোটা ব্যবস্থার সংস্কারের দাবিতে কর্মসূচি শুরু করেন। ১ জুলাই থেকে আন্দোলন আরো বিস্তৃত ও সংগঠিত রূপ নেয়। আন্দোলনকারীরা নির্বাহী বিভাগের মাধ্যমে কোটা ব্যবস্থার সংস্কার দাবি করলেও সরকার বিষয়টিকে আদালতের এখতিয়ার বলে উল্লেখ করে।</p>

<p>১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা এবং ১৬ জুলাই রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ গুলিবিদ্ধ হওয়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে আন্দোলন দেশজুড়ে নতুন গতি পায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করে এবং পরবর্তী সময়ে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ রাখার মতো পদক্ষেপ নেয়। তবে এসব উদ্যোগ আন্দোলন থামাতে পারেনি; বরং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণে তা গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নেয়।</p>

<p>জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সারা দেশে দেড় হাজারের বেশি মানুষ শহীদ হন এবং প্রায় ৩০ হাজার মানুষ আহত হন। আহতদের একটি বড় অংশ চোখে গুরুতর আঘাত পান, যাদের অনেকে স্থায়ীভাবে দৃষ্টিশক্তি হারান। এই রক্তক্ষয়ী আন্দোলন বাংলাদেশের ইতিহাসে অন্যতম বড় গণআন্দোলন হিসেবে বিবেচিত হয়।</p>

<p>শেখ হাসিনার দেশত্যাগের পর দায়িত্ব নেয় অন্তর্বর্তী সরকার। শান্তিতে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস সরকারপ্রধানের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি হিসেবে শুরুতে নাহিদ ইসলাম ও আসিফ মাহমুদ এবং পরে মাহফুজ আলম উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। রাষ্ট্রীয় সংস্কার, বিচারপ্রক্রিয়া ও নির্বাচন আয়োজনের নানা উদ্যোগ গ্রহণের পর প্রায় দেড় বছর দায়িত্ব পালন শেষে ২০২৬ সালে জাতীয় নির্বাচন আয়োজন করে অন্তর্বর্তী সরকার। ওই নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে বিএনপি সরকার গঠন করে এবং বর্তমানে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পালন করছে।</p>

<p><strong>জাতীয় কর্মসূচি</strong></p>

<p>জাতীয় পর্যায়ে &lsquo;জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস&rsquo; উদযাপনে বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। সকালে দেশের ৬৪ জেলায় জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হবে। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন শহরের প্রধান সড়ক ও সড়কদ্বীপগুলো জাতীয় পতাকাসহ ব্যানার, ফেস্টুন ও রঙিন নিশানে সাজানো হবে।</p>

<p>এদিন সকাল ৯টায় জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বেলা ১১টায় রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জুলাই শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও আলোচনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।</p>

<p><strong>আরো আয়োজন</strong></p>

<p>এ উপলক্ষে বিএনপি গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর খামারবাড়ি কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বিশেষ আলোচনা সভা করেছে।</p>

<p>জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দল আজ বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের দক্ষিণ গেটে গণসমাবেশ করবে।&nbsp;</p>

<p>এ ছাড়া গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট, সিপিবি, বাসদ, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স, গণফোরামসহ বিভিন্ন দল ও সংগঠন দিনব্যাপী বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করবে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/961-1.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[জনগণ পরিবর্তন চেয়েছে বলেই জুলাই আন্দোলন সফল : প্রধানমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29220</link>
    <pubDate>Wed, 05 Aug 2026 11:12:47 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29220</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/829-99.jpg" />    <article>
<p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, &lsquo;বাংলাদেশে জুলাই- আগস্ট মাসে যে আন্দোলন হয়েছিল, তা সম্পূর্ণভাবে ছিল জনগণের আন্দোলন। জনগণ পরিবর্তন চেয়েছে বলেই জুলাই আন্দোলন সফল হয়েছে।</p>
</article>

<article>জনগণ যখন সম্পূর্ণভাবে এ আন্দোলনে সম্পৃক্ত হয়েছে, তখনই আন্দোলন সফল হয়েছে।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি বলেন, &lsquo;আমরা আমাদের অবস্থান থেকে পরিষ্কারভাবে সাফ বলে দিয়েছি এই জুলাই আন্দোলনের সফলতার ক্রেডিট এই দেশের সর্বস্তরের জনগণের। এর কৃতিত্ব কোনো একক ব্যক্তি, একক কোনো রাজনৈতিক দলের এটি কোনো ক্রেডিট নয়। বিগত ১৭ বছর এই দেশের মানুষ, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নেতাকর্মী, গণতন্ত্রে বিশ্বাসী আরো অনেক রাজনৈতিক দল সবাই ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে মাঠে ছিল।</p>
</article>

<article>মাঠ ছেড়ে আমরা কখনো চলে যাইনি। আমরা কখনোই জনগণকে একা ফেলে মাঠ ছেড়ে চলে যাইনি।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিকেলে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন অব বাংলাদেশ-এ (কেআইবি) &lsquo;গণতন্ত্র আদায়ে ১৭ বছরের অনিবার সংগ্রাম ও রক্তঝরা জুলাই জাগরণ&rsquo; শীর্ষক আলোচনাসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব কথা বলেন। আলোচনাসভার আয়োজন করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/national/2026/08/04/1720961" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>সব রাজনৈতিক দলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, &lsquo;অনেক কথা হয়েছে, আন্দোলন হয়েছে, সংগ্রাম কথা হয়েছে, তর্ক-বিতর্ক হয়েছে। এখন সময় হচ্ছে দেশ পুনর্গঠন করার। এখন সময় দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার। এখন সময় হচ্ছে যারা ষড়যন্ত্র করতে চায় তাদের ব্যাপারে ধৈর্য সহকারে ঠাণ্ডা মাথায় তাদের ষড়যন্ত্রের প্রতি সজাগ দৃষ্টি রাখা। জনগণকে সতর্ক করা এবং ঠিক একইভাবে আমরা যেই পরিকল্পনা জনগণের সামনে দিয়েছি, আমরা জনগণের জন্য যা করতে চাইছি, দেশকে পুনর্গঠনের জন্য আমরা যা করতে চাইছি, সেগুলো ধীরে ধীরে বাস্তবায়ন করা।</p>
</article>

<article>জনগণের প্রত্যাশাগুলো পূরণ করা।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>বিএনপি জনগণের প্রত্যাশিত রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা নিয়ে এগিয়ে চলছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, &lsquo;বিএনপিই প্রথম দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দেশের মানুষের সামনে রাষ্ট্র সংস্কারের রূপরেখা তুলে ধরেছিল, যা পরবর্তীতে রাজপথের মিত্র দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে ৩১ দফায় রূপ নেয়। গত সাধারণ নির্বাচনে দেশের জনগণ এই ৩১ দফায় পূর্ণ আস্থা ও ম্যান্ডেট দিয়েছে। ফলে এটি আর কেবল বিএনপির একক রূপরেখা নয়, বরং এটি দেশের সমগ্র জনগণের ৩১ দফায় পরিণত হয়েছে।&rsquo;</p>

<p>সরকার পরিচালনার সার্বিক চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, &lsquo;১৭ ফেব্রুয়ারি দায়িত্ব গ্রহণের পর দেখা গেছে স্বৈরাচারী শাসনামলের বিগত ১৭ বছরে দেশের প্রতিটি খাতকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করা হয়েছিল। বছরে ১৬ বিলিয়ন ডলার বিদেশে পাচার করা হয়েছে। ভঙ্গুর অর্থনীতি, স্বাস্থ্যব্যবস্থা ও বিভাজিত প্রশাসনের মধ্য দিয়েই বর্তমান সরকার কাজ শুরু করেছে। দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক নানা প্রতিকূলতা সত্ত্বেও জনগণের দুর্ভোগ কমাতে সরকার তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এখনো জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করে যাচ্ছে বিএনপি সরকার।&rsquo;</p>

<p>জ্বালানিসংকটের সাময়িক কষ্ট স্বীকার করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, &ldquo;শিল্প-কারখানা ও বাসাবাড়িতে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করতে মিয়ানমার থেকে গ্যাস আমদানির আলোচনা শুরু হয়েছে। এ ছাড়া মালয়েশিয়ার &lsquo;পেট্রোনাস&rsquo; কম্পানির সঙ্গে আলোচনা চূড়ান্ত হয়েছে, যার মাধ্যমে দ্রুততম সময়ের মধ্যে কনটেইনারের মাধ্যমে এলএনজি গ্যাস দেশে আনা হবে। এর ফলে বন্ধ থাকা বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে গ্যাস সরবরাহ করে দ্রুততম সময়ে জাতীয় গ্রিডে বাড়তি ৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যুক্ত করা সম্ভব হবে। পাশাপাশি দেশীয় শক্তি বৃদ্ধি করতে দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে অকার্যকর রাখা &lsquo;বাপেক্স&rsquo;-কে পুনরুজ্জীবিত করে দুটি নতুন রিগ কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।&rdquo;</p>

<p>বেকারত্ব দূরীকরণ ও কর্মসংস্থানের বিষয়ে তিনি বলেন, &lsquo;মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি শ্রমিকদের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া চট্টগ্রাম ও নারায়ণগঞ্জে বিশাল এলাকায় নতুন শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলার কাজ চলছে, যেখানে চীনা ও কোরিয়ান বিনিয়োগ আসবে। পাশাপাশি বিটিএমসির বন্ধ পড়ে থাকা প্রায় ৫০টি মিল-কারখানা বেসরকারি খাতে চালু করে হাজার হাজার কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হচ্ছে। তরুণ উদ্যোক্তাদের সহায়তায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন পর্যায়ে বিশেষ ফান্ড চালু করা হয়েছে।&rsquo;</p>

<p>স্বাস্থ্য খাতের আমূল পরিবর্তনের চিত্র তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, &lsquo;আগামী পাঁচ বছরে প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৫০ শয্যা থেকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করা হবে। দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে সব উপজেলা হাসপাতালে ন্যূনতম ১০ শয্যার ডায়ালিসিস ইউনিট চালু করা হবে। ইতিমধ্যেই জেলা ও মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালগুলোতে ডায়ালিসিস সুবিধা সম্প্রসারণের কাজ চলছে। এ ছাড়া বাজেটে ডিউটি ও ট্যাক্স কমিয়ে হার্টের রিং (স্টেন্টিং), ডায়ালিসিস, চোখের লেন্স এবং আইটি উপকরণের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে আনা হয়েছে।&rsquo;</p>

<p>শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কার ও তরুণদের সঠিক দিকনির্দেশনা দেওয়ার ওপর জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, &lsquo;আমরা শিক্ষা কার্যক্রমকে আনন্দের মাধ্যমে শিখন (লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস) ধারণায় ঢেলে সাজাতে চাই। আমাদের সন্তানরা কী চায়, তা বুঝতে হবে এবং তাদের জন্য সঠিক পথ তৈরি করতে হবে।&rsquo;</p>

<p>তিনি আরো বলেন, &lsquo;শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সর্বদা দেশ ও দেশের মানুষের উন্নয়নের কথা চিন্তা করেছেন; সেই ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকারও জনগণের সেবায় নিবেদিত।&rsquo;</p>

<p>তরুণ প্রজন্মকে মাদকের ভয়াল থাবা থেকে রক্ষা করতে দেশব্যাপী ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক চর্চা বৃদ্ধির তাগিদ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, &lsquo;সম্প্রতি প্রাইমারি স্কুল পর্যায়ে ২২ লাখ শিশুর ফুটবল প্রতিযোগিতা এবং ১২-১৪ বছর বয়সীদের জন্য নতুন গতি স্পোর্টস প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয়েছে। তরুণদের মেধা ও শক্তি বিকাশে সঠিক পথ তৈরি করাই সরকারের লক্ষ্য।&rsquo;</p>

<p>জনগণের মৌলিক চাহিদার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, &lsquo;সাধারণ মানুষ রাজপথে শান্তি চায়, সন্তানের শিক্ষার সুব্যবস্থা চায়, উন্নত চিকিৎসা চায়, নিরাপত্তা চায় এবং নিজ যোগ্যতা অনুযায়ী কর্মসংস্থান বা ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগ চায়। একই সঙ্গে নাগরিকরা সময়মতো তাদের রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে চায়। জনগণের এই চাওয়াগুলোকে বাস্তবে রূপ দিতে সরকার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।&rsquo;</p>

<p>জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়া এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে থাকতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, &lsquo;জুলাই আন্দোলনের সময় বিএনপিসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দল ও অসংখ্য অরাজনৈতিক সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সরকার এবং দলের সাধ্যমতো আমরা ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে আছি এবং থাকব।&rsquo;</p>

<p>তিনি বলেন, &lsquo;ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে যাদের চিকিৎসার প্রয়োজন তাদের সুচিকিৎসা এবং যাদের কর্মসংস্থান প্রয়োজন তাদের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে।&rsquo;</p>

<p>পরিশেষে, ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধ, বিগত বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলন এবং জুলাই আন্দোলনে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। পাশাপাশি দেশের শান্তি, অর্থনৈতিক উন্নতি ও গণতন্ত্রকে চিরস্থায়ী করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।</p>

<p>বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) সভাপতি মোস্তফা জামান হায়দার, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ, গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক কমরেড সাইফুল হক, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি, গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক নুর, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির চেয়ারম্যান ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মহাসচিব মুফতি মহিউদ্দিন, ভাসানী জনশক্তি পার্টির চেয়ারম্যান শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু বক্তব্য দেন।</p>

<p>অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বিএনপির প্রচার সম্পাদক ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু। অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, কৃষক দল ও ছাত্রদলের নেতারা।</p>

<p>বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশারফ হোসেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য, অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমান, স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/829-99.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বেনজীর আহমেদের সঙ্গে পরীমনির ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল : নাসির মাহমুদ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29219</link>
    <pubDate>Wed, 05 Aug 2026 11:11:49 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29219</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1022-88.jpg" />    <article>
<p>পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ও ঢাকা বোট ক্লাবের সাবেক প্রেসিডেন্ট বেনজীর আহমেদের সঙ্গে আলোচিত অভিনেত্রী পরীমনির ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল বলে দাবি করেছেন ঢাকা বোট ক্লাবের সাবেক সভাপতি নাসির মাহমুদ। সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে এ চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন তিনি।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>ঢাকা বোট ক্লাবের রিভারভিউ লাউন্সে আয়োজিত ওই সংবাদ সম্মেলনে নাসির মাহমুদ বলেন, &lsquo;পরীমনি-কাণ্ডের পর আমি তিন বছর বোট ক্লাবে আসতে পারিনি। আমি যেভাবে হেনস্তা হয়েছি, সেভাবে হেনস্তা হওয়ার কথা ছিল না। পরীমনি এই ক্লাবের সদস্য ছিলেন না, তিনি কারো গেস্ট হয়ে ক্লাবে এসেছিলেন। ক্লাবের নিয়ম অনুযায়ী, গেস্ট আনতে হলে অনুমতি লাগে, কিন্তু পরীমনির কোনো অনুমতি ছিল না।</p>
</article>

<article>আমি প্রতিবাদ করায় আমার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>এ সময় তিনি আরো বলেন, &lsquo;বেনজীরের ক্ষমতার প্রভাব সম্পর্কে-বেনজীর তিন বছর আমাকে ক্লাবে আসতে দেয়নি। যখনই আমি ক্লাবে যেতাম, আমাকে আয়নাঘরে নিয়ে যাওয়া হতো। তার বাহিনী ছিল, সে অনেক কিছু করতে পারত।</p>
</article>

<article>আমি শুধু একজন সাধারণ ব্যবসায়ী, তার সঙ্গে ফাইট দেওয়ার মতো অবস্থা আমার ছিল না। তবে আমি হাল ছাড়িনি, আইনি লড়াই লড়ে গেছি। আমি তিনবার বেনজীরের নামে লিগাল নোটিশ দিয়েছিলাম।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>সাবেক আইজিপি বেনজীর অবৈধভাবে বিনা ভোটে বোট ক্লাবের প্রেসিডেন্ট হয়েছিলেন বলেও এসময় তথ্য দেন নাসির মাহমুদ। তবে সবকিছু ছাপিয়ে এখন আবারও আলোচনায় চিত্রনায়িকা পরীমনি।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রসঙ্গত, পরীমনির এই বোট ক্লাব কাণ্ডে জড়িয়েছিলেন আরেক পুলিশ কর্মকর্তা গোলাম সাকলায়েন। অভিনেত্রীর সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কের জেরে চাকরি হারিয়ে বসতে হয় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এডিসি গোলাম সাকলায়েনকে। পরীমনির বাসায় নিয়মিত রাত্রিযাপন ও স্ত্রীর অবর্তমানে সাকলায়েন রাজারবাগে নিজ বাসায় অভিনেত্রীকে নিয়ে গিয়ে ১৭ ঘণ্টা অবস্থানের প্রমাণ পেয়েছিল পুলিশ। পরীমনির সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক চলাকালে সাকলায়েন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা ডিবি গুলশান বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার এডিসির দায়িত্বে ছিলেন। তখন এই অভিনেত্রীর মামলার তদন্ত করছিলেন তিনি।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1022-88.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[হরমুজ নিয়ে ইরান-মার্কিন চুক্তি হতে পারে আজ :  মার্কিন অর্থমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29218</link>
    <pubDate>Wed, 05 Aug 2026 11:11:08 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29218</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1146-77.jpg" />    <article>
<p>আগামী দুই দিনের মধ্যেই কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত হতে পারে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট। তিনি জানান, এ বিষয়ে ইরানের সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং দ্রুত একটি সমঝোতায় পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে, যা চলমান উত্তেজনা প্রশমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।</p>
</article>

<article>&nbsp;আমার মনে হয় আজ বা কালকের মধ্যে প্রণালিটি খুলে দেওয়া এবং এই সংঘাতকে আরো স্বাভাবিক অবস্থানের দিকে নিয়ে যাওয়ার মতো একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর সুযোগ রয়েছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>চুক্তির অধীনে তেহরানকে কোনো টোল আদায়ের অনুমতি দেওয়া হবে কি না, এমন প্রশ্নে বেসেন্ট জানান, এই চুক্তি প্রণালিতে অবাধ চলাচলের অনুমতি দেবে। তিনি বলেন, এটি অবাধ চলাচলের সুযোগ তৈরি করবে। গত কয়েক দিনে সেখানে পরিস্থিতি কিছুটা ঝুঁকিপূর্ণ থাকলেও আমরা এখনই বেশ কিছু জাহাজ বের হতে দেখছি।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য চুক্তি হলে জ্বালানি তেলের দামের ওপর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে উল্লেখ করে মার্কিন অর্থমন্ত্রী আশাবাদ প্রকাশ করেন। তিনি জানান, সেখানে শত শত জাহাজ বের হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে।</p>

<p>সিএনবিসি-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি আরো বলেন, পরিস্থিতি এখনো কিছুটা অনিশ্চিত হলেও বর্তমানে বেশ কিছু জাহাজ বেরিয়ে আসছে। তাই আমি আশা করি জ্বালানি পণ্যের মূল্য আবার কমে স্বাভাবিক হবে, যা পুরো বিশ্বের জন্যই ভালো হবে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>এদিকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে আরো বেশি জাহাজ চলাচলের লক্ষ্যে ইরানের সঙ্গে আলোচনায় অগ্রগতি হলেও কোনো চূড়ান্ত চুক্তি এখনো হয়নি।</p>

<p>পররাষ্ট্র দপ্তরে সাংবাদিকদের রুবিও বলেন, ওই আলোচনাগুলোতে অগ্রগতি হয়েছে, তবে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায়নি। আমরা আশা করছি খুব দ্রুতই তা সম্পন্ন হবে।</p>

<p>সূত্র: আল জাজিরা</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1146-77.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[পৃথিবীর দিকে আসছে বিধ্বংসী বস্তু, পারমাণবিক বোমা দিয়ে করা হবে ধ্বংস!]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29217</link>
    <pubDate>Wed, 05 Aug 2026 11:10:27 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29217</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1262-66.jpg" />    <article>
<p>পৃথিবীর দিকে ব্যাপক গতিতে ধেয়ে আসছে বিধ্বংসী গ্রহাণু। তবে ভয়াবহ সংঘর্ষ এড়াতে সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি আবিষ্কারের দাবি করেছেন চীনের বিজ্ঞানীরা।</p>
</article>

<article>একটি বড় গ্রহাণুর ভেতর পারমাণবিক বিস্ফোরক পুঁতে বিস্ফোরণ ঘটানোই এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি বলে জানিয়েছেন তারা।<strong> খবর&nbsp;<a href="https://www.independent.co.uk/bulletin/news/doomsday-asteroid-nuclear-china-scientists-b3026210.html" target="_blank">দি ইন্ডিপেনডেন্ট</a></strong>

<p>&nbsp;</p>

<p>মানবসভ্যতার জন্য বড় ধরনের হুমকি তৈরি করে গ্রহাণু। অতীতে এ ধরনের মহাজাগতিক বস্তুর আঘাতে পৃথিবীতে ভয়াবহ পরিবেশগত পরিবর্তন ঘটছে। এতে বিলুপ্তিও ঘটেছে অনেক প্রাণী ও উদ্ভিদ প্রজাতির।</p>
</article>

<article>সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ১০ থেকে কয়েক শ মিটার ব্যাসের এমন বহু গ্রহাণু শনাক্ত করেছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা, যেগুলো পৃথিবীর খুব কাছ দিয়ে উড়ে গেছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>তবে পৃথিবীর কাছাকাছি অবস্থান করা বিপুলসংখ্যক বড় গ্রহাণু এখনো অনাবিষ্কৃত থেকে গেছে। আর সেই কারণে পৃথিবীর সঙ্গে এগুলোর সংঘর্ষের বিষয়ে খুব বেশি দিন আগে থেকে আভাস পাওয়া যায় না। অনেক সময় মাত্র কয়েক দিন থেকে কয়েক সপ্তাহ আগে সতর্কবার্তা পাওয়া যায়।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>দি ইন্ডিপেনডেন্টের খবরে বলা হয়, বিধ্বংসী গ্রহাণুর গতিপথ পরিবর্তন করার ক্ষেত্রে মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসার ডার্ট মিশনে পরীক্ষিত পদ্ধতিসহ বিভিন্ন পদ্ধতি আছে। তবে কয়েক শ মিটার ব্যাসের বিশাল গ্রহাণুর ক্ষেত্রে এসব পদ্ধতিতে অল্প সময়ের মধ্যে সেগুলোর গতিপথ কার্যকরভাবে পরিবর্তন করা সম্ভব নয়।</p>

<p>চায়না একাডেমি অব লঞ্চ ভেহিকেল টেকনোলজির বিজ্ঞানীরা বলছেন, কক্ষপথ থেকে বড় গ্রহাণুকে দ্রুত সরিয়ে দেয়া বা সরাসরি ধ্বংস করার জন্য পারমাণবিক বিস্ফোরণই সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি।</p>

<p>&lsquo;স্পেস : সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি&rsquo; সাময়িকীতে প্রকাশিত গবেষণা প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞানীরা দাবি এমন দাবি করেছেন। চরম পরিস্থিতিতে, বিশেষ করে খুব বড় গ্রহাণু বা খুব অল্প সময়ের সতর্কবার্তা পাওয়া গ্রহাণুর ক্ষেত্রে পারমাণবিক বিস্ফোরণই হতে পারে একমাত্র বাস্তবসম্মত প্রতিরোধের উপায়।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>তবে এত দিন পর্যন্ত প্রস্তাবিত পদ্ধতিগুলোতে কোথায় এবং কিভাবে গ্রহাণুতে পারমাণবিক বিস্ফোরণ ঘটানো হবে, তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্ধারণ করার কার্যকর ব্যবস্থা ছিল না। সর্বশেষ গবেষণায় পৃথিবীর কাছাকাছি থাকা একটি বড় গ্রহাণুতে পারমাণবিক বিস্ফোরণ ঘটানোর নতুন একটি পদ্ধতির রূপরেখা তুলে ধরা হয়েছে।</p>

<p>এ জন্য গবেষকরা এমন একটি পরিস্থিতির কম্পিউটার সিমুলেশন করেছেন, যেখানে একটি মহাকাশযান প্রথমে একটি ভেদকারী যন্ত্র ব্যবহার করে গ্রহাণুর গভীরে একটি গর্ত তৈরি করবে। এরপর সেই গর্তের ভেতর একটি পারমাণবিক বিস্ফোরক প্রবেশ করিয়ে বিস্ফোরণ ঘটানো হবে। গবেষকরা বিভিন্ন মাত্রার পারমাণবিক বিস্ফোরণ এবং ভিন্ন ভিন্ন গভীরতায় বিস্ফোরক পুঁতে বিস্ফোরণ ঘটালে গ্রহাণুর কী পরিমাণ ক্ষতি হয়, তা মূল্যায়ন করেছেন। এ ছাড়া উৎক্ষেপণ যানের বৈশিষ্ট্য এবং গ্রহাণুর সঙ্গে সংঘর্ষের সময় এর বেগ কত থাকবে, সেসব বিষয়ও বিশ্লেষণ করেছেন তারা।</p>

<p>গবেষকরা দেখেছেন, হিরোশিমায় নিক্ষেপ করা পারমাণবিক বোমার চেয়ে প্রায় ২০০ গুণ শক্তিসম্পন্ন বিস্ফোরণ প্রায় ১০০ মিটার ব্যাসের একটি গ্রহাণুকে চূর্ণবিচূর্ণ করতে পারে। গবেষণায় আরো দেখা গেছে, গ্রহাণু পৃষ্ঠের প্রায় ৩০ মিটার গভীরে বোমাটি পুঁতে বিস্ফোরণ ঘটালে, তা অগভীর স্থানে বিস্ফোরণ ঘটানোর তুলনায় তিন গুণ বেগে গ্রহাণুর গতিপথ পরিবর্তন করতে পারে।</p>

<p>পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসা বড় গ্রহাণু মোকাবেলার পরিকল্পনা তৈরিতে এ গবেষণা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে কোনো গ্রহাণু আঘাত হানার আগে খুব কম সময় হাতে থাকলে, সেটিকে ঠেকানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায় হতে পারে পারমাণবিক বিস্ফোরণ।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1262-66.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[কেনিয়ায় ১৫ হাতির রহস্যজনক মৃত্যু, সন্দেহের মুখে কীটনাশকের ব্যবহার]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29216</link>
    <pubDate>Wed, 05 Aug 2026 11:08:51 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29216</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1364-55.jpg" />    <article>
<p>কেনিয়ার বিখ্যাত অ্যাম্বোসেলি জাতীয় উদ্যানের পার্শ্ববর্তী এলাকায় রহস্যজনকভাবে ১৫টি হাতির মৃত্যুর ঘটনায় দেশটিতে চরম উদ্বেগ ও নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে টমেটো খামারে ব্যবহৃত কীটনাশকের বিষক্রিয়াকে দায়ী করা হলেও, সরকারি এই দাবি মানতে নারাজ স্থানীয় কৃষক ও পরিবেশ সংরক্ষণবিদরা।</p>
</article>

<article>ফলে ঘটনাটি ঘিরে তৈরি হয়েছে গভীর ধোঁয়াশা।
<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.bbc.com/news/articles/cx27p32jzj2o?fbclid=IwY2xjawTffABleHRuA2FlbQIxMABicmlkETE5cG5rU21xU096RG5LUG1Gc3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHs-nGufHXMCt_el4iWQfbG8PnM_hRzpiOUiDThOw1m1Uoh0DhaLMnQpqlxEQ_aem_8e4zzuHQUt4oBbsJWfovuw">কেনিয়া ওয়াইল্ডলাইফ সার্ভিস (কেডব্লিউএস) জানিয়েছে</a>, গত ২৪ জুন থেকে ২৪ জুলাইয়ের মধ্যে মারা যাওয়া কয়েকটি হাতির শরীরে পক্ষাঘাতের লক্ষণ দেখা গেছে। সংস্থাটির প্রধান পশুচিকিৎসক ডক্টর আইজ্যাক লেকোলুল জানান, মৃত হাতিগুলোর পাকস্থলী থেকে নেওয়া নমুনায় মারাত্মক রাসায়নিক সায়ানাইডের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। তাদের ধারণা, কিমানা এলাকার টমেটো ক্ষেতে পোকা দমনে ব্যবহৃত রাসায়নিক থেকে অনিচ্ছাকৃতভাবে এই বিষক্রিয়া ঘটে থাকতে পারে।</p>
</article>

<article>তবে ইচ্ছাকৃতভাবে বিষ প্রয়োগের আশঙ্কাও তারা পুরোপুরি উড়িয়ে দিচ্ছেন না।&nbsp;তবে কেডব্লিউএস-এর এই ব্যাখ্যা মেনে নিতে পারছেন না আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বন্যপ্রাণী সংরক্ষণবিদরা। বিশ্বখ্যাত হাতি সংরক্ষণবিদ পাওলা কাহুম্বু বলেন, কীটনাশকের কারণেই মৃত্যু হয়েছে&mdash;এমন দাবিতে বিশ্বাস করার মতো পর্যাপ্ত ও সুনির্দিষ্ট তথ্য সরকারের কাছে নেই।
<p>&nbsp;</p>

<p>গবেষণা সংস্থা &lsquo;রুট টু ফুড&rsquo;-এর ২০২৪ সালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কেনিয়ায় নিষিদ্ধ হওয়া সত্ত্বেও প্রতিবেশী তানজানিয়া সীমান্ত দিয়ে অবাধে বিপজ্জনক কৃষি রাসায়নিক পাচার হয়ে আসছে।</p>
</article>

<article>শিথিল নজরদারির সুযোগে কৃষকরা না জেনেই ফসলে মারাত্মক ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহার করছেন, যা পরিবেশ ও বন্যপ্রাণীর জন্য চরম হুমকিস্বরূপ।
<p>&nbsp;</p>

<p>বিশেষজ্ঞরা সরকারি তদন্তের ওপর মূলত দুইটি কারণে প্রশ্ন তুলছেন&mdash;প্রথমত, লোকালয়ের খামারে হানা দেওয়ার ঝুঁকি সাধারণত পূর্ণবয়স্ক পুরুষ হাতিরা নিলেও মৃত ১৫টি হাতির মধ্যে মাত্র একটি পুরুষ এবং বাকিগুলো ছিল স্ত্রী ও ছোট হাতি, যা হাতির স্বাভাবিক আচরণের সঙ্গে মেলে না। দ্বিতীয়ত, স্থানীয় প্রতিনিধি ড্যানিয়েল নিনার প্রশ্ন অনুযায়ী, ফসল খেয়ে যদি হাতিই মারা যাবে, তবে একই এলাকায় পাশাপাশি বিচরণ করা ও ঘাস খাওয়া জেব্রা বা হরিণ জাতীয় অন্য প্রাণীদের কোনো ক্ষতি হলো না কেন?</p>

<p>সংরক্ষণ সংস্থা &lsquo;সেভ দ্য এলিফ্যান্টস&rsquo;-এর প্রধান নির্বাহী ফ্র্যাঙ্ক পোপ জানান, আসল সংকট তৈরি হয়েছে অপরিকল্পিত &lsquo;ভূমি ব্যবহার&rsquo; নিয়ে। অ্যাম্বোসেলি ও সাভো জাতীয় উদ্যানের সংযোগস্থলে হাতি চলাচলের করিডরগুলোতে মানুষ উর্বর জমি ও পানির খোঁজে খামার ও রিসোর্ট গড়ে তুলছে। এর ফলে গৃহহীন হাতিরা প্রায়ই ফসলি জমিতে হানা দিচ্ছে এবং কৃষকদের বিপুল আর্থিক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>এখন পর্যন্ত হাতিগুলোর মৃত্যুর আসল কারণ আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে এই বিষাক্ত পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে না এলে অবশিষ্ট হাতি ও স্থানীয় বাসিন্দারা আরো বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে পড়তে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1364-55.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বিদেশি সংবাদমাধ্যমের জন্য নতুন বিধি-নিষেধ পাকিস্তানের]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29215</link>
    <pubDate>Wed, 05 Aug 2026 11:06:23 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29215</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1429-44.jpg" />    <article>
<p><a href="https://aninews.in/news/world/asia/pakistan-introduces-new-restrictions-on-foreign-media-makes-noc-mandatory-for-reporting-outside-islamabad-lahore-karachi20260805042354/?fbclid=IwY2xjawTfgFhwZG9mAWV4dG4DYWVtAjEwAGJyaWQRMVB4UGU5RUFpMnRwSVdGdUFzcnRjBmFwcF9pZBAyMjIwMzkxNzg4MjAwODkyAAEepRdHrIgK8cLk-6Aqn1rvapxA8e8ww1QBWQVqIaOGUD-WglqVwO4garq3KP0_aem_yl4Pth0Gi42FJvmz8W3sFw">পাকিস্তান </a>বিদেশি গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য নতুন বিধি-নিষেধ চালু করেছে। এখন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকদের সংবাদ সংগ্রহের জন্য ইসলামাবাদ, লাহোর ও করাচির বাইরে যেতে হলে আগে বাধ্যতামূলকভাবে অনাপত্তিপত্র (এনওসি) নিতে হবে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>পাকিস্তানের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এই নির্দেশিকা জারি করেছে। এতে দেশটিতে কাজ করা বিদেশি গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের নিবন্ধন, স্বীকৃতি এবং যাতায়াতের জন্য বিস্তারিত নিয়ম নির্ধারণ করা হয়েছে। ডনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তথ্য মন্ত্রণালয়ের এক্সটারনাল পাবলিসিটি (ইপি) উইংয়ে আগে থেকেই নিবন্ধিত বা স্বীকৃত সব বিদেশি সাংবাদিক, গণমাধ্যমকর্মী এবং অন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে এখন অন্য কোনো শহরে যাওয়ার আগে বাধ্যতামূলকভাবে ইপি উইং থেকে এনওসি নিতে হবে। তারা যদি সরকারি কাজের জন্য সংবাদ প্রতিবেদন, প্রামাণ্যচিত্র, চলচ্চিত্র, ভিডিও বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের জন্য কোনো কনটেন্ট তৈরি করতে চান, তাহলে এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/08/05/1721144" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>তবে ইসলামাবাদ, লাহোর ও করাচির ক্ষেত্রে এনওসি লাগবে না। অবকাশ যাপনের জন্য অ্যাবোটাবাদ ও মুরিতে যেতে চাইলে সাংবাদিকরা অনুরোধের ভিত্তিতে ইপি উইং থেকে এনওসি নিতে পারবেন। এ ধরনের অনুমোদন তিন কর্মদিবসের মধ্যে দেওয়া হবে বলে আশা করা হচ্ছে। নতুন এই নিয়ম আন্তর্জাতিক মুদ্রিত, ইলেকট্রনিক ও ডিজিটাল গণমাধ্যমের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।</p>
</article>

<article>এর মধ্যে ওয়েবভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমও রয়েছে। নির্দেশিকা অনুযায়ী, বিদেশি গণমাধ্যমের সঙ্গে যুক্ত সব সাংবাদিককে ইপি উইংয়ের নির্ধারিত অনলাইন নিবন্ধন ও স্বীকৃতি পোর্টালের মাধ্যমে নিবন্ধন করতে হবে। বিদেশে বসবাসকারী এবং বিদেশি গণমাধ্যমে কাজ করা পাকিস্তানি সাংবাদিকদেরও এই পোর্টালের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। তাদের আবেদন নিকটতম পাকিস্তানি কূটনৈতিক মিশনের মাধ্যমে পাঠাতে হবে।
<p>&nbsp;</p>

<p>এ ছাড়া বিদেশি গণমাধ্যমকে সেবা দেওয়া প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান, কম্পানি, ফ্রিল্যান্সার, ফিক্সার এবং সাংবাদিক নন&mdash;এমন সেবাদানকারীদেরও নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।</p>
</article>

<article>তবে মন্ত্রণালয় বলেছে, এই নিবন্ধন শুধু পেশাগত স্বীকৃতি দেবে। এর মাধ্যমে কোনো সরকারি মর্যাদা দেওয়া হবে না। ইপি উইং বলেছে, &lsquo;ইপি উইং যেকোনো স্বীকৃতির আবেদন অনুমোদন বা বাতিল করার অধিকার সংরক্ষণ করে। এ ধরনের ক্ষেত্রে সাংবাদিকরা তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে আপিল করতে পারবেন।&rsquo; নির্দেশিকায় আরো বলা হয়েছে, &lsquo;ইপি উইংয়ে আগে থেকেই স্বীকৃত বা নিবন্ধিত সব বিদেশি বা আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমকর্মীকে অন্য কোনো শহরে যেতে হলে বাধ্যতামূলকভাবে ইপি উইং থেকে এনওসি নিতে হবে। তবে ইসলামাবাদ, লাহোর ও করাচির ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য নয়। তারা যদি সরকারি ব্যবহারের জন্য সংবাদ, প্রতিবেদন, ভিডিও, চলচ্চিত্র, প্রামাণ্যচিত্র বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কনটেন্ট তৈরি করতে যান, তাহলে এই এনওসি লাগবে।&rsquo;&nbsp;
<p>&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/country-news/2026/08/05/1721143" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নিবন্ধিত সাংবাদিকদের কিউআর-সংযুক্ত পিভিসি স্বীকৃতি কার্ড দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে তারা সরকারি অনুষ্ঠান ও সরকারি স্থাপনায় প্রবেশের সুবিধা পাবেন। ডনের তথ্য অনুযায়ী, নিবন্ধন কার্ড সাত কর্মদিবসের মধ্যে দেওয়া হবে। আর স্বীকৃতি কার্ড পেতে চার থেকে ছয় সপ্তাহ সময় লাগতে পারে। পাকিস্তান অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরে স্থানীয় নির্বাচনকে ঘিরে বিক্ষোভ, অস্থিরতা এবং বলপ্রয়োগের অভিযোগের খবর প্রকাশের পর পাকিস্তানে গণমাধ্যমের প্রবেশাধিকার নিয়ে বাড়তি নজরদারির মধ্যেই এই নতুন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।</p>

<p>অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এবং কমিটি টু প্রোটেক্ট জার্নালিস্টস এশিয়াসহ মানবাধিকার ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন সংস্থা সাংবাদিকদের ওপর কথিত বিধিনিষেধ, যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ রাখা, গণমাধ্যমকর্মীদের জোরপূর্বক গুম এবং বিক্ষোভ ঘিরে বিদেশি গণমাধ্যমের সংবাদ সংগ্রহে সীমাবদ্ধতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল রাওয়ালাকোটে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগের স্বাধীন তদন্তও দাবি করেছে।</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/sport/2026/08/05/1721141" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>ভারত জম্মু ও কাশ্মীর কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এবং পাকিস্তান অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরের পরিস্থিতির পার্থক্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। জম্মু ও কাশ্মীরভিত্তিক মানবাধিকারকর্মী তাসলিমা আখতার বলেছেন, ২০১৯ সালের আগস্টের পর থেকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি পাকিস্তান অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরে বেসামরিক মানুষের বিরুদ্ধে সহিংসতা এবং শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের ওপর বিধি-নিষেধের অভিযোগ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1429-44.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[যুক্তরাজ্যের চেভেনিং স্কলারশিপের আবেদন শুরু]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29214</link>
    <pubDate>Wed, 05 Aug 2026 11:03:42 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29214</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1515-33.jpg" />    <article>
<p>উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাজ্য সরকারের মর্যাদাপূর্ণ চেভেনিং স্কলারশিপ কর্মসূচির আবেদন শুরু হয়েছে। আগামী ৬ অক্টোবর পর্যন্ত আবেদন করা যাবে।</p>
</article>

<article>নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে সম্পূর্ণ অর্থায়নে এক বছর মেয়াদি মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জনের সুযোগ পাবেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) ঢাকায় ব্রিটিশ হাইকমিশনের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।</p>

<p>বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চেভেনিং স্কলারশিপের মাধ্যমে সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎ নেতাদের বিশ্বমানের শিক্ষা, যুক্তরাজ্যের সঙ্গে পেশাগত যোগাযোগ এবং বৈশ্বিক নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার সুযোগ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে তারা নিজ নিজ দেশে টেকসই উন্নয়ন এবং বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নেতৃত্ব দেওয়ার সক্ষমতা অর্জন করেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/entertainment/2026/08/05/1721164" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>বাংলাদেশে ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক বলেন, &lsquo;চেভেনিং স্কলারশিপ কর্মসূচি বাংলাদেশের মেধাবী তরুণদের সম্ভাবনার দুয়ার উন্মোচন করে চলেছে। যুক্তরাজ্যের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে উচ্চশিক্ষার সুযোগ করে দিয়ে আমরা এসব প্রতিভাবান ব্যক্তিকে সহায়তা করতে পেরে গর্বিত। এর মাধ্যমে আগামী দিনগুলোতে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে।&rsquo;</p>

<p>১৯৮৩ সালে কর্মসূচি চালুর পর থেকে বাংলাদেশের ৩৯৫ জনের বেশি শিক্ষার্থী চেভেনিং স্কলারশিপ অর্জন করেছেন।</p>
</article>

<article>এটি ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব বিকাশে যুক্তরাজ্য সরকারের দীর্ঘমেয়াদি অঙ্গীকারের প্রতিফলন বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
<p>&nbsp;</p>

<p>আগ্রহীরা (chevening.org/apply) ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। আবেদন করার আগে চিভনিংয়ের লক্ষ্য, যোগ্যতা ও আবেদন-সংক্রান্ত নির্দেশনা ভালোভাবে পর্যালোচনা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1515-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[পদত্যাগ করেছেন কেপ ভার্দের কোচ, নতুন ঠিকানা মরক্কো]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/29213</link>
    <pubDate>Wed, 05 Aug 2026 10:50:23 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/29213</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1556-22.jpg" />    <article>
<p>প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে সুযোগ পেয়েছিল কেপ ভার্দে। তবে খেলা দেখে মনেই হয়নি তাদের অভিষেক টুর্নামেন্ট।</p>
</article>

<article>দুই বিশ্বকাপজয়ী স্পেন-উরুগুয়ের গ্রুপ থেকে পরের রাউন্ডে জায়গা করে নিয়েছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>নক আউটে অবশ্য কেপ ভার্দের যাত্রা থামে। বিশ্বকাপে চমক দেখানো দলটি শেষ ৩২-এ আর্জেন্টিনার কাছে হারে। অতিরিক্ত সময়ে ৩-২ গোলে হারার আগে অবশ্য ৩ বারের বিশ্বকাপজয়ী আর্জেন্টিনার নাভিঃশ্বাস তুলে দিয়েছিল আফ্রিকার দেশটি।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p><iframe allowfullscreen="true" allowtransparency="true" frameborder="0" id="twitter-widget-0" scrolling="yes" src="https://platform.twitter.com/embed/Tweet.html?id=2084638208017481831"></iframe></p>

<p>&nbsp;</p>

<p>কেপ ভার্দের অবিশ্বাস্য পারফরম্যান্সের নেপথ্যের নায়ক ছিলেন কোচ বুবিস্তা। কিন্তু বিশ্বকাপ শেষ হতেই কেপ ভার্দের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করলেন তিনি। ৫৬ বছর বয়সী কোচ পদত্যাগ করেছেন। এতে করে সাড়ে ৬ বছরের অধ্যায় শেষ হয় তার।</p>
</article>

<article>২০২০ সালের জানুয়ারিতে দায়িত্ব নিয়েছিলেন তিনি।
<p>&nbsp;</p>

<p>বুবিস্তার পদত্যাগ করার কারণ নতুন ক্লাব রেরকানে। মরক্কোর ক্লাবটির কোচ হয়েছেন তিনি। ক্লাবটির সঙ্গে তার চুক্তি হয়েছে ২ বছরের। সর্ব শেষ মৌসুমে মরক্কোর শীর্ষ লিগে রানার্সআপ হয়েছিল দলটি।</p>
</article>

<article>দলটির হয়ে এতদিন দায়িত্ব পালন করছিলেন মঈন শাবানি। তিউনিশিয়ার প্রধান কোচ হওয়ায় তার স্থলাভিষিক্ত হলেন বুবিস্তা।</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1556-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[মাত্র ৬ দিনেই ১ বিলিয়ন ডলারের ক্লাবে ‘স্পাইডার-ম্যান : ব্র্যান্ড নিউ ডে’]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/29212</link>
    <pubDate>Wed, 05 Aug 2026 10:46:08 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/29212</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1654-11.jpg" />    <article>
<p>বক্স অফিসে বিশ্বজুড়ে ঝড় তুলেছে সোনি পিকচার্স ও মার্ভেল স্টুডিওসের নতুন সিনেমা &lsquo;স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে&rsquo;। টম হল্যান্ড অভিনীত আলোচিত এই সুপারহিরো ছবিটি মুক্তির মাত্র ছয় দিনের মাথায় বিশ্বব্যাপী ১ বিলিয়ন (১০০ কোটি) মার্কিন ডলার আয়ের ঐতিহাসিক মাইলফলক স্পর্শ করেছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>সিনেমা ব্যবসার ইতিহাসে এত দ্রুত শতকোটি ডলারের ক্লাবে পৌঁছানোর ঘটনা এর আগে কেবল ২০১৯ সালের &lsquo;অ্যাভেঞ্জার্স : এন্ডগেম&rsquo;-এর ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছিল। <a href="https://variety.com/2026/film/box-office/spider-man-brand-new-day-billion-dollars-six-days-1236826658/">বিশ্বব্যাপী এখন পর্যন্ত ছবিটির মোট আয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ৯৩২ মিলিয়ন ডলারের ওপরে</a>, যা ইতিহাসের অন্যতম সেরা বৈশ্বিক অভিষেক।</p>

<p>টম হল্যান্ডের একক স্পাইডার-ম্যান সিরিজের চতুর্থ এই পর্বটির অভাবনীয় সাফল্যে উচ্ছ্বসিত প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান। মার্ভেল সিনেমাটিক ইউনিভার্স (এমসিইউ)-এর ৩৮তম এই সিনেমার সাফল্য নিয়ে মার্ভেল স্টুডিওসের প্রেসিডেন্ট ও প্রযোজক কেভিন ফাইগি ভ্যারাইটিকে বলেন, &lsquo;আমি সত্যি আশা করিনি যে এন্ডগেম-এর রেকর্ড ভাঙা সম্ভব হবে।</p>
</article>

<article>আমাদের সিনেমাটি সেই জায়গায় পৌঁছেছে দেখে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। সোমবার সকালে এমন এক অর্জনের মুখোমুখি হওয়াটা এক অবিশ্বাস্য অনুভূতি।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>দর্শকদের ভূয়সী প্রশংসা এবং আগামী সপ্তাহগুলোতে বড় কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী সিনেমা না থাকায় চলচ্চিত্র বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন, &lsquo;স্পাইডার-ম্যান : ব্র্যান্ড নিউ ডে&rsquo; খুব দ্রুতই ২ বিলিয়ন ডলারের ক্লাবে প্রবেশ করবে। সিনেমাটির প্রদর্শনী শেষ হওয়ার আগেই এটি সর্বকালের সর্বোচ্চ আয়কারী চলচ্চিত্রগুলোর শীর্ষে জায়গা করে নেবে বলে জোর গুঞ্জন চলছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1654-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে যুক্তরাষ্ট্র ছাত্রলীগের দুই পক্ষে রক্তাক্ত সংঘর্ষ, আহত ১ ও গ্রেপ্তার ১]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/29211</link>
    <pubDate>Tue, 04 Aug 2026 20:42:14 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/29211</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/08042026_image01_us_chatra_league.jpg" />    <p>নিউইয়র্ক প্রতিনিধি:যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটস এলাকার বাংলাদেশ স্ট্রিটে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের দুই পক্ষের মধ্যে এক রক্তাক্ত সংঘর্ষ ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে। ৩ আগস্ট রাত সাড়ে ১০টার দিকে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠান চলাকালীন এই ঘটনাটি ঘটে। সংঘর্ষে সংগঠনের এক শীর্ষ নেতা গুরুতর আহত হয়েছেন এবং হামলার অভিযোগে অপর এক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে নিউইয়র্ক সিটি পুলিশ ডিপার্টমেন্ট (NYPD)। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ৩ আগস্ট সোমবার রাতে জ্যাকসন হাইটসের ৭৩ স্ট্রিটে (বাংলাদেশ স্ট্রিট) একটি রাজনৈতিক বা সামাজিক অনুষ্ঠান চলছিল।</p>

<p>অনুষ্ঠান চলাকালে পূর্বের সাংগঠনিক বিরোধ ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে প্রথমে তীব্র কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা রূপ নেয় ব্যাপক হাতাহাতি ও রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে। মারামারির একপর্যায়ে ঘটনাস্থলে অস্ত্র বা বন্দুক থাকার আশঙ্কায় উপস্থিত মানুষজনকে চিৎকার করতে দেখা যায়। এই সংঘর্ষের একাধিক ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে প্রবাসীদের মাঝে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। সংঘর্ষের ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শিহাব মারাত্মকভাবে মারধরের শিকার ও রক্তাক্ত জখম হন।</p>

<p>উপস্থিত স্থানীয় লোকজন তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যান। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অন্যদিকে, মারামারির খবর পেয়ে নিউইয়র্ক পুলিশ (NYPD) দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। হামলার সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনাস্থল থেকেই যুক্তরাষ্ট্র ছাত্রলীগের অপর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন রাহুলকে আটক করা হয় এবং পরবর্তীতে তাকে গ্রেপ্তার দেখায় পুলিশ।</p>

<p>স্থানীয় নেতাকর্মীদের একাংশ দাবি করেছেন, সম্প্রতি গঠিত যুক্তরাষ্ট্র ছাত্রলীগের বর্তমান সভাপতি মাহমুদ হাসানের পদত্যাগের দাবি এবং নতুন কমিটিকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে দলের ভেতর ক্ষোভ ও অভ্যন্তরীণ কোন্দল চলছিল। এই রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও আধিপত্য বিস্তারের জের ধরেই এই অনাকাঙ্ক্ষিত সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। প্রবাসের মাটিতে দেশের একটি ঐতিহ্যবাহী ছাত্র সংগঠনের এমন সহিংস কর্মকাণ্ডে সাধারণ প্রবাসী বাংলাদেশিরা তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা প্রকাশ করেছেন।</p>

<p>এদিকে এই অপ্রীতিকর ঘটনার পর এক যৌথ বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদ দলীয় নেতাকর্মীদের শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। পরিস্থিতি যাতে আরও অবনতির দিকে না যায়, সেজন্য সবাইকে ধৈর্য ধারণ করতে বলা হয়েছে। বিবৃতিতে সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, &quot;এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পেছনে যারা জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত করা হবে এবং দলীয় গঠনতন্ত্র (Constitution) অনুযায়ী কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।&quot; একই সাথে নেতৃবৃন্দ সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ঘটনা নিয়ে কোনো ধরনের গুজব বা বিভ্রান্তি না ছড়িয়ে সঠিক তথ্য প্রকাশের জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান।&nbsp;</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/08042026_image01_us_chatra_league.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[One Injured, One Arrested in New York Chhatra League Clash]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/english/29210</link>
    <pubDate>Tue, 04 Aug 2026 20:40:56 +0600</pubDate>
    <category> English </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/english/29210</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/08042026_image01_us_chatra_league.jpg" />    <p>SHIBBIR AHMED, NEW YORK: A violent clash erupted between two rival factions of the Bangladesh Chhatra League (BCL) in Jackson Heights, Queens, leaving one senior leader seriously injured and another arrested by the New York City Police Department (NYPD). The incident occurred at approximately 10:30 p.m. on August 3 during an event held on 73rd Street, commonly known as &quot;Bangladesh Street,&quot; in Jackson Heights.</p>

<p>According to eyewitnesses and local sources, a heated verbal altercation broke out between members of the two factions over longstanding organizational disputes and leadership rivalry. The confrontation quickly escalated into a physical fight, resulting in a bloody clash.</p>

<p>During the violence, several people at the scene were heard shouting warnings that a weapon or firearm might be present, prompting panic among attendees. Multiple videos of the incident later circulated widely on social media, drawing significant attention and concern within the Bangladeshi-American community.</p>

<p>Mohammad Shihab, Joint General Secretary of the United States Bangladesh Chhatra League, was reportedly assaulted during the clash and sustained serious injuries. Local residents and bystanders rushed him to a nearby hospital, where he remains under medical treatment.</p>

<p>Responding to emergency calls, officers from the NYPD arrived promptly at the scene and brought the situation under control. Based on allegations of assault, police detained and later arrested Zakir Hossain Rahul, also a Joint General Secretary of the United States Bangladesh Chhatra League.</p>

<p>Local party members said the violence stemmed from longstanding internal divisions within the organization, including demands for the resignation of the recently appointed president of the U.S. unit, Mahmud Hasan, and disagreements over the current leadership committee. They alleged that the clash was the result of escalating political rivalry and a struggle for organizational control.</p>

<p>The incident has drawn criticism from many members of the Bangladeshi diaspora, who expressed disappointment over the outbreak of violence involving a prominent student organization on U.S. soil.</p>

<p>Following the incident, the President of the United States Awami League, Dr. Siddiqur Rahman, and General Secretary Abdus Samad Azad issued a joint statement urging party leaders and activists to remain calm and exercise restraint.</p>

<p>In the statement, Dr. Rahman said those responsible for the violence would be investigated and that strict organizational action would be taken in accordance with the party&#39;s constitution. The leaders also urged supporters to refrain from spreading rumors or misinformation on social media and to rely only on verified information regarding the incident. The NYPD investigation into the incident remains ongoing.</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/08042026_image01_us_chatra_league.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[দেশের কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29209</link>
    <pubDate>Tue, 04 Aug 2026 10:24:49 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29209</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/960-1.jpg" />    <article>
<p>বাংলাদেশের শিক্ষা খাতে ক্রীড়া ও কারিগরি শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ প্রকাশ করেছে অস্ট্রেলিয়া। সোমবার (৩ আগস্ট) বিকেলে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্দী আমিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এই আগ্রহের কথা জানান দেশটির নাগরিকত্ব, শুল্ক ও বহুসাংস্কৃতিক বিষয়ক এবং আন্তর্জাতিক শিক্ষাবিষয়ক সহকারী মন্ত্রী জুলিয়ান হিল এমপি।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>এ সময় অস্ট্রেলীয় প্রতিনিধিদলে ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সুসান টাইল। সাক্ষাতে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে শিক্ষা খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণ, জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিশ্ববিদ্যালয় সংযোগ এবং শিল্প-একাডেমিয়া সহযোগিতা জোরদারের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।</p>

<p>বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন তরুণদের অগ্রাধিকার দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি কর্মসংস্থান সৃষ্টি, কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা, বাধ্যতামূলক কারিগরি শিক্ষা, প্রাথমিক শিক্ষায় প্রযুক্তির সংযুক্তি, নতুন কারিকুলামে ক্রীড়া ও সংস্কৃতির অন্তর্ভুক্তি, আনন্দময় শিক্ষার পরিকল্পনা এবং শিক্ষার্থীদের বৃত্তির পরিমাণ বৃদ্ধিসহ সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>এ সময় বাংলাদেশে অস্ট্রেলিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপস্থিতি ও কার্যক্রম সম্প্রসারণ, দুই দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি, বাংলাদেশের শক্তিশালী প্রবাসী কমিউনিটির ভূমিকা এবং পারস্পরিক সহযোগিতা ও অংশীদারিত্বের সম্ভাবনাময় বিভিন্ন ক্ষেত্র নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়। শিক্ষা, গবেষণা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং মানবসম্পদ বিকাশে যৌথ উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়েও উভয় পক্ষ আগ্রহ প্রকাশ করে।</p>

<p>অস্ট্রেলিয়ার সহকারী মন্ত্রী বাংলাদেশের শিক্ষা খাতে ক্রীড়া শিক্ষা এবং কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি বাংলাদেশের শিক্ষা খাতের বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে চান।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>এ ছাড়া অস্ট্রেলিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের সংযোগ বৃদ্ধি, বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য আরো সুযোগ সৃষ্টি, শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন, শ্রমিক চলাচল, দক্ষ জনশক্তির আন্তর্জাতিক চলাচল, শ্রমবাজার এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। তিনি সরকারের শিক্ষা খাতে গৃহীত উদ্যোগগুলো মনোযোগসহকারে শোনেন এবং সহযোগিতা জোরদারের আগ্রহ ব্যক্ত করেন। বৈঠকে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি শিক্ষা অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক শিক্ষা, গবেষণা সহযোগিতা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নতুন সুযোগ তৈরির বিষয়ে উভয় পক্ষ ইতিবাচক মনোভাব ব্যক্ত করেন।</p>

<p>অস্ট্রেলীয় প্রতিনিধি দলে আরো উপস্থিত ছিলেন অস্ট্রেলিয়ার সহকারী মন্ত্রী জুলিয়ান হিলের চিফ অব স্টাফ ক্যামেরন গ্রিন, অস্ট্রেলিয়ার শিক্ষা বিভাগের আন্তর্জাতিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত ফার্স্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি ড. ড্যামিয়ান অলিভার, অস্ট্রেলিয়ার শিক্ষা বিভাগের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের মিনিস্টার-কাউন্সেলর (শিক্ষা ও গবেষণা) জর্জ থিভিওস, অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্র বিভাগের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক স্টিভেন বিডল, অস্ট্রেলিয়ার স্বরাষ্ট্র বিভাগের কাউন্সেলর রিউবেন গ্রে, অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্র ও বাণিজ্য বিভাগের সেকেন্ড সেক্রেটারি (উন্নয়ন) জ্যাকব ডি লিওন এবং অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্র ও বাণিজ্য বিভাগের সিনিয়র ম্যানেজার (নিরাপত্তা) মাহমুদুল হাসান।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/960-1.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[সব সরকারি দপ্তরের জন্য জরুরি নির্দেশনা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29208</link>
    <pubDate>Tue, 04 Aug 2026 10:18:55 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29208</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/828-99.jpg" />    <article>
<p>আগামী ২৫ মে ২০২৭ পর্যন্ত সব সরকারি দপ্তরের দাপ্তরিক পত্রে &lsquo;নজরুল বর্ষ&rsquo;-এর নির্ধারিত লোগো ব্যবহারের নির্দেশ দিয়েছে সরকার। সোমবার (৩ আগস্ট) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক নির্দেশনায় এ তথ্য জানানো হয়।</p>
</article>

<article>নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সরকারি দপ্তরগুলোকে নির্ধারিত সময় পর্যন্ত সব ধরনের দাপ্তরিক পত্রে &lsquo;নজরুল বর্ষ&rsquo;-এর লোগো যথাযথভাবে ব্যবহার করতে হবে।
<p>&nbsp;</p>

<p>এতে আরো বলা হয়, নির্ধারিত লোগোটি সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটের নোটিশ বোর্ড থেকে সংগ্রহ করা যাবে।</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/national/2026/08/03/1720501" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও দপ্তরকে নির্দেশনাটি যথাযথভাবে অনুসরণের অনুরোধ জানানো হয়েছে। সরকারি উদ্যোগে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জীবন, কর্ম ও সাহিত্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে আরো ব্যাপকভাবে তুলে ধরতে &lsquo;নজরুল বর্ষ&rsquo; উদ্&zwnj;যাপনের বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।</p>
</article>

<article>সেই কর্মসূচির অংশ হিসেবেই সরকারি দাপ্তরিক যোগাযোগে &lsquo;নজরুল বর্ষ&rsquo;-এর লোগো ব্যবহারের এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/828-99.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[সম্পত্তি দান করলেও জীবদ্দশায় ভোগদখলের অধিকার থাকবে]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29207</link>
    <pubDate>Tue, 04 Aug 2026 10:17:40 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29207</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1021-88.jpg" />    <article>
<p>সম্পত্তি দান করলেও দাতা তার জীবদ্দশায় ওই সম্পত্তি ভোগ ও ব্যবহারের আইনি অধিকার বজায় রাখতে পারবেন&mdash;এমন বিধান রেখে সংশ্লিষ্ট আইনের সংশোধনী খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। আজ সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>বর্তমানে প্রচলিত &lsquo;সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) আইন, ২০২৬&rsquo;-এ কেউ সম্পত্তি দান করলে সেটির মালিকানা ও ভোগদখলের অধিকার গ্রহীতার কাছে চলে যায়। তবে নতুন সংশোধনী অনুযায়ী, সম্পত্তির মালিকানা হস্তান্তর হলেও দাতা জীবদ্দশায় তা ভোগ ও ব্যবহার করার আইনি অধিকার সংরক্ষণ করতে পারবেন।</p>

<p>মন্ত্রিসভায় &lsquo;গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৬&rsquo; আইনের খসড়াও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ আইন গুম প্রতিরোধ, দায়ী ব্যক্তিদের বিচার, গুম হওয়া ব্যক্তির সন্ধান এবং ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের অধিকার, ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করার একটি সমন্বিত আইনগত কাঠামো প্রতিষ্ঠা করবে বলে একটি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>​এ ছাড়া &lsquo;অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা ২০২৬&rsquo; এবং &lsquo;ওষুধের মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি ২০২৬&rsquo; বাতিলের প্রস্তাবও অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1021-88.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বাংলাদেশ-কোরিয়ার অর্থনৈতিক সম্পর্ক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে : বাণিজ্যমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29206</link>
    <pubDate>Tue, 04 Aug 2026 10:16:55 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29206</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1144-77.jpg" />    <article>
<p>বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে প্রস্তাবিত সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারি চুক্তি (সিইপিএ) দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।</p>

<p>তিনি বলেন, এটি কেবল একটি দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য চুক্তি নয়; বরং দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক জোট গঠনের একটি শক্তিশালী ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>সোমবার (৩ আগস্ট) রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রী ইয়ো হান-কু-এর সম্মানে আয়োজিত এক নৈশভোজ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।</p>

<p>অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব মোহাম্মদ শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আতাউর রহমান খান।</p>

<p>বাণিজ্যমন্ত্রী দক্ষিণ কোরিয়ার অভাবনীয় অর্থনৈতিক অগ্রগতির প্রশংসা করে বলেন, অল্প সময়ের মধ্যে দেশটি উন্নয়নের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।</p>
</article>

<article>বাংলাদেশের জন্য কোরিয়ার উন্নয়ন অভিজ্ঞতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং তা ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক রূপান্তরের ক্ষেত্রে মূল্যবান দিকনির্দেশনা দিতে পারে।
<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার সম্পর্ক উন্নয়ন সহযোগিতা দিয়ে শুরু হলেও বর্তমানে তা বাণিজ্য, বিনিয়োগ, শিল্পায়ন, উদ্ভাবন এবং যৌথ সমৃদ্ধির একটি দৃঢ় অংশীদারিত্বে পরিণত হয়েছে। স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) মর্যাদা থেকে উত্তরণের প্রাক্কালে বাংলাদেশ বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সম্পৃক্ততার নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করছে। এই প্রেক্ষাপটে সিইপিএ চুক্তি দুই দেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে আরো গভীর, বিস্তৃত এবং বহুমাত্রিক করবে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রী ইয়ো হান-কু বাংলাদেশকে তাঁর &lsquo;দ্বিতীয় শহর&rsquo; হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, বাংলাদেশের শক্তিশালী অর্থনীতি, ক্রমবর্ধমান শিল্পভিত্তি এবং বৃহৎ ভোক্তা বাজার দুই দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের জন্য বিশাল সম্ভাবনা তৈরি করেছে।</p>

<p>চট্টগ্রামে কাজ করার অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, সেই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই বাংলাদেশ-দক্ষিণ কোরিয়া সিইপিএ আলোচনা দ্রুত সম্পন্ন করাকে তিনি অগ্রাধিকার দিয়েছেন।</p>

<p>ইয়ো হান-কু বলেন, প্রস্তাবিত চুক্তি আগামী দুই দশকে দুই দেশের বিনিয়োগ, বাণিজ্য এবং অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বকে আরো শক্তিশালী করবে। এর মাধ্যমে একটি স্থিতিশীল ও পূর্বানুমানযোগ্য আইনি কাঠামো প্রতিষ্ঠিত হবে, যা ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে সহায়তা করবে।</p>

<p>তিনি দুই দেশের ব্যবসায়ী সম্প্রদায়কে সিইপিএ চুক্তির সম্ভাব্য সুযোগ-সুবিধা সর্বোচ্চভাবে কাজে লাগানোর আহ্বান জানান এবং উষ্ণ আতিথেয়তার জন্য বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1144-77.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার দাবি নাকচ করল ইরান]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29205</link>
    <pubDate>Tue, 04 Aug 2026 10:16:05 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29205</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1261-66.jpg" />    <article>
<p>মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ইরানের সঙ্গে নতুন করে আলোচনা শুরু হতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার দাবি, আজ সোমবার এই আলোচনা শুরু হওয়ার কথা।</p>
</article>

<article>তবে মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই দাবি নাকোচ করে দিয়েছেন ইরান। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বর্তমানে কোনো ধরনের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ আলোচনা হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই। সেই সাথে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার দাবিও দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন তিনি।
<p>&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/08/03/1720396" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>আলজাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাঘাই বলেন, &lsquo;ইরান এই দিনগুলোতে কোনো বিদেশি প্রতিনিধি দলকে আতিথেয়তা দিচ্ছে না এবং নিজেরাও অন্য কোনো দেশে প্রতিনিধিদল পাঠাচ্ছে না।</p>
</article>

<article>&rsquo; <a href="https://aninews.in/news/world/middle-east/no-negotiations-with-us-currently-iran-denies-sending-or-hosting-delegations-during-these-days20260803144733/?fbclid=IwY2xjawTdXEJleHRuA2FlbQIxMABicmlkETFWRXhqNURKcUJ4VDFmZ0Jpc3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHuV2QR-MDegPe2G0hiWQln9T65BilmWjHKqptDR7OMcEITHtW233NffZJCWG_aem_YPIBUhnxcDlFQ9xP1NjKrw">খবর এএনআই</a>

<p>&nbsp;</p>

<p>এদিকে ইরানের শীর্ষস্থানীয় আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা ফার্স নিউজ জানিয়েছে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র স্পষ্ট করেছেন, আমেরিকার সঙ্গে কোনো বৈঠক না হলেও ইরান বর্তমানে ওমানের সঙ্গে গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছে। এই আলোচনার মূল লক্ষ্য হলো হরমুজ প্রণালির ভেতর দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য একটি অস্থায়ী নিরাপদ রুট তৈরি করা।</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/08/03/1720386" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>ওমানের সঙ্গে চুক্তি হলেও মার্কিন নৌ-অবরোধ ও সামরিক আগ্রাসন সম্পূর্ণ বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি খুলে দেওয়া সম্ভব নয়। মার্কিন কর্মকর্তাদের হুমকি বা উত্তপ্ত বক্তব্য ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা এবং নীতিগত সিদ্ধান্তে কোনো পরিবর্তন আনতে পারবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন এই মুখপাত্র।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>ওয়াশিংটনের সাথে আলোচনার জন্য নতুন কোনো মধ্যস্থতাকারী নেই। তবে কাতার এবং পাকিস্তান এ বিষয়ে দীর্ঘ সময় ধরে মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা চালিয়ে আসছে।</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/08/03/1720406" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই যুদ্ধ পরিস্থিতি নিরসনে এর আগেও একাধিকবার কূটনৈতিক আলোচনার গুঞ্জন উঠে। তবে দুই দেশের মধ্যকার পারস্পরিক অবিশ্বাস ও অনড় অবস্থানের কারণে তা বারবার ভেস্তে গেছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1261-66.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[‘ট্রাম্প প্রশাসন না থাকলে তেল শিল্প ধ্বংস হয়ে যেত’, দাবি মার্কিন প্রেসিডেন্টের]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29204</link>
    <pubDate>Tue, 04 Aug 2026 10:14:58 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29204</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1363-55.jpg" />    <article>
<p>বহুজাতিক জ্বালানি প্রতিষ্ঠান &lsquo;শেভরন&rsquo;-এর চেয়ারম্যান ও সিইও মাইক ওয়ার্থের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সম্প্রতি সংবাদমাধ্যম &lsquo;ফক্স বিজনেস&rsquo;-এ দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প প্রশাসনের অবদানকে স্বীকৃতি না দেওয়ার অভিযোগে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।</p>
</article>

<article>একই সাথে মার্কিনদের স্বস্তি দিতে তেল কম্পানিগুলোকে অবিলম্বে খুচরা জ্বালানির দাম কমানোরও নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাম্প।
<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://aninews.in/news/world/us/without-trump-administration-oil-industry-would-be-dead-trump-slams-chevron-ceo-demands-immediate-retail-energy-price-cuts20260803225100/?fbclid=IwY2xjawTeLpdleHRuA2FlbQIxMABicmlkETFxaGY3endGY093QUVXb0lUc3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHrJ3F_VzKQ-I-zd4XgW0cBLgiozCbupgaPUCrL16-KrkqjITJ_7wmYVUEG74_aem_bkHlpW0fLESjzv8AHAXaDQ">সোমবার (৩ আগস্ট) &lsquo;ট্রুথ সোশ্যাল&rsquo;-এ দেওয়া এক পোস্টে ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন</a>,&nbsp;ট্রাম্প প্রশাসন না থাকলে তেল শিল্প ধ্বংস হয়ে যেত।&nbsp;তার মেধা, দূরদর্শিতা ও কঠোর নীতির কারণেই মার্কিন জ্বালানি খাত বড় ধরনের বিপর্যয় থেকে রক্ষা পেয়েছে। অথচ শেভরন সিইও মাইক ওয়ার্থ সাক্ষাৎকারে কম্পানির সাফল্যের কারণগুলো ব্যাখ্যা করলেও ট্রাম্প প্রশাসনের সেই ভূমিকার কথা ভুলে গেছেন।</p>
</article>

<article>এ ছাড়া&nbsp;ভেনেজুয়েলা প্রসঙ্গে ট্রাম্প উল্লেখ করেন, তার প্রশাসনের কড়া পররাষ্ট্রনীতি ও চাপের কারণেই শেভরন সেখানে আবারও কার্যক্রম প্রসারিত করতে পেরেছে এবং বিপুল সম্পদ অর্জনের সুযোগ পাচ্ছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>অন্যদিকে সাক্ষাৎকারে আন্তর্জাতিক তেলের বাজারের বর্তমান অস্থিতিশীলতার বিষয়টি তুলে ধরেন শেভরন সিইও মাইক ওয়ার্থ। তিনি বলেন, ইরান সংঘাত, লোহিত সাগরে চলাচল বাধাগ্রস্ত হওয়া এবং কৌশলগত হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকার কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ঝুঁকিতে পড়েছে। উল্লেখ্য, বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল পরিবহন হয় এই হরমুজ প্রণালী দিয়ে, যার বড় একটি অংশ আটকে পড়ায় বিশ্বজুড়ে তেলের মজুত আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>ভূ-রাজনৈতিক এই অস্থিরতার সরাসরি প্রভাব পড়েছে মার্কিন বাজারেও। আন্তর্জাতিক সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পেট্রোলের দাম বেড়ে জাতীয় গড় মূল্য প্রতি গ্যালন ৫.১০ মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে, যা সংঘাত শুরুর তুলনায় ১ ডলারের চেয়েও বেশি।</p>

<p>আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনকে সামনে রেখে মার্কিন সাধারণ মানুষের খরচ বৃদ্ধি পাওয়ায় তীব্র রাজনৈতিক চাপ তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ট্রাম্প দাবি করেছেন, সংঘাত শেষ হলে ও চুক্তি স্বাক্ষরিত হলে জ্বালানির দাম অনেকটাই নেমে আসবে। তবে অর্থনীতিবিদরা এই বিষয়ে ভিন্নমত পোষণ করে বৈশ্বিক যুদ্ধের দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক পরিণতির বিষয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1363-55.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[যৌন হয়রানির মামলায় কুস্তির সাবেক প্রধানকে খালাস দিয়েছেন ভারতীয় আদালত]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29203</link>
    <pubDate>Tue, 04 Aug 2026 10:14:10 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29203</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1428-44.jpg" />    <article>
<p>ভারতের নারী কুস্তিগীরদের দায়ের করা যৌন হয়রানির মামলায় খালাস পেয়েছেন ফেডারেশনের সাবেক প্রধান ব্রিজভূষণ শরণ সিং। সোমবার (৩ আগস্ট) &nbsp;দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালত এই রায় দেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৩ সালে যৌন হয়রানির অভিযোগে মাসব্যাপী বিক্ষোভের তিন বছর পর এই রায় এলো। খবর রয়টার্স</p>

<p>আদালত ২০২৪ সালে কুস্তি ফেডারেশনের প্রধানের বিরুদ্ধে পাঁচজন নারী কুস্তিগিরকে যৌন হেনস্তা এবং শ্লীলতাহানির অপরাধে অভিযোগ গঠন করেছিলেন।</p>

<p>আদালত রায় ঘোষণার পর সিং সাংবাদিকদের বলেন, &lsquo;ন্যায়বিচারের ওপর আমার পূর্ণ আস্থা ছিল... ন্যায়বিচার হয়েছে।&rsquo;</p>

<p>এক ভিডিওতে দেখা গেছে, রায়ের পর সিংকে ফুলের মালা পরাচ্ছেন তার সমর্থকরা।</p>
</article>

<article>ঐতিহ্যবাহী ভারতীয় মিষ্টি খাওয়াচ্ছেন এবং ফুলের তোড়া উপহার দিচ্ছেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>২০২৩ সালে নয়াদিল্লিতে তৎকালীন কুস্তি ফেডারেশনের সভাপতির বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ এনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। কয়েক মাসব্যাপী চলা এই বিক্ষোভে যোগ দিয়েছিলেন ভারতের অলিম্পিক কুস্তি তারকা ভিনেশ ফোগাট, অলিম্পিক পদকজয়ী সাক্ষী মালিক ও বজরং পুনিয়া সিংরাও। সেই শত শত সাধারণ নারী-পুরুষও এই বিক্ষোভে একত্ব প্রকাশ করে যোগ দিয়েছিল।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>এই ঘটনার প্রতিবাদে পুনিয়া তার পদ্মশ্রী পুরস্কার ফিরিয়ে দেন। অলিম্পিক পদকজয়ী সাক্ষী মালিক কুস্তি থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছিলেন।</p>

<p>সোশ্যাল প্ল্যাটফর্ম এক্সে এক বার্তায় ফোগাট জানিয়েছেন, কুস্তিগিররা তাদের আইনজীবীকে এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার নির্দেশ দিয়েছেন। এই প্রক্রিয়া যত দ্রুত সম্ভব শুরু হবে।</p>

<p>তিনি বলেন, &lsquo;আমরা আশা হারাইনি এবং কুস্তিগিররা তাদের লড়াই চালিয়ে যাবেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1428-44.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[পাকিস্তানে আত্মঘাতী হামলায় নিহত বেড়ে ১৭]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29202</link>
    <pubDate>Tue, 04 Aug 2026 10:13:22 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29202</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1514-33.jpg" />    <article>
<p><a href="https://aninews.in/news/world/asia/pakistan-death-toll-rises-to-17-in-suicide-bombing-outside-police-station-in-khyber-pakhtunkhwa20260804010517/?fbclid=IwY2xjawTeNS9wZG9mAWV4dG4DYWVtAjEwAGJyaWQRMXdDR0c5MTZYN1l1eTlNMjdzcnRjBmFwcF9pZBAyMjIwMzkxNzg4MjAwODkyAAEefwbza9skvE9SEfWm2EHTAEF6eDPIMnxdI6lL8WBmSKsa1513gYN43Ps7Cn0_aem_ZmFrZWR1bW15MTZieXRlcw">পাকিস্তানের </a>খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের সোয়াত জেলার কাবাল পুলিশ স্টেশনের কাছে আত্মঘাতী বোমা হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৭ জনে দাঁড়িয়েছে। নিহতদের মধ্যে সাতজন পুলিশ সদস্য রয়েছেন।</p>
</article>

<article>আহত হয়েছেন আরো ২৭ জন। সোমবার ডন পত্রিকার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>ডনের খবরে বলা হয়, সোয়াত পুলিশের মুখপাত্র নাসির ইকবাল কারিমি হতাহতদের একটি তালিকা প্রকাশ করেছেন। তিনি জানান, রোববারের হামলায় ১০ জন সাধারণ মানুষ এবং সাতজন পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন।</p>
</article>

<article>আহত হয়েছেন ১৮ জন পুলিশ সদস্য ও নয়জন সাধারণ মানুষ। কাবাল পুলিশ স্টেশনের পাশে কাবাল চকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির প্রতিবাদে একটি জনসমাবেশ চলছিল। সেই সময় পুলিশ স্টেশনের কাছে আত্মঘাতী বোমা হামলাটি হয়। ডনের খবরে বলা হয়, সোয়াত পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, হামলাকারীকে পুলিশ স্টেশনের প্রবেশপথে থামিয়ে তল্লাশি করার চেষ্টা করলে তিনি নিজের সঙ্গে থাকা বিস্ফোরক বিস্ফোরণ ঘটান।</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/08/04/1720707" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>কারিমি জানান, বিস্ফোরণের পরই বড় আকারের উদ্ধার অভিযান শুরু হয়। এতে রেসকিউ ১১২২-এর ৫০ জনের বেশি সদস্য অংশ নেন। উদ্ধারকারীরা ঘটনাস্থলেই আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়। ডনের তথ্য অনুযায়ী, উদ্ধার কাজ এবং হামলার তদন্ত এখনও চলছে।</p>
</article>

<article>পত্রিকাটি জানায়, হামলায় নিহত দুই পুলিশ সদস্য কনস্টেবল মুকাররম খান ও কনস্টেবল হুসাইন খানের জানাজা সোমবার জাভেদ ইকবাল শহীদ পুলিশ লাইন্সে অনুষ্ঠিত হয়।
<p>&nbsp;</p>

<p>পুলিশের একটি দল নিহতদের প্রতি গার্ড অব অনার দেয়। তাদের কফিনে ফুলের তোড়াও অর্পণ করা হয়। ডনের খবরে বলা হয়, অনুষ্ঠানে মালাকান্দ অঞ্চলের পুলিশ কর্মকর্তা সৈয়দ ফিদা হাসান শাহ, সোয়াত জেলার পুলিশ কর্মকর্তা মুহাম্মদ উমর খান, পুলিশ সুপার (অপারেশনস) গুলাম সাদিক খান, পুলিশ সুপার (হেডকোয়ার্টার্স) আতাউল্লাহ এবং পুলিশের অন্য জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সোয়াত উপত্যকায় আবারও সন্ত্রাসী হামলা বেড়ে যাওয়ার প্রতিবাদে বড় একটি জনসমাবেশ চলার সময় এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। সেখানে জড়ো হওয়া মানুষ নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনতে কর্তৃপক্ষের আরো কঠোর পদক্ষেপের দাবি জানাচ্ছিলেন।</p>

<p>এ পর্যন্ত কোনো সংগঠন এই হামলার দায় স্বীকার করেনি। পাকিস্তানজুড়ে জঙ্গি সহিংসতা বেড়ে যাওয়ার সময় এই হামলার ঘটনা ঘটল। ডনের খবরে বলা হয়, পাকিস্তান ইনস্টিটিউট ফর কনফ্লিক্ট অ্যান্ড সিকিউরিটি স্টাডিজের তথ্য অনুযায়ী, জুলাই মাসে খাইবার পাখতুনখোয়ায় সন্ত্রাসবাদ-সম্পর্কিত ঘটনায় ১৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। যা আগের মাসের তুলনায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেশি।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1514-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[এবার চেলসিতে ইংল্যান্ডের মিডফিল্ডার]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/29201</link>
    <pubDate>Tue, 04 Aug 2026 10:12:08 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/29201</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1555-22.jpg" />    <article>
<p>ব্রেন্টফোর্ডের সঙ্গে ২ বছরের চুক্তি করেছিলেন জর্ডান হেন্ডারসন। তবে এক বছর মেয়াদ বাকি থাকতেই ক্লাবের সঙ্গে সমঝোতা করে চেলসিতে নাম লেখালেন ইংল্যান্ডের মিডফিল্ডার।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>চেলসির সঙ্গে ২ বছরের চুক্তি হয়েছে হেন্ডারসনের। এক বিবৃতি দিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে চেলসি। সুযোগ পেয়ে নতুন কোচ জাবি আলানসো এবং ক্লাবের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন ৩৬ বছর বয়সী মিডফিল্ডার। তিনি বলেছেন, &lsquo;ক্লাবের বিশালতা, ম্যানেজার (আলানসো) তাদের প্রতি আমার গভীর সম্মান রয়েছে।</p>
</article>

<article>আর খেলোয়াড়দের মান বিবেচনা করলে, এটি এমন এক বিরাট সুযোগ যা কোনোভাবেই হাতছাড়া করতে পারতাম না।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p><iframe allowfullscreen="true" allowtransparency="true" frameborder="0" id="twitter-widget-0" scrolling="yes" src="https://platform.twitter.com/embed/Tweet.html?id=2084297942559543471"></iframe></p>

<p>&nbsp;</p>

<p>চেলসির বিপক্ষেই ২০০৮ সালে সান্ডারল্যান্ডের হয়ে প্রিমিয়ার লিগে অভিষেক হয় হেন্ডারসনের। এরপর একে একে লিভারপুল, আয়াক্সের মতো ক্লাবে খেলেছেন। সবমিলিয়ে চেলসি তার সপ্তম ক্লাব।</p>
</article>

<article>ক্যারিয়ারের বড় একটা সময় কাটিয়েছেন লিভারপুলে। অল রেডদের হয়ে এক যুগ খেলেছেন তিনি।
<p>&nbsp;</p>

<p>বিপরীতে ২০১০ সালে আন্তর্জাতিক ফুটবলে অভিষেক হয় হেন্ডারসনের। এখন পর্যন্ত ম্যাচ খেলেছেন ৯১ টি। নামের পাশে গোল সংখ্যা ৩।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1555-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[‘মুসাফির ক্যাফে’ নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া, তবু আসছে সিজন ২]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/29200</link>
    <pubDate>Tue, 04 Aug 2026 10:11:10 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/29200</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1653-11.jpg" />    <article>
<p>ওটিটিতে মুক্তির পর থেকেই আলোচনায় ওয়েব সিরিজ &lsquo;মুসাফির ক্যাফে&rsquo;। গল্প, অভিনয় ও নির্মাণ নিয়ে দর্শকদের মধ্যে দেখা গেছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।</p>
</article>

<article>তবে প্রশংসা কিংবা সমালোচনা&mdash;দুইয়ের মাঝেও সিরিজটির গল্প ও চরিত্র নিয়ে আলোচনা থামেনি। বরং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে ওটিটি মহল, সর্বত্রই চলছে &lsquo;মুসাফির ক্যাফে&rsquo; নিয়ে চর্চা। এর মধ্যেই দ্বিতীয় সিজন আসার আভাস দিলেন পরিচালক রুচির অরুণ।
<p>&nbsp;</p>

<p>সম্প্রতি ভারতীয় একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সিরিজটির সাড়া এবং পরবর্তী কিস্তি নিয়ে কথা বলেছেন নির্মাতা।</p>
</article>

<article>দর্শকদের মিশ্র প্রতিক্রিয়াকেও ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন তিনি।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>পরিচালকের মতে, গল্পের চরিত্রগুলোর মধ্যে দর্শক নিজেদের জীবনের নানা অভিজ্ঞতার প্রতিচ্ছবি খুঁজে পেয়েছেন বলেই সিরিজটি এতটা আলোচনায় এসেছে।</p>

<p><img alt="Musafir Cafe (TV Series 2026– ) - IMDb" src="https://m.media-amazon.com/images/M/MV5BMGUzOWE4NDItNzAxYy00M2VkLWFiNDEtNjczZTQ2Nzg5YmVhXkEyXkFqcGc@._V1_.jpg" /></p>

<p>রুচির অরুণ বলেন, &lsquo;এমনই একটা লাভ স্টোরির জন্য অপেক্ষা করছিলেন দর্শক। এই গল্পে দর্শক নিজেকে খুঁজে পেয়েছে।</p>
</article>

<article>সুধা, চন্দর আর প্রীতি&mdash;এদের মধ্যে অনেকেই নিজেদের ছায়া দেখতে পাচ্ছেন। &lsquo;মুসাফির ক্যাফে&rsquo; ভালোলাগার সেটাই অন্যতম কারণ। এই ধরনের গল্পের সত্যিই বড় অভাব ছিল। এত সুন্দর গল্প, মেদহীন চিত্রনাট্য, সাবলীল অভিনয় সবকিছু নিয়েই দর্শকের মনে জায়গা করে নিতে পেরেছে।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রথম সিজন মুক্তির পর দর্শকদের আগ্রহ এখন স্বাভাবিকভাবেই ঘুরেছে পরবর্তী কিস্তির দিকে।</p>
</article>

<article>সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সিরিজটির দ্বিতীয় সিজন নিয়ে আলোচনা শুরু হওয়ার পর নির্মাতার কাছ থেকেও মিলেছে আশাব্যঞ্জক বার্তা।
<p>&nbsp;</p>

<p>তবে দ্বিতীয় সিজন তৈরিতে কোনো ধরনের তাড়াহুড়ো করতে চান না রুচির। তার মতে, ভালো গল্প তৈরি করতে সময় প্রয়োজন। চিত্রনাট্য লেখা থেকে শুরু করে শুটিং ও সম্পাদনা&mdash;সবকিছু শেষ করেই দর্শকদের সামনে নতুন সিজন হাজির করতে চান তিনি।</p>

<p>&lsquo;মুসাফির ক্যাফে ২&rsquo; প্রসঙ্গে রুচির অরুণের ভাষ্য, &lsquo;মানুষের যে উৎসাহ তৈরি হয়েছে, তাতে সিজন ২ নিশ্চয়ই আসবে। তবে সেটা কবে আসবে এখনও জানি না। কারণ তার জন্য আগে লিখতে হবে, বানাতে হবে, এডিট করতে হবে। আশা করছি আমরা আবার ফিরব।&rsquo;</p>

<p>মিশ্র প্রতিক্রিয়া থাকলেও দর্শকদের আগ্রহই আপাতত &lsquo;মুসাফির ক্যাফে&rsquo;র সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। সেই আগ্রহকে সঙ্গে নিয়েই এবার দ্বিতীয় সিজনের গল্প তৈরির পথে হাঁটছেন নির্মাতারা।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1653-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রে প্রযুক্তিনির্ভর প্রতারণা: নিউজার্সিতে দুই বাংলাদেশি গ্রেপ্তার]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/29199</link>
    <pubDate>Mon, 03 Aug 2026 10:00:02 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/29199</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/694-2.jpg" />    <p>যুক্তরাষ্ট্রে আবারও প্রতারণার অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন দুই বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্যক্তি। একসময় ক্রেডিট কার্ড জালিয়াতি, ক্যাব মিটার টেম্পারিংসহ বিভিন্ন অপরাধে কিছু বাংলাদেশির নাম সংবাদে এলেও, সাম্প্রতিক সময়ে প্রযুক্তিনির্ভর (টেক সাপোর্ট) প্রতারণা ও আর্থিক স্ক্যামেও বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কয়েকজনের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ সামনে আসছে। একদিকে পরিশ্রমী, সৎ ও সফল অভিবাসী হিসেবে বাংলাদেশিদের ইতিবাচক পরিচিতি থাকলেও, অন্যদিকে অল্প কিছু ব্যক্তির অপরাধ পুরো কমিউনিটির ভাবমূর্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।</p>

<p>নিউজার্সির রিভারসাইড টাউনশিপে সম্প্রতি এমনই এক ঘটনায় এক নারী প্রতারণার শিকার হয়ে ২৫ হাজার ডলার নগদ হারিয়েছেন। রিভারসাইড টাউনশিপ পুলিশ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, তার কম্পিউটারে একটি ভুয়া &quot;ভাইরাস সতর্কতা&quot; (পপ-আপ) প্রদর্শিত হয়। সেখানে দেওয়া নম্বরে ফোন করলে অপর প্রান্তের ব্যক্তি নিজেকে ওয়েলস ফার্গো ব্যাংকের নিরাপত্তা বিভাগের কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে দাবি করেন, ওই নারীর কম্পিউটার থেকে ব্যাংকের নেটওয়ার্কে ভাইরাস ছড়িয়েছে।</p>

<p>এরপর তাকে ভয় দেখানো হয় যে, এফবিআইয়ের তদন্ত এড়াতে হলে ২৫ হাজার ডলার নগদ তুলে একটি বাক্সে ভরে বাড়ির বাইরে রাখতে হবে, যাতে ব্যাংকের কথিত প্রতিনিধি এসে তা সংগ্রহ করতে পারেন। আতঙ্কিত হয়ে তিনি নির্দেশনা অনুসরণ করেন এবং একজন এসে সেই অর্থ নিয়ে যায়। পরে প্রতারকরা আরও ৩০ হাজার ডলার একইভাবে প্রস্তুত রাখতে বলেন।</p>

<p data-added-after="1">দ্বিতীয়বার অর্থ চাওয়ার পর ওই নারীর সন্দেহ হলে তিনি রিভারসাইড পুলিশকে বিষয়টি জানান। পুলিশ তার সহযোগিতায় একটি ফাঁদ পাতে। নির্ধারিত সময়ে দ্বিতীয় দফার অর্থ সংগ্রহ করতে এলে ঘটনাস্থল থেকেই দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়।</p>

<p>গ্রেপ্তার হওয়া দুজন হলেন এগ হারবার টাউনশিপের বাসিন্দা এমডি এন. ইসলাম (৪৮) এবং ওয়েস্টভিলের বাসিন্দা মোহাম্মদ জেড. ইসলাম (৫৮)। তাদের বিরুদ্ধে প্রতারণামূলক উপায়ে চুরির অভিযোগ আনা হয়েছে। আদালতের সমনের মাধ্যমে তাদের মুক্তি দেওয়া হয়েছে এবং তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় কারও কাছে অতিরিক্ত তথ্য থাকলে রিভারসাইড পুলিশ বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।</p>

<p>এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। চলতি বছরের শুরুতে পশ্চিম ভার্জিনিয়ার আপশার কাউন্টিতেও একই ধরনের একটি প্রতারণা মামলায় গ্রেপ্তার হন বাফেলো, নিউইয়র্কের বাসিন্দা নাইমাত উল্লা (৩১)।</p>

<p data-added-after="1">তদন্তে জানা যায়, একটি ব্যাংকের সন্দেহজনক লেনদেনের সূত্র ধরে আপশার কাউন্টি শেরিফের অফিস ও রাজ্যের অ্যাটর্নি জেনারেলের তদন্তকারীরা যৌথভাবে একটি &quot;মানি ড্রপ&quot; অভিযান পরিচালনা করেন। নির্ধারিত স্থানে অর্থ সংগ্রহ করতে এলে নাইমাত উল্লাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার ডলার নগদ, স্বর্ণমুদ্রা এবং একাধিক ইলেকট্রনিক ডিভাইস। তিনি বর্তমানে একাধিক গুরুতর ফৌজদারি অভিযোগে অভিযুক্ত এবং ৬ লাখ ৫০ হাজার ডলার জামিন নির্ধারণ করা হয়েছে।</p>

<p>নিউজার্সি ও পশ্চিম ভার্জিনিয়ার দুটি ঘটনার মধ্যে মিল রয়েছে&mdash;প্রযুক্তির মাধ্যমে ভয় সৃষ্টি, নগদ অর্থ সংগ্রহের পরিকল্পনা এবং সংগঠিত প্রতারণা চক্রের উপস্থিতি। তবে একই সঙ্গে মনে রাখা জরুরি, কয়েকজন ব্যক্তির অপরাধ কখনোই পুরো বাংলাদেশি-আমেরিকান কমিউনিটির পরিচয় বহন করে না। লক্ষাধিক আইন মেনে চলা, পরিশ্রমী ও সৎ বাংলাদেশি অভিবাসীর অবদানের সঙ্গে এসব ঘটনার কোনো সম্পর্ক নেই।</p>

<p>তবে প্রতিটি এমন ঘটনা কমিউনিটির জন্য সতর্কবার্তা। বিশেষ করে প্রবীণ ব্যক্তি এবং প্রযুক্তি ব্যবহারে অনভিজ্ঞ মানুষ এ ধরনের প্রতারণার সহজ শিকার হয়ে থাকেন।</p>

<p data-added-after="1">আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বারবার মনে করিয়ে দিচ্ছে&mdash;কোনো বৈধ ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান কখনো ফোন করে গ্রাহককে নগদ অর্থ তুলে বাড়ির বাইরে রাখতে বলে না। একইভাবে এফবিআই বা অন্য কোনো আইন প্রয়োগকারী সংস্থাও ফোনে অর্থ দাবি করে গ্রেপ্তার এড়ানোর সুযোগ দেয় না। এমন কোনো ফোনকল বা নির্দেশনা পেলে সঙ্গে সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক বা স্থানীয় পুলিশের সঙ্গে।</p>

<p>সচেতনতা বাড়ানোই এ ধরনের প্রতারণা প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায়। একই সঙ্গে কমিউনিটির তরুণদেরও দ্রুত অর্থ উপার্জনের লোভে কোনো সন্দেহজনক চক্রে জড়িয়ে না পড়ার বিষয়ে সতর্ক থাকা জরুরি।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/694-2.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[মিশিগানে বিএনপির মতবিনিময় সভা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/29198</link>
    <pubDate>Mon, 03 Aug 2026 09:59:23 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/29198</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/959-1.jpg" />    <p><img data-mfp-src="https://www.prothomalony.com/images/news/18/17815.png" src="https://www.prothomalony.com/images/news/18/17815.png" title="" /></p>

<p>&nbsp;</p>

<p>যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের হ্যামট্রাম্যাক শহরের একটি রেস্তোরাঁয় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মিশিগান শাখার উদ্যোগে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।</p>

<p>মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সন্ধ্যায় আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন মিশিগান বিএনপির সভাপতি দেওয়ান আকমল চৌধুরী। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন হাজী আব্দুর রকীব। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সেলিম আহমেদ।<br />
<img alt="" data-mfp-src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/1000203561.png" src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/1000203561.png" /></p>

<p>সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট জেলা বিএনপির উপদেষ্টা তৈমুর হোসেন বিপুল। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন নিউইয়র্ক মহানগর উত্তর বিএনপির সভাপতি আহবাব হোসেন চৌধুরী খোকন।</p>

<p data-added-after="1">বক্তারা তাদের বক্তব্যে দলীয় নেতৃত্ব, রাজনৈতিক সংগ্রাম এবং সমসাময়িক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে আলোচনা করেন। তারা বলেন, একটি গণতান্ত্রিক, উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে দেশ-বিদেশে বসবাসরত সকল বাংলাদেশিকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। প্রবাসীরা দেশের অর্থনীতি, গণতন্ত্র ও উন্নয়নের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার উল্লেখ করে জাতীয় স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান নেতৃবৃন্দ।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>উক্ত মতবিনিময় সভায় মিশিগান বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি উপস্থিত ছিলেন।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/959-1.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[তরুণ উদ্ভাবকরাই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ : প্রধানমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29197</link>
    <pubDate>Mon, 03 Aug 2026 09:58:46 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29197</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/827-99.jpg" />    <article>
<p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, &lsquo;তরুণ উদ্ভাবকরাই দেশের ভবিষ্যৎ এবং তাদের গবেষণা, প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও স্টার্টআপ উদ্যোগে সরকার সব সময় পাশে থাকবে।&rsquo; রবিবার (২ আগস্ট) বিকেলে বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ের আন্ডারওয়াটার রোবটিক ড্রোন নির্মাণ প্রতিযোগিতা &lsquo;মেট আরওভি ইন্টারন্যাশনাল আন্ডারওয়াটার রোবট কম্পিটিশন ২০২৬&rsquo;-এ বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দলের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/country-news/2026/08/02/1719899" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেসসচিব মো. সুজাউদ্দৌলা এ কথা জানান। বিজয়ী দলের সদস্যরা বাংলাদেশের মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির (এমআইএসটি) শিক্ষার্থী।</p>

<p>উপ-প্রেসসচিব জানান, সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক পর্যায়ের এত বড় সাফল্যের জন্য বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের অভিনন্দন জানান। একই সঙ্গে তাদের ভবিষ্যৎ গবেষণা, প্রযুক্তি উন্নয়ন ও উদ্ভাবনী উদ্যোগে সরকারের সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের জন্য অসাধারণ গৌরব বয়ে আনায় বিজয়ী দলের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, &lsquo;এই ধরনের উদ্ভাবন দেশের প্রযুক্তিগত সক্ষমতাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।&rsquo;</p>

<p>প্রধানমন্ত্রী বলেন, &lsquo;বাংলাদেশকে আরো এগিয়ে নিতে হলে উদ্ভাবক, গবেষক ও প্রযুক্তি উদ্যোক্তাদের এগিয়ে আসতে হবে। তারা যদি প্রযুক্তিনির্ভর স্টার্টআপ গড়ে তুলতে চান, তবে সরকারের স্টার্টআপ কর্মসূচির মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সব সহায়তা দেওয়া হবে।&rsquo;</p>

<p>মো. সুজাউদ্দৌলা জানান, সাক্ষাৎকালে এমআইএসটির শিক্ষার্থীরা তাদের তৈরি বিশ্বজয়ী আন্ডারওয়াটার রোবটটি প্রধানমন্ত্রীর সামনে প্রদর্শন করেন।</p>
</article>

<article>রোবটটির নকশা, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও ব্যবহারিক দিক সম্পর্কে খোঁজখবর নেন তারেক রহমান।
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রধানমন্ত্রী জানান, রোবটটির অধিকতর প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, বাণিজ্যিকীকরণ এবং ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সরকারি সহায়তা দেওয়া হবে।</p>

<p>এমআইএসটির (উদ্ভাবকদের) ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কেও জানতে চান প্রধানমন্ত্রী। তারা পড়াশোনা শেষে প্রযুক্তি খাতেই কাজ করতে এবং নিজেদের উদ্যোগে নতুন কিছু করতে আগ্রহী বলে প্রধানমন্ত্রীকে জানান।</p>

<p>জবাবে তারেক রহমান বলেন, তারা যদি প্রযুক্তিনির্ভর স্টার্টআপ গড়ে তুলতে চান, তাহলে সরকারের স্টার্টআপ কর্মসূচির মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>অর্থনীতিকে গতিশীল করার ওপর জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, তৈরি পোশাক শিল্পের পাশাপাশি সেমিকন্ডাক্টর, ফার্মাসিউটিক্যালস, ফার্নিচার ও কসমেটিকসের মতো সম্ভাবনাময় খাতগুলোকে শক্তিশালী করে বহুমুখী রপ্তানি অর্থনীতি গড়ে তুলতে কাজ করছে সরকার।</p>

<p>বিশেষ করে সেমিকন্ডাক্টর শিল্পকে অগ্রাধিকার দিয়ে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের পাশাপাশি দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশি সেমিকন্ডাক্টর বিশেষজ্ঞদের দেশে ফিরে এই খাতের বিকাশে অবদান রাখার আহ্বান জানান।</p>

<p>প্রধানমন্ত্রী বলেন, &lsquo;দেশের প্রতিটি খাতে সবাই নিজ অবস্থান থেকে দক্ষতার সঙ্গে কাজ করলে বাংলাদেশ আরো দ্রুত এগিয়ে যাবে।&rsquo;</p>

<p>উল্লেখ্য, কানাডার নিউফাউন্ডল্যান্ড অ্যান্ড ল্যাব্রাডরে গত ২৩ থেকে ২৯ জুন অনুষ্ঠিত &lsquo;মেট আরওভি ইন্টারন্যাশনাল আন্ডারওয়াটার রোবট কম্পিটিশন ২০২৬&rsquo;-এ বিশ্বের ১৮টি দেশের ৮৮টি দল অংশ নেয়।&nbsp;</p>

<p>যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, চীন ও সৌদি আরবসহ বিভিন্ন দেশের শীর্ষ সারির বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে পেছনে ফেলে এমআইএসটির &lsquo;মিস্ট ম্যাভিরভ&rsquo; দল প্রথম স্থান অর্জন করে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। প্রতিযোগিতায় যুক্তরাষ্ট্র রানার্স-আপ এবং আয়োজক দেশ কানাডা তৃতীয় স্থান লাভ করে।</p>

<p>বৈঠকে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এ কে এম শামসুল ইসলাম, এমআইএসটির কমান্ড্যান্ট মেজর জেনারেল মো. হাকিমুজ্জামান, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কে এম মোস্তাফিজুর রহমান এবং বিজয়ী দলের ১০ জন শিক্ষার্থী প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/827-99.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিরাপদ অভিবাসনে জাতীয় কর্মপরিকল্পনা ২০২৬-২০৩০ উদ্বোধন]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29196</link>
    <pubDate>Mon, 03 Aug 2026 09:57:49 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29196</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1020-88.jpg" />    <article>
<p>নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিত করতে জাতীয় কর্মপরিকল্পনা (ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যান-ন্যাপ) ২০২৬-২০৩০ উদ্বোধন করেছে সরকার। রবিবার (২ আগস্ট) ঢাকায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে কর্মপরিকল্পনাটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সমন্বয়ে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে আইওএমের &lsquo;প্রত্যাশা-২&rsquo; প্রকল্পের আওতায় কর্মপরিকল্পনাটি প্রণয়নে কারিগরি সহায়তা দেওয়া হয়েছে।</p>

<p>অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। সভাপতিত্ব করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।</p>
</article>

<article>বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন, আইওএমের উপমহাপরিচালক (অপারেশনস) উগোচি ড্যানিয়েলস, বাংলাদেশে জাতিসংঘের অন্তর্বর্তীকালীন আবাসিক সমন্বয়কারী ক্যারল ফ্লোর-স্মেরেঝনিয়াক এবং আইওএম বাংলাদেশের চিফ অব মিশন ড. লরা টম বনদ।
<p>&nbsp;</p>
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/national/2026/08/02/1719869" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>অনুষ্ঠানে জানানো হয়, নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন বিষয়ে বৈশ্বিক চুক্তি (গ্লোবাল কমপ্যাক্ট ফর সেফ, অর্ডারলি অ্যান্ড রেগুলার মাইগ্রেশন-জিসিএম) বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে জাতীয় কর্মপরিকল্পনাটি প্রণয়ন করা হয়েছে। চলতি বছরের ২১ মে মন্ত্রিসভা এটি অনুমোদন করে।</p>

<p>অনুষ্ঠানে আন্তর্জাতিক অভিবাসন পর্যালোচনা ফোরাম (আইএমআরএফ) ২০২৬-এ বাংলাদেশের অংশগ্রহণ ও অর্জনও তুলে ধরা হয়।</p>
</article>

<article>বক্তারা জাতীয় কর্মপরিকল্পনার সফল বাস্তবায়নে সরকারি প্রতিষ্ঠান, আন্তর্জাতিক সংস্থা, নাগরিক সমাজ, বেসরকারি খাত এবং অভিবাসীদের সমন্বিত সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>অনুষ্ঠানে জাতীয় কর্মপরিকল্পনার মোড়ক উন্মোচনের পাশাপাশি বাংলাদেশের অভিবাসন কার্যক্রম নিয়ে একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন এবং বিষয়ভিত্তিক প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1020-88.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[মিয়ানমার থেকে পাইপলাইনে গ্যাস আমদানির প্রস্তাব বাংলাদেশের]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29195</link>
    <pubDate>Mon, 03 Aug 2026 09:56:54 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29195</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1143-77.jpg" />    <article>
<p>মিয়ানমার থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানির প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে এলএনজি আমদানির সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখার বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>রবিবার (২ আগস্ট) সকালে সচিবালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত এইচ ই ইউ কিয়াও সোয়ে মোয়ের সঙ্গে বৈঠকে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ এ প্রস্তাব দেন।</p>

<p>বৈঠকে জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, দেশের অভ্যন্তরে প্রাকৃতিক গ্যাসের চাহিদা মেটাতে বাংলাদেশ মিয়ানমার থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে গ্যাস আমদানিতে বিশেষ আগ্রহী।</p>

<p>এর জবাবে মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত প্রস্তাবটিকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেন। পাশাপাশি এলএনজি আকারেও গ্যাস সরবরাহের সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার আগ্রহ প্রকাশ করেন।</p>
</article>

<article>এ প্রস্তাবেও ইতিবাচক সাড়া দেন জ্বালানিমন্ত্রী।
<p>&nbsp;</p>

<p>বৈঠকে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম পর্যন্ত পাইপলাইন নির্মাণের অতীতের প্রস্তাব নতুন করে আলোচনায় আনার বিষয়েও আগ্রহ প্রকাশ করা হয়।</p>

<p>দ্বিপক্ষীয় জ্বালানি সহযোগিতা আরো এগিয়ে নিতে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকের প্রস্তাব দেন ইকবাল হাসান মাহমুদ। তিনি মিয়ানমারের জ্বালানিমন্ত্রীকে বাংলাদেশ সফরের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানানোর কথা বলেন।</p>
</article>

<article>প্রয়োজনে নিজেও মিয়ানমার সফরে যাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>আলোচনায় সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের প্রসঙ্গ তুলে জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, ওই সফরে চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ করিডর গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। এ ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে গ্যাস পাইপলাইন স্থাপিত হলে তা করিডর বাস্তবায়নে সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে। একই সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি বাণিজ্যিক সম্পর্ক এবং জ্বালানি সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়েও আলোচনা হয়।</p>

<p>মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে সহযোগিতার বহু সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র রয়েছে।</p>
</article>

<article>&lsquo;প্রতিবেশী প্রথম&rsquo; নীতির আলোকে দুই দেশের সম্পর্ক আরো জোরদারে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আন্তরিক আগ্রহের কথাও তিনি বৈঠকে তুলে ধরেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>এ সময় মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশ-মিয়ানমার যৌথ কারিগরি কমিটির বৈঠকে বিষয়টি পর্যালোচনা করা যেতে পারে।</p>

<p>বৈঠকে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, জ্বালানিসচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম এবং বিদ্যুৎসচিব মিরানা মাহরুখ উপস্থিত ছিলেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1143-77.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[মঙ্গলবার ঢাকা আসছেন মার্কিন নৌবহরের কমান্ডার]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29194</link>
    <pubDate>Mon, 03 Aug 2026 09:56:08 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29194</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1260-66.jpg" />    <article>
<p>যুক্তরাষ্ট্রের প্রশান্ত মহাসাগরীয় নৌবহরের কমান্ডার অ্যাডমিরাল স্টিফেন কোহলার তিনদিনের সফরে মঙ্গলবার বাংলাদেশে আসছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো এ তথ্য জানায়।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>অ্যাডমিরাল কোহলারের নেতৃত্বে ২২ সদস্যের নৌবাহিনীর একটি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ সফর করবে। এ সফর এ অঞ্চলে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান কৌশলগত গুরুত্বকে তুলে ধরছে। একই সঙ্গে এটি ওয়াশিংটন ও ঢাকার মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা সম্প্রসারণের ইঙ্গিত দিচ্ছে।</p>

<p>যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গরের বাংলাদেশ সফরের মাত্র তিনদিন পর মার্কিন নৌবাহিনীর শীর্ষ এ কর্মকর্তা সফরে আসছেন।</p>
</article>

<article>এতে সফরটির কৌশলগত গুরুত্ব আরও বেড়েছে এবং দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও যোগাযোগে ক্রমবর্ধমান গতি স্পষ্ট হয়েছে।
<p>&nbsp;</p>
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/national/2026/08/02/1719777" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>অ্যাডমিরাল স্টিফেন কোহলার যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর একজন অভিজ্ঞ যুদ্ধবিমানচালক ও কৌশলগত সামরিক নেতা। দীর্ঘ প্রায় চার দশকের সামরিক জীবনে তিনি যুদ্ধবিমান পরিচালনা থেকে শুরু করে বিমানবাহী রণতরীর নেতৃত্ব এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সামরিক অভিযানে দায়িত্ব পালন করেছেন।</p>

<p>নৌবাহিনীর একটি পরিবারে বেড়ে ওঠা কোহলার ১৯৮৬ সালে ইউনিভার্সিটি অব কলোরাডো, বোল্ডার থেকে পদার্থবিজ্ঞানে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন।</p>
</article>

<article>একই বিশ্ববিদ্যালয়ের নেভাল রিজার্ভ অফিসার ট্রেনিং কোর (এনআরওটিসি) কর্মসূচির মাধ্যমে তিনি কমিশন লাভ করেন। পরে নেভাল ওয়ার কলেজ থেকে জাতীয় নিরাপত্তা ও কৌশলগত অধ্যয়নে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। পাশাপাশি তিনি জয়েন্ট স্টাফ কলেজ ও নেভি নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্রোগ্রামে স্নাতক করেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>১৯৮৯ সালের মার্চে নৌবাহিনীর বিমানচালক হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর তিনি এফ-১৪ টমক্যাট ও এফ/এ-১৮ সুপার হর্নেট যুদ্ধবিমানে ৩ হাজার ৯০০ ঘণ্টার বেশি উড্ডয়ন করেছেন। এ ছাড়া বিমানবাহী রণতরীতে ৬০০টির বেশি সফল অবতরণের অভিজ্ঞতা রয়েছে তার।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1260-66.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[সীমান্তে অনুপ্রবেশ রোধে সমুদ্রে ১৬০০ ফুটের প্রাচীর তুলছে স্পেন]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29193</link>
    <pubDate>Mon, 03 Aug 2026 09:55:14 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29193</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1362-55.jpg" />    <article>
<p>চলতি সপ্তাহের শুরুতে স্পেনের উত্তর আফ্রিকান অঞ্চল &lsquo;সিউটা&rsquo; ও মরক্কোর সীমান্ত অতিক্রম করে ৫০ থেকে ৬০ হাজার অভিবাসী স্পেনে প্রবেশের চেষ্টা চালায়। এই সীমান্ত লঙ্ঘনের পর মরক্কো সীমান্তের সমুদ্রভাগে ৫০০ মিটার (১৬০০ ফুট) দীর্ঘ একটি প্রতিরোধক প্রাচীর নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছে স্প্যানিশ সরকার।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://nypost.com/2026/08/01/world-news/spain-installing-containment-fence-on-ceutas-border-with-morocco-following-massive-frontier-rush-that-killed-67/">শনিবার (২ আগস্ট) স্পেনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে</a>, সীমান্ত অতিক্রমের এই ঘটনায় প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে ৬৭ জনে দাঁড়িয়েছে। নিহতদের মধ্যে অনেকেই পানিতে ডুবে মারা গেছেন, আবার অনেকে প্রতিবন্ধক পার হতে গিয়ে পদদলিত হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন।</p>

<p>শনিবার সকালে সাঁতরে সিউটার তারাজাল সৈকতে পৌঁছানো ক্লান্ত অভিবাসীদের স্প্যানিশ সৈন্যরা আটক করে এবং পুনরায় সীমান্তে ফেরত পাঠায়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, অনুপ্রবেশকারীদের অধিকাংশকেই ইতিমধ্যেই মরক্কোতে ফেরত পাঠানো সম্ভব হয়েছে।</p>
</article>

<article>সিউটা পরিদর্শনে এসে স্পেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ফার্নান্দো গ্রান্দে-মারলাস্কা জানান, যারা আইন ভঙ্গ করবে, তাদের বিরুদ্ধে সরকার কঠোর পদক্ষেপ নিবে। একই সাথে তিনি জানান, মরক্কো স্পেনের জন্য কোনো হুমকি নয়, বরং একটি নির্ভরযোগ্য অংশীদার, যাদের সহযোগিতায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>টানা কয়েক দিনের বিশৃঙ্খলা শেষে সিউটা শহরে এক ধরনের থমথমে শান্তি বিরাজ করলেও স্বাভাবিক অবস্থা এখনো ফিরে আসেনি। সিউটার প্রেসিডেন্ট হুয়ান হেসুস ভিভাস জানান, সীমান্ত ঘটনায় শহরের স্বাভাবিক জনজীবন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে এবং অনুপ্রবেশকারীদের ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হলেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>অন্যদিকে, সীমান্ত থেকে ফিরে আসা মানুষের ভিড়ে মরক্কোর তাঞ্জিয়ার রেল স্টেশন ও ফনিদেকের রাস্তাগুলোতে মানবিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। সীমান্তে কড়া পুলিশি পাহারা থাকা সত্ত্বেও এবং না খেয়ে দিন কাটালেও সিউটাতে পৌঁছানো অনেক অভিবাসীই সেখানে থেকে যাওয়ার জন্য অনড় অবস্থান নিয়েছেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1362-55.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ট্রাম্পের ওপর প্রভাব খাটানোর চেষ্টা সৌদি আরবের]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29192</link>
    <pubDate>Mon, 03 Aug 2026 09:54:37 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29192</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1427-44.jpg" />    <article>
<p>ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পাল্টাপাল্টি উত্তেজনার মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা ফেরাতে শেষ চেষ্টা হিসেবে সৌদি আরবের যুবরাজ ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন। এমন দাবি করেছেন সৌদি বিশ্লেষক আবদুল আজিজ আলঘাশিয়ান।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>কাতারভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম আলজাজিরাকে দেওয়া <a href="https://aje.news/rlfmko?update=4823759">এক সাক্ষাৎকারে</a> গালফ ইন্টারন্যাশনাল ফোরামের এই ফেলো বলেন, &lsquo;যুদ্ধবিরতি বাস্তবে কার্যকর হবে কি না, তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে।&rsquo;</p>

<p>তার মতে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পাল্টাপাল্টি উত্তেজনা এবং সম্ভাব্য নতুন সংঘাত ঠেকানোর লক্ষ্যেই সৌদি আরব এই উদ্যোগ নিয়েছে। তিনি বলেন, &lsquo;সৌদি আরব একই সঙ্গে পুরো অঞ্চলের কাছে এই বার্তা দিতে চেয়েছে যে, তারা পরিস্থিতির আরও অবনতি নয়, বরং উত্তেজনা প্রশমনের পক্ষে।&rsquo;</p>

<p>আলঘাশিয়ানের <a href="https://www.arabnews.com/node/2653089/world">ভাষ্য মতে</a>, সৌদি নেতৃত্ব হয়তো মনে করে যে উত্তেজনা আবারও বাড়তে পারে।</p>
</article>

<article>তবে তারা সেই পরিস্থিতিতে &lsquo;ব্রেক বা ইতি&rsquo; টানতে চায়, যাতে নিজেদের নিরাপত্তা এবং পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা আরও ভালোভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি আরো বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অবস্থান যে প্রায়ই পরিবর্তিত হয়, সে বিষয়ে সৌদি আরব অবগত। তবু তার ব্যক্তিগত মনোভাবকে ইতিবাচকভাবে প্রভাবিত করার লক্ষ্যেই সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমানকে হোয়াইট হাউসে পাঠানো হয়েছিল বলে তিনি মন্তব্য করেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1427-44.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[গ্রিসে দাবানল নিয়ন্ত্রণে গিয়ে দুই হেলিকপ্টারের সংঘর্ষ, নিহত ২]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29191</link>
    <pubDate>Mon, 03 Aug 2026 09:53:38 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29191</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1513-33.jpg" />    <article>
<p>গ্রিসের রাজধানী এথেন্সের উত্তর-পশ্চিমে আত্তিকা অঞ্চলের সাথা এলাকায় দুটি &lsquo;বেল&rsquo; হেলিকপ্টারের সংঘর্ষে ২ জন নিহত হয়েছেন। রবিবার (২ আগস্ট) ওই এলাকায় দাবানল নিয়ন্ত্রণের সময় এ সংঘর্ষ হয়।</p>
</article>

<article>এ ঘটনায় একটি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়েছে। বিবিসির এক <a href="https://www.bbc.com/news/articles/c1417713ve6o">প্রতিবেদনে</a>&nbsp;এ তথ্য জানা যায়।

<p>&nbsp;</p>

<p>দেশটির প্রধানমন্ত্রী কিরিয়াকোস মিৎসোতাকিস এ দুর্ঘটনায় ২ জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।</p>

<p>সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ ঘটনাকে &lsquo;মর্মান্তিক দুর্ঘটনা&rsquo; উল্লেখ করে গভীর শোক প্রকাশ করেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি জানান, পোর্তো জারমেনো এলাকায় বড় ধরনের দাবানল নিয়ন্ত্রণে কাজ করার সময় নিহত দুজনের একজন ছিলেন গ্রিক সমন্বয়কারী ও অন্যজন ডেনিশ পাইলট। তাদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান তিনি।</p>

<p>গ্রিক ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, আত্তিকা-বেওতিয়া সীমান্তে জ্বলতে থাকা বড় দাবানল নিয়ন্ত্রণে অংশ নেওয়া ইজারা করা দুটি বেল হেলিকপ্টারের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।</p>

<p>প্রতিবেদনে জানা গেছে, দুটি হেলিকপ্টারে মোট ৪ জন আরোহী ছিলেন।</p>
</article>

<article>তাদের মধ্যে ২ জন গ্রিক ও ২ জন বিদেশি নাগরিক ছিলেন। একটি হেলিকপ্টারের ব্রিটিশ পাইলট ও গ্রিক ফায়ার সার্ভিসের একজন লিয়াজোঁ কর্মকর্তা জীবিত উদ্ধার হন। তাদের চিকিৎসার জন্য এথেন্সের ২৫১ এয়ার ফোর্স জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। অপর দুজনকে অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করা হলে পরে তাদের মৃত ঘোষণা করা হয়।</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1513-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[২৯ দিন, ২ হাজার কিলোমিটার, ৮ দেশ—এক নারী দৌড়বিদের অবিশ্বাস্য কীর্তি]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/29190</link>
    <pubDate>Mon, 03 Aug 2026 09:52:45 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/29190</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1554-22.jpg" />    <article>
<p>মাত্র ২৯ দিনে আল্পস পর্বতমালার ২ হাজার কিলোমিটার দুর্গম পথে দৌড়ে আটটি দেশ অতিক্রম করে নতুন ইতিহাস গড়লেন নিউজিল্যান্ডের আল্ট্রা-রানার সোফি উডস।&nbsp;</p>

<p>বিশ্বের অন্যতম কঠিন সহনশীলতার চ্যালেঞ্জ ভিয়া আল্পিনা সবচেয়ে কম সময়ে শেষ করার নতুন রেকর্ড এখন সোফির দখলে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>৪২ বছর বয়সী সোফি গত ৪ জুলাই ইতালি থেকে যাত্রা শুরু করেন। এরপর স্লোভেনিয়া, অস্ট্রিয়া, জার্মানি, লিখটেনস্টাইন, সুইজারল্যান্ড ও ফ্রান্স পেরিয়ে গত ১ আগস্ট রাতে ভূমধ্যসাগরীয় উপকূলের দেশ মোনাকোয় পৌঁছে তার অভিযান শেষ করেন।</p>

<p>২ হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ এই পথজুড়ে সোফিকে এমন উচ্চতায় উঠতে হয়েছে, যা প্রায় ১২ বার মাউন্ট এভারেস্টে আরোহণের সমান।</p>

<p>এর আগে ২০২৪ সালে ব্রিটিশ দৌড়বিদ জেক ক্যাটেরাল ৩৫ দিনে এই রুট শেষ করে দ্রুততম সময়ের রেকর্ড গড়েছিলেন।</p>
</article>

<article>এবার সেই রেকর্ড ভেঙে দিলেন সোফি উডস।
<p>&nbsp;</p>

<p>রেকর্ড গড়ার পর <em>বিবিসি স্পোর্ট</em>কে সোফি বলেন, &lsquo;আমি ভীষণ আনন্দিত। কিন্তু একই সঙ্গে খুব ক্লান্ত। শেষ কয়েক দিনে প্রতিদিন মাত্র দেড় থেকে আড়াই ঘণ্টা ঘুমিয়েছি।</p>
</article>

<article>কারণ শেষটা জোরালোভাবে করতে চেয়েছিলাম। সেটাই আমাকে প্রায় সীমার বাইরে ঠেলে দিয়েছে।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p><strong>বিশ্বের সবচেয়ে কঠিন রুটগুলোর একটি</strong></p>

<p>ভিয়া আল্পিনা এতটাই দুর্গম যে, আনুষ্ঠানিক সময় গণনার মাধ্যমে খুব অল্পসংখ্যক দৌড়বিদই এটি সম্পন্ন করার চেষ্টা করেছেন।</p>

<p>এই চ্যালেঞ্জের কঠিন মুহূর্তগুলোর কথা স্মরণ করে সোফি উডস বলেন, &lsquo;কয়েকবার মনে হয়েছে, আমি আদৌ শেষ পর্যন্ত পৌঁছাতে পারব কি না, জানি না।&rsquo;</p>

<figure><img alt="Runner" height="600" src="https://asset.kalerkantho.com/public/news_images/share/photo/shares/online/2026/08/03/my1236/Woods.jpg" width="1000" />
<figcaption>আল্পস পর্বতমালার দুর্গম পথে সোফি উডস।</figcaption>
</figure>
</article>

<article>ছবি: ইন্সটাগ্রাম
<p>এই নারী দৌড়বিদ আরো বলেন, &lsquo;কখনোই থামতে চাইনি। এই কাজের বিশালত্ব অনেক সময় আমাকে অভিভূত করেছে। আমি হয়তো পৃথিবীর সবচেয়ে দ্রুতগতির দৌড়বিদ নই, তবে পর্বতে দীর্ঘ সময় ধরে এগিয়ে যাওয়ার অভিজ্ঞতা আমার আছে। শরীরের সব জায়গায় ব্যথা থাকলেও কীভাবে চলতে হয়, সেটা আমি জানি।&rsquo;</p>

<p><strong>ম্যাকডোনাল্ডস, পাস্তা আর এনার্জি জেল ছিল ভরসা</strong></p>

<p>প্রতিদিন ১৫ থেকে ১৮ ঘণ্টা পর্যন্ত দৌড়াতে হয়েছে সোফি উডসকে। সেই কঠিন যাত্রায় তার প্রধান খাদ্য ছিল ম্যাকডোনাল্ডসের খাবার, পাস্তা এবং এনার্জি জেল। পুরো পথে সোফিকে সহায়তা করেছেন তার স্বামী জর্জ, বন্ধু জো এবং তাদের কুকুর নিলা।</p>

<p>দৌড় শুরুর পরে অভিজ্ঞতা সম্পর্কে সোফি উডস বলেন, &lsquo;প্রথম সপ্তাহটা ছিল ভয়াবহ। শরীরের সবকিছু ফুলে গিয়েছিল। সব জায়গায় ব্যথা ছিল। মনে হচ্ছিল অনেক পেশিতে টান লাগবে। দ্বিতীয় সপ্তাহও খুব একটা ভালো যায়নি। তবে তৃতীয় সপ্তাহে এসে মনে হলো আমি আরো ফিট হয়ে গেছি।&rsquo;</p>

<p><strong>তাপপ্রবাহ, দাবানল আর ঝড়ের সঙ্গে লড়াই</strong></p>

<p>এই অভিযানে সোফি উডস ও তার দলকে মোকাবিলা করতে হয়েছে দুটি তীব্র তাপপ্রবাহ, ঘোড়ামাছির ঝাঁক, দাবানল ও ঝড়ের। দাবানলের কারণে নির্ধারিত পথ পরিবর্তন করতে হয়েছে। এতে অতিরিক্ত ৫ কিলোমিটার পথ এবং আরো ২০০ মিটার বিপজ্জনক আরোহণ যোগ হয়।</p>

<p>ইউরোপজুড়ে চলমান তাপপ্রবাহ ও দাবানল পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে সোফি উডস বলেন, &lsquo;এর আগেও আমি দাবানলের কাছাকাছি ছিলাম। এটা সত্যিই ভয়ংকর। আমি নিজে, আমার দল কিংবা অন্য কাউকে ঝুঁকিতে ফেলতে চাইনি। তাই আগুনের খুব কাছ দিয়ে যাওয়ার প্রশ্নই ছিল না।&rsquo;</p>

<p><strong>এখন কী করবেন?</strong></p>

<p>টানা ২৯ দিন প্রায় ১৮ ঘণ্টা দৌড়ানোর পর বিশ্রামই সোফি উডসের একমাত্র পরিকল্পনা। হাসতে হাসতে তিনি বলেন, &lsquo;এখন আমি অনেকটা সময় সোফায় বসে নেটফ্লিক্স দেখব এবং কিছু সবজি খাব।&rsquo;</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1554-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[কঙ্গনা আর হৃত্বিকের পুরনো বিরোধে নতুন ডালপালা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/29189</link>
    <pubDate>Mon, 03 Aug 2026 09:51:54 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/29189</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1652-11.jpg" />    <article>
<p>বিতর্ক আর কঙ্গনা যেন এক অপরের পরিপূরক। বিতর্ক ছাড়া যেন ভালোই লাগে না চারবার জাতীয় পুরস্কার জয়ী অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউতের।</p>
</article>

<article>অভিনেত্রী থেকে রাজনীতিতে যোগ দিয়ে সংসদ সদস্য বনে গেলেও বিতর্ক সৃষ্টির অভ্যাস তার যায়নি। সম্প্রতি ককরোচ জনতা পার্টি-সিজেপির আন্দোলনের সময় অশালীন শব্দ ব্যবহারের তীব্র সমালোচনা করে কঙ্গনা &lsquo;জেন-জিদের &lsquo;জেনারেশন গাটার&rsquo; বা &lsquo;নর্দমার প্রজন্ম&rsquo; বলে অভিহিত করেছিলেন। সিজেপিও পাল্টা জবাব দিলে এ নিয়ে সৃষ্টি হয় নতুন বিতর্ক। বিতর্কের ডালপালা বহু দিকে ছড়িয়ে পড়ে।</article>

<article>এই বিতর্ক টেনে এনেছে হৃত্বিক রোশনের সঙ্গে কঙ্গনার ১০ বছরের পুরনো আইনি তিক্ততাকেও।
<p>&nbsp;</p>

<p>কঙ্গনা-সিজেপি বিতর্কে হৃত্বিককে টেনে আনার দায় অবশ্য সিজেপি মুখপাত্র সৌরভ দাসের। কঙ্গনার মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে সৌরভ রসিকতা করে বলেছিলেন, &lsquo;আমার বন্ধুরা আমাকে বলেছিল, তোমাকে দেখতে তরুণ বয়সের হৃত্বিক রোশনের মতো লাগে। হয়তো এই কারণেই কঙ্গনা তোমাকে আক্রমণ করছে।</p>
</article>

<article>&rsquo; সৌরভের এই রসিকতা করে হৃত্বিককে টেনে আনাতেই ১০ বছরের পুরনো বিতর্ক আবার চাঙ্গা হয়েছে। অনেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় কঙ্গনার সঙ্গে সম্পর্কের কথা টেনে হৃত্বিকের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করেন। লেখক ফ্রেডি বার্ডির একটি ইনস্টাগ্রাম পোস্ট এই বিতর্কের আগুনে ঘি ঢালে। কঙ্গনার মতো একজন বিতর্কপ্রিয় মানুষের সঙ্গে হৃত্বিকের সম্পর্কের ইঙ্গিত দিয়ে ফ্রেডি লেখেন, &lsquo;বিশ্বের ঋত্বিক রোশনের কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>হৃত্বিক অবশ্য এ বিতর্কে নিজেকে জড়াতে চাননি।</p>
</article>

<article>বরং সংযত ভাবে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে তিনি লেখেন, &ldquo;আমার বন্ধু, আপনি &lsquo;বি&rsquo;-কে আর পছন্দ করেন না বলেই &lsquo;এ&rsquo;-এর পক্ষ নিচ্ছেন; এটি আমাদের সমাজে জেঁকে বসা একটি বড় পদ্ধতিগত সমস্যার ক্ষুদ্র অংশ মাত্র। আমি অপেক্ষা করব, যখন এর পেছনের প্রেক্ষাপটটি সঠিক হবে এবং যা তথ্যের ওপর ভিত্তি করে অনুপ্রাণিত হবে। সেটাই হবে ন্যায্য। কিন্তু আবারও বলছি, এখন আর কারই বা কী যায় আসে, তাই না। তার এই প্রতিক্রিয়াটি দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়। তাই বিতর্ক থেকে দূরে থাকতে চাইলেও পারেননি হৃত্বিক।
<p>&nbsp;</p>

<p>কঙ্গনা তার ইনস্টাগ্রাম স্টোরিজে এই খবরের একটি প্রতিবেদন শেয়ার করে কড়া ভাষায় একটি বার্তা দিয়ে প্রতিক্রিয়া জানান। হৃতিক রোশন ও সাবা আজাদের সম্পর্কের প্রতি শুভকামনা জানিয়ে কঙ্গনা বলেন, &lsquo;প্রিয় হৃত্বিক, আমি আনন্দিত যে তুমি তোমার মনের মতো সঙ্গী সাবা আজাদকে খুঁজে পেয়েছো এবং তোমাদের দুজনকে একসঙ্গে খুব সুন্দর মানায়। তুমি এখন একটি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সম্পর্কের মধ্যে আছো। তাই এভাবে একজন নারীকে উত্যক্ত করা বা খোঁচা দেওয়া তোমাকে মানায় না। এর চেয়ে বরং তোমার উচিত সেইসব মানুষদের নিন্দা করা, যারা তোমার নাম ব্যবহার করে আমাকে হেনস্তা ও বুলিং করছে। আগুনে ঘি ঢালা বন্ধ করো এবং তোমার সঙ্গীকে অস্বস্তিতে ফেলা বন্ধ করো। আশা করি তোমার শুভবুদ্ধির উদয় হবে এবং তুমি এমন অযৌক্তিক মন্তব্য করা বন্ধ করবে।&rsquo;</p>

<p>কঙ্গনা-হৃত্বিকের চলমান বিতর্ক নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেক মিম হয়েছে। তারই একটিতে হৃত্বিক লাইক দিয়েছেন, এমন অভিযোগ এলে বিতর্ক আরো চাঙা হয়। একজন রেডডিট ব্যবহারকারী একটি স্ক্রিনশট শেয়ার করেন, যাতে দেখা যায় হৃত্বিকের ভেরিফায়েড ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট থেকে একটি পোস্টে লাইক দেওয়া হয়েছে, যেখানে লেখা ছিল, &lsquo;হৃত্বিক ভাই, আপনি দলের স্বার্থে একটু ত্যাগ স্বীকার করতে পারতেন। কেন একে (কঙ্গনা) দেশের ওপর এভাবে খোলা ছেড়ে দিলেন?&rsquo; তবে মূল ইনস্টাগ্রাম পোস্টটি পরবর্তীতে মুছে ফেলা হয় এবং এই কথিত &rsquo;লাইক&rsquo;টিও আর খুঁজে পাওয়া যায়নি।</p>

<p>কঙ্গনা আর হৃত্বিতের সম্পর্কে তিক্ততা অবশ্য বেশ পুরোনো। একসময় তাদের মধ্যে দারুণ সুসম্পর্ক ছিল। &lsquo;কাইট্স&rsquo; (২০১০) এবং &lsquo;কৃষ ৩&rsquo; (২০১৩) সিনেমায় একসঙ্গে কাজ করার সময় থেকেই কঙ্গনা ও হৃত্বিকের প্রেমের গুঞ্জন ছড়িয়েছিল। তবে ২০১৬ সালে একটি সাক্ষাৎকারে কঙ্গনা হৃত্বিককে তার &lsquo;সিলি এক্স&rsquo; (বোকা প্রাক্তন) বলে উল্লেখ করার পর এই গুঞ্জনটি প্রকাশ্যে আসে। কঙ্গনা দাবি করেন,হৃত্বিক যখন সুজান খানের সঙ্গে বিবাহিত ছিলেন, তখন তাদের মধ্যে প্রায় সাত বছরের একটি গভীর প্রেমের সম্পর্ক ছিল এবং হৃত্বিক প্যারিসে তাকে বিয়ের প্রস্তাবও দিয়েছিলেন। অন্যদিকে, হৃত্বিক শুরু থেকেই এই দাবি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন এবং জানান যে তাদের মধ্যে পেশাগত সম্পর্ক ছাড়া ব্যক্তিগত কোনো সম্পর্ক কখনোই ছিল না। ২০১৬ সালে হৃত্বিক কঙ্গনাকে আইনি নোটিশ পাঠিয়ে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানান। কঙ্গনা ক্ষমা চাইতে অস্বীকার করে পাল্টা আইনি নোটিশ পাঠান এবং হৃত্বিকের বিরুদ্ধে ভয় দেখানোর অভিযোগ আনেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1652-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[UN-Led Global Debt Framework Urged to Safeguard Investments in Women and Children]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/english/29188</link>
    <pubDate>Sun, 02 Aug 2026 22:05:42 +0600</pubDate>
    <category> English </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/english/29188</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/07172026_image01_unicef_titumir2.jpg" />    <p>Shibbir Ahmed, United Nations, New York: Prime Minister&#39;s Adviser on Economy and Planning, Dr. Rashed Al Mahmud Titumir, has called for the establishment of a United Nations-led international mechanism to help developing countries address mounting debt challenges through debt restructuring, debt relief, debt suspension, and sustainable long-term debt solutions.</p>

<p>He said such a global framework is essential to enable developing countries to continue investing in the welfare of women and children, education, healthcare, and social protection while maintaining progress toward achieving the Sustainable Development Goals (SDGs).</p>

<p>Dr. Titumir made the remarks during a meeting with UNICEF Deputy Executive Director for Humanitarian Action and Supply Operations, Ted Chaiban, at UNICEF Headquarters in New York. Planning State Minister Jonayed Saki also attended the meeting.</p>

<p>Highlighting the growing fiscal pressures facing Bangladesh, Dr. Titumir said the ongoing Middle East crisis has driven up global energy prices, disrupted international supply chains, and intensified debt burdens, significantly constraining the country&#39;s revenue capacity.</p>

<p>Despite these challenges, he reaffirmed the government&#39;s commitment to building a democratic welfare state under its &quot;Bangladesh First&quot; vision, emphasizing that protecting women, children, and other vulnerable groups remains a top national priority.</p>

<p>Dr. Titumir said the new government is placing women at the center of its development strategy by building a universal, life-cycle-based social protection system. As part of this initiative, the proposed &quot;Family Card&quot; program will provide continuous support to women-led households throughout different stages of life, including pregnancy, child development, education, disability, and old age.</p>

<p>Planning State Minister Jonayed Saki stressed the importance of developing an integrated and reliable national data system. He outlined the government&#39;s proposed &quot;One Child, One Card, One Number, One Wallet&quot; strategy, which aims to streamline birth registration, school enrollment, and access to government services through a unified digital platform.</p>

<p>Saki also sought UNICEF&#39;s support in strengthening the quality of education by expanding digital training opportunities for teachers and promoting the use of modern learning materials. In addition, he underscored the importance of multilingual education, sports, cultural activities, museum visits, and extracurricular programs in fostering children&#39;s holistic development.</p>

<p>UNICEF Deputy Executive Director Ted Chaiban congratulated Bangladesh&#39;s newly elected government and welcomed the country&#39;s election to the presidency of the 81st session of the United Nations General Assembly.</p>

<p>He commended Bangladesh for prioritizing the welfare of women, children, and other vulnerable communities despite limited fiscal resources. Chaiban reaffirmed UNICEF&#39;s continued commitment to supporting Bangladesh in the areas of education, early childhood development, nutrition, social protection, teacher capacity building, and strengthening child-centered information systems.</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/07172026_image01_unicef_titumir2.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[Bangladesh commits to halving road fatalities by 2030 at UN global safety summit]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/english/29187</link>
    <pubDate>Sun, 02 Aug 2026 21:06:47 +0600</pubDate>
    <category> English </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/english/29187</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/07202026_image01_shaikh_rabiul_alam2.jpg" />    <p>Shibbir Ahmed, UNITED NATIONS, NEW YORK &mdash; Bangladesh&rsquo;s Minister for Road Transport and Bridges, Shaikh Rabiul Alam, has reaffirmed his government&#39;s pledge to slash road traffic fatalities and injuries by 50 percent by the end of the decade.Speaking before world leaders at the United Nations High-Level Meeting on Improving Global Road Safety, Minister Alam detailed a comprehensive wave of legislative, policy, and technological overhauls currently underway across Bangladesh. These updates align with the United Nations Global Plan for the Decade of Action for Road Safety 2021&ndash;2030.</p>

<p>To meet these targets, the Bangladeshi delegation highlighted new state infrastructure plans, including the rollout of artificial intelligence-driven speed management systems, upgraded emergency post-crash medical response networks, and dedicated highway safety designs engineered specifically to protect vulnerable pedestrians.</p>

<p>Crucially, Minister Alam announced that Bangladesh is on track to finalize, endorse, and pass a comprehensive, standalone Road Safety Law by December 2027. This upcoming legislation will fully integrate the internationally recognized &quot;Safe System Approach&quot; into domestic law.The high-level Bangladeshi delegation at UN Headquarters also includes Road Transport and Highways Division Secretary Dr. Mohammed Ziaul Haque, Permanent Representative to the UN Ambassador Salahuddin Noman Chowdhury, and Road Safety Project Director Mohammad Shabbir Hasan Khan.In addition to his address to the main assembly, Minister Alam is scheduled to co-chair a multilateral side event focusing on cross-sector coordination and sharing successful strategies for reducing highway mortality rates alongside other member states.</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/07202026_image01_shaikh_rabiul_alam2.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ECOSOC defers to UN General Assembly on Bangladesh and Nepal LDC graduation extensions]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/english/29186</link>
    <pubDate>Sun, 02 Aug 2026 21:02:58 +0600</pubDate>
    <category> English </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/english/29186</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/07212026_image01_salahuddin_noman_chowdhury2.jpg" />    <p>Shibbir Ahmed, United Nation, New York &mdash; The United Nations Economic and Social Council (ECOSOC) has officially recommended that the UN General Assembly make the final decision regarding the request by Bangladesh and Nepal to extend their preparatory period for graduation from the Least Developed Country (LDC) category by three years.The decision was adopted by consensus during an ECOSOC meeting.Ambassador Salahuddin Noman Chowdhury, Bangladesh&rsquo;s Permanent Representative to the UN, introduced the draft decision on behalf of both nations.</p>

<p>In his address, Chowdhury outlined the core rationale behind the extension requests, emphasizing that both countries need extra time to safeguard their economic transitions against ongoing global vulnerabilities.The Council&#39;s recommendation follows extensive assessments conducted by the Committee for Development Policy (CDP). The CDP concluded that it would be highly appropriate for the broader General Assembly to review and finalize extensions for both South Asian nations.Under the current timeline, both Bangladesh and Nepal are scheduled to officially graduate from LDC status on November 24, 2026.</p>

<p>ECOSOC has explicitly urged the General Assembly to render its final, binding decision before this looming November deadline.Following the consensus vote, Ambassador Chowdhury reaffirmed Bangladesh&rsquo;s long-term commitment to a smooth, sustainable graduation. He reiterated that if the General Assembly approves the deferral, Bangladesh will actively implement necessary policy reforms to strengthen its structural readiness and economic resilience.</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/07212026_image01_salahuddin_noman_chowdhury2.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[UN General Assembly adopts Bangladesh-led &#039;Culture of Peace&#039; resolution]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/english/29185</link>
    <pubDate>Sun, 02 Aug 2026 20:57:35 +0600</pubDate>
    <category> English </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/english/29185</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/07242026_image01_salahuddin_noman_chowdhury2.jpg" />    <p><strong data-complete="true" data-copy-service-computed-style="font-family: "Google Sans", Roboto, Arial, sans-serif; font-size: 16px; font-weight: 700; margin: 0px; text-decoration: none; border-bottom: 0px rgb(230, 232, 240);" data-processed="true" data-sfc-cp="" data-sfc-root="ep" jsaction="" jscontroller="tP2kf#s32ZS" jsuid="ssjxJf_z">Shibbir Ahmed, <!--TgQPHd|||[]--></strong><!--TgQPHd|||[]--><strong data-complete="true" data-copy-service-computed-style="font-family: "Google Sans", Roboto, Arial, sans-serif; font-size: 16px; font-weight: 700; margin: 0px; text-decoration: none; border-bottom: 0px rgb(230, 232, 240);" data-processed="true" data-sfc-cp="" data-sfc-root="ep" jsaction="" jscontroller="tP2kf#s32ZS" jsuid="ssjxJf_16">UNITED NATIONS, NEW YORK<!--TgQPHd|||[]--></strong> — The United Nations General Assembly has officially adopted Bangladesh’s flagship resolution, titled "Follow-up to the Declaration and Programme of Action on a Culture of Peace." The adoption reinforces a renewed global commitment to multilateral dialogue, tolerance, solidarity, and international coexistence. <!--TgQPHd|||[]-->The draft resolution was introduced to the General Assembly by Ambassador Salahuddin Noman Chowdhury, Bangladesh’s Permanent Representative to the United Nations.<!--TgQPHd|||[]--></p>

<p>Addressing the assembly, Ambassador Chowdhury emphasized that cultivating peaceful, inclusive, and resilient global societies demands sustained diplomatic dialogue, deep respect for cultural diversity, and an unwavering adherence to the core principles outlined in the United Nations Charter. He extended gratitude to member states for their constructive engagement and consensus, urging a global shift that prioritizes cooperation over conflict and understanding over intolerance.<!--TgQPHd|||[]--></p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/07242026_image01_salahuddin_noman_chowdhury2.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন ৫ আগস্ট]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29184</link>
    <pubDate>Sun, 02 Aug 2026 10:30:06 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29184</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/417-3.jpg" />    <article>
<p>জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর আগামী বুধবার (৫ আগস্ট) উদ্বোধন করা হবে। ওই দিন সকাল ৯টায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাদুঘর উদ্বোধন করবেন।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>শনিবার (১ আগস্ট) সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (প্রত্নতত্ত্ব ও জাদুঘর) দীপংকর বিশ্বাস বিষয়টি নিশ্চিত করেন।</p>

<p>এর আগে জাদুকর উদ্বোধনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর সময় চেয়ে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী ৫ আগস্ট উদ্বোধনের জন্য সময় দিয়েছেন।</p>

<p>উদ্বোধনের পর এটি সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে বলে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>জাদুঘরে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের আলোকচিত্র, ভিডিও, দলিল-দস্তাবেজ, শহীদদের স্মৃতিচিহ্ন এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্য সংরক্ষণ করা হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থী, গবেষক ও ইতিহাস-আগ্রহীদের জন্য বিশেষ কর্মসূচি, গাইডেড ট্যুর এবং অনলাইনে টিকিট সংগ্রহের ব্যবস্থাও রাখা হচ্ছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/417-3.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন বিশেষ দূতের যেসব বিষয়ে আলোচনা হলো]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29183</link>
    <pubDate>Sun, 02 Aug 2026 10:29:17 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29183</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/693-2.jpg" />    <article>
<p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশ সফররত যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গর। সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, আঞ্চলিক সহযোগিতা এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>আজ শনিবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁও কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।</p>

<p>প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে জানানো হয়েছে, বিশেষ দূত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, তার নেতৃত্বে বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা ফিরে আসছে। এর ইঙ্গিত হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের জন্য বিদ্যমান ট্রাভেল অ্যাডভাইসরির ইতিবাচক সংশোধন করেছে।&nbsp;</p>

<p>যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত বলেন, এটি যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীদের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেবে যে বাংলাদেশ এখন বিনিয়োগের জন্য প্রস্তুত।</p>
</article>

<article>এ ছাড়া, আগামী মাসে ইউএস বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের একটি প্রতিনিধিদলের বাংলাদেশ সফর নিয়েও আলোচনা হয়।
<p>&nbsp;</p>

<p>বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ঔষধ প্রশাসনের (এফডিএ) সঙ্গে বাংলাদেশের সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়েও আলোচনা হয়। গোর আশ্বাস দেন যে বাংলাদেশে এফডিএর পরীক্ষাকার্য পুনরায় শুরু করার বিষয়ে তিনি সহায়তা করবেন।&nbsp;</p>

<p>এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন অর্থায়ন করপোরেশনের (ডিএফসি) মাধ্যমে বাংলাদেশে বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে মতবিনিময় হয়।</p>
</article>

<article>প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে মার্কিন বিনিয়োগ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>বিশেষ দূত জানান, বাংলাদেশে ডিএফসির বিনিয়োগ সহযোগিতা সম্প্রসারণে যুক্তরাষ্ট্র ইতিবাচকভাবে কাজ করবে। ঢাকায় মার্কিন বিনিয়োগকারীরা শিগগিরই একটি ইউএস ইনভেস্টমেন্ট সামিট আয়োজন করতে আগ্রহী। তিনি এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে নিজে কাজ করছেন বলেও প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন। প্রধানমন্ত্রী ওয়্যারহাউজিং, সয়াবিন, তুলা, গম এবং অন্যান্য কৃষি খাতে যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগের আহ্বান জানান।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি বলেন, এসব খাতে বিনিয়োগের মাধ্যমে একটি শক্তিশালী ও প্রতিযোগিতামূলক সরবরাহব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব হবে।</p>

<p>এদিকে প্রধানমন্ত্রী তথ্য-প্রযুক্তি (আইটি) খাতের বিনিয়োগ নিয়ে বাংলাদেশের বিশেষ আগ্রহের কথা উল্লেখ করেন। বিশেষ দূত বলেন, এ খাতে বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি আরো মন্তব্য করেন যে, বাংলাদেশ ভবিষ্যতে প্যাক্স সিলিকা উদ্যোগের অংশীদার হওয়ার সম্ভাবনা রাখে। এ বিষয়ে তিনি উদ্যোগ নেবেন বলে জানান।</p>

<p>বৈঠকে রোহিঙ্গা সংকট নিয়েও আলোচনা হয়। বিশেষ দূত কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে তার আগের দিনের সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। তিনি রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আশ্রয় দেওয়া এবং মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখার জন্য বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং ধন্যবাদ জানান।</p>

<p>প্রধানমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গাদের জন্য আন্তর্জাতিক সহায়তার অর্ধেকের বেশি অংশ যুক্তরাষ্ট্রের অবদান থেকে আসে। এ জন্য তিনি যুক্তরাষ্ট্র সরকার ও জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।</p>

<p>বিশেষ দূত বলেন, রোহিঙ্গা সংকটের দ্রুত, টেকসই ও রাজনৈতিক সমাধান প্রয়োজন। তিনি এ লক্ষ্যে আসিয়ান ও প্রতিবেশী দেশগুলোসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।</p>

<p>এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন ও রেহান আসিফ আসাদ, ওয়াশিংটনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক আরিফুর রহমান এবং ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিসটেনসেনসহ অন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/693-2.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[তারেক রহমানের নেতৃত্বে পূর্ণ আস্থা যুক্তরাষ্ট্রের : সার্জিও গর]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29182</link>
    <pubDate>Sun, 02 Aug 2026 10:20:31 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29182</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/958-1.jpg" />    <article>
<p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ণ আস্থা রয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার বিশেষ দূত সার্জিও গর। একই সঙ্গে তিনি বাংলাদেশ নতুন মার্কিন বিনিয়োগের জন্য প্রস্তুত বলেও মন্তব্য করেছেন।</p>
</article>

<article>এই বার্তাটি তিনি তার দেশের বিনিয়োগকারীদের কাছে পৌঁছাবেন বলে জানিয়েছেন।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>শনিবার (১ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টায় তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন সার্জিও গর।&nbsp;</p>

<p>বৈঠকের পর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বৈঠকে সার্জিও গর উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বের ওপর মার্কিন সরকারের পূর্ণ আস্থা রয়েছে। তার নেতৃত্বেই বাংলাদেশে আবার স্থিতিশীলতা ফিরে এসেছে।</p>
</article>

<article>এই আস্থারই নিদর্শনস্বরূপ যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের ক্ষেত্রে তাদের বিদ্যমান ভ্রমণ সতর্কতা ইতিবাচকভাবে সংশোধন করেছে।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>গর আরো জানান, এই পদক্ষেপটি মার্কিন বিনিয়োগকারীদের কাছে একটি জোরাল বার্তা পৌঁছাবে যে বাংলাদেশ এখন নতুন বিনিয়োগের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত।</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/sport/2026/08/01/1719372" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>দ্বিপক্ষীয় এই বৈঠকে রোহিঙ্গাসংকট নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়। এ সময় আগের দিন কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বিশেষ দূত বলেন, লাখ লাখ আশ্রয়হীন রোহিঙ্গাকে মানবিক সহায়তা প্রদান ও আশ্রয় দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের অবদান প্রশংসনীয়।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গাদের জন্য আন্তর্জাতিক স্তরে যে সহায়তা পাওয়া যায়, তার অর্ধেকেরও বেশি আসে সরাসরি যুক্তরাষ্ট্র থেকে। এই অব্যাহত সহায়তার জন্য প্রধানমন্ত্রী মার্কিন সরকার ও জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এ সময় রোহিঙ্গাসংকটের একটি দীর্ঘস্থায়ী ও টেকসই রাজনৈতিক সমাধানের ওপর জোর দেন বিশেষ মার্কিন দূত।</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/multimedia/live/2026/08/01/1719376" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (এফডিএ) সহযোগিতায় বাংলাদেশে খাদ্য ও ওষুধ মাননিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত পরীক্ষা কার্যক্রম পুনরায় শুরুর বিষয়ে উভয় পক্ষ একমত পোষণ করে।</p>

<p>বৈঠকে বাংলাদেশে মার্কিন বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/958-1.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[সরকার-ব্যবসায়ীদের সমন্বিত প্রচেষ্টায় অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন সম্ভব : প্রধানমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29181</link>
    <pubDate>Sun, 02 Aug 2026 10:18:03 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29181</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/826-99.jpg" />    <article>
<p>সরকার ও ব্যবসায়ীরা একসঙ্গে কাজ করলে আগামী চার থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।</p>

<p>আজ শনিবার প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁও কার্যালয়ে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) আয়োজনে বেসরকারি উদ্যোক্তাদের সঙ্গে চার ঘণ্টাব্যাপী মতবিনিময়সভায় তিনি এ কথা বলেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেসসচিব হাসান শিপলু এ তথ্য জানান। তিনি জানান, মতবিনিময়সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, &lsquo;দেশ ও মানুষের জন্য কাজ করাই আমাদের লক্ষ্য। কিছু ক্ষেত্রে সমস্যা রয়েছে। তবে আমরা একসঙ্গে কাজ করলে সেগুলো কাটিয়ে ওঠা সম্ভব।</p>
</article>

<article>&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রধানমন্ত্রী বলেন, &lsquo;দেশের অর্থনীতির বিদ্যমান সমস্যাগুলো সরকার যেমন উপলব্ধি করছে, তেমনি ব্যবসায়ীরাও তা অনুধাবন করছেন। এসব সমস্যা সমাধানে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। এ বিষয়ে সরকার ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে আলোচনা অব্যাহত থাকবে।&rsquo;</p>

<p>তিনি বলেন, &lsquo;আমরা সবাই স্বীকার করছি যে অনেক সমস্যা আছে।</p>
</article>

<article>সরকার নিশ্চয়ই এতটুকু প্রমাণ করতে পেরেছে যে আমরা চেষ্টা করছি। সরকারের বয়স এখনো ছয় মাস হয়নি। এর মধ্যেই আমরা কয়েক দফা বৈঠক করেছি। প্রথমে আপনাদের সঙ্গে বসেছি, পরে ফোরামের সঙ্গেও আলোচনা করেছি। সেক্টরভিত্তিক সমস্যাগুলো নিয়েও আমরা কাজ করছি।</article>

<article>&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>আগের বৈঠকের প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ব্যবসায়ীরা যেসব সমস্যার কথা তুলে ধরেছিলেন, সেগুলোর অনেকগুলোরই সমাধান হয়েছে। আজকের বৈঠকেও নতুন কিছু সমস্যার কথা উঠে এসেছে। সেগুলো নিয়েও সরকার কাজ করবে।</p>

<p>তিনি জানান, আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে আবারও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করবে সরকার।&nbsp;</p>

<p>তার ভাষায়, &lsquo;আমরা যত বেশি বসতে পারব, তত বেশি আপনাদের সমস্যাগুলো জানতে পারব এবং সেগুলোর সমাধান করতে পারব।&rsquo;</p>

<p>প্রধানমন্ত্রী বলেন, &lsquo;আলোচনার মাধ্যমেই সমস্যার সমাধান বেরিয়ে আসে। দীর্ঘ সময় ধরে খোলামেলা আলোচনা হলে কার্যকর সমাধান পাওয়া যায়।&rsquo; এ ধরনের সংলাপ অব্যাহত থাকলে আগামী চার থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।</p>

<p>বৈঠকে ব্যবসা সম্প্রসারণ, বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং নতুন শিল্পায়নের পরিবেশ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। উদ্যোক্তারা সহজ শর্তে ঋণ, নীতিগত সহায়তা এবং ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানান।&nbsp;</p>

<p>সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের প্রশংসা করে তারা চলমান কার্যক্রমের অগ্রগতিতেও সন্তোষ প্রকাশ করেন।</p>

<p>সভায় জানানো হয়, আগের বৈঠকে আলোচিত ২৮টি সমস্যার মধ্যে ২১টির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বাকি সাতটি বিষয় প্রক্রিয়াধীন।</p>

<p>এ সময় ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের রপ্তানি আয় ১০০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার রূপরেখাও তুলে ধরেন ব্যবসায়ীরা। রপ্তানি বাড়াতে কূটনৈতিক পর্যায়ে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়ার আশ্বাস দেয় সরকার।</p>

<p>বৈঠকে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, সড়ক, সেতু, রেলপথ ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমানসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন শিল্পগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/826-99.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[অভিবাসী সংকটে স্পেনের সঙ্গে ‘শেনজেন চুক্তি’ স্থগিত করল ইতালি]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29180</link>
    <pubDate>Sun, 02 Aug 2026 10:14:10 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29180</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1019-88.jpg" />    <article>
<p>স্পেন থেকে অভিবাসীদের প্রবেশ নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে স্পেনের সঙ্গে &lsquo;শেনজেন চুক্তি&rsquo;র আওতায় অবাধ চলাচল এক মাসের জন্য সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে ইতালি। মরক্কোর ভূখণ্ডে অবস্থিত স্পেনের ছিটমহল সিউটা একদিনে প্রায় ৪৯ হাজার অভিবাসী প্রবেশের ঘটনার পর নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ থেকে ইতালি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছে ইতালির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.euronews.com/my-europe/2026/07/31/italy-suspends-schengen-with-spain-over-ceuta-migrant-crisis-shuts-air-and-sea-borders">এ সময় স্পেন থেকে ইতালিতে প্রবেশকারী ইউরোপীয় ইউনিয়নের</a> বাইরের দেশের নাগরিকদের বন্দর ও বিমানবন্দরে সীমান্ত তল্লাশি এবং নথিপত্র যাচাই করা হবে। তবে এই ব্যবস্থা স্পেন বা অন্য ইইউ দেশের নাগরিকদের নয়, মূলত তৃতীয় দেশের নাগরিকদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।&nbsp;</p>

<p>ইতালির অভিবাসন বিশ্লেষণ ও সীমান্ত নিরাপত্তা কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে শুক্রবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বৈঠকে স্পেনের সঙ্গে শেনজেনের অবাধ চলাচল সাময়িকভাবে স্থগিতের সিদ্ধান্ত অনুমোদন করা হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাত্তেও পিয়ান্তেদোসি।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>গতকাল বৃহস্পতিবার (৩১ জুন) সন্ধ্যায় ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি, উপ-প্রধানমন্ত্রী আন্তোনিও তাজানি এবং মাত্তেও সালভিনি এ সিদ্ধান্তের ঘোষণা দেন। ইতালির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও স্পেন থেকে আসা যাত্রীদের ক্ষেত্রে নতুন সীমান্ত নিয়ন্ত্রণের নির্দেশ দিয়েছে।</p>

<p>উপ-প্রধানমন্ত্রী তাজানি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, &lsquo;দেশের নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ইউরোপের সীমান্ত রক্ষার জন্য এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।&rsquo; তার ভাষায়, শেনজেন চুক্তির নিয়ম অনুযায়ী এটি একটি বৈধ ও সাময়িক ব্যবস্থা, যা বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় হয়ে উঠেছে।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি আরো বলেন, সিউটায় অভিবাসী সংকট দেখিয়েছে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সীমান্ত রক্ষা শুধু একটি দেশের নয়, সব সদস্য দেশের যৌথ দায়িত্ব। অনিয়ন্ত্রিত অভিবাসন ঠেকাতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। পাশাপাশি এ থেকে তৈরি হওয়া নিরাপত্তা ঝুঁকি ও সম্ভাব্য সন্ত্রাসী হুমকিও মোকাবিলা করতে হবে।</p>

<p>এর আগে হাজার হাজার অভিবাসী প্রবেশের ঘটনায় স্পেনকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ভিসামুক্ত &lsquo;শেনজেন অঞ্চল&rsquo; থেকে সাময়িকভাবে বাদ দেওয়ার আহ্বান জানান ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি।</p>

<p>বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়, বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জানান, বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা চলছে।</p>
</article>

<article>প্রয়োজন হলে স্পেনের বিরুদ্ধে শেনজেন চুক্তি স্থগিতের মতো &lsquo;ব্যতিক্রমী ব্যবস্থা&rsquo; নেওয়া হতে পারে।
<p>&nbsp;</p>

<p>মেলোনি বলেন, সিউটা থেকে আসা দৃশ্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক। নিয়ন্ত্রণহীন অবৈধ অভিবাসন ইউরোপের সীমান্ত নিরাপত্তার জন্য বাস্তব হুমকি। তিনি আরো বলেন, এ পরিস্থিতিতে ইতালি নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করবে না।</p>

<p><strong>শেনজেন চুক্তি কি</strong></p>

<p>শেনজেন চুক্তি হলো ইউরোপের একটি ঐতিহাসিক আন্তর্জাতিক চুক্তি, যার মাধ্যমে সদস্য দেশগুলোর পারস্পরিক অভ্যন্তরীণ সীমানা বা চেকপোস্ট তুলে নেওয়া হয়েছে এবং এক ভিসায় একাধিক দেশে অবাধ যাতায়াতের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এই চুক্তির ফলে গঠিত শেনজেন এলাকায় মানুষ বিনা বাধায় এক দেশ থেকে অন্য দেশে যাতায়াত করতে পারে।</p>

<p>শেনজেন অঞ্চল ইউরোপের ২৯টি দেশের একটি উন্মুক্ত সীমান্ত ব্যবস্থা, যেখানে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সাধারণত পাসপোর্ট বা সীমান্ত তল্লাশি ছাড়াই অবাধে চলাচল করা যায়।</p>

<p><strong>ইতালির সমালোচনায় স্পেন</strong></p>

<p>ইতালির এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছে স্পেন। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী হোসে ম্যানুয়েল আলবারেজ ব্যাখ্যা চেয়ে মাদ্রিদে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছেন।</p>

<p>স্পেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সিউটার অভিবাসী সংকটের সঙ্গে সরকারের অভিবাসীদের বৈধতা দেওয়ার নীতির কোনো সম্পর্ক নেই। তাদের দাবি, সাঁতার কেটে সিউটায় প্রবেশ করা অভিবাসীদের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের একটি রায়কে মানবপাচারকারী ও অপরাধী চক্র অপব্যবহার করায় এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।</p>

<p><iframe allowfullscreen="true" allowtransparency="true" frameborder="0" id="twitter-widget-0" scrolling="yes" src="https://platform.twitter.com/embed/Tweet.html?id=2083213292231635378"></iframe></p>

<p>&nbsp;</p>

<p>এদিকে ফ্রান্সও স্পেনের সঙ্গে স্থল সীমান্তে নজরদারি বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাখোঁ বলেন, সিউটার অভিবাসী সংকট মোকাবিলায় স্পেনকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে ফ্রান্স। তবে ফিনল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, ডেনমার্ক, চেক প্রজাতন্ত্র ও সুইডেনসহ কয়েকটি ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশ ইতালির অবস্থানের প্রতি সমর্থন জানায়।</p>

<p>ফিনল্যান্ডের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মারি রান্তানেন বলেন, স্পেন শেনজেন অঞ্চলের বাইরের সীমান্ত রক্ষায় ব্যর্থ হয়েছে এবং এই পরিস্থিতি আর চলতে পারে না।</p>

<p>ইউরোপীয় ইউনিয়নের স্বরাষ্ট্র বিষয়ক কমিশনার ম্যাগনাস ব্রুনার বলেছেন, সিউটার পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হলেও সেখান থেকে ইউরোপের মূল ভূখণ্ড বা অন্য সদস্য দেশে অভিবাসীদের অনিয়ন্ত্রিত প্রবেশের কোনো তথ্য নেই। তিনি জানান, স্প্যানিশ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।</p>

<p>তিনি আরো বলেন, শেনজেন সীমান্ত আইনে সিউটা ও মেলিলার জন্য বিশেষ নিয়ম রয়েছে। তাই সিউটা থেকে বের হওয়া ব্যক্তিদের ওপর আগে থেকেই সীমান্ত তল্লাশি চালানো হচ্ছে।</p>

<p>এদিকে আগামী বছরের সাধারণ নির্বাচনকে সামনে রেখে ইতালিতে শেনজেন চুক্তি সাময়িকভাবে স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়ে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। ইতালির এ পদক্ষেপকে ফ্রান্সের ন্যাশনাল র&zwj;্যালি, জার্মানির অল্টারনেটিভ ফর জার্মানি (এএফডি) এবং যুক্তরাজ্যের রিফর্ম ইউকে-সহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি কট্টর ডানপন্থী দল সমর্থন জানিয়েছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1019-88.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[সিউতা সংকট জরুরি বৈঠকে ইইউ, স্পেনের বিরুদ্ধে ২২ দেশ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29179</link>
    <pubDate>Sun, 02 Aug 2026 10:13:22 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29179</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1142-77.jpg" />    <article>
<p>মরক্কো সীমান্তবর্তী স্পেনের স্বায়ত্তশাসিত শহর সেউতায় নজিরবিহীন অভিবাসনসংকট তৈরি হওয়ার পর ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে চরম উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। স্পেনের সঙ্গে অন্যান্য সদস্য রাষ্ট্রগুলোর তীব্র তর্ক-বিতর্কের পরিপ্রেক্ষিতে উদ্ভূত এই সংকট নিরসনে আগামী মঙ্গলবার জরুরি বৈঠকে বসতে যাচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন।</p>
</article>

<article><strong><a href="https://www.bbc.com/news/articles/cz7d17r455go">খবর বিবিসি</a></strong>

<p>&nbsp;</p>

<p>মরক্কো হয়ে সমুদ্রপথে এই বিপুল সংখ্যক অভিবাসী প্রবেশকে কেন্দ্র করে ইইউ-এর সদস্য দেশগুলোর মধ্যে শুরু হয়েছে কাদা ছোড়াছুড়ি। এরই মধ্যে ইতালি স্পেনের সঙ্গে মুক্তভাবে চলাচলের &lsquo;শেনজেন&rsquo; চুক্তি সাময়িকভাবে স্থগিত ঘোষণা করেছে। ডেনমার্ক ও ফিনল্যান্ডও ইতালির এই পদক্ষেপকে সমর্থন জানিয়ে সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ পুনরায় চালুর দাবি তুলেছে।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/national/2026/08/02/1719703" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p><strong>২২ দেশের চিঠি ও স্পেনের তীব্র প্রতিক্রিয়া</strong><br />
ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েন এবং ইইউ নেতৃত্বের কাছে পাঠানো ২২টি সদস্য দেশের যৌথ চিঠিতে বলা হয়েছে, এই ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশের চেষ্টা ইউরোপীয় ইউনিয়নের সার্বিক অভিবাসন নীতি ও সীমান্ত সুরক্ষাকে মারাত্মক ঝুঁকিতে ফেলবে।</p>
</article>

<article>চিঠিতে নেদারল্যান্ডস, ফিনল্যান্ড, বেলজিয়ামসহ ২২টি দেশের প্রধানরা স্বাক্ষর করেছেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>অপরদিকে ইতালির শেনজেন বাতিল ও অন্যান্য দেশের সমালোচনার মুখে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ। ইউরোপীয় কমিশনের কাছে লেখা পৃথক চিঠিতে তিনি মিত্র দেশগুলোর এই মনোভাবকে &lsquo;স্বার্থপর, মেরুকরণ সৃষ্টিকারী, অবৈধ এবং কুসংস্কারাচ্ছন্ন&rsquo; বলে মন্তব্য করেছেন।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/Islamic-lifestylie/2026/08/02/1719702" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>সানচেজ স্পষ্ট জানিয়ে দেন, সেউতা মূলত শেনজেন এলাকার অন্তর্ভুক্ত নয় এবং মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে স্পেন সীমান্তে পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ পুনঃপ্রতিষ্ঠা করে মূল ইউরোপে অবৈধ অনুপ্রবেশ বন্ধ করতে সক্ষম হয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p><strong>মৃত্যু বেড়ে ৬৭, স্বাভাবিক হচ্ছে সেউতা&nbsp;</strong><br />
স্পেন সরকার জানিয়েছে, গত ৩০ জুলাই অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালানো অধিকাংশ অভিবাসীকে এরই মধ্যে ফেরত পাঠানো হয়েছে। তবে সাঁতরে সীমান্ত অতিক্রমের চেষ্টাকালে মর্মান্তিকভাবে প্রাণ হারানো মানুষের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে অন্তত ৬৭ জনে।</p>

<p>স্পেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ফার্নান্দো গ্রান্দে-মারলাস্কা শনিবার জানিয়েছেন, সেউতার ব্যবসা-বাণিজ্য ও জনজীবন আবার স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে এবং জলপথে অবৈধ প্রবেশ ঠেকাতে ভাসমান প্রতিবন্ধক তৈরির কাজ চলছে।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/national/2026/08/02/1719701" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p><strong>চাপে স্পেন সরকার ও বিশ্বনেতাদের প্রতিক্রিয়া&nbsp;</strong><br />
জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিশ মার্জ দাবি করেছেন যে, মরক্কোকে অবিলম্বে এই অবৈধ অভিবাসীদের ফেরত নিতে হবে। অপরদিকে ইউরোপীয় কমিশনের প্রধান উরসুলা ভন ডার লিয়েন একে &lsquo;অগ্রহণযোগ্য&rsquo; উল্লেখ করে নিয়ম মেনে চলার তাগিদ দিয়েছেন।</p>
</article>

<article>ইউকে প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহামও স্পেনের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/country-news/2026/08/02/1719697" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>ইউরোপ মহাদেশে প্রবেশের একমাত্র আফ্রিকান ভূখণ্ডের স্থলসীমানা হওয়ায় মরক্কোর তরুণ সমাজ, যারা কাজের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে নিজ দেশে বিক্ষোভ করছে, সেউতাকে ইউরোপে পৌঁছানোর প্রধান রুট হিসেবে ব্যবহার করে থাকে। তবে এই সাম্প্রতিক ঘটনা ইউরোপীয় ইউনিয়নের অভ্যন্তরীণ মুক্ত চলাচল ব্যবস্থা এবং অভিবাসন নীতিকে এক নজিরবিহীন চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিল।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1142-77.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[পেরুতে বিমান বিধ্বস্ত হয়ে পর্যটকসহ ১৩ জনের মৃত্যু]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29178</link>
    <pubDate>Sun, 02 Aug 2026 10:12:21 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29178</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1259-66.jpg" />    <article>
<p>দক্ষিণ আমেরিকার দেশ পেরুতে একটি ছোট যাত্রীবাহী বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ১৩ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ১১ জন বিদেশি পর্যটক এবং দুই জন ক্রু সদস্য রয়েছেন।</p>
</article>

<article>খবরটি নিশ্চিত করেছে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা আল জাজিরা।
<p>&nbsp;</p>

<p>পুলিশ জানিয়েছে, শনিবার (১ আগস্ট) <a href="https://aninews.in/news/world/others/tourist-plane-crash-leaves-13-dead-near-nazca-lines-in-peru20260802042248/?fbclid=IwY2xjawTbg6lleHRuA2FlbQIxMABicmlkETFpMUNwenE0YkgxS0RIN3l2c3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHjn6cQGAYtP2ry38byHT_HjJ48BZbBlYMVkdTiGVtC0t99ezqWX4gQ-tf-Gr_aem_cvwaGGDInH5lYSrabMmzGA">বিমানটি পর্যটকদের নিয়ে পেরুর বিখ্যাত ঐতিহাসিক নিদর্শন &lsquo;নাজকা লাইনস&rsquo; পরিদর্শনের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিল</a>। বিমানটি ইকা বিভাগের পিসকো বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়ন করার কিছুক্ষণের মধ্যেই দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। দুর্ঘটনাস্থলে উপস্থিত পুলিশ মেজর হোর্হে আন্দ্রেদে সাংবাদিকদের জানান, বিমানে থাকা ১১ জন যাত্রী ও ২ জন ক্রুর সবাই মারা গেছেন।</p>
</article>

<article>স্থানীয় গণমাধ্যমগুলোর সূত্রে জানা যায়, বিমানটি মাটিতে আছড়ে পড়ার পরপরই চারদিকে আগুন ধরে যায়। ফলে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো উদ্ধার অভিযান চালানো সম্ভব হয়নি। বিমানটি পেরুর ভ্রমণ সংস্থা অ্যারোডিয়ানা&rsquo;র ছিল। তবে দুর্ঘটনার মূল কারণ এখনো জানা যায়নি।</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>উল্লেখ্য, খ্রিস্টপূর্ব ৫০০ থেকে খ্রিস্টাব্দ ৫০০-এর মধ্যবর্তী সময়ে মাটিতে খোদাই করা বিশালাকার জ্যামিতিক নকশা ও পশুপাখির চিত্রের জন্য &lsquo;নাজকা লাইনস&rsquo; বিশ্বজুড়ে পরিচিত। এটি ইউনেস্কো স্বীকৃত একটি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান। এসব বিশালাকার মূর্তি ও নকশা বিমান থেকে স্পষ্টভাবে দেখা যায় বলেই পর্যটকরা আকাশপথে এটি পরিদর্শনে যান। মাচু পিচু, কুস্কো ও নাজকা লাইনসের মতো বিখ্যাত প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানের কারণে প্রতি বছর পেরুতে লাখ লাখ আন্তর্জাতিক পর্যটকের সমাগম ঘটে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1259-66.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ইরানের ওপর হামলা আপাতত স্থগিত : ট্রাম্প]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29177</link>
    <pubDate>Sun, 02 Aug 2026 10:11:36 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29177</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1426-44.jpg" />    <article>
<p>যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর নজিরবিহীন সামরিক শক্তি প্রয়োগের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত ছিল। তবে ইরান এবং মধ্যপ্রাচ্যের অন্য কয়েকটি দেশ সমঝোতার অনুরোধ জানালে সামরিক হামলা আপাতত স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>রবিবার ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা লেখেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/08/02/1719723" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>সেখানে নিজের বিবৃতিতে ট্রাম্প লেখেন, প্রস্তাবিত সমঝোতার আওতায় হরমুজ প্রণালি অবিলম্বে, সম্পূর্ণ এবং সর্বাত্মকভাবে উন্মুক্ত করা হবে। পাশাপাশি ইরানের পরমাণু কর্মসূচি থেকে উদ্ভূত হুমকিরও অবসান ঘটানো হবে।</p>

<p>তিনি আরো জানান, বিশ্ব শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং একটি সফল ও সমৃদ্ধ ইরানের ভবিষ্যতের স্বার্থে তিনি সম্ভাব্য হামলা বাতিল করতে সম্মত হয়েছেন।</p>
</article>

<article>তবে এটি দ্রুত একটি চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছানোর ওপর নির্ভরশীল।
<p>&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/sport/2026/08/02/1719722" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ইসরায়েল এই অঙ্গীকারে আমার সঙ্গে যোগ দিচ্ছে। সবাই মিলে কাজটি সম্পন্ন করুন। এই বিষয়ে আপনাদের মনোযোগের জন্য ধন্যবাদ!</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1426-44.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[‘রামায়ণ’-এর ট্রেলার দেখে রণবীরের প্রশংসায় আলিয়া ভাট]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/29176</link>
    <pubDate>Sun, 02 Aug 2026 10:10:47 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/29176</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1512-33.jpg" />    <article>
<p>নীতেশ তিওয়ারি পরিচালিত বহুল আলোচিত সিনেমা &lsquo;রামায়ণ&rsquo;-এর ট্রেলার মুক্তির পর থেকেই এটি নিয়ে সিনেপ্রেমীদের মাঝে তৈরি হয়েছে তুমুল উন্মাদনা। এই ছবিতে রামের চরিত্রে অভিনয় করছেন রণবীর কাপুর।</p>
</article>

<article>ট্রেলার প্রকাশের পর থেকে দর্শকদের মিশ্র প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেলেও বলিউড তারকারা ছবিটির বিশাল আয়োজনের প্রশংসায় পঞ্চমুখ। সেই তালিকায় যোগ দিয়ে এবার রণবীর কাপুরের কাজের ভূয়সী প্রশংসা করলেন তার স্ত্রী ও অভিনেত্রী আলিয়া ভাট।
<p>&nbsp;</p>

<p>গত ৩০ জুলাই সিনেমাটির ট্রেলার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়। এরপরই আলিয়া ভাট তার ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে ট্রেলারটি শেয়ার করে রণবীর কাপুরের প্রতি শুভকামনা জানান।</p>
</article>

<article>স্টোরিতে দীর্ঘ কোনো বক্তব্য না লিখে কেবল স্পার্কল ইমোজি ও &lsquo;দিওয়ালি ২০২৬&rsquo; যুক্ত করে নিজের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন তিনি।
<p>&nbsp;</p>

<p>এর আগেও ভক্তদের সাথে জুম কলে কথা বলার সময় &lsquo;রামায়ণ&rsquo; প্রজেক্ট নিয়ে আবেগঘন প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন আলিয়া। তিনি বলেন, রণবীর সত্যিই অসাধারণ কাজ করেছে। সিনেমাটিতে ওকে দেখার অভিজ্ঞতা হবে এক কথায় অভাবনীয়।</p>
</article>

<article>দর্শকরা এটি দেখার পর কী বলেন, তা দেখার জন্য আমি মুখিয়ে আছি।
<p>&nbsp;</p>

<p>উল্লেখ্য, আগামী ২০২৬ সালের দীপাবলিতে প্রেক্ষাগৃহে বড় পরিসরে মুক্তি পেতে যাচ্ছে নীতিশ তিওয়ারির এই বিগ বাজেটের ছবি &lsquo;রামায়ণ&rsquo;।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1512-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বিশ্বকাপের কষ্ট ভুলে মাঠে ফিরলেন মেসি, কাসেমিরোর আত্মঘাতী গোল]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/29175</link>
    <pubDate>Sun, 02 Aug 2026 10:10:05 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/29175</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1553-22.jpg" />    <article>
<p>বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হেরে ভেঙে পড়েছিলেন লিওনেল মেসি। চোখের জলে মাঠ ছাড়ার সেই দৃশ্য কেঁদেছিল পুরো ফুটবল বিশ্ব।</p>
</article>

<article>তবে সেই দুঃখ ভুলে আবার চেনা রূপেই মাঠে ফিরলেন ফুটবল জাদুকর।
<p>&nbsp;</p>

<p>ফাইনালে হারের ঠিক ১৩ দিন পর আবার বল পায়ে দেখা গেল ৩৯ বছর বয়সী এই আর্জেন্টাইন মহাতারকাকে। ঘরের মাঠ &lsquo;নু স্টেডিয়ামে&rsquo; কলাম্বাস ক্রুর বিরুদ্ধে ম্যাচের ৫৩তম মিনিটে ড্যানিয়েল পিন্টারের জায়গায় বদলি হিসেবে মাঠে নামেন তিনি। রেকর্ড ষষ্ঠ বিশ্বকাপ খেলে ফেরা মেসিকে করতালিতে বরণ করে নেয় পুরো গ্যালারি।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>মাঠে নামার মাত্র তিন মিনিটের মাথায় গোল করার দারুণ সুযোগও পেয়েছিলেন। লুইস সুয়ারেজের পাস থেকে বাঁ পায়ে চমৎকার শট নিয়েছিলেন মেসি। কিন্তু বলটি পোস্ট ঘেঁষে বাইরে চলে গেলে গোল করা হয়নি।</p>

<p>মেসির ওই শটটি গোল হলে মায়ামি ৩-১ ব্যবধানে এগিয়ে যেতে পারত।</p>
</article>

<article>কারণ, প্রথমার্ধের পুরোটা জুড়ে ছিল উরুগুয়ান তারকা সুয়ারেজের দাপট। প্রথমে গোলকিপারের মাথার ওপর দিয়ে বল জালে জড়িয়ে দলকে এগিয়ে নেন তিনি, পরে নোয়াহ অ্যালেনকে দিয়ে করান দ্বিতীয় গোল।
<p>&nbsp;</p>

<p>তবে দুই গোলের লিড ধরে রাখতে পারেনি মায়ামি। দলটির হয়ে ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার কাসেমিরো নিজেদের জালেই বল পাঠিয়ে দেন (আত্মঘাতী গোল)। এরপর ৮৪তম মিনিটে ফ্রি-কিক থেকে গোল করে ম্যাচ ২-২ সমতায় শেষ করে কলাম্বাস।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>বিশ্বকাপের ক্লান্তি কাটাতে মেসির সঙ্গে বিশ্রামে ছিলেন তার সতীর্থ রদ্রিগো ডি পলও। এ দিন শুরু থেকেই খেলেছেন তিনি। চলতি সপ্তাহেই অনুশীলনে ফেরেন এই দুই তারকা। এর আগে শেষবার ২৪ মে মায়ামির হয়ে খেলেছিলেন মেসি।</p>

<p>পয়েন্ট টেবিলে বর্তমানে শীর্ষে থাকা নাশভিলে এসসির চেয়ে দুই পয়েন্টে পিছিয়ে আছে মায়ামি। তবে এখন তাদের সব নজর &lsquo;লিগস কাপ&rsquo;-এর দিকে। আগামী বুধবার ঘরের মাঠে অ্যাতলেটিকো দে সান লুইসকে আতিথ্য দেবে মেসির দল। নকআউটে ওঠার লড়াইয়ে এরপর তারা মুখোমুখি হবে মন্টেরে ও লিওঁনের। &nbsp;<br />
&nbsp;</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1553-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[‘এন্ডগেম’কে পেছনে ফেলে প্রিভিউ আয়ে শীর্ষে ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/29174</link>
    <pubDate>Sun, 02 Aug 2026 10:09:14 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/29174</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1651-11.jpg" />    <article>
<p>বক্স অফিসে মুক্তির শুরুতেই চমক দেখিয়ে ইতিহাসের নতুন রেকর্ড গড়েছে &lsquo;স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে&rsquo;। আগাম প্রদর্শনী ও প্রিভিউ শো থেকেই রেকর্ড ৭২ মিলিয়ন ডলার আয় করেছে টম হল্যান্ড অভিনীত এই ছবি।</p>
</article>

<article>বক্স অফিসের ইতিহাসে প্রিভিউ শো থেকে এর আগে আর কোনো সিনেমা এত আয় করতে পারেনি।
<p>&nbsp;</p>

<p>এর আগে প্রিভিউ আয়ে শীর্ষে ছিল সুপারহিট ছবি &lsquo;অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেম&rsquo;, যার প্রিভিউ আয় ছিল ৬০ মিলিয়ন ডলার। &lsquo;ব্র্যান্ড নিউ ডে&rsquo; এবার সেই রেকর্ড ভেঙে নতুন মাইলফলক স্পর্শ করল। চলচ্চিত্র বিশ্লেষকদের ধারণা, মুক্তির প্রথম সপ্তাহের শেষে যুক্তরাষ্ট্রে সিনেমাটির আয় ২৬০ থেকে ২৮০ মিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে।</p>
</article>

<article>এমনকি বিশ্ববাজারের আয় যুক্ত হলে এটি প্রথম সপ্তাহের শেষে ৫০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি ব্যবসা করার সম্ভাবনা রয়েছে।
<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://variety.com/2026/film/box-office/spider-man-brand-new-day-box-office-record-previews-1236824394/">&lsquo;স্পাইডার-ম্যান: নো ওয়ে হোম&rsquo;-এর ঘটনার চার বছর পরের কাহিনি নিয়ে নির্মিত হয়েছে নতুন এই পর্বটি।</a> যেখানে দেখা যাবে&mdash;পুরো বিশ্ব পিটার পার্কারের পরিচয় ভুলে যাওয়ায় সে এখন সম্পূর্ণ একা। প্রেমিকা এমজে (জেনডায়া) বা বন্ধু নেডের সঙ্গ ছাড়াই নতুন এক রহস্যময় খলনায়কের মুখোমুখি হতে হচ্ছে স্পাইডার-ম্যানকে।</p>
</article>

<article>সনি পিকচার্স ও মার্ভেল স্টুডিওর যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত সিনেমাটিকে ঘিরে বিশ্বজুড়ে মার্ভেল ভক্তদের মাঝে ব্যাপক উদ্দীপনা দেখা যাচ্ছে।</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1651-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিউইয়র্কে সাউথ এশিয়ান প্যারেড ৯ আগস্ট, প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/29173</link>
    <pubDate>Sat, 01 Aug 2026 10:33:50 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/29173</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/692-2.jpg" />    <p>নিউইয়র্কে প্রথম বারের মতো আগামী ৯ আগস্ট রোববার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে সাউথ এশিয়ান ইউনিটি প্যারেড। এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সম্প্রীতির বন্ধন বাড়াতে নেয়া এ প্যারেড সফল করতে এক প্রস্তুতি সভা গত ২৯ জুলাই জ্যাকসন হাইটসের গোল্ডেন এজ হোম কেয়ারের অফিসে অনুষ্ঠিত হয়।<br />
বাংলাদেশ সোসাইটি আয়োজিত এ প্যারেডের প্রস্তুতি সভায় আয়োজক কমিটি প্যারেড সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়ন করতে শেষ মুহুর্তের বিভিন্ন প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা করেন। প্রস্তুতি সভায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সোসাইটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ও গোল্ডেন এজ হোম কেয়ারের সিইও শাহ নেওয়াজ, প্যারেডের প্রধান সম্বনয়কারী শাহ শহিদুল হক, প্যারেডের মেম্বার সেক্রেটারি মোহাম্মদ আলম নমি, আকতার হোসেন, ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল খালেক, মাকসুদুল হক চৌধুরী, অনিক রাজ, জয় চৌধুরী, লায়ন মতিউর রহমান ও শফি উদ্দীন।<br />
আয়োজকরা জানান, আগামী ৯ আগস্ট জ্যাকসন হাইটসে এই বর্ণাঢ্য এ প্যারেডে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, ভুটানসহ দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের প্রবাসী কমিউনিটির প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন। অনুষ্ঠানের মূল লক্ষ্য হলো পারস্পরিক সম্প্রীতি, সাংস্কৃতিক বন্ধন এবং বহুজাতিক সমাজে দক্ষিণ এশীয় সম্প্রদায়ের ঐক্যকে আরও সুদৃঢ় করা। বিভিন্ন দেশের কমিউনিটির সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করা হচ্ছে। আয়োজন নিয়ে তাদের পরামর্শ নেয়া হচ্ছে। তাদের দেশের মানুষজনের উপস্থিতর উপর জোর দেওয়া হচ্ছে।<br />
আয়োজকরা আরও জানান, প্যারেডে বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন, ব্যবসায়ী, পেশাজীবী এবং কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করবেন। বর্ণিল সাজসজ্জা, নিজ নিজ দেশের ঐতিহ্যবাহী পোশাক, সংগীত ও সংস্কৃতির মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ার বৈচিত্র্য তুলে ধরা হবে।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/692-2.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিউইয়র্কে কাঁঠালিয়া আড্ডায় সুবোধ সরকার]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/29172</link>
    <pubDate>Sat, 01 Aug 2026 10:33:08 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/29172</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/416-3.jpg" />    <p>উত্তর আমেরিকার বৃহস্পতিবারের আড্ডা&mdash;একসময় যা ছিল কয়েকজনের সাপ্তাহিক মিলন, আজ তা পরিণত হয়েছে এক অনন্য সাংস্কৃতিক পরিসরে। এমন এক আড্ডা, যেখানে আলোচনার কোনো নির্দিষ্ট বিষয় নেই, নেই কোনো আনুষ্ঠানিক কার্যসূচি। গল্প থেকে গল্পে, মানুষ থেকে মানুষে, স্মৃতি থেকে স্বপ্নে কথারা নিজেরাই পথ খুঁজে নেয়। হয়তো এ কারণেই এই আড্ডার প্রতি মানুষের টান কখনো কমে না।<br />
<br />
<img alt="" data-mfp-src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/760392354_10245202580184836_5682314389871394239_n.jpg" src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/760392354_10245202580184836_5682314389871394239_n.jpg" /></p>

<p>এই আড্ডা থেকেই জন্ম নিয়েছে কত বিচিত্র আয়োজন। কখনও নিউইয়র্কে ষাটের দশকের সাজে নারীদের মিলনমেলা, কখনও বই নিয়ে আড্ডা, কখনও কবিতার সন্ধ্যা, আবার কখনও করোনা মহামারির অন্ধকার দিনগুলোকে স্মরণ করে আলোকচিত্র প্রদর্শনী। প্রতিটি আড্ডাই যেন পরের আড্ডার জন্ম দেয়, রেখে যায় নতুন কোনো গল্পের বীজ।<br />
<br />
<img alt="" data-mfp-src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/760366504_10245202591985131_4852910100141871736_n.jpg" src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/760366504_10245202591985131_4852910100141871736_n.jpg" /></p>

<p>এবারের আয়োজন ছিল একেবারেই ব্যতিক্রমী&mdash;বাংলাদেশের জাতীয় ফল কাঁঠালকে ঘিরে &quot;কাঁঠালিয়া আড্ডা&quot;।<br />
<br />
<img alt="" data-mfp-src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/760014503_10245202576664748_5099818660168002102_n.jpg" src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/760014503_10245202576664748_5099818660168002102_n.jpg" /></p>

<p data-added-after="1">৩০ জুলাই বৃহস্পতিবার হিলসাইডের ইলহাম একাডেমির মিলনায়তনে বিকেলের শেষ আলোয় শুরু হয় এই ব্যতিক্রমী আয়োজন। প্রথম আলো ফাউন্ডেশনের রাশিদা আখতার শুরু থেকেই ব্যস্ত ছিলেন আয়োজনের প্রস্তুতিতে। ঠিক সময়মতো এসে পৌঁছান কমিউনিটির বিশিষ্টজন নাসির খান পল ও নিলুফার খান। এরপর একে একে ভরে ওঠে মিলনায়তন। কাঁঠালের সুবাস যেন পথচারীদেরও কৌতূহলী করে তোলে। কেউ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খবর পেয়ে ছুটে আসেন, কেউ আবার পরিচিতদের আমন্ত্রণে যোগ দেন এই অভিনব আড্ডায়।<br />
<br />
<img alt="" data-mfp-src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/760069379_10245202589745075_3494027693474940245_n.jpg" src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/760069379_10245202589745075_3494027693474940245_n.jpg" /></p>

<p>অনেকেই কাঁঠালের রঙের শাড়ি পরে এসেছিলেন&mdash;হলুদ, সবুজ আর সোনালির নানা ছায়ায়। চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছিল পাকা কাঁঠালের ঘ্রাণ। মনে হচ্ছিল, পৃথিবীর সবচেয়ে দামি সুগন্ধিও সেদিন হার মেনেছিল এই দেশি ফলের সহজ-সরল সুবাসের কাছে।<br />
<br />
<img alt="" data-mfp-src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/760964578_10245202564384441_4618300811538564361_n.jpg" src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/760964578_10245202564384441_4618300811538564361_n.jpg" /></p>

<p>আড্ডায় ছিল গান, কবিতা, হাসি, স্মৃতিচারণ আর শৈশবের গল্প। কেউ বলছিলেন গ্রামের বাড়ির বিশাল কাঁঠাল গাছের কথা, কেউ স্মরণ করছিলেন কাঁঠাল খেতে গিয়ে হাতে লেগে থাকা আঠার কথা। ভালোবাসা ছিল, বিরক্তিও ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সবাই একমত&mdash;কাঁঠাল বাঙালির শৈশব, গ্রামবাংলা আর শেকড়ের আরেক নাম।<br />
<br />
<img alt="" data-mfp-src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/759808935_1200364699835311_6321350016670206486_n.jpg" src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/759808935_1200364699835311_6321350016670206486_n.jpg" /></p>

<p data-added-after="1">আড্ডার অন্যতম আকর্ষণ ছিলেন বাংলা ভাষার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমকালীন কবি সুবোধ সরকার। অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে তিনি বলেন, &quot;আম নিয়ে অনেক অনুষ্ঠান ও উৎসবের কথা শুনেছি। কিন্তু কাঁঠালকে নিয়ে এমন আড্ডা বা উৎসব এবারই প্রথম দেখলাম।&quot; কথা প্রসঙ্গে তিনি প্রয়াত সাহিত্যিক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের একটি বহুল উদ্ধৃত বক্তব্য স্মরণ করেন। তাঁর ভাষায়, &quot;সুনীলদা বলতেন, বাংলা ভাষা যদি পৃথিবীতে টিকে থাকে, তাহলে বাংলাদেশিদের জন্যই টিকে থাকবে।&quot;<br />
<br />
<img alt="" data-mfp-src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/758952473_939273099198137_7065281174023256301_n.jpg" src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/758952473_939273099198137_7065281174023256301_n.jpg" /></p>

<p>বিশ্বকাপে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে দায়িত্ব পালনের স্মারক কবি সুবোধ সরকারের হাতে তুলে দেন সম্পাদক ইব্রাহীম চৌধুরী খোকন।<br />
<br />
<img alt="" data-mfp-src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/759224680_10245202577464768_8007651094857735544_n.jpg" src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/759224680_10245202577464768_8007651094857735544_n.jpg" /></p>

<p>খ্যাতিমান বাচিকশিল্পী ডা. ফারুক আজম তাঁর কণ্ঠে কবিতাকে নতুন আবেগে প্রাণবন্ত করে তোলেন। অনুষ্ঠানে কবিতা আবৃত্তি করেন কবি ধনঞ্জয় সাহা।<br />
<br />
<img alt="" data-mfp-src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/759808963_1082353800813625_4289898630866230355_n.jpg" src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/759808963_1082353800813625_4289898630866230355_n.jpg" /></p>

<p data-added-after="1">খাবারের টেবিলেও ছিল দেশীয় আবহ। নিউইয়র্কের প্রথম বাঙালি নারী রিয়েল এস্টেট এজেন্ট ও লেখক সেলিনা উদ্দিন নিয়ে এসেছিলেন বিরনি চালের পায়েস। সঙ্গে ছিল দুধ, দই, চিড়া, মুড়ি এবং অফুরন্ত আন্তরিকতা। সামসুন ফাওজিয়া কাঁঠালের ইঁচড় রান্না করে নিয়ে এসেছেন ব্রংক্স থেকে। &nbsp;নিউজার্সি থেকে মোহাম্মদ চৌধুরী ও তাহনিনা চৌধুরী তাঁদের আঙিনার বাগানে ফলানো তাজা শাকসবজি পাঠিয়ে ভালোবাসার অংশীদার হন।&nbsp;কাঁঠাল নিয়ে নিউইয়র্কে অনুষ্ঠানের প্রথম পরিকল্পক লেখক নুরুল খান সম্পূর্ণ কাঁঠাল আয়োজনের সহযোগিতায় এগিয়ে আসেন।&nbsp;</p>

<p>অনুষ্ঠানের আরেকটি স্মরণীয় মুহূর্ত ছিল সদ্য সমাপ্ত ফিফা বিশ্বকাপে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে দায়িত্ব পালনের স্বীকৃতি। ফিফা প্রেসিডেন্টের স্বাক্ষরিত স্বেচ্ছাসেবক সনদ ইব্রাহীম চৌধুরী খোকন ও আবু বকর সিদ্দিকীর হাতে তুলে দেন প্রথম আলো উত্তর আমেরিকার সাংবাদিক ও লেখকেরা। উপস্থিত সবাই করতালির মধ্য দিয়ে মুহূর্তটিকে স্মরণীয় করে রাখেন। দূরের কয়েকটি অঙ্গরাজ্য থেকেও অনেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন। প্রযুক্তি সেদিন ভৌগোলিক দূরত্বকে হার মানিয়েছিল। ইলহাম একাডেমির কর্ণধার সাংবাদিক মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ ধর্মগ্রন্থ থেকে ফলের গুরুত্ব নিয়ে উদ্ধৃতি তুলে ধরে অতিথিদের স্বাগত জানান।</p>

<p data-added-after="1">অনুষ্ঠানে সেনেগাল থেকে আসা ফাতিমা নিয়াস বাংলাদেশিদের একটি ফলকে ঘিরে এমন উচ্ছ্বাস ও ভালোবাসা দেখে বিস্ময় প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকেন ও বক্তব্য রাখেন ফখরুল ইসলাম দেলোয়ার, মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ, রাজিয়া নাজমী, ভায়লা সালিনা, শেলী জামান খান, গীতিকার মাহফুজ, সুলতানা ফেরদৌসী, শিহাব নূরী, মো. মোস্তাফিজুর রহমান, ফরিদা ইয়াসমিন, মো. আবু বকর সিদ্দিক, রাবেয়া খান, মনি লতিফ, মিনু লতিফ, রুনু লতিফ, মনজুরুল হক, রুদ্র মাসুদ, ইশতেহাক চৌধুরী, সাদাত কবির, নুজহাত, মৌসুমী কাপালী, সোহানা নাজনীন, মাহবুব রহমান, মিয়া এম. আসকির, ডা. ফারুক আজম, লুৎফুর চৌধুরী হেলাল, পল খান, স্বপ্না খান, ফরিদা ইয়াসমিন, রোকেয়া দীপা, এম. মাহিন কাঞ্চন, সামসুন ফওজিয়া, সালমা ফেরদৌস, জেবুননেছা জ্যোৎস্না, আবুল মনসুর খান, জেসমিন আক্তার, মুহাম্মদ আব্দুল কাইয়ুম, জেসমীন আক্তার, আদিবা ভূঁইয়া, হুমায়ুন কবীর লিটন, শেলিনা উদ্দিন, রওশন হক, সুনতানা ফেরদৌসী, মকবুল হক, মাহমুদুল্লাহ, সৈয়দ উতবা, মো. ফয়সল, শাহ পলাশ, নিলুফার খান, জাকির হোসেন, মোহাম্মদ কলিম, সুলতানা, কে. এম. ফজলুল হক (ঝুমা), রানা, সুমনা বাকের, শান্তনু সাজ্জাদ, আরিফ আহমেদ অর্ণব, সজল রোশন, ওয়াহিদা শামসুন বাঁধন, সেন্টু চৌধুরী, মারিয়া মরিয়ম (মিনার), রশীদ হক, মঈন ইলিয়াস খসরু, মানস চৌধুরী, ইসমাইল সিদ্দিক, মফিজা সুলতানা, ফকু চৌধুরী, দেওয়ান নাসের, নুরুল খান, মুকুল হক, জয় আচার্যি, ওয়াহিদা শামসুন।</p>

<p>নিউইয়র্কের প্রবীণ প্রবাসী নাসির খান পল বলেন, &quot;প্রথম আলোর কাঁঠালিয়া আড্ডার মধ্য দিয়ে একটি নতুন সাংস্কৃতিক ধারার সূচনা হলো। আগামী দিনে এই আড্ডা আরও বিস্তৃত হবে এবং এর মধ্য দিয়ে আমরা আমাদের শেকড়কে আরও ঘনিষ্ঠভাবে খুঁজে পাব।&quot;</p>

<p>সেলিনা উদ্দিন বলেন, প্রথম আলোর এই কাঁঠালিয়া আড্ডা নিউইয়র্কের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। এ ধরনের সৃষ্টিশীল আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পেরে তিনি আনন্দিত।</p>

<p data-added-after="1">ইব্রাহীম চৌধুরী খোকনের সঞ্চালনায় প্রায় দুই ঘণ্টার আড্ডা শেষ হলেও আড্ডার রেশ রয়ে যায় সবার মনে। বিদায়ের সময় অনেকের মুখেই ছিল একই প্রশ্ন&mdash;পরের আড্ডা কবে, আর কী নিয়ে? হয়তো এটাই এই আড্ডার সবচেয়ে বড় সার্থকতা। কারণ প্রবাসে মানুষ বড় কোনো জাতীয় দিবসের চেয়ে কখনও কখনও বেশি করে নিজের দেশকে খুঁজে পায় কাঁঠালের গন্ধে, শৈশবের কোনো স্বাদে কিংবা এক কাপ চায়ের পাশে অকারণ শুরু হয়ে যাওয়া এক টুকরো আড্ডায়। সেই কারণেই এই আড্ডার কোনো কার্যবিবরণী লেখা হয় না। লেখা থাকে শুধু মানুষের মনে&mdash;কিছু মুখ, কিছু হাসি, কিছু কবিতা, কিছু গান আর কিছু গন্ধ; যেগুলো সময়ের সঙ্গে মুছে যায় না, বরং পরের বৃহস্পতিবারের অপেক্ষাকে আরও গভীর করে তোলে।</p>

<p>অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে বক্তব্য রাখেন প্রথম আলো উত্তর আমেরিকার নির্বাহী সম্পাদক মনজুরুল হক। প্রথম আলো উত্তর আমেরিকা, প্রথম আলো ইউএসএ ফাউন্ডেশন ও দেশি ট্রিবিউন ডট কম আয়োজিত কাঁঠালিয়া আড্ডায় সহযোগিতা করেছেন লেখক নুরুল খান।&nbsp;</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/416-3.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ভিসা ইস্যুতে ক্ষতিগ্রস্ত আমিরাত প্রবাসীদের জন্য দূতাবাসের জরুরি বার্তা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/29171</link>
    <pubDate>Sat, 01 Aug 2026 10:32:20 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/29171</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/825-99.jpg" />    <article>
<p>সংযুক্ত আরব আমিরাতে সম্প্রতি ভিসা বাতিল হয়ে ক্ষতিগ্রস্ত প্রবাসী বাংলাদেশিদের তথ্য সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়েছে আবুধাবিতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস। শুক্রবার (৩১ জুলাই) এক বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে দূতাবাস এ উদ্যোগের কথা জানিয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>দূতাবাস জানায়, সম্প্রতি বিভিন্ন মাধ্যমে কিছু প্রবাসী বাংলাদেশির ভিসা বাতিলের খবর দূতাবাসের নজরে এসেছে। উদ্ভূত পরিস্থিতি দূতাবাস নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। এ অবস্থায় সঠিক, নির্ভরযোগ্য ও হালনাগাদ তথ্যভাণ্ডার তৈরির লক্ষ্যে ভিসা বাতিল হয়ে ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশিদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য চেয়েছে দূতাবাস।&nbsp;</p>

<p>বাংলাদেশ দূতাবাসের পক্ষ থেকে ভুক্তভোগী প্রবাসীদের নাম, পাসপোর্টের বিবরণ, ভিসা বাতিলের সুনির্দিষ্ট তথ্যসহ প্রয়োজনীয় বিবরণ দ্রুত দূতাবাসের সরকারি ই-মেইলে পাঠানোর অনুরোধ করা হয়েছে।</p>
</article>

<article>দূতাবাসের সরকারি ই-মেইল ঠিকানা mission.abudhabi@mofa.gov.bd।
<p>&nbsp;</p>

<p>দূতাবাস জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত প্রবাসীদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।</p>

<p><img alt="২" height="577" src="https://asset.kalerkantho.com/public/news_images/share/photo/shares/online/2026/07/31/my1130/761150976_122130626979174143_6739269536162898427_n.jpg" width="408" /></p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/825-99.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[থ্যালাসেমিয়া শনাক্তে গ্রাম পর্যন্ত স্ক্রিনিং চালুর আহ্বান জুবাইদা রহমানের]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29170</link>
    <pubDate>Sat, 01 Aug 2026 10:29:00 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29170</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1018-88.jpg" />    <article>
<p>থ্যালাসেমিয়া ও অন্যান্য জন্মগত বিরল রোগ দ্রুত শনাক্ত এবং কার্যকর প্রতিরোধে ইউনিয়ন ও গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত স্ক্রিনিং কার্যক্রম সমপ্রসারণের আহ্বান জানিয়েছেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান। একই সঙ্গে তিনি থ্যালাসেমিয়া রোগীদের জন্য একটি জাতীয় ডেটাবেজ ও রেজিস্টার তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>শুক্রবার (৩১ জুলাই) রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (আইইবি) মিলনায়তনে বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতি আয়োজিত &lsquo;রক্তদাতা সম্মাননা-২০২৬&rsquo; অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।</p>

<p>জুবাইদা রহমান বলেন, দেশে থ্যালাসেমিয়া ও অন্যান্য জন্মগত বিরল রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের নিয়ে একটি সমন্বিত জাতীয় ডেটাবেজ তৈরি এবং নিয়মিত রোগী নিবন্ধন (রেজিস্টার) সংরক্ষণ সময়ের দাবি। এতে রোগের প্রকৃত চিত্র জানা, চিকিৎসা পরিকল্পনা গ্রহণ এবং নীতিনির্ধারণ সহজ হবে।</p>

<p>তিনি বলেন, অন্তঃসত্ত্বা অবস্থাতেই স্ক্রিনিংয়ের মাধ্যমে থ্যালাসেমিয়া শনাক্ত করা সম্ভব।</p>
</article>

<article>পাশাপাশি যেকোনো বয়সেই পরীক্ষার মাধ্যমে রোগটি নির্ণয় করা যায়। তাই জেলা সদর হাসপাতাল, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে শুরু করে গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত স্ক্রিনিং ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম বিস্তৃত করার আহ্বান জানান তিনি।
<p>&nbsp;</p>

<p>জুবাইদা রহমানের মতে, সরকার যে এক লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের উদ্যোগ নিয়েছে, তাদের থ্যালাসেমিয়া সম্পর্কে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হলে প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্তকরণ, রোগীকে পরামর্শ দেওয়া এবং পরিবারকে প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করা সহজ হবে।</p>

<p>তিনি আরো বলেন, শনাক্ত রোগীদের থ্যালাসেমিয়া মেজর, থ্যালাসেমিয়া মাইনর ও থ্যালাসেমিয়া ট্রেইট এই তিন শ্রেণিতে ভাগ করে চিকিৎসা ও পরামর্শ দিলে রোগী ও তাদের পরিবারের উদ্বেগ অনেকটাই কমবে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>স্বেচ্ছায় রক্তদাতাদের ভূয়সী প্রশংসা করে তিনি বলেন, থ্যালাসেমিয়া রোগীদের জীবন বাঁচাতে তাদের অবদান অনন্য। তিনি নিজের মেয়ে জাইমা রহমানের কথাও উল্লেখ করেন, যিনি এ পর্যন্ত সাতবার স্বেচ্ছায় রক্তদান করেছেন।</p>

<p>ডা. জুবাইদা রহমান ১৯৮৯ সাল থেকে থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের পাশে থাকার জন্য বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতির সদস্যদের ধন্যবাদ জানান এবং এই মানবিক উদ্যোগ আরো বিস্তৃত করার আহ্বান জানান।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1018-88.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[আজ থেকে সব গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29169</link>
    <pubDate>Sat, 01 Aug 2026 10:27:37 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29169</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1141-77.jpg" />    <p>নিরাপদ সড়ক পরিবহন ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে দেশের সব গণপরিবহনে আজ শনিবার (১ আগস্ট) থেকে গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম (জিপিএস) সংযুক্ত করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।&nbsp;</p>

<p>সম্প্রতি এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)।</p>

<p>প্রতিষ্ঠানটি জানায়, গণপরিবহন ব্যবস্থায় আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সমন্বয়ের মাধ্যমে নিরাপদ সড়ক পরিবহন ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে দেশের সব গণপরিবহনে ১ আগস্ট জিপিএস সংযুক্ত ও তা বাধ্যতামূলকভাবে চালু রাখতে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ গত ১১ জুন এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>জিপিএস-ডিভাইসের কারিগরি বিবরণ বিআরটিএর স্থানীয় অফিস থেকে সরাসরি অথবা বিআরটিএর ওয়েবসাইট (www.brta.gov.bd) এ পাওয়া যাচ্ছে। ১ আগস্ট থেকে রেজিস্ট্রেশন ও ফিটনেস দেওয়ার সময় জিপিএস সংযোজন সংক্রান্ত প্রমাণ বা কাগজপত্র সংশ্লিষ্ট বিআরটিএ অফিসে জমা ও মোবাইল অ্যাপস প্রদর্শনের জন্য গণপরিবহনের মালিক বা প্রতিনিধিদেরকে অনুরোধ করা হলো।</p>

<p>সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ এর ধারা-২৫ এবং সড়ক পরিবহন বিধিমালা, ২০২২ এর বিধি-৫৫ অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট গণপরিবহনে জিপিএস সংযুক্ত করা হয়েছে তা নিশ্চিত হয়ে গণপরিবহনের রেজিস্ট্রেশন প্রদান ও ফিটনেস সনদ নবায়ন করা হবে বলেও জানিয়েছে বিআরটিএ।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1141-77.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বাংলাদেশে উগ্রবাদ-মৌলবাদের কোনো স্থান নেই: মির্জা ফখরুল]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29168</link>
    <pubDate>Sat, 01 Aug 2026 10:26:06 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29168</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1258-66.jpg" />    <p>বাংলাদেশে উগ্রবাদ-মৌলবাদের কোনো স্থান নেই বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।</p>

<p>শুক্রবার (৩১ জুলাই) রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে সম্মিলিত সনাতন পরিষদের আয়োজনে &lsquo;সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা বিধান&rsquo; শীর্ষক মতবিনিময় সভা ও প্রতিনিধি সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।</p>

<p>মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বাংলাদেশে ধর্মের নামে বিভাজনের কোনো সুযোগ নেই। এ দেশ হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানসহ সব ধর্মের মানুষের সমান অধিকার ও মর্যাদার দেশ। ধর্মকে কেন্দ্র করে বিভেদ সৃষ্টির মাধ্যমে কেউ যেন সমাজে অস্থিরতা তৈরি করতে না পারে, সে বিষয়ে সরকার সর্বোচ্চ সতর্ক রয়েছে।</p>

<p>স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, হাজার বছর ধরে এ ভূখণ্ডে বিভিন্ন ধর্মের মানুষ সম্প্রীতির সঙ্গে বসবাস করে আসছে। তাই ধর্মের ভিত্তিতে মানুষকে বিভক্ত করার কোনো সুযোগ নেই।</p>

<p>তিনি বলেন, আমি কখনোই আপনাদের সংখ্যালঘু মনে করি না। আপনারা এ দেশের সন্তান, এ দেশের নাগরিক।</p>

<p>মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধ ছিল সব মানুষের স্বাধীনতা, মর্যাদা ও অর্থনৈতিক মুক্তির সংগ্রাম। সেই চেতনা ধারণ করেই একটি গণতান্ত্রিক, অসাম্প্রদায়িক ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। ধর্মীয় পরিচয় নয়, নাগরিক পরিচয়ই হবে রাষ্ট্রের মূল ভিত্তি।</p>

<p>মন্ত্রী বলেন, একটি মহল ধর্মের নামে বিভেদ সৃষ্টি করে দেশের সম্প্রীতি নষ্ট করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।</p>

<p>এ ধরনের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশে উগ্রবাদ ও মৌলবাদের কোনো স্থান নেই। আমরা একটি উদার, গণতান্ত্রিক ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই।</p>

<p>সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর সব ধর্মাবলম্বীর জানমাল ও উপাসনালয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দুর্গাপূজা, রথযাত্রাসহ বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানে সরকার সর্বাত্মক সহযোগিতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে, যাতে কোনো দুর্বৃত্ত সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করতে না পারে।</p>

<p>সনাতন সম্প্রদায়ের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, নিজেদের সমস্যা ও দাবি সংগঠিতভাবে সরকারের কাছে তুলে ধরতে হবে। সরকার আলোচনা ও সংলাপের মাধ্যমে যৌক্তিক দাবিগুলোর ইতিবাচক সমাধানে আন্তরিকভাবে কাজ করবে।</p>

<p>মন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাস ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে এগিয়ে নিতে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করতে হবে। একই সঙ্গে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আত্মত্যাগের ইতিহাসও স্মরণ রাখতে হবে। ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজন নয়, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সম্প্রীতি ও সমঅধিকারের ভিত্তিতেই এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ।</p>

<p>অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, ময়মনসিংহ-৮ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুল্লাহেল মাজেদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় সংগঠনের নেতারা।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1258-66.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[স্পেনের অভিবাসন সংকট নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে ট্রাম্পের সতর্কবার্তা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29167</link>
    <pubDate>Sat, 01 Aug 2026 10:25:27 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29167</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1361-55.jpg" />    <article>
<p>স্পেনের সিউটা অঞ্চলে অনিয়ন্ত্রিত অভিবাসীদের আকস্মিক আগমনকে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি সতর্কবার্তা হিসেবে উল্লেখ করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি দাবি করেন, আসন্ন নির্বাচনে তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ ডেমোক্র্যাটরা ক্ষমতায় এলে যুক্তরাষ্ট্রকেও একই পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে।</p>
</article>

<article><a href="https://www.ndtv.com/world-news/remember-that-picture-trump-says-spain-migrant-crisis-warning-for-us-11849829?pfrom=home-ndtvworld_world_top_scroll&amp;fbclid=IwY2xjawTaNPtleHRuA2FlbQIxMABicmlkETFSWTBsUEZZb3RxOTR5c1dac3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHnDVJxD1L0s9--B_MT65yP4u04IESdJ7SSRkK-JQaaLaIylO784Sq2yniF4S_aem_o3TY7ZbrKLwYXQya2yhkfQ">ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন</a>, সেখানকার ছবিগুলো ভয়াবহ। ডেমোক্র্যাটরা ক্ষমতায় এলে তিন বছর পর আমাদের দেশের অবস্থাও একই হবে। তাদের অধীনে জনগণ ভালো থাকতে পারবে না।

<p>&nbsp;</p>

<p>মরক্কোর উপকূলে অবস্থিত স্পেনের নিয়ন্ত্রণাধীন ক্ষুদ্র ভূখণ্ড সিউটার বর্তমান পরিস্থিতির সঙ্গে নিজেদের কঠোর অভিবাসন নীতির তুলনা টেনেছে হোয়াইট হাউস।</p>
</article>

<article>রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক জনমত জরিপে সমর্থন কমতে থাকায় এবং নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনকে সামনে রেখে রিপাবলিকানরা অভিবাসন ইস্যুটিকে রাজনৈতিকভাবে কাজে লাগানোর চেষ্টা করছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সিউটার ভিডিও শেয়ার করে&nbsp;ট্রাম্পের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেন, এই ঘটনা চরম বামপন্থী বিশ্বায়নবাদী নীতিরই ব্যর্থতা। অন্যদিকে&nbsp;ট্রাম্পের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা স্টিফেন মিলার দাবি করেন, ডেমোক্র্যাটরা ক্ষমতায় এলে বহিরাগতরা আমেরিকানদের ঘরবাড়ি দখল করে নেবে। সব মিলিয়ে আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে স্পেনের এই সংকটকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহারের চেষ্টা করছেন মার্কিন রিপাবলিকান নেতারা।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1361-55.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ভুল ব্যক্তি ফিফার নেতৃত্ব দিচ্ছে, অবিলম্বে তার পদত্যাগ করা উচিত : ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29166</link>
    <pubDate>Sat, 01 Aug 2026 10:24:47 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29166</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1425-44.jpg" />    <article>
<p>বিশ্বকাপের অংশীদারি বিক্রি করতে চেয়ে ফিফার প্রস্তাবে ফুঁসে উঠেছে গোটা ফুটবল বিশ্ব। প্রস্তাবটির তীব্র নিন্দা জানিয়ে নাকোচ করে দিয়েছে ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা এবং এশিয়ার ফুটবল সংস্থা।</p>
</article>

<article>ক্রমবর্ধমান সমালোচনার মুখে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম বলেছেন, ফিফার নেতৃত্ব দেওয়া ইনফান্তিনো হচ্ছে &lsquo;ভুল ব্যক্তি&rsquo;। অবিলম্বে তার পদত্যাগ করা উচিত।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>ফিফা বিশ্বকাপের অংশীদারি বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে বিক্রি করার বিতর্কিত পরিকল্পনার পর এই তীব্র সমালোচনা ও রাজনৈতিক চাপ তৈরি হয়েছে। <a href="https://www.bbc.com/sport/football/articles/ce345l6kg6ro">খবর বিবিসি</a>&nbsp;</p>

<p>প্রস্তাবটি প্রথম ঘোষণার পরই সমালোচনা করেছিলেন বার্নহ্যাম।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>শুক্রবার (৩১ জুলাই) শেফিল্ডে একটি কমিউনিটি সেন্টার পরিদর্শনকালে ফিফার এই প্রস্তাবকে একটি অগ্রহণযোগ্য ও আপত্তিকর পরামর্শ বলে অভিহিত করেন নবনিযুক্ত ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী।&nbsp;</p>

<p>ফুটবলপ্রেমী হিসেবে পরিচিত বার্নহ্যাম বলেন, &lsquo;ফুটবল কোনো বিনিয়োগকারীদের সম্পত্তি নয়, এটি সমর্থকদের। এই ধরনের একটি পরিকল্পনা টেবিলে নিয়ে আসাই প্রমাণ করে যে ইনফান্তিনো এই পদের জন্য সম্পূর্ণ অযোগ্য।&rsquo;</p>

<p>ইউরোপ এবং উত্তর, মধ্য আমেরিকা ও ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের সংগঠনগু</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1425-44.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[মার্কিন-ইসরায়েলি জ্বালানি স্থাপনায় আঘাতের হুঁশিয়ারি ইরানের]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29165</link>
    <pubDate>Sat, 01 Aug 2026 10:24:07 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29165</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1511-33.jpg" />    <article>
<p><a href="https://aninews.in/news/world/middle-east/kind-of-madness-iran-vows-to-target-us-israeli-energy-assets-if-attacked-as-trump-weighs-fresh-strikes20260801061545/?fbclid=IwY2xjawTaPClwZG9mAWV4dG4DYWVtAjEwAGJyaWQRMWdmbXBrRjhOMEhPb25BOUhzcnRjBmFwcF9pZBAyMjIwMzkxNzg4MjAwODkyAAEescaJE6OtbrIO52PttbwmaW9wErumbb5jgWs-XoqlDnkAwXafp3SjAdieqEY_aem_RZmZmnWO1aZFQRGWzSGBSA">ইরানের </a>ওপর নতুন করে সামরিক হামলা হলে ইসরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি স্থাপনায় পাল্টা হামলা চালানো হবে বলে সতর্ক করেছে তেহরান। দেশটির দাবি, এমন পরিস্থিতির জন্য তারা পুরোপুরি প্রস্তুত এবং প্রয়োজন হলে আগে থেকেই তৈরি করা পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>এই সতর্কবার্তা এমন সময় এসেছে, যখন বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে নতুন সামরিক অভিযান চালাতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সমন্বয় করছে। শুক্রবার ইরানের আধা-সরকারি তাসনিম সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া এক বক্তব্যে দেশটির এক জ্যেষ্ঠ নিরাপত্তা কর্মকর্তা বলেন, ইরানের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে সম্ভাব্য হামলার বিষয়ে পশ্চিমা গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরকে তারা &lsquo;এক ধরনের উন্মাদনা&rsquo; হিসেবে দেখছেন। ওই কর্মকর্তা বলেন, সম্ভাব্য যেকোনো হামলার জবাব দিতে ইরান আগে থেকেই বিস্তারিত পাল্টা পরিকল্পনা তৈরি করেছে। এই পরিকল্পনায় ইসরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি স্থাপনাগুলোকেও লক্ষ্যবস্তু হিসেবে রাখা হয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/sport/2026/08/01/1719290" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>তিনি আরো বলেন, কেউ যদি ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নিয়ে পরিস্থিতি আরও উত্তেজনাপূর্ণ করে তোলে, তাহলে তেহরান তাৎক্ষণিকভাবে সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে প্রস্তুত। ইরানের ওই কর্মকর্তা দাবি করেন, গত ৪০ দিনের যুদ্ধ এবং পরবর্তী সংঘর্ষে দেশটির সশস্ত্র বাহিনী তাদের সামরিক সক্ষমতা ও প্রতিশোধমূলক অভিযান চালানোর দৃঢ়তা দেখিয়েছে। তাই ভবিষ্যতে প্রয়োজন হলে একই ধরনের পদক্ষেপ নিতেও তারা সক্ষম। এর আগে বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের লক্ষ্যবস্তুতে আবারও হামলার প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।</p>
</article>

<article>এরপর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সামরিক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।
<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে শুক্রবার &#39;দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল&#39; জানায়, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নতুন হামলার নির্দেশ দিয়েছেন এবং এ সপ্তাহের শেষেই অভিযান শুরু হতে পারে। একই সঙ্গে তিনি ইরানকে সতর্ক করে বলেন, তেহরান যদি আবার আলোচনায় না ফেরে, তাহলে তাদের বড় ধরনের সামরিক পদক্ষেপের মুখোমুখি হতে হবে। শুক্রবার ক্যাম্প ডেভিডে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকেও সম্ভাব্য অভিযানের ইঙ্গিত দেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে &lsquo;খুব কঠোরভাবে&rsquo; হামলা চালাবে।</p>
</article>

<article>পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, শেষ পর্যন্ত ইরান এমন অবস্থায় পৌঁছাবে, যখন তারা আর এই চাপ সহ্য করতে পারবে না।
<p>&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/campus-online/2026/08/01/1719289" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে বাড়তে থাকা উত্তেজনার মধ্যে দুই পক্ষের এমন কঠোর বক্তব্য নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, নতুন করে সামরিক অভিযান শুরু হলে তা শুধু ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নাও থাকতে পারে। বরং পুরো মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে বড় ধরনের সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনা, কৌশলগত অবকাঠামো এবং আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1511-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[গাজার প্রস্তাবিত শান্তিচুক্তিকে স্বাগত জানাল ইউরোপীয় ইউনিয়ন]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29164</link>
    <pubDate>Sat, 01 Aug 2026 10:22:12 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29164</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1552-22.jpg" />    <article>
<p>গাজায় ইসরায়েলের যুদ্ধ পুরোপুরি বন্ধ করার লক্ষ্যে প্রস্তাবিত শান্তিচুক্তির খসড়াকে স্বাগত জানিয়েছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক প্রধান কাজা কালাস।</p>

<p>শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেওয়া <a href="https://x.com/kajakallas/status/2083188737098297709?s=20">এক পোস্টে</a> কালাস বলেন, এই চুক্তি সফল করতে হলে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে এর প্রতি পূর্ণ প্রতিশ্রুতি দেখাতে হবে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি বলেন, &lsquo;হামাস চুক্তি মেনে চলছে কি না, তা যাচাই করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ হবে। একই সঙ্গে ইসরায়েলকে শেষ পর্যন্ত গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহার করতে হবে।&rsquo;</p>

<p>কালাসের মতে, প্রস্তাবিত শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নের জন্য উভয় পক্ষের আন্তরিক সহযোগিতা এবং চুক্তির শর্ত মেনে চলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1552-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[গ্র্যামি থেকে সরে দাঁড়ানো নিয়ে বিতর্ক, কেন এমন সিদ্ধান্ত নিল বিটিএস?]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/29163</link>
    <pubDate>Sat, 01 Aug 2026 10:21:27 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/29163</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1650-11.jpg" />    <article>
<article>
<p>আগামী গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডসে নিজেদের কোনো গান জমা না দেওয়ার সিদ্ধান্ত জানিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার জনপ্রিয় কে-পপ ব্যান্ড বিটিএস। আর এই ঘোষণার পরই বিশ্বজুড়ে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা।</p>
</article>

<article>ভক্তদের একাংশ মনে করছেন, রেকর্ডিং একাডেমির নতুন &lsquo;বেস্ট এশিয়ান পপ মিউজিক পারফরম্যান্স&rsquo; বিভাগ চালুর প্রতিবাদেই এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে ব্যান্ডটি।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>তবে গ্র্যামির সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের দাবি, নতুন বিভাগটি বিশেষভাবে বিটিএসকে লক্ষ্য করে তৈরি করা হয়নি।</p>

<p>বিটিএসের সাত সদস্য আরএম, জিন, সুগা, জে-হোপ, জিমিন, ভি ও জাংকুক আলাদা আলাদা ইনস্টাগ্রাম পোস্টে একই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। তাঁদের বক্তব্য, &lsquo;আমরা আশা করি, অঞ্চল বা ভাষার সীমার বাইরে গিয়ে সংগীতকে তার নিজস্ব মূল্যেই শোনা ও গ্রহণ করা হবে।</p>
</article>

<article>&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>বিটিএসের এই সিদ্ধান্তের পর তাদের ভক্তরাও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পাশাপাশি সংগীতের চার্টে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। ব্যান্ডটির &lsquo;অ্যারিরাং&rsquo; অ্যালবামের &lsquo;এলিয়েনস&rsquo; গানটি এ সপ্তাহে ৭৮টি অঞ্চলের আইটিউনস সং চার্টে শীর্ষস্থান দখল করেছে। গানটির বিষয়বস্তুতেও নিজেদের &lsquo;বহিরাগত&rsquo; হিসেবে চিহ্নিত করা এবং সেই পরিচয়কে নিজেদের শক্তিতে পরিণত করার বার্তা রয়েছে।</p>

<p><strong>নতুন বিভাগ নিয়েই কি আপত্তি?</strong></p>

<p>অনেকের ধারণা, গ্র্যামিতে নতুন &lsquo;বেস্ট এশিয়ান পপ মিউজিক পারফরম্যান্স&rsquo; বিভাগ চালুর বিষয়টিই বিটিএসের সিদ্ধান্তের পেছনে বড় কারণ।</p>
</article>

<article>সমালোচকদের অভিযোগ, নতুন বিভাগটি বিটিএসসহ অন্যান্য এশীয় শিল্পীদের মূলধারার প্রতিযোগিতা থেকে আলাদা করে একটি উপশ্রেণিতে সীমাবদ্ধ করতে পারে।
<p>&nbsp;</p>

<p>গ্র্যামির নিয়ম অনুযায়ী, একটি গান প্রতি বছর মাত্র একটি পারফরম্যান্স বিভাগে জমা দেওয়া যায়। ফলে এশিয়ান পপ বিভাগে গান জমা দিলে বিটিএসকে &lsquo;বেস্ট পপ ডুও/গ্রুপ পারফরম্যান্স&rsquo; বিভাগে একই গানের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ ছাড়তে হতে পারে। এই বিভাগেই ২০২১ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত তিনবার মনোনয়ন পেয়েও পুরস্কার জিততে পারেনি ব্যান্ডটি।</p>

<p>তবে বিটিএস তাদের বিবৃতিতে গ্র্যামির নতুন বিভাগকে সরাসরি উল্লেখ করেনি।</p>
</article>

<article>বরং অঞ্চল বা ভাষার সীমার বাইরে সংগীতকে তার নিজস্ব মূল্য দিয়ে বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছে।
<p>&nbsp;</p>

<p><strong>&lsquo;পুরস্কার শুধু ট্রফি নয়&rsquo;</strong></p>

<p>সিউল ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির যোগাযোগ বিভাগের অধ্যাপক হং সিওক-কিয়ংয়ের মতে, পুরস্কার শুধু একটি ট্রফি নয়; এর মাধ্যমে কোনো প্রতিষ্ঠান একজন শিল্পী বা শিল্পকে একটি নির্দিষ্ট ধরনের কর্তৃত্ব ও স্বীকৃতি দেয়।</p>

<p>&lsquo;দ্য কোরিয়া হেরাল্ড&rsquo;-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, এই কর্তৃত্ব টিকে থাকে মানুষের সম্মতির ওপর। তাঁর বিশ্লেষণে, বিটিএসের সিদ্ধান্তকে সেই স্বীকৃতি দেওয়ার প্রক্রিয়া থেকে নিজেদের সম্মতি প্রত্যাহারের একটি পদক্ষেপ হিসেবে দেখা যেতে পারে।</p>

<p>হংয়ের মতে, কে-পপের বর্তমান বৈশ্বিক অবস্থান এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে এর জন্য আর মার্কিন সংগীতশিল্পের প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতির ওপর আগের মতো নির্ভর করার প্রয়োজন নেই। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, কে-পপের উত্থান মূলত ভক্তদের শক্তি ও নিজস্ব সাংস্কৃতিক ভিত্তি থেকে তৈরি হয়েছে; পশ্চিমা সমালোচক বা সংগীতশিল্পের গেটকিপারদের অনুমোদন থেকে নয়।</p>

<p><strong>&lsquo;এই বিভাগ বিটিএসের জন্য ছিল না&rsquo;</strong></p>

<p>তবে নতুন বিভাগ তৈরির সঙ্গে যুক্তদের সবাই বিষয়টিকে একইভাবে দেখছেন না। রেকর্ডিং একাডেমির সদস্য জিনা কোডা জানিয়েছেন, নতুন বিভাগটি বিশেষভাবে বিটিএসকে মাথায় রেখে তৈরি করা হয়নি।</p>

<p>সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া একাধিক পোস্টে তিনি লিখেছেন, &lsquo;এটি একটি নতুন বিভাগ এবং এখানে কোনো কিছুই নিখুঁত নয়, আর এর প্রথম সংস্করণটি অনেক দিক থেকেই বিটিএস-এর জন্য আদৌ কোনো বিভাগ ছিল না।&rsquo;</p>

<p>তাঁর মতে, নতুন বিভাগটি এমন শিল্পীদের জন্য তৈরি করা হয়েছে, যারা এখনো পর্যাপ্ত দৃশ্যমানতা ও স্বীকৃতি পাননি। কোডার ভাষায়, এটি &lsquo;দশকের পর দশক ধরে জনপ্রিয় পপ সুপারস্টার নয়&rsquo;-এর জন্য।</p>

<p>এশীয় শিল্পীদের গ্র্যামিতে আরো বেশি দৃশ্যমানতা তৈরির লক্ষ্যে দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টার ফল হিসেবেই নতুন বিভাগটি এসেছে বলে দাবি করেন তিনি। বিজয়ী নির্ধারণে সাধারণ দর্শকের ভোট নয়, বরং সংগীত পেশাজীবী ও শিল্পীদের সমন্বয়ে গঠিত একটি যাচাই করা ভোটিং কমিটি কাজ করে বলেও জানান কোডা।</p>

<p>তবে তিনি স্বীকার করেন, নতুন বিভাগটি চূড়ান্ত সমাধান নয়; বরং সঠিক পথে এগিয়ে যাওয়ার একটি ধাপ।</p>

<p><strong>গ্র্যামির ব্যাখ্যা কী?</strong></p>

<p>বিটিএসের সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই রেকর্ডিং একাডেমিও নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। একাডেমির প্রধান নির্বাহী জানিয়েছেন, কোনো শিল্পী নতুন কোনো জঁরভিত্তিক বিভাগে গান জমা দিলেই তিনি সাধারণ বিভাগ থেকে বাদ পড়ে যান না।</p>

<p>অর্থাৎ, এশিয়ান পপ বিভাগে কোনো গান জমা দিলেও একজন শিল্পী একই সঙ্গে &lsquo;রেকর্ড অব দ্য ইয়ার&rsquo;, &lsquo;অ্যালবাম অব দ্য ইয়ার&rsquo; এবং &lsquo;সং অব দ্য ইয়ার&rsquo;-এর মতো জেনারেল ফিল্ড বিভাগেও বিবেচিত হতে পারেন।</p>

<p><strong>দীর্ঘদিন ধরেই গ্র্যামি নিয়ে প্রশ্ন</strong></p>

<p>গ্র্যামির ক্ষেত্রে বিতর্ক অবশ্য নতুন নয়। কোন শিল্পী বা গানকে শ্রেষ্ঠ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হবে, সেই সিদ্ধান্ত গ্রহণের পদ্ধতি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই প্রশ্ন রয়েছে।</p>

<p>গ্র্যামির মনোনয়ন নির্ধারণ করেন প্রায় ১৫ হাজার ভোটিং সদস্য&mdash;গায়ক, প্রযোজক, প্রকৌশলীসহ সংগীতশিল্পের বিভিন্ন পেশাজীবী। চার্টের অবস্থান বা স্ট্রিমিংয়ের সংখ্যা সরাসরি যোগ্যতার মাপকাঠি হিসেবে বিবেচিত হয় না। ফলে পুরো প্রক্রিয়াটি অনেকটাই ভোটারদের ব্যক্তিগত মূল্যায়ন ও পছন্দের ওপর নির্ভরশীল।</p>

<p>২০২১ সালে গ্র্যামির বিতর্কিত গোপন মনোনয়ন পর্যালোচনা কমিটির বিরুদ্ধে আপত্তি জানিয়ে দ্য উইকেন্ড তাঁর গান জমা দেওয়া বন্ধ করেছিলেন। ভোটিং ব্যবস্থায় পরিবর্তনের পর ২০২৫ সালে তিনি আবার গ্র্যামিতে ফিরে আসেন।</p>

<p>ফ্র্যাঙ্ক ওশানও গ্র্যামির মনোনয়ন ও যাচাই প্রক্রিয়াকে পুরোনো বলে সমালোচনা করেছেন। ২০২৪ সালের গ্র্যামি মঞ্চে জে-জেডও তাঁর স্ত্রী বিয়ন্সে কখনো &lsquo;অ্যালবাম অব দ্য ইয়ার&rsquo; পুরস্কার না পাওয়ার বিষয়টি তুলে ধরেছিলেন।</p>

<p>এ ছাড়া গ্র্যামির নিজস্ব তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সাল পর্যন্ত একাডেমির সদস্যদের মধ্যে পুরুষের সংখ্যা নারীদের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ ছিল। যদিও ২০২৫ সালে নতুন করে যুক্ত হওয়া প্রায় ৩ হাজার ৮০০ সদস্যের অর্ধেকের বয়স ছিল ৩৯ বছর বা তার কম।</p>

<p>সব মিলিয়ে বিটিএসের গ্র্যামিতে গান জমা না দেওয়ার সিদ্ধান্ত শুধু একটি পুরস্কার থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘটনা নয়; এটি সংগীতের বৈশ্বিক স্বীকৃতি, এশীয় শিল্পীদের অবস্থান এবং পশ্চিমা সংগীতশিল্পের দীর্ঘদিনের পুরস্কার কাঠামো নিয়েও নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।</p>
</article>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1650-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[সাবেক স্পিকার জমির উদ্দিন সরকারের স্মরণে নিউইয়র্কে দোয়া মাহফিল ও শোকসভা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/29162</link>
    <pubDate>Fri, 31 Jul 2026 08:56:04 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/29162</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/691-2.jpg" />    <p>সাবেক জাতীয় সংসদ সদস্য, জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার এবং পঞ্চগড়ের কৃতী সন্তান জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে নিউইয়র্কে পঞ্চগড় জেলা কল্যাণ সমিতি ইউএসএ ইনকের উদ্যোগে দোয়া মাহফিল ও শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।</p>

<p>সোমবার (২৭ জুলাই) নিউইয়র্কের ইকরা পার্টি হলে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সমিতির সভাপতি মো. দবিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভা পরিচালনা করেন চৌধুরী আরিফ হাসান।</p>

<p>অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. আব্দুল লতিফ সম্রাট।</p>

<p>বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন নাসির খান পল, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও বিএনপি নেতা মাসুদ রানা, নর্থ বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডা. আব্দুল লতিফ, নিউইয়র্ক মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক রিপন মিয়া, পঞ্চগড় মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যাপক মিজানুর রহমান, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক কোষাধ্যক্ষ জসিম উদ্দিন ভূঁইয়া, বিএনপি নেতা আবু তাহের, আবু তালেব, এবাদ চৌধুরী ও আব্দুস সবুর।</p>

<p data-added-after="1">বক্তারা মরহুম জমির উদ্দিন সরকারের রাজনৈতিক, সামাজিক ও গণতান্ত্রিক কর্মকাণ্ডের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বলেন, তিনি ছিলেন একজন সৎ, দক্ষ ও জনকল্যাণে নিবেদিতপ্রাণ রাজনীতিক। জাতীয় রাজনীতির পাশাপাশি পঞ্চগড়ের উন্নয়নেও তার অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে।</p>

<p>শোকসভা শেষে মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে পঞ্চগড় জেলা কল্যাণ সমিতি ইউএসএ ইনকের নেতাকর্মীসহ প্রবাসী পঞ্চগড়বাসী এবং বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/691-2.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিউইয়র্কে চরমপন্থা ও যুদ্ধ বন্ধে বৈশ্বিক ঐক্যের ডাক বিশ্বধর্মীয় নেতাদের]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/29161</link>
    <pubDate>Fri, 31 Jul 2026 08:55:17 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/29161</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/957-1.jpg" />    <p><img data-mfp-src="https://www.prothomalony.com/images/news/18/17807.jpg" src="https://www.prothomalony.com/images/news/18/17807.jpg" title="" /></p>

<p>&nbsp;</p>

<p>ধর্মের নামে বিভাজন, উগ্রবাদ ও সহিংসতার বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী ঐক্য গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন বিভিন্ন দেশের ধর্মীয় নেতা, গবেষক, নীতিনির্ধারক ও কমিউনিটি ব্যক্তিত্বরা। একই সঙ্গে ফিলিস্তিনের গাজাসহ বিশ্বের বিভিন্ন সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে যুদ্ধ, দখলদারিত্ব ও মানবাধিকার লঙ্ঘন বন্ধে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর ভূমিকা কামনা করা হয়েছে।</p>

<p>শনিবার (২৫ জুলাই) নিউইয়র্কের ব্রুকলিনে &lsquo;জালসা&rsquo; কনভেনশন হলে &lsquo;লাভ অ্যান্ড মার্সি&mdash;দ্য মেসেজ অব অল দ্য প্রফেটস (আ.)&rsquo; শীর্ষক আন্তর্জাতিক শান্তি সম্মেলনে এসব আহ্বান জানানো হয়। সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডাসহ বিভিন্ন দেশের ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব, শিক্ষাবিদ, গবেষক, আন্তঃধর্মীয় সংলাপের প্রতিনিধি, কমিউনিটি নেতা ও প্রবাসী বাংলাদেশিরা অংশ নেন।</p>

<p>সম্মেলনের প্রধান অতিথি ছিলেন আওলাদে রাসূল (সা.), দরবারে গাউছুল আযম মাইজভাণ্ডারীর সাজ্জাদানশীন এবং সুফি ইউনিটি ফর ইন্টারন্যাশনাল সলিডারিটির (এসইউআইএস) প্রেসিডেন্ট হযরত শাহসুফি ড. সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল-হাসানী আল-মাইজভাণ্ডারী।</p>

<p data-added-after="1">তিনি বলেন, আল্লাহর সব নবী-রাসুল মানবজাতিকে ভালোবাসা, ন্যায়বিচার, দয়া, সহনশীলতা ও মানবকল্যাণের শিক্ষা দিয়েছেন। অথচ কিছু চরমপন্থী গোষ্ঠী ধর্মের অপব্যাখ্যা করে ঘৃণা, সহিংসতা ও সন্ত্রাসকে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করছে। তাদের বিরুদ্ধে আলেম-ওলামা, ধর্মীয় নেতা, রাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>গাজায় চলমান মানবিক সংকটের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, নারী, শিশু ও নিরীহ মানুষের ওপর সহিংসতা সমগ্র মানবতার জন্য গভীর উদ্বেগের বিষয়। বিশ্বের যেখানেই যুদ্ধ, দখলদারিত্ব বা নিরপরাধ মানুষের রক্তপাত ঘটুক না কেন, তার বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া নৈতিক দায়িত্ব।</p>

<p>গ্লোবাল সিকিউরিটি ইনস্টিটিউটের প্রেসিডেন্ট ড. আহমদ মুহিউদ্দীন (জনাথন গ্র্যানফ) বলেন, কেবল সামরিক শক্তি দিয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। স্থায়ী শান্তির জন্য নৈতিক নেতৃত্ব, আন্তঃধর্মীয় সহযোগিতা, মানবাধিকার রক্ষা এবং পারস্পরিক আস্থা জরুরি।</p>

<p>ইসলামিক ফোরাম অব কানাডার প্রতিষ্ঠাতা ও প্রেসিডেন্ট শায়খ ফয়সাল হামিদ আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা রহমত, ভারসাম্য ও মানবসেবার। যারা ইসলামের নামে উগ্রবাদ ছড়ায়, তারা ইসলামের প্রকৃত আদর্শ থেকে বিচ্যুত।</p>

<p data-added-after="1">আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত ইউএসএর প্রেসিডেন্ট আল্লামা সৈয়দ জুবায়ের আহমদ বলেন, ধর্ম মানুষের মধ্যে বিভেদ নয়, বরং ঐক্য ও শান্তির বার্তা দেয়। উগ্রবাদ প্রতিরোধে কুরআন-সুন্নাহভিত্তিক সঠিক জ্ঞান ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের বিকাশ জরুরি।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>মইনীয়া যুব ফোরামের সাবেক প্রেসিডেন্ট শাহজাদা সৈয়দ মেহবুব-এ মইনুদ্দীন আল-হাসানী এবং বর্তমান প্রেসিডেন্ট শাহজাদা শায়খ সৈয়দ মাশুক মইনুদ্দীন আল-হাসানী তরুণদের মানবসেবা, নৈতিকতা, আধ্যাত্মিকতা ও সহনশীলতার আদর্শে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা বলেন, তরুণদের ইতিবাচক মূল্যবোধে গড়ে তুলতে পারলে উগ্রবাদ ও ঘৃণার রাজনীতি দুর্বল হয়ে পড়বে।</p>

<p>সম্মেলনে আরও বক্তব্য দেন শায়খা মারইয়াম কবীর, আল্লামা সৈয়দ মুতাওয়াক্কিল বিল্লাহ রাব্বানী বদরপুরী, মুফতি সাজ্জাদ রেযা, গিয়াস আহমেদ, শায়খ আজমাইন আসরার মাইজভাণ্ডারী, মাওলানা বিলাল খান, সৈয়দ হামজা শাহ, মাইকেল শেরাক, মোহাম্মদ লুৎফুল করিম, মোহাম্মদ শামসুদ্দীন আজাদ, মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, মোশাররফ হোসেন, মোহাম্মদ কাসিম মাজিদ এবং আলহাজ মোহাম্মদ সেলিমউদ্দিন।</p>

<p data-added-after="1">সম্মেলনের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত করেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ক্বারী মুহাম্মদ ফারুক ও ক্বারী সৈয়দ মুস্তানজিদ বিল্লাহ রাব্বানী। সমাপনী পর্বে বিশ্বশান্তি, বাংলাদেশের সমৃদ্ধি, ফিলিস্তিনের নিপীড়িত জনগণের নিরাপত্তা এবং সমগ্র মানবজাতির কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মুনাজাত পরিচালনা করেন শাহসুফি ড. সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ আল-হাসানী আল-মাইজভাণ্ডারী।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>বক্তারা বলেন, শান্তি কোনো একক ধর্ম, জাতি বা রাষ্ট্রের বিষয় নয়; এটি সমগ্র মানবজাতির অভিন্ন দায়িত্ব। তাই ঘৃণা, উগ্রবাদ ও সহিংসতার পরিবর্তে ভালোবাসা, ন্যায়বিচার, সহনশীলতা এবং মানবিক মর্যাদার ভিত্তিতে একটি শান্তিপূর্ণ বিশ্ব গড়ে তুলতে এখনই সমন্বিত বৈশ্বিক উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।</p>

<p>সম্মেলনে আরও বক্তব্য দেন যুক্তরাষ্ট্রের বিশিষ্ট ইসলামী বক্তা শায়খা মারইয়াম কবীর, নিউইয়র্ক আহলুল বাইত মসজিদের খতিব আল্লামা সৈয়দ মুতাওয়াক্কিল বিল্লাহ রাব্বানী বদরপুরী, আমেরিকান মুসলিম অ্যাডভোকেসি নেটওয়ার্ক&rsquo;র চেয়ারম্যান মুফতি সাজ্জাদ রেযা, জেবিবিএ&rsquo;র সভাপতি গিয়াস আহমেদ, ওয়েস্টার্ন মিশিগান ইউনিভার্সিটি-এর পিএইচডি গবেষক শায়খ আজমাইন আসরার মাইজভাণ্ডারী, নিউ জার্সি বিলাল মসজিদের খতিব মাওলানা বিলাল খান, ইয়ুথ ফোরাম অব ওমানের প্রেসিডেন্ট সৈয়দ হামজা শাহ, আন্তঃধর্মীয় নেতা, লেখক ও শিক্ষাবিদ মাইকেল শেরাক।</p>

<p data-added-after="1">আরও উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশন ব্রুকলিনের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ লুৎফুল করিম, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন ইউএসএ-এর প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ শামসুদ্দীন আজাদ, বাংলাদেশ সোসাইটি ইনকরপোরেটেডর সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোশাররফ হোসেন, খাজা মইনুদ্দীন চিশতীর (রহ.) চিশতিয়া তরিকার প্রতিনিধি মোহাম্মদ কাসিম মাজিদ এবং আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত ইউএসএ&rsquo;র সেক্রেটারি জেনারেল আলহাজ মোহাম্মদ সেলিমউদ্দিন, অনুষ্ঠানের স্পন্সর করেন মোহাম্মদ রানা তালুকদার এবং পরিচালনায় ছিলেন মোহাম্মদ রহমান শাকিল।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/957-1.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় করার অঙ্গীকার]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29160</link>
    <pubDate>Fri, 31 Jul 2026 08:54:41 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29160</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/824-99.jpg" />    <article>
<p>পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত সের্জিও গর। বৈঠকে উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক এবং কৌশলগত অংশীদারি আরো সুদৃঢ় করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) ঢাকার পদ্মা গেস্ট হাউসে সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন।</p>

<p>পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশে রাষ্ট্রদূত গরের প্রথম সফরকে উষ্ণভাবে স্বাগত জানান এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধা, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, অভিন্ন স্বার্থ ও ঘনিষ্ঠ জনসম্পর্কের ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দীর্ঘস্থায়ী অংশীদারিকে আরো সুদৃঢ় করতে ঢাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।</p>

<p>মন্ত্রণালয় আরো জানায়, উভয় পক্ষ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট দ্বিপক্ষীয়, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করেছে। আলোচনায় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, জ্বালানি সহযোগিতা, প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা, অভিবাসন-সংক্রান্ত বিষয় এবং রোহিঙ্গা সংকট উঠে এসেছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/824-99.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিজে গাড়ি চালিয়ে রাতের ঢাকা ঘুরে দেখলেন প্রধানমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29159</link>
    <pubDate>Fri, 31 Jul 2026 08:53:58 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29159</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1017-88.jpg" />    <article>
<p>রাজধানীর নাগরিক সেবার বাস্তব চিত্র সরেজমিনে দেখতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক শফিকুল ইসলাম মিল্টনকে সঙ্গে নিয়ে ঢাকার বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।</p>

<p>বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাতে নিজে গাড়ি চালিয়ে রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক ঘুরে দেখেন প্রধানমন্ত্রী।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি সুজাউদ্দৌলা সুজন।</p>

<p>জানা গেছে, রাজধানীর সড়ক, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, ফুটপাত, সড়কবাতি, যান চলাচল ও নগর সেবার সামগ্রিক অবস্থা সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন প্রধানমন্ত্রী। বিভিন্ন স্থানে থেমে তিনি সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে তথ্য নেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন। রাতের নগর ব্যবস্থাপনা বাস্তবে কীভাবে পরিচালিত হচ্ছে, তা দেখতেই এ আকস্মিক পরিদর্শন বলে জানা গেছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>এর আগে পবিত্র ঈদুল আজহার সময়ও একইভাবে রাতে রাজধানী পরিদর্শনে বের হয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সে সময় কোরবানির পশুর বর্জ্য নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অপসারণে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট দুই কর্মকর্তাকে তাৎক্ষণিকভাবে বরখাস্ত করা হয়।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1017-88.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[জুলাইযোদ্ধা আজিজুরের জীবনসংগ্রামের গল্প শুনলেন প্রধানমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29158</link>
    <pubDate>Fri, 31 Jul 2026 08:53:16 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29158</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1140-77.jpg" />    <article>
<p>মাথায় গুলির গুরুতর ক্ষত এবং শরীরে বহন করা অন্তত ৩৬টি স্প্লিন্টারের যন্ত্রণা নিয়ে শেষ পর্যন্ত নিজের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ করলেন জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আহত শেখ আজিজুর রহমান। আন্দোলনের ময়দানে নিজের মাথার রক্তক্ষরণ ঠেকাতে যে জাতীয় পতাকাটি বেঁধেছিলেন, সেই রক্তে ভেজা ঐতিহাসিক পতাকাটি প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দিয়েছেন তিনি।</p>
</article>

<article>&nbsp;বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে অবস্থিত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই আবেগঘন সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
<p>&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/business/2026/07/30/1718603" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমে &lsquo;গুলিবিদ্ধ হওয়ার পরও শুধু ছাত্রদল করার কারণে মেলেনি জুলাইযোদ্ধার স্বীকৃতি&rsquo;&mdash;শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে তা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃষ্টিগোচর হয়। বিষয়টি জানতে পেরে প্রধানমন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে তার অতিরিক্ত প্রেসসচিব আতিকুর রহমান রুমনকে আজিজুরের খোঁজখবর নেওয়ার নির্দেশ দেন এবং তাকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ডেকে পাঠান।</p>

<p>সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী আজিজুরের জীবনসংগ্রামের বিবরণ শোনেন।</p>
</article>

<article>আন্দোলনে আহত হওয়ার স্মৃতি, পড়াশোনা এবং সংসার চালাতে সিএনজি চালানোর গল্প শুনে গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী এবং তার সার্বিক চিকিৎসার খোঁজখবর নেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>সাক্ষাৎ শেষে শেখ আজিজুর রহমান তার উচ্ছ্বাস ও অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি দেখা করতে পেরে তিনি অত্যন্ত আনন্দিত ও আবেগাপ্লুত। রক্তমাখা প্রিয় পতাকাটি প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দিতে পারাটা আমার জীবনের সেরা মুহূর্ত এবং এটি ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়।</p>

<p>উল্লেখ্য, নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার সন্তান শেখ আজিজুর রহমান সরকারি বাংলা কলেজের সমাজকর্ম বিভাগের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী এবং কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির একজন সদস্য।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের সময় মিরপুর-১০ নম্বর ফ্লাইওভারে বীরত্বের সঙ্গে জাতীয় পতাকা উড়িয়ে তিনি ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন। ১৯ জুলাই আন্দোলন চলাকালে তিনি মাথায় গুলিবিদ্ধ হন। রক্তক্ষরণ বন্ধ করতে মাথার সঙ্গে পেঁচিয়ে নেওয়া জাতীয় পতাকাটি মুহূর্তেই লাল রক্তে ভিজে যায়। সে অবস্থায়ও রাজপথ না ছাড়লে তাকে গ্রেপ্তার করে দুই দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1140-77.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ইরানের ডজনখানেক স্থাপনায় হামলার দাবি যুক্তরাষ্ট্রের]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29157</link>
    <pubDate>Fri, 31 Jul 2026 08:52:27 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29157</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1257-66.jpg" />    <article>
<p>মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার চেষ্টার জবাবে ইরানের বিভিন্ন স্থাপনায় ব্যাপক বিমান হামলা চালানোর ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) ডজনখানেক স্থাপনা লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>সেন্টকমের দাবি, জর্দানে মার্কিন ঘাঁটি এবং হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ লক্ষ্য করে ইরানের হামলার জবাব হিসেবে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।</p>

<p>তবে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, সর্বশেষ হামলায় দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের কেশম দ্বীপে একই পরিবারের তিনজন নিহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে দুই বছর বয়সী একটি শিশুও রয়েছে। এ ছাড়া দেশের দক্ষিণ ও পশ্চিমাঞ্চলের আরও কয়েকটি এলাকাও হামলার শিকার হয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>সেন্টকম জানায়, স্থানীয় সময় বুধবার রাত প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী এই হামলা চালানো হয়। এতে সামরিক কমান্ড সেন্টার, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন স্থাপনা, উপকূলীয় নজরদারি ও প্রতিরক্ষাকেন্দ্র এবং নৌ সক্ষমতাসংক্রান্ত স্থাপনাগুলো লক্ষ্যবস্তু করা হয়।</p>

<p>মার্কিন বাহিনীর দাবি, ইরান থেকে জর্দানে মার্কিন সেনাদের লক্ষ্য করে ছোড়া সব ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে প্রতিহত করা হয়েছে।</p>

<p>এদিকে ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) মঙ্গলবার দাবি করে, তারা মার্কিন আগ্রাসনের জবাবে জর্দানে একটি মার্কিন বিমানঘাঁটি ও কমান্ড সেন্টারে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে।</p>
</article>

<article>একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালিতে &lsquo;নিরাপত্তা নির্দেশনা অমান্য করা&rsquo; তিনটি তেলবাহী জাহাজেও হামলার দাবি করেছে বাহিনীটি।
<p>&nbsp;</p>

<p>ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরআইবি জানায়, কেশম ও আবদান&mdash;দেশটির তেলশিল্পের জন্য গুরুত্বপূর্ণ দুটি এলাকাও মার্কিন হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে।</p>

<p>এদিকে ফার্স নিউজের খবরে বলা হয়, কেশমের চাহ তাঙ্গু এলাকায় একটি আবাসিক বাড়িতে হামলায় বাবা, মা ও তাদের দুই বছর বয়সী সন্তান নিহত হয়েছেন।</p>

<p>সংঘাতের মধ্যে মিসরও নতুন করে উত্তেজনার মুখে পড়েছে। দেশটির সরকার জানিয়েছে, স্থানীয় সময় বুধবার একটি বন্দরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ড্রোন হামলার কারণে ঘটেছে।</p>
</article>

<article>চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র মিসরে এ ধরনের হামলার ঘটনা এবারই প্রথম।
<p>&nbsp;</p>

<p>অন্যদিকে গত সপ্তাহে ১৩ দিনের টানা বোমা হামলা স্থগিত করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে মঙ্গলবার জর্দানে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের হামলার চেষ্টার পর তিনি পাল্টা জবাবের ঘোষণা দেন।</p>

<p>এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস বলছে, সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমানের সঙ্গে বৈঠকে ট্রাম্পকে জানানো হয়েছে। সৌদি আরব আঞ্চলিক উত্তেজনা কমাতে আগ্রহী।</p>

<p>এর আগে মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরব ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে ইরাকে যৌথ বিমান হামলা চালায়। এতে ইরাকের পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেস (পিএমএফ) জানিয়েছে, তাদের অন্তত ২০ সদস্য নিহত হয়েছেন। যদিও ইরাকের প্রেসিডেন্সি এই হামলাকে দেশটির সার্বভৌমত্বের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে নিন্দা জানিয়েছে।</p>

<p>তবে ট্রাম্পের দাবি, হামলাটি ইরাকি সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করেই চালানো হয়েছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1257-66.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[সমৃদ্ধ অর্থনীতিতেও নতুন টানাপড়েনে ইউরোপীয় ইউনিয়ন]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29156</link>
    <pubDate>Fri, 31 Jul 2026 08:51:31 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29156</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1360-55.jpg" />    <article>
<p>চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে প্রত্যাশার চেয়ে বেশি প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বিশেষ অর্থনৈতিক ও মুদ্রা অঞ্চল ইউরোজোন। তবে উচ্চ জ্বালানি ব্যয় এবং নতুন করে শুরু হওয়া ইরান যুদ্ধের প্রভাবের কারণে বছরের দ্বিতীয়ার্ধে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার বাধাগ্রস্ত হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন বিশ্লেষকরা।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>ইইউর অফিশিয়াল পরিসংখ্যান অফিস ইউরোস্ট্যাটের প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ইউরো মুদ্রা ব্যবহারকারী ২১ দেশের অর্থনীতি দ্বিতীয় প্রান্তিকে আগের প্রান্তিকের তুলনায় ০ দশমিক ৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে।</p>

<p>অন্যদিকে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের <a href="https://www.reuters.com/world/europe/euro-zone-grows-touch-above-forecasts-ai-spending-confident-consumers-2026-07-30/">জরিপে</a> অর্থনীতিবিদরা ০ দশমিক ২ শতাংশ প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছিলেন।</p>

<p>একই সময়ে আগের বছরের তুলনায় ইউরোজোনের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ১ শতাংশে পৌঁছেছে, যা বাজারের ০ দশমিক ৫ শতাংশ প্রত্যাশার চেয়ে বেশি। পাশাপাশি আগের কিছু প্রবৃদ্ধির হিসাবও ঊর্ধ্বমুখী সংশোধন করা হয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>বিশ্লেষকদের মতে, কয়েকটি বড় অর্থনীতির প্রত্যাশার চেয়ে ভালো পারফরম্যান্স এই প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। দ্বিতীয় প্রান্তিকে জার্মানি, ফ্রান্স ও ইতালির অর্থনীতি ০ দশমিক ২ শতাংশ করে বেড়েছে। দীর্ঘদিন ধরে ইউরোজোনের সবচেয়ে ভালো পারফরমার স্পেনের অর্থনীতি ০ দশমিক ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। এ ছাড়া নেদারল্যান্ডসের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ০ দশমিক ৪ শতাংশ, যা প্রত্যাশার দ্বিগুণ।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>অর্থনীতিবিদদের মতে, ইউরোপে এআই খাতে ব্যবসায়িক বিনিয়োগ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। একই সঙ্গে পারিবারিক ভোগব্যয়ও আশঙ্কার তুলনায় স্থিতিশীল রয়েছে। জার্মানি প্রতিরক্ষা ও অবকাঠামো খাতে সরকারি ব্যয়ও ধীরে ধীরে বাড়াচ্ছে, যা অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।</p>

<p><strong>বেকারত্ব ও শ্রমবাজারের স্থিতিশীলতা</strong></p>

<p>ইউরোজোনে বেকারত্বের হারও জুন মাসে ৬ দশমিক ৩ শতাংশে স্থিতিশীল ছিল, যা শ্রমবাজারের স্থিতিশীলতার ইঙ্গিত দিচ্ছে। শিল্প ও সেবা খাতের আস্থার সূচকও প্রত্যাশার তুলনায় বেশি বেড়েছে।</p>
</article>

<article>তবে বিশ্লেষকরা সতর্ক করছেন, এই ইতিবাচক প্রবৃদ্ধির পেছনে কিছু সাময়িক কারণও রয়েছে, যা দীর্ঘস্থায়ী না-ও হতে পারে।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>বিশেষ করে আয়ারল্যান্ডের অর্থনীতি দ্বিতীয় প্রান্তিকে ৩ দশমিক ৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে, যা মূলত দেশটিতে কার্যক্রম পরিচালনাকারী বহুজাতিক তথ্য-প্রযুক্তি ও যোগাযোগ কম্পানিগুলোর কারণে হয়েছে। ছোট অর্থনীতি হলেও আয়ারল্যান্ডের প্রবৃদ্ধি ইউরোজোনের সামগ্রিক পরিসংখ্যানে বড় প্রভাব ফেলেছে।</p>

<p>কমার্জব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ ইয়র্গ ক্রেমার <a href="https://www.reuters.com/world/europe/euro-zone-grows-touch-above-forecasts-ai-spending-confident-consumers-2026-07-30/">রয়টার্সকে</a> বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ আরো তীব্র হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চূড়ান্ত সমঝোতা হতে আরো সময় লাগতে পারে। এতে বছরের দ্বিতীয়ার্ধে ইউরোপের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার ধীর হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।</p>

<p>এ ছাড়া যুদ্ধের কারণে উচ্চ জ্বালানিমূল্য, অপরিশোধিত জ্বালানিপণ্যের সংকট, জ্বালানির বাড়তি খরচ এবং মূল্যস্ফীতির চাপ ধীরে ধীরে ভোক্তাদের ওপর প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা। একই সঙ্গে ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের উচ্চ সুদের হারও ভোগব্যয় ও অর্থনৈতিক কার্যক্রমে চাপ সৃষ্টি করতে পারে।</p>

<p>যদিও দ্বিতীয় প্রান্তিকের ফলাফল প্রত্যাশার চেয়ে ভালো, তবুও বিশ্লেষকদের মতে, চলমান ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা এবং জ্বালানিসংকট অব্যাহত থাকলে ইউরোজোনের অর্থনীতি আগামী মাসগুলোতে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1360-55.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[জাপানে ৭.১ মাত্রার ভূমিকম্পে প্রাণহানি বেড়ে ৩৪]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29155</link>
    <pubDate>Fri, 31 Jul 2026 08:50:41 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29155</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1423-44.jpg" />    <article>
<p>জাপানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে আঘাত হানা শক্তিশালী ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৪ জনে দাঁড়িয়েছে। পূর্বে এই সংখ্যা ২৮ জন থাকলেও শুক্রবার (৩১ জুলাই) কুমামোটো প্রিফেকচার সরকারের এক বিবৃতিতে নতুন করে আরো নয়জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) গভীর রাতে সংঘটিত এই বিধ্বংসী ভূমিকম্পে অঞ্চলজুড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ভূকম্পনের তীব্রতায় অসংখ্য ভবন ধসে পড়েছে, প্রধান প্রধান রাস্তাঘাট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং জরুরি সরবরাহ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।</p>

<p>কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, <a href="https://www.reuters.com/world/asia-pacific/death-toll-japan-earthquake-rises-34-2026-07-31/">নিহতদের প্রায় অর্ধেকেরই মৃত্যু হয়েছে দুইটি নির্দিষ্ট স্থানে বড় ধরণের দুর্ঘটনার কারণে</a>। &lsquo;নিপ্পন পেপার ইন্ডাস্ট্রিজ&rsquo;-এর একটি প্রকাণ্ড কাগজ কল গুরুতর কাঠামোগত ক্ষতির শিকার হয়ে ধসে পড়ে, যা বড় সংখ্যার প্রাণহানির কারণ হয়।</p>
</article>

<article>জনপ্রিয় খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান &lsquo;এওন&rsquo;-এর একটি শপিং মলে ভূমিকম্পের পর সম্ভবত গ্যাস লাইন ফেটে বিস্ফোরণ ঘটে এবং সেখানে ব্যাপক প্রাণহানি হয়।
<p>&nbsp;</p>

<p>বর্তমানে এসব এলাকায় উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং গৃহহীনদের সাময়িক আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। ধ্বংসস্তূপ সরানোর সাথে সাথে মৃতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1423-44.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[৭৩তম জন্মদিনে ববিতা, ফিরে দেখা রুপালি পর্দার সোনালি পথচলা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/29154</link>
    <pubDate>Fri, 31 Jul 2026 08:49:55 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/29154</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1510-33.jpg" />    <article>
<p>বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেত্রী ববিতার ৭৩তম জন্মদিন বৃহস্পতিবার। দীর্ঘ ছয় দশকেরও বেশি সময়ের অভিনয়জীবনে তিনি উপহার দিয়েছেন অসংখ্য কালজয়ী সিনেমা।</p>
</article>

<article>অভিনয়ের দক্ষতা, সৌন্দর্য ও পর্দায় সাবলীল উপস্থিতির মাধ্যমে তিনি আজও দর্শকের হৃদয়ে সমানভাবে জায়গা করে আছেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>১৯৫৩ সালের ৩০ জুলাই বাগেরহাটে জন্মগ্রহণ করেন ববিতা। তার আসল নাম ফরিদা আক্তার পপি। অভিনয়ে আসার কোনো পরিকল্পনা না থাকলেও পরিচালক জহির রায়হানের হাত ধরেই চলচ্চিত্রে যাত্রা শুরু হয় তার।</p>
</article>

<article>এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি।
<p>&nbsp;</p>

<p>জহির রায়হান পরিচালিত &lsquo;শেষ পর্যন্ত&rsquo; ছিল তার প্রথম মুক্তিপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র। এতে তার বিপরীতে অভিনয় করেন নায়করাজ রাজ্জাক। পরবর্তীতে রাজ্জাক-ববিতা জুটি বাংলা চলচ্চিত্রে অন্যতম জনপ্রিয় জুটিতে পরিণত হয়।</p>
</article>

<article>&lsquo;স্বরলিপি&rsquo;, &lsquo;পিচঢালা পথ&rsquo;, &lsquo;টাকা আনা পাই&rsquo;সহ একের পর এক দর্শকপ্রিয় সিনেমায় অভিনয় করে তিনি নিজের অবস্থান আরো শক্ত করেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও প্রশংসা কুড়ান ববিতা। কিংবদন্তি নির্মাতা সত্যজিৎ রায়ের &lsquo;অশনি সংকেত&rsquo; চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে পরিচিতি পান তিনি। ছবিটি আন্তর্জাতিক বিভিন্ন উৎসবে প্রশংসিত হয় এবং ববিতার অভিনয়ও সমালোচকদের প্রশংসা অর্জন করে।</p>

<p>দীর্ঘ অভিনয়জীবনে প্রায় দুই শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন ববিতা।</p>
</article>

<article>তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে &lsquo;বসুন্ধরা&rsquo;, &lsquo;গোলাপী এখন ট্রেনে&rsquo;, &lsquo;নয়নমণি&rsquo;, &lsquo;লাঠিয়াল&rsquo;, &lsquo;এক মুঠো ভাত&rsquo;, &lsquo;মা&rsquo;, &lsquo;জন্ম থেকে জ্বলছি&rsquo;, &lsquo;দীপু নাম্বার টু&rsquo;, &lsquo;লাইলী মজনু&rsquo;সহ আরো অনেক জনপ্রিয় সিনেমা।
<p>&nbsp;</p>

<p>অভিনয়ে অসামান্য অবদানের জন্য তিনি একাধিকবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেছেন। টানা তিন বছর জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাওয়ার বিরল কৃতিত্বও রয়েছে তার। পাশাপাশি পেয়েছেন একুশে পদক, আজীবন সম্মাননাসহ দেশ-বিদেশের অসংখ্য স্বীকৃতি।</p>

<p>এবারের জন্মদিনটি তিনি উদযাপন করছেন কানাডায় একমাত্র ছেলে অনীকের সঙ্গে। ছেলে সেখানে উচ্চশিক্ষা, শিক্ষকতা ও গবেষণার সঙ্গে যুক্ত। জন্মদিন উপলক্ষে ছেলের পছন্দের খাবার রান্নার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন ববিতা। আগামী ২ আগস্ট তিনি অনীককে সঙ্গে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় যাবেন। সেখানে &lsquo;আনন্দমেলা অ্যাওয়ার্ড ২০২৬&rsquo;-এ তাকে আজীবন সম্মাননা দেওয়া হবে। পাশাপাশি ক্যালিফোর্নিয়ার মেয়রের আমন্ত্রণে একটি নৈশভোজেও অংশ নেবেন তিনি।</p>

<p>জন্মদিন উপলক্ষে ববিতা বলেন, মানুষের ভালোবাসাই একজন শিল্পীর সবচেয়ে বড় অর্জন। সারা জীবন চলচ্চিত্রে কাজ করে যে সম্মান ও ভালোবাসা পেয়েছেন, সেটিই তার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।</p>

<p>উল্লেখ্য, ৭৩ বছরে পা রাখলেও বাংলা চলচ্চিত্রে ববিতার অবদান আজও সমান উজ্জ্বল। তার অভিনীত অসংখ্য চলচ্চিত্র নতুন প্রজন্মের কাছেও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক। রুপালি পর্দায় তার সোনালি পথচলা তাই বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1510-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বিশ্বকাপ ‘বিক্রি’ বিতর্কে অবশেষে মুখ খুললেন ফিফা সভাপতি]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/29153</link>
    <pubDate>Fri, 31 Jul 2026 08:49:09 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/29153</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1551-22.jpg" />    <article>
<p>বিশ্বকাপটাই বিক্রি করে দেওয়ার ছক কষছেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। একাধিক ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমের দাবি এমনটাই।</p>
</article>

<article>বিশ্বকাপের বাণিজ্যিক স্বত্বের একাংশ বেসরকারি সংস্থার হাতে তুলে দেওয়ার সম্ভাবনা ঘিরে বিশ্বফুটবলে তুমুল বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ফিফার সেই পরিকল্পনার বিরোধিতায় সরব উয়েফা। এমনকি প্রয়োজন হলে বিশ্বকাপ বয়কটের হুঁশিয়ারিও শোনা যাচ্ছে ইউরোপীয় ফুটবলমহলে। এই আবহেই প্রথমবার মুখ খুললেন ফিফা সভাপতি।</article>

<article>তার দাবি, এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। গোটা বিষয়টি কেবল আলোচনার স্তরেই রয়েছে।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>ভিডিওবার্তায় ইনফান্তিনো বলেন, &lsquo;ফিফা ফরোয়ার্ড এন্টারপ্রাইসেস একটি প্রস্তাব মাত্র। কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।</p>
</article>

<article>এটি একটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। সবচেয়ে বড় কথা, এটি একটি সুযোগ। কাউকে বাধ্য করা হচ্ছে না।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>সংবাদ প্রতিবেদনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফিফার পরিকল্পনা অনুযায়ী, &lsquo;ফিফা ফরোয়ার্ড এন্টারপ্রাইসেস&rsquo; নামে একটি পৃথক সংস্থা গড়া হতে পারে। বিশ্বকাপ ও ক্লাব বিশ্বকাপের মতো প্রতিযোগিতার বাণিজ্যিক পরিচালনার দায়িত্ব থাকবে তাদের হাতে।</p>
</article>

<article>সেই সংস্থার অন্তত ২১ শতাংশ মালিকানা বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের কাছে ছেড়ে দেওয়ার ভাবনা রয়েছে।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>ফিফার আশা, এর মাধ্যমে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা তোলা সম্ভব হবে। সেই অর্থ &lsquo;ফিফা ফাস্ট ফরোয়ার্ড প্রোগ্রামে&rsquo;র মাধ্যমে সদস্য দেশগুলোর ফুটবল সংস্থাগুলোর উন্নয়নে খরচ করা হবে।</p>

<p>এই পরিকল্পনার পক্ষে সাফাই গেয়ে ইনফান্তিনো বলেন, &lsquo;গোটা বিশ্বে ফুটবলের উন্নতির বিরাট সুযোগ রয়েছে। তবে আবারও বলছি, এটি এখনো প্রস্তাব। শুধু ফিফা চাইলে হবে না। ২১১টি সদস্য দেশের মতামত প্রয়োজন। পরিকল্পনা কার্যকর হলে ফুটবলে আরো বেশি আর্থিক বিনিয়োগ আসবে। তার সুফল পাবে গোটা বিশ্বফুটবল।&rsquo;</p>

<p>জানা যায়, এই প্রকল্পে ফিফাকে পরামর্শ দিচ্ছে জেপি মর্গ্যান। নতুন সংস্থার শীর্ষ পদে বসতে পারেন জোশুয়া কুশনার। তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাই জারেড কুশনারের ভাই।</p>

<p>তবে ফিফার এই ভাবনার তীব্র বিরোধিতা করেছে উয়েফা। তাদের বক্তব্য, বিশ্বকাপের মতো প্রতিযোগিতার বাণিজ্যিক মালিকানার অংশ বিক্রি হলে ফুটবলের মৌলিক চরিত্রই বদলে যাবে।&nbsp;</p>

<p>উয়েফা এক বিবৃতিতে বলেছে, &lsquo;ফিফা এমন একটি সীমারেখা পার করতে চাইছে, যা পার হওয়া উচিত নয়। ফুটবলের আত্মা বিক্রি করা যায় না। আমরা কেউ ফুটবলের মালিক নই। ফুটবল ফিফার সম্পত্তি নয়। তাই ওরা কিছুই বিক্রি করতে পারে না।&rsquo;&nbsp;</p>

<p>অন্যদিকে, ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহামও সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, &lsquo;ফুটবল বিনিয়োগকারীদের সম্পত্তি নয়।&rsquo;</p>

<p>ইতিমধ্যেই ৫৫টি সদস্য দেশের ফুটবল সংস্থাকে নিয়ে জরুরি বৈঠক ডেকেছে উয়েফা। &lsquo;ইএসপিএনে&rsquo;র দাবি, পরিস্থিতি চরমে পৌঁছলে পরবর্তী বিশ্বকাপ বয়কটের পথেও হাঁটতে পারে ইউরোপের দেশগুলো।&nbsp;</p>

<p>ঘটনাচক্রে, আগামী বিশ্বকাপের আয়োজক স্পেন, পর্তুগাল এবং মরক্কো। তার মধ্যে স্পেন ও পর্তুগাল উয়েফার সদস্য। ফলে ফিফা ও উয়েফার এই টানাপোড়েন শেষ পর্যন্ত কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়, এখন সেটাই দেখার।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1551-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[লন্ডনে রহস্যময় তরুণীর সঙ্গে আরিয়ান, শুরু প্রেমের গুঞ্জন]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/29152</link>
    <pubDate>Fri, 31 Jul 2026 08:48:21 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/29152</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1649-11.jpg" />    <article>
<p>বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খানের ছেলে আরিয়ান খানকে লন্ডনে এক তরুণীর সঙ্গে দেখা যাওয়ার পর নতুন করে প্রেমের গুঞ্জন ছড়িয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবি ও ভিডিও ঘিরে চলছে নানা আলোচনা।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রথমে ওই তরুণীর পরিচয় জানা না গেলেও পরে নেটিজেনদের অনেকেই তাকে শিল্পী ভিনি তাকাইর বলে দাবি করেন।</p>

<p>ইন্সটাগ্রামে প্রকাশিত ছবি ও ভিডিওতে দেখা যায়, লন্ডনের একটি ক্যাসিনো থেকে একসঙ্গে বের হচ্ছেন আরিয়ান ও ভিনি। আরিয়ান ছিলেন সাধারণ পোশাকে, আর ভিনি পরেছিলেন কালো রঙের পোশাক।</p>

<p>ছবিগুলো প্রকাশের পর থেকেই ভক্তদের মধ্যে শুরু হয়েছে নানা জল্পনা।</p>
</article>

<article>অনেকেই জানতে চাইছেন, তারা কি শুধু বন্ধু, নাকি তাদের মধ্যে বিশেষ কোনো সম্পর্ক রয়েছে।
<p>&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/entertainment/2026/07/30/1718507" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>এদিকে ছবি ভাইরাল হওয়ার পর ভিনি তার ইনস্টাগ্রামে লন্ডন ভ্রমণের কয়েকটি ছবি পোস্ট করেন। ক্যাপশনে লেখেন, লন্ডন, তোমাকে ভালোবাসি। এরপর থেকেই গুঞ্জন আরো জোরালো হয়।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>এ ছাড়া, ইনস্টাগ্রামে আরিয়ান ও ভিনি একে অপরকে ফলো করেন বলেও জানা গেছে। তবে প্রেমের গুঞ্জন নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করেননি দুজনের কেউই।</p>

<p>এর আগেও আরিয়ানের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। অভিনেত্রী ও মডেল লারিসা বোনেসির সঙ্গে তার সম্পর্কের গুঞ্জন ছড়িয়েছিল। আরিয়ানের পোশাকের ব্র্যান্ড ডি&rsquo;ইয়াভল এক্স-এর প্রচারণায় লারিসাকে দেখা যায়।</p>
</article>

<article>পাশাপাশি আরিয়ানের পরিচালনায় নির্মিত ওয়েব সিরিজ &lsquo;দ্য ব্যা***ডস অব বলিউড&rsquo;-এর প্রিমিয়ারেও উপস্থিত ছিলেন তিনি।
<p>&nbsp;</p>

<p>তবে সেই সময়ও সম্পর্কের গুঞ্জন নিয়ে মুখ খোলেননি আরিয়ান। এবারও লন্ডনের ছবি ঘিরে তৈরি হওয়া আলোচনা নিয়ে নীরব রয়েছেন শাহরুখপুত্র।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1649-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী গ্রেপ্তার]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/lawandorder/29151</link>
    <pubDate>Wed, 29 Jul 2026 23:43:08 +0600</pubDate>
    <category> আইন আদালত </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/lawandorder/29151</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/07292026_image05_latif_siddique.jpeg" />    <p>ঢাকা : সাবেক বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকীকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ(ডিবি)। আজ বুধবার সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশানে অবস্থিত তার বাসভবন থেকে আবদুল লতিফ সিদ্দিকীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।</p>

<p>ডিএমপি&rsquo;র অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) শফিকুল ইসলাম বাসস&rsquo;কে জানান, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন একটি মামলার ওয়ারেন্টের ভিত্তিতে আজ সন্ধ্যা ৬টায় লতিফ সিদ্দিকীকে গ্রেফতার করা হয়। ২০১৩ সালের ৫ মে মতিঝিলে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের এক জনসভায় শাপলা চত্বরে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মামলাটি দায়ের করা হয়।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/07292026_image05_latif_siddique.jpeg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[Sheikh Hasina Urges Global Attention to Bangladesh Situation]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/english/29150</link>
    <pubDate>Wed, 29 Jul 2026 22:15:23 +0600</pubDate>
    <category> English </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/english/29150</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/07292026_image03_usa_ainjibi.jpg" />    <p>United Nations, New York: Former Bangladesh Prime Minister Sheikh Hasina has called on the international community to be informed about the current situation in Bangladesh, alleging that the rule of law has been undermined and that legal proceedings are being used for political purposes.</p>

<p>She made the remarks on July 28 while addressing a protest rally organized by the Bangabandhu Awami Lawyers Council in front of the United Nations headquarters in New York through a telephone connection.</p>

<p>Sheikh Hasina alleged that cases have been filed against her, her sister Sheikh Rehana, and their children, describing the legal proceedings as politically motivated. &ldquo;Cases have been filed against me, my sister Sheikh Rehana, and our children. A drama is being staged in the name of justice to fulfill political revenge. We do not even know what allegations have been brought against us,&rdquo; she said.</p>

<p>She also claimed that her niece, British MP Tulip Siddiq, had written to the government seeking details of the allegations but received no response.</p>

<p>Sheikh Hasina alleged that the rule of law in Bangladesh has been turned into a &ldquo;mockery&rdquo; and claimed that the International Crimes Tribunal is being used as a political tool. She urged the United Nations and international human rights organizations to be properly informed about the developments in Bangladesh.</p>

<p>During the rally, U.S. Awami League Legal Affairs Secretary Advocate Shah Md. Bakhtiar spoke with Sheikh Hasina over the phone and said that expatriates around the world had become encouraged and organized following her announcement about returning to Bangladesh in December.</p>

<p>He stressed the need for international diplomatic efforts to ensure that legal procedures in Bangladesh are properly followed and that Sheikh Hasina receives appropriate treatment under the law.</p>

<p>In response, Sheikh Hasina alleged that similar legal actions had not been taken against several individuals convicted by the International Crimes Tribunal in the past. She accused the current government of using legal institutions against political opponents.</p>

<p>The organizers said they would submit a memorandum to the UN Secretary-General after the rally. The memorandum reportedly highlighted concerns regarding the human rights situation in Bangladesh, political cases, arrests, and alleged persecution of Awami League leaders, activists, and supporters. The organizers called for UN intervention to address what they described as a deteriorating situation.</p>

<p>Speaking with Awami League leader Dr. Pradip Kar during the event, Sheikh Hasina emphasized the need to further strengthen efforts to present information about Bangladesh&rsquo;s situation to the international community.</p>

<p>She alleged that actions were being taken against individuals involved in the trial process for crimes against humanity during the 1971 Liberation War. She also claimed that those involved in the judicial process following the Holey Artisan attack were facing attempts to target them.</p>

<p>The rally was chaired by Advocate Morsheda Jaman, president of the Bangabandhu Awami Lawyers Council. Among those present were Engineer Mohammad Ali Siddiqui, Office Secretary of the U.S. Awami League; Shahin Azmal, General Secretary of the New York State Awami League; Advocate Rakibul Montu; Lutfor Rahman Himel; M.A. Karim Jahangir; and lawyer Zakir Hossain Mia.</p>

<p>Other attendees included freedom fighter Mohammad Faruk Hossain, Awami League leaders Hakikul Islam Khokon, Md. Aktar Hossain, Manzur Hossain, and several other party supporters.</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/07292026_image03_usa_ainjibi.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[শেখ হাসিনা: অপশাসনের তথ্য বিশ্বকে জানাতে হবে]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/29149</link>
    <pubDate>Wed, 29 Jul 2026 22:13:51 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/29149</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/07292026_image03_usa_ainjibi.jpg" />    <p>জাতিসংঘ, নিউইয়র্ক: বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি ও আইনের শাসন নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলকে অবহিত করার আহ্বান জানিয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি অভিযোগ করেছেন, তার ও পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মামলা করা হয়েছে এবং বিচারপ্রক্রিয়াকে প্রতিহিংসার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। গত ২৮ জুলাই নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরের সামনে &lsquo;বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ&rsquo;-এর উদ্যোগে আয়োজিত বিক্ষোভ-সমাবেশে টেলিফোনে যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন শেখ হাসিনা।</p>

<p>শেখ হাসিনা বলেন, &ldquo;আমিসহ আমার বোন শেখ রেহানা ও আমাদের সন্তানদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। বিচারপ্রক্রিয়ার নামে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার চেষ্টা চলছে। অথচ আমাদের বিরুদ্ধে কী অভিযোগ আনা হয়েছে, সে বিষয়ে আমরা কেউ জানতে পারিনি।&rdquo;</p>

<p>তিনি আরও অভিযোগ করেন, তার ভাগ্নি ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ সিদ্দিক অভিযোগের বিস্তারিত জানতে চেয়ে চিঠি দিলেও সরকারের পক্ষ থেকে কোনো জবাব দেওয়া হয়নি। শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশে আইনের শাসনের নামে তামাশা চলছে। তিনি দাবি করেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হচ্ছে। এ সময় তিনি জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোকে বাংলাদেশের পরিস্থিতি সম্পর্কে যথাযথভাবে অবহিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।</p>

<p>সমাবেশে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট শাহ মো. বখতিয়ার শেখ হাসিনার সঙ্গে টেলিফোনে আলাপকালে বলেন, ডিসেম্বর মাসে দেশে ফেরার ঘোষণাকে ঘিরে প্রবাসীরা উজ্জীবিত ও সংগঠিত হচ্ছেন। তবে দেশে ফেরার বিষয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কূটনৈতিক তৎপরতা প্রয়োজন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।</p>

<p>তিনি বলেন, বাংলাদেশে আইনি প্রক্রিয়া যেন যথাযথভাবে পরিচালিত হয় এবং শেখ হাসিনাকে যথাযথ সম্মান দেওয়া হয়&mdash;এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উদ্যোগ নেওয়া দরকার। শেখ হাসিনা বলেন, অতীতেও আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে দণ্ডিত অনেক ব্যক্তির ক্ষেত্রে একই ধরনের প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি। তিনি অভিযোগ করেন, বর্তমান সরকার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে আইনকে ব্যবহার করছে।</p>

<p>সমাবেশ শেষে জাতিসংঘ মহাসচিব বরাবর একটি স্মারকলিপি দেওয়ার কথা জানান আয়োজকরা। স্মারকলিপিতে বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি, রাজনৈতিক মামলা, গ্রেপ্তার এবং আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে নিপীড়নের অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে বলে জানানো হয়।</p>

<p><img alt="" src="https://khabor.com/upload/images/news/07292026_image04_usa_ainjibi.jpg" style="width: 899px; height: 489px;" /></p>

<p>সমাবেশে অংশ নেওয়া আওয়ামী লীগ নেতা ড. প্রদীপ করের সঙ্গে আলাপকালে শেখ হাসিনা বাংলাদেশের পরিস্থিতির তথ্য আন্তর্জাতিক মহলে তুলে ধরার কার্যক্রম আরও জোরদারের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন। তিনি অভিযোগ করেন, একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা চলছে। একই সঙ্গে হলি আর্টিজান হামলার বিচার প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধেও ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।</p>

<p>সমাবেশে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের সভাপতি অ্যাডভোকেট মোর্শেদা জামান সভাপতিত্ব করেন। উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ আলী সিদ্দিকী, নিউইয়র্ক স্টেট আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন আজমল, অ্যাডভোকেট রকিবুল মন্টু, লুৎফর রহমান হিমেল, এম এ করিম জাহাঙ্গীর, আইনজীবী জাকির হোসেন মিয়াসহ আরও অনেকে। এ ছাড়া বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ ফারুক হোসাইন, হাকিকুল ইসলাম খোকন, মো. আকতার হোসেন ও মঞ্জুর হোসেনসহ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/07292026_image03_usa_ainjibi.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ঢাকা সফরে আসছেন ট্রাম্পের বিশেষ দূত সার্জিও গোর]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/diplomatic/29148</link>
    <pubDate>Wed, 29 Jul 2026 21:48:26 +0600</pubDate>
    <category> কূটনৈতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/diplomatic/29148</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/07292026_image02_sarjio_gore.jpg" />    <p>কূটনৈতিক ডেস্কঃ বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারের লক্ষ্যে প্রথমবারের মতো ঢাকা সফরে আসছেন মার্কিন প্রেসিডেন্টের মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গোর। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুরে তার ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।&nbsp;সফরকালে তিনি সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে তার আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।</p>

<p>এছাড়া সফরের অংশ হিসেবে কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন করবেন মার্কিন এই বিশেষ দূত। এর আগে বুধবার (২৯ জুলাই) সার্জিও গোরের সফর প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বলেন, বাংলাদেশে এটি তার প্রথম সফর। এ সফরের মাধ্যমে তিনি দেশের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামগ্রিক পরিস্থিতি সম্পর্কে ধারণা নেওয়ার চেষ্টা করবেন। কূটনৈতিক সূত্রগুলো মনে করছে, সার্জিও গোরের এই সফর ঢাকা-ওয়াশিংটন সম্পর্কের বর্তমান অবস্থা এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার দিকনির্দেশনা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/07292026_image02_sarjio_gore.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[প্রাণনাশের আশঙ্কা থাকলেও ডিসেম্বরের মধ্যেই বাংলাদেশে ফিরতে চান শেখ হাসিনা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/bangladesh/29147</link>
    <pubDate>Wed, 29 Jul 2026 21:42:55 +0600</pubDate>
    <category> সারাবাংলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/bangladesh/29147</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/07292026_image01_sheikh_hasina.jpg" />    <p>ডেস্ক রিপোর্টঃ&nbsp;ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, নিজের জীবনের ঝুঁকি সম্পর্কে তিনি সম্পূর্ণ সচেতন। গ্রেপ্তার, কারাবন্দি হওয়া এমনকি হত্যার শিকার হওয়ার আশঙ্কা থাকলেও তিনি আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই বাংলাদেশে ফিরতে চান।&nbsp;বার্তা সংস্থা এএফপিকে ই-মেইলে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ৭৮ বছর বয়সী শেখ হাসিনা বলেন, &quot;আমাকে হত্যা করা হতে পারে। আমাকে গ্রেপ্তার করা হতে পারে। আমাকে কারাগারেও পাঠানো হতে পারে। আমি আমার পরিণতি সম্পর্কে পুরোপুরি সচেতন। তারপরও দেশে ফিরতে চাই, কারণ আমার দেশের মানুষ আমাকে ডাকছে।&quot;</p>

<p>২০২৪ সালের আগস্টে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে টানা ১৫ বছরের শাসনের অবসান ঘটে শেখ হাসিনার। বিক্ষোভকারীরা প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন ঘিরে ফেললে তিনি হেলিকপ্টারে করে ভারতে চলে যান। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, আন্দোলন দমনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে সর্বোচ্চ ১,৪০০ জন পর্যন্ত নিহত হতে পারেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে। গত নভেম্বরে ঢাকার একটি আদালত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেখ হাসিনাকে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন। তবে তিনি এই রায়কে &quot;আইনের পোশাকে রাজনৈতিক প্রতিশোধ&quot; বলে মন্তব্য করেছেন। ভারতের একটি গোপন স্থানে অবস্থান করছেন বলে জানান শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, দেশে ফেরার বিষয়ে ভারতের পক্ষ থেকে তার ওপর কোনো চাপ নেই।</p>

<p>বাংলাদেশ সরকার শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতের কাছে প্রত্যর্পণের আবেদন করেছে। ভারতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিষয়টি এখনও পর্যালোচনায় রয়েছে। তবে শেখ হাসিনার দাবি, দেশে ফেরার সিদ্ধান্তের সঙ্গে প্রত্যর্পণ ইস্যুর কোনো সম্পর্ক নেই। তার ভাষায়, &quot;আমি ভারতে সম্মান ও মর্যাদার সঙ্গে আছি। ভারতীয় কর্তৃপক্ষ আমার সঙ্গে প্রত্যর্পণ নিয়ে কোনো আলোচনা করেনি। দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত আমি নিজেই নিয়েছি।&quot;</p>

<p>দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা শেখ হাসিনার সরকারের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দমন, বিচারব্যবস্থাকে প্রভাবিত করা, বিরোধীদের হত্যা এবং একতরফা নির্বাচন আয়োজনের মতো অভিযোগ তুলে আসছে। এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে শেখ হাসিনা বলেন, &quot;অনেক অভিযোগই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণার অংশ। অভিযোগ উঠলেই তদন্ত হয়েছে এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।&quot;</p>

<p>২০২৪ সালের ছাত্র আন্দোলন দমনে অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগের অভিযোগও অস্বীকার করেছেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, &quot;আমার সরকার সর্বোচ্চ ধৈর্য দেখিয়েছে এবং আন্দোলনের শান্তিপূর্ণ সমাধানের চেষ্টা করেছে।&quot; তার দাবি, এটি শুধুমাত্র একটি সাধারণ ছাত্র আন্দোলন ছিল না। বরং এটি ছিল &quot;পরিকল্পিত সহিংসতা, অপপ্রচার এবং সরকার উৎখাতের উদ্দেশ্যে পরিচালিত একটি সংগঠিত অভিযান।&quot;</p>

<p>বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম কার্যত নিষিদ্ধ থাকার প্রেক্ষাপটে দেশে ফিরে আবার সক্রিয় রাজনীতিতে ফিরবেন কি না&mdash;এ প্রশ্নের সরাসরি উত্তর দেননি শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, &quot;ক্ষমতা আমার লক্ষ্য নয়। মানুষের সেবা করাই আমার উদ্দেশ্য।&quot;</p>

<p>আন্দোলনে নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানালেও শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা চাননি। তিনি বলেন, &quot;যারা তাদের প্রিয়জনকে হারিয়েছেন, প্রতিটি পরিবারের প্রতি আমার সহানুভূতি রয়েছে।&quot; তবে আন্দোলনের সময় নেওয়া সিদ্ধান্ত নিয়ে কোনো অনুশোচনা আছে কি না&mdash;এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, &quot;রাষ্ট্র পরিচালনার সিদ্ধান্ত একজন ব্যক্তির একার সিদ্ধান্ত নয়। পুরো সংকটের প্রেক্ষাপট বাদ দিয়ে একটি মুহূর্তকে আলাদা করে বিচার করা সঠিক হবে না।&quot;</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/07292026_image01_sheikh_hasina.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ঢাবিতে নীল দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ ও শাস্তির দাবিতে উপাচার্যকে স্মারকলিপি]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/education/29146</link>
    <pubDate>Tue, 28 Jul 2026 22:28:19 +0600</pubDate>
    <category> শিক্ষা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/education/29146</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/07282026_01_du_nil_dal.jpg" />    <p>ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) আওয়ামী লীগপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন &lsquo;নীল দল&rsquo;-এর কার্যক্রম নিষিদ্ধ এবং সংগঠনটির চিহ্নিত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের &lsquo;ফ্যাসিবাদবিরোধী শিক্ষকমণ্ডলী&rsquo;। সোমবার (২৭ জুলাই) তারা এই স্মারকলিপি প্রদান করেন।</p>

<p>স্মারকলিপিতে নীল দলের বিরুদ্ধে গত দেড় দশকে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের তল্পিবাহক হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ ক্ষুণ্ন করা, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নগ্নভাবে শিক্ষার্থীদের বিপক্ষে অবস্থান নেওয়া এবং ভিন্নমতের শিক্ষক ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর নিপীড়নের অভিযোগ আনা হয়েছে।</p>

<p>জুলাই অভ্যুত্থান চলাকালে নীল দলের বিতর্কিত ভূমিকার কথা উল্লেখ করে স্মারকলিপিতে বলা হয়, ১৬ জুলাই আবু সাঈদসহ শত শত শিক্ষার্থী নিহতের পর ১ আগস্ট সংবাদ সম্মেলন করে নীল দলের শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের &lsquo;রাষ্ট্রদ্রোহী মহলের ষড়যন্ত্রের ক্রীড়নক&rsquo; আখ্যা দিয়ে ছাত্রহত্যার পক্ষে অবস্থান নেন। পাশাপাশি সরকারের পদত্যাগ দাবি করায় সাদা দলের শিক্ষকদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা করার হুমকিও দিয়েছিলেন তারা। এ ছাড়া ৩ আগস্ট মানববন্ধন করে নীল দল শহীদদের রক্তের সঙ্গে বেইমানি করে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদেরই নাশকতার জন্য দায়ী করে।</p>

<p>এক দফা দাবি ঘোষণার পর ৩ আগস্ট রাতে নীল দলের শিক্ষকরা গণভবনে গিয়ে তৎকালীন স্বৈরাচারী প্রধানমন্ত্রীকে প্রত্যক্ষভাবে সমর্থন দেন এবং কয়েকজন শিক্ষক আন্দোলনকারীদের দেখামাত্র গুলির নির্দেশ দেওয়ার সুপারিশ করেন বলে স্মারকলিপিতে অভিযোগ করা হয়। আন্দোলনকারীদের নির্যাতন করার উদ্দেশ্যে ক্যাম্পাসের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে পুলিশ ও সন্ত্রাসী ছাত্রলীগকে সরবরাহের অভিযোগও আনা হয় তাদের বিরুদ্ধে।</p>

<p>স্মারকলিপিতে আরো বলা হয়, ১৫ জুলাই শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগের সশস্ত্র হামলার সময় প্রশাসন ও নীল দলের শিক্ষকরা কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে উল্টো সন্ত্রাসীদের সহায়তা করেছেন। ১৭ জুলাই তড়িঘড়ি করে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করে শিক্ষার্থীদের বিপদের মুখে ঠেলে দেওয়া হয়।</p>

<p>তৎকালীন উপাচার্য মাকসুদ কামাল শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা দেওয়ার বদলে তাদের বহিষ্কারের কথা বলেন। এ বিষয়ে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার কথোপকথনের একটি অডিও রেকর্ড আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জমা দেওয়া হয়েছে বলেও স্মারকলিপিতে জানানো হয়।<br />
গত ১৭ বছরের কর্মকাণ্ড প্রসঙ্গে ফ্যাসিবাদবিরোধী শিক্ষকরা অভিযোগ করেন, নীল দলের শিক্ষকরা ভিন্নমতের ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীদের তথ্য সন্ত্রাসীদের কাছে সরবরাহ করেছেন এবং সিনেট অধিবেশনে অমানবিক &lsquo;গেস্টরুম&rsquo; ও &lsquo;গণরুম&rsquo; সংস্কৃতিকে নির্লজ্জভাবে অস্বীকার করেছেন। এসব সংস্কৃতির প্রতিবাদ করা সাদা দলের শিক্ষকদের যৌক্তিক বক্তব্য তারা আক্রমণাত্মকভাবে এক্সপাঞ্জ করার মতো নজিরবিহীন ঘটনা ঘটিয়েছেন।</p>

<p>এ ছাড়া ভিন্নমতের শিক্ষকদের তারা পদে পদে হেনস্তা ও পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত করেছেন। এসব কারণ উল্লেখ করে অবিলম্বে নীল দলের সকল কার্যক্রম নিষিদ্ধ ও জড়িত শিক্ষকদের দ্রুত শাস্তির জোর দাবি জানানো হয়।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/07282026_01_du_nil_dal.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[আন্তঃদেশীয় হুমকি মোকাবিলায় আসিয়ানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করবে বাংলাদেশ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29145</link>
    <pubDate>Sat, 25 Jul 2026 09:09:21 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29145</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/956-1.jpg" />    <p>পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান উদীয়মান ও আন্তঃদেশীয় হুমকি মোকাবিলায় আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার করতে আসিয়ান এবং এর অংশীদারদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার ব্যাপারে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন।</p>

<p>ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায় দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় মৈত্রী ও সহযোগিতা চুক্তির (ট্রিটি অব অ্যামিটি অ্যান্ড কো-অপারেশন-টিএসি) ৫০তম বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত স্মারক অনুষ্ঠানে বক্তব্যে তিনি বলেন, &lsquo;মহামারি, জলবায়ুজনিত অভিঘাত, সাইবার হামলা এবং সরবরাহ শৃঙ্খলের বিঘ্ন মোকাবিলায় বৈশ্বিক সক্ষমতা জোরদারে বাস্তবভিত্তিক ও সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।&rsquo;</p>

<p>শুক্রবার (২৪ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব কথা জানানো হয়।</p>

<p>ড. খলিলুর রহমান বলেন, &lsquo;যৌথ আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা, অভিন্ন ঝুঁকি মূল্যায়ন এবং আঞ্চলিক সংকট মোকাবিলা কাঠামো এ ধরনের চ্যালেঞ্জের বিরুদ্ধে সম্মিলিত প্রস্তুতি ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।&rsquo;</p>

<p>পররাষ্ট্রমন্ত্রী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নির্ভর সাইবার অপরাধ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভ্রান্ত ও বিভ্রান্তিকর তথ্য মোকাবিলার উপায়ও তুলে ধরেন।</p>

<p>পাঁচ দশক আগে স্বাক্ষরিত টিএসি চুক্তিতে এ অঞ্চলের দেশগুলোর পারস্পরিক সম্পর্ক পরিচালনার নীতিমালা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার প্রতি পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং একে অপরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার নীতি।</p>

<p>বাংলাদেশ ২০০৭ সালে টিএসি-তে যোগ দেয় এবং এর মাধ্যমে আসিয়ানের নীতিভিত্তিক কাঠামোর সঙ্গে চুক্তিভিত্তিক অঙ্গীকারে আবদ্ধ হওয়া প্রথম দিকের দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোর একটি হয়।</p>

<p>টিএসির ৫০তম বার্ষিকীর অনুষ্ঠানের ফাঁকে ড. খলিলুর রহমান চিলি, নেদারল্যান্ডস ও ফিলিপাইনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং কাতারের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে পৃথক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন।</p>

<p>বৈঠকগুলোতে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, জ্বালানি সরবরাহ, পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা, বৈধ অভিবাসন এবং সার্কুলার ইকোনমিসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।</p>

<p>পররাষ্ট্রমন্ত্রী বর্তমানে ৩৩তম আসিয়ান রিজিওনাল ফোরাম (এআরএফ) পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় মৈত্রী ও সহযোগিতা চুক্তির ৫০তম বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত কর্মসূচিতে অংশ নিতে ম্যানিলা সফর করছেন।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/956-1.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[মেয়াদের আগেই বিদায় নেওয়া রাষ্ট্রপতি যারা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29144</link>
    <pubDate>Sat, 25 Jul 2026 09:08:40 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29144</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/823-99.jpg" />    <p>বিশ্বরাজনীতির ইতিহাসে মেয়াদের শেষ দিন পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকা সব রাষ্ট্রপ্রধানের ভাগ্যে জোটে না। রাজনৈতিক কেলেঙ্কারি, গণবিক্ষোভ, অর্থনৈতিক বিপর্যয়, সামরিক চাপ কিংবা অভিশংসনের মুখোমুখী হয়ে অনেক রাষ্ট্রপ্রধানকেই মেয়াদের আগেই পদ ছাড়তে হয়েছে। সম্প্রতি এ তালিকায় যুক্ত হয়েছেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।</p>

<p>নিচে সাল অনুযায়ী বিশ্বজুড়ে মেয়াদের আগে পদত্যাগ করা বা ক্ষমতাচ্যুত হওয়া উল্লেখযোগ্য রাষ্ট্রপ্রধানদের তালিকা দেওয়া হলো-</p>

<p>১৯৬০- ১৯৯০ দশক&nbsp;</p>

<p><b>শার্ল দ্য গোল (ফ্রান্স, ১৯৬৯):</b> ফ্রান্সে তার প্রস্তাবিত রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক সংস্কারের ওপর আয়োজিত গণভোটে হেরে যাওয়ার পর স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেন।&nbsp;</p>

<p><b>রিচার্ড নিক্সন (যুক্তরাষ্ট্র, ১৯৭৪):</b> ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারির জেরে অভিশংসন এড়াতে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের প্রথম রাষ্ট্রপতি হিসেবে পদত্যাগ করেন।</p>

<p><b>ফের্দিনান্দ মার্কোস (ফিলিপাইন, ১৯৮৬):</b> ব্যাপক দুর্নীতি ও নির্বাচনি কারচুপির বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থানের মুখে ক্ষমতা ছেড়ে দেশ ত্যাগ করতে বাধ্য হন।</p>

<p><b>রাউল আলফনসিন (আর্জেন্টিনা, ১৯৮৯):</b> দেশে চরম অর্থনৈতিক বিপর্যয় এবং লাগামহীন মূল্যস্ফীতির কারণে সৃষ্ট গণবিক্ষোভের মুখে মেয়াদের ৬ মাস আগেই পদত্যাগ করেন।&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><b>ফের্নান্দো কলর ডি মেলো (ব্রাজিল, ১৯৯২):</b> প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র দুই বছরের মাথায় দুর্নীতির অভিযোগে অভিশংসন প্রক্রিয়া শুরু হলে সিনেটের চূড়ান্ত ভোটের আগেই পদত্যাগ করেন।</p>

<p><b>সুহার্তো (ইন্দোনেশিয়া, ১৯৯৮):</b> এশীয় অর্থনৈতিক মন্দা এবং দেশজুড়ে তীব্র আন্দোলনের মুখে দীর্ঘ ৩২ বছরের শাসনের ইতি টেনে পদত্যাগ করেন।</p>

<p><b>বরিস ইয়েলৎসিন (রাশিয়া, ১৯৯৯):</b> ৩১ ডিসেম্বর আকস্মিকভাবে প্রেসিডেন্টের পদ থেকে পদত্যাগ করেন এবং ভ্লাদিমির পুতিনকে উত্তরসূরি হিসেবে দায়িত্ব অর্পণ করেন।</p>

<p>২০০০-২০১০ দশক</p>

<p><b>গনজালো সানচেজ ডি লোজাডা (বলিভিয়া, ২০০৩):</b> অর্থনৈতিক নীতির বিরুদ্ধে ব্যাপক গণবিক্ষোভের মুখে পদত্যাগ করে যুক্তরাষ্ট্রে পালিয়ে যান।</p>

<p><b>জাঁ-বারট্রান্ড অ্যারিস্টিড (হাইতি, ২০০৪):</b> সশস্ত্র বিদ্রোহ এবং আন্তর্জাতিক চাপের মুখে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করে দেশ ছাড়েন।</p>

<p><b>পারভেজ মোশাররফ (পাকিস্তান, ২০০৮):</b> অভিশংসনের মুখোমুখি হওয়ার আশঙ্কায় এবং তীব্র রাজনৈতিক চাপের মুখে পদত্যাগ করেন।</p>

<p><b>হোসনি মুবারক (মিশর, ২০১১):</b> ঐতিহাসিক &lsquo;আরব বসন্ত&rsquo; গণআন্দোলনের মুখে সুদীর্ঘ ৩০ বছরের শাসনের অবসান ঘটিয়ে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন।&nbsp;</p>

<p><b>আলি আবদুল্লাহ সালেহ (ইয়েমেন, ২০১২):</b> &lsquo;আরব বসন্ত&rsquo; আন্দোলনের মুখে ক্ষমতা ছেড়ে দেওয়ার সমঝোতা চুক্তিতে স্বাক্ষর করতে বাধ্য হন।</p>

<p><b>দিলমা রুসেফ (ব্রাজিল, ২০১৬):</b> বাজেট আইন লঙ্ঘনের দায়ে সিনেটের ভোটে অভিশংসিত হয়ে প্রেসিডেন্টের পদ থেকে অপসারিত হন।&nbsp;</p>

<p><b>পার্ক গিউন-হাই (দক্ষিণ কোরিয়া, ২০১৭):</b> ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগে পার্লামেন্টে অভিশংসিত হওয়ার পর আদালত কর্তৃক বরখাস্ত হন।&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><b>রবার্ট মুগাবে (জিম্বাবুয়ে, ২০১৭):</b> দীর্ঘ ৩৭ বছর ক্ষমতায় থাকার পর সামরিক হস্তক্ষেপ ও নিজ দলের চাপে বাধ্য হয়ে পদত্যাগ করেন।</p>

<p><b>পেদ্রো পাবলো কুচিনস্কি (পেরু, ২০১৮):</b> দুর্নীতির অভিযোগ ও রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে পদত্যাগ করেন।</p>

<p><b>জ্যাকব জুমা (দক্ষিণ আফ্রিকা, ২০১৮):</b> দুর্নীতির ব্যাপক অভিযোগ এবং নিজ দল আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসের চাপের মুখে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন।</p>

<p><b>জোসেফ কাবিলা (গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, ২০১৮):</b> দীর্ঘ রাজনৈতিক আন্দোলনের মুখে ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হন।</p>

<p><b>নুরসুলতান নজরবায়েভ (কাজাখস্তান, ২০১৯):</b> প্রায় তিন দশক দেশ শাসনের পর সাধারণ অসন্তোষ ও বিক্ষোভের মুখে&nbsp; স্বেচ্ছায় রাষ্ট্রপতির পদ থেকে ইস্তফা দেন।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><b>ইভো মোরালেস (বলিভিয়া, ২০১৯):</b> নির্বাচনি কারচুপির অভিযোগ এবং সেনাবাহিনী ও পুলিশের চাপে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন।</p>

<p>২০২০ দশক থেকে বর্তমান&nbsp;</p>

<p><b>মার্টিন ভিজকারা (পেরু, ২০২০):</b> নভেম্বরে কংগ্রেসের মুখোমুখি হয়ে অভিশংসনের মাধ্যমে পদচ্যুত ও অপসারিত হন।&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><b>গোটাবায়া রাজাপাকসে (শ্রীলঙ্কা, ২০২২):</b> ইতিহাসসেরা অর্থনৈতিক সংকটের জেরে সৃষ্ট তীব্র গণআন্দোলনের মুখে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান এবং অনলাইনে পদত্যাগপত্র পাঠান।&nbsp;</p>

<p><b>নগুয়েন জুয়ান ফুক (ভিয়েতনাম, ২০২৩):</b> কমিউনিস্ট শাসিত দেশটির দুর্নীতিবিরোধী অভিযানের মুখে প্রেসিডেন্টের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই পদত্যাগ করেন।</p>

<p><b>ভো ভান থুওং (ভিয়েতনাম, ২০২৪):</b> পূর্বসূরি নগুয়েন জুয়ান ফুকের পথ ধরেই দুর্নীতিবিরোধী অভিযানের মুখে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন।</p>

<p><b>মো. সাহাবুদ্দিন (বাংলাদেশ, ২০২৬): </b>২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও নতুন নির্বাচিত সরকার গঠনের পর ২৪ জুলাই রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/823-99.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[দ্রুত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে : ইসি মাছউদ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29143</link>
    <pubDate>Sat, 25 Jul 2026 09:07:34 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29143</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1016-88.jpg" />    <article>
<p>রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল দ্রুত ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ। আজ শুক্রবার মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ায় গণমাধ্যমকে এ কথা বলেন তিনি।</p>
</article>

<article><br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/national/2026/07/24/1715732" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>ইসি আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, &lsquo;সংবিধানের ১২৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে। তিনি আজ (২৪ জুলাই) পদত্যাগ করেছেন। ইনশাআল্লাহ, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন-১৯৯১ অনুযায়ী ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন হবে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার নিজেই রিটার্নিং কর্মকর্তা থাকবেন।</p>
</article>

<article>&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>বিদ্যমান সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদের ৩৫০ জন সংসদ সদস্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটার। সেই অনুযায়ী ভোটার তালিকা তৈরি করবে ইসি। এরপর ঘোষণা হবে নির্বাচনের তফসিল।&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/national/2026/07/24/1715720" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>ইসি আব্দুর রহমানেল মাছউদ জানান, সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের মতো রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে।</p>
</article>

<article>এরপর ভোট হলে ভোট হবে, একক প্রার্থী থাকলে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী ঘোষণা করা হবে।
<p>&nbsp;</p>

<p>আগামীকাল শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় ইসির কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। আগামী রবিবার বা তার পরে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিলের বিষয়ে ইসি সিদ্ধান্ত নেবে।&nbsp;</p>

<p>এ বিষয়ে আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, &lsquo;খুব দ্রুত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে।&rsquo;</p>

<p>এর আগে আজ শুক্রবার বিকেলে এক জরুরি প্রেস ব্রিফিংয়ে জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের স্বাক্ষর করা পদত্যাগপত্র আজ বিকেল ৫টা ১ মিনিটে তার কাছে জমা দেওয়া হয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>স্পিকার বলেন, &lsquo;আমি পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছি। সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আমি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছি।&rsquo;</p>

<p>রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের কারণ ব্যাখ্যা করে স্পিকার বলেন, তিনি গুরুতর অসুস্থ। বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হওয়ায় শারীরিক ও মানসিকভাবে রাষ্ট্রপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পদের দায়িত্ব পালনে অসামর্থ্য হওয়ায় তিনি পদত্যাগ করেছেন।</p>

<p>স্পিকার বরাবর লেখা মো. সাহাবুদ্দিন স্বাক্ষরিত পদত্যাগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, শারীরিক অসুস্থতার কথা। তিনি রাষ্ট্রপতি হিসেবে নিজের ভূমিকার কথাও লিখেছেন পদত্যাগপত্রে।</p>

<p>মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। আওয়ামী লীগের মনোনয়নে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1016-88.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[আসিয়ানের সেক্টরাল ডায়ালগ পার্টনার হতে ফিলিপাইনের সমর্থন চাইল বাংলাদেশ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29142</link>
    <pubDate>Sat, 25 Jul 2026 09:06:41 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29142</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1139-77.jpg" />    <article>
<p>দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় জোট আসিয়ানের (আসিয়ান) বর্তমান চেয়ার হিসেবে বাংলাদেশের সেক্টরাল ডায়ালগ পার্টনার হওয়ার প্রচেষ্টায় ফিলিপাইনের সমর্থন চেয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।</p>

<p>পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ট্রিটি অব অ্যামিটি অ্যান্ড কো-অপারেশন (টিএসি)-এর ৫০তম বার্ষিকী উপলক্ষে ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায় আয়োজিত অনুষ্ঠানের ফাঁকে আজ ফিলিপাইনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মা. থেরেসা পি. লাজারোর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে তিনি এ অনুরোধ জানান।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>বৈঠকে দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রী নার্সিং, চিকিৎসা পর্যটনের জন্য ভিসা সহজীকরণ, ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং পরিবার পুনর্মিলনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদারের উপায় নিয়ে আলোচনা করেন।</p>

<p>ড. খলিলুর রহমান দীর্ঘস্থায়ী রোহিঙ্গা সংকটের একটি টেকসই সমাধান খুঁজে বের করার প্রচেষ্টায়ও ফিলিপাইনের সমর্থন কামনা করেন।</p>

<p>দুই মন্ত্রী বাংলাদেশ ও ফিলিপাইনের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পৃক্ততা আরও বাড়ানোর গুরুত্বের ওপর জোর দেন এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার বিভিন্ন উপায় নিয়ে মতবিনিময় করেন।</p>

<p>দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় আঞ্চলিক জোটের সঙ্গে প্রাতিষ্ঠানিক সম্পৃক্ততা গভীর করা এবং সহযোগিতা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ আসিয়ানের সেক্টরাল ডায়ালগ পার্টনার মর্যাদা অর্জের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1139-77.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[গেজেট বাতিলের পর আপিলে ফিরছেন ৩৪ জুলাইযোদ্ধা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29141</link>
    <pubDate>Sat, 25 Jul 2026 09:06:01 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29141</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1256-66.jpg" />    <article>
<p>প্রতারণার অভিযোগে গেজেট থেকে বাদ পড়া ৩৪ জুলাইযোদ্ধাকে পুনর্বহালের সুপারিশ করেছে সংশ্লিষ্ট স্থানীয় পর্যালোচনা কমিটি। এর আগে সরকারি তদন্তে ভুয়া প্রমাণিত হওয়ায় ১৩ জন শহিদসহ ২২১ জনের গেজেট বাতিল করা হয়েছিল।</p>
</article>

<article>পরে বাদ পড়াদের মধ্যে আপিল করা ৪৬ জনের আবেদন পুনঃযাচাই করে আহত ৩৪ জনকে প্রকৃত জুলাইযোদ্ধা হিসেবে পুনরায় গেজেটভুক্ত করার সুপারিশ করা হয়েছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>জুলাই গণ-অভ্যুত্থান অধিদপ্তর জানিয়েছে, আপিলে সুপারিশপ্রাপ্ত জুলাইযোদ্ধাদের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সরকারের উচ্চপর্যায়ের কমিটি।</p>

<p>একই সময়ে শহিদ ও আহতদের স্বীকৃতি প্রক্রিয়ায় প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগে আরও ১২৮ জনের মাসিক ভাতা ও অন্যান্য সরকারি সুবিধা স্থগিত করা হয়েছে। পাশাপাশি নতুন আবেদন যাচাইয়ে প্রায় ২০০টি আবেদন সম্পূর্ণ ভুয়া এবং আরও ৬০০টি আবেদন তথ্যগত অসংগতিপূর্ণ হিসেবে শনাক্ত হওয়ায় পুরো যাচাই কার্যক্রম নতুন করে আলোচনায় এসেছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>জুলাই গণ-অভ্যুত্থান অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আনোয়ারুল নাসের বলেন, গেজেট বাতিল হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ৪৬ জন আপিল করেছিলেন। যাচাই-বাছাই শেষে ১২ জন প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণ উপস্থাপন করতে না পারলেও ৩৪ জন আন্দোলনে আহত হওয়া এবং বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার প্রমাণ দাখিল করতে সক্ষম হয়েছেন।</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/Court/2026/07/25/1716009" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>তিনি জানান, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনারের নেতৃত্বাধীন স্থানীয় পর্যালোচনা কমিটি এসব তথ্য যাচাই করে তাদের পুনরায় জুলাইযোদ্ধা হিসেবে গেজেটে অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ করেছে। অধিদপ্তর সেই সুপারিশ মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে।</p>
</article>

<article>এখন বিষয়টি সরকারের উচ্চপর্যায়ের কমিটির চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১ জানুয়ারি থেকে বিভিন্ন ধাপে পরিচালিত তদন্তে মিথ্যা তথ্য, ভুয়া নথি, দ্বৈত নিবন্ধন ও অসত্য দাবির প্রমাণ পাওয়ায় ১৩ জন শহিদসহ মোট ২২১ জনের গেজেট বাতিল করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগে অভিযুক্ত ১২৮ জনের মাসিক ভাতা, এককালীন অনুদানসহ সব ধরনের সরকারি সুযোগ-সুবিধা স্থগিত করা হয়েছে। এদের মধ্যে ১০৫ জনের ক্ষেত্রে আন্দোলনে আহত বা সম্পৃক্ত না থাকার প্রমাণ মিলেছে। আর ২৩ জনের নাম একাধিক গেজেটে অন্তর্ভুক্ত ছিল।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>নতুন আবেদন যাচাইয়েও বড় ধরনের অনিয়ম ধরা পড়েছে। অধিদপ্তরের হিসাবে, প্রায় ২০০টি আবেদন সম্পূর্ণ ভুয়া বলে শনাক্ত হয়েছে। আরও প্রায় ৬০০টি আবেদনে তথ্যগত অসংগতি, একই ব্যক্তির একাধিক আবেদন, শহিদের পরিচয়ে আহত হিসেবে আবেদন কিংবা প্রয়োজনীয় প্রমাণপত্রের ঘাটতি পাওয়া গেছে। এসব আবেদন জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের তদন্ত কমিটির মাধ্যমে যাচাই করা হচ্ছে। একই সঙ্গে শতাধিক সন্দেহজনক গেজেট ও আবেদন এখনো তদন্তাধীন রয়েছে।</p>

<p>আনোয়ারুল নাসের বলেন, সরকারের উদ্দেশ্য কাউকে হয়রানি করা নয়; বরং প্রকৃত জুলাইযোদ্ধাদের অধিকার নিশ্চিত করা। অভিযোগ পাওয়া প্রতিটি ঘটনা স্থানীয় পর্যায়ে তদন্ত করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। যাদের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে, তাদের গেজেট বাতিলের পাশাপাশি সরকারি সুবিধা স্থগিত করা হয়েছে। আবার যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ টেকেনি এবং গ্রহণযোগ্য প্রমাণ পাওয়া গেছে, তাদের ক্ষেত্রেও ন্যায়সংগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। আপিলে সুপারিশ পাওয়া ৩৪ জন তারই উদাহরণ।</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/business/2026/07/25/1716006" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>তিনি আরও জানান, প্রতারণার মাধ্যমে সরকারি সুবিধা গ্রহণকারীদের বিরুদ্ধে শুধু গেজেট বাতিলেই সীমাবদ্ধ থাকবে না সরকার। যারা ইতোমধ্যে ভাতা বা অন্য আর্থিক সুবিধা নিয়েছেন, তাদের কাছ থেকে অর্থ পুনরুদ্ধারে জেলা প্রশাসকদের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযোগের ধরন অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থাও গ্রহণ করা হবে। তবে যেসব আপিলকারীর পুনঃগেজেটের বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত হয়নি, তাদের ক্ষেত্রে উচ্চপর্যায়ের কমিটির সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত পৃথক কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে না।</p>

<p>বিশ্লেষকদের মতে, এত বড় কল্যাণ কর্মসূচির বিশ্বাসযোগ্যতা ধরে রাখতে কঠোর যাচাই-বাছাইয়ের কোনো বিকল্প নেই। সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)-এর সাধারণ সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, প্রকৃত শহিদ পরিবার ও আহতদের অধিকার রক্ষায় যেমন প্রতারণাকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা জরুরি, তেমনি ভুলবশত বাদ পড়া প্রকৃত যোদ্ধাদেরও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। আপিলের মাধ্যমে ৩৪ জনের পুনঃগেজেটের সুপারিশ দেখাচ্ছে, যাচাই প্রক্রিয়া কেবল শাস্তিমূলক নয়, সংশোধনমূলকও।</p>

<p>মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় ও জুলাই গণ-অভ্যুত্থান অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ৮৪৩ জন শহিদ এবং ১৪ হাজার ৩৭০ জন আহত জুলাইযোদ্ধার গেজেট কার্যকর রয়েছে। শহিদ পরিবার ও আহত জুলাইযোদ্ধাদের কল্যাণে এ পর্যন্ত প্রায় ৯৭৩ কোটি ৩৩ লাখ টাকার বেশি ব্যয় হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে শহিদ পরিবারের জন্য সঞ্চয়পত্র, আহতদের এককালীন অনুদান, মাসিক ভাতা এবং বিদেশে উন্নত চিকিৎসার ব্যয়। সরকার ইতোমধ্যে প্রায় ১ হাজার কোটি টাকার কল্যাণ কর্মসূচি বাস্তবায়নের পথে রয়েছে।</p>

<p>এদিকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আগামী ৫ আগস্ট থেকে তিন দিনব্যাপী জাতীয় কর্মসূচির প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার। সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম জানিয়েছেন, জুলাই মাসজুড়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হলেও মূল আয়োজন শুরু হবে ৫ আগস্ট। ওই দিন তিন দিনব্যাপী বিশেষ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, কর্মসূচির প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সময়সূচির সঙ্গে সমন্বয় করে অনুষ্ঠানসূচি চূড়ান্ত করা হচ্ছে। আগামী দু-এক দিনের মধ্যেই কোথায়, কখন এবং কী ধরনের কর্মসূচি হবে, তার পূর্ণাঙ্গ সূচি প্রকাশ করা হবে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1256-66.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[স্পেন ও ফ্রান্সে ভয়াবহ দাবানল: দেড় লাখের বেশি মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29140</link>
    <pubDate>Sat, 25 Jul 2026 09:05:04 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29140</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1359-55.jpg" />    <article>
<p>স্পেন ও ফ্রান্সে তীব্র তাপপ্রবাহ এবং শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে ভয়াবহ দাবানল ছড়িয়ে পড়েছে। যার ফলে মোট ১ লাখ ৬০ হাজারেরও বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।</p>
</article>

<article>এছাড়া স্পেনে জাতীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে দেশটির সরকার।
<p>&nbsp;</p>

<p>স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদের পশ্চিমাঞ্চলে তিনটি পৃথক দাবানল একত্রিত হয়ে বিশাল অগ্নিকাণ্ডে পরিণত হওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হিমশিম খাচ্ছেন দমকলকর্মীরা।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/sport/2026/07/25/1716011" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>স্পেনে প্রায় ৬৩ হাজার মানুষকে এলাকা ছাড়তে বা ঘরের ভেতরে অবস্থান করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে অন্তত ২৫ হাজার মানুষকে সরাসরি নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>মাদ্রিদের আঞ্চলিক প্রেসিডেন্ট ইসাবেল দিয়াজ আয়ুসো এ ঘটনাকে &lsquo;অঞ্চলের ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ দাবানল&rsquo; হিসেবে উল্লেখ করেছেন।</p>

<p>তিনি বলেন, তীব্র তাপপ্রবাহ, প্রবল বাতাস এবং একাধিক আগুনের সম্মিলিত বিস্তার পরিস্থিতিকে আরো ভয়াবহ করে তুলেছে।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/sport/2026/07/25/1716007" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>জরুরি ব্যবস্থাপনা প্রধান কার্লোস নোভিলো জানান, দাবানল বর্তমানে এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে, যা নিয়ন্ত্রণ করা দমকল বাহিনীর সক্ষমতার বাইরে। আগুনের তীব্রতার কারণে অনেক এলাকায় সরাসরি অভিযান চালানো সম্ভব হচ্ছে না; সেখানে প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>আগুনের বিস্তার ঠেকাতে স্পেনের সামরিক জরুরি ইউনিট (ইউএমই) মোতায়েন করা হয়েছে। বিশেষ করে এল এসকোরিয়াল শহরের আশপাশের এলাকা রক্ষায় তারা কাজ করছে।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/business/2026/07/25/1716006" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>এদিকে, পার্শ্ববর্তী আভিলা প্রদেশের বুরগোহোন্দো এলাকায় আরেকটি বড় দাবানল জ্বলছে। কর্তৃপক্ষ আশঙ্কা করছে, এটি মাদ্রিদের আগুনের সঙ্গে মিলে গেলে পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।</p>

<p>এ পর্যন্ত মাদ্রিদ অঞ্চলে ৬০ হাজারের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।</p>
</article>

<article>এর মধ্যে প্রায় ৩০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া আরো ২০ হাজার মানুষ লকডাউনের আওতায় রয়েছেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মাদ্রিদ অঞ্চলে অন্তত ৬ হাজার হেক্টর এবং আভিলা প্রদেশে প্রায় ৯ হাজার হেক্টর জমি আগুনে পুড়ে গেছে। আটটি পৌরসভা থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া আরো কয়েকটি শহরে লকডাউন জারি রয়েছে।</p>

<p>আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত ৮৬ বছর বয়সী বাসিন্দা একোলোজিও কাবরেরা বলেন, &lsquo;আগুনের মুখোমুখি দাঁড়ানোর চেষ্টা করলে সেটি আপনাকে গ্রাস করে ফেলবে। জীবনে এমন ভয়াবহ পরিস্থিতি কখনও দেখিনি।&rsquo;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/national/2026/07/25/1716002" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ শনিবার ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে যাওয়ার কথা রয়েছে। তিনি নাগরিকদের সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছেন।</p>

<p>অন্যদিকে, দক্ষিণ-পশ্চিম ফ্রান্সের জিরন্দ ও লঁদ অঞ্চলেও ভয়াবহ দাবানলে ১ লাখ ৪০ হাজারের বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।</p>

<p>জিরন্দ অঞ্চলের দাবানলে এরই মধ্যে ১৯ হাজার হেক্টরেরও বেশি বনভূমি পুড়ে গেছে। এছাড়া প্রায় ৮০টি বাড়ি ধ্বংস হয়ে গেছে। জনপ্রিয় পর্যটন এলাকা ক্যাপ ফেরে উপদ্বীপ পুরোপুরি খালি করে দেওয়া হয়েছে। অনেক মানুষ নৌকায় করে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিয়েছেন।</p>

<p>ফরাসি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরঁ ন্যুনেজ জানিয়েছেন, দাবানলটি এখন নিজস্ব গতিতে ছড়িয়ে পড়ছে এবং এর গতিপথ পরিবর্তন করে বোর্দো শহরের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এতে অন্তত ৫০ জন দমকলকর্মী আহত হয়েছেন।</p>

<p>ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ পরিস্থিতিকে অত্যন্ত উদ্বেগজনক উল্লেখ করে সেনাবাহিনী মোতায়েনের পাশাপাশি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সিভিল প্রোটেকশন ব্যবস্থার সহায়তা চেয়েছেন। সহায়তার অংশ হিসেবে চেক প্রজাতন্ত্র ও স্লোভাকিয়া থেকে দুটি ব্ল্যাক হক হেলিকপ্টার পাঠানো হচ্ছে।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/multimedia/corporate-hero/2026/07/25/1716001" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>বিশেষজ্ঞদের মতে, ইউরোপে চলমান তীব্র তাপপ্রবাহ, দীর্ঘস্থায়ী খরা এবং প্রবল বাতাস দাবানল দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার অনুকূল পরিবেশ তৈরি করেছে। ইউরোপীয় বন অগ্নি তথ্য ব্যবস্থা (ইএফএফআইএস) জানিয়েছে, চলতি বছরে ইউরোপে গত দুই দশকের গড়ের তুলনায় এরইমধ্যেই বেশি বনভূমি দাবানলে পুড়ে গেছে।</p>

<p>ইউরোপীয় পরিবেশ সংস্থা বলেছে, &lsquo;জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ইউরোপজুড়ে দাবানলের ঝুঁকি বেড়েছে। এতে সবচেয়ে বড় বিপদ দক্ষিণ ইউরোপে ঘটবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।&rsquo;</p>

<p><strong>সূত্র : <a href="https://www.bbc.com/news/articles/czjlenp0xk8o?fbclid=IwY2xjawTQ93BleHRuA2FlbQIxMABicmlkETFrdkc3dmNpaEVnSWxXaVdZc3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHifnMUZShLYlCCzr0vuxCqtNu4xUX_Dv6B6dnZINcB4Bw7YGCVb67GuGrOcc_aem_P0epaRjMnZvLh8wC6R6yYw">বিবিসি</a></strong></p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1359-55.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ইসরায়েল ইস্যুতে মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রদূতকে তলব করল যুক্তরাষ্ট্র]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29139</link>
    <pubDate>Sat, 25 Jul 2026 09:03:52 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29139</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1422-44.jpg" />    <article>
<p>ইসরায়েল-সংক্রান্ত মালয়েশিয়ার অবস্থান ব্যাখ্যা করতে দেশটির যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর পেন্টাগন। মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থার বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে <a href="https://www.reuters.com/world/asia-pacific/malaysia-envoy-summoned-by-us-over-israel-policy-bernama-says-2026-07-24/?fbclid=IwcGRvZgFleHRuA2FlbQIxMABicmlkETE3b1pRUkp4dE8zV1ljeDlKc3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHlw5SeoZ_LWcnFmJBe0XMkyIxROA6Tn_hUD7Mdxyud6ZNnY2uBOQM4SXoUmH_aem_DrczbiNKGJrJPISBx79dqA">রয়টার্স</a>।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রতিবেদনে মালয়েশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ হাসান জানান, যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত মুহাম্মদ শাহরুল ইকরাম ইয়াকুব মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরকে জানিয়েছেন, ইসরায়েলকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি না দেওয়া মালয়েশিয়ার দীর্ঘদিনের নীতি এবং এতে নতুন কোনো পরিবর্তন নেই।</p>

<p>পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, এটি সবসময়ই মালয়েশিয়ার নীতি। আমাদের অভিবাসন নীতিতে ইসরায়েল রাষ্ট্র বা জায়নিস্ট শাসনকে স্বীকৃতি দেওয়া হয় না। বহুদিন ধরেই আমরা এই অবস্থান অনুসরণ করে আসছি।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>মোহাম্মদ হাসান আরো জানান, সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের দ্বৈত নাগরিকত্বধারী এক ব্যক্তি মার্কিন পাসপোর্ট ব্যবহার করে মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করেন। পরে যাচাই-বাছাইয়ে তার ইসরায়েলি নাগরিকত্বের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর তাকে দেশ ছেড়ে চলে যেতে বলা হয়।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1422-44.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[সিনেপ্লেক্সে একসঙ্গে মুক্তি পেল ৪ আলোচিত সিনেমা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/29138</link>
    <pubDate>Sat, 25 Jul 2026 09:02:26 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/29138</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1509-33.jpg" />    <article>
<p>দেশের সিনেমাপ্রেমীদের জন্য নতুন চমক নিয়ে এসেছে স্টার সিনেপ্লেক্স। আজ (২৪ জুলাই) থেকে পর্দায় একযোগে মুক্তি পেয়েছে চারটি ভিন্ন ঘরানার আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র।</p>
</article>

<article>হরর, সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার, অ্যানিমেশন এবং থ্রিডি কনসার্ট ফিল্ম&mdash;সব মিলিয়ে দর্শকদের জন্য বৈচিত্র্যময় অভিজ্ঞতার আয়োজন করেছে দেশের অন্যতম মাল্টিপ্লেক্স চেইনটি।
<p>&nbsp;</p>

<p>মুক্তিপ্রাপ্ত চারটি সিনেমা হলো&mdash;&lsquo;এভিল ডেড বার্ন&rsquo;, &lsquo;প্যাসেঞ্জার&rsquo;, &lsquo;টাইম হোপার্স : দ্য সিল্ক রোড&rsquo; এবং &lsquo;বিলি আইলিশ-হিট মি হার্ড অ্যান্ড সফট : দ্য ট্যুর&rsquo;।</p>

<p>বিশ্বখ্যাত &lsquo;এভিল ডেড&rsquo; ফ্র্যাঞ্চাইজির ষষ্ঠ কিস্তি &lsquo;এভিল ডেড বার্ন&rsquo; পরিচালনা করেছেন সেবাস্তিয়ান ভানিচেক। স্যাম রাইমি ও রব ট্যাপার্ট প্রযোজিত এই অতিপ্রাকৃত হরর ছবিতে অভিনয় করেছেন সুহেইলা ইয়াকুব, হান্টার ডুহান ও লুসিয়ান বুকানন।</p>
</article>

<article>স্বামীর মৃত্যুর পর এক তরুণীর নির্জন বাড়িতে আশ্রয় নেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এগোয় গল্প। তবে &lsquo;বুক অব দ্য ডেড&rsquo;-এর অভিশপ্ত শক্তি জেগে ওঠার পর পারিবারিক পুনর্মিলন ভয়াবহ দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়।
<p>&nbsp;</p>

<p>সাইকোলজিক্যাল হররধর্মী &lsquo;প্যাসেঞ্জার&rsquo; পরিচালনা করেছেন আন্দ্রে ওভ্রেডাল। জ্যাকব সিপিও, লু লোবেল ও মেলিসা লিও অভিনীত ছবির গল্পে দেখা যায়, ভ্যানে করে রোড ট্রিপে বের হওয়া এক দম্পতি পথিমধ্যে ভয়াবহ দুর্ঘটনার সাক্ষী হন।</p>
</article>

<article>আহত এক ব্যক্তিকে সাহায্য করার পর থেকেই তাদের জীবনে নেমে আসে রহস্যময় আতঙ্ক। এক অদৃশ্য অতিপ্রাকৃত সত্তার মুখোমুখি হয়ে বেঁচে থাকার সংগ্রামই ছবির মূল আকর্ষণ।
<p>&nbsp;</p>

<p>পরিবার ও শিশু-কিশোর দর্শকদের জন্য রয়েছে অ্যানিমেটেড সায়েন্স ফিকশন &lsquo;টাইম হোপার্স : দ্য সিল্ক রোড&rsquo;। ২০৫০ সালের প্রেক্ষাপটে নির্মিত ছবিটিতে &lsquo;আকলি একাডেমি&rsquo;র চার মেধাবী শিক্ষার্থী টাইম-ট্রাভেলের মাধ্যমে চলে যায় ৮২৫ খ্রিস্টাব্দের বাগদাদে। সেখানে ইতিহাস ও বিজ্ঞানের ভবিষ্যৎ রক্ষায় তাদের এক রোমাঞ্চকর অভিযানের গল্প তুলে ধরা হয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>সংগীতপ্রেমীদের জন্য বড় আকর্ষণ &lsquo;বিলি আইলিশ-হিট মি হার্ড অ্যান্ড সফট : দ্য ট্যুর&rsquo;। কিংবদন্তি নির্মাতা জেমস ক্যামেরনের থ্রিডি প্রযুক্তিতে নির্মিত এই কনসার্ট ফিল্মে উঠে এসেছে বিশ্বখ্যাত পপ তারকা বিলি আইলিশের &lsquo;হিট মি হার্ড অ্যান্ড সফট&rsquo; বিশ্বভ্রমণের ম্যানচেস্টার কনসার্ট। অত্যাধুনিক চিত্রগ্রহণ ও ডলবি সাউন্ড প্রযুক্তির সমন্বয়ে দর্শকদের জন্য এটি হতে পারে কনসার্টের এক ভিন্নধর্মী সিনেমাটিক অভিজ্ঞতা।</p>

<p>একযোগে চারটি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র মুক্তির বিষয়ে স্টার সিনেপ্লেক্সের মিডিয়া বিভাগের প্রধান মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, &lsquo;আমরা সবসময়ই বাংলাদেশের দর্শকদের একদম নতুন এবং আন্তর্জাতিক মানের সিনেমা উপহার দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। একই দিনে রোমাঞ্চ, ভয়, বিজ্ঞান এবং মিউজিকের এই রকম দুর্দান্ত কম্বিনেশন স্টার সিনেপ্লেক্সে আগে কখনো আসেনি। আমরা আশা করি দর্শক তাদের পরিবার ও বন্ধুদের নিয়ে প্রেক্ষাগৃহে এক অবিশ্বাস্য সিনেম্যাটিক সপ্তাহ কাটাবেন।&rsquo;</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1509-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বিশ্বকাপে শেষে ক্লাবে ফিরেই সতীর্থদের ভালোবাসায় সিক্ত মন্তিয়েল]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/29137</link>
    <pubDate>Sat, 25 Jul 2026 09:01:40 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/29137</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1550-22.jpg" />    <article>
<p>২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে হারে শিরোপা হাতছাড়া আর্জেন্টিনার। টানা দ্বিতীয়বারের মতো সোনালি ট্রফি উঁচিয়ে ধরার স্বপ্নভঙ্গে মনোকষ্ট নিয়ে দেশে ফিরে গেছেন আলবেসিলেস্তরা।</p>
</article>

<article>ফিরছেন যার যার ক্লাবে। বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে ক্লাবে ফিরেই বিশ্বকাপের নায়ক গনজালো মন্তিয়েলকে রিভার প্লেটের সতীর্থ এবং স্টাফরা এক আবেগঘন ও বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বরণ করে নেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>কাতার বিশ্বকাপে ফাইনাল নির্ধারণী পেনাল্টি স্কোরার এই ডিফেন্ডার দীর্ঘ &nbsp;ইউরোপীয় অধ্যায় চুকিয়ে আবারও শৈশবের ক্লাবে ফিরে এসেছেন। বিশ্বমঞ্চে নিজের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করে নিজ ঘরে ফেরেন এই বিশ্বকাপজয়ী রাইট-ব্যাক।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p><iframe allow="autoplay; clipboard-write; encrypted-media; picture-in-picture; web-share" allowfullscreen="true" frameborder="0" height="250" scrolling="no" src="https://www.facebook.com/plugins/post.php?href=https%3A%2F%2Fwww.facebook.com%2Friverplateoficial%2Fposts%2Fpfbid0h8CcRAMULDKaNoXazP9owgWLfHdAtX3C2V2JKeXemB4fpHYgv8HDZSr2KmC9Liahl&amp;show_text=true&amp;width=500" width="500"></iframe></p>

<p>সেভিয়া থেকে সাড়ে ৪ মিলিয়ন ডলারের চুক্তিতে ক্লাবে যোগ দেওয়ার পর অনুশীলনের প্রথম দিনেই সতীর্থরা তাঁকে &lsquo;গার্ড অব অনার&rsquo; এবং করতালির মাধ্যমে স্বাগত জানান।&nbsp;</p>

<p>দলে থাকা অন্য বিশ্বকাপজয়ী তারকা&mdash;ফ্রাঙ্কো আরমানি, জার্মান পেজেলা এবং মার্কোস আকুনিয়ার উষ্ণ আলিঙ্গন মন্তিয়েলের এই প্রত্যাবর্তনকে আরো বিশেষ করে তোলে।&nbsp;</p>

<p>২০১৬ সালে এই ক্লাবেই তাঁর পেশাদার ক্যারিয়ার শুরু হয়েছিল। দীর্ঘ সময় পর পুরনো সতীর্থদের সঙ্গে পুনর্মিলন এবং ক্লাবের ড্রেসিংরুমের এই আনন্দঘন পরিবেশ পুরো ফুটবল মহলে বেশ প্রশংসিত হচ্ছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1550-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[চিরকুটের সঙ্গে কাজ করতে চায় বিশ্বখ্যাত ওয়ার্নার ব্রাদার্স]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/29136</link>
    <pubDate>Sat, 25 Jul 2026 09:00:53 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/29136</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1648-11.jpg" />    <article>
<p>বাংলাদেশের সংগীতের জন্য নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলতে পারে একটি আন্তর্জাতিক উদ্যোগ। বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ সংগীত প্রতিষ্ঠান ওয়ার্নার ব্রাদার্স মিউজিক এবার আগ্রহ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের জনপ্রিয় ব্যান্ড চিরকুটের সঙ্গে কাজ করার।</p>
</article>

<article>প্রতিষ্ঠানটির আমন্ত্রণে সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে তাদের আন্তর্জাতিক কার্যালয়ে বৈঠক করেছেন চিরকুটের প্রতিষ্ঠাতা ও ভোকাল শারমিন সুলতানা সুমী।
<p>&nbsp;</p>

<p>গত ২১ জুলাই ম্যানহাটনে অবস্থিত ওয়ার্নার ব্রাদার্স মিউজিকের আন্তর্জাতিক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির ভাইস প্রেসিডেন্ট জশ সারুবিন। প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী আলোচনায় চিরকুটের সংগীত, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং সম্ভাব্য যৌথ কাজের নানা দিক নিয়ে বিস্তারিত কথা হয়।</p>

<p>সুমীর ভাষ্য, দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম পরিচিত ও আন্তর্জাতিকভাবে সক্রিয় ব্যান্ড হিসেবে দেড় দশকের বেশি সময় ধরে চিরকুটের ধারাবাহিক কাজের স্বীকৃতি হিসেবেই এই আমন্ত্রণ এসেছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>বৈঠকের সময় ওয়ার্নার ব্রাদার্সের প্রতিনিধিরা সুমীর উপস্থিতিতেই চিরকুটের পাঁচ থেকে ছয়টি গান শোনেন। এর আগে তারা ব্যান্ডটির সংগীত নিয়ে গবেষণাও করেছিলেন। গান শোনার পর তাদের মন্তব্য ছিল, &lsquo;অল অব ইয়োর সংস আর ইউনিক, ইউ আর ভেরি ইউনিক!&rsquo;</p>

<p>চিরকুটের প্রশংসা করে জশ সারুবিন বলেন, ব্যান্ডটির স্বকীয় সংগীতধারা এবং সৃষ্টিশীলতা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কাজ করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সম্ভাবনা তৈরি করেছে।</p>

<p>জশ সারুবিন যুক্তরাষ্ট্রের সংগীত অঙ্গনের একজন অভিজ্ঞ এঅ্যান্ডআর (আর্টিস্টস অ্যান্ড রিপার্টোয়ার) নির্বাহী।</p>
</article>

<article>তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি কলাম্বিয়া রেকর্ডস, অ্যারিস্তা রেকর্ডস, আইল্যান্ড ডেফ জ্যাম, ভার্জিন রেকর্ডস এবং সনি/এটিভি মিউজিক পাবলিশিংয়ের মতো প্রতিষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>তাঁর তত্ত্বাবধানে প্রকাশিত অ্যালবামের বিশ্বব্যাপী বিক্রি ৪ কোটির বেশি কপি। লেডি গাগাকে সাইন করার পাশাপাশি লিওনেল রিচি, কার্লোস স্যান্টানা, পিঙ্ক, এভরিল ল্যাভিন, জন ম্যাকলাফলিন ও পিক্সি লটসহ বহু আন্তর্জাতিক শিল্পীর সঙ্গে কাজ করেছেন তিনি।</p>

<p>চিরকুটের সঙ্গে সম্ভাব্য সহযোগিতার বিষয়টিকে নিজেদের দীর্ঘদিনের পরিশ্রম, সৃষ্টিশীলতা ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবে দেখছেন সুমী। তাঁর বিশ্বাস, এটি বাংলাদেশের সংগীতকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরও শক্ত অবস্থানে নিয়ে যেতে সহায়ক হবে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>সুমী বলেন, &lsquo;সারা পৃথিবীর কিংবদন্তি শিল্পীদের নিয়ে কাজ করা এমন মানুষেরা যখন আমন্ত্রণ জানান, তখন সেটি ভীষণ অনুপ্রেরণার এবং সম্মানের। ওই ঐতিহাসিক অফিসে ঢোকার পর অদ্ভুত এক অনুভূতি কাজ করছিল। বারবার মনে হচ্ছিল, সেই খুলনা থেকে, সেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি থেকে আজ আবার বিশ্বসংগীতের এক গুরুত্বপূর্ণ ঠিকানা ম্যানহাটনে, শতবর্ষী ওয়ার্নার ব্রাদার্সের অফিসে দাঁড়িয়ে আছি। ব&zwj;্যান্ড মেম্বারদের মিস করছিলাম। আমি এবং চিরকুট স্রষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞ, আমাদের জীবনে এমন আরেকটি সুন্দর দিন দেওয়ার জন্য। আশা করি সামনে ভালো এবং নতুন কিছু অপেক্ষা করছে।&rsquo;</p>

<p>দীর্ঘ ২৪ বছরের পথচলায় চিরকুট &lsquo;আহারে জীবন&rsquo;, &lsquo;মরে যাব&rsquo;, &lsquo;যাদুর শহর&rsquo;, &lsquo;দুনিয়া&rsquo;, &lsquo;কানামাছি&rsquo;, &lsquo;উধাও&rsquo; ও &lsquo;দামী&rsquo;র মতো মৌলিক গান দিয়ে দেশ-বিদেশে নিজস্ব পরিচিতি গড়ে তুলেছে।&nbsp;</p>

<p>ব্যান্ডটি ইংল্যান্ড, নরওয়ে, সুইডেন, পর্তুগাল, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, শ্রীলঙ্কা ও মালয়েশিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কনসার্ট, আন্তর্জাতিক সংগীত উৎসব ও সাংস্কৃতিক আয়োজনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছে। এছাড়া নরওয়ে ও যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের শিল্পী ও ব্যান্ডের সঙ্গে তাদের একাধিক আন্তর্জাতিক কোলাবোরেশনও রয়েছে।</p>

<p>চিরকুটের বিশ্বাস, ওয়ার্নার ব্রাদার্স মিউজিকের মতো বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্ভাব্য এই সহযোগিতা শুধু ব্যান্ডটির জন্যই নয়, বাংলাদেশের সংগীতশিল্পের জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হতে পারে। একই সঙ্গে এটি দেশের সংগীতশিল্পী এবং নতুন প্রজন্মের শিল্পীদের আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কাজ করার অনুপ্রেরণা জোগাবে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1648-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিউইয়র্কে প্রবাসীদের সঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রীর মতবিনিময়, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ার আশ্বাস]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/29135</link>
    <pubDate>Thu, 23 Jul 2026 09:40:13 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/29135</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/690-2.jpg" />    <p>বাণিজ্য,পাট, বস্ত্র ও শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার হলো বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি, শিল্পায়ন ত্বরান্বিত করা এবং নতুন কর্মসংস্থান তৈরি করা। গত ১৭ জুলাই &nbsp;ব্রঙ্কসের গোল্ডেন প্যালেসে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।</p>

<p>খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, বাংলাদেশে ব্যবসা শুরু করতে বর্তমানে দীর্ঘ সময় লাগে। এই জটিলতা কমাতে সরকার অনলাইনভিত্তিক সেবা চালুর মাধ্যমে প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সহজ করার উদ্যোগ নিয়েছে, যাতে বিনিয়োগকারীদের বিভিন্ন দপ্তরে বারবার যেতে না হয়।</p>

<p>মন্ত্রী আরও বলেন, শিল্পায়ন ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ খাতে বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ দূর করতে সরকার কাজ করছে।</p>

<p>মতবিনিময় সভায় তিনি সিলেট-১ আসনের বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনা, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণের বিষয়েও প্রবাসীদের অবহিত করেন। পাশাপাশি দেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় প্রবাসীদের বিনিয়োগ ও অংশগ্রহণ বাড়ানোর আহ্বান জানান।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/690-2.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বাংলাদেশের সময় বাড়ানোর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29134</link>
    <pubDate>Thu, 23 Jul 2026 09:38:19 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29134</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/955-1.jpg" />    <article>
<p>বাংলাদেশ ও নেপালের স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর অনুরোধের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের কাছে সুপারিশ করেছে জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ (ইকোসক)।</p>

<p>মঙ্গলবার (২১ জুলাই) নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত ইকোসকের বৈঠকে সদস্যরাষ্ট্রগুলো সর্বসম্মতিক্রমে এ সুপারিশ অনুমোদন করে।</p>
</article>

<article>আজ বুধবার বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) মাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন।
<p>&nbsp;</p>

<p>বৈঠকে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী বাংলাদেশ ও নেপালের পক্ষে প্রস্তুতিকাল তিন বছর বাড়ানোর যৌক্তিকতা ও প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, এলডিসি থেকে টেকসই ও স্থিতিশীল উত্তরণ নিশ্চিত করতে প্রস্তুতির জন্য অতিরিক্ত সময় প্রয়োজন।</p>

<p>সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এর আগে জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসি (সিডিপি) দুই দেশের আবেদন পর্যালোচনা করে মত দেয়, বাংলাদেশ ও নেপালের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর অনুরোধ সাধারণ পরিষদে বিবেচনার জন্য উপস্থাপন করা উচিত।</p>
</article>

<article>সেই সুপারিশের ভিত্তিতেই ইকোসক বিষয়টি সাধারণ পরিষদে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বর্তমান সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২৪ নভেম্বর ২০২৬-এর আগে সাধারণ পরিষদে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সেদিনই স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বাংলাদেশ ও নেপালের উত্তরণ হওয়ার কথা।
<p>&nbsp;</p>

<p>সিদ্ধান্তের পর রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী বাংলাদেশের টেকসই উত্তরণের প্রতি সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।</p>
</article>

<article>সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তার উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, সাধারণ পরিষদ প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিলে তা একদিকে প্রয়োজনীয় নীতিগত পদক্ষেপ ও সংস্কার বাস্তবায়নে সহায়তা করবে, অন্যদিকে এলডিসি-উত্তর সময়ের জন্য দেশের প্রস্তুতিও আরো ভালো হবে।
<p>&nbsp;</p>

<p><strong>কেন পেছানোর আবেদন</strong></p>

<p>বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের সময়সীমা তিন বছর পিছিয়ে দেওয়ার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন করে। সরকারের যুক্তি, সময়সীমা বাড়ানো হলে সামষ্টিক অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করা, চলমান সংস্কার সংহত করা ও স্মুথ ট্রানজিশন স্ট্র্যাটেজির (এসটিএস) অধীন অগ্রাধিকারমূলক কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য প্রয়োজনীয় নীতিগত সুযোগ পাওয়া যাবে।</p>

<p>চিঠিতে আরো বলা হয়, এলডিসি উত্তরণে পাঁচ বছরের প্রস্তুতি সময় একের পর এক দেশি ও আন্তর্জাতিক সংকটে &lsquo;গুরুতরভাবে ব্যাহত&rsquo; হয়েছে।</p>

<p>বৈশ্বিক সংকটের মধ্যে রয়েছে কভিড-১৯ মহামারির দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের ধীরগতি, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ ও তার প্রভাবে জ্বালানি ও খাদ্যবাজারে অস্থিরতা, বৈশ্বিক আর্থিক ব্যবস্থার কড়াকড়ি, বাণিজ্য পুনরুদ্ধারে বিলম্ব, মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতা এবং বৈশ্বিক বাণিজ্যব্যবস্থায় বাড়তে থাকা অনিশ্চয়তা।</p>
</article>

<article>দেশি সংকটের মধ্যে আছে আর্থিক খাতে অনিয়ম, ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে রাজনৈতিক পটপরিবর্তন এবং রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবাসন এখনো নিষ্পত্তি না হওয়া।
<p>&nbsp;</p>

<p><strong>বাংলাদেশের অবস্থান কী</strong></p>

<p>১৯৭৫ সালে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকাভুক্ত হয়। এলডিসিভুক্ত থাকার সুবাদে পণ্য রপ্তানিতে শুল্কমুক্ত সুবিধাসহ নানা সুযোগ পেয়ে এসেছে। এলডিসি থেকে কোন দেশ বের হবে, সে বিষয়ে সুপারিশ করে সিডিপি।</p>

<p>তিন বছর অন্তর এলডিসিভুক্ত দেশগুলোর ত্রিবার্ষিক মূল্যায়ন হয়। মাথাপিছু আয়, মানবসম্পদ, জলবায়ু ও অর্থনৈতিক ভঙ্গুরতা&mdash;এই তিন সূচকের ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হয়, কোনো দেশ উত্তরণের যোগ্য কিনা। যেকোনো দুটি সূচকে উত্তীর্ণ হতে হয়, অথবা মাথাপিছু আয় নির্ধারিত সীমার দ্বিগুণ হতে হয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এসব মানদণ্ড অবশ্য পরিবর্তিত হয়।</p>

<p>বাংলাদেশ ২০১৮ ও ২০২১ সালের ত্রিবার্ষিক মূল্যায়নে তিনটি সূচকেই উত্তীর্ণ হয়েছে। সেগুলো হলো মোট জাতীয় আয় (জিএনআই), মানবসম্পদ সূচক (এইচএআই) ও অর্থনৈতিক ঝুঁকি সূচক (ইভিআই)। ২০২১ সালেই চূড়ান্তভাবে সুপারিশ করা হয়েছিল, ২০২৪ সালে বাংলাদেশ এলডিসি থেকে বের হবে। কোভিডের কারণে উত্তরণ দুই বছর পিছিয়েছে, তা না হলে আরো দুই বছর আগেই উত্তরণ হয়ে যেত।</p>

<p>জানা গেছে, এলডিসি থেকে উত্তরণের সময় পেছানোর আবেদন করে সফল হয়েছে সলোমন দ্বীপপুঞ্জ। ২০২৩ সালে দেশটির সরকার গৃহযুদ্ধ ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণ দেখিয়ে বাড়তি সময় চেয়ে জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসির (সিডিপি) কাছে আবেদন করে। তা মূল্যায়ন করে দেশটিকে তিন বছর সময় বাড়িয়ে দেয় সি</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/955-1.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বিদ্যুৎ বিতরণ বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29133</link>
    <pubDate>Thu, 23 Jul 2026 09:37:28 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29133</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/822-99.jpg" />    <article>
<p>দেশের বিদ্যুৎ বিতরণব্যবস্থাকে আরো দক্ষ, স্বচ্ছ ও বিল আদায় নিশ্চিত করতে বিদ্যুৎ বিতরণের দায়িত্ব বেসরকারি খাতের হাতে ছেড়ে দিতে চায় সরকার। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, &lsquo;আমি সব বিতরণ কম্পানিকে বেসরকারি করতে চাই।</p>
</article>

<article>সরকার বিদ্যুৎ উৎপাদন করে পাইকারি বিক্রি করতে পারে, কিন্তু গ্রাহক পর্যায়ে বিতরণের কাজটি বেসরকারি খাতেরই করা উচিত।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>বুধবার (২২ জুলাই) ঢাকায় আয়োজিত &nbsp;&lsquo;এনার্জি সিকিউরিটি অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন অব বাংলাদেশ&rsquo; শীর্ষক সম্মেলনে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি জানান, এই উদ্যোগ এগিয়ে নিতে এরই মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি পাওয়া গেছে।</p>

<p>ভারতের উদাহরণ টেনে মন্ত্রী বলেন, &lsquo;কলকাতা, মুম্বাই ও দিল্লির মতো শহরগুলোতে বিদ্যুৎ বিতরণব্যবস্থা বেসরকারি কম্পানিগুলো পরিচালনা করছে।</p>
</article>

<article>বাংলাদেশের উদ্যোক্তাদেরও পারা উচিত।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>স্থানীয় বিনিয়োগকারীদের প্রস্তাব দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, &lsquo;সরকার এসব প্রস্তাব গুরুত্বের সঙ্গে যাচাই-বাছাই করবে।&rsquo;</p>

<p>তিনি আরো বলেন, &lsquo;সরকার খুচরা ব্যবসা করতে পারে না। বেসরকারি উদ্যোক্তারা এলে জবাবদিহি ও বিল আদায় নিশ্চিত হবে।</p>
</article>

<article>এ ছাড়া সব সময় কেন সরকারকেই পেট্রোলিয়াম পণ্য আমদানি করতে হবে? বেসরকারি খাতকে এটি করতে দেওয়া উচিত। এর একটি বড় বাজার রয়েছে এবং প্রতিযোগিতার ফলে সরকারের ওপর চাপ কমবে।&rsquo;</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/822-99.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[আবাসন শিল্প জাতীয় অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি : প্রধানমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29132</link>
    <pubDate>Thu, 23 Jul 2026 09:36:49 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29132</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1015-88.jpg" />    <article>
<p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশের আবাসন শিল্প জাতীয় অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি। এ খাতের বিকাশ দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।</p>
</article>

<article>তিনি বলেন, &lsquo;সরকার এমন একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে কাজ করছে, যেখানে আবাসন খাতের উন্নয়ন হবে পরিকল্পিত, টেকসই ও দুর্নীতিমুক্ত।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/campus-online/2026/07/22/1714881" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>বুধবার (২২ জুলাই) বিকেলে বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)-এর একটি প্রতিনিধিদল। এ সময় বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেসসচিব গাজী শাহরিয়ার পামির এ তথ্য জানান।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রধানমন্ত্রী বলেন, কেউ যেন আবাসন খাতে অনিয়ম করতে না পারে, সে লক্ষ্যে সরকার ইতিমধ্যে বিভিন্ন সংস্কারমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে এবং আরো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।</p>

<p>তিনি জানান, বৈঠকে দেশের আবাসন শিল্পের বর্তমান পরিস্থিতি, পরিকল্পিত নগরায়নের চ্যালেঞ্জ, ড্যাপ বাস্তবায়নের ফলে উদ্ভূত বিভিন্ন বাস্তব সমস্যা এবং এ খাতের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/national/2026/07/22/1714972" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>বৈঠকে রিহ্যাব প্রতিনিধিদল জমি, প্লট ও ফ্ল্যাট নিবন্ধন ফি যৌক্তিক পর্যায়ে কমানোর আবেদন জানায়। পাশাপাশি আবাসন খাতে বিভিন্ন সরকারি সেবা সম্পূর্ণ ডিজিটাল করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা।</p>
</article>

<article>এছাড়া যৌক্তিকভাবে ভবনের ফ্লোর এরিয়া রেশিও এবং রাজধানীর সীমিত জমির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে উলম্ব নগরায়নের ওপর জোর দেওয়া হয় বলেও জানান সহকারী প্রেসসচিব শাহরিয়ার পামির।
<p>&nbsp;</p>

<p>এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, নগরায়ন শুধু ঢাকাকেন্দ্রিক হলে চলবে না; দেশের অন্যান্য অঞ্চলকেও সমান গুরুত্ব দিয়ে পরিকল্পিতভাবে গড়ে তুলতে হবে। একই সঙ্গে কৃষিজমি রক্ষা করে উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/dhaka/2026/07/22/1714954" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন, রিহ্যাবের সভাপতি ড. আলী আফজাল, সহসভাপতি-২ আবু খালিদ মোহাম্মদ বারকাতুল্লাহ, ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আমিনুল করিম সিদ্দিকী, ইউনাইটেড গ্রুপের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিজামউদ্দিন হাসান রশিদ, ম্যানেজার মুশফিকুল আলম খন্দকার।</p>

<p>আরো উপস্থিত ছিলেন রূপায়ণ গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. লিয়াকত আলী খাঁন, কো-চেয়ারম্যান মাহির আলী খান রাতুল, আমিন মোহাম্মদ গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক আবুল কালাম মো. রেজাউল করিম, সেঞ্চুরি গ্রুপের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) নাসির মজুমদার, ইউএস-বাংলা অ্যাসেটস লিমিটেডের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো. জালাল ঘানি খান এবং স্বদেশ প্রপার্টিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. এ. কাইয়ুম।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1015-88.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ১০ বিলিয়ন ডলারের সহায়তা চাইল পাকিস্তান]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29131</link>
    <pubDate>Thu, 23 Jul 2026 09:35:45 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29131</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1138-77.jpg" />    <article>
<p>বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়ানো, পাকিস্তানি রুপির ওপর চাপ কমানো এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের একটি &lsquo;এক্সচেঞ্জ স্ট্যাবিলাইজেশন ফান্ড&rsquo; বা &lsquo;বিনিময় হার স্থিতিশীলতা সহায়তা তহবিল&rsquo; চেয়েছে পাকিস্তান। সূত্রের বরাতে বিষয়টি জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম <a href="http://www.indiatoday.in/world/story/pakistan-us-exchange-stabilisation-facility-10-billion-reserve-backstop-2953310-2026-07-22?fbclid=IwY2xjawTNB_pleHRuA2FlbQIxMABicmlkETFQSHNCV3JlaThtQUJiZEtCc3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHr4y1u4d5MS3B0fOrXzLy_smNsXJfHGFbq3UbOzHgADtdckk-VebTrRO-aSp_aem_z4nQOfMiDwZm0p1LGfRkTA">ইন্ডিয়া টুডে</a>।</p>
</article>

<article>এই সহায়তা অনুমোদন পেলে অর্থসংকটে থাকা দেশটির জন্য এটি বড় ধরনের আর্থিক সহায়তা হবে।
<p>&nbsp;</p>

<p>এ তথ্য এবারই প্রথম প্রকাশ্যে এসেছে। সূত্র জানায়, ইরান যুদ্ধ নিয়ে আলোচনা শুরু করতে পাকিস্তান যে কূটনৈতিক ভূমিকা পালন করেছিল, তার পরপরই এই অনুরোধ করা হয়েছে। এতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পাকিস্তানের গুরুত্ব বেড়েছে।</p>
</article>

<article>একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য অংশীদারের কাছ থেকে অর্থনৈতিক সহযোগিতা পাওয়ার আশাও তৈরি হয়েছে। সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, পাকিস্তান সরকার যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টের কাছে পাঠানো এক আবেদনে দুই দেশের মধ্যে ১০ বিলিয়ন ডলারের একটি দ্বিপক্ষীয় বিনিময় হার স্থিতিশীলতা সহায়তা তহবিল গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে। এই তহবিলের মেয়াদ সর্বোচ্চ পাঁচ বছর রাখার কথা বলা হয়েছে।
<p>&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/country-news/2026/07/22/1714717" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>এই তহবিল অনুমোদন হলে পাকিস্তানের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরো শক্তিশালী হবে।</p>
</article>

<article>এতে পাকিস্তানি রুপির ওপর চাপ কমবে এবং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার ঋণের ওপর নির্ভরতাও কিছুটা কমবে। তবে একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) কর্মসূচির শর্ত অনুযায়ী কঠোর রাজস্ব ও মুদ্রানীতি চালিয়ে যাবে ইসলামাবাদ। বর্তমানে পাকিস্তান আইএমএফের সাত বিলিয়ন ডলারের ঋণ কর্মসূচির আওতায় রয়েছে। এই কর্মসূচির শর্ত পূরণ করতে সরকারকে কর বাড়ানো, সরকারি ব্যয় কমানো এবং বিভিন্ন অর্থনৈতিক সংস্কার বাস্তবায়ন করতে হয়েছে। এসব সিদ্ধান্ত রাজনৈতিকভাবে অজনপ্রিয় হলেও অর্থনীতি স্থিতিশীল রাখতে এগুলো নেওয়া হয়েছে।</article>

<article>এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে চাইলে পাকিস্তানের অর্থ মন্ত্রণালয় এশিয়ার ব্যাবসায়িক সময় শেষ হওয়া পর্যন্ত কোনো জবাব দেয়নি। একইভাবে মন্তব্য করতে রাজি হয়নি যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয়ও।
<p>&nbsp;</p>

<p>বিশেষজ্ঞদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের এই ধরনের বিনিময় হার স্থিতিশীলতা সহায়তা তহবিল খুবই বিরল। সাধারণত যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে এ ধরনের সহায়তা দেওয়া হয়। এর আওতায় কোনো দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করতে ডলার, মুদ্রা অদলবদল (কারেন্সি সুয়াপ) অথবা আর্থিক নিশ্চয়তা দেওয়া হয়। তবে এটি যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের বড় বড় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে থাকা স্থায়ী ডলার অদলবদল ব্যবস্থার মতো নয়। সেই ব্যবস্থা মূলত বিশ্বব্যাপী আর্থিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে ডলারের সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এর আগে ২০২৫ সালে আর্জেন্টিনা এ ধরনের সহায়তা পেয়েছিল। তার আগে ২০০২ সালে উরুগুয়ে একই ধরনের সহায়তা পেয়েছিল। তবে মেক্সিকোর দীর্ঘদিনের ডলার অদলবদল ব্যবস্থা এর বাইরে। ১৯৪০-এর দশক থেকে চালু থাকা ওই ব্যবস্থার বর্তমান আকার প্রায় ৯ বিলিয়ন ডলার।&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/business/2026/07/22/1714716" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>২০২৩ সালে আইএমএফের ৩ বিলিয়ন ডলারের জরুরি ঋণ কর্মসূচির মাধ্যমে পাকিস্তান ঋণখেলাপি হওয়ার ঝুঁকি থেকে রক্ষা পায়। পরে দেশটি সাত বিলিয়ন ডলারের সম্প্রসারিত ঋণ সুবিধা পায়। এ ছাড়া জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলার সক্ষমতা বাড়াতে আরো ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারের আলাদা ঋণও অনুমোদন করা হয়। তারপরও পাকিস্তানের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এখনো সরকারি অর্থায়ন, বিদেশি ঋণ নবায়ন এবং চীন ও সৌদি আরবের আমানতের ওপর অনেকটাই নির্ভরশীল। ফলে কোনো দ্বিপক্ষীয় সহায়তা বা আইএমএফের ঋণের কিস্তি পেতে দেরি হলে দেশটি আবারও অর্থনৈতিক ঝুঁকিতে পড়তে পারে। এই দুর্বলতা গত এপ্রিল মাসে স্পষ্ট হয়ে ওঠে। তখন পাকিস্তান সংযুক্ত আরব আমিরাতকে প্রায় ৩ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার পরিশোধ করে। এই অর্থ ছিল দেশটির মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের প্রায় পাঁচ ভাগের এক ভাগ। পরে সৌদি আরব নতুন করে তিন বিলিয়ন ডলারের সহায়তা দেওয়ায় কিছুটা স্বস্তি ফিরে আসে। পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আশা, ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আবারও ২০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে। এটি হবে ২০২১ সালের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ের কাছাকাছি।</p>

<p>অর্থনীতিবিদদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র যদি এই সহায়তা অনুমোদন করে, তাহলে তা শুধু আর্থিক নিরাপত্তাই দেবে না, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও পাকিস্তানের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক সমর্থনের বার্তা দেবে। এর ফলে রিজার্ভ ও পাকিস্তানি রুপির ওপর চাপ কমবে এবং আইএমএফের ঋণ বা জরুরি আর্থিক সহায়তার ওপর নির্ভরতাও কমতে পারে। আইএমএফের সহায়তায় নেওয়া সংস্কার কর্মসূচির কারণে পাকিস্তানের অর্থনীতি কিছুটা স্থিতিশীল হয়েছে। তবে এর জন্য সরকারকে কর বৃদ্ধি, সরকারি ব্যয় কমানো এবং উন্নয়ন ও সামাজিক কল্যাণ খাতে ব্যয় সীমিত করার মতো কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। বিশ্বের ঋণমান নির্ধারণকারী সংস্থা ফিচ গত এপ্রিল মাসে জানায়, আইএমএফের কর্মসূচি বাস্তবায়নের ফলে পাকিস্তানের অর্থ সংগ্রহের সক্ষমতা বেড়েছে। পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কিছুটা শক্তিশালী হওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত থেকে সৃষ্ট অর্থনৈতিক ধাক্কা মোকাবেলায় দেশটি আগের তুলনায় ভালো অবস্থানে রয়েছে। তবে ফিচ সতর্ক করেছে, জ্বালানির আন্তর্জাতিক দাম বেড়ে গেলে বা সরবরাহে বিঘ্ন ঘটলে পাকিস্তানের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দ্রুত কমে যেতে পারে। এতে নতুন করে অর্থনৈতিক চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/sport/2026/07/22/1714715" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে চলা বৈদেশিক অর্থনৈতিক সংকট, নীতিগত অনিশ্চয়তা, নিরাপত্তাঝুঁকি, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মুনাফা দেশে ফেরত নেওয়ার অতীতের সীমাবদ্ধতা এবং সীমিত রপ্তানি বাজারের কারণে পাকিস্তানে প্রত্যাশিত হারে বিদেশি বিনিয়োগ আসছে না। একই সঙ্গে দেশটির ঋণ এখনো উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজার থেকে ঋণ নেওয়াও ব্যয়বহুল। এ অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরো জোরদারের চেষ্টা করছে পাকিস্তান। এখন পর্যন্ত দুই দেশের সহযোগিতা ক্রিপ্টোকারেন্সি, স্থাবর সম্পত্তি এবং খনি খাত পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে। এর অংশ হিসেবে পাকিস্তান সীমান্তপারের অর্থ পরিশোধের জন্য ওয়ার্ল্ড লিবার্টি ফিন্যান্সিয়ালের একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে স্থিতিশীল ডিজিটাল মুদ্রা ব্যবহারের চুক্তি করেছে। প্রতিষ্ঠানটি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরিবারের প্রধান ক্রিপ্টো ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। এ ছাড়া নিউ ইয়র্কে পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইনসের মালিকানাধীন বন্ধ রুজভেল্ট হোটেল পুনর্গঠনের জন্য যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক করার উদ্যোগ নিয়েছে ইসলামাবাদ। একই সঙ্গে রেকো দিকসহ বিভিন্ন খনি প্রকল্পে যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগ আকর্ষণেরও চেষ্টা করছে দেশটি। এর মধ্যে রেকো দিক খনির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের রপ্তানি-আমদানি ব্যাংক ১ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার অর্থায়নের ঘোষণা দিয়েছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1138-77.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[শিশুদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার নিষিদ্ধে ফ্রান্সে আইন পাস]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29130</link>
    <pubDate>Thu, 23 Jul 2026 09:34:35 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29130</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1255-66.jpg" />    <article>
<p><a href="https://www.reuters.com/legal/litigation/french-lawmakers-vote-social-media-ban-children-2026-07-21/?fbclid=IwY2xjawTNE2hleHRuA2FlbQIxMABicmlkETFQSHNCV3JlaThtQUJiZEtCc3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHh-ouZqInQjEVwj2OxVCyl_h3YP44uTOHn9W0I_XyArSb-ilMB2Bnx9ldmy2_aem_2adPbT57AVUrsSlfvBV6Dw">১৫ বছরের</a> কম বয়সী শিশুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার বন্ধ করতে নতুন আইন অনুমোদন করেছে ফ্রান্সের পার্লামেন্ট। এর ফলে ইউরোপে এ ধরনের আইন পাস করা প্রথম দেশ হলো ফ্রান্স।</p>
</article>

<article>নতুন আইনের আওতায় আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে ১৫ বছরের কম বয়সী কোনো শিশু ফেসবুক, টিকটক, স্ন্যাপচ্যাট, ইনস্টাগ্রাম বা অন্য কোনো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবে না।
<p>&nbsp;</p>

<p>বিশ্বজুড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম শিশু-কিশোরদের মানসিক স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা এবং স্বাভাবিক বিকাশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে&mdash;এমন উদ্বেগের মধ্যেই এই সিদ্ধান্ত নিল ফ্রান্স। সরকার মনে করছে, কম বয়সীদের অতিরিক্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার কমাতে কঠোর আইন প্রয়োজন। মঙ্গলবার ফ্রান্সের পার্লামেন্টের দুই কক্ষ&mdash;সিনেট ও ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি&mdash;নতুন আইনটি অনুমোদন করে।</p>
</article>

<article>আইনটি কার্যকর হলে ১৫ বছরের কম বয়সীরা নতুন করে কোনো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবে না। শুধু নতুন অ্যাকাউন্ট খোলা বন্ধ করাই নয়, বর্তমানে ১৫ বছরের কম বয়সীদের যেসব অ্যাকাউন্ট রয়েছে, সেগুলোও বন্ধ করতে হবে। এ কাজের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে অতিরিক্ত চার মাস সময় দেওয়া হবে। নতুন আইনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোকে ব্যবহারকারীদের বয়স যাচাইয়ের বাধ্যতামূলক ব্যবস্থা চালু করতে হবে।</article>

<article>এজন্য ফ্রান্সের গোপনীয়তা নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদিত প্রযুক্তি ব্যবহার করতে হবে। এর মাধ্যমে নিশ্চিত করা হবে, ১৫ বছরের কম বয়সীরা নতুন অ্যাকাউন্ট খুলতে না পারে।
<p>&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/dhaka/2026/07/22/1714728" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>ফ্রান্সের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাবিষয়ক জুনিয়রমন্ত্রী অ্যান লে হেনাফ সিনেটে বলেন, এই আইনের মাধ্যমে ডিজিটাল প্রাপ্তবয়স্কতা নির্ধারণে ইউরোপের প্রথম দেশ হিসেবে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে ফ্রান্স। এর আগে বিশ্বের প্রথম এ ধরনের কঠোর নিষেধাজ্ঞা চালু করে অস্ট্রেলিয়া। সেখানে গত ডিসেম্বর থেকে ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য ফেসবুক, স্ন্যাপচ্যাট, টিকটক, ইউটিউবসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে।</p>
</article>

<article>সেই পথেই এবার হাঁটছে ফ্রান্স।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁ চান, আগামী শিক্ষাবর্ষ শুরু হওয়ার আগেই নতুন আইন পুরোপুরি কার্যকর হোক। শিশু-কিশোরদের মোবাইল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আসক্তি কমাতে তিনি দীর্ঘদিন ধরেই কঠোর পদক্ষেপের পক্ষে অবস্থান নিয়ে আসছেন। &nbsp;গত এপ্রিল এক অনুষ্ঠানে তরুণদের উদ্দেশে ম্যাখোঁ বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কারণে অনেক শিশু-কিশোর এমন একটি পরিবেশে বেড়ে উঠছে, যেখানে তাদের মনোযোগ নিয়মিতভাবে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম কেড়ে নিচ্ছে। তিনি বলেন, নিয়ন্ত্রণহীন ডিজিটাল পরিবেশ শিশুদের জন্য ক্ষতিকর হয়ে উঠেছে। ম্যাখোঁ আরো বলেন, শিশু-কিশোরদের ধীরে ধীরে বড় হয়ে ওঠার সুযোগ দিতে হবে। তাদের বই পড়া, শেখা এবং ভালো নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার পরিবেশ তৈরি করতে হবে। এজন্যই ১৫ বছর বয়সের আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/07/22/1714725" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলো এই ধরনের সবার জন্য একই নিয়মে নিষেধাজ্ঞার বিরোধিতা করে আসছে। তাদের দাবি, কম বয়সী ব্যবহারকারীদের সুরক্ষার জন্য বয়সসীমা, অভিভাবকীয় নিয়ন্ত্রণ এবং অন্যান্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা আগে থেকেই রয়েছে। এরপরও সরকার যদি নতুন আইন কার্যকর করে, তাহলে তা মেনে চলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এসব প্রতিষ্ঠান। এদিকে ইউরোপীয় কমিশনও শিশু ও কিশোরদের অনলাইনে নিরাপদ রাখতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিয়ন্ত্রণে নতুন নীতিমালা তৈরির কাজ করছে। ফ্রান্সের নতুন আইন ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিদ্যমান আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না, সে বিষয়েও কমিশন পর্যালোচনা করবে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1255-66.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তারের আইনি ক্ষমতা নিউইয়র্ক সিটির নেই : মামদানি]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29129</link>
    <pubDate>Thu, 23 Jul 2026 09:33:34 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29129</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1358-55.jpg" />    <article>
<p>নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানি বলেছেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা অনুযায়ী ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তার করার আইনি ক্ষমতা নিউইয়র্ক সিটির নেই। তবে তিনি এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.arabnews.com/node/2651836/world">মঙ্গলবার প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় মামদানি নেতানিয়াহুকে</a> &lsquo;যুদ্ধাপরাধী&rsquo; বলে উল্লেখ করেন এবং বলেন, তিনি নিউইয়র্ক সিটিতে স্বাগত নন। তিনি জানান, শহরের প্রশাসন ও আইনি বিভাগ বিষয়টি পর্যালোচনা করে দেখেছে যে নিউইয়র্ক সিটির পক্ষে আইসিসির গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর করা সম্ভব নয়। তবে তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে আইসিসির সঙ্গে সহযোগিতা করে পরোয়ানা কার্যকর করার আহ্বান জানান।</p>

<p>এর আগে, এই মাসের শুরুতে মামদানি বলেছিলেন, সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে নেতানিয়াহু নিউইয়র্কে এলে তাকে গ্রেপ্তারের আইনি সুযোগ নিয়ে আলোচনা চলছে।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তার করা হবে না। মামদানির বক্তব্যের জবাবে জাতিসংঘে নিযুক্ত ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত ড্যানি ড্যানন বলেন, নিউইয়র্কবাসীর সেবা করাই মেয়রের দায়িত্ব, হামাসের প্রচারণা করা নয়।</p>

<p>উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) গাজা যুদ্ধের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।&nbsp;</p>

<p>আদালতের অভিযোগ, তারা মানবিক সহায়তা সীমিত করে অনাহারকে যুদ্ধের কৌশল হিসেবে ব্যবহার করেছেন এবং বেসামরিক মানুষের ওপর হামলার দায় বহন করেন।</p>
</article>

<article>তবে ইসরায়েল সরকার এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1358-55.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ম্যানিলায় রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন মার্কো রুবিও]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29128</link>
    <pubDate>Thu, 23 Jul 2026 09:32:46 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29128</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1421-44.jpg" />    <article>
<p>রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ জানিয়েছেন, ইউক্রেন যুদ্ধ ও মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার জন্য বৃহস্পতিবার মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি। বুধবার সাংবাদিকদের লাভরভ বলেন, যেকোনো আলোচনা ইতিবাচক হতে পারে।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি বলেন, &lsquo;প্রশ্ন করা এবং উত্তর পাওয়া সব সময়ই ভালো।&rsquo;</p>

<p>তিনি জানান, <a href="https://www.arabnews.com/node/2651870/world">ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায় আসিয়ান </a>পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সম্মেলনের ফাঁকে বৃহস্পতিবার সকালে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এদিকে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক হামলার নিন্দা জানিয়েছে রাশিয়া। অন্যদিকে ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে চলা আলোচনা এখন অনেকটাই স্থবির।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির দিকে ওয়াশিংটনের বেশি মনোযোগ এবং ইউক্রেনের কাছে ভূখণ্ড ছেড়ে দেওয়ার বিষয়ে রাশিয়ার কঠোর অবস্থানের কারণে শান্তি আলোচনা এগোচ্ছে না।</p>

<p>রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভের সঙ্গে বৃহস্পতিবারের বৈঠকে ইউক্রেন যুদ্ধের বিষয়টি গুরুত্ব পাবে বলে জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও।</p>

<p>ম্যানিলায় সাংবাদিকদের রুবিও বলেন, &lsquo;একটি নৈশভোজে লাভরভের সঙ্গে তার সংক্ষিপ্ত কথা হয়েছে। তবে মূল আলোচনা হবে বৃহস্পতিবারের বৈঠকে।</p>
</article>

<article>&rsquo; রুবিও বলেন, &lsquo;ইউক্রেন যুদ্ধ রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে অন্যান্য বিষয়ে সহযোগিতার সুযোগকে সীমিত করে দিয়েছে। তবু আমরা সম্ভাব্য সহযোগিতার ক্ষেত্র খুঁজে বের করার চেষ্টা করব।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি আরো বলেন, &lsquo;আমরা চাই, এই যুদ্ধের অবসান হোক। এ বিষয়ে আলোচনা করব এবং যুদ্ধ শেষ করতে যুক্তরাষ্ট্র গঠনমূলক ভূমিকা রাখতে প্রস্তুত।&rsquo;</p>

<p>এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়ার জ্বালানি স্থাপনায় ইউক্রেনের দূরপাল্লার হামলাকে সমর্থন করেছেন।</p>
</article>

<article>তার মতে, এই ধরনের চাপ যুদ্ধের অবসানে ভূমিকা রাখতে পারে। ইউক্রেনের এসব হামলার ফলে রাশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে বলে জানা গেছে।</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1421-44.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[আটকের সময় রাহুল গান্ধীকে পুলিশ সদস্যের বার্তা—‘মোদিকে হটাও’]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29127</link>
    <pubDate>Thu, 23 Jul 2026 09:32:06 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29127</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1508-33.jpg" />    <article>
<p>ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের সামনে থেকে আটক হয়েছিলেন দেশটির লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী। বিক্ষোভ চলাকালীন ওই সময় পুলিশ যখন রাহুল গান্ধীকে টেনেহিঁচড়ে সরিয়ে নিচ্ছিল, তখন পুলিশ সদস্যরা তার কানে ফিসফিস করে বললেন, &lsquo;এই (মোদি) সরকারকে হটাও।</p>
</article>

<article>&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>দেশটির সংবাদ মাধ্যম <a href="https://www.indiatoday.in/india/story/rahul-gandhi-police-whispered-remove-government-protest-pm-modi-house-2953709-2026-07-22">ইন্ডিয়া টুডে</a> বলছে, বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে কথা বলার সময় এই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেন রাহুল।</p>

<p>এর আগে গত মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর লোক কল্যাণ মার্গের বাসভবনের সামনে চলা বিক্ষোভে অংশ নেন রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং কংগ্রেসের শীর্ষস্থানীয় নেতারা। পরে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিংয়ের হস্তক্ষেপেও রাহুল সেখান থেকে সরে যেতে অস্বীকৃতি জানালে সেখান থেকে তাদের তুলে নিয়ে যায় দিল্লি পুলিশ।</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/07/22/1714960" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভিডিওতে দেখা যায়, পুলিশ জোরপূর্বক দুই হাত ও দুই পায়ে ধরে টেনেহিঁচড়ে রাহুল গান্ধীকে সরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।</p>
</article>

<article>ওই সময় তার নাক থেকে রক্ত ঝরছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>রাহুলের দাবি, এই হট্টগোলের মধ্যেই পুলিশ সদস্যরা ব্যক্তিগতভাবে মোদি সরকারের প্রতি তাদের অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন।</p>

<p>সমালোচনা করে তিনি আরো বলেন, &lsquo;পুলিশ আমাকে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু এ সময় তারা আমার কানে কানে বলছিল, এই সরকারকে হটাও।</p>
</article>

<article>আমি রাজস্থান থেকে এসেছি। আমি হরিয়ানা থেকে এসেছি। আমরা শুধু গায়ে ইউনিফর্ম পরে আছি।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/07/21/1714448" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>এই বিরোধীদলীয় নেতা আরো বলেন, &lsquo;ওদের (পুলিশের) নির্দেশ মানতে হয়, তাই ওরা তা করছে। যা ঘটছে তাতে পুলিশও খুশি নয়।</p>
</article>

<article>তারা জানে একটি অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে। তারা এই শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিজেদের সন্তানদের দেখতে পাচ্ছে।&rsquo;</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1508-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বিশ্বকাপের স্বপ্নের একাদশে স্পেনের তিন, আর্জেন্টিনার দুই, ব্রাজিলের কেউ নেই]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/29126</link>
    <pubDate>Thu, 23 Jul 2026 09:31:10 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/29126</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1549-22.jpg" />    <article>
<p>২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবল শেষে ভক্তদের ভোটের ভিত্তিতে টুর্নামেন্টের সেরা একাদশ প্রকাশ করেছে ফিফা। এর নাম দেওয়া হয়েছে ড্রিম ইলেভেন বা স্বপ্নের একাদশ।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>৪-৩-৩ ফরমেশনের একাদশে প্রত্যাশিতভাবেই সবচেয়ে খেলোয়াড় আছেন বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন দল স্পেন থেকে। সেমিফাইনালে স্পেনের কাছেই হেরে স্বপ্নভঙ্গ হওয়া ফ্রান্সেরও আছেন তিনজন।&nbsp;</p>

<p>এ ছাড়া রানার্স আপ আর্জেন্টিনার দুইজন, তৃতীয় হওয়া ইংল্যান্ডের একজন, এমনকি নরওয়ে ও কেপ ভার্দের একজন করে থাকলেও শেষ ষোলো থেকে বাদ পড়া ব্রাজিলের কেউ নেই।&nbsp;</p>

<p>স্পেনের তরুণ ডিফেন্ডার পাউ কুবারসি দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে সেরা উদীয়মান খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতলেও স্বপ্নের একাদশে জায়গা পাননি।</p>
</article>

<article>এ নিয়ে ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে ও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে।
<p>&nbsp;</p>

<p><strong>২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের স্বপ্নের একাদশ</strong></p>

<p><strong>গোলরক্ষক: </strong>ভোজিনিয়া (কেপ ভার্দে)।</p>

<p><strong>রক্ষণভাগ: </strong>পেদ্রো পোরো (স্পেন), দায়োত উপামেকানো (ফ্রান্স), লিসান্দ্রো মার্তিনেজ (আর্জেন্টিনা), মার্ক কুকুরেয়া (স্পেন)।</p>

<p><strong>মাঝমাঠ:</strong> জুড বেলিংহাম (ইংল্যান্ড), রদ্রি (স্পেন), মাইকেল ওলিসে (ফ্রান্স)।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p><strong>আক্রমণভাগ:</strong> লিওনেল মেসি (আর্জেন্টিনা), আর্লিং হালান্ড (নরওয়ে), কিলিয়ান এমবাপ্পে (ফ্রান্স)।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1549-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে গিয়ে আটক, পরে মুক্ত ‘ধুরন্ধর’ অভিনেত্রী আয়েশা খান]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/29125</link>
    <pubDate>Thu, 23 Jul 2026 09:30:10 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/29125</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1647-11.jpg" />    <article>
<p>ভারতে চলমান শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে অংশ নিতে গিয়ে মুম্বাইয়ের দাদার এলাকায় পুলিশের হাতে আটক হয়েছেন &lsquo;ধুরন্ধর&rsquo; খ্যাত অভিনেত্রী আয়েশা খান। পরে তাকে ওরলি থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ছেড়ে দেওয়া হয়।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>বুধবার (২২ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের এক ভিডিও বার্তায় তিনি নিজেই আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।</p>

<p>দাদার এলাকায় শিক্ষার্থীদের একটি বিক্ষোভ কর্মসূচিতে উপস্থিত হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী। সেখানে কোনো ধরনের উসকানি বা বিশৃঙ্খলা ছাড়াই তাকে জোরপূর্বক পুলিশের ভ্যানে তুলে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেছেন আয়েশা। এর আগে তার ভাই ও কয়েকজন বন্ধুকেও পুলিশ আটক করে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ৪ জন নারী পুলিশ সদস্য আয়েশাকে জোর করে ভ্যানে তুলছেন। এসময় তিনি কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে জানতে চাইলেও পুলিশ কোনো উত্তর দেয়নি। একই ভিডিওতে বিনা কারণে আটক হওয়া এক যুবককেও নিজের গণিত পরীক্ষা নিয়ে উদ্বেগের কথা জানাতে দেখা যায়।</p>

<p>আটকের পর আয়েশাকে মুম্বাইয়ের ওরলি থানায় নেওয়া হয়।</p>
</article>

<article>সেখানে কর্তব্যরত পুলিশ কর্মকর্তাদের আচরণ সহযোগিতাপূর্ণ ছিল বলে জানিয়েছেন তিনি। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর থানা থেকে তাকে ছেড়ে দেওয়া হলেও ঠিক কী কারণে তাকে আটক করা হয়েছিল, সে বিষয়ে এখনো ধোঁয়াশায় রয়েছেন এই অভিনেত্রী।
<p>&nbsp;</p>

<p>সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিও বার্তায় আয়েশা খান বলেন, এখনো আমার হাত কাঁপছে। আমি শুধু শান্তভাবে রাস্তায় দাঁড়িয়ে ছিলাম। হঠাৎ আমাকে পুলিশের ভ্যানে তুলে আটক করা হয়।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি আরো বলেন, আমাকে ভ্যানে তুলতে চারজন নারী পুলিশ এসেছিলেন। কিন্তু আমি জানতে চাই, কেন? আমি কি কোনো বিশৃঙ্খলা করেছি? আমি কি কোনো কথাবার্তা শুরু করেছিলাম? শুধু রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকার জন্য আমাকে কেন আটক করা হলো? আমি তো ৫ জনের কোনো দলের মধ্যেও ছিলাম না।</p>

<p>সম্প্রতি ভারতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ক্রমশ জোরালো হচ্ছে। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি বিনোদনজগতের অনেকেও এই বিক্ষোভে সংহতি জানাচ্ছেন। তারকারা কেউ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরব হচ্ছেন, আবার কেউ আয়েশা খানের মতো সরাসরি রাজপথে নেমে শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1647-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মরণে নিউইয়র্কে ‘আমেরিকায় জুলাই জাগরণ’]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/29124</link>
    <pubDate>Wed, 22 Jul 2026 00:21:39 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/29124</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/img_4086.jpeg" />    <p>জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণ, আন্দোলনের ইতিহাস সংরক্ষণ এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভূমিকা তুলে ধরতে আগামী&nbsp;১ আগস্ট&nbsp;নিউইয়র্কে&nbsp;&lsquo;আমেরিকায় জুলাই জাগরণ&rsquo;&nbsp;শীর্ষক স্মরণসভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করছে&nbsp;এনসিপি ডায়াস্পোরা অ্যালায়েন্স যুক্তরাষ্ট্র।</p>

<p>সোমবার (২০ জুলাই) নিউইয়র্কের&nbsp;&nbsp;সানাই&nbsp;&nbsp;পার্টি হলে&nbsp;অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচির ঘোষণা দেন সংগঠনটির সদস্য সচিব&nbsp;ডা. মো. আবদুল মোহাইমিন (সাইমন)।</p>

<p><img alt="" src="https://khabor.com/upload/images/news/img_4073.jpeg" style="width: 3990px; height: 1248px;" /></p>

<p>সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন,&nbsp;২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান&nbsp;বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগ, সাহস ও ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মধ্য দিয়ে দেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়।</p>

<p>এ আন্দোলনে দেশের মানুষের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরাও জনমত গঠন, প্রতিবাদ কর্মসূচি, কূটনৈতিক যোগাযোগ এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি তুলে ধরতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।</p>

<p>তিনি আরও বলেন, গণমাধ্যমের সত্যনিষ্ঠ ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন আন্দোলনের বাস্তব চিত্র বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এ জন্য সাংবাদিক সমাজের প্রতি এনসিপি ডায়াস্পোরা অ্যালায়েন্স যুক্তরাষ্ট্র কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছে।</p>

<p>সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আগামী&nbsp;১ আগস্ট সন্ধ্যা ৬টায়&nbsp;নিউইয়র্কের&nbsp;সানাই পার্টি হলে আয়োজিত&nbsp;&lsquo;আমেরিকায় জুলাই জাগরণ&rsquo;&nbsp;অনুষ্ঠানে এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ পরিবারের সদস্য, প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন।</p>

<p>আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, অনুষ্ঠানে থাকবে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতিচারণ, কবিতা আবৃত্তি, প্রবাসীদের ভূমিকা নিয়ে বিশেষ উপস্থাপনা, ২০২৪ সালের আন্দোলনভিত্তিক আলোকচিত্র ও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী, রাষ্ট্র সংস্কার, গণতন্ত্র ও নাগরিক অধিকার নিয়ে আলোচনা এবং&nbsp;ঊনবাঙাল সাহিত্য সংগঠনের&nbsp;পরিবেশনায় বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এছাড়া আগত অতিথিদের জন্য আপ্যায়নের ব্যবস্থাও থাকবে।</p>

<p>সংবাদ সম্মেলনে ডা. মোহাইমিন বলেন, ইতিহাস সংরক্ষণ, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা এবং প্রবাসীদের ইতিবাচক ভূমিকা নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে গণমাধ্যমের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে এর সংবাদ ও তাৎপর্য দেশ-বিদেশের বাংলাভাষী মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে তিনি গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানান।</p>

<p>সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির নিউইয়র্ক স্টেট লোকাল অর্গানাইজার&nbsp;রাকিব উদ্দিন, কার্যনির্বাহী সদস্য&nbsp;লোকমান আহমেদ রিয়াদ, সদস্য&nbsp;নুমায়ের হোসেন দিহান, যুগ্ম অর্থসচিব&nbsp;নিজামুল শাহির, এক্সিকিউটিভ মেম্বার&nbsp;রাহাত আলম, মুখ্য সংগঠক&nbsp;এম এইচ সিদ্দিক, যোগাযোগ ও মিডিয়া সম্পাদক&nbsp;হাসিবুল কবির, উপদেষ্টা&nbsp;রওশন হক, স্থানীয় সংগঠক&nbsp;মাহামুদুল কবির অনিক, কেন্দ্রীয় সদস্য&nbsp;রাসেল আলম&nbsp;এবং যুগ্ম অর্থ সম্পাদক&nbsp;জি এম নিলয়সহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  মশিউর রহমান মজুমদার   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/img_4086.jpeg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিউইয়র্কের অ্যাসেম্বলি ডিস্ট্রিক্ট-২৪ এ প্রাইমারি নির্বাচনে বিজয়ী জামিলা উদ্দিন]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/29123</link>
    <pubDate>Tue, 21 Jul 2026 09:54:53 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/29123</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/689-2.jpg" />    <p>নিউইয়র্কের অ্যাসেম্বলি ডিস্ট্রিক্ট-২৪ এর ডেমোক্রেটিক প্রাইমারি নির্বাচনে স্টেট কমিটিওম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন বাংলাদেশি-আমেরিকান কমিউনিটি নেত্রী জামিলা উদ্দিন। তিনি দলীয় প্রাইমারি নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়লাভ করে এই পদে নিজের অবস্থান ধরে রেখেছেন।</p>

<p>বিজয়ী জামিলা উদ্দিন অ্যাসাল এর ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট ইমেরিটাস ম্যাফ মিজবাহ উদ্দিনের মেয়ে। তার পরিবারও দীর্ঘদিন ধরে নিউইয়র্কে সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা রেখে আসছেন।</p>

<p>নির্বাচনে জয়ের পর জামিলা উদ্দিন ভোটার, স্বেচ্ছাসেবক, সমর্থক, কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ এবং পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।</p>

<p>বিজয়ের এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, এই বিজয় কেবল তার ব্যক্তিগত অর্জন নয়, এটি পুরো কমিউনিটির বিজয়। তিনি জানান, ভোটারদের আস্থা ও সমর্থনই তাকে এই সাফল্য এনে দিয়েছে এবং ভবিষ্যতেও তিনি আরও শক্তিশালী, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও ঐক্যবদ্ধ কমিউনিটি গঠনে কাজ করে যাবেন।</p>

<p data-added-after="1">তিনি আরও জানান, নির্বাচনী প্রচারণায় যারা সময়, শ্রম ও সমর্থন দিয়ে পাশে ছিলেন, তাদের অবদান কখনো ভোলার নয়। কমিউনিটির উন্নয়ন, সুযোগের সম্প্রসারণ এবং অ্যাসেম্বলি ডিস্ট্রিক্ট-২৪-এর প্রতিটি মানুষের কণ্ঠস্বর যেন যথাযথভাবে প্রতিনিধিত্ব পায়, সে লক্ষ্যে তিনি নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।</p>

<p>বাংলাদেশি-আমেরিকান কমিউনিটির সদস্যরা জামিলা উদ্দিনের এই বিজয়কে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, এ সাফল্য মূলধারার রাজনীতিতে বাংলাদেশি-আমেরিকানদের অংশগ্রহণ ও নেতৃত্বকে আরও শক্তিশালী করবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডে এগিয়ে আসতে উৎসাহিত করবে।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/689-2.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিউইয়র্কে গুলিতে নিহত পুলিশ কর্মকর্তা দিদারুলের নামে সড়কের নামকরণ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/29122</link>
    <pubDate>Tue, 21 Jul 2026 09:54:27 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/29122</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/954-1.jpg" />    <p><strong><a>রুদ্র মাসুদ//</a></strong></p>

<p>যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটির ব্রংক্সের বিচ এভিনিউ এবং ইস্ট ১৭২ স্ট্রিটের সংযোগস্থলটি এখন থেকে &lsquo;ডিটেক্টিভ ফার্স্ট গ্রেড দিদারুল ইসলাম ওয়ে&rsquo; নামে পরিচিত হবে। শনিবার (১৮ জুলাই) আনুষ্ঠানিকভাবে বন্দুকধারীর গুলিতে নিহত বাংলাদেশি-আমেরিকান পুলিশ কর্মকর্তা দিদারুল ইসলামের নামে এই সড়কের নামকরণ করা হয়।</p>

<p>বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও সড়কের নামফলক উন্মোচন অনুষ্ঠানে এনওয়াইপিডি কমিশনার জেসিকা টিশসহ নিউইয়র্ক সিটি ও পুলিশ বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, দিদারুল ইসলামের স্ত্রী-সন্তানসহ পরিবারের সদস্য এবং বাংলাদেশি কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এ সময় সেখানে এক আবেগঘন পরিবেশের অবতারণা হয়।</p>

<p>গত বছরের ২৮ জুলাই নিউইয়র্কের ম্যানহাটনের ৩৪৫ পার্ক এভিনিউতে একটি ভবনের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা অবস্থায় বন্দুকধারীর গুলিতে নিহত হন এনওয়াইপিডি কর্মকর্তা দিদারুল ইসলাম। মৃত্যুর পর তাকে মরণোত্তর &lsquo;ডিটেক্টিভ ফার্স্ট গ্রেড&rsquo; পদোন্নতি দেওয়া হয়।</p>

<p>দিদারুল ইসলাম পরিবার-পরিজন নিয়ে ব্রংক্সের পার্কচেস্টারে বসবাস করতেন। তার মৃত্যুর কিছুদিন পর জন্ম নেয় তার তৃতীয় সন্তান আরহাম, যার বয়স এখন ১১ মাস। অপর দুই সন্তান হলেন আহিয়ান ও আজহান। দিদারুলের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে নিউইয়র্ক সিটি কাউন্সিল এই সড়কের নামকরণ করে।</p>

<p data-added-after="1">সড়কের নামকরণ অনুষ্ঠানে দিদারুল ইসলামের বীরত্বের কথা স্মরণ করে এনওয়াইপিডি কমিশনার জেসিকা টিশ বলেন, &lsquo;এই রাস্তাটি এখন এমন এক ব্যক্তির নাম বহন করবে, যিনি নিউইয়র্ককে নিজের আবাসস্থল বানিয়েছিলেন এবং একে রক্ষা করতে গিয়ে নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন।&rsquo;</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/954-1.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[অ্যান্ডি বার্নহ্যামকে অভিনন্দন জানিয়ে তারেক রহমানের চিঠি]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29121</link>
    <pubDate>Tue, 21 Jul 2026 09:52:34 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29121</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/821-99.jpg" />    <article>
<p>যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যামকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (২০ জুলাই) এক চিঠিতে নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান তি&zwnj;নি।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>চি&zwnj;ঠি&zwnj;তে তারেক রহমান উ&zwnj;ল্লেখ ক&zwnj;রেন, বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে এবং আমার নিজের পক্ষ থেকে, লেবার পার্টির নেতা হিসেবে নির্বাচিত হওয়া এবং যুক্তরাজ্যের (গ্রেট ব্রিটেন ও উত্তর আয়ারল্যান্ড) প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় আমি আপনাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাচ্ছি।</p>

<p>তি&zwnj;নি ব&zwnj;লেন, আপনার এই নির্বাচন আপনার দল এবং যুক্তরাজ্যের জনগণের আপনার নেতৃত্বের প্রতি আস্থারই প্রতিফলন। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, আপনার সুদক্ষ নেতৃত্বে যুক্তরাজ্য শান্তি, সমৃদ্ধি, গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা ও টেকসই উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাবে এবং বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।&nbsp;</p>

<p>সরকারপ্রধান ব&zwnj;লেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী, ঐতিহাসিক ও বহুমুখী অংশীদারি বিদ্যমান, যা অভিন্ন গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, কমনওয়েলথ নীতি এবং জনগণের মধ্যে নিবিড় সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।</p>
</article>

<article>বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, উন্নয়ন সহযোগিতা, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা, শিক্ষা, নিরাপত্তা, অভিবাসন এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়ের ক্ষেত্রে কয়েক দশক ধরে আমাদের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ক্রমাগত বিকশিত হয়েছে।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>চি&zwnj;ঠি&zwnj;তে আরো উ&zwnj;ল্লেখ করা হয়, যুক্তরাজ্য-প্রবাসী প্রাণবন্ত বাংলাদেশি সম্প্রদায় বন্ধুত্বের এক অনন্য সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে চলেছে এবং উভয় দেশের সমৃদ্ধি ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যময়তায় অমূল্য অবদান রাখছে। আমাদের কৌশলগত অংশীদারিকে আরো সুদৃঢ় করতে এবং উভয় দেশ ও জনগণের স্বার্থে পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলোকে সম্প্রসারিত করতে আমি আপনার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রত্যাশা করি।&nbsp;</p>

<p>যুক্তরা&zwnj;জ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী&zwnj;কে বাংলা&zwnj;দেশ সফ&zwnj;রের আমন্ত্রণ জানিয়ে তা&zwnj;রেক রহমান ব&zwnj;লেন, পারস্পরিক সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের জন্য আমি আপনাকে সশ্রদ্ধ আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।</p>
</article>

<article>আপনার সুস্বাস্থ্য, ব্যক্তিগত কল্যাণ এবং আপনার পদের গুরুদায়িত্ব পালনে পূর্ণাঙ্গ সাফল্য কামনা করছি। আমি যুক্তরাজ্যের বন্ধুত্বপূর্ণ জনগণের অব্যাহত শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করি। মহামান্য, অনুগ্রহ করে আমার গভীর শ্রদ্ধাবোধ ও সর্বোচ্চ বিবেচনার বিষয়টি গ্রহণ করুন।
<p>&nbsp;</p>

<p>সোমবার যুক্তরাজ্যের ৫৯তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অ্যান্ডি বার্নহ্যাম।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/821-99.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বাংলাদেশে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিক‌দের জন্য দূতাবাসের জরুরি নি‌র্দেশনা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29120</link>
    <pubDate>Tue, 21 Jul 2026 09:51:46 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29120</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1014-88.jpg" />    <article>
<p>ঘূর্ণিঝড়ের মৌসুমকে কেন্দ্র ক&zwnj;রে বাংলাদেশে ভ্রমণরত বা বসবাসকারী যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক&zwnj;দের জন্য নি&zwnj;র্দেশনা দি&zwnj;য়ে&zwnj;ছে ঢাকার মা&zwnj;র্কিন দূতাবাস।</p>

<p>সোমবার (২০ জুলাই) মা&zwnj;র্কিন দূতাবাস এক বার্তায় ব&zwnj;লে&zwnj;ছে, এখন ঘূর্ণিঝড়ের মৌসুম।</p>
</article>

<article>বাংলাদেশে ভ্রমণরত বা বসবাসকারী যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকরা ঝড়ের পূর্বপ্রস্তুতির জন্য নিচের পরামর্শগুলো অনুসরণ করুন&mdash;
<p>&nbsp;</p>

<p>যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস থেকে আবহাওয়া সংক্রান্ত সতর্কবার্তা পেতে <a href="http://step.state.gov/">step.state.gov</a> এ STEP এর জন্য নিবন্ধন করুন। বড় কোনো ঝড়ের সময় STEP আমাদের জন্য আপনার দেওয়া জরুরি নম্বরে যোগাযোগ করা আরো সহজ করে তোলে।</p>

<p>বার্তায় উ&zwnj;ল্লেখ করা হয়, পরিকল্পনা তৈরি রাখুন। ফ্লাইট না পাওয়া গেলে ঝড়ের সময় কিভাবে নিরাপদ থাকবেন এবং প্রিয়জনদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখবেন।</p>
</article>

<article>এই ধরনের পরিস্থিতি ঘটলে কী করবেন তা নিয়ে আলোচনা করুন।
<p>&nbsp;</p>

<p>জরুরি সরঞ্জামগুলো প্রস্তুত রাখুন। আপনার পাসপোর্ট, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী নেওয়া ওষুধ এবং স্থানীয় মুদ্রার মতো গুরুত্বপূর্ণ জিনিস রাখার জন্য একটি পানিরোধী প্লাস্টিক ব্যাগ রাখা ভালো।&nbsp;</p>

<p>পাশাপাশি, আপনার মোবাইল ফোনের জন্য বহনযোগ্য চার্জার, টর্চলাইট এবং পর্যাপ্ত পানিসহ প্রয়োজনীয় সামগ্রী সঙ্গে রাখার বিষয়টি নিশ্চিত করুন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1014-88.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[আমরা একসঙ্গে ছিলাম, আছি, থাকব : প্রধানমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29119</link>
    <pubDate>Tue, 21 Jul 2026 09:51:03 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29119</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1137-77.jpg" />    <article>
<p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দীর্ঘদিন ধরে রাজপথে ফ্যাসিবাদ বিরোধী যুগপৎ আন্দোলনে শরিক নেতাদের উদ্দেশ্য বলেছেন, &lsquo;আমরা অতীতে একসঙ্গে ছিলাম, আছি এবং একসঙ্গেই থাকব। আপনাদের ছেড়ে যাওয়ার কোনো যুক্তিই নেই।</p>
</article>

<article>তাই আসুন আগামীতে জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করি।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>সোমবার (২০ জুলাই) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় ফ্যাসিস্ট সরকার পতন আন্দোলনে শরিক দলের নেতাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় ও নৈশভোজের আগে দেওয়া বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব কথা বলেন।</p>

<p>জোট নেতাদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, &lsquo;আমি ছোট ভাই হিসেবে আপনাদের বলবো আমাদের সবাইকে ধৈর্য ধরতে হবে। কারণ, আমাদের কাছে জনগণের প্রত্যাশা অনেক।</p>
</article>

<article>আসুন আমরা সকলে মিলে জনগণের প্রত্যাশার জায়গাগুলো আগে খুঁজে বের করে তা পূরণ করার চেষ্টা করি। এটা করতে গিয়ে আমাদের মধ্যে কোনো কোনো জায়গায় দ্বিমত হতে পারে, তবে আমাদের মধ্যে কোনো বিভেদ নেই। ভুল বুঝাবুঝির কোনো অবকাশ নেই।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি বলেন, &lsquo;আমাদের বড় শক্তি হচ্ছে এই দেশের জনগণ।</p>
</article>

<article>জনগণের সমর্থন বিএনপিসহ সকল যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দলগুলোর সঙ্গে আছে। তাই আমাদের শক্তি, জোর ততক্ষণ থাকবে যতক্ষণ জনগণের সমর্থন আমাদের সঙ্গে থাকবে এবং সেটা আল্লাহর রহমতে আমাদের সঙ্গে আছে। কাজেই আমাদের মধ্যে যেন কোনো বিভেদ না থাকে, আমরা নিশ্চয়ই আমাদের ৩১ দফার আলোকেই হোক কিংবা জুলাই সনদের আলোকে হোক ইনশাআল্লাহ সকলে মিলে দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাব।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>একটি বিশেষ দলের প্রতি ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, &lsquo;আমরা আন্দোলন সংগ্রামে রাজপথে ছিলাম। অথচ আজকে অনেকেই এই সংগ্রামের দাবিদার হতে চায়।</p>
</article>

<article>আমি নাম উল্লেখ করতে চাই না। তবে যাদেরকে একটি শব্দ &lsquo;গুপ্ত&rsquo; ব্যবহার করলেই সাধারণ মানুষ তাদেরকে চেনে।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি বলেন, &lsquo;ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে তারা কোথায় ছিল, এদেরকে আমরা অনেক খুঁজেছি কিন্তু পাইনি। তবে তাদের কিন্তু রাজপথে না পেলেও যারা এই দেশ থেকে পালিয়ে গেছে, তাদের সঙ্গে বিভিন্নভাবে আমরা দেখেছি। অথচ ৫ আগস্ট স্বৈরাচার বিতাড়িত হওয়ার পরে এই গুপ্ত বাহিনী ধীরে ধীরে আত্মপ্রকাশ করেছিল। কাজেই আসুন এসব গুপ্তদের হাত থেকে এ দেশকে রক্ষা করতে, দেশের মানুষ আমাদের ওপর যে আস্থা রেখেছে তা ধরে রাখতে ঐক্যবদ্ধ হই।&rsquo;</p>

<p>বক্তব্যের শুরুতে রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফার বিষয়টি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, &lsquo;আপনাদের নিশ্চয়ই মনে আছে, আমরা এখানে অনেকগুলো রাজনৈতিক দল একসঙ্গে বসে রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা উপস্থাপন করেছিলাম বাংলাদেশের মানুষের সামনে। আমরা যখন এটি উপস্থাপন করেছিলাম তখন বাংলাদেশের অন্য অনেকগুলো রাজনৈতিক দল সংস্কার নিয়ে অনেক বড় বড় কথা বলেছে। কিন্তু সেই রাজনৈতিক দলগুলোকে আমরা তখন সংস্কারের বিষয়ে কিছু বলতে শুনিনি। কিন্তু আজকে আমরা এই প্যান্ডেলের নিচে যারা বসে আছি, একত্রে আমরা কিন্তু তখন স্বৈরাচারের চোখ রাঙানিকে অপেক্ষা করে রাষ্ট্রের সংস্কারের দফা গুলো আমরা দিয়েছিলাম।&rsquo;</p>

<p>তিনি বলেন, কাজেই একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে আমি মনে করি, যে ৩১ দফা আমরা সকলে মিলে বসে রচনা করেছিলাম, সেই ৩১ দফার পক্ষে বাংলাদেশের জনগণ রায় দিয়েছে এবং এটি বাংলাদেশের জনগণের ৩১ দফা হয়ে গেছে। কাজেই এটি বাস্তবায়নে আমরা সমমনা যারা আছি, সকলে মিলে কাজ করতে হবে।</p>

<p>ক্ষমতা গ্রহণের পরে দেশের সার্বিক পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকারের কী ধরনের বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হয়েছিল তার চিত্র তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, &lsquo;গত ১৭ বছর স্বৈরাচারের রেখে যাওয়া পুরো দেশ ছিল বিধ্বস্ত। ইকোনমি, জ্বালানি, বিদুৎ, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসহ প্রত্যেকটি ব্যবস্থা ছিল ভঙ্গুর। এই অবস্থায় আমরা দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নিয়েছি। তারপরেও আমরা রাতদিন পরিশ্রম করার মাধ্যমে চেষ্টা করেছি কীভাবে দেশের মানুষকে একটু স্বস্তি দেওয়া যায়। শতভাগ পেরেছি কিনা জানি না, তবে আমরা চেষ্টা করেছি এবং করে যাচ্ছি। শতভাগ না হলেও নিশ্চয়ই কেউ অস্বীকার করবে না-একদম নতুন একটি সরকার হিসেবে যেভাবে কাজ করছি, তাতে মানুষজনকে কিছুটা হলেও আমরা কমফোর্ট দিতে সক্ষম হয়েছি। আগামীতে সরকার পরিচালনায় সকলকে আহ্বান জানাব আমাদের পাশে থাকার।&rsquo;</p>

<p>এর আগে, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় যমুনায় অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছে প্রধানমন্ত্রী শরিক দল ও জোট নেতাদের টেবিলে টেবিলে গিয়ে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।</p>

<p>কুশল বিনিয়ম পর্বের পর নেতাদের নিয়ে রাতে খাবার টেবিলে বসেন প্রধানমন্ত্রী।</p>

<p>অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিএনপি মহাসচিব স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।</p>

<p>অনুষ্ঠান শুরু হয় পবিত্র কোরআন তেলোয়াতের মধ্য দিয়ে। কোরআন তেলোয়াত করেন ইসলামী ঐক্যজোটের শওকত আমিন।</p>

<p>শুভেচ্ছা জানিয়ে বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সম্পাদক সাইফুল হক, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মুফতি মহিউদ্দিন ইকরাম বক্তব্য রাখেন।</p>

<p>অনুষ্ঠানে বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহ উদ্দিন আহমদ, বেগম সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু, বরকত উল্লাহ বুলু, মোহাম্মদ শাহজাহান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।</p>

<p>প্রধানমন্ত্রী বুফে দাঁড়িয়ে শরিক নেতাদের সঙ্গে খাবার নেন এবং শরিক নেতাদের সঙ্গে এক টেবিলে খাবার খান। এ টেবিলে ছিলেন নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না, গণসংহতি আন্দোলনের জোনায়েদ সাকি, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাইফুল হক, জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর) মোস্তফা জামাল হায়দার, বিজেপির আন্দালিব রহমান পার্থ, বিএনপির মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, গণফোরামের সুব্রত চৌধুরী, ভাসানী জনশক্তি পার্টির শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু।</p>

<p>জাতীয় দলের সৈয়দ এহসানুল হুদা, জমিয়তে উলামায়ে মুফতি মহিউদ্দিন ইকরাম, সাম্যবাদী দলের নুরুল ইসলাম, ইসলামিক পার্টির আবুল কাসেম, কল্যাণ পার্টির শামসুদ্দিন পারভেজ, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি-জাগপার খন্দকার লুৎফুর রহমান, ডেমোক্রেটিক লীগের মহিউদ্দিন কাদরি শওকত, খোকন চন্দ্র দাস, বাংলাদেশ ন্যাপের শাওন সাদেকী, ন্যাপ ভাসানীর আজহারুল ইসলাম, বিকল্প ধারা বাংলাদেশ-এর নুরুল আমিন ব্যাপারি, গণ দলের এটিএম গোলাম মাওলা চৌধুরী, ইসলামী ঐক্যজোটের মাওলানা আবদুল করীম, বাংলাদেশ সংখ্যালঘু জনতা পার্টির সুকৃতি কুমার মন্ডল, গণফোরামের মিজানুর রহমান, গণঅধিকার পরিষদের নুরুল হক নূর, ফারুক হাসান, আম জনতা দলের অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল মিয়া মসিউজ্জামান, আম জনতার দলের তারেক রহমান, বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল (এমএল) সাধারণ সম্পাদক হারুন চৌধুরী, ইউনাইটেড লিবারেল পার্টির আমিনুল ইসলাম, খন্দকার আহসান হাবিব, জনতার অধিকার পার্টির তারিকুল ইসলাম ভুঁইয়া, এম এ আর রাজা রহমান, এনডিপির একাংশের কেএস আবু তাহের, অপর অংশের আবদুল্লাহ আল হারুন, এনডিএমের ববি হাজ্জাজ, বিএনপির শাহাদাৎ হোসেন সেলিম, রেদোয়ান আহমেদসহ ৪১ দলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1137-77.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[কানাডার পণ্যে ৫০% শুল্ক ঘোষণা ট্রাম্পের]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29118</link>
    <pubDate>Tue, 21 Jul 2026 09:50:18 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29118</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1254-66.jpg" />    <article>
<p>কানাডা থেকে আমদানি করা বিভিন্ন পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ৫০ শতাংশ শুল্ক (ট্যাক্স) আরোপের ঘোষণা দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি&nbsp;কানাডা মার্কিন গাড়ি, দুগ্ধজাত পণ্য ও অ্যালকোহলজাত পানীয়ের ওপর বৈষম্যমূলক আচরণ করছে।</p>
</article>

<article>প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড <a href="https://aninews.in/news/world/us/response-to-discriminatory-treatment-of-american-products-trump-imposes-50-per-cent-tariffs-on-certain-canadian-goods20260721044534/?fbclid=IwY2xjawTLtG9leHRuA2FlbQIxMABicmlkETE0T0ZQMzN4QWFRZzBHTlFMc3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHgFiWoTttohLqJ91Tq7dEGtaTl1uJnn3fvubTFyLH8KeOaOuNaGA_bWVKIR0_aem_43woow9kfRxFM0L5kkPM6w">ট্রাম্পের স্বাক্ষর করা এই সিদ্ধান্তটি আদেশ জারির ৩০ দিন পর থেকে কার্যকর হবে</a>।

<p>&nbsp;</p>

<p>১৯৩০ সালের মার্কিন শুল্ক আইনের ৩৩৮ ধারা অনুযায়ী কানাডার ওয়াইন, হকি স্টিপ, সিমেন্টসহ বিভিন্ন আমদানিকৃত পণ্যের ওপর এই ৫০% ট্যাক্স প্রযোজ্য হবে। এটি &lsquo;মার্কিন-মেক্সিকো-কানাডা&rsquo; চুক্তির অধীনে উৎপাদিত হোক বা না হোক&mdash;সব ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। তবে মার্কিন জ্বালানি, পটাশ, মাছ ও গুরুত্বপূর্ণ খনিজ পদার্থের মতো কিছু নির্দিষ্ট পণ্যের ওপর এই শুল্ক প্রযোজ্য হবে না।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>হোয়াইট হাউসের তথ্যমতে, কানাডা মার্কিন পণ্যের ওপর বিভিন্ন শুল্ক ও কোটা আরোপ করে মার্কিন বাণিজ্যকে ক্ষতিগ্রস্ত করছিল। এতে কানাডায় মার্কিন গাড়ি রপ্তানি ২২% এবং অ্যালকোহল রপ্তানি প্রায় ৮১% হ্রাস পেয়েছে। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, বাণিজ্য বৈষম্য দূর করে আমেরিকান ব্যবসাকে আরো শক্তিশালী করতেই এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ট্রাম্পের মার্কিন শুল্কনীতির বিরুদ্ধে এ পর্যন্ত বিশ্বজুড়ে দুইটি দেশই মূলত পাল্টা ব্যবস্থা নিয়েছে&mdash;চীন ও কানাডা।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>সাম্প্রতিক সময়ে দাবানলের ধোঁয়া দুই দেশের সীমান্তে ছড়িয়ে পড়া নিয়ে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের আলোচনা হয়। ওটাওয়াকে এ বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নিতে বা অর্থনৈতিক শাস্তির মুখোমুখি হওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়ার পরপরই যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কানাডার ওপর এই নতুন শুল্ক আরোপের ঘোষণা এলো।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1254-66.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[জীবনযাত্রার ব্যয় নির্বাহে সহায়তার প্রতিশ্রুতি—প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথম ভাষণে অ্যান্ডি বার্নহ্যাম]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29117</link>
    <pubDate>Tue, 21 Jul 2026 09:49:27 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29117</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1357-55.jpg" />    <article>
<p>ব্রিটেনের রাজনীতিতে শুরু হলো ক্ষমতাসীন লেবার পার্টির নেতা অ্যান্ডি বার্নহ্যাম যুগ। দেশটির ৫৯তম সরকারপ্রধান হিসেবে আনুষ্ঠানিক দায়িত্বভার গ্রহণ করেন তিনি।</p>
</article>

<article>দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম ভাষণে জীবনযাত্রার ব্যয়সংকট মোকাবেলায় আগামীকাল (২১ জুলাই ২০২৬) থেকে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী।
<p>&nbsp;</p>

<p>সোমবার (২০ জুলাই) ডাউনিং স্ট্রিটের বাইরে দেওয়া ভাষণে জনগণকে আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, এই পদক্ষেপগুলো সাধারণ মানুষকে কিছুটা স্বস্তি দেবে।</p>

<p>ব্রিটেনের সাংবিধানিক রীতি অনুযায়ী, রাজা তৃতীয় চার্লস তাকে সরকার গঠনের আমন্ত্রণ জানান। বাকিংহাম প্রাসাদে আনুষ্ঠানিকতা শেষে ডাউনিং স্ট্রিটে ফিরে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন বার্নহ্যাম।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>দায়িত্ব গ্রহণের পর জাতির উদ্দেশে দেওয়া প্রথম বক্তব্যে উত্তর ইংল্যান্ডের মানুষের কাছে &lsquo;কিং অব দ্য নর্থ&rsquo; নামে পরিচিত বার্নহ্যাম বলেন, ব্রিটেনের মানুষ পরিবর্তন, স্থিতিশীলতা এবং নতুন আশার প্রত্যাশা করছে। তিনি বলেন, রাজনৈতিক বিভাজন পেছনে ফেলে দেশের মানুষের আস্থা পুনর্গঠন, অর্থনীতিকে আরো শক্তিশালী করা, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং দেশের প্রতিটি অঞ্চলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করাই হবে তাঁর সরকারের প্রধান লক্ষ্য। একই সঙ্গে তিনি ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ এবং স্থানীয় নেতৃত্বকে আরো শক্তিশালী করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।</p>

<p>বার্নহ্যাম বলেন, দেশের উন্নয়ন কেবল রাজধানীকেন্দ্রিক হতে পারে না; যুক্তরাজ্যের প্রতিটি অঞ্চলকে সমান গুরুত্ব দিয়েই এগিয়ে নিতে হবে।</p>
</article>

<article>তাঁর ভাষায়, মানুষের আস্থা অর্জনই হবে নতুন সরকারের সবচেয়ে বড় শক্তি এবং সেই লক্ষ্য নিয়েই তিনি কাজ করবেন। একই সঙ্গে গৃহহীনতা কমানো, আবাসন নির্মাণ, শিক্ষা ও মানসিক স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন এবং জীবনযাত্রার ব্যয় কমাতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দেন তিনি।
<p>&nbsp;</p>

<p>অন্যদিকে দায়িত্ব হস্তান্তরের মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ছাড়েন স্যার কিয়ার স্টারমার। বিদায়ি বক্তব্যে তিনি দেশ ও দলের জন্য কাজ করার সুযোগ পেয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। দীর্ঘদিন পর লেবার পার্টিকে সরকারে ফিরিয়ে আনাকে তিনি তাঁর রাজনৈতিক জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্জন বলে উল্লেখ করেন।</p>
</article>

<article>একই সঙ্গে নতুন প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহামের প্রতি শুভকামনা জানিয়ে দেশের স্বার্থে তাঁর সফলতা কামনা করেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>বার্নহ্যামের দায়িত্ব গ্রহণের জন্য কোনো সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি। যুক্তরাজ্যের সাংবিধানিক রীতি অনুযায়ী, পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা পরিবর্তিত হলে সেই নেতাই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। সেই সাংবিধানিক ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবেই লেবার পার্টির নতুন নেতা হিসেবে ব্রিটেনের নেতৃত্বে এলেন অ্যান্ডি বার্নহ্যাম।</p>

<p>অ্যান্ডি বার্নহ্যাম ব্রিটিশ রাজনীতির অন্যতম অভিজ্ঞ ও প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব। দীর্ঘদিন সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি স্বাস্থ্য, সংস্কৃতি এবং অর্থ-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেছেন। পরে গ্রেটার ম্যানচেস্টারের নির্বাচিত মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে জাতীয় রাজনীতিতে নিজের স্বতন্ত্র অবস্থান গড়ে তোলেন।</p>

<p>বিশেষ করে করোনা মহামারির সময় উত্তর ইংল্যান্ডের মানুষের স্বার্থ রক্ষায় কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে তাঁর দৃঢ় অবস্থান এবং আঞ্চলিক উন্নয়নের দাবিতে ধারাবাহিক ভূমিকা তাঁকে জাতীয় পর্যায়ে ব্যাপক পরিচিতি এনে দেয়। সেই সময় থেকেই রাজনৈতিক মহলে তিনি &lsquo;কিং অব দ্য নর্থ&rsquo; নামে পরিচিত হয়ে ওঠেন। স্থানীয় সরকারকে আরো ক্ষমতায়ন, আঞ্চলিক বৈষম্য কমানো এবং উত্তরাঞ্চলের উন্নয়নকে জাতীয় আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে আসার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়।</p>

<p>রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বার্নহ্যামের নেতৃত্বে ব্রিটেনের রাজনীতিতে আঞ্চলিক উন্নয়ন, ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ এবং অর্থনৈতিক ভারসাম্যের প্রশ্নটি আরও বেশি গুরুত্ব পাবে। দীর্ঘদিন ধরে উত্তর ইংল্যান্ডের উন্নয়ন নিয়ে সোচ্চার এই নেতা এখন জাতীয় পর্যায়ে সেই দর্শন বাস্তবায়নের সুযোগ পেলেন। ফলে তাঁর নেতৃত্বে লেবার সরকারের নীতিনির্ধারণে স্থানীয় সরকারকে আরো কার্যকর ভূমিকা দেওয়ার উদ্যোগ জোরালো হতে পারে।</p>

<p>ব্রিটেনের রাজনীতিতে এই নেতৃত্ব পরিবর্তন কেবল একজন প্রধানমন্ত্রীর বিদায় ও আরেকজনের দায়িত্ব গ্রহণ নয়; এটি নতুন রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি, নতুন প্রত্যাশা এবং নতুন নেতৃত্বের সূচনা। এখন নজর থাকবে&mdash;উত্তর ইংল্যান্ডের মানুষের আস্থার প্রতীক &lsquo;কিং অব দ্য নর্থ&rsquo; জাতীয় নেতৃত্বেও সেই আস্থা কতটা ধরে রাখতে পারেন এবং পরিবর্তনের যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তা বাস্তবে কতটা সফলভাবে বাস্তবায়ন করতে পারেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1357-55.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ইরানে বন্দুকধারীর গুলিতে সুন্নি ইমামের মৃত্যু]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29116</link>
    <pubDate>Tue, 21 Jul 2026 09:47:29 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29116</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1420-44.jpg" />    <article>
<p>ইরানের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্তবর্তী শহর মিরজাভেহরে অজ্ঞাতপরিচয় বন্দুকধারীদের গুলিতে মৌলভি মোহাম্মদ আনোয়ার রিগি নামের এক সুন্নি ইমাম নিহত হয়েছেন। সোমবার (২০ জুলাই) এ ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বরাতে নিশ্চিত করেছে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ইরনা।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.reuters.com/world/iranian-sunni-cleric-killed-by-unknown-gunmen-countrys-southeast-state-media-2026-07-20/?link_source=ta_first_comment&amp;taid=6a5dfb13b56ead0001c7608f&amp;utm_campaign=trueAnthem%3A+Trending+Content&amp;utm_medium=trueAnthem&amp;utm_source=facebook&amp;fbclid=IwY2xjawTK6q9leHRuA2FlbQIxMABicmlkETFOSEs2Rlp1aWpaaW84S1RPc3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHm66tPHERfiGDk-HacFphlDDE6AGZ4UEucCJGJGMc-2iPdxdmyexLsp7nanM_aem_2foesv1oQ63evDK-I_mAbA">রয়টার্স</a> এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ইরানের দরিদ্রতম প্রদেশগুলোর একটি সিস্তান-বেলুচিস্তান। সুন্নি বেলুচ জনগোষ্ঠী অধ্যুষিত এই প্রদেশে দীর্ঘদিন ধরেই অস্থিরতা বিরাজ করছে। এখানে ইসলামপন্থী বা জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো প্রায়ই নিরাপত্তা বাহিনী কিংবা তেহরান-সমর্থিত ব্যক্তিদের লক্ষ্য করে হামলা চালিয়ে থাকে।</p>

<p>স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ঘটনাটির তদন্ত চলছে।</p>
</article>

<article>তারা এলাকাবাসীকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এই হামলার উদ্দেশ্য ছিল প্রদেশটির নিরাপত্তা পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করা এবং সাম্প্রদায়িক বিভাজন উসকে দেওয়া।</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1420-44.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[যুক্তরাজ্যের ৫৯তম প্রধানমন্ত্রী হলেন অ্যান্ডি বার্নহ্যাম]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29115</link>
    <pubDate>Tue, 21 Jul 2026 09:46:47 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29115</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1507-33.jpg" />    <article>
<p>ব্রিটেনের রাজনীতিতে শুরু হলো নতুন নেতৃত্বের অধ্যায়। সোমবার (২০ জুলাই) আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন ক্ষমতাসীন লেবার পার্টির নতুন নেতা অ্যান্ডি বার্নহ্যাম।</p>
</article>

<article>বিদায়ি প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমারের স্থলাভিষিক্ত হয়ে দেশের ৫৯তম সরকারপ্রধানের দায়িত্ব নেন তিনি।
<p>&nbsp;</p>

<p>বাকিংহ্যাম প্যালেসে ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় চার্লসের সঙ্গে বৈঠকে তাকে সরকার গঠনের আমন্ত্রণ জানানো হয়। আনুষ্ঠানিকতা শেষে ডাউনিং স্ট্রিটে ফিরে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন বার্নহ্যাম।</p>

<p>বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিদায়ি প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার পর রাজার সঙ্গে ব্যক্তিগত বৈঠক করেন বার্নহ্যাম।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>বাকিংহাম প্যালেস এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, অ্যান্ডি বার্নহ্যাম রাজা তৃতীয় চার্লসের প্রস্তাব গ্রহণ করে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন।</p>

<p>যুক্তরাজ্যের সাংবিধানিক রীতি অনুযায়ী, সাধারণ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া দলের নেতা বা সরকার গঠনে সক্ষম ব্যক্তিকে বাকিংহাম প্যালেসে আমন্ত্রণ জানিয়ে &nbsp;রাজা সরকার গঠনের দায়িত্ব দেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1507-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[আর্জেন্টিনাকে পেছনে ফেলে এবার র‌্যাংকিংয়েও শীর্ষে স্পেন]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/29114</link>
    <pubDate>Tue, 21 Jul 2026 09:44:47 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/29114</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1548-22.jpg" />    <article>
<p>বিশ্বকাপ ফাইনাল হারের শোক এখনো কাটিয়ে উঠতে পারেনি আর্জেন্টিনা। তার আগে আরেক ধাক্কা খেল তিনবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।</p>
</article>

<article>বিশ্বকাপের ট্রফি হারার পর স্পেনের কাছে এবার র&zwnj;্যাংকিংয়ের সিংহাসনও হারাল আলবিসেলেস্তারা।
<p>&nbsp;</p>

<p>আর্জেন্টিনাকে পেছনে ফেলে এখন র&zwnj;্যাংকিংয়ের রাজা বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন। টুর্নামেন্টের অপরাজিত চ্যাম্পিয়নদের পয়েন্ট এখন ১৯৯৫.৮৮। দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের পয়েন্ট বেড়েছে ৩০.২৭।</p>
</article>

<article>বিপরীতে একধাপ অবনমন হওয়া আর্জেন্টিনার কোনো পয়েন্ট বাড়ে বা কমেনি। তাদের পয়েন্ট আগের মতোই ১৯৭০.৩৭।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>যথারীতি তিন এবং চারে আছে বিশ্বকাপের বাকি দুই সেমিফাইনালিস্ট ফ্রান্স-ইংল্যান্ড। ১৯৪৮.৯৭ পয়েন্টে তিনে থাকা ফ্রান্সের বিপরীতে ইংল্যান্ডের পয়েন্ট ১৯২২.৮৩।</p>
</article>

<article>ফ্রান্সের না বাড়লেও ইংল্যান্ডের বৃদ্ধি পেয়েছে ৩৩.৪১।
<p>&nbsp;</p>

<p><iframe allowfullscreen="true" allowtransparency="true" frameborder="0" id="twitter-widget-0" scrolling="yes" src="https://platform.twitter.com/embed/Tweet.html?id=2079283704053022726"></iframe></p>

<p>&nbsp;</p>

<p>অন্যদিকে পর্তুগাল ২ ধাপ অবনমিত হওয়ায় এক ধাপ করে উন্নীতি হয়েছে ব্রাজিল-মরক্কোর। পাঁচে থাকা সেলেসাওদের পয়েন্ট ১৮০৪.৯২। অন্যদিকে নিজেদের ইতিহাসে প্রথমবার শীর্ষ ৬ নম্বরে জায়গা পেয়েছে মরক্কো। তাদের পয়েন্ট ১৮০৩.৯৯।</p>
</article>

<article>সাতে থাকা পর্তুগালের পয়েন্ট ১৭৮৭.৮৫।
<p>&nbsp;</p>

<p>বেলজিয়ামকে আটে জায়গা দিতে ৯ নম্বরে নেমেছে নেদারল্যান্ডস। ডাচদের ১৭৭৫.৫৪ পয়েন্টের বিপরীতে বেলজিয়ামের পয়েন্ট ১৭৭৮.৩৬। অন্যদিকে ৪ ধাপ এগিয়ে শীর্ষ ১০ নম্বরে মেক্সিকো। তাদের পয়েন্ট ১৭৫৪.৩০।</p>

<p>ফিফার সর্বশেষ র&zwnj;্যাংকিং হালনাগাদে সবচেয়ে বড় অবনমন হয়েছে তিউনিশিয়ার। ১২ ধাপ পিছিয়ে তারা এখন ৫৭ নম্বরে। তাদের পয়েন্ট ১৪২৬.৫৮। অন্যদিকে বাংলাদেশ আগের মতোই ১৮১ নম্বরে আছে। পয়েন্ট ৯০২.৯৩।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1548-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[‘আওয়ারাপন ২’ সিনেমার গানে ফিরছেন অরিজিৎ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/29113</link>
    <pubDate>Tue, 21 Jul 2026 09:43:54 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/29113</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1646-11.jpg" />    <article>
<p>কয়েক মাস আগেই প্লেব্যাক গাওয়া থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছিলেন অরিজিৎ সিং। তবে সেই সিদ্ধান্ত বদলে আবারও বলিউডের সিনেমায় কণ্ঠ দিচ্ছেন জনপ্রিয় এই গায়ক।</p>
</article>

<article>তার নতুন গান শোনা যাবে &lsquo;আওয়ারাপন ২&rsquo; সিনেমায়।
<p>&nbsp;</p>

<p>ভারতীয় গণমাধ্যম পিঙ্কভিলার প্রতিবেদন অনুযায়ী, সিনেমাটির প্রথম গান &lsquo;ইয়ে আওয়ারাপন&rsquo;-এ কণ্ঠ দিয়েছেন অরিজিৎ। আমাল মালিকের সুরে এবং রশ্মি-বিরাগের কথায় তৈরি গানটি আগামী ২১ জুলাই বিভিন্ন স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পাবে।</p>

<p>সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিনেমাটির সৃজনশীল পরিচালক বিশেষ ভাট চেয়েছিলেন প্রথম গানেই যেন ছবির মূল আবেগ ফুটে ওঠে।</p>
</article>

<article>ইমরান হাশমি অভিনীত &lsquo;শিবাম পাণ্ডিত&rsquo; চরিত্রের অনুভূতি প্রকাশ করতে তিনি অরিজিতের কণ্ঠকেই সবচেয়ে উপযুক্ত মনে করেছেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/entertainment/2026/07/20/1713890" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>অরিজিৎ সিং ও বিশেষ ফিল্মসের একসঙ্গে কাজের ইতিহাসও বেশ পুরনো। &lsquo;মার্ডার ২&rsquo;-এর &lsquo;ফির মাহাব্বাত&rsquo; গান দিয়ে শুরু হয়েছিল তাদের পথচলা। এরপর &lsquo;আশিকি ২&rsquo;-এর &lsquo;তুম হি হো&rsquo;, &lsquo;সিটিলাইটস&rsquo;-এর &lsquo;মুস্কুরানে&rsquo;, &lsquo;খামোশিয়ান&rsquo;, &lsquo;হামারি আধুরি কাহানি&rsquo; এবং &lsquo;জালেবি&rsquo; সিনেমার &lsquo;পাল&rsquo;-এর মতো জনপ্রিয় গান উপহার দিয়েছেন তারা।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>&lsquo;আওয়ারাপন ২&rsquo; সিনেমায় প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন ইমরান হাশমি। এ ছাড়া রয়েছেন দিশা পাটানি, শাবানা আজমি, সুরেন্দর ভিকি, বিজয়ন্ত কোহলি ও অতুল কুমার। ছবিটি পরিচালনা করেছেন নীতিন কক্কর, প্রযোজনা করছেন বিশেষ ভাট। আগামী ১৪ আগস্ট সিনেমাটি মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।</p>

<p>প্রসঙ্গত, চলতি বছরের জানুয়ারিতে ইনস্টাগ্রামে এক পোস্টে অরিজিৎ সিং জানিয়েছিলেন, তিনি আর নতুন কোনো প্লেব্যাক গানে কণ্ঠ দেবেন না।</p>
</article>

<article>তবে সেই ঘোষণার কয়েক মাসের মধ্যেই নতুন সিনেমার গান দিয়ে আবারও ফিরছেন তিনি।</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1646-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসীর আয়োজনে বিগ স্ক্রিনে বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনাল]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/29112</link>
    <pubDate>Mon, 20 Jul 2026 23:10:25 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/29112</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/07192026_image01_wcf_jh.jpeg" />    <p>নিউইয়র্ক: প্রবাসের যান্ত্রিক ব্যস্ততা ছাপিয়ে উৎসবের আমেজে মেতে উঠেছিল নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসী ও বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত প্রবাসীরা। এলাকাবাসীর আয়োজনে বিগ স্ক্রিনে ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনাল ম্যাচ উপভোগ করার জন্য আগেই নেওয়া হয়েছিল বিশেষ উদ্যোগ। ভক্তদের উত্তেজনা ও শঙ্কা কাটিয়ে আজকের ফাইনাল ম্যাচে শেষ পর্যন্ত মাঠে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করে শিরোপা ঘরে তুলেছে স্পেন। স্পেনের এটি দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জয়; এর আগে ২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত ফিফা বিশ্বকাপে তারা প্রথম শিরোপা অর্জন করেছিল।</p>

<p><img alt="" src="https://khabor.com/public/upload/images/news/07192026_image02_wcf_jh.jpeg" style="width: 899px; height: 505px;" /></p>

<p>২০২৬-এর রোমাঞ্চকর ফাইনালে শুরু থেকেই স্পেনের দুর্দান্ত আক্রমণে খেলার মোড় ঘুরে যায়। স্পেনের ফুটবলারদের নান্দনিক পাস, ট্যাকটিক্যাল শট এবং গোলের সুযোগ তৈরির ক্ষমতা দর্শকদের মাঝে এক মোহময় পরিবেশের সৃষ্টি করে। বিশাল পর্দার সামনে সমবেত হওয়া শত শত প্রবাসী সমর্থক প্রিয় দলের প্রতিটি আক্রমণ ও ডিফেন্সিভ ক্লিয়ারেন্সে চারপাশ করতালিতে মুখরিত করে তোলেন। তবে আর্জেন্টিনার ভক্ত-দর্শকরা ফাইনালে একপ্রকার হতাশ হন। অতিরিক্ত সময়সহ ১২০ মিনিটের খেলার বড় একটা সময় স্পেনের নিয়ন্ত্রণে ছিল। বিশ্বসেরা মেসিও এদিন ভক্তদের আশানুরূপ পারফরম্যান্স উপহার দিতে পারেননি। ভক্তদের আশা ছিল, মেসি তার শেষ বিশ্বকাপটি জয় করে আর্জেন্টিনা ও নিজের বর্ণিল ফুটবল ক্যারিয়ারে আরেকটি সোনালী অধ্যায় যুক্ত করবেন।</p>

<p>ম্যাচের নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময় শেষে জয় নিশ্চিত হওয়ার পর উল্লাসে ফেটে পড়েন স্পেনের সমর্থকরা। আয়োজকদের মতে, নান্দনিক ফুটবলশৈলী ও গোছানো খেলার সুবাদে টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই ফেভারিট হিসেবে নিজেদের প্রমাণ করেছিল দলটি। ফাইনালেও দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের সুবাদে সম্পূর্ণ যোগ্য দল হিসেবেই বিশ্বকাপ ফুটবল জয় করেছে স্পেন।</p>

<p><img alt="" src="https://khabor.com/public/upload/images/news/07192026_image03_wcf_jh.jpeg" style="width: 899px; height: 505px;" /></p>

<p>খেলা শেষে প্রবাসী ক্রীড়াপ্রেমী ও এলাকাবাসীর মাঝে আনন্দ-উল্লাস ছড়িয়ে পড়ে। জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসীর এই আয়োজনকে সাধুবাদ জানান উপস্থিত ফুটবলপ্রেমীরা। জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসীর সভাপতি সাকিল মিয়া খেলা শেষে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন, &quot;খেলায় হারজিত থাকবেই। ফাইনাল খেলাটি বিগ স্ক্রিনে এলাকাবাসীকে একসঙ্গে উপভোগ করার সুযোগ করে দিতে পেরেছি, এটাই আমাদের বড় আনন্দ।&quot;<br />
ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবলের এই প্রাণবন্ত ওয়াচপার্টি প্রবাসের মাটিতেও জন্ম দিল এক অনন্য স্মৃতির।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/07192026_image01_wcf_jh.jpeg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[মেসি দ‍্য গ্রেট]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/29111</link>
    <pubDate>Mon, 20 Jul 2026 22:58:31 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/29111</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1638-11.jpg" />    <p>হুমায়ূন কবীর ঢালী: স্পেনের বিপক্ষে ফাইনালে অতিরিক্ত সময়ের নাটকীয় লড়াইয়ে ১-০ গোলে হেরে আর্জেন্টিনা রানার্সআপ হওয়ার ফলে হয়তো সোনালী ট্রফিটি উঁচিয়ে ধরার গৌরব হাতছাড়া হয়েছে এবং সামান্য আক্ষেপও থেকে গেছে, কিন্তু একটি মাত্র ম্যাচের ফলাফল কখনোই একজন ফুটবল-সম্রাটের বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের প্রকৃত মূল্যায়ন হতে পারে না। ট্রফি বা পরিসংখ্যানের গণ্ডি পেরিয়ে লিওনেল মেসি এমন এক অনন্য উচ্চতায় আসীন, যেখানে তিনি নিজেই নিজের প্রতিদ্বন্দী এবং সবুজ গালিচায় তাঁর প্রতিটি পদক্ষেপ ফুটবলকে শিল্পের পর্যায়ে উন্নীত করেছে।</p>

<p>ছোটবেলা থেকেই শারীরিক প্রতিকূলতা জয় করে ফুটবল পায়ে মাঠে নামা মেসি প্রমাণ করেছেন যে ইচ্ছাশক্তি থাকলে প্রতিভা সব বাধাকে তুচ্ছ করতে পারে, আর তাঁর পায়ের জাদুকরী ড্রিবলিং, ডিফেন্ডারদের চোখের পলকে বোকা বানিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার অবিশ্বাস্য ক্ষমতা এবং নিখুঁত ফ্রি-কিক বিশ্বজুড়ে দর্শকদের আজীবন মোহাবিষ্ট করে রেখেছে।</p>

<p>বার্সেলোনা থেকে শুরু করে পিএসজি ও ইন্টার মায়ামি&mdash;ক্লাব ফুটবলের প্রতিটি অধ্যায়ে তিনি নিজেকে পরম শ্রেষ্ঠত্বে প্রমাণ করেছেন এবং রেকর্ড সংখ্যক ব্যালন ডি&#39;অর জয় থেকে শুরু করে প্রতিটি কীর্তি তাঁর সাফল্যের মুকুটে হীরের মতো জ্বলজ্বল করছে। আর্জেন্টিনার জার্সিতে বহু ঐতিহাসিক মুহূর্ত উপহার দিয়ে তিনি দেশের কোটি মানুষের মুখে হাসি ফুটিয়েছেন, এবং ২০১৪ সালের আক্ষেপ পেরিয়ে কোপা আমেরিকা ও ২০২২ সালের অবিস্মরণীয় বিশ্বকাপ জয় প্রমাণ করেছে কীভাবে তিনি দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন।</p>

<p>স্পেনের কাছে সাম্প্রতিক পরাজয় হয়তো একটি টুর্নামেন্টের ট্রফি কেড়ে নিয়েছে, কিন্তু বিশ্ববাসীর হৃদয় থেকে তাঁর শৈল্পিক সৌন্দর্য ও নেতৃত্বকে একটুও ম্লান করতে পারেনি। লিওনেল মেসি শুধু একজন ফুটবলার নন, বরং তিনি একটি যুগের নাম, ফুটবলের কবিতার পঙক্তিমালা এবং বিশ্বজুড়ে কোটি মানুষের আবেগের অন্য নাম। ফুটবল ইতিহাসের পাতায় তাঁর এই অবদান চিরকাল স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে এবং সময়ের স্রোতে তিনি আরও বেশি উজ্জ্বল এক নক্ষত্র হয়ে ভাস্বর থাকবেন কারণ তিনি সত্যিই অনন্য, অতুলনীয় ও অদ্বিতীয়।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1638-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[পাসপোর্টে যুক্ত হচ্ছে আবু সাঈদ-মুগ্ধ-ওয়াসিমের ছবি]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29110</link>
    <pubDate>Mon, 20 Jul 2026 10:17:38 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29110</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/953-1.jpg" />    <p>বাংলাদেশের সাধারণ পাসপোর্টে যুক্ত করা হচ্ছে জুলাই শহীদ আবু সাঈদ, মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধ ও মোহাম্মদ ওয়াসিমের ছবি।&nbsp;</p>

<p>রোববার (১৯ জুলাই) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।</p>

<p>এতে বলা হয়, পাসপোর্টের ভেতরের পাতার জলছাপ পরিবর্তন করে সেখানে যুক্ত করা হচ্ছে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদ আবু সাঈদ, মুগ্ধ ও ওয়াসিমের ছবি। নতুন এই পরিবর্তনের অংশ হিসেবে পাসপোর্টের পৃষ্ঠাগুলোতে দেশের ঐতিহ্য ও ইতিহাসের নানা অনুষঙ্গ যুক্ত করা হয়েছে।&nbsp;</p>

<p>এর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো ই-পাসপোর্টের ৩২ ও ৩৩ নম্বর পৃষ্ঠায় জলছাপ হিসেবে যুক্ত হচ্ছে ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতি।</p>

<p>আবু সাঈদ, মুগ্ধ কিংবা ওয়াসিমদের মতো তরুণদের আত্মত্যাগের সেই গণ-অভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক মুহূর্তটি এবার ঠাঁই পাচ্ছে বাংলাদেশের নাগরিকদের আন্তর্জাতিক এই ভ্রমণ নথিতে।</p>

<p>অনুমোদিত নতুন নকশা অনুযায়ী, পাসপোর্টের বিভিন্ন পৃষ্ঠায় জাতীয় স্মৃতিসৌধ, শহীদ মিনার, জাতীয় সংসদ ভবন, সুপ্রিম কোর্টের পাশাপাশি স্থান পেয়েছে কান্তজিউ মন্দির, লালবাগ দুর্গ, পানামনগর ও কার্জন হলের মতো ঐতিহাসিক স্থাপনা।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;এ ছাড়া প্রাকৃতিক ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে ঝাউবনসহ কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত, সুন্দরবন, টাঙ্গুয়ার হাওর ও নীলগিরির ছবি জলছাপ হিসেবে ব্যবহার করা হবে। জাতীয় ফুল শাপলা, পাখি দোয়েল, মাছ ইলিশ ও ফল কাঁঠালের পাশাপাশি স্থান পেয়েছে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের বিখ্যাত চিত্রকর্ম সংগ্রাম।&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, পাসপোর্টের ডাটা পেজে আগের মতোই ইসরাইল ব্যতীত বিশ্বের সব দেশের জন্য এটি বৈধ থাকার বিষয়টি বহাল থাকছে।</p>

<p>স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই সিদ্ধান্ত দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/953-1.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[শরিক দলের শীর্ষ নেতাদের যমুনায় আমন্ত্রণ জানালেন প্রধানমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29109</link>
    <pubDate>Mon, 20 Jul 2026 10:15:34 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29109</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/820-99.jpg" />    <article>
<p>যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ সোমবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় প্রধানমন্ত্রীর এই অনুষ্ঠান হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/sport/2026/07/20/1713793" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>তিনি বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকার পতনে যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দলের নেতাদের নৈশভোজে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সঙ্গে তিনি শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।</p>

<p>রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এই অনুষ্ঠানে যুগপৎ আন্দোলনে শরিক দলের দেড় শতাধিক নেতাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। ইতোমধ্যে আমন্ত্রিত নেতাদের কাছে প্রধানমন্ত্রীর কার্ড পৌঁছিয়ে দেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছেন আতিকুল রহমান রুমন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/sport/2026/07/20/1713796" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>অনুষ্ঠানে বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্যরাও উপস্থিত থাকবেন বলে জানান অতিরিক্ত প্রেস সচিব।</p>

<p>গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে জয়ী হয়ে বিএনপি সরকার গঠনের পর এই প্রথম যুগপৎ শরিকদের সাথে বৈঠকে বসছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/820-99.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[শাসক নয়, জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করুন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29108</link>
    <pubDate>Mon, 20 Jul 2026 10:14:39 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29108</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1013-88.jpg" />    <article>
<p>জনপ্রত্যাশা পূরণে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের রাজনৈতিক পক্ষপাতমুক্ত থেকে দেশপ্রেম, সততা ও পেশাদারত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, &lsquo;বিগত ১৭ বছরের প্রশাসনিক রাজনৈতিকীকরণের ধারা থেকে বেরিয়ে জনপ্রশাসনকে জনগণের প্রকৃত সেবকে রূপান্তর করতে হবে।</p>
</article>

<article>প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করাও জরুরি।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>রবিবার (১৯ জুলাই) রাজধানীর শাহবাগে বিসিএস প্রশাসন একাডেমি মিলনায়তনে ৪ দিনব্যাপী এক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/national/2026/07/19/1713422" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>সিভিল সার্ভিসের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, &lsquo;আপনারা এ সমাজের সবচেয়ে সুবিধাপ্রাপ্ত একটি অংশ। তাই নিজেদের শাসক মনে না করে জনগণের সেবক হিসেবে জনসেবায় আত্মনিয়োগ করতে হবে।</p>
</article>

<article>&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি বলেন, &lsquo;শুধু আনুষ্ঠানিক কর্মশালা বা উচ্চ পর্যায়ের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য কর্মসূচি প্রণয়ন করার কোনো যৌক্তিকতা নেই, যদি না তা জনগণের প্রকৃত কল্যাণে আসে।&rsquo;</p>

<p>দেশে সঠিক নীতি প্রণয়নের স্বার্থে পরিসংখ্যান ব্যবস্থার আমূল সংস্কারের ওপর জোর দিয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, &lsquo;বিগত রেজিমের সময় রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে দেশের সব পরিসংখ্যান ধ্বংস করা হয়েছে। আদমশুমারি, কৃষি উৎপাদন কিংবা পার ক্যাপিটা ইনকাম (মাথাপিছু আয়)&mdash;সবখানেই ভুল তথ্য পরিবেশন করা হয়েছে। সঠিক নীতি প্রণয়নের জন্য বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় বা সংস্থায় রূপান্তরিত করা দরকার।</p>
</article>

<article>&rsquo;
<p>&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/country-news/2026/07/19/1713419" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>দেশের অর্থনৈতিক ভিত্তি মজবুত করতে কৃষি ও রেমিট্যান্স খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, &lsquo;বাংলাদেশ এখনো কৃষি ও কৃষকদের ওপর ভর করে দাঁড়িয়ে আছে। তাই আমাদের কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের ওপর ভিত্তি করে অ্যাগ্রো-ইন্ডাস্ট্রি বা কৃষিনির্ভর শিল্প গড়ে তুলতে হবে। পাশাপাশি, দেশের বিশাল জনসংখ্যাকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করার জন্য ভোকেশনাল ট্রেনিং বা কারিগরি শিক্ষাকে গুরুত্ব দিতে হবে।&rsquo;</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1013-88.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[পুনর্বাসন তালিকায় ৩২৪১ জুলাইযোদ্ধা, কর্মের ব্যবস্থা ১৫০ জনের]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29107</link>
    <pubDate>Mon, 20 Jul 2026 10:13:40 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29107</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1136-77.jpg" />    <article>
<p>জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আহত তিন হাজার ২৪১ জন জুলাইযোদ্ধার পুনর্বাসন তালিকা করেছে সরকার। এর মধ্যে মাত্র ১৫০ জনের জীবিকার ব্যবস্থা করা হয়েছে।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>সরকার বলছে, আহতদের চিকিৎসা, মাসিক ভাতা, এককালীন অনুদান, বিদেশে উন্নত চিকিৎসাসহ বিভিন্ন খাতে এ পর্যন্ত প্রায় ৯৭৩ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। কিন্তু আহতদের অভিযোগ, সরকারি সহায়তা চিকিৎসার দীর্ঘমেয়াদি ব্যয়ের তুলনায় অপ্রতুল। তাই এখন চিকিৎসা নয়, পুনর্বাসন ও কর্মসংস্থানই সবচেয়ে বড় সংকট।</p>

<p>সকাল এক প্রতিবেদনে জানায়, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় জুলাইযোদ্ধাদের পুনর্বাসনের তালিকা করার উদ্যোগ নেওয়া হয়।</p>
</article>

<article>তবে সেই কাজে দেখা দেয় ধীরগতি। গত বছর ১৮ জুন জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার ও আহত যোদ্ধাদের কল্যাণে আলাদা একটি অধিদপ্তর গঠন করে অধ্যাদেশ জারি করে সরকার। এর পর ১০ নভেম্বর জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত যোদ্ধা ও শহীদ পরিবার পুনর্বাসন-সংক্রান্ত চিঠি মাঠ পর্যায়ে দেওয়া হয়। যদিও অন্তর্বর্তী সরকার এসব আহতের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে পারেনি।</article>

<article>বিএনপি ক্ষমতায় এলে গত ১০ এপ্রিল জুলাইযোদ্ধাদের পুনর্বাসন অধ্যাদেশ সংসদে পাস হয়।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>জুলাইযোদ্ধাদের পুনর্বাসনে তিন হাজার ২৪১ জনের তথ্যভান্ডার তৈরি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে এক হাজার ৯৩৭ জনের তালিকা প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানের জন্য যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। তবে জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের তথ্য বলছে, প্রায় ছয় হাজার ৪০০ জনকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হলেও জীবিকার ব্যবস্থা হয়েছে মাত্র ১৫০টি পরিবারের।</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/sport/2026/07/19/1713371" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>বিভিন্ন হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে প্রায় চার হাজার আহত ব্যক্তি নিয়মিত ফলোআপ চিকিৎসা নিচ্ছেন।</p>
</article>

<article>তাদের মধ্যে আড়াই হাজারের মতো রোগী নিয়মিত ঢাকা আসা-যাওয়া করেন। অন্তত দুই হাজার ব্যক্তি স্থায়ীভাবে অঙ্গ হারিয়েছেন বা কর্মক্ষমতা হারিয়েছেন। বিদেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানো ১৫৪ জনের মধ্যে এখনও ৩৯ জন থাইল্যান্ডে চিকিৎসাধীন। দেশে ফিরে আসা আহতদের মধ্যে ২৫ জন এখনও শয্যাশায়ী। তাদের সাতজন সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) নিয়মিত চিকিৎসা নিচ্ছেন। থাইল্যান্ডে চিকিৎসাধীনদের মধ্যে অন্তত ১০ জন এখনও বিছানা থেকে উঠতে পারেন না।
<p>&nbsp;</p>

<p>এ বিষয়ে জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) কামাল আকবর বলেন, &lsquo;দুই হাজারের বেশি আহত ব্যক্তি স্থায়ীভাবে কর্মক্ষমতা হারিয়েছেন। তারা আর স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারবেন না। ছয় হাজার ৪০০ জনকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হলেও জীবিকার ব্যবস্থা করা গেছে মাত্র ১৫০টি পরিবারের। এখন সবচেয়ে বড় প্রয়োজন চিকিৎসা নয়, পুনর্বাসন ও কর্মসংস্থান। পাশাপাশি মানসিক ট্রমা মোকাবিলার ব্যবস্থাও জোরদার করতে হবে। তিনি জানান, ২০২৪ সালের ১০ আগস্ট প্রতিষ্ঠিত জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন এ পর্যন্ত ৮৩১টি শহীদ পরিবারকে পাঁচ লাখ টাকা করে সহায়তা দিয়েছে। আহত ছয় হাজার ১২৭ জনকে বিভিন্ন ক্যাটেগরিতে দেওয়া হয়েছে ১১৭ কোটি ৫০ লাখ টাকার জরুরি আর্থিক সহায়তা। এটি মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহায়তার বাইরে।&rsquo;</p>

<p>কামাল আকবর বলেন, &lsquo;গুরুতর আহত হয়ে দৃষ্টিশক্তি হারানো ৪৩ জন এবং প্রায় দুই হাজার পঙ্গু যোদ্ধার চিকিৎসায় গত অর্থবছরে তিন কোটি টাকা ব্যয় করেছে ফাউন্ডেশন। এখন জরুরি ভিত্তিতে একটি ট্রমা হিলিং সেন্টার, দূরবর্তী এলাকার রোগীদের জন্য আবাসন ও অ্যাম্বুলেন্স এবং ওষুধ ও অস্ত্রোপচারের জন্য বিশেষ তহবিল প্রয়োজন।&rsquo;</p>

<p>জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানের (পঙ্গু হাসপাতাল) পরিচালক ডা. মো. আবুল কেনান বলেন, &lsquo;অনেক আহত এখনও নিয়মিত ফলোআপে আসছেন। যাদের হাড় জোড়া লাগাতে আগে স্ক্রু বা রিং বসানো হয়েছিল, এখন সেগুলো খুলে ফেলার চিকিৎসা চলছে। তিনি বলেন, গুরুতর আহতদের অনেকের ক্ষেত্রেই কৃত্রিম অঙ্গ বারবার পরিবর্তনের প্রয়োজন হবে। বিশেষ করে কিশোর ও তরুণদের ক্ষেত্রে শরীরের পরিবর্তনের সঙ্গে নতুন কৃত্রিম অঙ্গ লাগাতে হবে। ফলে তাদের চিকিৎসা দীর্ঘমেয়াদি।&rsquo;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/country-news/2026/07/19/1713380" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ডা. যাকিয়া সুলতানা নীলা বলেন, &lsquo;চোখে ছররা গুলিতে আহত প্রায় এক হাজার জন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। তাদের মধ্যে ১১ জন দুই চোখের দৃষ্টি হারিয়েছেন, ৪৯৩ জন এক চোখের দৃষ্টি হারিয়েছেন। দুই চোখে আংশিক দৃষ্টি হারিয়েছেন ২৮ জন এবং এক চোখে আংশিক দৃষ্টি হারিয়েছেন ৪৭ জন। সংক্রমণের ঝুঁকি থাকায় তাদের নিয়মিত ফলোআপ প্রয়োজন।&rsquo;</p>

<p>এ বিষয়ে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জুলাই গণঅভ্যুত্থান শাখার উপসচিব ডা. মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, &lsquo;আহতদের চিকিৎসা, মাসিক ভাতা, এককালীন অনুদান ও বিদেশে চিকিৎসাসহ বিভিন্ন খাতে এ পর্যন্ত ৯৭৩ কোটি ৩৩ লাখ ১৫ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে। এর মধ্যে বিদেশে চিকিৎসায় ব্যয় হয়েছে ৩০০ কোটির বেশি টাকা। তিনি জানান, বিদেশে চিকিৎসা নিয়েছেন ১৫৪ জন। তাদের মধ্যে ১০৬ জন থাইল্যান্ড, ৪০ জন সিঙ্গাপুর, সাতজন তুরস্ক এবং একজন রাশিয়ায় চিকিৎসা নিয়েছেন। বর্তমানে ৩৯ জন থাইল্যান্ডে চিকিৎসাধীন। তিনি বলেন, &lsquo;যারা এখনও বিদেশে আছেন, তারা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ রোগী। অনেকের ক্ষেত্রে হাসপাতাল থেকে ছাড় দেওয়া সম্ভব হয়নি। আর যাদের প্যালিয়েটিভ কেয়ারের প্রয়োজন, তাদের দেশে সর্বোচ্চ চিকিৎসা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, বর্তমানে ১৪ হাজার ৩৭০ জন আহত ব্যক্তি মাসিক ভাতার আওতায় রয়েছেন। এর মধ্যে ৯৯০ জন &lsquo;ক&rsquo;, ১ হাজার ৪১৭ জন &lsquo;খ&rsquo; এবং ১১ হাজার ৯৬৩ জন &lsquo;গ&rsquo; ক্যাটেগরিতে রয়েছেন।&rsquo;</p>

<p>সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেন, &lsquo;জুলাই শহীদ পরিবার ও জুলাইযোদ্ধাদের কল্যাণ ও পুনর্বাসনের জন্য আগ্রহী তিন হাজার ২৪১ জনের ডেটাবেজ তৈরি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে এক হাজার ৯৩৭ জনের তালিকা প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসনের জন্য যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। আমরা দ্রুত সময়ের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করব।&rsquo;</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1136-77.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[লেবানন-ইসরায়েল কাঠামো নিয়ে রুবিও-আউনের বৈঠক, কী কথা হলো]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29106</link>
    <pubDate>Mon, 20 Jul 2026 10:12:39 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29106</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1253-66.jpg" />    <article>
<p>যুক্তরাষ্ট্র সফরকালে লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। সংবাদমাধ্যম <a href="https://aje.news/zpl6ns?update=4786452">আলজাজিরা</a> বলছে, বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থিত ত্রিপক্ষীয় (ট্রিল্যাটারাল) কাঠামো বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনা হয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>পরে এক বিবৃতিতে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বলছে, রুবিও লেবাননের সরকারের &lsquo;সাহসিকতা&rsquo; এবং দেশটির সার্বভৌমত্ব পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করার প্রচেষ্টার প্রশংসা করেছেন।</p>

<p>এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র ত্রিপক্ষীয় এই কাঠামো বাস্তবায়নে পূর্ণ সমর্থন অব্যাহত রাখবে বলেও বিবৃতিতে বলা হয়। পাশাপাশি লেবাননের শান্তি প্রতিষ্ঠা, অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার এবং দেশটির জনগণের জন্য একটি উন্নত ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার প্রচেষ্টায় ওয়াশিংটনের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন রুবিও।</p>

<p>এর আগে চলতি সপ্তাহে প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্র সফরে গেলেন প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন।</p>
</article>

<article>প্রায় ২০ বছরের মধ্যে তিনিই প্রথম লেবাননের রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে হোয়াইট হাউস সফর করছেন।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>আগামী মঙ্গলবারের এই বৈঠকে আউন ও ট্রাম্পের প্রথম মুখোমুখি সাক্ষাৎ হবে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1253-66.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ট্রফি দিয়েও পোডিয়াম থেকে নামতে নারাজ ট্রাম্প!]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/29105</link>
    <pubDate>Mon, 20 Jul 2026 10:11:53 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/29105</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1356-55.jpg" />    <article>
<p>মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কোনো ক্রীড়া ইভেন্টে উপস্থিত থাকবেন, আর সেখানে আলোচনার জন্ম হবে না&mdash;এমনটি যেন হয়ই না। রবিবারও এর ব্যতিক্রম ঘটেনি।</p>
</article>

<article>ট্রফি বিতরণ শেষে মঞ্চ ছাড়তে অনীহা প্রকাশ করে নতুন বিতর্কের জন্ম দেন তিনি। ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো একাধিকবার অনুরোধ করলেও ট্রাম্প পোডিয়াম ছাড়েননি। এমন দৃশ্য দেখে অনেকের কাছেই মনে হয়েছে, যেন তিনিই চ্যাম্পিয়ন দলের সদস্য।
<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/sport/2026/07/20/1713783" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>১৬ বছর পর বিশ্বজয়ের স্বাদ পেল স্পেন।</p>
</article>

<article>দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়নের মুকুট জয় করে লা রোহা। লামিন ইয়ামাল, পাও কুবারসি, দানি ওলমো ও ফেরান তোরেসদের প্রাণবন্ত পারফরম্যান্সে স্পেন যোগ্য দল হিসেবেই শিরোপা জিতে নেয়। অন্যদিকে ফাইনালে প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি লিওনেল মেসি। তার সঙ্গে হতাশ করেছে আর্জেন্টিনাও।</article>

<article>একপ্রকার একতরফা ম্যাচেই হার মানতে হয় তাদের।
<p>&nbsp;</p>

<p>তবে ম্যাচ শেষে শিরোপা উদযাপনের মুহূর্তে তৈরি হয় ভিন্ন এক দৃশ্য। স্পেনের খেলোয়াড়রা যখন ট্রফি নিয়ে উদযাপনের অপেক্ষায়, তখন ট্রফি তুলে দেওয়ার পরও মঞ্চে দাঁড়িয়ে থাকেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রথমে তিনি খেলোয়াড়দের মাঝখানেই অবস্থান নেন। পরে ফিফার কয়েকজন কর্মকর্তা তাকে সরে দাঁড়ানোর অনুরোধ জানান, যেন স্পেনের ফুটবলাররা স্বাভাবিকভাবে উদযাপন করতে পারেন।</p>
</article>

<article>ট্রাম্প কিছুটা পাশে সরে দাঁড়ালেও মঞ্চ ছাড়েননি।
<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/sport/2026/07/20/1713780" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>পরিস্থিতি সামাল দিতে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো নিজেই ট্রাম্পকে মঞ্চ থেকে নামানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু তাতেও কাজ হয়নি। বরং ট্রাম্প খেলোয়াড়দের সঙ্গে উদযাপনের অংশ হয়ে যান। ট্রফির প্রতি তার বাড়তি আগ্রহও সবার নজর কেড়েছে।</p>

<p>এর আগে ম্যাচ শুরুর সময় ট্রাম্প ভিআইপি বক্সে ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনোর পাশে বসে খেলা উপভোগ করেন। তাকে দেখা মাত্রই গ্যালারির একাংশ থেকে বিদ্রুপধ্বনি শোনা যায়। সেই সময় বিশ্বকাপের ট্রফিটিও তার সামনে নিয়ে আসা হলে তিনি কয়েকবার সেটিতে হাত বুলিয়ে দেখেন।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/national/2026/07/20/1713779" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>তবে ট্রফি বিতরণ মঞ্চে ট্রাম্পের এমন আচরণ এবারই প্রথম নয়। গত বছর যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত ক্লাব বিশ্বকাপের ট্রফি বিতরণ অনুষ্ঠানেও একই ধরনের ঘটনা ঘটেছিল। সেবারও তিনি ট্রফি হাতে নিয়ে চ্যাম্পিয়ন দল চেলসির খেলোয়াড়দের সঙ্গে উদযাপনে মেতে ওঠেন। একপর্যায়ে চেলসির অধিনায়ক রিস জেমস তাকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। সেই ঘটনাও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিল।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1356-55.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ট্রাম্প, বিবার ও শাকিরার উপস্থিতিতে নজিরবিহীন এক বিশ্বকাপ ফাইনাল]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/29104</link>
    <pubDate>Mon, 20 Jul 2026 10:10:53 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/29104</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1419-44.jpg" />    <article>
<p>মাঠে ফুটবল রোমাঞ্চের চেয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনালে মূল আলো কাড়লেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং পপ তারকা জাস্টিন বিবার ও শাকিরা। অতিরিক্ত সময়ে ১-০ গোলে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে স্পেন চ্যাম্পিয়ন হলেও নিউ ইয়র্ক নিউ জার্সি স্টেডিয়ামের এই ফাইনালটি মূলত ট্রাম্পের উপস্থিতি এবং তারকাদের কনসার্টের জন্যই বেশি সংবাদের শিরোনামে এসেছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>হেলিকপ্টার বহর নিয়ে স্টেডিয়ামে পৌঁছান ট্রাম্প। খেলা শেষে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেনের হাতে ট্রফি ও পদক তুলে দেন তিনি। তবে দর্শকসারির একাংশ থেকে ট্রাম্পকে উদ্দেশ্য করে দুয়োধ্বনি দেওয়া হয়। এমনকি পদক গ্রহণের সময় <a href="https://www.bbc.com/sport/football/articles/c4gjx7nvk4go?fbclid=IwY2xjawTKZPVleHRuA2FlbQIxMABicmlkETFRUXJTV1NTUTVRdmFtQVJXc3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHlowdKwnVEXqfZVgTFIT69Z0ApP-h73NJDLIybyIziWJmrriijBoStfLoB6s_aem_M230BKaqTntI7PXCNOECaw">আর্জেন্টিনার ফুটবলার ক্রিস্টিয়ান রোমেরো ট্রাম্পের সঙ্গে হাত না মিলিয়ে সরাসরি তাকে এড়িয়ে চলে যান</a>।</p>
</article>

<article>এর আগে লাল কার্ড পাওয়া মার্কিন স্ট্রাইকারের শাস্তি মওকুফ করতে ফিফা সভাপতির সঙ্গে ট্রাম্পের আলোচনার বিষয়টিও টুর্নামেন্টে বড় বিতর্কের জন্ম দিয়েছিল।
<p>&nbsp;</p>

<p>এ ছাড়া ফুটবলের ইতিহাসে প্রথমবার &lsquo;সুপার বোল&rsquo; ধাঁচে ২৭ মিনিটের এক বিশাল মিউজিক্যাল শো আয়োজন করা হয়। বিশ্বকাপের অফিসিয়াল গান &lsquo;দাই দাই&rsquo; গেয়ে পুরো গ্যালারি মাতিয়ে তোলেন। &lsquo;এভরিথিং হ্যালিলুয়াহ&rsquo; গানের অ্যাকোস্টিক সংস্করণ গাওয়ার পাশাপাশি ম্যাডোনা, বিটিএস ও কোল্ডপ্লে পারফর্ম করেন।</p>
</article>

<article>তবে খেলার মাঝখানের বিরতি বাড়িয়ে এত বড় শোর আয়োজন করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেক ভক্ত ও সাবেক খেলোয়াড়। ইংল্যান্ডের তারকা ফুটবলার ওয়েইন রুনি এই দীর্ঘ বিরতিকে সরাসরি &lsquo;জঘন্য&rsquo; বলে মন্তব্য করেন।</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1419-44.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বিশ্বকাপে কে কী পুরস্কার পেলেন]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/29103</link>
    <pubDate>Mon, 20 Jul 2026 10:10:06 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/29103</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1506-33.jpg" />    <article>
<p>রেফারি শেষ বাঁশি বাজাতেই আনন্দের আতিশয্যে মাঠে শুয়ে পড়লেন স্পেনের ফুটবলাররা। লিওনেল মেসি ঠাঁই দাঁড়িয়ে।</p>
</article>

<article>কিছুক্ষণ পর মেসি কয়েক ফোঁটা চোখের জলও ফেললেন। তার দলের কাছ থেকে বিশ্বকাপটা যে হাতছাড়া হয়ে গেল!
<p>&nbsp;</p>

<p>নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ফাইনালে ফেরান তোরেসের গোলে আর্জেন্টিনাকে ১-০ ব্যবধানে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হলো স্পেন।</p>

<p>যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট সোনালি ট্রফিটা স্প্যানিশ অধিনায়ক রদ্রির হাতে তুলে দেওয়ার আগে সবচেয়ে বড় পুরস্কারটা তিনি জিতলেন। রদ্রিই হলেন এবারের বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড়।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>আসরে ৮ ম্যাচে মোট ৭২৬ মিনিট খেলেছেন রদ্রি। নির্ভুল পাস দিয়েছেন ৬৯২টি, যা টুর্নামেন্টে যেকোনো খেলোয়াড়ের চেয়ে বেশি। তার মোট পাসের ৯৪ শতাংশই ছিল নিখুঁত। এ ছাড়া ট্যাকলে জিতেছেন ১৩ বার।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>ফাইনালের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার উঠেছে ফেরান তোরেসের হাতে। ম্যাচের ১০৬ মিনিটে তার গোলেই বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়েছে স্পেন।&nbsp;</p>

<p>কিলিয়ান এমবাপ্পে জিতেছেন সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার গোল্ডেন বুট। ফরাসি অধিনায়ক এবারের বিশ্বকাপে মোট ১০ গোল করেছেন।&nbsp;</p>

<p>সেরা গোলকিপার হয়েছেন উনাই সিমন।</p>
</article>

<article>স্পেনের এই গোলকিপার পুরো আসরে মাত্র একটি গোল হজম করেছেন। তার নামের পাশে ৭টি ক্লিনশিট। বিশ্বকাপে প্রায় ৫৫০ মিনিট গোল না খাওয়ার কীর্তি গড়েছেন গোল্ডেন গ্লাভ জয়ী সিমন।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>সেরা উদীয়মান খেলোয়াড়ের পুরস্কার জিতেছেন পাউ কুবারসি। স্পেনের এই ১৯ বছর বয়সী ডিফেন্ডারের বিপক্ষে প্রতিপক্ষ দল মাত্র একটি গোল করতে পেরেছে। সব মিলিয়ে তিনি ৩৩ বার বল ক্লিয়ার বা বিপদমুক্ত করেছেন।&nbsp;</p>

<p>এ ছাড়া সবচেয়ে সুশৃঙ্খল খেলা উপহার দিয়ে ফেয়ার প্লে অ্যাওয়ার্ড জিতে নিয়েছে নেদারল্যান্ডস। দলটি শেষ বত্রিশ থেকে বাদ পড়েছে।&nbsp;</p>

<p><strong>২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপে পুরস্কার জয়ী</strong></p>

<p><strong>ফাইনালের সেরা </strong>ফেরান তোরেস (ম্যাচের একমাত্র গোলদাতা)<br />
<strong>গোল্ডেন বল (টুর্নামেন্টসেরা) </strong>রদ্রি&nbsp;<br />
<strong>গোল্ডেন বুট (সর্বোচ্চ গোলদাতা) </strong>কিলিয়ান এমবাপ্পে (১০ গোল)<br />
<strong>গোল্ডেন গ্লাভ (সেরা গোলকিপার) </strong>উনাই সিমন (৭টি ক্লিনশিট)<br />
<strong>সেরা উদীয়মান খেলোয়াড়</strong> পাউ কুবারসি (মাত্র ১ গোল হজম, ৩৩টি ক্লিয়ারেন্স)<br />
<strong>ফেয়ার প্লে অ্যাওয়ার্ড</strong> নেদারল্যান্ডস</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1506-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে নাদাল-আালকারাজের উচ্ছ্বাস]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/29102</link>
    <pubDate>Mon, 20 Jul 2026 10:08:45 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/29102</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1547-22.jpg" />    <article>
<p>দীর্ঘ ১৬ বছর পর আবারও বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন স্পেন। মেটলাইফ স্টেডিয়ামে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো সোনালি ট্রফিটা জিতেছে তারা।</p>
</article>

<article>স্পেনের স্মরণীয় মুহূর্তটা উপভোগ করেছেন টেনিসের দুই কিংবদন্তি রাফায়েল নাদাল ও কার্লোস আলকারাজ।
<p>&nbsp;</p>

<p>নাদাল পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে বিশ্বকাপ জয় উদযাপন করলেও মাঠে বসে স্মরণীয় মুহূর্তের সাক্ষী হন আলকারাজ। স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ের পর সামাজিক মাধ্যমে নাদাল লিখেছেন, &lsquo;চল উদযাপনে মাতি। দ্বিতীয়বার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন।</p>
</article>

<article>&rsquo; অন্যদিকে আলকারাজ লিখেছেন, &lsquo;চল এবার আনন্দ করি স্পেন।&rsquo; মাঠে ঢুকে পড়ে লামিনে ইয়ামালদের সঙ্গে আনন্দও করেছেন আলকারাজ।
<p>&nbsp;</p>

<p><iframe allowfullscreen="true" allowtransparency="true" frameborder="0" id="twitter-widget-0" scrolling="yes" src="https://platform.twitter.com/embed/Tweet.html?id=2078975676426653733"></iframe></p>

<p>&nbsp;</p>

<p>স্পেনের বিশ্বকাপ জয় নিয়ে আগে থেকেই আত্মবিশ্বাসী ছিলেন নাদাল। ফাইনাল নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ২২ গ্র্যান্ড স্লামজয়ী কিংবদন্তি লিখেন, &lsquo;আমার বিশ্বাস, আমরা জিতব।</p>
</article>

<article>ছোটবেলা থেকেই ফুটবল আমার প্রিয় খেলাগুলোর একটি। ২০১০ বিশ্বকাপ ফাইনালের অনুভূতি আজও ভুলতে পারিনি। আগামীকাল আবার এমন একটি ঐতিহাসিক ম্যাচ উপভোগ করার সুযোগ পাচ্ছি। প্রতিপক্ষ আর্জেন্টিনা এবং দেশটিকে আমি গভীরভাবে শ্রদ্ধা করি। দলের জন্য শুভকামনা।</article>

<article>ভামোস এস্পানিয়া!&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p><iframe allowfullscreen="true" allowtransparency="true" frameborder="0" id="twitter-widget-0" scrolling="yes" src="https://platform.twitter.com/embed/Tweet.html?id=2079012415023288339"></iframe></p>

<p>&nbsp;</p>

<p>ম্যাচের ১০৬ মিনিটে জয়সূচক গোলটি করেন স্পেনের নায়ক ফেরান তোরেস। পুরো ম্যাচে আধিপত্য দেখালেও গোলের দেখা পাচ্ছি না &lsquo;লা রোহারা&rsquo;। পরে বদলি নেমে অতিরিক্ত সময়ে সেই ডেডলক ভাঙেন বার্সেলোনার ফরোয়ার্ড।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1547-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[খেলা ছাড়িয়ে মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বিশ্বসেরা তারকাদের মেলা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/29101</link>
    <pubDate>Mon, 20 Jul 2026 10:07:39 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/29101</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1645-11.jpg" />    <article>
<p>গোল, কান্না আর মাঠের নাটকীয় ফুটবলকে ছাপিয়ে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনাল যেন পরিণত হয়েছিল বিশ্বের সব শীর্ষ তারকাদের এক বিনোদন উৎসবে। ফুটবলের বিশ্বমঞ্চে বিশ্বখ্যাত পপ তারকা, হলিউড সুপারস্টার, ইন্টারনেট সেনসেশন ও ফুটবলের কিংবদন্তিদের উপস্থিতিতে <a href="https://gulfnews.com/sport/football/world-cup/from-madonnas-wild-ronaldo-entrance-to-shakira-and-the-ghetto-kids-10-entertainment-moments-that-defined-world-cup-2026-1.500613507?fbclid=IwY2xjawTKZQ9leHRuA2FlbQIxMABicmlkETFRUXJTV1NTUTVRdmFtQVJXc3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHlowdKwnVEXqfZVgTFIT69Z0ApP-h73NJDLIybyIziWJmrriijBoStfLoB6s_aem_M230BKaqTntI7PXCNOECaw">নিউ ইয়র্ক নিউ জার্সি স্টেডিয়াম (মেটলাইফ স্টেডিয়াম) এক ঐতিহাসিক মহাযজ্ঞের সাক্ষী হয়েছে</a>।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>ফাইনাল ম্যাচের প্রথমার্ধের বিরতিতে প্রথা ভেঙে আয়োজিত হয় ঐতিহাসিক এক হাফ-টাইম শো। ব্রাজিলের দুই বিশ্বকাপজয়ী কিংবদন্তি রোনাল্ডো ও রোনালদিনহোর চালানো একটি ডুন বাগিতে চড়ে স্টেডিয়ামের টানেল দিয়ে জমকালো প্রবেশ করেন পপ সম্রাজ্ঞী ম্যাডোনা। এরপর তিনি তার ২০০০ সালের হিট গান &lsquo;মিউজিক&rsquo;-এর নতুন সংস্করণ গেয়ে মাতান। এরপরই জনপ্রিয় টিভি সিরিজ &lsquo;টেড ল্যাসো&rsquo;-র চরিত্র জেসন সুডেইকিস ও ব্রেন্ডন হান্টের মজার পরিচয়ের পর মঞ্চে আসেন জাস্টিন বিবার।</p>
</article>

<article>অ্যাকোস্টিক গিটারে তার শান্ত &lsquo;এভরিথিং হ্যালিলুয়াহ&rsquo; গানটির পরিবেশনা শো-র আবহ পুরোপুরি বদলে দেয়।
<p>&nbsp;</p>

<p>কনসার্টের গতি ও আসল উন্মাদনা ফিরিয়ে আনেন পপকুইন শাকিরা। নাইজেরিয়ান গায়ক বার্না বয় এবং উগান্ডার অনূর্ধ্ব তরুণ নাচের দল &lsquo;ঘেটো কিডস&rsquo;-কে সাথে নিয়ে টুর্নামেন্টের অফিসিয়াল গান &lsquo;দাই দাই&rsquo; গেয়ে পুরো স্টেডিয়াম নাচিয়ে তোলেন তিনি। এরপর লাল-কালো পোশাকে বিটিএস তাদের বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় গান &lsquo;ডিনামাইট&rsquo; গেয়ে পরিবেশনায় নতুন মাত্রা যোগ করে।</p>
</article>

<article>সোয়ে লি-কে সঙ্গে নিয়ে হিট গান &lsquo;সানফ্লাওয়ার&rsquo; পরিবেশন করেন পোস্ট মেলোন। পুরো ইভেন্টজুড়ে রবি উইলিয়ামস, জেনিফার হাডসন, নিকোল শেরজিঙ্গার, লরা পাউসিনি ও মারিয়া বেসেরার মতো বিশ্বসঙ্গীতের একাধিক তারকার উপস্থিতিতে ফাইনালটি একাধারে অ্যাওয়ার্ড শো, মিউজিক ফেস্টিভ্যাল ও ফুটবল ম্যাচে রূপ নেয়।
<p>&nbsp;</p>

<p>শুধু মিউজিক নয়, সাংস্কৃতিক মেলবন্ধনেও ছিল বৈচিত্র্যের ছোঁয়া। ঐতিহ্যবাহী &lsquo;দ্য মাপ্পেটস&rsquo;-এর অ্যানিমেলের ড্রামস এবং গুস্তাভো ডুডামেলের পরিচালনায় নিউ ইয়র্ক ফিলহারমোনিক অর্কেস্ট্রার &lsquo;সেভেন নেশন আর্মি&rsquo; গানের সুর বিশ্ববাসীকে এক পরাবাস্তব মুহূর্ত উপহার দেয়। অন্যদিকে, সাদামাটা পোশাকে হলিউড সুপারস্টার টম ক্রুজের নাটকীয় ম্যাচ-পূর্ব ভাষণ এবং দুই দল স্পেন ও আর্জেন্টিনাকে পরিচয় করিয়ে দেওয়া গ্যালারিতে এনে দেয় আলাদা গাম্ভীর্য।</p>
</article>

<article>পাশাপাশি জনপ্রিয় গ্লোবাল স্ট্রিমার আইশোস্পিড ভিআইপি বক্সে উল্লাসের পাশাপাশি ফাইনালের আগে তার &lsquo;চ্যাম্পিয়নস&rsquo; গান দিয়ে পুরো আয়োজনের সূচনা করেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>মাঠে আর্জেন্টিনা ও স্পেনের ঐতিহাসিক শিরোপা লড়াইয়ের পাশাপাশি রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট, হলিউড, মিউজিক এবং ইন্টারনেট সংস্কৃতির শীর্ষ তারকাদের এই ঐতিহাসিক মেলবন্ধন ২০২৬ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালকে ফুটবল ইতিহাসের এক অনন্য ও চিরস্মরণীয় অধ্যায় হিসেবে খোদাই করে রাখল।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1645-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিউইয়র্কে ইকোসকের সভাপতি ও সহ-সভাপতির সঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী মুক্তাদিরের বৈঠক]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/29100</link>
    <pubDate>Sun, 19 Jul 2026 10:18:48 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/29100</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/688-2.jpg" />    <p>স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের প্রস্তুতিকাল তিন বছর বাড়ানোর অনুরোধ এবং মসৃণ, টেকসই ও স্থিতিশীল উত্তরণ নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সমর্থনজোরদারের লক্ষ্যে জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ (ইকোসক)-এর সভাপতি ও সহ-সভাপতির সঙ্গে পৃথক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।<br />
জাতিসংঘ সদরদপ্তরে ১৭ জুলাই অনুষ্ঠিত পৃথক বৈঠকে ইকোসকের সভাপতি ও নেপালের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত লোক বাহাদুর থাপা এবং ইকোসকের সহ-সভাপতি ও আলজেরিয়ার স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত আমর বেনজামার কাছে এলডিসি থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের প্রস্তুতিকাল তিন বছর বাড়ানোর পক্ষে সরকারের যৌক্তিকতা তুলে ধরেন বাণিজ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, দেশের চলমান অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক পরিবর্তন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, জ্বালানি সংকট, সরবরাহ শৃঙ্খলে বিঘ্ন, জলবায়ু পরিবর্তনের বহুমাত্রিক প্রভাব এবং অন্যান্য বহিঃপ্রতিকূলতার কারণে বাংলাদেশ পূর্বনির্ধারিত প্রস্তুতিকালের পূর্ণ সুফল গ্রহণ করতে পারেনি।<br />
বাণিজ্যমন্ত্রী পুনর্ব্যক্ত করেন যে, বাংলাদেশ এলডিসি থেকে উত্তরণে দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি বলেন, প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর অনুরোধের উদ্দেশ্য উত্তরণ বিলম্বিত করা নয়; বরং ব্যাপক কাঠামোগত সংস্কার সুসংহত করা, সুশাসন জোরদার, সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা, আর্থিক খাত শক্তিশালীকরণ, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং একটি শক্তিশালী ও টেকসই মসৃণ উত্তরণ কৌশল (Smooth Transition Strategy) বাস্তবায়নের মাধ্যমে উত্তরণকে মসৃণ, টেকসই ও স্থিতিশীল করা।<br />
বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়বিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী, জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ -এর সভাপতি সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর এবং বাংলাদেশ গার্মেন্ট ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএমইএ) সভাপতি মাহমুদ হাসান খান উপস্থিত ছিলেন।<br />
ইকোসকের সভাপতি ও সহ-সভাপতি এলডিসি থেকে উত্তরণে উন্নয়নশীল দেশগুলোর সামনে বিদ্যমান বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জগুলোর বিষয়ে আলোকপাত করে বাংলাদেশের এলডিসি থেকে মসৃণ, টেকসই ও স্থিতিশীল উত্তরণ নিশ্চিত করতে নিবিড়ভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/688-2.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[সেনবাগ উপজেলা ওয়েলফেয়ার সোসাইটি ইউএসএ’র বার্ষিক আনন্দ ভ্রমণ অনুষ্ঠিত]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/29099</link>
    <pubDate>Sun, 19 Jul 2026 10:18:25 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/29099</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/952-1.jpg" />    <p>যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার প্রবাসীদের প্রাণপ্রিয় সামাজিক সংগঠন সেনবাগ উপজেলা ওয়েলফেয়ার সোসাইটি ইউএসএ&rsquo;র বার্ষিক আনন্দ ভ্রমণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১১ জুলাই) নিউইয়র্কের হেকশেয়ার স্টেট পার্কে দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে সদস্যদের পরিবার ও শুভানুধ্যায়ীরা অংশগ্রহণ করেন।</p>

<p>বাৎসরিক এই আয়োজনে নানাপ্রান্ত থেকে ছুটে আসা প্রবাসী পরিবারগুলো দীর্ঘদিন পর দেখা হয়ে একে অপরের সাথে খোশগল্পে মেতে উঠে, আনন্দ ভাগাভাগি করে নেয়। শিশু-কিশোর ও নারী-পুরুষদের বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। শুভেচ্ছা জানাতে অংশ নেন বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরাও। বিভিন্ন পর্বে খাবারের আয়োজন ছিলো চোখে পড়ার মতো।</p>

<p>বিকালে এএসএম মাইনউদ্দিন বাবলুর সভাপতিত্বে ও মোঃ নজরুল ইসলাম মিলনের সঞ্চালনায় সমাপনী পর্বে বক্তব্য রাখেন এবং বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন বৃহত্তর নোয়াখালী সোসাইটির সেক্রেটারি এএসএম মাইনউদ্দিন পিন্টু, সন্দ্বীপ সোসাইটির সভাপতি ফিরোজ আলম, আনন্দ ভ্রমনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক মোয়াজ্জেম হোসেন কাজল, সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর হোসেন, আনন্দ ভ্রমণ আয়োজক কমিটির প্রধান সমন্বয়কারী জসিম উদ্দিন, আহবায়ক কবির আহমেদ এবং সদস্য সচিব সৈয়দ আমিরুল ইসলাম ফয়সাল।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/952-1.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ঋণসংকট মোকাবেলায় জাতিসংঘের নেতৃত্বে বৈশ্বিক ব্যবস্থার আহ্বান]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29098</link>
    <pubDate>Sun, 19 Jul 2026 10:15:44 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29098</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/819-99.jpg" />    <article>
<p>মধ্যপ্রাচ্য সংকটসহ বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতার কারণে উন্নয়নশীল দেশগুলোর ওপর বাড়তে থাকা ঋণ ও রাজস্ব চাপ মোকাবেলায় জাতিসংঘের নেতৃত্বে একটি কার্যকর আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ। সরকারের মতে, ঋণ পুনর্গঠন, ঋণ-ভার লাঘব, ঋণ পরিশোধ স্থগিত এবং টেকসই ঋণসমাধানের মতো উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা গেলে উন্নয়নশীল দেশগুলো নারী, শিশু, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক সুরক্ষা খাতে বিনিয়োগ অব্যাহত রাখতে পারবে এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনের গতি ধরে রাখা সম্ভব হবে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/07/18/1712923" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>শুক্রবার নিউ ইয়র্কে ইউনিসেফ সদর দপ্তরে সংস্থাটির মানবিক কার্যক্রম ও সরবরাহ বিভাগের উপনির্বাহী পরিচালক টেড শেইবানের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর এ আহ্বান জানান। বৈঠকে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকিও উপস্থিত ছিলেন।</p>

<p>ড. তিতুমীর বলেন, মধ্যপ্রাচ্যসংকটের কারণে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি, বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলে বিঘ্ন এবং ক্রমবর্ধমান ঋণের চাপ বাংলাদেশের রাজস্ব সক্ষমতাকে উল্লেখযোগ্যভাবে সংকুচিত করেছে। তবে এসব চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও &lsquo;বাংলাদেশ ফার্স্ট&rsquo; দর্শনের আলোকে নারী, শিশু ও অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর সুরক্ষায় সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/07/18/1712924" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>তিনি জানান, নতুন সরকার নারীকে উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দুতে রেখে জীবনচক্রভিত্তিক সামাজিক সুরক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলছে। এ লক্ষ্যে &lsquo;ফ্যামিলি কার্ড&rsquo; কর্মসূচির মাধ্যমে নারীপ্রধান পরিবারগুলোকে গর্ভাবস্থা, শিশুর বেড়ে ওঠা, শিক্ষা, প্রতিবন্ধিতা ও বার্ধক্যসহ জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে সহায়তা দেওয়া হবে।</p>

<p>বৈঠকে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি সরকারের &lsquo;এক শিশু, এক কার্ড, এক নম্বর ও এক ওয়ালেট&rsquo; কৌশলের কথা তুলে ধরে বলেন, এর মাধ্যমে জন্মনিবন্ধন, বিদ্যালয়ে ভর্তি এবং সরকারি সেবাপ্রাপ্তি আরো সমন্বিত ও কার্যকর হবে। তিনি শিক্ষকদের ডিজিটাল প্রশিক্ষণ, আধুনিক শিক্ষাসামগ্রী এবং বহুভাষাভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রমে ইউনিসেফের সহযোগিতাও কামনা করেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/country-news/2026/07/18/1712920" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>জবাবে ইউনিসেফের উপনির্বাহী পরিচালক টেড শেইবান সীমিত রাজস্ব সক্ষমতার মধ্যেও নারী, শিশু ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর কল্যাণে বাংলাদেশের উদ্যোগের প্রশংসা করেন। পাশাপাশি শিক্ষা, প্রারম্ভিক শৈশব বিকাশ, পুষ্টি, সামাজিক সুরক্ষা, শিক্ষক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং শিশুকেন্দ্রিক তথ্যব্যবস্থা উন্নয়নে বাংলাদেশের সঙ্গে ইউনিসেফের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/819-99.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[সংবাদপত্রের কালো আইন সংস্কারে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29097</link>
    <pubDate>Sun, 19 Jul 2026 10:12:50 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29097</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1012-88.jpg" />    <article>
<p>সংবাদপত্র ও গণমাধ্যমের ওপরে বিগত ১৭ বছরে আরোপিত বিভিন্ন কালো আইন সংস্কারের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এসব আইন পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেসসচিব আতিকুর রহমান রুমন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>শনিবার (১৮ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁও কার্যালয়ের &lsquo;করবী&rsquo; হলে বিএনপি সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পাঁচ মাস পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।</p>

<p>এতে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন, প্রেসসচিব সালেহ শিবলী, অতিরিক্ত প্রেসসচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের অন্য সদস্যরা।</p>

<p>ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণের ভোটে নির্বাচিত হওয়ার পর ১৭ ফেব্রুয়ারি দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার। সেই ধারাবাহিকতায় সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পাঁচ মাস পূর্তি উপলক্ষে আজ এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1012-88.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশের যৌথ সামরিক মহড়া ‘টাইগার লাইটনিং’ শুরু আজ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29096</link>
    <pubDate>Sun, 19 Jul 2026 10:12:15 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29096</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1135-77.jpg" />    <article>
<p>যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী ও বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর বার্ষিক দ্বিপক্ষীয় যৌথ সামরিক মহড়া &lsquo;টাইগার লাইটনিং ২৬&rsquo; আজ রবিবার থেকে শুরু হচ্ছে। মহড়ায় দুই দেশের ১৬০ জনের বেশি সামরিক সদস্য অংশ নেবেন।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>গতকাল শনিবার ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।</p>

<p>বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এবারের মহড়ায় জঙ্গলাঞ্চলে অভিযান পরিচালনা, সন্ত্রাসবিরোধী কার্যক্রম এবং যুদ্ধক্ষেত্রে আহতদের কৌশলগত চিকিত্সা (ট্যাকটিক্যাল কমব্যাট ক্যাজুয়ালটি কেয়ার) বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। টাইগার লাইটনিং ২৬ ইউএস আর্মি প্যাসিফিকের থিয়েটার আর্মি ক্যাম্পেইন প্ল্যান এবং নিরাপত্তা সহযোগিতা কর্মসূচির অংশ। এই মহড়ার লক্ষ্য দুই দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে পেশাগত সম্পর্ক আরো শক্তিশালী করা, সামরিক প্রস্তুতি ও কার্যক্রম পরিচালনার দক্ষতা বৃদ্ধি এবং পারস্পরিক সমন্বয় ও আন্তঃকার্যক্ষমতা উন্নত করা।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, টাইগার লাইটনিং প্রথম শুরু হয় ২০১৭ সালে। কভিড-১৯ মহামারির সময় এটি সাময়িকভাবে বন্ধ থাকলেও পরবর্তী পাঁচ বছর ধরে নিয়মিতভাবে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এবারের মহড়া শ্রেণিকক্ষভিত্তিক প্রশিক্ষণ এবং মাঠ পর্যায়ের অনুশীলনের সমন্বয়ে পরিচালিত হবে। মহড়ার শেষ পর্বে একটি পূর্ণাঙ্গ ফিল্ড ট্রেনিং এক্সারসাইজ (এফটিএক্স) অনুষ্ঠিত হবে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1135-77.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ট্রাম্পের মাথার দাম ১২৩ কোটি টাকা ঘোষণা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29095</link>
    <pubDate>Sun, 19 Jul 2026 10:11:30 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29095</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1252-66.jpg" />    <article>
<p>ইরান সমর্থিত ইরাকের সশস্ত্র গোষ্ঠী ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স ইন ইরাক (আইআরআই) যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মাথার দাম এক কোটি মার্কিন ডলার ঘোষণা করেছে। বর্তমান বিনিময় হার অনুযায়ী, এ অর্থের পরিমাণ প্রায় ১২৩ কোটি ১২ লাখ টাকার সমান।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>ইরানপন্থী এই সংগঠনটি এক <a href="https://www.shafaq.com/en/Iraq/Iraqi-armed-group-offers-10-million-reward-for-killing-Trump?utm_source=chatgpt.com">বিবৃতিতে</a> জানায়, ট্রাম্পকে হত্যা করতে পারলে ওই অর্থ পুরস্কার হিসেবে দেওয়া হবে।&nbsp;</p>

<p>ট্রাম্পকে &lsquo;অপরাধী&rsquo; উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়, যিনি বা যে গোষ্ঠী তাকে হত্যা করবে, তারা এই অর্থ পাবেন। সংগঠনটির সদস্য ও সমর্থকদের কাছ থেকে পাওয়া অনুদানের অর্থ দিয়ে এ পুরস্কারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।</p>

<p>এতে আরো বলা হয়, বিশ্বের স্বাধীনতাকামী মানুষ শিশু ও বিজ্ঞানীদের হত্যাকারীকে বিচারের মুখোমুখি করার চেষ্টা চালিয়ে যাবে।</p>
</article>

<article>স্বৈরাচারীরা কখনো শান্তি পাবে না এবং ট্রাম্পও নিরাপদ আশ্রয় খুঁজে পাবেন না।
<p>&nbsp;</p>

<p>সংগঠনটি আরো দাবি করে, নিহত যোদ্ধাদের প্রতিশোধ নেওয়া তাদের জন্য &lsquo;বাধ্যতামূলক অঙ্গীকার&rsquo;। তাদের ভাষ্য, শহীদদের রক্ত একদিন আগ্রাসনকারীদের পতন ঘটাবে।</p>

<p>এদিকে গালফ নিউজ-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি ওয়াশিংটনে হোয়াইট হাউসে ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলী আল-জাইদির সঙ্গে বৈঠকে ট্রাম্প বলেন, ২০২০ সালে ইরানের শীর্ষ সামরিক কমান্ডার জেনারেল কাসেম সোলাইমানি এবং ইরাকের মিলিশিয়া নেতা আবু মাহদি আল-মুহান্দিস হত্যায় তার ভূমিকা ছিল।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1252-66.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[১২ দিনের মার্কিন হামলায় ইরানে নিহত অর্ধশত, আহত ৫ শতাধিক]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29094</link>
    <pubDate>Sun, 19 Jul 2026 10:08:52 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29094</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1355-55.jpg" />    <article>
<p>গত ৬ জুলাই থেকে দেশটিতে যুক্তরাষ্ট্রের চালানো হামলায় এখন পর্যন্ত অন্তত ৫০ জন নিহত হয়েছেন। একই সময়ে ৫০০ জনের বেশি আহত হয়েছেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত সর্বশেষ <a href="https://aje.news/btz9aq?update=4782724">তথ্য অনুযায়ী</a>, বিভিন্ন স্থানে চালানো মার্কিন বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বেসামরিক ও সামরিক উভয় ধরনের হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।</p>

<p>আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।</p>

<p>প্রসঙ্গত, যুক্তরাষ্ট্র সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ইরানের বিভিন্ন সামরিক ও কৌশলগত স্থাপনায় হামলা জোরদার করেছে। এর জবাবে ইরানও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন অঞ্চলে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>এদিকে, দুই দেশের মধ্যে চলমান উত্তেজনার কারণে হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা পরিস্থিতির আরো অবনতি হয়েছে। এর প্রভাব বিশ্ব জ্বালানি বাজারেও পড়েছে; আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। চলমান এমন অবস্থার মধ্যেও উত্তেজনা প্রশমনের কূটনৈতিকভাবে প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1355-55.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ভেনেজুয়েলাকে ৩৪৬ মিলিয়ন ডলার জরুরি সহায়তা দিচ্ছে আইএমএফ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29093</link>
    <pubDate>Sun, 19 Jul 2026 10:08:12 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29093</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1418-44.jpg" />    <article>
<p>ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলাকে পুনর্গঠন ও জরুরি ত্রাণ কাজের জন্য ৩৪৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সহায়তা দিচ্ছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। <a href="https://aninews.in/news/world/others/death-toll-from-venezuelas-twin-earthquakes-rises-above-5000-as-imf-announces-emergency-funds20260719054018/?fbclid=IwY2xjawTJFDFleHRuA2FlbQIxMABicmlkETFpajRuWnJENW1mdVJvNHAwc3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHvw1Lu3t-nvDNy2djlJbmYI7kaN4zlZUFiNTLetYjSfU81pSUyQBLEZqbOUi_aem_0SaDwAueMuwFo2RkFLxvGw">দেশটির ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ডেলসি রদ্রিগেজ ও আইএমএফ প্রধান ক্রিস্টালিনা জর্জিভা এই বড় অঙ্কের তহবিল ছাড়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন</a>।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>এদিকে গত মাসে আঘাত হানা জোড়া ভূমিকম্পে দেশটিতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বেড়েই চলেছে। দেশটির জাতীয় সংসদের সভাপতি হোর্হে রদ্রিগেজের দেওয়া সরকারি রিপোর্ট অনুযায়ী, এই দুর্যোগে নিহতের সংখ্যা বেড়ে এখন ৫১১৯ জনে দাঁড়িয়েছে।</p>

<p>সরকারি প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত মাসে ভেনিজুয়েলার উত্তরাঞ্চলে ৭.২ ও ৭.৫ মাত্রার দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে এবং মূল কম্পনের পর এ পর্যন্ত প্রায় ১৩৫০টি আফটারশক নথিবদ্ধ করা হয়েছে। এই দুর্যোগে এখন পর্যন্ত ১৬৭৪০ জন মানুষ মারাত্মকভাবে আহত হয়েছেন এবং ধ্বংসস্তূপ থেকে ৬৪৬২ জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।</p>
</article>

<article>তীব্র কম্পনে দেশজুড়ে ৮৫৬টি ভবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং ১৯০টি ভবন সম্পূর্ণ ধসে পড়েছে, যার ফলে ১৭৯০৭ জন মানুষ পুরোপুরি গৃহহীন হয়ে পড়েছেন। ক্ষতিগ্রস্তদের জরুরি আশ্রয়ের জন্য ইতিমধ্যে ১০৭টি অস্থায়ী শিবির স্থাপন করা হয়েছে, যেখানে ২১০০০-এরও বেশি মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। এ ছাড়া এক লাখেরও বেশি পরিবারকে বিভিন্ন ধরনের জরুরি সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>বিপজ্জনক এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমে বিশাল কর্মী বাহিনী মাঠে নামানো হয়েছে।</p>
</article>

<article>এলাকাগুলোতে ২,২৭৮ জন আন্তর্জাতিক উদ্ধারকারী এবং প্রায় ৩১০০০ জরুরি সাড়াদানকারী কর্মী দিনরাত কাজ করছেন, যাদের সার্বক্ষণিক সাহায্য করছেন আরো ৩১০০০-এর বেশি স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক। দুর্গত মানুষদের বেঁচে থাকার সুবিধার্থে সরকার ইতিমধ্যে ১০ মিলিয়নেরও বেশি খাদ্য সামগ্রী এবং ৩২ মিলিয়নেরও বেশি লিটার খাবার পানি বিতরণ করেছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>ভেনেজুয়েলার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ডেলসি রদ্রিগেজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম &lsquo;এক্স&rsquo;-এ দেওয়া এক বিবৃতিতে জানান, আইএমএফ-এর নিজস্ব সংরক্ষিত তহবিল থেকে প্রাপ্ত ৩৪৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসন, ভেঙে পড়া অবকাঠামো পুনর্নির্মাণ এবং অত্যাবশ্যকীয় জনসেবা চালুর কাজে ব্যবহার করা হবে। সংকটময় এই মুহূর্তে পাশে দাঁড়ানোর জন্য তিনি আইএমএফ-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিভাকে বিশেষ ধন্যবাদ জানান। অন্যদিকে আইএমএফ প্রধান ক্রিস্টালিনা জর্জিভাও ভেনেজুয়েলার জনগণের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করে জরুরি তহবিল ছাড়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এবং জানান যে জরুরি মানবিক চাহিদা মেটাতে তারা অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অংশীদারদের সাথে একযোগে কাজ করে যাচ্ছেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1418-44.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[মার্কিন সেনা নিহতের ঘটনায় ইরানি বাহিনীকে ‘দ্রুত শাস্তি’ দিতে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলা শুরু]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29092</link>
    <pubDate>Sun, 19 Jul 2026 10:07:20 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29092</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1505-33.jpg" />    <article>
<p>জর্ডানে মার্কিন সেনা সদস্যদের ওপর হামলার তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সেনা হত্যার প্রতিশোধ নিতে এবং ইরানকে &lsquo;দ্রুত শাস্তি&rsquo; দিতে তারা ইরানি বাহিনীর ওপর নতুন করে বিমান হামলা শুরু করেছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে <a href="https://aninews.in/news/world/us/us-launches-new-airstrikes-on-iran-to-swiftly-punish-irgc-forces-after-strikes-in-jordan-killed-two20260719044047/?fbclid=IwY2xjawTJHZZleHRuA2FlbQIxMABicmlkETFpajRuWnJENW1mdVJvNHAwc3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHlCwrr04W6PvOps4Tjze26Odbrbm3NqevU0bFitmn5aGl1m-oET53vtudGOH_aem_xu88fde2gFByO8zQ7BpcDg">মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে</a>, এই হামলার মূল উদ্দেশ্য হলো হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের ওপর হুমকি দেওয়ার ক্ষেত্রে ইরানের সক্ষমতা কমিয়ে আনা। সেই সাথে জর্ডানে মার্কিন সেনাদের ওপর হামলাকারী ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) বাহিনীকে উপযুক্ত শাস্তি দেওয়া। সেন্টকমের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ১৭ জুলাই জর্ডানে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা প্রতিহত করার সময় দুইজন মার্কিন সেনা সদস্য নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া আরো একজন সেনা সদস্য এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।</p>
</article>

<article>হামলায় চারজন মার্কিন সেনা আহত হয়েছিলেন, যাদের চিকিৎসার জন্য জর্ডানের হাসপাতালে নেওয়া হয়। তবে চিকিৎসা শেষে চারজনকেই ইতিমধ্যে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে এবং সামান্য আঘাত পাওয়া অন্য কর্মীরা আবার কাজে ফিরে গেছেন। গত মার্চের পর এই প্রথম ইরানের সরাসরি হামলায় কোনো মার্কিন সেনা নিহত হলেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>এদিকে শুক্রবার (১৭ জুলাই) ইরানের সেনাবাহিনী জানিয়েছিল, তাদের &lsquo;অপারেশন লাইটনিং&rsquo;-এর ১৪তম পর্বের অংশ হিসেবে তারা জর্ডানের আল-আজরাক বিমান ঘাঁটির জ্বালানি মজুত কেন্দ্রগুলোতে হামলা চালিয়েছে।</p>
</article>

<article>একই সাথে তারা জর্ডান ও কুয়েতে অবস্থিত একাধিক মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ড্রোন হামলা চালায়।
<p>&nbsp;</p>

<p>ইরানি সেনাবাহিনীর জনসংযোগ বিভাগের বিবৃতি অনুযায়ী, দেশটির সশস্ত্র বাহিনী কুয়েতের আল-উদাইরি ক্যাম্পের একটি গোলাবারুদের ডিপো, আলি আল-সালেম বিমান ঘাঁটির সদর দফতর ভবন ও গোলাবারুদের ডিপো এবং বেশ কয়েকটি যোগাযোগ সেতুকে লক্ষ্যবস্তু করে হামলা চালিয়েছিল। মার্কিন বাহিনী ইরানের বিরুদ্ধে যে সামরিক হামলা চালিয়েছিল, তার প্রতিশোধ হিসেবেই ইরান টানা সপ্তম রাতের মতো এই অভিযান পরিচালনা করে। আর এর জবাবেই এবার নতুন করে পাল্টা বিমান হামলা শুরু করল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1505-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[১০ গোলের অবিশ্বাস্য এক থ্রিলার, ফ্রান্সকে হারিয়ে তৃতীয় ইংল্যান্ড]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/29091</link>
    <pubDate>Sun, 19 Jul 2026 10:06:39 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/29091</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1546-22.jpg" />    <article>
<p>তৃতীয় স্থান নির্ধারণী এই ম্যাচকে খোদ ফ্রান্স ও ইংল্যান্ড অর্থহীন মনে করছিল। সেই দুই দলই এমন এক থ্রিলার উপহার দিল, যেটিকে বিশ্বকাপ ইতিহাসের সেরা ম্যাচগুলোর সংক্ষিপ্ত তালিকায় না রেখে এখন আর উপায় নেই!&nbsp;</p>

<p>মায়ামির হার্ড রক স্টেডিয়াম সাক্ষী হয়ে রইল ১০ গোলের।</p>
</article>

<article>এবারের বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলের এই ম্যাচে ফ্রান্সকে ৬-৪ ব্যবধানে হারিয়ে প্রথমবারের মতো তৃতীয় হলো ইংল্যান্ড।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>বিশ্বকাপে এর আগে সর্বোচ্চ গোলের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচেও জড়িয়ে ফ্রান্সের নাম। ১৯৫৮ আসরে পশ্চিম জার্মানিকে ৬-৩ গোলে হারিয়ে তৃতীয় হয়েছিল ফরাসিরা। ৬৮ বছর পর এবার তারাই হজম করল ৬ গোল!</p>

<p>১৯৬৬ সালে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর এটিই বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের সর্বোচ্চ সাফল্য।</p>
</article>

<article>তৃতীয় হয়ে ইংলিশরা ব্রোঞ্জ পদকের সঙ্গে পেল প্রায় ৩৫৫ কোটি টাকা। চতুর্থ হয়ে ফ্রান্স পেল প্রায় ৩৩০ কোটি টাকা।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<figure><img alt="saka" height="600" src="https://asset.kalerkantho.com/public/news_images/share/photo/shares/online/2026/07/19/my1236/Saka.jpg" width="1000" />
<figcaption>হ্যাটট্রিক করেছেন বুকায়ো সাকা। ছবি: ফিফা</figcaption>
</figure>

<p>সেমিফাইনালে হেরে বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন শেষ হয়ে যাওয়ায় দুই দলই এই ম্যাচকে গুরুত্বহীন মনে করেছিল।</p>
</article>

<article>তাই দুই দলই প্রায় দ্বিতীয় সারির দল নিয়ে খেলতে নামে। ফ্রান্সের কোচ হিসেবে শেষবারের মতো ডাগআউটে দাঁড়ানো দিদিয়ের দেশম একাদশে আনেন সাত পরিবর্তন। ইংল্যান্ড কোচ টমাস টুখেলের একাদশে আট পরিবর্তন।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>নিখাদ আনন্দ দিতে ও উপভোগের মন্ত্র নিয়ে খেলতে নামাতেই বোধ হয় রক্ষণভাগ পুরোপুরি অরক্ষিত রয়ে গেল। অবিশ্বাস্যের ঘোর লাগিয়ে ইংল্যান্ড প্রথমার্ধেই এগিয়ে গেল ৪-০ গোলে!</p>

<p>ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে খেলা ইংল্যান্ডের কোনো ফুটবলারের এবারের বিশ্বকাপে গোল করতে না পারার যে আক্ষেপ ছিল, তা অবশেষে উবে গেল।</p>
</article>

<article>প্রথমার্ধের সব গোলই করলেন নিজেদের লিগে খেলা তিন ফুটবলার। শুরুটা করলেন ডেকলান রাইস, এরপর এজরি কনসা। আর বিরতিতে যাওয়ার আগে জোড়া গোল করলেন বুকায়ো সাকা।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>অফসাইডের ফাঁদে না পড়লে প্রথমার্ধে হ্যাটট্রিকও পেয়ে যেতে পারতেন সাকা। অবশ্য হ্যাটট্রিক পূরণ করেছেন দ্বিতীয়ার্ধে। পরে যোগ করা সময়ে ইংল্যান্ডের ষষ্ঠ ও ম্যাচের শেষ গোল করেন বদলি নামা জুড বেলিংহাম।&nbsp;</p>

<p>প্রথমার্ধে ৪ গোল খেয়েও অবশ্য মনোবল ভাঙেনি ফ্রান্সের। বিরতির পর মাত্র ২১ মিনিটের মধ্যে ৩ গোল শোধ করে খেলা জমিয়ে তোলার আভাস দেয় দেশমের দল।&nbsp;</p>

<p>৪৮ মিনিটে অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পের গোলে ব্যবধান কমাতে শুরু করে ফ্রান্স। ৫৪ মিনিটে ব্র্যাডলি বারকোলার পর ৬৬ মিনিটে আবার এমবাপ্পের গোল। এর মধ্য দিয়ে লিওনেল মেসিকে (২১) ছাড়িয়ে বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা বনে যান এমবাপ্পে (২২)। এবারের আসরে ১০ গোল নিয়ে গোল্ডেন বুটের লড়াইয়েও এগিয়ে গেছেন তিনি।</p>

<figure><img alt="Didier" height="600" src="https://asset.kalerkantho.com/public/news_images/share/photo/shares/online/2026/07/19/my1236/Didier.jpg" width="1000" />
<figcaption>ফ্রান্সের কোচ হিসেবে নিজের শেষ ম্যাচে ৬ গোল হজমের তিক্ত অভিজ্ঞতা হয়েছে দেশমের। ছবি: ফিফা</figcaption>
</figure>

<p>এরপর মাইকেল ওলিসে ও উসমান দেম্বেলে একের পর এক সহজ সুযোগ হাতছাড়া করেন। নয়তো ঘুরে দাঁড়ানোর অভাবনীয় এক গল্প লিখতে পারত ফ্রান্স। যোগ করা সময়ে দেম্বেলে ইংল্যান্ডের জাল কাঁপালেও ফ্রান্সের কোচ হিসেবে নিজের শেষ ম্যাচে সবচেয়ে বেশি গোল খেয়ে হারের &lsquo;লজ্জা&rsquo; এড়াতে পারেননি দেশম।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1546-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বিশ্বকাপের হাফটাইমে তারকাখচিত জমজমাট আয়োজন]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/29090</link>
    <pubDate>Sun, 19 Jul 2026 10:05:47 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/29090</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1644-11.jpg" />    <article>
<p>বিশ্বকাপ ফুটবল ২০২৬-এর বহুল প্রতীক্ষিত ফাইনাল ঘিরে উন্মাদনায় যোগ হচ্ছে নতুন মাত্রা। স্পেন ও আর্জেন্টিনার শিরোপা লড়াইয়ের পাশাপাশি এবার প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে আয়োজন করা হচ্ছে সুপার বোলের আদলে &lsquo;হাফটাইম শো&rsquo;।</p>
</article>

<article>ফুটবলের ইতিহাসে এই নতুন সংযোজনকে ঘিরে বিশ্বজুড়ে তৈরি হয়েছে বাড়তি আগ্রহ।
<p>&nbsp;</p>

<p>রবিবার (বাংলাদেশ সময় রাত ১টা) নিউইয়র্ক-নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে ফাইনাল ম্যাচ। বিরতির সময় অনুষ্ঠিত হবে প্রায় ১১ মিনিটের এই বিশেষ সংগীতানুষ্ঠান। মঞ্চ তৈরি ও সরিয়ে নিতে অতিরিক্ত সময় লাগায় বিরতির মোট সময় বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>হাফটাইম শোকে স্মরণীয় করে তুলতে বিশ্বের জনপ্রিয় সংগীত তারকাদের এক মঞ্চে এনেছে ফিফা ও গ্লোবাল সিটিজেন। এবারের আয়োজনে পারফর্ম করবেন জাস্টিন বিবার, শাকিরা, ম্যাডোনা, দক্ষিণ কোরিয়ার জনপ্রিয় ব্যান্ড বিটিএস, আফ্রোবিট তারকা বার্না বয়, বিশ্বখ্যাত কন্ডাক্টর গুস্তাভো দুদামেল এবং পিএস২২ কোরাস। কোল্ডপ্লের প্রধান গায়ক ক্রিস মার্টিন পুরো অনুষ্ঠানের সৃজনশীল তত্ত্বাবধান করছেন এবং কোল্ডপ্লেও বিশেষ পরিবেশনায় অংশ নেবে।</p>

<p>বিশ্বকাপের ইতিহাসের অংশ হতে পেরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন জাস্টিন বিবার।</p>
</article>

<article>তাঁর কথায়, &lsquo;বিশ্বকাপ পুরো পৃথিবীকে এক সুতোয় বেঁধে রাখে। এই ঐতিহাসিক আয়োজনের অংশ হতে পারা আমার জন্য গর্বের। সবচেয়ে আনন্দের বিষয়, এই উদ্যোগ শিশুদের শিক্ষার জন্য কাজ করবে।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>বিশ্বকাপের অফিশিয়াল গান &lsquo;দাই দাই&rsquo;-এর অন্যতম শিল্পী বার্না বয়ও জানিয়েছেন, ফাইনালের মঞ্চে আফ্রিকার প্রতিনিধিত্ব করতে পারা তাঁর জন্য গর্বের। ধারণা করা হচ্ছে, শাকিরার সঙ্গে গাওয়া গানটিও হাফটাইম শোতে পরিবেশন করা হবে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>শুধু সংগীতশিল্পীরাই নন, শিশুদের জন্যও থাকছে বিশেষ আয়োজন। জনপ্রিয় শিশুতোষ অনুষ্ঠান &lsquo;সিসেমি স্ট্রিট&rsquo;-এর পরিচিত চরিত্রগুলোর পাশাপাশি &lsquo;কারমিট দ্য ফ্রগ&rsquo; ও &lsquo;মিস পিগি&rsquo;ও এই অনুষ্ঠানে অংশ নেবে।</p>

<p>ফিফা জানিয়েছে, এই আয়োজনের উদ্দেশ্য শুধু বিনোদন নয়। হাফটাইম শো থেকে সংগৃহীত অর্থ ব্যয় হবে &lsquo;ফিফা গ্লোবাল সিটিজেন এডুকেশন ফান্ড&rsquo;-এ। সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষা ও ফুটবলে অংশগ্রহণের সুযোগ বাড়াতে ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের তহবিল গঠনের লক্ষ্য নিয়েছে সংস্থাটি।</p>

<p>ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো বলেছেন, &lsquo;বিশ্বে এই মুহূর্তে সবচেয়ে প্রয়োজনীয় জিনিসের কথা যদি ওঠে, তা শিক্ষার চেয়ে বড় কিছু হতে পারে না। তাই সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষা ও ফুটবলে অংশগ্রহণের সুযোগ বাড়ানোর উদ্যোগে জাস্টিন বিবার, ম্যাডোনা, শাকিরা এবং বিটিএসকে পেয়ে আমরা গর্বিত।&rsquo;</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1644-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[পাকিস্তান-চিন ঘনিষ্ঠতা ও জঙ্গি তৎপরতা নিয়ে বাংলাদেশের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সতর্কবার্তা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/diplomatic/29089</link>
    <pubDate>Sat, 18 Jul 2026 22:23:49 +0600</pubDate>
    <category> কূটনৈতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/diplomatic/29089</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/07182026_image01_ma_momen.jpeg" />    <p>কূটনৈতিক ডেস্কঃ ঢাকা-ইসলামাবাদ-বেইজিং ঘনিষ্ঠতা বাংলাদেশের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন বাংলাদেশের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন। তাঁর আশঙ্কা, পাকিস্তান ও চিনের সঙ্গে অতিরিক্ত ঘনিষ্ঠতা এবং দেশে ধর্মীয় উগ্রবাদের উত্থান বাংলাদেশের নিরাপত্তা, অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক অবস্থানের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।</p>

<p>সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মতে, বাংলাদেশ যদি পাকিস্তান ও চিনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ একটি কৌশলগত অক্ষের দিকে এগিয়ে যায়, তাহলে দেশের উপর নানা ধরনের ভূ-রাজনৈতিক চাপ তৈরি হতে পারে। এর ফলে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি, সীমান্তে উত্তেজনা এবং আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে কূটনৈতিক জটিলতা বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।</p>

<p>মোমেন আরও বলেন, বাংলাদেশে উগ্রপন্থী ও জিহাদি শক্তির উত্থান এখন একটি বাস্তব উদ্বেগ। তাঁর দাবি, ধর্মীয় উগ্রতা বাড়লে দেশের সামাজিক সংহতি দুর্বল হতে পারে এবং দীর্ঘদিনের অসাম্প্রদায়িক চেতনা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।</p>

<p>তিনি বলেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর দেশে উগ্রপন্থী শক্তির প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে। সাম্প্রতিক কিছু সহিংস ঘটনা ও জনতার হাতে নৃশংসতার ঘটনাকে তিনি দেশের সামাজিক পরিবেশের অবনতির লক্ষণ হিসেবে উল্লেখ করেন।</p>

<p>মোমেন একই সঙ্গে শেখ হাসিনার দীর্ঘ শাসনকালকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে তুলে ধরেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ওই সময়ে বাংলাদেশের অর্থনীতি দ্রুত বৃদ্ধি পায়, দারিদ্র্য কমে এবং বিদ্যুৎ, শিক্ষা, নারীর কর্মসংস্থান ও পরিকাঠামো ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়।</p>

<p>সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, তাঁর সময়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মূল নীতি ছিল&mdash;সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়। পাশাপাশি প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার উপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল। তবে তাঁর আশঙ্কা, বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশ সেই ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থান থেকে সরে গেলে দেশের অর্থনীতি, কূটনীতি ও অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার উপর বড় ধরনের চাপ তৈরি হতে পারে।<br />
&nbsp;</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/07182026_image01_ma_momen.jpeg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ওয়েস্টার্ন নিউইয়র্কে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ফোরামের ৭১ সদস্যের আংশিক কমিটির অনুমোদন]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/29088</link>
    <pubDate>Sat, 18 Jul 2026 10:28:17 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/29088</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/8-aaa.jpg" />    <p>যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্টার্ন নিউইয়র্কে আগামী দুই বছরের জন্য বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ফোরামের ৭১ সদস্যবিশিষ্ট আংশিক কার্যনির্বাহী কমিটি কণ্ঠভোটের মাধ্যমে অনুমোদন করা হয়েছে। একই সঙ্গে আগামী তিন মাসের মধ্যে ১০১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।</p>

<p>নবগঠিত কমিটিতে সুনামগঞ্জের ইমতিয়াজ আহমদ বেলাল সভাপতি এবং বরিশালের আবু জাফর ফরাজী সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। সিনিয়র সহসভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সিলেটের মোহাম্মদ ফখর উদ্দিন। সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন সুনামগঞ্জের সুমন আহমেদ।</p>

<p>এছাড়া সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে সিলেটের ফরিদ খন্দকার আখতার ও মৌলভীবাজারের আব্দুল ওয়াহেদ তামজিদ ও আবেদুর রহমান বাবলু, কোষাধ্যক্ষ হিসেবে সিলেটের আবুল হাসান মো. নোমান, দপ্তর সম্পাদক হিসেবে ঢাকার আবদাল হুসেন এবং প্রচার সম্পাদক হিসেবে সিলেটের ফরিদ হোসেন ও সহ প্রচার সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন মৌলভীবাজার গিয়াস উদ্দিন খান।</p>

<p data-added-after="1">কমিটিতে সহ সভাপতি হিসেবে রয়েছেন এস এম শাহাজাদা,গাজী হাফিজুর রহমান, একে এম হাসান,আহমদ হোসেন, আমিনুল ইসলাম, বাতেন সরকার, মোঃ সোহেল সর্দার, শামীম তরফদার, মনিরুল ইসলাম, জাহিদ বিশ্বাস, ফয়েজ আহমদ, মোঃ লুৎফর রহমান, ছামছুল হক, আতিকুর রহমান, নাজীবুল হক চৌধুরী, জুবায়ের আহমদ এবং নাফিস আহমেদ।</p>

<p>যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন সবুজ মিয়া, মোঃ ইছমাইল, তাজুল হোসেন, ছায়েদুর রহমান, মোঃ আবু হানিফ বেপারী। কমিটিতে আরও রয়েছেন, আইন বিষয়ক সম্পাদক মুন্সিগঞ্জের রনি মৃধা; আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ঢাকা জাহাঙ্গীর হোসেন; ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক হবিগঞ্জের ছারওয়ার মাহমুদ; মহিলা বিষয়ক সম্পাদক সিলেটের মোছাম্মত ছুমাইয়া আকতার; বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক সুনামগঞ্জের খুসবা বেগম; যুব বিষয়ক সম্পাদক টাংগাইলের মোঃ আব্বাস উদ্দিন; তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক বরিশালের আবদুল লতিফ; যোগাযোগ সম্পাদক সিলেটের সৈয়দ রাসেল আলি; ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ঢাকার আকরাম হোসেন চৌধুরী; সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া সম্পাদক কুমিল্লার কিবরিয়া হোসেন মুমিত।</p>

<p data-added-after="1">এ ছাড়া &nbsp;সদস্য হিসেবে রয়েছেন সিলেটের ইসফাক আমিন চৌধুরী, মুজিব হায়দার বদরুল, মোঃ আজির উদ্দিন, আব্দুস ছাত্তার, তাজ উদ্দিন আহমেদ, চমক মিয়া, মাজেদ আহমদ, &nbsp;নাজিম হোসেন, আবুল হোসেন; সুনামগঞ্জের শুকুর আলী, আলী হোসেন, &nbsp;নবিজ আলী, মোঃ লায়েছ মিয়া, বাশার রহমান, আব্দুল নূর; হবিগঞ্জের জাকির চৌধুরী, সোহান আহমদ খান, মোহাম্মদ আহমদ, ইকরামুল হক, সুমন আহমদ; চট্টগ্রামের &nbsp;সুহান আহমেদ খান,মোঃ ফয়ছল আহমদ; ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ইব্রাহীম বুলবুল, ইব্রাহিম বুলবুল; বরিশালের সৈয়দ সানজিদ; ঢাকার মোঃ আখতার হোসেন রোবেল, কুমিল্লার সুহেল আহমদ মোল্লা এবং বড়লেখার আশোক উদ্দিন।</p>

<p>নেতারা বলেন, প্রবাসে বাংলাদেশি কমিউনিটির ঐক্য সুদৃঢ় করা, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখা এবং সংগঠনের কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে নবগঠিত কমিটি কাজ করবে। একই সঙ্গে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ১০১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করে সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/8-aaa.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিউইয়র্কের এশিয়ান কমিউনিটির পাশে থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করলেন সিটি কাউন্সিল স্পিকার]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/29087</link>
    <pubDate>Sat, 18 Jul 2026 10:27:29 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/29087</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/132-aa.jpg" />    <p>নিউইয়র্ক সিটি কাউন্সিলের স্পিকার জুলি মেনিন সিটি হলের রেড রুমে এশিয়ান কমিউনিটি মিডিয়ার প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক গোলটেবিল বৈঠকে নিউইয়র্কের এশিয়ান জনগোষ্ঠীর জন্য নিরাপদ, সাশ্রয়ী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নগর গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন।</p>

<p>১৪ জুলাই সিটি হলে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে ডেপুটি লিডার স্যান্ড্রা উং, ফাইন্যান্স কমিটির চেয়ার লিন্ডা লি, ওভারসাইট অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশনস কমিটির চেয়ার শেখর কৃষ্ণান, এজিং কমিটির চেয়ার সুসান ঝুয়াং এবং কাউন্সিল সদস্য ফিল ওং উপস্থিত ছিলেন। তারা বিভিন্ন ভাষাভিত্তিক এশিয়ান গণমাধ্যমের সাংবাদিকদের সঙ্গে অভিবাসী সম্প্রদায়ের সমস্যা, বাজেট, শিক্ষা, জননিরাপত্তা, ক্ষুদ্র ব্যবসা ও আবাসন সংকট নিয়ে মতবিনিময় করেন।</p>

<p><img alt="" data-mfp-src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/36fee1ab-5617-4875-bb13-47ae79ec46cf.jpeg" src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/36fee1ab-5617-4875-bb13-47ae79ec46cf.jpeg" /></p>

<p data-added-after="1">স্পিকার জুলি মেনিন বলেন, &quot;নিউইয়র্ক সিটি এবং এর বাইরের এশিয়ান সম্প্রদায়ের কাছে নির্ভরযোগ্য তথ্য ও গুরুত্বপূর্ণ সেবা পৌঁছে দিতে যেসব সাংবাদিক নিরলসভাবে কাজ করছেন, তাঁদের সঙ্গে আজকের এই আলোচনা আয়োজন করতে পেরে আমি গর্বিত। জননিরাপত্তা থেকে শুরু করে শিক্ষা&mdash;প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সিটি কাউন্সিল এশিয়ান নিউইয়র্কবাসীর কথা শুনতে এবং তাঁদের জন্য কার্যকর নীতি ও বিনিয়োগ নিশ্চিত করতে কাজ চালিয়ে যাবে। আমার সহকর্মীদের সহযোগিতায় পাঁচটি বরো জুড়ে এশিয়ান-আমেরিকান কমিউনিটির পক্ষে আমাদের উদ্যোগ আরও শক্তিশালী হয়েছে।&quot;</p>

<p>আলোচনায় স্পিকার মেনিন জানান, নিউইয়র্ককে আরও নিরাপদ ও সাশ্রয়ী নগর হিসেবে গড়ে তোলা, ক্ষুদ্র ব্যবসাকে সহায়তা করা, শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ এবং আবাসন সংকট মোকাবিলা সিটি কাউন্সিলের অন্যতম অগ্রাধিকার।</p>

<p>তিনি ২০২৭ অর্থবছরের বাজেটে এশিয়ান-আমেরিকান ও প্যাসিফিক আইল্যান্ডার (AAPI) জনগোষ্ঠীর জন্য গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগও তুলে ধরেন। এর মধ্যে রয়েছে এএপিআই কমিউনিটি সাপোর্ট উদ্যোগের জন্য প্রায় ৫০ লাখ ডলার, এশিয়ান আমেরিকান এডুকেশন প্রজেক্টের জন্য প্রায় ২০ লাখ ডলার, সিটি ইউনিভার্সিটি অব নিউইয়র্কের (CUNY) এশিয়ান/এশিয়ান আমেরিকান রিসার্চ ইনস্টিটিউটের জন্য প্রায় ১০ লাখ ডলার<br />
&nbsp;এবং এএপিআই কমিউনিটির আইনি সহায়তা কর্মসূচির জন্য ২০ লাখ ডলারের বেশি বরাদ্দ রয়েছে বলে তিনি জানান। &nbsp;</p>

<p data-added-after="1">সিটি কাউন্সিলের নেতারা বলেন, নিউইয়র্কের বহুজাতিক ও বহুভাষিক জনগোষ্ঠীর সঙ্গে নিয়মিত সংলাপ বজায় রাখা এবং কমিউনিটি মিডিয়ার মাধ্যমে সঠিক তথ্য পৌঁছে দেওয়া তাদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গীকার।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/132-aa.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিউইয়র্ক স্টেট কমান্ডের উদ্যোগে সংগঠনের সাবেক কোষাধ্যক্ষ বীর মুক্তিযোদ্ধা মজিবর রহমানের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/29086</link>
    <pubDate>Sat, 18 Jul 2026 10:27:01 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/29086</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/67-a.jpg" />    <p>বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, নিউইয়র্ক স্টেট কমান্ডের উদ্যোগে সংগঠনের সাবেক কোষাধ্যক্ষ বীর মুক্তিযোদ্ধা মজিবর রহমানের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। নিউইয়র্কে ব্রঙ্কসের স্টার্লিং-বাংলাবাজার এলাকায় হাসান চাইনিজে ১৩ জুলাই আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রবাসী মুক্তিযোদ্ধারা তাকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন।&nbsp;<br />
নিউইয়র্ক স্টেট কমান্ডের কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মনজুর আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত ও দোয়া পরিচালনা করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম।<img alt="" decoding="async" height="1152" sizes="(max-width: 2048px) 100vw, 2048px" src="https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/07/Muktijuddha_1.jpg" srcset="https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/07/Muktijuddha_1.jpg 2048w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/07/Muktijuddha_1-300x169.jpg 300w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/07/Muktijuddha_1-1024x576.jpg 1024w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/07/Muktijuddha_1-150x84.jpg 150w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/07/Muktijuddha_1-768x432.jpg 768w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/07/Muktijuddha_1-1536x864.jpg 1536w" width="2048" /><br />
বীর মুক্তিযোদ্ধা বিজয় কৃষ্ণ সাহা&rsquo;র সঞ্চালনায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মজিবর রহমানের জীবনী নিয়ে বক্তব্য রাখেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হালিম মুন্সী, বীর মুক্তিযোদ্ধা তোফায়েল চৌধুরী, বীর মুক্তিযোদ্ধা মুন্সী বশির উদ্দিন, সংসদের ডেপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আবু জাফর, বীর মুক্তিযুদ্ধা সরকার এ মজিদ, সিনিয়র সিটিজেন ফোরামের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা লিয়াকত আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু কায়সার চিশতি, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হালিম, বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ নাছির, বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. শাহজাহান, বীর মুক্তিযোদ্ধা জাহাঙ্গীর আলম, সিনিয়র সিটিজেন ফোরামের সাধারণ সম্পাদক কাজী রবিউজ্জামান, কমিউনিটি এক্টিভিস্ট খবির উদ্দিন ভূইয়া, মিয়া মোঃ দাউদ, মরহুমের জামাতা মোঃ আব্দুল গফুর, ভাগ্নে বিল্লাল হোসেন এবং সাইদ ইসলাম।<br />
এসময় বক্তারা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধা মজিবর রহমানের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে তার অসামান্য অবদানের কথা কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন। তারা বলেন, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ নিউইয়র্ক স্টেট কমান্ড ইউএসএ&rsquo;র নানা কর্মকান্ডে সৎ ও নিষ্ঠাবান বীর মুক্তিযোদ্ধা মজিবর রহমানের ভূমিকা ছিল অনস্বীকার্য। তার অনুকরণীয় কর্মকান্ড আজীবন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/67-a.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[মেজর মোজাফফরকে গ্রেফতার: জিয়া হত্যাকাণ্ডের অমীমাংসিত রহস্য উদ্ঘাটনের সম্ভাবনা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29085</link>
    <pubDate>Sat, 18 Jul 2026 10:19:02 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29085</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/687-2.jpg" />    <p>দীর্ঘ প্রায় ৪৫ বছর পলাতক থাকার পর সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর মো. মোজাফফর হোসেন গ্রেফতার হয়েছেন।&nbsp;</p>

<p>বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) তার গ্রেফতারের পর ১৯৮১ সালের ৩০ মে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি লেফটেন্যান্ট জেনারেল জিয়াউর রহমান (বীরউত্তম) হত্যাকাণ্ড এবং পরবর্তী সেনা বিদ্রোহের অমীমাংসিত রহস্য নতুন করে আলোচনায় এসেছে।</p>

<p>এ বিষয়ে প্রকাশিত এক বিশ্লেষণধর্মী বক্তব্যে বলা হয়েছে, স্বাধীনতাপরবর্তী বাংলাদেশের ইতিহাসে জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ড, পরবর্তী সেনা বিদ্রোহ, মেজর জেনারেল এমএ মঞ্জুরের মৃত্যু এবং সেই সময়ের রাজনৈতিক-সামরিক ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই নানা প্রশ্ন ও বিতর্ক রয়েছে। দ্রুত বিচারিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ায় ঘটনাগুলোর নেপথ্যের প্রকৃত চিত্র এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা পুরোপুরি স্পষ্ট হয়নি বলে দাবি করা হয়েছে।</p>

<p>নথি অনুযায়ী, মেজর মো. মোজাফফর হোসেন ১৯৮১ সালের ঘটনাপ্রবাহের সঙ্গে সরাসরি সংশ্লিষ্ট ছিলেন এবং সংশ্লিষ্টদের মধ্যে বর্তমানে তিনিই একমাত্র জীবিত। দীর্ঘদিন পলাতক থাকায় তার বক্তব্য ও তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে জানার সুযোগ সৃষ্টি হয়নি। তার সাম্প্রতিক গ্রেফতার বাংলাদেশের ইতিহাসের বিভিন্ন অমীমাংসিত দিক উন্মোচনের পাশাপাশি জাতির সামনে প্রকৃত তথ্য উপস্থাপনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ সৃষ্টি করেছে। তবে বিদ্যমান নথি ও প্রমাণের সঙ্গে সমন্বয় করে বিষয়টি যাচাই করার প্রয়োজন রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।</p>

<p>এতে আরও বলা হয়, মেজর মো. মোজাফফর হোসেন প্রথম জিআরবিতে (জাতীয় রক্ষী বাহিনী) কমিশনপ্রাপ্ত ছিলেন। ১৯৮১ সালে তিনি ২৪ পদাতিক ডিভিশনে কর্মরত ছিলেন। রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের পর থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত তিনি ভারতে অবস্থান করেন এবং সেই সময় ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার আশ্রয়ে ছিলেন বলে জানা যায়। ওই সময় তিনি &lsquo;বিপ্লব সরকার&rsquo; ও &lsquo;জয় ব্যানার্জি&rsquo; ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন। পরে ১৯৯৬ সালে তিনি বাংলাদেশে ফিরে আসেন।</p>

<p>১৯৮১ সালের সেনা বিদ্রোহ এবং সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটনের লক্ষ্যে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে। ওই কমিটিতে সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পাশাপাশি ডিজিএফআই, এনএসআই, প্রতিরক্ষা ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ পুলিশ এবং প্রয়োজনে অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সংস্থার প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ করা হয়েছে।</p>

<p>এ ছাড়া তদন্ত কার্যক্রম সুষ্ঠু ও কার্যকরভাবে পরিচালনার স্বার্থে মেজর মোজাফফর হোসেনকে ডিজিএফআই-এর জয়েন্ট ইন্টাররোগেশন সেন্টার (জেআইসি) অথবা সেনাবাহিনীর আর্মি ইন্টাররোগেশন সেল (এআইসি)-এ জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে ঘটনার সামগ্রিক প্রেক্ষাপট ও সংশ্লিষ্ট তথ্য উদ্ঘাটনের প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে।</p>

<p>বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, একটি দায়িত্বশীল রাষ্ট্রের কর্তব্য সত্য অনুসন্ধানের সর্বোচ্চ চেষ্টা করা। ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলোর নিরপেক্ষ অনুসন্ধান প্রতিহিংসার জন্য নয়; বরং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, জাতীয় আস্থা পুনর্গঠন এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নির্ভুল ইতিহাস সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে হওয়া উচিত। সত্য যাই হোক না কেন, তা জাতির জন্য বিভাজনের নয়; বরং শিক্ষা ও ঐক্যের ভিত্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়াই কাম্য।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/687-2.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[অমলিন মুগ্ধের সেই ডাক ‘পানি লাগবে পানি’, শেষ হয়নি বিচারের অপেক্ষা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29084</link>
    <pubDate>Sat, 18 Jul 2026 10:18:17 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29084</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/818-99.jpg" />    <p><strong>২০২৪ সালের ১৮ জুলাই। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন তখন তীব্র রূপ নিয়েছে। আন্দোলনকারীদের ডাকা &lsquo;কমপ্লিট শাটডাউন&rsquo; কর্মসূচিকে ঘিরে সারা দেশে তৈরি হয় এক চরম উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি। রাজধানী ঢাকার প্রতিটি কোণায় তখন সংঘাত, আতঙ্ক আর অনিশ্চয়তা। সেই উত্তাল ও বিপজ্জনক সময়ে নিজের নিরাপদ আশ্রয়ের কথা না ভেবে মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছিলেন এক তরুণ। যার এক হাতে ছিল পানির বোতল, অন্য হাতে বিস্কুটের প্যাকেট, আর কণ্ঠে ছিল এক মানবিক আহ্বান &lsquo;পানি লাগবে পানি&rsquo;।</strong></p>

<p>&nbsp;</p>

<p>রাজধানীর উত্তরা আজমপুর এলাকার সেই সাহসী তরুণ ছিলেন বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিইউপি) এমবিএ শিক্ষার্থী মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধ। তৃষ্ণার্ত আন্দোলনকারীদের মাঝে পানি ও বিস্কুট বিতরণ করার সময়ই হঠাৎ গুলিবিদ্ধ হয়ে প্রাণ হারান তিনি। মৃত্যুর ঠিক আগমুহূর্তে হাতে পানির বোতল নিয়ে ছুটে চলার সেই দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা কোটি মানুষের হৃদয়কে নাড়া দেয়।</p>

<p>মুগ্ধের এই অকাল ও নির্মম মৃত্যু শুধু একটি পরিবারের শোকের ঘটনা হয়ে থাকেনি। নিজের জীবন বিলিয়ে দিয়ে তিনি হয়ে উঠেছেন সাহস, সহমর্মিতা ও অনন্য মানবিকতার প্রতীক। বাংলাদেশের ইতিহাসে গৌরবোজ্জ্বল ও গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ে অসংখ্য আত্মত্যাগের গল্পের মাঝে মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধ নামটি আজ অমর অনুপ্রেরণা।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><strong>স্মৃতির পাতায় ১৮ জুলাই</strong></p>

<p>চারদিকে সংঘাত আর উত্তেজনার মাঝেও উত্তরা আজমপুর এলাকায় মানুষের সেবায় ব্যস্ত ছিলেন মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধ। হাতে পানির বোতল ও বিস্কুট নিয়ে তৃষ্ণার্ত আন্দোলনকারীদের মাঝে ঘুরে ঘুরে তা বিতরণ করছিলেন তিনি। এর কিছুক্ষণ পরই আজমপুর সড়কে গুলিবিদ্ধ হন মুগ্ধ।&nbsp;</p>

<aside><strong>গুলিটি মুগ্ধের কপালে লেগে ডান কানের পাশ দিয়ে বেরিয়ে যায়। মাটিতে পড়ে থাকা অবস্থায়ও তার পাশে ছিল পানির বোতলের কেস। বন্ধুরা দ্রুত উদ্ধার করে উত্তরা ক্রিসেন্ট হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মুগ্ধকে মৃত ঘোষণা করেন <cite>মুগ্ধর বন্ধু জাকিরুল ইসলাম</cite></strong></aside>

<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><img alt="" border="0" height="720" src="https://assets.dhakapost.com/media/imgAll/BG/2026July/case--20260717163317.jpg" width="1280" /></p>

<p>তার বন্ধু নাইমুর রহমান আশিক জানান, পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে সবাই যখন দৌড়াচ্ছিলেন, হঠাৎ পেছনে তাকিয়ে দেখেন মুগ্ধ মাটিতে পড়ে যাচ্ছেন। তখনও মুগ্ধের হাতে ছিল বিস্কুট ও পানির বোতলের পলিথিন।</p>

<p>সঙ্গে থাকা তার আরেক বন্ধু জাকিরুল ইসলাম জানান, গুলিটি মুগ্ধের কপালে লেগে ডান কানের পাশ দিয়ে বেরিয়ে যায়। মাটিতে পড়ে থাকা অবস্থায়ও তার পাশে ছিল পানির বোতলের কেস। বন্ধুরা দ্রুত উদ্ধার করে উত্তরা ক্রিসেন্ট হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মুগ্ধকে মৃত ঘোষণা করেন।</p>

<p>সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে মুগ্ধকে বলতে শোনা যায়, &lsquo;এই পানি লাগবে পানি, পানি লাগবে পানি&rsquo;। মাত্র কয়েক সেকেন্ডের এই আকুল আহ্বানই পরবর্তী সময়ে মানুষের বুকে তার শেষ স্মৃতি হয়ে দাগ কেটে যায়।</p>

<p><strong>যে মানুষটি ছিলেন সবার প্রিয়</strong></p>

<p>১৯৯৮ সালের ৯ অক্টোবর জন্মগ্রহণ করেন মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধ। তার গ্রামের বাড়ি &nbsp;ব্রাহ্মণবাড়িয়ার রামরাইলে। বাবা মীর মোস্তাফিজুর রহমান এবং মা শাহানা চৌধুরীর তিন সন্তানের মধ্যে মুগ্ধ ছিলেন দ্বিতীয়। তার বড় ভাই মীর মাহমুদুর রহমান দীপ্ত এবং যমজ ভাই মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ। পরিবারের সদস্যরা জানান, ছোটবেলা থেকেই মুগ্ধ ছিলেন অত্যন্ত হাস্যোজ্জ্বল, প্রাণবন্ত ও পরোপকারী। অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া এবং বিপদে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর গুণটি ছিল তার সহজাত।</p>

<aside><strong>আমরা এখনো কাঙ্ক্ষিত বিচার পাইনি। শহীদ পরিবারের সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা ছিল হত্যার দ্রুত বিচার। কিন্তু দুই বছর পরও বিচার কার্যক্রম প্রাথমিক পর্যায়েই রয়েছে। যে বাংলাদেশের জন্য মুগ্ধ প্রাণ দিল, সেই বাংলাদেশ এখনো আমরা দেখিনি। বিচারহীনতা শুধু আমাদের পরিবারের নয়, শহীদদের আত্মত্যাগের সঙ্গেও এক ধরনের বেইমানি। আমাদের মা এখনো স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেননি। প্রতিটি উৎসব এখন পরিবারের কাছে শোকের দিন। মুগ্ধের অনুপস্থিতি প্রতিনিয়ত অনুভব করেন <cite>মুগ্ধের যমজ ভাই মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ</cite></strong></aside>

<p>খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগ থেকে স্নাতক সম্পন্ন করার পর মুগ্ধ বিইউপি-তে এমবিএ-তে ভর্তি হন। পড়াশোনার পাশাপাশি ফ্রিল্যান্সিংয়েও তিনি ছিলেন সফল। মেধাবী এই তরুণ যুক্ত ছিলেন বাংলাদেশ স্কাউটসের সঙ্গেও। ২০১৯ সালে বনানীর ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে উদ্ধারকাজে অংশ নিয়ে তিনি অর্জন করেন মর্যাদাপূর্ণ &lsquo;জাতীয় পরিষেবা পুরস্কার&rsquo;।&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><img alt="" border="0" height="720" src="https://assets.dhakapost.com/media/imgAll/BG/2026July/mugdha-1-20260717164208.jpg" width="1280" /></p>

<p><strong>দুই বছরেও বিচারে দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই, ক্ষুব্ধ পরিবার</strong></p>

<p>মুগ্ধ নিহত হওয়ার দুই বছর পূর্ণ হলেও হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রক্রিয়া এখনো প্রাথমিক পর্যায়েই আটকে রয়েছে। এতে চরম ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছে তার পরিবার। পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, গত দুই বছর ধরে তারা কেবল আশ্বাসই শুনেছেন, কিন্তু বিচার কার্যক্রমে কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখেননি। এত বড় একটি নিষ্ঠুর হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার হবে, এমনটাই প্রত্যাশা ছিল তাদের। কিন্তু দীর্ঘসূত্রতার কারণে সেই ন্যায়বিচারের প্রত্যাশা এখন চরম অনিশ্চয়তায় পরিণত হয়েছে।</p>

<blockquote><strong>আসামিদের মধ্যে রয়েছেন, তৎকালীন ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ হাবিব হাসান, তৎকালীন ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান, উত্তরা বিভাগের তৎকালীন উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) কাজী আশরাফুল আজীম, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) মির্জা সালাহউদ্দিন, এডিসি মো. তোহিদুল ইসলাম</strong></blockquote>

<p>মুগ্ধের যমজ ভাই মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ ঢাকা পোস্টকে বলেন, &lsquo;আমরা এখনো কাঙ্ক্ষিত বিচার পাইনি। শহীদ পরিবারের সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা ছিল হত্যার দ্রুত বিচার। কিন্তু দুই বছর পরও বিচার কার্যক্রম প্রাথমিক পর্যায়েই রয়েছে&rsquo;।</p>

<p>তিনি বলেন, &lsquo;যে বাংলাদেশের জন্য মুগ্ধ প্রাণ দিল, সেই বাংলাদেশ এখনো আমরা দেখিনি। বিচারহীনতা শুধু আমাদের পরিবারের নয়, শহীদদের আত্মত্যাগের সঙ্গেও এক ধরনের বেইমানি&rsquo;।</p>

<p>স্নিগ্ধ আরও বলেন, &lsquo;আমাদের মা এখনো স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেননি। প্রতিটি উৎসব এখন পরিবারের কাছে শোকের দিন। মুগ্ধের অনুপস্থিতি প্রতিনিয়ত অনুভব করেন&rsquo;।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><img alt="" border="0" height="720" src="https://assets.dhakapost.com/media/imgAll/BG/2026July/july-revulation-20260717164235.jpg" width="1280" /></p>

<p>মুগ্ধ হত্যার পর সরকারের পক্ষ থেকে গণভবনে যাওয়ার প্রস্তাব এলেও পরিবার তা প্রত্যাখ্যান করেছিল, এমন দাবি করে স্নিগ্ধ বলেন, &lsquo;গণভবনে যেতে বলা হয়েছিল, ব্ল্যাংক চেকও দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু টাকার বিনিময়ে ভাইয়ের রক্ত বিক্রি করিনি।&rsquo;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><strong>মুগ্ধসহ ১১ জন হত্যা : ট্রাইব্যুনালে ২৬ জনের বিরুদ্ধে ফরমাল চার্জ</strong></p>

<p>জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় উত্তরায় সংঘটিত ব্যাপক হত্যাযজ্ঞের বিবরণ দিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) দাখিল করেছে প্রসিকিউশন। বিইউপির শিক্ষার্থী মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধসহ ১১ জনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের এই মামলায় ২৬ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।</p>

<p>আসামিদের মধ্যে রয়েছেন, তৎকালীন ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ হাবিব হাসান, তৎকালীন ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান, উত্তরা বিভাগের তৎকালীন উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) কাজী আশরাফুল আজীম, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) মির্জা সালাহউদ্দিন, এডিসি মো. তোহিদুল ইসলাম।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><img alt="" border="0" height="720" src="https://assets.dhakapost.com/media/imgAll/BG/2026July/tribunal-2--20260717164346.jpg" width="1280" /></p>

<p>আনুষ্ঠানিক অভিযোগে বলা হয়েছে, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দমনে তৎকালীন সরকারের নির্দেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও ক্ষমতাসীন দলের সশস্ত্র কর্মীরা দেশজুড়ে আন্দোলনকারীদের ওপর পরিকল্পিত ও প্রাণঘাতী হামলা চালায়। এর অংশ হিসেবে ১৭ ও ১৮ জুলাই ওয়্যারলেস বার্তার মাধ্যমে নিরস্ত্র আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে চাইনিজ রাইফেল ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া হয়। অভিযুক্ত ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাদের অধীনস্থ সদস্যদের এই অপরাধ সংঘটন থেকে বিরত রাখেননি এবং পরবর্তী সময়ে কোনো ব্যবস্থাও নেননি।</p>

<p>অভিযোগ অনুযায়ী, ১৮ জুলাই সকাল থেকেই উত্তরা পূর্ব ও পশ্চিম থানা এলাকার ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কসহ আশপাশে বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য এপিসি ও ভারী অস্ত্র নিয়ে অবস্থান নেন। একই সময়ে সেখানে জড়ো হন স্থানীয় আওয়ামী লীগের সশস্ত্র কর্মীরাও। দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত আন্দোলনকারীদের লক্ষ্য করে এসএমজি, চাইনিজ রাইফেল, শটগান, গ্যাস শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড দিয়ে নির্বিচারে গুলি চালানো হয়। আন্দোলনকারীরা অলিগলিতে আশ্রয় নিলেও তাদের ধাওয়া করে গুলি করা হয়।</p>

<aside><strong>ট্রাইব্যুনালের অবকাশকালীন ছুটি শেষ হওয়ার পর দ্রুতই এসব মামলার বিচার কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হবে। একইসঙ্গে ঘটনার বাকি অংশের তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর তা যাচাই-বাছাই শেষে পৃথক ফরমাল চার্জ আকারে ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা হবে <cite>আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের একজন প্রসিকিউটর</cite></strong></aside>

<p>ঠিক ওই সময়ে উত্তরার ৩ নম্বর সেক্টরের রবীন্দ্র সরণিতে &lsquo;প্রিয় প্রাঙ্গণ&rsquo; ভবনের সামনে গুলিবিদ্ধ হন মুগ্ধ। তিনি তখন আহতদের হাসপাতালে নিতে সাহায্য করার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মাঝে পানি ও বিস্কুট বিতরণ করছিলেন। পরে উত্তরা ক্রিসেন্ট হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।</p>

<p>১৮ জুলাইয়ের একই সহিংসতায় জাহিদুজ্জামান তানভীন, ডা. সজিব সরকার, শাকিল হোসেন, শেখ ফাহমিন জাফর, সাব্বির হোসেন এবং উবারচালক মোখলেসুর রহমান দুর্জয় নিহত হন। এ ছাড়া মমিনুল ইসলাম মারজান, মোস্তাহিদ হোসেন ভূঁইয়া সামি, মেহেদী হাসান, রাকিব উদ্দীন ও আলী হোসেন গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><img alt="" border="0" height="720" src="https://assets.dhakapost.com/media/imgAll/BG/2026July/5-julay-20260717164409.jpg" width="1280" /></p>

<p>অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, উবারচালক মোখলেসুর রহমান দুর্জয় একটি এপিসির পেছনের চাকায় পিষ্ট হয়ে মারা যান। পরে তার মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে প্রথমে উত্তরা পূর্ব থানার নিচতলার পাম্পকক্ষে রাখা হয়। গভীর রাতে গাড়িতে করে উত্তরার ৮ নম্বর সেক্টরসংলগ্ন তুরাগ নদীতে ফেলে দেওয়া হয়। দুদিন পর, ২০ জুলাই গাজীপুরের টঙ্গীর মরকুন এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।</p>

<p>এদিকে, ১৯ জুলাই উত্তরায় পৃথক আরেকটি সহিংসতায় টঙ্গী সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী রিদোয়ান শরীফ রিয়াদ, নাঈমা সুলতানা, মো. ছাব্বির ইসলাম শাকিব ও মো. আসাদুল্লাহ নিহত এবং রাইসুল রহমান রাতুল গুলিবিদ্ধ হন। এই ঘটনাতেও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে পৃথক একটি ফরমাল চার্জ দাখিল করা হয়েছে।</p>

<p>উভয় মামলাতেই একই ব্যক্তিসহ মোট ২৬ জনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইন, ১৯৭৩ অনুযায়ী, হত্যা, হত্যাচেষ্টা, নির্দেশ প্রদান, প্ররোচনা, উসকানি, সহায়তা, সম্পৃক্ততা, অপরাধ প্রতিরোধে ব্যর্থতা ও ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে।</p>

<p>নাম প্রকাশ না করার শর্তে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের একজন প্রসিকিউটর ঢাকা পোস্টকে বলেন, ট্রাইব্যুনালের অবকাশকালীন ছুটি শেষ হওয়ার পর দ্রুতই এসব মামলার বিচার কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হবে। একইসঙ্গে ঘটনার বাকি অংশের তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর তা যাচাই-বাছাই শেষে পৃথক ফরমাল চার্জ আকারে ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা হবে।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/818-99.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[আইওএম প্রধানের সঙ্গে মাহদী আমিনের বৈঠক]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29083</link>
    <pubDate>Sat, 18 Jul 2026 10:16:36 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29083</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1011-88.jpg" />    <article>
<p>প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিন জাতিসংঘের অভিবাসনবিষয়ক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশন (আইওএম)-এর চিফ অব মিশন লরা টম বন্ডের নেতৃত্বাধীন একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।&nbsp;</p>

<p>বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।</p>
</article>

<article>আজ শুক্রবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>সাক্ষাতে বাংলাদেশে অভিবাসন ব্যবস্থাপনা আরো শক্তিশালী করা, নিরাপদ শ্রম অভিবাসনের সুযোগ সম্প্রসারণ এবং অভিবাসীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা হয়।</p>

<p>এদিন মাহ্&zwnj;দী আমিন বাংলাদেশ থেকে অন্যান্য দেশে জনশক্তি রপ্তানির নতুন বাজার সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে ও নতুন আন্তর্জাতিক বাজারে দক্ষ শ্রমিক পাঠানোর সুযোগ বৃদ্ধি, শ্রমিকদের দক্ষতা উন্নয়ন এবং বৈদেশিক শ্রমবাজারের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ জনশক্তি গড়ে তুলতে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>একই সঙ্গে তিনি নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ উপায়ে নারী শ্রমিকের বিদেশে কর্মসংস্থান বাড়ানোর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন। এ সময় নিরাপদ, সুশৃঙ্খল, স্বচ্ছভাবে ও কম খরচে অভিবাসন প্রক্রিয়া কীভাবে আরও সম্প্রসারণ করা যায়, প্রযুক্তিনির্ভর ও জবাবদিহিমূলক সেবা নিশ্চিত করা যায় এবং বিদেশগামী কর্মীদের জন্য সহজতর অভিবাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলা যায়, এসব বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।</p>

<p>আইওএম প্রতিনিধি দল বাংলাদেশে তাদের চলমান কার্যক্রম তুলে ধরে এবং সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগে কারিগরি ও প্রযুক্তিগত সহায়তা আরও সম্প্রসারণে আগ্রহ প্রকাশ করে। বিদেশগামী কর্মীদের জন্য অত্যাধুনিক সেবা, অভিবাসন ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন এবং সরকারি উদ্যোগ বাস্তবায়নে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাসও দেয় সংস্থাটি।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>বৈঠকে বাংলাদেশ সরকারের অংশীদারিত্বে গ্লোবাল কমপ্যাক্ট ফর মাইগ্রেশন বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে বাংলাদেশের ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যানের আসন্ন উদ্বোধনের প্রস্তুতি নিয়েও আলোচনা হয়।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1011-88.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রকে চ্যালেঞ্জ করতে চীনের নতুন ‘এআই জোট’]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29082</link>
    <pubDate>Sat, 18 Jul 2026 10:16:00 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29082</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1134-77.jpg" />    <article>
<p>কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই খাতে যুক্তরাষ্ট্রকে চ্যালেঞ্জ করে বৈশ্বিক প্রভাব বিস্তারে নতুন কৌশল নিয়ে মাঠে নেমেছে চীন। বিশ্বের ২৯টি দেশ নিয়ে গঠিত &lsquo;ওয়ার্ল্ড আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কোঅপারেশন অর্গানাইজেশন (ওয়াইকো)&rsquo; নামের এই জোটের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজেদের প্রভাব বাড়ানোর চেষ্টা করছে বেইজিং ।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>সাংহাইয়ে অনুষ্ঠিত বিশ্ব কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্মেলনে (ডব্লিউএআইসি) চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বলেছেন, এআই কোনো একক দেশের নিয়ন্ত্রণে থাকা উচিত নয়। এটি আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও যৌথ উন্নয়নের ক্ষেত্র হওয়া প্রয়োজন।</p>

<p>শুক্রবার দেওয়া বক্তব্যে পরোক্ষভাবে যুক্তরাষ্ট্রের সমালোচনা করে তিনি বলেন, জাতীয় নিরাপত্তার অজুহাতে প্রযুক্তি খাতে অন্য দেশকে সীমাবদ্ধ করা উচিত নয়। তার মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উন্নয়ন ও ব্যবহার আন্তর্জাতিক অংশীদারত্বের ভিত্তিতে পরিচালিত হওয়া দরকার।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>এর আগে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার সাংহাইয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে ওয়াইকো। ২৯টি দেশ নিয়ে গঠিত এই জোটের সদর দপ্তর সাংহাইয়ে স্থাপন করা হয়েছে।&nbsp;জোটটিতে ইন্দোনেশিয়া, ব্রাজিল, মালয়েশিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, সেনেগাল, রাশিয়া ও পাকিস্তানসহ গ্লোবাল সাউথভুক্ত বিভিন্ন দেশ অংশ নিয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস উপস্থিত ছিলেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>বিশ্লেষকদের ধারণা, এই জোটের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এআই-সংক্রান্ত নীতিমালা ও আইন প্রণয়নে নিজেদের প্রভাব বাড়ানোর চেষ্টা করবে চীন। প্রযুক্তি খাতে নেতৃত্ব নিয়ে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে তীব্র প্রতিযোগিতা চলছে। বিশেষ করে উন্নতমানের সেমিকন্ডাক্টর বা চিপ প্রযুক্তিকে কেন্দ্র করে দুই দেশের মধ্যে যে দ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছে, তা &lsquo;চিপ যুদ্ধ&rsquo; নামে পরিচিত।</p>

<p>জাতীয় নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে চীনের কাছে উন্নত চিপ রপ্তানিতে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে চীনও চিপ উৎপাদনে ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ বিরল খনিজ রপ্তানিতে সীমাবদ্ধতা আরোপ করেছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>উন্নত চিপ উৎপাদনে চীন এখনো কিছুটা পিছিয়ে থাকলেও বৃহৎ ডাটা সেন্টার, বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা এবং খনিজ সম্পদের ক্ষেত্রে দেশটি উল্লেখযোগ্য সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। ফলে এআই খাতের দীর্ঘমেয়াদি প্রতিযোগিতায় চীনের অবস্থান শক্তিশালী হতে পারে।</p>

<p>কার্নেগি এনডাউমেন্ট ফর ইন্টারন্যাশনাল পিসের গভর্ন্যান্স বিশেষজ্ঞ অরিন্দ্রজিৎ বসু <a href="https://www.aljazeera.com/news/2026/7/17/chinas-xi-jinping-launches-new-ai-alliance-what-is-it">আলজাজিরাকে</a> বলেন, বৈশ্বিক সাইবার ও এআই নীতি নির্ধারণে যুক্তরাষ্ট্র যখন তুলনামূলকভাবে পিছিয়ে যাচ্ছে, তখন চীন সেই শূন্যস্থান কাজে লাগিয়ে নিজেদের নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে।</p>

<p>উন্নয়নশীল দেশগুলোর সমর্থন নিয়ে এআই শাসনব্যবস্থায় নতুন প্রভাব বলয় তৈরি করতে চায় বেইজিং। বিশ্লেষকদের মতে, এই উদ্যোগ ভবিষ্যতে প্রযুক্তি বিশ্বে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের প্রভাবের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1134-77.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[হাইড্রোজেন ট্রেন চালু করল ভারত]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29081</link>
    <pubDate>Sat, 18 Jul 2026 10:15:19 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29081</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1251-66.jpg" />    <article>
<p>পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব রেল যোগাযোগের নতুন যুগে পদার্পণ করল ভারত। নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি প্রথম হাইড্রোজেন ফুয়েল সেলচালিত ট্রেনের উদ্বোধন করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>এই উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে জার্মানি, জাপান, চীন এবং যুক্তরাষ্ট্রের মতো উন্নত দেশগুলোর পর এবার ভারতও রেল যোগাযোগে হাইড্রোজেন প্রযুক্তির এলিট ক্লাবে যোগ দিল। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, উত্তর রেলওয়ের ৮৯ কিলোমিটার দীর্ঘ জিন্দ-সোনিপৎ রুটে চলাচলকারী ১০ কোচের এই ট্রেনটি বিশ্বের দীর্ঘতম ও সবচেয়ে শক্তিশালী হাইড্রোজেন ট্রেন।</p>

<p>ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম <a href="https://www.indiatoday.in/science/story/how-does-indias-first-hydrogen-train-work-the-science-behind-the-green-engine-2949722-2026-07-17">ইন্ডিয়া টুডে</a> বলছে, প্রথাগত ডিজেল ইঞ্জিনের সম্পূর্ণ বিপরীত ধারায় চলা এই হাইড্রোজেন ট্রেন কোনো ওভারহেড বৈদ্যুতিক তার ছাড়াই সম্পূর্ণ নিজস্ব প্রযুক্তিতে অনবোর্ড বিদ্যুৎ তৈরি করতে পারে।&nbsp;এই ব্যবস্থার কেন্দ্রে রয়েছে একটি ১ হাজার ২০০ কিলোওয়াটের প্রোটন এক্সচেঞ্জ মেমব্রেন ফুয়েল সেল, যা হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনের মধ্যে রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>ট্রেনের চালক বিদ্যুৎবাহী দুটি পাওয়ার কারের উচ্চ-চাপ সিলিন্ডারে সংকুচিত হাইড্রোজেন গ্যাস বহন করা হয়। এই হাইড্রোজেন যখন ফুয়েল সেলে প্রবেশ করে, তখন একটি প্ল্যাটিনাম অনুঘটকের সাহায্যে হাইড্রোজেনের প্রোটন ও ইলেকট্রন আলাদা হয়ে যায়।</p>

<p>ইলেকট্রনগুলো যখন একটি বাহ্যিক বৈদ্যুতিক সার্কিটের মধ্য দিয়ে যেতে বাধ্য হয়, তখনই বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয় এবং তা ট্রেনের ট্র্যাকশন মোটরকে সচল করে। একই সময়ে চারপাশের বাতাস থেকে নেওয়া অক্সিজেন হাইড্রোজেন প্রোটন ও ইলেকট্রনের সঙ্গে মিলিত হয়।</p>
</article>

<article>এই সম্পূর্ণ তড়িৎ-রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় কোনো দহন বা ধোঁয়া তৈরি হয় না।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>ফলে ক্ষতিকারক কার্বন নির্গমনের পরিবর্তে উপজাত হিসেবে কেবল জলীয় বাষ্প ও তাপ নির্গত হয়, যা একে বর্তমান বিশ্বের অন্যতম পরিচ্ছন্ন যোগাযোগ মাধ্যমে পরিণত করেছে। ফুয়েল সেল থেকে উৎপাদিত অতিরিক্ত বিদ্যুৎ লিথিয়াম আয়রন ফসফেট ব্যাটারিতে জমা থাকে, যা ট্রেনটি যখন গতি বাড়ায় তখন অতিরিক্ত শক্তি জোগায় এবং ব্রেকিংয়ের সময় উৎপন্ন শক্তি পুনরুৎপাদন করে সংরক্ষণ করে।</p>

<p>ডিজেলের তুলনায় হাইড্রোজেনের শক্তির ঘনত্ব অনেক বেশি। যেখানে ডিজেলের শক্তির ঘনত্ব প্রতি কেজিতে ৪৩ মেগাজুল, সেখানে হাইড্রোজেনের ক্ষেত্রে তা প্রায় ১২০ মেগাজুল।</p>
</article>

<article>ফলে এটি কার্বন নির্গমন ছাড়াই উচ্চ কর্মক্ষমতা নিশ্চিত করতে পারে।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>এই ট্রেনকে সার্বক্ষণিক সচল রাখতে হরিয়ানার জিন্দে ভারতের বৃহত্তম রেলওয়ে হাইড্রোজেন স্টোরেজ এবং রিফুয়েলিং স্টেশন স্থাপন করা হয়েছে। সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এই কেন্দ্রে প্রায় ৩ হাজার কেজি হাইড্রোজেন সংরক্ষণ করা সম্ভব, যা আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা মানদণ্ড মেনে তৈরি করা হয়েছে।</p>

<p>রিসার্চ, ডিজাইন অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস অর্গানাইজেশনের কারিগরি নির্দেশনায় নির্মিত এই ১০ কোচের ট্রেনটিতে প্রায় ২ হাজার ৬০০ যাত্রী যাতায়াত করতে পারবেন। ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১১০ কিলোমিটার গতিবেগের নকশায় তৈরি এই ট্রেনটি আপাতত সুরক্ষার স্বার্থে ৭৫ কিলোমিটার গতিতে চালানো হবে।</p>

<p>জিন্দ জংশন, গোহানা জংশন এবং সোনিপতের মধ্যে সংযোগকারী এই ট্রেনের সুরক্ষায় কোনো আপস করা হয়নি। এতে যুক্ত রয়েছে হাইড্রোজেন লিক ডিটেক্টর, ফ্লেম ডিটেকশন সিস্টেম, স্বয়ংক্রিয় হাইড্রোজেন শাট-অফ মেকানিজম এবং চালকদের জন্য রিয়েল-টাইম হেলথ মনিটরিং ব্যবস্থা।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1251-66.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[কানাডার দাবানলের ধোঁয়া যুক্তরাষ্ট্রে, শুল্ক বাড়ানোর হুমকি ট্রাম্পের]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29080</link>
    <pubDate>Sat, 18 Jul 2026 10:14:40 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29080</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1354-55.jpg" />    <article>
<p>যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়া দাবানলের ধোঁয়ার জন্য কানাডাকে দায়ী করেছেন। তিনি বলেন, এই দূষণের কারণে হওয়া অতিরিক্ত ব্যয় কানাডার পণ্যের ওপর বিদ্যমান শুল্কের সঙ্গে যোগ করা হবে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার কানাডার শত শত দাবানল থেকে সৃষ্টি হওয়া ঘন ধোঁয়া যুক্তরাষ্ট্রের মধ্য-পশ্চিম থেকে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা ঢেকে ফেলে। এ কারণে অনেক এলাকায় বাসিন্দাদের ঘরের ভেতরে থাকার সতর্কতা জারি করা হয়।</p>

<p><a href="https://www.arabnews.com/node/2651354/world">ট্রাম্প আরো বলেন, এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় কানাডা কী পদক্ষেপ নিচ্ছে</a>, তা জানতে তিনি প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির সঙ্গে কথা বলবেন। তার ভাষায়, এটি একটি &lsquo;সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য&rsquo; পরিস্থিতি।</p>
</article>

<article>তিনি ট্রুথ সোশ্যাল-এর একটি পোস্টে বলেছেন, &lsquo;ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, &lsquo;কানাডা তাদের বনভূমির যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ করছে না।&rsquo; তার অভিযোগ, এর ফলে নোংরা, দূষিত ও অস্বাস্থ্যকর বাতাস অকারণে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করছে। এ কারণে দাবানলের ধোঁয়াজনিত দূষণের জন্য তিনি কানাডাই দায়ী।
<p>&nbsp;</p>

<p>ট্রাম্প দাবি করেন, এটি কানাডার ইচ্ছাকৃত অবহেলার ফল এবং প্রতি বছর এমন ঘটনা ঘটায় যুক্তরাষ্ট্রের শত শত কোটি ডলারের ক্ষতি হচ্ছে।</p>
</article>

<article>তিনি বলেন, দাবানলের ধোঁয়া থেকে সৃষ্ট দূষণ মোকাবিলার ব্যয় কানাডার পণ্যের ওপর বিদ্যমান শুল্কের সঙ্গে যোগ করা উচিত। তবে জলবায়ু বিশেষজ্ঞরা ট্রাম্পের এই দাবির সঙ্গে একমত নন।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>তাদের মতে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ায় বনভূমি আরো শুষ্ক হয়ে পড়ছে। ফলে দাবানলের ঘটনা ও এর বিস্তারও বাড়ছে। ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার থম্পসন রিভার্স ইউনিভার্সিটির বন্যভূমির দাবানল বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক মাইক ফ্ল্যানিগান বলেন, জলবায়ু যত উষ্ণ হচ্ছে, ততই গরম, শুষ্ক, ঝড়ো ও চরম আবহাওয়ার প্রবণতা বাড়ছে।</p>
</article>

<article>এর ফলে ভবিষ্যতে দাবানলের ঘটনাও আরো বৃদ্ধি পাবে।
<p>&nbsp;</p>

<p>২০২৫ সালে ক্ষমতায় আসার কিছুদিনের মধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কানাডা থেকে আমদানি করা বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পণ্যের ওপর শুল্ক আরোপ করেন। এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে চাইলে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির দপ্তর তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।</p>

<p>কার্নি বৃহস্পতিবার বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিশ্বজুড়ে তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও চরম আবহাওয়ার ঘটনা বাড়ছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের আরো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। রবিবার নিউ জার্সিতে অনুষ্ঠিতব্য ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালে ট্রাম্প ও কার্নির মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।</p>

<p>এদিকে কানাডার অধিকাংশ দাবানল অন্টারিও প্রদেশের দুর্গম উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে। স্বল্প জনবসতিপূর্ণ এই এলাকাগুলোতে যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম বিমান। বর্তমানে প্রায় ৬ লাখ ৫০ হাজার একর (২৬৩০ বর্গকিলোমিটার) এলাকা আগুনে পুড়ছে, যা গত বছরের একই সময়ে পুড়ে যাওয়া ৬ লাখ একর এলাকার চেয়েও বেশি। দাবানলের কারণে হাজার হাজার মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।</p>

<p><strong>কিছুই অবশিষ্ট নেই</strong></p>

<p>উত্তর-পশ্চিম অন্টারিওর আদিবাসী সম্প্রদায় নামাইগুসিসাগাগুন ফার্স্ট নেশন (কলিন্স ফার্স্ট নেশন) ভয়াবহ দাবানলে প্রায় সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। সম্প্রদায়টির বাসিন্দারা নৌকায় করে এলাকা ছেড়ে থান্ডার বে শহরে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন বলে জানান ইনসিডেন্ট কমান্ডার ম্যাথিউ হোপ।</p>

<p>হোপ বলেন, &lsquo;সেখানে আর কিছুই অবশিষ্ট নেই। আমাদের সম্প্রদায়ের সদস্যরা ভেঙে পড়েছেন, শোকাহত ও হতবিহ্বল হয়ে আছেন।&rsquo; টরন্টো থেকে প্রায় এক হাজার ৩০০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত থান্ডার বে শহরটি বর্তমানে দাবানলে ক্ষতিগ্রস্ত হাজারো মানুষের আশ্রয়কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। শহরের মেয়র কেন বশকফ জানান, বাস্তুচ্যুতদের আশ্রয় দিতে গিয়ে শহরটির সক্ষমতা প্রায় পূর্ণ হয়ে গেছে।</p>

<p>এদিকে অন্টারিওর প্রিমিয়ার ডাগ ফোর্ড শুক্রবার ঘোষণা দিয়েছেন, দ্রুত ছড়িয়ে পড়া দাবানল মোকাবেলায় প্রদেশটি ১১টি নতুন বিমান কিনবে। একই সঙ্গে তিনি অভিযানকে অপর্যাপ্ত বলে সমালোচনা করা কিছু মার্কিন রাজনীতিকের বক্তব্যও প্রত্যাখ্যান করেন। শুধু কানাডাই নয়, যুক্তরাষ্ট্রেও এ বছর দাবানলের প্রকোপ বেড়েছে।&nbsp;</p>

<p>ন্যাশনাল ইন্টারএজেন্সি ফায়ার সেন্টার-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে ৩৭ লাখ একর জমি পুড়ে গেছে। গত ১০ বছরের একই সময়ের গড় ছিল ২৭ লাখ একর।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1354-55.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[রিশাদের ক্যারিয়ারসেরা বোলিং, এবার বাংলাদেশের কাছে পাত্তাই পেল না জিম্বাবুয়ে]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/29079</link>
    <pubDate>Sat, 18 Jul 2026 10:13:59 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/29079</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1504-33.jpg" />    <article>
<p>১২০/০ থেকে ১৪১/৫&mdash;মাত্র ২১ রানের ব্যবধানে নেই ৫ উইকেট।&nbsp;</p>

<p>ম্যাচের এই ছোট্ট অংশটুকুই শুধু বাংলাদেশের পক্ষে ছিল না।</p>
</article>

<article>বাকি অংশ সফরকারীরা এমনভাবে নিয়ন্ত্রণ করল যে, জিম্বাবুয়ে পাত্তাই পেল না।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>বুলাওয়ের কুইন্স স্পোর্টস ক্লাব মাঠে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে জিম্বাবুয়েকে অনায়াসে ৩৪ রানে হারিয়ে সিরিজে ১-১ সমতা আনল বাংলাদেশ।&nbsp;</p>

<p>আজ (১৭ জুলাই) টসে হেরে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ৫ উইকেটে ১৮৭ রান তুলেছিল বাংলাদেশ। জবাবে জিম্বাবুয়ে ২ বল বাকি থাকতে ১৫২ রানে গুটিয়ে যায়।</p>
</article>

<article>দলে ফেরা রিশাদ হোসেন ২৬ রানে নিয়েছেন ৪ উইকেট, যা টি-টোয়েন্টিতে এই লেগ স্পিনারের ক্যারিয়ারসেরা বোলিং।
<p>&nbsp;</p>

<p>গত বুধবার (১৫ জুলাই) প্রথম টি-টোয়েটিতে ৩২ রানে হেরেছিল বাংলাদেশ। আজ ৩৪ রানের জয়ে এল সমতা। ফলে আগামী রবিবার (১৯ জুলাই) শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচ সিরিজ নির্ধারণীতে পরিণত হলো।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>আগের ম্যাচে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে ভালো করলেও আজ কী বুঝে যেন ফিল্ডিং নেন জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক সিকান্দার রাজা।&nbsp;</p>

<figure><img alt="PIC1" height="600" src="https://asset.kalerkantho.com/public/news_images/share/photo/shares/online/2026/07/17/my1236/Opener1.jpg" width="1000" />
<figcaption>বাংলাদেশের দুই ওপেনার সাইফ হাসান ও তানজিদ হাসান ফিফটি পেয়েছেন। <strong>ছবি: জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট</strong></figcaption>
</figure>

<p>প্রথম ম্যাচে লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশের টপ অর্ডার ব্যর্থ হলেও আজ আগে ব্যাটিংয়ে নেমে তানজিদ হাসান ও সাইফ হাসান উড়ন্ত শুরু এনে দেন। দুই ওপেনারই ফিফটি করে বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে দেন।</p>

<p>তবে সিকান্দার রাজা ও রিচার্ড এনগারাভার দারুণ বোলিংয়ে হঠাৎই বাংলাদেশের ব্যাটিং ধস নামে।</p>
</article>

<article>কিন্তু ষষ্ঠ উইকেটে ইয়াসির আলী রাব্বি ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন মাত্র ১৯ বলে ৪৫ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়লে জিম্বাবুয়েকে চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য ছুড়ে দিতে পারে বাংলাদেশ।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>বাংলাদেশের ইনিংসের শেষ ওভার করতে আসেন ব্র্যাড ইভান্স। জিম্বাবুয়েন এই পেসারের প্রথম ৪ বলে ৪ ছক্কা মারেন সাইফউদ্দিন।</p>

<figure><img alt="pic2" height="600" src="https://asset.kalerkantho.com/public/news_images/share/photo/shares/online/2026/07/17/my1236/ZIM.jpg" width="1000" />
<figcaption>জিম্বাবুয়ের ফিল্ডাররা আজ সাতটি ক্যাচ ছেড়েছেন। <strong>ছবি: জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট</strong></figcaption>
</figure>

<p>&nbsp;অবশ্য বাংলাদেশের ব্যাটারদের জ&brvbar;লে উঠতে জিম্বাবুয়েন ফিল্ডারদের &lsquo;মাখন মাখানো হাতেরও&rsquo; অবদান আছে। একটি-দুটি নয়; আজ সাত-সাতটি ক্যাচ ছেড়েছে সিকান্দার রাজার দল।</p>

<p>বড় লক্ষ্য তাড়ায় শুরুতেই শেখ মেহেদীর ঘূর্ণি ও নাহিদ রানার গতির কবলে পড়ে জিম্বাবুয়ে। পাওয়াপ্লেতেই প্রথম ৩ ব্যাটারকে হারিয়ে তারা ম্যাচ থেকে ছিটকে যায়।</p>

<p>অভিজ্ঞ রাজার ২৮ ও রায়ান বার্লের ২৯ রান জিম্বাবুয়ের কোনো কাজে আসেনি। আরো ভয়ংকর হয়ে ওঠার আগেই এ দুজনকে ফেরান রিশাদ হোসেন। এই দুজন ছাড়াও আরো দুটি শিকার ধরেন রিশাদ।</p>

<p>এক পর্যায়ে ১০৯ রানে ৮ উইকেট হারিয়ে ফেলে জিম্বাবুয়ে। এরপর রিচার্ড এনগারাভা ও ব্র্যাড ইভান্সের ৪০ রানের জুটি পরাজয়ের ব্যবধান কমিয়েছে মাত্র।&nbsp;</p>

<figure><img alt="saif6" height="600" src="https://asset.kalerkantho.com/public/news_images/share/photo/shares/online/2026/07/17/my1236/PIC Saif.jpg" width="1000" />
<figcaption>মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ম্যাচসেরা হয়েছেন। <strong>ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া</strong></figcaption>
</figure>

<p>সিরিজে সমতা ফেরালেও বাংলাদেশের জন্য দুশ্চিন্তা বয়ে এনেছে নাহিদ রানার চোট। আলোচিত এই ফাস্ট বোলার নিজের তৃতীয় ওভার করতে এসে পেশিতে টান পড়লে অস্বস্তি নিয়ে মাঠ ছাড়েন। রবিবার সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে নাহিদ খেলতে পারবেন কি না, তা এখনো জানা যায়নি।&nbsp;</p>

<p><strong>সংক্ষিপ্ত স্কোর</strong></p>

<p><strong>বাংলাদেশ : </strong>২০ ওভারে ১৮৬/৫ (তানজিদ ৫৮, সাইফ ৫৫, সাইফউদ্দিন ৩১*, ইয়াসির ২২*; এনগারাভা ২/২৩, ইভান্স ২/৬৫, রাজা ১/২০)।<br />
<strong>জিম্বাবুয়ে :</strong>&nbsp;১৯.৪ ওভারে ১৫২ অলআউট (বার্ল ২৯, রাজা ২৮, ইভান্স ২৫; রিশাদ ৪/২৬, মেহেদী ৩/২৪, সাইফ ১/৪)।<br />
<strong>ফল : </strong>বাংলাদেশ ৩৪ রানে জয়ী।<br />
<strong>ম্যান অব দ্য ম্যাচ :</strong> মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন (বাংলাদেশ)।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1504-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[‘একদিন তোমাদের বিচ্ছেদ হবে!’, কেন সোনাক্ষীকে এমন কথা বলেছিলেন সালমান?]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/29078</link>
    <pubDate>Sat, 18 Jul 2026 10:12:32 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/29078</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1545-22.jpg" />    <article>
<p>বলিউড অভিনেতা সালমান খানকে ঘিরে নানা গল্প-গুজবের শেষ নেই। তবে ঘনিষ্ঠজনদের সম্পর্ক বুঝে ফেলার ক্ষেত্রে তাঁর তীক্ষ্ণ পর্যবেক্ষণ ক্ষমতার কথা নতুন করে সামনে আনলেন অভিনেত্রী সোনাক্ষী সিনহা ও তাঁর স্বামী জাহির ইকবাল।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>তাঁদের দাবি, প্রেমের সম্পর্ক প্রকাশ্যে আসার অনেক আগেই সব বুঝে গিয়েছিলেন সালমান।</p>

<p>সম্প্রতি নেহা ধুপিয়া ও অঙ্গদ বেদীর সঞ্চালনায় &lsquo;ডাবল ডেট&rsquo; অনুষ্ঠানে অতিথি হয়ে নিজেদের প্রেমের শুরুর দিনের নানা অজানা স্মৃতি ভাগ করে নেন সোনাক্ষী ও জাহির।&nbsp;</p>

<p>সেখানেই জানান, সালমান খানের একটি পার্টিতে তাঁদের প্রথম পরিচয়। বন্ধুত্বের সূত্র ধরেই ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে প্রেমের সম্পর্ক।</p>
</article>

<article>তবে সেই সম্পর্ক গোপন রাখতে চাইলেও সালমানের নজর এড়াতে পারেননি তাঁরা।
<p>&nbsp;</p>

<p>জাহির জানান, তাঁরা নিজেরা কিছু বলার আগেই তাঁদের সম্পর্কের বিষয়টি বুঝে ফেলেছিলেন সালমান। দুজনের আচরণ ও পারস্পরিক বোঝাপড়া দেখেই তিনি বিষয়টি আঁচ করেছিলেন।</p>

<p>সোনাক্ষীও সেই সময়ের একটি মজার ঘটনার কথা স্মরণ করেন।</p>
</article>

<article>তিনি বলেন, সালমান যখন তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন করতেন, তখন দুজনেই বিষয়টি অস্বীকার করতেন। বারবার বলতেন, &lsquo;না না, এমন কিছুই নেই।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>কিন্তু তাঁদের সেই লুকোচুরি বেশিদিন টেকেনি। একসময় মজা করে সালমান বলেছিলেন, &lsquo;একদিন তোমাদের ব্রেকআপ হবে, তখন দুজনেই কাঁদবে। আমি তোমাদের দুজনকেই ভালোবাসি, তাই তখন কারও পক্ষ নিতে পারব না।</p>
</article>

<article>&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>এই মন্তব্য শুনে দুজনই অবাক হয়ে গিয়েছিলেন বলে জানান সোনাক্ষী। পরে এক ট্রেকিং ভ্রমণে সালমান সরাসরি জাহিরকে ইঙ্গিত দিয়ে বলেন, &lsquo;সব দেখা যাচ্ছে, সব বুঝতে পারছি।&rsquo; এরপর আর সম্পর্ক গোপন রাখার সুযোগ ছিল না তাঁদের।</p>

<p>প্রায় সাত বছর প্রেমের সম্পর্ক আড়ালে রাখার পর ২০২৪ সালের জুনে মুম্বাইয়ে আইনি বিয়ের মাধ্যমে নতুন অধ্যায় শুরু করেন সোনাক্ষী সিনহা ও জাহির ইকবাল। এর আগে তাঁরা &lsquo;ডাবল এক্সএল&rsquo; সিনেমায়ও একসঙ্গে কাজ করেছিলেন।</p>

<p>তবে সালমানের সেই মজার ভবিষ্যদ্বাণী শেষ পর্যন্ত সত্যি হয়নি। বিচ্ছেদের বদলে তাঁদের সম্পর্ক পরিণতি পেয়েছে বিয়েতে। বর্তমানে সুখী দাম্পত্য জীবনই কাটাচ্ছেন এই বলিউড তারকা দম্পতি।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1545-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[মেসি-জাদুতে মুগ্ধ শাকিরা, আন্তোনেল্লাকে দিলেন সাফল্যের কৃতিত্ব]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/29077</link>
    <pubDate>Sat, 18 Jul 2026 10:11:52 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/29077</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1643-11.jpg" />    <article>
<p>বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে আর্জেন্টিনা। নাটকীয় এই জয়ের পর গোটা ফুটবল বিশ্বে ফের আলোচনার কেন্দ্রে লিওনেল মেসি।</p>
</article>

<article>৩৯ বছর বয়সেও তাঁর অনবদ্য পারফরম্যান্সে মুগ্ধ ক্রীড়াপ্রেমীরা প্রশংসায় ভাসাচ্ছেন। এবার সেই তালিকায় নাম লিখিয়েছেন আন্তর্জাতিক পপ তারকা শাকিরাও।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>ম্যাচের পর নিজের স্যোশাল প্ল্যাটফর্মে এক বার্তায় মেসির প্রশংসা করে শাকিরা লিখেছেন, মেসির বর্তমান পারফরম্যান্স শুধু ফুটবল প্রতিভার পরিচয় নয়, বরং কঠোর পরিশ্রম, শৃঙ্খলা এবং অদম্য মানসিক শক্তিরও প্রতিফলন। বয়সকে যে সাফল্যের পথে বাধা হতে দেওয়া উচিত নয়, মেসি তারই জীবন্ত উদাহরণ&mdash; এমন মন্তব্যও করেন তিনি।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p><img alt="1" height="1461" src="https://asset.kalerkantho.com/public/news_images/share/photo/shares/00 Muhaimin/shofiqul/Messi (2).jpeg" width="983" /></p>

<p>তবে শুধু মেসির প্রশংসাতেই থেমে থাকেননি শাকিরা। তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন মেসির স্ত্রী আন্তোনেল্লা রোকুজ্জোর নামও।&nbsp;</p>

<p>দীর্ঘদিনের সঙ্গী হিসেবে আন্তোনেল্লার অবিচল সমর্থন ও ভালবাসাই মেসিকে প্রতিনিয়ত নতুন করে অনুপ্রাণিত করে। জীবনের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে স্ত্রী তাঁর সবচেয়ে বড় শক্তি বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>শাকিরার এই আবেগঘন বার্তা দ্রুতই নেটদুনিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। পরে আন্তোনেল্লাও নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে সেই পোস্টটি শেয়ার করে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। দুই তারকার এই পারস্পরিক সৌজন্য ও শ্রদ্ধাবোধ অনুরাগীদেরও মন জয় করেছে।</p>

<p>মেসি ও শাকিরার পরিচয়ও নতুন নয়। বার্সেলোনায় খেলাকালীন জেরার্ড পিকের সূত্রে দুই পরিবারের মধ্যে দীর্ঘদিনের সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে।</p>
</article>

<article>ব্যক্তিগত জীবনে অনেক পরিবর্তন এলেও সেই বন্ধুত্বের উষ্ণতা যে এখনো অটুট। শাকিরার সাম্প্রতিক বার্তাই যেন তার আরো একবার প্রমাণ দিল।</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1643-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে সমালোচকদের জবাব দিলেন লিওনেল মেসি]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/29076</link>
    <pubDate>Sat, 18 Jul 2026 00:24:48 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/29076</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/07172026_image02_messi_argentina.jpg" />    <p>স্পোর্টস ডেস্কঃ বিশ্বকাপ ফাইনালকে সামনে রেখে আর্জেন্টিনা অধিনায়ক লিওনেল মেসি সমালোচকদের উদ্দেশে কড়া বার্তা দিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, আর্জেন্টিনার সাফল্য কোনো পক্ষপাতিত্ব বা বিশেষ সুবিধার ফল নয়; বরং দলের কঠোর পরিশ্রম, ত্যাগ এবং মাঠের পারফরম্যান্সের ফল।&nbsp;মেসি বলেন, যারা দাবি করেন আর্জেন্টিনা সহজ সুবিধা পেয়ে ফাইনালে উঠেছে, তারা দলের প্রচেষ্টা ও অর্জনকে খাটো করছেন। তাঁর ভাষায়, আমাদের কিছুই উপহার হিসেবে দেওয়া হয়নি। আমরা যা অর্জন করেছি, সবই নিজেদের যোগ্যতায় অর্জন করেছি।</p>

<p>২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ স্পেন। ৩৯ বছর বয়সী মেসির জন্য এটি আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। অন্যদিকে স্পেন টানা দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতা নিয়ে মাঠে নামছে, ফলে ম্যাচটি ঘিরে ফুটবলপ্রেমীদের আগ্রহ তুঙ্গে। মেসির বার্তা স্পষ্ট&mdash;সমালোচনার জবাব কথায় নয়, মাঠের খেলাতেই দিতে চান তিনি এবং তাঁর দল। বিশ্বকাপ শিরোপা ধরে রাখার লক্ষ্যে আত্মবিশ্বাসী আর্জেন্টিনা এখন ফাইনালের চূড়ান্ত লড়াইয়ের অপেক্ষায়।&nbsp;</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/07172026_image02_messi_argentina.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বিশ্বকাপ ফুটবলের ইতিহাসে প্রথমবার ফাইনালে হাফটাইম শো]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/29075</link>
    <pubDate>Sat, 18 Jul 2026 00:12:34 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/29075</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/07172026_image01_worldcup_halftime_show.jpg" />    <p>ক্রীড়া ডেস্ক: বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ আসর ফিফা বিশ্বকাপের ইতিহাসে এবারই প্রথমবারের মতো ফাইনাল ম্যাচে আয়োজন করা হচ্ছে বর্ণাঢ্য হাফটাইম শো। ২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনালে এই বিশেষ আয়োজনের মাধ্যমে ফুটবল ও সংগীতের এক অনন্য সমন্বয় দেখতে পাবেন বিশ্বের কোটি কোটি দর্শক।</p>

<p>যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য ফাইনালে বিরতির সময় বিশ্বখ্যাত শিল্পীদের পরিবেশনায় থাকবে বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এ আয়োজনের শিল্প নির্দেশনায় রয়েছেন ব্রিটিশ ব্যান্ড কোল্ডপ্লের প্রধান কণ্ঠশিল্পী ক্রিস মার্টিন। অনুষ্ঠানে পারফর্ম করবেন আন্তর্জাতিক অঙ্গনের জনপ্রিয় শিল্পী ম্যাডোনা, শাকিরা, জাস্টিন বিবার এবং দক্ষিণ কোরিয়ার জনপ্রিয় ব্যান্ড বিটিএস। এছাড়া অংশ নেবেন বার্না বয়, গুস্তাভো দুদামেল এবং পিএস২২ কোরাস।</p>

<p>ফিফা জানিয়েছে, বিশ্বকাপ ফাইনালকে আরও আকর্ষণীয় ও বৈশ্বিক বিনোদনের পরিসরে নিয়ে যেতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বৈশ্বিক শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যেও এই আয়োজনের পরিকল্পনা করা হয়েছে। তবে এই হাফটাইম শোর কারণে ফাইনাল ম্যাচের বিরতির সময় প্রচলিত ১৫ মিনিটের তুলনায় কিছুটা বেশি হতে পারে। আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, মঞ্চ প্রস্তুতি, পরিবেশনা এবং তা অপসারণের জন্য অতিরিক্ত সময় প্রয়োজন হবে।</p>

<p>বিশ্বকাপের ইতিহাসে এই নতুন সংযোজন নিয়ে ইতোমধ্যে ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। অনেকেই এটিকে বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চে বিনোদনের নতুন অধ্যায় হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ কেউ দীর্ঘ বিরতির কারণে ম্যাচের ছন্দ নষ্ট হওয়ার আশঙ্কাও প্রকাশ করেছেন। ফিফা আশা করছে, এই ব্যতিক্রমী আয়োজন বিশ্বকাপ ফাইনালকে কেবল একটি ফুটবল ম্যাচ নয়, বরং বিশ্বব্যাপী ক্রীড়া ও সংস্কৃতির এক অনন্য উৎসবে পরিণত করবে।<br />
&nbsp;</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/07172026_image01_worldcup_halftime_show.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বাংলাদেশকে ‘উন্নয়নের উদাহরণ’ হিসেবে তুলে ধরতে চায় ইউএনএফপিএ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29074</link>
    <pubDate>Fri, 17 Jul 2026 10:58:56 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29074</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/686-2.jpg" />    <article>
<p>বাংলাদেশের জনমিতিক সহনশীলতা, নারীর ক্ষমতায়ন, সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির প্রশংসা করে আন্তর্জাতিক পরিসরে দেশের উন্নয়ন অভিজ্ঞতা তুলে ধরার অঙ্গীকার করেছে জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল (ইউএনএফপিএ)। একই সঙ্গে প্রজনন স্বাস্থ্য, যুব উন্নয়ন, জনসংখ্যা তথ্যব্যবস্থা, সুস্থ বার্ধক্য এবং উদ্ভাবনী অর্থায়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সঙ্গে সহযোগিতা আরো জোরদারের আশ্বাস দিয়েছে সংস্থাটি।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) নিউইয়র্কে ইউএনএফপিএ সদরদপ্তরে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীরের নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক ডিয়েনে কেইতার বৈঠকে এসব বিষয় উঠে আসে।</p>

<p>বৈঠকে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি এবং সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের (জিইডি) সদস্য ড. মনজুর হোসেনও উপস্থিত ছিলেন।</p>

<p>বৈঠকে ড. তিতুমীর সরকারের অগ্রাধিকার কর্মসূচির কথা তুলে ধরে বলেন, নারীকে কেন্দ্র করে জীবনচক্রভিত্তিক সর্বজনীন সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার কাজ চলছে। পাশাপাশি ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির সম্প্রসারণ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, যুবদের দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান, সুস্থ বার্ধক্য নিশ্চিত করা, নির্ভরযোগ্য জনমিতিক তথ্যব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং শক্তিশালী প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠায় সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি বলেন, বাংলাদেশ মানবিক কারণে বর্তমানে ১২ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে যাচ্ছে, যা দেশের অর্থনীতি, পরিবেশ ও নিরাপত্তার ওপর বড় চাপ সৃষ্টি করেছে। এ পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গাদের দ্রুত, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণভাবে মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনে ইউএনএফপিএর আরো সক্রিয় সহযোগিতা কামনা করেন তিনি। একই সঙ্গে প্রত্যাবাসনের পর তাদের অধিকার নিশ্চিত ও টেকসই জীবিকার সুযোগ তৈরির ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।</p>

<p>ড. তিতুমীর আরো বলেন, বাংলাদেশের বৃহৎ তরুণ জনগোষ্ঠী দেশের জন্য জনমিতিক সুফল অর্জনের একটি বিরল সুযোগ সৃষ্টি করেছে।</p>
</article>

<article>পাশাপাশি জনসংখ্যার বয়স কাঠামোর পরিবর্তনের ফলে তৈরি হওয়া দীর্ঘায়ুজনিত সম্ভাবনাকেও উন্নয়নের কাজে কার্যকরভাবে কাজে লাগাতে হবে।
<p>&nbsp;</p>

<p>পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি বলেন, সরকারের লক্ষ্য এমন একটি সমন্বিত প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা গড়ে তোলা, যেখানে দেশের প্রতিটি মানুষ, বিশেষ করে মা, শিশু ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠী সহজে স্বাস্থ্যসেবা পাবে। তিনি জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যবস্থাকে আরো শক্তিশালী করা, ইউএনএফপিএর পরবর্তী কান্ট্রি প্রোগ্রামকে সরকারের পঞ্চবার্ষিক কৌশলগত পরিকল্পনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা এবং বাংলাদেশের উন্নয়ন অভিজ্ঞতাকে বৈশ্বিক সেরা অনুশীলনের উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরতে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার আহ্বান জানান।</p>

<p>ইউএনএফপিএর নির্বাহী পরিচালক ডিয়েনে কেইতা বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রার প্রশংসা করে বলেন, জনমিতিক সহনশীলতা, প্রজনন স্বাস্থ্য, যুব উন্নয়ন, সুস্থ বার্ধক্য, জনসংখ্যা তথ্যব্যবস্থা এবং উদ্ভাবনী অর্থায়নের ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরো জোরদার করা হবে।</p>

<p>তিনি বলেন, বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা দেখিয়েছে যে, দৃঢ় রাজনৈতিক নেতৃত্ব এবং জাতীয় মালিকানাবোধ থাকলে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) অর্জনের গতি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো সম্ভব।</p>
</article>

<article>পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের উন্নয়ন সাফল্য তুলে ধরতে ইউএনএফপিএ ভবিষ্যতেও সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে বলেও তিনি অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/686-2.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[দেশের সব প্রতিষ্ঠান ও অর্থনীতি ফ্যাসিস্ট সরকার ধ্বংস করে গেছে : প্রধানমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29073</link>
    <pubDate>Fri, 17 Jul 2026 10:58:09 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29073</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/951-1.jpg" />    <article>
<p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, &lsquo;এখনকার যুদ্ধটা অনেক বড়। এখানে টিকে থাকতে হলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।</p>
</article>

<article>&rsquo; তিনি বলেন, &lsquo;আমাদের ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে। দেশের সব প্রতিষ্ঠান ও দেশের অর্থনীতি ফ্যাসিস্ট সরকার ধ্বংস করে গেছে। প্রতিবছর ১৬ বিলিয়ন ডলার পাচার হতো। এভাবে যদি অর্থপাচার না হতো, তাহলে অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যেত।</article>

<article>&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে দেশের সমতল এলাকায় বসবাসকারী ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।</p>

<p>সভায় এলজিআরডিমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের প্রথম সংরক্ষিত আসনের নারী সংসদ সদস্য আন্না মিনজ, সংস্কৃতিকর্মী সঞ্জীব দ্রংসহ ১৭ জেলার ১৮টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/sport/2026/07/16/1712254" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>প্রধানমন্ত্রী বলেন, &lsquo;দেশের সব প্রতিষ্ঠান ও দেশের অর্থনীতি ফ্যাসিস্ট সরকার ধ্বংস করে গেছে। প্রতিবছর ১৬ বিলিয়ন ডলার পাচার হতো।</p>
</article>

<article>এভাবে যদি অর্থপাচার না হতো, তাহলে আপনাদের (ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর) অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যেত। তবে আমাদের সরকার পর্যায়ক্রমে যেগুলো সমাধানযোগ্য, সেগুলো আগে সমাধান করার চেষ্টা করছে।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>সভায় প্রধানমন্ত্রী সুখী, সমৃদ্ধ ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীকে দেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে অভিহিত করে &nbsp;প্রধানমন্ত্রী বলেন, &lsquo;সরকার এমন একটি দেশ গড়ে তুলতে কাজ করছেন, যেখানে কোনো জাতি-গোষ্ঠীর প্রতি বৈষম্য থাকবে না।&rsquo;</p>

<p>সবার জন্য প্রত্যাশিত বাংলাদেশ বিনির্মাণে তিনি সবাইকে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে যেতে চান।</p>
</article>

<article>কাউকে আলাদা মনে করেন না।
<p>&nbsp;</p>
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/national/2026/07/16/1712251" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>এ সময় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের নেতারা তাদের জন্য পৃথক ভূমি কমিশন গঠন, সমতলের আদিবাসী অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জন্য জাতীয় কনভেনশন, &lsquo;ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী&rsquo; শব্দের পরিবর্তে জাতিভিত্তিক পরিচয়ের দাবি, আদিবাসী হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতি, আইনগতভাবে ভূমির মালিকানা প্রতিষ্ঠা, কেন্দ্রীয় কালচারাল সেন্টার প্রতিষ্ঠা, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ঋণসুবিধা এবং বিভিন্ন প্রকল্পের নামে বা রিজার্ভ ফরেস্টের নামে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের বসতি থেকে উচ্ছেদ বন্ধের দাবি জানান।</p>

<p>প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত মনোযোগ দিয়ে তাদের বক্তব্য শোনেন এবং সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন।</p>

<p>বিগত আওয়ামী লীগ সরকারকে ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, &lsquo;ওরা একটি প্রজন্মকে ধ্বংস করে দিয়ে গেছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের যাত্রা শুরু করেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। তার সময়ে ৩১ শয্যার হাসপাতাল প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এরপর আমাদের সরকার যখনই ক্ষমতায় এসেছে, তখনই এর উন্নয়ন হয়েছে। বেগম খালেদা জিয়া ক্ষমতায় আসার পর সেটি ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয়। এখন আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, এটিকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার। অথচ আগের সরকার ইউনিয়নভিত্তিক কমিউনিটি স্বাস্থ্যকেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেছিল। কিন্তু সেগুলোর কোনো কার্যক্রম নেই।&rsquo;</p>

<p>২০২৬-২৭ অর্থবছরে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি, কিডনি ডায়ালাইসিস ও হার্টের রিংসহ জরুরি চিকিৎসাসামগ্রীর ওপর আরোপিত কর হ্রাসের বিষয়েও প্রধানমন্ত্রী কথা বলেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/951-1.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[সারা দেশে জুলাই শহীদদের কবরে শ্রদ্ধা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/bangladesh/29072</link>
    <pubDate>Fri, 17 Jul 2026 10:57:09 +0600</pubDate>
    <category> সারাবাংলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/bangladesh/29072</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/817-99.jpg" />    <article>
<p>ঐতিহাসিক জুলাই শহীদ দিবস আজ। ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আত্মত্যাগকারী শহীদদের স্মরণে দিনটি রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় পালিত ।</p>
</article>

<article>গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে জীবন উৎসর্গকারী শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাতে দেশের বিভিন্ন স্থানে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় শহীদদের স্মৃতিস্তম্ভ ও কবরস্থানে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়েছে। বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে শহীদদের আত্মার শান্তি কামনায় বিশেষ প্রার্থনারও আয়োজন রয়েছে।&nbsp; সারা দেশের প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্যে বিস্তারিত...</p>

<p><strong>ঝালকাঠি</strong></p>

<p>যথাযোগ্য মর্যাদা ও নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ঝালকাঠিতে পালিত হয়েছে &lsquo;জুলাই শহীদ দিবস&rsquo;।</p>
</article>

<article>বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিন জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পার্ঘ অর্পণ করেন। পরে পুলিশ বিভাগ, বিভিন্ন সরকারি দপ্তর, রাজনৈতিক দল, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। সকাল ১১টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা। আলোচনা সভার শুরুতে জুলাই যুদ্ধের বীর শহীদদের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।</article>

<article>আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিন।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p><strong>রাজশাহী</strong><br />
জুলাই শহীদ দিবস ২০২৬ উপলক্ষে মহান জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী সকল শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে রাজশাহী সিটি করপোরেশন (রাসিক)। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকাল ৯টায় রাজশাহী মহানগরীর সিঅ্যান্ডবি মোড়ে অবস্থিত জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন। প্রথমে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। পরে জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্য এবং জুলাই যোদ্ধাদের সঙ্গে নিয়ে তিনি পুনরায় শহিদ স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p><strong>সিলেট&nbsp;</strong></p>

<p>সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীর নেতৃত্বে নগরের রিকাবীবাজারে জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তারা।<br />
&nbsp;<br />
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার, সিসিকের সচিব মো. আশিক নূর, প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) মো. আলী আকবর, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ একলিম আবদীন, নির্বাহী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) লে. কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ উল্লাহ প্রমুখ।</p>

<p>এর আগে&nbsp;&lsquo;জুলাই শহীদ দিবস-২০২৬&rsquo; উপলক্ষে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে সিলেট জেলা প্রশাসনের আয়োজিত আলোচনা সভায়&nbsp;শহীদ পরিবারের পক্ষে বক্তব্য দেন শহীদ পাভেলের বাবা মো. রফিক উদ্দিন এবং শহীদ মিনহাজ আহমদের বড় ভাই সাঈদ আলমগীর। এছাড়া বক্তব্য দেন জুলাই যোদ্ধা সংসদ সিলেটের আহ্বায়ক লিটন আহমেদ এবং &lsquo;আমরা জুলাই যোদ্ধা&rsquo;র সদস্যসচিব আব্দুল মতিন।</p>

<p><strong>ঠাকুরগাঁও</strong><br />
যথাযোগ্য মর্যাদা ও বিনম্র শ্রদ্ধার মধ্য দিয়ে ঠাকুরগাঁওয়ে &lsquo;জুলাই শহীদ দিবস&rsquo; পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় ঠাকুরগাঁও পুরাতন বাসস্ট্যান্ড গোল চত্বরে নির্মিত জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে।</p>

<p>জেলা প্রশাসক মো. রফিকুল হক এবং পুলিশ সুপার বেলাল হোসেন,শহীদ পরিবারের সদস্যসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে জেলা প্রশাসনের সম্মেলনকক্ষে এক বিশেষ আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়।</p>

<p><strong>বাবুগঞ্জ (বরিশাল)</strong></p>

<p>বরিশালের বাবুগঞ্জে যথাযোগ্য মর্যাদায় জুলাই শহীদ দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসমা উল হুসনা এর সভাপতিত্বে ও উপজেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা মো. ইসমাইল হোসেন এর সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোসা. কামরুন্নাহার তামান্না, বাবুগঞ্জ উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মুহা. আব্দুর রউফ, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল করিম হাওলাদার।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/817-99.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে ৫ ইউরোপীয় রাষ্ট্রদূতের বৈঠক]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/diplomatic/29071</link>
    <pubDate>Fri, 17 Jul 2026 10:56:01 +0600</pubDate>
    <category> কূটনৈতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/diplomatic/29071</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1010-88.jpg" />    <article>
<p>প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত পাঁচ ইউরোপীয় রাষ্ট্রদূত ও জ্যেষ্ঠ কূটনীতিকরা।</p>

<p>বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেলে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই বৈঠক হয়।</p>
</article>

<article>বৈঠকে বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় অংশীদারদের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক অংশীদারি এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
<p>&nbsp;</p>

<p>বৈঠকে অংশ নেন ঢাকায় নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত জ্যাঁ-মার্ক সেরে-চার্লে, স্পেনের রাষ্ট্রদূত গ্যাব্রিয়েল সিসটিয়াগা, যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার সারাহ কুক, ইউরোপীয় ইউনিয়নের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স (সিডিএ) বাইবা জারিনা এবং জার্মানির চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স (সিডিএ) আনজা কারস্টেন। এ সময় বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।</p>

<p>আলোচনায় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, প্রতিরক্ষা, বেসামরিক বিমান চলাচল (এভিয়েশন) এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট অন্যান্য খাতে সহযোগিতা আরো গভীর ও বহুমাত্রিক করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ইউরোপীয় দেশগুলোর সঙ্গে পারস্পরিক আস্থা এবং অভিন্ন স্বার্থের ভিত্তিতে বিদ্যমান সম্পর্ককে আরো জোরদার করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।</p>

<p>ইউরোপীয় কূটনীতিকরা বাংলাদেশের সঙ্গে তাদের নিজ নিজ দেশের বহুমাত্রিক অংশীদারি আরো সম্প্রসারণের আগ্রহ পুনর্ব্যক্ত করেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1010-88.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ইসরায়েলি কারাগারে নিপীড়নের ভয়াবহ তথ্য জানালেন জার্মান অধিকারকর্মী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29069</link>
    <pubDate>Fri, 17 Jul 2026 10:54:58 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29069</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1133-77.jpg" />    <article>
<p>ফিলিস্তিনের যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা উপত্যকায় মানবিক সহায়তা নিয়ে যাওয়া ত্রাণবাহী নৌবহরের (ফ্লোটিলা) সদস্য ও ফিলিস্তিনপন্থী জার্মান অধিকারকর্মী অ্যানা লিডকে। আন্তর্জাতিক জলসীমা থেকে আটকের পর ইসরায়েলি কারাগারে থাকার সময় তিনি ভয়াবহ যৌন নিপীড়ন ও ধর্ষণের শিকার হয়েছেন।</p>
</article>

<article>বিষয়টি প্রকাশ্যে আশার পর তিনি এর বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যেতে একটি ফৌজদারি অভিযোগও দায়ের করেছেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>লিডকের বিভিন্ন সাক্ষাৎকার ও ইসরায়েলে করা একটি ফৌজদারি অভিযোগ থেকে জানা গেছে, বন্দিশালায় তৃতীয়বারের মতো বেআইনিভাবে শরীর তল্লাশির সময় কারারক্ষীরা তাকে জোর করে হাঁটু গেড়ে বসতে বাধ্য করেন। চিৎকার বন্ধ করতে তারা লিডকের মুখ চেপে ধরেন এবং তাকে ধর্ষণ করেন।</p>

<p>ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের <a href="https://www.theguardian.com/world/2026/jul/15/gaza-flotilla-activist-rape-complaint-israel-anna-liedtke">এক প্রতিবেদনে</a>&nbsp;লিডকে বলেন, নির্যাতনের সময় তিনি পুরুষ রক্ষীদের হাসির শব্দ শুনেছিলেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>তার ধারণা, পুরুষ রক্ষীরা তার ওপর চলা এ নির্যাতন দেখছিলেন এবং সম্ভবত ভিডিও ধারণ করছিলেন। কারাগারের বারান্দা থেকে আংশিক টানা একটি পর্দা দিয়ে জায়গাটি আলাদা করা ছিল। পর্দাটি খোলাই রেখেছিলেন ইসরায়েলি কারারক্ষীরা।</p>

<p>২৫ বছর বয়সী লিডকে গত বছরের শরতে ইউরোপ থেকে গাজাগামী মানবিক সহায়তাবাহী নৌবহরে (ফ্লোটিলা) যোগ দেন।</p>
</article>

<article>৮ অক্টোবর আন্তর্জাতিক জলসীমা থেকে তাদের নৌকাটি আটক করে ইসরায়েলি বাহিনী। এরপর তাকে ইসরায়েলে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাকে ৫ দিন আটক রাখা হয়।
<p>&nbsp;</p>

<p>ইসরায়েলি কারাগারে ফ্লোটিলার কর্মীদের ওপর ধর্ষণসহ বিভিন্ন নির্যাতন ও সহিংসতা চালানো হয়েছে। এর কারণ হিসেবে ভুক্তভোগী ওই নরী বলেন, &lsquo;এটি স্পষ্ট যে তারা আমাদের মনোবল ভেঙে দিতে চায় এবং আমাদের চুপ করাতে চায়।</p>
</article>

<article>তারা আমাদের এমন এক ট্রমার মধ্যে ফেলতে চায়, যাতে আমরা আর কখনো ফিলিস্তিন নিয়ে কথা না বলি।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>কিন্তু গত ডিসেম্বরে তিনি প্রথম ফ্লোটিলা কর্মী হিসেবে ইসরায়েলি হেফাজতে ধর্ষণের শিকার হওয়ার কথা প্রকাশ্যে বলেন। একই সঙ্গে আরও এক ডজনের বেশি কর্মী যৌন নিপীড়নের অভিযোগ করেছেন, যাদের বেশির ভাগই নাম প্রকাশ করেননি।</p>

<p>লিডকের অভিযোগগুলো তদন্ত করার জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে একটি মামলা দায়ের করেছেন তার আইনজীবীরা। ইসরায়েলি আইন অনুযায়ী, সম্মতি ছাড়া যেকোনো ধরনের যৌন নিপীড়নকে ধর্ষণ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। আইনি লড়াই শুরু করার পর দেয়া প্রথম সাক্ষাৎকারে লিডকে বলেন, &lsquo;আমার লজ্জা পাওয়ার কোনো কারণ নেই। আমরা চুপ থাকলে তারা অন্য কারও সঙ্গেও একই কাজ করবে।&rsquo;</p>

<p>অভিযোগপত্রটি ইসরায়েলের অ্যাটর্নি জেনারেল, ইসরায়েল কারা কর্তৃপক্ষের আইনি উপদেষ্টা, কারারক্ষী তদন্ত বিভাগ (ইয়াহাস) এবং গিভন কারাগারের কমান্ডারের কাছে পাঠানো হয়েছে।&nbsp;</p>

<p>এ বিষয়ে লিডকের আইনজীবী মুনা হাদ্দাদ বলেন, এই পদক্ষেপের লক্ষ্য হলো ইসরায়েলে বন্দি নির্যাতনের ক্ষেত্রে যে &lsquo;বিচারহীনতার সংস্কৃতি&rsquo; রয়েছে, সেটাকে চ্যালেঞ্জ করা।</p>

<p>ইসরায়েলে কর্মরত ফিলিস্তিনি মানবাধিকার সংস্থা &lsquo;আদালাহ&rsquo;-এর আইনজীবী হাদ্দাদ বলেন, &lsquo;অ্যানা লিডকে ন্যায়বিচার চান। অপরাধীদের জবাবদিহির আওতায় আনতে তিনি সব পথ ব্যবহার করতে চান। আমরা জনসচেতনতা বাড়াতে এবং তদন্তের দাবিতে ইসরায়েলি ব্যবস্থা কীভাবে সাড়া দেয় তা পর্যবেক্ষণ করতে চাই।&rsquo;</p>

<p>ফিলিস্তিনিদের ওপর চলমান নির্যাতনের কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, &lsquo;প্রায় তিন বছর ধরে ফিলিস্তিনি বন্দিদের ওপর ক্রমাগতভাবে যৌন সহিংসতা ও ধর্ষণের মতো অপরাধ চালানো হচ্ছে। এখন আমরা এর মাত্রা আরও বাড়তে দেখছি। ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি জানানো বিদেশি নাগরিকদের ওপরও একই আচরণ করছে ইসরায়েল।&rsquo;</p>

<p>লিডকে বলেন, &lsquo;আমি মনে করি না, মুখ খুললেই কারাগারে ধর্ষণ বন্ধ হয়ে যাবে। তবে একজন রাজনৈতিক সচেতন নারী হিসেবে আমি এ বিষয়ে কথা বলা দায়িত্ব মনে করি।&rsquo;</p>

<p>এর বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যেতে চাই উল্লেখ তিনি আরও বলেন, &lsquo;আমি জোর দিয়ে বলতে পারি, ফিলিস্তিনি বন্দিরা যে ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখোমুখি হন, আমার ওপর হওয়া নির্যাতন তার চেয়ে অনেক কম।&rsquo;</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1133-77.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[একের পর এক বিজ্ঞানীর পদত্যাগ, লাগাম টানছে ইসরো]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29068</link>
    <pubDate>Fri, 17 Jul 2026 10:52:45 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29068</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1250-66.jpg" />    <article>
<p>ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো থেকে বিজ্ঞানী ও প্রকৌশলীদের দলে দলে চাকরি ছাড়ার ঘটনা বেড়েই চলছে। এ অবস্থায় কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে দেশটির মহাকাশ বিভাগ (ডিপার্টমেন্ট অব স্পেস)।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>সম্প্রতি জারি করা এক নির্দেশনায় ইউ আর রাও স্যাটেলাইট সেন্টার (ইউআরএসসি), বিক্রম সারাভাই স্পেস সেন্টারসহ (ভিএসএসসি) ইসরোর প্রধান গবেষণা কেন্দ্রগুলোকে বলা হয়েছে, মহাকাশযান ও মানব মহাকাশ অভিযান এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ মিশনের সঙ্গে যুক্ত গ্রুপ-এ বৈজ্ঞানিক ও কারিগরি কর্মকর্তাদের স্বেচ্ছা অবসর বা পদত্যাগের আবেদন নিয়মিতভাবে গ্রহণ করা যাবে না।</p>

<p>নির্দেশনায় বলা হয়, সম্প্রতি ইসরোর গ্রুপ-এ বৈজ্ঞানিক ও কারিগরি কর্মকর্তাদের, বিশেষ করে গগনযান ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পে যুক্ত কর্মীদের স্বেচ্ছা অবসর ও পদত্যাগের আবেদন উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এতে জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।</p>

<p>ভারতীয় সংবাদমাধ্যম <a href="https://www.ndtv.com/science/as-over-100-isro-scientists-quit-take-voluntary-retirement-centre-tightens-exit-rule-11778715?fbclid=IwY2xjawTFqyxleHRuA2FlbQIxMABicmlkETFySFBhdFJrbDBocVFCZ0hlc3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHhDJ-VUxJxX017ybtWlg95QEBetvyHfrSdkjXNWdjlMAqh3oFTCqGEssmmLg_aem_Eb1OaLr-wpgjvChP03r6DQ">এনডিটিভি</a> বলছে, ফলে এখন থেকে এসব প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত বৈজ্ঞানিক ও কারিগরি কর্মকর্তাদের স্বেচ্ছা অবসর ও পদত্যাগের আবেদন আর নিয়মিতভাবে গ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।</p>
</article>

<article>বিজ্ঞানী ও প্রকৌশলী পর্যায়ের কর্মকর্তাদের কাছ থেকে এ ধরনের আবেদন এলে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের পরিচালকের সুস্পষ্ট সুপারিশসহ তা চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য মহাকাশ বিভাগে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে ২০২০ সালে করা প্রশাসনিক পরিবর্তন কার্যত বাতিল করা হয়েছে। ওই পরিবর্তনের ফলে ইসরোর বিভিন্ন কেন্দ্রের পরিচালকরা বিজ্ঞানী/প্রকৌশলী-এসজি পদমর্যাদা পর্যন্ত গ্রুপ-এ বৈজ্ঞানিক ও কারিগরি কর্মকর্তাদের পদত্যাগ ও স্বেচ্ছা অবসরের আবেদন অনুমোদনের ক্ষমতা পেয়েছিলেন।</p>

<p>নতুন নির্দেশনাটি সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টার, লিকুইড প্রপালশন সিস্টেমস সেন্টার, স্পেস অ্যাপ্লিকেশনস সেন্টার, ন্যাশনাল রিমোট সেন্সিং সেন্টার, ইসরো টেলিমেট্রি, ট্র্যাকিং অ্যান্ড কমান্ড নেটওয়ার্ক এবং মাস্টার কন্ট্রোল ফ্যাসিলিটিসহ একাধিক কেন্দ্রে এই নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p><strong>ইসরো ছেড়ে কোথায় যাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা?</strong></p>

<p>প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্প্রতি ১০০ জনের বেশি কর্মী ইসরো ছেড়েছেন। এর মধ্যে বেঙ্গালুরুর ইউআরএসসি এবং তিরুবনন্তপুরমের ভিএসএসসিতে সবচেয়ে বেশি পদত্যাগের ঘটনা ঘটেছে। তাদের মধ্যে ভিক্টর জোসেফ টি নামে একজন জ্যেষ্ঠ বিজ্ঞানীও রয়েছেন। তিনি ভিএসএসসিতে জিওসিঙ্ক্রোনাস স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিকল এমকে-থ্রি প্রকল্পের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। গগনযান অভিযানে ব্যবহৃত হতে যাওয়া এলভিএম-৩ উৎক্ষেপণযানের প্রকল্পপ্রধান হিসেবে প্রায় ১৩ মাস দায়িত্ব পালনের পর তিনি গত ফেব্রুয়ারিতে পদত্যাগ করেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>ধারণা করা হচ্ছে, ইসরো ছেড়ে যাওয়া অনেক বিজ্ঞানী বর্তমানে বেসরকারি মহাকাশ স্টার্টআপে যোগ দিচ্ছেন। পদত্যাগ করা কয়েকজন বিজ্ঞানী ২০২০ সালে বেসরকারি খাতের জন্য মহাকাশ খাত উন্মুক্ত করার পর গড়ে ওঠা বিভিন্ন মহাকাশ স্টার্টআপে যোগ দিয়েছেন বলে জানা গেছে। ২০২৩ সালে ভারতের মহাকাশ নীতি চালুর পর এসব প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম আরও সম্প্রসারিত হয়েছে।</p>

<p>বর্তমানে ভারতে নিবন্ধিত মহাকাশ স্টার্টআপের সংখ্যা ৪০০-এর বেশি। এসব প্রতিষ্ঠান মোট ৫০ কোটি ডলারের বিনিয়োগ আকর্ষণ করেছে, যার মধ্যে শুধু ২০২৫ সালেই এসেছে প্রায় ১৫ কোটি ডলার। পিক্সেল, ধ্রুবা স্পেস, স্কাইরুট অ্যারোস্পেস, অগ্নিকুল কসমস এবং বেলাট্রিক্স অ্যারোস্পেসের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো এই খাতের শীর্ষে রয়েছে।</p>

<p><strong>একাধিক ধাক্কা ও চ্যালেঞ্জ</strong></p>

<p>এদিকে বিজ্ঞানীদের পদত্যাগের পাশাপাশি সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক মহাকাশ অভিযানে ব্যর্থতার মুখেও পড়েছে ইসরো। সংস্থাটির নির্ভরযোগ্য উৎক্ষেপণযান হিসেবে পরিচিত পোলার স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিকল (পিএসএলভি) এক বছরের মধ্যে টানা দুটি উৎক্ষেপণে ব্যর্থ হয়েছে।</p>

<p>তবে এসব চ্যালেঞ্জের মধ্যেও গগনযান, চন্দ্রযান-৪, ভারতীয় মহাকাশ স্টেশন (বিএএস) এবং মঙ্গলযান-২ এর মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পে মনোযোগ ধরে রেখেছে ইসরো।</p>

<p>চলতি বছরের জানুয়ারিতে পিএসএলভি-সি৬২ উৎক্ষেপণের সময় তৃতীয় ধাপের শেষে ত্রুটির কারণে রকেটটি নির্ধারিত পথ থেকে সরে যায়। এর আগে গত বছরের মে মাসে পিএসএলভি-সি৬১/ইওএস-০৯ (রিস্যাট-১বি) মিশনও ব্যর্থ হয়। তৃতীয় ধাপে চেম্বারের চাপ হঠাৎ কমে যাওয়ায় রকেটটি নির্ধারিত কক্ষপথে পৌঁছাতে পারেনি এবং রাডার স্যাটেলাইটটি হারিয়ে যায়।</p>

<p>এসব চ্যালেঞ্জের মধ্যেও ইসরো আগামী কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের প্রস্তুতি চালিয়ে যাচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে মহাকাশযান, যার মাধ্যমে ভারত নিজস্ব প্রযুক্তিতে মানুষকে মহাকাশে পাঠানো বিশ্বের চতুর্থ দেশ হতে চায়।</p>

<p>এছাড়া চন্দ্রযান-৪, যার লক্ষ্য চাঁদ থেকে নমুনা সংগ্রহ করে পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনা; ভারতীয় অন্তরীক্ষ স্টেশন ভারতীয় অন্তরীক্ষ স্টেশন (বিএএস) নির্মাণ এবং মঙ্গলযান-২ মিশনের প্রস্তুতিও এগিয়ে চলছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1250-66.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[তাপপ্রবাহে চীনা এসির দিকে ঝুঁকছেন ইউরোপের মানুষ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29067</link>
    <pubDate>Fri, 17 Jul 2026 10:52:00 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29067</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1353-55.jpg" />    <article>
<p><a href="https://www.bbc.com/news/articles/c86262j7j75o?fbclid=IwY2xjawTGfihleHRuA2FlbQIxMABicmlkETFZMkhhckRrR0VSbEZmdUhVc3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHtoEw0Q5G0t7u60o-ZrCEwPIDDMrqtZVz0y0oO3S_WGLO7_F3Cy7NCzHZa9i_aem_O59_aBtUGVBULZLaC71UeQ">ইউরোপজুড়ে </a>তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের (এসি) চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। বিশেষ করে চীনের গৃহস্থালি যন্ত্র নির্মাতা &lsquo;মিডিয়া&rsquo;র বহনযোগ্য এসি &lsquo;পোর্টাস্প্লিট&rsquo; এই গ্রীষ্মে ইউরোপের সবচেয়ে আলোচিত পণ্যগুলোর একটিতে পরিণত হয়েছে।</p>
</article>

<article>অনেক দেশে বাজারে আসার পরপরই এটি বিক্রি হয়ে যাচ্ছে। এমনকি পুনরায় বিক্রির ওয়েবসাইটগুলোতে এটি স্বাভাবিক দামের দুই থেকে তিন গুণ বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>এ বছর পশ্চিম ইউরোপে রেকর্ডের সবচেয়ে উষ্ণ জুন মাস পার হয়েছে। জার্মানির অনেক এলাকায় তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে গেছে।</p>
</article>

<article>আবহাওয়াবিদরা বলছেন, গ্রীষ্ম শেষ হওয়ার আগে আরও কয়েকটি তাপপ্রবাহ হতে পারে। এর ফলে যেসব দেশে আগে এসির ব্যবহার তুলনামূলক কম ছিল, সেখানেও এখন এসব যন্ত্রের চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। জার্মানির হামেলিন শহরের বাসিন্দা ৩৬ বছর বয়সী প্রকৌশলী স্টিভেন শোলটিসেক কয়েক মাস আগে একটি চিলেকোঠার ফ্ল্যাটে ওঠেন। এমন ফ্ল্যাট গরমের সময় খুব দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে যায়।</article>

<article>তিনি বলেন, গরমের দিনে ছাদের নিচের এসব ফ্ল্যাটে স্বাভাবিকভাবে বসবাস করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। এরপর তিনি মিডিয়ার তৈরি পোর্টাস্প্লিট এসি কেনেন। তার ভাষায়, এই যন্ত্র কেনার পর পুরো পরিস্থিতিই বদলে গেছে। এখন তীব্র গরমেও তিনি স্বস্তিতে থাকতে পারছেন। শুধু জার্মানিতেই নয়, ইউরোপের বিভিন্ন দেশেও একই ধরনের অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন অনেক ব্যবহারকারী।</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/07/17/1712501" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>মিডিয়া আগে ইউরোপে খুব পরিচিত ব্র্যান্ড ছিল না। তবে পোর্টাস্প্লিট বাজারে আসার পর পরিস্থিতি বদলে গেছে। গত কয়েক সপ্তাহে ইউরোপের বিভিন্ন দোকানে থাকা এসব যন্ত্র দ্রুত বিক্রি হয়ে গেছে। পরে অনেক ক্রেতা সেগুলো অনলাইনে পুনরায় বিক্রির জন্য তুলেছেন। সেখানে প্রায় ৭৫০ ইউরো দামের যন্ত্র দুই থেকে তিন গুণ বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। এমনকি কোথায় এই এসি পাওয়া যাচ্ছে, তা জানাতে &lsquo;মিডিয়াফাইন্ডার&rsquo; নামে একটি আলাদা ওয়েবসাইটও চালু হয়েছে।</p>

<p>ইউরোপের অনেক শহরে পুরোনো ও ঐতিহাসিক ভবনের বাইরের দেয়ালে ছিদ্র করে প্রচলিত এসির বাইরের ইউনিট বসানোর ওপর কঠোর নিয়ম রয়েছে। ফলে অনেক বাসিন্দা চাইলে সাধারণ এসি লাগাতে পারেন না। এই সমস্যার সমাধান হিসেবেই জনপ্রিয়তা পেয়েছে পোর্টাস্প্লিট। এতে একটি হালকা বাইরের ইউনিট থাকে, যা ব্যবহারকারীরা সহজেই জানালার বাইরে বসাতে পারেন। এজন্য ভবনের দেয়ালে কোনো পরিবর্তন করতে হয় না। মিডিয়ার দাবি, এই যন্ত্র ইউরোপের অধিকাংশ ধরনের জানালার সঙ্গে ব্যবহার করা যায়। অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনার বাসিন্দা ডেনিস ইউরচাক বলেন, মিডিয়া এই সমস্যার খুব কার্যকর একটি সমাধান বের করেছে। তিনি জানান, কয়েক সপ্তাহ আগে তাপপ্রবাহের সময় এসি খুঁজতে গিয়ে প্রথম পোর্টাস্প্লিট সম্পর্কে জানতে পারেন। পরে অনলাইনে ব্যবহারকারীদের ইতিবাচক মতামত দেখে তিনি এটি কেনেন। তার ভাষায়, এখন এই যন্ত্রকে ঘিরে এক ধরনের ব্যবহারকারী সম্প্রদায় তৈরি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করার পর প্রতিদিনই অনেক মানুষ তার কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইছেন। তিনি বলেন, তাপপ্রবাহের সবচেয়ে কঠিন সময়ে তিনি দিন-রাত প্রায় সারাক্ষণ এসিটি চালিয়ে রেখেছিলেন।</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/sport/2026/07/17/1712508" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম &lsquo;গ্লোবাল টাইমস&rsquo;কে মিডিয়া জানিয়েছে, ফ্রান্স, স্পেন, জার্মানি ও যুক্তরাজ্যে তাদের এসি বিক্রি আগের বছরের তুলনায় ৭০ শতাংশের বেশি বেড়েছে। যদিও বিবিসির কাছে প্রতিষ্ঠানটির ইউরোপ কার্যালয় এ তথ্য নিশ্চিত করেনি। শুধু মিডিয়াই নয়, চীনের আরেক প্রতিষ্ঠান &#39;টিসিএল&#39; জানিয়েছে, শুধু ফ্রান্সেই তাদের এসি বিক্রি ৩০০ শতাংশের বেশি বেড়েছে। বিশ্বের অন্যতম বড় এসি নির্মাতা চীনের &lsquo;গ্রি&rsquo;ও বলেছে, এ গ্রীষ্মে তাদের পণ্যের চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। প্রতিষ্ঠানটির ভাষ্য, তাদের অনেক ক্রেতাই জীবনে প্রথমবারের মতো এসি কিনছেন। কারণ ইউরোপে এখন আগের তুলনায় তাপপ্রবাহ আরো ঘন ঘন হচ্ছে এবং দীর্ঘ সময় স্থায়ী হচ্ছে।</p>

<p>তবে এসির ব্যবহার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিবেশগত উদ্বেগও বাড়ছে। ২০২৪ সালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বে ব্যবহৃত মোট বিদ্যুতের প্রায় সাত শতাংশ খরচ হয় শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রে। এ ছাড়া জীবাশ্ম জ্বালানি ও শিল্প খাত থেকে নির্গত মোট কার্বন ডাই-অক্সাইডের ২ দশমিক ৭ শতাংশের জন্যও এসব যন্ত্র দায়ী। এ কারণে ইউরোপের পরিবেশবাদী এবং অনেক রাজনীতিক দীর্ঘদিন ধরেই এসির অতিরিক্ত ব্যবহারের বিরোধিতা করে আসছেন। তাদের মতে, এসি ভবনের ভেতর ঠাণ্ডা করলেও বাইরে গরম বাতাস ছেড়ে দেয়। ফলে জনবহুল এলাকায় বাইরের তাপমাত্রা আরো বাড়তে পারে। আবার অনেকের মতে, বছরে মাত্র কয়েক দিনের গরমের জন্য এসি কেনা অর্থের অপচয়। তবে সাম্প্রতিক তাপপ্রবাহের পর অনেক মানুষের এই ধারণা বদলাতে শুরু করেছে। জুনের শেষ দিকে ফ্রান্সে ইতিহাসের সবচেয়ে উষ্ণ দিনের রেকর্ড হয়। তীব্র গরমের কারণে সে সময় শত শত স্কুল বন্ধ রাখতে হয়। এর কয়েক দিন পর দেশটির বিদ্যুৎ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান জানায়, স্কুল ও কমিউনিটি কেন্দ্রগুলোতে পাখা, এসি এবং অন্যান্য শীতলীকরণ ব্যবস্থা স্থাপনে তারা ৮ কোটি ইউরো ব্যয় করবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) ইউরোপ কার্যালয় বলেছে, এসি ব্যবহার করতে হবে পরিস্থিতি বুঝে এবং ভারসাম্য রেখে। সংস্থাটির মতে, দীর্ঘমেয়াদে এটি তাপপ্রবাহ মোকাবেলার টেকসই সমাধান নয়। তবে চরম গরমে ঝুঁকিতে থাকা মানুষের সুরক্ষায় এটি এখনো গুরুত্বপূর্ণ।</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/business/2026/07/17/1712507" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>চীনের সংবাদমাধ্যমগুলো পোর্টাস্প্লিটের জনপ্রিয়তাকে &lsquo;চীনে তৈরি&rsquo; পণ্যের সাফল্য হিসেবে তুলে ধরছে। এত দিন ইউরোপে চীনা পণ্যকে তুলনামূলক কম মানের ও সস্তা বলে মনে করা হতো। তবে অনেক ব্যবহারকারী বলছেন, পোর্টাস্প্লিট ব্যবহারের পর তাদের সেই ধারণা বদলেছে। জার্মানির স্টিভেন শোলটিসেক বলেন, যন্ত্রটির নকশা ও মান তাকে ইতিবাচকভাবে অবাক করেছে। তার মতে, এটি ইউরোপের অন্যান্য ব্র্যান্ডের পণ্যের মতোই ভালো। ২০২৪ সালে জার্মানির বাজারে আসে পোর্টাস্প্লিট। মিডিয়ার ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, এটি স্টুটগার্টে প্রতিষ্ঠানটির গবেষণাকেন্দ্রের জার্মান প্রকৌশল এবং ইতালীয় নকশার সমন্বয়ে তৈরি। শোলটিসেকের মতে, ড্রোন নির্মাতা ডিজেআই এবং বৈদ্যুতিক গাড়ির বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মতো চীনের প্রযুক্তিপণ্যের প্রতি মানুষের দৃষ্টিভঙ্গিও এখন দ্রুত বদলাচ্ছে। তিনি শুধু পোর্টাস্প্লিট কেনেননি, পরে মিডিয়ার শেয়ারও কিনেছেন। তার মতে, প্রতিষ্ঠানটির ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনি আশাবাদী।</p>

<p>মিডিয়ার ইউরোপ কার্যক্রমের মহাব্যবস্থাপক রালফ কোবসিক বলেন, ইউরোপের বাজারে দীর্ঘমেয়াদে বড় প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা দেখছে প্রতিষ্ঠানটি। ইউরোপের ভোক্তাদের চাহিদা অনুযায়ী নতুন প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি। ফ্রান্সের ২৬ বছর বয়সী আদ্রিয়েন ওলার সম্প্রতি জীবনের প্রথম এসি হিসেবে একটি পোর্টাস্প্লিট কিনেছেন। তিনি বলেন, এসি কেনার আগে তীব্র গরমে ঠাণ্ডা থাকার জন্য বারবার মুখে পানি ছিটিয়ে সময় কাটাতে হতো। এখন ঘরে ঢুকলেই মনে হয় যেন ফ্রিজের ভেতরে ঢুকেছেন। তার ভাষায়, আগের সঙ্গে বর্তমানের পার্থক্য সত্যিই অনেক বড়।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1353-55.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[২০২০ নির্বাচনে চীনের হস্তক্ষেপের দাবি ট্রাম্পের, অভিযোগ অস্বীকার করল বেইজিং]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29066</link>
    <pubDate>Fri, 17 Jul 2026 10:50:59 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29066</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1417-44.jpg" />    <article>
<p><a href="https://www.ndtv.com/world-news/trump-accuses-china-of-largest-compromise-of-2020-us-election-data-claims-it-acquired-220-million-voter-files-in-polls-he-lost-to-joe-biden-11782301?pfrom=home-ndtv_topscroll&amp;fbclid=IwY2xjawTGhwdleHRuA2FlbQIxMABicmlkETFZMkhhckRrR0VSbEZmdUhVc3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHl59Lzna8Le91z_K3_nZZ4DjSRkASSvUdbbESL2LgyTB5EsmyShXirJ8MS53_aem_yon8JPti1cesk38sqvW7CA">যুক্তরাষ্ট্রের</a> প্রেসিডেন্ট &nbsp;ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও ২০২০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি দাবি করেছেন, চীন যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনী তথ্য সংগ্রহ করেছে এবং দেশটির নির্বাচন ব্যবস্থা গুরুতর সাইবার ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।</p>
</article>

<article>এ বিষয়ে থাকা গোয়েন্দা তথ্যের গোপনীয়তা তুলে নেওয়ারও ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
<p>&nbsp;</p>

<p>হোয়াইট হাউস থেকে টেলিভিশনে সম্প্রচারিত এক ভাষণে ট্রাম্প বলেন, ২০২০ সালের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে চীন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় নির্বাচনী তথ্য সংগ্রহের ঘটনা ঘটিয়েছে বলে তিনি মনে করেন। তার দাবি, এর মাধ্যমে চীন অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ২২ কোটি ভোটারের তথ্য সংগ্রহ করেছে। ট্রাম্প বলেন, নির্বাচনী ব্যবস্থার বড় ধরনের সংস্কার না করা হলে ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনও কারচুপির মাধ্যমে প্রভাবিত করা সম্ভব হতে পারে।</p>
</article>

<article>ভাষণে ট্রাম্প অভিযোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান নির্বাচন ব্যবস্থা নিরাপদ নয় এবং এটি হ্যাকিংয়ের বড় ঝুঁকিতে রয়েছে। তার ভাষায়, প্রত্যেক ভোটারের অধিকার রয়েছে এমন একটি ব্যবস্থায় ভোট দেওয়ার, যেখানে ভোট সঠিকভাবে গণনা হবে এবং কারচুপি বা বাইরের হস্তক্ষেপ প্রায় অসম্ভব হবে। তিনি বলেন, বর্তমানে যে নির্বাচন ব্যবস্থা চালু রয়েছে, তা সেই মান থেকে অনেক পিছিয়ে আছে। ট্রাম্প আরো জানান, নির্বাচনী অবকাঠামোর দুর্বলতা নিয়ে থাকা গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দা তথ্যের গোপনীয়তা দ্রুত তুলে নেওয়া হবে।</article>

<article>তার দাবি, ওই তথ্য প্রমাণ করে যে যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন ব্যবস্থা আগে ধারণা করা তুলনায় অনেক বেশি সাইবার ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। ট্রাম্প অভিযোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্রের তথাকথিত &lsquo;ডিপ স্টেট&rsquo;&ndash;এর কিছু সদস্য চীনের তথ্য সংগ্রহের বিষয়টি গোপন রাখার চেষ্টা করেছেন। তার মতে, এই ঘটনা যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনী নিরাপত্তার জন্য নজিরবিহীন সংকট তৈরি করেছে। চীনের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ভোটারদের তথ্য সংগ্রহের অভিযোগ নতুন নয়।
<p>&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/07/17/1712509" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>২০২০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার সাইবার&ndash;সংক্রান্ত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, চীনের গোয়েন্দা কর্মকর্তারা বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের ভোটার নিবন্ধনের তথ্য বিশ্লেষণ করেছিলেন।</p>
</article>

<article>প্রতিবেদনে বলা হয়, এর উদ্দেশ্য ছিল জনমতের প্রবণতা বোঝা। তবে ওই প্রতিবেদনে নির্বাচনের ফল পরিবর্তনের মতো কোনো প্রমাণের কথা বলা হয়নি। অন্যদিকে, ২০২০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন নিয়ে ট্রাম্প ও তার সমর্থকেরা ৬০টির বেশি মামলা করেছিলেন। কিন্তু কোনো আদালতেই এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি, যা নির্বাচনের ফল পরিবর্তনের মতো জালিয়াতির ইঙ্গিত দেয়। এ ছাড়া ভোট পুনর্গণনা, বিভিন্ন নিরীক্ষা এবং ট্রাম্প প্রশাসনের বিচার বিভাগও এমন কোনো প্রমাণ খুঁজে পায়নি।
<p>&nbsp;</p>

<p>২৪ মিনিটের ভাষণের শেষ দিকে ট্রাম্প &lsquo;সেভ অ্যাক্ট&rsquo; পাস করার আহ্বান জানান। এই আইনের পূর্ণ নাম &lsquo;সেইফগার্ড আমেরিকান ভোটার এলিজিবিলিটি অ্যাক্ট&rsquo;। প্রস্তাবিত এই আইনে ভোটার হিসেবে নিবন্ধনের সময় যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্বের প্রমাণপত্র জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা থাকবে। তবে ভোটাধিকার নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন সংগঠন বলছে, এই আইন কার্যকর হলে লাখ লাখ যোগ্য ভোটার ভোটাধিকার প্রয়োগে সমস্যায় পড়তে পারেন। বর্তমান যুক্তরাষ্ট্রের আইনে নাগরিক নন&mdash;এমন ব্যক্তির ভোট দেওয়া আগে থেকেই অবৈধ। এছাড়া এমন ঘটনা খুবই বিরল বলেও বিভিন্ন গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে।&nbsp;</p>

<p>নির্বাচনী জালিয়াতি নিয়ে দেওয়া তার ভাষণ সরাসরি সম্প্রচার না করায় কয়েকটি টেলিভিশন নেটওয়ার্কের সমালোচনাও করেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, যেসব সম্প্রচারমাধ্যম তার ভাষণ দেখায়নি, তাদের সম্প্রচার লাইসেন্স বাতিল করা উচিত। ট্রাম্প কোনো প্রমাণ ছাড়াই অভিযোগ করেন, এসব গণমাধ্যম নির্বাচন&ndash;সংক্রান্ত ষড়যন্ত্রের অংশ। ভাষণে তিনি এবিসি এবং এনবিসি নেটওয়ার্কের নামও উল্লেখ করেন। ট্রাম্পের বক্তব্যের পর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে চীনের দূতাবাস। দূতাবাসের মুখপাত্র &nbsp;লিউ চাং বলেন, চীন সব সময় অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার নীতি অনুসরণ করে। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন দেশটির নিজস্ব অভ্যন্তরীণ বিষয়। নির্বাচনের ফল নির্ধারণ করেন যুক্তরাষ্ট্রের জনগণ। চীন কখনও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করেনি এবং ভবিষ্যতেও করবে না।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1417-44.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[মমতার দল ছাড়লেন কোয়েল মল্লিক, বিজেপির শীর্ষ নেতার সঙ্গে বৈঠক]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/29065</link>
    <pubDate>Fri, 17 Jul 2026 10:50:11 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/29065</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1503-33.jpg" />    <article>
<p>পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের পরাজয়ের পরই ভাঙন দেখা দিয়েছে দলটিতে। একে একে অনেকেই টিএসসি থেকে ইস্তফা দিয়ে ভিড়ছেন ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) ও নামসর্বস্ব দলে।</p>
</article>

<article>এতে রয়েছেন টিএমসির রাজ্যসভা ও লোকসভার সাংসদরা। এরই ধারাবাহিকতায় এবার রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন ঢালিউড অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক।
<p>&nbsp;</p>

<p>বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দিল্লিতে উপরাষ্ট্রপতি সিপি রাধাকৃষ্ণণের কাছে পদত্যাগ জমা দেন তিনি।</p>

<p>কলকাতাভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আনন্দ বাজারের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পদত্যাগের পরই বিজেপি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে দেখা করেন এই অভিনেত্রী।</p>
</article>

<article>এর আগে এই বিজেপি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর হাত ধরেই টিএমসির ২০ লোকসভা সাংসদ ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অব ইন্ডিয়াতে (এনসিপিআই) যোগ দিয়েছিলেন।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>চলতি মাসে রাজ্যসভার তিন সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায়, সুস্মিতা দেব, প্রকাশ চিক বরাইক তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। বিজেপিতে যোগদানের পরই তিনজনকেই মনোনয়ন দিয়ে রাজ্যসভায় পাঠিয়েছে বিজেপি। এবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সঙ্গে কোয়েলের সাক্ষাতের পরেই তৈরি হয়েছে জল্পনা।</p>
</article>

<article>তবে কি এই তারকা রাজনৈতিকও বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন! সুখেন্দুদের মতো তাঁকেও কি রাজ্যসভায় পাঠাবে বিজেপি, এমন প্রশ্ন জেগেছে রাজনৈতিক মহলে।
<p>&nbsp;</p>

<p>গত ফেব্রুয়ারি মাসে রাজ্যসভার সাংসদ হওয়ার পরে একবারও সংসদের কোনো অধিবেশনে যোগ দেওয়া হয়নি কোয়েলের। সোমবার থেকে বর্ষার অধিবেশন শুরু হচ্ছে। সাংসদপদ পাওয়ার পরে সেটাই হতে পারত কোয়েলের প্রথম অধিবেশন। কিন্তু তার আগেই তিনি ইস্তফা দিলেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>এর আগে দিল্লির ভূপেন্দ্রের বাড়িতেই দফায় দফায় বৈঠক করে তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদরা। নেতৃত্বে ছিলেন বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার।&nbsp;</p>

<p>তার পরেই তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদেরা লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে দেখা করে জানান, টিএমসির ২০ সাংসদ এনসিপিআইতে মার্চ করছেন।&nbsp;</p>

<p>এই বিদ্রোহীদের সমন্বয়ের নেপথ্যে অন্যতম ভূমিকা পালন করছেন বিজেপির এই কেন্দ্রিয় মন্ত্রী। তাই তাঁর সঙ্গে কোয়েলের সাক্ষাৎ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1503-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বিশ্বকাপ ফাইনালের টিকিটে আগুন, সর্বনিম্ন কত?]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/29064</link>
    <pubDate>Fri, 17 Jul 2026 10:49:24 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/29064</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1544-22.jpg" />    <article>
<p>বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনাল ঘিরে উন্মাদনা তুঙ্গে। সেই সঙ্গে আকাশছোঁয়া টিকিটের দাম দেখে হতাশ ফুটবলভক্তরা।</p>
</article>

<article>আগামী রবিবার নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে আর্জেন্টিনা ও স্পেন মুখোমুখি হবে শিরোপার লড়াইয়ে।
<p>&nbsp;</p>

<p>এ ম্যাচকে কেন্দ্র করে টিকিটের চাহিদা বেড়েছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক টিকিট বিক্রয় প্ল্যাটফরম টিকপিক। সেখানে বলা হয়েছে, গড় টিকিটের মূল্য পৌঁছেছে ১১ হাজার ৩২৭ ডলারে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ১৪ লাখ টাকা।</p>
</article>

<article>যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত কোনো ক্রীড়া ইভেন্টের ইতিহাসে এটি সর্বোচ্চ গড় টিকিটমূল্য।
<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/sport/2026/07/17/1712508" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালে সবচেয়ে কম দামের টিকিট বিক্রি হচ্ছে ৬ হাজার ৯৪৩ ডলারে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৮ লাখ ৬০ হাজার টাকা। আর গড় টিকিটের মূল্য পৌঁছেছে ১১ হাজার ৩২৭ ডলারে (প্রায় ১৪ লাখ টাকা)। সর্বোচ্চ দামের একটি টিকিট বিক্রি হয়েছে ২৮ হাজার ৪৭৯ ডলারে, অর্থাৎ প্রায় ৩৫ লাখ টাকা।</p>
</article>

<article>টিকিটের এই নজিরবিহীন মূল্য বিশ্বকাপের ফাইনালকে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে ব্যয়বহুল ক্রীড়া ইভেন্টে পরিণত করেছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/nrb/2026/07/17/1712504" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>বর্তমানে ফাইনালের সবচেয়ে কম দামের টিকিটও বিক্রি হচ্ছে ৬ হাজার ৯৪৩ ডলারে। যদিও আর্জেন্টিনা সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে ওঠার আগে এই টিকিটের দাম ছিল প্রায় ৭ হাজার ২০০ ডলার। দুই ফাইনালিস্ট নিশ্চিত হওয়ার পর দাম কিছুটা কমলেও তা এখনো আকাশছোঁয়া।</p>

<p>টিকপিকের পরিসংখ্যান বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে ব্যয়বহুল ক্রীড়া ইভেন্টের তালিকায় এখন শীর্ষে ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনাল।</p>
</article>

<article>এর পর রয়েছে ২০২৪ সালের সুপার বোল এলভিআইআইআই (গড় মূল্য ৯,৪১১ ডলার), ২০২১ সালের সুপার বোল এলভি (৭,৩১৩ ডলার), ২০২০ সালের সুপার বোল এলআইভি (৬,৫৪৬ ডলার) এবং ২০২৬ সালের এনবিএ ফাইনালের তৃতীয় ম্যাচ (৬,৩০৮ ডলার)।
<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/national/2026/07/17/1712503" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>এদিকে, ফ্রান্স ও ইংল্যান্ডের মধ্যকার তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচের সবচেয়ে কম দামের টিকিট বিক্রি হচ্ছে প্রায় ৯০০ ডলারে। ইংল্যান্ড সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নেওয়ার পর ওই ম্যাচের টিকিটের মূল্য প্রায় ৩০০ ডলার কমে গেছে।</p>

<p>টিকিট বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান সিটপিকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ বিশ্বকাপ ফিফার ৯৬ বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে ব্যয়বহুল বিশ্বকাপে পরিণত হয়েছে। টুর্নামেন্টের শুরুতে গড় টিকিটের দাম ছিল ১ হাজার ৬২২ ডলার, যা সেমিফাইনাল পর্বে বেড়ে দাঁড়ায় ৪ হাজার ১৬২ ডলারে।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/national/2026/07/17/1712499" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>তবে টুর্নামেন্টজুড়ে টিকিটের দাম শুধু বাড়েনি। পুনর্বিক্রয় (রিসেল) বাজারে কয়েকটি ম্যাচের টিকিটের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমেও যায়। বিশেষ করে স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্র এবং ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর পর্তুগাল বিদায় নেওয়ার পর স্পেন-বেলজিয়াম কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিটের দাম প্রায় ৬০ শতাংশ পর্যন্ত নেমে আসে।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/Islamic-lifestylie/2026/07/17/1712505" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p><strong>শুরুতে যত ছিল ফাইনালের টিকিট?</strong><br />
প্রথম ধাপে টিকিট বিক্রির সময় ফিফা ফাইনাল ম্যাচের সর্বোচ্চ মূল্য নির্ধারণ করেছিল ১০ হাজার ৯৯০ ডলার। পুনর্বিক্রয় বাজারের হিসাব বাদ দিলে সাধারণ দর্শকদের জন্য ফুটবল ইতিহাসে এটিই ছিল সর্বোচ্চ নির্ধারিত টিকিটমূল্য। এ কারণে অনেক সমর্থকের অভিযোগ, ২০২৬ বিশ্বকাপ সাধারণ দর্শকদের নাগালের বাইরে চলে গিয়ে ধনীদের আসরে পরিণত হয়েছে। সমর্থকদের এই সমালোচনার পর ফিফা জানিয়েছে, ২০৩০ বিশ্বকাপের টিকিট বিক্রির কৌশল নতুন করে পর্যালোচনা করা হবে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1544-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[সন্তানদের মিস করে আবেগঘন পোস্ট ‘সেলিনা জেটলি’র]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/29063</link>
    <pubDate>Fri, 17 Jul 2026 10:45:42 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/29063</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1642-11.jpg" />    <article>
<p>বিচ্ছেদ নিয়ে আইনি লড়াইয়ের মধ্যেই সন্তানদের মিস করে আবেগঘন পোস্ট দিয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী সেলিনা জেটলি। পুরনো একটি ভিডিও শেয়ার করে নিজের কষ্ট, মানসিক আঘাত ও সুস্থ হয়ে ওঠার সংগ্রামের কথা জানিয়েছেন তিনি।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) <strong><a href="https://www.ndtv.com/entertainment/amid-divorce-battle-celina-jaitly-shares-post-about-missing-her-sons-trauma-did-not-make-me-strong-11780223?pfrom=movies-topstories">এনডিটিভি</a></strong>র এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।</p>

<p>ভিডিওতে ছেলেদের সঙ্গে সময় কাটানোর পুরনো মুহূর্ত দেখা যায়। ভিডিওটির সঙ্গে সেলিনা লেখেন, &lsquo;ভাঙা টুকরোগুলোও যে আরো ভেঙে যেতে পারে, তা নিজের হৃদয় দেখার আগে বুঝিনি। আমার তিন ছেলেকে মিস করছি।</p>
</article>

<article>তাদের আবার জীবনে ফিরে পাওয়ার অপেক্ষায় আছি।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>ইনস্টাগ্রামে দেওয়া দীর্ঘ পোস্টে সেলিনা বলেন, &lsquo;মানুষ তাকে শক্ত মনে করলেও কষ্ট ও মানসিক আঘাত তাকে শক্ত করেনি। বরং বারবার ভেঙে দিয়েছে।</p>

<p>তিনি বলেন, &lsquo;মানুষ বলে, মানসিক আঘাত তোমাকে শক্ত করেছে।</p>
</article>

<article>কিন্তু এটা সত্য নয়। মানসিক আঘাত আমাকে গড়ে তোলেনি, বরং ভেঙে দিয়েছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>যখনই মনে হয় তিনি নিজেকে সামলে নিয়েছেন, তখনই পুরোনো ক্ষত আবার জেগে ওঠে। স্মৃতি ফিরে আসে এবং হৃদয়ে নতুন করে কষ্ট হয়।&rsquo;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/entertainment/2026/07/16/1712277" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>এমন পরিস্থিতিতে তিনি কিছুটা নিজেকে গুটিয়ে নেন।</p>
</article>

<article>নিজের কষ্ট থেকে পালানোর জন্য নয়, বরং তা সামলে বেঁচে থাকার জন্যই এমন করেন বলে জানান অভিনেত্রী।
<p>&nbsp;</p>

<p>সেলিনা বলেন, &lsquo;মানসিক আঘাত তার জীবনের কিছু অংশ ও নিজের পরিচয়ের কিছুটা কেড়ে নিয়েছে। তবে মানুষ তার মধ্যে যে শক্তি দেখে, তা কষ্ট থেকে আসেনি। বরং প্রতিবার ভেঙে পড়ার পরও সুস্থ হওয়ার সিদ্ধান্ত থেকেই সেই শক্তি এসেছে।&rsquo;</p>

<p>এদিকে, স্বামী পিটার হাগের সঙ্গে বিচ্ছেদ নিয়ে আইনি লড়াই চলছে সেলিনার। গত বছর অস্ট্রিয়ার আদালতে বিচ্ছেদের আবেদন করেন পিটার।</p>

<p>সম্প্রতি সেলিনার অভিযোগের ভিত্তিতে পিটারের বিরুদ্ধে মামলা করেছে মুম্বাই পুলিশ। শারীরিক নির্যাতন, নিষ্ঠুরতা, হুমকি ও দীর্ঘদিনের হয়রানির অভিযোগে তার বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে।</p>

<p>উল্লেখ্য, ২০১০ সালে পিটার হাগকে বিয়ে করেন সেলিনা জেটলি। ২০১২ সালে তাদের যমজ ছেলে হয়। ২০১৭ সালে আবার যমজ সন্তানের জন্ম দেন সেলিনা। তবে তাদের একজন জন্মের কিছুদিন পর মারা যায়।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1642-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিউইয়র্কে  জাতিসংঘের সহকারী মহাসচিব ও ইউএন উইমেনের উপনির্বাহী পরিচালক নিয়ারাডজাই গুম্বোনজভান্ডার সঙ্গে বৈঠকে ড. তিতুমীর]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/29062</link>
    <pubDate>Thu, 16 Jul 2026 09:00:58 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/29062</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/415-3.jpg" />    <p>বৈশ্বিক সংঘাত, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের ফলে সৃষ্ট অর্থনৈতিক অস্থিরতা, পণ্য সরবরাহ শৃঙ্খলে বিঘ্ন এবং জ্বালানি সংকটের কারণে সৃষ্ট বহুমাত্রিক চাপের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের নারী ও কন্যাশিশুদের সুরক্ষা ও ক্ষমতায়নে জাতিসংঘ নারী সংস্থা (ইউএন উইমেন)-এর আরও জোরালো সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।<br />
নিউইয়র্কে ১৫ জুলাই জাতিসংঘের সহকারী মহাসচিব ও ইউএন উইমেনের উপনির্বাহী পরিচালক নিয়ারাডজাই গুম্বোনজভান্ডার সঙ্গে বৈঠকে ড. তিতুমীর বলেন, বাংলাদেশ মানবিক বিবেচনায় বর্তমানে ১২ লক্ষাধিক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে আসছে, যা দেশের অর্থনীতি, পরিবেশ ও নিরাপত্তার ওপর উল্লেখযোগ্য চাপ সৃষ্টি করেছে। তিনি রোহিঙ্গাদের দ্রুত তাদের মাতৃভূমি মিয়ানমারে প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে এবং প্রত্যাবাসনের পর বিশেষ করে নারী ও কন্যাশিশুরা যেন নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ পরিবেশে বসবাস করতে পারে, জীবিকা নির্বাহের সুযোগ পায় এবং তাদের অধিকার ও সুরক্ষা নিশ্চিত হয় সে লক্ষ্যে ইউএন উইমেনের আরও সক্রিয়, কার্যকর ও জোরালো ভূমিকা প্রত্যাশা করেন।<br />
উপদেষ্টা বলেন, চলমান বৈশ্বিক সংকটের বহুমাত্রিক প্রভাব বাংলাদেশের ওপর উল্লেখযোগ্য আর্থিক চাপ সৃষ্টি করেছে, যার ফলে সরকারের ফিস্কাল স্পেস ক্রমেই সংকুচিত হচ্ছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কঠোর শর্ত ও নীতিমালার কারণে অনুদান ও সহজ শর্তের ঋণপ্রাপ্তি সীমিত হয়ে পড়ছে এবং অনেক স্বল্পোন্নত দেশ ঋণচাপের মুখোমুখি হচ্ছে। এ প্রেক্ষাপটে তিনি নারী ও কন্যাশিশুদের সুরক্ষা, ক্ষমতায়ন এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি আরও জোরদারে ইউএন উইমেনের কার্যকর ও সম্প্রসারিত সহযোগিতার আহ্বান জানান।<br />
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকারের নারী-কেন্দ্রিক উন্নয়ন উদ্যোগগুলোর কথা তুলে ধরে ড. তিতুমীর বলেন, পরিবারের নারীপ্রধানের নামে ফ্যামিলি কার্ড চালু, মেয়েদের স্নাতকোত্তর পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষা, প্রজনন ও মানসিক স্বাস্থ্যসেবার সম্প্রসারণ এবং সর্বজনীন জীবনচক্রভিত্তিক সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্যোগ নারীর ক্ষমতায়ন ও অর্থনৈতিক অংশগ্রহণকে আরও ত্বরান্বিত করবে।<br />
উপনির্বাহী পরিচালক নিয়ারাডজাই গুম্বোনজভান্ডা নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির প্রশংসা করেন এবং ফ্যামিলি কার্ড উদ্যোগকে একটি উদ্ভাবনী ও নারী-কেন্দ্রিক সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি হিসেবে অভিহিত করেন। কক্সবাজার সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বাংলাদেশের মানবিক ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলা, লিঙ্গসমতা, নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন, সামাজিক সুরক্ষা এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা বাস্তবায়নে বাংলাদেশের সঙ্গে ইউএন উইমেনের সহযোগিতা আরও জোরদারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।<br />
Photo credit : Press Wing, Permanent Mission of Bangladesh to the United Nations.</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/415-3.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিউইয়র্কে জমকালো আয়োজনে ‘আবসা’র বার্ষিক বনভোজন]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/29061</link>
    <pubDate>Thu, 16 Jul 2026 09:00:16 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/29061</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/685-2.jpg" />    <p>যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক পুলিশ ডিপার্টমেন্টের (এনওয়াইপিডি) অধীনে কর্মরত স্কুল সেফটি অফিসারদের সংগঠন আমেরিকান বাংলাদেশী স্কুল সেফটি অ্যাসোসিয়েশনের (আবসা) বার্ষিক বনভোজন ও চড়ুইভাতি অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১১ জুলাই) লং আইল্যান্ডের বেলমন্ট লেক স্টেট পার্কে অত্যন্ত আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে এই বনভোজন অনুষ্ঠিত হয়।</p>

<p><img alt="" data-mfp-src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/1000189281.jpg" src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/1000189281.jpg" /></p>

<p data-added-after="1">বিপুল সংখ্যক স্কুল সেফটি অফিসার, তাদের পরিবারের সদস্য, প্রবাসের বিভিন্ন স্তরের গণ্যমান্য অতিথিদের উপস্থিতিতে মুখরিত ছিল পার্ক প্রাঙ্গণ। বনভোজনের সার্বিক অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সারওয়ার চৌধুরী এবং স্বাগত বক্তব্য রাখেন সেলিম চৌধুরী।</p>

<p><img alt="" data-mfp-src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/1000189284.jpg" src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/1000189284.jpg" /></p>

<p data-added-after="1">সংগঠনের সেফটি অফিসারদের মধ্যে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ শরীফ খান, দিপা দাস তিন্নি, অসীম সরকার, জুবায়ের আহমেদ, মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন, অমিত দে, রমা দাশ, আব্দুল কুদ্দুস, শেখ আব্দুর রহিম, মুহিতুর রহমান, তমা চক্রবর্তী, আবুল হোসেন, জাহাঙ্গীর আলম, মাহবুবুর রহমান, ইশিতা দাশ ও জুবায়ের বিন আবু মোল্লা প্রমুখ।</p>

<p><img alt="" data-mfp-src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/1000189285.jpg" src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/1000189285.jpg" /></p>

<p data-added-after="1">কমিউনিটির বিশিষ্ট অতিথিদের মধ্যে অনুষ্ঠানে যোগ দেন এনওয়াইপিডি লেফটেন্যান্ট বিলাল উদ্দিন, বাংলাদেশি আমেরিকান পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের (বাপা) সাধারণ সম্পাদক ডিটেকটিভ জামিল সারওয়ার, কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব ওয়াছি চৌধুরী, বাংলাদেশি আমেরিকান কালচারাল অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক শাহ বদরুজ্জামান রুহেল, পোস্টাল এমপ্লয়ী ইউনিয়নের সহসভাপতি মতি দাস, লোন অফিসার চিরঞ্জিত ঘোষ এবং রিয়াল এস্টেট প্রফেশনাল নাজমুস সাকিব সালাম।</p>

<p>এ ছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন পুলিশ অফিসার লিটন সরকার, ট্রাফিক সুপারভাইজার মোহাম্মদ মোহিত, এইচআরএ সুপারভাইজার শীলা মনি, কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব মোহাম্মদ মাসুক মিয়া, স্টেটেন আইল্যান্ড ডেমোক্র্যাট সোসাইটির সভাপতি আফজাল আলী আনসারী, চৌধুরী মোমিত তানিম ও হাবিবুর রহমানসহ অনেকে।</p>

<p><img alt="" data-mfp-src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/1000189286%20(1)(1).jpg" src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/1000189286%20(1)(1).jpg" /></p>

<p data-added-after="1">সকালে ঐতিহ্যবাহী নাস্তার মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী এই আয়োজনের সূচনা হয়। এরপর সংগঠনের সদস্যরা অতিথিদের সঙ্গে নিয়ে সম্মিলিতভাবে আকাশে রঙিন বেলুন উড়িয়ে উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন। দুপুরের মধ্যাহ্নভোজের পর শুরু হয় আকর্ষণীয় সাংস্কৃতিক পর্ব। এতে চমৎকার সংগীত পরিবেশন করেন সংগঠনের আহ্বায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য তমা চক্রবর্তী। দিনভর নানা বয়সী নারী, পুরুষ ও শিশুদের জন্য ছিল স্বতঃস্ফূর্ত ক্রীড়া প্রতিযোগিতা। বিকেলে ছিল প্রবাসীদের চিরচেনা মুখরোচক &lsquo;ঝালমুড়ি পর্ব&rsquo;।</p>

<p>দিনশেষে আয়োজনের মূল আকর্ষণ হিসেবে অনুষ্ঠিত হয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও র&zwj;্যাফেল ড্র এর বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণী। এবারের ক্রীড়া পুরস্কারগুলো যৌথভাবে স্পন্সর করেন শরীফ খান, সেলিম চৌধুরী, সারওয়ার চৌধুরী ও জুবায়ের আহমেদ।</p>

<p><img alt="" data-mfp-src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/1000189282.jpg" src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/1000189282.jpg" /></p>

<p data-added-after="1">র&zwj;্যাফেল ড্রতে ছিল আকর্ষণীয় সব পুরস্কার। এর মধ্যে প্রথম পুরস্কার ৬৫ ইঞ্চি স্মার্ট টিভি স্পন্সর করেন লোন অফিসার চিরঞ্জিত ঘোষ, দ্বিতীয় পুরস্কার ল্যাপটপ স্পন্সর করেন লোন অর্গানাইজার ক্রিস রুদ্র, তৃতীয় পুরস্কার ল্যাপটপ স্পন্সর করেন রিয়ালটর সাইদুর রহমান লিঙ্কন।&nbsp;</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/685-2.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি আরবের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29060</link>
    <pubDate>Thu, 16 Jul 2026 08:56:57 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29060</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/950-1.jpg" />    <p><strong>দেশের বন্দর ব্যবস্থাপনায় ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে বিনিয়োগ উন্নীত করার পাশাপাশি একটি বে টার্মিনাল নির্মাণে ১৮০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করতে আগ্রহী সৌদি আরব।</strong></p>

<p>&nbsp;</p>

<p>বুধবার (১৫ জুলাই) জাতীয় সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাতে সৌদি আরবের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল এ আগ্রহের কথা জানায়।</p>

<p>বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক, বিনিয়োগ এবং অবকাঠামো উন্নয়নে সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।</p>

<p>প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সচিব শাহাদাৎ হোসেন স্বাধীন এসব তথ্য জানিয়েছেন।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><img alt="" border="0" height="835" src="https://assets.dhakapost.com/media/imgAll/BG/2026July/746256101-1762600378102098-9181183689130268199-n-20260715223247.jpg" width="1280" /></p>

<p>সৌদি আরবের পরিবহন ও রসদ পরিষেবা বিষয়ক উপমন্ত্রী ড. রুমাইহ মোহাম্মদ আল-রুমাইহের নেতৃত্বে রেড সি গেটওয়ে টার্মিনাল ইন্টারন্যাশনালের সিইওসহ উচ্চপর্যায়ের ওই প্রতিনিধিদলটি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ করে। ভবিষ্যতে এ সম্পর্ক আরও জোরদার করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন প্রতিনিধিদলের সদস্যরা। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক তার সরকারের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।</p>

<p>সাক্ষাৎকালে প্রতিনিধিদল প্রধানমন্ত্রীকে জানায়, রেড সি গেটওয়ে টার্মিনাল ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশে ১৮০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগে একটি বে- টার্মিনাল নির্মাণের পাশাপাশি বাংলাদেশের বন্দর ব্যবস্থাপনায় তাদের বিনিয়োগ ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করতে আগ্রহী।</p>

<p>এ ছাড়া রেড সি গেটওয়ে টার্মিনাল ইন্টারন্যাশনালসহ সৌদি আরবের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের অন্যান্য খাতেও বিনিয়োগে আগ্রহী বলে প্রতিনিধিদল প্রধানমন্ত্রীকে জানান। প্রতিনিধিদল জানায়, তারা বাংলাদেশে বন্দর, রেলওয়েসহ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগের সম্ভাবনা যাচাই করেছে। এ বিষয়ে পরবর্তী সময়ে দুই দেশের মধ্যে যৌথ বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হতে পারে বলেও তারা উল্লেখ করে।</p>

<p>বিজ্ঞাপন</p>

<p>এ সময় প্রধানমন্ত্রী তার সরকারের বিনিয়োগবান্ধব নীতি ও উদ্যোগ সম্পর্কে সৌদি প্রতিনিধিদলকে অবহিত করেন।</p>

<p>বাংলাদেশ সফর এবং বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশের জন্য সৌদি প্রতিনিধিদলকে ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জবাবে প্রতিনিধিদলের সদস্যরা জানান, তারা সৌদি আরবে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।</p>

<p>এ সময় সড়ক পরিবহন, সেতু মন্ত্রণালয় এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রাবউল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।</p>

<p>সৌদি প্রতিনিধিদলে আরও ছিলেন&ndash; সৌদি আরবের বিনিয়োগ উন্নয়ন বিষয়ক সহকারী উপমন্ত্রী প্রকৌশলী আম্মার আল-তাফ, রেড সি গেটওয়ে টার্মিনাল ইন্টারন্যাশনাল কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সিইও আমের রেদা, রেড সি গেটওয়ে টার্মিনালের সিইও লার্স ভ্যাং, বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূত ড. আব্দুল্লাহ বিন আবিয়া এবং অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/950-1.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[চালু হবে ‘ইউনিভার্সাল কার্ড’, পর্যটন নিয়ে হচ্ছে মহাপরিকল্পনা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29059</link>
    <pubDate>Thu, 16 Jul 2026 08:56:12 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29059</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/816-99.jpg" />    <p><strong>দীর্ঘ এক মাস নয় দিন ধরে চলা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও তারেক রহমান সরকারের প্রথম বাজেট অধিবেশন শেষ হয়েছে। সমাপনী বক্তব্যে ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে জনগণের সত্যিকার নির্বাচিত প্রতিনিধিদের প্রাণবন্ত আলোচনায় একটি ঐতিহাসিক ও সর্বজনীন বাজেট পাসের গৌরবময় অর্জনকে জাতির সামনে তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।&nbsp;</strong></p>

<p>&nbsp;</p>

<p>একইসঙ্গে দেশের সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ, প্রান্তিক কৃষক, শিশু এবং পর্যটন খাতসহ বিভিন্ন খাতের সামগ্রিক উন্নয়নের রূপরেখা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয় এই অধিবেশনে।&nbsp;</p>

<p>অন্যদিকে, জাতীয় সংসদকে দেশের মজলুম ও সাধারণ মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার &lsquo;মিলনমেলা&rsquo; হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে সুষম উন্নয়ন, অর্থ অপচয় রোধ ও দুর্নীতি দমনের ওপর বিশেষ জোর দিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>অধিবেশনের সমাপনী ভাষণে দেশের সাধারণ মেহনতি মানুষ ও পিছিয়ে পড়া প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সামাজিক ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এক যুগান্তকারী মহাপরিকল্পনার ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।&nbsp;</p>

<p>তিনি জানান, বর্তমানে চালু থাকা ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, স্পোর্টস কার্ড, প্রবাসী কার্ড কিংবা ইমাম-মুয়াজ্জিন ও ধর্মীয় গুরুদের জন্য দেওয়া বিশেষ কার্ডসহ সমস্ত সুযোগ-সুবিধাগুলোকে ক্রমান্বয়ে একটি মাত্র সর্বজনীন ব্যবস্থার আওতায় নিয়ে এসে &lsquo;ইউনিভার্সাল কার্ড&rsquo; চালু করা হবে। এর ফলে দেশের প্রতিটি নাগরিক একটি মাত্র সর্বজনীন কার্ডের মাধ্যমে সমস্ত সরকারি সুযোগ-সুবিধা ও সেবা গ্রহণ করতে পারবেন। প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত সংবেদনশীলতার সাথে স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, রাষ্ট্র যদি তার নাগরিকদের কল্যাণ নিশ্চিত করতে ও দায় মেটাতে ব্যর্থ হয়, তবে সামগ্রিকভাবে রাষ্ট্র এবং জনগণ উভয়ই দুর্বল হয়ে পড়ে। তাই এই সামাজিক সুরক্ষামূলক উদ্যোগগুলো জনগণের প্রতি রাষ্ট্রের কোনো করুণা বা দয়া নয়, বরং এটি রাষ্ট্রের ওপর অর্পিত পরম দায়িত্ব ও সাংবিধানিক অঙ্গীকার।</p>

<p>দেশের অর্থনীতি ও কৃষিখাতের উন্নয়নে প্রান্তিক কৃষকদের ওপর থেকে ঋণের বোঝা কমাতে বর্তমান সরকারের প্রথম ক্যাবিনেট মিটিংয়েই ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত বকেয়া থাকা সমস্ত কৃষি ঋণ সুদসহ সম্পূর্ণ মওকুফ করার ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর ফলে সারা দেশের প্রায় ১৩ লক্ষ প্রান্তিক কৃষক সরাসরি উপকৃত হয়েছেন এবং তাদের মাথার ওপর থেকে ঋণের বিশাল বোঝা নেমে গেছে।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, দেশের সিংহভাগ মানুষ কোনো না কোনোভাবে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির সমঙ্গে জড়িত। তাই এই বিশাল জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক মুক্তি ছাড়া দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন অসম্ভব। ফ্যামিলি কার্ডের মতো কল্যাণমুখী সামাজিক পলিসিকে দলমত নির্বিশেষে সমর্থন জানানোর জন্য তিনি বিরোধীদলীয় নেতাসহ বিরোধী দলের সকল সংসদ সদস্যকে আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এবং বলেন, দেশের প্রান্তিক মানুষের ভাগ্যোন্নয়নের ইস্যুতে সরকারি ও বিরোধী দলকে সব সময় কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে হবে।</p>

<p>দেশের জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষিত রাখতে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আন্তর্জাতিক মানের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে পূর্ববর্তী স্বৈরাচারী ও ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে ধ্বংসপ্রাপ্ত শিক্ষা ও চিকিৎসা খাতকে পুনর্গঠনে বিশেষ জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে সরাসরি অভিযোগ করেন যে, বিগত ফ্যাসিবাদের আমলে একটি &lsquo;বিশেষ দেশকে&rsquo; সুপরিকল্পিতভাবে একচেটিয়া বাণিজ্য ও সুবিধা দেওয়ার জন্য এবং একটি বিশেষ স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীকে খুশি করতে এ দেশের শিক্ষা ও চিকিৎসাব্যবস্থাকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছিল।</p>

<p>মিশরের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিখ্যাত দেওয়াল লিখনের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, কোনো জাতিকে যদি ধ্বংস করতে হয়, তবে অন্য কোনো অস্ত্রের প্রয়োজন নেই, শুধু তার শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিলেই চলে। স্বৈরাচার মনেপ্রাণে সেই নীতিই এ দেশে প্রয়োগ করেছিল। তবে বর্তমান সরকার এই জাতীয়তাবিরোধী ধ্বংসাত্মক নীতির সম্পূর্ণ বিরোধী এবং এ দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে আধুনিক শিক্ষায় গড়ে তুলতে বিতর্কিত সিলেবাস পরিবর্তন, শিক্ষার উপকরণ নিশ্চিতকরণ ও শিক্ষকদের যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের ওপর সবচেয়ে বেশি জোর দিচ্ছে। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে শিক্ষা খাতে পর্যায়ক্রমিকভাবে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দ করার মহাপরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।</p>

<p>একইভাবে বিগত স্বৈরাচারের তোষণ নীতির কারণে ধ্বংস হয়ে যাওয়া চিকিৎসা খাতকে পুনরায় সচল করতে এবং তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে চলতি বাজেটে ১.২ শতাংশ বরাদ্দ রাখা হলেও আগামী পাঁচ বছরে তা জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। দেশের প্রান্তিক মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে এবং উন্নত বিশ্বের মতো রোগ প্রতিরোধকে অগ্রাধিকার দিতে সরকার খুব শিগগিরই দেশজুড়ে এক লক্ষ &lsquo;হেলথকেয়ার কর্মী&rsquo; নিয়োগের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেবে। এছাড়া গ্রামীণ অঞ্চলের শিশুদের বিশেষায়িত সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে আগামী সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যেই দেশের পাঁচটি বিভাগে ২০০ শয্যাবিশিষ্ট পাঁচটি অত্যাধুনিক বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল চালু করা হবে, যার ফলে দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত পরিবারের শিশুদের উন্নত চিকিৎসার জন্য আর রাজধানীমুখী হতে হবে না।</p>

<p>জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে পূর্ববর্তী সরকারের আমলের ৩ লক্ষ কোটি টাকার ভয়াবহ হরিলুট ও ক্যাপাসিটি চার্জের নামে ১ লক্ষ ৩০ হাজার কোটি টাকার অপচয়ের কড়া সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, বিগত আমলে রাষ্ট্রীয় গ্যাস অনুসন্ধান সংস্থা বাপেক্সকে সম্পূর্ণ নিষ্ক্রিয় ও অকার্যকর করে পুরো গ্যাস সেক্টরকে বিদেশীদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল। বর্তমান সরকার জ্বালানি খাতে স্বনির্ভরতা ফিরিয়ে আনতে বাপেক্সকে পুনরায় সক্রিয় করছে এবং সংস্থাটির জন্য নতুন রিগ আমদানিসহ আধুনিক যন্ত্রপাতি ক্রয়ের উদ্যোগ নিয়েছে, যার ফলে এখন থেকে বাপেক্স নিজেই দেশের অভ্যন্তরে নতুন নতুন গ্যাসকূপ খনন করতে সক্ষম হবে।&nbsp;</p>

<p>এছাড়া, মাত্র তিন মাসের অক্লান্ত পরিশ্রমে মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশের সাথে সফল দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে সরকার আপৎকালীন জ্বালানি তেলের মজুদকে ৩০ দিনের কম সময় থেকে বাড়িয়ে ৪৫ দিনের ওপরে নিয়ে গেছে এবং অদূর ভবিষ্যতে একে ৯০ দিনে উন্নীত করার কাজ চলমান রয়েছে।</p>

<p>মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস সংরক্ষণ ও মুক্তিযোদ্ধাদের যথাযোগ্য মর্যাদা নিশ্চিত করার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংসদে একটি দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। তিনি জানান, মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের একটি নিখুঁত, নির্ভুল ও সর্বজনগ্রাহ্য তালিকা প্রণয়নের লক্ষ্যে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় নিবিড় গবেষণার ভিত্তিতে কাজ করছে।&nbsp;</p>

<p>বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দলীয় কর্মীদের পুনর্বাসনের উদ্দেশ্যে অনেক &lsquo;ভুয়া&rsquo; ব্যক্তিকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকাভুক্ত করে প্রতি মাসে বিপুল পরিমাণ সরকারি ভাতা দেওয়ার যে সংস্কৃতি তৈরি হয়েছিল, তা কঠোরভাবে বন্ধ করা হবে। দেশের বিশিষ্ট মুক্তিযুদ্ধ গবেষক ও বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গঠিত কমিটির মাধ্যমে সব ধরনের রাজনৈতিক ও দলীয় প্রভাবের ঊর্ধ্বে উঠে একটি ঐতিহাসিক সত্যভিত্তিক চূড়ান্ত ও প্রকৃত তালিকা জাতির সামনে প্রকাশ করা হবে। যেহেতু বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) বীর মুক্তিযোদ্ধা ও স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাতে গড়া, তাই মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি যথাযথ সম্মান ও বীর শহীদদের রক্তের ঋণ শোধ করাকে বর্তমান সরকার একটি পবিত্র ও প্রধান কর্তব্য বলে মনে করে।</p>

<p>সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রধানমন্ত্রী জাতীয় সম্পদ চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরকে সম্পূর্ণ দুর্নীতিমুক্ত ও আধুনিক করার ঘোষণা দিয়ে বলেন, অতীতে বা বর্তমানে এই বন্দরে যেকোনো ধরনের দুর্নীতি ও রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় হয়ে থাকলে দায়ীদের অবশ্যই দেশের প্রচলিত কঠোর আইনের আওতায় আনা হবে। বন্দরে কন্টেইনার হ্যান্ডলিংয়ের সক্ষমতা ব্যাপক বৃদ্ধির পাশাপাশি ডিজিটাল উইন্ডো ও ই-গেট পাস চালু করা হয়েছে। এছাড়া চট্টগ্রামের বে-টার্মিনাল নির্মাণ প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়িত হচ্ছে, যা চালু হলে বড় মাদার ভেসেলগুলো সরাসরি জেটিতে আসতে পারবে এবং ট্রান্সশিপমেন্ট খরচ উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেয়ে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে বৈপ্লবিক গতি আসবে।&nbsp;</p>

<p>ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনসহ দেশের বিভিন্ন সিটি কর্পোরেশনের পার্ক ও খেলার মাঠের অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করার জন্য উচ্ছেদ অভিযান ভবিষ্যতেও কঠোরভাবে চলমান থাকবে এবং শিশুদের পর্যাপ্ত খেলার উন্মুক্ত মাঠ নিশ্চিত করা হবে বলে তিনি জানান।</p>

<p>উন্নত প্রযুক্তি ও স্থানীয় শিল্পের বিকাশে দেশীয় বাজারে &lsquo;মেড ইন বাংলাদেশ&rsquo; ব্র্যান্ডকে বিশ্ব দরবারে আরও শক্তিশালী ও মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে নিয়ে যেতে প্রযুক্তি পণ্য উৎপাদন ও সংযোজনে যুগোপযোগী শুল্ক সুবিধা প্রদানের ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। ডেস্কটপ, ল্যাপটপ, অল-ইন-ওয়ান পিসি, রাউটার ও মোবাইলসহ বিভিন্ন আইটি পণ্য দেশে উৎপাদনের সুবিধার্থে ব্যবহৃত কাঁচামাল আমদানিতে ১ শতাংশের অতিরিক্ত কাস্টমস শুল্ক, সমুদয় সম্পূরক শুল্ক, রেগুলেটরি ডিউটি এবং মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) সম্পূর্ণ মওকুফ করা হয়েছে। সংযোজনের ক্ষেত্রেও বিশেষ শুল্ক সুবিধা দেওয়ার ফলে দেশের বাজারে উন্নত প্রযুক্তি পণ্য অনেক কম দামে সাধারণ মানুষের কাছে সহজলভ্য হবে, যা দেশের বিপুল তরুণ জনগোষ্ঠীর জন্য ফ্রিল্যান্সিং, স্টার্টআপ ও আইটি সেক্টরে অভূতপূর্ব কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে।</p>

<p>দেশের পর্যটন শিল্পকে টেকসই ও অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে কক্সবাজারসহ দেশজুড়ে পর্যটনের একটি বৃহৎ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। কক্সবাজারকে বিশ্বমানের আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত করতে বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের মালিকানাধীন ১৩২.৪৪ একর জমিতে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) পদ্ধতিতে আন্তর্জাতিকমানের পর্যটন সুবিধা গড়ে তোলা হচ্ছে। পাশাপাশি পর্যটন ও হসপিটালিটি খাতে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির লক্ষ্যে কক্সবাজারে একটি আধুনিক আন্তর্জাতিক পর্যটন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। এছাড়া কক্সবাজার, সিলেট ও খুলনায় আন্তর্জাতিকমানের হোটেল ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নির্মাণের প্রক্রিয়া দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। পর্যটকদের নিরাপত্তা ও যাতায়াত সহজ করতে প্রধান বিমানবন্দর ও স্থলবন্দরগুলোতে ইনফরমেশন সেন্টার, এলইডি বোর্ড ও সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনসহ নানামুখী আধুনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।</p>

<p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে বলেন, তিন বছর আগে দেশের মানুষের সাথে দীর্ঘ সংলাপের মাধ্যমে তৈরি করা ৩১ দফা রূপরেখা আজ দেশের ১৮ কোটি মানুষের মুক্তির সনদে পরিণত হয়েছে। সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় নির্বাচনের পূর্বে দেশের প্রায় সব রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে স্বাক্ষরিত &lsquo;জুলাই সনদ&rsquo;-এর প্রতিটি দফা বাস্তবায়নে সরকার সম্পূর্ণ অঙ্গীকারবদ্ধ। দেশের প্রতিটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানকে পুনর্গঠন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে পেশাদার হিসেবে গড়ে তুলতে ১০ হাজার নতুন পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগসহ প্রতিটি যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।</p>

<p>বাজেট অধিবেশনটি সফল করতে দিন-রাত অক্লান্ত পরিশ্রম করায় সংসদ সচিবালয়ের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী, সার্জেন্ট অব আর্মস, বিটিভি, বাংলাদেশ বেতার, গণপূর্ত বিভাগ এবং প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের সহায়কদের রেওয়াজ অনুযায়ী তাদের চলতি এক মাসের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ বিশেষ সম্মানী ভাতা হিসেবে প্রদানের জন্য স্পিকারকে অনুরোধ জানান প্রধানমন্ত্রী। দেশের মানুষের জীবন ও সম্পদের সুরক্ষাকে পবিত্র আমানত ঘোষণা করে এবং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ জবাবদিহিমূলক কল্যাণ রাষ্ট্র গঠনের দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঐতিহাসিক প্রথম বাজেট অধিবেশন সমাপ্ত হয়।</p>

<p>এদিকে দেশে চলমান শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সংসদে ৩০০ বিধিতে দেওয়া এক গুরুত্বপূর্ণ বিবৃতি দেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন। তিনি চলমান এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা ২০২৬-এর পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সুযোগের ঘোষণা দেন। তিনি জানান, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভারী বর্ষণ ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন পাঁচটি জেলায় পরীক্ষা স্থগিত করতে হয়েছিল। এছাড়া প্রতিকূলতার কারণে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের যেসব শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি, তারা স্থগিত হওয়া বিষয়ের পরীক্ষার সাথে একই অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পুনরায় পরীক্ষা দেওয়ার বিশেষ সুযোগ পাবেন। এছাড়া পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্রের পরীক্ষায় ভুল প্রশ্নপত্র প্রণয়নের দায়ে অভিযুক্তদের ইতিমধ্যে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে এবং পরীক্ষার্থীদের সুবিধার কথা চিন্তা করে ওই ভুলের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত সকল শিক্ষার্থীকে সংশ্লিষ্ট প্রশ্নে পূর্ণ নম্বর প্রদান করা হবে বলে শিক্ষামন্ত্রী নিশ্চিত করেন।</p>

<p>এছাড়া, দেশের সামগ্রিক বিনিয়োগ ব্যবস্থার আমূল সংস্কার সাধন করতে কোনো দীর্ঘ আলোচনা ও স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো ছাড়াই মাত্র ২৮ মিনিটে &lsquo;ইনভেস্টমেন্ট বাংলাদেশ বিল&rsquo; জাতীয় সংসদে কণ্ঠভোটে পাস হয়েছে। বিলটি উত্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। সাধারণত বিল উত্থাপনের পর তা স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হলেও অধিবেশনের শেষ দিনের কারণে তা সরাসরি পাসের প্রস্তাব করা হয়। এ নিয়ে সংসদে সরকারি ও বিরোধী দলের মধ্যে ২৮ মিনিট ধরে তীব্র বিতর্ক হয়। বিরোধী দলের সংসদ সদস্য নাজিবুর রহমান ও হাসনাত আব্দুল্লাহ তড়িঘড়ি করে বিল পাসের তীব্র সমালোচনা করে এটিকে সংসদের জন্য একটি খারাপ নজির ও আইনপ্রণেতা হিসেবে তাদের মৌলিক অধিকার ক্ষুণ্ন করার শামিল বলে আখ্যায়িত করেন।</p>

<p>জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এটি কোনো নতুন জটিল আইন নয়; বরং বাংলাদেশে বিনিয়োগে ওভারল্যাপিং ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতা দূর করে &lsquo;ওয়ান উইন্ডো&rsquo; সার্ভিস নিশ্চিত করার জন্য পূর্ববর্তী অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ, পিপিপি কর্তৃপক্ষ এবং বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে একীভূত করে একটি শক্তিশালী &lsquo;ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ&rsquo; প্রতিষ্ঠা করাই এই বিলের মূল লক্ষ্য। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন যে, পরবর্তীতে বিরোধী দলের উত্থাপিত যৌক্তিক সংশোধনীগুলো অবশ্যই বিবেচনা করা হবে। নবগঠিত এই ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের গভর্নিং বোর্ডের সভাপতি হবেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী।</p>

<p>বিরোধীদলীয় নেতা ড. শফিকুর রহমান জাতীয় সংসদকে অত্যন্ত নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে দেশের মানুষের ভরসার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে গড়ে তোলার ওপর তাগিদ দেন। তড়িঘড়ি করে বিল পাসের সংস্কৃতির অবসান চেয়ে তিনি বলেন, ইতিহাস ও জনগণের কাছে আমাদের দায়বদ্ধতা রয়েছে, তাই আইন বুঝে-শুনে ও পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে প্রণয়ন করতে হবে। তিনি সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ও নিহতদের পরিবারকে বিশেষ আর্থিক প্রণোদনা দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। ঢাকাকে দেশের &lsquo;চেহারা&rsquo; হিসেবে বর্ণনা করে তিনি রাজধানী ঢাকাকে জলাবদ্ধতামুক্ত ও তিলোত্তমা নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে বিশেষ বরাদ্দ রাখা এবং একটি সমন্বিত মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের তাগিদ দেন। এছাড়া প্রাথমিক শিক্ষায় নৈতিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধের শিক্ষা নিশ্চিত করা, যোগ্যতার ভিত্তিতে যাচাই-বাছাই করে এমপিওভুক্তি করা এবং সরকারি অর্থ অপচয় করে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে ব্যক্তি বা রাজনীতিকের নামের নামফলক বসানোর প্রাচীন অপরাজনীতি চিরতরে বন্ধ করার কঠোর দাবি জানান তিনি।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/816-99.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[জুলাই শহীদ দিবস আজ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29058</link>
    <pubDate>Thu, 16 Jul 2026 08:54:47 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29058</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1009-88.jpg" />    <article>
<p>আজ &lsquo;জুলাই শহীদ দিবস&rsquo;। শিক্ষার্থীদের সরকারি চাকরিতে কোটাবিরোধী আন্দোলন চলাকালে ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই রংপুরে পুলিশের গুলিতে শহীদ হন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবু সাঈদ।</p>
</article>

<article>একই দিন চট্টগ্রামে শহীদ হন চট্টগ্রাম কলেজের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র ও কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ওয়াসিম আকরাম।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>বৈষম্যবিরোধী এ আন্দোলনে প্রথমবারের মতো এক দিনে প্রাণ হারান ছয় সূর্যসন্তান। পরে দিনটিকে সরকার &lsquo;জুলাই শহীদ দিবস&rsquo; হিসেবে ঘোষণা করে। এ উপলক্ষে আজ বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) রাষ্ট্রীয়ভাবে শোক দিবস পালন করা হচ্ছে।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>আজ দেশের সব সরকারি, আধাসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সব সরকারি ও বেসরকারি ভবন এবং বিদেশে বাংলাদেশ মিশনে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে। এ ছাড়া জুলাই শহীদদের রুহের মাগফিরাতের জন্য সব মসজিদে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হবে। অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে তাদের আত্মার শান্তির জন্য বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হবে।&nbsp;</p>

<p>দিবসের কর্মসূচির মধ্যে আজ রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে শহীদ আবু সাঈদের স্মৃতিস্তম্ভের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান।</p>
</article>

<article>প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন কক্সবাজারের পেকুয়ায় শহীদ ওয়াসিমের বাড়িতে গিয়ে সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন এবং চট্টগ্রামের মুরাদপুরে শহীদ ওয়াসিমের শাহাদাতস্থলে একটি স্মৃতিস্তম্ভের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>শিক্ষার্থীদের সরকারি চাকরিতে কোটা নিয়ে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন যখন চলছিল ঠিক তখনই তৎকালীন ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার আন্দোলন দমাতে ছাত্রদের ওপর নির্বিচার গুলি চালায়। ১৬ জুলাই রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ছাত্র আবু সাঈদ পুলিশের বন্দুকের সামনে যেভাবে বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন তা দেখে স্তম্ভিত হয়ে যায় পুরো বিশ্ব। তার মৃত্যুতে পাল্টে যায় আন্দোলনের গতিপথ। আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও তাদের সমর্থকদের হামলায় ১৬ জুলাই আবু সাঈদ, ছাত্রদলের ওয়াসিমের পাশাপাশি সারা দেশে শহীদ হন ছয়জন।</p>
</article>

<article>আন্দোলনে শহীদ অন্য চারজনের মধ্যে দুইজন ঢাকার এবং বাকিরা চট্টগ্রামের। ঢাকায় শহীদ হন নিউমার্কেট এলাকার হকার মো. শাহজাহান এবং নীলফামারীর যুবক সবুজ আলী। চট্টগ্রামে এমইএস কলেজের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ফয়সাল আহমদ শান্ত এবং স্থানীয় ফার্নিচার দোকানের কর্মচারী মোহাম্মদ ফারুক। আহত হয় অসংখ্য ছাত্র-জনতা।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>জেলায় জেলায় সংঘর্ষ, বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে ওঠে সারা দেশ। দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক-মহাসড়ক ও রেলপথ অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা। একদিকে সমগ্র দেশের ছাত্র-জনতা, অন্যদিকে আওয়ামী সরকার, তাদের সমর্থক গোষ্ঠী ও প্রশাসন। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরাও এ দিন আন্দোলনে যোগ দেয়। অবস্থা বেগতিক দেখে এবং আন্দোলন দমাতে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে হাসিনা সরকার। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সারা দেশে মোতায়েন করে সব ধরনের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। কিন্তু সরকারের এ দমনপীড়ন ঠেকাতে পারেনি আন্দোলনকারীদের। শিক্ষার্থীদের কোটা সংস্কার আন্দোলন রূপ নেয় ছাত্র-জনতার সম্মিলিত এক দফা আন্দোলনে-স্বৈরাচার ফ্যাসিস্ট সরকারের পদত্যাগ। সরকার পতনের আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্যায়ে ৫ আগস্ট ভারতে পালিয়ে যান তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1009-88.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[সাবেক ব্রিটিশ মন্ত্রী উইডিকম্বকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে: পুলিশ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29057</link>
    <pubDate>Thu, 16 Jul 2026 08:53:57 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29057</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1132-77.jpg" />    <article>
<p><a href="https://www.reuters.com/world/uk-police-say-former-minister-widdecombes-murder-was-targeted-attack-2026-07-14/?fbclid=IwY2xjawTD5aRleHRuA2FlbQIxMABicmlkETFQdFRNQ1h2cnpxaUUxdll4c3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHpBcj-Z-HLs0voLe6ujD-yE-XVxmEFHgJLDDePijIkmS2-dw2dP2RNYncoYs_aem_SROT5iHYlx1P3cdboaIEdw">ব্রিটেনের</a> সাবেক সরকারি মন্ত্রী অ্যান উইডিকম্বকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির সন্ত্রাসবিরোধী পুলিশ। গত সপ্তাহে ইংল্যান্ডের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে নিজ বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।</p>
</article>

<article>তদন্তকারীরা এখন হত্যার উদ্দেশ্য এবং হামলার পেছনে কোনো বড় পরিকল্পনা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>মঙ্গলবার সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে ব্রিটেনের সন্ত্রাসবিরোধী পুলিশের প্রধান সহকারী কমিশনার লরেন্স টেইলর বলেন, প্রাথমিক তদন্তে এটি একটি পরিকল্পিত হামলা বলে স্পষ্ট হয়েছে। তবে হামলার আগে কত দিন ধরে পরিকল্পনা করা হয়েছিল বা কীভাবে এটি বাস্তবায়ন করা হয়েছে, তা এখনো তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তিনি বলেন, তদন্তকারীরা হামলার পেছনের উদ্দেশ্যও জানার চেষ্টা করছেন।</p>
</article>

<article>তবে তদন্তের এই পর্যায়ে হামলাকারীর উদ্দেশ্য বা তার কোনো নির্দিষ্ট মতাদর্শ ছিল কি না, সে বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি টেইলর। তার ভাষায়, এটি একটি জটিল তদন্ত। তাই সব তথ্য-প্রমাণ যাচাই না করে হামলাকারীর উদ্দেশ্য সম্পর্কে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক হবে না।
<p>&nbsp;</p>

<p>এ ঘটনার জেরে শনিবার গভীর রাতে এক শ্বেতাঙ্গ ব্রিটিশ নাগরিককে গ্রেপ্তার করে স্থানীয় পুলিশ।</p>
</article>

<article>প্রথমে তাকে উইডিকম্বকে হত্যার সন্দেহে আটক করা হয়। পরে সোমবার সন্ত্রাসবিরোধী পুলিশ তদন্তের দায়িত্ব নেওয়ার পর তাকে আবার গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এবার তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনা, তার প্রস্তুতি নেওয়া বা এমন কর্মকাণ্ডে উসকানি দেওয়ার সন্দেহে তদন্ত চলছে। লরেন্স টেইলর বলেন, অ্যান উইডিকম্ব হত্যার তদন্ত এবং সম্ভাব্য সন্ত্রাসবাদ-সংক্রান্ত তদন্ত- দুটি বিষয়ই একসঙ্গে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
<p>&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/07/15/1711665" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>৭৮ বছর বয়সী অ্যান উইডিকম্ব ব্রিটিশ রাজনীতিতে পরিচিত মুখ ছিলেন।</p>
</article>

<article>তিনি নাইজেল ফারাজের জনতাবাদী দল রিফর্ম ইউকের সদস্য ছিলেন। এর আগে তিনি দীর্ঘ সময় ব্রিটিশ রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন এবং ২০১০ সালে পার্লামেন্ট থেকে অবসর নেন। গত বৃহস্পতিবার ইংল্যান্ডের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি গ্রামীণ এলাকায় নিজের বাড়িতে তার মরদেহ পাওয়া যায়। পুলিশের ভাষ্য, তার শরীরে গুরুতর আঘাতের চিহ্ন ছিল, যা হত্যাকাণ্ডের ইঙ্গিত দেয়। এই ঘটনার পর আবারও ব্রিটেনে রাজনীতিকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে। গত এক দশকে দায়িত্ব পালনরত দুইজন ব্রিটিশ পার্লামেন্ট সদস্য হত্যার শিকার হওয়ার পর থেকেই দেশটিতে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের নিরাপত্তা বড় একটি ইস্যু হয়ে রয়েছে।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>সাংবাদিকরা জানতে চান, সন্দেহভাজন ব্যক্তি রিফর্ম ইউকের অন্য কোনো রাজনীতিককেও লক্ষ্য করেছিলেন কি না। তবে এ বিষয়ে সরাসরি কোনো উত্তর দেননি লরেন্স টেইলর। তিনি বলেন, এ ধরনের ঘটনার তদন্তে পুলিশের অন্যতম দায়িত্ব হলো বর্তমানে জননিরাপত্তা বা অন্য কোনো ব্যক্তির জন্য নতুন করে হুমকি রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া। একই সঙ্গে জনগণ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আশ্বস্ত করাও তদন্তের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। টেইলর আরো বলেন, তদন্তের একটি আলাদা অংশে সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকি নিয়েও কাজ করা হবে। যদি নতুন কোনো হুমকির তথ্য পাওয়া যায়, তাহলে তা মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে এই মুহূর্তে তিনি নিশ্চিত করে বলতে চাননি, বর্তমানে কোনো হুমকি রয়েছে কি না।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1132-77.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[সেমিফাইনালে গোল না করেও গোল্ডেন বুটের দৌড়ে এমবাপেকে ছাড়ালেন মেসি]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/29056</link>
    <pubDate>Thu, 16 Jul 2026 08:52:51 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/29056</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1249-66.jpg" />    <p><strong>লিওনেল মেসি আজ রাতে কোনো গোল করতে পারেননি। তবে তার দুটি অ্যাসিস্টের মানে হলো, এই টুর্নামেন্টে এখন তার মোট অ্যাসিস্টের সংখ্যা চারটি।</strong></p>

<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি ও ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপে উভয়েরই আটটি করে গোল রয়েছে। তবে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে মেসি এখন এগিয়ে গেলেন। কারণ এমবাপের অ্যাসিস্ট মাত্র তিনটি। আর গোল সংখ্যা সমান হলে অ্যাসিস্টের সংখ্যাই জয়ী নির্ধারণের প্রধান নিয়ামক হিসেবে কাজ করে।</p>

<p>গোল সংখ্যা সমান থাকলে বেশ কিছু মানদণ্ডের ওপর ভিত্তি করে একজনকে গোল্ডেন বুট দেওয়া হবে। গোল সমান থাকলে এই পুরস্কার উঠবে সবচেয়ে বেশি অ্যাসিস্ট যে করেছেন, তার হাতে। আর এ কারণেই মেসি আপাতত এগিয়ে আছেন।</p>

<p>পরের মানদণ্ড খেলার সময়। যিনি সবচেয়ে কম সময় খেলেছেন, তিনিই জিতবেন এই পুরস্কার। তারপরও যদি সমতা থাকে, সেক্ষেত্রে ওপেন প্লে থেকে সর্বোচ্চ গোল বিবেচনা করা হবে। মানে পেনাল্টি বহির্ভূত গোল। এই ক্যাটাগরিতে মেসি ভালো অবস্থানে। তিনি দুটি পেনাল্টি নিয়েছিলেন। কিন্তু প্রতিপক্ষ (অস্ট্রিয়া ও মিশর) কিপার দুটোই সেভ করেছেন। এমবাপে দুটি পেনাল্টি নিয়ে একটি গোল করেছেন, প্যারাগুয়ের বিপক্ষে।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>আর্জেন্টাইন ও ফরাসি তারকার পাশাপাশি গোল্ডেন বুটের দৌড়ে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইংল্যান্ডের হ্যারি কেইন ও জুড বেলিংহাম। দুজনেই ছয়টি করে গোল করেছেন। তাদের পরে আছেন উসমান দেম্বেলে (ফ্রান্স) ও মিকেল ওয়ারসাবাল (স্পেন)। দুজনেই পাঁচটি করে গোল করেছেন, তাদের হাতেও রয়েছে একটি করে ম্যাচ। আর্লিং হালান্ড সাত গোল করে দুই নম্বরে থাকলেও তার দল নরওয়ে বাদ পড়ার কারণে গোল্ডেন বুট জয়ের কোনো সুযোগ নেই।</p>

<p>লিওনেল মেসি (আর্জেন্টিনা - আট গোল, চারটি অ্যাসিস্ট)</p>

<p>কিলিয়ান এমবাপে (ফ্রান্স - আট গোল, তিনটি অ্যাসিস্ট)</p>

<p>বিজ্ঞাপন</p>

<p>আর্লিং হালান্ড (নরওয়ে - সাত গোল)</p>

<p>জুড বেলিংহাম (ইংল্যান্ড - ছয় গোল, একটি অ্যাসিস্ট)</p>

<p>হ্যারি কেইন (ইংল্যান্ড - ছয় গোল, একটি অ্যাসিস্ট)</p>

<p>উসমান দেম্বেলে (ফ্রান্স - পাঁচ গোল, দুটি অ্যাসিস্ট)</p>

<p>মিকেল ওয়ারসাবাল (স্পেন - পাঁচ গোল, একটি অ্যাসিস্ট)</p>

<p>হালান্ড ছাড়া ওপরের বাকি ছয়জন খেলোয়াড়েরই আর একটি করে ম্যাচ বাকি রয়েছে। যেখানে আগামী শনিবার তৃতীয় স্থান নির্ধারণী প্লে-অফ ম্যাচে মুখোমুখি হবে ফ্রান্স ও ইংল্যান্ড এবং এরপর রোববার ফাইনাল ম্যাচে স্পেনের বিপক্ষে মাঠে নামবে আর্জেন্টিনা।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1249-66.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[গাজায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৭৩ হাজার ২৪৬ জনে]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29055</link>
    <pubDate>Thu, 16 Jul 2026 08:51:44 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29055</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1352-55.jpg" />    <p><strong>ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় দখলদার ইসরায়েলের হামলায় নিহতের সংখ্যা ৭৩ হাজার ২৪৬ জনে পৌঁছেছে।&nbsp; বুধবার (১৫ জুলাই) বার্তাসংস্থা ওয়াফা স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্টদের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে।</strong></p>

<p>&nbsp;</p>

<p>এছাড়া দখলদারদের হামলায় আহত হয়েছেন আরও ১ লাখ ৭৩ হাজার ৭২৭ জন।</p>

<p>ওয়াফা জানিয়েছে, ২০২৫ সালের অক্টোবরে সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি হয়। ওই &lsquo;নামেমাত্র&rsquo; যুদ্ধবিরতির মধ্যেও ১ হাজার ১২৩ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। এছাড়া তাদের হামলায় আহত হয়েছেন আরও ৩ হাজার ৬১৬ জন।</p>

<p>২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের অবৈধ বসতিতে হামলা চালায় হামাস। এরপর ইসরায়েল গাজায় নির্বিচার গণহত্যা শুরু করে।</p>

<p>বিজ্ঞাপন</p>

<p>গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত দুইদিনে এক ডজনের বেশি মানুষকে হত্যা করেছে ইসরায়েল। এরমধ্যে গতকাল এক নারী ও ছয় পুলিশ সদস্য প্রাণ হারান। ইসরায়েল এখন গাজার পুলিশ সদস্যদের টার্গেট করছে যেন সেখানে অরাজকতা দেখা দেয়।&nbsp;</p>

<p>সূত্র: আলজাজিরা</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1352-55.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[যৌন নিপীড়ন মামলায় ৫ মিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দিলেন ট্রাম্প]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29054</link>
    <pubDate>Thu, 16 Jul 2026 08:50:35 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29054</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1416-44.jpg" />    <article>
<p>মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার বিরুদ্ধে দায়ের করা যৌন নিপীড়ন ও মানহানি মামলায় লেখিকা ই জিন ক্যারলকে ক্ষতিপূরণ বাবদ ৫ মিলিয়ন ডলারের (৩.৭ মিলিয়ন পাউন্ড) বেশি অর্থ প্রদান করেছেন বলে তার আইনজীবীরা নিশ্চিত করেছেন। এ মামলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ার তিন বছর পর ট্রাম্পকে এই ক্ষতিপূরণ দিতে হয়েছে।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.bbc.com/news/articles/c2dydj1wp93o?fbclid=IwY2xjawTED39leHRuA2FlbQIxMABicmlkETFUVTEwdjVEZ21HVWtNWldEc3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHmDsh-Gd-jPDlqFablgN7EoEt1GR-YiX5E4AUX5BuPpnSkj2GQqn2khUUzSD_aem_g1FDOHtPSjxEliCAvrK2Kg">ক্যারলের আইনজীবী রবার্টা কাপলান মঙ্গলবার একটি সংক্ষিপ্ত বিবৃতিতে বলেন</a>, &lsquo;আজ আমরা আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে ওই রায়ের ফলস্বরূপ জুরি তাকে যে ক্ষতিপূরণের অর্থ প্রদান করার নির্দেশ দিয়েছিল, তা তিনি পেয়েছেন।&rsquo;</p>

<p>ট্রাম্প এই অর্থ পরিশোধে দেরি করতে চেয়েছিলেন, যাতে তিনি সুপ্রিম কোর্টকে তার আপিল শুনতে অস্বীকৃতির সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার অনুরোধ করতে পারেন। তবে গত সপ্তাহে মামলার দায়িত্বে থাকা বিচারক তাকে ক্ষতিপূরণের অর্থ পরিশোধের নির্দেশ দেন। ট্রাম্পের আইনি দলের একজন প্রতিনিধি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>ক্যারলের আইনি দলের একটি বিবৃতিতে নিশ্চিত করা হয়েছে, তাকে ৫.৬২ মিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থ প্রদান করা হয়েছে, ক্ষতিপূরণ হিসেবে প্রদত্ত ৫ মিলিয়ন ডলার এবং আপিল চলাকালীন অর্জিত সুদসহ।</p>

<p>৮২ বছর বয়সী প্রাক্তন ম্যাগাজিন কলামিস্ট ক্যারল অভিযোগ করেন, ১৯৯০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে ম্যানহাটানের বার্গডর্ফ গুডম্যান ডিপার্টমেন্ট স্টোরের একটি ড্রেসিংরুমে ট্রাম্প তাকে যৌন নিপীড়ন করেছিলেন এবং পরে ২০২২ সালে এ অভিযোগ অস্বীকার করে নিজের &lsquo;ট্রুথ সোশ্যাল&rsquo; ওয়েবসাইটে একটি পোস্টের মাধ্যমে তাকে অপমান করেছিলেন।</p>

<p>রায় ঘোষণার পরপরই ট্রাম্প ক্ষতিপূরণের অর্থ একটি আদালত-নিয়ন্ত্রিত অ্যাকাউন্টে জমা করেন এবং আপিল প্রক্রিয়া চলাকালীন তা সেখানেই রাখা হয়। ট্রাম্পের আইনজীবীরা তাকে অর্থ পরিশোধ করতে হবে বলে বিচারকের দেওয়া রায়ের তীব্র নিন্দা করেছেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>এই মামলার বাইরে ২০২৪ সালের আরেকটি পৃথক বিচারের রায়ে ক্যারলকে দেওয়া তিরাশি মিলিয়ন বা আট কোটি ত্রিশ লাখ ডলারের অন্য একটি বড় অঙ্কের মানহানির ক্ষতিপূরণের বিরুদ্ধেও ট্রাম্প বর্তমানে উচ্চ আদালতে আপিল আবেদন সচল রেখেছেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1416-44.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্যে কড়াকড়ি, ভারতসহ ৫ দেশর জন্য নতুন মার্কিন বিল]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29053</link>
    <pubDate>Thu, 16 Jul 2026 08:49:20 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29053</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1502-33.jpg" />    <article>
<p>যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে রাশিয়ার বিরুদ্ধে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপের একটি বিল উত্থাপন করা হয়েছে। প্রস্তাবিত এই বিলে বলা হয়েছে, রাশিয়ার তেল কেনা চালিয়ে গেলে ভারতসহ পাঁচটি দেশ অতিরিক্ত শুল্ক ও অন্যান্য অর্থনৈতিক পদক্ষেপের মুখোমুখি হতে পারে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://aninews.in/news/world/us/us-senators-unveil-sweeping-russia-sanctions-bill-name-india-among-nations-facing-possible-tariffs20260715041308/?fbclid=IwY2xjawTEH3hleHRuA2FlbQIxMABicmlkETFUVTEwdjVEZ21HVWtNWldEc3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHkG8_VNEgT2KAC-hz4bRIwE_6eTnQLrPvtuZIhKGvsJKzFiPoq7T-M6_N_IZ_aem_-zRB_XEPYyWReOT-VjyWzQ">বিল অনুযায়ী, মার্কিন প্রশাসন রাশিয়ার তেলের বড় ক্রেতা দেশগুলোর ওপর শুল্ক আরোপ করতে পারবে। </a>ব্লুমেনথাল যে পাঁচটি দেশের নাম উল্লেখ করেছেন, সেগুলো হলো, চীন, ভারত, স্লোভাকিয়া, হাঙ্গেরি ও আজারবাইজান।</p>

<p>মঙ্গলবার সিনেটর রিচার্ড ব্লুমেনথাল, জিন শাহিন, রজার উইকার, কেটি ব্রিট এবং উভয় দলের আরো কয়েকজন আইনপ্রণেতা আনুষ্ঠানিকভাবে বিলটি উত্থাপন করেন। বিলটির নাম দেওয়া হয়েছে &lsquo;লিন্ডসে গ্রাহাম রাশিয়া অ্যাকাউন্টেবিলিটি বিল&rsquo;।</p>
</article>

<article>প্রয়াত সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম দীর্ঘদিন ধরে এমন একটি বিলের পক্ষে প্রচারণা চালিয়েছিলেন। তার অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বিলটির সঙ্গে তার নাম যুক্ত করা হয়েছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>সিনেটর ব্লুমেনথাল বলেন, এই বিল শুধু শুল্ক আরোপের বিষয় নয়। এর মাধ্যমে রাশিয়ার জ্বালানি ও আর্থিক খাত, প্রতিরক্ষা শিল্প, ধনী ব্যবসায়ী গোষ্ঠী এবং প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বিরুদ্ধেও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>এ ছাড়া রাশিয়ার প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানিকারক দেশগুলোর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে। তবে যেসব দেশ রাশিয়া থেকে ১৫ শতাংশের কম গ্যাস আমদানি করে এবং সেই আমদানি কমিয়ে আনছে, তারা এই বিধানের বাইরে থাকবে। ফলে ইউরোপের বেশিরভাগ মিত্র দেশ এ থেকে অব্যাহতি পাবে।</p>

<p>সিনেটররা জানিয়েছেন, শুল্কের হার এখনও নির্ধারণ করা হয়নি। এটি পরে মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি ঠিক করবেন।</p>
</article>

<article>তবে ব্লুমেনথাল বলেছেন, শুল্ক এমন মাত্রায় নির্ধারণ করা হতে পারে যাতে চীন, ভারত ও অন্যান্য বড় ক্রেতা দেশ রাশিয়ার তেল ও গ্যাস কেনা নিরুৎসাহিত হয়। বিলটিতে শুল্ক মওকুফের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। ভবিষ্যতে শুল্ক কমানো হলে সে বিষয়ে কংগ্রেসকে জানাতে হবে।
<p>&nbsp;</p>

<p>সিনেটের পররাষ্ট্র সম্পর্ক কমিটির চেয়ারম্যান জেমস রিশ রাশিয়ার তথাকথিত &lsquo;শ্যাডো ফ্লিট&rsquo; বা গোপন ট্যাংকার বহরের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তার মতে, রাশিয়া এসব ট্যাংকার ব্যবহার করে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে তেল রপ্তানি চালিয়ে যাচ্ছে।</p>

<p>আইনপ্রণেতারা বলেছেন, আগের খসড়াগুলোর তুলনায় বর্তমান বিলটি অনেক সীমিত। আগে সর্বোচ্চ ৬৩টি দেশের ওপর শুল্ক আরোপের প্রস্তাব ছিল, কিন্তু এখন তা কমিয়ে মাত্র পাঁচটি প্রধান ক্রেতা দেশের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।</p>

<p>বিলটি ঘোষণার সময় অনেক সিনেটর প্রয়াত লিন্ডসে গ্রাহামের অবদানের কথা স্মরণ করেন। সিনেটর রজার উইকার এটিকে গ্রাহামের &lsquo;সবচেয়ে বড় অর্জন&rsquo; বলে উল্লেখ করেন। সিনেটর টেড ক্রুজ জানান, মৃত্যুর আগে গ্রাহাম ব্যক্তিগতভাবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বিলটি নিয়ে আলোচনা করেছিলেন।</p>

<p>সিনেটরদের আশা, আগস্টের শেষের আগেই বিলটি সিনেটে পাস হতে পারে। তবে এর আগে বিলটি সিনেট ও প্রতিনিধি পরিষদে অনুমোদন পেতে হবে। এরপর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের স্বাক্ষর পেলেই এটি আইনে পরিণত হবে। ভারত বর্তমানে রাশিয়া থেকে কম দামে বিপুল পরিমাণ তেল আমদানি করছে। ভারত বলছে, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জ্বালানির দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে এই আমদানি প্রয়োজন।</p>

<p>হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বিলটিকে সমর্থন করেন। বিলটি আইনে পরিণত হলে ট্রাম্প রাশিয়ার জ্বালানি খাতের সঙ্গে ব্যবসা করা দেশগুলোর পণ্যের ওপর সর্বোচ্চ ৫০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের ক্ষমতা পাবেন। এর ফলে ভারতসহ কয়েকটি দেশ নতুন বাণিজ্যিক চাপের মুখে পড়তে পারে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1502-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র সফরে ট্রাম্পের সঙ্গে নেতানিয়াহুর বৈঠকে অনিশ্চয়তা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29052</link>
    <pubDate>Thu, 16 Jul 2026 08:45:59 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29052</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1543-22.jpg" />    <article>
<p>ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু আগামী শনিবার (১৮ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন। সফরকালে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করতে পারেন বলে জানা গেছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>বুধবার দেশটির এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এ তথ্য জানিয়েছেন।</p>

<p><a href="https://www.timesofisrael.com/liveblog_entry/israeli-official-netanyahu-to-travel-to-us-on-saturday-but-unclear-if-he-will-meet-trump/">প্রতিবেদনে</a> ওই কর্মকর্তা বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে সফরকালে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করতে চান নেতানিয়াহু। তবে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়।</p>

<p>সাম্প্রতিক মধ্যপ্রাচ্য সংকটে ইসরায়েল দুটি ফ্রন্টে সক্রিয় রয়েছে।</p>
</article>

<article>একদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যৌথভাবে ইরানের বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছে। অন্যদিকে ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে লেবাননে সামরিক অভিযান অব্যাহত রেখেছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>গত মাসে ওয়াশিংটনের সঙ্গে হওয়া অন্তর্বর্তী সমঝোতার অংশ হিসেবে ইরান লেবাননের যুদ্ধ বন্ধের দাবি জানিয়েছিল। তবে সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে সংঘর্ষ শুরু হওয়ায় সেই সমঝোতা কার্যত ভেঙে পড়েছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1543-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[আর্জেন্টিনা কাপ জিতলে আরেকটা বিয়ে করব: পরীমণি]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/29051</link>
    <pubDate>Thu, 16 Jul 2026 08:45:13 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/29051</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1641-11.jpg" />    <p>দেশের ফুটবলপ্রেমীদের মাঝে এখন টান টান উত্তেজনা। আটলান্টায় চলছে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের মধ্যকার হাইভোল্টেজ সেমিফাইনাল ম্যাচ। বিশ্বজুড়ে যখন এই ম্যাচ নিয়ে ব্যাপক উন্মাদনা, ঠিক সেই মুহূর্তেই এক অদ্ভুত শপথ করে বসলেন ঢাকাই সিনেমার আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমণি। আর্জেন্টিনা দলের কট্টর এই সমর্থক ঘোষণা দিয়েছেন, তার প্রিয় দল কাপ জিতলেই তিনি আবারও বিয়ে করবেন!&nbsp;</p>

<p>বিজ্ঞাপন</p>

<p>ম্যাচ চলাকালীন নিজের ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন এই নায়িকা। সেখানে লেখেন, &#39;আর্জেন্টিনা কাপ জিতলে আমি আবার একটা বিয়া করবো ফাইনাল।&#39; স্ট্যাটাসের শেষে বেশ কয়েকটি ইমোজি জুড়ে দিয়েছেন তিনি।&nbsp;</p>

<p>মুহূর্তেই তার এই পোস্টটি সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক সাড়া পায়। মিনিট বিশেকের মধ্যেই পোস্টটিতে ৪২ হাজারের বেশি প্রতিক্রিয়া ও প্রায় তিন হাজার শেয়ার দেখা যায়। কিন্তু মন্তব্যঘর বন্ধ রাখেন নায়িকা।</p>

<p>উল্লেখ্য, ব্যক্তিগত জীবনে একাধিক বিয়ে ও বিচ্ছেদ নিয়ে এর আগেও বহুবার আলোচনায় এসেছেন পরীমণি। ক্যারিয়ারের শুরুতে ২০১০ সালে কাজিন ইসমাইল হোসেনের সঙ্গে তার প্রথম বিয়ের খবর শোনা যায়। এরপর ২০১২ সালে ফুটবলার ফেরদৌস কবীর সৌরভের সঙ্গে তার বিয়ের ছবি প্রকাশ্যে আসে। এরপর তামিম হাসান নামে এক সাংবাদিকের সঙ্গে তার বিয়ে হয় বলে শোনা যায়। পরবর্তীতে ২০২০ সালে নির্মাতা কামরুজ্জামান রনিকে বিয়ে করলেও সেই সংসার টেকেনি বেশিদিন। সর্বশেষ ২০২১ সালে অভিনেতা শরিফুল রাজকে বিয়ে করে ব্যাপক আলোচনায় আসেন এই নায়িকা। এই দম্পতির সংসারে শাহীম মুহাম্মদ পুণ্য নামের একটি পুত্রসন্তান রয়েছে। তবে নানা টানাপোড়েনের পর ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে রাজের সঙ্গেও পরীমণির আনুষ্ঠানিকভাবে বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে।</p>

<p>বিজ্ঞাপন</p>

<p>বর্তমানে ছেলে পুণ্য ও কন্যা প্রিয়মকে ঘিরেই পরীমণির পুরো জগৎ। সিঙ্গেল মাদার হিসেবে সন্তানদের মানুষ করার পাশাপাশি সিনেমা ও ওটিটি প্ল্যাটফর্মেও নিয়মিত কাজ করছেন তিনি। জীবনের এমন একটি পর্যায়ে এসে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে তার নতুন করে বিয়ের এই ঘোষণা ভক্তদের মাঝে বাড়তি বিনোদনের খোরাক জুগিয়েছে।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1641-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[৫ কোটি টাকা পর্যন্ত স্টার্টআপ উদ্যোক্তাকে সহযোগিতা করবে সরকার : প্রধানমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29050</link>
    <pubDate>Wed, 15 Jul 2026 10:03:38 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29050</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/949-1.jpg" />    <article>
<p>স্টার্টআপের নতুন ধারণা নিয়ে সরকার কাজ করবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, আইসিটি মন্ত্রণালয় থেকে ৫০০ কোটি টাকার বাজেট রাখা হয়েছে।</p>
</article>

<article>৫ লাখ থেকে ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত একজন স্টার্টআপ উদ্যোক্তাকে সহযোগিতা করার চেষ্টা করব। নিরপেক্ষ কমিটির মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তাদের প্রজেক্ট দেখে ফান্ড করা হবে। প্রথমবার স্টার্টআপ ব্যর্থ হলেও সম্ভাবনা থাকলে দ্বিতীবার অর্থ সহায়তা দেওয়া হবে।
<p>&nbsp;</p>

<p>মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে &lsquo;তারুণ্য, স্টার্টআপ ও সম্ভাবনার বাংলাদেশ&rsquo; শীর্ষক বিশেষ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/dhaka/2026/07/14/1711248" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>প্রধানমন্ত্রী বলেন, এমন উদ্যোক্তা থাকে, যাকে ব্যাংকের হ্যাচেলগুলো সিকিউরিটি বা কাগজ দিতে হয়, এটি যাতে ফেস করতে না হয়, সে জন্য কমিটি করা হয়েছে। এতে মন্ত্রী বা উপদেষ্টারা নেই। নিরপেক্ষ কমিটি, তারা বিষয়টি দেখবে।</p>

<p>এর আগে সকাল ১০টায় তিনি ক্যাম্পাসে পৌঁছালে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা তাকে স্বাগত জানিয়ে মিছিল করেন।</p>
</article>

<article>সরকার গঠনের পর এটি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার দ্বিতীয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সফর।</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/949-1.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[এখনো পানিবন্দি দেড় লাখের বেশি পরিবার]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29049</link>
    <pubDate>Wed, 15 Jul 2026 10:02:50 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29049</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/815-99.jpg" />    <article>
<p>বন্যা, পাহাড়ধসে এখন পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন স্থানে ৫৪ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। আহত হয়েছেন অন্তত ৩৯ জন।</p>
</article>

<article>দেশের সাত জেলায় এক লাখ ৫৫ হাজার ৩১১টি পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৬ লাখ ৯ হাজার ৪১১ জন মানুষ। সোমবার (১৩ জুলাই) দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রতিবেদন অনুযায়ী, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবান, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ বন্যাকবলিত হয়েছে।</p>
</article>

<article>এ কারণে জেলাগুলোর ৫৯টি উপজেলা প্লাবিত হয়েছে। এ ছাড়া উপদ্রুত অঞ্চলগুলোর ৩৩৪টি ইউনিয়ন এবং ১২টি পৌরসভা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>জেলাভিত্তিক পরিসংখ্যানে জানা গেছে, মৃত ৫৪ জনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে কক্সবাজার জেলায়, সেখানে ৩১ জন মারা গেছেন। এ ছাড়া চট্টগ্রামে ১৩ জন, বান্দরবানে ছয়, রাঙামাটিতে তিন ও মৌলভীবাজারে একজনের মৃত্যু হয়েছে।</p>
</article>

<article>অন্যদিকে আহত ৩৯ জনের মধ্যে কক্সবাজারে ২৪ জন, চট্টগ্রামে ১২, বান্দরবানে দুই ও খাগড়াছড়িতে একজন রয়েছেন।
<p>&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/national/2026/07/14/1711207" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ও উপদ্রুত মানুষকে জরুরি আশ্রয় দেওয়ার জন্য সরকারিভাবে এক হাজার ৪২টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে, যেখানে এরই মধ্যে ৩৮ হাজার ৪২২ জন বিপন্ন মানুষ আশ্রয় নিয়েছে বলে জানিয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।</p>

<p>বন্যাকবলিত ১১ জেলায় স্বাস্থ্যসেবা সচল রাখতে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সব ধরনের ছুটি বাতিল করেছে সরকার। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি উপজেলায় মেডিক্যাল টিম মোতায়েন করা হয়েছে।</p>

<p>এ বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেন, &lsquo;বন্যা পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করাকে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।</p>
</article>

<article>এ জন্য ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলোতে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় ওষুধ, স্যালাইন, অ্যান্টিভেনম ও অন্যান্য চিকিৎসাসামগ্রী দ্রুত মাঠ পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/dhaka/2026/07/14/1711208" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>তিনি আরো বলেন, &lsquo;বর্তমানে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, বান্দরবান, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, কুমিল্লা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় বিশেষ স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। প্রতিটি জেলার সার্বিক স্বাস্থ্য পরিস্থিতি তদারকির জন্য একজন করে জ্যেষ্ঠ চিকিৎসককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণকক্ষ সার্বক্ষণিক তথ্য সংগ্রহ ও সমন্বয়ের কাজ করছে।&rsquo;</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/815-99.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[আজ ‘প্রাথমিক শিক্ষা পদক’ দেবেন প্রধানমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29048</link>
    <pubDate>Wed, 15 Jul 2026 10:01:53 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29048</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1008-88.jpg" />    <article>
<p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ বুধবার (১৫ জুলাই) &lsquo;প্রাথমিক শিক্ষা পদক&rsquo; তুলে দেবেন। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এই পদক প্রদান অনুষ্ঠান সকাল ১০টায় আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/07/15/1711651" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের ১৭ ও ১৮ নম্বর অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে শিশুদের প্রতিভা ও মননশীলতার বিকাশে তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক, বিষয়ভিত্তিক কুইজ, কাবিং ও বিতর্ক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। উপজেলা পর্যায় থেকে শুরু হয়ে এসব প্রতিযোগিতা ধাপে ধাপে জাতীয় পর্যায়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে।</p>

<p>এতে দেশের স্কুল পর্যায়ের ২ কোটি ১৮ লাখ ২৮ হাজার ৬৯৩ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে।</p>
</article>

<article>বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে নির্বাচিত শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থীদের অনুষ্ঠানে &lsquo;প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬&rsquo; প্রদান করা হবে।
<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/campus-online/2026/07/15/1711650" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>এ ছাড়া শিক্ষাক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকেও সম্মাননা দেওয়া হবে। ব্যক্তি পর্যায়ে ১৫টি ক্যাটাগরিতে দেশের ১২ হাজার ৩৮৪ জন এবং প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে দুটি ক্যাটাগরিতে ৬৫ হাজার ৫৪৬টি প্রতিষ্ঠানের মধ্য থেকে নির্বাচিত শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে এ সম্মাননা দেওয়া হবে।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/country-news/2026/07/15/1711648" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>অনুষ্ঠানে দেশব্যাপী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিরও উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী।</p>
</article>

<article>একই সঙ্গে দেশের ৬৪ জেলার প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রমের বিভিন্ন উদ্যোগ, উদ্ভাবনী কার্যক্রম ও গৃহীত পদক্ষেপ উপস্থাপন করা হবে। বিভিন্ন জেলার স্টলে &lsquo;স্কুল ফিডিং&rsquo;, &lsquo;আনন্দময় শিক্ষা&rsquo;, &lsquo;ডিজিটাল শিক্ষা&rsquo; এবং &lsquo;ফাউন্ডেশনাল লার্নিং&rsquo;সহ বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরা হবে।</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1008-88.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[তিন ঘণ্টার চেষ্টায় আদমজী ইপিজেডের আগুন নিয়ন্ত্রণে]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/bangladesh/29047</link>
    <pubDate>Wed, 15 Jul 2026 10:00:51 +0600</pubDate>
    <category> সারাবাংলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/bangladesh/29047</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1131-77.jpg" />    <article>
<p>নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে অবস্থিত আদমজী ইপিজেডের অন্তত অ্যাপারেলস লিমিটেড নামে একটি পোশাক কারখানায় লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। ফায়ার সার্ভিসের তিন ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।</p>
</article>

<article>প্রাথমিকভাবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
<p>&nbsp;</p>

<p>বুধবার (১৫ জুলাই) ভোর ৪টা ১০ মিনিটের দিকে কারখানাটির গোডাউনে আগুনের সূত্রপাত হয় এবং ৭ টা ১০ মিনিটে নিয়ন্ত্রণে আসে।</p>

<p>ফায়ার সার্ভিস জানায়, ভোর রাতে হঠাৎ করে কারখানার গোডাউনে আগুন লাগে। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়লে পুরো এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি হয়।</p>
</article>

<article>খবর পেয়ে আদমজী,কাঁচপুর, শিবু মার্কেট ও নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের মোট ১১টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে এবং ৯টি ইউনিট &nbsp;আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। তবে কীভাবে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
<p>&nbsp;</p>

<p>ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ঢাকা বিভাগের উপ-পরিচালক &nbsp;মো. ছালেহ উদ্দিন বলেন, আগুন নিয়ন্ত্রণে আমাদের ৯টি ইউনিট কাজ করছে। অতিরিক্ত আরও দুইটি ইউনিট উপস্থিত ছিল।</p>
</article>

<article>ইতোমধ্যে আগুন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে। অল্প সময়ের মধ্যেই পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে বলে আশা করছি। তবে আগুনের সূত্রপাত এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনই বলা সম্ভব নয়।</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1131-77.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বেলজিয়ামে নির্মাণাধীন ভবনে আগুন, লিফট থেকে ৬ জনের মরদেহ উদ্ধার]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29046</link>
    <pubDate>Wed, 15 Jul 2026 09:59:58 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29046</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1248-66.jpg" />    <article>
<p>বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসের কেন্দ্রস্থলে একটি নির্মাণাধীন বহুতল ভবনে অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন। কয়েক ঘণ্টা ধরে চলা শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান শেষে ভবনের লিফট শ্যাফটের ভেতর আটকে থাকা একটি লিফট থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।</p>
</article>

<article>মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>স্থানীয় সময় সকাল ৮টার দিকে শহরের ঐতিহাসিক গ্র্যান্ড প্লেস চত্বরের কাছে অবস্থিত <a href="https://www.bbc.com/news/articles/c9323knejyzo?fbclid=IwY2xjawTD17VleHRuA2FlbQIxMABicmlkETFLdlhld1NiNkV6MW1SQjBQc3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHmPvTMNKGpSXZ0KusQnNcUTFqPFvbH4sxQC4WupNmJ552asNUwjJSRIwJWiG_aem_W8Q32e6ARmREvxxQOnvhYQ">&lsquo;অক্সি টাওয়ার&rsquo; নামের নির্মাণাধীন ভবনটিতে আগুন লাগে</a>। দমকলকর্মীরা দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনলেও ততক্ষণে ধোঁয়া ও আগুন লিফটের শ্যাফট (সুড়ঙ্গ) পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে দুইটি লিফট আটকে যায়।</p>
</article>

<article>পরে উদ্ধারকারীরা একটি লিফট জোরপূর্বক খুলে নিখোঁজ ছয়জনের মরদেহ উদ্ধার করেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>ব্রাসেলস শ্রম প্রসিকিউটর অফিসের মুখপাত্র ব্রেখট স্পেইব্রুক জানান, উদ্ধার হওয়া ছয়জন আগে থেকে নিখোঁজ থাকা ব্যক্তিরাই হতে পারেন। তবে অন্য লিফটে বা ভবনের অন্য কোথাও আরও কেউ আটকে আছেন কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই ঘটনায় গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় দুইজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।</p>
</article>

<article>এ ছাড়া উদ্ধারকাজ চালানোর সময় প্রচণ্ড তাপে অসুস্থ হয়ে পড়া এক দমকলকর্মীকে ঘটনাস্থলেই চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>ভয়াবহ এই দুর্ঘটনার খবর পেয়ে বেলজিয়ামের রাজা ফিলিপ এবং দেশটির প্রধানমন্ত্রী বার্ট ডি ওয়েভার বিকেলে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান। কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে সাহসিকতার সাথে কাজ করায় উদ্ধারকর্মীদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন ব্রাসেলসের মেয়র ফিলিপ ক্লোজ। ভবনটিতে কিভাবে আগুন লেগেছে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু করেছে স্থানীয় প্রশাসন।</p>
</article>

<article>উল্লেখ্য, নির্মাণাধীন এই অক্সি টাওয়ারটিতে ফ্ল্যাট, হোটেল, রেস্টুরেন্ট ও বার তৈরির কাজ চলছিল।</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1248-66.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ট্রাম্পের প্রাইম টাইম ভাষণ বৃহস্পতিবার, নজর ইরান ও নির্বাচন]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29045</link>
    <pubDate>Wed, 15 Jul 2026 09:59:18 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29045</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1351-55.jpg" />    <article>
<p>মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগামী বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউস থেকে একটি বিশেষ ভাষণ দেবেন। প্রাইম টাইমে সরাসরি সম্প্রচারিত এ ভাষণে তিনি নির্বাচনের সুরক্ষা, ইরান পরিস্থিতিসহ নিজের কাছে গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরবেন।</p>
</article>

<article>প্রেসিডেন্টের এক জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা মার্কিন সংবাদমাধ্যম <a href="https://www.axios.com/2026/07/14/trump-speech-iran-election">অ্যাক্সিওসকে</a> দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

<p>&nbsp;</p>

<p>ভাষণের বিষয়বস্তু সম্পর্কে ওই উপদেষ্টা বলেন, এটি মূলত বিভিন্ন বিষয়ের একটি মিশ্রণ হতে যাচ্ছে।</p>

<p>সাংবাদিকদের মুখোমুখি হতে সব সময় প্রস্তুত থাকলেও হোয়াইট হাউস থেকে সরাসরি ক্যামেরার সামনে এমন প্রাইম টাইম ভাষণ ট্রাম্প খুব একটা দেননি। তবে উপদেষ্টা জানিয়েছেন, ট্রাম্প এখন থেকে এই ধরনের সরাসরি ভাষণ আরো বেশি দিতে চান।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>সোমবার নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প ঘোষণা করেন যে, আগামী বৃহস্পতিবার পূর্ব উপকূলীয় সময় রাত ৯টায় তিনি &lsquo;জাতির উদ্দেশে ভাষণ&rsquo; দেবেন। তবে হোয়াইট হাউসের ঠিক কোন স্থান থেকে তিনি কথা বলবেন এবং নির্দিষ্ট কোন কোন বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন, তা এখনও পুরোপুরি নিশ্চিত নয়। তবে ট্রাম্পের মাথায় এখন দুটি প্রধান ইস্যু ঘুরপাক খাচ্ছে।</p>

<p>ইরানের সঙ্গে নতুন করে শুরু হওয়া সংঘাতের বিষয়ে উপদেষ্টা বলেন, পরিস্থিতি প্রতি মিনিটে পাল্টাচ্ছে, তবে এটি এমন একটি বিষয় যা নিয়ে তিনি কথা বলতে চান।</p>
</article>

<article>এছাড়া প্রেসিডেন্ট মূলত সেভ আমেরিকা অ্যাক্ট পাস করাতে চান, যা মূলত ভোটারদের কঠোর পরিচয়পত্র যাচাই সংক্রান্ত একটি আইন।
<p>&nbsp;</p>

<p>বর্তমানে আইনটি কংগ্রেসে আটকে আছে। এ ছাড়া ২০২০ সালের নির্বাচন নিয়ে তার প্রশাসনের গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের পর্যালোচনার ফলাফলও তিনি উপস্থাপন করতে পারেন।</p>

<p>উল্লেখ্য, ২০২০ সালের নির্বাচনে নিজের পরাজয় ট্রাম্প কখনোই স্বীকার করেননি।</p>

<p>তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গুঞ্জন নাকচ করে দিয়েছেন ট্রাম্পের উপদেষ্টা।</p>
</article>

<article>গুজব ছড়িয়ে যে, প্রেসিডেন্ট জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের ২০২০ সালের সিনেট নির্বাচন নিয়ে কথা বলবেন। &nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>ট্রাম্প শেষ পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট কোনো বিষয়ে কথা বলবেন, তা আগে থেকে নিশ্চিত করে বলা কঠিন। তিনি মূলত জনগণের উদ্দেশে কথা বলতে চান এবং এটি আরো&nbsp;বেশি করার ইচ্ছা তার রয়েছে।</p>

<p>উপদেষ্টা বলেন, আমরা এই ধরনের ভাষণ নিয়মিত দেওয়ার একটি ধারা তৈরি করতে চাই। যখন আপনি প্রাইম টাইমে এমন ভাষণ দেবেন, তখন তা প্রেসিডেন্টের বক্তব্যকে মানুষের কাছে আরো বেশি শক্তিশালী ও গুরুত্বপূর্ণ করে তোলে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1351-55.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ফের উত্তপ্ত পাক অধিকৃত কাশ্মীর, পুলিশের গুলিতে নিহত ৬]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29044</link>
    <pubDate>Wed, 15 Jul 2026 09:57:04 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29044</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1415-44.jpg" />    <article>
<p>পাকিস্তান অধ্যুষিত কাশ্মীরে পুলিশের গুলিতে ৬ জন নিহত হয়েছে। মঙ্গলবার রাওয়ালকোটের নিউ বাস টার্মিনাল এলাকায় আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়।</p>
</article>

<article>এক পর্যায়ে পুলিশ গুলি করলে ৬ জন প্রাণ হারান।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>গত ৯ জুন শুরু হওয়া চলমান আন্দোলনে সরকারি হিসেবে এখন পর্যন্ত ২৬ জন প্রাণ হারিয়েছেন। তবে বিক্ষোভকারীদের হিসেবে মৃতের সংখ্যা ৪০ জনের বেশি।</p>

<p>দীর্ঘদিন ধরেই অশান্ত পাকিস্তান অধ্যুষিত কাশ্মীর।</p>
</article>

<article>নিত্যপণ্যের দাম কমানো ও বিদ্যুতের দামে ভর্তুকির দাবিতে ২০২৩ ও ২০২৫ সালে দুই দফা আন্দোলন হয় কাশ্মীরে। বিভিন্ন নাগরিক প্ল্যাটফর্ম মিলে গঠিত জয়েন্ট আওয়ামী অ্যাকশন কমিটি নামে একটি অরাজনৈতিক সংগঠন এ আন্দোলনের নেতৃত্ব দিচ্ছে।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>গত ৯ জুন থেকে ৩৮ দফা দাবিতে শুরু হয়েছে আন্দোলনে নতুন পর্যায়। আন্দোলনকারীরা বারবার আলটিমেটাম দিলেও সরকার তা কানে তুলছে না।</p>
</article>

<article>আন্দোলনকারীদের ৩৮ দফার মধ্যে আটা-ময়দাসহ নিত্যপণ্যের দাম কমানো, বিদ্যুতের দামে ভর্তুকি, ভিআইপিদের প্রটোকল বাতিলের মতো দাবি রয়েছে। তবে আগামী ২৭ জুলাই অনুষ্ঠেয় বিধানসভার নির্বাচনকে সামনে রেখে এবারের মূল দাবি হলো, বিধানসভায় কাশ্মীরের বাইরে থাকা কাশ্মীরি শরণার্থীদের জন্য ১২টি সংরক্ষিত আসন বাতিল।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>আন্দোলনকারীদের দাবি, এ সংরক্ষিত আসনকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে পাকিস্তান সরকার কাশ্মীরের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে এবং ইচ্ছামতো ছড়ি ঘোরায়।</p>

<p>পাকিস্তান সরকার দাবি মানার বদলে আন্দোলনকারীদের ওপর দমন-পীড়ন ও ব্যাপক ধরপাকড় চালায়। দমননীতির পাশাপাশি অঞ্চলটিতে খাদ্য, জ্বালানি এবং ওষুধসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় ও জীবনরক্ষাকারী পণ্যের প্রবেশ সীমিত বা পুরোপুরি বন্ধ করে দিয়েছে।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>ইন্টারনেট ও স্যাটেলাইট সেবাও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে গণমাধ্যমে। তবে সরকার যত দমন-পীড়ন চালাচ্ছে, আন্দোলন তত তীব্র হচ্ছে। এরই মধ্যে রাজপথে আজাদির দাবি উঠেছে।</p>

<p>আন্দোলনকারীরা মানুষের জীবন বাঁচাতে এবং মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করতে ভারতকে হস্তক্ষেপ করার অনুরোধ জানিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দাদের কাছে মানবিক সাহায্য পৌঁছানোর সুবিধার্থে তারা পুঞ্চ ও ডোডা সেক্টরে নিয়ন্ত্রণ রেখা খুলে দেওয়ারও দাবি জানান।</p>

<p>এদিকে পাকিস্তান অধ্যুষিত কাশ্মীরে চলমান আন্দোলনে সহিংসতার তীব্র সমালোচনা করেছে ভারত। মঙ্গলবার ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলা হয়, &lsquo;পাকিস্তান অধ্যুষিত কাশ্মীরে চলমান এই বিক্ষোভ মূলত পাকিস্তানের কয়েক দশক ধরে চালানো পদ্ধতিগত শোষণ, মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করা এবং অবৈধ ও জোরপূর্বক দখলে থাকা এলাকাগুলোতে প্রশাসনিক নিপীড়নের সরাসরি ফলাফল।&rsquo;</p>

<p>পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ বন্ধ রাখা, পুলিশের বর্বরতা এবং ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউটের জন্য পাকিস্তানের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, &rsquo;স্থানীয় জনগণের বৈধ ক্ষোভ বা দাবিগুলোর সমাধান করার পরিবর্তে, পাকিস্তান রাষ্ট্র অত্যন্ত নির্মম পুলিশি বর্বরতার আশ্রয় নিয়েছে, যার শিকার হয়েছে নিরীহ নারী ও শিশুরাও। ভারত স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছে যে, বেসামরিক নাগরিকদের ওপর এই দমন-পীড়নের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উচিত পাকিস্তানকে জবাবদিহির আওতায় আনা।</p>

<p>এদিকে সোমবার যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী কাশ্মিরীরা ওয়াশিংটনে হোয়াইট হাউসের সামনে বিক্ষোভ করেছেন। বিক্ষোভকারীরা ওই অঞ্চলের দ্রুত অবনতিশীল মানবিক সংকটের প্রতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করে হস্তক্ষেপের দাবি জানান।&nbsp;</p>

<p>বিক্ষোভকারীরা পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরের বেসামরিক এলাকাগুলো থেকে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী প্রত্যাহারের দাবি জানান। একই সাথে নিরস্ত্র বেসামরিক নাগরিকদের ওপর প্রাণঘাতী বলপ্রয়োগের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান।&nbsp;</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1415-44.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[১৬ বছর পর ফাইনালে স্পেন, অশ্রুসিক্ত বিদায় ফ্রান্সের]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/29043</link>
    <pubDate>Wed, 15 Jul 2026 09:56:15 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/29043</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1501-33.jpg" />    <article>
<p>রেফারি শেষ বাঁশি বাজানোর কিছুক্ষণ আগে টিভি ক্যামেরা ঘুরানো হলো এক ফরাসির শিশুর দিকে। মায়ের কোলে চড়ে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদছে সে।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>ধারাভাষ্যকার তখনই বললেন, &lsquo;ফ্রান্সকে আজ পুরোপুরি নাস্তানাবুদ করে ছাড়ল স্পেন।&rsquo; আক্ষরিক অর্থেই তা-ই।&nbsp;</p>

<p>অপ্টার সুপার কম্পিউটার থেকে শুরু করে দেশ-বিদেশের কতশত বিশেষজ্ঞ বিশ্বকাপ শুরুর আগেই ফ্রান্সকে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন বানিয়ে দিয়েছিল।&nbsp;</p>

<p>কিন্তু স্কোয়াড দেখে ভবিষ্যদ্বাণী করা আর মাঠে খেলে জিতে আসা যে এক নয়, তা আবারো প্রমাণ করল স্পেন।</p>
</article>

<article>ডালাসে বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনালে স্প্যানিশদের কাছে পাত্তাই পেল না তারকায় ঠাসা ফরাসিরা।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<figure><img alt="France" height="600" src="https://asset.kalerkantho.com/public/news_images/share/photo/shares/online/2026/07/15/my1236/Doue Disappointed.jpg" width="1000" />
<figcaption>বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের হতাশায় মুখ ঢেকেছেন ফ্রান্সের দেজিরে দুয়ে। ছবি: ফিফা</figcaption>
</figure>

<p>পেনাল্টি থেকে মিকেল ওইয়ারজাবালের পর পেদ্রো পোরোর গোলে ফ্রান্স ২-০ ব্যবধানে হারিয়ে ফাইনালে উঠল স্পেন। আগামী রবিবার রাতে নিউ জার্সিতে শ্রেষ্ঠত্বের মঞ্চে আর্জেন্টিনা অথবা ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবে স্পেন।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>এর আগে একবারই বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলেছিল স্পেন। ২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত আসরে চ্যাম্পিয়নও হয়েছিল তারা।&nbsp;</p>

<p>অন্য দিনগুলোতে এমবাপ্পে, দেম্বেলে এবং ওলিসে প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগে ত্রাস সৃষ্টি করেছিলেন। কিন্তু আজ স্পেনের জমাট রক্ষণের সামনে তারা যেন হয়ে পড়েছিলেন বোতলবন্দী। খুব বেশি গোলের সুযোগ তৈরি করা দূরে যাক, স্পেনের বক্সে ঢুকতেই বেগ পেতে হয়েছে তাদের।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>এই ম্যাচ জিতলে জার্মানি (১৯৮২, ১৯৮৬, ১৯৯০) ও ব্রাজিলের (১৯৯৪, ১৯৯৮, ২০০২) পর তৃতীয় দল হিসেবে টানা তিন বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলার কীর্তি গড়ত ফ্রান্স। কিন্তু আজ তাদেরই হারিয়ে টানা ৩৭ ম্যাচ অপরাজিত থাকার বিশ্ব রেকর্ডে ইতালিকে ছুঁয়ে ফেলল স্পেন।</p>

<p>আন্তর্জাতিক ফুটবলে এখন সবচেয়ে বেশি ম্যাচ না হারার রেকর্ড এখন যৌথভাবে ইতালি ও স্পেনের। স্প্যানিশদের আগে ইতালিয়ানরা এই কীর্তি গড়েছিল ২০১৮ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে।&nbsp;</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1501-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বাংলাদেশ অ্যাথলেট দলকে ব্রিটিশ হাইকমিশনের সংবর্ধনা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/29042</link>
    <pubDate>Wed, 15 Jul 2026 09:55:14 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/29042</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1542-22.jpg" />    <article>
<p>২০২৬ সালের কমনওয়েলথ গেমসে অংশ নিতে যাওয়া বাংলাদেশ অ্যাথলেট দলের সাফল্য কামনা করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক। চলতি মাসের শেষের দিকে স্কটল্যান্ডের গ্লাসগোতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া কমনওয়েলথ গেমসের প্রতিযোগী বাংলাদেশি অ্যাথলেটদের জন্য একটি সংবর্ধনার আয়োজন করে ঢাকাস্থ ব্রিটিশ হাইকমিশন।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে হাইকমিশনার সারাহ কুক বলেন, কমনওয়েলথ গেমস &lsquo;সত্যিই বিশেষ কিছু&rsquo;। কারণ এটি অভিন্ন মূল্যবোধে ঐক্যবদ্ধ বিভিন্ন দেশের এক বৈচিত্র্যময় পরিবারকে একত্রিত করে।</p>

<p>তিনি বলেন, &lsquo;বাংলাদেশ থেকে এই চমৎকার অ্যাথলেট দলটি আর মাত্র কয়েক দিন পরেই গ্লাসগোর উদ্দেশে রওনা হবে। আমি তাদের শুভ কামনা জানাই।</p>
</article>

<article>&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>২০১৪ সালের পর এ নিয়ে তৃতীয়বারের মতো যুক্তরাজ্যের গ্লাসগোতে এই ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এটি কমনওয়েলথের প্রতি ব্রিটেনের প্রতিশ্রুতি এবং মানুষকে ঐক্যবদ্ধ, অনুপ্রাণিত ও ইতিবাচক পরিবর্তনের দিকে ধাবিত করার ক্ষেত্রে খেলাধুলার শক্তিকে পুনর্ব্যক্ত করে।&nbsp;</p>

<p>অনুষ্ঠানে বাংলাদেশি অ্যাথলেটদের নিষ্ঠা, কঠোর পরিশ্রম ও সাফল্যের প্রশংসা করা হয় এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের প্রতিনিধিত্ব করার প্রস্তুতি নেওয়ার সময় তাদের প্রতি আন্তরিক শুভকামনা জানানো হয়।</p>

<p>বাংলাদেশ এই প্রতিযোগিতায় অ্যাথলেটিকস, বক্সিং, আর্টিস্টিক জিমন্যাস্টিকস এবং সাঁতার&mdash;এই চারটি ইভেন্টে অংশ নেবে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>অনুষ্ঠানটি আধুনিক কমনওয়েলথের মূল্যবোধ ধারণের পাশাপাশি বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যকার দীর্ঘদিনের অংশীদারির বিষয়টিও ফুটিয়ে তুলেছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1542-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[‘এসব সহ্য করব না’, ফটোগ্রাফারদের জারিন খানের কড়া বার্তা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/29041</link>
    <pubDate>Wed, 15 Jul 2026 09:54:33 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/29041</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1640-11.jpg" />    <article>
<p>এক অনুষ্ঠানে ফটোগ্রাফারের অপ্রাসঙ্গিক মন্তব্যে ক্ষুব্ধ হয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী জারিন খান। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, &lsquo;এসব সহ্য করব না, সবাই সীমার মধ্যে থাকুন।</p>
</article>

<article>&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম <strong><a href="https://www.ndtv.com/entertainment/zareen-khan-slams-photographers-over-inappropriate-try-the-dress-remark-in-viral-clip-hadh-mein-rehna-11769107">এনডিটিভি</a></strong>র এক প্রতিবেদন এ তথ্য জানায়।</p>

<p>মুম্বাইয়ে একটি পোশাক ব্র্যান্ডের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন জারিন। সেখানে তিনি একটি ডেনিম জ্যাকেট ও একটি পোশাক হাতে নিয়ে ক্যামেরার সামনে ছবি তুলছিলেন।</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/entertainment/2026/07/14/1711409" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>এ সময় একজন ফটোগ্রাফার তাকে বলেন, &lsquo;ড্রেসটি পরে দেখান।</p>
</article>

<article>&rsquo; মন্তব্যটি শুনেই বিরক্ত হন জারিন।
<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি সঙ্গে সঙ্গে জবাব দেন, &lsquo;সবার সামনে? সেটা হবে না। আমার সঙ্গে এমন বাজে কথা বলবেন না। আমি এসব সহ্য করব না।</p>
</article>

<article>সবাই নিজের সীমার মধ্যে থাকুন।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>এই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকেই জারিনের প্রতিক্রিয়াকে সমর্থন জানিয়েছেন।</p>

<p>এর আগেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অশালীন মন্তব্যের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন জারিন খান। তিনি অভিযোগ করেছিলেন, নতুন কোনো ছবি বা পোস্ট দিলেই কিছু মানুষ অশোভন মন্তব্য ও আপত্তিকর ইমোজি দিয়ে ভরে ফেলেন মন্তব্যের ঘর।</p>
</article>

<article>এসব আচরণের কড়া সমালোচনা করেছিলেন তিনি।&nbsp;</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1640-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বিশ্বকাপ থেকে আর্জেন্টিনাকে বহিষ্কারের দাবিতে ৬০ লাখের পিটিশন!]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/29040</link>
    <pubDate>Wed, 15 Jul 2026 09:24:15 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/29040</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/07142026_image01_argentina_worldcup.jpg" />    <p>স্পোর্টস ডেস্ক: চলমান ফিফা বিশ্বকাপকে ঘিরে নতুন বিতর্কের জন্ম হয়েছে। আর্জেন্টিনার পক্ষে রেফারিদের পক্ষপাতমূলক সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছে&mdash;এমন অভিযোগ তুলে দেশটিকে বিশ্বকাপ থেকে বহিষ্কারের দাবিতে একটি অনলাইন পিটিশন চালু হয়েছে। পিটিশনের উদ্যোক্তাদের দাবি, ইতোমধ্যে এতে ৬০ লাখেরও বেশি মানুষ সমর্থন জানিয়েছেন। পিটিশনে অভিযোগ করা হয়েছে, টুর্নামেন্টে একাধিক ম্যাচে আর্জেন্টিনা এবং দলটির অধিনায়ক লিওনেল মেসির পক্ষে বিতর্কিত রেফারিং সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।</p>

<p>তাদের দাবি, এসব সিদ্ধান্ত প্রতিযোগিতার নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে এবং অন্যান্য অংশগ্রহণকারী দলের প্রতি অবিচার হয়েছে। বিশেষ করে মিশরের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার শেষ ষোলোর ম্যাচের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রেফারিং নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। মিশরীয় ফুটবল মহলও কয়েকটি সিদ্ধান্ত নিয়ে আপত্তি জানায় এবং ম্যাচ পরিচালনা নিয়ে প্রশ্ন তোলে। তবে ফিফা এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। সংস্থাটির রেফারিং প্রধান পিয়েরলুইজি কলিনা বলেছেন, ম্যাচ পরিচালনায় নিয়োজিত কর্মকর্তারা সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালন করেন এবং ভিএআরের সিদ্ধান্তও ফুটবল আইনের আলোকে নেওয়া হয়েছে।</p>

<p><img alt="" src="https://khabor.com/upload/images/news/07142026_image02_argentina_worldcup.jpg" style="width: 899px; height: 506px;" /></p>

<p>তিনি আরও বলেন, ভিত্তিহীন অভিযোগ রেফারিদের নিরাপত্তা ও পেশাগত মর্যাদার জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। এদিকে আর্জেন্টিনার প্রধান কোচ লিওনেল স্কালোনিও পক্ষপাতের অভিযোগ নাকচ করে দিয়েছেন। তাঁর ভাষ্য, সফল দলগুলোর বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ নতুন নয় এবং দল এসব বিতর্কে মনোযোগ না দিয়ে মাঠের খেলায় মনোযোগী রয়েছে।</p>

<p>উল্লেখ্য, অনলাইন পিটিশন কোনো আনুষ্ঠানিক আইনি বা সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নয় এবং এ পর্যন্ত ফিফা আর্জেন্টিনাকে বহিষ্কার করার বিষয়ে কোনো প্রক্রিয়া শুরু করেনি। ফলে পিটিশনটি মূলত জনমত প্রকাশের একটি উদ্যোগ হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/07142026_image01_argentina_worldcup.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বকাপ ফাইনালের মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বাংলাদেশী-আমেরিকান শিল্পী জিহানের চিত্রকর্ম]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/29039</link>
    <pubDate>Tue, 14 Jul 2026 09:26:39 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/29039</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/131-aa.jpg" />    <p>বিশ্বকাপ ফাইনাল এবার অনুষ্ঠিত হবে নিউজার্সীর মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ১৯ জুলাই। নতুন চ্যাম্পিয়নের হাতে তুলে দেয়া হবে স্বপ্নের কাপ। আর এই মেটলাইফ ওয়ার্ল্ডকাপ স্টেডিয়ামের ভিআইপি লাউঞ্জে বিশাল ম্যুরাল একেঁছেন বাংলাদেশী-আমেরিকান তরুণ শিল্পী জিহান ওয়াজেদ। লাউঞ্জটির সৌন্দর্য বর্ধনে ৪০ ফুট দীর্ঘ ও ১৬ ফুট প্রস্থের চিত্রকর্মটিতে নিউজার্সী, নিউইয়র্কের পাশাপাশি মূর্ত হয়ে উঠেছে আমেরিকার ঐতিহ্যবাহী নিদর্শনগুলো। বিশ্বকাপ ফাইনালে ভিআইপি দর্শকদের চমকে দিবে শিল্পী জিহান ওয়াজেদ&rsquo;র এই চিত্রকর্ম। এর আগে নিউইয়র্ক আন্তর্জাতিক স্পোর্টস কমপ্লেক্স বিলি জিন কিং ন্যাশনাল টেনিস সেন্টারের মূল ফটকে স্থায়ী একটি বিশাল মূর&zwnj;্যাল একেঁছেন জিহান।<br />
সাড়ে ৮২ হাজার দর্শক ধারণ ক্ষমতার মেটলাইফ স্টেডিয়ামটি নির্মিত হয়েছে ১.৬ বিলিয়ন ডলারে। বিশ্বকাপ উপলক্ষে অনন্য সাজে সাজানো হয়েছে স্টেডিয়ামটি। ভিআইপি লাউঞ্জকে সজ্জিত করা হয়েছে চোখ ধাধাঁনো সাজে। ইতোমধ্যেই অনুষ্ঠিত হয়েছে একটি খেলা। শুধু স্টেডিয়াম নয়, শিল্পী জিহান ওয়াজেদ&rsquo;র আঁকা ম্যুরাল সৌন্দর্য্য বর্ধন করে চলেছে বিশ্বের রাজধানীখ্যাত নিউইয়র্ক মহানগরীসহ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন রাজ্যে। আমেরিকার মূলধারার গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় ম্যুরাল এঁকে সম্প্রতি ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছেন জিহান। বাংলাদেশের চিরায়ত ঐতিহ্য ও প্রাকৃতিক দৃশ্যাবলীও স্থান পাচ্ছে তার আঁকা ম্যুরালে। জিহানের চিত্রকর্মে ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের প্রকৃত এবং প্রাণবন্ত প্রতিচ্ছবি। যার মধ্য দিয়ে মূল শেকড়, ঐতিহ্য ও ভাষাগত পরিচিতির সম্মান ও মর্যাদা বজায় রাখার প্রয়াস লক্ষ্য করা যায়।<br />
চিত্রাঙ্কন ছাড়াও ভাস্কর্য, কোরিওগ্রাফি এবং সৃজনশীল নতুন মিডিয়ার সঙ্গে জড়িত জিহান ওয়াজেদ। তার শিল্পকর্ম দেয়াল চিত্র ও নৃত্য দ্বারা অনুপ্রাণিত এবং তিনিই প্রথম অগ্রবর্তী বাস্তববাদী শিল্পী। ম্যানহাটানের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে বিশাল স্টুডিও রয়েছে জিহান ওয়াজেদের। তার অন্যতম শিল্পকর্মের মধ্যে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার ভবন, নিউইয়র্কের জনএফ কেনেডি এয়ারপোর্টের টার্মিনাল-ফোর, নিউইয়র্ক আন্তর্জাতিক স্পোর্টস কমপ্লেক্স বিলি জিন কিং ন্যাশনাল টেনিস সেন্টার, কুইন্স হাসপাতালে সাড়ে ১২&rsquo;শ বর্গফুটের বিশালকায় ম্যুরাল, এস্টোরিয়ায় ৭০০ ফুট দীর্ঘ এ্যায়ুগমেন্টেড রিয়ালিটি ম্যুরাল, নিউজার্সির মেটলাইফ ওয়ার্ল্ডকাপ স্টেডিয়াম ও এস্টোরিয়ায় ১৭৭ ফিট দীর্ঘ &lsquo;ওয়েলকাম এস্টোরিয়া&rsquo; ম্যুরালটি অন্যতম। জিহান ওয়াজেদের বিমূর্ত ম্যুরালগুলোর অণুপ্রেরণা মানবিক যোগসূত্রের সেই শক্তি থেকে, যা সকল প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে সুযোগ সৃষ্টি করে দেয় শান্তির। তাঁর একান্ত ইচ্ছা সিটিতে যেখানে তার নিজের আবাস, সেই কুইন্সকে আরও নান্দনিক করে তোলা। সম্প্রতি তাঁকে &lsquo;আর্থার অ্যশে স্টেডিয়াম&rsquo; এ &lsquo;ইউএস ওপেন&rsquo; এর জন্য একটি স্থায়ী ম্যুরাল আঁকার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল, যেটি তিনি সম্পন্ন করেছেন। জিহান ওয়াজেদেও &lsquo;ঐঁংঃষব ধহফ ইঁংঃষব&rsquo; (ব্যস্ততা ও কোলাহল) মুর&zwnj;্যালটি সিটির কুইন্স বরোর বহুমুখী ও প্রাণবন্ত শক্তিকে ধারণ করেছে। কুইন্সকে সাধারণভাবে দৃশ্যত কোলাহলপূর্ণ ও বিশৃঙ্খল মনে হতে পারে। কিন্তু বিস্তৃত দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে উপলব্ধি করা সম্ভব যে, সবকিছু কীভাবে একতালে ঘড়ির কাঁটার মতো বিরামহীনভাবে চলছে। বাংলাদেশী অধ্যুষিত জ্যাকসন হাইটস ও জ্যামাইকায় তার আঁকা মূর&zwnj;্যাল প্রশংসিত হয়েছে। এছাড়া নিউইয়র্ক সিটির বিভিন্ন এলাকায় বড় বড় ম্যুরাল অঙ্কন করেছেন জিহান ওয়াজেদ।<br />
নিউইয়র্কের ম্যানহাটানস্থ গ্যালারীতে তার বেশ কয়েকটি একক চিত্র প্রদর্শনী ব্যাপক সাড়া জাগায় মুলধারার দর্শকের মাঝে। ২০২৫ সালের অক্টোবরে প্যারিসে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক চিত্রকর্ম প্রদর্শনীতেও অংশ নেন জিহান। স্টুডিওতে ছবি আঁকার পাশাপাশি তার নিজস্ব স্টাইলে ম্যুরাল আঁকছেন। জিহানের প্রাথমিক আগ্রহ ছিল গ্রাফিতি আঁকায়। গ্রাফিতি থেকেই তিনি খুঁজে নিয়েছেন ম্যুরালের নিজস্ব ও নূতন ধারা। তার এই ধারাকে পছন্দ করছে শিল্প ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের শহর নিউইয়কের্র শিল্পবোদ্ধারা। জিহানের শিল্পকর্ম চোখ ধাঁধায়, হৃদয়ে দেয় প্রশান্তি, নানাভাবে দোলা দেয় চেতনায়। তার চিত্রকর্ম সৃষ্টি করে নিরাময় ও দৃষ্টিসুখের পরিবেশ। জিহানের শিল্পকর্মে প্রস্ফুটিত হয়ে ওঠে বাংলাদেশের পতাকার লাল ও সবুজ রঙ। জিহান তার শিল্পকর্ম দিয়ে গর্বিত করে চলেছেন আমেরিকার বহুজাতিক সমাজে বাংলাদেশী ইমিগ্র্যান্ট কমিউনিটিকে। কমিউনিটি ম্যুরাল প্রকল্পের অধীনে তার আঁকা চিত্রকর্ম নিউইয়র্ক সিটির হাসপাতালের নান্দনিক সৌন্দর্য বৃদ্ধির পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্যের বিকাশেও অবদান রাখায় ইতোমধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে প্রকল্পটি। তার ম্যুরালের রয়েছে নিজস্ব ও নূতন ধারা।</p>

<p><img alt="" src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1-nn.jpg" style="width: 720px; height: 892px;" /><br />
সম্প্রতি বাংলাদেশী আমেরিকান ব্যবসায়ীদের প্রাণকেন্দ্র জ্যাকসন হাইটসের ডাইভারসিটি প্লাজায় জিহানের আঁকা বাংলাদেশ ম্যুরাল ব্যাপক সাড়া জাগায় কমিউনিটিতে। ডাইভারসিটি প্লাজার দক্ষিণের ভবনটির প্রশস্থ দেয়ালে স্থান পায় বাংলাদেশ ম্যুরাল।<br />
জিহান ওয়াজেদ&rsquo;র জন্ম চিকিৎসক পিতার কর্মস্থল লিবিয়ার বেনগাজীতে। তার পিতা নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক বাংলাদেশ&rsquo;র সম্পাদক। নিউইয়র্কেই শিক্ষাজীবন শুরু জিহানের। মেধাবী জিহান পড়াশুনা করেছেন স্টাইভ্যাসেন্ট হাইস্কুলে এবং মিকৌলে অনারি প্রোগ্রামে বারুখ কলেজ থেকে পারসেপচুয়াল সাইকোলজিতে গ্রাজুয়েশন করলেও তার মনোযোগ একমাত্র ছবি আঁকায়। চিত্রকর্মের উপর তার কোন প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা না থাকলেও শৈশব থেকেই ছবি আঁকার প্রতি ছিল প্রবল আকর্ষন। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন চিত্রাঙ্কণ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে হয়েছেন পুরস্কৃত। বাংলাদেশের প্রকৃতি ও গ্রামীন জীবনের উপর তার রয়েছে দুর্বার আকর্ষণ। বাংলাদেশেও তার চিত্রকর্মের ছাপ রাখতে চান জিহান ওয়াজেদ।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/131-aa.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিউইয়র্কে জুলাই বিপ্লবের দ্বিতীয় বার্ষিকী উদযাপন কমিটি গঠন, ৮ আগস্ট আন্তর্জাতিক স্মরণানুষ্ঠান]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/29038</link>
    <pubDate>Tue, 14 Jul 2026 09:25:32 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/29038</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/66-a.jpg" />    <p>ঐতিহাসিক জুলাই বিপ্লবের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে নিউইয়র্কে ১৩ সদস্যবিশিষ্ট কেন্দ্রীয় উদযাপন কমিটি গঠন করা হয়েছে। একই সঙ্গে আগামী ৮ আগস্ট জ্যাকসন হাইটসের ডাইভার্সিটি প্লাজায় দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক স্মরণ, শ্রদ্ধা ও ঐক্য অনুষ্ঠানের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।</p>

<p>বুধবার (৮ জুলাই) সন্ধ্যায় জ্যাকসন হাইটসের কাবাব কিং রেস্টুরেন্টে প্যাট্রিয়টস অব বাংলাদেশ ও বাংলাদেশি-আমেরিকান প্যাট্রিয়টসের উদ্যোগে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলন পরিচালনা করেন এ. কে. আব্দুল কাদের।</p>

<p>সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ড. শেখ মিজানকে প্রধান করে ১৩ সদস্যবিশিষ্ট একটি কেন্দ্রীয় উদযাপন কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন ড. আবিদ বাহার, ডা. জুনুন চৌধুরী, মোহাম্মদ আজিজুর রহমান, রহমত উল্লাহ, হাজী আনোয়ার হোসেন লিটন, এমদাদ চৌধুরী দীপু, মিসবাহ উদ্দিন আহমদ, এ. কে. আব্দুল কাদের, আবুল কালাম আজাদ, রেজাউল করিম, নূরুল হক চৌধুরী, জাবেদ আহমদ, আব্দুল আলীম এবং দীপন গাজী।</p>

<p data-added-after="1">সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, জুলাই বিপ্লব বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। শহীদদের আত্মত্যাগ ও আহত সংগ্রামীদের অবদান স্মরণে দ্বিতীয় বার্ষিকীকে শুধু স্মরণানুষ্ঠান হিসেবে নয়, বরং নতুন প্রজন্মের কাছে ইতিহাস, মানবিক মূল্যবোধ ও গণতান্ত্রিক চেতনা তুলে ধরার একটি আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে উদযাপন করা হবে।</p>

<p>সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, &lsquo;জান দেবো, কিন্তু জুলাই দেবো না&rsquo; প্রতিপাদ্যে এবং শহীদ ওসমান বিন হাদির স্মৃতির উদ্দেশ্যে নিবেদিত আন্তর্জাতিক স্মরণ, শ্রদ্ধা ও ঐক্য অনুষ্ঠান আগামী ৮ আগস্ট নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসের ডাইভার্সিটি প্লাজায় দুপুর ১২টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে।</p>

<p>দিনব্যাপী অনুষ্ঠানে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত ও বিশেষ দোয়া, জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্মরণ, দেশাত্মবোধক ও সংগ্রামী সংগীত, ইসলামী নাশীদ, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, আর্ট ও আলোকচিত্র প্রদর্শনী, ভিডিও ডকুমেন্টারি, উন্মুক্ত সাংস্কৃতিক পর্ব, আন্তর্জাতিক থিংক ট্যাঙ্ক সেশন এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখা ব্যক্তি ও সংগঠনকে সম্মাননা দেওয়ার কর্মসূচি রয়েছে।</p>

<p data-added-after="1">বক্তারা বলেন, এ আয়োজনের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানবাধিকারকর্মী, গবেষক, নীতিনির্ধারক, শিক্ষাবিদ, গণমাধ্যম প্রতিনিধি ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের সামনে জুলাই বিপ্লবের ইতিহাস, আত্মত্যাগ এবং গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষার বার্তা তুলে ধরা হবে।</p>

<p>সভার শেষে মোহাম্মদ আজিজুর রহমান ও ড. শেখ মিজান অনুষ্ঠানটি সফল করতে প্রবাসী বাংলাদেশি, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন, গণমাধ্যম, মানবাধিকারকর্মী এবং সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন।</p>

<p>সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন &lsquo;উই আর দ্য পিপলস&rsquo;র প্রধান জ্যাকব মিল্টন, কবি &nbsp;কাজী জহিরুল ইসলাম , ড. নিজাম উদ্দিন (এনওয়াইইউ), ডা. জুনুন চৌধুরী (নিউরোলজি অ্যান্ড সাইকিয়াট্রি), প্রফেসর শেখ মিজান, ড. শামীম আহমেদ (ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস), ড. কাওসার আহমেদ (এনওয়াইইউ), গোলাপী বেগম, মিসেস রুকসানা, এমদাদ চৌধুরী দীপু (বাংলাদেশ ফোরাম), হাজী আনোয়ার হোসেন (কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট), রকস্টার ব্যান্ডের ভোকাল বিপ্লব, শাহ ইসলাম, এমডি আশিক, এমডি আরমান, এমডি শফিক, এমডি রেজাউল করিম এবং দীপন গাজীসহ কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/66-a.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ঢাকার ৪১৬ বছর পূর্তিতে ‘ঢাকা উৎসব’, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29037</link>
    <pubDate>Tue, 14 Jul 2026 09:22:36 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29037</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/948-1.jpg" />    <article>
<p>ঢাকা পৌরসভার ৪১৬ বছর পূর্তি উপলক্ষে আগামী ১ আগস্ট &lsquo;ঢাকা উৎসব&rsquo; আয়োজন করতে যাচ্ছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই উৎসবের উদ্বোধন করবেন বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটির প্রশাসক আব্দুস সালাম।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>সোমবার ডিএসসিসির অডিটরিয়ামে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি। এ সময় সবাইকে &lsquo;ঢাকা উৎসব&rsquo;-এর আমন্ত্রণ জানান।</p>

<p>আব্দুস সালাম বলেন, &lsquo;আগামী ১ আগস্ট ঢাকা পৌরসভার ৪১৬ বছর পূর্তি হতে যাচ্ছে। এ উপলক্ষে ১ আগস্ট আমরা ঢাকা উৎসব উদযাপন করতে চাই।</p>
</article>

<article>প্রধানমন্ত্রী ঢাকা উৎসব অনুষ্ঠান উদ্বোধনের সম্মতি জানিয়েছেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি বলেন, ঢাকা শহরের কৃষ্টি, সাহিত্য, ঐতিহ্য&mdash;আমরা মানুষের মনে ফিরিয়ে দিতে চাই।</p>

<p>ঢাকা দিবস উদযাপনে ১ থেকে ৭ আগস্ট পর্যন্ত ৭ দিনের কর্মসূচির উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন বলেও জানান তিনি।</p>

<p>দক্ষিণ সিটি প্রশাসক আব্দুস সালাম বলেন, &lsquo;প্রথম দিন লালবাগ কেল্লা থেকে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী।</p>
</article>

<article>একই সঙ্গে আদি ঢাকার খাবারের স্টল পরিদর্শন, ক্লিন ঢাকা ও মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম, ঘুড়ি উৎসব, নৌকাবাইচসহ নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে।&rsquo;</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/948-1.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে ১০ লাখ ডলারের বেশি অনুদান যুক্তরাষ্ট্রের]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29036</link>
    <pubDate>Tue, 14 Jul 2026 09:21:57 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29036</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/814-99.jpg" />    <article>
<p>বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে গত ২৫ বছরে ১৩টি প্রকল্পে ১০ লাখ মার্কিন ডলারের বেশি অনুদান দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এর ধারাবাহিকতায় &lsquo;অ্যাম্বাসাডরস ফান্ড ফর কালচারাল প্রিজারভেশন&rsquo; (এএফসিপি) কর্মসূচির আওতায় নতুন করে ২ লাখ ৩৫ হাজার মার্কিন ডলার সহায়তা দেওয়া হয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>সোমবার (১৩ জুলাই) সচিবালয়ে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেনের সৌজন্য সাক্ষাতে এ তথ্য জানানো হয়।</p>

<p>বৈঠকে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, শিক্ষা, শিল্প, সংস্কৃতি এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা হয়। রাষ্ট্রদূত জানান, এএফসিপির অর্থায়নে বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুঘল আমলের ঐতিহাসিক মুসা খান মসজিদের ইসলামিক স্থাপত্যবৈশিষ্ট্য পুনরুদ্ধার, ডিজিটাল আর্কাইভ তৈরি এবং তরুণ স্থপতিদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।</p>

<p>এ ছাড়া এ তহবিলের সহায়তায় পুরান ঢাকার শাঁখারীবাজার, লালবাগ কেল্লার একটি অংশ সংরক্ষণ, বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘরের আধুনিকীকরণ এবং বাউল গান, জামদানি তাঁতশিল্প ও প্রাচীন ধাতব ঢালাইয়ের মতো বাংলাদেশের অমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও দলিলকরণের কাজ পরিচালিত হচ্ছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/national/2026/07/13/1710906" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>বৈঠকে সোনারগাঁওয়ের ঐতিহাসিক পানাম নগরের সমন্বিত উন্নয়ন পরিকল্পনা, যৌথভাবে &lsquo;ইউএস-বাংলাদেশ কালচারাল ফেস্টিভাল&rsquo; আয়োজন, বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং শিল্পী বিনিময় কর্মসূচি চালুর সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়।</p>

<p>সংস্কৃতিমন্ত্রী ২০১৩ সালে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে পাঠানো দ্বিপক্ষীয় সাংস্কৃতিক সহযোগিতা চুক্তির খসড়া দ্রুত চূড়ান্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। জবাবে মার্কিন রাষ্ট্রদূত জানান, প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আইনি প্রক্রিয়া শেষ হলেই এ বিষয়ে অগ্রগতি হবে।</p>

<figure><img alt="lll" height="600" src="https://asset.kalerkantho.com/public/news_images/share/photo/shares/online/2026/07/13/my1248/6a54d59224f78.jpg" width="1000" />
<figcaption>&nbsp;</figcaption>
</figure>

<p>বৈঠকে সংস্কৃতিমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০তম বার্ষিকী উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানান এবং আসন্ন &lsquo;নজরুলবর্ষ&rsquo;-এর বিভিন্ন আয়োজনে অংশ নেওয়ার জন্য মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে আমন্ত্রণ জানান।</p>
</article>

<article>এ সময় কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্যকর্ম সংরক্ষণ ও অনুবাদ প্রসঙ্গে আলোচনা হলে রাষ্ট্রদূত জানান, যুক্তরাষ্ট্রের লাইব্রেরি অব কংগ্রেস নজরুলের সাহিত্যকর্ম সংগ্রহ ও সংরক্ষণে আগ্রহী।
<p>&nbsp;</p>

<p>বৈঠক শেষে সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী ও মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন শুভেচ্ছা স্মারক বিনিময় করেন। উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সাংস্কৃতিক সহযোগিতা আরো সম্প্রসারণের আশা প্রকাশ করেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/814-99.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ওআইসি সম্মেলনের ফাঁকে ইরানের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদল]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/diplomatic/29035</link>
    <pubDate>Tue, 14 Jul 2026 09:20:40 +0600</pubDate>
    <category> কূটনৈতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/diplomatic/29035</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1007-88.jpg" />    <article>
<p>পাকিস্তানের ইসলামাবাদে আয়োজিত দুই দিনব্যাপী নারী বিষয়ক নবম ওআইসি মিনিস্ট্রিয়াল সম্মেলনে সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেনের নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি প্রতিনিধিদল যোগদান করেছে।</p>

<p>&nbsp;এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ইসলামাবাদের জিন্নাহ কনভেনশন সেন্টারে ১২ ও ১৩ জুলাই দুই দিনব্যাপী এ সম্মেলনে অংশ নেওয়া বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলে রয়েছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ইয়াসমীন পারভীন এবং মন্ত্রীর একান্ত সচিব ড. মো. মাহমুদুল হক।</p>
</article>

<article>এ ছাড়া পাকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খানও এ সম্মেলনে যোগদান করেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>এ সম্মেলনে ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা ওআইসির সদস্যভুক্ত রাষ্ট্রসমূহের মন্ত্রী পর্যায়ের প্রতিনিধিবৃন্দ অংশ নিয়েছেন।</p>

<p>সম্মেলনের সাইডলাইনে গতকাল সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন ইরানের নারী ও পরিবার বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট যাহ্রা বেহেরোজ আযারের সঙ্গে বৈঠক করেন।</p>

<p>এতে আরো উপস্থিত ছিলেন পাকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান এবং ইরানের ডেপুটি হেড অব মিশন নাবি ওল্লাহ সিরাজি।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>বৈঠকে অন্তর্ভুক্তিমূলক মানবিক সমাজ গঠনে ইসলামিক উম্মাহর পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়াদি নিয়ে আলোচনা হয়।</p>

<p>এ সময় মন্ত্রী বিভিন্ন সেক্টরে বাংলাদেশে নারী উন্নয়ন ও অগ্রগতির চিত্র তুলে ধরেন। নারীদের উন্নয়নে সাম্প্রতিক চালুকৃত ফ্যামিলি কার্ডের বিষয়টি তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নারী ও শিশু এবং সামাজিক উন্নয়নে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধির আহ্বান জানান।</p>

<p>ইরানের ভাইস প্রেসিডেন্ট সম্প্রতি অনুষ্ঠিত সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার জানাজায় বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলের অংশগ্রহণের জন্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি নারীর উন্নয়নে বাংলাদেশকে রোল মডেল হিসেবে উল্লেখ করেন এবং নারীর উন্নয়নে বাংলাদেশ সরকারের গৃহীত পদক্ষেপসমূহের ভূয়সী প্রশংসা করেন। শিক্ষা ক্ষেত্রে ইরানের নারীদের অগ্রগতির বিষয়টি তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন। তিনি নারীর উন্নয়নে মুসলিম উম্মাহর একসঙ্গে কাজ করার অভিপ্রায় ব্যক্ত করেন এবং মন্ত্রীকে ইরান সফরের আমন্ত্রণ জানান।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1007-88.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিষিদ্ধ করতে চাওয়া জাপা নেতার বাড়িতে খাওয়া শেষে রাত্রিযাপন নাহিদ-হাসনাতের]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/bangladesh/29034</link>
    <pubDate>Tue, 14 Jul 2026 09:19:38 +0600</pubDate>
    <category> সারাবাংলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/bangladesh/29034</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1130-77.jpg" />    <article>
<p>জাতীয় পার্টির (জাপা) এক প্রেসিডিয়াম সদস্যের বাড়িতে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) শীর্ষ দুই নেতা নাহিদ ইসলাম ও হাসনাত আবদুল্লাহর অবস্থান নিয়ে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে।</p>

<p>রবিবার (১২ জুলাই) রাতে চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার বৈলছড়ি গ্রামের ঐতিহ্যবাহী &lsquo;খান বাহাদুর বদি আহমদ বাড়ি&rsquo;তে অবস্থান করেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে অনুষ্ঠিত তিনটি নির্বাচনে সহযোগিতার অভিযোগে একসময় জাতীয় পার্টির রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধের দাবি জানিয়েছিল এনসিপি। সেই দলেরই এক শীর্ষ নেতার বাড়িতে বন্যাদুর্গত মানুষের জন্য ত্রাণ দিতে এসে দলটির শীর্ষ দুই নেতার রাতযাপন ও নৈশভোজের বিষয়টি স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ ও আলোচনার জন্ম দিয়েছে।</p>

<p>স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৈলছড়ি গ্রামের ওই বাড়িটি জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরীর। তিনি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রথম মেয়র এবং জাতীয় পার্টির আমলে দুই দফায় বাঁশখালী আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন।</p>
</article>

<article>এর আগে ১৯৭৯ সালে বিএনপি থেকেও তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>এ বিষয়ে জানতে চাইলে মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী কালের কণ্ঠকে বলেন, &lsquo;আমি বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করছি। বাড়িটি আমাদের ছয় ভাইয়ের নামে। এনসিপি নেতাদের আমাদের বাড়িতে অবস্থানের বিষয়ে প্রথমে আমি কিছু জানতাম না, পরে শুনেছি তারা সেখানে ছিলেন।</p>
</article>

<article>&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি আরো বলেন, &lsquo;আমার এক ছোট ভাই আমেরিকায় থাকেন। তার সঙ্গে হয়তো তাদের কোনো যোগাযোগ থাকতে পারে। তবে আমাদের পরিবারের কেউ এনসিপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত নয়।&rsquo;</p>

<p>স্থানীয় বাসিন্দারা জানায়, রবিবার রাতে এনসিপি নেতাদের থাকা-খাওয়ার সার্বিক বিষয়টি দেখভাল করেছেন মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরীর বড় ভাই অলিউল ইসলাম চৌধুরী শুক্কু মিয়ার ছেলে রহিমুল এহসান চৌধুরী মিঠু।</p>

<p>এনসিপি সূত্রে জানা গেছে, বন্যাদুর্গত মানুষের সহায়তায় রবিবার সকালে চট্টগ্রামে আসেন নাহিদ ইসলাম ও হাসনাত আবদুল্লাহ।</p>
</article>

<article>দিনভর আনোয়ারা ও বাঁশখালী উপজেলার বিভিন্ন দুর্গত এলাকায় ত্রাণ বিতরণের পর সন্ধ্যায় তারা &lsquo;খান বাহাদুর বদি আহমদ বাড়ি&rsquo;তে যান এবং সেখানে রাতযাপন করেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>জানতে চাইলে চট্টগ্রাম মহানগর এনসিপির দপ্তর সম্পাদক রিদুয়ান হৃদয় বলেন, &lsquo;তারা বাঁশখালীতে রাতে অবস্থান করেছিলেন এটি সত্য। তবে বাড়িটি সুনির্দিষ্টভাবে কার, তা আমার জানা নেই।&rsquo;</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1130-77.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বরিশাল যাওয়ার পথে প্রধানমন্ত্রীর গাড়ি বহরে ইটের টুকরা নিক্ষেপ, তদন্তে পুলিশ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/bangladesh/29033</link>
    <pubDate>Tue, 14 Jul 2026 09:18:36 +0600</pubDate>
    <category> সারাবাংলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/bangladesh/29033</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1247-66.jpg" />    <article>
<p>বরিশাল সফরে যাওয়ার পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গাড়িবহরে পাথর নিক্ষেপের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>সোমবার (১৩ জুলাই) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার সাধুর ব্রিজ এলাকায় ঘটনাটি ঘটে।</p>

<p>সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, প্রধানমন্ত্রীর পূর্ব ঘোষিত বরিশালের এই সফরকে ঘিরে সোমবার সকাল থেকেই মহাসড়কের দুই পাশে বিএনপির নেতাকর্মীরা দাঁড়িয়ে থেকে অভ্যর্থনা জানাতে ভিড় করেন। সকাল সাড়ে ৮টার পরে গাড়িবহরটি সাধুর ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বহন করা বাসটি যাওয়ার পরে স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের একটি জিপ গাড়ির সামনের অংশে একটি ইটের টুকরো এসে পড়ে। এটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা নাকি কোনো দুর্বৃত্তদের কাজ তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>এ বিষয়ে মাদারীপুরের পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান বলেন, বহরের একটি গাড়ির সামনে ইটের টুকরা পড়েছে। সেটি অন্য কোনো গাড়ির টায়ার থেকে ছিটকে এসেছে, নাকি কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে নিক্ষেপ করেছে, তা বিশ্লেষণ করে দেখা হচ্ছে।</p>

<p>উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সোমবার সকালে ঢাকা থেকে সড়কপথে বাসে করে বরিশালের উদ্দেশে রওনা হন। সকাল ১০টার কিছু আগে তিনি গৌরনদীর বাটাজোরে পৌঁছান।</p>
</article>

<article>দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার পর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তিনি সড়কপথে ঢাকা ফেরার উদ্দেশ্যে বরিশাল ত্যাগ করেন।</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1247-66.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[৩ বছরে ইহুদি নিরাপত্তায় ২৫০ মিলিয়ন পাউন্ড ব্যয় করবে ব্রিটেন]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29032</link>
    <pubDate>Tue, 14 Jul 2026 09:17:14 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29032</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1350-55.jpg" />    <article>
<p><a href="http://ttps://www.reuters.com/world/uk/uk-plans-spend-250-million-over-three-years-protect-jewish-communities-2026-07-12/?fbclid=IwY2xjawTBKUFleHRuA2FlbQIxMABicmlkETFoN0R6am8ySktxbzF0UGt4c3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHpuKwARYOtErjs_bHxOChI0X49AyB1b0g_A6hv14LjrDjvbMFOsJ20Jklw0I_aem_1z3MQB7LNji8pMxsy_XzbA">সাম্প্রতিক সময়ে</a> একের পর এক ইহুদিবিদ্বেষী হামলার ঘটনার পর ব্রিটেনে ইহুদি সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা আরো জোরদার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ জন্য আগামী তিন বছরে ২৫০ মিলিয়ন পাউন্ডের বেশি, অর্থাৎ প্রায় ৩৩৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয় করা হবে।</p>
</article>

<article>সোমবার এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সরকার।
<p>&nbsp;</p>

<p>সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নতুন এই অর্থের একটি বড় অংশ ব্যয় করা হবে অতিরিক্ত পুলিশ নিয়োগে। এর আওতায় ইংল্যান্ড ও ওয়েলসে ৫০০ জনের বেশি নতুন পুলিশ কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হবে। তারা ইহুদি অধ্যুষিত এলাকা, ইহুদি স্কুল, উপাসনালয় এবং কমিউনিটি সেন্টারের আশপাশে নিয়মিত টহল দেবেন।</p>
</article>

<article>এতে এসব এলাকার নিরাপত্তা আরো জোরদার হবে বলে আশা করছে সরকার। গত কয়েক মাসে ব্রিটেনে ইহুদিদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন স্থানে একাধিক হামলার ঘটনা ঘটেছে। চলতি বছরের মার্চ মাসে ইহুদি কমিউনিটির ব্যবহৃত চারটি অ্যাম্বুলেন্সে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। এরপর এপ্রিলে উত্তর লন্ডনে এক ইহুদিবিদ্বেষী ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটে।</article>

<article>ওই ঘটনার পর দেশটির জাতীয় সন্ত্রাসবাদ হুমকির মাত্রা &lsquo;উল্লেখযোগ্য&rsquo; থেকে বাড়িয়ে &lsquo;গুরুতর&rsquo; করা হয়।
<p>&nbsp;</p>
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/07/13/1710721" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>সরকার জানিয়েছে, এপ্রিলে ছুরিকাঘাতের ঘটনার পর ২৫ মিলিয়ন পাউন্ডের একটি তহবিল ঘোষণা করা হয়েছিল। নতুন এই অর্থ সেই তহবিলের অতিরিক্ত হিসেবে দেওয়া হচ্ছে। নতুন পরিকল্পনার আওতায় লন্ডনে প্রায় ৩০০ জন এবং গ্রেটার ম্যানচেস্টারে প্রায় ৮০ জন অতিরিক্ত পুলিশ কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হবে। গত বছর গ্রেটার ম্যানচেস্টারের একটি ইহুদি উপাসনালয়ে হামলার ঘটনা ঘটেছিল।</p>
</article>

<article>এছাড়া যেসব এলাকায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ইহুদি বসবাস করেন, সেসব এলাকার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য আরো ৪৩ মিলিয়ন পাউন্ড বরাদ্দ রাখা হয়েছে। বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার এক বিবৃতিতে বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশে ইহুদিবিদ্বেষ বেড়ে যাওয়া ব্রিটেনের মূল্যবোধের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। তিনি বলেন, এই ধরনের বিদ্বেষ ও হামলা মোকাবিলা করা তার নেতৃত্বের শুরু থেকেই অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার ছিল।
<p>&nbsp;</p>

<p>সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, নতুন তহবিল থেকে লন্ডনের মেট্রোপলিটন পুলিশ ৮৬ মিলিয়ন পাউন্ড পাবে। এছাড়া সন্ত্রাসবাদবিরোধী পুলিশি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য আরো ৫৯ মিলিয়ন পাউন্ড বরাদ্দ রাখা হয়েছে। সরকার আরো জানিয়েছে, যেসব সময়ে হামলার ঝুঁকি বেশি থাকে, সেসব সময়ে পুলিশি টহল বাড়ানো হবে। এর ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে নিরাপত্তার অনুভূতি বাড়বে। একই সঙ্গে বিদ্বেষমূলক অপরাধ ও ইহুদিবিদ্বেষী হামলা প্রতিরোধেও এটি সহায়ক হবে বলে সরকারের আশা। উল্লেখ্য যে, বর্তমান বিনিময় হার অনুযায়ী ১ মার্কিন ডলারের মূল্য ০.৭৪৬০ পাউন্ড।&nbsp;</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1350-55.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[সিনেটর গ্রাহামের সম্মানে মার্কিন পতাকা অর্ধনমিত রাখার নির্দেশ ট্রাম্পের]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29031</link>
    <pubDate>Tue, 14 Jul 2026 09:16:21 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29031</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1414-44.jpg" />    <article>
<p>প্রয়াত মার্কিন সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহামের সম্মানে পুরো যুক্তরাষ্ট্র জুড়ে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আগামী শনিবার (১৮ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের সব জায়গায় পতাকা অর্ধনমিত থাকবে।</p>
</article>

<article>&nbsp;<a href="https://aninews.in/news/world/us/trump-orders-us-flags-at-half-mast-to-honor-senator-lindsey-graham20260713010920/?fbclid=IwY2xjawTBKI5leHRuA2FlbQIxMABicmlkETE1T2RWcmo5MnlQc1lRSUpNc3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHm_qj8uKpng0aJW0gh0PaicS5Vy02SQivUj8a9ZJl3wyVhuX-lwdxMA-d0Hk_aem_cVL3c9yvfO0aCfT4MeEvkw">শনিবার (১১ জুলাই) সন্ধ্যায় সাউথ ক্যারোলাইনা রাজ্যের এই প্রভাবশালী রিপাবলিকান সিনেটর মারা যান</a>।

<p>&nbsp;</p>

<p>ট্রাম্প তার নিজস্ব সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম &lsquo;ট্রুথ সোশ্যাল&rsquo;-এ দেওয়া এক পোস্টে পতাকা অর্ধনমিত রাখার এই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন। প্রয়াত সিনেটরকে নিজের &lsquo;প্রিয় বন্ধু&rsquo; ও &lsquo;প্রকৃত আমেরিকান দেশপ্রেমিক&rsquo; হিসেবে উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, গ্রাহামের অসাধারণ জীবন ও দেশের প্রতি তার সেবার সম্মানার্থেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।</p>

<p>সিনেটর গ্রাহামের এই আকস্মিক মৃত্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক অঙ্গনসহ বিশ্বনেতাদের মাঝে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে。 ইউক্রেনের প্রতি তার সমর্থন এবং মার্কিন-ইসরায়েল জোটের প্রতি অটল প্রতিশ্রুতির কথা স্মরণ করে অনেকেই শোকবার্তা পাঠিয়েছেন।</p>
</article>

<article>মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ও ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্টও এই মহান রাজনীতিবিদের প্রয়াণে গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। এই কঠিন সময়ে লিন্ডসে গ্রাহামের পরিবার সকলের কাছে প্রার্থনা চেয়েছেন এবং একান্ত ব্যক্তিগত সময় কাটানোর জন্য গোপনীয়তা বজায় রাখার অনুরোধ করেছেন।</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1414-44.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নেপালে জেন-জি সরকারের বিরুদ্ধে জেন-জিদের আন্দোলন]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29030</link>
    <pubDate>Tue, 14 Jul 2026 09:15:27 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29030</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1500-33.jpg" />    <article>
<p>নেপালে কে পি শর্মা ওলি সরকারের বিরুদ্ধে মানুষের ক্ষোভ ছিল ব্যাপক দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, অর্থনৈতিক অব্যবস্থাপনা আর বেকারত্বের কারণে। গত বছরের সেপ্টেম্বরে তরুণ প্রজন্মের মাত্র ২ দিনের আন্দোলনে পতন ঘটেছিল ওলি সরকারের।</p>
</article>

<article>সেই আন্দোলনেরই ফসল বালেন্দ্র শাহর নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে গত ৫ মার্চ অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিপুল বিজয় পায় বালেন্দ্র শাহর দল রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টি। ২৭ মার্চ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন বালেন্দ্র শাহ। র&zwnj;্যাপার থেকে মেয়র ও মেয়র থেকে মাত্র ৩৫ বছর বয়সেই প্রধানমন্ত্রী বনে গিয়ে সবাইকে চমকে দিয়েছিলেন বালেন্দ্র শাহ।</article>

<article>কিন্তু সেই চমক ১০০ দিনও টেকেনি। বিপুল প্রত্যাশার বিপরীতে চরম হতাশাই শুধু পেয়েছে নেপালের মানুষ। যাদের আন্দোলনের ফসল বালেন্দ্র সরকার, সেই জেন-জিরাই আবার মাঠে নেমেছে তার বিরুদ্ধে। ১০০ দিনের মাথায় জেন-জি সমর্থিত সরকারের বিরুদ্ধে জেন-জিদের মাঠে নামার বিষয়টি তাৎপর্যপূর্ণ হলেও তেমন অবাক হননি কেউই।</article>

<article>ক্ষমতায় আসার পর থেকেই সরকারের একের পর এক গণবিরোধী সিদ্ধান্ত ক্ষুব্ধ করছিল মানুষকে, যার বিস্ফোরণ ঘটে রবিবার।
<p>&nbsp;</p>

<p>কাঠমাণ্ডুকে পরিচ্ছন্ন শহর হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টায় দারুণ জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন তখনকার মেয়র আজকের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ। সেই চেষ্টা তিনি অব্যাহত রাখতে চেয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পরও। কিন্তু শহর পরিচ্ছন্ন রাখতে গিয়ে তার সরকার কোনো পুনর্বাসন পরিকল্পনা ছাড়াই বস্তি এবং ফুটপাতের ভাসমান দোকান উচ্ছেদের অভিযানে নামে। সরকার ভাবেনি উচ্ছেদ করা লোকজন যাবে কই, থাকবে কোথায়, খাবে কী? দারিদ্র্য দূর করার কোনো সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ছাড়া বালেন্দ্র সরকার দরিদ্রদেরই শহর থেকে বের করে দিতে চাইছে।</p>
</article>

<article>&lsquo;গরিবি হটাও&rsquo; স্লোগান পরিণত হয়েছে &lsquo;গরিব হটাও&rsquo;-এর বাস্তবতায়। এসব উচ্ছেদ অভিযানে পুলিশের কঠোর ভূমিকা মানুষকে ক্ষুব্ধ করে। বস্তি উচ্ছেদের পর অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র থেকেও গরিব মানুষদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে সরকার। এমনকি উচ্ছেদ হওয়া মানুষদের পাশে দাঁড়াতে গিয়ে পুলিশের নির্মমতা ও গণগ্রেপ্তারের শিকার হয়েছেন বেশ কয়েকজন তরুণ অ্যাক্টিভিস্ট, শিক্ষার্থী ও সাংবাদিক। পুলিশের লাঠিচার্জে আহত কাউকে কাউকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হকারদের পেছনে পুলিশ দৌড়াচ্ছে, তাদের &nbsp;পেটাচ্ছে, তাদের মালামাল জব্দ করছে, উচ্ছেদ করতে গিয়ে বস্তিবাসীদের ওপর চড়াও হচ্ছে পুলিশ&mdash;এমন অনেক ভিডিওতে এখন সয়লাব নেপালের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>নেপালের জনগণ বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম আশা করেছিল দুর্নীতিবাজ ওলি সরকারের বিদায়ের পর তাদের সমর্থনে ক্ষমতায় আসা নতুন সরকার তাদের সব সমস্যার সমাধান করে দেবে। সেটা হয়তো রাতারাতি সম্ভব নয়। কিন্তু সমাধানের কোনো চেষ্টা বা পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে আসতে পারেনি সরকার। বরং কর্তৃত্ববাদী আর নিষ্ঠুর আচরণে মানুষকে ক্ষুব্ধ করেছে। গত ৪ জুলাই বালেন্দ্র শাহ সরকার বর্ণাঢ্য আয়োজনে তাদের ক্ষমতার ১০০ দিন উদযাপন করেছে। কিন্তু জমকালো সেই আয়োজনের আড়ালে ছিল গরিব মানুষের হাহাকার, সাধারণ মানুষের হতাশা আর জেন-জিদের ক্ষোভ। আন্দোলনকারী সংগঠন &lsquo;জেন-জি নেপাল&rsquo;-এর অভিযোগ, বালেন্দ্র শাহ সরকার দেশের যুবসমাজের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি বা অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নতুন বাজেটে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারেনি। সুশাসনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এলেও ক্রমবর্ধমান বেকারত্ব ও অর্থনৈতিক মন্দা কাটাতে সরকার ব্যর্থ হয়েছে।</p>

<p>একসময় নেপালের তরুণ প্রজন্মের আইডল ছিলেন বালেন্দ্র শাহ। একসঙ্গে মাঠে আন্দোলন করে ওলি সরবারকে হটালেও প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে বালেন্দ্র শাহ যেন দূর আকাশের তারা। সাধারণ মানুষ তো বটেই, তরুণ প্রজন্মের সঙ্গেও প্রধানমন্ত্রীর কোনো যোগাযোগ নেই। জেন-জিদের ভাষাই যেন ভুলে গেছেন তিনি। বালেন্দ্র বরাবরই সরাসরি জনগণের সামনে বা গণমাধ্যমের মুখোমুখি হওয়া এড়িয়ে চলেন। যুবসমাজের এই ক্ষোভ-বিক্ষোভ, পুলিশের অত্যাচার, গরিব মানুষের হাহাকার, কিছুই যেন পৌঁছায় না প্রধানমন্ত্রীর কানে। বালেন্দ্র শাহর এই রহস্যময় নীরবতা আন্দোলনকারীদের আরো বেশি আশাহত ও ক্ষুব্ধ করেছে।</p>

<p>নেপালের তরুণ প্রজন্মের প্রত্যাশা তো পূরণ হয়ইনি, বরং পুলিশের কর্তৃত্ববাদী আচরণে তাদের ক্ষোভ আরো বেড়েছে। সেই ক্ষোভের আগুনে সত্যিকার অর্থেই পেট্রল ঢেলে দিয়েছেন ২৫ বছর বয়সী রাইড শেয়ারের চালক গণেশ নেপালি। গত বৃহস্পতিবার গণেশ কাঠমাণ্ডুর একটি রাস্তায় যাত্রীর জন্য অপেক্ষা করছিলেন। তখনই পুলিশ এসে ভুল পার্কিংয়ের অভিযোগে তাকে জরিমানা করে এবং তার মোটরসাইকেলের চাকায় তালা লাগিয়ে দেয়। পুলিশের সঙ্গে বাগবিতণ্ডার এক পর্যায়ে গণেশ নিজের শরীরে পেট্রল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেন। দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলেও শুক্রবার গণেশ মারা যান। গণেশের পর গত তিন দিনে কাঠমাণ্ডুতে এ ধরনের আরো অন্তত তিনটি প্রতিবাদের ঘটনা ঘটেছে, যাতে আরো ২ জন মারা গেছেন।<br />
সব মিলিয়ে গণ-আন্দোলনের ১০ মাসের মাথায় আবার রাস্তায় নেমে আসে জেন-জি প্রজন্ম। নিজেদের সমর্থনে গঠিত সরকারের বিরুদ্ধেই তাদের যত ক্ষোভ এখন। রবিবার শত শত মানুষ রাজধানীর সিংদরবার সচিবালয়ের সামনে রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করে। তারা কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে এবং সরকারের কাছে জবাবদিহি দাবি করছে। বিক্ষোভকারীদের হাতে থাকা ব্যানারে লেখা ছিল&mdash;&lsquo;দরিদ্রদের ওপর অত্যাচার বন্ধ করো&rsquo;, &lsquo;মানবাধিকারকে সম্মান করো&rsquo;, &lsquo;গ্রেপ্তার-নিযাতন বন্ধ করো&rsquo;। বিক্ষোভকারীরা প্রশাসনের প্রতি উচ্ছেদ হওয়া বস্তিবাসীদের পুনর্বাসনেরও দাবি জানায়।</p>

<p>রবিবারের আন্দোলনের ভাষা ও ধরনের সঙ্গে গতবছরের সেপ্টেম্বরে জেন-জি প্রজন্মের আন্দোলনের মিল দেখতে পাচ্ছেন অনেকে। বালেন্দ্র শাহ এ আন্দোলন কিভাবে মোকাবেলা করবেন, তার ওপরই নির্ভর করছে নেপালের রাজনীতির ভবিষ্যৎ।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1500-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[চড়া মূল্যে বিক্রি হচ্ছে টেইলর সুইফটের বিয়ের ‘আবর্জনা’!]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/29029</link>
    <pubDate>Tue, 14 Jul 2026 09:14:40 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/29029</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1541-22.jpg" />    <article>
<p>মার্কিন পপতারকা টেইলর সুইফটকে ঘিরে ভক্তদের উন্মাদনার নতুন এক দৃষ্টান্ত তৈরি হয়েছে। তার বিয়ের অনুষ্ঠানের ভেন্যুর বাইরে থেকে কুড়িয়ে আনা সাধারণ আবর্জনাও এবার বিক্রি হয়েছে চড়া দামে।</p>
</article>

<article>অবাক করার মতো বিষয় হলো, সেই তথাকথিত স্মারক কিনতে হুমড়ি খেয়ে পড়েছেন ভক্তরা।
<p>&nbsp;</p>

<p>বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী নিউ ইয়র্কের শিল্পী ও কুইন্সের বাসিন্দা জাস্টিন গিগনাক সম্প্রতি ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনের আশপাশ থেকে বিভিন্ন ধরনের বর্জ্য সংগ্রহ করেন। জানা গেছে, সেখানেই মার্কিন ফুটবল তারকা ট্রাভিস কেলসির সঙ্গে টেইলর সুইফটের বিয়ের আয়োজন হয়েছিল। পরে তিনি সংগ্রহ করা এসব বস্তু স্বচ্ছ অ্যাক্রিলিক কিউবের মধ্যে সংরক্ষণ করে &lsquo;পকেট গার্বেজ&rsquo; নামে বিক্রির জন্য উন্মুক্ত করেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রতিটি ছোট কিউবের দাম রাখা হয় ২৫ মার্কিন ডলার। বিক্রি শুরুর মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই সব কটি বিক্রি হয়ে যায়। এ ছাড়া ১০০ ডলার মূল্যের বড় আকারের কিছু কিউবও বাজারে ছাড়েন তিনি।</p>

<p><img alt="Taylor Swift fans pay $25 for pieces of wedding day rubbish from outside  Madison Square Garden | LBC" src="https://images.lbc.co.uk/images/826759?crop=16_9&amp;width=660&amp;relax=1&amp;format=webp&amp;signature=hfZ91s6G7xWX828jlGrOadHFfU8=" /></p>

<p>জাস্টিন গিগনাক তার ওয়েবসাইটে লিখেছেন, বড় কোনো অনুষ্ঠান শেষে চারপাশে আবর্জনা পড়ে থাকাই স্বাভাবিক।</p>
</article>

<article>তবে এই সংগ্রহের বিশেষত্ব হলো&mdash;এসব বস্তু টেইলর সুইফট ও ট্রাভিস কেলসির বহুল আলোচিত বিয়ের ভেন্যুর একেবারে কাছাকাছি এলাকা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>তার কথায়, আমন্ত্রণপত্র ছাড়া ওই অনুষ্ঠানের যতটা কাছে যাওয়া সম্ভব ছিল, এই সংগ্রহ ঠিক সেই স্মৃতিরই প্রতীক।</p>

<p>অ্যাক্রিলিক কিউবগুলোর ভেতরে রাখা হয়েছে একেবারেই সাধারণ কিছু বস্তু&mdash;সিগারেটের ফিল্টার, চুইংগামের মোড়ক, জুসের স্ট্র, একটি এয়ারপড এবং ব্যবহৃত ওভুলেশন টেস্ট কিটসহ নানা ধরনের ফেলে দেওয়া জিনিস।</p>

<p>তবে গিগনাক স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, এসব জিনিস টেইলর সুইফট, ট্রাভিস কেলসি বা তাদের কোনো অতিথি ব্যবহার করেছেন&mdash;এমন কোনো প্রমাণ নেই। সবকিছুই বিয়ের দিন ভেন্যুর বাইরের নিরাপত্তা বেষ্টনীর আশপাশ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>রসিকতা করে তিনি বলেন, দুর্ভাগ্যজনকভাবে বিয়ের অনুষ্ঠানে তার আমন্ত্রণ ছিল না। তাই ভেতরের &lsquo;আসল&rsquo; আবর্জনা সংগ্রহের সুযোগও পাননি। তবে তার বিশ্বাস, এসব বস্তু কোথা থেকে এবং কোন ঐতিহাসিক মুহূর্তে সংগ্রহ করা হয়েছে&mdash;ভক্তদের কাছে সেটিই সবচেয়ে বড় আকর্ষণ।</p>

<p>বিশ্বজুড়ে টেইলর সুইফটের ভক্তরা &lsquo;সুইফটিজ&rsquo; নামে পরিচিত। প্রিয় তারকার সঙ্গে সম্পর্কিত যেকোনো স্মারক সংগ্রহে তাদের আগ্রহ নতুন নয়। এর আগেও সুইফটের &lsquo;ইরাস ট্যুর&rsquo; রেকর্ডসংখ্যক টিকিট বিক্রির মাধ্যমে ভক্তদের সেই উন্মাদনা প্রমাণ করেছে। এবারও বিয়ের ভেন্যুর বাইরের আবর্জনাকে স্মারক হিসেবে কিনে সেই আগ্রহেরই নতুন নজির গড়লেন তারা।</p>

<p>স্থানীয়দের কেউ কেউ এই উদ্যোগকে নিছক ভক্তি নয়, বরং নিউ ইয়র্কের অনন্য ব্যবসায়িক কৌশলের উদাহরণ বলেও মন্তব্য করেছেন।</p>

<p>উল্লেখ্য, জাস্টিন গিগনাকের জন্য এমন উদ্যোগ নতুন নয়। প্রায় ২৫ বছর ধরে তিনি বিভিন্ন ঐতিহাসিক ও আলোচিত ঘটনার স্থান থেকে সংগ্রহ করা আবর্জনা শিল্পকর্মে রূপ দিয়ে বিক্রি করে আসছেন। এর আগে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার ২০০৯ সালের অভিষেক অনুষ্ঠান এবং ২০১২ সালে নিউ ইয়র্ক জায়ান্টসের সুপার বোল বিজয় উদযাপনের পর সংগৃহীত বর্জ্যও একই ভাবে সংরক্ষণ করে সংগ্রাহকদের কাছে বিক্রি করেছিলেন তিনি। এবার টেইলর সুইফটকে ঘিরে তার সেই অভিনব উদ্যোগ আবারও বিশ্বজুড়ে আলোচনায় এসেছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1541-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ইতিহাস বলছে আর্জেন্টিনা ফাইনাল খেলবে]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/29028</link>
    <pubDate>Tue, 14 Jul 2026 09:13:57 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/29028</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1639-11.jpg" />    <article>
<p>কথায় আছে, অতীতকে আঁকড়ে ধরে থাকলে জীবন সুন্দর মতো চলবে না। তবে এবারের বিশ্বকাপে সেমিফাইনাল খেলতে নামার আগে আর্জেন্টিনা চাইলে অতীতকেই আঁকড়ে ধরতে পারে।</p>
</article>

<article>কেননা অতীতেই লুকিয়ে আছে তাদের মঙ্গল।
<p>&nbsp;</p>

<p>সেটা কিভাবে? চলুন জেনে নেই। ইতিহাস জানাচ্ছে, এখন পর্যন্ত ৬ বার বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল খেলেছে আর্জেন্টিনা। যার কোনোটিতেই হারেনি তারা।</p>
</article>

<article>এবার সপ্তমবারের মতো শেষ চারে খেলবে তারা। তাই ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনাল খেলতে নামার আগে অতীতই লিওনেল মেসিদের আত্মবিশ্বাস জোগাচ্ছে। ইতিহাস তাই জানাচ্ছে এবারও ফাইনালে খেলবে আর্জেন্টিনা।
<p>&nbsp;</p>

<p>তবে ইতিহাস পক্ষে থাকলেই হবে না, কাজটা করতে হবে মেসি-হুলিয়ান আলভারেজদেরকেই।</p>
</article>

<article>ঠিক যেমন আগের সেমিফাইনালে তাদের পূর্বসূরি কিংবা নিজেরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে করেছেন। চলুন দেখে নেওয়া যাক আর্জেন্টিনার খেলা সেমিফাইনালগুলোর ফলাফল।
<p>&nbsp;</p>

<p>আর্জেন্টিনার সেমিফাইনাল খেলার শুরুটা হয় ১৯৩০ বিশ্বকাপে। উরুগুয়ে বিশ্বকাপে সেবার যুক্তরাষ্ট্রকে ৬-১ গোলে হারায় তিনবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।</p>

<p>দ্বিতীয়বার সেমিফাইনাল খেলার জন্য ৫৬ বছর অপেক্ষা করতে হয় আর্জেন্টিনাকে।</p>
</article>

<article>১৯৮৬ বিশ্বকাপে বেলজিয়ামকে হারিয়ে সেবার দ্বিতীয়বার শিরোপা জেতে আর্জেন্টিনা। ফল ছিল ২-০। মাঝে অবশ্য ১৯৭৮ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন হলেও সেবার সেমিফাইনালের ফরম্যাট ছিল না।
<p>&nbsp;</p>

<p>১৯৯০ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে জয় পায় আর্জেন্টিনা। এবার ইতালিকে টাইব্রেকারে হারায় আলবিসেলেস্তারা। মূল ম্যাচ ১-১ সমতায় শেষ হলে টাইব্রেকারে ৪-৩ ব্যবধানে জিতে ফাইনালে খেলে আর্জেন্টিনা।&nbsp;</p>

<p>২৪ বছর পর আবারও সেমিফাইনাল খেলে আর্জেন্টিনা। ব্রাজিল বিশ্বকাপে নেদারল্যান্ডসকে ৪-২ ব্যবধানে টাইব্রেকারে হারিয়ে মারাকানায় ফাইনাল খেলেন মেসিরা। নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময় শেষে সেবার ম্যাচের ফল ছিল ০-০।</p>

<p>মারাকানায় বিশ্বকাপ ট্রফি ছোঁয়ার খুব কাছে গিয়ে পারেননি মেসি। তবে সর্বশেষ বিশ্বকাপে সেই স্বাদ পান তিনি। ফ্রান্সকে টাইব্রেকারে হারিয়ে অমরত্বের স্বাদ পাওয়ার আগে তার নেতৃত্বাধীন আর্জেন্টিনা ২০২২ বিশ্বকাপে ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়ে ফাইনালের টিকিট পায়। সেমিফাইনালের ফল ছিল ৩-০।</p>

<p>এবার ইতিহাসের বইয়ে আরেকটি পৃষ্ঠা যোগ হবে নাকি ওখানেই দাঁড়ি পড়বে সেটাই এখন দেখার অপেক্ষা। ফল দেখতে আগামী ১৫ জুন রাতে আটলান্টায় রেফারির শেষ বাঁশি বাজার অপেক্ষায় থাকতে হবে। ইংল্যান্ড নাকি আর্জেন্টিনা জয়ের হাসি হাসবে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1639-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বরিশালের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29027</link>
    <pubDate>Mon, 13 Jul 2026 09:13:26 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29027</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/414-3.jpg" />    <article>
<p>রাজধানীর গুলশানের বাসা থেকে প্রধানমন্ত্রী বরিশালের উদ্দেশে রওয়ানা হয়েছেন। আজ সোমবার (১৩ জুলাই) সকাল ৬টার পর গুলশানের বাসভবন থেকে তিনি রওয়ানা হন।</p>
</article>

<article>বিএনপি মিডিয়া সেলর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>সফরকালে প্রধানমন্ত্রী গৌরনদী ও বরিশাল সিটি করপোরেশন এলাকায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, ফ্যামিলি কার্ড প্রদান কর্মসূচি এবং বরিশাল শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত সাংগঠনিক সভায় অংশগ্রহণ করবেন।</p>

<p>গতকাল রবিবার প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সড়কপথে বরিশাল যাবেন। সেখানে বৃক্ষরোপণের কয়েকটি কর্মসূচি রয়েছে।</p>
</article>

<article>কর্মসূচি শেষে প্রধানমন্ত্রী সন্ধ্যায় ঢাকায় ফিরবেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রধানমন্ত্রীর নির্ধারিত কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- গৌরনদীর বাটাজোর ইউনিয়নে নবখনন করা সরিকল-বটাজোরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, জেলা সদরের ত্রিশ গোডাউন বধ্যভূমি এলাকায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি এবং ত্রিশ গোডাউনসংলগ্ন সাগরনদীর পাশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি।</p>

<p>এছাড়া বিকেলে জেলার শিল্পকলা একাডেমিতে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/414-3.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[দিনভর পানির নিচে ঢাকা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29026</link>
    <pubDate>Mon, 13 Jul 2026 09:12:41 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29026</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/684-2.jpg" />    <p><strong>ঢাকার অলিগলি থেকে প্রধান সড়ক-সবখানেই পানি। জলাবদ্ধতায় স্থবির হয়ে পড়েছিল রাজধানী ঢাকা। গত রাত থেকে আজ (রোববার) বিকেল পর্যন্ত মুষলধারে বৃষ্টি কার্যত অচল করে দিয়েছে রাজধানী ঢাকাকে। এমন বৃষ্টির প্রভাবে বলতে গেলে দিনভর পানির নিচে ছিল রাজধানী ঢাকা।</strong></p>

<p>বি</p>

<p>নিম্নচাপ ও সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে সৃষ্ট এই টানা বর্ষণে বিরতিহীনভাবে আকাশে মেঘের গর্জনের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ঝরেছে বৃষ্টি, আর তাতেই সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবসে রাজধানী কার্যত ডুবে গেছে পানির নিচে। অফিসগামী মানুষ, শিক্ষার্থী, রোগী ও জরুরি কাজে বের হওয়া সাধারণ মানুষকে পড়তে হয়েছে চরম দুর্ভোগে।</p>

<figure>&nbsp;</figure>

<p><img alt="" border="0" height="1153" src="https://assets.dhakapost.com/media/imgAll/BG/2026July/-20260712173556.jpg" width="2048" /> সড়কে জলাবদ্ধতার মধ্যে শিশুকে পিঠে নিয়ে হাঁটছেন এক নারী, অন্যদিকে রিকশায় মোটরসাইকেল পরিবহন করছেন চালক। টানা বর্ষণে নগরজীবনে নেমে আসে চরম দুর্ভোগ |&nbsp;</p>

<p>বাদ যায়নি রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশান, বনানী ও বারিধারাও। বিরতিহীন এই বৃষ্টিতে মোহাম্মদপুরের একাংশ, মেরুল বাড্ডা, ডিআইটি প্রজেক্ট এলাকা, ইসিবি, মালিবাগ, শান্তিনগর, সায়েদাবাদ, আগারগাঁও থেকে জাহাঙ্গীর গেটমুখী নতুন সড়ক, খামারবাড়ি থেকে ফার্মগেট, ফার্মগেট-তেজগাঁও ট্রাক স্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকা, শনির আখড়া, পুরান ঢাকার বংশাল ও নাজিমউদ্দিন রোড, ধানমন্ডি, মিরপুর ১৩, কালশী, হাতিরঝিলের একাংশ, গুলশান লেকপাড়, কালাচাঁদপুর এবং বারিধারার সংযোগ সড়কসহ রাজধানীর অসংখ্য সড়ক ও অলিগলিতে দেখা দিয়েছে তীব্র জলাবদ্ধতা।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>জলাবদ্ধতার পানিতে অনেক বাস, প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাস ও মোটরসাইকেল বিকল হয়ে পড়েছে রাস্তায়। কয়েকটি এলাকায় সিএনজি ও গাড়ির ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চালকদের ঠেলে নিয়ে যেতে দেখা গেছে। রিকশা ও ভ্যানচালকরা বাড়তি ভাড়া হাঁকলেও পানি বেশি থাকায় অনেক রাস্তায় তারাও চলাচল করতে পারেননি। দোকানপাটে পানি ঢুকে মালামাল নষ্টের শঙ্কায় ব্যবসায়ীরা তড়িঘড়ি করে জিনিসপত্র উঁচু জায়গায় সরিয়ে রেখেছেন।&nbsp;</p>

<figure>&nbsp;</figure>

<p><img alt="" border="0" height="1153" src="https://assets.dhakapost.com/media/imgAll/BG/2026July/-20260712174040.jpg" width="2048" /> আঝোর বৃষ্টিতে সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় হাঁটুপানি মাড়িয়ে ছাতা মাথায় গন্তব্যে ছুটছেন পথচারীরা। জলাবদ্ধতায় রাজধানীর বহু এলাকায় ব্যাহত হয় স্বাভাবিক চলাচল&nbsp;|</p>

<p>মিরপুর এলাকার বাসিন্দা বেসরকারি চাকরিজীবী আরিফুল ইসলাম বলেন, সকালে অফিসে বের হয়ে মনে হয়েছে রাস্তা নয়, যেন খাল পার হচ্ছেন। কোথায় ম্যানহোল আছে, কোথায় গর্ত আছে কিছুই বোঝার উপায় ছিল না। কাপড়, জুতা সব ভিজে গেছে। প্রতিবার বর্ষায় একই কষ্ট ভোগ করতে হচ্ছে। এত উন্নয়নের কথা শোনা যায়, কিন্তু বৃষ্টি হলেই সবকিছু পানির নিচে চলে যায় ঢাকায়।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>বিজয় সরণি ও তেজগাঁও হয়ে হাতিরঝিলের দিকে আসা সিএনজিচালক জাহিদুর রহমান বলেন, আসার পথে একাধিক সড়ক ও অলিগলি পুরোপুরি পানিতে তলিয়ে থাকতে দেখেছি। জমে থাকা পানিতে দু-একটি সিএনজির ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চালকদের ঠেলে নিয়ে যেতেও দেখেছি। বলতে গেলে পুরো ঢাকা শহরের সব সড়কেই জলাবদ্ধতা ছিল।&nbsp;</p>

<figure>&nbsp;</figure>

<p><img alt="" border="0" height="1153" src="https://assets.dhakapost.com/media/imgAll/BG/2026July/-20260712174152.jpg" width="2048" /> বৃষ্টির পানিতে ডুবে যাওয়া সড়কে ভ্যানে করে যাত্রীকে গন্তব্যে পৌঁছে দিচ্ছেন চালক। জলাবদ্ধতায় রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় যানবাহন চলাচল মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হয়&nbsp;|&nbsp;</p>

<p>টানা বর্ষণে সড়কে জমে থাকা পানির উচ্চতা ক্রমান্বয়ে বাড়তে থাকে। অনেক অলিগলি, বাসাবাড়ির প্রবেশপথ, দোকানপাটের সামনের অংশ এবং নিচু এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। কোথাও কোথাও নর্দমার পানি উপচে সড়কে মিশে যাওয়ায় দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে।</p>

<p>আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, রাজধানীতে আজ সর্বশেষ ৬ ঘণ্টায় ৭৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে, যা চলতি মাসে সর্বোচ্চ। এই পরিস্থিতিতে আজ সারা দিন রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে ভারী বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।</p>

<figure>&nbsp;</figure>

<p><img alt="" border="0" height="1153" src="https://assets.dhakapost.com/media/imgAll/BG/2026July/-20260712174425.jpg" width="2048" /> ভারী বর্ষণে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কে সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতা ও তীব্র যানজট। পানির মধ্যে ধীরগতিতে চলাচল করছে বাস, সিএনজি ও অন্যান্য যানবাহন |&nbsp;</p>

<p>ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ আবদুস সালাম বলেন, টানা ভারী বর্ষণে সাময়িক জলজট তৈরি হলেও আমাদের কর্মীরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ভোর থেকে মাঠে রয়েছে। জলাবদ্ধতা ও প্রতিবন্ধকতা দূর করে নগরজীবন স্বাভাবিক রাখতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।</p>

<p>এদিকে জলাবদ্ধতা নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপগুলো বাস্তবায়নের জন্য মাঠে নেমেছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান। তিনি ইতোমধ্যে ভারী বৃষ্টির ফলে গুলশান, বনানী এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিচে, জাতীয় সংসদ ভবনের সামনের রাস্তায় সৃষ্ট জলজট পরিস্থিতি সরেজমিন পরিদর্শন করে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা প্রদান করেছেন।</p>

<p>গত ১৬ বছরে হাজার হাজার কোটি টাকা ব্যয় এবং ওয়াসা থেকে দুই সিটি কর্পোরেশনের কাছে নালা ও খাল হস্তান্তর করেও কাটেনি ঢাকার জলাবদ্ধতা সংকট। বর্ষা শুরুর আগেই সামান্য বৃষ্টিতে নাকাল হচ্ছে নগরবাসী। ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশন স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা জানালেও, একদিকে অকেজো পাম্প স্টেশন ও স্লুইসগেট, অন্যদিকে অবৈধ দখল ও প্লাস্টিক বর্জ্যে ভরাট হওয়া খালের কারণে এবারের আষাঢ়-শ্রাবণেও রাজধানীতে তীব্র জলজটের আশঙ্কা করছিলেন সংশ্লিষ্টরা।</p>

<figure>&nbsp;</figure>

<p><img alt="" border="0" height="1153" src="https://assets.dhakapost.com/media/imgAll/BG/2026July/-20260712174544.jpg" width="2048" /> জমে থাকা পানির ঢেউ ঠেলে এগিয়ে চলছে প্রাইভেট কার&nbsp;|&nbsp;</p>

<p>নগর পরিকল্পনাবিদরা জানিয়েছেন, মূলত পাঁচ স্তরের সংকট একসঙ্গে জেঁকে বসেছে ঢাকার বুকে। প্রথমত, সড়কের ক্যাচপিটের ছিদ্রগুলো আবর্জনায় বন্ধ; দ্বিতীয়ত, ড্রেনগুলো পলি ও কাদায় ভরা; তৃতীয়ত, অবৈধ দখলে হারিয়ে গেছে প্রধান খালগুলো; চতুর্থত, পাম্পিং স্টেশনগুলো অকেজো; পঞ্চমত, চারপাশের নদনদীগুলো ভরাট হয়ে হারিয়েছে পানি ধারণের সক্ষমতা।</p>

<p>ফলে বৃষ্টির পানি ক্যাচপিট থেকে ড্রেনে, ড্রেন থেকে খালে এবং খাল হয়ে নদীতে যাওয়ার প্রতিটি ধাপেই অচল হয়ে পড়ে। প্রতি বছর কোটি কোটি টাকা ব্যয়, দফায় দফায় সভা আর প্রতিশ্রুতির বন্যা বয়ে গেলেও সংকটের কোনো স্থায়ী সমাধান হয় না। সমস্যার গভীরে হাত না দিয়ে বারবার উপরিভাগে প্রলেপ দেওয়ার কারণেই প্রতি বর্ষায় ঢাকা ফিরে সেই চেনা ও চরম ভোগান্তির রূপে।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/684-2.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বাংলা‌দে‌শের বন্যায় প্রাণহানিতে মর্মাহত পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29025</link>
    <pubDate>Mon, 13 Jul 2026 09:11:07 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29025</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/947-1.jpg" />    <p><strong>বাংলাদেশে চলমান বন্যায় প্রাণহানি ও ধ্বংসযজ্ঞে গভীরভাবে মর্মাহত পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ।&nbsp;</strong></p>

<p>&nbsp;</p>

<p>রোববার (১২ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স হ&zwnj;্যা&zwnj;ন্ডে&zwnj;লে এক বার্তায় তিনি বাংলাদেশে বন্যায় প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতিতে গভীর দুঃখ ও সমবেদনা প্রকাশ করেন।</p>

<p>শাহবাজ শরীফ বলেন, পাকিস্তানের জনগণের পক্ষ থেকে আমি শোকাহত পরিবারের প্রতি আমার আন্তরিক সমবেদনা জানাই এবং বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করছি। আমরা আহতদের দ্রুত আরোগ্য এবং ক্ষতিগ্রস্ত সকলের নিরাপত্তার জন্য প্রার্থনা করছি।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>বন্যা ও পাহাড় ধসে দেশের দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবান, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ&mdash; এই সাত জেলা বন্যার কবলে পড়েছে।</p>

<p>দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের তথ্য বল&zwnj;া হয়, টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের প্রভাবে সৃষ্ট এ দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন সাত জেলার ১০ লাখ ২২ হাজার ৯৬৩ জন মানুষ।&nbsp;</p>

<p>এছাড়াও, বন্যা ও পাহাড় ধসে দেশের দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে এখন পর্যন্ত ৫০ জনের মৃত্যু খবর দি&zwnj;য়ে&zwnj;ছে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/947-1.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[পানিবন্দি মানুষের জীবন-সম্পদ রক্ষায় মাঠ প্রশাসনকে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ নির্দেশনা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29024</link>
    <pubDate>Mon, 13 Jul 2026 09:10:12 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29024</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/813-99.jpg" />    <article>
<p>অতিবৃষ্টির কারণে সৃষ্টি হওয়া জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জীবন-সম্পদ রক্ষা, দ্রুত ত্রাণ ও চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত এবং পরিস্থিতি মোকাবেলায় সর্বোচ্চ সতর্কতা ও সমন্বয়ের সঙ্গে কাজ করতে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা ও মাঠ প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।</p>

<p>&nbsp;রবিবার দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জুমের মাধ্যমে দেশের আট বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার, পুলিশের ডিআইজি, জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি), সিভিল সার্জনসহ মাঠ প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক ভার্চুয়াল সভায় তিনি এসব নির্দেশনা দেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>সভায় বিভাগীয় কমিশনার, ডিআইজি, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, সিভিল সার্জন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নিজ নিজ এলাকার জলাবদ্ধতার সর্বশেষ পরিস্থিতি, ক্ষয়ক্ষতি, আশ্রয়কেন্দ্রের অবস্থা, উদ্ধার কার্যক্রম, ত্রাণ বিতরণ এবং চিকিৎসাসেবার অগ্রগতি সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন।</p>

<p>প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুর্যোগপূর্ণ এই পরিস্থিতিতে মানুষের জীবন ও সম্পদ রক্ষাই প্রশাসনের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। কোনো ধরনের গাফিলতির সুযোগ নেই।</p>

<p>তিনি ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে দ্রুত ত্রাণসামগ্রী, শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ খাবার পানি, শিশু খাদ্য, প্রয়োজনীয় ওষুধ এবং চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>একই সঙ্গে আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে নিরাপদ পরিবেশ, পর্যাপ্ত স্যানিটেশনব্যবস্থা, বিদ্যুৎ ও যোগাযোগ সুবিধা সচল রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বিশেষভাবে নারী, শিশু, প্রবীণ ব্যক্তি, প্রতিবন্ধী এবং গর্ভবতী নারীদের প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন।</p>

<p>আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রধানমন্ত্রী আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়ে বলেন, দুর্যোগকালীন পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে কোনো অসাধু চক্র যেন চুরি, ডাকাতি, মজুদদারি, ত্রাণ আত্মসাৎ বা অন্য কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়াতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি ত্রাণ বিতরণে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের অগ্রাধিকার নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>সভায় দুর্যোগ মোকাবেলায় প্রশাসনের প্রস্তুতি, স্থানীয় প্রশাসনের কার্যক্রম, উদ্ধার কার্যক্রমে বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়, নদ-নদীর পানির স্তর এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস নিয়মিত পর্যবেক্ষণের বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়।</p>

<p>এ সময় চট্টগ্রাম থেকে যুক্ত হওয়া কর্মকর্তারা প্রধানমন্ত্রীকে জানান, সেখানকার জলাবদ্ধতা ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে। তবে সিলেট অঞ্চলে মনু নদের বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে এবং রংপুর বিভাগে নতুন করে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।</p>

<p>এসব তথ্য জানার পর প্রধানমন্ত্রী সম্ভাব্য সব ধরনের ঝুঁকি মোকাবেলায় সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ, প্রয়োজনীয় জনবল ও সরঞ্জাম প্রস্তুত রাখা এবং জনগণের পাশে থেকে সমন্বিতভাবে কাজ করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশ দেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/813-99.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[চকরিয়া-পেকুয়ায় বন্যা : পাহাড়ধস ও পানিতে ডুবে ৭ শিশুসহ প্রাণ গেল ৮ জনের]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/bangladesh/29023</link>
    <pubDate>Mon, 13 Jul 2026 09:09:17 +0600</pubDate>
    <category> সারাবাংলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/bangladesh/29023</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1006-88.jpg" />    <article>
<p>কক্সবাজারের পেকুয়া ও চকরিয়া উপজেলায় ভয়াবহ বন্যা ও ভারি বর্ষণের ফলে পাহাড়ধস ও পানিতে ডুবে এখন পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৭ শিশুসহ ৮ জনের। তাদের মধ্যে ২ শিশুকন্যা, ৫ জন ছেলে ও অপরজন ২০ বছরের যুবক।</p>
</article>

<article>এ ছাড়া বানের পানির স্রোতে ভেসে গিয়ে নিখোঁজ থাকা সজিব জলদাস নামে ১২ বছরের শিশুর লাশ ২৩ ঘণ্টা পর আজ রবিবার বিকেল ৩টায় উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিদল।
<p>&nbsp;</p>

<p>এ ছাড়া এক সপ্তাহের লাগাতার ভারি বর্ষণ ও পার্বত্য অববাহিকার মাতামুহুরী নদীতে প্রবল বেগে নেমে আসা উজানের ঢলের পানিতে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে চকরিয়া, পেকুয়া ও মাতামুহুরী উপজেলা। এই ৩ উপজেলার এমন কোনো গ্রাম নেই, যেখানে কোমর থেকে গলা পর্যন্ত পানি ওঠেনি। যেসব এলাকা থেকে পানি নেমে যাচ্ছে সেখানে ভেসে উঠছে ক্ষতচিহ্ন।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>গতকাল শনিবার থেকে বৃষ্টিপাত কমে আসায় পানিও কমতে থাকে মাতামুহুরী নদীতে। এতে বিভিন্ন এলাকা থেকে পানিও নেমে যেতে দেখা যায়। কিন্তু আজ রবিবার ভোররাত থেকে দুপুর পর্যন্ত ফের অতি ভারি বর্ষণ শুরু হলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে বন্যাকবলিত মানুষের মাঝে। অবশ্য বিকেলের পর থেকে তেমন বৃষ্টিপাত হয়নি চকরিয়া, পেকুয়া ও মাতামুহুরী উপজেলায়।</p>
</article>

<article>একদিকে বানের পানির সাথে যুদ্ধ এবং অপরদিকে এই পরিস্থিতিতে স্বজন হারানোর বেদনায় কাতর হয়ে পড়েছে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>সর্বশেষ আজ রবিবার বিকেলে চকরিয়ার বরইতলীতে বাড়ির উঠানে মায়ের সামনেই বানের স্রোতের পানিতে তলিয়ে গিয়ে মারা যান মোহাম্মদ আতাউল্লাহ (২০) নামের এক যুবক। তিনি বরইতলী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের শান্তিবাজারস্থ পূর্ব ছড়াকূলের ফতেহ আলী সিকদার পাড়ার নেসার আহমদের পুত্র। বরইতলী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. ছালেকুজ্জামান এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।</p>

<p>গত বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ভোররাতে চকরিয়ার বরইতলী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মোহছেনিয়া কাটা পাহাড়ি গ্রামে ঘুমন্ত অবস্থায় আস্ত পাহাড়ের মাটি ধসে পড়ে বসতবাড়ির ওপর।</p>
</article>

<article>এ সময় মাটি চাপা পড়ে মারা যায় ২ শিশু।
<p>&nbsp;</p>

<p>তারা হলো মোহছেনিয়া কাটা গ্রামের মোহাম্মদ কাজলের মেয়ে ও বরইতলী দাখিল মাদরাসার দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী রুমি আক্তার (১৫) এবং আবদুল মজিদের ছেলে স্থানীয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী মোহাম্মদ তৌসিফ (১০)। তারা সম্পর্কে আপন চাচাতো-জেঠাতো ভাই-বোন।</p>

<p>এর আগে গত ৬ জুলাই সোমবার সন্ধ্যার দিকে পেকুয়া উপজেলার টৈটং ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের খলিফা মুড়ার আলিম্যার ঝিরি এলাকায় ভারি বর্ষণের সময় বসতবাড়ির ওপর পাহাড় ধ্বসে মারা যায় ওই এলাকার কলিম উল্লাহর ৭ বছরের শিশুসন্তান মো. মিনহাজ উদ্দিন। এ সময় আহত হন ওই শিশুর নানীও।</p>

<p>বসতবাড়ির ভেতর ঢুকে পড়া বানের পানিতে ডুবে গত ৯ জুলাই (বৃহস্পতিবার) বিকেলে চকরিয়ার কাকারা ইউনিয়নের চার নম্বর ওয়ার্ডের মাইজ কাকারা গ্রামে মারা যান সুলতান আহমদের আড়াই বছরের&nbsp; ছেলে মোহাম্মদ ওয়াকিম।</p>

<p>এদিকে বাড়ির চালা পর্যন্ত পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় গত ১০ জুলাই (শুক্রবার) সকাল আটটার দিকে নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধান খুঁজতে নৌকায় চেপে অন্যত্র যাচ্ছিল চকরিয়ার বরইতলী ইউনিয়নের দুই নম্বর ওয়ার্ডের রসুলাবাদ গ্রামের আবদুল মালেক ও তার পরিবার সদস্যরা। কিন্তু ঝড়ো বাতাসের কবলে পড়ে সেই নৌকা ডুবে গেলে তিন কন্যা শিশু হাসনাতুল জান্নাত ঝর্ণা (১২), জেরিন মনি (৮) আর শাওরিন মনি (৬) পানিতে বানের পানিতে তলিয়ে যান। এ সময় ছোট দুই শিশুকন্যাকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হলেও প্রায় ৬ ঘন্টা পর চট্টগ্রাম থেকে ডুবুরি দল এসে নিখোঁজ হাসনাতুল জন্নাত ঝর্ণার লাশ উদ্ধার করে।&nbsp;</p>

<p>গত শনিবার রাতে পেকুয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের বলির পাড়ার প্রবাসী নাছির উদ্দিনের বাড়িতে পানিতে ডুবে মারা যায় ১৯ মাসের শিশুপুত্র মুশফিকুর রহিম। পরিবারটি জানিয়েছে-বন্যায় প্রবাসী নাছিরের বাড়ির ভেতরও পানি ঢুকে পড়ে। আর উঠানেও ছিল কোমর সমান পানি। একমাত্র শিশুসন্তান মুশফিককে বাড়ির ভেতর রেখে কাজ করছিলেন নাছিরের স্ত্রী। কিন্তু সবার অগোচরে ওই শিশু পানিতে পড়ে স্রোতে ভেসে যায় এবং ১২০ ফুট দূরে লাশ ভাসতে থাকে।</p>

<p>এদিকে গতকাল শনিবার বিকেল তিনটার দিকে চকরিয়ার কৈয়ারবিল ইউনিয়নের খোঁজাখালী জলদাস পাড়ায় বাড়ির সামনে বানের পানির স্রোতে ভেসে যায় তিন শিশু। তন্মধ্যে দুই শিশু জীবিত ফিরতে পারলেও তখন থেকেই নিখোঁজ ছিল কুতুবদিয়া উপজেলার কুমিরা ছড়া জলদাস পাড়ার তুফান জলদাসের ১২ বছরের ছেলে সজিব জলদাস। সে ছোটকাল থেকেই মামার বাড়ি চকরিয়ার কৈয়ারবিল জলদাস পাড়ায় বড় হচ্ছিল।</p>

<p>চকরিয়া সিভিল ডিফেন্স ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা সেলিম উদ্দিন&nbsp; বলেন, &lsquo;শিশু সজিব জলদাস নিখোঁজ থাকার খবর পেয়ে তাত্ক্ষণিক ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা অকুস্থলে যায়। কিন্তু ছড়াখালে বানের পানির স্রোত তীব্র থাকায় ফেরত আসে। তবে চট্টগ্রাম থেকে আসা ডুবুরি দল রবিবার দুপুর থেকে বেলা তিনটা পর্যন্ত ব্যাপক তল্লাশী চালিয়ে ২৩ ঘন্টা পর মরদেহ উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে।&rsquo;</p>

<p>চকরিয়া ও পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গত একসপ্তাহের ব্যবধানে একে একে সাতজন শিশু, একজন যুবকসহ আটজন পাহাড়ধস, পানিতে ডুবে ও তলিয়ে গিয়ে মারা যাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1006-88.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[থানচির থুইসাপাড়ায় আটকা পড়া ৪ পর্যটককে উদ্ধার করল বিজিবি]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/bangladesh/29022</link>
    <pubDate>Mon, 13 Jul 2026 09:07:31 +0600</pubDate>
    <category> সারাবাংলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/bangladesh/29022</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1129-77.jpg" />    <article>
<p>খাড়াই পাহাড়, ভয়ংকর খরস্রোতা নদী, পাথুরে ঝিরি আর গভীর দুর্গম বনাঞ্চল পাড়ি দিয়ে টানা ৪৮ ঘণ্টার দুঃসাহসিক অভিযানে বান্দরবানের থানচি উপজেলার থুইসাপাড়ায় আটকা পড়া ৪ পর্যটককে নিরাপদে উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। টানা ভারী বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল ও বৈরী আবহাওয়ার মধ্যে পরিচালিত এই উদ্ধার অভিযান স্থানীয়দের কাছেও প্রশংসিত হয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>উদ্ধার হওয়া চার পর্যটক হলেন, ঢাকার সূত্রাপুর থানার বাসিন্দা মো. মারুফ উদ্দিন, আবু হুরায়রা জাদিম, তামিম রায়হান সৌরভ এবং শ্যামপুর থানার বাসিন্দা মাহাদি আল মাহবুব। তাদের মধ্যে তামিম রায়হান সৌরভ নটর ডেম কলেজের শিক্ষার্থী এবং অন্য তিনজন এসএসসি পাস করে কলেজে ভর্তি হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।</p>

<p>একই সঙ্গে গত ১০ দিনের টানা বর্ষণে সৃষ্ট পাহাড়ি ঢল, ভূমিধস, পাহাড়ধস ও সড়ক বিচ্ছিন্নতার কারণে থানচির নাফাখুম, অমিয়াখুমসহ বিভিন্ন পর্যটন এলাকা এবং দুর্গম পাহাড়ি পাড়ায় আটকা পড়া মোট ১২০ জন পর্যটককে উদ্ধার করেছে বিজিবি। এছাড়া ৬ শতাধিক দুর্গত মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া, ত্রাণ বিতরণ এবং চিকিৎসাসেবাও প্রদান করেছে বাহিনীটি।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>বিজিবি সূত্র জানায়, গত ৪ জুলাই অমিয়াখুম ভ্রমণের উদ্দেশ্যে চার পর্যটক থানচির থুইসাপাড়ায় যান। কিন্তু ৭ জুলাই থেকে শুরু হওয়া টানা ভারী বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল এবং নদীর পানির উচ্চতা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় নৌপথ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। ফলে তারা থুইসাপাড়ায় আটকা পড়েন।</p>

<p>পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার প্রেক্ষিতে ১১ জুলাই আনুষ্ঠানিক উদ্ধার অভিযান শুরু হয়।</p>
</article>

<article>বিজিবির সদস্যরা চার পর্যটককে সঙ্গে নিয়ে থুইসাপাড়া থেকে বিকল্প দুর্গম পাহাড়ি পথ ধরে জিন্নাপাড়া, হালিরামপাড়া ও নিকোলাসপাড়া অতিক্রম করে ঝিরি ও পাহাড়ি পথ পেরিয়ে অংসাউপাড়া এলাকায় পৌঁছান। পথে একাধিক পাহাড়ধস, ঝিরিতে পানির উচ্চতা বৃদ্ধি, প্রবল স্রোত এবং দিনব্যাপী বৃষ্টির কারণে সেদিন সীমান্ত সড়ক পর্যন্ত পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। পরে অংসাউপাড়ায় বিজিবির তত্ত্বাবধানে পর্যটকদের নিরাপদে রাত্রিযাপনের ব্যবস্থা করা হয়।
<p>&nbsp;</p>

<p>রবিবার (১২ জুলাই) সকালে অংসাউপাড়া ক্যাম্প থেকে বিজিবির আরেকটি দল অভিযানে যুক্ত হয়। প্রায় ৪ ঘণ্টা দুর্গম পাহাড়ি পথ ও পাথুরে ঝিরি অতিক্রম করে তারা সীমান্ত সড়কসংলগ্ন নেপিউপাড়া বিওপিতে পৌঁছান।</p>
</article>

<article>সেখান থেকে বিজিবির গাড়িতে করে ৪ পর্যটককে নিরাপদে থানচিতে ফিরিয়ে আনা হয়।
<p>&nbsp;</p>

<p>খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বলিপাড়া ব্যাটালিয়ন (৩৮ বিজিবি)-এর অধীন জিন্নাপাড়া ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল প্রতিকূল আবহাওয়া উপেক্ষা করে থুইসাপাড়ায় পৌঁছে পর্যটকদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করে। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি স্থানীয় কারবারিদের সহযোগিতায় থাকা-খাওয়া ও প্রয়োজনীয় সহায়তার ব্যবস্থা করা হয়। পুরো সময়জুড়ে বিজিবি সদস্যরা তাদের সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করেন।</p>

<p>পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় ১১ জুলাই আনুষ্ঠানিক উদ্ধার অভিযান শুরু হয়। বিজিবির সদস্যরা চার পর্যটককে সঙ্গে নিয়ে থুইসাপাড়া থেকে বিকল্প দুর্গম পাহাড়ি পথ ধরে জিন্নাপাড়া, হালিরামপাড়া ও নিকোলাসপাড়া অতিক্রম করে ঝিরি ও পাহাড়ি পথ পেরিয়ে অংসাউপাড়ায় পৌঁছান। তবে পথে একাধিক পাহাড়ধস, ঝিরিতে পানির তীব্র স্রোত, পানি বৃদ্ধি এবং সারাদিনের বৃষ্টির কারণে সেদিন সীমান্ত সড়কে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। পরে অংসাউপাড়া বিজিবি ক্যাম্পের তত্ত্বাবধানে পর্যটকদের নিরাপদে রাতযাপনের ব্যবস্থা করা হয়।</p>

<p>উদ্ধার হওয়া পর্যটকরা জানান, থুইসাপাড়ায় আটকা পড়ার পর থেকেই বিজিবি তাদের নিরাপত্তা, খাদ্য ও আশ্রয়ের ব্যবস্থা করে। পরে জীবনবাজি রেখে দুর্গম পাহাড়ি পথ অতিক্রম করে বিজিবির সদস্যরা তাদের নিরাপদে উদ্ধার করেন। উদ্ধার অভিযানে অংশ নেওয়া সদস্যদের পেশাদারিত্ব, সাহসিকতা ও মানবিক ভূমিকার জন্য তারা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।</p>

<p>বান্দরবান সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার কর্নেল রুবায়াত জামিল বলেন, &lsquo;সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে পর্যটক ও স্থানীয় জনগণের জীবন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও বিজিবির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। যেকোনো দুর্যোগ, দুর্ঘটনা কিংবা জরুরি পরিস্থিতিতে মানুষের পাশে থেকে দ্রুত ও কার্যকর সহায়তা দিতে বিজিবি সবসময় প্রস্তুত রয়েছে।&rsquo;</p>

<p>তিনি জানান, সাম্প্রতিক বন্যা পরিস্থিতিতে বান্দরবানের বিভিন্ন দুর্গম এলাকায় বিজিবি ১১৬ জন পর্যটকসহ ৬ শতাধিক মানুষকে উদ্ধার করেছে। এছাড়া দুর্গত মানুষের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ এবং অন্তত ৪৮ জনকে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়েছে।</p>

<p>টানা বর্ষণে দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থা ভেঙে পড়লেও বিজিবির ধারাবাহিক উদ্ধার তৎপরতায় আটকা পড়া পর্যটক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকেও প্রয়োজন ছাড়া বৈরী আবহাওয়ার মধ্যে পাহাড়ি পর্যটন এলাকায় ভ্রমণ না করার আহ্বান জানানো হয়েছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1129-77.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[কানাডার সালসা উৎসবে বন্দুক হামলায় নিহত ২, হামলাকারী পলাতক]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29021</link>
    <pubDate>Mon, 13 Jul 2026 09:06:23 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29021</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1246-66.jpg" />    <article>
<p><a href="https://www.ndtv.com/world-news/2-dead-3-injured-in-mass-shooting-in-canadas-toronto-11759808?pfrom=home-ndtv_topscroll&amp;fbclid=IwY2xjawS_-UZleHRuA2FlbQIxMABicmlkETFDSjk3S1Y4dmVnbjdIQUQ3c3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHt_ou0PT3oixKYj7RDrWUxzTDsgH_Sh_RZtsy9B5Vtky7EpkuJ2pI3DXS_gp_aem_K0f8EO_8k8oKRQsM9NAsOw">কানাডার টরন্টো</a> শহরে একটি সালসা উৎসবে বন্দুক হামলায় দুজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরো অন্তত চারজন আহত হয়েছেন।</p>
</article>

<article>হামলার পর সন্দেহভাজন ব্যক্তি ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গেছে। তাকে ধরতে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।
<p>&nbsp;</p>

<p>টরন্টো পুলিশ জানিয়েছে, শনিবার সেন্ট ক্লেয়ার অ্যাভিনিউতে আয়োজিত &lsquo;সালসা অন সেন্ট ক্লেয়ার&rsquo; উৎসবে এই গুলির ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ছয়জনকে উদ্ধার করে।</p>
</article>

<article>পরে তাদের মধ্যে দুজনকে মৃত ঘোষণা করা হয়। আহতদের বর্তমান অবস্থা বা তাদের মধ্যে কেউ গুরুতর অবস্থায় আছেন কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।
<p>&nbsp;</p>

<p>পুলিশ এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত এখনো চলছে। এ কারণে এলাকাজুড়ে বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন রাখা হয়েছে।</p>
</article>

<article>ঘটনাস্থলে থাকা বার্তা সংস্থা এএফপির এক সাংবাদিক জানান, উৎসব চলাকালীন হঠাৎ গুলির শব্দ শোনা যায়। এরপর ঘটনাস্থলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অন্টারিও প্রদেশের প্রিমিয়ার ডাগ ফোর্ড এ ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, সেন্ট ক্লেয়ার উৎসবে ঘটে যাওয়া এই &lsquo;অর্থহীন সহিংসতায়&rsquo; তিনি গভীরভাবে মর্মাহত। তিনি বলেন, এই হামলায় দুজনের প্রাণ গেছে এবং আরো অনেকে আহত হয়েছেন।</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/07/12/1710284" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>টরন্টোর এই হামলার ঘটনা কানাডায় সাম্প্রতিক কয়েকটি বন্দুক হামলার মধ্যে সর্বশেষ। উল্লেখ্য যে, এর আগে গত মাসের শেষ দিকে মন্ট্রিয়লে একটি বন্দুক হামলায় এক পুলিশ কর্মকর্তাসহ দুজন নিহত হন। হামলাকারী পরে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর গুলিতে নিহত হন। এ ছাড়া চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে কানাডার পশ্চিমাঞ্চলের ছোট খনিশহর টাম্বলার রিজের একটি বিদ্যালয়ে বন্দুক হামলার ঘটনা ঘটে। ওই হামলায় আটজন নিহত হন। নিহতদের মধ্যে হামলাকারীর মা ও সৎ ভাইও ছিলেন। ওই ঘটনায় আরো ২৭ জন আহত হন। পরে হামলাকারী নিজেই নিজের জীবন শেষ করেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1246-66.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[স্বামীর গুলিতে প্রাণ হারালেন গুগলে কর্মরত ভারতীয় নারী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29020</link>
    <pubDate>Mon, 13 Jul 2026 09:05:25 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29020</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1349-55.jpg" />    <article>
<p>যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়ায় গুগলের এক ঊর্ধ্বতন প্রযুক্তি কর্মকর্তা তার স্বামীর গুলিতে নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তাদের ২৩ বছর বয়সী ছেলেও গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।</p>
</article>

<article>স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাত ৮টার কিছু আগে এ ঘটনা ঘটে।
<p>&nbsp;</p>

<p>দুর্ঘটনার দিন জর্জিয়ার স্মার্না শহরের একটি বাড়িতে গোলাগুলির খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে ছুটে যায়। <a href="https://www.ndtv.com/world-news/indian-origin-google-techie-sheetal-wrzesien-shot-dead-by-husband-at-us-home-in-georgia-son-injured-11759926?fbclid=IwY2xjawTADqtleHRuA2FlbQIxMABicmlkETFRb2h4bFdSUUF0MlFoTkhsc3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHrzMcNpgWxLgcuhkMTiAYcYXVr2CtcLgEw-gwpFaj1CKv_skym56GmRDWRc4_aem_ozscU4BOqtRMr4ZMMV1ymg">ঘটনাস্থলে পৌঁছে বাড়ির ভেতর থেকে ৫৭ বছর বয়সী শীতল রজেসিয়েনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়</a>, যিনি পরবর্তীতে মারা যান। অন্যদিকে, দম্পতির ২৩ বছর বয়সী ছেলে জেসন রেসিয়েনকে বাড়ির বাইরে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়।</p>
</article>

<article>জরুরি উদ্ধারকর্মীরা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করেন। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামী, ৫৬ বছর বয়সী কার্ক বি রেসিয়েনকে তাদের পারিবারিক বাসভবন থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
<p>&nbsp;</p>

<p>স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমানে তাকে কব কাউন্টি আটক কেন্দ্রে জামিনবিহীন অবস্থায় রাখা হয়েছে। কার্কের বিরুদ্ধে হত্যা, মারাত্মক হামলা ও অপরাধের সময় আগ্নেয়াস্ত্র রাখার মতো একাধিক গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে।</p>
</article>

<article>তবে পুলিশ এই পারিবারিক সহিংসতার সঠিক কারণ বা উদ্দেশ্য এখনও প্রকাশ করেনি।
<p>&nbsp;</p>

<p>নিহত শীতল রজেসিয়েন প্রযুক্তি খাতের একজন অত্যন্ত পরিচিত ও প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব ছিলেন। গুগলের ইঞ্জিনিয়ারিং লিডার হিসেবে কর্মরত শীতল দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে এই খাতে অবদান রাখছিলেন। গুগলে যোগদানের আগে তিনি বিখ্যাত প্রতিষ্ঠান হোম ডিপোট ডট কম এর মোবাইল ও ডিজিটাল রূপান্তর বিভাগের নেতৃত্ব দেন। এ ছাড়া আবহাওয়া ও আর্থিক প্রযুক্তি খাতেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।</p>
</article>

<article>ই-কমার্স, মোবাইল ও ওয়েব প্রযুক্তিতে তার বিশেষ দক্ষতা ছিল এবং তিনি দুইটি সফটওয়্যার পেটেন্টেরও উদ্ভাবক।&nbsp;তিনি জর্জিয়ার আটলান্টায় তার স্বামী ও দুই সন্তান জেসন ও জেসিকাকে নিয়ে থাকতেন। মর্মান্তিক এই ঘটনায় স্থানীয় প্রবাসী ভারতীয় ও প্রযুক্তি মহলে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1349-55.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ইরানে ১৪০ লক্ষ্যবস্তুতে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা, ৫ দেশে মার্কিন ঘাঁটিতে পাল্টা হামলা তেহরানের]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29019</link>
    <pubDate>Mon, 13 Jul 2026 09:01:54 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29019</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1413-44.jpg" />    <article>
<p>ইরানে ১৪০টি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে বিমান হামলার দাবি করেছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। জবাবে সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার এবং কুয়েতসহ ৫ উপসাগরীয় দেশে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে তেহরান।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা এবং ইরান কর্তৃক আন্তর্জাতিক নৌ রুটটি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণার পর দুই দেশের মধ্যে এই ভয়াবহ যুদ্ধ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।</p>

<p>&nbsp;সোশ্যাল প্ল্যাটফর্ম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে সেন্টকম জানিয়েছে, চলতি সপ্তাহে ইরানে তৃতীয় দফার সামরিক অভিযান শেষ হয়েছে।&nbsp;</p>

<p>হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক সাইপ্রাসের পতাকাবাহী একটি জাহাজে হামলার প্রেক্ষিতে ইরানি বাহিনীকে জবাবদিহির আওতায় আনতেই এই হামলা চালানো হয়েছে বলে জানা গেছে।</p>

<p>সেন্টকম আরো জানিয়েছে, হামলায় জাহাজের একজন বেসামরিক ক্রু নিখোঁজ রয়েছেন।</p>
</article>

<article>জাহাজে আগুন লাগায় ইঞ্জিন রুমের ব্যাপক ক্ষতিসাধন হয়। এত চলার অনুপোযোগী হয়ে পড়ে।
<p>&nbsp;</p>

<p>এর চার ঘন্টা পর মার্কিন হামলা সম্পন্ন হয়েছে বলে সেন্টকমের দাবি, সর্বশেষ অভিযানে প্রায় ১৪০টি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে। এর মধ্যে ছিল ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ঘাঁটি, নৌঘাঁটি, গোলাবারুদের গুদাম, যোগাযোগ নেটওয়ার্ক এবং উপকূলীয় নজরদারি কেন্দ্র।</p>
</article>

<article>যা আগের দুই দফার চেয়ে অনেক বেশি ছিল।
<p>&nbsp;</p>

<p>এদিকে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে, ওমানের দুকম বন্দরে মার্কিন বিমানবাহী রণতরির জন্য ব্যবহৃত রসদ সরবরাহ কেন্দ্র ও জ্বালানি ভরার স্থাপনায় তারা &lsquo;ভারী ও আকস্মিক&rsquo; হামলা চালিয়েছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি এ তথ্য জানিয়েছে।&nbsp;</p>

<p>আইআরজিসির জনসংযোগ বিভাগ দাবি করেছে, হামলায় এসব স্থাপনা ধ্বংস হয়ে গেছে। তারা আরো বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক বিমান হামলার জবাবে এটি তাদের পাল্টা অভিযানের তৃতীয় ধাপ।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>আইআরজিসি আরো দাবি করেছে, কাতারের আল উদেইদ বিমানঘাঁটিতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, হামলায় যুদ্ধবিমান রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামত কেন্দ্র এবং ঘাঁটির কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র ধ্বংস হয়েছে।</p>

<p>তবে কাতারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কাতারের আকাশসীমা লক্ষ্য করে ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্র তারা সফলভাবে প্রতিহত করেছে।</p>

<p>ইরানি বাহিনী দাবি করেছে, তারা কুয়েত ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোতে ধারাবাহিকভাবে ড্রোন হামলা চালিয়েছে।</p>

<p>তাদের দাবি, কুয়েতে বিস্ফোরকবাহী ড্রোন দিয়ে মার্কিন প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, একটি গোলাবারুদের গুদাম এবং একটি রাডার স্থাপনাকে লক্ষ্য করা হয়েছে।</p>

<p>এ ছাড়া বাহরাইনে মার্কিন বাহিনীর একটি যোগাযোগ ব্যবস্থা ও রাডার স্থাপনায়ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের সেনাবাহিনী।</p>

<p>ইরানের ভাষ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত হামলার জবাব হিসেবেই এসব অভিযান চালানো হয়েছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1413-44.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪৪৯০]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29018</link>
    <pubDate>Mon, 13 Jul 2026 09:01:12 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29018</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1499-33.jpg" />    <article>
<p>ভেনিজুয়েলায় জোড়া ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪৪৯০ জনে দাঁড়িয়েছে। দেশটির জাতীয় সংসদের সভাপতি হোর্হে রদ্রিগেজ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।</p>
</article>

<article>গত ২৪ জুন <a href="https://gulfnews.com/world/americas/death-toll-from-venezuelas-twin-earthquakes-rises-to-4490-1.500605715?fbclid=IwY2xjawTBKKFleHRuA2FlbQIxMABicmlkETE1T2RWcmo5MnlQc1lRSUpNc3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHodHr6lumFmvy4hb_pQLZ8x0TcWxwo-LePkGbRroQRsFyU35_FDTbw4EpEch_aem_TwOjC6sAFG5tHi-xmawk-g">মাত্র ৪০ সেকেন্ডের ব্যবধানে দেশটিতে পরপর দুইটি শক্তিশালী ভূমিকম্প</a> আঘাত হানলে এই বিপর্যয় ঘটে।

<p>&nbsp;</p>

<p>হোর্হে রদ্রিগেজ জানান, নতুন করে প্রাণহানির খবর পাওয়া গেলেও সরকারিভাবে আহতের সংখ্যা পূর্বের ১৬৭৪০ জনেই অপরিবর্তিত রয়েছে। তবে ধ্বংসস্তূপের মধ্য থেকে উদ্ধারকারী দলগুলো এখন পর্যন্ত সফলভাবে ৬৪৬২ জনকে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে, যা এই ভয়াবহ পরিস্থিতির মাঝেও কিছুটা স্বস্তির আলো দেখাচ্ছে।</p>

<p>গত ২৪ জুন ভেনেজুয়েলার ইয়ারাচুই রাজ্যে ৭.২ ও ৭.৫ মাত্রার দুটি অত্যন্ত শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে।</p>
</article>

<article>বিশেষজ্ঞদের মতে, ভূমিকম্প দুইটির মধ্যবর্তী সময়ের ব্যবধান ছিল মাত্র ৪০ সেকেন্ড। এত কম সময়ের মধ্যে দুটি বড় ধরনের কম্পন হওয়ায় দেশটির ব্যাপক মানবিক বিপর্যয়ের পাশাপাশি ঘরবাড়ি ও অবকাঠামোর বিশাল বস্তুগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বর্তমানে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে জরুরি উদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1499-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[প্রতারণার মামলায় তানজিন তিশাকে আদালতে হাজিরের নির্দেশ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/29017</link>
    <pubDate>Mon, 13 Jul 2026 09:00:17 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/29017</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1540-22.jpg" />    <article>
<p>ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিন তিশার বিরুদ্ধে করা প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের মামলায় সমন জারি করেছেন আদালত। আগামী ১৩ আগস্ট তাকে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>রবিবার (১২ জুলাই) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ১০ নম্বর আদালতের বিচারক মো. জুয়েল রানা এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সলিমুল্লাহ সরকার।</p>

<p>মামলার নথি অনুযায়ী, অনলাইন ফ্যাশন পেজ &lsquo;অ্যাপোনিয়া&rsquo; থেকে প্রায় ২৮ হাজার ৮০০ টাকা মূল্যের একটি শাড়ি নেওয়ার পর সেটির প্রচারণা এবং মূল্য পরিশোধের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তানজিন তিশা। কিন্তু পরে তিনি যোগাযোগ বন্ধ করে দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।</p>
</article>

<article>এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তার বিরুদ্ধে প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগ এনে মামলা করা হয়।
<p>&nbsp;</p>

<p>তবে শুরু থেকেই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন এই অভিনেত্রী। এর আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তিনি দাবি করেছিলেন, শাড়িটি তাকে উপহার হিসেবে দেওয়া হয়েছিল।</p>

<p>বাদীপক্ষের দাবি, আইনি নোটিশ পাঠানোর পরও কোনো সাড়া না পাওয়ায় ২০২৫ সালের নভেম্বরে আদালতে মামলা করা হয়।</p>
</article>

<article>পরে আদালতের নির্দেশে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ অভিযোগের তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দেয়। সেই তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই আদালত সমন জারির আদেশ দিয়েছেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>বাদীপক্ষের আইনজীবী সলিমুল্লাহ সরকার বলেন, &lsquo;তদন্ত প্রতিবেদনে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। তাই এখন বিষয়টি আদালতেই নিষ্পত্তি হবে।&rsquo;</p>

<p>এদিকে ছোট পর্দার জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী বর্তমানে শাকিব খানের বিপরীতে &lsquo;সোলজার&rsquo; সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেকের অপেক্ষায় রয়েছেন।</p>
</article>

<article>ছবিটি এখনো মুক্তি না পেলেও আদালতের এ আদেশের পর নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে তার নাম।</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1540-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বছরের পর বছর জয়ের ধারা ধরে রাখা সহজ নয় : মেসি]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/29016</link>
    <pubDate>Mon, 13 Jul 2026 08:59:35 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/29016</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1638-11.jpg" />    <article>
<p>বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে সুইজারল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালে উঠেছে আর্জেন্টিনার। এই অবিশ্বাস্য ধারাবাহিক সাফল্যকে &zwnj;&lsquo;স্বাভাবিক নয়&rsquo; বলে অভিহিত করেছেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসি।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা অতিরিক্ত সময়ের নাটকীয় জয়ে শেষ চারে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবে। এতে শিরোপা ধরে রাখার মিশনে আলবেসিলেস্তরা সঠিক পথেই রয়েছে।</p>

<p>ম্যাচ শেষে ইএসপিএন আর্জেন্টিনাকে মেসি বলেন, &lsquo;আমরা যেভাবে উপভোগ করছি, আর্জেন্টিনার সাধারণ মানুষও একইভাবে আনন্দ পাচ্ছে দেখে খুব ভালো লাগছে। আমরা এভাবেই বিষয়টাকে অনুভব করি।</p>
</article>

<article>&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>টানা দুই বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে পৌঁছানো এবং বছরের পর বছর ধরে দলের এই জয়ের ক্ষুধা ধরে রাখা একেবারেই সাধারণ কোনো ঘটনা নয় বলে যোগ করেন এই মহাতারকা।</p>

<p>আমরা জানি না এটি আবার কখনো ঘটবে কি না? কিংবা ঘটলেও কবে ঘটবে। গতবারের আগে আমরা দীর্ঘ সময় বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হতে পারিনি; তাই এর পরে যা কিছুই আসবে, তার প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করা উচিত। আমরা এখন বিশ্রাম নেব, নিজেদের শক্তি সঞ্চার করে।</p>
</article>

<article>সেমিফাইনালে সেরা লড়াইটা দেওয়ার চেষ্টা করব বলে জানান তিনি।</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1638-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদে সাথে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির বৈঠক]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/29015</link>
    <pubDate>Sun, 12 Jul 2026 09:41:56 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/29015</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/65-a.jpg" />    <p>যুক্তরাষ্ট্রে সফররত বিএনপির বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক ও অঙ্গসংগঠনের ও সকল পর্যায়ের কমিটি ও নেতা=কর্মীদের সাথে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি, আন্তরিকতার সাথে হোটেল লবিতে সংক্ষিপ্ত মতবিনিময় করেন।<br />
বিশেষ করে গত ১৭ বছর যুক্তরাষ্ট্র প্রবাস থেকে পতিত সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রাম ও ২৪ শের জুলাই আন্দোলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিদের্শনা মাফিক বাংলাদেশের জনগণ ও প্রবাসীদের রেমিট্যান্স য়োদ্বাদের উজ্জীবিত রাখার কারনে উপস্থিত নেতা=কর্মীদের ধন্যবাদ জানান। গত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রবাস থেকে ধানের শীষের পক্ষে ভোট দিয়ে বিএনপিরকে জয়যুক্ত করায় সকল নেতাকর্মীদের ও প্রবাসীদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।<br />
যুক্তরাষ্ট্রে আন্দোলন সংগ্রাম করার পরও নেতাকর্মীদের হতাশ ও কমিটি বিলম্বিত হওয়া এবং যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির কমিটি নাই তিনি সবকিছুই আবগত বলে জানিয়েছেন ।<br />
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে করে বলেছেন সকলকে ঐক্যবদ্ধ করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের জাতীয় সম্মেলন এর পর যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি অথবা অন&zwj;্য কোন বূহৎ নামে কোন শক্তিশালী মাদার সংগঠন করার উপর গুরুত্বারোপ করেন।<br />
তিনি বলেন হতাশ হবেন না আন্দোলন সংগ্রামে অংশগ্রহণ করছে দেশ ও প্রবাসের সকল নেতৃবৃন্দ কে মূল্যায়ন করা হবে ইনশাআল্লাহ।<br />
বিএনপি এখন দেশ ও প্রবাসে অনেক বড় মাপের দল।আপনাদেরকে ঐক্যবদ্ধ থেকে বিএনপির পক্ষে কাজ করতে হবে। কারন দেশ ও প্রবাসে বিএনপি ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিরুদ্ধে একটি মহল অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন। এই পরাজিত শক্তির বিরুদ্ধে আপনাদের সতর্ক থাকতে হবে।<br />
উল্লেখ্য, ২০১১ সালে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির কমিটি বিলুপ্তির পর আর কোন কমিটি করা হয় নাই তার মানে কোন সাংগঠনিক কাঠামো নাই।<br />
বলতে গেলে কোন চেইন অব কমান্ড নাই কিন্তু বিএনপি দলের স্বার্থে সবাই ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করে আসছেন<br />
২০১৫ সালে বতর্মানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাংগঠনিক ক্ষমকাবলে য়ুক্তরাস্টের প্রতিটা স্টেটে/অংগরাজ&zwj;্যে আলাদা আলাদা স্টেট কমিটি করার জন্য তৎকালীন বিএনপির আন্তর্জাতিক সম্পাদক বর্তমান শিক্ষা মন্ত্রী ড. এহসানুল হক মিলনকে কমিটি করার জন্য য়ুক্তরাস্ট্রে পাঠিয়েছিলেন<br />
জনাব এহসানুল হক মিলন ৮/১০ স্টেট কমিটি করেছিলেন সম্ভবত ৮ টি কমিটি কেন্দ্র অনুমোদন পেয়েছিল।<br />
পরবর্তীতে বিএনপির আরেকজন আন্তর্জাতিক সম্পাদক জনাব আনোয়ার হোসেন খোকনকে লন্ডন থেকে উত্তর আমেরিকার সাংগঠনিক দায়িত্ব দেন। জনাব খোকন অদ&zwj;্যবধি গত ৫/৬ বছরে সফলতার সাথে ১৮/২০ স্টেটে কমিটি করতে সক্ষম হন। সবগুলি স্টেটে পূর্ণ কমিটি হলেও একমাত্র নিউইয়র্কে একটি স্টেটের মাঝে তিনটি সমান মর্যাদায় ৩টি<br />
সুপার ফাইভ কমিটি আজ থেকে দুই বছর আগে অনুমোদন লাভ করেছিল। আজও পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে।<br />
কিন্তু প্রধান বিষয়বস্তু হলো বিভিন্ন অংগরাজ&zwj;্যে আলাদা কমিটি গঠন করা হনেও যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির একটা বিশাল অংশ ২০১১ সালের পর তাদের আর কোন সাংগঠনিক দায়িত্ব নাই। ৪০ /৩০ বছর দল করার পরও আজ তারা অবহেলিত। নেই কোন পরিচয় যা অত&zwj;্যন্ত হতাশাগ্রস্ত।<br />
অথচ যুক্তরাষ্ট্রের নেতাকর্মীদের প্রায় সকলে ক্রোয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পোস্টাল ব্যালটে ধানের শীষের প্রার্থীকে ভোট প্রদান করে বিএনপিরকে জয়যুক্ত করেছেন।<br />
আরো উল্লেখযোগ্য যে, যুক্তরাষ্ট্রের অংগরাজ&zwj;্যের কমিটিগুলোকে মহাসচিব সাক্ষরিত সম্বলিত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আমরা যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির ত&zwj;্যাগী নেতা-কর্মী এইটাও জানতে পারি তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অংগরাজ&zwj;্যের কমিটিগুলোকে জেলা মর্যাদায় অনুমোদন করা র আদেশ দিয়েছিলেন।<br />
যেহেতু আমরা দলের প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস রেখে কাজ করেছি দলের সিদ্ধান্ত চুড়ান্ত মনে করি।<br />
তাই বিএনপির চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে আমরা দাবি জানাচ্ছি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলে যেমনি বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আছে, ঠিক তেমনি উত্তর আমেরিকাকে সাংগঠনিক বিভাগ ঘোষণা করার মধ্য দিয়ে উত্তর আমেরিক বিএনপি বিভাগীয় মযাঁদায় করলে দীর্ঘ দিন যুক্তরাষ্ট্রে পদবন্ঝিত যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির ও অংগসংগঠনের নেতাকর্মীদের মাঝে নবদিগন্তের সূচনা হবে এবং উত্তর আমেরিকায় শক্তিশালী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল গঠন করা সম্ভব হবে।<br />
জননন্দিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে আমাদের পরামর্শ ও দাবি আগামী বিএনপির কাউন্সিলে<br />
দেশের আটটি বিভাগে বিভাগীয় কমিটি গঠনের বিধান সংযোজন করলে উত্তর আমেরিকা বিএনপিকে (যুক্তরাষ্ট্র কানাডা) কে বিভাগীয মর্যাদায় ও প্রবাসের আরব আমিরাত ও ইউরোপী অল্চলকে ও আফ্রিকার দেশ গুলোতে বিভাগীয় কমিটি করে বিএনপিকে সংগঠিত করা সহজ হবে। অনদিকে বেশী বেশী প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের আগামী নিবার্চন পোস্টাল ব্যালটে ধানের শীষের পক্ষে জোরালো সমর্থন বাড়বে।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/65-a.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিউইয়র্কে ‘সাউথ এশিয়ান ইউনিটি প্যারেড’ ৯ আগস্ট]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/29014</link>
    <pubDate>Sun, 12 Jul 2026 09:40:53 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/29014</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/130-aa.jpg" />    <p>নিউইয়র্কে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে &lsquo;সাউথ এশিয়ান ইউনিটি প্যারেড&rsquo;। বহুজাতিক সম্প্রীতি, সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য এবং দক্ষিণ এশীয় জনগোষ্ঠীর ঐক্যের বার্তা ছড়িয়ে দিতে আগামী ৯ আগস্ট জ্যাকসন হাইটসের ৩৭তম অ্যাভিনিউজুড়ে অনুষ্ঠিত হবে এই প্যারেড।<br />
বাংলাদেশ সোসাইটির উদ্যোগে আয়োজিত এই প্যারেডে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, ভুটানসহ দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের প্রবাসী কমিউনিটির প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন। অনুষ্ঠানের মূল লক্ষ্য হলো পারস্পরিক সম্প্রীতি, সাংস্কৃতিক বন্ধন এবং বহুজাতিক সমাজে দক্ষিণ এশীয় সম্প্রদায়ের ঐক্যকে আরও সুদৃঢ় করা।<br />
এ উপলক্ষে গত ৭ জুলাই সন্ধ্যায় উডসাইডের গুলশান টেরেসে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলীর পরিচলনায় সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সোসাইটির ট্রাষ্টি বোর্ড চেয়ারম্যান, শাহ নেওয়াজ গ্রুপের কর্ণধার ও প্যারেডের গ্র্যান্ড মার্শাল শাহ নেওয়াজ, সোসাইটির সিনিয়র সহ সভাপতি মহিউদ্দিন দেওয়ান, সহ সভাপতি কামরুজ্জামান কামরুল, কমিউনিটি লিডার শাহ শহিদুল হক সাঈদ, কাজী আজহারুল হক মিলন, হারুন ভূইয়া, সাকিল মিয়া, মো. আলম নমি, মাকসুদ এইচ চৌধুরী প্রমুখ।<br />
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, &ldquo;এক অঞ্চল, এক সংস্কৃতি, এক ভবিষ্যৎ&rdquo;-এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে এবারের প্যারেডের আয়োজন করা হয়েছে। ভাষা, সংস্কৃতি ও জাতীয়তার ভিন্নতা থাকা সত্ত্বেও পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সম্প্রীতি, সহাবস্থান ও ঐক্যের বার্তা ছড়িয়ে দেওয়াই এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, ৯ আগস্ট রোববার সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত কুইন্সের জ্যাকসন হাইটস এলাকায় ৩৭ অ্যাভিনিউয়ের ৬৯ স্ট্রিট থেকে ৮৭ স্ট্রিট পর্যন্ত বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে। শোভাযাত্রায় দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের জাতীয় পতাকা, ঐতিহ্যবাহী পোশাক, সাংস্কৃতিক উপস্থাপনা এবং রঙিন সাজসজ্জার মাধ্যমে বহুজাতিক সংস্কৃতির অপূর্ব সমন্বয় তুলে ধরা হবে।<br />
আয়োজকরা জানান, এটি কেবল একটি প্যারেড নয়; বরং দক্ষিণ এশিয়ার বহুমাত্রিক সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও বৈচিত্রকে এক মঞ্চে তুলে ধরার একটি বৃহৎ উৎসব। শোভাযাত্রার পাশাপাশি থাকবে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, ঐতিহ্যবাহী পোশাক প্রদর্শনী, বিভিন্ন দেশের খাবারের স্টল, লোকজ ঐতিহ্য উপস্থাপন এবং শিশু-কিশোরদের অংশগ্রহণে নানা আয়োজন। এবারের প্যারেডে দক্ষিণ এশিয়ার সাতটি দেশ&Ntilde;বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, ভুটান ও মালদ্বীপের প্রবাসীরা নিজ নিজ দেশের সংস্কৃতি, কৃষ্টি ও ঐতিহ্য তুলে ধরবেন।<br />
সংবাদ সম্মেলনে আয়োজকরা জানান, প্যারেডে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন, সামাজিক প্রতিষ্ঠান, ব্যবসায়ী, পেশাজীবী এবং কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করবেন। বর্ণিল সাজসজ্জা, নিজ নিজ দেশের ঐতিহ্যবাহী পোশাক, সংগীত ও সংস্কৃতির মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ার বৈচিত্র্য তুলে ধরা হবে।<br />
বাংলাদেশ সোসাইটির নেতারা বলেন, এটি শুধু বাংলাদেশিদের নয়, বরং সমগ্র দক্ষিণ এশীয় জনগোষ্ঠীর ঐক্য, সম্প্রীতি ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য তুলে ধরার একটি ব্যতিক্রমী আয়োজন। তারা আশা প্রকাশ করেন, এই উদ্যোগ নিউইয়র্কে বসবাসরত দক্ষিণ এশীয় কমিউনিটির পারস্পরিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করবে এবং বহুসাংস্কৃতিক সমাজে তাদের ইতিবাচক উপস্থিতি আরও জোরালোভাবে তুলে ধরবে। নিউইয়র্কে বসবাসরত দক্ষিণ এশীয় কমিউনিটির সদস্যদের পরিবার-পরিজনসহ প্যারেডে অংশ নিয়ে আয়োজনকে সফল করার আহ্বান জানিয়েছেন আয়োজকরা।<br />
প্যারেড আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বাংলাদেশ সোসাইটির সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. মহিউদ্দিন দেওয়ান। সদস্য সচিব হিসেবে রয়েছেন সহ-সভাপতি মোহাম্মদ জামান এবং প্রধান সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন শাহ শহিদুল হক। সার্বিক তত্ত্বাবধানে রয়েছেন বাংলাদেশ সোসাইটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান শাহ এম. নেওয়াজ, সভাপতি আতাউর রহমান সেলিম এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/130-aa.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিউইয়র্কে বাংলাদেশের জুলাই বিপ্লবের দ্বিতীয় বার্ষিকী উদযাপন ৮ আগস্ট, কমিটি গঠন]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/29013</link>
    <pubDate>Sun, 12 Jul 2026 09:39:54 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/29013</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/7-aaa.jpg" />    <p>নিউইয়র্কে জ্যাকসন হাইটসে ডাইভার্সিটি প্লাজায় বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জুলাই বিপ্লবের দ্বিতীয় বার্ষিকী ৮ আগস্ট উদযাপন করা হবে। যথাযোগ্য মর্যাদা, আন্তর্জাতিক সংহতি এবং গণতান্ত্রিক চেতনার আলোকে দ্বিতীয় বার্ষিকী &lsquo;জুলাই স্মরণ&rsquo; উদযাপনের লক্ষ্যে ৮ জুলাই বুধবার সন্ধ্যায় জ্যাকসন হাইটসের কাবাব কিং রেস্টুরেন্টে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।<br />
প্যাট্রিয়টস অব বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশি-আমেরিকান প্যাট্রিয়টস এর উদ্যোগে আয়োজিত এ সংবাদ সম্মেলন পরিচালনা করেন এ. কে. আব্দুল কাদের।<br />
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ড. শেখ মিজানকে প্রধান করে ১৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি উদযাপন কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন ড. আবিদ বাহার, ডা. জুনুন চৌধুরী, মোহাম্মদ আজিজুর রহমান, রহমত উল্লাহ, হাজী আনোয়ার হোসেন লিটন, এমদাদ চৌধুরী দীপু, মিসবাহ উদ্দিন আহমদ, এ. কে. আব্দুল কাদের, আবুল কালাম আজাদ, রেজাউল করিম, নূরুল হক চৌধুরী, জাবেদ আহমদ, আব্দুল আলীম এবং দীপন গাজী।<br />
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, জুলাই বিপ্লব বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাসের এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়, যা স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, মানবাধিকার এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে নতুন এক দিগন্তের সূচনা করেছে। শহীদদের আত্মত্যাগ এবং আহত সংগ্রামীদের অবদানকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে বক্তারা বলেন, দ্বিতীয় বার্ষিকীকে কেবল একটি স্মরণানুষ্ঠান নয়, বরং নতুন প্রজন্মের কাছে ইতিহাস, মানবিক মূল্যবোধ ও গণতান্ত্রিক চেতনাকে পৌঁছে দেওয়ার একটি আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গড়ে তোলা হবে।<br />
আয়োজকরা জানান, ৮ আগস্ট শনিবার দুপুর ১২ থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত দিনব্যপী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। দিনব্যাপী এ অনুষ্ঠানে থাকবে, পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত ও বিশেষ দোয়া, শহীদ ওসমান বিন হাদি এবং জুলাই বিপ্লবের শহীদদের স্মৃতিচারণ, দেশাত্মবোধক ও সংগ্রামী সংগীত, ইসলামী নাশীদ এবং সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। আন্তর্জাতিক স্মরণ, শ্রদ্ধা ও ঐক্য অনুষ্ঠান : &ldquo;জান দেবো, কিন্তু জুলাই দেবো না&rdquo;, শহীদ ওসমান বিন হাদির স্মৃতির উদ্দেশ্যে নিবেদিত। &ldquo;ভয়াবহতা থেকে বিজয়: জুলাই বিপ্লব&rdquo; শীর্ষক আর্ট, আলোকচিত্র ও ঐতিহাসিক প্রদর্শনী। ভিডিও ডকুমেন্টারি প্রদর্শন। উন্মুক্ত সাংস্কৃতিক পর্ব, গণসংগীত, আবৃত্তি, দেশাত্মবোধক কবিতা ও বিপ্লবভিত্তিক পরিবেশনা।<br />
আন্তর্জাতিক থিংক ট্যাঙ্ক সেশন, যেখানে রাষ্ট্রবিজ্ঞান, শান্তি ও নিরাপত্তা, রসায়ন ও মানববিজ্ঞান, গণিত ও ডাটা অ্যানালিটিক্স, প্রযুক্তি এবং ইতিহাস ও সামাজিক মনোবিজ্ঞান বিষয়ক বিশেষজ্ঞরা &ldquo;প্রতিরোধ থেকে পুনর্গঠন&rdquo; প্রতিপাদ্যে আলোচনা করবেন। বিশিষ্ট অতিথিদের বক্তব্য, গণমাধ্যম সাক্ষাৎকার, আর্ট ও ফটো গ্যালারি পরিদর্শন এবং কমিউনিটি নেটওয়ার্কিং। জুলাই বিপ্লবের বীর যোদ্ধা, শহীদ পরিবার, আহত সংগ্রামী, মানবাধিকার কর্মী, কমিউনিটি সাংবাদিক, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব এবং স্বেচ্ছাসেবকদের সম্মাননা প্রদান। মহা ঐক্য ঘোষণা, সমাপনী বক্তব্য, বিশেষ দোয়া এবং জাতীয় ঐক্যের অঙ্গীকারের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি।<br />
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, এই আন্তর্জাতিক আয়োজনের মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানবাধিকারকর্মী, গবেষক, নীতিনির্ধারক, গণমাধ্যম প্রতিনিধি, শিক্ষাবিদ এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে জুলাই বিপ্লবের ইতিহাস, আত্মত্যাগ এবং গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষার বার্তা তুলে ধরা হবে।<br />
সংবাদ সম্মেলনে মোহাম্মদ আজিজুর রহমান ও ড. শেখ মিজান উৎসবমুখর ও গৌরবময় পরিবেশে অনুষ্ঠানটি সফল করতে সকল প্রবাসী বাংলাদেশি, বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন, গণমাধ্যম, মানবাধিকারকর্মী এবং সর্বস্তরের জনগণের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।<br />
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান হয, সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন উই আর দ্য পিপলস&rsquo; এর প্রধান জ্যাকব মিল্টন, কবি কাজী জহিরুল ইসলাম , ড. নিজাম উদ্দিন (NYU), ডা. জুনুন চৌধুরী (নিউরোলজি অ্যান্ড সাইকিয়াট্রি), প্রফেসর শেখ মিজান, ড. শামীম আহমেদ (ইউনিভার্সিটি অব টেক্সাস), ড. কাওসার আহমেদ (NYU), গোলাপী বেগম, রুকসানা, এমদাদ চৌধুরী দীপু (বাংলাদেশ ফোরাম), কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট হাজী আনোয়ার হোসেন, রকস্টার ব্যান্ডের ভোকাল বিপ্লব, শাহ ইসলাম, এমডি আশিক, এমডি আরমান, এমডি শফিক, এমডি রেজাউল করিম এবং দীপন গাজীসহ কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/7-aaa.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[প্রধানমন্ত্রী সার্বক্ষণিক বন্যা পরিস্থিতি মনিটর করছেন : মাহদী আমিন]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29012</link>
    <pubDate>Sun, 12 Jul 2026 09:37:16 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29012</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/946-1.jpg" />    <article>
<p>সারা দেশে বন্যা দুর্যোগকবলিত এলাকায় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় উদ্ধার, সুরক্ষা, ত্রাণ ও পুনর্বাসনের কাজ করে যাচ্ছে সরকার বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন। তিনি জানান,&nbsp;প্রধানমন্ত্রী সার্বক্ষণিক এ বিষয়টি মনিটর করছেন এবং তার বিভিন্ন টিমের সদস্যদের মাধ্যমে মনিটর করাচ্ছেন।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>বন্যা পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগ নিয়ে আজ শনিবার বিকেলে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের &lsquo;করবী&rsquo; হলে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।&nbsp;</p>

<p>প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, দেশজুড়ে প্রবল বৃষ্টিপাতের ধারাবাহিকতায় বেশ কিছু জায়গায় বন্যা হয়েছে, পাহাড় ধ্বংস ও জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষভাবে চট্টগ্রাম বিভাগের চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান&mdash;এ পাঁচটি জেলায় জনমানুষের অবর্ণনীয় কষ্টের সৃষ্টি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী সার্বক্ষণিক এ বিষয়টি মনিটর করছেন এবং তাঁর বিভিন্ন টিমের সদস্যদের মাধ্যমে মনিটরিং করাচ্ছেন।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>গতকাল (শুক্রবার) পাঁচ জেলার যারা রাষ্ট্র পরিচালনার সাথে সম্পৃক্ত রয়েছেন, সরকারের ভেতরে থেকে স্থানীয় প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কমিশনার, ডিআইজি, ডিসি, এসপি, সিভিল সার্জন, ফায়ার সার্ভিসের সবার সাথে প্রধানমন্ত্রী বৈঠক করেছেন। সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন, কিভাবে জনগণের সাথে থাকতে হবে, কিভাবে জনগণের পাশে থাকতে হবে। আগামীকালও (আজ) প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের সব বিভাগীয় কমিশনারদের সাথে আলোচনা করবেন। তাঁদের মতামত নেবেন এবং তাঁর নির্দেশনা প্রদান করবেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি &nbsp;বলেন, যে উদ্ধার তৎপরতা রয়েছে সেক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসন এবং রাষ্ট্রযন্ত্রের সব অনুষঙ্গ অর্থাৎ একদম ইউএনও থেকে শুরু করে ডিসি, এসপি, আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে যারা রয়েছেন, ওসি থেকে শুরু করে প্রতিটি পর্যায়ের একটা সংশ্লিষ্টতা নিশ্চিত করা হয়েছে।&nbsp;</p>

<p>বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রতিটি মন্ত্রণালয় যার যার জায়গা থেকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন উল্লেখ করে মাহদী আমিন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় একটি সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এর পাশাপাশি ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী চট্টগ্রামে ছুটি গিয়েছেন এবং প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা সরাসরি মনিটর করছেন। স্থানীয় সংসদ সদস্যরা সবাই যার যার এলাকায় ছুটে গিয়েছেন। বিশেষভাবে, চট্টগ্রাম বিভাগের প্রতিটি স্থানে স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ কাঁধে কাধ মিলিয়ে একদম তৃণমূলে গিয়ে কাজ করার চেষ্টা করছেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>মাহদী আমিন বলেন, প্রধানমন্ত্রী যেহেতু বিএনপির চেয়ারম্যান, স্বাভাবিকভাবে তিনি তার পুরো দলকে নির্দেশনা দিয়েছেন &nbsp;বিএনপি এবং ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ বিএনপির সব অঙ্গ এবং সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ প্রতিটি জায়গায় স্থানীয়ভাবে সাধারণ জনগণের সাথে থেকে কাজ করছেন এবং যেভাবে পারছেন সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছেন।</p>

<p>বন্যাকবলিত এলাকায় প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে প্রায় ২ কোটি টাকারও বেশি অর্থ খুব দ্রুতগতিতে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন জানান তিনি।</p>

<p>তিনি বলেন, এক হাজারেরও বেশি আশ্রয়কেন্দ্র চালু করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্ব এবং নির্দেশনায় আমরা একই সাথে রেসকিউ, রিলিফ এবং রিহ্যাবিলিটেশন এই তিনটা ফেসকে নিয়ে একই সাথে কাজ করার জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছি।</p>

<p>মাহদী আমিন বলেন, &lsquo;পরীক্ষা বিলম্বিত করার মাধ্যমে বহুমুখী একটি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। সরকারের এই সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা চাই, যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তারা যেন একটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে পারেন। সরকার সর্বোচ্চ দায়বদ্ধতা নিয়ে, সর্বোচ্চ দায়িত্ববোধ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় প্রতিটি মানুষের পাশে রয়েছে।&rsquo;</p>

<p>সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এই মুখপাত্র জানান, চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি ও সমমনা সকল পরীক্ষা আগামি ১৬ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে।&nbsp;</p>

<p>এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেসসচিব মো: সুজাউদ্দৌল্লা (সুজন মাহমুদ) ও শাহাদাৎ হোসেন স্বাধীন, প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেসসচিব কে এম নাজমুল হক ও আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ শাহরিয়ার।&nbsp;</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/946-1.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার মারা গেছেন]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29011</link>
    <pubDate>Sun, 12 Jul 2026 09:36:32 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29011</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/812-99.jpg" />    <p>জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার ও সাবেক অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।</p>

<p>রোববার (১২ জুলাই) ভোর ৪ টা ১৯ মিনিটের দিকে রাজধানীর শ্যামলীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তিনি বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন।</p>

<p>ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার ১৯৩১ সালের ১ ডিসেম্বর পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলার নয়াবাড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের দুই দফায় স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া দুইবার অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্বও পালন করেন।</p>

<p>রাজনৈতিক জীবনে তিনি দীর্ঘ সময় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন এবং দেশের সংসদীয় গণতন্ত্র ও আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।</p>

<p>তার মৃত্যুতে রাজনৈতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/812-99.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[মেডিক্যালের স্মৃতিবিজড়িত হোস্টেলে জুবাইদার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29010</link>
    <pubDate>Sun, 12 Jul 2026 09:35:45 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29010</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1005-88.jpg" />    <article>
<p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানের সঙ্গে আনন্দঘন কিছু সময় কাটিয়েছেন ঢাকা মেডিক্যালের কলেজের (ডিএমসি) কাজী ফজলুল হক মহিলা হোস্টেলের শিক্ষার্থীরা।</p>

<p>আজ শনিবার সকাল ১০টায় বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে &lsquo;ডিএমসি ডে-২০২৬&rsquo;-এর উদ্বোধনের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা রহমান কাজী ফজলুল হক মহিলা হোস্টেলে যান।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>ঢাকা মেডিক্যাল কলেজে পড়াশোনার সময় ডা. জুবাইদা রহমান এই হোস্টেলেই থাকতেন।</p>

<p>উপস্থিত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, &lsquo;দোয়া করি, আপনারা নিজ নিজ অবস্থানে প্রতিষ্ঠিত হোন।&rsquo;</p>

<p>প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে হোস্টেলের মূল ফটকের সামনে আগে থেকেই অপেক্ষা করছিলেন শিক্ষার্থীরা।</p>

<p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা রহমানকে কাছে পেয়ে তারা আনন্দে উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>এ সময় স্মৃতিচারণা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, &lsquo;আগে যখন জুবাইদা রহমানকে মেডিক্যালে নিয়ে আসতাম, তখন তাকে সামনের সিটে আমার পাশে বসিয়ে নিয়ে আসতাম। আজও আসার সময় তাকে বলেছি সামনের সিটে বসতে। পাশে বসিয়েই আপনাদের কাছে নিয়ে এসেছি।&rsquo;</p>

<p>নিজের শিক্ষাজীবনের স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন ডা. জুবাইদা রহমান।</p>
</article>

<article>তিনি বলেন, &lsquo;আজ অনেক স্মৃতি মনে পড়ছে। এই ক্যাম্পাসে আমার জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অনেকটা সময় কেটেছে। আজ সেই দিনগুলোর কথা খুব মনে পড়ছে।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>বর্তমান শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, &lsquo;আমাদের সব সময় সামনের দিকে তাকাতে হবে। জীবনের টানাপড়েনে অনেক ঘাত-প্রতিঘাত আসবে।</p>
</article>

<article>মনের ভেতর রাগ-ক্ষোভ পুষে রাখলে চলবে না। উজ্জ্বল ভবিষ্যতের পথে এগিয়ে যেতে হবে।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি বলেন, &lsquo;মেডিক্যাল কলেজকে এমন জায়গায় নিয়ে যেতে হবে, যাতে সারা বিশ্ব এখানকার চিকিৎসাসেবা সম্পর্কে জানতে পারে। একদিন যেন এই মেডিক্যাল কলেজ নিয়ে আমরা গর্ব করতে পারি।&rsquo;</p>

<p>সর্বশেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা রহমানের সঙ্গে সেলফি তোলেন শিক্ষার্থীরা।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1005-88.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[চট্টগ্রামে বন্যাকবলিতদের সহায়তায় এগিয়ে এলো সেনাবাহিনী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/bangladesh/29009</link>
    <pubDate>Sun, 12 Jul 2026 09:34:32 +0600</pubDate>
    <category> সারাবাংলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/bangladesh/29009</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1128-77.jpg" />    <p><strong>চট্টগ্রামে চলমান বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে জরুরি ত্রাণ ও চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিয়েছে সেনাবাহিনী। শনিবার (১১ জুলাই) চট্টগ্রাম সেনানিবাস থেকে বোয়ালখালী, হাটহাজারী ও ফটিকছড়ির দুর্গম বন্যাকবলিত এলাকায় এ সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।</strong></p>

<p>বিজ্ঞাপন</p>

<p>সেনাবাহিনী জানায়, দুর্গম এলাকায় পৌঁছে প্রায় ৫০০টি পরিবারের মধ্যে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রায় এক হাজার মানুষকে জরুরি চিকিৎসাসেবা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহ করা হয়। বন্যার কারণে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া মানুষের কাছে দ্রুত সহায়তা পৌঁছে দিতে এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও জানানো হয়েছে।</p>

<p>চট্টগ্রামে টানা ভারী বৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল ও উজান থেকে নেমে আসা পানির কারণে গত কয়েক দিন ধরে জেলার বিভিন্ন উপজেলা বন্যায় প্লাবিত হয়েছে। বিশেষ করে বোয়ালখালী, হাটহাজারী, ফটিকছড়ি, রাউজান, রাঙ্গুনিয়া, সাতকানিয়া, বাঁশখালী ও চন্দনাইশের বিস্তীর্ণ এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়। অনেক সড়ক ডুবে যাওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত হয়েছে এবং হাজারো মানুষ পানিবন্দী অবস্থায় মানবিক সংকটে পড়েছেন। বিভিন্ন এলাকায় আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে এবং সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থা ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য ত্রাণ ও চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম পরিচালনা করছে।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1128-77.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[মেয়েকে নিয়ে নদীতে ঝাঁপ দেওয়া সেই মা গ্রেপ্তার]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/bangladesh/29008</link>
    <pubDate>Sun, 12 Jul 2026 09:33:27 +0600</pubDate>
    <category> সারাবাংলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/bangladesh/29008</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1245-66.jpg" />    <article>
<p>ঝালকাঠির নলছিটিতে ৫ বছর বয়সী মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে নদীতে ঝাঁপ দেওয়ার ঘটনায় মা লাকি আক্তারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (১১ জুলাই) রাতে নলছিটি থানায় তার বিরুদ্ধে সন্তানকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা করেন শিশুটির বাবা সাইদুল ইসলাম।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>এর আগে, শুক্রবার রাতে নিজের মেয়েকে নিয়ে শহরের ফেরিঘাট এলাকায় সুগন্ধা নদীতে ঝাঁপ দেন লাকি আক্তার।&nbsp;স্থানীয়রা তাৎক্ষণিক নদীতে নেমে তাদের জীবিত উদ্ধার করে। স্বামীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ হওয়ায় মানসিক কষ্টে তিনি নদীতে ঝাঁপ দেন বলে দাবি করেন ওই নারী।</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/country-news/2026/07/11/1709939" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>মামলার বাদী সাইদুল ইসলাম জানান, গত একমাস আগে লাকির সঙ্গে তার বিবাহবিচ্ছেদ হয়।</p>
</article>

<article>সাবেক স্ত্রী পরিকল্পিতভাবে মেয়েকে হত্যার উদ্দেশে সঙ্গে নিয়ে নদীতে ঝাঁপ দিয়েছেন। স্থানীয় লোকজন দ্রুত উদ্ধার না করলে মেয়েটি পানিতে ডুবে মারা যেত।
<p>&nbsp;</p>

<p>নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুজ্জামান বলেন, মামলা দায়েরের পরপরই আসামি লাকি আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1245-66.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ট্রাম্পের উপহারের বিমান নিয়ে সংবাদ প্রকাশ, সাংবাদিকদের তলব]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29007</link>
    <pubDate>Sun, 12 Jul 2026 09:32:17 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29007</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1348-55.jpg" />    <p><strong>কাতারের কাছ থেকে উপহার হিসেবে পাওয়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন &lsquo;এয়ার ফোর্স ওয়ানের&rsquo; বিমান নিয়ে নিরাপত্তা উদ্বেগের তথ্য জানিয়ে সংবাদ প্রকাশের জেরে নিউইয়র্ক টাইমসের একাধিক সাংবাদিককে তলব করেছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসন। শনিবার নিউইয়র্ক টাইমস কর্তৃপক্ষ বলেছে, তাদের কয়েকজন সাংবাদিককে ফেডারেল গ্র্যান্ড জুরির সামনে হাজির হয়ে সাক্ষ্য দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে মার্কিন বিচার বিভাগ।</strong></p>

<p>বিজ্ঞাপন</p>

<p>মার্কিন এই সংবাদমাধ্যম বলেছে, গত শুক্রবার এই সমন জারি করা হয়েছে। এতে আগামী বুধবার ফেডারেল ফৌজদারি আইন লঙ্ঘনের একটি অভিযোগের বিষয়ে সাক্ষ্য দিতে সাংবাদিকদের গ্র্যান্ড জুরির সামনে হাজির হতে বলা হয়েছে।</p>

<p>ম্যানহাটনের মার্কিন অ্যাটর্নি জে ক্লেটন এই সমন জারি করেছেন এবং ফেডারেল এজেন্টরা সরাসরি সাংবাদিকদের বাড়িতে গিয়ে এটি পৌঁছে দিয়েছেন বলে সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে।</p>

<p>নিউইয়র্ক টাইমস এই পদক্ষেপকে &lsquo;স্বাধীন সংবাদমাধ্যমকে হুমকি ও ভয় দেখানোর ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এক নজিরবিহীন প্রচেষ্টার চরম বহিঃপ্রকাশ&rsquo; বলে অভিহিত করেছে।</p>

<p>বিজ্ঞাপন</p>

<p>ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক বিবৃতিতে মার্কিন বিচার বিভাগের একজন মুখপাত্র সমন জারির বিষয়টি নিশ্চিত বা অস্বীকার করেননি। তবে তিনি বলেছেন, প্রশাসন সাংবাদিকদের লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে না, বরং তারা গোপন ও ক্লাসিক তথ্য ফাঁসের বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন। এই বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে হোয়াইট হাউস সব প্রশ্ন বিচার বিভাগের দিকে ঠেলে দেয়।</p>

<p>গত বুধবার ট্রাম্প বলেছিলেন, তিনি &lsquo;পুরোনো দিনের স্মৃতির খাতিরে&rsquo; আঙ্কারা থেকে ব্রিটেনের রয়্যাল এয়ার ফোর্সের মাইল্ডেনহল ঘাঁটিতে যাওয়ার জন্য একটি পুরোনো এয়ার ফোর্স ওয়ান ব্যবহার করবেন। আর সে সময় নতুন বিমানটিকে একই ঘাঁটিতে রাখা হবে; যাতে সেখানে দায়িত্বরত মার্কিন সেনাসদস্যরা বিমানটি ঘুরে দেখতে পারেন।</p>

<p>তবে বুধবার গভীর রাতের এক ভিডিওতে দেখা যায়, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে ওড়ার জন্য প্রস্তুত হতে থাকা কাতারের উপহার দেওয়া নতুন এয়ার ফোর্স ওয়ানটিতে ট্রাম্প ওই ব্রিটিশ ঘাঁটি থেকেই চড়ছেন।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1348-55.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ভারতে জামিনে বেরিয়ে স্ত্রী-সন্তানসহ ৬ জনকে হত্যা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29006</link>
    <pubDate>Sun, 12 Jul 2026 09:31:26 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29006</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1412-44.jpg" />    <article>
<p>ভারতের তেলেঙ্গানা রাজ্যের রাঙ্গা রেড্ডি জেলায় এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ৬ জনকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ জানায়, ৩৫ বছর বয়সী রাজকুমার প্রথমে নিজের স্ত্রী পার্বতী সরিতা এবং তাদের ৪ ও ১ বছর বয়সী দুই ছেলেকে হত্যা করেন।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>এরপর তিনি ১৭ বছর বয়সী এক কিশোরীকেও হত্যা করেন। ওই কিশোরী এর আগে তার বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগে মামলা করেছিলেন। অভিযোগ অনুযায়ী, রাজকুমার কিশোরীকে গাড়িতে করে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে হত্যা করেন। পরে রাজকুমার ওই কিশোরীর মা ও নানিকেও হত্যা করেন।</p>
</article>

<article>তবে ঘটনাস্থলে থাকা কিশোরীর ২০ বছর বয়সী প্রতিবন্ধী বোন অক্ষত ছিলেন। পুলিশ ঘটনাটির তদন্ত করছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>সবাইকে হত্যার পর রাজকুমার তার বাবাকে ফোন করে হত্যাকাণ্ডের কথা জানান। সিনিয়র পুলিশ অফিসার তরুণ জোশী বলেন, &ldquo;সে তার বাবাকে বলেছিল, &lsquo;আমি এটা করেছি।</p>
</article>

<article>আমি &nbsp;সবাইকে হত্যা করেছি।&rsquo; এরপর সে তার ফোন বন্ধ করে দেয়। রাজকুমার আরো বলেছিল, সে আত্মহত্যা করবে, কিন্তু তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।&rdquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>তরুণ জোশী আরো বলেন, &lsquo;অভিযুক্ত বর্তমানে পলাতক। বিশেষ পুলিশ দল গঠন করা হয়েছে এবং আমরা সূত্র পেয়েছি।</p>
</article>

<article>তাকে শিগগিরই গ্রেপ্তার করা হবে।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p><strong>২০১৮ সালের প্রেম-বিবাহ</strong></p>

<p>রাজকুমার ও পার্বতী ২০১৮ সালে প্রেম করে বিয়ে করেন। এই দম্পতি প্রথমে গ্রামের বাইরে থাকতেন এবং পরে শাবাদ ও দেবালাগুড়ায় নিজেদের কেনা বাড়িতে স্থায়ী হন। তাদের তিনটি সন্তান ছিল। তাদের প্রথম সন্তান একটি কন্যা। সেই সন্তান শৈশবেই মারা যায়।</p>

<p>চলতি বছরের মে মাসে ১৭ বছর বয়সী ওই কিশোরীকে অনুসরণ ও যৌন হয়রানির অভিযোগে মামলা দায়ের হয় এবং রাজকুমার গ্রেপ্তার হন। জোশী বলেন, &lsquo;অভিযুক্ত ব্যক্তি মেয়েটিকে তার কোচিং ইনস্টিটিউট থেকে বাড়ি পর্যন্ত অনুসরণ করছিল এবং তার প্রস্তাবে রাজি হওয়ার জন্য চাপ দিয়ে যাচ্ছিল।&rsquo; চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের প্রায় এক সপ্তাহ আগে তাকে ২০ হাজার রুপির বিনিময়ে ব্যক্তিগত মুচলেকায় আগাম জামিন দেওয়া হয়েছিল রাজকুমারকে।&nbsp;</p>

<p>একজন কর্মকর্তা জানান, রাজকুমারের দীর্ঘদিনের আচরণগত সমস্যা ছিল। তিনি বলেন, &lsquo;আমরা তাকে দুই-তিনবার কাউন্সেলিংয়ের জন্য ডেকেছিলাম। তার পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, তার মানসিক অবস্থা স্থিতিশীল ছিল না। এ ছাড়া তার জুয়া খেলার অভ্যাস ছিল এবং তিনি আগে থেকেই ঋণের বোঝায় ছিলেন।&rsquo; পুলিশ এসব তথ্যও তদন্তের অংশ হিসেবে খতিয়ে দেখছে।</p>

<p><strong>&lsquo;ঘুমন্ত অবস্থায় শিশুদের হত্যা&rsquo;</strong></p>

<p>ঘটনার পর &nbsp;তার আত্মীয়রা জানান, দুই শিশুকে সম্ভবত ঘুমন্ত অবস্থায় হত্যা করা হয়েছে। যে ঘরে পার্বতীর মরদেহ পাওয়া যায়, সেখানে ধস্তাধস্তির চিহ্ন দেখা গেছে। তাদের দাবি, বাড়ির দরজাগুলো ভেতর থেকে বন্ধ ছিল। এ ছাড়া ফ্যান, এয়ারকন্ডিশনার ও কুলার চালু অবস্থায় ছিল।</p>

<p>পরিবারের সদস্যরা বলেন, ঘটনার আগে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কোনো বড় ধরনের ঝগড়ার কথা তারা জানতেন না। আগের সন্ধ্যাতেও পার্বতী স্বাভাবিকভাবে আত্মীয়দের সঙ্গে কথা বলেছিলেন। পুলিশের ফরেনসিক দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তদন্তকারীরা কিভাবে ঘটনাগুলো ঘটেছে এবং এর পেছনের কারণ কী, তা খতিয়ে দেখছেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1412-44.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[তিব্বতে চীনের নীতির বিরুদ্ধে জাতিসংঘে বিক্ষোভ, আটক ৩]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/29005</link>
    <pubDate>Sun, 12 Jul 2026 09:30:34 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/29005</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1498-33.jpg" />    <article>
<p>তিব্বতে চীনের নীতির বিরুদ্ধে এবং তিব্বতি কর্মী লোবগা রাংজেনের মৃত্যুর ঘটনায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আরও জোরালো পদক্ষেপের দাবিতে নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরের সামনে বিক্ষোভ করেছেন স্টুডেন্টস ফর অ্যা ফ্রি তিব্বতের (এসএফটি) ৩ সদস্য। তারা সদর দপ্তরের ফটকে নিজেদের শিকল দিয়ে বেঁধে এই প্রতিবাদ জানান।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>তিব্বতি সংবাদমাধ্যম ফায়ুলের বরাতে এ তথ্য জানায় এশিয়ান নিউজ ইন্টারন্যাশনাল (এএনআই)। <a href="https://aninews.in/news/world/us/tibetan-activists-protest-at-un-over-chinas-new-ethnic-unity-law20260711194937/?fbclid=IwZXh0bgNhZW0CMTAAYnJpZBExZ0g4RTF3OXEyTkNIR3RGTXNydGMGYXBwX2lkEDIyMjAzOTE3ODgyMDA4OTIAAR6o__P8eqbGE1Wp1WpFTsr-VE6ZW2LH1ghVMAMjbWmYUeHO1vg6kPKR1-jz4w_aem_A-UB8ETPSZA2HX0DF8fYlA">প্রতিবেদনে</a> বলা হয়, লোবগা রাংজেন জাতিসংঘ ভবনের সামনে আত্মাহুতি দেওয়ার এক বছর পূর্তি উপলক্ষে এ বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়।</p>

<p>বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, রাংজেনের আত্মাহুতির পর তিব্বতের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে জাতিসংঘ কোনো কার্যকর পদক্ষেপ বা উল্লেখযোগ্য বিবৃতি দেয়নি।</p>

<p>যদিও জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের মুখপাত্র স্তেফান দুজারিক ঘটনাটিকে &lsquo;অত্যন্ত মর্মান্তিক&rsquo; বলে উল্লেখ করে শোক প্রকাশ করেছিলেন।</p>
</article>

<article>তবুও তিব্বতি কর্মীদের দাবি, শুধু সমবেদনা জানানো যথেষ্ট নয়।
<p>&nbsp;</p>

<p>বিক্ষোভকারীরা জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্কের প্রতি তিব্বতের অবনতিশীল পরিস্থিতি নিয়ে প্রকাশ্যে বক্তব্য দেওয়া, স্বাধীন তদন্তকারীদের অবাধ প্রবেশ নিশ্চিত করা এবং চীনের বিরুদ্ধে কথিত পদ্ধতিগত দমন-পীড়নের বিষয়ে চাপ প্রয়োগের আহ্বান জানান। এ সময় তিব্বতি সম্প্রদায়ের সমর্থকরাও জাতিসংঘ সদর দপ্তরের সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভকারীদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন।</p>

<p>জাতিসংঘ ভবনের একটি প্রবেশপথ অবরোধ করায় তেনজিন তসেতেন, তসেলা জোকসাং এবং তেনজিন কুনচক নামে ৩ বিক্ষোভকারীকে নিউইয়র্ক সিটি পুলিশ আটক করে।</p>
</article>

<article>পরে তাদের ছেড়ে দেওয়া হলেও তাদের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ আনা হয়েছে বলে জানা গেছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>বিক্ষোভ চলাকালে এসএফটির ক্যাম্পেইন পরিচালক তসেলা জোকসাং বলেন, এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য ছিল তিব্বতের পরিচয়, ভাষা ও সংস্কৃতির ওপর চীনের চলমান দমননীতির অভিযোগের প্রতি আন্তর্জাতিক মনোযোগ আকর্ষণ করা।</p>

<p>তার দাবি, চীনা শাসনের প্রতিবাদে গত কয়েক বছরে ১৭০ জনের বেশি তিব্বতি আত্মাহুতি দিয়েছেন।</p>

<p>এছাড়া বিক্ষোভকারীরা ১ জুলাই কার্যকর হওয়া চীনের &lsquo;এথনিক ইউনিটি অ্যান্ড প্রগ্রেস আইনের&rsquo; সমালোচনা করেন। তাদের অভিযোগ, এই আইন তিব্বতে একীভূতকরণ নীতিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছে।</p>
</article>

<article>এর ফলে তিব্বতি শিশুদের মান্দারিন ভাষার আবাসিক বিদ্যালয়ে পাঠানো, যাযাবর তিব্বতি জনগোষ্ঠীর জীবনধারা পরিবর্তন এবং তিব্বতি ভাষা, সংস্কৃতি ও ধর্মীয় ঐতিহ্যকে দুর্বল করার মতো পদক্ষেপ আরও জোরদার হবে বলে তারা দাবি করেন।</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1498-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বেলিংহামের ঝলকে সেমিফাইনালে ইংল্যান্ড, বিদায় নরওয়ের]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/29004</link>
    <pubDate>Sun, 12 Jul 2026 09:29:37 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/29004</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1539-22.jpg" />    <article>
<p>জুড বেলিংহামকে মাত্রই তুলে নিয়েছেন ইংল্যান্ড কোচ টমাস টুখেল। বেলিংহাম গিয়ে বসলেন সাইড বেঞ্চে।</p>
</article>

<article>টিভি ক্যামেরা তার দিকে ঘুরাতেই মুষ্টিবদ্ধ হাতে উদযাপন করলেন ও তৃপ্তির হাসি হাসলেন। মুখাবয়ব দেখেই বোঝা যাচ্ছিল কাজের কাজটা তিনি করে ফেলেছেন।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>কিছুক্ষণ পরেই শেষ বাঁশি বাজালেন ফরাসি রেফারি ক্লেমঁ তুরপিন। আনন্দে ভাসলেন বেলিংহাম, আনন্দে ভাসল ইংল্যান্ড।</p>
</article>

<article>নরওয়েজিয়ানরা হতাশায় মাটিতে লুটিয়ে পড়লেন।&nbsp;<br />
মায়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে পিছিয়ে পড়েও বেলিংহামের ঝলকে ২-১ ব্যবধানে জিতল ইংল্যান্ড; ৮ বছর পর উঠল বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে।
<p>&nbsp;</p>

<p>সর্বশেষ ২০১৮ রাশিয়া বিশ্বকাপে সেমিফাইনাল খেলেছিল গ্যারেথ সাউথগেটের ইংল্যান্ড। তার অধীনই ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ফ্রান্সের কাছে হেরে বাদ পড়তে হবে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>তবে এবার টুখেলের কোচিংয়ে শেষ চারে জায়গা করে নিয়ে আরো বড় স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে ইংল্যান্ড।&nbsp;</p>

<p>আটলান্টায় আগামী বুধবার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে ইংল্যান্ডের প্রতিপক্ষ আর্জেন্টিনা অথবা সুইজারল্যান্ড।</p>

<p>ইংল্যান্ডের ঘুরে দাঁড়ানোর রাতে দুটি গোলই করেছেন রিয়াল মাদ্রিদ তারকা বেলিংহাম। প্রথমটি প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে সমতাসূচক, পরেরটি ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ে জয়সূচক।</p>

<p>ব্রাজিলকে বিদায় করে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠা নরওয়ে আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে থেকেই ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলতে নেমেছিল।</p>
</article>

<article>৩৬ মিনিটে ডি বক্সের বাঁ পাশ থেকে বুলেট গতির শটে গোল করে ইংলিশদের ক্ষণিকের জন্য স্তব্ধও করে দিয়েছিলেন নরওয়ের তরুণ উইঙ্গার শেলদেরুপ।
<p>&nbsp;</p>

<p>তবে জবাব দিতে খুব বেশি সময় নেয়নি ইংল্যান্ড। বেলিংহামের নৈপুণ্যে প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে আসে সমতা।&nbsp;</p>

<p>ধারণা করা হচ্ছিল, দ্বিতীয়ার্ধেও গোলের দেখা মিলবে। কিন্তু তেমনটা হয়নি। ১-১ সমতায়ই নির্ধারিত ৯০ মিনিট শেষ হওয়ায় মায়ামিতে বিশ্বকাপের তৃতীয় কোয়ার্টার ফাইনাল গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে।</p>

<p>বিরতির পর গোলের সুবর্ণ সুযোগ যে আসেনি, তা নয়। টোরবিয়র্ন হেগেমের গোলে নরওয়ে তো দ্বিতীয়বার এগিয়েও গিয়েছিল।&nbsp;</p>

<p>কিন্তু ওই গোলের আগ মুহূর্তে আর্লিং হালান্ড এলিয়ট অ্যান্ডারসনকে ইংল্যান্ডের বক্সে ফেলে দেন। ভিএআরে তা নিশ্চিত হয়ে গোল বাতিল করে দেন রেফারি।</p>

<p>এখানেই শেষ নয়। বার্গের দারুণ হেড ক্রসবারে লেগে ফিরলে হতাশ হতে হয় নরওয়েকে।&nbsp;</p>

<p>নরওয়ে গোলকিপার নিলান্ডের ভুলে যোগ করা সময়ে জয়সূচক গোলটা প্রায় পেয়ে গিয়েছিলেন বদলি জেড স্পেন্স। কিন্তু বল লাফিয়ে উঠে বাইরে চলে যায়।</p>

<p>এরপর খেলা গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। সেখানেই বাজিমাত করেন বেলিংহাম।&nbsp;অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে হ্যারি কেইনের কোনাকুনি হেড ঝাঁপিয়ে কোনোমতে রুখে দেন নরওয়ে গোলকিপার নিলান্ড। কিন্তু দলকে বাঁচাতে পারেননি তিনি।</p>

<p>বরং পরক্ষণে নিলান্ডের দুর্বলতার সুযোগেই এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড। মরগান রজার্সের জোরালো শট নাগালে থাকলেও বল গ্লাভসে নিতে পারেননি নিলান্ড। তার হাত ফসকে বেরিয়ে যাওয়া বল ছুটে গিয়ে জালে পাঠান বেলিংহাম।&nbsp;</p>

<p>এ নিয়ে বিশ্বকাপে টানা দুই ম্যাচে জোড়া গোল করলেন বেলিংহাম। আজতেকায় বিশ্বকাপের সহ-আয়োজকের মেক্সিকোর বিপক্ষেও জোড়া গোল করেছিলেন রিয়াল মাদ্রিদের এই মিডফিল্ডার।</p>

<p>যে দুই তারকা স্ট্রাইকারের দিকে সবার দৃষ্টি ছিল, তারাই আজ হতাশ করেছেন। হ্যারি কেইন ও আর্লিং হালান্ডকে এক রকম বোতলবন্দী করে রেখেছিল দুই দলের রক্ষণভাগ।&nbsp;</p>

<p>প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে কেইন নরওয়ের জালে বল জড়িয়েছিলেন। কিন্তু অফসাইডের ফাঁদে পড়ায় তা বাতিল হয়ে যায়। এর বাইরে তাকে বলতে গেলে খুঁজে পাওয়া যায়নি।&nbsp;</p>

<p>এদিকে অতিরিক্ত সময়ের বিরতিতে হালান্ডকে তুলে নেন নরওয়ে কোচ স্তলে সোলবাকেন। বদলি নামেন ইয়োর্গেন লারসেন।</p>

<p>শেষ কয়েক মিনিটে মরিয়া হয়ে চেষ্টা করেও লাভ হয়নি নরওয়ের। বেলিংহাম যেদিন রুদ্রমূর্তি ধারণ করেন, সেদিন আসলে কারো কিছু করার থাকে না।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1539-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[জয়া-চূর্ণীর অভিনয়ে মুগ্ধ দর্শক, প্রথম দিনেই হাউসফুল ‘আজও অর্ধাঙ্গিনী’]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/29003</link>
    <pubDate>Sun, 12 Jul 2026 09:28:25 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/29003</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1637-11.jpg" />    <article>
<p>মুক্তির প্রথম দিনেই দর্শক-সমালোচক উভয় মহলের প্রশংসায় ভাসছে কৌশিক গাঙ্গুলী পরিচালিত চলচ্চিত্র &lsquo;আজও অর্ধাঙ্গিনী&rsquo;। ১০ জুলাই পশ্চিমবঙ্গের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়া ছবিটি প্রথম দিনেই একাধিক প্রদর্শনীতে হাউসফুল হওয়ার খবর মিলেছে।</p>
</article>

<article>একই সঙ্গে সিনেমাটি দেখে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছেন অনেক দর্শক।
<p>&nbsp;</p>

<p>মুক্তির দিন কলকাতার ঐতিহ্যবাহী নন্দন প্রেক্ষাগৃহে আয়োজিত বিশেষ প্রদর্শনী ও দর্শক মতবিনিময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নির্মাতা কৌশিক গাঙ্গুলী, অভিনেত্রী চূর্ণী গাঙ্গুলী, বাংলাদেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান এবং সংগীতশিল্পী ইমন চক্রবর্তী। প্রদর্শনী শেষে দর্শকদের সঙ্গে দীর্ঘ সময় কথা বলেন তারা।</p>

<p>সিনেমা শেষ হওয়ার পর অনেক দর্শক আবেগ ধরে রাখতে পারেননি।</p>
</article>

<article>কেউ চোখের জল মুছেছেন, কেউ আবার প্রিয় অভিনয়শিল্পীদের জড়িয়ে ধরে ছবিটি তাদের কতটা স্পর্শ করেছে, সেই অনুভূতি প্রকাশ করেছেন। দর্শকদের এই আবেগঘন প্রতিক্রিয়াকে ছবিটির সাফল্যের ইতিবাচক ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
<p>&nbsp;</p>

<p>এদিকে চলচ্চিত্রটি দেখে প্রশংসা করেছেন নির্মাতা ইন্দ্রনীল রায়। নিজের প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, গত দুই দশক ধরে কৌশিক গাঙ্গুলী বাংলা চলচ্চিত্রে ব্যতিক্রমী মানবিক সম্পর্কের গল্প তুলে ধরেছেন।</p>
</article>

<article>&nbsp;তবে তাঁর মতে, &lsquo;আজও অর্ধাঙ্গিনী&rsquo; সেই ধারাকেও নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>ইন্দ্রনীল রায়ের কথায়, ছবিটি যেমন বাণিজ্যিকভাবে সফল হওয়ার সব সম্ভাবনা রাখে, তেমনি সমালোচকদের কাছেও সমানভাবে প্রশংসিত হওয়ার যোগ্য। অম্বরীশ, কৌশিক সেন ও ইন্দ্রাশিসসহ প্রতিটি শিল্পীর অভিনয় ছিল সংযত, পরিণত এবং চরিত্রনির্ভর।</p>

<p><img alt="ওপারে জয়ার 'আজও অর্ধাঙ্গিনী', অবশেষে মুক্তির খবর" src="https://assets.dhakapost.com/media/imgAll/BG/2026June/jaya-inn-20260613112057.jpg" /></p>

<p>তিনি আরো বলেন, চিত্রগ্রাহক গোপী ভগত, সংগীত পরিচালক দেবজ্যোতি মিশ্র, সম্পাদক অমিত চট্টোপাধ্যায় এবং অনুপম রায়, ইমন চক্রবর্তী ও লগ্নজিতা চক্রবর্তীর সংগীত পুরো চলচ্চিত্রজুড়ে এমন এক আবহ তৈরি করেছে, যার প্রভাব শেষ দৃশ্যের পরও দর্শকের মনে রয়ে যায়।</p>

<p>তবে সবচেয়ে বেশি প্রশংসা কুড়িয়েছেন ছবির দুই প্রধান অভিনেত্রী জয়া আহসান ও চূর্ণী গাঙ্গুলী।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>ইন্দ্রনীল রায়ের মতে, এই দুই অভিনেত্রীর অভিনয়ই ছবিটির সবচেয়ে বড় শক্তি। বিশেষ করে চূর্ণী গাঙ্গুলীর অভিনয়কে তিনি &lsquo;মাস্টারক্লাস&rsquo; বলে উল্লেখ করেছেন।</p>

<p>বর্তমান সময়ে অভিনয় নিয়ে সহজেই নানা বিশেষণ ব্যবহারের প্রবণতার সমালোচনা করে ইন্দ্রনীল রায় বলেন, &lsquo;আজও অর্ধাঙ্গিনী&rsquo; এবং এর দুই প্রধান অভিনেত্রীর অভিনয়ই দর্শকদের মনে করিয়ে দেবে, অসাধারণ অভিনয়ের প্রকৃত মানদণ্ড আসলে কী।</p>

<p>সম্পর্ক, বিচ্ছেদ, স্মৃতি ও মানুষের আবেগের সূক্ষ্ম টানাপোড়েনকে কেন্দ্র করে নির্মিত &lsquo;আজও অর্ধাঙ্গিনী&rsquo;-তে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন জয়া আহসান ও চূর্ণী গাঙ্গুলী।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1637-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ডিসেম্বরে দেশে ফেরার পরিকল্পনা শেখ হাসিনার, সহকর্মীদের নিয়ে আত্মসমর্পণের ইচ্ছা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/lawandorder/29002</link>
    <pubDate>Fri, 10 Jul 2026 20:25:22 +0600</pubDate>
    <category> আইন আদালত </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/lawandorder/29002</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/07102026_image01_sk_hasina.jpg" />    <p>নয়াদিল্লি (রয়টার্স):বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ডিসেম্বর মাসে দেশে ফেরার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতাদের কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে দেশে ফিরে আদালতে আত্মসমর্পণ করবেন। ভারতে নির্বাসনে থাকা শেখ হাসিনা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানান, দেশে ফেরার ক্ষেত্রে গ্রেপ্তার বা মৃত্যুর ঝুঁকি থাকলেও তিনি নিজ দেশের মাটিতেই বিচার মোকাবিলা করতে চান।</p>

<p>প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালে ছাত্র-নেতৃত্বাধীন আন্দোলনের পর ক্ষমতাচ্যুত হয়ে শেখ হাসিনা বাংলাদেশ ছেড়ে ভারতে চলে যান। এরপর একটি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তাকে অনুপস্থিতিতে মৃত্যুদণ্ড দেয়। তার বিরুদ্ধে আন্দোলন দমনে প্রাণঘাতী সহিংসতার নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে, তবে শেখ হাসিনা এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।</p>

<p>শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা এবং দলের নেতাকর্মীদের ওপর দমন-পীড়নের বিষয়েও তিনি উদ্বিগ্ন। তার দাবি, দেশের জনগণের কাছেই তার সরকারের কর্মকাণ্ডের মূল্যায়ন হওয়া উচিত। তিনি আরও জানান, ভার্চুয়াল বৈঠকের মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে পুনর্গঠনের কাজ চলছে এবং দলের কার্যক্রম চালু রাখতে ১২৫টি সংসদীয় আসন এলাকায় যোগাযোগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।</p>

<p>শেখ হাসিনার দেশে ফেরার পরিকল্পনা বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি করতে পারে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা। একই সঙ্গে এটি বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার সম্পর্কের ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে। বাংলাদেশ সরকার ও ভারত সরকার শেখ হাসিনার এই বক্তব্য নিয়ে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/07102026_image01_sk_hasina.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[জাতীয় পরিবেশ পদক পেল ৩ ব্যক্তি ও ৩ প্রতিষ্ঠান]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29001</link>
    <pubDate>Fri, 10 Jul 2026 10:59:48 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29001</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/683-2.jpg" />    <article>
<p>পরিবেশ রক্ষায় বিশেষ অবদানের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তিন ব্যক্তি ও তিন প্রতিষ্ঠানকে জাতীয় পরিবেশ পদক-২০২৫ দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকালে রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে তিনি এ পদক তুলে দেন।</p>
</article>

<article>এ সময় উপস্থিত ছিলেন বন ও পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু।
<p>&nbsp;</p>

<p>পরিবেশ পদক-২০২৫ পাওয়া ব্যক্তিরা হলেন&mdash;পরিবেশ সংরক্ষণ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণ ক্যাটাগরিতে আলহাজ ফরহাদ আলী মেমোরিয়াল ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক মো. হাসমত আলী, পরিবেশ বিষয়ক শিক্ষা ও প্রচার ক্যাটাগরিতে মো. মনির হোসেন এবং পরিবেশ বিষয়ক গবেষণা ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন ক্যাটাগরিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর এবং অধ্যাপক প্রফেসর ড. আব্দুস সালাম পদক পেয়েছেন।</p>

<p>এ ছাড়া পরিবেশ সংরক্ষণ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণ ক্যাটাগরিতে ক্লাসিকাল হ্যান্ডমেইড প্রোডাক্টস বিডি লিমিটেড, পরিবেশ বিষয়ক শিক্ষা ও প্রচার ক্যাটাগরিতে ইনস্টিটিউট অব ফরেস্ট্রি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এবং পরিবেশ বিষয়ক গবেষণা ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট পরিবেশ পদক পেয়েছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/683-2.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[এফটিএ আলোচনায় প্রস্তুত ইউরোপীয় ইউনিয়ন, দূর করতে হবে অশুল্ক বাধা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/29000</link>
    <pubDate>Fri, 10 Jul 2026 10:59:02 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/29000</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/945-1.jpg" />    <article>
<p>বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) নিয়ে অনুসন্ধানমূলক আলোচনা শুরুর প্রস্তুতির কথা জানিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। একই সঙ্গে এলডিসি-পরবর্তী সময়ে বাণিজ্যিক সুবিধা অব্যাহত রাখতে অশুল্ক বাণিজ্য প্রতিবন্ধকতা দূর, ব্যবসায়িক পরিবেশ উন্নয়ন এবং প্রয়োজনীয় সংস্কার দ্রুত বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে সংস্থাটি।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পরিকল্পনা কমিশনে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলারের বৈঠকে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।</p>

<p>বৈঠকে বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ সম্প্রসারণের সম্ভাবনা, বিদ্যমান অশুল্ক বাধা অপসারণ এবং এলডিসি উত্তরণ-পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। পাশাপাশি বাংলাদেশ-ইইউ এফটিএ নিয়ে সম্ভাব্য অগ্রগতির বিষয়ও গুরুত্ব পায়।</p>

<p>বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ইইউর উত্থাপিত বিভিন্ন উদ্বেগ দূর করতে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে এবং এ বিষয়ে ইতিমধ্যে কিছু অগ্রগতিও হয়েছে।</p>
</article>

<article>রাজনৈতিক অঙ্গীকার বাস্তবায়নের পাশাপাশি এমন একটি পরিবেশ গড়ে তোলার চেষ্টা চলছে, যাতে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ে, বাণিজ্য প্রতিবন্ধকতা কমে এবং বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রতি আন্তর্জাতিক অংশীদারদের আস্থা আরো শক্তিশালী হয়।
<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি বলেন, ইইউর সব উদ্বেগ ও প্রত্যাশাকে সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। আন্তর্জাতিক অংশীদারদের কাছে বাংলাদেশ যে তার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সক্ষম, সে বার্তা পৌঁছে দিতে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।</p>

<p>বাণিজ্যমন্ত্রী আরো বলেন, দেশে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি, জ্বালানি সংকটের সমাধান, বাণিজ্য প্রতিবন্ধকতা দূরীকরণ এবং রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো দক্ষ বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিচালনার মাধ্যমে অর্থনীতির ভিত্তি আরো শক্তিশালী করা সম্ভব হবে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>বৈঠকে ইইউ রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার বলেন, এলডিসি থেকে উত্তরণের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সম্পর্ক একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে রয়েছে। তিনি জানান, বাংলাদেশ-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে অনুসন্ধানমূলক আলোচনা শুরুর জন্য ইইউ প্রস্তুত এবং এ বিষয়ে বাংলাদেশকে ইতিমধ্যে একটি প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।</p>

<p>রাষ্ট্রদূত বলেন, অশুল্ক বাণিজ্য প্রতিবন্ধকতা দূর করা, ব্যবসায়িক পরিবেশের উন্নয়ন এবং এলডিসি-পরবর্তী সময়ে বাণিজ্যিক সুবিধা নির্বিঘ্ন রাখতে দ্রুত ও সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। সময়মতো প্রয়োজনীয় সংস্কার ও প্রস্তুতি সম্পন্ন হলে বাংলাদেশ-ইইউ এফটিএ আলোচনা ইতিবাচকভাবে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে।</p>

<p>বৈঠকে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আতাউর রহমান খান, অতিরিক্ত সচিব আয়েশা আক্তারসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/945-1.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[পরিবেশ মেলার স্টল ঘুরে মুগ্ধ প্রধানমন্ত্রী, উপহার পেলেন শিশুদের আঁকা ছবি]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28999</link>
    <pubDate>Fri, 10 Jul 2026 10:58:20 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28999</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/811-99.jpg" />    <article>
<p>রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের পাশের মাঠে বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) শুরু হয়েছে জাতীয় পরিবেশ মেলা। সপ্তাহব্যাপী মেলার উদ্বোধন শেষে সম্মেলন কেন্দ্র প্রাঙ্গণেই বৃক্ষরোপণ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।</p>
</article>

<article>এরপর তিনি মেলায় অংশ নেওয়া পরিবেশবাদী সংগঠনের স্টল ও নানা রকম ফুল-ফল আর ঔষুধি গাছ দিয়ে সাজানো নার্সারিগুলো ঘুরে দেখেন। স্টলে স্টলে ঘোরার সময় প্রধানমন্ত্রী প্রতিটি উদ্যোগের খোঁজখবর নেন এবং তরুণদের পরিবেশবান্ধব কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রধানমন্ত্রী মেলা প্রাঙ্গণের মঞ্চের কাছে পরিবেশবাদী সংগঠন ক্লাইমেট অ্যাকশন অ্যান্ড জাস্টিস ফাউন্ডেশন (সিএজেএফ)-এর স্টলও পরিদর্শন করেন। এ সময় তাকে সংগঠনটির জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলা, জলবায়ু ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, পরিবেশ সংরক্ষণ, বৃক্ষরোপণ, তরুণদের নেতৃত্ব বিকাশ, প্লাস্টিক দূষণ রোধ, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, শিশু-কিশোরদের পরিবেশ শিক্ষা এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নে পরিচালিত বিভিন্ন উদ্যোগ সম্পর্কে বিস্তারিত অবহিত করা হয়।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>স্টলে প্রদর্শিত বিভিন্ন সচেতনতামূলক কার্যক্রম, জলবায়ু সহনশীল আদর্শ গ্রাম নির্মাণের পরিকল্পনা, সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে সংগঠনটির বহুমুখী উদ্যোগের কথা মন দিয়ে শােনেন প্রধানমন্ত্রী। এসব কার্যক্রমে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং তরুণদের নেতৃত্বে পরিচালিত এ ধরনের উদ্যোগের প্রশংসা করেন।</p>

<p>স্টল পরিদর্শনের সময় প্রধানমন্ত্রীকে শিশুদের আঁকা পরিবেশবিষয়ক একটি চিত্রকর্ম উপহার দেওয়া হয়। তিনি হাসিমুখে উপহারটি গ্রহণ করেন ও চিত্রকর্মের প্রশংসা করেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>ক্লাইমেট অ্যাকশন অ্যান্ড জাস্টিস ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান আরিফুজ্জামান মামুন বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমাদের স্টল পরিদর্শন করে কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজখবর নিয়েছেন এবং উৎসাহব্যঞ্জক মন্তব্য করেছেন। পরিবেশ ও জলবায়ু নিয়ে আমাদের উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন। দেশের সরকারপ্রধানের এই স্বীকৃতি ও অনুপ্রেরণা আমাদের দায়িত্ব আরো বাড়িয়ে দিয়েছে। আমরা ভবিষ্যতেও জলবায়ু ন্যায়বিচার, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং তরুণদের সম্পৃক্ততার মাধ্যমে একটি সবুজ, নিরাপদ ও টেকসই বাংলাদেশ গড়ে তুলতে কাজ করে যাব।</p>

<p>তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এই উৎসাহ সংগঠনের সদস্য, স্বেচ্ছাসেবক এবং তরুণ কর্মীদের জন্য বড় প্রেরণা হিসেবে কাজ করবে।</p>
</article>

<article>খোদ প্রধানমন্ত্রী যখন আমাদের স্টলে এসে অনুপ্রেরণা দেন তখন পরিবেশ নিয়ে কাজ করার আগ্রহ আরো অনেক বেড়ে যায়। এটা আমাদের জন্য অনেক বড় পাওয়া। সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই।
<p>&nbsp;</p>

<p>কাগজের কলম দেখে মুগ্ধ প্রধানমন্ত্রী</p>

<p>মেলা প্রাঙ্গণে পরিবেশবাদী সংগঠন &lsquo;মিশন গ্রীন বাংলাদেশ&rsquo;-এর স্টলে গিয়ে চমকে যান প্রধানমন্ত্রী। সেখানে তরুণদের তৈরি পরিবেশবান্ধব &lsquo;কাগজের কলম&rsquo; (পেপার পেন রেভল্যুশন) দেখে তিনি খুশি হন।</p>

<p>সংগঠনের নির্বাহী পরিচালক আহসান রনি জানান, প্রধানমন্ত্রী এই কাগজের কলমটি এতটাই পছন্দ করেছেন যে, সরকারি অফিস-আদালতে ব্যবহৃত প্লাস্টিকের কলমের পরিবর্তে এই পরিবেশবান্ধব কলম ব্যবহার করার জন্য তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন। এ ছাড়া বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তর করার লক্ষ্যে সংগঠনের সিগনেচার উদ্যোগ &lsquo;ভাংরি মামা&rsquo;র অভিনব চিন্তাভাবনারও ভূয়সী প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী।</p>

<p>&lsquo;বাহ! আপনি তো দারুণ সাজিয়েছেন&rsquo;</p>

<p>পরিবেশবাদী সংগঠনগুলোর স্টল দেখার আগে প্রধানমন্ত্রী ঢোকেন ফুলে-ফলে সুসজ্জিত বিভিন্ন নার্সারির স্টলে। একটি নার্সারির চমৎকার সাজসজ্জা দেখে মুগ্ধ হয়ে প্রধানমন্ত্রী তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, &lsquo;বাহ! আপনি তো দারুণ সাজিয়েছেন।&rsquo; তিনি কেবল প্রশংসাই করেননি, বরং নার্সারির ভেতরের খোঁজ নিতে তাদের জিজ্ঞেস করেন- গাছগুলো কি শুধুই মেলা উপলক্ষে এভাবে সাজিয়ে রাখা হয়েছে, নাকি বাস্তবেও এমন? জবাবে নার্সারির প্রতিনিধিরা জানান, সাভারের আশুলিয়াতে তাদের মূল নার্সারিটিও ঠিক একইভাবে সাজানো-গোছানো। এ কথা শুনে ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী।</p>

<p>এদিকে, প্রধানমন্ত্রী মেলা প্রাঙ্গণ ত্যাগ করলেও তার এই সফর মেলার স্বেচ্ছাসেবক ও বৃক্ষপ্রেমীদের মাঝে উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে। মেলায় অংশ নেওয়া তরুণদের মতে, দেশের সর্বোচ্চ অভিভাবক যখন নিজে এসে এভাবে উৎসাহ দেন, তখন পরিবেশ রক্ষার লড়াইটা আরো সহজ হয়ে যায়।</p>

<p>পরিবেশ সংরক্ষণ, পরিবেশ বিষয়ক শিক্ষা ও প্রচার এবং পরিবেশ বিষয়ক গবেষণা ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনজন ব্যক্তি ও তিনটি প্রতিষ্ঠানকে &lsquo;জাতীয় পরিবেশ পদক-২০২৫&rsquo; প্রদান করা হয়েছে। রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বিশ্ব পরিবেশ দিবস-২০২৬ এর জাতীয় অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধনী আয়োজনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিজয়ীদের হাতে এ পদক তুলে দেন। ব্যক্তিগত পর্যায়ে পরিবেশ সংরক্ষণ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণ ক্যাটাগরিতে পদক পেয়েছেন আলহাজ ফরহাদ আলী মেমোরিয়াল ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক মো. হাসমত আলী।</p>

<p>পরিবেশ বিষয়ক শিক্ষা ও প্রচার ক্যাটাগরিতে পদক পেয়েছেন মো. মনির হোসেন। পরিবেশ বিষয়ক গবেষণা ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন ক্যাটাগরিতে পদক পেয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের শিক্ষক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আব্দুস সালাম। প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে পরিবেশ সংরক্ষণ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণ ক্যাটাগরিতে পদক পেয়েছে ক্লাসিক্যাল হ্যান্ডমেইড প্রোডাক্টস বিডি লিমিটেড। পরিবেশ বিষয়ক শিক্ষা ও প্রচার ক্যাটাগরিতে পদক পেয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব ফরেস্ট্রি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস। এ ছাড়া পরিবেশবিষয়ক গবেষণা ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন ক্যাটাগরিতে পদক পেয়েছে বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/811-99.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[আফগানিস্তানে জাতিসংঘের বিশেষ দূত হচ্ছেন রাবাব ফাতিমা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28998</link>
    <pubDate>Fri, 10 Jul 2026 10:57:31 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28998</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1004-88.jpg" />    <article>
<p>জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বাংলাদেশি কূটনীতিক রাবাব ফাতিমাকে আফগানিস্তানে জাতিসংঘের বিশেষ দূত হিসেবে মনোনয়ন দিয়েছেন। মনোনয়নপত্রটি ইতিমধ্যে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে পাঠানো হয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>কূটনৈতিক সূত্রের বরাতে আফগানিস্তানভিত্তিক সংবাদমাধ্যম <a href="https://www.ariananews.af/un-chief-nominates-bangladeshi-diplomat-rabab-fatima-as-special-envoy-for-afghanistan/">অ্যারিয়ানা নিউজ</a> এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে।</p>

<p>প্রতিবেদনে বলা হয়, নিরাপত্তা পরিষদ শিগগিরই এ মনোনয়নের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। অনুমোদন পেলে রাবাব ফাতিমা আফগানিস্তানে জাতিসংঘের বিশেষ দূত ও দেশটিতে জাতিসংঘ সহায়তা মিশনের (ইউএনএএমএ) প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেবেন। তিনি এ পদে রোজা ওতুনবায়েভার স্থলাভিষিক্ত হবেন।</p>
</article>

<article>ওতুনবায়েভার মেয়াদ গত বছরের সেপ্টেম্বরে শেষ হয়েছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>রাবাব ফাতিমা ২০২২ সালের জুন থেকে জাতিসংঘের আন্ডার-সেক্রেটারি-জেনারেল এবং স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি), স্থলবেষ্টিত উন্নয়নশীল দেশ (এলএলডিসি) ও উন্নয়নশীল ক্ষুদ্র দ্বীপরাষ্ট্রগুলোর (এসআইডিএস) উচ্চ প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।</p>

<p>এর আগে তিনি নিউইয়র্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত এবং জাপানে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে তিনি জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব নেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>জাতিসংঘে দায়িত্ব পালনকালে তিনি শান্তিবিনির্মাণ কমিশনের সভাপতি, ইউএন উইমেনের নির্বাহী বোর্ডের সভাপতি এবং জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৬তম অধিবেশনের সহসভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। এ ছাড়া ইউনিসেফের নির্বাহী বোর্ডের সভাপতি এবং ইউএনডিপি, ইউএনএফপিএ ও ইউএনওপিএসের নির্বাহী বোর্ডের সহসভাপতির দায়িত্বও পালন করেছেন।</p>

<p>১৯৮৯ সালে বাংলাদেশ পররাষ্ট্র ক্যাডারে যোগ দেন রাবাব ফাতিমা। কর্মজীবনে তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক ছাড়াও নিউইয়র্ক ও জেনেভায় জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন এবং কলকাতা ও বেইজিংয়ে বাংলাদেশ মিশনে বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া কমনওয়েলথ সচিবালয় ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)-এও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1004-88.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[কক্সবাজারে বন্যা-পাহাড়ধসে প্রাণহানি ২৪, পানিবন্দি ৪ লাখ মানুষ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/bangladesh/28997</link>
    <pubDate>Fri, 10 Jul 2026 10:56:41 +0600</pubDate>
    <category> সারাবাংলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/bangladesh/28997</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1127-77.jpg" />    <article>
<p>কক্সবাজারে টানা ৬ দিনের ভারি বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যা ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। জেলার রামু, চকরিয়া, মাতামুহুরী ও পেকুয়া উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে।</p>
</article>

<article>পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন ৪ লাখেরও বেশি মানুষ। বর্ষণজনিত পাহাড়ি ঢলে কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কের কয়েকটি অংশ ডুবে যাওয়ায় যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন ঘটে।
<p>&nbsp;</p>

<p>একই সঙ্গে পাহাড়ধস ও পানিতে ডুবে প্রাণহানিও বাড়ছে। সর্বশেষ চকরিয়ায় বন্যার পানিতে ডুবে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।</p>
</article>

<article>এ নিয়ে জেলায় পাহাড়ধসে ২০ জন এবং পাহাড়ি ঢলের পানিতে ভেসে ও ডুবে ৪ জনসহ মোট ২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুরে চকরিয়া উপজেলার কাকারা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মাইজকাকারা এলাকায় বন্যার পানিতে ডুবে মোহাম্মদ ওয়াকিম (২) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়।</p>

<p>এর আগে বুধবার দিবাগত রাত ২টার দিকে চকরিয়া উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নের মছনিয়াকাটা এলাকায় পাহাড়ধসে তৌসিফ (১৪) ও রুমি আক্তার (১৭) নামের চাচাতো ভাই-বোন নিহত হন।</p>

<p>টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে বাঁকখালী ও মাতামুহুরী নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছে বিভিন্ন এলাকায় উপচে পড়েছে।</p>
</article>

<article>রামু উপজেলার গর্জনীয়া, কচ্ছপিয়া, কাউয়ারখোপ, রাজারকুল, চাকমারকুল ও দক্ষিণ মিঠাছড়ির বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>চকরিয়া উপজেলার হারবাং, বরইতলী, কৈয়ারবিল, লক্ষ্যারচর, কাকারা, সুরাজপুর-মানিকপুর, ফাঁসিয়াখালী, ডুলাহাজারা, খুটাখালী এবং পৌরসভার নিম্নাঞ্চল পানির নিচে তলিয়ে গেছে।</p>

<p>নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলার বিএমচর, কোনাখালী, পূর্ব বড় ভেওলা, পশ্চিম বড় ভেওলা, বদরখালী, ঢেমুশিয়া ও সাহারবিল ইউনিয়নের অধিকাংশ এলাকা প্লাবিত হয়েছে।</p>

<p>বৃহস্পতিবার সকালে মাতামুহুরির কোনাখালী ইউনিয়নের পুরুইত্যাখালী এলাকায় মাতামুহুরী নদীর বেড়িবাঁধ ভেঙে লোকালয়ে বানের পানি ঢুকে পড়ে। এতে বসতবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, গ্রামীণ সড়ক ও ফসলি জমির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>পেকুয়া উপজেলার বারবাকিয়া, রাজাখালী, মগনামা, শিলখালী ও উজানটিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামীণ এলাকাও বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সড়কে পানি উঠে যাওয়ায় যানচলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।</p>

<p>বন্যাকবলিত এলাকায় বিশুদ্ধ খাবার পানি ও খাদ্যের সংকট দেখা দিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের অভিযোগ, দীর্ঘ সময় পার হলেও এখনো সরকারি সহায়তা অনেক এলাকায় পৌঁছেনি।</p>

<p>এদিকে নতুন করে পাহাড়ধসের আশঙ্কায় ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ঘেঁষা বসতিগুলোর বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং করা হচ্ছে।</p>

<p>জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, দুর্যোগ মোকাবেলায় পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে ত্রাণ বিতরণের জন্য মজুদ রয়েছে খাদ্যসামগ্রী, মেট্রিক টন চাল এবং ১০ লাখ টাকা। প্রয়োজন হলে আরও ত্রাণ বরাদ্দ দেওয়া হবে।</p>

<p>কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল মান্নান বলেন, দুর্যোগ মোকাবেলায় জেলা প্রশাসন সার্বক্ষণিক কাজ করছে। ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।</p>

<p>এদিকে আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত গত ৬ দিনে কক্সবাজারে ৬৫০ মিলিমিটারেরও বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। টানা বর্ষণ অব্যাহত থাকায় বন্যা ও পাহাড়ধসের ঝুঁকি আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1127-77.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের অনুষ্ঠানে হামলার ষড়যন্ত্র, অভিযুক্ত ৮]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28996</link>
    <pubDate>Fri, 10 Jul 2026 10:55:02 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28996</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1244-66.jpg" />    <article>
<p>হোয়াইট হাউসে ইউএফসি কেজ-ফাইটিং অনুষ্ঠানে ড্রোন ও স্নাইপার হামলার পরিকল্পনার অভিযোগে আটজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। গত জুনে অনুষ্ঠিত ওই ইভেন্টে ব্যর্থ হামলার ছক আঁকার দায়ে বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ওহাইওতে তাদের বিরুদ্ধে হত্যা ও সন্ত্রাসবাদের ষড়যন্তের এই অভিযোগ আনা হয়।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>তদন্তকারীরা জানান, <a href="https://www.indiatoday.in/world/story/white-house-ufc-event-attack-plot-eight-indicted-over-foiled-drone-and-sniper-conspiracy-ptag-2944536-2026-07-10?fbclid=IwY2xjawS9Q4xleHRuA2FlbQIxMABicmlkETFmOWY4QmxSaUpiRU1YcDFXc3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHoBTyJzd_2SBs-17PY4h6HNrsH9KyMg84scDSp8fwuQFRwvnsScaZNxwcf7Q_aem_KEGCL4LAs8TqYFmwBcv6tA">হোয়াইট হাউসে &lsquo;ফ্রিডম ২৫০&rsquo; নামের একটি ইউএফসি ইভেন্টের আয়োজন করা হয়েছিল</a>, যেখানে উপস্থিত ছিলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। চরমপন্থী ও প্রান্তিক ষড়যন্ত্র তত্ত্বে বিশ্বাসী এই চক্রটির লক্ষ্য ছিল ড্রোন ও স্নাইপার ব্যবহার করে সেখানে ভয়াবহ হামলা চালানো। তাদের পরিকল্পনা ছিল অনুষ্ঠান চলাকালীন বিস্ফোরক বোঝাই ড্রোন উড়িয়ে নিয়ে বিস্ফোরণ ঘটানো। এরপর আতঙ্কিত হয়ে সাধারণ মানুষ যখন প্রাণভয়ে দৌড়াদৌড়ি শুরু করবে, তখন স্নাইপার বা দূরপাল্লার বন্দুক দিয়ে ভিড়ের ওপর নির্বিচারে গুলি চালানো।</p>
</article>

<article>এই হামলার মাধ্যমে মার্কিন সরকারকে অস্থিতিশীল করে তোলার আশা করেছিল চক্রটি।
<p>&nbsp;</p>

<p>অভিযোগপত্র অনুসারে, এই চক্রান্তের সূত্রপাত হয়েছিল গত মে মাসে। তখন থেকেই দলটি টাকা, স্বয়ংক্রিয় আগ্নেয়াস্ত্র, গোলাবারুদ, বডি আর্মার, বিস্ফোরক, ড্রোন ও যোগাযোগের উন্নত সরঞ্জাম সংগ্রহ করতে শুরু করে। তবে অনুষ্ঠানটি শুরু হওয়ার চার দিন আগে, ১০ জুন মার্কিন আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও গোয়েন্দারা এই সম্ভাব্য হুমকির বিষয়টি টের পেয়ে যান।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>গত মাসে ওহাইও, মিসৌরি, ওয়াশিংটন, নেব্রাস্কা ও ক্যালিফোর্নিয়া থেকে এই চক্রের সাত সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়। এদের মধ্যে ওহাইওর ১৯ বছর বয়সী তরুণ টাইসেন সি. প্রোপার অন্যতম। বিচার বিভাগ জানিয়েছে, চলতি সপ্তাহে এই মামলায় অষ্টম ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করার মাধ্যমে ঘটনার সাথে জড়িত মূল ৮ জনকেই আইনের আওতায় আনা সম্ভব হলো। সর্বশেষ গ্রেপ্তার হওয়া ২১ বছর বয়সী এই আসামির নাম চ্যান্ডলার ডি. স্ক্যাগস, যিনি ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ার বাসিন্দা।</p>

<p>তদন্তের নথিপত্র অনুযায়ী, এই হামলার পরিকল্পনায় স্ক্যাগসকে একজন &lsquo;স্নাইপার&rsquo; বা লক্ষ্যভেদীর ভূমিকা দেওয়া হয়েছিল।</p>
</article>

<article>চক্রের অন্য সদস্য প্রোপার গ্রেপ্তার হওয়ার পর তাদের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলেও, স্ক্যাগস অন্য আরেক সহ-ষড়যন্ত্রকারীর সাথে মিলে সেই ইভেন্টে গিয়ে হামলা চালাতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত ছিলেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>আটককৃত সবার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসীদের বস্তুগত সহায়তা প্রদান, সরকারি সম্পত্তিতে হত্যাকাণ্ড ঘটানো ও সরকারি কর্মকর্তাকে হত্যার ষড়যন্ত্রের মতো গুরুতর দুইটি পৃথক ফেডারেল অপরাধের চার্জ গঠন করা হয়েছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1244-66.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[গ্রিসে এফ-১৬ যুদ্ধবিমানে আগুন, অতঃপর...]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28995</link>
    <pubDate>Fri, 10 Jul 2026 10:54:24 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28995</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1347-55.jpg" />    <article>
<p>গ্রিস বিমানবাহিনীর একটি এফ-১৬ যুদ্ধবিমানে মাঝ আকাশে হঠাৎ করে আগুন ধরে যায়। এর পরপরই দেশটির জাকিনথোস দ্বীপের বিমানবন্দরে যুদ্ধবিমানটি জরুরি অবতরণ করেছে।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>তবে ক্ষতিগ্রস্ত বিমানটি থেকে পাইলটকে দ্রুত নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তিনি সুস্থ আছেন বলেও জানা গেছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম ইআরটির বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে তুর্কি বার্তা সংস্থা <a href="https://www.aa.com.tr/en/europe/greek-f-16-jet-makes-emergency-landing-at-zakynthos-airport/3993221">আন্দালু এজেন্সি</a>।</p>

<p>প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আকাশে থাকা অবস্থায় যুদ্ধবিমানটিতে আগুন ধরে যায়।</p>
</article>

<article>এরপরই পাইলট বিমানটিকে জরুরি ভিত্তিতে ওই দ্বীপের বিমানবন্দরে অবতরণ করান।
<p>&nbsp;</p>

<p>স্থানীয় নাগরিক সুরক্ষা বিভাগের প্রধান মারিয়া মুজাকি জানান, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। নিরাপত্তার স্বার্থে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বিমানবন্দরটির স্বাভাবিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1347-55.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[চীনে জুতার কারখানায় ভয়াবহ আগুন, নিহত ২৮]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28994</link>
    <pubDate>Fri, 10 Jul 2026 10:51:52 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28994</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1411-44.jpg" />    <article>
<p>চীনের পূর্বাঞ্চলের ফুজিয়ান প্রদেশের জিনজিয়াং শহরের একটি জুতার কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ২৮ জন নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।</p>
</article>

<article>দেশটির রাষ্ট্রীয় <a href="https://www.channelnewsasia.com/east-asia/china-xi-fire-shoe-factory-heavy-losses-death-toll-6244046">সংবাদমাধ্যম</a> জানিয়েছে, আগুন নিয়ন্ত্রণে ইতিমধ্যে দমকল ও উদ্ধারকর্মীরা অভিযান শুরু করেছে।

<p>&nbsp;</p>

<p>স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে হুইতেং শুজ নামের ওই কারখানাটিতে আগুনের সূত্রপাত হয়। এর কয়েক ঘণ্টা পরেও ভবনের ভেতরে কিছু মানুষ আটকা পড়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।</p>

<p>এ ঘটনায় <a href="https://english.news.cn/20260709/39d1c268698c4362bd941504f68db51d/c.html">শোক প্রকাশ</a> করে চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং বলেছেন, এ অগ্নিকাণ্ডে &lsquo;ব্যাপক প্রাণহানি&rsquo; ঘটেছে।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>একই সঙ্গে উদ্ধার অভিযান জোরদারের নির্দেশ দিয়ে শি চিনপিং বলেন, দুর্ঘটনার কারণ দ্রুত তদন্ত করে দায়ীদের কঠোর জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।</p>

<p>দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন সিসিটিভির প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, বহুতল ভবনটির ভেতর ও বাইরে দমকলকর্মীরা পানির পাইপ দিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করছেন।</p>

<p>এ সময় ভবন থেকে ঘন কালো ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। নিচতলায় আগুন জ্বলতে থাকায় অনেককে ভবনের জানালা ও ছাদে আশ্রয় নিতে দেখা যায়।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>চীনের জরুরি ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ঘটনাস্থলে ১৮৩ জন দমকল ও উদ্ধারকর্মী এবং ৩৫টি উদ্ধারযান মোতায়েন করা হয়েছে।</p>

<p>জরুরি ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার পাশাপাশি আটকে পড়াদের উদ্ধারে এবং আহতদের চিকিৎসায় সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1411-44.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের পাল্টা হামলা, শেষ বিদায় খামেনিকে]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28993</link>
    <pubDate>Fri, 10 Jul 2026 10:51:06 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28993</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1497-33.jpg" />    <article>
<p><a href="https://www.reuters.com/world/middle-east/iran-says-it-hits-us-military-targets-gulf-prepares-bury-slain-leader-2026-07-09/?fbclid=IwY2xjawS9PJVleHRuA2FlbQIxMABicmlkETFSUUo4UG1ya1ZqaWEyRzc3c3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHhdfpcB9RpGXASVn90L3KKG5RqrrooNC8WRk5b9ZDXlTlUGqqctUa64wq4AE_aem_h-G8RxBiGWug_QSjZTSa2Q">যুক্তরাষ্ট্র ইরানের দক্ষিণ উপকূল ও পূর্বাঞ্চলের</a> বিভিন্ন সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে নতুন করে হামলা চালানোর পর বৃহস্পতিবার উপসাগরীয় অঞ্চলে থাকা মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালিয়েছে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী। এর ফলে মাত্র তিন সপ্তাহ আগে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতি আরো দুর্বল হয়ে পড়েছে এবং মধ্যপ্রাচ্যে আবারও বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>হামলার পর ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানায়, দেশের দক্ষিণাঞ্চলের কয়েকটি এলাকায় একাধিক বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে বুশেহর, কোনারাক, চোগাদাক ও বন্দর আব্বাসে। বুশেহরে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র রয়েছে। তবে এক মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক কয়েক ঘণ্টায় যুক্তরাষ্ট্র আর কোনো নতুন হামলা চালায়নি।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>এদিকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে দেশটির পবিত্র শহর মাশহাদের একটি ধর্মীয় স্থানে দাফন করা হয়েছে। এক সপ্তাহ ধরে চলা শোকযাত্রা ও বিভিন্ন সমাবেশ শেষে তার দাফন সম্পন্ন হয়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধের প্রথম দিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় খামেনি নিহত হন। এরপর কয়েক মাস ধরে চলা যুদ্ধে হাজারো মানুষ প্রাণ হারান।</p>
</article>

<article>একই সঙ্গে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহেও বড় ধরনের প্রভাব পড়ে। সপ্তাহের শুরুতে কাতার ও সৌদি আরবের বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার ঘটনা যুদ্ধবিরতি কার্যত ভেঙে দেয়। এরপর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেন, যুদ্ধবিরতি &lsquo;শেষ হয়ে গেছে&rsquo;। তবে আরেক মার্কিন কর্মকর্তা বলেছেন, ওয়াশিংটন এখনো কূটনৈতিক সমাধানের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, দুই দেশের মধ্যে এখনো কূটনৈতিক পর্যায়ে আলোচনা চলছে।</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>এদিকে যুদ্ধ থামাতে না পারায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প রাজনৈতিক চাপের মুখে পড়েছেন। বছরের শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। এর আগে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি এবং ভোটারদের অসন্তোষ রিপাবলিকান দলের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। খামেনির শেষযাত্রা মাশহাদের পবিত্র ধর্মীয় স্থানে পৌঁছালে সেখানে বিপুল মানুষের সমাগম হয়। অনেকের হাতে যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী ও ট্রাম্পবিরোধী স্লোগান লেখা ব্যানার দেখা যায়। একটি ব্যানারে লেখা ছিল, &lsquo;আমরা ট্রাম্পকে হত্যা করব&rsquo;।</p>

<p>ইরানের বিপ্লবী গার্ডের নৌবাহিনী দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্রের হামলা এবং হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রণে ওয়াশিংটনের হস্তক্ষেপের কারণে প্রণালিটির স্বাভাবিকভাবে চালুর প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। তাদের দাবি, গত দুই সপ্তাহে ইরানের তত্ত্বাবধানে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের সংখ্যা যুদ্ধের আগের সময়ের প্রায় ৫০ শতাংশে পৌঁছেছে। তেহরানের নির্ধারিত পথ ব্যবহার করা জাহাজগুলোকে শুধু চলাচলের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। বিপ্লবী গার্ড আরো সতর্ক করে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি আবার কোনো ধরনের সামরিক হস্তক্ষেপ করে, তাহলে তার জবাব হবে &lsquo;চূর্ণবিচূর্ণকারী প্রতিক্রিয়া&rsquo;।&nbsp;</p>

<p>অন্যদিকে মার্কিন সামরিক বাহিনীর দাবি, হরমুজ প্রণালিতে নিরাপদ নৌচলাচল নিশ্চিত করতেই তারা হামলা চালিয়েছে। তাদের অভিযোগ, ইরানের বাহিনী ওই এলাকায় তিনটি তেলবাহী জাহাজে হামলা করেছিল। মার্কিন বাহিনী জানায়, মে মাসের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত তারা হরমুজ প্রণালি দিয়ে ৮০০টির বেশি বাণিজ্যিক জাহাজ এবং ৩৮ কোটি ব্যারেলের বেশি অপরিশোধিত তেল নিরাপদে পার হতে সহায়তা করেছে। তাদের দাবি, হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ইরানের হাতে নেই। যুদ্ধের কারণে বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হওয়ায় দাম বেড়ে গেলেও বৃহস্পতিবার তা কিছুটা কমে আসে।</p>

<p>মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, বুধবার তাদের বাহিনী ইরানের প্রায় ৯০টি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালায়। এসব লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে ছিল আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, উপকূলীয় নজরদারি কেন্দ্র, ক্ষেপণাস্ত্র সংরক্ষণাগার এবং ড্রোন ঘাঁটি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে লিখেছেন, &lsquo;এটি গতকাল ইরানের জাহাজে বোমা হামলার প্রতিশোধ। আবার এমন হলে পরিস্থিতি আরো অনেক খারাপ হবে।&rsquo; ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, আট ও নয় জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় পাঁচটি প্রদেশে অন্তত ১৪ জন নিহত এবং ৭৮ জন আহত হয়েছেন। ফার্স বার্তা সংস্থা জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের একটি হামলায় এমন একটি রেলসেতু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা রাশিয়া ও চীনের সঙ্গে বাণিজ্যে ব্যবহৃত হতো। বুশেহরের রাশিয়ার সহায়তায় নির্মিত পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের বাইরের নিরাপত্তা এলাকায় যুক্তরাষ্ট্রের একটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত করেছে বলে স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। এর আগেও গত আট এপ্রিলের যুদ্ধবিরতির আগে ওই এলাকায় একাধিক হামলা হয়েছিল।</p>

<p>এদিকে ইরানের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা কুয়েতে থাকা মার্কিন প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, কাতারের একটি আগাম সতর্কীকরণ কেন্দ্র এবং বাহরাইনে মার্কিন বাহিনীর একটি জ্বালানি ডিপো লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। কুয়েতের সশস্ত্র বাহিনী জানিয়েছে, তারা একটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র, তিনটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ১০টি ড্রোন ভূপাতিত করেছে। ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ পড়ে একজন আহত হয়েছেন। ইরান থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার পর জর্ডানেও সতর্কতামূলক সাইরেন বাজানো হয়। দেশটির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ৮টি ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করা হয়েছে। এতে কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেনি। পরে ইরানের বিপ্লবী গার্ড দাবি করে, তারা জর্ডানের আজরাক সামরিক ঘাঁটিতে ১০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। ওই ঘাঁটি যুক্তরাষ্ট্র ব্যবহার করে বলে তাদের দাবি। এছাড়া মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের একটি সামরিক নিয়ন্ত্রণকেন্দ্রেও হামলা চালানো হয়েছে বলে জানানো হয়। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।</p>

<p>কাতারে এই অঞ্চলের সবচেয়ে বড় মার্কিন সামরিক ঘাঁটি রয়েছে। দেশটি দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করে আসছে। কাতার বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার নিন্দা জানিয়ে সব পক্ষকে আবার কূটনৈতিক আলোচনায় ফেরার আহ্বান জানিয়েছে। তুরস্ক ও ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরাও আলাদা ফোনালাপে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সঙ্গে কথা বলেছেন। তারা সবাই নতুন করে সামরিক উত্তেজনা এড়িয়ে আলোচনার মাধ্যমে সংকট সমাধানের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। এদিকে পাকিস্তানের সেনাপ্রধানের সঙ্গে ফোনালাপে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি যুক্তরাষ্ট্রের &lsquo;যুদ্ধ উসকে দেওয়ার নীতি&rsquo;র সমালোচনা করেছেন।&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/07/10/1709416" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবহন হতো। তবে সংঘাত শুরু হওয়ার পর তেহরান কার্যত প্রণালিটির বড় অংশের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করে। এর ফলে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ নিয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা আরো বেড়ে যায়। ইরানের প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাকের কালিবাফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, &lsquo;হরমুজ প্রণালি আবার চালু হবে শুধু ইরানের ব্যবস্থাপনায়, যুক্তরাষ্ট্রের হুমকির মাধ্যমে নয়।&rsquo;</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1497-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[মরক্কোকে বিদায় করে সবার আগে সেমিফাইনালে ফ্রান্স]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/28992</link>
    <pubDate>Fri, 10 Jul 2026 10:50:02 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/28992</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1538-22.jpg" />    <p><strong>ফুটবল বিশ্বকাপের প্রথম কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচটি হলো অনেকটা একপেশে। ফরাসিদের দাপুটে ফুটবলের কাছে অসহায় লেগেছে আশরাফ হাকিমিদের। একক আধিপত্য বিস্তার করা ফ্রান্স আফ্রিকান পরাশক্তি মরক্কোকে হারিয়েছে ২-০ গোল ব্যবধানে। তাতেই প্রথম দল হিসেবে সেমিফাইনালে জায়গা করে নিলেন দিদিয়ের দেশামের শিষ্যরা। &nbsp;</strong></p>

<p>&nbsp;</p>

<p>শুরু থেকেই একের পর এক আক্রমণ করলেও গোল পাচ্ছিল না ফ্রান্স। ম্যাচের ২৫তম মিনিটে মরক্কোর ডি-বক্সে ফাউল করে বসেন নুসাইর মাজরাউয়ি। লাইন্সম্যানের সঙ্গে দ্রুত কথা বলে রেফারি ফাকুন্দো তেল্লো ফ্রান্সের অনুকূলে পেনাল্টির বাঁশি বাজান। ভিএআরে শরণাপন্ন হলেও সিদ্ধান্ত বদলাননি রেফারি।</p>

<p>স্পট কিক থেকে গোল করার এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব নিজ কাঁধে তুলে নেন ফরাসি তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে। বল জালে জড়ানোর জন্য এমবাপ্পে পেনাল্টি কিকটি ডান দিকের নিচের কোণা (বরাবর নিয়েছিলেন। কিন্তু মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনু যেন আগে থেকেই এমবাপ্পের শটের দিক নিখুঁতভাবে অনুমান করতে পেরেছিলেন। সঠিক সময়ে দুর্দান্ত এক ডাইভ দিয়ে এমবাপ্পের সেই শট রুখে দেন বুনু।</p>

<figure>&nbsp;</figure>

<p><img alt="" border="0" height="720" src="https://assets.dhakapost.com/media/imgAll/BG/2026July/dembele-20260710035954.jpg" width="1280" /> গোল করার পর হাওয়ায় ভেসে উদযাপন উসমান দেম্বেলের</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>৩২তম মিনিটে ফ্রান্সের তরুণ ফরোয়ার্ড দেজিরে দুয়ে এক অনবদ্য একক দৌড়ে মরক্কোর ডি-বক্সে বল নিয়ে ঢুকে পড়েন। গোল করার সুবর্ণ সুযোগ দেখে পোস্টের বাম দিকে লক্ষ্য করে এক শট নেন। কিন্তু তার সেই নিশ্চিত গোলের মুহূর্তটিকে ম্লান করে দেন মরক্কোর প্রাচীর হয়ে দাঁড়ানো গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনু। প্রথমার্ধ শেষ হয় গোলশূন্য ব্যবধানেই।</p>

<p>দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই গোলের নেশায় বুঁদ হয়ে উঠে ফ্রান্স। সেই সুবাদে ম্যাচের ৬০তম মিনিটে আসে সেই কাঙ্ক্ষিত মাহেদ্রক্ষণ। ডি-বক্সের বাইরে থেকে এক বিদ্যুৎগতির শট নেন ফরাসি অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে। তার সেই নিখুঁত ও জোরালো শটটি মরক্কোর রক্ষণভাগকে ফাঁকি দিয়ে ডান দিকের পোস্ট ঘেঁষে জালের ভেতরে আশ্রয় নেয়। তাতেই গোল উদযাপনে মেতে ওঠে ফরাসি শিবির।</p>

<p>এদিকে ৭১তম মিনিটে কিলিয়ান এমবাপ্পের চমৎকার এক পাস থেকে ডি-বক্সের ঠিক বাইরে &nbsp;বল পান উসমান দেম্বেলে। শটটি খুব একটা জোরালো না হলেও মরক্কোর ডিফেন্ডার ও গোলরক্ষককে ফাঁকি দিয়ে বলটি কোনোমতে ডান দিকের নিচের কোণা দিয়ে জালে জড়ায়। তাতেই ব্যবধান দ্বিগুণ হয়।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1538-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[প্রকাশ্যে দীপিকার বেবি বাম্প]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/28991</link>
    <pubDate>Fri, 10 Jul 2026 10:49:02 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/28991</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1636-11.jpg" />    <article>
<p>বলিউড অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন দ্বিতীয়বার মা হতে চলেছেন&mdash;এ খবর প্রকাশ্যে আসে চলতি বছরের এপ্রিলে। এরপর থেকেই ভক্তদের আগ্রহ ছিল তার নতুন উপস্থিতি ঘিরে।</p>
</article>

<article>এবার একটি নতুন বিজ্ঞাপনে প্রথমবারের মতো স্পষ্টভাবে দেখা গেল অভিনেত্রীর বেবি বাম্প।
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রথম সন্তানের সময়ের মতো এবারও মাতৃত্বকালীন বিরতিতে যাননি দীপিকা। গর্ভাবস্থাতেই শাহরুখ খানের আসন্ন সিনেমা &lsquo;কিং&rsquo;-এর শুটিং শেষ করেছেন তিনি। এবার একটি পাঁচতারকা হোটেলের বিজ্ঞাপনে অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় হাজির হয়ে আবারও আলোচনায় উঠে এসেছেন এই অভিনেত্রী।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>ভিডিওতে দীপিকার আত্মবিশ্বাসী উপস্থিতি ও প্রাণবন্ত অভিব্যক্তি মুগ্ধ করেছে ভক্তদের। গর্ভাবস্থাতেও তার কর্মস্পৃহা এবং সৌন্দর্যের প্রশংসায় ভাসছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। কেউ তাকে &lsquo;সুপারমম&rsquo; বলেও অভিহিত করেছেন।</p>

<p><img alt="Deepika Baby Bump: দ্বিতীয়বার অন্তঃসত্ত্বা দীপিকা! নতুন বিজ্ঞাপনে বেবি  বাম্পে নজর কাড়ল দুয়ার মাম্মা | Hindustan Times Bangla" src="https://www.hindustantimes.com/ht-img/img/2026/07/08/cropped/1-1/Deepika_1783419603604_1783419603893_0ced647f-75f7-4ab5-8f45-0adbac68a8f9_1783481854633_c0a5ba6d-1993-446c-b54e-0cbfc2cf4dd4.jpg" /></p>

<p>জানা গেছে, অন্তঃসত্ত্বার চার মাসের সময় বিজ্ঞাপনটির শুটিং করেছিলেন দীপিকা।</p>
</article>

<article>ভিডিওটি প্রকাশের পর একজন লিখেছেন, &lsquo;দুয়ার মা সুপারস্টার।&rsquo; আরেকজনের মন্তব্য, &lsquo;অন্তঃসত্ত্বা অবস্থাতেও কী স্মার্টলি কাজ করেছেন।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>চলতি বছরের এপ্রিলে দীপিকার দ্বিতীয়বার মা হওয়ার গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়লেও শুরুতে বিষয়টি নিয়ে নীরব ছিলেন তিনি ও তার স্বামী রণবীর সিং। পরে জল্পনার অবসান ঘটিয়ে ইনস্টাগ্রামে একটি ছবি শেয়ার করেন দীপিকা।&nbsp;</p>

<p>সেই ছবিতে তাদের মেয়ে দুয়ার হাতে দেখা যায় একটি প্রেগন্যান্সি টেস্ট কিট।</p>
</article>

<article>ক্যাপশনে দুটি &lsquo;ইভিল আই&rsquo; ইমোজি ব্যবহার করে দ্বিতীয় সন্তানের আগমনের সুখবর নিশ্চিত করেন এই তারকা দম্পতি।
<p>&nbsp;</p>

<p>দীপিকার সেই ঘোষণার পর অভিনন্দনের জোয়ার বয়ে যায়। সহকর্মী অভিনেত্রী ভূমি পেডনেকার &lsquo;অভিনন্দন&rsquo; জানিয়ে মন্তব্য করেন। অভিনেত্রী সামান্থাও একাধিক হৃদয়ের ইমোজি দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।</p>

<p>উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হন রণবীর সিং ও দীপিকা পাড়ুকোন। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে তাদের প্রথম সন্তান কন্যা দুয়ার জন্ম হয়। এবার দ্বিতীয় সন্তানের অপেক্ষায় দিন গুনছেন এই তারকা দম্পতি।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1636-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিউইয়র্কে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ব্যস্ত কূটনীতি: পাকিস্তান, ভিয়েতনাম ও জাতিসংঘ নেতৃবৃন্দের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/diplomatic/28990</link>
    <pubDate>Thu, 09 Jul 2026 23:13:23 +0600</pubDate>
    <category> কূটনৈতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/diplomatic/28990</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1-07092026_image02_home_minister.jpg" />    <p>নিউইয়র্ক: &nbsp;স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ আজ নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্র ও মাদক নিয়ন্ত্রণবিষয়ক ফেডারেল মন্ত্রী সৈয়দ মহসিন নকভি, ভিয়েতনামের জননিরাপত্তা মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী সিনিয়র লেফটেন্যান্ট জেনারেল নগুয়েন ভ্যান লং এবং জাতিসংঘের রাজনৈতিক ও শান্তিনির্মাণবিষয়ক আন্ডার-সেক্রেটারি-জেনারেল রোজমেরি এ. ডি-কার্লোর সঙ্গে পৃথক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন।</p>

<p>পাকিস্তানের ফেডারেল মন্ত্রী সৈয়দ মহসিন নকভির সঙ্গে বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ এবং সামগ্রিক আইন-শৃঙ্খলা সহযোগিতা আরও জোরদারের ওপ্র গুরুত্বারোপ করেন। তিনি পাকিস্তানে বসবাসরত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত পাকিস্তানি নাগরিকদের ন্যাশনাল আইডেন্টিটি কার্ড প্রাপ্তিতে সম্মুখীন মানবিক জটিলতার বিষয়টিও উত্থাপন করেন। বৈঠকে দুই মন্ত্রী চলমান মধ্যপ্রাচ্য সংকটের ফলে জ্বালানি নিরাপত্তা, বাণিজ্য এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার ওপর সম্ভাব্য প্রভাবসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়েও আলোচনা করেন। তাঁরা উভয় দেশের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও এ ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের বিষয়েও আলোচনা করেন।</p>

<p>ভিয়েতনামের উপমন্ত্রী নগুয়েন ভ্যান লংয়ের সঙ্গে বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অভিবাসন ব্যবস্থাপনা, কনসুলার সহযোগিতা জোরদার, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং মানবপাচার ও আন্তঃরাষ্ট্রীয় অপরাধ দমনে সহযোগিতার বিষয়গুলো তুলে ধরেন। ভিয়েতনামের উপমন্ত্রী জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা ও শান্তিনির্মাণ কার্যক্রমে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের অবদানের প্রশংসা করেন। তিনি আন্তঃরাষ্ট্রীয় অপরাধ দমন এবং অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা সহযোগিতার ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে সম্পৃক্ততা অব্যাহত রাখার বিষয়ে ও গুরুত্বারোপ করেন।&nbsp;</p>

<p>আন্ডার-সেক্রেটারি-জেনারেল রোজমেরি এ. ডি-কার্লোর সঙ্গে বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী শান্তিরক্ষা ও শান্তিনির্মাণে বাংলাদেশের অগ্রাধিকার তুলে ধরেন। তিনি রোহিঙ্গাদের নিজ দেশ মিয়ানমারে প্রত্যাবর্তনের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের টেকসই ও জোরালো সহায়তার আহব্বান জানান। ডি-কার্লো জাতিসংঘে বাংলাদেশের গঠনমূলক ও দায়িত্বশীল ভূমিকা এবং আন্তর্জাতিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় বাংলাদেশের অব্যাহত অবদানের প্রশংসা করেন।<br />
&nbsp;</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1-07092026_image02_home_minister.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[Minister of Home Affairs holds bilateral meetings with Pakistan, Viet Nam and UN leaders at UNHQ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/diplomatic/28989</link>
    <pubDate>Thu, 09 Jul 2026 23:11:38 +0600</pubDate>
    <category> কূটনৈতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/diplomatic/28989</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/07092026_image02_home_minister.jpg" />    <p>New York: Minister of Home Affairs Salahuddin Ahmed held separate bilateral meetings at UN Headquarters with Pakistan&rsquo;s Federal Minister for Interior and Narcotics Control Syed Mohsin Naqvi; Viet Nam&rsquo;s Deputy Minister of Public Security Senior Lieutenant General Nguyen Van Long and United Nations Under-Secretary-General for Political and Peacebuilding Affairs Rosemary A. DiCarlo.</p>

<p>In his meeting with Syed Mohsin Naqvi, the Minister underscored the importance of strengthening cooperation in counter-narcotics and broader law-enforcement collaboration. He raised the humanitarian difficulties faced by Bangladeshi-origin Pakistani nationals in obtaining National Identity Cards. The two ministers also discussed issues of mutual interest, including the impact of the ongoing Middle East conflict on energy security, trade and regional stability. They also discussed issues of capacity building of respective institutions.&nbsp;<br />
During his meeting with Viet Nam&rsquo;s Deputy Minister Nguyen Van Long, the Minister of Home Affairs highlighted cooperation on migration management, consular services, enhancing trade and efforts to combat human trafficking and transnational crime.&nbsp;</p>

<p>In his meeting with USG DiCarlo, the Minister highlighted Bangladesh&rsquo;s priorities on peacekeeping and peacebuilding and underscored the need for sustained international support for the return of the Rohingyas to their homeland Myanmar. DiCarlo commended Bangladesh&rsquo;s constructive role at the United Nations and its continued contribution to international peace and stability.<br />
&nbsp;</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/07092026_image02_home_minister.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[জাতিসংঘে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক ও সময়োপযোগী জাতিসংঘ পুলিশ গঠনের আহ্বান]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/diplomatic/28988</link>
    <pubDate>Thu, 09 Jul 2026 23:09:32 +0600</pubDate>
    <category> কূটনৈতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/diplomatic/28988</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/07092026_image01_home_minister.png" />    <p>নিউইয়র্ক: ক্রমবর্ধমান জটিল বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আরও আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও সময়োপযোগী জাতিসংঘ পুলিশ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ। আজ জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত পঞ্চম ইউনাইটেড নেশনস চিফস অব পুলিশ সামিট (আনকপস ২০২৬)-এ বক্তব্য প্রদানকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ এ আহ্বান জানান।</p>

<p>মন্ত্রী বলেন, আগামী দিনের নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ গতানুগতিক সক্ষমতা দিয়ে মোকাবিলা করা সম্ভব নয়। তিনি উল্লেখ করেন, আন্তঃসীমান্ত অপরাধ চক্রের ক্রমবর্ধমান বিস্তার ও জটিলতা মোকাবিলায় উচ্চ দক্ষতাসম্পন্ন জনবল, বিশেষায়িত সক্ষমতা এবং উদ্ভাবনী পদ্ধতির উন্নয়ন ও প্রয়োগে আরও বেশি বিনিয়োগ প্রয়োজন।</p>

<p>জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের সক্রিয় অবদানের কথা তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আগামীর নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় পুলিশ ইউনিটগুলোকে আরও সক্ষম ও প্রস্তুত করে তুলতে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। তিনি সদস্যরাষ্ট্রগুলোর মধ্যে জ্ঞান, দক্ষতা ও উত্তম অনুশীলনের আদান-প্রদান জোরদারে একটি &lsquo;জাতিসংঘ পুলিশ নলেজ অ্যান্ড ইনোভেশন নেটওয়ার্ক&rsquo; গঠনের প্রস্তাব দেন। জলবায়ু পরিবর্তনকে উদীয়মান বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, সক্ষমতা বৃদ্ধি ও প্রস্তুতি জোরদারে একটি বার্ষিক &lsquo;এনভায়রনমেন্ট পুলিশিং কনফারেন্স&rsquo; আয়োজনেরও প্রস্তাব দেন।<br />
&nbsp;</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/07092026_image01_home_minister.png</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[Bangladesh calls for adaptive, innovative and future-ready UN Police at UNCOPS 2026]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/english/28987</link>
    <pubDate>Thu, 09 Jul 2026 23:07:12 +0600</pubDate>
    <category> English </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/english/28987</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/07092026_image01_home_minister.png" />    <p>New York: Bangladesh has called for a more adaptive, technology-driven and future-ready United Nations Police capable of responding effectively to increasingly complex global security challenges. Speaking at the Fifth United Nations Chiefs of Police Summit (UNCOPS 2026) at UN Headquarters in New York today, Minister of Home Affairs Salahuddin Ahmed said, &ldquo;Tomorrow&rsquo;s security challenges cannot be addressed with yesterday&rsquo;s capabilities.&rdquo; He stressed the need for greater investment in highly skilled personnel, specialized expertise and innovative approaches as criminal networks become increasingly sophisticated and transnational.</p>

<p>Highlighting Bangladesh&rsquo;s contribution to United Nations peacekeeping operations, the Minister said that the country has undertaken significant reforms to make its police force better equipped to respond to the evolving challenges. He also proposed the establishment of a UN Police Knowledge and Innovation Network to promote the systematic sharing of expertise and best practices among Member States.</p>

<p>Noting climate change as an emerging security challenge, the Minister further proposed an annual Conference on Environment and Policing to strengthen international cooperation, knowledge-sharing, and preparedness in addressing climate-related security risks.<br />
&nbsp;</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/07092026_image01_home_minister.png</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাজে সমর্থন ৭৫.৩ শতাংশ মানুষের]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28986</link>
    <pubDate>Thu, 09 Jul 2026 09:47:55 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28986</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/682-2.jpg" />    <article>
<p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দায়িত্ব পালনের ধরনকে ইতিবাচকভাবে মূল্যায়ন করছেন দেশের তিন-চতুর্থাংশের বেশি মানুষ। নতুন এক জাতীয় জনমত জরিপে এমন চিত্র উঠে এসেছে।</p>
</article>

<article><a href="https://thedeltagram.com/politics/the-deltagram-opinion-polls-three-in-four-bangladeshis-approve-of-pm-tarique-rahman?fbclid=IwY2xjawS6ybVleHRuA2FlbQIxMABicmlkETFHQU5oQXpHN0xIVDc4S0pNc3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHmRNL5x08j6iEQu_sm42MjTwX-HlzDSKpaqBFrEiNNO21FK_4Gpi0LafODww_aem_WG5z1O7CogrkJtGXHXB_Ng">জরিপটি পরিচালনা করেছে গবেষণা প্রতিষ্ঠান ডেল্টাগ্রাম</a>।

<p>&nbsp;</p>

<p>জরিপে অংশ নেওয়া ৩ হাজার প্রাপ্তবয়স্ক উত্তরদাতার মধ্যে ৭৫ দশমিক ৩ শতাংশ বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের কাজের ধরন তারা সমর্থন করেন। বিপরীতে ১৭ দশমিক ৫ শতাংশ অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। আর ৭ দশমিক ২ শতাংশ এ বিষয়ে কোনো মত দেননি।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>ডেল্টাগ্রামের তথ্য অনুযায়ী, গত ১২ থেকে ২৪ জুন পর্যন্ত দেশজুড়ে এ জরিপ পরিচালিত হয়। বিএনপি সরকার গঠনের প্রায় চার মাস পর এই জনমত যাচাই করা হয়।</p>

<p>জরিপে দেখা গেছে, বিভাগভিত্তিক হিসাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি সমর্থন সবচেয়ে বেশি রংপুর বিভাগে, যেখানে অনুমোদনের হার ৮৩ দশমিক ১ শতাংশ। অন্যদিকে সবচেয়ে কম সমর্থন পাওয়া গেছে ঢাকা বিভাগে, যেখানে এ হার ৭০ দশমিক ৪ শতাংশ।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>গ্রামাঞ্চলে সরকারের প্রতি সমর্থন শহরের তুলনায় বেশি। জরিপে গ্রামীণ এলাকার ৭৮ দশমিক ৫ শতাংশ উত্তরদাতা প্রধানমন্ত্রীর কর্মকাণ্ডে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। শহরাঞ্চলে এই হার ৭০ দশমিক ১ শতাংশ।</p>

<p>বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণেও সমর্থনের হার প্রায় একই রকম থাকলেও ৬০ বছরের বেশি বয়সীদের মধ্যে এটি তুলনামূলক কম, ৭০ দশমিক ৯ শতাংশ।</p>

<p>জরিপে উঠে এসেছে, ১৭ ফেব্রুয়ারি দায়িত্ব নেওয়ার পর সরকার শুরুর দিকেই উল্লেখযোগ্য জনসমর্থন পেয়েছে।</p>
</article>

<article>২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির বিজয়ের মাধ্যমে গঠিত সরকার জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এর মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদসীমা নির্ধারণ এবং দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ প্রতিষ্ঠার মতো বিষয়ও রয়েছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>ডেল্টাগ্রাম জানিয়েছে, জরিপটি পরিকল্পনা, অর্থায়ন ও বাস্তবায়ন&mdash;সবই প্রতিষ্ঠানটির নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় সম্পন্ন হয়েছে। কোনো বেসরকারি জরিপ সংস্থার সহায়তা নেওয়া হয়নি। জরিপকারীদের প্রশ্নপত্র পরিচালনা ও নমুনা নির্বাচন পদ্ধতি বিষয়ে ১৫ দিনের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। পাশাপাশি সাক্ষাৎকার সম্পন্ন হওয়া, অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি এবং যোগাযোগ ব্যর্থতার তথ্যও সংরক্ষণ করা হয়েছে।</p>

<p>তবে বিভাগভিত্তিক ফলাফল ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন গবেষকরা। বিশেষ করে রংপুর ও ঢাকার মধ্যে সমর্থনের ব্যবধান পুরোপুরি জনমতের প্রকৃত পার্থক্য নাও হতে পারে। কারণ বিভাগভিত্তিক নমুনা জাতীয় নমুনার তুলনায় অনেক ছোট হওয়ায় সেখানে পরিসংখ্যানগত বিচ্যুতির সম্ভাবনা বেশি থাকে।</p>

<p>জরিপের ৭০ শতাংশ সাক্ষাৎকার সরাসরি এবং ৩০ শতাংশ মোবাইল ফোনে নেওয়া হয়েছে। সরাসরি সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি সমর্থনের হার ছিল ৭৫ দশমিক ৮ শতাংশ, আর ফোনে নেওয়া সাক্ষাৎকারে ছিল ৭৪ দশমিক ১ শতাংশ। গবেষকরা বলছেন, এই পার্থক্য পরিসংখ্যানগতভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে সরকার পরিবর্তনের পরপরই সরাসরি সাক্ষাৎকারে উত্তরদাতারা সামাজিক বা রাজনৈতিক কারণে কিছুটা সতর্কভাবে মতপ্রকাশ করতে পারেন&mdash;এ সম্ভাবনাও পুরোপুরি উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।</p>

<p>ডেল্টাগ্রাম জানিয়েছে, জরিপে দুই ধাপের স্তরভিত্তিক সম্ভাব্যতা নমুনা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছে। দেশের আটটি বিভাগের ১৫০টি প্রাথমিক নমুনা এলাকা থেকে প্রতিটিতে ২০টি করে সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়। মোট উত্তরদাতার সংখ্যা ছিল ৩ হাজার। জরিপের সাড়া দেওয়ার হার ছিল ৭৫ দশমিক ৭ শতাংশ।</p>

<p>গবেষকদের হিসাবে, নমুনা নির্বাচন ও পরিসংখ্যানগত সমন্বয় বিবেচনায় জাতীয় পর্যায়ে এই জরিপের সম্ভাব্য ত্রুটির সীমা ৯৫ শতাংশ নির্ভরযোগ্যতায় প্রায় &plusmn;২ দশমিক ১ থেকে &plusmn;২ দশমিক ৪ শতাংশ। তবে বিভাগভেদে এই ত্রুটির সীমা আরো বেশি হতে পারে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/682-2.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[জ্বালানি মন্ত্রীর সঙ্গে তুরস্কের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28985</link>
    <pubDate>Thu, 09 Jul 2026 09:47:01 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28985</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/944-1.jpg" />    <article>
<p>বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূত হিজ এক্সেলেন্সি রামিস শেন।</p>

<p>বুধবার (৮ জুলাই) বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে তুরস্ক দূতাবাসের কমার্শিয়াল কাউন্সেলর বিলাল বেলইউর্ত এবং ইউনাইটেড আইগাজ এলপিজি লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হারুন ওরতাচ।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>সাক্ষাৎকালে তুর্কি প্রতিনিধিদল মন্ত্রীকে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব গ্রহণের জন্য অভিনন্দন জানান এবং বাংলাদেশের প্রতি তুরস্ক সরকারের অব্যাহত শুভেচ্ছা ও সহযোগিতার বার্তা পৌঁছে দেয়। রাষ্ট্রদূত রামিস শেন বাংলাদেশ-তুরস্ক দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বর্তমান অবস্থা, বাংলাদেশে তুর্কি বিনিয়োগ এবং বাণিজ্য সম্প্রসারণের পরিকল্পনা সম্পর্কে মন্ত্রীকে অবহিত করেন।</p>

<p>ইকবাল হাসান মাহমুদ বাংলাদেশে তুরস্কের বিনিয়োগ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান। তিনি দেশের জ্বালানি খাতে, বিশেষ করে এলএনজি সরবরাহে আরো বেশি বিনিয়োগ ও অংশগ্রহণের প্রতি সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।</p>
</article>

<article>একই সঙ্গে দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে সরকার-টু-সরকার (জি-টু-জি) সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>বৈঠকে বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক ও জ্বালানি সহযোগিতায় উভয় পক্ষ সন্তোষ প্রকাশ করে। পাশাপাশি জ্বালানি খাতে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরো জোরদারের বিভিন্ন সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকের শেষে রাষ্ট্রদূত রামিস শেন মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদকে তুরস্ক সফরের আমন্ত্রণ জানান।</p>
</article>

<article>জবাবে মন্ত্রী সুবিধাজনক সময়ে যত দ্রুত সম্ভব তুরস্ক সফরের আগ্রহ প্রকাশ করেন।</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/944-1.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা পেলেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28984</link>
    <pubDate>Thu, 09 Jul 2026 09:46:21 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28984</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/810-99.jpg" />    <article>
<p>জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ পাওয়া আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন মানবাধিকারকর্মী আইরিন খানকে প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা দেয়া হয়েছে। বুধবার (৮ জুলাই) এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>এতে বলা হয়েছে, আইরিন খান এ পদে অধিষ্ঠিত থাকাকালে প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা, বেতন-ভাতা ও আনুষঙ্গিক সুযোগ-সুবিধা পাবেন।</p>

<p>আইরিন খান জাতিসংঘে বাংলাদেশের বর্তমান স্থায়ী প্রতিনিধি সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরীর স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন।<br />
&nbsp;<br />
আইরিন খান বর্তমানে জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদের মুক্তচিন্তা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতাবিষয়ক বিশেষ র&zwnj;্যাপোর্টিয়ারের দায়িত্বে আছেন।&nbsp;<br />
&nbsp;<br />
এর আগে তিনি যুক্তরাজ্যভিত্তিক আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/810-99.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ একটি জাতীয় আন্দোলন : প্রধানমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28983</link>
    <pubDate>Thu, 09 Jul 2026 09:45:19 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28983</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1003-88.jpg" />    <article>
<p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, &lsquo;বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ও জলবায়ু পরিবর্তনের বাস্তবতায় বর্তমান সরকার আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের এক যুগান্তকারী কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এটি কেবল একটি সরকারি কর্মসূচি নয়, বরং একটি জাতীয় আন্দোলন।</p>
</article>

<article>&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>&lsquo;জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা-২০২৬&rsquo; উপলক্ষে বুধবার (৮ জুলাই) দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।</p>

<p>প্রধানমন্ত্রী বলেন, &lsquo;সবার আগে বাংলাদেশ&rsquo;&mdash;এই দর্শনকে ধারণ করে বর্তমান সরকার একটি সবুজ, জলবায়ু-সহনশীল, পরিবেশবান্ধব ও টেকসই বাংলাদেশ গড়ে তুলতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। উন্নয়ন ও পরিবেশ সংরক্ষণকে সমান গুরুত্ব দিয়ে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য দেশ গড়ে তোলাই আমাদের অঙ্গীকার। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে জাতীয় &lsquo;বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা-২০২৬&rsquo; একটি সময়োপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ উদ্যোগ।</p>
</article>

<article>এ বছর জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলার প্রতিপাদ্য, &lsquo;বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ&rsquo;, আমাদের এই জাতীয় অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন।
<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি বলেন, মানবসৃষ্ট কর্মকাণ্ডের বিরূপ প্রভাবে বৈশ্বিক উষ্ণতা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত বিশ্বব্যাপী প্রকৃতি ও মানুষের জীবনে গভীর প্রভাব ফেলছে। প্রকৃতি ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি রোধে বৃক্ষের ভূমিকা অনস্বীকার্য। বৃক্ষ বায়ুমণ্ডলীয় কার্বন শোষণ করে, অতিরিক্ত তাপমাত্রা কমায় এবং পরিবেশকে নির্মল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।</p>
</article>

<article>শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সড়ক ও রেলপথের দুই পাশ, বাঁধ, সরকারি বনভূমি, উপকূলীয় চরাঞ্চল, নগর এলাকা এবং বসতবাড়িসহ দেশের সর্বত্র বৃক্ষরোপণ ও পরিচর্যায় জনগণকে সম্পৃক্ত করা হচ্ছে। নগর বনায়নে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ এবং বিনা মূল্যে চারা বিতরণের উদ্যোগও অত্যন্ত প্রশংসনীয়।
<p>&nbsp;</p>

<p>এসব উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের বৃক্ষাচ্ছাদন বৃদ্ধি পাবে, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলা সহজ হবে এবং টেকসই উন্নয়নের ভিত্তি আরো সুদৃঢ় হবে বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, উন্নত জীবনের জন্য যেমন প্রয়োজন সমৃদ্ধ দেশ ও শক্তিশালী অর্থনীতি, তেমনি সুস্থভাবে বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজন জীববৈচিত্র্যসমৃদ্ধ বন। সমৃদ্ধ অর্থনীতি ও সবুজ বন পরস্পর ওতপ্রোতভাবে সম্পর্কযুক্ত।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>তারেক রহমান বলেন, একটি গতিশীল ও সম্ভাবনাময় সবুজ অর্থনীতি গড়ে তুলতে বন ও বৃক্ষরোপণ গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক ভূমিকা পালন করে। তাই দেশকে সবুজে আচ্ছাদিত করার লক্ষ্যে বাড়ির আনাচকানাচে, পতিত ও প্রান্তিক জমিতে, খাল ও নদীর পাড়ে, বাঁধে, সড়ক ও সড়কদ্বীপে, বাড়ির ছাদে এবং শহর-বন্দর নির্বিশেষে উপযুক্ত প্রতিটি স্থানে ব্যাপক বনায়ন কার্যক্রমে দল-মত-নির্বিশেষে সবাইকে অংশগ্রহণের জন্য আমি উদাত্ত আহ্বান জানাই।</p>

<p>তিনি বলেন, বৃক্ষমেলা দেশে সবুজায়ন আন্দোলনকে আরো বেগবান করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বৃক্ষরোপণে দেশবাসীকে আরো উৎসাহিত করার লক্ষ্যে এ বছরও জাতীয় পর্যায়ের পাশাপাশি বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বৃক্ষমেলার আয়োজন এবং তিন মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ অভিযান পরিচালনা করা হবে। আমি আশা করি, দেশবাসী বৃক্ষমেলা থেকে উন্নত জাতের চারা সংগ্রহের সুযোগ পাবে এবং শিক্ষার্থীরা উদ্ভিদ বৈচিত্র্য সম্পর্কে বাস্তব জ্ঞান অর্জনের সুযোগ লাভ করবে। আসুন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সুস্থ, সুন্দর, নির্মল ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে আমরা প্রত্যেকে অন্তত একটি করে বৃক্ষরোপণ করি এবং তার যথাযথ পরিচর্যা নিশ্চিত করি।</p>

<p>এ বছর যারা &lsquo;বৃক্ষরোপণে জাতীয় পুরস্কার ২০২৫&rsquo;, &lsquo;বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে জাতীয় পুরস্কার ২০২৬&rsquo; এবং সামাজিক বনায়নের লভ্যাংশ অর্জন করেছেন, আমি অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী। সেই সঙ্গে তিনি জাতীয় &lsquo;বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা ২০২৬&rsquo;-এর সাফল্য কামনা করেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1003-88.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বন্যায় তলিয়ে গেছে দীঘিনালা বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র, অন্ধকারে সাজেক]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/bangladesh/28982</link>
    <pubDate>Thu, 09 Jul 2026 09:44:39 +0600</pubDate>
    <category> সারাবাংলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/bangladesh/28982</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1126-77.jpg" />    <article>
<p>গত কয়েকদিনের টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যায় খাগড়াছড়ির দীঘিনালা বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রে পানি উঠেছে। সেজন্য নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় রেখে বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রটি সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>এতে খাগড়াছড়ির দীঘিনালা পুরো উপজেলাসহ রাঙামাটির লংগদু উপজেলা এবং সাজেক পর্যটন এলাকা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। যার কারণে আকস্মিক ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজার হাজার গ্রাহক।</p>

<p>বুধবার (৮ জুলাই) বিকেল ৩টা থেকে দীঘিনালা উপকেন্দ্র বন্ধ করে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়।</p>

<p>দীঘিনালা উপজেলা বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রের উপসহকারী প্রকৌশলী মো. এরশাদ আলী জানান,​ বন্যার পানিতে উপকেন্দ্র তলিয়ে গিয়েছে।</p>
</article>

<article>নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে কেন্দ্রটি সাময়িক বন্ধ রাখা হয়েছে। বন্যার পানি নেমে গেলে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে আবারও বিদ্যুৎ চালু করা হবে।</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1126-77.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসে নিহত বেড়ে ৮]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/bangladesh/28981</link>
    <pubDate>Thu, 09 Jul 2026 09:43:44 +0600</pubDate>
    <category> সারাবাংলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/bangladesh/28981</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1243-66.jpg" />    <article>
<p>কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং ৫ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ব্লক এ-৩ এলাকার ইরানি পাহাড় পুলিশ ক্যাম্পের আওতাধীন খতিজাতুল মহিলা হেফজখানায় পাহাড় ও দেয়াল ধসের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ জনে। আহত আরো ১২ জন শিক্ষার্থী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>টানা বৃষ্টি ও ঝড়ের কারণে পাহাড়ি মাটির আঘাতে মাদরাসার দেয়াল ধসে বুধবার (৮ জুলাই) দুপুর দেড়টার দিকে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।</p>

<p>ঘটনার সময় ৩০ থেকে ৩৫ জন শিক্ষার্থী হেফজখানায় ছিল। দেয়াল ধসে তারা চাপা পড়ে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৮ জনের মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছেন উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পান্না আক্তার।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>এদিকে রাতে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কাজে নিয়োজিত ১৪ আর্মস পুলিশ ব্যাটালিয়নের কমান্ডার মো. সিরাজ আমিন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নিহত ৮ জন রোহিঙ্গা মাদরাসা ছাত্রীর মধ্যে ৫ জনের পরিচয় জানিয়েছেন। তারা হচ্ছে যথাক্রমে ক্যাম্প-৩-এর জি/৮৩ ব্লকের সামশুল আলমের মেয়ে শাহিদা (১৩), ক্যাম্প-৩-এর এফ/১ ব্লকের আব্দু. শুক্কোরের দুই মেয়ে উম্মে নেজাতুল (১৩) ও উম্মে সালমা (১২), ক্যাম্প-৫-এর এ/৮ ব্লকের মো. ইলিয়াছের মেয়ে ওমাইচা বিবি (১৩) এবং একই ক্যাম্পের এ/১১ ব্লকের হাসেম উল্লাহর মেয়ে রাশিদা (১৬)। অন্য তিনজনের নাম পরিচয় এখনো পাওয়া যায়নি।</p>

<p>প্রসঙ্গত, গত রবিবার (৬ জুলাই) দিবাগত রাতে ক্যাম্পে পাহাড়ধসের পৃথক ঘটনায় ৮ জন রোহিঙ্গার মৃত্যুর ৩ দিনের মাথায় বুধবারর এ ঘটনা ঘটল।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>দুর্ঘটনার খবর পেয়েই উখিয়ার ইউএনও পান্না আক্তার দুর্ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তিনি কালের কণ্ঠকে জানান, পাহাড়ধসের ঘটনায় মাদরাসা থেকে মোট ২০ জন শিশুকে উদ্ধার করা হয়। তাদের মধ্যে ৪ জন ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরো ৪ জনের মৃত্যু হয়। আহত ১২ জনকে ক্যাম্প-৩-এর জিকে (এক) হাসপাতাল, ক্যাম্প-৫-এর ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতাল, ক্যাম্প-৬-এর আইআরসি (আন্তর্জাতিক রেড ক্রিসেন্ট) হাসপাতালসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>ইউএনও পান্না আক্তার বলেন, পাহাড়ের পাদদেশে নির্মিত মাদরাসাটির চারদিকে ইটের দেয়াল এবং উপরে টিন ও বাঁশের ছাউনি ছিল। অতিবৃষ্টির কারণে পাহাড় থেকে নেমে আসা মাটি দেয়ালে আঘাত হানলে সেটি ধসে পড়ে।</p>

<p>প্রত্যক্ষদর্শী রোহিঙ্গা আনাম জানান, পাহাড় কেটে পাহাড়ের কোল ঘেঁষে মাদরাসাটি নির্মাণ করা হয়েছিল। প্রবল বৃষ্টিতে পাহাড়ের মাটি ধসে দেয়ালের ওপর চাপ সৃষ্টি করলে সেটি ভেঙে পড়ে। এরপর স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধারকাজ শুরু করেন। মাদরাসাটিতে ১৮০ জন ছাত্রী পড়ত। তবে গতকাল ভারি বর্ষণের কারণে উপস্থিতি বেশি ছিল না, বড়জোর ৩০ থেকে ৩৫ জন উপস্থিত ছিল।</p>

<p>পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন রোহিঙ্গা জানান, মাদরাসাটিতে রোহিঙ্গাদের সশস্ত্র গোষ্ঠী আরসার নিয়ন্ত্রণে ছিল এবং কথিত আরসা নেতা মৌলভি জুবায়ের এটি পরিচালনা করতেন।</p>

<p>প্রতিদিন সকাল, দুপুর ও সন্ধ্যায় মোট ৩ শিফটে সেখানে রোহিঙ্গা কন্যাশিশুদের কুরআন শিক্ষা দেওয়া হতো।</p>

<p>তবে ঘটনার পর পরই মৌলভি জুবায়ের পালিয়ে যাওয়ায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1243-66.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[আজ রাতেই ইরানে কঠোর হামলার হুমকি ট্রাম্পের]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28980</link>
    <pubDate>Thu, 09 Jul 2026 09:43:06 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28980</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1346-55.jpg" />    <article>
<p>ইরানের সঙ্গে প্রাথমিক যুদ্ধবিরতি চুক্তি &lsquo;শেষ&rsquo; হয়ে গেছে মন্তব্য করার পর বুধবার রাতে দেশটিতে আবারও হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে ওয়াশিংটন পুরোদমে যুদ্ধে ফিরবে কি না, তা তিনি স্পষ্ট করেননি।</p>
</article>

<article>রয়টার্সের এক <a href="https://www.reuters.com/world/trump-iran-us-will-probably-hit-them-again-wednesday-night-2026-07-08/">প্রতিবেদনে</a> এ তথ্য জানা যায়।

<p>&nbsp;</p>

<p>তুরস্কের রাজধানী&nbsp;আঙ্কারায় ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে ট্রাম্প ইরানি কর্মকর্তাদের কঠোর সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, তারা নিজেদের করা চুক্তি মেনে চলছে না। গত মঙ্গলবার মার্কিন বাহিনীর হামলার পর বুধবার রাতে যুক্তরাষ্ট্র সম্ভবত আবারও হামলা চালাবে বলে তিনি সতর্ক করেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>তুরস্কের ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠকের আগে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, আমি একটি ছোট সতর্কতা দিয়ে রাখছি- আজ রাতে আমরা তাদের ওপর কঠোর আঘাত হানতে যাচ্ছি।</p>

<p>এর আগে আঙ্কারায় সাংবাদিকদের কাছে দেওয়া এক মন্তব্যে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে প্রাথমিক যুদ্ধবিরতি চুক্তি হিসেবে কাজ করা সমঝোতা স্মারকটি &lsquo;শেষ&rsquo; হয়ে গেছে। তার এ মন্তব্যের পরপরই বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম হু হু করে বেড়ে যায়।</p>

<p>তবে ওয়াশিংটন পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে ফিরে যাবে কি না কিংবা প্রাথমিক যুদ্ধবিরতি চুক্তিটিকে স্থায়ী চুক্তিতে রূপ দিতে আর কোনো আলোচনা হবে কিনা, সে বিষয়ে তিনি স্পষ্টভাবে কিছু বলেননি।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>তেহরান যেন কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে, নিজের এমন যুদ্ধ-লক্ষ্যের কথা পুনর্ব্যক্ত করে তিনি ইঙ্গিত দেন যে, কোনো চুক্তি ছাড়াই হয়ত এ লক্ষ্য অর্জন করতে হবে।</p>

<p>ট্রাম্প বলেন, আমাদের চুক্তির অধীনে তারা কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে পারবে না, কিন্তু আমি জানি না শেষ পর্যন্ত কোনো চুক্তি হবে কি না। আমরা হয়ত চুক্তি ছাড়াই এটি বাস্তবায়ন করব। কারণ আপনারা জানেন, এটা আরও সহজ; কারণ এ মানুষগুলো কেবল মিথ্যা বলে আর প্রতারণা করে।</p>

<p>হরমুজ প্রণালিতে ট্যাংকারে হামলার জেরে মার্কিন বাহিনী ইরানি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার পর ইরান জানায়, তারা বাহরাইন ও কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে হামলা চালিয়েছে।</p>
</article>

<article>সংঘাতের এ আকস্মিক বৃদ্ধির ফলে তেলের দাম ব্যাপকভাবে বেড়ে যায়।
<p>&nbsp;</p>

<p>নতুন করে শুরু হওয়া এ সংঘাত হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা ও সুরক্ষাজনিত উদ্বেগও বাড়িয়েছে। জাহাজ চলাচলের তথ্য অনুযায়ী, অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এ সরবরাহ পথটি অতিক্রম করার ঝুঁকি না নিয়ে অন্তত চারটি তেল ও গ্যাস বহনকারী ট্যাংকার মাঝপথ থেকে ফিরে গেছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1346-55.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[আজ মাশহাদে দাফন ইরাকে শ্রদ্ধায় সিক্ত খামেনি]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28979</link>
    <pubDate>Thu, 09 Jul 2026 09:42:21 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28979</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1410-44.jpg" />    <article>
<p>ইরানের ইসলামী বিপ্লবের শহীদ সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়েদ আলী খামেনিকে শেষবিদায় জানাতে ইরাকের পবিত্র নগরী নাজাফ ও&nbsp; কারবালা&mdash;দুটি শহরই বুধবার পরিণত হয় শোক, শ্রদ্ধা ও সংহতির এক বিশাল জনসমুদ্রে। শেষবিদায় অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ইরাকের বিভিন্ন প্রদেশ থেকে লাখো মানুষ প্রথমে নাজাফে সমবেত হয়।</p>
</article>

<article>পরে নাজাফ থেকে কারবালায় নেওয়া হয় খামেনির মরদেহ। দুটি স্থানেই রাজনৈতিক ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্বের পাশাপাশি বিপুলসংখ্যক শোকাহত মানুষের উপস্থিতি ইরান ও ইরাকের জনগণের ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় সম্পর্কের আরেকটি প্রতিফলন হয়ে ওঠে। আজ বৃহস্পতিবার উত্তর-পূর্ব ইরানের মাশহাদ শহরে অষ্টম শিয়া ইমাম রেজার (রা.) মাজারে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির লাশ দাফন করা হবে। সেখানে তাঁর শেষ জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>বুধবার সকালে নাজাফে বিপুলসংখ্যক লোকের উপস্থিতিতে শহীদ নেতার জানাজা ও শেষবিদায় অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। এর আগে মঙ্গলবার রাতে শহীদ নেতা এবং তাঁর পরিবারের কয়েকজন সদস্যের মরদেহ নাজাফ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছলে ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলী আল-জায়েদি আনুষ্ঠানিকভাবে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ও তাঁর সফরসঙ্গীদের স্বাগত জানান। পরে উভয় দেশের কর্মকর্তারা শহীদ নেতার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং মুসলিম উম্মাহর মর্যাদা, ঐক্য ও অগ্রগতিতে তাঁর অবদানের কথা স্মরণ করেন।</p>

<p>ইরাকের আল-আহদ টিভি জানিয়েছে, ভোর হওয়ার আগেই হাজার হাজার অনুসারী নাজাফে এসে পৌঁছেছেন।</p>
</article>

<article>শোকযাত্রা শুরু হওয়ার অপেক্ষায় তাঁরা রাস্তায় ও ইমাম আলী (রা.)-এর মাজারের চারপাশে অবস্থান নেন। নাজাফে অবস্থিত ইমাম আলী (রা.) মাজারে মরদেহ পৌঁছানোর পর সেখানে এক জাঁকজমকপূর্ণ শোকযাত্রার আয়োজন করা হয়। এ সময় লাখো ইরাকি কফিন কাঁধে বহন করেন। আহদ টিভি আরো জানায়, খামেনির দাফন প্রক্রিয়ার জন্য ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলী ফালেহ আল-জাইদি বুধবার সারা দেশে সরকারি ছুটি ঘোষণা করেন। তিনি বিমানবন্দরে শহীদ খামেনির মরদেহ গ্রহণ করেন।</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>বুধবার ভোর থেকেই নাজাফমুখী সড়কগুলোতে তীব্র যানজট দেখা দেয়। ইরাকের বিভিন্ন প্রদেশের পাশাপাশি বিদেশি জিয়ারতকারীরাও শেষবিদায় অনুষ্ঠানে অংশ নিতে নাজাফে সমবেত হন। বুধবার দুপুরে নাজাফের মধ্য দিয়ে এক বিশাল গণ-শোকযাত্রার পর শহীদ নেতার মরদেহ ইমাম আলী (রা.)-এর মাজারে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে বিপুলসংখ্যক শোকাহত ইরাকি উপস্থিত ছিলেন।</p>

<p>নাজাফ থেকে তাসনিম নিউজ এজেন্সির সংবাদদাতার বরাতে জানা যায়, বিপুলসংখ্যক মানুষের সমাগমের কারণে শহীদ নেতার মরদেহ বহনকারী গাড়িটি অত্যন্ত ধীরগতিতে চলছিল। শোকাহতদের অত্যধিক উপস্থিতির কারণে পরিকল্পিত মিছিলটি পথের অর্ধেক, অর্থাত্ প্রায় তিন কিলোমিটার দীর্ঘ একটি পথ অতিক্রম করতে চার ঘণ্টা সময় নেয়। মরদেহ বহনকারী গাড়িটির জন্য একটি নির্দিষ্ট পথ প্রস্তুত করা হয়েছিল, কিন্তু ঐতিহাসিক এই অনুষ্ঠানে অংশ নিতে বিপুল জনতা সে পথে&nbsp; ইমাম আলী (রা.)-এর মাজারের দিকে যেতে থাকে। শোকার্ত ইরাকিরা ইরাক, ইরান ও হিজবুল্লাহর পতাকার পাশাপাশি শহীদ নেতার জন্য প্রতিশোধ ও ন্যায়বিচারের আহ্বানের প্রতীক হিসেবে কালো শোক ব্যানার এবং লাল পতাকা বহন করে।</p>

<p>শহীদ আলী খামেনির শেষবিদায় অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে নাজাফ থেকে কারবালাজুড়ে কঠোর নিরাপত্তা ও বিস্তৃত সেবামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়। যাতায়াত নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি বিভিন্ন স্থানে আপ্যায়ন কেন্দ্রে বিশুদ্ধ পানি, খাবার ও চিকিত্সাসেবার ব্যবস্থা করা হয়। ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, নাজাফের আনুষ্ঠানিকতা শেষে সরকারি বহরের মাধ্যমে শহীদ নেতার মরদেহ কারবালায় নেওয়া হয়। সেখানে পৌঁছানোর পর ইরাকের সর্বোচ্চ ধর্মীয় কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধি আবদুল মাহদি আল-কারবালায়ি পবিত্র ইমাম হুসাইন (রা.)-এর মাজার প্রাঙ্গণে জানাজার ইমামতি করেন।</p>

<p>ইরাকে এই গণ-শোকযাত্রা ও জানাজা ইরানের তেহরান ও কোমে অনুষ্ঠিত অভূতপূর্ব বিদায় অনুষ্ঠানের পর সম্পন্ন হলো। নাজাফ ও কারবালার অনুষ্ঠানগুলোর পর আয়াতুল্লাহ সাইয়েদ আলী খামেনির মরদেহ চূড়ান্ত জানাজা ও শোক মিছিল এবং মাশহাদে ইমাম রেজা (রা.)-এর পবিত্র মাজারে দাফনের জন্য ইরানে ফিরিয়ে আনা হবে।</p>

<p>ইরানের বিরুদ্ধে ৪০ দিনব্যাপী আগ্রাসী যুদ্ধের শুরুতে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি তেহরানের ওপর মার্কিন-ইসরায়েলি যৌথ হামলায় আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি শহীদ হন। তাঁর হত্যাকাণ্ড ইরান এবং প্রতিরোধ অক্ষশক্তিজুড়ে ব্যাপক নিন্দা ও শোকের জন্ম দেয়। জানাজায় অংশগ্রহণকারীরা শহীদ নেতার জন্য ন্যায়বিচার ও প্রতিশোধের দাবিতে লাল পতাকা বহন করছেন।</p>

<p>গত শুক্রবার তেহরানের ইমাম খোমেনি গ্র্যান্ড মোসাল্লায় আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির কফিনে বিদেশি বিশিষ্ট ব্যক্তি ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্বরা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এর মধ্য দিয়ে দাফন প্রক্রিয়া শুরু হয়। শনি ও রবিবার যথাক্রমে সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য তা উন্মুক্ত রাখা হয়। সোমবার ইরানের রাজধানী তেহরানে শোকযাত্রার আয়োজন করা হয়। এ সময় লাখ লাখ মানুষের উপস্থিতিতে শহরের রাজপথ পরিপূর্ণ হয়ে যায়। মঙ্গলবার শহীদ নেতার জানাজায় কোমের পবিত্র জামকারান মসজিদে লাখো অনুসারী সমবেত হন। শহীদ নেতার ইচ্ছানুযায়ী, আজ বৃহস্পতিবার উত্তর-পূর্ব ইরানের মাশহাদ শহরে অষ্টম শিয়া ইমাম রেজার (রা.) মাজারে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির লাশ দাফন করা হবে।</p>

<p><b>লেখক</b> : সিনিয়র সাংবাদিক ও রেডিও তেহরানের বিদায়ি উপস্থাপক</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1410-44.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[মেজাজ হারিয়ে দলীয় কর্মীদের পেটালেন মমতা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28978</link>
    <pubDate>Thu, 09 Jul 2026 09:41:13 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28978</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1537-22.jpg" />    <article>
<p>মেজাজ হারালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নিজের দলের কর্মীকেই মারলেন সপাটে চড়।</p>
</article>

<article>গত রবিবার (৫ জুলাই) পশ্চিমবঙ্গের বারুইপুরে শিশু ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় ওই দিনই বারুইপুরে ঘটনাস্থলে যেতে চেয়েছিলেন মমতা। কিন্তু বারুইপুরে যাওয়া ঠেকাতে তাকে একপ্রকার নজরবন্দি করে ফেলে রাজ্যের বিজেপি সরকার। তার কালীঘাটের বাসভবন ঘিরে ফেলে পুলিশ। <strong>খবর <a href="https://www.indiatoday.in/india/story/mamata-banerjee-video-appears-to-show-slap-at-public-event-2943472-2026-07-08" target="_blank">ইন্ডিয়া টুডে</a></strong>

<p>&nbsp;</p>

<p>বুধবার (৮ জুলাই) রাজ্য সরকারের ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানাতে হাইকোর্টের অনুমতি নিয়ে পথে নেমেছিল কালীঘাট তৃণমূলের ছাত্র-যুবারা।</p>
</article>

<article>পথে বিজেপির একটি মিছিল মুখোমুখি হয়ে যাওয়ায় ছাত্র-যুবাদের মিছিল ঘিরে হাজরা চত্বরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
<p>&nbsp;</p>

<p>হাইকোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, বালিগঞ্জ ফাঁড়ি থেকে মিছিল শুরু হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যে হাজরার কাছে অন্য একটি মিছিল সেখানে ঢুকে পড়ে। ওঠে &lsquo;চোর চোর&rsquo; ধ্বনি। চলে &lsquo;মাছ চোর&rsquo; গান।</p>
</article>

<article>এর ফলেই অশান্তি শুরু হয়। হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন কালীঘাট তৃণমূল ও বিজেপির কর্মীরা। তৃণমূলের অভিযোগ, এই তাণ্ডবের নেপথ্যে রয়েছে বিজেপি। এভাবে মিছিলে ঢুকে পড়ার অর্থ আদালত অবমাননা।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>চরম বিশৃঙ্খলার মধ্যে মিছিলে শেষে অসুস্থ হয়ে পড়েন অনেক কর্মী।</p>
</article>

<article>পরে মমতা ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করতে যান কর্মীরা। ফলে হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে মমতার বাড়ির সামনেও পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়। সেই সময় বাড়ি থেকে বেরিয়ে নিজেই ভিড় নিয়ন্ত্রণ করতে নামেন মমতা। দুই হাতে সবাইকে সরতে ইঙ্গিত করেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>কিন্তু তার পরও চরম বিশৃঙ্খলা চলছিল। ফোনের ক্যামেরা হাতে নিয়ে অনেকেই সরতে চাননি। ভিড়ের চাপে সেখানেও অসুস্থ হয়ে পড়েন আরও অনেক কর্মী। তাদের গাড়িতে তুলে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তীব্র হয়। এর পরই মেজাজ হারান মমতা। প্রথমে মাইক হাতে ভিড় সামলাচ্ছিলেন তিনি। ভিড় সরাচ্ছিলেন। সেই সময় কমলা টি-শার্ট পরা এক ব্যক্তির গালে চড় মারতে দেখা যায় মমতাকে।</p>

<p>সূত্রের খবর, ওই ব্যক্তিও একজন তৃণমূলকর্মী। এরপর আরো বেশ কয়েকজন কর্মীর পিঠেও থাপ্পড় মারতে দেখা যায় মমতাকে। তবে কী কারণে তিনি এভাবে চড়াও হলেন, তা এখনো স্পষ্ট নয়।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1537-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[দুর্নীতির দণ্ড বহাল, তবুও ফরাসি প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লড়তে পারবেন লে পেন]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28977</link>
    <pubDate>Thu, 09 Jul 2026 09:40:05 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28977</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1496-33.jpg" />    <article>
<p>দুর্নীতির মামলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পরও ২০২৭ সালের ফরাসি প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লড়ার সুযোগ ফিরে পেলেন কট্টর ডানপন্থী নেতা মেরিন লে পেন। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) প্যারিসের আপিল আদালত ইউরোপীয় পার্লামেন্টের অর্থ অপব্যবহারের মামলায় তার দণ্ড বহাল রাখলেও নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ওপর আরোপিত অযোগ্যতার মেয়াদ কমিয়ে দিয়েছেন।</p>
</article>

<article>ফলে আগামী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার আইনি বাধা আর থাকছে না ফ্রান্সের ন্যাশনাল র&zwj;্যালি দলের এই নেত্রীর সামনে।
<p>&nbsp;</p>

<p>তবে আদালতের রায় লে পেনের জন্য পুরোপুরি স্বস্তির নয়। অর্থ অপব্যবহারের অভিযোগে তার দণ্ড বহাল রাখা হয়েছে। তাকে কারাদণ্ডের পাশাপাশি এক বছরের ইলেকট্রনিক নজরদারির শর্ত দেওয়া হয়েছে।</p>
</article>

<article>একই সঙ্গে নির্বাচনে অযোগ্যতার মেয়াদ কমিয়ে দেওয়ার ফলে তিনি ২০২৭ সালের নির্বাচনী লড়াইয়ে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>ফরাসি গণমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আপিল আদালতের এই সিদ্ধান্ত মেরিন লে পেনের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎকে আবারও ফ্রান্সের ক্ষমতার লড়াইয়ের কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে। এর আগে নিম্ন আদালতের রায়ে তাকে নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছিল, যার কারণে ২০২৭ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তার অংশগ্রহণ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল। নতুন রায়ে সেই পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>মেরিন লে পেন ও তার দল ন্যাশনাল র&zwj;্যালির বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, ইউরোপীয় পার্লামেন্টের অর্থ দলীয় কাজে ব্যবহার করা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থে নিয়োজিত কিছু সংসদীয় সহকারী প্রকৃতপক্ষে ফ্রান্সে দলের সাংগঠনিক কাজে যুক্ত ছিলেন। এই মামলায় বিপুল পরিমাণ অর্থ অপব্যবহারের অভিযোগ ওঠে।</p>

<p>লে পেন শুরু থেকেই এসব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন। তার দাবি, তাকে রাজনৈতিকভাবে দুর্বল করার জন্য এই মামলা করা হয়েছে।</p>
</article>

<article>আদালতের রায়ের পরও তিনি নিজের রাজনৈতিক লড়াই চালিয়ে যাওয়ার অবস্থান জানিয়েছেন। তার সমর্থকরা বলছেন, এই মামলা তাকে থামাতে পারেনি, বরং তিনি এখন আরো শক্তিশালী অবস্থানে ফিরে এসেছেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>আদালতের এই সিদ্ধান্ত ফ্রান্সের রাজনীতিতে নতুন বিতর্ক তৈরি করেছে। কারণ, মেরিন লে পেন শুধু একটি দলের প্রধান নন, গত এক দশকে তিনি দেশটির সবচেয়ে প্রভাবশালী বিরোধী নেতাদের একজন হয়ে উঠেছেন। ২০১৭ ও ২০২২ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনেও তিনি দ্বিতীয় দফার ভোটে পৌঁছেছিলেন। দুইবারই বর্তমান প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর কাছে পরাজিত হলেও তার ভোটের হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।</p>

<p>সাংবিধানিক কারণেই আগামী ২০২৭ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ম্যাক্রোঁ অংশ নিতে পারবেন না। ফলে নতুন নেতৃত্বের লড়াইয়ে মেরিন লে পেন অন্যতম প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মাঠে থাকবেন। তার দল ন্যাশনাল র&zwj;্যালি বর্তমানে ফ্রান্সের অন্যতম শক্তিশালী রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।</p>

<p>লে পেনের রাজনৈতিক উত্থানের মূল ভিত্তি অভিবাসন নিয়ন্ত্রণ, নিরাপত্তা, জাতীয় পরিচয় এবং জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে সাধারণ মানুষের অসন্তোষ। তার দল দীর্ঘদিন ধরে কঠোর অভিবাসন নীতির পক্ষে অবস্থান নিয়ে আসছে।&nbsp;</p>

<p>সমর্থকদের মতে, তিনি সাধারণ মানুষের বাস্তব সমস্যা রাজনীতির কেন্দ্রে এনেছেন। তবে সমালোচকদের অভিযোগ, তার রাজনীতি ফরাসি সমাজে বিভাজন বাড়াচ্ছে।</p>

<p>ফ্রান্সে বসবাসরত বাংলাদেশিসহ অভিবাসী জনগোষ্ঠীর জন্যও এই রাজনৈতিক পরিবর্তন গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ন্যাশনাল র&zwj;্যালি ক্ষমতায় এলে অভিবাসন আইন, নাগরিকত্ব, বিদেশিদের অধিকার এবং মুসলিম সম্প্রদায়কে ঘিরে নীতিতে পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে।</p>

<p>মেরিন লে পেনের মামলা এখন ফ্রান্সে একটি বড় প্রশ্ন সামনে এনেছে, জনপ্রিয় কোনো রাজনীতিক আদালতে দণ্ডিত হওয়ার পরও কি জনগণের ভোটে দেশের সর্বোচ্চ পদে যাওয়ার সুযোগ পাবেন?&nbsp;</p>

<p>লে পেনের সমর্থকরা বলছেন, শেষ সিদ্ধান্ত জনগণের।</p>

<p>অন্যদিকে বিরোধীরা মনে করছেন, দুর্নীতির দায়ে দণ্ডিত একজন নেত্রীর প্রেসিডেন্ট পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ফরাসি রাজনীতিতে নতুন নৈতিক সংকট তৈরি করেছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1496-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বেন স্টোকসের বিদায়ী বার্তা ফাঁস, ইংল্যান্ডকে কাঠগড়ায় তুলল আইসিসি]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/28976</link>
    <pubDate>Thu, 09 Jul 2026 09:38:39 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/28976</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1635-11.jpg" />    <article>
<p>ট্রেন্ট ব্রিজে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ নির্ধারণী টেস্টের রোমাঞ্চকর আবহ তখনো কাটেনি। মাঠের লড়াইয়ে যখন টানটান উত্তেজনা, ঠিক তখনই নেট দুনিয়ায় ঝড় তুলল ইংল্যান্ড অধিনায়ক বেন স্টোকসের ড্রেসিংরুমের একটি ভিডিও।</p>
</article>

<article>সতীর্থদের উদ্দেশে দেওয়া স্টোকসের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের সেই আবেগঘন ভিডিও প্রকাশ হতেই বিশ্ব ক্রিকেটে তোলপাড় শুরু হয়। তবে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এবার বড় ধরনের আইনি গ্যাঁড়াকলে পড়েছে ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি)। ম্যাচ চলাকালীন ড্রেসিংরুমের ভেতরের ভিডিও প্রকাশ করে আইসিসির &lsquo;অ্যান্টি-করাপশন কোড&rsquo; বা দুর্নীতি দমন বিধিমালা লঙ্ঘনের দায়ে অভিযুক্ত হয়েছে ইসিবি।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>বিবিসির বরাত দিয়ে জানা গেছে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) শনিবার ইসিবিকে একটি আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠিয়েছে।</p>
</article>

<article>সেখানে অভিযোগ করা হয়েছে, খেলা চলাকালীন স্টোকসের অবসরের ঘোষণার ফুটেজ প্রকাশ করা খেলোয়াড় এবং ম্যাচ অফিশিয়ালদের সংরক্ষিত এলাকার (পিএমওএ) নীতিমালার স্পষ্ট লঙ্ঘন।
<p>&nbsp;</p>

<p>আইসিসির পিএমওএ ন্যূনতম মানদণ্ডের ২.২.১১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো জাতীয় ক্রিকেট ফেডারেশন খেলোয়াড়দের ড্রেসিংরুমে ভিডিও বা অডিও সম্প্রচারের উদ্দেশ্যে স্থায়ী বা অস্থায়ী কোনো ভিডিও ক্যামেরা বা রেকর্ডিং সরঞ্জাম স্থাপন করতে পারবে না। শুধু তাই নয়, আইসিসি এর আগেও ইসিবিকে সতর্ক করেছিল যে, সংরক্ষিত এলাকায় ধারণকৃত যেকোনো ফুটেজে কোনো অডিও থাকা চলবে না এবং তা ম্যাচ শেষ হওয়ার আগে কোনোভাবেই প্রকাশ করা যাবে না। ইসিবি সেই নিয়ম ভেঙে খেলা চলাকালেই, বিশেষ করে চা-বিরতির ঠিক আগে ভিডিওটি প্রকাশ করে দেয়।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>ভিডিওটি যখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল, মাঠের নাটকীয়তা তখন তুঙ্গে। অবসরের ঘোষণা আসার পরপরই নিজের প্রথম বলেই উইকেট তুলে নেন ৩৫ বছর বয়সী স্টোকস। তবে বিদায়টা রাঙাতে পারেননি এই ইংলিশ কিংবদন্তি। ম্যাচটি ১৬০ রানে হেরে যায় ইংল্যান্ড, আর সেই সাথে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জিতে নেয় নিউজিল্যান্ড। তবে নিয়ম ভাঙার অভিযোগ উঠলেও ইসিবির বিরুদ্ধে বড় কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া নাও হতে পারে বলে গুঞ্জন রয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>বিদায়লগ্নে সতীর্থদের উদ্দেশে ড্রেসিংরুমে আবেগে ভাসেননি স্টোকস, বরং তাগিদ দিয়েছেন শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়ে যাওয়ার। ড্রেসিংরুমের সেই গোপন ভিডিওতে স্টোকসকে বলতে শোনা যায়, &lsquo;আগামী দুদিন কী হতে যাচ্ছে তা আমি জানি। অধিনায়ক হিসেবে এবং ইংল্যান্ডের প্রতিনিধি হিসেবে এটাই আমার শেষ দুদিন। কেন এই সিদ্ধান্ত, সেই কারণ পরে জানানো যাবে। তবে এই দলের জন্য, তোমাদের জন্য আমি এর আগেও বহুবার নিজের সবটুকু উজাড় করে দিয়েছি। এবার শেষবারের মতো আরেকবার দিতে চাই। তোমাদের কাছে আমার একটাই চাওয়া, তোমরাও কি আমার মতো সবটুকু উজাড় করে দেবে?&rsquo;</p>

<p>দলের ফিল্ডিং কোচ সারা টেলরের দিকে ইঙ্গিত করে স্টোকস আরো বলেন, &lsquo;ফলাফল যাই হোক না কেন, আমি শুধু মাঠ থেকে বের হওয়ার সময় এটা নিশ্চিত হতে চাই যে, আমার এই একঝাঁক ছেলে এবং একজন নারী (সারা টেলর) গত দুদিন নিজেদের সবকিছু ঢেলে দিয়েছে। আবেগের বহিঃপ্রকাশ, পিঠ চাপড়ে দেওয়া এসব ম্যাচ শেষ হওয়া পর্যন্ত তোলা থাক। কারণ আমাদের এখনো অনেক কাজ বাকি। চলো মাঠে যাই এবং আগামী দুদিন নিজেদের সবটুকু উজার করে দিই।&rsquo;</p>

<p>২০১৯ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ জয়ী, ২০২২ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ী এবং ২০১৫ সালের ঐতিহ্যবাহী অ্যাশেজজয়ী বেন স্টোকস ৭,২৭৩ রান এবং ২৫২টি উইকেট নিয়ে তার বর্ণাঢ্য টেস্ট ক্যারিয়ারের ইতি টানলেন।&nbsp;</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1635-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[অপু বিশ্বাস কি আবার বিয়ে করেছেন?]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/28975</link>
    <pubDate>Thu, 09 Jul 2026 09:37:42 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/28975</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/413-3.jpg" />    <article>
<p>ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী অপু বিশ্বাসকে ঘিরে নতুন করে শুরু হয়েছে দ্বিতীয় বিয়ের গুঞ্জন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, সিঙ্গাপুরে নাকি গোপনে বিয়ে করেছেন তিনি।</p>
</article>

<article>তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেননি এই অভিনেত্রী।
<p>&nbsp;</p>

<p>গুঞ্জনের মধ্যেই একটি সাক্ষাৎকারে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন ফ্যাশন কোরিওগ্রাফার গৌতম সাহা।</p>

<p>তিনি জানান, অপু বিশ্বাসের বিয়ের খবর তিনিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকেই জেনেছেন। তবে এর সত্যতা সম্পর্কে তার কাছে কোনো নিশ্চিত তথ্য নেই।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>গৌতম সাহা বলেন, &lsquo;খবরটি সত্য হলে তিনি অপু বিশ্বাসকে শুভেচ্ছা জানাবেন। আর যদি এটি শুধুই গুঞ্জন হয়, তাতেও অবাক হওয়ার কিছু নেই।&rsquo;</p>

<p>তার মতে, অপু বিশ্বাস নিজের যোগ্যতা, আত্মবিশ্বাস এবং দৃঢ়তা দিয়ে জীবনকে সুন্দরভাবে এগিয়ে নেওয়ার সক্ষমতা রাখেন।</p>

<p>একই সাক্ষাৎকারে তিনি আরো দাবি করেন, শাকিব খানের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর অপু বিশ্বাস মানসিকভাবে কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে গিয়েছিলেন।</p>
</article>

<article>সে সময় তিনি অভিনেত্রীর পাশে ছিলেন এবং নিয়মিত কথা বলে তাকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে উৎসাহ দিয়েছেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>তবে এক পর্যায়ে তৃতীয় একজনের হস্তক্ষেপে তাদের সম্পর্কের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয় বলেও দাবি করেন গৌতম সাহা। যদিও সেই ব্যক্তির পরিচয় প্রকাশ করেননি। বর্তমানে অপু বিশ্বাসের সঙ্গে তার আগের মতো যোগাযোগ নেই বলেও জানান তিনি।</p>

<p>অন্যদিকে অপু বিশ্বাসের দ্বিতীয় বিয়ের গুঞ্জনকে পুরোপুরি ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন অভিনেত্রীর কোরিওগ্রাফার মাহফুজ কাদরী।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি বলেন, &lsquo;গৌতম সাহা অনেক বছর ধরেই অপু বিশ্বাসের সঙ্গে কাজ করছেন না। এমন একটি বিষয়ে মন্তব্য না করাই তার জন্য ভালো হতো। কারণ, তিনি অপু বিশ্বাসের বর্তমান ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কে অবগত নন।&rsquo;</p>

<p>মাহফুজ কাদরী আরো বলেন, কাজের প্রয়োজনে অপু বিশ্বাসকে প্রায়ই দেশের বাইরে যেতে হয়। ছেলে আব্রাহাম খান জয়কে নিয়ে কোথাও ভ্রমণে গেলে সেটিও শাকিব খান ও তার পরিবারের জানা থাকে।</p>

<p>তার কথায়, &lsquo;অপু বিশ্বাস এখন পুরোপুরি ছেলে জয় এবং নিজের ক্যারিয়ার নিয়েই ব্যস্ত। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে দ্বিতীয় বিয়ের গুঞ্জন ছড়িয়েছে, তার কোনো সত্যতা নেই। এমন কোনো সিদ্ধান্ত নিলে অপু বিশ্বাস নিজেই সবার সঙ্গে বিষয়টি ভাগ করে নেবেন।&rsquo;</p>

<p>এদিকে দ্বিতীয় বিয়ের গুঞ্জন নিয়ে এখন পর্যন্ত অপু বিশ্বাসের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ফলে বিষয়টি আপাতত গুঞ্জনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়েছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/413-3.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিউইয়র্কের হোয়াইট প্লেইন্সে অনুষ্ঠিত হলো ৪৫তম বঙ্গ সম্মেলন]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/28974</link>
    <pubDate>Tue, 07 Jul 2026 10:12:04 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/28974</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/412-3.jpg" />    <p>নিউইয়র্কের হোয়াইট প্লেইন্সে ৩&ndash;৫ জুলাই অনুষ্ঠিত হলো ৪৫তম বঙ্গ সম্মেলন। ওয়েস্টচেস্টার কাউন্টি সেন্টারে আয়োজিত এ সম্মেলনে বরাবরের মতো অংশ নেয় প্রথম আলো উত্তর আমেরিকা পরিবার।</p>

<p><img alt="" data-mfp-src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/a373f4e6-1ffd-4cfc-92bc-7066d1c66570.jpeg.pagespeed.ce.8Fc740CG4S.jpg" src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/a373f4e6-1ffd-4cfc-92bc-7066d1c66570.jpeg.pagespeed.ce.8Fc740CG4S.jpg" /></p>

<p data-added-after="1">সাহিত্য উৎসবের শুরুতেই অনুষ্ঠিত হয় দুটি বিশেষ আলোচনা&mdash; &lsquo;সাহিত্য সৃষ্টিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব&rsquo; এবং &lsquo;জন্মশতবর্ষে মহাশ্বেতা দেবী&rsquo;। এ আলোচনায় অংশ নেন ডা. কৌশিক সেন, জয়তী দাশগুপ্ত ও অদিতি বসু রায়। তাঁরা মহাশ্বেতা দেবীর সাহিত্যকর্ম, সমাজচেতনা এবং বাংলা সাহিত্যে তাঁর অবদান নিয়ে আলোকপাত করেন।<br />
উৎসবের উদ্বোধন করেন সভাপতি দিলীপ ব্যানার্জী।</p>

<p>ফিফার দাপ্তরিক কাজে ব্যস্ত থাকায় সম্পাদক ইব্রাহীম চৌধুরী অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে বিলম্ব করলে প্রথম আলো সাহিত্য বাসর পরিচালনা করেন সাহিত্য উৎসবের সহসভাপতি ড. ধনঞ্জয় সাহা। অনুষ্ঠানে কবিতা পাঠ করেন কবি বেনজির সিকদার, যার পরিবেশনা শ্রোতাদের প্রশংসা কুড়ায়। ছড়া ও কবিতা পাঠ করেন বিজ্ঞানী ও ছড়াকার ড. ধনঞ্জয় সাহা। &lsquo;ওবেসিটি ফ্রি ওয়ার্ল্ড&rsquo;-এর স্বপ্নদ্রষ্টা ম্যারাথনবিদ নাসির সিকদার নিয়মিত দৌড়ের স্বাস্থ্যগত উপকারিতা এবং সুস্থ শরীর কীভাবে স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি ও সৃজনশীল কাজে মনোনিবেশে সহায়তা করে, সে বিষয়ে বক্তব্য দেন। পরে অনুষ্ঠানে যোগ দেন আমন্ত্রিত লেখক সাদাত হোসাইন ও তসলিমা নাসরিন। তাঁরা নিজেদের রচনা থেকে পাঠ করেন। গান পরিবেশন করেন লেখক, গীতিকার ও চিকিৎসক ডা. সেজান মাহমুদ। এ পর্বে কলকাতা থেকে আগত তরুণ সংগীতশিল্পী শুভনসুন্দর এবং আবৃত্তিশিল্পী অদিতি বসু রায়ও পরিবেশনা করেন।</p>

<p><img alt="" data-mfp-src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/738438780_27783734984578343_107057444362580921_n.jpg.pagespeed.ce.hm25_TdQpI.jpg" src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/738438780_27783734984578343_107057444362580921_n.jpg.pagespeed.ce.hm25_TdQpI.jpg" /></p>

<p data-added-after="1">বিভিন্ন আলোচনায় অংশ নেন কলকাতার আনন্দ পুরস্কারপ্রাপ্ত বরেণ্য লেখক নলিনী বেরা। বাংলা সাহিত্যে নারী লেখকদের নানা সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন প্রকাশক রূপা মজুমদার, তসলিমা নাসরিন এবং নলিনী বেরা। পুরো অধিবেশন সঞ্চালনা করেন রুদ্রশঙ্কর।</p>

<p>এবারের সম্মেলনে নতুন সংযোজন ছিল বেঙ্গলি ইন্টারন্যাশনাল লিটারারি সোসাইটি। এ পর্বেও কবিতা পাঠ করেন কবি বেনজির সিকদার। ড. ধনঞ্জয় সাহার ছড়াকাব্যগ্রন্থ &lsquo;পাঁচ শতকের পাঁয়তারা&rsquo; নিয়ে একটি মূল্যায়নধর্মী প্রবন্ধ পাঠ করেন নলিনী বেরা। প্রবন্ধটি লিখেছেন পশ্চিমবঙ্গের বিশিষ্ট সাহিত্যিক ড. শিবশঙ্কর পাল। ভিসাজনিত কারণে তিনি অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে না পারলেও তাঁর লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করেন, &lsquo;পাঁচ শতকের পাঁয়তারা উজ্জ্বল নক্ষত্রখচিত পূর্ণিমার আকাশের মতো&mdash;যেখানে চমক, স্নিগ্ধতা ও ঋদ্ধতার সমন্বয় ঘটেছে। ধনঞ্জয় সাহার ছড়াবিতা উত্তর-আধুনিক, বহুমাত্রিক এবং সমাজবাস্তবতার এক অনন্য পটচিত্র। সমকালীন সমাজনীতি, মানুষের জীবনসংগ্রাম ও সময়ের প্রতিচ্ছবি তাঁর রচনায় জীবন্ত হয়ে উঠেছে। আধুনিক বাংলা ছড়াবিতার তিনি স্বতন্ত্র ধারার একজন স্রষ্টা।&rsquo;</p>

<p><img alt="" data-mfp-src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/738116865_27783735991244909_5855577685692116285_n.jpg.pagespeed.ce.JU7Z2lYUpD.jpg" src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/738116865_27783735991244909_5855577685692116285_n.jpg.pagespeed.ce.JU7Z2lYUpD.jpg" /></p>

<p data-added-after="1">অন্য এক সমাপনী পর্বে সানন্দা পত্রিকার সহ সম্পাদক পায়েল সেনগুপ্ত &lsquo;Writing in Transition&rsquo; শীর্ষক একটি কর্মশালা পরিচালনা করেন। তিনি বলেন, সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে লেখালেখি ও পাঠাভ্যাসেও পরিবর্তন এসেছে। লেখার পরিসর যেমন বিস্তৃত হয়েছে, তেমনি বেড়েছে সময়ের সীমাবদ্ধতা। তাই একজন লেখককে আগে জানতে হবে&mdash;কেন লিখছেন, কার জন্য লিখছেন এবং কোথায় লিখছেন। বক্তব্যের শেষে তিনি বলেন, &ldquo;Mind is the power of creativity.&rdquo;</p>

<p>বেঙ্গলি ইন্টারন্যাশনাল লিটারারি সোসাইটির পর্বে সবচেয়ে আকর্ষণীয় পরিবেশনা ছিল ভারতের দিল্লি থেকে আগত প্রখ্যাত সরোদশিল্পী ওস্তাদ কামাল সাবরির পরিবেশনায় বাংলা লোকসংগীত। তাঁর অনবদ্য পরিবেশনা উপস্থিত দর্শক-শ্রোতাদের মুগ্ধ করে।</p>

<p><img alt="" data-mfp-src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/038a3ca0-692e-49cc-a524-57eac8bc99d3.jpeg.pagespeed.ce.Y0H196geJr.jpg" src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/038a3ca0-692e-49cc-a524-57eac8bc99d3.jpeg.pagespeed.ce.Y0H196geJr.jpg" /></p>

<p data-added-after="1">ইন্টারন্যাশনাল মিউজিয়াম অব শাড়ির সহপ্রতিষ্ঠাতা অশ্বেনী প্রসাদ নৌকায় করে বাঙালির নতুন বিশ্বে আগমনের ইতিহাসকে কেন্দ্র করে একটি মনোমুগ্ধকর কাব্যিক বর্ণনা উপস্থাপন করেন। এ সময় ড. ধনঞ্জয় সাহা শাড়ি জাদুঘর প্রতিষ্ঠার কথা সবার সামনে তুলে ধরেন এবং উপস্থিত সবার প্রতি শাড়ি, পুরুষদের ঐতিহ্যবাহী পোশাক এবং বাংলা সংস্কৃতির সঙ্গে সম্পর্কিত অন্যান্য পরিধেয় নিদর্শন দানের আহ্বান জানান, যা জাদুঘরের স্থায়ী সংগ্রহে সংযোজিত হবে।</p>

<p>ড. সাহা আগামী ২৫&ndash;২৬ জুলাই ২০২৬ নিউইয়র্কের চেস্টনাট রিজে অনুষ্ঠিতব্য চতুর্থ রকল্যান্ড রিট্রিট অ্যান্ড বুক ফেয়ারে অংশগ্রহণের জন্যও উপস্থিত সবাইকে আমন্ত্রণ জানান।</p>

<p>সাহিত্য উৎসবের সমাপনী পর্বে অনুষ্ঠিত হয় &lsquo;ডায়াসপোরা সাহিত্যের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ&rsquo; শীর্ষক একটি আলোচনা। এতে আলোচক হিসেবে অংশ নেন কবি বেনজির সিকদার, ড. ধনঞ্জয় সাহা এবং ড. অলোক বন্দ্যোপাধ্যায়। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন জয়তী দাশগুপ্ত।</p>

<p>অনুষ্ঠানের আয়োজক কমিটির চেয়ারম্যান দিলীপ চক্রবর্তী আলোচক ও অধিবেশনের সঞ্চালকদের সম্মাননা স্মারক (প্ল্যাক) প্রদান করে তাঁদের অবদানের স্বীকৃতি জানান।</p>

<p data-added-after="1">উত্তর আমেরিকায় বাংলা ভাষাভাষীদের বৃহত্তম এ উৎসবে যোগ দেন আমেরিকায় শীর্ষস্থানীয় সফল বাংলাদেশিদের একজন কে. পি. চৌধুরী। তাঁকে প্রথম আলো উত্তর আমেরিকার পক্ষ থেকে স্বাগত জানান সম্পাদক ইব্রাহীম চৌধুরী, গোলাম ফারুক ভূঁইয়া এবং রহমান মাহবুব। তিনি প্রবাসে বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি ধরে রাখার এই উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং এ ক্ষেত্রে প্রথম আলো উত্তর আমেরিকার কার্যক্রমকে গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন।</p>

<p>সম্মেলন কেন্দ্রসংলগ্ন করিডোরে নিউইয়র্কের মুক্তধারার বইয়ের স্টলে উত্তর আমেরিকার লেখকদের বইসহ বাংলা সাহিত্যের গুরুত্বপূর্ণ প্রকাশনা নিয়ে ছিল সার্বক্ষণিক ভিড়। তসলিমা নাসরিন ও সাদাত হোসাইন ব্যস্ত সময় কাটান তাঁদের ভক্ত ও পাঠকদের অটোগ্রাফ দিতে।</p>

<p>সংক্ষিপ্ত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে চলমান সময়ের জনপ্রিয় লেখক সাদাত হোসাইনের হাতে ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর স্মারক তুলে দেওয়া হয় মুক্তধারা স্টলে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কলকাতা থেকে আগত পঞ্চকবির কন্যা ঋদ্ধি বন্দ্যোপাধ্যায়, শিতাংশু গুহ, ড. নজরুল ইসলাম, বিশ্বজিৎ সাহা, রহমান মাহবুব, সুখেন গোমেজ প্রমুখ।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/412-3.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[জনগণের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য : চিফ হুইপ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28973</link>
    <pubDate>Tue, 07 Jul 2026 10:09:51 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28973</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/681-2.jpg" />    <article>
<p>নগণের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই বর্তমান সরকারের প্রধান লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, প্রতিশোধপরায়ণ বা প্রতিহিংসার রাজনীতি নয়, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে প্রতিটি নাগরিকের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>সোমবার (৬ জুলাই) জাতীয় সংসদ ভবনে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং ইউএনডিপি আয়োজিত এক পরামর্শ সভায় তিনি এসব কথা বলেন।&nbsp;</p>

<p>আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের সভাপতিত্বে সভায় আরো বক্তৃতা করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাজ্য, কানাডা, নরওয়ে, ডেনমার্ক ও সুইডেনের কূটনৈতিক প্রতিনিধিসহ জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠান এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।</p>

<p>সভায় চিফ হুইপ বলেন, আইন প্রয়োগ ও শাস্তির বিধান কার্যকর রেখে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। কেউ অপরাধ করলে অপরাধের ধরন ও গুরুত্ব অনুযায়ী তাকে অবশ্যই আইনের আওতায় এনে বিচারের মুখোমুখি করা হবে।</p>
</article>

<article>শাস্তির বিধানের মূল উদ্দেশ্য হলো দেশে প্রকৃত আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা।
<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী নিজেও দীর্ঘদিন অন্যায়-অবিচারের শিকার হয়েছেন। কিন্তু তিনি প্রতিশোধ বা প্রতিহিংসার রাজনীতিতে বিশ্বাস করেন না। বরং দীর্ঘ সংগ্রামের মধ্য দিয়ে দেশে ন্যায়বিচার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার পরিবেশ সৃষ্টি করেছেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>আইন সংস্কারের বিষয়ে মো. নূরুল ইসলাম বলেন, অতীতে বহু মানুষ স্বজন হারিয়েও ন্যায়বিচার পাননি। বাবা, ভাই কিংবা বোনের হত্যার বিচার পেতে অনেককে বছরের পর বছর অপেক্ষা করতে হয়েছে। বর্তমান সরকার সেই বঞ্চনার অবসান ঘটিয়ে জনগণের দোরগোড়ায় ন্যায়বিচার পৌঁছে দিতে কাজ করছে। সে ক্ষেত্রে একটি মানবিক, ন্যায়ভিত্তিক ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলতে উন্নয়ন সহযোগীদের সহযোগিতা ও গঠনমূলক মতামতকে সরকার স্বাগত জানায়। প্রয়োজনীয় আইন ও নীতিমালার সংস্কারের মাধ্যমে নাগরিকের অধিকার সুরক্ষা এবং জীবনমান উন্নয়নই সরকারের লক্ষ্য।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/681-2.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রীর সঙ্গে আইওএমের চিফ অব মিশনের সাক্ষাৎ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28972</link>
    <pubDate>Tue, 07 Jul 2026 10:08:59 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28972</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/943-1.jpg" />    <article>
<p>প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন আইওএম বাংলাদেশের নবনিযুক্ত চিফ অব মিশন লরা টম বন্ড।</p>

<p>সোমবার (৬ জুলাই) মন্ত্রীর দপ্তরে অনুষ্ঠিত বৈঠকে নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিতকরণ এবং অভিবাসীদের কল্যাণে পারস্পরিক সহযোগিতা আরো জোরদার করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>বৈঠকের শুরুতে মন্ত্রী আইওএমের নতুন চিফ অব মিশনকে বাংলাদেশে আন্তরিক অভিনন্দন ও স্বাগত জানান। তিনি নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল অভিবাসন নিশ্চিতকরণে আইওএমের ধারাবাহিক সমর্থন ও পেশাদারির প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।</p>

<p>মন্ত্রী বলেন, &lsquo;অভিবাসননীতি প্রণয়ন এবং গ্লোবাল কমপ্যাক্ট ফর মাইগ্রেশন জাতীয় কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে আইওএমের কারিগরি সহায়তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। আগামীতে জাতীয় ডায়াসপোরা নীতি এবং প্রত্যাবর্তনকারীদের পুনঃএকত্রীকরণ নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নেও উভয় পক্ষ যৌথভাবে কাজ করবে।</p>
</article>

<article>&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>মন্ত্রণালয়ের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা ও ডিজিটাল রূপান্তরের ওপর জোর দিয়ে মন্ত্রী বলেন, ওআইডিএফ ফ্রেমওয়ার্কের মাধ্যমে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং এর অধীন সংস্থাসমূহের সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হচ্ছে। একই সঙ্গে সমন্বিত অভিবাসী তথ্য ও সেবা ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি চালুর মাধ্যমে সামগ্রিক অভিবাসন সেবাকে আধুনিকায়ন করা হচ্ছে।&nbsp;</p>

<p>চলমান উন্নয়ন প্রকল্পের বিষয়ে তিনি উল্লেখ করেন, আইএফএডিএর অর্থায়নে &lsquo;ডায়াসপোরা প্রকল্প&rsquo; এবং বিশ্বব্যাংক ও ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের অর্থায়নে &lsquo;রেইজ প্রকল্প&rsquo;-এর সফল বাস্তবায়নসহ ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে চলমান প্রকল্পসমূহের ধারাবাহিকতা রক্ষা করা হবে।</p>

<p>ভবিষ্যতে নিরাপদ কর্মসংস্থান সৃষ্টি, তথ্য ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ এবং টেকসই উন্নয়নে বাংলাদেশ সরকার ও আইওএমের মধ্যকার দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>সভায় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোখতার আহমেদ বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডের সুবর্ণ সময় পার করছে। আমাদের বিপুল জনশক্তি রয়েছে, তবে দক্ষ রাষ্ট্রীয় সম্পদ হিসেবে তাদের পুরোপুরি কাজে লাগাতে আমাদের আরো সুপরিকল্পিত উদ্যোগ প্রয়োজন। এই বিশাল জনশক্তিকে বৈশ্বিক চাহিদার উপযোগী করে গড়ে তুলতে আইওএমের কৌশলগত এবং কারিগরি সহায়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।</p>

<p>আইওএম চিফ অব মিশন জাতিসংঘের &lsquo;গ্লোবাল কমপ্যাক্ট ফর সেফ, অর্ডারলি অ্যান্ড রেগুলার মাইগ্রেশন&rsquo; বাস্তবায়নে শীর্ষস্থানীয় চ্যাম্পিয়ন দেশ হিসেবে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করায় বাংলাদেশের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং অভিনন্দন জানান।</p>

<p>তিনি বলেন, সচেতনতা বৃদ্ধি, সফল পুনঃএকত্রীকরণ কর্মসূচি, নিরাপদ অভিবাসন এবং নারীর ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ যেভাবে অনন্য অগ্রগতি প্রদর্শন করছে, তা ধরে রাখতে আইওএমের সার্বিক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের ২০টি সুনির্দিষ্ট ধারা আইওএমের বৈশ্বিক কর্মপরিকল্পনা ও লক্ষ্যের সঙ্গে গভীরভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলেও তিনি মন্তব্য করেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/943-1.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28971</link>
    <pubDate>Tue, 07 Jul 2026 10:08:18 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28971</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/809-99.jpg" />    <article>
<p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ, পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণ ও ভেজালবিরোধী অভিযান পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সমস্যা চিহ্নিত করে দ্রুত সমাধান করার নির্দেশ দিয়েছেন। এসব প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরো গতিশীল করতে তিন সদস্যের একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।</p>
</article>

<article>কমিটিকে আগামী এক মাসের মধ্যে প্রয়োজনীয়তা সাপেক্ষে দ্রুত সমাধানযোগ্য এবং দীর্ঘ মেয়াদি সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সুপারিশসহ রিপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>আজ সোমবার বিকেলে বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত এক সভায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। পরে প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেসসচিব মো. সুজাউদ্দৌলা (সুজন মাহমুদ) এ কথা জানান।</p>

<p>মো. সুজাউদ্দৌলা জানান, জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী এবং মন্ত্রিপরিষদসচিব ড. নাসিমুল গনির সমন্বয়ে তিন সদস্যের এই কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি জানান, ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, বিএসটিআই এবং সিটি করপোরেশনসহ মাঠ পর্যায়ে ভেজালবিরোধী অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকারী কর্মকর্তাদের নিয়ে এ সভা করেন প্রধানমন্ত্রী।</p>

<p>প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, &lsquo;সমস্যা থাকবেই। সেই সমস্যার মধ্য দিয়েই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। দেশের স্বার্থে সবাইকে আরো দায়িত্বশীল ও সচেতন হতে হবে।</p>
</article>

<article>&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি বলেন, &lsquo;পৃথিবীর অনেক দেশ একসময় আমাদের চেয়েও অনুন্নত ছিল। অথচ আজ তারা অনেক দূর এগিয়ে গেছে। আমাদেরও এগিয়ে যেতে হবে। সবাই একসঙ্গে আন্তরিকভাবে কাজ করলে সেটি অবশ্যই সম্ভব।&rsquo;</p>

<p>এ সময় প্রধানমন্ত্রীর কাছে ভেজালবিরোধী অভিযান পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ এবং বিএসটিআইয়ের কর্মকর্তারা নানা প্রতিবন্ধকতার কথা তুলে ধরেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>বিশেষ করে জেলা পর্যায়ে জনবল বাড়ানো, উন্নত মানের ল্যাবরেটরি স্থাপন, মাঠ পর্যায়ে কাজ করার জন্য আধুনিক সরঞ্জামসহ সিন্ডিকেট ও প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করতে গিয়ে নিরাপত্তা ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে মোবাইল কোর্টের ক্ষমতা বাড়ানোরও দাবি জানান তারা।</p>

<p>উপ-প্রেসসচিব আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী তাদের সংকটের কথাগুলো অত্যন্ত ধৈর্য সহকারে শোনেন এবং দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন। এ জন্য ৩ সদস্যবিশিষ্ট উচ্চ পর্যায়ের এই কমিটি গঠনের নির্দেশ দেন।</p>

<p>জনসচেতনতার গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী গুলশান লেকের ব্যবস্থাপনার উদাহরণ দেন। তিনি বলেন, &lsquo;আমাদের অনেক লেকই আবর্জনায় ভরে যাচ্ছে। দুঃখজনক হলেও সত্য, এসব আবর্জনা সমাজের শিক্ষিত মানুষরাই ফেলছেন। যাদের সচেতন হওয়ার কথা, অনেক সময় তারাই সচেতন হন না। দেশকে পরিবর্তন করতে হলে শুধু সরকারের উদ্যোগ নয়, নাগরিকদেরও সদিচ্ছা ও দায়িত্বশীলতা প্রয়োজন। সবাইকে সচেতন হয়ে এগিয়ে আসতে হবে।&rsquo;</p>

<p>সভায় প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসনবিষয়ক উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী, মন্ত্রিপরিষদসচিব ড. নাসিমুল গনি, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আব্দুস সাত্তার, বাণিজ্যসচিব আতাউর রহমান খান, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেসসচিব আতিকুর রহমান রুমন, বিএসটিআইয়ের মহাপরিচালক কাজী ইমদাদুল হক উপস্থিত ছিলেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/809-99.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক দায়বদ্ধতা কনভেনশনে যোগ দিল বাংলাদেশ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28970</link>
    <pubDate>Tue, 07 Jul 2026 10:07:30 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28970</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1002-88.jpg" />    <article>
<p>সামুদ্রিক পরিবেশ সংরক্ষণ, উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর সুরক্ষা এবং টেকসই সামুদ্রিক বাণিজ্য নিশ্চিতকরণে আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক দায়বদ্ধতা কনভেনশনে যোগ দিয়েছে বাংলাদেশ। লন্ডনে অনুষ্ঠিত তিনটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক দায়বদ্ধতা কনভেনশনে যোগদানের মাধ্যমে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নিয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>সোমবার (৬ জুলাই) লন্ডনে অবস্থিত আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থা (আইএমও)-এর সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থার (আইএমও) মহাসচিব আরসেনিও ডোমিঙ্গেজ-এর হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে কনভেনশনে যোগদানের দলিল হস্তান্তর করেন। এর ফলে দেশের সামুদ্রিক আইনগত ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোকে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত মান ও সর্বোত্তম চর্চার সঙ্গে আরো সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে।</p>

<p>এ সময় উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাজ্য ও উত্তর আয়ারল্যান্ডে নিযুক্ত বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার ড. এম নজরুল ইসলাম এবং নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কমোডর মো. শফিউল বারী। আজ নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>এতে বলা হয়, নিরাপদ নৌপরিবহন নিশ্চিতকরণ, সামুদ্রিক পরিবেশ সংরক্ষণ এবং দায়িত্বশীল সামুদ্রিক শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় সরকারের অঙ্গীকারের অংশ হিসেবে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এই কনভেনশনসমূহে যোগদান সম্পন্ন হয়েছে।</p>

<p>বাংলাদেশ অনুসমর্থনকৃত তিনটি কনভেনশনসমূহ হলো&mdash; আন্তর্জাতিক তেল দূষণজনিত ক্ষতির জন্য দায়বদ্ধতা বিষয়ক, ১৯৯২ প্রোটোকল, বাঙ্কার তেল দূষণজনিত ক্ষতির জন্য দায়বদ্ধতা বিষয়ক আন্তর্জাতিক কনভেনশন, ২০০১ এবং নাইরোবি আন্তর্জাতিক রেক অপসারণ কনভেনশন, ২০০৭।</p>

<p>প্রতিদিন শত শত জাহাজ বাংলাদেশের জলসীমা অতিক্রম করে বা দেশের বন্দরসমূহে আগমন করে। এই নৌযান চলাচলের সঙ্গে তেল নিঃসরণ, বাঙ্কার জ্বালানি দূষণ এবং জাহাজডুবির মতো ঝুঁকিও যুক্ত থাকে, যা নৌচলাচল ও সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের জন্য হুমকি সৃষ্টি করতে পারে।</p>
</article>

<article>এসব কনভেনশনের মাধ্যমে দুর্ঘটনার দায়ভার নির্ধারণ এবং বাধ্যতামূলক বীমা নিশ্চিত করবে। এর ফলে দুর্ঘটনা ঘটলে দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর না করে একটি নিশ্চিত আর্থিক ব্যবস্থার মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ পাওয়া সম্ভব হবে।
<p>&nbsp;</p>

<p>এই অনুসমর্থন দেশের জন্য অর্থনৈতিক সফলতা বয়ে আনবে। বাংলাদেশের পতাকাবাহী জাহাজগুলোকে আর বিদেশি নৌ প্রশাসনের কাছ থেকে কনভেনশন সনদ সংগ্রহ করতে হবে না। ফলে সময় এবং বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে।</p>
</article>

<article>একই সঙ্গে এসব কনভেনশনের সঙ্গে সামঞ্জস্যতা আন্তর্জাতিক চার্টারার, বীমা প্রতিষ্ঠান ও বন্দর কর্তৃপক্ষের কাছে বাংলাদেশের পতাকাবাহী জাহাজের গ্রহণযোগ্যতা বাড়াবে, বাণিজ্যিক বিলম্ব এবং বিদেশি বন্দরসমূহে বিভিন্ন কর্তৃপক্ষের অতিরিক্ত পরিদর্শন হ্রাস পাবে।
<p>&nbsp;</p>

<p>ইতোমধ্যে বিশ্বের শতাধিক দেশ এসব কনভেনশনের পক্ষভুক্ত। বাংলাদেশের অনুসমর্থনের ফলে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত অবকাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্যতা অর্জন করল। ক্রমবর্ধমান জাহাজ চলাচল, বন্দর কার্যক্রম ও উপকূলীয় উন্নয়নের প্রেক্ষাপটে এই সিদ্ধান্ত একটি দায়িত্বশীল সামুদ্রিক রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের ভূমিকা আরো সুদৃঢ় করবে এবং আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতা পূরণের পাশাপাশি জাতীয় স্বার্থ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1002-88.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[‘ডে-কেয়ার সেন্টার’ দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ : ডা. জুবাইদা রহমান]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28969</link>
    <pubDate>Tue, 07 Jul 2026 10:06:45 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28969</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1125-77.jpg" />    <article>
<p>প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস-প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান বলেছেন, &lsquo;শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র (ডে-কেয়ার সেন্টার) শুধু শিশুদের নিরাপদে রাখার স্থান নয়, বরং দেশের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। মানসম্মত দিবাযত্ন কেন্দ্রের অভাবে কর্মজীবী মা ও তাদের সন্তানদের নানা ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে।</p>
</article>

<article>&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>সোমবার (৬ জুলাই) রাজধানীর পানি ভবনের মাল্টিপারপাস হলে নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত &lsquo;শিশুর প্রাথমিক পরিচর্যা ও বিকাশ&rsquo; শীর্ষক কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন।</p>

<p>ডা. জুবাইদা রহমান বলেন, &lsquo;বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার ৫০ দশমিক ৫৮ শতাংশ নারী এবং ২৮ দশমিক ৩৬ শতাংশ মানুষের বয়স শূন্য থেকে ১৪ বছরের মধ্যে।&rsquo;</p>

<p>কর্মজীবী মায়েদের জন্য দিবাযত্ন কেন্দ্রের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি নিজের স্কুলজীবনের একটি অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন এবং শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্রগুলোর কার্যক্রম সম্প্রসারণের আহ্বান জানান।</p>

<p>বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, &lsquo;অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলেও এখনো অনেক কর্মজীবী মা সন্তান লালন-পালন নিয়ে উদ্বিগ্ন থাকেন।</p>
</article>

<article>বর্তমানে ১২৩টি শিশু বিকাশ কেন্দ্রে ৭ হাজার ৩৬০ জন শিশুকে সেবা দেওয়া হচ্ছে, যা দেশের মোট শিশুর মাত্র শূন্য দশমিক ৩৪ শতাংশের চাহিদা পূরণ করছে।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি বলেন, &lsquo;এর ফলে অনেক শিশু প্রারম্ভিক শৈশব বিকাশের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম, সমবয়সীদের সঙ্গে খেলাধুলা এবং সুস্থভাবে বেড়ে ওঠার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। মানসম্মত ও সর্বজনীন প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা এবং শৈশবকালীন বিকাশ শিশুদের জ্ঞানীয় ও সামাজিক বিকাশের শক্ত ভিত্তি তৈরি করবে &lsquo;</p>

<p>দিবাযত্ন কেন্দ্রের পরিচর্যাকারীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, &lsquo;তাদের মানবিক ও কঠিন দায়িত্ব পালনের কারণে অসংখ্য কর্মজীবী মা নিশ্চিন্তে কাজ করতে পারেন এবং শিশুরা নিরাপদ পরিবেশে বেড়ে ওঠার সুযোগ পায়। শৈশবই মানুষের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়।</p>
</article>

<article>এ সময়েই সততা, নিষ্ঠা, শান্তি, শিক্ষা, সংস্কৃতি, মানবিকতা, সহনশীলতা, শৃঙ্খলা, কৌতূহল, অধ্যবসায় এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের ভিত্তি গড়ে ওঠে।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি আরো বলেন, &lsquo;দিবাযত্ন কেন্দ্রের পরিচর্যাকারীরা একদিকে যেমন ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ভিত্তি নির্মাণে ভূমিকা রাখছেন, অন্যদিকে বিপুলসংখ্যক নারীর কর্মক্ষেত্রে অংশগ্রহণের সুযোগও সৃষ্টি করছেন।&rsquo;</p>

<p>সমাজকল্যাণ এবং নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ডা. এ. জেড. এম. জাহিদ হোসেন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ এবং সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন।</p>

<p>এর আগে ডা. জুবাইদা রহমান সকাল সাড়ে ১০টায় তেজগাঁও সরকারি শিশু পরিবার (বালিকা), সকাল ১১টায় ভূমি ভবনের শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র এবং সাড়ে ১১টায় পানি ভবনের শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1125-77.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ছবি পোস্ট করে মেলোনিকে আবার খোঁচা ট্রাম্পের]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28968</link>
    <pubDate>Tue, 07 Jul 2026 10:06:03 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28968</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1242-66.jpg" />    <article>
<p>ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির সঙ্গে সম্পর্কটাকে খোঁচাখুঁচির পর্যায়ে নিয়ে গেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যেন ইতালির প্রধানমন্ত্রীকে ক্ষেপিয়ে মজাই পাচ্ছেন তিনি।</p>
</article>

<article>ফ্রান্সে জি-৭ সম্মেলনের সময় ছবি তোলা নিয়ে শুরু হওয়া ভুল বোঝাবুঝিকে বয়ে বেড়াচ্ছেন ট্রাম্প। শুধু বয়ে বেড়াচ্ছেন বললে&nbsp; ভুল হবে, মাঝে মধ্যেই উত্তেজনার আগুনে পেট্রল ঢালছেন তিনি।
<p>&nbsp;</p>

<p>রবিবার রাতে নিজ মালিকানার ট্রুথ সোশ্যালে মেলোনির সাথে তার একটা ছবি শেয়ার করেছেন ট্রাম্প। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, মেলোনি ঠোঁটে হাসি আর চোখে অপার মুগ্ধতা নিয়ে ট্রাম্পের দিকে তাকিয়ে আছেন।</p>
</article>

<article>ট্রাম্প ছবির ক্যাপশনে লিখেছেন, &lsquo;সংযত থাকার আদেশ প্রয়োজন&rsquo;।
<p>&nbsp;</p>

<p>মেলোনির সঙ্গে ট্রাম্পের সম্পর্কে যে তিক্ততা, তাতে এটি তাকে আরো উত্যক্ত করবে নিশ্চয়ই। আগামীকাল তুরস্কের আঙ্কারায় শুরু হতে যাচ্ছে ন্যাটোর শীর্ষ সম্মেলন। সে সম্মেলনে মেলোনির সঙ্গে ট্রাম্পের দেখাও হতে পারে।</p>
</article>

<article><br />
&nbsp;<br />
অথচ একসময় ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির সঙ্গে ট্রাম্পের দারুণ সম্পর্ক ছিল। দ্বিতীয় দফায় ট্রাম্পের অভিষেকের সময়ও উপস্থিত ছিলেন মেলোনি। ট্রাম্পের বিভিন্ন নীতিরও প্রশংসা করেছেন তিনি। কিন্তু ইরানে মার্কিন আগ্রাসনের সময় ন্যাটোর সহায়তা না পেয়ে ক্ষুব্ধ হন ট্রাম্প। মেলোনিও যুদ্ধের বিরুদ্ধে তার অবস্থান স্পষ্ট করেছিলেন।</article>

<article>গত মাসে ফ্রান্সে জি-৭ সম্মেলনে দেখাও হয় দুজনের। কিন্তু তখনই নতুন করে ঝামেলা শুরু হয়, যার শুরুটা করেছেন ট্রাম্প নিজেই।
<p>&nbsp;</p>

<p>জি-৭ সম্মেলনের সময় ইতালির একটি চ্যানেলকে দেয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেছিলেন, &lsquo;মেলোনি আমার সাথে একটা ছবি তোলার জন্য বারবার মিনতি করেছিলেন। তিনি আমার সাথে ছবি তুলতে এতটাই মরিয়া ছিলেন যে আমি হয়তো ছবি তুলতামই না, কিন্তু তার জন্য আমার মায়া লেগেছিল।&rsquo;</p>

<p>ট্রাম্পের এ বক্তব্যে কড়া প্রতিক্রিয়া জানান মেলোনি। তিনি একে গালগল্প বলে উড়িয়ে দেন। ট্রাম্পের মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় ইতালির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্তোনিও তাজানি তার পূর্ব নিধারিত যুক্তরাষ্ট্র সফর বাতিল করেন। উত্তেজনা প্রশমনের চেষ্টা না করে ট্রাম্প তাতে বারবার ঘি ঢেলেছেন। যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে ট্রুথ সোশ্যালে তিনি আবার মেলোনির ছবি তোলার জন্য বারবার মিনতির ব্যাপারটি পুনরুল্লেখ করেন। ট্রাম্প বলেছিলেন, কমে যাওয়া জনপ্রিয়তা ফিরে পেতে মেলোনি তার সাথে ছবি তুলতে ব্যাকুল ছিলেন। ট্রাম্পকে নিজের জনপ্রিয়তার দিকে নজর দেয়ার পরামর্শ &nbsp;দিয়ে মেলোনি বলেছিলেন, তার জনপ্রিয়তা ট্রাম্পের সাথে সম্পর্কের ওপর নির্ভর করে না।</p>

<p>ন্যাটো সম্মেলনের ঠিক আগে আগে এমন হালকা চালের ছবি আর ইঙ্গিতপূর্ণ ক্যাপশন, দুই নেতার সম্পর্কের জটিলতা আরো বাড়াতে পারে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1242-66.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[কিয়েভে রুশ হামলা, মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১০]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28967</link>
    <pubDate>Tue, 07 Jul 2026 10:05:19 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28967</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1345-55.jpg" />    <article>
<p><a href="https://www.arabnews.com/node/2649797/world">ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ ও আশপাশের এলাকায় রাশিয়ার</a> ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১০ জনে পৌঁছেছে। কর্মকর্তারা সতর্ক করে বলেছেন, উদ্ধার অভিযান চলমান থাকায় মৃতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>কিয়েভের সামরিক প্রশাসনের প্রধান তিমুর তকাচেঙ্কো টেলিগ্রামে জানান, হামলায় এখন পর্যন্ত ১০ জন নিহত এবং ৪৬ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে পাঁচজন শিশু রয়েছে। সোমবার ভোরে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন কিয়েভে আঘাত হানে। হামলায় বহু ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং কয়েকটি আবাসিক ভবনের অংশ ধসে পড়ে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>কিয়েভের মেয়র ভিটালি ক্লিচকো জানান, উদ্ধারকর্মীরা ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়া বাসিন্দাদের উদ্ধারে কাজ করছেন। শহরের ঐতিহাসিক পোদিলস্কি জেলায় একটি বহুতল আবাসিক ভবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেখান থেকে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।</p>

<p>তকাচেঙ্কোর মতে, শুধু পোদিলস্কি জেলাতেই চারটি আবাসিক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।</p>
</article>

<article>পুরো শহরে অন্তত ২৪ জন আহত হয়েছেন। ক্লিচকো আরো জানান, আংশিক ধসে পড়া একটি ভবন থেকে ১৫ জনকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে তিনজন নারী ও ছয়জন শিশু রয়েছেন। এদিকে কিয়েভের উত্তর-পশ্চিমে বুচা জেলায় আরো একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>কিয়েভের মেয়র ভিটালি ক্লিচকো জানান, শহরের পূর্বাঞ্চলীয় দারনিৎসকি জেলায় দুজন নিহত হয়েছেন। সেখানে একটি ২৫ তলা আবাসিক ভবনে ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ আঘাত হানে। ভবনের ওপরের তলাগুলোতে আটকে পড়া বাসিন্দাদের উদ্ধারে কাজ করছেন উদ্ধারকর্মীরা। তিনি আরো জানান, দারনিৎসকির একটি ৩০ তলা ভবনে আগুন লেগেছে।</p>

<p>গত বৃহস্পতিবারও এই এলাকায় রাশিয়ার বড় ধরনের হামলায় বহু মানুষ নিহত হয়েছিলেন। সেদিন রাশিয়া শত শত ড্রোন ও কয়েক ডজন ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে, যাতে অন্তত ৩০ জনের প্রাণহানি ঘটে। রয়টার্সের সাংবাদিকরা কিয়েভ ও আশপাশের এলাকায় একের পর এক বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন। একই সময়ে রুশ ড্রোন প্রতিহত করতে ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় ছিল।</p>

<p>প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, উদ্ধারকর্মীরা ক্ষতিগ্রস্ত ভবনের ধ্বংসস্তূপের মধ্যে উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছেন এবং আহতদের স্ট্রেচারে করে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাচ্ছেন। বিভিন্ন এলাকায় ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়তে দেখা যায়।</p>

<p>সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামের বিভিন্ন চ্যানেলে প্রকাশিত ছবিতে কয়েকটি বহুতল আবাসিক ভবন ও একটি বাণিজ্যিক ভবনে আগুন জ্বলতে দেখা গেছে। অনেক ভবনের ভেতরেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির চিত্র দেখা যায়। বায়ুর মান খারাপ হয়ে যাওয়ায় স্থানীয় ব্লগাররা বাসিন্দাদের জানালা বন্ধ রাখার পরামর্শ দেন। অনেক মানুষ আশ্রয়ের জন্য মেট্রো স্টেশন ও ভূগর্ভস্থ পার্কিং এলাকায় জড়ো হন।</p>

<p>এদিকে ইউক্রেনের প্রতিবেশী দেশ পোল্যান্ড সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে সাময়িকভাবে যুদ্ধবিমান মোতায়েন করে। হামলার আগে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিও সম্ভাব্য রুশ হামলার বিষয়ে নাগরিকদের সতর্ক করেছিলেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1345-55.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[শ্রীলঙ্কায় কারাগারে দাঙ্গায় নিহত ১৯, আহত শতাধিক]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28966</link>
    <pubDate>Tue, 07 Jul 2026 10:04:34 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28966</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1409-44.jpg" />    <article>
<p><a href="https://gulfnews.com/world/asia/sri-lanka-prison-riot-kills-19-hospital-says-2-1.500598198?fbclid=IwY2xjawS4RTlleHRuA2FlbQIxMABicmlkETFvdlJmS3VpRDVVcGlVUDRlc3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHsw30DHhPx-nDjAxV7ylS8hsqhJkunU1-HnW1YDW98PaKpK-cIyr2Vw456wg_aem_TUdDgs4Wa_C4AKV6ZjOETg">শ্রীলঙ্কার একটি কারাগারে দুই প্রতিদ্বন্দ্বী</a> গোষ্ঠীর মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষে অন্তত ১৯ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ১০০ জনেরও বেশি মানুষ।</p>
</article>

<article>&nbsp;সোমবার চিকিৎসকেরা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>দেশটির রাজধানী কলম্বোর উত্তরে অবস্থিত নেগোম্বো হাসপাতালের পরিচালক পুষ্পা গামলাথ সংবাদ সংস্থা এএফপিকে জানান, হাসপাতালে এখন পর্যন্ত চারজন কারারক্ষী এবং ১৫ জন বন্দির মরদেহ আনা হয়েছে।</p>

<p>তিনি আরো বলেন, এই সংঘর্ষে আহত ১০০ জনের বেশি বন্দিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে অনেকের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/07/06/1707598" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>কারাগারের ভেতরে কীভাবে এই সংঘর্ষ শুরু হয়েছে, তা এখনো স্পষ্টভাবে জানা যায়নি।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1409-44.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[অস্ট্রেলিয়া-ফিজির নিরাপত্তা চুক্তির পরই প্রশান্ত মহাসাগরে চীনের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28965</link>
    <pubDate>Tue, 07 Jul 2026 10:02:26 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28965</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1495-33.jpg" />    <article>
<p><a href="https://www.bbc.com/news/articles/c30yy6jj8p1o?fbclid=IwY2xjawS4ZFVleHRuA2FlbQIxMABicmlkETE4ekdyQm9ETEJxZXhiY2NDc3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHhW_0HDrGcE4zWpt5VpGjxJF8exMFVKFn9-wSThspz15KErTy8OI2P8Bq-bF_aem_18wDiPe9YkmYwzXpqW9BjA">চীন একটি ডামি ওয়ারহেড বহনকারী দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক </a>ক্ষেপণাস্ত্র প্রশান্ত মহাসাগরে পরীক্ষামূলকভাবে উৎক্ষেপণ করেছে। অস্ট্রেলিয়া ও ফিজি নতুন প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এই পরীক্ষা চালানো হয়।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>বেইজিং একে চীনের বার্ষিক সামরিক কর্মসূচির &lsquo;নিয়মিত অংশ&rsquo; বলে বর্ণনা করেছে। তবে এই পদক্ষেপে জাপান, নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশ উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।</p>

<p>অস্ট্রেলিয়া অভিযোগ করেছে, চীনের এ ধরনের কর্মকাণ্ড অঞ্চলের স্থিতিশীলতার জন্য নেতিবাচক। তবে দেশটির কর্মকর্তারা বলেছেন, তারা মনে করেন না যে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা অস্ট্রেলিয়া-ফিজি নিরাপত্তা চুক্তির সরাসরি প্রতিক্রিয়া।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>সাম্প্রতিক বছরগুলোতে প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপ রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে প্রতিরক্ষা সম্পর্ক জোরদার করতে কাজ করছে অস্ট্রেলিয়া। এর লক্ষ্য হলো অঞ্চলে চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব ও সামরিক উপস্থিতির ভারসাম্য রক্ষা করা। অস্ট্রেলিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী রিচার্ড মার্লেস জানান, ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার কয়েক ঘণ্টা আগে চীন তাদের পরিকল্পনার কথা ক্যানবেরাকে জানিয়েছিল।</p>

<p>তিনি বলেন, &lsquo;প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের স্থিতিশীলতা, শান্তি ও নিরাপত্তা ক্ষুণ্ন করতে পারে, এমন যেকোনো পদক্ষেপ নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন।</p>
</article>

<article>&rsquo; চীনা কর্মকর্তারা নিউজিল্যান্ড, জাপান, পাপুয়া নিউগিনিসহ ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের বিভিন্ন দেশকে সমুদ্রভিত্তিক সামরিক মহড়ার পরিকল্পনার বিষয়েও অবহিত করেছেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>নিউজিল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী উইনস্টন পিটার্স ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষাকে &lsquo;অনাকাঙ্ক্ষিত ও উদ্বেগজনক ঘটনা&rsquo; বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, এ বিষয়ে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অংশীদার দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনা করা হবে। জাপান জানিয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের প্রায় ৯০ মিনিট আগে তারা এ বিষয়ে অবহিত হওয়ার পর চীনকে এই পদক্ষেপ পুনর্বিবেচনার জন্য জোরালোভাবে অনুরোধ করেছিল।</p>

<p>চীন বলেছে, দুই বছর পর পরিচালিত এই ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা তাদের নিয়মিত সামরিক প্রশিক্ষণের অংশ এবং এটি কোনো নির্দিষ্ট দেশ বা লক্ষ্যবস্তুকে উদ্দেশ্য করে করা হয়নি।</p>
</article>

<article>চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং বলেন, &lsquo;উৎক্ষেপণ কার্যক্রম নিরাপদ, নিয়ন্ত্রিত এবং পেশাদারভাবে পরিচালিত হয়েছে। আমরা আশা করি, কিছু দেশ বিষয়টিকে অতিরঞ্জিতভাবে ব্যাখ্যা করবে না।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>ফিজির রাজধানী সুভায় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওং বলেন, চীনের দ্রুত সামরিক শক্তি বৃদ্ধি এবং এই ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা অঞ্চলটির স্থিতিশীলতার জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।</p>

<p>অস্ট্রেলিয়া ও ফিজি এদিন আনুষ্ঠানিকভাবে &lsquo;ওশান অব পিস অ্যালায়েন্স&rsquo; নামে একটি নতুন নিরাপত্তা চুক্তি স্বাক্ষর করে। এটি ফিজির প্রথম আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা জোট এবং অস্ট্রেলিয়ার চতুর্থ এমন চুক্তি। এর আগে যুক্তরাষ্ট্র, নিউজিল্যান্ড ও পাপুয়া নিউগিনির সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার একই ধরনের চুক্তি রয়েছে।</p>

<p>অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজ জানান, এই চুক্তির আওতায় আগামী ১০ বছরে ফিজিতে আন্তঃদেশীয় অপরাধ মোকাবিলা, স্বাস্থ্যসেবা এবং অবকাঠামো উন্নয়নে ১ বিলিয়ন ডলারের বেশি ব্যয় করবে অস্ট্রেলিয়া।</p>

<p>চুক্তি স্বাক্ষরের সময় আলবানিজ বলেন, এটি অন্য কোনো দেশের সঙ্গে ক্যানবেরার নেওয়া সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগগুলোর একটি। ফিজির প্রধানমন্ত্রী সিটিভেনি রাবুকা এই চুক্তিকে দুই দেশের সম্পর্কের একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এর মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1495-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রকে উড়িয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে বেলজিয়াম]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/28964</link>
    <pubDate>Tue, 07 Jul 2026 09:58:26 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/28964</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1535-22.jpg" />    <article>
<p>সিয়াটলে ঘুরে দাঁড়াতে জানপ্রাণ দিয়ে চেষ্টা করছেন সতীর্থরা। বিপরীতে ৫৭ মিনিটে অবিশ্বাস্য এক ভুল করে বসলেন যুক্তরাষ্ট্রের গোলরক্ষক ম্যাট ফ্রিজ।</p>
</article>

<article>বল ক্লিয়ার করতে ডি বক্সে ছেড়ে বেরিয়ে গিয়ে ঠিকমতো শটই নিতে পারলেন না তিনি।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>ফল বলের নিয়ন্ত্রণ পান বেলজিয়ামের ডিফেন্ডার ম্যাক্সিম ডি কুইপার। তার কাছ থেকে পরে বল পান হান্স ফানাকান। বল পেয়েই ফাঁকা গোলবারে শট নেন তিনি।</p>
</article>

<article>তবে বল জালে জড়ানোর আগে ঠেকানোর সুযোগ ছিল টিম রিমের। তিনিও মিস করায় ৩-১ গোলের লিড নেয় বেলজিয়াম।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>গোলটি হতেই তখন সিয়াটলে পিনপতন নীরবতা। হওয়াটাই স্বাভাবিক।</p>
</article>

<article>জয় নিয়ে ঘরে ফেরার বিপরীতে হার যে তখন ঝেঁকে বসেছে সবার মনে। পরে তাই হয়েছে। ব্যবধানটা আরও বেড়েছে। যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রের জালে চতুর্থ গোলটি করেন রোমেলু লুকাকু।
<p>&nbsp;</p>

<p>তাতে লুকাকুর ডান পায়ের শটটি যেন শুধু জালেই নয়, যুক্তরাষ্ট্রের হৃদয়েও আঘাত হানে।</p>
</article>

<article>৪-১ গোলে হারায় ঘরের বিশ্বকাপের যাত্রা যে শেষ হলো তাদের। দর্শক হয়ে বাকি অংশ দেখতে হবে তাদের।
<p>&nbsp;</p>

<p>ম্যাচ শুরু হতেই এগিয়ে যায় বেলজিয়াম। ৯ মিনিটে বক্সের ভেতর থেকে সহজ গোলটি করেন চার্লস ডি কেটেলার। ৩১ মিনিটে অবশ্য ঠিকই ম্যাচে ফেরে যুক্তরাষ্ট্র। বক্সের বাইরে থেকে দুর্দান্ত এক ফ্রি কিকে সমতাসূচক গোলটি করেন মালিক টিলম্যান।</p>

<p>কিন্তু আনন্দটা বেশিক্ষণ টেকেনি। ২ মিনিট পরেই নিজের জোড়া ও দলের দ্বিতীয় গোল করেন কেটেলার। তার জোড়া গোলেই পরে ২-১ ব্যবধানে বিরতিতে যায় বেলজিয়াম। বিরতির পর যুক্তরাষ্ট্রের গোলরক্ষকের অবিশ্বাস্য ভুল আর লুকাকুর দারুণ গোলে প্রতিপক্ষকে উড়িয়ে কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট পায় বেলজিয়াম। শেষ আটে তাদের প্রতিপক্ষ স্পেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1535-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বাংলাদেশের ‘দেলুপি’তে যুক্ত হলেন বলিউডের অনুরাগ কাশ্যপ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/28963</link>
    <pubDate>Tue, 07 Jul 2026 09:56:08 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/28963</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1634-11.jpg" />    <p><strong>অনুরাগ কাশ্যপ-নামই যথেষ্ট তার পরিচয়ের জন্য। বলিউডের সিনেমায় নতুন এক ধারা প্রতিষ্ঠা করেছেন তিনি। &lsquo;নো স্মোকিং&rsquo; থেকে শুরু করে &lsquo;গ্যাংস অব ওয়াসিপুর&rsquo;, কাশ্যপের নির্মাণ শুধু তাকেই নয়, সমৃদ্ধ করেছে হিন্দি সিনেমার ইতিহাসও। এবার এই নন্দিত চলচ্চিত্রকার যুক্ত হলেন বাংলাদেশের ছবি &lsquo;দেলুপি&rsquo;তে।</strong></p>

<p>&nbsp;</p>

<p>গত বছরের নভেম্বরে মুক্তি পায় মোহাম্মদ তাওকীর ইসলামের প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য ছবি &lsquo;দেলুপি&rsquo;। খুলনার একটি প্রত্যন্ত গ্রামের গল্পে অনেক কিছু তুলে ধরেছেন ছবিতে। বিখ্যাত রটারড্যাম উৎসবেও নির্বাচিত হয়েছিল ছবিটি।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>এবার &lsquo;দেলুপি&rsquo;র সঙ্গে যুক্ত হলেন কাশ্যপ। তিনি আন্তর্জাতিক বাজারে ছবিটির পরিবেশক হিসেবে থাকছেন। আজ দুপুরে খবরটি জানিয়েছেন &lsquo;দেলুপি&rsquo; নির্মাতা তাওকীর। তিনি জানান, এখন থেকে ছবিটির প্রচারণামূলক কনটেন্টে লেখা থাকবে, &lsquo;অনুরাগ কাশ্যপ প্রজেন্টস দেলুপি&rsquo;।</p>

<p>বিজ্ঞাপন</p>

<p>সুখবরটি পোস্ট করা হয়েছে ছবির প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ফুটপ্রিন্ট ফিল্ম প্রোডাকশনের পেজ থেকেও। সেখানে বলা হয়েছে, &ldquo;অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি, অনুরাগ কশ্যপ &lsquo;দেলুপি&rsquo;তে অনবোর্ড হয়েছেন। এখন থেকে দেলুপি বিশ্বজুড়ে পরিচিত হবে অনুরাগ কাশ্যপ প্রেজেন্টস &lsquo;দেলুপি&rsquo;। এটার পর অনেক কিছুই লেখা যায়। কিন্তু সত্যি বলতে, যাই লিখি না কেন, সেটা দিয়ে এই মুহূর্তে আমাদের অনুভূতিটা ঠিক বোঝানো সম্ভব না। একটি স্বাধীন বাংলাদেশি চলচ্চিত্রের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে অনুরাগ কশ্যপের মতো একজন নির্মাতার দাঁড়ানো আমাদের জন্য শুধু একটি স্বীকৃতি নয়, বরং সামনের পথচলার জন্য এক বিশাল অনুপ্রেরণা।&rdquo;</p>

<p>সবশেষে নির্মাতা অনুরাগের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান টিম &lsquo;দেলুপি&rsquo;। আর ভালোবাসা জানিয়েছেন দর্শকের প্রতিও।</p>

<figure>&nbsp;</figure>

<p><img alt="" height="720" src="https://assets.dhakapost.com/media/imgAll/BG/2026July/delupi-in-20260706153454.jpg" width="1280" /> &#39;দেলুপি&#39; টিমের সঙ্গে ভিডিও কলে অনুরাগ কাশ্যপ ও ছবির দৃশ্য</p>

<p>বিজ্ঞাপন</p>

<p>এদিকে কয়েক দিন আগেই &lsquo;লেটারবক্স&rsquo;-এ &lsquo;দেলুপি&rsquo; নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন অনুরাগ কাশ্যপ। সেখানে ছবিটির ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি। এ বিষয়ে ঢাকা পোস্টকে নির্মাতা তাওকীর জানান, আগে থেকেই কাশ্যপের সঙ্গে তার পরিচয় ছিল। তার ভাষ্য, &lsquo;কথা ছিল, তিনি রটারড্যাম গিয়েই ছবিটা দেখবেন। পরে কোনো কারণে তা আর হয়নি। এজন্য আমি নিজ থেকেই তাকে ব্যক্তিতভাবে ছবিটা পাঠাই। সেখানে তিনি দেখেছেন। আর দেখার পর এমন প্রশংসা করেছেন।&rsquo;</p>

<p>অনুরাগ কাশ্যপের সঙ্গে শুধু &lsquo;দেলুপি&rsquo;র কাজই নয়, আরও চমকপ্রদ কিছু করছেন তাওকীর। সেই চমকের জন্য আপাতত অপেক্ষা করতে বললেন নির্মাতা।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1634-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[জুলাই আন্দোলন নিয়ে মন্তব্য সাংবাদিক আনিস আলমগীর ও সোমা ইসলামসহ ৬ বিরুদ্ধে জিডি]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28962</link>
    <pubDate>Mon, 06 Jul 2026 10:32:42 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28962</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/942-1.jpg" />    <p>জুলাই আন্দোলন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কটাক্ষ, অবমাননাকর মন্তব্য ও অপপ্রচারের অভিযোগে সাংবাদিক আনিস আলমগীর, উপস্থাপিকা সোমা ইসলাম, মডেল ও আইনজীবী জান্নাতুল ফেরদৌস পিয়াসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।</p>

<p>শনিবার রাতে রাষ্ট্রসংলাপ ফোরামের সদস্য মিল্লাত হোসেন এই অভিযোগ করেন। পরে এটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) হিসেবে নথিভুক্ত করে পুলিশ। অভিযুক্ত অন্য তিনজন হলেন- নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক নেতা ও কলামিস্ট মোমিন মেহেদী, মডেল মারিয়া কিসপট্টা এবং মডেল ও অভিনেত্রী তুষ্টি।</p>

<p>এর আগে, গত শুক্রবার জুলাই আন্দোলন নিয়ে কটাক্ষের অভিযোগে শাহবাগ থানায় অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন ও মাহিয়া মাহী এবং শান্তা ফারজানার &zwj;বিরুদ্ধে জিডি হয়েছে।</p>

<p>ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার শেখ জাহিদুল ইসলাম সমকালকে বলেন, জুলাই আন্দোলন নিয়ে কটাক্ষের অভিযোগে শনিবার ছয়জনের বিরুদ্ধে জিডি হয়েছে। তদন্ত চলমান রয়েছে।</p>

<p>সূত্র জানিয়েছে, ইতোমধ্যে জিডিটি তদন্তের জন্য ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইউনিটে পাঠানো হয়েছে। অভিযোগে উল্লিখিত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট, বক্তব্য ও সংশ্লিষ্ট লিংকগুলো সাইবার বিভাগ যাচাই-বাছাই করবে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।</p>

<p>রাষ্ট্রসংলাপ ফোরামের সদস্য মিল্লাত হোসেন অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেন, সোমা ইসলাম বিভিন্ন টকশোতে উপস্থাপিকার আসনে বসে জুলাই আন্দোলনকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের চেষ্টা করেন। তিনি ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ও বিশ্ববাসীর কাছে জুলাই আন্দোলনকে ছোট করে উপস্থাপনের চেষ্টা করেছেন।<br />
অভিযোগে বলা হয়, আনিস আলমগীর কারাগার থেকে বের হওয়ার পর কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে জুলাই আন্দোলনকে বাধাগ্রস্ত করতে বিভ্রান্তিমূলক বক্তব্য ছড়িয়েছেন। জুলাইয়ে আহতদের নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার চালাচ্ছেন।&nbsp;</p>

<p>মোমিন মেহেদীর বিরুদ্ধে জাতীয় প্রেসক্লাব এলাকায় জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে জুতা নিক্ষেপ এবং আবু সাঈদকে নিয়ে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।</p>

<p>জান্নাতুল ফেরদৌস পিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সুমনের সহযোগী হিসেবে আন্দোলনকারী ও আহতদের কটাক্ষ করেছেন। মারিয়া কিসপট্টা জুলাই আন্দোলনকে &lsquo;সন্ত্রাসী আন্দোলন&rsquo; হিসেবে প্রচার করেছেন। একইসঙ্গে জুলাই আন্দোলনে যারা শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ হারিয়েছেন, তাদের নিয়ে বিভ্রান্তিকর বক্তব্য প্রচার করছেন। মডেল তুষ্টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জুলাইকে &lsquo;প্রতারণার মাস&rsquo; আখ্যা দিয়ে অপপ্রচার চালিয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয় অভিযোগে।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/942-1.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও আত্মত্যাগে বাংলাদেশ-আলজেরিয়ার গভীর মিল : তথ্যমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/diplomatic/28961</link>
    <pubDate>Mon, 06 Jul 2026 10:31:57 +0600</pubDate>
    <category> কূটনৈতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/diplomatic/28961</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/680-2.jpg" />    <article>
<p>বাংলাদেশ ও আলজেরিয়ার স্বাধীনতার ইতিহাস, আত্মত্যাগ এবং মুক্তির চেতনার মধ্যে গভীর মিল রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বলেন, আলজেরিয়া ফরাসি ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছে, আর বাংলাদেশ লড়াই করেছে পাকিস্তানি শাসনের বিরুদ্ধে।</p>
</article>

<article>উভয় দেশের লাখো শহীদ দেশের স্বাধীনতার জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন। তাদের এই আত্মত্যাগ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুকরণীয়।
<p>&nbsp;</p>

<p>রবিবার (৫ জুলাই) ঢাকায় আলজেরিয়ার ৬৪তম স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় বাংলাদেশে নিযুক্ত আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূত আবদেলওয়াহাব সাইদানি, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, বাংলাদেশ-আলজেরিয়া বিজনেস ফোরামের সভাপতি মোহাম্মদ নুরুল মোস্তফাসহ ব্যবসায়ী, বিশিষ্টজন, সাংবাদিক এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>তথ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও আলজেরিয়ার যুবসমাজ স্বাধীনতার জন্য অসাধারণ ত্যাগ স্বীকার করেছে। তাদের কাছ থেকে নতুন প্রজন্মের শেখার সবচেয়ে বড় বিষয় হলো দেশের জন্য আত্মনিবেদন ও দেশপ্রেম।</p>

<p>দুই দেশের সম্পর্ক আরো জোরদারের আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও আলজেরিয়ার মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিপুল সুযোগ রয়েছে। তিনি বাংলাদেশ-আলজেরিয়া বিজনেস ফোরামের কার্যক্রমের প্রশংসা করেন এবং এর সভাপতি মোহাম্মদ নুরুল মোস্তফার ভূমিকাকে সাধুবাদ জানান।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, আলজেরিয়া প্রাকৃতিক ও খনিজসম্পদে সমৃদ্ধ একটি দেশ। দেশটি ইউরোপের মোট গ্যাস আমদানির প্রায় ১৪ শতাংশ সরবরাহ করে, যা এর কৌশলগত গুরুত্বকে আরো বাড়িয়েছে। একই সঙ্গে ভূমধ্যসাগরের তীরে অবস্থিত আলজিয়ার্স বিশ্বের অন্যতম সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন শহর।</p>

<p>মন্ত্রী বলেন, বর্তমান বিশ্বে উন্নয়নের জন্য শক্তিশালী নেটওয়ার্ক, বাণিজ্যিক সম্পর্ক ও অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব প্রয়োজন। বাংলাদেশ ও আলজেরিয়া উভয় দেশই শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে বিশ্বাস করে।</p>
</article>

<article>দুই দেশের পতাকার সবুজ ও লাল রঙের মধ্যেও স্বাধীনতার চেতনার প্রতীকী মিল রয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে দুই দেশের সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় হবে।
<p>&nbsp;</p>

<p>আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূত আবদেলওয়াহাব সাইদানি বলেন, আলজেরিয়ার স্বাধীনতা কেবল একটি দেশের ঔপনিবেশিক শাসন থেকে মুক্তির ইতিহাস নয়; এটি বিশ্বব্যাপী মানবিক মর্যাদা, ন্যায়বিচার, স্বাধীনতা এবং নিপীড়নের বিরুদ্ধে সংগ্রামের এক অনন্য প্রতীক। আলজেরিয়ার জনগণের আত্মত্যাগ আজও বিশ্বের মুক্তিকামী মানুষকে অনুপ্রাণিত করে।</p>

<p><img alt="66" height="600" src="https://asset.kalerkantho.com/public/news_images/share/photo/shares/online/2026/07/05/my1245/6a4a89ca380d0.jpg" width="1000" /></p>

<p>তিনি বলেন, ১৯৬২ সালের ৫ জুলাই ১৩২ বছরের ফরাসি ঔপনিবেশিক শাসনের অবসান ঘটিয়ে স্বাধীনতা অর্জন করে আলজেরিয়া। একই দিন দেশটিতে জাতীয় যুব দিবসও পালিত হয়, কারণ স্বাধীনতা সংগ্রামে তরুণদের অবদান ছিল সবচেয়ে বেশি। এবারের প্রতিপাদ্য ছিল &lsquo;দ্য লেগ্যাসি অব জেনারেশনস&rsquo; বা &lsquo;প্রজন্মের উত্তরাধিকার&rsquo;, যা স্বাধীনতার জন্য আত্মত্যাগকারী পূর্বসূরিদের স্মরণ এবং নতুন প্রজন্মকে দেশ গঠনে উদ্বুদ্ধ করার বার্তা বহন করে।</p>

<p>রাষ্ট্রদূত বলেন, আলজেরিয়ার স্বাধীনতা যুদ্ধ ছিল উপনিবেশবিরোধী ইতিহাসের অন্যতম দীর্ঘ ও রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম। এ যুদ্ধে প্রায় ৫৬ লাখ আলজেরীয় শহীদ হন। স্বাধীনতার পর আলজেরিয়া শুধু নিজের উন্নয়নই নয়, বিশ্বের বিভিন্ন মুক্তি আন্দোলনেও গুরুত্বপূর্ণ অনুপ্রেরণা ও সহায়তা দিয়েছে। এ কারণেই একসময় দেশটিকে &lsquo;বিপ্লবীদের মক্কা&rsquo; বলা হতো।</p>

<p>তিনি বলেন, আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার, জোটনিরপেক্ষতা ও উপনিবেশবিরোধী নীতিই আলজেরিয়ার পররাষ্ট্রনীতির মূল ভিত্তি। ফিলিস্তিন ও পশ্চিম সাহারা ইস্যুসহ বিশ্বের নিপীড়িত জনগণের ন্যায্য অধিকারের পক্ষে আলজেরিয়া সবসময় সোচ্চার।</p>

<p>রাষ্ট্রদূত আরো বলেন, ভূমধ্যসাগর ও সাহেল অঞ্চলের সংযোগস্থলে অবস্থানের কারণে আলজেরিয়া আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। দেশটি ইউরোপের মোট গ্যাস আমদানির প্রায় ১৪ শতাংশ সরবরাহ করে এবং জ্বালানি নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।</p>

<p>তিনি জানান, স্বাধীনতার পর শিক্ষা, প্রযুক্তি ও অর্থনীতিতে আলজেরিয়া উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। তরুণ উদ্যোক্তারা প্রযুক্তিনির্ভর স্টার্টআপ, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ও পরিবেশবান্ধব উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিচ্ছেন। ২০২৬-২০২৯ সালের জাতীয় যুব পরিকল্পনার মাধ্যমে এসব উদ্যোগকে আরো শক্তিশালী করা হচ্ছে।</p>

<p>রাষ্ট্রদূত বলেন, ২০২৬ সালে আলজেরিয়ার জিডিপি ৩১৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। নতুন বিনিয়োগ আইনসহ বিভিন্ন সংস্কারের ফলে দেশটি বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য আকর্ষণীয় গন্তব্যে পরিণত হয়েছে। তিনি বাংলাদেশের উদ্যোক্তাদের ওষুধশিল্প, কৃষি, জ্বালানি ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানান। এসব খাতে শতভাগ বিদেশি মালিকানা, কর অব্যাহতি এবং বিভিন্ন বিনিয়োগ প্রণোদনার সুবিধা রয়েছে বলে জানান তিনি।</p>

<p>বাংলাদেশ-আলজেরিয়া বিজনেস ফোরামের ভূমিকা তুলে ধরে রাষ্ট্রদূত বলেন, ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলের সফর, নেটওয়ার্কিং এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে ফোরামটি দুই দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা আরো জোরদার করছে।</p>

<p>বাংলাদেশ ও আলজেরিয়ার ঐতিহাসিক সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, স্বাধীনতার সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের ইতিহাস দুই দেশের বন্ধুত্বকে আরো দৃঢ় করেছে। ১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়া প্রথম আরব দেশ ছিল আলজেরিয়া। সেই ঐতিহাসিক সম্পর্কের ভিত্তিতেই বর্তমানে দুই দেশ রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সহযোগিতা আরো সম্প্রসারণে কাজ করছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/680-2.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ঝুঁকি নিয়ে চালু হচ্ছে রূপপুর, কয়েকটি চুক্তি নিষ্পন্ন হয়নি]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28960</link>
    <pubDate>Mon, 06 Jul 2026 10:30:59 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28960</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/808-99.jpg" />    <p>জ্বালানি সংকটের এই সময়ে দেশের সবচেয়ে বড় ভরসা হতে পারে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। সরকারের প্রত্যাশা, আসছে আগস্ট মাসের মধ্যে কেন্দ্রটির প্রথম ইউনিট থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে। তবে উৎপাদন শুরুর আগমুহূর্তেও অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অনিষ্পন্ন রয়ে গেছে। এখনও হয়নি ঝুঁকিপূর্ণ স্পেন্ট ফুয়েল অপসারণের চূড়ান্ত চুক্তি। নির্ধারিত হয়নি বিদ্যুতের দাম। বাকি রয়েছে পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ-সংক্রান্ত সমঝোতা। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে জাতীয় গ্রিডের সক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ।</p>

<p>বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ক্ষেত্রে শুধু রিঅ্যাক্টরে জ্বালানি লোড বা বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করাই একমাত্র সফলতা নয়; বরং এর দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক উপযোগিতা এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করাই আসল চ্যালেঞ্জ।</p>

<p>আর্থিক বিবেচনায় দেশের একক বৃহত্তম এই প্রকল্প নির্মাণে আর্থিক, কারিগরি ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা করছে রাশিয়া। প্রায় এক লাখ ১৪ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ের এই প্রকল্পের ৯০ শতাংশ অর্থ ঋণ দিচ্ছে রাশিয়া, যা ২৮ বছরের মধ্যে পরিশোধ করতে হবে। রুশ প্রতিষ্ঠান রোসাটমের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এই নির্মাণকাজ চলছে।</p>

<p>ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিউক্লিয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের জ্যেষ্ঠ অধ্যাপক ড. মো. শফিকুল ইসলাম সমকালকে বলেন, বেশ কিছু অতিগুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন না করেই বিদ্যুৎকেন্দ্রটি পরীক্ষামূলক উৎপাদনে যাচ্ছে। ব্যবহৃত পারমাণবিক জ্বালানি (স্পেন্ট ফুয়েল) মানবদেহ ও পরিবেশের জন্য ব্যাপক ঝুঁকিপূর্ণ। এই ক্ষতিকর বর্জ্য রাশিয়া পুনর্ব্যবহারের জন্য ফেরত নিয়ে যাবে, নাকি স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করবে&ndash;সে বিষয়টি এখনও অস্পষ্ট। পাশাপাশি এই প্রক্রিয়ার ব্যয়ভার কেমন হবে&ndash; তাও পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন।&nbsp;</p>

<p>তিনি বলেন, বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি (পিপিএ) চূড়ান্ত না হওয়ায় বিদ্যুতের দাম নিয়ে ধোঁয়াশা রয়ে গেছে।&nbsp;</p>

<p>কেন্দ্রটির পরিচালনা, রক্ষণাবেক্ষণ পদ্ধতি এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য প্রস্তাবিত &lsquo;ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি&rsquo; গঠনের প্রক্রিয়াটি এখনও অমীমাংসিত।&nbsp;<br />
এই নিউক্লিয়ার বিশেষজ্ঞের মতে, সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিতের স্বার্থে এই চুক্তিগুলো অনেক আগেই হওয়া উচিত ছিল। এখন তাড়াহুড়ো করে এগুলো করলে দীর্ঘ মেয়াদে ইতিবাচক ফল নাও আসতে পারে। তাই বাণিজ্যিক উৎপাদনের আগেই চুক্তিগুলো সম্পাদন করে এর শর্তাবলি জনগণের সামনে উন্মুক্ত করা জরুরি। গ্রিড ফ্রিকোয়েন্সি ওঠানামার ঝুঁকি এড়াতে রূপপুর কর্তৃপক্ষ ও বিতরণ কোম্পানিগুলোর মধ্যে রিয়েল-টাইম সমন্বয় প্রয়োজন।</p>

<p>তবে নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্ট কোম্পানি বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. জাহেদুল হাছান বলেন, &lsquo;আমাদের মূল ফোকাস এখন বিদ্যুৎ উৎপাদন। দক্ষ জনবলের অভাব থাকায় সব কিছু একসঙ্গে করতে গেলে কোনোটিই মানসম্মত হবে না। তবে ফুয়েল নিয়ে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে চুক্তি আছে এবং ব্যবস্থাপনা চুক্তির কাজও অনেক দূর এগিয়েছে।&rsquo; রাষ্ট্রীয় দুই কোম্পানির বিষয় হওয়ায় পিপিএ নিয়েও তিনি চিন্তিত নন।</p>

<p>তিনি জানান, কোনো ঘাটতি থাকলে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) অনুমতি ছাড়া বাণিজ্যিক বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব নয়, তাই উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই।&nbsp;</p>

<p>রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট থেকে আগামী মাসের শেষ নাগাদ পরীক্ষামূলকভাবে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হতে পারে। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, নভেম্বরের মধ্যে ইউনিটটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে যাবে। তবে খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হতে আরও সময় লাগতে পারে।</p>

<p><strong>বিদ্যুতের দাম এখনও অজানা</strong><br />
দেশের প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী, বাণিজ্যিক উৎপাদনে যাওয়ার আগেই উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ও বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) মধ্যে পিপিএ সম্পন্ন হতে হয়, যার ভিত্তিতে পাইকারি দাম বা ট্যারিফ নির্ধারিত হয়। তবে রূপপুরের ক্ষেত্রে বাণিজ্যিক উৎপাদন ঘনিয়ে এলেও এই চুক্তি সই হয়নি। পিডিবি প্রকল্পের মোট নির্মাণ ব্যয় ও পরিচালন খরচ চেয়ে বারবার চিঠি পাঠালেও রূপপুর কর্তৃপক্ষের সাড়া মেলেনি।&nbsp;</p>

<p>পরমাণু শক্তি কমিশনের কর্মকর্তারা বলছেন, পারমাণবিক কেন্দ্রের ট্যারিফ নির্ধারণ প্রক্রিয়া সাধারণ গ্যাস বা কয়লাভিত্তিক কেন্দ্রের চেয়ে জটিল, কারণ এখানে ঋণের কিস্তি, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও ডিকমিশনিং ব্যয়ের মতো দীর্ঘমেয়াদি খাত যুক্ত থাকে।</p>

<p>ট্যারিফ চুক্তি না হওয়ায় বিদ্যুতের সম্ভাব্য দাম নিয়ে একেক সময় একেক তথ্য এসেছে। ২০২০ সালে প্রতি ইউনিটের দাম চার থেকে সাড়ে চার টাকা দাবি করা হলেও ২০২৩ সালে সাত থেকে আট টাকা পর্যন্ত হতে পারে বলে আভাস দেওয়া হয়। বর্তমানে শুধু উৎপাদন খরচই ধরা হচ্ছে চার টাকা ৩১ পয়সা। এর সঙ্গে যখন রাশিয়ার ঋণের সুদ, বিদেশি জনবলের পরিচালন ব্যয় এবং উচ্চ তেজস্ক্রিয় বর্জ্য ব্যবস্থাপনার খরচ যুক্ত হবে, তখন প্রকৃত দাম জানা যাবে।&nbsp;</p>

<p>কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক শামসুল আলম বলেন, &lsquo;আমার কাছে যতটুকু তথ্য-উপাত্ত এসেছে, তাতে রূপপুরে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ১১-১২ টাকা হতে পারে।&rsquo;&nbsp;</p>

<p>তিনি আরও বলেন, পরিবেশের ঝুঁকি বিবেচনায় রূপপুর প্রকল্প বাংলাদেশের জন্য বড় ধরনের উদ্বেগের বিষয়। পরিবেশবিদরা শুরু থেকেই এই প্রকল্পের বিরোধিতা করে আসছেন। এর মধ্যেও এই প্রকল্পের স্বচ্ছতা নিয়ে রয়েছে নানান প্রশ্ন। তাই দেশের নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় নিলে রূপপুরের মতো প্রকল্প বাস্তবায়নের আগে জাতীয় ঐকমত্য জরুরি।</p>

<p><strong>স্পেন্ট ফুয়েল নিয়ে ধোঁয়াশা</strong><br />
প্রকল্পের সবচেয়ে সংবেদনশীল দিক হলো স্পেন্ট ফুয়েল বা ব্যবহৃত জ্বালানি ব্যবস্থাপনা। দেড় থেকে দুই বছর চলার পর রিঅ্যাক্টরের কার্যকারিতা ধরে রাখতে প্রতিবার এক-তৃতীয়াংশ জ্বালানি পরিবর্তন করতে হয়, যা প্রচণ্ড উত্তপ্ত ও উচ্চমাত্রার তেজস্ক্রিয়াসম্পন্ন। বাংলাদেশের মতো ঘনবসতিপূর্ণ দেশে এটি স্থায়ী সংরক্ষণের অবকাঠামো না থাকায় শুরুতে পরিকল্পনা ছিল এই বর্জ্য রাশিয়ায় ফেরত পাঠানো হবে। দুই দেশের মধ্যে এই বিষয়ে একটি আন্তঃরাষ্ট্রীয় সম্মতিপত্র সই হলেও স্পেন্ট ফুয়েল রাশিয়ায় ফেরত নেওয়ার কোনো চূড়ান্ত বা বাধ্যতামূলক চুক্তি এখনও সম্পাদিত হয়নি। রাশিয়া এই বর্জ্য তাদের দেশে নিয়ে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করবে, নাকি পুনঃপ্রক্রিয়াজাত করে বাংলাদেশে ফেরত পাঠাবে এবং এর বিশাল ব্যয়ভার কে বহন করবে, তার আর্থিক রূপরেখা এখনও অস্পষ্ট।</p>

<p><strong>জাতীয় গ্রিডের ঝুঁকি</strong><br />
রূপপুরের বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রক্রিয়ার চেয়েও বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে জাতীয় গ্রিডের সঞ্চালন সক্ষমতা। পারমাণবিক কেন্দ্র থেকে অপরিবর্তনীয় মাত্রায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়, কিন্তু দেশের গ্রিডে বিদ্যুতের চাহিদা দিন ও রাতের ভেদে ব্যাপক ওঠানামা করে। হঠাৎ চাহিদা কমে গেলে বা ঝড়বৃষ্টির সময় গ্রিডের ফ্রিকোয়েন্সি নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে পুরো বিদ্যুৎ ব্যবস্থা ধসে পড়ার ঝুঁকি থাকে।&nbsp;</p>

<p>খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, সঞ্চালনের ফ্রিকোয়েন্সি ৪৯ হার্টজের নিচে নেমে গেলে দেশজুড়ে ব্ল্যাকআউট হতে পারে। তবে পিজিসিবি সঞ্চালন ব্যবস্থাপনা পুরোপুরি সম্পন্ন করার দাবি করেছে।&nbsp;</p>

<p>ড. জাহেদুল হাছান জানান, রাশিয়ান কর্তৃপক্ষ পিজিসিবিকে প্রয়োজনীয় গাইডলাইন অনেক আগেই সরবরাহ করেছে এবং সেই অনুযায়ী প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।</p>

<p><strong>বাকি আরও চুক্তি</strong><br />
দীর্ঘমেয়াদি পরিচালনা এবং রক্ষণাবেক্ষণসহ (ওঅ্যান্ডএম) একাধিক জরুরি দ্বিপক্ষীয় চুক্তিও চূড়ান্ত হয়নি। কেন্দ্রের পরবর্তী ৬০ থেকে ৯০ বছরের জীবনকালে নিরবচ্ছিন্ন যন্ত্রাংশ সরবরাহ ও কারিগরি জ্ঞান নিশ্চিত করা জরুরি। চুক্তি অনুযায়ী রাশিয়া প্রথম তিন বছর জ্বালানি সরবরাহ করবে, তবে এর পরের দীর্ঘমেয়াদি ইউরেনিয়াম আমদানির কোনো চুক্তি সই হয়নি। রাশিয়ার সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি অপারেশন ও রক্ষণাবেক্ষণ, যন্ত্রাংশ সরবরাহ এবং আপৎকালীন প্রযুক্তিগত সহায়তা চুক্তিগুলোর বেশির ভাগই ঝুলে আছে। কর্মকর্তারা প্রথম ইউনিট চালুর প্রস্তুতিতে ব্যস্ত থাকায় এগুলো নিয়ে তেমন আলোচনা হচ্ছে না। তবে কেন্দ্র চালু হওয়ার পর দরকষাকষি করতে গেলে পরিচালনার ব্যয় বহুগুণ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, যা পরোক্ষভাবে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়ে দেবে।</p>

<p><strong>ঋণ পরিশোধে জটিলতা</strong><br />
১২ দশমিক ৬৫ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ের রূপপুর প্রকল্প দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় একক ঋণনির্ভর প্রকল্প, যার প্রায় ১১ দশমিক ৩৮ বিলিয়ন ডলারই এসেছে রাশিয়ার এক্সিম ব্যাংকের মাধ্যমে। তবে পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার কারণে মস্কোর সঙ্গে আন্তর্জাতিক লেনদেন ব্যবস্থা জটিল হয়ে পড়ায় রাশিয়ার ঋণের অর্থ পরিশোধ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বিকল্প পদ্ধতিতে পাওনা পরিশোধের আলোচনা হলেও কার্যকর কোনো সমাধানে পৌঁছানো যায়নি। এর আগে প্রকল্পের প্রস্তুতিমূলক কাজের জন্য নেওয়া প্রায় ৫০ কোটি ডলারের ঋণ পরিশোধ শুরু হওয়ার কথা থাকলেও নিষেধাজ্ঞাজনিত কারণে তাও আটকে আছে। বর্তমানে সোনালী ব্যাংকের একটি বিশেষ হিসাবে রাশিয়ার পাওনা অর্থ জমা রাখা হচ্ছে। সুইফট ব্যবস্থায় রাশিয়ার অংশগ্রহণ সীমিত থাকায় সেই অর্থ রাশিয়ায় পাঠানোর পথ বন্ধ।&nbsp;</p>

<p>বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, সমস্যা বাংলাদেশের অনিচ্ছার কারণে নয়, বরং নিষেধাজ্ঞার কারণে রাশিয়ার ব্যাংকগুলো অর্থ গ্রহণ করতে পারছে না। ফলে রূপপুরের বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হলেও ঋণ পরিশোধ কাঠামোর এই জটিলতা প্রকল্পটির দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক ব্যবস্থাপনায় নতুন সংকট সৃষ্টি করছে।</p>

<p>বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব আনোয়ার হোসেন সমকালকে বলেন, &lsquo;সব প্রক্রিয়াই সময়সূচি অনুযায়ী এগোচ্ছে। চুল্লিতে জ্বালানি স্থাপনের পর রাশিয়ান কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় এবং আইএইএর তত্ত্বাবধানে নানা রকম পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। এ বছরের মধ্যেই প্রথম ইউনিট চালুর বিষয়ে আমরা আশাবাদী।&rsquo;</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/808-99.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিরাপত্তা কৌশল যাতে সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেয়: প্রধানমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28959</link>
    <pubDate>Mon, 06 Jul 2026 10:30:13 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28959</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1001-88.jpg" />    <p>নিরাপত্তা কৌশল যাতে সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেয়, সেদিকে বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখতে পিজিআরের সব কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।</p>

<p>প্রধানমন্ত্রী আজ রোববার দুপুরে ঢাকা সেনানিবাসে প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের (পিজিআর) ৫১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এই আহ্বান জানান।</p>

<p>তারেক রহমান বলেন, &lsquo;একটি গণতান্ত্রিক সরকারের প্রধান হিসেবে আমি জনগণের বিশ্বাস এবং ভালোবাসার ওপর আমার আস্থা ও নির্ভরতা বজায় রাখতে চাই। সুতরাং, নিরাপত্তা কৌশল যাতে সরকার প্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেয়। নিরাপত্তা কৌশল এমনভাবে বিন্যাস করা জরুরি জনগণ যাতে নিজেদেরকে সরকার প্রধান থেকে বিচ্ছিন্ন মনে না করেন। সেদিকে বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখার জন্য আমি আপনাদের প্রতি বিশেষভাবে আহবান জানাই।&rsquo;</p>

<p>প্রধানমন্ত্রী বলেন, &lsquo;বাংলাদেশ সেনাবাহিনী থেকে বিশেষভাবে নির্বাচিত ও প্রশিক্ষিত সদস্যরাই এই রেজিমেন্টে দায়িত্ব পালনের জন্য যথানিয়মে নির্বাচিত হয়ে থাকেন। অর্থাৎ, প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট সেনাবাহিনীরই অধীন একটি বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান। সুতরাং, পেশাদারিত্ব, আনুগত্য এবং শৃংঙ্খলার সমন্বয়ে পিজিআর সদস্যগণ নিজেদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব যথারীতি পালন করবেন এটিই বিধিবদ্ধ নিয়ম। আপনাদের কার্যক্রমের মাধ্যমেই পিজিআরে&rsquo;র দক্ষতা এবং একনিষ্ঠতা ফুটে উঠবে এটি আমার প্রত্যাশা।&rsquo;</p>

<p>পিজিআরের কাজটি অবশ্যই চ্যালেঞ্জিং উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, &lsquo;এর কারণ রাষ্ট্র ঘোষিত অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিরাপত্তা প্রদানের পাশাপাশি বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতার দায়িত্বপালন করাও আপনাদের অন্যতম কর্তব্য। এ দায়িত্ব পালনে আপনাদেরকে নানারকমের পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়। এসব দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে আপনাদের বিশ্বস্ততা, দায়িত্ববোধ এবং কর্তব্যপরায়ণতা &nbsp;আপনাদেরকে নিঃসন্দেহে একটি সুশৃংঙ্খল বাহিনী হিসেবে পরিচিত করেছে।&rsquo;</p>

<p>সুশৃঙ্খলতার স্বীকৃতি স্বরূপ &lsquo;পিজিআর&rsquo; চলতি বছর &lsquo;ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড&rsquo; পুরস্কারে মনোনীত হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, &lsquo;একটি বাহিনী হিসেবে এটি অবশ্যই আপনাদের জন্য অত্যন্ত গৌরবের। এই সাফল্যের জন্য আমি আপনাদের আবারো অভিনন্দন জানাই। যে কোনো প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও আপনাদের ইস্পাত কঠিন দায়িত্ববোধ অবশ্যই প্রশংসনীয়।&rsquo;</p>

<p>সশস্ত্রবাহিনীকে জনগণের সাহস এবং একটি দেশের গৌরবের প্রতীক উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে সশস্ত্রবাহিনীর সাহসী ভূমিকা সেনাবাহিনীকে বাংলাদেশের গৌরবময় ইতিহাসের সঙ্গে অবিচ্ছিন্ন এবং অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িয়ে ফেলেছে।&rsquo;</p>

<p>তিনি আরও বলেন, &lsquo;আমি বিশ্বাস করি, সশস্ত্রবাহিনী যদি দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ থেকে কঠোর নিয়মানুবর্তিতা অনুসরণ এবং পেশাদারিত্ব বজায় রাখে; তাহলে দেশের সার্বভৌমত্ব আর কখনই হুমকির মুখে পড়বে না।&rsquo;</p>

<p>পিজিআরের প্রতি প্রত্যাশা রেখে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি আশা করব, পিজিআরের মত বিশেষায়িত বাহিনীর সর্বোচ্চ সফলতার জন্য আধুনিক নিরাপত্তা কৌশল এবং প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি &nbsp;প্রতিটি সদস্যের সাহস, সততা, বিশ্বস্ততা, সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, নিয়মানুবর্তিতা এবং সর্বোপরি &lsquo;চেইন অব কমান্ড&rsquo; অনুসরণ- এই বিষয়গুলো কঠোরভাবে মেনে চলা অপরিহার্য।</p>

<p>একটি বিশেষায়িত বাহিনী হিসেবে সাহস, দক্ষতা, কৌশল এবং সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে পিজিআরেরও পিছিয়ে থাকার সুযোগ নেই উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, &lsquo;যেকোনো বাহিনীর সামনে প্রচলিত চ্যালেঞ্জের বাইরেও বর্তমানে আর্থ-সামাজিক বা ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং তথ্যপ্রযুক্তির অবাধ বিকাশের ফলে বহুমাত্রিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে। তাইতো সাইবার যুদ্ধ, ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার, ড্রোন যুদ্ধ কিংবা তথ্যযুদ্ধ এসব নতুন নতুন ক্ষেত্রগুলো উপেক্ষা করার সুযোগ নেই।&rsquo;</p>

<p>তিনি আরও বলেন, &lsquo;এসব বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শুধুমাত্র পিজিআরই নয় প্রতিটি বাহিনীকেই আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নিজেদেরকে সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রাখা জরুরি।&rsquo;</p>

<p>তারেক রহমান বলেন, &lsquo;সশস্ত্রবাহিনীর পাশাপাশি পিজিআর কিংবা এসএসএফের মতো সফিস্টিকেটেড বাহিনীগুলোকে সরকার আরো আধুনিকায়নের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এ বিষয়ে যথানিয়মে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।&rsquo;</p>

<p>বক্তব্যের শুরুতে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রপতি এবং রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির নিরাপত্তায় ১৯৭৫ সালের এইদিনে প্রথমে &lsquo;রাষ্ট্রপতির দেহরক্ষী ইউনিট&rsquo; নামে একটি নতুন রেজিমেন্ট আত্মপ্রকাশ করেছিল। পরবর্তীতে তৎকালীন সেনাবাহিনী প্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান ১৯৭৫ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর &lsquo;রাষ্ট্রপতির দেহরক্ষী ইউনিট&rsquo;কে &lsquo;প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট&rsquo; হিসেবে নামকরণ করেন। নতুন এ নামকরণ রেজিমেন্টের কার্যক্রমকে আরও দৃঢ় ও গতিশীল করতে ইতিবাচক প্রভাব রাখে।</p>

<p>পিজিআরের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই দিনে নিজের জীবনের সবচেয়ে শোকাবহ এবং হৃদয় বিদারক ঘটনার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, &lsquo;আমার পিতা বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাহাদাতের কথা মনে পড়ছে। ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বরণের সময় কর্তব্য পালনরত পিজিআরের কয়েকজন সদস্যও শহীদ হয়েছিলেন। আজকের এই বিশেষ দিনে আমি পিজিআরের সেই শহীদদের গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করছি। আল্লাহর দরবারে তাদের মাগফিরাত কামনা করছি।&rsquo;</p>

<p>তিনি আরও বলেন, দায়িত্ব পালনের সময় তাদের নির্মম মৃত্যুর মাধ্যমে রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানের নিরাপত্তার প্রতি অটল আনুগত্য, কর্তব্যপরায়ণতা এবং জীবন উৎসর্গের যে চূড়ান্ত দৃষ্টান্ত উপস্থাপিত হয়েছে এটি অবশ্যই পিজিআরের সদস্যদের জন্য একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।</p>

<p>অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী কেক কেটে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর উদ্বোধন করেন। তিনি পিজিআর সদর দপ্তরে একটি গাছের চারা রোপণ করেন। এ সময় তিনি চট্টগ্রামে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সঙ্গে শহীদ হওয়া পাঁচ পিজিআর সদস্যের পরিবারের খোঁজ নেন এবং তাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন।</p>

<p>প্রসঙ্গত, প্রতি বছর ৫ জুলাই প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের (পিজিআর) প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়। ১৯৭৫ সালের এই দিনে স্বাধীন বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতির নিরাপত্তা ও প্রটোকল নিশ্চিত করতে বিশেষায়িত এই বাহিনী গঠিত হয়। ঢাকা সেনানিবাসে পিজিআর সদর দপ্তরে বার্ষিক দরবার ও সুসজ্জিত কুচকাওয়াজের মাধ্যমে দিনটি উদ্যাপন করা হয়।</p>

<p>পিজিআর মূলত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি বিশেষায়িত ইউনিট। এটি বঙ্গভবনে মহামান্য রাষ্ট্রপতির দৈনন্দিন নিরাপত্তা ও অন্যান্য সামরিক দায়িত্ব পালন করে।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1001-88.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিউইয়র্কে ভয়াবহ গোলাগুলি, ৪ শিশুসহ গুলিবিদ্ধ ৮]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28958</link>
    <pubDate>Mon, 06 Jul 2026 10:29:11 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28958</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1124-77.jpg" />    <article>
<p>যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে কোনি আইল্যান্ডে ভয়াবহ গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে চার শিশুসহ অন্তত আটজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।</p>
</article>

<article>আহতদের মধ্যে এক নারীর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। <strong>খবর <a href="https://www.nbcnews.com/news/us-news/eight-people-shot-coney-island-four-children-nypd-rcna353013" target="_blank">এনবিসি নিউজ</a></strong>

<p>&nbsp;</p>

<p>নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগের (এনওয়াইপিডি) এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, স্থানীয় সময় শনিবার (৪ জুলাই) রাত আনুমানিক ১০টা ৩৭ মিনিটে একাধিক ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। সেখানে আটজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে পাঠানো হয়।</p>

<p>পুলিশ জানায়, ভুক্তভোগীদের বয়স ৬ থেকে ৩৭ বছরের মধ্যে।</p>
</article>

<article>আহতদের মধ্যে সাতজনের অবস্থা স্থিতিশীল। তবে বুকে গুলিবিদ্ধ ২১ বছর বয়সী এক তরুণীর অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক।
<p>&nbsp;</p>

<p>বিবৃতিতে আরো বলা হয়, আহত শিশুদের মধ্যে একটি ৬ বছর বয়সী ছেলের পেটে, ৭ বছর বয়সী ছেলের দুই পায়ে, ১২ বছর বয়সী ছেলের পায়ে এবং ১৪ বছর বয়সী কিশোরের ঊরুতে গুলি লেগেছে।</p>

<p>ঘটনাস্থল থেকে একটি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ।</p>
</article>

<article>তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহভাজনদের শনাক্ত করতে তদন্তকারীরা তৎপরতা চালাচ্ছেন বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>এদিকে কোনি আইল্যান্ড থেকে বাসে ৪৭ মিনিটের দূরত্বে অবস্থিত নিউইয়র্ক নিউজার্সি স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রাত ২টায় ফুটবল বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে মাঠে নামার কথা রয়েছে ব্রাজিলের। এতে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের প্রতিপক্ষ আরলিং হালান্ডের নরওয়ে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1124-77.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ইউক্রেনে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা, নিহত ৭]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28957</link>
    <pubDate>Mon, 06 Jul 2026 10:28:31 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28957</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1241-66.jpg" />    <article>
<p>ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে সোমবার (৬ জুলাই) ভোরে ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে রুশবাহিনী। এতে সাতজন নিহত এবং আরো ২৪ জন আহত হয়েছেন।</p>
</article>

<article>হামলায় বেশ কয়েকটি বহুতল আবাসিক অ্যাপার্টমেন্ট ও বাণিজ্যিক ভবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। <a href="https://www.reuters.com/world/ukrainian-capital-kyiv-under-missile-attack-officials-say-2026-07-05/">কিয়েভের সামরিক প্রশাসনের প্রধান তিমুর তাকাচেঙ্কো ও মেয়র ভিতালি ক্লিচকো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন</a>।

<p>&nbsp;</p>

<p>মেয়র ভিতালি ক্লিচকো জানান, হামলার পর উদ্ধারকারী দলগুলো রাতভর বিধ্বস্ত ভবনগুলো থেকে বাসিন্দাদের নিরাপদে বের করে আনার জন্য কাজ করেছে। রাজধানীর পোডিলস্কি জেলায় মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত একটি অ্যাপার্টমেন্ট ভবনের ধ্বংসস্তূপ থেকে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।</p>
</article>

<article>এই এলাকাটি থেকে মোট ১৫ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে, যার মধ্যে তিনজন নারী ও ছয়টি শিশুও রয়েছে।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>কিয়েভের পূর্বাঞ্চলীয় দারনিৎস্কি জেলাতেও রুশবাহিনী ব্যাপক তাণ্ডব চালিয়েছে। প্রশাসনের দেওয়া তথ্যমতে, একটি ২৫ তলা অ্যাপার্টমেন্ট ভবনে ড্রোনের টুকরো আঘাত হানলে দুজন নিহত হন। পাশেই অবস্থিত একটি ৩০ তলা ভবনে আগুন লেগে যায়।</p>
</article>

<article>উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবারের (২ জুলাই) এক হামলায় এই ভবনটিতে ব্যাপক প্রাণহানি হয়েছিল। সে সময় রাশিয়ার ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ৩০ জন নিহত হন।
<p>&nbsp;</p>

<p>রয়টার্সের প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সোমবার ভোরে রাজধানী ও তার আশপাশে একের পর এক বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। আকাশজুড়ে ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা যায় এবং রুশ ড্রোন ঠেকাতে ইউক্রেনের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় ছিল। ভয়াবহ এই হামলার পর কিয়েভের বহুতল ভবনগুলোতে আগুন লেগে যায় এবং ভেতরের অংশ ধসে পড়ে।</p>
</article>

<article>হামলার কারণে বাতাসে বিষাক্ত ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ায় শহরের বায়ুর গুণমান মারাত্মকভাবে নষ্ট হয়েছে। এ কারণে প্রশাসন বাসিন্দাদের ঘরের জানালা বন্ধ রাখার পরামর্শ দিয়েছেন। নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে শহরের হাজার হাজার বাসিন্দা মেট্রো স্টেশন ও ভূগর্ভস্থ পার্কিং গ্যারেজগুলোতে ভিড় জমান।
<p>&nbsp;</p>

<p>এই হামলার আগেই ইউক্রেনের রাষ্ট্রপতি ভলোদিমির জেলেনস্কি দেশবাসীকে সম্ভাব্য রুশ বিমান হামলা সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন। এদিকে ইউক্রেনের প্রতিবেশী এবং ন্যাটো ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সদস্য দেশ পোল্যান্ড, নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে অল্প সময়ের জন্য আকাশে যুদ্ধবিমান উড়িয়েছিল।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1241-66.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[পাকিস্তানে অগ্নিকাণ্ডে ৭২ জন নিহতের ঘটনায় বিচারের মুখোমুখি ১১ বছরের শিশু]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28956</link>
    <pubDate>Mon, 06 Jul 2026 10:27:51 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28956</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1344-55.jpg" />    <article>
<p>পাকিস্তানে করাচির গুল প্লাজা শপিং সেন্টারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৭২ জনের প্রাণহানির ঘটনায় ১১ বছর বয়সী এক শিশু বিচারের মুখোমুখি হচ্ছে। আদালতে জমা দেয়া একটি অভিযোগপত্র সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।</p>
</article>

<article><strong>খবর <a href="https://gulfnews.com/world/asia/pakistan/11-year-old-to-face-trial-in-karachi-gul-plaza-fire-that-killed-72-1.500597458" target="_blank">গালফ নিউজ</a></strong>

<p>&nbsp;</p>

<p>গত শনিবার (৪ জুলাই) জেলা পাবলিক প্রসিকিউটর আবদুল রাজ্জাক গুজ্জারের মাধ্যমে এই অভিযোগপত্রটি দাখিল করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। এতে ১১ বছরের শিশু হুজাইফা, তার বাবা ভবনটিতে থাকা একটি কৃত্রিম ফুলের দোকানের মালিক নিয়ামতউল্লাহ এবং গুল প্লাজা ম্যানেজমেন্ট কমিটির চার সদস্যসহ মোট ছয়জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।</p>

<p>গত ১৭ জানুয়ারি সংঘটিত এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৭২ জন নিহত হওয়ার পাশাপাশি আটজন আহত হন। আগুনে ওই বাণিজ্যিক কমপ্লেক্সের ১ হাজার ১০০-রও বেশি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়।</p>
</article>

<article>এর ফলে করাচির অন্যতম ব্যস্ত এই শপিং সেন্টারে ব্যাপক আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি হয়।
<p>&nbsp;</p>

<p>অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা তদন্তের ফলাফল, প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ এবং ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় রেকর্ডকৃত জবানবন্দি অনুযায়ী, ওই ১১ বছর বয়সী শিশুকে দোকানের ভেতর দেশলাই কাঠি নিয়ে খেলার সময়ই আগুনের সূত্রপাত হয়। আরিয়ান নামের এক ১৩ বছর বয়সী প্রত্যক্ষদর্শী আরেক কিশোর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে জবানবন্দিতে জানায়, হুজাইফা যখন দেশলাই কাঠি নিয়ে খেলছিল এবং হঠাৎ আগুন জ্বলে ওঠে, তখন সে ওই দোকানেই উপস্থিত ছিল।</p>

<p>মোহাম্মদ তালহা এবং হামজা আমির নামের আরও দুজন প্রত্যক্ষদর্শী এই বক্তব্যকে সমর্থন করেছেন।</p>
</article>

<article>তারা অভিযোগ করেন, শিশুটির বাবা নিয়ামতউল্লাহ নিয়মিতভাবে তার অপ্রাপ্তবয়স্ক ছেলেকে দোকানে একা থাকতে এবং দোকান চালাতে দিতেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>তদন্তে গুল প্লাজা ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্যদেরও অবহেলার জন্য দায়ী করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, তারা নিরাপত্তা বিধিমালা কার্যকর করতে বা অপ্রাপ্তবয়স্কদের দ্বারা দোকান পরিচালনা বন্ধ করতে ব্যর্থ হয়েছেন। ভবনটিতে মৌলিক অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল না বললেই চলে বা যা ছিল তা অত্যন্ত অপর্যাপ্ত বলেও অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।</p>

<p>ভবনের জরুরি প্রস্থানের পথগুলো (এক্সিট পয়েন্ট) তালাবদ্ধ বা অবরুদ্ধ ছিল, অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রের সংখ্যা ছিল অপ্রতুল, কোনো ফায়ার হাইড্রেন্ট সিস্টেম ছিল না এবং জরুরি ব্যাকআপ লাইটেরও কোনো ব্যবস্থা ছিল না।</p>
</article>

<article>এই ত্রুটিগুলোর কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার সময় ভবনের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়লে পুরো স্থাপনা অন্ধকারে নিমজ্জিত হয় এবং অগ্নিকাণ্ডের ভয়াবহতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
<p>&nbsp;</p>

<p>অভিযোগপত্রে আরও দাবি করা হয়েছে, ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্যরা ফায়ার ব্রিগেড বা উদ্ধারকারী সংস্থাকে সময়মতো খবর দিতে ব্যর্থ হয়েছেন। ঘটনার সেই সংকটপূর্ণ শুরুর মূহূর্তে তাদের কল ডেটা রেকর্ড (সিডিআর) পর্যালোচনা করে জরুরি সেবার নম্বরে কোনও কল করার প্রমাণ পাওয়া যায়নি।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1344-55.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[মুম্বাইয়ে রেড অ্যালার্ট জারি]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28955</link>
    <pubDate>Mon, 06 Jul 2026 10:27:00 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28955</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1408-44.jpg" />    <article>
<p>ভারতের মুম্বাই ও আশপাশের শহরগুলোতে রাতভর ভারি বৃষ্টিপাত হয়েছে। এতে গত ২৪ ঘণ্টায় শহরের কয়েকটি এলাকায় ৩০০ মিলিমিটারেরও বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।</p>
</article>

<article>তবে রবিবার সকালে বৃষ্টির তীব্রতা কিছুটা কমলেও আরও ভারি থেকে অতিভারি বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>ফলে পরিস্থিতি আরো খারাপ হতে পারে এমন আশঙ্কায় &lsquo;রেড অ্যালার্ট&rsquo; জারি রেখেছে ভারতীয় আবহাওয়া অধিদপ্তর (আইএমডি)। এমন অবস্থায় জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না গিয়ে&nbsp;সবাইকে ঘরে থাকার অনুরোধ জানিয়েছে মুম্বাইয়ের নগর কর্তৃপক্ষ ব্রিহানমুম্বাই মিউনিসিপ্যাল করপোরেশন (বিএমসি)।</p>

<p>ভারতীয় সংবাদমাধ্যম <a href="https://www.ndtv.com/india-news/imd-weather-forecast-mumbai-rain-red-alert-in-mumbai-amid-heavy-rain-civic-body-urges-people-to-stay-indoors-11729178">এনডিটিভি</a> বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় শহরের কয়েকটি এলাকায় ২০০ মিলিমিটারের বেশি এবং কয়েকটি স্থানে ৩০০ মিলিমিটারেরও বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>রবিবার সকালে মেট্রো ও ব্রিহানমুম্বাই ইলেকট্রিক সাপ্লাই অ্যান্ড ট্রান্সপোর্টের (বেস্ট) বাস চলাচল স্বাভাবিক ছিল। তবে যাত্রীরা জানিয়েছেন, শহরতলির ট্রেন চলাচলে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে।</p>

<p>এমন অবস্থায় জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সহায়তার জন্য বিএমসির ১৯১৬ নম্বর হেল্পলাইনে যোগাযোগ করতে এবং সব ধরনের সতর্কবার্তা মেনে চলতে নাগরিকদের অনুরোধ জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।&nbsp;বিশেষ করে নিচু এলাকা ও উপকূলবর্তী অঞ্চলে চলাচলে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।</p>
</article>

<article>কারণ এদিন বিকেল ৩টার পর ৪ দশমিক ১৯ মিটার উচ্চতার জোয়ারের পূর্বাভাস রয়েছে। এছাড়া আগামীকাল সোমবার ভোর ৩টা ৪১ মিনিটে ৩ দশমিক ৫১ মিটার উচ্চতার আরেকটি জোয়ার হতে পারে।
<p>&nbsp;</p>

<p>এর আগে শনিবারের প্রবল বর্ষণে মাত্র ১২ ঘণ্টায় মুম্বাইয়ের বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ২০০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়। এতে নিচু এলাকা প্লাবিত হয়, বিভিন্ন সড়কে ধস নামে, গাছ উপড়ে পড়ে, ঘরবাড়ি ধসে পড়ে এবং সড়ক ও রেল চলাচল ব্যাহত হয়। টানা বৃষ্টিতে পাশের থানে, পালঘর, নবি মুম্বাই এবং পুনে অঞ্চলও ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।</p>
</article>

<article>কোথাও ভূমিধস, কোথাও জলাবদ্ধতার কারণে সড়ক বন্ধ হয়ে গেছে। বন্যাকবলিত এলাকা থেকে মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়েও নেওয়া হয়েছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>আইএমডি জানিয়েছে, রোববারও কয়েকটি এলাকায় ভারি এবং বিচ্ছিন্নভাবে কোথাও কোথাও অতিভারি বৃষ্টিপাত হতে পারে। এছাড়া শহর ও আশপাশের এলাকায় ঘণ্টায় ৫৫ থেকে ৬৫ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বয়ে যেতে পারে বলেও পূর্বাভাস দিয়েছে সংস্থাটি।</p>

<p>বিএমসির তথ্য অনুযায়ী, রবিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় মুম্বাইয়ের বিভিন্ন স্থানে ২০০ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি এলাকায় ৩০০ মিলিমিটারেরও বেশি বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ৩১০ দশমিক ৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে ভিখরোলি পশ্চিমের বিল্ডিং প্রপোজাল অফিস এলাকায়। এরপর কোলাবা পাম্পিং স্টেশনে ৩০৬ দশমিক ৬ মিলিমিটার এবং ভিখরোলির ঠাকুর নগর মিউনিসিপ্যাল স্কুল এলাকায় ৩০১ দশমিক ৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।</p>

<p>এ ছাড়া মালাবার হিল, মান্ডাভি ফায়ার স্টেশন, কোলাবা, মেমনওয়াড়া ফায়ার স্টেশন, ভিখরোলি ফায়ার স্টেশন, পাওয়াইয়ের পাসপোলি মিউনিসিপ্যাল স্কুল, ভান্ডুপ কমপ্লেক্স, আন্দেরি ফায়ার স্টেশন, চাকালা মিউনিসিপ্যাল স্কুল, জোগেশ্বরী এবং গোরেগাঁওয়ের আরে কলোনিসহ বিভিন্ন এলাকায় ২০০ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।</p>

<p>এর আগে গতকাল শনিবার দুপুরে রেললাইনে পানি জমে যাওয়ায় সেন্ট্রাল রেলওয়ে ও ওয়েস্টার্ন রেলওয়ের শহরতলির ট্রেন চলাচল কিছু সময়ের জন্য ব্যাহত হয়।</p>

<p>এছাড়া কারিগরি ত্রুটির কারণে মেট্রোর ২এ লাইনের পরিষেবাও সাময়িকভাবে বিঘ্নিত হয়।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1408-44.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[‘এখানেই শুরু, এখানেই শেষ হলো’ বলে অবসরের ইঙ্গিত নেইমারের]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/28954</link>
    <pubDate>Mon, 06 Jul 2026 10:26:16 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/28954</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1493-33.jpg" />    <article>
<p>নরওয়ের কাছে হেরে বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিলের বিদায়ের পর আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ইঙ্গিত দিয়েছেন নেইমার জুনিয়র। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে পেনাল্টি থেকে ব্রাজিলের হয়ে একমাত্র গোলটি করার পরও দলের ২-১ ব্যবধানের হার ঠেকাতে পারেননি তিনি।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>ব্রাজিলের &lsquo;গ্লোভো টিভি&rsquo;কে দেওয়া এক আবেগঘন সাক্ষাৎকারে নেইমার বলেন, &lsquo;বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্নের ইতি ঘটেছে। এখন সব শেষ। আমি চেষ্টা করেছি, সত্যিই চেষ্টা করেছি। এখানেই আমার শুরু হয়েছিল, এখানেই শেষ হলো।</p>
</article>

<article>&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>কাকতালীয়ভাবে, ২০১০ সালে এই নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামেই যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে ব্রাজিলের জার্সিতে অভিষেক হয়েছিল নেইমারের। দীর্ঘ ১৬ বছর পর সেই একই মাঠে দাঁড়িয়েই এবার বিদায়ের বার্তা দিলেন সেলেসাওদের এই সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা।</p>

<p>যদি এই ম্যাচের মাধ্যমেই নেইমারের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের সমাপ্তি ঘটে, তবে ব্রাজিলের হয়ে ১৩০ ম্যাচে ৮০টি গোল এবং ৫৮টি অ্যাসিস্টের এক দুর্দান্ত পরিসংখ্যান নিয়ে মাঠ ছাড়ছেন তিনি। এদিকে হলুদ জার্সিতে চারটি বিশ্বকাপ খেলেও কোন শিরোপা জিততে না পারা দ্বিতীয় খেলোয়াড় হলেন তিনি।</p>
</article>

<article>থিয়াগো সিলভা এর আগে একমাত্র এমন অভিজ্ঞতা নিয়ে অবসরে গিয়েছিলেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>দীর্ঘ ১৬ বছরের ক্যারিয়ারে সেলেসাওদের হয়ে ২০১৩ সালের কনফেডারেশনস কাপ এবং ২০১৬ রিও অলিম্পিকে অনূর্ধ্ব-২৩ দলের হয়ে একটি স্বর্ণপদকই নেইমারের একমাত্র আন্তর্জাতিক সাফল্য।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1493-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[দুজন দুই ধর্মের অনুসারী, কোন রীতিতে বিয়ে করলেন আমির-গৌরী?]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/28953</link>
    <pubDate>Mon, 06 Jul 2026 10:25:29 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/28953</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1534-22.jpg" />    <article>
<p>বলিউড সুপারস্টার আমির খান ও গৌরী স্প্র্যাটের বিয়ে নিয়ে কয়েক মাস ধরেই ছিল ভক্তদের কৌতূহল। অবশেষে রবিবার (৫ জুলাই) ঘনিষ্ঠ স্বজনদের উপস্থিতিতে জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করেছেন এই যুগল।</p>
</article>

<article>তবে বিয়ের পর সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে একটি বিষয়&mdash;ভিন্ন ধর্মাবলম্বী হওয়া সত্ত্বেও কোন রীতিতে বিয়ে করলেন তারা?
<p>&nbsp;</p>

<p>ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে জানিয়েছে, মুম্বাইয়ের বান্দ্রায় আমির খানের বাসভবনে একেবারে ঘরোয়া আয়োজনে সম্পন্ন হয়েছে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা। দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটে নিবন্ধনপত্রে স্বাক্ষরের মাধ্যমে আইনি প্রক্রিয়ায় বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তারা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দুই পরিবারের সদস্য, ঘনিষ্ঠ বন্ধু এবং আমিরের তিন সন্তান&mdash;জুনায়েদ, ইরা ও আজাদ।</p>

<p><img alt="Aamir Khan, Gauri Spratt celebrate romantic first dance after they exchange  wedding vows" src="https://d3lzcn6mbbadaf.cloudfront.net/media/details/ANI-20260705125342.jpg" /></p>

<p>আমির খান মুসলিম এবং গৌরী স্প্র্যাট হিন্দু ধর্মাবলম্বী।</p>
</article>

<article>তাই তারা ধর্মীয় কোনো আচার-অনুষ্ঠানের পরিবর্তে ভারতের স্পেশাল ম্যারেজ অ্যাক্ট অনুযায়ী রেজিস্ট্রি বিয়ে করেছেন। এই আইনের আওতায় ভিন্ন ধর্মের দুজন ব্যক্তি ধর্ম পরিবর্তন ছাড়াই আইনিভাবে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হতে পারেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>বিয়ের আগে ভ্যারাইটি ইন্ডিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আমির বলেছিলেন, &lsquo;বিয়েটি খুবই ব্যক্তিগত আয়োজনে হবে। আমার বাড়িতে খুব সাধারণ আয়োজনে রেজিস্ট্রি বিয়ে হবে।</p>
</article>

<article>বিয়েতে দুই পরিবারের সদস্যরা এবং খুব ঘনিষ্ঠ বন্ধুরা উপস্থিত থাকবেন।&rsquo; শেষ পর্যন্ত ঠিক সেই পরিকল্পনাই বাস্তবায়ন করেছেন তিনি।
<p>&nbsp;</p>

<p><img alt="Aamir Khan, Gauri Spratt are surrounded by love and family in first wedding  photo - India Today" src="https://akm-img-a-in.tosshub.com/indiatoday/images/story/202607/first-official-wedding-picture-of-aamir-khan-and-gauri-spratt-051412107-3x4.png?VersionId=C9Hm16Zki89PkjFT1Vs7RlODiWGFdRSH" /></p>

<p>এদিকে বিয়ের কিছুক্ষণ পরই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে অনুষ্ঠানের একটি ভিডিও। ভিডিওতে দেখা যায়, পাশাপাশি বসে আছেন আমির ও গৌরী। তাদের মাঝখানে বসে রয়েছে গৌরীর আগের সংসারের ছোট ছেলে।</p>
</article>

<article>ঠিক পেছনের সারিতে বসে আছেন আমিরের ছেলে জুনায়েদ ও মেয়ে ইরা। শপথবাক্য শেষ হতেই করতালিতে মুখর হয়ে ওঠে পুরো আয়োজন। এরপর গৌরীর হাতে চুম্বন করেন আমির, যা উপস্থিত অতিথিদের আবেগাপ্লুত করে।
<p>&nbsp;</p>

<p>ভিডিওর আরেকটি অংশে নবদম্পতিকে একসঙ্গে নাচতে দেখা যায়। তাদের সঙ্গে আনন্দে যোগ দেন পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুরাও। ভারতের সাবেক ক্রিকেটার ইরফান পাঠান নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিওটি প্রকাশ করে নবদম্পতিকে শুভেচ্ছা জানান। এরপর থেকেই ভিডিওটি দ্রুত ভাইরাল হয়ে পড়ে।</p>

<p><img alt="Aamir Khan Gauri Spratt exchange wedding vows dance their heart out - India  Today" src="https://akm-img-a-in.tosshub.com/indiatoday/images/story/202607/aamir-khan--gauri-spratt-050438548-3x4.jpg?VersionId=YK.Mj2yAnMbqfLndnxyaBlYr37aECeyc" /></p>

<p>আমির ও গৌরীর পরিচয় প্রায় ২৫ বছরের পুরোনো। তবে দীর্ঘদিন যোগাযোগ না থাকলেও দুই বছরের বেশি আগে আবার তাদের মধ্যে যোগাযোগ শুরু হয়। সেখান থেকেই গড়ে ওঠে প্রেমের সম্পর্ক। চলতি বছরের মার্চে নিজের ৬০তম জন্মদিনে প্রথমবারের মতো গৌরীর সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়টি প্রকাশ্যে আনেন আমির। পরে গত মাসে বিয়ের সিদ্ধান্তের কথা জানান তিনি।</p>

<p>এটি আমির খানের তৃতীয় বিয়ে। প্রথম স্ত্রী রীনা দত্তের সঙ্গে তার দুই সন্তান&mdash;জুনায়েদ ও ইরা। পরে নির্মাতা কিরণ রাওকে বিয়ে করেন তিনি। সেই সংসারে রয়েছে ছেলে আজাদ। অন্যদিকে, গৌরী স্প্র্যাটেরও আগের সংসারের একটি ছেলে রয়েছে। নতুন এই অধ্যায়ে দুই পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিই ছিল তাদের বিয়ের সবচেয়ে বড় বিশেষত্ব।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1534-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নাটকীয় ম্যাচে মেক্সিকোকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ১০ জনের ইংল্যান্ড]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/28952</link>
    <pubDate>Mon, 06 Jul 2026 10:24:08 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/28952</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1633-11.jpg" />    <article>
<p>প্রত্যাবর্তনের দারুণ সুযোগ ছিল মেক্সিকোর। ৫৪ মিনিটে ইংল্যান্ড ১০ জনের দলে পরিণত হওয়ায়।</p>
</article>

<article>কিন্তু সেই সুযোগটা কাজে লাগাতে পারল না স্বাগতিকরা। তাতে ফল যা হওয়ার তাই হলো। ইংল্যান্ডের কাছে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিলো।
<p>&nbsp;</p>

<p>মেক্সিকো সিটিতে আজ ৩-২ ব্যবধানে পরাজয় দেখেছে মেক্সিকো।</p>
</article>

<article>ইংল্যান্ডের হয়ে জোড়া গোল করেছেন জুড বেলিংহাম। অন্যটি পেনাল্টি থেকে করেছেন হ্যারি কেইন। মেক্সিকোর হয়ে জাল খুঁজে পান জুলিয়ান কুইনোনেসের বিপরীতে রাউল হিমিনেজ।
<p>&nbsp;</p>

<p>ইংল্যান্ডের জয়ের আগে নাটকীয় এক ম্যাচই দেখল ফুটবল বিশ্ব।</p>
</article>

<article>ম্যাচের বয়স আধা ঘণ্টার বেশি পেরিয়েও গোলের দেখা না পাওয়া ম্যাচ হঠাৎ করেই জোড়া দেখল। সেটিও ২ মিনিটের ব্যবধানে। যেন কোনো ম্যাচের হাটলাইটস চলছিল।
<p>&nbsp;</p>

<p>সেই হাইলাইটসের কেন্দ্রীয় চরিত্র হলেন বেলিংহাম। ৩৬ মিনিটে ডান প্রান্ত থেকে বুকায়ো সাকার ক্রসে প্রথম গোলটি হেডে করেন ইংল্যান্ডের মিডফিল্ডার।</p>
</article>

<article>সেই গোলের রেশ শেষ না হতেই দ্বিতীয়টির দেখা পান রিয়াল মাদ্রিদের মিডফিল্ডার। ৩৮ মিনিটের গোলে অ্যাসিস্ট করেন অধিনায়ক সাকা। তাতে স্তব্ধ হয়ে যান স্বাগতিকদের সমর্থকরা।
<p>&nbsp;</p>

<p>তবে ম্যাচে ফিরতে খুব বেশি সময় নিল না মেক্সিকো। ৪২ মিনিটে গোল করে পুরো গ্যালারিকে উজ্জ্বীবিত করলেন কুইনোনেস। তাতে ২-১ গোলের ব্যবধানে বিরতিতে যায় মেক্সিকো।&nbsp;</p>

<p>বিরতির পর দিল খুশ হওয়ার মতো এক সিদ্ধান্ত আসে মেক্সিকোর পক্ষে। মেক্সিকোর ডিফেন্ডার জেসুস গ্যালার্দোকে ফাউল করলে ৫৪ মিনিটে ভিএআরের সহায়তা জ্যারল কুয়েনশাকে সরাসরি লাল কার্ড দেখান রেফারি। তাতে বাকি সময় ১০ জন হয় ইংল্যান্ড।</p>

<p>কিন্তু ইংল্যান্ডের ডিফেন্ডারের মাঠ ছাড়ার সুবিধা নিতে পারেনি মেক্সিকো। উল্টো ৬০ মিনিটে পেনাল্টিতে আরেক গোল হজম করে তারা। সফল স্পটকিকটি নেন কেইন। বিপরীতে ম্যাচে ফেরার সুযোগ পায় মেক্সিকোও। ৬৯ মিনিটে তারাও একটি পেনাল্টি পায়। পেনাল্টি থেকে গোল করে ব্যবধান ৩-২ করেন হিমিনেজ। ব্যবধান কমলেও বাকি সময় আর সমতায় ফিরতে পারেনি মেক্সিকো। ১০ জনের ইংল্যান্ডকে পেয়েও তাই হতাশ হয়েই মাঠ ছাড়তে হলো স্বাগতিকদের।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1633-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[অলাভজনক রাষ্ট্রায়ত্ত কলকারখানা চালুর প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28951</link>
    <pubDate>Sun, 05 Jul 2026 09:06:36 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28951</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/807-99.jpg" />    <article>
<p>দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের মাধ্যমে অলাভজনক ও বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত কলকারখানা পুনরায় চালুর প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।</p>

<p>শনিবার (৪ জুলাই) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অলাভজনক ও বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত কলকারখানা পুনরায় চালুর প্রক্রিয়াগত অগ্রগতি নিয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় তিনি এ নির্দেশ দেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>সভায় জানানো হয়, এসব কলকারখানায় বিনিয়োগে অনেক বেসরকারি কম্পানি আগ্রহ প্রকাশ করেছে। কম্পানিগুলো যে ধরনের শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ার প্রস্তাব দিয়েছে, সেগুলোর সম্ভাব্যতা এখন যাচাই করা হবে।</p>

<p>প্রধানমন্ত্রী পুরো প্রক্রিয়াটি স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে অপ্রয়োজনীয় সময়ক্ষেপণ এড়িয়ে দ্রুত প্রক্রিয়া শেষ করার নির্দেশও দেন তিনি।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য, শিল্প এবং পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম, অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর সচিব ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/807-99.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক জোরদারের আহ্বান রাষ্ট্রদূতের]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28950</link>
    <pubDate>Sun, 05 Jul 2026 09:05:53 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28950</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/4-88.jpeg" />    <article>
<p>বাংলাদেশের সঙ্গে নিজেদের ইতিহাস আরো বেশি ভাগাভাগি করতে এবং দুই দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া আরো জোরদার করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। এমনটাই জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>আজ শনিবার সকালে রাজধানীর গুলশান-২-এর বিচারপতি সাহাবুদ্দিন আহমদ পার্কে মার্কিন দূতাবাস আয়োজিত &lsquo;আমেরিকান ফেয়ার ইন দ্য পার্ক&rsquo; পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।</p>

<p>সরজমিনের দেখা যায়, সকাল ১১টা থেকে এই আয়োজন শুরু হয়। আমেরিকান ফেয়ারে দর্শনার্থীরা &lsquo;আমেরিকান ফাউন্ডার্স মিউজিয়াম&rsquo; ঘুরে দেখছেন। যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠা, স্বাধীনতা অর্জনের ইতিহাস এবং রাষ্ট্র গঠনের যাত্রা ছবির মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে।</p>
</article>

<article>এছাড়া মেলায় ৮ টি স্টল ছিলো যেখানে ৪ টিতে ছিল আমেরিকান বিভিন্ন খাবার। এছাড়া ছিল ইএমকে সেন্টারের স্টল, হামিমের টেক্সটাইল বা যুক্তরাষ্ট্রের তুলা দিয়ে তৈরি বিভিন্ন পণ্যের প্রদর্শনী।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>এর পাশাপাশি পুরো আয়োজনজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর ২৫তম ইনফ্যান্ট্রি ডিভিশনের (২৫ আইডি) ইউএস আর্মি ব্যান্ড সরাসরি সংগীত পরিবেশন করেছে। এই মেলা দুপুর দুইটা পর্যন্ত সবার জন্য উন্মুক্ত ছিল।</p>
</article>

<article><br />
&nbsp;<br />
মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, আমরা বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের ইতিহাস আরো বেশি ভাগাভাগি করতে চাই এবং দুই দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া গড়ে তুলতে চাই। আমরা বিশ্বাস করি, আমেরিকার ইতিহাস বিশ্বের বহু মানুষকে অনুপ্রাণিত করেছে। বাংলাদেশের অনেক মানুষও সেই অনুপ্রেরণার অংশ।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০ বছরের ইতিহাস শুধু দেশটির নিজস্ব ইতিহাস নয়, এটি বিশ্বের অনেক মানুষের জন্যও অনুপ্রেরণার উৎস। বাংলাদেশের স্বাধীনতার সংগ্রামও সেই অনুপ্রেরণার ধারার সঙ্গে সম্পৃক্ত।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন বলেন, প্রায় ২৫০ বছর আগে যুক্তরাষ্ট্রের ৫৬ জন প্রতিষ্ঠাতা স্বাধীনতা ও আত্মশাসনের জন্য নিজেদের সবকিছু ঝুঁকির মুখে ফেলেছিলেন। তাঁদের সেই আত্মত্যাগ, আদর্শ ও মূল্যবোধের ইতিহাস বাংলাদেশের মানুষের সঙ্গে আরও বেশি ভাগ করে নিতে চায় যুক্তরাষ্ট্র।</p>

<p>যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের &lsquo;ফ্রিডম ২৫০&rsquo; উদ্যোগের অংশ হিসেবে ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট ও রাজশাহীতে সাত দিনব্যাপী &lsquo;আমেরিকা উইক ২০২৬&rsquo; আয়োজন করেছে মার্কিন দূতাবাস। এ আয়োজনের মাধ্যমে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, প্রদর্শনী ও জনসম্পৃক্ত কার্যক্রমের মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও মূল্যবোধ তুলে ধরা হচ্ছে।</p>

<p>রাষ্ট্রদূত জানান, ঢাকার কর্মসূচি শেষে তিনি রাজশাহী ও সিলেট সফর করবেন। এর মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যোগাযোগ ও পারস্পরিক বোঝাপড়া আরো বাড়বে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।</p>

<p>তিনি বলেন, এই আয়োজনের মাধ্যমে আমরা যেমন বাংলাদেশকে আরো ভালোভাবে জানতে চাই, তেমনি বাংলাদেশও যেন যুক্তরাষ্ট্রকে আরও কাছ থেকে জানার সুযোগ পায় সেটিই আমাদের লক্ষ্য।</p>

<p>আমেরিকান ফেয়ারের আয়োজনে সহযোগী হিসেবে ছিলো গুলশানের বাসিন্দাদের সংগঠন গুলশান সোসাইটি।</p>

<p>সংগঠনের সভাপতি ওমর সাদাত বলেন, &lsquo;গুলশান এলাকায় বিভিন্ন দেশের দূতাবাস রয়েছে। আমরা তাদের সঙ্গে নানা আয়োজনে সহযোগিতার মাধ্যমে দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে আরও কাজ করতে চাই।&rsquo;</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/4-88.jpeg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপিত]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28949</link>
    <pubDate>Sun, 05 Jul 2026 09:05:13 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28949</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1123-77.jpg" />    <article>
<p>জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় মিউজিক্যাল পারফরম্যান্সের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৪ জুলাই) আমেরিকান দূতাবাস এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, সংসদ ভবনের নকশা করেছেন বিখ্যাত মার্কিন স্থপতি লুই কান। ঠিক তেমনি আমেরিকার স্থাপত্য নির্মাণে অনন্য অবদান রেখেছেন বিশিষ্ট বাংলাদেশি-আমেরিকান স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার ফজলুর রহমান খান। এই পারস্পরিক অবদান প্রমাণ করে যে বাংলাদেশ ও আমেরিকা আক্ষরিক অর্থেই একে অপরের ইতিহাস বিনির্মাণে সহায়তা করেছে।</p>

<p>ডেপুটি স্পিকার বলেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানো মার্কিন কিংবদন্তি সঙ্গীতশিল্পী জর্জ হ্যারিসনের ঐতিহাসিক &lsquo;কনসার্ট ফর বাংলাদেশ&rsquo; এক অবিস্মরণীয় অবদান।</p>
</article>

<article>আজকের এই সংগীতায়োজন সেই একই মানবিক ও সাংস্কৃতিক চেতনাকে বহন করছে, যা কেবল বাণিজ্য বা কূটনীতি নয়, বরং দুই দেশের সাধারণ মানুষের মধ্যকার সম্পর্ককে দীর্ঘস্থায়ী অংশীদারিত্বে রূপ দেবে।
<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি আরো বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কূটনৈতিক সংলাপ, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, সন্ত্রাসবাদ দমন, সামুদ্রিক নিরাপত্তা, শিক্ষা, প্রযুক্তি এবং মানবসম্পদ উন্নয়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দুই দেশের বিদ্যমান অংশীদারি ভবিষ্যতে আরো নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের জনগণ ও সরকারের প্রতি ২৫০তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান এবং বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আগামী দিনগুলোতে আরো শক্তিশালী ও ফলপ্রসূ হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>এ সময় তিনি বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং ভবিষ্যৎ অংশীদারি আরো জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।</p>

<p>জাতীয় সংসদের বিরোধী দলের নেতা ডা. মো. শফিকুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের এবং বাংলাদেশ আমাদের একটি পরীক্ষিত বন্ধু। বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া লাখ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীর মানবিক সংকটে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ধারাবাহিক সহায়তা ও পাশে থাকা আমাদের এই গভীর অংশীদারিরই প্রমাণ। আমরা বিশ্বাস করি, পারস্পরিক স্বার্থ এবং অভিন্ন লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের ভিত্তিতে গড়ে ওঠা এই দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আগামীতে আরো সুদৃঢ় হবে, যেখানে দুই দেশের টেকসই উন্নয়ন, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং বৈশ্বিক অঙ্গনে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার রক্ষায় যুক্তরাষ্ট্রের নিরবচ্ছিন্ন অবদান ও যৌথ অঙ্গীকার প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করবে।</p>

<p>বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম মনি বলেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে গণতন্ত্র, উন্নয়ন এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সহযোগিতা বিদ্যমান।</p>
</article>

<article>তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে এই সহযোগিতা আরো সম্প্রসারিত হবে এবং উভয় দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে আরো শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি বলেন, জাতীয় সংসদ ভবনের আইকনিক স্থাপনার সামনে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০ বছর পূর্তি উদযাপনের আয়োজন দুই দেশের পারস্পরিক আস্থা, বন্ধুত্ব ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতীক। এই আয়োজন বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের গভীরতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের একটি গুরুত্বপূর্ণ বহিঃপ্রকাশ।</p>

<p>মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাম্বাসাডর বলেন, ১৭৭৬ সালের ৪ জুলাই আমাদের প্রতিষ্ঠাতারা ঘোষণা করেছিলেন &lsquo;সব মানুষ সমান&rsquo;। আর আজ আমেরিকার ২৫০তম স্বাধীনতা দিবসে &lsquo;আমেরিকা ফার্স্ট&rsquo; নীতির আলোকেই আমরা বৈশ্বিক অংশীদারি জোরদার করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই ঐতিহাসিক ক্ষণে আমরা বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার দীর্ঘস্থায়ী দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরো সুদৃঢ় করতে চাই, যেখানে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের টেকসই নিরাপত্তা অংশীদারি ও আঞ্চলিক শান্তি রক্ষা আমাদের ভবিষ্যৎ সহযোগিতার প্রধান স্তম্ভ হিসেবে কাজ করবে।</p>

<p>অনুষ্ঠানে ককাস সদস্যবৃন্দ, মন্ত্রিপরিষদের সদস&zwnj;্যবৃন্দ, সংসদ সদস্যগণ, মার্কিন ও অন্যান্য দেশের কূটনৈতিকবৃন্দ, সংসদ সচিবালয়ের সচিবসহ কর্মকর্তাবৃন্দ এবং বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1123-77.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[জুলাই অভ্যুত্থান কোনো একক দলের নয়, শান্তিকামী সব মানুষের অর্জন : প্রধানমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28948</link>
    <pubDate>Sun, 05 Jul 2026 09:04:22 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28948</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1240-66.jpg" />    <article>
<p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জুলাই অভ্যুত্থান কোনো একক দল বা ব্যক্তির নয়। এটি গণতন্ত্র ও শান্তিকামী সব মানুষের অর্জন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>শনিবার (৪ জুলাই) সকাল ১০টায় রাজধানীর শেরেবাংলানগরের বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র) &lsquo;জুলাই জাতীয় সম্মেলন&rsquo; ও স্মরণসভার আয়োজন করা হয়। &lsquo;৩৬ জুলাই&rsquo;&mdash;অর্থাৎ ঐতিহাসিক জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে যৌথভাবে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে &lsquo;জুলাই ২৪ শহীদ পরিবার সোসাইটি&rsquo; ও &lsquo;আমরা জুলাইযোদ্ধা&rsquo;।&nbsp;</p>

<p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, যারা জুলাই হত্যাকাণ্ডে দায়ী তাদের বিচার করা হবে। বিচারের নামে যেন অবিচার না হয়; সেটিও লক্ষ রাখতে হবে।</p>
</article>

<article>সময় নিয়ে হলেও যে হত্যাকারী তার সঠিক বিচার নিশ্চিত করা হবে।
<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে মানুষ দল-মত ভুলে রাস্তায় নেমে এসেছে, তাদের সম্মান করতে হবে। জুলাই অভ্যুত্থান দেশের সব মানুষের অর্জন। জুলাইতে এত মানুষ জীবন দিয়েছে, তাদের লক্ষ্য ছিল, এ দেশের পরিবর্তন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রধানমন্ত্রী জানান, তার ও তার পরিবার এবং দেশের মানুষের ওপর বিগত ১৭ বছরে যে অবিচার করা হয়েছে&mdash;আল্লাহ তাকে এখন সেই সবের প্রতিশোধ নেওয়ার ক্ষমতা দিয়েছেন। কিন্তু তিনি প্রতিশোধ নিতে চান না।</p>

<p>প্রধানমন্ত্রী বলেন, &lsquo;যদি মাকে জিজ্ঞস করতে পারতাম, মা, আপনার ওপর ১৭ বছর যে অন্যায়-জুলুম, মানসিক নির্যাতন হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে এখন প্রতিশোধ নিই? মা বলতেন, প্রতিহিংসা নয়, তোমার দায়িত্ব সবাইকে নিয়ে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। একই প্রশ্ন করলে, আমার ভাইও একই কথা বলত।</p>
</article>

<article>&rsquo;&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি আরো বলেছেন, &lsquo;আমি ১৭ বছর আগে দেশ ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হয়েছিলাম। দেশে ফিরে এসে আমার অনেক সহকর্মীকে পাইনি। আমার ছাত্রদলের অনেককে আমি রেখে গিয়েছিলাম। তাদের অনেককে পাইনি। অনেকে পৃথিবী ছেড়ে চলে গেছেন।&rsquo;</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1240-66.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[চার দশকের নেতৃত্বের অবসান, প্রতিশোধের প্রতিজ্ঞা লাখো ইরানির]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28947</link>
    <pubDate>Sun, 05 Jul 2026 09:03:39 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28947</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1343-55.jpg" />    <article>
<p>ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজা ও শোকানুষ্ঠান শুরু হয়েছে। দেশটির সবচেয়ে দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন করা এই নেতা প্রায় চার দশক ধরে ইসলামিক রিপাবলিকের রাজনৈতিক, সামরিক ও কৌশলগত নীতিনির্ধারণে কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করেছেন।</p>
</article>

<article>তার শেষ বিদায়ে অংশ নিতে রাজধানী তেহরানে সমবেত লাখো মানুষের কণ্ঠে শোকের পাশাপাশি তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিশোধের আগুন দেখা গেছে। একই সঙ্গে তারা এর জন্য দায়ী যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের মিত্রদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত প্রতিশোধ নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করছেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>১৯৮৯ সালে ইরান-ইরাক যুদ্ধের পর আলী খামেনি সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তার নেতৃত্বে সর্বোচ্চ নেতার কার্যালয় সশস্ত্র বাহিনী, বিচার বিভাগ, রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার সংস্থা এবং গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত নিয়োগের ওপর ব্যাপক কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p><img alt="R-1" height="649" src="https://asset.kalerkantho.com/public/news_images/share/photo/shares/online/2026/07/04/my1241/6a491d44641bc.jpg" width="1020" /></p>

<p>খামেনির আমলে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) নিরাপত্তা, রাজনীতি ও অর্থনীতিতে শক্তিশালী প্রভাবশালী প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের মোকাবেলায় প্রতিরোধ সক্ষমতা হিসেবে ইরান তার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিও উল্লেখযোগ্যভাবে সম্প্রসারণ করে।</p>

<p>তার পারমাণবিক নীতিও পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে ইরানের সবচেয়ে বিতর্কিত ইস্যুগুলোর একটি ছিল। খামেনি বারবার দাবি করেন, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে চায় না, তবে শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অধিকার বজায় রাখার পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>আঞ্চলিক কৌশলে তিনি মিত্র সরকার ও সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর ওপর নির্ভর করে মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের প্রভাব বিস্তার করেন। তবে এই নীতি উপসাগরীয় আরব দেশগুলো, ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনাও বাড়িয়ে তোলে।</p>

<p><img alt="R-2" height="649" src="https://asset.kalerkantho.com/public/news_images/share/photo/shares/online/2026/07/04/my1241/6a491d44061e2.jpg" width="1020" /></p>

<p>খামেনির মৃত্যু ইরানের রাষ্ট্রীয় কাঠামোকে দুর্বল করার বদলে অনেক ইরানির কাছে জাতীয় ঐক্য ও সংহতির প্রতীক হিসেবে নতুন আবেগ সৃষ্টি করেছে। তার শেষ বিদায়ে লাখো মানুষ অংশ নিচ্ছেন, যা দেশটির সাম্প্রতিক ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।</p>

<p>শনিবার জানাজায় অংশ নেওয়া সাধারণ নাগরিক থেকে শুরু করে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে আসা ধর্মপ্রাণ মানুষ খামেনির মৃত্যুকে পারিবারিক অভিভাবক হারানোর চেয়েও বড় ট্র্যাজেডি হিসেবে দেখছেন।</p>
</article>

<article>একই সঙ্গে তারা এই হামলার জন্য দায়ী যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের মিত্রদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত প্রতিশোধ নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করছেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>গ্র্যান্ড মোসাল্লা প্রাঙ্গণে জড়ো হওয়া জনতার আবেগ এবং ক্ষোভের চিত্র তুলে ধরে আরশ রাহিমি নামের ৪০ বছর বয়সী এক ব্যক্তি বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, &lsquo;আমরা নিশ্চিতভাবেই আমাদের নেতার রক্তের প্রতিশোধ নেব।&rsquo;</p>

<p><img alt="R-4" height="649" src="https://asset.kalerkantho.com/public/news_images/share/photo/shares/online/2026/07/04/my1241/6a491d43daeb0.jpg" width="1020" /></p>

<p>তিনি বলেন, &lsquo;আজ এখানে যারা সমবেত হয়েছেন, তারা প্রত্যেকেই সর্বোচ্চ নেতার হত্যার বিচার চান। আমাদের নেতা নিজেই সবসময় বলে গেছেন যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের রক্তের শত্রুতা রয়েছে। তাই আমেরিকার সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক কখনই ভালো হওয়ার নয়।&rsquo;</p>

<p>এই জাতীয় শোকের গভীরতা সাধারণ ইরানিদের কতটা স্পর্শ করেছে, তার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে দূরদূরান্ত থেকে আসা মানুষের কথায়।</p>

<p>ইরানের হামাদান প্রদেশ থেকে তেহরানে আসা হামিদ তেইমোরি নামের এক ব্যক্তি বলেন, &lsquo;আমি এক অদ্ভুত ও অবর্ণনীয় মানসিক যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। আমার নিজের বাবা যখন মারা গিয়েছিলেন, তখনও আমি এতটা কাঁদিনি, যতটা কেঁদেছি আমাদের সর্বোচ্চ নেতার শাহাদাতের খবর শুনে।&rsquo;</p>

<p>অপেক্ষমাণদের একজন সোমাইয়ে। তিনি সংবাদ মাধ্যম আলজাজিরাকে বলেন, &lsquo;আমরা আমাদের নেতার প্রতি ভালোবাসা থেকেই এসেছি। এই অপেক্ষা একই সঙ্গে মধুর, আবার বেদনাদায়কও।&rsquo;</p>

<p><img alt="R-4" height="649" src="https://asset.kalerkantho.com/public/news_images/share/photo/shares/online/2026/07/04/my1241/6a491d45430a3.jpg" width="1020" /></p>

<p>অনেকের মতে, দেশের জন্য খামেনির অবদানের তুলনায় দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করা খুবই সামান্য ত্যাগ।<br />
&nbsp;<br />
দেশটির এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী ফাতেমেহ বলেন, &lsquo;তাকে বিদায় জানাতে কোনো ধরনের কমতি রাখা উচিত নয়।&rsquo;</p>

<p>আরেক শিক্ষার্থী মাহদি বলেন, &lsquo;১০ থেকে ১২ ঘণ্টা অপেক্ষা করা কোনো বিষয়ই নয়। মনে হচ্ছে যেন আমরা নিজের পরিবারের একজন সদস্যের শোকানুষ্ঠানে অংশ নিয়েছি।&rsquo;</p>

<p>এদিকে দেশটির প্রয়াত এই নেতার সপ্তাহব্যাপী রাষ্ট্রীয় জানাজা ও শোকানুষ্ঠানে বাংলাদেশ, চীন, রাশিয়া, ভারত, সৌদি আরব, কাতার, ওমান, পাকিস্তানসহ বিশ্বের শতাধিক দেশের প্রতিনিধি অংশ নিয়েছেন। তারা মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় প্রাণ হারানো আলি খামেনির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1343-55.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[তাপপ্রবাহে ফ্রান্স-বেলজিয়াম-নেদারল্যান্ডসে অন্তত ৩৭০০ জনের মৃত্যু]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28946</link>
    <pubDate>Sun, 05 Jul 2026 09:02:55 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28946</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1407-44.jpg" />    <article>
<p><a href="https://www.geo.tv/latest/671387-at-least-3700-excess-deaths-reported-during-heatwave-in-france-belgium-netherlands?fbclid=IwY2xjawS1fLFleHRuA2FlbQIxMABicmlkETFNTkdPUklpSm5sSG5samh1c3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHvWGSgcPvG1Lj2FwSptznlEAKjoAF-Bmcyt8Tb_X5htZ9moVJTHHK5_fyedl_aem_TfaMb1cKiQD2Kk_3A7Q1Xw">ইউরোপের বিভিন্ন দেশে জুন মাসে</a> তীব্র তাপপ্রবাহে ব্যাপক প্রাণহানি হয়েছে। ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস ও বেলজিয়ামে প্রায় ৩ হাজার ৭০০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিক হিসাবে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।</p>
</article>

<article>তবে তারা সতর্ক করে বলেছে, এই সংখ্যা এখনো চূড়ান্ত নয়। মৃত্যুর সংখ্যা আরো বাড়তে পারে।
<p>&nbsp;</p>

<p>বিশেষজ্ঞদের মতে, ২০ জুন থেকে ২৮ জুন পর্যন্ত চলা এই তাপপ্রবাহ ইউরোপের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহগুলোর একটি। এই সময়ে অতিরিক্ত গরমের কারণে বিদ্যুৎ ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, বিভিন্ন অবকাঠামোতে চাপ পড়ে এবং স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাও বিপর্যস্ত হয়ে যায়।</p>
</article>

<article>বিজ্ঞানীদের ধারণা, এই চরম তাপমাত্রার পেছনে জলবায়ু পরিবর্তনের ভূমিকা প্রায় নিশ্চিত।
<p>&nbsp;</p>

<p>ফ্রান্সের স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্টেফানি রিস্ট জানিয়েছেন, শুধু ফ্রান্সেই তাপপ্রবাহের সময় ২ হাজার ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই মৃত্যুর হার সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে ৪৫ বছরের বেশি বয়সীদের মধ্যে।</p>

<p>ফ্রান্সের জনস্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২২ থেকে ২৮ জুনের মধ্যে বাড়িতে মৃত্যুর সংখ্যা আগের সপ্তাহের তুলনায় ৯১ শতাংশ বেড়ে যায়।</p>
</article>

<article>একই সময়ে নার্সিং হোম ও বিভিন্ন স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে মৃত্যুর সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়। কর্তৃপক্ষ আরো জানিয়েছে, প্রকৃত মৃত্যুর সংখ্যা এই প্রাথমিক হিসাবের চেয়েও বেশি হতে পারে।
<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/07/04/1706682" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>বেলজিয়ামের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ১৮ থেকে ২৯ জুনের মধ্যে দেশটিতে প্রায় ১ হাজার ২০০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ৫৩০ জনের বয়স ছিল ৮৫ বছর বা তার বেশি। আর ৬৫ বছরের নিচে বয়সীদের মধ্যেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মৃত্যু হয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>বেলজিয়াম সরকার বলেছে, তাদের দেশে এত বেশি সংখ্যক মৃত্যু আগে কখনো হয়নি। অন্যদিকে নেদারল্যান্ডস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, একই সময়ে দেশে প্রায় ৪৮০ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের বেশিরভাগই ছিলেন ৮০ বছরের বেশি বয়সী।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1407-44.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[‘বড় ভাই’ মোদি, ‘ছোট বোন’ তাকাইচি]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28945</link>
    <pubDate>Sun, 05 Jul 2026 09:02:05 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28945</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1492-33.jpg" />    <article>
<p><a href="https://www.bloomberg.com/news/articles/2026-07-03/takaichi-and-modi-deepen-ties-as-businesses-get-to-work-on-deals">ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং জাপানের প্রধানমন্ত্রী</a> সানা&zwj;য়ে তাকাইচি তাদের সম্পর্ককে &lsquo;বড় ভাই&rsquo; ও &lsquo;ছোট বোন&rsquo;-এর সঙ্গে তুলনা করে দুই দেশের ক্রমবর্ধমান ঘনিষ্ঠতার বার্তা দিয়েছেন।</p>

<p>দুই নেতার বৈঠকের পর তাকাইচি হাসিমুখে বলেন, &lsquo;আমাকে একজন সুন্দরী ছোট বোন বলা হয়েছে।</p>
</article>

<article>আগের আলোচনায় আমরা ভাই-বোনের মতো একসঙ্গে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>জাপানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাকাইচির প্রথম ভারত সফরে গত বছরের মতো বড় অঙ্কের বিনিয়োগ ঘোষণা না এলেও, সফরটি ভারত-জাপান সম্পর্ক গভীর হওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে। সফরে যৌথ নৌমহড়া, বিভিন্ন সহযোগিতা চুক্তি এবং জাপানের হোক্কাইডো দ্বীপে একটি বলিউড চলচ্চিত্র নির্মাণসহ নানা বিষয়ে সমঝোতা হয়েছে।</p>

<p>দুই দেশ সামুদ্রিক নিরাপত্তা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং জ্বালানি নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন বিষয়ে চারটি যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করেছে।</p>
</article>

<article>এ ছাড়া ভারত ও জাপানের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ১০০টিরও বেশি চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। এসব চুক্তির মধ্যে সেমিকন্ডাক্টর, অ্যামোনিয়া, সবুজ জ্বালানি এবং চাঁদে যৌথ মহাকাশ মিশনে সহযোগিতার পরিকল্পনা রয়েছে। ভারতে শিটাকে মাশরুম ও স্ট্রবেরি চাষ নিয়েও সমঝোতা হয়েছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>জাপান রিসার্চ ইনস্টিটিউটের চেয়ারম্যান এবং ভারতে জাপানের সাবেক রাষ্ট্রদূত কেনজি হিরামাসু বলেন, গত কয়েক বছরে ভারতের প্রতি জাপানি কম্পানিগুলোর আগ্রহ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।</p>
</article>

<article>তার মতে, শুধু বড় কম্পানি নয়, ছোট ও মাঝারি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান এবং স্টার্টআপগুলোর মধ্যেও ভারতের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে। ফলে দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরো বিস্তৃত হচ্ছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি আরো বলেন, আগে ভারত-জাপান ব্যাবসায়িক সম্পর্ক মূলত অটোমোবাইল খাতকেন্দ্রিক ছিল। কিন্তু এখন নতুন প্রযুক্তি, উৎপাদনশিল্প এবং সরবরাহ শৃঙ্খলভিত্তিক খাতে সহযোগিতা দ্রুত বাড়ছে। জাপান সরকার ২০২৫ সালে আগামী ১০ বছরে ভারতে প্রায় ১০ ট্রিলিয়ন ইয়েন বিনিয়োগে কম্পানিগুলোকে উৎসাহিত করার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, বর্তমান উদ্যোগ তারই ধারাবাহিকতা।</p>
</article>

<article>দুই নেতার বৈঠকে জানানো হয়, জাপানি কম্পানিগুলো ইতিমধ্যে ভারতে প্রায় ২ ট্রিলিয়ন ইয়েন বিনিয়োগের পরিকল্পনা করেছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>তাকাইচির সফরে ৫০ জনের বেশি জাপানি ব্যাবসায়িক প্রতিনিধি অংশ নেন। তাদের মধ্যে ছিলেন সুজুকি মোটর করপোরেশনের চেয়ারম্যানও। ভারতের বাজার সুজুকির সবচেয়ে বড় বাজার এবং সেখান থেকে কম্পানিটি উল্লেখযোগ্য মুনাফা অর্জন করে।</p>

<p>অন্যদিকে, ভারতের ধনকুবের গৌতম আদানির আদানি গ্রুপ ইয়েনভিত্তিক ঋণ নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে, যা ডলারের ওপর নির্ভরতা কমানোর কৌশলের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।</p>

<p>বিশ্লেষকদের মতে, এই সফর এমন সময়ে হয়েছে, যখন ভারত ও জাপান উভয়ই চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে নতুন বাণিজ্যিক অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে চাইছে। একই সঙ্গে তারা বৈশ্বিক অস্থিরতা ও মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের প্রভাব মোকাবেলার পথও খুঁজছে।</p>

<p>তাকাইচি বলেন, ভবিষ্যতের ভূরাজনৈতিক সংকট মোকাবেলায় জ্বালানি ও প্রযুক্তি সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং অর্থনীতিকে বাহ্যিক ধাক্কা থেকে সুরক্ষিত রাখা জরুরি। তার ভাষায়, আন্তর্জাতিক অস্থিরতার এই সময়ে ভারত ও জাপানকে নিজেদের শক্তি কাজে লাগিয়ে একসঙ্গে আরো সমৃদ্ধ ও শক্তিশালী হতে হবে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1492-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[‘নোংরা ফুটবল’ খেলে জিতেছে ফ্রান্স, স্বীকার করলেন এমবাপ্পে]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/28944</link>
    <pubDate>Sun, 05 Jul 2026 09:01:14 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/28944</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1533-22.jpg" />    <article>
<p>একের পর এক ফাউল, বাজে ট্যাকল, উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়, সংঘর্ষ ও হাতাহাতি&mdash;কী হয়নি ফ্রান্স-প্যারাগুয়ে ম্যাচে?</p>

<p>ফুটবলপ্রেমীরা যখন ফ্রান্সের কাছ থেকে আগের ম্যাচগুলোর মতো শেষ ষোলোর ম্যাচেও সুন্দর, আভিজাত্যপূর্ণ ও চোখধাঁধানো কিছু কৌশলের প্রদর্শনী আশা করেছিলেন, তখনই যেন ধোঁকা খেলেন। কারো কারো এখনো বিশ্বাস হচ্ছে না, দিদিয়ের দেশমের দল এমন খেলা খেলল কী করে!</p>

<p>ফিলাডেলফিয়ার লিংকন ফিন্যান্সিয়াল ফিল্ডে পেনাল্টি থেকে একমাত্র গোল করে শেষ পর্যন্ত ফ্রান্সকে কোয়ার্টার ফাইনালে তুলেছেন অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে।</p>
</article>

<article>কিন্তু ফল ছাপিয়ে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে অপ্রত্যাশিত ঘটনাগুলোই বেশি সামনে আসছে।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>এমবাপ্পে অবশ্য স্বীকার করেছেন, <em>নোংরা ফুটবল</em> খেলেই শেষ আটে জায়গা করে নিয়েছে তার দল। ম্যাচ শেষে রিয়াল মাদ্রিদের এই তারকা স্ট্রাইকার বলেছেন, &lsquo;ওরা ভেবেছিল, আমরা বুঝি শুধু সুন্দর ফুটবল খেলতে মাঠে নামব। কিন্তু না; প্রয়োজন হলে আমরাও কঠিন ও নোংরা ফুটবল খেলতে জানি।</p>
</article>

<article>&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>এমবাপ্পের দাবি, ম্যাচজুড়ে দুই দলের মনস্তাত্ত্বিক লড়াই চলেছে। সেই লড়াইয়েও ফ্রান্সই এগিয়ে ছিল, &lsquo;প্রয়োজনে আমরা হাত নোংরা করতেও প্রস্তুত। সেই নোংরা খেলাতেও আমরা ওদের চেয়ে ভালো ছিলাম। ওরা আমাদের মানসিকভাবে অস্থির করার চেষ্টা করেছিল।</p>
</article>

<article>কিন্তু আমরাই উল্টো ওদের মাথা গরম করে দিয়েছি।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>ম্যাচে মোট চারটি হলুদ কার্ড দেখিয়েছেন উজবেক রেফারি ইলগিজ তানতাশেভ। এর মধ্যে তিনটিই দেখেছে ফ্রান্স।</p>

<p>প্যারাগুয়ের বিপক্ষে ম্যাচে যে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হবে, সেটি আগে থেকেই জানা ছিল এমবাপ্পের, &lsquo;আমরা জানতাম, কী ধরনের ম্যাচ অপেক্ষা করছে। আমার মনে হয়, আজ আমরা সেটি খুব ভালোভাবেই সামলেছি।</p>
</article>

<article>&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>ফক্সবরোর জিলেট স্টেডিয়ামে আগামী বৃহস্পতিবার কোয়ার্টার ফাইনালে মরক্কোর মুখোমুখি হবে ফ্রান্স। ২০২২ সালে কাতার বিশ্বকাপের সেমিফাইনালেও মুখোমুখি হয়েছিল এই দুই দল। মরক্কোকে ২-০ গোলে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো ফাইনালে উঠেছিল ফ্রান্স।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1533-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[জুলাই আন্দোলন নিয়ে কটাক্ষের অভিযোগে শাওন-মাহিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে জিডি]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/28943</link>
    <pubDate>Sun, 05 Jul 2026 09:00:25 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/28943</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1632-11.jpg" />    <article>
<p>জুলাই আন্দোলনকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অবমাননাকর মন্তব্য ও অপপ্রচার চালানোর অভিযোগে অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওন, চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি এবং শান্তা ফারজানা নামে এক নারীর বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।</p>

<p>শুক্রবার (৩ জুলাই) সকালে &lsquo;রাষ্ট্র সংলাপ ফোরাম&rsquo;-এর প্রতিনিধিরা শাহবাগ থানায় লিখিত অভিযোগ জমা দেন।</p>
</article>

<article>বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন থানার ডিউটি অফিসার এসআই স্বপন।
<p>&nbsp;</p>

<p>অভিযোগে বলা হয়েছে, অভিযুক্তরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জুলাই আন্দোলন, এর স্মৃতি এবং শহীদদের আত্মত্যাগকে অবমাননা করে বিভিন্ন ধরনের মন্তব্য ও প্রচার চালিয়েছেন, যা জনমনে বিভ্রান্তি ও ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে।</p>

<p>লিখিত অভিযোগে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, জুলাই আন্দোলন বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। অথচ এ আন্দোলনকে ঘিরে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে এর তাৎপর্য খাটো করার চেষ্টা করা হয়েছে বলে অভিযোগকারীদের দাবি।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>এ ছাড়া অভিযোগে বলা হয়েছে, শান্তা ফারজানা নামে অভিযুক্ত নারী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে জুতা নিক্ষেপ বা আঘাত করার একটি ভিডিও প্রকাশ করেছেন। অভিযোগকারীদের ভাষ্য, ওই ভিডিও জনসাধারণের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে।</p>

<p>এ বিষয়ে পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে এবং এর সত্যতা যাচাইয়ে তদন্ত শুরু হবে। তদন্তে অভিযোগের প্রমাণ মিললে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1632-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিউইয়র্কে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/28942</link>
    <pubDate>Sun, 05 Jul 2026 08:52:14 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/28942</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/411-3.jpg" />    <p>যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। নিউইয়র্কের সেভ দ্য পিপল অডিটোরিয়ামে বিভিন্ন প্রজন্মের প্রাক্তন শিক্ষার্থী, কমিউনিটি নেতৃবৃন্দ ও অতিথিদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এ মিলনমেলার সার্বিক আয়োজন ও সঞ্চালনা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ। অনুষ্ঠানের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের ও বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে নির্মিত একটি ভিডিও প্রদর্শন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের ভিডিও বার্তা প্রচার করা হয়। অনুষ্ঠানে ছিল সম্মাননা প্রদান, স্মৃতিচারণ, মুক্ত আলোচনা, ১০৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কেক কাটা এবং দলীয় আলোকচিত্র ধারণ।<br />
উদ্বোধনী বক্তব্যে মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, &ldquo;শুভ জন্মদিন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। এখন সময় শুধু স্মৃতিচারণের নয়, অবদান রাখার।&rdquo; তিনি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে থাকা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ অবস্থান থেকে বিশ্ববিদ্যালয়, বর্তমান শিক্ষার্থী এবং সমাজের উন্নয়নে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেন। তিনি প্রবাসী অ্যালামনাইদের মধ্যে যোগাযোগ ও সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানান।<br />
ভিডিও বার্তায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বলেন, শিক্ষা ও গবেষণায় বিশ্ববিদ্যালয় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করছে। গবেষণার পরিধি বৃদ্ধি, শিক্ষার মানোন্নয়ন, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং আধুনিক একাডেমিক কার্যক্রমের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। তিনি বলেন, দেশে-বিদেশে অবস্থানরত অ্যালামনাইরা গবেষণা, বৃত্তি, মেন্টরশিপ, আন্তর্জাতিক সংযোগ এবং বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।<br />
অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল দুই কৃতী প্রাক্তন শিক্ষার্থীকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান। সম্মাননা গ্রহণ করেন প্রফেসর মহসিন পাটোয়ারী, যিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএসসি এবং কানাডার ডালহৌসি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। বর্তমানে তিনি নিউইয়র্কের সিটি ইউনিভার্সিটি অব নিউইয়র্ক (CUNY)-এর মেডগার এভার্স কলেজে জীববিজ্ঞানের অধ্যাপক। তিনি শিক্ষার্থী গবেষণা সহায়তার চারটি বহুমিলিয়ন ডলারের প্রকল্প পরিচালনা করছেন। দীর্ঘ ৫০ বছরের শিক্ষকতা ও গবেষণা জীবনে তিনি স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে পাঠদান, শত শত শিক্ষার্থী ও গবেষকের তত্ত্বাবধান এবং ১৫ বছর বিজ্ঞান, স্বাস্থ্য ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর ৪৩টি গবেষণা প্রবন্ধ আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া তিনি একাধিক পাঠ্যপুস্তক ও গ্রন্থের অধ্যায় রচনা করেছেন এবং ৫০ লাখ মার্কিন ডলারেরও বেশি গবেষণা ও গবেষণাগার উন্নয়ন অনুদান অর্জন করেছেন। ফুলব্রাইট সিনিয়র স্পেশালিস্ট অ্যাওয়ার্ড, CUNY Salute to the Scholar Award-সহ বহু সম্মাননায় তিনি ভূষিত হয়েছেন।<br />
সম্মাননা গ্রহণের পর বক্তব্যে প্রফেসর পাটোয়ারী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু করে CUNY-তে অধ্যাপক ও প্রশাসক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার দীর্ঘ পথচলার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে শুধু শিক্ষা নয়, নেতৃত্ব, আত্মবিশ্বাস ও মানবিক মূল্যবোধের শিক্ষা দিয়েছে। তিনি নতুন প্রজন্মকে গবেষণা, উদ্ভাবন ও জ্ঞানচর্চায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।<br />
দ্বিতীয় সম্মাননা লাভ করেন মোহাম্মদ নাসির সিকদার, যিনি আইবিএমের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার, লাইফস্টাইল কোচ এবং Obesity Free World উদ্যোগের প্রতিষ্ঠাতা। ২০০১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষাবিজ্ঞান বিভাগ থেকে স্নাতক সম্পন্ন করা নাসির সিকদার দীর্ঘদিন ধরে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসচেতনতা, জীবনধারা পরিবর্তন এবং স্থূলতা প্রতিরোধে কাজ করে যাচ্ছেন। একজন আন্তর্জাতিক সহনশীলতা ক্রীড়াবিদ হিসেবে তিনি ৩৯টি ম্যারাথন, ১০টি আল্ট্রাম্যারাথন এবং ২০৪টি হাফ ম্যারাথন সম্পন্ন করেছেন। গত ছয় বছরে তিনি ১০ হাজার মাইলেরও বেশি পথ অতিক্রম করেছেন। বক্তব্যে তিনি বলেন, ছোট ছোট স্বাস্থ্যকর অভ্যাসই একজন মানুষের জীবন বদলে দিতে পারে এবং একটি সুস্থ সমাজ গড়ে তুলতে পারে।<br />
মুক্ত আলোচনা ও স্মৃতিচারণ পর্বে প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা তাঁদের ছাত্রজীবনের নানা স্মৃতি এবং কর্মজীবনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। নাসির আলী খান তাঁর বক্তব্যে গর্বের সঙ্গে উল্লেখ করেন যে, যুক্তরাষ্ট্রে তাঁর অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ স্ট্যাচু অব লিবার্টিতে তাঁর নাম সংরক্ষিত রয়েছে। তিনি বলেন, প্রবাসে থেকেও দেশের শিক্ষা, সংস্কৃতি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সম্পর্ক অটুট রাখা প্রতিটি অ্যালামনাইয়ের দায়িত্ব। মোহাম্মদ হোসেন বলেন, &ldquo;আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি আমাদের ঐক্য। আমরা সবাই ভিন্ন ভিন্ন পেশায় কাজ করলেও আমাদের পরিচয় একটাই&mdash;আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। এই ঐক্যই আমাদের ভবিষ্যতের শক্তি।&rdquo; আনিসুল কবির জাসির আহ্বান করেন, আগামী বছর থেকে নিউইয়র্কের প্রতিটি বরোভিত্তিক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাইদের মিলনমেলার আয়োজন করা হলে আরও বেশি প্রাক্তন শিক্ষার্থী একে অপরের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার সুযোগ পাবেন। তিনি এই উদ্যোগকে আরও বিস্তৃত করার আহ্বান জানান। এছাড়া আরও অনেক প্রাক্তন শিক্ষার্থী তাঁদের জীবনের সাফল্যের পেছনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অবদান, ক্যাম্পাসের শিক্ষা, সাংস্কৃতিক চর্চা এবং সহপাঠীদের বন্ধুত্বের কথা স্মরণ করেন। তাঁরা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আরও শক্তিশালী অ্যালামনাই নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।<br />
আয়োজক কমিটিতে ছিলেন স্বপন দাস, জহিরুল হক, মো. ইশতিয়াক উদ্দিন, কাজী জে. ইসলাম, মো. আশরাফুল আলম, দেলোয়ার মানিক, শেখ জিন্নাহ, এম. বদিউজ্জামান, মুহাম্মদ হুমায়ুন কবির, মোহাম্মদ নাসির সিকদার, দীনা গুলশান, মহসিন পাটোয়ারী, মোহাম্মদ কাদের, মোহাম্মদ এইচ. খান, ইউসুফ আলী, সাইফুল ভূঁইয়া, জাসির কবির, সাজল রোশন, এমডি. পারভেজ সাজ্জাদ, এমএসটি ওয়াহিদা শামসুন, দিলরুবা আয়েশা, শামিন আল আমিন এবং এমডি. আলমাসুর রহমান।<br />
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে ১০৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কেক কাটা হয় এবং উপস্থিত সকল প্রাক্তন শিক্ষার্থী স্মৃতিবিজড়িত আলোকচিত্রে অংশ নেন। প্রাণবন্ত এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে প্রবাসে বসবাসরত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাইরা তাঁদের প্রিয় বিদ্যাপীঠের গৌরবময় ঐতিহ্যকে স্মরণ করেন এবং শিক্ষা, গবেষণা, সমাজসেবা ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/411-3.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[আমেরিকার ২৫০তম জন্মদিন চুরি হয়ে গেছে—এমনই অভিযোগ ডেমোক্র্যাটদের]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28941</link>
    <pubDate>Sun, 05 Jul 2026 08:51:43 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28941</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/679-2.jpg" />    <p>একটি দেশেরও জন্মদিন থাকে। মানুষের মতো কেক কাটে না, মোমবাতি নেভায় না, কিন্তু ইতিহাসের পাতায় এমন কিছু দিন আছে, যেগুলো একটি জাতির আত্মপরিচয়। আমেরিকার জন্য ৪ জুলাই তেমনই একটি দিন। ১৭৭৬ সালের এই দিনে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে স্বাধীনতার ঘোষণা হয়েছিল। আড়াইশো বছর পরে, ২০২৬ সালে, সেই স্বাধীনতার ২৫০তম বর্ষপূর্তি উদযাপনের কথা ছিল সব আমেরিকানের উৎসব হিসেবে&mdash;ডেমোক্র্যাট, রিপাবলিকান, স্বতন্ত্র, সবাইকে নিয়ে।</p>

<p>কিন্তু ডেমোক্র্যাটদের অভিযোগ, সেই জাতীয় উৎসব আর জাতীয় নেই। সেটি ব্যক্তিগত হয়ে গেছে। আরও স্পষ্ট করে বললে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নাকি পুরো উদযাপনটাই নিজের রাজনৈতিক প্রকল্পে পরিণত করেছেন।</p>

<p>এই অভিযোগ শুধু রাজনৈতিক বক্তৃতায় নয়, একটি ৫৫ পৃষ্ঠার প্রতিবেদনে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদের ন্যাচারাল রিসোর্সেস কমিটির ডেমোক্র্যাট সদস্যরা বৃহস্পতিবার প্রতিবেদনটি প্রকাশ করেছেন। শিরোনামটির বাংলা করলে দাঁড়ায়&mdash;&lsquo;অহংকার থেকে উন্মাদনা: হোয়াইট হাউস কীভাবে আমেরিকার মানুষকে তাদের ২৫০তম জন্মদিন থেকে বঞ্চিত করল।&rsquo;</p>

<p>অভিযোগের শুরুটা ২০১৬ সালে। তখন কংগ্রেস রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাটদের সমন্বয়ে &lsquo;আমেরিকা ২৫০&rsquo; নামে একটি কমিশন গঠন করেছিল। উদ্দেশ্য ছিল, ২০২৬ সালের স্বাধীনতার আড়াইশো বছর পূর্তি যেন দলীয় নয়, জাতীয় উৎসবে পরিণত হয়।</p>

<p data-added-after="1">কিন্তু ট্রাম্প দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় ফিরে এসে দেখলেন, সেই কমিশন তাঁর প্রত্যাশামতো পরিচালিত হচ্ছে না। তাঁর ঘনিষ্ঠদের সেখানে বসানোর সুযোগও সীমিত। এরপরই তৈরি হলো আরেকটি সংগঠন&mdash;&lsquo;ফ্রিডম ২৫০&rsquo;।</p>

<p>নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে গঠিত এই প্রতিষ্ঠান ২০২৫ সালের অক্টোবরে একটি এলএলসি হিসেবে নিবন্ধিত হয়। এটি পরিচালিত হচ্ছে ন্যাশনাল পার্ক ফাউন্ডেশনের অধীনে। এর পরিচালনা পর্ষদে রয়েছেন ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ সহযোগীরা, যাঁদের মধ্যে তাঁর নির্বাচনী প্রচারণার গুরুত্বপূর্ণ উপদেষ্টারাও আছেন।</p>

<p>সংগঠনটি নিজেকে অদলীয় ও জাতীয় উদ্যোগ হিসেবে পরিচয় দিলেও ডেমোক্র্যাটদের ভাষায় এটি আসলে হোয়াইট হাউসের ছায়া সংগঠন। এরপর শুরু হয় অভিযোগের তালিকা।</p>

<p>প্রথম অভিযোগ অর্থ নিয়ে। কংগ্রেস ১৫ কোটি ডলার বরাদ্দ দিয়েছিল এই উদযাপনের জন্য। ধারণা ছিল, এর মধ্যে ১০ কোটি ডলার যাবে &lsquo;আমেরিকা ২৫০&rsquo; কমিশনের কাছে। কিন্তু তাদের হাতে গেছে মাত্র আড়াই কোটি ডলার। বাকি অর্থের বড় অংশ বিভিন্নভাবে &lsquo;ফ্রিডম ২৫০&rsquo; এবং ট্রাম্প প্রশাসন-সংশ্লিষ্ট প্রকল্পে চলে গেছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।</p>

<p data-added-after="1">দ্বিতীয় অভিযোগ আরও গুরুতর। বহু ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান মনে করেছিলেন, তাঁরা সরকারি স্বীকৃত &lsquo;আমেরিকা ২৫০&rsquo; কমিশনকে অনুদান দিচ্ছেন। কিন্তু তাঁদের হাতে দেওয়া হয়েছিল &lsquo;ফ্রিডম ২৫০&rsquo;-এর ব্যাংক হিসাব। অর্থাৎ টাকা গেছে অন্য প্রতিষ্ঠানে। ডেমোক্র্যাটদের ভাষায়, এটি সম্ভাব্য আর্থিক প্রতারণা, যা ফেডারেল আইনের আওতায় অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।</p>

<p>তৃতীয় অভিযোগ বিদেশি অর্থ সংগ্রহ নিয়ে। &lsquo;ফ্রিডম ২৫০&rsquo;-এর প্রধান নির্বাহী কিথ ক্র্যাক, যিনি ট্রাম্প প্রশাসনের সাবেক কর্মকর্তা, দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে বিভিন্ন দেশকে &lsquo;ফ্রিডম ২৫০&rsquo;-এর বিশেষ কর্মসূচিতে অংশ নিতে এবং তাদের প্যাকেজ কেনার আহ্বান জানান। অথচ সংগঠনটি আনুষ্ঠানিকভাবে দাবি করে, তারা বিদেশি অর্থ গ্রহণ করে না।</p>

<p>চতুর্থ অভিযোগটি নৈতিকতার প্রশ্ন তোলে। অভিযোগ করা হয়েছে, বড় করপোরেট স্পনসরদের জন্য প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও ছবি তোলার সুযোগ রাখা হয়েছিল। অর্থাৎ অর্থের বিনিময়ে প্রেসিডেন্টের কাছে যাওয়ার সুযোগ। এসব প্রতিষ্ঠানের অনেকগুলোরই আবার সরকারি চুক্তি, তহবিল বা নিয়ন্ত্রক সংস্থার সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করতে হয়।</p>

<p>পঞ্চম অভিযোগটি আরও রাজনৈতিক। &lsquo;ইভেন্ট স্ট্র্যাটেজিস&rsquo; নামের যে প্রতিষ্ঠানটি ২০২১ সালের ৬ জানুয়ারির বিতর্কিত ট্রাম্প সমাবেশ আয়োজন করেছিল, সেই প্রতিষ্ঠানই এবার কোটি কোটি ডলারের সরকারি চুক্তি পেয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।</p>

<p data-added-after="1">ডেমোক্র্যাটদের মতে, ট্রাম্প অনেক দিন ধরেই আমেরিকার ২৫০তম বর্ষপূর্তিকে নিজের রাজনৈতিক উত্তরাধিকারের অংশ করতে চেয়েছিলেন। সেনাবাহিনীর ২৫০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কুচকাওয়াজ তাঁর জন্মদিনে আয়োজন করা হয়। হোয়াইট হাউসে আয়োজিত বড় ক্রীড়া অনুষ্ঠানও তাঁর জন্মদিন ঘিরে। এমনকি ওয়াশিংটনে ২৫০ ফুট উচ্চতার একটি &lsquo;বিজয় তোরণ&rsquo; নির্মাণের পরিকল্পনাও তাঁর ব্যক্তিগত ভাবনার অংশ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। সেই পরিকল্পনার বিরুদ্ধেও মামলা হয়েছে।</p>

<p>&lsquo;ফ্রিডম ২৫০&rsquo;-এর বিভিন্ন অনুষ্ঠান নিয়েও বিতর্ক কম নয়। সমালোচকদের অভিযোগ, আমেরিকার বহুত্ববাদী ইতিহাসকে উপেক্ষা করে সেখানে অতিরিক্ত খ্রিস্টানকেন্দ্রিক ও একপেশে ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে। একটি সংগীতানুষ্ঠানের শিল্পীরা যখন জানতে পারেন এটি নিরপেক্ষ অনুষ্ঠান নয়, তখন তাঁরা সরে দাঁড়ান। পরে সেটি ট্রাম্পের রাজনৈতিক সমাবেশে রূপ নেয়।</p>

<p>এই প্রতিবেদন তৈরিতে দীর্ঘ সময় লেগেছে বলে জানিয়েছেন ক্যালিফোর্নিয়ার কংগ্রেসম্যান জ্যারেড হাফম্যান। তাঁর দাবি, হুইসেলব্লোয়ারদের সাক্ষ্য, কংগ্রেসে দেওয়া জবানবন্দি এবং অভ্যন্তরীণ নথির ভিত্তিতেই এই প্রতিবেদন তৈরি হয়েছে।</p>

<p data-added-after="1">হাফম্যানের অভিযোগ, একটি জাতীয় ঐক্যের অনুষ্ঠানকে ব্যক্তিগত রাজনৈতিক প্রচারণায় পরিণত করা হয়েছে। জনগণের অর্থ দিয়ে রাজনৈতিক মিত্রদের সুবিধা দেওয়া হয়েছে। তথ্য চাইতে গিয়ে তাঁরা বারবার বাধার মুখে পড়েছেন। ডেমোক্র্যাটরা ভবিষ্যতে প্রতিনিধি পরিষদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে সমন জারি কিংবা ফৌজদারি তদন্তের সুপারিশও করতে পারেন বলে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন।</p>

<p>অন্যদিকে &lsquo;ফ্রিডম ২৫০&rsquo;-এর মুখপাত্র ড্যানিয়েল আলভারেজ সব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন। তাঁর ভাষায়, এগুলো সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং মিথ্যা। তিনি বলেছেন, বড় সব দাতা অর্থ দেওয়ার আগে স্পষ্টভাবে জানতেন তাঁরা কোন প্রতিষ্ঠানে অনুদান দিচ্ছেন।</p>

<p>তবু প্রশ্ন থেকে যায়। বড় করপোরেট দাতারা হয়তো বিষয়টি জানতেন। কিন্তু সাধারণ মানুষ? তাঁরা কি নিশ্চিতভাবে বুঝেছিলেন, তাঁদের অনুদান সরকারি কমিশনে যাচ্ছে, নাকি একটি পৃথক এলএলসিতে?</p>

<p>জনস্বার্থবিষয়ক গবেষণা সংস্থার বিশ্লেষকেরা হিসাব করে বলছেন, এই উদযাপন উপলক্ষে ১২ কোটি ডলারেরও বেশি সরকারি অর্থ ব্যয় হয়েছে বা হচ্ছে। এর বড় অংশই ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রকল্প ও প্রতিষ্ঠানের কাছে গেছে বলে তাঁদের দাবি।</p>

<p data-added-after="1">সবচেয়ে বড় উদ্বেগের জায়গা স্বচ্ছতা। ন্যাশনাল পার্ক ফাউন্ডেশনের দাতাদের পরিচয় প্রকাশ করা বাধ্যতামূলক নয়। এলএলসি কাঠামোর আড়ালে কে কত দিলেন, কেন দিলেন, বিনিময়ে কী পেলেন&mdash;এসব প্রশ্নের উত্তর জনসাধারণের জানার সুযোগ সীমিত।</p>

<p>আসলে পুরো বিতর্কটি অর্থের চেয়ে বড়। এটি রাষ্ট্রের চরিত্রের প্রশ্ন। &lsquo;আমেরিকা ২৫০&rsquo; ছিল কংগ্রেসের সৃষ্টি। দ্বিদলীয়। জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক। আর &lsquo;ফ্রিডম ২৫০&rsquo; একটি বেসরকারি করপোরেট কাঠামো, যেখানে স্বচ্ছতার বাধ্যবাধকতা অনেক কম। এই পার্থক্যটুকুই আজকের বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু।</p>

<p>দুইশো পঞ্চাশ বছর আগে আমেরিকা জন্ম নিয়েছিল একজন রাজা বা একজন মানুষের ক্ষমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে। আর সেই দেশের আড়াইশোতম জন্মদিনেই যদি জাতীয় উৎসবকে একজন রাজনৈতিক নেতার ব্যক্তিগত ব্র্যান্ডে রূপান্তরের অভিযোগ ওঠে, তাহলে ইতিহাস নিশ্চয়ই একটু মৃদু হেসে তাকাবে।</p>

<p data-added-after="1">জন্মদিন তো হবেই। আতশবাজিও ফুটবে। জাতীয় পতাকা উড়বে। ট্রাম্প ভাষণ দেবেন। সমর্থকেরা হাততালি দেবেন। বিরোধীরা প্রতিবেদন লিখবেন। আর তারপর, হয়তো তদন্তও হবে। কারণ জন্মদিনের উৎসব এক দিনের। কিন্তু ইতিহাসের প্রশ্নের উত্তর একদিন না একদিন দিতেই হয়।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/679-2.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[টাইমস স্কয়ারের দুই হোটেলে ২৪/৭ পিকেটিং: ন্যায্য মজুরি ও ইউনিয়ন চুক্তির দাবিতে রাজপথে হোটেল কর্মীরা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/28940</link>
    <pubDate>Sat, 04 Jul 2026 10:23:05 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/28940</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/149-capture.jpg" />    <p>মোঃ নাসির, নিউ জার্সি (যুক্তরাষ্ট্র) প্রতিনিধি: জুলাই ১, ২০২৬নিউইয়র্ক সিটির প্রাণকেন্দ্র টাইমস স্কয়ারে অবস্থিত Fairfield by Marriott New York Manhattan Times Square ও Four Points by Sheraton Midtown&ndash;Times Square হোটেলের কর্মীরা ন্যায্য মজুরি, সাশ্রয়ী স্বাস্থ্যসেবা এবং প্রথম ইউনিয়ন চুক্তির দাবিতে ২৪ ঘণ্টাব্যাপী (২৪/৭) অন্যায্য শ্রমচর্চা (Unfair Labor Practice) বিরোধী পিকেটিং শুরু করেছেন।</p>

<p>ওয়েস্ট ৪০তম স্ট্রিটে (অষ্টম ও নবম অ্যাভিনিউয়ের মাঝামাঝি) অবস্থিত হোটেল দুটির কর্মীরা Hotel and Gaming Trades Council (HTC)-এর নেতৃত্বে আন্দোলনে অংশ নিচ্ছেন। একই সঙ্গে ইউনিয়ন হোটেল দুটির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক বয়কট কর্মসূচিও ঘোষণা করেছে।</p>

<p>ইউনিয়নের অভিযোগ, ২০২২ সালে কর্মীরা ইউনিয়নে যোগ দেওয়ার পর থেকে প্রথম শ্রমচুক্তি নিয়ে আলোচনা চললেও হোটেল কর্তৃপক্ষ এখনো সদিচ্ছার সঙ্গে আলোচনায় অংশ নিচ্ছে না। বরং ইউনিয়ন-সমর্থক কর্মীদের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ, ইউনিয়নের কাজ সাব-কন্ট্রাক্টে দেওয়ার চেষ্টা এবং একাধিক অন্যায্য শ্রমচর্চার অভিযোগে ইতোমধ্যে ফেডারেল পর্যায়ে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। &nbsp;</p>

<p>পিকেটিংয়ে সংহতি জানিয়ে নিউইয়র্ক সিটির মেয়র Zohran Mamdani বলেন,<br />
&ldquo;চার বছর ধরে একটি ন্যায্য চুক্তির জন্য অপেক্ষা করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এই কর্মীরা ইউনিয়নে যোগ দেওয়ার সাংবিধানিক অধিকার প্রয়োগ করেছেন এবং আন্তরিকভাবে আলোচনায় অংশ নিতে চেয়েছেন। কিন্তু ব্যবস্থাপনা সেই সিদ্ধান্তকে সম্মান না করে তাদের অধিকার আদায়ে ফেডারেল অভিযোগ করতে বাধ্য করেছে।&rdquo;</p>

<p>তিনি আরও বলেন,<br />
&ldquo;পূর্ণকালীন কাজ করেও কোনো শ্রমিককে যেন বাসাভাড়া ও ওষুধের খরচের মধ্যে একটি বেছে নিতে না হয়। যারা বছরের পর বছর এই শহরের পর্যটকদের সেবা দিয়েছেন, তারা সম্মান ও ন্যায্য আচরণের দাবিদার। নিউইয়র্ক সিটি প্রশাসন তাদের ন্যায্য চুক্তির আন্দোলনের পাশে রয়েছে।&rdquo; &nbsp;</p>

<p>মেয়রের সঙ্গে পিকেটিংয়ে উপস্থিত নিউইয়র্ক সিটির ডেপুটি মেয়র ফর ইকোনমিক জাস্টিস Julie Su বলেন,<br />
&ldquo;সাত বছর চাকরি করেও ঘণ্টায় মাত্র ১৭ ডলার মজুরি, স্বাস্থ্যবিমা ছাড়া কাজ করা এবং প্রশিক্ষণ ছাড়াই নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি মোকাবিলা করা&mdash;এগুলোই অন্যায্য শ্রমচর্চার বাস্তব চিত্র। এই কর্মীদের ন্যায্য দাবির সঙ্গে আমরা একাত্মতা প্রকাশ করছি।&rdquo; &nbsp;</p>

<p>HTC সভাপতি Rich Maroko সম্প্রতি এক বার্তায় বলেন, ইউনিয়নের শক্তি আসে সদস্যদের ঐক্য থেকে এবং ন্যায্য চুক্তি আদায়ে প্রয়োজনে পিকেটিং ও ধর্মঘটই শ্রমিকদের সবচেয়ে কার্যকর হাতিয়ার। তিনি বলেন, &ldquo;ন্যায্য মজুরি, বিনামূল্যের পারিবারিক স্বাস্থ্যসেবা, শক্তিশালী পেনশন ও কর্মক্ষেত্রে মর্যাদা নিশ্চিত করতে HTC তার সদস্যদের পাশে থাকবে।&rdquo; &nbsp;</p>

<p>আন্দোলনরত কর্মীরা বলেন, নিউইয়র্কের ক্রমবর্ধমান জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে বর্তমান মজুরি মোটেও সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। স্বাস্থ্যবিমার ব্যয় বহন করাও অনেকের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে। তাই তারা একটি শক্তিশালী ইউনিয়ন চুক্তির মাধ্যমে সম্মানজনক বেতন, উন্নত স্বাস্থ্যসেবা, চাকরির নিরাপত্তা এবং কর্মক্ষেত্রে অধিক সুরক্ষার দাবি জানিয়েছেন।</p>

<p>ইউনিয়নের ঘোষণা অনুযায়ী, সপ্তাহের সাত দিন, দিন-রাত ২৪ ঘণ্টাই পিকেটিং চলবে। একই সঙ্গে পর্যটক, ট্রাভেল এজেন্সি, ইভেন্ট আয়োজক ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে হোটেল দুটি বয়কট করার আহ্বান জানানো হয়েছে। ইউনিয়নের দাবি, শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। &nbsp;</p>

<p>শ্রমিক নেতাদের মতে, নিউইয়র্কের পর্যটন ও আতিথেয়তা শিল্পের সাফল্যের পেছনে হোটেল কর্মীদের অবদান অপরিসীম। তাই তাদের ন্যায্য মজুরি, মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা ও মর্যাদাপূর্ণ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।</p>

<p>টাইমস স্কয়ারের এই আন্দোলনকে নিউইয়র্কের হোটেল শিল্পে শ্রমিক অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের আশা, আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত একটি গ্রহণযোগ্য সমাধান বেরিয়ে আসবে।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/149-capture.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[পদোন্নতির সঙ্গে বিশেষ প্রণোদনা পাচ্ছেন তিন বাহিনীর সাবেক ১৫০ কর্মকর্তা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28939</link>
    <pubDate>Sat, 04 Jul 2026 10:19:42 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28939</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/806-99.jpg" />    <article>
<p>বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত, অপসারিত, অব্যাহতি পাওয়া এবং বরখাস্ত হওয়া ১৫০ জন কর্মকর্তাকে স্বাভাবিক অবসর বা ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।</p>

<p>তাদের মধ্যে স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের (এসএসএফ) সাবেক মহাপরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ ফাতেমী আহমেদ রুমী, সাবেক রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহমেদের সামরিক সচিব লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) আমিনুল করিম, জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির গোলাম আযমের ছেলে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবদুল্লাহিল আমান আযমী রয়েছেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>বুধবার (১ জুলাই) প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রতিরক্ষা সচিব মো. আশরাফ উদ্দিন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।</p>

<p>প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট পর্যন্ত সময়কালে চাকরিতে বঞ্চনা, অবিচার ও প্রতিহিংসার শিকার হওয়া কর্মকর্তাদের আবেদন পর্যালোচনা করে সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। স্বাভাবিক অবসর, বাধ্যতামূলক অবসর বা ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি পাওয়া ওই কর্মকর্তারা বকেয়া বেতন-ভাতা ও অন্যান্য আর্থিক সুবিধাও পাবেন।</p>
</article>

<article>সুবিধা পাওয়া ১৫০ কর্মকর্তার মধ্যে সেনাবাহিনীর ১১৫ জন, নৌবাহিনীর ২১ জন ও বিমানবাহিনীর ১৪ জন রয়েছেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রজ্ঞাপনে আরো বলা হয়েছে, অধিকাংশ কর্মকর্তার বাধ্যতামূলক বা অকালীন অবসর বাতিল করে বয়সসীমা পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত চাকরি বহাল ধরে স্বাভাবিক অবসর দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে অনেককে লেফটেন্যান্ট জেনারেল, মেজর জেনারেল, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ও কর্নেল পদে ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। ফলে তারা সংশ্লিষ্ট পদে চাকরির মেয়াদ পর্যন্ত বকেয়া বেতন-ভাতা ও বিধি অনুযায়ী অন্যান্য আর্থিক সুবিধা পাবেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>কয়েকজন কর্মকর্তার ক্ষেত্রে বিশেষ আর্থিক ও প্রশাসনিক সুবিধাও দেওয়া হয়েছে। কারো জন্য এককালীন ৩০ লাখ, কারো জন্য ৫০ লাখ টাকা, আবার কারো জন্য ১ কোটি টাকা পর্যন্ত বিশেষ আর্থিক প্রণোদনা দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি কারো জন্য প্রচলিত নীতিমালা অনুযায়ী সরকারি বা বাহিনীর ব্যবস্থাপনায় প্লট বা ফ্ল্যাট দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া বয়স ও যোগ্যতা সাপেক্ষে সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে পদায়নেরও সুযোগ রাখা হয়েছে।</p>

<p>প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের চলতি বছরের ৩ মে গঠিত উচ্চপর্যায়ের কমিটির সুপারিশ ও তিন বাহিনীর সদরদপ্তরের মতামত পর্যালোচনা করে এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/806-99.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[জামায়াতসহ স্বাধীনতাবিরোধী ৩ দলকে দায় মুক্তি দিতে চেয়েছিল অন্তর্বর্তী সরকার]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/Politics/28938</link>
    <pubDate>Sat, 04 Jul 2026 10:18:07 +0600</pubDate>
    <category> politics </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/Politics/28938</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1000-88.jpg" />    <article>
<p>মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতার সংজ্ঞা থেকে জামায়াতে ইসলামী, মুসলিম লীগ ও নেজামে ইসলামের নাম বাদ দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছিল অন্তর্বর্তী সরকার। তবে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) সদস্যদের তীব্র আপত্তির মুখে সেই প্রস্তাব কার্যকর হয়নি।</p>
</article>

<article>পরে আপসের ভিত্তিতে দলগুলোর নামের আগে &lsquo;তৎকালীন&rsquo; শব্দ যুক্ত করে সংশোধিত খসড়া চূড়ান্ত করা হয়।
<p>&nbsp;</p>

<p>এ ছাড়া মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদের সংজ্ঞা নির্ধারণকারী কর্তৃপক্ষ জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলকে (জামুকা) না জানিয়েই পাঠ্যপুস্তকে মুদ্রিত সংজ্ঞায় আনা হয়েছিল পরিবর্তন। এ বিষয়ে অনুমোদন নিতে জামুকার সভায় তৎকালীন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক উপদেষ্টা ও সংস্থাটির চেয়ারম্যান ফারুক-ই-আজম উপদেষ্টা পরিষদের পক্ষ থেকে এমন প্রস্তাব উত্থাপন করলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন জামুকার সদস্যরা।</p>

<p>তারা সাফ জানিয়ে দেন&mdash;মুসলিম লীগ, জামায়াতে ইসলামী, নেজামে ইসলাম এবং আলবদর, রাজাকার ও আলশামস বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধারা।</p>
</article>

<article>এটিই সত্য ও সুপ্রতিষ্ঠিত ইতিহাস। জামুকা সদস্যরা এ ইতিহাসের বিকৃতি করতে পারেন না। <a href="https://www.agamirsomoy.com/politics/fvaykggeqq5w?fbclid=IwY2xjawS1WXRleHRuA2FlbQIxMABicmlkETFFYmNjQkNVTW1ZUFRsN0xtc3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHo9zM02_ltbQN26N4HHrzKvpNfmTnAAb-Xkim4XgXWbKwOpYK7NKgYrD--EH_aem_BpT5hyj9pnUs3CfhfQqYOw&amp;sfnsn=wa">আগামীর সময়ের</a> অনুসন্ধানে উঠে এসেছে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য।

<p>&nbsp;</p>

<p>দৈনিকটি জানিয়েছে, ওই সময় জামুকা সদস্যদের তীব্র আপত্তি ও প্রতিবাদের মুখে উপদেষ্টা পরিষদের প্রস্তাবটি নাকচ হলে সিদ্ধান্ত হয়, মুক্তিযুদ্ধের সংজ্ঞায় রাজনৈতিক দল জামায়াতে ইসলামী, মুসলিম লীগ, নেজামে ইসলাম নামের আগে &lsquo;তৎকালীন&rsquo; শব্দ যোগ হবে।</p>
</article>

<article>সেভাবেই তখন প্রস্তাবিত &lsquo;জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫&rsquo;-এর খসড়া চূড়ান্ত হয়। সেই অধ্যাদেশটিই গত ১০ এপ্রিল &lsquo;জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (সংশোধন) আইন, ২০২৬&rsquo; বিল আকারে জাতীয় সংসদে পাস হয়।
<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/07/04/1706658" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ঘটে যাওয়া এমন প্রচেষ্টার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন জামুকার তৎকালীন সদস্য ও জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাত।</p>

<p>তিনি জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে না পারায় বিব্রত হন উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজম। জামুকা সদস্যদের তীব্র বিরোধিতার কারণেই তিনি এটা করতে পারেননি।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>অনুসন্ধানে জানা যায়, গত বছর ১০ মে হয় জামুকার ৯৬তম সভা। তাতে সভাপতিত্ব করেন সাবেক উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজম। উপস্থিত ছিলেন জামুকার সদস্য মেজর জেনারেল (অব.) আজিজুর রহমান (বীর-উত্তম), ক্যাপ্টেন (অব.) এম নুরুল হুদা, মেজর (অব.) সৈয়দ মুনিবুর রহমান, মেজর (অব.) কাইয়ুম খান, ইশতিয়াক আজিজ উলফাত, সাদেক আহমেদ খান, হাবিবুল আলম, খ. ম. আমীর আলী, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সচিব ইসরাত চৌধুরী ও জামুকা মহাপরিচালক শাহিনা খাতুন।</p>

<p>মুক্তিযুদ্ধের সংজ্ঞা থেকে জামায়াতে ইসলামী, মুসলিম লীগ ও নেজামে ইসলামের নাম বাদ দেওয়ার প্রস্তাব রেখে বৈঠকে ফারুক-ই-আজম বলেন, &lsquo;গত ৬ মে উপদেষ্টা পরিষদ সভায় জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল আইন, ২০২২ সংশোধনকল্পে প্রস্তাবিত অধ্যাদেশ অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হয়।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/country-news/2026/07/04/1706656" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>সভায় জানানো হয়, পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের প্রকাশিত পাঠ্যপুস্তকে এসংক্রান্ত রচনায় সংশোধনী আনা হয়েছে। সংশোধনীগুলোর মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের একটি সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। ওই সংজ্ঞার সঙ্গে মিল রেখে সর্বজনীন মুক্তিযুদ্ধ/মুক্তিযোদ্ধার সংজ্ঞা নির্ধারণ করা প্রয়োজন।</p>

<p>প্রস্তাবিত অধ্যাদেশের ২(১১) এবং ২/১৩) উপধারায় &lsquo;মুজাহিদ বাহিনী, মুসলিম লীগ, জামায়াতে ইসলামী, নেজামে ইসলাম&rsquo; শব্দগুলো বাদ দিয়ে উপদেষ্টা পরিষদের পরবর্তী সভায় উপস্থাপনের বিষয়ে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।&rsquo;</p>

<p>ফারুক-ই-আজম আরো বলেন, &lsquo;উপদেষ্টা পরিষদের সভার পরামর্শমতে সংশোধন বা পরিমার্জনের লক্ষ্যে কাউন্সিলের সদস্যদের মতামতের জন্য উপস্থাপন করা হলো।&rsquo; সঙ্গে সঙ্গে সভায় উপস্থিত জামুকার সদস্যরা তীব্র নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানান।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/dhaka/2026/07/04/1706655" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>সদস্য মেজর জেনারেল (অব.) আজিজুর রহমান বীর-উত্তম তখন বলেন, &lsquo;আমরা সবাই জানি কাদের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধ করেছি। তৎকালীন মুসলিম লীগ, জামায়াতে ইসলামী, নেজামে ইসলাম, আলবদর, আলশামস&mdash; এদের বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধারা যুদ্ধ করেছেন, এটিই সত্য ইতিহাস।&rsquo;</p>

<p>জামুকাকে না জানিয়ে পাঠ্যপুস্তকের রচনায় কিভাবে সংজ্ঞা পরিবর্তন করা হলো, সে প্রশ্ন তুলে তীব্র অসন্তোষ জানিয়ে অন্য সদস্য মেজর (অব.) কাইয়ুম খান মন্তব্য করেন, পাঠ্যপুস্তকে কী সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে, তা জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের জানা নেই। মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধার যেকোনো সংজ্ঞা একমাত্র জামুকাই দেবে।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/07/04/1706654" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>উপদেষ্টা পরিষদের এমন প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানকারী আরেক সদস্য মেজর (অব.) সৈয়দ মুনিবুর রহমানের ভাষ্য, &lsquo;আমরা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত করতে পারি না। মুক্তিযোদ্ধারা পাকিস্তানি হানাদার ও তাদের এদেশীয় সহযোগী রাজাকার, আলবদর, আলশামস, মুসলিম লীগ, জামায়াতে ইসলামী, নেজামে ইসলাম, দালাল শান্তি কমিটির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছেন। এটি সুপ্রতিষ্ঠিত।&rsquo;</p>

<p>সদস্য হাবিবুল আলম বলেন, বিদ্যমান জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল আইন, ২০২২-এ &lsquo;মুসলিম লীগ, জামায়াতে ইসলামী, নেজামে ইসলাম&rsquo; শব্দগুলো আছে। এগুলো যথার্থভাবেই আইন/আদেশ/প্রজ্ঞাপনে সন্নিবেশিত হয়েছে এবং মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাসও তাই। এ ছাড়া বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট আইন, ২০১৮-এর ২(১১) ও ২(১৪) নম্বর ধারায় যথাক্রমে &lsquo;বীর মুক্তিযোদ্ধা&rsquo; ও &lsquo;মুক্তিযুদ্ধ&rsquo;-এর সংজ্ঞায় জামায়াতে ইসলামীর কথা বর্ণিত আছে। ওই শব্দগুলো প্রস্তাবিত অধ্যাদেশে বাদ দেওয়া সমীচীন হবে না।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1000-88.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[স্পিকার হাফিজ উদ্দিনের সঙ্গে ইরানের স্পিকারের সাক্ষাৎ, খামেনি হত্যার নিন্দা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28937</link>
    <pubDate>Sat, 04 Jul 2026 10:16:08 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28937</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1122-77.jpg" />    <article>
<p>বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ ইরানের ইসলামিক কনসালটেটিভ অ্যাসেম্বলির স্পিকার মোহাম্মদ বাগের গালিবাফের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। শুক্রবার (৩ জুলাই) তেহরানে তাদের এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>স্পিকার গালিবাফ ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির রাষ্ট্রীয় শেষকৃত্য উপলক্ষে স্পিকার ও বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলকে অভ্যর্থনা জানান।</p>

<p>স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং তার নৃশংস হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি জাতীয় শোকের এ সময়ে ইরান সরকার ও ভ্রাতৃপ্রতিম জনগণের প্রতি বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের সংহতি প্রকাশ করেন।</p>

<p>স্পিকার ইরান ও বাংলাদেশের মধ্যে শতাব্দী প্রাচীন বন্ধুত্ব এবং গভীর সাংস্কৃতিক ও মানুষে মানুষে সম্পর্কের কথাও তুলে ধরেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সাম্প্রতিক শান্তি সমঝোতা স্মারক সহজতর করার ক্ষেত্রে স্পিকার গালিবাফের গঠনমূলক ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং আশা প্রকাশ করেন যে এ চুক্তি ইরানের জনগণ এবং বৃহত্তর অঞ্চলের জন্য স্থায়ী শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং সমৃদ্ধি বয়ে আনবে।</p>

<p>তিনি চলমান শান্তি প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন এবং আশা প্রকাশ করেন যে, সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমে অমীমাংসিত ইস্যুগুলোর টেকসই সমাধান অর্জনে সব পক্ষ এ গতিবেগ গড়ে তুলবে।</p>

<p>স্পিকার গালিবাফকে পারস্পরিক সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান হাফিজ উদ্দিন আহমেদ।</p>

<p>রাষ্ট্রীয় শেষকৃত্যে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিতে স্পিকার গতকাল তেহরানে পৌঁছেছেন।</p>
</article>

<article>ইরানের ইসলামিক কনসালটেটিভ অ্যাসেম্বলির ডেপুটি স্পিকার হামিদ রেজা হাজী বাবাই বিমানবন্দরে প্রতিনিধিদলকে অভ্যর্থনা জানান।</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1122-77.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[জুলাই অভ্যুত্থানে নিহতদের স্মরণসভা আজ, যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28936</link>
    <pubDate>Sat, 04 Jul 2026 10:15:16 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28936</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1239-66.jpg" />    <article>
<p>চব্বিশের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে নিহত ব্যক্তিদের স্মরণসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।</p>

<p>শনিবার (৪ জুলাই) সকাল ১০টায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এ স্মরণসভার আয়োজন করা হয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>গতকাল শুক্রবার সকালে বিএনপির মিডিয়া সেলের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়। &lsquo;৩৬ জুলাই&rsquo;-এর দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে যৌথভাবে অনুষ্ঠানটি আয়োজন করছে &lsquo;জুলাই ২৪ শহীদ পরিবার সোসাইটি&rsquo; ও &lsquo;আমরা জুলাই যোদ্ধা&rsquo;।</p>

<p>এদিকে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ৯ দিনের কর্মসূচির শেষ দিন আগামী ৩ আগস্ট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ছাত্র সমাবেশেও প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। গত বৃহস্পতিবার এই কর্মসূচি ঘোষণা করে বিএনপির ছাত্রসংগঠন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) মিলনায়তনে আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে শুরু হবে এই কর্মসূচি, শেষ হবে আগামী ৩ আগস্ট।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1239-66.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[খামেনির প্রতি সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদন আজ, জনসমাগমে মুখর প্রাঙ্গণ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28935</link>
    <pubDate>Sat, 04 Jul 2026 10:12:25 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28935</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1342-55.jpg" />    <p>ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির প্রতি আজ সর্বস্তরের নাগরিকরা শ্রদ্ধা জানাবেন। এতে এতে লাখ লাখ ভক্ত ও অনুরাগীর উপস্থিত হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।&nbsp; উপস্থিতির দিক থেকে খামেনির জানাজা ইরানের ইতিহাসে নতুন রেকর্ড গড়তে যাচ্ছে বলে দাবি করেছে ইরান।&nbsp;</p>

<p>শনিবার (৪ জুলাই) মেহের নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।</p>

<p>প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভক্ত ও অনুরাগীদের বিপুল অংশগ্রহণের লক্ষ্যে তেহরানের ইমাম খোমেনি গ্র্যান্ড মোসাল্লা সকাল ৬টায় সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।</p>

<p>মেহের নিউজ জানিয়েছে, তেহরানসহ দেশের বিভিন্ন শহর ও প্রদেশ থেকে বিপুলসংখ্যক মানুষ গ্র্যান্ড মোসাল্লার দিকে রওনা হয়েছেন। তারা রাস্তায় এবং দাফন অনুষ্ঠান শুরুর জন্য নির্ধারিত স্থানগুলোতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে অপেক্ষা করছেন। ইমাম খামেনির প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর জন্য প্রথম প্রহরেই ঐতিহাসিক সেই মুহূর্তে উপস্থিত থাকার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তারা।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>এর আগে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম জানায়, ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দাফনকে কেন্দ্র করে সপ্তাহব্যাপী আনুষ্ঠানিকতার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এ উপলক্ষে ইরান ও ইরাকের অন্তত পাঁচটি শহরে বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। শুক্রবার (৩ জুলাই) থেকে এ আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে।</p>

<p><b>সাত দিনব্যাপী দাফনের আনুষ্ঠানিকতা</b></p>

<p>খামেনির দাফনের আনুষ্ঠানিকতা ৩ জুলাই তেহরানে শুরু হয়েছে। এটি ইরান ও ইরাকজুড়ে সাত দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে পালিত হবে। এসব অনুষ্ঠানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতা, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব ও পণ্ডিতরা শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন।</p>

<p>৪ ও ৫ জুলাই তেহরানে সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের আয়োজন করা হবে। সর্বসাধারণের শেষ শ্রদ্ধা জানানোর জন্য পরিবারের বেশ কয়েকজন সদস্যের মরদেহসহ খামেনির কফিন গ্র্যান্ড মোসাল্লায় রাখা হবে। বিশাল জনসমাগমের জন্য নির্মিত গ্র্যান্ড মোসাল্লা ইরানের অন্যতম বৃহৎ প্রার্থনাস্থল। এটি দীর্ঘদিন ধরে প্রধান ধর্মীয় অনুষ্ঠান ও রাষ্ট্রীয় আয়োজনের স্থান হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।</p>

<p>৬ ও ৭ জুলাই তেহরানের বিভিন্ন এলাকা অতিক্রম করে রাজধানী থেকে প্রায় ১২০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত কোম শহরের উদ্দেশে বিশাল শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>কোম ইরানের শিয়া ইসলামি শিক্ষার প্রধান কেন্দ্র এবং দেশটির অন্যতম পবিত্র শহর। এখানে দেশের বৃহত্তম ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো অবস্থিত। খামেনিসহ হাজার হাজার আলেম এ শহরে অধ্যয়ন ও শিক্ষাদান করেছেন।</p>

<p>ইরান ও ইরাকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ৮ জুলাই নজফ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে একটি আনুষ্ঠানিক সংবর্ধনার আয়োজন করা হবে। এরপর ইরাকের নজফ ও কারবালা শহরে বড় শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে।</p>

<p>নজফে অবস্থিত ইমাম আলীর মাজার শিয়াদের অন্যতম পবিত্র স্থান। প্রতি বছর সেখানে লাখো তীর্থযাত্রী আসেন। এখানে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর চাচাতো ভাই ও জামাতা হজরত আলী ইবনে আবি তালিবের সমাধি রয়েছে।</p>

<p>কারবালায় অবস্থিত ইমাম হুসাইন ও তাঁর সৎভাই আব্বাসের মাজার শিয়া ইসলামের অন্যতম পবিত্র স্থান। ৬৮০ খ্রিস্টাব্দে কারবালার যুদ্ধে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর দৌহিত্র ইমাম হুসাইন এবং আব্বাস শহীদ হন। এ ঘটনাটি শিয়া ধর্মীয় ঐতিহ্য ও পরিচয়ের অন্যতম ভিত্তি।</p>

<p>এরপর মরদেহটি চূড়ান্ত দাফনের জন্য ইরানে ফিরিয়ে আনা হবে। আগামী ৯ জুলাই মাশহাদে ইমাম রেজার মাজারে তাকে দাফন করা হবে। মাশহাদ ইরানের পবিত্রতম শহর। ইমাম রেজা শিয়া মতাবলম্বীদের কাছে অষ্টম ইমাম হিসেবে পরিচিত।</p>

<p>শহরটি আলি খামেনির জন্য ব্যক্তিগতভাবেও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। তিনি ১৯৩৯ সালে মাশহাদে জন্মগ্রহণ করেন এবং জীবনের একটি বড় অংশ সেখানে কাটান। কোমে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের আগে তিনি মাশহাদের ধর্মীয় মাদ্রাসাগুলোতে অধ্যয়ন করেছিলেন।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1342-55.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর ফোনালাপ, দ্রুত সাক্ষাতের সিদ্ধান্ত]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28934</link>
    <pubDate>Sat, 04 Jul 2026 10:10:51 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28934</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1406-44.jpg" />    <article>
<p>যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ফোন করে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। শুক্রবারের (৩ জুলাই) এই ফোনালাপে দুই নেতা অদূর ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রে সশরীরে সাক্ষাৎ করতে সম্মত হয়েছেন বলে নেতানিয়াহুর কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করার পর থেকে নেতানিয়াহু ওয়াশিংটনে যাননি। সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের সম্পর্কে নানা টানাপোড়েন চললেও, এই <a href="https://nypost.com/2026/07/03/us-news/trump-netanyahu-speak-on-phone-agree-to-meet-soon/">ফোনকলের মাধ্যমে বরফ গলতে শুরু করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে</a>। ফোনালাপে নেতানিয়াহু যুক্তরাষ্ট্রকে &lsquo;বৈশ্বিক স্বাধীনতার রক্ষাকর্তা&rsquo; হিসেবে অভিহিত করেন এবং দুই দেশের মধ্যকার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ককে অত্যন্ত গুরুত্ব দেন। অন্যদিকে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সম্প্রতি এক পডকাস্টে নেতানিয়াহুর সাথে তার সম্পর্ক ভালো দাবি করে বলেন, &lsquo;আমরা একসঙ্গে খুব ভালো কাজ করেছি।</p>
</article>

<article>আমি বিবিকে (নেতানিয়াহু) খুব পছন্দ করি। আমি একজন যুদ্ধকালীন রাষ্ট্রপতি এবং তিনি একজন যুদ্ধকালীন প্রধানমন্ত্রী।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>গত ১ জুন লেবাননে হামলার জন্য নেতানিয়াহুকে &lsquo;পুরোপুরি পাগল&rsquo; বলেছিলেন ট্রাম্প। একটি মার্কিন সূত্র অনুযায়ী, ট্রাম্প নেতানিয়াহুকে সতর্ক করে বলেছিলেন যে ট্রাম্প পাশে না থাকলে নেতানিয়াহু জেলে থাকতেন এবং তার কারণেই সবাই এখন ইসরায়েলকে ঘৃণা করছে।</p>
</article>

<article>পরে ট্রাম্প &lsquo;দ্য পোস্ট&rsquo; পত্রিকার কাছে স্বীকার করেন যে তিনি এই ধরণের কড়া ভাষা ব্যবহার করেছিলেন। এই উত্তেজনার পর, গত ২৬শে জুন লেবানন ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি ত্রিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষর করে ইসরায়েল, যার লক্ষ্য ছিল অঞ্চলে শান্তি ফিরিয়ে আনা। গত ৮ই জুন আরেকটি ফোনালাপে ট্রাম্প সতর্ক করেছিলেন যে, তেহরানের সাথে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ শুরু করলে ইসরায়েল মার্কিন সমর্থন হারাতে পারে এবং তাকে একা ফেলে রাখা হতে পারে। তবে সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হওয়ার পর এই অসন্তোষ অনেকটাই কমে এসেছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>এদিকে, গত বৃহস্পতিবার নিউইয়র্ক টাইমসে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনকে সম্পূর্ণ &lsquo;ভুয়া খবর&rsquo; বলে উড়িয়ে দিয়েছেন নেতানিয়াহু।</p>
</article>

<article>ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল, গত ৮ এপ্রিলের যুদ্ধবিরতি আলোচনার সময় ইরানের শীর্ষ আলোচকদের ওপর হামলার পরিকল্পনা করছিল ইসরায়েল। শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ এক বিবৃতিতে নেতানিয়াহু একে &lsquo;বাস্তবতার সম্পূর্ণ মনগড়া বিবরণ&rsquo; বলে উল্লেখ করেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>আঞ্চলিক সূত্রগুলোর মতে, গত ১১ এপ্রিল ইসলামাবাদে প্রথম দফার আলোচনার সময় ইরানি প্রতিনিধিদল নিরাপত্তার অভাব বোধ করছিল, তবে ওয়াশিংটনের আশ্বাসে তারা আশ্বস্ত হয়। শুক্রবারের এই সর্বশেষ ফোনালাপ নিয়ে হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য বা বিস্তারিত বিবরণ প্রকাশ করা হয়নি। তবে একজন ইসরায়েলি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, পূর্বের মতবিরোধ সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সম্পর্ক এখনও অত্যন্ত শক্তিশালী রয়েছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1406-44.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ইরানি সাংবাদিককে ছুরিকাঘাত, দুই রোমানীয় নাগরিকের কারাদণ্ড]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28933</link>
    <pubDate>Sat, 04 Jul 2026 10:10:13 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28933</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1491-33.jpg" />    <article>
<p>যুক্তরাজ্যের লন্ডনে কর্মরত এক ইরানি সাংবাদিককে ছুরিকাঘাত করার দায়ে দুই রোমানীয় নাগরিককে দীর্ঘমেয়াদী কারাদণ্ড দিয়েছেন ব্রিটিশ আদালত। প্রসিকিউটরদের মতে, দণ্ডপ্রাপ্ত এই ব্যক্তিরা ইরান সরকারের &lsquo;প্রক্সি&rsquo; বা ভাড়াটে শক্তি হিসেবে এই হামলা চালিয়েছিল।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>গত ২০২৪ সালের মার্চ মাসে <a href="https://www.reuters.com/business/media-telecom/two-romanian-men-jailed-stabbing-iranian-journalist-london-2026-07-03/?fbclid=IwY2xjawS1VvNleHRuA2FlbQIxMABicmlkETE1WUJwVUhSNmg0UVhZZ2lCc3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHjotVUT-IYPIuF_6PLxnc2Q2ztaSBUKkBLIPEcoSqvkGsIOVBB02XmkxT5IQ_aem_XUbcvgdsWDMDXryVAtkoZg">দক্ষিণ-পশ্চিম লন্ডনে নিজ বাড়ির সামনে হামলার শিকার হন পুরিয়া জারাতিফুকোলাই (পুরিয়া জেরাতি)</a>। তিনি ইরান সরকারের সমালোচক হিসেবে পরিচিত এবং সৌদি অর্থায়নে পরিচালিত টেলিভিশন মাধ্যম &lsquo;ইরান ইন্টারন্যাশনাল&rsquo;-এর একজন ব্রিটিশ-ইরানি সাংবাদিক। হামলার সময় তার পায়ে তিনবার ছুরিকাঘাত করা হয়েছিল। লন্ডনের উলউইচ ক্রাউন কোর্টে দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়া শেষে শুক্রবার (৩ জুলাই) বিচারক ববি চিমা-গ্রাব এই রায় ঘোষণা করেন।</p>
</article>

<article>সাজাপ্রাপ্ত দুই আসামি হলেন জর্জ স্টানা (২৫) ও &nbsp;নন্দিতো বাদেয়া (২১)।
<p>&nbsp;</p>

<p>অভিযুক্তরা আদালতে নিজেদের নির্দোষ দাবি করলেও গত জুনে তারা দোষী সাব্যস্ত হন। রায় ঘোষণার সময় বিচারক স্পষ্ট করে বলেন, এই হামলাটি যে একটি বিদেশি শক্তির স্বার্থে চালানো হয়েছিল, সে বিষয়ে আদালত পুরোপুরি নিশ্চিত।</p>

<p>রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ডানকান অ্যাটকিনসন জুরিদের জানান, ইরান রাষ্ট্রের পক্ষে কাজ করা একটি তৃতীয় পক্ষ এই হামলার নির্দেশ দিয়েছিল।</p>
</article>

<article>মূলত &lsquo;ইরান ইন্টারন্যাশনাল&rsquo; মাধ্যমটি তেহরান সরকারের তীব্র সমালোচনা করার কারণে ইরান সরকার এটিকে একটি &lsquo;সন্ত্রাসী সংগঠন&rsquo; হিসেবে ঘোষণা করেছে। তবে এই হামলায় কোনো ধরনের সম্পৃক্ততার কথা অস্বীকার করেছে ইরান। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ডেভিড আন্দ্রেই নামে তৃতীয় এক ব্যক্তি রোমানিয়াতে গ্রেপ্তার হলেও এই বিচার প্রক্রিয়ায় তাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।
<p>&nbsp;</p>

<p>আদালতের এই রায়ে স্বস্তি প্রকাশ করেছে ইরান ইন্টারন্যাশনাল কর্তৃপক্ষ। এক বিবৃতিতে তাদের মুখপাত্র বলেন, মামলাটির নিষ্পত্তি হওয়ায় আমরা আনন্দিত।</p>
</article>

<article>এই প্রচেষ্টার জন্য পুলিশ ও ব্রিটিশ সরকারকে ধন্যবাদ। পুরিয়ার ওপর হামলাটি ছিল অত্যন্ত ভয়াবহ, যা তার পরিবার এবং সহকর্মীদের জন্য ছিল অত্যন্ত মর্মান্তিক।</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1491-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[‘শক্তিশালী’ কেপ ভার্দের বিপক্ষে কষ্টার্জিত জয়ে শেষ ষোলোয় আর্জেন্টিনা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/28932</link>
    <pubDate>Sat, 04 Jul 2026 10:09:32 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/28932</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1531-22.jpg" />    <article>
<p>ম্যাচের দীর্ঘ একটা সময় মনে হচ্ছিল ফিফা র&zwj;্যাংকিংয়ের ৬৭ তম দলের কাছে অঘটনের শিকার হবে না তো বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা! নবাগত কেপ ভার্দে যে খেলা দেখাল মেসিদের তাতে তাদের দুর্বল বলার আর কোন উপায় নেই। ম্যাচে দুইবার পিছিয়ে পড়েও দেখিয়েছে কিভাবে প্রত্যাবর্তন করতে হয়।</p>
</article>

<article>শেষ পর্যন্ত মেসিদের গোলে নয় বরং নিজেদের আত্মঘাতী গোলেই হারতে হয়েছে ভোজিনহাদের।
<p>&nbsp;</p>

<p>সব নাটকীয়তা শেষে কেপ ভার্দেকে ৩-২ গোলে হারিয়ে শেষ ষোলোর টিকিট নিশ্চিত করেছে মেসিবাহিনী।</p>

<p>যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামি স্টেডিয়ামে শনিবার ভোরে ম্যাচের শুরু থেকেই বলের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হোল্ডে নেয় আলবিসেলেস্তেরা। তবে ম্যাচের প্রথম আসল সুযোগটি তৈরি করেছিল কেপ ভার্দেই, সপ্তম মিনিটে বক্সে ঢুকে অধিনায়ক রায়ান মেন্দেস খেই না হারালে তখনই লিড পেতে পারত তারা।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>ধাক্কা সামলে ধীরে ধীরে আক্রমণ শানাতে থাকে আর্জেন্টিনা। প্রথমার্ধের হাইড্রেশন বিরতির পরপরই আসে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ&mdash;মেসি-জাদু! ২৯ মিনিটে নিজেদের অর্ধে দাঁড়িয়ে ডিফেন্ডার লিসান্দ্রো মার্তিনেস এক নিখুঁত দূরপাল্লার লং-বল বাড়ান। প্রথম স্পর্শেই অবিশ্বাস্য দক্ষতায় বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে কেপ ভার্দে গোলরক্ষক ভোজিনহাকে বোকা বানান মহাতারকা।</p>

<p>এই গোলের সাথে সাথেই ইতিহাসের নতুন পাতায় নাম লেখালেন এলএমটেন।</p>
</article>

<article>প্রথম ফুটবলার হিসেবে বিশ্বকাপের মঞ্চে ২০টি গোলের অনন্য মাইলফলক স্পর্শ করলেন তিনি। একই সাথে বিশ্বকাপে টানা ৮ ম্যাচে গোল এবং একাধিক বিশ্বকাপে (২০২২ ও ২০২৬) অন্তত ৭টি করে গোল করার অতিমানবীয় বিশ্বরেকর্ডও নিজের করে নিলেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।
<p>&nbsp;</p>

<p>১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়েও দমে যায়নি আফ্রিকার দেশটি। বিরতির পর ৫৪ মিনিটে প্রথমবার এমিলিয়ানো মার্তিনেসকে পরীক্ষায় ফেলেন দিরয় দুয়ার্তে। তার খানিক বাদেই মেন্দেসের ক্রস থেকে সেই দুয়ার্তেরই নিচু শটে লিসান্দ্রোর পায়ের নিচ দিয়ে বল জালে জড়ালে ১-১ সমতায় ফেরে ম্যাচ।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>সমতায় ফেরার পর আর্জেন্টিনার সামনে স্রেফ চীনের প্রাচীর হয়ে দাঁড়ান কেপ ভার্দের ৪০ বছর বয়সী গোলকিপার ভোজিনহা। ৬৩ মিনিটে মেসির শট, ৭৩ মিনিটে মেসির টপ কর্নার ঘেঁষা ফ্রি-কিক কিংবা ৮১ মিনিটে এনজোর নিশ্চিত হেড&mdash;একের পর এক অতিমানবীয় সেভে আর্জেন্টিনাকে হতাশায় ডুবিয়ে ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে টেনে নেন এই বুড়ো।</p>

<p>ইতিহাস বলছে, আর্জেন্টিনার শেষ ১৩টি বিশ্বকাপ নকআউট ম্যাচের ৭টিই গড়িয়েছে অতিরিক্ত সময়ে। কাতার বিশ্বকাপের নেদারল্যান্ডস ও ফ্রান্স বধের স্মৃতি ফিরিয়ে এনে এক্সট্রা টাইমের দ্বিতীয় মিনিটেই আর্জেন্টিনাকে লিড এনে দেন লিসান্দ্রো মার্তিনেস। কর্নার থেকে উড়ে আসা বলে দূরের পোস্টে জোরালো শটে জাতীয় দলের হয়ে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন এই ডিফেন্ডার।</p>

<p>কিন্তু নাটকের তখনও অনেক বাকি! হারার আগে হার না মানার পণ করা কেপ ভার্দে ১০৩ মিনিটে আবারও স্তব্ধ করে দেয় মায়ামিকে। মাক আলিস্টারকে কাটিয়ে বক্সের কোনা থেকে সিডনি লোপেজ কাবরালের নেওয়া ডান পায়ের দুর্দান্ত শট টপ কর্নার দিয়ে জালে জড়ালে স্কোরলাইন দাঁড়ায় ২-২!</p>

<p>শেষ পর্যন্ত ১১১ মিনিটে আসে সেই কাঙ্ক্ষিত ও ভাগ্যনির্ধারক গোল। মেসির কর্নার থেকে বক্সে হেড নিয়েছিলেন ক্রিস্টিয়ান রোমেরো, তবে বলটি কেপ ভার্দের ডিফেন্ডার বারগেসের গায়ে লেগে আত্মঘাতী গোল হিসেবে জালের ভেতর আশ্রয় নেয়। ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার ৫ মিনিট আগে আরও একবার ফ্রি-কিক থেকে সমতায় ফেরার সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিল কেপ ভার্দে। তবে এবার আর ভুল করেননি আর্জেন্টিনার &lsquo;বাজপাখি&rsquo; এমিলিয়ানো মার্তিনেস। ডানদিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে দুর্দান্ত এক সেভে নিশ্চিত করেন আর্জেন্টিনার শেষ ষোলোর টিকিট।&nbsp;</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1531-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি শিবা সানু, সম্পাদক জয় চৌধুরী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/28931</link>
    <pubDate>Sat, 04 Jul 2026 10:08:34 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/28931</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1631-11.jpg" />    <article>
<p>বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৬&ndash;২০২৮ মেয়াদের দ্বিবার্ষিক নির্বাচনে সভাপতি পদে বিজয়ী হয়েছেন অভিনেতা শিবা সানু এবং সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন অভিনেতা জয় চৌধুরী।</p>

<p>শনিবার (৪ জুলাই) ভোর পৌনে ৫টায় আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।</p>
</article>

<article>গতকাল শুক্রবার (৩ জুলাই) দিনভর ভোটগ্রহণ চলে।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি) প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনে মোট ৫৭৩ জন ভোটারের মধ্যে ৪৮০ জন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। ভোট গণনা শেষে ১৭টি ব্যালট বাতিল ঘোষণা করা হয় বলে জানায় নির্বাচন কমিশন।</p>

<p>ঘোষিত ফলাফলে সভাপতি পদে শিবা সানু পেয়েছেন ২৪৩ ভোট।</p>
</article>

<article>তার প্রতিদ্বন্দ্বী ফাইট ডিরেক্টর ও অভিনেতা আরমান পেয়েছেন ১৭৩ ভোট। অন্যদিকে সাধারণ সম্পাদক পদে ২৩৭ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন জয় চৌধুরী। তার প্রতিদ্বন্দ্বী রুমানা ইসলাম মুক্তি পেয়েছেন ১৭৯ ভোট।</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1631-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিউইয়র্কে সম্মিলিত বরিশাল বিভাগবাসী ইউএসএ’র ভিন্ন আমেজের বনভোজন]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/28930</link>
    <pubDate>Fri, 03 Jul 2026 21:10:13 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/28930</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/199-4.jpg" />    <p>নিউইয়র্কে ভিন্ন আমেজে অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাঙালীদের অন্যতম আঞ্চলিক সংগঠন সম্মিলিত বরিশাল বিভাগবাসী ইউএসএ&rsquo;র বার্ষিক বনভোজন। নিউইয়র্ক সিটির অদূরে সবুজ অরণ্য বেলমন্ট লেক স্টেট পার্কে গত ২৮ জুন রোববার অনুষ্ঠিত বরিশাল বিভাগবাসীদের এ জমজমাট বনভোজে ছিল বর্নাঢ্য সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতা। বরিশাল প্রবাসীরা সপরিবারে অংশ নিয়ে বনভোজনকে পরিণত করেছিলেন তাদের মিলনমেলায়। পুরো দিন ভিন্ন এক উৎসবে মেতে ছিলেন তারা। আর চমৎকার আবহাওয়ায় অনুষ্ঠিত এ আয়োজনকে প্রাণবন্ত করে রাখে আকর্ষণীয় খেলাধূলা ও র&zwnj;্যাফেল ড্র।<img alt="" decoding="async" height="1536" sizes="(max-width: 2048px) 100vw, 2048px" src="https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/07/barisal_2.jpg" srcset="https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/07/barisal_2.jpg 2048w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/07/barisal_2-300x225.jpg 300w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/07/barisal_2-1024x768.jpg 1024w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/07/barisal_2-150x113.jpg 150w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/07/barisal_2-768x576.jpg 768w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/07/barisal_2-1536x1152.jpg 1536w" width="2048" /><br />
নিউইয়র্কের বিভিন্ন স্থান থেকে এদিন সকাল ১০টায় বিপুল সংখ্যক বরিশাল বিভাগবাসী এবং অতিথিবৃন্দ পিকনিক স্পটে উপস্থিত হন। সকালে সংগঠনের কর্মকর্তা ও কমিউনিটির গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে বনভোজনের উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনের পর পরই অতিথিদের এপিটাইজার পরিবেশন করা হয়। এরপর শুরু হয় বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা। দিনব্যাপি বনভোজনে মজাদার সব খাবার, বিভিন্ন খেলা-ধূলা ছাড়াও বিশেষ আর্কষণ ছিল র&zwnj;্যাফেল ড্র ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা।<img alt="" decoding="async" height="1536" sizes="(max-width: 2048px) 100vw, 2048px" src="https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/07/barisal_3.jpg" srcset="https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/07/barisal_3.jpg 2048w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/07/barisal_3-300x225.jpg 300w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/07/barisal_3-1024x768.jpg 1024w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/07/barisal_3-150x113.jpg 150w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/07/barisal_3-768x576.jpg 768w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/07/barisal_3-1536x1152.jpg 1536w" width="2048" /><br />
এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি কায়কোবাদ খান এবং যৌথভাবে পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক লস্কর মইজুর রহমান জুয়েল ও বনভোজন কমিটির আহ্বায়ক মো. শাহ আলম। উৎসবমুখর পরিবেশে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ডা. রুমানা সবুর।<img alt="" decoding="async" height="1536" loading="lazy" sizes="auto, (max-width: 2048px) 100vw, 2048px" src="https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/07/barisal_4.jpg" srcset="https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/07/barisal_4.jpg 2048w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/07/barisal_4-300x225.jpg 300w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/07/barisal_4-1024x768.jpg 1024w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/07/barisal_4-150x113.jpg 150w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/07/barisal_4-768x576.jpg 768w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/07/barisal_4-1536x1152.jpg 1536w" width="2048" /><br />
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য দেন ডা. আব্দুস সবুর, ড. প্রদীপ রঞ্জন কর, বাংলাদেশ সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী, সিনিয়র সহ সভাপতি মহিউদ্দিন দেওয়ান, সহ সভাপতি- কামরুজ্জামান কামরুল, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হোসাইন, বীর মুক্তিযোদ্ধা শওকাত আকবর রিচি, জসীম চৌধুরী, রাব্বী সৈয়দ, আলামিন বাবু, বনভোজন ২০২৬ উযাপন কমিটির সদস্য সচিব আবু বকর সিদ্দিকী টিপু, প্রধান সমন্বয়কারী এমএ সালাম আকন্দ, অর্থ সচিব সালেহ উদ্দিন সোহেল সহ সংগঠনের সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তারা।<img alt="" decoding="async" height="1536" loading="lazy" sizes="auto, (max-width: 2048px) 100vw, 2048px" src="https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/07/barisal_5.jpg" srcset="https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/07/barisal_5.jpg 2048w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/07/barisal_5-300x225.jpg 300w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/07/barisal_5-1024x768.jpg 1024w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/07/barisal_5-150x113.jpg 150w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/07/barisal_5-768x576.jpg 768w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/07/barisal_5-1536x1152.jpg 1536w" width="2048" /><br />
বনভোজনে বিভিন্ন খেলা-ধূলা পরিচালনা ও আপ্যায়নে ছিলেন কাজী রবিউজ্জামান, মঞ্জুর হাসান বিপ্লব, সোহরাব হোসেন সরদার সহ সংগঠনের কর্মকর্তারা।<br />
চমৎকার এ আয়োজনে নিউইয়র্কের জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পী ড. সবিতা দাস, রুনা রায়, ফরিদ রহমান সহ অন্যান্যরা সঙ্গীত পরিবেশন করেন। বিপুল সংখ্যক দর্শক-শ্রোতা এ মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপভোগ করেন।</p>

<p><img alt="" decoding="async" height="2048" loading="lazy" sizes="auto, (max-width: 1152px) 100vw, 1152px" src="https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/07/barisal_6.jpg" srcset="https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/07/barisal_6.jpg 1152w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/07/barisal_6-169x300.jpg 169w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/07/barisal_6-576x1024.jpg 576w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/07/barisal_6-84x150.jpg 84w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/07/barisal_6-768x1365.jpg 768w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/07/barisal_6-864x1536.jpg 864w" width="1152" /><br />
শেষে বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় এবং র&zwnj;্যাফেল ড্র বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণের মধ্যদিয়ে প্রবাসী বরিশাল বিভাগবাসীর এই মিলনমেলা শেষ হয়।<br />
অনুষ্ঠানে সভাপতির ভাষণে কায়কোবাদ খান সংগঠনের কার্যক্রমকে আরো গণমুখি করতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। সংগঠনকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে সকলের আন্তরিক সহযোগিতা চান। বনভোজনে যোগদানের জন্য তিনি সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।<br />
প্রধান অতিথি ডা. রুমানা সবুর বলেন, এধরনের নির্মল আনন্দ-অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আমাদের নতুন প্রজন্ম দেশীয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সম্পর্কে জানতে পারবে। মাতৃভূমিকে ভালোবাসতে শিখবে।<br />
বক্তারা সংগঠনের কর্মকর্তাসহ আহ্বায়ক কমিটিকে ধন্যবাদ জানান এমন আনন্দঘন চমৎকার একটি বনভোজন উপহার দেয়ার জন্য।<br />
অনুষ্ঠানটির বিশেষ বিশেষ অংশ &lsquo;ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম&rsquo;, &lsquo;নিউজ২৪ইউএসএ.কম&rsquo; এবং &lsquo;আমেরিকাবাংলানিউজ২৪&rsquo; এর ফেইসবুক পেইজে সরাসরি সম্প্রচারিত হয়।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/199-4.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ভারতীয় ভিসা নিয়ে হাইকমিশনের বিশেষ বার্তা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28929</link>
    <pubDate>Fri, 03 Jul 2026 21:05:27 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28929</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/64-a.jpg" />    <article>
<p>দীর্ঘ দুই বছর পর গত ২৮ জুন বাংলাদেশিদের জন্য ট্যুরিস্ট বা পর্যটন ভিসা চালু করেছে ভারত। ভিসা চালুর পর থেকেই দেশের ভারতীয় ভিসা কেন্দ্রগুলোতে উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে।</p>
</article>

<article>এমন পরিস্থিতিতে ভিসা আবেদনকারীদের ধৈর্য ও সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশন।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>শুক্রবার (৩ জুলাই) দুপুরে এক বার্তায় হাইকমিশন জানায়, বিভিন্ন উদ্দেশ্যে ভারত ভ্রমণ করতে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের কাছ থেকে পাওয়া বিপুল সাড়ায় তারা উৎসাহিত।</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/national/2026/06/28/1703818" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>বার্তায় বলা হয়, ভিসা পরিষেবা আরো বিস্তৃত করা এবং আবেদন প্রক্রিয়াকে আরো সাবলীল ও সুবিধাজনক করে তুলতে তারা কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এ সময় আবেদনকারীদের ধৈর্য ও সহযোগিতার জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানানো হয়।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>এতে আরো বলা হয়, ভারতীয় হাইকমিশন ভারত ও বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় করা এবং দুই দেশের দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্বকে আরো নিবিড় করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।</p>

<p>এর আগে গত ২৫ জুন প্রায় দুই বছর পর বাংলাদেশিদের জন্য পর্যটন ভিসা পুনরায় চালুর ঘোষণা দেন ঢাকায় নিযুক্ত নতুন ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি জানান, ২৮ জুন থেকে ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসা সুবিধা আবার চালু করা হবে।&nbsp;</p>

<p>ওই সময় তিনি জানান, পর্যায়ক্রমে ভারতের ভিসা কার্যক্রম পুরোপুরি স্বাভাবিক করা হবে।</p>
</article>

<article>পাশাপাশি মানবিক দিক বিবেচনায় মেডিক্যাল ভিসা দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে, যাতে চিকিৎসাপ্রত্যাশীরা সহজে সেবা পান।
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রাথমিকভাবে ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, সিলেট ও খুলনায় অবস্থিত ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্রের মাধ্যমে পর্যটন ভিসার আবেদন জমা দেওয়া যাবে। পরবর্তী সময়ে দেশের অন্যান্য শহরের আইভ্যাক কেন্দ্রেও এ সেবা চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন ভারতীয় হাইকমিশনার।</p>

<p>২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বাংলাদেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর নিরাপত্তাজনিত কারণে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য প্রায় সব ধরনের নিয়মিত ভিসা ইস্যু স্থগিত করে ভারত। একই সঙ্গে সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায় দেশজুড়ে ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্রগুলোর কার্যক্রম।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>পরে আগস্টের শেষ দিকে সীমিত পরিসরে পাসপোর্ট ফেরত দেওয়া শুরু হলেও পর্যটন ভিসা চালু হয়নি। এ সময় শুধুমাত্র জরুরি প্রয়োজন বিবেচনায় মেডিক্যাল, ব্যবসায়িক, শিক্ষার্থী ও সরকারি কিছু ক্যাটাগরির ভিসা ইস্যু করা হয়েছিল।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/64-a.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিউইয়র্ক বাংলাদেশ কনস্যুলেটে ১ অক্টোবর]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/28927</link>
    <pubDate>Fri, 03 Jul 2026 21:02:50 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/28927</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/410-3.jpg" />    <p>বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল, নিউ ইয়র্ক-এ আগামী ১ অক্টোবর ২০২৬ হতে কনস্যুলেটে স্ব-শরীরে উপস্থিত হয়ে সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে সকল প্রকার কনস্যুলার ফি শুধুমাত্র ডেবিট অথবা ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে পরিশোধ করা যাবে। এ পরিপ্রেক্ষিতে, ১ অক্টোবর ২০২৬ হতে স্ব-শরীরে সেবা গ্রহণের ক্ষেত্রে মানি অর্ডার অথবা ব্যাংক সার্টিফাইড চেক গ্রহণ করা হবে না।<br />
তবে, ডাকযোগে প্রেরিত আবেদনসমূহের ক্ষেত্রে এ নীতি প্রযোজ্য হবে না। এসব আবেদনের জন্য বিদ্যমান নিয়ম অনুযায়ী পূর্বের ন্যায় মানি অর্ডার অথবা ব্যাংক সার্টিফাইড চেকের মাধ্যমে ফি পরিশোধ করা যাবে।বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল, নিউ ইয়র্ক এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।<br />
শর্তাবলি:<br />
&bull; সেবাগ্রহীতাদের কনস্যুলেটে আগমনের সময় বৈধ ও সক্রিয় ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড সঙ্গে রাখার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।<br />
&bull; নগদ অর্থ বা অন্য কোনো বিকল্প পদ্ধতিতে ফি গ্রহণ করা হবে না।<br />
&bull; ডাকযোগে প্রেরিত আবেদনসমূহের ক্ষেত্রে বিদ্যমান ফি পরিশোধের বিধি-বিধান অপরিবর্তিত থাকবে।<br />
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয, বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল, নিউ ইয়র্ক প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সর্বোচ্চ মানসম্পন্ন, দক্ষ ও সময়োপযোগী কনস্যুলার সেবা প্রদান করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল, নিউ ইয়র্ক-এর কনস্যুলার সেবাকে আরও স্বচ্ছ, নিরাপদ, আধুনিক ও জবাবদিহিমূলক করার লক্ষ্যে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এ সিদ্ধান্তের সফল বাস্তবায়নে সম্মানিত প্রবাসী বাংলাদেশিদের আন্তরিক সহযোগিতা একান্তভাবে কামনা করা হচ্ছে।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/410-3.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[জুলাই শহীদদের স্মরণে বিশেষ সভা শনিবার, থাকবেন প্রধানমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28926</link>
    <pubDate>Fri, 03 Jul 2026 10:02:14 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28926</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/678-2.jpg" />    <article>
<p>জুলাই শহীদদের স্মরণে আগামী শনিবার (৪ জুলাই) একটি বিশেষ স্মরণসভার আয়োজন করা হয়েছে। &lsquo;জুলাই ২৪ শহীদ পরিবার সোসাইটি&rsquo; ও &lsquo;আমরা জুলাইযোদ্ধা কেন্দ্রীয় কমিটি&rsquo;র যৌথ আয়োজনে এই স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হবে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>শনিবার (৪ জুলাই) সকাল ১০টায় রাজধানীর চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এ স্মরণসভা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।</p>

<p>বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।</p>

<p>তিনি বলেন, &lsquo;এই বিশেষ স্মরণসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।</p>
</article>

<article>অনুষ্ঠানে জুলাই আন্দোলনে শহিদ ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যরা এবং আন্দোলনে অংশ নেওয়া যোদ্ধারা উপস্থিত থাকবেন।&rsquo;</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/678-2.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফর অত্যন্ত সফল : ইয়াও ওয়েন]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28925</link>
    <pubDate>Fri, 03 Jul 2026 10:01:32 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28925</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/941-1.jpg" />    <article>
<p>ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফর অত্যন্ত সফল। এ সফরে দুই দেশের কৌশলগত পর্যায়ে সম্পর্কের উন্নতি হয়েছে।</p>
</article>

<article>তিস্তা ইস্যুতে চীনের সমর্থন অব্যাহত থাকবে।
<p>&nbsp;</p>

<p>বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/07/02/1705829" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, বাংলাদেশের অভ&zwj;্যন্তরীণ ইস্যুতে চীন কারো হস্তক্ষেপ মেনে নেবে না।</p>

<p>তিস্তা প্রকল্পে চীন কাজ করবে জানিয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশের অনুরোধে তিস্তা প্রকল্পে চীন কাজ করবে, অন&zwj;্য কেনো ইস্যু আমাদের ভাবনার বিষয় নয়।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/sport/2026/07/02/1705827" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>এ সময় চীনের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা উন্নয়ন সহযোগিতার বিষয়টি নিয়ে সন্দেহের কোনো অবকাশ নেই বলেও উল্লেখ করেন চীনা রাষ্ট্রদূত।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/941-1.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে নিয়ে লেখা গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28924</link>
    <pubDate>Fri, 03 Jul 2026 10:00:43 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28924</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/805-99.jpg" />    <article>
<p>শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে নিয়ে রচিত &lsquo;বীর রাষ্ট্রনায়ক জিয়াউর রহমান&rsquo; শীর্ষক গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।&nbsp;</p>

<p>&nbsp;বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে তিন খণ্ডে প্রকাশিত গ্রন্থটির মোড়ক উন্মোচন করেন তিনি।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেসসচিব জাহিদুল ইসলাম রনি এ কথা জানান।</p>

<p>তিনি জানান, বিশিষ্ট গবেষক ও লেখক কালাম ফয়েজী রচিত গ্রন্থটিতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রাষ্ট্র পরিচালনা, নেতৃত্ব, উন্নয়ন দর্শন এবং জাতীয় জীবনে তার বহুমাত্রিক অবদান তুলে ধরা হয়েছে।</p>

<p>এ সময় প্রধানমন্ত্রীর প্রেসসচিব সালেহ শিবলী এবং অতিরিক্ত প্রেসসচিব আতিকুর রহমান রুমন উপস্থিত ছিলেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/805-99.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নৌবহরে যুক্ত হলো জাপানের ৫ পেট্রল বোট]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28923</link>
    <pubDate>Fri, 03 Jul 2026 09:59:46 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28923</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/999-88.jpg" />    <article>
<p>দেশের সামুদ্রিক নিরাপত্তা জোরদার, উপকূলীয় এলাকায় টহল ও নজরদারি, মানবিক সহায়তা ও দুর্যোগ মোকাবেলায় সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সমুদ্রসম্পদ ও সার্বভৌমত্বের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর আধুনিকায়ন কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) জাপানের &lsquo;অফিসিয়াল সিকিউরিটি অ্যাসিস্ট্যান্স (ওএসএ)&rsquo;-এর আওতায় প্রাপ্ত ৫টি পেট্রল বোট জাপান সরকারের প্রতিনিধি আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাপানের পররাষ্ট্রবিষয়ক সংসদীয় উপমন্ত্রী শিমাদা তোমোয়াকি।</p>

<p>এ ছাড়া অনুষ্ঠানে জাপানের প্রতিনিধিদল ও নৌবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।</p>

<p>জাপানের সঙ্গে দীর্ঘদিনের পারস্পরিক আস্থা, বন্ধুত্ব ও কৌশলগত অংশীদারিত্বের ধারাবাহিকতায় ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে ৫টি উচ্চগতিসম্পন্ন পেট্রল বোট সংগ্রহের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও জাপান সরকারের মধ্যে একটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।</p>

<p>নোট বিনিময়ের মাধ্যমে ২০২৩ সালের নভেম্বরে প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু হয় এবং প্রকল্পের কাজ শেষে গত ৬ ফেব্রুয়ারি বোটগুলো চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছায়।</p>
</article>

<article>জাপানি বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে &lsquo;বানৌজা নির্ভীক&rsquo;-এ বোটগুলোর পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ বিষয়ে নৌবাহিনীর সদস্যদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। প্রতিটি বোট ১৬.১৫ মিটার দীর্ঘ, ৩.৫৩ মিটার প্রস্থ ও ১.৭৮ মিটার গভীরতাসম্পন্ন এবং এগুলোর ধারণক্ষমতা ১৩.৫ টন।
<p>&nbsp;</p>

<p>পেট্রল বোটগুলো সর্বোচ্চ ৩২ নটিক্যাল মাইল গতিতে চলাচল করতে সক্ষম। এগুলো কম গভীরতাসম্পন্ন জলপথে চলাচলের উপযোগী এবং উচ্চগতিসম্পন্ন হওয়ায় দেশের নদী, মোহনা ও উপকূলীয় অঞ্চলের সংকীর্ণ ও দুর্গম নৌপথে অধিক দক্ষতা ও কার্যকারিতার সঙ্গে অভিযান পরিচালনা করতে পারবে।</p>
</article>

<article>দেশের সমুদ্রবন্দর ও উপকূলীয় এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার, টহল অভিযান, নজরদারি, অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান, মানবিক সহায়তা, দুর্যোগ মোকাবিলা এবং যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া প্রদানে এসব বোট কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
<p>&nbsp;</p>

<p>উল্লেখ্য, ওএসএ কর্মসূচির আওতায় বাস্তবায়িত এ প্রকল্প বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যকার বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরো সুদৃঢ় করার পাশাপাশি প্রতিরক্ষা ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতার ক্ষেত্রকে সম্প্রসারিত করবে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/999-88.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[এক হাজার দিনে গাজায় প্রাণ হারাল ২১ হাজার শিশু]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28922</link>
    <pubDate>Fri, 03 Jul 2026 09:58:52 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28922</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1121-77.jpg" />    <article>
<p>ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় চলমান যুদ্ধের এক হাজার দিনে অন্তত ২১ হাজার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বিশ্বজুড়ের শিশুদের অধিকার, সুরক্ষা এবং জীবনমান উন্নয়নে কাজ করা সেভ দ্য চিলড্রেন।</p>
</article>

<article>সংস্থাটি বলেছে, এ ছাড়া আরো কয়েক লক্ষ শিশু বাস্তুচ্যুত ও শিক্ষা থেকে বঞ্চিত রয়েছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>বৃহস্পতিবার যুদ্ধের ১ হাজার দিন পূর্তি উপলক্ষে দেওয়া বিবৃতিতে সেভ দ্য চিলড্রেন জানায়, বাড়িঘর, স্কুল এবং নিরাপত্তার অনুভূতি হারানোর পরেও শিশুরা শান্তির স্বপ্ন দেখে চলেছে।</p>

<p>সংস্থাটির মধ্যপ্রাচ্য, উত্তর আফ্রিকা ও পূর্ব ইউরোপ অঞ্চলের পরিচালক আহমাদ আহেনদাউই তুরস্কভিত্তিক সংবাদমাধ্যম <a href="https://www.trtworld.com/article/156064b6528e">টিআরটি ওয়ার্ল্ড</a> এক প্রতিবেদনে বলেন, গত ১ হাজার দিনে গাজার ১০ লাখ শিশুকে রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছে বিশ্ব। কারণ তারা শিশু হত্যা ও অঙ্গহানি বন্ধ করতে হস্তক্ষেপ করেনি।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>সংস্থাটি জানিয়েছে, যুদ্ধে অন্তত ২১ হাজার শিশু নিহত হওয়ার খবর নিশ্চিত করা হয়েছে, যদিও প্রকৃত সংখ্যা সম্ভবত আরো বেশি, কারণ অনেকেই ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছে। এ ছাড়া গাজার মোট শিশুর প্রায় ৮০ শতাংশ, অর্থাৎ ৮ লাখের বেশি শিশু বাস্তুচ্যুত হয়েছে। ৬ লাখ ২৫ হাজার স্কুলপড়ুয়া শিশু টানা তিন বছর ধরে আনুষ্ঠানিক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত।</p>

<p>প্রতিবেদনে ১৪ বছর বয়সী কিশোরী আমানি বলে, &lsquo;আমরা যেকোনো মুহূর্তে মারা যেতে পারি।</p>
</article>

<article>তবে আমি আশা করি, আমাদের জন্য যুদ্ধটা থেমে যাবে।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>নিজের অধিকারের বিষয়ে আমানি বলেন, &lsquo;আমি যেন গাজায় আমার পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারি এবং অন্য দেশের যেকোনো মেয়ের মতো আমার অধিকার ভোগ করতে পারি। গাজায় এমন অনেক শিশু আছে যাদের কথা কেউ শোনে না।</p>

<p>১৪ বছর বয়সী কিশোরী বিসান জানায়, তার সবচেয়ে বড় ইচ্ছা যুদ্ধ শেষ হওয়া, সবাই নিজ নিজ ঘরে ফিরে যাওয়া এবং আগের জীবনে ফিরতে পারা।</p>

<p>সেভ দ্য চিলড্রেন অবিলম্বে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি, শিশুদের বিরুদ্ধে সংঘটিত অপরাধের জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং ইসরাইলের কাছে অস্ত্র সরবরাহ স্থগিতের আহ্বান জানিয়েছে।</p>
</article>

<article>সংস্থাটি উল্লেখ করেছে, ২০২৫ সালের অক্টোবরে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও গাজায় ইসরাইলের হামলা অব্যাহত রয়েছে।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>এখন পর্যন্ত যুদ্ধে ৭৩ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে এবং পুরো উপত্যকা ব্যাপকভাবে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে সংস্থাটি।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1121-77.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[রুশ হামলায় কিয়েভে নিহত বেড়ে ২০]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28921</link>
    <pubDate>Fri, 03 Jul 2026 09:58:07 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28921</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1238-66.jpg" />    <article>
<p>ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে ভয়াবহ ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। এই হামলায় অন্তত ২০ জন নিহত হয়েছেন।</p>
</article>

<article>স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার রাতভর চালানো এই হামলায় এখন পর্যন্ত ৯০ জন আহতের খবর পাওয়া গেছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম <a href="https://www.bbc.com/news/articles/c4gyv05gk4do">বিবিসি</a> বলছে, স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর ওপর চালানো এই হামলাকে এখন পর্যন্ত দেশটির &lsquo;সবচেয়ে ভয়াবহ ও ব্যাপক হামলা&rsquo; হিসেবে উল্লেখ করেছেন কিয়েভের মেয়র ভিতালি ক্লিচকো।&nbsp;</p>

<p>তিনি বলেন, হামলায় একটি অ্যাম্বুলেন্স স্টেশনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই ঘটনার পরপরই নিহতদের স্মরণে কিয়েভে শুক্রবার শোক দিবস ঘোষণা করা হয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>যদিও অতীতের কিছু হামলায় নিহতের সংখ্যা বেশি ছিল, তবে এবারের হামলায় রাজধানীজুড়ে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে এবং শহরের বিস্তীর্ণ এলাকায় আঘাত হানা হয়েছে।</p>

<p>হামলার পর শহরের বিভিন্ন এলাকায় ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় একাধিক এলাকা থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়া হয়। এর কয়েক ঘণ্টা আগেই ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি সতর্ক করে বলেছিলেন, &lsquo;রাশিয়া বড় ধরনের হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে।&rsquo;</p>

<p>অন্যদিকে মস্কো দাবি করেছে, রাশিয়ার বেসামরিক অবকাঠামোর ওপর ইউক্রেনের হামলার জবাবে তারা সামরিক স্থাপনাগুলোতে আঘাত হেনেছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেন, &lsquo;আমাদের নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জনের জন্য কিয়েভ সরকারের ওপর চাপ আরো বাড়ানো হবে।&rsquo;</p>

<p>এই দাবি প্রত্যাখ্যান করে ইউক্রেন অভিযোগ করেছে, রাশিয়া ইচ্ছাকৃতভাবে বেসামরিক এলাকাকে লক্ষ্যবস্তু করেছে।&nbsp;</p>

<p>এ বিষয়ে কিয়েভের সামরিক প্রশাসনের প্রধান তিমুর তকাচেঙ্কো জানান, হতাহতদের মধ্যে শিশুরাও রয়েছে। শত্রুপক্ষ আবারও পরিকল্পিতভাবে আবাসিক এলাকায় হামলা চালিয়ে বেসামরিক মানুষকে হত্যা করছে।</p>

<p>কিয়েভ মেট্রো কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হামলার সময় প্রায় সাড়ে ৫২ হাজার মানুষ (যার মধ্যে সাড়ে ৪ হাজার শিশু) নিরাপত্তার জন্য ভূগর্ভস্থ মেট্রো স্টেশনগুলোতে আশ্রয় নেন।</p>
</article>

<article>সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এটি সর্বোচ্চ সংখ্যা।
<p>&nbsp;</p>

<p>সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর একটি ছিল দক্ষিণ-পূর্ব কিয়েভের দারনিৎস্কি জেলা। সেখানে একটি বহুতল আবাসিক ভবনে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানলে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ঘটে। উদ্ধারকারীরা ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়াদের খুঁজে বের করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1238-66.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[সিরিয়ায় ক্যাফেতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ৯]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28920</link>
    <pubDate>Fri, 03 Jul 2026 09:57:08 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28920</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1341-55.jpg" />    <article>
<p>সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কের একটি ক্যাফেতে বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) এক ভয়াবহ বোমা বিস্ফোরণে নয়জন নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো ২০ জন।</p>
</article>

<article>দেশের প্রধান আদালত চত্বরের কাছাকাছি অবস্থিত ওই ক্যাফেটিতে মূলত স্থানীয় আইনজীবীরা নিয়মিত যাতায়াত করতেন। <a href="https://www.arabnews.com/node/2649412/middle-east?fbclid=IwY2xjawSz_FdleHRuA2FlbQIxMABicmlkETFZWFRGaTMwOEJEaEFyVmtkc3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHmyKiMboNrTaV9MLFOpgJCBS4QJvjT0xOnxhCTk5UmKKhZfwk7Tuc_gyibvL_aem_VhcBIO9BiPWYn0iu1ZDBkQ">সিরিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সূত্র দিয়ে রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আল-ইখবারিয়া নেটওয়ার্ক এই তথ্য নিশ্চিত করেছে</a>।

<p>&nbsp;</p>

<p>তাৎক্ষণিকভাবে কোনো গোষ্ঠী এই হামলার দায় স্বীকার করেনি। তবে ঘটনার পরপরই নিরাপত্তা বাহিনী দ্রুত ওই ক্যাফেতে পৌঁছায় এবং তদন্তের জন্য পুরো এলাকাটি ঘিরে ফেলে।</p>
</article>

<article>দামেস্কের গভর্নর মাহের ইদলিবী জানিয়েছেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় খুব শিগগিরই এই হামলার প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করবে। বিস্ফোরক যন্ত্রটিকে সাধারণ মানের বলে উল্লেখ করে তিনি হামলাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, বিস্ফোরণের পর বেশ কয়েকজন আহত ব্যক্তি মাটিতে পড়ে আছেন এবং পুলিশ কর্মকর্তারা তাদের সাহায্য করছেন। পরে অ্যাম্বুলেন্স এসে গুরুতর আহতদের উদ্ধার করে রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়ে যায়।</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>সেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ী জালাল আলজানানি ঘটনার বর্ণনা দিয়ে বলেন, ভয়াবহ শব্দ শুনে আমি ক্যাফেটির দিকে ছুটে যাই। সেখানে মেঝেতে মানুষের লাশ পড়ে থাকতে দেখে আমি আতঙ্কিত হয়ে পড়ি। ট্রাফিক পুলিশ আসার আগে পর্যন্ত আমরা সাধারণ মানুষরাই আহতদের নিজেদের গাড়িতে তুলে হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করি। প্রায় সবার শরীর থেকেই রক্ত ঝরছিল।</p>

<p>২০২৪ সালের ডিসেম্বরে এক আকস্মিক বিদ্রোহের মাধ্যমে আসাদ রাজবংশকে উৎখাত করে সিরিয়ার ক্ষমতা নেয় নতুন শাসকরা।</p>
</article>

<article>এরপর থেকেই রাজধানী ও এর আশপাশের নিরাপত্তা বজায় রাখতে চরমপন্থী &lsquo;দায়েশ&rsquo; (আইএস) গোষ্ঠীর জঙ্গিদের ওপর কঠোর দমনপীড়ন চালাচ্ছে বর্তমান সরকার। সিরিয়ার বর্তমান রাষ্ট্রপতি আহমদ আল-শারা অতীতে আল-কায়েদার সহযোগী সংগঠন &lsquo;হায়াত তাহরির আল শাম&rsquo;-এর নেতৃত্বে ছিলেন। তবে ক্ষমতায় আসার পর তিনি দেশের সব স্তরের মানুষ, বিশেষ করে ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের সুরক্ষার অঙ্গীকার করেছেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>বর্তমানে আল-শারা চরমপন্থী গোষ্ঠী ও কুর্দি-নেতৃত্বাধীন বাহিনীর কাছ থেকে দেশের বিশাল অংশের নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধার করে সরকারি কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করেছেন। তবে দেশকে পুরোপুরি স্থিতিশীল করার ক্ষেত্রে তিনি এখনো বড় ধরনের নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছেন। যদিও নিরাপত্তা বাহিনী প্রায়ই আইএস আস্তানায় অভিযান চালিয়ে বড় বড় হামলা নস্যাতের দাবি করে আসছে, তবুও ২০১৫ সালের জুলাইয়ে একটি গির্জায় আত্মঘাতী হামলা এবং&nbsp;বৃহস্পতিবারের&nbsp;এই বিস্ফোরণের মতো ঘটনাগুলো সাধারণ সিরীয়দের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1341-55.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বাবার জানাজা পড়াতে চান মোজতবা, নিরাপত্তা বাহিনীর না]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28919</link>
    <pubDate>Fri, 03 Jul 2026 09:56:24 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28919</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1405-44.jpg" />    <p><strong>সাবেক সুপ্রিম লিডার ও নিজের বাবা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজা পড়ানোর আগ্রহ দেখিয়েছেন বর্তমান সুপ্রিম লিডার মোজতবা খামেনি। তবে নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে নিরাপত্তা বাহিনী তাকে এ ব্যাপারে না করেছে।</strong></p>

<p>বিজ্ঞাপন</p>

<p>বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডেকে এ তথ্য জানিয়েছেন ভারতে নিযুক্ত সুপ্রিম লিডারের প্রতিনিধি হাকিম ইলাহী।</p>

<p>তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে আসতে চেয়েছিলেন মোজতবা। কিন্তু নিরাপত্তাবাহিনী জানিয়েছে এটি তার জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হবে।</p>

<p>হাকিম ইলাহী বলেন, &ldquo;গত সপ্তাহে আমি ইরানে ছিলাম এবং কিছু বন্ধুর সঙ্গে দেখা করেছি। যারা মোজতবা খামেনির সঙ্গে দেখা করেছেন। তিনি তাদের বলেছেন, তিনি প্রকাশ্যে আসতে চান। এমনকি তিনি জানাজার নামাজও পড়াতে চেয়েছেন। কিন্তু নিরাপত্তাবাহিনী তাকে এতে সমর্থন জানায়নি।&rdquo;</p>

<p>বিজ্ঞাপন</p>

<p>&ldquo;নিরাপত্তাবাহিনী বলেছে এটি তার জন্য অনেক বিপজ্জনক হবে এবং তারা নিরাপত্তা দিতে পারবে না। আর আমি মনে করি তিনি প্রকাশ্যে আসবেন না।&rdquo;</p>

<p>আলি খামেনির জানাজার নামাজ পড়ানোর জন্য মোজতবা কাউকে মনোনীত করেছেন কি না এমন প্রশ্ন করা হলে হাকিম ইলাহী বলেন, &ldquo;না তিনি কারও নাম বলেননি। যদি পরিস্থিতি ভালো হতো তাহলে নতুন সুপ্রিম লিডারই জানাজা পড়াতেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে পরিস্থিতি ভালো নয়।&rdquo;</p>

<p>যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল মোজতবাকে শনাক্ত করে ফেলতে পারে এমন আশঙ্কার কথা জানিয়ে হাকিম ইলাহী বলেন, &ldquo;তাদের কাছে অনেক উন্নত প্রযুক্তি রয়েছে। তারা তাকে শনাক্ত ও অনুসরণ করতে পারে তিনি কোথায় অবস্থান করেন। এটি তার জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক। এ কারণে তিনি প্রকাশ্যে আসবেন না।&rdquo;</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1405-44.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[অভিনেত্রীসহ ৭০ জনকে সংসদ সদস্য হিসেবে নিয়োগ আহমেদ আল শারার]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28918</link>
    <pubDate>Fri, 03 Jul 2026 09:55:44 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28918</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1490-33.jpg" />    <p><strong>দেশের অন্তর্বর্তী সরকারের পার্লামেন্ট পূর্ণ করতে রোজাইনা লাজকানি নামে এক অভিনেত্রীসহ মোট ৭০ জনকে সংসদ সদস্য হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল শারা।</strong></p>

<p>&nbsp;</p>

<p>সাবেক প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের পতনের পর সিরিয়ার ক্ষমতা দেন আহমেদ আল শারা। এরপর তিনি একটি অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করেন। এর অংশ হিসেবে ২১০ সদস্যবিশিষ্ট সংসদ গঠন করা হয়েছে। সিরিয়ার সরকারি সূত্র জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহে নতুন পার্লামেন্টের প্রথম অধিবেশন হতে পারে। ৭০ জন বাদে বাকিরা নির্বাচিত হয়ে এসেছেন।</p>

<p>সিরিয়ার নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, অভিনেত্রীসহ যে ৭০ জনকে প্রেসিডেন্ট নিয়োগ দিয়েছেন এটির উদ্দেশ্য ছিল লিঙ্গ এবং জাতিগত ভারসাম্য রক্ষা করা।</p>

<p>নতুন নিয়োগ দেওয়াদের মধ্যে ১৫ জন নারী এবং বাশাল আল-আসাদের সময় গ্রেপ্তার হওয়া ১৩ জন রয়েছেন।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>এই নিয়োগে সিরিয়ার ১৪টি প্রদেশের সব জায়গা থেকে প্রতিনিধি নিশ্চিত করা হয়েছে।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1490-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[জোতাকে উৎসর্গ পর্তুগালের রোমাঞ্চকর জয়]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/28917</link>
    <pubDate>Fri, 03 Jul 2026 09:54:52 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/28917</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1530-22.jpg" />    <article>
<p>বেঁচে থাকলে আজ হয়তো টরন্টো থাকতেন ডিয়েগো জোতা। ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে পর্তুগালের ২-১ গোলের নাটকীয় জয়ে সাক্ষী হতেন তিনিও।</p>
</article>

<article>কিন্তু ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস, তার প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী পালন করতে হচ্ছে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো-বেনার্দো সিলভাদের।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>আজকের দিনেই স্পেনের জামোরা প্রদেশে সড়ক দুর্ঘটনায় বড় ভাইয়ের সঙ্গে পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেন জোতা। মাত্র ২৮ বছর বয়সে মারা যান লিভারপুলের সাবেক স্ট্রাইকার। সতীর্থকে হারানোর দিনে দুর্দান্ত জয় পেয়েছে পর্তুগাল।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>রুদ্ধশ্বাস জয়ের পর তাই জোতাকে ভুললেন না রোনালদোরা। ম্যাচ জয়ের পর তার জার্সি নম্বর ২১ হাতে নিয়ে পর্তুগালের সকলে একসঙ্গে ছবি তুললেন। জার্সিটা হাতে নিয়ে ছবি তোলার আগে রোনালদো গায়েও জড়িয়েছিলেন। সে সময় &lsquo;সিআর সেভেনের&rsquo; চোখে চিকচিক করছিল জল।</p>
</article>

<article>সেই ভেজা চোখেই আকাশের পানে চেয়ে সতীর্থকে স্মরণ করেন তিনি।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p><iframe allowfullscreen="true" allowtransparency="true" frameborder="0" id="twitter-widget-0" scrolling="yes" src="https://platform.twitter.com/embed/Tweet.html?id=2072855506012573915"></iframe></p>

<p>&nbsp;</p>

<p>পর্তুগালের হয়ে ৪৯ ম্যাচ খেলেছেন জোতা। করেছেন ১৪ গোল। ম্যাচে নামার আগেই সতীর্থর মৃত্যুবার্ষিকী নিয়ে কথা হয়েছে জানিয়ে ম্যাচ শেষে রোনালদো বলেছেন, &lsquo;এটা ম্যাচের আগেই আমরা জানতাম। এটা সত্যিই আবেগঘন একটা মুহূর্ত ছিল।</p>
</article>

<article>আজ জীবনের অদ্ভুত কাকতালীয় বিষয়টা নিয়ে দলের সবাই মিলে কথা বলছিলাম, এটা সত্যিই অবিশ্বাস্য।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>জোতাকে অবশ্য বিশ্বকাপের শুরু থেকেই স্মরণ করছে পর্তুগাল। অন্যরা ২৬ সদস্যের দল ঘোষণা করলে পর্তুগিজরা তাকে নিয়ে ২৭ দলের স্কোয়াড সাজায়। জোতা সব সময় তাদের সঙ্গে আছে জানিয়ে জয়টা তাকে উৎসর্গ করেছেন রোনালদো। ৪১ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড বলেছেন, &lsquo;আমরা জানি সে আমাদের সঙ্গেই আছে। তাকে সবচেয়ে সুন্দর উপায়ে সম্মান জানানোর জন্য আজকের এই জয়টা খুবই দরকার ছিল।&rsquo;</p>

<p>টরন্টোয় প্রথমে পিছিয়ে পড়েছিল পর্তুগাল। ক্রোয়েশিয়ার ডিফেন্ডার ইভান পেরিসিচের গোল পেনাল্টিতে শোধ করেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। আর যোগ করা সময়ের চতুর্থ মিনিটে পর্তুগালকে ২-১ ব্যবধানের জয় এনে দেন গঞ্জালো রামোস। এতে বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে তারা।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1530-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[থ্রিলার থেকে কমেডি, ছুটির দিনে ওটিটিতে আরও যা থাকছে]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/28916</link>
    <pubDate>Fri, 03 Jul 2026 09:53:58 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/28916</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1629-11.jpg" />    <p><strong>উইকেন্ড মানেই একটু জিরিয়ে নেওয়া আর পছন্দের কনটেন্ট দিয়ে সপ্তাহের ক্লান্তি দূর করা। দর্শকদের ছুটির দিনগুলোকে জমজমাট করতে ওটিটি প্ল্যাটফর্মগুলো নিয়ে এসেছে একঝাঁক নতুন সিনেমা ও সিরিজ। নিখাদ কমেডি, গা শিউরে ওঠা ভৌতিক থ্রিলার কিংবা টানটান রহস্য&mdash; কী নেই এই তালিকায়। নেটফ্লিক্স, সোনি লিভ ও জিও সিনেমা মাতাতে আসা চলতি সপ্তাহের সেরা কিছু কনটেন্ট নিয়ে আজকের প্রতিবেদন।</strong></p>

<p>&nbsp;</p>

<p><strong>&nbsp;হিউম্যান ভেপার (নেটফ্লিক্স)</strong></p>

<p>তোহো স্টুডিওর ১৯৬০ সালের ক্ল্যাসিক &lsquo;তোকুসাতসু&rsquo; সিনেমার আধুনিক রিবুট এটি। লাইভ টেলিভিশন সম্প্রচার চলাকালীন এক ব্যক্তি আচমকা গ্যাসে রূপান্তরিত হয়ে একজনকে হত্যা করে। এরপর পুলিশের সব ফাঁদ গলিয়ে পালিয়ে গিয়ে সে হুমকি দেয়&mdash; সামনে আরও মৃত্যু অপেক্ষা করছে! শুন ওগুরি, ইউ আওই এবং সুজু হিরোসে অভিনীত এই অলৌকিক সাই-ফাই থ্রিলারটি মুক্তি পেয়েছে ২ জুলাই।</p>

<p><strong>&nbsp;</strong><strong>এনোলা হোমস ৩ (নেটফ্লিক্স)&nbsp;</strong></p>

<p>বিজ্ঞাপন</p>

<p>রহস্য রোমাঞ্চের খোঁজে যারা আছেন, তাদের জন্য হাজির &lsquo;এনোলা হোমস ৩&rsquo;। লর্ড টিউকেসবেরির (লুই পারট্রিজ) সঙ্গে বিয়ের পিঁড়িতে বসার প্রস্তুতি নিচ্ছিল এনোলা (মিলি ববি ব্রাউন)। কিন্তু হুট করেই নিখোঁজ হয়ে যান তার ভাই, বিশ্বখ্যাত গোয়েন্দা শার্লক হোমস (হেনরি ক্যাভিল)। ভাইয়ের খোঁজে নেমে এক বিপজ্জনক রহস্যের জালে জড়িয়ে পড়ে এনোলা। রহস্যের জট খুলতে আজই চোখ রাখুন নেটফ্লিক্সে।</p>

<figure><img border="0" src="https://m.media-amazon.com/images/M/MV5BNmY0NWRjNjAtYzQ1NS00N2UwLTlkZmItMzQ4MmEyOWZlMDc0XkEyXkFqcGc@._V1_FMjpg_UX2160_.jpg" />
<figcaption><em><strong>&nbsp;</strong><strong>এনোলা হোমস ৩ </strong></em></figcaption>
</figure>

<p><strong>কারাক্কাম (সোনি লিভ)</strong></p>

<p>বিজ্ঞাপন</p>

<p>ভৌতিক আবহে যদি কিছুটা কমেডি চান, &lsquo;কারাক্কাম&rsquo; আপনার জন্য সেরা পছন্দ। আজ ৩ জুলাই মুক্তি পাবে। থার্টি ফার্স্ট নাইটের জমকালো পার্টি আর হোস্টেলের মারামারির পর মাতাল অবস্থায় এক চার্চের কবরস্থানে গিয়ে হাজির হয় দুই বন্ধু ধানুশ ও খাজা। সেখানে মাতলামির ছলে তারা জাগিয়ে তোলে পাঁচজন অতৃপ্ত আত্মাকে। এরপর তাদের জীবনে নেমে আসা ভৌতিক সব কাণ্ডকারখানা নিয়েই এগিয়েছে ছবিটির গল্প।&nbsp;</p>

<p><strong>মলিউড টাইমস (জিও সিনেমা)</strong></p>

<p>এক তরুণ চলচ্চিত্র নির্মাতার স্বপ্ন পূরণের গল্প নিয়ে তৈরি হয়েছে এই ছবি। কেরালার কুট্টিক্কানামের বাসিন্দা বিনীত মাধবন। হলিউডের বিখ্যাত নির্মাতা এম নাইট শ্যামালানের অন্ধ ভক্ত সে। তার একমাত্র স্বপ্ন মালয়ালম সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির সর্বকালের সেরা হরর ডিরেক্টর হওয়া। বিনীতের এই স্বপ্ন ছোঁয়ার লড়াই দেখতে আপনাকে যেতে হবে জিও সিনেমায়। যা ৩ জুলাই মুক্তি পাবে।</p>

<p><strong>সারভাইভাল অব দ্য থিকেস্ট: সিজন ৩ (নেটফ্লিক্স)</strong></p>

<p>কমেডি ও ড্রামার দারুণ মিশ্রণে আবারও পর্দায় ফিরলেন মিশেল বুটো। ক্যারিয়ার আর সম্পর্কের টানাপোড়েন, নতুন চ্যালেঞ্জ আর বন্ধুত্বের চড়াই-উতরাই পেরিয়ে জীবনের পাঠ খোঁজার গল্প বলবে জনপ্রিয় এই সিরিজের নতুন সিজনটি। ২ জুলাই মুক্তি পেয়েছে নেটফ্লিক্সে।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1629-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[সন্ত্রাসবাদকে কোনোভাবেই বৈধতা দেওয়া যায় না : শামা ওবায়েদ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28915</link>
    <pubDate>Thu, 02 Jul 2026 10:21:26 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28915</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/409-3.jpg" />    <article>
<p>পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, রাজনৈতিক, ধর্মীয় কিংবা আদর্শিক কোনো কারণেই সন্ত্রাসবাদকে বৈধতা দেওয়া যায় না। সব ধরনের সন্ত্রাসবাদ ও সহিংস উগ্রবাদের বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান কঠোর এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>বুধবার (১ জুলাই) ঢাকায় হলি আর্টিজান হামলার ১০ম বার্ষিকী উপলক্ষে ইতালি দূতাবাস আয়োজিত এক স্মরণানুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।</p>

<p>এদিন ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলায় নিহতদের স্মরণ ও তাদের স্মৃতি স্মারকে ফুল দিয়ে সম্মান জানিয়েছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং ইতালি, যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, ভারত ও নিহতদের পরিবারের সদস্যরা। তারা নিহতদের স্মরণে পুস্পস্তবক ও এক মিনীট নিরবতা পালন করেন।&nbsp;</p>

<figure><img alt="3" height="395" src="https://asset.kalerkantho.com/public/news_images/share/photo/shares/00 Muhaimin/shofiqul/6a44ec7ea8483.jpg" width="658" />
<figcaption>ছবি : আব্দুল্লাহ আল মিরাজ</figcaption>
</figure>

<p>অনুষ্ঠানে নিহতদের সম্মানে পুস্পস্তবক দেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ।</p>
</article>

<article>এরপর এই ঘটনাকে স্মরণ করে তিনি বলেন, ১০ বছর পেরিয়ে গেলেও সেই রাতের ক্ষত বাংলাদেশের জাতীয় চেতনা থেকে মুছে যায়নি। হলি আর্টিজান হামলা দেশের ইতিহাসের অন্যতম বেদনাদায়ক অধ্যায় হয়ে রয়েছে।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি বলেন, সেদিন সন্ত্রাসীরা আশা, মানবতা ও সহাবস্থানের মূল্যবোধকে আঘাত করতে চেয়েছিল। বাংলাদেশি নাগরিকদের পাশাপাশি ইতালি, জাপান, ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের নিরীহ নাগরিকদের জীবন কেড়ে নেওয়া হয়েছিল।</p>
</article>

<article>সন্তান ও স্বজন হারানোর বেদনা কখনো পূরণ হওয়ার নয়।
<p>&nbsp;</p>

<figure><img alt="1" height="409" src="https://asset.kalerkantho.com/public/news_images/share/photo/shares/00 Muhaimin/shofiqul/6a44ec7ea5b76.jpg" width="681" />
<figcaption>ছবি : আব্দুল্লাহ আল মিরাজ</figcaption>
</figure>

<p>প্রতিমন্ত্রী বলেন, হলি আর্টিজান হামলা ছিল বাংলাদেশের সহনশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজব্যবস্থার ওপর একটি পরিকল্পিত আঘাত। কিন্তু বাংলাদেশ ঐক্য ও দৃঢ়তার মাধ্যমে সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেছে। গত এক দশকে সরকার, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থা, নাগরিক সমাজ, ধর্মীয় নেতা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, নারী-যুবসমাজ, বেসরকারি খাত এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সম্পৃক্ত করে সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলায় সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। হামলার সঙ্গে জড়িতদের বিচার নিশ্চিত করা হয়েছে এবং বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক পর্যায়েও সন্ত্রাসবাদ দমনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>অনুষ্ঠানে ঢাকায় ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো বলেন, ১০ বছর আগে সংঘটিত সেই হামলায় অনেক নিরীহ মানুষ প্রাণ হারিয়েছিল। নিহত ইতালীয়রা বাংলাদেশের তৈরি পোশাক ও বস্ত্রশিল্পের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলেন। আর জাপানি নাগরিকরা জাইকার উন্নয়ন প্রকল্পে কাজ করছিলেন, যার অবদান আজও বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়নে দৃশ্যমান। নিহতরা বিভিন্ন দেশের হলেও অধিকাংশই ছিলেন তরুণ, মেধাবী ও সম্ভাবনাময় মানুষ। তাদের স্মরণ করা মানে একটি সুন্দর ভবিষ্যতের স্বপ্নকে স্মরণ করা।</p>

<figure><img alt="2" height="420" src="https://asset.kalerkantho.com/public/news_images/share/photo/shares/00 Muhaimin/shofiqul/6a44ec7ecb0a1.jpg" width="700" />
<figcaption>ছবি : আব্দুল্লাহ আল মিরাজ</figcaption>
</figure>

<p>ইতালির রাষ্ট্রদূত অনুষ্ঠানে দেশটির প্রেসিডেন্ট সার্জিও মাত্তারেলার বার্তা পাঠ করে শোনান। বার্তায় রাষ্ট্রপতি নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে বলেন, সন্ত্রাসীরা বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করতে চেয়েছিল, কিন্তু তার পরিবর্তে আন্তর্জাতিক সংহতি আরো শক্তিশালী হয়েছে।</p>

<p>তিনি সব ধরনের সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং নিরাপদ, উন্মুক্ত ও মানবিক সমাজ গড়ে তুলতে সম্মিলিত প্রচেষ্টার আহ্বান জানান।</p>

<p>ইতালির রাষ্ট্রদূত বলেন, হলি আর্টিজানের দশম বার্ষিকীতে সবার অঙ্গীকার হওয়া উচিত&mdash;&lsquo;নেভার অ্যাগেইন&rsquo; বা এমন ঘটনা আর কখনো ঘটতে দেওয়া যাবে না।</p>

<p>অনুষ্ঠানে জাপানের রাষ্ট্রদূত শিনইচি সাইদা, যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের ভারপ্রাপ্ত উপপ্রধান অ্যালবার্ট সিয়া, বাংলাদেশে নবনিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী, বাংলাদেশ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, নিহতদের পরিবারের সদস্য, হামলা থেকে বেঁচে ফেরা কয়েকজন জিম্মি এবং বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরা উপস্থিত ছিলেন।</p>

<figure><img alt="4" height="441" src="https://asset.kalerkantho.com/public/news_images/share/photo/shares/00 Muhaimin/shofiqul/6a44ec7ef12f9.jpg" width="735" />
<figcaption>ছবি : আব্দুল্লাহ আল মিরাজ</figcaption>
</figure>

<p>উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ১ জুলাই রাতে গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্টুরেন্টে বর্বরোচিত হামলার ঘটনা ঘটে। দেশের ইতিহাসে অন্যতম নৃশংস এ হামলায় ৯ ইতালীয়, ৭ জাপানি, এক ভারতীয়, এক বাংলাদেশি-আমেরিকান দ্বৈত নাগরিক ও দুজন বাংলাদেশিসহ মোট ২০ জনকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় হামলাকারীদের ছোড়া গ্রেনেডের আঘাতে প্রাণ হারান তৎকালীন বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালাউদ্দিন আহমেদ এবং সহকারী পুলিশ কমিশনার রবিউল ইসলাম।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/409-3.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে জাপান সফরের আমন্ত্রণ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28914</link>
    <pubDate>Thu, 02 Jul 2026 10:20:39 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28914</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/677-2.jpg" />    <article>
<p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে জাপানের বৈদেশিক সম্পর্কবিষয়ক সংসদীয় ভাইস মিনিস্টার শিমাদা তোমাকির নেতৃত্বে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) প্রেসিডেন্টসহ একটি প্রতিনিধিদল সাক্ষাৎ করেছে। বুধবার (১ জুলাই) বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>সাক্ষাৎকালে মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর, এমআরটি লাইনসমূহ, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালসহ জাইকার অর্থায়নে বাংলাদেশে চলমান বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের বাস্তবায়নের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয়।</p>

<p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ডিসেম্বরের মধ্যে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল উদ্বোধনের লক্ষ্যে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কাজ সম্পন্ন হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।</p>

<p>এ ছাড়া বৈঠকে জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় বাংলাদেশকে জাপানের ৩১২ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের সহায়তা ৫০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করার বিষয়ে জাপান ইতিবাচক সাড়া দেয়।</p>

<p>বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে স্বাক্ষরিত বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক অংশীদারি চুক্তি (ইপিএ) দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে উভয় পক্ষ তাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>এ সময় জাপানি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ নৌবাহিনীকে জাপানের পক্ষ থেকে পাঁচটি পেট্রোল বোট প্রদান করা হবে বলে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করে।</p>

<p>বৈঠকে রোহিঙ্গা সংকট নিয়েও আলোচনা হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নিরাপদে, স্বেচ্ছায়, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে জাপানের অব্যাহত সহযোগিতা ও আন্তর্জাতিক পরিসরে আরো ভূমিকা আশা করেন।&nbsp;</p>

<p>প্রতিনিধিদল প্রধানমন্ত্রীকে জাপান সফরের আমন্ত্রণ জানায়।</p>
</article>

<article>প্রধানমন্ত্রী সুবিধাজনক সময়ে জাপান সফরের আশা প্রকাশ করেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>সাক্ষাতে বাংলাদেশের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়বিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং প্রধানমন্ত্রীর এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের বৈদেশিক কর্মসংস্থানবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. মো. শাকিরুল ইসলাম খান।</p>

<p>জাপানের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন ঢাকায় নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি, জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ব্যুরোর পরিচালক হিরোসে আইকো, জাইকার প্রেসিডেন্ট ড. তানাকা আকিহিকো এবং জাইকার বাংলাদেশ অফিসের প্রধান প্রতিনিধি তাকাহাশি জুনকো।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/677-2.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[খামেনির জানাজায় অংশ নিতে ইরানের পথে স্পিকার]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28913</link>
    <pubDate>Thu, 02 Jul 2026 10:19:59 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28913</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/940-1.jpg" />    <article>
<p>ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজায় অংশ নিতে তেহরানের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।</p>

<p>বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকাল সাড়ে ৭টায় তিনি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তেহরানের উদ্দেশে যাত্রা করেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>আয়াতুল্লাহ খামেনি ১৯৩৯ সালের ১৯ এপ্রিল উত্তর-পূর্ব ইরানের মাশহাদে জন্মগ্রহণ করেন এবং ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি মৃত্যুবরণ করেন।</p>

<p>মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর। তিনি ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামী বিপ্লবের পর পরিবর্তিত শাসনব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় অবতীর্ণ হন। ১৯৮০ সালে অল্প সময়ের জন্য তিনি প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।</p>
</article>

<article>ইরান-ইরাক যুদ্ধের সূচনার পর তিনি ইসলামী বিপ্লবী বাহিনীর তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। ১৯৮৯ সালে রুহুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর ইরানের বিশেষজ্ঞ পরিষদ তাকে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা নির্বাচন করে।
<p>&nbsp;</p>

<p>জানাজায় অংশগ্রহণ শেষে আগামী ৪ জুলাই স্পিকারের দেশে ফেরার কথা রয়েছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/940-1.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[দুদকের মহাপরিচালক পদে রদবদল]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28912</link>
    <pubDate>Thu, 02 Jul 2026 10:19:12 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28912</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/804-99.jpg" />    <article>
<p>র্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) শীর্ষ পর্যায়ে বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে সরকার। পৃথক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সংস্থাটির মহাপরিচালক পদে রদবদল করা হয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>বুধবার (১ জুলাই) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক আদেশে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ মনিরুল ইসলামকে প্রেষণে (ডেপুটেশন) দুদকের নতুন মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।</p>

<p>অন্যদিকে একই দিনে জারি করা অপর এক আদেশে দুদকের বর্তমান মহাপরিচালক মো. মোতাহার হোসেনকে বদলি করা হয়েছে। তাকে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক পদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।</p>

<p>জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর করার নির্দেশনা দিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।</p>
</article>

<article>প্রজ্ঞাপনটির অনুলিপি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মন্ত্রিপরিষদসচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগসহ বিভিন্ন দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/804-99.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ইউক্রেন যুদ্ধের গোপন নথি ফাঁস, মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28911</link>
    <pubDate>Thu, 02 Jul 2026 10:18:32 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28911</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/998-88.jpg" />    <article>
<p>গত বছর রাশিয়ার বাহিনীকে গোপন সামরিক প্রশিক্ষণ দিয়েছে চীন। এ বিষয়টি খোদ রুশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী আন্দ্রেই বেলুসভ অনুমোদন করেছিলেন।</p>
</article>

<article>এ ছাড়া এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিলেন রাশিয়া ও চীনের অন্তত ৪ জন জেনারেল। দুই ইউরোপীয় কর্মকর্তা এবং বার্তাসংস্থা <a href="https://www.reuters.com/business/aerospace-defense/russia-approved-secret-china-military-training-top-level-sources-say-2026-07-01/">রয়টার্সের</a> হাতে আসা বেশ কিছু&nbsp;গোপন&nbsp;নথিতে এমন তথ্য উঠে এসেছে।

<p>&nbsp;</p>

<p>কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে এই প্রশিক্ষণের পেছনে এত উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সম্পৃক্ততা মূলত মস্কো ও বেইজিংয়ের মধ্যকার সম্পর্কের গভীরতাকেই ফুটিয়ে তোলে। বেইজিং অবশ্য এই প্রশিক্ষণের বিষয়টি স্বীকার করেনি।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>গোপন নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের আগস্টে প্রতিরক্ষামন্ত্রী আন্দ্রেই বেলোউসভের জারি করা একটি অভ্যন্তরীণ ডিক্রির (আদেশ) সরাসরি উল্লেখ রয়েছে। সেখানে বলা হয়, বেলুসভের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রুশ সশস্ত্র বাহিনীর একটি প্রতিনিধিদল পিপলস লিবারেশন আর্মির (পিএলএ) স্থাপনায় প্রশিক্ষণে অংশ নিতে চীনে সফর করেছিল।</p>

<p>একই নথিতে প্রশিক্ষণের একটি কোর্সের বিশদ বিবরণ পাওয়া গেছে। তাতে দেখা যায়, গত নভেম্বরে বেইজিংয়ের একটি সামরিক স্থাপনায় রেডিওলজিক্যাল, কেমিক্যাল ও বায়োলজিক্যাল সুরক্ষাবিষয়ক তিন সপ্তাহব্যাপী একটি সেশন অনুষ্ঠিত হয়।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>অপর একটি নথিতে সংযুক্ত ছবিতে দেখা গেছে, একজন চীনা প্রশিক্ষক রুশ সৈন্যদের লেকচার দিচ্ছেন, যেখানে তারা একটি পারমাণবিক চুল্লির মডেলের দিকে তাকিয়ে আছেন।</p>

<p>এছাড়া তাদের কেমিক্যাল রিকনেসান্স, রেডিওলজিক্যাল রিকনেসান্স এবং ভেন্টিলেশন সিস্টেম যেন দূষিত না হয়, সে বিষয়ে সুরক্ষা কৌশল শেখানো হচ্ছিল।</p>

<p>রেডিওলজিক্যাল, বায়োলজিক্যাল ও কেমিক্যাল যুদ্ধ কৌশলের প্রশিক্ষণ অন্তর্ভুক্ত থাকার বিষয়টি দুই দেশের সম্পর্কের কৌশলগত গুরুত্বকেই প্রমাণ করে বলে মন্তব্য করেছেন একজন ইউরোপীয় কর্মকর্তা। তিনি উল্লেখ করেন, সাধারণত যেকোনো দেশের সামরিক বাহিনীর কাছে এই বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল।</p>

<p>এই প্রতিবেদনের বিষয়ে মন্তব্য জানতে চাওয়া হলে রাশিয়া ও চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় কোনো সাড়া দেয়নি।</p>
</article>

<article>তবে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইউক্রেন সংকটের বিষয়ে তাদের অবস্থান অপরিবর্তিত রয়েছে। রুশ বাহিনীকে প্রশিক্ষণের বিষয়ে তারা যোগ করেছে, &lsquo;এই অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>বেইজিংয়ের দাবি, তারা ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধে নিরপেক্ষ। দেশটি নিজেকে শান্তি প্রক্রিয়ায় একটি মধ্যস্থতাকারী হিসেবে উপস্থাপন করে এসেছে।</p>

<p>ইউরোপীয় গোয়েন্দা সংস্থা এবং সামরিক নথির বরাত দিয়ে গত মাসে প্রকাশিত রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, চীন গত নভেম্বরে প্রায় ২০০ জন রুশ সামরিক কর্মীকে প্রশিক্ষণ দিয়েছে, যাদের মধ্যে কেউ কেউ পরবর্তীতে ইউক্রেন যুদ্ধে যোগ দিয়েছেন।&nbsp;</p>

<p>ক্রেমলিন ওই প্রতিবেদনের ওপর কোনও মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানায়। পাশাপাশি পাশ্চাত্যে প্রকাশিত &lsquo;মিথ্যা তথ্য&rsquo; নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিল।&nbsp;</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/998-88.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[এম্পায়ার স্টেটের চূড়ায় শান্তি আর ভালোবাসার ব্যানার]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28910</link>
    <pubDate>Thu, 02 Jul 2026 10:17:55 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28910</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1120-77.jpg" />    <article>
<p>প্রিয়তমার সামনে হাঁটু গেড়ে বসে আংটি বাড়িয়ে ধরে প্রশ্ন, উইল ইউ ম্যারি মি? (তুমি কি আমায় বিয়ে করবে?)। প্রিয়তমাকে বিয়ের প্রস্তাব দেওয়ার চিরন্তন পদ্ধতি এটি।</p>
</article>

<article>যুগ যুগ ধরে কোটি কোটি মানুষ এভাবে প্রস্তাব দিয়েছেন, প্রেয়সীর হৃদয় জিতেছেন। কিন্তু কিছু কিছু মানুষ আছেন, যারা নারীর হৃদয় জয় করতে বা প্রস্তাব দেয়ার মুহূর্তটি স্মরণীয় করে রাখতে নানারকম পাগলামি করেন। স্কাইডাইভিং করে বাতাসে ভাসতে ভাসতে, স্কুবা ডাইভিং করে সাগরের অতলে ডুবতে ডুবতে, পাহাড়ের চূড়ায় উঠে, আগ্নেয়গিরি লাভার সামনে দাঁড়িয়ে বিয়ের প্রস্তাব দেয়ার অনেক অ্যাডভেঞ্চারাস উদাহরণ আছে।&nbsp;তবে বুধবার দুপুরে নিউইয়র্কবাসী যা দেখল, ঝুঁকি বিবেচনায় সেটি মানুষের মনে থাকবে অনেক দিন।</article>

<article>শুধু নিউইয়র্কবাসী কেন, বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলে সরাসরি সম্প্রচারের সুবাদে বিশ্বের কোটি মানুষ দেখেছে শ্বাসরুদ্ধকর অভিনব এই প্রপোজালের চিত্র।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>গতকাল বুধবার দুপুর ১২টার দিকে ব্যস্ত নিউইয়র্কবাসী হঠাৎ দেখল আইকনিক এম্পায়ার স্টেট বিল্ডিংয়ের একেবারে চূড়ায়, মানে ১০২ তলার উপরে ব্রডকাস্ট এন্টেনার চূড়ায় বিন্দুরমতো দুজন মানুষকে দেখা যাচ্ছে। কোনোরকম নিরাপত্তা সরঞ্জাম ছাড়া তারা ১ হাজার ৪৫৪ ফুট উঁচুতে ব্রডকাস্ট অ্যান্টেনার চূড়ায় একটি ব্যানার টানাচ্ছিলেন। তাদের দুঃসাহসিক কাণ্ডকারখানা দেখে শ্বাস আটকে আসতে চায় নিচের অনেকের।</p>
</article>

<article>মুহূর্তেই ভাইরাল তাদের সেই ছবি। খবর পেয়ে হেলিকপ্টার ড্রোন, আর বিশেষ রেসকিউ টিম নিয়ে ছুটে আসে নিউইয়র্ক পুলিশ; হেলিকপ্টার নিয়ে ছুটে আসেন সাংবাদিকরাও। নিচে যখন হুলুস্থুল, তখনো কালো পোশাক আর মুখোশ পরা তাদের কোনো হেলদোল নেই। ব্যানার টানানো শেষে তারা ধীরেসুস্থে কিছুটা নেমে এসে একটা প্লাটফর্মে দাঁড়ান। সেখানে পুরুষটি সেই চিরাচরিত ভঙ্গিতে হাঁটু গেড়ে বসে নারীটিকে প্রস্তাব দেন।</article>

<article>নিশ্চয়ই তিনি হ্যাঁ বলেছেন। কারণ পুরুষটি উঠে দাঁড়ালে তারা একে অপরকে আলিঙ্গন করেন ও চুমু খান। পুরো দৃশ্যটাই গোটা বিশ্ব দেখেছে সরাসরি। সবচেয়ে বেশি মানুষের দেখা প্রপোজালের বিশ্বরেকর্ডের কোনো সুযোগ থাকলে এর কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী থাকবে না। দুপুর ১টায় পুলিশ সদস্যরা নিজেরাও ঝুঁকি নিয়ে চূড়ায় উঠে তাদের নিচে নামিয়ে আনেন।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>ব্রডকাস্ট অ্যান্টেনার চূড়ায় তাদের টানানো কালো ব্যানারে বড় বড় সাদা হরফে লেখা ছিল, &lsquo;যখন ক্ষমতার লোভের চেয়ে ভালোবাসার শক্তি বড় হবে, তখন পৃথিবী শান্তি ফিরে পাবে।&rsquo; চারিদিকে যুদ্ধের দামামায় শান্তির এ বাণী হয়তো অনেকের মনে স্বস্তি আনবে। কিন্তু বেরসিক পুলিশ অনুমতি ছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ জায়গায় যাওয়ায় দুঃসাহসী এই রোমান্টিক জুটিকে হেফাজতে নিয়েছে। এত সুরক্ষিত একটি ভবনের চূড়ায় তারা কীভাবে এবং কখন উঠলেন, তা খতিয়ে দেখতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।</p>

<p>নিচে নেমে আসার পর দেখা গেল এই জুটি আগে থেকেই বিখ্যাত। নেটফ্লিক্সের জনপ্রিয় ডকুমেন্টারি &lsquo;স্কাওয়াকার্স : এ লাভ স্টোরি&rsquo;র মূল চরিত্র রাশিয়ার বিখ্যাত রুফটপার অ্যাঞ্জেলা নিকোলাউ এবং ইভান বীরকুস শান্তি আর ভালোবাসার বাণী নিয়ে এম্পায়ার স্টেট বিল্ডিংয়ের চূড়ায় চড়ে বসেছিলেন।</p>

<p>কবি সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় তার &lsquo;কেউ কথা রাখেনি&rsquo; কবিতায় লিখেছেন, &lsquo;ভালোবাসার জন্য আমি হাতের মুঠোয় প্রাণ নিয়েছি/দুরন্ত ষাঁড়ের চোখে বেঁধেছি লাল কাপড়।&rsquo; অ্যাঞ্জেলা আর ইভান কবির কল্পনাকেও হার মানালেন। ১ হাজার ৪৫৪ ফুট উপরে উঠে ভালোবাসা আর শান্তির বাণীর ব্যানার টানানো দুরন্ত ষাঁড়ের চোখে লাল কাপড় বাঁধার চেয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ নয়। সত্যিই তারা ভালোবাসার জন্য হাতের মুঠোয় প্রাণ নিয়েছিলেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1120-77.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ব্রিটেনে গত এক দশকে বর্ণবাদ ও অসহিষ্ণুতা আরো বেড়েছে : কিয়ার স্টারমার]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28909</link>
    <pubDate>Thu, 02 Jul 2026 10:15:46 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28909</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1237-66.jpg" />    <article>
<p>যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার বলেছেন, গত এক দশকে ব্রিটেনে বর্ণবাদ ও অসহিষ্ণুতা আরো খারাপ রূপ ধারণ করেছে। এর ফলে সামাজিক সংহতি নষ্ট হচ্ছে এবং মানুষ জনসমক্ষে বা সামাজিক কর্মকাণ্ডে আসতে ভয় পাচ্ছে বলে তিনি সতর্ক করেছেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>গতকাল বুধবার (১ জুলাই) বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক <a href="https://www.reuters.com/world/uk/racism-intolerance-have-worsened-britain-starmer-says-2026-07-01/?fbclid=IwY2xjawSyqIZleHRuA2FlbQIxMABicmlkETFHWlJPZ0pxZDJQcXB6UWJyc3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHnxemnb6lpbOK8qnpaM0ClC0puXwBsV9lE2YhcRaKfLStNI4bzo_sYzIvBgP_aem_-JthzADaLeo1Haw8prp_BA">প্রতিবেদনে</a> এ তথ্য জানিয়েছে।</p>

<p>সাউদাম্পটনে হেনরি নোয়াক হত্যার পর বিক্ষোভ এবং বেলফাস্টে এক ছুরিকাঘাতের ঘটনার পর দাঙ্গাসহ সাম্প্রতিক কিছু অশান্তির ঘটনার পর <a href="https://www.reuters.com/world/uk/anti-migrant-politics-spark-resurgence-racism-say-some-britons-colour-2026-06-30/">রয়টার্সের একটি প্রতিবেদন</a> প্রকাশিত হয়। তার ঠিক একদিন পরেই তিনি এই মন্তব্য করলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী।</p>

<p>রয়টার্সের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, অভিবাসীবিরোধী বক্তব্য ও অপরাধের ওপর রাজনৈতিক বাড়তি মনোযোগের কারণে বর্ণবাদের পুনরুত্থানের আশঙ্কা করছেন কিছু কৃষ্ণাঙ্গ ও সংখ্যালঘু ব্রিটিশ নাগরিক।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>পার্লামেন্টে বিভিন্ন প্রশ্নের মুখোমুখি হয়ে স্টারমার বলেন, &lsquo;বর্ণবাদ ও অসহিষ্ণুতা সব জায়গায় ছড়িয়ে পড়ছে।&rsquo;</p>

<p>স্টারমার বলেন, &lsquo;আমাদের এটি মোকাবেলা করতে হবে, কারণ এটি আমাদের সমাজকে টুকরো টুকরো করে দিচ্ছে। এই দেশের যেকোনো পর্যায়ের প্রত্যেক রাজনীতিবিদের উচিত এর বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া।&rsquo;</p>

<p>স্টারমার ২০১৬ সালে লেবার পার্টির আইনপ্রণেতা জো কক্সের মৃত্যুর কথা স্মরণ করেন।</p>
</article>

<article>জো কক্স ছিলেন অভিবাসন এবং সামাজিক সংহতির একজন সক্রিয় সমর্থক, যাকে ব্রেক্সিট গণভোটের কয়েক দিন আগে এক উগ্র-ডানপন্থী চরমপন্থী হত্যা করেছিল।
<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি বলেন, সম্প্রতি জো কক্সের মৃত্যুর বিষয়টি নিয়ে ভাবার সময় তার মনে হয়েছে যে, গত এক দশকে পরিস্থিতির কোনো উন্নতি হয়নি, বরং আরো অবনতি হয়েছে।</p>

<p>মঙ্গলবারের রয়টার্সের ওই প্রতিবেদনে ট্রেড ইউনিয়ন এবং পেশাদার সংস্থাগুলোর বরাতে সতর্ক করে বলা হয়েছে, যুক্তরাজ্যজুড়ে সাম্প্রতিক অশান্তির পর কর্মক্ষেত্র এবং জনজীবনে বর্ণবাদী আচরণ ও হেনস্তা বাড়ছে, যার ফলে সামাজিক উত্তেজনা তীব্র আকার ধারণ করেছে।</p>

<p>অন্যদিকে, পপুলিস্ট দল &lsquo;রিফর্ম ইউকে&rsquo;র নেতা নাইজেল ফারাজ ব্রিটিশ প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে শ্বেতাঙ্গদের প্রতি বৈষম্য করার অভিযোগ এনেছেন। তার দাবি, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও সংখ্যালঘুদের সহায়তার জন্য তৈরি নীতিমালার কারণে এই প্রতিষ্ঠানগুলো পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করছে।</p>
</article>

<article>তবে স্টারমার তার এই দাবি সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>রাজনৈতিক বিতর্কের ভাষা ও পরিবেশ নিয়ে স্টারমার বলেন, &lsquo;এটি ঠিক করার দায়িত্ব আমাদেরই&mdash;এই সংসদের প্রতিটি সদস্যের, তিনি যে দলেরই হোন না কেন। আর যারা এই পরিস্থিতিকে আরো উসকে দিচ্ছে, তাদের চরমভাবে লজ্জিত হওয়া উচিত।&rsquo;</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1237-66.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[মাল্টার সাংবাদিক হত্যায় অভিযুক্ত ব্যবসায়ীর বিচার শুরু]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28908</link>
    <pubDate>Thu, 02 Jul 2026 10:13:46 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28908</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1340-55.jpg" />    <article>
<p><a href="https://www.bbc.com/news/articles/c1ey95gl5j5o?fbclid=IwY2xjawSysEZleHRuA2FlbQIxMABicmlkETFPNlhaUFAwVW5zV1ZEb1JIc3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHmE-Za0F7f-sU-bRLbZqDAbcq5Ltnas0KS9d6Lmq-qo8FkeVFxUMXQ_oGjQV_aem_HVlx8cr_1uxyDPUccF5YtA">মাল্টার খ্যাতনামা অনুসন্ধানী সাংবাদিক ড্যাফনি কারুয়ানা গালিজিয়া</a> হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যবসায়ী ইয়র্গেন ফেনেকের বিচার শুরু হয়েছে। ২০১৭ সালে গাড়িতে বোমা হামলায় নিহত হন কারুয়ানা গালিজিয়া।</p>
</article>

<article>বহুল আলোচিত এই হত্যাকাণ্ডে সে সময় মাল্টাজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছিল।
<p>&nbsp;</p>

<p>বুধবার মাল্টার রাজধানী ভ্যালেটার একটি আদালতে ৪৪ বছর বয়সী ব্যবসায়ী ইয়র্গেন ফেনেকের বিরুদ্ধে বিচার কার্যক্রম শুরু হয়। এ মামলার শুনানির জন্য একটি জুরি বোর্ড গঠন করা হয়েছে। ফেনেকের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি পরিকল্পিতভাবে সাংবাদিক ড্যাফনি কারুয়ানা গালিজিয়াকে হত্যার ষড়যন্ত্রে অংশ নেন এবং হত্যার উদ্দেশ্যে গঠিত একটি অপরাধী চক্রের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।</p>
</article>

<article>তবে শুরু থেকেই তিনি নিজের বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন। বিচার শুরুর প্রথম দিনে আদালতে ফেনেক কোনো বক্তব্য দিয়েছেন কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
<p>&nbsp;</p>

<p>মাল্টার সংবাদমাধ্যম &#39;টাইমস অব মাল্টা&#39; জানিয়েছে, বিচার শুরুর সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন নিহত সাংবাদিকের পরিবারের সদস্যরা। কারুয়ানা গালিজিয়ার তিন ছেলেও আদালতে ছিলেন।</p>
</article>

<article>ড্যাফনি কারুয়ানা গালিজিয়া মাল্টার অন্যতম পরিচিত অনুসন্ধানী সাংবাদিক ছিলেন। তিনি সরকারের কড়া সমালোচক হিসেবে পরিচিত ছিলেন। পাশাপাশি মাল্টা এবং দেশের বাইরের দুর্নীতি, অর্থপাচার ও বিভিন্ন প্রভাবশালী নেটওয়ার্ক নিয়ে একের পর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিলেন। ২০১৭ সালের অক্টোবরে তিনি বাড়ি থেকে বের হওয়ার কিছুক্ষণ পর তার গাড়িতে শক্তিশালী বোমা বিস্ফোরণ ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।</article>

<article>এই হত্যাকাণ্ড দেশটির রাজনৈতিক ও বিচারব্যবস্থা নিয়ে ব্যাপক প্রশ্নের জন্ম দেয় এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও ব্যাপক সমালোচনা হয়।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/07/02/1705765" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>এ মামলায় এর আগেও কয়েকজনকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। ২০২২ সালে দুই ভাই জর্জ ডেজিওর্জিও ও আলফ্রেড ডেজিওর্জিওকে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার দায়ে ৪০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এরপর ২০২৫ সালে রবার্ট আজিয়ুস ও জেমি ভেলাকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত বোমা সরবরাহের দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন আদালত। এ ছাড়া একই মামলায় দোষ স্বীকার করে তদন্তে সহযোগিতা ও সাক্ষ্য দেওয়ার বিনিময়ে ভিনসেন্ট মুসকাট ক্ষমা পান। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, বহুল আলোচিত এই মামলার বিচার কয়েক সপ্তাহ ধরে চলতে পারে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1340-55.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় ভারত থেকে পেট্রল কিনছে রাশিয়া]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28907</link>
    <pubDate>Thu, 02 Jul 2026 10:12:36 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28907</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1404-44.jpg" />    <article>
<p><a href="https://www.reuters.com/business/energy/russia-buys-gasoline-india-tackle-shortages-sources-say-2026-07-01/?fbclid=IwY2xjawSyqflleHRuA2FlbQIxMABicmlkETF0d2dhZDJSa2hudElCWnBuc3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHsjBKuGru1jDSZvdNsoJO52WJgMXKY4uFkUjiiU2kocvc4LW4K88qGOe3phn_aem_wlv9ouORcB5-LZbCwTjdVg">ইউক্রেনের হামলায় তেল শোধনাগার ও জ্বালানি অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত</a> হওয়ার পর দেশে তৈরি হওয়া জ্বালানির ঘাটতি মোকাবেলায় ভারত থেকে সমুদ্রপথে পেট্রল আমদানি শুরু করেছে রাশিয়া। বুধবার শিল্প খাতের দুটি সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী, রাশিয়ায় জ্বালানির চাহিদা মেটাতে ভারত থেকে ইতোমধ্যে পেট্রলবাহী ট্যাংকার পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে দেশটি বিভিন্ন উৎস থেকে প্রতিমাসে বড় পরিমাণে পেট্রল আমদানির পরিকল্পনাও করছে। ইউক্রেনের ধারাবাহিক ড্রোন হামলায় রাশিয়ার কয়েকটি তেল শোধনাগার ও জ্বালানি স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর প্রভাবে দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে পেট্রলের সরবরাহ কমে গেছে।</p>
</article>

<article>রাশিয়ার ১১টি সময় অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় জ্বালানির সংকট দেখা দিয়েছে। অনেক এলাকায় নির্দিষ্ট পরিমাণে পেট্রল বিক্রি করা হচ্ছে। বিভিন্ন পেট্রল পাম্পে দীর্ঘ লাইন তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে পেট্রলের দামও রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে।</article>

<article>এ পরিস্থিতিতে রাশিয়া বিদেশ থেকে জ্বালানি আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে। মঙ্গলবার ক্রেমলিন জানায়, গ্রহণযোগ্য দামে পেট্রল আমদানির জন্য কয়েকটি দেশের সঙ্গে আলোচনা চলছে। তবে এ বিষয়ে রাশিয়ার জ্বালানি মন্ত্রণালয় এবং ভারতের তেল মন্ত্রণালয়ের কাছে মন্তব্য জানতে চাওয়া হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো পক্ষই আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি।
<p>&nbsp;</p>

<p>শিল্প খাতের একটি সূত্র জানায়, ভারত থেকে অন্তত ৬০ হাজার মেট্রিক টন পেট্রল রাশিয়ার উদ্দেশে পাঠানো হয়েছে। আরেকটি সূত্রের দাবি, ৩০ হাজার থেকে ৪০ হাজার টন করে পেট্রল নিয়ে দুটি ট্যাংকার রাশিয়ার পথে রয়েছে।</p>
</article>

<article>এদিকে তৃতীয় একটি সূত্র জানিয়েছে, রাশিয়া প্রতিমাসে বিভিন্ন দেশ থেকে মোট ৪ লাখ টন পেট্রল আমদানির পরিকল্পনা করেছে। এই তালিকায় রয়েছে প্রতিবেশী বেলারুশও। দেশটি ইতোমধ্যে রাশিয়ায় নিয়মিত জ্বালানি রপ্তানি করছে। গ্রীষ্মকালে রাশিয়ায় জ্বালানির ব্যবহার সবচেয়ে বেশি থাকে। এ সময় প্রতিদিন অন্তত ১ লাখ ১০ হাজার টন পেট্রলের চাহিদা তৈরি হয়। ফলে ঘাটতি পূরণে আমদানির ওপর গুরুত্ব বাড়িয়েছে দেশটি। তবে ভারতের কোন তেল শোধনাগার থেকে এই পেট্রল রাশিয়ায় সরবরাহ করা হচ্ছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
<p>&nbsp;</p>

<p>গত রবিবার সরকারি মন্ত্রী ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন স্বীকার করেন, ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় তেল শোধনাগার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় কয়েকটি অঞ্চলে জ্বালানির ঘাটতি তৈরি হয়েছে। তবে তিনি বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে এবং সংকট মোকাবেলার চেষ্টা চলছে। রয়টার্সের হিসাব ও বিভিন্ন সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, জুনের প্রথমার্ধে বেলারুশ থেকে রেলপথে রাশিয়ায় ৭০ হাজার টনের বেশি পেট্রল সরবরাহ করা হয়েছে। মে মাসের প্রথমার্ধের তুলনায় এই পরিমাণ প্রায় তিন গুণ বেশি। জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় গত সপ্তাহে রাশিয়ার পার্লামেন্ট কর আইনে সংশোধনী অনুমোদন দিয়েছে। একই সঙ্গে জ্বালানি আমদানিতে ভর্তুকি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ভারত থেকে পেট্রোল আমদানির খরচ ও দামের ভিত্তিতে এই ভর্তুকির পরিমাণ নির্ধারণ করা হবে।</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/07/02/1705775" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>অন্যদিকে, এলএসইজি ও ক্লেপারের জাহাজ চলাচল-সংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, জুন মাসে রাশিয়া থেকে ভারতের অপরিশোধিত তেল আমদানি রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে। মধ্যপ্রাচ্যের অন্য উৎস থেকে সরবরাহে হরমুজ প্রণালির অনিশ্চয়তার প্রভাব কমাতে ভারতীয় তেল শোধনাগারগুলো বেশি পরিমাণে রুশ তেল কিনেছে। ক্লেপারের তথ্য অনুযায়ী, জুন মাসে ভারতের মোট অপরিশোধিত তেল আমদানির অর্ধেকেরও বেশি এসেছে রাশিয়া থেকে। মে মাসে এই হার ছিল ৩৬ দশমিক ৫ শতাংশ। বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম তেল আমদানিকারক দেশ ভারত জুন মাসে রাশিয়া থেকে প্রতিদিন প্রায় ২৭ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল আমদানি করেছে। ক্লেপার ও এলএসইজির প্রাথমিক তথ্যে এ তথ্য উঠে এসেছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1404-44.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[পেলের রেকর্ড ভেঙে ইংল্যান্ডকে জয় এনে দিলেন কেইন]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/28906</link>
    <pubDate>Thu, 02 Jul 2026 10:11:43 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/28906</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1489-33.jpg" />    <article>
<p>ম্যাচের লম্বা সময় এগিয়ে ছিল ডিআর কঙ্গো। তাদের সপ্তম মিনিটে করা গোল শোধ দিতে মরিয়া ইংল্যান্ডের ত্রাণকর্তা হয়ে এগিয়ে এলেন হ্যারি কেইন।</p>
</article>

<article>ম্যাচের শেষ দিকে ১১ মিনিটের ব্যাবধানে দুই গোল করে দলকে ২-১ গোলের জয় এনে দেন তিনি।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>ম্যাচের শুরুতেই ইংল্যান্ড শিবিরে আঘাত হানে ডিআর কঙ্গো। মাত্র সাত মিনিটের মাথায় ব্রিটিশদের স্তব্ধ করা এক গোলে লিড এনে দেন ব্রায়ান সিপেঙ্গা। গোল হজম করে এলোমেলো খেলতে থাকে ইংল্যান্ড।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রথমার্ধের পানি বিরতির পর ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করলেও কিন্তু ডিআর কঙ্গোর গোলকিপার লিওনেল এমপাসির বাধায় আর গোল পাওয়া হয়নি কেইনদের।</p>

<p>মাঝে ৪২ মিনিটে বক্সের ভেতরে ব্যাবধান বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছিলেন কঙ্গোর উইসা। অ্যারন ওয়ান-বিসাকার বাড়ানো বলে তার নেওয়া শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে।</p>

<p>এর দুই মিনিটের মাথায় কঙ্গোর ডি বক্সে কঙ্গোর গোলকিপার লিওনেল এমপাসির বাধায় পড়ে যান কেইন।</p>
</article>

<article>জোড়াল পেনাল্টির আবেদন করলেও উল্টো রেফারি বাঁশি বাজান কেইনের বিরুদ্ধেই। সিমুলেশনের অভিযোগে কঙ্গোর পক্ষেই ফাউল দেওয়া হয়।
<p>&nbsp;</p>

<p>এরপর বিরতির আগে যোগ করা সময়ে আবারো ত্রাতা হয়ে আসেন গোলকিপার এমপাসি। জুড বেলিংহামের হেডে বল জাচ্ছিল জালের দিকে। প্রায় নিশ্চিত সে গোল দুর্দান্ত ক্ষিপ্রতায় ঠেকিয়ে দেন কঙ্গোর গোলরক্ষক।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>বিরতির পর আরো আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে ইংল্যান্ড। ম্যাচ বাঁচাতে একের পর এক আক্রমণেও যখন কোন কূলকিনারা পাচ্ছিল না টুখেলের দল তখনই এগিয়ে আসেন অধিনায়ক হ্যারি কেইন।</p>

<p>ম্যাচের ৭৫ ও ৮৬ মিনিটের মাথায় গোল করে অনাকাঙ্ক্ষিত এক ইতিহাস বদলান তিনি। ১৯৬৬ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালে প্রথমে পিছিয়ে পড়েও জার্মানির বিপক্ষে জিতেছিল ইংল্যান্ড। এরপর দীর্ঘ ৬০ বছর পর পিছিয়ে পড়ে কোন ম্যাচ জিতল থ্রি লায়নরা।</p>

<p>এতে ম্যাচের নায়ক বনে যাওয়ার পাশাপাশি ভেঙেছেন সর্বকালের অন্যতম সেরা ফুটবলার পেলের রেকর্ডও। চলতি আসরেই পাঁচ গোল করে বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের হয়ে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড ভাঙার পাশাপাশি মোট ১৩ গোল নিয়ে পেছনে ফেলেছেন পেলেকেও।</p>

<p>এই রেকর্ডের সঙ্গে দলকে শেষ ষোলোয় নিয়ে গেলেন কেইন। সেখানে কোয়ার্টারে ওঠার লড়াইয়ে তাদের প্রতিপক্ষ বিশ্বকাপের স্বাগতিক দেশ মেক্সিকো।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1489-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[টক্সিক’-এর নতুন টিজারে চমকপ্রদ যশের নায়িকারা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/28905</link>
    <pubDate>Thu, 02 Jul 2026 10:10:58 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/28905</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1529-22.jpg" />    <article>
<p>দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে প্রকাশ্যে এসেছে ইয়াশ অভিনীত বহুল আলোচিত প্যান-ইন্ডিয়ান সিনেমা &lsquo;টক্সিক : অ্যা ফেয়ারি টেল ফর গ্রোন-আপস&rsquo;-এর নতুন ঝলক। এবার দর্শকদের সামনে তুলে ধরা হয়েছে ছবির নারী চরিত্রগুলোকে, যেখানে একঝাঁক জনপ্রিয় অভিনেত্রীকে দেখা গেছে ভিন্ন ভিন্ন রূপে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>সম্প্রতি প্রকাশিত &lsquo;লেডিস অ্যান্ড লেডিস&rsquo; শিরোনামের ভিডিওটি শুরুতেই একটি সতর্কবার্তা দিয়ে শুরু হয়। সেখানে শিশুদের ভিডিওটি না দেখার পরামর্শ দেওয়া হয়।&nbsp;</p>

<p>এরপর ভয়েসওভারে শোনা যায়, &lsquo;ভালোবাসা নারীদের দানবীতে পরিণত করে। এর ছলনার গভীরতা উপলব্ধি করতে পারলে এটি একটি সুন্দর বিভ্রম।</p>
</article>

<article>&rsquo; এই সংলাপের সঙ্গে একে একে হাজির হন ছবির পাঁচ অভিনেত্রী।
<p>&nbsp;</p>

<p><img alt="Kids Stay Away From Toxic Ladies -" src="https://cdn.gulte.com/wp-content/uploads/2026/07/toxic-ladies.jpg" /></p>

<p>ভিডিওতে নয়নতারাকে দেখা যায় সুপারবাইক চালাতে এবং একটি অ্যাকশন দৃশ্যে অংশ নিতে। কিয়ারা আদভানি, তারা সুতারিয়া ও হুমা কুরেশি নিজেদের গ্ল্যামারাস উপস্থিতিতে নজর কাড়েন। অন্যদিকে রুক্মিণী বসন্তকে রহস্যময়ভাবে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়েছে।</p>
</article>

<article>এক দৃশ্যে তাকে কারো দিকে বন্দুক তাক করে থাকতে দেখা যায়।
<p>&nbsp;</p>

<p>ঝলকের শেষ দিকে যশকে দেখা যায় এক স্টাইলিশ অ্যাকশন সিকোয়েন্সে, যেখানে নারী যোদ্ধাদের সঙ্গে লড়াই করতে দেখা যায় তাকে। নতুন এই ভিডিওটি আবারও ইঙ্গিত দিয়েছে, সিনেমাটি একটি স্টাইলাইজড পিরিয়ড অ্যাকশন ড্রামা হতে যাচ্ছে।</p>

<p><img alt="Rate the new glimpse of Toxic out of 10 ? #Toxic #ToxicOnAugust26 #Yash" src="https://pbs.twimg.com/media/HMHzIp8akAAPmCB.jpg" /></p>

<p>গীতু মোহনদাস পরিচালিত &lsquo;টক্সিক&rsquo; মূলত কন্নড় ও ইংরেজি ভাষায় নির্মিত হলেও এটি প্যান-ইন্ডিয়ান সিনেমা হিসেবে একাধিক ভাষায় মুক্তি পাবে। ছবিতে যশের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন রুক্মিণী বসন্ত, নয়নতারা, কিয়ারা আদভানি, হুমা কুরেশি ও তারা সুতারিয়া।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>সিনেমাটি প্রথমে ২০২৬ সালের ১৯ মার্চ মুক্তির পরিকল্পনা ছিল। পরে আন্তর্জাতিক পরিবেশনা-সংক্রান্ত জটিলতা এবং পশ্চিম এশিয়ার ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে মুক্তির তারিখ পরিবর্তন করা হয়। এরপর ৪ জুন মুক্তির পরিকল্পনাও পিছিয়ে যায়। সবশেষে নির্মাতারা আগামী ২৬ আগস্ট ২০২৬ ছবিটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির ঘোষণা দিয়েছেন।</p>

<p>প্রযুক্তিগত দিক থেকেও &lsquo;টক্সিক&rsquo;কে বড় ক্যানভাসের সিনেমা হিসেবে দেখা হচ্ছে। জাতীয় পুরস্কারজয়ী রাজীব রবি সিনেমাটির চিত্রগ্রাহক, সংগীত পরিচালনায় রয়েছেন রবি বসরুর, সম্পাদনার দায়িত্বে উজ্জ্বল কুলকার্নি এবং প্রোডাকশন ডিজাইনার হিসেবে কাজ করেছেন টিপি আবিদ।</p>

<p>এ ছাড়া হলিউডের জনপ্রিয় অ্যাকশন পরিচালক জেজে পেরি, যিনি &lsquo;জন উইক&rsquo; সিরিজে কাজ করেছেন; জাতীয় পুরস্কারজয়ী অ্যাকশন কোরিওগ্রাফার জুটি আনবারিভ এবং কেচা খামফাকদির সঙ্গে মিলে সিনেমাটির অ্যাকশন দৃশ্য নির্মাণ করেছেন। ফলে অ্যাকশনপ্রেমীদের প্রত্যাশার পারদ আরও বেড়ে গেছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1529-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[স্পাইডারম্যানের জালে লিওনেল মেসি, ২০ সেকেন্ডের উপস্থিতিতেই নিলেন ১৮৫ কোটি!]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/28904</link>
    <pubDate>Thu, 02 Jul 2026 10:09:55 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/28904</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1628-11.jpg" />    <article>
<p>ফুটবল বিশ্বের মহাতারকা লিওনেল মেসিকে এবার দেখা গেল মার্ভেলের জনপ্রিয় সুপারহিরো স্পাইডারম্যানের সঙ্গে একই ফ্রেমে। সনি পিকচার্স এন্টারটেইনমেন্ট প্রকাশিত একটি প্রচারণামূলক ভিডিও ঘিরে ইতোমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা।</p>
</article>

<article>তবে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে মেসির সম্ভাব্য পারিশ্রমিক।
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রায় ৪০ সেকেন্ডের ভিডিওটিতে শুরুতে দেখা যায়, পিটার পার্কার একটি কফিশপে বসে ফোনে কথা বলছেন। ঠিক তখনই হাতে একটি বিশেষ ট্র্যাকার নিয়ে সেখানে প্রবেশ করেন মেসি। কিছুক্ষণ পর পিটার নিজের পরিচয় বদলে স্পাইডারম্যানে রূপ নেন।</p>
</article>

<article>ভিডিওর শেষ মুহূর্তে নিউইয়র্কের আকাশে স্পাইডারম্যানের জালে ভর করে উড়তে দেখা যায় মেসিকে, যা ভক্তদের জন্য ছিল বড় চমক।
<p>&nbsp;</p>

<p>ভিডিওটি প্রকাশের পরই হলিউডভিত্তিক কয়েকটি সূত্র দাবি করে, মাত্র ২০ সেকেন্ডের উপস্থিতির জন্য মেসি পারিশ্রমিক হিসেবে পেয়েছেন ১৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৮৫ কোটি টাকা। তবে এই তথ্যের সত্যতা এখনো নিশ্চিত করেনি সনি পিকচার্স কিংবা মেসির প্রতিনিধিরা। ফলে বিষয়টি আপাতত গুঞ্জন হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>ধারণা করা হচ্ছে, ভিডিওটি মার্ভেলের আসন্ন সিনেমা &lsquo;স্পাইডারম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে&rsquo;&ndash;এর প্রচারণার অংশ। ছবিটি আগামী ৩১ জুলাই মুক্তির কথা রয়েছে।</p>

<p>ভিডিওতে মেসির হাতে থাকা &lsquo;স্পাইডি ট্র্যাকার&rsquo;ও দর্শকদের কৌতূহলের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। মার্ভেল কমিকস অনুযায়ী, এটি পিটার পার্কারের তৈরি একটি বিশেষ ডিভাইস, যা প্রথম ব্যবহার করা হয়েছিল ভিলেন ডক্টর অক্টোপাসকে শনাক্ত করতে।</p>

<p>এ ছাড়া ট্র্যাকারের পর্দায় একাধিক লাল সংকেত দেখা যাওয়ায় অনেক ভক্তই মনে করছেন, এটি মার্ভেলের মাল্টিভার্সের নতুন কোনো ইঙ্গিত হতে পারে।</p>
</article>

<article>যদিও এ বিষয়ে নির্মাতাদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।
<p>&nbsp;</p>

<p>জানা গেছে, নতুন সিনেমার গল্প শুরু হবে &lsquo;স্পাইডারম্যান: নো ওয়ে হোম&rsquo;&ndash;এর ঘটনার পর থেকে। সেই কাহিনিতে পৃথিবীর সবাই ভুলে যায় যে, পিটার পার্কারই স্পাইডারম্যান। নতুন অধ্যায়ে তার সঙ্গে &lsquo;পানিশার&rsquo; ও &lsquo;হাল্ক&rsquo;-এর মতো জনপ্রিয় চরিত্রদেরও দেখা যেতে পারে বলে গুঞ্জন রয়েছে।</p>

<p>মেসির উপস্থিতিতে এই প্রচারণামূলক ভিডিও ইতোমধ্যেই ফুটবলপ্রেমী ও মার্ভেল ভক্ত&mdash;দুই পক্ষের মধ্যেই আলাদা উন্মাদনা তৈরি করেছে। তবে তার অভিনয় বা পারিশ্রমিক নিয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসা পর্যন্ত এসব তথ্যকে নিশ্চিত হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1628-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিনের সঙ্গে আইসিএমপিডি প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28903</link>
    <pubDate>Wed, 01 Jul 2026 09:18:23 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28903</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/676-2.jpg" />    <article>
<p>প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর মাইগ্রেশন পলিসি ডেভেলপমেন্টের (আইসিএমপিডি) ডেপুটি ডিরেক্টর জেনারেল ও ডিরেক্টর অব মাইগ্রেশন ডায়ালগস অ্যান্ড কো-অপারেশন সেদেফ ডিয়ারিং।</p>

<p>আজ মঙ্গলবার (৩০ জুন) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>সাক্ষাৎকালে নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিত করা, আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে বাংলাদেশের অবস্থান আরো শক্তিশালী করা, নারী শ্রমিকের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি, দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা, অভিবাসন ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন এবং প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্প্রসারণের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।</p>

<p>এ সময় বিদেশগামী কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ প্রশিক্ষণ, শ্রমিকদের নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিতকরণ, নতুন শ্রমবাজারে প্রবেশের সুযোগ সৃষ্টি, শ্রমিকদের দক্ষতা ও যোগ্যতার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি এবং শ্রমিকদের বৈধ ও সুশৃঙ্খল চলাচল বৃদ্ধির লক্ষ্যে যৌথ উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।</p>

<p>এ ছাড়া অভিবাসন খাতে দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতা জোরদার, সক্ষমতা বৃদ্ধি, প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং বাস্তবমুখী একটি যৌথ কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের বিষয়েও মতবিনিময় হয়।</p>

<p>বৈঠকে আইসিএমপিডির চিফ অব স্টাফ রোমেড পারফলার উপস্থিত ছিলেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/676-2.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বাজেট-পরবর্তী নৈশভোজ বাতিল, সাশ্রয় ৫০ লাখ টাকা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28902</link>
    <pubDate>Wed, 01 Jul 2026 09:17:35 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28902</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/939-1.jpg" />    <article>
<p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট-পরবর্তী ঐতিহ্যবাহী নৈশভোজ বাতিল করা হয়েছে। ব্যয় সংকোচনের অংশ হিসেবে নেওয়া এ সিদ্ধান্তে সরকারের প্রায় ৫০ লাখ টাকা সাশ্রয় হয়েছে।</p>
</article>

<article>মঙ্গলবার (৩০ জুন) প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেসসচিব আতিকুর রহমান রুমন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>আতিকুর রহমান রুমন বলেন, &lsquo;ব্যয় কমানোর বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশেই এবার বাজেট-পরবর্তী নৈশভোজের আয়োজন করা হয়নি।&rsquo;</p>

<p>প্রতিবছর বাজেট পাসের দিন রাতে জাতীয় সংসদ ভবনে অর্থ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে নৈশভোজের আয়োজন করা হতো। এতে প্রধানমন্ত্রী, বিরোধীদলীয় নেতা, মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্য, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং গণমাধ্যমকর্মীরা অংশ নিতেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/national/2026/06/30/1705051" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>আতিকুর রহমান রুমন বলেন, &lsquo;বিগত সরকারের সময়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আপ্যায়ন খাতে প্রতিবছর গড়ে ৩০ থেকে ৫৫ কোটি টাকা ব্যয় হতো। এর বাইরে আরো ১০ থেকে ১২ কোটি টাকা অতিরিক্ত ব্যয় করা হয়েছে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে শুধু এই খাতেই ব্যয় হয়েছিল ৩০ কোটি ২ লাখ ৯৭ হাজার ৩৩৫ টাকা।&rsquo;</p>

<p>তিনি জানান, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের খাবার সরবরাহ করত।</p>
</article>

<article>তবে আগের সরকারের সময়ের বিপুল অঙ্কের বিল এখনো বকেয়া রয়েছে, যা বর্তমান সরকারকে পর্যায়ক্রমে পরিশোধ করতে হচ্ছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>অতিরিক্ত প্রেসসচিব আরো বলেন, &lsquo;তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর আপ্যায়ন ভাতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো হয়েছে। চলতি মাসে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আপ্যায়ন ব্যয় হয়েছে ১১ লাখ ৬৯ টাকা। এ ছাড়া দুই ঈদে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে আপ্যায়ন বাবদ ব্যয় হয়েছে প্রায় ৯০ লাখ টাকা।&rsquo;</p>

<p>তিনি আরো জানান, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট পাসের পুরো প্রক্রিয়ায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংসদে কর্মব্যস্ত সময় কাটিয়েছেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>আতিকুর রহমান রুমন বলেন, &lsquo;প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান সকাল পৌনে ১০টায় সংসদে আসেন। তিনি শুরু থেকে অধিবেশন কক্ষে উপস্থিত ছিলেন এবং বাজেটের মঞ্জুরি দাবির ওপর ভোট গ্রহণসহ বিভিন্ন আইন প্রণয়ন কার্যক্রমে অংশ নেন।&rsquo;</p>

<p>তিনি আরো বলেন, &lsquo;অধিবেশনের বিরতির সময়ও প্রধানমন্ত্রী দাপ্তরিক কাজ সম্পন্ন করেন এবং জরুরি বিভিন্ন ফাইলে সই করেন।&rsquo;</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/939-1.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[হলি আর্টিজান হামলার ১০ বছর আজ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28901</link>
    <pubDate>Wed, 01 Jul 2026 09:16:53 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28901</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/803-99.jpg" />    <article>
<p>এক দশক আগে ২০১৬ সালের ১ জুলাই রাজধানীর গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে ভয়াবহ হামলা ও নৃশংস হত্যাকাণ্ড চালায় জঙ্গিরা। ভয়াবহ এই হামলা ও নৃশংস হত্যাকাণ্ডে সহযোগিতার দায়ে সাড়ে পাঁচ বছর আগে ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনাল সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছিলেন।</p>
</article>

<article>বর্তমানে মামলাটি সর্বোচ্চ আদালতে বিচারাধীন থাকলেও চূড়ান্ত নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে বিচারকাজে আর অগ্রগতি হয়নি। রাষ্ট্রপক্ষ মামলাটির দ্রুত নিষ্পত্তিতে উদ্যোগী হবে বলে জানিয়েছে।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>বিচারিক আদালতের রায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের আবেদন) নামঞ্জুর করে ২০২৩ সালে রায় দেন হাইকোর্ট। উচ্চ আদালত মৃত্যুদণ্ডের পরিবর্তে আসামিদের আমৃত্যু কারাদণ্ড দেন।</p>
</article>

<article>কিন্তু চূড়ান্ত নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে এ মামলার বিচারকাজে আর অগ্রগতি হয়নি। হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আসামিদের লিভটু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) এখন আপিল বিভাগে বিচারাধীন। এর মধ্যে ২০২৪ সালের আগস্টে গাজীপুরের কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কারাগার থেকে পালানোর সময় কারারক্ষীদের গুলিতে নিহত হন এক আসামি।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল রাষ্ট্রপক্ষ বলেছেন, যেকোনো মামলার দ্রুত শুনানি ও নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে আন্তরিকতার ঘাটতি না থাকলেও বিচারকস্বল্পতাসহ নানা বাস্তবতার কারণে তা সম্ভব হয়ে ওঠে না।</p>
</article>

<article>তবে এই মামলাটি দ্রুত শুনানি ও নিষ্পত্তির জন্য রাষ্ট্রপক্ষ উদ্যোগী হবে বললেও তিনি কোনো সময়সীমার কথা উল্লেখ করেননি।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p><strong>মামলার পূর্বাপর :</strong> হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলার ঘটনাটি ঘটে ২০১৬ সালের ১ জুলাই। নিবরাস ইসলাম, শফিকুল ইসলাম ওরফে উজ্জ্বল, মীর সামেহ মোবাশ্বের, রোহান ইবনে ইমতিয়াজ ও খায়রুল ইসলাম ওরফে পায়েল নামের পাঁচ তরুণ জঙ্গি রোজার ঈদের এক সপ্তাহ আগে পিস্তল, সাব-মেশিনগান আর ধারালো অস্ত্র হাতে ঢুকে পড়েছিল হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয়।</p>

<p>তারা ১৭ বিদেশি নাগরিকসহ ২০ জনকে হত্যা করে। হামলা ঠেকাতে গিয়ে প্রাণ হারান দুই পুলিশ কর্মকর্তা।</p>
</article>

<article>পরে কমান্ডো অভিযানে জঙ্গিদের হত্যা করা হয়। হামলার পর পরই দায় স্বীকার করে ওই রাতেই বিবৃতি দিয়েছিল মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেট (আইএস)। তত্কালীন সরকার আইএসের এই দাবি নাকচ করে দিয়ে বলেছিল, দেশীয় জঙ্গি সংগঠন নব্য জেএমবি এই হামলার জন্য দায়ী।
<p>&nbsp;</p>

<p>ওই হামলার ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় রায় হয় ২০১৯ সালের ২৭ নভেম্বর। ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মজিবুর রহমান নব্য জেএমবির এই সাত সদস্যকে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড দেন। ৫০ হাজার টাকা জরিমানাও করা হয় তাদের। এ ছাড়া সন্ত্রাসবিরোধী আইনের আরো দুটি ধারায় তাদের কয়েকজনকে দেওয়া হয়েছিল বিভিন্ন মেয়াদের কারাদণ্ড।</p>

<p>বিচারিক আদালত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিলে, তা কার্যকরে &nbsp;হাইকোর্টের অনুমোদন লাগে। এ জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৪ ধারা অনুসারে বিচারিক আদালতের রায়ের পর মামলার যাবতীয় নথি হাইকোর্টে পাঠাতে হয়, যা ডেথ রেফারেন্স নামে পরিচিত। ২০১৯ সালের ১৮ আগস্ট এ মামলার নথি আসে হাইকোর্টে। পরে দণ্ডিতরাও বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে খালাস চেয়ে আপিল ও জেল আপিল করে। ২০২৩ সালের শুরুর দিকে ডেথ রেফারেন্স ও আপিল-জেল আপিলে শুনানি শুরু হয়, শেষ হয় ১১ অক্টোবর। পরে ওই বছর ৩০ অক্টোবর রায় ঘোষণা করেন উচ্চ আদালত। রায়ে মৃত্যুদণ্ডের পরিবর্তে সাত আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ডের আদেশ দেন। গত বছর ১৭ জুন ২২৯ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায়টি প্রকাশ করা হয়।&nbsp;</p>

<p>হাইকোর্টের এই রায়ের বিরুদ্ধে আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা গত বছর জুনে আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় পৃথক লিভ টু আপিল করেন বলে জানান আসামিপক্ষের আইনজীবী মো. আরিফুল ইসলাম। বর্তমানে তিনি এই মামলায় নেই জানিয়ে কালের কণ্ঠকে বলেন, &lsquo;হাইকোর্টের রায়ের পর আসামিপক্ষের কেউ আর আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেনি। তবে শুনেছি, ছয় আসামির পক্ষে লিভ টু আপিল দায়ের করা হয়েছে।&rsquo;&nbsp;</p>

<p>আমৃত্যু কারাদণ্ডে দণ্ডিত আসামিরা হলেন রাকিবুল হাসান ওরফে রিগ্যান, মো. জাহাঙ্গীর হোসেন ওরফে রাজীব গান্ধী, আসলাম হোসেন, হাদিসুর রহমান, আবদুস সবুর খান ওরফে সোহেল মাহফুজ, মামুনুর রশীদ ওরফে রিপন ও শরিফুল ইসলাম খালেদ।&nbsp;</p>

<p>২০২৪ সালে গণ-অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পরদিন ৬ আগস্ট গাজীপুরের কাশিমপুর হাইসিকিউরিটি কারাগারের কারারক্ষীদের জিম্মি করে ২০৯ জন বন্দি পালিয়ে যায়। তখন কারারক্ষীদের গুলিতে মোট ছয়জন নিহত হন। নিহত এই ছয়জনের মধ্যে ছিলেন হলি আর্টিসান মামলায় আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আসলাম হোসেন।</p>

<p><strong>যে যুক্তিতে সাজা কমিয়ে আমৃত্যু কারাদণ্ড :</strong> হাইকোর্ট মৃত্যুদণ্ড থেকে সাত আসামির সাজা কমিয়ে কেন আমৃত্যু কারাদণ্ড দেন, সে ব্যাখ্যা উঠে এসেছে ২২৯ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায়ে। হাইকোর্ট রায়ে বলেছেন, &lsquo;ঘটনাস্থলে উপস্থিত না থাকলেও এই সাত আপিলকারী ষড়যন্ত্র ও ঘটনায় সহায়তা করেছেন, যা সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। ষড়যন্ত্র ও ঘটনায় (জঙ্গি হামলা) সহায়তার কারণে সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯-এর ধারা ৬-এর ১ উপধারা (ক)(আ) দফায় বর্ণিত অপরাধে তারা দোষী। কিন্তু সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনাল সংশ্লিষ্ট ধারা-উপধারার যথাযথভাবে উপলব্ধি না করে আপিলকারী আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন, যা সঠিক ও গ্রহণযোগ্য নয়। যে কারণে উক্ত রায়টি হস্তক্ষেপযোগ্য।&rsquo;&nbsp;</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/803-99.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বহাল রাখলেন সুপ্রিম কোর্ট, বড় ধাক্কা খেলেন ট্রাম্প]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28900</link>
    <pubDate>Wed, 01 Jul 2026 09:16:09 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28900</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/997-88.jpg" />    <article>
<p>মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বাতিলের লক্ষ্যে জারি করা নির্বাহী আদেশ বাতিল করে দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট। মঙ্গলবার (৩০ জুন) &lsquo;ট্রাম্প বনাম বারবারা&rsquo; মামলায় সুপ্রিম কোর্ট ৬-৩ ভোটে ট্রাম্পের নীতিটিকে অবৈধ বলে রায় দেন।</p>
</article>

<article>এর মাধ্যমে আদালত এক শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে প্রচলিত সেই সাংবিধানিক ব্যাখ্যাই বহাল রাখলেন, যার অধীনে যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেয়া প্রায় সবাই দেশটির নাগরিক হিসেবে স্বীকৃত। <strong>খবর <a href="https://www.cbsnews.com/news/supreme-court-birthright-citizenship-trump-decision/" target="_blank">সিবিএস নিউজ</a></strong>

<p>&nbsp;</p>

<p>প্রধান বিচারপতি জন রবার্টস এবং বিচারপতি সোনিয়া সোটোমেয়র, এলেনা কেগান, অ্যামি কোনি ব্যারেট ও কেতানজি ব্রাউন জ্যাকসন একমত হন যে ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশ যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের ১৪তম সংশোধনী লঙ্ঘন করেছে। বিচারপতি ব্রেট কাভানাও পৃথক মতামতে বলেন, তার মতে আদেশটি ফেডারেল আইনও লঙ্ঘন করেছে। অন্যদিকে বিচারপতি ক্লারেন্স থমাস, স্যামুয়েল আলিটো ও নিল গরসাচ এ রায়ের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>এই রায়ের মধ্য দিয়ে ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ বাতিল হলো। এর আগে ফেব্রুয়ারিতে সুপ্রিম কোর্ট তার আরোপ করা বহু শুল্কও বাতিল করেছিলেন। দ্বিতীয় মেয়াদে হোয়াইট হাউসে ফিরে প্রথম দিনই অভিবাসন দমনের অংশ হিসেবে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব সীমিত করার নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছিলেন ট্রাম্প।</p>

<p>সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতে প্রধান বিচারপতি জন রবার্টস লিখেছেন, &lsquo;নাগরিকত্ব, তখন এবং এখনও অধিকার পাওয়ার অধিকার।</p>
</article>

<article>আর তা হলো- আমাদের রাজনৈতিক অঙ্গনে অবাধে অংশগ্রহণের অধিকার। চতুর্দশ সংশোধনীর প্রণেতারা সেই প্রতিশ্রুতি &#39;এই দেশের প্রত্যেক স্বাধীনভাবে জন্মগ্রহণকারী ব্যক্তির&#39; জন্য প্রসারিত করেছিলেন। আমরা আজও সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করছি।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>বিচারপতি ক্লারেন্স থমাস বলেন, &lsquo;সংখ্যাগরিষ্ঠদের যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্বের ইতিহাস নিয়ে ব্যাখ্যা ঐতিহাসিকভাবে সঠিক নয়। আজ আদালত এক অসাধারণ পদক্ষেপ নিয়ে প্রেসিডেন্টের সেই আদেশকে সাংবিধানিকভাবে অবৈধ ঘোষণা করেছে, যার মাধ্যমে অস্থায়ী বিদেশি দর্শনার্থী ও অবৈধ অভিবাসীদের সন্তানদের নাগরিকত্ব থেকে বাদ দেয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল।</p>
</article>

<article>এভাবে আদালত ১৪তম সংশোধনীর দুঃখজনক ইতিহাসে নতুন অধ্যায় যোগ করল। এ সংশোধনী মূলত মুক্তিপ্রাপ্ত কৃষ্ণাঙ্গদের সমান অধিকার নিশ্চিত করার জন্য প্রণীত হয়েছিল, কিন্তু পরে তা এমন রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়েছে, যা পুনর্গঠনকালীন কংগ্রেস সমর্থন করেনি।&rsquo; এই মন্তব্যের সঙ্গে বিচারপতি নিল গরসাচ একমত হয়েছেন।
<p>&nbsp;</p>

<p><strong>কী ছিল ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশ</strong></p>

<p>অভিবাসন নীতির অন্যতম প্রধান অংশ হিসেবে ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশে যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধভাবে বা অস্থায়ীভাবে অবস্থানরত বাবা-মায়ের ঘরে জন্ম নেয়া শিশুদের স্বয়ংক্রিয় মার্কিন নাগরিকত্ব না দেয়ার প্রস্তাব করা হয়েছিল। এতে সংবিধানের নাগরিকত্ব ধারার দীর্ঘদিনের ব্যাখ্যা পাল্টে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।</p>

<p>তবে ফেডারেল পর্যায়ের প্রতিটি আদালত আদেশটির কার্যকারিতা স্থগিত করে দেয়ায় এটি কখনোই বাস্তবায়িত হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের ১৪তম সংশোধনীর নাগরিকত্ব ধারায় বলা হয়েছে, &lsquo;যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণকারী বা আইন অনুযায়ী নাগরিকত্বপ্রাপ্ত এবং যুক্তরাষ্ট্রের এখতিয়ারের আওতাভুক্ত সব ব্যক্তি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক।&rsquo;</p>

<p>কংগ্রেস ১৯৪০ সালে জাতীয়তা আইন এবং ১৯৫২ সালে অভিবাসন ও জাতীয়তা আইনের মাধ্যমে এ সাংবিধানিক ভাষাকে ফেডারেল আইনে অন্তর্ভুক্ত করে। ১৮৯৮ সালের একটি ঐতিহাসিক মামলায় সুপ্রিম কোর্ট জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের নীতি বহাল রাখেন। সে সময় বিদেশি কূটনীতিকদের সন্তান, দখলদার বাহিনীর সদস্যদের সন্তান এবং তৎকালীন আইনি কাঠামোয় নেটিভ আমেরিকান জনগোষ্ঠীর সদস্যদের সন্তানদের জন্য কিছু ব্যতিক্রম রাখা হয়েছিল। পরে ১৯২৪ সালে কংগ্রেসের আইনের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেয়া সব নেটিভ আমেরিকানকে নাগরিকত্ব দেয়া হয়।</p>

<p>তবে ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশে দীর্ঘদিনের নাগরিকত্বের সংজ্ঞা পরিবর্তনের চেষ্টা করা হয়েছিল। ট্রাম্প প্রশাসন যুক্তি দেয়, জন্মসূত্রে প্রাপ্ত অবাধ নাগরিকত্ব অবৈধ অভিবাসন এবং &lsquo;বার্থ ট্যুরিজম&rsquo;-এর জন্য একটি শক্তিশালী প্রণোদনা হিসেবে কাজ করেছে। তাদের মতে, বিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময় থেকে নাগরিকত্ব ধারার ভুল ব্যাখ্যা দেয়া হয়েছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/997-88.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[অবৈধ অভিবাসীদের দেশ ছাড়ার সময়সীমার শেষ দিনে দক্ষিণ আফ্রিকাজুড়ে বিক্ষোভ, নিহত অন্তত ৪]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28899</link>
    <pubDate>Wed, 01 Jul 2026 09:15:21 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28899</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1119-77.jpg" />    <article>
<p><a href="https://www.reuters.com/world/africa/south-african-cities-shuttered-ahead-anti-migrant-protests-2026-06-30/?fbclid=IwY2xjawSxWoZleHRuA2FlbQIxMABicmlkETFYTmtsWGRrUklYQmpabURnc3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHmPD_zmqccMIKmnPi2LMUdMOWYKcRPGZGi02CjDH3gGl3qez3Zafk6x7flz8_aem_kC1OGMjEFvHRQoOY_bhMoQ">অবৈধ অভিবাসীদের দক্ষিণ আফ্রিকা ছাড়ার জন্য</a> বেঁধে দেওয়া সময়সীমার শেষ দিনে দেশটির বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ করেছেন অভিবাসীবিরোধী আন্দোলনের সমর্থকেরা। মঙ্গলবারের এসব মিছিলে অনেকের হাতে কাঠের লাঠি ও অন্যান্য অস্ত্র ছিল।</p>
</article>

<article>অনেকেই জাতীয় পতাকা গায়ে জড়িয়ে বিক্ষোভে অংশ নেন। কয়েকটি এলাকায় মিছিলকে কেন্দ্র করে সহিংসতা, লুটপাট ও সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে।
<p>&nbsp;</p>

<p>সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই বিভিন্ন দেশের হাজারো নাগরিক দক্ষিণ আফ্রিকা ছেড়ে চলে গেছেন। কয়েক মাস ধরে চলা উত্তেজনা ও সহিংসতার কারণে নতুন করে হামলার আশঙ্কায় অনেক দোকানপাট বন্ধ রাখা হয়।</p>
</article>

<article>নিরাপত্তার কারণে বহু বিদেশি শ্রমিকও কাজে যাননি। এ পর্যন্ত সহিংসতায় অন্তত চারজন নিহত হয়েছেন। এছাড়া হাজারো বিদেশি নাগরিককে নিজেদের বাড়িঘর ছেড়ে যেতে বাধ্য করা হয়েছে। তাদের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও সম্পত্তিতেও হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়েছে।</article>

<article>অভিবাসীবিরোধী আন্দোলনের নেতারা জানিয়েছেন, তাদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত প্রতি সপ্তাহে বিক্ষোভ কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়া হবে। বন্দরনগরী ডারবানে &lsquo;মার্চ অ্যান্ড মার্চ&rsquo; সংগঠনের নেতা জাসিন্তা নগোবেসে বলেন, আগামী ছয় মাসের মধ্যে দেশের সম্পদ ব্যবহার করে সব অবৈধ অভিবাসীকে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে বের করে দিতে হবে। তিনি বলেন, ভবন থেকে ভবন ঘুরে তাদের বের করে দেওয়া উচিত এবং তাদের দেশ ছেড়ে যেতেই হবে।
<p>&nbsp;</p>

<p>ডারবানের বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ৩১ বছর বয়সী সিলিনডিলে খাবা বলেন, দক্ষিণ আফ্রিকার অনেক মানুষ কাজ পাচ্ছেন না। তার দাবি, অবৈধ বিদেশিরা চাকরি নিয়ে নিচ্ছেন, যা ন্যায্য নয়।</p>
</article>

<article>আগামী নভেম্বরের মধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকায় স্থানীয় সরকার নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে। নির্বাচনের আগে ভোট পাওয়ার জন্য কিছু রাজনীতিক বিদেশিবিদ্বেষকে উসকে দিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিবাসীরা এই সময়সীমাকে নিজেদের জন্য সরাসরি হুমকি হিসেবে দেখছেন। যদিও অনেক বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল, তবে বিভিন্ন এলাকায় বিচ্ছিন্ন সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>পুলিশ জানিয়েছে, লুটপাটের অভিযোগে কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে তাদের পরিচয় বা মামলার বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। দেশটির প্রধান বাণিজ্যিক শহর জোহানেসবার্গের উত্তরের উপশহর থেম্বিসায় দাঙ্গাকারীরা পুলিশ ও সন্দেহভাজন অভিবাসীদের লক্ষ্য করে পাথর ছোড়ে। শহরের কেন্দ্রীয় ব্যবসা এলাকার কাছাকাছি কয়েকটি স্থানে গুলির শব্দও শোনা যায়। জাতীয় দৈনিক &#39;ডেইলি ম্যাভেরিক&#39; জানিয়েছে, জোহানেসবার্গের পূর্বাঞ্চলের বেনোনিতে প্রায় ৫০০ বিক্ষোভকারী পুলিশের দিকে এগিয়ে গেলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিশেষ কিছু যান মোতায়েন করা হয়। পরে পুলিশ গুলি ছুড়ে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে। এ বিষয়ে পুলিশের একজন মুখপাত্রের কাছে মন্তব্য চাওয়া হলেও তিনি তাৎক্ষণিকভাবে কোনো জবাব দেননি। জাতীয় সম্প্রচারমাধ্যম এসএবিসি জানিয়েছে, সোয়েটো এলাকায় বিক্ষোভকারীরা বিদেশি নাগরিকদের অস্থায়ী বসতিতে লুটপাট চালিয়েছে। এছাড়া ডারবানের কাছে পিটারম্যারিটজবার্গে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ রাবার বুলেট ছুড়েছে।</p>

<p><br />
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ডারবান ও জোহানেসবার্গে অনেক বাড়ির মালিক হামলার আশঙ্কায় বিদেশি ভাড়াটিয়াদের জোর করে বাসা ছাড়তে বাধ্য করেছেন। রয়টার্সের একজন প্রতিবেদক জানান, প্রায় ১০০ কঙ্গোর নাগরিক ডারবানের রাস্তায় রাত কাটাচ্ছিলেন। তাদের নেতা অভিযোগ করেন, তাদের জোরপূর্বক বাসা থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। ২০০৮ সাল থেকে দক্ষিণ আফ্রিকায় মাঝেমধ্যে অভিবাসীদের ওপর এমন হামলার ঘটনা ঘটছে। এসব হামলায় বৈধ ও অবৈধ অভিবাসীদের মধ্যে তেমন কোনো পার্থক্য করা হয় না। তবে &lsquo;মার্চ অ্যান্ড মার্চ&rsquo; সংগঠন বলছে, সাধারণ মানুষের হঠাৎ করে চালানো সহিংস হামলার দায় তাদের নয়। দুই সপ্তাহ আগে রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সংগঠনটির নেতা জাসিন্তা নগোবেসে বলেন, প্রতিটি এলাকায় গিয়ে মানুষের আচরণ নিয়ন্ত্রণ করা তাদের পক্ষে সম্ভব নয়।</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/Islamic-lifestylie/2026/07/01/1705293" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>এই বিক্ষোভে মূলত দরিদ্র ও বেকার কয়েক হাজার দক্ষিণ আফ্রিকান অংশ নেন। তারা নিজেদের কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক সংকটের জন্য বিদেশিদের দায়ী করছেন। একজন সামরিক মুখপাত্র জানিয়েছেন, পরিস্থিতি মোকাবিলায় হাজার হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। প্রয়োজনে সেনাবাহিনীকেও প্রস্তুত রাখা হয়েছে। অভিবাসীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ ব্যর্থ হয়েছে বলে সমালোচকদের অভিযোগ। তাদের মতে, এ কারণে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দক্ষিণ আফ্রিকার ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নেলসন ম্যান্ডেলার সময় মানবাধিকার রক্ষাকারী দেশ হিসেবে যে সুনাম তৈরি হয়েছিল, তা এখন প্রশ্নের মুখে পড়েছে। আফ্রিকার অন্যান্য দেশের সঙ্গে সম্পর্কেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। অভিবাসীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা চাকরি নিয়ে নিচ্ছেন, অপরাধ বাড়াচ্ছেন এবং সরকারি সেবার ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি করছেন। তবে সমাজবিজ্ঞানীরা বলছেন, এসব অভিযোগের পক্ষে পর্যাপ্ত প্রমাণ পাওয়া যায়নি। বর্ণবাদ নীতির অবসানের তিন দশক পরও দক্ষিণ আফ্রিকায় বৈষম্য রয়ে গেছে। দেশটির প্রায় এক-তৃতীয়াংশ মানুষ বেকার। তবুও আফ্রিকার সবচেয়ে বড় অর্থনীতি হওয়ায় কাজের আশায় প্রতিবছর বহু মানুষ সেখানে অভিবাসন করেন। দক্ষিণ আফ্রিকার পরিসংখ্যান সংস্থা স্ট্যাটসএসএর তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে প্রায় ৩০ লাখ অভিবাসী রয়েছেন। যা মোট জনসংখ্যার প্রায় চার শতাংশ। আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে এই হার খুব বেশি নয়।&nbsp;</p>

<p>পুলিশিং বিভাগের উপ-জাতীয় কমিশনার তেবেলো মোসিকিলি জানিয়েছেন, মার্চ মাস থেকে বিদেশিবিরোধী স্বঘোষিত রক্ষীবাহিনী সদস্যদের বিরুদ্ধে ১০৩টি ফৌজদারি মামলা করা হয়েছে। এদিকে, কিছু রাজনীতিবিদ সহিংসতার নিন্দা জানালেও বিক্ষোভকারীদের উদ্বেগের বিষয়টিকে সমর্থন করেছেন। সোমবার দেওয়া এক বিবৃতিতে প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা বলেন, অবৈধ অভিবাসন নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার মানুষের উদ্বেগ বাস্তব এবং তাদের কথা শোনা উচিত। তবে তিনি বলেন, বিক্ষোভ করার অধিকার কাউকে অন্যকে ভয় দেখানো, হুমকি দেওয়া, ভাঙচুর করা বা সহিংসতা চালানোর অনুমতি দেয় না।</p>

<p>দক্ষিণ আফ্রিকার কর্মকর্তাদের মতে, অভিবাসন ইস্যুতে পশ্চিমা অনেক দেশও একই ধরনের উত্তেজনার মুখে রয়েছে। বিভাজনমূলক রাজনীতি এবং ভুল তথ্যের প্রচার এই পরিস্থিতিকে আরো জটিল করে তুলছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1119-77.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রে মেয়েদের খেলায় ট্রান্স নারীদের অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28898</link>
    <pubDate>Wed, 01 Jul 2026 09:14:02 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28898</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1236-66.jpg" />    <article>
<p>যুক্তরাষ্ট্রে মেয়ে ও নারীদের খেলাধুলায় ট্রান্স নারীদের (রূপান্তরিত নারী) অংশগ্রহণে নিষেধাজ্ঞা বহাল রেখেছেন দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। বার্তা সংস্থা <a href="https://www.reuters.com/legal/government/us-supreme-court-decide-legality-state-transgender-sports-bans-2026-06-30/?fbclid=IwY2xjawSwvmpleHRuA2FlbQIxMABicmlkETFjbG5NSGVMNER2ZkltZzVnc3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHjh1ST64L8QI0D_9iMs5QhploSk5XxnvCb4gck1Twqv-kOCHo04Izlz6pB7k_aem_MbEn-G1FuTVSOJUFFzooHw">রয়টার্স</a> বলছে, মঙ্গলবার আদালত ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া ও আইডাহোর সেই আইন বহাল রেখেছেন।</p>
</article>

<article>যেখানে ট্রান্স ছাত্রীদের নারী ক্রীড়া দলে খেলার ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>তবে সুপ্রিম কোর্ট নিম্ন আদালতের সেই রায়গুলো বাতিল করেছে। যেখানে ট্রান্সজেন্ডার শিক্ষার্থীদের পক্ষে অবস্থান নিয়ে বলা হয়েছিল, এই আইনগুলো যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান ও ফেডারেল বৈষম্যবিরোধী আইন লঙ্ঘন করে।</p>

<p>আইডাহো ও ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ার আইনে সরকারি স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রীড়া দলগুলোকে &lsquo;জৈবিক লিঙ্গ বা বায়োলজিকাল সেক্স&rsquo; অনুযায়ী ভাগ করার কথা বলা হয়েছে এবং &lsquo;পুরুষ লিঙ্গের&rsquo; শিক্ষার্থীদের নারী দলে অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।</p>
</article>

<article>বর্তমানে আরও ২৫টি অঙ্গরাজ্যে এ ধরনের আইন কার্যকর রয়েছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>আদালতের ৯ বিচারপতি সর্বসম্মতিক্রমে (৯-০) রায় দেন যে এসব আইন শিক্ষা ক্ষেত্রে লিঙ্গভিত্তিক বৈষম্য নিষিদ্ধকারী ফেডারেল &lsquo;টাইটেল নাইন&rsquo; আইন লঙ্ঘন করে না। তবে সংবিধানের ১৪তম সংশোধনীর &lsquo;সমান আইনি সুরক্ষা&rsquo; বিষয়ক প্রশ্নে বিচারপতিরা আদর্শগতভাবে বিভক্ত ছিলেন।</p>

<p>তবে ৬ জন রক্ষণশীল বিচারপতি সংখ্যাগরিষ্ঠ মত দেন যে আইনগুলো সংবিধানও লঙ্ঘন করে না।</p>
</article>

<article>অপরদিকে ৩ জন উদারপন্থী বিচারপতি ভিন্নমত জানিয়ে বলেন, ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ার মামলায় কিছু বাস্তবিক বিষয় নিয়ে বিরোধ থাকায় এ পর্যায়ে এমন সিদ্ধান্ত দেওয়া উচিত ছিল না।
<p>&nbsp;</p>

<p>রায়টি লিখেছেন রক্ষণশীল বিচারপতি ব্রেট ক্যাভানফ। তিনি বলেন, &lsquo;টাইটেল নাইন&rsquo; ও সংবিধানের &lsquo;সমান আইনি সুরক্ষা&rsquo; ধারা অনুযায়ী অঙ্গরাজ্যগুলো জৈবিক নারীদের জন্য নারী ও কন্যাদের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা সংরক্ষণ করতে পারে এবং জৈবিক লিঙ্গের ভিত্তিতে অংশগ্রহণের যোগ্যতা নির্ধারণ করতে পারে। কারণ সংবিধান বা টাইটেল নাইন&mdash;কোনোটিই যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে নারী ক্রীড়া ব্যবস্থাকে পরিবর্তন করার বাধ্যবাধকতা সৃষ্টি করে না।</p>

<p>প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন মামলায় সংশ্লিষ্ট অঙ্গরাজ্যগুলোর পক্ষ সমর্থন করে।</p>
</article>

<article>রায়ের পর ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে লেখেন, &lsquo;বড় জয়। যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট নারীদের খেলায় পুরুষদের অংশগ্রহণের বিরুদ্ধে রায় দিয়েছে। এতে এই হাস্যকর বিষয়টির অবসান হলো।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>আইডাহো ও ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ার দাবি, এই আইন নারী ও কন্যাদের জন্য ক্রীড়ায় ন্যায্য প্রতিযোগিতা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। তবে সমালোচকদের মতে, এটি ট্রান্সজেন্ডার জনগোষ্ঠীর অধিকার সীমিত করার বৃহত্তর রাজনৈতিক প্রচেষ্টার অংশ।</p>

<p>এদিকে মামলার বাদীরা যুক্তি দিয়েছিলেন, এসব আইন ট্রান্সজেন্ডার পরিচয় ও লিঙ্গের ভিত্তিতে বৈষম্যমূলক। তাই সংবিধানের ১৪তম সংশোধনী ও &lsquo;টাইটেল নাইন&rsquo; লঙ্ঘন করে।</p>

<p>রায়ে ক্যাভানফ বলেন, কর্মসংস্থান বা সাধারণ শিক্ষার সুযোগের তুলনায় খেলাধুলার ক্ষেত্র ভিন্ন, কারণ নারী ও পুরুষের মধ্যে অন্তর্নিহিত শারীরিক পার্থক্যের কারণে পৃথক ক্রীড়া দল রাখা বৈধ। আইনে ব্যবহৃত &lsquo;সেক্স&rsquo; শব্দটির অর্থ কেবল &lsquo;জৈবিক লিঙ্গ&rsquo; হিসেবেই ব্যাখ্যা করা যৌক্তিক।</p>

<p>তিনি আরও উল্লেখ করেন, ১৯৭২ সালে প্রণীত &lsquo;টাইটেল নাইন&rsquo; নারী ক্রীড়াবিদদের জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টি করেছে এবং গত পাঁচ দশকে নারী ক্রীড়ার ব্যাপক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।</p>

<p>প্রসঙ্গত, এটি ট্রান্সজেন্ডার অধিকার নিয়ে সাম্প্রতিক সুপ্রিম কোর্টের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ রায়। এর আগে আদালত টেনেসির একটি মামলায় অপ্রাপ্তবয়স্কদের জন্য লিঙ্গ-পরিবর্তনসংক্রান্ত চিকিৎসা (হরমোন থেরাপি ও বয়ঃসন্ধি বিলম্বকারী ওষুধ) নিষিদ্ধ করার অঙ্গরাজ্যগুলোর অধিকার বহাল রেখেছিল।</p>

<p>২০২৫ সালে দায়ের হওয়া ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ার মামলাটি করেছিলেন হাইস্কুল শিক্ষার্থী বেকি পেপার-জ্যাকসন ও তার মা। অন্যদিকে আইডাহোর মামলাটি করেছিলেন বোইসি স্টেট ইউনিভার্সিটির ট্রান্সজেন্ডার শিক্ষার্থী লিন্ডসে হেকক্স। পরে হয়রানির আশঙ্কা ও ট্রান্সজেন্ডারদের প্রতি বাড়তে থাকা অসহিষ্ণুতার কারণে তিনি খেলাধুলা ছেড়ে দেন এবং মামলাটি প্রত্যাহারের আবেদন জানান।</p>

<p>গত জানুয়ারিতে এ বিষয়ে শুনানি হয়েছিল। তখন রক্ষণশীল বিচারপতিরা প্রশ্ন তুলেছিলেন, বয়ঃসন্ধি বিলম্বকারী ওষুধ বা হরমোন থেরাপি পুরুষদের শারীরিক সুবিধা পুরোপুরি দূর করতে পারে কি না&mdash;এ বিষয়ে বৈজ্ঞানিক মতভেদ থাকা অবস্থায় পুরো দেশের জন্য একক নীতি নির্ধারণ কতটা যুক্তিসঙ্গত।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1236-66.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ভোর ৬টায় মোদিকে ফোন করতে চেয়েছিলেন ট্রাম্প]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28897</link>
    <pubDate>Wed, 01 Jul 2026 09:12:33 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28897</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1339-55.jpg" />    <article>
<p>সাম্প্রতিক নানা ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভারতের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক নিয়ে নানা আলোচনা হচ্ছে। তবে ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সাজিও গোর বরাবরই দুই দেশের সম্পর্ককে উচ্চে তুলে ধরতে এবং সামনে এগিয়ে নিতে উচ্চকণ্ঠ।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>সোমবার (২৯ জুন) ওয়াশিংটনে এক অনুষ্ঠানে সমালোচকদের উদ্দেশে সাজিও গোর বলেন, &lsquo;যে সমস্ত পণ্ডিতরা অনলাইনে বসে টুইট করেন এবং বলেন যে, এই সম্পর্কটি সংকটে রয়েছে, তাদের উদ্দেশ্যে বলছি&mdash; বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা কিংবা দুই দেশের জনগণের মধ্যকার সম্পর্ক; যে দিক থেকেই আপনি বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনা করুন না কেন, এই সম্পর্কের ভিত্তি অত্যন্ত মজবুত।&rsquo;</p>

<p>ওয়াশিংটনে যুক্তরাষ্ট্র-ভারত স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপ ফোরামের বৈঠকে গোর জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভারতের বহুল প্রতীক্ষিত বাণিজ্য চুক্তির প্রস্তুতি এখন শেষ পর্যায়ে রয়েছে। তিনি বলেন, &lsquo;অধিকাংশ বিষয়ে সমঝোতা হয়ে গেছে। অল্পকিছু আইটেম বাকি আছে।</p>
</article>

<article>এটা চুক্তির এক-দুই শতাংশ হবে।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>সাজিও গোর জানান, দুই সরকারই গত কয়েক সপ্তাহে চুক্তিরে খুটিনাটি চূড়ান্ত করতে ব্যস্ত সময় কাটিয়েছে। তার দাবি, প্রস্তাবিত বাণিজ্য চুক্তিটি যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের জন্য &lsquo;উইন উইন সিচুয়েশন&rsquo; আনবে, যাতে দুই দেশের বাণিজ্য সম্প আরো শক্তিশালী হবে।</p>

<p>যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের সম্পর্কের কথা বলতে গিয়ে সার্জিও গোর বারবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে ব্যক্তিগত উষ্ণ সম্পর্কের উদাহরণ টানেন।</p>
</article>

<article>তাদের সম্পর্কের ঘনিষ্ঠতা বোঝাতে সম্প্রতি মায়ামিতে এক অনুষ্ঠানের কথা উল্লেখ করেন তিনি। মায়ামিতে সেই সন্ধ্যায় হঠাৎ ট্রাম্প স্বতস্ফুর্তভাবে মোদিকে ফোন করার কথা বলেন। ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ সহযোগী সার্জিও গোর তখন বলেন, &lsquo;স্যার ভারতে এখন ভোর ৬টা।&rsquo; জবাবে ট্রাম্প বলেন, &lsquo;তিনি (মোদি) আমার মত। নিশ্চয়ই জেগে গেছেন।</article>

<article>&rsquo; তবে মোদিকে ট্রাম্পের এ ফোনটি পরদিন করার জন্য নির্ধারিত ছিল। গোর বলেন, &lsquo;যখন কেউ আপনার বন্ধু হবে, তখন সবকিছু সময়-শিডিউল মেনে চলে না। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে সত্যিকারের বন্ধু মনে করেন।&rsquo;</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1339-55.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[দক্ষিণ কোরিয়ার নতুন প্রধানমন্ত্রী হান সেওং-সুক]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28896</link>
    <pubDate>Wed, 01 Jul 2026 09:11:50 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28896</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1403-44.jpg" />    <article>
<p>দক্ষিণ কোরিয়ার নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন প্রযুক্তি খাতের পরিচিত মুখ হান সেওং-সুক। <a href="https://www.reuters.com/world/asia-pacific/south-korea-parliament-confirms-former-naver-ceo-han-seong-sook-prime-minister-2026-06-30/?fbclid=IwY2xjawSxVw1leHRuA2FlbQIxMABicmlkETFTcmxSM1pPMXVSb1I2dWVoc3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHmdzeAOQqbbnljK0I63jgmGsz7kCSVeATE2bL17e3xzSpkv6ZHAcK_mHZZIK_aem_Fl5UZ4BNhRHAzwjcB7oP0g">দেশটির সংসদ মঙ্গলবার (৩০ জুন) আনুষ্ঠানিকভাবে তার এই নিয়োগের অনুমোদন দিয়েছে</a>।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>হান সেওং-সুক এর আগে দক্ষিণ কোরিয়ার অন্যতম শীর্ষ ইন্টারনেট জায়ান্ট &lsquo;নাভের&rsquo;-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।</p>

<p>সংসদের এই অনুমোদনের আগে তিনি বর্তমান রাষ্ট্রপতি লি জে মিয়ং-এর অধীনে দেশটির ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প বিষয়ক মন্ত্রিসভার মন্ত্রী হিসেবে কাজ করে আসছিলেন। ব্যবসা ও প্রযুক্তি খাতে তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে এবার তাকে দেশের সরকারের এই গুরুত্বপূর্ণ পদে উন্নীত করা হয়েছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1403-44.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[আইভরি কোস্টকে বিদায় করে ব্রাজিলের সামনে নরওয়ে]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/28895</link>
    <pubDate>Wed, 01 Jul 2026 09:11:04 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/28895</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1488-33.jpg" />    <article>
<p><strong>নরওয়ে ২-১ আইভরি কোস্ট</strong></p>

<p>তথ্যটা হয়তো অনেকেরই অজানা।&nbsp;</p>

<p>নিজেদের ফুটবল ইতিহাসে কেবল একটি দলের বিপক্ষে কখনো জিততে পারেনি ব্রাজিল।</p>
</article>

<article>সেই দলের নাম নরওয়ে।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>বিশ্বকাপে শেষ ষোলোর ম্যাচে এই নরওয়েরই মুখোমুখি হতে যাচ্ছে ব্রাজিল। রাউন্ড অব ৩২-এর ম্যাচে ২-১ গোলের জয়ে আইভরি কোস্টকে যে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে দিয়েছে নরওয়ে!</p>

<p>ডালাসের এটিঅ্যান্ডটি স্টেডিয়ামে প্রথমার্ধে প্রায় নিষ্প্রভ থাকলেও দ্বিতীয়ার্ধে জ্বলে উঠেছেন আর্লিং হালান্ড। ১-১ গোলের সমতা নিয়ে অতিরিক্ত সময়ের দিকে গড়াতে যাওয়া ম্যাচের ৮৬ মিনিটে জয়সূচক গোল করেছেন হালান্ড।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে প্রথম জয়ের খোঁজে ছিল দুই দল। তাতে সাফল্য পেলেন হালান্ড-ওডেগার্ডরা। অথচ ম্যাচের প্রথম আধাঘণ্টা নিয়ন্ত্রণ ছিল আইভরি কোস্টের হাতেই। গোল করার সম্ভাবনাও তাদেরই বেশি ছিল।</p>
</article>

<article>কোনানের শট লেগেছিল সাইড নেটে। আর ছয় গজের বক্সে পেপের বাড়ানো বল কাজে লাগাতে পারেননি বনি।
<p>&nbsp;</p>

<p>উল্টো ৩৯ মিনিটে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন আন্তোনিও নুসা। ওডেগার্ডের বাড়িয়ে দেওয়া বল নিয়ে বক্সে ঢুকে পড়েন &lsquo;নরওয়েজীয় নেইমার&rsquo; খ্যাত নুসা। তার পর ড্রিবলিং করে ডান পায়ের বাঁকানো শটে বল জড়িয়ে দেন জালে।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>এরপর দুই মিনিটের মধ্যে ব্যবধান দ্বিগুণ করার দুটি সুযোগ পেয়েছিল নরওয়ে। বক্সে আর্লিং হাল্যান্ডের শট ঠেকিয়ে দেন আগবাদু। কর্নার থেকে সরলথের হেডও লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।</p>

<p>বিরতির পর ম্যাচের ৫৬ মিনিটে দারুণ এক সুযোগ পেয়েছিল আইভরি কোস্ট। বক্সের ভেতরে পেপের বাঁ পায়ের সামনে বল চলে এসেছিল। প্রথম স্পর্শেই শট নেন তিনি। বলটি নিলান্ডকে ফাঁকি দিয়ে কাছের পোস্ট ঘেঁষে জালে জড়ানোর পথে ছিল। তবে দ্রুত ঝাঁপিয়ে পড়ে পা দিয়ে দুর্দান্ত এক সেভ করেন নরওয়ের গোলকিপার।</p>

<p>৬০ মিনিটে বদলি হয়ে মাঠে নামেন আমাদ দিয়ালো। পরে এই &lsquo;সুপার সাবের&rsquo; গোলেই ম্যাচের দৃশ্যপট বদলেছে। ৭৪ মিনিটে ম্যানচেস্টার উইনাইটেডের এই ফরোয়ার্ডের চোখধাঁধানো এক গোলে ম্যাচে ফেরে আইভরি কোস্ট।</p>

<p>পেপের সঙ্গে ওয়ান-টু পাস খেলে এগিয়ে যান দিয়ালো। এরপর মোলার উলফে ও বের্গেকে কাটিয়ে এক দৌড়ে বক্সে ঢুকে দর্শনীয় এক শট নেন তিনি।&nbsp;</p>

<p>১-১ স্কোর লাইনে ম্যাচ যখন অতিরিক্ত সময়ের দিকে অগ্রসর হচ্ছে বলে মনে হচ্ছিল, তখনই নাটকীয় মোড় নেয় ৮৬ মিনিটে। যার নায়ক আর্লিং হালান্ড। অস্কার ববের দারুণ এক থ্রু পাস ধরে বক্সে ঢুকে পড়েছিলেন বার্গ। এরপর নিখুঁতভাবে বল বাড়িয়ে দেন হালান্ডের সামনে। খুব কাছ থেকে আলতো টোকায় বল জালে জড়িয়ে দেন ম্যানচেস্টার সিটির তারকা স্ট্রাইকার।&nbsp;</p>

<p>নরওয়ে জার্সিতে এটি হালান্ডের ৫৩ ম্যাচে ৬০তম গোল। আন্তর্জাতিক ফুটবলে তার চেয়ে দ্রুততম সময়ে ৬০ গোল আর কেউ করতে পারেননি।</p>

<p>আগামী রবিবার রাতে নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে ব্রাজিল-নরওয়ে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1488-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বাংলায় আসছে জনপ্রিয় তুর্কি সিরিজ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/28894</link>
    <pubDate>Wed, 01 Jul 2026 09:10:03 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/28894</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1528-22.jpg" />    <article>
<p>মুসলিম বিশ্বের কিংবদন্তি বীর এবং জেরুজালেম বিজয়ী সুলতান সালাহউদ্দিন আইয়ুবির জীবন ও বীরত্বগাথা নিয়ে নির্মিত তুরস্কের জনপ্রিয় মেগাসিরিজ &lsquo;কুদুস ফাতিহি সেলাহাদিন আইয়ুবি&rsquo; এবার বাংলা ভাষায় উপভোগ করতে পারবেন বাংলাদেশের দর্শকরা। নাগরিক টিভি ও বঙ্গ-এর যৌথ উদ্যোগে আগামী ২ আগস্ট থেকে শুরু হচ্ছে সিরিজটির বাংলা সম্প্রচার।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>এ উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, প্রতি রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার রাত ৮টায় নাগরিক টিভিতে এবং রাত ৯টায় বঙ্গ প্ল্যাটফর্মে প্রচারিত হবে সিরিজটি।</p>

<p>ঐতিহাসিক এই সিরিজের কাহিনি আবর্তিত হয়েছে ক্রুসেডারদের দখল থেকে পবিত্র জেরুজালেম পুনরুদ্ধারের সংগ্রামকে ঘিরে। মুসলিম বিশ্বকে ঐক্যবদ্ধ করার রাজনৈতিক ও সামরিক প্রচেষ্টা, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লড়াই এবং সুলতান সালাহউদ্দিন আইয়ুবির অসাধারণ নেতৃত্ব ও বীরত্বগাথা এতে তুলে ধরা হয়েছে।</p>

<p>তুরস্কে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পাওয়া সিরিজটিতে বিশাল সেট, দৃষ্টিনন্দন সিনেমাটোগ্রাফি, বাস্তবধর্মী যুদ্ধদৃশ্য এবং শক্তিশালী অভিনয়ের মাধ্যমে দ্বাদশ শতাব্দীর ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটকে জীবন্ত করে উপস্থাপন করা হয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>নাগরিক টিভির চেয়ারম্যান নাভিদুল হক বলেন, &lsquo;দর্শকদের জন্য বিশ্বমানের কনটেন্ট উপস্থাপনের ধারাবাহিকতায় আমরা এই সিরিজটি নিয়ে আসছি। আমাদের এই উদ্যোগ দর্শকদের জন্য নতুন অভিজ্ঞতা তৈরি করবে।&rsquo;</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1528-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[এমবাপ্পের জোড়া গোল, সুইডেনকে গুঁড়িয়ে শেষ ষোলোয় ফ্রান্স]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/28893</link>
    <pubDate>Wed, 01 Jul 2026 09:09:07 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/28893</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1627-11.jpg" />    <article>
<p><strong>ফ্রান্স ৩-০ সুইডেন</strong></p>

<p>ম্যাচের ফল প্রত্যাশিতই। কিন্তু গোলসংখ্যা আসলে ফ্রান্সের দাপটকে পুরোপুরি তুলে ধরতে পারছে না।</p>
</article>

<article>খেলা দেখে থাকলে যে কেউ বলবেন, সুইডেনের কপাল ভালো যে আরো দুই-চারটি গোল খায়নি!
<p>&nbsp;</p>

<p>উসমান দেম্বেলে, মাইকেল ওলিসে, দেজিরে দুয়েরা গোল পেলে ফ্রান্স সমর্থকদের মন ভরে যেত। তবে অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে ও ব্রাডলি বারকোলা যা করলেন, সেটাই বা কম কী!</p>

<p>সুইডেনকে ৩-০ গোলে গুঁড়িয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলো পর্বে পৌঁছে গেল ফ্রান্স। জোড়া গোল করেছেন এমবাপ্পে। আরেক গোল বারকোলার।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>মায়ের মৃত্যুশোক কাটিয়ে এ ম্যাচ দিয়েই ডাগ আউটে ফিরেছেন ফ্রান্সের প্রধান কোচ দিদিয়ের দেশম। এমবাপ্পেদের দাপুটে জয় দেশমের মুখে হাসি ফিরিয়েছে।&nbsp;</p>

<p>ফিলাডেলফিয়ায় আগামী শনিবার রাতে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে প্যারাগুয়ের মুখোমুখি হবে ফ্রান্স। চমক দেখিয়ে কাল চারবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন জার্মানিকে বিদায় করেছে প্যারাগুয়ে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1627-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিউইয়র্কের কারাগারের ভেতরে যে কান্না শোনা যায় না]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/28892</link>
    <pubDate>Tue, 30 Jun 2026 09:59:55 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/28892</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/148-capture.jpg" />    <p>অ্যান্টোয়ান গ্যালোওয়ে মনে করতে পারেন সেই মুহূর্তটা। ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারি। নিউইয়র্কের ক্লিনটন কারেকশনাল ফ্যাসিলিটি। একজন কারারক্ষীর বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ দায়ের করার পর সাতজন অফিসার তাঁকে ঘিরে ধরেছিল।</p>

<p>প্রথমে ঘুষি এলো মুখে। তারপর বুকে কিল। স্টিলের বুট দিয়ে লাথি। ব্যাটন দিয়ে আঘাত পায়ের গোড়ালিতে। সব কিছু অন্ধকার হয়ে গেল।<br />
&quot;আমি মাথা ঢাকার চেষ্টা করছিলাম,&quot; ইস্ট ফ্ল্যাটবুশের বাসিন্দা গ্যালোওয়ে, এখন ৪৮ বছর বয়সী, দ্যা সিটি রিপোর্টার নামের সংবাদমাধ্যমকে বলেন। &quot;দুইবার জ্ঞান হারিয়েছিলাম। ফিরে আসছিলাম, আবার হারাচ্ছিলাম। ওরা লাথি মারছিল, পা দিয়ে মাড়াচ্ছিল, জাতিবিদ্বেষী গালি দিচ্ছিল।&quot;<br />
আট বছর পর নিউইয়র্ক স্টেট তাঁকে দেড় লক্ষ ডলার দিয়ে মামলা মিটিয়েছে। বিনিময়ে কোনো দোষ স্বীকার নেই।</p>

<p data-added-after="1">দ্যা সিটি রিপোর্টার &nbsp;একটি তথ্য অধিকার আইনের আবেদনের মাধ্যমে যে নথি পেয়েছে, তা নিউইয়র্কের কারাব্যবস্থার এক অস্বস্তিকর ছবি এঁকেছে। গত পাঁচ বছরে অন্তত ১৭০টি মামলায় রাজ্য সরকার মোট ২৫.৭ মিলিয়ন ডলার &mdash; বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ২৮০ কোটি টাকা &mdash; ক্ষতিপূরণ দিয়েছে। মামলাগুলোতে অভিযোগ ছিল কারারক্ষীদের মারধর থেকে শুরু করে চিকিৎসা অবহেলা, যার ফলে কোনো কোনো বন্দীর অঙ্গ কেটে ফেলতে হয়েছে।</p>

<p>কিন্তু এই টাকার অর্থ কী? এর অর্থ হলো রাজ্য সরকার আদালতের বাইরে মিটমাট করেছে, দোষ না মেনেও দিয়েছে। যাকে আইনি ভাষায় বলে &mdash; নীরব স্বীকারোক্তি। গ্যালোওয়ের আইনজীবী ব্রায়ান ড্র্যাচ বলেন, &quot;আমি রাজ্যের বিরুদ্ধে সবসময়ই মামলা করি। সপ্তাহে দুইবারও করি।&quot; পনেরো বছর ধরে এই কাজ করছেন তিনি। বলেন মামলার সংখ্যা কমেনি, বরং বেড়েছে।</p>

<p>কিছু গল্প পরিসংখ্যানে আটকায় না। জর্ডান ওয়ার্নারের বয়স যখন ২০, তখন সে নিউইয়র্কের আপস্টেট কারেকশনাল ফ্যাসিলিটিতে সাজা খাটছিল। একদিন গলার পাশে দলা দলা মাংস ফুলে উঠতে শুরু করল। ওজন কমছিল। সোজা দাঁড়াতে পারছিল না। রাতে ঘুমালেই ঘামে ভিজে যাচ্ছিল বিছানা।</p>

<p data-added-after="1">&quot;আমি প্রতিদিন ডাক্তার দেখাতে চাইতাম,&quot; ওয়ার্নার দ্যা সিটি রিপোর্টার-কে বলেন। &quot;পাঁচ মাস ধরে আবেদন করেছি। কারারক্ষীরা বলেছে আমি মিথ্যে বলছি।&quot; সেল দিয়ে ওষুধ বিতরণ করতে আসা নার্সরা তাঁর দরজার সামনে দিয়ে হেঁটে চলে যেত।</p>

<p>একদিন করিডরে সে জ্ঞান হারিয়ে পড়ে গেল। তখন নার্স এলো। তখন হাসপাতালে নেওয়া হলো। তিন ঘণ্টা দূরের অ্যালবেনি মেডিকেল সেন্টারে জরুরি অস্ত্রোপচার করে ফুসফুসের চারপাশ থেকে জমা তরল বের করা হলো। তারপর ধরা পড়ল &mdash; স্টেজ ফোর-বি হজকিন্স লিম্ফোমা। ক্যান্সারের সবচেয়ে অগ্রসর পর্যায়।</p>

<p>মায়ের জন্মদিনে সে ফোন করল। মা ভেবেছিলেন ছেলে শুভেচ্ছা জানাতে ফোন করেছে। জর্ডান বলল, মা আমার স্টেজ ফোর ক্যান্সার। একজন আইনজীবী ধর, এখনই। এরপরেও তিনবার কেমোথেরাপি অস্বীকার করার মিথ্যা রিপোর্ট লেখা হয়েছিল কারারক্ষীদের পক্ষ থেকে। &quot;কে বেঁচে থাকার জন্য কেমো নিতে অস্বীকার করে?&quot; ওয়ার্নার জিজ্ঞেস করেন।</p>

<p data-added-after="1">২০২১ সালে মামলা করেছিলেন। চার বছর আদালতে লড়াইয়ের পর রাজ্য দিয়েছে ৯ লক্ষ ৫০ হাজার ডলার। ওয়ার্নার বলেন, &quot;আমি টাকার চেয়ে চেয়েছিলাম যারা দোষী তারা চাকরি হারাক।&quot; ২০২০ সালে মুক্তি পেয়েছেন। সম্প্রতি ছেলের প্রথম জন্মদিন পালন করেছেন। বলেন, &quot;ও দুই বছরের বাচ্চার মতো বড় হয়ে গেছে। সুস্থ, হৃষ্টপুষ্ট।&quot;</p>

<p>দ্যা সিটি রিপোর্টার -এর পাওয়া নথিতে আরও কিছু মামলার বিবরণ আছে যা পড়লে গা শিউরে ওঠে। গ্রিন হেভেন কারেকশনাল ফ্যাসিলিটিতে একজন বন্দীকে হাতকড়া পরা অবস্থায় দেওয়ালে ও লোহার রডে বারবার মাথা ঠুকেছিল একজন রক্ষী। বডি ক্যামেরার ফুটেজ পরে প্রমাণ করে অফিসারদের লিখিত রিপোর্ট মিথ্যায় ভরা ছিল। একজন অফিসার ফেডারেল আদালতে দোষ স্বীকার করেছেন, কিন্তু যে অফিসার মিথ্যা রিপোর্ট লিখেছিলেন তিনি এখনো চাকরিতে আছেন। রাজ্য এই মামলায় দিয়েছে ৮ লক্ষ ৫০ হাজার ডলার।</p>

<p>ক্লিনটন ফ্যাসিলিটিতে রিকো সান্তানা নামের আরেক বন্দীকে দুটো আলাদা হামলায় দুইবার চোয়ালের হাড় ভেঙে দেওয়া হয়। প্রথমবার অস্ত্রোপচার এক সপ্তাহ ঠেকিয়ে রাখা হয়। সারার আগেই সাধারণ কক্ষে পাঠিয়ে দেওয়া হয় যেখানে আবার মার খেলেন। রাজ্য দিয়েছে ২ লক্ষ ডলার। ওয়াশিংটন কারেকশনাল ফ্যাসিলিটিতে এক বন্দীর অণ্ডকোষে গুরুতর ব্যথা ও ফোলার পরও সময়মতো চিকিৎসা না করায় অবশেষে অস্ত্রোপচার করে অণ্ডকোষটি বাদ দিতে হয়। রাজ্য দিয়েছে ৯০ হাজার ডলার।</p>

<p data-added-after="1">গভর্নর ক্যাথি হোকুল প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন রাজ্যের ৪৪টি কারা প্রতিষ্ঠানের প্রতিটিতে সিকিউরিটি ক্যামেরা বসানো হবে। দুই বছর হয়ে গেছে। এখন পর্যন্ত মাত্র ১১টিতে ক্যামেরা বসানো সম্পন্ন হয়েছে। বাকিগুলো &quot;ডিজাইন বা নির্মাণের বিভিন্ন পর্যায়ে।&quot;</p>

<p>কারা বিশেষজ্ঞ ডিন উইলিয়ামস, যিনি কলোরাডো ও আলাস্কার কারাব্যবস্থা পরিচালনা করেছেন, দ্যা সিটি রিপোর্টার-কে বলেন সুস্থ কারাব্যবস্থায় বিচ্ছিন্ন ঘটনাগুলো ব্যতিক্রম হয়। কিন্তু যখন বারবার একই ধরনের অভিযোগ আসে তখন সেটা আর ব্যতিক্রম থাকে না, সেটা হয়ে যায় স্বাভাবিক। &quot;একটা ঘটনা, তারপর আরেকটা, তারপর আরেকটা &mdash; এটা স্বাভাবিক নয়। কিন্তু অকার্যকর ব্যবস্থায় এটাই স্বাভাবিক হয়ে যায়।&quot;</p>

<p>মামলাগুলো দায়ের থেকে নিষ্পত্তি পর্যন্ত গড়ে ছয় বছর সময় লাগে। একটি মামলা ১৫ বছর ধরে চলেছিল &mdash; একজন বন্দীকে ১২ দিন বেশি একাকী কারাবাসে রাখার অভিযোগে। শেষ পর্যন্ত রাজ্য দিয়েছে ৭৪৮ ডলার।</p>

<p data-added-after="1">অ্যান্টোয়ান গ্যালোওয়ে এখন ইস্ট ফ্ল্যাটবুশে থাকেন। গৃহহীনদের আশ্রয়কেন্দ্রে কাজ করেন। যে গলিতে বড় হয়েছেন সেখানে বন্ধুদের নিয়ে পাড়ার ছেলেমেয়েদের জন্য উৎসব করেন &mdash; খাবার দেন, স্কুলের সরঞ্জাম দেন। বলেন সাঁতার কাটতে ভালো লাগে, ভ্রমণ করতে ভালো লাগে, শান্তিতে থাকতে ভালো লাগে। কিন্তু গোড়ালির ব্যথা যায় না। প্রতিদিন সকালে উঠলেই টের পান।</p>

<p>&quot;আমি কখনো সন্তুষ্ট হব না,&quot; তিনি বলেন। &quot;আমি সারাজীবনের জন্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি আর ওরা চাকরি করে যাচ্ছে। আমি জানি ওরা এখনো এই কাজ করে যাচ্ছে অনেকের সঙ্গে। কয়েক হাজার ডলার দিয়ে এটা ঠিক হয় না।&quot; দেড় লক্ষ ডলার পেয়েছেন। বিচার পাননি। পার্থক্যটা ছোট নয়।</p>

<p># এই প্রতিবেদনটি দ্যা সিটি রিপোর্টার -এর Kennedy Sessions এবং Reuven Blau-এর অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের ভিত্তিতে রচিত। ছবি কৃতিত্ব: Ben Fractenberg</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/148-capture.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[সিলেটে পৌঁছেছে কাতারে নিহত ৫ প্রবাসীর মরদেহ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/bangladesh/28891</link>
    <pubDate>Tue, 30 Jun 2026 09:57:32 +0600</pubDate>
    <category> সারাবাংলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/bangladesh/28891</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/408-3.jpg" />    <article>
<p>সিলেটে পৌঁছেছে কাতারের শাহানিয়া এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত পাঁচ বাংলাদেশি প্রবাসীর মরদেহ। মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকালে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মরদেহগুলো পৌঁছায়।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>এর আগে ২১ জুন সকালে কাতারের শাহানিয়া এলাকায় সংঘটিত এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় পাঁচ বাংলাদেশি প্রবাসী নিহত হন। নিহতরা হলেন- সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ী গ্রামের আব্দুল কাদির, মাঝতালুক গ্রামের মুস্তাক আহমেদ আফনান, একই গ্রামের জুবায়ের আহমেদ, আগাতালুক গ্রামের জসিম উদ্দিন এবং আমরপুর গ্রামের জিবাল আহমেদ।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/sport/2026/06/30/1704809" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>নিহতদের মরদেহ সোমবার (২৯ জুন) কাতারের স্থানীয় সময় রাত ১০টা ১৫ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বিজি-২২৬ নম্বর ফ্লাইটে হামাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বাংলাদেশের উদ্দেশে পাঠানো হয়।</p>

<p>দূতাবাস জানায়, বাংলাদেশ ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের অর্থায়নে নিহতদের মরদেহ দেশে পাঠানোর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/Court/2026/06/30/1704807" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>এছাড়া, মরদেহগুলো বাংলাদেশে পৌঁছানোর পর তা যথাযথভাবে পরিবারের কাছে হস্তান্তর ও অন্যান্য সুবিধা প্রদানের বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট শাখা কাজ করছে বলে জানিয়েছে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/408-3.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[কেন ইউনূসের অপশাসনের তদন্ত করা জরুরি?]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28890</link>
    <pubDate>Tue, 30 Jun 2026 09:56:32 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28890</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/675-2.jpg" />    <article>
<p>স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ধন্যবাদ। গত রবিবার জাতীয় সংসদে তিনি জনগণের মনের কথা বলেছেন।</p>
</article>

<article>জন-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটেছে তার বক্তব্যে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সর্বোচ্চ দুর্নীতি হয়েছে। ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে, যা তদন্ত হওয়া দরকার। দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের নেতৃত্বাধীন শ্বেতপত্রের রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে এ তদন্ত হতে পারে।</article>

<article>জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন তিনি। দেড় বছরের শাসনকালে ড. ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকারের অপকর্ম এবং অপশাসনের ক্ষতচিহ্ন এখন সর্বত্র।
<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/sport/2026/06/30/1704790" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>রাজনীতি থেকে অর্থনীতি, পররাষ্ট্রনীতি থেকে শুরু করে দেশরক্ষার কৌশল, আইন- বিচার, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সংস্কৃতি, ক্রীড়া, কোথায় নেই ইউনূসের অপশাসনের কালো ছায়া? গভীরভাবে ইউনূসের শাসন বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ইউনূস এবং তার সহযোগীরা যেন দেশ ধ্বংসের এক মহোৎসবে মেতেছিলেন। লুটেরা দুর্বৃত্ত ডাকাত দল যেমন একটি গ্রামে আগুন ধরিয়ে লুটপাট করে, ইউনূস গং দেড় বছরে বাংলাদেশের মাটিতে ঠিক তেমনটিই করেছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>২০২৪-এর ৫ আগস্টের পর বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতারা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে বেছে নেন। দেশবাসী আশা করেছিল শান্তিতে নোবেলজয়ীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ নতুন সম্ভাবনার পথে যাত্রা শুরু করবে। দেশে শান্তিশৃঙ্খলা ফিরে আসবে, আইনের শাসন এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে। মানুষের মানবিক মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠা হবে। মানুষ নতুনভাবে বাঁচতে পারবে।</p>
</article>

<article>কিন্তু দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই ইউনূসের ভদ্রবেশী মুখোশ খুলে যায়। এ দেশের মানুষ দেখে শান্তির দূতের আড়ালে হিংস্র দানবের রূপ। ড. ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্র্বর্তী সরকার দেড় বছরে দুটি কাজ অত্যন্ত সফলভাবে করেছে। প্রথমত দেশকে বিভক্ত করা, দ্বিতীয়ত দেশের সম্পদ লুটপাট করা।
<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/sport/2026/06/30/1704788" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>২৪-এর ৫ আগস্ট ছিল বাংলাদেশের রাজনৈতিক ঐক্যের প্রতীক। দলমতনির্বিশেষে সব রাজনৈতিক দল এবং জনগণ ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল। এই ঐক্যের শক্তি যে কী অসাধারণ জুলাই গণ অভ্যুত্থান তার প্রমাণ। ইউনূসের দায়িত্ব ছিল খুব সংক্ষিপ্ত ও সহজ। অন্তর্র্বর্তী সরকার দ্রুততম সময়ের মধ্যে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্পন্ন করে জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করবে। কিন্তু ক্ষমতা নিয়েই ড. ইউনূস বাংলাদেশে রাজনৈতিক বিভাজনের বিষবাষ্প ছড়িয়ে দেন। সংস্কারের নামে তিনি পরিকল্পিতভাবে সৃষ্টি করেন রাজনৈতিক অনৈক্য, অবিশ্বাস। এর একমাত্র কারণ ছিল ক্ষমতা আঁকড়ে রাখা।</p>

<p>সংস্কারের নামে ইউনূস সরকার শুরু করেছিল নাটক। যে নাটক দেশকে ক্ষতবিক্ষত করে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সঠিকভাবেই জাতীয় সংসদে বলেছেন, জাতীয় নির্বাচন ও জাতীয় স্বার্থে সবাই মিলে একমত হয়ে জুলাই সনদে স্বাক্ষর করা হয়েছে। সংস্কার নাটকের মাধ্যমে রাজনৈতিক দলগুলোর দৃষ্টি তিনি অন্যত্র সরিয়ে নেন। এরপর ইউনূস সরকার এবং তাঁর উপদেষ্টাদের লুটপাটের কাহিনি আজ সারা বিশ্ব জানে। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ বলেছে ইউনূস আমলে ঘুষ লেনদেনের নতুন রেকর্ড হয়েছে। সুইস ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, ইউনূস আমলে সেখানে টাকা রাখার রেকর্ড হয়েছে।</p>

<p>ইউনূসের নিজস্ব দুর্নীতির ফিরিস্তি বাংলাদেশের সব গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে, এনিয়ে নতুন করে কিছু লিখতে চাই না। শুধু ইউনূস একা নন আসিফ নজরুল, রিজওয়ানা হাসান, আদিলুর রহমানসহ অধিকাংশ উপদেষ্টার একমাত্র কাজ ছিল দুর্নীতি এবং লুটপাট। দেড় বছর একজন উপদেষ্টা যখন নিজের চিকিৎসার নামে প্রায় কোটি টাকা রাষ্ট্রীয় তহবিল থেকে আত্মসাৎ করেন তখন এই অন্তর্বর্তী সরকারের নৈতিকতার মান কতটা নিচে ছিল তা বুঝতে অসুবিধা হয় না।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/country-news/2026/06/30/1704786" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>অন্তর্বর্তী সরকার, কোথায় দুর্নীতি করেনি? বিচারক নিয়োগ থেকে সরকারি কর্মকর্তাদের পদায়নে দেড় বছরে সীমাহীন দুর্নীতি হয়েছে। শিশুদের হামের টিকা থেকে পুলিশের পোশাক কেলেঙ্কারি, সর্বত্র ইউনূস সরকারের দুর্নীতির চিত্র স্পষ্ট। এসব দুর্নীতি, অনিয়ম এবং স্বেচ্ছাচারিতা যেন রাষ্ট্র পরিচালনার নতুন সংজ্ঞা আমাদের সামনে হাজির করেছে। ক্ষমতায় যাওয়া মানেই দুর্নীতির লাইসেন্স পাওয়া। ক্ষমতায় যাও, দুর্নীতি কর, দেশ বেচে দাও, বিদেশে টাকা পাচার করো-তারপর জাতির বিবেক হয়ে জনগণকে জ্ঞান দাও-এটাই ছিল ইউনূস সরকারের মূলমন্ত্র।</p>

<p>যেকোনো দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ও আইনের শাসনের জন্য এটা রীতিমতো চ্যালেঞ্জ। ইউনূস সরকার কেবল সীমাহীন দুর্নীতি এবং লুটপাট করেনি রাষ্ট্রব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছে। রাষ্ট্র পরিচালনার আইনকানুন, রীতিনীতিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়েছেন। আর এ কারণেই ইউনূস শাসনের দেড় বছরের নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের একজন মেধাবী শিক্ষার্থী ছিলেন। আইনের শাসনের মূল ভিত্তি তিনি ভালো করেই জানেন। এখন তিনি আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার দায়িত্বে। বিগত চার মাসে তিনি নিশ্চয়ই অনুভব করছেন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতিতে বাধা কোথায়? ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য করণীয় কী?</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/print-edition/sports/2026/06/30/1704782" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার একটি মৌলিক নীতি হলো, প্রতিটি অপরাধের বিচার নিশ্চিত করা। একজন অপরাধী, দুর্নীতিবাজের একমাত্র পরিচয় হলো, তিনি অপরাধী। বাংলাদেশের সংবিধানের মৌলিক অধিকারের অংশ সুস্পষ্টভাবে বলা হয়েছে আইনের দৃষ্টিতে সব নাগরিকের সমান অধিকার। আইনের এই সাম্যতার নীতি তখনই কার্যকর হবে যখন ড. ইউনূস এবং তার উপদেষ্টাদের মতো হোয়াইট কালার ক্রিমিনালরা আইনের আওতায় আসবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে নিশ্চয়ই উপলব্ধি করেছেন, একটি অন্যায়ের বিচার না করলে আরেকটা অন্যায়ের বিচার করার নৈতিক অধিকার থাকে না। আইনের পরিভাষায় বলা হয়, একটি বিচারহীনতা আরও দশটি অপরাধের জন্ম দেয়। ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের নিষ্পত্তি না হলে জনগণের কাছে ভুল বার্তা যাবে।</p>

<p>সাধারণ মানুষ মনে করবে ক্ষমতায় থাকলে যা খুশি তাই করা যায়, তার বিচার করা হয় না। এর ফলে নির্বাচিত সরকার সম্পর্কে মানুষের মনে ভুল ধারণা তৈরি হতে পারে। পাশাপাশি সরকারের ভিতরে অনেক সুযোগসন্ধানী মনে করবে ড. ইউনূস ও তাঁর উপদেষ্টারা যদি এত দুর্নীতি করেও পার পেয়ে যায় তাহলে আমরা একটু করলে দোষের কী?</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/print-edition/news/2026/06/30/1704781" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>আমাদের মনে রাখতে হবে, বাংলাদেশে আবার তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা চালু হয়েছে। ইউনূস সরকার নামে অন্তর্র্বর্তী সরকার হলেও, এটি আসলে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আদলে গঠিত হয়েছিল। আজকে যদি ইউনূসের অনিয়মের তদন্ত না হয় তাহলে পরবর্তী তত্ত্বাবধায়ক সরকার একই পথে হাঁটবে। ইউনূস এবং তার উপদেষ্টারা সুশীল সমাজের সফেদ পোশাকে কালি লেপ্টে দিয়েছেন। দেড় বছরের ইউনূস শাসনের পর এখন সাধারণ মানুষের মধ্যে সুশীল সমাজ সম্পর্কে ভিন্ন ধারণা তৈরি হয়েছে। নিরীহ মানুষ এখন মনে করে সুশীল মানেই ইউনূস গংদের মতো মতলববাজ, দুর্নীতিবাজ। এ কারণেই সুশীল সমাজের ইমেজ রক্ষার জন্য হলেও ইউনূস সরকারের দেড় বছরের সব অপকর্মের নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া দরকার।</p>

<p>স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রবিবার জাতির কণ্ঠ হিসেবে ভাষণ দিয়েছেন। মনে রাখতে হবে, বিএনপি জনগণের কাছে তিনটি প্রধান অঙ্গীকার করেছে নির্বাচনের আগে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, দুর্নীতির বিরুদ্ধে শূন্য সহিষ্ণুতা এবং রাষ্ট্রীয় অপচয় বন্ধ। এই তিন প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতে হলে ইউনূস সরকারের অপকর্মের তদন্ত করতেই হবে। ইউনূস আমলে মব সন্ত্রাস, লুটপাটের মাধ্যমে আইনের শাসনের চরম লঙ্ঘন হয়েছে। তাই এখন আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হলে আগের আবর্জনা পরিষ্কার করতে হবে। দুর্নীতি দমন করতে হলে, দেড় বছরের সীমাহীন দুর্নীতির তদন্তের কোনো বিকল্প নেই। সরকার দুর্নীতি দমন কমিশন গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। আশা করি স্বল্পতম সময়ের মধ্যে নতুন কমিশন গঠিত হবে। নতুন কমিশনের প্রথম কাজ হবে ড. ইউনূস এবং তার উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে জমাকৃত অভিযোগের তদন্ত। রাষ্ট্রীয় অপচয়েও ইউনূস সরকার ছিল শীর্ষে। ড. ইউনূসের উড়োজাহাজ ভর্তি করে প্রমোদ ভ্রমণ থেকে ধর্ম উপদেষ্টার ৮২ লাখ টাকার চিকিৎসা বিল, সবই রাষ্ট্রীয় অর্থ অপচয়ের প্রামাণ্যচিত্র। এসবের সুষ্ঠু তদন্ত না করলে নতুন করে অপচয়বিরোধী পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব নয়। তাই এই সরকারকে সফল হতে হলে, ইউনূস সরকারের আমলে সব ধরনের অনিয়মের তদন্ত করতেই হবে। এর কোনো বিকল্প নেই।</p>

<p><strong>সূত্র : <a href="https://www.bd-pratidin.com/first-page/2026/06/30/1268496">বাংলাদেশ প্রতিদিন</a></strong></p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/675-2.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিমগাছ নিয়ে সোনামণিদের গল্প শোনালেন প্রধানমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28889</link>
    <pubDate>Tue, 30 Jun 2026 09:55:11 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28889</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/938-1.jpg" />    <article>
<p>সৌদি আরবের আরাফাতের ময়দানে লাখ লাখ নিমগাছ কিভাবে সবুজ ছায়া দিচ্ছে, সেই ঐতিহাসিক সত্য ঘটনা ছোট সোনামণিদের গল্প আকারে শোনালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (২৯ জুন) দুপুরে সারা দেশে একযোগে ২৯ হাজারেরও বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনকালে তিনি নিজেই একটি নিমগাছের চারা রোপণ করেন এবং উপস্থিত শিশু-কিশোরদের উদ্দেশে এই গল্প বলেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে আমরা এখানে একটি নিমগাছ রোপণ করলাম। এই নিমগাছ নিয়ে তোমাদের একটা সত্যিকারের ঘটনা বলি। তোমরা যারা ছোট বন্ধুরা আছো, তোমরা নিশ্চয়ই আরাফাতের ময়দানের নাম শুনেছ। এখন যদি তোমরা আরাফাতের ময়দানের ছবি দেখো, দেখবে সেখানে অনেক গাছ লাগানো আছে।</p>
</article>

<article>সেই গাছগুলো কিন্তু সব নিমগাছ।
<p>&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/corporatecorner/2026/06/29/1704538" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>তিনি জানান, আজ থেকে প্রায় ৫০ বছর আগে সেখানে কোনো গাছ ছিল না। ১৯৭৮ সালের দিকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ওমরাহ পালন করতে গিয়ে আরাফাতের ময়দান দেখে তৎকালীন সৌদি বাদশাহকে বলেছিলেন, এই মাঠটি এত ফাঁকা কেন? এখানে গাছ লাগালে হজ করতে আসা হাজি সাহেবরা গরমে গাছের নিচে সুন্দরভাবে বসতে পারতেন।</p>

<p>প্রধানমন্ত্রী বলেন, তখন সৌদি বাদশাহ বলেছিলেন, মরুভূমিতে তো কোনো গাছ হবে না, আমরা কী গাছ লাগাব? এরপর শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের বিজ্ঞানীদের সঙ্গে কথা বলে বের করলেন যে সেখানে নিমগাছ বেঁচে থাকতে পারবে।</p>
</article>

<article>পরে তিনি বাংলাদেশ থেকে প্রায় এক লাখ নিমগাছের চারা সৌদি আরবে পাঠিয়েছিলেন।
<p>&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/corporatecorner/2026/06/29/1704538" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>সৌদি সরকার পরবর্তীতে সেই চারা থেকে কলম করে আজ আরাফাতের ময়দানে লাখ লাখ নিমগাছ তৈরি করেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন আরাফাতের ময়দানে গেলে যে গাছগুলো দেখা যায়, তার সবই বাংলাদেশের নিমগাছ। আর সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো, সৌদি আরবের মানুষ কিন্তু ওগুলোকে নিমগাছ বলে ডাকে না। ওটা তাদের কাছে &lsquo;জিয়া ট্রি&rsquo; নামে পরিচিত।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/938-1.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বরেণ্য চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ারের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28888</link>
    <pubDate>Tue, 30 Jun 2026 09:54:09 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28888</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/802-99.jpg" />    <article>
<p>একুশে পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য চিত্রশিল্পী ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মুস্তাফা মনোয়ারের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।&nbsp;সোমবার (২৯ জুন) এক শোকবার্তায় তিনি বলেন, মুস্তাফা মনোয়ারের মৃত্যু দেশের শিল্প ও সংস্কৃতি অঙ্গনে এক বিরাট শূন্যতা সৃষ্টি করেছে, যা সহজে পূরণ করা সম্ভব নয়।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতি তার অবদানকে সর্বদা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। একই সঙ্গে তার কাজ ও আদর্শ আগামী প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে।</p>

<p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মরহুমের আত্মার চিরশান্তি কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।</p>

<p>আজ সোমবার সকালে মুস্তাফা মনোয়ার (৯০) রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>চিত্রকলা, পাপেটশিল্প, শিশুতোষ অনুষ্ঠান এবং সাংস্কৃতিক অঙ্গনে অসামান্য অবদানের জন্য মুস্তাফা মনোয়ার দেশের অন্যতম শ্রদ্ধেয় সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত ছিলেন। শিল্প ও সংস্কৃতিতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ২০০৪ সালে একুশে পদকে ভূষিত হন।</p>

<p>গুণী এ শিল্পী মাগুরা জেলার নাকোল গ্রামে ১৯৩৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। ঝিনাইদহ জেলার শৈলকূপা উপজেলার মনোহরপুর গ্রাম তার পৈতৃক নিবাস।</p>
</article>

<article>প্রখ্যাত কবি গোলাম মোস্তফার সন্তান তিনি।</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/802-99.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[হরমুজ থেকে শুধু আমরাই মাইন অপসারণ করব: ইরান]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28887</link>
    <pubDate>Tue, 30 Jun 2026 09:53:14 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28887</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/996-88.jpg" />    <p>ইরানের আইন ও আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গারিবাবাদি বলেছেন, ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) অনুযায়ী হরমুজ প্রণালিতে মাইন অপসারণের কাজ শুধু ইরানই করতে পারবে।&nbsp; এ কাজে অন্য কোনো দেশকে অংশ নিতে দেওয়া হবে না।</p>

<p>ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর এক মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় এ কথা বলেন তিনি।&nbsp;</p>

<p>ম্যাক্রোঁ জানিয়েছিলেন, সমুদ্রপথ নিরাপদ রাখতে হরমুজ প্রণালিতে মাইন অপসারণে তারা তাদের অংশীদারদের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>এর আগে রোববার (২৮ জুন) ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী গারিবাবাদি ওমানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে হরমুজ প্রণালির ভবিষ্যৎ ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা করেন।</p>

<p>এদিকে, কাতারের রাজধানী দোহায় চলতি সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো বৈঠক হওয়ার তথ্য নাকচ করেছে ইরান। তবে কাতারের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে তেহরান। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণের প্রশ্নে নিজেদের অবস্থানেও অনড় থাকার কথা জানিয়েছে দেশটি।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কাতারের রাজধানী দোহায় চলতি সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো কারিগরি বৈঠক হবে&mdash; এমন তথ্য নিশ্চিত করেনি ইরান। দেশটির উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গরিবাবাদি বলেছেন, এ সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো কারিগরি বৈঠকের সূচি নির্ধারণ করা হয়নি।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/996-88.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[কেতনের টাকায় জীবন সাজাতে চেয়েছিল সিয়া-চেতন]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28886</link>
    <pubDate>Tue, 30 Jun 2026 09:52:28 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28886</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1118-77.jpg" />    <article>
<p>সিয়া গোয়েল প্রেম করতেন চেতন চৌধুরীর সঙ্গে। কিন্তু পরিবার তার বিয়ে ঠিক করেছিল ব্যবসায়ী কেতন আগরওয়ালের সঙ্গে।</p>
</article>

<article>বিয়েতে মত না থাকলেও পরিবারের মুখের ওপর &lsquo;না&rsquo; বলার সাহস ছিল না সিয়ার। পরিবারের মর্যাদার কথা ভেবে বাগদান ও বিয়ের আয়োজনে তাল মিলিয়ে যাচ্ছিলেন তিনি। কিন্তু মনে মনে আঁটছিলেন ভয়ংকর পরিকল্পনা।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>পরিবারের মতের বিরুদ্ধে যাওয়ার চেয়ে হবু বরকে হত্যা করাটাই তার কাছে সহজ মনে হয়েছিল।</p>
</article>

<article>প্রেমিক চেতন চৌধুরীর সঙ্গে মিলে গত ১৮ জুন সে পরিকল্পনা বাস্তবায়নও করেন সিয়া। দুজন মিলে পুনের লোহাগড় দুর্গে ধাক্কা দিয়ে ৪০০ ফুট গভীর খাদে ফেলে হত্যা করেন কেতন আগরওয়ালকে।&nbsp;<br />
চেতন চৌধুরী বিয়ের জন্য সিয়ার কাছে ৩ বছর সময় চেয়েছিলেন। এ সময়ে নিজের ব্যবসা গুছিয়ে নিতে চেয়েছিলেন তিনি।</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>সিয়ার ধারণা ছিল, কেতন লোহাগড় দুর্গে পা পিছলে পরে মারা গেছেন, এটা প্রতিষ্ঠিত করতে পারলে তাদের সব ঝামেলা মিটে যাবে। দূর হয়ে যাবে তাদের প্রেমের বাধা। শোকে কাতর পরিবারও শিগগিরই তার বিয়ের কথা আর তুলবেন না। এই সুযোগে চেতন তার ব্যবসা গোছাবে, সিয়াও নিজের বেকারির ব্যবসা এগিয়ে নেবেন। বছর তিনেক পর বিয়ে করলে তখন তারা মোটামুটি সচ্ছলতার সঙ্গে সংসার শুরু করতে পারবেন।</p>
</article>

<article>তত দিনে কেউ আর তাদের সন্দেহও করবে না।
<p>&nbsp;</p>

<p>কেতন আগরওয়াল ছিলেন পুনের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী পরিবারের সন্তান। তার বাবা বিশাল আগরওয়াল আবাসন প্রতিষ্ঠান সাকসেস গ্রপের প্রতিষ্ঠাতা। বিদেশে পড়াশোনা শেষে ভারতে ফিরে কেতনও বাবার ব্যবসায় যোগ দেন। তিনি ছিলেন সাকসেস গ্রুপের পরিচালক ও চিফ মার্কেটিং অফিসার। গত ফেব্রুয়ারিতে সিয়ার সঙ্গে কেতনের বাগদান হয়। আগামী নভেম্বরে জয়পুরে জমকালো বিয়ের অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি চলছিল। সে জন্য ১৭ কোটি রুপিতে প্রাসাদ বুক করা হয়েছিল। সিয়া নিজেদের ভবিষ্যত গোছাতে কেতনের বিত্তের সহায়তাও নিয়েছিলেন। কেতন বিয়ের শপিং করার জন্য সিয়াকে ১ কোটি রুপি দিয়েছিলেন। কিন্তু শপিং না করে সিয়া পুরো টাকাটা তুলে দেন প্রেমিক চেতন চৌধুরীর হাতে। এ টাকায় চেতন তার ব্যবসা আরো বড় করার পরিকল্পনা করছিলেন।</p>

<p>কিন্তু নিখুঁত পরিকল্পনা করেও বাঁচতে পারেননি তারা। কেতনকে হত্যার অভিযোগে সিয়া-চেতন দুজনই এখন পুলিশ রিমান্ডে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1118-77.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[জার্মানির স্টাড শহরে ভয়াবহ বন্দুক হামলায় নিহত ৫]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28885</link>
    <pubDate>Tue, 30 Jun 2026 09:51:47 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28885</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1235-66.jpg" />    <article>
<p>জার্মানির উত্তরাঞ্চলীয় স্টাড শহরে ভয়াবহ বন্দুক হামলায় অন্তত ৫ জন নিহত হয়েছেন। ইতোমধ্যে এক সন্দেহভাজনকে আটক করেছে পুলিশ।</p>
</article>

<article>সোমবার (২৯ জুন) এই ঘটনাটি ঘটে বলে জানিয়েছে পুলিশ। <strong><a href="https://www.reuters.com/world/five-people-dead-shooting-northern-germany-police-say-2026-06-29/">খবর রয়টার্স</a></strong>

<p>&nbsp;</p>

<p><strong><a href="https://www.euronews.com/my-europe/2026/06/29/at-least-five-people-killed-in-shooting-in-northern-germany-police-say">লুনেবুর্গ পুলিশ সদর দপ্তরে</a></strong><strong>র</strong> এক্স&rsquo;য়ে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, জনসাধারণকে এলাকাটি এড়িয়ে চলার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/sport/2026/06/29/1704476" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, ঘটনাটি হামবুর্গের পশ্চিমে অবস্থিত প্রায় ৫০হাজার জনবসতির শহর স্টেডের একটি যুব কেন্দ্রের কাছে ঘটেছে।</p>

<p>হামলার পেছনে কী কারণ বা উদ্দেশ্য ছিল, তা এখনও স্পষ্টভাবে জানা যায়নি।</p>
</article>

<article>পুলিশ ও তদন্তকারী কর্মকর্তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন।
<p>&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/sport/2026/06/29/1704431" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>ঘটনার পরপরই সেখানে ব্যাপক সংখ্যক জরুরি সেবা ও পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকাটি অবরুদ্ধ করে রেখেছে&nbsp;পুলিশ।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1235-66.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে প্রাণহানি ১৭০০ ছাড়াল]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28884</link>
    <pubDate>Tue, 30 Jun 2026 09:50:55 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28884</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1338-55.jpg" />    <article>
<p>মধ্য-উত্তর ভেনেজুয়েলায় আঘাত হানা শক্তিশালী ভূমিকম্পের পাঁচ দিন পরও চলছে উদ্ধার অভিযান। ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকাদের উদ্ধারের চেষ্টার মাঝেই বাড়ছে মৃতের সংখ্যা।</p>
</article>

<article><a href="https://gulfnews.com/world/americas/venezuela-earthquake-death-toll-passes-1700-as-un-continues-to-scale-up-response-1.500591348?fbclid=IwY2xjawSwBUBleHRuA2FlbQIxMABicmlkETFWeVNtaU5GVjBTRTJYSGxjc3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHqHFr7HbYgT05T2JK2CGHRWO2apTWdEVmADX03PiEGEiTlu5pjWtoym6b7zI_aem_TgzbBwdIpGWhNYzVfJtRXw">২৪ জুনের এই ভয়াবহ দুর্যোগে এখন পর্যন্ত ১৭১৯ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ</a>। পরিস্থিতি মোকাবেলায় জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে ব্যাপক মানবিক সহায়তা কার্যক্রম শুরু হলেও, পুরো অঞ্চলকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে দীর্ঘ সময় লাগবে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

<p>&nbsp;</p>

<p>ভেনেজুয়েলা সরকারের দেওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত প্রায় ৫০০০ মানুষ আহত হয়েছেন এবং ঘরবাড়ি হারিয়ে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন ১২০০০-এরও বেশি মানুষ। নিখোঁজদের সঠিক সংখ্যা এখনো নিশ্চিত না হওয়ায় মৃতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।</p>
</article>

<article>এই জরুরি পরিস্থিতি সামাল দিতে জাতিসংঘ ও ভেনেজুয়েলা কর্তৃপক্ষ যৌথভাবে ১০,০০০ মৃতদেহ রাখার ব্যাগ (বডি ব্যাগ) সংগ্রহের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জাতিসংঘের আবাসিক ও মানবিক সমন্বয়কারী জিয়ানলুকা রামপোলা জানান, রবিবার (২৮ জুন) ধ্বংসস্তূপ থেকে সাতজনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। বর্তমানে ২৭টি দেশের ২০০০ জনেরও বেশি উদ্ধারকর্মী এবং ১৬০টিরও বেশি দূরন্ত অনুসন্ধানকারী কুকুর মোট ৪০টি দলে বিভক্ত হয়ে দিনরাত কাজ করে যাচ্ছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভূমিকম্পে দেশের মোট সাতটি রাজ্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।</p>
</article>

<article>তবে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে &lsquo;লা গুয়াইরা&rsquo; রাজ্য এবং রাজধানী কারাকাসের &lsquo;ডিস্ট্রিটো ক্যাপিটাল&rsquo; এলাকায়। ভূমিকম্পের তীব্রতায় ওই অঞ্চলের প্রায় ২,৫০০টি ভবন ও স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার একটি বড় অংশই সম্পূর্ণ ধসে পড়েছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>জাতিসংঘের প্রতিনিধি রামপোলা সামগ্রিক পরিস্থিতি উল্লেখ করে বলেন, &lsquo;আমরা এই মুহূর্তে অত্যন্ত উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এবং বিপজ্জনক একটি পরিবেশের মধ্যে উদ্ধার ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি।&rsquo;&nbsp;এদিকে আবহাওয়া ও প্রকৃতির প্রতিকূলতার কারণে স্থলভাগের উদ্ধার অভিযান চরম ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। মূল ভূমিকম্পের পর থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৫০০টি আফটারশক (পরবর্তী কম্পন) রেকর্ড করা হয়েছে, যার মধ্যে সোমবার (২৯ জুন) ভোরে আঘাত হানা ৫.২ মাত্রার কম্পনটি অন্যতম।</p>
</article>

<article>এর ওপর দুর্গত এলাকায় ভারি বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে, যা ধসে পড়া ভবনগুলোর উদ্ধারকাজকে আরো জটিল করে তুলছে।</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1338-55.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[টাইব্রেকারে জার্মানির বিদায় ঘণ্টা বাজাল প্যারাগুয়ে]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/28883</link>
    <pubDate>Tue, 30 Jun 2026 09:50:07 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/28883</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1402-44.jpg" />    <article>
<p>বল জালে পাঠিয়ে ছুটলেন হোসে কানালে। মাঝমাঠ থেকে দৌড়ে গেলেন সতীর্থরা।</p>
</article>

<article>প্রথমে একজন চড়ে বসলেন তার কাঁধে। ঝাঁপিয়ে পড়লেন একে একে সবাই। অবিশ্বাস্য এক মুহূর্তের জন্ম হলো ফক্সবরোর জিলেট স্টেডিয়ামে। চারবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন জার্মানিকে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে দিল প্যারাগুয়ে।</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>রুদ্ধশ্বাস টাইব্রেকারে জার্মানিকে ৪-৩ গোলে হারিয়ে শেষ ষোলোয় উঠেছে প্যারাগুয়ে। বাংলাদেশ সময় আজ ভোরে শেষ হওয়া ম্যাচে নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময়ের খেলা শেষ হয়েছিল ১-১ সমতায়। পেনাল্টি শুটআউটে প্রথম পাঁচটির দুটি ঠেকিয়ে প্যারাগুয়ের নায়ক গোলরক্ষক ওরলান্দো হিল। জার্মানির&nbsp;বিপক্ষে তিনবারের দেখায় প্যারাগুয়ের প্রথম জয় এটি।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>বিশ্বকাপে পাঁচবার টাইব্রেকারে গিয়ে এই প্রথম হারের তেতো স্বাদ পেল জার্মানি। দুইবার টাইব্রেকারে গিয়ে দুইবারই শেষ হাসি হাসল প্যারাগুয়ে।</p>

<p>২০১০ সালে শেষ ষোলোয় জাপানকে টাইব্রেকারে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছিল প্যারাগুয়ে, যা বিশ্বকাপে তাদের সেরা সাফল্য। তারপর এই প্রথম বিশ্ব মঞ্চে ফিরেছে তারা। এবার নকআউট পর্বের শুরুতে অভাবনীয় সাফল্য পেল ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার প্রতিবেশী এই দেশ।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে নিজেদের আগের পাঁচ ম্যাচে কোনো গোলই ছিল না প্যারাগুয়ের। সেই খরা কাটিয়ে প্রথমার্ধে দলটিকে এগিয়ে নেন হুলিও এনসিসো। বিরতির পর সমতা আনেন আর্সেনাল তারকা কাই হাভার্টজ।</p>

<p>সেই হাভার্টজই ব্যর্থ হন টাইব্রেকারের শুরুতে। তার শট বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে ঠেকিয়ে দেন হিল। শটে অবশ্য খুব বেশি জোরও ছিল না। জার্মানির পরের দুই শটে জাল খুঁজে পান ইয়োশুয়া কিমিখ ও জামাল মুসিয়ালা।</p>

<p>প্যারাগুয়ের প্রথম তিন শটেই মেলে জালের দেখা। এরপর জার্মানির চতুর্থ শট নিতে আসেন নক ভল্টেমাডা। তার শটও ঝাঁপিয়ে ঠেকান হিল।</p>

<p>চতুর্থ শটে গোল করে জয়ের সুযোগ তখন প্যারাগুয়ের সামনে। কিন্তু বাইরে মেরে বসেন আন্তোনিও সানাব্রিয়া। বেঁচে থাকে জার্মানির আশা।</p>

<p>জার্মানির পঞ্চম শট জালে পাঠান নাদিম আমিরি। প্যারাগুয়ের সামনে ম্যাচ শেষ করার সুযোগ আসে আবার। কিন্তু ফাবিয়ান বালবুয়েনার নেওয়া তাদের পঞ্চম শট ঠেকিয়ে দেন মানুয়েল নয়্যার।</p>

<p>এরপর সাডেন ডেথের শুরুতে উড়িয়ে মারেন জার্মানির ইয়োনাথান টাহ। এবার আর ভুল করেনি প্যারাগুয়ে। কানালে বল জালে পাঠাতেই উল্লাসে মাতে গুস্তাভো আলফারোর দল।</p>

<p>গত দুটি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নেওয়া জার্মানি ২০১৪ সালের ফাইনালে জয়ের পর এবারই প্রথম নকআউটে উঠেছিল। কিন্তু অভাবনীয় হারে শুরুতেই বিদায় নিল ইউলিয়ান নাগলসমানের দল।</p>

<p>শেষ ষোলোর লড়াইয়ে ফ্রান্স অথবা সুইডেনের মুখোমুখি হবে চমক জাগানো প্যারাগুয়ে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1402-44.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ব্রাজিল শেষ এমন ঘটনা ঘটিয়েছিল ২০০২ সালে]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/28882</link>
    <pubDate>Tue, 30 Jun 2026 09:49:24 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/28882</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1487-33.jpg" />    <article>
<p>প্রথমার্ধে চেনা ব্রাজিলকে খুঁজেই পাওয়া যায়নি। ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও ম্যাথিউস কুনহাদের একের পর এক অগোছালো আর ধারহীন আক্রমণ কেবল হতাশারই জন্ম দিচ্ছিল।</p>
</article>

<article>উল্টো জাপানের জমাট রক্ষণ ভাঙতে গিয়ে গোল হজম করে চরম কোণঠাসা হয়ে পড়ে সেলেসাওরা। তবে বিরতির পর যেন খোলস ছেড়ে বেরোল পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। প্রথমার্ধের চরম ভোগান্তি ভুলে দ্বিতীয়ার্ধে অবিশ্বাস্যভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে ২-১ ব্যাবধানে জয় তুলে নিয়েছে ব্রাজিল।
<p>&nbsp;</p>

<p>বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে পিছিয়ে পড়েও ম্যাচ জেতার কীর্তি ব্রাজিল সবশেষ দেখিয়েছিল ২০০২ সালে, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে।</p>
</article>

<article>দীর্ঘ ২২ বছর পর আবারও সেই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটাল সেলেসাওরা।
<p>&nbsp;</p>

<p>হিউস্টনে সোমবার ম্যাচের শুরু থেকেই পজিশন কিংবা অন টার্গেট শটে ব্রাজিল এগিয়ে থাকলেও, মাঠের ফুটবলে দাপট দেখিয়েছে জাপানই। দুর্দান্ত আত্মবিশ্বাসে খেলে ম্যাচের ২৯তম মিনিটেই কাইশু সানোর চমৎকার গোলে লিড নেয় এশিয়ান পরাশক্তিরা। ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে থেকেই প্রথমার্ধ শেষ করে ব্রাজিল।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>তবে দ্বিতীয়ার্ধে চেনা ছন্দে ফেরার আভাস দেয় আনচেলত্তির শিষ্যরা। বিরতি থেকে ফিরেই আক্রমণের গতি বাড়ায় তারা। কয়েক মিনিটের ঝড়ে দুটি সহজ সুযোগ নষ্ট করার পর, অবশেষে ৫৬তম মিনিটে আসে সেই কাঙ্ক্ষিত মুহূর্ত। জাপানি ডিফেন্সের দেয়াল ভেঙে ব্রাজিলের মুখে হাসি ফোটান কাসেমিরো। এর পর ম্যাচ জয়ের জন্য মরিয়া হয়ে একের পর এক আক্রমণ চালাতে থাকে হলুদ শিবির।</p>
</article>

<article>কিন্তু জাপানের রক্ষণভাগে কিছুতেই ফাটল ধরানো যাচ্ছিল না। ম্যাচ যখন নিশ্চিত ড্রয়ের দিকে এগোচ্ছে, ঠিক তখনই যোগ করা সময়ের শেষ মুহূর্তে ম্যাজিক দেখান বদলি নামা গাব্রিয়েল মার্টিনেল্লি। তার নাটকীয় গোলে ২-১ ব্যবধানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ব্রাজিল, নিশ্চিত হয় শেষ ১৬-র টিকিট।&nbsp;</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1487-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[সেই ‘চুমুকাণ্ড’ বিতর্কে মুখ খুললেন কঙ্গনা ও বীর]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/28881</link>
    <pubDate>Tue, 30 Jun 2026 09:48:11 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/28881</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1527-22.jpg" />    <article>
<p>এক দশকেরও বেশি সময় পর আবারও আলোচনায় ফিরে এসেছে কঙ্গনা রানাউত ও বীর দাসকে ঘিরে পুরোনো &lsquo;চুমু কাণ্ড&rsquo;। &lsquo;রিভলবার রানি&rsquo; সিনেমার শুটিং চলাকালে একটি ঘনিষ্ঠ দৃশ্য ধারণের সময় &lsquo;কাট&rsquo; বলার পরও কঙ্গনা নাকি বীর দাসকে চুমু খেতে থাকেন, এমনকি তাঁর ঠোঁট কামড়ে রক্ত বের করে দেন&mdash;সম্প্রতি একটি পডকাস্টে ফের এমন দাবি ওঠে।</p>
</article>

<article>তবে এই অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন দুই তারকাই।
<p>&nbsp;</p>

<p>২০১৪ সালে মুক্তি পাওয়া &lsquo;রিভলবার রানি&rsquo; ছবিতে একসঙ্গে অভিনয় করেছিলেন কঙ্গনা ও বীর। যদিও বিতর্কটি প্রথম সামনে আসে ২০২৩ সালে, যখন এক প্রবীণ সাংবাদিক বিষয়টি প্রকাশ্যে আনেন। সে সময় কঙ্গনা ব্যঙ্গ করে লিখেছিলেন, &lsquo;হৃত্বিক রোশনের পর আমি নাকি বেচারা বীর দাসেরও ইজ্জত লুটে নিয়েছি! এটা আবার কবে হলো?&rsquo;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/entertainment/2026/06/28/1704002" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>সম্প্রতি একই অভিযোগ নতুন করে সামনে আসতেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন অভিনেতা ও কমেডিয়ান বীর দাস।</p>
</article>

<article>তিনি লেখেন, &lsquo;সকলে জেনে রাখুন, এই গল্পটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক। কঙ্গনা শুটিং সেটে অত্যন্ত পেশাদার ছিলেন এবং আমি এখনও মনে করি তিনি একজন অসাধারণ প্রতিভাবান শিল্পী। তাঁর বিরুদ্ধে এধরনের অপপ্রচার অন্যায়। আমার কমেডির কনটেন্টের জন্য &lsquo;সন্ত্রাসবাদী&rsquo; বলেছিলেন, কিন্তু শুটিংয়ের সময় আমাদের মধ্যে কোনও সমস্যা ছিল না।</article>

<article>&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>বীরের এই বক্তব্যের জবাবে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে কঙ্গনাও এক্সে লেখেন, &lsquo;ধন্যবাদ বীর। কিন্তু উনি কে? মনে হচ্ছে কোনও অদ্ভুত মানুষ আমাদের নাম ব্যবহার করে নিজের বিকৃত কল্পনাকে তৃপ্ত করছে। আমি নাকি তোমার রক্ত খাচ্ছি আর তুমি এক দশক পরও সেই ট্রমায় কাঁদছ! কী আজগুবি ব্যাপার!&rsquo;</p>

<p>দুই তারকাই যখন একসুরে অভিযোগটি অস্বীকার করেছেন, তখন বিষয়টি প্রথম উত্থাপনকারী সাংবাদিকের পক্ষ থেকে আর কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।</p>

<p>এদিকে কাজের ক্ষেত্রে সম্প্রতি &lsquo;ভারত ভাগ্য বিধাতা&rsquo; ছবিতে দেখা গেছে কঙ্গনা রানাউতকে। ১২ জুন মুক্তি পাওয়া সিনেমাটি দর্শকদের মধ্যে তেমন সাড়া ফেলতে পারেনি।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1527-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[মুস্তাফা মনোয়ারের প্রয়াণে বাংলা একাডেমির শোক]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/28880</link>
    <pubDate>Tue, 30 Jun 2026 09:47:15 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/28880</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1626-11.jpg" />    <article>
<p>বরেণ্য সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও বাংলা একাডেমির সম্মানিত ফেলো চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ারের প্রয়াণে গভীর শোক প্রকাশ করেছে বাংলা একাডেমি। সোমবার (২৯ জুন) একাডেমির মহাপরিচালক মোহাম্মদ আজম এক শোকবার্তায় এই সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>শোকবার্তায় প্রয়াতের আত্মার শান্তি কামনা করা হয় এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানানো হয়।</p>

<p>শোকবার্তায় বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক বলেন, &lsquo;মুস্তাফা মনোয়ার চিত্রকলায় যেমন নিজস্বতার স্বাক্ষর রেখেছেন, তেমনি পাপেটশিল্পের মাধ্যমে কয়েক প্রজন্মের শিশু-কিশোরদের মাঝে শিক্ষামূলক বিনোদনের আলো ছড়িয়েছেন।&rsquo;&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/Politics/2026/06/29/1704355" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>শোক বার্তায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ এ দেশের গণমাধ্যমের সৃজনশীল বিকাশে তার অবদান অবিস্মরণীয়। সুদীর্ঘকাল ধরে দেশের সাংস্কৃতিক জগৎকে তিনি তার উদ্ভাবনময়তা, মেধা এবং শ্রমনিষ্ঠ সাধনায় ঋদ্ধ করে গেছেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>এর আগে নিউমোনিয়াজনিত জটিলতা নিয়ে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ৯০ বছর বয়সী এই গুণী শিল্পী। দীর্ঘ বর্ণিল কর্মজীবনে শিল্পকলায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০৪ সালে তাকে রাষ্ট্রীয় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা &lsquo;একুশে পদক&rsquo;-এ ভূষিত করা হয়।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1626-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[২০৩৮ সালে ৬৪ দলের ফিফা বিশ্বকাপ আয়োজনে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র: হোয়াইট হাউসের বড় ঘোষণা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/28879</link>
    <pubDate>Tue, 30 Jun 2026 00:25:43 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/28879</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/06292026_image01_us_for_fifa2038_host.png" />    <p>ওয়াশিংটন ডিসি: ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের যৌথ আয়োজক হিসেবে ফুটবল উন্মাদনায় ভাসছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। তবে এই টুর্নামেন্টের মাঝপথেই দেশটির নীতিনির্ধারকরা ভবিষ্যতের এক বড় পরিকল্পনার কথা সামনে এনেছেন। ২০২৬ আসর শেষ হতে না হতেই আবারো ফুটবল বিশ্বকাপ আয়োজনের দৌড়ে শামিল হতে চায় আমেরিকা। ২০৩৮ সালের পুরুষ ফুটবল বিশ্বকাপ এককভাবে আয়োজনের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে বিড (আবেদন) করার ব্যাপারে তীব্র ইচ্ছা প্রকাশ করেছে তারা।</p>

<p>হোয়াইট হাউসের ওয়ার্ল্ড কাপ টাস্ক ফোর্সের নির্বাহী পরিচালক অ্যান্ড্রিউ জুলিয়ানি সম্প্রতি ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি স্পোর্টসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই সম্ভাবনার কথা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথেও এই বিষয়ে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে।</p>

<p>ফিফা আগামী ২০৩০ বা ২০৩৮ সালের মধ্যে বিশ্বকাপের পরিধি আরও বাড়িয়ে বর্তমানের ৪৮ দল থেকে সর্বমোট ৬৪ দলের টুর্নামেন্ট করার কথা ভাবছে। অ্যান্ড্রিউ জুলিয়ানি মনে করেন, এত বড় মেগা ইভেন্ট সফলভাবে আয়োজন করার মতো সব ধরনের সক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রের রয়েছে। তিনি বলেন, `ভবিষ্যতে যখন এই বিশ্বকাপ ৬৪ দলের টুর্নামেন্টে রূপ নেবে, আমার বিশ্বাস যুক্তরাষ্ট্র সেটি একাই সামলাতে পারবে। তবে ২০৩৮ সালের পিচ বা চূড়ান্ত প্রস্তাব দেওয়ার আগে আমরা আগামী ১৯ জুলাই চলমান ২০২৬ বিশ্বকাপের সফল সমাপ্তি টানতে চাই।&#39;</p>

<p>বিশ্বকাপের মতো বড় ইভেন্ট আয়োজন করতে গিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে অনেক দেশকেই হাজার কোটি ডলার খরচ করে নতুন স্টেডিয়াম বানাতে হয়েছে, যা পরবর্তীতে অর্থনৈতিক সংকটের সৃষ্টি করেছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেত্রে বিষয়টি সম্পূর্ণ ভিন্ন। টাস্ক ফোর্সের প্রধানের মতে, আমেরিকার রয়েছে বিশ্বমানের সব মেগা-স্টেডিয়াম এবং উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা। তিনি যোগ করেন, `অন্যান্য আয়োজক দেশের যেখানে নতুন পরিকাঠামো তৈরিতে হাজার হাজার কোটি ডলার খরচ করতে হয়, সেখানে আমাদের সব স্টেডিয়াম আগে থেকেই প্রস্তুত রয়েছে। ফলে আমাদের খরচ হবে মাত্র কয়েক বিলিয়ন ডলার।&#39;</p>

<p><img alt="" src="https://khabor.com/upload/images/news/06292026_image01_us_for_fifa2038_host.png" style="width: 1254px; height: 1254px;" />ফিফার মহাদেশীয় পরিক্রমা বা রোটেশন নীতি অনুযায়ী, ২০৩০ সালের বিশ্বকাপ যৌথভাবে ইউরোপ, আফ্রিকা ও দক্ষিণ আমেরিকায় এবং ২০৩৪ সালের আসর এশিয়ায় (সৌদি আরব) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ফলে ২০৩৮ সালের বিশ্বকাপের জন্য উত্তর আমেরিকা অঞ্চলের দেশগুলোই সবচেয়ে সুবিধাজনক অবস্থানে থাকবে। এই সুযোগটিকেই শতভাগ কাজে লাগাতে চায় মার্কিন প্রশাসন।</p>

<p>চলমান ২০২৬ বিশ্বকাপে যেভাবে দর্শক সমাগম ও টিকিটের চাহিদা তৈরি হয়েছে, তাতে বাণিজ্যিক দিক থেকে আরেকটি সফল টুর্নামেন্ট উপহার দিতে আমেরিকা ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে আকর্ষণীয় ভেন্যু হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। ফুটবলপ্রেমীরা মনে করছেন, মার্কিন ফুটবল অবকাঠামোর যে জোয়ার শুরু হয়েছে, ২০৩৮ সালে তা পূর্ণতা পেতে পারে।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/06292026_image01_us_for_fifa2038_host.png</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বাংলাদেশি জনশক্তিকে দক্ষ করতে কাজ করবে সুইজারল্যান্ড : রাষ্ট্রদূত]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28878</link>
    <pubDate>Mon, 29 Jun 2026 10:14:03 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28878</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/937-1.jpg" />    <article>
<p>সুইজারল্যান্ড নিজেদের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের জনশক্তিকে দক্ষ ও আন্তর্জাতিক মানের করে গড়ে তুলতে কাজ করবে বলে জানিয়েছেন দেশটির রাষ্ট্রদূত রেতো রেংগলি।</p>

<p>রবিবার (২৮ জুন) প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা বলেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>রাষ্ট্রদূত বিগত ১৫ বছর ধরে বাংলাদেশ ও সুইজারল্যান্ডের মধ্যকার বিদ্যমান সুসম্পর্ক ও নিবিড় সহযোগিতার কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। বাংলাদেশি যেসব কর্মী বিদেশে অবস্থান করে আবার দেশে ফিরে আসেন, তাদের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পুনর্বাসনের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।</p>

<p>রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডের সম্ভাবনাকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেন, এই বিপুল সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে বৈদেশিক অভিবাসন যেমন গুরুত্বপূর্ণ, ঠিক তেমনি নিজ দেশে পর্যাপ্ত কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা এর চেয়েও বেশি কার্যকর ও গুরুত্বপূর্ণ।</p>

<p>এ সময় মন্ত্রী আরিফুল হক বলেন, বাংলাদেশ ও সুইজারল্যান্ডের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ ও সহযোগিতামূলক সম্পর্ক রয়েছে।</p>
</article>

<article>বাংলাদেশের সামগ্রিক উন্নয়ন, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং নিরাপদ অভিবাসন ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করতে সুইজারল্যান্ড ধারাবাহিক সহযোগিতা দিয়ে আসছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত ও অস্থিতিশীল পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মন্ত্রী বলেন, এই সংকটের কারণে অনেক বাংলাদেশি কর্মী ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন এবং দেশে ফিরে আসতে বাধ্য হচ্ছেন। এ অবস্থায় প্রত্যাবর্তনকারী কর্মীদের পুনর্বাসন, কর্মসংস্থান এবং সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/937-1.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[জলবায়ু সহনশীল বাংলাদেশ গড়তে নারী নেতৃত্বকে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28877</link>
    <pubDate>Mon, 29 Jun 2026 10:13:12 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28877</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/801-99.jpg" />    <article>
<p>বাংলাদেশের জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় নারীর নেতৃত্বকে জাতীয় পর্যায়ের নীতিনির্ধারণ ও বাস্তবায়নের কেন্দ্রবিন্দুতে আনার আহ্বান জানিয়েছেন বিশিষ্টজনেরা। তাদের মতে, স্থানীয় পর্যায়ে নারীদের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা সফল উদ্যোগগুলোকে জাতীয় পর্যায়ে সম্প্রসারণের মাধ্যমেই জলবায়ু সহনশীল বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>রবিবার (২৮ জুন) রাজধানীতে ইউএন উইমেন বাংলাদেশের আয়োজনে &lsquo;এমপাওয়ার-২ : ন্যাশনাল লেসন্স লার্নড অ্যান্ড স্কেল-আপ ওয়ার্কশপ&rsquo;-এ বক্তারা এ কথা বলেন। সুইডেন, সুইজারল্যান্ড, জার্মানি ও নিউজিল্যান্ড সরকারের সহায়তায় পরিচালিত &lsquo;এমপাওয়ার : উইমেন ফর ক্লাইমেট-রেজিলিয়েন্ট সোসাইটিজ (ফেজ-২)&rsquo; প্রকল্পের আওতায় এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।</p>

<p>প্রধান অতিথির বক্তব্যে মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন বলেন, শিক্ষা, দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাসের সমন্বয় ঘটলে নারীরা সমাজে নেতৃত্ব দিতে পারেন। তাই জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে নারীদের প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও দক্ষতা নিশ্চিত করতে হবে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>ইউএন উইমেন বাংলাদেশের প্রতিনিধি গীতাঞ্জলি সিং বলেন, প্রকল্পের মাধ্যমে নারীদের জীবিকা, পরিচ্ছন্ন জ্বালানির ব্যবহার, আত্মবিশ্বাস ও নেতৃত্বের সক্ষমতা বেড়েছে। জলবায়ু অঙ্গীকার তখনই অর্থবহ হয়, যখন তা নারীদের জীবনে বাস্তব পরিবর্তন আনে। তিনি বলেন, লিঙ্গ-সংবেদনশীল জলবায়ু উদ্যোগ একটি বাস্তবসম্মত, সম্প্রসারণযোগ্য ও লাভজনক বিনিয়োগ।</p>

<p>বাংলাদেশ, কম্বোডিয়া ও ভিয়েতনামে ইউএন উইমেন ও ইউএনইপির যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত এ প্রকল্প খুলনা, সাতক্ষীরা, জামালপুর, কুড়িগ্রাম ও কক্সবাজার জেলার ১০টি উপজেলায় বাস্তবায়িত হচ্ছে।</p>
</article>

<article>প্রকল্পের আওতায় ৩৩ হাজার ২৮৪ জন নারী জলবায়ু সহনশীল জীবিকা ও প্রয়োজনীয় সেবার আওতায় এসেছেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>কর্মশালায় কুড়িগ্রামের নারী অ্যাসোসিয়েট ফর রিভাইভাল অ্যান্ড ইনিশিয়েটিভের প্রতিনিধি ফরিদা ইয়াসমিনসহ পাঁচ জেলার নারী জলবায়ু নেত্রীরা তাদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। ফরিদা ইয়াসমিন জানান, এমপাওয়ার প্রকল্প তাদের জ্ঞান, তথ্য ও আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে, ফলে এখন তারা নিজেদের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনায় অংশ নিতে এবং নেতৃত্ব দিতে পারছেন।</p>

<p>অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন ঢাকায় সুইজারল্যান্ড দূতাবাসের সহযোগিতা বিভাগের প্রধান ডিপাক এলমার, জার্মান দূতাবাসের ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন অ্যাডভাইজার রেডিটা রকিব, সুইডেন দূতাবাসের ফার্স্ট সেক্রেটারি ও ডেপুটি হেড অব ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন নায়োকা মার্টিনেজ-ব্যাকস্ট্রোম এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সাইদুর রহমান খান। সম্মানিত অতিথি ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) ড. নুরুন নাহার।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>বক্তারা বলেন, নারীদের নেতৃত্বাধীন জলবায়ু উদ্যোগ সম্প্রসারণ, অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থায়ন বৃদ্ধি এবং লিঙ্গ-সংবেদনশীল জলবায়ু নীতির কার্যকর বাস্তবায়নে সরকার, উন্নয়ন সহযোগী, সুশীল সমাজ ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আরও শক্তিশালী সমন্বয় প্রয়োজন।</p>

<p>নায়োকা মার্টিনেজ-ব্যাকস্ট্রোম বলেন, এমপাওয়ার প্রকল্প স্থানীয় উদ্ভাবন ও অভিযোজন উদ্যোগকে জাতীয় নীতিনির্ধারণের সঙ্গে যুক্ত করার পাশাপাশি স্থানীয় সুশীল সমাজের সক্ষমতা বৃদ্ধিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।</p>

<p>অনুষ্ঠানে এমপাওয়ার বাংলাদেশের ওয়েবপেজ এবং উইমেন ইন ক্লাইমেট অ্যাকশন নেটওয়ার্কের (ডব্লিউসিএএন) সদস্যদের তোলা আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন করা হয়। এছাড়া নবায়নযোগ্য জ্বালানি, জলবায়ু অর্থায়ন, জলবায়ু অভিযোজনে জেন্ডার অ্যাকশন প্ল্যান বাস্তবায়ন এবং নারীর নেতৃত্ব নিয়ে কারিগরি অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। প্রকল্প বাস্তবায়নে অবদানের জন্য বাংলাদেশ সেন্টার ফর কমিউনিকেশন প্রোগ্রামস (বিসিসিপি), মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন এবং ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর এন্টারপ্রাইজ ডেভেলপমেন্টকে (সিইডি) স্বীকৃতি দেওয়া হয়।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/801-99.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[২৯ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28876</link>
    <pubDate>Mon, 29 Jun 2026 10:12:19 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28876</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/995-88.jpg" />    <article>
<p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ সোমবার (২৯ জুন) রাজধানীর শেরে বাংলা নগরের &lsquo;বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র&rsquo; থেকে একযোগে দেশের ২৯ হাজারেরও বেশি মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন।</p>

<p>গতকাল রবিবার (২৮ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষিত ৫ বছরে ২৫ কোটি গাছের চারা লাগানোর লক্ষ্যমাত্রা এবং প্রতিজন শিশুকে প্রতিবছর বৃক্ষরোপণে সম্পৃক্ত করতে &lsquo;ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি&rsquo; কর্মসূচির অংশ হিসেবে দেশের শিক্ষাঙ্গনে এই নতুন সবুজায়ন কর্মসূচি শুরু হয়েছে। এর আওতায় আগামী ৫ বছরে দেশের স্কুল, কলেজ ও মাদরাসায় ৫ কোটি গাছ লাগানোর পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।</p>

<p>বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, শেরে বাংলা নগরের &lsquo;বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে&rsquo; আয়োজিত মূল অনুষ্ঠান থেকে প্রধানমন্ত্রী দুপুর ২টায় মাধ্যমিক পর্যায়ের মোট ২৯ হাজার ৬২১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একযোগে এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ১৮ হাজার ৯০৭টি বিদ্যালয়, ১ হাজার ৪৪৬টি স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং ৯ হাজার ২৬৮টি মাদরাসা রয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>এ কর্মসূচি সোমবার সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও বিশেষ কারণে তা দুপুর ২টায় অনুষ্ঠিত হবে বলে আজ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক আদেশে বলা হয়।</p>

<p>মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে প্রতিবছর প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৫ হাজার টাকা করে বিশেষ জলবায়ু সচেতনতা অনুদান প্রদান করা হচ্ছে। এ বছর কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১টি ফলদ বৃক্ষ, ১টি বনজ বৃক্ষ ও ১টি ঔষধি বৃক্ষ রোপণ করা হবে।</p>

<p>উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি দেশের প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বড় পর্দায় সরাসরি প্রদর্শনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।</p>
</article>

<article>প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট এলাকার মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী, সংসদ সদস্য, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা উপস্থিত থেকে সরাসরি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করবেন।</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/995-88.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[অন্তর্বর্তী সরকারের দুর্নীতি তদন্তের দাবি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28875</link>
    <pubDate>Mon, 29 Jun 2026 10:11:26 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28875</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1117-77.jpg" />    <article>
<p>অন্তর্বর্তী সরকারের সময় যমুনার অন্দরে আর কিনারে হওয়া ভয়াবহ দুর্নীতির তদন্ত করতে দুদককে নির্দেশ দিতে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।</p>

<p>তিনি বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সর্বোচ্চ দুর্নীতি হয়েছে।</p>
</article>

<article>ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। যা তদন্ত হওয়া দরকার। দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের নেতৃত্বাধীন শ্বেতপত্রের রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে এই তদন্ত হতে পারে। আজ রবিবার রাতে জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অধিবেশনে তিনি বিগত সরকারের আমলে হওয়া প্রাতিষ্ঠানিক লুটপাট ও অর্থ পাচারের তীব্র সমালোচনা করার পাশাপাশি অর্ন্তর্বতীকালীন সরকারের ১৮ মাসের সময়কালেরও যাবতীয় কর্মকাণ্ডের ওপর দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) তদন্তের নির্দেশ দিতে প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ জানান। যে তদন্ত প্রতিবেদন জাতির সামনে প্রকাশ দরকার বলে উল্লেখ করেন তিনি।</p>

<p>অন্তর্বর্তী সরকারের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগের কথা তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, &lsquo;জাতীয় নির্বাচন ও জাতীয় স্বার্থে সবাই মিলে একমত হয়ে জুলাই সনদে স্বাক্ষর করা হয়েছে। এরপর অবাধ সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন সরকার দায়িত্ব নিয়েছে।</p>
</article>

<article>গত কয়েকদিন আগে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) একটি রিপোর্ট দিয়েছে, যেখানে বর্তমান সরকারের সময়ে সর্বোচ্চ দুর্নীতির কথা বলা হয়েছে। যদিও সেই পত্রিকা বা রিপোর্টটি এই মুহূর্তে আমার কাছে নেই, তবুও বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন। তাই এই ১৮ মাসের অস্থির সময়ে কোথায় দুর্নীতি হয়েছে, কীভাবে হয়েছে এবং কারা এর পেছনে জড়িত, তার সবকিছুই দুর্নীতি দমন কমিশনের মাধ্যমে খুঁজে বের করা উচিত।&rsquo; বর্তমান সরকারের ভিত্তি হচ্ছে স্বচ্ছতা, তাই যেকোনো ধরনের অভিযোগেরই নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া বাঞ্ছনীয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।
<p>&nbsp;</p>

<p>দেশের অতীত ও বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতির একটি তুলনামূলক চিত্র তুলে ধরেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ।</p>
</article>

<article>তিনি বলেন, &lsquo;বিগত ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে দেশে গণতান্ত্রিক জবাবদিহির অভাবে এক ধরনের লুটেরা অর্থনীতি ও ক্রনি ক্যাপিটালিজম গড়ে উঠেছিল। সেই সময়কালে প্রতি বছর গড়ে ১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং গত ১৫ বছরে সব মিলিয়ে প্রায় ২৯ থেকে ৩০ লক্ষ কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে। ব্যাংকিং খাতে লোন স্ক্যাম, রাজনৈতিক বিবেচনায় ব্যাংক দখল এবং মেগাপ্রজেক্টের নামে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত ব্যয় বাড়িয়ে বিপুল পরিমাণ জনগণের টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বিপজ্জনক ছিল আইনি মোড়কে দুর্নীতি বা লেজিসলেটিভ ম্যানিপুলেটেড করাপশন, যার মাধ্যমে কুইক রেন্টাল ও ক্যাপাসিটি চার্জের মতো বিতর্কিত বিষয়গুলোকে ইনডেমনিটি দিয়ে আইনি বৈধতা দেওয়া হয়েছিল।&rsquo;&nbsp; পাশাপাশি আদম ব্যবসার মাধ্যমে ১৩ লক্ষ ৪০ হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার এবং সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর ৭৩ শতাংশ বরাদ্দ রাজনৈতিক বিবেচনায় অপাত্রে দেওয়ার খতিয়ানও তিনি তুলে ধরেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, &lsquo;বিগত আমলের এই ভঙ্গুর অর্থনৈতিক অবস্থা এবং অর্ন্তর্বতীকালীন সরকারের গত ১৮ মাসের চরম অস্থির সময় পার করে সরকার ৯ লক্ষ ৩৭ হাজার কোটি টাকার বাজেট পেশ করেছে। &nbsp;বৈশ্বিক মুদ্রা ব্যবস্থার পতন ও ভূ-রাজনৈতিক সংকটের মধ্যেও একটি নতুন অর্থনৈতিক ব্যবস্থার বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে। যমুনার অভ্যন্তরে ও কিনারে মিলিয়ে যে বহুমুখী সংকট ছিল, সেই অস্থির সময়ে জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করেই জুলাই সনদে সমঝোতার মাধ্যমে স্বাক্ষর করতে হয়েছে। দেশের মানুষের কল্যাণে বর্তমান নেতৃত্ব সবসময় সময়ের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে। প্রথম ক্যাবিনেট মিটিংয়েই কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত সুদাসল ঋণ মওকুফের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে &lsquo;&nbsp;</p>

<p>এবারের বাজেটকে &lsquo;এ বাজেট অফ নিউ ইকোনমিক অর্ডার&rsquo; আখ্যা দিয়ে সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, &lsquo;পুরাতন ধ্যান-ধারণা থেকে বেরিয়ে ফরাসি অর্থনীতিবিদ ফ্রেডরিক বাস্টিয়া কিংবা ব্রিটিশ অর্থমন্ত্রী উইলিয়াম ইওয়ার্ট গ্ল্যাডস্টোনের জনকল্যাণমুখী দর্শনের আলোকে এই বাজেট তৈরি করা হয়েছে। টেকনাফের সীমান্তের একজন অসহায় বিধবা মহিলাও যেন এই বাজেটের সুফল পান, সেই লক্ষ্যেই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ওপর কোনো ধরনের ট্যাক্স বাড়ানো হয়নি। ফলে এবার বাজেট দেওয়ার আগে পরে কোনো নিত্যপণ্যের দাম বাড়েনি।&rsquo;</p>

<p>বাজেটের মূল দর্শন হিসেবে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং স্মার্ট রূপান্তরের কথা উল্লেখ করে সিঙ্গাপুরের লি কুয়ান ইউ এবং ড. গোহ-এর সীমিত সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহারের সফল মডেলের উদাহরণ দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, &lsquo;নোবেলজয়ী জোসেফ স্টিগলিৎসের তত্ত্বের আলোকেই বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা ও মাল্টি-পোলার বিশ্বে বাংলাদেশকে নিজস্ব সামষ্টিক অর্থনৈতিক নীতি পুনর্বিন্যাস করতে হয়েছে।&rsquo;</p>

<p>স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরো&nbsp;বলেন, &lsquo;বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারের সাথে মিল রেখে এই বাজেটে রাষ্ট্রব্যবস্থার সংস্কার, বৈষম্যহীন আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও ভঙ্গুর অর্থনীতির পুনরুদ্ধারসহ পাঁচটি মূল ভিত্তিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ফ্যামিলি কার্ড, কৃষি কার্ড এবং ইমাম-মুয়াজ্জিনদের জন্য সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীতে ১৭ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।&rsquo; এসময়&nbsp; সকলের সহায়তায় এই বাজেট বাস্তবায়ন সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1117-77.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ইউরোপে নজিরবিহীন তাপপ্রবাহ : ৭ দিনে ১৩০০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28874</link>
    <pubDate>Mon, 29 Jun 2026 10:09:09 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28874</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1234-66.jpg" />    <article>
<p>গত ২১ জুন থেকে ইউরোপজুড়ে চলমান নজিরবিহীন তাপপ্রবাহের কারণে অতিরিক্ত ১ হাজার ৩০০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।</p>

<p>রবিবার (২৮ জুন) ডব্লিউএইচও মহাপরিচালক ড. তেদরোস আধানোম গেব্রেয়াসুসের এক পোস্টের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম <a href="https://www.bbc.com/news/articles/cn4d2vv935lo">বিবিসি</a>।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>তীব্র এই তাপপ্রবাহ ধীরে ধীরে পূর্বদিকে অগ্রসর হচ্ছে। এর প্রভাবে রবিবার মহাদেশটিতে আবারও তাপমাত্রার রেকর্ড ভেঙেছে। জার্মানি, পোল্যান্ড ও চেক প্রজাতন্ত্রে তাপমাত্রার রেকর্ড হয়েছে।</p>

<p>সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ডব্লিউএইচওর প্রধান বলেন, ২১ জুন থেকে ইউরোপের এই উচ্চ তাপমাত্রার সঙ্গে সম্পর্কিত ১ হাজার ৩০০টির বেশি অতিরিক্ত মৃত্যু রেকর্ড হয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>তেদরোস আধানোম বলেন, তাপমাত্রাজনিত চাপকে অনেক সময় &lsquo;নীরব ঘাতক&rsquo; বলা হয়। ইউরোপের ঘরবাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও স্কুলগুলো এমন তাপমাত্রার উপযোগী করে তৈরি করা হয়নি।</p>

<p>&nbsp;রবিবার সকালে ফ্রান্সের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, দেশটিতে গত বুধবার থেকে প্রায় এক হাজার বাড়তি মৃত্যু হয়েছে। সংস্থাটি আরো জানায়, এসব অতিরিক্ত মৃত্যুর একটি বড় অংশই ৬৫ বছরের বেশি বয়সী মানুষের।</p>
</article>

<article>বাড়িতে মানুষের মৃত্যুর হার ৪০ শতাংশ বেড়েছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>ডব্লিউএইচও প্রধান সতর্ক করে বলেন, বিশ্বে মহাসচিব হিসেবে ইউরোপই সবচেয়ে দ্রুত গতিতে উষ্ণ হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, মহাদেশটির লাখ লাখ মানুষ এখন তীব্র গরমের মধ্যে বসবাস করছে। শত শত মানুষের মৃত্যু হয়েছে। স্কুল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং বিদ্যুতের গ্রিডগুলো বিকল হয়ে পড়ছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, রবিবার টানা তৃতীয় দিনের মতো জার্মানি ইতিহাসের সবচেয়ে উষ্ণতম দিন পার করেছে। দেশটির পূর্বাঞ্চলে তাপমাত্রা ৪১ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। পোল্যান্ড সীমান্তের কাছে পূর্ব ব্র্যান্ডেনবার্গের কোশেনের একটি আবহাওয়া স্টেশনে স্থানীয় সময় বিকেল ৪টার দিকে এই তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।</p>

<p>চেক প্রজাতন্ত্রের আবহাওয়া ইনস্টিটিউট সিএইচএমআই জানিয়েছে, দেশটিতে টানা দুই দিনে দুই দফায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে। প্রাগের উত্তরে ডোকসানি অঞ্চলে তাপমাত্রা ৪১ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।</p>

<p>সংস্থাটি আরো জানায়, রবিবার এই তাপপ্রবাহ সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে। তবে পরে পশ্চিমাঞ্চলীয় এলাকাগুলোতে ভারি ঝড়ের পূর্বাভাস রয়েছে।</p>

<p>পোল্যান্ডেও সর্বকালের সর্বোচ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড ভেঙেছে। রবিবার দেশটির সলুবিস শহরে ৪০ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।</p>

<p>এই চরম ভাবাপন্ন আবহাওয়ার জন্য জলবায়ু পরিবর্তনকে দায়ী করেছেন ডব্লিউএইচওর প্রধান। তিনি আবারও সতর্ক করে বলেন, বৈশ্বিক গড়ের চেয়ে দ্বিগুণ গতিতে উষ্ণ হচ্ছে ইউরোপ।</p>

<p>তেদরোস আধানোম বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন ও বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রভাবে এমন পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। প্রজন্মে একবার দেখা দেওয়ার মতো এমন তাপপ্রবাহ এখন প্রায় প্রতিবছরই ঘটছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1234-66.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ছাত্র বিক্ষোভের মুখে পদত্যাগের ঘোষণা সার্বিয়ার প্রেসিডেন্টের]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28873</link>
    <pubDate>Mon, 29 Jun 2026 10:08:24 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28873</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1337-55.jpg" />    <article>
<p>টানা ১৮ মাস ধরে চলা তীব্র সরকারবিরোধী ও ছাত্র বিক্ষোভের মুখে অবশেষে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার ভুচিচ। শনিবার (২৭ জুন) রাজধানী বেলগ্রেডে বিশাল এক সরকারপন্থী সমাবেশে তিনি জানান, <a href="https://www.reuters.com/world/serbia-president-vucic-says-resign-within-weeks-one-year-before-end-mandate-2026-06-27/?fbclid=IwY2xjawStgBZleHRuA2FlbQIxMABicmlkETFmRDh1M3RvS2piSThrNmZjc3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHqV1yY7WG9YYHtdO0d8rS717CGgOb2eepmVMeTczdXxvM2w0ahnzJqQXobsR_aem_mWLp-0tbvoLdC0iRVs6zzg">আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে তিনি পদত্যাগ করবেন এবং দেশে আগাম রাষ্ট্রপতি ও সংসদীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে</a>।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>১২ বছর ধরে দেশটির ক্ষমতায় থাকা ভুচিচের এই আকস্মিক ঘোষণা সার্বিয়ার রাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। ২০২৪ সালের নভেম্বরে সার্বিয়ার নোভি সাদ শহরের একটি রেলস্টেশনের ছাউনিধসে ১৬ জন নিহত হওয়ার পর থেকেই দেশটিতে বিক্ষোভের সূত্রপাত হয়। শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে শুরু হওয়া এই দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলন পরবর্তী সময়ে ব্যাপক আকার ধারণ করে। বিক্ষোভকারী ও বিরোধী দলগুলোর অভিযোগ, সরকারি প্রকল্পগুলোতে চরম দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার কারণেই ওই দুর্ঘটনা ঘটেছিল।</p>
</article>

<article>২০০০ সালের পর এটিকে সার্বিয়ার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় গণবিক্ষোভ বলে মনে করা হচ্ছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>সমাবেশে ভুচিচ বলেন, &lsquo;আমি আর মাত্র কয়েক সপ্তাহ রাষ্ট্রপতি থাকব, তারপর পদত্যাগ করব।&rsquo; উল্লেখ্য, ২০২৭ সালের মাঝামাঝি সময়ে তার বর্তমান মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল। বিশ্লেষকদের মতে, এই পদত্যাগ ভুচিচের রাজনৈতিক জীবনের শেষ নয়, বরং এটি তার একটি নতুন কৌশল।</p>
</article>

<article>সার্বিয়ায় রাষ্ট্রপতির পদটি মূলত আনুষ্ঠানিক হলেও ভুচিচ এত দিন দল ও সরকারের ওপর একক প্রভাব বজায় রেখেছেন। ধারণা করা হচ্ছে, রাষ্ট্রপতি পদ থেকে সরে দাঁড়িয়ে তিনি আগামী সংসদীয় নির্বাচনে অংশ নেবেন এবং তার দল জয়ী হলে তিনি পুনরায় দেশটির &lsquo;প্রধানমন্ত্রী&rsquo; হিসেবে দায়িত্ব নেবেন। এর মাধ্যমে ক্ষমতা-পদবি-নির্বিশেষে ভুচিচের হাতেই থেকে যাবে।
<p>&nbsp;</p>

<p>ওয়ারশভিত্তিক রাজনৈতিক বিশ্লেষক রাদিভোয়ে গ্রুইচ বলেন, এটি মোটেও ভুচিচের শেষ নয়। তার মাথায় ইতিমধ্যেই নতুন পরিকল্পনা আছে এবং তিনি রাজনীতি থেকে অবসর নিচ্ছেন না।</p>
</article>

<article>ছাত্র নেতৃত্বাধীন আন্দোলনের প্রধান সাভো মানোজলোভিচ ভুচিচের এই ঘোষণাকে তাদের আন্দোলনের বিজয় হিসেবে দেখছেন। তিনি বলেন, পদত্যাগ ও আগাম নির্বাচনের ঘোষণা দিয়ে ভুচিচ মূলত তার অবশ্যম্ভাবী পতন ঠেকাতে চাচ্ছেন। কারণ বর্তমানে ছাত্র আন্দোলন ও সাধারণ মানুষের সমর্থন তার চেয়ে অনেক বেশি।
<p>&nbsp;</p>

<p>সমাবেশে ভুচিচ তার সমর্থকদের উদ্দেশে বলেন, বিক্ষোভকারীরা দেশের ক্ষতি করছে এবং তাদের পেছনে বিদেশি শক্তির হাত রয়েছে। তবে একই সঙ্গে তিনি দেশে দুর্নীতি নির্মূল, দরিদ্রদের জন্য পেনশন ও আর্থিক বরাদ্দ বৃদ্ধি এবং স্বাস্থ্য খাতের উন্নতির প্রতিশ্রুতি দেন।</p>

<p>ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সদস্য পদের প্রার্থী দেশ হিসেবে সার্বিয়াকে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠান এবং দুর্নীতি দমনের শর্ত পূরণ করতে হবে। তবে বিরোধী দলগুলোর অভিযোগ, ভুচিচ ও তার সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে দেশে দুর্নীতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হরণ ও বিরোধী মত দমনে লিপ্ত রয়েছেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1337-55.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[‘ধর্মীয় অবমাননা’র অভিযোগ, ১৫ দিন সম্প্রচার বন্ধ জিও নিউজের]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28872</link>
    <pubDate>Mon, 29 Jun 2026 10:07:45 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28872</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1401-44.jpg" />    <article>
<p>পাকিস্তানে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার অভিযোগে দেশটির শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল &lsquo;জিও নিউজে&rsquo;র সম্প্রচার লাইসেন্স ১৫ দিনের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। পাকিস্তানের গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রক সংস্থা (পিইএমআরএ) এই নির্দেশ দিয়েছে বলে জানা গেছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>সংবাদমাধ্যম <strong><a href="https://www.reuters.com/world/asia-pacific/pakistan-watchdog-suspends-geo-news-15-days-over-offensive-religious-broadcast-2026-06-28/?fbclid=IwY2xjawSt_s1leHRuA2FlbQIxMABicmlkETFRQTczUHI5bXlYa2pJM3Qxc3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHijyTVUHQqnKJXGiO4wE90dADk_zNZb7Dl8HkjCGbmLfSFJkRilZNayTMgaC_aem__YaNlSKOt1LHEesbB6nNYQ">রয়টার্সে</a></strong>র এক প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২৬ জুন জিও নিউজে পবিত্র মুহাররম মাস সম্পর্কিত &lsquo;সফর-ই-ইশকে&rsquo; নামক একটি বিশেষ অনুষ্ঠান সম্প্রচার করা হয়।</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/06/28/1704000" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>উক্ত অনুষ্ঠানে কিছু দৃশ্য প্রদর্শন করা হয় যা দর্শকদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করেছে। এতে বিশৃঙ্খলা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিঘ্নিতের ঝুঁকি তৈরি হয় বলে জানিয়েছে পিইএমআরএ।</p>

<p>এদিকে &nbsp;রবিবার (২৮জুন) জিও নিউজ এক বিবৃতিতে ক্ষমা চেয়ে জানিয়েছে, প্রচারিত বিষয়বস্তুটি ভুলবশত সম্প্রচারিত হয়েছিল।</p>
</article>

<article>এটি চ্যানেলটির সম্পাদকীয় অবস্থান বা বিশ্বাসের প্রতিফলন নয়।
<p>&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/06/28/1704018" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>পাকিস্তানের অন্যতম বৃহত্তম বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলটি আরো জানিয়েছে, প্রশ্নবিদ্ধ বিষয়বস্তুটি তাদের সব প্ল্যাটফর্ম থেকে সরিয়ে ফেলা হয়েছে।</p>

<p>স্থানীয় সংবাদমাধ্যম অনুযায়ী, মারকাজি জমিয়ত আহলে হাদিসের প্রধান ইবতিসাম জহির এই অভিযোগটি দায়ের করেন।</p>

<p>তারই প্রেক্ষিতে গত ২৭ জুন রাতে পিইএমআরএ এই স্থগিতাদেশের নোটিশ জারি করে।</p>
</article>

<article>এতে স্যাটেলাইট, ক্যাবল নেটওয়ার্কসহ সব ধরনের ডিস্ট্রিবিউশন প্ল্যাটফর্মে জিও নিউজের সম্প্রচার বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
<p>&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/06/28/1704033" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>বিষয়টি আরো পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত এবং আইনি ব্যবস্থার জন্য পিইএমআরএর কাউন্সিল অব কমপ্লেন্টস বিভাগে পাঠানো হয়েছে।</p>

<p>জিও নিউজ কর্তৃপক্ষকে তাদের সম্পাদকীয় ও মনিটরিং গাফিলতি খতিয়ে দেখতে একটি নিজস্ব অভ্যন্তরীণ তদন্ত পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/sport/2026/06/28/1704013" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>পাকিস্তানে ধর্মীয় সংবেদনশীলতার বিষয়টি অত্যন্ত কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত হয়। ইতিপূর্বেও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম এই ধরনের সংকটের মুখোমুখি হয়েছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1401-44.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ফ্রান্সে স্কাইডাইভিং স্কুলের বেসামরিক বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ১১]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28871</link>
    <pubDate>Mon, 29 Jun 2026 10:06:44 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28871</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1486-33.jpg" />    <article>
<p>ফ্রান্সের পূর্বাঞ্চলীয় টমব্লেইন শহরের স্কাইডাইভিং স্কুলের বেসামরিক বিমান বিধ্বস্তের ঘটনা ঘটেছে। এতে পাইলটসহ ১০ জন আরোহী নিহত হয়েছে।</p>
</article>

<article>নিহত ১০ জন যাত্রীর মধ্যে ৫ জন স্কাইডাইভিংয়ের শিক্ষার্থী এবং ৫ জন প্রশিক্ষক ছিলেন।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p><strong><a href="https://www.aninews.in/news/world/europe/civilian-plane-crashes-in-eastern-france-11-dead20260628175841/?fbclid=IwY2xjawSt-SJleHRuA2FlbQIxMABicmlkETFRQTczUHI5bXlYa2pJM3Qxc3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHpUYkGgS8QqQrS4PK8rhDSbPrs2_AqcoMiHLSTC3rdujC5exubYr_Hen9KuS_aem_cNspZ6vaOJqQ4JOaDPNQvA">রবিবার (২৮ জুন) স্থানীয়</a></strong> সময় ১১টার দিকে বিমানটি ন্যান্সি-এসে বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের পরপরই এ দুর্ঘটনা ঘটে।&nbsp;</p>

<p>বিমানটি উড্ডয়নের পরপরই বিমানবন্দরের ঠিক পাশে টমব্লেইন শহরের একটি সড়কের ওপর আছড়ে পড়ে। বিমানের ভেতরে থাকা ১১ জনই ঘটনাস্থলে প্রাণ হারান।</p>
</article>

<article>এতে অন্য কোনো ব্যক্তি বা স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি।
<p>&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/06/28/1704000" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধারকাজের স্বার্থে স্থানীয় সাধারণ জনগণকে বিমানবন্দরের চারপাশের এলাকা সম্পূর্ণ এড়িয়ে চলতে বলা হচ্ছে।</p>

<p>স্থানীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে <strong><a href="https://www.aljazeera.com/news/2026/6/28/at-least-11-dead-in-civilian-plane-crash-in-eastern-france-authorities">আলজাজিরা</a></strong> আরো জানায়, বিমানটিতে স্কাইডাইভিং করতে যাওয়া একদল লোক ছিল।</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/06/27/1703599" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরেন্ট নুনেজও ঘটনাস্থল পরিদর্শনের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন বলে জানা গেছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার সুনির্দিষ্ট কারণ অনুসন্ধানের জন্য প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্য গ্রহণ ও তদন্তের কাজ শুরু করেছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1486-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[মরক্কোর বিস্ময়বালককে নিয়ে ইউরোপ জায়ান্টদের কাড়াকাড়ি]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/28870</link>
    <pubDate>Mon, 29 Jun 2026 10:05:47 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/28870</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1526-22.jpg" />    <article>
<p>মরক্কোর ফুটবলের নতুন বিস্ময়বালক আয়ুব বুয়াদ্দিকে ঘিরে শুরু হয়েছে ইউরোপের শীর্ষ ক্লাবগুলোর তুমুল প্রতিযোগিতা। মাত্র ১৮ বছর বয়সেই লিলের এই মিডফিল্ডার নিজের প্রতিভার ঝলক দেখিয়ে জায়গা করে নিয়েছেন ম্যানচেস্টার সিটি, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, আর্সেনাল ও বায়ার্ন মিউনিখের নজরে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>ফরাসি সংবাদমাধ্যম আরএমসি স্পোর্ট জানিয়েছে, বুয়াদ্দিকে নিয়ে একাধিক ক্লাব আগ্রহী হলেও তাকে সহজে ছাড়তে রাজি নয় লিল। তরুণ এই মিডফিল্ডারের জন্য ৮০ থেকে ১০০ মিলিয়ন ইউরো ট্রান্সফার ফি দাবি করছে ফরাসি ক্লাবটি। পাশাপাশি, চুক্তি সম্পন্ন হলেও তাকে আরো এক মৌসুম ধারে রেখে দিতে চায় তারা।</p>

<p>বিশেষ করে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের আগ্রহের পেছনে রয়েছে মিডফিল্ড সংকট।</p>
</article>

<article>কাসেমিরোর বিদায়ের পর এবং ম্যানুয়েল উগার্তের দীর্ঘমেয়াদি চোটে নতুন মিডফিল্ডার খুঁজছে ইংলিশ জায়ান্টরা। সেই তালিকার অন্যতম শীর্ষ নাম এখন বুয়াদ্দি।
<p>&nbsp;</p>

<p>অন্যদিকে, ইংলিশ চ্যাম্পিয়ন ম্যানচেস্টার সিটি, আর্সেনাল এবং জার্মান জায়ান্ট বায়ার্ন মিউনিখও নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করছে মরক্কো বংশোদ্ভূত এই প্রতিভাবান ফুটবলারকে। ইউরোপীয় ফুটবলে ভবিষ্যতের অন্যতম সেরা মিডফিল্ডার হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে তাকে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>তবে বুয়াদ্দির ব্যক্তিগত পছন্দের তালিকায় রয়েছে ফরাসি চ্যাম্পিয়ন পিএসজি। যদিও বর্তমান স্কোয়াডে বড় কোনো পরিবর্তন না এলে চলতি গ্রীষ্মে পিএসজির তাকে দলে নেওয়ার সম্ভাবনা কম বলেই মনে করা হচ্ছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1526-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ডেটিং অ্যাপে সঙ্গী খুঁজছেন রাকুল প্রীতের স্বামী?]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/28869</link>
    <pubDate>Mon, 29 Jun 2026 10:05:00 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/28869</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1625-11.jpg" />    <article>
<p>বলিউড অভিনেত্রী রাকুল প্রীত সিং ও অভিনেতা-প্রযোজক জ্যাকি ভাগনানির দাম্পত্য জীবন নিয়ে নতুন করে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি স্ক্রিনশট ঘিরে নেটদুনিয়ায় উঠেছে নানা প্রশ্ন।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>জনপ্রিয় ডেটিং অ্যাপ &lsquo;বাম্বল&rsquo;-এ দেখা গেছে জ্যাকি ভাগনানির নামে একটি ভেরিফায়েড প্রোফাইল। এরপর থেকেই গুঞ্জন&mdash;তবে কি নতুন সঙ্গী খুঁজছেন রাকুল প্রীতের স্বামী?</p>

<p>ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি এক নেটিজেন &lsquo;বাম্বল&rsquo;-এ জ্যাকি ভাগনানির নামে থাকা একটি প্রোফাইলের স্ক্রিনশট সামাজিক মাধ্যম রেডিটে শেয়ার করেন। মুহূর্তেই সেটি ভাইরাল হয়ে যায়। এরপর অনেকেই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেন, রাকুল প্রীত ও জ্যাকির সম্পর্কে কি কোনো ভাঙন ধরেছে, নাকি এটি ভুয়া অ্যাকাউন্ট?</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>ভাইরাল হওয়া স্ক্রিনশটে দেখা যায়, প্রোফাইলটিতে জ্যাকি ভাগনানির অফিশিয়াল ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টের মতো ব্লু-টিক রয়েছে।</p>
</article>

<article>সেখানে পেশা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে &lsquo;চলচ্চিত্র প্রযোজক&rsquo; এবং লোকেশন হিসেবে দেওয়া হয়েছে মুম্বাই।
<p>&nbsp;</p>

<p>তবে বিষয়টি নিয়ে জল্পনার মাঝেই সামনে এসেছে ভিন্ন তথ্য। জ্যাকির ঘনিষ্ঠ একটি সূত্রের দাবি, এটি তার আসল প্রোফাইল নয়। কেউ তার নাম ও ছবি ব্যবহার করে ভুয়া অ্যাকাউন্ট খুলেছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>সূত্রটি জানায়, জ্যাকি কোনো ডেটিং অ্যাপে সঙ্গী খুঁজছেন না। বরং রাকুল প্রীতের সঙ্গে তার দাম্পত্য জীবন সুখেই চলছে। তাই ভাইরাল হওয়া প্রোফাইলটিকে সম্পূর্ণ ভুয়া বলেই দাবি করা হয়েছে।</p>

<p>উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে ভারতের গোয়ায় পারিবারিক সদস্য ও ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হন রাকুল প্রীত সিং ও জ্যাকি ভাগনানি। বিয়ের পর থেকে তারা বলিউডের অন্যতম আলোচিত তারকা দম্পতি হিসেবে পরিচিত।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>অবশ্য বলিউড তারকাদের নাম ও ছবি ব্যবহার করে ডেটিং অ্যাপে ভুয়া প্রোফাইল তৈরির ঘটনা নতুন নয়। এর আগেও হৃত্বিক রোশন, আদিত্য রায় কাপুরসহ একাধিক তারকার নামে এমন ভুয়া অ্যাকাউন্টের খবর সামনে এসেছে।</p>

<p>তবে ভাইরাল হওয়া এই ঘটনার বিষয়ে এখনও পর্যন্ত জ্যাকি ভাগনানি বা রাকুল প্রীত সিং আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেননি।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1625-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিউইয়র্কের ভাড়া-নিয়ন্ত্রিত ২৪ লক্ষ ভাড়াটের জন্য দুই বছরের ভাড়া-বৃদ্ধি শূন্য]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/28868</link>
    <pubDate>Sun, 28 Jun 2026 10:23:44 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/28868</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/407-3.jpg" />    <p>২৫ জুন বৃহস্পতিবার রাত। ম্যানহাটনের ইস্ট হার্লেমের এল মিউজিও দেল বারিও থিয়েটার। ঘরে ঘরে দাঁড়ানোর জায়গা নেই। শত শত ভাড়াটে &mdash; শ্রমিক, অভিবাসী, বয়স্ক মানুষ, তরুণ &mdash; হাতে সাইনবোর্ড নিয়ে বসে আছেন। সাইনে লেখা: &quot;ভাড়া জমাট করো&quot;, &quot;রোলব্যাক চাই।&quot;</p>

<p>রাত সাতটায় নিউইয়র্ক সিটি রেন্ট গাইডলাইন্স বোর্ড (RGB) ভোট দিল। ফলাফল: ৭-১। এক বছর ও দুই বছর &mdash; উভয় মেয়াদের লিজে ভাড়া বাড়বে শূন্য শতাংশ। থিয়েটার ফেটে পড়ল আনন্দে। কেউ কাঁদছেন, কেউ চিৎকার করছেন। মানুষ রাস্তায় নেমে উৎসব করল। নিউইয়র্কের ১৫৭ বছরের ইতিহাসে এই প্রথমবার দুই বছরের লিজেও ভাড়া বৃদ্ধি পুরোপুরি শূন্য রাখা হলো।<br />
<br />
<img alt="" data-mfp-src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/KLP02116.JPG.pagespeed.ce.y2ubCpOO5y.jpg" src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/KLP02116.JPG.pagespeed.ce.y2ubCpOO5y.jpg" /></p>

<p data-added-after="1">নিউইয়র্ক সিটিতে প্রায় ১০ লক্ষ ভাড়া-নিয়ন্ত্রিত (rent-stabilized) অ্যাপার্টমেন্ট আছে। সেখানে বাস করেন প্রায় ২৪ লক্ষ নিউ ইয়র্কবাসী। এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে ২০২৬ সালের ১ অক্টোবর থেকে ২০২৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত করা নতুন লিজের ক্ষেত্রে। এই ভাড়া-নিয়ন্ত্রিত বাড়িগুলো মূলত ১৯৭৪ সালের আগে নির্মিত ছয় বা তার বেশি ইউনিটের ভবন, অথবা বিশেষ সরকারি ভর্তুকি বা ট্যাক্স ছাড়প্রাপ্ত বিল্ডিং।</p>

<p>এই রায় হঠাৎ আসেনি। বছরের পর বছর ধরে লড়েছেন ভাড়াটেরা। গত বছর নিউইয়র্কের ভাড়াটে আন্দোলন রিয়েল এস্টেট লবি ও কর্পোরেট স্বার্থকে পিছু হটিয়ে মেয়র নির্বাচনে নির্ধারক ভূমিকা রেখেছিল। টেন্যান্ট ব্লক ২০,০০০ ভাড়াটের স্বাক্ষর সংগ্রহ করেছিল &mdash; যাঁরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, ভাড়া-জমাট সমর্থনকারী মেয়রকেই ভোট দেবেন। নভেম্বরে ১০ লক্ষ নিউ ইয়র্কবাসী সেই দাবিতে ভোট দিলেন &mdash; এবং মেয়র হলেন জোহরান মামদানি। মামদানি ভোটের পরপরই এই রায়কে &quot;নিউইয়র্ক সিটির ভাড়াটেদের জন্য ঐতিহাসিক বিজয়&quot; বলে আখ্যা দেন।<br />
<br />
<img alt="" data-mfp-src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/Screenshot,P202026-06-27,P20110837.png.pagespeed.ce.EJNfZ7NVlZ.png" src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/Screenshot,P202026-06-27,P20110837.png.pagespeed.ce.EJNfZ7NVlZ.png" /></p>

<p data-added-after="1">CAAAV চায়নাটাউনের ভাড়াটে নেত্রী লিন্ডা লিন বলেন, &quot;শ্রমিক শ্রেণি ও অভিবাসী ভাড়াটেরা ইতিহাস তৈরি করেছেন। রেন্ট গাইডলাইন্স বোর্ড সংখ্যাগরিষ্ঠ ভাড়াটেদের কথা শুনেছে। ভাড়া জমাট শুরু &mdash; আমরা আরও জিততে প্রস্তুত।&quot;</p>

<p>ভোটের আগে দিনটা মসৃণ ছিল না। ভোটের কয়েক ঘণ্টা আগে বোর্ডের মালিকপক্ষের প্রতিনিধি ক্রিস্টিনা স্মিথ পদত্যাগ করেন। তিনি লিখলেন, &quot;বোর্ড তার নিজের তথ্য-প্রমাণ উপেক্ষা করছে, কারণ প্রমাণ যে উপসংহারে নিয়ে যাচ্ছে, রাজনীতি সেটা মানবে না।&quot; তাঁর পদত্যাগের পরও বোর্ডে কোরাম বজায় থাকে। বাকি মালিকপক্ষের প্রতিনিধি মাকসিম ওয়িন দীর্ঘ বক্তব্য দিলেন &mdash; ভাড়াটেরা হইচই করে বক্তব্য ডুবিয়ে দিল। তারপর সবাইকে অবাক করে ওয়িন নিজেও ভাড়া জমাটের পক্ষে ভোট দিলেন। ৭-১ ভোটে পাস হলো ইতিহাসের প্রথম দুই বছরের ভাড়া-জমাট।</p>

<p>আগের মেয়র এরিক অ্যাডামসের আমলে চার বছরে ভাড়া বাড়ানো হয়েছিল মোট ১২ শতাংশ। একই সময়ে ভাড়া-নিয়ন্ত্রিত বাড়ির মালিকদের নিট আয় বেড়েছিল ৩০ শতাংশ। অর্থাৎ, ভাড়াটেদের পকেট থেকে টাকা বেরিয়ে মালিকের তিজোরি ভরেছে। অথচ সেই সময়েই তাপ ও গরম জলের অভিযোগ বেড়েছে।</p>

<p data-added-after="1">এদিকে ট্রাম্প প্রশাসন SNAP, মেডিকেইড, শিশু-সেবা, বাসস্থান সহায়তা কেটে দিচ্ছে। আইস রেইড চলছে। মুদ্রাস্ফীতি থামছে না। এই বাস্তবতায় ভাড়া বৃদ্ধি শূন্য না রাখলে লক্ষ লক্ষ পরিবার রাস্তায় পড়ত। কমিউনিটি সার্ভিস সোসাইটির হিসাব বলছে, এই ভাড়া জমাট নিউ ইয়র্কবাসীদের চার বছরে সাত বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত বাঁচাবে &mdash; মাসে প্রায় ৬০০ ডলার।</p>

<p>মালিকপক্ষ রায়ে ক্ষুব্ধ। রিয়েল এস্টেট বোর্ড অব নিউ ইয়র্কের প্রেসিডেন্ট জেমস হোয়েলান বললেন, &quot;বোর্ড তার নিজের তথ্য উপেক্ষা করে ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পুরনো ভাড়া-নিয়ন্ত্রিত ভবনগুলো ইতিমধ্যে ক্রমবর্ধমান পরিচালন ব্যয়ে চাপে আছে। এই রায় রাজনৈতিকভাবে জনপ্রিয় হতে পারে, কিন্তু নিউইয়র্কের আবাসন সংকট আরও বাড়াবে।&quot; নিউইয়র্ক অ্যাপার্টমেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সিইও কেনি বার্গোস বললেন, এই জমাট &quot;লক্ষ লক্ষ নিউ ইয়র্কবাসীর জীবনযাত্রার মান ধ্বংস করবে।&quot; এক মালিক হুমবের্তো লোপেস বলেন, &quot;আমাদের কর্মী ছাঁটাই করতে হবে। সুপারিনটেনডেন্ট ছাঁটাই করতে হবে। এটা ব্যবসা।&quot; কিন্তু সিটির স্বাধীন বাজেট দপ্তরের রিপোর্ট বলছে ভিন্ন কথা &mdash; ভাড়া-নিয়ন্ত্রিত ভবনে আর্থিক সংকট আসলে সীমিত কিছু মালিকের মধ্যেই। বেশিরভাগ মালিকের অবস্থা মোটেও খারাপ নয়।</p>

<p data-added-after="1">ভোটের পর শত শত ভাড়াটে রাস্তায় নামলেন। গান হলো, নাচ হলো। ব্রঙ্কসের CASA নেত্রী জোয়ান গ্রেল বললেন, &quot;এই দুই বছরের ভাড়া-জমাটের চেয়েও বড় জয় হলো আমাদের সম্মিলিত শক্তিতে বিশ্বাস। মানুষ যখন নিজের ক্ষমতা আবিষ্কার করে, তখন সে ভাবতে শুরু করে &mdash; আর কী সম্ভব? বছরের পর বছর বলা হয়েছে, ভাড়াটেরা কিছু পাল্টাতে পারবে না। আজ আমরা প্রমাণ করলাম &mdash; পারি।&quot; এক ভাড়াটে রিক অর্টিজ বললেন, &quot;আমি বুঝতে পারছি না কীভাবে বলব। বছরের পর বছর এটাই চেয়েছিলাম, কিন্তু কখনো হয়নি।&quot;</p>

<p>টেন্যান্ট ব্লকের নির্বাহী পরিচালক সুমথি কুমার বললেন, &quot;সংগঠিত ভাড়াটেরা আজ ইতিহাস তৈরি করেছেন। এটা প্রতিটি শহরের ও রাজ্যের ভাড়াটেদের জন্য একটা শিক্ষা &mdash; যখন একসাথে লড়ি, তখন জিততে পারি।&quot;<br />
নিউইয়র্কে এতদিন রিয়েল এস্টেট লবি শহর চালাত। বৃহস্পতিবার রাতে সেই সমীকরণ পাল্টে গেল। ২৪ লক্ষ মানুষ &mdash; শ্রমিক, অভিবাসী, প্রবীণ &mdash; দুই বছরের জন্য নিশ্চিন্তে ঘরে থাকতে পারবেন। যদিও ক্ষুব্ধ মালিক পক্ষ।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/407-3.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিউইয়র্কে জামালপুর জেলা সোসাইটির অভিষেকে সম্প্রীতির জয়গান]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/28867</link>
    <pubDate>Sun, 28 Jun 2026 10:23:05 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/28867</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/674-2.jpg" />    <p>নিউইয়র্কে প্রবাসী জামালপুরবাসীর মিলনমেলায় অনুষ্ঠিত হয়েছে জামালপুর জেলা সোসাইটির নতুন কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠান। গত ২১ জুন জ্যামাইকার হিলসাইড এভিনিউর আল আকসা পার্টি হলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কমিউনিটির কল্যাণ ও জামালপুরের উন্নয়নে একযোগে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন নেতৃবৃন্দ।</p>

<p>জহুরুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও এ এস এম আশাফুদৌলাহ লিটনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জামালপুরের কৃতি সন্তান &nbsp;ডা. গোলাম মোক্তাদির এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য ফরিদা ইয়াসমিন। তারা প্রবাসীদের ঐক্যবদ্ধভাবে সমাজ ও দেশের কল্যাণে কাজ করার আহ্বান জানান।</p>

<p>অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সঙ্গীতের পর প্রয়াত সকল জামালপুরবাসীর আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া পরিচালনা করেন হাফেজ মাওলানা মঈনউদ্দিন। এর আগে পবিত্র কুরআন থেকে তিলাওয়াত করেন শিশু আয়ানউল্লাহ তালুকদার।</p>

<p><img alt="" data-mfp-src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/17486(1).jpg" src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/17486(1).jpg" /></p>

<p data-added-after="1">অনুষ্ঠানে জামালপুর সোসাইটির প্রধান উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা লাবলু আনসারের সঞ্চালনায় ১৫ জন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে সম্মাননা জানানো হয়। তারা হলেন, &nbsp;বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলজার হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা রাশেদ আহমেদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল বাশার চুন্নু, বীর মুক্তিযোদ্ধা শরাফ সরকার, বীর মুক্তিযোদ্ধা আলমগীর , বীর মুক্তিযোদ্ধা আশরাফ আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুদ আহমেদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফেরদৌস আলম, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা এনামুল হক, বীর মুক্তিযোদ্ধা জসীমউদ্দিন মাহমুদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজাম্মেল হক, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. ইউসুফ আলী।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p data-added-after="1">পরে ২০২৬ থেকে ২০২৮ মেয়াদের জন্যে গঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দকে শপথ পাঠ করান সাবেক সভাপতি সাঈদুর রহমান শেলী। নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দ হলেন, সভাপতি রবিউল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান বাবু, সহ-সভাপতি মো. দুলাল হোসেন, মিজানুর রহমান, মো, শামীম চৌধুরী, হুমায়ূন কবীর, সুলতান মাহমুদ, শরিফুল ইসলাম মিন্টু এবং শামসুল ইসলাম রাজা, সহ-সাধারণ সম্পাদক নূরউন্নবী নবীন, খোরশেদ আলম , শহিদুল ইসলাম মিন্টু, এবং মো. সোহাগ, সাংগঠনিক সম্পাদক-আহসান তানিন, কোষাধ্যক্ষ মো. আব্দুল লতিফ, আপ্যায়ন সম্পাদক শাকিল আহমেদ, প্রচার সম্পাদক এস এম হাসান আরিফ, দপ্তর সম্পাদক ফরিদুল ইসলাম, ক্রীড়া সম্পাদক সামিউল ইসলাম, সাংস্কৃতিক সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক বাবু, সাহিত্য সম্পাদক আমজাদ হোসেন, মহিলা সম্পাদক জান্নাতুল অন্তরা, সমাজকল্যাণ সম্পাদক মামুনুর রশীদ, গণসংযোগ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন। কার্যকরী সদস্যরা হলেন : ইঞ্জিনিয়ার শফিউল বাদল, মো. খলিলুল্লাহ, জহুরুল ইসলাম, এ এস এম আশাফুদৌলাহ, মো. রফিকুল হাসান শাফি, সামসামুল ইসলাম, রফিকুল ইসলাম বাবলু, মো. নূরল ইসলাম এবং ফয়সাল হক জন তালুকদার।</p>

<p>সংগঠনটির নতুন কমিটির সভাপতি রবিউল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান বাবুর পরিচালনায় অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে নবনির্বাচিত নেতারা প্রবাসী জামালপুরবাসীর কল্যাণে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। শেষে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা &nbsp;উপভোগ করেন অতিথিরা। এতে মনোমুগ্ধকর সঙ্গীত পরিবেশন করে জনপ্রিয় কন্ঠশিল্পী শশী।</p>

<p>অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, সংগঠনটির উপদেষ্টা ইঞ্জিনিয়ার এ কে এম শফিকুল ইসলাম আকন্দ, সহ-সভাপতি সুলতান মাহমুদ, শফিকুল ইসলামসহ প্রমুখ। এ সময় মঞ্চে আরও ছিলেন উপদেষ্টা অজিৎ ভৌমিক, মোস্তাফিজুর রহমান তালুকদার খোকন এবং সদ্বীপ এসোসিয়েশনের আহ্বায়ক সিরাজুল মাওলাসহ অন্যান্যরো। উপদেষ্টামন্ডলীতে আরও রয়েছেন অ্যাডভোকেট মোর্শেদা জামান, ইঞ্জিনিয়ার আমিনুল ইসলাম, সৈয়দ হাসিবুল গণি গালিব, সালাহউদ্দিন কাব্য, ইঞ্জিনিয়ার নাজমুল হাসান এবং মো. লিয়াকত হোসাইন।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/674-2.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিউইয়র্ক  নিউইয়র্কে ‘রইদ’ চলচ্চিত্রের আমেরিকা মুক্তি উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/28866</link>
    <pubDate>Sun, 28 Jun 2026 10:22:34 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/28866</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/936-1.jpg" />    <p>নিউইয়র্কে মেজবাউর রহমান সুমন পরিচালিত &nbsp;চলচ্চিত্র &lsquo;রইদ&rsquo;&ndash;এর মুক্তি উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৪ জুন) রাতে জ্যাকসন হাইটসের সানাই রেস্টুরেন্টে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।</p>

<p>বায়োস্কোপ ফিল্মস আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে চলচ্চিত্রটির উত্তর আমেরিকায় মুক্তির প্রস্তুতি, প্রদর্শনী পরিকল্পনা এবং দর্শকদের প্রত্যাশা নিয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন বায়োস্কোপ ফিল্মসের কর্ণধার রাজ হামিদ। এসময় তার সাথে মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন বিনোদন সাংবাদিক তানভীর তারেক।</p>

<p>রাজ হামিদ জানান, বায়োস্কোপ ফিল্মসের ৫৫তম পরিবেশনা হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় মুক্তি পাচ্ছে &lsquo;রইদ&rsquo;। চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন &lsquo;হাওয়া&rsquo; খ্যাত নির্মাতা মেজবাউর রহমান সুমন।</p>

<p>তিনি বলেন, বাংলা চলচ্চিত্রকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরও বিস্তৃত দর্শকের কাছে পৌঁছে দিতে প্রবাসে এ ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। &lsquo;রইদ&rsquo; উত্তর আমেরিকায় বসবাসরত বাংলা ভাষাভাষী দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/936-1.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[শাহজালাল (রহ.) এর মাজার ‘ব্যবস্থাপনা কমিটি রাজনৈতিক পরিচয়ে হয়নি’]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28865</link>
    <pubDate>Sun, 28 Jun 2026 10:19:31 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28865</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/800-99.jpg" />    <p>হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজার ব্যবস্থাপনা কমিটি রাজনৈতিক পরিচয়ে হয়নি বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। শনিবার দুপুরে সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে ২০২৬ সালে যোগদানকারী নবীন আইনজীবীদের কর্মশালা ও নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।</p>

<p>মাজার ব্যবস্থাপনা কমিটি নিয়ে মন্ত্রী সাফ জানান, এই কমিটিতে কোনো রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনা করা হয়নি বরং প্রতিটি সদস্যকে প্রশাসনিক দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সিলেট-১ আসনের সংসদ-সদস্য হিসাবে পদাধিকার বলে তিনি নিজে এই কমিটির সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন উল্লেখ করে বলেন, এখানে রাজনীতির চেয়ে সেবার মনোভাব ও প্রশাসনিক শৃঙ্খলাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।&nbsp;</p>

<p>সম্প্রতি মাজারের দানবাক্সে তালা দেওয়াকে কেন্দ্র করে আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে শুক্রবার সিলেট সার্কিট হাউজে মাজারের ব্যবস্থাপনা ও উন্নয়ন-সংক্রান্ত বৈঠক হয়। বাণিজ্যমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বৈঠকে মাজারের দানের অর্থের ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে মন্ত্রীকে প্রধান করে ১২ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়, যা আগামী এক মাসের মধ্যে আর্থিক ব্যবস্থাপনার জন্য যৌক্তিক কাঠামো নির্ধারণ করবে।</p>

<p>সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতির উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সমিতির শীর্ষ নেতারা, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন এবং সেখানে মন্ত্রী নবীন আইনজীবীদের পেশাগত দক্ষতা ও সততা বজায় রাখার আহ্বান জানান।&nbsp;</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/800-99.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[মালয়েশিয়া ও চীন সফরে দেশের মানুষের স্বার্থ রক্ষার চেষ্টা করেছি: সংসদে প্রধানমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28864</link>
    <pubDate>Sun, 28 Jun 2026 10:18:48 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28864</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/994-88.jpg" />    <p>মালয়েশিয়া ও চীন সফরে দেশের মানুষের স্বার্থ রক্ষার চেষ্টা করেছি বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, &lsquo;আমি আমার অবস্থান থেকে আমার দেশের, আমার দেশের মানুষের স্বার্থ নিয়ে কথা বলার এবং সেই স্বার্থ রক্ষা করার চেষ্টা করেছি।&rsquo;</p>

<p>শনিবার (২৭ জুন) বেলা ১১ টার দিকে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বাজেট অধিবেশনে তিনি এই মন্তব্য করেন।&nbsp;</p>

<p>প্রধানমন্ত্রী বলেন, &lsquo;বাংলাদেশের মানুষ আমাদেরকে দায়িত্ব দিয়েছে তাদের স্বার্থ দেখার জন্য। আমাদের দলের অবস্থান থেকে আমরা একটি স্লোগান ব্যবহার করি, সেটি হচ্ছে-বাংলাদেশ ফার্স্ট বা বাংলাদেশ প্রথম। আমি আমার অবস্থান থেকে আমার দেশের, আমার দেশের মানুষের স্বার্থ নিয়ে কথা বলার এবং সেই স্বার্থ রক্ষা করার চেষ্টা করেছি।&rsquo;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি আরও বলেন, &lsquo;এখানে আমাদের কারোরই কোনো ব্যক্তিগত কোনো বিষয় নেই। যদি কোনো কিছু অর্জন হয়ে থাকে, ভালো কোনো কিছু অর্জন হয়ে থাকে, এটি বাংলাদেশের অর্জন। এই সফরের মাধ্যমে যদি দেশের মানুষের কোনো অর্জন হয়ে থাকে, সেটি এ দেশের মানুষের অর্জন।&rsquo;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, &lsquo;যেহেতু সংসদের সব সদস্য, বিশেষ করে বিরোধীদলীয় নেতা উনিও দেশের জন্য, দেশের মানুষের পক্ষে কাজ করার জন্য উৎসাহ প্রদান করেছেন, সেজন্য আবারও আমি আমার ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে সকল সদস্যকে, বিরোধীদলীয় নেতাসহ সকল সদস্যকে আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।&rsquo;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>এর আগে ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, সরকার গঠনের চার মাসের মাথায় প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে মালয়েশিয়া ও চীন সফর করেছেন। এই সফরের মধ্য দিয়ে দুই দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।</p>

<p>অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরের ভিত্তি ছিল পারস্পরিক মর্যাদা, পারস্পরিক স্বার্থ, হস্তক্ষেপ না করা এবং কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>বিরোধী দলের নেতা শফিকুর রহমান প্রস্তাব সমর্থন করে বলেন, স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি বাস্তবায়নে বিরোধী দল সরকারকে সহযোগিতা করবে। একই সঙ্গে বিদেশের সঙ্গে মৌলিক চুক্তি সংসদে আনার আহ্বান জানান তিনি।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>বিএনপি সরকার গঠনের পর তারেক রহমান প্রথম বিদেশ সফর হিসেবে গত ২১ জুন মালয়েশিয়া যান। পরদিন মালয়েশিয়ার আনুষ্ঠানিকতা সেরে তিনি চীন সফরে যান। সেখানে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও দেশটির প্রধানমন্ত্রী লি ছিয়াংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। এ সফরে চীনের সঙ্গে ১৭টি সমঝোতা এবং মালয়েশিয়ার সঙ্গে একটি সমঝোতা ও দুটি দলিল বিনিময় করে বাংলাদেশ।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/994-88.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের পথ সামনে খুলবে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28863</link>
    <pubDate>Sun, 28 Jun 2026 10:16:55 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28863</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1116-77.jpg" />    <article>
<p>সামনে রোহিঙ্গা সংকটের সমাধানের পথ খুলবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। শনিবার (২৭ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া ও চীন সফর বিষয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ের সময় এ কথা জানান তিনি।</p>
</article>

<article>সংবাদ ব্রিফিংয়ে ড. খলিলুর রহমান বলেন, &lsquo;রোহিঙ্গা প্রসঙ্গে চীন আমাদের বলেছে যে তারা বাংলাদেশ এবং মায়ানমার দুই পক্ষকে সাহায্য করবে, যাতে দ্রুততার সঙ্গে এই সমস্যাটা সমাধান হয়।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>রোহিঙ্গা ইস্যুতে তিনটি পক্ষ আছে, উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, &lsquo;তিনটা পক্ষের একটা হচ্ছে মায়ানমার, আরেকটা এখন জায়গাটা যাদের অধীনে আছে আরাকান আর্মি এবং বাংলাদেশ। এ ছাড়া রোহিঙ্গা, যারা আমাদের দেশে আশ্রিত আছেন, তারাও একটা পক্ষ।&rsquo;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/dhaka/2026/06/27/1703540" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>তিনি বলেন, &lsquo;প্রধানমন্ত্রী যখন আমাকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেন, মায়ানমারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং আরাকান আর্মিপ্রধান&mdash;উভয় পক্ষই আমাকে অভিনন্দন বার্তা পাঠিয়েছেন।</p>
</article>

<article>আমি বেশি খোলাসা করে বলতে পারব না। সুতরাং আমাদের যোগাযোগ আছে। বর্তমান সরকার যে ধরনের জনসমর্থন নিয়ে এসেছে, যে শক্তিতে এসেছে; আমি বিশ্বাস করি, আগামী দিনগুলোতে আমরা এই সমস্যার সমাধানের একটা পথ দেখতে পাব। আপনারা মনে রাখবেন, আগে দুইবার কিন্তু বিএনপি সরকার রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান করেছে।</article>

<article>এটা সবাই জানে এবং আমরা যে সমাধান করব, এটাও সবাই জানে।&rsquo;</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1116-77.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[‘সিয়াকেও লোহাগড় দুর্গ থেকে ফেলে দেওয়া হোক’]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28862</link>
    <pubDate>Sun, 28 Jun 2026 10:16:08 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28862</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1233-66.jpg" />    <article>
<p>প্রবীণ গোয়েলও পুনেতে ব্যবসা করেন। তবে বিশাল আগরওয়ালের মতো অত বড় ব্যবসায়ী নন তিনি।</p>
</article>

<article>দীর্ঘদিন ধরে গোয়েল ও আগরওয়াল পরিবারের মধ্যে জানাশোনা ছিল। সে জানাশোনাকে আত্মীয়তা বন্ধনে বাধার উদ্যোগ নেয় দুই পরিবার।
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রবীণ গোয়েলের একমাত্র কন্যা সিয়া গোয়েলের সঙ্গে বিশাল আগরওয়ালের একমাত্র ছেলে কেতন আগরওয়ালের বাগদান হয় গত ফেব্রুয়ারিতে। বাগদানের পর থেকে দুই পরিবারে সুখের বন্যা।</p>
</article>

<article>প্রস্তুতি চলছিল আগামী নভেম্বরে জমকালো বিয়ের। কিন্তু সিয়ার মনে ছিল অন্য কিছু। প্রেমিক চেতন চৌধুরীর সঙ্গে মিলে পরিকল্পনা করে গত ১৮ জুন লোহাগড় দুর্গ থেকে ধাক্কা দিয়ে &nbsp;ফেলে হত্যা করেন কেতন আগরওয়ালকে।
<p>&nbsp;</p>

<p>একটি মৃত্যু এলোমেলো করে দিয়েছে দুটি পরিবারকে।</p>
</article>

<article>আগরওয়াল পরিবার তো সন্তান হারিয়ে শোকে কাতর, শোকে স্তব্ধ গোয়েল পরিবারও। কেতন যে তাদের কছেও সন্তানের মতোই ছিল। কেতন হত্যায় সিয়া জড়িত, এটা শোনার পর বাবা প্রবীণ গোয়েলের হার্ট অ্যাটাক হয়। তিনি এখন হাসপাতালে। তাকে দেখাশোনা করতে স্ত্রী পূজা গোয়েল ও ছেলে সাহিল গোয়েলও দিনরাত হাসপাতালেই কাটাচ্ছেন।</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>সিয়া গোয়েলের মা পূজা গোয়েল সাংবাদিকদের বলেছেন, &lsquo;কেতনের মৃত্যু একটি নয়, দুটি পরিবারকে এলোমেলো করে দিয়েছে। কেতনের মৃত্যুতে তাদের (আগরওয়াল পরিবার) মতো আমরাও বেদনার্ত।&rsquo;</p>

<p>কেতনের এমন মর্মান্তিক মৃত্যু বিশ্বাসই হচ্ছে না প্রবীণ গোয়েলের। তিনি বলেন, &lsquo;তারা (আগরওয়াল পরিবার) ছেলে হারিয়েছে। কিন্তু কেতন আমাদের কাছেও ছেলের মতোই ছিল। আমরা তাকে অনেক ভালোবাসতাম। অল্প দিনে তার সঙ্গে আমার গভীর সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল, মনে হতো কেতন আমার আরেকটি ছেলে। এমন সম্ভাবনাময়, ভালোবাসার সন্তান হারিয়ে আমরাও শোকে কাতর।&rsquo;</p>

<p>কেতনের সঙ্গে চমৎকার সম্পর্কের স্মৃতিচারণা করে প্রবীণ গোয়েল বলেন, &lsquo;মেয়ের বিয়েকে সামনে রেখে বাড়ি সংস্কারের কাজ করছিলাম। কেতন এসে বলত, পাপাজি প্লাম্বিং, মার্বেলের কাজ বা ফার্নিচারের কাজ; যেকোনো কাজে আমাকে বলবেন। আমি সব সামাল দেব। সে কখনো না বলত না।&rsquo;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/06/27/1703544" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>কেতনকে যেমন গোয়েল পরিবার সন্তানের মতো আদর করত, সিয়াকেও গভীর ভালোবাসায় বরণ করে নিয়েছিল আগরওয়াল পরিবার। বিয়েকে সামনে রেখে নানা অনুষ্ঠান চলছিল। সিয়ার জন্মদিন উদযাপনেও নানা পরিকল্পনা ছিল তাদের।</p>

<p>সিয়ার মা পূজা বলেন, &lsquo;দুজনকে খুব সুখী মনে হচ্ছিল। এ জুটিকে ঘিরে আমাদের অনেক আশা ছিল, ভালোবাসা ছিল।&rsquo;</p>

<p>সিয়ার পরিবার চেতনের সঙ্গে তার সম্পর্ক জেনেও গোপন করেছিল, আগরওয়াল পরিবারের এমন অভিযোগ অস্বীকার করেছে গোয়েল পরিবার। সিয়ার মা পূজা বলেছেন, &lsquo;আমরা চেতনকে চিনতাম না। সে কখনো আমাদের বাসায় আসেনি। তাকে আমরা কখনো দেখিনি।&rsquo;</p>

<p>সিয়া গোয়েলের ভাই সাহিল গোয়েলও চেতনের সঙ্গে বোনের সম্পর্কের কথা জানতেন না। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানিয়েছেন, সিয়া যদি তাদের কিছু জানাত তাহলে প্রয়োজনে তারা বিয়ে ভেঙে দিত।</p>

<p>শুক্রবার পুলিশ সিয়ার ভাইকে ডেকে এনে ১০ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। সিয়া ও চেতন ৭ দিনের পুলিশ রিমান্ডে আছেন। পুলিশ সিয়ার ভাই ছাড়াও আরো ৭ জনকে থানায় ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। তদন্তের প্রয়োজনে দুই পরিবারের সদস্য ও দুই অভিযুক্তের বন্ধুদেরও ডাকা হতে পারে।</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/country-news/2026/06/27/1703548" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>একমাত্র ছেলের অভিযুক্ত হত্যাকারী সিয়া গোয়েলের প্রতি আগরওয়াল পরিবারের ক্ষোভ তো আছেই, সুখের আয়োজনে বেদনার কালি লেপে দেওয়ায় সিয়ার প্রতি গোয়েল পরিবারের ক্ষোভও কম নয়। প্রথমে দোষী হলে সিয়া গোয়েলের সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসি চেয়েছিলেন তার মা-বাবা। এখন তাদের রাগ আরো বেশি।</p>

<p>প্রবীণ গোয়েল ও পূজা গোয়েল অভিন্ন কণ্ঠে বলেন, &lsquo;কেতনকে যে বা যারা লোহাগড় দুর্গে ধাক্কা দিয়ে ফেলেছিল, তাদেরও যেন ঠিক সেখান থেকেই ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়া হয়, এমনকি সে যদি আমাদের মেয়েও হয়।&rsquo;</p>

<p>সিয়াকে লোহাগড় দুর্গ থেকে ধাক্কা দিয়ে না ফেললেও পুলিশ মানুষের আকারের একটি বস্তু ধাক্কা দিয়ে ফেলেছে। ঘটনাটি যেভাবে ঘটেছে, সেটি নতুন করে মঞ্চায়নের চেষ্টা করছে পুলিশ। তদন্তের স্বার্থে সবগুলো ঘটনা এক সুতায় গাঁথতে চাইছে। ঠিক যেখান থেকে কেতনকে ধাক্কা দেওয়া হয়েছিল, পুলিশ ঠিক সেখান থেকেই কেতনের আকৃতির একটি বস্তু ধাক্কা দিয়ে ফেলে। পুলিশ আসলে বুঝতে চাইছে, কেতনকে ধাক্কাটা চেতন বা সিয়া একা দিয়েছিল নাকি দুজন মিলে দিয়েছিল।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1233-66.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[করাচিতে রেঞ্জার্স সদর দপ্তরে সশস্ত্র হামলা, ৩ নিরাপত্তাকর্মীসহ নিহত ৭]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28861</link>
    <pubDate>Sun, 28 Jun 2026 10:15:13 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28861</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1336-55.jpg" />    <article>
<p>পাকিস্তানের করাচিতে&nbsp;সিন্ধু&nbsp;রেঞ্জার্স সদর দপ্তরে সশস্ত্র হামলায় অন্তত ৩ নিরাপত্তাকর্মী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ৪ হামলাকারীও নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির পুলিশ।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>শনিবার (২৭ জুন) সন্ধ্যায় করাচির পূর্বাঞ্চলের গুলিস্তান-ই-জওহর এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।&nbsp;আলজাজিরার এক <a href="https://www.aljazeera.com/news/2026/6/27/explosion-and-gunfire-reported-in-pakistans-karachi">প্রতিবেদনে</a> এ তথ্য জানা যায়।</p>

<p>সিন্ধু পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজি) জাভেদ আলম ওধো জানান, প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, হামলাকারীরা বিস্ফোরকবোঝাই একটি গাড়ি নিয়ে রেঞ্জার্সের সদর দপ্তরের প্রধান ফটকে আঘাত করে। এরপর কয়েকজন ভারি অস্ত্রধারী হামলাকারী সদর দপ্তরে ঢুকে পড়ে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>তবে এসময় বিস্ফোরণ ঘটেছিল কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি বলে জানান তিনি।</p>

<p>এদিকে ঘটনার পর সিন্ধুর মুখ্যমন্ত্রী সৈয়দ মুরাদ আলি শাহ হামলার বিষয়ে কড়া পদক্ষেপের কথা জানিয়ে একটি বিবৃতি দেন। এতে বিস্ফোরণ ও গুলির ঘটনার বিষয়ে প্রতিবেদন চেয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন।</p>

<p>হামলার পর আশপাশের পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে নিরাপত্তা বাহিনী।</p>
</article>

<article>সেখানে বিশেষ নিরাপত্তা ইউনিট (এসএসইউ), অ্যান্টি-টেররিস্ট ফোর্স এবং রেঞ্জার্স সদস্যরা যৌথভাবে অভিযান চালাচ্ছেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>এখন পর্যন্ত কোনো সংগঠন হামলার দায় স্বীকার করেনি।</p>

<p>সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তানের বিভিন্ন অঞ্চলে নিরাপত্তা বাহিনীকে লক্ষ্য করে সশস্ত্র হামলার ঘটনা বেড়েছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1336-55.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ভূমিকম্পে বিপর্যস্ত ভেনিজুয়েলা, মৃত্যু ১৪০০ ছাড়াল]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28860</link>
    <pubDate>Sun, 28 Jun 2026 10:14:25 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28860</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1400-44.jpg" />    <article>
<p>ভেনিজুয়েলায় শক্তিশালী জোড়া ভূমিকম্পের আঘাতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ৪৩০ জনে দাঁড়িয়েছে। আহত হয়েছেন আরো অন্তত ৩ হাজার ২৩৮ জন।</p>
</article>

<article>&nbsp;<a href="https://www.bbc.com/news/live/c30yv0jp2nyt?post=asset%3A0df02ad6-34f5-43e1-9e30-b944052b43d6#post">বিবিসির</a> এক তাৎক্ষণিক বার্তায় এ তথ্য জানা গেছে।

<p>&nbsp;</p>

<p>দেশটিতে এক শতকের বেশি সময়ের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ এই ভূমিকম্পে বহু ভবন ধ্বংসস্তূপে রূপ নিয়েছে।</p>

<p>ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়া লোকজনকে উদ্ধারে ধীরগতির উদ্ধারকাজের জন্য সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে।</p>

<p>দেশটির সরকারি তথ্য অনুযায়ী, গত বুধবার সন্ধ্যায় রাজধানী কারাকাস ও এর আশপাশের এলাকায় আঘাত হানা জোড়া ভূমিকম্পের পর ১৭২ জন এখনো ধ্বংসস্তূপে আটকা পড়ে আছেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>ভূমিকম্পের পর থেকে ৫০ হাজারের বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।</p>

<p>উদ্ধারকাজ চলাকালে গত শুক্রবার আবার ভেনিজুয়েলায় ভূমিকম্প আঘাত হানে। ৪ দশমিক ৯ তীব্রতা তুলনামূলক মৃদু এ ভূকম্পন রাজধানী কারাকাস এবং কাছাকাছি মারাকাই শহরে অনুভূত হয়েছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1400-44.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[দ্বিতীয় দফায় বাণিজ্যিক জাহাজে হামলায় ইরানে আবার যুক্তরাষ্ট্রের হামলা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28859</link>
    <pubDate>Sun, 28 Jun 2026 10:13:41 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28859</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1485-33.jpg" />    <article>
<p>হরমুজ প্রণালিতে একটি বাণিজ্যিক জাহাজে ড্রোন হামলার পরিপ্রেক্ষিতে&nbsp;ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটেছে। <a href="https://www.bbc.com/news/articles/cdxdwkgqgq0o?fbclid=IwY2xjawStZnxleHRuA2FlbQIxMABicmlkETFFMFhhYWZsQ0drU3J0YWp5c3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHmSxetXCkb3CDgeR69j0J29oDzEleYwhCs0xhNETp52FxIGaobw08cu0D11L_aem_2FZcDQ5HbsnN1UBjCnNDVQ">মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে</a>, পানামার পতাকাবাহী একটি তেলবাহী ট্যাংকারে ইরানি ড্রোন হামলার জবাবে তারা ইরানের একাধিক সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে।</p>
</article>

<article>এর প্রতিক্রিয়ায় ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) কুয়েত ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>সেন্টকমের পক্ষ থেকে জানানো হয়, হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাওয়ার সময় &lsquo;এমটি কিকু&rsquo; নামের একটি বাণিজ্যিক ট্যাংকারকে লক্ষ্য করে ইরান আত্মঘাতী ড্রোন পাঠায়। এতে দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত যুদ্ধবিরতি চুক্তির লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এর জবাবে শনিবার (২৭ জুন) রাতে ইরানের সামরিক সরঞ্জাম, যোগাযোগ ব্যবস্থা, বিমান প্রতিরক্ষাকেন্দ্র ও ড্রোন মজুদ রাখার স্থাপনায় বিমান হামলা চালায় মার্কিন বাহিনী।</p>
</article>

<article>এর আগে ২৫ জুন সিঙ্গাপুরের একটি পণ্যবাহী জাহাজে হামলার জবাবেও ইরানের ওপর হামলা চালিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র।
<p>&nbsp;</p>

<p>মার্কিন হামলার পর আইআরজিসি এক বিবৃতিতে জানায়, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পাঁচটি উপকূলীয় চৌকিতে হামলা চালিয়েছে। এর প্রতিশোধ হিসেবে কুয়েত ও বাহরাইনে মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে ইরান পাল্টা ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। আইআরজিসি সতর্ক করেছে যে যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপ দুই দেশের মধ্যকার সমঝোতা চুক্তির পরিপন্থী এবং এর ফলে শান্তিপ্রক্রিয়া পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাবে।</p>
</article>

<article>এই ঘটনার পর কুয়েত ও বাহরাইন তাদের নিজ নিজ বিমান প্রতিরক্ষাব্যবস্থা সক্রিয় করেছে এবং নাগরিকদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>এই হামলার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম &lsquo;ট্রুথ সোশ্যাল&rsquo;-এ এক পোস্টে তেহরানের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ইরান যদি যুদ্ধবিরতি চুক্তি মেনে না চলে, তবে চলমান আলোচনা অবিলম্বে বন্ধ করে দেওয়া হবে এবং সংকট সমাধানে চূড়ান্ত সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।</p>

<p>বিশ্বের তেল ও গ্যাস পরিবহনের জন্য হরমুজ প্রণালি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জলপথ। গত ফেব্রুয়ারি মাসে এই অঞ্চলে সামরিক উত্তেজনার কারণে এটি বন্ধ হয়ে গেলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম অনেক বেড়ে যায়।</p>
</article>

<article>পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গত ১৭ জুন একটি ১৪-দফা সমঝোতা স্মারক সই হয়, যেখানে ইরান ৬০ দিনের জন্য এই রুটে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে সম্মত হয়েছিল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে এই প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোর ওপর ইরানের টোল আদায়ের প্রচেষ্টা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়। মার্কিন কর্মকর্তারা এর নিন্দা জানিয়ে একে আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক আইনের লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছেন। অন্যদিকে, ইরানের প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালির শাসনব্যবস্থা আর আগের অবস্থায় ফিরবে না।</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1485-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[শতভাগ জয় নিয়ে গ্রুপপর্ব শেষ আর্জেন্টিনার]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/28858</link>
    <pubDate>Sun, 28 Jun 2026 10:12:40 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/28858</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1525-22.jpg" />    <article>
<p>লিওনেল মেসি ছিলেন না শুরুর একাদশে। তবু প্রথমার্ধে দুই গোল করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় আর্জেন্টিনা।</p>
</article>

<article>দ্বিতীয়ার্ধে জর্ডান একটি গোল শোধ দিলেও বদলি হিসেবে নেমে আবারও নিজের ছাপ রাখলেন মেসি। তার দারুণ এক ফ্রি-কিকের গোলে শেষ পর্যন্ত ৩-১ ব্যবধানে জয় নিয়ে গ্রুপপর্ব শেষ করেছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
<p>&nbsp;</p>

<p>ডালাস স্টেডিয়ামে &lsquo;জে&rsquo; গ্রুপের শেষ ম্যাচে শুরু থেকেই একচেটিয়া আধিপত্য দেখায় লিওনেল স্কালোনির দল। ১৯ মিনিটে দুর্দান্ত এক ফ্রি-কিক থেকে জিওভানি লো সেলসো গোল করে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে দেন।</p>
</article>

<article>এরপর ৩১ মিনিটে ভিএআর দেখে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন রেফারি। স্পট-কিক থেকে বিশ্বকাপে নিজের প্রথম গোল করেন লাওতারো মার্তিনেজ।
<p>&nbsp;</p>

<p>দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই আর্জেন্টিনা আরো একটি গোল পেলেও অফসাইডের কারণে তা বাতিল হয়। এরপর ৫৫ মিনিটে ডান প্রান্ত থেকে এহসান হাদ্দাদের নিচু ক্রসে বদলি খেলোয়াড় মুসা আল-তামারি গোল করে ব্যবধান কমান।</p>
</article>

<article>এই গোলের মধ্য দিয়ে চলতি বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো গোল হজম করে আর্জেন্টিনা।
<p>&nbsp;</p>

<p>গোল হজমের পাঁচ মিনিট পর, ৬০ মিনিটে মাঠে নামেন লিওনেল মেসি। বেঞ্চ থেকে নেমেই আক্রমণে গতি আনেন তিনি। ৮০ মিনিটে বক্সের ঠিক বাইরে ফাউলের শিকার হলে ফ্রি-কিক থেকে নিখুঁত বাঁকানো শটে বল জালে জড়িয়ে দেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। এই গোলে ম্যাচের সব অনিশ্চয়তার ইতি টেনে ৩-১ ব্যবধানের জয় নিশ্চিত করে আর্জেন্টিনা।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>এটি ছিল চলতি বিশ্বকাপে মেসির ষষ্ঠ গোল এবং বিশ্বকাপ ইতিহাসে তার ১৯তম গোল। পাশাপাশি টানা সাতটি বিশ্বকাপ ম্যাচে গোল করে নতুন এক অনন্য কীর্তিও গড়েছেন তিনি।</p>

<p>গ্রুপপর্বে টানা তিন ম্যাচ জিতে পূর্ণ ৯ পয়েন্ট নিয়ে &lsquo;জে&rsquo; গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হিসেবে রাউন্ড অব ৩২-এ উঠেছে আর্জেন্টিনা। অন্যদিকে তিন ম্যাচেই হেরে বিশ্বকাপ অভিষেক শেষ করল জর্ডান।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1525-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[কঠিন সময়ের মধ্যেই মা হওয়ার সিদ্ধান্ত সামান্থার]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/28857</link>
    <pubDate>Sun, 28 Jun 2026 10:11:51 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/28857</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1624-11.jpg" />    <p>দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভু অভিনেতা নাগা চৈতন্যের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের পর দীর্ঘদিন মানসিক যন্ত্রণায় ভুগছিলেন। এর পাশাপাশি শারীরিকভাবেও ছিলেন অসুস্থ। অবশেষে ২০২৫ সালের ১ ডিসেম্বর পরিচালক রাজ নিদিমোরুর সঙ্গে ঘরোয়া পরিবেশে বিয়ে সারেন অভিনেত্রী। যদিও একটা উদ্বেগ ও ভয় সর্বক্ষণ তার মনে বসে রয়েছে।&nbsp;</p>

<p>সম্প্রতি নিজ সিনেমার প্রচার অনুষ্ঠানে অংশ নেন সামান্থা রুথ প্রভু। সেখানে তার স্ফীতোদরের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ্যে আসে। এবার অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার জল্পনায় সিলমোহর দিলেন তিনি। &lsquo;মা ইনতি বঙ্গারাম&rsquo; সিনেমার সাফল্য উদযাপনের অনুষ্ঠানে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময়ে অভিনেত্রী মা হওয়ার কথা স্বীকার করে নেন।&nbsp;</p>

<p>তিনি নিজের জীবনে নতুন একটা অধ্যায় শুরু করতে চলেছেন। যার ফলে আবার একটা বিরতি নিতে হবে তাকে। যদিও বছর চারেক আগে যখন অভিনেত্রীর &lsquo;মায়োসাইটিস&rsquo; ধরা পড়ে, তখনও দুই বছরের বেশি সময় কাজ করেননি তিনি। সেই সময়ে সাবেক স্বামী নাগা চৈতন্যের সঙ্গে বিচ্ছেদ হয় তার। তারপর বেশ উত্থান-পতন ও শারীরিক-মানসিক যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে সামান্থাকে। এসব সামলেই নাগার সঙ্গে বিচ্ছেদের বছর চারেকের মধ্যে আবার বিয়ে করেন অভিনেত্রী।&nbsp;</p>

<p>এর আগে ২০২২ সালে নিজের সিনেমা &lsquo;যশোদা&rsquo;র প্রচারের সময়ে সামান্থা প্রথম জানিয়েছিলেন যে, তিনি মায়োসাইটিসে আক্রান্ত। এটিকে পেশিপ্রদাহ বলা হয়। এর ফলে পেশিতে অসহ্য যন্ত্রণা অনুভব করতেন অভিনেত্রী। তার নড়তে-চড়তে বেশ কষ্ট হতো। তাই অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর এই ভয় সার্বক্ষণিক তাড়া করছে তাকে। এবার যেন কোনো ব্যথাযন্ত্রণা সহ্য করতে না হয়।&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সামান্থা বলেন, &lsquo;প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠে আমি প্রার্থনা করি&mdash;আজ যেন কোনো যন্ত্রণা সহ্য করতে না হয়। এবং সারাদিন ভালোভাবে কাটানোর মতো শক্তি ও সামর্থ্য যেন আমার থাকে। তিনি বলেন, আসলে মনে মনে ভয় পাই&mdash; হয়তো দিনটা পার করার মতো যথেষ্ট জোর থাকবে না। তাই যখন আমাকে প্রথম &lsquo;মা ইনতি বঙ্গারাম&rsquo; সিনেমার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল, আমি বেশ ভয় পেয়েছিলাম। আমি জানতাম না যে, আমি এটা করতে পারব কিনা বা আমার শরীর সায় দেবে কিনা। যখন আপনার সামনে কিছু বিধিনিষেধ ও সীমাবদ্ধতা থাকে, তখন আপনি চাইবেন প্রতিটা দিনকে কাজে লাগাতে।&rsquo;&nbsp;</p>

<p>সামান্থা সব সময়ে মা হতে চেয়েছেন। সাবেক স্বামী নাগার সঙ্গে সন্তানের ইচ্ছা ছিল তার। সে কথা প্রকাশ্যে বলেছেনও তিনি। অভিনেত্রী বলেন, মা হওয়ার পর তার পুরো পৃথিবী হবে সেই সন্তান।&nbsp;</p>

<p>অভিনেত্রীর শৈশব খুব সুখের ছিল না, তাই তিনি চান তার সন্তানকে যেন কোনো&nbsp; খারাপ অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে না হয়। তিনি যা একসময় পাননি, সেসব কিছু যেন সন্তান পায়। সামান্থা নিজেই সম্প্রতি জানিয়েছেন, সন্তান হওয়ার পর প্রথম কয়েক বছর তিনি সন্তানকেই সময় দেবেন।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1624-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[দেশের সীমান্তে একজনকেও অবৈধভাবে পুশ-ইন হতে দেওয়া হয়নি-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28856</link>
    <pubDate>Sat, 27 Jun 2026 09:54:27 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28856</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1115-77.jpg" />    <p><strong>বিজিবির কঠোর নজরদারির কারণে দেশের সীমান্তে একজনকেও অবৈধভাবে পুশ-ইন হতে দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।</strong></p>

<p>বিজ্ঞাপন</p>

<p>শুক্রবার (২৬ জুন) সকালে ঢাকায় ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন প্রাঙ্গণে মাদকের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর আয়োজিত আলোচনাসভা ও পুরস্কার বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এ কথা জানান।</p>

<p>মন্ত্রী বলেন, কোনো যাচাই-বাছাই ছাড়া বর্ডারে কাউকে এনে পুশ-ইন করিয়ে দেওয়া কোনো যথাযথ বা আন্তর্জাতিক প্রক্রিয়া নয়।&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যদি ভারতের কাছে এমন কোনো বাংলাদেশী নাগরিকের তালিকা থাকে যারা সে দেশে অবৈধভাবে অবস্থান করছে, তবে তারা কূটনৈতিক বা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে তা সরবরাহ করতে পারে। বাংলাদেশ সরকার নিয়মতান্ত্রিকভাবে তাদের জাতীয়তা যাচাই (ন্যাশনালিটি ভেরিফিকেশন) করবে এবং সত্যতা সাপেক্ষে আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের ফেরত নিয়ে আসবে।&nbsp;</p>

<p>তিনি বলেন, ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভায় ১০ হাজার মানুষকে পুশব্যাকের যে দাবি করা হয়েছে, তার কোনো সত্যতা বা দালিলিক পরিসংখ্যান বাংলাদেশ সরকারের কাছে নেই।</p>

<p>সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) দেশের প্রতিটি সীমান্তে অত্যন্ত প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করছে এবং সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় রয়েছে। ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) পক্ষ থেকে যেকোনো ধরনের অনুপ্রবেশ বা পুশ-ইনের চেষ্টা বিজিবি সফলভাবে প্রতিহত করছে। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের সাম্প্রতিক নির্বাচনের পর রাজনৈতিক এজেন্ডার অংশ হিসেবে সীমান্তে এ ধরনের তৎপরতা প্রদর্শনের চেষ্টা করা হয়ে থাকতে পারে বলে মন্ত্রী মন্তব্য করেন।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>শহীদ ওসমান হাদী হত্যাকাণ্ডের সর্বশেষ আপডেট জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত প্রধান অভিযুক্তদের মধ্যে তিনজনকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ থেকে দেশটির আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গ্রেপ্তার করেছে। ভারতীয় আইন অনুযায়ী সেখানে মামলা দায়েরের পর আসামীদের বিচারিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।</p>

<p>তিনি বলেন, বাংলাদেশ সরকার এই চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের অসম্পন্ন তদন্ত কাজ সুচারুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে দুই দেশের মধ্যকার অপরাধী প্রত্যর্পণ (এক্সট্রাডিশন) চুক্তি মোতাবেক প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, আইনি পরোয়ানা (ওয়ারেন্ট) সহকারে আসামীদের ফেরত পাওয়ার আবেদন ইতোমধ্যে পাঠিয়েছে। বাংলাদেশ পক্ষ আসামীদের দ্রুত হস্তান্তরের বিষয়ে আশাবাদী।</p>

<p>সাবেক পুলিশ প্রধান বেনজীর আহমেদের অবস্থান ও তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার অগ্রগতির বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) ফেডারেল পুলিশ বেনজীর আহমেদকে গ্রেপ্তারের পর আবুধাবি থেকে বাংলাদেশ সরকারকে ইমেইলের মাধ্যমে অবহিত করা হয়। ওই বার্তায় পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাঠানোর অনুরোধ করা হয়।&nbsp;</p>

<p>তিনি বলেন, বাংলাদেশ সরকার অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে মাত্র ৩ দিনের মধ্যে সমস্ত আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক নথিপত্র প্রস্তুত করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ইউএই সরকারের নিকট প্রেরণ করেছে। কয়েকদিন পূর্বে আবুধাবিতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস এই নথিপত্র ইউএই কর্তৃপক্ষের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছে।&nbsp;</p>

<p>বর্তমানে বেনজীর আহমেদ সে দেশের ফেডারেল পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকারের পক্ষ থেকে চূড়ান্ত প্রত্যুত্তরের জন্য বাংলাদেশ অপেক্ষা করছে এবং আশা করা হচ্ছে খুব শীঘ্রই পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানা যাবে।</p>

<p>প্রেস ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকিরসহ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1115-77.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28855</link>
    <pubDate>Sat, 27 Jun 2026 09:53:01 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28855</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1232-66.jpg" />    <article>
<p>মালয়েশিয়া ও চীনে রাষ্ট্রীয় সফর শেষে ঢাকায় ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তার সঙ্গে ফিরেছেন সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানসহ অন্যান্য সফরসঙ্গীরা।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>শুক্রবার (২৬ জুন) রাত পৌনে ৮টায় তাকে বহনকারী চায়না সাউদার্ন এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটি শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।</p>

<p>বিমানবন্দরে বিএনপির মহাসচিব ও এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ মন্ত্রিপরিষদ সদস্য ও দলটির শীর্ষ নেতারা প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানান।</p>

<p>এর আগে, স্থানীয় সময় বিকাল ৫টায় (বাংলাদেশ সময় ৩টা) চায়না সাউদার্ন এয়ারলাইন্সের বাণিজ্যিক ফ্লাইটে সরকারপ্রধান ও তার সফর সঙ্গীরা বেইজিং তাসিং বিমানবন্দর ত্যাগ করেন। বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে বিদায় জানান চীনা প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত ইউ শিয়াওয়ং।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1232-66.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বাংলাদেশ-মায়ানমার-চীন অর্থনৈতিক করিডোরের প্রস্তাব বেইজিংয়ের]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28854</link>
    <pubDate>Sat, 27 Jun 2026 09:52:18 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28854</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1335-55.jpg" />    <article>
<p>বাংলাদেশ থেকে মায়ানমার হয়ে চীন পর্যন্ত একটি অর্থনৈতিক করিডোর করার প্রস্তাব দিয়েছে বেইজিং। বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের মধ্যে অনুষ্ঠিত দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এ প্রস্তাব দেওয়া হয়।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>বৈঠক শেষে বেইজিংয়ের দিয়াওইউতাই হোটেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন এ তথ্য জানান।</p>

<p>তিনি বলেন, &lsquo;আজকে কানেক্টিভিটি নিয়ে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিস্তারিত কথা হয়েছে। বৈঠকে বাংলাদেশ থেকে মায়ানমার হয়ে চীন পর্যন্ত একটি ইকোনোমিক করিডোর তৈরির প্রস্তাব এসেছে। এ ইকোনোমিক করিডোরের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে বাংলাদেশের অর্থনীতির ব্যাপ্তি বাড়ানো, ট্রানজেকশন বাড়ানো এবং মাল্টিমোডাল ট্রান্সপোর্টেশনকে আরো এনহ্যান্স করা।</p>
</article>

<article>&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>চীন চট্টগ্রাম বন্দরের আধুনিকায়নে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে জানিয়ে মাহদী আমিন বলেন, &lsquo;এ বন্দরের আধুনিকায়ন করে কীভাবে এটাকে আমরা একটা রিজিওনাল হাব হিসেবে গড়ে তুলতে পারি, যেটা শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, অন্যান্য দেশের জন্যও সার্ভ করবে, সেটা নিয়ে আমরা কাজ করতে চাই। একই সাথে মোংলা পোর্টকে আপগ্রেড, আরো বেশি প্রোগ্রেসিভ ও &nbsp;সার্ভিস ওরিয়েন্টেড করার জন্য চীন আগ্রহ প্রকাশ করেছে। আমরা সেগুলো নিয়ে আলোচনা করেছি।&rsquo;</p>

<p>চীন সফরের শেষ দিন শুক্রবার স্থানীয় সময় সকালে বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব পিপলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>মাহদী আমিন বলেন, &lsquo;বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে আমরা পিপল টু পিপল কানেক্ট জোরদার করতে চাই। সংস্কৃতি, মিডিয়া, টেকনোলজি, সামগ্রিকভাবে নলেজ ট্রান্সফার এবং এমপ্লয়মেন্ট জেনারেশন নিয়ে আমরা দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরো বাড়াতে চাই। এসব বিষয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে আলোচনা হয়েছে।&rsquo;</p>

<p>তিনি বলেন, &lsquo;শিক্ষা ব্যবস্থায় ইতোমধ্যে তৃতীয় ভাষা হিসেবে ম্যান্ডারিন ভাষা প্রায়োরিটাইজ করা হচ্ছে, টেকনিক্যাল এবং ভোকেশনাল এডুকেশনকে প্রায়োরিটাইজ করা হচ্ছে। এই দুই ক্ষেত্রেই চীন তাদের নিজেদের অভিজ্ঞতার আলোকে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করতে চায়।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1335-55.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তিতে পারমাণবিক স্থাপনা পরিদর্শনের সুযোগ রয়েছে: আইএইএ প্রধান]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28853</link>
    <pubDate>Sat, 27 Jun 2026 09:51:35 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28853</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1399-44.jpg" />    <p>যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হওয়া অন্তর্বর্তী শান্তি চুক্তির আওতায় জাতিসংঘের পারমাণবিক পর্যবেক্ষক সংস্থা আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা (আইএইএ) ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি পরিদর্শনের সুযোগ পাবে বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রোসি।</p>

<p>শুক্রবার (২৬ জুন) জাপানে এক সংবাদ সম্মেলনে গ্রোসি বলেন, চুক্তি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে আইএইএকে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে প্রবেশাধিকার দিয়ে পরিদর্শনের সুযোগ দিতে হবে।&nbsp;</p>

<p>তিনি বলেন, &lsquo;একটি চুক্তি হয়েছে। সেই চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য আইএইএকে অবশ্যই প্রবেশাধিকার ও পরিদর্শনের সুযোগ দিতে হবে। আমরা আশা করছি, খুব শিগগিরই সেখানে যেতে পারব।&rsquo;</p>

<p>তবে গ্রোসির এই বক্তব্যের আগে ইরান জানায়, ওয়াশিংটনের সঙ্গে চূড়ান্ত চুক্তি না হওয়া এবং নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত দেশটির গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনাগুলো আন্তর্জাতিক পরিদর্শকদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে না।</p>

<p>রাফায়েল গ্রোসি বলেন, চুক্তির মূল উদ্দেশ্য হলো ইরান যেন পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে, তা নিশ্চিত করা। ইরান সরকার বারবার দাবি করেছে যে তাদের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির কোনো উদ্দেশ্য নেই। তবে শুধু ঘোষণাই যথেষ্ট নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।</p>

<p>গ্রোসি বলেন, &lsquo;উদ্দেশ্যের ঘোষণা যথেষ্ট নয়। আমাদের একটি শক্তিশালী ও নির্ভরযোগ্য যাচাই ব্যবস্থা প্রয়োজন।&rsquo; তার মতে, মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক সংঘাতের পর যত দ্রুত সম্ভব এমন একটি যাচাই ব্যবস্থা কার্যকর করা উচিত।</p>

<p>আইএইএ প্রধান জানান, ইতোমধ্যে সংস্থাটির পরিদর্শকরা ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রযুক্তিগত বিষয়ে প্রাথমিক আলোচনা করেছেন।</p>

<p>তিনি বলেন, ইরান সফরের প্রথম লক্ষ্য হবে আগে পরিদর্শন করা পারমাণবিক উপকরণে আইএইএর লাগানো সিল অক্ষত রয়েছে কিনা, তা যাচাই করা। পাশাপাশি কোনো পারমাণবিক উপাদান নিখোঁজ হয়েছে কিনা, সেটিও পরীক্ষা করা হবে।</p>

<p>এখনও পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার পর কত পরিমাণ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম অক্ষত রয়েছে বা সেগুলো কোথায় রাখা হয়েছে&mdash;এ বিষয়ে আইএইএকে কোনো তথ্য দেয়নি ইরান।</p>

<p>পরিদর্শনে আপত্তি জানিয়েছিল তেহরান</p>

<p>গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করে। এর মাধ্যমে আগামী ৬০ দিন ধরে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিসহ জটিল বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা চালানোর পথ তৈরি হয়েছে।</p>

<p>তবে বুধবার ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গারিবাবাদি বলেন, বর্তমানে আন্তর্জাতিক পরিদর্শকদের প্রবেশাধিকার দেওয়ার কোনো পরিকল্পনা নেই। তেহরানের অবস্থান হলো, ওয়াশিংটনের সঙ্গে চূড়ান্ত সমঝোতা এবং নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আগে গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে না।</p>

<p><b>৪৪০ কেজির বেশি ৬০ শতাংশ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম</b></p>

<p>আইএইএর হিসাব অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সংঘাত শুরুর আগে ইরানের কাছে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত সমৃদ্ধ ৪৪০ দশমিক ৯ কেজি ইউরেনিয়াম মজুত ছিল। সংস্থাটির মানদণ্ড অনুযায়ী, ওই ইউরেনিয়াম আরও সমৃদ্ধ করা হলে তা প্রায় ১০টি পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির জন্য যথেষ্ট হতে পারে।</p>

<p>রাফায়েল গ্রোসি বলেন, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি যে শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যেই পরিচালিত হচ্ছে এবং কোনো পারমাণবিক উপাদান অন্য কাজে সরিয়ে নেওয়া হয়নি, তা নিশ্চিত করতেই এই যাচাই কার্যক্রম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1399-44.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[হরমুজে জাহাজে হামলার জেরে ইরানে মার্কিন হামলা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28852</link>
    <pubDate>Sat, 27 Jun 2026 09:50:54 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28852</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1484-33.jpg" />    <p>হরমুজ প্রণালিতে একটি বাণিজ্যিক পণ্যবাহী জাহাজে ড্রোন হামলার অভিযোগে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি &lsquo;বোকামিপূর্ণভাবে লঙ্ঘনের&rsquo; অভিযোগ তোলার পর শুক্রবার এই হামলা চালানো হয়।</p>

<p>মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সংরক্ষণাগার, পাশাপাশি উপকূলীয় রাডার স্থাপনাগুলোতে নির্ভুল হামলা চালানো হয়েছে। সেন্টকমের দাবি, এটি হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে চালানো ড্রোন হামলার &lsquo;শক্তিশালী জবাব।&rsquo; এই ঘটনার কারণে ইরানের সঙ্গে হওয়া যুক্তরাষ্ট্রের প্রাথমিক সমঝোতার ভবিষ্যৎ নিয়েও নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।</p>

<p>বিবিসি জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার একমুখী (ওয়ান-ওয়ে) হামলাকারী ড্রোন একটি কার্গো জাহাজে আঘাত হানে। এতে কোনো হতাহতের ঘটনা না ঘটলেও ওই অঞ্চলে অবস্থানরত ১১ হাজারের বেশি নাবিককে সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হয়।</p>

<p>হামলার ঘোষণা দেওয়ার কিছুক্ষণ আগে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ইরানের হামলার জবাব দেওয়া হবে কি না, তা দেখতেই পাবেন।</p>

<p>এক বিবৃতিতে সেন্টকম জানায়, বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের বিরুদ্ধে ইরানি বাহিনীর আগ্রাসন যুদ্ধবিরতি চুক্তির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। একই সঙ্গে ইরানের এ ধরনের কর্মকাণ্ড আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে নৌ-চলাচলের স্বাধীনতাকে হুমকির মুখে ফেলেছে বলেও দাবি করে তারা।</p>

<p>মার্কিন সামরিক বাহিনী আরও জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে তারা সমন্বয় ও সহায়তা অব্যাহত রাখবে।</p>

<p>এ বছরের ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার পর ইরান কার্যত হরমুজ প্রণালিতে চলাচল সীমিত করে। পরে ১৭ জুন উভয় দেশ ১৪ দফা সমঝোতায় সংঘাত বন্ধে সম্মত হয়, যেখানে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করার বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত ছিল। তবে এখন আবার শঙ্কায় এ পথ।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1484-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[যে কারণে ম্যাডোনার বহুল প্রতীক্ষিত বায়োপিক বাতিল হলো]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/28851</link>
    <pubDate>Sat, 27 Jun 2026 09:50:10 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/28851</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1524-22.jpg" />    <p>মার্কিন পপ সম্রাজ্ঞী ম্যাডোনা। বেশ কিছু দিন ধরেই তার সুর-সংগীতে জমজমাট বর্ণাঢ্য জীবন নিয়ে একটি চলচ্চিত্র নির্মাণের আলোচনা চলছিল।&nbsp; বিষয়টি তিনি নিজেই তদারকি করছিলেন। জানা গেছে, বহুল প্রতীক্ষিত বায়োপিকটি আর বানানো হচ্ছে না।&nbsp;</p>

<p>শেষ পর্যন্ত হলিউড স্টুডিও &lsquo;ইউনিভার্সাল&rsquo;র সঙ্গে বাজেট নিয়ে বনিবনা না হওয়ায় প্রকল্পটি বাতিল হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন পপ তারকা নিজেই।</p>

<p>&lsquo;ইন্টারভিউ&rsquo; ম্যাগাজিনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ম্যাডোনা বলেন, &lsquo;বাজেট নিয়ে ইউনিভার্সালের সঙ্গে আমাদের মতবিরোধ তৈরি হয়েছিল। কারণ আমার একটি অসাধারণ এবং বিশাল জীবন রয়েছে, তাই এটি পর্দায় তুলে আনতে আমার বড় বাজেটের প্রয়োজন ছিল।&rsquo;&nbsp;</p>

<p>খরচ কমিয়ে আনতে ম্যাডোনা সিনেমার শুটিং সার্বিয়াতে স্থানান্তরের প্রস্তাব করেছিলেন, কিন্তু স্টুডিও কর্তৃপক্ষ তা মেনে নেয়নি। ম্যাডোনা বলেন, &lsquo;আমি সার্বিয়াতে কম খরচে সিনেমাটি বানানোর একটি পথ বের করেছিলাম, কিন্তু আমার মনে হয় তারা এই ধারণায় খুব একটা আগ্রহী ছিল না&mdash;আমি ঠিক জানি না।&nbsp;</p>

<p>সম্ভবত তারা আমার ওপর বিশ্বাস রাখতে পারেনি। তাদের প্রথম প্রতিক্রিয়াগুলোর একটি ছিল- আমাদের বিশ্বাস হয় না যে আপনি সার্বিয়াতে চার দিনের বেশি টিকতে পারবেন।&rsquo;&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>এর জবাবে ম্যাডোনা উল্টো প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে বলেন, &lsquo;আমি তাদের বলেছিলাম, আপনারা কি চিত্রনাট্যটি পড়েছেন? আমার পুরো জীবনটাই তো টিকে থাকার লড়াই (সারভাইভাল)। আমি সেখানে কোনো ছুটিতে যাচ্ছি না।&rsquo;&nbsp;</p>

<p>২০২০ সালে প্রথম এই প্রজেক্টটির ঘোষণা দেওয়া হয়। &lsquo;ইয়াং অ্যাডাল্ট&rsquo; ঘরানার খ্যাতনামা লেখক ডায়াবলো কোডির লেখা চিত্রনাট্যে ম্যাডোনা নিজেই এটি পরিচালনা করার পরিকল্পনা করেছিলেন। সে সময় তিনি বলেছিলেন, &lsquo;আমার নিজের কণ্ঠ ও দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে আমার জীবনের এই রোলারকোস্টার রাইডটি সবার সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।&rsquo;&nbsp;</p>

<p>এর আগে ২০১৭ সালে ইউনিভার্সাল স্টুডিওজ ম্যাডোনার প্রাথমিক ক্যারিয়ার নিয়ে &lsquo;ব্লন্ড অ্যাম্বিশন&rsquo; নামের একটি সিনেমা নির্মাণের স্বত্ব কিনেছিল। ম্যাডোনা সেটির তীব্র সমালোচনা করে ইনস্টাগ্রামে লিখেছিলেন, &lsquo;ইউনিভার্সাল স্টুডিওজ কেন সম্পূর্ণ মিথ্যা একটি চিত্রনাট্যের ওপর ভিত্তি করে আমার বায়োপিক বানাতে চাইবে?&rsquo;&nbsp;</p>

<p>পরবর্তীতে ম্যাডোনার নিজস্ব প্রজেক্টের জন্য &lsquo;ম্যাডোনা বুটক্যাম্প&rsquo; খ্যাত এক কঠোর অডিশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মূল চরিত্রে অভিনয়ের জন্য জুলিয়া গার্নারকে নির্বাচিত করা হয়। তবে ২০২৩ সালে খবর আসে যে, &lsquo;হুজ দ্যাট গার্ল&rsquo; টাইটেলের এই সিনেমাটি পুরোপুরি বাতিল করা হয়েছে।</p>

<p>ম্যাডোনার পূর্ববর্তী চলচ্চিত্র ক্যারিয়ার&nbsp;</p>

<p>পরিচালক হিসেবে ম্যাডোনার পূর্বের অভিজ্ঞতা খুব একটা সুখকর নয়। এর আগে তিনি দুটি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র পরিচালনা করেছেন&mdash;&lsquo;ফিল্থ অ্যান্ড উইজডম&rsquo; (লন্ডনে সফল হতে চাওয়া এক ইউক্রেনীয় সংগীতশিল্পীকে নিয়ে) এবং &lsquo;ডব্লিউ.ই.&rsquo; (ওয়ালিস সিম্পসন এবং সাবেক অষ্টম এডওয়ার্ডের কাহিনী নিয়ে)।&nbsp;</p>

<p>ব্রিটিশ পত্রিকা &lsquo;দ্য গার্ডিয়ান&rsquo;-এর চলচ্চিত্র সমালোচক পিটার ব্র্যাডশ এই দুটি সিনেমাকেই মাত্র &lsquo;ওয়ান স্টার&rsquo; রিভিউ দিয়েছিলেন।&nbsp;</p>

<p>অবশ্য অভিনেত্রী হিসেবে ম্যাডোনার ঝুলিতে বেশ কিছু প্রশংসিত কাজ রয়েছে, যার মধ্যে &lsquo;ডেসপারেটলি সিকিং সুসান&rsquo;, &lsquo;ডিক ট্রেসি&rsquo;, &lsquo;ইভিটা&rsquo; এবং &lsquo;দ্য নেক্সট বেস্ট থিং&rsquo; অন্যতম।&nbsp;</p>

<p>সাক্ষাৎকারে ম্যাডোনা আরও জানান, তিনি নেটফ্লিক্সের জন্য একটি সিরিজ করার প্রস্তাব পেয়েছিলেন, কিন্তু সেখানেও বাধা হয়ে দাঁড়ায় ইউনিভার্সাল স্টুডিওজ। কারণ সিনেমাটির জন্য যে চিত্রনাট্য তিনি লিখেছিলেন, সেটির মালিকানা ছিল ইউনিভার্সালের হাতে।</p>

<p>ম্যাডোনা আক্ষেপ করে বলেন, &lsquo;নেটফ্লিক্স একটি সিরিজ করার জন্য যোগাযোগ করেছিল। সেটি ছিল আরেক দীর্ঘ প্রক্রিয়া। কারণ ইউনিভার্সালের কাছে থাকা চিত্রনাট্যটি আমি ব্যবহার করতে পারছিলাম না, যদি না আমি তাদের কাছ থেকে সেটি চড়া দামে কিনে নিতাম&mdash;অথচ চিত্রনাট্যটি আমারই লেখা! এরপর আমি বোঝার চেষ্টা করলাম সিরিজ কীভাবে তৈরি হয়। এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি প্রক্রিয়া। আপনাকে অনেক লেখকের সঙ্গে বসতে হবে, সঠিক ব্যক্তিকে খুঁজে বের করতে হবে যিনি শোটি এগিয়ে নেবেন... কিন্তু আমি তেমন কাউকেই খুঁজে পাইনি।&rsquo;&nbsp;</p>

<p><i>সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান&nbsp;</i></p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1524-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[রূপকথা লিখে আর্জেন্টিনাকে পেল কেপ ভার্দে, সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিদায়]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/28850</link>
    <pubDate>Sat, 27 Jun 2026 09:49:17 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/28850</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1623-11.jpg" />    <article>
<p>ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা এক রূপকথার জন্ম দিল কেপ ভার্দে। আটলান্টিক মহাসাগরের ছোট্ট এক দ্বীপদেশ, জনসংখ্যায় বিশ্বকাপের ইতিহাসের তৃতীয় ক্ষুদ্রতম।</p>
</article>

<article>কিন্তু মাঠের পারফরম্যান্সে তারা টেক্কা দিচ্ছে বিশ্বফুটবলের পরাশক্তিদের। নিজেদের অভিষেক বিশ্বকাপেই চমক দেখিয়ে &lsquo;এইচ&rsquo; গ্রুপ থেকে অপরাজিত থেকে নকআউট পর্ব বা শেষ ৩২-এর টিকিট কেটেছে তারা। আর তাতেই নির্ধারিত হয়ে গেছে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার শেষ ৩২-এর প্রতিপক্ষ।
<p>&nbsp;</p>

<p>আজ হিউস্টনে গ্রুপের শেষ ম্যাচে সৌদি আরবের মুখোমুখি হয়েছিল কেপ ভার্দে।</p>
</article>

<article>ম্যাচটি গোলশূন্য ড্র হওয়ায় ৩ ম্যাচে ৩ পয়েন্ট নিয়ে &lsquo;এইচ&rsquo; গ্রুপের রানার্সআপ হিসেবে পরের রাউন্ডে পা রাখে তারা। গ্রুপ রানার্সআপ হওয়ায় আগামী ৪ জুলাই মায়ামিতে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হবে এই পুচকে দলটি। বাংলাদেশ সময় ভোর ৪টায় শুরু হবে মাঠের সেই লড়াই।
<p>&nbsp;</p>

<p>কাগজে-কলমে আর্জেন্টিনা ফেবারিট হলেও লিওনেল স্কালোনির শিষ্যদের স্বস্তিতে থাকার কোনো সুযোগ নেই।</p>
</article>

<article>গ্রুপ পর্বে সাবেক দুই বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন ও উরুগুয়ের বুক থেকে পয়েন্ট ছিনিয়ে নিয়েছে মাত্র সাড়ে ৫ লাখ জনসংখ্যার এই দেশটি। প্রথম ম্যাচে স্পেনের সাথে গোলশূন্য ড্র করার পর, দ্বিতীয় ম্যাচে উরুগুয়ের মতো শক্তিশালী দলকেও আটকে দেয় তারা।
<p>&nbsp;</p>

<p>&lsquo;এইচ&rsquo; গ্রুপের অপর ম্যাচে উরুগুয়ের গোলকিপারের ভুলে পাওয়া একমাত্র গোলে &lsquo;এইচ&rsquo; গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হয়েছে স্পেন। এতেই বিদায় নিশ্চিত হয়ে গেছে লাতিন পরাশক্তিদের।</p>

<p>ম্যাচের ৪২ মিনিটে স্পেনের পক্ষে জয়সূচক গোলটি করেন অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার অ্যালেক্স বায়েনা।</p>
</article>

<article>তবে এই গোলের পেছনে উরুগুয়ের ৪০ বছর বয়সী অভিজ্ঞ গোলকিপার ফার্নান্দো মুসলেরার দায়ই বেশি। বায়েনার শট ঠেকাতে ডাইভ দিলেও অবিশ্বাস্যভাবে বলটি গ্লাভসবন্দী করতে ব্যর্থ হন তিনি। এই ভুলের খেসারত হিসেবে প্রথমার্ধ শেষেই মুসলেরাকে মাঠ থেকে তুলে নেন উরুগুয়ে কোচ মার্সেলো বিয়েলসা।
<p>&nbsp;</p>

<p>ম্যাচজুড়ে স্পেনের দাপটই ছিল বেশি। ৮৭ মিনিটে ফেরান তোরেসের শট পোস্টে না লাগলে ব্যবধান আরও বাড়তে পারত। ম্যাচের শেষ দিকে (৮৯ মিনিটে) লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন উরুগুয়ের মিডফিল্ডার আগুস্তিন কানোবিও। এই হারের ফলে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিতে হলো উরুগুয়েকে।</p>

<p>গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় শেষ ৩২-এর রাউন্ডে &lsquo;জে&rsquo; গ্রুপের রানার্সআপ দলের মুখোমুখি হবে স্পেন। অস্ট্রিয়া নাকি আলজেরিয়া&mdash;কারা হচ্ছে স্পেনের প্রতিপক্ষ, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। আগামী ২ জুলাই লস অ্যাঞ্জেলেসে বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় শেষ ষোলোর লক্ষ্যে মাঠে নামবে স্প্যানিশরা।&nbsp;</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1623-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিউইয়র্ক স্টেট অ্যাসেম্বলি প্রাইমারিতে জিতেননি কোন বাংলাদেশি-আমেরিকান প্রার্থী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/28849</link>
    <pubDate>Fri, 26 Jun 2026 17:44:04 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/28849</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/673-2.jpg" />    <p>নিউইয়র্ক স্টেটের বহুল আলোচিত ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রাইমারি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা বাংলাদেশি-আমেরিকান প্রার্থীদের কেউই জয়লাভ করতে পারেননি। মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকাল ৬টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ শেষে প্রকাশিত ফলে কয়েকটি আসনে তারা উল্লেখযোগ্য ভোট পেলেও শেষ পর্যন্ত পরাজিত হন।</p>

<p>সবচেয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লড়াই হয় স্টেট অ্যাসেম্বলি ডিস্ট্রিক্ট-৩০ আসনে। সেখানে সাবেক এনওয়াইপিডি ডিটেকটিভ ও বাংলাদেশি-আমেরিকান কমিউনিটি নেতা শামসুল হক মাত্র ১৩ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী মার্টিনেজ পেয়েছেন ২ হাজার ৭০৩ ভোট, আর শামসুল হক পেয়েছেন ২ হাজার ৬৯০ ভোট। মোট ৬ হাজার ৩৩৬ ভোটের নির্বাচনে এই ফলাফল বাংলাদেশি কমিউনিটির জন্য এক বড় আক্ষেপ হয়ে এসেছে।</p>

<p>ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছে, ভোটের ব্যবধান অত্যন্ত কম হওয়ায় শামসুল হকের পক্ষ থেকে পুনর্গণনার দাবি জানানো হতে পারে। পাশাপাশি আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠেয় মূল নির্বাচনে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশ নেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনা করছেন।</p>

<p>এ ছাড়া অ্যাসেম্বলি ডিস্ট্রিক্ট-৩৬ আসনে মেরি জোবাইদা, ডিস্ট্রিক্ট-৮৭ আসনে সিপিএ জাকির চৌধুরী, ডিস্ট্রিক্ট-৩২ আসনে মোহাম্মদ মোল্লা (সানি) এবং ডিস্ট্রিক্ট-৩৭ আসনে পিয়া রহমানও প্রাইমারি নির্বাচনে পরাজিত হয়েছেন।</p>

<p data-added-after="1">ডিস্ট্রিক্ট ৩৬-এ মেরি জোবাইদা পেয়েছেন ১ হাজার ৯৬৮ ভোট। বিজয়ী ডায়ানা মোরেনো পেয়েছেন ৯ হাজার ৫১ ভোট। মেরি জোবাইদা ছিলেন একমাত্র বাংলাদেশি-আমেরিকান নারী প্রার্থী। এর আগেও তিনি একই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। যখন বর্তমান নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি স্টেট অ্যাসেম্বলি ছেড়ে মেয়র নির্বাচনে অংশ নেন, তখন ওই আসনের উপনির্বাচনেও তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। কিন্তু এবারও কাঙ্ক্ষিত সাফল্য আসেনি।</p>

<p>ডিস্ট্রিক্ট-৩৭ আসনে পিয়া রহমান পেয়েছেন ১ হাজার ৮২৭ ভোট। এই আসনে বিজয়ী সামান্থা<br />
কাটান পেয়েছেন ৭ হাজার ৬৩৬ ভোট। ডিস্ট্রিক্ট ৩২-এ প্রথমবারের মতো নির্বাচনে অংশ নিয়ে মোহাম্মদ মোল্লা পেয়েছেন ৭৫৫ ভোট। সেখানে বিজয়ী নাথানিয়েল হেজেকিয়াহ পেয়েছেন ৩ হাজার ৬১৭ ভোট। প্রথম নির্বাচনে অংশ নিয়েও মোহাম্মদ মোল্লার প্রচারণা স্থানীয় বাংলাদেশি কমিউনিটিতে কিছুটা আলোচনার জন্ম দেন। ব্রঙ্কসের ডিস্ট্রিক্ট ৮৭-এ প্রথমবারের মতো প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন জাকির চৌধুরী। তিনি পেয়েছেন ১ হাজার ৬০৯ ভোট। বিজয়ী কারিনেস রেয়েস পেয়েছেন ৪ হাজার ১০০ ভোট।</p>

<p data-added-after="1">রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এবারের ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারির ফলাফল কেবল কয়েকজন বাংলাদেশি-আমেরিকান প্রার্থীর পরাজয়ের ঘটনা নয়; বরং এটি নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কমিউনিটির রাজনৈতিক অবস্থান ও সম্ভাবনার একটি বাস্তব চিত্র তুলে ধরেছে। গত এক দশকে বাংলাদেশি-আমেরিকানদের জনসংখ্যা, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং সামাজিক প্রভাব উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেলেও সেই তুলনায় মূলধারার রাজনীতিতে প্রতিনিধিত্ব এখনও সীমিত।</p>

<p>বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশি কমিউনিটির একটি বড় অংশ এখনো নিজস্ব কমিউনিটিকেন্দ্রিক রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে বেশি সক্রিয়। ফলে বৃহত্তর ভোটারগোষ্ঠীর সঙ্গে কার্যকর যোগাযোগ ও রাজনৈতিক জোট গড়ে তোলার ক্ষেত্রে ঘাটতি থেকে যাচ্ছে। নিউইয়র্কের মতো বহুজাতিক ও বহুসাংস্কৃতিক নির্বাচনী এলাকায় জয়লাভ করতে হলে শুধু বাংলাদেশি ভোট নয়, আফ্রিকান-আমেরিকান, লাতিনো, শ্বেতাঙ্গ, এশীয় এবং তরুণ ভোটারদেরও আস্থা অর্জন করতে হয়।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/673-2.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিউইয়র্কে আহমদ সোহান মেমোরিয়াল স্কলারশিপ পেলেন সামিরাতু বারা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/28848</link>
    <pubDate>Fri, 26 Jun 2026 17:43:37 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/28848</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/935-1.jpg" />    <p><strong><a>শেখ শফিকুর রহমান//</a></strong></p>

<p>যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের ইন্টারন্যাশনাল কমিউনিটি হাইস্কুলের কৃতি শিক্ষার্থী সামিরাতু বারা এ বছরের &#39;আহমদ সোহান মেমোরিয়াল স্কলারশিপ&#39; লাভ করেছেন। মঙ্গলবার (২৩ জুন) সন্ধ্যায় স্কুলের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের &lsquo;কমেন্সমেন্ট সেরিমনি ২০২৬&rsquo; (স্নাতক সমাবর্তন) অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে তার হাতে এই স্কলারশিপের অ্যাওয়ার্ড তুলে দেওয়া হয়।</p>

<p>অনুষ্ঠানে মূল বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড. উমায়রা টিয়ো। তিনি শিক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে আগামী দিনের করণীয়, নিয়মিত অধ্যয়ন, অনুশীলন ও দায়িত্বশীল জীবনাচরণের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।</p>

<p>স্কলারশিপ বিতরণকালে ইন্টারন্যাশনাল কমিউনিটি হাইস্কুলের প্রিন্সিপাল মিস ভ&zwj;্যারেনা কাবারক&zwj;্যাস প্রয়াত শিক্ষার্থী আহমদ সোহানের স্মৃতিচারণ করে আবেগঘন বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, &ldquo;বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কৃতি ছাত্র সোহান আজ আমাদের মাঝে নেই। তবে সে আছে আমাদের মনের গভীরে, আমাদের অস্তিত্বের শিকড়ে। আমরা তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করি।&rdquo;&nbsp;</p>

<p>প্রিন্সিপাল আরও বলেন, সোহান মেধার বিকাশে ও জ্ঞানার্জনের অভাবনীয় অদম্য বাসনা নিয়ে শিক্ষা জীবনের প্রতিটি পর্যায়েই তার নিরবচ্ছিন্ন শ্রেষ্ঠত্ব দেখিয়েছিল।</p>

<p data-added-after="1">২০১০ সালে ইন্টারন্যাশনাল কমিউনিটি হাইস্কুল থেকে বেশ কয়েকটি অ্যাওয়ার্ডসহ কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়েছিলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আহমদ জে সোহান। কিন্তু কলেজ জীবন শুরু করার মাত্র দুই সপ্তাহের মাথায়, ওই বছরের ৬ সেপ্টেম্বর এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার স্মৃতি ও মেধাকে ধরে রাখতে ২০১১ সাল থেকে ইন্টারন্যাশনাল কমিউনিটি হাইস্কুল কর্তৃপক্ষ এই &lsquo;আহমদ সোহান মেমোরিয়াল স্কলারশিপ অ্যাওয়ার্ড&rsquo; প্রবর্তন করে।</p>

<p>অনুষ্ঠানে আহমদ সোহানের মা জাহানারা বি আহমদ ও বাবা সিরাজ উদ্দিন আহমদ সোহাগ উপস্থিত ছিলেন। তারা অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্ত শিক্ষার্থী সামিরাতু বারাকে আন্তরিক অভিনন্দন ও ভবিষ্যৎ জীবনের জন্য শুভেচ্ছা জানান।</p>

<p><strong></strong></p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/935-1.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[মালয়েশিয়া ও চীনে সফর শেষে দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28847</link>
    <pubDate>Fri, 26 Jun 2026 17:41:49 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28847</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/799-99.jpg" />    <article>
<p>মালয়েশিয়া ও চীনে রাষ্ট্রীয় সফর শেষে দেশের পথে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।</p>

<p>আজ শুক্রবার স্থানীয় সময় বিকাল ৫টায় (বাংলাদেশ সময় ৩টা) চায়না সাউদার্ন এয়ারলাইন্সের বাণিজ্যিক ফ্লাইটে সরকারপ্রধান ও তার সফর সঙ্গীরা বেইজিং তাসিং বিমানবন্দর ত্যাগ করেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>এ সময় বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে বিদায় জানান চীনা প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত ইউ শিয়াওয়ং।</p>

<p>জানা গেছে, বেইজিং-ঢাকা রুটে সরাসরি চলাচলকারী এ ফ্লাইটে সাধারণত পাঁচ ঘণ্টার মত সময় লাগে। সেই হিসাবে বাংলাদেশ সময় রাত ৮টায় বা তার পর প্রধানমন্ত্রীর ঢাকায় পৌঁছানোর কথা।</p>

<p>এর আগে স্থানীয় সময় বিকাল ৪টা ৪০ মিনিটে চীনের রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন &lsquo;তিয়াওইউথাই&rsquo; থেকে তারেক রহমান ও তার সফর সঙ্গীরা তাসিং বিমানবন্দরে পৌঁছান।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/799-99.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[চীন সব সময় বাংলাদেশের পাশে থাকবে : শি জিনপিং]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28846</link>
    <pubDate>Fri, 26 Jun 2026 17:41:02 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28846</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/993-88.jpg" />    <article>
<p>বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে তোলার ক্ষেত্রে চীন তার অঙ্গীকার থেকে বিচ্যুত হবে না জানিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বলেছেন, &lsquo;বৈশ্বিক পরিস্থিতি বদলালেও বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে তোলার ক্ষেত্রে সামগ্রিক দিকনির্দেশনার প্রতি চীন তার অঙ্গীকার থেকে কখনোই বিচ্যুত হবে না। চীন সব সময় বাংলাদেশের নির্ভরযোগ্য বন্ধু, ভালো প্রতিবেশী এবং ভালো অংশীদার হিসেবে পাশে থাকবে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>শুক্রবার চীনের স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেছেন শি জিনপিং। এ সময় তিনি এসব কথা বলেন।&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/sport/2026/06/26/1703237" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>তিনি আরো বলেন, চীন বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষার প্রচেষ্টাকে সমর্থন করে। সেই সঙ্গে যেকোনো ধরনের বিদেশি হস্তক্ষেপ প্রত্যাখ্যানের পক্ষে অবস্থান নেয়।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>শি জিনপিং বলেন, চীন বাংলাদেশের সঙ্গে রাষ্ট্র পরিচালনা-সংক্রান্ত অভিজ্ঞতা বিনিময় বাড়াতে, সব স্তরে পারস্পরিক যোগাযোগ জোরদার, কৌশলগত সংলাপ গভীর, রাজনৈতিক পারস্পরিক আস্থা আরো সুদৃঢ় করতে এবং উভয় দেশের নিজ নিজ মৌলিক স্বার্থ ও গুরুত্বপূর্ণ উদ্বেগের বিষয়গুলোতে পরস্পরকে সমর্থন অব্যাহত রাখতে প্রস্তুত।</p>

<p>চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং জোর দিয়ে বলেন, চীন প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ, নিরাপদ ও সমৃদ্ধ প্রতিবেশ গড়ে তোলার নীতি এবং বন্ধুত্ব, আন্তরিকতা, পারস্পরিক সুবিধা ও অন্তর্ভুক্তির নীতি অনুসরণ করে। চীনের উন্নয়নের সঙ্গে সঙ্গে দেশটি প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর জন্য নতুন সুযোগ ও প্রবৃদ্ধির নতুন গতি সৃষ্টি করে যাবে।</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/country-news/2026/06/26/1703238" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>তিনি বলেন, চীন বাংলাদেশের নতুন সরকারের রাষ্ট্র পরিচালনার প্রচেষ্টাকে সমর্থন করে।</p>
</article>

<article>একই সঙ্গে বাংলাদেশের সঙ্গে উচ্চমানের বেল্ট অ্যান্ড রোড উদ্যোগের সহযোগিতা এগিয়ে নিতে প্রস্তুত। এ ছাড়া স্বাস্থ্যসেবা, সংস্কৃতি ও শিক্ষা এবং স্থানীয় সরকার পর্যায়ে বিনিময় ও সহযোগিতা জোরদার করার পাশাপাশি আঞ্চলিক সংযোগ বৃদ্ধি করতে চীন&ndash;মিয়ানমার&ndash;বাংলাদেশ অর্থনৈতিক করিডোরের উন্নয়ন এগিয়ে নেওয়ার বিষয়েও চীন কাজ করতে প্রস্তুত।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>জাতিসংঘসহ বিভিন্ন বহুপক্ষীয় কাঠামোর আওতায় বাংলাদেশের সঙ্গে যোগাযোগ ও সমন্বয় আরো জোরদার করতে চীন আগ্রহী বলেও উল্লেখ করেন শি জিনপিং।&nbsp;</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/993-88.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বেইজিংয়ে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির জাদুঘর পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28845</link>
    <pubDate>Fri, 26 Jun 2026 17:40:15 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28845</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1114-77.jpg" />    <article>
<p>বেইজিংয়ে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) ইতিহাস ও ঐতিহ্যবাহী জাদুঘর পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ শুক্রবার (২৬ জুন) স্থানীয় সময় সকালে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক শেষে সিপিসির জাদুঘর পরিদর্শনে যান তিনি।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>জাদুঘরের কিউরেটর প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান এবং পুরো জাদুঘরটি ঘুরিয়ে দেখান। প্রধানমন্ত্রী তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান ও সফরসঙ্গীদের নিয়ে জাদুঘরের গ্যালারিগুলো ঘুরে দেখেন এবং একটি ইমার্সিভ অডিও-ভিজ্যুয়াল কোস্টার শো উপভোগ করেন।</p>

<p>পরিদর্শন শেষে প্রধানমন্ত্রী জাদুঘরের পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন। এরপর স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে তিনি দিয়াওইউতাই স্টেট গেস্টহাউসের উদ্দেশে জাদুঘর ত্যাগ করেন।</p>
</article>

<article>এ সময় জাদুঘরের কিউরেটর তাকে বিদায় জানান।
<p>&nbsp;</p>

<p>এর আগে স্থানীয় সময় সকাল সোয়া ৯টায় সফরসঙ্গীদের সঙ্গে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তিয়েনআনমেন স্কয়ারে চীনের বীরদের স্মরণে নির্মিত স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। এরপর বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে এ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন চীনের ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসের স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান ঝাউ লেজি।</p>

<p>পরে একই স্থানে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>দেশটির প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের আমন্ত্রণে চারদিনের সরকারি সফরে চীন গেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গত ২১ জুন মালয়েশিয়া সফরের মধ্য দিয়ে তার প্রথম সরকারি বিদেশ সফর শুরু হয়। পরে তিনি ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) সামার দাভোস ২০২৬-এ অংশ নিতে চীনের দালিয়ান শহরে যান। সেখানে দুইদিন বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের পর বুধবার বিকেলে বেইজিং পৌঁছান।</p>

<p>বৃহস্পতিবার বেইজিংয়ের গ্রেট হলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে লালগালিচা সংবর্ধনাসহ উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং।</p>
</article>

<article>পরে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে দুই প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদারে ১৩টি সমঝোতা স্মারক আনুষ্ঠানিকভাবে সই হয়।
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীরা আজ শুক্রবার স্থানীয় সময় বিকেল ৫টায় বেইজিং থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1114-77.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[সন্তানকে নিয়ে ইইউ বৈঠকে সুইডিশ মন্ত্রী, গড়লেন নজির]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28844</link>
    <pubDate>Fri, 26 Jun 2026 17:39:04 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28844</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1231-66.jpg" />    <article>
<p><a href="https://www.reuters.com/world/swedish-minister-brings-baby-eu-meeting-first-bloc-2026-06-25/?fbclid=IwY2xjawSq0hpleHRuA2FlbQIxMABicmlkETFlVTR5SDMzeVlQQW16NVZLc3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHmDYl_V85_0VwXt8zxeVZgcwMJHdHD9-qQJkZADIvggn_6OXsMJOflFecj60_aem_v4WCPf1PSeACjdRF9zW0Dg">ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বিভিন্ন দেশের</a> মন্ত্রীরা বৃহস্পতিবার লুক্সেমবার্গে জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক নীতি নিয়ে দীর্ঘ বৈঠকে বসেন। তবে ওই বৈঠকে সবার নজর কেড়ে নেয় এক অপ্রত্যাশিত অতিথি।</p>
</article>

<article>সে ছিল মাত্র তিন মাসের একটি শিশু।
<p>&nbsp;</p>

<p>সুইডেনের জলবায়ুমন্ত্রী রোমিনা পোরমোখতারি তাঁর তিন মাসের ছেলে আদামকে সঙ্গে নিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়ন কাউন্সিলের বৈঠকে অংশ নেন। ইইউ কাউন্সিলের কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, মন্ত্রীদের এমন বৈঠকে কোনো শিশুর অংশ নেওয়ার ঘটনা এই প্রথম।</p>

<p>রোমিনা জানান, তিনি ইচ্ছাকৃতভাবেই ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে বৈঠকে গিয়েছিলেন।</p>
</article>

<article>এর মাধ্যমে তিনি দেখাতে চেয়েছেন, ভালো মাতৃত্ব ও পিতৃত্বকালীন ছুটির ব্যবস্থা থাকলে নারীদের কাজ ও পরিবারের মধ্যে যেকোনো একটি বেছে নিতে হয় না। রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, কাজ এবং পরিবার- দুটিই একসঙ্গে সামলানো সম্ভব। তবে এর জন্য এমন একজন জীবনসঙ্গী দরকার, যিনি দায়িত্ব ভাগ করে নিতে আগ্রহী এবং আধুনিক মানসিকতার। ২০২২ সালে মাত্র ৩০ বছর বয়সে সুইডেনের জলবায়ুমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন রোমিনা পোরমোখতারি।</article>

<article>তখন তিনি দেশটির ইতিহাসের সবচেয়ে কম বয়সী সরকারি মন্ত্রী ছিলেন। সম্প্রতি তিনি মাতৃত্বকালীন ছুটি শেষ করে আবার কাজে ফিরেছেন। এদিকে তাঁর স্বামী এখনো ছুটিতে আছেন। আগামী সেপ্টেম্বরে সুইডেনের নির্বাচন পর্যন্ত তিনি সন্তান দেখাশোনার দায়িত্ব পালন করবেন। বৈঠকের সময় আদামের দেখাশোনার জন্য তিনিও রোমিনার সঙ্গে লুক্সেমবার্গে যান।</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>বিশ্বের সবচেয়ে উদার মাতৃত্ব ও পিতৃত্বকালীন ছুটির ব্যবস্থার অন্যতম একটি রয়েছে সুইডেনে। দেশটিতে বাবা-মা মিলিয়ে প্রায় ১৬ মাসের বেতনসহ ছুটি পান। এর মধ্যে ৯০ দিন শুধু বাবার জন্য এবং আরো ৯০ দিন শুধু মায়ের জন্য নির্ধারিত। এই ছুটি একজন অন্যজনকে দিতে পারেন না। নির্ধারিত সময় ব্যবহার না করলে সেই ছুটি বাতিল হয়ে যায়। এই বিশেষ ছুটিকে অনেকেই &#39;বাবাদের মাস&#39; নামে ডাকেন। বাবাদের সন্তান লালন-পালনে আরো বেশি অংশগ্রহণে উৎসাহিত করতেই এই ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। তবে সুইডেনের এই ছুটির ব্যবস্থা এখন রাজনৈতিক বিতর্কের বিষয় হয়ে উঠেছে। কারণ, এই সুবিধার খরচ বহন করা হয় দেশের উচ্চ করব্যবস্থা থেকে।</p>

<p>রোমিনা বলেন, তাঁর দলের সমর্থন এবং দেশের পারিবারিক ছুটির নীতির কারণে স্বামী সন্তান দেখাশোনা করায় তেমন কোনো সমস্যা তৈরি হয়নি। তিনি মনে করেন, পরিবারবান্ধব নীতি মানেই শুধু দীর্ঘ ছুটি দেওয়া নয়। সরকারগুলোর উচিত বাবা-মায়ের মধ্যে ছুটি আরো নমনীয়ভাবে ভাগ করে নেওয়ার সুযোগ তৈরি করা এবং কম খরচে শিশুর দেখাশোনার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। তিনি বলেন, এ ধরনের নীতি শুধু পরিবারকে সহায়তা করে না, কর্মক্ষেত্রেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। এতে বাবা-মায়ের ওপর চাপ কমে এবং অতিরিক্ত কাজের কারণে মানসিকভাবে ক্লান্ত হয়ে পড়ার ঝুঁকিও হ্রাস পায়।&nbsp;</p>

<p>পোল্যান্ডের উপ-জলবায়ুমন্ত্রী ক্রিশতোফ বোলেস্তাও বিষয়টিকে ইতিবাচকভাবে দেখেছেন। তিনি বলেন, বৈঠকে একটি শিশু থাকার কারণে কোনো সমস্যা হয়নি। বরং এটি জীবনের স্বাভাবিক একটি অংশ।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1231-66.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[কেতন হত্যায় পরস্পরকে দুষছেন সিয়া-চেতন]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28843</link>
    <pubDate>Fri, 26 Jun 2026 17:38:21 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28843</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1334-55.jpg" />    <article>
<p>পুনের ব্যবসায়ী কেতন আগরওয়ালের হত্যার জন্য পরস্পরকে দুষছেন সিয়া গোয়েল ও তার প্রেমিক চেতন চৌধুরী। ৭ দিনের পুলিশ রিমান্ডে থাকা সিয়া ও চেতনকে মুখোমুখি জেরা করলে দুজনই অপরের ওপর দায় চাপানোর চেষ্টা করেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদের মুখে চেতন চৌধুরী দাবি করেন, কেতন আগরওয়ালকে সিয়া-ই ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিয়েছিল। তবে সিয়ার দাবি, কেতনকে হত্যার মূল পরিকল্পনা ছিল চেতন চৌধুরীর। এমনকি ১৪ জুন ধাক্কা দিলেও ঝোপঝাড় ধরে কেতন বেঁচে যাওয়ার পর সিয়ার সামনে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন চেতন।</p>

<p>পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে চেতন চৌধুরী দাবি করেন, কেতনকে হত্যার পরিকল্পনা তার ছিল না।</p>
</article>

<article>তিনি শুধু সিয়াকে নিয়ে পালিয়ে বিয়ে করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু পরিবারের সিদ্ধান্তকে অসম্মান করতে চাননি সিয়া। পরিবারের সামাজিক মর্যাদার কথা ভেবে প্রেমিক চেতনের সাথে পালাতে রাজি হননি তিনি। কেতনকে হত্যার আগে নানা বিকল্প নিয়ে ভেবেছিলেন সিয়া ও চেতন।</article>

<article>কিন্তু শেষ পর্যন্ত দুজন মিলে তাদের প্রেমের পথের কাঁটা হয়ে দাঁড়ানো কেতন আগরওয়ালকে সরিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>কেতন আগরওয়াল হত্যার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে নিরাজ কুমার নামে চেতন চৌধুরীর দোকানের এক কর্মচারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুনে পুলিশ। নিরাজ ৩ বছর ধরে চেতনের দোকানে কাজ করতেন। ১৮ জুন কেতন আগরওয়ালকে হত্যার দিনে চেতন নিরাজের ফোন ব্যবহার করেছিলেন।</p>

<p>পুলিশের ধারণা, এর আগেও চেতন নিরাজের ফোনে তার প্রেমিকা সিয়ার সাথে যোগাযোগ করেছেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>গত ফেব্রুয়ারিতে পুনের ব্যবসায়ী কেতন আগরওয়ালের সাথে সিয়া গোয়ালের বাগদান হয়। আগামী নভেম্বরে জমকালো বিয়ের আয়োজন চলছিল। গত ১৮ জুন সিয়া আর তার প্রেমিক চেতন মিলে পরিকল্পিতভাবে লোহাগড় দূর্গ থেকে ফেলে কেতন আগরওয়ালকে হত্যা করেন। ঘটনার ৫ দিন পর পুলিশ সিয়া ও চেতনকে গ্রেপ্তার করে। দুজন এখন ৭ &nbsp;দিনের পুলিশ রিমান্ডে আছেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1334-55.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিরাপত্তা শঙ্কায় উপসাগরীয় মিত্রদের স্বস্তি দেবে ইরান চুক্তি?]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28842</link>
    <pubDate>Fri, 26 Jun 2026 17:35:14 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28842</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1398-44.jpg" />    <article>
<p>সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তির খসড়ায় ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির ওপর কোনো সীমাবদ্ধতা নেই। এ ছাড়া ৩০০ বিলিয়ন ডলারের পুনর্গঠন তহবিল এবং তেহরানের আঞ্চলিক প্রভাব বাড়ানোর সম্ভাবনাও রয়েছে বলে জানা গেছে।</p>
</article>

<article>এসব কারণে উপসাগরীয় দেশগুলো অন্তর্বর্তী এই চুক্তি নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছে। তাদের আশঙ্কা, চুক্তির ফলে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সম্পর্ক স্বাভাবিক হলেও মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা ভারসাম্যে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে।
<p>&nbsp;</p>

<p>তবে এ অবস্থায় ইরানের সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের প্রাথমিক শান্তি চুক্তির বিষয়ে সন্দিহান উপসাগরীয় দেশগুলোকে আশ্বস্ত করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও।</p>

<p>বার্তা সংস্থা <a href="https://www.reuters.com/world/middle-east/rubio-visits-bahrain-seeking-gulf-backing-iran-deal-2026-06-25/">রয়টার্স</a> বলছে,&nbsp;তিন দিনের আঞ্চলিক সফরের শেষ পর্যায়ে স্থানীয় সময় বুধবার রাতে বাহরাইনের রাজধানী মানামায় পৌঁছান মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও।</p>
</article>

<article>এর আগে তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কুয়েত সফর করেছেন।
<p>&nbsp;</p>

<p><img alt="1" height="661" src="https://asset.kalerkantho.com/public/news_images/share/photo/shares/online/2026/06/25/my1241/6a3d00afda06d.jpg" width="960" /></p>

<p>বৃহস্পতিবার উপসাগরীয় আরব দেশগুলোর মিত্রদের আশ্বস্ত করে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, &lsquo;ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য যে কোনো চুক্তি তাদের নিরাপত্তা ও স্বার্থের কথা বিবেচনায় নিয়েই করা হবে। আমরা এমন কিছু করব না যা এই অঞ্চলে আমাদের দীর্ঘদিনের মিত্রদের নিরাপত্তাকে ক্ষুণ্ণ করে।&rsquo;</p>

<p>বাহরাইনে অনুষ্ঠিত উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (জিসিসি) পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে রুবিও বলেন, ওয়াশিংটন দীর্ঘদিনের প্রতিপক্ষ ইরানের সঙ্গে এমন একটি স্থায়ী শান্তি চায়, যা অঞ্চলের মিত্রদের নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধিকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে না।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>বাহরাইনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল লতিফ বিন রাশিদ আল জায়ানি বৈঠকে ওমানের প্রস্তাবিত নিরাপদ নৌ-চলাচল করিডোরকে স্বাগত জানান। এই করিডোর হরমুজ প্রণালির মাধ্যমে জাহাজ চলাচল সহজ করতে সহায়তা করবে বলে আশা করা হচ্ছে।</p>

<p>এদিকে গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতির লক্ষ্যে একটি কাঠামোগত সমঝোতা হওয়ার পর রুবিওর এই সফর ছিল প্রথম উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক উদ্যোগ। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া সংঘাতের পর এই সমঝোতা হয়।</p>

<p><img alt="2" height="702" src="https://asset.kalerkantho.com/public/news_images/share/photo/shares/online/2026/06/25/my1241/6a3d00afeb129.jpg" width="1080" /></p>

<p>সফরের সময় সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কুয়েতে রুবিও আঞ্চলিক নেতাদের বোঝানোর চেষ্টা করেন যে প্রস্তাবিত চুক্তি ইরানের পক্ষে অতিরিক্ত সুবিধাজনক নয়।</p>
</article>

<article>তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আমরা এমন কিছু করব না যা আমাদের দীর্ঘদিনের আঞ্চলিক মিত্রদের নিরাপত্তাকে দুর্বল করে।
<p>&nbsp;</p>

<p>তবে চুক্তির বিভিন্ন শর্ত নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে এখনো মতপার্থক্য রয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান অনির্দিষ্টকালের জন্য পারমাণবিক স্থাপনায় আন্তর্জাতিক পরিদর্শনের অনুমতি দিতে সম্মত হয়েছে। কিন্তু তেহরান এ দাবি অস্বীকার করেছে।</p>

<p>এ ছাড়া ইরানের জন্য আর্থিক প্রণোদনা, হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ এবং লেবাননে চলমান সংঘাতের মতো বিষয়গুলোতেও দুপক্ষের বক্তব্যে অসঙ্গতি দেখা যাচ্ছে।</p>

<p>জিসিসিভুক্ত দেশগুলো (সৌদি আরব, কাতার, ওমান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও কুয়েত) যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক মিত্র। যুদ্ধ চলাকালে তারা বিভিন্নভাবে ওয়াশিংটনকে সহায়তা করেছে, তবে একই সঙ্গে ইরানি হামলারও শিকার হয়েছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1398-44.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ভেনিজুয়েলায় জোড়া ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ১৮৮]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28841</link>
    <pubDate>Fri, 26 Jun 2026 17:34:33 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28841</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1483-33.jpg" />    <article>
<p>ভেনিজুয়েলায় পরপর দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ১৮৮ জনে পৌঁছেছে। এ ছাড়া এখন পর্যন্ত অন্তত ১ হাজার ৫২০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।</p>
</article>

<article>ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও প্রায় ২০০ জন আটকা পড়ে আছেন বলে জানিয়েছেন দেশটির জাতীয় পরিষদের সভাপতি হোর্হে রদ্রিগেজ। আলজাজিরার এক <a href="https://www.aljazeera.com/news/liveblog/2026/6/25/venezuela-earthquakes-live-two-powerful-quakes-shake-s-american-country">প্রতিবেদনে</a> এসব তথ্য জানা গেছে।

<p>&nbsp;</p>

<p>ভূমিকম্পের পর উদ্ধারকাজ অব্যাহত রয়েছে। নিহত ও আহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>বুধবারের এ ভয়াবহ ভূমিকম্প নিয়ে মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার (ইউএসজিএস) আশঙ্কা, নিহতের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে।</p>

<p>ভেনিজুয়েলার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন। ভূমিকম্পে ক্ষয়ক্ষতির কারণে রাজধানী কারাকাসের সিমন বলিভার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।</p>

<p>এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ভেনেজুয়েলাকে দ্রুত সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন।</p>
</article>

<article>তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে &lsquo;দ্রুত, কার্যকর ও বড় পরিসরের&rsquo; মানবিক সহায়তা দেওয়া হবে।
<p>&nbsp;</p>

<p>উদ্ধারকারীরা ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়াদের উদ্ধারে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। দুর্গত এলাকায় জরুরি চিকিৎসা ও ত্রাণ সহায়তা পৌঁছে দিতে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো তৎপর রয়েছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1483-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[আর্জেন্টিনা-স্পেন শেষ ৩২-এ মুখোমুখি হতে পারে]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/28840</link>
    <pubDate>Fri, 26 Jun 2026 17:33:59 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/28840</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1523-22.jpg" />    <article>
<p>দুই ম্যাচে টানা দুই জয় তুলে নিয়ে ছয় পয়েন্ট সংগ্রহ করেছে বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। গ্রুপ &lsquo;জে&rsquo;র শীর্ষস্থান এখন অনেকটাই নিশ্চিত লিওনেল মেসিদের।</p>
</article>

<article>ফলে শেষ ৩২-এ কার বিপক্ষে মাঠে নামবে আলবিসেলেস্তেরা, তা নিয়েই শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।
<p>&nbsp;</p>

<p>বিশ্বকাপের সূচি অনুযায়ী, গ্রুপ &lsquo;জে&rsquo;র চ্যাম্পিয়ন দল রাউন্ড অব ৩২-এ খেলবে গ্রুপ &lsquo;এইচ&rsquo;র রানার্সআপের বিপক্ষে। আর এই সমীকরণেই সামনে চলে এসেছে আর্জেন্টিনা-স্পেন সম্ভাব্য লড়াই।</p>

<p>গ্রুপ &lsquo;এইচ&rsquo;-এ দুই ম্যাচ শেষে স্পেনের সংগ্রহ ৪ পয়েন্ট।</p>
</article>

<article>উরুগুয়ের আছে ২ পয়েন্ট। দুই দলের মধ্যকার শেষ ম্যাচটি তাই নির্ধারণ করে দিতে পারে গ্রুপের ভাগ্য।
<p>&nbsp;</p>

<p>যদি উরুগুয়ে স্পেনকে হারাতে পারে, তাহলে ৫ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হবে তারা। সে ক্ষেত্রে স্পেন নেমে যাবে দ্বিতীয় স্থানে এবং রাউন্ড অব ৩২-এ তাদের প্রতিপক্ষ হবে গ্রুপ &lsquo;জে&rsquo;র শীর্ষ দল আর্জেন্টিনা।</p>
</article>

<article>অর্থাৎ নকআউটের শুরুতেই হতে পারে দুই পরাশক্তির বহুল প্রতীক্ষিত লড়াই।
<p>&nbsp;</p>

<p>তবে স্পেনের সামনে রয়েছে আরেকটি সম্ভাব্য পথ। একই সময়ে কেপ ভার্দে যদি সৌদি আরবকে হারাতে পারে, তাহলে পয়েন্ট ব্যবধানে স্পেন দ্বিতীয় নয়, তৃতীয় স্থানেও নেমে যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে তারা আর আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হবে না এবং সম্ভাব্য সেই মহারণ আপাতত এড়িয়ে যাবে।</p>

<p>অন্যদিকে স্পেন যদি উরুগুয়ের বিপক্ষে অন্তত ড্র করতে পারে, তাহলে গ্রুপের শীর্ষস্থান ধরে রাখার সম্ভাবনাই বেশি থাকবে।</p>
</article>

<article>সেক্ষেত্রে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ হবে উরুগুয়ে, কেপ ভার্দে কিংবা সৌদি আরবের মধ্যে কোনো একটি দল, গ্রুপের চূড়ান্ত অবস্থানের ওপর নির্ভর করে।
<p>&nbsp;</p>

<p>এবারের বিশ্বকাপে গ্রুপের অবস্থান নির্ধারণে প্রচলিত গোল ব্যবধানের আগে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে হেড-টু-হেড ফলকে। পয়েন্ট সমান হলে প্রথমে দেখা হবে সংশ্লিষ্ট দলগুলোর নিজেদের মধ্যকার ম্যাচের ফল, এরপর হেড-টু-হেড গোল ব্যবধান, হেড-টু-হেডে করা গোল, সামগ্রিক গোল ব্যবধান, মোট গোল, শৃঙ্খলা রেকর্ড এবং সবশেষে ফিফা র&zwj;্যাঙ্কিং।</p>

<p>তাই গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচগুলো শুধু পরবর্তী রাউন্ডে ওঠার লড়াই নয়, নকআউটে সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ নির্ধারণের ক্ষেত্রেও হয়ে উঠেছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আর সেই সমীকরণেই শেষ ৩২-এ আর্জেন্টিনা ও স্পেনের সম্ভাব্য মুখোমুখি হওয়ার দিকে নজর ফুটবলপ্রেমীদের।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1523-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[অভিনেত্রীর ফ্ল্যাট থেকে ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/28839</link>
    <pubDate>Fri, 26 Jun 2026 17:32:08 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/28839</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1622-11.jpg" />    <article>
<p>কন্নড় সিনেমার অভিনেত্রী ও মডেল কৃষি থাপান্ডার বেঙ্গালুরুর একটি ফ্ল্যাট থেকে এক ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে এটি আত্মহত্যার ঘটনা বলে ধারণা করা হলেও মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে।</p>
</article>

<article>ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>বুধবার (২৫ জুন) রাত সাড়ে ৮টার দিকে বেঙ্গালুরুর রাজারাজেশ্বরী নগর এলাকার ওই ফ্ল্যাটে ঘটনাটি ঘটে। নিহতের নাম বৈশাখ। তিনি গত এক সপ্তাহ ধরে অভিনেত্রীর ফ্ল্যাটে অবস্থান করছিলেন।</p>
</article>

<article>তবে ঘটনার সময় কৃষি থাপান্ডা সেখানে ছিলেন না। তিনি ইয়েলাহাঙ্কায় অবস্থান করছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
<p>&nbsp;</p>

<p>তদন্তকারীরা জানান, ঘটনাস্থল থেকে কোনো সুইসাইড নোট বা চিরকুট উদ্ধার হয়নি। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।</p>
</article>

<article>প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যার সন্দেহ করা হলেও, ময়নাতদন্ত ও তদন্ত শেষ হওয়ার আগে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না।
<p>&nbsp;</p>

<p>পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, বৈশাখ দীর্ঘদিন ধরে বিষণ্নতায় ভুগছিলেন এবং চিকিৎসাধীন ছিলেন। ব্যক্তিগত ও পারিবারিক নানা সমস্যার কারণে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন তিনি।&nbsp;</p>

<p>তদন্তে আরো জানা গেছে, দাম্পত্য কলহের জেরে প্রায় এক মাস ধরে স্ত্রীর সঙ্গে আলাদা থাকছিলেন এই ব্যবসায়ী।</p>

<p>এদিকে বৈশাখ এর আগেও একটি আলোচিত চাঁদাবাজি ও হুমকির মামলায় পুলিশের নজরে এসেছিলেন।</p>
</article>

<article>ব্যবসায়ী ও আইনজীবী অরবিন্দ রেড্ডিকে কুরিয়ারের মাধ্যমে ৬ থেকে ৭ কোটি রুপি দাবি করে একটি হুমকিমূলক চিঠি পাঠানোর অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করেছিল এইচএএল থানার পুলিশ।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>তদন্তকারীদের দাবি ছিল, এক নারীকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরেই ওই চিঠি পাঠানো হয়েছিল। পরে তিনি জামিনে মুক্তি পান।</p>

<p>গত ৬ ফেব্রুয়ারি কর্ণাটক হাইকোর্ট বৈশাখের বিরুদ্ধে চলমান পরবর্তী তদন্তের ওপর স্থগিতাদেশ দেন। এর আগে পাঁচ দিন পুলিশি হেফাজতে রেখে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল।</p>

<p>বৈশাখের মৃত্যুর ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।&nbsp;</p>

<p>রাজারাজেশ্বরী নগর থানার পুলিশ জানিয়েছে, প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1622-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিউইয়র্কে মুন্সিগঞ্জ-বিক্রমপুর অ্যাসোসিয়েশনের বর্ণিল অভিষেক]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/28838</link>
    <pubDate>Thu, 25 Jun 2026 09:31:15 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/28838</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/25-b.jpg" />    <p>নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত হয়েছে মুন্সিগঞ্জ-বিক্রমপুর অ্যাসোসিয়েশনের নতুন কমিটির অভিষেক ও পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়। গত ১৮ জুন উডসাইডের গুলশান টেরেসে বর্ণিল আয়োজনের মধ্য দিয়ে সংগঠনটির নতুন কমিটির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়।<br />
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন শারমিন সিরাজ সোনিয়া এবং এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সভাপতি এম আজিজ। অনুষ্ঠানে ২০২৬ থেকে ২০২৯ মেয়াদের জন্য নতুন কার্যকরী কমিটির শপথবাক্য পাঠ করান প্রধান নির্বাচন কমিশনার মির্জা মনিরুজ্জামান শামীম। পরে নতুন কমিটির সভাপতি হিসেবে কাজী এম আর খান সেলিম এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মাসুদ রানা তপন আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।<br />
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নিউইয়র্ক স্টেট অ্যাসেম্বলি ওম্যান জেনিফার রাজকুমার, বাংলাদেশ সোসাইটির সভাপতি আতাউর রহমান সেলিম, সিনিয়র সহ সভাপতি মহিউদ্দিন দেওয়ান, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী, এটর্নি মঈন চৌধুরী, ঢাকা জেলা এসোসিয়েশনের সভাপতি দুলাল বেহেদু, নোয়াখালী সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক এএসএম মাইনুদ্দিন পিন্টু , সন্দীপ সোসাইটির প্রেসিডেন্ট ফিরোজ আহমেদ, নিউইয়র্ক বাংলাদেশী আমেরিকান লায়ন্স ক্লাবের সভাপতি জে এফএম রাসেল প্রমুখ।<br />
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, মুন্সিগঞ্জ জেলার ৬টি থানার কোনো প্রবাসী সদস্য মারা গেলে কাফনসহ দাফনের সম্পূর্ণ ব্যয় বহনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাশাপাশি নিউইয়র্কে নিজস্ব অর্থায়নে &lsquo;বিক্রমপুর ভবন&rsquo; নির্মাণের পরিকল্পনাও ঘোষণা করা হয়।<br />
অনুষ্ঠানে নিউইয়র্ক প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থেকে নতুন কমিটিকে শুভেচ্ছা জানান এবং প্রবাসীদের ঐক্য ও সামাজিক কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানান।অনুষ্ঠানে মুন্সিগঞ্জ ও বিক্রমপুরের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত প্রবাসীরা দীর্ঘদিন পর একত্রিত হয়ে প্রবাস জীবনের ব্যস্ততার মাঝেও নিজ এলাকার স্মৃতি ও আবেগকে নতুন করে অনুভব করেন। বক্তারা বলেন, এটি শুধু একটি সাংগঠনিক অভিষেক নয়, বরং প্রবাসে মাতৃভূমির সঙ্গে আবেগের এক গভীর বন্ধন। সবশেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি শেষ হয়।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/25-b.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিউইয়র্কে বহির্বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম করবস্থান স্কচটাউন বাংলাদেশ সেমিট্রির যাত্রা শুরু]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/28837</link>
    <pubDate>Thu, 25 Jun 2026 09:30:47 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/28837</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/63-a.jpg" />    <p>নিউইয়র্কে বহির্বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম করবস্থান স্কচটাউন বাংলাদেশ সেমিট্রি যাত্রা শুরু করেছে। বৃহত্তর নোয়াখালী সোসাইটির প্রায় ১ লাখ কবরের এ প্রকল্পটির উদ্বোধন করা হয় গত ২০ জুন। অনুষ্ঠানে বৃহত্তর নোয়াখালীবাসীসহ বাংলাদেশি কম্যুনিটির গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। বহির্বিশ্বের সর্ববৃহৎ এ মুসলিম গোরস্থান এর জন্য ২০২৪ সালের ১৬ ডিসেম্বর প্রায় ১২৬ একর জমি ক্রয় করা হয়। এ সেমিট্রির কাজ শুরু করা হয় ২০২৫ সালে ৩১ জুলাই। প্রায় এক বছর পর ২০২৬ সালের ২০ জুন বৃহত্তর নোয়াখালী সোসাইটির উপদেষ্টা এসএম আমানতের লাশ দাফনের মধ্য দিয়ে প্রকল্পের বাস্তবায়ন শুরু হয়। এসএম আমানত দীর্ঘ এক বছর ধরে মরণব্যাধি ক্যানসারে আক্রান্ত ছিলেন। তিনি গত ১৮ জুন চিকিৎসাধীন অবস্থায় ব্রুকলিনের একটি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি&hellip; রাজিউন)। গত ১৯ জুন ব্রুকলিনের বেলাল মসজিদে জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। পর দিন ২০ জুন স্কচটাউনে দ্বিতীয় জানাজা শেষে বাংলাদেশ সেমিট্রিতে দাফন কর হয়। এটিই বাংলাদেশ সেমিট্রিতে প্রথম কবর।<br />
বৃহত্তর নোয়াখালী সোসাইটির সাবেক সভাপতি নাজমুল হাসান মানিকের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মাঈন উদ্দীন পিন্টুর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন-এ প্রকল্পের স্বপ্নদ্রষ্টা ও বৃহত্তর নোয়াখালী সোসাইটির সভাপতি জাহিদ মিন্টু, বৃহত্তর নোয়াখালী সোসাইটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান হাজি মফিজুর রহমান, সাবেক সভাপতি আব্দুর রব মিয়া, সাবেক সভাপতি সালামত উল্যাহ, ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য খোকন মোশাররফ, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মোমিনুল হক, রেজাউল করিম চৌধুরী, সোহেল হেলাল, মাইনুল উদ্দীন মাহবুব, সহ-সভাপতি তাজু মিয়া, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইউছুপ জসীম, সহ-সাধারণ সম্পাদক সালেহ আহমেদ চৌধুরী রুহেল, বিএনএস বেলালের নাতি, কোম্পানীগঞ্জ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. মুন্না প্রমুখ।<br />
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন-ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য আবুল কালাম, রফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য শাহ নেওয়াজ স্বপন, শাহ আলম, মোস্তাক হোসেন মোশাররফ, মানিক লাল দাস, সুভাষ চন্দ্র মজুমদার, অ্যাসালের ফাউন্ডার প্রেসিডেন্ট মাফ মিসবাহ উদ্দিন, বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সভাপতি ও ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান এম আজিজ, বাংলাদেশ সোসাইটির সভাপতি আতাউর রহমান সেলিম, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী, সিনিয়র সহ-সভাপতি মহিউদ্দিন দেওয়ান, বাংলাদেশ সোসাইটির ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য কাজী শাখাওয়াত হোসেন আজম, সন্দ্বীপ সোসাইটির সভাপতি ফিরোজ আহমেদ, বংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন সিদ্দিকী, সাবেক কোষাধ্যক্ষ নওশেদ হোসেন, সবেক কর্মকর্তা জামান তপন, বাংলাদেশ সোসাইটির ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য নাঈম টুটুল, বাংলাদেশ সোসাইটির প্রধান নির্বাচন কমিশনার আবু নাসের, বৃহত্তর নোয়াখালী সোসাইটির সহ কোষাধ্যক্ষ জামাল উদ্দিন, সাংগঠনকি সম্পাদক নূরুল ইসলাম বাবু, ক্রীড়া সম্পাদক আব্দুর রহিম, ধর্ম সম্পাদক মাও. মঞ্জুরুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক মাহমুদুল হাসান, সদস্য ইকবাল হোসেন, হাসানুজ্জামান বাদল, মাহমুদুল হক প্রমুখ। আরো উপস্থিত ছিলেন লক্ষ&egrave;ীপুর জেলা সমিতির সভাপতি মোহাম্মদ আলী, মাহমুদুল হাসান, বাংলাদেশ সোসাইটির কার্যকরি সদস্য আবুল কাশেম চৌধুরী, কোম্পানীগঞ্জ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন সবুজ, চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম, আহমেদ জুনায়েদ, মিজানুর রহমান, খোরশেদ আলম, মাকসুদুর রহমান, রুবেল আলী, জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারের ইমাম মাওলানা মির্জা আবু জাফর বেগ, চার্চম্যাকডোনাল্ড বিজনেস অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট রফিকুল ইসলাম পাটোয়ারি, সাবেক সভাপতি আব্দুর রব, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য আনোয়ারুল আজিম প্রমুখ।<br />
জাহিদ মিন্টু তার বক্তব্যে সবাইকে ধন্যবাদ জানান এবং আল্লাহর প্রতি শোকরিয়া আদায় করে বলেন, এ জমি ১ হাজার ৪০০ দিন মার্কেটে ছিল কেউ ক্রয় করেনি, পরে আমরা ক্রয় করেছি। নোয়াখালী সোসইটির জন্ম হয়েছিল মানুষের কল্যাণের জন্য, আমরা বলি নোয়াখালী সোসাইটি শুধু মানব কল্যাণে কাজ করে না, নোয়াখালী সোসাইটি দ্বীন প্রচারেও কাজ করে। অনেকেই বলেন, এ প্রজেক্টের স্বপ্নদ্রষ্টা আমি। কিন্তু এ প্রজেক্টকে কাজ করে আজকের পর্যায়ে নিয়ে এসেছেন যারা, তারা হলেন-জামাল উদ্দিন, মনসুর আহমেদ, পিয়াস ও মাইনুল উদ্দীন মাহবুব। এছাড়াও তিনি শ্রদ্ধার সঙ্গে বিএনএস বেলাল, মহিউদ্দিন ও এসএম আমানত হোসেনকে। তিনি যারা এ প্রকল্পে আর্থিকভাবে সহযোগিতা করেছেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি আরো বলেন, আমাদের কাজ এখনো শেষ হয়নি, কাজ চলবে। তবে কবর দেওয়া শুরু হয়েছে, তবে আনুষ্ঠানিকভাবে তা শুরু হবে ১ জুলাই থেকে। যারা আমাদের কাছ থেকে কবর ক্রয় করেছেন, তারা আসবেন এবং আপনাদের কবর বুঝে নিবেন। তিনি বলেন, আমরা ইতিমধ্যে ২০ হাজার কবর বিক্রি করেছি। আগামী আগস্ট থেকে দ্বিতীয় কিস্তির কাজ শুরু হবে। কাজ শুরুর পর এগুলো বিক্রি শুরু হবে। প্রকল্প উদ্বোধনের ঘোষণায় তিনি আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েন। এখানে ৮ হাজার স্কোয়ার ফিটের বিল্ডি হবে, নামাজ পড়া যাবে, ১৫০ জন লোক এক সঙ্গে নামাজ আদায় কর যাবে, লাশ রাখার ব্যবস্থা এবং লাশ দোয়ার ব্যবস্থা রাখা হবে। তিনি বলেন, এ কাজগুলো আমরা করবো। তবে আমি বলতে চাই, এ প্রজেক্ট আপনাদের প্রজেক্ট, আমরা শুধু ব্যবস্থাপনায় থাকবো। তিনি হুঁশিয়ার উচ্চারণ করেন আপনারা যারা আপ্রচার করছেন, বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে মিথ্যা লিখছেন, তাদের প্রতিহত করতে নোয়াখালীবাসী প্রস্তুত, আইনীভাবে হোক, আর যেকোনভাবেই হোক। আপনাদের মধ্যে কেউ কম্যুনিটি বোর্ড মেম্বার থাকতে পারেন, কেউ আইনজীবী নেতা থাকতে পারেন, কেউ ডাক্তার থাকতে পারেন, বি কেয়ারফুল। ভাল কাজ দেখলে আপনাদের যাদের গ্রাহদাহ হয়, তাদের দূরে থাকা উচিত। আশা করি আগামীতে কাজগুলো আর করবেন না, এনাফ ইজ এনাফ। প্রজেক্ট ইজ ডান। নোয়াখালীবাসীর ভদ্রতা দেখেছেন, নম্রতা দেখেছেন কিন্তু হুঙ্কার দেখেননি। বিশ্বাস করেন, এটা আমাদের অন্তরের প্রজেক্ট। এখানে আঘাত করার চেষ্টা করবেন না। এ প্রজেক্ট আগামী ২০০ বছরের প্রজেক্ট। মনে রাখবেন, আজ আমানত সাহেবকে তার আত্মীয়স্বজন রেখে যাবেন, আমি মারা গেলে আমাকেও রেখে যাবেন, সবাইকে মরতে হবে। নিজের পয়সা দিয়ে সমাজসেবা করেন, অন্য অর্থে সমাজসেবার ভালো করবেন না- আপনাদের ধিক্কার জানাই। তিনি প্রজেক্টের কাগজপত্র সংগঠনের নেতৃবৃন্দের কাছে হস্তান্তর করেন।<br />
নাজমুল হাসান মানিক বলেন, নোয়াখালীবাসীর সহযোগিতায় আমরা এ প্রজেক্ট করতে সফল হয়েছি। যারা আমাদের সহযোগিতা করেছেন তাদের প্রতি আমাদের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।<br />
হাজি মফিজুর রহমান বলেন, জাহিদ মিন্টু বয়সে আমাদের চেয়ে অনেক ছোট কিন্তু জ্ঞানে এবং কর্মে সে আমাদের চেয়ে অনেক বড় যেকারণে এ প্রজেক্ট আজকে আলোর মুখ দেখেছে।<br />
অনুষ্ঠানে যারা এ প্রজেক্টে কবর ক্রয় করেছেন তারাও অংশগ্রহণ করেন এবং তাদের প্রতিনিধিরা বক্তব্য রাখেন। তারা এ প্রজেক্ট বাস্তবায়ন করার জন্য জাহিদ মিন্টু এবং উদ্যোগ গ্রহণ করার জন্য বৃহত্তর নোয়াখালী সোসাইটির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তারা বলেন, এতোদিন কবর নিয়ে উৎকণ্ঠার মধ্যে ছিলাম, এখন আমাদের নিজেদের করব হয়েছে। বিদেশি অনেক প্রজেক্টে তাদের কথামতো এবং সময় অনুযায়ী আমাদের কবর দিতে হয়েছে, সেদিক থেকে এবার আমরা একটু সুবিধাজনক অবস্থায় রয়েছি। এক সঙ্গে এক লাখ মুসলিম মানুষের কবর, এটা যেন চিন্তার অতীত ছিল, সেই অসাধ্য সাধন করেছে জাহিদ মিন্টু। আকাশ ছোঁয়া স্বপ্ন হাতের মুঠোয় এনে দিয়েছে জাহিদ মিন্টুসহ বৃহত্তর নোয়াখালী সোসাইটি। কেউ কেউ বলেছেন, আজকে স্কচটাউনে যে ইতিহাস তৈরি হলো অমরা ইতিহাসের সাক্ষী হলাম। হয়তো আমরা থাকবো না, কিন্তু মুসলমানদের এ প্রজেক্ট থেকে যাবে। জাহিদ মিন্টুসহ যারা এটা করেছেন এ প্রজেক্ট যতদিন থাকবে, তাদের নামও ততদিন থাকবে। কেউ কেউ বলেছেন, ক্ষণিকের পৃথিবী নয়, আসল ঠিকানা হচ্ছে এটা।<br />
বাংলাদেশ সেমিট্রিতে জোহর এবং আসরের নামাজ আদায় করা হয়। জোহরের নামাজে ইমামতি করেন জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারের ইমাম মাওলানা মির্জা আবু জাফর বেগ। আসরের নামাজে ইমামতি করেন&nbsp; মসজিদ বেলালের ইমাম ড. সাইয়্যদ মুফতি মুহাম্মদ আনসারুল করিম আল আজহারী।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/63-a.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ডা. জাহেদ প্রসঙ্গে ভারতের ব্যাখ্যা অসন্তোষজনক : পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28836</link>
    <pubDate>Thu, 25 Jun 2026 09:29:26 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28836</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/934-1.jpg" />    <article>
<p>প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমানকে নিয়ে দিল্লি বিমানবন্দরের ঘটনা প্রসঙ্গে ভারতের ব্যাখ্যাকে অসন্তোষজনক আখ্যা দিয়েছে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে এ ঘটনাকে &lsquo;দুর্ভাগ্যজনক ও দুঃখজনক&rsquo; বলে অভিহিত করেছে ঢাকা।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>আজ বুধবার ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রের মন্তব্যের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এ কে এম শহীদুল করিম এ মন্তব্য করেন।&nbsp;</p>

<p>তিনি বলেন, &lsquo;এ ঘটনা নিয়ে ভারতীয় পক্ষের দেওয়া ব্যাখ্যা সন্তোষজনক নয়।&rsquo;</p>

<p>মুখপাত্র বলেন, &lsquo;ইন্ডিয়ান ওশান রিম অ্যাসোসিয়েশনের (আইওআরএ) একটি বৈঠকে ডা. জাহেদ উর রহমান যে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন, সে বিষয়ে কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে আগেই যথাযথভাবে জানানো হয়েছিল। তা সত্ত্বেও দিল্লি বিমানবন্দরে তাকে (ডা. জাহেদ) নিয়ে যে ঘটনা ঘটেছে, তা দুর্ভাগ্যজনক ও দুঃখজনক।</p>
</article>

<article>&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>চলতি মাসের শুরুতে আইওআরএর একটি বৈঠকে অংশ নিতে ভারতে প্রবেশকালে দিল্লি বিমানবন্দরে ডা. জাহেদ উর রহমানকে বাধা দেওয়া হয়। ওই বৈঠকে তার বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেওয়ার কথা ছিল।</p>

<p>বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের বিষয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি মন্তব্য সংক্রান্ত অন্য প্রশ্নের জবাবে মুখপাত্র বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বাস করে যে প্রতিটি রাষ্ট্রেরই তার ভূখণ্ডে বসবাসকারী সংখ্যালঘুসহ সব নাগরিকের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার সমান দায়িত্ব রয়েছে।</p>

<p>তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন, বাংলাদেশ সরকার সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সদস্যসহ সব নাগরিকের অধিকার রক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/934-1.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[আগামীতে বিদেশি ঋণ পরিশোধের দায় বাড়বে : অর্থমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28835</link>
    <pubDate>Thu, 25 Jun 2026 09:28:41 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28835</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/798-99.jpg" />    <article>
<p>গত মার্চ মাসে বাংলাদেশের মোট বিদেশি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৭৮২২৩ দশমিক ৪৪৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, &lsquo;বিপুল এই ঋণের কারণে আগামী বছরগুলোতে ঋণের আসল ও সুদ পরিশোধের দায় বাড়বে।</p>
</article>

<article>&rsquo;&nbsp;বুধবার (২৪ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ১৪তম দিনে প্রশ্নোত্তর পর্বে এই তথ্য জানান মন্ত্রী।
<p>&nbsp;</p>

<p>জামালপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান বাবুলের লিখিত প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী আরো জানান, মোট ঋণের মধ্যে ৬১ দশমিক ৯৭ শতাংশ কনসেশনাল বা সহজ শর্তের ঋণ আর ৩৮ দশমিক ০৩ শতাংশ নন-কনসেশনাল ঋণ।</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/sport/2026/06/24/1702455" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বৈদেশিক ঋণ ব্যবস্থাপনার বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, &ldquo;বিশ্বব্যাংকের হিসাব মতে, ২০১৫ সালে বাংলাদেশ নিম্ন আয়ের দেশ হতে নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশে উত্তরণের ফলে আমাদের বৈদেশিক ঋণের কনসেশনালিটি ধীরে ধীরে কমে আসছে।</p>
</article>

<article>পাশাপাশি একই সময় থেকে সরকারের বৈদেশিক ঋণ গ্রহণের পরিমাণ ও বিপুলভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে সামনের বছরগুলোতে ঋণের আসল ও সুদ পরিশোধের দায় বৃদ্ধি পাবে।&rdquo; &nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>অর্থমন্ত্রী জানান, এসব চ্যালেঞ্জ মাথায় রেখে তার সরকার বেশ কিছু সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নিয়েছে। তিনি বলেন, &ldquo;নতুন বৈদেশিক ঋণ গ্রহণের ক্ষেত্রে ঋণ প্রস্তাব ও সংশ্লিষ্ট প্রকল্প প্রস্তাব নিবিড়ভাবে যাচাই করা হচ্ছে যাতে উচ্চ সুদের বৈদেশিক ঋণের মাধ্যমে কোনো অপ্রয়োজনীয় বা কম গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প বাস্তবায়িত না হয়।</p>
</article>

<article>যেসব প্রকল্পের উচ্চ ইকোনমিক রিটার্ন রয়েছে শুধু সেসব প্রকল্পের জন্যই বৈদেশিক ঋণ বিবেচনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি বৈদেশিক ঋণে বাস্তবায়িত প্রকল্পগুলোর সময় বৃদ্ধি ও ব্যয় বৃদ্ধির সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসার জন্য আমরা প্রকল্পের নিবিড় তদারকি শুরু করেছি। আমরা সরকারের মধ্যমেয়াদি ঋণ ব্যবস্থাপনা নীতি (মিডিয়াম টার্ম ডেট ম্যানেজমেন্ট স্ট্র্যাটেজি) হালনাগাদ করার কাজ করছি। ঋণ ব্যবস্থাপনাকে টেকসই ও সহনশীল করার লক্ষ্যে আমরা ডেট সাসটেইনেবিলিটি অ্যানালাইসিস (ডিএসএ) করছি। সব শেষে, সরকারের ঋণ ব্যবস্থাপনার সার্বিক গুণগতমান উন্নয়নের জন্য আমরা শিগিরই প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি সংস্কারের জন্য একটি পরিকল্পনা প্রণয়নের কাজ শুরু করেছি।</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/798-99.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষায় সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার : মির্জা ফখরুল]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28834</link>
    <pubDate>Thu, 25 Jun 2026 09:27:57 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28834</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/992-88.jpg" />    <article>
<p>দেশের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী, সংখ্যালঘু, নৃ-গোষ্ঠী ও ভিন্ন ধর্মাবলম্বী জনগোষ্ঠীর কল্যাণ এবং তাদের সাংবিধানিক অধিকার সুরক্ষায় সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ধর্ম-বর্ণ-জাতিগত পরিচয় নির্বিশেষে সকল নাগরিকের সম-অধিকার নিশ্চিত করাই সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার এবং এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>বুধবার (২৪ জুন) সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে সীতাকুণ্ড স্রাইন কমিটির প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী এবং বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের চেয়ারম্যান বিজন কান্তি সরকার উপস্থিত ছিলেন।</p>

<p>মন্ত্রী বলেন, দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির ধারায় সব সম্প্রদায়ের মানুষের সমান অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। তিনি উল্লেখ করেন, একটি গোষ্ঠী দীর্ঘদিন ধরে বিএনপিকে সংখ্যালঘু ও ভিন্ন ধর্মাবলম্বী মানুষের বিরুদ্ধে অবস্থানকারী রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে চিত্রিত করার অপচেষ্টা চালিয়ে আসছে।</p>
</article>

<article>তবে বাস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন। ঐতিহাসিকভাবে বিএনপি সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষের অধিকার, নিরাপত্তা এবং মর্যাদা রক্ষায় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি আরও বলেন, &lsquo;বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। এ দেশের মানুষ যুগ যুগ ধরে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও সৌহার্দ্যের মাধ্যমে একসঙ্গে বসবাস করে আসছে।</p>
</article>

<article>সরকারের দায়িত্ব হলো সব ধর্মাবলম্বী নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করা। আমরা সেই দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে চাই।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>বৈঠকে সীতাকুণ্ড স্রাইন কমিটির নেতৃবৃন্দ চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী পুণ্যতীর্থ চন্দ্রনাথ ধামে আগত ভক্তদের নানা সমস্যার কথা মন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন। তারা জানান, প্রতিবছর দেশের বিভিন্ন অঞ্চলসহ বিদেশ থেকেও হাজারো ধর্মপ্রাণ মানুষ চন্দ্রনাথ ধামে পূজা-অর্চনা ও তীর্থযাত্রার উদ্দেশ্যে আসেন। কিন্তু পর্যাপ্ত অবকাঠামো ও যোগাযোগ সুবিধার অভাবে তাদের নানা ধরনের ভোগান্তির শিকার হতে হয়।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, দেশের বিভিন্ন ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক স্থানের উন্নয়ন কেবল ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেই নয়, পর্যটন, স্থানীয় অর্থনীতি এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ। তাই জনগণের চাহিদা ও বাস্তব প্রয়োজন বিবেচনায় সরকার এসব স্থানের উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবে।&rsquo;</p>

<p>বৈঠকে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান, মেজর জেনারেল (অব.) জীবন কানাইসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/992-88.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বেইজিংয়ে প্রধানমন্ত্রীকে লাল গালিচা সংবর্ধনা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28833</link>
    <pubDate>Thu, 25 Jun 2026 09:27:09 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28833</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1113-77.jpg" />    <article>
<p>চীনের দালিয়ান থেকে বেইজিংয়ে এসে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ বুধবার স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ৩৫ মিনিটে বেইজিংয়ের চাউমিং রেলওয়ে স্টেশনে এসে পৌঁছান তিনি।</p>
</article>

<article>সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান। চীনের জেনারেল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব কাস্টমসের (জিএসিসি) মন্ত্রী ও চীনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) সেক্রেটারি সুন মেইজুন রেলওয়ে স্টেশনে প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানান।
<p>&nbsp;</p>
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/national/2026/06/24/1702436" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>এ সময় শিশু-কিশোরেরা প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সহধর্মিণীর হাতে ফুলের তোড়া তুলে দেয়। আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানোর পাশাপাশি চাউমিং রেলওয়ে স্টেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তাঁর সহধর্মিণীকে লাল গালিচা সংবর্ধনা এবং গার্ড অব অনার দেওয়া হয়।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>রেলস্টেশন থেকে প্রধানমন্ত্রীকে বিশেষ মোটর শোভাযাত্রাসহকারে চীনের দিয়াওইউতাই গেস্টহাউসে (রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন) নিয়ে যাওয়া হয়। বেইজিংয়ে প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সহধর্মিণীসহ সফরসঙ্গীরা এই গেস্টহাউসেই থাকবেন।</p>

<p>এর আগে স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ৫৮ মিনিটে দালিয়ান উত্তর রেলওয়ে স্টেশন থেকে হাই স্পিড ট্রেনযোগে (বুলেট ট্রেন) বেইজিংয়ের উদ্দেশে যাত্রা করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।</p>

<p>এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান; বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত; প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির; বৈদেশিক কর্মসংস্থানবিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন; প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেসসচিব আতিকুর রহমান রুমন, ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি প্রমুখ।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/entertainment/2026/06/24/1702434" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>বেইজিংয়ে আসার আগে সকালে চীনের দালিয়ানে &lsquo;দালিয়ান আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে&rsquo; স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম (ডব্লিউইএফ) আয়োজিত &lsquo;গ্রীষ্মকালীন দাভোসে&rsquo; বার্ষিক সভায় অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। গত সোমবার মালয়েশিয়ায় দুই দিনের সফর শেষ করে সফরসঙ্গীদের নিয়ে চীনের দালিয়ানে আসেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সরকারপ্রধানের দায়িত্ব নিয়ে মালয়েশিয়া ও চীনে এটি তাঁর প্রথম সফর।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1113-77.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[পরিচয় লুকাতে পরা হুডিই ধরিয়ে দিল কেতনের খুনিকে]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28832</link>
    <pubDate>Thu, 25 Jun 2026 09:26:19 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28832</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1333-55.jpg" />    <article>
<p>ভারতের পুনের ব্যবসায়ী কেতন আগরওয়ালের মৃত্যু সিনেমা না বাস্তব, দ্বন্দ্বে পড়ে যাবেন যে কেউ। বাগদত্তা সিয়া গোয়াল আর তার প্রেমিক চেতন বাবুলাল চৌধুরীর নিখুঁত পরিকল্পনায় কেতনের মৃত্যুর ঘটনা যেন থ্রিলার সিনেমাকেও হার মানায়।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>গত ফেব্রুয়ারিতে কেতন আগরওয়াল আর সিয়া গোয়ালের বাগদান হয়েছিল। প্রস্তুতি চলছিল জমকালো বিয়ে আয়োজনের। বিয়ের অনুষ্ঠানের জন্য জয়পুরে ১৭ কোটি টাকায় একটি রাজপ্রাসাদ ভাড়া করা হয়েছিল, অতিথিদের আনা-নেওয়ার জন্য দুটি বিমানও ভাড়া করা হয়েছিল। কিন্তু সিয়া গোয়ালের এ বিয়েতে মন ছিল না।</p>
</article>

<article>তিনি মন দিয়েছিলেন ২২ বছর বয়সী চেতন চৌধুরীকে।
<p>&nbsp;</p>

<p>বিয়ের পরিকল্পনা এগিয়ে যেতেই সিয়া আর চেতন মিলে কেতনকে সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করেন। প্রথমে সিয়া ভেবেছিলেন দেশের বাইরে কোনো নিরিবিলি জায়গায় নিয়ে কেতনকে হত্যা করবেন। কিন্তু সিয়া একা এটা করতে সাহস পাননি।</p>
</article>

<article>ট্র্যাকিং কেতনের খুব পছন্দ ছিল। সেই পছন্দকে কাজে লাগিয়েই সিয়া পাল্টে নেন হত্যা পরিকল্পনা। গত ৩১ মে কেতন আর সিয়া পুনের লোহাগড় দূর্গে ট্র্যাকিং করতে যান। কিন্তু সেবার লোকজনের ভিড়ে সিয়া হত্যা পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সুযোগ পাননি।
<p>&nbsp;</p>

<p>গত ৬ জুন তাদের প্রি-ওয়েডিং ফটোশুটের জন্য ইন্দোনেশিয়ার বালি যাওয়ার কথা ছিল।</p>
</article>

<article>সঙ্গে আরো দুই বন্ধু ছিল বলে সিয়া বালি যেতে চাননি। তবে প্রকাশ্যে সেটা বলেনওনি। বালি যেতে বিমানবন্দরে যাওয়ার পথে মুম্বাইয়ের একটি রেস্টুরেন্টে নাশতা খেতে থামেন তারা। এক ফাঁকে সিয়া কেতনের ব্যাগ থেকে তার পাসপোর্টটি চুরি করে ছিঁড়ে টয়লেটে ফ্ল্যাশ করে দেন। মুম্বাই এয়ারপোর্টে পৌঁছে কেতন দেখেন তার পাসপোর্ট নেই। ফলে তাদের বালি ট্রিপ বাতিল করতে হয়। বালি যেতে না পারার ক্ষতি পুষিয়ে দিতে ১৪ জুন তারা আবারও লোহাগড় দুর্গে যান। সেদিনও সিয়া কেতনকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিয়েছিলেন। কিন্তু অভিজ্ঞ ট্র্যাকার কেতন ঝোপঝাড় ধরে পতন ঠেকান। সন্দেহ থেকে নিজেকে বাঁচাতে সিয়া &lsquo;সাপ সাপ&rsquo; বলে চিৎকার করে কেতনকে জড়িয়ে ধরেন। সিয়া বলেন, সাপের হাত থেকে বাঁচাতেই তিনি কেতনকে সরিয়ে দিতে চেয়েছিলেন। কেতনেরও সন্দেহ হয়নি।
<p>&nbsp;</p>

<p>১৯ জুন ছিল সিয়ার ২০তম জন্মদিন। জন্মদিনকে সামনে রেখে ১৮ জুন আবার তারা লোহাগড় দুর্গে যান। একা একা খুনের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে গিয়ে বারবার ব্যর্থ হয়ে সিয়া এবার আর কোনো ঝুঁকি নেননি। ডেকে নেন তার প্রেমিক চেতন চৌধুরীকেও। তারা দুজন মিলে প্রথমে কেতনকে ভারী বস্তু দিয়ে আঘাত করেন। তারপর ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন ৪০০ ফুট গভীর খাদে।</p>

<p>ভেততে ভেতরে খুনের পরিকল্পনা করলেও ওপরে ওপরে সিয়া দারুণ প্রেমের অভিনয় চালিয়ে যান। তার ইনস্টাগ্রামজুড়ে ছিল হবু বরের প্রতি ভালোবাসার গদগদ প্রকাশ। বিয়ের প্রস্তাব, ফুল উপহার, একে অপরকে জড়িয়ে ধরে নাচ, &lsquo;অফিশিয়ালি টেকেন&rsquo; লেখা ট্যাগ- সিয়ার ইনস্ট্রাগ্রাম অনুসরণ করলে কেউ বুঝতেই পারবেন না, তার মনে কী আছে।</p>

<p>ফেব্রুয়ারিতে বাগদানের ঠিক এক মাস পর, সিয়া ইনস্টাগ্রামের একটি পোস্টে মোমবাতি জ্বালানো কেকের ছবি শেয়ার করে ক্যাপশন দিয়েছিলেন, &lsquo;আমার মন তার ঠিকানা খুঁজে পাওয়ার এক মাস পূর্তি উদযাপন&rsquo;, সেই পোস্টে তিনি কেতনকে ট্যাগও করেছিলেন। মে মাসের আরেকটি পোস্টে দেখা যায় কেতন সিয়াকে ফুল দিচ্ছেন, যার ক্যাপশনে সিয়া লিখেছিলেন, &lsquo;পছন্দ হ্যায় তুমহে&#39; (তোমাকে পছন্দ করি)&rsquo;। এরপর তারা একে অপরকে জড়িয়ে ধরে ভালোবাসার প্রকাশ দেখান। সিয়া কেতনের একটি ইনস্টাগ্রাম স্টোরি রিপোস্ট করেছিলেন, যেখানে তাকে (সিয়াকে) দেখানো হয়েছিল, যার ক্যাপশন ছিল &lsquo;দ্যাট স্মাইল&rsquo; এবং সঙ্গে ছিল একটি হার্টের ইমোজি।</p>

<p>১৯ মে সিয়া সোশ্যাল মিডিয়ায় তার জন্মদিনের ক্ষণগণনার পোস্ট দেন, যেখানে সিয়া ও কেতনকে একটি রোমান্টিক গানের তালে নাচতে ও ঘুরতে দেখা যায়।</p>

<p>লোহাগড় দুর্গে কেতনের পরে যাওয়াকে প্রথমে দুর্ঘটনা হিসেবে ভাবা হয়েছিল। সিয়া পুলিশ ও কেতনের পরিবারের সবাইকে বলেছিলেন, ছবি তুলতে গিয়ে কেতন পরে গেছেন। কিন্তু পুলিশ ও পরিবার দুইয়ে দুইয়ে চার মেলাতে পারছিলেন না কিছুতেই। অনেকগুলো প্রশ্ন দুর্ঘটনাকে আড়াল করে সন্দেহকে সামনে আনে। বালিতে যাওয়ার পথে মূল্যবান সব কিছু রেখে শুধু কেতনের পাসপোর্ট হারিয়ে যাওয়া, বারবার তাদের লোহাগড় দুর্গে যাওয়া, কেতনের মতো অভিজ্ঞ ট্র্যাকারের ৪ দিনের মধ্যে দুইবার পরে যাওয়া&mdash;এ প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজছিল পুলিশ। চার দিনের মধে দ্বিতীয়বার লোহাগড় দুর্গে যাওয়ার কারণ হিসেবে সিয়া কেতনের পরিবারকে বুঝিয়েছিলেন, আগামী দিনগুলোতে বিয়ে ও ব্যবসার কাজে তাদের ব্যস্ততা বাড়বে তাই ১৯ জুন তার জন্মদিন উদযাপনের অংশ হিসেবে একটু নিরিবিলিতে সময় কাটাতেই তারা ১৮ জুন লোহাগড় দুর্গে যান। এই যুক্তি অবশ্য সন্তানহারা পরিবারকে সান্ত্বনা দিতে পাারেনি। তারা আরো গভীরভাবে সন্দেহ করতে থাকেন।</p>

<p>সন্দেহ হলেও প্রমাণ ছাড়া কাউকে ধরতে পারছিল না পুলিশ, কোনো সিদ্ধান্তেও আসতে পারছিল না। একটি সিসিটিভি ফুটেজ পুলিশের সন্দেহকে নিশ্চিত করে। লোহাগড় দুর্গে সিয়া আর কেতন যখন হেঁটে যাচ্ছিলেন, তখন ২০-৩০ ফুট পেছন থেকে শর্টস পরা এক যুবক তাদের অনুসরণ করছিলেন। সিয়া একবার পেছন ফিরে সে যুবককে দেখেনও। তখন সে যুবক চট করে বসে পড়েন, যাতে কেতন তাকে দেখতে না পান। সেই যুবক একটি হুডি পরেছিলেন, যাতে তার চেহারা দেখা না যায়। কিন্তু চেহারা আড়াল করতে পরা সে হুডিই খুনির চেহারা সামনে নিয়ে আসে।</p>

<p>৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের তীব্র গরমে ট্র্যাকিং ট্রেইলে কেউ হুডি পরে থাকবে কেন, এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়েই পুলিশ পৌঁছে যায় খুনির কাছে।</p>

<p>সন্দেহকে নিশ্চিত করতে পুলিশ সিয়া ও চেতনের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও মোবাইল কল রেকর্ড অনুসন্ধান করে। তখনই পুলিশ বুঝতে পারে, &lsquo;ডালমে কুছ কালা হ্যায়।&rsquo; গত নভেম্বরে এক ব্যাবসায়িক বৈঠকে পরিচয়ের পর থেকে সিয়া আর চেতন সম্পর্কে জড়িয়ে পরেন। তারপর থেকে গত সাত মাসে তারা ২ হাজার ৪টি টেলিফোন কলে ২৩৮ ঘণ্টা নিজেদের মধ্যে কথা বলেছেন। ২২ বছর বয়সী চেতন শুকনো ফলের ব্যবসা করতেন। পুনের একটি সম্ভ্রান্ত ব্যবসায়ী পরিবারের সন্তান সিয়াও একটি বেকারি চালাতেন। প্রাথমিক তদন্তে নিশ্চিত হওয়ার পর পুলিশ ঘটনার ৫ দিন পর ২৩ জুন সিয়া ও চেতনকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারের পর দুজনই পুলিশেরে কাছে তাদের পরিকল্পনার বিস্তারিত তুলে ধরেছেন।</p>

<p>২৪ জুন পুনের একাট আদালত তাদের দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭ দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছে।&nbsp;</p>

<p>কেতন আগরওয়ালের বাবা বিশাল আগরওয়াল পুনের একজন অত্যন্ত সুপরিচিত এবং প্রতিষ্ঠিত শিল্পপতি ও আবাসন ব্যবসায়ী। পারিবারিক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান সাকসেস গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা তিনি। পড়াশোনা শেষে বিদেশ থেকে ফিরে কেতনও পারিবারিক ব্যবসায় যোগ দিয়েছিলেন। কেতন ছিলেন সাকসেস গ্রুপের পরিচালক ও চিফ মার্কেটিং অফিসার। ২৬ বছর বয়সী ছেলেকে হারিয়ে পাগলপ্রায় বিশাল আগরওয়াল এ ঘটনার দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চেয়েছেন। তার একটাই আফসোস, বিয়ে করতে না চাইলে বললেই হতো। এভাবে কেতনকে মেরে ফেললো কেন?</p>

<p>শুধু কেতনের বাবা নয়, এ প্রশ্ন এখন ভারতের মানুষের মুখে মুখে। বাগদত্তা ও তার প্রেমিকের পরিকল্পনায় কেতন আগরওয়ালের মৃত্যু নাড়িয়ে দিয়েছে মানুষের বিশ্বাসের ভিত।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1333-55.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[যুদ্ধে অপহরণের শিকার ৩৭ লেবানিজ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28831</link>
    <pubDate>Thu, 25 Jun 2026 09:24:32 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28831</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1230-66.jpg" />    <article>
<p>২০২৪ সাল থেকে লেবাননে চলমান ইসরায়েলি সামরিক অভিযানে এখন পর্যন্ত দেশটির অন্তত ৩৭ নাগরিককে আটক বা অপহরণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তাদের খোঁজে উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন স্বজনরা।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার <a href="https://aje.news/qv0gtt?update=4696121">এক প্রতিবেদনে</a> এমন তথ্য উঠে এসেছে।</p>

<p>দক্ষিণ লেবানন থেকে প্রতিবেদক জেইনা খোদর জানিয়েছেন, ১৮ বছর বয়সী জাওয়াদ এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে নিখোঁজ।</p>

<p>তার মা সাওসান জানান, দক্ষিণ লেবাননে বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছিল, তখন ছেলের সঙ্গে শেষবার কথা হয়েছিল । সেসময় যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকার কথা ছিল এবং অনেক বাসিন্দা নিজেদের গ্রামে ফিরতে শুরু করেছিলেন।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>তবে বিভিন্ন এলাকায় ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর অভিযান অব্যাহত ছিল। সংঘাতের সামনের সারির অবস্থানও বারবার পরিবর্তিত হচ্ছিল, ফলে সাধারণ মানুষের জন্য নিরাপদ চলাচল কঠিন হয়ে পড়েছিল।</p>

<p>স্থানীয় সূত্রগুলোর দাবি, এসব পরিস্থিতিতে অনেক মানুষ ভুলবশত ইসরায়েলি বাহিনীর নিয়ন্ত্রিত বা অভিযান চলমান এলাকায় প্রবেশ করে আটক হয়েছেন। নিখোঁজদের পরিবারগুলো স্বজনদের অবস্থান সম্পর্কে কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য পাচ্ছে না।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1230-66.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[তীব্র দাবদাহ, যুক্তরাজ্যে হাজারের বেশি স্কুল বন্ধ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28830</link>
    <pubDate>Thu, 25 Jun 2026 09:23:41 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28830</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1397-44.jpg" />    <article>
<p>যুক্তরাজ্যে চলমান তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে ইংল্যান্ড ও ওয়েলসের এক হাজারেরও বেশি স্কুল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে অথবা নির্ধারিত সময়ের আগেই ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়েছে।</p>

<p>দেশজুড়ে তাপমাত্রা দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই জরুরি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে স্কুল কর্তৃপক্ষ।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম <a href="https://www.bbc.com/news/live/cz9lj5nyzwvt">বিবিসি</a> বলছে, এর মধ্যে ওয়েলসে উচ্চ তাপমাত্রার কারণে ৫০০টির বেশি স্কুল সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে বন্ধ রয়েছে। মধ্য ও দক্ষিণ ওয়েলসের বিভিন্ন এলাকায় এ পরিস্থিতি দেখা গেছে।</p>

<p>সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে ব্লেনাউ গওয়েন্টে। অঞ্চলটির সব স্কুল বন্ধ রাখা হয়েছে।</p>
</article>

<article>এছাড়া কেয়ারফিলি ও ব্রিজেন্ডের অধিকাংশ স্কুলেও পাঠদান কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>যুক্তরাজ্যের আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বুধবার (২৪ জুন) দক্ষিণ ইংল্যান্ডের বিভিন্ন এলাকায় তাপমাত্রা প্রায় ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।&nbsp;</p>

<p>বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, বাতাসে অতিরিক্ত আর্দ্রতা ও অন্যান্য পারিপার্শ্বিক কারণে মানুষের শরীরে অনুভূত তাপমাত্রা (রিয়েল ফিল)-এর চেয়েও অনেক বেশি হতে পারে, যা ঘরের বাইরে থাকা মানুষের জন্য পরিস্থিতি আরো অস্বস্তিকর ও ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলবে।</p>

<p>কার্ডিফ, কারমার্থেনশায়ার, মার্থার টিডফিল, মনমাউথশায়ার, নিথ পোর্ট ট্যালবট, নিউপোর্ট, পাওইস, রনদা কিনন টাফ, সোয়ানসি, টরফেইন এবং ভেল অব গ্ল্যামরগান অঞ্চলের বিভিন্ন স্কুল বন্ধ বা আংশিকভাবে বন্ধ থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে কর্তৃপক্ষ।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/06/24/1702369" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>ওয়েলসের পাশাপাশি ইংল্যান্ডেও অন্তত ৫৭৮টি স্কুল সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে বন্ধ রয়েছে। এসব স্কুলের বেশিরভাগই দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত। ফলে ওয়েলস ও ইংল্যান্ড মিলিয়ে এক হাজারেরও বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তাপপ্রবাহের কারণে শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছে।</p>

<p>এর আগে গতকাল মঙ্গলবার জার্সিতে জুন মাসের ইতিহাসে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। জার্সি আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে, সেখানে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৭ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস (৯৯ ডিগ্রি ফারেনহাইট) পর্যন্ত পৌঁছেছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>এদিকে চরম গরমের কারণে সৃষ্ট স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে স্থানীয় প্রশাসন নাগরিকদের অপ্রয়োজনীয় বাইরে যাতায়াত এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছে। বিশেষ করে শিশু, প্রবীণ এবং অন্যান্য রোগে আক্রান্ত অসুস্থ ব্যক্তিদের প্রতি অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানানো হয়েছে।</p>

<p>এরই মধ্যে দক্ষিণ ইংল্যান্ডে জারি করা চরম তাপমাত্রা সতর্কতা (এক্সট্রিম হিট অ্যালার্ট) আরও বাড়ানো হয়েছে, কারণ আবহাওয়াবিদরা মনে করছেন গরমের এই তীব্রতা আরো কিছু সময় অব্যাহত থাকতে পারে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1397-44.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপল ভেনেজুয়েলা, দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28829</link>
    <pubDate>Thu, 25 Jun 2026 09:22:49 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28829</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1482-33.jpg" />    <article>
<p>দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলায় মাত্র কয়েক সেকেন্ডের ব্যবধানে পরপর দুইটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এতে দেশটিতে চরম বিপর্যয়কর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।</p>
</article>

<article>উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ভেনিজুয়েলার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি দেলসি রদ্রিগেজ তাৎক্ষণিকভাবে <a href="https://www.bbc.com/news/live/c621z18wznet?fbclid=IwY2xjawSpdrdleHRuA2FlbQIxMABicmlkETFoaE1zY0dGYmVncHZFbEw3c3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHkYVUyW8vlCsgCOv9QLwWj5kPRCapkPP9C64vxcmTYyai2iaez2SzQ8cwYoD_aem_u8NvNvfTNLMPhKFgGrvxcQ">দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা</a> করেছেন। একই সঙ্গে ব্যাপক প্রাণহানি ও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কায় উদ্ধারকাজ ও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

<p>&nbsp;</p>

<p>স্থানীয় সময় বুধবার (২৫ জুন) ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসের পশ্চিম এলাকায় এই ভয়াবহ ভূমিকম্প দুইটি অনুভূত হয়। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, প্রথম ভূমিকম্পটি আঘাত হানে রাজধানী কারাকাস থেকে প্রায় ২৮৪ কিলোমিটার (১৭৬ মাইল) পশ্চিমে সান ফেলিপের কাছে, যার মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ২।</p>
</article>

<article>এর পরপরই রাজধানী থেকে প্রায় ২৯৩ কিলোমিটার (১৮২ মাইল) পশ্চিমে ইউমারের কাছে ৭ দশমিক ৫ মাত্রার দ্বিতীয় শক্তিশালী ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। ইউএসজিএস প্রাথমিকভাবে অনুমান করছে যে, এই জোড়া ভূমিকম্পে ব্যাপক প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে। সংস্থাটির মতে, নিহতের সংখ্যা সম্ভবত ১০ হাজার থেকে এক লাখের মধ্যে পৌঁছানোর আশঙ্কা রয়েছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি দেলসি রদ্রিগেজ জরুরি অবস্থা ঘোষণার পর দুর্গত এলাকাগুলোতে দ্রুত উদ্ধারকারী দল পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন এবং জনগণকে শান্ত থেকে সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছেন।</p>
</article>

<article>ভূমিকম্পের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে, এর কম্পন সারা দেশ জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে এবং এমনকি সুদূর কলম্বিয়ার রাজধানী বোগোটা পর্যন্ত তীব্রভাবে অনুভূত হয়।&nbsp;</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1482-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[রোনালদো-রিভালদোর কীর্তি ছুঁলেন ভিনিসিয়ুস]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/28828</link>
    <pubDate>Thu, 25 Jun 2026 09:22:07 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/28828</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1522-22.jpg" />    <article>
<p>২০২৬ বিশ্বকাপে দুর্দান্ত ছন্দে থাকা ভিনিসিয়ুস জুনিয়র এবার ছুঁয়ে ফেললেন ব্রাজিলের দুই কিংবদন্তি রোনালদো ও রিভালদোর অনন্য কীর্তি। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে জোড়া গোল করে বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের প্রতিটি ম্যাচেই গোল করার বিরল নজির গড়েছেন এই ব্রাজিলিয়ান উইঙ্গার।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>মায়ামিতে অনুষ্ঠিত ম্যাচের প্রথমার্ধেই দুইবার জালের দেখা পান রিয়াল মাদ্রিদের এই তারকা। এর আগে মরক্কোর বিপক্ষে একটি এবং হাইতির বিপক্ষে একটি গোলের পাশাপাশি একটি অ্যাসিস্ট করেছিলেন তিনি। ফলে তিনটি গ্রুপ ম্যাচেই গোল করার কৃতিত্ব অর্জন করেন ভিনিসিয়ুস।</p>

<p>এর মাধ্যমে ২৪ বছর পর ব্রাজিলের কোনো ফুটবলার হিসেবে বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের প্রতিটি ম্যাচে গোল করার রেকর্ড গড়লেন তিনি।</p>
</article>

<article>সর্বশেষ ২০০২ বিশ্বকাপে এই কীর্তি গড়েছিলেন ব্রাজিলের দুই কিংবদন্তি রোনালদো ও রিভালদো। সে আসরে ব্রাজিল পঞ্চমবারের মতো বিশ্বকাপ জিতেছিল।
<p>&nbsp;</p>

<p>এর আগে ১৯৭০ বিশ্বকাপে জর্জিনহো এবং ১৯৯৪ সালে রোমারিওও গ্রুপ পর্বের সব ম্যাচে গোল করেছিলেন। এবার সেই অভিজাত তালিকায় নিজের নাম লেখালেন ভিনিসিয়ুস।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত সাত ম্যাচে ভিনিসিয়ুসের অবদান ৮টি গোলে। তিনি করেছেন ৫টি গোল, পাশাপাশি সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন আরো ৩টি গোল। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে চার ম্যাচে একটি গোল ও দুটি অ্যাসিস্ট করা এই ফরোয়ার্ড এবার আরো পরিণত রূপে আলো ছড়াচ্ছেন।</p>

<p>নকআউট পর্বের আগে ভিনিসিয়ুসের এমন দুর্দান্ত ফর্ম ব্রাজিলকে বাড়তি আত্মবিশ্বাস দিচ্ছে। ২০০২ সালের পর আবারও বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন দেখছে সেলেসাও, আর সেই স্বপ্নের অন্যতম প্রধান কারিগর হয়ে উঠেছেন ২৫ বছর বয়সী এই তারকা।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1522-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বিঠাবাই হয়ে চমকে দিলেন শ্রদ্ধা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/28827</link>
    <pubDate>Thu, 25 Jun 2026 09:21:12 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/28827</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1621-11.jpg" />    <article>
<p>বলিউডে একাধিক ব্যবসাসফল সিনেমা উপহার দিলেও শীর্ষ নায়িকাদের আলোচনায় সব সময় খুব বেশি দেখা যায় না শ্রদ্ধা কাপুরকে। তবে নিজেকে নতুনভাবে প্রমাণ করার চেষ্টায় কখনো পিছিয়ে যাননি তিনি।</p>
</article>

<article>বরং সময়ের সঙ্গে নিজেকে ভেঙে গড়ে ভিন্নধর্মী চরিত্রে হাজির হওয়ার প্রবণতাই তাঁকে আলাদা করেছে।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>সেই ধারাবাহিকতায় এবার কিংবদন্তি মারাঠি লোকশিল্পী বিঠাবাই ভাউ মাং নারায়ণগাঁওকরের চরিত্রে অভিনয় করে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছেন এই অভিনেত্রী।</p>

<p>নির্মাতা লক্ষ্মণ উতেকারের নতুন সিনেমা &lsquo;ইথা&rsquo;-তে বিঠাবাইয়ের জীবনকাহিনি তুলে ধরা হয়েছে। সম্প্রতি প্রকাশিত টিজারে শ্রদ্ধার রূপান্তরিত উপস্থিতি দর্শকদের বিস্মিত করেছে।</p>
</article>

<article>চরিত্রটির প্রতি তাঁর নিবেদন ও অভিনয়ের গভীরতা ইতিমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশংসা কুড়াচ্ছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>ভারতের বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, টিজারে বিঠাবাইয়ের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের আভাস তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে দেখা যায়, অন্তঃসত্ত্বা অবস্থাতেও মঞ্চে পারফর্ম করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি। প্রসববেদনায় কাতর হওয়ার পর মঞ্চের পেছনেই সন্তানের জন্ম দেন, কিন্তু সেখানেই থেমে থাকেন না।</p>
</article>

<article>কিছুক্ষণ পরই আবার মঞ্চে ফিরে গিয়ে অনুষ্ঠান চালিয়ে যান। শিল্পের প্রতি এমন অসাধারণ নিবেদন টিজারের অন্যতম আলোচিত মুহূর্ত হয়ে উঠেছে।
<p>&nbsp;</p>

<p><img alt="Eetha Teaser: Shraddha Kapoor Transforms Into Legendary Lavani Dancer  Vithabai Narayangaonkar" src="https://media.assettype.com/hollywoodreporterindia%2F2026-06-23%2Fsjme6n5c%2FEetha-movie-poster.jpg" /></p>

<p>এই দৃশ্য শুধু দর্শকদের আবেগাপ্লুতই করেনি, বরং বিঠাবাইয়ের জীবন ও সংগ্রাম সম্পর্কে জানার আগ্রহও বাড়িয়ে দিয়েছে।&nbsp;নির্মাতাদের বিশ্বাস, দর্শকদের এই কৌতূহল সিনেমাটির প্রতি আগ্রহ আরো বাড়াবে।</p>

<p>মারাঠি লোকনাট্যের ইতিহাসে বিঠাবাই ভাউ মাং নারায়ণগাঁওকর এক কিংবদন্তি নাম।</p>
</article>

<article>&lsquo;তামাশা&rsquo; ও &lsquo;লাবণী&rsquo; নৃত্যের মাধ্যমে তিনি অসংখ্য মানুষের হৃদয় জয় করেছিলেন। মহারাষ্ট্রের লোকসংস্কৃতি সংরক্ষণ ও জনপ্রিয় করে তোলার ক্ষেত্রেও তাঁর অবদান ছিল অনন্য। শিল্পী পরিবারে বেড়ে ওঠা বিঠাবাই সারা জীবন মঞ্চকেই নিজের ধ্যান-জ্ঞান হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>এমন একজন সংগ্রামী ও প্রভাবশালী শিল্পীর চরিত্রে অভিনয় করার সুযোগ হাতছাড়া করতে চাননি শ্রদ্ধা কাপুর।&nbsp;</p>

<p>সিনেমাটি নিয়ে নিজের অনুভূতি জানাতে গিয়ে তিনি বলেন, &lsquo;অর্থ আর খ্যাতির মোহে নয়, &lsquo;ইথা&rsquo; সিনেমাটি বেছে নিয়েছি, একজন কিংবদন্তির জীবন সফর কতটা সংগ্রামী আর ঘটনাবহুল তা এই প্রজন্মকে জানাতে। আমি মনে করি, &lsquo;ইথা&rsquo; সিনেমাটি অভিনয় জীবনের এক উল্লেখযোগ্য কাজ হিসেবে থেকে যাবে।&rsquo;</p>

<p>টিজারে শ্রদ্ধার অভিনয় দেখে অনেকেই মনে করছেন, এটি তাঁর ক্যারিয়ারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও চ্যালেঞ্জিং কাজ হতে যাচ্ছে। আগামী ২৮ আগস্ট প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে সিনেমাটি।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1621-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[রাষ্ট্রপতির সঙ্গে আন্তর্জাতিক নারী সংগঠন প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28826</link>
    <pubDate>Wed, 24 Jun 2026 09:49:32 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28826</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/672-2.jpg" />    <article>
<p>রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন আন্তর্জাতিক নারী সংগঠন ইন্টারন্যাশনাল ইনার হুইলের প্রেসিডেন্ট কে মোরল্যান্ড।&nbsp;</p>

<p>আজ মঙ্গলবার বঙ্গভবনে অনুষ্ঠিত সাক্ষাতে ইনার হুইল ডিস্ট্রিক্ট-৩৪৫-এর চেয়ারম্যান মুশায়লা করিম, সাবেক বোর্ড ডিরেক্টর দিলরুবা আহমেদ, ওয়েবমাস্টার শারমিন হোসেন এবং ভাইস চেয়ারম্যান শিরিন আক্তার উপস্থিত ছিলেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>রাষ্ট্রপতির প্রেস উইং জানায়, এ সময় প্রতিনিধিদলের সদস্যরা সমাজের সুবিধাবঞ্চিত ও পিছিয়ে পড়া নারী এবং শিশুদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সুরক্ষা, অধিকার প্রতিষ্ঠা ও জীবনমান উন্নয়নে সংগঠনটির বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।</p>

<p>রাষ্ট্রপ্রধান দেশে-বিদেশে সংগঠনটির সদস্যদের পরিচালিত বিভিন্ন সামাজিক, মানবিক ও সেবামূলক কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করেন।</p>

<p>তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে বৃহত্তর পরিসরে সংগঠনটি সামাজিক উন্নয়ন, পরিবেশ সুরক্ষা এবং নারী ও শিশু কল্যাণে তাদের কার্যক্রম আরো সম্প্রসারিত করবে।</p>

<p>প্রতিনিধিদলের সদস্যরা রাষ্ট্রপতির মূল্যবান দিক-নির্দেশনা ও উৎসাহব্যঞ্জক বক্তব্যের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।</p>
</article>

<article>তারা ভবিষ্যতেও সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে আরো সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>এ সময় রাষ্ট্রপতির সচিবরা উপস্থিত ছিলেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/672-2.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[‘ক্লাইমেট লিডারশিপ ইন এ শিপটিং গ্লোবাল ল্যান্ডস্ক্যাপ’ সেশনে অংশগ্রহণ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28825</link>
    <pubDate>Wed, 24 Jun 2026 09:48:54 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28825</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/991-88.jpg" />    <article>
<article>
<p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জলবায়ু সহনশীলতা তৈরিতে অংশীদারত্ব, প্রযুক্তি, অর্থায়ন এবং যৌথ অঙ্গীকারের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন। তিনি বলেন, জলবায়ু &lsquo;ক্ষয়ক্ষতি তহবিল&rsquo;কে প্রতিশ্রুতি থেকে বাস্তবায়নে আনা, জলবায়ু অর্থায়নকে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য আরও সহজলভ্য করা এবং পাশাপাশি &lsquo;সবুজ জলবায়ু তহবিল&rsquo; (জিসিএফ)-কে কার্যকর করা প্রয়োজন।</p>
</article>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম (ডব্লিউইএফ) আয়োজিত &lsquo;গ্রীষ্মকালীন দাভোস&rsquo;-এ &lsquo;ক্লাইমেট লিডারশিপ ইন এ শিপটিং গ্লোবাল ল্যান্ডস্ক্যাপ&rsquo; শীর্ষক সেশনে &lsquo;ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামে&rsquo; জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এই গুরুত্বারোপ করেন। গতকাল স্থানীয় সময় বিকাল ৫টা ৩০ মিনিটে চীনের দালিয়ান শহরের দালিয়ান আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এই সেশন অনুষ্ঠিত হয়। দালিয়ান থেকে আজ বুধবার দুপুরে হাইস্পিড ট্রেনে বেইজিং যাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রীর মূল চীন সফর শুরু হবে আজ থেকে।</p>
</article>

<article>বেইজিং সফরে চীনের সঙ্গে ১৫ থেকে ১৭টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা আছে। এ ছাড়া সমন্বিত নদী ব্যবস্থাপনার মধ্যে তিস্তা মহাপরিকল্পনা থাকবে আলোচনার একটি বড় অংশজুড়ে। গ্রীষ্মকালীন দাভোস সেশনে প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে &lsquo;প্রশমনের পাশাপাশি অভিযোজন&rsquo;ও অপরিহার্য বলে উল্লেখ করেন। এর আগে সম্মেলনস্থলে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানিয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ডব্লিউইএফের প্রেসিডেন্ট ও সিইও আলোইস জভিংগি।</article>

<article>চীনের দালিয়ান শহরে ২৩ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত চলছে ডব্লিউইএফের গ্রীষ্মকালীন দাভোস। &lsquo;বৃহৎ পরিসরে উদ্ভাবন&rsquo; প্রতিপাদ্য সামনে রেখে আয়োজিত এবারের সম্মেলনে বৈশ্বিক অর্থনীতি, শিল্পকাঠামোর পরিবর্তন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও উদীয়মান প্রযুক্তির বাস্তব প্রয়োগ, চীনের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ, তরুণদের কর্মসংস্থান এবং জলবায়ু পরিবর্তনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>বিশ্বজুড়ে প্রযুক্তিগত অগ্রগতি ও এর বিস্তৃত অর্থনৈতিক সুফলের মধ্যে বিদ্যমান ব্যবধান কমানোর বিষয়টি এবারের সম্মেলনের অন্যতম কেন্দ্রীয় আলোচ্য বিষয় হিসেবে গুরুত্ব পাচ্ছে। এবারের সম্মেলনে ৯০টিরও বেশি দেশের প্রায় ১ হাজার ৭০০-এর বেশি সরকারি প্রতিনিধি, নীতিনির্ধারক, ব্যবসায়ী ও প্রযুক্তি উদ্যোক্তা অংশগ্রহণ করছেন।</p>

<p>প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ডব্লিউইএফ প্রেসিডেন্ট ও সিইও আলোইস জভিংগির বৈঠক : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ডব্লিউইএফের প্রেসিডেন্ট ও সিইও আলোইস জভিংগির সাক্ষাৎ ও বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।</p>
</article>

<article>এ সময় প্রধানমন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের বিভিন্ন উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তিনি জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা বাংলাদেশের মতো অন্যান্য ডেল্টা রাষ্ট্র এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর সহযোগিতায় ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামকে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান।
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রধানমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ আগামী পাঁচ বছরে ২৫০ মিলিয়ন বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নিয়েছে। পাশাপাশি প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার নদী ও খাল পুনঃখননের মাধ্যমে পানির প্রবাহ পুনরুদ্ধার, বন্যার ঝুঁকি হ্রাস এবং পরিবেশ সুরক্ষায় বাংলাদেশের উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন।</p>

<p>তিনি আরও জানান, নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনে উৎসাহ প্রদানের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে করসুবিধা প্রদান করেছে এবং ২০৩০ সালের মধ্যে মোট বিদ্যুৎ চাহিদার ২০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে উৎপাদনের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। আলোইস জভিংগি জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অভিজ্ঞতা ও উদ্যোগকে বৈশ্বিক পরিসরে কাজে লাগানোর বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন।</p>

<p>আলোইস জভিংগি বলেন, বাংলাদেশের জলবায়ু সহনশীলতা ও টেকসই উন্নয়ন উদ্যোগ আন্তর্জাতিক অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠান ও বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ তৈরি করবে। তিনি বাংলাদেশের পক্ষ থেকে উত্থাপিত বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস দিয়ে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দেন। আলোইস জভিংগি প্রধানমন্ত্রীকে সুইজারল্যান্ডের দাভোসে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের বার্ষিক সম্মেলনে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানান।</p>

<p>এ সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী এবং প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন উপস্থিত ছিলেন।</p>

<p><strong>চীনে ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রধানমন্ত্রী :</strong> চীন সফরে অত্যন্ত ব্যস্ততম সময় পার করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গতকাল সকালে গিনির প্রধানমন্ত্রী আমাদু ওউরি বাহ-এর সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। পরে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্ট ও সিইও আলোইস জভিংগির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় বিনিয়োগ, ব্যবসাবাণিজ্যসহ এ অঞ্চলের অর্থনীতি গতিশীল করতে বাংলাদেশকে অংশীদার করার বিষয়ে আলোচনা হয়। চীনের দালিয়ানে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের ১৭তম বার্ষিক অধিবেশনে যোগ দেওয়ার পাশাপাশি ক্লাইমেট লিডারশিপ ইন এ শিফটিং গ্লোবাল ল্যান্ডস্ক্যাপ শীর্ষক সেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে ভাষণ দেন তারেক রহমান। সেখানে আজ ২৪ জুন চীনের প্রধানমন্ত্রীর লি কিয়াং আয়োজিত নৈশভোজে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। এ ছাড়া আগামীকাল ২৫ জুন বেইজিংয়ে চীনের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও বেশ কয়েকটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের কথা রয়েছে।</p>

<p><strong>বিশ্বদরবারে বাংলাদেশের মর্যাদা নিশ্চিত করছেন প্রধানমন্ত্রী :</strong> প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন বলেছেন, ন্যায্যতা ও ভারসাম্যের মাধ্যমে বিশ্বদরবারে বাংলাদেশের মর্যাদা এবং দৃঢ় অবস্থান নিশ্চিত করছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি দেশেই যেমন জনগণের আস্থা ও ভালোবাসায় সিক্ত হয়েছেন, তেমনি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও একটি মর্যাদাসম্পন্ন রাষ্ট্রের সরকারপ্রধান হিসেবে রাষ্ট্রীয় সম্মান পাচ্ছেন। গতকাল চীনের স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় দালিয়ানের সাংগ্রি-লা হোটেলে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে সফরের বিভিন্ন কর্মসূচি, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক এবং সার্বিক অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত করেন মাহদী আমিন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়ায় ফলপ্রসূ সফরের ধারাবাহিকতায় চীনেও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক থেকে বর্তমানে বহুপক্ষীয় বিষয় নিয়ে উপস্থিত বিশ্বনেতাদের সঙ্গে ইতোমধ্যে আলোচনা শুরু করেছেন। মাহদী আমিন সেখানে প্রধানমন্ত্রীর কর্মব্যস্ত বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তিনি জানান, ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম আয়োজিত সামার দাভোস-২০২৬ বর্তমানে চীনের দালিয়ানে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। &lsquo;ইনোভেটিং অ্যাট স্কেল&rsquo; প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এই বৈশ্বিক সম্মেলনে বিভিন্ন দেশ ও অঞ্চলের প্রতিনিধিদল, আমন্ত্রিত রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানগণ এবং শীর্ষ ব্যবসায়ী, প্রযুক্তি উদ্ভাবক, শিক্ষাবিদ ও করপোরেট নেতারা অংশগ্রহণ করেছেন। একজন সরকারপ্রধান হিসেবে বাংলাদেশের বাইরে এই প্রথম কোনো বৈশ্বিক সম্মেলনে যোগদান করবেন তারেক রহমান। এই সম্মেলনে অংশগ্রহণের মূল লক্ষ্য বাংলাদেশে অধিকতর বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, জলবায়ু সহনশীলতা ও টেকসই উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ ও অংশীদারত্বের সঙ্গে আরও গভীরভাবে সংযুক্ত করা। একসঙ্গে &lsquo;বাংলাদেশ ব্যবসার জন্য উন্মুক্ত&rsquo; বার্তার মাধ্যমে বৈশ্বিক বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি আস্থাশীল ও প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ নিশ্চিত করা হচ্ছে।</p>

<p><strong>জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় বাংলাদেশের পরিকল্পনা উত্থাপন :</strong> মাহদী আমিন বলেন, প্রধানমন্ত্রী বিশ্বনেতাদের সামনে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন। আগামী পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী ও খাল খনন-পুনঃখনন, পদ্মা ও তিস্তা অববাহিকার পানিব্যবস্থাপনা উন্নয়ন, ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ, সবুজশিল্পের বিকাশে পাটশিল্প ও পরিবেশবান্ধব ইলেক্ট্রিক ভ্যাহিকেল চালু এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির অংশ ২০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, জলবায়ু কার্যক্রম কোনো ব্যয় নয়; এটি আমাদের সমৃদ্ধি, স্থিতিশীলতা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অপরিহার্য বিনিয়োগ। প্রধানমন্ত্রী একই সঙ্গে ক্ষয়ক্ষতি তহবিলের কার্যকর বাস্তবায়ন, সহজলভ্য ও পর্যাপ্ত জলবায়ু অর্থায়ন নিশ্চিতকরণ এবং প্রশমন ও অভিযোজন কার্যক্রমে সমান গুরুত্ব দেওয়ার ওপর জোর দেন। তিনি জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় বৈশ্বিক সংহতি, প্রযুক্তি হস্তান্তর ও যৌথ দায়িত্ববোধের ভিত্তিতে কার্যকর আন্তর্জাতিক সহযোগিতার আহ্বান জানান।</p>

<p><strong>বিশ্বনেতাদের সঙ্গে নৈশভোজে অংশগ্রহণ :</strong> সংবাদ সম্মেলনে মাহদী আমিন জানান, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীনের প্রিমিয়ার তথা প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের আমন্ত্রণে একটি নৈশভোজে সস্ত্রীক অংশ নেন। সেখানে বাংলাদেশের পাশাপাশি দক্ষিণ কোরিয়ার প্রধানমন্ত্রী কিম মিন-সিওক, মঙ্গোলিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিয়াম-ওসোরিন উচরাল, গিনির প্রধানমন্ত্রী আমাদু ওউরি বাহ, মন্টিনিগ্রোর প্রধানমন্ত্রী মিলোজকো স্পাজিচ, কাজাখস্তানের প্রধানমন্ত্রী ওলজাস বেকটেনভের সঙ্গে, অর্থাৎ সাত দেশের সরকারপ্রধানের একসঙ্গে রাষ্ট্রীয় ভোজ এবং উন্মুক্ত আলাপচারিতার দুয়ার উন্মোচিত হচ্ছে।</p>

<p><strong>ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের &lsquo;অ্যানুয়াল মিটিংয়ে&rsquo; যোগ দেবেন :</strong> মাহদী আমিন জানান, আজ বুধবার সকালে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের &lsquo;অ্যানুয়াল মিটিং অব দ্য নিউ চ্যাম্পিয়নস&rsquo; অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে অন্যান্য বৈশ্বিক নেতার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত থাকবেন। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের বিভিন্ন দেশ থেকে আগত আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্বরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ভিত্তিক পলিসি নিয়ে আলাপ-আলোচনা করবেন।</p>

<p>দুপুরে দালিয়ানা থেকে বেইজিংয়ে একটি হাইস্পিড ট্রেনের মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের উদ্দেশে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সফরসঙ্গীরা স্থানীয় সময় বেলা ২টায় বেইজিংয়ের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করবেন।</p>

<p><strong>বিশ্ব মানচিত্রে বাংলাদেশের আত্মমর্যাদা ও সম্মানজনক অবস্থান :</strong> মাহদী আমিন জানান, প্রধানমন্ত্রীর কর্মযজ্ঞের ফলে দীর্ঘদিন পর বিশ্বদরবারে বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করছেন। এমন একজন স্টেটসম্যান, যিনি সমতা, ন্যায্যতা ও ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতির মাধ্যমে বিশ্বের প্রতিটি দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব এবং জনগণের আকাক্সক্ষাকে কার্যকরভাবে ধারণ করছেন, নিশ্চিত করছেন বিশ্বের মানচিত্রে বাংলাদেশের আত্মমর্যাদা, সম্মান ও দৃঢ় অবস্থান। তিনি জানান, দালিয়ানে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের সামার দাভোসে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ বাংলাদেশের জন্য একদিকে নতুন বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণ করছে। অন্যদিকে বিভিন্ন দেশের বেস্ট প্র্যাকটিস গ্রহণের মাধ্যমে জাতীয় সক্ষমতাকে আরও সমৃদ্ধ ও শক্তিশালী করছে।</p>

<p><strong>তিস্তা মহাপরিকল্পনায় কী আছে :</strong> প্রায় ২৪০ বছরের পুরোনো নদী তিস্তার সঙ্গে রয়েছে উত্তরের ২৫টি নদীর প্রবাহ। ২০১৪ সাল থেকে ভারত সরকার একতরফা তিস্তার পানি প্রত্যাহার করছে। ফলে শুষ্ক মৌসুমে নদীটি একেবারেই শুকিয়ে যায়। তিস্তা নদীকে ঘিরে উন্নয়ন পরিকল্পনার ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করেছে চীন। এর ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড এবং চীনের পাওয়ার কনস্ট্রাকশন করপোরেশন অব চায়না বা পাওয়ার চায়নার মধ্যে ২০১৬ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। মহাপরিকল্পনায় পূর্ব চীনের জিয়াংসু প্রদেশের সুকিয়ান সিটির আদলে তিস্তার দুই পারে পরিকল্পিত স্যাটেলাইট শহর গড়ে তোলার প্রস্তাব করা হয়েছে। সরকার চীনের সেই প্রস্তাবনার আলোকেই তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের কথা বলেছে।</p>

<p><strong>প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হতে চীন গেলেন দুই মন্ত্রী :</strong> চীনের বেইজিংয়ে সফররত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফরসঙ্গী হতে গতকাল রাতে চীন গেলেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন এবং পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। মঙ্গলবার রাতে ঢাকা থেকে একটি ফ্লাইটে তাঁরা চীনের উদ্দেশে রওনা করেন বলে জানিয়েছেন বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান। তিনি বলেন, তাঁদের গুরুত্বপূর্ণ কয়েক ইস্যুতে যুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে। ফলে প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে তিনজন পূর্ণ মন্ত্রী আছেন বলেও জানান তিনি।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/991-88.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[জলবায়ু অর্থায়নকে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য আরো সহজলভ্য করার দাবি প্রধানমন্ত্রীর]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28824</link>
    <pubDate>Wed, 24 Jun 2026 09:47:25 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28824</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/797-99.jpg" />    <article>
<p>জলবায়ু &lsquo;ক্ষয়ক্ষতি তহবিল&rsquo;কে প্রতিশ্রুতি থেকে বাস্তবায়নে আনা, জলবায়ু অর্থায়নকে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য আরো সহজলভ্য করার দাবি জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।</p>

<p>মঙ্গলবার (২৩ জুন) ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম আয়োজিত &lsquo;গ্রীষ্মকালীন দাভোস&rsquo;র &lsquo;ক্লাইমেট লিডারশিপ ইন আ শিফটিং গ্লোবার ল্যান্ডস্কেপ&rsquo; শীর্ষক সেশনে অংশ নিয়ে তিনি এ দাবি জানান।</p>
</article>

<article>চীনের ডালিয়ান শহরের ডালিয়ান আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এই সেশন অনুষ্ঠিত হয়।
<p>&nbsp;</p>

<p>অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী জলবায়ু সহনশীলতা তৈরিতে অংশীদারি, প্রযুক্তি, অর্থায়ন এবং যৌথ অঙ্গীকারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।</p>

<p>তিনি বলেন, জলবায়ু &lsquo;ক্ষয়ক্ষতি তহবিল&rsquo;কে প্রতিশ্রুতি থেকে বাস্তবায়নে আনা, জলবায়ু অর্থায়নকে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য আরো সহজলভ্য করা এবং পাশাপাশি &lsquo;সবুজ জলবায়ু তহবিল&rsquo;কে কার্যকর করতে হবে।</p>

<p>সম্মেলনস্থলে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানিয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্ট ও সিইও আলোইস জভিংগি।</p>
</article>

<article><br />
&nbsp;<br />
উল্লেখ্য, চীনের ডালিয়ান শহরে ২৩ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত চলছে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের গ্রীষ্মকালীন দাভোস। &lsquo;বৃহৎ পরিসরে উদ্ভাবন&rsquo; প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত এবারের সম্মেলনে বৈশ্বিক অর্থনীতি, শিল্প কাঠামোর পরিবর্তন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও উদীয়মান প্রযুক্তির বাস্তব প্রয়োগ, চীনের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ, তরুণদের কর্মসংস্থান এবং জলবায়ু পরিবর্তনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/797-99.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ক্যালকুলেটরে হিসাব কষে ঘুষ নেওয়া সেই কর্মকর্তা প্রত্যাহার]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/bangladesh/28822</link>
    <pubDate>Wed, 24 Jun 2026 09:44:59 +0600</pubDate>
    <category> সারাবাংলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/bangladesh/28822</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1112-77.jpg" />    <article>
<p>ক্যালকুলেটরে হিসাব করে ঘুষ নেওয়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) বাবুল চন্দ্র রায়কে প্রত্যাহার করা হয়েছে।&nbsp;মঙ্গলবার (২৩ জুন) দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব সানজিদা ইয়াছমিন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাকে দেবীগঞ্জ উপজেলা থেকে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরে সংযুক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/country-news/2026/06/23/1701849" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের ত্রাণ প্রশাসন শাখার উপসচিব সানজিদা ইয়াসমিন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, প্রশাসনিক কারণে পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত দেবীগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (প্রথম শ্রেণি) বাবুল চন্দ্র রায়কে তার বর্তমান কর্মস্থল থেকে বদলিপূর্বক সংযুক্ত করা হয়েছে। আগামী ২৪ জুনের মধ্যে তাকে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরে যোগদান করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্যথায় ওই দিন অপরাহ্ণে তিনি বর্তমান কর্মস্থল থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অবমুক্ত (স্ট্যান্ড রিলিজড) বলে গণ্য হবেন।</p>

<p>পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) বাবুল চন্দ্র রায়ের বিরুদ্ধে টিআর-কাবিখা-কাবিটা প্রকল্পে ১৫ শতাংশ ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।</p>
</article>

<article>ক্যালকুলেটরে হিসাব করে ইউপি সদস্য ও প্রকল্প সভাপতিদের কাছে এই ঘুষের টাকা চাওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>সোমবার (২২ জুন) দুপুরের দিকে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, বাবুল চন্দ্র রায় তার কার্যালয়ে কয়েকজন ইউপি সদস্য ও প্রকল্প সভাপতির সঙ্গে কথা বলছেন। ভিডিওতে তাকে টিআর, কাবিখা ও কাবিটা প্রকল্পের বরাদ্দের বিপরীতে ১৫ শতাংশ কমিশনের হিসাব ক্যালকুলেটরে নির্ণয় করতে দেখা যায়।</p>

<p>&nbsp;</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1112-77.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ফ্রান্সে তীব্র তাপপ্রবাহে জনজীবন বিপর্যস্ত, প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৪০ জন]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28821</link>
    <pubDate>Wed, 24 Jun 2026 09:43:34 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28821</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1229-66.jpg" />    <article>
<p>ফ্রান্সে চলমান তীব্র তাপপ্রবাহ জনজীবনকে বিপর্যস্ত করে তুলেছে। প্রচণ্ড গরম থেকে স্বস্তি পেতে নদী, হ্রদ ও অনিরাপদ জলাশয়ে নামতে গিয়ে দেশটিতে অন্তত ৪০ জনের মৃত্যু হয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত কয়েকদিনে এসব দুর্ঘটনা ঘটেছে; যার বেশিরভাগই সাঁতার কাটতে গিয়ে ডুবে যাওয়ার ঘটনা।</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/business/2026/06/24/1702190" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, ফ্রান্সের বিভিন্ন অঞ্চলে তাপমাত্রা ৪০ থেকে ৪৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠেছে। পরিস্থিতি এতটাই গুরুতর যে দেশের অর্ধেকের বেশি এলাকায় সর্বোচ্চ সতর্কতা বা রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। রাজধানী প্যারিসসহ বড় শহরগুলোতে দিনের পাশাপাশি রাতের তাপমাত্রাও স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি থাকছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>এই পরিস্থিতিতে সরকার নাগরিকদের প্রতি কঠোর সতর্কতা জারি করেছে। বিশেষ করে অনুমোদনহীন নদী, খাল ও হ্রদে সাঁতার না কাটতে বারবার অনুরোধ জানানো হচ্ছে। কর্তৃপক্ষ বলছে, প্রচণ্ড গরমে দ্রুত ঠান্ডা হওয়ার চেষ্টা করতে গিয়ে অনেকেই ঝুঁকিপূর্ণ পানিতে নামছেন এবং এতে মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে।</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/business/2026/06/24/1702191" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>তাপপ্রবাহের কারণে দেশজুড়ে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে।</p>
</article>

<article>বিভিন্ন এলাকায় স্কুলের সময়সূচি পরিবর্তন করা হয়েছে এবং কিছু ক্ষেত্রে বন্ধও রাখা হয়েছে। গণপরিবহন ও রেল চলাচলেও বিঘ্ন ঘটছে। হাসপাতাল ও জরুরি সেবাকেন্দ্রগুলোতে হিটস্ট্রোক ও পানিশূন্যতায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই তাপপ্রবাহ কেবল একটি মৌসুমি ঘটনা নয়। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে এমন পরিস্থিতি আরো ঘন ঘন দেখা দিচ্ছে।</p>
</article>

<article>আফ্রিকা থেকে আসা উষ্ণ বায়ু ইউরোপের ওপর আটকে থাকায় তাপমাত্রা দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে।
<p>&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/Islamic-lifestylie/2026/06/24/1702187" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>ফ্রান্সে বসবাসরত অভিবাসী শ্রমিকদের জন্য পরিস্থিতি আরো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। নির্মাণ, রেস্টুরেন্ট, ডেলিভারি ও পরিচ্ছন্নতা খাতে কর্মরত অনেকেই খোলা আকাশের নিচে কাজ করছেন। এতে হিটস্ট্রোকসহ নানা স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে। সব মিলিয়ে ফ্রান্সে চলমান তাপপ্রবাহ এখন শুধু আবহাওয়ার সংকট নয় বরং একটি বড় জনস্বাস্থ্য ও সামাজিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে কর্তৃপক্ষ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1229-66.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[উত্তর কোরিয়ার নৌবাহিনীকে পারমাণবিক অস্ত্রে সজ্জিত করার ঘোষণা কিম জং উনের]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28820</link>
    <pubDate>Wed, 24 Jun 2026 09:40:45 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28820</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1332-55.jpg" />    <article>
<p>উত্তর কোরিয়ার নৌবাহিনীকে পূর্ণাঙ্গ পারমাণবিক অস্ত্রে সজ্জিত করার ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির শীর্ষ নেতা কিম জং উন। মঙ্গলবার (২৩ জুন) একটি নতুন যুদ্ধজাহাজ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, দেশের নৌবাহিনীকে পরমাণু শক্তিতে শক্তিশালী করার পরিকল্পনা একদম সঠিক পথেই এগোচ্ছে।</p>
</article>

<article>বুধবার (২৪ জুন) দেশটির <a href="https://gulfnews.com/world/asia/north-korea-equipping-destroyers-with-nuclear-weapons-kim-1.500584688?fbclid=IwY2xjawSoHYpleHRuA2FlbQIxMABicmlkETFhdEgzejhTQ0hxVHVNSVE5c3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHpd2Tm8yQbBaaJ5RG5457-wad6F5agsSWsz3GLXHxnJAx0UvCdoUfe6rUFxI_aem_erGBBW-FMj7lHg70H2tOVg">রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম &lsquo;কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি&rsquo; এই তথ্য নিশ্চিত করেছে</a>।

<p>&nbsp;</p>

<p>চলতি সপ্তাহে শেষ হওয়া ক্ষমতাসীন ওয়ার্কার্স পার্টির এক বৈঠকে কিম জং উন স্পষ্ট করে বলেন, বর্তমান বিশ্বের ক্রমবর্ধমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক শক্তি ক্রমাগত বৃদ্ধি করাই একমাত্র সঠিক উপায়। এর কারণ হিসেবে তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্র দেশগুলোর কাছ থেকে আসা ক্রমাগত সামরিক হুমকির কথা উল্লেখ করেন।তিনি যুদ্ধজাহাজগুলোকে পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে সাজানো, উন্নত মানের অস্ত্রের উৎপাদন দ্বিগুণ করা এবং দেশের পারমাণবিক অস্ত্রাগারকে অকল্পনীয় হারে বড় করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>উত্তর কোরিয়া প্রায়শই তাদের সামরিক শক্তি নিয়ে বাড়িয়ে বলে থাকে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখন আর উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক অস্ত্র আছে কি না তা নিয়ে কোনো সংশয় নেই; বরং প্রশ্ন হলো&mdash;তাদের এত বিপুল পরিমাণ অস্ত্রের কেন প্রয়োজন হচ্ছে।&nbsp;<a href="https://www.theguardian.com/world/2026/jun/24/north-korea-nuclear-program-kim-jong-un">সিউলের সেজং ইনস্টিটিউটের গবেষণা ফেলো পিটার ওয়ার্ডের মতে</a>, উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক শক্তি এখন এতটাই বিশাল এবং চারদিকে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে যে, কোনো একক সামরিক হামলায় একে পুরোপুরি ধ্বংস করা অসম্ভব।</p>

<p>চলতি বছরেই উত্তর কোরিয়া তাদের নতুন একটি ৫,০০০ টন ডেস্ট্রয়ার (যুদ্ধজাহাজ) থেকে পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে।</p>
</article>

<article>কিম জং উন আরো ঘোষণা দিয়েছেন যে, আগামী পাঁচ বছর তারা প্রতি বছর আরো দুইটি করে এমন আধুনিক যুদ্ধজাহাজ তৈরি করবে। শত্রুর প্রথম আঘাত প্রতিহত করার জন্য তারা তৈরি করেছে রেল ও সড়ক-ভিত্তিক ভ্রাম্যমাণ লঞ্চার, সুরক্ষিত ভূগর্ভস্থ গোপন সামরিক ঘাঁটি, একটি ক্রমবর্ধমান সাবমেরিন বা ডুবোজাহাজ বহর।</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1332-55.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[পরমাণু পরিদর্শন ছাড়া চুক্তি নয়, ইরানকে ট্রাম্পের সতর্কতা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28819</link>
    <pubDate>Wed, 24 Jun 2026 09:40:05 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28819</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1396-44.jpg" />    <article>
<p><a href="https://www.indiatoday.in/world/story/trump-says-iran-will-allow-iaea-inspectors-under-proposed-us-iran-deal-2932931-2026-06-24?fbclid=IwY2xjawSoHe9leHRuA2FlbQIxMABicmlkETFyc004Y2RkbWdMcjdmcDZ6c3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHpzi_d_jPQMYlHVybj5vkjze8-_KV5dvscMnXJMVXcQ0d4wjKbgAKdKMf_o-_aem_vGEHOrOxNGlZMpO4v3e8eQ">মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মঙ্গলবার</a> বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনায় থাকা সম্ভাব্য শান্তি চুক্তির অংশ হিসেবে আন্তর্জাতিক পরমাণু পরিদর্শকদের ইরানে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে। এ বিষয়ে ইরানের সাম্প্রতিক দাবি তিনি সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>সম্প্রতি ইরান দাবি করেছিল, তারা এমন কোনো পরিদর্শন ব্যবস্থায় সম্মতি দেয়নি, যার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো তাদের পরমাণু স্থাপনাগুলোতে প্রবেশাধিকার পাবে। তবে ট্রাম্প বলেছেন।</p>

<p>মঙ্গলবার জনসমক্ষে দেওয়া বক্তব্যে ট্রাম্প বলেন, ইরান পরিদর্শন ব্যবস্থা নিয়ে যে ভিন্ন অবস্থান তুলে ধরছে, তা সঠিক নয়। ইরানি কর্মকর্তাদের এই বক্তব্য বাস্তবতার সঙ্গে মিল নেই এবং তারা আলোচনার শর্তগুলো সম্পর্কে ভালোভাবেই জানে।</p>
</article>

<article>তার মতে, চুক্তির অংশ হিসেবে পরিদর্শন ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত থাকবে। তিনি বলেন, &lsquo;তারা ভুল বলছে। তারা জানে যে তারা ভুল বলছে। আর যদি তারা ঠিক হতো, তাহলে আমি বৈঠকগুলো বাতিল করে দিতাম।</article>

<article>&rsquo; ইরানের পক্ষ থেকে পরমাণু পরিদর্শন নিয়ে দেওয়া বিভিন্ন বক্তব্য ও প্রতিবেদনের প্রতিক্রিয়ায় ট্রাম্প এ মন্তব্য করেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরো বলেন, চুক্তি বাস্তবায়নের একটি পর্যায়ে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার পরিদর্শকদের ইরানে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে। তিনি বলেন, &lsquo;সঠিক সময়ে তারা সেখানে উপস্থিত থাকবেন।&rsquo; পরমাণু কর্মসূচি পর্যবেক্ষণ ও যাচাইয়ের বিষয়টি নিয়ে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে মতবিরোধ স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে এমন এক সংকটময় মুহূর্তে ট্রাম্পের এই বক্তব্য সামনে এসেছে।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>সাম্প্রতিক সময়ে মার্কিন কর্মকর্তারা বারবার ইঙ্গিত দিয়েছেন, ইরানের পরমাণু কার্যক্রম সীমিত করার লক্ষ্যে যেকোনো সম্ভাব্য চুক্তির অন্যতম প্রধান শর্ত হবে আন্তর্জাতিক পরিদর্শন ব্যবস্থা।</p>
</article>

<article>তাদের মতে, চুক্তির শর্ত বাস্তবায়ন হচ্ছে কি না, তা নিশ্চিত করতে কার্যকর নজরদারি প্রয়োজন। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ব্যাপক পরিদর্শন বা অবাধ প্রবেশাধিকার মেনে নেওয়ার মতো ধারণার প্রকাশ্য বিরোধিতা করেছেন ইরানি কর্মকর্তারা ।
<p>&nbsp;</p>

<p>পরমাণু স্থাপনা পরিদর্শনের বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সবচেয়ে স্পর্শকাতর কূটনৈতিক ইস্যুগুলোর একটি। অতীতের বিভিন্ন পরমাণু চুক্তিতেও আন্তর্জাতিক নজরদারি ব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। তবে এসব চুক্তিতে পরিদর্শন ও যাচাই-বাছাইয়ের শর্ত নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে প্রায়ই মতবিরোধ দেখা গেছে।</p>

<p>ট্রাম্পের সর্বশেষ মন্তব্য থেকে স্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া যায় যে, ইরানের সঙ্গে ভবিষ্যতে কোনো সমঝোতা হলে তার প্রশাসন পরিদর্শন ব্যবস্থাকে চুক্তির অপরিহার্য অংশ হিসেবে দেখতে চায়। একই সঙ্গে ওয়াশিংটনের অবস্থান হলো, কূটনৈতিক আলোচনায় দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবে কার্যকর হচ্ছে কি না, তা নিশ্চিত করতে শক্তিশালী যাচাই প্রক্রিয়া থাকতে হবে।</p>

<p>ইরানের পরমাণু কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিনের উত্তেজনা কমানো এবং একটি দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের পথ খুঁজে বের করার লক্ষ্যে যে বৃহত্তর কূটনৈতিক আলোচনা চলছে, ট্রাম্পের এই মন্তব্য সেই প্রেক্ষাপটেই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1396-44.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ইংল্যান্ডকে রুখে দিল ঘানা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/28818</link>
    <pubDate>Wed, 24 Jun 2026 09:39:20 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/28818</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1481-33.jpg" />    <article>
<p>মাঠের সব পজিশনে দাপট দেখালেও ইংল্যান্ডের মুখে হাসিটা ছিল না। থাকবে কি করে? ফোঁটে হাসি থাকার জন্য যা দরকার সেই &lsquo;সোনার হরিণ&rsquo; খ্যাত গোলের দেখাই তো পায়নি &lsquo;থ্রি লায়নরা&rsquo;।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>বিপরীতে ইংল্যান্ডকে রুখে দিয়েছে ২১ শতাংশ বল পজিশন নিয়ে খেলা ঘানা। গোল শূন্যে ড্র হয়েছে ম্যাচ। তবে এক পয়েন্ট আদায় করে নেওয়া আফ্রিকান দলটি জয় পাওয়ার মতো উদযাপন করছে।</p>

<p>এ ড্রয়ে নকআউটে যাওয়ার পথটা সহজ হয়েছে বলেই হয়তো এমন আনন্দ ঘানার।</p>
</article>

<article>দুই দলের পয়েন্ট অবশ্য সমান ৪। গোল ব্যবধানে এগিয়ে থাকায় &lsquo;এল&rsquo; গ্রুপে শীর্ষে ইংল্যান্ডই।
<p>&nbsp;</p>

<p>ঘানার ২ শটের বিপরীতে বোস্টনে আজ ১৯ শট নিয়েছে ইংল্যান্ড। তবুও ঘানার রক্ষণভাগ ও গোলরক্ষকের কাছে পরাস্ত হয়েছেন হ্যারি কেইন-বুকায়ো সাকারা।</p>
</article>

<article>জয় পাওয়ার সবচেয়ে সুবর্ণ সুযোগ এসেছিল ম্যাচের শেষ মুহূর্তে।
<p>&nbsp;</p>

<p>তবে ম্যাচের ৮৬ মিনিটে যেভাবে সুযোগটা মিস করলেন কেইন, তা এক কথায় অবিশ্বাস্য। &lsquo;পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ&rsquo; দূরত্বে গোল করার সুযোগ পেয়েও বাঁ পায়ে বারের ওপর দিয়ে শট মারলেন ইংল্যান্ডের অধিনায়ক। কেইন এমন সুযোগ পাওয়ার আগে অবশ্য ভাগ্যেকেও পাশে পায়নি ইংলিশরা। নিকো ও&rsquo;রাইলির হেডটা যে বারে লেগে ফিরে আসে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>তার আগে দুর্দান্ত এক সেভ দিয়ে ঘানাকে হার থেকে বাঁচান বেঞ্জামিন আসারে। ৮৫ মিনিটে সাকার বাঁকানো শটটা জাল খুঁজে নেওয়ার আগ মুহূর্তে ডান দিকে ঝাঁপিয়ে দুর্দান্ত সেভ দেন ঘানার গোলরক্ষক। এর আগে প্রথমার্ধের খেলা বিবর্ণে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1481-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[রোনালদোর স্বরূপে ফেরার রাতে পর্তুগালের গোলোৎসব]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/28817</link>
    <pubDate>Wed, 24 Jun 2026 09:38:20 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/28817</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1521-22.jpg" />    <article>
<p>চন্দ্রবিন্দু ব্যান্ডের বিখ্যাত গান&mdash; &lsquo;এভাবেও ফিরে আসা যায়&rsquo;। বাংলা বলতে পারলে গানটা গাইতে গাইতে গোল উদযাপন করতে পারতেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো।</p>
</article>

<article>আজ যেভাবে মাঠে প্রত্যাবর্তন করেছেন তাতে গানটি গাইতেই পারতেন ৪১ বছর বয়সী তারকা।
<p>&nbsp;</p>

<p>জোড়া গোলে স্বরূপে ফিরলেও আফসোস কিছুটা হলেও থেকে গেছে রোনালদোর। সেই আক্ষেপ হচ্ছে অনেক সুযোগ পাওয়ার পরেও হ্যাটট্রিক না পাওয়া। কখনো নিজে সুযোগের সদ্ব্যবহার করতে পারেননি।</p>
</article>

<article>আবার কখনো বাধা হয়ে দাঁড়ান উজবেকিস্তানের গোলরক্ষক &nbsp;আব্দুভোহিদ নেমাতভের। তার ছন্দে ফেরার রাতে অবশ্য প্রতিপক্ষের জালে গোলোৎসব করেছে পর্তুগাল। ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করা পর্তুগিজরা আজ উজবেকিস্তানের জালে দিয়েছে ৫ গোল। বিপরীতে একটিও হজম করেনি তারা।</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>গোল পাচ্ছিলেন না বলে সমালোচনায় বিদ্ধ হচ্ছিলেন রোনালদো। প্রথম ম্যাচে নিজের ছায়া হয়ে থাকার পর তার মাত্রা আরও বাড়ে। তবে সমালোচনার জবাব কিভাবে দিতে হয় তা ভালোই জানা রোনালদোর। মুখে নয়, মাঠেই জবাব দেন তিনি। আজ হিউস্টন স্টেডিয়ামে আরেকবার সেই কাজটাই করলেন সিআর সেভেন।</p>
</article>

<article>একটি নয় উজবেকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল পেয়েছেন তিনি।
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রথম গোলটি করে রেকর্ড গড়েছেন রোনালদো। বিশ্বের প্রথম ফুটবলার হিসেবে ৬ বিশ্বকাপে গোল করার রেকর্ড গড়েছেন তিনি। তাতে পেছনে পড়েছে লিওনেল মেসির ৫ বিশ্বকাপে গোল করার রেকর্ড। বিপরীতে ক্যামেরুন কিংবদন্তি রজার মিলারের (৪২ বছর ৩৯ দিন) পর বিশ্বকাপে গোল করা বয়স্ক ফুটবলারের কীর্তিও গড়েছেন তিনি। ৪১ বছর ১৩৮ দিনে গোলটি করেছেন &lsquo;সিআর সেভেন&rsquo;।</p>

<p>২ মিনিটেই লিড নেওয়ার সুযোগ পেয়েছিল পর্তুগাল। তবে বক্সের মধ্যে থেকে নেওয়া ব্রুনো ফার্নান্দেজের শট প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারের শরীরে লেগে কর্নার হয়। ৪ মিনিটে গোলখরা কাটানোর সুযোগ পেয়েছিলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। তবে নুনো মেন্দেসের ক্রসটায় যথাসময়ে পা লাগাতে পারেননি পাঁচবারের ব্যালন ডি&rsquo;অর জয়ী।&nbsp;</p>

<p>তবে ষষ্ঠ মিনিটে ঠিকই জালের দেখা পেয়েছেন রোনালদো। জোয়াও কানসেলোর ক্রসটায় বুলেট গতির শট নেন তিনি। শটের পাওয়ারে যেন সমালোচনার জবাবই ছিল। বিশ্বকাপ ও ইউরো মিলিয়ে টানা ১০ ম্যাচ পর গোল পাওয়া রোনালদোর উদযাপনটাও ছিল দেখার মতো।&nbsp;</p>

<p>নিজের ট্রেডমার্ক উদযাপন &lsquo;সিউ&rsquo; করার পর শরীরী ভাষাতে সমালোচনার জবাবের ইঙ্গিত দিয়েছেন রোনালদো। &lsquo;সিআর সেভেনের&rsquo; গোলের রেশ শেষ হতে না হতেই আরেকটি গোলে মাতে পর্তুগাল। এবার বক্সের বাইরে থেকে দুর্দান্ত ফ্রি কিকে গোল করেন মেন্ডেস। &nbsp;তার নেওযা ১৭ মিনিটের শটটি ঠেকানোর কোনো উপায়ই ছিল না গোলরক্ষক আব্দুভোহিদ নেমাতভের।</p>

<p>বিপরীতে ২৯ মিনিটে ব্যবধান কমিয়েছিল আজিজ ঘানিভ। তবে বক্সের বাইরে থেকে দুর্দান্ত গোলটি করলেও পরে বাতিল হয়ে যায়। ২০ গজ দূর থেকে করা গোলের আগে তার এক সতীর্থ কানসেলোকে ফাউল করায় ভিএআরে গোলটি বাতিল হয়।</p>

<p>অন্যদিকে নিঁখুত শটে জোড়া গোলের দেখা পান রোনালদো। ম্যাচের ৩৯ মিনিটে ফার্নান্দেজের পাস থেকে দারুণ ফিনিশিং করেন তিনি। তাতে বিশ্বকাপে পর্তুগালের সর্বোচ্চ গোলের (১০) মালিক হন ৪১ বছর বয়সী স্ট্রাইকার। এর আগে প্রথম গোলটি করে কিংবদন্তি ইউসেবিওর (৯) পাশে বসেছিলেন তিনি।</p>

<p>বিরতিতে যাওয়ার আগে যোগ করা সময়ে হ্যাটট্রিকের দেখাও প্রায় পেয়েছিলেন রোনালদো। তবে প্রতিপক্ষের গোলরক্ষক বেরিয়ে আসায় চিপটা ভালো মতো নিতে না পারায় হ্যাটট্রিকটা পাওয়া হয়নি তার। ৩-০ ব্যবধানে অবশ্য ঠিকই বিরতিতে গেছে পর্তুগাল।</p>

<p>বিরতির পরে ৫৮ মিনিটে হ্যাটট্রিক পাওয়ার দ্বারপ্রান্তে ছিলেন রোনালদো। তবে গোলরক্ষক সামনে এসে বাঁধা হয়ে দাঁড়ানো তা আর পাওয়া হয়নি। ৩০ গজ দূরে ফ্রি কিক পেয়েছিল পর্তুগাল। তবে শট না নিয়ে দৌড়ে ডি বক্সে ঢুকে পড়ে বিচক্ষণতার পরিচয় দেন পর্তুগালের অধিনায়ক। ফার্নান্দেজের ভলি আনমার্কড অবস্থাতে পেয়ে শটও নিলেন তিনি। কিন্তু গোলরক্ষকের পায়ে লেগে কর্নার হয়।&nbsp;</p>

<p>সেই কর্নারেই চতুর্থ গোল পায় পর্তুগাল। মিডফিল্ডার ফার্নান্দেজের কর্নার ক্লিয়ার করার সময় উজবেকিস্তানের ডিফেন্ডার আব্দুকাদির খুচানভ শট নিলেন গোলরক্ষক আব্দুভোহিদ নেমাতভের শরীরে লেগে নিজেদের জালে বল জড়িয়ে যায়।&nbsp;</p>

<p>৭৪ মিনিটে আবার বড় ভুল করে বসেছিলেন নেমাতভের। শেষে অবশ্য দুর্দান্ত সেভ দিয়ে ভুলের প্রায়শ্চিত্ত করেছেন তিনি। গোল কিক নেওয়ার সময় রোনালদোর শরীর বরাবর শট নিলে বল পান পর্তুগিজ তারকা। তাতে দূরের পোস্টে শটও নিলেন তিনি। তবে ঠিক কোণা বরাবর না যাওয়ায় ঝাঁপিয়ে পড়ে রোনালদোর হ্যাটট্রিক ঠেকিয়ে দেন তিনি।</p>

<p>৮৪ মিনিটে আরেকবার গ্লাভস হাতে দক্ষতার পরিচয় দিলেন নেমাতভ। বক্সের বাইরে থেকে দারুণ এক শট নিয়েছিলেন ফার্নান্দেজ। গোল লাইন যখন অতিক্রম করবে ঠিক তখনই বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে বলের গতিপথ রোধ করলেন উজবেকিস্তানের গোলরক্ষক।</p>

<p>পর্তুগালের শেষ গোলে অবশ্য কিছু করার ছিল না নেমাতভের। ৮৭ মিনিটে বক্সের মধ্যে থেকে ডান পায়ে কোণা বরাবর শট নেন রাফায়েল লিয়াও। তাতে ব্যবধান দাঁড়ায় ৫-০। যোগ করা সময়ে তো ষষ্ঠ গোল হতে হতেও বেঁচে গেছে উজবেকিস্তান। ত্রিনকাওয়ের শট অল্পের জন্য জালে জড়ায়নি।</p>

<p>অন্যদিকে যোগ করা সময়ের পঞ্চম মিনিটেও হ্যাটট্রিকের সুযোগ পেয়েছিলেন রোনালদো। তবে ঠিক মতো জালে রাখতে পারলেন না শটটা। সবকিছু পাওয়ার ম্যাচে তাই ছোট্ট আক্ষেপ নিয়েই মাঠ ছাড়লেন তিনি।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1521-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[জন্মদিনে নেই শুভেচ্ছা, ইনস্টাগ্রামেও আনফলো! বিজয়-তৃষার সম্পর্ক কি শেষ?]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/28816</link>
    <pubDate>Wed, 24 Jun 2026 09:37:22 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/28816</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1620-11.jpg" />    <article>
<p>গত কয়েক মাস ধরেই তামিলনাডুর মুখ্যমন্ত্রী ও অভিনেতা থালাপতি বিজয়ের সঙ্গে অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণানের সম্পর্ক ঘিরে নানা গুঞ্জন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘুরে বেড়াচ্ছে। &lsquo;ঘিল্লি&rsquo;, &lsquo;লিও&rsquo; ও &lsquo;দ্য গ্রেটেস্ট অব অল টাইম (গোট)&rsquo;-এ একসঙ্গে কাজ করা এই জুটিকে নিয়ে তাঁদের ব্যক্তিগত সম্পর্ক নিয়েও নানা গুঞ্জন ছড়ায়।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>বিশেষ করে চলতি বছরের শুরুতে বিজয়ের স্ত্রী সংগীতা বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন করেছেন&mdash; এমন দাবির পর সেই জল্পনা আরও তীব্র হয়। যদিও এসব বিষয়ে বিজয় বা তৃষা&mdash; কেউই প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি।</p>

<p>এরই মধ্যে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে তৃষার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কার্যক্রম।&nbsp;</p>

<p>ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী ভক্তদের একাংশের দাবি, তিনি সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে বিজয়কে আনফলো করেছেন।</p>
</article>

<article>পাশাপাশি, গত কয়েক বছরের মতো এবার বিজয়ের ৫২তম জন্মদিনে কোনো ছবি বা শুভেচ্ছাবার্তাও শেয়ার করেননি তিনি। অতীতে প্রতি বছরই বিজয়ের সঙ্গে অপ্রকাশিত ছবি প্রকাশ করে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতেন তৃষা।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p><img alt="Trisha unfollowed vijay ? : r/KollyGossips" src="https://preview.redd.it/trisha-unfollowed-vijay-v0-qcu3h12hsv8h1.jpeg?width=640&amp;crop=smart&amp;auto=webp&amp;s=358bf2e6e7fe536c48276a82423b4585097ff22e" /></p>

<p>এবার তাঁর নীরবতা এবং আনফলোর দাবি ঘিরেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে নানা জল্পনা।</p>

<p>তবে বিজয় বা তৃষার পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া আসেনি।</p>
</article>

<article>ফলে তাঁদের সম্পর্কের অবনতি হয়েছে কি না, তা নিয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না।
<p>&nbsp;</p>

<p>কাজের ক্ষেত্রে তৃষাকে সর্বশেষ দেখা গেছে সূরিয়ার সঙ্গে &lsquo;করুপ্পু&rsquo; সিনেমায়। আরজে বালাজি পরিচালিত ছবিটি বক্স অফিসে দারুণ সাফল্য পেয়েছে এবং সমালোচকদের কাছ থেকেও ইতিবাচক প্রশংসা কুড়িয়েছে।</p>

<p>অন্যদিকে, পূর্ণ সময়ের জন্য রাজনীতিতে যোগ দেওয়া থালাপতি বিজয় বর্তমানে তাঁর বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা &lsquo;জনা নায়াগান&rsquo; মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছেন। এইচ ভিনোথ পরিচালিত অ্যাকশনধর্মী ছবিটি গত বছরের ডিসেম্বর থেকে নানা বিতর্কে জড়ায়।</p>
</article>

<article>এখনো ছবিটি ভারতের কেন্দ্রীয় চলচ্চিত্র প্রত্যয়ন বোর্ড (সিবিএফসি) থেকে ছাড়পত্র পায়নি।</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1620-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[চীনের পথে প্রধানমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28815</link>
    <pubDate>Tue, 23 Jun 2026 09:07:31 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28815</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/933-1.jpg" />    <p><strong>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়ায় দুই দিনের সরকারি সফর শেষে বিকেলে চীনের দালিয়ানের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।</strong></p>

<p>&nbsp;</p>

<p>সোমবার (২২ জুন) স্থানীয় সময় বিকেল ৫টায় কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বাংলাদেশ বিমানের বিশেষ ফ্লাইটে দালিয়ানের উদ্দেশ্যে রওনা হন তিনি।</p>

<p>প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এই তথ্য নিশ্চিত করে জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়া থেকে চীনের দালিয়ানের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। দালিয়ানে তিনি দুই দিন কর্মব্যস্ত সময় কাটাবেন। এরপর প্রধানমন্ত্রী চীনের রাজধানী বেইজিং যাবেন। সেখানে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি সফরের মূল কর্মসূচি শুরু হবে।&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>দালিয়ানে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের বার্ষিক সম্মেলনে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।</p>

<p>কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বুঙ্গা রায় কমপ্লেক্সের এক্সক্লুসিভ ভিআইপি টার্মিনালে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে বিদায় জানান মালয়েশিয়ার ধর্মমন্ত্রী জুলফিকলি হাসান ও তার সহধর্মিণী।</p>

<p>এ সময় মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মনজুরুল করিম ও ডেপুটি হাইকমিশনার শাহানারা মনিকা উপস্থিত ছিলেন।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>উল্লেখ্য, গতকাল দুই দিনের সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়া যান।</p>

<p>প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটি তারেক রহমানের প্রথম বিদেশ সফর। স্বল্পসময়ের এই সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর দীর্ঘ বৈঠক হয়েছে।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/933-1.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমর্থন চান প্রতিমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28814</link>
    <pubDate>Tue, 23 Jun 2026 09:06:23 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28814</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/796-99.jpg" />    <p><strong>পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে বৈঠক করেছেন তুর্কি রেড ক্রিসেন্টের সভাপতি ফাতমা মেরিচ ইলমাজ। তারা বাংলাদেশ-তুরস্কের দ্বিপাক্ষিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন।</strong></p>

<p>বিজ্ঞাপন</p>

<p>সোমবার (২২ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।</p>

<p>গত জুনে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানের বাংলাদেশ সফর এবং ওই সফরে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের কথা স্মরণ করে প্রতিমন্ত্রী আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোতে সহযোগিতাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদার করার ওপর জোর দেন।</p>

<p>তিনি উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশ ২০১৭ সাল থেকে মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত ১২ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে আসছে। এটিকে বাংলাদেশের জন্য একটি বিশাল চ্যালেঞ্জ হিসেবে বর্ণনা করে তিনি যত দ্রুত সম্ভব রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছায়, নিরাপদে, মর্যাদাপূর্ণভাবে এবং টেকসইভাবে মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের ওপর জোর দেন এবং এ ব্যাপারে তুরস্কসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আন্তরিক সমর্থনের আহ্বান জানান।</p>

<p>বিজ্ঞাপন</p>

<p>মিয়ানমার থেকে আসা বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অসাধারণ উদারতা এবং বছরের পর বছর ধরে বাংলাদেশের অব্যাহত মানবিক সহায়তার গভীর প্রশংসা করে তুর্কি রেড ক্রিসেন্টের সভাপতি রোহিঙ্গাদের জন্য খাদ্য সহায়তা, শিক্ষা, প্রাথমিক ও জরুরি চিকিৎসা সেবা, স্যানিটেশন এবং দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে তুরস্কের মানবিক কার্যক্রমের ওপর আলোকপাত করেন।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/796-99.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[যৌথ প্রতিরক্ষা সহযোগিতা কমিটি গঠনে সম্মত বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28813</link>
    <pubDate>Tue, 23 Jun 2026 09:05:50 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28813</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/989-88.jpg" />    <article>
<article>
<p>প্রতিরক্ষা খাতে সহযোগিতা আরো জোরদার করতে সম্মত হয়েছে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া। এ লক্ষ্যে দুই দেশ দ্বিপক্ষীয় যৌথ প্রতিরক্ষা সহযোগিতা কমিটি (জেসিডিসি) গঠন করবে।</p>
</article>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<article>
<p>সোমবার (২২ জুন) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া সফর উপলক্ষে দুই দেশের যৌথ বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।</p>

<p>একই দিন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।&nbsp;বৈঠক শেষে দুই দেশ ৩৩ দফা যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করে।</p>
</article>

<article>
<p>যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিয়মিত উচ্চ পর্যায়ের সামরিক সফর, প্রশিক্ষণ কর্মসূচি এবং শুভেচ্ছামূলক নৌবন্দর পরিদর্শনের মাধ্যমে গড়ে ওঠা দীর্ঘদিনের প্রতিরক্ষা সহযোগিতার প্রশংসা করেছেন।</p>
</article>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<article>
<p>উভয় নেতা সামরিক বিজ্ঞান, প্রযুক্তিগত দক্ষতা এবং প্রতিরক্ষা শিল্প অংশীদারি কৌশলগত সহযোগিতা সম্প্রসারণের জন্য বিদ্যমান প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বিষয়ক সমঝোতা স্মারকটি পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যকর করার বিষয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছেন।</p>

<p>তারা একটি কাঠামোগত প্রতিরক্ষা রোডম্যাপ প্রণয়নের লক্ষ্যে দ্বিপক্ষীয় যৌথ প্রতিরক্ষা সহযোগিতা কমিটি (জেসিডিসি) গঠনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।</p>
</article>

<article>
<p>এ ছাড়া উভয় পক্ষ নিজ নিজ জাতীয় প্রতিরক্ষা কলেজ ও কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজে পারস্পরিক আসন বরাদ্দসহ বিভিন্ন কোর্স ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচির মাধ্যমে প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।</p>

<p>তারা যৌথ সামরিক মহড়া, পূর্ব-নিয়োজিত প্রশিক্ষণ এবং বিশেষজ্ঞ জ্ঞান ও দক্ষতা বিনিময়ের মাধ্যমে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে সহযোগিতা জোরদারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।</p>
</article>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>যৌথ বিবৃতিতে আরো বলা হয়, সন্ত্রাসবাদ ও সহিংস চরমপন্থার সব রূপ মোকাবেলায় গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়, সক্ষমতা বৃদ্ধি উদ্যোগ এবং প্রশিক্ষণ কর্মসূচির মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরো শক্তিশালী করা হবে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/989-88.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ইরানের তেল রপ্তানির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28812</link>
    <pubDate>Tue, 23 Jun 2026 09:04:37 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28812</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1111-77.jpg" />    <article>
<p>ইরানের তেল রপ্তানির ওপর থেকে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। যুদ্ধ শেষ করার লক্ষ্যে একটি অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তির অংশ হিসেবে ৬০ দিনের একটি লাইসেন্স জারি করেছে মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ।</p>
</article>

<article>এতে আগামী ২১ আগস্ট পর্যন্ত অপরিশোধিত তেল ও সংশ্লিষ্ট পণ্য উৎপাদন, বিক্রি এবং সরবরাহের অনুমতি পেল তেহরান।
<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://economictimes.indiatimes.com/industry/energy/oil-gas/us-suspends-sanctions-on-iranian-oil-until-august-21-amid-negotiations-to-end-west-asia-war/articleshow/131911561.cms?from=mdr&amp;fbclid=IwY2xjawSmK19leHRuA2FlbQIxMABicmlkETFnUjhvTVhnWW13Nk5ibUEzc3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHoFosYDThlYoO0ufprQ5goZEkQvzm5wuKPaBDikgzspFoNcU7EHARdeFotK5_aem_2BURvITsEgaNuRmsfKw6oQ">সোমবার (২২জুন) সুইজারল্যান্ডের বুর্গেনস্ট</a>ক রিসোর্টে মার্কিন ও ইরানি প্রতিনিধিদের মধ্যে চলমান ফলপ্রসূ শান্তি আলোচনা পর এই অনুমোদন দেওয়া হলো।</p>

<p>নিষেধাজ্ঞা মওকুফের বিষয়টি এমন সময়ে সামনে এসেছে, যখন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেছেন, সুইজারল্যান্ডে ইরানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা একটি সফল চূড়ান্ত চুক্তির জন্য &lsquo;ভালো ভিত্তি&rsquo; তৈরি হয়েছে।</p>

<p>গেল ২৮ ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের হামলা শুরু করে।</p>
</article>

<article>জবাবে পাল্টা হামলা চালায় ইরান। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত নিরসনে দীর্ঘ<br />
আলোচনার একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে পৌঁছায় ইরান-যুক্তরাষ্ট্র। এরই অংশ হিসেবে ইরানি তেলের ওপর থেকে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া আলোচনায় আরো গতি পাবে বলে জানান বিশ্লেষকরা।
<p>&nbsp;</p>

<p>সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বেসেন্ট বলেন, ইরান হরমুজ প্রণালীতে অবাধ ও নিরাপদ জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করতে এবং আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) পরিদর্শকদের দেশটিতে প্রবেশের অনুমতি দিতে সম্মত হয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি আরও বলেন, এই কাঠামোর অংশ হিসেবে ট্রেজারি বিভাগ ৬০ দিনের একটি সাধারণ লাইসেন্স জারি করেছে, যা ইরানি তেলের উৎপাদন, সরবরাহ ও বিক্রির অনুমোদন দেয়।</p>

<p>বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, বছরের পর বছর কঠোর নিষেধাজ্ঞার কারণে সীমিত হয়ে পড়া তেল রপ্তানির সুযোগ পুনরুদ্ধার হওয়ায় এটি ইরানের অর্থনীতির জন্য বড় ধরনের স্বস্তি বয়ে আনতে পারে।</p>

<p>ট্রাম্প প্রশাসনের আলোচকরা হরমুজ প্রণালী পুরোপুরি পুনরায় খুলে দেওয়া এবং বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ সংকট কমানোর লক্ষ্যে ইরানকে রাজি করাতে এই ছাড়ে সম্মত হয়েছেন বলে জানা গেছে।</p>

<p>এর ফলে আগামী ২১ আগস্ট পর্যন্ত ইরানের অপরিশোধিত তেল ও সংশ্লিষ্ট পণ্যের উৎপাদন, বিক্রি এবং পরিবহনের ক্ষেত্রে আগে থেকে কার্যকর থাকা মার্কিন নিষেধাজ্ঞার আওতায় নিষিদ্ধ লেনদেনগুলো সাময়িকভাবে অনুমোদিত থাকবে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1111-77.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[কাতারে ভারত ও পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ১৩ জন নিহত, বাংলাদেশিসহ আহত ৬৬]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28811</link>
    <pubDate>Tue, 23 Jun 2026 09:03:47 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28811</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1228-66.jpg" />    <article>
<p>কাতারের রাস লাফান ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণে অন্তত ১৩ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ভারতীয় ও পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ব্যক্তিরা রয়েছেন বলে জানান দেশটির জ্বালানিমন্ত্রী সাদ বিন শ্রেদা আল-কাবি।</p>
</article>

<article><strong>খবর <a href="https://www.thehindu.com/news/national/indians-killed-in-qatar-explosion/article71133920.ece" target="_blank">দ্য হিন্দু</a></strong>

<p>&nbsp;</p>

<p>সোমবার (২২ জুন) এক সংবাদ সম্মেলনে আল-কাবি, যিনি একই সঙ্গে কাতারের রাষ্ট্রীয় জ্বালানি প্রতিষ্ঠান কাতারএনার্জির প্রধান নির্বাহীও, জানান যে রোববার (২১ জুন) সন্ধ্যায় রাস লাফান শিল্পনগরীর বারজান স্থানীয় গ্যাস সরবরাহ কেন্দ্রে পরিচালন কার্যক্রম শুরু করার সময় বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ড ঘটে। এই ঘটনায় ৬৬ জন আহতও হয়েছেন।</p>

<p>স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আহতদের মধ্যে ভারত, কাতার, তানজানিয়া, পাকিস্তান, গিনি, নেপাল, বাংলাদেশ, কেনিয়া ও নাইজেরিয়ার নাগরিক রয়েছেন।</p>

<p>আল-কাবি জানান, নিহত ১৩ জন ভারতীয় ও পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত হলেও, এর মধ্যে ঠিক কতজন কোন দেশের নাগরিক, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।</p>
</article>

<article><br />
&nbsp;<br />
এদিকে, দোহায় অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস এক বিবৃতিতে নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে দূতাবাস বলেছে, &lsquo;রাস লাফান ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটিতে ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক ঘটনায় যারা প্রাণ হারিয়েছেন, তাদের পরিবারের প্রতি আমরা গভীর সমবেদনা জানাই।&rsquo;&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>নিহত ও আহতদের পরিবারের সহায়তার জন্য দূতাবাস দুটি হেল্পলাইন নম্বর (+974-55647502, +974-55384683) এবং ই-মেইল (cons.doha@mea.gov.in) চালু করেছে।<br />
&nbsp;<br />
এর আগে ভারতীয় দূতাবাস ঘটনাটিকে &lsquo;অত্যন্ত উদ্বেগজনক&rsquo; উল্লেখ করে জানায়, এতে বহু মানুষ আহত হয়েছেন এবং কয়েকজন নিখোঁজ রয়েছেন।</p>
</article>

<article><br />
&nbsp;<br />
বিবৃতিতে আরো বলা হয়, &lsquo;এই কঠিন সময়ে কাতার সরকারের পাশাপাশি দেশটির জনগণের প্রতি ভারতীয় দূতাবাস ও কাতারে বসবাসরত ভারতীয় সম্প্রদায় পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করছে। আমরা আহতদের দ্রুত সুস্থতা এবং নিখোঁজদের নিরাপদে ফিরে আসার জন্য প্রার্থনা করছি।&rsquo;<br />
&nbsp;<br />
কাতারএনার্জি জানিয়েছে, বিস্ফোরণের পরপরই জরুরি পরিষেবার দলগুলো ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। বর্তমানে আগুন নিয়ন্ত্রণে আছে এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1228-66.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ব্রিটিশ রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ, কে হচ্ছেন স্টারমারের উত্তরসূরি?]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28810</link>
    <pubDate>Tue, 23 Jun 2026 09:03:08 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28810</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1331-55.jpg" />    <article>
<p>যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমারের পদত্যাগের ঘোষণার পর দেশটির রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। লেবার পার্টির পরবর্তী নেতা এবং সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী কে হবেন, তা নিয়ে জোরালো আলোচনা শুরু হয়েছে।</p>
</article>

<article>এ দৌড়ে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছেন গ্রেটার ম্যানচেস্টারের সাবেক মেয়র এবং মেকারফিল্ড আসন থেকে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য অ্যান্ডি বার্নহাম।
<p>&nbsp;</p>

<p>স্টারমারের বিদায়ের ঘোষণা এবং বার্নহামের উত্থানকে ঘিরে ওয়েস্টমিনস্টারে ক্ষমতার পালাবদলের আভাস স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। বার্নহাম প্রধানমন্ত্রী হলে তিনি হবেন গত চার বছরে যুক্তরাজ্যের পঞ্চম প্রধানমন্ত্রী।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/national/2026/06/23/1701697" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>তবে তার সম্ভাব্য নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্নও কম নয়।</p>
</article>

<article>মাত্র এক সপ্তাহ আগে যিনি সংসদ সদস্য ছিলেন না, তিনি আগামী মাসেই প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন&mdash;এ বিষয়টি নিয়ে লেবার পার্টির ভেতরেই রয়েছে উদ্বেগ। অনেকেই মনে করিয়ে দিচ্ছেন, বার্নহাম অতীতে দু&rsquo;বার লেবার নেতৃত্বের প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে পরাজিত হয়েছিলেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, বর্তমানে বার্নহামের জনপ্রিয়তার মূল কারণ হলো তাকে একজন &lsquo;জয়ী নেতা&rsquo; হিসেবে দেখা হচ্ছে, যেখানে স্টারমারকে ব্যর্থতার প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। বিশেষ করে ইংল্যান্ডের উত্তরাঞ্চলে রিফর্ম ইউকের শক্তিশালী অবস্থানের মধ্যেও বার্নহাম নিজের রাজনৈতিক প্রভাব ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/sport/2026/06/23/1701696" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>সমালোচকদের মতে, গ্রেটার ম্যানচেস্টারে তার জনপ্রিয়তা থাকলেও জাতীয় পর্যায়ে তার গ্রহণযোগ্যতা এখনও পুরোপুরি পরীক্ষিত নয়। তার রাজনৈতিক দর্শন, অর্থনৈতিক পরিকল্পনা এবং জাতীয় নীতিমালা সম্পর্কে এখনও বিস্তারিত ধারণা পাওয়া যায়নি।</p>

<p>স্টারমারের পদত্যাগের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় বার্নহাম বলেন, জনগণ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো, জনসেবা, আবাসন এবং আগামী প্রজন্মের জন্য নতুন সুযোগ দেখতে চায়। তবে এসব লক্ষ্য তিনি কীভাবে বাস্তবায়ন করবেন, তা নিয়ে এখন ব্যাপক নজরদারি শুরু হয়েছে।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/country-news/2026/06/23/1701694" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>লেবার পার্টির কিছু সদস্য এরই মধ্যে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের চিফ সেক্রেটারি ড্যারেন জোনসকে নেতৃত্বের প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।</p>
</article>

<article>যদিও তার ঘনিষ্ঠরা বলছেন, এ সম্ভাবনা আপাতত খুবই কম।
<p>&nbsp;</p>

<p>এদিকে সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বার্নহামের সামনে পররাষ্ট্রনীতি ও প্রতিরক্ষা খাতেও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন অপেক্ষা করছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সম্পর্ক, সামরিক ব্যয় বৃদ্ধি এবং সেই অর্থের উৎস কী হবে&mdash;এসব বিষয়ে তাকে শিগগিরই স্পষ্ট অবস্থান জানাতে হতে পারে।</p>

<p>রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, আগামী কয়েক সপ্তাহেই পরিষ্কার হবে অ্যান্ডি বার্নহাম লেবার পার্টির নেতৃত্ব দেওয়া এবং যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর পদে অধিষ্ঠিত হওয়ার পথে কতটা এগোতে পারেন।</p>

<p><strong>সূত্র : <a href="https://www.bbc.com/news/articles/cn8k4kyrdn5o?fbclid=IwY2xjawSmvG1leHRuA2FlbQIxMABicmlkETFBZlA4MVliYWp5T2t5c2tkc3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHnfbUqYmB9OMpx0yUO8Yc6bq7N8BRzNBaCg6-oXZ0-VoFjgexQ1ErsMxERNz_aem_gALEFICNbVLRn8_8vn6T4g">বিবিসি</a></strong></p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1331-55.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[তীব্র দাবদাহে পুড়ছে ইউরোপ, ‘রেড হিট অ্যালার্ট’ জারি]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28809</link>
    <pubDate>Tue, 23 Jun 2026 09:01:55 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28809</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1395-44.jpg" />    <article>
<p>ফ্রান্স, স্পেন, জার্মানি ও ইতালিসহ পশ্চিম ও মধ্য ইউরোপের দেশগুলোতে তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে &lsquo;রেড হিট অ্যালার্ট&rsquo; বা সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সাহারা মরুভূমি থেকে ধেয়ে আসা উষ্ণ বায়ুর কারণে তাপমাত্রা ক্রমাগত বাড়ছে এবং অনেক জায়গায় এটি ৪০ থেকে ৪৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত ছাড়িয়ে গেছে।</p>
</article>

<article>আবহাওয়াবিদদের মতে, <a href="https://www.bbc.com/news/articles/c0jy9g96086o?fbclid=IwY2xjawSmyeRleHRuA2FlbQIxMABicmlkETF6c1dIY05zRTh6WHB1NlFLc3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHtMK5rQ2pwC8RejG88QQLdmlIme5YLU29O9VOQ2G3BlJjjk4lHf5NclsxwDy_aem_KpbuEgK2dgTNy_5lq2OUCg">এটি সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে দীর্ঘতম ও তীব্রতম তাপপ্রবাহ হতে যাচ্ছে</a>। তীব্র গরমের কারণে ইতোমধ্যে বেশ কয়েকজন মানুষের মৃত্যু হয়েছে এবং বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে শত শত স্কুল।

<p>&nbsp;</p>

<p>সোমবার (২২ জুন)&nbsp;ফ্রান্সের বোর্দোতে তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছায়। তীব্র গরমে দক্ষিণ ফ্রান্সে গাড়ির ভেতরে আটকে পড়ে ২ ও ৪ বছর বয়সী দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।</p>
</article>

<article>এ ছাড়া জিরোন্দ অঞ্চলে বয়স্ক ৩ জন এবং নদী ও হ্রদে সাঁতার কাটতে গিয়ে আরো ১৩ জন ডুবে মারা গেছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দেশটির ৮৪৫টি স্কুল পুরোপুরি বন্ধ এবং ১,৮০০টি স্কুল আংশিক বন্ধ রাখা হয়েছে। এমনকি জাতীয় উৎসব &lsquo;ফেত দে লা মিউজিক&rsquo;-এ মদ্যপান নিষিদ্ধ করেছে সরকার, যাতে স্বাস্থ্যকর্মীরা জরুরি চিকিৎসায় মনোযোগ দিতে পারেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>স্পেনের কিছু এলাকায় তাপমাত্রা ৪৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পৌঁছানোর পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।</p>
</article>

<article>ইতালির মিলান, রোম ও ভেনিসসহ ১২টি শহরে রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। জার্মানিতে তাপমাত্রা ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছে এবং গরম থেকে বাঁচতে সাঁতার কাটতে গিয়ে ৫ জন মারা গেছেন। যুক্তরাজ্যেও (ইংল্যান্ড ও ওয়েলস) রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে।গ্রিসে তীব্র গরমে দাবানল ছড়িয়ে পড়ায় প্রধান মহাসড়ক বন্ধ করতে হয়েছে। বেলজিয়ামেও রেকর্ড তাপমাত্রার কারণে বেশ কিছু ট্রেন চলাচল বাতিল করা হয়েছে।</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>বিজ্ঞানীরা বলছেন, ঘন ঘন এই ধরণের তাপপ্রবাহ বৈশ্বিক উষ্ণায়নের স্পষ্ট লক্ষণ। আবহাওয়া সংস্থা মেটিও-ফ্রান্স জানিয়েছে, ১৯৪৭ সালের পর থেকে ফ্রান্সে মোট ৫১টি তাপপ্রবাহ হয়েছে, যার মধ্যে ৩৪টিই ঘটেছে ২০০০ সালের পর। আবহাওয়াবিদরা সতর্ক করেছেন যে, এই সপ্তাহের শেষ দিক পর্যন্ত তাপমাত্রা কমার কোনো সম্ভাবনা নেই।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1395-44.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[হালান্ডের জোড়া গোলে ২৮ বছর পর বিশ্বকাপের নকআউটে নরওয়ে]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/28808</link>
    <pubDate>Tue, 23 Jun 2026 09:00:26 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/28808</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1480-33.jpg" />    <article>
<p>লিওনেল মেসি-কিলিয়ান এমবাপ্পেরা জালের দেখা পেলে তো আর মন ভরবে না আর্লিং হালান্ডের। মনের খোরাক মেটানোর জন্য তারও দরকার গোল।</p>
</article>

<article>নিউ ইয়র্ক/নিউ জার্সিতে যেন গোলের পণ করেই মাঠে নামেন নরওয়ের তারকাও।
<p>&nbsp;</p>

<p>মেসি-এমবাপ্পের ম্যাজিকাল রাতে তাই ভাগ বসালেন হালান্ড। দুই কিংবদন্তির মতোই ম্যাচে জোড়া গোল পেয়েছেন তিনিও। তার জোড়া গোলে সেনেগালের বিপক্ষে ৩-২ ব্যবধানের জয় পেয়েছে নরওয়ে।</p>
</article>

<article>এতে করে ২৮ বছর পর বিশ্বকাপের নকআউটে খেলবে নরওয়ে। ইরাকের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচেও জোড়া গোল করেন হালান্ড।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণের পসরা সাজায় নরওয়ে। কিন্তু তাদের সামনে বাধা হয়ে দাঁড়ায় সেনেগালের গোলরক্ষক এদুয়ার্দো মেন্ডি।</p>
</article>

<article>ম্যাচের তৃতীয় মিনিটে দুর্দান্ত এক সেভ দেন তিনি। কর্নার থেকে নরওয়ের ডিফেন্ডার ক্রিস্টোফার আয়ার গোল প্রায় পেয়েই গিয়েছিলেন। তবে তার হেড জালে জড়ানোর আগে অবিশ্বাস্যভাবে পা দিয়ে সেভ করেন সেনেগালের গোলরক্ষক।
<p>&nbsp;</p>

<p>৩৭ মিনিটে নরওয়েকে লিড এনে দেওয়ার সুর্বণ সুযোগ পেয়েছিলেন মার্টিন ওডেগার্ডও। বক্সের মধ্যে আর্লিং হালান্ডের কাছ থেকে বল পেয়ে জোরাল ভলি নিয়েছিলেন আর্সেনালের মিডফিল্ডার।</p>
</article>

<article>তবে গোলবার ছেড়ে বেরিয়ে আসা গোলরক্ষক মেন্ডির শরীরে লাগায় গোল আর পাওয়া হয়নি তার।
<p>&nbsp;</p>

<p>বিরতিতে যাওয়ার ২ মিনিট আগে অবশ্য নরওয়েকে আনন্দে ভাসান মার্কাস পেডারসেন। ৪৩ মিনিটে তার নেওয়া ডান পায়ের শট এবারও অনেকটা ঠেকিয়েই দিয়েছিলেন মেন্ডি। তবে বলে পাওয়ার থাকায় হাতে লাগার পরেও জালে জড়ায়।</p>

<p>যোগ করা সময়ে ২-০ লিড পেতে পারত নরওয়ে। তবে হতাশ করে পোস্ট। ডান প্রান্ত থেকে গোলে শট নিয়েছিলেন আর্লিং হালান্ড। কিন্তু তার শট কাছের পোস্টে লাগায় গোল আর পাওয়া হয়নি। একই আক্রমণে আরেকটি সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি। সতীর্থর ক্রসে হেড নিয়েছিলেনও তিনি, তবে বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে ধরে ফেলেন মেন্ডি।</p>

<p>হতাশা নিয়ে বিরতিতে গেলেও দ্বিতীয়ার্ধ শুরু হতেই কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পান হালান্ড। সতীর্থ ওডেগার্ডের পাসে ৪৮ মিনিটে জোরাল শটে গোল করেন ম্যানচেস্টার সিটির স্ট্রাইকার। ২-০ গোলে পিছিয়ে পড়া সেনেগাল ম্যাচে ফেরে ৫৩ মিনিটে। সাদিও মানের পাস থেকে ব্যবধান কমান ইসমাইলা সার।</p>

<p>তবে গোল ব্যবধান কমানোর আনন্দ বেশিক্ষণ উপভোগ করা হয়নি সেনেগালের। ৫৮ মিনিটে যে জোড়া গোল করেন হালান্ড। প্যাট্রিক বার্গের ক্রসকে পেনাল্টি স্পট থেকে সাইড-ফুটেড ভলিতে গোলটি করেন হালান্ড।</p>

<p>৮৮ মিনিটে হ্যাটট্রিকের খুব কাছে গিয়েছিলেন হালান্ড। তার শট প্রতিপক্ষের এক ডিফেন্ডারের পায়ে ব্লক না হলে বিশ্বকাপে প্রথম হ্যাটট্রিকটা পেয়েই জেতেন তিনি। ৯০ মিনিটে অবিশ্বাস্য এক সেভ দেন সেনেগালের আরেক ডিফেন্ডার পাথে চিস। অস্কার ববের জোরাল এক শট গোল লাইন থেকে হেডে বাঁচিয়ে দেন।</p>

<p>বিপরীতে যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে আরেকটি গোল করে ম্যাচ জমানোর ইঙ্গিত দেন সার। নিকোলাস জ্যাকসনের অ্যাসিস্টে বক্স থেকে গোল করে। তবে গোলটিতে ব্যবধান ৩-২ হলেও সমতায় ফেরা হয়নি সেনেগালের।</p>

<p>এ জয়ে ফ্রান্সের পর গ্রুপ &lsquo;আই&rsquo; থেকে নকআউট নিশ্চিত করেছে নরওয়ে। উভয় দলই টানা দ্বিতীয় জয় পেয়েছে। তবে পয়েন্ট সমান ৬ হলেও গোল ব্যবধানে এগিয়ে থাকা ফ্রান্স শীর্ষে। তবে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন কারা হবে সেটা নির্ভর করবে আগামী ২৭ জুনের ম্যাচে। সেদিন বোস্টনে মুখোমুখি হবে নরওয়ে-ফ্রান্স।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1480-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[জনপ্রিয়তার শীর্ষে যে ৬ পাকিস্তানি নাটক]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/28807</link>
    <pubDate>Tue, 23 Jun 2026 08:59:28 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/28807</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1520-22.jpg" />    <p><strong>বছর সাতেক আগের কথা। তখন পাকিস্তানের টেলিভিশন ইন্ডাস্ট্রিতে বছরে হাতে গোনা মাত্র কয়েকটি নাটক তৈরি হতো। তবে সংখ্যায় কম হলেও সেই নাটকগুলোর চমৎকার গল্প আর অভিনয়শিল্পীদের অনবদ্য পারফরম্যান্সের কারণে সেগুলো &#39;ক্লাসিক&#39;-এর মর্যাদা পেয়েছে; যা আজও দর্শকদের মনে দাগ কেটে আছে।</strong></p>

<p>&nbsp;</p>

<p>সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই চেনা দৃশ্যপট এখন পুরোপুরি বদলে গেছে। বর্তমানে প্রতি সপ্তাহেই ছোট পর্দায় মুক্তি পাচ্ছে নতুন নতুন নাটক। ফলে এই অঙ্গনে প্রতিযোগিতা এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি কঠিন। স্বাভাবিকভাবেই সব নাটক দর্শকদের মনে জায়গা করে নিতে পারছে না। তবে এর মধ্যেও চলমান কয়েকটি নাটক বেশ ভালোভাবেই দর্শকদের মনোযোগ কেড়েছে। যারা ভালো গল্পের নাটক দেখতে ভালোবাসেন, তারা এই নাটকগুলো নিজেদের দেখার তালিকায় যুক্ত করতে পারেন।</p>

<p><strong>১. জিঞ্জিরেইঁ :</strong> বর্তমানে পাকিস্তানের ড্রামা ইন্ডাস্ট্রির অন্যতম আলোচিত নাটক &#39;জিঞ্জিরেইঁ&#39;। এতে মূল ভূমিকায় অভিনয় করছেন সাজাল আলি, আমির গিলানি ও সাহার হাশমি। ফারহাত ইশতিয়াকের লেখা এবং শাহজাদ কাশ্মীরির পরিচালনায় এই নাটকটি গত ২৯ এপ্রিল &#39;হাম টিভি&#39;তে প্রিমিয়ার হয়। পাহাড়ি অঞ্চলের চোখ জুড়ানো লোকেশনে চিত্রায়িত এই নাটকের গল্প আবর্তিত হয়েছে পারিবারিক ঐতিহ্য, ক্ষমতার লড়াই এবং একটি বিপজ্জনক রক্তক্ষয়ী সংঘাতের মাঝে গড়ে ওঠা এক নিষিদ্ধ ভালোবাসাকে কেন্দ্র করে। ইতোমধ্যে নাটকটির ১৫টি পর্ব প্রচারিত হয়েছে এবং এর টানটান উত্তেজনা দর্শকদের ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে।</p>

<p><strong><img alt="Zanjeerain | Cast and Characters - The Other Me Unfolded" src="https://i0.wp.com/theothermeunfolded.com/wp-content/uploads/2026/04/IMG_20260430_021618-e1780217267765.jpg?fit=719%2C401&amp;ssl=1" /></strong></p>

<p><strong>২. এক মহাব্বাত অউর : </strong>&nbsp;&#39;গ্রিন এন্টারটেইনমেন্ট&#39;-এ প্রচারিত একটি দারুণ রোমান্টিক ঘরানার নাটক &#39;এক মহাব্বাত অউর&#39;। এতে প্রধান চরিত্রে দেখা যাচ্ছে আহাদ রাজা মির ও মায়া আলিকে। একজন ডিভোর্সি সিঙ্গেল মাদারের গল্প বলা হয়েছে এখানে, যিনি জীবনের এক পর্যায়ে এসে অপ্রত্যাশিতভাবে এমন একজন পুরুষের প্রেমে পড়েন যিনি কখনো বিয়ে করেননি। গত ৮ জুন শুরু হওয়া এই সিরিজটির মাত্র ৪টি পর্ব প্রচার হতেই দর্শক মহলে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।</p>

<p>বিজ্ঞাপন</p>

<p><img src="https://cdn.siasat.com/wp-content/uploads/2026/06/image-6-21.jpg" /></p>

<p>&nbsp;</p>

<p><strong>৩. জাবত : </strong>&nbsp;যারা আবেগঘন পারিবারিক ড্রামা পছন্দ করেন, তাদের জন্য দারুণ একটি নাটক হতে পারে &#39;জাবত&#39;। এটি প্রতিদিন &#39;জিও এন্টারটেইনমেন্ট&#39;-এ প্রচারিত হচ্ছে। সায়মা আকরাম চৌধুরীর গল্পে নাটকটি পরিচালনা করেছেন তাহাসিন খান। নাটকটির বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন সাচাল আফজাল, জোহা তৌকির ও দানিয়াল খান। ভালোবাসা, বিশ্বাসঘাতকতা, পারিবারিক দ্বন্দ্ব এবং সামাজিক চাপের মানসিক প্রভাবের গল্প নিয়ে তৈরি &#39;জাবত&#39; ইতোমধ্যে ১৬টি পর্ব পার করে একনিষ্ঠ দর্শক তৈরি করতে পেরেছে।</p>

<p><img src="https://cdn.siasat.com/wp-content/uploads/2026/06/image-6-20.jpg" /></p>

<p><strong>৪. হামরাহী :</strong> &#39;জিও এন্টারটেইনমেন্ট&#39;-এর অন্যতম সর্বোচ্চ ভিউ পাওয়া নাটক &#39;হামরাহী&#39;। ছোট পর্দার জনপ্রিয় জুটি দানিশ তৈমুর ও হিবা বুখারির অন স্ক্রিন রসায়ন আবারও পর্দায় ফিরিয়ে এনেছে এই সিরিজটি। প্রেম, হৃদয়ের ভাঙন, আত্মত্যাগ এবং জটিল সব সম্পর্কের টানাপোড়েন উঠে এসেছে এর গল্পে। জানজাবিল অসীম শাহের রচনা এবং বাবর জাভেদের পরিচালনায় নাটকটি গত ২৭ মার্চ প্রিমিয়ার হয়। ২৪টি পর্ব পেরিয়ে এসেও এটি সমানভাবে প্রশংসা কুড়াচ্ছে।</p>

<p>বিজ্ঞাপন</p>

<p><img src="https://cdn.siasat.com/wp-content/uploads/2026/06/image-6-23-1024x576.jpg" /></p>

<p><strong>৫. সির্ফ শাবানা : </strong>একজন স্বাধীনচেতা ও শক্তিশালী নারী চরিত্রের গল্প নিয়ে নির্মিত হয়েছে &#39;হাম টিভি&#39;-র নাটক &#39;সির্ফ শাবানা&#39;। সোহাই আলি আবরো, আদিল হুসাইন ও দুরাব খলিল অভিনীত এই নাটকটির পরিণত গল্প সবার নজর কেড়েছে। প্রচলিত সামাজিক নিয়ম ও নারীদের নিয়ে চিরাচরিত স্টিরিওটাইপ ভেঙে এক শিক্ষিত ও স্বাবলম্বী নারীর জীবনের বাস্তবসম্মত লড়াই এখানে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ২৪ পর্ব প্রচারিত হওয়া এই নাটকটির ইতিমধ্যে একটি বড় ভক্তশ্রেণি তৈরি হয়েছে।</p>

<p><img src="https://cdn.siasat.com/wp-content/uploads/2026/06/image-6-25.jpg" /></p>

<p><strong>৬. বাস তেরা সাথ হো : </strong>বর্তমানে তুমুল জনপ্রিয়তার শীর্ষে থাকা আরেকটি নাটক হলো &#39;এআরওয়াই ডিজিটাল&#39;-এর &#39;বাস তেরা সাথ হো&#39;। ফারহান সাঈদ ও সানা জাভেদ অভিনীত এই নাটকের গল্প একজন অবহেলিত এতিম তরুণকে ঘিরে, যিনি এক সাহসী তরুণীর অনুপ্রেরণায় ধীরে ধীরে নিজের আত্মসম্মান ও শক্তি খুঁজে পান। নাটকটির আবেগঘন গল্প এবং কলাকুশলীদের অভিনয় দর্শকদের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছে। চ্যানেলটির অন্যতম সফল এই নাটকটির এ পর্যন্ত ১৪টি পর্ব প্রচারিত হয়েছে।</p>

<p><img src="https://cdn.siasat.com/wp-content/uploads/2026/06/image-6-19.jpg" /></p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1520-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বিশ্বকাপে গোলের রাজা হওয়ার রাতে আরও যত কীর্তি মেসির]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/28806</link>
    <pubDate>Tue, 23 Jun 2026 08:58:21 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/28806</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1619-11.jpg" />    <article>
<p>বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড গড়তে এক গোলের প্রয়োজন ছিল লিওনেল মেসির। ডালাসে ম্যাচের চতুর্থ মিনিটে সেই সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি।</p>
</article>

<article>তবে পেনাল্টি থেকে গোল করতে ব্যর্থ হওয়ায় অপেক্ষা বাড়ে তার। পরে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে শুধু রেকর্ড গোলই পাননি, সংখ্যা আরও বাড়িয়েছেন ৮বারের ব্যালন ডি&rsquo;অর জয়ী। বিশ্বকাপ গোলের রাজা হওয়ার রাতে আরও কিছু কীর্তি গড়েছেন তিনি। চলুন দেখে নেওয়া যাক সে সব কীর্তি।</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p><strong>১৮&nbsp;</strong><br />
বিশ্বকাপে মেসির গোল সংখ্যা। যা বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বোচ্চ। তাতে পেছনে পড়ল জার্মান কিংবদন্তি মিরোস্লাভ ক্লোসার ১৬ গোল।</p>

<p>শুধু গোলের নন, খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপে ম্যাচ জয়ের রাজাও হয়েছেন মেসি।</p>
</article>

<article>বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ১৮ জয় পাওয়া খেলোয়াড়ও এখন তিনি। এখানেও পেছনে ফেলেছেন ১৭ জয় পাওয়া ক্লোসাকে।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p><strong>১০</strong></p>

<p>অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে প্রথম গোলটি করে অনন্য এক রেকর্ড গড়েছেন মেসি। বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে ১০টি ভিন্ন দলের বিপক্ষে প্রথম গোল করা খেলোয়াড় তিনি।</p>

<p><strong>৭</strong><br />
বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ পেনাল্টি নেওয়া খেলোয়াড়ও মেসি।</p>
</article>

<article>দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৬টি নিয়েছেন ইংল্যান্ডের স্ট্রাইকার হ্যারি<br />
কেইন।
<p>&nbsp;</p>

<p><strong>৬</strong></p>

<p>বিশ্বকাপে টানা ৬ ম্যাচে গোল করার কীর্তি গড়েছেন মেসি। তার আগে সমান ম্যাচে গোল করার কীর্তি গড়েছেন ফ্রান্স কিংবদন্তি জাস্ট ফন্টেইন ও ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি জেয়ারজিনহো।</p>

<p><strong>৫</strong><br />
এবারের বিশ্বকাপে মেসির গোল সংখ্যা। আর্জেন্টিনার নামের পাশেও গোল সংখ্যা ৫। অর্থাৎ, দলের সব গোলই তার। এমন কীর্তি এর আগে শুধু গড়েছেন রাশিয়ার ওলেগ সালেঙ্গার। ১৯৯৪ রাশিয়ার প্রথম ৫ গোলের প্রতিটাই করেন তিনি।</p>

<p><strong>৩</strong><br />
আনন্দময়ের বিপরীতে বিব্রতকর রেকর্ডও গড়েছেন মেসি। বিশ্বকাপে ৩ পেনাল্টি মিস করা ফুটবলারও এখন তিনি। আজকের আগে সমান ২ মিস নিয়ে ঘানার সাবেক স্ট্রাইকার আসামোয়া জিয়ানের সঙ্গে যৌথভাবে শীর্ষে ছিলেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1619-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[আমেরিকায় ট্রাকচাপায় প্রাণ গেল কবিরের]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/28805</link>
    <pubDate>Mon, 22 Jun 2026 09:59:08 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/28805</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1330-55.jpg" />    <p><strong>আমেরিকার ফ্লোরিডায় ট্রাকচাপায় কবির হোসেন মৃধা (৫৫) নামে এক বাংলাদেশি ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন।</strong></p>

<p>&nbsp;<br />
&nbsp;</p>

<p>নিহত কবির হোসেন বরিশালের উজিরপুর উপজেলার দক্ষিণ মোড়াকাঠী গ্রামের মৃত মেছের উদ্দিন মৃধার ছোট ছেলে।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>রবিবার (২১ জুন) দুপুরে নিহতের আত্মীয় হেমায়েত হাওলাদার জানান, প্রায় ১৫ বছর আগে ডিভি লটারিতে বিজয়ী হয়ে কবির হোসেন যুক্তরাষ্ট্রে যান।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি আরো জানান, কবির হোসেনের স্ত্রী ও এক ছেলে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন। তিনি ফ্লোরিডায় একটি ব্যবসা পরিচালনা করতেন।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>স্থানীয় সময় ২০ জুন সকাল ৮টায় (বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৬টা) নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় বেপরোয়া গতির একটি ট্রাকের চাপায় ঘটনাস্থলেই তিনি নিহত হন বলে জানা গেছে।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, তার মরদেহ বাংলাদেশে এনে গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে বাবা-মায়ের কবরের পাশে দাফনের প্রস্তুতি চলছে।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1330-55.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[কাতারের সড়কে ঝরলো সিলেটের ৫ জনের প্রাণ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/28804</link>
    <pubDate>Mon, 22 Jun 2026 09:58:11 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/28804</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1479-33.jpg" />    <p><strong>পরিবারের মুখে হাসি ফুটাতে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতারে গিয়ে আজ লাশ হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার ৫ জন প্রবাসী। একটি সড়ক দুর্ঘটনায় তারা নিহত হয়েছেন। একইসাথে ভারতেরও একজন নিহত হন।</strong></p>

<p>&nbsp;<br />
&nbsp;</p>

<p>রবিবার (২১ জুন) কাতারের স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ১০টার (বাংলাদেশ সময় দুপুর দেড়টা) দিকে আল শাহানিয়া শহরের সামাল সড়কে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>নিহতরা হলেন-&nbsp; কানাইঘাট উপজেলার ঝিংগাবাড়ী ইউনিয়নের আমরপুর গ্রামের জিবাল আহমদ, মাঝতালুক গ্রামের মস্তাক আহমদ ও জুবায়ের আহমদ, আগতালুক গ্রামের জসিম উদ্দিন এবং পাশ্ববর্তী দক্ষিণ বাণীগ্রাম ইউনিয়নের নিজ গাছবাড়ি গ্রামের আব্দুল কাদির। তারা সকলেই একসাথে কাজ করতেন বলে জানা গেছে।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার ৫ জন প্রবাসীর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কানাইঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুল &nbsp;ইসলাম।&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>জানা যায়, রবিবার (২১ জুন) বাসা থেকে বের হয়ে একসাথে কাজের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন কানাইঘাট উপজেলার আগতালুক গ্রামের জসিম উদ্দিন, আমরপুর গ্রামের জিবাল উদ্দিন, মাঝতালুক গ্রামের মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ এবং কাদের আহমদসহ ভারতীয় আরেকজন নাগরিক। কাতারের স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ১০টার (বাংলাদেশ সময় দুপুর দেড়টা) দিকে আল শাহানিয়া শহরের সামাল মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে। তখন ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারাণ তারা। একই দুর্ঘটনায় একজন ভারতীয় গাড়ি চালকও নিহত হয়েছেন।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>কানাইঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুল &nbsp;ইসলাম বলেন, &lsquo;আমরা জেনেছি কাতারের আল শাহানিয়ার সামাল এলাকায় ৫জন নিহত হয়েছেন। আমরা তাদের পরিবারের সাথে কথা বলেছি। ওইখানে সকল পক্রিয়া শেষে লাশ দেশে আসামাত্র পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। তবে এখন পর্যন্ত বলা যাচ্ছে না কবে লাশ দেশে ফিরতে পারে।&rsquo;</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1479-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[মালয়েশিয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর মতবিনিময়]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28803</link>
    <pubDate>Mon, 22 Jun 2026 09:28:17 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28803</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/932-1.jpg" />    <article>
<p>দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে মালয়েশিয়ায় গেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রবিবার (২১ জুন) রাতে মালয়েশিয়ায় পৌঁছে দেশটিতে থাকা প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন তিনি।</p>
</article>

<article>মালয়েশিয়ার স্থানীয় সময় রাত পৌনে ১১টায় কুয়ালালামপুরের হোটেল সাংগ্রিলায় এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন তারেক রহমান। এসময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান।
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>মতবিনিময় সভায় অন্যদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী সরকারের মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মনজুরুল করিম খান চৌধুরীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন।</p>

<p>এর আগে, রবিবার বিকেল পৌনে ৩টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে যাত্রা করে স্থানীয় সময় রাত ৮টা ৩৫ মিনিটে কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে (কেএলআইএ) পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/932-1.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে  প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে  লালগালিচা সংবর্ধনা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28802</link>
    <pubDate>Mon, 22 Jun 2026 09:27:32 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28802</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/795-99.jpg" />    <article>
<p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে দুই দিনের সরকারি সফরে গতকাল কুয়ালালামপুর গেছেন। তার সঙ্গে রয়েছেন স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>গতকাল বেলা ৩টায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে মালয়েশিয়ায় উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন প্রধানমন্ত্রী। এ সফরে তার সঙ্গে আছেন ৮ মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপদেষ্টা। সেখান থেকে তিনি চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের আমন্ত্রণে চারদিনের জন্য চীন সফরে যাবেন। এর আগে গতকাল রাতে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এক সুধী সমাবেশে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী।</p>
</article>

<article>বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইটটি গতকাল স্থানীয় সময় রাত ৯টা ও বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭টায় মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/Court/2026/06/22/1701192" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে মালয়েশিয়া সরকারের পক্ষ থেকে বিশাল অভ্যর্থনা জানানো হয়। বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান মালয়েশিয়ার ধর্মমন্ত্রী জুলকিফলি হাসান ও তার সহধর্মিণী। প্রধানমন্ত্রী ও তার স্ত্রীকে লালগালিচা সংবর্ধনা এবং গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।</p>
</article>

<article>এ সময় দুই দেশের জাতীয় সংগীত বাজানো হয়। মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের হাইকমিশনার মনজুরুল করিম খান চৌধুরী তখন উপস্থিত ছিলেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>বিমানবন্দর থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আনুষ্ঠানিক মোটর শোভাযাত্রায় কুয়ালালামপুরের শাংরি-লা হোটেলে যান। মালয়েশিয়ায় আগমন উপলক্ষে গতকাল রাতে সুধী সমাবেশে যোগ দেন তারেক রহমান। সমাবেশে বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক-শিক্ষার্থী, শ্রমিক, প্রবাসীসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/business/2026/06/22/1701190" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়ায় সফর উপলক্ষে বর্ণাঢ্য সাজে সেজেছে কুয়ালালামপুর। পথে পথে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা এবং মালয়েশিয়ার পতাকা শোভা পায়। আজ সোমবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একান্ত বৈঠক করবেন। সফরে বিশেষ গুরুত্ব পাবে বাংলাদেশিদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় চালু এবং অনিয়মিত কর্মীদের নিয়মিত করা।</p>

<p>বৈঠকের পর কুয়ালালামপুর থেকে বিকালে রওনা হয়ে চীনের বন্দরনগর দালিয়ানে যাবেন তিনি। ২৩ থেকে ২৬ জুন তিনি চীন সফর করবেন। প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া ও চীন সফরের মধ্য দিয়ে দেশ দুটির সঙ্গে বাংলাদেশের সহযোগিতার নতুন নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে। বিনিয়োগের জন্য চীনের বেসরকারি খাতের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। বাংলাদেশে চীনের একটি সুনির্দিষ্ট অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার কথা রয়েছে এবং সেটির প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে। সফরকালে চীন ও মালয়েশিয়ার বিভিন্ন বেসরকারি খাতের নেতাদের সঙ্গেও প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ হবে বলে জানা গেছে। প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফরকালে আজ দুই দেশের সরকারপ্রধানের নেতৃত্বে উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট দ্বিপক্ষীয় বিষয়ে আলোচনা হবে।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/country-news/2026/06/22/1701183" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>আলোচনায় থাকছে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, শ্রমবাজারে সহযোগিতা, জ্বালানি সহযোগিতা, হালাল অর্থনীতি, শিক্ষা সহযোগিতা, সেমিকন্ডাক্টর শিল্প এবং কৃষি, শিক্ষা ও জনযোগাযোগ। এসব ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে অধিকতর সহযোগিতা স্থাপন নিয়ে আলোচনা হবে। বিশেষ করে মালয়েশিয়ার বিভিন্ন সেক্টরে নতুন বাংলাদেশি কর্মী নেওয়া, আসিয়ানে বাংলাদেশের যোগদান, রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে মালয়েশিয়ার সমর্থন চাওয়া হবে বলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।</p>

<p>এ ছাড়াও এই সফরে মালয়েশিয়ার সঙ্গে সংস্কৃতি বিনিময় আর মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে দুটি দলিল সইয়ের সম্ভাবনা রয়েছে। চীন সফরকালে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ১৩টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ), দুটি চুক্তি, একটি অ্যাকশন প্ল্যান, একটি প্রটোকলসহ মোট ১৫ থেকে ১৭টি দ্বিপক্ষীয় চুক্তি সই হওয়ার কথা রয়েছে। সফরকালে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের একটি তিস্তা প্রকল্প নিয়েও আলোচনা হবে বলে পররাষ্ট্র সচিব জানিয়েছেন।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/sport/2026/06/22/1701189" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী ৮ মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপদেষ্টারা হলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা (মন্ত্রী পদমর্যাদার) রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমির, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা, প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানবিষয়ক উপদেষ্টা (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদার) মাহদী আমিন, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণবিষয়ক উপদেষ্টা (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদার) হুমায়ুন কবির এবং প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ।</p>

<p>প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে আরও রয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী (বিনিয়োগ ও পুঁজিবাজারবিষয়ক) তানভীর গনি এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন।</p>

<p>চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে বিএনপি সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফর। মালয়েশিয়া ও চীন সফরে প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী প্রতিনিধিদল তুলনামূলকভাবে ছোট রাখা হয়েছে। দুই সফরেই প্রতিনিধিদলের সদস্যসংখ্যা ২৭ জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ রয়েছে বলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সফরকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব জোরদার, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং আঞ্চলিক সংযোগ বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ২৫ জুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন। এ ছাড়া ২৬ জুন তিনি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। চীন সফরকালে প্রধানমন্ত্রী লিয়াওনিং প্রদেশের দালিয়ানে ২৩ থেকে ২৫ জুন অনুষ্ঠেয় &lsquo;নিউ চ্যাম্পিয়নস&rsquo;-এর ১৭তম বার্ষিক সম্মেলনে (সামার দাভোস ফোরাম) অংশ নেবেন। &lsquo;ইনোভেটিং অ্যাট স্কেল&rsquo; প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এ ফোরামে ৯০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চলের ১ হাজার ৭০০-এর বেশি প্রতিনিধি অংশ নেবেন। সেখানে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবণতা, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি এবং উদ্ভাবননির্ভর প্রবৃদ্ধি নিয়ে আলোচনা হবে। এ ছাড়াও চীন সফরে অবকাঠামো, প্রযুক্তি, সংযোগ এবং উন্নয়ন খাতে সহযোগিতা আরো গভীর করার বিষয়ে বাংলাদেশের অঙ্গীকার তুলে ধরা হবে। চীন সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী আগামী শুক্রবার রাতে দেশে ফিরবেন বলে আশা করা হচ্ছে।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/country-news/2026/06/22/1701185" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>গতকাল মালয়েশিয়ার উদ্দেশে ঢাকা ছাড়ার প্রাক্কালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে বিদায় জানান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী, মালয়েশিয়া-চীনের রাষ্ট্রদূতসহ ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা।</p>

<p>পররাষ্ট্র সচিব জানান, মালয়েশিয়া সফর শেষে ২২ জুন সন্ধ্যায় চীনের বন্দরনগরী দালিয়ানে পৌঁছাবেন প্রধানমন্ত্রী। পরদিন ২৩ জুন বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার (সিইও) সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক করার কথা রয়েছে। ডব্লিউইএফের বার্ষিক সভা সামার দাভোসে অংশগ্রহণকারী কাজাখস্তান, মঙ্গোলিয়া, দক্ষিণ কোরিয়ার মতো দেশগুলোর সরকারপ্রধানদের সঙ্গে তারেক রহমানের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করার কথা রয়েছে।</p>

<p>তিনি আরো জানান, চীন সফরের প্রথম দিন বিকেলে ডব্লিউইএফ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান &lsquo;ক্লাইমেট লিডারশিপ ইন শিফটিং গ্লোবাল ল্যান্ডস্কেপ&rsquo; শীর্ষক একটি অধিবেশনে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেবেন। সন্ধ্যায় চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং আয়োজিত স্বাগত নৈশভোজে প্রধানমন্ত্রী যোগ দেবেন।</p>

<p>২৫ জুন সকালে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রীর সঙ্গে আলাদাভাবে বৈঠক করবেন। বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) &lsquo;বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ফোরাম&rsquo; নামে একটি বিনিয়োগ সম্মেলনের আয়োজন করেছে। সেখানে প্রধানমন্ত্রী বক্তব্য দেবেন।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/national/2026/06/22/1701186" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>চীনের ব্যবসায়ীদের সামনে বাংলাদেশের বিনিয়োগ পরিবেশ ও সম্ভাবনা তুলে ধরবেন। এতে বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য আহ্বান জানাবেন তিনি। বিকেলে চীনের গ্রেট হলে দেশটির প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে যোগ দেবেন তারেক রহমান। সেখানে বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট সব বিষয় এবং ভবিষ্যতে এ সম্পর্ক আরও কীভাবে এগিয়ে নেওয়া যায়, সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে। বৈঠকের পর দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বেশ কয়েকটি সমঝোতা স্মারক সই হবে।</p>

<p>এরপর প্রধানমন্ত্রী চীনের প্রধানমন্ত্রী আয়োজিত একটি রাষ্ট্রীয় ভোজসভায় অংশ নেবেন। পরদিন ২৬ জুন ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসের স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান ঝাউ লেজির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী সাক্ষাৎ করবেন। এরপর তারেক রহমান চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন। ২৬ জুন বেইজিংয়ে প্রধানমন্ত্রী তিয়েনআনমেন স্কয়ারে সেখানকার বীর যোদ্ধাদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন। ওই দিন বিকালে প্রধানমন্ত্রী বেইজিং থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেবেন।</p>

<p>মালয়েশিয়ায় বন্দিদের ফেরানোর চেষ্টা করা হবে : মালয়েশিয়ায় বন্দি বাংলাদেশিদের ফেরানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, বহু বাংলাদেশি শ্রমিক মালয়েশিয়ায় কাজ করেন। নানান কারণে অনেক প্রবাসী এখানে কারাগারে আটকে আছেন। কীভাবে তাদের মুক্ত করা যায়, সেই চেষ্টা করা হবে।</p>

<p>গতকাল মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে শাংগ্রি-লা হোটেলে আয়োজিত এক সুধী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।</p>

<p>প্রধানমন্ত্রী বলেন, আইনের মধ্যে থেকে প্রবাসীদের জন্য যত সুবিধা আদায় করা যায়, সবকিছু করা হবে। তিনি আরও বলেন, মালয়েশিয়ায় যেন অদক্ষ শ্রমিক না আসে সেজন্য টেকনিক্যাল প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও কার্যকর করা হবে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/795-99.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক চলছে]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28801</link>
    <pubDate>Mon, 22 Jun 2026 09:25:52 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28801</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/988-88.jpg" />    <article>
<p>মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বৈঠক শুরু হয়েছে। স্থানীয় সময় সোমবার (২২ জুন) সকালে পুত্রাজায়ায় মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ বৈঠক শুরু হয়।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>বৈঠক যোগদানের জন্য এর আগে রবিবার স্থানীয় সময় রাত ৮টা ৩৫ মিনিটে কুয়ালালামপুরে পৌঁছান তারেক রহমান। তার সফরসঙ্গী হিসেবে ছিলেন সহধর্মিণী জুবাইদা রহমান।</p>

<p>এদিন কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে লাল গালিচা সংবর্ধনা দেওয়া হয়। সেই সঙ্গে সুসজ্জিত বাহিনীর দেওয়া গার্ড অব অনারের সময়ে বাজানো হয় দুই দেশের জাতীয় সংগীত।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরের ভিভিআইপি টার্মিনালে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান মালয়েশিয়ার ধর্মমন্ত্রী জুলকিফলি হাসান ও তার সহধর্মিণী। এ সময় ছোট শিশু মাইসা নুর আইশা ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান জুবাইদা রহমানকে।</p>

<p>বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের হাইকমিশনার মনজুরুল করিম খান চৌধুরী ও ডেপুটি হাইকমিশনার সাহানারা মনিকা উপস্থিত ছিলেন।</p>

<p>এরপর বিমানবন্দর থেকে প্রধানমন্ত্রীকে বিশেষ মোটর শোভাযাত্রা সহকারে কুয়ালালামপুরের &lsquo;শাংগ্রি লা&rsquo; হোটেলে নিয়ে যাওয়া হয়; সফরে প্রধানমন্ত্রী, তার সহধর্মিণী ও সফর সঙ্গীরা এই হোটেলে থাকবেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রধানমন্ত্রীর সফর সঙ্গীদের মধ্যে আছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, বৈদেশিক কর্মসংস্থান বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন, প্রতিরক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা একেএম শামসুল ইসলাম প্রমুখ।</p>

<p>এ ছাড়া আছেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবিএম আবদুস সাত্তার, পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।</p>

<p>১৭ ফেব্রুয়ারি তারেক রহমান সরকার গঠনের পরপরই মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম তাকে আমন্ত্রণ জানান। সেই আমন্ত্রণেই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর আনুষ্ঠানিক এই সফর।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/988-88.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বাংলাদেশের স্কুলে বিতরণের জন্য ১ হাজার ফুটবল উপহার দিল পাকিস্তান]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28800</link>
    <pubDate>Mon, 22 Jun 2026 09:24:45 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28800</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1110-77.jpg" />    <article>
<p>বাংলাদেশেল সরকারি স্কুলগুলোতে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিতরণের জন্য এক হাজার ফুটবল উপহার দিয়েছে পাকিস্তান। রবিবার (২১ জুন) শিক্ষামন্ত্রী ড. এ এন এম এহসানুল হক মিলনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার এই উপহারের কথা জানান।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>পাকিস্তান হাইকমিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে শিক্ষা খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার করার বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এ সময় হাইকমিশনার শিক্ষামন্ত্রীকে &lsquo;পাকিস্তান-বাংলাদেশ নলেজ করিডর&rsquo;-এর বর্তমান অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত করেন।</p>

<p>বৈঠকে শিক্ষা ছাড়াও যুব উন্নয়ন, কারিগরি ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ, ডিজিটাল শিক্ষা, শারীরিক শিক্ষা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি (অ্যাক্রেডিটেশন) সংক্রান্ত বিভিন্ন ক্ষেত্রে যৌথ সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন তারা।</p>

<p>সাক্ষাৎকালে পাকিস্তানের বিশ্ববিখ্যাত শিয়ালকোটভিত্তিক প্রতিষ্ঠান &lsquo;ফরোয়ার্ড স্পোর্টস&rsquo;-এর তৈরি একটি ফুটবল শিক্ষামন্ত্রীর হাতে তুলে দেন হাইকমিশনার।</p>
</article>

<article>তিনি জানান, একই মানের এক হাজার ফুটবল এরই মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এগুলো দেশের সরকারি স্কুলগুলোতে বিতরণ করা হবে।
<p>&nbsp;</p>

<p>পাকিস্তানের হাইকমিশনার বলেন, উন্নতমানের এসব ফুটবল বাংলাদেশের তরুণদের মধ্যে শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও ফিটনেস চর্চা উৎসাহিত করবে। একই সঙ্গে ফুটবলের প্রতি বাংলাদেশের মানুষের যে গভীর আগ্রহ ও আবেগ রয়েছে, তা আরও এগিয়ে নিতে এটি সহায়ক হবে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>আলোচনার একপর্যায়ে হাইকমিশনার উল্লেখ করেন, পাকিস্তানের শিয়ালকোট বিশ্বব্যাপী মানসম্মত ফুটবল উৎপাদনের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। বিশ্বের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ফুটবল সেখানেই তৈরি হয়। এমনকি ফিফা বিশ্বকাপের অফিসিয়াল ম্যাচ বল&mdash;২০১৪ সালের &lsquo;ব্রাজুকা&rsquo;, ২০১৮ সালের &lsquo;টেলস্টার&rsquo;, ২০২২ সালের &lsquo;আল রিহলা&rsquo; এবং চলমান ২০২৬ বিশ্বকাপের অফিসিয়াল বল &lsquo;ট্রিওন্ডা&rsquo;ও শিয়ালকোটে উৎপাদিত হয়েছে।</p>

<p>শিক্ষামন্ত্রী ড. এ এন এম এহসানুল হক মিলন পাকিস্তানের এই ক্রীড়াসামগ্রী উপহারের উদ্যোগকে স্বাগত জানান এবং প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে বৈঠকে আলোচিত বিভিন্ন খাতে দুই দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরো সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন শিক্ষামন্ত্রী।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1110-77.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হলেও রয়েছে বড় চ্যালেঞ্জ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28799</link>
    <pubDate>Mon, 22 Jun 2026 09:24:04 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28799</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1227-66.jpg" />    <article>
<p>সুইজারল্যান্ডে ইরানের সঙ্গে অনুষ্ঠিত আলোচনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। তবে লেবাননের পরিস্থিতি এবং হরমুজ প্রণালি ঘিরে মতপার্থক্য এখনো কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়ে গেছে বলেও জানান তিনি।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>রবিবার সুইজারল্যান্ডের বুর্গেনস্টক রিসোর্টে ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে <a href="https://www.indiatoday.in/world/story/we-made-great-progress-now-we-see-a-future-together-vance-briefs-media-after-peace-talks-in-switzerland-2931168-2026-06-21?fbclid=IwY2xjawSkwNZleHRuA2FlbQIxMABicmlkETFiaGZSaWpLZlJOakVVN0Rkc3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHtkLkn4hwgmVzMz1yzpzNDqVUDMOwfZ48qyX7q_E1sGzIvFU1ZTw03FnCWtu_aem_puzkrERTTc5C3U-MxVZi1g">ভ্যান্স জানান</a>, কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে অগ্রগতি হয়েছে এবং মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্যোগ ইতিবাচক ফল দিচ্ছে।</p>

<p>ভ্যান্স বলেন, &lsquo;গত কয়েক দিনে আমরা বড় ধরনের অগ্রগতি দেখেছি। আমরা এমন একটি ভবিষ্যৎ দেখতে পাচ্ছি, যেখানে সবাই একসঙ্গে কাজ করে শান্তি ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে পারবে।&rsquo;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/06/21/1700917" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>এক সপ্তাহ আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) আওতায় এটি ছিল প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক।</p>
</article>

<article>ওই সমঝোতার লক্ষ্য ছিল আঞ্চলিক উত্তেজনা কমানো, হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করা এবং বিস্তৃত নিরাপত্তা ইস্যুতে আলোচনা এগিয়ে নেওয়া।
<p>&nbsp;</p>

<p><strong>আঞ্চলিক যুদ্ধবিরতিতে জোর</strong></p>

<p>ভ্যান্স বলেন, &lsquo;ট্রাম্প প্রশাসন পুরো অঞ্চলে একটি ব্যাপক যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এর মধ্যে লেবাননে বিদ্যমান নাজুক যুদ্ধবিরতি বজায় রাখাও অন্তর্ভুক্ত। সেখানে (লেবানন) যুদ্ধবিরতি কার্যকর রাখতে গত কয়েক দিনে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে।</p>
</article>

<article>&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>তবে তিনি স্বীকার করেন যে এ ধরনের সমঝোতা বাস্তবায়ন অনেক সময় &lsquo;কিছুটা জটিল ও বিশৃঙ্খল&rsquo; হয়ে থাকে।</p>

<p>ভাইস প্রেসিডেন্ট আরও জানান, ট্রাম্প মার্কিন আলোচকদের কূটনৈতিক সমাধান খুঁজে বের করার পূর্ণ ক্ষমতা দিয়েছেন এবং বৃহত্তর আঞ্চলিক সমঝোতা অর্জনে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।</p>

<p>এর আগে কাতার ও পাকিস্তানের মধ্যস্থততায় এবার সুইজারল্যান্ডের বুর্গেনস্টে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনা হয়েছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1227-66.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[সুইজারল্যান্ডে নতুন দফা আলোচনা, ইরানকে আবারও হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28798</link>
    <pubDate>Mon, 22 Jun 2026 09:23:16 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28798</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1329-55.jpg" />    <article>
<p><a href="https://www.indiatoday.in/world/story/us-iran-talks-switzerland-trump-threatens-iran-strait-of-hormuz-lebanon-ptag-2931360-2026-06-22?fbclid=IwY2xjawSleS9leHRuA2FlbQIxMABicmlkETFlZUxwYU5ZeXd6ZkJMS3FUc3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHgTpGpPQmCztAmWJQU76F2sBINslyvEtVCyi2W_J9CiVqyGlMjK9BAvqrn5A_aem_Q2w3XXv1PM03FSERsAKY8Q">ইরানকে নিয়ে কঠোর অবস্থান থেকে সরে আসেননি</a> যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রবিবারও তিনি দেশটির বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারিমূলক বক্তব্য দেন।</p>
</article>

<article>এমন পরিস্থিতিতে সুইজারল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন দফার আলোচনা শুরু হয়েছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>গত সপ্তাহে উভয় পক্ষ যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে একটি অন্তর্বর্তী চুক্তিতে পৌঁছায়। বর্তমানে সেই চুক্তির পরবর্তী ধাপ এবং দীর্ঘমেয়াদি সমাধান নিয়ে আলোচনা চলছে। তবে লেবানন পরিস্থিতি, হরমুজ প্রণালি, ইরানের জব্দ করা সম্পদ এবং দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে এখনো বড় ধরনের মতপার্থক্য রয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>সুইজারল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স। তার সঙ্গে রয়েছেন জ্যারেড কুশনার ও স্টিভ উইটকফ। অন্যদিকে ইরানের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে আছেন দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের কালিবাফ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। আলোচনায় মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে পাকিস্তান ও কাতার।</p>
</article>

<article>আলোচনার একদিন আগে ইরান ঘোষণা দেয় যে তারা আবারও হরমুজ প্রণালি বন্ধ করেছে। ইরানের দাবি, লেবাননে ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে ইসরায়েলের চলমান সামরিক অভিযানের কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গত সপ্তাহের অন্তর্বর্তী চুক্তির মূল লক্ষ্য ছিল বিভিন্ন ফ্রন্টে চলমান সংঘাত বন্ধ করা। এর মধ্যে লেবাননের পরিস্থিতিও অন্তর্ভুক্ত ছিল। কিন্তু ইরান বলছে, অন্য কোনো বিষয়ে অগ্রগতির আগে লেবাননের সংকটের সমাধান করতে হবে।</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>এদিকে যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে এখনো স্বাভাবিকভাবে জাহাজ চলাচল করছে। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছেন, আগামী ৬০ দিনের মধ্যে ইরানের সঙ্গে চূড়ান্ত সমঝোতা না হলে যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালিতে নিজেদের পক্ষ থেকে শুল্ক আরোপ করবে। আলোচনায় আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ইরানের কয়েকশ কোটি ডলারের জব্দ করা সম্পদ মুক্ত করা। একই সঙ্গে দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের সমাধানের পথ খোঁজা হচ্ছে। আলোচনার সঙ্গে জড়িত যুক্তরাষ্ট্রের এক জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক জানিয়েছেন, আলোচকরা প্রয়োজনে সারা রাত বৈঠক চালিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে তিনি বলেন, বিভিন্ন প্রতিবেদনে ভিন্ন তথ্য এলেও ইরানের প্রতিনিধিরা আলোচনা থেকে সরে যাননি এবং সংলাপ চালিয়ে গেছেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়ে ইরানের হরমুজ প্রণালি নিয়ে দেওয়া বক্তব্যগুলোর প্রকৃত অর্থ বুঝতে এবং সেগুলো স্পষ্ট করতেই আলোচনার বড় একটি অংশ ব্যয় হয়েছে। তিনি আরো জানান, হরমুজ প্রণালি খোলা রাখা এবং দক্ষিণ লেবাননে বিদ্যমান যুদ্ধবিরতি বজায় রাখার জন্য কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে, তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে।</p>

<p>হরমুজ প্রণালি নিয়ে অনিশ্চয়তার কারণে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারেও প্রভাব পড়েছে। রবিবার তেলের দাম কিছুটা বেড়েছে। কারণ বিশ্বের তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহের বড় একটি অংশ এই জলপথের ওপর নির্ভরশীল। বাজারে যুক্তরাষ্ট্রের অপরিশোধিত তেলের দাম প্রায় ৩ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৭৮ দশমিক ৭০ ডলারে পৌঁছেছে। একই সময়ে আন্তর্জাতিক বাজারের মানদণ্ড ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম ১ শতাংশের বেশি বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৮১ দশমিক ৭০ ডলারে ওঠে। ইরানের প্রতিনিধি দলের সদস্যরা দেশটির গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, রবিবারের আলোচনায় সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে লেবানন ইস্যু। তবে এর পাশাপাশি ইরানের জব্দকৃত সম্পদ ফেরত দেওয়া এবং দেশটির তেল রপ্তানির বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। সুইজারল্যান্ডে অবস্থানরত &#39;ন্যাশনাল ইরানিয়ান অয়েল কম্পানি&#39;-এর প্রধান নির্বাহী হামিদ বোভার্দ বলেন, আলোচনায় তেল খাতের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া এবং এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছাড়ের বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। তিনি ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএকে এ তথ্য জানান।</p>

<p>এদিকে আন্তর্জাতিক আলোচনা চলার মধ্যেই ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিবেশে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে দেশটির ফুটবল দল। বিশ্বকাপে বেলজিয়ামের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র এবং গোলরক্ষক আলিরেজা বেইরানভান্দের সাতটি গুরুত্বপূর্ণ সেভ দেশজুড়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। কিছু ইরানি গণমাধ্যমে এমন ছবি ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে প্রতীকীভাবে বেইরানভান্দকে হরমুজ প্রণালি আটকে রাখতে দেখা যাচ্ছে। সুইজারল্যান্ডে আলোচনার নেতৃত্ব দেওয়া কালিবাফও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে বেইরানভান্দের একটি সেভের ছবি পোস্ট করেন। ছবির সঙ্গে তিনি লেখেন, &#39;আমরা এভাবেই আমাদের ভূমিকে রক্ষা করি।&#39;</p>

<p>অন্যদিকে জেরুজালেমে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানের লক্ষ্য এখনো শেষ হয়নি। জেএনএস আন্তর্জাতিক নীতি সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, চলমান সামরিক চাপের ফলে শেষ পর্যন্ত ইরানের সরকার দুর্বল হয়ে পড়বে। নেতানিয়াহুর মতে, ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থার পতনের জন্য প্রয়োজনীয় পরিস্থিতি তৈরি করা সম্ভব হয়েছে। তিনি বলেন, প্রকৃত বিজয় তখনই আসবে, যখন ইরানের জনগণ নিজেরাই নিজেদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে এবং বর্তমান শাসনব্যবস্থাকে সরিয়ে দেবে।</p>

<p>এদিকে সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমাদ আল-শারা জানিয়েছেন, লেবাননে সামরিকভাবে হস্তক্ষেপ করার কোনো পরিকল্পনা সিরিয়ার নেই। এর আগে ট্রাম্প বলেছিলেন, হিজবুল্লাহকে মোকাবিলায় সিরিয়া ভূমিকা রাখতে পারে। রবিবার সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক আল মাশহাদ নেটওয়ার্ককে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আল-শারা বলেন, ট্রাম্পের বক্তব্য ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। তার দাবি, ট্রাম্প শান্তিপূর্ণ সমাধান খুঁজে বের করার ক্ষেত্রে সিরিয়ার সম্ভাব্য ভূমিকার কথা বলেছেন, সামরিক হস্তক্ষেপের কথা নয়।</p>

<p>এদিকে ইসরায়েলের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, সোমবার সকাল থেকে লেবানন সীমান্তসংলগ্ন উত্তরাঞ্চলের বাসিন্দারা কোনো বিশেষ বিধিনিষেধ ছাড়াই চলাচল করতে পারবেন। কয়েক মাস ধরে হিজবুল্লাহর হামলার আশঙ্কায় ওই এলাকায় নানা ধরনের নিরাপত্তা সীমাবদ্ধতা কার্যকর ছিল। তবে কেন এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে সেনাবাহিনী বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেয়নি। শুধু বলা হয়েছে, বর্তমানে একটি নাজুক যুদ্ধবিরতি কার্যকর রয়েছে। এই ঘোষণা এমন সময় এলো, যখন সুইজারল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা চলছে। যদিও ইরান এখনো জোর দিয়ে বলছে, অন্য কোনো বিষয়ে অগ্রগতির আগে লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান বন্ধ করতে হবে। অন্যদিকে নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, ইসরায়েলি বাহিনী দক্ষিণ লেবাননে অবস্থান বজায় রাখবে।</p>

<p>সব মিলিয়ে সুইজারল্যান্ডে চলমান আলোচনা এখনো গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে রয়েছে। একদিকে ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি, অন্যদিকে লেবানন সংকট, হরমুজ প্রণালি, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, ইরানের জব্দ সম্পদ এবং পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে দুই পক্ষের টানাপোড়েন অব্যাহত আছে। পরিস্থিতি জটিল হলেও আলোচকরা দীর্ঘ সময় ধরে সংলাপ চালিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1329-55.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[কাতারে গ্যাস কারখানায় বিস্ফোরণে আহত ৫৪, নিখোঁজ ১৮]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28797</link>
    <pubDate>Mon, 22 Jun 2026 09:22:27 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28797</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1394-44.jpg" />    <article>
<p>কাতারের রাস লাফান শিল্পাঞ্চলের একটি গ্যাস কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে <a href="https://gulfnews.com/world/gulf/qatar/explosion-at-qatars-ras-laffan-industrial-zone-leaves-several-injured-1.500582131?fbclid=IwY2xjawSlhlpleHRuA2FlbQIxMABicmlkETFPVjZSMkdUUHBvTHphbnVSc3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHnqd4AmfDxF9dLWeKl8YjutL4mxUFii5uzf9aRx0q9hR-BOYVe83x_wihVIM_aem_Bo2SuAhzkN_2Yenkp0k-Ng">৫৪ জন আহত হয়েছেন এবং এখনো নিখোঁজ রয়েছেন ১৮ জন</a>।</p>
</article>

<article>সোমবার (২২ জুন) কাতারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। নিখোঁজদের উদ্ধারে কাজ করছে কর্তৃপক্ষ।
<p>&nbsp;</p>

<p>রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান &lsquo;কাতারএনার্জি&rsquo; জানিয়েছে, রবিবার (২১ জুন) রাতে রাস লাফান শিল্প শহরের বারজান স্থানীয় গ্যাস সরবরাহ কেন্দ্রে কাজ শুরু হওয়ার সময় এই বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এটিকে একটি &lsquo;অভ্যন্তরীণ বিস্ফোরণ&rsquo; হিসেবে বর্ণনা করেছে এবং জানিয়েছে যে একটি &lsquo;কারিগরি বা যান্ত্রিক ত্রুটির&rsquo; কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।</p>
</article>

<article>বিস্ফোরণটি এতটাই শক্তিশালী ছিল যে, দুর্ঘটনাস্থল থেকে ২০ কিলোমিটার দূরে থাকা এএফপি-র একজন সাংবাদিকও রাতের আকাশে আগুনের বড় শিখা এবং ধোঁয়ার কুণ্ডলী উড়তে দেখেছেন।&nbsp;বিস্ফোরণের পর কারখানার ঠিক কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা এখনো পুরোপুরি জানা যায়নি।
<p>&nbsp;</p>

<p>বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম এই তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কেন্দ্রটি সাম্প্রতিক মার্কিন-ইরান যুদ্ধের কারণে আগেই মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। ওই যুদ্ধে ইরানি হামলায় কাতারের জ্বালানি অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং কাতার গ্যাস উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছিল।</p>
</article>

<article>ইরানের ড্রোন হামলার পর গত ২ মার্চ থেকেই এটি এলএনজি উৎপাদন বন্ধ রেখেছিল। কাতারের জ্বালানি মন্ত্রী সাদ আল-কাআবি জানিয়েছিলেন, গত ১৮ মার্চের হামলার কারণে দেশের এলএনজি রপ্তানি ক্ষমতা ১৭ শতাংশ কমে গেছে এবং তা ঠিক করতে ৩ থেকে ৫ বছর সময় লেগে যেতে পারে।
<p>&nbsp;</p>

<p>কাতার বিশ্ব বাজারে অন্যতম শীর্ষ প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহকারী দেশ। হরমুজ প্রণালীতে ইরানের কঠোর নিয়ন্ত্রণের কারণে কাতার দীর্ঘদিন গ্রাহকদের কাছে পণ্য পাঠাতে পারছিল না। সম্প্রতি যুদ্ধ থামানোর আলোচনা শুরু হওয়ায় এবং ইরান নিয়ন্ত্রণ কিছুটা শিথিল করায় কাতার তাদের এই রপ্তানি টার্মিনালটি পুনরায় চালু করার চেষ্টা করছিল।</p>
</article>

<article>ঠিক এই সময়ে নতুন করে ঘটা এই বিস্ফোরণ বিশ্ব জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1394-44.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[আবার কেপ ভার্দের চমক, এবার উরুগুয়ের জালে ২ গোল]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/28796</link>
    <pubDate>Mon, 22 Jun 2026 09:21:37 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/28796</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1478-33.jpg" />    <article>
<p>দুর্দান্ত ফ্রি কিকে বিশ্বকাপে দেশের হয়ে প্রথম গোল করলেন কেভিন পিনা। উল্লাসে ফেটে পড়ল কেপ ভার্দে।</p>
</article>

<article>ধাক্কা সামলে ৭ মিনিটের মধ্যে দুই গোল করে ঘুরে দাঁড়াল উরুগুয়ে।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>তবে নাটকীয়তার তখনো বাকি। আরেকটি গোল করে, আরেকটি স্মরণীয় পারফরম্যান্সে, আবারো পয়েন্ট আদায় করে নিল বিশ্বকাপের ইতিহাসে তৃতীয় ক্ষুদ্রতম দেশ কেপ ভার্দে।</p>

<p>ফ্লোরিডার মায়ামিতে আজ (২২ জুন) ভোরে &lsquo;এইচ&rsquo; গ্রুপের রোমাঞ্চকর ম্যাচটি ২-২ গোলে ড্র হয়েছে।</p>
</article>

<article>এর আগে গোলকিপার ভোজিনিয়ার বীরত্বে আরেক পরাশক্তি স্পেনের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করেছিল কেপ ভার্দে।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>টানা দুই ম্যাচে পয়েন্ট কেড়ে নকআউটে পর্বে জায়গা করে নেওয়ার লড়াইয়ে ভালোভাবেই টিকে থাকল আফ্রিকার দেশটি।</p>

<p>দুই ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে &lsquo;এইচ&rsquo; গ্রুপের শীর্ষে আছে স্পেন। ২ পয়েন্ট করে নিয়ে উরুগুয়ে দুইয়ে ও কেপ ভার্দ তিনে আছে।</p>
</article>

<article>১ পয়েন্ট নিয়ে তলানিতে সৌদি আরব।
<p>&nbsp;</p>

<p>ম্যাচে ৬৫ শতাংশ বলের দখল রেখে গোলের জন্য ১৭ শট নিয়ে শুধু দুটি লক্ষ্যে রাখতে পেরেছে উরুগুয়ে। কেপ ভার্দের ১২ শটের চারটি লক্ষ্যে ছিল।</p>

<p>শুরু থেকে উরুগুয়ে বল দখলে এগিয়ে থাকলেও ভোজিনিয়ার পরীক্ষা নিতে পারছিল না তারা। ২৩ মিনিটে চমক জাগিয়ে এগিয়ে যায় কেপ ভার্দ।</p>
</article>

<article>প্রায় ৩০ গজ দূর থেকে ফ্রি কিকে রক্ষণ দেয়ালের দুই খেলোয়াড়ের মাঝ দিয়ে জোরালো শটে ঠিকানা খুঁজে নেন কেভিন পিনা। এবারের বিশ্বকাপে সরাসরি ফ্রি কিকে দ্বিতীয় গোল এটি।
<p>&nbsp;</p>

<p>৪৪ মিনিটে প্রথম কোনো প্রচেষ্টা লক্ষ্যে রাখতে পারে উরুগুয়ে এবং তা থেকেই সমতা ফেরায় দুইবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। মাক্সি আরাউহো ডাইভিং হেডে ফাঁকা জালে বল পাঠান। সৌদি আরবের বিপক্ষেও দলকে সমতায় ফিরিয়েছিলেন তিনি।</p>

<p>সেই রেশ থাকতেই প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের ষষ্ঠ মিনিটে এগিয়ে যায় উরুগুয়ে এবং এই গোলেও অবদান রাখেন মাক্সি আরাউহো। মানুয়েল উগার্তের ক্রসে তার হেড পাসে ছয় গজ বক্সের বাইরে থেকে ভলিতে ঠিকানা খুঁজে নেন আউতি কানোবিও।</p>

<p>৬১ মিনিটে কেপ ভার্দের আরেকটি চমকে স্কোরলাইন হয় ২-২। যদিও নিজেদের ভুলেই গোলটি হজম করে উরুগুয়ে। ডিফেন্ডার মাতিয়াস অলিভেরার দুর্বল ব্যাক পাস ক্লিয়ার করার জন্য বক্সের অনেকটা বাইরে বেরিয়ে আসেন গোলকিপার ফার্নান্দো মুসলেরা। কিন্তু তার সামনে থেকে ছোঁ মেরে বল নিয়ে বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া শটে বল জালে পাঠিয়ে দেন বদলি নামা এলিও ভারেলা।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1478-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[অপেক্ষার অবসান, আগস্টে মুক্তি পাচ্ছে যশের ‘টক্সিক’]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/28795</link>
    <pubDate>Mon, 22 Jun 2026 09:20:57 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/28795</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1519-22.jpg" />    <article>
<p>দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে মুক্তির তারিখ পেল দক্ষিণী সুপারস্টার যশের বহুল আলোচিত ছবি &lsquo;টক্সিক&rsquo;। একাধিকবার তারিখ পরিবর্তনের পর নতুন ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ২৬ আগস্ট বিশ্বব্যাপী মুক্তি পেতে যাচ্ছে ছবিটি।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>রবিবার নিজের এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে বিষয়টি নিশ্চিত করেন যশ নিজেই। তার ঘোষণার পর থেকেই সিনেমাপ্রেমীদের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বহুদিন ধরেই আলোচনায় থাকা এই মেগাবাজেট অ্যাকশন ড্রামাকে ঘিরে দর্শকদের প্রত্যাশা এখন তুঙ্গে।</p>

<p>&lsquo;মনস্টার মাইন্ড ক্রিয়েশন&rsquo; এবং ভেঙ্কট কে নারায়ণার কেভিএন প্রোডাকশনের ব্যানারে নির্মিত &lsquo;টক্সিক&rsquo;-এর ঘোষণা আসে ২০২৩ সালে।</p>
</article>

<article>প্রথমে ২০২৪ সালে শুটিং শুরুর পরিকল্পনা থাকলেও নানা জটিলতায় কাজ শুরুতে দেরি হয়। এরপর ২০২৫ সালের একাধিক সময়ে মুক্তির তারিখ ঘোষণা করা হলেও প্রতিবারই তা পিছিয়ে যায়।
<p>&nbsp;</p>

<p>চলতি বছরের মার্চে ছবিটি মুক্তির কথা থাকলেও আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে সেই সিদ্ধান্তও স্থগিত করা হয়। পরে জুনে নতুন তারিখ ঘোষণা করা হলেও শেষ পর্যন্ত চূড়ান্তভাবে ২৬ আগস্টকে বেছে নেওয়া হয়েছে মুক্তির দিন হিসেবে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>গোয়ার নব্বইয়ের দশকের প্রেক্ষাপটে নির্মিত &lsquo;টক্সিক&rsquo; মূলত মাদকচক্র, অপরাধ ও ক্ষমতার লড়াইকে কেন্দ্র করে তৈরি একটি অ্যাকশন-ড্রামা। নির্মাতাদের দাবি অনুযায়ী, ছবিটি হবে মারকাটারি অ্যাকশন ও আবেগঘন গল্পের মিশ্রণ।</p>

<p>ছবিটি কন্নড় ও ইংরেজি ভাষায় নির্মিত হলেও মুক্তি পাবে হিন্দি, তেলুগু, তামিল ও মালয়ালম ভাষায়, যাতে সর্বভারতীয় দর্শকের কাছে পৌঁছাতে পারে।</p>

<p>যশের বিপরীতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় দেখা যাবে কিয়ারা আদভানিকে। পাশাপাশি বিশেষ চরিত্রে রয়েছেন নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকি।</p>
</article>

<article>হুমা কুরেশি অভিনয় করছেন &lsquo;এলিজাবেথ&rsquo; চরিত্রে, আর রুক্মিণী বসন্তকে দেখা যাবে &lsquo;মেলিসা&rsquo; হিসেবে। নয়নতারাও রয়েছেন একটি গুরুত্বপূর্ণ ও শক্তিশালী চরিত্রে।<br />
&nbsp;</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1519-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা লড়াইয়ে জমবে ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/28794</link>
    <pubDate>Mon, 22 Jun 2026 09:20:12 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/28794</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1618-11.jpg" />    <article>
<p>ফুটবল বিশ্বের দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের লড়াই এবার দেখা যাবে ছোট পর্দার জনপ্রিয় ধারাবাহিক &lsquo;ব্যাচেলর পয়েন্ট&rsquo;-এ। সিরিজটির পঞ্চম সিজনের ১৩তম পর্বে ফুটবল উন্মাদনাকে ঘিরে দর্শকদের জন্য থাকছে বিশেষ আয়োজন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নাটকটির নির্মাতা কাজল আরেফিন অমি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, &lsquo;ব্যাচেলর পয়েন্ট সিজন ফাইভ&rsquo;-এর ১৩তম পর্বে ফুটবলের সবচেয়ে জনপ্রিয় দুই দলের সমর্থকদের উত্তেজনাপূর্ণ দ্বন্দ্ব তুলে ধরা হবে।</p>

<p><img alt="May be an image of text that says 'ARTHE bongő PRODUCER. WRITER&amp; DIRECTOR KAJAL AREFIN OME boom BACHELOR POINT SEASON5 A0 专 LET'SPLAY LET'S PLAY ARGENTINA VS BRAZIL EXPERIENCE THE EXC EXCITING MATCH CHAPTER 13 ON bongö PRE NOW CHATUREAT 카 THEPALACI 100 LUCKY WINNER WILL GET CHANCE TO ENJOYT HE MATCHL SPeCIAL MECIAL fordi'" src="https://scontent.fdac154-1.fna.fbcdn.net/v/t39.30808-6/727613483_1598578934963425_5427869328090750633_n.jpg?stp=dst-jpg_tt6&amp;cstp=mx1600x2000&amp;ctp=s1600x2000&amp;_nc_cat=1&amp;ccb=1-7&amp;_nc_sid=833d8c&amp;_nc_eui2=AeFCb4L2K1gaKhIhbchYq4zoIoMBQ_WGodAigwFD9Yah0OLxaJz53XOf0Z_DpueNFH0_S9KNnc5wnqdDiORkDJ_E&amp;_nc_ohc=Rpa1PHkHvdsQ7kNvwF2rWPx&amp;_nc_oc=AdplZOInO_zMxy4SdqflszcH0751axTmAg8nMlJs_4pwB0ecuCFpZNqZyeVvTmouvcg&amp;_nc_zt=23&amp;_nc_ht=scontent.fdac154-1.fna&amp;_nc_gid=nxX1BxoylwMTShB7nx_p1A&amp;_nc_ss=7a2a8&amp;oh=00_Af9rwU2MgABzgb-sUbQ4C4ug3-mZoI08OkdQK5lUo_pE3A&amp;oe=6A3DA7DE" /></p>

<p>পোস্টে তিনি লিখেছেন, &ldquo;আর্জেন্টিনা ভার্সেস ব্রাজিল। ফুটবলের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দুই দলের উত্তেজনাপূর্ণ লড়াই এবার &lsquo;ব্যাচেলর পয়েন্ট&rsquo;-এ।</p>
</article>

<article>&rdquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>নতুন পর্বকে ঘিরে দর্শকদের জন্য বিশেষ চমকের ঘোষণাও দিয়েছেন এই নির্মাতা।&nbsp;</p>

<p>তিনি জানান, ওটিটি প্ল্যাটফর্ম বঙ্গ-এ আগাম বুকিং (প্রি-বুক) করলে ১০০ জন দর্শক কাবিলা, নেহালসহ জনপ্রিয় চরিত্রদের নিয়ে আয়োজিত একটি বিশেষ খেলা সরাসরি উপভোগ করার সুযোগ পাবেন।</p>

<p>ঘোষণার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ দেখা গেছে। বিশেষ করে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের সমর্থকদের মধ্যে নতুন পর্বটি নিয়ে তৈরি হয়েছে বাড়তি উন্মাদনা।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1618-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরে সই হতে পারে ১৭ চুক্তি : পররাষ্ট্র সচিব]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28793</link>
    <pubDate>Sun, 21 Jun 2026 10:21:07 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28793</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/794-99.jpg" />    <article>
<p>বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ১৫ থেকে ১৭টি দ্বিপক্ষীয় চুক্তি সই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে বহুল আলোচিত তিস্তা প্রকল্প নিয়েও আলোচনা হবে।</p>
</article>

<article>প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া ও চীন সফর উপলক্ষে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম।
<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ১৩টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ), দুটি চুক্তি, একটি অ্যাকশন প্ল্যান এবং একটি প্রটোকলসহ মোট ১৫ থেকে ১৭টি দ্বিপক্ষীয় চুক্তি সই হওয়ার কথা রয়েছে। এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র সচিব জানান, সফরকালে তিস্তা প্রকল্প নিয়েও আলোচনা হবে।</p>

<p>মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রবিবার বিকেলে কুয়ালালামপুরের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবেন।</p>
</article>

<article>এরপর সোমবার বিকেলে তিনি চীনের প্রধানমন্ত্রী লি চিয়াংয়ের আমন্ত্রণে চীন সফরে যাবেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>সিয়াম বলেন, &lsquo;চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফর। মালয়েশিয়া ও চীন সফরে প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী প্রতিনিধি দল তুলনামূলকভাবে ছোট রাখা হয়েছে। দুই সফরেই প্রতিনিধি দলের সদস্য সংখ্যা ২৭ থেকে ২৮ জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ রয়েছে।</p>
</article>

<article>&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>পররাষ্ট্র সচিব বলেন, এ সফরকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব জোরদার, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং আঞ্চলিক সংযোগ বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। আগামী ২৫ জুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীনের প্রধানমন্ত্রী লি চিয়াংয়ের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন।</p>

<p>এ ছাড়া ২৬ জুন তিনি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। চীন সফরকালে প্রধানমন্ত্রী লিয়াওনিং প্রদেশের দালিয়ানে ২৩ থেকে ২৫ জুন অনুষ্ঠেয় &lsquo;নিউ চ্যাম্পিয়নস&rsquo;-এর ১৭তম বার্ষিক সম্মেলনে (সামার দাভোস ফোরাম) অংশ নেবেন।</p>

<p>&lsquo;ইনোভেটিং অ্যাট স্কেল&rsquo; প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এ ফোরামে ৯০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চলের ১ হাজার ৭০০-এর বেশি প্রতিনিধি অংশ নেবেন।</p>
</article>

<article>সেখানে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবণতা, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি এবং উদ্ভাবননির্ভর প্রবৃদ্ধি নিয়ে আলোচনা হবে।
<p>&nbsp;</p>

<p>সফরে মালয়েশিয়া পর্বে বাণিজ্য সম্প্রসারণ, শ্রমবাজারে সহযোগিতা এবং বিনিয়োগের সুযোগ বৃদ্ধির বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে। অন্যদিকে, চীন সফরে অবকাঠামো, প্রযুক্তি, সংযোগ এবং উন্নয়ন খাতে সহযোগিতা আরো গভীর করার বিষয়ে বাংলাদেশের অঙ্গীকার তুলে ধরা হবে।</p>

<p>ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (কূটনীতি ও অন্যান্য অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত বিষয়) এ কে এম শহিদুল করিমসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/794-99.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[আজ মালয়েশিয়া সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28792</link>
    <pubDate>Sun, 21 Jun 2026 10:19:07 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28792</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/987-88.jpg" />    <article>
<p>মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ রবিবার (২১ জুন) এক সরকারি সফরে মালয়েশিয়ার উদ্দেশে রওনা হবেন।&nbsp;</p>

<p>প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইট বিকেলে ঢাকা থেকে কুয়ালালামপুরের উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে।</p>
</article>

<article>মালয়েশিয়া সফর শেষে তিনি চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের আমন্ত্রণে সরাসরি চীনে যাবেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রধানমন্ত্রীর দুই দেশ মালয়েশিয়া ও চীন সফর শুরুর আগে পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম গতকাল শনিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলন করেন।</p>

<p>তিনি বলেন, &lsquo;প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন চীন সফরকালে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ১৩টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ), দুটি চুক্তি, একটি কর্মপরিকল্পনা এবং একটি প্রোটোকলসহ ১৫ থেকে ১৭টি দ্বিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এ সময় বহুল প্রতীক্ষিত তিস্তা প্রকল্প নিয়েও আলোচনা করা হবে।</p>
</article>

<article>&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>সিয়াম বলেন, &lsquo;এই বছরের ফেব্রুয়ারিতে সরকার ক্ষমতায় আসার পর এটিই প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফর।&rsquo;</p>

<p>তিনি উল্লেখ করেন, মালয়েশিয়া ও চীনে প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী প্রতিনিধিদল তুলনামূলকভাবে ছোট রাখা হয়েছে, এতে ২৭ থেকে ২৮ জন সদস্য রয়েছেন।</p>

<p>তিনি সাংবাদিকদের বলেন, &lsquo;আমরা এটিকে একটি যুক্তিসংগত পর্যায়ে রাখার চেষ্টা করেছি।&rsquo; তিনি বলেন, এই সফরগুলোকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অংশীদারি শক্তিশালীকরণ, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং আঞ্চলিক সংযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি বড় কূটনৈতিক উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>আগামী ২৫ জুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় আলোচনা করবেন। সরকারি সফরের অংশ হিসেবে তিনি ২৬ জুন চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিংয়ের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করবেন।</p>

<p>চীন সফরকালে প্রধানমন্ত্রী লিয়াওনিং প্রদেশের দালিয়ানে ২৩ থেকে ২৫ জুন অনুষ্ঠেয় &lsquo;নিউ চ্যাম্পিয়নস&rsquo;-এর ১৭তম বার্ষিক সম্মেলনে (সামার দাভোস ফোরাম) অংশ নেবেন।</p>

<p>&lsquo;ইনোভেটিং অ্যাট স্কেল&rsquo; প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এ ফোরামে ৯০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চলের ১ হাজার ৭০০-এর বেশি প্রতিনিধি অংশ নেবেন। সেখানে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবণতা, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি এবং উদ্ভাবননির্ভর প্রবৃদ্ধি নিয়ে আলোচনা করা হবে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>সফরে মালয়েশিয়া পর্বে বাণিজ্য সম্প্রসারণ, শ্রমবাজারে সহযোগিতা এবং বিনিয়োগের সুযোগ বৃদ্ধির বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে। অন্যদিকে চীন সফরে অবকাঠামো, প্রযুক্তি, সংযোগ এবং উন্নয়ন খাতে সহযোগিতা আরো গভীর করার বিষয়ে বাংলাদেশের অঙ্গীকার তুলে ধরা হবে।</p>

<p>প্রধানমন্ত্রী আগামী শুক্রবার রাতে দেশে ফিরবেন বলে আশা করা হচ্ছে।</p>

<p>ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (কূটনীতি ও অন্যান্য অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত বিষয়) এ কে এম শহিদুল করিমসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/987-88.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রের ভিজিটর ভিসা নিয়ে নতুন নির্দেশনা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/28791</link>
    <pubDate>Sun, 21 Jun 2026 10:18:32 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/28791</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1109-77.jpg" />    <p><strong>ভিজিটর ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে কী কী করা যাবে, এরকম কিছু তথ্য জানিয়েছে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস।</strong></p>

<p><br />
শনিবার (২০ জুন) বিকেল ৪টায় দূতাবাসের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এ-সংক্রান্ত তথ্য জানানো হয়েছে।<br />
&nbsp;</p>

<p>ওই পোস্টে বলা হয়, আপনার ভিসার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা আপনারই দায়িত্ব। বি১/বি২ ভিজিটর ভিসায় যে কাজগুলো করার অনুমতি রয়েছে।<br />
&nbsp;</p>

<p>সেগুলো হলো, পর্যটন, ছুটি কাটানো, কেনাকাটা, বন্ধু বা আত্মীয়স্বজনদের সঙ্গে দেখা করা, ব্যবসায়িক সহযোগীদের সঙ্গে বৈঠক এবং কোনো সভা বা সম্মেলনে যোগ দেওয়া।</p>

<p>এদিকে অভিবাসী ভিসা প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রতা নিয়ে আবেদনকারীদের মধ্যে যে অসন্তোষ ও ভোগান্তি ছিল তা নিরসনে পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস। গত ৩১ মে দেওয়া ঘোষণা অনুযায়ী, গত ১ জুন থেকে অভিবাসী ভিসার সব ক্যাটাগরির আবেদন দুই কর্মদিবসের মধ্যে নিষ্পত্তি কার্যক্রম শুরু হয়েছে।<br />
&nbsp;</p>

<p>এর আগে গত ১৮ এপ্রিল দূতাবাসের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে যুক্তরাষ্ট্রে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ভিসা নিয়ে সতর্কতা জারি করা হয়। এতে বলা হয়, পড়াশোনা ছেড়ে দেওয়া বা ক্লাসে অনুপস্থিত থাকার কারণে শিক্ষার্থী ভিসা বাতিল হতে পারে।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1109-77.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার পাশাপাশি সব কিছুতে পারদর্শী হতে হবে : প্রধানমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28790</link>
    <pubDate>Sun, 21 Jun 2026 10:18:00 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28790</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1226-66.jpg" />    <article>
<p>শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার পাশাপাশি সব কিছুতে পারদর্শী হতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, &lsquo;খেলাধুলার পাশাপাশি সব কিছুতে পারদর্শী হলেই আমরা সুন্দর ও স্ট্রং বাংলাদেশ গড়ে তুলেতে পারব।</p>
</article>

<article>&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>(২০ জুন) ঢাকার আর্মি স্টেডিয়ামে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক-বালিকা)-এর চূড়ান্ত পর্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।</p>

<p>প্রধানমন্ত্রী বলেন, &lsquo;আমাদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিল, শিশুদের জন্য খেলাধুলার ব্যবস্থা করব। শুধু ক্রিকেট নয়, ফুটবলসহ অন্যান্য খেলা দিয়েও বাংলাদেশকে সবাই চিনবে। শিশুদের মেধা বিকাশে সব ধরনের পদক্ষেপ নেবে সরকার।</p>
</article>

<article>যে গান করতে চায়, ছবি আকতে চায় বা কোরআন তিলাওয়াত করতে চায়&mdash;সব ব্যবস্থা সরকার করবে।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>শিশুদের উদ্দেশে সরকারপ্রধান বলেন, &lsquo;তোমরা বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ। খেলাধুলার পাশাপাশি পড়াশোনা এবং সংস্কৃতি চর্চায় পারদর্শী হতে হবে। তাহলেই সুন্দর, শক্তিশালী বাংলাদেশ গড়তে পারব।</p>
</article>

<article>মেসি, রোনালদো, এমবাপ্পের মতো খেলোয়াড় তোমাদের মধ্যে থেকেই তৈরি হবে। অলিম্পিকে আরো ভালো অবস্থান তৈরি করতে হবে।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রধানমন্ত্রী জানান, আগামী বছর থেকে প্রাথমিক এবং মাধ্যমিকে &lsquo;প্রাইম মিনিস্টার&#39;স কাপ&rsquo; চালু হবে। অ্যাম্বাসাডর হয়ে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে শিশুদের প্রস্তুত হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।</p>

<p>সারা দেশের ৬৫ হাজারের বেশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ধাপে ধাপে বাছাই শেষে চারটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা &lsquo;প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের (বালক-বালিকা)&rsquo; ফাইনালে খেলে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>চূড়ান্ত পর্বে বালিকা বিভাগের শিরোপা নির্ধারণী লড়াই হয় ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার আচারগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার জোরগাছা ইউনাইটেড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে। আর বালক বিভাগের ফাইনালে মুখোমুখি হয় ত্রিশালের দরিরামপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার দাড়িয়াল মিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।</p>

<p>চূড়ান্ত পর্বের এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ ছাড়া ছিলেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ এবং প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিনসহ অন্য অতিথিরা।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1226-66.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[স্পেনের প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুর্নীতি মামলা, দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28789</link>
    <pubDate>Sun, 21 Jun 2026 10:17:17 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28789</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1328-55.jpg" />    <article>
<p>স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজের স্ত্রী বেগোনা গোমেজকে দুর্নীতির অভিযোগে জুরি বিচারের (আদালতের বিশেষ বিচার প্রক্রিয়া) মুখোমুখি হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির একটি আদালত। একই সঙ্গে তার <a href="https://gulfnews.com/world/europe/court-bans-spanish-pms-wife-begona-gomez-from-leaving-country-1.500581081?fbclid=IwY2xjawSkKnFleHRuA2FlbQIxMABicmlkETFLUTRXVEVXakRMSVZaaDB4c3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHrXIEHCoivajrq58hDuCZecllOjC7uj63w_mp5q7OKN6-AouqWNtb3Eybm0u_aem_JdERuQ4FXgdzdB17ss1rGA">দেশত্যাগের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে পাসপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ</a> দেওয়া হয়েছে।</p>
</article>

<article>শনিবার (২০ জুন) প্রকাশিত আদালতের এক আদেশে এই তথ্য জানা গেছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>মামলার বিচারক হুয়ান কার্লোস পেইনাডো নির্দেশ দিয়েছেন যে, মামলার চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত বেগোনা গোমেজকে প্রতি মাসে দুই বার আদালতে হাজিরা দিতে হবে। তিনি যাতে কোনোভাবেই দেশ ছাড়তে না পারেন, সে জন্য স্পেনের সকল সীমান্ত চৌকি এবং বেসামরিক ও সামরিক বিমানবন্দরগুলোতে কড়া নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। তবে এই রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল বিচারপ্রক্রিয়াটি ঠিক কবে শুরু হবে, তার কোনো তারিখ এখনো নির্ধারণ করা হয়নি।</p>
</article>

<article>এর আগে ২০২৪ সালের এপ্রিলে উগ্র ডানপন্থী ঘরানার একটি দুর্নীতিবিরোধী গোষ্ঠীর অভিযোগের ভিত্তিতে গোমেজের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়। পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে তহবিল আত্মসাৎ, প্রভাব খাটানো ও ব্যবসায়িক লেনদেনে দুর্নীতির আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আনা হয়। অভিযোগ রয়েছে, মাদ্রিদের কমপ্লুটেন্স বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি বিশেষ পদ সৃষ্টি ও তার ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে গোমেজ প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী হিসেবে নিজের পদের অপব্যবহার করেছেন এবং ব্যক্তিগত স্বার্থে সরকারি সম্পদ ব্যবহার করেছেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ ও তার স্ত্রী গোমেজ শুরু থেকেই এই অভিযোগগুলো অস্বীকার করে আসছেন।</p>
</article>

<article>সমাজতান্ত্রিক দল (সোশ্যালিস্ট পার্টি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) গোমেজকে নির্দোষ দাবি করে একটি প্রচারণাও শুরু করেছে। দলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, গোমেজ গত দুই বছর ধরে রাজনৈতিক ও বিচারিক নিপীড়নের শিকার হচ্ছেন। এই মামলাটিসহ বেশ কয়েকটি দুর্নীতি কেলেঙ্কারি স্পেনের সমাজতান্ত্রিক প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজের পরিবার ও তার সাবেক রাজনৈতিক মিত্রদের জড়িয়ে ফেলেছে।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>অন্যদিকে, এই কেলেঙ্কারির জেরে বিরোধী দলগুলো প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ ও আগাম নির্বাচনের দাবি জানালেও, সানচেজ সেই দাবি নাকচ করে দিয়েছেন। তার দাবি, ডানপন্থীরা তার সরকারকে দুর্বল করার জন্যই এই ধরনের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগ তুলছে।</p>
</article>

<article>প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রীর পাশাপাশি সানচেজের সরকারের আরো কয়েকজন সাবেক শীর্ষ নেতার বিরুদ্ধেও দুর্নীতির তদন্ত চলছে। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর নিজের ভাই ও সুরকার ডেভিড সানচেজের বিরুদ্ধেও অনৈতিকভাবে সরকারি চাকরি পাওয়ার অভিযোগ রয়েছে। নিজেদের স্বচ্ছ ও দুর্নীতিমুক্ত দাবি করে একসময়ের রক্ষণশীল সরকারকে হটিয়ে ক্ষমতায় আসা পেদ্রো সানচেজের জন্য নিজের পরিবার ও ঘনিষ্ঠদের ঘিরে তৈরি হওয়া এই একের পর এক দুর্নীতি মামলা এখন বড় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1328-55.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[দিল্লিতে শিশু কেনাবেচার হাট!]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28788</link>
    <pubDate>Sun, 21 Jun 2026 10:16:26 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28788</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1393-44.jpg" />    <article>
<p>পৃথিবীতে অনেক রকম বাজার আছে। কিন্তু শিশু কেনাবেচার হাটের কথা কল্পনা করতে পারেন! দিল্লিতে এমনই এক অন্ধকার বাজারের সন্ধান পেয়েছে পুলিশ।</p>
</article>

<article>ধাপে ধাপে অনুসন্ধান করতে গিয়ে পুলিশ জেনেছে, দিল্লির একটি হাসপাতালকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে জমজমাট এই বাজার। দরিদ্র পরিবারের কাছ থেকে অল্প টাকায় তাদের নবজাতক সন্তান কিনে বা চুরি করে এনে চড়া দামে বিক্রি করা হতো নিঃসন্তান কোনো দম্পতির কাছে। পুলিশ এই চক্রের বেশ কয়েকজনকে আটক করেছে।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>ব্যাপারটা এমন, রাজস্থানে জন্ম নেওয়া কোনো একটি শিশুকে কিনে বা চুরি করে এনে দিল্লির এক হাসপাতালে এক ডাক্তারের মধ্যস্থতায় বিক্রি করে দেওয়া হলো হরিয়ানার কোনো দম্পতির কাছে।</p>
</article>

<article>সেই শিশু বড় হয়ে কখনো জানতেই পারবে না, তার আসল মা-বাবা কে। এই বাজারে ছেলেশিশুর দাম বেশি, ৬ থেকে ৮ লাখ রুপি। কন্যাশিশুর দাম একটু কম পড়বে, ৩ থেকে ৪ লাখ রুপিতে আপনি পেয়ে যাবেন ৩ থেকে ৪ দিন বয়সী কোনো কন্যাশিশু।
<p>&nbsp;</p>

<p>দিল্লির ব্যস্ত এলাকা পাহাড়গঞ্জের এক বাসিন্দা প্রথমে পুলিশকে তার সন্দেহের কথা জানান।</p>
</article>

<article>তিনি পুলিশকে জানান, এলাকায় নিয়মিত বিরতিতে একটি নারীকে দেখা যেত, যার কোলে প্রতিবারই একটি নতুন নবজাতক থাকত, যা সন্দেহজনক। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই পুলিশ তদন্ত শুরু করে। এলাকার সিসিটিভির ফুটেজ চেক করার পাশাপাশি নিজস্ব সোর্সকেও কাজে লাগানো হয়। পুলিশ নিশ্চিত হয়, জ্যোতি ওরফে কমলেশ নামের এই নারী শিশু পাচারের সঙ্গে জড়িত। এর পরই তাকে হাতেনাতে ধরতে ফাঁদ পাতে দিল্লি পুলিশ।</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>পুলিশের একজন নারী সদস্য শিশু কেনার গ্রাহক সেজে কমলেশের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তারা দেখা করেন এবং শিশু বিক্রির চুক্তি হয়। অগ্রিম হিসেবে ২০ হাজার রুপি দিতেও রাজি হন ছদ্মবেশী নারী পুলিশ। ৫ জুন ছদ্মবেশী পুলিশের কাছে একটি নবজাতক হস্তান্তর করার সময় কমলেশকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়।</p>

<p>তারপর বেরিয়ে আসে এক চাঞ্চল্যকর আন্তঃরাজ্যীয় শিশু পাচার চক্রের গল্প, যা বলিউড সিনেমাকেও হার মানায়। যার পরতে পরতে লুকিয়ে আছে দারিদ্র্য, লোভ, আর নির্মমতার নানামাত্রিক উপাখ্যান। দরিদ্র পিতা-মাতা থেকে দিল্লির দালাল, সেখান থেকে হাসপাতাল, সেখান থেকে নিঃসন্তান কোনো দম্পতির ঘর- জন্মের সাথে সাথে কিছু অপরাধী মিলে নির্ধারণ করে একটি শিশুর ভাগ্য!</p>

<p>কমলেশকে টানা জিজ্ঞাসাবাদের পর পুলিশ তার দুই সহযোগী&mdash;শালু ও ললিতের সন্ধান পায়। পরে প্রতিভা ও বিপিন নামে আরো দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়, যারা মূলত শিশু সংগ্রহ এবং বিক্রির চুক্তি করার দায়িত্বে ছিল। প্রতিভা ও বিপিন যখন বাজারে শিশু সরবরাহকারী মূল ব্যক্তির সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছিলেন, তখন তাদের ধরা হয়। তাদের কাছ থেকে পুলিশ প্রায় ৩ লাখ রুপিও উদ্ধার করে। দুই সপ্তাহের টানা জিজ্ঞাসাবাদের পর পুলিশ এক মাসের কম বয়সী এমন ৫টি নবজাতককে উদ্ধার করে।</p>

<p>এর পরই পুলিশ আরো নিবিড় অনুসন্ধানে নামে। অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ একটি হাসপাতালের সন্ধান পায়। পশ্চিম দিল্লির রোহিণীর বেগমপুরের হীরা মাল্টিস্পেশালিটি হাসপাতাল, নামে হাসপাতাল হলেও এটি আসলে কোনো চিকিৎসাসেবা কেন্দ্র নয়, এটিই মূলত শিশু বেচাকেনার বাজার। এই হাসপাতার মালিক ডাক্তার বিবেকীই হলেন এই চক্রের মূল হোতা। পাচারকারীরা নবজাতকদের সংগ্রহ করে এই হাসপাতালে নিয়ে আসত। বিক্রি হওয়ার আগ পর্যন্ত শিশুগুলোকে এই হাসপাতালেই রাখা হতো। ডাক্তার বিবেকী শিশুদের ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করতে সাহায্য করতেন। শিশুদের জন্ম সনদ, জন্ম নেয়ার কাগজপত্র, হাসপাতালের বিল এমনভাবে তৈরি করা হতো, যাতে মনে হয় শিশুটি এই হাসপাতালেই জন্ম নিয়েছে।&nbsp;</p>

<p>পুলিশের তদন্তে দেখা গেছে, একটি কন্যাসন্তান প্রায় এক লাখ রুপিতে কেনা হতো এবং ৩ থেকে ৪ লাখ রুপিতে বিক্রি হতো। আর ছেলেশিশু কেনা হতো প্রায় দুই লাখ রুপিতে, বিক্রি হতো ৬ থেকে ৮ লাখ রুপিতে। পৃথিবীর আর কোনো বাজারে এমন লাভজনক ব্যবসা নেই!</p>

<p>দিল্লি সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্টের ডিসিপি রোহিত রাজবীর সিং পুরো চক্রের গল্প সাংবাদিকদের কাছে বর্নণা করেন। তিনি জানান, শিশু কেনাবেচার সমস্ত চুক্তি ডাক্তার বিবেকীর হাসপাতালেই হতো। তিনি পাচারকারী এবং শিশু কিনতে চাওয়া দম্পতিদের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করতেন।</p>

<p>হেফাজতে থাকা আসামিদের তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ গুজরাটের সবরকান্থা থেকে সাবাভাই গামার ওরফে কালিয়াকে গ্রেপ্তার করে। মূলত উদয়পুরের বাসিন্দা গামার রাজস্থানের পালি এবং সবরকান্থার দরিদ্র দম্পতিদের কাছ থেকে শিশু কিনত।&nbsp;</p>

<p>উদ্ধার হওয়া শিশুদের প্রকৃত মা-বাবার সন্ধান পাওয়ার চেষ্টা করছে পুলিশ। তারা স্বেচ্ছায় সন্তান বিক্রি করেছে, নাকি তাদের বাধ্য করা হয়েছে, অথবা শিশুগুলোকে চুরি করা হয়েছে কি না&mdash;তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ডিসিপি রাজবীর সিং বলেন, মা-বাবা যদি স্বেচ্ছায় পাচারকারীদের কাছে শিশু বিক্রি করে থাকে, তবে তাদেরও এই মামলায় আসামি করা হবে। যারা এ চক্রের কাছ থেকে শিশু কিনেছেন, তাদেরও আসামি করার কথা জানিয়েছে পুলিশ।</p>

<p>তদন্তে জানা গেছে, গামার এবং তার দল গত এক বছরে অন্তত ৩০টি নবজাতককে বিক্রি করেছে। পুলিশ হরিয়ানার পানিপথ থেকে সানি অরোরা এবং রিতু অরোরা নামের এক দম্পতিকে শনাক্ত ও আটক করেছে, যারা এ চক্রের কাছ থেকে শিশু কিনেছেন। এ ছাড়া মধ্য প্রদেশের গোয়ালিয়র থেকে এই চক্রের কাছ থেকে শিশু কেনা অন্য এক দম্পতিকেও আটক করা হয়েছে।</p>

<p>ডিসিপি রোহিত রাজবীর সিং জানান, এ চক্রের লোভের জালে পড়ে প্রতারিত হয়েছেন এক দম্পতি। তারা একটি পুত্রসন্তান কিনতে চেয়েছিলেন। কিন্তু চক্রটির কাছে তখন একটি কনাশিশুও ছিল, যাকে দ্রুত বিক্রি করে দেয়া দরকার। চক্রটি ছেলেশিশু কিনতে আগ্রহী দম্পতিকে জানায়, তাদের কাছে ছেলেশিশুর জমজ একটি কন্যাশিশুও রয়েছে। সে দম্পতি ৯ লাখ রুপির প্যাকেজে &lsquo;যমজ&rsquo; সন্তান কেনেন। বাস্তবে তারা যমজ ছিল না। তাদের সংগ্রহ করা হয়েছিল দুই এলাকা থেকে।</p>

<p>ডিসিপি রাজবীর সিং এই চক্রটি ভাঙার ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য তিন নারী পুলিশ কর্মকর্তা&mdash;সাব-ইন্সপেক্টর প্রগতি ও যামিনী এবং হেড কনস্টেবল সুষমার নাম বিশেষভাবে উল্লেখ করেন।</p>

<p>উদ্ধার হওয়া ৫ নবজাতককে আপাতত চাইল্ড ওয়েলফেয়ার কমিটির কাছে পাঠানো হয়েছে। প্রকৃত মা-বাবার সন্ধান না পেলে কমিটি পরে তাদের আইনি প্রক্রিয়ায় দত্তক দেওয়ার ব্যবস্থা করবে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1393-44.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[গাজায় ইসরায়েলি হামলায় আলজাজিরার ক্যামেরাম্যানসহ নিহত ৬]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28787</link>
    <pubDate>Sun, 21 Jun 2026 10:15:37 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28787</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1477-33.jpg" />    <article>
<p>চুক্তি অনুযায়ী যুদ্ধবিরতি চলার পরেও গাজা উপত্যকায় থামছে না ইসরায়েলি হামলা। শনিবার (২০ জুন) নতুন করে চালানো বেশ কয়েকটি <a href="https://www.ndtv.com/world-news/israeli-army-confirms-journalist-killed-in-gaza-calls-him-hamas-terrorist-11665140?pfrom=home-ndtv_topscroll&amp;fbclid=IwY2xjawSkNGlleHRuA2FlbQIxMABicmlkETFLUTRXVEVXakRMSVZaaDB4c3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHkhnIF_lhdK5wy8EWPAk4Ic3nBvkCVA9jf4t6U2tDzY-u17ffhOsO6iegB7H_aem_jyWp1_jvlzkiV2ql1DykYA">ইসরায়েলি হামলায় দুই শিশু ও কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার এক ক্যামেরাম্যানসহ অন্তত ছয়জন ফিলিস্তিনি নিহত</a> হয়েছেন।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>শনিবার সন্ধ্যায় মধ্য গাজার বুরেইজ শরণার্থী শিবিরের একটি বাড়িতে কোনো সতর্কবার্তা ছাড়াই বোমা ফেলে ইসরায়েল। এতে আল জাজিরার ক্যামেরাম্যান আহমেদ উইশাহসহ তিনজন নিহত হন। আল জাজিরা কর্তৃপক্ষ উইশাহর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। এর আগে গত এপ্রিল মাসে ইসরায়েলি হামলায় আহমেদ উইশাহর ভাই এবং আল জাজিরার সংবাদদাতা মোহাম্মদ উইশাহ নিহত হয়েছিলেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>ফিলিস্তিনের গাজা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত অক্টোবরে ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি সই হলেও ছিটমহলটিতে প্রায় প্রতিদিনই হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী। যুদ্ধবিরতি কার্যকরের পর থেকে এ পর্যন্ত ইসরায়েলি হামলায় ১ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। শনিবার ভোররাত ২টার দিকে গাজা শহরের একটি আবাসিক অ্যাপার্টমেন্টে প্রথম হামলাটি চালায় ইসরায়েলি বিমানবাহিনী। এ হামলায় জিনা (৪) ও লানা (১৪) নামে দুই বোন নিহত হয়।</p>
</article>

<article>নিহতদের চাচাতো ভাই মোহাম্মদ সাফাদি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, &lsquo;আমরা বাড়িতে বসে ছিলাম, হঠাৎ রকেট এসে আমাদের ওপর পড়ল। আমরা সাধারণ নাগরিক, জীবনে কখনো অস্ত্র ধরিনি। তবে দখলদার বাহিনী আর আলোচনা দল যে যুদ্ধবিরতির কথা বলছে, তা কি আসলেই যুদ্ধবিরতি?&rsquo; ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা এই হামলার ঘটনাটি খতিয়ে দেখছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী এক বিবৃতিতে দাবি করেছে, তারা একটি সুনির্দিষ্ট ও লক্ষ্যভিত্তিক হামলায় আলজাজিরার ওই ক্যামেরাম্যানকে হত্যা করেছে। তাদের দাবি, ওই ব্যক্তি হামাসের সামরিক শাখার সদস্য ছিলেন এবং ইসরায়েলি সৈন্যদের জন্য হুমকি তৈরি করেছিলেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের হামলার পর এই যুদ্ধ শুরু হয়। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, দীর্ঘ এই সংঘাত ও চলমান যুদ্ধবিরতির সময়কাল মিলিয়ে গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে এ পর্যন্ত ৭৩ হাজার ১৮ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাদের প্রায় অর্ধেকই নারী ও শিশু।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1477-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[আর্জেন্টিনাকে হারানোর ছক কষছে অস্ট্রিয়া]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/28786</link>
    <pubDate>Sun, 21 Jun 2026 10:14:36 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/28786</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1518-22.jpg" />    <article>
<p>বিশ্বকাপের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার সামনে বড় চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিতে প্রস্তুত অস্ট্রিয়া। ডালাসে সোমবারের (২২ জুন) গুরুত্বপূর্ণ গ্রুপ &lsquo;জে&rsquo; ম্যাচকে সামনে রেখে আত্মবিশ্বাসী রাল্ফ রাংনিকের শিষ্যরা।</p>
</article>

<article>যদিও প্রতিপক্ষ দলে রয়েছেন ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় লিওনেল মেসি, তবু নিজেদের সামর্থ্যের ওপর ভরসা রাখছে ইউরোপের দলটি।
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রথম ম্যাচে আলজেরিয়াকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করেছে আর্জেন্টিনা। সেই ম্যাচে হ্যাটট্রিক করে আবারও আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন ৩৮ বছর বয়সী মেসি। অন্যদিকে জর্ডানকে ৩-১ গোলে হারিয়ে দারুণ সূচনা করেছে অস্ট্রিয়াও।</p>
</article>

<article>ফলে দুই দলের লড়াইকে ঘিরে বাড়ছে উত্তেজনা।
<p>&nbsp;</p>

<p>অস্ট্রিয়ার অন্যতম তারকা কনরাড লাইমার প্রতিপক্ষকে যথাযথ সম্মান দিলেও হার মানার মানসিকতা নিয়ে মাঠে নামতে রাজি নন। ফিফার ওয়েবসাইটকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, &lsquo;আর্জেন্টিনা বিশ্বচ্যাম্পিয়ন, তাই তারাই বর্তমানে বিশ্বের সেরা দল। আর মেসি হচ্ছে ফুটবল বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়।</p>
</article>

<article>&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>তবে এই ম্যাচকে নিজেদের শক্তি যাচাইয়ের বড় সুযোগ হিসেবেও দেখছেন বায়ার্ন মিউনিখের মিডফিল্ডার। তিনি বলেন, &lsquo;তার (মেসি) মতো মাপের ফুটবলারের মুখোমুখি হওয়া এবং নিজেদের শক্তি যাচাই করা সবসময়ই দারুণ ব্যাপার। কারণ এতে বোঝা যায় আমরা কোথায় দাঁড়িয়ে আছি।&rsquo;</p>

<p>আর্জেন্টিনার শক্তিমত্তা সম্পর্কে তিনি বলেন, &lsquo;তারা অনেক মানসম্পন্ন এবং বিশেষ একটি দল। অবশ্যই আমরা আমাদের সামর্থ্য দেখাতে চাই।</p>
</article>

<article>তবে গ্রুপ পর্ব পার হতে হলে বাকি দুই ম্যাচও আমাদের জন্য সমান গুরুত্বপূর্ণ।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>কোচ রাল্ফ রাংনিকের অধীনে অস্ট্রিয়ার সবচেয়ে বড় শক্তি দলগত ঐক্য বলেও মনে করেন লাইমার। তার ভাষায়, &lsquo;আমাদের এই দলের মূল শক্তি হলো আমরা সত্যিকারের একটি দল। সবাই জাতীয় দলের হয়ে জিততে চায় এবং ভালো ফুটবল খেলতে চায়, যা মাঠে স্পষ্ট দেখা যায়। আমরা এখন দারুণ ছন্দে আছি।&rsquo;</p>

<p>অন্যদিকে আর্জেন্টিনা জানে, এই ম্যাচে জয় পেলে প্রায় নিশ্চিত হয়ে যাবে শেষ ৩২-এর টিকিট। মেসির হ্যাটট্রিকের পর আত্মবিশ্বাসে টগবগ করছে লিওনেল স্কালোনির দল। তবে অস্ট্রিয়া স্পষ্ট করে দিয়েছে, তারা শুধু ম্যাচ খেলতে নয়, বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে অঘটন ঘটাতেই মাঠে নামবে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1518-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[পদপিষ্ট হয়ে ভক্তের মৃত্যু, আল্লু অর্জুনকে আদালতে তলব]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/28785</link>
    <pubDate>Sun, 21 Jun 2026 10:13:48 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/28785</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1617-11.jpg" />    <article>
<p>&lsquo;পুষ্পা ২&rsquo; ছবির প্রিমিয়ার শো চলাকালে হায়দরাবাদের সন্ধ্যা থিয়েটারে ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক পদপিষ্টের ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া নতুন মোড় নিয়েছে। এবার এই মামলায় অভিনেতা আল্লু অর্জুনকে আদালতে হাজির হওয়ার সমন জারি করেছেন হায়দরাবাদের নামপল্লি আদালত।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন অনুযায়ী আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী ২২ জুন (সোমবার) ব্যক্তিগতভাবে আদালতে উপস্থিত থাকতে হবে এই অভিনেতাকে। মামলায় চিক্কাডপল্লি পুলিশ আল্লু অর্জুনকে ১১ নম্বর আসামি হিসেবে উল্লেখ করেছে। অন্যদিকে সন্ধ্যা থিয়েটার কর্তৃপক্ষকে ১ থেকে ১০ নম্বর আসামি করা হয়েছে।</p>

<p>এ মামলায় মোট ১৯ জনের বিরুদ্ধে সমন জারি করা হয়েছে।</p>
</article>

<article>ইতিমধ্যে পুলিশ ২৩ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিটও জমা দিয়েছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>২০২৪ সালের ৪ ডিসেম্বর &lsquo;পুষ্পা ২&rsquo;-এর বিশেষ প্রদর্শনী চলাকালে সন্ধ্যা থিয়েটারে পদদলিতের ঘটনা ঘটে। এতে পদপিষ্ট হয়ে রেবতী নামে এক নারী নিহত হন এবং তাঁর ছেলে শ্রী তেজ গুরুতর আহত হন।</p>

<p>এদিকে মামলার অগ্রগতির মধ্যেই সম্প্রতি শ্রী তেজের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন আল্লু অর্জুনের বাবা আল্লু অরবিন্দ এবং অভিনেতার স্ত্রী স্নেহা রেড্ডি।</p>
</article>

<article>তারা পরিবারের খোঁজখবর নেন এবং ভবিষ্যতেও পাশে থাকার আশ্বাস দেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আল্লু অরবিন্দ শ্রী তেজের ছোট বোনের লেখাপড়ার পুরো খরচ বহনের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন। পাশাপাশি &lsquo;পুষ্পা&rsquo; ছবির প্রযোজনা সংস্থা এবং আল্লু পরিবারের পক্ষ থেকে শ্রী তেজের চিকিৎসার ব্যয়ও বহন করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।</p>

<p>দুর্ঘটনার পর শ্রী তেজকে অচেতন অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দীর্ঘ সময় তিনি সংজ্ঞাহীন ছিলেন।</p>
</article>

<article>পরে শ্বাসকষ্ট ও জটিল স্নায়বিক সমস্যার কারণে কয়েক সপ্তাহ ভেন্টিলেটরেও রাখা হয়।
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রায় পাঁচ মাস নিবিড় পরিচর্যায় থাকার পর ২০২৫ সালের এপ্রিলে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পান তিনি। এরপর উন্নত স্নায়ুবিষয়ক চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের জন্য তাঁকে রামগোপালপেটের একটি পুনর্বাসন কেন্দ্রে নেওয়া হয়।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1617-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[আজ ফিনল্যান্ডে বছরের দীর্ঘতম দিন: মধ্যরাতেও হাসে সূর্য     প্রকৃতির বিস্ময়ে আলোকিত এক দেশ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/28784</link>
    <pubDate>Sun, 21 Jun 2026 09:57:21 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/28784</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1517-22.jpg" />    <p><b><font color="#000000">জামান সরকার, হেলসিঙ্কি থেকে//</font></b></p>

<p>&nbsp;</p>

<p>পৃথিবীর অনেক দেশেই গ্রীষ্ম আসে, সূর্য উজ্জ্বল হয়, দিন বড় হয়। কিন্তু ফিনল্যান্ডে গ্রীষ্মের এক বিশেষ মুহূর্ত আছে, যা বিশ্বের অন্য অনেক দেশের মানুষের কাছে অবিশ্বাস্য মনে হতে পারে। জুনের শেষভাগে এসে এই উত্তর ইউরোপের দেশটি উপভোগ করে বছরের দীর্ঘতম দিন ও ক্ষুদ্রতম রাত। এ সময় দেশের উত্তরাঞ্চলে এমনকি সূর্য একেবারেই অস্ত যায় না। রাত ১২টায়ও আকাশে দিনের আলো বিরাজ করে।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>২০২৬ সালে ফিনল্যান্ডে জুহান্নুস বা মিডসামার ডে পালিত হচ্ছে ২০ জুন। এর ঠিক পরদিন, ২১ জুন, ঘটে গ্রীষ্মকালীন অয়ন বা Summer Solstice, যা উত্তর গোলার্ধের দীর্ঘতম দিনের জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক মুহূর্ত হিসেবে পরিচিত।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><b>যখন রাত হারিয়ে যায়</b></p>

<p>&nbsp;</p>

<p>ফিনল্যান্ডের রাজধানী Helsinki-তে জুন মাসে সূর্যাস্ত হয় প্রায় মধ্যরাতের কাছাকাছি এবং ভোরের আগেই আবার সূর্য উঠে যায়। ফলে প্রকৃত অন্ধকার বলতে কিছুই থাকে না। আকাশে সারারাত নীলাভ-সোনালি আলো ছড়িয়ে থাকে, যাকে ফিনিশরা বলে &quot;White Night&quot; বা সাদা রাত।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>আর দেশের উত্তরাঞ্চলীয় অঞ্চল Lapland-এ পরিস্থিতি আরও বিস্ময়কর। সেখানে টানা কয়েক সপ্তাহ সূর্য দিগন্তের নিচে নামে না। মধ্যরাতেও সূর্যের আলোয় পাহাড়, বনভূমি ও হ্রদ ঝলমল করে।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><b>কেন হয় এই ঘটনা</b></p>

<p>&nbsp;</p>

<p>পৃথিবী তার অক্ষের উপর প্রায় ২৩.৫ ডিগ্রি হেলে সূর্যের চারদিকে ঘোরে। জুন মাসে উত্তর গোলার্ধ সূর্যের দিকে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকে থাকে। ফলে সূর্যের আলো দীর্ঘ সময় ধরে উত্তরাঞ্চলে পড়ে এবং দিন সবচেয়ে বড় হয়। এই ঘটনাকেই বলা হয় Summer Solstice বা গ্রীষ্মকালীন অয়ন।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>এই দিন থেকেই জ্যোতির্বৈজ্ঞানিকভাবে গ্রীষ্মের সূচনা ধরা হয়। যদিও এর পরের দিনগুলোতে দিন ধীরে ধীরে ছোট হতে শুরু করে, তবুও গ্রীষ্মের আবহ থাকে আরও কয়েক মাস।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><b>পুরো দেশ যেন উৎসবের দেশে পরিণত হয়</b></p>

<p>&nbsp;</p>

<p>ফিনল্যান্ডে বছরের দীর্ঘতম দিন কেবল একটি জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক ঘটনা নয়, এটি জাতীয় অনুভূতিরও অংশ। জুহান্নুস বা মিডসামার উৎসবকে কেন্দ্র করে শহর থেকে লাখো মানুষ ছুটে যায় গ্রামাঞ্চল, দ্বীপপুঞ্জ ও গ্রীষ্মকালীন কটেজে। পরিবার, বন্ধু ও আত্মীয়দের নিয়ে তারা প্রকৃতির মাঝে উদযাপন করে এই আলোর উৎসব।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>হ্রদের তীরে জ্বলে ওঠে বিশাল অগ্নিকুণ্ড বা &lsquo;কোক্কো&rsquo;, গরম হয় সাউনা, শুরু হয় গান, নাচ, বারবিকিউ ও নৌবিহার। অনেকেই মধ্যরাতে হ্রদে সাঁতার কাটেন, কারণ তখনও চারপাশে দিনের আলো থাকে।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><b>পর্যটকদের জন্য এক স্বপ্নময় অভিজ্ঞতা</b></p>

<p>&nbsp;</p>

<p>বিশ্বের নানা দেশ থেকে পর্যটকরা এই সময় ফিনল্যান্ডে আসেন শুধুমাত্র &lsquo;মিডনাইট সান&rsquo; বা মধ্যরাতের সূর্য দেখার জন্য। বিশেষ করে ল্যাপল্যান্ডে রাত ১২টায় সূর্যকে আকাশে দেখা অনেকের কাছে জীবনের অন্যতম স্মরণীয় অভিজ্ঞতা হয়ে ওঠে।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>প্রকৃতি প্রেমী, আলোকচিত্রী এবং ভ্রমণকারীদের জন্য এটি এক অনন্য সময়। রাতের আকাশে সূর্যের সোনালি আলো, শান্ত হ্রদের পানিতে তার প্রতিফলন এবং নিস্তব্ধ বনভূমির সৌন্দর্য মিলে সৃষ্টি করে এক অপার্থিব পরিবেশ।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><b>বাংলাদেশের জন্য বিস্ময়ের গল্প</b></p>

<p>&nbsp;</p>

<p>বাংলাদেশে যেখানে জুন মাস মানেই বর্ষার মেঘ, বৃষ্টি আর স্বাভাবিক দিন-রাতের পালাবদল, সেখানে ফিনল্যান্ডের দীর্ঘতম দিন যেন প্রকৃতির এক ভিন্ন রূপকথা। এখানে রাত নামলেও অন্ধকার নামে না। শিশুরা গভীর রাত পর্যন্ত বাইরে খেলতে পারে, মানুষ মধ্যরাতেও হাঁটতে বের হয়, আর প্রকৃতি যেন ২৪ ঘণ্টাই জেগে থাকে।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>ফিনল্যান্ডের মানুষের কাছে এই সময়টি শুধু ঋতু পরিবর্তনের নয়, বরং জীবনকে উদযাপনের সময়। দীর্ঘ ও অন্ধকার শীতের পর সূর্যের এই অফুরন্ত উপস্থিতি তাদের মনে নিয়ে আসে নতুন উদ্দীপনা, আনন্দ ও আশার বার্তা।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><b>শেষ কথা</b></p>

<p>&nbsp;</p>

<p>বিশ্বের সুখী দেশ হিসেবে পরিচিত ফিনল্যান্ডের সুখের পেছনে প্রকৃতিরও একটি বড় ভূমিকা রয়েছে। বছরের দীর্ঘতম দিন সেই প্রকৃতিরই এক অসাধারণ উপহার। যখন মধ্যরাতে সূর্য হাসে, তখন মনে হয় প্রকৃতি যেন মানুষের জন্য বিশেষ এক উৎসবের আয়োজন করেছে।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>ফিনল্যান্ডের এই দীর্ঘতম দিন শুধু একটি জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক ঘটনা নয়, এটি আলো, প্রকৃতি, সংস্কৃতি ও মানুষের জীবনবোধের এক অনন্য মিলনমেলা।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1517-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশ-ইউএন উইমেনের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার অঙ্গীকার]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28783</link>
    <pubDate>Sat, 20 Jun 2026 09:36:17 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28783</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/793-99.jpg" />    <article>
<p>নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন, জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধি এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডার বাস্তবায়নে ইউএন উইমেনের আরও ঘনিষ্ঠ ও ফলপ্রসূ সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ।</p>

<p>আজ নিউইয়র্কে জাতিসংঘের আন্ডার-সেক্রেটারি-জেনারেল এবং ইউএন উইমেনের নির্বাহী পরিচালক সিমা বাহাউসের সঙ্গে অনুষ্ঠিত দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম এ আহ্বান জানান।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>বৈঠকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি অঙ্গীকারের কথা তুলে ধরেন। তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দূরদর্শী উদ্যোগে দেশে নারীদের জন্য অবৈতনিক শিক্ষা প্রবর্তনের বিষয়টি স্মরণ করেন এবং বর্তমান সরকারের অধীনে মেয়েদের জন্য স্নাতকোত্তর পর্যায় পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষা, প্রজনন ও মানসিক স্বাস্থ্যসেবার সম্প্রসারণসহ নারীর ক্ষমতায়নে গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগের কথা উল্লেখ করেন।</p>

<p>ইউএন উইমেনের নির্বাহী পরিচালক সিমা বাহাউস নারীর ক্ষমতায়নে ও লিঙ্গ সমতা প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির প্রশংসা করেন। তিনি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে বাংলাদেশের নির্বাচনে অভিনন্দন জানান এবং নারীর ক্ষমতায়ন এবং নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা এজেন্ডা বাস্তবায়নে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিষয়ে ইউএন উইমেনের আগ্রহ পুনর্ব্যক্ত করেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>এছাড়াও, তিনি শান্তি প্রতিষ্ঠা ও জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশি নারীদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানেরও ভূয়সী প্রশংসা করেন।</p>

<p>রোহিঙ্গা সংকট প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী রোহিঙ্গা নারী ও কন্যাশিশুদের জন্য মানবিক সহায়তা কর্মসূচিতে অর্থায়নের ঘাটতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করে তাদের নিজ দেশ মিয়ানমারে দ্রুত প্রত্যাবর্তনের আহ্বান জানান।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/793-99.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ব্রিটিশ ডায়না অ্যাওয়ার্ডের বিচারক বাংলাদেশের ফায়েজ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28782</link>
    <pubDate>Sat, 20 Jun 2026 09:35:12 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28782</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/986-88.jpg" />    <article>
<p>বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ তরুণ নেতৃত্বের স্বীকৃতি ডায়ানা অ্যাওয়ার্ড ২০২৬-এর বিচারক প্যানেলের লিড জাজ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বাংলাদেশের তরুণ উদ্যোক্তা ফায়েজ বেলাল। আন্তর্জাতিক এ প্ল্যাটফর্মে তার এই ভূমিকা বাংলাদেশের তরুণ নেতৃত্বের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে দেখা হচ্ছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রয়াত ব্রিটিশ রাজকুমারী প্রিন্সেস ডায়ানার স্মরণে প্রতিষ্ঠিত ডায়ানা অ্যাওয়ার্ড ২৫ বছরের কম বয়সী তরুণদের জন্য বিশ্বের অন্যতম সম্মানজনক স্বীকৃতি। সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনে ভূমিকা রাখা তরুণদের এ পুরস্কার দেওয়া হয়। প্রিন্সেস ডায়ানার দুই ছেলে প্রিন্স উইলিয়াম ও প্রিন্স হ্যারি এ কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত।</p>

<p>এ বছরের ডায়ানা অ্যাওয়ার্ডের মনোনয়ন গ্রহণ শেষ হয়েছে গত ৩১ অক্টোবর।</p>
</article>

<article>আগামী নভেম্বরে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হবে। তালিকায় কোনো বাংলাদেশি স্থান পান কি না, তা জানা যাবে তখনই।<br />
&nbsp;<br />
ফায়েজ বেলাল ২০২২ সালে ব্রিটিশ রাজপরিবার থেকে এ অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেন। পরবর্তীকালে ২০২৪ সালে তিনি বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।</article>

<article>এ বছর তাকে বিচারক প্যানেলের লিড জাজ হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।<br />
&nbsp;<br />
ফায়েজ বাংলাদেশ ইয়ুথ সোসাইটির (বিওয়াইএস) প্রতিষ্ঠাতা এবং বিওয়াইএস ভেঞ্চারসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও)। পাশাপাশি তিনি জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধ বিষয়ক সংস্থা ইউএনওডিসির গ্লোবাল ইয়ুথ অ্যাডভাইজরি বোর্ডের সদস্য হিসেবে কাজ করছেন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ২৫ জন তরুণ প্রতিনিধির সঙ্গে তিনি এ প্ল্যাটফর্মে যুক্ত।<br />
&nbsp;<br />
২০১৪ সালে উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থী থাকাকালে বিওয়াইএস প্রতিষ্ঠা করেন ফায়েজ।</article>

<article>বর্তমানে প্রায় ১০ হাজার তরুণ সদস্য নিয়ে সংগঠনটি যুব উন্নয়ন, সামাজিক উদ্ভাবন এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বাস্তবায়নে কাজ করছে। বরিশাল থেকে পথচলা শুরু হলেও ফায়েজের নেতৃত্বে সংগঠনটি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে। এবার বৈশ্বিক পরিসরে কার্যক্রম সম্প্রসারণের লক্ষ্যে &lsquo;বিওয়াইএস গ্লোবাল নেটওয়ার্ক&rsquo; চালুর উদ্যোগ নিয়েছে তারা।<br />
&nbsp;<br />
এক দশকেরও বেশি সময় ধরে মানসম্মত শিক্ষা, জেন্ডার সমতা, জলবায়ু কার্যক্রম এবং শান্তি ও সহনশীলতা প্রতিষ্ঠায় কাজ করে আসছেন তিনি এবং তার সংগঠন। এসব অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে একাধিক সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>বিওয়াইএসের উদ্যোগে পরিচালিত &lsquo;অভয়&rsquo;, &lsquo;গার্লস সামিট&rsquo;, &lsquo;স্বপ্নজয়&rsquo;, &lsquo;সম্পর্কে ভালো থাকুক দেশ&rsquo;, &lsquo;শি ইজ দ্য ফার্স্ট&rsquo;, &lsquo;আমি থেকে আমরা&rsquo; ও &lsquo;ইয়ুথ ফেস্ট&rsquo;সহ বিভিন্ন প্রকল্পে গত ১২ বছরে প্রায় ১০ লাখ মানুষ অংশ নিয়েছেন বলে সংগঠনটির দাবি। পাশাপাশি সাতটির বেশি সামাজিক ব্যবসা পরিচালনা করছে প্রতিষ্ঠানটি।<br />
&nbsp;<br />
নিজের যাত্রা সম্পর্কে ফায়েজ বেলাল বলেন, &lsquo;বরিশাল থেকে শুরু হওয়া আমার যাত্রা আজ বৈশ্বিক একটি প্ল্যাটফর্মে কাজ করার সুযোগ এনে দিয়েছে। আমি এটিকে ব্যক্তিগত অর্জনের চেয়ে বাংলাদেশের তরুণদের সক্ষমতার স্বীকৃতি হিসেবে দেখি।&rsquo;<br />
&nbsp;<br />
তিনি বলেন, &lsquo;ডায়ানা অ্যাওয়ার্ডের বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে দেখেছি, বয়স নয়&mdash;পরিবর্তন আনার উদ্ভাবনী ধারণা ও তা বাস্তবায়নের সক্ষমতাই নেতৃত্বের মূল পরিচয়।&rsquo;<br />
&nbsp;<br />
তিনি আরও বলেন, &lsquo;বাংলাদেশের তরুণরা এরইমধ্যে বিশ্বমঞ্চে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। আগামী দিনে সেই অবদান আরো বিস্তৃত ও প্রভাবশালী হবে বলে আমি বিশ্বাস করি।&rsquo;<br />
&nbsp;<br />
প্রায় ২৫ বছরের বেশি সময় ধরে ডায়ানা অ্যাওয়ার্ড বিশ্বজুড়ে তরুণদের সামাজিক উদ্যোগকে স্বীকৃতি দিয়ে আসছে। প্রিন্সেস ডায়ানার বিশ্বাস ছিল, তরুণদের হাতেই রয়েছে পৃথিবী বদলে দেওয়ার শক্তি।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/986-88.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিজের নামে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নামকরণে আপত্তি জানিয়েছিলেন এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28781</link>
    <pubDate>Sat, 20 Jun 2026 09:33:02 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28781</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1108-77.jpg" />    <p>বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলায় স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীর নামে একটি বিদ্যালয়ের নামকরণের প্রস্তাব দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। তবে নিজের নামে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নামকরণের উদ্যোগ না নিতে শিক্ষা সচিবকে নির্দেশনা দিয়েছিলেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।&nbsp;</p>

<p>এ বিষয়ে গত ১ জুন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিবের কাছে একটি আধা-সরকারি (ডিও) পত্র পাঠান তিনি।</p>

<p>পত্রে প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে বিভিন্ন ব্যক্তি নিজেদের উদ্যোগে ও স্বার্থসিদ্ধির উদ্দেশ্যে তার নামে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নামকরণের প্রস্তাব পাঠাচ্ছেন, যা তার কাছে অনভিপ্রেত ও অনাকাঙ্ক্ষিত। তিনি মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য, পরিচিতি ও স্বাতন্ত্র্য অক্ষুণ্ণ রাখাই অধিকতর সমীচীন।</p>

<p>তিনি আরও জানান, শিবগঞ্জ-মোকামতলা এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ব্যক্তিগত উদ্যোগে জমি দান, নিজ অর্থে জমি ক্রয়, প্রতিষ্ঠাকালীন ব্যয় বহন ও সার্বিক পৃষ্ঠপোষকতার মাধ্যমে শিক্ষা বিস্তারে কাজ করে আসছেন। তার প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় ১৯৯৭ সাল থেকে বিভিন্ন সময়ে একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত বা উন্নয়ন করা হয়েছে। এসবের মধ্যে রয়েছে- মীরবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (১৯৯৭), বেতগাড়ি মীরবাড়ি সরকারি এতিমখানা (২০০৪), বেতগাড়ি মীর শাহে আলম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় (২০০১), বেতগাড়ি মীর শাহে আলম কারিগরি স্কুল অ্যান্ড বিএম মহাবিদ্যালয় (২০০৪), তিয়াইল মীর লাবনী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (২০১২), বেতগাড়ি মীর শাহে আলম মৎস্য ও কৃষি প্রযুক্তি ইনস্টিটিউট (২০১৩), বেতগাড়ি মীর মাহাতাব-শাহে আলম মহিলা দাখিল মাদ্রাসা (২০২৩), মোকামতলা মীর শাহে আলম-ছাত্তার তালুকদার মহাবিদ্যালয় (২০২৩), কিচক মীর শাহে আলম কলেজ (২০২৩) এবং বেতগাড়ি মীর শাহে আলম ভেটেরিনারি ইনস্টিটিউট (২০২৫)।</p>

<p>পত্রের শেষাংশে প্রতিমন্ত্রী স্পষ্টভাবে অনুরোধ করেন, উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানগুলোর বাইরে তার বা তার পরিবারের সদস্যদের নামে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নামকরণের প্রস্তাব যেন গ্রহণ বা অনুমোদন না করা হয়। একই সঙ্গে ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পূর্বের নাম ও পরিচিতি সংরক্ষণের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।</p>

<p>চিঠির অনুলিপি মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, রাজশাহী; বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বরাবর প্রেরণ করা হয়েছে।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1108-77.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[কবি আল মুজাহিদীর মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28780</link>
    <pubDate>Sat, 20 Jun 2026 09:09:41 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28780</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1225-66.jpg" />    <article>
<p>বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক ও একুশে পদকপ্রাপ্ত কবি আল মুজাহিদীর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।</p>

<p>শুক্রবার (১৯ জুন) এক শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী আল মুজাহিদীর রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>তারেক রহমান বলেন, মুজাহিদী আজীবন গণতন্ত্র, মানবাধিকার এবং দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের পক্ষে দৃঢ় ভূমিকা পালন করেছেন। তার মৃত্যু আমাদের সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে এক গভীর শূন্যতা সৃষ্টি করেছে, যা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।</p>

<p>একুশে পদকপ্রাপ্ত এই কবি আজ দুপুরে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। তার বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1225-66.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ছবি তোলার জন্য মিনতি করিনি—ট্রাম্পকে মেলোনির জবাব]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28779</link>
    <pubDate>Sat, 20 Jun 2026 09:08:57 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28779</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1327-55.jpg" />    <article>
<p><a href="https://www.reuters.com/business/media-telecom/meloni-fights-back-after-trump-tells-italian-tv-she-begged-photo-with-him-g7-2026-06-19/?fbclid=IwY2xjawSiETFleHRuA2FlbQIxMABicmlkETFQRXBUV1B0QjNBMW5DYWYyc3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHvLfTiQg_pnchKv78NJzk_hGGKqYJi1RYLAOU9zUZM_r02ySrM3FUTm3xU7y_aem_PQFMqthOxydPCS1VbPBfKw">ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি মার্কিন প্রেসিডেন্ড ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে</a> মিথ্যা গল্প তৈরির অভিযোগ আনেন। ট্রাম্প একটি ইতালীয় টিভি চ্যানেলকে বলেছিলেন, &lsquo;জি-৭ সম্মেলনে মেলোনি তার সঙ্গে ছবি তোলার জন্য অনুরোধ করেছিলেন&rsquo;।</p>
</article>

<article>তবে মেলোনি বলেছেন, &lsquo;ট্রাম্পের এই মন্তব্যে তিনি বিস্মিত এবং এ ধরনের দাবি সম্পূর্ণ মনগড়া।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি আরো অভিযোগ করেন, ট্রাম্প পশ্চিমা বিশ্বের দীর্ঘদিনের মিত্রদের তুলনায় পশ্চিমের প্রতিপক্ষদের প্রতি বেশি নমনীয় ও সহানুভূতিশীল আচরণ করছেন।</p>

<p>ট্রাম্পের মন্তব্যে ইতালি সরকারের ক্ষোভ কতটা গভীর, তা বোঝাতে ইতালির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্তোনিও তাজানি ঘোষণা দিয়েছেন, তিনি আগামী সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র সফর বাতিল করছেন।</p>

<p>সাম্প্রতিক এই বাকযুদ্ধ দুই দেশের সম্পর্কে বড় ধরনের অবনতির ইঙ্গিত দিচ্ছে।</p>
</article>

<article>মাত্র কয়েক দিন আগেই জি-৭ সম্মেলনে এমন লক্ষণ দেখা গিয়েছিল, ইরান যুদ্ধ নিয়ে চলতি বছরের মতবিরোধের পর ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ডোনাল্ড ট্রাম্পের সম্পর্ক আবার কিছুটা স্বাভাবিক হচ্ছে। কিন্তু ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্যের পর সেই সম্পর্ক আবারও টানাপোড়েনের মুখে পড়েছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত ওই অনুষ্ঠানের ভিডিওতে দেখা গেছে, মেলোনি ও ট্রাম্প একটি ছোট সোফায় পাশাপাশি বসে গভীর আলোচনায় মগ্ন ছিলেন। তবে ট্রাম্প পরে এমন ইঙ্গিত দেন যে, তিনি মূলত মেলোনির অনুরোধেই তার সঙ্গে কথা বলেছিলেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>ইতালির টিভি চ্যানেনকে দেওয়া এক সংক্ষিপ্ত সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, &lsquo;সম্ভবত আমি তার সঙ্গে কথা বলেছি বলে তিনি খুশি। আমার তো তার সঙ্গে কথা বলার কোনো প্রয়োজন ছিল না।&rsquo;&nbsp;উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, সাক্ষাৎকারের সময় ইতালির প্রধানমন্ত্রী সম্পর্কে প্রশ্নটি সাংবাদিক নয়, ট্রাম্প নিজেই তুলেছিলেন।</p>

<p>লা সেভেনের চ্যানেলের অনুযায়ী ট্রাম্প বলেন, &lsquo;মেলোনি আমার সঙ্গে ছবি তোলার জন্য অনুরোধ করেছিল। আমার সঙ্গে একটি ছবি পাওয়ার জন্য সে খুবই আগ্রহী ছিল।</p>
</article>

<article>আমি ছবি তুলতাম না, কিন্তু তার জন্য আমার মায়া হয়েছিল।&rsquo; তবে চ্যানেলটি ট্রাম্পের মূল অডিও প্রকাশ করেনি।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>মেলোনি জবাবে বলেন, &lsquo;ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্য পুরোপুরি মনগড়া। সত্যি বলতে আমি বিস্মিত। আমি জানি না কেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট তার মিত্রদের সঙ্গে এমন আচরণ করেন। তবে এটি প্রথমবার নয়।&rsquo;</p>

<p>তিনি আরো বলেন, &lsquo;দুঃখজনক বিষয় হলো, পশ্চিমা বিশ্ব ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিপক্ষদের ক্ষেত্রে তিনি একই ধরনের কঠোর অবস্থান দেখান না। বরং তাদের নেতাদের প্রতি তিনি অনেক বেশি নমনীয় আচরণ করেন।&rsquo;&nbsp;মেলোনি যোগ করেন, &lsquo;একটি বিষয় তার মনে রাখা উচিত, আমি বা ইতালি কখনো কারো কাছে অনুরোধ বা মিনতি করি না।&rsquo;</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1327-55.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[লেবাননে যুদ্ধবিরতি শুরু]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28778</link>
    <pubDate>Sat, 20 Jun 2026 09:07:42 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28778</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1392-44.jpg" />    <article>
<p>লেবাননে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহ। শুক্রবার থেকেই এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে।</p>
</article>

<article>বার্তাসংস্থা রয়টার্সের <a href="https://www.reuters.com/world/europe/us-iran-peace-talks-postponed-clouding-prospects-lasting-truce-2026-06-19/">এক প্রতিবেদনে</a> এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ট্রাম্প প্রশাসনের জ্যেষ্ঠ এক কর্মকর্তা।

<p>&nbsp;</p>

<p>যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শান্তিচুক্তিতে ইরানের অন্যতম প্রধান শর্ত ছিল লেবাননে ইসরায়েলি আগ্রাসন বন্ধ করা। এই যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে সে শর্ত বাস্তবায়নের পথ তৈরি হয়েছে।</p>

<p>পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে&nbsp;ওই জ্যেষ্ঠ মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, &lsquo;ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে।</p>
</article>

<article>&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি আরো জানান, লেবাননে স্থানীয় সময় শুক্রবার বিকেল ৪টার কিছু আগে থেকেই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়।</p>

<p>যুক্তরাষ্ট্র ও কাতারের আলোচকরা ইরানের সহায়তায় এই চুক্তির রূপরেখা চূড়ান্ত করেছেন বলেও জানান তিনি।</p>

<p>যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরের পরও লেবাননে ইসরায়েলি আগ্রাসনে ১৮ জন নিহত হয়েছেন। জবাবে হিজবুল্লাহ যোদ্ধাদের হামলায় চারজন ইসরায়েলি সেনা নিহত হয়েছেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>এর আগে বৃহস্পতিবার রাতভর লেবাননে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এ হামলার জেরে শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে পূর্বনির্ধারিত যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা স্থগিত করা হয়েছে। আলোচনা স্থগিত হওয়ায় বিশ্ব বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1392-44.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[মোদিকে ‘ফেরেশতা’ ও ‘খুনি’ বলে প্রশংসা করলেন ট্রাম্প]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28777</link>
    <pubDate>Sat, 20 Jun 2026 09:06:54 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28777</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1476-33.jpg" />    <article>
<p>ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একজন &lsquo;কঠিন মধ্যস্থতাকারী&rsquo; হিসেবে অভিহিত করেছেন।</p>

<p>ফ্রান্সে জি-৭ সম্মেলনের ফাঁকে মোদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে রসিকতার ছলে <a href="https://www.ndtv.com/video/donald-trump-praises-pm-modi-looks-like-an-angel-but-he-is-a-killer-1114561">ট্রাম্প বলেন</a>, মোদি দেখতে &lsquo;ফেরেশতার&rsquo; মতো হলেও কাজের ক্ষেত্রে তিনি &lsquo;খুনি&rsquo;দের মতো কঠোর।</p>
</article>

<article>এই ধরনের মানুষ খুব কমই দেখা যায়।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>ওয়াশিংটন ও নয়াদিল্লি একটি দীর্ঘ প্রতীক্ষিত বাণিজ্য চুক্তির &lsquo;খুব কাছাকাছি&rsquo; রয়েছে উল্লেখ করে ১৭ জুন ট্রাম্প বলেন, &lsquo;আমরা গত কিছু সময় ধরে বিষয়টি নিয়ে কাজ করছি। তিনি (মোদি) আসলে অন্যতম কঠোর একজন মধ্যস্থতাকারী।&rsquo;</p>

<p>ট্রাম্প আরো জানান, মোদি দীর্ঘ সময় ধরে তার বন্ধু এবং তিনি ভবিষ্যতে ভারত সফর করবেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>গত এক বছরে শুল্ক, পাকিস্তান এবং ইরান যুদ্ধ নিয়ে তৈরি হওয়া উত্তেজনার পর দুই দেশের সম্পর্ক মেরামতের সর্বশেষ প্রচেষ্টা হিসেবে এই বৈঠককে দেখা হচ্ছে।</p>

<p>২০২৫ সালের শুরুতে মোদির হোয়াইট হাউস সফরের পর এবারই প্রথম দুই নেতা মুখোমুখি বসলেন। বৈঠকে ওমান উপসাগরে ভারতীয় নাবিক নিহত হওয়ার ঘটনা এবং তাদের নিরাপত্তার বিষয়টিও গুরুত্ব পায়।</p>

<p>প্রতিরক্ষা সম্পর্কের বিষয়ে ট্রাম্প বলেন, &lsquo;ভারত আক্রান্ত হলে যুক্তরাষ্ট্র সহায়তা করবে।</p>
</article>

<article>&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>মোদির দিকে নির্দেশ করে ট্রাম্প বলেন, &lsquo;যদি কেউ ওই ব্যক্তিকে আক্রমণ করে, তবে আমরা সেখানে থাকব। তবে নতুন কোনো নেতা এলে আমি সে বিষয়ে নিশ্চিত নই।&rsquo;</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1476-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[হাইতির জালে ব্রাজিলের গোল উৎসব]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/28776</link>
    <pubDate>Sat, 20 Jun 2026 09:06:06 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/28776</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/6-22.jpeg" />    <article>
<p>স্কোরটা আরেকটু বড় হতে পারত এই আফসোস টা করতেই পারে ব্রাজিল ভক্তরা। তবে যা হয়েছে তাই বা কম কিসে।</p>
</article>

<article>অবশেষে জয়ের ধারায় ফিরল সেলেসাওরা। দেখা গেল সেই পরিচিত সাম্বা নৃত্য।
<p>&nbsp;</p>

<p>এদিকে একাদশে জায়গা পেয়েই সুযোগের সদ্ব্যবহার করলেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের স্ট্রাইকার ম্যাথেউস কুনহা। একবার নয়, দুইবার।</p>
</article>

<article>তার দুটি গোলই অ্যাসিস্ট করেছেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। অ্যাসিস্ট করে অবশ্য মন ভরেনি ভিনিসিয়ুসের। যোগ করা সময়ে গোল করে দলকে তৃতীয় লিড এনে দিয়েছেন রিয়াল মাদ্রিদের উইঙ্গার।
<p>&nbsp;</p>

<p>পরে কুনহার জোড়া এবং ভিনিসিয়ুসের গোলে বিরতিতে যায় ব্রাজিল।</p>
</article>

<article>শেষ পর্যন্ত দ্বিতীয়ার্ধে আর গোল না হওয়ায় ৩-০ ব্যবধানে জয় নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয় পাঁচ বারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের।&nbsp;<br />
<br />
বিস্তারিত আসছে...&nbsp;</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/6-22.jpeg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[অর্থাভাবে আটকে ছিল মারাঠি সিনেমা, মুক্তির ব্যবস্থা করে দিলেন শাহরুখ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/28775</link>
    <pubDate>Sat, 20 Jun 2026 09:04:44 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/28775</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1616-11.jpg" />    <article>
<p>শুধু পর্দার নায়ক নন, বাস্তব জীবনেও মানবিকতার জন্য বারবার প্রশংসিত হয়েছেন বলিউড সুপারস্টার শাহরুখ খান। এবারও তেমনই এক ঘটনার খবর সামনে এসেছে।</p>
</article>

<article>আর্থিক সংকটে মুক্তি অনিশ্চিত হয়ে পড়া একটি মারাঠি সিনেমাকে মুক্তির ব্যবস্থা করে দিয়েছেন কিং খান।
<p>&nbsp;</p>

<p>ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পরিচালক প্রবীণ তার্ডের মারাঠি ছবি &lsquo;দেউল ব্যান্ড ২&rsquo; স্বল্প বাজেটের হলেও বড় পরিসরে মুক্তির পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু ডিজিটাল সিনেমা প্যাকেজ (ডিসিপি) বাবদ অতিরিক্ত ব্যয়ের কারণে ছবিটির মুক্তি প্রায় আটকে যায়।</p>

<p>সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে প্রবীণ তার্ডে জানান, শুরুতে ডিসিপির জন্য ১২ লাখ রুপি বাজেট রাখা হলেও পরে সেই খরচ বেড়ে দাঁড়ায় ৪২ লাখ রুপিতে।</p>
</article>

<article>অথচ প্রেক্ষাগৃহে সিনেমা মুক্তির জন্য ডিসিপি ফরম্যাট অপরিহার্য। প্রয়োজনীয় অর্থ জোগাড় করতে না পেরে শেষ পর্যন্ত তারা যোগাযোগ করেন শাহরুখ খানের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান রেড চিলিজ এন্টারটেইনমেন্ট&ndash;এর সঙ্গে।
<p>&nbsp;</p>

<p>পরিচালকের ভাষ্যে, পরিস্থিতির কথা জানার পর বিষয়টি শাহরুখ খানের নজরে আসে। সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে তিনি ছবিটি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।</p>
</article>

<article>এরপর নিজের টিমকে নির্দেশ দেন, &lsquo;মারাঠি ছবিটিকে ডিসিপি দিয়ে দিন। টাকার বিষয়টা আমরা পরেও মেটাতে পারব। ছবিটা যদি ভালো হয়, তবে ডিসিপি দেওয়া উচিত।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রবীণ তার্ডে জানান, শাহরুখের নির্দেশেই ৪২ লাখ রুপির ডিজিটাল সিনেমা প্যাকেজের বকেয়া মওকুফ করা হয়। ফলে নির্ধারিত সময়েই মুক্তি পায় &lsquo;দেউল ব্যান্ড ২&rsquo;।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>পরিচালকের দাবি, শাহরুখের এই সহযোগিতা না পেলে ছবিটির মুক্তিই অনিশ্চিত হয়ে পড়ত।&nbsp;</p>

<p>তিনি আরো বলেন, শাহরুখ আবারও প্রমাণ করেছেন যে, তার কাছে অর্থের চেয়ে সিনেমার মূল্য অনেক বেশি।</p>

<p>মুক্তির পর ছবিটি বক্স অফিসেও দারুণ সাফল্য পেয়েছে। প্রায় ৮ কোটি রুপি বাজেটে নির্মিত &lsquo;দেউল ব্যান্ড ২&rsquo; ইতিমধ্যে প্রায় ১০০ কোটি রুপির ব্যবসার কাছাকাছি পৌঁছে গেছে বলে দাবি করেছেন নির্মাতা। পাশাপাশি দর্শক ও সমালোচকদের কাছ থেকেও প্রশংসা কুড়াচ্ছে সিনেমাটি।</p>

<p>এদিকে, শাহরুখ খান বর্তমানে তার বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা &lsquo;কিং&rsquo;&ndash;এর কাজ নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন।&nbsp;</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1616-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[২০ জুন নিউইয়র্কে ওলসা নর্থ আমেরিকার পারিবারিক আবহে বনভোজন, নিবন্ধন করেছেন ২০০ ল্যাবরেটরিয়ান]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/28774</link>
    <pubDate>Fri, 19 Jun 2026 19:22:13 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/28774</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/406-3.jpg" />    <p>বাংলাদেশের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ঢাকা গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাই স্কুল-এর প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সংগঠন ওল্ড ল্যাবরেটরিয়ানস অ্যাসোসিয়েশন (ওলসা) নর্থ আমেরিকা আগামী ২০ জুন শনিবার নিউইয়র্কের বেলমন্ট লেইক স্টেট পার্কে পারিবারিক বনভোজনের আয়োজন করেছে। দিনব্যাপী এই মিলনমেলায় যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার বিভিন্ন শহর থেকে প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও তাঁদের পরিবারের সদস্যরা অংশ নেবেন।</p>

<p>আয়োজকদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, ইতোমধ্যে প্রায় ২০০ জন ল্যাবরেটরিয়ান ও তাঁদের পরিবারের সদস্য বনভোজনে অংশগ্রহণের জন্য নিবন্ধন করেছেন। অনুষ্ঠানে পুরোনো বন্ধুদের পুনর্মিলন, নতুন প্রজন্মের মধ্যে পরিচয় ও বন্ধন গড়ে তোলার পাশাপাশি বিভিন্ন বিনোদনমূলক আয়োজন, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, খেলাধুলা এবং খাবারের ব্যবস্থা থাকবে।</p>

<p>ওলসা নর্থ আমেরিকার নেতৃবৃন্দ জানান, উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন শহরে বর্তমানে প্রায় এক হাজার ল্যাবরেটরিয়ান বসবাস করছেন। তাঁদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ, সহযোগিতা ও কমিউনিটিভিত্তিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় করতেই নিয়মিত বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হচ্ছে। এবারের বনভোজনও সেই ধারাবাহিক উদ্যোগের অংশ।</p>

<p data-added-after="1">ওল্ড ল্যাবরেটরিয়ানস অ্যাসোসিয়েশন (ওলসা) - ঢাকা গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাই স্কুলের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের অ্যালামনাই সংগঠন হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে পুনর্মিলনী, হোমকামিং এবং বিভিন্ন নেটওয়ার্কিং কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। ওলসা নর্থ আমেরিকা সংগঠনটির একটি অনুমোদিত শাখা।</p>

<p>১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত ঢাকা গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাই স্কুল বাংলাদেশের অন্যতম স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে শিক্ষা, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে দীর্ঘদিন ধরে উৎকর্ষতার স্বাক্ষর রেখে চলেছে। মহান মুক্তিযুদ্ধেও এই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলেন। প্রতিষ্ঠানের হাজার হাজার প্রাক্তন শিক্ষার্থী বর্তমানে দেশ-বিদেশে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাফল্যের সঙ্গে কাজ করছেন।</p>

<p>আয়োজকদের বিশ্বাস, এবারের বনভোজন শুধু প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের একটি আনন্দঘন পুনর্মিলনীই হবে না; এটি উত্তর আমেরিকায় বসবাসরত বাংলাদেশি সমাজের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও উত্তরাধিকারের বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করবে এবং একটি ঐক্যবদ্ধ ও অনুপ্রেরণাদায়ী কমিউনিটি গড়ে তুলতেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/406-3.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[কুৎসা রটানোর প্রতিবাদ চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকার একাংশের]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/28773</link>
    <pubDate>Fri, 19 Jun 2026 19:21:48 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/28773</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/671-2.jpg" />    <p>সংগঠনের কার্যকরী পরিষদের সদস্য ও আজীবন সদস্যদের বিরুদ্ধে কুৎসা রটানোর অভিযোগ এনে এর প্রতিবাদ জানিয়েছেন চিটাগং অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকার মাকসুদ ও মাসুদ পরিষদ। তারা দাবি করেন, সংগঠনের কিছু ব্যক্তির ভূমিকা ও কর্মকাণ্ডের কারণে দীর্ঘদিন ধরে সংকট ও অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।</p>

<p>গত ১৫ জুন সন্ধ্যায় নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসের নবান্ন পার্টি হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ তুলে ধরা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটির একাংশের সভাপতি মাকসুদুল হক চৌধুরী এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মাসুদ হোসেন সিরাজি।</p>

<p>সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা , ২০০৯, ২০১৪, ২০১৭ এবং ২০২২ সালের বিভিন্ন সময়ে নির্বাচন, কমিটি গঠন ও আর্থিক হিসাব-নিকাশ নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ তুলেন। তারা দাবি করেন, কিছু ক্ষেত্রে হিসাব-নিকাশে স্বচ্ছতার অভাব ছিল এবং অর্থ ব্যবস্থাপনা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।</p>

<p>সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা ২০২৪ সালের নির্বাচনে অংশ নেওয়া তাহের ও আরিফ প্যানেলের বিরুদ্ধে নির্বাচনের পর ফলাফল পরিবর্তন এবং ঘোষণায় অনিয়ম, ভবন দখল, ভাড়া আদায় ও ব্যাংক হিসাব নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ তুলেন। একই সঙ্গে ভবন ব্যবস্থাপনা ও প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ ঘিরে একাধিকবার উত্তেজনা ও আইনি জটিলতার কথাও উল্লেখ করা হয়।</p>

<p data-added-after="1">তবে তারা দাবি করেন, আদালত সংশ্লিষ্ট কিছু অভিযোগ খারিজ করেছে এবং তারা আইনি প্রতিকার চেয়ে পাল্টা মামলা করেছেন। শেষে নেতারা সংগঠনের ঐক্য ও স্বচ্ছতা বজায় রাখতে সব পক্ষকে বিভাজন ভুলে নিয়মতান্ত্রিকভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।</p>

<p>সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন ট্রাস্টি বোর্ডের কো-চেয়ারম্যান শাহজাহান সিরাজি, ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য ও প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হাসান চৌধুরী, উপদেষ্টা মোহাম্মদ দিদার, তারিখ চৌধুরী দীপু, সাবেক সভাপতি আহসান হাবিব, সিনিয়র সহ-সভাপতি মোক্তাদির বিল্লাহসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/671-2.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিউইয়র্কে ৩০ লাখ গৃহস্থ ও প্রবীণদের জন্য ২ বিলিয়ন ডলারের ট্যাক্স রিলিফ ঘোষণা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/28772</link>
    <pubDate>Fri, 19 Jun 2026 19:21:18 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/28772</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/931-1.jpg" />    <p>নিউইয়র্কের প্রায় ৩০ লাখ গৃহস্থ ও প্রবীণ নাগরিককে চলতি গ্রীষ্মে মোট ২ বিলিয়ন ডলারের ট্যাক্স রিলিফ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন গভর্নর ক্যাথি হোকুল। এই সহায়তা দেওয়া হবে স্টার অর্থাৎ স্কুল ট্যাক্স রিলিফ কর্মসূচির আওতায়।</p>

<p>রাজ্য সরকারের তথ্য অনুযায়ী, বছরে ৫ লাখ ডলারের কম আয় করা অধিকাংশ গৃহস্থ এই সুবিধার আওতায় পড়বেন। তারা সাধারণত ৩৫০ থেকে ৬০০ ডলার পর্যন্ত ট্যাক্স রিলিফ পাবেন। প্রবীণ নাগরিকদের ক্ষেত্রে যাদের আয় প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার ডলারের নিচে তারা ৭০০ থেকে ১৫০০ ডলার পর্যন্ত সহায়তার পাবেন।</p>

<p>গভর্নর ক্যাথি হোকুল বলেন, অনেক গৃহস্থের জন্য এটি অতিরিক্ত ৩৫০ থেকে ৬০০ ডলার হাতে পাওয়ার মতো সুবিধা হবে। এই অর্থ দিয়ে তারা দৈনন্দিন খরচ যেমন জ্বালানি, খাদ্য ও অন্যান্য প্রয়োজন মেটাতে পারবেন।</p>

<p>তিনি আরও বলেন, প্রবীণরা যারা নির্দিষ্ট আয়ের ওপর নির্ভর করেন, তাদের জন্য এই সহায়তা আরও গুরুত্বপূর্ণ। এটি তাদের আর্থিক চাপ কিছুটা হলেও কমাবে।</p>

<p>নিউইয়র্ক সিটির আইনপ্রণেতারা এই ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, ক্রমবর্ধমান জীবনযাত্রার ব্যয়ের মধ্যে এই সহায়তা সাধারণ পরিবারের জন্য বড় স্বস্তি এনে দেবে।</p>

<p data-added-after="1">নিউইয়র্ক সিটিতে প্রায় ৪ লাখ ৭৪ হাজার গৃহস্থ এই কর্মসূচির আওতায় আছেন, যাদের জন্য প্রায় ১৪৯.৭ মিলিয়ন ডলারের সহায়তা বরাদ্দ করা হয়েছে।</p>

<p>রাজ্য সরকার জানিয়েছে, যোগ্য নাগরিকরা অনলাইনে গিয়ে তাদের স্টার চেক বা ডিপোজিটের অবস্থা ট্র্যাক করতে পারবেন।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/931-1.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[তিস্তা ব্যারেজ পরিদর্শন করলেন সরকারের তিন মন্ত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/bangladesh/28771</link>
    <pubDate>Fri, 19 Jun 2026 19:20:46 +0600</pubDate>
    <category> সারাবাংলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/bangladesh/28771</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1615-11.jpg" />    <p><strong>দেশের অন্যতম বৃহত্তম ও গুরুত্বপূর্ণ সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজ এলাকা পরিদর্শন করেছেন বর্তমান সরকারের তিন শীর্ষ নীতি-নির্ধারক।</strong></p>

<p>বিজ্ঞাপন</p>

<p>শুক্রবার (১৯ জুন) দুপুরে লালমনিরহাট ও নীলফামারীর মধ্যবর্তী তিস্তা ব্যারাজ এলাকায় পৌঁছান পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরি এ্যানি, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এবং পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ।</p>

<p>​সরকারি সফরসূচি অনুযায়ী, মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা দুপুরে তিস্তা ব্যারাজ ও এর আশপাশের এলাকা ঘুরে দেখেন। এরপর তারা তিস্তা অবসর হলরুমে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।</p>

<p>সভায় তিস্তা অববাহিকার দীর্ঘদিনের নদীভাঙন সমস্যা, টেকসই বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নদীশাসন এবং চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।</p>

<p>বিজ্ঞাপন</p>

<p>এ ছাড়া, লালমনিরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার হাসান রাজিব প্রধান, লালমনিরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য রোকন উদ্দিন বাবুল এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়, লালমনিরহাট, নীলফামারী জেলা প্রশাসক ও প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1615-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আইওএম-এর নবনিযুক্ত চিফ অব মিশনের সাক্ষাৎ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/diplomatic/28770</link>
    <pubDate>Fri, 19 Jun 2026 10:18:59 +0600</pubDate>
    <category> কূটনৈতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/diplomatic/28770</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/792-99.jpg" />    <article>
<p>পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) নবনিযুক্ত চিফ অব মিশন ড. লরা টম্ বন্দ। এ সময় তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে নিজের পরিচয়পত্র পেশ করেছেন।</p>
</article>

<article>বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
<p>&nbsp;</p>

<p>এ সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, &lsquo;আমি আন্তরিকভাবে ড. লরা টম্ বন্দকে বাংলাদেশে আইওএম-এর চিফ অব মিশন হিসেবে স্বাগত জানাই। সেই সঙ্গে বাংলাদেশ সরকার ও আইওএম-এর মধ্যকার দৃঢ় অংশীদারি আরো এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশা করি।&rsquo;</p>

<p>ড. টম্ বন্দ এমন এক গুরুত্বপূর্ণ সময়ে তার দায়িত্ব গ্রহণ করছেন, যখন বাংলাদেশ বহুমাত্রিক অভিবাসন বাস্তবতার মধ্য দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে।</p>
</article>

<article>একদিকে নিরাপদ ও নিয়মিত শ্রম অভিবাসনের সুযোগ সম্প্রসারিত হচ্ছে, অন্যদিকে মায়ানমারে সহিংসতার কারণে বাস্তুচ্যুত হয়ে পালিয়ে আসা ১০ লাখের অধিক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে বাংলাদেশ, যা বিশ্বের দীর্ঘমেয়াদি বাস্তুচ্যুতি সংকটগুলোর মধ্যে অন্যতম।
<p>&nbsp;</p>

<p>ড. টম্ বন্দ বলেন, &lsquo;বাংলাদেশের সামগ্রিক অভিবাসন পরিস্থিতি অত্যন্ত গতিশীল এবং এতে যেমন সুযোগ রয়েছে, তেমনি চ্যালেঞ্জও রয়েছে। আমি সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে আগ্রহী, যাতে অভিবাসীদের অধিকার সুরক্ষিত থাকে এবং সুশাসিত ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অভিবাসন ব্যবস্থার মাধ্যমে অভিবাসন টেকসই উন্নয়নে অর্থবহ অবদান রাখতে পারে।&rsquo;</p>

<p>বাংলাদেশে বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, খরা ও লবণাক্ততার অনুপ্রবেশসহ জলবায়ুজনিত বিভিন্ন ঝুঁকি রয়েছে।</p>
</article>

<article>আর এসব কারণে সৃষ্ট বাস্তুচ্যুতি ও দুর্যোগের বিষয়টি উল্লেখ করে নতুন চিফ অব মিশন নিয়মিত অভিবাসনের পথ সম্প্রসারণ এবং জলবায়ুজনিত অভিবাসন মোকাবেলায় সমন্বিত সরকারি ও আঞ্চলিক উদ্যোগকে এগিয়ে নিতে আইওএম-এর সহায়তা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>আইওএম-এর চিফ অব মিশন অভিবাসনের পুরো প্রক্রিয়াজুড়ে বাংলাদেশ সরকারকে সহায়তা প্রদানে সংস্থাটির অব্যাহত অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। এর মধ্যে রয়েছে নিরাপদ ও নিয়মিত শ্রম অভিবাসন জোরদার করা, স্বাস্থ্য ও প্রাক-বহির্গমন সেবা উন্নত করা, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করা এবং ঝুঁকিপূর্ণ অভিবাসীদের সুরক্ষা ও পুনঃএকত্রীকরণে সহায়তা প্রদান।</p>

<p>তিনি আরো উল্লেখ করেন, আইওএম রোহিঙ্গা সংকট মোকাবেলাকে অগ্রাধিকার হিসেবে অব্যাহত রাখবে এবং কক্সবাজারে জীবনরক্ষাকারী সহায়তা প্রদানের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্থ স্থানীয় জনগোষ্ঠীদেরও সহায়তা করবে।</p>

<p>কানাডার নাগরিক ড. লরা টম্ বন্দ এর আগে সাড়ে ছয় বছর মোজাম্বিকে আইওএম-এর চিফ অব মিশন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/792-99.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[অ্যাভিয়েশন খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ ব্রিটিশ সরকারের]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28769</link>
    <pubDate>Fri, 19 Jun 2026 10:18:09 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28769</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/985-88.jpg" />    <article>
<p>হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তৃতীয় টার্মিনাল চালুর পর অ্যাভিয়েশন খাতে বিনিয়োগে ব্রিটিশ সরকারের আগ্রহের কথা জানিয়েছেন ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক।&nbsp;বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে এ আগ্রহের কথা জানান তিনি।</p>
</article>

<article>সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। পরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ফেসবুক পেজ থেকে করা এক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়।
<p>&nbsp;</p>

<p>বৈঠকে ব্রিটিশ হাইকমিশনার বর্তমান সরকারের সময়ে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় হওয়ার আশা ব্যক্ত করেন।</p>

<p>বৈঠকে কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও প্রশিক্ষণ খাতে ব্রিটিশ সরকারের সহযোগিতার প্রস্তাব দেওয়া হয়।</p>
</article>

<article>এছাড়া বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে বাণিজ্য বৃদ্ধি এবং বাংলাদেশে ব্রিটিশ বিনিয়োগ সম্প্রসারণের সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়, যা দেশে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে।
<p>&nbsp;</p>

<p>বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/985-88.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[জুয়া-মাদক-প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে কঠোর আইন, বগুড়ায় পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28768</link>
    <pubDate>Fri, 19 Jun 2026 10:17:21 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28768</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1107-77.jpg" />    <article>
<p>দেশে অনলাইন ও অফলাইন জুয়া প্রতিরোধ এবং মাদক কারবার ছড়ানো রুখতে ডগ স্কোয়াড গঠন, পাবলিক পরীক্ষার রেজাল্ট হ্যাকিংয়ের সর্বোচ্চ সাজা ৫ বছর কারাদণ্ড নির্ধারণ এবং বগুড়ায় একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে মোট চারটি আইনের খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।</p>

<p>বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সংসদ ভবনের মন্ত্রিপরিষদ সভাকক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ গুরুত্বপূর্ণ খসড়াগুলোর নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>সভায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে &lsquo;জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬&rsquo;-এর খসড়া উপস্থাপন করা হয়। এতে বলা হয়েছে, সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে জুয়ার বিস্তারে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সন্নিবেশ হওয়ায় অনলাইন ও অফলাইন নানা ধরনের জুয়া কার্যক্রম বিস্তার লাভ করছে। ফলে জনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ প্রবণতা হ্রাস, আর্থসামাজিক ও মানসিক ক্ষয়ক্ষতি প্রতিরোধকল্পে এ সকল জুয়া কার্যক্রমের উপর সমসাময়িক উৎকর্ষিত প্রযুক্তির সুবিধা গ্রহণ করে যথাযথ তত্ত্বাবধান ও আইনগত কাঠামো প্রদানপূর্বক রাষ্ট্রের সার্বিক নৈতিক ও অর্থনৈতিক ভারসাম্য রক্ষার্থে &lsquo;দ্য পাবলিক গ্যাম্বলিং অ্যাক্ট, ১৮৬৭&rsquo; প্রয়োজনীয় সংশোধনের মাধ্যমে হালনাগাদ ও যুগোপযোগী করে &lsquo;জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬&rsquo;-এর খসড়া প্রণয়ন করা হয়।</p>

<p>প্রস্তাবিত খসড়া আইনের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহ</p>

<ul>
	<li>জুয়া খেলা, জুয়ার স্থান, জুয়ার সামগ্রী, ডিজিটাল সম্পদ, ডিজিটাল গ্যাম্বলিং প্ল্যাটফর্ম, ডিজিটাল ওয়ালেট, টোটালাইজেটর, অনলাইন ও দূরবর্তী জুয়া, বাজি বা পণ (বেটিং), বাজিকর (বুকমেকার), ম্যাচ ফিক্সিং বা স্পট ফিক্সিংসহ জুয়া সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ের সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।</li>
</ul>
</article>

<article>
<ul>
	<li>অপরাধের প্রকৃতি ভেদে বিভিন্ন ধরনের সাজার (অর্থদণ্ড, কারাদণ্ড এবং উভয়দণ্ড) বিধান রাখা হয়েছে। পরে মন্ত্রিসভা কর্তৃক &lsquo;জুয়া প্রতিরোধ আইন, ২০২৬&rsquo;-এর খসড়া লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ভেটিং সাপেক্ষে চূড়ান্ত অনুমোদন করা হয়েছে।</li>
</ul>

<p>সভায় &lsquo;দ্য পাবলিক এক্সামিনেশনস (অফেন্সেস) (অ্যামেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট, ২০২৬&rsquo;-এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের উদ্যোগে এই আইনের খসড়া উপস্থাপন করা হয়।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>দেশের পাবলিক পরীক্ষাসমূহে নকল, প্রশ্নফাঁস, জাল সনদ প্রস্তুত এবং বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম প্রতিরোধের লক্ষ্যে &lsquo;দ্য পাবলিক এক্সামিনেশনস (অফেন্সেস) (অ্যামেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট, ১৯৮০&rsquo; প্রণীত হয়। তবে, বর্তমান প্রযুক্তির ব্যাপক ব্যবহার এবং ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরীক্ষাসংক্রান্ত অপরাধ সংঘটনের প্রবণতা বৃদ্ধি পাওয়ায় বিদ্যমান আইনের বিভিন্ন ধারা সময়োপযোগী নয়। পাবলিক পরীক্ষাসমূহে সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এবং ডিজিটাল পদ্ধতি ও অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে পরীক্ষাসংক্রান্ত অপরাধসমূহ এবং এর দণ্ড আইনের আওতায় আনয়নের উদ্দেশ্যে বিদ্যমান আইনে সংশোধন করা হয়েছে।</p>

<p>প্রস্তাবিত &lsquo;দ্য পাবলিক এক্সামিনেশনস (অফেন্সেস) (অ্যামেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট, ২০২৬&rsquo;-এর উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহ</p>

<ul>
	<li>পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল বা মেধাতালিকায় হ্যাকিং বা অবৈধভাবে পরিবর্তন করাকে &lsquo;ডিজিটাল ম্যানিপুলেশন&rsquo; শিরোনামে নতুন অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।</li>
	<li>ডিজিটাল ম্যানিপুলেশন করলে সর্বোচ্চ ৫ বছর কারাদণ্ড এবং জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।</li>
</ul>
</article>

<article>
<ul>
	<li>পাবলিক পরীক্ষায় সংগঠিতভাবে পরীক্ষা জালিয়াতি বা চক্র গঠন করলে কঠোর শাস্তি এবং জরিমানার বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।</li>
</ul>

<p>এদিন সভায়, &lsquo;বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬&rsquo;-এর খসড়াও নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই আইনটির উদ্যোক্তাও মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ।</p>

<p>এই আইনের খসড়ায় বলা হয়েছে, বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০১ গত ১৫ জুলাই ২০০১ তারিখে গেজেট আকারে প্রকাশিত হলেও সেটি কার্যকর করা হয় নাই। বর্তমানে উক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক নিয়োগ ও শিক্ষা কার্যক্রম চালু প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। বাস্তবতার পরিপ্রেক্ষিতে বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়কে পরিবর্তন করে বিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান, প্রকৌশল, কারিগরি, কলা, সামাজিক বিজ্ঞান, ব্যবসা প্রশাসন, আইন, কৃষি ও চিকিৎসাবিজ্ঞান ইত্যাদিসহ জ্ঞান-বিজ্ঞানের নতুন নতুন ক্ষেত্রে শিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টি, জ্ঞান চর্চা ও দক্ষ মানব সম্পদ তৈরির লক্ষ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে &lsquo;বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬&rsquo;-এর খসড়া প্রণয়ন করা হয়।</p>

<p>একইসঙ্গে সভায় &lsquo;মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) আইন, ২০২৬&rsquo;-এর খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই আইনে বলা হয়েছে- মাদকদ্রব্যের নিয়ন্ত্রণ, সরবরাহ ও চাহিদা হ্রাস, অপব্যবহার ও চোরাচালান প্রতিরোধ এবং মাদকাসক্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনকল্পে ২০১৮ সালের ৬৩ নম্বর আইন &lsquo;মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ (সংশোধিত, ২০২০)&rsquo; প্রণয়ন করা হয়। বর্তমান, মাদক পাচার ও অপব্যবহারের পরিবর্তিত ধরণ মাদকসংক্রান্ত প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধের বিস্তার এবং বিচারিক কার্যক্রমে উদ্ভূত বাস্তব সমস্যাসমূহ নিরসনকল্পে আইনটির কতিপয় ধারা সংযোজন ও সংশোধন করে &lsquo;মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) আইন, ২০২৬&rsquo;-এর খসড়া প্রস্তুত করা হয়।</p>

<p>প্রস্তাবিত খসড়া আইনের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহ</p>

<ul>
	<li>বিচারিক কার্যক্রম জোরদারকরণে মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠার বিধান সংযোজনের প্রস্তাব করা হয়েছে।</li>
	<li>মাদকদ্রব্য সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধের বিস্তার রোধে বিশেষ করে সাইবার স্পেসে সংঘটিত অপরাধ দমনে সাইবার ক্রাইম নিয়ন্ত্রণের নতুন বিধান সংযোজন করা হয়েছে।</li>
	<li>সীমান্ত এলাকায় মাদক পাচার প্রতিরোধ, অভিযান পরিচালনা ও আন্তঃসংস্থা সমন্বয়ের বিধান সংযোজন করা হয়েছে।</li>
	<li>মাদকদ্রব্য সহজেই শনাক্তকরণে ডগ স্কোয়াড গঠনের বিধান সংযোজন করা হয়েছে।</li>
</ul>

<p>মন্ত্রিসভা কর্তৃক &lsquo;মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) আইন, ২০২৬&rsquo;-এর খসড়া লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ভেটিং সাপেক্ষে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1107-77.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের অর্থ বেড়েছে ৪১ গুণ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28767</link>
    <pubDate>Fri, 19 Jun 2026 10:16:32 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28767</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1224-66.jpg" />    <article>
<p>সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের আমানত বেড়ে দাঁড়িয়েছে সাড়ে ১২ হাজার কোটি টাকায়। যার মধ্যে ২০২৫ সালে জমা হয়েছে সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা বেশি।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার সুইস ন্যাশনাল ব্যাংকের (<a href="https://www.snb.ch/en/news-publications/news">এসএনবি</a>) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।&nbsp;</p>

<p>প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৫ সাল নাগাদ ব্যক্তি ও ব্যাংক কর্তৃক সুইস ব্যাংকে রাখা বাংলাদেশি অর্থের পরিমাণ ৪১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৮৩৪.২ মিলিয়ন সুইস ফ্রাঁ (প্রায় ১২ হাজার ৭৬৩ কোটি টাকা)-তে পৌঁছেছে, যা এযাবৎকালের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।&nbsp;</p>

<p>একইসঙ্গে, এই পরিসংখ্যানটি গত চার বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ এবং ২০২৪ সালে রেকর্ডকৃত ৫৯০ মিলিয়ন সুইস ফ্রাঁ থেকে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি।&nbsp;</p>

<p>এর আগে ২০২১ সালে রেকর্ড ৮৭১.১ মিলিয়ন সুইস ফ্রাঁ-তে পৌঁছে।</p>
</article>

<article>যেটি ছিল দেশের ইতিহাসের সর্বকালের সর্বোচ্চ।&nbsp;</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1224-66.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[চুক্তি মানতে ব্যর্থ হলে ফের হামলার হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28766</link>
    <pubDate>Fri, 19 Jun 2026 10:15:45 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28766</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1326-55.jpg" />    <article>
<p>ইরান যদি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া চুক্তির শর্ত পূরণ করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে ওয়াশিংটন আবারও সামরিক পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত রয়েছে। একই সঙ্গে কঠোর অবরোধ পুনর্বহাল করতে পারে বলে সতর্ক করেছেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>সংবাদমাধ্যম <a href="https://aje.news/xsbi1c?update=4674958">আলজাজিরা</a> বলছে, ব্রাসেলসে ন্যাটো সদস্য দেশগুলোর প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।</p>

<p>হেগসেথ বলেন, &lsquo;প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, আলোচনার সময়সীমার মধ্যে ইরান যদি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী পদক্ষেপ না নেয়, তাহলে আমরা প্রয়োজন হলে আবারও ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত থাকব।&rsquo;</p>

<p>তিনি আরো বলেন, &lsquo;ইরান যদি চুক্তি মেনে না চলে, তাহলে আমরা পুনরায় কঠোর ও কার্যকর অবরোধ আরোপ করতে পুরোপুরি সক্ষম।&rsquo;</p>

<p>মার্কিন প্রশাসনের বক্তব্য অনুযায়ী, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণ এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করাই নতুন চুক্তির মূল লক্ষ্য।</p>
</article>

<article>তবে চুক্তির শর্ত বাস্তবায়নে তেহরানের ভূমিকার ওপর নিবিড় নজর রাখা হবে।</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1326-55.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নাইজারের বিমানবন্দরে বন্দুকধারীদের হামলা, নিহত ৩৫]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28765</link>
    <pubDate>Fri, 19 Jun 2026 10:14:27 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28765</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1391-44.jpg" />    <article>
<p><a href="https://www.bbc.com/news/articles/cdx7krkdqeno?fbclid=IwY2xjawShhTxleHRuA2FlbQIxMABicmlkETFlS2FEOFhkWGdQQTNtcm1Sc3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHosxuVDqgdCgahmSXEE0rAObtfRQ5fWAnhoUKRQTVICO-S9jKMYFsT-gjgQd_aem_nhrjUAeSPbrmylm_zoPgMg">নাইজারের রাজধানী নিয়ামেতে অবস্থিত</a> দেশের বৃহত্তম ও গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দর &#39;ডিওরি হামানি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর&#39;-এ বৃহস্পতিবার ভোরে&nbsp;বন্দুকধারীদের&nbsp;সশস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে মোট ৩৫ জন নিহত হয়েছেন।</p>
</article>

<article>নিহতদের মধ্যে ২২ জন হামলাকারী, ১১ জন সেনাসদস্য এবং দুইজন বেসামরিক নাগরিক রয়েছেন। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>পাঁচ মাসেরও কম সময়ের মধ্যে একই বিমানবন্দরে এটি দ্বিতীয় বড় হামলা। হামলার দায় স্বীকার করেছে আল-কায়েদার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জঙ্গিগোষ্ঠী জামাআত নুসরাত আল-ইসলাম ওয়াল-মুসলিমিন (জেএনআইএম)।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বৃহস্পতিবার ভোরে ফজরের নামাজ শেষ করার কিছুক্ষণ পরই বিমানবন্দর এলাকা থেকে বিস্ফোরণ ও গুলির শব্দ শোনা যায়। মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ নাইজারের রাজধানীজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বিমানবন্দরের কাছাকাছি বসবাসকারী লাওয়ালি সালহা বিবিসিকে বলেন, ভোর প্রায় ৫টা ৫০ মিনিটে তারা নামাজ শেষ করেন। এর কিছুক্ষণ পর একটি বিকট শব্দ শোনা যায়।</p>
</article>

<article>প্রথমে তারা ভেবেছিলেন কোনো টায়ার ফেটেছে বা ছোটখাটো বিস্ফোরণ ঘটেছে। পরে পরিস্থিতি দেখে তারা বুঝতে পারেন, সেখানে বড় ধরনের হামলা চলছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>নাইজারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নিরাপত্তা বাহিনীর পাল্টা অভিযানে ২২ হামলাকারী নিহত হন। এছাড়া চারজন হামলাকারী আহত হয়েছে এবং ২০ জন সন্দেহভাজনকে আটক করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ আরো জানিয়েছে, অভিযানের সময় বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে।</p>
</article>

<article>উদ্ধার করা অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে আরপিজি-৭ রকেট লঞ্চার, একে-৪৭ রাইফেল, গ্রেনেড, বিস্ফোরক, যোগাযোগের সরঞ্জাম এবং হাজার হাজার রাউন্ড গুলি।
<p>&nbsp;</p>

<p>হামলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। সকাল গড়ানোর আগেই মূল সংঘর্ষ শেষ হয়ে যায়। এরপর নিরাপত্তা বাহিনী পালিয়ে যাওয়া হামলাকারীদের খুঁজে বের করতে ব্যাপক অভিযান শুরু করে। স্থানীয় কিছু বাসিন্দাও অভিযানে অংশ নেন। তবে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা সাধারণ মানুষকে অভিযানে সরাসরি অংশ নিতে নিরুৎসাহিত করেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বাসিন্দা বলেন, হামলাকারীরা স্থানীয় জনগণের মধ্যে মিশে যাওয়ার চেষ্টা করেছিল। ফলে তাদের শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় অনেক বাসিন্দা নিজেদের নিরাপত্তার জন্য দা, লাঠি ও অন্যান্য সরঞ্জাম হাতে নিয়ে সতর্ক অবস্থান নেন। হামলার পর বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে বিমানবন্দর-সংলগ্ন এলাকা ঘিরে ফেলে নিরাপত্তা বাহিনী। ওই এলাকায় প্রবেশ ও বের হওয়ার সব পথ নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয়। যানবাহন ও যাত্রীদের কঠোর তল্লাশির মধ্য দিয়ে যেতে হয়।</p>

<p>আফ্রিকান ইউনিয়ন কমিশনের চেয়ারম্যান মাহমুদ আলি ইউসুফ এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি নাইজারের নিরাপত্তা বাহিনীর প্রশংসা করেন। তার মতে, নিরাপত্তা বাহিনীর দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপের কারণেই বিমানবন্দরের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে। &#39;ডিওরি হামানি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর&#39; নাইজারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত স্থাপনা। এটি শুধু দেশের প্রধান বেসামরিক বিমানবন্দরই নয়, একই সঙ্গে একটি সামরিক ঘাঁটি হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। এছাড়া সাহেল রাষ্ট্রগুলোর জোটের সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন স্থাপনাও এই এলাকায় অবস্থিত।নাইজার, মালি ও বুরকিনা ফাসোকে নিয়ে গঠিত সাহেল রাষ্ট্রগুলোর এই জোট বর্তমানে সামরিক সরকারের অধীনে পরিচালিত হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে চলা জঙ্গি সহিংসতা দমনে ব্যর্থতার কারণে এসব দেশে সামরিক সরকার ক্ষমতায় আসে।</p>

<p>গত এক দশক ধরে ইসলামপন্থি বিদ্রোহের বিরুদ্ধে লড়াই করছে নাইজার। এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারিতেও একই বিমানবন্দরে হামলা হয়েছিল। তখন ইসলামিক স্টেট-সংশ্লিষ্ট একটি গোষ্ঠী হামলার দায় স্বীকার করে। ওই ঘটনায় চারজন সেনাসদস্য আহত হন এবং নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে ২০ জন হামলাকারী নিহত হয় বলে জানিয়েছিল প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। জানুয়ারির ওই হামলার পর নাইজারের সামরিক সরকারের প্রধান আবদুরাহামানে তিয়ানি হামলা প্রতিহত করতে সহায়তার জন্য রাশিয়াকে ধন্যবাদ জানিয়েছিলেন। একই সঙ্গে তিনি ফ্রান্স, বেনিন ও আইভরি কোস্টের নেতাদের বিরুদ্ধে হামলাকারীদের সমর্থন দেওয়ার অভিযোগ তোলেন। তবে তিনি এসব অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করেননি। রাশিয়ার সহায়তার ধরন সম্পর্কেও বিস্তারিত কিছু জানাননি।</p>

<p>সাম্প্রতিক সময়ে বিমানবন্দরের আশপাশের কয়েকটি এলাকা গুঁড়িয়ে দিয়েছে নাইজার সরকার। কর্তৃপক্ষের দাবি, এসব এলাকায় সন্ত্রাসী কার্যক্রমের ঝুঁকি ছিল। পাশাপাশি বিমানবন্দরকে ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরো জোরদার করা হয়েছে। নিরাপত্তা বেষ্টনী সম্প্রসারণের পাশাপাশি ৩৫০টির বেশি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে- জানায় এএফপি।</p>

<p>হামলার ঘটনায় এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কাউকে গ্রেপ্তারের তথ্য জানায়নি নাইজারের কর্তৃপক্ষ।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1391-44.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[অস্ট্রেলিয়ায় বিপুল পরিমাণ মাদকসহ ব্রিটিশ অভিনেত্রী গ্রেপ্তার]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28764</link>
    <pubDate>Fri, 19 Jun 2026 10:13:37 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28764</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1475-33.jpg" />    <article>
<p>ঘানা থেকে অস্ট্রেলিয়ায় প্রায় <a href="https://www.bbc.com/news/articles/ckg5nq0172no?fbclid=IwY2xjawShkQ9leHRuA2FlbQIxMABicmlkETE0Y0NFSXJaYXdhQWVwNkpoc3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHv-R3iZ-5MAx61ujPGDQtPSN2qDZOngd6ADJhJvvwSpYbJ5ptvcFwKvktmAg_aem_lCN-3k79kTAhCnK3xee79A">৩০০ কেজিরও বেশি মেথামফেটামিন (এক ধরণের মারাত্মক মাদক) পাচারের চেষ্টার অভিযোগে</a> এমা হুসেন (৩৪) নামের এক ব্রিটিশ অভিনেত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সিডনির একটি আদালতে তাকে হাজির করা হয়।</p>
</article>

<article>বিপুলপরিমাণ এই মাদক আমদানির অপরাধ প্রমাণিত হলে তার সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে।
<p>&nbsp;</p>

<p>এমা হুসেন ব্রিটিশ টিভি সিরিজ ইস্টএন্ডার্স-এর স্পিন-অফ &lsquo;ই২০&rsquo; এবং বিখ্যাত হলিউড অভিনেতা জেসন স্ট্যাথামের ২০১৩ সালের অ্যাকশন সিনেমা &lsquo;হামিংবার্ড&rsquo;-এ অভিনয় করেছিলেন।</p>

<p>পুলিশ জানায়, ঘানা থেকে সিডনি বন্দরে আসা দুইটি শিপিং কন্টেইনার এক্স-রে করার পর এই মাদকচক্রের সন্ধান মেলে। কন্টেইনারগুলোতে সাধারণ কাঠকয়লার ব্যাগ থাকার কথা থাকলেও তার ভেতরে লুকানো ছিল ৩২০ কেজি মেথামফেটামিন।</p>
</article>

<article>জব্দ করা এই মাদকের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২৯৬ মিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলার (প্রায় ২০৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার)। সীমান্ত কর্তৃপক্ষ কন্টেইনারে মাদকের অস্তিত্ব টের পাওয়ার পর এপ্রিল মাসে তদন্ত শুরু করে। তবে অপরাধীদের ধরতে পুলিশ চালানের ভেতর থেকে মাদকগুলো আগেই সরিয়ে ফেলে এবং কন্টেইনারটি সিডনির একটি গুদামে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করে। পুলিশের অভিযোগ, অভিনেত্রী এমা হুসেন নিজেই ওই গুদামে গিয়ে লোকবল দিয়ে কন্টেইনারটি খোলার পুরো বিষয়টি তদারকি করেন।</article>

<article>এরপর তারা কয়েকটি ব্যাগ গাড়িতে লোড করে একটি বাড়িতে নিয়ে যান। সেখান থেকেই পুলিশ এমা হুসেনকে গ্রেপ্তার করে এবং তার ব্যবহৃত ইলেকট্রনিক ডিভাইস ও একটি নোটবুক জব্দ করে। এর আগে আদালতের এক আদেশে তার জামিন নামঞ্জুর করা হয়েছিল। আগামী আগস্ট মাসে তাকে আবারও আদালতে হাজির করা হবে।
<p>&nbsp;</p>

<p>এই আন্তর্জাতিক মাদক চোরাচালান তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডিলেড থেকে আরো এক নারী (৩০) এবং এক পুরুষকে (৩২) গ্রেপ্তার করেছে।</p>
</article>

<article>তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা সিডনিতে মাদক লুকিয়ে রাখার জন্য ভুয়া নাম-পরিচয় ব্যবহার করে স্টোরেজ ইউনিট বা গুদাম ভাড়া করেছিলেন। অস্ট্রেলিয়ান বর্ডার ফোর্সের কর্মকর্তারা জানান, অপরাধী চক্রগুলো মাদক লুকানোর জন্য কাঠকয়লার মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস ব্যবহার করলেও দক্ষ কর্মকর্তাদের চোখ ফাঁকি দেওয়া সম্ভব হয়নি।</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1475-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[জি-৭ সম্মেলনে মেলোনির ঠোঁটে চুম্বনের চেষ্টা জেলেনস্কির, ভিডিও ভাইরাল]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28763</link>
    <pubDate>Fri, 19 Jun 2026 10:12:50 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28763</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1516-22.jpg" />    <article>
<p>বিশ্বরাজনীতির মঞ্চে কখনো ছড়ায় তুমুল উত্তেজনা, কখনো আবার তৈরি হয় অনভিপ্রেত কিছু মুহূর্ত। ফ্রান্সে আয়োজিত জি-৭ সম্মেলনে বিশ্বনেতাদের উপস্থিতিতে এবার তেমনই এক চরম অস্বস্তিকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হলেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ও ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি।</p>
</article>

<article>পাশ্চাত্যরীতি মেনে গালে গাল ঠেকিয়ে অভিবাদন জানাতে গিয়ে পরিস্থিতি প্রায় গড়াতে চলেছিল ঠোঁটে চুম্বনের দিকে!&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইতিমধ্যে এই ঘটনার একটি ভিডিও দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়েছে। ভাইরাল ওই ভিডিওতে দেখা যায়, সম্মেলনের ফাঁকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েনের সঙ্গে আলাপ করছিলেন ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি। ঠিক ওই সময় সেখান দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন ইতালির প্রধানমন্ত্রী মেলোনি। আচমকা দেখা হওয়ায় একে অপরকে সৌজন্যমূলক অভিবাদন জানাতে এগিয়ে যান দুই রাষ্ট্রপ্রধান।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>কিন্তু মেলোনি কাছাকাছি আসতেই তাকে চুম্বন করতে যান জেলেনস্কি। গতিপ্রকৃতি দেখে মুহূর্তের জন্য ভড়কে গেলেও দ্রুত পরিস্থিতি সামলে নেন মেলোনি। কোনোমতে নিজেকে সামলে নিয়ে পাশ্চাত্য কায়দায় গালে গাল ঠেকিয়ে সৌজন্য বিনিময় সারেন তিনি। এরপর দ্রুতই যে যার পথে এগিয়ে যান।</p>
</article>

<article>তবে এই কয়েক সেকেন্ডের &lsquo;মিসটাইমিং&rsquo; বিশ্বমঞ্চে বেশ খানিকটা অস্বস্তি তৈরি করে।
<p>&nbsp;</p>

<p><iframe allowfullscreen="true" allowtransparency="true" frameborder="0" id="twitter-widget-0" scrolling="yes" src="https://platform.twitter.com/embed/Tweet.html?id=2066940066342350928"></iframe></p>

<p>&nbsp;</p>

<p>তবে শুধুই অস্বস্তি নয়, জি-৭ সম্মেলনের মঞ্চে আরো একবার দেখা মিলল বহুল আলোচিত &lsquo;মেলোডি&rsquo; (মেলোনি ও মোদি) রসায়নের। গ্রুপ ছবি তোলার জন্য বিশ্বনেতারা যখন সারিবদ্ধভাবে দাঁড়াচ্ছিলেন, তখন মঞ্চের সব আলো কেড়ে নেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বাগতিক ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি।</p>

<p>অন্য একটি ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, রাষ্ট্রনেতাদের ভিড় ঠেলে মোদির দিকে এগিয়ে যান মেলোনি এবং হেসেই করমর্দন করেন। এরপর দুজনের মধ্যে কিছুক্ষণ হালকা মেজাজে কথাবার্তা চলতে থাকে, যা দেখে মেলোনিকে বেশ হাসিখুশি মনে হচ্ছিল।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোর দাবি, কুশল বিনিময়ের সময় মোদি বলেন, &lsquo;আপনার সঙ্গে ফের দেখা হয়ে খুব আনন্দিত।&rsquo; জবাবে মোদির দিকে তাকিয়ে চওড়া হাসিতে মেলোনি রসিকতা করে বলেন, &lsquo;হ্যাঁ! আমরাই তো এখন ইনস্টাগ্রামের সবচেয়ে জনপ্রিয় জুটি।&rsquo;</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1516-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বিশ্বকাপে ছেলের খেলা দেখতে যুক্তরাষ্ট্রে উড়াল দিলেন ভোজিনহার মা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/28762</link>
    <pubDate>Fri, 19 Jun 2026 10:11:31 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/28762</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1614-11.jpg" />    <article>
<p>বিশ্বকাপের মঞ্চে ছেলের স্বপ্নপূরণের সাক্ষী হতে অবশেষে যুক্তরাষ্ট্রের পথে রওনা হয়েছেন কেপ ভার্দের গোলরক্ষক ভোজিনহার মা আনা কান্দিদা এভোরা। বুধবার দেশটির সাও ভিসেন্তে দ্বীপের সেসারিয়া এভোরা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে যাত্রা শুরু করেন তিনি।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>যাত্রার আগে নাতি মারভিন জুনিয়র ও নাতনি লাইস সোফিয়াকে নিয়ে বিমানবন্দরে আবেগঘন মুহূর্তে ছবি তোলেন আনা কান্দিদা। সেই ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ফুটবলপ্রেমীদের হৃদয় ছুঁয়ে যায়।</p>

<p>চলমান বিশ্বকাপে কেপ ভার্দের হয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন ৪০ বছর বয়সী গোলরক্ষক ভোজিনহা। বিশেষ করে শক্তিশালী স্পেনের বিপক্ষে অসাধারণ সব সেভ করে দলকে মূল্যবান ড্র এনে দিয়ে বিশ্বজুড়ে প্রশংসা কুড়িয়েছেন তিনি।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>বিশ্বকাপের অন্যতম শিরোপাপ্রত্যাশী স্পেনের বিপক্ষে কেপ ভার্দের ম্যাচের আগে অনেকেই একপেশে লড়াইয়ের পূর্বাভাস দিয়েছিলেন। তবে মাঠে যেন অদম্য এক প্রাচীর হয়ে দাঁড়ান ভোজিনহা। তার দুর্দান্ত গোলরক্ষণের সামনে বারবার ব্যর্থ হয় স্পেনের তারকা আক্রমণভাগ।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1614-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি নিয়ে সংসদে যা বললেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28761</link>
    <pubDate>Thu, 18 Jun 2026 10:15:11 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28761</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/930-1.jpg" />    <p><strong>রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বিশেষজ্ঞরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ড. মুহাম্মাদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের করা &lsquo;এগ্রিমেন্ট অন রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ(এআরটি)&rsquo;&nbsp; চুক্তিকে অসম ও দেশবিরোধী বললেও পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান জাতীয় সংসদে এই চুক্তির পক্ষে সাফাই গাইলেন। </strong></p>

<p>বিজ্ঞাপন</p>

<p>তিনি বলেছেন, এই চুক্তি বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণ, জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার এবং বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থায় বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী করবে।&nbsp;</p>

<p>বুধবার (১৭ জুন) জাতীয় সংসদে গাজীপুর-৫ আসনের সাংসদ এ কে এম ফজলুল হক মিলনের করা এক প্রশ্নের জবাবে এআরটি নিয়ে খলিলুর রহমান এমন মন্তব্য করেন। এই প্রশ্নের উত্তর টেবিলে উপস্থাপন করা হয়েছে।</p>

<p>এ কে এম ফজলুল হক মিলন তার প্রশ্নে জানতে চান নতুন রপ্তানি বাজার ও আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে কূটনৈতিক কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে কিনা?&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক চুক্তি, ব্যবসায়িক যোগাযোগ বাড়ানো, আন্তর্জাতিক ব্যবসায়িক সম্মেলন আয়োজনের তথ্য তুলে ধরেন।&nbsp;</p>

<p>খলিলুর রহমান বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্প্রতি অ্যাগ্রিমেন্ট অন রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ (এআরটি) স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই চুক্তির মাধ্যমে মার্কিন তুলা ব্যবহার করে উৎপাদিত তৈরি পোশাকের ক্ষেত্রে শূন্য শুল্ক সুবিধা নিশ্চিত হয়েছে। চুক্তিটি বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণ, জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার এবং বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থায় বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা যায়।</p>

<p>জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তিনদিন আগে গত ৯ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এই চুক্তি করে। এই চুক্তির মাধ্যমে আমেরিকা থেকে তুলা, জ্বালানি পণ্য, সয়াবিন, গম, উড়োজাহাজসহ বিভিন্ন পণ্য আমদানি করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের বাধ্যবাধকতা সৃষ্টি হয়েছে বলে ব্যবসায়ী ও বিশেষজ্ঞরা বলছেন। চুক্তি অনুযায়ী, এতে বাংলাদেশকে মানতে হবে ১৩১টি শর্ত।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/930-1.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[মানবিক সহায়তা জোরদার ও নারী নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28760</link>
    <pubDate>Thu, 18 Jun 2026 10:14:30 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28760</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/791-99.jpg" />    <p>বিশ্বব্যাপী মানবিক সংকট ক্রমশ গভীরতর হওয়ার প্রেক্ষাপটে মানবিক সহায়তা জোরদার, বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার কার্যক্রমে নারীদের অংশগ্রহণ আরও বৃদ্ধি করার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ।</p>

<p>নিউইয়র্ক স্থানীয় সময় বুধবার (১৭ জুন) জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের (ইকোসক) ২০২৬ সালের হিউম্যানিটারিয়ান অ্যাফেয়ার্স সেগমেন্টে দেওয়া বক্তব্যে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম মানবিক নীতি ও মূল্যবোধের প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।</p>

<p>তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি সম্প্রসারণ, দুর্যোগ প্রস্তুতি জোরদার, নারীর ক্ষমতায়ন এবং ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর সহায়তায় কাজ করে যাচ্ছে।</p>

<p>একই দিনে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা (ডব্লিউপিএস) বিষয়ক উন্মুক্ত বিতর্কে অংশ নিয়ে প্রতিমন্ত্রী শান্তি প্রতিষ্ঠা, সংঘাত প্রতিরোধ এবং সংঘাত-পরবর্তী পুনর্গঠনে নারীদের অপরিহার্য ভূমিকার ওপর আলোকপাত করেন।&nbsp;</p>

<p>তিনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে নিয়োজিত বাংলাদেশি নারী শান্তিরক্ষীদের পেশাদারিত্ব, নেতৃত্ব ও অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং শান্তি ও নিরাপত্তা খাতে নারীদের অর্থবহ অংশগ্রহণ বৃদ্ধির আহ্বান জানান।</p>

<p>প্রতিমন্ত্রী বিশ্বব্যাপী সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে নারী ও শিশুদের ক্রমবর্ধমান দুর্ভোগ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে তিনি ক্রমবর্ধমান মানবিক অর্থায়ন ঘাটতি মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।&nbsp;</p>

<p>তিনি রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করে তাদের নিজ দেশ মিয়ানমারে দ্রুত প্রত্যাবর্তনের আহ্বান জানান।</p>

<p>আগামী ১৮ জুন প্রতিমন্ত্রী ইকোসকের ২০২৬ হিউম্যানিটারিয়ান অ্যাফেয়ার্স সেগমেন্টের হাই-লেভেল প্যানেল ডিসকাশন-২-এ অংশ নেবেন। একই দিন তিনি জাতিসংঘ সদর দপ্তরে ইউএন উইমেনের আন্ডার-সেক্রেটারি জেনারেল ও নির্বাহী পরিচালক সিমা বাহাউসের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/791-99.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[জাইমার অন্যরকম আড্ডা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28759</link>
    <pubDate>Thu, 18 Jun 2026 10:13:42 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28759</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/984-88.jpg" />    <article>
<p>ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা ও আখাউড়া উপজেলার ৯০ কৃতী শিশুশিক্ষার্থীর সঙ্গে প্রাণবন্ত ও হৃদ্যতাপূর্ণ আড্ডায় অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। তিন ঘণ্টাব্যাপী এ আয়োজনে তিনি শিশুদের স্বপ্ন, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও ব্যক্তিগত আগ্রহের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং তাদের সামনে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার নানা ভাবনা তুলে ধরেন।</p>
</article>

<article>মঙ্গলবার রাজধানীর গুলশানের লেকশোর হোটেলে দুপুর ১টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত এ ব্যতিক্রমী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসনের সংসদ সদস্য মুশফিকুর রহমানের বড় মেয়ে মেহভীন রহমান মুনিয়া। আড্ডার শুরু থেকেই বেশ আন্তরিক ও প্রাণবন্ত ছিলেন জাইমা রহমান। তিনি শিশুদের উদ্দেশে বলেন, শুধু পাঠ্যবইয়ের জ্ঞান অর্জন করলেই হবে না, সাহিত্য-সংস্কৃতি, খেলাধুলা ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের প্রতিও মনোযোগ দিতে হবে। দেশ ও সমাজের জন্য নিজেকে গড়ে তুলতে হলে বহুমুখী দক্ষতা অর্জনের বিকল্প নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন।</article>

<article>একপর্যায়ে তিনি শিশুদের কাছে তাদের স্বপ্ন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানতে চান। পাশাপাশি নিজের জীবনের নানা অভিজ্ঞতাও তাদের সঙ্গে ভাগাভাগি করেন। শিশুদের সঙ্গে খোলামেলা আলাপচারিতার মাধ্যমে তিনি আত্মবিশ্বাসী ও মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার পরামর্শ দেন। আড্ডার একপর্যায়ে রান্না প্রসঙ্গ উঠলে জাইমা রহমান জানতে চান, শিশুদের কেউ রান্না করতে পারে কি না।</article>

<article>কয়েকজন শিক্ষার্থী ইতিবাচক উত্তর দিলে তিনি মজা করে বলেন, &lsquo;তোমাদের এলাকায় গেলে আমাকে কী খাওয়াবে?&rsquo; জবাবে শিশুরা বিরিয়ানি রান্না করে খাওয়ানোর কথা জানায়। তখন তিনি বিরিয়ানির সঙ্গে ইলিশ মাছ খাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করলে পুরো পরিবেশ আনন্দ মুখর হয়ে ওঠে। অনুষ্ঠানে শিশুদের আবদারে তিনি তাদের টি-শার্টে অটোগ্রাফ দেন এবং একসঙ্গে মধ্যাহ্নভোজেও অংশ নেন। তার আন্তরিকতা ও সহজ-সরল আচরণে শিক্ষার্থীরা মুগ্ধ হয়।
<p>&nbsp;</p>

<p>কসবা সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী জাফনাহ ইসলাম নাযিফা বলেন, জাইমা আপু এত কাছে এসে আমাদের সঙ্গে গল্প করবেন, এটা কখনো ভাবিনি।</p>
</article>

<article>তিনি আমাদের পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা ও সৃজনশীল কাজে অংশ নিতে উৎসাহ দিয়েছেন। রামধননগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী নাহিয়ান ওসমান রাহিন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কন্যার সঙ্গে দেখা করে খুব ভালো লেগেছে। তিনি আমাদের বাবা-মায়ের কথা শুনতে এবং নিয়মিত পড়াশোনা করতে বলেছেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>উপস্থিত সহকারী শিক্ষক জান্নাতুল ফেরদৌস বাবলী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কন্যার সঙ্গে শিশুরা বেশ ভালো সময় কাটিয়েছে। তিনি প্রতিটা শিশুকে কাছে ডেকে তাদের কথা শুনেছেন। নিজের জীবনের কথা শুনিয়েছেন। অনেক স্বপ্নের কথা বলেছেন। শিশুদের টি-শার্টে অটোগ্রাফ দিয়েছেন। তাদের সঙ্গে খাবার খেয়েছেন। শিশুদের প্রায় তিন ঘণ্টা সময় দিয়েছেন। আখাউড়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ড. দৌলত হোসেন ভূঁইয়া বলেন, জাইমা রহমানের সঙ্গে আলোচনায় বসতে পেরে শিশুরা বেশ অনুপ্রাণিত হয়েছে। আমি ব্যক্তিগতভাবেও এটা নিয়ে বেশ আনন্দিত। জাইমা রহমান শিশু শিক্ষার্থীদের কথা মনোযোগ দিয়ে শুনেছেন এবং নিজের বিষয়েও শিশুদের সঙ্গে কথা বলেছেন।</p>

<p>কসবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ছামিউল ইসলাম বলেন, কসবা-আখাউড়ার শিশুদের জন্য এটি ছিল একটি অনন্য ও অনুপ্রেরণাদায়ক আয়োজন। জাইমা রহমান অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে শিশুদের কথা শুনেছেন এবং তাদের উৎসাহিত করেছেন। এ অভিজ্ঞতা তাদের ভবিষ্যৎ পথচলায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।</p>

<p>আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাপসী রাবেয়া বলেন, শিশুদের অনুপ্রেরণার জন্য এটি একটি অসাধারণ উদ্যোগ।</p>

<p>অনুষ্ঠানে অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি ও সংসদ সদস্য মুশফিকুর রহমান, কসবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ছামিউল ইসলাম, আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাপসী রাবেয়া, শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/984-88.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[পরীর বাসায় টানা ১ মাস রাত যাপন সাকলায়েনের!]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28758</link>
    <pubDate>Thu, 18 Jun 2026 10:12:57 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28758</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1106-77.jpg" />    <p>স্ত্রী বাসায় না থাকা অবস্থায় ২০২১ সালের ১ আগস্ট ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) সাবেক সেই অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) ও বর্তমানে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. গোলাম সাকলায়েনের রাজারবাগে সরকারি বাসায় যান নায়িকা পরীমনি। প্রায় ১৭ ঘণ্টা সেখানে অবস্থান করেন তিনি। এদিকে ৪ জুলাই থেকে ৪ আগস্ট পর্যন্ত সাকলায়েন বিভিন্ন সময়ে পরীমনির বাসায় অবস্থান করেছেন। তার ও পরীর মোবাইল ফোনে আদান-প্রদানকৃত মেসেজ ও ফেসবুক মেসেঞ্জারে কথোপকথন সাধারণ পরিচিতি বা পেশাগত প্রয়োজনে স্থাপিত কোনো সম্পর্কের নয়; বরং অনৈতিক প্রেমের সম্পর্ক। পুলিশ অধিদপ্তরের এলআইসি শাখা থেকে দেওয়া সাকলায়েনের ফোনের সিডিআর থেকে এসব তথ্য পাওয়া যায়।</p>

<p>সাকলায়েনকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হচ্ছে। পরীমণির সঙ্গে রাত্রিযাপন ও অনৈতিক সম্পর্কের বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর জন্য তৈরি প্রজ্ঞাপনের সারসংক্ষেপে এরই মধ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ স্বাক্ষর করেছেন। সারসংক্ষেপটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় হয়ে রাষ্ট্রপতির দপ্তরে পাঠানো হবে। পরে রাষ্ট্রপতির আদেশে তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।</p>

<p>ঢাকা বোট ক্লাবে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে ২০২১ সালের ১৪ জুন ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন পরীমনি। সেই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন গোলাম সাকলায়েন। সেই সূত্র ধরে সাকলায়েনের বাসায় যাতায়াত শুরু হয় পরীমনির।</p>

<p>সিসিটিভির ফুটেজে দেখা যায়, ২০২১ সালের ১ আগস্ট সকালে পরীমনি নিজের গাড়ি নিয়ে সাকলায়েনের বাসায় যান এবং গভীর রাতে বেরিয়ে আসেন। অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ ওঠার পর গোলাম সাকলায়েনকে ডিবি থেকে বদলি করা হয়েছিল। পাশাপাশি তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। অভিযোগের সত্যতা পায় ওই কমিটি। এরপর ২০২৪ সালের ১৩ জুন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ তাকে চাকরি থেকে &lsquo;বাধ্যতামূলক অবসর প্রদানে&rsquo;র বিষয়ে সরকারি কর্মকমিশন সচিবালয়ের (পিএসসিতে) পরামর্শ চেয়ে চিঠি পাঠায়। এরই মধ্যে মতামত এসেছে পিএসসি থেকে। সেই মতামত অনুযায়ীই নেওয়া হচ্ছে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত।</p>

<p>পিএসসিতে পাঠানো স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে বলা হয়, ডিবি গুলশান বিভাগের এডিসি থাকাকালে নায়িকা পরীমণির সঙ্গে ঘটনাক্রমে দেখা এবং যোগাযোগ শুরু হয়। এর ধারাবাহিকতায় তিনি নায়িকা পরীমনির বাসায় নিয়মিত রাত্রিযাপন করতে শুরু করেন।</p>

<p>পুলিশ অধিদপ্তরের এলআইসি শাখা থেকে দেওয়া তার ফোনের সিডিআর অনুযায়ী, ২০২১ সালের ৪ জুলাই থেকে ৪ আগস্ট পর্যন্ত তিনি বিভিন্ন সময়ে (দিনে ও রাতে) নায়িকা পরীমনির বাসায় অবস্থান করেছেন। তার ও পরীমনির মোবাইল ফোনে আদান-প্রদানকৃত মেসেজ ও ফেসবুক মেসেঞ্জারে কথোপকথন সাধারণ পরিচিতি বা পেশাগত প্রয়োজনে স্থাপিত কোনো সম্পর্কের নয়; বরং অনৈতিক প্রেমের সম্পর্ক।</p>

<p>চিঠির তথ্য অনুযায়ী, গোলাম সাকলায়েনের স্ত্রী বাসায় না থাকা অবস্থায় ২০২১ সালের ১ আগস্ট পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী নায়িকা পরীমনি তার (সাকলায়েন) রাজারবাগে সরকারি বাসায় যান। প্রায় ১৭ ঘণ্টা সেখানে অবস্থান করেন। পরদিন ২ আগস্ট রাত ১টা ৩০ মিনিটে বাসা ত্যাগ করেন।</p>

<p>স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে বলা হয়, সাকলায়েন পুলিশের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হয়ে সরকারি দায়িত্বের বাইরে নায়িকা পরীমনির সঙ্গে অতিমাত্রায় ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক স্থাপন করেছিলেন। বলা হয়, সাকলায়েন বিবাহিত ও এক সন্তানের জনক। এর পরও পরীমনির সঙ্গে তার বিবাহবহির্ভূত অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন, পরীমনির সঙ্গে জন্মদিন উদযাপন এবং নিজের সরকারি বাসভবনে নিজ স্ত্রীর অবর্তমানে সময় কাটানোর মতো ঘটনা সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে।</p>

<p>এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কাজী মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি বেশ আলোচিত হলেও আমার কাছে আপডেট নেই। সংশ্লিষ্ট শাখা ভালো বলতে পারবে। মন্ত্রণালয়ের শৃঙ্খলা শাখার উপসচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান তালুকদার বিষয়টি নিয়ে টেলিফোনে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1106-77.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[শুক্রবারের মধ্যেই শান্তিচুক্তির পূর্ণাঙ্গ খসড়া প্রকাশ হবে : জেডি ভ্যান্স]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28757</link>
    <pubDate>Thu, 18 Jun 2026 10:11:54 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28757</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1223-66.jpg" />    <article>
<p>যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার শান্তিচুক্তির পূর্ণাঙ্গ খসড়া আগামী শুক্রবারের মধ্যেই প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স।</p>

<p>মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএসকে দেওয়া <a href="https://www.cbsnews.com/news/jd-vance-interview-iran-deal-text/">এক সাক্ষাৎকারে</a> ভ্যান্স বলেন, ওয়াশিংটন এই দলিল আরো দ্রুত প্রকাশের জন্য চাপ দিচ্ছে।</p>
</article>

<article>তবে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করা কাতার ও পাকিস্তানের আলোচকরা &lsquo;অল্প সময়ের জন্য পূর্ণাঙ্গ খসড়া প্রকাশ না করার অনুরোধ&rsquo; জানিয়েছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>মার্কিন জনগণের জন্য একটি ভালো চুক্তি হিসেবে অভিহিত করে ভ্যান্স বলেন, &lsquo;আমরা এটি আজই প্রকাশের জন্য চাপ দিচ্ছি, কারণ আমরা চাই মার্কিন জনগণ যেন জানতে পারে এই চুক্তিতে কী আছে।&rsquo;&nbsp;</p>

<p>গণমাধ্যমে ফাঁস হওয়া খসড়া নিয়ে প্রতিবেদনগুলোর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, চুক্তির বিষয়ে কিছু &lsquo;বিকৃত তথ্য&rsquo; ছড়ানো হচ্ছে।&nbsp;</p>

<p>ভ্যান্স স্পষ্ট করে জানান, এই চুক্তির ফলে হরমুজ প্রণালি &lsquo;অবিলম্বে&rsquo; উন্মুক্ত হয়ে যাবে এবং এটি একটি কাঠামো হিসেবে কাজ করবে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট আরো বলেন, &lsquo;ইরান যদি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোতে অর্থায়ন বন্ধ এবং পরমাণু অস্ত্র অর্জনের চেষ্টা থেকে সরে আসার বিষয়ে আমাদের চাহিদা পূরণ করে, তবেই তারা কিছু সুবিধা পাবে এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে পুনরায় ফিরে আসার সুযোগ পাবে।&rsquo;</p>

<p>এই সুবিধা বলতে তিনি ইরানের অর্থনীতির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার কথা বুঝিয়েছেন। ভ্যান্স দাবি করেন, &lsquo;আমরা তাদের পরমাণু কর্মসূচি ধ্বংস করে দিয়েছি। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এখন তাদের এমন প্রণোদনা দিতে চাইছেন যাতে তারা দীর্ঘ মেয়াদে আর সেই কর্মসূচি পুনর্গঠন করার চেষ্টা না করে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1223-66.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নরওয়ের রাজকুমারীর ফুসফুস প্রতিস্থাপন সফল]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28756</link>
    <pubDate>Thu, 18 Jun 2026 10:11:14 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28756</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1325-55.jpg" />    <article>
<p><a href="https://www.reuters.com/world/europe/norways-crown-princess-undergoes-successful-lung-transplant-palace-says-2026-06-17/?fbclid=IwY2xjawSfVoRleHRuA2FlbQIxMABicmlkETF3UkNBY3VFeWRjRUVqUUN2c3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHqdw4r5rGaklv9fmhUPI35gouu8a3KDDITryj0kMHfpCqIAqSVoY4IzCE3Fh_aem_6V6RixmvQd-_6OECLG49BA">নরওয়ের ক্রাউন প্রিন্সেস মেটে-মারিটের সফলভাবে</a> ফুসফুস প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। তবে পুরোপুরি সুস্থ হতে তাকে আরো কয়েক সপ্তাহ হাসপাতালে থাকতে হবে বলে বুধবার জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>রাজপরিবারের জন্য এই ফুসফুস প্রতিস্থাপন এমন এক সময়ে হয়েছে, যখন তারা ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এই সপ্তাহের শুরুতে, ক্রাউন প্রিন্সেস মেটে-মারিটের আগের সম্পর্কের ২৯ বছর বয়সী ছেলে <a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/06/16/1698409">মারিয়াস বোরগ হোইবি ধর্ষণ&nbsp; মামলায় </a>দোষী সাব্যস্ত হয়ে চার বছরের কারাদণ্ড পেয়েছেন। তবে তার আইনজীবী জানিয়েছেন, হোইবি এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবেন।</p>

<p>নরওয়ের সিংহাসনের উত্তরাধিকারী হাকনের ৫২ বছর বয়সী স্ত্রী মেটে-মারিট ২০১৮ সালে পালমোনারি ফাইব্রোসিসে আক্রান্ত বলে শনাক্ত হন।</p>
</article>

<article>এই দীর্ঘমেয়াদি রোগে ফুসফুসে ক্ষত সৃষ্টি হয় এবং শরীরের অক্সিজেন গ্রহণের ক্ষমতা কমে যায়।
<p>&nbsp;</p>

<p>অসলো বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতাল জানিয়েছে, ফুসফুস প্রতিস্থাপন সফল হয়েছে। তবে অস্ত্রোপচারটি ঠিক কবে করা হয়েছে, তা প্রকাশ করা হয়নি। হাসপাতালের অধ্যাপক আরো হোম বলেন, অন্য রোগীদের মতো মেটে-মারিটকেও কয়েক সপ্তাহ হাসপাতালে থাকতে হবে।</p>
</article>

<article>এ সময় তার ওষুধের মাত্রা সমন্বয়, সম্ভাব্য জটিলতার চিকিৎসা এবং পুনর্বাসন কার্যক্রম চলবে।
<p>&nbsp;</p>

<p>গত ৫ জুন তার স্বাস্থ্যের হঠাৎ অবনতি হওয়ায় তাকে ফুসফুস প্রতিস্থাপনের অপেক্ষমাণ তালিকায় রাখা হয়। চিকিৎসকদের মতে, অস্ত্রোপচার ছাড়া তার বেঁচে থাকার সম্ভাবনা খুবই সীমিত ছিল। রাজপ্রাসাদ জানিয়েছে, সমর্থন ও শুভকামনার জন্য যুবরাজ ও যুবরানী জনগণকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর তার শারীরিক অবস্থার পরবর্তী তথ্য জানানো হবে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>নরওয়েতে প্রতি বছর প্রায় ৩০ থেকে ৩৫টি ফুসফুস প্রতিস্থাপন করা হয়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলেছে, অঙ্গ প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে রাজপরিবারের সদস্যদের জন্য কোনো বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয় না।</p>

<p>তারা আরো জানায়, এর আকার সঠিক হতে হবে, রক্তের গ্রুপও সঠিক হতে হবে এবং আমাদের নিশ্চিত করতে হবে যে, গ্রহীতার শরীরে ওই অঙ্গের টিস্যুর ধরনের বিরুদ্ধে কোনো অ্যান্টিবডি নেই। এর মূল উদ্দেশ্য হলো সঠিক অঙ্গটি সঠিক ব্যক্তির কাছে পৌঁছে দেওয়া। এর মানে হলো, সফলতার সম্ভাবনা বাড়ানোর জন্য অনেকগুলো বিষয়কে অনুকূলে থাকতে হয়।</p>

<p>অসলো বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, নরওয়েতে ফুসফুস প্রতিস্থাপন করা রোগীদের মধ্যে প্রায় ৯০ শতাংশ অস্ত্রোপচারের পর অন্তত এক বছর বেঁচে থাকেন। আর প্রায় ৫৫ শতাংশ রোগী ১০ বছর বা তারও বেশি সময় জীবিত থাকেন।</p>

<p>গত ডিসেম্বরে যুবরাজ হাকন জানিয়েছিলেন, মেটে-মারিটের শারীরিক অবস্থার ওঠানামা হচ্ছিল এবং তার শ্বাসকষ্ট বেড়ে গিয়েছিল। নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী জোনাস গার স্টোরে রাজকুমারীর অসুস্থতা নিয়ে খোলামেলা কথা বলার প্রশংসা করেন। তার মতে, এতে একই রোগে আক্রান্ত অন্য মানুষ উপকৃত হতে পারেন।</p>

<p>মেটে-মারিটের সঙ্গে যুবরাজ হাকনের পরিচয় হয় ১৯৯৯ সালে একটি সঙ্গীত উৎসবে। তখন তিনি একজন একক মা এবং সাধারণ পরিবারের সদস্য ছিলেন। তাদের সম্পর্ক শুরুতে বিতর্কের জন্ম দিলেও পরে তা নরওয়ের সবচেয়ে আলোচিত ও জনপ্রিয় রাজকীয় প্রেমকাহিনীগুলোর একটিতে পরিণত হয়।</p>

<p>কিন্তু এ বছর একের পর এক কেলেঙ্কারির কারণে নরওয়ের রাজতন্ত্রের প্রতি জনসমর্থন কমে গেছে বলে জনমত জরিপে দেখা গেছে। বিশেষ করে মেটে-মারিটের ছেলে মারিয়াস বোরগ হোইবির বহুল আলোচিত বিচার ও সাজা নিয়ে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনা হয়েছে।</p>

<p>এদিকে, নরওয়ের রাজকুমারী মার্থা লুইস প্রয়াত মার্কিন যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টাইনের সঙ্গে অতীতে সম্পর্ক থাকার জন্য রাজা ও রানির কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। তিনি জানান, এপস্টাইনকে একসময় বন্ধু মনে করলেও তার মৃত্যুর কয়েক বছর আগেই সম্পর্ক ছিন্ন করেছিলেন। ফেব্রুয়ারিতে পরিচালিত এক জরিপে দেখা যায়, নরওয়েতে রাজতন্ত্র বজায় রাখার পক্ষে সমর্থন রেকর্ড সর্বনিম্ন ৬০ শতাংশে নেমে আসে। তবে মে মাসে সেই সমর্থন কিছুটা বেড়ে ৬৪ শতাংশে পৌঁছায়।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1325-55.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চূড়ান্ত আলোচনায় বাধা হতে পারে চার গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28755</link>
    <pubDate>Thu, 18 Jun 2026 10:10:21 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28755</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1390-44.jpg" />    <article>
<p>প্রায় চার মাসের সংঘাত বন্ধে একটি সমঝোতা স্মারক সই করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। তবে যুদ্ধ বন্ধে চূড়ান্ত আলোচনায় পারমাণবিক কর্মসূচি, হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং ইসরায়েলের অবস্থান&mdash;এই চার গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু দুই দেশের মধ্যে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।</p>
</article>

<article>আগামী শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে অনুষ্ঠিতব্য বৈঠক ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তাই বাড়ছে আগ্রহ ও অনিশ্চয়তা।
<p>&nbsp;</p>

<p>এ দিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইরানের নেতারা সম্প্রতি একটি সমঝোতা স্মারকে (এমওইউ) সম্মতি দিয়েছেন। তবে নির্ধারিত ৬০ দিনের মধ্যে চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছানো কঠিন হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/sport/2026/06/18/1699353" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p><strong>পারমাণবিক কর্মসূচি সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ&ndash;</strong><br />
আলোচনার সবচেয়ে স্পর্শকাতর বিষয় হচ্ছে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি।</p>
</article>

<article>ট্রাম্প এরই মধ্যেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করার বিষয়ে ইরানের অঙ্গীকারের কথা প্রচার করেছেন, কিন্তু তা মূলত তেহরানের দীর্ঘদিনের প্রতিশ্রুতিরই পুনরাবৃত্তি।
<p>&nbsp;</p>

<p>মূল বিরোধ দেখা দিয়েছে ইরানের কাছে থাকা উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদ নিয়ে। যুক্তরাষ্ট্র চায় এসব ইউরেনিয়াম বিদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হোক অথবা ধ্বংস করা হোক। অন্যদিকে ইরান এ দুই প্রস্তাবই প্রত্যাখ্যান করেছে, যদিও উপাদানটির ঘনত্ব কমানোর বিষয়ে কিছুটা নমনীয়তার ইঙ্গিত দিয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হলো ভবিষ্যতে ইউরেনিয়ামের সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রম। ওয়াশিংটন এক পর্যায়ে ইরানে সম্পূর্ণভাবে সমৃদ্ধকরণ বন্ধের দাবি জানালেও তেহরান বলছে, তারা নিজেদের এ অধিকার ছাড়বে না।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/06/18/1699347" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>সূত্রগুলোর দাবি, উভয় পক্ষ ৫ থেকে ২০ বছরের সম্ভাব্য স্থগিতাদেশ নিয়ে আলোচনা করেছে, তবে এখনো কোনো সমঝোতা হয়নি। এ ছাড়া ২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তির আওতায় থাকা আন্তর্জাতিক পরিদর্শন ব্যবস্থাও আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।</p>

<p><strong>হরমুজ প্রণালি নিয়ে অনিশ্চয়তা&ndash;</strong><br />
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহের সংকট তৈরি হয়।</p>
</article>

<article>সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী শুক্রবার থেকে গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ পুনরায় খুলে দেওয়া হবে।
<p>&nbsp;</p>

<p>তবে জাহাজ পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলো এখনো সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র চায় প্রণালিটি টোলমুক্ত থাকুক, কিন্তু ইরান বলছে, যুদ্ধের পর অর্জিত প্রভাব বজায় রাখতে তারা এর ব্যবস্থাপনায় ভূমিকা রাখবে।</p>

<p><strong>নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ও জব্দ সম্পদ নিয়ে মতপার্থক্য&ndash;</strong><br />
ইরান দ্রুত মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং বিদেশে আটকে থাকা বিলিয়ন ডলারের সম্পদ মুক্ত করার দাবি জানিয়েছে। বিপরীতে যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, ইরানের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অগ্রগতির ভিত্তিতে ধাপে ধাপে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হবে।</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/sport/2026/06/18/1699346" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>মার্কিন কর্মকর্তাদের প্রকাশ করা সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, ইরানকে অবিলম্বে আবার তেল বিক্রির অনুমতি দেওয়া হবে। এ সিদ্ধান্ত ট্রাম্প প্রশাসনের সমালোচকদের মধ্যে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। তাদের অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে অতিরিক্ত ছাড় দিচ্ছে।</p>

<p><strong>ইসরায়েল কি বাধা হয়ে দাঁড়াবে?</strong><br />
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এরই মধ্যে স্পষ্ট করেছেন, লেবাননে ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে তাদের সামরিক অভিযানের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান কোনো চুক্তি ইসরায়েলের জন্য বাধ্যতামূলক হবে না।</p>

<p>বিশ্লেষকরা বলছেন, ইসরায়েলের অবস্থান ভবিষ্যৎ সমঝোতার বাস্তবায়নে নতুন জটিলতা তৈরি করতে পারে। আসন্ন বৈঠকে কোনো অগ্রগতি অর্জিত হবে কি না, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। তবে পারমাণবিক কর্মসূচি, হরমুজ প্রণালি, নিষেধাজ্ঞা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ইস্যুতে গভীর মতপার্থক্য থাকায় চূড়ান্ত সমঝোতার পথ এখনো কঠিন বলেই মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।</p>

<p><strong>সূত্র :</strong> <strong><a href="https://www.reuters.com/world/middle-east/what-challenges-could-stand-way-final-us-iran-deal-2026-06-17/?fbclid=IwY2xjawSgNp9leHRuA2FlbQIxMABicmlkETFtRGJKNkN4eDJ5bFRaQnJTc3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHoCmFfd2hjNsv6Y4mnmZ19Qo2o3hmpagVuMfZ6Sdufx57uwy_VRxJtvvaLpV_aem_5IOHLmB070ntTh6YTQh9yA">রয়টার্স</a></strong></p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1390-44.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তিতে ট্রাম্পের স্বাক্ষরের ভিডিও প্রকাশ করলেন ম্যাক্রোঁ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28754</link>
    <pubDate>Thu, 18 Jun 2026 10:09:03 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28754</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1474-33.jpg" />    <p>ফ্রান্সের প্যারিসের ভার্সাই প্রাসাদে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেছেন।&nbsp; চুক্তি স্বাক্ষরের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশ করেছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ।&nbsp;&nbsp;</p>

<p>ভিডিওতে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে একটি চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করতে দেখা যায়।</p>

<p>ভিডিওটি শেয়ার করে ম্যাক্রোঁ লিখেছেন, &lsquo;প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আজ রাতে ভার্সাইয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন।&rsquo;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি আরও বলেন, &lsquo;এই চুক্তি দীর্ঘস্থায়ী শান্তির পথ তৈরি করবে এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালুর সুযোগ করে দেবে। এটি সঠিক পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ, যা শিগগিরই জ্বালানির দাম কমাতে সহায়তা করবে।&rsquo;</p>

<p>&nbsp;</p>

<blockquote>
<p dir="ltr" lang="fr">Le Pr&eacute;sident Trump a sign&eacute; ce soir &agrave; Versailles l&rsquo;accord entre l&rsquo;Iran et les &Eacute;tats-Unis.<br />
<br />
Cet accord ouvre la voie &agrave; une paix durable et permet la r&eacute;ouverture du d&eacute;troit d&rsquo;Ormuz.<br />
<br />
C&rsquo;est un pas important dans la bonne direction pour nos compatriotes&hellip; <a href="https://t.co/b1XgZrBv0m">pic.twitter.com/b1XgZrBv0m</a></p>
&mdash; Emmanuel Macron (@EmmanuelMacron) <a href="https://x.com/EmmanuelMacron/status/2067400239657410963?ref_src=twsrc%5Etfw">June 18, 2026</a></blockquote>

<p>&nbsp;</p>

<p>শুক্রবার (১৯ জুন) আনুষ্ঠানিকভাবে এই সমঝোতা স্মারক সই হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর চূড়ান্ত চুক্তি নিয়ে আলোচনার জন্য ৬০ দিনের একটি সময়সীমা শুরু হবে।&nbsp; এর আগে দুই পক্ষের প্রতিনিধিরা সরাসরি উপস্থিত না হয়ে ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে ইলেকট্রনিক উপায়ে এই চুক্তিতে সই করেছেন। সমঝোতা স্মারকে হরমুজ প্রণালি আবার খুলে দেওয়ার কথা বলা রয়েছে। পাশাপাশি ইরানের ওপর থেকে নির্দিষ্ট কিছু আর্থিক নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার কথা বলা হয়েছে।</p>

<p>তথ্যসূত্র: আল জাজিরা</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1474-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[মেসিকে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপে অনন্য রেকর্ড গড়লেন হ্যারি কেইন]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/28753</link>
    <pubDate>Thu, 18 Jun 2026 10:08:04 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/28753</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1515-22.jpg" />    <article>
<p>২০২৬ বিশ্বকাপে নতুন এক মাইলফলক স্পর্শ করলেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেইন। ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে পেনাল্টি থেকে গোল করে বিশ্বকাপ ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি পেনাল্টি গোলের রেকর্ড নিজের করে নিয়েছেন এই তারকা স্ট্রাইকার।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>ম্যাচে স্পট-কিক থেকে পাওয়া সুযোগ কাজে লাগিয়ে গোল করেন কেইন। এর মাধ্যমে বিশ্বকাপে তার পেনাল্টি গোলের সংখ্যা দাঁড়ায় পাঁচে। আর এতেই তিনি পেছনে ফেলেছেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসিসহ আরো কয়েকজন কিংবদন্তিকে।</p>

<p>এর আগে বিশ্বকাপে চারটি করে পেনাল্টি গোল করেছিলেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসি, আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি গ্যাব্রিয়েল বাতিস্তুতা, পর্তুগালের ইউসেবিও এবং নেদারল্যান্ডসের রব রেনসেনব্রিঙ্ক।</p>
</article>

<article>তাদের সবাইকে ছাড়িয়ে এখন তালিকার শীর্ষে ইংল্যান্ডের এই গোলমেশিন।
<p>&nbsp;</p>

<p>বিশ্বকাপের মতো চাপের মঞ্চে পেনাল্টি নেওয়া সবসময়ই বড় পরীক্ষা। কিন্তু ইংল্যান্ড অধিনায়ক বারবার প্রমাণ করেছেন, গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে তার স্নায়ু কতটা শক্ত। সেই দক্ষতার ফল হিসেবেই ইতিহাসের পাতায় যুক্ত হলো নতুন এক রেকর্ড।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>বর্তমান খেলোয়াড়দের মধ্যে এই রেকর্ডে চ্যালেঞ্জ জানানোর সুযোগ রয়েছে কেবল মেসির সামনে। তবে সেটির জন্য আর্জেন্টাইন অধিনায়ককে আসরের বাকি ম্যাচগুলোতে আরো পেনাল্টি থেকে গোল করতে হবে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1515-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[টম ক্রুজ থেকে বেকহাম, তারকায় মুখরিত বিশ্বকাপের গ্যালারি]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/28752</link>
    <pubDate>Thu, 18 Jun 2026 10:07:19 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/28752</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1613-11.jpg" />    <article>
<p>ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬ শুধু মাঠের লড়াইয়েই সীমাবদ্ধ নেই, সমান আলোচনায় রয়েছে গ্যালারির তারকাখচিত উপস্থিতিও। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোয় অনুষ্ঠিত এই আসরের শুরু থেকেই বিশ্বের বিভিন্ন অঙ্গনের খ্যাতিমান ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে স্টেডিয়ামগুলো হয়ে উঠেছে আরো বর্ণিল।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>সবচেয়ে বেশি আলোচনায় আসে লস অ্যাঞ্জেলেসে অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্র-পরাগুয়ে ম্যাচ। গ্যালারিতে পাশাপাশি বসে খেলা উপভোগ করতে দেখা যায় হলিউড সুপারস্টার টম ক্রুজ এবং ইংল্যান্ডের কিংবদন্তি ফুটবলার ডেভিড বেকহামকে। তাদের সঙ্গে ছিলেন ফ্যাশন ডিজাইনার ও সাবেক স্পাইস গার্লস সদস্য ভিক্টোরিয়া বেকহাম। স্টেডিয়ামে এই তিন তারকার উপস্থিতি মুহূর্তেই দর্শকদের নজর কাড়ে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p><img alt="Tom Cruise e David Beckham foram acompanhados pela esposa do ex-jogador de futebol, Victoria Beckham — Foto: Stu Forster/Getty Images" src="https://s2-oglobo.glbimg.com/c-obTujIyrfCESdyTA1Y4B20vLc=/0x0:720x405/984x0/smart/filters:strip_icc()/i.s3.glbimg.com/v1/AUTH_da025474c0c44edd99332dddb09cabe8/internal_photos/bs/2026/l/M/YUen4KQWyCtdiyFwBnOA/tom-cruise-david-beckham-victoria.webp" /></p>

<p>বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পারফর্ম করা মার্কিন পপ তারকা কেটি পেরিও গ্যালারি থেকে ম্যাচটি উপভোগ করেন। তার পাশে ছিলেন কানাডার সাবেক প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। ম্যাচ চলাকালে তাদের একসঙ্গে বিভিন্ন মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দি হয়। একই ম্যাচে উপস্থিত ছিলেন মার্কিন তারকা প্যারিস হিলটন এবং অভিনেতা জেসন সুডেইকিসও।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p><img alt="Katy Perry e Justin Trudeau foram filmados dando beijinhos durante a partida entre Estados Unidos e Paraguai pela fase de grupos da Copa do Mundo — Foto: Reprodução | Youtube" src="https://s2-oglobo.glbimg.com/w6QyLcib5g_kjLUDABzYJuvuJhU=/0x0:686x386/984x0/smart/filters:strip_icc()/i.s3.glbimg.com/v1/AUTH_da025474c0c44edd99332dddb09cabe8/internal_photos/bs/2026/3/d/odgTQNTI2JaEKGR5yCHQ/hq720.jpg" /></p>

<p>অন্যদিকে নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ব্রাজিল ও মরক্কোর ম্যাচেও ছিল তারকাদের ভিড়। গ্যালারির অন্যতম আকর্ষণ ছিলেন কিংবদন্তি এনএফএল কোয়ার্টারব্যাক টম ব্র্যাডি এবং জনপ্রিয় র&zwj;্যাপার ট্রাভিস স্কট। ম্যাচ শুরুর আগে তারা ব্রাজিলের তারকা ফুটবলার নেইমারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সেই ছবি ও ভিডিও দ্রুত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়।</p>

<p>টম ব্র্যাডি এদিন তার সন্তানদের সঙ্গে ম্যাচ উপভোগ করেন।</p>
</article>

<article>অন্যদিকে ট্রাভিস স্কটকে দেখা যায় ব্রাজিল জাতীয় দলের জার্সি পরে দলকে সমর্থন জানাতে। তিনি ব্রাজিলিয়ান অভিনেত্রী মাইসা সিলভার সঙ্গেও ছবি তোলেন।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p><img alt="Tom Brady (de branco) e Travis Scott (de amarelo) conversam com Neymar Jr. (de costas, de azul) na partida entre Brasil e Marrocos — Foto: Jean Catuffe/Getty Images" src="https://s2-oglobo.glbimg.com/TSXnZZd27EqdELenN_ECP9FteCk=/0x0:1024x683/984x0/smart/filters:strip_icc()/i.s3.glbimg.com/v1/AUTH_da025474c0c44edd99332dddb09cabe8/internal_photos/bs/2026/H/A/rFM9rBTQOXY5Lw8dlltQ/gettyimages-2281689153.jpg" /></p>

<p>বিশ্বকাপ উপলক্ষে প্রকাশিত &lsquo;সির সির&rsquo; গানের মাধ্যমে আলোচনায় থাকা বলিউড তারকা নোরা ফাতেহিও ছিলেন গ্যালারিতে। কানাডায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পারফর্ম করার পর তিনি ব্রাজিল-মরক্কো ম্যাচ দেখতে মাঠে যান। মরক্কোকে সমর্থন জানিয়ে ম্যাচ চলাকালে নিয়মিত ইনস্টাগ্রামে রিলস শেয়ার করেন এই নৃত্যশিল্পী ও অভিনেত্রী।</p>

<p>ব্রাজিলের ম্যাচে আরো উপস্থিত ছিলেন দেশটির কিংবদন্তি ফুটবলার রোনালদো নাজারিও, কাকা এবং রবার্তো কার্লোস। ভিআইপি গ্যালারিতে দেখা যায় ব্রাজিলের জনপ্রিয় ইনফ্লুয়েন্সার ও উদ্যোক্তা ভার্জিনিয়া ফনসেকাকেও। ব্রাজিলিয়ান তারকা ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের সাবেক প্রেমিকা হিসেবেও তিনি সম্প্রতি আলোচনায় রয়েছেন।</p>

<p><img alt="Virginia Fonseca em jogo de estreia pelo Brasil na Copa do Mundo — Foto: Reprodução / Instagram" src="https://s2-oglobo.glbimg.com/tXvlSxXL5eQ3wKTkEsdNL5oiIbU=/0x0:798x570/984x0/smart/filters:strip_icc()/i.s3.glbimg.com/v1/AUTH_da025474c0c44edd99332dddb09cabe8/internal_photos/bs/2026/b/B/UpTqwESbul46ABEcIQoA/montagem-horizontal-brasil.jpg" /></p>

<p>এদিকে স্কটল্যান্ড ও হাইতির ম্যাচেও দেখা যায় আরেক কিংবদন্তিকে। ব্রিটিশ সংগীতশিল্পী রড স্টুয়ার্ট সন্তানদের নিয়ে প্রাইভেট বিমানে বোস্টনে পৌঁছে স্কটল্যান্ডের খেলা উপভোগ করেন।&nbsp;৮১ বছর বয়সী এই শিল্পী এদিন তার নর্থ আইল্যান্ডের কনসার্ট বাতিল করে খেলা দেখতে আসেন। তিনি জানান, এটি তার জীবনের সপ্তম বিশ্বকাপ। ২৮ বছর পর স্কটল্যান্ডের বিশ্বকাপে প্রত্যাবর্তনের আনন্দ ভাগ করে নিতেই তিনি স্টেডিয়ামে উপস্থিত হয়েছেন।</p>

<p><img alt="Rod Stewart embarca com os filhos no jatinho para ver a Escócia na Copa do Mundo — Foto: Reprodução / Instagram" src="https://s2-oglobo.glbimg.com/LYdzFvF8WnaMGSkBu9mOeC9q94c=/0x0:510x336/984x0/smart/filters:strip_icc()/i.s3.glbimg.com/v1/AUTH_da025474c0c44edd99332dddb09cabe8/internal_photos/bs/2026/S/T/tCaQ3tQzm7QWDUtsBPhg/rod.jpg" /></p>

<p>ভিডিও প্রকাশ করে তিনি লেখেন, আমি আর ছেলেরা বিশ্বকাপে আমাদের স্কটল্যান্ডকে দেখতে বোস্টনের পথে! স্কটল্যান্ড নেই তো পার্টিও নেই।</p>

<p>মাঠের রোমাঞ্চের পাশাপাশি বিশ্বকাপের গ্যালারিতে বিশ্বের খ্যাতিমান তারকাদের উপস্থিতি এবারের আসরে যোগ করেছে ভিন্ন এক মাত্রা। ফুটবলপ্রেমীদের কাছে তাই শুধু ম্যাচ নয়, গ্যালারির তারকাময় পরিবেশও হয়ে উঠেছে সমান আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1613-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিউইয়র্কের উ‌দ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28751</link>
    <pubDate>Wed, 17 Jun 2026 09:38:03 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28751</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/929-1.jpg" />    <article>
<p>জাতিসংঘের ইকোনমিক অ্যান্ড সোশ্যাল কাউন্সিলের হিউম্যানিটারিয়ান অ্যাফেয়ার্স সেগমেন্টে যোগ দিতে মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকা&zwnj;লে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের উ&zwnj;দ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করে&zwnj;ছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।&nbsp;</p>

<p>পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা প্রতিমন্ত্রীর ঢাকা ত্যাগ করার তথ্য নি&zwnj;শ্চিত ক&zwnj;রে&zwnj;ছেন।</p>
</article>

<article>তি&zwnj;নি জানান, প্রতিমন্ত্রী আজ সকা&zwnj;লে নিউইয়র্কের উ&zwnj;দ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করে&zwnj;ছেন।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>১৭ থেকে ১৯ জুন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ইকোনমিক অ্যান্ড সোশ্যাল কাউন্সিলের হিউম্যানিটারিয়ান অ্যাফেয়ার্স সেগমেন্ট অনুষ্ঠিত হবে। সেগমেন্টে বাংলাদেশের প্রতি&zwnj;নি&zwnj;ধিদ&zwnj;লের নেতৃত্ব দে&zwnj;বেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।</p>

<p>সেগমেন্টে অংশগ্রহণ শেষে আগামী ২০ জুন নিউইয়র্ক থেকে প্রতিমন্ত্রীর দেশে ফেরার কথা রয়েছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/929-1.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[মৌলভীবাজারে যেসব কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28750</link>
    <pubDate>Wed, 17 Jun 2026 09:37:20 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28750</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/790-99.jpg" />    <article>
<p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মৌলভীবাজার সফরকে কেন্দ্র করে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ফ্যামিলি কার্ড&rsquo; পাইলটিং কর্মসূচির তৃতীয় পর্যায়ের উদ্বোধন করতে বুধবার (১৭ জুন) সকালে সেখানে পৌঁছাবেন তারেক রহমান।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রটোকল অফিসার-১ মো. উজ্জল হোসেনের সই করা সফরসূচি অনুযায়ী, সকালে ঢাকা থেকে বিমানে সিলেট যাবেন। সেখান থেকে সড়ক পথে নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী দুপুর ১টায় শ্রীমঙ্গল উপজেলার ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে উপস্থিত হয়ে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন।</p>

<p>সেখান থেকে বিকালে মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে যোগদান করবেন তিনি। পরে বিকাল সাড়ে ৪টায় মৌলভীবাজার দুসাই রিসোর্টে আয়োজিত রাজনৈতিক সভায় অংশ নেবেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রধানমন্ত্রী শ্রীমঙ্গল ও মৌলভীবাজার সদরে &lsquo;ফ্যামিলি কার্ড&rsquo; বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন। পরে তিনি দুসাই রিসোর্টে আয়োজিত দলীয় সভায় যোগ দেবেন। এদিকে প্রধানমন্ত্রীকে বরণে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/790-99.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[পরীমনিকাণ্ডে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হচ্ছে সেই এডিসি সাকলায়েনকে]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28749</link>
    <pubDate>Wed, 17 Jun 2026 09:36:38 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28749</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/983-88.jpg" />    <p>ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) ও বর্তমানে ঝিনাইদহ ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. গোলাম সাকলায়েনকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমনির সঙ্গে রাত্রিযাপন ও অনৈতিক সম্পর্কের বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় বিভাগীয় ব্যবস্থা হিসেবে সরকার এই সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে। তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর জন্য প্রস্তুতকৃত প্রজ্ঞাপনের সারসংক্ষেপে এরই মধ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ স্বাক্ষর করেছেন। এখন সারসংক্ষেপটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় হয়ে রাষ্ট্রপতির দপ্তরে পাঠানো হবে। পরে রাষ্ট্রপতির আদেশে তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>২০২১ সালের ৯ জুন রাতে সাভার থানার ঢাকা বোট ক্লাবে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে ১৪ জুন ব্যবসায়ী নাসির ইউ মাহমুদের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন পরীমনি। সেই মামলার তদন্ত তদারক কর্মকর্তা ছিলেন সাকলায়েন। পরীমনির সঙ্গে সম্পর্কের অভিযোগ ওঠার পর তাকে বদলি করা হয়েছিল এবং তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছিল। এদিকে পরীমনির বিরুদ্ধে ২০২১ সালের ১৮ জুলাই নাসির উদ্দিন মাহমুদ হত্যাচেষ্টা, মারধর, ভাঙচুর ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে আদালতে মামলা করেন। ওই মামলার প্রেক্ষিতে ২০২১ সালের ৪ আগস্ট পরীমনির বনানীর বাসায় অভিযান চালায় র&zwnj;্যাব। তখন তাকে বিদেশি মদসহ গ্রেফতার দেখানো হয়। পরে তিন দফায় মোট ৭ দিন তাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। গ্রেফতারের ২৭ দিন পর ১ সেপ্টেম্বর পরীমনি কারাগার থেকে জামিনে মুক্ত হন।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>রাত্রিযাপনের ঘটনায় সমালোচনা শুরুর পর প্রথমে সাকলায়েনকে ডিবি থেকে সরিয়ে মিরপুরের পাবলিক অর্ডার ম্যানেজমেন্টে (পিওএম) সংযুক্ত করা হয়েছিল। পরে সেখান থেকে তাকে ঝিনাইদহ ইন সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে বদলি করা হয়। ১৩ জুন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, গোলাম সাকলায়েন ডিএমপির ডিবিতে কর্মরত থাকার সময় পরীমনির সঙ্গে ঘটনাক্রমে দেখা হয় এবং যোগাযোগ শুরু হয়। এরই ধারাবাহিকতায় তিনি পরীমনির বাসায় নিয়মিত রাত্রিযাপন করতে শুরু করেন। পুলিশ অধিদপ্তরের এলআইসি শাখার দেওয়া তার ফোনের সিডিআর বিশ্লেষণ অনুযায়ী ২০২১ সালের ৪ জুলাই থেকে ৪ আগস্ট পর্যন্ত তিনি বিভিন্ন সময়ে (দিনে ও রাতে) পরীমনির বাসায় অবস্থান করেছেন।&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>পরীমনির মোবাইলের ফরেনসিক রিপোর্ট (মামলার আলামত হিসাবে সিআইডির জব্দ করা) পর্যালোচনায় দেখা যায়, তার ও পরীমনির আদান-প্রদান করা মেসেজগুলো (২৯ জুলাই ২০২১ থেকে ৩ আগস্ট ২০২১ তারিখ পর্যন্ত) সামসুন্নাহার স্মৃতি ওরফে পরীমনির ফেসবুক আইডি ও গোলাম সাকলায়েন সিথিল নামে ফেসবুক মেসেঞ্জারে কথোপকথন হয়েছে। তাদের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে (১১ জুলাই ২০২১ থেকে ৪ আগস্ট ২০২১ পর্যন্ত) কথোপকথন সাধারণ পরিচিতি বা পেশাগত প্রয়োজনে স্থাপিত কোনো সম্পর্কের নয়, বরং অনৈতিক প্রেমের সম্পর্কের। ২০২১ সালের ১ আগস্ট ভোর ৬টা থেকে ২ আগস্ট রাত ৩টা পর্যন্ত রাজারবাগ মধুমতি পুলিশ অফিসার্স কোয়ার্টার্সে পরীমনির যাতায়াতের ধারণ করা সিসিটিভি ফুটেজের ফরেনসিক প্রতিবেদন করেছে সিআইডি। ওই প্রতিবেদন বিশ্লেষণ ও সাক্ষীদের জবানবন্দিতে প্রতীয়মান হয়, সাকলায়েনের পূর্বপরিকল্পনা ও সম্পূর্ণ জ্ঞাতসারে বাসায় স্ত্রী না থাকাবস্থায় পরীমনি তার রাজারবাগের সরকারি বাসায় যান। সেখানে প্রায় ১৭ ঘণ্টা অবস্থান করে ২ আগস্ট রাত দেড়টায় বাসা ত্যাগ করেন।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>তার ও পরীমনির সম্পর্কের বিষয়টি বিভিন্ন অনলাইন ও প্রিন্ট মিডিয়া, টেলিভিশন ও বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। ফলে জনমনে এ বিষয়ে বিরূপ প্রতিক্রিয়া ও সমালোচনার জন্ম দেয়।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, গোলাম সাকলায়েন পুলিশের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হয়ে সরকারি দায়িত্বের বাইরে পরীমনির সঙ্গে অতিমাত্রায় ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক স্থাপন করেছিলেন। তিনি বিবাহিত ও এক সন্তানের জনক হওয়া সত্ত্বেও পরীমনির সঙ্গে তার বিবাহবহির্ভূত অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করেছেন। পরীমনির সঙ্গে জন্মদিন উদ্যাপন ও নিজের সরকারি বাসভবনে নিজ স্ত্রীর অবর্তমানে সময় কাটিয়েছেন। বিষয়টি বিভিন্ন প্রচার মাধ্যমে প্রচারিত হওয়ায় সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। তাই তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়। এ প্রেক্ষিতে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ বিবরণী জারি করা হয়। তিনি অভিযোগের জবাব দেওয়ার পাশাপাশি ব্যক্তিগত শুনানি প্রার্থনা করেন। ওই বিভাগীয় মামলা তদন্তে করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব হায়াত-উদ-দৌলা খাঁনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। তার তদন্তে সাকলায়েনের বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী &lsquo;অসদাচরণ&rsquo;র অভিযোগ প্রমাণিত হয়। গুরুদণ্ডের আওতায় কেন তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হবে না- সে মর্মে ২য় কারণ দর্শানো নোটিশ দেওয়া হয় সাকলায়েনকে। এর উত্তরে তিনি চাকরি থেকে বরখাস্তকরণ মামলার দায় থেকে অব্যাহতি চান। এ জবাব সন্তোষজনক বিবেচিত না হওয়ায় তাকে চাকরি থেকে বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়ার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>এরপর ২০২৪ সালের ১৩ জুন জননিরাপত্তা বিভাগের শৃঙ্খলা-২ শাখার উপসচিব রোকেয়া পারভীন জুঁই স্বাক্ষরিত স্মারকে বিভাগীয় মামলায় তাকে গুরুদণ্ড হিসেবে চাকরি থেকে &lsquo;বাধ্যতামূলক অবসর প্রদানে&rsquo;র বিষয়ে সরকারি কর্মকমিশন সচিবালয়ের (পিএসসিতে) পরামর্শ চেয়ে একটি চিঠি দেওয়া হয়। সেই চিঠিতে বলা হয়, তদন্তে উঠে এসেছে, পরীমনির সঙ্গে সাকলায়েনের বিবাহবহির্ভূত অনৈতিক সম্পর্ক ছিল। তিনি পরীমনির বাসায় রাত্রিযাপন করতেন। সাকলায়েনের স্ত্রী তার (সাকলায়েন) সরকারি বাসায় না থাকার সময় পরীমনিও সেখানে রাত্রিযাপন করেছেন। এমনকি সাকলায়েনের বাসায় টানা ১৭ ঘণ্টা দুজন (পরী ও সাকলাইন) একসঙ্গে ছিলেন। এতে বলা হয়, সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা-২০১৮ অনুযায়ী &lsquo;অসদাচরণের&rsquo; কারণে সাকলায়েনকে &lsquo;গুরুদণ্ড&rsquo; হিসাবে চাকরি থেকে বাধ্যতামূলক অবসর প্রদানের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>পিএসসির মতামত নিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।সাকলায়েনকে গুরুদণ্ড হিসেবে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হচ্ছে।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/983-88.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য সম্প্রসারণে আগ্রহ শ্রীলঙ্কার]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28748</link>
    <pubDate>Wed, 17 Jun 2026 09:34:28 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28748</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1105-77.jpg" />    <article>
<p>শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী ড. হরিণী অমরাসুরিয়া আজ বলেছেন, তার দেশ বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরো জোরদার করতে চায়।</p>

<p>শ্রীলঙ্কায় নিযুক্ত বাংলাদেশ হাইকমিশনার আন্দালিব ইলিয়াস বিদায়ি সাক্ষাৎ করতে গেলে দেশটির প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>শ্রীলঙ্কায় বাংলাদেশ মিশনের এক বিবৃতিতে বলা হয়, হাইকমিশনারের মেয়াদকালে নেওয়া উদ্যোগগুলো&mdash;বিশেষ করে বাণিজ্য ও ব্যবসা বাণিজ্যের ক্ষেত্রে অগ্রগতি অব্যাহত থাকবে এবং দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরো গভীর করতে সহায়তা করবে বলে অমরাসুরিয়া আশা প্রকাশ করেন।&nbsp;</p>

<p>বিবৃতিতে বলা হয়, শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী দক্ষিণ এশীয় দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক জোরদারে হাইকমিশনার ইলিয়াসের ঐকান্তিক প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন।</p>

<p>শক্তিশালী অর্থনৈতিক সহযোগিতা বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরো সুদৃঢ় করবে এবং পারস্পরিকভাবে লাভজনক সহযোগিতার নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।</p>

<p>বৈঠকে উভয় দেশ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরো জোরদার করার এবং বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1105-77.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[পারমাণবিক শক্তিধর হতে গেলে ইরানের ‘সর্বনাশ’ হবে : ট্রাম্প]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28747</link>
    <pubDate>Wed, 17 Jun 2026 09:33:45 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28747</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1222-66.jpg" />    <article>
<p>ইরানের সঙ্গে হওয়া শান্তিচুক্তির মূল লক্ষ্য সম্পর্কে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ইরান যেন কখনো পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না পারে।</p>

<p>মঙ্গলবার ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত জি৭ সম্মেলনে কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প এ কথা বলেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>মার্কিন প্রেসিডেন্ট <a href="https://gulfnews.com/world/mena/usiran-deal-strait-of-hormuz-to-reopen-oil-prices-crash-enriched-uranium-stockpile-to-be-destroyed-as-peace-accord-set-for-june-19-geneva-signing-1.500575625">সতর্ক করে</a> জানান, যদি ইরান পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের পথে এগোয়, তাহলে দেশটির ওপর &lsquo;সর্বনাশ&rsquo; নেমে আসবে।</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/06/16/1698529" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>ট্রাম্পের ভাষায়, &lsquo;চুক্তির মূল বিষয় হচ্ছে ইরান পারমাণবিক অস্ত্র পাবে না। আর যদি তারা তা করার চেষ্টা করে, তাহলে তাদের ওপর ভয়াবহ পরিস্থিতি নেমে আসবে।</p>

<p>সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতাকে ঘিরে বিভিন্ন মহলে ইরানে সম্ভাব্য মার্কিন অর্থনৈতিক সহায়তা বা বিনিয়োগের আলোচনা চললেও ট্রাম্পের এই বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে যে ওয়াশিংটন এমন কোনো প্রতিশ্রুতি দেয়নি।</p>
</article>

<article>তবে চুক্তির অন্যান্য শর্ত, নিষেধাজ্ঞা শিথিলকরণ বা ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক সহযোগিতা নিয়ে তিনি বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রকাশ করেননি।</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1222-66.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[পোল্যান্ডে রুশ শিল্পীকে গুলি করে হত্যা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28746</link>
    <pubDate>Wed, 17 Jun 2026 09:33:00 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28746</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1324-55.jpg" />    <article>
<p>পোল্যান্ডে রাশিয়ান এক শিল্পীকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। নিহত শিল্পীর নাম রবার্ট কে।</p>
</article>

<article>তবে তিনি &lsquo;সেমিওন স্ক্রেপেতস্কি&rsquo; ছদ্মনামে পরিচিত ছিলেন। তিনি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের একজন কট্টর সমালোচক ছিলেন বলে জানা গেছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>স্থানীয় সময় সোমবার সকালে বেলারুশ সীমান্ত থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরে পোল্যান্ডের পূর্বাঞ্চলীয় শহর বিআলা পোদলাসকায় তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়।</p>

<p>পোলিশ প্রসিকিউটরদের তথ্য অনুযায়ী, ৪৪ বছর বয়সী এই শিল্পীকে একটি গাড়ি পার্কিং এলাকায় লক্ষ্য করে গুলি করা হয়।</p>
</article>

<article>ঘটনাস্থলটি বেলারুশ কনস্যুলেট থেকে প্রায় ৬০০ মিটার দূরে।
<p>&nbsp;</p>

<p>জেলা প্রসিকিউটর কার্যালয়ের মুখপাত্র মারচিন কোজাক <a href="https://www.bbc.com/news/articles/clyrzd5g6k2o?fbclid=IwY2xjawSeGLJleHRuA2FlbQIxMABicmlkETFURmxXZWdRVFRBbVRzdUd4c3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHlxhmHNIRGh5cyNZTu_REw5ZuVI7Cgxft3oOMBciUR1DWHmi_CenzfmlW7Mw_aem_E8h9n0Gmbol06jrefR6A_w">বিবিসি</a>কে জানান, এক অজ্ঞাত বন্দুকধারী শিল্পীর কাছে গিয়ে প্রথমে দুটি গুলি করে। তিনি মাটিতে পড়ে গেলে হামলাকারী আরো কাছে গিয়ে তিনটি গুলি চালায় এবং দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।</p>

<p>কোজাক আরো বলেন, &lsquo;মোট পাঁচটি গুলি তার মাথা, বুকে ও পিঠে লাগে।</p>
</article>

<article>ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে পাঁচটি গুলির খোসা এবং একটি ৯ মিলিমিটার গেকো লুগার বুলেট উদ্ধার করেছে। বুধবার তার ময়নাতদন্ত হওয়ার কথা রয়েছে।</p>

<p>ঘটনার পর বেলারুশ কনস্যুলেটের কাছ থেকে ৩৩ ও ৩৭ বছর বয়সী দুই বেলারুশীয় নাগরিককে আটক করেছে পুলিশ। তবে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তাদের কোনো সম্পৃক্ততা রয়েছে কি না, তা এখনো তদন্তাধীন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p><strong>ব্যঙ্গচিত্র ও সমালোচনা</strong></p>

<p>রবার্ট কুজভকভ &lsquo;সেমিওন স্ক্রেপেতস্কি&rsquo; নামে শিল্পচর্চা করতেন। তিনি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার লুকাশেঙ্কো এবং চেচেন নেতা রমজান কাদিরভকে নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক কার্টুন ও চিত্রকর্মের জন্য পরিচিত ছিলেন।</p>

<p>প্রসিকিউটর কোজাক বলেন, ভুক্তভোগী প্রকাশ্যে শিল্পচর্চা করতেন এবং &lsquo;সেমিওন স্ক্রেপেতস্কি&rsquo; ছদ্মনামে রুশ সরকারের বর্তমান নীতির সমালোচনা করতেন।</p>

<p>স্থানীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, তিনি ২০২১ সালে বিআলা পোদলাসকায় বসবাস শুরু করেন।</p>

<p><strong>পুতিনবিরোধী বিক্ষোভ</strong></p>

<p>সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সম্প্রতি প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা যায়, গত ১২ জুন জার্মানির বার্লিনে রুশ দূতাবাসের সামনে অনুষ্ঠিত &lsquo;রাশিয়া ডে&rsquo; বিরোধী বিক্ষোভে অংশ নিয়েছিলেন স্ক্রেপেতস্কি।</p>

<p>সেখানে তার হাতে ছিল পুতিন ও সাবেক সোভিয়েত নেতা জোসেফ স্ট্যালিনকে ব্যঙ্গ করে আঁকা একটি চিত্রকর্ম। এ ছাড়া তার ট্রাউজারের সঙ্গে বাঁধা একটি রুশ পতাকাও মাটিতে টেনে নিয়ে যেতে দেখা যায়, যা ছিল প্রতীকী প্রতিবাদের অংশ।</p>

<p>এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। এখন পর্যন্ত কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী এ ঘটনার দায় স্বীকার করেনি।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1324-55.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ইনস্টাগ্রামে আমরা সবচেয়ে বিখ্যাত জুটি—মোদিকে মেলোনি]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28745</link>
    <pubDate>Wed, 17 Jun 2026 09:32:15 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28745</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1389-44.jpg" />    <article>
<p>ফ্রান্সের ইভিয়াঁ-লে-বাঁ শহরে চলমান জি৭ শীর্ষ সম্মেলনে&nbsp;ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির রসায়ন আবারও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঝড় তুলেছে। হাস্যোজ্জ্বল মুখে মেলোনি মোদিকে উদ্দেশ্য করে বলেন, &lsquo;আপনার সঙ্গে আবার দেখা হয়ে ভালো লাগল! আমরাই কিন্তু ইনস্টাগ্রামের সবচেয়ে বিখ্যাত জুটি।</p>
</article>

<article>&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>ইন্ডিয়ার টুডে-এর এক <a href="https://www.indiatoday.in/world/story/pm-modi-giorgia-meloni-revive-melodi-craze-at-g7-summit-says-we-are-most-famous-on-instagram-2928068-2026-06-16?fbclid=IwY2xjawSe4WBleHRuA2FlbQIxMABicmlkETFDdEJWb2FLa3hmNDZHTFpmc3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHlttiNm0Zt_zrdt_GfUrqHOGWBEO3VzX5R_6pvZ7nxx4pXAUtuDZLD14G2og_aem_qpssa-6hpRaJ5-wFCSfpew">প্রতিবেদনে</a> এ তথ্য উঠে এসেছে।</p>

<p>সম্মেলনের প্রথাগত গ্রুপ ছবি তোলার জন্য বিশ্বনেতারা যখন একত্রিত হচ্ছিলেন, ঠিক তখনই মেলোনি ও মোদিকে একে অপরকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানাতে দেখা যায়। সংক্ষিপ্ত হলেও এই আলাপচারিতার ভিডিও মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়।</p>

<p>মেলোনির এমন মন্তব্যের জবাবে মোদিও হাসিমুখে সম্মতি জানান।</p>
</article>

<article>মেলোনি রসিকতা করে আবার বলেন, &lsquo;হ্যাঁ, ইনস্টাগ্রামে আমরাই সবচেয়ে জনপ্রিয়।&rsquo; নেট দুনিয়ায় এই রসায়ন &lsquo;মেলোডি&rsquo; নামে পরিচিত।
<p>&nbsp;</p>

<p><strong>কিভাবে শুরু এই &lsquo;মেলোডি&rsquo; ট্রেন্ড</strong></p>

<p>একসময় এটি কেবলই নেটিজেনদের একটি মজার ট্রোল বা কৌতুক ছিল। গত তিন বছরে এটি বৈশ্বিক সোশ্যাল মিডিয়া ট্রেন্ডে পরিণত হয়েছে।</p>
</article>

<article>ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদি ও ইতালির প্রধানমন্ত্রী মেলোনির পদবি মিলিয়ে তৈরি এই &lsquo;#Melodi&rsquo; হ্যাশট্যাগটি এখন একটি পরিচিত ব্র্যান্ড।
<p>&nbsp;</p>

<p>শুরুটা ২০২৩ সালে। দুবাইতে অনুষ্ঠিত কপ২৮ জলবায়ু সম্মেলনের সময় মেলোনি মোদির সঙ্গে একটি সেলফি পোস্ট করে ক্যাপশনে লিখেছিলেন, &lsquo;Good friends at COP28 #Melodi&rsquo;।</p>

<p>ব্যাস, এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। মিম, ফ্যান-এডিট আর মজার পোস্টে ছেয়ে যায় ফেসবুক, এক্স ও ইনস্টাগ্রাম।</p>
</article>

<article>আন্তর্জাতিক যেকোনো মঞ্চে এই দুই নেতার মোলাকাত মানেই ইন্টারনেটে নতুন করে লাইক-কমেন্টের বন্যা।
<p>&nbsp;</p>

<p>ইন্ডিয়া টুডে&rsquo;র প্রতিবেদনে জানা যায়, গত মাসে মোদির রোম সফরের সময় এই ট্রেন্ড এক ভিন্ন মাত্রা পায়। মোদি স্বয়ং মেলোনিকে ভারতের বিখ্যাত &lsquo;মেলোডি&rsquo; টফির একটি প্যাকেট উপহার দেন। এটিকে নেটিজেনরা &lsquo;মেলোডি&rsquo; ট্রেন্ডের প্রতি মোদির সবচেয়ে মিষ্টি স্বীকৃতি হিসেবে দেখছেন।</p>

<p>একটি ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, ব্লু ব্যান্ডগলা স্যুটে পরিহিত মোদী যখন সাদা স্যুটে থাকা মেলোনির হাতে টফির প্যাকেটটি তুলে দিচ্ছিলেন, তখন মেলোনি হেসে ক্যামেরার সামনে বলেন, &lsquo;প্রধানমন্ত্রী মোদি আমাদের জন্য খুব সুন্দর একটা উপহার এনেছেন... মেলোডি টফি।&rsquo;</p>

<p>ভিডিওটি আপলোড হওয়ার মাত্র ৬ ঘণ্টার মধ্যে ১০০ মিলিয়ন (১০ কোটি) ভিউ পার করে এবং বর্তমানে এতে ১৩ মিলিয়নেরও বেশি লাইক রয়েছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1389-44.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[মার্কিন সহায়তা চাওয়ায় দোষী সাব্যস্ত বলসোনারোর ছেলে]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28744</link>
    <pubDate>Wed, 17 Jun 2026 09:31:21 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28744</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1473-33.jpg" />    <article>
<p>ব্রাজিলের সাবেক প্রেসিডেন্ট জাইর বলসোনারোর বিরুদ্ধে হওয়া সামরিক অভ্যুত্থানের বিচারের ক্ষেত্রে মার্কিন হস্তক্ষেপ চাওয়ায় তার ছেলে এদুয়ার্দো বলসোনারোকে কারাদণ্ড দিয়েছেন দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। ৪১ বছর বয়সী এদুয়ার্দোর বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি গত বছর যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন কর্তৃপক্ষের কাছে লবিং করে ব্রাজিলের ওপর শুল্ক বা নিষেধাজ্ঞা আরোপের মাধ্যমে তার বাবাকে সহায়তা করার চেষ্টা করেছিলেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>ব্রাজিলের সাবেক কংগ্রেস সদস্য এদুয়ার্দো ২০২৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রে যান। এর কিছুদিন পর তার বাবা জাইর বলসোনারো সামরিক অভ্যুত্থানের ষড়যন্ত্রের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হন এবং ২৭ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন। বলসোনারো ২০১৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২২ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট ছিলেন।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় এদুয়ার্দো বলসোনারো এই রায়কে &ldquo;ভিত্তিহীন ও অযৌক্তিক&rdquo; বলে মন্তব্য করেন।</p>
</article>

<article>তিনি অভিযোগ করেন, বিচারপতিরা তাকে চুপ করিয়ে দিতে এবং ভবিষ্যতে নির্বাচনে অংশগ্রহণের পথ বন্ধ করতে চেয়েছেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি আরো দাবি করেন, মামলায় যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি। তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো নোটিশ দেওয়া হয়নি এবং গণমাধ্যমের খবরের মাধ্যমেই তিনি মামলার বিষয়ে জানতে পেরেছেন।</p>

<p>এর আগে বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এদুয়ার্দো বলেছিলেন, ব্রাজিলে ফিরলে গ্রেপ্তারের আশঙ্কায় তিনি যুক্তরাষ্ট্রে &lsquo;নির্বাসিত জীবন&rsquo; কাটাচ্ছেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/dhaka/2026/06/17/1698908" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>তিনি প্রকাশ্যে তার বাবার পক্ষে ট্রাম্প প্রশাসনের সমর্থন চেয়ে প্রচারণা চালিয়েছেন। ট্রাম্প প্রশাসন জাইর বলসোনারোর বিরুদ্ধে চলমান মামলাকে &lsquo;রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযান&rsquo; হিসেবে আখ্যা দিয়েছিল।</p>

<p>মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, যিনি ডানপন্থী নেতা বলসোনারোকে ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে দেখেন, গত জুলাইয়ে ব্রাজিলের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেন। বর্তমান ব্রাজিলীয় প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা এই পদক্ষেপকে &lsquo;ভুল এবং অযৌক্তিক&rsquo; বলে সমালোচনা করেন।</p>

<p>পরে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলসোনারোর দণ্ডের বিষয়ে ওয়াশিংটনের প্রতিক্রিয়ার ঘোষণা দেন।</p>
</article>

<article>এর আগে ট্রাম্প প্রশাসন ব্রাজিলের সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি আলেক্সান্দ্রে দে মোরায়েসের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল। তবে পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্র সেই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে।
<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/06/17/1698906" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>লুলা দা সিলভা বলেন, বাণিজ্য ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করতে ব্রাজিল প্রস্তুত থাকলেও বিচারপতি মোরায়েসের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা ছিল দেশটির বিচারব্যবস্থায় &lsquo;অগ্রহণযোগ্য হস্তক্ষেপ&rsquo;।</p>

<p>উল্লেখ্য, ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে জাইর বলসোনারোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। ২০১৯ সালে দুই নেতা হোয়াইট হাউসে সাক্ষাৎও করেছিলেন। পরবর্তীতে উভয়েই নিজ নিজ দেশের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে পরাজিত হন। তবে কেউই প্রকাশ্যে সেই পরাজয় স্বীকার করেননি।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/06/17/1698903" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>জাইর বলসোনারো ২০২২ সালের নির্বাচনে পরাজয়ের ফলাফল উল্টে দেওয়ার ষড়যন্ত্রের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হন। এই মামলার সঙ্গে ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে রাজধানী ব্রাসিলিয়ায় সরকারি ভবনগুলোতে তার সমর্থকদের হামলার ঘটনাও সংশ্লিষ্ট বলে উল্লেখ করেন।</p>

<p>সে সময় ট্রাম্প মন্তব্য করেছিলেন, &lsquo;এটি একজন রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীর বিরুদ্ধে পরিচালিত আক্রমণ ছাড়া আর কিছুই নয়।&rsquo; জবাবে বলসোনারো মার্কিন প্রেসিডেন্টকে তার সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ জানান।</p>

<p><strong>সূত্র : <a href="https://www.bbc.com/news/articles/cgl3x0pey9lo?fbclid=IwY2xjawSe5t1leHRuA2FlbQIxMABicmlkETEzaWdFR3FQeVRJRVJhQUJWc3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHrURLPkz1Ol6sXaWH_ZNxkmcv_0l2aXl3V4VgtiOzlUKlRYY5i9z7qFK0oZF_aem_3xRQTpMS_eNyqMlYJAW9Jg">বিবিসি</a></strong></p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1473-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[মেসির হ্যাটট্রিকে আলজেরিয়াকে বিধ্বস্ত করল আর্জেন্টিনা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/28743</link>
    <pubDate>Wed, 17 Jun 2026 09:30:19 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/28743</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1514-22.jpg" />    <article>
<p>ক্যারিয়ারে ৬১টি হ্যাটট্রিক করলেন লিওনেল মেসি। তবে আজকের আগে বিশ্বকাপে ছিল না একটিও।</p>
</article>

<article>অবশেষে সেই আক্ষেপ ঘুচল এবার। ক্যারিয়ারের শেষে এসে আজন্ম স্বপ্ন পূরণ করার মতোই। কাতার বিশ্বকাপে শিরোপা জেতা মেসি এবার হ্যাটট্রিকের দেখাও পেলেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>নিজের ষষ্ঠ বিশ্বকাপে এসে হ্যাটট্রিকের দেখা পেলেন মেসি।</p>
</article>

<article>আলজেরিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিকটি তার বিশ্বকাপ ক্যারিয়ারের প্রথম। তার হ্যাটট্রিকে ৩-০ গোলে আলজেরিয়াকে বিধ্বস্ত করেছ আর্জেন্টিনা। আক্ষেপ ঘুচানোর পরে ৮০ মিনিটে মাঠ ছাড়েন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক।
<p>&nbsp;</p>

<p>মেসি ম্যাজিক শুরু হয় ১৭ মিনিটে।</p>
</article>

<article>বিপরীতে ৬০ ও ৭৬ মিনিটে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন তিনি। তাতে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় চূড়ায় উঠেছেন মেসি। অবশ্য জার্মান কিংবদন্তি মিরোস্লাভ ক্লোসার সঙ্গে যৌথভাবে। দুজনের গোল এখন সমান ১৬টি।
<p>&nbsp;</p>

<p>এর আগে মাঠে নেমেই আরেক কীর্তি গড়েছেন মেসি।</p>
</article>

<article>ইতিহাসের তৃতীয় খেলোয়াড় হিসেবে আন্তর্জাতিক ফুটবলে ২০০ ম্যাচ খেলার কীর্তি গড়েছেন। তার আগে এই কীর্তি গড়েন পর্তুগাল কিংবদন্তি ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ও কুয়েতের সাবেক ফরোয়ার্ড বাদের আল&ndash;মুতওয়া। আর্জেন্টিনার হয়ে তিনিই যে প্রথম সেটা আর না বললেও চলে। বিপরীতে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে সর্বোচ্চ ৬বার বিশ্বকাপে খেলার রেকর্ড গড়েছেন তিনি।
<p>&nbsp;</p>

<p>কানসাস সিটিতে ম্যাচের শুরুটাই হয় নাটকীয়তায়। আর্জেন্টিনা-আলজেরিয়া দু দলই গোল পায়। তবে দুদলের কারোই উদযাপন পূর্ণতা পায় না। পাবে কি করে? অফসাইডের কারণে যে দুটি গোলই বাতিল হয়েছে।</p>

<p>লিওনেল মেসির বিপরীতে তাই আলজেরিয়ার ফরোয়ার্ড ফারেস চাইবির আনন্দটাও মাটি। তবে ১৭ মিনিটে ঠিকই পাখির মতো ডানা মেলে উড়ার আনন্দটা পেলেন মেসি। ডি বক্সের বাইরে থেকে দুর্দান্ত এক শটে। আলজেরিয়ার গোলরক্ষক লুকা জিদান চেষ্টা করলেও প্রতিহত করতে পারেনি বলটিতে পাওয়ার বেশি থাকায়।</p>

<p>রেকর্ড গড়ার ম্যাচে ষষ্ঠ মিনিটে জালের দেখা পেয়েছিলেন মেসি। তবে অফসাইডের কারণে বাতিল হয়ে যায় আর্জেন্টিনার অধিনায়কের গোলটি। ৮ মিনিটে গোলের দেখা পেয়েছিল আলজেরিয়াও। এবার অফসাইডের কারণে বাতিল হয় চাইবির গোলটিও।</p>

<p>বিরতিতে যাওয়ার ৫ মিনিট আগে সমতায় ফেরার সুযোগ পেয়েছিল আলজেরিয়া। চাইবি শট নিলে কর্নারের বিনিময়ে প্রতিহত করেন আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। পরে আর কোনো গোল না হলে ১-০ ব্যবধানে বিরতিতে যায় তিনবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।&nbsp;</p>

<p>বিরতি শেষে ৫৪ মিনিটে লিড বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছিল আর্জেন্টিনা। তবে মেসির ডিফেন্স চেরা পাস পেয়ে শটও নিয়েছিলেন লাওতারো মার্তিনেজ। কিন্তু তার শট ঠেকিয়ে দেন জিনেদিন জিদানের পুত্র লুকা।</p>

<p>৬০ মিনিটে দলকে আরেকটি গোল এনে দেন মেসি। গোলটি করতে কোনো পরিশ্রম করতে হয়নি। শুধু ঠান্ডা মাথায় জালের পথ দেখিয়ে দিতে হয়েছে আটবারের ব্যালন ডি&rsquo;অর জয়ীকে। ডি বক্সের অনেক বাইরে থেকে জোরালো শট নিয়েছিলেন ম্যাক অ্যালেক্সিস ম্যাক- অ্যালিস্টার। সেটা ধরতে গিয়ে কিছুটা খেই হারিয়ে ফেলেন লুকা, সামনেই থাকা মেসি বাঁ পায়ে শুধু আলতো টোকা দেন। ৬৬ মিনিটে বিশ্বকাপে প্রথম হ্যাটট্রিকও পেতে পারতেন তিনি। এবার আলজেরিয়ার গোলরক্ষক বাধা হন। কর্নারের বিনিময়ে দলকে তৃতীয় গোল হজম করা থেকে বাঁচান।</p>

<p>বিস্তারিত আসছে...</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1514-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[দিল্লিতে ভাই-বোন হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ওটিটিতে নতুন করে আলোচনায়]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/28742</link>
    <pubDate>Wed, 17 Jun 2026 09:29:29 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/28742</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1612-11.jpg" />    <article>
<p>ওটিটি প্ল্যাটফরম প্রাইম ভিডিওর নতুন ড্রামা সিরিজ &lsquo;রাখ&rsquo; ভারতের অপরাধ ইতিহাসের অন্যতম চাঞ্চল্যকর একটি ফৌজদারি মামলাকে আবারও আলোচনায় নিয়ে এসেছে। আলি ফজল, সোনালি বেন্দ্রে ও আমির বশির অভিনীত এই সিরিজটি মূলত ১৯৭৮ সালের দিল্লির বিখ্যাত <a href="https://www.moneycontrol.com/entertainment/raakh-true-story-explained-the-real-story-chilling-ranga-billa-case-how-it-changed-bobby-deol-s-childhood-and-why-he-wasn-t-allowed-to-go-out-alone-article-13950052.html">&lsquo;গীতা ও সঞ্জয় চোপড়া&rsquo; অপহরণ ও হত্যাকাণ্ডের সত্য ঘটনা</a> থেকে অনুপ্রাণিত, যা &lsquo;রাঙ্গা-বিল্লা মামলা&rsquo; নামে পরিচিত।</p>
</article>

<article>যদিও সিরিজে নাম পরিবর্তন এবং ঘটনাগুলোকে কিছুটা নাটকীয় রূপ দেওয়া হয়েছে, তবে এর মূল ভিত্তি প্রায় পাঁচ দশক আগে পুরো ভারতকে কাঁপিয়ে দেওয়া সেই নির্মম অপরাধের ওপরই দাঁড়িয়ে আছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>১৯৭৮ সালের দিল্লির প্রেক্ষাপটে নির্মিত&nbsp;&lsquo;রাখ&rsquo; সিরিজের গল্প শুরু হয় দুই কিশোর-কিশোরীর নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা দিয়ে। পরে তাদের মৃতদেহ খুঁজে পাওয়ার পর অপরাধীদের ধরতে পুলিশের চিরুনি অভিযানকে কেন্দ্র করে কাহিনি এগিয়ে চলে। সিরিজে সাব-ইন্সপেক্টর জয়প্রকাশ জাটভের চরিত্রে আলি ফজল এবং একজন স্কুলশিক্ষিকা ও শোকাহত মায়ের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন সোনালি বেন্দ্রে।</p>
</article>

<article>তদন্তের পাশাপাশি নিখোঁজ সন্তানদের পরিবারের শোক ও মানসিক ট্রমা এখানে নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>বাস্তবজীবনে গীতা চোপড়া (১৬) ও সঞ্জয় চোপড়া (১৩) ছিল ভারতীয় নৌবাহিনীর কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন মদন মোহন চোপড়ার সন্তান। ১৯৭৮ সালের ২৬ আগস্ট গীতার অল ইন্ডিয়া রেডিওর একটি অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার কথা ছিল, যেখানে ভাই সঞ্জয়ও তার সঙ্গে যাচ্ছিল। প্রবল বৃষ্টির কারণে তারা রাস্তা থেকে এক ব্যক্তির গাড়িতে লিফট নেয়।</p>
</article>

<article>তিনি তাদের রেডিও স্টেশনের কাছাকাছি নামিয়ে দেওয়ার পর থেকে ভাই-বোন দুজন নিখোঁজ হয়। পরে তাদের নির্মমভাবে হত্যা করা হয়, যা সে সময় পুরো দেশকে স্তব্ধ করে দিয়েছিল।
<p>&nbsp;</p>

<p>তৎকালীন সময়ে এই&nbsp;&lsquo;রাঙ্গা-বিল্লা&rsquo; মামলাটি শহুরে ভীতি এবং শিশুদের নিরাপত্তার প্রশ্নে এক বড় প্রতীক হয়ে উঠেছিল। এই ঘটনার পর একা ভ্রমণ করা বা অপরিচিত কারো কাছ থেকে লিফট নেওয়ার মতো সাধারণ বিষয়গুলো নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে গভীর আতঙ্ক তৈরি হয়, যা অনেক পরিবারের দৈনন্দিন দৃষ্টিভঙ্গি বদলে দিয়েছিল। &lsquo;রাখ&rsquo; সিরিজটি একদিকে যেমন তরুণ প্রজন্মের কাছে গীতা ও সঞ্জয়ের সেই মর্মান্তিক কাহিনিকে নতুন করে তুলে ধরেছে, অন্যদিকে যারা ১৯৭৮ সালের সেই ভয়াল দিনগুলো প্রত্যক্ষ করেছেন, তাদের মনে করিয়ে দিচ্ছে অতীতের এক দুঃসহ স্মৃতি।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1612-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বৃহত্তর বরিশাল বাসীর উদ্যোগে  প্রয়াত তোফায়েল আহমেদ স্মরণে নিউইয়র্কে সভা অনুষ্ঠিত]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/28741</link>
    <pubDate>Wed, 17 Jun 2026 09:09:57 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/28741</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1472-33.jpg" />    <p>&nbsp;হাকিকুল ইসলাম খোকন,&nbsp;</p>

<p>গত রবিবার,১৪ জুন ২০২৬,নিউইয়র্ক জ&zwj;্যাকসন হাউসের ইটজী চাইনিজ রেস্টুরেন্টে বৃহত্তম বরিশাল বাসীর উদ্যোগে প্রয়াত জননেতা তোফায়েল আহমেদ স্মরণে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় ।বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হোসাইন এর সভাপতিত্বে&nbsp; ও বিশিষ্ট কমিউনিটি নেতা কায়কোবা খানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের অন&zwj;্যতম উপদেষ্টা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা ড.প্রদিপ কর।বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের এডভোকেট আব্দুস সাছার বাবুল, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের অন্যতম উপদেষ্টা ও সিনিয়র সাংবাদিক হাকিকুল ইসলাম খোকন,যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল হাসিব মামুন,যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক প্রকৌশলী মোহাম্মাদ আলী সিদ্দিকী,যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের আইনবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট শাহ মোহাম্মাদ বখতিয়ার আলী,,যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক এমএ করিম জাহাঙ্গীর, বীর মুক্তিযোদ্ধা শওকত আকবর রিচি,বীর মুক্তিযোদ্ধা খুরশিদ আনোয়ার বাবুল,বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল বাসার চুন্নু,বীর মুক্তিযোদ্ধা সাইদুর রহমান সাইদ,এডভোকেট মোহাম্মাদ আলী বাবুল,এডভোকেট জাকির এইচ মিয়া,বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ রফিকুন ইসলাম টুকু,বীর মুক্তিযোদ্ধা এমএ হাসান,ইউটিউব চ&zwj;্যানেল হোস্টে ড.সেলিনা আফরীন রীতা,সঙ্গীত শিল্পী আল আমিন বাবু,নিউইয়র্ক ষ্ঠেট আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শেখ আতিকুল ইসলাম,সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও কবি সালেহা ইসলাম,আওয়ামী লীগ নেএী রিনা আবেদীন,যুক্তরাষ্ট্র মহিলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কমানা আক্তার,নারগিস রহমান,সৈয়দ মিজানুল রহমান,বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদুল ইসলাম,বীর মুক্তিযোদ্ধা এমএ হাসেম,আওয়ামী লীগ নেতা মনজুর চৌধুরি ।অন&zwj;্যাদের মাঝে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগ নেতা শহিদুর ইসলাম,লস্কর মইজুর রহমান জুয়েল,ডেলওয়া হোসেন মোল্লা,এমএ অনিল বাবু টি.মোল্লা,আতাউর রহমান তালুকদার,সাইদুর রহমান,অলমগীর হোসেন,শাহ ফাতিন,আহমেদ ওয়ালিওললাহ,মুক্তিযোদ্ধা মামুন ,রফিকুন ইসলাম, প্রমূখ ।সভায় বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসের পাতায় পাতায় তোফায়েল আহমেদের নাম&nbsp; স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। বাংলাদেশের প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে তার অবদান অনস্বীকার্য। বাঙালি জাতি চিরদিন তাকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে।<br />
বক্তাগন বলেন, জাতীয় নেতা তোফায়েল আহমেদ জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমানকে বঙ্গবন্ধু খেতাব দিয়েছিলেন।বাংলাদেশের স্বাধীনতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান,তোফায়েল আহমেদ অবিচ্ছেদ অংশে পরিণত হয়েছেন।<br />
সভায় বক্তারা জাতীয় নেতা মরহুম তোফায়েল আহমেদের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।<br />
তারা বলেন বাংলাদেশ যতদিন থাকবে জাতীয় বীর তোফায়েল আহমেদ জাতির কাছে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন।সভায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন টি.মোল্লা ।সভার প্রারম্ভ ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্ট সপরিবারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান,১৯৫২-এর মহান ভাষা আন্দোলন,১৯৭১-এর মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে নিহত.২০০৪ -এর ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহত,২০২৪- জঙ্গী হামলায় নিহতসহ আজ পযর্ন্ত সকল গনতন্ত্রীক আন্দোলনে নিহতদের আত্মার শান্তি কামনায় এক মিনিট কাল নীরবতা পালন করা হয় ।শেষে সবাইকে নৈশভোজে আপ্যায়ন করা হয় ।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1472-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিউইয়র্কে চিটাগাং অ্যাসোসিয়েশন অফ আমেরিকা’র সংবাদ সম্মেলন]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/28740</link>
    <pubDate>Mon, 15 Jun 2026 09:26:44 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/28740</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/24-b.jpg" />    <p>নিউইয়র্কে চিটাগাং অ্যাসোসিয়েশন অফ আমেরিকা আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়েছে সংগঠনের বিরুদ্ধে চলমান মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কোন নির্বাচন নয়। সাধারণ সভায় চট্টগ্রামবাসীর মতামতের ভিত্তিতে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। সাধারণ সভায় লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, চট্টগ্রাম ভবনের একটি অন্যতম আয়ের উৎস হলো এ ভবনের ছয়টি অ্যাপার্টমেন্টের ভাড়া। এ ভবনের এ আয়ের উৎস নানা সময়ে নানা মহল তছরুপ করেছেন। মাকসুদ-মাসুদ প্যানেলে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা দুইজন প্রার্থী চট্টগ্রাম ভবনের ভাড়াটিয়া। নির্বাচনের পর থেকে নিয়ে আজ অবধি এই দুইজন এবং তাদের যোগসাজশে অন্য আরো একজন ভাড়াটিয়া কোনো ভাড়া পরিশোধ করেনি। ভাড়া আদায় করতে গেলে তারা বলেছেন, তারা নাকি অন্য পক্ষকে ভাড়া দিয়েছেন। নানা চেষ্টা তদবির করার পর ও যখন তারা ভাড়া পরিশোধ করেননি তখন উপায়ান্তর না দেখে ম্যানেজমেন্ট কোম্পানির পরামর্শের ভিত্তিতে ল্যান্ডলর্ড এবং টেনান্ট কোর্টে মামলা দায়ের করা হয়। আজ অবধি এই তিনজন ভাড়াটিয়ার কাছে চট্টগ্রাম সমিতির পাওনা ভাড়ার পরিমাণ ৯৭৭১১.২০ সেন্ট।<br />
গত ৮ জুন সন্ধ্যায় জ্যাকসন হাইটসের নবান্ন পার্টি হলে সংগঠনের সভাপতি আবু তাহেরের সভাপতিত্বে এ সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম। আরো উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আব্দুর রহিম, সাবেক সভাপতি ও ট্রাস্টি বোর্ড চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হানিফ, সাবেক সভাপতি ও বর্তমান ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান মনির আহমেদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোর্শেদ রিজভী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সেলিম, বর্তমান ট্রাস্টি বোর্ডের কো-চেয়ারম্যান কামাল হোসেন মিঠু, ট্রাস্টি বোর্ড সদস্য এনাম চৌধুরী, উপদেষ্টা সাহাবুদ্দিন চৌধুরী লিটন, ট্রাস্টি বোর্ড সদস্য আবু তালেব চৌধুরী চান্দু, উপদেষ্টা শাহজাহান, জামাল চৌধুরী, মোহাম্মদ কামাল, মতিউর রহমান চৌধুরী, সহ-সভাপতি টি আনাম, কোষাধ্যক্ষ মোহাম্মদ সফিক, সহ কোষাধ্যক্ষ নূরুল আমিন, সহ-সাধারণ সম্পাদক কলিমুল্লাহ মাস্টার, সাংগঠনিক সম্পাদক তানিম মহসীন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এনাম চৌধুরী, সহ-অফিস সেক্রেটারি ইমরুল কায়সার, ক্রীড়া সম্পাদক মোহাম্মদ ইছা, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক আক্তার, সহ-সমাজ কল্যাণ সম্পাদক মহিউদ্দিন, কার্যকরি সদস্য নাছির উদ্দিন প্রমুখ। সংবাদ সম্মেলনে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন আবু তাহের, আরিফুল ইসলাম ও কামাল হোসেন মিঠু।<br />
লিখিত বক্তব্যে সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম আরো বলেন, সত্যিকারের মিডিয়া সমাজের নানা ছবি মানুষের সামনে তুলে ধরে। অন্যায়, অবিচার, মিথ্যাচারকে পরাজিত করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। তেমনি একটি দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা ক্রমাগত মিথ্যাচার, গোয়েবেলসিও প্রোপাগান্ডার বিরুদ্ধে সঠিক তথ্য তুলে ধরতে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আপনাদের নিরপেক্ষ সহযোগিতায় ০আমরা এইসব মিথ্যাচার এবং প্রোপাগান্ডার জবাব দিতে সক্ষম হবো এবং সত্যিকারের পরিস্থিতি, প্রমাণ সহকারে চট্টগ্রামবাসী এবং সংশ্লিষ্ট সকলের সামনে তুলে ধরতে সমর্থ হবো।<br />
আজকের এই অনুষ্ঠানে আমরা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করতে চাই, এই চট্টগ্রাম সমিতির বিনির্মাণে যারা শ্রম, মেধা, অর্থসহ নানাভাবে আমাদের সাহায্য করেছেন কিন্তু আজ আমাদের মাঝে নেই- সর্বজন শ্রদ্ধেয় দীন এম রানা, সৈয়দ এম রেজা , আব্দুল হাই জিয়া, হেলাল উদ্দিন, তসলিম, কামাল উদ্দিন, অ্যাডভোকেট নিজাম উদ্দিন উকিল, গিয়াস উদ্দিন, আসাদুল্লাহ হিল গালিব, অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ, ডাক্তার আনোয়ার মিয়া, বীর মুক্তিযোদ্ধা শফিউল আজম শফিসহ আরো অনেককে।<br />
তিনি বলেন, চিটাগাং অ্যাসোসিয়েশন অফ নর্থ আমেরিকা ইন্ক্ এই প্রবাসের একটি অত্যন্ত স্বনামধন্য আঞ্চলিক সংগঠন- যার বয়েস হাঁটি হাঁটি পা পা করে প্রায় ৩৭ বছরে পদার্পন করেছে। নানা চড়াই উৎরাইয়ের ভেতর দিয়ে এই সংগঠন এগিয়ে গেছে, এই পথ চলা সবসময় সহজ ছিল না, কোনো কোনো সময় এই পথ ছিল কণ্টকাকীর্ণ। তারপর ও চট্টগ্রাম সুহৃদদের অক্লান্ত প্রচেষ্টায় এই কাঁটা বিছানো পথ অতিক্রম করতে আমরা সফল হয়েছি। কোভিড পূর্ববর্তী সময় থেকেই চট্টগ্রাম সমিতি নানা সংকটের ভেতর দিয়ে যাচ্ছিলো। প্রাণঘাতী কোভিডের আক্রমণে সমিতির সভাপতি আব্দুল হাই জিয়ার আকস্মিক মৃত্যুতে সংকট আরো গভীরতর হয়। সেই সময়ে দায়িত্বে থাকা নেতৃবৃন্দের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় বিবাদদমান সকল পক্ষের সমন্বয়ে একটি অর্থবহ নির্বাচন করার লক্ষ্যে একটি অন্তর্বতীকালীন কমিটি গঠন করা হয়। এই অন্তবর্তীকালীন কমিটি নানা সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘ সতেরো মাস পরে নির্বাচন কমিশন গঠন করেন। যদিও প্রথমদিকে একটি দুষ্টু চক্র একতরফাভাবে নির্বাচন কমিশন গঠন করার চেষ্টা করলে তীব্র বাধার সম্মুখীন হন এবং পরবর্তীতে সকলের ঐক্যমতের ভিত্তিতে যোগ্য ব্যক্তিদের সমন্বয়ে পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়। নির্বাচন কমিশন সমিতির সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় দক্ষতার সঙ্গে সময়োপযোগী তফসিল ঘোষণা করেন। নির্বাচনের ভোট গ্রহণ এবং অন্যান্য সব কার্যাদি সম্পাদনের লক্ষ্যে, সকল পক্ষের মতের ভিত্তিতে একটি ইনডিপেনডেন্ট সংস্থা &lsquo;ইউনাইটেড ইলেকশন সার্ভিস&rsquo;ক নিয়োগ দেওয়া হয়। তফসিল অনুযায়ী নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হয় ২০ অক্টোবর ২০২৪। নির্বাচনে দুইটি প্যানেলের মধ্যে সরাসরি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, যদিও সাধারণ সম্পাদক পদের একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। শান্তিপূর্ণ এবং সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে ব্রুকলিন, কুইন্স, নিউজার্সি এবং কানেক্টিকাট- চারটি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়।</p>

<p>প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এই নির্বাচন ছিল চোখে পড়ার মতন। ভোট গ্রহণ শেষে আনুষ্ঠানিক ফল গণনায় একাধিক পদের ভোটের পার্থক্য চ্যালেঞ্জড ভোটার সংখ্যানুপাতে বিবেচনাযোগ্য হওয়ায় নির্বাচনের দিন নির্বাচন কমিশন পূর্ণাঙ্গ ফলাফল ঘোষণা থেকে বিরত থাকেন। ছয়টি চ্যালেঞ্জড ভোটের ন্যায্যতা নির্ধারণ এবং গণনা শেষে সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক পদে তাহের-আরিফ পরিষদের সদস্যরা নয়টি পদে এবং অন্য প্যানেলের দশজন নির্বাচিত হন। এখানে উল্লেখ্য যে, চ্যালেঞ্জড ভোটসহ সকল ভোটার গণনার কাজ ইউনাইটেড ইলেকশন সার্ভিস সম্পন্ন করেছেন, নির্বাচন কমিশন চুক্তি এবং বিধি অনুযায়ী শুধু ফলাফল ঘোষণা করেন। ইউনাইটেড ইলেকশন সার্ভিসের কাছ থেকে প্রাপ্ত ফলাফলের ভিত্তিতে পাঁচজন নির্বাচন কমিশন পূর্ণ ঐক্যমতের ভিত্তিতে তাদের অফিসিয়াল ফলাফল ঘোষণা করেন। ফলাফল ঘোষণা করার পরপরই নির্বাচনে পরাজিত একজন সভাপতি পদপ্রার্থী নিজের ব্যক্তিগত স্বার্থে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং স্থানীয় কিছু পত্রপত্রিকায় বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করেন। এই অপপ্রয়াসের অংশ হিসেবে ফেসবুক লাইভে এসে ওই ব্যক্তি নির্বাচন কমিশনের প্রধানসহ সম্মানিত চট্টগ্রামবাসীর বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে নানা ধরনের আপত্তিকর মন্তব্য করে। যার ভিডিও এখনো অনেকের কাছে সংরক্ষিত আছে- যদিও চট্টগ্রামবাসীর তীব্র প্রতিবাদের মুখে এবং জনরোষের ভয়ে ওই পোস্টটি সরিয়ে নেয়া হয়।</p>

<p>শুধু ওই পোস্টটি নয়, এমনতরো অনেকগুলো পোস্টই সেই ব্যক্তির ফেসবুক একাউন্ট থেকে সরিয়ে নেবার রেকর্ড আছে। চট্টগ্রাম সমিতির বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী (আর্টিকেল-১৫.২৫) ফলাফল ঘোষণার পনেরো দিনের মধ্যে নির্বাচন কমিশন কর্তৃক শপথ দেবার বিধান আছে। নির্বাচন কমিশন আর্টিকেল ১৫ দশমিক ২৫ অনুযায়ী নির্বাচিত সকল সদস্যের তেসরা নভেম্বর, ২০২৪ তারিখে শপথ গ্রহণের জন্য আমন্ত্রণ জানান। তাহের-আরিফ পরিষদের সকল সদস্য শপথ গ্রহণ করলে ও অন্য প্যানেল থেকে নির্বাচিত সদস্যগণ শপথ গ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত নেন। সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতায় নির্বাচনের ফল ঘোষণার ১৫ দিনের মধ্যে শপথ গ্রহণের বিধান থাকলে ও পরিস্থিতি বিবেচনায় যৌক্তিক সময় অপেক্ষা করার পরও শপথ না নেওয়ায় সংগঠনের বৃহত্তর স্বার্থে দ্বিতীয় স্থান অধিকারী প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের বিজয়ী ঘোষণা করা হয় এবং নির্বাহী ক্ষমতাবলে নব-নির্বাচিত সভাপতি তাদের শপথ বাক্য পাঠ করিয়ে সংগঠনের দায়িত্ব অর্পণ করেন। দায়িত্বপ্রাপ্ত হবার পর থেকেই ১৯ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি নিরলসভাবে চট্টগ্রাম সমিতিকে সেবা দিয়ে যাচ্ছে। অপরদিকে নির্বাচনে জয়লাভ করা সত্ত্বেও, একদল তরুণ, প্রতিশ্রুতিশীল নতুন নেতৃত্ব কতিপয় অহংকারী, স্বার্থপর এবং ব্যক্তিগত স্বার্থের ক্রীড়নকদের অশুভ ইচ্ছার বলির পাঠা হয়েছেন।<br />
ইফতার মাহফিল এবং ক্রিমিনাল কেস: শপথ গ্রহণের পর থেকেই চট্টগ্রাম ভবনের দায়িত্ব বুঝে পেতে নতুন কমিটি তাদের কার্যক্রম শুরু করে। পরাজিত মহলটি গায়ের জোরে চট্টগ্রাম সমিতি ভবনের দখল নেয়, কিন্তু আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে তাহের- আরিফ এর নেতৃত্বে নতুন কমিটি পূর্ববর্তী অন্তর্বর্তীকালীন কমিটির কাছ থেকে ব্যাঙ্ক হিসাব এবং ভবনের কাগজপত্র, ভবনের ডিড, কবরের এলোটমেন্ট পেপার, রেজ্যুলেশন বুক এইসব বুঝে নেবার পর চট্টগ্রাম সমিতির ভবন বুঝে নেন। এখানে অবশ্যই উল্লেখ করা প্রয়োজন, অন্তর্বর্তীকালীন কমিটির আটজন বৈধ সদস্যদের ভেতর একজন বাংলাদেশে অবস্থান করছিলেন, সাতজনের ভেতর মোট পাঁচজনের সংখ্যাগরিষ্ঠ সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে ক্ষমতা হস্তান্তর করা হয়। কোনো ব্যক্তি কিংবা ব্যক্তিবিশেষের একক সিদ্ধান্তে নয়।<br />
পরবর্তীতে ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ রাতের অন্ধকারে ভবনের তালা ভেঙে কতিপয় ব্যক্তি চট্টগ্রাম ভবনে প্রবেশ করলে সংগঠনের সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক লোকাল প্রিসিঙ্কট এ অভিযোগ দায়ের করেন। এখানে উল্লেখ্য যে প্রাথমিক রিপোর্টে কোনো ব্যক্তির নাম উল্লেখ করা হয়নি। গোয়েন্দা তথ্য এবং সিসিটিভি ফুটেজের আলামতের ভিত্তিতে আসামিদের সনাক্ত করে ডিস্ট্রিক্ট এটর্নি নিজ উদ্যোগে ক্রিমিনাল মামলা দায়ের করেন এবং এর ফলশ্রুতিতে কেউ কেউ গ্রেফতারও হন। মামলার রেকর্ড (CR &ndash; 013245-25 KN) অনুযায়ী বার্গলারি, থার্ড ডিগ্রী, এটেম্পটেড বার্গলারি- থার্ড ডিগ্রী, ক্রিমিনাল মিসছেফ-ফোর্থ ডিগ্রী এবং ক্রিমিনাল ট্রেসপাস এর বিষয় উল্লেখ করা হয়। যদিও গ্রেফতারকৃতদের কেউ কেউ তাদেরকে মাদক মামলা দেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করেন। উপরোক্ত ক্রিমিনাল মামলার ফলশ্রুতিতে কারোর কারোর বিরুদ্ধে অর্ডার অফ প্রটেকশনও জারি করা হয়।<br />
অনাদায়ী ভাড়া আদায়ের মামলা<br />
আপনারা অনেকেই অবগত আছেন চট্টগ্রাম ভবনের একটি অন্যতম আয়ের উৎস হলো এই ভবনের ছয়টি এপার্টমেন্টের ভাড়া। এই ভবনের এই আয়ের উৎস নানা সময়ে নানা মহল তসরুফ করেছেন। বিশেষ করে বিবাদমান দুই দলের পক্ষ এবং বিপক্ষ নিয়ে কতিপয় অসাধু ভাড়াটিয়া সুযোগ গ্রহণ করে আনছেন। এবারো তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। মাকসুদ- মাসুদ প্যানেলে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা দু&rsquo;জন প্রার্থী চট্টগ্রাম ভবনের ভাড়াটিয়া। নির্বাচনের পর থেকে নিয়ে আজ অবধি এই দুইজন এবং তাদের যোগসাজশে অন্য আরো একজন ভাড়াটিয়া কোনো ভাড়া পরিশোধ করেননি। ভাড়া আদায় করতে গেলে তারা বলেছেন, তারা নাকি অন্য পক্ষকে ভাড়া দিয়েছেন। নানা চেষ্টা তদবির করার পর ও যখন তারা ভাড়া পরিশোধ করেননি তখন উপায়ান্তর না দেখে ম্যানেজমেন্ট কোম্পানির পরামর্শের ভিত্তিতে ল্যান্ডলর্ড এবং টেনান্ট কোর্টে মামলা দায়ের করা হয়। এখানে উল্লেখ্য যে, চট্টগ্রাম সমিতির ভাড়া আদায়ের জন্য একটি নির্দিষ্ট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানিকে চুক্তিবদ্ধ করা হয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন কমিটির সময়ে, পরবর্তীতে বর্তমান সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক মহম্মদ আবু তাহের এবং মহম্মদ আরিফুল ইসলাম চট্টগ্রাম সমিতির পক্ষে পুরানো চুক্তি নবায়ন করেন। আজ অবধি এই তিনজন ভাড়াটিয়ার কাছে চট্টগ্রাম সমিতির পাওনা ভাড়ার পরিমাণ ৯৭৭১১.২০ সেন্ট। (সাতানব্বই হাজার সত্য এগারো ডলার বিশ সেন্টস)। বর্তমানে এই অনাদায়ী ভাড়ার মামলাটি ট্রায়াল এর জন্য অপেক্ষমাণ রয়েছে। আমরা বিশ্বাস করি, অচিরেই যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই তিনজন ভাড়াটেকে আমরা উচ্ছেদ কোর্টে সমর্থ হবো এবং অনাদায়ী অর্থ যুক্তরাষ্ট্রের প্রচলিত আইন অনুযায়ী ফিরিয়ে আনতে সমর্থ হবো।<br />
ল্যান্ডলর্ড এবং টেনান্ট কোর্টের মামলা # ৩২৪৭৬৮/২৫<br />
নির্বাচন কমিশন, অন্তর্বর্তীকালীন কমিটি, বর্তমান কার্যকরি কমিটি এবং ইউনাইটেড ইলেকশন সার্ভিসের বিরুদ্ধে সিভিল মামলা: নির্বাচনী প্রচারকালে চট্টগ্রামবাসীর কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে, সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে পরাজিত মাকসুদ- মাসুদ প্যানেলের সদস্য এবং তাদের কিছু সহযোগী বর্তমান কার্যকরি কমিটি, ইলেকশন কমিশন, নির্বাচন পরিচালনাকারী সংস্থা ইউনাইটেড ইলেকশন সার্ভিস এর বিরুদ্ধে একটি সিভিল মামলা দায়ের করে। মামলার বিবরণীতে তারা নিজেদের চট্টগ্রাম সমিতির মালিক দাবি করে আদালতের কাছে বিচার চান। আসলে এর পেছনে অন্য কাহিনী লুকায়িত আছে বলে কেউ কেউ ধারণা করছেন। অন্যথায় আজ অবধি তাদের দায়ের করা এই মামলা আলোর মুখ দেখেনি, চট্টগ্রামবাসীদের এবং সংশ্লিষ্ট মহলকে বিভ্রান্ত করার জন্য এই মামলা দায়ের করা হয়। বর্তমানে এই মামলার শুনানির তারিখ নির্ধারিত হয়েছে ২০২৭ সালের গ্রীষ্মকালীন সময়ে। এই মামলার অজুহাত দেখিয়ে তারা চট্টগ্রামবাসীর সামনে তাদের অস্তিত্ব ধরে রাখতে চায়। সুপ্রিম কোর্টে দায়ের করা এই মামলার নম্বর #৫৩৫১৪৬/২০২৪।<br />
চট্টগ্রাম সমিতির বর্তমান কার্যক্রম<br />
নভেম্বর, ২০২৪ এ দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে আজ অবধি চট্টগ্রামবাসীর অব্যাহত সহযোগিতায় তাহের-আরিফের নেতৃত্বে বর্তমান কার্যকরী কমিটি ব্যাপক কর্মযজ্ঞ সম্পাদন করেছেন। দীর্ঘদিনের অচলায়তন ভেঙে যোগ্য এবং সৎ মানুষদের সমন্বয়ে ট্রাস্টি বোর্ড এবং উপদেষ্টা পরিষদ গঠন, বৃহৎ আঙ্গিকে ইফতার মাহফিল, প্রথম বারের মতন কুইন্স এ বড় আঙ্গিকে ইফতার মাহফিল, প্রায় সাড়ে তিন হাজার লোক সমাগমে বেলমন্ট লেক স্টেট পার্কে পিকনিক, পবিত্র ঈদ এ মিলাদুন্নবী সাঃ উপলক্ষে মিলাদ মাহফিল এবং চাটগাইয়া মেজবান, দুইটি বৃহৎ পরিসরে পহেলা বৈশাখ উদযাপন, বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নিউ ইয়র্ক সিটি কাউন্সিলের এর দ্বিতীয়বারের মতন নির্বাচিত কাউন্সিলওমেন শাহানা হানিফকে সংবর্ধনা প্রদান, বাংলাদেশ এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন জাতীয় দিবস উদযাপন ইত্যাদি।<br />
এছাড়া ও যেই উদ্দেশ্য নিয়ে এই জনকল্যাণমুখী সংগঠনটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল সেই অন্যতম প্রধান কাজ: মৃতের দাফন/সৎকার। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে আজ অবধি সাতজনকে বিনামূল্যে কবরস্থ করা হয়েছে নিউজার্সির মার্লবোরো মুসলিম সিমেট্রিতে। এছাড়া ও অন্য দুইজনকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। সকলের দোয়াতে এবং সহযোগিতায় আমরা আরো কিছু কবর ক্রয়ের ব্যপারে নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি এবং এই বিষয়টিকে বাস্তবে রূপ দেবার জন্য একটি শক্তিশালী উপকমিটি গঠন করা হয়েছে।<br />
দুর্নীতির বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান<br />
চট্টগ্রাম সমিতির বর্তমান নেতৃত্ব দুর্নীতি এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নিয়েছে এবং এই অবস্থান অব্যাহত থাকব। চট্টগ্রামবাসীর হকের অর্থ, লাশ দাফনের অর্থ যারা মেরে দিয়েছেন, তাদের কোনো ভাবেই রেহাই দেওয়া হবে না, বিচারের মুখোমুখি করা হবে এবং হয়েছে। যেই অর্থে চট্টগ্রামবাসীর কল্যাণ হবার কথা ছিলো, সেই অর্থ ব্যক্তিবিশেষের পকেটস্থ হয়েছে, যে অর্থে চট্টগ্রামবাসীর লাশ দাফন হবার কথা ছিলো, সেই অর্থে ব্যক্তিবিশেষ ভোগ বিলাস করেছে। ২০২১ সালে অন্তর্বর্তীকালীন কমিটি গঠনের পূর্বে ভুয়া নির্বাচন দিয়ে আত্মসাৎ করা হয়েছে প্রায় ৩৫০০০ হাজার ডলার। নয়শো সদস্য প্রদর্শন করে নির্বাচনের প্রহসন করে &lsquo;অনেস্ট ব্যালট&rsquo;কে ২৫ হাজার ডলার পরিশোধ করেছে বলে দাবি করলে ও সদস্য ফির অর্থ কোথায় জমা হয়েছে তার হদিস এখনো তৎকালীন নেতৃবৃন্দ দিতে পারেননি।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/24-b.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত হলো ১৬তম ব্রুকলিন স্ট্রিট ফেয়ার]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/28739</link>
    <pubDate>Mon, 15 Jun 2026 09:26:13 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/28739</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/62-a.jpg" />    <p>নিউইয়র্কের ব্রুকলিনে ১৬তম ব্রুকলিন স্ট্রিট ফেয়ার ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ৬ জুন (শনিবার) চার্চ-ম্যাকডোনাল্ড বাংলাদেশি বিজনেস অ্যাসোসিয়েশন (সিএমবিএ) এর আয়োজনে ম্যাকডোনাল্ড এভিনিউতে এই মেলা অনুষ্ঠিত হয়। মেলা আয়োজনে সার্বিক সহযোগীতায় ছিলো বাংলাদেশি আমেরিকান ফ্রেন্ডশিপ সোসাইটি নিউইয়র্ক ইনক। পথমেলায় প্রবাসী বাংলাদেশি এবং বিভিন্ন কমিউনিটির মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়।<br />
<br />
<img alt="" data-mfp-src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/IMG-20260610-WA0029.jpg.pagespeed.ce.b5uvonpa7N.jpg" src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/IMG-20260610-WA0029.jpg.pagespeed.ce.b5uvonpa7N.jpg" /></p>

<p data-added-after="1"><br />
মেলায় উদ্যোক্তারা শাড়ি, চুড়ি গহণাসহ বিভিন্ন স্টল স্থাপনের মাধ্যমে নিজেদের পণ্য ও সেবা উপস্থাপন করার সুযোগ পান। শিশুদের জন্য নাগরদোলা, হরেক রকমের খেলনা বাড়তি আকর্ষণ সৃষ্টি করে। এছাড়া র&zwnj;্যাফেল ড্রতে গাড়িসহ বিভিন্ন আকর্ষণীয় পুরস্কারের ঘোষণা মেলার অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হয়ে ওঠে, যা দর্শনার্থীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি করে।</p>

<p><br />
আয়োজক সংগঠন চার্চ-ম্যাকডোনাল্ড বাংলাদেশী বিজনেস এসোসিয়েশন ইনক জানায়, ১৬তম ব্রুকলিন স্ট্রিট ফেয়ার শুধু একটি বিনোদনমূলক আয়োজন নয়, বরং প্রবাসে বাংলাদেশি সংস্কৃতি ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে বৃহত্তর সমাজে তুলে ধরার একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে আবারও নিজের অবস্থান সুদৃঢ় করেছে। প্রবাসের বুকে নতুন নারী উদ্যাক্তা তৈরিতেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে মেলাটি।</p>

<p><br />
তারা আরও জানান, এবারের মেলায় অংশগ্রহণ ছিল প্রত্যাশার চেয়েও বেশি। দিনব্যাপী নানা সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ও স্থানীয় শিল্পীদের অংশগ্রহণ দর্শনার্থীদের আকৃষ্ট করে। ভবিষ্যতে এ মেলা আরো ব্যাপক পরিসরে আয়োজনের আশাবাদও ব্যক্ত করেন তারা।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/62-a.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[‘পেট প্রজেক্ট’ নয় সরকার ‘ই-হেলথ কার্ডে’ জোর দিচ্ছে-স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28738</link>
    <pubDate>Mon, 15 Jun 2026 09:24:14 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28738</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/928-1.jpg" />    <article>
<p>স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেছেন, প্রথাগত বড় বড় বিল্ডিং বা অবকাঠামো নির্মাণের &lsquo;পেট প্রজেক্ট&rsquo; থেকে বের হয়ে বর্তমান সরকার &lsquo;ই-হেলথ কার্ড&rsquo;-এর মতো প্রযুক্তি ও জ্ঞানভিত্তিক স্বাস্থ্য খাত গড়তে বদ্ধপরিকর।</p>

<p>গতকাল রবিবার বিকেলে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে বাংলাদেশ হেলথ ওয়াচ এবং আর্ক ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত &lsquo;অর্থবছর ২০২৬-২০২৭ : স্বাস্থ্য বাজেটের ওপর নাগরিক সমাজের ভাবনা&rsquo; শীর্ষক এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>বক্তব্যের শুরুতেই স্বাস্থ্য খাতের মাঠপর্যায়ের কঠোর বাস্তবতার চিত্র তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, &lsquo;তৃণমূল থেকে শুরু করে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের ইনস্টিটিউট সবখানেই অর্ধেক কর্মকর্তা, কর্মচারী ও চিকিৎসক গায়েব। ১০ জন ডাক্তার থাকার কথা থাকলে পাওয়া যায় ৫ জনকে। ২০ জন ক্লিনার থাকার কথা থাকলেও আউটসোর্সিং কোম্পানিগুলো ভুয়া ক্লিনার দেখিয়ে টাকা তুলে নিচ্ছে। হাসপাতালের গেটে পা রাখতেই সাধারণ মানুষ দালাল-বাটপার ও আউটসোর্সিং স্টাফদের খপ্পরে পড়ে হেনস্থার শিকার হচ্ছে।</p>
</article>

<article>&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>স্বাস্থ্য খাতের প্রশাসনিক দুর্বলতা ও অতিরিক্ত কেন্দ্রীকরণের সমালোচনা করে ড. এম এ মুহিত বলেন, &lsquo;বিগত ১৫ বছর ধরে আমরা শুধু জরুরি পরিস্থিতি সামলানোর দিকো (ফায়ার ফাইটিং) নজর দিয়েছি, ঠান্ডা মাথায় দীর্ঘমেয়াদি পলিসি তৈরির সুযোগ হচ্ছে না। সিভিল সার্জনরা তাদের আগের দাপট ও ঐতিহ্য হারিয়ে ফেলেছেন। কারণ ক্ষমতা বিকেন্দ্রীকরণ না করে সব ফাইল ডিজি হেলথ ও মন্ত্রণালয়ের বারান্দায় এনে স্তূপ করা হচ্ছে। মন্ত্রণালয়ের ৮০ শতাংশ মানুষ এখন ভুল কাজে ব্যস্ত।</p>
</article>

<article>&rsquo;&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>এই অচলাবস্থা কাটাতে একটি নতুন প্রজন্মের সিভিল সার্জন তৈরির তাগিদ দেন তিনি।</p>

<p>মন্ত্রী-সচিবদের এলাকায় &lsquo;ই-হেলথ কার্ড&rsquo; পাইলটিং করার নেতিবাচক সমালোচনার জবাব দিয়ে প্রতিমন্ত্রী স্পষ্ট করেন, মন্ত্রী বা সচিবদের এলাকায় পাইলটিং করা হচ্ছে, যেন শতভাগ তদারকি নিশ্চিত করে দ্রুত লার্নিং নেওয়া যায় এবং পরবর্তীতে তা নিখুঁতভাবে দেশব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব হয়।</p>

<p>অর্থনৈতিক ও মেধার সক্ষমতা প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, আর্থিকভাবে আমাদের আর অনুদান নির্ভর বা পরমুখাপেক্ষী দেশ হিসেবে থাকার কোনো প্রয়োজন নেই। আমাদের নিজস্ব অর্থ ও জনবল বিশেষজ্ঞদের ৩০-৫০ বছরের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়েই দলমত নির্বিশেষে দেশের স্বাস্থ্য খাতের সব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সম্ভব।</p>

<p>এবারের বাজেটে স্বাস্থ্য খাতের বরাদ্দ প্রায় দ্বিগুণ হওয়ায় সাধারণ মানুষের চোখে তিনি বিস্ময় দেখেছেন বলেও উল্লেখ করেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/928-1.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[শিক্ষার্থীদের তৈরি কৃত্রিম রোবটিক হাত দেখে মুগ্ধ জুবাইদা রহমান]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28737</link>
    <pubDate>Mon, 15 Jun 2026 09:23:05 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28737</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/789-99.jpg" />    <article>
<p>রাজধানীতে আয়োজিত এক বিজ্ঞান প্রদর্শনীতে শিক্ষার্থীদের তৈরি কণ্ঠস্বর ও শারীরিক ইশারায় (জেসচার) নিয়ন্ত্রণযোগ্য কৃত্রিম রোবটিক হাত দেখে মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান ডা. জুবাইদা রহমান।</p>

<p>রবিবার (১৪ জুন) বিকেলে তেজগাঁওয়ের বিএএফ শাহীন কলেজের শাহীন হল মিলনায়তনে &lsquo;স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং&rsquo; (ঢাকা জেলা পর্যায়) প্রতিযোগিতার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিয়ে তিনি শিক্ষার্থীদের এই উদ্ভাবন ঘুরে দেখেন।</p>
</article>

<article><a href="https://www.kalerkantho.com/multimedia/khela/2026/06/14/1697677" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এবং ঢাকা জেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতার সমাপনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকার জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম।</p>

<p>প্রদর্শনীতে একদল শিক্ষার্থী তাদের তৈরি কৃত্রিম রোবটিক হাতটি (প্রোসথেসিস) প্রধান অতিথির সামনে উপস্থাপন করে। প্রচলিত কৃত্রিম হাতের সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে সম্পূর্ণ নতুন প্রযুক্তির এই উদ্ভাবন দেখে ডা. জুবাইদা রহমান শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দীর্ঘ সময় কথা বলেন এবং এর বিভিন্ন কার্যকারিতা সম্পর্কে খোঁজ নেন।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>শিক্ষার্থীরা প্রধান অতিথিকে জানায়, বাজারে প্রচলিত কৃত্রিম হাতগুলো সাধারণত অপরিবর্তনশীল (ফিক্সড) ও অত্যন্ত ব্যয়বহুল হয়ে থাকে।</p>
</article>

<article>তবে তাদের তৈরি হাতটি সম্পূর্ণ থ্রিডি প্রিন্টারে তৈরি ও বিশেষভাবে প্রোগ্রাম করা, যা কণ্ঠস্বর বা শারীরিক ইশারার মাধ্যমে অনায়াসেই যেকোনো জিনিস ধরতে ও ছাড়তে পারে। এটি শুধু হাত কাটা ব্যক্তিদের জন্যই নয়, বরং যাদের কবজি থেকে হাত বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে, তাদের শারীরিক গঠন অনুযায়ীও কাস্টমাইজ বা পরিবর্তন করে নেওয়া সম্ভব। একই সঙ্গে এটি সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে সাশ্রয়ী মূল্যে তৈরি করা সম্ভব। শিক্ষার্থীদের এই প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন ও আত্মবিশ্বাস দেখে ডা. জুবাইদা রহমান উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, &lsquo;চমৎকার প্রজেক্ট, তোমাদের অভিনন্দন।</article>

<article>&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>পরে মূল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. জুবাইদা রহমান শিক্ষার্থীদের এই উদ্ভাবনী মেধার প্রশংসা করে বলেন, শিক্ষার্থীদের মেধা, দক্ষতা ও মূল্যবোধ বিকাশে সপ্তম শ্রেণি থেকেই দলগত কাজ, বাস্তবভিত্তিক শিক্ষা এবং নৈতিক শিক্ষার ওপর জোর দেওয়া প্রয়োজন। ধনী-গরিব নির্বিশেষে অনগ্রসর এলাকায় উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে আগামী দিনের শিক্ষাকে আরও আনন্দময় করে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/national/2026/06/14/1697671" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেন, &lsquo;সরকার আর জিপিএ ৫-এর মতো সোনার হরিণের পেছনে ছুটবে না। শিক্ষার্থীদের জন্য একটি কর্মমুখী ও বাস্তবমুখী শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে।&rsquo; অনুষ্ঠান শেষে বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/789-99.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন গুম ও খুনের শিকার ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28736</link>
    <pubDate>Mon, 15 Jun 2026 09:21:57 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28736</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/982-88.jpg" />    <article>
<p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন মানবাধিকার সংগঠন &lsquo;মায়ের ডাক&rsquo;-এর গুম ও খুনের শিকার ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা। রবিবার (১৪ জুন) সন্ধ্যায় জাতীয় সংসদ ভবনের অধিবেশন কক্ষের বাইরে সাক্ষাৎ করেন তারা।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আমন্ত্রণে নতুন অর্থবছরের জাতীয় বাজেট অধিবেশন প্রত্যক্ষ করেন সংগঠনটির সদস্যরা।</p>

<p>এদিন দুপুরে জাতীয় সংসদের বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক মুন্সী আব্দুর রউফ গ্যালারিতে সংগঠনটির ২৬ জন সদস্য বাজেট অধিবেশনের কার্যক্রম সরাসরি প্রত্যক্ষ করেন।</p>

<p>ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের আজকের বাজেট অধিবেশনে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/982-88.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বেনজীর আহমেদকে দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া নিয়ে যা জানা যাচ্ছে]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28735</link>
    <pubDate>Mon, 15 Jun 2026 09:21:00 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28735</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1104-77.jpg" />    <article>
<p>বাংলাদেশের একসময়ের আলোচিত পুলিশ মহাপরিদর্শক বা আইজিপি বেনজীর আহমেদকে দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ইন্টারপোলের সহযোগিতায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে রবিবার জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>বাংলাদেশের পুলিশ বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ তিনটি পদে এক দশকেরও বেশি সময় ধরে দায়িত্ব পালনের সময় নানা ঘটনায় বারবার আলোচনায় এসেছিলেন বেনজীর আহমেদ।</p>

<p>রবিবার সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমদকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিয়ে জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে বিবৃতিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, &lsquo;এটি বাংলাদেশ পুলিশের একটি ঐতিহাসিক সাফল্য। এর মাধ্যমে আমরা বিচারহীনতার সংস্কৃতি থেকে বের হয়ে আসতে সক্ষম হবো।&rsquo;</p>

<p>ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের বক্তৃতা ও বিবৃতিতে ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের প্রতি সমর্থনের বহিঃপ্রকাশ ছিল প্রায় নিয়মিত ঘটনা।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>২০১৫ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২০ সালের ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত র&zwj;্যাবের মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন বেনজীর আহমেদ। এরপর ওই বছরের ১৫ এপ্রিল থেকে ২০২২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আইজিপি ছিলেন তিনি।</p>

<p>আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর আদালতের এক আদেশের প্রেক্ষিতে বেনজীর আহমেদের মালিকানাধীন সাভানা রিসোর্ট ও ন্যাচারাল পার্কের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছিল গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসন।</p>

<p>দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা এক আবেদনের প্রেক্ষিতে তার সম্পত্তি জব্দের নির্দেশ দিয়েছিলেন ঢাকার একটি আদালত।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>২০২২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর আইজিপির পদ থেকে অবসরে গিয়েছিলেন বেনজীর আহমেদ। এর বছর দুয়েক পরে ঢাকার একটি পত্রিকায় (কালের কণ্ঠ) তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির মাধ্যমে ব্যাপক সম্পদ অর্জনের অভিযোগ করে রিপোর্ট প্রকাশ করলে তা নিয়ে সারা দেশে তোলপাড় হয়েছিল। সেই প্রেক্ষাপটে ২০২৪ সালে দেশ ছেড়ে দুবাই চলে যান তিনি।</p>

<p>জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার কয়েক মাস আগে বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির নানা অভিযোগ ওঠে। সেগুলো নিয়ে তদন্তে নামে দুর্নীতি দমন কমিশন বা দুদক।</p>
</article>

<article>সাবেক এই আইজিপির বিরুদ্ধে যখন দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে, তখনই তিনি দেশ ছেড়েছিলেন। এরপর তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হয়।
<p>&nbsp;</p>

<p>রবিবার সাবেক আইজিপি বেজনীর আহমেদের আটকের বিষয়টি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিশ্চিত করার পর দুদকের পক্ষ থেকে একটি সংবাদ সম্মেলন করা হয়।</p>

<p>সেখানে দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আকতারুল ইসলাম জানান, সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে দুদকের দায়ের করা ছয়টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে একটি মামলায় চার্জশিট দেওয়া হয়েছে এবং অপর একটি মামলার বিচার চলছে।</p>

<p>দুদক কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম সংবাদ সম্মেলনে বলেন, &lsquo;জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের একটি মামলায় তার বিরুদ্ধে বিচার চলছে। আর পাসপোর্ট জালিয়াতিসহ আরো পাঁচটি মামলার তদন্ত চলছে।&rsquo;</p>

<p>২০২৪ সালে শেখ হাসিনার শাসনের পতনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর মামলাগুলোর কার্যক্রমে আরো গতি পায়। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় ২০২৫ সালে বেনজীর আহমেদকে গ্রেপ্তারে ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারির আবেদন পাঠানো হয়।</p>

<p>দুদক কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম সংবাদ সম্মেলনে বলেন, &lsquo;আমাদের তদন্ত কর্মকর্তা আদালতের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারির আবেদন করেছিলেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আমরা ইন্টারপোলে আবেদন করেছিলাম। তার প্রেক্ষিতে ইন্টারপোল সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদকে গ্রেপ্তার করেছে।&rsquo;</p>

<p><strong>যেভাবে গ্রেপ্তার হন দুবাইয়ে</strong></p>

<p>সাবেক এই আইজিপির বিরুদ্ধে যে ছয়টি মামলা ছিল, তার মধ্যে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পত্তি অর্জন এবং পাসপোর্ট জালিয়াতির দুটি মামলায় ইন্টারপোলের মাধ্যমে নোটিশ পাঠানো হয়েছিল।</p>

<p>দুদক জানিয়েছে, সাবেক আইজিপি সরকারি কর্মকর্তা থাকা অবস্থায় বিভিন্ন সময়ে সরকারি পাসপোর্ট ব্যবহার না করে জালিয়াতি করে সাধারণ ব্যক্তি হিসেবে পাসপোর্ট গ্রহণ করেছেন। এই মর্মে অভিযোগ ছিল এবং একাধিক পাসপোর্ট তিনি গ্রহণ করেছিলেন।</p>

<p>দুদক কর্মকর্তা মো. আকতারুল ইসলাম জানান, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পত্তি অর্জনের যে পাঁচটি মামলা হয়েছিল সাবেক এই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সেখানে তার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের পরিমাণ ছিল ৭৬ কোটি টাকারও ওপরে।</p>

<p>তিনি বলেন, এসব মামলায় বেনজীর আহমেদকে হাজির করতে আমরা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ইন্টারপোলে আবেদন করেছিলাম।</p>

<p>পরে দুদকের আবেদনের প্রেক্ষিতে রেড নোটিশ জারি করতে ইন্টারপোলের কাছে আবেদন করে বাংলাদেশ পুলিশের ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরো বা এনসিবি।</p>

<p>রবিবার জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারি করা হয়েছিল। ওই রেড নোটিশের মাধ্যমে ইন্টারপোল সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে গ্রেপ্তারের অনুরোধ জানায়।</p>

<p>এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, গত ১২ জুন বাংলাদেশ পুলিশ দুবাই থেকে মেইল পেয়ে তার গ্রেপ্তারের বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হয় বাংলাদেশ।</p>

<p>তিনি বলেন, &lsquo;বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি দণ্ডবিধির ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮সহ অন্যান্য ধারা এবং বাংলাদেশ পাসপোর্ট অর্ডার ১৯৭৩-এর ১১ ধারায় মামলা বিচারাধীন। বর্তমানে এনসিবি ঢাকা রেড নোটিশ প্রকাশ, আন্তর্জাতিক সমন্বয় এবং গ্রেপ্তার-পরবর্তী ফলোআপ কার্যক্রম সম্পন্ন করছে।&rsquo;</p>

<p><strong>দেশে ফেরানো হবে কোন প্রক্রিয়ায়?</strong></p>

<p>বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পর তাকে কবে ফেরানো হবে কিংবা ঠিক কী প্রক্রিয়ায় ফেরানো হবে, সেই বিষয়গুলো সামনে আসছে।</p>

<p>রবিবার দুদকের পক্ষ থেকে যে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে, সেখানেও এই প্রশ্নটি এসেছিল সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে।</p>

<p>জবাবে দুদক কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম বলেছেন, তাকে গ্রেপ্তারে দুদক ইন্টারপোলের সহযোগিতা নেওয়া হয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে, একই প্রক্রিয়ায় দেশে আনার পর পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া ও বিচারকাজ শেষ করা হবে।</p>

<p>তাকে দেশে ফিরিয়ে কি দুদকের কাছেও হস্তান্তর করা হবে কি না জিজ্ঞাসাবাদে, এমন প্রশ্নও উঠেছিল সংবাদ সম্মেলনে। তবে এ নিয়ে এখনই কোনো মন্তব্য করেনি দুদক।</p>

<p>তবে কিভাবে সাবেক এই পুলিশ কর্মকর্তাকে দেশে ফিরিয়ে আনা হবে, তার একটি প্রক্রিয়াগত ব্যাখ্যা জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।</p>

<p>তিনি বলেছেন, &lsquo;গত ১২ জুন বাংলাদেশ পুলিশ দুবাই থেকে মেইল পেয়ে বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হয়। এনসিবি আবুধাবি জানিয়েছে যে, ইউএইএ ফেডারেল ল নাম্বার ৩৯ (২০০৬) অনুযায়ী গ্রেপ্তারের তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক এক্সট্রাডিশন রিকোয়েস্ট (প্রত্যর্পণের আবেদন) প্রেরণ করতে হবে&rsquo;।</p>

<p>বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি দণ্ডবিধির ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮ সহ অন্যান্য ধারা এবং বাংলাদেশ পাসপোর্ট অর্ডার ১৯৭৩-এর ১১ ধারায় মামলা বিচারাধীন রয়েছে বলেও সংবাদ সম্মেলনে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।</p>

<p>তিনি বলেন, &lsquo;বর্তমানে এনসিবি ঢাকা রেড নোটিশ প্রকাশ, আন্তর্জাতিক সমন্বয় এবং গ্রেপ্তার-পরবর্তী ফলোআপ কার্যক্রম সম্পন্ন করছে। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ইতিমধ্যে প্রয়োজনীয় মামলা, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ও তদন্ত সংক্রান্ত দলিলাদি প্রস্তুত করেছে।&rsquo;</p>

<p>স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রত্যর্পণ প্রস্তাব অনুমোদন করে অতি দ্রুত কূটনৈতিক চ্যানেলে এনসিবি আবুধাবির কাছে পাঠানো হবে এবং তাকে দ্রুততম সময়ে দেশে ফিরিয়ে আনা হবে বলেও সংসদে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।</p>

<p><strong>আলোচিত সমালোচিত আইজিপি</strong></p>

<p>পুলিশের শীর্ষ পদে থাকা অবস্থায় মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় পড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিলেন বেনজীর আহমেদ।</p>

<p>যদিও তিনি নিষেধাজ্ঞার আওতায় ছিলেন র&zwj;্যাবের সাবেক মহাপরিচালক হিসেবে &lsquo;বিচারবহির্ভূত হত্যার&rsquo; মতো গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় সম্পৃক্ততার জন্য।</p>

<p>বেনজীর আহমেদ র&zwj;্যাবের মহাপরিচালক থাকার সময় বহু বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ উঠেছিল। কিন্তু তিনি কখনোই &lsquo;বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড&rsquo; টার্মটিকে গ্রহণ করতেন না।</p>

<p>সাবেক এই পুলিশ কর্মকর্তার নানা বক্তব্য নিয়ে বিভিন্ন সময়ে সমালোচনাও তৈরি হয়েছিল।</p>

<p>র&zwj;্যাবের মহাপরিচালক হিসেবে কর্মরত থাকার ২০১৫ সালের ২৬ জানুয়ারি তিনি বলেছিলেন, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড একটি সস্তা প্রচারণা। একটি বিশেষ মহল এই প্রচারণার সঙ্গে যুক্ত। তিনি আরো বলেন, &lsquo;অপরাধীরা অপরাধ করবে আর আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তা চেয়ে চেয়ে দেখবে? আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কি অস্ত্র দেওয়া হয়েছে হাডুডু খেলার জন্য?&rsquo;</p>

<p>বাংলাদেশের একজন সুপরিচিত চলচ্চিত্র অভিনেত্রীকে কেন্দ্র করে ঢাকার বোট ক্লাবে অপ্রীতিকর ঘটনার প্রেক্ষিতে প্রকাশ হয় যে ওই ক্লাবের সভাপতি তখনকার আইজিপি বেনজীর আহমেদ নিজেই।</p>

<p>২০২১ সালের জুনে ওই ঘটনা দেশজুড়ে আলোড়ন তৈরি করে এবং ওই ক্লাবের একজন সাবেক সভাপতি পরবর্তীতে আটক হন। তারও পরে জেলে যেতে হয় ওই চিত্রনায়িকাকেও।</p>

<p>কিন্তু ঢাকার আশুলিয়ায় বোট ক্লাবের ছবি ও এর সভাপতি হিসেবে বেনজীর আহমেদের নাম আসার পর তা ঝড় তোলে সামাজিক মাধ্যম ও সংবাদমাধ্যমে। এমনকি বিপুল অর্থ দিয়ে কিভাবে একজন পুলিশ কর্মকর্তা এই ধরনের ক্লাবের সদস্য হতে পারেন তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে জাতীয় সংসদেও।</p>

<p>বিশেষ করে একটি বাণিজ্যিক ক্লাবের সভাপতি সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে আইজিপি থাকতে পারেন কি না, সে প্রশ্নও উঠেছিল তখন।</p>

<p>২০১৩ সালে ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বিএনপির কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে গুলশানে খালেদা জিয়ার বাসার সামনের সড়ক বন্ধ করে দিয়েছিল পুলিশ। তখন সেখানে রাস্তা আটকে রাখা হয়েছিল বালুর ট্রাক, যা রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।</p>

<p>বিএনপি নেতারা এ ঘটনার জন্য তখনকার ডিএমপি কমিশনার বেনজীর আহমেদের তীব্র সমালোচনাও করেছিলেন।</p>

<p>২০১৩ সালের ৫ মে ঢাকার শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের যে অবরোধ কর্মসূচি ছিলো সে সময় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ বা ডিএমপির কমিশনার ছিলেন বেনজীর আহমেদ।</p>

<p>হেফাজতে ইসলামীর বিশাল সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করে দিয়ে তখন আলোচনায় এসেছিলেন বেনজীর আহমেদ।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1104-77.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছে অস্ট্রেলিয়া]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28734</link>
    <pubDate>Mon, 15 Jun 2026 09:19:53 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28734</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1221-66.jpg" />    <article>
<p>যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্প্রতি স্বাক্ষরিত চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। দেশটি জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক উত্তেজনা হ্রাস এবং চলমান সংঘাতের অবসান ঘটানোর যেকোনো প্রচেষ্টাকে তারা দৃঢ়ভাবে সমর্থন করে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>সোমবার (১৫ জুন) মিডলইস্টআই-এর লাইভ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।</p>

<p>এক যৌথ বিবৃতিতে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি অ্যালবানিজ এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওং বলেন, ক্যানবেরা লেবাননসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে উত্তেজনা প্রশমনের জন্য ধারাবাহিকভাবে আহ্বান জানিয়ে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় হরমুজ প্রণালী পুনরায় উন্মুক্ত করার লক্ষ্যে গৃহীত সাম্প্রতিক পদক্ষেপকে তারা সাধুবাদ জানান।</p>

<p>বিবৃতিতে অস্ট্রেলীয় নেতৃদ্বয় উল্লেখ করেন, বিশ্বজুড়ে জ্বালানির মূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং বৈশ্বিক অর্থনীতির ওপর থেকে চাপ কমাতে হরমুজ প্রণালীতে স্বাভাবিক নৌচলাচল পুনরুদ্ধার করা অত্যন্ত অপরিহার্য।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/06/15/1697920" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>সংঘাতের স্থায়ী সমাধানের ওপর জোর দিয়ে অস্ট্রেলিয়ার শীর্ষ নেতারা সব পক্ষকে &lsquo;সংলাপের মাধ্যমে স্থায়ী শান্তি&rsquo; অর্জনের জন্য উৎসাহিত করেছেন। তবে একই সঙ্গে তারা স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, ইরানকে অবশ্যই তার পারমাণবিক কর্মসূচিকে ঘিরে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দীর্ঘদিনের উদ্বেগগুলোর সমাধান করতে হবে।</p>

<p>এই ঐতিহাসিক চুক্তির পেছনে মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর ভূমিকার প্রশংসা করা হয়েছে বিবৃতিতে। ওমান, কাতার, সৌদি আরব, তুরস্কসহ আলোচনায় জড়িত অন্যান্য দেশগুলোর কূটনৈতিক প্রচেষ্টার প্রশংসা করে নেতারা বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রসারের জন্য অস্ট্রেলিয়া তার আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে একযোগে কাজ করে যাবে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1221-66.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[শান্তিচুক্তি ট্রাম্পের ‘আত্মসমর্পণের দলিল’?]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28733</link>
    <pubDate>Mon, 15 Jun 2026 09:19:03 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28733</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1323-55.jpg" />    <article>
<p>যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রত্যাশিত ইরান শান্তিচুক্তি নিয়ে সন্দেহ ও সমালোচনা প্রকাশ করেছেন ডেমোক্র্যাট দলের নেতারা। তাদের দাবি, এই চুক্তি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কোনো কূটনৈতিক বিজয় নয়; বরং এটি ইরানের কাছে ট্রাম্প প্রশাসনের আত্মসমর্পণের শামিল।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>ক্যালিফোর্নিয়ার ডেমোক্র্যাট সিনেটর অ্যাডাম শিফ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে লিখেছেন, &lsquo;প্রেসিডেন্ট বলছেন যুদ্ধ শেষ। আমি আশা করি তিনি সঠিক। কিন্তু আমরা এর আগেও এমন কথা শুনেছি, সঙ্গে ছিল একের পর এক অপূর্ণ প্রতিশ্রুতি।&rsquo;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/06/14/1697446" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>মার্কিনদের জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে তীব্র সমালোচনা করে তিনি আরো বলেন, &lsquo;তিনি (ট্রাম্প) নতুন নতুন যুদ্ধ শুরু করেছেন, কিন্তু ব্যয় কমাতে পারেননি।</p>
</article>

<article>এর ফলে মার্কিন জনগণ গভীরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>অন্যদিকে ডেমোক্র্যাট কংগ্রেসম্যান সেথ মোল্টন সম্ভাব্য চুক্তিটিকে সরাসরি &lsquo;আত্মসমর্পণের দলিল&rsquo; হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। এম এস নাউকে দেওয়া এক <a href="https://aje.news/y3hc1w?update=4656809">সাক্ষাৎকারে</a> মোল্টন বলেন, &lsquo;এটি একটি ভয়াবহ চুক্তি। মূলত এটি ইরানের সর্বোচ্চ নেতার কাছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের আত্মসমর্পণের দলিল।</p>
</article>

<article>&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি আরো বলেন, &lsquo;এই যুদ্ধে ইতিমধ্যে করদাতাদের ১০০ বিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়েছে, ১৪ জন মার্কিন নাগরিক নিহত হয়েছেন। আর বিনিময়ে আমরা এমন একটি চুক্তি পাচ্ছি, যার মাধ্যমে শুধু সেই হরমুজ প্রণালি আবার খুলে দেওয়া হবে, যা ট্রাম্প এই অপ্রয়োজনীয় যুদ্ধ শুরু করার আগেই খোলা ছিল। এটিকে কিভাবে বিজয় বলা যায়?&rsquo;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/06/14/1697439" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>ট্রাম্প প্রশাসন এখনো সম্ভাব্য চুক্তির পূর্ণ বিবরণ প্রকাশ করেনি। তবে ডেমোক্র্যাটদের সমালোচনা থেকে স্পষ্ট, চুক্তিটি বাস্তবায়িত হলে তা যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে নতুন বিতর্কের জন্ম দিতে পারে। চুক্তির প্রকৃত শর্তাবলি প্রকাশের পরই বোঝা যাবে এটি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কূটনৈতিক সাফল্য নাকি রাজনৈতিকভাবে ব্যয়বহুল একটি সমঝোতা।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1323-55.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রে বিমান বিধ্বস্ত, ১১ স্কাইডাইভার ও পাইলট নিহত]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28732</link>
    <pubDate>Mon, 15 Jun 2026 09:18:07 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28732</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1388-44.jpg" />    <article>
<p><a href="https://www.bbc.com/news/articles/c74ym4j40gpo?fbclid=IwY2xjawScQKVleHRuA2FlbQIxMABicmlkETExVk5jT0dudG13dklmTTd6c3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHl26S22bcLzgpD-1ABm9Ys_gtIrSfjRANHB3Qh2SyRA5zJZuPcyhQxPEU7Ba_aem_gljskAAd7C63bhmIhR2skw">মার্কিন অঙ্গরাজ্য মিসৌরিতে</a> একটি বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ১১ জন স্কাইডাইভার ও একজন পাইলট নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।</p>

<p>বেটস কাউন্টি ইমারজেন্সি ম্যানেজমেন্টের এক মুখপাত্র জানান, স্কাইডাইভিং সেবাদানকারী একটি কোম্পানি ভাড়া নেওয়া বিমানটি স্থানীয় সময় রোববার সকাল প্রায় ১১টা ২০ মিনিটে উড্ডয়ন করে।</p>
</article>

<article>তিনি বিবিসিকে বলেন, বিমানটি প্রয়োজনীয় উচ্চতায় উঠতে পারেনি। এরপর এটি হঠাৎ বাম দিকে তীব্রভাবে ঘুরে যায়। পরে বাটলার মেমোরিয়াল বিমানবন্দর থেকে প্রায় ২০০ গজ দূরে গিয়ে বিধ্বস্ত হয়। তার ভাষ্য, বিমানে থাকা ১২ জনের সবাই মারা যান।</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>রবিবার বিকেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বেটস কাউন্টির শেরিফ চ্যাড অ্যান্ডারসন জানান, তারা ঘটনাটিকে ব্যাপক প্রাণহানির একটি দুর্ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করছেন। তিনি আরো বলেন, এটি কোনো বাণিজ্যিক যাত্রীবাহী উড়োজাহাজ ছিল না; বরং স্থানীয় বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়ন করা একটি ছোট আঞ্চলিক বিমান ছিল।</p>

<p>মার্কিন ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফএএ) জানায়, বিমানটি ছিল প্যাসিফিক অ্যারোস্পেস পি-৭৫০ মডেলের। বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের সময়ই এটি বিধ্বস্ত হয়।</p>
</article>

<article>এফএএ জানায়, দুর্ঘটনার সময় বিমানটিকে কোনো আকাশপথ নিয়ন্ত্রণ সেবা দেওয়া হচ্ছিল না। সংস্থাটির এক মুখপাত্র ব্যাখ্যা করে বলেন, বিমানটি যে আকাশসীমায় উড়ছিল, সেই অবস্থায় তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা বাধ্যতামূলক ছিল না।
<p>&nbsp;</p>

<p>স্থানীয় গণমাধ্যম জানায়, দুর্ঘটনার আগে কোনো স্কাইডাইভার বিমান থেকে লাফ দিয়েছিলেন কি না, তা দেখতে উদ্ধারকর্মীরা ঘটনাস্থলের আশপাশে খোঁজ নেন।</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/business/2026/06/15/1697922" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>শেরিফ জানান, নিহতদের কয়েকজনের পরিবারের সদস্যরা ঘটনাটি নিজের চোখে দেখেছেন। কর্তৃপক্ষ এখনো নিহতদের পরিচয় প্রকাশ করেনি।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>বাটলার শহরটি কানসাস সিটি মহানগর এলাকার প্রায় ৫০ মাইল দক্ষিণে অবস্থিত। এফএএ জানায়, দুর্ঘটনার তদন্তের নেতৃত্ব দিচ্ছে ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্টেশন সেফটি বোর্ড (এনটিএসবি)। বিবিসি এনটিএসবির সঙ্গে যোগাযোগ করেছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1388-44.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[দুর্দান্ত কামব্যাকে নেদারল্যান্ডসকে রুখে দিল জাপান]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/28731</link>
    <pubDate>Mon, 15 Jun 2026 09:17:01 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/28731</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1471-33.jpg" />    <article>
<p>টিকিটের পয়সা উসুল। নিঃসন্দেহে এমনটা বলতে পারেন ডালাসে খেলা দেখতে আসা দর্শক-সমর্থকরা।</p>
</article>

<article>পুরো ৯০ মিনিটই যে প্রাণ ভরে উপভোগ করেছেন তারা।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>রোমাঞ্চকর ম্যাচটিতে কোনো পক্ষকে হতাশও হতে হয়নি। রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে ২-২ গোলে ড্র করেছে নেদারল্যান্ডস-জাপান। নিজেদের প্রথম ম্যাচে তাই পয়েন্ট ভাগাভাগি করেই সন্তুষ্ট থাকতে হলো দুই দলকে।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>রোমাঞ্চের সবটাই অবশ্য দ্বিতীয়ার্ধের জন্য তোলা ছিল। প্রথমার্ধে দুদলই আক্রমণ শানালেও জালের দেখা পায়নি। তবে আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে ঠিকই রোমাঞ্চের গোড়াপত্তন হয় প্রথমার্ধে।&nbsp;</p>

<p>বিরতির পর তাই ফল আসা শুরু হয়।</p>
</article>

<article>ডাচদের জন্য কিছুটা হলে ম্যাচটা আক্ষেপ হিসেবেই থাকবে। কেননা দুইবার এগিয়ে গিয়েও শেষ হাসি হাসা হয়নি তাদের। ম্যাচের ৫০ মিনিটে দলকে লিড এনে দেন নেদারল্যান্ডসের অধিনায়ক ভার্জিল ফন ডাইক। তবে লিভারপুলের ডিফেন্ডারের হেড থেকে পাওয়া লিডটা বেশিক্ষণ উপভোগ করা হয়নি ডাচদের।
<p>&nbsp;</p>

<p>৭ মিনিট পরেই যে সমতায় ফেরে জাপান।</p>
</article>

<article>৫৭ মিনিটে নিচু শটে সমতায় ফেরান কেইতো নাকামুরা। ঠিক ৭ মিনিট পর আবার এগিয়ে যায় নেদারল্যান্ডস। ৬৩ মিনিটে ডান দিকের বক্স থেকে বাঁ পায়ে দারুণ এক গোল করেন ক্রিসেনসিও সামারভিল।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>সামারভিলের গোলেই জয়ের স্বপ্ন দেখছিল ডাচরা। নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার আর ২ মিনিট বাকি ছিল। কিন্তু সেই ২ মিনিট সময় পার হতে দিলেন না দাইচি কামাদা। ৮৮ মিনিটের হেডে নেদারল্যান্ডসের জয় কেড়ে নিয়েছেন তিনি। তাতে দুর্দান্ত এক কামব্যাকের গল্পই লিখল জাপান।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1471-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[‘সেভেন আপের’ রাতে ব্রাজিলের রেকর্ড কেড়ে নিল জার্মানি]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/28730</link>
    <pubDate>Mon, 15 Jun 2026 09:16:17 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/28730</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1513-22.jpg" />    <article>
<p>নিজেদের দিনে জার্মানি কতটা ভয়ংকর হতে পারে তার প্রমাণ আরেকবার দিল তারা। তাদের আগুনে পুড়ে আজ রাতে হিউস্টনে ছারখার হলো কুরাসাও।</p>
</article>

<article>বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমে জার্মানির কাছে ৭-১ গোলে হেরেছে তারা।
<p>&nbsp;</p>

<p>আয়তনের হিসেবে বিশ্বকাপের ক্ষুদ্রতম দেশকে &lsquo;সেভেন আপ&rsquo; খাইয়ে ব্রাজিলকে দুঃস্মৃতি মনে করিয়ে দিলো জার্মানি। ১৭১ বর্গমাইলের কুরাসাওকে যত গোলে হারিয়েছে ঠিক তত গোল ২০১৪ বিশ্বকাপে ব্রাজিলকে দিয়েছিল ৪ বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ঘরের মাঠ বেলো হরিজেন্তে ৭-১ গোলে হেরেছিল ব্রাজিল।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>সেই দুঃস্মৃতি মনে করানোর রাতে ব্রাজিলের একটা রেকর্ডও আজ নিজেদের করে নিয়েছে জার্মানি। এতদিন ২৩৮ গোল নিয়ে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোল করা দল ছিল পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। সেলেসাওদের রেকর্ডটা এখন জার্মানির। কুরাসাওয়ের জালে ৭ গোল দেওয়ায় এখন জার্মানির বিশ্বকাপ গোল ২৩৯টি।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>গোলের পার্থক্য ১ হওয়ায়, ইঁদুর-বিড়াল লড়াইটা তাই ব্রাজিল-জার্মানির মধ্যে চলতে থাকবে। টুর্নামেন্টের শেষ পর্যন্ত যারা লড়াইয়ে টিকে থাকবে তারাই সুযোগ পাবে প্রতিদ্বন্দ্বীকে বড় ব্যবধানে পিছিয়ে ফেলতে। তবে তাদের বাইরে আর কোনো দল দুই শর ঘর স্পর্শ করতে পারেনি। ১৫২ গোলে তিনে আছে আর্জেন্টিনা।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1513-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ভক্তদের ভিড়ে নাজেহাল রাশমিকা, আগলে রাখলেন কৃতি]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/28729</link>
    <pubDate>Mon, 15 Jun 2026 09:15:28 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/28729</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1611-11.jpg" />    <article>
<p>তারকাদের এক ঝলক দেখতে ভক্তদের উন্মাদনা নতুন কিছু নয়। তবে সেই উচ্ছ্বাস কখনো কখনো নিরাপত্তার জন্যও চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়।</p>
</article>

<article>সম্প্রতি একটি প্রচারণামূলক অনুষ্ঠানে এমনই এক পরিস্থিতির মুখোমুখি হন অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দানা ও কৃতি শ্যানন। সেই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা।
<p>&nbsp;</p>

<p>২০১২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত &lsquo;ককটেল&rsquo; দর্শকপ্রিয়তা ও বক্স অফিস সাফল্যের কারণে আজও আলোচিত। সেই জনপ্রিয়তার ধারাবাহিকতায় নতুন কাস্ট নিয়ে নির্মিত হয়েছে &lsquo;ককটেল ২&rsquo;, যেখানে অভিনয় করেছেন শহিদ কাপুর, কৃতি শ্যানন ও রাশমিকা মান্দানা।</p>
</article>

<article>সিনেমাটি মুক্তির আগে চলছে জোর প্রচারণা, আর সেই প্রচারণার এক অনুষ্ঠানেই তৈরি হয় অস্বস্তিকর পরিস্থিতি।
<p>&nbsp;</p>

<p>অনুষ্ঠান শেষে বের হওয়ার সময় প্রিয় তারকাদের ঘিরে ভিড় করেন অসংখ্য ভক্ত। সেলফি ও কাছ থেকে দেখার আগ্রহে মুহূর্তেই চারপাশে তৈরি হয় বিশৃঙ্খলা। পরিস্থিতি সামাল দিতে নিরাপত্তাকর্মীদেরও বেশ বেগ পেতে হয়।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, ভিড়ের মধ্যে রাশমিকাকে নিরাপদে এগিয়ে নিতে কৃতি শ্যানন দুই হাত দিয়ে তাকে আগলে রাখছেন। নিরাপত্তাকর্মীদের সহায়তায় দুজন গাড়ির দিকে এগিয়ে যাওয়ার সময়ও কয়েকজন ভক্ত তাদের খুব কাছাকাছি চলে এসে ছবি তোলার চেষ্টা করেন। এতে কিছু সময়ের জন্য পরিস্থিতি আরো জটিল হয়ে ওঠে।</p>

<p>ভিডিওটি প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকেই অতিরিক্ত ভিড় ও ব্যক্তিগত পরিসরের প্রতি অসচেতন আচরণের সমালোচনা করেছেন। একই সঙ্গে রাশমিকার প্রতি কৃতি শ্যাননের যত্নশীল ও সহায়ক মনোভাবের প্রশংসাও করেছেন অসংখ্য নেটিজেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>তারকাদের জনপ্রিয়তার কারণে এমন অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি নতুন নয়। এর আগেও বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও জনসমাগমে ভক্তদের অতিরিক্ত উচ্ছ্বাসের কারণে অনেক অভিনেতা-অভিনেত্রীকে নিরাপত্তাজনিত সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়েছে। সাম্প্রতিক এই ঘটনাও সেই আলোচনাকে আবার সামনে নিয়ে এসেছে।<br />
&nbsp;</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1611-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশীদের মূলধারার ব‍্যবসা-বাণিজ্য রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. তিতুমীরের]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/28728</link>
    <pubDate>Sun, 14 Jun 2026 09:31:24 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/28728</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/405-3.jpg" />    <p>&lsquo;পতিত সরকার লুটপাট করে পালিয়ে যাওয়ার পর দেশের অর্থনীতি যে সচল থাকল, তার কৃতিত্ব প্রবাসী বাংলাদেশিদের। ১২ জুন ভার্জিনিয়ার হলিডে ইন হোটেলে ওয়াশিংটন ডিসি বিএনপি আয়োজিত &lsquo;যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে মতবিনিময়&rsquo; সভায় প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা ড.রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর একথা বলেন।<br />
প্রধান অতিথির বক্তৃতায় ড. তিতুমীর বলেন, &lsquo;যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশীদের কৃতিত্ব আরও একটু বেশি। কারণ তারা যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসনের কাছে ফ&zwj;্যাসিস্ট সরকারের নিপীড়ন ও মানবতাবিরোধী অপরাধের চিত্র তুলে ধরেছিল। যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশি,বাংলাদেশি-আমেরিকানদের কাছে আমাদের প্রত&zwj;্যাশা,আপনারা মূলধারার রাজনীতি ও অন&zwj;্যান&zwj;্য কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত হন।তাহলে দেশের প্রতি আরও বড়ভাবে অবদান রাখার সুযোগ পাবেন।&rsquo;<br />
&lsquo;এবারের বাজেট বৈশম&zwj;্যহীন আঞ্চলিক উন্নয়নের সমতাভিত্তিক বাজেট&rsquo;- উল্লেখ করে ড. তিতুমীর বলেন, &lsquo;প্রধানমন্ত্রীর &lsquo; আই হ&zwj;্যাফ এ প্ল&zwj;্যান&rsquo; মানে বাস্তবভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্ল&zwj;্যান। যার মাধ&zwj;্যমে তিনি বাংলাদেশের সব মানুষের ভাগ&zwj;্যের পরিবর্তন করতে চান এবং তা শুরু করেছেন।&rsquo;<br />
ড. তিতুমীর বলেন,&rsquo; দেশের চরম সংকটময় সময়ে জণগণ তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রতি আস্থা রেখেছে। পতিত ফ&zwj;্যাসিস্ট সরকার লুটপাট করে পালিয়ে গেছে। রেখে গেছে ধ্বংসপ্রাপ্ত অর্থনীতি। দেশের মানুষ আস্থা রেখেছেন তারেক রহমান তথা বিএনপির প্রতি। এর আবার একটি ঐতিহাসিক যোগসূত্র আছে। আপনারা লক্ষ&zwj;্য করে দেখবেন, &lsquo;১৯৭৫ সালের পরে একটি বিধ্বস্ত দেশ-অর্থনীতি, জনগণ যা মেরামতের দায়িত্ব দিয়েছিল শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উপর। একইভাবে ১৯৯০ সালে স্বৈরাচার পতনের পর জনগণ ধ্বংসযজ্ঞ অর্থনীতি মেরামতের দায়িত্ব দিয়েছিল বেগম খালেদা জিয়ার হাতে।জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা সেই দায়িত্ব দক্ষতা-যোগ&zwj;্যতা-সততার সঙ্গে পালন করেছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় লুটপাটে পঙ্গু করে দেওয়া অর্থনীতি মেরামতের দায়িত্ব জনগণ ভোটের মাধ্যমে তুলে দিয়েছেন তারেক রহমানের হাতে। তার মানে দেশের প্রতিটি সংকটময় সময়ে দেশের মানুষ আস্থা রেখেছে বিএনপির ওপর। জিয়া-খালেদার ধারাবাহিকতায় তারেক রহমানও জনআস্থার প্রতিদানে কাজ শুরু করেছেন এবং প্রথম দিন থেকে যা দৃশ্যমান হতে শুরু করেছে।&rsquo;<br />
ওয়াশিংটন ডিসি বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেনের সঞ্চালনায় সভায় সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন জাহিদ খান, মিয়া মজনু,নয়ন বাঙালি, তুহিন প্রমুখ। পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও জাতীয় সঙ্গীতের মধ&zwj;্য দিয়ে শুরু হওয়া অনুষ্ঠান শেষ হয় মাঝরাতে, একটি প্রাণবন্ত প্রশ্ন-উত্তর পর্বের মধ&zwj;্য দিয়ে।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/405-3.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিউইয়র্ক স্টেট ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারী নির্বাচনে এসেম্বলিম্যান প্রার্থী জাকির চৌধুরীর ‘কমিউনিটি র‌্যালি’]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/28727</link>
    <pubDate>Sun, 14 Jun 2026 09:30:47 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/28727</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/670-2.jpg" />    <p>নিউইয়র্ক স্টেট এসেমব্লিম্যান পদপ্রার্থী (ডিস্ট্রিক্ট ৮৭) জাকির চৌধুরীর সর্মথনে ৭ জুন রোবববার ব্রঙ্কসে কমিউনিটি র&zwnj;্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে | ব্রঙ্কসের ওটারবেরি এভিনিউ থেকে শুরু হয়ে ওয়েস্ট ফার্ম পর্যন্ত প্রদক্ষিণ করে গাড়ির বহর বাংলাবাজারের ইউনিয়নপোর্ট রোডে এসে শেষ হয়| এই মোটর শোভাযাত্রায় বাংলাদেশি কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ অংশ নেন| র&zwnj;্যালিটি জেরেগা এভিনিউ, ক্যাসেল হিল, হোয়াইট প্লেইন্স রোড ও ইস্ট ট্রিমন্ট এভিনিউ ধরে জাকির চৌধুরীর ব্যানার ও ফেস্টুন নিয়ে বিভিন্ন রাস্তা প্রদক্ষিণ করে। এসময় পথচারিরা হাত নেড়ে তার প্রতি সর্মথন ব্যক্ত করে।<img alt="" decoding="async" height="1536" sizes="(max-width: 2048px) 100vw, 2048px" src="https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/06/Zakir_1.jpg" srcset="https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/06/Zakir_1.jpg 2048w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/06/Zakir_1-300x225.jpg 300w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/06/Zakir_1-1024x768.jpg 1024w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/06/Zakir_1-150x113.jpg 150w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/06/Zakir_1-768x576.jpg 768w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/06/Zakir_1-1536x1152.jpg 1536w" width="2048" />&lsquo;জাকির ফর দ্য ব্রঙ্কস&rsquo; মোটর র&zwnj;্যালিটি বিকেলে ইউনিয়ন পোর্ট রোডে পার্কচেষ্টার ফ্যামিলি ফার্মেসির সামনে এক সমাবেশের অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন প্রার্থী জাকির চৌধুরী, কমিউনিটি লিডার এম এন মজুমদার, সিরাজ উদ্দীন সোহাগ, মাহবুব আলম, রোকন হাকিম, জামাল হুসেন, শামীম মিয়া, শামীম আহমেদ, সামাদ মিয়া জাকারিয়া, মাসুদুর রহমান, রিয়াজ উদ্দীন কামরান, এ ইসলাম মামুন, জামাল চেয়ারম্যান, শেখ অলি আহাদ, বিজয় সাহা, সোহান আহমেদ টুটুল, আখতারুজ্জামান হ্যাপি, সালমা সুমী প্রমুখ।<br />
এসেমব্লি ডিস্ট্রিক্ট ৮৭ এর ডেমোকক্র্যাটিক প্রাইমরি অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৩ জুন । আর্লি ভোটিং ১৩-২১ জুন ২০২৬।<br />
জাকির চৌধুরী লড়ছেন বর্তমান এসেমব্লিওম্যান কারিনে রয়েসের বিরুদ্ধে। এলাকাটি (ওয়াটারবারি, জেরেগা, পার্কচেষ্টার, ক্যাসেল হিল ও ওয়েস্ট ফার্ম ) ডেমোক্র্যাট অধ্যুষিত হওয়ায় ধরেই নেয়া হয় এই প্রাইমারিতে যিনি জিতবেন ৩ নভেম্বর সাধারন নির্বাচনে তিনিই জয়ী হবেন।<br />
জাকির চৌধুরী সিপিএ সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে নিজের সংগ্রাম-সফলতা এবং এলাকার সমস্যা ও সমাধানের কথা তুলে ধরেন। তিনি আসন্ন নির্বাচনে বাংলাদেশী কমিউনিটির সার্বিক সহযোগিতা কামনা করে বলেন, আমি দীর্ঘ্য দিন ধরে এই কমিউনিটির কল্যাণে কাজ করছি। বাংলাদেশী কমিউনিটিকে সেবা প্রদানের লক্ষ্যেই নিউইয়র্ক স্টেটে আসন্ন ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। নির্বাচিত হলে কমিউনিটির অধিকার রক্ষা সহ বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে আন্তরিক ভূমিকা রাখবো।&nbsp;একজন প্রবাসী হিসেবে এমন সব কাজের দৃষ্টান্ত স্থাপন করে যেতে চাই যাতে প্রবাসীদের মুখ আরো উজ্জ্বল হয়।<br />
সমাবেশে বক্তারা আসন্ন নির্বাচনে জাকির চৌধুরীকে নিউইয়র্ক স্টেটের প্রথম বাংলাদেশী-আমেরিকান এসেম্বলিম্যান হিসেবে নির্বাচিত করে বাংলাদেশী কমিউনিটির অধিকার আদায়ের পথ সুগম করার আহ্বান জানান। তারা বলেন, নির্বাচনে কমিউনিটির সকলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলেই সেটা সম্ভব।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/670-2.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিউইয়র্কে বাংলাদেশী ডক্টর ফোরাম অব নর্থ আমেরিকা’র উদ্যোগে ডা. ডোনার ও ডা. হারুন সংবর্ধিত]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/28726</link>
    <pubDate>Sun, 14 Jun 2026 09:30:17 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/28726</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/927-1.jpg" />    <p>উত্তর আমেরিকায় কর্মরত বাংলাদেশী চিকিৎসকদের অন্যতম সংগঠন বাংলাদেশী ডক্টর ফোরাম অব নর্থ আমেরিকা (বিডিএফএনএ)-এর উদ্যোগে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল স্টাডিজ অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট, ঢাকা&rsquo;র চেয়ারম্যান প্রফেসর ডা. ফারহাদ হালিম ডোনার এবং ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)-এর কেন্দ্রীয় সভাপতি প্রফেসর ডা. হারুন-আল-রশিদ-কে সংবর্ধিত করা হয়েছে। পাশাপাশি মিট এন্ড গ্রীট ও মতবিনিময় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ উপলক্ষ্যে জ্যাকসন হাইস্টস নবান্ন পার্টি হলে শনিবার (৬ জুন) সন্ধ্যায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে নিউইয়র্ক যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন ষ্টেট থেকে বাংলাদেশী চিকিৎসকগণ অংশ নেন। ফলে অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশী চিকিৎসকদের মিলনমেলায় পরিণত হয়। খবর ইউএনএ&rsquo;র।<img alt="" decoding="async" height="1152" sizes="(max-width: 2048px) 100vw, 2048px" src="https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/06/DAB_2.jpg" srcset="https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/06/DAB_2.jpg 2048w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/06/DAB_2-300x169.jpg 300w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/06/DAB_2-1024x576.jpg 1024w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/06/DAB_2-150x84.jpg 150w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/06/DAB_2-768x432.jpg 768w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/06/DAB_2-1536x864.jpg 1536w" width="2048" /><br />
বিডিএফএনএ&rsquo;র প্রধান উপদেষ্টা ও নিউইয়র্কের ব্রুকডেল ইউনিভার্সিটি হাসপাতালের পালমোনারি ও ক্রিটিক্যাল কেয়ার মেডিসিন স্পেসালিস্ট ডা. মুজিবুর রহমান মজুমদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে &lsquo;উত্তর আমেরিকায় বাংলাদেশী চিকিৎসকদের পেশাগত সহযোগিতা, নেতৃত্ব এবং বৈশ্বয়িক স্বাস্থ্যসেবায় অবদান&rsquo; শীর্ষক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিডিএফএনএ&rsquo;র সভাপতি ও পেনসেলভেনিয়ার জেফারসন ইউনিভার্সিটি&rsquo;র ফ্যাকাল্টি ড. ইবরুল চৌধুরী। স্বাগত বক্তব্য রাখেন ডা. জাকির হোসেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ও নিউইয়র্ক ইউনিভার্সিটি হাসপাতালের সিনিয়র সায়েন্টিস্ট ড. জাহিদ দেওয়ান শামীম।<br />
অনুষ্ঠানে বিশেষ আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে ছিলেন বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা (বিএমএনএ)-এর প্রাক্তন সভাপতি ও অ্যালাবামায় কর্মরত মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. জামালউদ্দিন, বিডিএফএনএ&rsquo;র সহ-সভাপতি ও এনেস্থেসিওলজিস্ট ড. মোস্তাফিজুর রহমান টিংকু, এবং নিউইয়র্কের প্রাইম হেল্থ মেডিকেল-এর ডাইরেক্টর ও সিইও ডা. নীল এন টিংকু।<br />
অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন ডা. শিমুল। এরপর বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রফেসর ডা. ফারহাদ হালিম ডোনার এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে প্রফেসর ডা. হারুন-আল-রশিদ কে বিডিএফএনএ এর পক্ষ থেকে &lsquo;ক্রেস্ট&rsquo; দিয়ে সম্মানিত করা হয়।<br />
প্রাণবন্ত এই অনুষ্ঠানের সমন্বয়ক ড. নাসরিন শাহানা চাঁদনী, ডা. মাহবুবুর রহমান লিপন এবং ডা. খায়রুল সিদ্দিক রিপন সহ অন্যান্যের মধ্যে আরো বক্তব্য রাখেন ডা. মাসুদুর রহমান, ডা. রুমানা সাব্বির, ডা. আশরাফুল হক, ডা. মোহাম্মদ আমীর, ডা. সবুর, ডা. কাশেম, ডা. সজল আশফাক, খুলনা ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ ছাত্র সংসদের ভিপি হারুর প্রমুখ।<br />
অনুষ্ঠানে &lsquo;পেশাগত অভিজ্ঞতা বিনিময়, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও সহযোগিতা&rsquo; শীর্ষক মুক্ত আলোচনায় বক্তারা বাংলাদেশ এবং উত্তর আমেরিকায় কর্মরত বাংলাদেশী চিকিৎসকদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ, পেশাগত সহযোগিতা এবং স্বাস্থ্য সেবা খাতে নতুন উদ্যোগ নিয়ে মতবিনিময়ের সুযোগ সৃষ্টির সম্ভাবনার উপর গুরুত্বারপ করেন। একই সঙ্গে নতুন প্রজন্মের চিকিৎসকদের সঙ্গে অভিজ্ঞ চিকিৎসকদের সংযোগ স্থাপনে একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিডিএনএফএ এবং ড্যাবসহ দেশে-বিদেশে অন্যান্য চিকিৎসকদের সংগঠন সহযোগিতা ও টেকনলজি ট্রান্সফারসহ চিকিৎসা সেবার সার্বিক মান উন্নয়নে পজেটিভ ভূমিকা রাখবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। বক্তাদের কেউ কেউ বিগত ১৬ বছর ক্ষমতাসীন ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ের দূর্নীতির বিরুদ্ধে যথপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহনের পাশাপাশি নির্যাতিত ও পদ বঞ্চিত যোগ্য ডাক্তারদের যোগ্য পদ প্রদানের জন্য সরকারের প্রতি দাবী জানান।<br />
অনুষ্ঠানে প্রফেসর ডা. ফারহাদ হালিম ডোনার বলেন, পেশাজীবিদের দলের চেয়ে দেশে ও জনগণের কথা বেশী ভাবতে হবে। সেই ক্ষেত্রে দলমতের উর্দ্বে যোগ্য ব্যক্তিদের যোগ্য স্থানে বসাতে হবে। তবেই না দেশের মানুষ প্রকৃত সেবা পাবে। তিনি বলেন, আগামী দিনে আমরা যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের ডাক্তার সহ পেশাগত সংগঠনগুলোর মধ্যকার নেতুবন্ধন আরো জোরদারের মাধ্যমে দেশের মানুষের সেবার মান বাড়াতে কাজ করতে চাই। এজন্য তিনি সকল মহলের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।<br />
প্রফেসর ডা. হারুন-আল-রশিদ বলেন, অন্যান্য সেক্টরের মতো বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাত দুর্নীতিগ্রস্থ হওয়ায় দেশের জনগণ প্রত্যাশিত সেবা পাচ্ছে না। আমরা স্বাস্থ্য খাতের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সরকারের নজরে আনছি এবং আশা করছি নতুন সরকার বিষয়গুলো গুরুত্ব দিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।<br />
উল্লেখ্য, বাংলাদেশী ডক্টর ফোরাম অব নর্থ আমেরিকা (বিডিএফএনএ) একটি অলাভজনক পেশাজীবী সংগঠন। জন্মলগ্ন থেকেই এই সংগঠন স্বাস্থ্য সেবা ও কমিউনিটির কল্যানে কাজ করে যাচ্ছে। বিগত কভিড-১৯ মহামারির সময় সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত চিকিৎসকগণ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন রাজ্য, বাংলাদেশসহ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে জনস্বাস্থ্যসেবায় গুরুত্ব ভূমিকা রাখছে।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/927-1.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[কলকাতায় গিয়ে সার্টিফিকেট নিতে হবে না, আমরা নৃতাত্ত্বিকভাবে বাংলাদেশি : তথ্যমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28725</link>
    <pubDate>Sun, 14 Jun 2026 09:26:40 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28725</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/788-99.jpg" />    <article>
<p>তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, &lsquo;যারা ৫৬ হাজার বর্গমাইলের বাংলাদেশে বাংলা ভাষায় কথা বলেন আর যারা বাইরে কথা বলেন, তাদের ভাষা এক হলেও মনোজগতে পার্থক্য রয়েছে। এ জন্য সীমান্তের ওপারে কিংবা কলকাতায় গিয়ে বাঙালির সার্টিফিকেট নিতে হবে না।</p>
</article>

<article>আমরা নৃতাত্ত্বিকভাবে বাংলাদেশি।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের মুক্তিযোদ্ধা মিলনায়তনে &lsquo;দেশ পুনর্গঠনে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন&rsquo; শীর্ষক আলোচনাসভায় তিনি এসব কথা বলেন।</p>

<p>মন্ত্রী বলেন, &lsquo;যদি ১৪০ কোটি আর ২০ কোটি মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করতে চান, তাহলে সার্কের ২২০ কোটি মানুষকেও ঐক্যবদ্ধ করতে হবে। যারা এটা চাইবে না আমরা এটাকে সন্দেহের চোখে দেখব।</p>
</article>

<article>আঞ্চলিকতার জন্য সার্ক এবং আন্তর্জাতিকভাবে জাতিসংঘ&mdash;এভাবেই আমরা এগোতে চাই।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, &ldquo;যখন জাতি সংকটে ছিল তখনই দেশকে ঐক্যবদ্ধ করতে শুরু করেন আমাদের নেতা তারেক রহমান। তিনি বলেছিলেন, &lsquo;দেশ যাবে কোন পথে, ফয়সালা হবে রাজপথে&rsquo;। তিনি আরো বলেছিলেন, &lsquo;যদি তুমি ভয় পাও তবে তুমি শেষ, যদি ঘুরে দাঁড়াও তবে তুমিই বাংলাদেশ&rsquo;।</p>
</article>

<article>এসব স্লোগান আমাদের জুলাই আন্দোলনের শক্তি ও সাহস জুগিয়েছে। যার ফলশ্রুতিতে আমরা দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আদায় করতে পেরেছি।&rdquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>সভায় প্রধান আলোচক অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ বলেন, &lsquo;যারা অখণ্ড ভারত প্রতিষ্ঠার কথা বলছেন, তারা কোন মিশন নিয়ে বাংলাদেশে এসেছেন, সেটা ভাবতে হবে। তবে জাতীয় ঐক্যই হচ্ছে আমাদের প্রধান হাতিয়ার। দায়িত্বজ্ঞানহীন ও আপত্তিকর মন্তব্য পরিহার করা উচিত।</p>
</article>

<article>&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>জুলাই সনদ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, &lsquo;সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া বেঁচে থাকতে সামাজিক চুক্তির মতো বিষয়ে বলে গেছেন। জুলাই সনদেও তেমনই চর্চা হয়েছে। জাতীয় সনদ কিভাবে বাস্তবায়ন করা যায়, সে বিষয়ে সবাইকে বসে আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্তে আসা উচিত।&rsquo;</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/788-99.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[সন্তানের ভবিষ্যতের কথা ভেবে একটি করে গাছ লাগান : প্রধানমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28724</link>
    <pubDate>Sun, 14 Jun 2026 09:25:38 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28724</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/981-88.jpg" />    <article>
<p>ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য দূষণমুক্ত ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে দেশের প্রত্যেক নাগরিককে অন্তত একটি করে গাছের চারা রোপণের অনুরোধ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (১৩ জুন) বিকেলে কক্সবাজারের ডুলাহাজারার মালুমঘাট সংরক্ষিত বনে দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন শেষে তিনি জনসাধারণের প্রতি এ আহ্বান জানান।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/national/2026/06/13/1697215" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>প্রধানমন্ত্রী বলেন, &lsquo;আমি দেশের সবার কাছে আহ্বান জানাব, আপনার সন্তানের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে, আপনার সন্তান যেন একটি সুন্দর পরিবেশে বুক ভরে শ্বাস নিতে পারে, এই বিষয়টি মাথায় রেখে আজকে থেকে প্রত্যেকে দয়া করে যার যেখানে সম্ভব, সেখানে একটি করে গাছের চারা রোপণ করবেন।&rsquo;</p>

<p>দূষণমুক্ত পরিবেশ গড়ার তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন, &lsquo;আমরা যদি এই বৃক্ষরোপণ অভিযানকে সফল করতে পারি, তাহলে এতটুকু ধারণা করতে পারি, আগামী দিনে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ঠিকভাবে বুক ভরে পরিষ্কার শ্বাস নিতে পারবে। আসুন, আমরা আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে একটি পরিষ্কার ও দূষণমুক্ত পরিবেশ গড়ার নিশ্চয়তা দিই; যেখানে আমাদের প্রজন্ম নিরাপদে বসবাস করতে পারবে।&rsquo; এ সময় প্রধানমন্ত্রী তার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির কথা স্মরণ করিয়ে দেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি বলেন, &lsquo;নির্বাচনের আগে দেশের মানুষের কাছে আমরা যেসব ওয়াদা করেছিলাম, তার মধ্যে একটি প্রতিশ্রুতি ছিল, আল্লাহর রহমতে সরকার গঠন করতে পারলে আমরা দেশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু করব। আমাদের লক্ষ্য থাকবে বছরে অন্তত পাঁচ কোটি গাছ লাগানো। সেই অনুযায়ী আগামী পাঁচ বছরে আমরা ২৫ কোটি গাছের চারা রোপণ করব।&rsquo;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/06/13/1697216" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, &lsquo;আসুন, আমরা সবাই মিলে চেষ্টা করি।</p>
</article>

<article>তাহলে আগামী দিনে বাংলাদেশের বাতাসকে আমরা অনেক মুক্ত, পরিষ্কার ও বিশুদ্ধ বাতাসে রূপান্তর করতে পারব।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>অনুষ্ঠানে যুক্ত থাকা সারা দেশের জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) প্রতি বিশেষ নির্দেশনা দেন সরকারপ্রধান। তিনি বলেন, &lsquo;আজকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিশেষ করে এখানে বিভিন্ন জেলার প্রশাসকরা সংযুক্ত আছেন। আপনাদের সবার কাছে আমার নির্দেশনা থাকবে, নিজ নিজ জেলাকে সুন্দর-সবুজ অভয়ারণ্য হিসেবে গড়ে তোলার জন্য আপনারা প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করবেন।&rsquo;</p>

<p>বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, &lsquo;আমি আনুষ্ঠানিকভাবে আজকে এই বৃক্ষরোপণ অভিযান ঘোষণা করছি।</p>
</article>

<article>আমাদের ইচ্ছা ও প্রত্যাশা, আগামী দিনে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যাতে বুক ভরে মুক্ত শ্বাস গ্রহণ করতে পারে, সে রকম একটি পরিবেশ আমরা গড়ে তুলতে পারব ইনশাআল্লাহ।&rsquo;</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/981-88.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[রক্তক্ষয়ী কঙ্গোতে শান্তির পতাকা উত্তোলনে সেনাবাহিনীর বীরত্ব]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28723</link>
    <pubDate>Sun, 14 Jun 2026 09:24:49 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28723</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1103-77.jpg" />    <article>
<p>বিশ্বজুড়ে অশান্ত ও যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলে শান্তি ফিরিয়ে আনতে জাতিসংঘের অধীনে সবচেয়ে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী। প্রতি বছর ২৯ মে পালিত হয় &lsquo;আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস&rsquo;।</p>
</article>

<article>১৯৪৮ সালে এ মিশনের যাত্রা হলেও বাংলাদেশ এতে যুক্ত হয় ১৯৮৮ সালে। কঙ্গো, মালি, সুদান ও সোমালিয়ার মতো পৃথিবীর সবচেয়ে বিপজ্জনক ও ঝুঁকিপূর্ণ যুদ্ধক্ষেত্রে পেশাদারি, সাহসিকতা এবং জীবন উৎসর্গ করে বাংলাদেশ আজ শান্তিরক্ষী প্রেরণে শীর্ষস্থানীয় দেশগুলোর একটি। আফ্রিকার খনিজ সমৃদ্ধ দেশ ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে শান্তি প্রতিষ্ঠা ও সাধারণ মানুষের জীবন রক্ষায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ, পরিবেশ ও ভাষাগত চ্যালেঞ্জ এবং ঐতিহাসিক চে অঞ্চলে সফল সামরিক অভিযান পরিচালনা করেছে। এসব বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ ইমদাদুল হক, জেনারেল মাহবুব হায়দার খান ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবু মুসা শারফ্উদ্দিন।</article>

<article>তাদের বাস্তব অভিজ্ঞতায় উঠে এসেছে শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের বীরত্বের কথা।
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রশ্ন : প্রতি বছর ২৯ মে জাতিসংঘ আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষী দিবস পালিত হয়। এ দিবসটির তাৎপর্য কী?</p>

<p>জেনারেল মাহবুব হায়দার খান : শান্তিরক্ষা দিবসটি ১৯৪৮ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী পালিত হলেও বাংলাদেশে আমরা প্রথম যৌথভাবে (স্থানীয় জাতিসংঘ অফিস ও সশস্ত্র বাহিনী) এটি উদ্যাপন শুরু করি ২০০৭ সালে। এ দিনটির বড় তাৎপর্য হলো আমরা সারা পৃথিবীতে শান্তির বাণী পৌঁছে দেব।</p>
</article>

<article>সাধারণ মানুষের ধারণা সেনাবাহিনী শুধু যুদ্ধ করার জন্য। কিন্তু সেই ধারণা বদলে অস্ত্র ও গোলাবারুদ যে শান্তি প্রতিষ্ঠার কাজেও ব্যবহার করা যায়, সেই বিশেষ ভাবনাটি আমরা সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে চাই। আমাদের শান্তিরক্ষীদের অবদানের কারণে আজ বহু দেশে শান্তি ফিরে এসেছে এবং মানুষ স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারছে। উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় ধাবিত হচ্ছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রশ্ন : বাংলাদেশ আজ বিশ্বের বুকে শান্তির পতাকা উড়িয়ে যাচ্ছে।</p>
</article>

<article>কবে বাংলাদেশের এই শান্তিরক্ষা মিশনের যাত্রা হয়েছিল?
<p>&nbsp;</p>

<p>ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবু মুসা শারফ্উদ্দিন : বাংলাদেশ শান্তিরক্ষা মিশনে প্রথম অংশ নেয় ১৯৮৭-৮৮ সালে &lsquo;অবজারভার&rsquo; বা &lsquo;পর্যবেক্ষক মিশন&rsquo; হিসেবে। পরে জাতিসংঘের প্রধান শাখা (ডিপিকেও) বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গৌরবোজ্জ্বল পেশাগত দক্ষতা ও সুনামের ওপর ভরসা করে আমাদের ট্রপস বা পূর্ণ সেনাদল মোতায়েনের আমন্ত্রণ জানায়। সেই থেকে আজ পর্যন্ত বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বিশ্বের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ মিশনগুলোতে অংশ নিয়ে আসছে। যার মধ্যে সোমালিয়া, সুদান এবং কঙ্গো অন্যতম। অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে কাজ করে আমাদের বাহিনী দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে।</p>

<p>প্রশ্ন : এখন পর্যন্ত আমরা জানতে পেরেছি ১৭৪ জন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী বিশ্বশান্তির জন্য প্রাণ দিয়েছেন। বাংলাদেশিদের এ আত্মত্যাগকে কীভাবে মূল্যায়ন করবেন?</p>

<p>ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ ইমদাদুল হক : এই ১৭৪ জনের আত্মত্যাগ একদিকে যেমন অত্যন্ত হৃদয়বিদারক, অন্যদিকে এটি আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর জন্য এক গৌরবোজ্জ্বল বীরত্বগাথা। যুদ্ধক্ষেত্রে যখন সংঘাত তৈরি হয়, তখন আমরা জীবনের মায়া ত্যাগ করে দেশের সম্মান ও সেনাবাহিনীর ভাবমূর্তি রক্ষা করতেই ব্যস্ত থাকি। এটা আমাদের সেনাদের &lsquo;সুপ্রিম স্যাক্রিফাইস&rsquo; বা সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ। এ ত্যাগের নেপথ্যের গল্পগুলো দেশবাসীর জানা উচিত।</p>

<p>প্রশ্ন : জাতিসংঘ কেন কঙ্গোতে মিশন পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল এবং কঙ্গো কীভাবে এতটা ভয়াবহ সংঘাত ও অস্থিতিশীলতার মধ্যে জড়িয়ে পড়ল?</p>

<p>জেনারেল মাহবুব হায়দার খান : কঙ্গো এক দুর্ভাগা দেশ, যা আগে &lsquo;জায়ারে&rsquo; নামে পরিচিত ছিল। দেশটি সোনা, হীরা, কোবাল্ট, কোল্টানের মতো মহামূল্যবান খনিজ সম্পদে ঠাসা। এর জমিও এত উর্বর যে কোনো সার ছাড়াই চমৎকার ফসল ফলে। এ বিপুল সম্পদের প্রতি বহির্বিশ্বের এবং ভিতরের স্বার্থান্বেষী মহলের লোলুপ দৃষ্টি ছিল। প্রায় ২৫০ বছর ঔপনিবেশিক শোষণের পর ১৯৬০ সালে তারা স্বাধীনতা পেলেও জাতিগত বিভেদ ও অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে সংঘাত থামেনি। ১৯৯৪ সালে পাশের দেশ রুয়ান্ডায় যে ভয়াবহ গণহত্যা (জেনোসাইড) হয়, তার ফলে অনেক সশস্ত্র বিদ্রোহী দল কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলে ঢুকে পড়ে পরিস্থিতি আরও জটিল করে তোলে। এ হানাহানিতে প্রায় ৩০ লাখ মানুষ মারা যাওয়ার পর ১৯৯৯ সালে &lsquo;লুসাকা চুক্তি&rsquo; অনুযায়ী জাতিসংঘ সেখানে শান্তিরক্ষী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেয়।</p>

<p>ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবু মুসা শারফ্উদ্দিন : আমি একটু যোগ করি। ১৯৬০ সালে স্বাধীনতার পরপরই অরাজকতার কারণে জাতিসংঘ ১৯৬৪ সাল পর্যন্ত সেখানে প্রথমবার শান্তিরক্ষী পাঠিয়েছিল। পরে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হলে মিশন গুটিয়ে নেওয়া হয়। ১৯৯৯ সালের চুক্তির পর আবার &lsquo;মনুক&rsquo; মিশন শুরু হয় এবং ২০১০ সাল থেকে এটি &lsquo;মনুস্কো&rsquo; নামে অদ্যাবধি চলছে। বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী ২০০৩ সাল থেকে এখন পর্যন্ত কঙ্গোতে সক্রিয় অবদান রেখে চলেছে।</p>

<p>প্রশ্ন : কঙ্গোতে আপনারা &lsquo;চ্যাপ্টার সেভেন&rsquo; অপারেশনের অধীনে কাজ করেছেন, এটি আসলে কী ধরনের অপারেশন ছিল?</p>

<p>ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবু মুসা শারফ্উদ্দিন : ২০০৩ সালে কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ &lsquo;ইতুরি&rsquo;র রাজধানী &lsquo;বুনিয়া&rsquo;তে জাতিসংঘের ক্যাম্পের ওপর মিলিশিয়ারা (বিদ্রোহী গোষ্ঠী) অতর্কিত ও ভয়াবহ আক্রমণ চালায়। পরিস্থিতি নাগালের বাইরে চলে গেলে জাতিসংঘের সিকিউরিটি কাউন্সিল &lsquo;চ্যাপ্টার সেভেন&rsquo; অনুমোদন করে। এর আওতায় শান্তিরক্ষীদের কেবল আত্মরক্ষা নয়, বরং সাধারণ বেসামরিক নাগরিক, জাতিসংঘ কর্মী ও এনজিওদের জীবন বাঁচাতে সরাসরি আক্রমণাত্মক সামরিক অপারেশন ও বলপ্রয়োগের পূর্ণ ক্ষমতা দেওয়া হয়। বিশ্বের খুব কম মিশনে এই ক্ষমতা দেওয়া হয়, কঙ্গো তার একটি। সুদানে একটি, তার পরে লেবাননে একটি। এ তিন-চারটি শুধু জাতিসংঘের এই চ্যাপ্টার সেভেনের অধীনে পরিচালিত হচ্ছে।</p>

<p>প্রশ্ন : যুদ্ধ বলতে সাধারণ দর্শক টিভি পর্দা বা পত্রিকার পাতা বোঝে। কিন্তু যুদ্ধক্ষেত্রের বাস্তব পরিস্থিতি আসলে কতটা ভয়ংকর ও জটিল?</p>

<p>ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ ইমদাদুল হক : যুদ্ধক্ষেত্রের বাস্তবতার ডাইমেনশন বা মাত্রা সম্পূর্ণ আলাদা। আমরা যখন কঙ্গোতে চ্যাপ্টার সেভেন অপারেশনের অধীনে ইতুরি ননগ্রেন্ডার অপারেশন পরিকল্পনা করছিলাম, উদ্দেশ্য ছিল এ্যভেবা নামক এলাকার একটি স্কুল ও তার চারপাশের অঞ্চল থেকে মিলিশিয়াদের (বিদ্রোহী গোষ্ঠী) প্রধান ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিয়ে তাদের উৎখাত করা।</p>

<p>এ অভিযানে আমাদের শক্তি বাড়ানোর জন্য (অগমেন্ট করতে) কঙ্গোর রাজধানী থেকে সরকারি বাহিনীর একটি বিশেষ কমান্ডো ব্যাটালিয়ন এসে আমাদের সঙ্গে যোগ দেয়। কিন্তু তারা যখন &lsquo;আবা&rsquo;তে এসে পৌঁছাল, আমরা দেখলাম তারা ছিল অত্যন্ত &lsquo;ইল-ফেড&rsquo; এবং &lsquo;ইল-ইকুইপড&rsquo; (খাবার ও সরঞ্জামহীন)। তাদের নিজেদের কোনো খাবার ছিল না, পর্যাপ্ত অস্ত্র বা গোলাবারুদও ছিল না। প্রথম দিন থেকেই আমাদের নিজেদের তহবিল থেকে তাদের খাবার, অস্ত্র ও অ্যামুনিশন (গোলাবারুদ) দিয়ে সাহায্য করতে হয়েছিল। সবচেয়ে ভয়ংকর পরিস্থিতি তৈরি হলো যখন আমরা অপারেশন শুরু করে একদম শত্রুর লক্ষ্যের কাছাকাছি পৌঁছে গেলাম। তীব্র যুদ্ধক্ষেত্রে কঙ্গোলিজ কমান্ডোরা প্রচুর &lsquo;ক্যাজুয়ালটি সাফার&rsquo; করল, অর্থাৎ তাদের অনেক সেনা মারা গেল এবং গুরুতর আহত হলো। এ ক্ষয়ক্ষতি দেখে তারা আতঙ্কিত হয়ে হঠাৎ যুদ্ধ করতে অস্বীকৃতি (ডিনাই) জানাল। তারা বিদ্রোহ (রিভল্ট) করে বসল এবং আমাদের বলল, &lsquo;তোমরা আর সামনে যেতে পারবে না&rsquo;।</p>

<p>কঙ্গোলিজ সেনারা গাড়ি থেকে নেমেই নিজেদের রিজনাল কমান্ডারের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে &lsquo;ইনডিসক্রিমিনেটলি&rsquo; (এলোপাতাড়ি) গুলি ও গ্রেনেড হামলা শুরু করল। তাদের ক্ষোভ ছিল রাজধানী কিনশাসা থেকে আসার পর তাদের প্রস্তুতির জন্য পর্যাপ্ত সময় দেওয়া হয়নি এবং যথাযথ সরঞ্জাম ছাড়াই তাদের মরার জন্য যুদ্ধে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। সামরিক পরিভাষায় একে আমরা বলি &lsquo;কোঅর্ডিনেশন&rsquo;-এর অভাব। অর্থাৎ ভিন্ন দুটি বাহিনী যখন একসঙ্গে যুক্ত হয়, তখন অভ্যন্তরীণ সমন্বয় ও বিশ্বাস না থাকলে শত্রুর চেয়েও নিজের ফ্রেন্ডলি ফোর্স বা মিত্রবাহিনী কত বড় ভীতি ও জটিল পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে, কঙ্গোর এ ঘটনাটি তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ।</p>

<p>প্রশ্ন : আপনাদের মিশনে কোন কোন দেশের বাহিনী যুক্ত ছিল এবং তাদের সঙ্গে সমন্বয় কীভাবে করেছেন?</p>

<p>জেনারেল মাহবুব হায়দার খান : &lsquo;মনুক&rsquo; মিশনে বাংলাদেশের পাশাপাশি পাকিস্তান, নেপাল, মরক্কো, উরুগুয়ে, গুয়েতেমালা, ইন্দোনেশিয়া, ইন্ডিয়াসহ প্রায় ১২টির বেশি দেশের শান্তিরক্ষী যুক্ত ছিল। সেখানে ভারতীয় বিমানবাহিনীর অ্যাটাক হেলিকপ্টার এবং বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর ইউটিলিটি হেলিকপ্টারও মোতায়েন ছিল। আমাদের দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকাটি আয়তনে প্রায় গোটা বাংলাদেশের সমান বড় ছিল। এত বড় দুর্গম এলাকায় বিভিন্ন দেশের ভাষা ও সংস্কৃতির ভিন্নতা থাকা সত্ত্বেও অত্যন্ত চমৎকার সমন্বয়ের মাধ্যমে আমরা আমাদের সামরিক অপারেশন পরিচালনা করেছি।</p>

<p>প্রশ্ন : বাংলাদেশ ব্যাটালিয়ন-৩-এর ওপর মূলত কোন কোন দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছিল?</p>

<p>ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবু মুসা শারফ্উদ্দিন : আমাদের মূল দায়িত্ব ছিল কঙ্গোর আসন্ন সাধারণ নির্বাচন যাতে সুষ্ঠুভাবে হতে পারে, সেজন্য একটি সম্পূর্ণ নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা। তখন সেখানে চরম অরাজকতা চলছিল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আমরা ৩ হাজারের বেশি ছোটবড় অভিযান পরিচালনা করেছি। এর বাইরে গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনা রক্ষা, সাধারণ নাগরিকদের গণহত্যা থেকে বাঁচানো, মিলিশিয়াদের ক্যাম্প উচ্ছেদ এবং জাতিসংঘের অন্যান্য সংস্থাকে এসকর্ট বা নিরাপত্তা দেওয়া ও পুনর্গঠনমূলক কাজ করাই ছিল আমাদের প্রধান দায়িত্ব।</p>

<p>প্রশ্ন : আপনাদের পরিচালিত প্রথম বড় অভিযান &lsquo;অপারেশন বোগা&rsquo; কখন শুরু হয়েছিল এবং এর অভিজ্ঞতা কেমন ছিল?</p>

<p>ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবু মুসা শারফ্উদ্দিন : ২০০৫ সালের ২২ আগস্ট দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র ১৫ দিনের মধ্যে আমাদের &lsquo;অপারেশন বোগা&rsquo; পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়। বোগা অঞ্চলটি আমাদের মূল ক্যাম্প থেকে ৮০ কিলোমিটার দূরে গভীর জঙ্গল ও উঁচু পাহাড়ে ঘেরা এলাকা ছিল। প্রতিকূল আবহাওয়া এবং কোনো পূর্ব তথ্য বা &lsquo;গ্রাউন্ড রেকি&rsquo; করার সুযোগ ছাড়াই ৯ সেপ্টেম্বর প্রবল বৃষ্টির মধ্যে আমরা রওনা হই। আমাদের সঙ্গে বাংলাদেশি সেনা ছাড়াও লোকাল আর্মি, সেনেগালি ও মরোক্কান ফোর্স ছিল। এক দিনে পৌঁছানোর কথা থাকলেও রাস্তার করুণ অবস্থার কারণে তিন দিনে আমরা অর্ধেক পথও যেতে পারিনি। কাঠের বড় বড় গুঁড়ি দিয়ে কালভার্ট বানিয়ে ৫০-৬০টি সাঁজোয়া গাড়ি পার করতে হয়েছে। তৃতীয় দিনে ভারতীয় বিমানবাহিনীর মাধ্যমে জানতে পারি ১৫ কিলোমিটার সামনে পাহাড়ের চূড়ায় ২০০ মিলিশিয়া আমাদের অ্যামুশ (ওত পেতে আক্রমণ) করার জন্য প্রস্তুত। এর মধ্যেই পিচ্ছিল রাস্তায় পিছলে একটি এপিসি ১০ জন সেনা নিয়ে ৫০ ফুট নিচে খাদে পড়ে যায়। ভাগ্যক্রমে আমরা দ্রুত সবাইকে জীবিত ও বড় কোনো আঘাত ছাড়াই উদ্ধার করতে সক্ষম হই। পরে বিকল্প প্ল্যান অনুযায়ী হেলিকপ্টাওে সেনা পাঠিয়ে অভিযান সম্পন্ন করা হয়।</p>

<p>প্রশ্ন : পরিবেশগত বৈরিতার পাশাপাশি ভাষাগত পার্থক্য তো ছিলই। যুদ্ধ পরিচালনার ক্ষেত্রে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহে আপনারা কী ধরনের জটিলতার মুখোমুখি হয়েছেন?</p>

<p>ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবু মুসা শারফ্উদ্দিন : কঙ্গোতে ফ্রেঞ্চ (ফরাসি) এবং স্থানীয় সোয়াহিলি ভাষা ব্যবহার করা হতো। তথ্য সংগ্রহের জন্য আমরা বিশ্বস্ত লোকাল ইন্টারপ্রেটার (দোভাষী) ব্যবহার করতাম। এ ছাড়া আমাদের গোয়েন্দাদল এবং টহলদল স্থানীয়দের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করে তথ্য আনত। &lsquo;ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রাম&rsquo;-এর মতো জাতিসংঘের অন্যান্য সংস্থা থেকেও তথ্য পেতাম। তবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল বিদ্রোহীদের ভয়ে সাধারণ মানুষ নিজেদের জীবননাশের আশঙ্কায় সহজে মুখ খুলতে বা তথ্য দিতে চাইত না। আমাদের পার্বত্য চট্টগ্রামের চেয়ে এখানকার তথ্য সংগ্রহ পদ্ধতি ছিল অনেক বেশি জটিল ও সীমাবদ্ধতাপূর্ণ।</p>

<p>প্রশ্ন : &lsquo;চে&rsquo; অঞ্চলে প্রথম দুটি অভিযান কেন ব্যর্থ হয়েছিল এবং পরে &lsquo;অপারেশন ইতুরি এক্সপ্লোরার&rsquo; কীভাবে নতুনভাবে পরিকল্পনা করা হয়েছিল?</p>

<p>জেনারেল মাহবুব হায়দার খান : কঙ্গোর &lsquo;চে&rsquo; রুয়ান্ডা ও উগান্ডার সীমান্ত সংযোগস্থলে অবস্থিত অত্যন্ত গভীর জঙ্গল ও পাহাড়ি এলাকা। দুর্গম হওয়ায় মিলিশিয়ারা একে তাদের মূল প্রশিক্ষণকেন্দ্র এবং অস্ত্রাগার (বেস ক্যাম্প) বানিয়েছিল। নির্বাচন সুষ্ঠু করতে হলে &lsquo;চে&rsquo; দখল করা অত্যাবশ্যকীয় ছিল। এর আগে ২০০৫ সালের ডিসেম্বর ও ২০০৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে অন্যান্য দেশের বাহিনী নিয়ে দুটি অভিযান চালানো হলেও বিদ্রোহীদের তীব্র প্রতিরোধের মুখে তা ব্যর্থ হয়। তৃতীয়বার মে মাসে যখন আমরা অপারেশনের দায়িত্ব পাই, তখন আগের ভুলগুলো থেকে শিক্ষা নিয়ে &lsquo;ওয়ারগেমিং&rsquo; বা রণকৌশল মহড়া করি। ভাষার ভিন্নতা ও যোগাযোগের সমস্যা দূর করার পরিকল্পনা করা হয়। আগে শুধু একদিক থেকে আক্রমণ করা হয়েছিল, এবার আমরা তিন দিক থেকে (উত্তর, কেন্দ্র ও দক্ষিণ টাস্কফোর্স) একযোগে সাঁড়াশি আক্রমণ চালাই এবং কঙ্গো সরকারি বাহিনীকে সামনে রেখে সফলভাবে শত্রুর দুর্গ ধ্বংস করি।</p>

<p>প্রশ্ন : এই পুরো অপারেশনের সময় চ্যালেঞ্জগুলো কী ছিল?</p>

<p>ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ ইমদাদুল হক : বড় সমস্যা ছিল &lsquo;মাল্টি-লিঙ্গুয়েস্টিক&rsquo; বা বহুভাষিক জটিলতা। ৮-১০টি দেশের যৌথ বাহিনীর সবাই ইংরেজি জানত না, এমনকি আমাদের সঙ্গে থাকা কঙ্গোলিজ সেনারাও না। দোভাষী থাকলেও যুদ্ধের তীব্র উত্তেজনার মুহূর্তে মনের ভাব হুবহু প্রকাশ করা কঠিন হতো। এ ছাড়া সিগন্যাল যন্ত্রাদির বিভিন্নতা অপারেশনের চ্যালেঞ্জ বহুগুণে বৃদ্ধি করে দেয়।</p>

<p>প্রশ্ন : কঙ্গোতে বাংলাদেশ কন্টিনজেন্টের সবচেয়ে বড় অর্জন কী ছিল?</p>

<p>ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবু মুসা শারফ্উদ্দিন : আমাদের সবচেয়ে বড় অর্জন হলো হাজারো প্রতিকূলতার মাঝেও ওই রক্তাক্ত এলাকায় শান্তি ফিরিয়ে আনা। যার ফলে স্থানীয় মানুষ আশ্বস্ত হয়ে কঙ্গোর ইতিহাসে প্রথম একটি সফল ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনে ভোট দিতে পেরেছিল এবং বিদ্রোহী মিলিশিয়াদের চলাচল ও কার্যক্রম বহুলাংশে সীমিত করা সম্ভব হয়েছিল।</p>

<p>প্রশ্ন : সরাসরি যুদ্ধে অংশগ্রহণের এ অভিজ্ঞতা থেকে সাধারণ দর্শকদের উদ্দেশে শেষ কী বলবেন?</p>

<p>জেনারেল মাহবুব হায়দার খান : এই আন্তর্জাতিক মিশন থেকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পেশাদার প্রশিক্ষণ ও যুদ্ধের কৌশলের ওপর আমাদের আত্মবিশ্বাস বহুগুণ বেড়ে গেছে। আমরা যে ধ্রুপদি রণকৌশল ব্যবহার করে &lsquo;চে&rsquo; অঞ্চল মুক্ত করেছি, তা ছিল বিশ্ব সামরিক ইতিহাসে অনন্য। এ বাস্তব যুদ্ধক্ষেত্রের শিক্ষা আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1103-77.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর এখন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পথে]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28722</link>
    <pubDate>Sun, 14 Jun 2026 09:24:00 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28722</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1220-66.jpg" />    <article>
<p>২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন যখন ইউক্রেন আক্রমণ করেন, তখন তিনি হয়তো ভেবেছিলেন যাবেন আর কয়েকদিনের মধ্যে কিয়েভ দখল করে নেবেন। কিন্তু ইউক্রেনের পাল্টা প্রতিরোধ চমকে দেয় সবাইকে।</p>
</article>

<article>কয়েকদিন বা কয়েক মাসের মধ্যে শেষ হয়ে যাওয়ার কথা ছিল যে যুদ্ধের, সে যুদ্ধ এখন নতুন নতুন মাইলফলক গড়ছে। যুদ্ধ আসলে কোনো হিসাব মেনে হয় না। যুক্তরাষ্ট্র আর ইসরায়েল মিলে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যখন ইরানে হামলা চালায়, তখন কি তারা ভেবেছিলেন, ইরান তাদের এমন নাকানি চুবানি খাওয়াবে!
<p>&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/06/13/1697095" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধকে একটু আড়ালে ফেলে দিয়েছে। তবে তাতে যুদ্ধ থামেনি।</p>
</article>

<article>বরং এই যুদ্ধ গত ১১ জুন এক নতুন মাইলফলক গড়েছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ প্রথম বিশ্বযুদ্ধের মোট স্থায়িত্বকালকেও ছাড়িয়ে গেছে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ১৯১৪ সালের ২৮ জুলাই শুরু হয়ে ১৯১৮ সালের ১১ নভেম্বর পর্যন্ত চলেছিল। প্রথম বিশ্বযুদ্ধ মোট ১ হাজার ৫৬৭ দিন স্থায়ী হয়েছিল।</article>

<article>গত ১১ জুন রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ প্রথম বিশ্বযুদ্ধের রেকর্ড ভেঙ্গে নতুন রেকর্ড গড়েছে। আজকের হিসাব পর্যন্ত রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ ১ হাজার ৫৭০ দিন ধরে চলছে। কিছু কিছু রেকর্ড আমাদের বেদনার্ত করে, সভ্যতাকেই চোখ রাঙায়। আধুনিক সময়ে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ সভ্যতার জন্য এক গ্লানির রেকর্ড।
<p>&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/country-news/2026/06/13/1697093" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>দীঘস্থায়ী যে কোনো যুদ্ধের সঠিক পরিসংখ্যান পাওয়া মুশকিল।</p>
</article>

<article>নিজ নিজ সুবিধার জন্য অনেক সময় ক্ষয়ক্ষতি আড়াল করা হয়, অনেক সময় বাড়িয়ে বলা হয়। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের আর্থিক ক্ষতিও কোনো নির্দিষ্ট একটি সংখ্যার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। বরং এই যুদ্ধ সামগ্রিকভাবে বিশ্ব অর্থনীতিকেই বিপর্যয়ের মুখে ফেলেছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>সর্বশেষ আন্তর্জাতিক প্রতিবেদন ও বিশ্বব্যাংকের যৌথ তথ্য অনুযায়ী, এই যুদ্ধের মোট আর্থিক ক্ষতি ও ব্যয়ের পরিমাণ ৩ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। তবে আর্থিক ক্ষতির চেয়েও বড় হলো মানুষের প্রাণ। বিভিন্ন হিসেবে এই যুদ্ধে এখন পর্যন্ত ৫ লাখ মানুষ মারা গেছে। এছাড়া আহত, নিখোঁজ ধরলে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ২০ লাখ ছাড়িয়ে যাবে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের সঙ্গে বাংলাদেশের কোনো সম্পর্ক নেই। তারপরও এই যুদ্ধে অন্তত ৪০ জন বাংলাদেশি তরুণ প্রাণ দিয়েছে। উন্নত জীবনের আশায় দালালদের খপ্পরে পড়ে বাংলাদেশ থেকে তরুণরা রাশিয়ায় যান। প্রতিশ্রুতি ভেঙে তাদের অনেককে জোর করে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এভাবে কোনো কারণ ছাড়াই বাংলাদেশের তরুণরা প্রাণ দেয় ইউক্রেন ফ্রন্টে।</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/national/2026/06/13/1697090" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>যুদ্ধের পাশাপাশি আড়ালে যুদ্ধ থামানোর নানা কূটনৈতিক তৎপরতাও চলে। কিন্তু এখন পর্যন্ত রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের কোনো পদক্ষেপই কার্যকর হয়নি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেয়ার পর নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার আশায় রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের চেষ্টা করেছিলেন। ট্রাম্পও নোবেল পাননি, যুদ্ধও বন্ধ হয়নি। ট্রাম্প রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ তো করতে পারেনইনি, বরং নিজেই বিশ্বকে ঠেলে দিয়েছেন আরো বৃহত্তর পরিসরের এক যুদ্ধে।</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/country-news/2026/06/13/1697088" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের নানামুখী চেষ্টার মধ্যে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির একটি খোলা চিঠি নাটকীয় পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। গত ৪ জুন জেলেনস্কি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনের কাছে পাঠানো খোলা চিঠিতে সুইজারল্যান্ড বা তুরস্কের মতো কোনো নিরপেক্ষ দেশে পুতিনের সঙ্গে সরাসরি মুখোমুখি বৈঠকের প্রস্তাব দিয়েছেন। ইউক্রেনের পশ্চিমা মিত্ররাও এই প্রস্তাব সমর্থন করেছে। পাশাপাশি জুড়ে দিয়েছেন কিছু শর্ত। তবে পুতিন শর্তযুক্ত এই প্রস্তাব প্রত্যাখান করেছেন। তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, যুদ্ধ করেই তিনি লক্ষ্য অর্জন করবেন।</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/Islamic-lifestylie/2026/06/13/1697087" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>তেমনটি হলে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ আরো নতুন নতুন গ্লানির রেকর্ড গড়তে পারে। এক জরিপে দেখা গেছে, ইউক্রেনের অধিকাংশ নাগরিক মনে করেন, আগামী বছরের আগে এই যুদ্ধ থামবে না। তার মানে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ প্রথম বিশ্বযুদ্ধকে তো ছাড়িয়েছেই, এগিয়ে যেতে পারে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকেও ছাড়িয়ে যাওয়ার দিকে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1220-66.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[খামেনির জানাজা ও দাফনের তারিখ ঘোষণা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28721</link>
    <pubDate>Sun, 14 Jun 2026 09:22:43 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28721</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1322-55.jpg" />    <article>
<p>ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজা ও দাফনের সময়সূচি ঘোষণা করা হয়েছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা <a href="https://www.reuters.com/world/middle-east/iran-says-funeral-late-supreme-leader-khamenei-begin-july-4-burial-set-july-9-2026-06-13/">রয়টার্স</a>।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী ৪ জুলাই রাজধানী তেহরানে জানাজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে এবং ৯ জুলাই উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর মাশহাদে তাকে দাফন করা হবে।</p>

<p>গত ফেব্রুয়ারিতে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় খামেনি নিহত হন বলে দাবি করে তেহরান। তার মৃত্যু ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটায়। কারণ তিনি তিন দশকেরও বেশি সময় দেশটির সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, জানাজার কর্মসূচিতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে লাখো মানুষ অংশ নিতে পারেন। তেহরান থেকে মাশহাদ পর্যন্ত কয়েকদিনব্যাপী শোকানুষ্ঠান, ধর্মীয় সমাবেশ এবং রাষ্ট্রীয় শ্রদ্ধা নিবেদনের আয়োজন করা হবে।</p>

<p>মাশহাদ শহরটি ইরানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় কেন্দ্র। সেখানে ইমাম রেজার পবিত্র মাজার অবস্থিত, যা শিয়া মুসলিমদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থান।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1322-55.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[গাড়ি থামিয়ে গুলি করে ৭ মাসের শিশুকে হত্যা, বিচার দাবি পরিবারের]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28720</link>
    <pubDate>Sun, 14 Jun 2026 09:21:46 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28720</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1387-44.jpg" />    <article>
<p>অধিকৃত পশ্চিম তীরের অন্যতম বৃহত্তম ও ঐতিহাসিক শহর হেবরনে ৭ মাস বয়সী এক ফিলিস্তিনি শিশুকে গুলি করে হত্যা করেছে ইসরায়েলি সেনারা। নিহত শিশু সাম আবু হাইকালের পরিবারের সদস্যরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ী সেনার শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।</p>
</article>

<article>তাদের অভিযোগ, এটি কোনো দুর্ঘটনা নয়, বরং সরাসরি তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়েছিল।
<p>&nbsp;</p>

<p>মার্কিন সংবাদ মাধ্যম <a href="https://edition.cnn.com/2026/06/13/middleeast/palestinian-family-justice-shooting-baby-west-bank-intl-cmd">সিএনএন</a> বলছে,&nbsp;গত ৫ জুন বাবা ফাহদ আবু হাইকাল তার পরিবারকে নিয়ে হেবরনের একটি সড়ক দিয়ে যাওয়ার সময় সামনে ইসরায়েলি সেনাদের একটি দল দেখতে পান। তিনি গাড়ির গতি কমিয়ে থামানোর চেষ্টা করলে এক সেনা সদস্য রাইফেল তাক করে গুলি চালায় বলে পরিবারের দাবি।</p>

<p>একটি গুলি গাড়ির সামনের অংশে আঘাত করলেও আরেকটি গুলি উইন্ডশিল্ড ভেদ করে স্টিয়ারিং হুইল স্পর্শ করে ফাহাদের হাতে লাগে এবং পরে তার ৭ মাস বয়সী ছেলে সামের মাথায় আঘাত হানে।</p>
</article>

<article>গুরুতর আহত অবস্থায় শিশুটিকে হাসপাতালে নেওয়া হলেও সেখানে তার মৃত্যু হয় বলে জানায় চিকিৎসকরা।
<p>&nbsp;</p>

<p><strong>ভিন্ন চিত্র</strong></p>

<p>ঘটনার পর ইসরায়েলি সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে দাবি করে, সেনারা একটি গাড়িকে নিজেদের দিকে দ্রুতগতিতে আসতে দেখেছিল এবং সে কারণেই একজন সেনা সদস্য গুলি চালিয়েছিল।</p>

<p>তবে মানবাধিকার সংস্থা বি&rsquo;ৎসেলেমের সংগ্রহ করা একটি ভিডিওতে দেখা যায়, গাড়িটি সেনাদের কাছে পৌঁছানোর আগেই ধীরে ধীরে থেমে যাচ্ছিল। পরিবারের সদস্যরা এবং ভিডিও ধারণকারী প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন, গাড়ি থামার মুহূর্তেই গুলি ছোড়া হয়।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>ফাহদের মা ফেরিয়াল আবু হাইকাল বলেন, &lsquo;আমরা ভেবেছিলাম তারা আমাদের ফিরে যেতে বলবে বা সতর্ক করতে আকাশে গুলি করবে। কিন্তু তারা কোনো সতর্কতা ছাড়াই গুলি চালায়।&rsquo;</p>

<p>ভিডিওতে আরো দেখা যায়, গুলি করার পর সেনাটি ঘটনাস্থল থেকে হেঁটে সরে যায়। পরিবারের দাবি, সেখানে উপস্থিত কোনো সেনা আহত শিশু বা তার মাকে চিকিৎসা সহায়তা দেওয়ার চেষ্টা করেনি।</p>

<p><strong>তদন্ত শুরুর আশ্বাসেও আস্থাহীন পরিবার</strong></p>

<p>ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা ঘটনাটির তদন্ত শুরু করেছে।</p>
</article>

<article>তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ঘটনার পর সেনারা এলাকায় ফিরে এসে সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ জব্দ করে নিয়ে যায়।
<p>&nbsp;</p>

<p>ফাহদ আবু হাইকাল তদন্তে সহযোগিতা করছেন। তবে তার বিশ্বাস, গুলিটি ইচ্ছাকৃতভাবেই ছোড়া হয়েছিল। তিনি বলেন, &lsquo;আপনি যখন সামনে কাউকে দেখেন, তাকে লক্ষ্য করে গুলি করেন, তখন সেটিকে ভুল বলা যায় না। ওই সেনা সরাসরি হত্যার উদ্দেশ্যেই গুলি করেছে।&rsquo;</p>

<p><strong>শোক আর ক্ষোভে পরিবার</strong></p>

<p>সামের মা দানিয়া আবু হাইকাল এখনো শারীরিক ও মানসিক ট্রমার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। যে গুলিতে তার ছেলে নিহত হয়, তার একটি অংশ দানিয়ার মুখেও আঘাত করে। এছাড়া শরীরে এখনও ধাতব টুকরো রয়ে গেছে, যা হৃদযন্ত্রের খুব কাছে থাকায় চিকিৎসকেরা অপসারণের ঝুঁকি নিতে চাননি।</p>

<p>একমাত্র সন্তানকে হারানোর বেদনা বর্ণনা করতে গিয়ে তিনি বলেন, &lsquo;আমি তাকে বুকের দুধ খাওয়াতাম। এখন বুকের দুধ জমে ব্যথা করছে। প্রতিবার দুধ বের করার যন্ত্র ব্যবহার করলে আমি কেঁদে ফেলি।&rsquo;</p>

<p>সামের নানা নিদাল সালামেহ বলেন, তার ৭ নাতি-নাতনির মধ্যে সাম ছিল সবচেয়ে প্রিয়। কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, &lsquo;এই নিষ্পাপ ৭ মাসের শিশুটি তাদের কী ক্ষতি করেছিল?&rsquo;</p>

<p><strong>বাবার আর্তনাদ ও ভীতি</strong></p>

<p>ছেলের মৃত্যুর কয়েক দিন পরও দানিয়া শুধু শোকে নয়, ক্ষোভেও ভুগছেন। তার অভিযোগ, ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে সহিংসতার ঘটনায় ইসরায়েলি সেনারা খুব কম ক্ষেত্রেই জবাবদিহির মুখোমুখি হয়।</p>

<p>তিনি বলেন, &lsquo;যে সেনা আমার সন্তানকে হত্যা করেছে, সে যেন আমার এই কষ্ট অনুভব করতে পারে। তাকে শাস্তি পেতেই হবে। সে যেন পার পেয়ে না যায়।&rsquo;</p>

<p>মানবাধিকার সংস্থা বি&rsquo;ৎসেলেমের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের পর থেকে অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বাহিনীর হাতে অন্তত ২৩৬ ফিলিস্তিনি শিশু নিহত হয়েছে। চলতি বছর নিহত শিশুদের মধ্যে সাম আবু হাইকাল ছিলেন ১৩তম।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1387-44.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[মরক্কোর সঙ্গে ড্র, হতাশায় ‘হেক্সা অভিযান’ শুরু ব্রাজিলের]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/28719</link>
    <pubDate>Sun, 14 Jun 2026 09:20:32 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/28719</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1470-33.jpg" />    <article>
<p>এই ম্যাচ নিয়ে আলোচনা চলছিল বিশ্বকাপ ড্রয়ের পর থেকেই। গত কয়েক মাসে ম্যাচটি হয়ে উঠেছিল বহুল কাক্ষিত।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>এক দল আছে ফিফা র&zwnj;্যাংকিংয়ের ছয় নম্বরে, আরেক দল সাতে। স্বাভাবিকভাবেই এবারের আসরে এখন পর্যন্ত এটিই সবচেয়ে বড় ম্যাচ। নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে সেই ম্যাচটি হয়েই গেল। কিন্তু কেউ জিতল না।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>মরক্কোর সঙ্গে হতাশার ড্রয়ে &lsquo;হেক্সা অভিযান&rsquo; শুরু করল ব্রাজিল। ম্যাচের ২১ মিনিটে ব্রাজিলকে স্তব্ধ করে দিয়ে মরক্কোকে এগিয়ে দেন ইসমায়েল সাইবারি। ৩২ মিনিটে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের বুলেট গতির চোখ ধাঁধানো শটে সমতায় ফেরে ব্রাজিল।</p>

<figure><img alt="VINI" height="600" src="https://asset.kalerkantho.com/public/news_images/share/photo/shares/online/2026/06/14/my1236/6a2df6fb3ee6f.jpg" width="1000" />
<figcaption>ভিনিসিয়ুসের গোলে সমতা আনে ব্রাজিল।</figcaption>
</figure>
</article>

<article>ছবি: ফিফা
<p>কোনো রকম ১ পয়েন্ট পেলেও ব্রাজিলের সমর্থেকরা এই ম্যাচ যত দ্রুত সম্ভব, ভুলে যেতে চাইবেন।&nbsp;কারণ, ভিনির ওই গোল আর দুই-একটা সুযোগ তৈরি ছাড়া ব্রাজিলিয়ানদের সেভাবে খুঁজে পাওয়া যায়নি। কয়েক দফা বলের নিয়ন্ত্রণও হারিয়েছে। অনেকে তো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলতে শুরু করেছে, বড্ড বাজে খেলে ড্র করল কার্লো আনচেলত্তির দল।&nbsp;</p>

<p>উল্টো মরোক্কানদের বরাবরই গোলের জন্য ক্ষুধার্ত মনে হয়েছে।</p>
</article>

<article>ম্যাচের যোগ করা সময়ে জয়সূচক গোলটা পেয়েই গেয়েছিল সর্বশেষ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালিস্টরা। ভাগ্যিস, ব্রাজিল গোলকিপার আলিসন বেকার সময়মতো বাঁ দিকে ঝাপিয়ে পড়েছিলেন!
<p>&nbsp;</p>

<p>ম্যাচের শুরু থেকেই গোছালো ফুটবল উপহার দিয়েছে মরক্কো। ব্রাহিম দিয়াজ মাঝমাঠ থেকে বারবার ব্রাজিলের রক্ষণ কাঁপাচ্ছিলেন। ৭ মিনিটে নিল এল আয়নাউয়ির শট ব্লক করেন ব্রুনো গিমারায়েস।</p>

<p>তবে ম্যাচের প্রথম বড় সুযোগটা ব্রাজিলই তৈরি করেছিল। ১৩ মিনিটে ভিনিসিয়ুসের দারুণ এক ক্রসে ইগোর থিয়াগো ঠিকভাবে বলে মাথা ছোঁয়াতে পারলেই গোল হতো। কিন্তু অনেকটা অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে ব্রাজিলের শুরুর একাদশে জায়গা করে নেওয়া এই ফরোয়ার্ড ব্যর্থ হয়েছেন।&nbsp;</p>

<p>১৭ মিনিটে মরক্কো এগিয়ে যায়। দিয়াজের অসাধারণ থ্রু বলে সাইবারি একা পান ব্রাজিল গোলকিপার আলিসনকে। বিপদ আঁচ করতে পেয়ে আলিসন এগিয়ে এসেছিলেন। কিন্তু সাইবারি ঠান্ডা মাথায় তাকে লব করে বল জালে পাঠালেন।&nbsp;</p>

<p>৩২ মিনিটে জবাব দেন ভিনিসিয়ুস। রাফিনিয়ার পাস পেয়ে বক্সের বাঁ দিক থেকে ডান পায়ে টপ কর্নারে বুলেট গতির শট নেন। মরক্কো গোলকিপার ইয়াসিন বুনু পুরো শরীর মেলেও তা রুখতে পারেননি। ব্রাজিলের হয়ে এটি ছিল ভিনির ৫০তম ম্যাচ, যা তিনি স্মরণীয় করে রাখলেন হার এড়ানো এক গোল করে।&nbsp;</p>

<p>প্রথমার্ধের শেষ দিকে কাসেমিরো ও রজার ইবানিয়েজ হলুদ কার্ড দেখেন। বিরতির পরেই এই দুজনকে তুলে নেন আনচেলত্তি। মাঠে নামেন ফাবিনিও এবং দানিলো।</p>

<figure><img alt="neymar1" height="600" src="https://asset.kalerkantho.com/public/news_images/share/photo/shares/online/2026/06/14/my1236/6a2dfd56d96fa.jpg" width="1000" />
<figcaption>চোট থেকে পুরোপুরি সেরে না ওঠায় নেইমারকে দর্শক হয়ে থাকতে হয়েছে। ছবি: এএফপি</figcaption>
</figure>

<p>৬৭ মিনিটে গিমারায়েসের ক্রসে রাফিনিয়া অল্পের জন্য বলের স্পর্শ পাননি। ৭৮ মিনিটে রাফিনিয়ার শট আটকে দেন বুনু। শেষ মিনিটগুলোতে আলিসনকে দুটি কঠিন সেভ করতে হয়েছে। বাইরে থেকে একটি কার্লার এবং একটি ক্লোজ রেঞ্জের শট। এর একটি জালে ঢুকলেই সর্বনাশ হয়ে যেত ব্রাজিলের।&nbsp;</p>

<p>তবে শুরুতেই মরোক্কানরা ব্রাজিলিয়ানদের যে ধাক্কা দিল, সেটাই বা কম কী!</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1470-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চে এক টুকরো বাংলাদেশ!]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/28718</link>
    <pubDate>Sun, 14 Jun 2026 09:19:33 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/28718</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1512-22.jpg" />    <article>
<p>ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর কানাডা পর্বের উদ্বোধনী আয়োজনে বলিউড তারকা নোরা ফাতেহি এবং ফরাসি সংগীতশিল্পী ভেজিড্রিমের সঙ্গে &lsquo;সির সির&rsquo; গান পরিবেশন করতে দেখা গেছে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন ডিজে ও সংগীতশিল্পী সঞ্জয় দেবকে।</p>

<p>তিনি যখন উদ্বোধনী মঞ্চে পারফর্ম করছিলেন, তখন আলো-ঝলমলে আয়োজনের মাঝেও দর্শকের নজর কাড়ে তাঁর পোশাক।</p>
</article>

<article>মেরুন রঙের স্যুটজুড়ে ফুটে উঠেছিল বাংলাদেশের পরিচিত প্রতীক&mdash;রয়েল বেঙ্গল টাইগার, শাপলা এবং লাল-সবুজের নকশা। পারফরম্যান্সের সময় বারবার হাতার সেই নকশার দিকে ইশারা করে তিনি যেন নিজের শিকড়ের কথাই স্মরণ করিয়ে দিচ্ছিলেন।
<p>&nbsp;</p>

<p><img alt="The start of something beautiful': Sanjoy's opening ceremony ..." src="https://www.thedailystar.net/sites/default/files/inline-images/b2d51b84-a41a-4591-9769-10eb3346a2fd.jfif" /></p>

<p>তাঁর পরিবেশনার পাশাপাশি সবচেয়ে বেশি আলোচনায় আসে বাংলাদেশের প্রতীক বহন করা বিশেষ স্যুটটি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও দেখে অনেকেই এটিকে বাংলাদেশের প্রতি তাঁর ভালোবাসা ও গর্বের প্রতীক হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>এরই মধ্যে দেশের সংগীতশিল্পী ও ভক্তরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর পারফরম্যান্সের ভিডিও শেয়ার করে অভিনন্দন জানিয়েছেন। বিশ্বকাপের মতো বৈশ্বিক আসরে বাংলাদেশের পরিচয় তুলে ধরার এই উদ্যোগ প্রশংসিত হচ্ছে বিভিন্ন মহলে।</p>

<p>নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজেও পারফরম্যান্সের একটি ভিডিও প্রকাশ করেছেন সঞ্জয় দেব। সেখানে তিনি লিখেছেন, &lsquo;প্রিয়জনেরা, এটা সুন্দর কিছুর সূচনা মাত্র&rsquo;।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p><img alt="No photo description available." src="https://scontent.fdac154-1.fna.fbcdn.net/v/t39.30808-6/723015059_27241176648855199_6590679794910780719_n.jpg?stp=dst-jpg_tt6&amp;cstp=mx1254x1254&amp;ctp=s1254x1254&amp;_nc_cat=110&amp;ccb=1-7&amp;_nc_sid=833d8c&amp;_nc_eui2=AeGD5DS1QieHrVmJt-TXKsIUztL2ytPbRSLO0vbK09tFImH5ybzmFQD3RHfDqlRg2AJJyD2-y2yzC9rHEAJZC60Z&amp;_nc_ohc=bNsAMQZDbGMQ7kNvwGo9Rwg&amp;_nc_oc=Adpq5NG7KV-dyGQyezc0nkwZl-RjKaX65KLUsJLBAuFRBlM_zW9GVixbaROzGCFoHUA&amp;_nc_zt=23&amp;_nc_ht=scontent.fdac154-1.fna&amp;_nc_gid=GusOJ7PqiQSnTobF_taMuw&amp;_nc_ss=7a2a8&amp;oh=00_Af-CqMg1kgj-oYPTOyIJ-hTH4bVcp5WC8YRWiaW9eeHqJA&amp;oe=6A32E0E3" /></p>

<p>জানা গেছে, বাংলাদেশের শ্রীমঙ্গলে জন্ম সঞ্জয় দেবের। তাঁর শৈশব ও কৈশোর কেটেছে চট্টগ্রামে। পরবর্তীতে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান এবং বিভিন্ন সংস্কৃতি ও সংগীতধারার সমন্বয়ে গড়ে তোলেন নিজের স্বতন্ত্র সংগীতভুবন।&nbsp;</p>

<p>তবে আন্তর্জাতিক মঞ্চে দাঁড়িয়েও নিজের শিকড়কে যে তিনি হৃদয়ে ধারণ করে আছেন, বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তাঁর উপস্থিতি যেন সেই বার্তাই নতুন করে তুলে ধরল।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1512-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[গানে গানে সৈয়দ আব্দুল হাদীকে শ্রদ্ধা, দেওয়া হলো সংবর্ধনা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/28717</link>
    <pubDate>Sun, 14 Jun 2026 09:18:36 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/28717</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1610-11.jpg" />    <article>
<p>বাংলাদেশের সংগীতাঙ্গনের অন্যতম উজ্জ্বল নাম সৈয়দ আব্দুল হাদীকে বিশেষ সম্মাননায় ভূষিত করেছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি। তার দীর্ঘ সংগীতজীবন, অসামান্য অবদান এবং কালজয়ী সৃষ্টিকে স্মরণ করে শুক্রবার (১২ জুন) রাজধানীর জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে আয়োজন করা হয় &lsquo;কালজয়ী কণ্ঠ : শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় সৈয়দ আব্দুল হাদী&rsquo; শীর্ষক বিশেষ অনুষ্ঠান।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে শিল্পীর হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম।</p>

<p>সম্মাননা গ্রহণের পর অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে সৈয়দ আব্দুল হাদী বলেন, &lsquo;সবার অকুণ্ঠ প্রশংসায় তিনি যেমন আপ্লুত হয়েছেন, তেমনি কিছুটা বিব্রতও বোধ করেছেন।&rsquo; নিজের অর্জনের বিষয়ে বিনয় প্রকাশ করে তিনি আরো বলেন, &lsquo;মানুষের ভালোবাসার প্রতিদান দেওয়ার মতো তেমন কিছু তার নেই।&rsquo;</p>

<p>অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বলেন, &lsquo;তাদের প্রজন্ম বড় হয়েছে সৈয়দ আব্দুল হাদীর গান শুনে।</p>
</article>

<article>বিশেষ করে বাংলা চলচ্চিত্রের অসংখ্য জনপ্রিয় গানে তার কণ্ঠ ও পর্দার অভিনয়ের সমন্বয় দর্শকদের মনে স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছে এবং বহু মানুষকে অনুপ্রাণিত করেছে।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান শৈশবের স্মৃতিচারণা করে বলেন, &ldquo;বিটিভির জনপ্রিয় অনুষ্ঠান &lsquo;ছায়াছন্দ&rsquo;-এ নিয়মিতই সৈয়দ আব্দুল হাদীর গান শোনা যেত। তার মতে, সংগীতের জগতে সৈয়দ আব্দুল হাদী নিজেই একটি মানদণ্ডে পরিণত হয়েছেন।&rdquo;</p>

<p>অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলা।</p>
</article>

<article>এ সময় আরো বক্তব্য দেন জাতীয়তাবাদী সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংস্থার (জাসাস) আহ্বায়ক হেলাল খান, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক রেজাউদ্দিন স্টালিন এবং একাডেমির সচিব মোহাম্মদ জাকির হোসেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>আয়োজনের শুরুতেই প্রদর্শন করা হয় সৈয়দ আব্দুল হাদীর দীর্ঘ সংগীতজীবন ও সৃষ্টিকর্ম নিয়ে নির্মিত একটি তথ্যচিত্র। এরপর ভিডিও বার্তায় তাঁকে নিয়ে স্মৃতিচারণা ও মূল্যায়ন করেন আবিদা সুলতানা, ফোয়াদ নাসের বাবু, মাকসুদ জামিল মিন্টু, মনির খান এবং রোমানা ইসলাম।</p>

<p>আলোচনা পর্ব শেষে অনুষ্ঠিত হয় প্রায় দেড় ঘণ্টার বিশেষ সংগীতানুষ্ঠান। বর্তমান প্রজন্মের শিল্পীরা পরিবেশন করেন সৈয়দ আব্দুল হাদীর জনপ্রিয় একের পর এক গান।</p>
</article>

<article>এর মধ্যে ছিল &lsquo;বাংলাদেশের ছবি এঁকে দিও&rsquo;, &lsquo;তোমাদের সুখের এই নীড়&rsquo;, &lsquo;চোখ বুঝিলেই দুনিয়া আঁধার&rsquo;, &lsquo;আমার অর্থই একবার যদি কেউ ভালোবাসত&rsquo;, &lsquo;আমি তোমারই প্রেম ভিখারি&rsquo;, &lsquo;এমনও তো প্রেম হয়&rsquo;, &lsquo;তুমি ছাড়া আমি একা&rsquo;, &lsquo;যেও না সাথি&rsquo; এবং &lsquo;আউল বাউল লালনের দেশে&rsquo;সহ তাঁর বহু কালজয়ী সৃষ্টি।
<p>&nbsp;</p>

<p>অনুষ্ঠানের শেষ মুহূর্তটি ছিল সবচেয়ে আবেগঘন। সমবেত কণ্ঠে পরিবেশিত হয় তাঁর বহুল জনপ্রিয় দুটি গান&mdash;&lsquo;আছেন আমার মোক্তার&rsquo; এবং &lsquo;সূর্যোদয়ে তুমি, সূর্যাস্তেও তুমি&rsquo;। সেই সুরে পুরো মিলনায়তন শিল্পীর প্রতি শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতায় মুখর হয়ে ওঠে।</p>

<p>উল্লেখ্য, সৈয়দ আব্দুল হাদী ১৯৪০ সালের ১ জুলাই ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার শাহপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। বাংলা সংগীতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি পাঁচবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেছেন। এ ছাড়া ২০০০ সালে তাঁকে দেশের অন্যতম সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদকে ভূষিত করা হয়।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1610-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[জ্বালানি খাতে আমদানি নির্ভরতা কমাতে বাপেক্সকে শক্তিশালী করা হচ্ছে: জ্বালানিমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28716</link>
    <pubDate>Sat, 13 Jun 2026 09:28:08 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28716</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/926-1.jpg" />    <p>বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেছেন, জ্বালানি খাতে দীর্ঘদিনের আমদানি নির্ভরতা কমাতে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেডকে (বাপেক্স) আরও সক্রিয় ও সক্ষম করে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।</p>

<p>তিনি বলেন, গত ১৭ বছরে দেশের স্থলভাগ ও সমুদ্রসীমায় গ্যাস অনুসন্ধান কার্যক্রম পর্যাপ্তভাবে এগিয়ে নেওয়া হয়নি। সমুদ্রসীমা বিজয়ের পরও সম্ভাবনাময় এলাকাগুলোতে প্রয়োজনীয় অনুসন্ধান হয়নি। দায়িত্ব গ্রহণের পর বর্তমান সরকার জ্বালানি খাতের এই বাস্তবতা পর্যালোচনা করে বাপেক্সকে আরও শক্তিশালী করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।</p>

<p>শুক্রবার (১২ জুন) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অর্থ মন্ত্রণালয় আয়োজিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট-উত্তর সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।&nbsp;</p>

<p>মন্ত্রী বলেন, বাপেক্সের জন্য আরও পাঁচটি রিগ সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে দেশের বিভিন্ন স্থানে নতুন কূপ খনন ও গ্যাস অনুসন্ধান কার্যক্রম জোরদার করা যায়। এছাড়া সমুদ্র এলাকায় অনুসন্ধানে বাপেক্সের পর্যাপ্ত অভিজ্ঞতা না থাকায় আন্তর্জাতিক তেল-গ্যাস কোম্পানিগুলোকে (আইওসি) অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।</p>

<p>তিনি বলেন, কয়েক সপ্তাহ আগে অফশোর ব্লকে গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। এক মাস পর দরপত্র জমা দেওয়ার সময়সীমা শেষ হলে নির্বাচিত কোম্পানিগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে ব্লকগুলো বরাদ্দ দেওয়া হবে।&nbsp;&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, দেশীয় উৎস থেকে জ্বালানি উৎপাদন বাড়াতে সময় লাগবে। ততদিন পর্যন্ত আমদানির ওপর নির্ভর করতে হবে। তিনি জানান, মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক অস্থিরতার কারণে কাতার ও সৌদি আরবের সঙ্গে বিদ্যমান কিছু জ্বালানি চুক্তিতে &lsquo;ফোর্স মেজর&rsquo; পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। ফলে বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহ করতে হচ্ছে।&nbsp;</p>

<p>তিনি বলেন, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার ইতোমধ্যে প্রায় আড়াই বিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয়ে তেল আমদানি করেছে। বৈশ্বিক সংকটের মধ্যেও দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হয়েছে এবং তেলের সরবরাহে কোনো বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটেনি।</p>

<p>বিদ্যুৎ খাতের আর্থিক চাপের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেন, অতীতে উচ্চমূল্যে বিদ্যুৎ ক্রয়ের চুক্তির কারণে সরকারকে একদিকে বেশি দামে বিদ্যুৎ কিনতে হচ্ছে, অন্যদিকে ভোক্তাদের কাছে কম দামে সরবরাহ করতে হচ্ছে। এতে সৃষ্ট ভর্তুকির বোঝা অর্থ মন্ত্রণালয়কে বহন করতে হচ্ছে।</p>

<p>তিনি আরও বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর সরকারকে প্রায় ৫৬ হাজার কোটি টাকার বকেয়া পরিশোধের দায়ভার নিতে হয়েছে। পাশাপাশি চলমান বিলও পরিশোধ করতে হচ্ছে, যা অর্থনীতির ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করছে।</p>

<p>নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে অন্তত ৫ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে। তবে নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী এই সক্ষমতা ১০ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত করার পরিকল্পনাও রয়েছে।&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে বিশেষ করে ইউরোপীয় দেশগুলো পরিবেশবান্ধব উৎপাদন ব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের প্রতিযোগিতা ধরে রাখতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো জরুরি। এ কারণে সৌরবিদ্যুৎ ও ব্যাটারি সংরক্ষণ প্রযুক্তির সম্প্রসারণে সরকার উৎসাহ দিচ্ছে।</p>

<p>মন্ত্রী জানান, প্রস্তাবিত বাজেটে সৌরবিদ্যুৎ খাতে ব্যবহৃত ব্যাটারি ও সংশ্লিষ্ট যন্ত্রপাতির ওপর শুল্ক ও কর প্রত্যাহারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।</p>

<p>তিনি বলেন, বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধির অংশ হিসেবে আগামী পাঁচ বছরে মোট উৎপাদন সক্ষমতা ৩৫ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানি, পারমাণবিক বিদ্যুৎ এবং অন্যান্য নতুন বিদ্যুৎকেন্দ্র যুক্ত হবে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ ব্যবস্থার নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় &lsquo;স্পিনিং মার্জিন&rsquo; সংরক্ষণের বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হয়েছে।</p>

<p>সরকারের নেওয়া উদ্যোগগুলোর সুফল পেতে কিছুটা সময় লাগবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আগামী দুই থেকে আড়াই বছরের মধ্যে এসব পদক্ষেপের ইতিবাচক ফলাফল দৃশ্যমান হতে শুরু করবে।&nbsp;</p>

<p>বাজেটোত্তর সংবাদ সম্মেলনে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো.সাখাওয়াত হোসেন, কৃষি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার , জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর&nbsp; মো. মোস্তাকুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর বিনিয়োগ ও পুঁজিবাজার বিষয়ক বিশেষ সহকারী তানভীর গনি উপস্থিত ছিলেন।</p>

<p>সংবাদ সম্মেলন সঞ্চালনা করেন অর্থ সচিব ড. মো. খায়রুজ্জামান মজুমদার।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/926-1.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[দিল্লির বৈঠক থেকে শান্তির বার্তা, একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28715</link>
    <pubDate>Sat, 13 Jun 2026 09:27:10 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28715</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/787-99.jpg" />    <p>সাম্প্রতিক সময়ে সীমান্তে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ ও উত্তেজনার ঘটনার মধ্যেও আলোচনার পথেই এগিয়ে চলার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশ ও ভারত। নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মহাপরিচালক পর্যায়ের চার দিনব্যাপী বৈঠক শেষে প্রকাশিত যৌথ বিবৃতিতে সীমান্তে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করে একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়েছে।</p>

<p>গত ৯ জুন শুরু হয়ে ১১ জুন শেষ হওয়া ৫৭তম মহাপরিচালক পর্যায়ের এই বৈঠকে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী এবং ভারতের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন বিএসএফ মহাপরিচালক প্রবীণ কুমার।&nbsp;</p>

<p>যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দুই দেশের সীমান্তকে শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ এবং অপরাধমুক্ত রাখতে উভয় বাহিনী ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাবে। সীমান্তে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা কমিয়ে আনা, পারস্পরিক যোগাযোগ বাড়ানো এবং দ্রুত তথ্য আদান-প্রদানের মাধ্যমে উদ্ভূত সমস্যার সমাধানে উভয়পক্ষ একমত হয়েছে।&nbsp;</p>

<p>বৈঠকে সীমান্ত হত্যা, অনিয়মিত অনুপ্রবেশ, মানবপাচার, মাদক ও অস্ত্র চোরাচালান, সীমান্ত অবকাঠামো নির্মাণ এবং সীমান্ত ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। উভয়পক্ষই এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সহযোগিতার মনোভাব বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছে।</p>

<p>কূটনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে সীমান্ত নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন ও মতপার্থক্য দেখা দিলেও দুই দেশের শীর্ষ সীমান্তরক্ষী কর্মকর্তাদের মধ্যে দীর্ঘ সময় ধরে খোলামেলা আলোচনা হওয়া একটি ইতিবাচক বার্তা বহন করে। কারণ, প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যে আস্থা ও সহযোগিতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে এই ধরনের বৈঠক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।</p>

<p>বিশেষজ্ঞদের মতে, বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক শুধু সীমান্ত নিরাপত্তার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বাণিজ্য, যোগাযোগ, জ্বালানি, শিক্ষা, সংস্কৃতি এবং আঞ্চলিক সহযোগিতাসহ বহু ক্ষেত্রে দুই দেশের সম্পর্ক ক্রমেই বিস্তৃত হচ্ছে। সেই প্রেক্ষাপটে সীমান্ত সংক্রান্ত যেকোনো বিষয় আলোচনা ও পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা ভবিষ্যতের জন্য আশাব্যঞ্জক।&nbsp;</p>

<p>যৌথ বিবৃতিতে উভয় বাহিনী সীমান্তে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার পাশাপাশি মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি অনুসরণের বিষয়েও গুরুত্ব দিয়েছে। সীমান্তবর্তী এলাকার সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেও দুই পক্ষ একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার করেছে।&nbsp;</p>

<p>বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্বজুড়ে যখন সীমান্ত প্রশ্নে নানা ধরনের উত্তেজনা ও সংঘাত দেখা যাচ্ছে, তখন বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে নিয়মিত সংলাপ এবং পারস্পরিক সহযোগিতা দক্ষিণ এশিয়ার জন্য একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হতে পারে। দিল্লির এই বৈঠক তাই শুধু সীমান্ত ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা নয়, বরং দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে আস্থা, সহযোগিতা এবং ভবিষ্যৎ অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের আশা, এই বৈঠকের সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়িত হলে সীমান্তে শান্তি ও স্থিতিশীলতা আরও সুদৃঢ় হবে এবং বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/787-99.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[কক্সবাজারে আজ যেসব কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28714</link>
    <pubDate>Sat, 13 Jun 2026 09:26:27 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28714</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/980-88.jpg" />    <article>
<p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একদিনের সফরে কক্সবাজার যাবেন আজ। সেখানে তিনি বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের পাশাপাশি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, রাজনৈতিক জনসভা ও সুধী সমাবেশে অংশ নেবেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>একদিনের এই সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত পাতলী খালের পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। এ ছাড়া জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে চট্টগ্রাম বিভাগের প্রথম শহীদ ওয়াসিম আকরামের কবর জিয়ারত করবেন তিনি।</p>

<p>প্রধানমন্ত্রী প্রথমে কক্সবাজার সদর থানার পিএমখালীতে অবস্থিত পাতলীখাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করবেন। পরে তিনি ডুলাহাজরা সাফারি পার্কে গিয়ে উদ্বোধন করবেন, &lsquo;সারা দেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি&rsquo;র।</p>
</article>

<article>সেখান থেকে যাবেন জুলাই শহীদ ওয়াসিমের কবরে। তারপর মাতামুহুরী উপজেলা এবং পেকুয়া পৌরসভার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>এরপর বিকেলে চকরিয়ায় আয়োজিত জনসভায় বক্তব্য রাখবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জনসভা শেষে কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভ ও সমুদ্রসৈকত পরিদর্শন করবেন তিনি।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/980-88.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিজেকে ‘গুটিয়ে নেওয়ার’ ইঙ্গিত দিচ্ছেন ট্রাম্প?]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28713</link>
    <pubDate>Sat, 13 Jun 2026 09:25:44 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28713</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1102-77.jpg" />    <article>
<p>ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সামরিক ও কূটনৈতিক টানাপড়েনের মধ্যে উভয় পক্ষের অবস্থানে নমনীয়তার ইঙ্গিত দেখা গেলেও এখনো স্থায়ী সমঝোতা অর্জনের পথ অনিশ্চিত। এ অবস্থায় চলমান এই সংঘাত থেকে বেরিয়ে আসার জন্য একটি &lsquo;সম্মানজনক পথ&rsquo; খুঁজছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>আন্তর্জাতিক বিশ্লেষক আন্দ্রেয়া দেসির মতে, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি &lsquo;কৌশলগত বিপর্যয়&rsquo; হিসেবে দেখা দিয়েছে।</p>

<p>আলজাজিরাকে দেওয়া এক <a href="https://aje.news/ze5vzt?update=4650240">সাক্ষাৎকারে</a> ইতালির আমেরিকান ইউনিভার্সিটি অব রোমের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের প্রভাষক আন্দ্রেয়া দেসি বলেন, ট্রাম্পের সাম্প্রতিক বক্তব্য এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বারবার অবস্থান পরিবর্তনের ঘটনা প্রশাসনের অভ্যন্তরীণ বিভক্তির ইঙ্গিত বহন করে।</p>

<p>তবে সাম্প্রতিক ঘণ্টাগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে যে বার্তা দেওয়া হচ্ছে, তা তুলনামূলক ইতিবাচক বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তার মতে, এতে কূটনৈতিক অগ্রগতির সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে, যদিও পরিস্থিতি খুব দ্রুত পরিবর্তিত হওয়ার ঝুঁকি এখনো রয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি আরো জানান, সম্ভাব্য চুক্তির খসড়া নথি সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্য ফাঁস হওয়ার পর ধারণা করা হচ্ছে যে ট্রাম্প সমঝোতায় পৌঁছাতে তার আগের কিছু দাবি থেকে সরে এসেছেন।</p>

<p>তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, চুক্তি নিয়ে প্রকাশ্য বার্তাগুলোকে সতর্কতার সঙ্গে মূল্যায়ন করতে হবে। কারণ যুক্তরাষ্ট্রকে শুধু আন্তর্জাতিক পর্যায়েই নয়, নিজ দেশের জনমত এবং ইসরায়েলের কাছেও সম্ভাব্য সমঝোতাকে গ্রহণযোগ্য করে তুলতে হবে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1102-77.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনা কমছে নাকি কৌশল বদলাচ্ছে?]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28712</link>
    <pubDate>Sat, 13 Jun 2026 09:23:14 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28712</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1219-66.jpg" />    <article>
<p><a href="https://gulfnews.com/world/mena/end-of-us-iran-war-trump-has-a-message-to-ordinary-iranians-1.500571953?fbclid=IwY2xjawSYv9tleHRuA2FlbQIxMABicmlkETEzN2ZWMjdNenhqRklGRkg3c3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHgtd69QvjzdqmDYWA7r5dk3IbJmkS6vCfg8ZQ7M5JrNwI1Uuc8eYHEEe3z5v_aem_vIW3bHPz5PSm4iDaQ1iHKA">ইরানের সাধারণ মানুষের প্রতি সহানুভূতিশীল</a> বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার ভাষায়, ইরানের সাধারণ মানুষ একটি দমনমূলক শাসনের অধীনে বসবাস করছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>ট্রাম্প বলেন, ইরানের জনগণ শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে দাঁড়াতে পারে না, কারণ তারা কঠোর দমন-পীড়ন ও অস্ত্রধারী নিরাপত্তা বাহিনীর ভয়ে থাকে।</p>

<p>ফক্স অ্যান্ড ফ্রেন্ডসে প্রচারিত এক ফোন সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, &lsquo;ইরানি জনগণের প্রতি আমার বার্তা হলো, তারা ভীত। তাদের হাতে কোনো অস্ত্র নেই, কিন্তু অন্য পক্ষের হাতে অস্ত্র আছে। তারা সমাবেশ করলে গুলিবিদ্ধ হয়।</p>
</article>

<article>&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>১৯৭৯ সালের ইরানি বিপ্লবের পর থেকে ইরানের সরকার ইয়েমেন, ইরাক, লেবানন ও সিরিয়ায় তাদের মিত্র গোষ্ঠীগুলোকে সমর্থন দিয়ে আসছে। তারা বলে, এটি মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন প্রভাবের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের অংশ।</p>

<p>প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানোর পর ইরানও প্রতিবেশী দেশগুলোর দিকে হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছুড়েছে। এসব হামলায় সামরিক স্থাপনার পাশাপাশি অবকাঠামো ও বিমানবন্দরের মতো বেসামরিক স্থাপনাও লক্ষ্যবস্তু হয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>ইরানের দাবি, তারা উপসাগরীয় দেশগুলোকে মার্কিন প্রভাব থেকে রক্ষা করার জন্য এসব পদক্ষেপ নিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প একদিকে ইরানের বিরুদ্ধে আরো বড় ধরনের হামলার হুমকি দিয়েছেন, যার মধ্যে খার্গ দ্বীপ ও এর তেল স্থাপনা দখলের কথাও ছিল। অন্যদিকে তিনি আলোচনার জন্যও সময় দিয়েছেন।</p>

<p>ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন, এবার তিনি সত্যিই ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে চান, যাতে চলমান সংঘাত কমানো বা বন্ধ করা যায়। তিনি বলেন, &lsquo;চুক্তি স্বাক্ষরের সময় ও স্থান শিগগিরই ঘোষণা করা হবে।</p>
</article>

<article>&rsquo; সম্ভাব্য স্থান হিসেবে তিনি ইউরোপের কথা উল্লেখ করেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>ট্রাম্প আরো দাবি করেন, ইরানের সঙ্গে আলোচনা দেশটির সর্বোচ্চ নেতৃত্বের পর্যায়ে পৌঁছেছে এবং অনুমোদনও পেয়েছে। এ কারণে তিনি ওই রাতে ইরানের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত হামলা ও বোমাবর্ষণ স্থগিত করেছেন।</p>

<p>ট্রাম্পের এসব মন্তব্যের পর শেয়ারবাজারে উত্থান দেখা যায় এবং তেলের দাম কমে যায়। তবে শুক্রবার ইরান জানায়, যুদ্ধ বন্ধের বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দাবি করেছিলেন, কয়েক দিনের মধ্যেই একটি চুক্তি স্বাক্ষর হতে পারে।</p>

<p>ইরানি জনগণের উদ্দেশে দেওয়া বার্তায় ট্রাম্প বলেন, তিনি সেতু, পানি সরবরাহ ব্যবস্থা বা বিদ্যুৎকেন্দ্রের মতো গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে হামলা এড়াতে চান, কারণ এতে সাধারণ মানুষ বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।</p>

<p>ব্রায়ান কিলমিডকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, &lsquo;আমি চাইলে এক মিনিটের মধ্যেই তা করতে পারি। কিন্তু আমি তা করতে চাই না, কারণ একবার এমন হলে সাধারণ মানুষই সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়বে।&rsquo;</p>

<p>যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে একাধিক দফা হামলা চালিয়েছে। পাশাপাশি ইরানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জাহাজগুলোর ওপর নৌ অবরোধ বজায় রেখেছে, যার ফলে অঞ্চলটি তেল বিক্রি থেকে বিপুল আয় হারিয়েছে।</p>

<p>মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছেন, আলোচনা অগ্রগতি না হলে আরো পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে। অন্যদিকে ইরান কিছু অভিযোগ অস্বীকার করেছে এবং পাল্টা প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে। একই সময়ে দুই পক্ষের মধ্যে পর্দার আড়ালেও আলোচনা চলেছে।</p>

<p><strong>ইরানের সরকার ও জনগণের মধ্যে পার্থক্য</strong></p>

<p>ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্যে ইরানের সরকার ও সাধারণ জনগণের মধ্যে একটি স্পষ্ট পার্থক্য তুলে ধরা হয়েছে। তিনি এর আগেও বলেছিলেন, যদি ইরানে রাজনৈতিক পরিবর্তন আসে, তবে তা দেশটির জনগণের অসন্তোষ ও অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতির কারণে হতে পারে, সরাসরি মার্কিন সামরিক হস্তক্ষেপের মাধ্যমে নয়।</p>

<p>প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের শুরুতে ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভের মুখে নিরাপত্তা বাহিনী কঠোর দমন-পীড়ন চালায়। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পও এর আগে এ ধরনের ঘটনার কথা উল্লেখ করেছিলেন।</p>

<p>ট্রাম্পের সমালোচক এবং কিছু ইরানি বিরোধী নেতা মনে করেন, অবকাঠামোতে হামলার পরিবর্তে ইরানের শাসকগোষ্ঠী ও ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসে নেতৃত্বের বিরুদ্ধে আরো সরাসরি পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।</p>

<p>কেউ কেউ সাধারণ নাগরিকদের সহায়তা বা অস্ত্র দেওয়ার পক্ষেও মত দিয়েছেন। তবে আলোচনা চলার মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের বার্তা ও অবস্থানের ধারাবাহিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অন্য সমালোচকরা।</p>

<p>এদিকে ট্রাম্প দাবি করেছেন, মার্কিন সামরিক বাহিনী একটি গোপন অভিযানের মাধ্যমে হরমুজ প্রণালি দিয়ে ২০০টিরও বেশি বাণিজ্যিক জাহাজকে নিরাপদে চলাচলে সহায়তা করেছে।</p>

<p>এসব জাহাজে বহন করা অপরিশোধিত তেলের মূল্য ছিল প্রায় ৭.৮ থেকে ৯ বিলিয়ন ডলার। তার দাবি, এই অভিযানের মাধ্যমে জাহাজগুলোকে ইরানের সম্ভাব্য বাধা এড়িয়ে যেতে সহায়তা করা হয়েছে।</p>

<p><strong>অপরিশোধিত তেলের ট্যাংকার পরিবহন&nbsp;</strong></p>

<p>ট্রাম্প দাবি করেছেন, গোপন এক মার্কিন অভিযানে ১০০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল প্রণালি দিয়ে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানি রাডার সক্ষমতা নিষ্ক্রিয় করা হয়। এরপর মার্কিন সামরিক বাহিনী এক মাসেরও বেশি সময় ধরে কোনো আলো ছাড়াই গভীর রাতে ট্যাংকার ট্রানজিট সমর্থন করেছিল।</p>

<p>ট্রাম্প বিশেষভাবে এমন একটি অভিযানের কথা উল্লেখ করেন, যেখানে ২২টি তেলবাহী জাহাজকে নিরাপদে চলাচলে সহায়তা করা হয়েছিল। তার দাবি, এই প্রচেষ্টার ফলে তেলের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়া থেকে রক্ষা পেয়েছে। তার মতে, তেলের দাম যেখানে প্রতি ব্যারেল ২৫০ ডলারে পৌঁছাতে পারত, সেখানে তা প্রায় ৮৫ ডলারে সীমাবদ্ধ ছিল।</p>

<p>তবে ট্রাম্পের এই দাবির স্বাধীন কোনো যাচাই তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় (পেন্টাগন) ও জ্বালানি বিভাগের কর্মকর্তারাও প্রকাশ্যে এসব তথ্য বা সংখ্যার সত্যতা নিশ্চিত করেননি।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1219-66.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বেলফাস্টে ঘরবন্দি ৫ হাজার বাংলাদেশি]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28711</link>
    <pubDate>Sat, 13 Jun 2026 09:22:16 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28711</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1321-55.jpg" />    <article>
<p>উত্তর আয়ারল্যান্ডের রাজধানী বেলফাস্টে ছুরিকাঘাতের এক ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক সহিংসতা ও অভিবাসীবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় প্রায় ৫ হাজার বাংলাদেশি ওই শহরে ঘরবন্দি অবস্থায় রয়েছেন।</p>
</article>

<article>এর মধ্যে একটি পরিবারের বাসায় ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়েছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>ঘটনার সূত্রপাত হয় গত ৮ জুন। ওইদিন বেলফাস্টের শেতাঙ্গ বাসিন্দা স্টিফেন ওগিলভিকে ছুরিকাঘাত করেন সুদান থেকে আসা এক অভিবাসী। এ ঘটনা শেষ পর্যন্ত জাতিগত বিদ্বেষে রূপ নিয়েছে।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>জানা গেছে, এরপর গত মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে বেলফাস্টজুড়ে রায়ট শুরু হয়। প্রথমে রাস্তাঘাট, দোকান, গাড়ি, বাসে আগুন দেওয়া হলেও রাতের দিকে অভিবাসীদের বাড়িঘর টার্গেট করে হামলা শুরু করা হয়। প্রথম রাতে ১৩টি বাড়ির বাসিন্দাদের বের করে দিয়ে বাড়িতে আগুন দেওয়া হয়।</p>

<p>এ সময় বাংলাদেশি এক পরিবারের বাসায় হামলা চালায় ২৫-৩০ জন মুখোশধারী ব্যক্তি।</p>
</article>

<article>বাসার মালিক আবদুল আলিম জানান, রাত ৯টার দিকে প্রথমে তাদের বাসায় আক্রমণ করে ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়।
<p>&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/06/12/1696746" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>তিনি বলেন, পুলিশ কল করা হলে ৩০-৪০ মিনিট পর এসে তারা তার পরিবারকে উদ্ধার করে অন্য এলাকায় একটি ফ্ল্যাটে তুলে দিয়েছে। এখন ২ বেডরুমের ফ্ল্যাটে ৩ পরিবারের ৮ জন সদস্য অবস্থান করছেন।</p>

<p>আবদুল আলিম আরো বলেন, ভয়াবহ অবস্থা চারদিকে। আমরা প্রায় ৫ হাজার বাংলাদেশি অবরুদ্ধ অবস্থায় আছি।</p>
</article>

<article>মনে হচ্ছে আমাদের ঘিরে ফেলা হয়েছে চারদিক থেকে।
<p>&nbsp;</p>

<p>পুলিশ জানিয়েছে, এক সুদানি নাগরিকের বিরুদ্ধে স্থানীয় বাসিন্দা স্টিফেন ওগিলভিকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ আনা হয়েছে। হামলায় গুরুতর আহত ওই ব্যক্তি একটি চোখ হারিয়েছেন।</p>

<p>জানা গেছে, এ ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার পর শত শত বিক্ষোভকারী রাস্তায় নেমে আসেন। পরে বিক্ষোভ সহিংস রূপ নেয়। বিভিন্ন এলাকায় গাড়ি, বাস ও বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ করা হয় এবং অভিবাসী পরিবারগুলোকে লক্ষ্য করে হামলার অভিযোগ ওঠে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দাঙ্গা পুলিশ ও জলকামান মোতায়েন করা হয়েছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1321-55.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ট্রাম্প-বিরোধী বিক্ষোভ মামলার প্রসিকিউটরের ৬ মাসের স্থগিতাদেশের সুপারিশ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28710</link>
    <pubDate>Sat, 13 Jun 2026 09:21:07 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28710</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1386-44.jpg" />    <article>
<p>যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক ফেডারেল প্রসিকিউটর জেনিফার কার্কহফ মুইসকেনসকে ৬ মাসের জন্য আইন পেশা থেকে বরখাস্ত করার সুপারিশ করেছে ওয়াশিংটনের ডিসি বোর্ড অন প্রফেশনাল রেসপন্সিবিলিটি। ২০১৭ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম অভিষেক অনুষ্ঠানের সময় বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে মামলায় তিনি ইচ্ছেকৃতভাবে সম্পাদিত (এডিটেড) বা কাটছাঁট করা ভিডিও প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করেছিলেন&mdash;এমন অভিযোগের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থার সুপারিশ করা হয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>এর আগে ডিসি বোর্ডের একটি কমিটি মুইসকেনসকে তিন মাসের জন্য স্থগিতাদেশ দেওয়ার প্রস্তাব করেছিল। তবে বোর্ডের ১০৫ পৃষ্ঠার চূড়ান্ত সুপারিশে বলা হয়েছে, আগের শাস্তিটি অত্যন্ত নমনীয় ছিল। মুইসকেনসের আচরণকে &lsquo;জঘন্য, ইচ্ছাকৃত ও ধারাবাহিক&rsquo; আখ্যা দিয়ে শাস্তি বাড়িয়ে ৬ মাস করার সুপারিশ করা হয়। এখন মামলাটি ডিসি আপিল আদালতে যাবে, যা আইনজীবীদের শাস্তির বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>২০১৭ সালের ২০ জানুয়ারি ট্রাম্পের অভিষেকের সময় ওয়াশিংটনে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়। বিক্ষোভকারীরা ভাঙচুর ও পুলিশের সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হলে ২০০ জনেরও বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়। মুইসকেনস ছিলেন এই মামলার প্রধান প্রসিকিউটর। মুইসকেনসের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি &lsquo;প্রজেক্ট ভেরিটাস&rsquo; (একটি রক্ষণশীল গোষ্ঠী) এর তৈরি করা গোপন ভিডিওর এমন কিছু অংশ কেটে বাদ দিয়েছিলেন, যেখানে দেখা যাচ্ছিল বিক্ষোভকারীরা একে অপরকে শান্ত থাকতে এবং অহিংস আন্দোলন করতে অনুরোধ করছে।</p>
</article>

<article>এই অংশগুলো বাদ দেওয়ার ফলে আদালতকে বোঝানো সহজ হয়েছিল যে বিক্ষোভকারীরা পরিকল্পিতভাবে দাঙ্গা করতে চেয়েছিল।
<p>&nbsp;</p>

<p>বোর্ড জানিয়েছে, মুইসকেনস নির্দোষ প্রমাণ করার মতো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করার জন্য পরিকল্পিত এবং অসদুপায় অবলম্বন করেছিলেন। এই ঘটনার পর ২০১৭ সালের ডিসেম্বরের দিকে ২০ জন বিক্ষোভকারী নিজেদের দোষ স্বীকার করেন, ৬ জন খালাস পান এবং প্রায় ১০০ জনের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রত্যাহার করে নেয় ফেডারেল প্রসিকিউটররা।</p>

<p>অন্যদিকে, মুইসকেনস শুরু থেকেই কোনো ধরনের অন্যায় করার কথা অস্বীকার করে আসছেন। গত বছর তিনি দাবি করেছিলেন যে তিনি কোনো মিথ্যাচার বা ইচ্ছাকৃত অসদাচরণ করেননি।</p>
</article>

<article>তবে এই শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগের কারণে তিনি উটাহ-এর ফেডারেল প্রসিকিউটরের পদ থেকে পদত্যাগ করেন এবং বর্তমানে আইন পেশা ছেড়ে দিয়েছেন। তার আইনজীবী বা ডিসি বারের প্রধান শৃঙ্খলা পরামর্শ কার্যালয় এ বিষয়ে নতুন করে কোনো মন্তব্য করেনি।
<p>&nbsp;</p>

<p>সূত্র : <a href="https://www.reuters.com/legal/government/prosecutor-2017-anti-trump-protest-cases-faces-6-month-suspension-2026-06-12/">রয়টার্স</a></p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1386-44.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নোরা ফাতেহির সঙ্গে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সঞ্জয়, ছবিতে ছবিতে কানাডায় বিশ্বকাপের উদ্বোধন]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/28709</link>
    <pubDate>Sat, 13 Jun 2026 09:20:23 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/28709</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1469-33.jpg" />    <article>
<p>বিশ্বকাপের আয়োজক তিন দেশে এবার আলাদাভাবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হবে, তা সবার জানা।&nbsp;</p>

<p>গতকাল বিশ্বকাপ শুরুর দিনে প্রথম উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হয়েছে মেক্সিকো সিটির আজতেকা স্টেডিয়ামে।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>আজ দ্বিতীয় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হলো আরেক আয়োজক দেশ কানাডার টরন্টোর বিএমও ফিল্ডে। সেই অনুষ্ঠানের নির্বাচিত কিছু ছবি নিয়েই এ আয়োজন&mdash;</p>

<figure><img alt="1PIC" height="600" src="https://asset.kalerkantho.com/public/news_images/share/photo/shares/online/2026/06/13/my1236/6a2c592e3536e.jpg" width="1000" />
<figcaption>ড্রোন ক্যামেরার চোখে টরন্টোর বিএমও ফিল্ড। ছবি: এক্স</figcaption>
</figure>

<figure><img alt="2pic" height="600" src="https://asset.kalerkantho.com/public/news_images/share/photo/shares/online/2026/06/13/my1236/6a2c5db0ae6d3.jpg" width="1000" />
<figcaption>বিএমও ফিল্ড কানাডার পতাকার রঙে সাজানো হয়। ছবি: ফিফা</figcaption>
</figure>

<figure><img alt="3pic" height="600" src="https://asset.kalerkantho.com/public/news_images/share/photo/shares/online/2026/06/13/my1236/6a2c5db0bd416.jpg" width="1000" />
<figcaption>উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কানাডার বিভিন্ন গৌরবময় মুহূর্ত ফুটিয়ে তোলা হয়।</figcaption>
</figure>
</article>

<article>ছবি: ফিফা
<figure><img alt="4pic" height="600" src="https://asset.kalerkantho.com/public/news_images/share/photo/shares/online/2026/06/13/my1236/6a2c5db0a99dd.jpg" width="1000" />
<figcaption>গাইছেন কানাডিয়ান সংগীত শিল্পী আলেসিয়া কারা। ছবি: এক্স</figcaption>
</figure>

<figure><img alt="5pic" height="600" src="https://asset.kalerkantho.com/public/news_images/share/photo/shares/online/2026/06/13/my1236/6a2c5db19f7fd.jpg" width="1000" />
<figcaption>উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মঞ্চে পারফর্ম করেন কানাডিয়ান গায়িকা ও নৃত্যশিল্পী নোরা ফাতেহি, ফরাসি সংগীত শিল্পী ভেজেদ্রিয়ম এবং বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ডিজে সঞ্জয় (বাঁয়ে) ছবি: সংগৃহীত</figcaption>
</figure>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1469-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[৪০ বছর পর রজনীকান্ত ও হৃতিক একসাথে]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/28708</link>
    <pubDate>Sat, 13 Jun 2026 09:19:30 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/28708</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1511-22.jpg" />    <article>
<p>ভারতের দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় নায়ক রজনীকান্তের নতুন সিনেমা &lsquo;জেইলার ২&rsquo;-তে যুক্ত হলেন বলিউড তারকা হৃতিক রোশন। সিনেমাটিতে তিনি একটি বিশেষ অতিথি (ক্যামিও) চরিত্রে অভিনয় করবেন।</p>
</article>

<article>এর মাধ্যমে দীর্ঘ ৪০ বছর পর পর্দায় একসঙ্গে দেখা যাবে রজনীকান্ত ও হৃতিক রোশনকে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম <a href="https://varietyindia.com/hrithik-roshans-cameo-in-jailer-2-confirmed-shooting-dates-locked-exclusive/">ভ্যারাইটি ইন্ডিয়া</a> এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

<p>&nbsp;</p>

<p>কয়েক সপ্তাহ আলোচনার পর হৃতিক আনুষ্ঠানিকভাবে এই সিনেমায় কাজ করতে রাজি হয়েছেন। আগামী ২২ ও ২৩ জুন চেন্নাইতে তার অংশের শুটিং হওয়ার কথা রয়েছে।</p>
</article>

<article>শুটিংয়ের আগে তার লুক টেস্ট নেওয়া হবে, কারণ এই সিনেমায় হৃতিককে একেবারেই নতুন এবং আগে কখনো দেখা যায়নি এমন একটি লুকে হাজির করা হবে। সিনেমার একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে রজনীকান্তের চরিত্রকে সাহায্য করতে দেখা যাবে তাকে। ২০২৫ সালের আগস্টে &lsquo;ওয়ার ২&rsquo; মুক্তির পর এটিই হৃতিকের নতুন কোনো প্রজেক্টে যুক্ত হওয়া।
<p>&nbsp;</p>

<p>এই সিনেমার মাধ্যমে দীর্ঘ চার দশক পর এই দুই তারকার পুনর্মিলন হতে যাচ্ছে।</p>
</article>

<article>এর আগে ১৯৮৬ সালের &lsquo;ভগবান দাদা&rsquo; সিনেমায় রজনীকান্তের সাথে শিশুশিল্পী হিসেবে অভিনয় করেছিলেন হৃতিক। সেটিই ছিল হৃতিকের অভিনয় জীবনের শুরু। এত বছর পর প্রিয় তারকার সাথে আবার কাজ করার সুযোগ পেয়ে দারুণ উচ্ছ্বসিত হৃতিক।&nbsp;&lsquo;জেইলার ২&rsquo;-তেও ভারতের বিভিন্ন ইন্ডাস্ট্রির বড় বড় তারকাদের অতিথি চরিত্রে দেখা যাবে। হৃতিক ছাড়াও এই তালিকায় আছেন মোহনলাল, শিব রাজকুমার, বিজয় সেতুপতি ও মিঠুন চক্রবর্তী।</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1511-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[রাজ্যসভা থেকে পদত্যাগ করলেন কোয়েল মল্লিক]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/28707</link>
    <pubDate>Sat, 13 Jun 2026 09:18:26 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/28707</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1609-11.jpg" />    <article>
<p>পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় অভিনেত্রী এবং তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার সদস্য কোয়েল মল্লিক অবশেষে উচ্চকক্ষের সদস্যপদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। কয়েকদিন ধরেই তাঁর পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা চলছিল।</p>
</article>

<article>শেষ পর্যন্ত সেই জল্পনাই সত্যি হলো।
<p>&nbsp;</p>

<p>ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাজ্যসভার চেয়ারম্যানের কাছে ইমেইলের মাধ্যমে নিজের পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন কোয়েল মল্লিক।</p>

<p>সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস পরাজয়ের মুখ দেখার পর থেকেই দলটির অভ্যন্তরে নানা পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। এরই ধারাবাহিকতায় এর আগে তৃণমূলের রাজ্যসভার সদস্য সুখেন্দুশেখর রায়, সুস্মিতা দেব ও প্রকাশ চিক বরাইকও পদত্যাগ করেছেন।</p>
</article>

<article>কোয়েল মল্লিকের পদত্যাগের পর রাজ্যসভায় দলটির সদস্যসংখ্যা ১৩ থেকে কমে ৯-এ দাঁড়িয়েছে।
<p>&nbsp;</p>
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/entertainment/2026/06/09/1695180" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন রয়েছে, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই দলটির আরও কয়েকজন সদস্য পদত্যাগ করতে পারেন।</p>

<p>উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন অভিনয়জগতেই সক্রিয় থাকলেও রাজনীতির ময়দান থেকে নিজেকে দূরে রেখেছিলেন কোয়েল মল্লিক। তাই ফেব্রুয়ারিতে রাজ্যসভার নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী তালিকায় তাঁর নাম ঘোষণার পর অনেকেই বিস্ময় প্রকাশ করেছিলেন।</p>
</article>

<article>পরে এপ্রিল মাসে দিল্লিতে গিয়ে তিনি রাজ্যসভার সদস্য হিসেবে শপথ নেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>সেই সময় নিজের নতুন দায়িত্ব নিয়ে কোয়েল বলেছিলেন, &lsquo;অনেক ভেবে যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, তা নয়। এটা তো একটা মহৎ দায়িত্ব, দেশের সেবা, মানুষের সেবা&mdash;এর থেকে তো বড় মহৎ কাজ হতে পারে না।&rsquo;</p>

<p>তবে তৃণমূল কংগ্রেসের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেই তিনি রাজ্যসভার সদস্যপদ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। যদিও তাঁর পদত্যাগের নির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1609-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[সেন্ট্রাল পার্কে বিশ্বকাপ উন্মাদনা, বিনামূল্যে ফাইনাল দেখাবে নিউইয়র্কবাসী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/28706</link>
    <pubDate>Wed, 10 Jun 2026 21:03:22 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/28706</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/06102026_news0202_fifa_world_cup_football.jpg" />    <p>নিউইয়র্ক: নিউইয়র্ককে ঘিরে বিশ্বকাপের উন্মাদনা নতুন মাত্রা পেল। ফুটবলপ্রেমীদের জন্য এক ঐতিহাসিক উদ্যোগের ঘোষণা দিয়েছে নিউইয়র্ক সিটি ও নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্য প্রশাসন। আগামী ১৯ জুলাই ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর ফাইনাল ম্যাচ উপলক্ষে ম্যানহাটনের সেন্ট্রাল পার্কের গ্রেট লনে আয়োজন করা হচ্ছে বিশাল এক বিনামূল্যের গণ-প্রদর্শনী, যেখানে একসঙ্গে ৫০ হাজার দর্শক খেলা উপভোগ করতে পারবেন।</p>

<p>নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান কওয়ামে মামদানি, নিউইয়র্কের গভর্নর ক্যাথি হোকুল, ফিফার সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো, নিউইয়র্ক-নিউ জার্সি আয়োজক কমিটি, গ্লোবাল সিটিজেন এবং সেন্ট্রাল পার্ক কনজারভেন্সির যৌথ উদ্যোগে এই আয়োজন বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।</p>

<p>আয়োজকদের ভাষ্য অনুযায়ী, এটি হবে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ বিনামূল্যের বিশ্বকাপ ফাইনাল প্রদর্শনী। সেন্ট্রাল পার্কের বিশাল উন্মুক্ত প্রান্তরে স্থাপন করা হবে তিনটি বৃহৎ এলইডি পর্দা, যেখানে হাজারো ফুটবলপ্রেমী একসঙ্গে বিশ্বকাপের চূড়ান্ত লড়াই উপভোগ করবেন।</p>

<p>অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য কোনো টিকিট মূল্য দিতে হবে না। তবে দর্শকদের একটি লটারিভিত্তিক নিবন্ধন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। আগামী ১১ জুন সকাল ১০টা থেকে নিবন্ধন শুরু হবে এবং ১৬ জুলাই পর্যন্ত চলবে। এছাড়া মোট টিকিটের ২০ শতাংশ সংরক্ষিত থাকবে স্থানীয় অলাভজনক প্রতিষ্ঠান এবং নিউইয়র্ক সিটি সার্ভিসের স্বেচ্ছাসেবকদের জন্য।</p>

<p>অনুষ্ঠানের প্রবেশদ্বার খুলে দেওয়া হবে দুপুর ১২টায়। বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচ শুরু হবে বিকেল ৩টায়। খেলা ছাড়াও দর্শকদের জন্য থাকবে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, স্থানীয় খাবারের স্টল এবং জনপ্রিয় গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বদের উপস্থিতি।</p>

<p>একই সঙ্গে উদ্বোধন করা হয়েছে &lsquo;ফিফা অ্যারেনা&rsquo; নামে একটি অস্থায়ী ক্ষুদ্র ফুটবল মাঠ, যা ১০ জুন থেকে ১৮ জুলাই পর্যন্ত সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। এখানে বিনামূল্যে ফুটবল প্রশিক্ষণ, কমিউনিটি টুর্নামেন্ট এবং সব বয়সী নিউইয়র্কবাসীর জন্য খেলার সুযোগ রাখা হয়েছে।</p>

<p>মেয়র মামদানি বলেন, বিশ্বকাপ শুধু উচ্চমূল্যের টিকিট কিনতে সক্ষম মানুষের জন্য নয়; এটি পুরো শহরের মানুষের উৎসব। তিনি বলেন, কর্মজীবী ও মধ্যবিত্ত নিউইয়র্কবাসী যাতে এই বৈশ্বিক ক্রীড়া আসরের আনন্দ উপভোগ করতে পারেন, সে বিষয়টি নিশ্চিত করাই সিটি প্রশাসনের অন্যতম লক্ষ্য।</p>

<p>গভর্নর হোকুল বলেন, বিশ্বকাপের সব ম্যাচ সরাসরি মাঠে বসে দেখা সবার পক্ষে সম্ভব নয়। কিন্তু সেন্ট্রাল পার্কের এই আয়োজনের মাধ্যমে বিশ্বের অন্যতম পরিচিত নগর উদ্যানে হাজারো মানুষ একসঙ্গে বিশ্বকাপের আবেগ ভাগাভাগি করার সুযোগ পাবেন।</p>

<p>এই প্রকল্প বাস্তবায়নে নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্য সরকার ৬ মিলিয়ন ডলার এবং নিউইয়র্ক সিটি সরকার ৩.৫ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছে। পুরো দিনজুড়ে থাকবে নানা আয়োজন, খাদ্য ও পানীয়ের ব্যবস্থা এবং পারিবারিক বিনোদনের সুযোগ।</p>

<p>বিশ্বকাপকে সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে নিয়ে আসার বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ হিসেবে নিউইয়র্ক প্রশাসন আরও কয়েকটি কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে পাঁচটি বরোতে বিনামূল্যের উৎসব, পাড়া-ভিত্তিক সাংস্কৃতিক কর্মসূচি, স্কুলভিত্তিক বিশ্বকাপ উদ্&zwnj;যাপন এবং স্বল্পমূল্যের খাবার ও পানীয় সরবরাহের বিশেষ উদ্যোগ।</p>

<p>বিশ্বকাপ ২০২৬-কে ঘিরে নিউইয়র্ক ইতোমধ্যেই বৈশ্বিক নজরের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। সেন্ট্রাল পার্কের এই বিশাল আয়োজন শুধু একটি খেলা দেখার অনুষ্ঠান নয়; বরং এটি বিশ্বের নানা প্রান্তের মানুষকে একত্রিত করে ফুটবলের মাধ্যমে বৈচিত্র্য, সম্প্রীতি ও নগর সংস্কৃতির এক অনন্য উৎসবে পরিণত করার উদ্যোগ বলেই মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।</p>

<p>আগামী ১৯ জুলাই তাই সেন্ট্রাল পার্ক শুধু একটি পার্ক থাকবে না; সেটি পরিণত হবে বিশ্বের বৃহত্তম উন্মুক্ত ফুটবল মিলনমেলাগুলোর একটিতে, যেখানে ৫০ হাজার মানুষের উল্লাসে মুখরিত হবে নিউইয়র্কের আকাশ।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/06102026_news0202_fifa_world_cup_football.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বিজয়ের মাসেই দেশে ফিরছেন শেখ হাসিনা: দাবি যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ নেতা মঈনু জামান চৌধুরীর]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/28705</link>
    <pubDate>Wed, 10 Jun 2026 20:20:03 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/28705</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/06102026_news0101_moynu_zaman_chowdhury.jpg" />    <p>নিউ ইয়র্ক: আগামী ডিসেম্বর মাসেই বাংলাদেশে ফিরতে পারেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এমন দাবি করেছেন বঙ্গবন্ধুর সৈনিক যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের নেতা ও ব্যবসায়ী মঈনু জামান চৌধুরী। তাঁর এই বক্তব্যকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। মঈনু জামান চৌধুরীর ভাষ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ভারতে অবস্থানরত শেখ হাসিনা বিজয়ের মাস ডিসেম্বরেই দেশে ফেরার বিষয়ে দৃঢ় সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি জানান, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ও তৃণমূল পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে বিভিন্ন ভার্চুয়াল বৈঠকে শেখ হাসিনা দেশে ফেরার ইচ্ছার কথা প্রকাশ করেছেন।</p>

<p>মঈনু জামান চৌধুরী বলেন, `নেত্রীর সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। তিনি আমাদের দেশে ফেরার জন্য প্রস্তুত থাকতে বলেছেন। দেশের বর্তমান পরিস্থিতি এবং নেতাকর্মীদের ওপর চলমান নির্যাতনের প্রতিবাদে জনগণের পাশে দাঁড়াতেই তিনি দেশে ফিরতে চান।&#39;</p>

<p>তিনি আরও দাবি করেন, ভারতে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক চলছে। এসব বৈঠক শেষ হওয়ার পর শেখ হাসিনার দেশে ফেরার তারিখ চূড়ান্ত করা হবে। তারিখ ঘোষণা করা হলে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরাও একই সময়ে দেশে ফেরার প্রস্তুতি নেবেন।</p>

<p><img alt="" src="https://khabor.com/upload/images/news/06102026_news0102_moynu_zaman_chowdhury.jpg" style="height: 572px; width: 1098px;" /></p>

<p>শেখ হাসিনার সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তনের খবরে রাজনৈতিক মহলে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, তাঁর প্রত্যাবর্তন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক কার্যক্রমে নতুন গতি আনতে পারে এবং দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে। অন্যদিকে, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ খবরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছেন। তাঁদের মতে, শেখ হাসিনার দেশে ফেরা দলের নেতৃত্ব কাঠামোকে আরও শক্তিশালী করবে এবং দলীয় কার্যক্রমে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করবে।</p>

<p>তবে শেখ হাসিনার সম্ভাব্য প্রত্যাবর্তন নিয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা প্রকাশ্যে আসেনি। পাশাপাশি তাঁর নিরাপত্তা ও সম্ভাব্য আইনি বিষয় নিয়েও রাজনৈতিক মহলে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। এদিকে, শেখ হাসিনার দেশে ফেরাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন সমীকরণ তৈরি হয় কি না, তা নিয়ে আগ্রহের সঙ্গে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন সংশ্লিষ্টরা। উল্লেখ্য, বর্তমানে তাঁর প্রত্যাবর্তনের বিষয়টি মূলত আওয়ামী লীগ-সংশ্লিষ্ট নেতাদের বক্তব্যের ওপর ভিত্তি করে আলোচনায় রয়েছে; এ বিষয়ে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত কোনো সরকারি ঘোষণা পাওয়া যায়নি।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/06102026_news0101_moynu_zaman_chowdhury.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বিশ্বশান্তিতে অবদান রাখা শান্তিরক্ষীদের প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28704</link>
    <pubDate>Wed, 10 Jun 2026 10:06:35 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28704</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/669-2.jpg" />    <article>
<p>বিশ্বশান্তিতে অবদান রাখা শান্তিরক্ষীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে এক পোস্টে তিনি এ অভিনন্দন জানান।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>পোস্টে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, বিশ্বশান্তি, স্থিতিশীলতা ও মানবিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রম একটি অনন্য উদ্যোগ। সংঘাত, সহিংসতা ও মানবিক সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলে শান্তি ফিরিয়ে আনতে শান্তিরক্ষীরা অত্যন্ত সাহস, ধৈর্য ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে চলেছেন।</p>

<p>তিনি লেখেন, আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা দিবস উপলক্ষে আমি বিশ্বের সব শান্তিরক্ষীর প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও গভীর শ্রদ্ধা জানাই।</p>

<p>তিনি আরো লেখেন, বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার মহান দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে যেসব সাহসী শান্তিরক্ষী আত্মত্যাগ করেছেন, আমি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে তাদের অবদান স্মরণ করছি।</p>
</article>

<article>তাদের এই আত্মত্যাগ জাতির ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। একইসঙ্গে আহত ও ক্ষতিগ্রস্ত শান্তিরক্ষী এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই।
<p>&nbsp;</p>

<p>তারেক রহমান লেখেন, বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে। আমাদের শান্তিরক্ষীরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পেশাদারি, দক্ষতা ও মানবিক মূল্যবোধের পরিচয় দিয়ে দেশের সুনাম বৃদ্ধি করেছেন।</p>
</article>

<article>তাদের দায়িত্বশীল ভূমিকা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের অবস্থানকে আরো সুদৃঢ় করেছে। বর্তমানে বাংলাদেশ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে সর্বাধিক শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম।
<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি লেখেন, বাংলাদেশের নারী শান্তিরক্ষীরাও আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। দক্ষতা, নেতৃত্ব ও পেশাগত সক্ষমতার মাধ্যমে তারা বিশ্বব্যাপী প্রশংসা অর্জন করেছেন। এটি নারীর ক্ষমতায়ন এবং বাংলাদেশের উন্নয়নের একটি উজ্জ্বল প্রতিচ্ছবি।</p>
</article>

<article>ভবিষ্যতে বাংলাদেশ বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করবে বলে উল্লেখ করে সরকারপ্রধান।
<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি লেখেন, আমরা বিশ্বাস করি, পারস্পরিক সম্মান, সহযোগিতা ও সহনশীলতার ভিত্তিতে একটি নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ বিশ্ব গড়ে তোলা সম্ভব। ভবিষ্যতেও বাংলাদেশ বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জাতিসংঘের উদ্যোগে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ অব্যাহত রাখবে।</p>

<p>তিনি আরো লেখেন, আসুন, আমরা সবাই শান্তি, মানবতা ও সম্প্রীতির মূল্যবোধ ধারণ করে একটি উন্নত ও নিরাপদ পৃথিবী গঠনে একযোগে কাজ করি।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/669-2.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ইসলামী ব্যাংকের ভবিষ্যৎ বর্তমান সরকারের হাতেই নিরাপদ : অর্থমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28703</link>
    <pubDate>Wed, 10 Jun 2026 10:05:15 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28703</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/925-1.jpg" />    <article>
<p>ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং বর্তমান সরকারের হাতেই সবচেয়ে নিরাপদ বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।</p>

<p>জাতীয় সংসদে ব্যাংকটির বর্তমান পরিস্থিতি ও পরিচালনা পর্ষদ নিয়ে বিরোধী দলের আনা প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি বলেন, ব্যাংকটির গোড়াপত্তন করেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, তাই এর মর্যাদা ও আর্থিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে বর্তমান সরকার সর্বোচ্চ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।</p>
</article>

<article>একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক গোষ্ঠী ব্যাংকটিকে ব্যর্থ করার যে অপচেষ্টা চালাচ্ছে, তা রুখে দেওয়ার ঘোষণা দিয়ে মন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন, ইসলামী ব্যাংককে নিয়ে কোনো ধরনের ষড়যন্ত্র বা উচ্ছৃঙ্খলতা সহ্য করা হবে না।
<p>&nbsp;</p>

<p>মঙ্গলবার (৯ জুন) জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের বিভিন্ন নোটিশের জবাব ও ব্যাংকিং খাতের সমসাময়িক ইস্যু নিয়ে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন।</p>

<p>সংসদে বিরোধীদলীয় সদস্যদের বক্তব্যের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, &lsquo;ইসলামী ব্যাংক থেকে অর্থ আত্মসাতের যে অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তার কোনো ভিত্তি নেই। কোনো কোনো বিরোধীদলীয় নেতা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে গোল্ড মেডেল দাবি করছেন।</p>
</article>

<article>কিন্তু বাস্তবতা হলো, যারা অর্থ নিয়েছেন তারা তো কেউ নিজের নামে টাকা নেননি। এই পুরো বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছে বিগত নির্বাচন থেকে। আমরা দেখেছি, নির্বাচনে কিছু কিছু এলাকায় ক্যান্ডিডেটরা অবিশ্বাস্য রকমের টাকা খরচ করেছেন। এমন অনেক প্রার্থী ছিলেন, যাদের দৃশ্যমান কোনো ব্যবসা-বাণিজ্য বা আয়ের উৎস জানা নেই, অথচ তারাও নির্বাচনে ৫০ থেকে ১০০ কোটি টাকা খরচ করেছেন।</article>

<article>এই অবৈধ ও অপ্রদর্শিত অর্থ যখন রাজনীতিতে প্রবেশ করে, তখন তা গোটা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>বিরোধী দলের আনা পিটিশনের বরাতে ব্যাংকের চেয়ারম্যানের সমালোচনা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, &lsquo;বিরোধী দল চেয়ারম্যানের চরিত্র নিয়ে যেসব মন্তব্য করেছে তা সম্পূর্ণ তাদের নিজস্ব বিষয়। তবে বাংলাদেশ ব্যাংক বিষয়টি তদন্ত করে অনিয়মের কোনো প্রমাণ পায়নি।&rsquo;</p>

<p>তিনি প্রশ্ন উত্থাপন করে বলেন, &lsquo;বিশ্বের কোনো ব্যাংকের গ্রাহকই চেয়ারম্যানের নাম দেখে টাকা জমা রাখে না বা উত্তোলন করে না। গ্রাহকের মূল স্বার্থ থাকে তার আমানতের নিরাপত্তা ও সঠিক লভ্যাংশ পাওয়ার ওপর।</p>
</article>

<article>তাই চেয়ারম্যান পরিবর্তনের কারণে ইসলামী ব্যাংক থেকে ২-৩ হাজার কোটি টাকা উত্তোলন হয়ে যাওয়ার যে দাবি বিরোধী দল করছে, তা অবান্তর। প্রকৃতপক্ষে ব্যাংকের ভেতরে ও বাইরে একটি উগ্র গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে মিছিল ও বিশৃঙ্খল কর্মসূচি পরিচালনা করছে। এই উশৃঙ্খলতার সঙ্গে বিরোধী দলের আশঙ্কার একটি যোগসূত্র লক্ষ করা যাচ্ছে। মূলত কিছু অশুভ শক্তি ইসলামী ব্যাংকটিকে ব্যর্থ করে দিয়ে দেশের সামগ্রিক আর্থিক শৃঙ্খলা নষ্ট করতে চায় এবং এর মাধ্যমে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের অপচেষ্টা চালাচ্ছে।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>ইসলামী ব্যাংকের আর্থিক অবস্থার একটি পরিসংখ্যান তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, &ldquo;বিরোধী দল দাবি করছে যে ফ্যাসিবাদ-পরবর্তী সময়ে এক বছরের ব্যবধানে ব্যাংকের মুনাফা ১০৮ কোটি টাকা থেকে ১৩৭ কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছিল। কিন্তু প্রকৃত চিত্র হলো, এটি ছিল মূলত &lsquo;উইন্ডো ড্রেসিং&rsquo; বা কৃত্রিমভাবে দেখানো মুনাফা। খেলাপি ঋণের বিপরীতে বিশাল অংকের প্রভিশন পরবর্তী বছরের জন্য ডেফারেল বা স্থগিত সুবিধা নিয়ে এই মুনাফা দেখানো হয়েছিল। প্রকৃতপক্ষে ২০১৫ সালের (২০২৫ সালের) শেষে ইসলামী ব্যাংকের শ্রেণীকৃত ঋণ ৯৪ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছেছে, যা ব্যাংকের মোট ঋণ পোর্টফোলিওর ৫১ শতাংশ। ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর যেখানে ব্যাংকটি ৬৯ হাজার কোটি টাকার প্রভিশন ডেফারেল সুবিধা নিয়েছিল, সেখানে ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর তা বেড়ে দাঁড়ায় ৮৪ হাজার কোটি টাকায়। এর ফলে ২০২৬ সালের প্রথম দিকে ব্যাংকটি কোনো মুনাফা করতে পারেনি, উল্টো প্রায় ২৬৮ কোটি টাকা নিট লোকসান গুনেছে।&rdquo;</p>

<p>তিনি আরো উল্লেখ করেন, বিগত স্বৈরশাসকের সময় যখন ইসলামী ব্যাংক জোরপূর্বক দখল করা হয়েছিল, তখনও সাধারণ গ্রাহকরা কিন্তু তাদের আমানত তুলে নেননি। সুতরাং এখন চেয়ারম্যান পরিবর্তনের কারণে গ্রাহকরা টাকা তুলে চলে যাচ্ছেন, এই যুক্তি গ্রহণযোগ্য নয়। বাংলাদেশ ব্যাংক বর্তমানে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই ব্যাংকটিকে তার প্রকৃত ও বৈধ মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার কাজ করছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই সংস্কার কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করার জন্য একটি রাজনৈতিক মহল দেশজুড়ে &lsquo;মবোক্রেসি&rsquo; বা উশৃঙ্খলতার সংস্কৃতি তৈরি করতে চাচ্ছে। যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশকে অস্থিতিশীল করার যে প্রবণতা, তা রুখে দেওয়া হবে।</p>

<p>বর্তমান বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের প্রশংসা করে মন্ত্রী বলেন, দেশের সর্বস্তরের মানুষ এবং বেসরকারি খাত মনে করে দীর্ঘদিন পর একজন যোগ্য গভর্নর দায়িত্ব পেয়েছেন, যিনি নিয়মনীতির মধ্যে থেকে সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন। তাকে ঋণগ্রস্ত বলে যারা খাটো করার চেষ্টা করছেন, তারা মূলত ভালো কাজকে স্বীকৃতি দিতে চান না। সংসদে উপস্থিত প্রায় সব সদস্যই কোনো না কোনোভাবে গাড়ি, বাড়ি বা ব্যবসার প্রয়োজনে ব্যাংকের কাছে ঋণগ্রস্ত। সুতরাং ঋণ থাকা কোনো অপরাধ নয়।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/925-1.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[এবার মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা ইরানের]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28702</link>
    <pubDate>Wed, 10 Jun 2026 10:03:48 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28702</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/786-99.jpg" />    <article>
<p>যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে এবার মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে ইরান। বুধবার বাহরাইনের যুক্তরাষ্ট্র নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহর সদর দপ্তরে ড্রোন হামলা চালায় ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী রক্ষী বাহিনী (আইআরজিসি)।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://gulfnews.com/world/mena/irgc-claims-drone-strike-on-us-fifth-fleet-in-bahrain-warns-of-heavier-responses-as-gulf-conflict-deepens-1.500569146?fbclid=IwY2xjawSVoplleHRuA2FlbQIxMABicmlkETFrUnI1QjRubEg0SXU4bks0c3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHiQgwujRRsK49PSnEHo5XQuHcFmRQIVn4lsDpjag9nfbYtAxFOM6w42WQpK2_aem_b2yHAqenNDvews1D-4FYZQ">গালফ নিউজের</a> এক প্রতিবেদনে জানা যায়, মার্কিন হেলিকপ্টার ভূপাতিতের ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলার প্রতিশোধে পাল্টা ড্রোন হামলা চালায় ইরান।</p>

<p>এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, স্থানীয় সময় আনুমানিক রাত আড়াইটায় শাহেদ-১৩৬ (একমুখী আক্রমণকারী) ড্রোন বাহরাইনের মানামায় পঞ্চম নৌবহরের ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে।</p>

<p>এর আগে হরমুজ প্রণালীর কাশম দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালায়। স্থানীয় সূত্র ও বাসিন্দাদের উদ্ধৃতি দিয়ে ইরানি গণমাধ্যম জানায়, নিকটবর্তী বন্দর আব্বাসে এবং পরে প্রণালীর প্রবেশপথের কাছে জাস্ক কাউন্টির আশপাশে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>হামলার পর ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এক্সে এক পোস্টে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ইরান কোনো হামলা বা হুমকির জবাব না দিয়ে ছাড়বে না।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/786-99.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[সাফজয়ী ঋতুপর্ণার ঘর নির্মাণে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপহার]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28701</link>
    <pubDate>Wed, 10 Jun 2026 10:03:09 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28701</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/979-88.jpg" />    <article>
<p>পার্বত্য জেলা রাঙামাটির কৃতি সন্তান ও জাতীয় নারী ফুটবল দলের তারকা খেলোয়াড় ঋতুপর্ণা চাকমার গৃহনির্মাণে আর্থিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দীর্ঘদিন ধরে নানান প্রতিশ্রুতির প্রহর গোনার অবসান ঘটিয়ে মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় সংসদ ভবনে এক অনানুষ্ঠানিক আয়োজনে সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ বিজয়ী এই ফুটবলারের হাতে গৃহনির্মাণের বিশেষ চেক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>সংসদ অধিবেশন শুরুর প্রাক্কালে আয়োজিত এই সংক্ষিপ্ত কার্যক্রমে কোনো আনুষ্ঠানিকতা ছাড়াই সরাসরি এই সহায়তা নিশ্চিত করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এবং বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি তাবিথ আউয়াল।</p>

<p>উল্লেখ্য, এর আগেও তারকা এই ফুটবলারের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছিল সরকার ও সংশ্লিষ্ট নেতৃত্ব। ২০২৫ সালের ৯ জুলাই তৎকালীন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও &lsquo;আমরা বিএনপি পরিবার&rsquo; সংগঠনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক তারেক রহমানের দিক-নির্দেশনায় ঋতুপর্ণার ক্যান্সার আক্রান্ত মা ভূজোপতি চাকমার চিকিৎসার জন্য আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়েছিল।</p>
</article>

<article>সে সময় সংগঠনের উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ এবং আহ্বায়ক আতিকুর রহমান রুমনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল সরাসরি পরিবারের কাছে এই সহায়তা পৌঁছে দেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>ঋতুপর্ণা চাকমা দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ফুটবল অঙ্গনে বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকাকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। পাহাড়ি অঞ্চলের এক সাধারণ ও সংগ্রামী পরিবার থেকে উঠে আসা এই ফুটবলার নিজের মেধা, অক্লান্ত পরিশ্রম ও একনিষ্ঠ প্রতিভার জোরে আজ জাতীয় দলের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তিতে পরিণত হয়েছেন। ২০২২ এবং ২০২৪ সালে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ জয়লাভের পেছনে তার অবদান ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।</p>
</article>

<article>এছাড়া, ২০২৫ সালে দেশের ফুটবল ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এএফসি উইমেন্স এশিয়ান কাপের মূল পর্বে কোয়ালিফাই করার গৌরবময় অভিযানেও তিনি অনবদ্য পারফরম্যান্স প্রদর্শন করেন।</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/979-88.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বাংলাদেশ ও জার্মানি শক্তিশালী বাণিজ্য ও কৌশলগত সম্পর্ক চায়]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28700</link>
    <pubDate>Wed, 10 Jun 2026 10:02:00 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28700</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1101-77.jpg" />    <article>
<p>বাংলাদেশ ও জার্মানি আজ রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা গভীর করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। উভয় পক্ষই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরো জোরদার করতে বর্ধিত বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং বহুপাক্ষিক সহযোগিতার ওপর জোর দিয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>জার্মান ফেডারেল পররাষ্ট্র দপ্তরের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের মহাপরিচালক ফ্রাঙ্ক হারমান এখানে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এই অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করা হয়।&nbsp;</p>

<p>পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বৈঠক চলাকালীন সফররত কর্মকর্তার সঙ্গে ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লটজ।</p>

<p>আলোচনার সময় উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও জার্মানির মধ্যকার দীর্ঘস্থায়ী অংশীদারিকে এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে গুরুত্ব আরোপ করে, যা তাদের মতে উভয় দেশের জন্য পারস্পরিক সুবিধা বয়ে এনেছে।</p>

<p>তারা বাণিজ্য, বিনিয়োগ, সরবরাহ শৃঙ্খল, দক্ষতা উন্নয়ন, অভিবাসন, জনগণের মধ্যে আদান-প্রদান এবং শান্তি ও নিরাপত্তায় সহযোগিতা বৈচিত্র্যময় ও শক্তিশালী করার সুযোগ নিয়ে আলোচনা করেছেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>হার্টম্যান দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্পর্ক প্রসারিত ও উন্নত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়ে বলেন, শক্তিশালী অর্থনৈতিক সম্পর্ক অন্যান্য খাতে সহযোগিতাকে উৎসাহিত করতে পারে।</p>

<p>উভয় পক্ষ ক্রমবর্ধমান অংশীদারি আরো গতি আনতে দ্বিপক্ষীয় আলোচনা এবং উচ্চ-পর্যায়ের সফর বিনিময়ের সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা করেছে।</p>

<p>জার্মান কর্মকর্তা ২০২৬-২৭ মেয়াদের জন্য জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় বাংলাদেশকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।</p>

<p>শামা বহুপাক্ষিক পর্যায়ে সহযোগিতা জোরদার করার গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে শক্তিশালী ও টেকসই আন্তর্জাতিক মনোযোগ ও সমর্থনের প্রয়োজনীয়তার ওপর পুনরায় জোর দেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>উভয় পক্ষ বৃহত্তর বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পৃক্ততা সহজতর করতে বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) সম্পাদনের ওপর জোর দিয়েছে।</p>

<p>আলোচনায় আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক ঘটনাবলিও উঠে আসে এবং উভয় দেশ শান্তি, স্থিতিশীলতা ও অধিকতর আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ওপর জোর দেয়।</p>

<p>এর আগে, হার্টম্যান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (পূর্ব ও পশ্চিম) ড. মো. নজরুল ইসলামের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রগুলোতে সহযোগিতা জোরদার করার উপায় নিয়ে মতবিনিময় করেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1101-77.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বেলফাস্টে অভিবাসীবিরোধী বিক্ষোভ, যানবাহনে আগুন]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28699</link>
    <pubDate>Wed, 10 Jun 2026 10:01:19 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28699</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1218-66.jpg" />    <article>
<p>উত্তর আয়ারল্যান্ডের রাজধানী বেলফাস্টে এক ছুরি হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক অভিবাসীবিরোধী বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। মঙ্গলবার শত শত বিক্ষোভকারী শহরের বিভিন্ন সড়কে নেমে আসে, যার মধ্যে কয়েকটি স্থানে যানবাহনে আগুন দেওয়ার ঘটনাও ঘটে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>পুলিশ জানিয়েছে, সোমবার রাতে উত্তর বেলফাস্টে সংঘটিত ওই হামলায় এক ব্যক্তি মাথা ও ঘাড়ে গুরুতর আঘাত পান। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ৩০ বছর বয়সী এক সুদানি নাগরিককে গ্রেপ্তারের পরে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে।</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/sport/2026/06/10/1695584" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমার হামলাটিকে &lsquo;জঘন্য&rsquo; বলে আখ্যায়িত করেছেন। হামলার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>এ বিষয়ে পুলিশ জানিয়েছে, বর্তমানে ঘটনাটিকে সন্ত্রাসবাদী হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে না। তবে সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাজ্যে অভিবাসন ইস্যুকে কেন্দ্র করে বাড়তে থাকা উত্তেজনার মধ্যে এই ঘটনা নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।</p>

<p>রয়টার্স এর প্রতিবেদনে বলা হয়, মঙ্গলবার বেলফাস্টের বিভিন্ন এলাকায় মুখোশধারী তরুণদের জড়ো হতে দেখা যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সাঁজোয়া যান মোতায়েন করে।</p>
</article>

<article>বিক্ষোভকারীরা কয়েকটি যানবাহনে আগুন ধরিয়ে দেয়, যার মধ্যে একটি যাত্রীবাহী বাসও ছিল।
<p>&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/national/2026/06/10/1695583" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, পূর্ব বেলফাস্টের একটি সড়কে প্রায় ১০০ জনের একটি দল বাড়িঘরে হামলা চালায়, দরজা ভাঙচুর করে এবং জানালার কাচ নষ্ট করে। এ সময় একটি বাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।</p>

<p>এদিকে, লন্ডনের পার্লামেন্ট স্কয়ার এলাকায়ও কয়েক ডজন বিক্ষোভকারী সড়ক অবরোধ করে।</p>

<p>উত্তর আয়ারল্যান্ড পুলিশের সহকারী প্রধান কনস্টেবল রায়ান হেন্ডারসন ঘটনাটিকে &lsquo;ক্রিটিক্যাল ইনসিডেন্ট&rsquo; হিসেবে ঘোষণা করেছেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1218-66.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ফিলিপাইনের ভূমিকম্পে নিহত অন্তত ৩৭, বাস্তুচ্যুত ৩২০০০]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28698</link>
    <pubDate>Wed, 10 Jun 2026 10:00:15 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28698</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1320-55.jpg" />    <article>
<p><a href="https://www.arabnews.com/node/2646504/world">গত অর্ধশতাব্দীর মধ্যে দেশটিতে আঘাত হানা অন্যতম শক্তিশালী</a> ভূমিকম্পে অন্তত ৩৭ জন নিহত এবং ৩২ হাজারের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। স্থানীয় সময় সোমবার সকালে ৭.৮ মাত্রার ভূমিকম্পটি আঘাত হানে।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশগুলোতে সরকারি নথিতে মাত্র চারজনকে নিখোঁজ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে বেসামরিক প্রতিরক্ষা দপ্তর স্বীকার বলেছে, সম্ভাব্য জীবিত বা নিহতদের সন্ধানে বেশ কয়েকটি ধসে পড়া এবং ক্ষতিগ্রস্ত ভবনে তল্লাশি চালাতে হবে।&nbsp;</p>

<p>ফিলিপাইনের দ্বিতীয় সর্বাধিক জনবহুল দ্বীপ মিন্দানাও। এর উপকূল কেন্দ্র করে হওয়া এই ভূমিকম্পে প্রায় ৫০০ জন আহত এবং ৩২ হাজারের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন, যাদের বেশির ভাগই জরুরি আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছে।</p>
</article>

<article>&nbsp;যারা নিজেদের বাড়ি ছেড়েছিলেন তাদের অনেকেই সুনামির ভয়ে ভীত ছিলেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>ফিলিপাইনে জোয়ারের স্তর থেকে ১.৪ মিটার (৪.৬ ফুট) পর্যন্ত উঁচু ঢেউ পরিমাপ করা হয়েছে। ইন্দোনেশিয়া ও পালাউ, এমনকি সুদূর দক্ষিণ জাপানের উপকূলেও ছোট ছোট ঢেউ আছড়ে পড়েছিল। ভূমিধস ও ভবন ধসে বেশ কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>ভূমিকম্পটি ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের চিহ্ন রেখে গেছে, যার মধ্যে রয়েছে সাত লাখের বেশি জনসংখ্যার একটি &nbsp;উপকূলীয় শহর জেনারেল সান্তোস। শহরটি দেশটির টুনা রাজধানী হিসেবে পরিচিত। সেখানে ভবন ধসে এবং ধ্বংসাবশেষের নিচে চাপা পড়ে অন্তত ১৩ জন নিহত হয়েছেন।</p>

<p>বেসামরিক প্রতিরক্ষা দপ্তরের রাফায়েলিতো আলেজান্দ্রোর মতে, সারাঙ্গানি প্রদেশে অন্তত ১৮ জন মারা গেছেন। তাদের বেশির ভাগই বাড়িঘরের নিচে ভূমিধসে চাপা পড়ে মারা যান।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>দুর্যোগ মোকাবেলা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বাকি মৃত্যুর ঘটনাগুলো ঘটেছে দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ সাউথ কোতাবাতো ও দাভাও অক্সিডেন্টাল এবং বালুত দ্বীপে।</p>

<p>সরকারের প্রাথমিক ক্ষয়ক্ষতি মূল্যায়ন অনুযায়ী, বিভিন্ন প্রদেশে প্রায় দুই হাজার ৫০০টি বাড়ি এবং ১১৭টি সরকারি ভবন ও স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জেনারেল সান্তোসের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরটি দ্বিতীয় দিনের মতো বন্ধ থাকায় মানবিক মিশনের ফ্লাইটগুলো ছাড়া ৬৩টি অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে।</p>

<p>ক্লাস পুনরায় শুরু করার আগে ভূমিকম্প-বিধ্বস্ত প্রদেশগুলোর প্রায় ছয় হাজার সরকারি স্কুল ভবন মূল্যায়ন করতে হবে। দুই মাসের গ্রীষ্মকালীন ছুটির পর দেশব্যাপী ক্লাস শুরুর প্রথম দিনেই ভূমিকম্পটি আঘাত হানে এবং আহতদের মধ্যে অনেকেই ছিল তরুণ শিক্ষার্থী। তারা সকালের পতাকা উত্তোলন অনুষ্ঠানের জন্য জড়ো হয়েছিল।</p>

<p>কর্তৃপক্ষ সতর্ক করেছে, পরবর্তী কম্পনের কারণে ফাটল ধরা ভবনগুলো ধসে পড়তে পারে। আলেহান্দ্রো বলেন, &lsquo;আমরা অবিলম্বে স্কুল খোলার জন্য জোর করতে পারি না, কারণ আমাদের ভবনগুলোর অখণ্ডতা নিশ্চিত করতে হবে।&rsquo; ১৯৭৬ সালের পর এটিই ছিল ফিলিপাইনের সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প।</p>

<p>সোমবার ফিলিপাইনে হওয়া ভূমিকম্পের কেন্দ্র ছিল সমুদ্রের প্রায় ৩৩ কিলোমিটার গভীরে। এটি সারাঙ্গানি প্রদেশের মাসিম শহর থেকে প্রায় ৩২ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে ঘটেছে বলে জানিয়েছে দেশটির ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরি সংস্থা।</p>

<p>সংস্থার পরিচালক তেরেসিতো বাকোলকল বলেন,&nbsp;এটি ১৯৭৬ সালের ১৭ আগস্টের পর সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্পগুলোর একটি। ওই সময় একই এলাকায় ৮.১ মাত্রার ভূমিকম্প ও সুনামিতে প্রায় ৮ হাজার মানুষ মারা গিয়েছিল। ১৯৭৬ সালের সেই ভূমিকম্পে ৮ থেকে ১০ মিটার উঁচু সুনামির ঢেউ অনেক শহর ও গ্রাম ধ্বংস করে দেয়।</p>

<p>ভূমিকম্প সংস্থাটি জানিয়েছে, আগস্টে ১৯৭৬ সালের সেই ঘটনার বার্ষিকী উপলক্ষে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় সতর্কতা চিহ্ন বসানোর পরিকল্পনা ছিল, যাতে মানুষ সচেতন থাকে। এ ছাড়া ১৯৯০ সালে আরেকটি ৭.৮ মাত্রার ভূমিকম্পে এক হাজারের বেশি মানুষ মারা যায় এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।</p>

<p>বর্তমান ভূমিকম্পের পর দেশটির প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়র উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম তদারকির নির্দেশ দিয়েছেন। ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য খাদ্য ও জরুরি সামগ্রী পাঠানো হচ্ছে এবং অবকাঠামোর ক্ষয়ক্ষতি মূল্যায়ন করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, জাপান ও নিউজিল্যান্ড ফিলিপাইনকে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে।</p>

<p>ফিলিপাইন প্রশান্ত মহাসাগরের &lsquo;রিং অব ফায়ার&rsquo; অঞ্চলে অবস্থিত, তাই দেশটি প্রায়ই ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ঝুঁকিতে থাকে। এ ছাড়া প্রতি বছর বহু টাইফুন ও ঝড় আঘাত হানে, ফলে এটি বিশ্বের অন্যতম দুর্যোগপ্রবণ দেশ।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1320-55.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ভিসা জালিয়াতির দায়ে মার্কিন নাগরিকত্ব হারাচ্ছেন ভারতীয় সিইও]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28697</link>
    <pubDate>Wed, 10 Jun 2026 09:58:38 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28697</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1385-44.jpg" />    <article>
<p>তথ্য গোপন, জালিয়াতি ও গুরুতর অপরাধের অভিযোগে এক ভারতীয় বংশোদ্ভূত সিইওসহ মোট ১৭ জনের নাগরিকত্ব বাতিলের আইনি প্রক্রিয়া শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ। সোমবার (৮ জুন) মার্কিন বিচার বিভাগ আনুষ্ঠানিকভাবে এই ঘোষণা দেয়।</p>
</article>

<article>অভিযুক্তদের মধ্যে আলোচিত ব্যক্তি হলেন নীরাজ শর্মা (৫০)। তিনি নিউ জার্সি-ভিত্তিক কর্মী সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান &lsquo;ম্যাগনাভিশন এলএলসি&rsquo;-র ভারতীয় বংশোদ্ভূত সিইও। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, তিনি ভুয়া স্বাক্ষর ও নথির মাধ্যমে ১১টি জাল (এইচ-১বি) ভিসার আবেদন করেছিলেন। ২০১৭ সালে নাগরিকত্ব নেওয়ার সময় তিনি এই অপরাধের কথা গোপন করেন।</article>

<article>পরবর্তীতে তিনি ভিসা জালিয়াতির দায়ে দোষী সাব্যস্ত হন।
<p>&nbsp;</p>

<p>মার্কিন অভিবাসন ও জাতীয়তা আইন অনুযায়ী, কোনো নাগরিক যদি জালিয়াতি বা মিথ্যা তথ্যের আশ্রয় নিয়ে দেশটির নাগরিকত্ব পেয়ে থাকেন, তবে সরকার তা বাতিল করতে পারে। সাম্প্রতিক সময়ে এই আইন ব্যবহারের হার ব্যাপক আকারে বাড়িয়েছে বর্তমান প্রশাসন। বিচার বিভাগের তথ্যমতে, ১৭ জনের বিরুদ্ধে শিশু যৌন নির্যাতন, মাদক পাচার, অর্থ আত্মসাৎ ও অভিবাসন জালিয়াতির মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে।</p>
</article>

<article>অন্যান্য অভিযুক্তদের তালিকায় রয়েছেন শিশু যৌন নির্যাতনের দায়ে একজন হাইতিয়ান অভিবাসী, সাবেক যুগোস্লাভিয়ার এক নাগরিক, মেক্সিকোর এক অভিবাসী এবং কলম্বিয়া ও ফিলিপাইনের দুই ব্যক্তি। এ ছাড়া অর্থ পাচারে জড়িত কলম্বীয় মাদক পাচারকারীর কন্যা, জ্যামাইকান এক প্রতারক এবং কিউবার এক নারীও এই তালিকায় আছেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>ঐতিহাসিকভাবে আমেরিকায় নাগরিকত্ব বাতিলের ঘটনা খুবই বিরল। ১৯৯০ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে মাত্র ৩০০টির মতো এমন মামলা হয়েছিল, যা বছরে গড়ে ১১টির মতো। আগে মূলত যুদ্ধাপরাধী বা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে এটি করা হতো।</p>
</article>

<article>তবে ট্রাম্প প্রশাসন এখন আর্থিক ও অভিবাসন জালিয়াতিকেও এর আওতাভুক্ত করেছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>ডিপার্টমেন্ট অফ হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বর্তমানে প্রতি মাসে ২০০টিরও বেশি নাগরিকত্ব বাতিলের মামলা পাঠানোর নির্দেশ পেয়েছে। ইতোমধ্যে বিচার বিভাগ ৩৮৪ জন বিদেশে জন্মগ্রহণকারী আমেরিকানকে চিহ্নিত করেছে, যাদের নাগরিকত্ব বাতিল করার পরিকল্পনা রয়েছে। হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সেক্রেটারি মার্কওয়েন মুলিন জানিয়েছেন, অভিবাসন প্রক্রিয়ায় যারা মিথ্যা বলেছে, তাদের বিরুদ্ধে সরকার &lsquo;প্রতিটি আইনসম্মত পথ&rsquo; ব্যবহার করবে।</p>

<p>অভিযুক্ত ১৭ জন নাগরিকই ফেডারেল আদালতে সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আইনি লড়াই করার সুযোগ পাবেন। তবে আদালতে অভিযোগ প্রমাণিত হলে তারা মার্কিন নাগরিকত্বের সব অধিকার ও সুরক্ষা হারাবেন এবং তাদের নিজ দেশে ফেরত (নির্বাসন) পাঠানো হতে পারে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1385-44.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[মোসাদ্দেক-নাহিদে ২১ বছর পর বাংলাদেশের অস্ট্রেলিয়া বধ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/28696</link>
    <pubDate>Wed, 10 Jun 2026 09:55:57 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/28696</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1468-33.jpg" />    <article>
<p>১৮ জুন ২০০৫, সোফিয়া গার্ডেন্স, কার্ডিফ। মোহাম্মদ আশরাফুলের সেঞ্চুরি।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>এতটুকু বললেই সবাই বুঝে নেন কোন ম্যাচের কথা বলা হচ্ছে। রিকি পন্টিংয়ের মহাপরাক্রমশালী দলের বিপক্ষে ঐতিহাসিক এক জয়।&nbsp;</p>

<p>এত দিন সেটিই অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডেতে বাংলাদেশের একমাত্র জয় ছিল। অবশেষে আজ এলো দ্বিতীয়টি; ২১ বছর পর আরেক জুনেই!</p>

<p>মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের অলরাউন্ড নৈপুণ্য ও নাহিদ রানার গতিতে ধরাশায়ী হলো অস্ট্রেলিয়া।</p>
</article>

<article>ডাকওয়ার্থ-লুইস-স্টার্ন (ডিএলএস) পদ্ধতিতে বাংলাদেশ জিতল ৮৬ রানে।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<figure><img alt="Mosaddek1" height="600" src="https://asset.kalerkantho.com/public/news_images/share/photo/shares/online/2026/06/09/my1236/6a282a6857273.jpg" width="1000" />
<figcaption>বাংলাদেশ দলে ফেরার ম্যাচে দারুণ ব্যাটিং করেছেন মোসাদ্দেক।&nbsp;ছবি: মীর ফরিদ, মিরপুর থেকে</figcaption>
</figure>

<p>মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে আজ প্রথম ওয়ানডেতে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ২৮৪ রান করেছিল বাংলাদেশ। লক্ষ্য তাড়ায় অস্ট্রেলিয়া ৪২.২ ওভারে ৯ উইকেটে ১৯১ রান করার পর বজ্রপাত শুরু হয়।</p>
</article>

<article>কিছুক্ষণ পর বাগড়া দেয় বৃষ্টি।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>তাতে আর একটি বলও মাঠে না গড়নোয় ডিএলএস পদ্ধতিতে বাংলাদেশকে জয়ী ঘোষণা করেন ম্যাচ রেফারি প্রকাশ ভাট।&nbsp;</p>

<p>মিরপুরের সবুজাভ পিচে লক্ষ্যটা অস্ট্রেলিয়ার জন্য বেশ চ্যালেঞ্জিং ছিল। ইনিংসের শুরুতেই তাসকিন আহমেদের বলে ম্যাথু শটের বোল্ড হওয়া আর দ্বিতীয় ওভারে মুস্তাফিজুর রহমানের বলে মারনাস লাবুশেনের এলবিডাব্লিুউ হয়ে ফেরা রান তাড়াকে আরো কঠিন করে তোলে।&nbsp;</p>

<p>শুরুর সেই ধাক্কা সামলে উঠতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া।</p>
</article>

<article>আলোচিত ফাস্ট বোলার নাহিদ রানাই আসলে সফরকারীদের ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ দেননি। ১০ ওভারে ৪১ রান দিয়ে তিনি নিয়েছেন ৪ উইকেট।
<p>&nbsp;</p>

<p>এই ম্যাচ দিয়েই প্রায় ৪ বছর পর বাংলাদেশ দলে ফেরা মোসাদ্দেকও দারুণ বোলিং করেছেন। ১০ ওভারে ৩৭ রান দিয়ে তিনি নিয়েছেন ২ উইকেট।&nbsp;</p>

<p>তবে মোসাদ্দেক আসল কাজটা করেছেন ব্যাট হাতে। ৭ চার ও ৩ ছক্কায় ৭০ বলে তার ৮৬ রানের দায়িত্বশীল ইনিংসই বাংলাদেশের সংগ্রহ তিন শর কাছাকাছি নিয়ে যায়।</p>

<p>এর আগে শুরুতে সাইফ হাসানের উইকেট হারালেও তানজিদ হাসান ও নাজমুল হোসেন শান্ত বাংলাদেশের বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে দেন। তানজিদ-শান্ত দুজনই ফিফটির দেখা পান।&nbsp;</p>

<figure><img alt="Photo" height="600" src="https://asset.kalerkantho.com/public/news_images/share/photo/shares/online/2026/06/09/my1236/6a282a70631f9.jpg" width="1000" />
<figcaption>ম্যাচসেরার পুরস্কার হাতে মোসাদ্দেক।&nbsp;ছবি : মীর ফরিদ, মিরপুর থেকে</figcaption>
</figure>

<p>তবে অলরাউন্ড নৈপুণ্যে ম্যাচসেরা হয়ে প্রত্যাবর্তনের দিনটা স্মরণীয় করে রেখেছেন মোসাদ্দেক।&nbsp;</p>

<p>মিরপুরেই বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া দ্বিতীয় ওয়ানডে আগামী বৃহস্পতিবার (১১ জুন)।</p>

<p><strong>সংক্ষিপ্ত স্কোর</strong></p>

<p><strong>বাংলাদেশ : </strong>৫০ ওভারে ২৮৪/৮ (মোসাদ্দেক ৮৬*, শান্ত ৬৭, তানজিদ ৫৪; এলিস ৩/৩৮, রেনশ ২/৩৫, স্কট ২/৫৭)।<br />
<strong>অস্ট্রেলিয়া : </strong>৪২.২ ওভারে ১৯১/৯ (গ্রিন ৫২*, ক্যারি ৪৭, কনোলি ৩৫; নাহিদ ৪/৪১, মুস্তাফিজ ২/২৪, মোসাদ্দেক ২/৩৭)।<br />
<strong>ফল :</strong> বাংলাদেশ ৮৬ রানে জয়ী (ডিএলএস পদ্ধতিতে)।<br />
<strong>ম্যাচসেরা :</strong> মোসাদ্দেক হোসেন।<br />
<strong>সিরিজ : </strong>৩ ম্যাচের সিরিজে বাংলাদেশ ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1468-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বদলি নেমেই পেনাল্টি থেকে গোল মেসির, বড় জয় আর্জেন্টিনার]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/28695</link>
    <pubDate>Wed, 10 Jun 2026 09:55:00 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/28695</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1510-22.jpg" />    <article>
<p>বিশ্বকাপের আগে শেষ প্রস্তুতি ম্যাচে লিওনেল মেসির জাদুতেই দারুণ এক জয় পেয়েছে আর্জেন্টিনা। আইসল্যান্ডকে ৩-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপ মিশনের আগে আত্মবিশ্বাসী বার্তা দিয়েছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>যুক্তরাষ্ট্রের আলাবামার জর্ডান-হেয়ার স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে শুরুতে বেঞ্চে ছিলেন মেসি। প্রথমার্ধে ভ্যালেন্তিন বারকোর দুর্দান্ত গোলে এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। ৮ মিনিটে কর্নার থেকে প্রতিপক্ষের ক্লিয়ার করা বল বক্সের বাইরে থেকে হাফ-ভলিতে জালে জড়িয়ে দলকে লিড এনে দেন বারকো।</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/sport/2026/06/10/1695584" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>দ্বিতীয়ার্ধে ৭০তম মিনিটে মাঠে নামেন মেসি।</p>
</article>

<article>আর নামার মাত্র এক মিনিট পরই ম্যাচে নিজের ছাপ রেখে দেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। প্রথম স্পর্শেই লাউতারো মার্তিনেজকে দারুণ এক থ্রু পাস দেন তিনি। বক্সে ঢোকার পর ফাউলের শিকার হন লাউতারো এবং পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি।
<p>&nbsp;</p>

<p>স্পটকিক নিতে এসে কোনো ভুল করেননি মেসি।</p>
</article>

<article>২০১৮ বিশ্বকাপে আইসল্যান্ডের বিপক্ষে পেনাল্টি মিস করার স্মৃতি পেছনে ফেলে এবার বল জালে পাঠিয়ে ব্যবধান ২-০ করেন আটবারের ব্যালন ডি&rsquo;অরজয়ী তারকা।
<p>&nbsp;</p>

<p>এরপরও থামেননি মেসি। ম্যাচের ৮৭তম মিনিটে দ্রুতগতির এক পাল্টা আক্রমণে রদ্রিগো ডি পলকে বল বাড়িয়ে দেন তিনি। ডি পলের ক্রস থেকে থিয়াগো আলমাদা গোল করলে ৩-০ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত হয় আর্জেন্টিনার।</p>

<p>এই জয়ের মাধ্যমে প্রস্তুতি পর্ব শেষ করল লিওনেল স্কালোনির দল।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1510-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিজেকে কারিশমার ‘প্রথম মেয়ে’ বললেন কারিনা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/28694</link>
    <pubDate>Wed, 10 Jun 2026 09:54:07 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/28694</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1608-11.jpg" />    <article>
<p>বলিউডের দুই বোন কারিশমা কাপুর ও কারিনা কাপুর খানের মধ্যকার চমৎকার সম্পর্কের কথা সবারই জানা। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এই দুই বোন তাদের ভালোবাসার অটুট বন্ধন নিয়ে কথা বলেছেন।</p>
</article>

<article>সেখানে বড় বোন কারিশমাকে মায়ের আসনে বসিয়ে কারিনা সস্নেহে দাবি করেছেন, কারিশমার নিজের সন্তানদের আগেও তিনি ছিলেন কারিশমার &lsquo;প্রথম কন্যা&rsquo;।
<p>&nbsp;</p>

<p>সাক্ষাৎকারে কারিনা কাপুর তার বোন কারিশমাকে (ডাকনাম ললো) &lsquo;জাতির নয়নমণি&rsquo; বলে অভিহিত করেন। কারিনা একটি আবেগঘন অডিও বার্তায় বলেন, &lsquo;ললোকে নিয়ে কিছু বলা আমার জন্য খুব কঠিন। তিনি শুধু একজন অসাধারণ মানুষই নন, একজন নিবেদিতপ্রাণ মা এবং অত্যন্ত পরিশ্রমী অভিনেত্রী।</p>
</article>

<article>নব্বইয়ের দশকের সেই সুপারস্টার নায়িকাদের মতো আজও দেশের প্রত্যেক অভিনেত্রী ললোকে আদর্শ মানেন।&rsquo; কারিনা অকপটে স্বীকার করেন, কারিশমা তার জীবনে মায়ের মতো ভূমিকা পালন করেছেন এবং তাকে ছাড়া তাদের পুরো পরিবারই একদম দিশেহারা হয়ে পড়বে।
<p>&nbsp;</p>

<p>কারিনার এমন আবেগঘন বার্তার জবাবে কারিশমা কাপুর জানান, প্রিয়জনদের যত্ন নেওয়াটা সবসময়ই তার সহজাত প্রবৃত্তি এবং তিনি এটি মন থেকেই করেন। &lsquo;রাজা হিন্দুস্তানি&rsquo; খ্যাত এই অভিনেত্রী বলেন, ক্যারিয়ার বা জীবনের যে পর্যায়েই তিনি থাকুন না কেন, পরিবার সবসময়ই তার কাছে অন্য সবকিছুর চেয়ে আগে এবং সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পেয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>পারিবারিক আলোচনার পাশাপাশি কারিশমা কাপুর বর্তমানে তার নতুন ক্রাইম থ্রিলার সিরিজ &lsquo;ব্রাউন&rsquo; নিয়ে বেশ আলোচনায় আছেন। ওটিটি প্ল্যাটফর্ম জিফাইভে মুক্তি পাওয়া এই সিরিজে তিনি &lsquo;রিতা ব্রাউন&rsquo; নামের এক মদ্যপ ও চেইন-স্মোকার প্রাক্তন পুলিশ অফিসারের চরিত্রে অভিনয় করেছেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1608-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[টিকা সংকটে শিশুমৃত্যু: ড. ইউনূসসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন খারিজ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28693</link>
    <pubDate>Wed, 10 Jun 2026 09:37:53 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28693</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1319-55.jpg" />    <p>আদালত প্রতিবেদক:</p>

<p>হামে আক্রান্ত হয়ে শিশুমৃত্যুর ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলা এবং বর্তমান সরকারকে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলার অভিযোগে অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে একটি মামলার আবেদন করা হয়েছিল। তবে আদালত সেই আবেদনটি খারিজ করে দিয়েছেন। এই আদেশের বিরুদ্ধে পরবর্তীতে উচ্চ আদালতে&nbsp;(হাইকোর্ট) আপিল করার কথা জানিয়েছেন মামলার বাদীপক্ষ।</p>

<p>​গতকাল ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম জসিতা ইসলামের আদালতে মামলার এই আবেদনটি করেন কিশোরগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল। আদালত বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করার পর আদেশ অপেক্ষমাণ রাখেন এবং পরে মামলাটি খারিজ করে দেন।</p>

<p>​বাদীপক্ষের আইনজীবী রফিকুল ইসলাম জানান, আদালত তাঁর আদেশে বলেছেন&mdash;আসামিরা সরকারের অংশ ছিলেন এবং মামলায় যে সমস্ত ধারা আনা হয়েছে, তা আসামিদের ওপর প্রযোজ্য নয়। এই কারণেই মামলাটি খারিজ করা হয়েছে। তবে তাঁরা এই আদেশের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে যাবেন।</p>

<p>​মামলার বাদী এমপি শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল সাংবাদিকদের বলেন, এটি কোনো ব্যক্তিগত উদ্দেশ্যে করা মামলা নয়। তাঁর নির্বাচনী এলাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বহু শিশু হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। একজন সংসদ সদস্য হিসেবে জনগণের স্বার্থে বিষয়টি আদালতের সামনে আনা তিনি নিজের দায়িত্ব মনে করেছেন। যাদের অবহেলায় এসব শিশুর মৃত্যু হয়েছে, তাদের আইনের আওতায় এনে বিচার করা উচিত।</p>

<p>​মামলার অন্য আসামিরা হলেন:</p>

<p>​সাবেক স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ সচিব মো. সাইদুর রহমান।</p>

<p>​সাবেক প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. মুহাম্মদ সায়েদুর রহমান।</p>

<p>​স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. আবু জাফর।</p>

<p>​মামলার মূল অভিযোগসমূহ:</p>

<p>আবেদনে উল্লেখ করা হয়, ড. মুহাম্মদ ইউনূস উচ্চশিক্ষিত ও নোবেল বিজয়ী হওয়া সত্ত্বেও তাঁর চরম অবহেলা ও উদ্দেশ্যমূলক কর্মকাণ্ডের কারণে দেশে শত শত শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং হাজার হাজার শিশুর জীবন বিপন্ন হয়েছে, যা হত্যাকাণ্ডের শামিল। অন্য আসামিরাও স্বাস্থ্য বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে যথাসময়ে হামের ভ্যাকসিন&nbsp;(টিকা) আমদানি না করে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন, যা নাগরিকদের মৌলিক অধিকার হরণের সমান।</p>

<p>​আবেদনে আরও বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ সরকার ইউনিসেফের মাধ্যমে হাম-রুবেলাসহ বিভিন্ন টিকা আমদানি করে আসছিল। কিন্তু ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ইউনিসেফের মাধ্যমে টিকা আমদানি বন্ধ করে দেয়। এরপর উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে টিকা সংগ্রহের দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া শুরু করায় দেশে টিকার তীব্র সংকট তৈরি হয়।</p>

<p>​ইউনিসেফের সতর্কবার্তা উপেক্ষা ও ক্ষয়ক্ষতির খতিয়ান:</p>

<p>মামলার আবেদনে ইউনিসেফের বাংলাদেশ প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্সের গত ২০ মে প্রকাশিত একটি সাক্ষাৎকারের সূত্র উল্লেখ করা হয়। সেখানে বলা হয়েছিল, হাম-রুবেলা টিকার সম্ভাব্য সংকট নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের স্বাস্থ্য বিভাগকে একাধিকবার সতর্ক করা হয়েছিল এবং বর্তমান ব্যবস্থা বন্ধ না করার অনুরোধ জানানো হয়েছিল। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তা আমলে নেয়নি।</p>

<p>​এর ফলে দেশে বিপুলসংখ্যক শিশু টিকা থেকে বঞ্চিত হয় এবং হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। আবেদনে উল্লেখ করা হয়, গত ১৫ মার্চ থেকে ৪ জুন পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ৭৫ হাজার ৭০৮ জন শিশু হামে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছে এবং সরকারি হিসাবেই অন্তত ৬১০ জন শিশু মারা গেছে। হাসপাতালের বাইরে আক্রান্ত ও মৃত শিশুদের একটি বড় অংশ এই পরিসংখ্যানে আসেনি। এই মানবিক বিপর্যয়ের কারণে আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তির আবেদন জানানো হয়।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1319-55.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবল ২০২৬: শিব্বীর আহমেদের দুটি বাংলাদেশ ফ্যান অ্যান্থেম]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/28692</link>
    <pubDate>Tue, 09 Jun 2026 19:51:59 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/28692</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/06092026_news0501_shibbir_ahmed_song_for_fifa_wordl_cup_2026.jpg" />    <p>ঢাকা: আসন্ন ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬কে ঘিরে বিশ্বজুড়ে যখন ফুটবল উন্মাদনা ধীরে ধীরে তুঙ্গে উঠছে, তখন বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীদের জন্য দুটি নতুন ফ্যান অ্যান্থেম প্রকাশ করেছেন গীতিকার ও সুরকার শিব্বীর আহমেদ। গান দুটি হলো &ldquo;ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ &ndash; বাংলাদেশ ফ্যান অ্যান্থেম&rdquo; এবং &ldquo;গোল গোল গোল গোলাজো&rdquo;।</p>

<p>বিশ্বকাপের আবেগ, সমর্থকদের উচ্ছ্বাস এবং ফুটবলের প্রতি ভালোবাসাকে কেন্দ্র করে নির্মিত এই দুটি গান বাংলাদেশের ফুটবল অনুরাগীদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি করা হয়েছে। প্রাণবন্ত সুর, উদ্দীপনামূলক কথামালা এবং আধুনিক সংগীতায়োজনে সাজানো গান দুটি বিশ্বকাপের উৎসবমুখর পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলবে বলে আশা করছেন নির্মাতা।</p>

<p>শিব্বীর আহমেদ বলেন, `বিশ্বকাপ শুধু একটি ক্রীড়া প্রতিযোগিতা নয়, এটি বিশ্বের কোটি মানুষের আবেগের মিলনমেলা। বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীদের জন্য এমন কিছু সৃষ্টি করতে চেয়েছি, যা তাদের বিশ্বকাপের আনন্দ ও উত্তেজনার অংশ হয়ে উঠবে।&#39;</p>

<p>&ldquo;ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ &ndash; বাংলাদেশ ফ্যান অ্যান্থেম&rdquo; গানটিতে বিশ্বকাপকে ঘিরে বাংলাদেশি সমর্থকদের স্বপ্ন, আবেগ এবং উৎসবের চিত্র ফুটে উঠেছে। অন্যদিকে &ldquo;গোল গোল গোল গোলাজো&rdquo; গানটি মাঠের রোমাঞ্চ, গোল উদযাপন এবং সমর্থকদের উচ্ছ্বাসকে কেন্দ্র করে নির্মিত একটি প্রাণচঞ্চল ফুটবল সংগীত।</p>

<p>বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় এই আসর ২০২৬ সালে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত হবে। সেই মহাযজ্ঞকে সামনে রেখে প্রকাশিত বাংলা ভাষার এই দুটি ফ্যান অ্যান্থেম ইতোমধ্যে ইউটিউবে দর্শকদের নজর কাড়তে শুরু করেছে।</p>

<p>গান দুটি দেখতে ও শুনতে:</p>

<p>ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ &ndash; বাংলাদেশ ফ্যান অ্যান্থেম<br />
https://www.youtube.com/watch?v=GOmy6VAXPCI<br />
গোল গোল গোল গোলাজো<br />
https://www.youtube.com/watch?v=9Q4thtCV4uI</p>

<p>ফুটবলপ্রেমীদের জন্য নির্মিত এই দুটি গান বিশ্বকাপ চলাকালে বাংলাদেশি সমর্থকদের কণ্ঠে কণ্ঠ মিলিয়ে গাওয়া এক নতুন উচ্ছ্বাসের প্রতীক হয়ে উঠবে বলে মনে করছেন সংগীত সংশ্লিষ্টরা। বিশ্বকাপের আবহে বাংলা ভাষায় নির্মিত এমন উদ্যোগ বাংলাদেশের ফুটবল সংস্কৃতিকে আরও সমৃদ্ধ করবে বলেও প্রত্যাশা করা হচ্ছে।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/06092026_news0501_shibbir_ahmed_song_for_fifa_wordl_cup_2026.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[আমি কীভাবে বলি, আমি বিশ্রামে যাচ্ছি?: শেখ হাসিনা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28691</link>
    <pubDate>Tue, 09 Jun 2026 19:12:31 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28691</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/06092026_news0401_sheikh_hasina.jpg" />    <p>ডেস্ক নিউজঃ ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়ার পরে রাজনীতি থেকে অবসরের কথাই এক সময়ে ভেবেছিলেন ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তবে এখন সেই ভাবনা নাকচ। দেশের &lsquo;বর্তমান পরিস্থিতিতে&rsquo; সেই চিন্তা সরিয়ে রেখে &lsquo;নিজের দেশের মানুষের পাশে থাকা&rsquo;-র সিদ্ধান্তই নিয়েছেন আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার (৯ জুন) নয়াদিল্লি থেকে &lsquo;এই সময়&rsquo;-কে দীর্ঘ একান্ত সাক্ষাৎকারে এমনটাই জানিয়েছেন শেখ হাসিনা।</p>

<p>একান্ত সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা বললেন, &lsquo;আমার বাবা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাকে মানুষের দুঃসময়ে তাদের পাশে থাকার শিক্ষা দিয়েছেন। ১৯৮১-তে আমি যখন সব হারিয়ে দেশে ফিরেছিলাম, তখন আওয়ামী লিগের কর্মীরাই ছিলেন আমার পরিবার। আজ সেই নেতা-কর্মীরা নির্যাতিত, আমার দেশের জনগণের জীবন আজ বিপর্যস্ত। আমি কী ভাবে তাদের ছেড়ে বিশ্রামে যাই?&rsquo;</p>

<p>ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রীর এই &lsquo;বিশ্রামে&rsquo; যাওয়ার জল্পনা জোরালো হয়েছিল তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের একটি বক্তব্যের ভিত্তিতে। সেই সূত্রেই তাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, &lsquo;আপনি দিল্লি আসার পরে আপনার পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয় জানিয়েছিলেন, আপনি রাজনীতি থেকে অবসর নিতে চান। আপনি কি এখনও সেই সিদ্ধান্তে অনড়? সে ক্ষেত্রে দল ও দেশের নেতৃত্ব আপনি কার বা কাদের হাতে ছেড়ে যেতে চান?&rsquo;&nbsp;</p>

<p>এ প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী সভানেত্রী বলেন, &lsquo;জয়ের বক্তব্য আমার দীর্ঘদিনের ব্যক্তিগত অনুভূতির সঙ্গে সম্পর্কিত। মানুষ সারাজীবন একই দায়িত্বে থাকে না। আমিও বহুবার বলেছি, নতুন নেতৃত্ব আসুক, তরুণেরা দায়িত্ব নিক। আওয়ামী লীগের বিগত দুই কাউন্সিলেও আমি নতুন নেতৃত্বের কথা বলেছি। ব্যক্তিগতভাবে আমার আর কিছুই চাওয়ার নেই।&rsquo;</p>

<p>তা হলে এই ভাবনার পরিবর্তন কেন?</p>

<p>শেখ হাসিনা বলেন, &lsquo;আজ বাংলাদেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক নয়। গণতন্ত্র আক্রান্ত। আওয়ামী লীগের কার্যক্রম বন্ধ করার আইন করা হয়েছে। আমার নেতা-কর্মীরা কারাগারে। অনেকে ঘরছাড়া। সংখ্যালঘুরা আতঙ্কে রয়েছেন। নিরীহ শিশুরা টিকার অভাবে মারা যাচ্ছে, ধর্ষণ ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত হচ্ছে। রাষ্ট্রকে ১৯৭১-এর পথ থেকে সরিয়ে নেয়ার চেষ্টা চলছে। এমন একটা সময়ে আমি কীভাবে বলি, আমি বিশ্রামে যাচ্ছি?&rsquo;&nbsp;</p>

<p>আমি ক্ষমতা চাই না উল্লেখ করে মুজিব-কন্যা বলেন, কিন্তু জনগণের প্রতি আমার দায়িত্ব অস্বীকার করতে পারি না।</p>

<p>এসময় শেখ হাসিনা ঘোষণা করেন, &lsquo;বাংলাদেশের জনগণের নিরাপত্তা, তাদের উন্নত জীবনমান ও অর্থনৈতিক মুক্তি, গণতন্ত্র ও আইনের শাসন, সকলের সমানাধিকার এবং আওয়ামী লীগের তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও আগামী দিনের সাফল্য নিশ্চিত করে, তার পরেই আমি অবসর নেব।&rsquo;&nbsp;</p>

<p>পরবর্তী নেতৃত্ব সেক্ষেত্রে কার হাতে যাবে? এ প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা, &lsquo;নেতৃত্ব কার হাতে যাবে, সেটি কোনও ব্যক্তিগত উত্তরাধিকার নয়। আওয়ামী লীগ কারও পারিবারিক সম্পত্তি নয়, একটি গণতান্ত্রিক দল। কাউন্সিল (সম্মেলন)-এর মাধ্যমে, কর্মীদের মতামতের ভিত্তিতে, যোগ্যতা, ত্যাগ, সাহস ও আদর্শিক দৃঢ়তার ভিত্তিতে নেতৃত্ব নির্বাচিত হবে।&rsquo;</p>

<p>নেতৃত্ব কোনও অলঙ্কার নয় জানিয়ে মুজিব-কন্যা বলেন, নেতৃত্ব একটি পবিত্র দায়িত্ব। যারা দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না, যারা কর্মীদের পাশে দাঁড়াতে পারবেন না, যারা কঠিন সময়ে সংগঠনকে ধরে রাখতে পারবেন না, তাদের বিষয়ে দলীয় কাঠামোর মধ্যেই সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। আবার এটাও মনে রাখতে হবে, আমাদের অনেক প্রবীণ নেতা সারা জীবন দলকে দিয়েছেন, জেল খেটেছেন, নির্যাতন সহ্য করেছেন। তাদের অবদান কখনও অস্বীকার করা যাবে না। তাদের অভিজ্ঞতা আমাদের সম্পদ।</p>

<p>আপাতত নেতৃত্বে বড়সড় বদলের সম্ভাবনা নেই ইঙ্গিত দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, &lsquo;দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরিয়ে এনে নতুন কাউন্সিল (সম্মেলন)-এর মাধ্যমে দলকে সুসংগঠিত করা হবে। নতুন প্রজন্মের মেধাবী, দেশপ্রেমিক ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী তরুণদের নেতৃত্বে নিয়ে আসা হবে। সেই পরিকল্পনা ইতোমধ্যেই করা হয়েছে।&rsquo;&nbsp;</p>

<p>তিনি বলেন, &lsquo;তরুণ নেতৃত্বের বিষয়ে আমি সর্বদাই উৎসাহী। আমাদের অনেক তরুণ নেতারা আজ নিজ নিজ অবস্থান থেকে, রাষ্ট্রযন্ত্রের সকল জুলুম-অত্যাচার-নির্যাতন মোকাবিলা করে দৃঢ়তার সঙ্গে আওয়ামী লীগের পতাকা ধরে রেখেছেন। এরাই আমাদের ভবিষ্যৎ।&rsquo;</p>

<p>একান্ত সাক্ষাৎকারে সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে প্রশ্ন করা হয়, &lsquo;আপনি সম্প্রতি ঘোষণা করেছেন, মাথা উঁচু করে খুব দ্রুত আপনি বাংলাদেশের মাটিতে ফিরবেন। বর্তমান প্রতিকূল পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে আপনার ও আওয়ামী লীগের অন্য নেতাকর্মীদের প্রত্যাবর্তন ও রাজনীতি শুরু করাটা কতটা বাস্তবসম্মত?&rsquo;</p>

<p>এ প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, &lsquo;পাকিস্তানি শাসকরা পারেনি, সামরিক শাসকেরা পারেনি, খুনিরা পারেনি, ষড়যন্ত্রকারীরা পারেনি, আজকের বিএনপি সরকারও আওয়ামী লীগকে মুছে ফেলতে পারবে না। আমার প্রত্যাবর্তন শুধু ব্যক্তিগত বিষয় তো নয়। এটি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অধিকার পুনরুদ্ধারের সঙ্গে যুক্ত।&rsquo; তার সংযোজন, &lsquo;</p>

<p>জনগণ বুঝতে পেরেছেন আওয়ামী লীগই তাদের একমাত্র নিরাপদ আশ্রয় উল্লেখ করে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই জনগণের শক্তিতে বলীয়ান হয়েই আমি ফিরব। গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার গর্ব নিয়ে ফিরব, দেশ পুনর্গঠনের দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে ফিরবো।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/06092026_news0401_sheikh_hasina.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নর্থ ক্যারলিনার স্টেট সিনেটর হলেন আরেক বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আমেরিকান]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/28690</link>
    <pubDate>Tue, 09 Jun 2026 19:07:49 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/28690</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/06092026_news0301_haseeb_fatmi.jpg" />    <p>নর্থ ক্যারোলাইনা, যুক্তরাষ্ট্র: যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতি ও প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ে আরও এক বাংলাদেশি বংশোদ্ভূতের নাম যুক্ত হলো। বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আমেরিকান আইনজীবী হাসিব ফাতমী (৩৮) নর্থ ক্যারোলাইনা অঙ্গরাজ্যের সিনেট ডিস্ট্রিক্ট-১৮-এর স্টেট সিনেটর হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছেন। গত ২১ মে সিনেটর টেরেস ইভারিট পদত্যাগ করায় অঙ্গরাজ্যের ডেমোক্র্যাটিক পার্টির নীতিনির্ধারকরা তাকে চলতি বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন সিনেটর হিসেবে মনোনীত করেন। সম্প্রতি তিনি শপথ গ্রহণ করেছেন।</p>

<p>এর আগে হাসিব ফাতমী নর্থ ক্যারোলাইনার ওয়েক ফরেস্ট টাউনের কমিশনার হিসেবে নির্বাচিত হন। আগামী ৩ নভেম্বর অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে তিনি একই আসনে স্টেট সিনেটর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনের আগে অন্তর্বর্তীকালীন সিনেটর হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ায় তার বিজয়ের সম্ভাবনা আরও জোরালো হয়েছে। মনোনয়ন পাওয়ার পর এক নির্বাচনী সমাবেশে হাসিব ফাতমী বলেন, &ldquo;মাত্র কয়েক মাস আগে আমি ওয়েক ফরেস্ট টাউন কমিশনার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছি। দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে এলাকাবাসী ও অঙ্গরাজ্যের রাজনৈতিক নেতৃত্বের আস্থা অর্জন করতে পেরেছি। এই মনোনয়ন সেই আস্থারই প্রতিফলন। আমি এলাকার মানুষের কল্যাণে আরও আন্তরিকভাবে কাজ করতে চাই।&rdquo;</p>

<p>তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী নভেম্বরের নির্বাচনে নর্থ ক্যারোলাইনার রাজধানী র&zwnj;্যালি সিটিসহ সংশ্লিষ্ট এলাকার ভোটাররা তাকে পূর্ণ মেয়াদের জন্য নির্বাচিত করবেন।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/06092026_news0301_haseeb_fatmi.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[লালন সাঁইজির গান নিয়ে নিউ ইয়র্কে ‘মাটির গান’-এর ‘সাধুমেলা’]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/28689</link>
    <pubDate>Tue, 09 Jun 2026 18:59:33 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/28689</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/06092026_news0201_shadhu_mela_ny.jpeg" />    <p><em><strong>হুমায়ূন কবীর ঢালী, নিউ ইয়র্ক: </strong></em>বাংলার সমৃদ্ধ লোক-ঐতিহ্য, মরমি বাউল দর্শন এবং মানবতার চিরন্তন বাণীকে প্রবাসের মাটিতে ধারণ ও লালনের প্রত্যয়ে নিউ ইয়র্কে আত্মপ্রকাশ করেছে নতুন সাংস্কৃতিক সংগঠন &#39;মাটির গান&#39;। সহজ মানুষ সাঁইজির জীবনদর্শন, গান, মানবতাবাদ এবং অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে প্রবাসী বাঙালি সমাজ, বিশেষ করে নতুন প্রজন্মের কাছে ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে সংগঠনটি নিয়মিতভাবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আলোচনা সভা, কর্মশালা ও সঙ্গীতানুষ্ঠানের আয়োজন করবে।</p>

<p>সেই মহতী লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে গত ৭ জুন, রবিবার নিউ ইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসের নবান্ন পার্টি হলে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল &#39;মাটির গান&#39;-এর প্রথম সার্থক ও বর্ণাঢ্য আয়োজন &lsquo;সাধুমেলা&rsquo;। বাংলাদেশ থেকে ভিডিও বার্তায় সাধুমেলার উদ্বোধন ঘোষণা করেন লালন সাঁইজির মাজারের প্রধান খাদেম মোহাম্মদ আলী ও দেশবরেণ্য লোক সংগীত শিল্পী দিল আফরোজ রেবা।&nbsp;লালন সাঁইজির প্রতিকৃতিতে প্রদীপ প্রজ্বলনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু করেন বিশিষ্ট তবলাবাদক দেবী চৌধুরী এবং &#39;মাটির গান&#39;-এর প্রতিষ্ঠাতা ও বিশিষ্ট বাউল শিল্পী শাহীন হোসেন।&nbsp;</p>

<p><img alt="" src="https://khabor.com/upload/images/news/06092026_news0202_shadhu_mela_ny.jpeg" style="width: 899px; height: 502px;" /></p>

<p>বাউল শিল্পী শাহীন হোসেনের আন্তরিক উদ্যোগ ও দক্ষ নির্দেশনায় সংগঠনের একঝাঁক প্রতিভাবান শিল্পী লালন সঙ্গীতের একক ও দলীয় গান পরিবেশন করেন। সাঁইজির আধ্যাত্মিক ভাবধারা ও সুরের মূর্ছনায় অনুষ্ঠানস্থল এক অলৌকিক ও ভাবগম্ভীর পরিবেশে রূপ নেয়, যা উপস্থিত সুররসিক শ্রোতাদের গভীরভাবে মুগ্ধ ও আলোড়িত করে। &#39;মাটির গান&#39;-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, লালনের দর্শন কেবল সাধারণ কোনো সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য নয়; এটি মানুষের ভেদাভেদ, জাতি-ধর্ম-বর্ণের প্রাচীর ভুলে পরম মানবতার বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার এক অনন্য ও সর্বজনীন আহ্বান। সেই উদার চেতনাকে বুকে ধারণ করেই সংগঠনটি নিউ ইয়র্কের বুকে নিয়মিত লালনচর্চা ও বাংলার আবহমান লোকসংস্কৃতির বিকাশে নিরলসভাবে কাজ করে যাবে।</p>

<p>&quot;মানুষ ভজলে সোনার মানুষ হবি&quot;&mdash; সাঁইজির এই মহান মর্মবাণীকে হৃদয়ে ধারণ করে &#39;মাটির গান&#39; প্রবাসের যান্ত্রিক জীবনের ব্যস্ততার মাঝেও বাংলার মাটি, মানুষ ও শেকড়ের সংস্কৃতির এক অপূর্ব সেতুবন্ধন রচনায় দৃঢ় অঙ্গীকারাবদ্ধ। নিউ ইয়র্কের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে &#39;মাটির গান&#39;-এর এই যাত্রা বাংলার লোক-ঐতিহ্যকে বিশ্বদরবারে আরও গৌরবান্বিত করবে বলে উপস্থিত সুধীজন আশা ব্যক্ত করেন।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/06092026_news0201_shadhu_mela_ny.jpeg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ সম্প্রচার করবে বিটিভি]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/28688</link>
    <pubDate>Tue, 09 Jun 2026 18:42:47 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/28688</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/06092026_news0101_fifa_world_cup_2026.jpg" />    <p>ঢাকা : সরকার ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ সম্প্রচারের জন্য বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি)-এর মাধ্যমে কয়েকটি অংশীদার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যৌথভাবে সম্প্রচারের ব্যবস্থা করেছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। আজ এক বিবৃতিতে মন্ত্রী জানান, সম্প্রচার-সংক্রান্ত এই ব্যবস্থার বিষয়ে শিগগিরই গণমাধ্যমকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে। তিনি বলেন, &lsquo;অত্যন্ত আনন্দের সাথে দেশবাসীকে জানাচ্ছি যে, বিটিভি অন্য কিছু অংশীদারকে সাথে নিয়ে বিশ্বকাপ ২০২৬ সম্প্রচার করবে।&rsquo;</p>

<p>চীনা সরকারের আমন্ত্রণে বর্তমানে সরকারি সফরে চীনে অবস্থানরত মন্ত্রী এ প্রক্রিয়ায় অবদান রাখা গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান এবং মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, &lsquo;আমি সকল গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) এবং আমাদের মন্ত্রণালয়ের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত সব কর্মকর্তাকে ধন্যবাদ জানাতে চাই।&rsquo;</p>

<p>মন্ত্রী আরও বলেন, এই সাফল্য অর্জিত হয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দিক-নির্দেশনায়। একই সঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, জনসাধারণের অর্থ ব্যয় না করেই বিশ্বকাপের সব ম্যাচ সম্প্রচার করা সম্ভব হবে।সম্প্রচারস্বত্ব এবং অংশীদারিত্বের চূড়ান্ত ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে আরও বিস্তারিত তথ্য মন্ত্রণালয় আজই ঘোষণা করবে বলে জানা গেছে।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/06092026_news0101_fifa_world_cup_2026.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ট্রাম্পের আরোপ করা ১ লাখ ডলারের এইচ-১বি ভিসা ফি অবৈধ ঘোষণা মার্কিন আদালতের]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/28687</link>
    <pubDate>Tue, 09 Jun 2026 10:04:12 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/28687</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/668-2.jpg" />    <article>
<p>যুক্তরাষ্ট্রে এইচ-১বি ভিসার আবেদন ফি এক লাখ ডলার করার যে নীতি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন নিয়েছিল, তা অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করেছেন দেশটির একটি ফেডারেল আদালত। আদালত স্পষ্ট জানিয়েছেন, এই বিপুল অঙ্কের ফি মূলত একটি &lsquo;কর&rsquo;, যা মার্কিন কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া প্রেসিডেন্ট নিজের ক্ষমতাবলে চাপিয়ে দিতে পারেন না।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>ম্যাসাচুসেটসের ফেডারেল জেলা আদালতের বিচারক লিও টি. সোরোকিন গত সোমবার (৮ জুন) এই রায় দেন। রায়ে ট্রাম্প প্রশাসনের নীতিটি সম্পূর্ণ বাতিল করে তিনি বলেন, মার্কিন সংবিধান অনুযায়ী কর আরোপের একচ্ছত্র অধিকার কেবল কংগ্রেসের। প্রশাসন আইনি মারপ্যাঁচে একে &lsquo;নিয়ন্ত্রক ফি&rsquo; হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করলেও এর পক্ষে কোনো যৌক্তিক বা আইনি ভিত্তি প্রমাণ করতে পারেনি। বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক <a href="https://www.reuters.com/world/trumps-100000-h-1b-visa-fee-is-unlawful-us-judge-rules-2026-06-08/?fbclid=IwY2xjawSUW1dleHRuA2FlbQIxMABicmlkETFhM2RDWFU1N3RwaVZNTnpCc3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHukF5ZwXYVwWgRgQXNS1EUnUQKGtH8hQlHRc6bGFfOIjobzX6g3XCTiN5Qm8_aem_ZmFrZWR1bW15MTZieXRlcw">প্রতিবেদনে</a> এ তথ্য জানিয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>বিচারক সোরোকিন তার পর্যবেক্ষণে উল্লেখ করেন, প্রযুক্তি, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও আর্থিক খাতের মতো গুরুত্বপূর্ণ শিল্পগুলো দীর্ঘদিন ধরে এইচ-১বি ভিসার ওপর নির্ভরশীল। অথচ এই নীতিটি চূড়ান্ত করার আগে কোনো ধরনের জনমত যাচাই বা অংশীজনদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক পরামর্শ করা হয়নি, যা একেবারেই নিয়মবহির্ভূত।</p>

<p>ট্রাম্প প্রশাসনের অবশ্য দাবি ছিল ভিন্ন। তাদের মতে, কম বেতনে বিদেশি কর্মী নেওয়ার ফলে মার্কিন নাগরিকরা কর্মসংস্থান হারাচ্ছেন।</p>
</article>

<article>১ লাখ ডলারের এই ফি কার্যকর হলে প্রতিষ্ঠানগুলো বিদেশি কর্মী না খুঁজে উচ্চ বেতনে মার্কিন নাগরিকদের নিয়োগ দিতে উৎসাহিত হবে।
<p>&nbsp;</p>

<p>এই নীতি চালুর পর গত ডিসেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের ২০টি অঙ্গরাজ্যের একটি জোট এর বিরুদ্ধে যৌথভাবে আদালতে মামলা করে। তাদের যুক্তি ছিল, এই নিয়ম কার্যকর হলে ছোট ব্যবসা ও অলাভজনক প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষে দক্ষ বিদেশি কর্মী নিয়োগ করা অসম্ভব হয়ে পড়বে। এর ফলে চিকিৎসক, শিক্ষক ও গবেষকদের তীব্র সংকট তৈরি হবে।</p>

<p>রায়ের পর সন্তোষ প্রকাশ করে নিউইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল লেটিশিয়া জেমস এক বিবৃতিতে বলেন, &lsquo;প্রতিদিন হাজার হাজার এইচ-১বি ভিসাধারী চিকিৎসক, শিক্ষক ও দক্ষ পেশাজীবী নিউইয়র্কবাসীকে সেবা দিচ্ছেন।</p>
</article>

<article>আদালতের এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করল।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>তবে আইনি এই লড়াই এখনই থামছে না। কারণ এর আগে ওয়াশিংটনের অন্য এক ফেডারেল বিচারক ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষে রায় দিয়েছিলেন। সেই আদালত বলেছিলেন, অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে প্রেসিডেন্টের বিস্তৃত ক্ষমতা রয়েছে। ফলে দুই আদালতের ভিন্নধর্মী অবস্থানের কারণে বিষয়টি শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চ আদালতে (সুপ্রিম কোর্ট) গড়ানোর সম্ভাবনা প্রবল।</p>

<p>ইতিমধ্যেই হোয়াইট হাউস এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করার স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছে। প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র টেইলর রজার্স দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ রক্ষার্থে যেকোনো শ্রেণির বিদেশির প্রবেশ সীমিত করার আইনি ক্ষমতা প্রেসিডেন্টের রয়েছে এবং তারা আপিলে জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/668-2.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[শিশুমৃত্যু ড. ইউনূসসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা খারিজ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28686</link>
    <pubDate>Tue, 09 Jun 2026 10:03:36 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28686</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/924-1.jpg" />    <article>
<p>হামে শিশুমৃত্যুর ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলা এবং বর্তমান সরকারকে বিব্রত অবস্থায় ফেলার অভিযোগে অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। পরে মামলাটির আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন আদালত।</p>
</article>

<article>আদালতের এ আদেশের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী।
<p>&nbsp;</p>

<p>ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম জসিতা ইসলামের আদালতে গতকাল এ মামলার আবেদন করেন কিশোরগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য মজিবুর রহমান ইকবাল। আদালত বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করে আদেশ অপেক্ষমাণ রাখেন। পরে মামলাটির আবেদন খারিজ করে দেন।</p>
</article>

<article>মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী রফিকুল ইসলাম জানান, আদালত বলেছেন আসামিরা সরকারের অংশ ছিলেন। মামলায় বাদীর আনীত ধারা আসামিদের ওপর প্রযোজ্য নয় বিধায় তিনি মামলাটি খারিজ করে দেন। তিনি আরো জানান, আদালতের এ আদেশের বিরুদ্ধে তারা উচ্চ আদালতে যাবেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>মামলার বাদী শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল সাংবাদিকদের বলেন, আমার নির্বাচনি এলাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অনেক শিশু হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে।</p>
</article>

<article>এটি কোনো ব্যক্তিগত উদ্দেশ্যে করা মামলা নয়। একজন সংসদ সদস্য হিসেবে জনগণের স্বার্থে বিষয়টি আদালতের সামনে তুলে ধরা আমার দায়িত্ব। যাদের অবহেলায় শিশুদের মৃত্যু হয়েছে, তাদের আইনের আওতায় আনা উচিত বলে আমি মনে করি।
<p>&nbsp;</p>

<p>মামলায় আরো যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে তারা হলেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব মো. সাইদুর রহমান, সাবেক প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. মুহাম্মদ সায়েদুর রহমান এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. আবু জাফর। মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা উচ্চশিক্ষিত ও নোবেল বিজয়ী হলেও তার দায়িত্বে চরম অবহেলা ও উদ্দেশ্যমূলক কর্মকাণ্ডের কারণে এ দেশের শত শত শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং হাজার হাজার শিশুর জীবন বিপন্ন হয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>আবেদনে বলা হয়, এ ঘটনা হত্যাকাণ্ডের শামিল। মামলার অন্যান্য আসামি তৎকালীন সরকারের স্বাস্থ্য বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে দায়িত্বে অবহেলা করে এবং উদ্দেশ্যমূলকভাবে হামের ভ্যাকসিন যথাসময়ে আমদানি না করে শাস্তিযোগ্য ও অমানবিক অপরাধ করেছেন। এতে রাষ্ট্রের নাগরিকদের সঙ্গে প্রতারণা এবং তাদের মৌলিক অধিকার হরণের মতো ঘটনা ঘটেছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।</p>

<p>আবেদনে আরো বলা হয়, বাংলাদেশসহ বিশ্বের প্রায় সব দেশেই শিশুদের বিভিন্ন সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে সরকারিভাবে টিকা দেওয়া হয়। এর মধ্যে হাম-রুবেলা টিকা অন্যতম। দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত এই টিকা প্রদানের ফলে বিশ্বব্যাপী হাম ও রুবেলায় মৃত্যুর হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এসেছে। বাংলাদেশ সরকার শুরু থেকেই ইউনিসেফের মাধ্যমে হাম-রুবেলাসহ বিভিন্ন টিকা আমদানি করে আসছিল। কিন্তু ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর ইউনিসেফের মাধ্যমে হাম-রুবেলা টিকা আমদানি বন্ধ করে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে টিকা সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হলেও সেই প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় টিকা সংকট তৈরি হয়।</p>

<p>আবেদনে দাবি করা হয়, ইউনিসেফের বাংলাদেশ প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স ২০ মে প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে জানান, হাম-রুবেলা টিকার সম্ভাব্য সংকট নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের স্বাস্থ্য বিভাগকে একাধিকবার সতর্ক করা হয়েছিল। এ ছাড়া টিকা আমদানির বিদ্যমান ব্যবস্থা বন্ধ না করার অনুরোধও জানানো হয়েছিল। বিষয়টি নিয়ে একাধিক বৈঠকেও সতর্কবার্তা দেওয়া হলেও সংশ্লিষ্টরা তা আমলে নেননি বলে অভিযোগ করা হয়। এর ফলে দেশে বিপুলসংখ্যক শিশু নির্ধারিত সময়ে হাম-রুবেলা টিকা থেকে বঞ্চিত হয় এবং হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়।</p>

<p>আবেদনে বলা হয়, গত ১৫ মার্চ থেকে ৪ জুন পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ৭৫ হাজার ৭০৮ জন শিশু হামে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছে। সরকারি হিসাবে এ সময় প্রায় ৬১০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।</p>

<p>আবেদনে আরো বলা হয়, হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীদের বাইরে দেশের বিভিন্ন এলাকায় আরো বহু শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, যাদের একটি বড় অংশ সরকারি পরিসংখ্যানে অন্তর্ভুক্ত হয়নি। এজন্য শিশুদের জীবন বিপন্ন হওয়ার ঘটনায় আসামিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার আবেদন জানানো হয়।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/924-1.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বৈশ্বিক পর্যায়ে সহযোগিতা জোরদারে আগ্রহী বাংলাদেশ ও রাশিয়া]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28685</link>
    <pubDate>Tue, 09 Jun 2026 10:02:57 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28685</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/978-88.jpg" />    <article>
<p>জ্বালানি, বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং শিক্ষার ক্ষেত্রে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদার করার বিষয়ে প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশ ও রাশিয়া।</p>

<p>আজ সোমবার মস্কোতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান ও রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভের মধ্যে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হয়।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৈঠকে ড. খলিলুর রহমান ও লাভরভ সমসাময়িক আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিষয়াদি নিয়ে মতবিনিময় করেন।</p>

<p>জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ (ইউএনজিএ)&rsquo;র ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর এটিই ড. খলিলুর রহমানের প্রথম দ্বিপক্ষীয় বিদেশ সফর। পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভের আমন্ত্রণে তিন দিনের সরকারি সফরে তিনি রাশিয়া যান।&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/national/2026/06/08/1694805" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>লাভরভ ইউএনজিএ সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় তাকে অভিনন্দন জানান এবং জাতিসংঘকে আরো কার্যকর ও বৈশ্বিক বিষয়াদিতে জাতিসংঘের কেন্দ্রীয় ভূমিকা সুদৃঢ় করার ক্ষেত্রে তার প্রচেষ্টায় রাশিয়ার পূর্ণ সমর্থনের আশ্বাস দেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>লাভরভ বলেন, আমরা জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের বাস্তবমুখী ফলাফলের অপেক্ষায় আছি। এই মর্যাদাপূর্ণ দায়িত্ব গ্রহণের প্রস্তুতিতে রাশিয়া ড. খলিলুর রহমানের পাশে থাকবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।</p>

<p>&lsquo;উভয় দেশই দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার সুসম্পর্ক বজায় রেখে আসছে&rsquo; উল্লেখ করে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, আগামী বছরের জানুয়ারিতে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ৫৫তম বার্ষিকী বাণিজ্য, অর্থনীতি, সংস্কৃতি এবং সামরিক ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতায় সুনির্দিষ্ট বিভিন্ন উদ্যোগের মাধ্যমে উদযাপিত হবে।</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/national/2026/06/08/1694824" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>লাভরভ আরো বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে আমাদের দুই দেশের মধ্যে স্থিতিশীলভাবে রাজনৈতিক সংলাপ বিকশিত হচ্ছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/978-88.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বাংলাদেশের জন্য ফের উন্মুক্ত হচ্ছে মরিশাসের শ্রমবাজার]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28684</link>
    <pubDate>Tue, 09 Jun 2026 10:01:48 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28684</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/61-a.jpg" />    <article>
<p>মরিশাসের বন্ধ থাকা শ্রমবাজার বাংলাদেশের জন্য ফের উন্মুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। দেশটির শ্রমমন্ত্রী মুহাম্মদ রেজা কাসাম উতিমের সঙ্গে শ্রম ও কর্মসংস্থান, প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর বৈঠক শেষে এমন তথ্য জানানো হয়েছে।</p>
</article>

<article>শ্রমিক নেওয়ার পাশাপাশি বাংলাদেশের টেক্সটাইল খাতেও মরিশাস বিনিয়োগে আগ্রহী বলে জানা গেছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>সোমবার (৮ জুন) সকাল সাড়ে ৯টায় জেনেভাস্থ জাতিসংঘের কার্যালয়ের সভাকক্ষে এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ১১৪তম আন্তর্জাতিক শ্রম সম্মেলনে অংশ নিতে মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বর্তমানে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থান করছেন। সেখানে পূর্ব নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।</p>
</article>

<article>বৈঠক শেষে শিগগির স্বারক স্বাক্ষরের বিষয়ে দুই দেশের পক্ষ থেকে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুর রহমান তরফদার, সুইজারল্যান্ডে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ও বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনের প্রতিনিধি নাহিদা সোবহান, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ শামছুল ইসলাম, সিনিয়র সহকারি সচিব মো. মাহবুবুল ইসলাম, বাংলাদেশ মিশনের প্রথম সচিব মো. আমিনুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।</p>

<p>বৈঠকে মরিশাসের শ্রমমন্ত্রী মুহাম্মদ রেজা কাসাম উতিম বলেন, &lsquo;বাংলাদেশ থেকে দক্ষ জনশক্তি নেওয়ার বিষয়ে মরিশাসের আগ্রহ রয়েছে। বিশেষ করে টেক্সটাইল শিল্পের জন্য দক্ষ কর্মী প্রয়োজন।</p>
</article>

<article>&rsquo; এ সময় দেশটির শ্রমবাজার পুনরায় চালুর বিষয়ে সমঝোতা স্মারকের খসড়া বাংলাদেশে শিগগির পাঠানোর আশ্বাস দেন দেশটির শ্রমমন্ত্রী। পাশাপাশি বাংলাদেশের টেক্সটাইল খাতে বিনিয়োগের বিষয়ে মরিশাস সরকারের আগ্রহের কথা জানান।
<p>&nbsp;</p>

<p>মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, &lsquo;বাংলাদেশ থেকে মরিশাসে জনশক্তি প্রেরণের বিষয়ে সমঝোতা স্মারক দ্রুত স্বাক্ষর করার বিষয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য মরিশাস সরকারকে অনুরোধ করেছি।</p>

<p>তিনি আরো বলেন, &lsquo;টেক্সটাইল শিল্প ছাড়াও অন্যান্য পেশা যেমন- চিকিৎসক, প্রকৌশলী, নার্স, অ্যাকাউন্টেন্ট ইত্যাদি দক্ষ জনশক্তি প্রেরণে বাংলাদেশ সরকারের আগ্রহের কথাও জানিয়েছে।&rsquo; এ সময় তিনি মরিশাসের শ্রম মন্ত্রীকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>এর আগে শুরুতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে মরিশাস সরকাকে শুভেচ্ছা জানান আরিফুল হক চৌধুরী।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/61-a.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[অপচয়ের বিরুদ্ধে যুদ্ধে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28683</link>
    <pubDate>Tue, 09 Jun 2026 09:59:56 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28683</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1100-77.jpg" />    <article>
<p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অপচয় ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে যুদ্ধে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। মাত্র তিন মাসের মধ্যে তিনি দুর্নীতি ও অপচয় বন্ধ করে কীভাবে দেশকে সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায় তার পথ দেখাচ্ছেন।</p>
</article>

<article>তার কয়েকটি পদক্ষেপ জনগণের কাছে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছে। সর্বশেষ উদাহরণ হলো, সরকারি অর্থের অপচয় না করে ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবল টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচারের ব্যবস্থা। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিচক্ষণতা ও দূরদর্শিতার কারণে এক দিকে যেমন টি স্পোর্টস, বিটিভি ও সময় টিভি বিশ্বকাপের খেলাগুলো সরাসরি সম্প্রচার করবে। তেমন রাষ্ট্রের প্রায় দেড় শ কোটি টাকা সাশ্রয় হবে।</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>সিঙ্গাপুরের মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠান &lsquo;স্প্রিংবক প্রাইভেট লিমিটেড&rsquo; শুরুতে ফিফার কাছ থেকে এ সম্প্রচারস্বত্ব কিনে নিয়েছিল। তারা বাংলাদেশের টিভি চ্যানেলগুলোর কাছে ১৫১ কোটি টাকায় বিক্রির প্রস্তাব দেয়। কর, ভ্যাটসহ যার মোট মূল্য দাঁড়াত প্রায় ২০০ কোটি টাকা। চড়া মূল্যের কারণে কোনো চ্যানেল এটি কিনতে রাজি হয়নি।</p>
</article>

<article>এ সময় বাংলাদেশ বিশ্বকাপ দেখাতে পারবে কি না তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। সরকার জনগণের বিপুল অর্থ এভাবে অপচয় না করার সিদ্ধান্ত নেয়। বাংলাদেশ যখন স্প্রিংবকের কাছ থেকে বিশ্বকাপ সম্প্রচার কিনতে অস্বীকৃতি জানিয়ে দেয়, তখন প্রতিষ্ঠানটি বাধ্য হয়ে খেলার স্বত্ব ফিফাকে ফেরত দেয়।
<p>&nbsp;</p>

<p>এরপর প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বাফুফে সভাপতি ও তথ্য মন্ত্রণালয় সরাসরি ফিফার সঙ্গে যোগাযোগ করে এবং গতবারের চেয়েও কম দামে বিশ্বকাপ সম্প্রচার করার স্বত্ব কিনে নেয়। বাংলাদেশের ফুটবল বিশ্বকাপ দেখাতে মোট খরচ হচ্ছে ৭২ কোটি ৭০ লাখ টাকা।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1100-77.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[কৃষি ও পল্লী খাতে ১০ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন স্কিম চালু]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28682</link>
    <pubDate>Tue, 09 Jun 2026 09:58:54 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28682</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1217-66.jpg" />    <article>
<p>দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং গ্রামীণ এলাকায় কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে ১০ হাজার কোটি টাকার একটি আবর্তনযোগ্য (রিভলভিং) পুনঃঅর্থায়ন স্কিম চালু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।</p>

<p>সোমবার (৮ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের কৃষি ঋণ বিভাগ-১ থেকে এ সংক্রান্ত নীতিমালা জারি করে দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>নীতিমালায় বলা হয়েছে, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, গ্রামীণ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দারিদ্র্য বিমোচন ও জীবনমান উন্নয়নে সহায়তা করাই এ তহবিলের মূল উদ্দেশ্য।</p>

<p>বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, পরিবেশগত বিপর্যয় ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় কৃষি খাতের গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। কৃষি ও পল্লী অঞ্চলে আয়বর্ধক কর্মকাণ্ডে অর্থায়নের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতেও এ তহবিল ভূমিকা রাখবে।</p>

<p>নীতিমালা অনুযায়ী, &lsquo;দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে কৃষি ও পল্লী খাতের জন্য পুনঃঅর্থায়ন স্কিম&rsquo; নামে এ তহবিল গঠন করা হয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>স্কিমের আওতায় তহবিলের পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ হাজার কোটি টাকা, যা আবর্তনযোগ্য ভিত্তিতে পরিচালিত হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব তহবিল থেকে অর্থায়ন করা এ স্কিমের মেয়াদ হবে পাঁচ বছর।</p>

<p>বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের কৃষি ঋণ বিভাগ-২ এ স্কিম পরিচালনা করবে। অংশগ্রহণকারী ব্যাংকগুলোকে বার্ষিক ভিত্তিতে বরাদ্দ দেওয়া হবে এবং তারা ওই অর্থ গ্রাহক পর্যায়ে বিতরণ করবে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>বাংলাদেশ ব্যাংক আরো জানিয়েছে, এ স্কিমের আওতায় বিতরণ করা কৃষি ও পল্লী ঋণ বা বিনিয়োগ ব্যাংকগুলো তাদের বার্ষিক কৃষিঋণ বিতরণ লক্ষ্যমাত্রার অংশ হিসেবে গণ্য করতে পারবে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1217-66.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[হরমুজে মার্কিন হামলায় তেলের ট্যাংকারে আগুন, ২৪ ভারতীয় ক্রু উদ্ধার]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28681</link>
    <pubDate>Tue, 09 Jun 2026 09:57:10 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28681</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/785-99.jpg" />    <article>
<p>ওমান উপকূলের কাছে হরমুজ প্রণালির দক্ষিণে মার্কিন হামলায় আগুন লাগা তেলের ট্যাংকার থেকে ২৪ ভারতীয় ক্রুকে অক্ষত উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল সোমবার (৮ জুন) ওমান কর্তৃপক্ষের সহায়তায় তাদের নিরাপদে উদ্ধার করা হয়।</p>
</article>

<article>দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক <a href="https://timesofindia.indiatimes.com/world/middle-east/us-warplane-strikes-disables-oil-tanker-near-oman-crew-of-24-indians-evacuated/articleshow/131592749.cms">প্রতিবেদনে</a> এ তথ্য জানা গেছে।

<p>&nbsp;</p>

<p>গণমাধ্যমটি জানায়, নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইরানের বন্দরের দিকে যাওয়ার অভিযোগে &lsquo;এমটি মারিভেক্স&rsquo; নামের একটি খালি তেলের ট্যাংকারে হামলা চালিয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। মার্কিন যুদ্ধবিমানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর জাহাজটি বিকল হয়ে পড়ে এবং এতে আগুন ধরে যায়।</p>

<p>মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, পালাউয়ের পতাকাবাহী এমটি মারিভেক্স জাহাজটি আন্তর্জাতিক জলসীমা দিয়ে ইরানের দিকে যাচ্ছিল।</p>
</article>

<article>মার্কিন নৌবাহিনীর নিষেধাজ্ঞা অমান্য করা এবং দিকনির্দেশনা না মানায় বিমানবাহী রণতরী &lsquo;ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন&rsquo; থেকে একটি এফ/এ-১৮ সুপার হর্নেট যুদ্ধবিমান জাহাজটি লক্ষ্য করে নিখুঁতভাবে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। ক্ষেপণাস্ত্রটি জাহাজের ইঞ্জিন ও স্টিয়ারিং রুমে আঘাত হানে, যার ফলে জাহাজটি বিকল হয়ে পড়ে।
<p>&nbsp;</p>

<p>মার্কিন সামরিক বাহিনীর দাবি, জাহাজটি ইরানের ওপর চলমান অবরোধ লঙ্ঘন করার চেষ্টা করছিল।</p>

<p>এদিকে, ভারত সরকারের পক্ষ থেকে মার্কিন হামলার বিষয়টি সরাসরি উল্লেখ না করা হলেও জানানো হয়েছে যে, জাহাজে থাকা ২৪ জন ভারতীয় নাবিককে ওমান কর্তৃপক্ষের দ্রুত সহায়তায় সম্পূর্ণ নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।</p>
</article>

<article>মাস্কাটে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস এই উদ্ধার অভিযানের জন্য ওমান সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>ভারতের নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, আক্রান্ত জাহাজটি ভারতের মালিকানাধীন নয় এবং এটি মার্কিন প্রশাসনের (ওএফএসি) কালো তালিকাভুক্ত ছিল।</p>

<p>সূত্রমতে, জাহাজটি গত কয়েক দিন ধরে মার্কিন নৌবাহিনীর সতর্কতা এড়ানোর জন্য একাধিকবার চেষ্টা চালিয়েছিল। ট্র্যাকিং সিগন্যাল বা লোকেশন ডিভাইস বন্ধ করে ওমানের জলসীমা ব্যবহার করে জাহাজটি অবরোধ ভেঙে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করার সময় এই হামলার শিকার হয়।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/785-99.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[উত্তেজনার মধ্যেও ইরান-যুক্তরাষ্ট্র বার্তা আদান-প্রদান চলছে]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28680</link>
    <pubDate>Tue, 09 Jun 2026 09:56:30 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28680</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1318-55.jpg" />    <article>
<p><a href="https://www.bbc.com/news/live/clyengg72pgt?post=asset%3A985e3d15-da57-4b5e-b0a7-c549df68ef36#post">ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছেন</a>, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বার্তা আদান-প্রদান এখনো বন্ধ হয়নি। তবে এই যোগাযোগ সাম্প্রতিক দিনগুলোতেও চলেছে কি না, সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট কিছু বলেননি।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে বাঘাই জানান, দুই দিন আগে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভির তেহরান সফরের অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল দুই পক্ষের আলোচনা অব্যাহত রাখতে সহায়তা করা এবং মধ্যস্থতা-সংক্রান্ত বিষয়গুলো এগিয়ে নেওয়া।</p>

<p>পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নাকভি পাকিস্তানি নেতৃত্বের পক্ষ থেকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির কাছে একটি লিখিত বার্তা পৌঁছে দিয়েছেন।</p>

<p>গত ১ জুন থেকে আইআরজিসি-ঘনিষ্ঠ কয়েকটি ইরানি গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছিল, লেবাননে ইসরায়েলি হামলার প্রতিবাদে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করতে পারে।</p>
</article>

<article>তবে বাঘাইয়ের বক্তব্যে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে যে, যোগাযোগের পথ এখনো খোলা রয়েছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>জানা গেছে, ৮ এপ্রিলের যুদ্ধবিরতির পর একটি সম্ভাব্য সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে বার্তা আদান-প্রদান চলছে। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় গত ১১ ও ১২ এপ্রিল ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের মধ্যে এক দফা সরাসরি বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়েছিল।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1318-55.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ট্রাম্পের আহ্বানে হামলা বন্ধে রাজি ইরান-ইসরায়েল]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28679</link>
    <pubDate>Tue, 09 Jun 2026 09:55:44 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28679</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1384-44.jpg" />    <article>
<p>ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান সমাপ্তির ঘোষণা দিয়েছে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী। সোমবার (৮ জুন) ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা ফার্স নিউজের বরাত দিয়ে এতথ্য জানিয়েছে <strong><a href="https://www.reuters.com/world/iran-war-live-israel-iran-strike-each-other-first-time-since-ceasefire-2026-06-08/?fbclid=IwY2xjawSTohtleHRuA2FlbQIxMABicmlkETF1R29sTTBuN040NThlTFBWc3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHgj486YJOPbB5-3FBFhEXgBrW-tY_6-Yrdr2eqdF1ZbICR_ZFQNviJDCK8Om_aem_BsCuWWI4nbWv0kh7yulVAA">রয়টার্স</a></strong>।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>রয়টার্সের প্রতিবেদন বলা হয়, ইসরায়েল লেবাননের ওপর হামলা অব্যাহত রাখলে আরো কঠোর হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান। কিন্তু ইসরায়েল লেবাননের ওপর হামলা অব্যাহত রাখলে তারা হামলা পুনরায় হামলার শুরু করার হুমকিও দিয়েছে।</p>

<p>এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোশ্যাল প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে ইরান ও ইসরায়েলকে সব ধরনের হামলা বন্ধ করতে আহ্বান জানান।</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/06/08/1694775" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>তবে হামলা বন্ধের আগে ইসরায়েলে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ফোনালাপ হয়েছে ট্রাম্পের বলে জানিয়েছেন একজন ইসরায়েলি কর্মকর্তা।</p>
</article>

<article>তার পরই ইসরায়েলি কর্মকর্তা চ্যানেল টুয়েলভকে জানিয়েছে, ট্রাম্পের অনুরোধে ইসরায়েল ইরানের ওপর হামলা স্থগিত করেছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>ওই কর্মকর্তা আরো বলেন, &lsquo;ইসরায়েলি শহরগুলোতে হিজবুল্লাহর হামলা অব্যাহত থাকলে, ইসরায়েলও বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলীয় উপশহরগুলোতে হামলা চালাবে।&rsquo;</p>

<p>গত রবিবার গভীর রাতে তেহরান ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়, পাল্টা জবাবে ইসরায়েল ইরানের ওপর হামলা চালিয়েছে। ইরান জানিয়েছিল, বৈরুতের উপকণ্ঠে ইসরায়েলি হামলার প্রতিশোধ হিসেবে তারা এই হামলা চালিয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/06/08/1694762" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>এদিকে লেবানন বলছে, যুদ্ধবিরতি চলাকালে ইসরায়েল প্রায় ৩৫০০ বার হামলা চালিয়েছে বৈরুতে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1384-44.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ফিলিপাইনে ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৩৫, বাস্তুচ্যুত হাজারো পরিবার]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28678</link>
    <pubDate>Tue, 09 Jun 2026 09:54:48 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28678</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1467-33.jpg" />    <article>
<p>দক্ষিণ ফিলিপাইনের মিন্দানাও দ্বীপের উপকূলে ৭.৮ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে অন্তত ৩৫ জনে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া আহত হয়েছেন কমপক্ষে ১৩৪ জন।</p>
</article>

<article>অপরদিকে এ ভূমিকম্পে প্রায় ১০ হাজার পরিবার বাস্তুচ্যুত হয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির কর্মকর্তারা।
<p>&nbsp;</p>

<p>সোমবার স্থানীয় সময় সকাল ৭টা ৩৭ মিনিটে (রবিবার ২৩:৩৭ জিএমটি) ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। এর পরপরই ফিলিপাইন, ইন্দোনেশিয়া, জাপান ও অস্ট্রেলিয়ায় সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়। কয়েক ঘণ্টা পর এসব সতর্কবার্তা প্রত্যাহার করা হয়।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/06/09/1695041" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>ভূমিকম্পের পর প্রকাশিত ভিডিও ও ছবিতে বিভিন্ন ভবন ধসে পড়ার দৃশ্য দেখা গেছে। একটি জোলিবি ফাস্টফুড রেস্তোরাঁ সম্পূর্ণ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়ার ঘটনাও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। পাশাপাশি কয়েকটি এলাকায় ভূমিধসের খবর পাওয়া গেছে।</p>

<p>ফিলিপাইনের সিভিল ডিফেন্স অফিসের সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, নিহতদের মধ্যে ৩১ জন সোকসারগেন অঞ্চলের এবং চারজন দাভাও অঞ্চলের বাসিন্দা।</p>
</article>

<article>এর আগে কর্তৃপক্ষ ৩২ জনের মৃত্যুর খবর জানিয়েছিল এবং ১২ জন নিখোঁজ থাকার কথা বলেছিল।
<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/06/09/1695040" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>মিন্দানাও ফিলিপাইনের দ্বিতীয় বৃহত্তম দ্বীপ, যেখানে প্রায় ২ কোটি ৬০ লাখ মানুষের বসবাস। তবে হতাহতদের প্রকৃত সংখ্যা এখনও জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা যাচাই করছে এবং আগামী কয়েকদিনের মধ্যে আনুষ্ঠানিক হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করা হতে পারে।</p>

<p>ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট ফের্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়র এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, বিভিন্ন সরকারি সংস্থা সমন্বিতভাবে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে।</p>

<p>তিনি বলেন, জাতীয় সরকার দ্রুত পদক্ষেপ নিচ্ছে এবং আমরা মিন্দানাওকে একা ফেলে রাখব না।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1467-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নেইমারকে নিয়ে সুখবর দিল ব্রাজিল]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/28677</link>
    <pubDate>Tue, 09 Jun 2026 09:53:50 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/28677</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1509-22.jpg" />    <article>
<p>বিশ্বকাপের মহাযজ্ঞ শুরু হতে বাকি আর মাত্র দুই দিন। ঠিক এমন মাহেন্দ্রক্ষণে এসে স্বস্তির সুবাতাস বইছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল শিবিরে।</p>
</article>

<article>সেলেসাও ভক্তদের জন্য পরম কাঙ্ক্ষিত সেই সুখবরটি এসেছে দলের প্রাণভোমরা নেইমার জুনিয়রকে ঘিরে। তারকা এই ফরোয়ার্ডের সর্বশেষ মেডিকেল রিপোর্ট নিয়ে ইতিবাচক বার্তা দিয়েছে ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশন (সিবিএফ)। সংস্থাটি নিশ্চিত করেছে, চোট কাটিয়ে চেনা ছন্দে ফেরার লড়াইয়ে &lsquo;প্রত্যাশিত অগ্রগতি&rsquo; দেখাচ্ছেন এই পোস্টার বয়।
<p>&nbsp;</p>

<p>গত মাসে স্ক্যান রিপোর্টে বড়সড় ধাক্কা খেয়েছিল ব্রাজিল।</p>
</article>

<article>নেইমারের পায়ের পেশিতে (ক্যাফ) গ্রেড-২ স্তরের মাংসপেশি ছিঁড়ে যাওয়ার (মাসল টিয়ার) সমস্যা ধরা পড়েছিল। প্রাথমিক পূর্বাভাসে বলা হয়েছিল, অন্তত দুই থেকে তিন সপ্তাহ মাঠের বাইরে কাটাতে হবে তাকে। ফলে কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছিল সমর্থকদের।
<p>&nbsp;</p>

<p>তবে সোমবার (৮ জুন) নতুন করে করানো এমআরআই স্ক্যান রিপোর্টে স্বস্তির আলো দেখছেন চিকিৎসকরা।</p>
</article>

<article>নেইমারের পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার উন্নতিতে সন্তুষ্ট তারা। এক সংক্ষিপ্ত বিবৃতিতে সিবিএফ জানিয়েছে, &lsquo;পরীক্ষায় তার চিকিৎসা প্রক্রিয়ায় প্রত্যাশিত মান অনুযায়ী ভালো উন্নতি দেখা গেছে। জাতীয় দলের মেডিকেল স্টাফদের বেঁধে দেওয়া পরিকল্পনা মেনেই তার পুনর্বাসন ও শারীরিক প্রস্তুতি কার্যক্রম চলবে।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>ইতোমধ্যেই চোটের খেসারত হিসেবে সেলেসাওদের হয়ে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ মিস করেছেন ব্রাজিলের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা। অবশ্য নেইমারকে ছাড়াও মাঠের পারফরম্যান্সে জয়ের ধারা বজায় রেখেছে ব্রাজিল।</p>
</article>

<article>পানামাকে ৬-২ এবং মিশরকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়েছে সেলেসাওরা।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>তবে আগামী ১৪ জুন মরক্কোর বিপক্ষে বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে এই ফরোয়ার্ডকে শুরুর একাদশে পাওয়া যাবে কি না, তা নিয়ে এখনও কিছুটা ধোঁয়াশা রয়েছে। যদিও আশার বাণী শোনাচ্ছেন দলের চিকিৎসকরা।</p>

<p>সাম্প্রতিক বছরগুলোতে যেন নেইমার ও চোট একে অপরের পরিপূরক হয়ে উঠেছে। ২০২৩ সালের অক্টোবরে উরুগুয়ের বিপক্ষে বাঁ হাঁটুর অ্যান্টেরিয়র ক্রুসিয়েট লিগামেন্ট (এসিএল) ও মেনিস্কাস ছিঁড়ে যাওয়ার সেই দুঃসহ স্মৃতি এখনো ভক্তদের মনে টাটকা।&nbsp;</p>

<p>এরপর সৌদি ক্লাব আল হিলালের জার্সিতেও চোটের ভূত পিছু ছাড়েনি তার। ২০২৫ সালের শুরুতে শৈশবের ক্লাব সান্তোসে ফিরেও ভাগ্যের চাকা ঘোরেনি; ২০২৬ সালেও বেশ কয়েকবার চোট পেয়েছেন তিনি। ৩৪ বছর বয়সী এই তারকার এবারের বিশ্বকাপে খেলা নিয়েই তৈরি হয়েছিল চরম সংশয়। তবে সব শঙ্কা উড়িয়ে শেষ পর্যন্ত তার ওপর আস্থা রেখেছেন সেলেসাওদের নতুন গুরু কার্লো আনচেলত্তি।</p>

<p>ব্রাজিলের জার্সিতে রেকর্ড ১২৮ ম্যাচে ৭৯ গোল করা নেইমারের এটি ক্যারিয়ারের চতুর্থ বিশ্বকাপ।&nbsp;</p>

<p>নতুন কোচ আনচেলত্তির অধীনে আগামী ১৪ জুন মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে হেক্সা মিশনের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করবে সেলেসাওরা। এরপর গ্রুপ পর্বে ২০ জুন হাইতি এবং ২৫ জুন স্কটল্যান্ডের মুখোমুখি হবে লাতিন আমেরিকার পরাশক্তিরা।&nbsp;</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1509-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[সামান্থা নন, সিনেমাটির জন্য প্রথম পছন্দ ছিলেন সাই পল্লবী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/28676</link>
    <pubDate>Tue, 09 Jun 2026 09:52:58 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/28676</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1607-11.jpg" />    <article>
<p>মুক্তির আগেই আলোচনায় থাকা &lsquo;মা ইন্টি বাঙ্গারাম&rsquo; সিনেমা নিয়ে নতুন এক তথ্য প্রকাশ করেছেন অভিনেত্রী ও প্রযোজক সামান্থা রুথ প্রভু।&nbsp;তিনি জানিয়েছেন, ছবিটির নায়িকা হিসেবে শুরুতে তাকে নয়, বরং দক্ষিণী তারকা সাই পল্লবীকেই ভাবা হয়েছিল।</p>
</article>

<article>পরে নানা কারণে গল্পে পরিবর্তন এনে তাকে নিয়ে নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
<p>&nbsp;</p>

<p>সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে ভক্তদের সঙ্গে প্রশ্নোত্তর পর্বে এক ভক্ত জানতে চান, কীভাবে তিনি এই সিনেমার সঙ্গে যুক্ত হলেন।&nbsp;</p>

<p>জবাবে সামান্থা বলেন, &lsquo;আমি সিনেমাটি বেছে নিইনি, বরং সিনেমাটিই আমাকে বেছে নিয়েছে। ট্রালালার মূল লক্ষ্য ছিল নারীপ্রধান গল্প নিয়ে কাজ করা।</p>
</article>

<article>তাই প্রথমে আমরা এই গল্পটি সাই পল্লবীকে প্রস্তাব দিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু তিনি খুব ব্যস্ত ছিলেন এবং সময় দিতে পারেননি। এরপর নির্মাতারা গল্পটি আমার জন্য নতুনভাবে সাজিয়েছেন।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি আরো বলেন, ভবিষ্যতে আরও বেশি অভিনেত্রী যেন নারীপ্রধান গল্পে কাজ করেন, সেই প্রত্যাশা তার রয়েছে।</p>
</article>

<article>একই সঙ্গে তিনি আশা প্রকাশ করেন, একদিন সাই পল্লবীকেও এমন একটি শক্তিশালী নারী-কেন্দ্রিক প্রকল্পে দেখা যাবে।
<p>&nbsp;</p>

<p><img alt="Maa Inti Bangaram (2026) - IMDb" src="https://m.media-amazon.com/images/M/MV5BNjMzZGNkN2YtM2JhMy00OWUwLWFhOWUtZTI1Yzg2ZWUyYWMzXkEyXkFqcGc@._V1_.jpg" /></p>

<p>সামান্থার এই বক্তব্যের জবাবে সাই পল্লবীও সামাজিক মাধ্যমে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে সামান্থার পোস্ট শেয়ার করে তিনি লেখেন, &lsquo;মা ইন্টি বাঙ্গারাম তোমার কাছেই পৌঁছানোর ছিল, প্রিয় সামান্থা। তোমাকে এবং নন্দিনী রেড্ডিকে অনেক ভালোবাসা ও শুভকামনা। আর হ্যাঁ, খুব শিগগিরই।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1607-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বাজেটে গরীবের উপর করের বোঝা চাপাবেন না : সরকারকে বাংলাদেশ ন্যাপ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/Politics/28675</link>
    <pubDate>Tue, 09 Jun 2026 09:25:28 +0600</pubDate>
    <category> politics </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/Politics/28675</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1508-22.jpg" />    <p>অবকাঠামোনির্ভর উন্নয়নের নামে আসন্ন বাজেটে দেশের গরীব মানুষের উপর বোঝা না চাপানোর জন্য সরকারের প্রতি আহবান জানিয়ে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ বলেছেন, &lsquo;গরীবের উপর কর না চাপিয়ে ধনীদের কাছ থেকে কর আদায়ের কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহন করা উচিত সরকারের।<br />
<br />
সোমবার (৮ জুন) দলের প্রচার সম্পাদক গোলাম মোস্তাকিন ভুইয়া স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া এ আহ&Yuml;ান জানান।<br />
<br />
তারা বলেন, &lsquo;যদি ঋণগ্রস্ত কোন অর্থনীতি না চায়, রাষ্ট্র ও সরকারকে অবশ্যই একটা জনবান্ধব অর্থনীতি প্রতিষ্ঠা করতে হবে। যার জন্য প্রয়োজন দেশপ্রেমিক, জাতীয়তাবাদী ও প্রগতিশীল একটি করনীতিমালা। যাতে করে গরীবের উপর করের বোঝা না চাপিয়ে ধনীদের কাছ থেকে কর আদায়ের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠা করতে হবে।&rsquo;<br />
<br />
নেতৃদ্বয় বলেন, &lsquo;দীর্ঘ স্বৈরশাসন পরবর্তী অর্থনৈতিক মন্দা, খাদ্য নিরাপত্তা, কর্মসংস্থান ও নতুন সৃষ্ট দারিদ্র্য উত্তোরণে কৃষক ও শ্রমিক শ্রেণীর জন্য বিশেষ বরাদ্দ দেওয়ার প্রয়োজন। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের মোট বাজেটের ৮ শতাংশ বরাদ্দ প্রদান ও কৃষিকে অগ্রাধিকার খাত হিসেবে বিবেচনা করা, সরকারের খাদ্য মজুদ করার সামর্থ্য বৃদ্ধি করা, অতি দরিদ্র মানুষের জন্য দীর্ঘ মেয়াদী খাদ্য সহায়তা চালু করা, বাজেটে সারের ভর্তুকি কমিয়ে কৃষকদের নগদে ভর্তুকি প্রদান করা, কৃষিপণ্য মূল্য কমিশন গঠন করা, দূর্যোগকালীন সময়ে কৃষি বাজার ও মূল্য ব্যবস্থাপনার জন্য বহু- মন্ত্রণালয়ভিত্তিক সমন্বয় কমিটি গঠন করা সময়ের দাবী।&rsquo;<br />
<br />
তারা আরো বলেন, &lsquo;দেশের সকল দুর্দিনে একমাত্র বিশ্বস্থ্য আশ্বস্থ হওয়ার জায়গা হলো কৃষি। প্রধানমন্ত্রীও সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিবেন বলে আশা রাখি। আমাদের দেশের কৃষক সবসময় বঞ্চিত হচ্ছেন। এই মুহূর্তে কৃষকের পাশে দাঁড়াতে হলে কৃষকের হাতে নগদ অর্থ সহায়তা দিতে হবে। কৃষিখাতের ছোট ছোট কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ কৃষকের ফসলের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা। কৃষিজ আয়, হিমাগার নির্মাণ, কৃষিপণ্য ও কাঁচামাল আমদানির ওপর করছাড়ের মাধ্যমে সরকার বাজেটে কৃষকদের দুর্দশা লাঘবে উদ্যোগী হবে।&rsquo;<br />
<br />
নেতৃদ্বয় &lsquo;প্রাতিষ্ঠানিক, অপ্রাতিষ্ঠানিক, ভাসমান শ্রমিকদের জীবন-জীবিকা নির্বাহ ও সুরক্ষার জন্য বিভিন্ন সেক্টরভিত্তিক বিশেষ প্রণোদনা প্রদান এবং একই সাথে প্রকৃত শ্রমিকদের সেনাবাহিনীর মাধ্যমে যাচাই বাছাই শেষে তাদের ডাটাবেজ তৈরি করে রেশনিং ব্যবস্থা চালু করা, কর্মহীন শ্রমিকদের অর্থনৈতিক সঙ্কট উত্তরণে জামানত ছাড়া আইডি কার্ড ও ব্যক্তিগত গ্যারন্টি নিয়ে ৩ বছরের মধ্যে পরিশোধের জন্য সুদবিহীন সর্বোচ্চ ৩ লক্ষ টাকা ঋণ প্রদানের দাবি জানান।&rsquo;<br />
<br />
তারা বলেন, &lsquo;পুরনো মডেলটা ছিল অবকাঠামোনির্ভর। বড় বড় প্রজেক্ট হবে, সবাইকে প্রদর্শন করা যাবে, আর সেই দেখানোর ভেতর দিয়ে বড় বড় চুরি করা যাবে। এই প্রকল্প থেকে সরে এসে মানুষ এবং প্রকৃতি কেন্দ্রিক একটা নতুন ধরনের উন্নয়ন নীতি সরকারকে গ্রহন করতে হবে। বিদেশ নির্ভরশীলতা থেকে বেরিয়ে আসতে হলে সরকারের সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে।&rsquo;<br />
<br />
নেতৃদ্বয় বলেন, &lsquo;বাজেট হলো রাষ্ট্রের উন্নয়ন দর্শন। বাজেটে যে বরাদ্দ থাকে, সেটা কোথায় কমবে বা বাড়বে তার চেয়ে জরুরী বিষয় হল, টাকাটা কার কাছে যাবে। অন্যদিকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে বছর বছর যে ভর্তুকি দেওয়া হয়, সেটার পুরোটাই যায় উৎপাদকদের পকেটে। অথচ ভর্তুকির টাকাটা যায় জনগণের পকেট থেকে। এ অবস্থা থেকে জনগনকে রেহাই দিতে হবে। তার ফলে, বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি না করে এ খাতে দুর্নীতি কমাতে হবে। &rsquo;</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1508-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নর্ডিক দেশসমূহ: প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য, মানবিক উন্নয়ন ও জীবনযাত্রার এক অনন্য উদাহরণ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/28674</link>
    <pubDate>Tue, 09 Jun 2026 09:23:10 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/28674</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1606-11.jpg" />    <div dir="ltr">
<p><strong><font color="#38761d">জামান সরকার, হেলসিঙ্কি থেকে//</font></strong></p>

<p>ইউরোপের উত্তর প্রান্তে অবস্থিত নর্ডিক দেশসমূহ পৃথিবীর অন্যতম শান্তিপূর্ণ, সমৃদ্ধ এবং বাসযোগ্য অঞ্চল হিসেবে পরিচিত। নরওয়ে, সুইডেন, ফিনল্যান্ড, ডেনমার্ক এবং আইসল্যান্ডকে নিয়ে গঠিত এই অঞ্চল শুধু অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য নয়, বরং প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, পরিবেশ সচেতনতা, সামাজিক নিরাপত্তা এবং উন্নত জীবনমানের জন্যও বিশ্বজুড়ে প্রশংসিত।</p>

<p>বিশ্ব সুখ সূচক, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, স্বচ্ছতা, মানবাধিকার এবং পরিবেশ সংরক্ষণে নর্ডিক দেশগুলো নিয়মিতভাবে শীর্ষস্থান অধিকার করে। এখানকার মানুষ প্রকৃতির সঙ্গে সহাবস্থানে বিশ্বাস করে এবং আধুনিক প্রযুক্তি ও পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রেখে উন্নয়নের এক অনন্য মডেল গড়ে তুলেছে।</p>

<p><b><font color="#0000ff">নরওয়ে: ফিয়র্ডের দেশ</font>&nbsp;&nbsp;</b></p>

<p>নরওয়ে তার অসাধারণ ফিয়র্ড, পাহাড়, জলপ্রপাত এবং সমুদ্র উপকূলের জন্য বিশ্ববিখ্যাত। হাজার হাজার বছর আগে হিমবাহের সৃষ্টি করা গভীর উপসাগর বা ফিয়র্ডগুলো আজও পর্যটকদের বিস্মিত করে।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>রাজধানী Oslo আধুনিক নগর পরিকল্পনা, পরিবেশবান্ধব পরিবহন এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের জন্য পরিচিত। অন্যদিকে লোফোটেন দ্বীপপুঞ্জ, গেইরাঙ্গার ফিয়র্ড এবং ট্রোমসো অঞ্চলের নর্দার্ন লাইটস পর্যটকদের কাছে বিশেষ আকর্ষণ।</p>

<p><font color="#0000ff"><b>সুইডেন: উদ্ভাবন ও প্রকৃতির মেলবন্ধন&nbsp;&nbsp;</b></font></p>

<p>সুইডেন স্ক্যান্ডিনেভিয়ার বৃহত্তম দেশ। বিস্তীর্ণ বনভূমি, অসংখ্য হ্রদ এবং আধুনিক নগর সভ্যতার সুন্দর সমন্বয় এখানে দেখা যায়।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>রাজধানী Stockholm উত্তর ইউরোপের অন্যতম সুন্দর শহর। দ্বীপের ওপর গড়ে ওঠা এই শহরকে অনেকেই &quot;উত্তরের ভেনিস&quot; বলে থাকেন। প্রযুক্তি, উদ্ভাবন, পরিবেশবান্ধব জীবনধারা এবং উচ্চমানের শিক্ষা ব্যবস্থার কারণে সুইডেন বিশ্বের অন্যতম উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে।</p>

<p><b><font color="#0000ff">ফিনল্যান্ড: হাজার হ্রদের দেশ&nbsp;&nbsp;</font></b></p>

<p>ফিনল্যান্ডকে বলা হয় &quot;হাজার হ্রদের দেশ&quot;। বাস্তবে এখানে প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজারেরও বেশি হ্রদ রয়েছে। গ্রীষ্মকালে সবুজ বনভূমি ও হ্রদের অপরূপ সৌন্দর্য যেমন মুগ্ধ করে, তেমনি শীতকালে তুষারে ঢাকা প্রাকৃতিক দৃশ্য এক ভিন্ন জগৎ তৈরি করে।</p>

<p>রাজধানী Helsinki আধুনিক স্থাপত্য, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ এবং উন্নত নগর ব্যবস্থাপনার জন্য পরিচিত। উত্তরাঞ্চলের ল্যাপল্যান্ডে প্রতিবছর হাজার হাজার পর্যটক নর্দার্ন লাইটস দেখতে আসেন।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>ফিনল্যান্ডের শিক্ষা ব্যবস্থা বিশ্বজুড়ে অনুসরণীয় মডেল হিসেবে বিবেচিত। প্রযুক্তি, গবেষণা এবং উদ্ভাবনেও দেশটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।</p>

<p><b><font color="#0000ff">ডেনমার্ক: সুখী মানুষের দেশ&nbsp;&nbsp;</font></b></p>

<p>ডেনমার্ককে প্রায়ই বিশ্বের সবচেয়ে সুখী দেশগুলোর একটি বলা হয়। নাগরিকদের উচ্চ জীবনমান, সামাজিক নিরাপত্তা এবং কর্মজীবন ও ব্যক্তিগত জীবনের ভারসাম্য এখানে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>রাজধানী Copenhagen তার রঙিন নৌবন্দর, সাইকেল সংস্কৃতি এবং পরিবেশবান্ধব নগর পরিকল্পনার জন্য বিখ্যাত। নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারে ডেনমার্ক বিশ্বের অগ্রগামী দেশগুলোর একটি।</p>

<p><b><font color="#0000ff">আইসল্যান্ড: আগুন ও বরফের দেশ&nbsp;&nbsp;</font></b></p>
</div>

<div dir="ltr">
<p>আইসল্যান্ড প্রকৃতির এক বিস্ময়কর সৃষ্টি। আগ্নেয়গিরি, হিমবাহ, গেইসার, উষ্ণ প্রস্রবণ এবং জলপ্রপাতের অপূর্ব সমন্বয় এই দেশকে বিশ্বের অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটন গন্তব্যে পরিণত করেছে।</p>

<p>রাজধানী Reykjavik পৃথিবীর সবচেয়ে উত্তরাঞ্চলীয় রাজধানী শহর। এখানে প্রকৃতির শক্তি এবং আধুনিক জীবনযাত্রা পাশাপাশি অবস্থান করছে।</p>

<p>&nbsp;</p>

<h2><font size="2"><font color="#0000ff">কেন নর্ডিক দেশগুলো বিশ্বে অনন্য?</font></font></h2>

<p>নর্ডিক দেশগুলোর সাফল্যের পেছনে রয়েছে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য:</p>

<ul>
	<li>উন্নত ও বিনামূল্যে বা স্বল্প খরচের শিক্ষা ব্যবস্থা</li>
	<li>শক্তিশালী স্বাস্থ্যসেবা</li>
	<li>পরিবেশবান্ধব নীতি</li>
	<li>দুর্নীতির নিম্ন হার</li>
	<li>নারী-পুরুষ সমতা</li>
	<li>সামাজিক নিরাপত্তা</li>
	<li>মানবাধিকার ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ</li>
	<li>প্রকৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধাবোধ</li>
</ul>

<p>এখানকার মানুষ প্রকৃতির কাছাকাছি থাকতে ভালোবাসে। বনভূমিতে হাঁটা, হ্রদের ধারে সময় কাটানো, মাছ ধরা, স্কিইং কিংবা পরিবার নিয়ে কটেজে অবকাশ যাপন তাদের জীবনের অংশ।</p>

<h2><font color="#0000ff"><font size="2">ভবিষ্যতের জন্য একটি অনুপ্রেরণা</font></font></h2>

<p>নর্ডিক দেশগুলো শুধু পর্যটনের জন্য আকর্ষণীয় নয়, বরং মানবিক উন্নয়ন, সুশাসন এবং টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ক্ষেত্রেও বিশ্বের জন্য একটি অনুকরণীয় উদাহরণ। আধুনিক সভ্যতার অগ্রযাত্রায় কীভাবে পরিবেশ, মানুষ এবং উন্নয়নের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা যায়, তার সফল দৃষ্টান্ত এই অঞ্চল।</p>

<p>বরফে আচ্ছাদিত পাহাড়, সবুজ বনভূমি, নীল হ্রদ, মনোমুগ্ধকর ফিয়র্ড এবং উন্নত জীবনব্যবস্থার সমন্বয়ে নর্ডিক অঞ্চল সত্যিই পৃথিবীর এক অনন্য সৌন্দর্যের নাম। একবার যে এই অঞ্চলের প্রকৃতি ও জীবনধারা কাছ থেকে দেখার সুযোগ পায়, তার হৃদয়ে নর্ডিক দেশগুলোর জন্য একটি বিশেষ স্থান তৈরি হয়ে যায়।</p>
</div>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1606-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[জাতিসংঘের ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদকে ভূষিত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/diplomatic/28673</link>
    <pubDate>Tue, 09 Jun 2026 05:08:45 +0600</pubDate>
    <category> কূটনৈতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/diplomatic/28673</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/06072026_news0102_unbd.jpg" />    <p>জাতিসংঘ, নিউইয়র্ক: সুদানের কাদুগলিতে জাতিসংঘের আবেই অঞ্চলের অন্তর্বর্তীকালীন নিরাপত্তা বাহিনী (UNISFA)-তে দায়িত্ব পালনকালে নিহত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীকে মরণোত্তর জাতিসংঘের মর্যাদাপূর্ণ ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদকে ভূষিত করা হয়েছে। আজ নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তাদের এ সম্মাননা প্রদান করা হয়। &nbsp;জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস নিহত শান্তিরক্ষীদের পক্ষ থেকে পদকগুলো জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাউদ্দিন নোমান চৌধুরীর হাতে তুলে দেন। আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় তাদের সাহস, আত্মত্যাগ এবং নিষ্ঠার স্বীকৃতিস্বরূপ এ সম্মাননা প্রদান করা হয়।&nbsp;</p>

<p>সম্মাননাপ্রাপ্ত শান্তিরক্ষীরা হলেন করপোরাল মো. মাসুদ রানা, প্রাইভেট মো. জাহাঙ্গীর আলম, প্রাইভেট মো. সবুজ মিয়া, প্রাইভেট মো. মোমিনুল ইসলাম, প্রাইভেট শামীম রেজা এবং প্রাইভেট সান্তো মন্ডল। তারা ২০২৫ সালের ১৩ ডিসেম্বর জাতিসংঘের পতাকাতলে দায়িত্ব পালনকালে এক ড্রোন হামলায় নিহত হন।&nbsp; অনুষ্ঠানে জাতিসংঘ মহাসচিব ১৯৪৮ সাল থেকে দায়িত্ব পালনকালে নিহত প্রায় ৪,৫০০ শান্তিরক্ষীর স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন। তিনি বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন মিশনে কর্মরত ৫০ হাজারেরও বেশি শান্তিরক্ষীর অবদানের কথাও তুলে ধরেন।</p>

<p><img alt="" src="https://khabor.com/upload/images/news/06072026_news0101_unbd.jpg" style="width: 899px; height: 539px;" /></p>

<p>চলতি বছর ৩৩টি সদস্য রাষ্ট্রের ৬৮ জন সামরিক, পুলিশ ও বেসামরিক শান্তিরক্ষীকে মরণোত্তর ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদকে ভূষিত করা হয়। অনুষ্ঠান শেষে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাউদ্দিন নোমান চৌধুরী নিহত শান্তিরক্ষীদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শোক বইতে স্বাক্ষর করেন।&nbsp;উল্লেখ্য যে, ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদক ১৯৯৭ সালে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ কর্তৃক প্রবর্তিত একটি মরণোত্তর সম্মাননা, যা জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে দায়িত্ব পালনকালে নিহত সামরিক, পুলিশ ও বেসামরিক সদস্যদের অবদান ও আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রদান করা হয়।&nbsp;<br />
&nbsp;</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/06072026_news0102_unbd.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[Six Bangladeshi Peacekeepers Posthumously Awarded UN Dag Hammarskjöld Medal]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/english/28672</link>
    <pubDate>Tue, 09 Jun 2026 05:05:38 +0600</pubDate>
    <category> English </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/english/28672</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/06072026_news0101_unbd.jpg" />    <p>UN, New York: Six Bangladeshi peacekeepers who lost their lives while serving with the United Nations Interim Security Force for Abyei (UNISFA) in Kadugli, Sudan were posthumously honoured with the prestigious Dag Hammarskj&ouml;ld Medal at a ceremony marking the International Day of United Nations Peacekeepers at UN Headquarters in New York. United Nations Secretary-General Ant&oacute;nio Guterres handed over the medals to Bangladesh&rsquo;s Permanent Representative to the United Nations Ambassador Salahuddin Noman Chowdhury during a commemorative ceremony marking the International Day of United Nations Peacekeepers at UN Headquarters in New York today.&nbsp;</p>

<p>The fallen peacekeepers Corporal Md Masud Rana, Private Md Jahangir Alam, Private Md Sobuj Mia, Private Md Mominul Islam, Private Shamim Reza and Private Santo Mondol were killed in a drone strike on 13 December 2025 while serving under the UN flag. During the commemorative event, the Secretary-General laid a wreath in honour of nearly 4,500 peacekeepers who have lost their lives in the line of duty since 1948 and called for a minute of silence in their memory. He also highlighted the contributions of more than 50,000 UN peacekeepers currently serving in missions worldwide to protect civilians and support peace in conflict-affected regions.</p>

<p><img alt="" src="https://khabor.com/upload/images/news/06072026_news0102_unbd.jpg" style="width: 899px; height: 468px;" /></p>

<p>This year, the Dag Hammarskj&ouml;ld Medal was awarded to 68 military, police and civilian peacekeepers from 33 Member States who made the ultimate sacrifice in the line of duty.<br />
Following the ceremony, Ambassador Salahuddin Noman Chowdhury paid tribute to the fallen peacekeepers by signing the Book of Condolence in their memory.<br />
&nbsp;</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/06072026_news0101_unbd.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিউইয়র্কে জেমসি ইয়ুথ ও আল মামুর স্কুলের যৌথ উদ্যোগে নিক্স ম্যাচ প্রদর্শনী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/28671</link>
    <pubDate>Mon, 08 Jun 2026 09:22:53 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/28671</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/923-1.jpg" />    <p>যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে নতুন প্রজন্মের সামাজিক বিকাশ ও সুস্থ বিনোদনের লক্ষ্যে এক ব্যতিক্রমী ক্রীড়া প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। স্থানীয় জেমসি ইয়ুথ ও আল মামুর স্কুলের যৌথ উদ্যোগে নিউইয়র্ক নিক্স এর ফাইনাল সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচটি (গেম-২) বড় পর্দায় যৌথভাবে প্রদর্শনের (ওয়াচ পার্টি) ব্যবস্থা করা হয়। পারিবারিক আবহে এবং ধর্মীয় মূল্যবোধ ও শৃঙ্খলা বজায় রেখে এই আয়োজন সম্পন্ন হয়।</p>

<p>আয়োজকেরা জানান, তরুণ প্রজন্মকে সুস্থ ধারার বিনোদনে সম্পৃক্ত করতে এবং বিভিন্ন ইসলামি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে নতুন প্রজন্মের সংযোগ বাড়াতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অনুষ্ঠানে কমিউনিটির শিশু, কিশোরসহ বিভিন্ন বয়সী অভিভাবকেরা অংশ নেন।</p>

<p>অনুষ্ঠানে নিউইয়র্কের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, সামাজিক ও ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ এবং বেশ কয়েকটি সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এর মধ্যে জেএমসি, উম্মাহ এনওয়াই ও আল ফালাহ ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থেকে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সহযোগিতার ওপর জোর দেন।</p>

<p>বড় পর্দায় প্রদর্শিত ম্যাচটি ছিল বেশ উত্তেজনাপূর্ণ। শেষ মুহূর্তে নিউইয়র্ক নিক্স জয়লাভ করলে উপস্থিত দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক উল্লাস দেখা যায়।</p>

<p data-added-after="1">আয়োজন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলেন, নৈতিক মূল্যবোধ বজায় রেখেও তরুণদের জন্য এমন ইতিবাচক প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা সম্ভব, এই অনুষ্ঠান তারই প্রমাণ। ম্যাচ শেষ হওয়ার পরপরই উপস্থিত তরুণ ও দর্শকেরা মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যে পুরো হলরুম পরিষ্কার করে স্থান ত্যাগ করেন, যা উপস্থিত সবাইকে মুগ্ধ করেছে।</p>

<p>প্রদর্শনী শেষে আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে স্বেচ্ছাসেবক, অংশগ্রহণকারী পরিবার ও সহযোগী সংগঠনগুলোর প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়। কমিউনিটির বন্ধন সুদৃঢ় করতে এবং তরুণদের ইতিবাচক সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত রাখতে আগামীতেও এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত রাখার কথা জানান তারা।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/923-1.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[অনলাইন সংবাদ পোর্টাল নিবন্ধনে নতুন নীতিমালা আসছে : তথ্য প্রতিমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28670</link>
    <pubDate>Mon, 08 Jun 2026 09:21:38 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28670</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/784-99.jpg" />    <article>
<p>অনলাইন সংবাদ পোর্টালের নিবন্ধন ও পরিচালনার জন্য নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করছে সরকার। রবিবার (৭ জুন) জাতীয় সংসদে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী এ তথ্য জানান।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>সংসদ অধিবেশনে জামালপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান বাবুলের একটি তারকাচিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন।</p>

<p>তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, দুর্বল প্রকাশনা রেকর্ড থাকা জেলাভিত্তিক সংবাদপত্রগুলোকে চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের (ডিএফপি) তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি বর্তমানে পর্যালোচনা করা হচ্ছে।</p>

<p>তিনি আরো বলেন, &lsquo;আমরা পরীক্ষা করে দেখছি, ওই সংবাদপত্রগুলো যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তালিকাভুক্ত হয়েছিল কি না। কোনো ধরনের অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।</p>
</article>

<article>&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>অধিবেশনে কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফর রহমান সংবাদমাধ্যমগুলোর মাধ্যমে কথিত ভুল তথ্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। এর প্রেক্ষিতে প্রতিমন্ত্রী জানান, অনলাইন সংবাদ পোর্টালগুলোর শৃঙ্খলা ও সঠিক পরিচালনা নিশ্চিত করতেই নতুন নীতিমালা প্রণয়নের কাজ করছে মন্ত্রণালয়।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/784-99.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[৬ মৃত শিশুর পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা করে দেবে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28669</link>
    <pubDate>Mon, 08 Jun 2026 09:20:52 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28669</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/977-88.jpg" />    <article>
<p>রাজধানীর মগবাজারের আদ্-দ্বীন মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৬ শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় ভুক্তভোগী প্রতিটি পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।</p>

<p>একই সঙ্গে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশের জবাব দিতে আরো ৪৮ ঘণ্টা সময় চেয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>রবিবার (৭ জুন) দুপুরে সুপ্রিম কোর্টে নিজ চেম্বারে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে এসব তথ্য জানান আদ্-দ্বীন হাসপাতালের আইনজীবী শিশির মনির।</p>

<p>শিশির মনির জানান, ৬ শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর মধ্যে যৌথ আলোচনা হয়েছে। আলোচনার ভিত্তিতেই প্রতিটি সন্তানহারা পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই ক্ষতিপূরণের বাইরেও হাসপাতাল থেকে আগে ঘোষিত অন্য সুযোগ-সুবিধা বহাল থাকবে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি আরো উল্লেখ করেন, নির্ধারিত ক্ষতিপূরণের মধ্য থেকে ইতোমধ্যে প্রতিটি পরিবারকে ১০ লাখ টাকা করে প্রদান করা হয়েছে।</p>

<p>অন্য এক প্রশ্নের জবাবে আইনজীবী শিশির মনির বলেন, নবজাতকদের মৃত্যুর ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে কেন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল হবে না&mdash;স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এমন শোকজের জবাব দিতে তারা আরও ৪৮ ঘণ্টা বা আগামী ৯ জুন পর্যন্ত সময় প্রার্থনা করেছেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আইনজীবীকে সঙ্গে নিয়ে সশরীরে উপস্থিত হয়ে এই শোকজের জবাব দিতে চায়।</p>

<p>এদিকে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সময় বৃদ্ধির আবেদনের বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস।</p>
</article>

<article>তিনি জানান, শোকজের জবাব দেওয়ার নির্ধারিত সময় ছিল আজ রবিবার বিকেল ৫টা। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে সময় বৃদ্ধির একটি চিঠি পাওয়া গেছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>মহাপরিচালক আরো জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জবাব পাওয়া না গেলে বা আবেদন মঞ্জুর না হলে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে আজকেই পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/977-88.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ভূমিকম্পে কাঁপল রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থান]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28668</link>
    <pubDate>Mon, 08 Jun 2026 09:20:09 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28668</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1099-77.jpg" />    <article>
<p>রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের জেলাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। রবিবার (৭ জুন) রাত ১১টা ৩৬ মিনিটে এই ভূকম্পন অনুভূত হয়।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) বা অ্যান্ড্রয়েড আর্থকোয়েক অ্যালার্ট সিস্টেমের প্রাথমিক তথ্যমতে, রিখটার স্কেলে এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫.৭। এর উৎপত্তিস্থল ছিল ভুটানের পুনাখা শহর থেকে মাত্র ৭ কিলোমিটার দূরে, ভূপৃষ্ঠের গভীরে।</p>

<p>ভুটানে ভূমিকম্পটির মূল কেন্দ্রবিন্দু হলেও এর প্রভাবে দক্ষিণ এশিয়ার পাঁচ দেশ কেঁপে উঠেছে। দেশগুলো হলো&mdash; বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, নেপাল এবং চীন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>এদিকে রাজধানীতে ঝাঁকুনি অনুভূত হলে বহুতল ভবনের বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে। অনেকে আতঙ্কে বাসা থেকে বের হয়ে যান। তবে তাৎক্ষণিকভাবে দেশের কোথাও কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1099-77.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[আইনমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রীর ধন্যবাদ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28667</link>
    <pubDate>Mon, 08 Jun 2026 09:19:21 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28667</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1216-66.jpg" />    <article>
<p>শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ডের আসামি শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনায় আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।</p>

<p>রবিবার (৭ জুন) জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত কার্য উপদেষ্টা কমিটির সভায় প্রধানমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যকর ভূমিকার প্রশংসা করেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/country-news/2026/06/07/1694271" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে।</p>

<p>প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রবিবার দুপুর ২টায় জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত কার্য উপদেষ্টা কমিটির সভায় প্রধানমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যকর ভূমিকার প্রশংসা করেন।</p>

<p>সভায় প্রধানমন্ত্রী বিশেষভাবে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, &lsquo;একটি নৃশংস ও হৃদয়বিদারক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দ্রুত তদন্ত পরিচালনা, অপরাধীদের শনাক্তকরণ এবং গ্রেপ্তারের মাধ্যমে সরকারের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় দৃঢ় অঙ্গীকারের প্রতিফলন ঘটেছে।</p>
</article>

<article>&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, মামলাটির বিচারিক কার্যক্রম দ্রুত ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হবে এবং দোষী ব্যক্তিরা প্রচলিত আইন অনুযায়ী উপযুক্ত শাস্তি পাবে। তিনি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে একই ধরনের পেশাদারি ও নিষ্ঠা বজায় রাখার আহ্বান জানান।</p>

<p>সভায় উপস্থিত সদস্যরা এ ঘটনায় দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতেও অপরাধ দমনে সরকারের &lsquo;জিরো টলারেন্স&rsquo; নীতি অব্যাহত থাকবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1216-66.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[সংবাদমাধ্যমকে ‘অসৎ’ বলে এনবিসির সাক্ষাৎকার থেকে বেরিয়ে গেলেন ট্রাম্প]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28666</link>
    <pubDate>Mon, 08 Jun 2026 09:18:28 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28666</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1317-55.jpg" />    <article>
<p>২০২০ সালের নির্বাচনে কারচুপি এবং&nbsp;৬ জানুয়ারির বিদ্রোহে অভিযুক্তদের&nbsp;ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিষয় নিয়ে কঠিন প্রশ্নের মুখে পড়ে এনবিসি-র &lsquo;মিট দ্য প্রেস&rsquo; অনুষ্ঠান থেকে মাঝপথেই বেরিয়ে গেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। উইসকনসিনে এনবিসি-র সাংবাদিক ক্রিস্টেন ওয়েলকারের সাথে এক উত্তপ্ত তর্কাতর্কির পর ট্রাম্প সাক্ষাৎকারটি বন্ধ করে দেন।</p>
</article>

<article>শুক্রবার (৫ জুন) ধারণ করা এই সাক্ষাৎকারটি রবিবার (৭ জুন) প্রচারিত হয়।
<p>&nbsp;</p>

<p>সাক্ষাৎকারে আলোচনার একপর্যায়ে ট্রাম্প দাবি করেন, ২০২০ সালের মার্কিন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন এবং ক্যালিফোর্নিয়ার চলতি প্রাইমারি নির্বাচন&mdash;উভয় ক্ষেত্রেই ব্যাপক কারচুপি হয়েছে। ক্যালিফোর্নিয়ার নির্বাচনের ভোট গণনা নিয়ে ট্রাম্প বলেন, &lsquo;চার দিন পার হয়ে গেলেও কেন ফলাফল দেওয়া হচ্ছে না? তারা নির্বাচনে প্রতারণা করছে।&rsquo; উপস্থাপিকা ক্রিস্টেন ওয়েলকার যখন এই কারচুপির দাবির পক্ষে সুনির্দিষ্ট প্রমাণ চান, তখন ট্রাম্প কোনো প্রমাণ দিতে না পেরে বলেন, &lsquo;আমার শুধু তাকাতে হয়, আর আমি শুনি।</p>
</article>

<article>&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>উপস্থাপিকা তাৎক্ষণিক বাধা দিয়ে বলেন, এটা কোনো প্রমাণ নয়। ক্যালিফোর্নিয়ায় ডাকযোগে ভোটের ব্যাপক ব্যবহার এবং সতর্কতার কারণে ফলাফল দিতে কিছুটা দেরি হওয়া স্বাভাবিক&mdash;এই বিষয়টি মনে করিয়ে দিলে ট্রাম্প আরো রেগে যান। তিনি উপস্থাপিকাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, &lsquo;ওরা অসৎ, ঠিক তোমার মতোই অসৎ। তুমি হয় অসৎ, না হয় বোকা।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1317-55.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে রাশিয়াকে ৫ শর্ত যুক্তরাজ্য-ফ্রান্স-জার্মানির]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28665</link>
    <pubDate>Mon, 08 Jun 2026 09:17:28 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28665</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1383-44.jpg" />    <article>
<article>
<p>রাশিয়ার সঙ্গে চলমান যুদ্ধের অবসান ঘটিয়ে একটি &lsquo;ন্যায়সংগত ও দীর্ঘস্থায়ী&rsquo; শান্তিতে পৌঁছানোর লক্ষ্যে পাঁচটি শর্ত নির্ধারণ করেছে ইউক্রেন ও তার তিন প্রধান ইউরোপীয় মিত্র দেশ&mdash;যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও জার্মানি।</p>

<p>লন্ডনে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পর এক যৌথ বিবৃতিতে তারা এই শর্তগুলোর কথা জানান এবং ইউক্রেনের পাশে দৃঢ়ভাবে থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।</p>
</article>

<article>সোমবার (৮ জুন) বিবিসি এক <a href="https://www.bbc.com/news/articles/cr7xr1g3nvvo?fbclid=IwY2xjawSTAZdleHRuA2FlbQIxMABicmlkETFaMnpJdk5wWHVQQU9BTEM0c3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHjTuQ_y85IvinCVbEa32ZA9LDCGCB2YOtsPzve6MkNMSSZRm9NK8nzXoZX1g_aem_qHeOzDRZXdBoSnEcpnGWVg">প্রতিবেদনে</a> এ তথ্য জানিয়েছে।

<p>&nbsp;</p>

<p>প্রতিবেদনে বলা হয়, লন্ডনের ১০ ডাউনিং স্ট্রিটে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি, যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমার, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ও জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মার্জ (ই-৩ গ্রুপ নামে পরিচিত) অংশ নেন।</p>

<p>যৌথ বিবৃতিতে যুদ্ধ অবসানের জন্য যে পাঁচটি শর্তের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, সেগুলো হলো&mdash;রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে অবিলম্বে ও সম্পূর্ণ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হতে হবে; যুদ্ধক্ষেত্রের বর্তমান অবস্থান বা ফ্রন্টলাইনকে আলোচনার শুরুর বিন্দু হিসেবে ধরতে হবে, তবে বলপ্রয়োগের মাধ্যমে কোনো আন্তর্জাতিক সীমান্ত পরিবর্তন করা যাবে না; যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর ইউক্রেনের জন্য আইনিভাবে বাধ্যকর ও শক্তিশালী নিরাপত্তা গ্যারান্টি নিশ্চিত করতে হবে, যার মধ্যে &lsquo;মাল্টিন্যাশনাল ফোর্স-ইউক্রেন&rsquo; মোতায়েন অন্তর্ভুক্ত থাকবে; রাশিয়া যতক্ষণ না আগ্রাসন বন্ধ করছে এবং যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতির ক্ষতিপূরণ দিচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত রাশিয়ার জব্দকৃত সম্পদ অবরুদ্ধই থাকবে; যেকোনো চুক্তিতে ইউরোপের সামগ্রিক নিরাপত্তা স্বার্থ রক্ষা করতে হবে।&nbsp;</p>

<p>বৈঠকে ইউরোপীয় নেতারা ভ্লাদিমির পুতিনের কাছে পাঠানো জেলেনস্কির একটি খোলা চিঠির প্রশংসা করেন।</p>
</article>

<article>ওই চিঠিতে জেলেনস্কি যুদ্ধ বন্ধে পুতিনকে সরাসরি আলোচনার আহ্বান জানিয়েছিলেন, যা রুশ প্রেসিডেন্ট প্রত্যাখ্যান করেছেন। পুতিনের দাবি, রাশিয়ার লক্ষ্য অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধ শেষ হবে না।
<p>&nbsp;</p>

<p>বিবৃতিতে জেলেনস্কির সরাসরি আলোচনার প্রস্তাবকে সমর্থন জানিয়ে বলা হয়, এই প্রক্রিয়ায় ইউরোপের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের সক্রিয় অংশগ্রহণ জরুরি। বিশেষ করে বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মনোযোগ যখন ইরান যুদ্ধের দিকে স্থানান্তরিত হয়েছে, তখন ইউক্রেন সংকটে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পৃক্ততা ধরে রাখার ওপর জোর দেন তারা।</p>
</article>

<article>একই সঙ্গে ন্যাটো জোটে যোগ দেওয়ার ক্ষেত্রে ইউক্রেনের নিজস্ব সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকারকে পূর্ণ সম্মান জানানোর দাবি করা হয়।</article>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1383-44.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ইরাকে বাস উল্টে আগুন, প্রাণ গেল ২১ জনের]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28664</link>
    <pubDate>Mon, 08 Jun 2026 09:16:23 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28664</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1466-33.jpg" />    <article>
<p>ইরাকে বাস দুর্ঘটনায় ২১ জনের প্রাণহানি হয়েছে। এছাড়া আরো ১৯ জন আহত হয়েছেন।</p>
</article>

<article>গতকাল রবিবার দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের নাসিরিয়া শহরে এই দুর্ঘটনা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা।
<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.reuters.com/world/middle-east/least-21-iraqis-killed-19-wounded-bus-crash-fire-near-nassiriya-2026-06-07/?fbclid=IwY2xjawSTAJNleHRuA2FlbQIxMABicmlkETEyellza1lBNm5mOTd2Tkx5c3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHsPeALVAuzedpcPkFqLfsVb9qfmgJOBbKiG_CVZBilu7BNUKyvcWyIqo6oEK_aem_CPBuHvRnhHJKDsM2rmIG6Q">রয়টার্সের</a> এক প্রতিবেদনে জানা যায়, নাসিরিয়া শহরের মহাসড়কে চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে বাসটি উল্টে যায় এবং সঙ্গে সঙ্গে আগুন ধরে যায়।</p>

<p>ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলী আল-জাইদি দুর্ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। এবং তদন্তের রিপোর্ট দ্রুত জমা দিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিয়েছেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1466-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[মার্কিন ভিসা বিতর্কের মধ্যেই মেক্সিকো পৌঁছেছে ইরান বিশ্বকাপ দল]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/28663</link>
    <pubDate>Mon, 08 Jun 2026 09:15:28 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/28663</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1507-22.jpg" />    <article>
<p>যুক্তরাষ্ট্রে খেলার জন্য ভিসা এবং স্টেডিয়ামে প্রবেশের অধিকার বিতর্কের মধ্যেই মেক্সিকো পৌঁছেছে ইরান বিশ্বকাপ দল।&nbsp;</p>

<p><strong><a href="https://www.bbc.com/news/articles/c5yz3zdp3jqo">ইরানের গ্রুপ পর্বের তিনটি ম্যাচই</a></strong> যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত হবে।</p>
</article>

<article>যুক্তরাষ্ট্রে খেলতে এক অভিনব শর্ত জুড়ে দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। এতে সমালোচনার মুখে পড়ে আয়োজক দেশটি।
<p>&nbsp;</p>

<p>ইরানের খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফরা ম্যাচের দিন যুক্তরাষ্ট্রে আসবেন এবং খেলা শেষে দেশ ত্যাগ করবেন।</p>

<p>ইরান জানিয়েছে, ১৫ জন কর্মকর্তা ও স্টাফদের ভিসা পুরোপুরি বাতিল করা হয়েছে।</p>
</article>

<article>কর্মকর্তা ও স্টাফদের ভিসা বাতিলে ক্রীড়াক্ষেত্রে নিকৃষ্টতম রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বলে অভিহিত করেছে দেশটি।
<p>&nbsp;</p>

<p>যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর যৌথ আয়োজনে বিশ্বকাপ শুরু হচ্ছে ১১ জুন। ইরান তাদের বাছাই পর্বের গ্রুপে শীর্ষস্থান অর্জন বিশ্বকাপে নিজেদের জায়গা নিশ্চিত করে।&nbsp;</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1507-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ঘোড়ার মাংস খাওয়া নিয়ে জয়া আহসানের রিট, যে নির্দেশ দিলেন হাইকোর্ট]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/28662</link>
    <pubDate>Mon, 08 Jun 2026 09:14:25 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/28662</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1605-11.jpg" />    <article>
<p>ঘোড়ার মাংস মানুষের খাদ্য হিসেবে বিক্রি ও এর বাণিজ্যিক ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে কেন কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে এ বিষয়ে আগামী ৯০ দিনের মধ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন প্রণয়নের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>রবিবার (৭ জুন) অভিনেত্রী জয়া আহসানের করা একটি রিট আবেদনের শুনানি শেষে হাইকোর্ট এ আদেশ দেন।</p>

<p>এর আগে গত ১১ মে করা রিটে অভিযোগ করা হয়, অসুস্থ প্রাণীর মাংস প্রতারণামূলকভাবে মানুষের খাদ্য হিসেবে বাজারজাত করা হচ্ছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ জানানো হলেও কার্যকর কোনো আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। তাই উচ্চ আদালতের হস্তক্ষেপ চাওয়া হয়।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>রিটে আরো বলা হয়, মন্ত্রণালয়ে পাঠানো আগের অভিযোগগুলোর নিষ্পত্তি নিশ্চিত করা, যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া শুরু করা এবং গাজীপুরে উন্মোচিত অবৈধ ঘোড়ার মাংসের বাণিজ্যের বিষয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খ ও নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া প্রয়োজন। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন হাইকোর্টে দাখিলের নির্দেশনাও চাওয়া হয়েছে।</p>

<p>পিটিশনকারীরা এ ধরনের অবৈধ কার্যক্রম বন্ধে ৬০ দিনের মধ্যে একটি জাতীয় নির্দেশিকা ও কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নেরও আবেদন জানিয়েছেন। এ ছাড়া বাজেয়াপ্ত ও অসুস্থ ঘোড়ার নিলাম অবিলম্বে বন্ধ করা এবং উদ্ধার করা প্রাণীদের পরিচর্যা ও পুনর্বাসনের জন্য &lsquo;বাংলাদেশ অ্যানিম্যাল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন&rsquo; নামে একটি উপযুক্ত অভয়ারণ্য বা পুনর্বাসন কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার নির্দেশনা দেওয়ারও অনুরোধ করা হয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>রিট আবেদনে পিটিশনকারীদের দাবি, দ্রুত বিচারিক হস্তক্ষেপ না হলে এই অবৈধ বাণিজ্য জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে এবং প্রাণীর প্রতি নিষ্ঠুর আচরণ অব্যাহত থাকার আশঙ্কা রয়েছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1605-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[জনস্বার্থে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি নয় : দুর্নীতি কমাতে হবে !]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/Politics/28661</link>
    <pubDate>Mon, 08 Jun 2026 09:00:39 +0600</pubDate>
    <category> politics </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/Politics/28661</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1465-33.jpg" />    <p>।। এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া।।<br />
তীব্র প্রতিবাদ ও সমালোচনার মুখে গণদাবি উপেক্ষা করে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি করেছে সরকার। এবার বৃদ্ধির পরিমাণ রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। গত ২৫ বছরের সর্বোচ্চ এ মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত অবিবেচনাপ্রসূত ও অনৈতিক। এমনিতেই দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির চাপে জনগণের ত্রাহি অবস্থা। তার ওপর বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর এ সিদ্ধান্ত জনগণের কাঁধে বোঝার ওপর শাকের আঁটি বলেই মনে করছে সাধারণ মানুষ। বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর ফলে খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের গড়মূল্য ১৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ এবং পাইকারি পর্যায়ে ১৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ বেড়েছে। ২৫ বছরে এবারই একবারে সবচেয়ে বেশি বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি করা হলো। এমন বাস্তবতায় বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রভাব শুধু বিদ্যুৎ বিলেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। সামগ্রিকভাবে জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়বে অন্তত ৬০ শতাংশ। এটা যাবে সাধারণ আয়ের মানুষের পকেট থেকে। দেশে সীমিত ও সাধারণ আয়ের মানুষই বেশি। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) কেন এমন গণবিরোধী সিদ্ধান্ত নিল, তা দেশবাসীর বোধগম্য নয়।<br />
<br />
বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে সরকারের নেয়া সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত অগণতান্ত্রিক, অন্যায্য ও গণবিরোধী বলেই দেশবাসী মনে করেন। মূল্যবৃদ্ধি ছাড়াও অন্য কোনভাবে বিদ্যুতের লস কমানোর লক্ষ্যেই সরকারকে সিদ্ধান্ত গ্রহন করা উচিত। জ্বালানি তেলের পর বিদ্যুতের মূল্য রেকর্ড পরিমাণ বৃদ্ধি করাটা জনস্বার্থ বিরোধী। আবাসিক, বাণিজ্যিক, কৃষি, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, শিল্পসহ সব ধরনের গ্রাহকের বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির সরকারী সিদ্ধান্তের ফলাফল উৎপাদন, বিপণন থেকে শুরু করে জনজীবনের সব ক্ষেত্রেই এর প্রভাব পড়বে। দেশের বিদ্যুৎ খাতের &lsquo;উদোর পিণ্ডি বুধোর ঘাড়ে&rsquo; চাপানোর ধারাবাহিকতা পূর্বের মত এখনো চলছে! যুগ যুগ ধরে বিদ্যুৎ খাতের সীমাহীন অনিয়ম-দুর্নীতির ফল ভোগ করছেন ভোক্তাসাধারণ। ভোক্তাদের পকেট কেটেই এ খাতের লোকসান মেটানো হয়েছে। ভোক্তা বিদ্যুৎ ব্যবহার করুক বা না করুক, মাস গেলে নানা ধরনের বিল পরিশোধ করতেই হয়। এবারও গণশুনানিতে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করা হয়েছিল। কিন্তু গণদাবিকে সরকার আমলে নেয়নি। বিদ্যুৎ খাতের লুটপাটের সহযোগী ছয়টি বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি আবারও খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব পেশ করে। কোম্পানিগুলোর খুচরা বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির অন্যায্য প্রস্তাব কর্তৃপক্ষ আমলে নিয়ে মূল্য বাড়ানোর যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা মেনে নেওয়া যেত যদি এ খাতে সরকার অপচয় ও দুর্নীতি রোধের সর্বাত্মক চেষ্টা চালানোর নজির তৈরি করতে পারত। কিন্তু তা না করে তারা দাম বাড়ানোর পুরনো চক্রই বজায় রেখে চলেছে। ছয়টি কোম্পানির মামাবাড়ির আবদার পূরণের লক্ষণ দেখে সংবাদমাধ্যমগুলো যখন সোচ্চার, তখনও দেখা যাচ্ছে, এসব আবেদন-নিবেদন ও সমালোচনা &lsquo;কুম্ভকর্ণ&rsquo;দের কর্ণে প্রবেশ করে না।<br />
<br />
বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) এক সংবাদ সম্মেলনে মূল্যবৃদ্ধির ঘোষণা প্রদান করে। বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ বলেন, সরকার ১৭ থেকে ২১ শতাংশ পর্যন্ত মূল্যবৃদ্ধির প্রস্তাব পেলেও কমিশন সব পক্ষের মতামত বিবেচনা করে গড়ে ১৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এটি চলতি মাস থেকেই কার্যকর হবে।<br />
বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধিতে জনজীবনে বাড়তি চাপের বিপরীতে সরকারের অতিরিক্ত আয় হবে ১৪ হাজার ২০০ কোটি টাকা। এতে বিদ্যুতের ৫৬ হাজার কোটি টাকার ভর্তুকি নেমে দাঁড়াবে ৪১ হাজার কোটিতে। ঘোষণা অনুসারে, দিনে শুধু প্রয়োজনীয় সময়ে একটি লাইট-ফ্যান ব্যবহারকারী গ্রাহককেও আগামী মাসে ৪০ টাকার মতো বেশি বিল পরিশোধ করতে হবে। বাসাবাড়ির অন্য গ্রাহকের খরচ ব্যবহার অনুযায়ী মাসে ৭০ থেকে এক হাজার টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ৬০০ ইউনিটের বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী আবাসিক গ্রাহকের খরচ আরও বেশি বৃদ্ধি পাবে। গ্রাহক পর্যায়ে গড় দাম ৯ টাকা ১১ পয়সা থেকে এক টাকা ৫২ পয়সা বাড়িয়ে ১০ টাকা ৬৩ পয়সা করা হয়েছে। ১৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ বেড়েছে, যা এযাবতকালের সর্বোচ্চ। একই সঙ্গে পাইকারি বিদ্যুতের দাম প্রতি ইউনিটে সাত টাকা থেকে এক টাকা ৩৯ পয়সা বাড়িয়ে আট টাকা &nbsp;৩৯ পয়সা করা হয়েছে। শতকরা বেড়েছে ১৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ। পাশাপাশি কৃষিতে ১৫ শতাংশ; স্কুল, মসজিদ, মন্দির ও হাসপাতালে প্রায় ২০ শতাংশ এবং শিল্পে ১৮-১৯ শতাংশ পর্যন্ত দাম বাড়ানো হয়েছে। এতে সরাসরি বিদ্যুৎ বিল যা বাড়বে, তার চেয়েও বড় প্রভাব পড়বে পরোক্ষ ব্যয়ে। উৎপাদন ও সেবা খাতে বিদ্যুৎ বিল বাড়ায় নিত্যপণ্যের দাম বাড়বে। বৃদ্ধি পাবে মূল্যস্ফীতি।<br />
<br />
যদিও বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু জানিয়েছিলেন, আগামী দুই বছর বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি করা হবে না। কিন্তু ইরান-যুক্তরাষ্ট্রে যুদ্ধের পর আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার অস্থির হয়ে উঠলে সরকার ওই প্রতিশ্রুতি থেকে সরে আসে। সরকার জনগনের কাছে দেয়া প্রতিশ্রুত রক্ষা করতে পারলো না , নাকি সরকারের প্রতিশ্রুতি রক্ষা না করার জন্যই প্রতিশ্রুতি প্রদান করেছিল ? দায়িত্ব নেওয়ার ১০০ দিনের মধ্যেই লাইনের গ্যাস ছাড়া সব ধরনের জ্বালানির কয়েক দফা মূল্যবৃদ্ধি করা হয়। এপ্রিলে এলপিজি, ডিজেল, পেট্রোল ও অকটেনের দাম রেকর্ড পরিমাণ বাড়ানো হয়। এবার বিদ্যুতের দামও রেকর্ড পরিমাণ বৃদ্ধি জনগনের জন্য কতটা শুল তা কি ভেবে দেখেছেন সরকারের কর্তা ব্যাক্তিরা।<br />
<br />
কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) মনে করে, অব্যবস্থাপনা, অনিয়ম-দুর্নীতি, সিস্টেম লস এবং ক্যাপাসিটি চার্জের মতো বিষয়গুলোর কারণে বিদ্যুতের উৎপাদন খরচ বেড়েছে। সেগুলো বন্ধের দাবি করা হলেও, এ বিষয়ে ব্যবস্থা না নিয়ে উল্টো প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র গ্রাহকদের ওপর বাড়তি বোঝা চাপিয়ে দেওয়া হলো। এর প্রভাব সবখানেই পড়বে এবং মূল্যস্ফীতি বাড়বে। জনগণের ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস পাবে। অন্যদিকে রাজনৈতিক নেতৃত্ব এ বিষয়ে বলছেন, বাজেটের আগে তড়িঘড়ি করে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত স্বেচ্ছাচারী। বিদ্যুৎ খাতে দুর্নীতি, অপচয় ও অব্যবস্থাপনার দায় সাধারণ মানুষের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে।<br />
<br />
অন্যদিকে সরকারের পক্ষ থেকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি বাজারে খুব বেশি প্রভাব ফেলবে না বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। তার এই বক্তব্যের পর জনমনে প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে আসলে সরকারী চেযারে গেলেই কি মন্ত্রী , উপদেষ্টাদের মাথা খারাপ হয়ে যায়, নাকি তারা সরকারী চেয়ারে বসলে অতিতের সব বক্তব্য ভুলে গিয়ে জনগনের বিপক্ষে অবস্থান গ্রহন করতে আনন্দ পায় ? দু:খজনক হলেও সত্য যে, সরকারী ক্ষমতার চেয়ারে বসলে এরা জনগনকে বোকা মনে করে। প্রায় সকলেই সরকারে যাবার আগের সকল বক্তব্য ভুলে গিয়ে জনবিরোধী অবস্থান গ্রহন করে বৈদেষিক শক্তির তল্পিবাহকে পরিনত হয়। ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য তারা জনগনকে নয়, আইএমএফ, বিশ্ব ব্যাংকসহ দাতা গোষ্টিকে পদলেহনের মাধ্যমে খুশি করতে ব্যাস্ত হয়ে উঠে। ক্ষমতায় যাওয়ার আগে তাদের চেহারা ও বক্তব্য আর ক্ষমতায় যাওয়ার পড়ে তাদের অবস্থান জনগনকে চোপটাঘাত করে।<br />
<br />
বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির দুটি দিক। একটি হলো মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব কী হবে? দ্বিতীয়টি হলো এটির বিকল্প কী ছিল?<br />
<br />
মূল্যবৃদ্ধির ফলে কী হবে ? : বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি জনজীবন ও অর্থনীতিতে বহুমুখী নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। এটি জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়িয়ে নিম্ন ও মধ্যবিত্তের ওপর প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি করে এবং শিল্প ও কৃষিতে উৎপাদন খরচ বাড়িয়ে সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি উসকে দেয়। স্বাভাবিক পরিবারের বিদ্যুৎ বিল বাড়ার পাশাপাশি এর &#39;ডমিনো ইফেক্ট&#39; (domino effect) বা পরোক্ষ প্রভাবে বাজারে প্রতিটি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধি পায়। ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে (SME) উৎপাদন খরচ বেড়ে যায়। কারখানাগুলোতে পণ্য উৎপাদনের খরচ বাড়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা কঠিন হয়ে উঠে। সেচ পাম্পের বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির ফলে ধান ও অন্যান্য ফসল উৎপাদনে খরচ বৃদ্ধি পায়। য়ার ফলে সামগ্রিক খাদ্য নিরাপত্তা ও কৃষকদের আয়ের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি হলে সার্বিক মূল্যস্ফীতি আরও ঊর্ধ্বমুখী হতে পারে। প্রথম আলো অনুযায়ী, এর ফলে আগামী এক বছরে মূল্যস্ফীতি প্রায় ১০০ বেসিস পয়েন্ট বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং পরিবহন খাতে ব্যয় বৃদ্ধির কারণে সাধারণ মানুষকে বাড়তি মূল্যে সেবা গ্রহণ করতে হয়।<br />
<br />
বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি না করে বিকল্প কী করা যেত? : বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি না করে বিকল্প অনেক পথই রয়েছে বলে বিশেষজ্ঞ ও বিশ্লেষকরা ম,নে করেন। সেগুলো বিবেচনায় নিলে আপাতত গ্রাহকপর্যায়ে বিদ্যুতের মুল্যবৃদ্ধি না করলেও চলতে অথবা একান্ত বৃদ্ধি করলেও তা রাখা যেত সহনশীল পর্যায়ে।<br />
<br />
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, বাংলাদেশে বিদ্যুতে ভর্তুকি বেড়ে যাওয়ার বড় একটি কারণ হলো, এ খাতে একের পর এক অপ্রয়োজনীয় বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ। বিগত সরকারের আমলে এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে গিয়ে নানা ধরনের অনিয়ম-দুর্নীতি হয়েছে। আবার সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুৎ খাতের ব্যয় কমিয়ে আনায়ও মনোযোগ দেওয়া হয়নি। পাশাপাশি প্রাথমিক জ্বালানির স্থানীয় উৎসগুলোকে কাজে লাগাতে না পারা এবং নবায়নযোগ্য খাতে &nbsp;বিনিয়োগে অনিচ্ছার কারণেও খাতটিতে রাষ্ট্রীয় ভর্তুকির পরিমাণ বেড়েছে ক্রমেই।<br />
<br />
বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি এড়াতে যে বিকল্প কৌশলগুলো গ্রহণ করা যেত, তা হলো অব্যবহৃত বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোকে বসিয়ে রেখে যে বিশাল পরিমাণ &#39;ক্যাপাসিটি চার্জ&#39; বা কেন্দ্র ভাড়া দিতে হয়, তা পুনর্নির্মাণ বা বাতিল করা। সঞ্চালন ও বিতরণ লাইনের ত্রুটি এবং দুর্নীতি রোধ করে সিস্টেম লস কমালে বিপুল পরিমাণ আর্থিক সাশ্রয় হতে পারে। বিদ্যুৎ উৎপাদনের দীর্ঘমেয়াদি ও স্থায়ী সমাধান হিসেবে সোলার প্যানেল বা নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি করা। ধনী ও সচ্ছল গ্রাহকদের ভর্তুকি প্রত্যাহার করে শুধুমাত্র প্রান্তিক, নিম্নবিত্ত ও কৃষি খাতে ভর্তুকি অব্যাহত রাখা।<br />
<br />
দেশের বিদ্যুৎ, গ্যাস ও জ্বালানি তেলের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছার উপক্রম হয়েছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের ঊর্ধ্বগতির সঙ্গে বিদ্যুৎ, গ্যাস ও তেলের দাম বৃদ্ধি যুক্ত হয়ে জনগণের দুর্ভোগকে আরও বাড়িয়ে দেবে। নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের পক্ষে সংসার পরিচালনা করা দিন দিন কঠিন হয়ে পড়ছে। জনগণের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিদ্যুৎ, গ্যাস ও জ্বালানি তেলের মূল্য নির্ধারণ করা উচিত। অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত থেকে সরকারকে সরে এসে জনবান্ধব নীতি গ্রহণ করতে হবে। একই সঙ্গে জ্বালানি খাতে দুর্নীতি, অপচয় ও অব্যবস্থাপনা দূর করে জনগণের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ কমানোর কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।<br />
<br />
বিদ্যুৎ, গ্যাস ও জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির ফলে পরিবহন ব্যয়, কৃষি উৎপাদন খরচ এবং শিল্পকারখানার উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে বাজারে সকল পণ্য ও সেবার মূল্যের ওপর। ফলে সাধারণ মানুষ ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতির চাপে মানবেতর জীবনযাপন করতে বাধ্য হচ্ছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে একেবারে মূল্যবৃদ্ধি না করে কোনো উপায় যেমন সরকারের নাই। তেমনই আবার মূল্যবৃদ্ধি করেই ভর্তুকি সমন্বয় করাও সম্ভব নয়। অতীতে দফায় দফায় মূল্যবৃদ্ধি করেও ঘাটতি পূরণ হয়নি। সেজন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা দরকার। তবে ক্যাপাসিটি পেমেন্ট এবং অদক্ষ ও ব্যয়বহুল তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ব্যবহার কমিয়ে আনলে উৎপাদন ব্যয় কমবে। তা ছাড়া সাশ্রয়ী নীতি অবলম্বন এবং সিস্টেম লস কমিয়ে আনাসহ অন্যান্য পদক্ষেপ নিলে বিদ্যুতের দাম এত বেশি মূল্যবৃদ্ধি প্রয়োজন ছিল না।<br />
<br />
বিদ্যুৎ খাতের বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, মুনাফা নয়, লোকসান নয়&mdash; এটাই সরকারি প্রতিষ্ঠানের নীতি। তাই সরকারি কোম্পানির মুনাফা করার কথা নয়। সরকারি কোম্পানি সেবার জন্য তৈরি, অথচ তারা মুনাফা করছে। আবার শ্রম আইনের দোহাই দিয়ে সেই মুনাফা নিচ্ছে ভাগ করে। বিদ্যুৎ কোম্পানিগুলোতে বেতন সরকারি বেতন স্কেলের চেয়ে দেড়গুণ বেশি। এরপরও মুনাফার নামে শত শত কোটি টাকা নিয়ে যাচ্ছেন কোম্পানিগুলোর কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। আর তার দায় চাপছে জনগণের ওপর। অথচ এ বাড়তি ব্যয় সাধারণ মানুষের ওপর না চাপিয়ে বিতরণ সংস্থাগুলোর মুনাফা থেকে যতটা সম্ভব সমন্বয় করা যেত। বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির গণবিরোধী প্রস্তাব বাতিল ও অপচয়, সিস্টেম লস ও লুটপাট-দুর্নীতি বন্ধ করার পদক্ষেপ গ্রহন করে অবিলম্বে গণশুনানির মাধ্যমে বিদ্যুৎ, গ্যাস ও জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা এবং জনগণের ক্রয়ক্ষমতা রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারের পদক্ষেপ জনমনে আশার সঞ্চার হতে পারে।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1465-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট-৩০’র প্রাইমারী নির্বাচনে শামসুল হকের সমর্থনে জ্যামাইকায় ফান্ড রেইজিং]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/28660</link>
    <pubDate>Sun, 07 Jun 2026 09:34:55 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/28660</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/404-3.jpg" />    <p>নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট ৩০-এর আসন্ন প্রাইমারী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশী-আমেরিকান প্রার্থী শামসুল হকের সমর্থনে জ্যামাইকায় ফান্ড রেইজিং হয়েছে। কমিউনিটির পরিচিত মুখ, অ্যাক্টিভিষ্ট ও মূলধারার রাজনীতিক এবং জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম দেলোয়ার জ্যামাইকাবাসীর পক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। মঙ্গলবার (২ জুন) সন্ধ্যায় তার অফিসে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে আগত অতিথিগণ শামসুল হকের জন্য ফান্ড রেইজের পাশপাশি যোগ্য প্রার্থী হিসেবে তাকে নির্বাচিত করতে দলমত নির্বিশেষে যার যার অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখার জন্য কমিউনিটি নেতৃবৃন্দের প্রতি আহ্বান জানান। উল্লেখ্য, আগামী ২৩ জুন মঙ্গলবার এই নির্বাচনে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। খবর ইউএনএ&rsquo;র।<br />
ব্যতিক্রমী এই ফান্ড রেইজিং অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন আয়োজক মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম দেলোয়ার। সভায় আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সাপ্তাহিক বাংলাদেশ সম্পাদক ডা. ওয়াজেদ এ খান, এবং জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির অন্যতম উপদেষ্টা সালেহ আহমেদ, মুসলিম উম্মাহ অব নর্থ আমেরিকা (মুনা)-এর এক্সিকিউটিভ সেক্রেটারী আরমান চৌধুরী, ইকনা&rsquo;র সাবেক সভাপতি তারেক খান, নাবিক-এর কামরুল ইসলাম, এনআরবি বাংলাদেশ-এর চেয়ারপার্সন শেকিল চৌধুরী, ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ সাদেক, জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টার (জেএসি)-এর সাবেক সেক্রেটারী আফতাব মান্নান, সামাজিক সংগঠন ভালো&rsquo;র কর্ণধার শাহরিয়ার রহমান, বাংলাদেশী-আমেরিকান পুলিশ এসোসিয়েশন (বাপা)-এর সহ সভাপতি এরশাদুর সিদ্দিক, জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির সাবেক সভাপতি বেলাল চৌধুরী প্রমুখ।<br />
অনুষ্ঠানে বক্তারা নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট ৩০-এর আসন্ন প্রাইমারী নির্বাচনে বাংলাদেশী-আমেরিকান প্রার্থী শামসুল হককে এক যোগ্য প্রার্থী হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, তিনি এনওয়াইপিডি&rsquo;র একজন যোগ্য সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা। তিনি কাজে বিশ্বাসী। তিনি নির্বাচিত হলে আলবেনীতে বাংলাদেশী কমিউনিটি সহ অন্যান্য কমিউনিটির জন্য কাজ করতে পারবেন।<br />
অনুষ্ঠানে শামসুল হক বলেন, নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট ৩০-এর আগামী প্রাইমারী নির্বাচন সহজ নির্বাচন নয়। তবে এই নির্বাচনে জয়ের প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। জয়ের জন্য দরকার অর্থেও পাশাপাশি ভলান্টিয়ার, কমিউনিটির সাপোর্ট আর প্রচার-প্রচারণা। তিনি বলেন, ইতিমধ্যেই আমরা প্রবীন সিনেটর বার্নি সেন্ডার্স সহ অনেকের সমর্থন পেয়েছি। এই সমর্তনগুলো আমাদেরকে উৎসাহিত করছে এবং বিজয় হতে সাহায্য করবে। নতুন প্রজন্মের বিপুল সংখ্যক ছেলে-মেয়ে তার নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/404-3.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া স্টেট সিনেট নির্বাচনে বাংলাদেশি-আমেরিকান শেখ রহমানের টানা পাঁচবার জয়]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/28659</link>
    <pubDate>Sun, 07 Jun 2026 09:34:29 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/28659</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/667-2.jpg" />    <p>যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া স্টেট সিনেট নির্বাচনে টানা পঞ্চমবারের মতো জয় পেয়েছেন বাংলাদেশি-আমেরিকান আইনপ্রণেতা শেখ রহমান। ডেমোক্র্যাটিক দলের অভ্যন্তরীণ প্রাইমারিতে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বী রবিন এমিলিয়া ম্যাককয়কে পরাজিত করে নিজের আসন ধরে রাখেন। গত ২০ মে প্রকাশিত চূড়ান্ত ফলাফলে দেখা যায়, শেখ রহমান ৫৪ দশমিক ৪৯ শতাংশ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন।<br />
জয় পাওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে বসবাসরত বাংলাদেশি-আমেরিকান কমিউনিটির সদস্যরা তাকে অভিনন্দন জানান। তাদের মতে, এই সাফল্য মার্কিন রাজনীতিতে অভিবাসী প্রতিনিধিত্বের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি।<br />
নির্বাচন শেষে শেখ রহমান বলেন, তিনি তার এলাকার সব মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং বৈচিত্র্যময় জনগোষ্ঠীর অধিকার রক্ষায় কাজ চালিয়ে যাবেন। শেখ রহমান এবারের নির্বাচনী প্রচারে কর্মজীবী পরিবারের অধিকার রক্ষা, মানসম্মত শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবার সহজলভ্যতা এবং নতুন অর্থনৈতিক সুযোগ তৈরির ওপর গুরুত্ব দেন।<br />
তিনি ২০১৯ সাল থেকে জর্জিয়ার ৫ নম্বর স্টেট সিনেট ডিস্ট্রিক্টের প্রতিনিধিত্ব করছেন। সেই সময় তিনি প্রথম মুসলিম এবং প্রথম বাংলাদেশি-আমেরিকান হিসেবে জর্জিয়া স্টেট সিনেটে নির্বাচিত হয়ে ইতিহাস গড়েন।<br />
বাংলাদেশের কিশোরগঞ্জ জেলার বাজিতপুর উপজেলার সরারচর গ্রামে জন্ম নেয়া শেখ রহমান ১৯৮১ সালে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান। পরে তিনি নর্থ ক্যারোলাইনার সেন্ট্রাল পিডমন্ট কমিউনিটি কলেজে পড়াশোনা শেষ করেন এবং ইউনিভার্সিটি অব জর্জিয়া থেকে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেন।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/667-2.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদকে ভূষিত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/28658</link>
    <pubDate>Sun, 07 Jun 2026 09:33:56 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/28658</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/922-1.jpg" />    <p>সুদানের কাদুগলিতে জাতিসংঘের আবেই অঞ্চলের অন্তর্বর্তীকালীন নিরাপত্তা বাহিনী (UNISFA)-তে দায়িত্ব পালনকালে নিহত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীকে মরণোত্তর জাতিসংঘের মর্যাদাপূর্ণ ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদকে ভূষিত করা হয়েছে। আজ ৫ জুন নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তাদের এ সম্মাননা প্রদান করা হয়।<img alt="" decoding="async" height="1080" sizes="(max-width: 1920px) 100vw, 1920px" src="https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/06/photo-3.png" srcset="https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/06/photo-3.png 1920w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/06/photo-3-300x169.png 300w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/06/photo-3-1024x576.png 1024w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/06/photo-3-150x84.png 150w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/06/photo-3-768x432.png 768w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/06/photo-3-1536x864.png 1536w" width="1920" /><br />
জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস নিহত শান্তিরক্ষীদের পক্ষ থেকে পদকগুলো জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাউদ্দিন নোমান চৌধুরীর হাতে তুলে দেন। আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় তাদের সাহস, আত্মত্যাগ এবং নিষ্ঠার স্বীকৃতিস্বরূপ এ সম্মাননা প্রদান করা হয়।<br />
সম্মাননাপ্রাপ্ত শান্তিরক্ষীরা হলেন করপোরাল মো. মাসুদ রানা, প্রাইভেট মো. জাহাঙ্গীর আলম, প্রাইভেট মো. সবুজ মিয়া, প্রাইভেট মো. মোমিনুল ইসলাম, প্রাইভেট শামীম রেজা এবং প্রাইভেট সান্তো মন্ডল। তারা ২০২৫ সালের ১৩ ডিসেম্বর জাতিসংঘের পতাকাতলে দায়িত্ব পালনকালে এক ড্রোন হামলায় নিহত হন।<br />
অনুষ্ঠানে জাতিসংঘ মহাসচিব ১৯৪৮ সাল থেকে দায়িত্ব পালনকালে নিহত প্রায় ৪,৫০০ শান্তিরক্ষীর স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন। তিনি বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন মিশনে কর্মরত ৫০ হাজারেরও বেশি শান্তিরক্ষীর অবদানের কথাও তুলে ধরেন।<br />
চলতি বছর ৩৩টি সদস্য রাষ্ট্রের ৬৮ জন সামরিক, পুলিশ ও বেসামরিক শান্তিরক্ষীকে মরণোত্তর ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদকে ভূষিত করা হয়। অনুষ্ঠান শেষে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাউদ্দিন নোমান চৌধুরী নিহত শান্তিরক্ষীদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শোক বইতে স্বাক্ষর করেন।<br />
উল্লেখ্য যে, ড্যাগ হ্যামারশোল্ড পদক ১৯৯৭ সালে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ কর্তৃক প্রবর্তিত একটি মরণোত্তর সম্মাননা, যা জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে দায়িত্ব পালনকালে নিহত সামরিক, পুলিশ ও বেসামরিক সদস্যদের অবদান ও আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রদান করা হয়।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/922-1.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[এরদোয়ানকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28657</link>
    <pubDate>Sun, 07 Jun 2026 09:32:30 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28657</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/783-99.jpg" />    <article>
<p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়িপ এরদোয়ানকে সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। শনিবার (৬ জুন) বিকেলে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে (পিএমও) তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে প্রধানমন্ত্রী এ আমন্ত্রণ জানান বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>এ সময় তারেক রহমান বাংলাদেশ সফরের জন্য তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/06/06/1693872" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>হাকান ফিদান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়িপ এরদোয়ানের শুভেচ্ছা পৌঁছে দেন।</p>

<p>হাকান ফিদান বলেন, &lsquo;আমার এ সফর বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ককে কৌশলগত পর্যায়ে উন্নীত করার প্রথম পদক্ষেপ।&rsquo;</p>

<p>এ লক্ষ্যে উভয় পক্ষ পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে বার্ষিক ফরেন অফিস কনসালটেশন আয়োজনের বিষয়ে একমত হয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/06/06/1693867" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>এ ছাড়া দুই দেশের পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের অংশগ্রহণে প্রতিবছর &lsquo;টু প্লাস টু&rsquo; (২+২) পরামর্শ বৈঠক আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।</p>

<p>পাশাপাশি রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সহযোগিতা আরো জোরদারের লক্ষ্যে দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর অধীনে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর অংশগ্রহণে একটি পরামর্শ কাঠামো বা কমিটি গঠন করা হবে।</p>

<p>বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের সার্বিক বিষয় পর্যালোচনা করা হয়। বিশেষভাবে রোহিঙ্গা সংকট, জলবায়ু পরিবর্তন, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, যৌথ উৎপাদন ও সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/783-99.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[শিশু নির্যাতন রোধে জাতীয় শিশু নিরাপত্তা টাস্কফোর্স গঠন করতে হবে : ডেপুটি স্পিকার]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28656</link>
    <pubDate>Sun, 07 Jun 2026 09:31:39 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28656</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/976-88.jpg" />    <article>
<p>দেশে ক্রমবর্ধমান শিশু নির্যাতন মোকাবেলায় জাতীয় পর্যায়ে একটি সমন্বিত শিশু নিরাপত্তা টাস্কফোর্স গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।&nbsp;শনিবার (৬ জুন) শাহবাগে শহীদ আবু সাঈদ কনভেনশন সেন্টারের কনফারেন্স রুমে নিপীড়িত নারী ও শিশুদের আইনি ও স্বাস্থ্য সহায়তা সেল আয়োজিত &lsquo;বাংলাদেশে ক্রমবর্ধমান শিশু নির্যাতন মোকাবেলা : প্রতিবন্ধকতা, দায়িত্ব ও করণীয়&rsquo; শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।</p>
</article>

<article><br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/country-news/2026/06/06/1693807" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>ডেপুটি স্পিকার বলেন, শিশু নির্যাতন একটি গুরুতর সামাজিক ব্যাধি, যা কেবল আইন প্রয়োগের মাধ্যমে নির্মূল করা সম্ভব নয়। এ সমস্যা মোকাবেলায় পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন, গণমাধ্যম এবং রাষ্ট্রের সব অংশীজনকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। আমাদের সন্তানদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। &nbsp;</p>

<p>ডেপুটি স্পিকার বলেন, শিশু নির্যাতনের মূল কারণসমূহ চিহ্নিত করে বিদ্যমান আইন, নীতি ও সুরক্ষা ব্যবস্থার ঘাটতিগুলো মূল্যায়ন করা জরুরি।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি শিশুদের জন্য একটি নিরাপদ, মানবিক ও সহিংসতামুক্ত সমাজ গঠনে কার্যকর ও টেকসই কৌশল প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।&nbsp;</p>

<p>কায়সার কামাল বলেন, শিশুদের শারীরিক, মানসিক ও সামাজিক বিকাশ নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক ও নৈতিক দায়িত্ব।</p>

<p>রামিসা হত্যার বিচার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দ্রুততম সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ আদালতের মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে।&nbsp;</p>

<p>ডেপুটি স্পিকার আরো বলেন, কথার চেয়ে কাজে বিশ্বাসী হতে হবে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/976-88.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[সরকারদলীয় এমপিদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28655</link>
    <pubDate>Sun, 07 Jun 2026 09:30:56 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28655</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1098-77.jpg" />    <article>
<p>জাতীয় সংসদ ভবনে সরকারদলীয় সংসদ সদস্যদের সংসদীয় সভা অনুষ্ঠিত চলছে। শনিবার (৬ জুন) বিকেল ৩টায় সভাটি শুরু হয় বলে জানান ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি।</p>
</article>

<article>সভায় সভাপতিত্ব করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এতে সরকারদলীয় সংসদ সদস্যরা উপস্থিত রয়েছেন।
<p>&nbsp;</p>
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/prescription/2026/06/06/1693814" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>সংসদীয় এ সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।</p>

<p>সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সভায় সরকারের চলমান কার্যক্রম, সংসদীয় দায়িত্ব পালন এবং বিভিন্ন উন্নয়নমূলক বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1098-77.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[রাজকুমারী অ্যানের ছেলের বিয়েতে ব্রিটিশ রাজপরিবারের মিলনমেলা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28654</link>
    <pubDate>Sun, 07 Jun 2026 09:29:48 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28654</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1215-66.jpg" />    <article>
<p>ব্রিটিশ রাজকুমারী অ্যানের পুত্র পিটার ফিলিপসের বিয়েতে অংশ নিয়েছেন রাজা চার্লস ও ব্রিটেনের জ্যেষ্ঠ রাজপরিবারের সদস্যরা। শনিবার (৬ জুন) দক্ষিণ-পশ্চিম ইংল্যান্ডের সাইরেন্সেস্টারের কাছে কেম্বলের অল সেন্টস চার্চে এক ব্যক্তিগত অনুষ্ঠানে এই রাজকীয় বিয়ের আয়োজন করা হয়।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>বিয়েতে বর পিটারের মা রাজকুমারী অ্যান, তার স্বামী টিমোথি লরেন্স ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাজা চার্লস, রানি ক্যামিলা এবং সিংহাসনের উত্তরাধিকারী প্রিন্স উইলিয়াম ও তার স্ত্রী কেট মিডলটন। এ ছাড়া প্রিন্স অ্যান্ড্রুর দুই কন্যা রাজকুমারী ইউজেনি ও বিয়াট্রিসসহ রাজপরিবারের অন্যান্য জ্যেষ্ঠ সদস্যরাও এই আনন্দঘন মুহূর্তে যোগ দেন।</p>

<p>প্রয়াত রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের জ্যেষ্ঠ নাতি পিটার ফিলিপস বর্তমানে ব্রিটিশ সিংহাসনের উত্তরাধিকারের তালিকায় ১৯তম স্থানে রয়েছেন। তবে তিনি রাজপরিবারের কোনো আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব পালন করেন না; পেশাগত জীবনে তিনি একজন ক্রীড়া ব্যবস্থাপনা নির্বাহী হিসেবে কাজ করছেন।</p>
</article>

<article>অন্যদিকে, কনে হ্যারিয়েট স্পার্লিং পেশায় একজন শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ নার্স।
<p>&nbsp;</p>

<p>এটি পিটার ফিলিপসের দ্বিতীয় বিয়ে। এর আগে অটাম কেলির সঙ্গে তার প্রথম বিয়ে হয়েছিল, যা ২০২১ সালে বিবাহবিচ্ছেদের মাধ্যমে শেষ হয়।</p>

<p>সূত্র : <a href="https://www.reuters.com/world/uk/british-royals-gather-wedding-princess-annes-son-2026-06-06/?fbclid=IwY2xjawSRuthleHRuA2FlbQIxMABicmlkETFpM3BZRkJzTUp3NnRwaURYc3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHrHtHHD6e_J-t5w49X59Jz_98sc0AEZ6Zc28aHTdNeLh3iev4nvnzMcxeM9R_aem_iI1KITNQo3TlWpe1D298FQ">রয়টার্স</a></p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1215-66.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ভারতের ওপর নিষেধাজ্ঞার হুমকি মোদির নেতৃত্বে ‘বুমেরাং’ হবে : পুতিন]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28653</link>
    <pubDate>Sun, 07 Jun 2026 09:29:00 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28653</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1316-55.jpg" />    <article>
<p>ভারতের সার্বভৌমত্বকে ক্ষুণ্ন করার যেকোনো বাহ্যিক চেষ্টা বা &lsquo;নিষেধাজ্ঞার হুমকি&rsquo; প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে উল্টো হিতে বিপরীত বা &lsquo;বুমেরাং&rsquo; হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।</p>

<p>ভারতকে একটি সম্পূর্ণ স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে অভিহিত করে তিনি এই মন্তব্য করেন।</p>
</article>

<article>দ্য হিন্দু এক <a href="https://www.thehindu.com/news/international/sanctions-threat-to-india-would-boomerang-under-pm-modis-leadership-putin/article71069320.ece?fbclid=IwY2xjawSRukpleHRuA2FlbQIxMABicmlkETFCa3YyNm1EaGRrbWQ3RXl3c3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHjS5ZsPfyiCFvJnreDqgf3VikbFooT9KVZ8ooOpRf0cc79S8uZ8Y1lUbgmoO_aem_lnDpxRZ1JMU-Oh0b99vd8Q">প্রতিবেদনে</a> এ তথ্য জানিয়েছে।

<p>&nbsp;</p>

<p>শুক্রবার (৫ জুন) সেন্ট পিটার্সবার্গে অনুষ্ঠিত বার্ষিক আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ফোরামে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে পুতিন এই কথা বলেন। এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বার্তা সংস্থাগুলোর প্রধানদের সঙ্গে এক মতবিনিময়েও তিনি প্রায় একই ধরনের মন্তব্য করেছিলেন।</p>

<p>রুশ প্রেসিডেন্ট বলেন, &lsquo;ভারত সবসময় একটি সার্বভৌম দেশ হিসেবে নিজের সিদ্ধান্ত নিজে নেয়।</p>
</article>

<article>প্রধানমন্ত্রী মোদির বলিষ্ঠ নেতৃত্বে ভারতের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার যেকোনো সম্ভাব্য হুমকি তাৎক্ষণিকভাবে বুমেরাং হয়ে ধেয়ে আসবে।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের সুসম্পর্কের কথা উল্লেখ করে পুতিন অতীতে নরেন্দ্র মোদির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের জারি করা ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি স্মরণ করেন।</p>

<p>পুতিন বলেন, &lsquo;আমি জানি প্রধানমন্ত্রী মোদি কখনোই সেই বিষয়টি ভুলে যাবেন না। তবে আজ তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী, তার ওপর থেকে সব নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছে।</p>
</article>

<article>যতটুকু আমি বুঝি, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের মধ্যকার সম্পর্ক বেশ সফলভাবেই এগিয়ে চলেছে।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>রাশিয়ার অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান সুখই-৫৭ কিংবা শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এস-৫০০ ক্রয় করলে ভারতের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা আসতে পারে কি না&mdash; এমন প্রশ্নের জবাবে পুতিন স্পষ্ট জানান, নয়াদিল্লি কোনো বাহ্যিক চাপে মাথা নত করবে না।</p>

<p>পুতিন বলেন, &lsquo;ভারত একটি স্বাধীন রাষ্ট্র। যে পণ্যটি তাদের কাছে সবচেয়ে আধুনিক, উপযোগী ও সাশ্রয়ী মনে হবে, সেটি বেছে নেওয়ার পূর্ণ স্বাধীনতা তাদের রয়েছে। লোকে কে কী বলল বা ভাবল, তাতে ভারতের কিছু যায় আসে না।</p>
</article>

<article>তারা সবসময় এভাবেই কাজ করে এসেছে।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট জোর দিয়ে বলেন, অন্যান্য অংশীদারদের মতো ভারতের সঙ্গে রাশিয়ার সহযোগিতাপূর্ণ সম্পর্কও কোনো বৈশ্বিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপর নির্ভরশীল নয়। তিনি বলেন, &lsquo;আমাদের কেউ ডিক্টেশন দিতে (হুকুম চালাতে) পারে না... কেউ আমাদের ওপর হুকুম চালানোর সাহসও করবে না। আমরা যা সঠিক মনে করি, সবসময় তা-ই করব। বিশেষ করে ভারতের মতো বিশ্বস্ত অংশীদারদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি আমরা সবসময় রক্ষা করব।&rsquo;</p>

<p>ভারতের সঙ্গে রাশিয়ার দীর্ঘদিনের প্রতিরক্ষা সম্পর্কের গভীরতা তুলে ধরে পুতিন বলেন, এই সম্পর্ক কেবল সাধারণ বাণিজ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।</p>

<p>রাশিয়া ও ভারত শুধু পণ্য কেনাবেচা করে না, বরং যৌথভাবে গবেষণা ও সামরিক সরঞ্জাম তৈরি করে। দুই দেশের বিশেষজ্ঞরা মিলে ইতিমধ্যেই মাঝারি পাল্লার &lsquo;ব্রাহ্মোস&rsquo; ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করেছেন।</p>

<p>পঞ্চম প্রজন্মের অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান সুখই-৫৭ প্রসঙ্গে পুতিন জানান, রাশিয়া প্রথমে যৌথভাবে এটি তৈরির প্রস্তাব দিলেও পরে তা বাস্তবায়িত হয়নি। ফলে রাশিয়া নিজস্ব প্রযুক্তিতেই এটি তৈরি করেছে। পুতিন দাবি করেন, &lsquo;সুখই-৫৭ অত্যন্ত চমৎকার একটি যুদ্ধবিমান, সম্ভবত এই মুহূর্তে বিশ্বের সবচেয়ে আধুনিক ফাইটার জেট। আমরা এটি ভারতের কাছে বিক্রি করতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত।&rsquo;</p>

<p>কয়েক দশক ধরে রাশিয়াই ভারতের প্রধান সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহকারী দেশ। তবে ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে সরবরাহ চেইনে বিঘ্ন ঘটা এবং সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহে বিলম্ব হওয়ার কারণে নয়াদিল্লি বর্তমানে নিজস্ব প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদারে এবং বিকল্প উৎসের সন্ধানে জোর দিচ্ছে।</p>

<p>ভারত তার নিজস্ব পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান তৈরির জন্য এএমসিএ প্রকল্প হাতে নিয়েছে, যা দেশটির ইতিহাসের বৃহত্তম দেশীয় মহাকাশ ও প্রতিরক্ষা প্রকল্প।</p>

<p>ভারতের নিজস্ব &lsquo;এএমসিএ&rsquo; যুদ্ধবিমান ২০৩৫ সালের আগে ভারতীয় বিমানবাহিনীতে (আইএএফ) যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা কম। তাই অন্তর্বর্তীকালীন শূন্যতা পূরণে এবং বিমানবাহিনীর সক্ষমতা বাড়াতে ভারত সরকার রাশিয়ার কাছ থেকে অন্তত দুই স্কোয়াড্রন (প্রায় ৩৬টি) সুখই-৫৭ যুদ্ধবিমান কেনার কথা বিবেচনা করছে, যদি সেগুলো ভারতের সব কারিগরি শর্ত পূরণ করতে পারে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1316-55.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় বেশ কয়েকজন লেবানিজ সেনা নিহত]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28652</link>
    <pubDate>Sun, 07 Jun 2026 09:28:13 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28652</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1382-44.jpg" />    <article>
<p>দক্ষিণ লেবাননে একটি সামরিক যান লক্ষ্য করে চালানো ইসরায়েলি হামলায় লেবাননের সেনাবাহিনীর কয়েকজন সদস্য নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে একজন সেনা কর্মকর্তাও রয়েছেন বলে শনিবার জানিয়েছে লেবাননের সশস্ত্র বাহিনী।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>আরবি সংবাদমাধ্যমের বরাতে লেবাননের নিরাপত্তা সূত্রগুলো জানিয়েছে, নিহত কর্মকর্তা কর্নেল পদমর্যাদার ছিলেন। হামলায় তার গাড়িচালকও নিহত হয়েছেন। তবে তাদের নাম এখনো প্রকাশ করা হয়নি। ঘটনার পরপরই ইসরায়েলি সেনাবাহিনী এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>সেনাবাহিনীর বিবৃতিতে বলা হয়, খারদালি-নাবাতিয়াহ সড়কে তাদের একটি সামরিক যান লক্ষ্য করে হামলাটি চালানো হয়। এতে কয়েকজন সেনাসদস্য প্রাণ হারান।</p>

<p>লেবাননের সেনাবাহিনী ঐতিহাসিকভাবে হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েলের মধ্যে সংঘাতে সরাসরি জড়ানো এড়িয়ে চলেছে। বর্তমান সংঘাতেও তারা ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কোনো সামরিক পদক্ষেপে অংশ নেয়নি।</p>
</article>

<article>তবুও এই হামলায় লেবাননের নিয়মিত সেনাবাহিনীর সদস্যদের প্রাণহানি দেশটিতে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>এই হামলা এমন এক সময়ে ঘটল, যখন লেবানন-ইসরায়েল সীমান্তে উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে এবং দুই পক্ষের মধ্যে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা বাড়ছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1382-44.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[সিঙ্গাপুরে দুটি সোনার পদক জয় বাংলাদেশের]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/28651</link>
    <pubDate>Sun, 07 Jun 2026 09:27:24 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/28651</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1464-33.jpg" />    <article>
<p>সিঙ্গাপুর ওপেন জিমন্যাস্টিকস চ্যাম্পিয়নশিপের দ্বিতীয় দিনে দুটি সোনার পদক জিতেছে বাংলাদেশ।&nbsp;</p>

<p>জাতীয় জুনিয়র দলের খেলোয়াড় উটিংওয়াং মারমা স্টিল রিংস ইভেন্টে ১২.১৫০ পয়েন্ট পেয়ে সোনা এবং ফ্লোর ইভেন্টে ১১.৬০০ পয়েন্ট পেয়ে ব্রোঞ্জ পদক জিতেছেন।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>একই দিনে জুনিয়র দলের খেলোয়াড় মেনটন টনি ম্রো পোমেল হর্স ইভেন্টে ১৩.১৫০ পয়েন্ট পেয়ে সোনা জিতেছেন।</p>

<p>এরপর বাংলাদেশ সিনিয়র ও জুনিয়র জিমন্যাস্টিকস দল তিনটি করে মোট ছয়টি ইভেন্টের ফাইনালে খেলবে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1464-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বিসিবি নির্বাচন আজ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/28650</link>
    <pubDate>Sun, 07 Jun 2026 09:26:32 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/28650</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1506-22.jpg" />    <article>
<p align="left">আজ বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন। মিরপুরের বিসিবি কার্যালয়ে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত হবে ভোটের লড়াই।</p>
</article>

<article>সন্ধ্যা ৬টায় ফল ঘোষণা। এরপর নির্বাচিত প্রতিনিধিদের একটি বৈঠকও হওয়ার কথা আছে। তবে সেখানে ক্রিকেট বোর্ডের বিভিন্ন স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্যদের নাম ঘোষণা করা হবে না বলেই জানা গেছে।
<p>&nbsp;</p>

<p align="left">তবু হয়তো আগেভাগেই কোনো বার্তা পেয়ে গেছেন সিরাজউদ্দিন মোহাম্মদ আলমগীর।</p>
</article>

<article>ব্যালটযুদ্ধে নামতে হয়নি তাঁকে। ক্যাটাগরি-৩ থেকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এরই মধ্যে পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। এখনো দায়িত্ব না নিলেও গতকাল বিসিবি কার্যালয়ের মিডিয়া বিভাগে গিয়ে নিজের পরিকল্পনাও সাজিয়ে এসেছেন সিরাজউদ্দিন। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়া আরেক পরিচালক ঢাকা বিভাগের এস এম আবদুল্লাহ আল ফুয়াদও গতকাল বিসিবিতে উপস্থিত ছিলেন।</article>

<article>তাঁদের মতো আরো ছয়জন ভোটের আগেই পরিচালক হয়েছেন। অর্থাৎ ২৩টি পদের মধ্যে আজ ভোট হবে মাত্র ১৫টিতে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট অনেকেই মনে করছেন, আরেকটি সাদামাটা নির্বাচনের সাক্ষী হতে যাচ্ছে বিসিবি। তবে ভোটারদের মধ্যে ভিন্নমতও শোনা যাচ্ছে। ফল ঘোষণার সময় খুব বড়সড় চমক না এলেও এক-দুই জায়গায় হিসাব বদলে যেতে পারে বলেই মনে করছেন অনেকে।</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p align="left">বিসিবির সর্বশেষ নির্বাচন ঘিরে প্রশ্ন উঠলেও প্রচারণায় কমতি ছিল না স্টেডিয়াম প্রাঙ্গণে। বিসিবি ভবনের সামনে যেমন প্রার্থীদের নাম ও ব্যালটসহ বিশাল ছবি টাঙানো হয়, তেমনি ভোটারদের আকৃষ্ট করতে স্টেডিয়ামের সামনের রাস্তায়ও একাধিক ব্যানার ঝোলানো হয়। অথচ আজ আরেকটি পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন সামনে রেখে গতকাল বিকেলেও খুব বেশি প্রচারণা করতে দেখা যায়নি এবারের প্রার্থীদের। অথচ শুরুতে তামিম ইকবালের নেতৃত্বাধীন অ্যাডহক কমিটির অধীনে তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতার একটি নির্বাচনের আভাস পাওয়া যায়। শেষ পর্যন্ত অনেকটাই আনুষ্ঠানিকতায় রূপ নিতে যাচ্ছে এই নির্বাচন।</p>

<p align="left"><em>&ldquo;আজ বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন। মিরপুরের বিসিবি কার্যালয়ে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত হবে ভোটের লড়াই। সন্ধ্যা ৬টায় ফল ঘোষণা। এরপর নির্বাচিত প্রতিনিধিদের একটি বৈঠকও হওয়ার কথা আছে। তবে সেখানে ক্রিকেট বোর্ডের বিভিন্ন স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্যদের নাম ঘোষণা করা হবে না বলেই জানা গেছে।&rdquo;</em></p>

<p align="left">১৯২ জন ভোটারের মধ্যে ভোটদানের আগ্রহ প্রকাশ করেন ১৮৪ জন। যেখানে জেলা-বিভাগ ক্যাটাগরির ৭১ জন ভোটারের মধ্যে মাত্র ১৮ জন ভোট দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। তাঁদের ভোটেই খুলনা (দুজন) ও বরিশাল (একজন) থেকে নির্বাচিত হবেন তিনজন। ঢাকাসহ অন্য পাঁচ বিভাগ থেকে এরই মধ্যে সাতজন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। এই ক্যাটাগরিতে বরিশাল বিভাগে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। বিপিএলের সফল ফ্র্যাঞ্চাইজি ফরচুন বরিশালের স্বত্বাধিকারী মিজানুর রহমান অ্যাডহক কমিটির সভাপতি তামিম ইকবালের আস্থাভাজন হলেও লড়াইয়ে পিছিয়ে নেই আরেক প্রার্থী মুনতাসির আলমও।</p>

<p align="left">তবে বরাবরের মতো এবারের নির্বাচনেও মূল আকর্ষণ ঢাকার ক্লাব ক্যাটাগরি। এখানে ১২টি পরিচালক পদের জন্য ১৬ জন প্রার্থী লড়াইয়ে নেমেছেন। তামিম, ফাহিম সিনহা, শানিয়ান তানিম, আমজাদ হোসেন, মির্জা ইয়াসির আব্বাসসহ আলোচিত প্রার্থীরা এই ক্যাটাগরিতেই ভোটের লড়াইয়ে নেমেছেন। যদিও গুঞ্জন আছে, ৮-১০ জনের এরই মধ্যে পরিচালক হওয়া অনেকটাই নিশ্চিত, নিজেদের মধ্যকার সমঝোতার মাধ্যমেই ভোটের মাঠকেও তাঁরা প্রভাবিত করেছেন। তবে নাম প্রকাশ করতে না চেয়ে একজন ভোটার গতকাল বলেন, &lsquo;আমাদের কাছেও এমন আনুষ্ঠানিক বার্তা আছে যে নির্দিষ্ট ৮-১০ জনকে ভোট দিতে হবে। তবে কাকে ভোট দেব, এটা তো শেষ পর্যন্ত আমরাই নির্ধারণ করব। আগামীকাল (আজ) ফল বের হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন, কিছুটা চমক আসবে বলেই আশা করছি।&rsquo;</p>

<p align="left">জানা গেছে, সব মিলিয়ে ৪১ জন ভোটার অনলাইনে, অর্থাৎ ই-ভোট দেবেন বলে ব্যালটপত্র নিয়েছেন। এর মধ্যে জেলা-বিভাগ ক্যাটাগরির আছেন তিনজন এবং ঢাকার ক্লাব ক্যাটাগরির ৩৮ জন। এদিকে আজ নির্বাচন উপলক্ষে বিসিবিতে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এর আগে ক্রিকেট বোর্ডের কোন নির্বাচনে এমন নজির নেই।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1506-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[‘প্রতিদানে আমি জনম জনম কাঁদিব’, লিখলেন দীপ্তি চৌধুরী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/28649</link>
    <pubDate>Sun, 07 Jun 2026 09:25:52 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/28649</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1604-11.jpg" />    <article>
<p>জীবনের নতুন অধ্যায়ে পা রাখার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই স্বামীকে উদ্দেশ করে আবেগভরা একটি বার্তা শেয়ার করেছেন আলোচিত উপস্থাপক দীপ্তি চৌধুরী।&nbsp;</p>

<p>বিয়ের একাধিক ছবি প্রকাশ করে তিনি লিখেছেন, &lsquo;মাস্টার সাহেব, আপনি আমার জন্য দুফোঁটা চোখের জল ফেলেছেন, তার প্রতিদানে আমি জনম জনম কাঁদিব!&rsquo;।</p>
</article>

<article>মুহূর্তেই পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>দীপ্তি চৌধুরীর ব্যবহৃত বাক্যটি কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের একটি জনপ্রিয় উপন্যাসের সংলাপের অনুকরণে লেখা। মূল সংলাপে ছিল, &lsquo;ডাক্তার সাহেব, তুমি আমার জন্য দুফোঁটা চোখের জল ফেলেছ! তার প্রতিদানে আমি জনম জনম কাঁদিব।&rsquo; সেই বহুল পরিচিত সাহিত্যিক আবেগকে নিজের বাস্তব জীবনের অনুভূতির সঙ্গে মিলিয়ে &lsquo;ডাক্তার সাহেব&rsquo;-এর পরিবর্তে &lsquo;মাস্টার সাহেব&rsquo; ব্যবহার করেছেন তিনি।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p><img alt="May be an image of one or more people, henna and wedding" src="https://scontent.fdac174-1.fna.fbcdn.net/v/t39.30808-6/714716451_1304793035166065_5244037876314694578_n.jpg?stp=dst-jpg_tt6&amp;cstp=mx1080x1616&amp;ctp=s1080x1616&amp;_nc_cat=1&amp;ccb=1-7&amp;_nc_sid=833d8c&amp;_nc_eui2=AeHZ2qNWhQFsAIB7RsCN9Vz6P59F4rfFhvM_n0Xit8WG83ucmsk0-ev30U8ws1DrZdP2wF7MkgzHKfHyIq0DXYdN&amp;_nc_ohc=NMOpVcM8noYQ7kNvwHOlAj3&amp;_nc_oc=AdowCAg2n8DdxmMmTpzuNXJFGLahGtCmfADIjTiEeYDRGlR4oLLLUTMRTTPS6J36oLI&amp;_nc_zt=23&amp;_nc_ht=scontent.fdac174-1.fna&amp;_nc_gid=mPNfIFtij7rvNy3zjkE6lw&amp;_nc_ss=7a2a8&amp;oh=00_Af-luLM8YV_ep1g-c8jbQkCIqiL0PUtbMyK3bjKAJTFSxw&amp;oe=6A29990A" /></p>

<p>শুক্রবার ঢাকার বাংলামোটরের একটি রেস্তোরাঁয় পারিবারিক আয়োজনে দীপ্তি চৌধুরীর আক্দ সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে দুই পরিবারের সদস্য, আত্মীয়স্বজন ও ঘনিষ্ঠজনরা উপস্থিত ছিলেন। ঘরোয়া পরিবেশে সম্পন্ন হওয়া এই আয়োজনে নবদম্পতির জন্য শুভকামনা জানান স্বজনরা।</p>

<p>দীপ্তি চৌধুরীর স্বামী মুশতাক ইবনে আইয়ুব পেশায় শিক্ষক ও গবেষক।</p>
</article>

<article>উচ্চশিক্ষার জন্য তিনি যুক্তরাজ্যে পড়াশোনা করেন এবং অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি সম্পন্ন করেছেন। বর্তমানে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি শিক্ষা ও গবেষণার বিভিন্ন কার্যক্রমের সঙ্গেও যুক্ত রয়েছেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>বিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে দীপ্তি চৌধুরীর পরিবারের এক সদস্য গণমাধ্যমকে বলেন, &lsquo;আজ আক্দ হয়েছে। পরবর্তী সময়ে বড় আয়োজনে বিবাহোত্তর সংবর্ধনায় সবাইকে দাওয়াত দেওয়া হবে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1604-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[আবু সাঈদ যুবদলের কেন্দ্রীয় ভাইস প্রেসিডেন্ট হলেন]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/28648</link>
    <pubDate>Sat, 06 Jun 2026 21:22:01 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/28648</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/06062026_news0201_abu_sayed.jpg" />    <p>নিউ ইয়র্ক: বিএনপির যুব সংগঠন &lsquo;জাতীয়তাবাদী যুবদল&rsquo;র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট হয়েছেন আবু সাঈদ আহমেদ। নিউইয়র্কে বসবাসরত সাঈদ যুক্তরাষ্ট্র যুবদলের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালনের পথ বেয়ে কেন্দ্রীয় যুবদলের বিগত কমিটির আন্তর্জাতিক সম্পাদক হয়েছিলেন। ৪ জুন অনুমোদিত সর্বশেষ কেন্দ্রীয় কমিটিতে ভাইস প্রেসিডেন্ট হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রে বিএনপি ও যুবদলের অনেকেই সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। দলের জন্যে পরীক্ষিত সংগঠকদের এই ধারায় ভবিষ্যতেও মূল্যায়ন করা হবে বলে তারা আশা পোষণ করেছেন।<br />
&nbsp;</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/06062026_news0201_abu_sayed.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[তোফায়েল আহমেদের স্মরণে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের শোক সমাবেশ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/28647</link>
    <pubDate>Sat, 06 Jun 2026 21:17:42 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/28647</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/06062026_news0101_usal_tofael.jpg" />    <p>নিউ ইয়র্ক: বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের অসম সাহসী যোদ্ধা ও সংগঠক আওয়ামী লীগ নেতা তোফায়েল আহমেদ স্মরণে ৩ জুন বুধবার সন্ধ্যায় নিউইয়র্ক সিটির জ্যাকসন হাইটসে একটি শোক-সভা ও মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া-মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের এ সমাবেশে নিউইয়র্ক স্টেট, মহানগর আওয়ামী লীগ, যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ছাড়াও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী প্রবাসীরা অংশ নেন।</p>

<p><img alt="" src="https://khabor.com/upload/images/news/06062026_news0102_usal_tofael.jpg" style="width: 899px; height: 572px;" /></p>

<p>হাফেজ মাওলানা মইনুদ্দিনের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত দোয়া-মাহফিলে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুসহ জাতীয় চার নেতার আত্মার মাগফেরাতও কামনা করা হয়। এরপর অনুষ্ঠিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. মাসুদুল হাসান। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদের সঞ্চালনায় এ সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম বাবুল। নেতৃবৃন্দের মধ্যে ছিলেন নিউইয়র্ক স্টেট আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মজিবর রহমান মিয়া, নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি রফিকুর রহমান এবং সেক্রেটারি ইমদাদ চৌধুরী, কেন্দ্রীয় নেতা ফজলুল হক টিপু, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের নেতা সোলায়মান আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা শরাফ সরকার, সাখাওয়াত হোসেন চঞ্চল, দরুদ মিয়া রনেল, শরিফ কামরুল হীরা, অধ্যাপক হোসনেআরা, নাজিমউদ্দিন, সিনিয়র সাংবাদিক সাজ্জাদ হোসেন সবুজ, সাংবাদিক এম ফজলুর রহমান, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের সভাপতি মোর্শেদা জামান, যুক্তরাষ্ট্র মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যাপক মমতাজ শাহানা, যুক্তরাষ্ট্র যুবলীগের সভাপতি সেবুল মিয়া, যুক্তরাষ্ট্র স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি এইচ এম ইকবাল এবং সেক্রেটারি মো. কিবরিয়া প্রমুখ।</p>

<p><img alt="" src="https://khabor.com/upload/images/news/06062026_news0103_usal_tofael.jpg" style="width: 899px; height: 552px;" /></p>

<p>বক্তারা বর্ষিয়ান জননেতা এবং ৯ বারের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা তোফায়েল আহমেদের কফিন জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে এবং কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নিয়ে যাবার অনুমতি না দেয়ায় ক্ষমতাসীন সরকারকে একাত্তরের পরাজিত রাজাকারের সমতুল্য হিসেবে অভিহিত করেন বক্তারা। বলেন, এর দায় এড়াতে পারবেন না সাজানো নির্বাচনে ক্ষমতাসীন তারেক রহমানেরা। এহেন হিংস্রতার দাঁতভাঙ্গা জবাবদানের জন্যে যতদ্রুত সম্ভব শেখ হাসিনার বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তনের বিকল্প নেই বলেও মন্তব্য করেন। এজন্যে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হবার আহবান জানানো হয়।</p>

<p>এদিকে, তোফায়েল আহমেদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় জর্জিয়া স্টেটের আটলান্টায় ৬ জুন সন্ধ্যায় &lsquo;জননেত্রী শেখ হাসিনা পরিষদ&rsquo;র উদ্যোগে একটি দোয়া-মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। সংগঠনের প্রেসিডেন্ট বীর মুক্তিযোদ্ধা আলী হোসেন এবং ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ আলী পিন্টু এ মাহফিলে আটলান্টাস্থ সকল বাঙালির উপস্থিতি কামনা করেছেন।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/06062026_news0101_usal_tofael.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[এবার ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগীর রক্তক্ষরণেরও শঙ্কা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28646</link>
    <pubDate>Sat, 06 Jun 2026 10:19:01 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28646</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/782-99.jpg" />    <p>স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, এবার ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হওয়া রোগীদের রক্তক্ষরণেরও আশঙ্কা রয়েছে।</p>

<p>শনিবার (৬ জুন) সকালে ধানমন্ডির রবীন্দ্র সরোবরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে তিন মাসের বিশেষ অভিযানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এই কথা জানান তিনি।</p>

<p>তিনি বলেন, &lsquo;ডাক্তাররা আশঙ্কা করছেন এবারের ডেঙ্গুর রূপ হবে ভয়াবহ। যার নাম হেমোরোজিক। ডেঙ্গু আক্রান্ত হওয়ার সঙ্গে হতে পারে রক্তক্ষরণও। সুতরাং আগে থেকেই সচেতন হতে হবে।&rsquo;</p>

<p>ডেঙ্গু প্রতিরোধে দুই থেকে তিনদিন পর মোবাইল কোর্ট পরিচালনার ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, &lsquo;ডেঙ্গু মশার লার্ভা যে প্রতিষ্ঠানে পাওয়া যাবে, সেখানকার সংশ্লিষ্টদের জরিমানা করা হবে।&rsquo;</p>

<p>এদিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক আব্দুস সালাম বলেন, &lsquo;ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনগণকে সচেতন হতে হবে।&rsquo;</p>

<p>তিনি আরও বলেন, &lsquo;আমাদের জরিপে এসেছে ডেঙ্গুর জন্য দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ৬৩টি ওয়ার্ড ঝুঁকিপূর্ণ। এছাড়া ২৮টি ওয়ার্ড অধিক ঝুঁকিপূর্ণ।&rsquo;</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/782-99.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[খালেদা জিয়াকে শ্রদ্ধা জানিয়ে বাংলাদেশ মিশনকে চিঠি পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28645</link>
    <pubDate>Sat, 06 Jun 2026 10:18:21 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28645</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/975-88.jpg" />    <p>সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় অনুষ্ঠিত শোকজ্ঞাপন কর্মসূচির বিস্তারিত এবার আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হলো কলকাতাস্থ বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনকে।</p>

<p>গত বছরের ৩০ ডিসেম্বর ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রয়াত হন খালেদা জিয়া। তার মৃত্যুর পর চলতি বছরের ৩ ফেব্রুয়ারি পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার অধিবেশনের শুরুতে খালেদা জিয়া ও রাজ্যের বিভিন্ন প্রয়াত বিশিষ্ট ব্যক্তি, সাবেক মন্ত্রী, বর্তমান ও সাবেক বিধায়কদের স্মরণে শোকপ্রস্তাব গৃহীত হয়।</p>

<p>বিধানসভায় শোকজ্ঞাপনের সময় এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। পরে দিনের জন্য অধিবেশন মুলতবি ঘোষণা করা হয়। ৫ ফেব্রুয়ারি রাজ্যপালের ভাষণের মধ্য দিয়ে পুনরায় অধিবেশন শুরু হয়।</p>

<p>এবার সেই শোকজ্ঞাপন পর্বের কার্যবিবরণী আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ মিশনের কাছে পাঠাল পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা কর্তৃপক্ষ। ২ জুন বিধানসভার প্রধান সচিব সৌমেন্দ্র নাথ বসু কলকাতাস্থ বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনারকে চিঠি পাঠিয়ে বিষয়টি জানান।</p>

<p>চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, রাজ্য সরকারের নির্দেশে ২০২৬ সালের ৩ ফেব্রুয়ারির বিধানসভা অধিবেশনে খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গৃহীত শোকবার্তার অংশবিশেষ পাঠানো হচ্ছে। পাশাপাশি তাঁর পরিবারের সদস্যদের কাছেও সেই বার্তা পৌঁছে দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।</p>

<p>রাজনৈতিক মহলে এই পদক্ষেপকে বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের পারস্পরিক কূটনৈতিক ও মানবিক সম্পর্কের দিক থেকে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/975-88.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[শাহজালালের কার্গো শেডে ফের অগ্নিকাণ্ড, ফায়ার সার্ভিসের চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28644</link>
    <pubDate>Sat, 06 Jun 2026 10:17:36 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28644</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1097-77.jpg" />    <p>ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ৯ নম্বর কার্গো শেডে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ফায়ার সার্ভিসের ২টি ইউনিটের চেষ্টায় সেই আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে।</p>

<p>শুক্রবার (৫ জুন) রাতে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।</p>

<p>ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, রাত ১১টা ২৪ মিনিটে কার্গো শেডে আগুন লাগার খবর পায় ফায়ার সার্ভিস। পরে দুটি ইউনিটের চেষ্টায় রাত ১১টা ৩৮ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।</p>

<p>তবে প্রাথমিকভাবে আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি।</p>

<p>গত বছরের ১৮ অক্টোবর দুপুর আড়াইটার দিকে শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজ কমপ্লেক্সে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। পরে ১৩টি ফায়ার স্টেশনের ৩৭টি ইউনিটের প্রায় সাড়ে ছয় ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। সেই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় প্রায় এক বিলিয়ন ডলার বা ১২ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হয় বলে প্রাথমিকভাবে জানিয়েছিল এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইএবি)। তখন আগুন নেভাতে গিয়ে আনসার বাহিনীর ২৫ সদস্যসহ মোট ৩৫ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1097-77.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[পিএসসির প্রশ্নফাঁস: আবেদের নেতৃত্বে ৫৫ জন, পাওয়া গেল পরিচয়]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28643</link>
    <pubDate>Sat, 06 Jun 2026 10:16:50 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28643</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1214-66.jpg" />    <p>এক যুগ আগেও অর্থকষ্টে দিন কাটত গাড়ি চালক আবেদ আলী পরিবারের। হঠাৎই পালটে যায় সবকিছু। আবেদ বনে যান অঢেল সম্পদের মালিক। মাদারীপুরের ডাসার উপজেলার বোতলা গ্রামে গড়ে তুলেন আলিশান বাড়ি। এছাড়া ঢাকায় একাধিক বাড়িম ফ্ল্যাটসহ নামে-বেনামে বিপুল সম্পদ রয়েছে তার। তিনি আওয়ামী লীগের নেতা দাবি করে মাদারীপুরের ডাসার উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসাবে প্রচারণাও চালান।</p>

<p>আবেদ আলী জীবন বছরের পর বছর পিএসসির প্রশ্নফাঁসের টাকায়ই গড়ে তুলেছেন অঢেল সম্পদ।&nbsp;</p>

<p>সম্প্রতি এর আদ্যোপান্ত বেরিয়ে এসেছে এ সংক্রান্ত মামলার চার্জশিটে। দীর্ঘ তদন্তের ভিত্তিতে ১৮ মে আদালতে জমা দেওয়া ৪১ পৃষ্ঠার চার্জশিটের পরতে পরতে রয়েছে চাঞ্চল্যকর নানা তথ্য। আলোচিত মামলাটি ২০২৪ সালের ৯ জুলাই রাজধানীর পল্টন থানায় দায়ের করা হয়।</p>

<p>প্রশ্নফাঁসচক্রের মূলহোতা আবেদের নেতৃত্বে পরিচালিত ৫৫ সদস্যের চক্রে ছিলেন পিএসসির কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী, ব্যবসায়ী, ছাত্র এবং পরীক্ষার্থী সংগ্রহকারী দালালচক্রের সদস্যরা।</p>

<p>এর মধ্যে গ্রেফতার ৩৬ আসামি হলেন- পিএসসির সাবেক গাড়িচালক সৈয়দ আবেদ আলী, মো. নোমান সিদ্দিক, মো. খলিলুর রহমান, পিএসসির অফিস সহায়ক সাজেদুল ইসলাম, ব্যবসায়ী আবু সোলেমান মো. সোহেল, জাহাঙ্গীর আলম, এসএম আলমগীর কবীর, প্রতিরক্ষা ও অর্থ বিভাগের অডিটর প্রিয়নাথ রায়, মো. জাহিদুল ইসলাম, পিএসসির উপপরিচালক (ডিডি) মো. আবু জাফর, মো. শাহাদত হোসেন, ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক মো. মামুনুর রশিদ, সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিকেল টেকনিশিয়ান নিয়ামুল হাসান, ব্যবসায়ী মো. সাখাওয়াত হোসেন, সাইম হোসেন, ড্যাফোডিলের শিক্ষার্থী লিটন সরকার, আবেদ আলীর ছেলে সৈয়দ সোহানুর রহমান সিয়াম, পিএসসির সাবেক সহকারী পরিচালক নিখিল চন্দ্র রায়, মো. শরীফুল ইসলাম ভূঁইয়া, দীপক বণিক, মো. খোরশেদ আলম খোকন, কাজী মো. সুমন, একেএম গোলাম পারভেজ, মেহেদী হাসান খান, মো. মিজানুর রহমান, আতিকুল ইসলাম, এটিএম মোস্তফা, মাহফুজ কালু, মো. আসলাম হোসেন, কৌশিক দেবনাথ, মোজাহিদুল ইসলাম, মজনু মিয়া, মোহাম্মদ আকরাম হোসেন, মো. আব্দুল আজিম, রুপন চন্দ্র দাস ও মাহামুদ হাসান মান্না।</p>

<p>পলাতক ১৯ আসামি হলেন-সুমন কুমার বসু, বিপাশ চাকমা, মো. দেলোয়ার হোসাইন, মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান দিপু, মো. শহিদুল ইসলাম, মো. আল মামুন, মো. আনিছুর রহমান, মো. ওয়াসিম খান, মো. জসিম উদ্দিন, মো. ফেরদৌস আহম্মদ, মো. মান্নান উদ্দিন, মো. আশরাফুল আলম, জাহিদুল সরদার, মো. সোহেল পারভেজ, মো. জুয়েল আল মামুন, মো. বিল্লাল হোসেন, মো. রুবেল শরীফ, শাকের আহমেদ আল-আমিন এবং এম এম নাজমুল হাসান। তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আবেদন করা হয়েছে।</p>

<p>ঘটনার সঙ্গে জড়িত না থাকায় চার্জশিটে ৩১তম বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের কর্মকর্তা মো. জাকারিয়া রহমানকে মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে। এছাড়া পলাতক আসামি মো. গোলাম হামিদুর রহমান, হামিদুল ইসলাম জিয়া, মো. মাহাবুব আলম এবং আজাদ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকলেও তাদের পূর্ণাঙ্গ নাম-ঠিকানা সংগ্রহ করা যায়নি।</p>

<p>তদন্তে উঠে এসছে, পরীক্ষার আগেই নির্বাচিত প্রার্থীদের কাছে প্রশ্নসহ উত্তর পৌঁছে দেওয়া হতো। প্রার্থীদের নির্দিষ্ট স্থানে এনে প্রশ্ন ও উত্তর মুখস্থ করানো হতো। এরপর পরীক্ষার দিন তাদের কেন্দ্রে পাঠানো হতো। বিনিময়ে তারা মোটা অঙ্কের টাকা আগাম নিয়ে নিতেন। চক্রটির বিস্তার ছিল দেশের বিভিন্ন জেলায়। এতে সরকারি চাকরিজীবী, পিএসসির বর্তমান ও সাবেক কর্মকর্তা-কর্মচারী, ব্যবসায়ী, চিকিৎসাসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন পেশার মানুষ যুক্ত ছিল বলে তদন্তে জানা গেছে। অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, নেটওয়ার্কটি বিজি প্রেস থেকে শুরু করে বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং বেসরকারি এনজিও পর্যায় পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।</p>

<p>তদন্ত কর্মকর্তার মতে, প্রশ্নফাঁস কার্যক্রম পরিচালনায় সংঘবদ্ধ চক্রটি দীর্ঘ সময় সক্রিয় ছিল এবং তারা পরীক্ষার গোপনীয়তা ভেঙে রাষ্ট্রীয় নিয়োগব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। চার্জশিটে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন আইন, ২০২৩-এর ১১ ও ১৫ ধারায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বিচার চাওয়া হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে এই আইনে।</p>

<p>চক্রের কয়েকজন সদস্যের নামে-বেনামে বিপুল সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। সেই সম্পদের উৎস যাচাই এবং সম্ভাব্য অর্থ পাচারের অনুসন্ধানে পৃথক উদ্যোগ নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, মানি লন্ডারিংয়ের বিষয়টি নিয়ে পৃথক তদন্ত শুরু হলে প্রশ্নফাঁস বাণিজ্যের আর্থিক পরিধি সম্পর্কে আরও বিস্তৃত তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে।</p>

<p>চার্জশিটে বলা হয়েছে, এ চক্রের কর্মকাণ্ড ছিল রাষ্ট্রীয় নিয়োগব্যবস্থার বিরুদ্ধে সংঘটিত একটি সুপরিকল্পিত অপরাধ। আদালতে বিচার কার্যক্রম শুরু হলে প্রশ্নফাঁসের নেপথ্যে থাকা আরও প্রভাবশালী ব্যক্তি ও গোষ্ঠীর নাম সামনে আসতে পারে বলে সংশ্লিষ্টদের ধারণা।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1214-66.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ইরানের ইউরেনিয়াম নিতে চুক্তির প্রয়োজন নেই : ট্রাম্প]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28642</link>
    <pubDate>Sat, 06 Jun 2026 10:16:03 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28642</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1315-55.jpg" />    <article>
<p>ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম নিয়ে নতুন মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি দাবি করেছেন, ইরানের কাছ থেকে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম নিয়ে নিতে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো চুক্তির প্রয়োজন নেই।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>একই সঙ্গে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চান না বলেও জানিয়েছেন তিনি। হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন বলে জানায় <a href="https://www.arabnews.com/node/2646062/middle-east">আরব নিউজ।</a></p>

<p>প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম পাওয়ার জন্য তেহরানের সঙ্গে ওয়াশিংটনের কোনো চুক্তির প্রয়োজন নেই বলে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন।&nbsp;</p>

<p>ট্রাম্প বলেন, &lsquo;আমরা চাইলে এখনই সেটা (সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম) পেতে পারি।</p>
</article>

<article>আমার মনে হয় না, আমরা চাইলে তারা আমাদের থামাতে পারবে। তবে এর কোনো প্রয়োজন নেই। এটা এখন চাপা পড়ে আছে।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি আরো বলেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির সঙ্গে সাক্ষাৎ করার কোনো ইচ্ছা তার নেই।</p>
</article>

<article>তবে একই সঙ্গে ট্রাম্প জানান, যদি ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে কোনো চুক্তি হয়, তাহলে দুই নেতার বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>এ বিষয়ে তিনি বলেন, &lsquo;আর যদি এমনটা ঘটে, তাহলে আমি সম্মানজনক আচরণই করব।&rsquo;</p>

<p>প্রসঙ্গত, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান উত্তেজনা এবং পারমাণবিক আলোচনা ঘিরে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম এখন অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু। পশ্চিমা দেশগুলোর দাবি, ইরানের কাছে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম রয়েছে, যা আরো প্রক্রিয়াজাত করলে তুলনামূলক দ্রুত সময়ে অস্ত্রমানের উপাদানে রূপান্তর করা সম্ভব।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1315-55.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ইসরায়েল ও ইরানের ওপর চটলেন লেবাননের প্রধানমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28641</link>
    <pubDate>Sat, 06 Jun 2026 10:15:14 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28641</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1381-44.jpg" />    <article>
<p>দক্ষিণ লেবাননে বেসামরিক নাগরিকদের ওপর হামলা এবং অবকাঠামো ধ্বংস বন্ধ করতে ইসরায়েলের ওপর চাপ প্রয়োগ করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন লেবাননের প্রধানমন্ত্রী নাওয়াফ সালাম।</p>

<p>একই সঙ্গে ইরানকে সতর্ক করে তিনি বলেছেন, লেবাননকে কোনো পক্ষের দর-কষাকষির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা উচিত নয়।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>বার্তা সংস্থা <a href="https://aje.news/t4o512?update=4628999">আলজাজিরা </a>বলছে, জরুরি মানবিক সহায়তা কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী নাওয়াফ সালাম।</p>

<p>তিনি বলেন, সরকারের ত্রাণ পরিকল্পনার আওতায় বাস্তুচ্যুত ১০ লাখ মানুষ এবং দক্ষিণাঞ্চলে থেকে যাওয়া ৫০ হাজার বাসিন্দাকে নগদ সহায়তা দেওয়া হবে।</p>

<p>বাস্তুচ্যুত লেবানিজদের উদ্দেশে তিনি বলেন, &lsquo;আপনাদের মর্যাদাপূর্ণ ও নিরাপদভাবে নিজ ভূমিতে ফিরে যাওয়া আমাদের দায়িত্ব ও অগ্রাধিকারের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।&rsquo;</p>

<p>সালাম জানান, ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার এবং ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের ঘরে ফেরার পথ নিশ্চিত করতে লেবানন সরকার সবচেয়ে কম ব্যয়বহুল ও কার্যকর উপায় হিসেবে আলোচনার পথ বেছে নিয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>ইরানের প্রতি বার্তায় তিনি বলেন, &lsquo;আমাদের দক্ষিণাঞ্চলের প্রতি দয়া দেখান। আমরা এই ভূমির মানুষ। লেবানন কারও রাজনৈতিক খেলার দর-কষাকষির উপকরণ নয় এবং দক্ষিণ লেবাননও কারো জন্য সংরক্ষিত যুদ্ধক্ষেত্র হতে পারে না।&rsquo;</p>

<p>প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্য এমন এক সময়ে এসেছে, যখন দক্ষিণ লেবাননকে ঘিরে আঞ্চলিক উত্তেজনা এবং ইসরায়েল-হিজবুল্লাহ সংঘাতের প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ অব্যাহত রয়েছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1381-44.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[৩৯ দেশের অভিবাসীদের লক্ষ্যে ট্রাম্পের নীতি বাতিল]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28640</link>
    <pubDate>Sat, 06 Jun 2026 10:14:29 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28640</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1463-33.jpg" />    <article>
<p>যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ৩৯টি দেশের নাগরিকদের আশ্রয় (অ্যাসাইলাম), কাজের অনুমতি, গ্রিন কার্ড এবং নাগরিকত্ব সংক্রান্ত আবেদন নিষ্পত্তি থেকে বেআইনিভাবে বঞ্চিত করেছে বলে রায় দিয়েছেন দেশটির একটি ফেডারেল আদালত।</p>

<p>শুক্রবার রোড আইল্যান্ড অঙ্গরাজ্যের প্রভিডেন্সে প্রধান মার্কিন জেলা বিচারক জন ম্যাককনেল বলেন, মার্কিন নাগরিকত্ব ও অভিবাসন পরিষেবা (ইউএসসিআইএস) আফ্রিকা, এশিয়া, লাতিন আমেরিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের ৩৯টি দেশের নাগরিকদের লক্ষ্য করে একাধিক অবৈধ নীতি গ্রহণ করেছিল।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>বার্তা সংস্থা <a href="https://www.reuters.com/world/us-judge-invalidates-trump-policies-targeting-immigrants-39-countries-2026-06-05/">রয়টার্স</a> বলছে, এর আগে গত মার্চে অভিবাসী সেবা সংস্থা ও শ্রমিক ইউনিয়নগুলোর একটি জোট এ বিষয়ে মামলা দায়ের করে।</p>

<p>মামলায় অভিযোগ করা হয়, হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের অধীনস্থ ইউএসসিআইএস গত নভেম্বর থেকে এমন কিছু নীতি কার্যকর করে, যার ফলে ট্রাম্পের পূর্ণ বা আংশিক ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার আওতাভুক্ত দেশগুলোর নাগরিকদের অভিবাসন-সুবিধাসংক্রান্ত আবেদন প্রক্রিয়াকরণ স্থগিত হয়ে যায়।</p>

<p>ট্রাম্প প্রশাসন এসব নিষেধাজ্ঞাকে নিরাপত্তা যাচাই ও জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে প্রয়োজনীয় বলে যুক্তি দেখিয়েছে। তবে বিচারক ম্যাককনেল বলেন, &lsquo;এই নীতিগুলো যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত অসংখ্য অভিবাসীর জীবনকে অনির্দিষ্ট আইনি অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলে দিয়েছে।</p>
</article>

<article>&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>রায়ে তিনি উল্লেখ করেন, &lsquo;ইউএসসিআইএসের আবেদন নিষ্পত্তি স্থগিত রাখার সিদ্ধান্তের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা কোনো ভুল করেননি। এটি কেবল তাদের জন্মস্থানের কারণে ঘটেছে।&rsquo;</p>

<p>বিচারক আরো বলেন, &lsquo;এসব অভিবাসী কংগ্রেস প্রণীত এবং ইউএসসিআইএসের বিধিমালায় নির্ধারিত সব আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করেছেন। তারপরও তাদের আবেদনগুলো মাসের পর মাস ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে এবং সংস্থাটি সেগুলোর নিষ্পত্তি করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।</p>
</article>

<article>&rsquo;
<p>&nbsp;</p>
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/06/05/1693442" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>আইনের বিষয়ে ম্যাককনেল বলেন, &lsquo;আইনের শাসন সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য হতে হবে। কিন্তু এখানে স্পষ্ট যে ইউএসসিআইএস আইন অনুসরণ করেনি এবং সঠিক পদ্ধতিতেও কাজ করেনি।&rsquo;</p>

<p>তিনি আরো মন্তব্য করেন, সংস্থাটি শুধু কংগ্রেস প্রণীত অভিবাসন আইনই লঙ্ঘন করেনি, বরং সরকারি সংস্থাগুলোর কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রযোজ্য প্রশাসনিক আইনও ভঙ্গ করেছে।</p>

<p>এদিকে, এ বিষয়ে মন্তব্যের জন্য যোগাযোগ করা হলেও যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ (ডিএইচএস) তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।</p>

<p>রায়টি ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন নীতির বিরুদ্ধে একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনি ধাক্কা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।</p>
</article>

<article>একই সঙ্গে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা দেশগুলোর হাজারো আবেদনকারীর জন্য নতুন আশার সঞ্চার করেছে।</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1463-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বাংলাদেশ থেকে বিশ্বকাপ দেখা যাবে যেসব চ্যানেলে]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/28639</link>
    <pubDate>Sat, 06 Jun 2026 10:13:36 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/28639</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1505-22.jpg" />    <article>
<article>
<p>ফুটবল বিশ্বকাপ নিয়ে বাংলাদেশের মানুষের উন্মাদনা ও উত্তেজনার কোনো সীমা নেই। কিন্তু এবার বাংলাদেশে এই বৈশ্বিক আসরের খেলাগুলো সরাসরি দেখার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়।</p>
</article>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>অবশ্য সেই শঙ্কার মেঘ কেটে যাওয়ার আভাস কিছুদিন ধরেই পাওয়া যাচ্ছিল। অবশেষে নিশ্চিত হয়েছে ঘরে বসেই টিভিতে বসে দেশীয় তিনটি চ্যানেলে দেখা যাবে খেলা। রাষ্ট্রীয় চ্যানেল&nbsp;বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) ছাড়াও এই ফুটবল মহাযজ্ঞের ম্যাচগুলো সরাসরি সম্প্রচার করবে টি স্পোর্টস ও সময় টেলিভিশন।&nbsp;ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার কাছ থেকেই সম্প্রচারস্বত্ব কিনেছে তারা।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<article>
<p>শুরুতে ফিফার কাছ থেকে বাংলাদেশের জন্য একক সম্প্রচারস্বত্ব কিনেছিল সিঙ্গাপুরভিত্তিক প্রতিষ্ঠান স্প্রিংবক প্রাইভেট লিমিটেড। কিন্তু স্থানীয় বাজারে ভ্যাট ও ট্যাক্স মিলিয়ে প্রায় ২০০ কোটি টাকায় সেই স্বত্ব বিক্রি করতে ব্যর্থ হয়ে এক পর্যায়ে চুক্তি থেকে সরে দাঁড়ায় প্রতিষ্ঠানটি। সেখান থেকেই মূলত বাংলাদেশে সরাসরি বিশ্বকাপ ফুটবল সম্প্রচার নিয়ে ঘনীভূত হয় অনিশ্চয়তা।&nbsp;তবে সর্বশেষ কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক তৎপরতায় অনেকখানিই কমে আসে স্বত্বমূল্য।</p>
</article>
</article>

<article>চূড়ান্তভাবে এবার স্বত্বমূল্য ৩০ লাখ থেকে ৪০ লাখ ডলারের মধ্যে নির্ধারিত হয়েছে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৭ কোটি থেকে ৪৯ কোটি টাকার কিছু বেশি।
<p>&nbsp;</p>

<article>
<p>টিভিতে সরাসরি বিশ্বকাপ দেখার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার আগেই অবশ্য বেশকিছু ডিজিটাল ও ওটিটি প্ল্যাটফর্ম তা সম্প্রচারের ঘোষণা দিয়ে বাংলাদেশিদের মনে স্বস্তি এনেছিল। মোবাইল ফোন ও স্মার্ট ডিভাইসে মাই রবি অ্যাপ, টফি ও বায়োস্কোপে ঘরে বসেই &lsquo;দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ&rsquo; উপভোগ করতে পারবে দেশের ফুটবলপ্রেমীরা।</p>
</article>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1505-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নাইট উপাধিতে ভূষিত হলেন অভিনেতা ইদ্রিস এলবা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/28638</link>
    <pubDate>Sat, 06 Jun 2026 10:12:21 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/28638</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1603-11.jpg" />    <article>
<p>ব্রিটেনের সর্বোচ্চ সম্মাননা &lsquo;নাইট&rsquo; উপাধিতে ভূষিত হয়েছেন জনপ্রিয় ব্রিটিশ অভিনেতা ইদ্রিস এলবা। গত ২ জুন উইন্ডসর ক্যাসেলে রাজা তৃতীয় চার্লস আনুষ্ঠানিকভাবে তার হাতে এই উপাধি তুলে দেন।</p>
</article>

<article>এর মাধ্যমে তিনি এখন থেকে &lsquo;স্যার ইদ্রিস এলবা&rsquo; নামে পরিচিত হবেন। ২০২৬ সালের নববর্ষের সম্মাননা তালিকার অংশ হিসেবে তাকে এই স্বীকৃতি দেওয়া হলো।
<p>&nbsp;</p>

<p>ইদ্রিস এলবা &lsquo;দ্য ওয়্যার&rsquo;, &lsquo;লুথার&rsquo; এবং অসংখ্য হলিউড সিনেমায় অভিনয়ের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত হলেও, এই সম্মাননা মূলত তার পর্দার বাইরের মানবিক কাজের জন্য দেওয়া হয়েছে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে যুবসমাজের ক্ষমতায়ন, সামাজিক বৈষম্য দূরীকরণ এবং তরুণদের সহিংসতা রোধে কাজ করে আসছেন।</p>
</article>

<article>তারুণ্যের উন্নয়নে তিনি ও তার স্ত্রী সাবরিনা এলবা যৌথভাবে &lsquo;এলবা হোপ ফাউন্ডেশন&rsquo; প্রতিষ্ঠা করেন। এই সংস্থাটি তরুণদের শিক্ষা, সামাজিক উন্নয়ন ও তৃণমূল পর্যায়ের বিভিন্ন কার্যক্রমে সহায়তা দিয়ে থাকে।
<p>&nbsp;</p>

<p>উল্লেখ্য, ইদ্রিস এলবা তার কর্মজীবনের শুরুতে তৎকালীন &lsquo;প্রিন্স&rsquo;স ট্রাস্ট&rsquo; (বর্তমান কিং&rsquo;স ট্রাস্ট) থেকে একটি অনুদান পেয়েছিলেন, যা তার ক্যারিয়ার গঠনে সাহায্য করেছিল। এখন তিনি নিজেই তরুণদের কল্যাণে কাজ করছেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1603-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহী তুরস্ক]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28637</link>
    <pubDate>Fri, 05 Jun 2026 19:26:02 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28637</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1462-33.jpg" />    <article>
<p>বাংলাদেশের সঙ্গে প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতা আরও জোরদার করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে তুরস্ক। একই সঙ্গে দুই দেশের মধ্যে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং কৌশলগত অংশীদারিত্বকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে একমত হয়েছে ঢাকা ও আঙ্কারা।</p>
</article>

<article>এছাড়া বাণিজ্য ২ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার বিষয়ে আলোচনা করেছে দুদেশ।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>আজ শুক্রবার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান ও তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান-এর মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিভিন্ন বিষয়ে বক্তব্য দেন।</p>

<p>তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান বলেছেন, দুই দেশের প্রতিরক্ষা শিল্পের বিকাশে যৌথ উদ্যোগ নেওয়ার সুযোগ রয়েছে এবং এ বিষয়ে উভয় পক্ষ ইতোমধ্যে আলোচনা করেছে।</p>
</article>

<article>বৈঠকে দুই দেশের বার্ষিক বাণিজ্য ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার থেকে ২ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিরক্ষা শিল্পসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়েও মতবিনিময় হয়েছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>বাংলাদেশ সফরকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে হাকান ফিদান বলেন, &lsquo;এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে আমার সফরের চতুর্থ ও শেষ গন্তব্য বাংলাদেশ। এখানে আসতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত।</p>
</article>

<article>বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং তাঁর প্রতিনিধিদলের উষ্ণ আতিথেয়তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি ড. খলিলুর রহমানের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার বিষয়টিকে বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে উল্লেখ করেন। তাঁর ভাষায়, এই নির্বাচন বাংলাদেশের নতুন যুগের বৈশ্বিক প্রভাবের প্রতিফলন এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে দেশের মর্যাদা ও গ্রহণযোগ্যতার প্রমাণ।</p>

<p>হাকান ফিদান বলেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন ও গণভোটের পর বাংলাদেশ শান্তি ও স্থিতিশীলতার একটি নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করেছে। তুরস্ক এ প্রক্রিয়াকে দৃঢ়ভাবে সমর্থন করে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1462-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ডে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, নতুন ভিডিও প্রকাশ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28636</link>
    <pubDate>Fri, 05 Jun 2026 19:24:45 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28636</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1504-22.jpg" />    <article>
<p><a href="https://aje.news/t4o512?update=4628277">বিশ্বের সবচেয়ে বড় বিমানবাহী রণতরি</a> ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ডে আগুন লাগার ঘটনায় বাস্তবে ক্ষয়ক্ষতি সরকারের প্রাথমিক বর্ণনার চেয়ে অনেক বেশি ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। সিএনএনের হাতে আসা নতুন ভিডিওতে এমন ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>ঘটনাটি ঘটে গত মার্চে, যখন ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে উত্তেজনা ও সংঘাত চলছিল। তবে তখন যুক্তরাষ্ট্র সরকার আগুন লাগার ঘটনাটিকে তুলনামূলকভাবে কম গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশ করেছিল।</p>

<p>নতুন ভিডিওতে দেখা যায়, রণতরির ভেতরের নাবিকদের থাকার জায়গা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শোয়ার খাটগুলো পুড়ে কালো হয়ে গেছে এবং অনেক জায়গায় বাঁকানো ধাতব কাঠামোয় পরিণত হয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>ছাদ ও উপরের অংশ আগুনে প্রায় সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়ে গেছে বলে ভিডিওতে দেখা যায়। ছাদের ভেতর থেকে খোলা তার ঝুলতে দেখা গেছে এবং পুরো এলাকায় ছাই ও পোড়া ধ্বংসাবশেষ ছড়িয়ে রয়েছে।</p>

<p>সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জাহাজে থাকা এক নাবিক জানান, আগুন নেভানোর সময় তারা সত্যিই ভয় পেয়ে গিয়েছিলেন যে পুরো রণতরিটি হারিয়ে যেতে পারে।</p>

<p>তিনি বলেন, &lsquo;আমি সত্যিই মনে করেছিলাম আমরা জাহাজটি হারাতে যাচ্ছি।</p>
</article>

<article>তখন মনে হয়েছিল, হয় লড়তে হবে, না হলে মরতে হবে।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে, ক্ষয়ক্ষতি সামাল দিতে এবং পুনরায় আগুন লাগা ঠেকাতে জাহাজের কর্মীদের প্রায় ৩০ ঘণ্টা সময় লেগেছিল।</p>

<p>এই ঘটনায় প্রায় ৬০০ নাবিক তাদের থাকার জায়গা ব্যবহার করতে পারেননি বলে জানা গেছে। এতে জাহাজের অভ্যন্তরীণ কার্যক্রমেও বড় ধরনের প্রভাব পড়ে।</p>

<p>আগুন লাগার প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি।</p>
</article>

<article>এ বিষয়ে তদন্ত চলছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>অন্যদিকে ইরান দাবি করেছে, তারা ওই বিমানবাহী রণতরিতে হামলা চালিয়েছিল। তবে এ দাবির পক্ষে কোনো নিশ্চিত প্রমাণ এখনো প্রকাশিত হয়নি।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1504-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[কন্যাসন্তানের বাবা-মা হলেন শাকিব-বুবলী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/28635</link>
    <pubDate>Fri, 05 Jun 2026 19:23:59 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/28635</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1602-11.jpg" />    <article>
<p>দুই পুত্রের পর এবার কন্যাসন্তানের বাবা হলেন শাকিব খান। গত মাসে অর্থাৎ ১১ মে&nbsp;চিত্রনায়িকা শবনম বুবলীর কোলজুড়ে এসেছে কন্যাসন্তান।</p>
</article>

<article>এমনটা নিশ্চিত করেছেন নায়িকা নিজেই।
<p>&nbsp;</p>

<p>শুক্রবার (৫ মে) দুপুরে এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে এমনটা নিশ্চিত করেন শবনম বুবলী। জানিয়েছেন, তাদের মেয়ের নাম রেখেছেন শার্লিন খান।&nbsp;</p>

<p>তিনি লেখেন, আলহামদুলিল্লাহ, মহান আল্লাহর অশেষ রহমতে আমাদের পরিবারে একটি কন্যাসন্তানের আগমন হয়েছে।</p>
</article>

<article>এই আনন্দের মুহূর্তে যারা আমাদের জন্য দোয়া করেছেন এবং শুভকামনা জানিয়েছেন, তাদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা। আমাদের মেয়ের জন্য সবার দোয়া কামনা করছি।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p><img alt="May be an image of text that says 'Blessed with a beautiful Baby Girl SHARLIN KHAN 11.05.2026 Elated Parents SHAKIB KHAN &amp; BUBLY'" src="https://scontent.fdac174-1.fna.fbcdn.net/v/t39.30808-6/717790392_1591281015688489_4395043661867316375_n.jpg?_nc_cat=107&amp;ccb=1-7&amp;_nc_sid=833d8c&amp;_nc_eui2=AeG4AG-RQE6a-gOQiUQeBva6QCH2kQQ_7eZAIfaRBD_t5sZ7GYyGycRKL832JVC6009UZJZWQ2zRmVe6t-ZneXU6&amp;_nc_ohc=Nx3HJ4ZVnNwQ7kNvwET9dKX&amp;_nc_oc=Adpnz3tDKyXjY06lO-OYhQW1hsq3ytPGcONgugnljpkFDUH045HJCD4USDfFKsv3--4&amp;_nc_zt=23&amp;_nc_ht=scontent.fdac174-1.fna&amp;_nc_gid=9BfXJnTESxKVgh8LavZblA&amp;_nc_ss=7a2a8&amp;oh=00_Af_jUwnUpJNfaeSQxbXZ-_42SjuFK3Y4t3iWZe4yXMZt6A&amp;oe=6A28768A" /></p>

<p>এর আগে অনেক দিন ধরেই বুবলীর অন্তঃসত্ত্বার গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল। তবে এই বিষয়ে তখন স্পষ্ট করে কিছু বলেননি।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>কিছুদিন ধরে অভিনয় ও গণমাধ্যম থেকে অনেকটাই আড়ালে রয়েছেন বুবলী। নতুন কোনো সিনেমা বা কাজ নিয়েও তাকে প্রকাশ্যে দেখা যাচ্ছে না।</p>

<p>উল্লেখ্য, অপু বিশ্বাসের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর ২০১৮ সালের ২০ জুলাই শবনম বুবলীকে বিয়ে করেন শাকিব খান। পরে ২০২০ সালের ২১ মার্চ যুক্তরাষ্ট্রের একটি হাসপাতালে তাদের ছেলে শেহজাদ খান বীরের জন্ম হয়। ২০২২ সালে সন্তান ও বিয়ের বিষয়টি প্রকাশ্যে আনেন এই দুই তারকা।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1602-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা: মাহমুদুল সভাপতি ও হৃদয় সাধারণ সম্পাদক]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/28634</link>
    <pubDate>Fri, 05 Jun 2026 19:20:54 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/28634</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/06042026_news0201_us_chatra_league.jpg" />    <p>নিউইয়র্ক: দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, যুক্তরাষ্ট্র শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ১ (এক) বছরের জন্য অনুমোদিত এই কমিটিতে মাহমুদুল হাসানকে সভাপতি এবং হৃদয় মিয়াকে সাধারণ সম্পাদক মনোনীত করা হয়েছে। বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। কমিটি ঘোষণার পর পরই নবনির্বাচিত কমিটির সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদের উষ্ণ অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ। যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদ এক যৌথ বিবৃতিতে নবনির্বাচিত কমিটির প্রতি গভীর আস্থা ও প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।</p>

<p>এক বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় বলেন, &quot;দলের দু&#39;র্দিনে আমাদের সকলের প্রিয় জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা অনেক আশা নিয়ে তোমাদের এত বড় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব প্রদান করেছেন। তোমাদের মেধা ও সাংগঠনিক দক্ষতা দিয়ে দলের কাজ করবে বলে আমাদের বিশ্বাস এবং আশা করি দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে তোমরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এই নতুন কমিটি আওয়ামী লীগের আদর্শ প্রচার, প্রবাসে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রাখা এবং দেশরত্ন শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবে।&quot;</p>

<p>যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আব্দুল হামিদ স্বাক্ষরিত এই বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা, জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়। একই সাথে প্রবাসে ছাত্র রাজনীতিকে গতিশীল ও বেগবান করার লক্ষ্যে এই দূরদর্শী সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানকেও বিশেষ ধন্যবাদ ও সাধুবাদ জানানো হয়। কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক কর্তৃক অনুমোদিত ও স্বাক্ষরিত যুক্তরাষ্ট্র ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটির পদাধিকারীদের তালিকা নিচে দেওয়া হলো:</p>

<p>সভাপতি: মাহমুদুল হাসান,&nbsp;&nbsp;সহ-সভাপতি (৩২ জন): মো: বায়েজীদ শুভ, খাজা আফজাল, মেজবা উদ্দিন জাবেদ, মো: সানজিদ হোসাইন, রাশেদুল আলম বন্ধন, নূরুল ইসলাম রাজু, আল হাফিজিল মুঈন বাঁধন, কে এম এ জর্জ, শাহাদাত হোসেন, এস এম সুলতান আহমেদ, নাজমুল ইসলাম রাহাত, উজ্জ্বল আহমেদ, রাসেল হোসেন, মেহেদী হাসান ফয়সাল, আবু সাইদ ইপক, অনিন্দ্য বড়ুয়া, সৈয়দ মাহফুজ আলী, মো: সাহেদুল ইসলাম, তাহামিদ বকশী রিফাত, মলয় মন্ডল, রবিউল ইসলাম মিঠু, সামিউল ইসলাম অন্তন, মো: রিসালাত হোসেন অন্তর, জহিরুল ইসলাম জয়, হৃদয় মাতব্বর, আরিফ আরমান জিসান, মো: আল রাসেল, রায়হান ভূঁইয়া, মাহফুজুল করিম সেজান, মো: তুহিন মিয়া, আবু বকর সিদ্দিকী আরিফ এবং জুনেদ আহমেদ।<br />
সাধারণ সম্পাদক: হৃদয় মিয়া,&nbsp;যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক (১১ জন): আলী হোসেন আরমান, মো: উল্লাহ এন্থনি, নাহিদুল ইসলাম সৈকত, মো: মোজাম্মেল হোসেন, মো: মুশফিকুজ্জামান মন্ডল, রেজাউল হাসান, জয় হোসেন, জাকির হোসেন রাহুল, উদয় সাহা, রাকিবুল ইসলাম এবং আশিকুর রহমান শিহাব।<br />
সাংগঠনিক সম্পাদক (১১ জন): সারফারাজুল হক ইফাজ, মুন্না তালুকদার, হোসাইন আহমদ, রাফসান ভূঁইয়া, আরিফুর রহমান, মিফতাহুল ইসলাম আবিদ, আম্মেদ আফনান, ইমরান হোসেন নাহিদ, শিপলু চন্দ্র মালাকার, মো: তানভীর সাগর এবং ফাহাদ হোসেন।&nbsp;প্রচার সম্পাদক: লিখন জুবায়ের,&nbsp;দপ্তর সম্পাদক: ফারহানুল ইসলাম ভূঁইয়া,&nbsp;ছাত্রী ও নারী উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক: ফারহানা মিতু টুম্পা।</p>

<p>নবগঠিত এই কমিটির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের চর্চা ও জননেত্রী শেখ হাসিনার স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য আরও বেগবান হবে বলে আশা প্রকাশ করছেন প্রবাসে থাকা দলের প্রবীণ ও নবীন নেতা-কর্মীবৃন্দ।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/06042026_news0201_us_chatra_league.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিউইয়র্ক সিটিতে তৈরী হবে ২ লাখ অ্যাফোর্ডেবল হাউজিং ইউনিট]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/28633</link>
    <pubDate>Fri, 05 Jun 2026 19:18:15 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/28633</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/31-bb.jpg" />    <p>নিউইয়র্ক সিটির নতুন আবাসন পরিকল্পনায় &ldquo;ব্লক বাই ব্লক&rdquo; এর আওতায় সিটিজুড়ে ২ লাখ নতুন সাশ্রয়ী আবাসন ইউনিট তৈরি করা হবে, যাতে আগামীতে&nbsp; আবাসন সংকট মোকাবিলা করা যায়। মেয়র জোহারান মামদানি বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ পরিকল্পনার অগ্রগতি ও সামগ্রিক পরিকল্পনা তুলে ধরেন।<br />
প্রস্তাবিত এই পরিকল্পনায় স্বল্প আয়ের পরিবারের জন্য সরাসরি বিনিয়োগ, নতুন অর্থায়ন কৌশল এবং প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সহজ করার মাধ্যমে দ্রুত আবাসন নির্মাণের কথা বলা হয়েছে। একইসঙ্গে সিটিজুড়ে বিভিন্ন ধরনের আবাসনের সুযোগ বাড়ানোর জন্য ব্যাপক ভূমি ব্যবহার সংস্কারের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।<br />
পরিকল্পনার আওতায় প্রায় ৫ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগের মাধ্যমে ভাড়াভিত্তিক সাশ্রয়ী আবাসন, সিনিয়র হাউজিং এবং সহায়তাপ্রাপ্ত আবাসন উন্নয়নের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রশাসনের দাবি, ইতোমধ্যে বহু রাজনৈতিক নেতা, শ্রমিক সংগঠন এবং আবাসন সংস্থা এই পরিকল্পনাকে সমর্থন জানিয়েছে।<br />
মেয়র মামদানি বলেন, নিউইয়র্কে সাধারণ আয়ের মানুষের জন্য বসবাস করা দিন দিন কঠিন হয়ে পড়ছে, তাই শহরের প্রতিটি এলাকায় নতুন আবাসন তৈরি করা জরুরি। তার ভাষায়, এই পরিকল্পনা &ldquo;ব্লক বাই ব্লক&rdquo; পদ্ধতিতে ধাপে ধাপে পুরো শহরজুড়ে আবাসন সংকট সমাধানের একটি রূপরেখা।<br />
পরিকল্পনার অধীনে শুধু নতুন বাড়ি নির্মাণই নয়, বিদ্যমান সাশ্রয়ী আবাসন সংরক্ষণেও বড় ধরনের বিনিয়োগ করা হবে। প্রায় ৫ বিলিয়ন ডলারের বাজেট আগামী দুই বছরে রেন্ট-স্ট্যাবিলাইজড ও নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য আবাসন খাতে ব্যয় করা হবে। এতে প্রবীণদের জন্য বিশেষ আবাসন ও সহায়ক আবাসন প্রকল্পও অন্তর্ভুক্ত থাকবে।<br />
প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান, এই উদ্যোগের মাধ্যমে সিটির জমি ব্যবহার নীতিতেও পরিবর্তন আনা হবে, যাতে বিভিন্ন ধরনের আবাসন আরও সহজে তৈরি করা যায়। ট্রানজিট-সংলগ্ন এলাকায় বেশি হাউজিং নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে, যাতে সিটির পরিবহন ব্যবস্থার কাছাকাছি বসবাসের সুযোগ বাড়ে।<br />
ডেপুটি মেয়র লায়লা বোজর্গ বলেন, নিউইয়র্ককে সাশ্রয়ী করতে হলে প্রতিটি এলাকায় নতুন বাড়ি নির্মাণ অপরিহার্য। তিনি জানান, নতুন নীতি ও ভোটার-অনুমোদিত পরিকল্পনার মাধ্যমে আবাসন প্রকল্প দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হবে এবং সরকারি অর্থ আরও কার্যকরভাবে ব্যবহার করা হবে।<br />
হাউজিং কমিশনার দিনা লেভি বলেন, সিটির প্রতিটি ওয়ার্ডে নতুন আবাসন তৈরি করা হবে, যাতে পরিবারগুলো নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী বাড়ি খুঁজে পেতে পারে। তার মতে, এই পরিকল্পনা শুধুমাত্র সংখ্যার লক্ষ্য নয়, বরং একটি &ldquo;সাশ্রয়ী ও টেকসই সিটি&rdquo; গড়ার প্রচেষ্টা।<br />
পরিকল্পনায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, মালিকানাধীন জমি ব্যবহার করে সাশ্রয়ী ও মিশ্র আয়ের আবাসন নির্মাণ করা হবে। পাশাপাশি স্কুল ও লাইব্রেরির মতো সরকারি স্থাপনার সঙ্গে মিলিয়ে নতুন হাউজিং ইউনিট তৈরির কথাও বলা হয়েছে।<br />
প্রশাসন জানিয়েছে, নতুন &ldquo;রিভোলবিং লোন ফান্ড&rdquo; তৈরি করা হবে, যা আবাসন নির্মাণে বেসরকারি বিনিয়োগ আরও সহজ করবে। এছাড়া উন্নয়ন প্রক্রিয়া দ্রুত করার জন্য আইনগত ও প্রশাসনিক সংস্কার আনা হবে, যাতে প্রকল্প অনুমোদনে সময় কম লাগে।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/31-bb.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[“ভালচার ল্যান্ডলর্ডদের খাওয়ানো বন্ধ করুন”— আরজিবির শুনানির বাইরে জোরালো প্রতিবাদ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/28632</link>
    <pubDate>Fri, 05 Jun 2026 19:17:35 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/28632</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/129-aa.jpg" />    <p>ভাড়া স্থগিত (Rent Freeze) করার দাবিতে ৪ জুন বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কুইন্সে রেন্ট গাইডলাইনস বোর্ডের (RGB) গণশুনানির বাইরে সমাবেশ ও বিক্ষোভ করেছেন শতাধিক ভাড়াটিয়া। তাদের দাবি, নিউইয়র্ক সিটির ২৪ লাখেরও বেশি রেন্ট-স্ট্যাবিলাইজড ভাড়াটিয়ার ওপর নতুন করে ভাড়া বৃদ্ধির বোঝা চাপানো যাবে না। এক ও দুই বছরের সব ধরনের লিজের ক্ষেত্রেই ভাড়া বৃদ্ধি শূন্য শতাংশ রাখতে হবে।<br />
<br />
<img alt="" data-mfp-src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/DSC03597.JPG" src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/DSC03597.JPG" /></p>

<p data-added-after="1">জ্যামাইকা পারফর্মিং আর্টস সেন্টারে অনুষ্ঠিত শুনানির আগে বিভিন্ন ভাড়াটিয়া সংগঠনের সদস্যরা &ldquo;Freeze the Rent&rdquo;, &ldquo;No Increases on All Leases&rdquo; এবং &ldquo;Please Don&rsquo;t Feed the Vultures&rdquo; লেখা ব্যানার ও পোস্টার নিয়ে সমবেত হন। প্রতিবাদে অংশগ্রহণকারীরা প্রতীকী &lsquo;ভালচার ল্যান্ডলর্ড&rsquo; বা মুনাফালোভী বাড়িওয়ালাদের মুখোশও প্রদর্শন করেন।</p>

<p>আয়োজকদের দাবি, কুইন্সে ৪ লাখ ৪০ হাজারের বেশি রেন্ট-স্ট্যাবিলাইজড ভাড়াটিয়া এই সিদ্ধান্তের প্রত্যক্ষ সুফল পাবেন। পুরো নিউইয়র্ক সিটিতে এ সংখ্যা ২৪ লাখেরও বেশি।</p>

<p>অ্যাস্টোরিয়ার ভাড়াটিয়া নেতা পারভেজ হাসান ডলার বলেন, &ldquo;কুইন্স অভিবাসীদের বরো। ভাড়া নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এখনও বহু অভিবাসী পরিবারের জন্য এই এলাকাকে বাসযোগ্য করে রেখেছে। এমন এক সময়ে যখন আইসিইর অভিযান বেড়েছে, তখন মানুষের বাড়িই সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয়। ভাড়া বৃদ্ধি শুধু আর্থিক চাপই সৃষ্টি করবে না, এটি পরিবার ও কমিউনিটিকে ভেঙেও দিতে পারে। তাই সব ধরনের লিজে ভাড়া স্থগিত করাই ন্যূনতম দাবি।&rdquo;</p>

<p>ভাড়াটিয়া সংগঠনগুলোর ভাষ্য, এক বছরেরও বেশি সময় ধরে তারা রেন্ট ফ্রিজের দাবিতে আন্দোলন করে আসছে। তাদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে ভাড়া বৃদ্ধি হাজারো পরিবারকে আবাসন অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিতে পারে।</p>

<p data-added-after="1">বিক্ষোভকারীরা বলেন, একদিকে মূল্যস্ফীতি মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়িয়ে দিয়েছে, অন্যদিকে ফেডারেল পর্যায়ে মেডিকেইড, স্ন্যাপ (SNAP) এবং অন্যান্য সামাজিক সহায়তা কর্মসূচিতে কাটছাঁটের প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে অভিবাসী সম্প্রদায়ের মধ্যে আইসিই অভিযানের আশঙ্কা। এই প্রেক্ষাপটে নতুন ভাড়া বৃদ্ধি মানুষের জন্য আরও বড় সংকট তৈরি করবে।</p>

<p>নিউইয়র্ক স্টেট টেন্যান্ট ব্লকের নির্বাহী পরিচালক সুমাথি কুমার বলেন, &ldquo;তথ্য-উপাত্ত যা বলছে, ভাড়াটিয়ারা তা প্রতিদিন নিজেদের জীবনে অনুভব করছেন। মূল্যস্ফীতি বাড়ছে, সামাজিক সুবিধা কমছে, অভিবাসী পরিবারগুলো অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে। অথচ বাড়িওয়ালাদের আয় বছরের পর বছর বেড়েছে। তাই ভাড়াটিয়ারা কোনোভাবেই বাড়িওয়ালাদের ব্যর্থ বিনিয়োগের মূল্য দিতে রাজি নন।&rdquo;</p>

<p>গত মাসে রেন্ট গাইডলাইনস বোর্ডের প্রাথমিক ভোটে এক বছরের লিজের জন্য ০ থেকে ২ শতাংশ এবং দুই বছরের লিজের জন্য ০ থেকে ৪ শতাংশ ভাড়া বৃদ্ধির পরিসর প্রস্তাব করা হয়। বোর্ডের ইতিহাসে এই প্রথম দুই বছরের লিজের ক্ষেত্রেও শূন্য শতাংশ বৃদ্ধির সম্ভাবনা রাখা হয়েছে। ভাড়াটিয়া সংগঠনগুলো এটিকে আন্দোলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য হিসেবে দেখছে।</p>

<p data-added-after="1">তাদের দাবি, গত চার বছরে ধারাবাহিকভাবে ভাড়া বৃদ্ধি করা হলেও অধিকাংশ ভবনে বসবাসের পরিবেশের উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি। বরং অনেক ভাড়াটিয়া এখনও পর্যাপ্ত গরম পানি, হিটিং ব্যবস্থা এবং প্রয়োজনীয় রক্ষণাবেক্ষণ না পাওয়ার অভিযোগ করে আসছেন।</p>

<p>ভাড়াটিয়া নেতারা আরও অভিযোগ করেন, অনেক বাড়িওয়ালা ভবনের উন্নয়নে বিনিয়োগ না করে ভাড়াটিয়াদের কাছ থেকে আদায় করা অর্থ ঋণ পরিশোধ, নতুন সম্পত্তি কেনা এবং রিয়েল এস্টেট জল্পনা-কল্পনায় ব্যবহার করেছেন। এখন সেই আর্থিক চাপ সামলাতে তারা ভাড়া বৃদ্ধির দাবি তুলছেন।</p>

<p>আন্দোলনকারীদের তথ্য অনুযায়ী, আগের মেয়র প্রশাসনের সময় চার বছরে মোট ১২ শতাংশের বেশি ভাড়া বৃদ্ধি অনুমোদন করা হয়েছিল। একই সময়ে রেন্ট-স্ট্যাবিলাইজড ভবনের মালিকদের নেট অপারেটিং আয় প্রায় ৩০ শতাংশ বৃদ্ধি পায়। অন্যদিকে অর্ধেকের বেশি ভাড়াটিয়া মাসিক ব্যয় মেটাতে হিমশিম খাচ্ছেন, দুই-তৃতীয়াংশ পরিবারের জরুরি সঞ্চয় নেই এবং ২০২৫ সালে উচ্ছেদ মামলার সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।</p>

<p data-added-after="1">কমিউনিটি সার্ভিস সোসাইটির এক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ভাড়া স্থগিত করা হলে নিউইয়র্কবাসীরা বছরে সম্মিলিতভাবে প্রায় ৭ বিলিয়ন ডলার সাশ্রয় করতে পারবেন, যা গড়ে মাসে প্রায় ৬০০ ডলারের সমপরিমাণ। জরিপে দেখা গেছে, নিউইয়র্কবাসীর ৭৮ শতাংশ বর্তমানে রেন্ট ফ্রিজের পক্ষে মত দিয়েছেন।</p>

<p>ভাড়াটিয়া সংগঠনগুলোর বক্তব্য, রেন্ট স্ট্যাবিলাইজেশন ব্যবস্থার মূল উদ্দেশ্য হলো কর্মজীবী ও নিম্নআয়ের মানুষকে শহরে টিকে থাকার সুযোগ করে দেওয়া। নিউইয়র্ক সিটির অতি নিম্ন আয়ের পরিবারগুলোর ৩৭ শতাংশ এই ধরনের আবাসনে বসবাস করে। তাই বর্তমান আবাসন সংকটের সময়ে ভাড়া স্থগিত করা শুধু অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত নয়, এটি সামাজিক ন্যায়বিচারেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।</p>

<p>আগামী ২৫ জুন রেন্ট গাইডলাইনস বোর্ডের চূড়ান্ত ভোট অনুষ্ঠিত হবে। সেই ভোটে এক ও দুই বছরের সব লিজের জন্য পূর্ণাঙ্গ রেন্ট ফ্রিজ</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/129-aa.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[মোরেলগঞ্জে  ফেসবুক লাইভে যুবকের মৃত্যুর ঘটনা: আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগ খতিয়ে দেখছে পুলিশ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/bangladesh/28631</link>
    <pubDate>Fri, 05 Jun 2026 19:08:45 +0600</pubDate>
    <category> সারাবাংলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/bangladesh/28631</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/921-1.jpg" />    <p>এস. এম. সাইফুল ইসলাম কবির, বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি:</p>

<p>বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের উমাজুরি গ্রামে ফেসবুক লাইভে এসে লিমন মোল্লা ওরফে হৃদয় (২৬) নামে এক যুবকের মৃত্যুর ঘটনাকে ঘিরে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি শুধু একটি অস্বাভাবিক মৃত্যু হিসেবেই নয়, বরং এর পেছনে কোনো প্ররোচনা, পারিবারিক বিরোধ বা অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।</p>

<p>স্থানীয় সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে নিজ ঘরে একা অবস্থায় থাকা লিমনের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে গ্রামজুড়ে শোকের পাশাপাশি নানা আলোচনা শুরু হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার লাইভ সম্প্রচারের বিষয়টি দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে।</p>

<p>পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মৃত্যুর আগে লিমন কয়েকজন ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। বিশেষ করে ঢাকায় অবস্থানরত তার স্ত্রীর সঙ্গে শেষবারের মতো কথা বলেছিলেন বলে জানা গেছে। এ কারণে পারিবারিক কলহ, দাম্পত্য বিরোধ, মানসিক চাপ কিংবা অন্য কোনো বিষয় তার মৃত্যুর সঙ্গে জড়িত কি না, তা তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে।</p>

<p>এলাকাবাসী জানান, লিমন মোল্লা তার বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান ছিলেন। কয়েক বছর আগে বিয়ে করেন এবং তাদের সংসারে একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। তবে পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কিছুদিন ধরে তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন বলে প্রতিবেশীরা ধারণা করছেন।</p>

<p>ঘটনার পরপরই মোরেলগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ বাগেরহাট সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। তদন্তের স্বার্থে মোবাইল ফোন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সংক্রান্ত তথ্যও পর্যালোচনা করা হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।</p>

<p>মোরেলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুর রহমান বলেন, &ldquo;ঘটনাটি অপমৃত্যু মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং তদন্তের তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণের পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।&rdquo;</p>

<p>আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা বলছেন, কোনো অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় আত্মহত্যায় প্ররোচনা, পারিবারিক নির্যাতন বা অন্য কোনো অপরাধমূলক উপাদান রয়েছে কি না, তা তদন্তের মাধ্যমেই নিশ্চিত হওয়া সম্ভব। তাই তদন্ত শেষ হওয়ার আগে কোনো বিষয়ে চূড়ান্ত মন্তব্য করা সমীচীন নয়।</p>

<p>এদিকে এ ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অপব্যবহার, মানসিক স্বাস্থ্য সংকট এবং পারিবারিক সম্পর্কের অবনতির বিষয়গুলো আবারও আলোচনায় এসেছে। সচেতন মহল মনে করছে, মানসিক চাপ ও পারিবারিক সংকটে থাকা ব্যক্তিদের প্রতি পরিবার ও সমাজের বাড়তি নজর এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করা জরুরি।</p>

<p>ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে পুলিশি তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন এবং প্রযুক্তিগত তথ্য বিশ্লেষণের পর এ ঘটনায় নতুন কোনো তথ্য সামনে আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/921-1.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[পরভ: ইতিহাস, সৌন্দর্য আর প্রশান্তির শহরে একদিন]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/28630</link>
    <pubDate>Fri, 05 Jun 2026 19:04:04 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/28630</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1601-11.jpg" />    <p style="margin-bottom:11px"><span style="font-size:12pt"><span style="line-height:normal"><span style="font-family:Aptos,sans-serif"><b><span lang="BN" style="font-family:Vrinda,sans-serif">জামান সরকার</span></b><b><span style="font-family:Vrinda,sans-serif">, </span></b><span lang="BN" style="font-family:Vrinda,sans-serif">হেলসিঙ্কি থেকে//</span></span></span></span></p>

<p style="margin-bottom:11px"><span style="font-size:12pt"><span style="line-height:normal"><span style="font-family:Aptos,sans-serif"><span lang="BN" style="font-family:Vrinda,sans-serif">ফিনল্যান্ডের রাজধানী হেলসিঙ্কি থেকে মাত্র ৫০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত পরভো (</span><span style="font-family:&quot;Times New Roman&quot;,serif">Porvoo) </span><span lang="BN" style="font-family:Vrinda,sans-serif">শহরে এসে মনে হলো যেন কয়েক শতাব্দী পেছনে চলে গেছি। আধুনিক ফিনল্যান্ডের ব্যস্ত নগরজীবনের বাইরে ইতিহাস</span><span style="font-family:&quot;Times New Roman&quot;,serif">, </span><span lang="BN" style="font-family:Vrinda,sans-serif">সংস্কৃতি ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এক অনন্য মিলনস্থল এই শহর। দেশটির দ্বিতীয় প্রাচীনতম শহর হিসেবে পরিচিত পরভো শুধু ফিনল্যান্ডেরই নয়</span><span style="font-family:&quot;Times New Roman&quot;,serif">, </span><span lang="BN" style="font-family:Vrinda,sans-serif">পুরো নর্ডিক অঞ্চলের অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটন গন্তব্য।</span></span></span></span></p>

<p style="margin-bottom:11px"><span style="font-size:12pt"><span style="line-height:normal"><span style="font-family:Aptos,sans-serif"><span lang="BN" style="font-family:Vrinda,sans-serif">সম্প্রতি শহরটি ঘুরে দেখার সুযোগ হয়। শহরে প্রবেশের পরই চোখে পড়ে নদীর তীরে দাঁড়িয়ে থাকা বিখ্যাত লাল রঙের কাঠের গুদামঘরগুলো। কয়েকশ বছর আগে বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহৃত এসব ভবন আজ পোরভোর পরিচয় বহন করছে। পর্যটকদের ক্যামেরায় সবচেয়ে বেশি ধরা পড়ে এই দৃশ্য।</span></span></span></span></p>

<p style="margin-bottom:11px"><span style="font-size:12pt"><span style="line-height:normal"><span style="font-family:Aptos,sans-serif"><span lang="BN" style="font-family:Vrinda,sans-serif">প</span><span style="font-family:&quot;Shonar Bangla&quot;,serif">ন</span><span lang="BN" style="font-family:Vrinda,sans-serif">রভোর পুরনো শহর বা &lsquo;ওল্ড টাউন&rsquo;-এ হাঁটতে হাঁটতে মনে হলো যেন কোনো রূপকথার শহরে প্রবেশ করেছি। সরু পাথরের রাস্তা</span><span style="font-family:&quot;Times New Roman&quot;,serif">, </span><span lang="BN" style="font-family:Vrinda,sans-serif">শত শত বছরের পুরনো কাঠের বাড়ি</span><span style="font-family:&quot;Times New Roman&quot;,serif">, </span><span lang="BN" style="font-family:Vrinda,sans-serif">ছোট ছোট ক্যাফে</span><span style="font-family:&quot;Times New Roman&quot;,serif">, </span><span lang="BN" style="font-family:Vrinda,sans-serif">শিল্পকর্মের দোকান এবং ঐতিহ্যবাহী স্থাপত্য পুরো এলাকাকে অন্যরকম সৌন্দর্য দিয়েছে। শহরের প্রতিটি গলি যেন ইতিহাসের এক একটি অধ্যায়।</span></span></span></span></p>

<p style="margin-bottom:11px"><span style="font-size:12pt"><span style="line-height:normal"><span style="font-family:Aptos,sans-serif"><span lang="BN" style="font-family:Vrinda,sans-serif">শহরের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ পরভো ক্যাথেড্রাল। ত্রয়োদশ শতকে নির্মিত এই গির্জাটি ফিনল্যান্ডের ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী। পাহাড়ের ওপর অবস্থিত গির্জার সামনে দাঁড়িয়ে পুরো শহর এবং নদীর মনোমুগ্ধকর দৃশ্য উপভোগ করা যায়। এখানে আসা পর্যটকদের অনেকেই কিছু সময় নীরবে বসে শহরের শান্ত পরিবেশ উপভোগ করেন।</span></span></span></span></p>

<p style="margin-bottom:11px"><span style="font-size:12pt"><span style="line-height:normal"><span style="font-family:Aptos,sans-serif"><span lang="BN" style="font-family:Vrinda,sans-serif">পরভো নদীর তীরও পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়। গ্রীষ্মকালে নদীর পাশে হাঁটা</span><span style="font-family:&quot;Times New Roman&quot;,serif">, </span><span lang="BN" style="font-family:Vrinda,sans-serif">নৌভ্রমণ কিংবা খোলা আকাশের নিচে বসে কফি পান করার আনন্দই আলাদা। নদীর দুই পাড়ে স্থানীয় মানুষ ও পর্যটকদের প্রাণচাঞ্চল্যে মুখর থাকে পুরো এলাকা।</span></span></span></span></p>

<p style="margin-bottom:11px"><span style="font-size:12pt"><span style="line-height:normal"><span style="font-family:Aptos,sans-serif"><span lang="BN" style="font-family:Vrinda,sans-serif">শহরটি শুধু ইতিহাসের জন্য নয়</span><span style="font-family:&quot;Times New Roman&quot;,serif">, </span><span lang="BN" style="font-family:Vrinda,sans-serif">শিল্প ও সংস্কৃতির জন্যও সুপরিচিত। বিখ্যাত ফিনিশ কবি জোহান লুডভিগ রুনেবার্গের স্মৃতি বহন করছে এই শহর। তাঁর বাড়ি বর্তমানে জাদুঘরে রূপান্তরিত হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন আর্ট গ্যালারি ও হস্তশিল্পের দোকানে স্থানীয় শিল্পীদের সৃজনশীলতার পরিচয় পাওয়া যায়।</span></span></span></span></p>

<p style="margin-bottom:11px"><span style="font-size:12pt"><span style="line-height:normal"><span style="font-family:Aptos,sans-serif"><span lang="BN" style="font-family:Vrinda,sans-serif">পরভোর আরেকটি আকর্ষণ হলো এর ক্যাফে সংস্কৃতি। শহরের ছোট ছোট ক্যাফেগুলোতে স্থানীয় কফি</span><span style="font-family:&quot;Times New Roman&quot;,serif">, </span><span lang="BN" style="font-family:Vrinda,sans-serif">পেস্ট্রি ও ঐতিহ্যবাহী ফিনিশ খাবারের স্বাদ নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। পুরনো শহরের পরিবেশে বসে এক কাপ গরম কফি যেন ভ্রমণের আনন্দকে আরও বাড়িয়ে দেয়।</span></span></span></span></p>

<p style="margin-bottom:11px"><span style="font-size:12pt"><span style="line-height:normal"><span style="font-family:Aptos,sans-serif"><span lang="BN" style="font-family:Vrinda,sans-serif"><img alt="" src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1503-22.jpg" style="width: 637px; height: 462px;" /></span></span></span></span></p>

<p style="margin-bottom:11px"><span style="font-size:12pt"><span style="line-height:normal"><span style="font-family:Aptos,sans-serif"><span lang="BN" style="font-family:Vrinda,sans-serif">ফিনল্যান্ডে বসবাসকারী অনেক বাংলাদেশির মতো আমিও বিভিন্ন শহর ঘুরে দেখার সুযোগ পেয়েছি। তবে পরভোকে আলাদা করে মনে রাখার কারণ হলো এর প্রশান্ত পরিবেশ</span><span style="font-family:&quot;Times New Roman&quot;,serif">, </span><span lang="BN" style="font-family:Vrinda,sans-serif">ঐতিহাসিক আবহ এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের নিখুঁত সমন্বয়। যারা ভ্রমণ ভালোবাসেন</span><span style="font-family:&quot;Times New Roman&quot;,serif">, </span><span lang="BN" style="font-family:Vrinda,sans-serif">বিশেষ করে ইতিহাস ও সংস্কৃতির প্রতি আগ্রহী</span><span style="font-family:&quot;Times New Roman&quot;,serif">, </span><span lang="BN" style="font-family:Vrinda,sans-serif">তাদের জন্য পরভো অবশ্যই একটি দর্শনীয় স্থান।</span></span></span></span></p>

<p style="margin-bottom:11px"><span style="font-size:12pt"><span style="line-height:normal"><span style="font-family:Aptos,sans-serif"><span lang="BN" style="font-family:Vrinda,sans-serif">হেলসিঙ্কি থেকে মাত্র ৪৫ মিনিটের যাত্রায় পৌঁছে যাওয়া যায় এই শহরে। তাই ফিনল্যান্ডে আসা কোনো পর্যটকের ভ্রমণ তালিকায় পরভো থাকা উচিত। আধুনিকতার ভিড়ে হারিয়ে যাওয়া পুরোনো ইউরোপের সৌন্দর্য অনুভব করতে চাইলে পরভো হতে পারে এক অনন্য গন্তব্য।</span></span></span></span></p>

<p style="margin-bottom:11px"><span style="font-size:12pt"><span style="line-height:normal"><span style="font-family:Aptos,sans-serif"><span lang="BN" style="font-family:Vrinda,sans-serif">পরভো শুধু একটি শহর নয়</span><span style="font-family:&quot;Times New Roman&quot;,serif">, </span><span lang="BN" style="font-family:Vrinda,sans-serif">এটি ফিনল্যান্ডের ইতিহাস</span><span style="font-family:&quot;Times New Roman&quot;,serif">, </span><span lang="BN" style="font-family:Vrinda,sans-serif">সংস্কৃতি ও সৌন্দর্যের এক জীবন্ত প্রতিচ্ছবি।</span></span></span></span></p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1601-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[দুই ঈদের দিনকে ছুটি ঘোষণার দাবিতে মার্কিন কংগ্রেসে বিল]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/28629</link>
    <pubDate>Fri, 05 Jun 2026 18:47:01 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/28629</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/06042026_news0101_andre_karson_grace_meng.jpg" />    নিউ ইয়র্ক: দুই ঈদের দিনকে যুক্তরাষ্ট্রে কেন্দ্রীয়ভাবে ছুটি ঘোষণা করতে কংগ্রেসে একটি বিল উত্থাপন করা হয়েছে। নিউ ইয়র্কে ডেমেক্রেটিক পার্টির কংগ্রেস সদস্য গ্রেস মেং এবং একই দলের ইন্ডিয়ানার কংগ্রেস সদস্য আন্দ্রে কারসন ২৭ মে যৌথভাবে এ বিল উত্থাপন করেন।

ঈদুল আজহার দিন সবাইকে ‘ঈদ মোবারক’ জানিয়ে নিউ ইয়র্কে বাংলাদেশি অধ্যুষিত কুইন্সের জ্যামাইকা-ফ্লাশিং এলাকা থেকে নির্বাচিত কংগ্রেস সদস্য গ্রেস মেং বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের উন্নয়নে নিরলসভাবে অবদান রাখা লাখো মুসলমানের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসবের দুটি দিনকে সরকারি ছুটি ঘোষণার দাবিটি অনেক আগেই পূরণ হওয়া উচিত ছিল।

“বিলম্বে হলেও আমরা পুনরায় বিলটি উত্থাপন করতে পেরে নিজেদের সৌভাগ্যবান মনে করছি এবং তা আইনে পরিণত না হওয়া পর্যন্ত সরব থাকব।”

এর আগে ২০২৪ সালে আরো কয়েকজন কংগ্রেস সদস্যের সহায়তায় এইচআর-৮৭৫৫ নম্বরের বিলটি ‘ঈদ ডে অ্যাক্ট’উত্থাপন করা হলেও তা ভোটের উপযোগী সমর্থন পায়নি। কয়েক বছরের ব্যবধানে মার্কিন রাজনীতি ও প্রশাসনে অনেক পরিবর্তন ঘটেছে। নিউ ইয়র্ক সিটির ৪৫০ বছরের ইতিহাসে গত নভেম্বরের নির্বাচনে প্রথম মুসলমান-আমেরিকান মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন জোহরান মামদানি।

মিশিগান, ভার্জিনিয়া, পেনসিলভেনিয়াসহ বেশ কয়েকটি অঞ্চলে ভোটের ময়দানে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছেন মুসলিম আমেরিকানরা। বেশ কয়েকটি স্টেট ও সিটিতে স্কুল-কলেজ, অফিস-আদালতে ঈদের দিন মুসলমানদের ছুটির নিয়মও চালু হয়েছে এর মধ্যে। নিউ ইয়র্ক সিটির সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দুই ঈদের দিন ছুটি ঘোষণার বিধি কার্যকর হয়েছে ২০১৫ সালেই।

এছাড়া মেরিল্যান্ড, ম্যাসাচুসেটস, মিশিগান, মিনেসোটা, ইলিনয়, ভার্জিনিয়াসহ বেশ কয়েকটি স্টেটে মুসলমান শিক্ষার্থী ও কর্মীরা ঈদের দিন চাইলেই ছুটি পান। কংগ্রেসে উত্থাপিত সর্বশেষ বিলটি আইনে পরিণত হলে যুক্তরাষ্ট্রের মুসলমানদের বহু দিনের একটি দাবি পুরণ হবে।]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/06042026_news0101_andre_karson_grace_meng.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[পদ ছাড়ছেন না পররাষ্ট্রমন্ত্রী, নজির দেখালেন হুমায়ুন রশীদের]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28628</link>
    <pubDate>Fri, 05 Jun 2026 09:40:00 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28628</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/781-99.jpg" />    <article>
<p>মন্ত্রিত্ব ধরে রেখে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির দায়িত্ব পালনের ইঙ্গিত দিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।&nbsp;আজ বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এমনটাই জানান তিনি।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, &lsquo;আমি কি এই (পররাষ্ট্রমন্ত্রীর) দায়িত্ব ছেড়ে দেব? প্রশ্নটা কি সেটাই? এত তাড়াহুড়া করবেন না। এর (একসঙ্গে দুই দায়িত্ব পালনের) নজির আছে।&rsquo;&nbsp;</p>

<p>১৯৮৬-৮৭ মেয়াদে ইউএনজিএ সভাপতি নির্বাচিত হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ তুলে ধরে ড. খলিলুর বলেন, &lsquo;হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী সাহেব আমাদের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন।</p>
</article>

<article>আমি তার একান্ত সচিব ছিলাম এবং তার সঙ্গে কাজ করেছি। তিনি দুই পদেই পূর্ণকালীনভাবে কাজ করতে পেরেছেন। ওই সময়টা ছিল ইন্টারনেটপূর্ব যুগ। কিন্তু আজ আপনি নিরবচ্ছিন্নভাবে দুটো কাজই একসঙ্গে করতে পারেন।</article>

<article>এটা এখন খুব স্বাভাবিক।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে সভাপতির বিজয় বাংলাদেশের ভবিষ্যতের কাছে উৎসর্গ করেন খলিলুর রহমান।</p>

<p>তিনি বলেন, &lsquo;এই বিজয় বাংলাদেশের বিজয়। এই বিজয় প্রধানমন্ত্রীর। আমি প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাতে চাই।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/781-99.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে মন্ত্রিসভার অভিনন্দন]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28627</link>
    <pubDate>Fri, 05 Jun 2026 09:39:21 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28627</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/974-88.jpg" />    <article>
<p>জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছে মন্ত্রিসভা।</p>

<p>আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে জনপ্রশাসন সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিপরিষদের সভায় এ অভিনন্দন জানানো হয়।</p>
</article>

<article>প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি এ কথা জানিয়েছেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে আজ সন্ধ্যা ৭টায় মন্ত্রিপরিষদের সভা শুরু হয়।</p>

<p>এদিকে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়া প্রসঙ্গে বলা হয়, এই অর্জন বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান গৌরব, কূটনৈতিক সক্ষমতা এবং বহুপক্ষীয় সম্পর্কের প্রতি আস্থার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।</p>

<p>সভায় মন্ত্রিসভার সদস্যরা ও সংশ্লিষ্ট সচিবরা উপস্থিত ছিলেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/974-88.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[মন্ত্রিসভায় বিদেশি বিনিয়োগ প্রণোদনা নীতিমালা অনুমোদন]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28626</link>
    <pubDate>Fri, 05 Jun 2026 09:38:34 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28626</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1096-77.jpg" />    <article>
<p>&lsquo;প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) প্রণোদনা স্কিম নীতিমালা, ২০২৬&rsquo; অনুমোদন দিয়েছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে গতকাল বৃহস্পতিবার (৪ জুন) অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার নবম বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।</p>
</article>

<article>প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এ প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়।
<p>&nbsp;</p>

<p>বৈঠকে বলা হয়, প্রণোদনা প্রদানের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিসহ সকল বাংলাদেশি নাগরিককে এফডিআই আনয়নে অবদান রাখার লক্ষ্যে সরকার প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ প্রণোদনা স্কিম নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে।</p>

<p>এছাড়াও, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের প্রস্তাবের আলোকে সভায় &lsquo;বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (সংশোধন) আইন, ২০২৬&rsquo;-এর খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।&nbsp;</p>

<p>এতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাসেবা, চিকিৎসা শিক্ষা ও গবেষণার পরিধি সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক মুনাফাভিত্তিক বা অ-মুনাফাভিত্তিক কম্পানি বা সংগঠন গঠন এবং কম্পানি বা সংগঠনের শেয়ার অর্জন ও ধরনের বিধান অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ১৯৯৮-এর সংশোধন করা প্রয়োজন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>ড. খলিলুর রহমান জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় মন্ত্রিসভার বৈঠকে অভিনন্দন জানানো হয়।&nbsp;</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1096-77.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় আহত ২ বাংলাদেশি]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28625</link>
    <pubDate>Fri, 05 Jun 2026 09:37:45 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28625</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1213-66.jpg" />    <article>
<p>দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বিমান হামলায় চার বিদেশি নাগরিক আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে দুজন বাংলাদেশি এবং দুজন সিরীয় নাগরিক রয়েছেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সির (এনএনএ) বরাতে এ তথ্য জানায় বার্তা সংস্থা <a href="https://aje.news/dud2nk?update=4626813">আলজাজিরা</a>।</p>

<p>প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান নাবাতিয়েহ জেলার আব্বা ও আল-দুওয়াইর শহরের মধ্যবর্তী ওয়াতা আব্বা এলাকার আল-মাশাল অঞ্চলে দুই দফা বিমান হামলা চালায়। এ হামলায় চার বিদেশি নাগরিক আহত হন।</p>

<p>তবে আহত বাংলাদেশিদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়নি।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>এনএনএ আরো জানিয়েছে, একই সময়ে নাবাতিয়েহ জেলার জেবশিত এবং আর্নুন শহরেও ইসরায়েলি বাহিনী বিমান হামলা ও গোলাবর্ষণ চালিয়েছে।</p>

<p>লেবানন-ইসরায়েল সীমান্তে চলমান উত্তেজনার মধ্যে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় হামলার ঘটনা বেড়েছে। বিশেষ করে হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েলি বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষের জেরে সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলোতে নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরো অস্থিতিশীল হয়ে উঠেছে।</p>

<p>এদিকে লেবাননের ভূখণ্ড থেকে ইসরায়েলি বাহিনী প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>এক বিবৃতিতে আইআরজিসি বলেছে, আঞ্চলিক সংঘাত বন্ধে তাদের প্রধান শর্তগুলোর একটি হলো সব ফ্রন্টে যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা, যার মধ্যে লেবাননও অন্তর্ভুক্ত।</p>

<p>লেবাননে সামরিক অভিযান বন্ধের বিষয়ে বিবৃতিতে বলা হয়, শত্রুপক্ষকে দ্রুত লেবাননের জনগণের ওপর হামলা বন্ধ করতে হবে এবং লেবাননের দখলকৃত অঞ্চল খালি করে আন্তর্জাতিক সীমান্তের পেছনে ফিরে যেতে হবে। একই সঙ্গে লেবাননের ভৌগোলিক অখণ্ডতাকে স্বীকৃতি দিতে হবে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1213-66.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ভারতের সফরে ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28624</link>
    <pubDate>Fri, 05 Jun 2026 09:36:59 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28624</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1314-55.jpg" />    <article>
<p><a href="https://www.arabnews.com/node/2645956/world">ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ ভারত</a> সফরে এসে উষ্ণ অভ্যর্থনা পেয়েছেন। সফরের অংশ হিসেবে তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করেন।</p>
</article>

<article>বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও জ্বালানি সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
<p>&nbsp;</p>

<p>বিশ্বের অন্যতম বড় তেলসমৃদ্ধ দেশ ভেনেজুয়েলার বিশাল অপরিশোধিত তেলের মজুদ রয়েছে। গত জানুয়ারিতে সাবেক প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ক্ষমতা হারানোর পর থেকে দেলসি রদ্রিগেজ দেশটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন। বৈঠকের আগে নয়াদিল্লির ঐতিহাসিক হায়দ্রাবাদ হাউসের বাইরে মোদি ও রদ্রিগেজ করমর্দন করেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুব্রামানিয়াম জয়শঙ্কর বলেন, এই আলোচনা দুই দেশের সম্পর্ক ও সহযোগিতাকে আরো শক্তিশালী করবে। রদ্রিগেজের এই সফর এমন সময়ে হচ্ছে, যখন মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের কারণে জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।</p>

<p>বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম তেল আমদানিকারক দেশ ভারত এ পরিস্থিতিতে ভেনেজুয়েলা থেকে আরো বেশি অপরিশোধিত তেল কিনছে। ভারতে পৌঁছানোর পর রদ্রিগেজ আশা প্রকাশ করেন, এই সফর খুবই ফলপ্রসূ হবে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে এমন সব সহযোগিতার ক্ষেত্র নিয়ে আলোচনা হবে। এটি ভেনিজুয়েলার জনগণের জরুরি প্রয়োজন মেটাতে সহায়তা করবে এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে এগিয়ে নেবে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1314-55.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[পুতিনকে খোলা চিঠি, মুখোমুখি বৈঠকের প্রস্তাব জেলেনস্কির]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28623</link>
    <pubDate>Fri, 05 Jun 2026 09:35:52 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28623</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1380-44.jpg" />    <article>
<p>ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে সরাসরি মুখোমুখি বৈঠকের প্রস্তাব দিয়েছেন। পুতিনের উদ্দেশে লেখা এক খোলা চিঠিতে তিনি বলেন, ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে সরাসরি আলোচনার মাধ্যমেই শান্তির পথ খুঁজে পাওয়া সম্ভব।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>চিঠিতে জেলেনস্কি উল্লেখ করেন, ইউরোপের যুদ্ধ আবারও যুক্তরাষ্ট্রের মূল মনোযোগে ফিরে আসার অপেক্ষায় থাকা ঠিক হবে না। তিনি প্রস্তাবিত আলোচনার পুরো সময়জুড়ে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতিরও আহ্বান জানান। তবে বৃহস্পতিবারই পুতিন এমন প্রস্তাব নাকচ করে দেন।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/06/05/1693226" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, দুই নেতার মধ্যে বৈঠক হলে তা &lsquo;চমৎকার&rsquo; হবে।</p>
</article>

<article>ক্রেমলিন জানিয়েছে, তারা জেলেনস্কির চিঠি পেয়েছে এবং বিষয়টি সম্পর্কে পুতিনকে অবহিত করা হবে।
<p>&nbsp;</p>

<p>চিঠির ভাষা ছিল দৃঢ় ও কিছু ক্ষেত্রে ব্যঙ্গাত্মক। এতে জেলেনস্কি সাম্প্রতিক সময়ে রুশ ভূখণ্ডে ইউক্রেনের হামলার প্রসঙ্গ টেনে পুতিনকে কটাক্ষ করেন। তিনি লেখেন, ২৬ বছর ক্ষমতায় থাকার পর বয়সের প্রভাব পুতিনের ওপর পড়তে শুরু করেছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>চিঠিতে জেলেনস্কি সরাসরি লিখেছেন, ইউক্রেন আমাদের এবং আপনাদের মধ্যে সরাসরি আলোচনার মাধ্যমে এই যুদ্ধের অবসান চায়। আমি একটি বৈঠকের প্রস্তাব দিচ্ছি। তবে এটি জেলেনস্কির পক্ষ থেকে প্রথম এমন প্রস্তাব নয়। আগের মতো এবারও ক্রেমলিন জানিয়েছে, জেলেনস্কি চাইলে মস্কোতে এসে পুতিনের সঙ্গে দেখা করতে পারেন।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/sport/2026/06/05/1693225" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>চিঠিতে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান অগ্রাধিকারের প্রসঙ্গ।</p>
</article>

<article>জেলেনস্কি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এখন পুরোপুরি ইরান ইস্যুতে মনোযোগী। ইউরোপের যুদ্ধ আবারও তাদের মনোযোগের কেন্দ্রে ফিরে আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করা ভুল হবে।
<p>&nbsp;</p>

<p>অন্যদিকে সেন্ট পিটার্সবার্গে বিদেশি সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে পুতিন বলেন, তিনি ইউক্রেনের সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছাতে প্রস্তুত। তবে এর জন্য উভয়পক্ষকেই সমঝোতার পথ খুঁজতে হবে।</p>

<p>পুতিনের দীর্ঘদিনের অবস্থান হলো, ইউক্রেনকে রাশিয়ার আংশিক দখলে থাকা দোনেৎস্ক, লুহানস্ক, খেরসন ও জাপোরিঝঝিয়া অঞ্চল থেকে সরে যেতে হবে এবং ন্যাটোতে যোগদানের প্রচেষ্টা ত্যাগ করতে হবে। তবে ইউক্রেন এসব শর্ত প্রত্যাখ্যান করে আসছে।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/national/2026/06/05/1693224" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>কিয়েভের দাবি, ভূখণ্ড ছেড়ে দিলে তা ভবিষ্যতে আরো আগ্রাসনের পথ খুলে দেবে। তারা মনে করিয়ে দেয়, ২০১৪ সালে ক্রিমিয়া দখলের পর ২০২২ সালে রাশিয়া পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ শুরু করেছিল।</p>

<p>সাম্প্রতিক মাসগুলোতে যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে। জেনেভা, আবুধাবি ও ইস্তাম্বুলে অনুষ্ঠিত আগের শান্তি আলোচনা থেকেও কোনো উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি আসেনি।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.kalerkantho.com/online/social-media/2026/06/05/1693223" target="_blank">&nbsp;</a></p>

<p>১ হাজার ৮০০ শব্দের বেশি দীর্ঘ চিঠির শেষাংশে জেলেনস্কি লেখেন, আপনার যুদ্ধ আমাদের দেশের ওপর যে ধ্বংস ডেকে এনেছে, তারপরও আমরা রুশ সেনাদের ভাগ্য নিয়ে উদ্বিগ্ন নই। কিন্তু আমি ইউক্রেনীয়দের নিয়ে উদ্বিগ্ন। আমরা আমাদের মানুষ হারাচ্ছি, আর প্রতিটি মৃত্যু আমাদের জন্য বেদনাদায়ক।</p>

<p><strong>সূত্র : <a href="https://www.bbc.com/news/articles/cwy2ypyp4x4o?fbclid=IwY2xjawSPEs9leHRuA2FlbQIxMABicmlkETFOSk4yWlFjT2RBNTJySzhKc3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHpKsJn-SSda1EWJBFKkR76YcqCnY1z_Lb0k00jcoVy9HzdmkRjGANNPF4jn-_aem_BMaHAq4Zhzpxrnni9loNNg">বিবিসি</a></strong></p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1380-44.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নায়িকা ববির বাসায় চুরির ঘটনায় গ্রেফতার ২, উদ্ধার ৪ ভরি স্বর্ণালংকার]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/28622</link>
    <pubDate>Fri, 05 Jun 2026 09:34:40 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/28622</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1461-33.jpg" />    <p>ঢাকাই সিনেমার আলোচিত নায়িকা ইয়ামিন হক ববির বাসায় চুরির ঘটনায় দুইজনকে গ্রেফতার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গ্রেফতারকৃতরা হলেন&mdash;ফারুক ও তার স্ত্রী। পাশাপাশি এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৪ ভরি স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়েছে।&nbsp;</p>

<p>বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকালে নায়িকা নিজেই এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।&nbsp;</p>

<p>রাজধানীর কাফরুল থানাধীন সেনপাড়া পর্বতা, পূর্ব মনিপুর এলাকার এই চিত্রনায়িকার স্থায়ী বাসায় গত ২৬ মে চুরির এই ঘটনা ঘটে।&nbsp;</p>

<p>এ ঘটনায় ববি অভিযোগ করেন, শুটিংয়ের কাজে তিনি ঢাকার বাইরে থাকাকালীন বাসার জানালার গ্রিল কেটে দুর্বৃত্তরা ভেতরে প্রবেশ করে নগদ অর্থসহ প্রায় ৮৫ লাখ ৭০ হাজার টাকার স্বর্ণালংকার ও মূল্যবান সামগ্রী লুট করে নিয়ে যায়। এর মধ্যে ছিল তার বাবার দেওয়া স্মৃতিবিজড়িত ৩০-৩৫ ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ অর্থ এবং কয়েকটি মূল্যবান ঘড়ি।&nbsp;</p>

<p>এর প্রেক্ষিতে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বৃহস্পতিবার (৪ জুন) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন অভিনেত্রী। সেখানে তিনি লিখেছেন, &lsquo;চোরদের সাধারণ চোর হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। তারা সংঘবদ্ধ ও পেশাদার অপরাধী। আমার বাবার দেওয়া স্মৃতিগুলো হারানোর কষ্ট ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন।&rsquo;&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>আর্থিক মূল্য ছাড়াও এর সঙ্গে জড়িয়ে ছিল অভিনেত্রীর অসংখ্য স্মৃতি, আবেগ এবং পরিবারের ভালোবাসা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, &lsquo;ঈদের মাত্র দুই দিন আগে এমন ঘটনা আমার জীবনে গভীর বেদনা হয়ে এসেছে। স্বর্ণালংকারগুলোর আর্থিক মূল্য থাকলেও বাবার স্মৃতির সঙ্গে জড়িয়ে থাকায় সেগুলোর আবেগগত মূল্য অনেক বেশি।&rsquo;&nbsp;</p>

<p>চুরির ঘটনার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন অভিনেত্রী। দুইজনকে গ্রেফতার এবং আংশিক স্বর্ণালংকার উদ্ধারের জন্য সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানান তিনি। তবে এখনো অধিকাংশ স্বর্ণালংকার উদ্ধার না হওয়ার কারণে সবার সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করেছেন।&nbsp;</p>

<p>এর আগে পুলিশ জানায়, অভিযোগের ভিত্তিতে অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। তদন্তের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে দুই জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং চুরির সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও বাকি মালামাল উদ্ধারে অভিযান চলমান রয়েছে।&nbsp;</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1461-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ফ্রান্সকে হারিয়ে চমক আইভরি কোস্টের]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/28621</link>
    <pubDate>Fri, 05 Jun 2026 09:33:41 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/28621</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1501-22.jpg" />    <article>
<p>২০২৬ বিশ্বকাপের প্রস্তুতি শুরুটা মোটেও সুখকর হলো না ফ্রান্সের জন্য। নঁতে অনুষ্ঠিত প্রীতি ম্যাচে এগিয়ে থেকেও আইভরি কোস্টের কাছে ২-১ গোলে হেরে গেছে দিদিয়ের দেশমের দল।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>ম্যাচের প্রথমার্ধে আধিপত্য দেখিয়েছিল ফ্রান্স। শুরুতেই কিলিয়ান এমবাপ্পের শট দারুণভাবে ঠেকিয়ে দেন গোলরক্ষক ইয়াহিয়া ফোফানা। পরে মার্কাস থুরাম ও আদ্রিয়েন রাবিওত সুযোগ পেলেও ব্যবধান গড়তে পারেননি।</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/sport/2026/06/05/1693225" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>বিরতির ঠিক আগে অবশেষে কাঙ্ক্ষিত গোল পায় ফরাসিরা।</p>
</article>

<article>প্রথম শট প্রতিহত হওয়ার পর বল ফিরে পেয়ে দুর্দান্ত একক প্রচেষ্টায় জাল খুঁজে নেন রায়ান চেরকি। তার গোলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় ফ্রান্স।
<p>&nbsp;</p>

<p>তবে দ্বিতীয়ার্ধে বদলে যায় ম্যাচের চিত্র। ৫৩তম মিনিটে নিকোলাস পেপের দারুণ থ্রু পাস থেকে একক প্রচেষ্টায় গোল করে সমতা ফেরান গুয়েলা দুয়ে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>
&nbsp;

<p>এরপর দুই দলই কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ হয় ৮৪তম মিনিটে। দ্রুতগতির এক আক্রমণ থেকে প্রথম ছোঁয়ায় বল জালে জড়িয়ে আইভরি কোস্টকে এগিয়ে দেন আমাদ দিয়ালো।</p>

<p>শেষ পর্যন্ত আর ম্যাচে ফিরতে পারেনি ফ্রান্স। ফলে বিশ্বকাপের আগে বড় এক চমক উপহার দেয় আফ্রিকার দলটি।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1501-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[দুই যুগ পর আবার ফিরছে ‘লগান’]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/28620</link>
    <pubDate>Fri, 05 Jun 2026 09:32:30 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/28620</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1599-11.jpg" />    <article>
<p><a href="https://www.thewall.in/entertainment/aamir-khans-lagaan-celebrates-25-years-with-special-theatrical-re-release/tid/196249">ভারতীয় চলচ্চিত্রের ইতিহাসে</a> কিছু ছবি বিনোদনের গণ্ডি পেরিয়ে সময়ের সাক্ষী হয়ে আছে। সেই তালিকায় অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নাম &lsquo;লগান&rsquo;।</p>
</article>

<article>মুক্তির প্রায় ২৫ বছর পরও ছবিটির জনপ্রিয়তা কমেনি, বরং নতুন প্রজন্মের কাছেও এটি সমানভাবে প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে। এবার সেই কালজয়ী ছবিকে আবারও প্রেক্ষাগৃহে ফিরিয়ে আনছে &lsquo;আমির খান প্রোডাকশন্স&rsquo;। ১২ থেকে ১৪ জুন বিশেষ প্রদর্শনীতে পুনরায় মুক্তি পেতে চলেছে ছবিটি।
<p>&nbsp;</p>

<p>এই পুনর্মুক্তিকে ঘিরে ইতিমধ্যেই প্রকাশ করা হয়েছে ছবির নতুন ট্রেলার।</p>
</article>

<article>মুক্তির সঙ্গে সঙ্গেই তা দর্শকমহলে নস্ট্যালজিয়ার আবহ তৈরি করেছে। ট্রেলারটি যেন এক সময়ের সেতু, যা দর্শককে ফিরিয়ে নিয়ে যায় দুই দশকেরও বেশি আগের সেই সিনেমাটিক অভিজ্ঞতার কাছে, যখন &lsquo;লগান&rsquo; প্রথমবার বড়পর্দায় আলোড়ন তুলেছিল।
<p>&nbsp;</p>

<p>নতুন ট্রেলারে উঠে এসেছে ছবির মূল আবেগ ও গল্পের সারাংশ। দেখা যায় গ্রামীণ ভারতের এক শুষ্ক বাস্তবতা, ব্রিটিশ শাসনের চাপ, সাধারণ মানুষের বেঁচে থাকার লড়াই এবং তার মাঝেই জন্ম নেওয়া এক অদ্ভুত চ্যালেঞ্জ।</p>
</article>

<article>পাশাপাশি ফুটে উঠেছে ঐক্য, বিশ্বাস, প্রেম এবং অসম্ভবকে জয় করার মানসিক শক্তি, যা ছবিটিকে দীর্ঘদিন ধরে দর্শকের মনে আগলে রেখেছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>ছবির সংগীত, বিশেষ করে লগান (সাউন্ডট্র্যাক), ট্রেলারের আবহকে আরো আবেগপূর্ণ করে তুলেছে। এ আর রহমানের সুরে তৈরি গানগুলো আজও সমানভাবে জনপ্রিয়, যা নতুন ট্রেলারে আবারও একই অনুভূতি ফিরিয়ে এনেছে।</p>

<p>২০০১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এই ছবির পরিচালনা করেছিলেন আশুতোষ গোয়ারিকর। ছবির কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেন আমির খান।</p>
</article>

<article>তার পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে ছিলেন গ্রেসি সিং, র&zwj;্যাচেল শেলি, রঘুবীর যাদব, যশপাল শর্মাসহ আরো অনেকে।
<p>&nbsp;</p>

<p>গল্পের প্রেক্ষাপট ১৮৯৩ সালের ব্রিটিশশাসিত ভারত। মধ্য ভারতের একটি গ্রামের মানুষ যখন খরা ও অতিরিক্ত করের চাপে বিপর্যস্ত, তখন ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর এক অফিসার তাদের সামনে এক অদ্ভুত শর্ত রাখে ক্রিকেট ম্যাচে জিততে পারলে কর মওকুফ করা হবে। যে খেলা সম্পর্কে গ্রামের মানুষের কোনো ধারণাই নেই, সেই খেলাকে শিখে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করাই ছবির মূল সংঘর্ষ।</p>

<p>এই অসম্ভবকে সম্ভব করার লড়াইই &lsquo;লগান&rsquo;-এর মূল শক্তি। গ্রামবাসীদের ঐক্য, আত্মবিশ্বাস এবং লড়াইয়ের মনোভাব ছবিটিকে একটি সাধারণ কাহিনির বাইরে নিয়ে গিয়ে একটি আবেগঘন মহাকাব্যে পরিণত করেছে।</p>

<p>আন্তর্জাতিক মঞ্চেও ছবিটি ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করেছিল। একাধিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হওয়ার পাশাপাশি এটি একাডেমি অ্যাওয়ার্ডসের সেরা বিদেশি ভাষার চলচ্চিত্র বিভাগে মনোনয়ন পায়। ২০২৫ সাল পর্যন্ত এই বিভাগে মনোনীত হওয়া শেষ ভারতীয় চলচ্চিত্র হিসেবে &lsquo;লগান&rsquo; একটি ঐতিহাসিক অবস্থান ধরে রেখেছে। পাশাপাশি ৪৯তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে আটটি সম্মান অর্জন করে ছবিটি।</p>

<p>২৫ বছর পর বড় পর্দায় ফিরে আসার এই উদ্যোগকে ঘিরে দর্শকমহলে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। পুরনো স্মৃতি ও নতুন প্রজন্মের কৌতূহল মিলিয়ে &lsquo;লগান&rsquo;-এর পুনর্মুক্তি এখন আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1599-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে লে. জেনারেল মিনহাজুল আলমের সাক্ষাৎ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28619</link>
    <pubDate>Thu, 04 Jun 2026 09:36:55 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28619</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1313-55.jpg" />    <article>
<p>জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনের ফোর্স কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে সাইপ্রাস যাওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোহাম্মদ আসাদুল্লাহ মিনহাজুল আলম।</p>

<p>বুধবার (৩ জুন) দুপুরে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।</p>
</article>

<article>এ সময় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এ কে এম শামছুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রেস উইং জানায়, লে. জেনারেল মিনহাজুল আলম আগামী শুক্রবার (৫ জুন) নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবেন। সেখানে দাপ্তরিক কার্যক্রম শেষ করে সাইপ্রাসে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা বাহিনী (ইউএনএফআইসিওয়াইপি)-এর ২৩তম ফোর্স কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।</p>

<p>প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের সময় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের ভূমিকা, পেশাদারি এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সশস্ত্র বাহিনীর সুনাম ও গৌরবের বিষয়ে আলোচনা করা হয়।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1313-55.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ৬ নবজাতকের মৃত্যু : তদন্ত প্রতিবেদন জমা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28618</link>
    <pubDate>Thu, 04 Jun 2026 09:36:22 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28618</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1379-44.jpg" />    <article>
<p>রাজধানীর আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ৬ নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের গঠিত তদন্ত কমিটি। বুধবার (৩ জুন) স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে এই প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>এর আগে ৬ নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় নিজস্ব তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ছাড়াও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে জমা দিয়েছে আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবার (২ জুন) তদন্ত প্রতিবেদনটি জমা দেওয়া হয়।</p>

<p>এদিকে এই ঘটনা তদন্তে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর গঠিত অপর কমিটি বৃহস্পতিবার (৪ জুন) তাদের প্রতিবেদন জমা দেবে বলে জানা গেছে।</p>

<p>দুটি তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর সার্বিক বিষয়ে বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টায় গণমাধ্যমের মুখোমুখি হবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।</p>
</article>

<article>মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা (পিআরও) মাহমুদুল হাসান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>এর আগে গত ২৭ মে (বুধবার) ভোরে আদ-দ্বীন হাসপাতালের দ্বিতীয় তলার পোস্ট-অপারেটিভ (পোস্ট ডেলিভারি) ওয়ার্ডে সকাল ৬টা থেকে ৯টার মধ্যে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। হাসপাতালের শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের (এসি) গ্যাসলাইনে লিকেজ বা অন্য কোনো যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে শ্বাসরোধে এ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। ঘটনার পরপরই রমনা থানা পুলিশ ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা হাসপাতাল পরিদর্শন করেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>ঘটনার দিনই সন্ধ্যায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের যুগ্ম সচিবকে (বেসরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা) প্রধান করে গঠিত এই কমিটিতে সদস্যসচিবের দায়িত্ব দেয়া হয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উপপরিচালককে (হাসপাতাল-১)। এ ছাড়া অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (আইন শাখা) এই কমিটির সদস্য হিসেবে কাজ করেন। কমিটিকে তিন দিনের মধ্যে শিশুদের মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধান এবং প্রতিকারের বিষয়ে প্রতিবেদন দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছিল।</p>

<p>ওইদিন আদ-দ্বীন হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক নাহিদা ইয়াসমিন সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, ওই এসি ওয়ার্ডটিতে ১১ জন মা ও ৬টি নবজাতক ছিল।</p>
</article>

<article>দিবাগত রাত ৩টার দিকে দুটি শিশু অসুস্থ বোধ করলে তাদের এনআইসিইউতে নেয়া হয়। চিকিৎসকরা সুস্থ দেখার পর তাদের আবারও মায়ের কাছে ফেরত পাঠান।
<p>&nbsp;</p>

<p>তবে সকাল ৬টার দিকে হঠাৎ মায়েরাই জানান যে শিশুদের অসুস্থ মনে হচ্ছে। তখন দ্রুত ছয়টি শিশুকেই এনআইসিইউতে নেয়া হয়। এর মধ্যে দুটি শিশু নেয়ার পথেই মারা যায় এবং বাকি চারজনকে ভেন্টিলেটর সাপোর্টে রেখেও বাঁচানো সম্ভব হয়নি।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1379-44.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিউইয়র্কে চার লেখকের বই নিয়ে দ্বিতীয় ‘ছোটদের বাংলা বইমেলা’]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/28617</link>
    <pubDate>Thu, 04 Jun 2026 09:34:45 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/28617</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1-e.jpg" />    <p>প্রবাসে নতুন প্রজন্মের মাঝে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের চর্চা ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যকে সামনে রেখে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে দ্বিতীয় &lsquo;নিউইয়র্ক ছোটদের বাংলা বইমেলা ২০২৬&rsquo;।</p>

<p>গত ৩০ মে (শনিবার) জ্যামাইকার ১৬৭-১৬ হিলসাইড এভিনিউয়ের &lsquo;শাহী কিচেন&rsquo; মিলনায়তনে বিকেল ৩টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত এ মেলা অনুষ্ঠিত হয়।</p>

<p>মেলা প্রাঙ্গণে বই প্রদর্শনী ও বিক্রির পাশাপাশি ছিল লেখক-পাঠক আড্ডা, মনোমুগ্ধকর গল্প বলা, ছড়া-কবিতা আবৃত্তি এবং মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। পুরো আয়োজনজুড়ে ছিল শিশু-কিশোরদের প্রাণবন্ত উপস্থিতি।</p>

<p>এবারের মেলার মূল আকর্ষণ ছিলেন চারজন লেখক&mdash;কাজী জহিরুল ইসলাম, ডা. সজল আশফাক, আলম সিদ্দিকী এবং আশিক মুস্তাফা। শাহী কিচেনের সহযোগিতায় আয়োজিত এই মেলায় প্রবাসী বাংলাদেশিরা পরিবারসহ অংশ নেন।</p>

<p>মেলার অন্যতম আকর্ষণ ছিল আশিক মুস্তাফার নতুন বই &lsquo;ওয়ান লিটল মাদার&rsquo;-এর মোড়ক উন্মোচন। পাশাপাশি ৯০-এর দশকের ঐতিহ্যবাহী খেলনা ও বিভিন্ন ছবিযুক্ত পোস্টকার্ড প্রদর্শনী শিশুদের মধ্যে বিশেষ আগ্রহ সৃষ্টি করে।</p>

<p data-added-after="1">মেলাজুড়ে শিশুদের অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো। তারা গল্প বলা, ছড়া ও কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগিতায় অংশ নেয় এবং বইয়ের সঙ্গে আনন্দঘন সময় কাটায়।</p>

<p>অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নাট্যব্যক্তিত্ব ও লেখক কাজী শামীম আহমেদ। তিনি বলেন, এই ধরনের বইমেলা নতুন প্রজন্মকে শিকড়ের সঙ্গে যুক্ত করার গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। ভবিষ্যতে এই আয়োজন আরও বড় পরিসরে হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।</p>

<p>বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কাজী জহিরুল ইসলাম এবং ফারহানাজ শারমিন খান। কাজী জহিরুল ইসলাম বলেন, এই আয়োজনকে আরও বিস্তৃত করে শিশুদের অংশগ্রহণ বাড়ানো জরুরি।</p>

<p>ফারহানাজ শারমিন খান বলেন, মেলায় ইংরেজি ভাষায় কিছু বই যুক্ত হওয়া ইতিবাচক উদ্যোগ। ভবিষ্যতে বাংলা বইগুলোর ইংরেজি অনুবাদ আরও বাড়লে নতুন প্রজন্ম সহজে তা পড়তে পারবে এবং বাংলাদেশের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে পারবে।</p>

<p>মেলার একপর্যায়ে আমন্ত্রিত লেখকরা পাঠকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং নিজেদের লেখা থেকে অংশবিশেষ পাঠ করে শোনান।</p>

<p data-added-after="1">সবশেষে অনুষ্ঠিত হয় বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। শিল্পী ফিরোজ মিয়া ও শাহনেওয়াজ নজরুল সংগীত ও দেশাত্মবোধক গানে পরিবেশনা করেন, যা পুরো মিলনায়তনে আবেগঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করে। রাত ১০টায় মেলার সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।</p>

<p>অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মিলড্রেড এলির চেয়ারপারসন কাজী শামীমা আক্তার শিমুল। আর অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেন আফরোজা আখতার মুন্নি।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1-e.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিউইয়র্কে জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব আমেরিকার সংবর্ধনা অনুষ্ঠান]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/28616</link>
    <pubDate>Thu, 04 Jun 2026 09:33:55 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/28616</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/4-d.jpg" />    <p>সিলেট জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের চৌধুরী শামীমের যুক্তরাষ্ট্র আগমন উপলক্ষে প্রবাসী জালালাবাদবাসীর পক্ষ থেকে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব আমেরিকা ইনকের উদ্যোগে গত রবিবার (৩১ মে) &nbsp;দুপুর ২টায় ওজোন পার্কের মোম&rsquo;স পার্টি হলে এ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। এতে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষসহ বিপুল সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি অংশগ্রহণ করেন।</p>

<p>অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব আমেরিকা ইনকের সভাপতি বদরুল খান। ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রোকন হাকিম অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন। শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত ও দোয়া করেন সংগঠনের সাবেক সহ-সভাপতি মাওলানা সাইফুল আলম সিদ্দিকী। স্বাগত বক্তব্য রাখেন কোষাধ্যক্ষ মুহাম্মদ আলিম। এছাড়া শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন সহ-সভাপতি মো. শফিউদ্দিন তালুকদার, বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ আতিকুল হক আহাদ, সিলেট সদরের রাজনীতিবিদ মাহবুব রহমান চৌধুরী, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মানিক আহমেদ, কমিউনিটি এক্টিভিস্ট খলিলুর রহমান ও সদস্য মো. দেলোয়ার হোসেন মানকি।</p>

<p>অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বোর্ড অব ট্রাস্ট্রির সদস্য ছদরুন নূর, বাংলাদেশ সোসাইটির ট্রাস্টি সদস্য আজিমুর রহমান বুরহান ও ফকরুল ইসলাম দেলোয়ার, সাবেক ট্রাস্টি এডভোকেট নাসির উদ্দিন, মকবুল রাহিম চুনই, সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার সালেহ আহমেদ চৌধুরী এবং বাংলাদেশ সোসাইটির প্রধান নির্বাচন কমিশনার আবু নাসের প্রমুখ।</p>

<p data-added-after="1">অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাবেক সহ-সভাপতি সাব্বির হোসেন, লাখাই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম তালুকদার, চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী, হবিগঞ্জ জেলা কল্যাণ সদস্য কবি আবু তাহের, বাংলাদেশ সোসাইটির প্রচার ও গণসংযোগ সম্পাদক রিজু মোহাম্মদ, সদস্য হাসান খান, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মিসবা আবিদীন, ছমির উদ্দিন, গওহর চৌধুরী কিনু, বিনানিবাজার সমিতির প্রধান নির্বাচন কমিশনার আজিজুর রহমান পাখি, মো. শামসুল আলম, শাহ স্বপন, আব্দুস শহীদ, মাহবুব আহমেদসহ আরও অনেকে।</p>

<p>বক্তারা প্রবাসীদের দীর্ঘদিনের বিভিন্ন দাবি ও সমস্যার কথা তুলে ধরেন। এর মধ্যে রয়েছে প্রবাসীদের জন্য সহজ ও কার্যকর ভোটাধিকার নিশ্চিত করা, নিবন্ধন প্রক্রিয়ার জটিলতা দূর করা, সিলেট অঞ্চলের উন্নয়নে অবকাঠামোগত বিনিয়োগ বৃদ্ধি, প্রবাসীদের জন্য নিরাপদ আবাসন প্রকল্প &lsquo;প্রবাসী পল্লি&rsquo; গড়ে তোলা, বিদেশফেরতদের জন্য সহায়তা বৃদ্ধি, বিমান যোগাযোগ সহজ করা এবং ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আধুনিকায়ন ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট সম্প্রসারণ। এছাড়া সিলেটের গ্যাস সম্পদের ন্যায্য ব্যবহার এবং বন্যা সমস্যার স্থায়ী সমাধানের দাবিও জানানো হয়।</p>

<p>শেষে অতিথিদের হাতে সংগঠনের পক্ষ থেকে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/4-d.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকীতে নিউইয়র্কে ‘জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসী’র দোয়া মাহফিল]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/28615</link>
    <pubDate>Thu, 04 Jun 2026 09:33:32 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/28615</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/7-c.jpg" />    <p>বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে নিউইয়র্কে সর্বদলীয় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৩০ মে শনিবার বিকেলে &lsquo;জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসী&rsquo;র ব্যানারে জ্যাকসন হাইটসের বাংলাদেশ স্ট্রিট সংলগ্ন নবান্ন রেস্টুরেন্টের সামনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।<br />
&lsquo;তোমার কীর্তির চেয়ে তুমি মহান&rsquo; শীর্ষক ব্যানারের সামনে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সভাপতি ও এনওয়াই হোম কেয়ারের চেয়ারম্যান এম আজিজ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডেমোক্রেটিক পার্টির ডিস্ট্রিক্ট লিডার ও আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল বার অ্যাসোসিয়েশনের পরিচালক অ্যাটর্নি মঈন চৌধুরী, বিএনপির চেয়ারপারসন তারেক রহমানের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য গোলাম ফারুক শাহীন, যুবদলের কেন্দ্রীয় নেতা আবু সাঈদ আহমেদ ও এম এ বাতিন, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির কোষাধ্যক্ষ জসীম ভূঁইয়া, সিনিয়র সদস্য এম এ সবুর, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দা মাহমুদা শিরিনসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা।<br />
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও গুড শেফার্ড হোম কেয়ারের সিইও গিয়াস আহমেদ। দোয়া মাহফিলে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনা করা হয় এবং দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করা হয়।</p>

<p><img alt="" decoding="async" height="1536" sizes="(max-width: 2048px) 100vw, 2048px" src="https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/06/Jacjson_Heights_2.jpg" srcset="https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/06/Jacjson_Heights_2.jpg 2048w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/06/Jacjson_Heights_2-300x225.jpg 300w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/06/Jacjson_Heights_2-1024x768.jpg 1024w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/06/Jacjson_Heights_2-150x113.jpg 150w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/06/Jacjson_Heights_2-768x576.jpg 768w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/06/Jacjson_Heights_2-1536x1152.jpg 1536w" width="2048" /><br />
অনুষ্ঠানে উপস্থিত প্রবাসীদের মধ্যে জায়নামাজ বিতরণ করা হয়। হাজারো মানুষের মধ্যে তবারক পরিবেশন করা হয়।<br />
আয়োজকরা জানান, এক দশকেরও বেশি সময় ধরে &lsquo;জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসী&rsquo;র উদ্যোগে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে এ ধরনের দোয়া মাহফিল ও স্মরণানুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়ে আসছে।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/7-c.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিউইয়র্কে নতুন সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘হৃদয় বীণা সংগীতালয়’র যাত্রা শুরু]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/28614</link>
    <pubDate>Thu, 04 Jun 2026 09:33:05 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/28614</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/60-a.jpg" />    <p>বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জন্মজয়ন্তী উদযাপনের মধ্য দিয়ে নিউইয়র্কে নতুন সাংস্কৃতিক সংগঠন &lsquo;হৃদয় বীণা সংগীতালয়&rsquo;-এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে। গত ৩০ মে জ্যাকসন হাইটসের জুইশ সেন্টারে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দুই কবির স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। কণ্ঠশিল্পী আয়শা খানের নেতৃত্বে গঠিত সংগঠনটির পৃষ্ঠপোষক হিসেবে রয়েছেন রামদাস ঘরামি ও মিনা ইসলাম। প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করছেন সাংবাদিক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা রাশেদ আহমেদ।<br />
সাংস্কৃতিক সংগঠক কবির কিরণের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী পর্বে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন বীর মুক্তিযোদ্ধা লাবলু আনসার, নিউইয়র্ক আন্তর্জাতিক বইমেলা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ড. ওবায়েদউল্লাহ মামুন, বহ্নিশিখা সংগীত নিকেতনের প্রধান ও কণ্ঠশিল্পী ড. সবিতা দাস, চন্দন চৌধুরী, যাদুকর খান শওকত, নজরুল একাডেমির সভাপতি শাহ আলম দুলাল, গীতিকার মাহফুজুর রহমান মাহফুজ, লেখক এবিএম সালেহ আহমেদ, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন তবলা বাদক তপন মোদক এবং &lsquo;তারার আলো&rsquo;-এর সভাপতি মিনা ইসলাম।<img alt="" src="https://khabor.com/public/upload/images/news/23-b.jpg" style="width: 1024px; height: 576px;" /><br />
অনুষ্ঠানে উপস্থিত সুধীজন প্রবাসী নতুন প্রজন্মের মধ্যে বিশুদ্ধ ও সুস্থধারার সংগীতচর্চা অব্যাহত রাখতে &lsquo;হৃদয় বীণা সংগীতালয়&rsquo;-এর পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।<br />
বক্তারা বলেন, বহুজাতিক সমাজে বাংলা সংস্কৃতির সুস্থধারা বিকাশ ও নতুন প্রজন্মের কাছে তা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে সংগঠনটির এই উদ্যোগ প্রশংসনীয়। তারা আশা প্রকাশ করেন, সর্বস্তরের বাঙালিদের সহযোগিতায় সংগঠনটি দীর্ঘদিন কার্যক্রম চালিয়ে যাবে।<br />
অনুষ্ঠানে কাজী নজরুল ইসলামের একটি কবিতা আবৃত্তি করেন আজিজুল হক মুন্না। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলকে স্মরণ করে নৃত্য ও সংগীত পরিবেশন করা হয়।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/60-a.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[শেষ হলো সাড়ে ছয় শতকের ঐতিহ্য! খানজাহান আলী (রহ.) মাজার দিঘি থেকে সরানো হলো শেষ কুমির]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/bangladesh/28613</link>
    <pubDate>Thu, 04 Jun 2026 09:26:26 +0600</pubDate>
    <category> সারাবাংলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/bangladesh/28613</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1500-22.jpg" />    <p>এস. এম. সাইফুল ইসলাম কবির, বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি:<br />
বাগেরহাটের ঐতিহাসিক ও বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ হজরত খানজাহান আলী (রহ.) মাজার শরীফের দিঘি থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে দীর্ঘদিনের পরিচিত সেই কুমিরটিকে। শিশু ফাতেমা আক্তারের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনার পর দর্শনার্থীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে জেলা প্রশাসনের জরুরি সিদ্ধান্তের আলোকে বুধবার (৩ জুন) দুপুরে বন বিভাগের একটি বিশেষজ্ঞ দল কুমিরটিকে উদ্ধার করে খুলনা বিভাগীয় বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ কেন্দ্রে নিয়ে যায়।<br />
এই কুমির অপসারণের মধ্য দিয়ে অবসান ঘটলো প্রায় সাড়ে ৬০০ বছরের এক ঐতিহ্যের, যা যুগ যুগ ধরে বাগেরহাটের খানজাহান আলী (রহ.) মাজারের ইতিহাস, লোকবিশ্বাস ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়ে এসেছে।<br />
ফাতেমার মৃত্যুর পর প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপ<br />
গত রোববার (১ জুন) রাত সাড়ে ৮টার দিকে মাজার শরীফের দিঘির মহিলা ঘাটে গোসল করতে নেমে সাত বছর বয়সী শিশু ফাতেমা আক্তার কুমিরের আক্রমণের শিকার হয়। দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবন্ধী ভবঘুরে মায়ের সঙ্গে মাজার এলাকায় বসবাসকারী ফাতেমার মরদেহ পরদিন সকালে দিঘি থেকে উদ্ধার করা হয়।<br />
এর আগে গত ১০ এপ্রিল একই দিঘিতে কুমিরের আক্রমণে একটি কুকুর মারা যাওয়ার ঘটনাও আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। তবে শিশুর মৃত্যুর পর বিষয়টি দেশব্যাপী ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে এবং কুমিরটিকে সরিয়ে নেওয়ার দাবিতে জনমত জোরালো হয়ে ওঠে।<br />
মঙ্গলবার রাতে জেলা প্রশাসনের জরুরি বৈঠকে কুমিরটিকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় এবং পরদিনই তা বাস্তবায়ন করে বন বিভাগ।<br />
বিশেষজ্ঞ দলের অভিযানে ধরা পড়ে কুমির<br />
বুধবার সকাল থেকে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ বিভাগের বিশেষজ্ঞ দল দিঘিতে অভিযান শুরু করে। কয়েক ঘণ্টার চেষ্টার পর দুপুর ১২টার দিকে দিঘির পূর্ব পাড় থেকে কুমিরটিকে সফলভাবে আটক করা হয়।<br />
বাগেরহাট পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজাউল করিম চৌধুরী জানান, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ বিভাগের বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় কুমিরটিকে নিরাপদে আটক করা হয়েছে। বর্তমানে এটি খুলনা বিভাগীয় বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ কেন্দ্রে রাখা হয়েছে। সেখানে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও নিবিড় পর্যবেক্ষণের পর প্রয়োজন হলে সুন্দরবনের করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন ও পর্যটন কেন্দ্রে স্থানান্তর করা হবে।<br />
ইতিহাস, লোককথা ও বিশ্বাসের প্রতীক<br />
খানজাহান আলী (রহ.) মাজারের দিঘির কুমির শুধু একটি প্রাণী নয়, এটি শতাব্দীজুড়ে একটি ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক প্রতীকে পরিণত হয়েছিল।<br />
ঐতিহাসিকদের মতে, প্রায় সাড়ে ৬০০ বছর আগে হজরত খানজাহান আলী (রহ.) দিঘি খননের পর এর মিঠা পানির পরিবেশ রক্ষার জন্য সেখানে এক জোড়া মিঠাপানির কুমির অবমুক্ত করেছিলেন। স্থানীয়ভাবে তাদের নাম দেওয়া হয়েছিল &lsquo;কালা পাহাড়&rsquo; ও &lsquo;ধলা পাহাড়&rsquo;। পরবর্তী সময়ে তাদের বংশধরদেরও একই নামে ডাকা হতো।<br />
বছরের পর বছর ধরে এই কুমিরগুলোকে ঘিরে অসংখ্য লোককথা, ধর্মীয় বিশ্বাস ও কিংবদন্তির জন্ম হয়েছে। দেশ-বিদেশ থেকে আগত দর্শনার্থীরা মাজার জিয়ারতের পাশাপাশি কুমির দেখাকেও একটি বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে বিবেচনা করতেন।<br />
বিলুপ্তির পথে ঐতিহ্যের উত্তরাধিকার<br />
মূল বংশধারার সর্বশেষ কুমিরটির মৃত্যু হয় ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে। পরে ঐতিহ্য রক্ষার লক্ষ্যে ২০০৫ সালে ভারত থেকে কয়েকটি মিঠাপানির কুমির এনে দিঘিতে ছাড়া হয়েছিল। সময়ের ব্যবধানে সেগুলোর অধিকাংশই মারা যায়।<br />
সর্বশেষ দুটি কুমিরের একটি ২০২৩ সালের অক্টোবরে মারা যাওয়ার পর দিঘিতে মাত্র একটি কুমির অবশিষ্ট ছিল। সেই শেষ কুমিরটিকেও বুধবার সরিয়ে নেওয়া হওয়ায় আপাতত কুমিরশূন্য হয়ে পড়েছে খানজাহান আলী (রহ.) মাজারের ঐতিহাসিক দিঘি।<br />
আবার ফিরবে কি কুমির?<br />
বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মো. গোলাম মোহাম্মদ বাতেন জানিয়েছেন, এটি স্থায়ী অপসারণ নয়। মাজার দিঘির দুটি ঘাটে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা বেষ্টনী ও ফেন্সিং নির্মাণের কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর কুমিরটিকে পুনরায় মাজার দিঘিতে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা রয়েছে।<br />
তিনি বলেন, দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেই ঐতিহ্য সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে ইতিহাস ও জননিরাপত্তা&mdash;দুই বিষয়ই সমানভাবে রক্ষা করা সম্ভব হয়।<br />
ইতিহাসের এক সন্ধিক্ষণ<br />
খানজাহান আলী (রহ.) মাজার দিঘির কুমির শুধু একটি বন্যপ্রাণী ছিল না; এটি ছিল শতাব্দীপ্রাচীন ইতিহাস, লোকবিশ্বাস ও ঐতিহ্যের জীবন্ত প্রতীক। ফাতেমার করুণ মৃত্যুর পর জননিরাপত্তার স্বার্থে নেওয়া এই সিদ্ধান্ত যেমন সময়ের দাবি, তেমনি কুমিরটির বিদায় বাগেরহাটের সাংস্কৃতিক ইতিহাসে এক আবেগঘন অধ্যায়েরও সমাপ্তি।<br />
তবে প্রশাসনের আশ্বাস অনুযায়ী নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পন্ন হলে হয়তো আবারও ঐতিহ্যের সেই জীবন্ত প্রতীক ফিরে আসবে খানজাহান আলী (রহ.) মাজারের ঐতিহাসিক দিঘিতে।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1500-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বেনাপোলে এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর গাড়িবহরে হামলা, আহত ৪]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/bangladesh/28612</link>
    <pubDate>Thu, 04 Jun 2026 09:25:07 +0600</pubDate>
    <category> সারাবাংলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/bangladesh/28612</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1598-11.jpg" />    <p style="text-align:justify; margin-bottom:13px"><span style="font-size:11pt"><span style="line-height:115%"><span style="font-family:Calibri,&quot;sans-serif&quot;"><span lang="BN" style="font-size:14pt"><span style="line-height:115%"><span style="font-family:Vrinda">ইয়ানূর রহমান : যশোরের বেনাপোলে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর গাড়িবহরে হামলার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (৩ জুন) দুপুর আনুমানিক সোয়া ১টার দিকে বেনাপোলের চেকপোস্ট বাজার এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত চারজন আহত হয়েছে বলে এনসিপির দলীয় সূত্রে জানা গেছে।</span></span></span></span></span></span></p>

<p style="text-align:justify; margin-bottom:13px"><span style="font-size:11pt"><span style="line-height:115%"><span style="font-family:Calibri,&quot;sans-serif&quot;"><span lang="BN" style="font-size:14pt"><span style="line-height:115%"><span style="font-family:Vrinda">আহতদের মধ্যে রয়েছে- ছাত্রশক্তির নেতা খান মিফতাহুল মোস্তাফিজ অমিত</span></span></span>, <span lang="BN" style="font-size:14pt"><span style="line-height:115%"><span style="font-family:Vrinda">তাসকিন আহমেদ তাজিম এবং যুবশক্তির নেতা রুপম আহসান অর্নব প্রমুখ।</span></span></span></span></span></span></p>

<p style="text-align:justify; margin-bottom:13px"><span style="font-size:11pt"><span style="line-height:115%"><span style="font-family:Calibri,&quot;sans-serif&quot;"><span lang="BN" style="font-size:14pt"><span style="line-height:115%"><span style="font-family:Vrinda">এনসিপির দাবি</span></span></span>, <span lang="BN" style="font-size:14pt"><span style="line-height:115%"><span style="font-family:Vrinda">হামলার সময় গাড়িবহরে থাকা দলের মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী</span></span></span>, <span lang="BN" style="font-size:14pt"><span style="line-height:115%"><span style="font-family:Vrinda">যুগ্ম সদস্য সচিব ফরিদুল হকসহ কেন্দ্রীয় নেতারা নিরাপদে রয়েছে এবং তাদের কোনো শারীরিক ক্ষতি হয়নি।</span></span></span></span></span></span></p>

<p style="text-align:justify; margin-bottom:13px"><span style="font-size:11pt"><span style="line-height:115%"><span style="font-family:Calibri,&quot;sans-serif&quot;"><span lang="BN" style="font-size:14pt"><span style="line-height:115%"><span style="font-family:Vrinda">এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য খালিদ সাইফুল্লাহ জানান</span></span></span>, <span lang="BN" style="font-size:14pt"><span style="line-height:115%"><span style="font-family:Vrinda">বেনাপোলের সাদিপুর সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের কথিত পুশইন প্রচেষ্টার প্রতিবাদে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যায়। প্রতিনিধি দলে কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।</span></span></span></span></span></span></p>

<p style="text-align:justify; margin-bottom:13px"><span style="font-size:11pt"><span style="line-height:115%"><span style="font-family:Calibri,&quot;sans-serif&quot;"><span lang="BN" style="font-size:14pt"><span style="line-height:115%"><span style="font-family:Vrinda">তিনি বলেন</span></span></span>, &ldquo;<span lang="BN" style="font-size:14pt"><span style="line-height:115%"><span style="font-family:Vrinda">সাদিপুর সীমান্ত এলাকা পরিদর্শন শেষে গাড়িতে ওঠার সময় কিছু যুবক ডিম নিক্ষেপ করে। পরে প্রতিনিধি দলের দুটি গাড়ি বেনাপোল বাজারে পৌঁছালে হামলার শিকার হয়। এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।</span></span></span>&rdquo;</span></span></span></p>

<p style="text-align:justify; margin-bottom:13px"><span style="font-size:11pt"><span style="line-height:115%"><span style="font-family:Calibri,&quot;sans-serif&quot;"><span lang="BN" style="font-size:14pt"><span style="line-height:115%"><span style="font-family:Vrinda">তবে হামলার সঙ্গে কারা জড়িত ছিল বা কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে</span></span></span>, <span lang="BN" style="font-size:14pt"><span style="line-height:115%"><span style="font-family:Vrinda">সে বিষয়ে তা</span></span></span><span lang="BN" style="font-size:14pt"><span style="line-height:115%"><span style="font-family:&quot;Nirmala UI&quot;,&quot;sans-serif&quot;">ৎ</span></span></span><span lang="BN" style="font-size:14pt"><span style="line-height:115%"><span style="font-family:Vrinda">ক্ষণিকভাবে</span></span></span> <span lang="BN" style="font-size:14pt"><span style="line-height:115%"><span style="font-family:Vrinda">নিশ্চিত</span></span></span> <span lang="BN" style="font-size:14pt"><span style="line-height:115%"><span style="font-family:Vrinda">কোনো</span></span></span> <span lang="BN" style="font-size:14pt"><span style="line-height:115%"><span style="font-family:Vrinda">তথ্য</span></span></span> <span lang="BN" style="font-size:14pt"><span style="line-height:115%"><span style="font-family:Vrinda">পাওয়া</span></span></span> <span lang="BN" style="font-size:14pt"><span style="line-height:115%"><span style="font-family:Vrinda">যায়নি।</span></span></span> <span lang="BN" style="font-size:14pt"><span style="line-height:115%"><span style="font-family:Vrinda">আইনশৃঙ্খলা</span></span></span> <span lang="BN" style="font-size:14pt"><span style="line-height:115%"><span style="font-family:Vrinda">রক্ষাকারী</span></span></span> <span lang="BN" style="font-size:14pt"><span style="line-height:115%"><span style="font-family:Vrinda">বাহিনীর</span></span></span> <span lang="BN" style="font-size:14pt"><span style="line-height:115%"><span style="font-family:Vrinda">পক্ষ</span></span></span> <span lang="BN" style="font-size:14pt"><span style="line-height:115%"><span style="font-family:Vrinda">থেকেও</span></span></span> <span lang="BN" style="font-size:14pt"><span style="line-height:115%"><span style="font-family:Vrinda">এ</span></span></span> <span lang="BN" style="font-size:14pt"><span style="line-height:115%"><span style="font-family:Vrinda">বিষয়ে</span></span></span> <span lang="BN" style="font-size:14pt"><span style="line-height:115%"><span style="font-family:Vrinda">আনুষ্ঠানিক</span></span></span> <span lang="BN" style="font-size:14pt"><span style="line-height:115%"><span style="font-family:Vrinda">কোনো</span></span></span> <span lang="BN" style="font-size:14pt"><span style="line-height:115%"><span style="font-family:Vrinda">বক্তব্য</span></span></span> <span lang="BN" style="font-size:14pt"><span style="line-height:115%"><span style="font-family:Vrinda">পাওয়া</span></span></span> <span lang="BN" style="font-size:14pt"><span style="line-height:115%"><span style="font-family:Vrinda">যায়ন</span></span></span><span lang="BN" style="font-size:14pt"><span style="line-height:115%"><span style="font-family:Vrinda">ি।</span></span></span></span></span></span></p>

<p style="text-align:justify; margin-bottom:13px"><span style="font-size:11pt"><span style="line-height:115%"><span style="font-family:Calibri,&quot;sans-serif&quot;"><span lang="BN" style="font-size:14pt"><span style="line-height:115%"><span style="font-family:Vrinda">প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়</span></span></span>, <span lang="BN" style="font-size:14pt"><span style="line-height:115%"><span style="font-family:Vrinda">গত তিন দিন ধরে বেনাপোল সীমান্তের সাদিপুর-রঘুনাথপুর এলাকার মাঠসংলগ্ন সীমান্তে ১০ থেকে ১২ জন নারী</span></span></span>, <span lang="BN" style="font-size:14pt"><span style="line-height:115%"><span style="font-family:Vrinda">শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তিকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়। সেই পরিস্থিতি সরেজমিনে দেখতে এনসিপির প্রতিনিধি দল সীমান্ত এলাকায় যায়।</span></span></span></span></span></span></p>

<p style="text-align:justify; margin-bottom:13px"><span style="font-size:11pt"><span style="line-height:115%"><span style="font-family:Calibri,&quot;sans-serif&quot;"><span lang="BN" style="font-size:14pt"><span style="line-height:115%"><span style="font-family:Vrinda">সীমান্ত পরিদর্শন শেষে ফেরার পথে সাদিপুর চেকপোস্ট সংযোগ সড়কের মোড়ে আগে থেকে অবস্থান নেওয়া একদল ব্যক্তি তাদের গাড়িবহরে হামলা চালায়।</span></span></span></span></span></span></p>

<p style="text-align:justify; margin-bottom:13px"><span style="font-size:11pt"><span style="line-height:115%"><span style="font-family:Calibri,&quot;sans-serif&quot;"><span lang="BN" style="font-size:14pt"><span style="line-height:115%"><span style="font-family:Vrinda">ঘটনার পর এলাকায় কিছু সময় উত্তেজনা বিরাজ করলেও পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসে। গাড়িবহরটি যশোরের উদ্দেশে বেনাপোল ত্যাগ করে।</span></span></span></span></span></span></p>

<p style="text-align:justify; margin-bottom:13px"><span style="font-size:11pt"><span style="line-height:115%"><span style="font-family:Calibri,&quot;sans-serif&quot;"><span lang="BN" style="font-size:14pt"><span style="line-height:115%"><span style="font-family:Vrinda">এ বিষয়ে এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন</span></span></span>, &ldquo;<span lang="BN" style="font-size:14pt"><span style="line-height:115%"><span style="font-family:Vrinda">আমরা সীমান্ত পরিদর্শন শেষে ফেরার পথে হামলার শিকার হয়েছি। তবে আল্লাহর রহমতে আমরা সবাই নিরাপদ আছি।</span></span></span>&rdquo;#</span></span></span></p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1598-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[গ্রীষ্মকালের ফিনল্যান্ডে সেরা গন্তব্য: স্যোমেনলিন্না দুর্গ দ্বীপ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/28611</link>
    <pubDate>Thu, 04 Jun 2026 09:23:48 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/28611</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/666-2.jpg" />    <p><strong>জামান সরকার, হেলসিংকি থেকে</strong></p>

<p>দীর্ঘ ও তুষারাচ্ছন্ন শীতের পর যখন ফিনল্যান্ডে গ্রীষ্মের আগমন ঘটে, তখন পুরো দেশ যেন নতুন প্রাণ ফিরে পায়। রাতের অন্ধকার সরে গিয়ে দিনের আলো দীর্ঘ হয়, প্রকৃতি সেজে ওঠে সবুজে, আর মানুষ ছুটে যায় দেশের বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানে। এমন সময় রাজধানী হেলসিংকির উপকূলে অবস্থিত স্যোমেনলিন্না (Suomenlinna) দুর্গ দ্বীপ হয়ে ওঠে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ।</p>

<p>ইতিহাস, প্রকৃতি, স্থাপত্য ও সমুদ্রের এক অনন্য সমন্বয় এই স্যোমেনলিন্না। এটি শুধু একটি পর্যটন কেন্দ্র নয়, বরং ফিনল্যান্ডের ইতিহাস ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের এক জীবন্ত সাক্ষী।</p>

<p><img alt="" src="https://www.gbnews24.com/upload/images/851-1.JPG" /></p>

<p><strong>তিন শতাব্দীর ইতিহাসের ধারক</strong></p>

<p>স্যোমেনলিন্না দুর্গের নির্মাণকাজ শুরু হয় ১৭৪৮ সালে, যখন ফিনল্যান্ড ছিল সুইডেনের অংশ। রাশিয়ার ক্রমবর্ধমান সামরিক শক্তির মোকাবিলায় বাল্টিক সাগর উপকূল রক্ষার উদ্দেশ্যে এই বিশাল সমুদ্র দুর্গ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। সে সময় দুর্গটির নাম ছিল &ldquo;Sveaborg&rdquo;।</p>

<p>সুইডিশ সামরিক প্রকৌশলী অগাস্টিন এরেন্সভার্ডের পরিকল্পনায় গড়ে ওঠা এই দুর্গে নির্মিত হয় শক্তিশালী প্রাচীর, কামান ঘাঁটি, সামরিক ব্যারাক, গুদামঘর এবং গোপন টানেল। ১৮০৮ সালে ফিনল্যান্ড রাশিয়ার অধীনে গেলে দুর্গটিও রুশ সাম্রাজ্যের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়।</p>

<p>পরবর্তী সময়ে এটি বিভিন্ন সামরিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পর্যন্ত এর কৌশলগত গুরুত্ব ছিল অপরিসীম। ১৯৭৩ সালে দুর্গটি সামরিক নিয়ন্ত্রণ থেকে সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত করা হয় এবং ১৯৯১ সালে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।</p>

<p><strong>ছয় দ্বীপের অপূর্ব সমাহার</strong></p>

<p>স্যোমেনলিন্না মূলত ছয়টি দ্বীপ নিয়ে গঠিত একটি বিস্তীর্ণ দুর্গ এলাকা। প্রায় ৮০০ বাসিন্দা এখনও এখানে বসবাস করেন। দ্বীপজুড়ে রয়েছে শত শত ঐতিহাসিক স্থাপনা, প্রাচীন কামান, সুড়ঙ্গপথ, পাথরের দেয়াল এবং সমুদ্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।</p>

<p>এখানে হাঁটতে হাঁটতে মনে হবে যেন ইতিহাসের কোনো অধ্যায়ে প্রবেশ করেছেন। একদিকে শতাব্দীপ্রাচীন স্থাপত্য, অন্যদিকে নীল সমুদ্র ও সবুজ প্রকৃতির মনোমুগ্ধকর দৃশ্য পর্যটকদের মুগ্ধ করে।</p>

<p><strong>প্রতি বছর লাখো পর্যটকের পদচারণা</strong></p>

<p>স্যোমেনলিন্না ফিনল্যান্ডের সবচেয়ে জনপ্রিয় পর্যটন গন্তব্যগুলোর অন্যতম। প্রতি বছর প্রায় ১০ লাখেরও বেশি দর্শনার্থী এখানে আসেন। গ্রীষ্মকালে এই সংখ্যা সবচেয়ে বেশি হয়।</p>

<p>ফিনল্যান্ডের বিভিন্ন শহর ছাড়াও জার্মানি, সুইডেন, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও চীন থেকে হাজার হাজার পর্যটক এই দ্বীপে ভ্রমণ করেন। কেউ ইতিহাস জানতে, কেউ প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করতে, আবার কেউ ছবি তুলতে আসেন।</p>

<p><img alt="" src="https://www.gbnews24.com/upload/images/697-2.JPG" /></p>

<p><strong>দেখার মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থান</strong></p>

<p>স্যোমেনলিন্না মিউজিয়াম:<br />
এখানে দুর্গের প্রায় ২৫০ বছরের ইতিহাস সংরক্ষিত রয়েছে। মাল্টিমিডিয়া প্রদর্শনীর মাধ্যমে দর্শনার্থীরা দুর্গের ইতিহাস জানতে পারেন।</p>

<p>কিংস গেট:<br />
দ্বীপের অন্যতম বিখ্যাত নিদর্শন। সুইডেনের রাজা অ্যাডলফ ফ্রেডরিকের আগমনের স্মরণে এটি নির্মিত হয়েছিল। বর্তমানে এটি পর্যটকদের ছবি তোলার সবচেয়ে জনপ্রিয় স্থান।</p>

<p>সাবমেরিন ভেসিক্কো:<br />
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্যবহৃত ফিনল্যান্ডের ঐতিহাসিক সাবমেরিন। বর্তমানে এটি একটি জাদুঘরে রূপান্তরিত হয়েছে।</p>

<p>বাষ্টিয়ন জ্যান্ডার:<br />
খোলা আকাশের নিচে নির্মিত একটি ঐতিহাসিক মঞ্চ, যেখানে গ্রীষ্মকালে নাটক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।</p>

<p>গোপন টানেল ও কামানঘাঁটি:<br />
দুর্গের বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে থাকা এসব স্থাপনা যুদ্ধকালীন কৌশল ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সাক্ষ্য বহন করে।</p>

<p><strong>গ্রীষ্মকালীন উৎসবের প্রাণকেন্দ্র</strong></p>

<p>গ্রীষ্মকালে স্যোমেনলিন্না প্রাণ ফিরে পায় নানা সাংস্কৃতিক আয়োজনে। এখানে অনুষ্ঠিত হয়:</p>

<p>&bull; উন্মুক্ত নাট্য মঞ্চ<br />
&bull; লাইভ কনসার্ট ও জ্যাজ অনুষ্ঠান<br />
&bull; শিল্প ও ফটোগ্রাফি প্রদর্শনী<br />
&bull; শিশুদের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান<br />
&bull; স্থানীয় হস্তশিল্প মেলা</p>

<p>দ্বীপের ক্যাফে ও রেস্টুরেন্টগুলোতে পাওয়া যায় ফিনিশ ঐতিহ্যবাহী Korvapuusti, তাজা কফি, সামুদ্রিক খাবার এবং স্থানীয় বিভিন্ন বিশেষ খাদ্য।</p>

<p><strong>যেভাবে যাবেন</strong></p>

<p>হেলসিংকির কেন্দ্রস্থল Kauppatori (Market Square) থেকে নিয়মিত ফেরি সেবা পরিচালিত হয়। যাত্রা সময় মাত্র ১৫ থেকে ২০ মিনিট। একই HSL পরিবহন টিকিট ব্যবহার করেই ফেরিতে ভ্রমণ করা যায়।</p>

<p><strong>ভ্রমণকারীদের জন্য পরামর্শ</strong></p>

<p>&bull; আরামদায়ক জুতা পরুন<br />
&bull; একটি পুরো দিন হাতে রাখুন<br />
&bull; আবহাওয়া অনুযায়ী পোশাক সঙ্গে রাখুন<br />
&bull; ক্যামেরা নিতে ভুলবেন না<br />
&bull; গাইডেড ট্যুরে অংশ নিলে অভিজ্ঞতা আরও সমৃদ্ধ হবে</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>স্যোমেনলিন্না শুধু একটি দুর্গ নয়, এটি ফিনল্যান্ডের ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং জাতীয় পরিচয়ের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এখানে সমুদ্রের গর্জন, শতাব্দীপ্রাচীন প্রাচীর এবং প্রকৃতির শান্ত সৌন্দর্য একসঙ্গে মিলে তৈরি করেছে এক অনন্য পরিবেশ।</p>

<p>ফিনল্যান্ডে গ্রীষ্মকালীন ভ্রমণের পরিকল্পনা থাকলে স্যোমেনলিন্না অবশ্যই আপনার তালিকার শীর্ষে থাকা উচিত। কারণ এখানে গেলে আপনি শুধু একটি স্থান দেখবেন না, বরং তিনশ বছরের ইতিহাসকে স্পর্শ করবেন, সমুদ্রের হাওয়ায় হারিয়ে যাবেন এবং ফিনল্যান্ডকে নতুনভাবে আবিষ্কার করবেন।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/666-2.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক বিজয়]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/diplomatic/28610</link>
    <pubDate>Wed, 03 Jun 2026 19:37:18 +0600</pubDate>
    <category> কূটনৈতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/diplomatic/28610</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1-06032026_news0101_unbd_khalil.jpeg" />    <p>জাতিসংঘ, নিউইয়র্ক: জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে বাংলাদেশের প্রার্থী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান নির্বাচিত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে জাতিসংঘের ১৯৩টি সদস্য রাষ্ট্রের প্রত্যক্ষ ভোটে ড. খলিলুর রহমান ৯৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী সাইপ্রাসের প্রার্থী পেয়েছে ৯১ ভোট। এই বিজয় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতি জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রসমূহের আস্থা, গ্রহণযোগ্যতা এবং ক্রমবর্ধমান কূটনৈতিক প্রভাবের সুস্পষ্ট প্রতিফলন ঘটেছে।</p>

<p>এই সাফল্য বাংলাদেশের জন্য শুধু একটি মর্যাদাপূর্ণ আন্তর্জাতিক পদে নির্বাচিত হওয়ার ঘটনা নয়; বরং এটি বহুপাক্ষিক কূটনীতি, শান্তি, উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে দেশের সক্রিয় ও দায়িত্বশীল ভূমিকার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। এই &nbsp;গৌরবোজ্জ্বল মাইলফলক অর্জনের পিছনে &nbsp;প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্ব ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত গ্রহণ, সীমিত সময়ে বাংলাদেশের সমন্বিত কূটনৈতিক প্রচেষ্টা এবং প্রার্থী ড. খলিলুর রহমানের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও যোগ্যতা- এই তিনটি বিষয় মূল ভূমিকা পালন করেছে।</p>

<p>বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের সময় নির্বাচনের জন্য মাত্র তিন মাসের মতো সময় অবশিষ্ট ছিল। সেই সীমিত সময়ের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান &nbsp;বাংলাদেশের প্রার্থিতা নিয়ে দৃঢ় অবস্থান গ্রহণ করেন এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দিয়ে বিজয়ের ব্যাপারে প্রায় নিশ্চিত আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১৯৭৮ সালে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্যপদে বাংলাদেশের নির্বাচনের বিষয়টি স্মরণ করেন। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সাহসী ও দূরদর্শী নেতৃত্বে সীমিত সময়ে পরিচালিত কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে বাংলাদেশ তৎকালীন শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী জাপানকে পরাজিত করে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য নির্বাচিত হয়েছিল। এই নির্বাচনেও বাংলাদেশ সাফল্য অর্জন করতে পারবে বলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান &nbsp;তখনই দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেছিলেন।&nbsp;</p>

<p>এবারের নির্বাচনে বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল সময়ের সীমাবদ্ধতা। মাত্র তিন মাস সময় হাতে পেয়ে বাংলাদেশকে এমন এক বৈশ্বিক কূটনৈতিক প্রচারণা পরিচালনা করতে হয়েছে, যা সাধারণত কয়েক বছরব্যাপী প্রস্তুতি ও ধারাবাহিক যোগাযোগের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়ে থাকে। বাংলাদেশ কার্যত মাত্র তিন মাসের প্রচারণার মধ্যেই পাঁচ বছরের সমপরিমাণ কূটনৈতিক তৎপরতা সম্পন্ন করেছে। বাংলাদেশ ২০২০ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে ইউএনজিএ সভাপতি পদে নির্বাচনে প্রার্থিতা ঘোষণা করলেও ২০২৬ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে দেশের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হয়। এরপর থেকেই পূর্ণমাত্রার কূটনৈতিক প্রচারণা শুরু হয়। দীর্ঘমেয়াদি প্রস্তুতির সুযোগ না থাকায় এই স্বল্প সময়ের মধ্যেই বাংলাদেশ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক, দ্বিপাক্ষিক যোগাযোগ এবং বহুপাক্ষিক কূটনৈতিক ফোরামে অত্যন্ত সক্রিয় ও কৌশলগত প্রচারণা চালিয়ে আন্তর্জাতিক সমর্থন অর্জনে সফল হয়েছে।</p>

<p>অপরদিকে বাংলাদেশের প্রতিদ্বন্দ্বী সাইপ্রাস ২০১৬ সালেই তাদের প্রার্থিতা ঘোষণা করে এবং গত এক দশক ধরে ধারাবাহিক প্রচারণা চালিয়েছে। বিশেষ করে গত এক বছরে দেশটি অত্যন্ত বিস্তৃত ও সুসংগঠিত কূটনৈতিক প্রচারণা পরিচালনা করেছে। জাতিসংঘের ১৯৩টি সদস্য রাষ্ট্রের সমর্থন অর্জনের লক্ষ্য নিয়ে এত অল্প সময়ে সমন্বিত কূটনৈতিক প্রচারণা পরিচালনা নিঃসন্দেহে খুবই কঠিন ও কৌশলগতভাবে চ্যালেঞ্জিং ছিল। এই প্রচারণায় নেতৃত্ব দিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির। পাশাপাশি নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত বাংলাদেশের কূটনৈতিক মিশনসমূহ সমর্থন আদায়ে সমন্বিত ও সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছে।</p>

<p><img alt="" src="https://khabor.com/upload/images/news/06032026_news0102_unbd_khalil.jpeg" style="width: 899px; height: 628px;" /></p>

<p>বাংলাদেশের প্রার্থীর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ও যোগ্যতা এ বিজয়ে বিরাট ভূমিকা রেখেছে। একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক ছিল জাতিসংঘের সদরদপ্তরে গত ১৩ মে অনুষ্ঠিত ড. খলিলুর রহমানের ইন্টারঅ্যাকটিভ ডায়ালগ। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের বর্তমান সভাপতি আনালেনা বায়েরবকের সভাপতিত্বে প্রায় আড়াই ঘণ্টাব্যাপী ওই সংলাপে বাংলাদেশের প্রার্থী ড. খলিলুর রহমান তাঁর ভিশন স্টেটমেন্ট উপস্থাপন করেন এবং নির্বাচিত হলে সাধারণ পরিষদ পরিচালনায় তাঁর অগ্রাধিকার ও কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন। কূটনৈতিক মহলে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই সংলাপ ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছে। এই সংলাপের পর কার্যত বাংলাদেশের পক্ষে প্রায় ৩০ টি দেশ তাদের সমর্থন ব্যক্ত করে এবং স্পষ্টত বাংলাদেশ বিজয়ের পথে সুনিশ্চিতভাবে এগিয়ে যায়।</p>

<p>বাংলাদেশের প্রচারণায় বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে কার্যকর বহুপাক্ষিকতা, জাতিসংঘের প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার, উন্নয়নশীল দেশসমূহের স্বার্থ সংরক্ষণ, জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ রাষ্ট্রগুলোর পক্ষে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট বাস্তবায়ন, শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অবদান এবং বৈশ্বিক দক্ষিণের কণ্ঠস্বরকে আরও শক্তিশালী করার বিষয়গুলো। বাংলাদেশের প্রচারণা ছিল বিষয়ভিত্তিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক। বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে, যেখানে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং বহুপাক্ষিক ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন ক্রমশ বাড়ছে, সেখানে বাংলাদেশ সংলাপ, সহযোগিতা এবং ঐকমত্যভিত্তিক কূটনীতির ওপর জোর দিয়েছে।<br />
বাংলাদেশ সরকার এই ঐতিহাসিক বিজয় অর্জনের জন্য জাতিসংঘের সদস্য দেশসমূহের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে এবং জাতিসংঘের মূলনীতি ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে তার দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করছে।<br />
&nbsp;</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1-06032026_news0101_unbd_khalil.jpeg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[Bangladesh Secures Historic Victory in UNGA Presidency]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/english/28609</link>
    <pubDate>Wed, 03 Jun 2026 19:35:22 +0600</pubDate>
    <category> English </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/english/28609</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/06032026_news0101_unbd_khalil.jpeg" />    <p>UN, New York: Bangladesh&rsquo;s candidate and Foreign Minister, Dr. Khalilur Rahman, has been elected President of the 81st &nbsp;Session of the United Nations General Assembly (UNGA). In the election held today at the United Nations Headquarters, Dr. Khalilur Rahman secured 99 votes from the 193 Member States of the United Nations, defeating the candidate of Cyprus, who received 91 votes. This landmark victory is a strong testament to the confidence and trust that the international community places in Bangladesh, as well as to the country&rsquo;s growing diplomatic stature and constructive engagement within the multilateral system.</p>

<p>This achievement is not only the election of a Bangladeshi candidate to one of the most distinguished positions within the United Nations; it also constitutes a significant international recognition of Bangladesh&rsquo;s longstanding commitment to multilateral diplomacy, international peace and security, sustainable development, and global cooperation.&nbsp; The successful outcome reflects the convergence of three key factors: the visionary leadership and timely guidance of Prime Minister Tarique Rahman, the coordinated and intensive diplomatic efforts undertaken by Bangladesh within a limited timeframe, and the extensive experience, professional excellence, and international standing of Dr. Khalilur Rahman.</p>

<p>At the time the BNP-led Government assumed office, less than three months remained before the election. Despite the limited preparation period, Prime Minister Tarique Rahman took a firm and decisive position in support of Bangladesh&rsquo;s candidacy. By nominating Foreign Minister Dr. Khalilur Rahman, he expressed strong confidence that Bangladesh would emerge victorious through focused diplomatic engagement and strategic outreach to Member States.</p>

<p><img alt="" src="https://khabor.com/upload/images/news/06032026_news0102_unbd_khalil.jpeg" style="width: 899px; height: 628px;" /></p>

<p>In this context, Prime Minister Tarique Rahman recalled Bangladesh&rsquo;s successful election to a non-permanent seat on the United Nations Security Council in 1978. At that time, under the courageous and visionary leadership of the late President Ziaur Rahman, Bangladesh mounted an effective diplomatic campaign within a short period and prevailed over the then formidable candidate, Japan, to secure its election to the Security Council. Drawing inspiration from that historic achievement, he had expressed firm confidence from the outset that Bangladesh would similarly succeed in the election for the Presidency of the 81st Session of the General Assembly.</p>

<p>One of the biggest challenges for Bangladesh has been the severe limitation of time. Although Bangladesh formally announced its candidature in 2020, the Government nominated Foreign Minister Dr. Khalilur Rahman as its candidate on 27 February 2026, following which the country launched its full-scale international campaign. Through high-level bilateral meetings, sustained diplomatic outreach, and multilateral engagement with all 193 UN member states, Bangladesh has actively sought to build broad international support within very short time. Bangladesh, in practical terms, has successful conducted &nbsp;five years&rsquo; worth of diplomatic campaigning in just three months.</p>

<p>In contrast, Cyprus announced its candidature as early as 2016 and has maintained a continuous campaign for nearly a decade, particularly intensifying its outreach efforts over the past year. Bangladesh&rsquo;s campaign has been spearheaded by Foreign Minister Dr. Khalilur Rahman, State Minister for Foreign Affairs Shama Obaed Islam, and the Prime Minister&rsquo;s Adviser on Foreign Affairs Humaiun Kobir, supported by Bangladesh&rsquo;s missions and embassies worldwide.</p>

<p>The distinguished professional experience, diplomatic acumen, and proven leadership credentials of Bangladesh&rsquo;s candidate contributed significantly to this landmark achievement. A major milestone in the campaign came on 13 May 2026, when Bangladesh&rsquo;s candidate Dr. Khalilur Rahman participated in the Interactive Dialogue organized by the current President of the General Assembly, Annalena Baerbock. During the two-and-a-half-hour session, Dr. Rahman presented his vision statement and outlined his priorities and work plan for leading the General Assembly. The dialogue was widely praised within diplomatic circles.</p>

<p>Following these extensive engagements and consultations, nearly 30 Member States formally conveyed their support for Bangladesh&rsquo;s candidacy, reinforcing growing confidence in the country&rsquo;s vision and leadership.This broad-based endorsement placed Bangladesh on a clear and credible path towards electoral success. Bangladesh&#39;s campaign has placed particular emphasis on strengthening effective multilateralism, safeguarding the interests of developing countries, enhancing international cooperation for climate-vulnerable states, advancing the implementation of the Sustainable Development Goals, supporting UN peacekeeping efforts, and amplifying the voice of the Global South. The campaign has been widely viewed as issue-based, inclusive, and grounded in principles.&nbsp;</p>

<p>The Government of the People&rsquo;s Republic of Bangladesh expresses its profound appreciation to the Member States of the United Nations for the trust and confidence reposed in Bangladesh through this historic election. The Government further reaffirms its unwavering commitment to the purposes and principles of the United Nations Charter and to working constructively with all Member States in advancing multilateralism, international peace and security, sustainable development, and effective global cooperation.<br />
&nbsp;</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/06032026_news0101_unbd_khalil.jpeg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[মালয়েশিয়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, আসতে পারে শ্রমবাজার চালুর ঘোষণা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/diplomatic/28608</link>
    <pubDate>Wed, 03 Jun 2026 09:43:16 +0600</pubDate>
    <category> কূটনৈতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/diplomatic/28608</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1499-22.jpg" />    <p>মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে দেশটি সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সরকারপ্রধানের সফরে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য মালয়েশীয় শ্রমবাজার আবার চালুর ঘোষণা আসতে পারে।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে বিএনপি সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক প্রথম বিদেশ সফরে কোন দেশে যাবেন, তা নিয়ে গত তিন মাস নানা আলোচনা চলছিল। ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট এবং এই অঞ্চলের প্রধান শক্তিগুলোর সঙ্গে একটি সতর্ক কূটনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখার কৌশল হিসেবে সরকারপ্রধান দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ মালয়েশিয়ায় প্রথম সফর বেছে নিলেন। এরপর তিনি যাবেন চীনে।</p>

<p>পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তারেক রহমানের মালয়েশিয়া যাওয়ার সূচি ঠিক হয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে ২১ থেকে ২২ জুন প্রধানমন্ত্রী কুয়ালালামপুর সফর করবেন। এরপর ২৩ থেকে ২৬ জুন সরকারপ্রধানের চীন সফরের দিনক্ষণ ঠিক করা আছে। প্রধানমন্ত্রী কুয়ালালামপুর থেকে সরাসরি বেইজিং যাবেন, নাকি ঢাকায় ফিরে বেইজিং যাবেন, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি।</p>

<p>সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফরে অভিবাসন সংক্রান্ত বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে আলোচনা হবে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য প্রায় দুই বছর বন্ধ থাকা শ্রমবাজারের জট খুলতে পারে। ফের বাংলাদেশিদের জন্য মালয়েশীয় শ্রমবাজার চালুর ঘোষণা আসতে পারে।</p>

<p>প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, বড় কোনো উপলক্ষ্য ধরে সাধারণত সরকার বা রাষ্ট্রপ্রধানদের সফরের সিদ্ধান্ত হয়। এক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়ার সফরের বড় একটি উপলক্ষ্য হতে পারে শ্রমবাজার চালুর বিষয়টি।</p>

<p>প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফরে যাবেন এটা জানি। শ্রমবাজার চালুর বিষয়ে এখনো কোনো খবর জানা নেই। তবে প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষ্যে এটি হতেও পারে।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>শিগগিরই মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খোলার একটি ইঙ্গিত দিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। মঙ্গলবার প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে মন্ত্রী বলেন, শ্রমবাজারটা খুলে যাবে। ১০-১৫ দিন বা এক মাসের মধ্যে বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যাবে।</p>

<p>প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য মালয়েশিয়া সফর প্রসঙ্গে প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী বলেন, এ নিয়ে আলোচনা চলছে। মালয়েশিয়ার সঙ্গে নতুন কোনো সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) বা চুক্তি স্বাক্ষরের বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত তথ্য তার কাছে নেই। তবে চলমান প্রক্রিয়া দ্রুতই পরিষ্কার হবে এবং সংশ্লিষ্ট কাজ এগিয়ে যাচ্ছে।</p>

<p>২০২৪ সাল থেকে মালয়েশিয়ায় জনশক্তির বাজার বন্ধ বাংলাদেশের। ওই বছর মালয়েশিয়ার সরকার ঘোষণা করেছিল, আগে থেকে অনুমোদন পাওয়া বাংলাদেশের কর্মীদের ৩১ মে-এর মধ্যে দেশটিতে যেতে হবে। এরপর কর্মী ভিসায় আর কেউ সেখানে ঢুকতে পারবেন না। ওই তারিখের পর থেকে আর কোনো কর্মী যেতে পারেননি দেশটিতে। এরপর বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে দফায়-দফায় চেষ্টা করেও এই শ্রমবাজার উন্মুক্ত করতে পারেনি।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>বিএনপি সরকার গঠনের পর গুরুত্বপূর্ণ এই জনশক্তি বাজার আবার উন্মুক্ত করার উদ্যোগ নেয়। বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে গত এপ্রিলে মালয়েশিয়া সফর করেন প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন। এরপর থেকে বিভিন্ন সময়ে প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী ও উপদেষ্টা দ্রুতই বাংলাদেশিদের জন্য শ্রমবাজারটি খোলার কথা বলে আসছেন।</p>

<p>বাংলাদেশের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার প্রথমবার বন্ধ হয় ২০০৮ সালে। এরপর ২০১৬ সালে শ্রমবাজারটি আবার খোলা হলেও দুর্নীতির অভিযোগের মুখে ২০১৮ সালে ফের বন্ধ করে দেওয়া হয়। তারপর ২০২২ সালে বাজারটি আবার খুললেও ২০২৪ সালে আবারও বন্ধ হয়ে যায়।</p>

<p>২০১৮ এবং ২০২২ সালে সই করা সমঝোতায় স্মারকে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর কাজে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। ২০২৪ সালের ৩১ মে বন্ধ হওয়া দেশটির শ্রমবাজার এখনও বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য খোলেনি।</p>

<p>দুই বছর বন্ধ থাকার পর আবার শ্রমবাজার খোলার বিষয়টি আশার আলো দেখালেও রিক্রুটিং এজেন্সি ও অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিদ্যমান সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়া চললে আবারও পুরোনো সিন্ডিকেট সক্রিয় হতে পারে। কারণ, ওই চুক্তিতে যোগ্য এজেন্সি বেছে নেওয়ার ক্ষমতা মালয়েশিয়াকে দেওয়া হয়েছিল। এটি হলে অতীতের সেই বিতর্কিত সিন্ডিকেট ব্যবস্থারই পুনরাবৃত্তি হবে।</p>

<p>বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সির (বায়রা) সাবেক যুগ্ম মহাসচিব মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম বলেন, আবারও সিন্ডিকেটের কবলেই পড়তে যাচ্ছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার। বিদ্যমান সমঝোতা স্মারক সংশোধন না করলে সিন্ডিকেট সুযোগ নেবেই।</p>

<p>মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে সিন্ডিকেট নিয়ে বরাবরই সরব অবস্থানের বার্তা দিয়ে যাচ্ছেন প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। রীতিমতো তিনি সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে জিহাদের ঘোষণা দিয়েছেন। মন্ত্রী বলেছেন, মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় চালুর ক্ষেত্রে কোনো ধরনের সিন্ডিকেটের সুযোগ দেওয়া হবে না। আমি যদি মন্ত্রী থাকি, এখানে কোনো সিন্ডিকেট হবে না। জিরো টলারেন্স।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>২০২৫ সালের ২৮ অক্টোবর মালয়েশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বাংলাদেশকে একটি চিঠি দেয়। তাতে ১০টি বাধ্যতামূলক শর্তের ভিত্তিতে কর্মী পাঠাতে সক্ষম রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর তালিকা চাওয়া হয়। পরে মালয়েশিয়াকে অন্তত তিনটি শর্ত শিথিল করার অনুরোধ জানায় বাংলাদেশ।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>এই শর্তগুলো হলো&mdash;গত পাঁচ বছরে অন্তত ৩ হাজার প্রবাসী কর্মী পাঠানোর অভিজ্ঞতা, নিজস্ব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থাকা ও গত তিন বছর ধরে অন্তত ১০ হাজার বর্গফুটের একটি স্থায়ী অফিস স্পেস থাকা। বাকি শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে&mdash;অন্তত পাঁচ বছরের বৈধ লাইসেন্স থাকা, কমপক্ষে তিনটি দেশে কর্মী পাঠানোর অভিজ্ঞতা, গুড কন্ডাক্ট সার্টিফিকেট ও বলপূর্বক শ্রম বা মানব পাচারে জড়িত থাকার কোনো রেকর্ড না থাকা।</p>

<p>বাংলাদেশে ২ হাজার ৫০০ এজেন্সি সরকারি নিয়ম-কানুন মেনে লাইসেন্স পেয়েছে। এরমধ্যে ৪২৩টি রিক্রুটিং এজেন্সির একটি তালিকা মালয়েশিয়া সরকারকে দিয়েছে বাংলাদেশ।</p>

<p>অভিবাসন ও শরণার্থী বিষয়ক বিশেষজ্ঞ আসিফ মুনীর বলেন, বাজারটা বন্ধ আছে, খোলার দরকার। তবে খোলার প্রক্রিয়া যেন টেকসই হয়। খুললাম, আবার বন্ধ হয়ে গেল; এমনটা যেন না হয়। সেজন্য আমাদের যেটা করা দরকার আগের যে সমঝোতা স্মারক আছে তার মধ্যে ফাঁকটা কোথায় সেটা দেখা দরকার। কোন জিনিসগুলো মালয়েশিয়া পালন করেনি বা কোন জিনিসগুলো আমাদের পূর্ববর্তী সরকার পালন করেনি, যাচাই-বাছাই করে নতুন করে চুক্তিগুলোকে সাজানোর পর বাজার খুললে সেটা সবার জন্য ভালো হয়।</p>

<p>বাংলাদেশ জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্য বলছে, ১৯৭৮ সালে প্রথম ২৩ জন শ্রমিক মালয়েশিয়ায় যান। বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে আনুষ্ঠানিক জনশক্তি নিয়োগ চুক্তি সই হয় ১৯৯২ সালে। ১৯৯০ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত সে দেশে বাংলাদেশি শ্রমিক রপ্তানি বৃদ্ধি পায়। এর মধ্যে ২০২৩ সালে বাংলাদেশ থেকে সর্বোচ্চ ৩ লাখ ৫১ হাজার ৬৮৩ জন মালয়েশিয়ায় গেছেন। ২০২৪ সালের ৩১ মে শ্রমবাজারটি বন্ধ হয়ে যায়।</p>

<p>পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, কুয়ালালামপুর সফরকালে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পাশাপাশি মালয়েশিয়ার অন্তত দু&rsquo;জন মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে পারেন।</p>

<p>মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেন, শ্রমবাজার খোলার একটি বিষয় আছে সেজন্য অভিবাসন ইস্যু অগ্রাধিকারে থাকবে। এ ছাড়া, বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ, জ্বালানি, উচ্চশিক্ষা, রোহিঙ্গা সংকট, কৃষি, হালাল খাদ্য, সুনীল অর্থনীতি, আসিয়ান, মধ্যপ্রাচ্যে সংকটসহ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দুই দেশের সহযোগিতার মতো নানা ইস্যু আলোচনায় আসতে পারে।</p>

<p>উল্লেখ্য, সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস গত বছরের (২০২৫) আগস্টে মালয়েশিয়া সফর করেছিলন। এর আগে, ২০২৪ সালে অক্টোবরে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম ঢাকা সফর করেছিলন। &nbsp;</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1499-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[আমি সব সদস্য রাষ্ট্রের সভাপতি হব: খলিলুর রহমান]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28607</link>
    <pubDate>Wed, 03 Jun 2026 09:41:44 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28607</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1597-11.jpg" />    <p><strong>জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে জয়ের প্রতিক্রিয়ায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান বলেছেন, আমি সব সদস্য রাষ্ট্রের সভাপতি হব। আমি আমার কাজের সময় সব সদস্য রাষ্ট্রকে সম্পৃক্ত করব। আমি ব্যক্তিগত মতামতকে পিজিএ হিসেবে আমার কাজে হস্তক্ষেপ করতে দেব না।</strong></p>

<p>বিজ্ঞাপন</p>

<p>মঙ্গলবার (২ জুন) নির্বাচনে বিজয়ের পর জাতিসংঘ সদরদপ্তরে দেওয়া বক্তৃতায় এসব কথা বলেন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের নবনির্বাচিত সভাপতি খলিলুর রহমান।</p>

<p>সাইপ্রাসের বহুপক্ষীয়তাবিষয়ক বিশেষ দূত আন্দ্রেজ কাকাউরিস হারিয়ে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। সদস্যরাষ্ট্রগুলোর ১৯০টি ভোটের মধ্যে খলিলুর রহমান পেয়েছেন ৯৯টি দেশের ভোট। তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী সাইপ্রাসের আন্দ্রেজ কাকাউরিস পেয়েছেন ৯১টি দেশের ভোট। ৮ ভোটের ব্যবধানে বাংলাদেশের প্রার্থীর কাছে হেরে গেছেন সাইপ্রাসের প্রার্থী।</p>

<p>খলিলুর রহমান আগামী এক বছর তথা জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>নবনির্বাচিত সভাপতি তার বক্তব্যে জাতিসংঘের ওপর আস্থা ফেরানোর জন্য ছয়টি মূল স্তম্ভের ওপর ভিত্তি করে কাজ এগিয়ে নেওয়ার বার্তা দিয়েছেন।</p>

<p>তিনি বলেন, এমন একটা সময়ে জাতিসংঘ তার নবম দশকে প্রবেশ করছে, যখন আমাদের সংস্থা প্রতি আস্থা বিভিন্ন দিক থেকে পরীক্ষার মুখে পড়েছে। সংঘাত আর যুদ্ধের অভিঘাত, যার হাত থেকে পরবর্তী প্রজন্মকে রক্ষাই ছিল আমাদের সংস্থার লক্ষ্য। কিন্তু এখনো যুদ্ধ ও সংঘাত অসংখ্য মানুষকে অবর্ণনীয় দুর্ভোগের মুখে ফেলছে।</p>

<p>খলিলুর রহমান বলেন, এমন এক সময়ে এসব ঘটছে, যখন বহুপাক্ষিকতা নানাবিধ চাপের মুখে রয়েছে। এবং আর্থিক চাপের মুখে পড়ায় আমাদের সংস্থাটি তার প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যর্থ হচ্ছে।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্বে একাগ্র থাকার প্রতিশ্রুতি দেন খলিলুর রহমান। তিনি বলেন, জাতিসংঘে যেসব দেশের প্রতিনিধিদল ছোট, তাদের জন্য একটি দল তৈরি করাকে নিজের অগ্রাধিকারে রাখব।</p>

<p>তিনি বলেন, পরবর্তী অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে, আমি আমার ভিশন স্টেটমেন্টে উল্লিখিত ছয়টি অগ্রাধিকার নিয়ে কাজ করবো। এগুলো হচ্ছে&mdash;শান্তি, নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার, টেকসই উন্নয়ন এবং এসডিজি ত্বরান্বিত করা, জলবায়ু স্থিতিস্থাপকতা এবং পরিবেশগত স্থায়িত্ব, মানবাধিকার, মানবিক কর্মকাণ্ড, শরণার্থী ও অভিবাসী, ডিজিটাল গভর্ন্যান্স, আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং নবায়নযোগ্য বহুপাক্ষিকতা, ইউএন ৮০ সংস্কার এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক বৈশ্বিক শাসন।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1597-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/diplomatic/28606</link>
    <pubDate>Wed, 03 Jun 2026 09:09:36 +0600</pubDate>
    <category> কূটনৈতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/diplomatic/28606</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/920-1.jpg" />    <p>প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলামের সঙ্গে মঙ্গলবার সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশনার সুসান রাইল।</p>

<p>তিন সদস্যের প্রতিনিধি দলের এই সাক্ষাৎ ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।</p>

<p>সাক্ষাৎকালে পারস্পরিক শুভেচ্ছা বিনিময়ের পাশাপাশি বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, বিশেষ করে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও জোরদার, পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং সামরিক&nbsp; সংক্রান্ত ভবিষ্যৎ সহযোগিতার সম্ভাব্য ক্ষেত্রসমূহ নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। উভয় পক্ষই দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ়, গভীর ও বহুমাত্রিক করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।</p>

<p>আলোচনায় দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সহযোগিতা বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রশিক্ষণ, সক্ষমতা উন্নয়ন, পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি এবং পারস্পরিক যোগাযোগ আরও সম্প্রসারণের বিষয়েও মতবিনিময় হয়। উভয় পক্ষ আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শান্তি, স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা রক্ষায় গঠনমূলক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।</p>

<p>একইসঙ্গে পারস্পরিক আস্থা, শ্রদ্ধা ও অভিন্ন স্বার্থের ভিত্তিতে দুই দেশের সম্পর্ককে ভবিষ্যতে আরও কার্যকর ও ফলপ্রসূ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।</p>

<p>এই সৌজন্য সাক্ষাৎ বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, পারস্পরিক আস্থা এবং কৌশলগত সহযোগিতাকে আরও সুসংহত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে উভয় পক্ষ অভিমত ব্যক্ত করেন।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/920-1.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[শহীদ হাদি হত্যাকাণ্ড নিয়ে মুখ খুললেন মমতা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/diplomatic/28605</link>
    <pubDate>Wed, 03 Jun 2026 09:08:59 +0600</pubDate>
    <category> কূটনৈতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/diplomatic/28605</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/780-99.jpg" />    <p>পশ্চিমবঙ্গের সদ্য সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এক বিস্ফোরক বক্তব্য ঘিরে নতুন করে আলোড়ন শুরু হয়েছে ভারত ও বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহলে।&nbsp;</p>

<p>কলকাতার ঝর্ণা মঞ্চে মঙ্গলবার (২ জুন) বিজেপির বিরুদ্ধে অবস্থান কর্মসূচি থেকে তিনি দাবি করেছেন, গত বছরের ডিসেম্বরে বাংলাদেশে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র হাদি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত কয়েকজন ব্যক্তি মেঘালয় হয়ে পশ্চিমবঙ্গে পালিয়ে এসেছিল। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের বিশেষ টাস্ক ফোর্স তাদের গ্রেফতার করলেও পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে কিছু বলতে নিষেধ করা হয়।&nbsp;</p>

<p>মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, দেশের স্বার্থে, নিরাপত্তার স্বার্থে এবং দুই দেশের সম্পর্কের স্বার্থে তিনি এতদিন এ বিষয়ে মুখ খোলেননি। তবে বর্তমানে যে রাজনৈতিক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তাতে অনেক অপ্রকাশিত বিষয় সামনে আনার প্রয়োজন দেখা দিয়েছে।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, গ্রেফতারের পর বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে রাজ্য পুলিশ প্রশাসনকে এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য না করার নির্দেশ দেওয়া হয়। তিনি বলেন, চাইলে তিনি অনেক আগেই বিষয়টি নিয়ে সরব হতে পারতেন, কিন্তু দেশের বৃহত্তর স্বার্থে তা করেননি।&nbsp;</p>

<p>তার বক্তব্যের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ অংশ ছিল বাংলাদেশ প্রসঙ্গ। মমতা বলেন, তিনি যদি এ বিষয়ে বিস্তারিত বলতে শুরু করেন, তাহলে বাংলাদেশেও বড় ধরনের রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। সেই কারণেই তিনি এখনও সংযত অবস্থান বজায় রেখেছেন।</p>

<p>রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর মুখে এ ধরনের মন্তব্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ সীমান্ত নিরাপত্তা, আন্তঃরাষ্ট্র সম্পর্ক এবং গোয়েন্দা তৎপরতা সংক্রান্ত বিষয় সাধারণত প্রকাশ্য রাজনৈতিক মঞ্চে খুব কমই উঠে আসে।&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>এই বক্তব্য এমন এক সময়ে এল, যখন পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ও তৃণমূল কংগ্রেসের সংঘাত নতুন মাত্রা পেয়েছে। সম্প্রতি সোনারপুরে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর হামলার অভিযোগকে কেন্দ্র করে দুই দলের মধ্যে তীব্র রাজনৈতিক লড়াই শুরু হয়েছে।&nbsp;</p>

<p>তৃণমূলের অভিযোগ, বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের পরিকল্পিতভাবে নিশানা করা হচ্ছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার বক্তব্যে অভিযোগ করেন, পশ্চিমবঙ্গে কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলোকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হচ্ছে। বিরোধী মতকে দমিয়ে রাখার চেষ্টা চলছে। তার দাবি, দীর্ঘদিন ধৈর্য ধরে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করলেও এখন আর নীরব থাকার সুযোগ নেই। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, কয়েকদিন আগেই তিনি ঘোষণা করেছিলেন যে সংবিধান ও গণতন্ত্র রক্ষার প্রশ্নে তিনি রাস্তায় নামবেন। সেই ঘোষণার ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবারের কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সরাসরি রাজনৈতিক আক্রমণ শানান তিনি।&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে, মমতার এই বক্তব্য কেবল পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। বাংলাদেশ প্রসঙ্গ এবং সীমান্ত নিরাপত্তা সংক্রান্ত দাবি সামনে আসায় বিষয়টি জাতীয় পর্যায়েও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসতে পারে। এদিকে বিজেপির পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত এই নির্দিষ্ট অভিযোগের বিস্তারিত প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে, মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের পেছনে কী তথ্য রয়েছে এবং আগামী দিনে তিনি এ বিষয়ে আরও কোনও তথ্য প্রকাশ করেন কি না, তা নিয়ে।</p>

<p>কলকাতার রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন একটাই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। দীর্ঘদিন নীরব থাকার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন এখন এই প্রসঙ্গ সামনে আনলেন। সেই উত্তর খুঁজতেই ব্যস্ত রাজনৈতিক মহল।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/780-99.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[জাতিসংঘে ৬ দফা কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরলেন খলিলুর রহমান]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28604</link>
    <pubDate>Wed, 03 Jun 2026 09:07:35 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28604</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/973-88.jpg" />    <article>
<article>
<p>জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে নির্বাচিত হওয়ার পর জাতিসংঘে দেওয়া প্রথম বক্তব্যে বৈশ্বিক শান্তি, টেকসই উন্নয়ন, মানবাধিকার ও বহুপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদারে ছয়টি কর্মস্তম্ভভিত্তিক কর্মপরিকল্পনার ঘোষণা দিয়েছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।</p>

<p>গতকাল মঙ্গলবার (২ জুন) জাতিসংঘে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, তাদের আস্থা ও সমর্থনের কারণেই তিনি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণের সুযোগ পেয়েছেন।</p>
</article>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি এই দায়িত্বকে বিনয় ও শ্রদ্ধার সঙ্গে গ্রহণ করছেন বলে উল্লেখ করেন। ড. খলিলুর রহমান এ সময় তাকে মনোনয়ন দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানান।</p>

<p>পাশাপাশি প্রচারণা চলাকালে সহযোগিতা করা দেশের জনগণ, তার টিম এবং বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের শুভানুধ্যায়ীদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।<br />
তিনি প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আন্দ্রেয়াস কাকৌরিসের প্রশংসা করে বলেন, তিনি একটি গঠনমূলক ও দৃষ্টান্তমূলক প্রচারণা পরিচালনা করেছেন, যা ভবিষ্যতে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর জন্য একটি অনুসরণীয় উদাহরণ হয়ে থাকবে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>বক্তব্যে নির্বাচিত সভাপতি হিসেবে খলিলুর রহমান বলেন, জাতিসংঘ তার নবম দশকে প্রবেশ করতে যাচ্ছে এমন এক সময়ে, যখন সংস্থাটির প্রতি বৈশ্বিক আস্থা বিভিন্ন দিক থেকে পরীক্ষার মুখোমুখি। যুদ্ধ ও সংঘাতের কারণে বিশ্বজুড়ে মানবিক সংকট অব্যাহত রয়েছে, উন্নয়ন অর্জনগুলো ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে এবং অনেক ক্ষেত্রে পিছিয়ে যাচ্ছে।</p>

<p>একই সঙ্গে মানবাধিকার ও মৌলিক স্বাধীনতার ক্ষেত্রেও পশ্চাদপসরণ দেখা যাচ্ছে।</p>

<p>তিনি বলেন, বহুপাক্ষিক ব্যবস্থার ওপর ক্রমবর্ধমান চাপ এবং জাতিসংঘের আর্থিক সংকট সংস্থাটির কার্যকারিতা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন তৈরি করছে।</p>
</article>

<article>এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার অঙ্গীকার করেন তিনি।
<p>&nbsp;</p>

<p>শান্তি ও নিরাপত্তা খাতে নিজের অগ্রাধিকার তুলে ধরে ড. খলিলুর রহমান বলেন, বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীদের অভিজ্ঞতা ও অবদান থেকে তিনি অনুপ্রেরণা নেবেন। সাইপ্রাস থেকে সুদান পর্যন্ত বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।</p>

<p>তিনি বলেন, সংঘাত প্রতিরোধ, রাজনৈতিক সমাধান, শান্তি প্রতিষ্ঠা জোরদার এবং বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষাকে অগ্রাধিকার দিয়ে একটি সমন্বিত শান্তিরক্ষা কাঠামো গড়ে তোলার পক্ষে তিনি কাজ করবেন। একই সঙ্গে শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বাস্তবায়নের বিষয়ে খলিলুর রহামান বলেন, ২০৩০ এজেন্ডা বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতি ও অর্জনের মধ্যে এখনও বড় ধরনের ব্যবধান রয়েছে। ২০২৭ সালের এসডিজি সম্মেলনকে সামনে রেখে পিছিয়ে থাকা লক্ষ্যগুলো অর্জনে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।</p>

<p>এ ছাড়া এসডিজি অর্থায়নের ঘাটতি পূরণ, ঋণের স্থায়িত্ব নিশ্চিত করা, আন্তর্জাতিক আর্থিক কাঠামোর সংস্কার এবং নারী ও কন্যাশিশুদের পূর্ণ ও অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন ইউএনজিএর নবনির্বাচিত সভাপতি।</p>

<p>স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য গৃহীত দোহা কর্মসূচিসহ উন্নয়ন-সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক অঙ্গীকার বাস্তবায়নে তিনি বিশেষ নজর দেবেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/973-88.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[খলিলুর রহমানকে অভিনন্দন জানালেন প্রধানমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28603</link>
    <pubDate>Wed, 03 Jun 2026 09:06:38 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28603</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1095-77.jpg" />    <article>
<p>জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।</p>

<p>মঙ্গলবার (২ জুন) এক ফেসবুক পোস্টে প্রধানমন্ত্রী বলেন, &lsquo;এই অর্জন বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান অবদান ও বিশ্বাসযোগ্যতারই প্রতিফলন।</p>
</article>

<article>&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি আরো বলেন, &lsquo;আমরা বিশ্বাস করি, তিনি গর্বের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন এবং বহুপক্ষীয় ও অভিন্ন সংকট মোকাবেলায় সংযোগ, সংলাপ ও সহযোগিতা গড়ে তুলবেন। এই নতুন দায়িত্বে আমরা তার সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করি।&rsquo;</p>

<p>উল্লেখ্য, আজ নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী সাইপ্রাসের প্রার্থীকে হারিয়ে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হন ড. খলিলুর রহমান। তিনি জার্মানির সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী আনালেনা বেয়ারবকের স্থলাভিষিক্ত হবেন এবং আগামী এক বছর সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>নির্বাচনে সর্বমোট ১৯০টি দেশ অংশ নেয়। এর মধ্যে খলিলুর রহমান পেয়েছেন ৯৯টি দেশের ভোট। প্রতিদ্বন্দ্বী সাইপ্রাসের আন্দ্রেয়াস এস কাকোরিস পেয়েছেন ৯১টি দেশের সমর্থন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1095-77.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ট্রাম্পের বিলিয়ন ডলারের তহবিল আটকা, নেপথ্যে কী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28602</link>
    <pubDate>Wed, 03 Jun 2026 09:05:33 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28602</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1212-66.jpg" />    <article>
<p>তীব্র অভ্যন্তরীণ বিরোধিতা ও আইনি জটিলতার মুখে অবশেষে যুক্তরাষ্ট্রের ১.৮ বিলিয়ন (১৮০ কোটি) ডলারের &lsquo;অ্যান্টি-ওয়েপনাইজেশন&rsquo; তহবিল পরিকল্পনা থেকে সাময়িকভাবে সরে আসার ইঙ্গিত দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। ফেডারেল আদালত এর কার্যক্রমের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করলেও এই পরিকল্পনা স্থায়ীভাবে বাতিল করা হচ্ছে নাকি সাময়িক স্থগিত রাখা হয়েছে, তা নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা কাটেনি।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>বার্তা সংস্থা <a href="https://edition.cnn.com/2026/06/01/politics/trump-weaponization-fund-pause">সিএনএন</a> এক প্রতিবেদনে বলছে, কংগ্রেসের রিপাবলিকান দলীয় শীর্ষ নেতাদের বিষয়টি জানানো হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে। তবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখনো প্রকাশ্যে এই তহবিল বাতিলের বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত ঘোষণা দেননি।&nbsp;</p>

<p>সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, প্রশাসন আপাতত এই প্রক্রিয়া স্থগিত রাখছে, পুরোপুরি বাদ দিচ্ছে না। দেশটির বিচার বিভাগও এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা ফেডারেল আদালতের দেওয়া স্থগিতাদেশ মেনে চলবে, যা আগামী ১২ জুন পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে ট্রাম্প মার্কিন এক সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, আমরা আদালতের সিদ্ধান্তের অধীন। এই মুহূর্তে পরিস্থিতি এটাই। আদালত যদি অনুমতি না দেয়, তবে কী-ই বা করার আছে?</p>

<p>তবে ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজে এখনো এই তহবিলের প্রয়োজনীয়তায় বিশ্বাস করেন বলে তার ঘনিষ্ঠ আরেকটি সূত্র জানিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার মাইক জনসনের সঙ্গে ট্রাম্পের দীর্ঘ বৈঠকের পরই প্রশাসন এই নমনীয় মনোভাব দেখায়।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>ট্রাম্প প্রশাসনের এই মৌখিক আশ্বাস ক্ষুব্ধ রিপাবলিকান আইন প্রণেতাদের শান্ত করতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। কারণ এই তহবিলকে কেন্দ্র করে দলটির অভ্যন্তরীণ বিরোধ এতটাই চরম আকার ধারণ করেছে যে, অভিবাসন আইন প্রয়োগের জন্য অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দের মতো তাদের মূল রাজনৈতিক এজেন্ডাগুলোই এখন স্থবির হয়ে পড়েছে। এমনকি সিনেটের সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা জন থুন সোমবার প্রশাসনকে এই তহবিল অবিলম্বে &lsquo;নিজেদের উদ্যোগে বন্ধ&rsquo; করার আহ্বান জানিয়েছেন।</p>

<p>ফ্লোরিডার রিপাবলিকান সিনেটর রিক স্কট নিশ্চিত করেছেন যে, হোয়াইট হাউজের এক কর্মকর্তা তাকে তহবিলটি &lsquo;বাদ দেওয়া&rsquo; হচ্ছে বলে জানিয়েছেন।&nbsp;</p>

<p>তবে লুইজিয়ানার সিনেটর জন কেনেডিসহ অনেক রিপাবলিকান নেতাই এই আশ্বাসে সন্তুষ্ট নন।</p>
</article>

<article>তিনি জানিয়েছেন, প্রশাসনকে তাদের অবস্থান সুনির্দিষ্টভাবে ও চূড়ান্তভাবে পরিষ্কার করতে হবে। কেবল আদালতের নির্দেশ মেনে চলার কথা বলে পার পাওয়া যাবে না।
<p>&nbsp;</p>

<p>কয়েক বছর আগে ট্রাম্পের ট্যাক্স রিটার্ন ফাঁসের ঘটনায় আইআরএসের বিরুদ্ধে করা একটি নজিরবিহীন মামলা নিষ্পত্তির উদ্দেশ্যে এই তহবিলটি গঠন করা হয়েছিল। তবে ঘোষণার পর থেকেই ট্রাম্পের নিজস্ব দলের নেতারাই এর তীব্র বিরোধিতা শুরু করেন।&nbsp;</p>

<p>অনেকের মতে, এটি মূলত ট্রাম্পের মিত্রদের অর্থ পাইয়ে দেওয়ার একটি গোপন &lsquo;স্লাশ ফান্ড&rsquo; বা কালো তহবিল। প্রথমে বিচার বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এই পরিকল্পনা পরিবর্তনের বিষয়ে অস্বীকৃতি জানালেও, দলীয় আইনপ্রণেতাদের অনড় অবস্থানের মুখে তারা সুর নরম করতে বাধ্য হন।</p>

<p>প্রসঙ্গত, ভার্জিনিয়ার ফেডারেল আদালত আগামী ১২ জুন পর্যন্ত এই তহবিলের অর্থ বরাদ্দ বা আবেদন গ্রহণ কার্যক্রমের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। ১২ জুনের শুনানিতে ট্রাম্প প্রশাসন এই তহবিলের পক্ষে লড়াই চালিয়ে যাবে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।&nbsp;</p>

<p>পাশাপাশি ফ্লোরিডার আরেকটি আদালতেও এই তহবিল বড় ধাক্কা খেয়েছে। সেখানে এক বিচারক ট্রাম্প এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে এই মর্মে জবাবদিহি করতে বলেছেন যে, তারা আদালতের বাইরে সমঝোতায় পৌঁছানোর জন্য বিচার বিভাগের আইনজীবীদের সঙ্গে যোগসাজশ করে আদালতের সঙ্গে কোনো প্রতারণা করেছেন কি না।</p>

<p>ফলে সব মিলিয়ে নিজস্ব দলের প্রবল বিরোধিতা আর আইনি বেড়াজালে ট্রাম্পের এই ১৮০ কোটি ডলারের বিতর্কিত তহবিল এখন গভীর অনিশ্চয়তার মুখে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1212-66.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধভাবে ট্রাক চালানোর দায়ে গ্রেপ্তার ৩০ ভারতীয়; শিগগিরই বহিষ্কার]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28601</link>
    <pubDate>Wed, 03 Jun 2026 09:04:35 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28601</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1312-55.jpg" />    <article>
<p>যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধভাবে বসবাস ও ট্রাকচালক হিসেবে কাজ করার অভিযোগে ভারতীয় ৩০ নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির ফেডারেল কর্তৃপক্ষ।</p>

<p><strong><a href="https://www.thehindu.com/news/international/30-indians-living-and-working-illegally-in-us-as-truck-drivers-arrested-will-be-deported/article71050971.ece">দ্য হিন্দুর প্রতিবেদনে</a></strong> বলা হয়, &lsquo;অপারেশন চেকমেট&rsquo; নামে পরিচালিত এক বিশেষ অভিযানে তাদের আটক করা হয় এবং আইন প্রক্রিয়া শেষে শিগগিরই তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>সোমবার (১ জুন) যুক্তরাষ্ট্রের কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রোটেকশন (সিবিপি) এক বিবৃতিতে জানায়, গত ১১ থেকে ১৫ মে অ্যারিজোনার ইউমা সেক্টরে পরিচালিত অভিযানে অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকারী ৫২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের মধ্যে ৩৬ জন ভারী পণ্যবাহী ট্রাকচালক ছিলেন।</p>

<p>গ্রেপ্তার হওয়া ৩৬ ট্রাকচালকের মধ্যে ৩০ জনই ভারতীয় নাগরিক। বাকি ছয়জনের মধ্যে রয়েছেন মেক্সিকো, এল সালভাদর ও রাশিয়ার নাগরিক।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>তদন্তে দেখা গেছে, তাদের অনেকের কাছেই ক্যালিফোর্নিয়া, নিউইয়র্ক, ওয়াশিংটন ও ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্য থেকে পাওয়া বাণিজ্যিক ড্রাইভিং লাইসেন্স ছিল। তবে কয়েকজনের কোনো ধরনের বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্সও ছিল না।</p>

<p>সিবিপি জানিয়েছে, আটক ব্যক্তিদের অধিকাংশের কাছে কর্মসংস্থান অনুমোদনপত্র ছিল। তবে সেই অনুমোদনপত্র সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন আমলে ইস্যু করা হয়েছিল।</p>
</article>

<article>ফলে এসব নথির মেয়াদ ইতোমধ্যে শেষ হয়ে যাওয়ায় তারা বৈধভাবে কাজ করার অনুমতি হারিয়েছেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>ফেডারেল আইন অনুযায়ী, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং সবাইকে বহিষ্কার (ডিপোর্ট) করা হবে।</p>

<p>কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, &lsquo;অপারেশন চেকমেট&rsquo;-এর এর লক্ষ্য হলো অভিবাসন আইন প্রয়োগের মাধ্যমে বাণিজ্যিক যানবাহন পরিচালনাকারী অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা।</p>

<p>যুক্তরাষ্ট্র সীমান্ত টহল বাহিনীর ইউমা সেক্টরের ভারপ্রাপ্ত প্রধান ডাস্টিন কডল বলেন, &lsquo;অপারেশন চেকমেট আমাদের সেই প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন, যার মাধ্যমে আমরা অবৈধভাবে অবস্থানকারী চালকদের কারণে জননিরাপত্তার ঝুঁকি কমাতে কাজ করছি।&rsquo;</p>

<p>তিনি আরো বলেন, &lsquo;ফেডারেল এজেন্টরা প্রতিদিন টহলে থাকেন, যাতে এসব ব্যক্তিকে শনাক্ত করে আটক করা যায় এবং যুক্তরাষ্ট্রের সড়কে প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়।</p>
</article>

<article>&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>এদিকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের অধীনে যুক্তরাষ্ট্রের পরিবহন বিভাগ সম্প্রতি একটি নির্দেশনা জারি করেছে। এতে অযোগ্য বিদেশি নাগরিকদের বাণিজ্যিক ট্রাক ও বাস চালানোর লাইসেন্স পাওয়া ঠেকাতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।</p>

<p>যুক্তরাষ্ট্রে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ভারতীয় বংশোদ্ভূত কয়েকজন ট্রাকচালকের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী সড়ক দুর্ঘটনা ঘটানোর অভিযোগ ওঠার পর বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1312-55.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ব্রিটিশ সংসদে ধর্ষিতদের ভয়াবহ জবানবন্দি তুলে ধরলেন এমপি]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28600</link>
    <pubDate>Wed, 03 Jun 2026 09:02:49 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28600</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1378-44.jpg" />    <article>
<p>যুক্তরাজ্যে &lsquo;গ্রুমিং গ্যাং&rsquo; বা পরিকল্পিত শিশু যৌন শোষণ চক্রের ভয়াবহ চিত্র আবারও প্রকাশ্যে এসেছে। দেশটির&nbsp;সংসদে&nbsp;সম্প্রতি বক্তব্য দেওয়ার সময় বেশ কয়েকজন ভুক্তভোগী নারীর লোমহর্ষক জবানবন্দি পাঠ করে শোনান স্বতন্ত্র এমপি রুপার্ট লো।</p>
</article>

<article>একই সঙ্গে সরকারের কাছে কঠোর পদক্ষেপের আহ্বান জানান তিনি।
<p>&nbsp;</p>

<p>তার এই বক্তব্য দেশটিতে দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত ক্ষোভ এবং পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের প্রাতিষ্ঠানিক ব্যর্থতার বিতর্ককে নতুন করে উসকে দিয়েছে।</p>

<p>যুক্তরাজ্য সরকারের পূর্ববর্তী বিভিন্ন তদন্তে উঠে এসেছে যে, এই সংঘটিত শিশু যৌন নিপীড়ন চক্রের সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের একটি বড় অংশই পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ট্যাক্সিচালক ও ব্যবসায়ী। রুপার্ট লো তাঁর নিজস্ব উদ্যোগে পরিচালিত একটি স্বাধীন অনুসন্ধানের ভিত্তিতে এই ভুক্তভোগীদের সাক্ষ্য সংগ্রহ করেন এবং দেশটির সংসদকে এই চরম নৃশংসতার বিরুদ্ধে অবশেষে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>ভারতীয় সংবাদমাধ্যম <a href="https://www.ndtv.com/world-news/raped-by-600-700-men-dogs-uk-mp-rupert-lowe-reveals-pakistani-grooming-gang-horrors-11580066?pfrom=home-ndtv_topscroll&amp;fbclid=IwZXh0bgNhZW0CMTAAYnJpZBExNng1YXZYV0R3UFMycFVRdnNydGMGYXBwX2lkEDIyMjAzOTE3ODgyMDA4OTIAAR609fMmeMmgXv5Kgo1nTr2CQ519h-1OlJEOvQNj_PNt2cR7YGfHgxr_YF7TeQ_aem_JqruqPUBMWTu1VoG_eL7ww">এনডিটিভি</a> বলছে, সংসদে পাঠ করা ভুক্তভোগী নারীদের জবানবন্দিতে চরম সহিংসতা, জোরপূর্বক গর্ভধারণ, এমনকি পৈশাচিক ও অমানবিক নির্যাতনের বিবরণ উঠে এসেছে।</p>

<p>তিনি বলেন, এক নারী জানিয়েছেন, মাত্র ১৩ বছর বয়স থেকে শুরু হওয়া নির্যাতনের তিন বছরে তিনি আনুমানিক ৬০০ থেকে ৭০০ জন ভিন্ন ভিন্ন পুরুষের দ্বারা গণধর্ষণের শিকার হয়েছিলেন।&nbsp;</p>

<p>১৫ বছর বয়সী আরেক ভুক্তভোগী জানান, আশঙ্কাজনক রক্তপাত ও তীব্র শারীরিক ক্ষত নিয়ে হাসপাতালে গেলেও লোকলজ্জা ও প্রাণনাশের ভয়ে তিনি সত্য বলতে পারেননি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও কোনো প্রশ্ন না করেই তাকে ওষুধ দিয়ে ছেড়ে দেয়।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>জবানবন্দিতে এমনকি কুকুরের খাঁচায় মেয়েদের বন্দি করে রাখা এবং পাশবিক নির্যাতনের ভিডিও ধারণ করে বাজি ধরার মতো বিকৃত মানসিকতার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।&nbsp;</p>

<p>এমপি রুপার্ট লোর নেতৃত্বে গত বছর পরিচালিত বেসরকারি তদন্তে যুক্তরাজ্যের অন্তত ৮৫টি এলাকায় এই ধরনের সংঘবদ্ধ শিশু যৌন শোষণের প্রমাণ পাওয়া গেছে।</p>

<p>তার প্রতিবেদনে স্পষ্ট বলা হয়েছে, পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত পুরুষদের একটি বড় অংশ এই &lsquo;ধর্ষণ গ্যাং&rsquo; পরিচালনা করছে, যা অনুমানের চেয়েও অনেক বেশি বিস্তৃত। একইসঙ্গে বর্ণবাদী তকমা পাওয়ার ভয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ বছরের পর বছর ধরে এসব জেনেও নীরব ভূমিকা পালন করেছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।</p>

<p>যুক্তরাজ্যে এই গ্রুমিং গ্যাং কেলেঙ্কারি প্রথম এক দশকেরও বেশি সময় আগে ইয়র্কশায়ারের রদারহ্যাম শহরে আলোড়ন সৃষ্টি করে।</p>
</article>

<article>সেখানে পরবর্তীতে জানা যায় যে, ১৯৯৭ থেকে ২০১৩ সালের মধ্যে প্রায় ১ ৪০০ শিশু এই ভয়াবহ চক্রের শিকার হয়েছিল।
<p>&nbsp;</p>

<p>দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাকের আমলে ২০২৩ সালে গঠিত চাইল্ড সেক্সুয়াল এক্সপ্লয়টেশন টাস্কফোর্সের তথ্য অনুযায়ী, শুধুমাত্র ২০২৩ সালেই যুক্তরাজ্যে শিশুদের বিরুদ্ধে ১ লাখ ১৫ হাজারের বেশি যৌন অপরাধের ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে, যার মধ্যে একটি বড় অংশই সংঘবদ্ধ অপরাধ।</p>

<p>গ্রেটার ম্যানচেস্টারের মেয়রের অধীন ২০২৪ সালের একটি স্বাধীন পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ২০০৪ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত রচডেল কাউন্সিলে ব্যাপক আকারে এই শোষণ চললেও তৎকালীন কর্মকর্তারা তা স্বীকার করতে ব্যর্থ হন। যদিও পরবর্তীতে বিভিন্ন অভিযানে বহু অপরাধীকে সাজা দেওয়া হয়েছে, যাদের বেশির ভাগই ব্রিটিশ-পাকিস্তানি।&nbsp;</p>

<p>তবে বিশ্লেষকদের মতে, ভুক্তভোগীদের এই নতুন জবানবন্দি প্রমাণ করে যে, গ্রুমিং গ্যাং কেলেঙ্কারি যুক্তরাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা, শিশু সুরক্ষা ব্যবস্থা এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষের জবাবদিহিতা নিয়ে দীর্ঘদিনের বিতর্ককে নতুন করে সামনে এনেছে। একই সঙ্গে বিষয়টি জাতিগত ও সামাজিক সংবেদনশীলতার কারণে দেশটির রাজনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1378-44.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ইরানের ৩ শহরে হবে খামেনির জানাজা ও শেষ বিদায়ের আয়োজন]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28599</link>
    <pubDate>Wed, 03 Jun 2026 08:56:07 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28599</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1460-33.jpg" />    <article>
<p>ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির দাফন ও রাষ্ট্রীয়ভাবে শেষ বিদায়ের জন্য তিন দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, রাজধানী তেহরানসহ তিন শহরে এসব অনুষ্ঠানের আয়োজন হবে এবং এতে প্রায় দুই কোটি মানুষের অংশগ্রহণ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।</p>
</article>

<article>আনাদোলু এজেন্সির <a href="https://www.aa.com.tr/en/middle-east/iran-to-hold-funeral-ceremonies-for-late-supreme-leader-khamenei-in-3-cities/3954294">প্রতিবেদনে</a> এসব তথ্য জানা গেছে।

<p>&nbsp;</p>

<p>ইসলামি রীতি অনুযায়ী সাধারণত মৃত্যুর কয়েক দিনের মধ্যেই দাফন সম্পন্ন করা হয়। তবে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রথম দিনে নিজ বাসভবনে হামলায় নিহত হওয়ার পর খামেনির জানাজা অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করা হয়েছিল। সে সময় ইরানি কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন, বিপুলসংখ্যক মানুষের উপস্থিতি এবং প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির কারণে অনুষ্ঠান আয়োজন বিলম্বিত করা হয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>মঙ্গলবার (২ জুন) তেহরানের উপ-মেয়র মোহাম্মদ আমিন তাভাকোলি-জাদেহ জানান, তিন দিনের এই কর্মসূচির মধ্যে রাজধানী তেহরান ছাড়াও ধর্মীয় নগরী কোম এবং মাশহাদে শোকযাত্রা ও জনসমাগমের আয়োজন থাকবে। ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি-এর বরাত দিয়ে তিনি বলেন, তেহরানে শেষকৃত্যের মূল অনুষ্ঠান অন্তত ২৪ ঘণ্টা ধরে চলবে।</p>

<p>তিনি আরো জানান, কর্তৃপক্ষ প্রায় দুই কোটি মানুষের অংশগ্রহণের সম্ভাবনা বিবেচনায় নিয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছে।</p>

<p>অপর রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ জানিয়েছে, জুন মাসের মাঝামাঝি সময়ে খামেনির দাফন অনুষ্ঠিত হবে, যদিও সুনির্দিষ্ট তারিখ এখনো ঘোষণা করা হয়নি।</p>
</article>

<article>তবে ধারণা করা হচ্ছে, ২১ জুন এই অনুষ্ঠানের আয়োজন হতে পারে।</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1460-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বিশ্বকাপের সবচেয়ে ‘বুড়ো’ ও তরুণ খেলোয়াড় কে]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/28598</link>
    <pubDate>Wed, 03 Jun 2026 08:55:05 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/28598</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1498-22.jpg" />    <article>
<p>চল্লিশ পেরিয়েও চালশে নন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। ৪১ বছর বয়সেও তাই অধরা স্বপ্নের পেছনে ছুটছেন তিনি।</p>
</article>

<article>লড়ছেন হাঁটুর বয়সী ছেলেদের সঙ্গে। নামের পাশে অন্য সব থাকলেও যে বিশ্বকাপের সোনালি ট্রফিটা জেতা হয়নি &lsquo;সিআর সেভেনের&rsquo;।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>সেই স্বপ্ন পূরণে রেকর্ড ষষ্ঠবারের মতো বিশ্বকাপে খেলবেন রোনালদো। বয়সের হিসাবে এবারই তার শেষ সুযোগ।</p>
</article>

<article>তার মতো সর্বোচ্চ ৬ বার বিশ্বকাপে খেলবেন আরো দুজন। তারা হচ্ছেন&mdash;আর্জেন্টিনার প্লেমেকার লিওনেল মেসি ও মেক্সিকোর গোলরক্ষক গুইলার্মো ওচোয়া।
<p>&nbsp;</p>

<p><iframe allowfullscreen="true" allowtransparency="true" frameborder="0" id="twitter-widget-0" scrolling="yes" src="https://platform.twitter.com/embed/Tweet.html?id=2061791446739345417"></iframe></p>

<p>&nbsp;</p>

<p>বয়সের হিসাবে রোনালদো অবশ্য এবারের বিশ্বকাপের বয়স্ক ফুটবলার নন, রেকর্ডটির মালিক স্কটল্যান্ডের ক্রেইগ গর্ডন। আগামী ১১ জুন বিশ্বকাপ শুরু হলে স্কটল্যান্ডের গোলরক্ষকের বয়স হবে ৪৩ বছর ১৬২ দিন।</p>
</article>

<article>পাঁচবারের ব্যালন ডি&rsquo;অর জয়ী ফুটবলার হিসেবে না পারলেও অধিনায়ক এবং আউটফিল্ড খেলোয়াড় (গোলরক্ষক বাদে বাকি খেলোয়াড়) হিসেবে বয়স্ক খেলোয়াড়ের রেকর্ড গড়বেন। বিশ্বকাপ শুরুর দিন পর্তুগিজ অধিনায়কের বয়স হবে ৪১ বছর ১২৬ দিন।
<p>&nbsp;</p>

<p>বিপরীতে এবারের বিশ্বকাপের সর্বকনিষ্ঠ ফুটবলার হচ্ছেন গিলবার্তো মোরা। ২৩তম বিশ্বকাপ শুরুর দিন মেক্সিকোর মিডফিল্ডারের বয়স হবে ১৭ বছর ২৪০ দিন। সর্বকনিষ্ঠ গোলরক্ষক হচ্ছেন মাইক পেন্ডার্স।</p>
</article>

<article>টুর্নামেন্ট শুরুর দিন ২০ বছর ৩১৫ দিন হবে বেলজিয়ামের স্কোয়াডে থাকা গোলরক্ষকের। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো বিশ্বকাপের সর্বকনিষ্ঠ অধিনায়ক হবেন আলফনসো ডেভিস। কানাডার অধিনায়কের বয়স হবে ২৫ বছর ২২১ দিন।
<p>&nbsp;</p>

<p>এ তো গেল মাঠের নায়কদের গল্প। নেপথ্যে যারা কাজ করেন তাদের মধ্যে বয়স্ক কোচ হবেন ডিক অ্যাডভোকাট। প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে সুযোগ পাওয়া কুরাসাওয়ের ডাগআউট থাকবেন তিনি। টুর্নামেন্ট শুরুর দিন প্রায় ১ লাখ ৬০ হাজার জনসংখ্যার দেশটির কোচের বয়স হবে ৭৮ বছর ২৫৭ দিন। বিপরীতে প্রথমবারের মতো ৪৮ দলের বিশ্বকাপে সর্বকনিষ্ঠ কোচ হচ্ছেন ইউলিয়ান নাগলসমান। ৪ বারের বিশ্বকাপজয়ীদের কোচের বয়স হবে ৩৮ বছর ৩২৩ দিন।&nbsp;</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1498-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[‘টয় স্টোরি ৫’-এর গান দিয়ে আবারও কান্ট্রি মিউজিকে সুইফট]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/28597</link>
    <pubDate>Wed, 03 Jun 2026 08:53:06 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/28597</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1596-11.jpg" />    <article>
<p>জনপ্রিয় অ্যানিমেশন সিনেমা ফ্র্যাঞ্চাইজি &lsquo;টয় স্টোরি ৫&rsquo;-এর জন্য একটি মৌলিক গান গেয়েছেন বিশ্বখ্যাত পপ তারকা টেইলর সুইফট। সোমবার (১ জুন) বিশ্বজুড়ে তুমুল হাইপ ও কাউন্টডাউন শেষে সুইফট নিজেই এই সুখবরটি ভক্তদের জানিয়েছেন।</p>
</article>

<article>&lsquo;আই নিউ ইট, আই নিউ ইউ&rsquo; শিরোনামের এই বিশেষ গানটি &nbsp;শুক্রবার (৫ জুন) মুক্তি পেতে যাচ্ছে।&nbsp;এর মাধ্যমে দীর্ঘদিন পর এই সুপারস্টার তার ক্যারিয়ারের শুরুর দিকের চেনা রূপ অর্থাৎ কান্ট্রি মিউজিকে ফিরে আসছেন বলে জানিয়েছে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ডিজনি।
<p>&nbsp;</p>

<p>নতুন এই গানটি টেইলর সুইফট ও তার দীর্ঘদিনের সহযোগী জ্যাক অ্যান্টনফ যৌথভাবে লিখেছেন ও প্রযোজনা করেছেন। সিনেমাটিতে কাউগার্ল চরিত্র &lsquo;জেসি&rsquo;-র চলমান যাত্রা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে গানটি তৈরি করা হয়েছে।</p>
</article>

<article>সুইফট তার ভক্তদের উদ্দেশ্যে এক বার্তায় জানান, পাঁচ বছর বয়সে প্রথম টয় স্টোরি দেখার পর থেকেই এই চরিত্রগুলোর জন্য গান লেখার স্বপ্ন ছিল তার।
<p>&nbsp;</p>

<p>সিনেমার পরিচালক অ্যান্ড্রু স্ট্যানটন এক বিবৃতিতে বলেন, গানটি প্রথমবার শোনার পরেই মনে হয়েছে এটি যেন চিরকাল এই সিনেমার সাথেই যুক্ত ছিল। গানটি ইতিমধ্যে সুইফটের অফিশিয়াল ওয়েবস্টোরে সিডি সিঙ্গেল হিসেবে অগ্রিম বুকিং শুরু হয়েছে, যেখানে মূল গানের পাশাপাশি অ্যাকুস্টিক ও পিয়ানো সংস্করণও থাকবে। পিক্সার ও ডিজনির বহুল প্রতীক্ষিত অ্যানিমেশন সিনেমা &lsquo;টয় স্টোরি ৫&rsquo; আগামী ১৯ জুন প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1596-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ছাত্র-গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ বিনির্মাণে কাজ করতে হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28596</link>
    <pubDate>Sun, 31 May 2026 10:44:38 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28596</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/919-1.jpg" />    <article>
<p>শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে ছাত্র-গণ-অভ্যুত্থানের মূল আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যেতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/national/2026/05/30/1690964" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>শনিবার (৩০ মে) রাজধানীর শেরেবাংলানগরে মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের (বীর-উত্তম) শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে তার মাজার জিয়ারত ও পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এ কথা বলেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, &lsquo;আজকের দিনটি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং এ দেশের সমগ্র গণমানুষের জন্য অত্যন্ত দুঃখভারাক্রান্ত ও স্মৃতিময় একটি দিন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান আমৃত্যু বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও অগ্রগতির অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে অনন্য ভূমিকা পালন করে গেছেন। ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতার ঘোষণার মধ্য দিয়ে তার যে ঐতিহাসিক উত্থান ঘটেছিল, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে গিয়েই তিনি শাহাদাতবরণ করেছেন।&rsquo;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/national/2026/05/30/1690953" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>তিনি বলেন, &lsquo;বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রের মূল ঠিকানা হচ্ছে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রদর্শিত পথ।</p>
</article>

<article>আমরা এই গভীর শোককে শক্তিতে পরিণত করেছি। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান আমাদের শিখিয়েছেন কিভাবে সব মানুষের মধ্যে ইস্পাতকঠিন ঐক্য সৃষ্টি করে জাতীয় সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যেতে হয়। আমরা তার প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে বহুদলীয় গণতন্ত্রের আদর্শের রাজনীতি করি।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>গণতন্ত্রের প্রতি বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, &lsquo;যত দিন বাংলাদেশ থাকবে, তত দিন এই দেশ সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিক ধারায় পরিচালনা করা হবে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/919-1.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[অসহায় মানুষের পাশে থাকতে নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28595</link>
    <pubDate>Sun, 31 May 2026 10:43:46 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28595</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/779-99.jpg" />    <article>
<p>অসহায় মানুষের পাশে থাকতে নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, আজ শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী।</p>
</article>

<article>আপনারা যারা দীর্ঘদিন দলের সঙ্গে আছেন তারা জানেন, প্রতিবছরই এই দিনটিতে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি। বিভিন্ন স্থানে যেসব মানুষ অসহায় অবস্থায় এবং অসুবিধায় আছেন যতটুকু সম্ভব তাদের সহায়তা করার চেষ্টা করেছি।
<p>&nbsp;</p>

<p>দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনাদের কাছে আমার আহ্বান থাকবে, শুধু দলের পক্ষ থেকে নয়; সম্ভব হলে ব্যক্তিগত উদ্যোগেও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করবেন। এটাই শহীদ জিয়ার শিক্ষা।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>শনিবার (৩০ মে) বিকেলে নয়া পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষে দুঃস্থদের মধ্যে বস্ত্র ও শুকনো খাবার বিতরণের পর দলের বর্তমান চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী এ আহ্বান জানান।</p>

<p>তারেক রহমান বলেন, &lsquo;আসুন, সবাই শপথ গ্রহণ করি যে, যার যার অবস্থান থেকে সামর্থ্য অনুযায়ী অসহায় মানুষের জন্য সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেব। আজকের দিনে এটিই হোক আমাদের প্রত্যাশা, এটিই হোক আমাদের অর্জন।&rsquo;</p>

<p>এসময় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক রফিকুল আলম মজনু, মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক আমিনুল হক, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আবদুস সালাম, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল আলম মিল্টন, স্বেচ্ছাসেবক দলের রাজীব আহসান, ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>এর আগে খিলগাঁওয়ের জোড় পুকুর মাঠে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, &lsquo;ঢাকা দক্ষিণের অনেকগুলো স্থান গাড়ি নিয়ে ঘুরে দেখেছি। শুধু কোরবানির বর্জ্য নয়, অন্যান্য আবর্জনা কতটুকু পরিষ্কার করা হচ্ছে তারও তদারকি করতে হবে। আমরা যারা এই শহরে বসবাস করি এবং বাংলাদেশের নাগরিক তাদেরকে বলতে চাই, এই দেশ যেমন আমাদের, এই শহরটাও তেমনি আমাদেরই। এই কথাটি সবাইকে উপলব্ধি করতে হবে।&rsquo;</p>

<p>তিনি আরো বলেন, &lsquo;সিটি করপোরেশনের দায়িত্ব, অবশ্যই তারা পালন করবে।</p>
</article>

<article>পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন। কিন্তু নাগরিক হিসেবে আমাদেরও কিছু দায়িত্ব আছে। যতটুকু সম্ভব শহরটাকে কম নোংরা করার চেষ্টা করা উচিত। তাহলেই এই মহানগর আরও পরিচ্ছন্ন থাকবে।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই শহর পরিষ্কার থাকলে সবার হাঁটাচলার যেমন সুবিধা, তেমনি পরিবেশটাও বাসযোগ্য ও সুন্দর থাকবে। পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের জন্যও যথাযথভাবে পরিষ্কার রাখার কাজটা সহজ হবে। &nbsp;</p>

<p>তিনি বলেন, &lsquo;প্রেসিডেন্ট জিয়ার শাহাদত বরণের পর ৪৫ বছর ধরে এই দিনে আমাদের নেতৃবৃন্দ চেষ্টা করেন নিজ নিজ এলাকায় দুঃস্থ মানুষদের জন্য সহযোগিতার হাত বাড়ানোর।&rsquo;</p>

<p>বাবাকে স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, &lsquo;শহীদ জিয়াউর রহমান সবাইকে বলেছেন দুঃস্থ মানুষের পাশে দাঁড়াতে। তিনি শিখিয়েছেন কাজ করার মাধ্যমে দেশ গঠনের প্রক্রিয়া। তাঁর গড়া রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী হিসেবে সবাই নিজেদের অবস্থান থেকে এবং সরকার বিভিন্ন পরিকল্পনা ও কর্মসূচি গ্রহণের মাধ্যমে দেশ ও দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করার চেষ্টা করতে হবে।&rsquo;</p>

<p>প্রধানমন্ত্রী বলেন, &lsquo;দেশের সচ্ছল ব্যক্তিরা এগিয়ে এলে আমরা দ্রুতই জনগণের ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারব।&rsquo;</p>

<p>তিনি আরো বলেন, &lsquo;জিয়াউর রহমান এই দেশ ও দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনের জন্যই রাজনীতি শুরু করেছিলেন। গত ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে আল্লাহর রহমতে দেশের জনগণ আবারও বিএনপিকে নতুন বাংলাদেশ গঠনের দায়িত্ব দিয়েছেন। আমাদের সব ক্ষমতার উৎস তারাই। কাজেই জনগণের সহযোগিতা ও সমর্থন অব্যাহত থাকলে সরকার দ্রুতই দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে পারবে।&rsquo;</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/779-99.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ঈদের ছুটি শেষে রাজধানীতে ফিরছেন কর্মমুখী মানুষ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28594</link>
    <pubDate>Sun, 31 May 2026 10:42:51 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28594</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/972-88.jpg" />    <article>
<p>ঈদের ছুটি শেষে রাজধানীতে ফিরতে শুরু করেছেন কর্মমুখী মানুষ। তবে অন্য বছরের তুলনায় এবার ফিরতি যাত্রায় চাপ তুলনামূলক কম দেখা যাচ্ছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>রবিবার (৩১ মে) সকাল থেকে রাজধানীর বিভিন্ন প্রবেশপথ, গাবতলী, সায়েদাবাদ ও মহাখালী বাস টার্মিনাল, কমলাপুর রেলস্টেশন এবং সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে যাত্রীদের আনাগোনা দেখা যায়। তবে কোথাও অতিরিক্ত ভিড় বা যাত্রীদের দুর্ভোগের চিত্র চোখে পড়েনি। পরিবহন ব্যবস্থাও ছিল স্বাভাবিক।</p>

<p>দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকে লঞ্চযোগে ঢাকায় ফিরেছেন অনেক যাত্রী।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/972-88.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানালেন প্রধানমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28593</link>
    <pubDate>Sun, 31 May 2026 10:41:41 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28593</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1094-77.jpg" />    <article>
<p>সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে জিয়া উদ্যানে তার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।</p>

<p>শনিবার (৩০ মে) সকাল ১১টায় তারেক রহমানের নেতৃত্বে দলের কেন্দ্রীয় নেতারা এবং সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও জিয়ারত করেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দীন আহমদ, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মঈন খান, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক ও শিল্পবিষয়ক উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, ঢাকা-৩ আসনের এমপি গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাখাওয়াত হোসেন বকুল, মহিলা ও শিশুবিষয়কমন্ত্রী ডা. জাহিদ হোসেন, ডিএসসিসির প্রশাসক আব্দুস সালাম প্রমুখ।</p>

<p>জিয়ারত শেষে মাজার প্রাঙ্গণে জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের উদ্যোগে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।<br />
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সকাল সাড়ে ১১টায় রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউয়ে টি অ্যান্ড টি খেলার মাঠসংলগ্ন এলাকায় দুস্থ মানুষের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী ও বস্ত্র বিতরণ কার্যক্রমে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। পরে ধারাবাহিকভাবে ঢাকার আরো বেশ কিছু স্থানে আয়োজিত এসব কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে তার।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1094-77.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি চুক্তিতে বাধা কারা?]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28592</link>
    <pubDate>Sun, 31 May 2026 10:40:34 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28592</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1211-66.jpg" />    <article>
<p>দীর্ঘদিনের সামরিক ও রাজনৈতিক অচলাবস্থা কাটিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি সমঝোতা চুক্তির আভাস মিলতেই তেহরানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধ শেষ হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হলেও ইরানের ভেতরে একটি শক্তিশালী গোষ্ঠী এই চুক্তি ঠেকাতে মরিয়া হয়ে উঠেছে জানা গেছে নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>গণমাধ্যমটির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের সংসদ এবং দেশটির সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের কিছু প্রভাবশালী সদস্য নিয়ে এই কট্টরপন্থী শিবিরটি গঠিত। তারা সংখ্যাগরিষ্ঠ না হলেও জনসভা, মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এবং রাজনৈতিক চাপ প্রয়োগ করে ওয়াশিংটনের সঙ্গে যেকোনো ধরনের আপসের তীব্র বিরোধিতা করছে।</p>

<p>চুক্তিটি শেষ পর্যন্ত আলোর মুখ দেখবে কি না, তা এখনো অনিশ্চিত। গত শুক্রবার হোয়াইট হাউসের সিচুয়েশনরুমে দীর্ঘ দুই ঘণ্টা ধরে মন্ত্রিপরিষদের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করলেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া থেকে বিরত থাকেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>অন্যদিকে, তেহরানের প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্পষ্ট জানিয়েছেন, ইরান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বাস করে না এবং &lsquo;শত্রুপক্ষ আগে পদক্ষেপ না নিলে&rsquo; ইরান কোনো পদক্ষেপ নেবে না।</p>

<p>এদিকে চুক্তি চূড়ান্ত হওয়ার আগেই ইরানের ভেতরে এই বিতর্ক এখন প্রকাশ্য রূপ নিয়েছে। কট্টরপন্থীদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ক্রমাগত এই আলোচনার সমালোচনা করছে এবং আলোচনাটি ব্যর্থ হয়েছে বলে প্রচার করছে।</p>

<p>এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান সম্প্রতি রাষ্ট্রীয় টিভির শীর্ষ কর্মকর্তাদের তলব করেন এবং তাদের এই ধরনের নেতিবাচক কভারেজের মাধ্যমে রাজনৈতিক বিভেদ না বাড়াতে সতর্ক করেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>পেজেশকিয়ান মনে করিয়ে দেন, যুদ্ধের প্রথম দিনেই নিহত হওয়া ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিই স্বয়ং আলোচনার টেবিলে বসার বিষয়ে সম্মত ছিলেন। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, &lsquo;অথচ এখন আমরা প্রচার করছি যে আমাদের আলোচনা করা উচিত নয়।&rsquo;</p>

<p>গণমাধ্যমের তথ্যানুযায়ী, চুক্তিবিরোধী এই মনোভাবের বড় বহিঃপ্রকাশ ঘটে গত শুক্রবার তেহরানের রাস্তায়। সেখানে কট্টরপন্থী সমর্থকেরা ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে জড়ো হন এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ বজায় রাখার স্লোগান দেন। কট্টরপন্থী রক্ষণশীল এমপি ইব্রাহিম আজিজি সামাজিক মাধ্যমে লেখেন, &lsquo;ট্রাম্পের জানা উচিত যে ইরান যুদ্ধের বিজয়ী পক্ষ এবং ইরানই চুক্তির শর্ত নির্ধারণ করবে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1211-66.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[সাবমেরিন ক্যাবল সুরক্ষায় পানির নিচে ড্রোন প্রযুক্তি তৈরি করবে আকাস]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28591</link>
    <pubDate>Sun, 31 May 2026 10:38:23 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28591</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1311-55.jpg" />    <article>
<p>সামরিক জোট &lsquo;আকাস&rsquo;-এর অধীনে সাবমেরিন ক্যাবল রক্ষা এবং প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করতে পানির নিচে চালিত ড্রোন বা আন্ডারওয়াটার ড্রোন প্রযুক্তি তৈরি করার ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়া।</p>

<p>চালকবিহীন এই ডুবোযান (ইউইউভি) প্রযুক্তি আগামী বছরের মধ্যেই প্রস্তুত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।</p>
</article>

<article>প্রকল্পটির মোট ব্যয় কত হবে তা সুনির্দিষ্টভাবে জানানো না হলেও, যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষামন্ত্রী জন হিলি জানিয়েছেন যে তার দেশ এতে ১৫ কোটি পাউন্ড (২০ কোটি ১০ লাখ ডলার) অবদান রাখবে।
<p>&nbsp;</p>

<p>সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত একটি নিরাপত্তা সম্মেলনে তিন দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রীদের পক্ষ থেকে এই ঘোষণাটি এমন এক সময়ে এল, যখন আকাস জোটের প্রকল্পগুলোর ধীরগতি নিয়ে নানা মহলে সমালোচনা চলছে।</p>

<p>এই সমালোচনা স্বীকার করে নিয়ে জন হিলি বলেন, &lsquo;আকাসে আমরা দীর্ঘদিন ধরে বড্ড বেশি কথা বলেছি এবং কাজ করেছি খুব কম। তবে আমাদের তিনটি সরকারের অধীনে এখন সেই পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়েছে।</p>
</article>

<article>&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>২০২১ সালে যাত্রা শুরু করা আকাস প্রতিরক্ষা চুক্তির মূল লক্ষ্য ছিল তিন দেশের মধ্যে পারমাণবিক সাবমেরিন তৈরি এবং সামরিক দক্ষতা ভাগাভাগি করা।</p>

<p>ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে চীনের ক্রমবর্ধমান নৌ-উপস্থিতি এবং দক্ষিণ চীন সাগরের মতো বিরোধপূর্ণ এলাকায় বেইজিংয়ের প্রভাব মোকাবিলা করার একটি কৌশল হিসেবেই এই জোটকে ব্যাপকভাবে দেখা হয়।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1311-55.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[হরমুজে চলাচলকারী জাহাজগুলোর প্রতি ইরানের সতর্কবার্তা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28590</link>
    <pubDate>Sun, 31 May 2026 10:37:31 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28590</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1377-44.jpg" />    <article>
<p>হরমুজ প্রণালির ওপর নিজেদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ পুনর্ব্যক্ত করে বাণিজ্যিক ও সামরিক জাহাজগুলোর প্রতি কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছে ইরান। দেশটির সামরিক বাহিনীর কেন্দ্রীয় সদর দপ্তর (খাতাম আল-আম্বিয়া) এ নির্দেশনা জারি করেছে।</p>
</article>

<article>শনিবার ( ৩০ মে) আলজাজিরার লাইভ আপডেটে এ তথ্য জানানো হয়।
<p>&nbsp;</p>

<p>গণমাধ্যমটির জানায়, ইরানি গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে সদর দপ্তরটি বলেছে, হরমুজ প্রণালির ব্যবস্থাপনা ইরানের সশস্ত্রবাহিনীর পূর্ণ কর্তৃত্বের অধীনে পরিচালিত হচ্ছে। তাই সব বাণিজ্যিক জাহাজ, তেলবাহী ট্যাংকার এবং অন্যান্য নৌযানকে নির্ধারিত রুট অনুসরণ করে চলাচল করতে হবে।</p>

<p>বিবৃতিতে আরো বলা হয়, যাত্রার আগে ইসলামি বিপ্লবী গার্ডবাহিনীর (আইআরজিসি) নৌবাহিনীর অনুমতি গ্রহণ বাধ্যতামূলক।</p>
</article>

<article>নির্দেশনা না মানলে সংশ্লিষ্ট জাহাজগুলোর নিরাপত্তা মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে। এসব বিধিনিষেধ লঙ্ঘন করলে তার ফলাফল ভয়াবহ হতে পারে।
<p>&nbsp;</p>

<p>একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালি এলাকায় অবস্থানরত বিদেশি সামরিক বাহিনীগুলোকেও সতর্ক করেছে তেহরান। ইরান স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, সামুদ্রিক চলাচল বা প্রণালির ব্যবস্থাপনায় কোনো ধরনের হস্তক্ষেপের চেষ্টা করা হলে তার উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1377-44.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[জান্তাপ্রধান থেকে প্রেসিডেন্ট, প্রথম বিদেশ সফরে ভারতে হ্লাইং]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28589</link>
    <pubDate>Sun, 31 May 2026 10:36:44 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28589</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1459-33.jpg" />    <article>
<p>মায়ানমারের প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেওয়ার&nbsp;দুই মাসেরও কম সময়ের মধ্যে&nbsp;প্রথম বিদেশ সফরে প্রতিবেশী ভারতে মিন অং হ্লাইং। শনিবার (৩০ মে) সন্ধ্যায় দিল্লি পৌঁছাবে এই সাবেক জান্তাপ্রধান।</p>
</article>

<article>তার আগে তিনি বিহারের বুদ্ধগয়ায় পৌঁছায়। সেখানে মহাবোধি মন্দির পরিদর্শনের মাধ্যমে সফর শুরু করবেন জানা গেছে।
<p>&nbsp;</p>

<p><strong><a href="https://www.thehindu.com/news/national/myanmar-president-aung-hlaing-india-visit-updates-may-30-2026/article71040426.ece">দ্য হিন্দু</a></strong>র এক প্রতিবেদনে বলা হয়, হ্লাইংয়ের পাঁচ দিনের ভারত সফরের মূল লক্ষ্য বাণিজ্য, যোগাযোগ, সীমান্ত নিরাপত্তা এবং প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।&nbsp;</p>

<p>মায়ানমারের সাবেক এই সামরিক নেতা ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং ভারতীয় ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন।</p>
</article>

<article>এ ছাড়া তিনি ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গেও সাক্ষাৎ করবেন বলে জানা গেছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>গেল এপ্রিল মাসে বিতর্কিত নির্বাচনের মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেওয়ার পর এটিই মিন অং হ্লাইংয়ের প্রথম আন্তর্জাতিক সফর।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1459-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[টাইব্রেকার রোমাঞ্চে আর্সেনালকে হারিয়ে ফের ইউরোপসেরা পিএসজি]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/28588</link>
    <pubDate>Sun, 31 May 2026 10:35:28 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/28588</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1497-22.jpg" />    <article>
<p>ম&zwj;্যাচের শুরুতেই এগিয়ে যাওয়ার পর রক্ষণাত্মক ফুটবল খেলল আর্সেনাল। দ্বিতীয়ার্ধে সমতা ফেরাল পুরোটা সময় আক্রমণাত্মক খেলা পিএসজি।</p>
</article>

<article>অতিরিক্ত সময়ে ব&zwj;্যবধান গড়ে দিতে পারল না কোনো দলই। ম&zwj;্যাচের ভাগ&zwj;্য নির্ধারণ হলো রুদ্ধশ্বাস টাইব্রেকারে। সেখানে বাজিমাত করল পিএসজি।&nbsp;শ্বারুদ্ধকর টাইব্রেকারে ৪-৩ ব&zwj;্যবধানে জিতে টানা দ্বিতীয়বারের শিরোপা ধরে রাখল চ&zwj;্যাম্পিয়নস লিগের শিরোপা।</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>বুদাপেস্টের পুসকাস স্টেডিয়ামে আসা দর্শকরা তখনো গ্যালারির সিটে ঠিকঠাক থিতু হতে পারেননি। শনিবার বাংলাদেশ সময় রাত ১০টায় রেফারির বাঁশিতে ম্যাচ শুরুর পর পাসিং ফুটবল দেখা আর খোশগল্পে মত্ত ছিল অনেক দর্শক। ঠিক তখনই পিএসজিকে স্তব্ধ করে অঘটনের জন্ম দেন কাই হাভার্টজ। ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটেই এই জার্মান ফরোয়ার্ডের গোলে এগিয়ে যায় আর্সেনাল।</p>
</article>

<article>শুরুর সেই ধাক্কা সামলে প্রথমার্ধে আর ম্যাচে ফেরা হয়নি পিএসজির।
<p>&nbsp;</p>

<p>দ্বিতীয়ার্ধের ৬২তম মিনিটে মসকেরার ভুলেই পিএসজি ম্যাচ ফেরার সুবর্ণ সুযোগ পেয়ে যায়। মসকেরার ঠিক সামনে পজিশন নিয়ে নিয়েছিলেন খিচা কাভারাস্কেইয়া। তখনই পেছন থেকে এই জর্জিয়ান ফরোয়ার্ডকে বেশ ফাউল করে বসেন মাসকেরা। রেফারি কিছুটা দ্বিধা করলেও শেষ পর্যন্ত পেনাল্টির নির্দেশ দেন।</p>
</article>

<article>আর পেনাল্টি থেকে গোল আদায় করেন উসমান দেম্বেলে। পেনাল্টির আগেও কিছু নাটক দেখা যায়।
<p>&nbsp;</p>

<p>পেনাল্টি শটের সময় কিছুটা সময়ক্ষেপেরন চেষ্টা করছিল আর্সেনাল। বিশেষ করে ডেভিড রায়া বল দখলে রাখার চেষ্টা করেন। ফলে রেফারিকে বেশ কড়াভাবেই দুই দলের খেলোয়াড়দের পেনাল্টি বক্স থেকে বেরিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিতে হয়। তবে সব চাপ সামলে চমৎকার ঠান্ডা মাথায় স্পট-কিক নেন দেম্বেলে। তাতেই সমতায় ফেলে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা।</p>

<p>৭১তম মিনিটে হাকিমির একটি ক্রস থেকে আরেকবার চেষ্টা চালান দেম্বেলে। ডান প্রান্ত দিয়ে সেই চেষ্টায় বাধা হয়ে দাঁড়ান গ্রাবিয়েল। শেষ পর্যন্ত ফরাসি ফরোয়ার্ডের বল বারের ডান পাশ দিয়ে বাইরে চলে যায়।</p>

<p>ঠিক সাত মিনিট পর একক প্রচেষ্টায় আক্রমণে ওঠেন কাভারাস্কেইয়া। মিডফিল্ডের কাছাকাছি বল পেয়ে হেডের সাহায্যে নিজের নিয়ন্ত্রণে নেন জর্জিয়ান ফরোয়ার্ড। বল নিয়ে বাঁ প্রান্ত দিয়ে দুর্দান্ত গতিতে বক্সে ঢুকে পড়েন। তবে শট নিতে তিনি কিছুটা বেশি সময় নিয়ে ফেলেন; যার পুরো ফায়দা তুলে একদম সঠিক পজিশনে থাকা লুইস-স্কেলি তাঁর শটটি ডিফ্লেক্ট করে দেন এবং বল গিয়ে প্রথম পোস্টে আঘাত করে।</p>

<p>৮৩তম মিনিটে দুই দল খেলোয়াড় পরিবর্তন করেন। ট্রাসোর্ড ও বুকোয়া সাকাকে তুলে ননি মাদুয়েকে ও মার্তিন্নেলিকে মাঠে নামার মিকেল আরতেতা। অন্যদিকে কাভারাস্কেইয়াকে উঠিয়ে বারকোলাকে নামান লুইস এনরিকে। এর আগে ৬৬ মিনিটে মার্টিন ওডেগার্ডের বদলি হিসেবে ভিক্টর ইয়োকেরেস ও মাসকেরার পরিবর্তে জুরিয়ান টিম্বারকে নামানো হয়।</p>

<p>পূর্ণাঙ্গ সময়ের মিনিট পাঁচেক আগে কর্নার থেকে উড়ে আসা বলে মাথা ছুঁইয়ে ফ্লিক করেন হাভার্টজ। কিন্তু বল ইয়োকেরেসের মাথার সামান্য ওপর দিয়ে চলে যায় এবং শেষ পর্যন্ত পিএসজি বিপদ মুক্ত করে। বল পেয়েই আক্রমণে ওঠেন বদলি হিসেবে নামা বারকোলা। তবে দুর্দান্ত দক্ষতায় নিজের লাইন ছেড়ে সামনে এগিয়ে এসে বক্সের ঠিক ভেতরে বলটি গ্লাভসবন্দি করেন রায়া।</p>

<p>যোগ করা সময়ে মনে হচ্ছিল, বারকোলা এগিয়ে জয়সূচক গোলটি করেই ফেলবেন। ষষ্ঠ মিনিটে একাই বাঁ-প্রান্ত দিয়ে বল নিয়ে ছোটেন ফ্রান্স ফরোয়ার্ড। শেষ পর্যন্ত তার প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়। তাতে খেলা গড়ায় অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে।</p>

<p>যোগ করা ৩০ মিনিটে সুরহা না হওয়াতে ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। পিএসজির হয়ে প্রথম শট নেন রামোস। তার অব্যর্থ নিশানার পর ভুল করেননি আর্সেনালের ভিক্টোর ইয়োকেরেস। ডানদিকের নিচু শটে আদায় করেন গোল।</p>

<p>পিএসজির হয়ে দ্বিতীয় শট নেয় দুয়ে। ফরাসি ফরোয়ার্ডকে বেগ পেতে হয়নি। ইয়োকেরেসের মতো তিনিও ডানদিকে শট নেন। এজে গড়বড় করে বসেন। তার শট বারের বাঁ পাশ দিয়ে বাইরে চলে যায়। শট নিতে এসে থেমে যান ইংলিশ অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার। এরপর শট নিয়ে করেন ভুল।</p>

<p>কয়েক সেকেন্ডের জন্য স্তব্ধ হয়ে যাওয়া আর্সেনাল শিবিরে প্রাণ ফিরে রায়ার বদৌলতে, নুনো মেন্দেসের বল ঠেকিয়ে দেন এই স্প্যানিশ গোলকিপার।</p>

<p>এরপর, দুই দলেরই পরের দুটি করে শট জালে জড়ায়। শেষ শটটি নিতে আসেন প্রিমিয়ার লিগ চ্যাম্পিয়নদের ডিফেন্ডার গাব্রিয়েল; প্রবল চাপের মুহূর্তে শট লক্ষ্যেই রাখতে পারেননি তিনি, উড়িয়ে মারেন আকাশে! তাতে আরো একবার আর্সেনালের ইউরোপ সেরা হওয়ার স্বপ্নটাও উড়ে যায়।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1497-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[অস্কারজয়ী চলচ্চিত্র সম্পাদক মার্সিয়া লুকাস আর নেই]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/28587</link>
    <pubDate>Sun, 31 May 2026 10:34:28 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/28587</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1595-11.jpg" />    <article>
<p>হলিউডের কিংবদন্তি চলচ্চিত্র সম্পাদক এবং অস্কারজয়ী মার্সিয়া লুকাস আর নেই। &lsquo;স্টার ওয়ার্স&rsquo; চলচ্চিত্রের সম্পাদনায় গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য পরিচিত এই নির্মাতা স্থানীয় সময় শুক্রবার (২৯ মে) মৃত্যুবরণ করেছেন।</p>
</article>

<article>মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮০ বছর।
<p>&nbsp;</p>

<p>পরিবারের আইনজীবীর বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে মেটাস্ট্যাটিক ক্যান্সারে ভুগছিলেন মার্সিয়া লুকাস। গত বুধবার ক্যালিফোর্নিয়ার র&zwj;্যাঞ্চো মিরাজে পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।</p>

<p>মার্সিয়া লুকাস ১৯৬৯ থেকে ১৯৮৩ সাল পর্যন্ত &lsquo;স্টার ওয়ার্স&rsquo; স্রষ্টা জর্জ লুকাসের স্ত্রী ছিলেন।</p>
</article>

<article>এই সময়ের মধ্যে তাঁরা একসঙ্গে বেশ কয়েকটি উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রে কাজ করেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>১৯৭৭ সালের মূল &lsquo;স্টার ওয়ার্স&rsquo; চলচ্চিত্রের সম্পাদনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন মার্সিয়া। এছাড়া &lsquo;রিটার্ন অব দ্য জেডাই&rsquo;, &lsquo;টিএইচএক্স ১১৩৮&rsquo; এবং &lsquo;আমেরিকান গ্রাফিতি&rsquo;সহ একাধিক চলচ্চিত্রের সম্পাদনার দায়িত্বও পালন করেছেন তিনি।</p>

<p>শুধু জর্জ লুকাসের কাজেই নয়, খ্যাতিমান নির্মাতা মার্টিন স্করসেসির বেশ কয়েকটি আলোচিত সিনেমার সম্পাদনা দলেও ছিলেন মার্সিয়া লুকাস।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1595-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[Eid Al-Adha Celebrated Across the United States]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/english/28586</link>
    <pubDate>Sat, 30 May 2026 17:49:20 +0600</pubDate>
    <category> English </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/english/28586</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/05302026_news0201_eidul_azha_ny.jpg" />    <p>New York: While Bangladesh observed Eid al-Adha a day later, Muslims across the United States&mdash;including the Bangladeshi-American community&mdash;celebrated the festival on Wednesday. More than 3,500 Eid congregations were organized nationwide, including over 200 arranged by Bangladeshi community organizations. Thousands of worshippers gathered for the morning Eid prayers, with attendance exceeding expectations.</p>

<p>Most Eid prayers were held in open parks, sports fields, and hotel ballrooms. Favorable weather encouraged strong participation, particularly among young Muslims. Special prayers were offered at every congregation for peace, prosperity, and unity throughout the Muslim world.</p>

<p><img alt="" src="https://khabor.com/upload/images/news/05302026_news0202_eidul_azha_ny.jpg" style="width: 899px; height: 674px;" /></p>

<p>In New York City, one of the nation&#39;s leading commercial and cultural centers, major Eid congregations took place at Jamaica Muslim Center, Al-Amin Mosque, Bangladesh Muslim Center, Baitul Jannah Mosque, Al-Aman Mosque, Parkchester Jame Mosque, Springfield Gardens Mosque, Shahjalal Jame Mosque, and along Bangladesh Street in Jackson Heights. Several mosques hosted more than 5,000 worshippers for Eid prayers. The New York City Police Department implemented enhanced security measures to ensure the safety of attendees during the celebrations.</p>

<p>New York City&#39;s first Muslim mayor, Zohran Mamdani, also joined Eid prayers at a Bangladeshi-operated mosque in the Bronx. Following the prayers, many worshippers traveled to designated facilities to perform the ritual sacrifice of animals.</p>

<p>Meanwhile, reports indicate that well over 100,000 Bangladeshis living in states such as New York, New Jersey, Pennsylvania, Connecticut, Massachusetts, Virginia, Maryland, Texas, Michigan, Florida, Georgia, California, Illinois, Minnesota, Washington, Rhode Island, Kansas, and Kentucky participated in the Eid sacrifice this year. In addition, nearly another 100,000 members of the Bangladeshi community in the greater New York area placed orders for sacrificial animals through local grocery stores and supermarkets.</p>

<p>In several states&mdash;including Texas, Florida, Washington, Arizona, Michigan, and Pennsylvania&mdash;many families were seen performing animal sacrifices in open fields, similar to the traditional practice in Bangladesh.</p>

<p>As Muslim communities have increasingly celebrated Eid together across the United States in recent years, obtaining leave from schools, colleges, workplaces, and government offices has become easier. In New York City, public schools have officially recognized Eid as a school holiday since 2015. Several other states, including Maryland, Massachusetts, Michigan, Minnesota, and Virginia, also allow Muslim students, government employees, and workers to take leave in observance of Eid.</p>

<p><br />
&nbsp;</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/05302026_news0201_eidul_azha_ny.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিউইয়র্কে অল কাউন্টি হোম কেয়ারের অষ্টম শাখার উদ্বোধন]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/28585</link>
    <pubDate>Sat, 30 May 2026 17:36:28 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/28585</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/05302026_news0101_all_county.jpeg" />    <p>নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে অল কাউন্টি হেলথকেয়ার গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান অল কাউন্টি হোম কেয়ারের অষ্টম শাখার উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত শুক্রবার (২২ মে) বিকেল ৫টায় ফিতা কেটে প্রতিষ্ঠানটির উদ্বোধন করা হয়। ফিতা কেটে উদ্বোধন করেন অল কাউন্টি হেলথকেয়ার গ্রুপের সিইও মোহাম্মদ কাদের, সিআইপি। এসময় জনপ্রিয় অভিনেত্রী মৌসুমী, অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী, সাজল ও যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি নেতা গিয়াস আহমেদ, কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট ফাহাদ সোলাইমানসহ কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।</p>

<p>প্রতিষ্ঠান উদ্বোধনকালে মোহাম্মদ কাদের বলেন, মানুষের সেবার লক্ষ্য নিয়েই অল কাউন্টি হোম কেয়ারের যাত্রা শুরু হয়েছিল এবং কমিউনিটির সহযোগিতায় প্রতিষ্ঠানটি আজ একটি বিশ্বস্ত স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। সমাপনী বক্তব্যে অল কাউন্টির চেয়ারম্যান সিফা আমিন বলেন, প্রতিষ্ঠানটি সততা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কমিউনিটির সেবায় কাজ করে যাবে।</p>

<p>আমন্ত্রিত অতিথিরা বলেন, জ্যাকসন হাইটসের বুকে অল কাউন্টি হোম কেয়ারের নতুন এই যাত্রা শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের সম্প্রসারণ নয়, বরং প্রবাসী বাংলাদেশিদের ঐক্য, পরিশ্রম ও মানবসেবার এক গর্বিত মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/05302026_news0101_all_county.jpeg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিউ ইয়র্কে বাংলাদেশী আমেরিকান ফাউন্ডেশন অ্যাওয়ার্ড ২০২৬ সম্পন্ন]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/28584</link>
    <pubDate>Sat, 30 May 2026 17:33:55 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/28584</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/05232026_news0401_bamf_awards.jpg" />    <p>নিউ ইয়র্ক: নিউ ইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে বাংলাদেশী আমেরিকান মিডিয়া ফাউন্ডেশন (বিএএমএফ) আয়োজিত &ldquo;BAMF Awards 2026&rdquo; উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। নবান্ন মিলনায়তনে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিক, সাহিত্যিক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও মূলধারার প্রতিনিধিরা অংশ নেন। প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আকবর হায়দার কিরনের সঞ্চালনায় শুরু হয় &ldquo;বিএএমএফ এওয়ার্ডস ২০২৬&rdquo;-এর সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন রোকেয়া হায়দার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খ্যাতনামা সাংবাদিক ও লেখক মনজুর আহমদ, শিক্ষাবিদ ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ, সিনিয়র সাংবাদিক কাজী মন্টু, ক্রীড়াবিদ ও লেখক সাঈদুর রব, মূলধারার বিশিষ্টজন মীর বাসার, প্রকাশনা উদ্যোক্তা মনিরুল হক এবং সাংবাদিক-লেখক মনিজা রহমান।</p>

<p>অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রবাসে জন্ম ও বেড়ে ওঠা তরুণ শিল্পী আলভান চৌধুরী &ldquo;ও আমার দেশের মাটি&rdquo; ও একটি ইংরেজি গান পরিবেশন করে দর্শকদের প্রশংসা অর্জন করেন। এবারের অনুষ্ঠানে লাইফ অ্যাচিভমেন্ট ও বিশেষ সম্মাননা দেওয়া হয় বেতার ব্যক্তিত্ব ইকবাল বাহার চৌধুরী, সরকার কবীর উদ্দিন, মাসুমা খাতুন এবং রোকেয়া হায়দারকে। সাংবাদিকতা, সাহিত্য, সংস্কৃতি, সমাজসেবা ও মূলধারায় অবদানের জন্য সম্মাননা লাভ করেন মনজুর আহমদ, কাজী মন্টু, ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ, সাঈদুর রব, এম এম শাহীন, শাহ নেওয়াজ, মীর বাসার, হেলালুল করিম, মীর শিবলী, মনিজা রহমান, শিব্বীর আহমেদ, সাকিল মিয়া এবং সাহিত্য একাডেমি।</p>

<p>এছাড়া সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ আবদুর রব ও তরুণ ব্যবসায়ী দুলাল বেহেদু। বিএএমএফ-এর অন্যতম উপদেষ্টা কাজী মন্টু সংগঠনের লক্ষ্য ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বক্তব্য দেন। প্রধান অতিথি রোকেয়া হায়দার তাঁর বক্তব্যে বাংলাদেশী আমেরিকান মিডিয়া ফাউন্ডেশনের আদর্শ, সাংস্কৃতিক কার্যক্রম এবং কমিউনিটিভিত্তিক উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, এ ধরনের আয়োজন প্রবাসে বাংলা ভাষা, সংস্কৃতি ও নতুন প্রজন্মের মধ্যে শেকড়ের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/05232026_news0401_bamf_awards.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[সাংবাদিকতা ও লেখনীর জন্য সম্মাননা পেলেন শিব্বীর আহমেদ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/28583</link>
    <pubDate>Sat, 30 May 2026 17:30:09 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/28583</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/05232026_news0401_bamf_awards.jpg" />    <p>নিউ ইয়র্ক: সাংবাদিকতা ও লেখনীর জন্য সম্মাননা পেলেন লেখক সাংবাদিক শিব্বীর আহমেদ। ২১ মে সন্ধ্যায় নিউ ইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসের নবান্ন মিলনায়তনে বাংলাদেশী আমেরিকান মিডিয়া ফাউন্ডেশন কর্তৃক এই সম্মাননা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশী আমেরিকান মিডিয়া ফাউন্ডেশন সভাপতি আকবর হায়দার কিরণ এবং অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভয়েস অফ আমেরিকা বাংলা বিভাগের সাবেক প্রধান রোকেয়া হায়দার।</p>

<p><img alt="" src="https://khabor.com/upload/images/news/05232026_news0402_bamf_awards.jpg" style="width: 899px; height: 599px;" /></p>

<p>বাংলাদেশী আমেরিকান মিডিয়া ফাউন্ডেশন কর্তৃক এই সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে আরো সম্মাননা প্রদান করা হয় ভয়েস অফ আমেরিকা বাংলা বিভাগের সাবেক প্রধান ও ব্রডকাস্টার ইকবাল বাহার চৌধুরী, &nbsp;ভয়েস অফ আমেরিকা বাংলা বিভাগের সাবেক ব্রডকাস্টার সরকার কবীরুদ্দিন, &nbsp;ভয়েস অফ আমেরিকা বাংলা বিভাগের সাবেক প্রধান ও &nbsp;ব্রডকাস্টার রোকেয়া হায়দার, লেখক সাংবাদিক মনজুর আহমেদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা ডঃ জিয়াউদ্দিন আহমেদ, সাংবাদিক কাজী মন্টু, সাংবাদিক ও ক্রীড়াবিদ সাঈদুর রব, ঠিকানা মিডিয়ার চেয়ারম্যান এম এম শাহীন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও লায়ন শাহ নেওয়াজ, প্রকাশক মনিরুল হক, নিউ ইয়র্ক সিটি মেয়র অফিসের মূলধারার কর্মকর্তা মীর বাসার, মূলধারার নেতা হেলালুল করিম, বাংলা টিভির প্রধান মীর শিবলী, লেখক সাংবাদিক মনিজা রহমান, &nbsp;জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসী সভাপতি সাকিল মিয়া এবং সাহিত্য একাডেমি।&nbsp;অনুষ্ঠানে দেশের বরেণ্য সাহিত্যিক লেখক শাহাদাত হোসাইন, মুক্তধারা সিইও বিশ্বজিৎ সাহা জ্যাকসন হাইটস এলাকার সর্বস্তরের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।&nbsp;</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/05232026_news0401_bamf_awards.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ডেঙ্গু প্রতিরোধে ৪৮ ঘণ্টা সময় দিলেন প্রধানমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28582</link>
    <pubDate>Sat, 30 May 2026 09:43:04 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28582</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/778-99.jpg" />    <article>
<p>ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার, পানি নিষ্কাশনের স্থান পরিষ্কার ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব&zwj;্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।</p>

<p>সংস্থা দুটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও), প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা ও প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে এ নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।</p>
</article>

<article>এতে ব্যর্থ হলে তাদের প্রত্যাহার ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
<p>&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/country-news/2026/05/29/1690839" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>এর আগে আজ ঈদের দ্বিতীয় দিনে রাজধানীতে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম যথাযথভাবে চলছে কি না, তা সরেজমিনে দেখতে মাঠে নামেন প্রধানমন্ত্রী। বিকেল ৪টার দিকে প্রধানমন্ত্রী নিজেই গাড়ি চালিয়ে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন।</p>

<p>প্রেস উইং জানায়, নগরীর বিভিন্ন স্থানে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম সঠিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে কি না, তা যাচাই করতেই তিনি এ পরিদর্শনে বের হন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রধানমন্ত্রীর সফরসূচি অনুযায়ী, তার গাড়ি গুলশান এভিনিউয়ের বাসভবন থেকে যাত্রা শুরু করে গুলশান-১, হাতিরঝিল, রামপুরা রোড ও মালিবাগের আবুল হোটেল হয়ে তালতলা মার্কেট ও বাসাবো সড়ক এলাকা প্রদক্ষিণ করে। নগরীর বিভিন্ন স্থানে কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম সঠিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে কি না, তা যাচাই করতেই তিনি এ পরিদর্শনে বের হন।</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/opinion/2026/05/29/1690831" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>পরে তিনি কমলাপুর স্টেডিয়াম, সায়েদাবাদ বাসস্ট্যান্ড, যাত্রাবাড়ী মোড়, ধোলাইখাল, শহীদ ফারুক সড়ক ও দয়াগঞ্জ হয়ে নারিন্দা এবং রায়সাহেব বাজার এলাকায় যান। এরপর আদালত সড়ক, নওয়াবপুর, বংশাল রোড, গুলিস্তান, শাহবাগ, এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও নিউ মার্কেট এলাকা ঘুরে দেখেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>সেখান থেকে সায়েন্স ল্যাবরেটরি, কলাবাগান, মিরপুর রোড, সিটি কলেজ, সীমান্ত স্কয়ার, জিগাতলা বাসস্ট্যান্ড ও মানিক মিয়া এভিনিউ হয়ে মহাখালী পর্যন্ত পরিদর্শন কার্যক্রম চালান তিনি। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন তার দুই উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান ও রুহুল কবীর রিজভী, ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/778-99.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী আজ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28581</link>
    <pubDate>Sat, 30 May 2026 09:42:15 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28581</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/971-88.jpg" />    <article>
<p>সাবেক রাষ্ট্রপতি, স্বাধীনতার ঘোষক, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)&rsquo;র প্রতিষ্ঠাতা এবং বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী আজ শনিবার।</p>

<p>১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে দেশি-বিদেশি চক্রান্তে সেনাবাহিনীর কিছু বিপথগামী সদস্য তাকে হত্যা করে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপি গত ২৫ মে থেকে ১ জুন পর্যন্ত আট দিনব্যাপী বিশেষ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।</p>

<p>ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, ২৫ মে থেকে ১ জুন পর্যন্ত সারা দেশে বিশেষ পোস্টার প্রকাশ করা হচ্ছে এবং দলীয় নেতাকর্মীরা কালো ব্যাজ ধারণ করছেন। এ ছাড়া বিভিন্ন সংবাদপত্র ও অনলাইন পোর্টালে বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করা হবে।</p>

<p>শনিবার (৩০ মে) ভোর ৬টায় নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারা দেশের সকল স্তরের দলীয় কার্যালয়ে দলীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা ও কালো পতাকা উত্তোলন করা হবে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>একই দিন সকাল ১১টায় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে দলের জাতীয় নেতৃবৃন্দ এবং সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও জিয়ারত করবেন। জিয়ারত শেষে মাজার প্রাঙ্গণে জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের উদ্যোগে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।</p>

<p>এ ছাড়া দিবসটি উপলক্ষে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের প্রতিটি থানায় এবং দেশের অন্যান্য ইউনিটে অসচ্ছল ও দুঃস্থ মানুষের মাঝে কাপড়, চাল, ডালসহ খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে।</p>

<p>একইভাবে দেশের সব জেলা, মহানগর ও অন্যান্য ইউনিটেও ৩০ মে ভোর ৬টায় দলীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা ও কালো পতাকা উত্তোলন করা হবে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/971-88.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[শান্তিরক্ষীদের সম্মান, বাংলাদেশের বৈশ্বিক ভূমিকার প্রশংসা জাতিসংঘের]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28580</link>
    <pubDate>Sat, 30 May 2026 09:41:35 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28580</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1093-77.jpg" />    <article>
<p>৪ হাজারেরও বেশি বাংলাদেশিসহ বিশ্বব্যাপী দায়িত্ব পালনরত ৫০ হাজারেরও বেশি শান্তিরক্ষীকে সম্মান জানিয়েছে জাতিসংঘ। একই সঙ্গে বৈশ্বিক শান্তির সেবায় জীবন উৎসর্গকারীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন বিশ্ব সংস্থাটি।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রতি বছর ২৯ মে পালিত জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস উপলক্ষে জাতিসংঘ বিশ্বের সবচেয়ে অস্থির সংঘাতপূর্ণ এলাকায় কর্মরত শান্তিরক্ষীদের নিষ্ঠা, সাহস ও আত্মত্যাগকে স্বীকৃতি দিয়েছে।</p>

<p>বাংলাদেশে জাতিসংঘ কার্যালয় শুক্রবার (২৯ মে) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, শান্তিরক্ষীদের কাজ বিশ্বব্যাপী শান্তি ও স্থিতিশীলতায় আরও বেশি বিনিয়োগের জরুরি প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি সামনে নিয়ে এসেছে।</p>

<p>বিবৃতিতে বলা হয়, তাদের কাজ শান্তিতে বিনিয়োগের তাগিদকে আরো জোরালো করেছে।</p>

<p>দিবসটি উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেন, বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ৫০ হাজারেরও বেশি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মোতায়েন রয়েছেন।</p>
</article>

<article>তারা বেসামরিক মানুষকে সুরক্ষা দিচ্ছেন এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায় সহায়তা করছেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি আরো বলেন, নিজ দেশ থেকে বহু দূরে গিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ কিছু এলাকায় তারা শত্রু পক্ষগুলোর মধ্যে উত্তেজনা কমানো, ত্রাণ সহায়তা পৌঁছানোর কাজে তদারকি, নির্বাচন আয়োজনের সহায়তা এবং রাজনৈতিক সমাধানের পথ তৈরিতে সহায়তা করছেন।</p>

<p>গুতেরেস অতীত ও বর্তমান সব শান্তিরক্ষীর প্রতি শ্রদ্ধা জানান। একই সঙ্গে ১৯৪৮ সাল থেকে এখন পর্যন্ত দায়িত্ব পালনকালে প্রাণ হারানো প্রায় সাড়ে ৪ হাজার শান্তিরক্ষীর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানান, যাদের মধ্যে গত বছরই প্রাণ হারিয়েছেন ৫৯ জন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1093-77.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’কে দেখতে চিড়িয়াখানায় দর্শনার্থীদের ভিড়]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28579</link>
    <pubDate>Sat, 30 May 2026 09:40:52 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28579</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1210-66.jpg" />    <article>
<p>দেশ-বিদেশে আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে অ্যালবিনো জাতের আলোচিত মহিষ &lsquo;ডোনাল্ড ট্রাম্প&rsquo;-এর কোরবানির বদলে ঠাঁই হয়েছে জাতীয় চিড়িয়াখানায়। দেয়ালবন্দি মহিষকে দেখতে ঈদুল আজহার দ্বিতীয় দিনে জাতীয় চিড়িয়াখানায় শিশু-কিশোরসহ দর্শনার্থীদের তীব্র ভিড়।</p>
</article>

<article>কেউ ছবি তুলেছেন আবার কেউ দূর থেকে সেলফি তুলছেন। এখন চিড়িয়াখানান মূল আকর্ষণ &nbsp;হয়ে উঠেছে &lsquo;ডোনাল্ড ট্রাম্প&rsquo;।
<p>&nbsp;</p>

<p><br />
শুক্রবার সরেজমিনে দেখা যায়, তীব্র আর ভ্যাপসা গরম উপেক্ষা করে সকাল ১০টা থেকেই ভিড় বেড়েছে মিরপুরের জাতীয় চিড়িয়াখানায়। তবে অনেকের মুখেই চিড়িয়াখানার কর্মীদের বলতে শোনা যাচ্ছিল, ট্রাম্প কোন দিকে।</p>
</article>

<article>চিড়িয়াখানার কর্মীরাও দেখিয়ে দিচ্ছেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>বাউন্ডারির বাইরে থেকে দর্শনার্থীরা ছবি তুলছেন, ট্রাম্প বলে ডাকছেন, কেউ কেউ দুষ্টামির ছলে একে অপরকে বলছেন, &lsquo;ট্রাম্পকে দেখে আমেরিকার ভিসা পাক্কা!&rsquo;</p>

<p>চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ বলছে, মূলত মহিষটি প্রদর্শনের জন্য নিয়ে আসা না হলেও নির্দিষ্ট দূরত্বে থেকে দর্শনার্থীরা অবশ্যই দেখার সুযোগ পাচ্ছেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1210-66.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ন্যাটো সদস্য রোমানিয়ায় রুশ ড্রোন হামলায় কেঁপে উঠল আবাসিক ভবন, আহত ২]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28578</link>
    <pubDate>Sat, 30 May 2026 09:39:57 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28578</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1310-55.jpg" />    <article>
<p>রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব এবার সরাসরি ন্যাটো সদস্য দেশ রোমানিয়ার ভেতরে পৌঁছে গেছে। ইউক্রেন সীমান্তঘেঁষা রোমানিয়ার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় গালাতি শহরে একটি ড্রোন শহরের একটি ১০ তলা আবাসিক ভবনে বিস্ফোরিত হওয়ায় দুজন আহত হন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, ইউক্রেন সীমান্তের কাছে গালাতি এলাকায় রাডারে শুক্রবার রাতে একটি রুশ ড্রোন রোমানিয়ার আকাশসীমায় প্রবেশ করতে দেখা যায়।</p>

<p>ঘটনাস্থলের ছবিতে দেখা গেছে, শহরটির ১০ তলা আবাসিক ভবনটির ছাদের একটি অংশ পুড়ে গেছে।</p>

<p>দেশটির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিস্ফোরিত হওয়ায় ওপরের তলার একটি ফ্ল্যাট ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এতে এক নারী ও এক শিশু আহত হয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা তাসের বরাতে <strong><a href="https://www.reuters.com/world/europe/apartment-building-hit-by-drone-romanias-galati-close-ukraine-border-radio-says-2026-05-29/?fbclid=IwZXh0bgNhZW0CMTEAc3J0YwZhcHBfaWQMMzUwNjg1NTMxNzI4AAEeiujveu4qyoaaJxwS9kZ5qZNZkq1PdEGoauH01NxSDEcaDXP7oca9nC-8wCY_aem_VS78CphjZz04qwVJVZW2bw">রয়টার্সের প্রতিবেদনে</a> </strong>বলা হয়, ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ জানান, ঘটনাটি প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে জানানো হয়েছে।</p>

<p>অন্যদিকে রাশিয়ার প্রভাবশালী নিরাপত্তা পরিষদের উপপ্রধান দিমিত্রি মেদভেদেভ ইউরোপীয় নেতাদের সতর্ক করে বলেছেন, ড্রোনগুলো ভবিষ্যতেও পথভ্রষ্ট হয়ে তাদের দেশে ঢুকে পড়বে এবং জনগণকে শান্তিতে ঘুমাতে দেবে না।</p>

<p><img alt="uuuu" height="600" src="https://asset.kalerkantho.com/public/news_images/share/photo/shares/online/2026/05/29/my1249/6a197f47c8667.jpg" width="1000" /></p>

<p>ইউক্রেন যুদ্ধ চলাকালে প্রথমবারের মতো ন্যাটো সদস্য দেশের হামলায় মানুষ আহত হলো। এতে ন্যাটোর পূর্ব সীমান্তে উত্তেজনা বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচেছ।</p>
</article>

<article>কারণ সদস্য দেশগুলো আশঙ্কা করছে যুদ্ধ তাদের দেশের ভেতরেও ছড়িয়ে পড়তে পারে।
<p>&nbsp;</p>

<p>নাটোর মহাসচিব মার্ক রুটে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে বলেছেন, &lsquo;রাশিয়ার বেপরোয়া আচরণ আমাদের সবার জন্যই বিপজ্জনক।&rsquo;</p>

<p>রোমানিয়ার প্রেসিডেন্ট নিকুসর ড্যানের সঙ্গে ফোনে কথা বলার পর এ মন্তব্য করেন তিনি। রোমানিয়া ন্যাটো ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন&mdash;দুটিরই সদস্য।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1310-55.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[সুইজারল্যান্ডে ট্রেন স্টেশনে ছুরিকাঘাতে ৩ জন আহত, সন্দেহভাজন গ্রেপ্তার]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28577</link>
    <pubDate>Sat, 30 May 2026 09:39:18 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28577</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1376-44.jpg" />    <article>
<p>সুইজারল্যান্ডের উইন্টারথার ট্রেন স্টেশনে ভয়াবহ ছুরিকাঘাতের ঘটনায় অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ৩১ বছর বয়সী এক সুইস নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।</p>
</article>

<article>প্রাথমিক তদন্তের পর এই হামলাকে &lsquo;সন্ত্রাসবাদী হামলা&rsquo; হিসেবে আখ্যা দিয়েছে সুইস প্রশাসন। বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>সুইজারল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট গাই পারমেলিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় তীব্র ক্ষোভ ও দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, &lsquo;উইন্টারথারে আজ সকালের এই সন্ত্রাসী হামলায় আমি স্তম্ভিত। এই ঘটনা আমাকে গভীরভাবে মর্মাহত করেছে।</p>
</article>

<article>&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>জুরিখ্যান্টনের নিরাপত্তাবিষয়ক পরিচালক মারিও ফেহর এবং জুরিখ পুলিশ প্রধান মারিয়াস ওয়েইরম্যান এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে জানান, হামলাকারী ওই এলাকারই বাসিন্দা। ২০১৫ সাল থেকেই উগ্রপন্থী গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটের (আইএস) প্রোপাগান্ডা ছড়ানোর কারণে সে পুলিশের নজরদারিতে ছিল। ঘটনাস্থলের আলামত থেকে এটি স্পষ্ট যে, হামলার পেছনে চরমপন্থী ও কট্টরপন্থী মতাদর্শ কাজ করেছে।</p>

<p>পুলিশ আরো জানায়, হামলার কয়েক দিন আগে ওই ব্যক্তি নিজেই থানায় গিয়ে অসংলগ্ন কথাবার্তা বললে তাকে একটি মানসিক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিল।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1376-44.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্পের বৈঠকে ‘চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত’ হয়নি]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28576</link>
    <pubDate>Sat, 30 May 2026 09:38:31 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28576</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1458-33.jpg" />    <article>
<p>হোয়াইট হাউসে উপদেষ্টাদের সঙ্গে শুক্রবার (২৯ মে) দুই ঘণ্টার বৈঠক করেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বিবিসির এক <a href="https://www.bbc.com/news/articles/c0r2d40r91qo?fbclid=IwY2xjawSHKSNleHRuA2FlbQIxMABicmlkETFaelBobVdib0V4M05XZDQ4c3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHkasOQ52GeiaGwBCizz3MiuN744S3Oqy48o8NTo0zheAH31pgVe8PDyBQxvJ_aem_Na8ueBSn7z5gTkkOcoJdxw">প্রতিবেদনে</a> এ তথ্য জানা গেছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বলেন, ইরানকে অবশ্যই পারমাণবিক অস্ত্র বা বোমা না রাখার বিষয়ে সম্মত হতে হবে, হরমুজ প্রণালী &lsquo;উভয় দিকে অবাধ জাহাজ চলাচলের জন্য&rsquo; পুনরায় খুলে দিতে হবে এবং এই জলপথে থাকা সমস্ত মাইন &lsquo;ধ্বংস&rsquo; করতে হবে।</p>

<p>শুক্রবার হোয়াইট হাউসের সিচুয়েশন রুমে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে ইরান জানিয়েছিল, তারা তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে কোনো আলোচনা করছে না।</p>

<p>মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, বৃহস্পতিবার দুই দেশ সমঝোতা স্মারক নামের একটি চুক্তির কাঠামোতে সম্মত হয়েছে, যা ট্রাম্প ও ইরানের নেতৃত্বের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, এই চুক্তির আওতায় যুদ্ধবিরতি ৬০ দিনের জন্য বাড়ানো হবে এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা শুরু হবে।</p>

<p>বিবিসির মার্কিন সংবাদ সহযোগী সিবিএস নিউজকে হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা বলেছেন, &lsquo;প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কেবল এমন একটি চুক্তিই করবেন, যা আমেরিকার জন্য মঙ্গলজনক এবং তার অলঙ্ঘনীয় শর্তগুলো পূরণ করে। আর সেটি হচ্ছে ইরান কখনোই পারমাণবিক শক্তিধর রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে উঠতে পারবে না।&rsquo;</p>

<p>৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে ট্রাম্প বারবার বলেছেন যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি চুক্তির কাছাকাছি রয়েছে এবং আলোচনা এগোচ্ছে।</p>
</article>

<article>কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো বাস্তব ফল পাওয়া যায়নি।
<p>&nbsp;</p>

<p>শুক্রবার সকালে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে করা এক পোস্টে ট্রাম্প বলেছেন, তিনি হরমুজ প্রণালীর ওপর থেকে মার্কিন অবরোধ তুলে নিতে প্রস্তুত, যাতে এই জলপথে আটকে পড়া জাহাজগুলো &lsquo;ঘরে ফেরার প্রক্রিয়া শুরু করতে&rsquo; পারে!</p>

<p>তিনি আরো জোর দিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম অপসারণ ও ধ্বংস করার অনুমতি দিতে হবে। &lsquo;পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কোনো অর্থ লেনদেন হবে না,&rsquo; বলেও মন্তব্য করে ট্রাম্প। তবে এর চেয়ে অনেক কম গুরুত্বপূর্ণ অন্যান্য বিষয়ে সম্মতি দেওয়া হয়েছে।</p>

<p>পরে, হোয়াইট হাউসের একজন কর্মকর্তা বিবিসিকে নিশ্চিত করেছেন যে সিচুয়েশন রুমের বৈঠকটি শেষ হয়েছে।</p>
</article>

<article>ওই কর্মকর্তা এ বিষয়ে আর কোনো বিস্তারিত তথ্য দেননি।
<p>&nbsp;</p>

<p>ইরানের ফার্স নিউজ এজেন্সি নির্ভরযোগ্য সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে যে, ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্য ছিল &lsquo;সত্য ও মিথ্যার মিশ্রণ&rsquo;। সমঝোতা স্মারকে পারমাণবিক উপকরণ ধ্বংস করার কোনো বিধান ছিল না বলে সংস্থাটি জানিয়েছে।</p>

<p>এদিকে, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকাই রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে বলেছেন, তারা &lsquo;যুদ্ধ শেষ করার দিকে মনোনিবেশ করছে এবং পারমাণবিক বিষয় নিয়ে কোনো আলোচনা হচ্ছে না&rsquo;।</p>

<p>যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে দাবি করে আসছে যে, ইরান যেন উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম উৎপাদন বন্ধ করে এবং তাদের কাছে থাকা বর্তমান মজুদ ধ্বংস করে দেয়, যা তাত্ত্বিকভাবে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরিতে ব্যবহার করা যেতে পারে।</p>

<p>ইরান জোর দিয়ে বলে যে তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ এবং তারা সব সময় পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টার কথা অস্বীকার করে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1458-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বৈভবের ঝড় ম্লান, গিল–সুদর্শনের বিশ্বরেকর্ডে ফাইনালে গুজরাট]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/28575</link>
    <pubDate>Sat, 30 May 2026 09:37:49 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/28575</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1496-22.jpg" />    <article>
<p>লক্ষ্য ছিল ২১৫ রানের। কিন্তু টি-টোয়েন্টির যুগে এই রান আর ততটা &lsquo;বড়&rsquo; নয়।</p>
</article>

<article>মুলানপুরের পিসিএ স্টেডিয়ামে তারই প্রমাণ মিলল। অনায়াসেই সেই লক্ষ্য টপকে গেল গুজরাট টাইটান্স। দলের সাত উইকেটে জয়ে মুখ্য ভূমিকা নিলেন অধিনায়ক শুভমান গিল, তার দুর্দান্ত সেঞ্চুরির সৌজন্যে। ফলে রবিবারের আইপিএল ফাইনালে হাইভোল্টেজ লড়াই।</article>

<article>&lsquo;কিং&rsquo; বনাম &lsquo;প্রিন্স&rsquo;-এর বহুল প্রতীক্ষিত দ্বৈরথ।
<p>&nbsp;</p>

<p>শুক্রবার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে দু&rsquo;বার টস হল। প্রথমে টস জিতলেও দ্বিতীয়বার টস হওয়ায় হেরে যান গুজরাট অধিনায়ক। আসলে প্রথমে গিলকে কয়েনটি স্পিন করতে বলেন ম্যাচ রেফারি।</p>
</article>

<article>কিন্তু রিয়ান পরাগ যে হেড কল করেছেন, তা কানে পৌঁছয়নি তার। টেল পড়ায় গিল জিতেও যান। কিন্তু রেফারি রিয়ানের কল শুনতে পাননি বলে গিলকে ফের টস করতে বলেন। ঘটনায় বেশ বিরক্তই হন গুজরাট ক্যাপ্টেন। কিন্তু নিয়ম মেনে তিনি ফের টস করতে বাধ্য হন।</article>

<article>এবার রিয়ান হেড কল করেন। হেডই পড়ে। ফলে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় রাজস্থান।
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রথমে ব্যাটিং নিলেও শুরুটা কিন্তু জমাতে পারল না রাজস্থান। সাত তাড়াতাড়ি ফিরলেন যশস্বী জয়সওয়াল (১) এবং ধ্রুব জুরেল (৭)। এরপর রবীন্দ্র জাডেজার সঙ্গে বৈভব সূর্যবংশীর ১২৭ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি রাজস্থানকে লড়াকু স্কোরে পৌঁছে দেয়।&nbsp;</p>

<p>জাড্ডু অপরাজিত থাকেন ৩৫ বলে ৪৫ রানে। তার আগে অবশ্য ক্রিকেটবিশ্ব আরও একবার সাক্ষী থাকল বৈভব-তাণ্ডবে। এদিন অবশ্য অনেক &lsquo;পরিণত&rsquo; বৈভবকে দেখা গেল। ৩১ বলে হাফসেঞ্চুরি করল বাঁহাতি তারকা। যা আইপিএলে তার সবচেয়ে মন্থর পঞ্চাশ। আগের ম্যাচে ২৯ বলে ৯৭ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেললেও, এদিন দলের স্বার্থে তাকে অনেক বেশি ধীরস্থির হয়ে ব্যাট করেছে সে। অর্ধশতরান আসে ১৩তম ওভারে। তবে পঞ্চাশের পরই গিয়ার বদলে আগ্রাসী মেজাজে ব্যাট করতে শুরু করে বৈভব। এক সময় মনে হচ্ছিল সেঞ্চুরি সময়ের অপেক্ষা। কিন্তু কাগিসো রাবাডার শর্ট বলে থার্ডম্যান অঞ্চলে প্রসিদ্ধ কৃষ্ণের হাতে ক্যাচ দিয়ে থামতে হয় তাকে। ১৫ বছরের এই ব্যাটারের ৪৭ বলে ৯৬ রানের ইনিংসকে সম্মান জানাতে গোটা মাঠ দাঁড়িয়ে অভিবাদন জানায়। শেষদিকে ডোনোভান ফেরেরা রশিদ খানকে শেষ ওভারে চারটি ছক্কা মেরে দলকে ২০০ রানের গণ্ডি পার করান।</p>

<p>২১৫ রানের বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকে আগ্রাসী মনোভাব দেখায় গুজরাট। প্রথম ওভারেই জফ্রা আর্চারকে চারটি চার মেরে চাপে ফেলে দেন ওপেনাররা। নান্দ্রে বার্গার ও ব্রিজেশ শর্মাও রানের গতি আটকাতে পারেননি। পাওয়ার প্লে শেষ হতেই গুজরাট তুলে ফেলে ৬৯ রান। এরপরও থামেনি দাপট। সময়ের সঙ্গে আরও একপেশে হয়ে ওঠে ম্যাচ। নবম ওভারেই শতরানের জুটি গড়ে তোলেন শুভমান গিল ও সাই সুদর্শন। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে এই জুটির এটি ১১তম শতরান। যা একটি নজিরবিহীন রেকর্ড।</p>

<p>রান আটকাতে স্পিনারদের আক্রমণে আনলেও উলটো ফল হয়। রবীন্দ্র জাডেজা ও যশ রাজ পুঞ্জার বলেও কেমন যেন ম্যাড়ম্যাড়ে। মনে হচ্ছিল, কোনও উইকেট না হারিয়েই ম্যাচ শেষ করে দেবে গুজরাট। কিন্তু হঠাৎই &lsquo;অদ্ভুত&rsquo; বিদায় সুদর্শনের। আগের ম্যাচের মতো এবারও হিট উইকেট তিনি। চার পেলেও লাভ হয়নি। বল বাউন্ডারিতে গেলেও তার আগেই ব্যাট লেগে স্টাম্প ভেঙে যায়। হতাশায় মাথায় হাত দেন সুদর্শন, আর অন্য প্রান্তে থাকা গিলও অবাক হয়ে হাঁটু গেড়ে বসে পড়েন। ৩২ বলে ৫৮ রানের ঝকঝকে ইনিংস খেলেন তিনি।</p>

<p>এরপর গিল নিজের ছন্দ বজায় রেখে রবীন্দ্র জাডেজাকে চার মেরে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। দুর্দান্ত এই ইনিংসে ৫৩ বলে ১০৪ রান করেন তিনি। ছিল ১৫টি চার ও ৩টি ছয়। তবে ১৫তম ওভারে আর্চারের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফিরতে হয় গুজরাট অধিনায়ককে। শেষদিকে ওয়াশিংটন সুন্দর (১৬) আউট হলেও ম্যাচ জেতাতে কোনও সমস্যা হয়নি। জস বাটলার ও রাহুল তেওতিয়া ৮ বল বাকি থাকতে দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1496-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[কেন শাহরুখ-আলিয়াদের আনফলো করলেন করণ জোহর?]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/28574</link>
    <pubDate>Sat, 30 May 2026 09:36:20 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/28574</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1594-11.jpg" />    <article>
<p>বলিউডে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন নির্মাতা করণ জোহর। হঠাৎ করেই ইনস্টাগ্রামে একাধিক তারকাকে আনফলো করায় সামাজিক মাধ্যমে শুরু হয়েছে নানা জল্পনা।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>সম্প্রতি করণ জোহর তার ইনস্টাগ্রাম ফলোয়িং তালিকা থেকে একে একে সরিয়ে দেন বলিউডের বেশ কয়েকজন ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও সহকর্মীকে। সেই তালিকায় রয়েছেন শাহরুখ খান, আলিয়া ভাট, কারিনা কাপুর খান, মালাইকা অরোরা, মনীশ মালহোত্রা, বরুণ ধাওয়ান এবং সিদ্ধার্থ মালহোত্রার মতো তারকারা।</p>

<p>এমনকি করণের প্রযোজনায় নির্মিত আসন্ন সিনেমা &lsquo;নাগজিলা&rsquo;র অভিনেতা কার্তিক আরিয়ানকেও আর তার ফলো তালিকায় দেখা যায়নি।</p>

<p>ঘটনাটি সামনে আসার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুরু হয় ব্যাপক আলোচনা।</p>
</article>

<article>কেউ সম্পর্কের টানাপোড়েনের ইঙ্গিত খুঁজেছেন, আবার কেউ বলিউডের অন্দরমহলের নতুন সমীকরণের কথা বলছেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>তবে সব জল্পনা উড়িয়ে দিয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন করণ জোহর। ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে তিনি লেখেন, &lsquo;এটা একটা ডিজিটাল ডিটক্স। ইনস্টাগ্রামে সময় ও শক্তি কম ব্যয় করতেই সবাইকে আনফলো করছি।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1594-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[সবার দায়িত্বশীল ভূমিকায় গড়ে উঠবে কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28573</link>
    <pubDate>Thu, 28 May 2026 19:42:26 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28573</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1457-33.jpg" />    <article>
<p>সবাই যার যার অবস্থান থেকে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করলে ধীরে ধীরে কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, &lsquo;বর্তমান সরকার দেশকে আরো ভালো জায়গায় নিয়ে যেতে কাজ করে যাচ্ছে।</p>
</article>

<article>&rsquo; পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (২৮ মে) দুপুরে ঢাকা সেনানিবাসের জিয়া কলোনিতে &lsquo;মৃত্যুঞ্জয়ী পঁচিশ&rsquo; আয়োজিত এক প্রীতিভোজ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
<p>&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/national/2026/05/28/1690644" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>সেনানিবাসে থাকাকালীন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার শৈশব ও জীবনের স্মৃতিচারণা করে বলেন, জীবনের বড় একটা অংশের স্মৃতি জড়িয়ে আছে এখানে।</p>

<p>প্রীতিভোজ শেষে প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত সেনা সদস্যদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। পরে তিনি সেনা মেসে অবস্থানরত সৈনিকদের জীবনযাপন ও সার্বিক খোঁজখবর নেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/dhaka/2026/05/28/1690642" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সেনা মেস চত্বরে একটি নিমগাছের চারা রোপণ করেন এবং পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষর করেন।</p>

<p>এ ছাড়া সেনা মেসের মসজিদে জোহরের নামাজ আদায়ের পর উপস্থিত সেনা কর্মকর্তা ও সদস্যদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1457-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বিডিআর বিদ্রোহে নিহত সেনা কর্মকর্তাদের কবর জিয়ারত প্রধানমন্ত্রীর]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28572</link>
    <pubDate>Thu, 28 May 2026 19:41:40 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28572</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1495-22.jpg" />    <article>
<p>বিডিআর বিদ্রোহে নিহত সেনা কর্মকর্তাদের কবর জিয়ারত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী ও তার সহধর্মিণী জুবাইদা রহমান বনানী সামরিক কবরস্থানে যান।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রথমে প্রধানমন্ত্রী তার স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে শ্বশুর, নৌবাহিনীর সাবেক প্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খানের কবর জিয়ারত করেন। পরে মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাত করেন।</p>

<p>এরপর প্রধানমন্ত্রী ও জুবাইদা রহমান বিডিআর বিদ্রোহে নিহত সেনা কর্মকর্তাদের কবর প্রাঙ্গণে যান। সেখানে স্মৃতিস্তম্ভের সামনে দাঁড়িয়ে নিহতদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন তারা।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/country-news/2026/05/28/1690609" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, সমাজকল্যাণমন্ত্রী এজেডএম জাহিদ হোসেন এবং স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম উপস্থিত ছিলেন।</p>

<p>২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর, বর্তমানে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদর দপ্তরে বিদ্রোহের ঘটনায় সংস্থাটির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদসহ ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তা নিহত হন। মোট নিহত হন ৭৪ জন। নিহত সেনা কর্মকর্তাদের অধিকাংশকে বনানী সামরিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1495-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[জাহাজেই কাটল ৩১ বাংলাদেশি নাবিকের ঈদ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28571</link>
    <pubDate>Thu, 28 May 2026 19:40:47 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28571</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1593-11.jpg" />    <article>
<p>ঈদ মানে আনন্দ। সেই আনন্দের ছোঁয়া থেকে বঞ্চিত পারস্য উপসাগরের বুকে ভাসছে বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের (বিএসসি) জাহাজ &lsquo;বাংলার জয়যাত্রা&rsquo;র নাবিকরা।</p>
</article>

<article>ঈদুল ফিতরের ঈদও তাদের কেটেছে বাইরে। তাদের আশা ছিল কোরবানির ঈদ পরিবারের সঙ্গে কাটাবে। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস, ইরানের অনুমতি না মেলায় এবার ঈদুল আজহার নামাজও তাদের আদায় করতে হলো জাহাজের মধ্যে।
<p>&nbsp;</p>

<p>​বুধবার স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় যখন জাহাজের নেভিগেশন ব্রিজে ঈদের জামাত শুরু হয়, তখন সবার মনেই ছিল এক চাপা কষ্ট।</p>
</article>

<article>জাহাজের মাস্টার ক্যাপ্টেন মো. শফিকুল ইসলাম খানের পেছনে লাইনে দাঁড়িয়ে নামাজ আদায় করেন ৩১ জন বাংলাদেশি নাবিক। মোনাজাতে দেশের জন্য, পরিবারের জন্য প্রার্থনার পাশাপাশি ছিল একটাই আকুতি&mdash;&lsquo;কবে ফিরব ঘরে?&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>​গত ২৭ ফেব্রুয়ারি কাতার থেকে স্টিল কয়েল নিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের জেবেল আলী বন্দরে পৌঁছায় জাহাজটি। এর পরের দিনই মধ্যপ্রাচ্যে শুরু হয় ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধ। হরমুজ প্রণালির ভূ-রাজনৈতিক বেড়াজালে আটকে পড়ে &lsquo;বাংলার জয়যাত্রা&rsquo;।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>​গত ৮ এপ্রিল দুই পক্ষের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও, হরমুজ প্রণালিতে ইরানের কঠোর বিধি-নিষেধের কারণে এখনো অবরুদ্ধ আমাদের নাবিকেরা। অথচ এই সময়ে অন্যান্য অনেক দেশের জাহাজ ইরানের সবুজসংকেত নিয়ে পার পেয়ে গেছে। বাংলাদেশ সরকারের কূটনৈতিক তৎপরতা এবং নাবিকদের কয়েক দফার চেষ্টা সত্ত্বেও মেলেনি পারস্য উপসাগর থেকে বের হওয়ার ছাড়পত্র।</p>

<p>​ঈদের সুস্বাদু খাবার আর কোলাকুলি সাময়িকভাবে নাবিকদের মুখে হাসি ফোটালেও, বুকের ভেতর জমে থাকা মেঘ কাটেনি। লোনা জলের এই বন্দিদশা কত দিন চলবে, তা জানা নেই কারো।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>​ক্যাপ্টেন শফিকুল ইসলামের কণ্ঠেও সেই অনিশ্চয়তার সুর, কবে নাগাদ হরমুজ পার হতে পারব, এখনো জানি না। টানা তিন মাস ধরে আন্তর্জাতিক রাজনীতির শিকার হয়ে সাগরে ভাসতে থাকা এই ৩১ জন মানুষ এখন কেবল ক্যালেন্ডারের পাতা গুনছেন। ঘরে ফেরার একেকটি দিন যেন তাদের কাছে একেকটি যুগের সমান। স্বজনদের কাছে ফেরার অপেক্ষায় তারা।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1593-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে ফ্রান্সে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/28570</link>
    <pubDate>Thu, 28 May 2026 19:36:34 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/28570</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/6-c.jpg" />    <p>নজমুল হক, ফ্রান্স প্রতিনিধি//</p>

<p><strong>উত্সাহ-উদ্দীপনা, আনন্দ ও ত্যাগের মহিমায় ফ্রান্সে উদযাপিত হয়েছে মুসলিম উম্মাহর অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা। </strong></p>

<p>বিজ্ঞাপন</p>

<p>বুধবার (২৭ মে) ঈদের দিন সকাল থেকেই প্যারিসসহ ফ্রান্সের বিভিন্ন শহরের মসজিদ ও নির্ধারিত ঈদ জামাতস্থলগুলোতে ছিল মুসল্লিদের উপচে পড়া ভিড়। প্রবাসের ব্যস্ত জীবনের মাঝেও প্রবাসী বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন দেশের মুসলিম সম্প্রদায় ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ঈদের নামাজ আদায় ও পশু কোরবানির মাধ্যমে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের আমেজে মেতে ওঠেন।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><img alt="" height="924" src="https://assets.dhakapost.com/media/imgAll/BG/2026May/1000019671-20260527220400.jpg" width="2000" /></p>

<p>প্যারিস গ্র্যান্ড মসজিদে ঈদের দুটি বড় জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে প্রথম ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয় সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে এবং দ্বিতীয় জামাতটি অনুষ্ঠিত হয় সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে।</p>

<p>এ ছাড়া অভারভিলা ইনডোর স্টেডিয়ামে সকাল ৬টা থেকে ধারাবাহিকভাবে কয়েকটি ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়। অন্যদিকে, প্রবাসী বাঙালি কমিউনিটি পরিচালিত স্তাহ মসজিদেও সকাল ৭টা থেকে পর পর পাঁচটি ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। ঈদের জামাতে অংশ নিতে পরিবার-পরিজন নিয়ে ভোর থেকেই মুসল্লিরা নির্দিষ্ট কেন্দ্রগুলোতে সমবেত হতে শুরু করেন।</p>

<p>বিজ্ঞাপন</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><img alt="" height="1418" src="https://assets.dhakapost.com/media/imgAll/BG/2026May/1000019674-20260527220409.jpg" width="2048" /></p>

<p>নামাজ শেষে মুসল্লিরা একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি ও ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এ সময় বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি এবং দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। মোনাজাতে ফিলিস্তিনসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নিপীড়িত ও নির্যাতিত মুসলমানদের জন্য মহান আল্লাহর দরবারে বিশেষ দোয়া করা হয়।</p>

<p>ঈদুল আজহার মূল শিক্ষা ত্যাগ, সহমর্মিতা ও মানবতার বাণীকে ধারণ করে প্রবাসের মাটিতেও সবাই আনন্দঘন পরিবেশে ঈদ উদযাপন করেন। ঈদের দিনটি উদযাপনে ফ্রান্সের বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন ঈদ পুনর্মিলনী ও শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। প্রবাসের কর্মব্যস্ত জীবনের ক্লান্তি ভুলে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে ছিল ব্যাপক উৎসাহ, উদ্দীপনা ও প্রাণচাঞ্চল্য।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p><img alt="" height="1326" src="https://assets.dhakapost.com/media/imgAll/BG/2026May/1000019672-20260527220419.jpg" width="2048" /></p>

<p>সব মিলিয়ে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, আনন্দ, ত্যাগ ও পারস্পরিক সম্প্রীতির মধ্য দিয়ে ফ্রান্সে উদযাপিত হয়েছে পবিত্র ঈদুল আজহা।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/6-c.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[সিডনিতে মেঘলা আকাশে ঈদের খুশি]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/28569</link>
    <pubDate>Thu, 28 May 2026 19:34:56 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/28569</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/22-b.jpg" />    <p>ইদ্রিছ আলী, অস্ট্রেলিয়া থেকে//</p>

<p><strong>অস্ট্রেলিয়ার আবহাওয়া দ্রুত বদলে যায়। সপ্তাহের মাঝামাঝি হঠাৎ করে আকাশ মেঘলা হয়ে টানা বৃষ্টি শুরু হয়।</strong></p>

<p>বিজ্ঞাপন</p>

<p>অস্ট্রেলিয়ার ক্যানবেরা, সিডনি, মেলবোর্নসহ দেশজুড়ে বসবাসরত মুসলিম জাতি বৃহস্পতিবার মেঘলা ও বৃষ্টিস্নাত পরিবেশেই অত্যন্ত উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে পবিত্র ঈদুল আজহা পালিত হয়। ঈদের জামাত খোলা মাঠ ও শহরের বিভিন্ন মসজিদ, স্কুল এবং কমিউনিটি হলে আয়োজন করা হয়েছে।</p>

<p>মেঘলা আকাশে শীতল সকালে দেশটিতে নামাজ আদায় করতে সকাল থেকে মুসল্লিরা ছুটে আসেন ফয়জান-ই-মদিনা ইসলামিক সেন্টার লাকেম্বা, প্যারি পার্কে, ব্যাংকস টাউন, এবান, লিডকম, লাকেম্বার দারুল উলুম কেন্দ্রীয় মসজিদ, রকডেল মসজিদ, লিভারপুল, মিন্টু, গ্রানভিল, গ্রিন-ভ্যালি, ম্যাসকট, মাউন্ট ডুরিথ, কাম্পবেলটাউন, গ্লেনফিল্ড, ম্যাকুরিফিল্ড, ইঙ্গেলবার্ন, সেফটন, লিউমিয়াহ, ইসলামিক সেন্টার, কনভেনশন হল ও মসজিদগুলোতে ঈদের নামাজ আদায় করেন বিভিন্ন দেশের মুসল্লিরা।</p>

<p>এরপর পরিবার-পরিজন ও বন্ধু-স্বজনকে নিয়ে ঈদ উদযাপন করেছেন বেশিরভাগ বাংলাদেশি। সিডনি লাকেম্বা এলাকার দাওয়াত ইসলামী অস্ট্রেলিয়ার ফয়জান-ই-মদিনা ইসলামিক সেন্টারে ঈদের বড় একটি জামাত অনুষ্ঠিত হয়।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>আমাদের দেশের মতো অস্ট্রেলিয়ায় নামাজের জন্য আলাদা কোনো ঈদগাহ নেই। তাই ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা মসজিদ, মাসাল্লা, পার্ক, কমিউনিটি হল ও স্কুলে ঈদের নামাজ আদায় করেন।</p>

<p>ঈদুল আযহার মূল আনুষ্ঠানিকতা পশু কোরবানির নিয়ম অস্ট্রেলিয়ায় ভিন্ন। প্রবাসীদের বেশিরভাগই দেশে পরিবারের মাধ্যমে কোরবানি সম্পন্ন করে থাকেন। তবে যারা অস্ট্রেলিয়ায় নিজে কোরবানি দিয়েছেন, তারা শহর থেকে দূরে অথবা নির্দিষ্ট ফার্মে গিয়ে ঈদের ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা পালন করেছেন। আবার বেশিরভাগ বাংলাদেশি ঈদের আগে হালাল মাংসের দোকানে কোরবানির ফরমাশ দিয়েছিলেন। দোকান মালিকের নিজেদের ফার্মে কোরবানি সম্পন্ন করে মাংস বাড়িতে পৌঁছে দেন ঈদের দিন বা পরদিন।</p>

<p>অস্ট্রেলিয়ায় প্রায় ১০ লাখ মুসলমান বসবাস করেন। ঈদের নামাজ শেষে দেশ, জাতি এবং বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। জামাত শেষে একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি করে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। আনন্দ ভাগাভাগি করেন সর্বস্তরের মানুষ।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/22-b.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[হোটেল কর্মীদের জন্য একটি ঐতিহাসিক ও তাৎপর্যপূর্ণ চুক্তি]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/28568</link>
    <pubDate>Thu, 28 May 2026 19:23:12 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/28568</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/918-1.jpg" />    <p>মোঃ নাসির, নিউ জার্সি (যুক্তরাষ্ট্র) প্রতিনিধিঃরিচ মারোকো (HTC president )হোটেল ট্রেডস কাউন্সিলের মাধ্যমে সম্ভবত যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে শক্তিশালী ইউনিয়নটি পরিচালনা করেন।তিনি&nbsp;ঘোষণা করেন যে&nbsp;ঃ</p>

<p>আমরা অত্যন্ত আনন্দের সাথে ঘোষণা করছি যে, আমাদের ইউনিয়ন &lsquo;হোটেল অ্যাসোসিয়েশন অফ নিউ ইয়র্ক সিটি&rsquo;-এর সাথে একটি নতুন &lsquo;ইন্ডাস্ট্রি-ওয়াইড এগ্রিমেন্ট&rsquo; (IWA)-এর প্রাথমিক সমঝোতায় পৌঁছেছে।</p>

<p><img alt="" src="https://khabor.com/public/upload/images/news/3deac9c4-e07b-40ed-af09-993f8235459f.jpeg" style="width: 1170px; height: 1560px;" /></p>

<p>হোটেল কর্মীদের জন্য বিশ্বের অন্যতম সেরা চুক্তি হিসেবে এই IWA পূর্ব থেকেই সুপরিচিত&mdash;যেখানে অন্তর্ভুক্ত ছিল আকর্ষণীয় বেতন-ভাতা, উন্নত স্বাস্থ্য ও অবসরকালীন সুবিধা এবং কর্মক্ষেত্রে শক্তিশালী অধিকার। নতুন এই চুক্তিটি সেই মানদণ্ডকেও অতিক্রম করেছে।</p>

<p>এটি আমাদের ইউনিয়নের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ বেতন বৃদ্ধির চুক্তি, যা পূর্ববর্তী চুক্তির গড় বেতন বৃদ্ধির হারের তুলনায় আড়াই গুণেরও বেশি। একইসঙ্গে এটি পরিবারের জন্য বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা সুবিধা বজায় রেখেছে, পেনশন তহবিলে নিয়োগকর্তাদের অবদান বৃদ্ধি করেছে এবং আবাসন ও শিশুযত্ন ব্যয়ের চাপ মোকাবিলায় নতুন আর্থিক সহায়তা তহবিল গঠন করেছে।</p>

<p>৮ বছর মেয়াদী এই চুক্তিটি সদস্যদের জন্য দীর্ঘমেয়াদে আর্থিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করবে। চুক্তির পুরো সময়কালে গড়ে ৫০%-এর বেশি বেতন বৃদ্ধি পাওয়া যাবে। চুক্তির শেষে &lsquo;রুম অ্যাটেনডেন্ট&rsquo;সহ টিপ-বিহীন কর্মীরা বছরে ছয় অঙ্কের আয় করতে সক্ষম হবেন।</p>

<p>স্বাস্থ্যসেবা সুবিধা এই আলোচনার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল। সম্ভাব্য ব্যয় বৃদ্ধি সত্ত্বেও, এই চুক্তি সদস্যদের পরিবারের জন্য বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা সুবিধা সম্পূর্ণভাবে সুরক্ষিত রেখেছে। নিয়োগকর্তাদের অবদান ২৭.২৫% থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ৩০.২৫%-এ উন্নীত হবে, যার আনুমানিক বার্ষিক মূল্য প্রায় ৬৫ মিলিয়ন ডলার।</p>

<p><img alt="" src="https://khabor.com/public/upload/images/news/441253a1-174c-4ff5-91db-6426ffafc643.jpeg" style="width: 1021px; height: 451px;" /></p>

<p>এছাড়াও, পেনশন তহবিলে অতিরিক্ত অবদান যুক্ত করা হয়েছে, যা ভবিষ্যতে আরও উন্নত সুবিধা নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।</p>

<p>নতুন চুক্তির উল্লেখযোগ্য সুবিধাসমূহের মধ্যে রয়েছে:</p>

<p>&bull; আবাসন ও শিশুযত্ন ব্যয় মোকাবিলায় নতুন সহায়তা তহবিল</p>

<p>&bull; &lsquo;জুনটিন্থ&rsquo;কে অতিরিক্ত সবেতন ছুটির দিন হিসেবে অন্তর্ভুক্তি</p>

<p>&bull; পূর্ণ বেতনে প্যারেন্টাল লিভ</p>

<p>&bull; কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ও নতুন প্রযুক্তির প্রভাব থেকে কর্মীদের চাকরি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে শক্তিশালী নীতিমালা প্রণয়ন</p>

<p>এই চুক্তিটি আমাদের ইউনিয়নের ইতিহাসে একটি মাইলফলক, যা সদস্যদের আর্থিক নিরাপত্তা, পেশাগত মর্যাদা এবং ভবিষ্যৎ সুরক্ষাকে আরও দৃঢ় করেছে।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/918-1.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[পবিত্র ঈদুল আজহা আজ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28567</link>
    <pubDate>Thu, 28 May 2026 09:19:35 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28567</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1209-66.jpg" />    <p>আজ বৃহস্পতিবার সমগ্র বাংলাদেশে মুসলিম সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা পালিত হচ্ছে। ঈদের নামাজ সমাপ্ত হওয়ার পর আর্থিকভাবে সক্ষম মুসলমানরা আল্লাহর নৈকট্য লাভের আশায় পশু জবাই করবেন। এই উৎসবের সাথে পবিত্র হজের একটি গভীর সংযোগ রয়েছে। গত মঙ্গলবার মক্কার নিকটবর্তী আরাফাতের প্রান্তরে একত্রিত হয়ে বিশ্বের লক্ষ লক্ষ হাজি হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা পালন করেছেন।</p>

<p>স্থানীয় হিজরি বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী গতকাল বুধবার সৌদি আরবে ঈদুল আজহা উদযাপিত হয়েছে। মুজদালিফা থেকে প্রত্যাবর্তনের পর হাজিরা মিনায় অবস্থান করে কোরবানিসহ হজের অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা পালন করবেন।</p>

<p><b>কোরবানির ঐতিহাসিক পটভূমি</b><br />
ঈদুল আজহার ইতিহাস হজরত ইব্রাহিম (আ.) ও তাঁর পুত্র হজরত ইসমাইল (আ.)-এর জীবনের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত। হজরত ইব্রাহিম (আ.) স্বপ্নযোগে আল্লাহর নির্দেশ পেয়ে পুত্র ইসমাইলকে কোরবানি করতে উদ্যত হয়েছিলেন। এটি ছিল তাঁর প্রতি আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি কঠিন পরীক্ষা। তিনি সেই পরীক্ষায় পূর্ণ আনুগত্যের সাথে উত্তীর্ণ হন। ইসলামী বর্ণনা অনুযায়ী, নিজের চোখ বেঁধে যখন তিনি পুত্রকে জবাই করতে গেলেন, চোখ খুলে দেখলেন আল্লাহর ইচ্ছায় ইসমাইলের স্থানে একটি পশু কোরবানি হয়েছে। সেই অবিস্মরণীয় ঘটনার স্মরণে হজরত ইব্রাহিম (আ.)-এর সুন্নত হিসেবে ইসলামী শরিয়তে কোরবানির বিধান প্রবর্তিত হয়েছে এবং সামর্থ্যবান প্রতিটি মুসলমানের জন্য তা ওয়াজিব।</p>

<p>পবিত্র কোরআনের সুরা কাউসারে বলা হয়েছে, নামাজ এবং কোরবানির মাধ্যমে আল্লাহর ইবাদত করতে। হাদিসে রাসুল (সা.) বলেছেন, ঈদুল আজহার দিন কোরবানির চেয়ে আল্লাহর কাছে অধিক প্রিয় কোনো আমল নেই। গরু, মহিষ, উট, ছাগল, ভেড়া ও দুম্বাসহ যেকোনো হালাল পশু কোরবানি দেওয়া যায়।</p>

<p><b>ঈদের নামাজ ও জামাত</b><br />
আজ সকালে দেশের মুসল্লিরা নিকটবর্তী ঈদগাহ বা মসজিদে দুই রাকাত ওয়াজিব ঈদের নামাজ আদায় করবেন। খতিব নামাজের খুতবায় কোরবানির তাৎপর্য ও শিক্ষা তুলে ধরবেন। ধনী-দরিদ্র সকল শ্রেণির মানুষ একসাথে নামাজে শামিল হবেন এবং পরস্পরকে ঈদের শুভেচ্ছা জানাবেন।</p>

<p>রাজধানী ঢাকায় জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল সাড়ে ৭টায়। প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যবৃন্দ, বিচারপতি, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এতে অংশগ্রহণ করবেন। ইমামতি করবেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি মোহাম্মদ আবদুল মালেক। প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে জাতীয় ঈদগাহে নামাজ সম্ভব না হলে সকাল ৮টায় বায়তুল মোকাররমে প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে।</p>

<p>বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে মোট পাঁচটি জামাত হবে &mdash; সকাল ৭টা, ৮টা, ৯টা, ১০টা এবং পৌনে ১১টায়। জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায়ও সকাল সাড়ে ৭টায় জামাত হবে।</p>

<p>ঢাকার বাইরে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ও দিনাজপুরের গোর-এ-শহীদ ময়দানে দেশের অন্যতম বৃহৎ জামাত অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে দূরদূরান্ত থেকে হাজার হাজার মুসল্লি সমবেত হবেন।</p>

<p><b>আবহাওয়া পূর্বাভাস</b><br />
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঈদের দিন রংপুর, ময়মনসিংহ, সিলেট ও রাজশাহী বিভাগের অধিকাংশ এলাকায় বৃষ্টিপাত হতে পারে। ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগেও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, তবে খুলনা ও বরিশাল বিভাগে আবহাওয়া তুলনামূলক শুষ্ক থাকতে পারে। আবহাওয়াবিদ তরিকুল নেওয়াজ কবীর জানিয়েছেন, ঢাকায় বৃষ্টি সকালে না হলেও বিকেলে হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।</p>

<p><b>শুভেচ্ছা বার্তা ও বিশেষ আয়োজন</b><br />
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশবাসী ও বিশ্ব মুসলিম উম্মাহকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী তাঁর বার্তায় উল্লেখ করেছেন যে, ঈদুল আজহা ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির বার্তা বহন করে এবং আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেছেন যেন দেশ ও বিশ্বে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠিত হয়।</p>

<p>ঈদ উপলক্ষে সরকারি, আধাসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের ভবনে আলোকসজ্জা করা হয়েছে। বাংলাদেশ টেলিভিশন, বেতার ও বেসরকারি চ্যানেলগুলো বিশেষ অনুষ্ঠান সম্প্রচার করছে। জাতীয় দৈনিকগুলো বিশেষ সংখ্যা প্রকাশ করেছে। হাসপাতাল, কারাগার, এতিমখানা ও শিশুসদনে এদিন উন্নতমানের বিশেষ খাবার পরিবেশন করা হবে। ঈদের জামাতগুলোতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে র&zwnj;্যাব ও পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1209-66.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[জাতীয় ঈদগাহে নামাজ আদায় করলেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28566</link>
    <pubDate>Thu, 28 May 2026 09:18:51 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28566</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1309-55.jpg" />    <article>
<p>পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাজধানীর হাইকোর্টসংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে শনিবার (২১ মার্চ) &nbsp;সকাল সাড়ে ৭টায় অনুষ্ঠিত পবিত্র ঈদুল আজহার প্রধান জামাতে অংশ নেন তারা।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>এর আগে ঈদের জামাতে অংশ নিতে সকাল ৭টার কিছু পর জাতীয় ঈদগাহে যান রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী। জাতীয় ঈদগাহে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও জাতীয় সংসদের স্পিকার, প্রধান বিচারপতি, মন্ত্রিপরিষদের সদস্যবৃন্দ, ঢাকাস্থ মুসলিম দেশের কূটনীতিকবৃন্দ এবং অন্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা ঈদের নামাজ আদায় করেন।</p>

<p>এর আগে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের নামাজ আদায় করতে মুসল্লিদের ঢল নামে। মুসলমানদের প্রধান ধর্মীয় উৎসবের নামাজ আদায় কর&zwnj;তে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিরাপত্তার মধ্য দি&zwnj;য়ে দুই ঘণ্টা আগে থে&zwnj;কেই ঈদগাহ ময়দানে প্রবেশ করতে থাকেন মুসল্লিরা।</p>
</article>

<article>জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে দি&zwnj;য়ে দীর্ঘ সারি প্রবেশ করেন তারা।
<p>&nbsp;</p>

<p>অন্যদি&zwnj;কে মৎস্যভবন, ঢাকা বিশ্ব&zwnj;বিদ্যালয় প্রা&zwnj;ন্তেও সারিতে দাঁড়ি&zwnj;য়ে ঈদগাহ ময়দানে প্রবেশ কর&zwnj;তে দেখা যায় মুসল্লিদের। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ব্যবস্থাপনায় ঈদ জামাতের জন্য প্রস্তুত করা হয় জাতীয় ঈদগাহ মাঠ। জামাতে নারীদের জন্য আলাদা ব্যবস্থার পাশাপাশি জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে এবারও অতি গুরুত্বপূর্ণ বা ভিআইপি ব্যক্তিদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>নারীদের জন্য আলাদা প্রবেশপথ, অজু ও নামাজের সংরক্ষিত ব্যবস্থা ছিল। এ ছাড়া পর্যাপ্ত অজুখানাসহ মুসল্লিদের জন্য মেডিক্যাল টিমের সুবিধা নিশ্চিত করা হয়। সব মিলিয়ে সাড়ে তিন হাজার নারীসহ ঈদগাহ ময়দানে মোট ৩৫ হাজার মুসল্লির নামাজের ব্যবস্থা করা হয়।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1309-55.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[জাতীয় ঈদগাহে ঈদুল আজহার প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28565</link>
    <pubDate>Thu, 28 May 2026 09:18:01 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28565</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1375-44.jpg" />    <article>
<p>রাজধানীর হাইকোর্টসংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে পবিত্র ঈদুল আজহার প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) সকাল সাড়ে ৭টায় প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে প্রধান জামাতে একসঙ্গে ঈদের নামাজ আদায় করেন।</p>

<p>এ ছাড়া, প্রধান জামাতে অংশ নেন মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম, রাজনৈতিক নেতা, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন মুসলিম দেশের কূটনীতিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশা ও বয়সের মুসলমানরা।</p>

<p>ঈদের প্রধান জামাতে ইমামতি করেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি মোহাম্মদ আবদুল মালেক। দুই রাকাত ওয়াজিব নামাজ শেষে শুরু হয় খুৎবা।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ব্যবস্থাপনায় ঈদ জামাতের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত করা হয়েছে জাতীয় ঈদগাহ মাঠ।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1375-44.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[&#039;আব্রাহাম চুক্তি&#039; নিয়ে ট্রাম্পের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান সৌদি আরব ও পাকিস্তানের]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28564</link>
    <pubDate>Thu, 28 May 2026 09:17:13 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28564</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1456-33.jpg" />    <p>মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আব্রাহাম চুক্তিতে যোগদানের আহ্বান প্রত্যাখ্যান করে সৌদি আরব ও পাকিস্তান পুনরায় নিশ্চিত করেছে যে, তারা ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার চেষ্টা করবে না।</p>

<p>ফিলিস্তিন ইস্যুতে সৌদি আরবের অবস্থান অপরিবর্তিত রয়েছে, সোমবার আল আরাবিয়া টিভিকে এক সৌদি সূত্র এ কথা জানিয়েছে। সূত্রটি &quot;একটি ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের জন্য অপরিবর্তনীয় পথের&quot; প্রয়োজনীয়তার কথা পুনর্ব্যক্ত করেছে।</p>

<p>মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মুসলিম-সংখ্যাগরিষ্ঠ ও আঞ্চলিক দেশগুলোকে ইরানের সঙ্গে শান্তি চুক্তিতে পৌঁছানোর আগেই ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে এবং আব্রাহাম চুক্তিতে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানানোর পর এই মন্তব্যগুলো আসে।</p>

<p>সৌদি আরব বারবার বলেছে যে, একটি ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ছাড়া তারা ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করবে না।</p>

<p>পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ মঙ্গলবার বলেছেন, ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার কোনো চুক্তিতে পাকিস্তান যোগ দেবে না। তিনি আরও বলেন, দেশটি এমন কোনো চুক্তি গ্রহণ করবে না যা &quot;তার মৌলিক আদর্শের সঙ্গে সাংঘর্ষিক&quot;।</p>

<p>সোমবার ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনায় মধ্যস্থতাকারী দেশ সৌদি আরব, কাতার, মিশর, জর্ডান, তুরস্ক এবং পাকিস্তানকে অবিলম্বে আব্রাহাম চুক্তিতে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন এবং সতর্ক করে বলেছেন যে অন্যথায় তাদের এই মধ্যস্থতায় অংশ নেওয়া উচিত নয়।</p>

<p>তিনি আরও বলেন, যদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি হয়, তবে ইরানেরও সেই চুক্তিতে যোগ দেওয়া উচিত।</p>

<p>ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে ২০২০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় আব্রাহাম চুক্তিটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ইসরায়েল ও আরব দেশগুলোর মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের প্রক্রিয়াকে দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে এই চুক্তিটি ইসরায়েলি সরকার এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, সুদান ও মরক্কোসহ বিভিন্ন আরব দেশের মধ্যে স্থাপিত হয়।</p>

<p>২০২৩ সালের অক্টোবরে ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাতের সর্বশেষ পর্ব শুরু হওয়ার আগে, যুক্তরাষ্ট্র সৌদি আরব ও ইসরায়েলের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের জন্য চাপ দিয়ে আসছিল।</p>

<p>সংঘাত শুরু হওয়ার পর সৌদি আরব ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার আলোচনা স্থগিত করেছে।</p>

<p>সৌদি আরবের এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, রিয়াদ তাদের দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক অবস্থানেই অবিচল রয়েছে।</p>

<p>রিয়াদের নীতি অনুযায়ী, ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার একটি &lsquo;স্পষ্ট এবং সুনির্দিষ্ট পথ&rsquo; তৈরি না হওয়া পর্যন্ত ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক কোনোভাবেই স্বাভাবিক করবে না সৌদি আরব।</p>

<p>সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা ওয়াশিংটনকে স্পষ্ট করে বলে দিয়েছে- একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র স্বীকৃতি না পাওয়া পর্যন্ত ইসরাইলের সঙ্গে সৌদি আরব সম্পর্ক স্থাপন করবে না।</p>

<p>ওদিকে, পাকিস্তানও স্বাধীন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত ইসরাইলের সঙ্গে কোনো চুক্তিতে না যাওয়ার বিষয়ে তার দেশের দীর্ঘদিনের অবস্থানের কথা উল্লেখ করেছেন।</p>

<p>যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে চুক্তির অংশ হিসেবে ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার &lsquo;আব্রাহাম অ্যাকর্ডস&rsquo;-এ দলে দলে যোগ দিতে কাতার, সৌদি আরব, পাকিস্তান, মিশর, জর্ডান ও তুরস্কসহ বেশ কয়েকটি দেশকে অনুরোধ করার পর- দুই দেশের এই প্রতিক্রিয়া এল।</p>

<p>সৌদি আরব প্রথমে ট্রাম্পের এ অনুরোধ প্রত্যাখান করার পর পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা মোহাম্মদ আসিফ পাকিস্তানের গণমাধ্যম সামা টিভিতে এক সাক্ষাৎকারে ইসলামাবাদের অবস্থান স্পষ্ট করেন।</p>

<p>তিনি বলেন, ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করি না যে, আমাদের দেশের মৌলিক আদর্শের সঙ্গে সাংঘর্ষিক এমন কোনো চুক্তিতে আমাদের যোগ দেওয়া উচিত।</p>

<p>ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনের নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে আসিফ বলেন, যাদের কথার ওপর একটি দিনের জন্যও আস্থা রাখা যায় না তাদের সঙ্গে আপনারা কিভাবে চলতে পারবেন?</p>

<p>পাকিস্তানের দীর্ঘদিনের অবস্থান তুলে ধরে তিনি বলেন, আমাদের অবস্থান স্পষ্ট যে, এটি আমাদের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়।</p>

<p>ইসলামাবাদ এখন পর্যন্ত ইসরাইলকে স্বীকৃতি দেয়নি। সেকারণে পাকিস্তানি নাগরিকরা দেশের পাসপোর্ট ব্যবহার করে ইসরাইলে ভ্রমণ করতে পারেন না। পাকিস্তানের এই পাসপোর্ট নীতির কথা আসিফ উল্লেখ করে বলেন, আমরাই একমাত্র দেশ যাদের পাসপোর্টে এমনকি ইসরাইলের নাম পর্যন্ত নেই।</p>

<p>কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন ট্রাম্প প্রশাসন নতুন করে আব্রাহাম অ্যাকর্ডসে আরও দেশকে সামিল হওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করলেও, ফিলিস্তিনকে উপেক্ষা করে সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মতো প্রভাবশালী মুসলিম দেশগুলোর কাছ থেকে ইসরাইলের স্বীকৃতি আদায় করা ওয়াশিংটনের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।</p>

<p>আব্রাহাম অ্যাকর্ডস হল- ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার একগুচ্ছ চুক্তি। আরব আমিরাত ও বাহরাইন এরই মধ্যে এই চুক্তির মাধ্যমে ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করেছে।</p>

<p>ট্রাম্প তার প্রথম মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে হোয়াইট হাউজে ঢোকার পর ২০২০ সালে তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইনকে এ চুক্তি সই করাতে সক্ষম হন। পরে মরক্কো ও সুদান একই পথ অনুসরণ করে।</p>

<p>গত বছর গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর ট্রাম্প আশা প্রকাশ করে বলেছিলেন &lsquo;সৌদি আরবও একদিন এই চুক্তিতে যোগ দেবে&rsquo; । তবে এখন পর্যন্ত রিয়াদ তদের অবস্থানে অটল রয়েছে বলেই জানান দিল।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1456-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[সব হাত গিটার ধরে না, কোনো কোনো হাত বিপ্লব ঘটায় : শাকিব]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/28563</link>
    <pubDate>Thu, 28 May 2026 09:16:32 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/28563</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1494-22.jpg" />    <p>ঈদের আনন্দ বাড়াতে বড় পর্দায় ঝড় তুলতে আসছে মেগাস্টার শাকিব খানের অন্যতম প্রতীক্ষিত সিনেমা &lsquo;রকস্টার&rsquo;। আজমান রুশো পরিচালিত এই সিনেমাটি নিয়ে বর্তমানে দর্শকদের আগ্রহ তুঙ্গে।</p>

<p>পোস্টার ও টিজার প্রকাশের পর এখন দেশজুড়ে চলছে সিনেমাটির শেষ সময়ের জোরদার প্রচারণা। দেশের বিভিন্ন জেলা শহরের বিলবোর্ডেও চলছে সিনেমার প্রমোশন। এমন আবহে সামাজিক মাধ্যমে সিনেমাটির দুর্দান্ত ও বিধ্বংসী এক পোস্টার শেয়ার করেছেন শাকিব খান।</p>

<p>পোস্টারটি শেয়ার করে ক্যাপশনে শাকিব খান লিখেছেন, &lsquo;সব হাত গিটার ধরে না। কোনো কোনো হাত বিপ্লব ঘটায়! রকস্টার।&rsquo;</p>

<p>সেই পোস্টারে শাকিব খানকে দেখা গেছে একেবারেই ভিন্ন ও চেনা ছকের বাইরের এক রকস্টার লুকে। জ্বলন্ত এক গাড়ির দরজা খুলে ডান পা বাইরে বাড়িয়ে সিটে বসে আছেন তিনি। মাথায় ড্রেডলক চুল, চোখে কালো চশমা, পরনে কালো স্লিভলেস গেঞ্জি ও থ্রি-কোয়ার্টার জিন্স প্যান্ট এবং পায়ে লাল স্নিকার্স।</p>

<p>এছাড়া তার দুই হাতজুড়ে ট্যাটুর নকশা এবং বাঁ হাতে শক্ত করে ধরে আছেন একটি ইলেকট্রিক গিটার, যা থেকে আবার আগুনের কুণ্ডলীও বের হচ্ছে। বলা যায়, পুরো পোস্টারজুড়েই যেন মেগাস্টারের এই রকস্টার ইমেজকে আরও বেশি আক্রমণাত্মক ও আকর্ষণীয় করে তুলেছে।</p>

<p>এক রকস্টারের রাজকীয় উত্থান এবং তার জীবনের নানা টানাপোড়েন ও পতনের গল্প তুলে ধরা হবে এই সিনেমায়। ইতোমধ্যে এখানে শাকিব খানের সঙ্গে গ্ল্যামারের ঝলক দেখিয়েছেন সাবিলা নূর, তানজিয়া জামান মিথিলা এবং সুনিধি নায়েক। প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির আগে এই মুহূর্তে ঈদের হাফ ডজন সিনেমার মাঝে সবচেয়ে বেশিই আলোচনায় আছে &lsquo;রকস্টার&rsquo;।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1494-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[মিরপুর চিড়িয়াখানায় রাখা হচ্ছে ভাইরাল মহিষ ‘ডোনাল্ড ট্রাম্পকে’]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28562</link>
    <pubDate>Thu, 28 May 2026 09:15:52 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28562</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1592-11.jpg" />    <p>আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম সহ দেশীয় গণমাধ্যমে বারবার শিরোনাম হওয়া `অ্যালবিনো&#39;&nbsp;প্রজাতির মহিষ (ডোনাল্ড ট্রাম্প) নামে পরিচিত বিরল প্রজাতির এই প্রাণীটি অবশেষে জায়গা হচ্ছে মিরপুর চিড়িয়াখানায়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ওসি।</p>

<p>বিরল প্রজাডির &lsquo;অ্যালবিনো&rsquo; জাতের মহিষ &lsquo;ডোনাল্ড ট্রাম্প&rsquo;-এর কুরবানি স্থগিত করেছে সরকার। কুরবানি করার পরিবর্তে বিরল এই প্রাণীটিকে সংরক্ষণ করে মিরপুর জাতীয় চিড়িয়াখানায় রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।</p>

<p>বুধবার (কুরবানির ঈদের আগের দিন) বিকালে ঢাকার কেরানীগঞ্জের জিনজিরা এলাকায় মহিষটির ক্রেতা মনিরুজ্জামানের বাড়ি থেকে পুলিশ সেটিকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। সরকারের উচ্চপর্যায়ের নির্দেশনা অনুযায়ী এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।</p>

<p>চার বছর বয়সি এই অ্যালবিনো মহিষটির ওজন প্রায় ৬৮০ কেজি। গোলাপি ত্বক এবং মাথায় ঢেউখেলানো সোনালি লোমের কারণে সেটিকে দেখতে অনেকটা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতো লাগে বলে মনে করছেন অনেকে। মূলত এই কারণেই নারায়ণগঞ্জ শহরের পাইকপাড়ার &lsquo;রাবেয়া অ্যাগ্রো ফার্ম&rsquo;-এর মালিক জিয়াউদ্দিন মৃধার ভাই মহিষটির নাম রেখেছিলেন &lsquo;ডোনাল্ড ট্রাম্প&rsquo;।</p>

<p>মহিষটির এই অদ্ভুত ও ব্যতিক্রমী চেহারার খবর বাংলাদেশের স্থানীয় গণমাধ্যমে প্রকাশের পর তা দ্রুত আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের নজরে আসে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ, দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট এবং এএফপি ও রয়টার্সসহ বিশ্বের প্রধান প্রধান গণমাধ্যমে এই মহিষটিকে নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন ও ভিডিও প্রকাশিত হয়।</p>

<p>নারায়ণগঞ্জের খামার থেকে মহিষটি কিনেছিলেন কেরানীগঞ্জের বাসিন্দা মনিরুজ্জামান। গত সোমবার লালগালিচা বিছিয়ে, রঙিন ধোঁয়া উড়িয়ে এবং রাজকীয় সাজে মহিষটিকে বিদায় জানিয়ে কেরানীগঞ্জের বাড়িতে নিয়ে আসা হয়েছিল।</p>

<p>তবে বৃহস্পতিবার বিকালে পুলিশ মনিরুজ্জামানের বাড়িতে হাজির হয়। পুলিশের একজন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে জানান, ওপর থেকে নির্দেশ এসেছে যে মহিষটিকে কুরবানি করা যাবে না। এটিকে আপাতত থানায় নিয়ে যেতে বলা হয়েছে। পরে মনিরুজ্জামান নিজেই মহিষটিকে থানায় পৌঁছে দেন।</p>

<p>প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব কেএম নাজমুল হক এই সিদ্ধান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করে সাংবাদিকদের বলেন, &lsquo;মহিষটি নিয়ে মানুষের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি হয়েছিল। তা ছাড়া এটি একটি অত্যন্ত বিরল জাত (রেয়ার ব্রিড) হওয়ায় সরকারের পক্ষ থেকে এটিকে বাঁচিয়ে রাখার ও সংরক্ষণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।&rsquo;</p>

<p>তিনি আরও জানান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ আপাতত ব্যক্তিগত উদ্যোগে পশুটি কিনে নিয়েছেন এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু প্রাণীটির যথাযথ পরিচর্যা ও সংরক্ষণের জন্য প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন।</p>

<p><b>&lsquo;ডোনাল্ড ট্রাম্প&rsquo;-এর কোরবানি স্থগিত</b></p>

<p>জাতীয় চিড়িয়াখানার কিউরেটর চিকিৎসক মো. আতিকুর রহমান জানিয়েছেন, মহিষটিকে গ্রহণের জন্য চিড়িয়াখানায় সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।</p>

<p>তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, &lsquo;মূলত নামের কারণে আলোড়ন সৃষ্টি করা এই মহিষটিকে আমাদের এখানে বড় একটি শেডে রাখা হবে। তবে তার আগে জীবাণুনাশক ছিটানোসহ সুরক্ষার স্বার্থে সেটিকে দুই সপ্তাহের জন্য কোয়ারেন্টিনে রাখা হবে এবং কোনো শারীরিক অসুস্থতা আছে কি না, তা পরীক্ষা করা হবে।&rsquo;</p>

<p>মহিষটির এমন ব্যতিক্রমী রঙের বৈজ্ঞানিক কারণ ব্যাখ্যা করে আতিকুর রহমান বলেন, &lsquo;ইন-ব্রিডিং বা একই বংশের মধ্যে প্রজনন হলে এমনটি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ত্বকে রঞ্জক পদার্থ মেলানিন কম থাকার কারণে মহিষ কালো না হয়ে সাদা বা গোলাপি রঙের হয়েছে। প্রতি ১০ হাজার মহিষের মধ্যে মাত্র একটি এমন হতে পারে।&rsquo;</p>

<p>কুরবানির পশুর বদলে নিজের পছন্দের মহিষটি সরকারকে দিয়ে দেওয়ার বিষয়ে ক্রেতা মনিরুজ্জামান গণমাধ্যমকে বলেন, &lsquo;সরকার বলেছে আমাদের যা দাম আছে, সেই টাকা দিয়ে দেবে, অথবা কুরবানির জন্য অন্য একটি গরু দিয়ে দেবে।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1592-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বিএনপি সরকারের ১০০ দিনে ২০০ উদ্যোগ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28561</link>
    <pubDate>Wed, 27 May 2026 19:02:37 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28561</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1308-55.jpg" />    <article>
<p>বিএনপি সরকারের প্রথম এক শ দিনে দুই শ উদ্যোগ ও প্রকল্প গ্রহণ এবং তা বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়েছে। এর মাধ্যমে জনজীবন ও সমাজে ইতোমধ্যে দৃশ্যমান প্রভাব পড়তে শুরু করেছে, যা জাতির সামনে নতুন আশাবাদ ও ইতিবাচক পরিবর্তনের বার্তা নিয়ে এসেছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>সরকারের এই অগ্রযাত্রার উল্লেখযোগ্য অর্জন, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম ও গৃহীত উদ্যোগ তুলে ধরে আজ বুধবার (২৭ মে) সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে একটি ই-বুক প্রকাশ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে প্রকাশিত এই ই-বুকটি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নিয়মিত হালনাগাদ করা হবে।</p>

<p>প্রকাশিত ই-বুকে বলা হয়, &lsquo;ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রথম ১০০ দিন ছিল মূলত দিকনির্ধারণ, প্রশাসনিক পুনর্গঠন এবং জনগণের আস্থা পুনর্গঠনের সময়। অর্থনৈতিক চাপ, বৈশ্বিক অস্থিরতা, জ্বালানি সংকট, কর্মসংস্থানের সীমাবদ্ধতা এবং দীর্ঘদিনের প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতার মধ্যেও সরকার দ্রুত কিছু নীতিগত ও জনমুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।</p>
</article>

<article>&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>সেখানে আরো বলা হয়, এই সময়ে সরকারের কার্যক্রমে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় সরাসরি প্রভাব ফেলে এমন সামাজিক ও অর্থনৈতিক সহায়তা, প্রশাসনিক ও বিচারব্যবস্থায় ডিজিটাল ও কাঠামোগত সংস্কার এবং দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত পরিকল্পনা।</p>

<p>এর মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত উদ্যোগগুলোর মধ্যে রয়েছে&mdash;ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, কৃষিঋণ মওকুফ, স্পোর্টস কার্ড, ই-হেলথ কার্ড, ডিজিটাল ভূমিসেবা, ই-বেইলবন্ড, খাল পুনঃখনন, ইমাম-মুয়াজ্জিনসহ বিভিন্ন ধর্মীয় গুরুদের আর্থিক সম্মানি প্রদান, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং শিক্ষা ও তরুণদের জন্য নতুন কর্মসূচি।</p>

<p>একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কিছু ব্যক্তিগত ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত সরকারের রাজনৈতিক বার্তাকে ভিন্ন মাত্রা দিয়েছে। যেমন&mdash;রাষ্ট্রীয় প্রটোকল সীমিত রাখা, সরকারি ব্যয়ে সংযম, মাঠপর্যায়ের সমস্যা দ্রুত সমাধানের নির্দেশ এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ততা।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>ই-বুকে আরো বলা হয়, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, জ্বালানি নিরাপত্তা, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সম্প্রসারণ এবং দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার বাস্তবায়ন করা এখনো বড় চ্যালেঞ্জ। তবুও প্রথম ১০০ দিনে সরকার একটি সক্রিয়, দ্রুত সিদ্ধান্তগ্রহণকারী এবং জনমুখী প্রশাসনের ইঙ্গিত দেওয়ার চেষ্টা করেছে।</p>

<p>এ ছাড়াও অনেক কর্মসূচি এখনো প্রাথমিক বাস্তবায়ন পর্যায়ে থাকলেও রাষ্ট্রকে আরো প্রযুক্তিনির্ভর, জবাবদিহিমূলক এবং সেবামুখী করার অঙ্গীকার সামনে এনেছে সরকার।</p>

<p>প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের মতে, &lsquo;নির্বাচনী মঞ্চে দেওয়া প্রতিশ্রুতি সাধারণত রাজনৈতিক ভাষণের অংশ হয়ে থাকে। কিন্তু ক্ষমতায় আসার পর সেই প্রতিশ্রুতিকে বাস্তব কর্মপরিকল্পনায় রূপ দেওয়ার মাধ্যমেই নেতৃত্বের মূল্যায়ন হয়।</p>
</article>

<article>বাংলাদেশের নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্বাচনী অঙ্গীকার এবং তা দ্রুত বাস্তবায়নে তার প্রত্যক্ষ রাজনৈতিক নির্দেশনা ও পদক্ষেপ এখন জাতীয় আলোচনার বিষয়ে পরিণত হয়েছে।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>ই-বুকে উল্লেখ করা হয়, &lsquo;গত ১৭ ফেব্রুয়ারি দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে বর্তমান সরকার বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চাপ, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সংকট, বিনিয়োগের স্থবিরতা, কর্মসংস্থানের ঘাটতি এবং প্রশাসনিক দুর্বলতার মতো একাধিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়।&rsquo;</p>

<p>তবে প্রথম ১০০ দিনে নীতিনির্ধারণে দ্রুততা, অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনায় স্থিতিশীলতার ইঙ্গিত, প্রশাসনিক কার্যক্রমে শৃঙ্খলা এবং বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান পুনরুদ্ধারের ইতিবাচক প্রবণতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশে এই প্রথম কোনো সরকার দায়িত্ব গ্রহণের সঙ্গে সঙ্গেই দেশজুড়ে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছে। কারণ, এ সরকার বিশ্বাস করে দেশের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কল্যাণে কাজ করাই নির্বাচিত প্রতিনিধিদের প্রধান দায়িত্ব।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1308-55.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[প্যারিসের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন ড. ইউনূস]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28560</link>
    <pubDate>Wed, 27 May 2026 19:01:50 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28560</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1374-44.jpg" />    <article>
<p>সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেছেন। বুধবার (২৭ মে) সকাল সোয়া ৭টায় টার্কিশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে তিনি ঢাকা ছাড়েন।</p>
</article>

<article>পথে তুরস্কের ইস্তাম্বুলে ট্রানজিট নিয়ে তার প্যারিসে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/country-news/2026/05/27/1690495" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। বিমানবন্দরে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ভিআইপি মর্যাদা দেওয়া হয়। সূত্র জানায়, আজ সকালে ড. ইউনূস টার্কিশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইটে ইস্তাম্বুলের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/country-news/2026/05/27/1690496" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের পর গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে ড. মুহাম্মদ ইউনূস দায়িত্ব গ্রহণ করেন ওই বছরের ৮ আগস্ট। পরবর্তীতে ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনের পর ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে নতুন নির্বাচিত সরকারের কাছে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1374-44.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[শান্তিচুক্তি নাকি ‘রাজনৈতিক বিজয়’ দেখাতেই ইরানের সঙ্গে চুক্তি চান ট্রাম্প]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28559</link>
    <pubDate>Wed, 27 May 2026 19:00:51 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28559</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1455-33.jpg" />    <article>
<p>ইরানকে ঘিরে চলমান উত্তেজনা ও দীর্ঘায়িত সংঘাতের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখন এমন একটি সমঝোতা খুঁজছেন, যা কেবল যুদ্ধ থামাবে না&mdash;বরং তাকে রাজনৈতিকভাবেও বিজয়ী হিসেবে তুলে ধরবে। এমনটাই মনে করছেন কাতারের জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্লেষক পল মুসগ্রেভ।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>আলজাজিরাকে দেওয়া&nbsp;এক&nbsp;<strong><a href="https://aje.news/sslnch?update=4604932">সাক্ষাৎকারে</a></strong> মুসগ্রেভ বলেন, যুদ্ধটি ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য প্রত্যাশার চেয়ে বেশি দীর্ঘ হয়ে গেছে। ফলে এখন তার প্রধান লক্ষ্য এমন একটি সমঝোতায় পৌঁছানো, যা দ্রুত সংঘাতের অবসান ঘটাবে এবং তাকে আবারও অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও আন্তর্জাতিক অন্যান্য ইস্যুতে মনোযোগ দেওয়ার সুযোগ করে দেবে।</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/05/26/1690381" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের রাজনৈতিক কৌশলের একটি বড় বৈশিষ্ট্য হলো&mdash;তিনি যেকোনো কূটনৈতিক ফলাফলকে ব্যক্তিগত সাফল্য হিসেবে উপস্থাপন করতে চান। ইরান ইস্যুতেও সেই প্রবণতা স্পষ্ট।</p>
</article>

<article>বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রে নির্বাচনী আবহ ও অভ্যন্তরীণ চাপের মধ্যে একটি &lsquo;শান্তিচুক্তি&rsquo; তাকে শক্তিশালী নেতৃত্বের প্রতীক হিসেবে তুলে ধরতে পারে।
<p>&nbsp;</p>

<p>তবে মুসগ্রেভ সতর্ক করে বলেন, ট্রাম্পের জন্য লাভজনক কোনো চুক্তি সবসময় যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত স্বার্থের সঙ্গে মিলবে&mdash;এমন নিশ্চয়তা নেই। এমনকি সেটি ইসরায়েলের দৃষ্টিকোণ থেকেও গ্রহণযোগ্য না-ও হতে পারে।</p>

<p>এই কারণেই ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের কট্টরপন্থী গোষ্ঠীগুলো আলোচনার প্রক্রিয়া নিয়ে অস্বস্তিতে রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।</p>
</article>

<article>তাদের আশঙ্কা, দ্রুত কোনো আপসচুক্তি হলে তা ইরানের ওপর কাঙ্ক্ষিত চাপ বজায় রাখার কৌশলকে দুর্বল করে দিতে পারে।
<p>&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/05/26/1690372" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>মুসগ্রেভের ভাষায়, কট্টরীন্থিরা &ldquo;কথা, কাজ ও বিভিন্ন পদক্ষেপের মাধ্যমে&rdquo; আলোচনায় প্রভাব ফেলতে চাইছে, যাতে চূড়ান্ত চুক্তি তাদের স্বার্থের অনুকূলে থাকে। আর এখানেই ট্রাম্পের রাজনৈতিক বাস্তবতা ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের কৌশলগত অবস্থানের মধ্যে সূক্ষ্ম পার্থক্য স্পষ্ট হয়ে উঠছে।</p>

<p>বিশ্লেষকদের ধারণা, ট্রাম্প প্রশাসনের সামনে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো&mdash;একদিকে যুদ্ধের ক্লান্তি ও আন্তর্জাতিক চাপ সামাল দেওয়া, অন্যদিকে মিত্রদের আস্থা ধরে রেখে এমন একটি সমঝোতা তৈরি করা, যা রাজনৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য এবং কৌশলগতভাবেও কার্যকর।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1455-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণার আগে দুশ্চিন্তায় স্কালোনি]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/28558</link>
    <pubDate>Wed, 27 May 2026 18:59:58 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/28558</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1493-22.jpg" />    <article>
<p>ফ্রান্স, স্পেন, ব্রাজিল, পর্তুগাল, ইংল্যান্ড, জার্মানিসহ বেশিরভাগ বড় দল বিশ্বকাপের স্কোয়াড ঘোষণা করেছে। কিন্তু আর্জেন্টিনা এদিক থেকে পিছিয়ে।</p>
</article>

<article>বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা এখনো দল ঘোষণা করেনি।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>আর্জেন্টিনার দল ঘোষণায় কেন এত দেরি হচ্ছে&mdash;এ নিয়ে একটি প্রতিবেদন করেছে ইএসপিএন। ক্রীড়াভিত্তিক এই সংবাদমাধ্যম বলছে, কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলারের চোট আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনির কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলে দিয়েছে। চোটের সঙ্গে লড়াই করে চলা খেলোয়াড়দের পুরোপুরি সেরে উঠতে কত দিন লাগতে পারে, তাদের রাখবেন নাকি বাদ দেবেন, এসব সিদ্ধান্ত নিতে কিছুটা সময় নিচ্ছেন স্কালোনি।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>ফিফার বেঁধে দেওয়া সময়সীমা অনুযায়ী, আগামী ২ জুনের মধ্যে সব দলকে চূড়ান্ত স্কোয়াড জমা দিতে হবে। স্কালোনি হয়তো শেষ সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন।</p>

<p>বিশ্বকাপকে সামনে রেখে আর্জেন্টিনা শিবিরে বেড়েছে দুশ্চিন্তা। শুধু লিওনেল মেসি নন, দলের বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলারের চোটও এখন কোচ লিওনেল স্কালোনির ভাবনার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক লিওনেল মেসি সম্প্রতি ইন্টার মিয়ামির হয়ে খেলতে গিয়ে হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে পড়েছেন। যদিও ধারণা করা হচ্ছে, এই চোট মেসির ষষ্ঠ বিশ্বকাপ খেলায় বাধা হয়ে দাঁড়াবে না। তবে স্কালোনি জানিয়েছেন, মেসি শতভাগ ফিট ন হয়েই বুয়েনস এইরেসে প্রস্তুতি ক্যাম্পে যোগ দেবেন।&nbsp;</p>

<p>আর্জেন্টিনার টিভি চ্যানেল ডি স্পোর্টসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে স্কালোনি বলেছেন, &lsquo;(মেসির স্ক্যানের) প্রাথমিক রিপোর্ট খুব একটা খারাপ নয়। তবে আরো কিছু পরীক্ষার ফল আসার পরই পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যাবে।</p>
</article>

<article>আমরা সবাই চেয়েছিলাম মেসি পুরোপুরি ফিট অবস্থায় দলে যোগ দিক। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। শুধু সে নয়, আরো কয়েকজন খেলোয়াড় চোট থেকে পুরোপুরি সেরে ওঠেনি। তাদের দ্রুত সুস্থ করে তোলাই এখন প্রধান লক্ষ্য।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>চোটের তালিকায় আছেন বিশ্বকাপজয়ী গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজও। ইউরোপা লিগ ফাইনালের আগে অ্যাস্টন ভিলার হয়ে অনুশীলনের সময় ডান হাতের আঙুলে চিড় ধরে মার্তিনেজের।&nbsp;</p>

<p>এ ছাড়া টটেনহামের ডিফেন্ডার ক্রিস্তিয়ান রোমেরো হাঁটুর লিগামেন্ট চোট থেকে সেরে ওঠার চেষ্টা করছেন। নাহুয়েল মোলিনা, গঞ্জালো মন্তিয়েল, নিকো পাজ ও নিকোলাস গঞ্জালেসও চোটে ভুগছেন।</p>

<p>স্কালোনি জানিয়েছেন, ফিফার কাছে চূড়ান্ত দল জমা দেওয়ার আগ পর্যন্ত চোটগ্রস্ত ফুটবলারদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হবে। এমনকি মেসিসহ কয়েকজনকে বিশ্বকাপের আগে প্রস্তুতি ম্যাচে না খেলানোর সম্ভাবনা আছে। এ পরিস্থিতিতে হন্ডুরাস ও আইসল্যান্ডের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচের জন্য কয়েকজন তরুণ ফুটবলারকে দলে ডাকা হয়েছে।</p>

<p>স্কালোনি বলেছেন, &lsquo;তরুণ খেলোয়াড়দের শুধু ভবিষ্যতের কথা ভেবে নয়, সম্ভাব্য জরুরি পরিস্থিতির জন্যও দলে নেওয়া হয়েছে। প্রথম ম্যাচের আগ পর্যন্ত পরিবর্তনের সুযোগ থাকছে।&rsquo;</p>

<p>আগামী সপ্তাহে স্পোর্টিং কানসাস সিটির ট্রেনিং কমপ্লেক্সে বেস ক্যাম্প শুরু করবে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। ১৬ জুন আলজেরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শিরোপা ধরে রাখার অভিযানে নামবে তারা।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1493-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[দেড় শতাধিক হলে মুক্তি পাচ্ছে ঈদের ৯ সিনেমা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/28557</link>
    <pubDate>Wed, 27 May 2026 18:59:03 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/28557</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1591-11.jpg" />    <article>
<p>তি বছরের মতো এবারও ঈদুল আজহাকে ঘিরে জমে উঠেছে ঢাকাই সিনেমার বাজার। মুক্তির তালিকায় রয়েছে ৯টি সিনেমা।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির তথ্য অনুযায়ী, এবার ঈদে মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমাগুলো হলো &lsquo;রকস্টার&rsquo;, &lsquo;মাসুদ রানা&rsquo;, &lsquo;রইদ&rsquo;, &lsquo;মালিক&rsquo;, &lsquo;বনলতা সেন&rsquo;, &lsquo;পিনিক&rsquo;, &lsquo;তছনছ&rsquo;, &lsquo;অফিসার&rsquo; এবং &lsquo;ইউনিভার্সিটি অব চানখাঁরপুর&rsquo;। সারা দেশে প্রায় ১৫০টি প্রেক্ষাগৃহে সিনেমাগুলো প্রদর্শিত হবে।</p>

<p>চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির সভাপতি আওলাদ হোসেন উজ্জ্বল বলেন, &lsquo;ঈদে একসঙ্গে এত সিনেমা মুক্তি দেওয়া ভবিষ্যতে প্রযোজকদের জন্য ঝুঁকির কারণ হতে পারে।&rsquo;</p>

<p>ঈদের সবচেয়ে আলোচিত সিনেমাগুলোর একটি &lsquo;রকস্টার&rsquo;।</p>
</article>

<article>আজমান রুশো পরিচালিত এই সিনেমাটিতে অভিনয় করেছেন শাকিব খান, যা নিয়ে দর্শকের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>ইতোমধ্যে সিনেমাটির &lsquo;পিরিতি&rsquo; ও &lsquo;আমাকে ভাসিয়ে দাও&rsquo; গান, দুটি টিজার, পোস্টার ও অ্যানিমেশন প্রকাশ হয়েছে। সেন্সর ছাড়পত্র পাওয়া এই সিনেমাটি প্রায় ১০০টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে বলে জানা গেছে।</p>

<p>এরপর রয়েছে সৈকত নাসির পরিচালিত &lsquo;মাসুদ রানা&rsquo; সিনেমা।</p>
</article>

<article>ইমপ্রেস টেলিফিল্ম ও জাজ মাল্টিমিডিয়ার প্রযোজনায় নির্মিত এই সিনেমায় অভিনয় করেছেন রাসেল রানা, পূজা চেরী ও সৈয়দা তিথি অমনি।
<p>&nbsp;</p>

<p>সেবা প্রকাশনীর জনপ্রিয় স্পাই থ্রিলার অবলম্বনে নির্মিত এই সিনেমাটির পোস্টার, গান ও ট্রেলার আগেই প্রকাশ পেয়েছে।</p>

<p>&lsquo;হাওয়া&rsquo; খ্যাত নির্মাতা মেজবাউর রহমান সুমন আসছেন তার নতুন সিনেমা &lsquo;রইদ&rsquo; নিয়ে। এতে অভিনয় করেছেন নাজিফা তুষি, মোস্তাফিজুর নূর ইমরান, গাজী রাকায়েতসহ অনেকে।</p>

<p>ঈদে রয়েছে আরিফিন শুভ ও বিদ্যা সিনহা মিম জুটির &lsquo;মালিক&rsquo; সিনেমাও।</p>
</article>

<article>সাইফ চন্দন পরিচালিত এই সিনেমাটির ট্রেলার ও গান ইতিমধ্যেই প্রকাশ পেয়েছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>সরকারি অনুদানে নির্মিত &lsquo;বনলতা সেন&rsquo; পরিচালনা করেছেন মাসুদ হাসান উজ্জ্বল। এতে অভিনয় করেছেন নাবিলা ও খায়রুল বাসার।&nbsp;</p>

<p>ঈদের তালিকায় রয়েছে &lsquo;পিনিক&rsquo;, &lsquo;তছনছ&rsquo; এবং বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক গল্প নিয়ে নির্মিত &lsquo;ইউনিভার্সিটি অব চানখাঁরপুর&rsquo; সিনেমাও। সিনেমাগুলোতে অভিনয় করেছেন বুবলী, আদর আজাদ, মুন্না খান, ববি হক, ডিএ তায়েব, মাহিয়া মাহি প্রমুখরা।&nbsp;</p>

<p>একসঙ্গে এত সিনেমা মুক্তি পাওয়ায় প্রতিযোগিতা ও ব্যাবসায়িক চাপ দুটোই বাড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1591-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[জঙ্গল সলিমপুরের ঘটনায় কঠোর বার্তা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28556</link>
    <pubDate>Wed, 27 May 2026 09:24:51 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28556</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/917-1.jpg" />    <article>
<p>চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরে যৌথ বাহিনীর ক্যাম্পে হামলার ঘটনায় কঠোর বার্তা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেছেন, দীর্ঘ ১৭ বছরে কোনো আইনের শাসন ছিল না, তাই জঙ্গল সলিমপুরের মতো ঘটনা ঘটেছে।</p>
</article>

<article>জঙ্গল সলিমপুরসহ অন্যান্য জায়গায় যেখানে পুলিশ-সদস্যদের ওপর হামলা হচ্ছে, সেটা নজরে রাখা হচ্ছে। তারা যে দুঃসাহস দেখিয়েছে, সেটি কঠোরভাবে নির্মূলভাবে করা হবে। এ দেশে কোনোভাবেই সন্ত্রাস, মাদক, দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না।
<p>&nbsp;</p>

<p>মঙ্গলবার পুলিশ সদর দপ্তরে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/national/2026/05/26/1690262" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>মন্ত্রী বলেন, এবার সড়ক দুর্ঘটনা অনেক কম। যা হচ্ছে বেশির ভাগই নিজেদের ভুলে। এ জন্য যাত্রীদের সচেতন হতে হবে।</p>

<p>স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পুলিশ সদর দপ্তরের মনিটরিং সেল বিশেষভাবে কাজ করে ঈদের সময়।</p>
</article>

<article>মহাসড়ক, পশুর হাট সার্বক্ষণিক মনিটরিং করা হচ্ছে। পশুর হাটে জাল নোট শনাক্তকারী ব্যবস্থাপনা আছে। ঈদ-পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বর্জ্য সরাতে সমন্বিতভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পরবর্তী সময়েও কাজ চলবে।
<p>&nbsp;</p>

<p>সড়কে যানজট নিয়ে মন্ত্রী বলেন, টোলে আধুনিকায়নে সড়ক মন্ত্রণালয়কে পরামর্শ দেওয়া হবে।</p>
</article>

<article>ডিজিটালাইজেশন প্রয়োজন। নারায়ণগঞ্জে লোকনাথ উৎসব ও মাদারীপুরে কুম্ভ মেলার নিরাপত্তায় যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/entertainment/2026/05/26/1690266" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>উল্লেখ্য, গত রবিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে জঙ্গল সলিমপুরের আলীনগর যৌথ বাহিনীর ক্যাম্পে হামলা চালায় কয়েক শ সন্ত্রাসী। তারা নির্মাণাধীন ক্যাম্প গুঁড়িয়ে দেয়। উপস্থিত লোকজনকে মারধর করে। আত্মরক্ষার্থে ১০৫ রাউন্ড গুলি ছোড়ে যৌথ বাহিনী। এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি। এ ঘটনার পর গতকাল সোমবার সেখানে অভিযান চালায় যৌথ বাহিনী। এ সময় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বেশকয়েক জনকে আটক করা হয়েছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/917-1.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[শহীদ জিয়ার মৃত্যুবার্ষিকী -রাজধানীর ১৬ স্থানে দুস্থদের মধ্যে খাদ্য ও বস্ত্র বিতরণ করবেন প্রধানমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28555</link>
    <pubDate>Wed, 27 May 2026 09:23:53 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28555</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/777-99.jpg" />    <p>বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ আয়োজিত ৩০ মে (শনিবার) রাজধানীর ১৬টি স্থানে দুস্থ ও অসহায়দের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী ও বস্ত্র বিতরণ করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।&nbsp;</p>

<p>বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, ঢাকা মহানগর ১৫টি সংসদীয় আসন এবং বিএনপি কেন্দ্রীয় অফিস সামনেসহ মোট ১৬টি স্থানে এসব খাদ্য ও বস্ত্র বিতরণ করবেন বিএনপি চেয়ারম্যান।&nbsp;</p>

<p>এছাড়াও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবীদের আয়োজনে প্রতিবছরের মতো এ বছরও মিলাদ, দোয়া ও খাবার বিতরণ করা হবে।&nbsp;</p>

<p>নির্ধারিত প্রতিটি স্থানে স্থানীয় সংসদ সদস্য ছাড়াও মন্ত্রিপরিষদের সদস্যসহ বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের সিনিয়র নেতারা উপস্থিত থাকবেন।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/777-99.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[হাম ও উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ১০ শিশুর, মোট মৃত্যু ৫৫৫]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28554</link>
    <pubDate>Wed, 27 May 2026 09:22:13 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28554</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/970-88.jpg" />    <p>গত ২৪ ঘণ্টায় (সোমবার সকাল ৮টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) সারা দেশে হাম ও উপসর্গে আরও ১০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত হাম ও উপসর্গে ৫৫৫ শিশুর প্রাণ গেল। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত হয়েছে ১১৩৬ জন।&nbsp;&nbsp;</p>

<p>মঙ্গলবার (২৬ মে) বিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।</p>

<p>প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় হামে একজন ও সন্দেহজনক হাম রোগে নয়জন মারা গেছে।</p>

<p>স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চের পর থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ৮৮ জনের প্রাণ গেছে। একই সময়ে সন্দেহভাজন হামে প্রাণহানির সংখ্যা ৪৬৭।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/970-88.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[দেশবাসীকে ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28553</link>
    <pubDate>Wed, 27 May 2026 09:20:58 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28553</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1092-77.jpg" />    <article>
<p>আর মাত্র এক দিন পরই মুসলিম উম্মাহর বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা উদ্&zwnj;যাপিত হবে। এরই মধ্যে দেশবাসী এবং বিশ্ববাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।</p>
</article>

<article>ঈদুল আজহা উপলক্ষে মঙ্গলবার (২৬ মে) রাত পৌনে ১০টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে এই শুভেচ্ছা জানান তিনি।
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রধানমন্ত্রী তার পোস্টে লিখেছেন, &lsquo;ত্যাগের পরাকাষ্ঠা, তাকওয়ার মহিমান্বিত পথনির্দেশনা এবং আত্মশুদ্ধির অনন্য বার্তা সবাইকে স্মরণ করিয়ে দিয়ে বছর ঘুরে আবারও বিশ্বমুসলিমের দুয়ারে হাজির পবিত্র ঈদুল আজহা। আমি এই শুভক্ষণে দেশ এবং বিশ্বের সব মুসলমানকে জানাই ঈদ মোবারক। বিশ্ববাসীকে জানাই পবিত্র ঈদের শুভেচ্ছা।</p>
</article>

<article>&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি আরো লেখেন, &lsquo;ত্যাগের মহিমায় উজ্জীবিত বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব মুসলমান ঈদুল আজহা উদ্&zwnj;যাপনের জন্য প্রস্তুত। ইসলামের মহিমান্বিত এই উৎসব শুধু একটি আনন্দ-উৎসবই নয় বরং স্রষ্টার প্রতি গভীর বিশ্বাস, আত্মনিবেদন এবং ত্যাগের এক চিরন্তন বার্তা বহন করে। আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে হযরত ইব্রাহিম (আ.)-এর অটল ঈমান, নিঃশর্ত আনুগত্য এবং সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত এই দিবসকে বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর কাছে মহিমান্বিত ও গভীর তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে।&rsquo;</p>

<p>পবিত্র ঈদুল আজহায় আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, &lsquo;তিনি যেন আমাদের ত্যাগ কবুল করেন।</p>
</article>

<article>আমাদের মাতৃভূমিসহ সমগ্র মুসলিমবিশ্ব ও মানবজাতির জন্য শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা দান করেন। একই সঙ্গে আমি বিশ্বজুড়ে শান্তি, সম্প্রীতি এবং নিরাপত্তার জন্যও মহান আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করছি।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রধানমন্ত্রী বলেন, &lsquo;ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর হোক এই পবিত্র ঈদুল আজহা। আল্লাহ আমাদের কোরবানি ও ইবাদত কবুল করে নিন। তার অশেষ রহমত ও বরকতে আমাদের জীবন ভরে উঠুক শান্তি ও সমৃদ্ধিতে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1092-77.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যে ঈদুল আজহা আজ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28552</link>
    <pubDate>Wed, 27 May 2026 09:13:58 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28552</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1208-66.jpg" />    <article>
<p>সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে আজ বুধবার (২৭ মে) ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা। ঈদের নামাজ, পশু কোরবানি এবং হজের আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে মুসলিম বিশ্বের অন্যতম বড় এই ধর্মীয় উৎসব পালন করছেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>পবিত্র হজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আনুষ্ঠানিকতা &lsquo;উকুফে আরাফা&rsquo; সম্পন্ন হওয়ার পরই মধ্যপ্রাচ্যে ঈদুল আজহার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার (২৬ মে) জিলহজ মাসের নবম দিনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা প্রায় ১৬ লাখ হাজি সৌদি আরবের আরাফাত ময়দানে সমবেত হন। ভোর থেকেই শুভ্র ইহরামে সজ্জিত হাজিদের &lsquo;লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক&rsquo; ধ্বনিতে মুখর হয়ে ওঠে পুরো আরাফাত প্রান্তর।</p>

<p>ইসলামী শরিয়ত অনুযায়ী আরাফাতে অবস্থান করা হজের প্রধান রুকন।</p>
</article>

<article>সূর্যাস্ত পর্যন্ত হাজিরা আরাফাতের নির্ধারিত সীমানার মধ্যে অবস্থান করে নামাজ, তওবা-ইস্তিগফার, কোরআন তিলাওয়াত ও জিকির-আসকারে সময় কাটান। মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের আশায় কান্না ও প্রার্থনায় মগ্ন ছিলেন তারা।<br />
&nbsp;<br />
দুপুরে ঐতিহাসিক নামিরা মসজিদ থেকে হজের খুতবা দেন মসজিদুল হারামের ইমাম ও খতিব শায়খ আলি আল হুদাইফি। এবার বাংলাসহ বিশ্বের ৩৫টি ভাষায় খুতবার অনুবাদ সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।</article>

<article>খুতবায় তিনি মুসলিম উম্মাহর ঐক্য, ইসলামী মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা এবং বিশ্বশান্তি বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>খুতবা শেষে হাজিরা জোহর ও আসরের নামাজ একসঙ্গে আদায় করে সূর্যাস্তের পর মুজদালিফার উদ্দেশে রওনা হন। সেখানে খোলা আকাশের নিচে রাতযাপন করেন তারা। একই সঙ্গে মিনায় শয়তানকে পাথর নিক্ষেপের জন্য প্রয়োজনীয় কঙ্কর সংগ্রহ করেন হাজিরা।</p>

<p>আজ ১০ জিলহজ সকালে মিনার জামারায় বড় শয়তানকে পাথর নিক্ষেপের মধ্য দিয়ে ঈদুল আজহার মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে।</p>
</article>

<article>পরে আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় পশু কুরবানি করবেন হাজিরা। কুরবানি শেষে মাথা মুণ্ডন বা চুল ছেঁটে ইহরাম ত্যাগ করবেন তারা। এরপর কাবা শরিফ তাওয়াফের মধ্য দিয়ে হজের পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করবেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>এদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে ঈদকে ঘিরে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। প্রবাসী বাংলাদেশি, পাকিস্তানি ও ভারতীয় মুসলমানদের অনেকে আগেই গরু, ছাগলসহ কুরবানির পশু কিনেছেন। পরিবার ও স্বজনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে নানা প্রস্তুতি নিয়েছেন তারা।</p>

<p>হজ ব্যবস্থাপনা নির্বিঘ্ন রাখতে সৌদি সরকার ব্যাপক নিরাপত্তা ও পরিবহন ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। তীব্র গরমে হাজিদের স্বস্তি দিতে বিভিন্ন স্থানে পানির ফোয়ারা ও ছায়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি হাজিদের যাতায়াত সহজ করতে প্রায় ২৪ হাজার বিশেষ বাস পরিচালনা করছে সৌদি কর্তৃপক্ষ।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1208-66.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা নেতানিয়াহুর জন্য ‘দুঃস্বপ্নের মতো পরিস্থিতি’ হয়ে দাঁড়াবে]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28551</link>
    <pubDate>Wed, 27 May 2026 09:13:02 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28551</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1373-44.jpg" />    <article>
<p>যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হলে তা ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর জন্য &lsquo;দুঃস্বপ্নের মতো পরিস্থিতি&rsquo; হয়ে দাঁড়াবে বলে মন্তব্য করেছেন বিশ্লেষকরা। এটি তার বড় ধরনের রাজনৈতিক ও কৌশলগত ধাক্কা হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন তারা।</p>
</article>

<article>তাদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে ইরানের সামরিক ও পারমাণবিক সক্ষমতাকে ইসরায়েলের সবচেয়ে বড় নিরাপত্তা হুমকি হিসেবে তুলে ধরা নেতানিয়াহু এই সংঘাত থেকে প্রত্যাশিত ফল অর্জন করতে পারেননি।
<p>&nbsp;</p>

<p>আন্তর্জাতিক সংকট বিশ্লেষণ সংস্থার জ্যেষ্ঠ বিশ্লেষক মাইরাভ জোনসজেইন মনে করেন, যুদ্ধের মাধ্যমে ইরানে &lsquo;শাসন পরিবর্তন&rsquo; ঘটানো কিংবা দেশটির পারমাণবিক সক্ষমতা পুরোপুরি ধ্বংস করার যে লক্ষ্য নিয়ে চাপ তৈরি করা হয়েছিল, বাস্তবে তার কোনোটিই অর্জিত হয়নি। ফলে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলে তা ইসরায়েল সরকারের জন্য &lsquo;কৌশলগত বিপর্যয়&rsquo; হিসেবে দেখা দিতে পারে।</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/05/26/1690280" target="_blank">&nbsp;</a>

<p><strong><a href="https://www.aljazeera.com/news/liveblog/2026/5/26/iran-war-live-israel-pounds-lebanon-iranian-officials-in-qatar-for-talks">আলজাজিরাকে</a></strong> মাইরাভ জোনসজেইন বলেন, নেতানিয়াহু হয়তো দাবি করতে পারেন যে ইরানের কিছু সামরিক সক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, কিন্তু সেটি দীর্ঘমেয়াদি বা নির্ণায়ক সাফল্য নয়।</p>
</article>

<article>বরং সংঘাত থেমে গেলে ইরান আবারও নিজেদের সামরিক ও কূটনৈতিক অবস্থান পুনর্গঠনের সুযোগ পাবে।
<p>&nbsp;</p>

<p>বিশ্লেষকদের মতে, এই যুদ্ধের মধ্য দিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনও দ্রুত এবং দৃশ্যমান সাফল্য আশা করেছিল। কিন্তু যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়া, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা এবং অর্থনৈতিক চাপ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। ফলে ওয়াশিংটনের জন্যও এখন সংঘাতের রাজনৈতিক পরিণতি সামাল দেওয়া বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/05/26/1690284" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>মাইরাভ জোনসজেইনের ভাষায়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যদি শেষ পর্যন্ত সমঝোতা হয় এবং যুদ্ধ বন্ধ হয়, তাহলে সেটি নেতানিয়াহুর জন্য &lsquo;দুঃস্বপ্নের মতো পরিস্থিতি&rsquo; হবে। কারণ এতে তিনি অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে শক্ত অবস্থান দেখানোর সুযোগ হারাতে পারেন, একই সঙ্গে ইরানবিরোধী কঠোর নীতির কার্যকারিতা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1373-44.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ওয়াশিংটনে কারখানায় রাসায়নিক ট্যাংক বিস্ফোরণ, একাধিক হতাহত]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28550</link>
    <pubDate>Wed, 27 May 2026 09:12:02 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28550</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1307-55.jpg" />    <article>
<p>যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে একটি কাগজের কারখানায় রাসায়নিক ট্যাংক বিস্ফোরণে একাধিক হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (২৬ মে) স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম <a href="https://www.bbc.com/news/articles/cj9ppm94xw9o">বিবিসি</a>।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>নিপ্পন ডিনাওয়েভ প্যাকেজিং কম্পানি ও স্থানীয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এক যৌথ বিবৃতিতে জানিয়েছে, আকস্মিক এ বিস্ফোরণে বেশ কয়েকজন গুরুতর হতাহত হয়েছেন এবং পুরো শিল্প স্থাপনাটির ব্যাপক ক্ষতিসাধন হয়েছে।</p>

<p>বিস্ফোরণের পরপরই লংভিউ ফায়ার ডিপার্টমেন্ট ও উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার তৎপরতা শুরু করে।</p>

<p>ফায়ার ডিপার্টমেন্ট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় জানিয়েছে, উদ্ধার কাজ এখনো চলমান রয়েছে এবং হতাহতদের পরিবারের অবস্থা বিবেচনা করে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের নাম বা বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হচ্ছে না। তবে স্থানীয় প্রশাসন আশ্বস্ত করেছে, কারখানার অভ্যন্তরীণ এ দুর্ঘটনার ফলে আশপাশের আবাসিক এলাকার বাসিন্দাদের কোনো ক্ষয়ক্ষতি কিংবা বিপদের আশঙ্কা নেই।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>জানা গেছে, ঘটনার পর পরই জরুরি উদ্ধারকারীরা দুর্ঘটনাস্থল থেকে আহতদের উদ্ধার করে লংভিউ ও ভ্যাংকুভারের নিকটবর্তী হাসপাতালগুলোতে স্থানান্তরিত করেছেন। বিস্ফোরণ ঘটা ট্যাংকটিতে ঠিক কী ধরনের রাসায়নিক উপাদান ছিল, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। স্থানীয় সময় সকাল ৭টা ১৯ মিনিটে ঘটা এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা মোকাবেলায় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বর্তমানে ঘটনাস্থলে প্রায় ৪০ জন ফায়ারফাইটার ও প্যারামেডিক কাজ করছেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1307-55.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত এবার ‘নেহারি-রন্ধনশিল্পী’]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28549</link>
    <pubDate>Wed, 27 May 2026 09:10:50 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28549</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1454-33.jpg" />    <article>
<p>ঢাকার রাস্তায় আমেরিকার পতাকাশোভিত রিকশা চালানোর পর এবার নেহারি রান্নার ভিডিও পোস্ট করলেন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন। নিজের তৈরি করা এই নেহারিকে &lsquo;সর্বশ্রেষ্ঠ&rsquo; বলেও দাবি করেছেন তিনি।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>ঈদ উপলক্ষে রাষ্ট্রদূতের রান্নার ভিডিওটি মঙ্গলবার (২৬ মে) পোস্ট করেছে ঢাকার মার্কিন দূতাবাস।</p>

<p>ভিডিওতে দেখা যায়, বাংলাদেশের জনপ্রিয় অনলাইন কুকিং ও ফুড-ভিডিও প্ল্যাটফর্ম &lsquo;মাহিম মেকস&rsquo;-এর কনটেন্ট ক্রিয়েটর মাহিম আহমেদ রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে নেহারি রান্না করছেন। সম্পূর্ণ ভিডিওতে ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনকে বাংলায় কথা বলতে শোনা যায়।</p>

<p>ভিডিওতে আরো দেখা যায়, দুজনে চুলায় রাখা প্যানের মধ্যে ঢেলে দিচ্ছেন গরুর নলা বা পায়া।</p>
</article>

<article>এরপর একে রান্নার সব উপকরণ দিচ্ছেন তারা।
<p>&nbsp;</p>

<p>এ সময় মাহিম ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনকে প্রশ্ন করেন, &lsquo;অ্যাম্বাসাডর, আপনি কি রান্না করতে পছন করেন?&rsquo; জবাবে রাষ্ট্রদূত বলেন, &lsquo;জি, আমি রান্না করতে খুব পছন্দ করি।&rsquo;</p>

<p>মাহিম আরো প্রশ্ন করেন, &lsquo;বাংলাদেশে আপনার প্রিয় খাবার কী।&rsquo; জবাবে রাষ্ট্রদূত বলেন, &lsquo;বাংলাদেশে আমার প্রিয় খাবার খাসির বিরিয়ানি।</p>
</article>

<article>&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>রাষ্ট্রদূত আরো বলেন, &lsquo;ঈদ মোবারক। মাহিমের সঙ্গে নেহারি রান্না করে এবং বাংলাদেশে ঈদের ঐতিহ্য সম্পর্কে জানতে পেরে দারুণ লেগেছে।&rsquo;</p>

<p>উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রেরে স্বাধীনতার ২৫০তম বার্ষিকী উদযাপনের অংশ হিসেবে গত ২০ মে মার্কিন জাতীয় পতাকার নকশার সঙ্গে মিল রেখে ঢাকার রাস্তায় ৫০টি বিশেষ রিকশা উদ্বোধন করেন রাষ্ট্রদূত। এ সময় তাকে রিকশায় চালকের আসনে বসে পোজ দিতে দেখা যায়।</p>

<p>সেসময় ক্রিস্টেনসেন বলেন, &lsquo;এই উদ্যোগের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা উদযাপনের পাশাপাশি বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের অংশীদারি ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের প্রতিফলন তুলে ধরা হয়েছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1454-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[কাতারের স্মৃতি ধরে রেখে বিশ্বকাপে  মরক্কোর ২৬ সদস্যের দল ঘোষণা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/28548</link>
    <pubDate>Wed, 27 May 2026 09:09:55 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/28548</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1492-22.jpg" />    <article>
<p>বিশ্বকাপের জন্য ২৬ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে মরক্কো জাতীয় ফুটবল দল। কাতার বিশ্বকাপে ইতিহাস গড়া দলের বেশ কয়েকজন অভিজ্ঞ ফুটবলারকে রেখেই দল সাজিয়েছেন নতুন কোচ মোহামেদ ওয়াহবি।</p>
</article>

<article>আনুষ্ঠানিকভাবে স্কোয়াড ঘোষণা করা ওয়াহবি গত মার্চে দায়িত্ব নেওয়ার আগে ২০২৫ অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপে মরক্কোকে শিরোপা জিতিয়েছিলেন। এবার সিনিয়র দল নিয়েও বড় স্বপ্ন দেখছেন তিনি।
<p>&nbsp;</p>

<p>কাতার বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে উঠে ইতিহাস গড়া দলের ৯ জন ফুটবলার জায়গা পেয়েছেন এবারের স্কোয়াডে। তাদের মধ্যে আছেন গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনু, ডিফেন্ডার নাইয়েফ আগুয়ের্দ, মিডফিল্ডার সোফিয়ান আমরাবাত ও তারকা ডিফেন্ডার আশরাফ হাকিমি।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>ওয়াহবি জানিয়েছেন, বিশ্বকাপ দল গঠনে তিনি দীর্ঘ সময় ধরে অনেক খেলোয়াড়কে পর্যবেক্ষণে রেখেছিলেন। প্রশিক্ষণ ক্যাম্প, আলোচনা এবং বিভিন্ন সফরের মাধ্যমে সম্ভাব্য ফুটবলারদের মূল্যায়ন করা হয়েছে।</p>

<p>দলে সবচেয়ে আলোচিত নতুন মুখ ১৮ বছর বয়সী মিডফিল্ডার আয়ুব বুয়াদ্দি। ফ্রান্সের হয়ে খেলার সুযোগ থাকলেও শেষ পর্যন্ত মরক্কোকেই বেছে নিয়েছেন এই তরুণ ফুটবলার।</p>
</article>

<article>কোচ ওয়াহবি বলেছেন, বুয়াদ্দি খুব দ্রুত সবকিছু রপ্ত করতে পারে এবং তার মধ্যে অসাধারণ প্রতিভা রয়েছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>তবে অভিজ্ঞ ফরোয়ার্ড সোফিয়ান বৌফাল শেষ পর্যন্ত জায়গা পাননি। এ বিষয়ে ওয়াহবি বলেন, বৌফাল ভালো খেললেও তার পজিশনে আগে থেকেই বিকল্প থাকায় কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।</p>

<p><strong>মরক্কোর বিশ্বকাপ স্কোয়াড<br />
গোলরক্ষক :</strong> ইয়াসিন বুনু, মুনির এল কাজুই, রেদা তাগনাউতি।</p>

<p><strong>রক্ষণভাগ :</strong> নুসাইর মাজরাউই, আনাস সালাহ-এদ্দিন, ইউসুফ বেলাম্মারি, আশরাফ হাকিমি, জাকারিয়া এল ওয়াহদি, নাইয়েফ আগুয়ের্দ, শাদি রিয়াদ, রেদোয়ানে হালহাল, ইসা দিয়প।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p><strong>মিডফিল্ডার : </strong>সামির এল মুরাবেত, আয়ুব বুয়াদ্দি, নিল এল আইনাউই, সোফিয়ান আমরাবাত, আজ্জেদিন উনাহি, বিলাল এল খান্নুস, ইসমাইল সাইবারি।</p>

<p><strong>আক্রমণভাগ :</strong> আব্দে এজ্জালজুলি, শেমসদিন তালবি, সুফিয়ান রহিমি, আয়ুব এল কাবি, ব্রাহিম দিয়াজ, গেসিম ইয়াসিন, আয়ুব আমাইমুনি।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1492-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[হাজার কোটির পথে হাঁটছে ‘মাইকেল’]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/28547</link>
    <pubDate>Wed, 27 May 2026 09:09:04 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/28547</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1590-11.jpg" />    <p>মাইকেল জ্যাকসনের বায়োপিক &lsquo;মাইকেল&rsquo; বিশ্বব্যাপী বক্স অফিসে দারুণ সাফল্য দেখাচ্ছে। সমালোচকদের কাছ থেকে মিশ্র প্রতিক্রিয়া পেলেও দর্শকদের আগ্রহে সিনেমাটি আয় করছে রেকর্ড পরিমাণ অর্থ। মুক্তির পর এখন পর্যন্ত ছবিটির মোট বৈশ্বিক আয় প্রায় ৭৮ কোটি ৮০ লাখ (৭৮৮ মিলিয়ন) ডলার ছুঁয়েছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, খুব শিগগিরই এটি ৮০ কোটি ডলারের সীমা অতিক্রম করতে পারে।</p>

<p>গত সপ্তাহে শুধু আন্তর্জাতিক বাজার থেকেই সিনেমাটি আরও ২ কোটি ৮৫ লাখ ডলার আয় করেছে। এর মধ্যে উত্তর আমেরিকার বাজার থেকে এসেছে প্রায় ৩১ কোটি ৯০ লাখ ডলার, আর আন্তর্জাতিক বাজার থেকে সংগ্রহ করেছে প্রায় ৪৬ কোটি ৮০ লাখ ডলার। এখনো জাপানে সিনেমাটির মুক্তি বাকি থাকায় সামনে আয় আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>চলচ্চিত্র বিশ্লেষকদের মতে, একই ধারা বজায় থাকলে সিনেমাটি ২০১৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত বোহেমিয়ান র&zwj;্যাপসোডি-এর ৯১ কোটি ১০ লাখ ডলারের আয়কেও ছাড়িয়ে যেতে পারে। সেটি হলে এটি ইতিহাসের সর্বোচ্চ আয় করা মিউজিক্যাল বায়োপিক হিসেবে নতুন রেকর্ড গড়বে।</p>

<p>সিনেমাটিতে মাইকেল জ্যাকসনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন জেফার জ্যাকসন। ছবিটি পরিচালনা করেছেন আন্তোনি ফুকুয়া। আন্তর্জাতিক পরিবেশনার দায়িত্বে রয়েছে ইউনিভার্সাল পিকচার্স, আর যুক্তরাষ্ট্রে পরিবেশনার দায়িত্ব পালন করছে লায়ন্সগেট।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1590-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিউইয়র্কে-সম্মানজনক মুক্তধারা-জিএফবি সাহিত্য পুরস্কার পেলেন ড. আব্দুন নূর]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/28546</link>
    <pubDate>Tue, 26 May 2026 10:20:14 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/28546</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/128-aa.jpg" />    <p>বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে দীর্ঘদিনের অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ কথাসাহিত্যিক, গবেষক ও ঔপন্যাসিক ড. আব্দুন নূর অর্জন করেছেন &lsquo;৩৫তম আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা&rsquo;র অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ &lsquo;মুক্তধারা-জিএফবি সাহিত্য পুরস্কার&rsquo;। দেশের বাইরে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে বিশেষ অবদানের জন্য প্রবর্তিত এই পুরস্কারকে প্রবাসী বাংলা সাহিত্যাঙ্গনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সম্মাননা হিসেবে বিবেচনা করা হয়।</p>

<p><img alt="" data-mfp-src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/706015825_821219760784405_151814020632293557_n.jpg" src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/706015825_821219760784405_151814020632293557_n.jpg" /></p>

<p data-added-after="1">রোববার (২৪ মে) সন্ধ্যায় নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত চারদিনব্যাপী আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলার মূলমঞ্চে এক বর্ণাঢ্য আয়োজনে পুরস্কারপ্রাপ্ত হিসেবে ড. আব্দুন নূরের নাম ঘোষণা করা হয়। এ সময় বইমেলার মিলনায়তনে উপস্থিত সাহিত্যপ্রেমী, লেখক, প্রকাশক ও দর্শকদের মধ্যে টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছিল।</p>

<p>পুরস্কারের প্রবর্তক গোলাম ফারুক ভূঁইয়া আনুষ্ঠানিকভাবে বিজয়ীর নাম ঘোষণা করেন। এ সময় মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ বলেন, &ldquo;মুক্তধারা-জিএফবি সাহিত্য পুরস্কারের মনোনয়ন ও নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ স্বাধীন ও স্বচ্ছ। পুরস্কারের উদ্যোক্তা বা বইমেলা কমিটির কেউ এই নির্বাচনী প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত নন। একটি স্বতন্ত্র বিচারক প্যানেল প্রতি বছর যোগ্য সাহিত্যিক নির্বাচন করে বইমেলা কর্তৃপক্ষের কাছে চূড়ান্ত নাম জমা দেন।&rdquo;<img alt="" data-mfp-src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/705267396_1464255142400874_4136456708344629212_n.jpg" src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/705267396_1464255142400874_4136456708344629212_n.jpg" /></p>

<p data-added-after="1">পুরস্কারের অংশ হিসেবে ড. আব্দুন নূরকে নগদ ৩ হাজার মার্কিন ডলার, সম্মাননা ক্রেস্ট এবং বিশেষ স্বীকৃতি স্মারক প্রদান করা হয়। মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ড. নজরুল ইসলাম এবং পুরস্কারের প্রবর্তক গোলাম ফারুক ভূঁইয়াসহ মেলা কর্তৃপক্ষের নেতৃবৃন্দ তাঁর হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে পুরস্কার তুলে দেন।</p>

<p>গোলাম ফারুক ভূঁইয়া তাঁর বক্তৃতায় জানান চালু হওয়ার পর থেকে এ পুরষ্কার পেয়েছেন ২০১৭ সালে &nbsp;শামসুজ্জামান খান, ২০১৮ সালে আবদুল্লাহ্ আবু সায়ীদ, ২০১৯ সালে দিলারা হাশেম, ২০২০ সালে সেলিনা হোসেন, ২০২১ সালে সমরেশ মজুমদার, ২০২২ সালে গোলাম মুরশিদ, ২০২৩ সালে আসাদ চৌধুরী, ২০২৪ সালে &nbsp;শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়, ২০২৫ সালে পবিত্র সরকার এবং এবছর ২০২৬ আবদুন নূর।&nbsp;</p>

<p>ড. আব্দুন নূর পুরস্কার প্রাপ্তির পর মঞ্চে দেওয়া তাঁর প্রতিক্রিয়ায় বলেন, বাংলাদেশে থাকা অবস্থায় তিনি সাহিত্যচর্চা শুরু করেন। তিনি বলেন, প্রায়ই বলা হয় নিজেদের মানুষের কাছ থেকে কোনো বিষয়ে সচরাচর স্বীকৃতি পাওয়া যায় না। মুক্তধারা-জিএফবি সাহিত্য পুরস্কার গ্রহণ করে আপ্লুত ড. আব্দুন নূর সংক্ষিপ্ত বক্তৃতায় জানান, এ স্বীকৃতি ও সম্মান তিনি সাদরে গ্রহণ করেছেন। এর উদ্যোক্তা ও মুক্তধারা ফাউন্ডেশনকে তিনি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।<img alt="" data-mfp-src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/706580986_953276537513840_4548686589163953268_n.jpg" src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/706580986_953276537513840_4548686589163953268_n.jpg" /></p>

<p data-added-after="1">বিশ্বব্যাংকের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট ড. আব্দুন নূর দীর্ঘদিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে কর্মরত থাকলেও সাহিত্যচর্চার সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক বহু পুরোনো। ১৯৬০-এর দশক থেকে তিনি নিয়মিত লেখালেখির সঙ্গে যুক্ত। তাঁর উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্মের মধ্যে রয়েছে প্যাগাসাস, শূন্যবৃত্ত, বিচলিত সময়, ঢাকা শহর ঘিরে এবং চার দেয়াল&mdash;যা বাংলা সাহিত্যে তাঁকে একটি স্বতন্ত্র অবস্থান এনে দিয়েছে।</p>

<p>উল্লেখ্য, গত বছর &lsquo;৩৪তম আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা&rsquo;য় ড. আব্দুন নূর &lsquo;আজীবন সম্মাননা&rsquo; লাভ করেছিলেন। এবার একই সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ রেহমান সোবহান।</p>

<p>চারদিনব্যাপী বইমেলার তৃতীয় দিনে অনুষ্ঠিত হয় &lsquo;মুক্তধারা স্মারক বক্তব্য&rsquo;। এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলন। বক্তব্যে তিনি বলেন, &ldquo;গত ৩৫ বছর ধরে নিউইয়র্কের এই বইমেলা প্রবাসী বাঙালিদের একই ছাতার নিচে একত্রিত করে রেখেছে। বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি টিকিয়ে রাখতে আমাদের আরও বেশি ভালো বাংলা বই ইংরেজিতে অনুবাদ করতে হবে, যাতে নতুন প্রজন্ম এবং আন্তর্জাতিক পাঠকদের কাছে বাংলা সাহিত্য পৌঁছে যায়।&rdquo;</p>

<p data-added-after="1">৩৫তম বইমেলার সাথে সংশ্লিষ্ট কমিটির লোকজনকে নিয়ে মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এবং মেলার আহ্বায়ক পুরষ্কারপ্রাপ্ত ডঃ আব্দুন নুরকে মঞ্চে অভিনন্দন জানান। অনুষ্ঠানের এ পর্বের উপস্থাপনায় ছিলেন খ্যাতিনাম সাংবাদিক রোকেয়া হায়দার। &nbsp;</p>

<p>প্রবাসে বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি সংরক্ষণে আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে, এবারের আয়োজনও তার উজ্জ্বল প্রমাণ হয়ে উঠেছে।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/128-aa.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ট্রেনে নারীদের জন্য আলাদা কোচের পরিকল্পনা সরকারের]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28545</link>
    <pubDate>Tue, 26 May 2026 10:18:05 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28545</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/916-1.jpg" />    <article>
<p>আন্তঃনগর ট্রেনে নারীদের জন্য আলাদা কোচের পরিকল্পনা করছে সরকার। ঈদুল আজহার পর প্রতিটি আন্তঃনগর ট্রেনে কোচ দেওয়ার পরিকল্পনা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন, নৌ ও রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>৬৫ বছরের ওপরে, প্রতিবন্ধী ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের মেট্রো রেলে ২৫ শতাংশ ছাড়ের কার্ড উদ্বোধন অনুষ্ঠানে আজ সোমবার এ পরিকল্পনার কথা জানান মন্ত্রী।</p>

<p>তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী ঈদের সময় নারীদের জন্য আলাদা কোচ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। চট্টগ্রাম ও সিলেটের দুটি কোচে আজ থেকে নারীরা আলাদা যাত্রা করতে পারবেন। এ ছাড়া ঈদের পর প্রতিটি আন্তঃনগর ট্রেনে নারীদের জন্য আলাদা কোচ দেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রবীণ ও প্রতিবন্ধীদের মতো শিক্ষার্থীদেরও মেট্রো রেলে কার্ড দেওয়ার পরিকল্পনা আছে সরকারের। আন্তঃনগর ট্রেনেও শিক্ষার্থীদের ২৫ শতাংশ ছাড় দেওয়া হবে বলে জানান মন্ত্রী।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/916-1.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এডিবি প্রেসিডেন্টের সৌজন্য সাক্ষাৎ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28544</link>
    <pubDate>Tue, 26 May 2026 10:17:20 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28544</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/776-99.jpg" />    <article>
<p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) প্রেসিডেন্ট মাসাতো কান্দার নেতৃত্বে উচ্চপর্যায়ের একটি প্রতিনিধি দল।</p>

<p>&nbsp;(সোমবার) সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি এ কথা জানান। তিনি আরো জানান, সাক্ষাৎকালে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার উপস্থিত ছিলেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/776-99.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ড. ইউনূসের ৭ সদস্যের ‘কিচেন ক্যাবিনেট’ নিত সব গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28543</link>
    <pubDate>Tue, 26 May 2026 10:16:02 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28543</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/968-88.jpg" />    <article>
<p>অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সব সিদ্ধান্ত &lsquo;কিচেন ক্যাবিনেট&rsquo; থেকে আসত। এই ক্যাবিনেটে সাত সদস্য ছিলেন, যারা প্রতি মঙ্গলবার বৈঠক করতেন।</p>
</article>

<article>আজ সোমবার দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এসব তথ্য জানান সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেন, তার মন্ত্রণালয়েই একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল। যার কারণে তিনি একাধিকবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে তার পদত্যাগপত্র গৃহীত হয়নি।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>বিষয়টি পরিষ্কার করতে গিয়ে তৌহিদ হোসেন বলেছেন, এ ক্ষেত্রে তাদের যথেষ্ট অভিজ্ঞতা নেই। তার পরও তাদের মতামতকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিতে হতো। কারণ উচ্চ পর্যায়ে তাদের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হতো। আমি সরে আসার চিন্তা তিনবার করেছি; তারা অনুরোধ করেছে যে সরকারের জন্য খুবই অস্বস্তিকর হবে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>নিজের প্রত্যাশার একটা বড় অংশই পূরণ হয়নি বলে জানান সাবেক এই পররাষ্ট্র উপদেষ্টা। এ নিয়ে বলেন, &lsquo;কোনো এক উপলক্ষে কিচেন ক্যাবিনেটের একটা বৈঠকে আমাকে যেতে হয়েছিল, যমুনাতে। পরে আমি জেনেছি যে প্রতি মঙ্গলবার তারা বসেন। সিদ্ধান্ত নেয় কেউ কেউ, এ ধরনের কথাবার্তা শোনা যেত। আমার কানেও আসত।</p>
</article>

<article>কিন্তু এর বাইরে আসলে আমার জানা ছিল না যে এ রকম একেবারে একটা গ্রুপ আছে, যারা নিয়মিত বসে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য!&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>ভোটের মাত্র তিন দিন আগে অন্তর্বর্তী সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যে বাণিজ্য চুক্তি করেছে, তার সঙ্গে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করেন তিনি।</p>

<p>তৌহিদ হোসেন বলেন, &lsquo;পররাষ্ট্রমন্ত্রী বা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এতে সামান্যতমও যুক্ত ছিল না। এটাতে যুক্ত ছিল বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা। কোনো কারণ হয়তো ছিল পেছনে, যে জন্য আমরা বাধ্য ছিলাম। কোনো বাধ্যবাধকতা না থাকলে সই করার বিষয়টা নির্বাচিত সরকারের ওপর ছেড়ে দেওয়াই যথাযথ হতো।&rsquo;</p>

<p>দায়িত্ব নিয়ে শেখ হাসিনাকে ফেরত চেয়ে দিল্লিকে চিঠি লিখলেও তা যে কাজে আসবে না, সেটা জানতেন তৌহিদ হোসেন।</p>

<p>বিএনপি সরকার নিয়ে এখনই মূল্যায়ন করতে নারাজ এই কূটনীতিক। বলছেন, &lsquo;যুক্তরাষ্ট্র-চীন-ভারতকে সামলানোই তারেক রহমানের বড় চ্যালেঞ্জ।&rsquo;</p>

<p>জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে &lsquo;ডিপ স্টেট&rsquo; সক্রিয় ছিল কি না, সেই প্রশ্নেরও জবাব দেন তৌহিদ হোসেন। বললেন, &lsquo;ডিপ স্টেট পৃথিবীতে সব ঘটনার সঙ্গেই জড়িত থাকে। ডিপ স্টেট যুক্ত হয়, তবে স্রোতের বিপক্ষে নয়; তারপরে তারা সেটিকে ম্যানিপুলেট করে।&rsquo;</p>

<p>আওয়ামী লীগের রাজনীতি নিয়ে তৌহিদ হোসেনের ভাষ্য, &lsquo;আমি মনে করি, আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে একেবারে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এ রকম থাকবে না। আমাদের মানুষজনের স্মৃতিশক্তি খুব দীর্ঘ নয়। আমি মনে করি ও বিশ্বাস করি যে তারা রাজনীতিতে ফিরে আসবে এবং আমার অনুমান আগামী নির্বাচনে তারা অংশ নেবে।&rsquo;</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/968-88.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[রাজসিক সংবর্ধনায় বিদায় নিল ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/bangladesh/28542</link>
    <pubDate>Tue, 26 May 2026 10:15:10 +0600</pubDate>
    <category> সারাবাংলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/bangladesh/28542</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1091-77.jpg" />    <article>
<p>পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে বিশ্বজুড়ে আলোচিত এলভিনো জাতের মহিষ &lsquo;ডোনাল্ড ট্রাম্প&rsquo;কে লাল গালিচা সংবর্ধনায় রাজকীয় বিদায় জানিয়েছে নারায়ণগঞ্জের রাবেয়া এগ্রো ফার্ম কর্তৃপক্ষ।&nbsp;</p>

<p>সোমবার (২৫ মে) সন্ধ্যায় নগরীর পাইকপাড়ায় অবস্থিত খামার থেকে মহিষটির ক্রেতা সেটি নিতে এলে ব্যতিক্রমধর্মী আয়োজনে বিদায় জানানো হয়।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>এর আগে, দুপুর থেকেই খামারের কর্মচারীরা মহিষটিকে গোসল করিয়ে সাজিয়ে তোলার প্রস্তুতি নেন। পরে রাজকীয় পোশাকে সজ্জিত &lsquo;ডোনাল্ড ট্রাম্প&rsquo;কে রঙিন কালার স্মোকের মধ্য দিয়ে লাল গালিচায় হাঁটিয়ে বিদায় জানানো হয়। এসময় উপস্থিত খামার মালিকপক্ষ, কর্মচারী ও উৎসুক জনতা আবেগঘন পরিবেশে মহিষটিকে বিদায় জানান।</p>

<p>খামার সূত্র জানায়, এলভিনো জাতের এই মহিষটির চুল ও চোখ অনেকটা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতো হওয়ায় আদর করে এর নাম রাখা হয় &lsquo;ডোনাল্ড ট্রাম্প&rsquo;।</p>
</article>

<article>শুরু থেকেই ব্যতিক্রমী গঠনের কারণে এটি মানুষের নজর কাড়ে। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে দেশ-বিদেশেও ব্যাপক পরিচিতি পায় মহিষটি।
<p>&nbsp;</p>

<p>জানা যায়, প্রায় ৭০০ কেজি ওজনের মহিষটি রাজধানীর জিনজিরা এলাকার বাসিন্দা সামির ৫৫০ টাকা কেজি দরে আগেই কিনে রেখেছিলেন। ভাইরাল হওয়ার পর সেটিকে এক নজর দেখতে প্রতিদিন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের ভিড় জমে খামারে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>রাবেয়া এগ্রো ফার্মের এক কর্মচারী বলেন, &lsquo;ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বিদায় দিতে খুব খারাপ লাগছে। বাংলাদেশে এর আগে কোনো কোরবানির পশু এভাবে মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছে কিনা জানা নেই। আমরা তাকে কখনো ভুলব না।&rsquo;</p>

<p>ফার্মের স্বত্বাধিকারী জিয়াউদ্দিন মৃধা বলেন, &lsquo;ত্যাগের মহিমাই কোরবানির মূল শিক্ষা। তাই কষ্ট হলেও ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বিদায় দিতে হয়েছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1091-77.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ভারত যা চাইবে, তাই পাবে : ডোনাল্ড ট্রাম্প]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28541</link>
    <pubDate>Tue, 26 May 2026 10:14:14 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28541</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1207-66.jpg" />    <article>
<p>যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দিল্লিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ফোনে সরাসরি যুক্ত হয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রশংসা করেছেন। তিনি মোদিকে নিজের &lsquo;ঘনিষ্ঠ বন্ধু&rsquo; এবং &lsquo;বড় ভক্ত&rsquo; বলে উল্লেখ করেছেন।</p>
</article>

<article>এ সময় তিনি বলেন, ভারত যা চাইবে, তাই পাবে।
<p>&nbsp;</p>

<p>রবিবার (২৪ মে) অনুষ্ঠানটি ছিল যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের ২৫০তম বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে। সেখানে উপস্থিত ছিলেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং ভারতে নিযুক্ত মার্কিন দূত সার্জিও গর। তাদের পেছনে স্থাপিত বিশাল পর্দায় ফোনের মাধ্যমে বক্তব্য দেন ট্রাম্প।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/country-news/2026/05/25/1689918" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>ট্রাম্প বলেন, সার্জিও, আপনাকে আমাদের দেশের প্রতিনিধিত্ব করতে হবে। তবে আমি সবার প্রতি শুভেচ্ছা জানাতে চাই। আমি প্রধানমন্ত্রীকে ভালোবাসি। মোদি অসাধারণ।</p>
</article>

<article>তিনি আমার বন্ধু।
<p>&nbsp;</p>

<p>ট্রাম্প বলেন, ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি ঘনিষ্ঠ।</p>

<p>তিনি আরো বলেন, ভারত আমাদের ওপর শতভাগ ভরসা রাখতে পারে। ভারতের যদি কোনো সহায়তা দরকার হয়, তারা জানে কোথায় ফোন করতে হবে। ভারত যা চাইবে, তাই পাবে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/national/2026/05/25/1689916" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>নিজ দেশের অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের প্রশংসা করে ট্রাম্প দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে রেকর্ড গড়ছে। একই সঙ্গে তিনি মার্কো রুবিওকে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের &lsquo;সেরা পররাষ্ট্রমন্ত্রী&rsquo; বলেও উল্লেখ করেন। অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে শুভেচ্ছা জানান ট্রাম্প। এ ছাড়া, মার্কিন দূত সার্জিও গোর প্রধানমন্ত্রী মোদিকে ভবিষ্যতে হোয়াইট হাউস সফরের আমন্ত্রণ জানান বলেও জানা গেছে।</p>

<p>এদিকে, ভারত সফরে এসে মার্কো রুবিও বলেছেন, ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য চুক্তির খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। তার মতে, এই চুক্তি দুই দেশের জন্যই লাভজনক ও দীর্ঘমেয়াদে টেকসই হবে। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠকে বাণিজ্য, জ্বালানি নিরাপত্তা, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করেন রুবিও।</p>

<p>বিশ্লেষকদের মতে, শুল্ক ও বাণিজ্য নিয়ে সাম্প্রতিক কিছু মতবিরোধ থাকলেও, দুই দেশ এখন সম্পর্ক আরো শক্তিশালী করার চেষ্টা করছে।</p>

<p><strong>সূত্র: <a href="https://www.ndtv.com/world-news/trump-dials-rubio-during-live-delhi-event-says-i-love-prime-minister-modi-11541694">এনডিটিভি</a></strong></p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1207-66.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ভারতেই তৈরি হবে বিধ্বংসী রাফাল, দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় প্রতিরক্ষা চুক্তি]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28540</link>
    <pubDate>Tue, 26 May 2026 10:13:11 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28540</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1306-55.jpg" />    <article>
<p>ভারত বিমানবাহিনীর জন্য ১১৪টি ফ্রেঞ্চ ডাসল্ট রাফায়েল যুদ্ধবিমান ক্রয় আনুষ্ঠানিক আবেদনপত্র বা &lsquo;লেটার অব রিকোয়েস্ট&rsquo; চূড়ান্ত করেছে। সোমবার (২৫ মে) একটি সূত্রের বরাত দিয়ে <strong><a href="https://www.indiatoday.in/india/story/india-finalises-lor-for-114-rafale-jets-with-major-local-production-push-2916531-2026-05-25?fbclid=IwY2xjawSBD41leHRuA2FlbQIxMABicmlkETEyVjVJVWphYkRyU2paTnI2c3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHr4ceiPsFdgjw-OHX--R_7jlWI5N1_Zoa0H_rpOqVOPjhy091fZ7iuHmpYjZ_aem_9etKQKrxzLxQ2wNdxJc_Zw">ইন্ডিয়া টুডে টিভি</a></strong> এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>দেশটির বিমানবাহিনীর ফাইটার স্কোয়াড্রনের ঘাটতি মেটাতে এবং প্রতিরক্ষা সক্ষমতা জোরদার এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। যুদ্ধবিমান ক্রয়ে আনুমানিক ৩.২৫ লাখ কোটি রুপি মূল্যের চুক্তিটি সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে। চুক্তিটি সম্পন্ন হলে ভারতের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় যুদ্ধবিমান ক্রয়ের চুক্তি হবে এটি।</p>

<p>সূত্র জানিয়েছে, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই আনুষ্ঠানিক আবেদনপত্র ফ্রান্সে পাঠানোর কথা রয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রস্তাবিত চুক্তি অনুযায়ী, ফরাসি মহাকাশ সংস্থা দাসো এভিয়েশন এবং একটি ভারতীয় সংস্থার অংশীদারির মাধ্যমে ১১৪টি যুদ্ধবিমানের মধ্যে প্রায় ৯০টি ভারতে তৈরি করার পরিকল্পনা রয়েছে। বাকি বিমানগুলো উড্ডয়ন-উপযোগী অবস্থায় সরবরাহ করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।</p>

<p>সূত্রটি আরো জানিয়েছে, ফ্রান্স &lsquo;লেটার অফ রিকোয়েস্টে&rsquo;র জবাব দিলেই ভারত সংগ্রহের জন্য আনুষ্ঠানিক &lsquo;রিকোয়েস্ট ফর প্রপোজাল&rsquo; জারির দিকে অগ্রসর হবে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1306-55.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[শান্তিচুক্তির ৩০ দিন পর হরমুজ খুলে দেবে ইরান]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28539</link>
    <pubDate>Tue, 26 May 2026 10:12:22 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28539</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1372-44.jpg" />    <article>
<p>যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্ভাব্য চুক্তির অংশ হিসেবে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ &lsquo;হরমুজ প্রণালি&rsquo; পুনরায় উন্মুক্ত করার পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা চলছে। জাপানের সংবাদপত্র নিক্কেই এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>গণমাধ্যমটির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে একটি সম্ভাব্য শান্তিচুক্তি সম্পন্ন হওয়ার পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে ইরান হরমুজ প্রণালিতে পেতে রাখা মাইন অপসারণের কাজ শুরু করবে। এই নির্দিষ্ট সময়সীমা শেষ হওয়ার পর বিশ্বের সব দেশের বাণিজ্যিক ও পণ্যবাহী জাহাজ অত্যন্ত নিরাপদ ও অবাধে এই আন্তর্জাতিক জলসীমা দিয়ে চলাচল করতে পারবে। একই সঙ্গে চুক্তির শর্তানুযায়ী, ইরান এই প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের ওপর আর কোনো অতিরিক্ত ট্রানজিট ফি আদায় করবে না বলেও জানিয়েছে।</p>

<p>এদিকে সম্ভাব্য শান্তিচুক্তি নিয়ে আলোচনার মাঝেই দক্ষিণ ইরানে নতুন করে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।</p>
</article>

<article>ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানায়, মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড এক বিবৃতিতে এই হামলার খবর নিশ্চিত করেছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>মার্কিন বাহিনীর দাবি, দক্ষিণ ইরানে অবস্থিত ইরানের দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনা এবং মাইন পেতে রাখার চেষ্টায় লিপ্ত থাকা ইরানি নৌযানগুলোকে লক্ষ্য করে &lsquo;আত্মরক্ষার্থে&rsquo; এই হামলা চালানো হয়েছে। তাদের ভাষ্যমতে, এই অভিযানের উদ্দেশ্য ছিল &lsquo;ইরানি বাহিনীর হুমকি থেকে ওই অঞ্চলে মোতায়েনকৃত মার্কিন সেনাদের সুরক্ষা দেওয়া&rsquo;।</p>

<p>একদিকে মার্কিন হামলা এবং অন্যদিকে শান্তি আলোচনা প্রসঙ্গে তেহরানের পক্ষ থেকে মিশ্র প্রতিক্রিয়া জানানো হয়েছে।</p>
</article>

<article>ইরান সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বৈরিতা নিরসনে চলমান আলোচনায় কিছু ক্ষেত্রে অগ্রগতি হলেও খুব দ্রুত কোনো চুক্তি বা সমঝোতা হওয়ার সম্ভাবনা নেই।</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1372-44.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[কাবা দেখে মহানবী (সা.) যে দোয়া পড়েছেন]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/faithbelief/28538</link>
    <pubDate>Tue, 26 May 2026 10:09:51 +0600</pubDate>
    <category> ধর্ম </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/faithbelief/28538</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/59-a.jpg" />    <article>
<p>পৃথিবীর বুকে সবচেয়ে পবিত্র ও মহিমান্বিত স্থান হলো পবিত্র কাবাঘর। কোটি কোটি মুসলমানের হৃদয়ের স্পন্দন, ভালোবাসা ও অশ্রুসিক্ত আবেগের কেন্দ্র এই বাইতুল্লাহ।</p>
</article>

<article>একজন মুমিন যখন প্রথমবার কাবার কালো গিলাফখচিত সৌন্দর্য নিজের চোখে দেখে, তখন তার হৃদয় কেঁপে ওঠে, চোখ অশ্রুসজল হয়ে যায় এবং অন্তর ভরে যায় আল্লাহর মহিমা ও ভালোবাসায়। এটি এমন এক অনুভূতি, যা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। মহানবী (সা.) যখন কাবাঘর দেখতে পেতেন তখন তিনি দুই হাত আকাশের দিকে তুলে এই ঘরের সম্মান-মর্যাদা বৃদ্ধির জন্য দোয়া করতেন।
<p>&nbsp;</p>

<p><strong>اَللهُمَّ زِدْ هَذَا الْبَيْتَ تَعْظِيْمًا وَ تَشْرِيْفًا وَ تَكْرِيْمًا وَ مَهَابَةً وَ زِدْ مَنْ شَرَّفَهُ وَ كَرَّمَهُ مِمَّنْ حَجَّهُ اَوِ اعْتَمَرَهُ تَشْرِيْفًا وَ تَكْرِيْمًا وَ تَعْظِيْمًا وَ بِرًّا</strong></p>

<p><strong>উচ্চারণ :</strong> আল্লাহুম্মা জিদ হাজাল বাইতা তাজিমান ওয়া তাশরিফান ওয়া তাকরিমান ওয়া মাহাবাতান, ওয়াজিদ মান শাররাফাহু, ওয়া কাররামাহু মিম্মান হাজ্জাহু আওয়িতামারাহু তাশরিফান ওয়া তাকরিমান ওয়া তাজিমান ওয়া বিররা।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p><strong>অর্থ :</strong> হে আল্লাহ! তুমি এ ঘরের মান-মর্যাদা ও সম্মান-মহিমা বৃদ্ধি করে দাও। যারা হজ করে, ওমরা করে এবং এই ঘরকে তাজিম ও সম্মান করে তাদেরও ইজ্জত, সম্মান ও মর্যাদা ও সওয়াব বাড়িয়ে দাও। (বাইহাকি, হাদিস নং : ৯২৮৭)</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/59-a.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বক্স অফিসে দাপট দেখাচ্ছে ‘দৃশ্যম ৩’]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/28537</link>
    <pubDate>Tue, 26 May 2026 10:08:51 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/28537</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1453-33.jpg" />    <article>
<p>মুক্তির পর থেকেই প্রেক্ষাগৃহে দুর্দান্ত সাড়া পাচ্ছে &lsquo;দৃশ্যম ৩&rsquo;। প্রথম রবিবারেও বক্স অফিসে আয় বেড়েছে মোহনলাল অভিনীত বহুল প্রতীক্ষিত এই সিনেমার।</p>
</article>

<article>দর্শকদের উপচে পড়া ভিড় ও একের পর এক হাউসফুল শোর মধ্য দিয়ে মাত্র চার দিনেই ভারতে ছবিটির আয় দাঁড়িয়েছে ৫৪ কোটি ৫৫ লাখ রুপিতে।
<p>&nbsp;</p>

<p>গত ২১ মে মুক্তি পাওয়া সিনেমাটি চতুর্থ দিনে আয় করেছে প্রায় ১৩ কোটি ৯৫ লাখ রুপি, যা আগের দিনের তুলনায় আরো বেশি। দেশের বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহে দর্শকদের উপস্থিতি প্রমাণ করে দিয়েছে, &lsquo;দৃশ্যম&rsquo; ফ্র্যাঞ্চাইজির জনপ্রিয়তা এখনো অটুট।</p>

<p>সবচেয়ে বেশি ব্যবসা করেছে ছবিটির মালায়ালম সংস্করণ।</p>
</article>

<article>ভারতজুড়ে ৩ হাজার ১০০টিরও বেশি শো থেকে আয় এসেছে প্রায় ১১ কোটি ৭৫ লাখ রুপি। পাশাপাশি তেলুগু, তামিল ও কন্নড় সংস্করণও ভালো সাড়া ফেলেছে। ফলে কেরালার বাইরেও শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে সিনেমাটি।
<p>&nbsp;</p>

<p>রবিবার দেশজুড়ে ৫ হাজার ২০০টির বেশি শোতে প্রদর্শিত হয়েছে &lsquo;দৃশ্যম ৩&rsquo;।</p>
</article>

<article>বিভিন্ন শহরের প্রেক্ষাগৃহে দেখা গেছে দর্শকদের দীর্ঘ লাইন ও হাউসফুলের দৃশ্য।
<p>&nbsp;</p>

<p>পরিচালক জিতু জোসেফ নির্মিত এই থ্রিলার সিনেমার সবচেয়ে বড় বাজার আবারও কেরালা। শুধু রবিবারেই রাজ্যটি থেকে প্রায় ৯ কোটি ৭০ লাখ রুপির ব্যবসা এসেছে। এরপরই রয়েছে কর্নাটক। এছাড়া অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলেঙ্গানা ও তামিলনাড়ুতেও ছবিটির আয় ছিল স্থিতিশীল।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>দেশীয় বাজারের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও সফলভাবে এগিয়ে চলছে সিনেমাটি। এখন পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী &lsquo;দৃশ্যম ৩&rsquo;-এর মোট আয় পৌঁছেছে ১৪১ কোটি ৩৪ লাখ রুপিতে।</p>

<p>সিনেমাটিতে জর্জকুট্টি চরিত্রে আবারও দর্শকদের মুগ্ধ করেছেন মোহনলাল। তার সঙ্গে আরও অভিনয় করেছেন মীনা, আনসিবা হাসান, এস্থার অনিল, সিদ্দিক, মুরলী গোপী, বিজু মেনন ও কলাভবন শাজন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1453-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[কোহলির সঙ্গে তর্কে জড়ানোয় হেডের স্ত্রীকে অনলাইনে আক্রমণ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/28536</link>
    <pubDate>Tue, 26 May 2026 10:07:26 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/28536</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1491-22.jpg" />    <article>
<p>খেলার মাঠে ক্ষণিকের উত্তেজনা নতুন কিছু নয়। মাঠের সেই উত্তাপ কখনো কখনো ছড়িয়ে পড়ে মাঠের বাইরে, ক্ষেত্র বিশেষে &nbsp;সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>সম্প্রতি আইপিএলে ভারতের তারকা ব্যাটার বিরাট কোহলির সঙ্গে তর্কে জড়ানোর পর অনলাইনে আক্রমণের শিকার হয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটার ট্রাভিস হেডের স্ত্রী জেসিকা হেড।&nbsp;</p>

<p>ঘটনাটা ঘটেছে গত শুক্রবার। কোহলি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু ও হেডের সানরাইজার্স হায়দরাবাদের ম্যাচ চলাকালে দুজনের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়। এর রেশ ছিল ম্যাচের শেষ দিকেও।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>দুই দলের খেলোয়াড়েরা করমর্দনের জন্য সারিবদ্ধ হলে হেডের বাড়িয়ে দেওয়া হাত উপেক্ষা করে যান কোহলি। যদিও অন্য খেলোয়াড়দের সঙ্গে করমর্দন করেন তিনি।</p>

<p>এরপর থেকেই হেডের স্ত্রী জেসিকার ইন্সটাগ্রাম অ্যাকাউন্টে আপত্তিকর মন্তব্যের বন্যা বয়ে যায়। ধারণা করা হচ্ছে, ভারত, বেঙ্গালুরু ও &nbsp;কোহলির ভক্তরা এ ধরনের মন্তব্য করেছেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>জেসিকা অস্ট্রেলিয়ার সংবাদমাধ্যম দ্য অ্যাডভার্টাইজারকে জানিয়েছেন, তার বন্ধু ও পরিবারের সদস্যরা ঘৃণামূলক বার্তা পেয়েছেন। তিনি বলেছেন, &lsquo;ঘুম থেকে উঠে দেখি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র আক্রমণ চলছে। আমরা ঠিক আছি; তাই বলে ওরা আমার বন্ধু ও পরিবারকেও লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে।&rsquo;</p>

<p>জেসিকা আরো বলেছেন, &lsquo;আবেগ খেলার অংশ। তবে এটাও মনে রাখা জরুরি মাঠের খেলার আড়ালে যারা রয়েছেন, তারা রক্ত মাংসে গড়া মানুষ ও তাদের পরিবার রয়েছে।</p>
</article>

<article>আশা করি এই ঘটনা মানুষকে আরো সহানুভূতিশীল হতে এবং একে-অন্যকে সমর্থন করতে উৎসাহিত করবে।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>আহমেদাবাদে ২০২৩ ওয়ানডে বিশ্বকাপ ফাইনালে স্বাগতিক ভারতকে হারিয়ে অস্ট্রেলিয়া শিরোপা জেতার পরও একই পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছিল বলে উল্লেখ করেছেন জেসিকা, &lsquo;এটা যেন বিশ্বকাপের পর হওয়া সেই হিংসাত্মক আচরণের পুনরাবৃত্তি।&rsquo;</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1491-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[প্রসেনজিতের হাতে পদ্মশ্রী, ধর্মেন্দ্রর হয়ে মরণোত্তর সম্মান গ্রহণ হেমার]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/28535</link>
    <pubDate>Tue, 26 May 2026 10:06:31 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/28535</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1589-11.jpg" />    <article>
<p>বাংলা চলচ্চিত্রে দীর্ঘ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে পদ্মশ্রী সম্মান গ্রহণ করলেন টালিউড অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। অন্যদিকে ধর্মেন্দ্রর হয়ে মরণোত্তর পদ্মবিভূষণ গ্রহণ করেন তাঁর স্ত্রী বলিউড অভিনেত্রী হেমা মালিনী।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>সোমবার (২৫ মে) ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবনে আয়োজিত প্রথম &lsquo;সিভিল ইনভেস্টিচার সেরিমনি&rsquo;তে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু মনোনীত ব্যক্তিত্বদের হাতে পদ্ম সম্মান তুলে দেন।</p>

<p>এ বছর ভারত সরকার মোট ১৩১টি পদ্ম সম্মাননার ঘোষণা দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ৫টি পদ্মবিভূষণ, ১৩টি পদ্মভূষণ এবং ১১৩টি পদ্মশ্রী। তালিকায় প্রসেনজিৎ ও ধর্মেন্দ্র ছাড়াও রয়েছেন মামুত্তি এবং অলকা ইয়াগনিক।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>জানুয়ারি মাসে প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে প্রকাশিত তালিকাতেই জানা যায়, বাংলা চলচ্চিত্রে বিশেষ অবদানের জন্য পদ্মশ্রী পাচ্ছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়।&nbsp;</p>

<p>প্রায় চার দশকের অভিনয়জীবনে টালিউডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন তিনি। বাংলা চলচ্চিত্রের দুঃসময়ে বাণিজ্যিক সিনেমাকে জনপ্রিয় করে তুলতে বড় অবদান ছিল তাঁর।</p>

<p>প্রসেনজিতের অভিনয়জীবনের শুরু ১৯৬৮ সালে, বাবা বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায় পরিচালিত &lsquo;ছোট্ট জিজ্ঞাসা&rsquo; সিনেমায় শিশুশিল্পী হিসেবে।</p>
</article>

<article>পরে &lsquo;অমরসঙ্গী&rsquo; সিনেমার মাধ্যমে নায়ক হিসেবে জনপ্রিয়তা পান। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি অভিনয় করেছেন সাড়ে তিনশোর বেশি চলচ্চিত্রে।
<p>&nbsp;</p>

<p>অন্যদিকে ধর্মেন্দ্রর হয়ে সম্মান গ্রহণ করতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন হেমা মালিনী। অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশের আগে তিনি বলেন, &ldquo;এটি আমাদের পরিবারের জন্য অত্যন্ত আবেগঘন এক মুহূর্ত। আমাদের মেয়ে অহনা আমার সঙ্গেই দিল্লিতে এসেছে।</p>
</article>

<article>ইশা আসতে চেয়েছিল, কিন্তু শেষমেশ আসতে পারেনি। পুরো পরিবারই আজ আনন্দিত। সানি, ববি- সবাই এই খবর জানে এবং আমাদের সবার জন্যই এটা অত্যন্ত গর্বের মুহূর্ত।&rdquo;</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1589-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[গোপালগঞ্জে পরিবহন বাস, মাইক্রোবাস ও প্রাইভেটকারের সংঘর্ষে নিহত -১ : আহত ১৫]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/bangladesh/28534</link>
    <pubDate>Tue, 26 May 2026 09:49:05 +0600</pubDate>
    <category> সারাবাংলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/bangladesh/28534</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1490-22.jpg" />    <p>গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি :<br />
ঢাকা খুলনা মহাসড়কের গোপালগঞ্জের সোনাসুর নামক স্থানে পরিবহন বাস, মাইক্রোবাস ও প্রাইভেটকারের মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলে মাইক্রোবাস চালক নিহত হয়। এই সড়ক দূর্ঘটনায় আহত হয়েছে আরও অনন্ত ১৫ জন।<br />
আজ সোমবার (২৫ মে) দুপুর ২টায় গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার সোনাসুর নামক স্থানে এ দূর্ঘটনা ঘটে।<br />
গোপালগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপ সহকারী পরিচালক শিপলু আহমেদ বলেন, ঢাকা থেকে ছেড়ে আশা কোটালিপাড়াগামী স্টার লাইন পরিবহন ও মাইক্রোবাস ওভারটেক করার সময় মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এসময় মাইক্রাবাসের পিছনে থাকা প্রাইভেটকারের সাথেও সংঘর্ষ হয়ে মাইক্রোবাস ও প্রাইভেটকার দুমড়ে মুচড়ে যায়। স্টার লাইন পরিবহন বাসটিও রাস্তার পাশে খাড়ে পরে বাসে থাকা যাত্রীরা গুরুত্বর আহত হয়। নিহত মাইক্রাবাসের চালকের লাশ গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে ও আহতদের গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্য জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1490-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দরে আমদানি-রফতানিসহ বাণিজ্যিক কার্যক্রম টানা সাত দিন বন্ধ ঘোষনা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/bangladesh/28533</link>
    <pubDate>Tue, 26 May 2026 09:47:41 +0600</pubDate>
    <category> সারাবাংলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/bangladesh/28533</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1588-11.jpg" />    <p>রিপোর্টার,<em>সাতক্ষীরা//</em></p>

<p>ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দরে আমদানি-রফতানিসহ বাণিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে টানা সাত দিন । তবে এ সময় ভোমরা-ঘোজাডাঙ্গা আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে দুই দেশের বৈধ পাসপোর্ট ও ভিসাধারী যাত্রীদের চলাচল স্বাভাবিক থাকবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।</p>

<p>সোমবার (২৫ মে) থেকে আগামী&nbsp; ৩১ মে রোববার পর্যন্ত বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে সাতক্ষীরার ভোমরা বন্দরের বাণিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। &nbsp;&nbsp;</p>

<p>সাতক্ষীরার ভোমরা সিএন্ডএফ অ্যাসোসিয়েশন ও ভারতের ঘোজাডাঙ্গা সিএন্ডএফ এজেন্ট কার্গো ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে উভয় দেশের সম্মতিতে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।</p>

<p>সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ঈদের ছুটিতে বন্দরের পণ্য পরিবহন, লোড-আনলোড এবং সংশ্লিষ্ট অভ্যন্তরীণ কার্যক্রমও সাময়িকভাবে বন্ধ থাকবে।</p>

<p>ভোমরা সিএন্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আবু মুছা বলেন, ঈদ উপলক্ষে দুই দেশের ব্যবসায়ীদের সুবিধা বিবেচনায় নিয়ে আগামী ২৫ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত আমদানি-রফতানি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বিষয়টি ভারতের সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী ও বন্দর কর্তৃপক্ষকে আনুষ্ঠানিক ভাবে অবহিত করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।</p>

<p>তিনি আরও জানান, ছুটির এই সময়ে বন্দরে কোনো ধরনের বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালিত হবে না। তবে ঈদের ছুটি শেষে আগামী পহেলা জুন সোমবার থেকে পুনরায় স্বাভাবিক কার্যক্রম শুরু হবে।</p>

<p>ভোমরা ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তুফান মণ্ডল জানান, বাণিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও যাত্রী পারাপার অব্যাহত থাকবে । পাসপোর্টধারী যাত্রীরা নিয়মিতভাবেই যাতায়াত করতে পারবেন।</p>

<p>ভোমরা স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের উপ-পরিচালক মামুন কবীর তরফদার বলেন, ঈদকে কেন্দ্র করে সাময়িক বিরতি থাকলেও বন্দরের সার্বিক প্রস্তুতি অব্যাহত রয়েছে। পহেলা জুন থেকে বন্দরের সব কার্যক্রম আবারও পুরোদমে চালু হবে।</p>

<p>ভোমরা কাস্টমস হাউসের কমিশনার মুশফিকুর রহমান বলেন, সরকারি ছুটি ছাড়া কাস্টমসের অফিসিয়াল কার্যক্রম চালু থাকবে। ঈদের দীর্ঘ ছুটিতে সীমান্ত বন্দরকেন্দ্রিক বাণিজ্যিক পরিবেশে কিছুটা স্থবিরতা দেখা দিলেও ছুটি শেষে ব্যবসায়িক কার্যক্রম দ্রুত স্বাভাবিক হয়ে উঠবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী ও পরিবহন সংশ্লিষ্টরা।##</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1588-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[আত্মনির্ভরশীল জ্বালানির পথে এগোচ্ছে বাংলাদেশ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28532</link>
    <pubDate>Mon, 25 May 2026 10:55:27 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28532</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/915-1.jpg" />    <article>
<p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বাংলাদেশ পরিচ্ছন্ন জ্বালানি, সবুজ অর্থনীতি ও আত্মনির্ভরশীল জ্বালানি ব্যবস্থার পথে ধীরে ধীরে দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। গতকাল সকালে জাতীয় সংসদ ভবনে &lsquo;নবায়নযোগ্য সৌরবিদ্যুৎ অন-গ্রিড রুফটপ&rsquo;-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।</p>
</article>

<article>প্রধানমন্ত্রী বলেন, &lsquo;আজ আমরা এমন একটি উদ্যোগের উদ্বোধন করছি যা শুধু একটি বিদ্যুৎ উৎপাদনের উদ্যোগই নয় বরং এটি বাংলাদেশের টেকসই ভবিষ্যতের একটি প্রতীক।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি বলেন, &lsquo;জাতীয় সংসদ ভবনে এক মেগাওয়াট রুফটপ সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থার উদ্বোধনের মাধ্যমে একটা বার্তা আমরা স্পষ্টভাবে দিতে পারব। সেটি হলো- বাংলাদেশ পরিচ্ছন্ন জ্বালানি, সবুজ অর্থনীতি এবং আত্মনির্ভরশীল জ্বালানি ব্যবস্থার পথে ধীরে ধীরে দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যাচ্ছে।&rsquo; প্রধানমন্ত্রীর অনুরোধে &lsquo;নবায়নযোগ্য সৌরবিদ্যুৎ অন-গ্রিড রুফটপ&rsquo;-এর উদ্বোধন করেন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, বীরবিক্রম।</p>
</article>

<article>এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, লুই আই কানের নকশায় নির্মিত এই জাতীয় সংসদ ভবন অবশ্যই আমাদের গণতন্ত্রের প্রতীক। আজ সেই ভবনের ছাদে সৌরশক্তিকে কাজে লাগিয়ে আমরা প্রমাণ করার চেষ্টা করছি, নেতৃত্ব কেবল নীতিতেই নয় বরং বাস্তব কর্মকাণ্ডেও প্রতিফলিত হতে হবে।
<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি বলেন, &lsquo;বাংলাদেশ জ্বালানি খাতে স্বনির্ভরতা অর্জন করার চেষ্টা করছে। আমাদের অর্থনীতি সম্প্রসারিত হচ্ছে।</p>
</article>

<article>শিল্পায়ন বাড়ছে। বিদ্যুতের চাহিদাও দ্রুত গতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিন্তু একই সঙ্গে আমাদের অবশ্যই স্বীকার করতে হবে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাতে বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম একটি ঝুঁকিপূর্ণ দেশ।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, অনিয়মিত বর্ষণ, ঘূর্ণিঝড় এবং নদীভাঙন এসব প্রতিদিনের বাস্তবতা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, &lsquo;এ কারণেই টেকসই জ্বালানির পথে অগ্রসর হওয়া এখন আর শুধু পরিবেশগত দায়বদ্ধতা নয় বরং এটি আমাদের অর্থনীতি এবং জাতীয় নিরাপত্তার অপরিহার্য একটি অংশ। সৌরশক্তি সেই সম্ভাবনার সবচেয়ে উজ্জ্বল দিক।</p>
</article>

<article>&rsquo; তারেক রহমান বলেন, &lsquo;বাংলাদেশে প্রতিদিন গড়ে প্রতিবর্গ কিলোমিটারে সাড়ে চার থেকে পাঁচ কিলোওয়াট ঘণ্টার সৌরশক্তি পাওয়া যায়। আমাদের অসংখ্য ছাদ, শিল্প এলাকা, খোলা জমি এবং উপকূলীয় অঞ্চল নবায়নযোগ্য জ্বালানির বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রধানমন্ত্রী বলেন, &lsquo;আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি জাতীয় সংসদ ভবনের এই উদ্যোগ দেশের সব সরকারি এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে অনুপ্রাণিত করবে। প্রতিটি প্রতিষ্ঠান ও প্রতিটি নাগরিক যদি পরিচ্ছন্ন জ্বালানির এই অভিযাত্রায় অংশ নেয় তবে বাংলাদেশ ইনশাল্লাহ খুব দ্রুতই টেকসই উন্নয়নের মডেল রাষ্ট্রে পরিণত হতে পারে।&rsquo;</p>

<p>এ সময়ে মঞ্চে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ, প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এবং জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, জাতীয় সংসদের হুইপ, সংসদ সদস্য, সংসদ সচিবালয়ের সচিব, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের সদস্য এবং জাতীয় সংসদে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/915-1.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে আধুনিক আইন প্রণয়নের কাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28531</link>
    <pubDate>Mon, 25 May 2026 10:54:43 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28531</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/775-99.jpg" />    <article>
<p>জুয়া, বেটিং ও অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে একটি সম্পূর্ণ নতুন, যুগোপযোগী ও আধুনিক আইন প্রণয়নের কাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।&nbsp;</p>

<p>রবিবার (২৪ মে) সচিবালয়ে গণমাধ্যম কেন্দ্রে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) আয়োজিত &lsquo;বিএসআরএফ সংলাপে&rsquo; তিনি এসব কথা বলেন।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>বিএসআরএফ সভাপতি মাসউদুল হকের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক উবায়দুল্লাহ বাদলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তথ্য অধিদফতরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ।&nbsp;</p>

<p>স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দেশের জন্য আরও একটি যুগান্তকারী আইনি উদ্যোগের ঘোষণা দিয়ে বলেন, &lsquo;১৮৬৭ সালের মান্ধাতা আমলের জুয়া আইন বাতিল করে জুয়া, বেটিং ও অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে যুগোপযোগী ও আধুনিক আইন প্রণয়নের কাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।&rsquo;&nbsp;</p>

<p>মন্ত্রী বলেন, আগামী সংসদ অধিবেশনেই এই আইনটি পাসের জন্য বিল আকারে পেশ করা হবে। মাদক আইনের সংস্কার এবং মামলার জট নিরসন প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, মামলার আধিক্য বিবেচনা করে বিশেষ &lsquo;মাদক ট্রাইব্যুনাল&rsquo; গঠন করা হবে।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>পাসপোর্টে পরিবর্তনের বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, &lsquo;আসন্ন নতুন পাসপোর্টগুলোতে পূর্বের ন্যায় &lsquo;এক্সেপ্ট ইসরাইল&rsquo; শব্দগুচ্ছ পুনঃস্থাপন করা হবে। এটি দেশের সর্বস্তরের জনগণের প্রাণের দাবি ও বর্তমান সরকারের সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত।&rsquo;</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/775-99.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[প্রবীণ ও প্রতিবন্ধীদের জন্য মেট্রোরেলের ভাড়ায় ২৫ শতাংশ ছাড়]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28530</link>
    <pubDate>Mon, 25 May 2026 10:54:03 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28530</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/967-88.jpg" />    <article>
<p>প্রবীণ ও প্রতিবন্ধী নাগরিকদের জন্য মেট্রোরেলের ভাড়ায় ২৫ শতাংশ ছাড় দেওয়া হয়েছে। সোমবার (২৫ মে) থেকে এ ছাড় কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>রবিবার দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব প্রবীণ নাগরিক জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে বয়স যাচাই করে একক যাত্রার টিকিটে ২৫ শতাংশ ছাড় পাবেন।</p>

<p>প্রতিবন্ধী বা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন নাগরিকরা সমাজকল্যা</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/967-88.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[সরকারের ১০০ দিন পূর্তিতে বিকেলে সংবাদ সম্মেলন]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28529</link>
    <pubDate>Mon, 25 May 2026 10:52:27 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28529</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/77.jfif" />    <article>
<p>সরকারের ১০০ দিন পূর্তি উপলক্ষে&nbsp; শনিবার সংবাদ সম্মেলন করবে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং। বিকেল ৩টায় প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁও কার্যালয়ের &lsquo;করবী&rsquo; হলে সংবাদ সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন। এছাড়াও উপস্থিত থাকবেন অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন ও প্রেস উইংয়ের সদস্যরা।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/77.jfif</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ফিলিপাইনে ভবন ধসে নিহত ৩, এখনও নিখোঁজ ১৭]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28528</link>
    <pubDate>Mon, 25 May 2026 10:51:06 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28528</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1206-66.jpg" />    <article>
<p><a href="https://www.reuters.com/world/asia-pacific/death-toll-rises-three-with-17-still-missing-after-philippine-building-collapse-2026-05-25/">ফিলিপাইনে নির্মাণাধীন একটি বহুতল</a> ভবন ধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে তিনজনে দাঁড়িয়েছে। সোমবার কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন।</p>
</article>

<article>ধ্বংসস্তূপ থেকে আরো দুইজনকে উদ্ধার করা হলেও পরে দুজনই মারা যান। এ ছাড়া&nbsp;বর্তমানে আরো ১৭ জন নিখোঁজ রয়েছেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>নিখোঁদের বেশিরভাগই নির্মাণশ্রমিক, যারা দুর্ঘটনার সময় কাজ করছিলেন। নিহতদের মধ্যে ৬৫ বছর বয়সী এক মালয়েশীয় নাগরিকও রয়েছেন।</p>
</article>

<article>তার মরদেহ রবিবার পাশের একটি হোটেল ভবন থেকে উদ্ধার করা হয়।
<p>&nbsp;</p>

<p>দমকল বিভাগের আঞ্চলিক তথ্য কর্মকর্তা মারিয়া লিয়া সাজিলি জানান, উদ্ধার করা ব্যক্তিদের একজনকে জীবিত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল। তবে হাসপাতালে নেওয়ার পর তিনি মারা যান। অন্যজন ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকা অবস্থায় হৃদ্&zwnj;রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>রাজধানী ম্যানিলার উত্তরে অবস্থিত অ্যাঞ্জেলেস শহরে ভবনটি কেন ধসে পড়েছে, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু হয়েছে। উদ্ধারকর্মীরা ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে থাকা আরো একটি মরদেহ উদ্ধারের চেষ্টা করছেন। মরদেহটি উদ্ধার করা হলে সেটিকে আনুষ্ঠানিক মৃতের তালিকায় যোগ করা হবে।</p>

<p>কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তাপ-সংবেদনশীল স্ক্যানে ধ্বংসস্তূপের নিচে শ্বাস-প্রশ্বাস ও হৃদস্পন্দনের লক্ষণ পাওয়া গেছে। তাই সেখানে আরো মানুষ আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী ভবনটি নয়তলা কনডো-হোটেল হওয়ার কথা ছিল। তবে এর ওপর অতিরিক্ত ১০ম তলায় একটি সুইমিং পুল নির্মাণ করা হচ্ছিল। অ্যাঞ্জেলেস সিটির মেয়র কারমেলো লাজাতিন বলেছেন, ভবনের মালিকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা চলছে। ভবনটিতে ঠিক কতজন শ্রমিক কাজ করছিলেন, সে বিষয়েও তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।</p>

<p>নিখোঁজ ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যরা উদ্ধার তৎপরতার ধীরগতিতে ক্রমেই ক্ষুব্ধ ও হতাশ হয়ে পড়ছেন। ম্যানিলা থেকে আসা লিয়া কাসিলাও বলেন, ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকার আশঙ্কা থাকা তার স্বামী সম্পর্কে নিয়মিত তথ্য জানতে চান তিনি। তার স্বামী ওই নির্মাণ প্রকল্পে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন।&nbsp;</p>

<p>৪৭ বছর বয়সী কাসিলাও বলেন, &lsquo;আমার ছোট সন্তান বারবার বাবার খোঁজ জানতে চায়, কিন্তু আমি তাকে কোনো উত্তর দিতে পারছি না।&rsquo; আরেক স্বজন লরেনা অংকাওও একই ধরনের হতাশার কথা জানান। ৫০ বছর বয়সী অংকাও বলেন, কর্তৃপক্ষের উচিত অন্তত নিখোঁজদের পরিবারের সদস্যদের নিয়মিত পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত রাখা।</p>

<p>তিনি জানান, নিখোঁজদের মধ্যে তার ভাই ও ভাবিও রয়েছেন। তারা ভবনটির আশপাশে ভ্রাম্যমাণ বিক্রেতা হিসেবে কাজ করতেন। ক্ষোভ প্রকাশ করে অংকাও বলেন, &lsquo;আমরা কী পরিস্থিতির মধ্যে আছি, তারা তা অনুভব করতে পারবে না।&rsquo;</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1206-66.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ইরানের সঙ্গে চুক্তি না হলে ‘অন্য পথ’, সতর্ক করলেন রুবিও]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28527</link>
    <pubDate>Mon, 25 May 2026 10:50:06 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28527</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1305-55.jpg" />    <article>
<p><a href="https://www.reuters.com/world/middle-east/rubio-says-us-will-either-have-good-agreement-with-iran-or-deal-with-it-another-2026-05-25/">মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন</a>, ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র হয় একটি ভালো চুক্তিতে পৌঁছাবে, না হলে &lsquo;অন্য উপায়ে&rsquo; পরিস্থিতি মোকাবিলা করবে। সোমবার ভারতের নয়াদিল্লিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এ কথা বলেন।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি বলেন, &lsquo;যুক্তরাষ্ট্র প্রথমে কূটনৈতিক আলোচনাকে সফল করার জন্য সব ধরনের সুযোগ দেবে। এরপর প্রয়োজন হলে বিকল্প পথ বিবেচনা করা হবে।&rsquo; রুবিও জানান, আলোচনায় একটি &lsquo;ভালো অগ্রগতি&rsquo; হয়েছে। এর মধ্যে হরমুজ প্রণালি আবার খুলে দেওয়া এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করার বিষয় রয়েছে।</p>
</article>

<article><br />
তিনি আশা প্রকাশ করেন, দুই পক্ষ শেষ পর্যন্ত একটি সফল সমঝোতায় পৌঁছাতে পারবে।
<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.bbc.com/bengali/articles/c78ql29qj3yo">মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, </a>ইরানের সঙ্গে চুক্তি করতে এখনই তাড়াহুড়া করা হবে না। তিনি জানিয়েছেন, আলোচনা ভালোভাবে এগোলেও সব বিষয় ঠিকভাবে শেষ করতে আরো সময় প্রয়োজন।&nbsp;</p>

<p>আলোচনায় ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি বাড়ানো, হরমুজ প্রণালি আবার খুলে দেওয়া এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে ভবিষ্যতে নতুন আলোচনা করার বিষয় রয়েছে।</p>
</article>

<article>সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, &lsquo;আলোচনা গঠনমূলকভাবে এগোচ্ছে। তবে দুই পক্ষকেই সময় নিতে হবে ও সঠিকভাবে বিষয়টি সম্পন্ন করতে হবে।&rsquo; শনিবার ট্রাম্প বলেছিলেন, চুক্তির বেশিরভাগ অংশ নিয়ে ইতোমধ্যে সমঝোতা হয়েছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>ইরানের কর্মকর্তারাও বলেছেন, কিছু বিষয়ে অগ্রগতি হয়েছে। তবে এখনো কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মতভেদ রয়ে গেছে।</p>
</article>

<article>মার্কিন গণমাধ্যম বলছে, এটি এখনো চূড়ান্ত চুক্তি নয়। ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা কমানো, জব্দ করা অর্থ ফেরত দেওয়া এবং পারমাণবিক কর্মসূচির সীমা নিয়ে পরে আরো আলোচনা হবে।
<p>&nbsp;</p>

<p>এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের কিছু রিপাবলিকান নেতা এই সম্ভাব্য চুক্তির বিরোধিতা করেছেন। তাদের অভিযোগ, এতে ইরানকে বেশি ছাড় দেওয়া হচ্ছে। গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বেড়ে যায়। পরে ইরান হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ করে দেয়। এই পথ দিয়ে বিশ্বের বড় অংশের তেল ও গ্যাস পরিবহন হয়। ফলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়ে যায়।</p>

<p>বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দর অবরোধ করে রেখেছে। ট্রাম্প বলেছেন, চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষর না হওয়া পর্যন্ত এই অবরোধ চালু থাকবে।&nbsp;</p>

<p>ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি শুধুই শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে পরিচালিত হচ্ছে। ইরান দাবি করেছে, তারা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করছে না। তবে যুক্তরাষ্ট্র চায়, ইরান যেন উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম সীমিত করে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1305-55.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[কঙ্গোয় ইবোলা আক্রান্তের সংখ্যা ৯০০ ছাড়ালো]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28526</link>
    <pubDate>Mon, 25 May 2026 10:48:56 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28526</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1371-44.jpg" />    <article>
<p>কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলে চলমান ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে রোগীর সংখ্যা ৯০০ ছাড়িয়ে গেছে। কঙ্গোর যোগাযোগ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত ৯০৪ জন এই রোগে আক্রান্ত হয়েছেন এবং ১১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।</p>
</article>

<article>বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই পরিস্থিতিকে কঙ্গোর জন্য অত্যন্ত উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ বলে সতর্ক করেছে, তবে এটি বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা কম।
<p>&nbsp;</p>

<p>বৈশ্বিক স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হলেও কঙ্গো কর্তৃপক্ষ এই প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে আনতে চরম হিমশিম খাচ্ছে। এর বড় কারণ হলো স্থানীয় জনগণের ক্ষোভ ও সহিংসতা। গত সপ্তাহে দেশটির পূর্বাঞ্চলের দুইটি শহরে ইবোলা চিকিৎসা কেন্দ্রে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে।</p>
</article>

<article>বছরের পর বছর ধরে চলা বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সহিংসতা, লাখ লাখ মানুষের বাস্তুচ্যুতি এবং আন্তর্জাতিক সাহায্য কমে যাওয়ার কারণে স্থানীয় মানুষের মধ্যে সরকার ও বিদেশি সাহায্য সংস্থাগুলোর প্রতি তীব্র অবিশ্বাস ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। এমনকি কঙ্গোর ঐতিহ্যবাহী দাফন পদ্ধতির ওপর সরকারি নিষেধাজ্ঞা এবং কড়া নিয়মকানুনের কারণেও স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>ইবোলা প্রাদুর্ভাবের মূল কেন্দ্রস্থল হলো কঙ্গোর ইতুরি প্রদেশ। এই অঞ্চলটি এখনো সরকারের নিয়ন্ত্রণে থাকলেও সেখানে ইসলামিক স্টেট এবং রুয়ান্ডা-সমর্থিত &lsquo;এম২৩&rsquo; এর মতো একাধিক শক্তিশালী বিদ্রোহী গোষ্ঠীর কারণে তীব্র নিরাপত্তাহীনতা চলছে।</p>
</article>

<article>সংঘাতের কারণে ইতিমধ্যেই ইতুরিতে প্রায় ১০ লাখ মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। আন্তর্জাতিক রেড ক্রসের মতে, আগে থেকেই বিপর্যস্ত ও ভঙ্গুর এই জনবসতির মধ্যে ইবোলা ছড়িয়ে পড়ায় পরিস্থিতি আরো ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, বড় বড় বাস্তুচ্যুত শিবিরে এই রোগ ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ন্ত্রণ করা অসম্ভব হয়ে পড়বে।
<p>&nbsp;</p>

<p>স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গত বছর যুক্তরাষ্ট্রসহ ধনী দেশগুলোর আন্তর্জাতিক সাহায্য কমিয়ে দেওয়া কঙ্গোর জন্য মারাত্মক বিপর্যয় ডেকে এনেছে। এর ফলে কঙ্গোর মহামারি শনাক্ত ও মোকাবিলা করার সক্ষমতা অনেকটাই কমে গেছে।</p>
</article>

<article>মাঠ পর্যায়ে কাজ করা স্থানীয় হাসপাতাল ও সাহায্য সংস্থাগুলো জানিয়েছে, তাদের কাছে স্বাস্থ্যকর্মীদের সুরক্ষার জন্য ফেস শিল্ড, বিশেষ স্যুট, টেস্টিং কিট কিংবা লাশ দাফনের জন্য বডি ব্যাগ&mdash;কোনো কিছুই নেই। নার্সদের জন্য কেবল কয়েকটি মাস্ক ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার ছাড়া আর কোনো সরঞ্জাম মিলছে না।
<p>&nbsp;</p>

<p>সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, কঙ্গোতে ছড়িয়ে পড়া এই নির্দিষ্ট &lsquo;বান্দিবুগিও&rsquo; ধরনের ইবোলা ভাইরাসের কোনো অনুমোদিত টিকা বা চিকিৎসা এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত হয়নি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বর্তমানে দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলে শোকসভা ও ৫০ জনের বেশি মানুষের সমাবেশ নিষিদ্ধ করেছে প্রশাসন।</p>

<p>সূত্র : <a href="https://www.theguardian.com/world/2026/may/24/suspected-ebola-cases-congo-health-workers-attacks">দ্য গার্ডিয়ান</a></p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1371-44.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[লন্ডনে পরিচারকদের জন্য ফ্ল্যাট কিনে বিতর্কে সোনম ও তার স্বামী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/28525</link>
    <pubDate>Mon, 25 May 2026 10:48:03 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/28525</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1452-33.jpg" />    <article>
<p>লন্ডনে নিজেদের বাড়ির পরিচারকদের (স্টাফ) থাকার জন্য একসঙ্গে পাঁচটি ফ্ল্যাট কিনেছেন বলিউড অভিনেত্রী সোনম কাপুর ও তার স্বামী আনন্দ আহুজা। ভারতীয় মুদ্রায় যার দাম প্রায় ৫১ কোটি টাকা (৪০ লাখ পাউন্ড)।</p>
</article>

<article>আর এই ফ্ল্যাট কেনাকে কেন্দ্র করেই লন্ডনের ওই অভিজাত এলাকার প্রতিবেশীদের তুমুল ক্ষোভ ও আপত্তির মুখে পড়েছেন এই তারকা দম্পতি।
<p>&nbsp;</p>

<p>বিয়ের পর মুম্বাই ছেড়ে লন্ডনের নটিং হিল এলাকায় সংসার পেতেছেন সোনম। সম্প্রতি দ্বিতীয়বার মা হওয়া এই অভিনেত্রী স্বামী ও দুই ছেলেকে নিয়ে সেখানেই থাকেন। নটিং হিল সংলগ্ন এলাকার ওই বহুতল ভবনে সোনম ও আনন্দ ফ্ল্যাটগুলো কেনার পর থেকেই সেখানকার অন্য বাসিন্দারা অসন্তোষ প্রকাশ করছেন।</p>
</article>

<article>প্রতিবেশীদের অভিযোগ, তারকা দম্পতি এই ফ্ল্যাটগুলোকে &lsquo;সামাজিক আবাসনে&rsquo; (সোশ্যাল হাউজিং) পরিণত করতে চাইছেন। তাদের আশঙ্কা, পরিচারকরা সেখানে এসে থাকতে শুরু করলে ওই ভবনের অভিজাত পরিবেশ নষ্ট হবে, নোংরা হবে ও সামাজিক শ্রেণিবৈষম্য তৈরি হবে।
<p>&nbsp;</p>

<p>ওই আবাসনের এক ফ্ল্যাট মালিক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, &lsquo;আমরা এখানে একটি শান্ত পরিবেশ গড়ে তুলেছিলাম, যা এখন বদলে যাচ্ছে। একজন কোটিপতি এসে আমাদের বাড়িকে নিজের খেলার মাঠ বানাতে চাইছেন।</p>
</article>

<article>সংস্কার কাজের আড়ালে যেভাবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো, তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>বছর তিনেক আগে লন্ডনের নটিং হিলে প্রায় ২৭১ কোটি টাকা দিয়ে একটি প্রাসাদসম বাড়ি কিনেছিলেন সোনম ও আনন্দ। এবার কিনলেন পরিচারকদের জন্য এই ফ্ল্যাটগুলো। তবে প্রতিবেশীদের এই তীব্র আপত্তি ও অভিযোগের মুখে পড়লেও সোনম কাপুর বা আনন্দ আহুজা&mdash;কারো পক্ষ থেকেই এখনো কোনো মন্তব্য বা প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।</p>

<p>সূত্র : আনন্দবাজার</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1452-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[মেসির চোট নিয়ে যা বললেন মায়ামি কোচ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/28524</link>
    <pubDate>Mon, 25 May 2026 10:47:15 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/28524</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1489-22.jpg" />    <article>
<p>বিশ্বকাপের আগে লিওনেল মেসিকে ঘিরে তৈরি হওয়া দুশ্চিন্তা কিছুটা কমিয়েছে ইন্টার মায়ামি শিবির। ফিলাডেলফিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে মাঠ ছাড়লেও গুরুতর কোনো চোট পাননি আর্জেন্টাইন মহাতারকা&mdash;এমনটাই জানিয়েছেন মায়ামির কোচ গিয়ের্মো হোয়োস।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>মেজর লিগ সকারে ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়নের বিপক্ষে ৬-৪ গোলের রোমাঞ্চকর জয়ে দ্বিতীয়ার্ধে বদলি হয়ে মাঠ ছাড়েন মেসি। তখন তাকে পায়ের পেছনের অংশে হাত দিতে দেখা যায়। সঙ্গে সঙ্গে বিশ্বকাপের আগে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের মধ্যে।</p>

<p>তবে ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে হোয়োস জানান, বিষয়টি বড় কোনো ইনজুরি নয়।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি বলেন, &lsquo;এখনো চূড়ান্ত মেডিক্যাল রিপোর্ট হাতে পাইনি। তবে লিও (মেসি) ক্লান্ত ছিলেন এবং কিছুটা অবসন্ন অনুভব করছিলেন। সেই কারণেই আমরা কোনো ঝুঁকি নিতে চাইনি।&rsquo;</p>

<p>আর্জেন্টাইন সাংবাদিক গাস্তন এদুলও জানিয়েছিলেন, মেসি মূলত সতর্কতার অংশ হিসেবেই বদলি হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।</p>
</article>

<article>তার পেশিতে ক্লান্তি ছিল, তবে বড় ধরনের কোনো চোট নয়।
<p>&nbsp;</p>

<p>ফিলাডেলফিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে দুটি অ্যাসিস্ট করেন মেসি। আর তার দীর্ঘদিনের সতীর্থ লুইস সুয়ারেজ করেন হ্যাটট্রিক।</p>

<p>বিশ্বকাপ শুরু হতে আর বেশি সময় বাকি নেই। তাই মেসির ফিটনেস নিয়ে যে শঙ্কা তৈরি হয়েছিল, মায়ামি কোচের বক্তব্যে তা অনেকটাই কমেছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1489-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[কান চলচ্চিত্র উৎসবে সেরা ছবির পুরস্কার জিতল ‘ফিয়র্ড’]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/28523</link>
    <pubDate>Mon, 25 May 2026 10:46:27 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/28523</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1587-11.jpg" />    <article>
<p>৭৯তম কান চলচ্চিত্র উৎসবের শীর্ষ পুরস্কার &lsquo;পালম ডি&#39;অর&rsquo; জিতে নিয়েছে রোমানিয়ান পরিচালক ক্রিস্টিয়ান মুঙ্গিউয়ের চলচ্চিত্র &lsquo;ফিয়র্ড&rsquo;। নরওয়েতে বসবাসকারী একটি অভিবাসী পরিবারের সংস্কৃতি ও জীবনসংগ্রামের গল্প নিয়ে তৈরি হয়েছে এই সিনেমাটি।</p>
</article>

<article>শনিবার (২৩ মে) ফ্রান্সের কান শহরের গ্র্যান্ড থিয়েটার লুমিয়েরে অনুষ্ঠিত জমকালো সমাপনী অনুষ্ঠানে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রের এই পুরস্কার ঘোষণা করা হয়।
<p>&nbsp;</p>

<p>&lsquo;ফিয়র্ড&rsquo; সিনেমাটিতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন সেবাস্টিয়ান স্ট্যান ও রেনেট রেইনসভে। এটি পরিচালক মুঙ্গিউয়ের ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় পালম ডি&#39;অর। এর আগে ২০০৭ সালে তার বিখ্যাত ছবি &lsquo;ফোর মান্থস, থ্রি উইকস, অ্যান্ড টু ডেজ&rsquo;-এর জন্য তিনি প্রথমবার এই শীর্ষ পুরস্কার পেয়েছিলেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>পুরস্কার নেওয়ার পর এক আবেগঘন ভাষণে পরিচালক ক্রিস্টিয়ান মুঙ্গিউ বলেন, &lsquo;আজকের সমাজ বিভক্ত ও চরমপন্থী হয়ে উঠেছে। এই চলচ্চিত্রটি যেকোনো ধরনের মৌলবাদের বিরুদ্ধে একটি অঙ্গীকার। আমরা এমন কিছু বিষয় নিয়ে কথা বলার ঝুঁকি নিয়েছি, যা আমাদের অনেকেই জানেন কিন্তু জনসমক্ষে বলার সাহস পান না।&rsquo;</p>

<p>এবারের উৎসবে মর্যাদাপূর্ণ এই শীর্ষ পুরস্কারের জন্য ২২টি চলচ্চিত্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল।</p>
</article>

<article>যার মধ্যে আমেরিকার &lsquo;দ্য ম্যান আই লাভ&rsquo; ও &lsquo;পেপার টাইগার&rsquo; ছবি দুটিও ছিল।
<p>&nbsp;</p>

<p>সূত্র : এনপিআর</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1587-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[আমেরিকার সমাজ-সংস্কৃতির অপরিহার্য অংশ হবে বাঙালিরা নিউইর্য়কে বই মেলায়-রেহমান সোবহান]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/28522</link>
    <pubDate>Mon, 25 May 2026 10:29:34 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/28522</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1586-11.jpg" />    <p>হাকিকুল ইসলাম খোকন//<br />
উত্তর আমেরিকায় বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির অন্যতম বৃহৎ মিলনমেলা &lsquo;৩৫তম নিউইয়র্ক আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা ২০২৬&rsquo; বর্ণাঢ্য আয়োজনে শুরু হয়েছে। গত শুক্রবার (২২ মে ২০২৬) নিউইয়র্কের জ্যামাইকা পারফর্মিং আর্টস সেন্টারে চার দিনব্যাপী এ মেলার শুভ উদ্বোধন করা হয়। এবারের প্রতিপাদ্য &mdash; &ldquo;যত বই তত প্রাণ&rdquo;। &nbsp;সোমবার (২৫ মে) পর্যন্ত চলবে এই আন্তর্জাতিক আয়োজন।</p>

<p><img alt="" src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1451-33.jpg" style="width: 483px; height: 374px;" /><br />
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক রেহমান সোবহান। তিনি বলেন, &ldquo;গত ৩৫ বছরে বাংলাদেশিরা আমেরিকায় একটি দৃশ্যমান জাতিগোষ্ঠী হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে; আগামী ৩৫ বছরে বাংলাদেশিরা এ দেশের সমাজ-সংস্কৃতির অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠবে।&rdquo;</p>

<p><img alt="" src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1488-22.jpg" style="width: 555px; height: 397px;" /></p>

<p>তিনি আরও বলেন, জাতির অগ্রযাত্রার জন্য সঠিক ইতিহাসচর্চা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইতিহাসের নানা বিতর্কিত বিষয় নিয়ে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে সত্য ইতিহাস তুলে ধরার আহ্বান জানান তিনি।<br />
বাঙালির বুদ্ধিবৃত্তিক ও সামাজিক চিন্তাধারায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ অনুষ্ঠানে অধ্যাপক রেহমান সোবহানের হাতে তুলে দেওয়া হয় &lsquo;মুক্তধারা সুকৃতজ্ঞ সম্মাননা&rsquo; ও &lsquo;আজীবন সম্মাননা&rsquo;।</p>

<p><img alt="" src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1370-44.jpg" style="width: 696px; height: 379px;" /><br />
বিশেষ আলোচনায় অংশ নিয়ে সমাজবিজ্ঞানী অধ্যাপক রওনক জাহান বলেন, &ldquo;আমাদের প্রজন্মের কাছে ধর্মনিরপেক্ষ বাংলাদেশের ধারণা ছিল অত্যন্ত দৃঢ়; কিন্তু বর্তমান সময়ে নতুন প্রজন্মের একটি অংশকে ধর্মভিত্তিক রাজনীতির প্রতি আকৃষ্ট হতে দেখা যাচ্ছে, যা উদ্বেগজনক।&rdquo;<br />
অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলন। তিনি বাংলা বইকে বিশ্বদরবারে পৌঁছে দিতে বৃহৎ আন্তর্জাতিক অনুবাদ উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। স্বাগত বক্তব্য দেন মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান জিয়াউদ্দিন আহমেদ। বইমেলার আহ্বায়ক ড. নজরুল ইসলাম উপস্থিত সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।</p>

<p><img alt="" src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1304-55.jpg" style="width: 768px; height: 384px;" /></p>

<p><br />
এ সময় মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও বিশ্বজিৎ সাহাকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়। ১৯৯২ সালে তাঁর ব্যক্তিগত উদ্যোগেই নিউইয়র্কে আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলার যাত্রা শুরু হয়েছিল। তাঁকে নিয়ে নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্রও প্রদর্শন করা হয় অনুষ্ঠানে।<br />
বিশ্বজিৎ সাহার পরিকল্পনায় সাজানো প্রাক্-উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি ছিল দর্শকনন্দিত ও আবেগঘন। নিউইয়র্কের জনপ্রিয় ঢুলি মোবারক হোসেন ঐতিহ্যবাহী ঢোলের বাদ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন। পরে মালবিকা চ্যাটার্জির নির্দেশনায় &lsquo;সংগীত সাধনা&rsquo;র শিক্ষার্থীরা সমবেত সংগীত পরিবেশন করেন &mdash; &ldquo;আজি দখিন দুয়ার খোলা&rdquo; ও &ldquo;বাউলা কে বানাইলো রে&rdquo;।</p>

<p>স্মরণপর্বে &ldquo;আগুনের পরশমণি&rdquo; সুরের আবহে মোমবাতি প্রজ্বলনের মধ্য দিয়ে বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির তিন গুণী ব্যক্তিত্বের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এ সময় উদ্বোধক ইমদাদুল হক মিলন, আবদুন নূর, জিয়াউদ্দিন আহমেদ ও ড. নজরুল ইসলাম স্মারকচিত্রে মোমবাতি প্রজ্বলন করেন।<br />
স্মৃতিচারণ ও পাঠপর্বে রোকেয়া রফিক বেবী কথাসাহিত্যিক মহাশ্বেতা দেবীর রচনার অংশবিশেষ পাঠ করেন। শহিদুল আলম সাচ্চু ইতিহাসবিদ তপন রায়চৌধুরীর &lsquo;বাঙালনামা&rsquo; থেকে নির্বাচিত অংশ পাঠ করেন। পাপি মনা ও তাঁর দল শামসুদ্দীন আবুল কালাম স্মরণে সংগীত পরিবেশন করেন।<br />
নৃত্যাঞ্জলি একাডেমির পরিকল্পনা ও চন্দ্রা ব্যানার্জি আলোকের নির্দেশনায় পরিবেশিত হয় মনোমুগ্ধকর নৃত্য পরিবেশনা &mdash; &ldquo;আলোকের এই ঝরনা ধারায়&rdquo;, &ldquo;হৃদয় আমার নাচেরে&rdquo; এবং &ldquo;বাগিচায় বুলবুলি তুই&rdquo;।</p>

<p><br />
পরে &ldquo;নতুন বইয়ের ঘ্রাণ নিতে বইমেলায় যাব গো&rdquo; স্লোগানে মহিতোষ তালুকদার তাপসের স্ব-ঘোষণায় অংশগ্রহণকারীদের নিয়ে বইমেলার প্রাঙ্গণ প্রদক্ষিণ করা হয়। উপস্থিত অতিথি ও দর্শনার্থীরা অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত উপভোগ করেন।<br />
উদ্বোধনী দিনে ছিল আবৃত্তি, সংগীত, নৃত্য, স্মরণসভা ও সাহিত্য আড্ডা। বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির তিন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব মহাশ্বেতা দেবী, আবুল কালাম শামসুদ্দীন ও তপন রায়চৌধুরীর জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে তাঁদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানো হয়।</p>

<p>৩৫তম নিউইয়র্ক আন্তর্জাতিক বইমেলা ২০২৬ আয়োজক ও মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের সিইও বিশ্বজিৎ সাহা ।</p>

<p>মেলায় বাংলাদেশ ও কলকাতার শীর্ষস্থানীয় প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করেছে। অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে মুক্তধারা ফাউন্ডেশন (নিউইয়র্ক), ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড, প্রথমা প্রকাশন, আহমেদ পাবলিশার্স, ইত্যাদি গ্রন্থ প্রকাশ, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম, অঙ্কুর প্রকাশনী, অন্বয় প্রকাশ, কথাপ্রকাশ, কবি প্রকাশনী, নালন্দা, বাতিঘর, গ্রন্থকুঠির ও জলধি।</p>

<p>অনন্যা প্রকাশনীর প্রকাশক মনিরুল হক বলেন, &ldquo;নিউইয়র্ক আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা এখন শুধু বই বিক্রির আয়োজন নয়; এটি প্রবাসী বাঙালির সাংস্কৃতিক পরিচয়, আবেগ ও আত্মিক সংযোগের অন্যতম কেন্দ্র হয়ে উঠেছে।&rdquo;</p>

<p>চার দিনের এ বইমেলায় প্রতিদিন থাকছে নতুন বইয়ের মোড়ক উন্মোচন, সাহিত্য আলোচনা, কবিতা পাঠ, শিশু-কিশোর অনুষ্ঠান, লেখক-পাঠক আড্ডা, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং প্রবাসী সংস্কৃতি নিয়ে বিশেষ সেমিনার।</p>

<p>বাংলাদেশ, ভারত, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা থেকে আগত বিশিষ্ট লেখক, কবি, সাংবাদিক, শিল্পী ও সংস্কৃতিকর্মীরা এতে অংশ নিচ্ছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন ফরিদুর রেজা সাগর, দীপেন ভট্টাচার্য, তৌফিক ইমরোজ খালিদী, সুবোধ সরকার, ফারুক মঈনউদ্দীন, সাদাত হোসাইন, মোস্তফা সারওয়ার, জাফর আহমদ রাশেদ, গৌতম দত্ত, শামস আল মমীন, রোকেয়া হায়দার, ফেরদৌস সাজেদীন, আশরাফ কায়সার, রাজু আলাউদ্দিন, সৈয়দ জাকি হোসেন, বিরূপাক্ষ পাল, নজরুল ইসলাম মিন্টু, রানু ফেরদৌস,কবি ও কলামিস্ট এবিএম সালেহ উদ্দিন,সিনিয়র সাংবাদিক ও লায়ন এবং কলামিস্ট হাকিকুল ইসলাম খোকন,বই প্রেমি কমিউনিটি এক্টিভিষট মাকসুদা আহমেদ,1লংআইল&zwj;্যান্ডের &nbsp;<br />
আব্দুল মজিদ এবং &nbsp;মহিতোষ তালুকদারসহ আরও অনেকে।</p>

<p><br />
নতুন প্রজন্মকে বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে এবারের বইমেলায় বিশেষভাবে সাজানো হয়েছে তরুণদের অংশগ্রহণমূলক অনুষ্ঠানমালা। এর অংশ হিসেবে আগামী ২৫ মে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ব্যতিক্রমধর্মী আলোচনা সভা &mdash; &ldquo;সৃজনশীলতায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) প্রভাব&rdquo;।<br />
প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক বিশ্বে AI মানুষের চিন্তা, সাহিত্য, শিল্পকলা, সংগীত, গণমাধ্যম ও সাংস্কৃতিক চর্চায় কী ধরনের পরিবর্তন আনছে&mdash;তা নিয়ে নিজেদের ভাবনা ও অভিজ্ঞতা তুলে ধরবে নতুন প্রজন্মের বাংলাদেশি-আমেরিকান তরুণরা।</p>

<p>আলোচনায় অংশ নেবে দানিয়াল দর্পণ সামিও, প্রজ্ঞাত্তম সাহা প্রজ্ঞা, মীম দে শ্রাবনী, ফারজিন কবীর কাব্য, অদ্রিতা দে ও ধীরাজ সাহা। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করবেন রাব্বানী ভূঁইয়া।</p>

<p>আয়োজকদের মতে, মার্কিন সমাজে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের অংশগ্রহণ দুই জেনারেশনের মধ্যে সাংস্কৃতিক সেতুবন্ধন তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির ধারাবাহিকতা রক্ষায় এ ধরনের উদ্যোগ ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।<br />
এ আয়োজন সফল করতে নিরুপমা সাহা ও সীমা সুস্মিতার আন্তরিক প্রচেষ্টার কথাও উল্লেখ করেন আয়োজকরা।<br />
বইমেলার সদস্য সচিব ড.ওবায়দুললা মামুন ,নুরুল বাতেন সহ সংশ্লিষ্ট অন&zwj;্যানদের কর্ম তৎপরতা ছিল লক্ষণীয় ।মেলায় নিউইয়র্কের একজন লেখক আবুল বাশার বাপসনিউজকে বলেছেন তার প্রকাশিত ১৩টি বইয়ের কপি এনেছিলেন বইমেলায় ।সবকটি বই বিক্রি হয়েছে ।তিনি অত্যন্ত আনন্দিত ।৩৫ তম নিউইয়র্ক আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলায় প্রথম দিনে ১৩ টি বই নিয়ে গেছিলাম। মেলা উদ্বোধন হওয়ার ১ ঘন্টার মধ্যে সব বই বিক্রি হয়ে গেছে।&nbsp;<br />
ধন্যবাদ পাঠকদের। এতো বই বিক্রি হবে জানলে আরো বেশি বই নিতাম। নতুন লেখক হিসেবে আমার গর্ব বোধ হচ্ছে। আমি আন্তরিক ভাবে ধন্যবাদ জানাই আয়োজক কমিটির সকলকে।৩৫ তম নিউইয়র্ক আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলায় প্রথম দিনে ১৩ টি বই নিয়ে গেছিলাম। মেলা উদ্বোধন হওয়ার ১ ঘন্টার মধ্যে সব বই বিক্রি হয়ে গেছে। ধন্যবাদ পাঠকদের ।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1586-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[শুরু হলো ৩৫তম নিউইয়র্ক আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/28521</link>
    <pubDate>Sun, 24 May 2026 09:46:28 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/28521</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/147-capture.jpg" />    <p>অধ্যাপক রেহমান সোবহান বলেছেন, গত ৩৫ বছরে বাংলাদেশিরা আমেরিকায় একটি দৃশ্যমান জাতিগোষ্ঠী হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে; আগামী ৩৫ বছরে বাংলাদেশিরা এ দেশের সমাজ-সংস্কৃতির অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠবে। তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে আমেরিকায় তাঁর প্রথম সফরের সময় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরিচিতিই ছিল তাঁর প্রধান সম্বল। আজকের প্রজন্মের কাছে ইতিহাসের বিভিন্ন বিষয় স্পষ্টভাবে তুলে ধরা এবং এ নিয়ে বিতর্কের অবসানের আকাঙ্ক্ষার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সঠিক ইতিহাসচর্চার মধ্য দিয়ে আমাদের জাতীয় ইতিহাসের বহু বিতর্কিত বিষয়ে ঐকমত্যের প্রয়াস চালিয়ে যেতে হবে।</p>

<p>উত্তর আমেরিকায় বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির অন্যতম বৃহৎ আন্তর্জাতিক আয়োজন &lsquo;৩৫তম নিউইয়র্ক আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা ২০২৬&rsquo; ২২ মে শুক্রবার নিউইয়র্কের জ্যামাইকা পারফর্মিং আর্টস সেন্টারে উৎসবমুখর পরিবেশে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। ২৫ মে সোমবার পর্যন্ত চলবে চারদিনব্যাপী এই আন্তর্জাতিক আয়োজন।</p>

<p>অনুষ্ঠানমঞ্চে দেওয়া বক্তৃতায় অধ্যাপক রওনক জাহান বলেন, আমাদের প্রজন্মের কাছে ধর্মনিরপেক্ষ বাংলাদেশের ধারণা ছিল ভিত্তিমূলের মতো দৃঢ়। তিনি বলেন, আজকের বাংলাদেশে নতুন প্রজন্মের একটি অংশকে ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলের প্রতি সমর্থন জানাতে দেখা যাচ্ছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। দুই খ্যাতিমান ব্যক্তিত্বের এই আলোচনা পর্বটি সঞ্চালনা করেন বইমেলার আহ্বায়ক ড. নজরুল ইসলাম।</p>

<p>বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলন বলেন, বাংলা গ্রন্থ অনুবাদের একটি বড় উদ্যোগ নেওয়ার এখনই উপযুক্ত সময়। তিনি নিউইয়র্ক বইমেলায় বাংলাদেশের খ্যাতিমান সাহিত্যিকদের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের অংশগ্রহণের স্মৃতিচারণ করেন।</p>

<p>এর আগে অনুষ্ঠানমঞ্চে মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. জিয়াউদ্দিন আহমেদ এবং মুক্তধারার কর্ণধার বিশ্বজিৎ সাহা বইমেলায় উপস্থিত সবাইকে স্বাগত জানিয়ে বক্তব্য রাখেন।</p>

<p>শুক্রবার বিকেল থেকেই বইপ্রেমী, লেখক, পাঠক, শিল্পী ও সংস্কৃতিপ্রেমীদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে পুরো বইমেলা প্রাঙ্গণ। চমৎকার রৌদ্রোজ্জ্বল আবহাওয়া যেন উৎসবের আনন্দকে আরও বাড়িয়ে দেয়। সন্ধ্যা ঘনানোর আগেই উপচে পড়া ভিড়ে পরিণত হয় মেলা প্রাঙ্গণ। দেশীয় পোশাকে সজ্জিত প্রবাসী বাঙালিরা পরিবার-পরিজন নিয়ে বইকে কেন্দ্র করে এক অনন্য মিলনমেলায় অংশ নেন।</p>

<p>নিউইয়র্কে বইকে কেন্দ্র করে এমন প্রাণবন্ত, আবেগঘন এবং বৃহৎ আয়োজন অন্য কোনো জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে সচরাচর দেখা যায় না&mdash;এ কথা অনেক দর্শনার্থীর মুখেই শোনা গেছে।</p>

<p>বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান থেকে প্রকাশকেরা ইতোমধ্যেই নিউইয়র্কে এসে পৌঁছেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য&mdash;নিউজার্সি, কানেকটিকাট, ম্যাসাচুসেটস, ভার্জিনিয়া, পেনসিলভানিয়া, মেরিল্যান্ড, ফ্লোরিডা এবং দূরবর্তী অঙ্গরাজ্য থেকেও বহু মানুষ বইমেলায় যোগ দিতে এসেছেন। প্রবাসী বাঙালিদের জন্য এটি যেন বইকে কেন্দ্র করে এক বার্ষিক পুনর্মিলনী।</p>

<p>প্রবাসী বাঙালির ভাষা ও সংস্কৃতির ধারাবাহিকতাকে ধারণ করে ১৯৯২ সালে ক্ষুদ্র পরিসরে যাত্রা শুরু করেছিল এই বইমেলা। তিন দশকেরও বেশি সময় পেরিয়ে আজ এটি উত্তর আমেরিকায় বাংলা ভাষাভাষীদের সবচেয়ে বড় আন্তর্জাতিক সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে। আয়োজক মুক্তধারা ফাউন্ডেশন এবারের আয়োজনের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করেছে&mdash; &ldquo;যত বই তত প্রাণ&rdquo;।</p>

<p>উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক ইমদাদুল হক মিলন। প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন অর্থনীতিবিদ, শিক্ষাবিদ ও চিন্তাবিদ অধ্যাপক রেহমান সোবহান। তাঁকে প্রদান করা হয় &lsquo;মুক্তধারা সুকৃতজ্ঞ সম্মাননা&rsquo; ও আজীবন সম্মাননা। আয়োজকদের পক্ষ থেকে বলা হয়, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক চিন্তা, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং বাঙালির বুদ্ধিবৃত্তিক ঐতিহ্যে তাঁর অবদান অসামান্য।</p>

<p>বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক রওনক জাহান, ফরিদুর রেজা সাগরসহ আরও অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তি। এছাড়া বাংলাদেশ, ভারত, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা থেকে আগত বহু লেখক, কবি, গবেষক ও শিল্পী অনুষ্ঠানে অংশ নেন।</p>

<p>প্রাক-উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শুরু হয় ঢোলের বাদ্য এবং রবীন্দ্রসংগীতের মধ্য দিয়ে। ছিল আবৃত্তি, সংগীত, নৃত্য ও বিশেষ স্মরণানুষ্ঠান। বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির তিন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব&mdash;মহাশ্বেতা দেবী, আবুল কালাম শামসুদ্দিন এবং তপন রায়চৌধুরীর জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে তাঁদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়।</p>

<p>মেলায় অংশ নিয়েছে অনন্যা, ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড, প্রথমা প্রকাশন, আহমেদ পাবলিশার্স, ইত্যাদি গ্রন্থ প্রকাশসহ বাংলাদেশ ও কলকাতার বহু খ্যাতিমান প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান। নতুন প্রকাশিত বই, গবেষণাগ্রন্থ, প্রবাসভিত্তিক সাহিত্য, শিশু-কিশোর বই এবং বিশ্বসাহিত্যের নানা প্রকাশনা পাঠকদের বিশেষ আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।</p>

<p>চারদিনব্যাপী এই আন্তর্জাতিক আয়োজনে প্রতিদিন থাকবে বই বিক্রি, নতুন বইয়ের মোড়ক উন্মোচন, সাহিত্য আলোচনা, কবিতা পাঠ, শিশু-কিশোর অনুষ্ঠান, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, লেখক-পাঠক আড্ডা এবং প্রবাসী সংস্কৃতি নিয়ে বিশেষ আলোচনা।</p>

<p>মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ডা. জিয়াউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, বাংলা সাহিত্য ও বিশ্বসাহিত্যের মধ্যে সেতুবন্ধন গড়ে তোলার পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের মধ্যে বাংলা ভাষা ও বইপড়ার সংস্কৃতি ছড়িয়ে দেওয়াই এবারের বইমেলার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।</p>

<p>নিউইয়র্ক আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলার অন্যতম পৃষ্ঠপোষক শিল্পপতি গোলাম ফারুক ভূঁইয়া বলেন, দেশ থেকে দূরে থেকেও বাংলাদেশিরা বাংলা বইয়ের টানে এই মেলায় যোগ দেন। সুস্থ সংস্কৃতি ও মননশীলতার বিকাশে এ বইমেলা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।</p>

<p>বইয়ের ঘ্রাণ, প্রিয় মুখের হাসি, বাংলা ভাষার আবেগ আর প্রবাসের মাটিতে শেকড়ের টান&mdash;সব মিলিয়ে নিউইয়র্কে আবারও প্রমাণ হলো, বাংলা বইয়ের প্রতি ভালোবাসা এখনও অটুট, এখনও প্রাণবন্ত। &ldquo;যত বই তত প্রাণ&rdquo;&mdash;এই উচ্চারণে চারদিনের জন্য যেন প্রবাসের হৃদয়ে গড়ে উঠেছে এক টুকরো বাংলাদেশ।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/147-capture.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[রামিসার হত্যাকারীর শাস্তি এক মাসের মধ্যে: প্রধানমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28520</link>
    <pubDate>Sun, 24 May 2026 09:44:54 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28520</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/966-88.jpg" />    <article>
<p>আগামী এক মাসের মধ্যে রামিসা হত্যাকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার(২৩ মে) বিকালে ত্রিশালে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকীর জাতীয় অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এই ঘোষণা দেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/social-media/2026/05/23/1689154" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>তিনি বলেন, &lsquo;সবচেয়ে যেটি বড় ক্ষতি হয়েছে, বিশেষ করে বিতাড়িত ফ্যাসিবাদের সময়ে মানবতা, মানবিকতা এবং দেশের আবহমান কালের ধর্মীয় সামাজিক মূল্যবোধগুলোকে একেবারেই বিনষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। ঢাকার মিরপুরে একটি নিষ্পাপ মেয়ের নির্মম মৃত্যুর মাধ্যমে মানুষের মানবিক মূল্যবোধের চূড়ান্ত অবক্ষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ মিলেছে।&rsquo;</p>

<p>তিনি বলেন, &lsquo;এই বিষয়ে আজকের অনুষ্ঠানে আমি পরিষ্কারভাবে আপনাদের সামনে তুলে ধরতে চাই। এই ধরনের শিশু নির্যাতন বা নারী নির্যাতন বর্তমান সরকার কোনোভাবেই মেনে নেবে না।</p>
</article>

<article>বর্তমান সরকার রামিসার এই হত্যাকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি ইনশাআল্লাহ আগামী এক মাসের মধ্যেই নিশ্চিত করবে। সেই সর্বোচ্চ শাস্তি হচ্ছে মৃত্যুদণ্ড।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/sport/2026/05/23/1689148" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>প্রধানমন্ত্রী এই সর্বোচ্চ শাস্তির কথা উল্লেখ করে বলেন, &lsquo;যাতে করে ভবিষ্যতে কোনো ব্যক্তি, মানুষ এভাবে শিশু বা নারী নির্যাতন করার সাহস না পায়।&rsquo;</p>

<p>তিনি বলেন, &lsquo;একটি নিরাপদ ও মানবিক রাষ্ট্র এবং সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে হলে আমাদেরকে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতেই হবে।</p>
</article>

<article>রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তন ঘটাতে হবে।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>&lsquo;একই সঙ্গে আমাদের জাতীয় জীবনে পুনরায় বাংলাদেশের আবহমান কালের ধর্মীয় ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক মূল্যবোধের পুনরুজ্জীবন ঘটাতে হবে। এক্ষেত্রে কবি কাজী নজরুল ইসলামের জীবন ও কর্ম প্রাসঙ্গিক।&rsquo;</p>

<p>রামিসার হত্যাকাণ্ডের পরপর গত বৃহস্পতিবার রাতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রামিসার পল্লবীর বাসায় গিয়ে তার শোকাতুর বাবা ও বড় বোনের সঙ্গে দেখা করেন এবং তাদের এই হত্যার বিচার দ্রুত করার কথা বলেন।</p>

<p>প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে থাকা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ পরে সাংবাদিকদের বলেন, &lsquo;রোববার বিকালেই রামিসা হত্যা মামলার চার্জশিট পুলিশ আদালতে জমা দেবে।</p>
</article>

<article>&rsquo;&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>কবির বাল্যস্মৃতি বিজড়িত ত্রিশালের দরিরামপুরের নজরুল একাডেমি মাঠের নজরুল মঞ্চে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে জাতীয় কবির জন্মবার্ষিকীর তিনদিন ব্যাপী এই অনুষ্ঠান হয়।</p>

<p>সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম, পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম, সংস্কৃতি সচিব কানিজ মওলা, জেলা পরিষদ প্রশাসক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক লতিফুর রহমান শিবলী, ইনস্টিটিউটের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান কবিপৌত্রী খিলখিল কাজী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক তারিখ মনজুর, ময়মনসিংহ-৭ আসনের সংসদ সদস্য মাহবুবুর রহমান লিটন এবং জেলা প্রশাসক সাইফুর রহমান বক্তব্য দেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/966-88.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[প্রকৌশলীদের প্রতি জনগণের প্রত্যাশা অনেক বেশি : স্থানীয় সরকারমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28519</link>
    <pubDate>Sun, 24 May 2026 09:44:03 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28519</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1090-77.jpg" />    <article>
<p>প্রকৌশলীদের প্রতি জনগণের প্রত্যাশা অনেক বেশি উল্লেখ করে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশের উন্নয়ন ও নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে প্রকৌশলীদের আরো সক্রিয়, দায়িত্বশীল ও কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।</p>

<p>শনিবার (২৩ মে) রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (আইইবি) মিলনায়তনে এর ৭৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী (ইঞ্জিনিয়ার্স ডে) উপলক্ষে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>মন্ত্রী বলেন, আইইবি শুধু প্রকৌশলীদের একটি সংগঠন নয়, বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা ও উন্নয়নের বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। তিনি দেশের উন্নয়নে প্রকৌশলীদের ভূমিকা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।</p>

<p>মির্জা ফখরুল আরো বলেন, আমরা স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করেছি, গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছি এবং অধিকার আদায়ে বারবার সংগ্রাম করেছি। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর সাধারণ মানুষের মধ্যে নতুন বাংলাদেশ গড়ার নতুন বোধ সৃষ্টি হয়েছে।</p>
</article>

<article>তিনি সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আসুন, আমরা সবাই মিলে একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলি।
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রকৌশলী মোহাম্মদ রিয়াজুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিভিন্ন খাতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ কয়েকজন প্রকৌশলী ও জনপ্রতিনিধিকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। সংবর্ধনা পান এমপি সানজিদা ইসলাম তুলি, মঈনুল ইসলাম খান এবং আশরাফ উদ্দিন। অনুষ্ঠানে প্রকৌশলী, পেশাজীবী প্রতিনিধি ও বিভিন্ন পেশার ব্যক্তিরা ছিলেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1090-77.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[আগামী এক বছর ‘নজরুল বর্ষ’ ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28518</link>
    <pubDate>Sun, 24 May 2026 09:42:03 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28518</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1205-66.jpg" />    <article>
<p>আগামী এক বছরকে (২৫ মে, ২০২৬ থেকে ২৫ মে, ২০২৭ সাল পর্যন্ত) &lsquo;নজরুল বর্ষ&rsquo; হিসেবে ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।</p>

<p>শনিবার (২৩ মে) বিকেলে ময়মনসিংহের ত্রিশালে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শেষে এ ঘোষণা দেন তিনি।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>একটি নিরাপদ মানবিক রাষ্ট্র এবং সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতেই হবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, &lsquo;রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তন ঘটাতে হবে। একই সঙ্গে আমাদের জাতীয় জীবনে পুনরায় বাংলাদেশের আবহমানকালের ধর্মীয়, সামাজিক, সাংস্কৃতিক মূল্যবোধের পুনর্জীবন ঘটাতে হবে। এ ক্ষেত্রেও কবি কাজী নজরুল ইসলামের জীবন এবং কর্ম আমাদের জন্য প্রাসঙ্গিক।&rsquo;</p>

<p>তারেক রহমান বলেন, &lsquo;কবি নজরুলের জীবন এবং কর্ম বিশ্বসাহিত্য দরবারে আরও বেশি ছড়িয়ে দেওয়া প্রয়োজন।</p>
</article>

<article>তার জীবনবোধ, দর্শন প্রজন্মের পর প্রজন্মে পৌঁছে দিতে হবে। এরই অংশ হিসেবে আমাদের জাতীয় কবির স্মৃতিবিজড়িত ত্রিশালকে নজরুল সিটি হিসেবে ঘোষণা করা যায় কি না, এ ব্যাপারে সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য আমি সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় এবং পর্যটন বিভাগের প্রতি আহ্বান জানাই।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি বলেন, &lsquo;বাংলাদেশ ও কাজী নজরুল ইসলাম এক অবিভাজ্য সত্তা। তিনি আমাদের জাতীয় সত্তার সার্থক প্রতিনিধি।</p>
</article>

<article>আমাদের জাতীয় চেতনার প্রতীক, আমাদের জাতীয়তাবাদের প্রতীক।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>নজরুল জয়ন্তী উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, স্বাগত বক্তব্য দেন ত্রিশালের সংসদ সদস্য মাহবুবুর রহমান ও স্মারক বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক তারিক মনজুর।</p>

<p>অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কবিপৌত্রী ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ইনস্টিটিউট ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান খিলখিল কাজী, ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক মো. লতিফুল ইসলাম।</p>

<p>অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার এবং সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলা, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম, জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান প্রমুখ। অনুষ্ঠানে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, বিভিন্ন সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>অনুষ্ঠানে কবি নজরুল গবেষণা ও কবির জীবন-দর্শনের নিয়ে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে দুইজন গুণীর হাতে নজরুল পদক ও সম্মাননা তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। পরে নজরুল স্মরণিকার মোড়ক উন্মোচনও করেন তিনি। পরে প্রধানমন্ত্রী অতিথি সারিতে বসে নজরুল ইসলামের স্মরণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1205-66.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ভারত-মার্কিন সর্ম্পক দৃঢ় ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত, বললেন রুবিও]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28517</link>
    <pubDate>Sun, 24 May 2026 09:40:46 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28517</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1303-55.jpg" />    <article>
<p>ভারতে প্রথম কোনো সরকারি সফরে এসেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। সফরের প্রথমদিনেই দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন তিনি।</p>
</article>

<article>এ সময় দিল্লি-ওয়াশিংটন সম্পর্ককে একটি &lsquo;দৃঢ় ভিত্তির&rsquo; ওপর প্রতিষ্ঠিত বলে উল্লেখ রুবিও বলেন, &lsquo;ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং নরেন্দ্র মোদির মধ্যকার ব্যক্তিগত রসায়ন ও বোঝাপড়া অত্যন্ত গভীর, যা দুই দেশের সম্পর্কের মূল চালিকাশক্তি।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>রুবিওর চার দিনের ভারত সফরটি দুই দেশের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্কের গতিশীলতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।</p>

<p>&nbsp;বৈঠকে ভারত-মার্কিন বিস্তৃত বৈশ্বিক কৌশলগত অংশীদারির অগ্রগতি এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়।</p>

<p><strong><a href="https://www.hindustantimes.com/india-news/marco-rubio-india-visit-live-updates-us-secretary-of-state-delhi-meet-pm-modi-trump-jaishankar-kolkata-amid-iran-us-war-101779521409515.html">শীর্ষ মার্কিন কূটনীতিক নয়াদিল্লিতে</a></strong> কোয়াড পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে যোগ দেওয়ার পাশাপাশি পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বিস্তৃত আলোচনা করবেন বলে জানা গেছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আজ সকালে কলকাতায় এসে সেন্ট টেরেসা&rsquo;স মিশনারিজ অফ চ্যারিটির সদর দপ্তর মাদার হাউস পরিদর্শন করেন এবং এরপর নয়াদিল্লির উদ্দেশে রওনা হন।</p>

<p>দুই দেশের মধ্যে ক্রমবর্ধমান কৌশলগত ঐক্যের প্রেক্ষাপটে এই সফরটি তাৎপর্যপূর্ণ এবং এটি আগামী ২৬ মে নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিতব্য কোয়াড পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকের ঠিক আগে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1303-55.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[পাক সেনাপ্রধানের তেহরান সফর কেন এত গুরুত্বপূর্ণ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28516</link>
    <pubDate>Sun, 24 May 2026 09:40:02 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28516</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1369-44.jpg" />    <article>
<p>পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের দ্বিতীয়বারের মতো তেহরান সফরকে আঞ্চলিক কূটনীতিতে অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। বিশেষ করে এই সফরে ইরান-পাকিস্তান সম্পর্কের বাইরেও চলমান উত্তেজনা নিরসনে মধ্যস্থতা আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন তিনি।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>সফরকালে তিনি দুই দফা ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এছাড়াও ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গেও তার বৈঠক হয়েছে।</p>

<p>বার্তা সংস্থা আলজাজিরার <a href="https://aje.news/osen4f?update=4595826">এক প্রতিবেদনে</a> বিশ্লেষকরা বলছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে কোনো চূড়ান্ত সমঝোতা হয়েছে কি না তা স্পষ্ট নয়, তবে এই সফর মধ্যস্থতা প্রচেষ্টায় বড় পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।</p>

<p>বর্তমান পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালি ইরানের সবচেয়ে বড় কৌশলগত শক্তি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।</p>
</article>

<article>ইরানি কর্মকর্তারা বলছেন, এই জলপথ তাদের জাতীয় নিরাপত্তার বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হয়েছে। তাই এখন এটি ইরানের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনার বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>ইরানের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে, হরমুজ প্রণালিতে দেশটি কার্যত নিজেদের সার্বভৌম নিয়ন্ত্রণ বিস্তার করছে। ইতোমধ্যে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) সমন্বয়ে কয়েকটি জাহাজ ওই পথ অতিক্রম করেছে বলেও জানা গেছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>তবে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে কোনো আনুষ্ঠানিক চুক্তি না হলেও, ইরান ধীরে ধীরে হরমুজ প্রণালির ওপর বাস্তব নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।</p>

<p>ইরান বর্তমানে পাকিস্তান ও কাতারের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে, যার মূল লক্ষ্য যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনা কমানো এবং সম্ভাব্য সমঝোতার পথ খোঁজা। এসব আলোচনায় যুদ্ধবিরতি, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, বিদেশে জব্দ থাকা ইরানের সম্পদ মুক্ত করা এবং পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে বিভিন্ন বিষয় গুরুত্ব পাচ্ছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1369-44.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[হোয়াইট হাউসের বাইরে নিহত বন্দুকধারী নিজেকে ভাবতেন ‘যিশুর অবতার’]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28515</link>
    <pubDate>Sun, 24 May 2026 09:39:18 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28515</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1450-33.jpg" />    <article>
<p>নিজেকে &lsquo;যিশু খ্রিস্টের আধুনিক অবতার&rsquo; বলে দাবি করা মেরিল্যান্ডের ২১ বছর বয়সী তরুণ হোয়াইট হাউসের বাইরে সিক্রেট সার্ভিসের গুলিতে নিহত হয়েছেন। নিহত তরুণের নাম নাসির বেস্ট।</p>
</article>

<article>রবিবার (২৪ মে) ভোরে হোয়াইট হাউসের নিরাপত্তা চৌকিতে তিনি হঠাৎ গুলি চালাতে শুরু করলে নিরাপত্তারক্ষীদের পাল্টা গুলিতে তার মৃত্যু হয়।
<p>&nbsp;</p>

<p>মার্কিন সংবাদমাধ্যম <a href="https://nypost.com/2026/05/23/us-news/white-house-on-lockdown-after-dozens-of-shots-fired/">নিউইয়র্ক পোস্ট</a>&nbsp;জানিয়েছে, নাসির বেস্ট দীর্ঘদিন ধরেই মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন এবং এর আগেও একাধিকবার হোয়াইট হাউসের সংরক্ষিত এলাকায় ঢুকে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন।</p>

<p>&lsquo;নিউইয়র্ক পোস্ট&rsquo; আরো জানিয়েছে, নাসির বেস্ট হোয়াইট হাউসের আশেপাশে ঘোরাঘুরি করার কারণে মার্কিন গোয়েন্দাদের কাছে আগে থেকেই পরিচিত মুখ ছিলেন। গত বছর হোয়াইট হাউসের একটি সংরক্ষিত এলাকায় ঢুকে পড়ার পর পুলিশ তাকে আটকেছিল।</p>
</article>

<article>তখন তিনি পুলিশ কর্মকর্তাদের বলেছিলেন যে, তিনি নিজেকে &lsquo;যিশু খ্রিস্টের আধুনিক রূপ&rsquo; বলে মনে করেন এবং তিনি ইচ্ছে করেই পুলিশের কাছে গ্রেপ্তার হতে চেয়েছিলেন। আদালতের নির্দেশ ছিল তিনি যেন হোয়াইট হাউসের ধারেকাছে না আসেন, কিন্তু রবিবার ভোরে তিনি সেই আদেশ অমান্য করেই সেখানে যান।
<p>&nbsp;</p>

<p>নাসির তার ব্যাগ থেকে বন্দুক বের করে হোয়াইট হাউসের চেকপয়েন্টে গুলি শুরু করেন। এতে সাংবাদিক ও পথচারীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।</p>
</article>

<article>সিক্রেট সার্ভিস এজেন্টরা তাৎক্ষণিক পাল্টা গুলি চালালে নাসির গুরুতর আহত হন এবং হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান। এই ঘটনায় একজন পথচারীও গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>গোলাগুলির সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউসের ভেতরেই ছিলেন। তবে কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন যে, তিনি সম্পূর্ণ সুরক্ষিত ও নিরাপদ আছেন। মাত্র এক মাস আগে ট্রাম্পকে একবার হত্যার চেষ্টা করা হয়েছিল, যার কারণে এই ঘটনার পর হোয়াইট হাউসের নিরাপত্তা আরো জোরদার করা হয়েছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1450-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[গোল উৎসবে চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতল বার্সেলোনা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/28514</link>
    <pubDate>Sun, 24 May 2026 09:38:28 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/28514</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1487-22.jpg" />    <article>
<p>ইউরোপিয়ান নারী ফুটবলে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব আরো একবার প্রমাণ করল বার্সেলোরা নারী দল। উয়েফা নারী চ্যাম্পিয়নস লিগ চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী অলিম্পিক লিওঁকে ৪-০ গোলে বিধ্বস্ত করে ইতিহাস গড়েছে কাতালানরা।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>ফাইনালের শুরুটা ছিল বেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। প্রথমার্ধে দুই দলই সমানতালে লড়াই করলেও গোলের দেখা পায়নি কেউ। তবে বিরতির পর যেন রূপ বদলে যায় বার্সেলোনার।</p>

<p>দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে তুলে নেয় স্প্যানিশ জায়ান্টরা।</p>
</article>

<article>৫৫ মিনিটে স্লোভেনিয়ান ফরোয়ার্ড ইভা পাহোরের গোলে এগিয়ে যায় বার্সা। গোলটি পুরো স্টেডিয়ামকে উচ্ছ্বাসে ভাসিয়ে দেয়।
<p>&nbsp;</p>

<p>এরপর ৬৯ মিনিটে আবারও জালের দেখা পান পাহোর। নিজের জোড়া গোল পূর্ণ করার পাশাপাশি দলকে নিরাপদ অবস্থানে নিয়ে যান তিনি।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>তবে বার্সেলোনার গোল উৎসব তখনো শেষ হয়নি। ম্যাচের ৯০ মিনিটে গোল করেন সালমা পারালুয়েলো। আর যোগ করা সময়ের চতুর্থ মিনিটে আরো একটি গোল করে নিজেরও জোড়া গোল পূর্ণ করেন এই স্প্যানিশ তারকা।</p>

<p>৪-০ গোলের বিশাল জয়ে ইউরোপজুড়ে আবারও নিজেদের শ্রেষ্ঠত্বের ঘোষণা দিল বার্সেলোনা।</p>

<p>এই শিরোপার মাধ্যমে ইতিহাসে চতুর্থবারের মতো নারী চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতল কাতালান ক্লাবটি।</p>
</article>

<article>সর্বশেষ ২০২৪ সালে ইউরোপ সেরা হয়েছিল তারা। দুই বছর পর আবারও ইউরোপের মুকুট উঠল বার্সেলোনার হাতে।</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1487-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[একটি টিকিটও বিক্রি হয়নি ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ সিনেমার]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/28513</link>
    <pubDate>Sun, 24 May 2026 09:37:32 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/28513</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1585-11.jpg" />    <article>
<p>নানা বিতর্কের মধ্যেই প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে হাসান জাহাঙ্গীর পরিচালিত সিনেমা &lsquo;কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ&rsquo;। তবে মুক্তির প্রথম দিন থেকেই হতাশাজনক পরিস্থিতির মুখে পড়েছে ছবিটি।</p>
</article>

<article>দেশের ১৬টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেলেও কুমিল্লার কে-স্ক্রিনে এখন পর্যন্ত একটি টিকিটও বিক্রি হয়নি বলে জানা গেছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ডের আগে সিনেমাটির সার্টিফিকেশন সাময়িকভাবে স্থগিত (সাসপেন্ড) করেছিল। পরে সেই সিদ্ধান্ত তিন মাসের জন্য স্থগিত করেন হাইকোর্ট। এরপর গতকাল শুক্রবার সিনেমাটি মুক্তি পায়।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>১৬টি হলের মধ্যে একমাত্র সিনেপ্লেক্স হিসেবে কুমিল্লার কে-স্ক্রিন-এ প্রদর্শিত হচ্ছে ছবিটি। মুক্তির প্রথম দিন সেখানে তিনটি শো চললেও কোনো দর্শক পাওয়া যায়নি। শনিবারও একই পরিস্থিতি বিরাজ করছে।</p>

<p>হলটির ম্যানেজার আমিনুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, &lsquo;শুক্রবার তিনটা শোর একটি টিকিটও বিক্রি হয়নি।</p>
</article>

<article>আজ সকাল সাড়ে ১০টায়ও একই। সন্ধ্যার একটা শো আছে, এটা নিয়েও কোনো আশা দেখছি না। এটা হতাশজনক।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>মূলত ১৬ মে মুক্তির কথা ছিল &lsquo;কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ&rsquo;-এর। কিন্তু মুক্তির আগের দিন, ১৫ মে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ড ছবিটির সার্টিফিকেশন সাময়িকভাবে স্থগিত করে।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সিনেমাটি দেশের কোনো প্রেক্ষাগৃহ বা অন্য কোনো মাধ্যমে প্রদর্শন করা যাবে না।</p>

<p>সিনেমাটির অভিনেত্রী জেবা জান্নাতের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়।</p>

<p>পরে এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট করেন পরিচালক হাসান জাহাঙ্গীর। বৃহস্পতিবার বিচারপতি হাবিবুল গণির নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ সেই স্থগিতাদেশের কার্যকারিতা সাময়িকভাবে স্থগিত করেন। রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী নকিব সাইফুল ইসলাম।</p>

<p>ছবিটি ঘিরে কয়েক সপ্তাহ ধরেই নানা বিতর্ক চলছিল। এর আগে চিত্রনায়িকা মৌসুমী অভিযোগ করেন, এটি সিনেমা নয়, নাটকের কথা বলে যুক্তরাষ্ট্রে শুটিং করা হয়েছিল।</p>

<p>এরপর নতুন বিতর্কের জন্ম দেন অভিনেত্রী জেবা জান্নাত। সিনেমার পোস্টারে মৌসুমীর পাশাপাশি তাঁকেও দেখা গেলেও জেবা দাবি করেন, &lsquo;কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ&rsquo; নামে কোনো সিনেমা বা নাটকে তিনি অভিনয়ই করেননি।&nbsp;</p>

<p>বিষয়টি নিয়ে পরিচালক হাসান জাহাঙ্গীরের কাছ থেকে সন্তোষজনক জবাব না পেয়ে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ডসহ বিভিন্ন সংগঠনে লিখিত অভিযোগ করেন তিনি। পাশাপাশি টেলিভিশন অভিনয়শিল্পীদের সংগঠন অ্যাক্টরস ইকুইটিতেও অভিযোগ জমা দেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1585-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[সোলার প্যানেলের ওপর আরোপিত কর প্রত্যাহারের দাবিতে চট্টগ্রামে পদযাত্রা ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/bangladesh/28512</link>
    <pubDate>Sun, 24 May 2026 09:30:15 +0600</pubDate>
    <category> সারাবাংলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/bangladesh/28512</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1302-55.jpg" />    <p style="text-align:center"><span style="font-size:12pt"><span style="font-family:&quot;Times New Roman&quot;,serif"><b><span lang="AR-SA" style="font-family:&quot;Shonar Bangla&quot;,sans-serif">চট্টগ্রাম</span></b><b><span lang="EN-US" style="font-family:&quot;Shonar Bangla&quot;,sans-serif">: </span></b><span lang="AR-SA" style="font-family:&quot;Shonar Bangla&quot;,sans-serif">বাংলাদেশে সোলার প্যানেল ও সংশ্লিষ্ট যন্ত্রাংশের ওপর বিদ্যমান আমদানি করের ফলে নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রযুক্তি সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন পরিবেশ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের সংগঠকরা</span><span lang="HI" style="font-family:&quot;Shonar Bangla&quot;,sans-serif">।</span> <span lang="AR-SA" style="font-family:&quot;Shonar Bangla&quot;,sans-serif">এ অবস্থায় সোলার প্রযুক্তির প্রসার বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়ছে বলে মত দেন তারা</span><span lang="HI" style="font-family:&quot;Shonar Bangla&quot;,sans-serif">।</span></span></span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:12pt"><span style="font-family:&quot;Times New Roman&quot;,serif">&nbsp;</span></span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:12pt"><span style="font-family:&quot;Times New Roman&quot;,serif"><span lang="AR-SA" style="font-family:&quot;Shonar Bangla&quot;,sans-serif">এই প্রেক্ষাপটে সোলার প্যানেল ও সংশ্লিষ্ট যন্ত্রাংশের ওপর থেকে কর প্রত্যাহারের দাবিতে আজ ২৩ মে ২০২৬ তারিখে চট্টগ্রাম এক </span><span lang="EN-US" style="font-family:&quot;Shonar Bangla&quot;,sans-serif">পদযাত্রা </span><span lang="AR-SA" style="font-family:&quot;Shonar Bangla&quot;,sans-serif">ও মানববন্ধনের আয়োজন করে </span><span lang="EN-US" style="font-family:&quot;Shonar Bangla&quot;,sans-serif">আইএসডিই বাংলাদেশ, </span><span lang="AR-SA" style="font-family:&quot;Shonar Bangla&quot;,sans-serif">ফোরাম অন ইকোলজি এন্ড ডেভেলপমেন্ট চট্টগ্রাম</span><span lang="EN-US" style="font-family:&quot;Shonar Bangla&quot;,sans-serif">, </span><span lang="AR-SA" style="font-family:&quot;Shonar Bangla&quot;,sans-serif">ক্লিন</span><span lang="EN-US" style="font-family:&quot;Shonar Bangla&quot;,sans-serif"> (CLEAN) </span><span lang="AR-SA" style="font-family:&quot;Shonar Bangla&quot;,sans-serif">এবং বিডাব্লিউজিইডি</span><span lang="EN-US" style="font-family:&quot;Shonar Bangla&quot;,sans-serif"> (BWGED)</span><span lang="HI" style="font-family:&quot;Shonar Bangla&quot;,sans-serif">।</span></span></span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:12pt"><span style="font-family:&quot;Times New Roman&quot;,serif">&nbsp;</span></span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:12pt"><span style="font-family:&quot;Times New Roman&quot;,serif"><span lang="AR-SA" style="font-family:&quot;Shonar Bangla&quot;,sans-serif">সমাবেশে বক্তারা বলেন</span><span lang="EN-US" style="font-family:&quot;Shonar Bangla&quot;,sans-serif">, </span><span lang="AR-SA" style="font-family:&quot;Shonar Bangla&quot;,sans-serif">দেশে জ্বালানি সংকট ক্রমেই তীব্র আকার ধারণ করছে</span><span lang="HI" style="font-family:&quot;Shonar Bangla&quot;,sans-serif">।</span> <span lang="AR-SA" style="font-family:&quot;Shonar Bangla&quot;,sans-serif">আমদানিনির্ভর গ্যাস</span><span lang="EN-US" style="font-family:&quot;Shonar Bangla&quot;,sans-serif">, </span><span lang="AR-SA" style="font-family:&quot;Shonar Bangla&quot;,sans-serif">কয়লা ও তেলভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনের কারণে বিদ্যুৎ খাতে ব্যয় ও ভর্তুকি বেড়েই চলেছে</span><span lang="HI" style="font-family:&quot;Shonar Bangla&quot;,sans-serif">। </span><span lang="EN-US" style="font-family:&quot;Shonar Bangla&quot;,sans-serif">একদিকে সরকার গ্রাহকদের চাহিদা মতো বিদ্যুৎ সরবরাহে হিমসীম খাচ্ছে অন্যদিকে</span> <span lang="AR-SA" style="font-family:&quot;Shonar Bangla&quot;,sans-serif">বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড</span><span lang="EN-US" style="font-family:&quot;Shonar Bangla&quot;,sans-serif"> (</span><span lang="AR-SA" style="font-family:&quot;Shonar Bangla&quot;,sans-serif">পিডিবি</span><span lang="EN-US" style="font-family:&quot;Shonar Bangla&quot;,sans-serif">) ও বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানীগুলো </span><span lang="AR-SA" style="font-family:&quot;Shonar Bangla&quot;,sans-serif">আবারও প্রায় ২১ শতাংশ বিদ্যুৎ বিল বৃদ্ধির প্রস্তাব করেছে</span><span lang="EN-US" style="font-family:&quot;Shonar Bangla&quot;,sans-serif">, </span><span lang="AR-SA" style="font-family:&quot;Shonar Bangla&quot;,sans-serif">যা সাধারণ জনগণের ওপর </span><span lang="EN-US" style="font-family:&quot;Shonar Bangla&quot;,sans-serif">মরার ওপর খারার ঘাঁ এর মতো </span><span lang="AR-SA" style="font-family:&quot;Shonar Bangla&quot;,sans-serif">নতুন অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করবে</span><span lang="HI" style="font-family:&quot;Shonar Bangla&quot;,sans-serif">।</span></span></span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:12pt"><span style="font-family:&quot;Times New Roman&quot;,serif">&nbsp;</span></span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:12pt"><span style="font-family:&quot;Times New Roman&quot;,serif"><span lang="AR-SA" style="font-family:&quot;Shonar Bangla&quot;,sans-serif">বক্তারা আরও বলেন</span><span lang="EN-US" style="font-family:&quot;Shonar Bangla&quot;,sans-serif">, </span><span lang="AR-SA" style="font-family:&quot;Shonar Bangla&quot;,sans-serif">এই পরিস্থিতিতে নবায়নযোগ্য জ্বালানি বিশেষ করে রুফটপ সোলার হতে পারে টেকসই ও দীর্ঘমেয়াদি সমাধান</span><span lang="HI" style="font-family:&quot;Shonar Bangla&quot;,sans-serif">।</span> <span lang="AR-SA" style="font-family:&quot;Shonar Bangla&quot;,sans-serif">কিন্তু উচ্চ আমদানি শুল্ক ও করের কারণে সোলার প্যানেল</span><span lang="EN-US" style="font-family:&quot;Shonar Bangla&quot;,sans-serif">, </span><span lang="AR-SA" style="font-family:&quot;Shonar Bangla&quot;,sans-serif">ইনভার্টার</span><span lang="EN-US" style="font-family:&quot;Shonar Bangla&quot;,sans-serif">, </span><span lang="AR-SA" style="font-family:&quot;Shonar Bangla&quot;,sans-serif">ব্যাটারি ও অন্যান্য যন্ত্রাংশের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে</span><span lang="HI" style="font-family:&quot;Shonar Bangla&quot;,sans-serif">।</span> <span lang="AR-SA" style="font-family:&quot;Shonar Bangla&quot;,sans-serif">ফলে সাধারণ মানুষ</span><span lang="EN-US" style="font-family:&quot;Shonar Bangla&quot;,sans-serif">, </span><span lang="AR-SA" style="font-family:&quot;Shonar Bangla&quot;,sans-serif">ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও মধ্যবিত্ত পরিবার সোলার প্রযুক্তি ব্যবহারে আগ্রহী হলেও তা বাস্তবায়ন করতে পারছেন না</span><span lang="HI" style="font-family:&quot;Shonar Bangla&quot;,sans-serif">।</span></span></span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:12pt"><span style="font-family:&quot;Times New Roman&quot;,serif">&nbsp;</span></span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:12pt"><span style="font-family:&quot;Times New Roman&quot;,serif"><span lang="AR-SA" style="font-family:&quot;Shonar Bangla&quot;,sans-serif">তারা অবিলম্বে সোলার প্যানেল ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি সংশ্লিষ্ট সকল যন্ত্রাংশের ওপর থেকে কর ও শুল্ক প্রত্যাহারের দাবি জানান</span><span lang="HI" style="font-family:&quot;Shonar Bangla&quot;,sans-serif">।</span> <span lang="AR-SA" style="font-family:&quot;Shonar Bangla&quot;,sans-serif">পাশাপাশি আগামী জাতীয় বাজেটে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিশেষ প্রণোদনা</span><span lang="EN-US" style="font-family:&quot;Shonar Bangla&quot;,sans-serif">, </span><span lang="AR-SA" style="font-family:&quot;Shonar Bangla&quot;,sans-serif">কর অবকাশ ও সহজ ঋণ সুবিধা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান</span><span lang="EN-US" style="font-family:&quot;Shonar Bangla&quot;,sans-serif">।</span></span></span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:12pt"><span style="font-family:&quot;Times New Roman&quot;,serif">&nbsp;</span></span></p>

<p style="text-align:justify"><span style="font-size:12pt"><span style="font-family:&quot;Times New Roman&quot;,serif"><span lang="EN-US" style="font-family:&quot;Shonar Bangla&quot;,sans-serif">ক্যাব কেন্দ্রিয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট ও আইএসডিই বাংলাদশ&lsquo;র নির্বাহী পরিচালক এস এম নাজের হোসাইন, সংপ্তকের পরিচালক অগ্রদুত দাস গুপ্ত, অধিকার চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমন্বয়কারী ওসমান জাহাঙ্গীর, সাংবাদিক গোলাম সরওয়ার, অ্যাডভোকেট প্রনব কুমার বিশ্বাস, যুব ক্যাব চট্টগ্রাম মগহানগরের সভাপতি আবু হানিফ নোমান, আইএসডিই এর কর্মসুচি কর্মকর্তা রাইসুল ইসলাম, আবদুল মান্নান জিহাদ, পরিবেশ কর্মী ফয়েজ উদ্দীন, করিমুল ইসলাম, লাবিবা তাবাস্সুম, প্রতিভা চকমা, </span><span lang="BN" style="font-family:&quot;Shonar Bangla&quot;,sans-serif">আইএসডিই বাংলাদেশ </span><span lang="EN-US" style="font-family:&quot;Shonar Bangla&quot;,sans-serif">এর </span><span lang="BN" style="font-family:&quot;Shonar Bangla&quot;,sans-serif">ক্যাম্পেইন ও এডভোকেসী কর্মকর্তা </span><span lang="EN-US" style="font-family:&quot;Shonar Bangla&quot;,sans-serif">মোঃ রাসেল উদ্দীনসহ বি।ভিন্ন </span><span lang="AR-SA" style="font-family:&quot;Shonar Bangla&quot;,sans-serif">পরিবেশকর্মী</span><span lang="EN-US" style="font-family:&quot;Shonar Bangla&quot;,sans-serif">, তরুণ </span><span lang="AR-SA" style="font-family:&quot;Shonar Bangla&quot;,sans-serif">শিক্ষার্থী</span><span lang="EN-US" style="font-family:&quot;Shonar Bangla&quot;,sans-serif">, </span><span lang="AR-SA" style="font-family:&quot;Shonar Bangla&quot;,sans-serif">নবায়নযোগ্য জ্বালানি উদ্যোক্তা</span><span lang="EN-US" style="font-family:&quot;Shonar Bangla&quot;,sans-serif">, </span><span lang="AR-SA" style="font-family:&quot;Shonar Bangla&quot;,sans-serif">নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি ও সাধারণ জনগণ অংশগ্রহণ করেন</span><span lang="HI" style="font-family:&quot;Shonar Bangla&quot;,sans-serif">।</span></span></span></p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1302-55.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ভালুকায় বাস থামিয়ে মায়ের স্মৃতিবিজড়িত ছবি উপহার নিলেন প্রধানমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/bangladesh/28511</link>
    <pubDate>Sun, 24 May 2026 09:18:10 +0600</pubDate>
    <category> সারাবাংলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/bangladesh/28511</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1368-44.jpg" />    <p>সফিউল্লাহ আনসারী, ভালুকা( ময়মনসিংহ) :</p>

<p>জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মজয়ন্তী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ময়মনসিংহের ত্রিশালে যাওয়ার পথে ভালুকায় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ভালোবাসায় সিক্ত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পথিমধ্যে তিনি গাড়িবহর থামিয়ে স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের শুভেচ্ছা গ্রহণ করেন। এ সময় এক নারীর কাছ থেকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে তোলা একটি স্মৃতিবিজড়িত ছবি উপহার নেন তিনি।</p>

<p>শনিবার দুপুরে ভালুকা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গাড়িবহর পৌঁছালে উপজেলা বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের হাজারো নেতা-কর্মী তাঁকে স্বাগত জানান। তাঁকে একনজর দেখতে এবং শুভেচ্ছা জানাতে রাস্তার দুই পাশে ভিড় করেন দলীয় সমর্থক ও সাধারণ মানুষ। পুরো এলাকা উৎসবমুখর পরিবেশে মুখর হয়ে ওঠে।</p>

<p>নেতাকর্মীদের উচ্ছ্বাস ও ভালোবাসার প্রতি সাড়া দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বাসের ভেতর থেকেই হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান। একপর্যায়ে বাসস্ট্যান্ড এলাকায় হাতে একটি বাঁধানো ছবি নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা এক নারী তাঁর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। পরে বাসের দরজা খুলে ওই নারীকে ভেতরে ডেকে নেন এবং কিছু সময় কথা বলেন। এ সময় তিনি নারীর কাছ থেকে ছবিটি উপহার হিসেবে গ্রহণ করেন।</p>

<p>পরে জানা যায়, ওই নারীর নাম মোছা. মলি আক্তার। তিনি ভালুকা উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মরহুম আবুল হাশেমের ভাতিজি এবং মরহুম আব্দুল হাইয়ের মেয়ে।</p>

<p>প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের অনুভূতি জানাতে গিয়ে মলি আক্তার বলেন, ১৯৯১ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ভালুকা ডিগ্রি কলেজ মাঠে এক জনসভায় এসেছিলেন। সে সময় তাঁর চাচা মরহুম আবুল হাশেম উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি চাচার সঙ্গে ফুলের তোড়া দিয়ে বেগম খালেদা জিয়াকে স্বাগত জানিয়েছিলেন। সেই মুহূর্তের একটি ছবি দীর্ঘদিন ধরে যত্ন করে ফ্রেমে বাঁধাই করে সংরক্ষণ করে রেখেছিলেন।</p>

<p>তিনি বলেন, &#39;প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভালুকা হয়ে ত্রিশালে যাবেন&mdash;এ খবর জানার পর আমি ও আমার দুই বোন আগে থেকেই বাসস্ট্যান্ডে অপেক্ষা করছিলাম। তাঁর নজরে পড়ার জন্য ছবিটি হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলাম। ভেবেছিলাম, অন্তত এক মিনিট কথা বলার সুযোগ পাব। পরে তিনি আমাকে বাসের ভেতরে ডেকে নেন, আমার সঙ্গে কথা বলেন এবং পরিবারের খোঁজখবর নেন। এরপর আমি বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে তোলা সেই ছবিটি তাঁকে উপহার দিই।&#39;&nbsp;</p>

<p>অপরদিকে সংসদ নির্বাচনের আগে ময়মনসিংহের জনসভা শেষে ফেরার পথে উপজেলার সিডস্টোর বাজার এলাকায় স্কুলছাত্রী রেয়ানের সাথে কথা বলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী, আজ ত্রিশাল যাওয়ার পথে সেই সাফওয়ানা সিদ্দিক রেয়ানকে ডেকে উনার গাড়িতে উঠিয়ে খোঁজ খবর নেন ও দোয়া করেন এবং বলেন আমার জন্য বেশি বেশি দোয়া করবা ।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1368-44.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[রামিসা হত্যাকারীর ফাঁসি জনসম্মুখে কার্যকর করতে হবে : লেবার পার্টি]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/Politics/28510</link>
    <pubDate>Sun, 24 May 2026 09:17:24 +0600</pubDate>
    <category> politics </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/Politics/28510</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1449-33.jpg" />    <p>শিশু রামিসাকে পাশবিক নির্যাতন ও হত্যার প্রতিবাদ এবং সারাদেশে হত্যাকাণ্ড, ধর্ষণ ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে দল-মত, জাতি-ধর্ম, বর্ন-গোত্র নির্বিশেষে সকলকে ঐক্যবদ্ধ ভাবে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহবান জানিয়েছেন বাংলাদেশ লেবার পার্টি।<br />
<br />
আজ (শনিবার) বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডাঃ মুস্তাফিজুর রহমান ইরান ও ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব খন্দকার মিরাজুল ইসলাম এক বিবৃতিতে বলেন, রামিসাকে পাশবিক নির্যাতন ও হত্যাকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসি জনসম্মুখে কার্যকর করতে হবে। সরকারকে অবিলম্বে দেশে অব্যাহত হত্যাকাণ্ড, ধর্ষণ ও সন্ত্রাস বন্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। আমরা যে কোনো মূল্যে আমাদের সন্তান, মা ও বোনদের জীবন ও ইজ্জতের নিরাপত্তা রাষ্ট্রের কাছ থেকেই বুঝে নিবো।<br />
<br />
লেবার পার্টির নেতৃদ্বয় বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এ মন্তব্য বাস্তবতা অনুধাবনে ব্যর্থতার পরিচায়ক। দীর্ঘদিন দেশের বাইরে অবস্থানের কারণে তিনি হয়তো আওয়ামী ফ্যাসিবাদের দুঃশাসন, বিচারহীনতা ও রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতার অভিজ্ঞতা থেকে উদ্ভূত জনমনের আকাঙ্ক্ষা পুরোপুরি উপলব্ধি করতে পারছেন না। প্রচলিত বিচারব্যবস্থা বহু ক্ষেত্রে অপরাধ দমন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় কাঙ্ক্ষিত ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হওয়ায় জনগণের মধ্যে কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি ক্রমেই জোরালো হয়েছে।<br />
<br />
নেতৃদ্বয় বলেন, মিরপুরে রামিসা, ক্যান্টনমেন্টে তনু, বসুন্ধরায় মুনিয়া কিংবা ঢাবির ছাত্রী নিপীড়ন ও হত্যার শিকার হয়। একই সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে নেতাকে খুশি করার নামে যৌন নিপীড়ন ঘটছে। প্রধানমন্ত্রী রামিসার বাসায় যাচ্ছেন, অথচ তাঁর দলের রংপুরের পীরগঞ্জের এক বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাকে খুশি করার জন্য অল্প বয়সী মেয়ে খোঁজেন। প্রধানমন্ত্রীকে বলব, এ বিষয়ে দলীয়ভাবে তদন্ত করে জড়িতদের আটক করতে হবে। ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের ক্ষেত্রে দ্রুত বিচার বাস্তবায়ন করতে হবে। সব রাজনৈতিক দলে &lsquo;যৌন নিপীড়নবিরোধী সেল&rsquo; গঠন করুন।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1449-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[জন্মজয়ন্তীতে শ্রদ্ধা: বাংলার অন্তিত্বের কবি কাজী নজরুল]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/Politics/28509</link>
    <pubDate>Sun, 24 May 2026 09:16:06 +0600</pubDate>
    <category> politics </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/Politics/28509</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1486-22.jpg" />    <p>।। এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া।।<br />
&quot;সকল কালের সকল দেশের সকল মানুষ আসি&rsquo;<br />
এক মোহনায় দাঁড়াইয়া শুন এক মিলনের বাঁশি।<br />
এক জনে দিলে ব্যথা<br />
সমান হইঢা বাজে সে বেদনা সকলের বুকে হেথা।<br />
একের অসম্মান<br />
নিখিল মানব-জাতির লজ্জা- সকলের অপমান।<br />
মহা-মানবের মহা-বেদনার আজি মহা উত্থান,<br />
ঊর্ধ্বে হাসিছে ভগবান, নিচে কাঁপিতেছে শয়তান।<br />
(কুলি-মজুর)<br />
<br />
কাজী নজরুল ইসলামের অমর স্মৃষ্টি। আমাদের জাতীয় অস্তিত্বে কবি কাজী নজরুল ইসলাম বাঙালি জাতিসত্তার অন্যতম রূপকার। সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সকল সময় ছিল তার অবস্থান। শিল্পী সত্তায় দেশপ্রেম, মানবপ্রেম এবং মানবমুক্তির তীব্র আকাঙ্খা ও গভীর উপলব্ধি ছিল তার রচনায়। গবেষকদের বিবেচনায়, যুগস্রষ্টা কাজী নজরুল ইসলাম অস্তিত্বের প্রকৃত গড়ন সময়ের কামারশালায় বিশ্ব পরিস্থিতির তৎকালীন তাপ-চাপ, অমানবিকতার নিঃসংশয় নির্লজ্জ প্রকাশের পটভূমিতে।<br />
<br />
কাজী নজরুল ইসলাম মানতেন- ব্যক্তিকে নির্ভর করেই নির্মিত হয় সমষ্টির অস্তিত্ব ও অবস্থিতি। সকল ধর্মের মানুষের জীবনধারাকে অখণ্ড জীবনধারায় পরিণত করার প্রতি তাঁর প্রবল ঝোঁক ছিল। তাঁর রচনায় স্থান পেয়েছে অস্তিত্ববাদী ও মানবতাবাদী চিন্তার নিঃশঙ্ক প্রকাশ; দরিদ্র-অশিক্ষিত-ক্ষুধার্ত-অত্যাচারিত জনতার জন্য রুটি-কাজ আর সৌন্দর্য উপভোগের অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রত্যয় সাজিয়েছেন কবি তাঁর কথামালায়। নজরুল ছিলেন জনতার কাতারের দাঁড়ানো এক শক্ত মানুষ; ফাঁকবিহীন সাম্যবাদ প্রতিষ্ঠার ভূমিকায় তিনি ছিলেন অকুতোভয় সৈনিক।<br />
<br />
কাজী নজরুল ইসলামের শিরা-শোণিতের সংক্ষোভ, ইতিবাচকতা আজ বাংলা কবিতায় বড় বেশি প্রয়োজন। প্রখ্যাত কবি জীবনানন্দ দাস নজরুল সম্পর্কে বলেছেন- &quot;নজরুল ঊনবিংশ শতকের ইতিহাস প্রান্তিক শেষ নিঃসংশয়বাদী কবি।&quot;<br />
কাজী নজরুল ইসলামের সাম্যবাদী চেতনার আদর্শ ছিল আলাদা। তিনি দেখেছেন ভারতবাসীর উপর শ্বেতাঙ্গ প্রভুদের নির্মম অত্যাচার এবং শোষণকে। এই উদ্দেশ্যের পথে শ্বেতাঙ্গরা সঙ্গে নিয়েছে ভারতবর্ষীয় জমিদার-মহাজনদের। ধর্মধ্বজাধারীরাও তাদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে নিরীহ মানুষের উপর উৎপীড়ন চালিয়ে নিরন্ন এবং অসহায় করেছে। এই অসাম্য দেখে নজরুলের কবি হৃদয় হাহাকার করে উঠেছে। তাই জনদরদি রোমান্টিক কবি সাম্যবাদ নিয়ে হাজির হয়েছেন তার রচনায়। মানুষকে উদ্ধারের বিপ্লবের মন্ত্রে তাদের উদ্বুদ্ধ করেছেন। একদিকে যেমন বজ্রকঠিন ব্যক্তিত্বের পরিচয় রেখেছেন এবং অসহায় মানুষদেরকে রাজনৈতিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক শোষণ থেকে মুক্ত করতে সাম্যের গান শুনিয়ে বজ্রকঠিন ব্যক্তিত্বের আড়ালে একটি কোমল হদয়ের সন্ধান দিয়েছেন। তেমনি সর্বমানবের মুক্তি এবং সমানাধিকার প্রতিষ্ঠা নজরুলের যেমন উদ্দেশ্য তেমনি মার্কসেরও উদ্দেশ্য। তবে পার্থক্য শুধু আদর্শগত। নজরুল মার্কসের মতো বস্তুবাদী ছিলেন না। মানবসমাজের ইতিহাসকে অর্থনৈতিক দিক থেকে আলোচনাও করেননি। কেবল সোচ্চার ছিলেন ধর্মীয় সাম্য ও সামাজিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠার স্বপ্নে।<br />
<br />
এখানেই কবি কাজী নজরুল ইসলাম উচ্চারন করেছেন :<br />
গাহি সাম্যের গান<br />
যেখানে আসিয়া এক হয়ে গেছে সব বাধা-ব্যবধান।<br />
যেখানে মিশেছে হিন্দু-বৌদ্ধ-মুসলিম-ক্রীশ্চান।<br />
<br />
বিশেষ এক কালপর্বে নজরুল বিস্ময়কর প্রতিভা। দেশ-কালের সঙ্গে তাঁর অন্তরাত্মার যে যোগাযোগ, সেই শক্তি তাঁকে কালান্তরে মহানায়কের ভূমিকায় আসীন করেছে। ক্রান্তি-সঙ্কটের এই বর্তমানে নজরুল আমাদের আরো অধিকতর প্রাসঙ্গিক এবং নমস্য। সমূহ অন্যায়-অবিচার আর সাম্প্রদায়িক ভেদবুদ্ধির বিপক্ষে তাঁর স্বভাবজ আবেগের স্পন্দন-বিলোড়নের অন্তরালে আন্তরসত্যে অঙ্গীকার ছিল সুদৃঢ়। নজরুলের অসাম্প্রদায়িক দৃষ্টিভঙ্গি, গণতান্ত্রিক জীবন-ব্যবস্থার জন্য তাঁর আকাঙ্ক্ষা, তাঁর ধর্মনিরপেক্ষ জীবনবোধ বাঙালিকে আত্মশক্তিতে বলীয়ান করে প্রহরে প্রহরে। &lsquo;মানুষের চেয়ে বড় কিছু নেই, নহে কিছু মহীয়ান&rsquo; আজ যেন আমাদের প্রাত্যহিক উচ্চারণের মূলমন্ত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে।<br />
<br />
দেশের ও জাতির শান্তি রক্ষায় কিংবা পারস্পরিক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় তাঁর যে অভিব্যক্তির প্রকাশ, তা জাতীয় চেতনার প্রতি তাঁর প্রবল বিশ্বস্ততাকেই ধারণ করে। হিংসামুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার প্রতি ছিল তাঁর প্রবল ঝোঁক। নজরুলের সৃষ্টিশীল কর্মজীবনের মূল সাধনা ছিল জাতি-ধর্মের-গোত্রের বিভেদমোচন। মুক্তি-প্রয়াসী নজরুল আইরিশ বিদ্রোহী রবার্ট এ নেট (কহন মিশ্র ছদ্মনামে নজরুল রচিত জীবনী-ধূমকেতু, ১ম বর্ষ, ১৫ সংখ্যা, কার্তিক ১৩২৯)-এর ভূমিকাংশে লিখেছেন- &lsquo;সকল দেশের মুক্তির পথের যাত্রী আমাদের নমস্য। জগতে এই তীর্থযাত্রার আরম্ভ মানবের সৃষ্টিকাল হইতে আরম্ভ হইয়াছে। অত্যাচারের বিরুদ্ধে আভিজাত্যের বিপক্ষে যে অভিযান তাহার পন্থা যাহাই হোক না কেন, সে অভিযান যে সত্যের উপর প্রতিষ্ঠিত. সাফল্যের মাপকাঠিতে তাহার বিচার চলে না, কারণ মানুষ বাঁচে তাহার চেষ্টাতে, সাফল্যে নয়। মুক্তি লাভের আদর্শ মানব-সভ্যতার বিভিন্ন স্তরে বিভিন্ন আকার ধারণ করে। কোথাও তাহা ধনাভিজাত্যের বিপক্ষে উঠিয়াছে, কোথাও বা প্রতিষ্ঠিত অত্যাচারমূলক রাজ ব্যক্তির বিপক্ষে, কোথাও বা সামাজিক প্রতিষ্ঠানের বিপক্ষে... এই যে সমাজের বা রাজশক্তির বা যে কোন প্রকার আভিজাত্যের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ, সেই বিদ্রোহের শক্তি আমরা চাই। &rsquo; নজরুল সামাজিক এবং রাষ্ট্রীয় অন্যায়, অপশক্তির মূল উৎপাটনের দিকেও সচেতন মানুষের বিশেষ দৃষ্টি কামনা করেছেন এবং তিনি প্রত্যক্ষ করেছেন, যে রাজশক্তি মানুষের প্রতি পাশবিক আচরণ করে, যে রাজশক্তি অগণন নারীকে বিধবা কিংবা সন্তানহারা করে, সেই রাজশক্তির ধ্বংস অনিবার্য। জাগ্রত জনতাই নজরুলের আরাধ্য ছিল। তাই জাগ্রত হিন্দু-মুসলমানের মধ্যে কোনো প্রকার ধর্মবিদ্বেষ দৃষ্টিগোচর হয়নি তাঁর। দেখাননি জাতিবিদ্বেষও। তিনি লিখেছেন- &lsquo;আমাদের মধ্যে ধর্মবিদ্বেষ নাই, জাতিবিদ্বেষ নাই, বর্ণবিদ্বেষ নাই, আভিজাত্যের অভিমান নাই। পরস্পরকে ভাই বলিয়া একই অবিচ্ছিন্ন মহাত্মার অংশ বলিয়া অন্তরের দিক হইতে চিনিয়াছি। &rsquo; জাতি-গোত্র কেন্দ্রিক হানাহানি থেকে মুক্ত হয়ে ভালোবাসার সাগরে ভাসবার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।<br />
<br />
মানুষের ও সমাজের মূল্যবোধ পরিবর্তনের অনুপ্রাণিত ঢেউ। নজরুল খেটে-খাওয়া মানুষের জয়ধ্বনি করেছেন। আর এই জয়ধ্বনি থেকে পরবর্তী বাংলা কবিতায় নবযুগের অধিকারবোধে এসেছেন একে একে সুকান্ত ভট্টাচার্য, প্রেমেন্দ্র মিত্র, সুভাষ মুখোপাঠ্যায়, বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, অরুন মিত্র, মঙ্গলাচরণ চট্টোপাধ্যায়, কিরণশঙ্কর সেনগুপ্তরা। যার ফল, সাম্যবাদী চিন্তাধারায় আরও পরিপুষ্টি। বৈজ্ঞানিক যুক্তি-তর্কের ওপর নির্ভর করে নয়, নিজস্ব চিন্তা-চেতনার বশবর্তী হয়ে সমাজের সর্বস্তরের অসাম্যের প্রতি বিরোধিতা করতে গিয়ে, নজরুল সাম্যবাদের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছেন।<br />
সমকালের অন্যান্য কবি-সাহিত্যিক ও রাজনীতি সচেতন বাঙালির মতো কাজী নজরুল ইসলামকেও বাধ্য হয়ে শ্রেণিবিভক্ত সমাজ, সর্বহারা শ্রেণি, শ্রমিক, শ্রম-শোষণ, বাজার, মুনাফা, পুঁজি, উদ্বৃত্ত ইত্যাদি পরিভাষার মর্মার্থ আত্মস্থ করতে হয় সময়ের একান্ত প্রয়োজনে। একই সঙ্গে ঐতিহাসিক বস্তুবাদ ও এর আলোকে বিশ্ব সমাজকে পর্যবেক্ষণ, বিশ্নেষণ করার পদ্ধতিটিও রপ্ত করতে হয়। লক্ষণীয়, তার স্বকালই নজরুলের চৈতন্য গড়ে দিচ্ছে বিপরীতধর্মী বিচিত্র ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে। দারিদ্র্যের কষাঘাতে ক্ষতবিক্ষতের দাগ গায়ে আঁচ পড়তে দেননি কাজী নজরুল ইসলাম। সুঠাম দেহের বলিষ্ঠ পদচারণায় মানুষের মাঝে আশা আকাঙ্ক্ষা জাগিয়ে তুলেছেন সারাজীবন নিজের দুঃখ কষ্ট ভুলে। আর্থিক দুর্যোগের মাঝে ১৯৪০ সালে তার প্রিয়তমা স্ত্রী প্যারালাইসিস রোগে আক্রান্ত হন। ১৯৬৩ সালে মৃত্যুপূর্ব পর্যন্ত তাকে বিছানায় যন্ত্রণাকর জীবন কাটাতে হয়।<br />
<br />
১৯৪১ সালে ২৫শে মে কবির ৪৩তম জন্মজয়ন্তীর পরের বছরই ২০ আগস্ট নজরুল অসুস্থ হয়ে পড়েন। রোগে আক্রান্ত হওয়ার এগারো বছর পর নজরুলের চিকিৎসার জন্য একটি তহবিল গঠন করা হয়। লন্ডন ও ভিয়েনার চিকিৎসাদল পরীক্ষা করে দেখেন নজরুল আর আরোগ্য লাভ করবেন না। এইভাবে তার সমসাময়িক সবচেয়ে বাকপটু স্পষ্টবাদী নজরুল স্তম্ভিত হয়ে পড়েন।<br />
<br />
বরেণ্য শিক্ষাবিদ অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীর রচিত Introducing Nazrul Islam বইতে চমৎকার লিখেছেন, &quot;নজরুলের জীবন বাঙ্গালী প্রকৃতির মতো। তিনি তাঁর জীবন যাপন করেছিলেন পরিপূর্ণভাবে, সাহসিকতার সাথে, বৈশাখ মাসের মতো। কিন্তু তার চেয়ে ভাল একটি নাটকের মত। যেখানে আছে অনেক দৃশ্য, তাছাড়া আছে, যেমন থাকা দরকার হয় ভালো নাটকে, অনবরত কর্মের ঐক্য, সততার উদ্দেশ্যমূলকতার ঐক্য।&quot;<br />
<br />
বাঙ্গালির অন্তিত্বের কবি ১৯৭২ সালের ২৪ মে কবি কাজী নজরুল ইসলাম ভারত থেকে ঢাকায় আসেন এবং তাকে বাংলাদেশের জাতীয় কবি হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উদ্যোগে ১৯৭২ সালের ২৪ মে (১৩৭৯ সনের ১০ জ্যৈষ্ঠ) কাজী নজরুল ইসলামকে সপরিবারে ভারত থেকে স্বাধীন বাংলাদেশে আনা হয়, বাংলাদেশ বিমানে করে। ইতিহাস পযঅলোচনা করলে থেকে জানা যায়, ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয়ের মাত্র আটদিন পর বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে কাজী নজরুলকে ঢাকায় নিয়ে আসার প্রাথমিক আমন্ত্রণ জানানো হয় ভারত সরকারকে। ১৯৭১ সালের ২২ ডিসেম্বর কলকাতা থেকে ঢাকায় ফিরে আসার সময় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ স্ত্রী জোহরা তাজউদ্দীন আহমদকে সঙ্গে নিয়ে কাজী নজরুল ইসলামকে স্বাধীন বাংলাদেশ সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানান। এর মাত্র পাঁচদিন পর স্বামীর পক্ষে জোহরা তাজউদ্দীন এ আমন্ত্রণপত্র কবির কাছে পৌঁছে দেন।জবাবে কবি পরিবারের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়, শিগগিরই তিনি বাংলাদেশ সফরে আসবেন।<br />
<br />
এর মাত্র দেড় মাস পরেই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শেখ মুজিবুর রহমান প্রথম বিদেশ সফর হিসেবে যান ভারতে। অবস্থান করেন ১৯৭২ সালের ৬ থেকে ৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। ৬ ফেব্রুয়ারি কলকাতায় পৌঁছেই বঙ্গবন্ধু কবির সুস্থতা কামনা করে তাকে দুইটি ফুলের তোড়া পাঠান। এরপরের দিন কবির দুই পুত্র কাজী সব্যসাচী ও কাজী অনিরুদ্ধ সস্ত্রীক রাজভবনে শেখ মুজিবুরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সেখানেই বঙ্গবন্ধু তার সরকারের পক্ষে নজরুলের পুত্রদের কাছে কবিকে ঢাকায় আসার আমন্ত্রণ জানান। প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে দুই ভাই ২০ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় আসেন। এ সফরে তারা অসুস্থ কবিকে কীভাবে বাংলাদেশে আনা যায়, তা নিয়ে তারা সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনায় বসেন।<br />
<br />
কাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশে আনতে কালক্ষেপণ করতে চাননি তৎকালিন সরকার প্রধান। ফলে কবিকে বাংলাদেশের আসার জন্য বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুস সামাদ আজাদ ও ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শরণ সিংয়ের মধ্যে মার্চ ও এপ্রিল মাসজুড়ে চিঠি চালাচালি হয়। কবিকে ঢাকায় আনার জন্য কাজী সব্যসাচী ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর সঙ্গেও আলোচনা করেন। সব কূটনৈতিক তৎপরতা শেষে ১৯৭২ সালের ২৪ মে কলকাতা থেকে ঢাকায় আসেন কাজী নজরুল ইসলাম।<br />
<br />
১৯৭২ সালের ২৫ মে&#39;র কলকাতার দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার এক প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়, সেদিন সকালে কবির পুত্রবধূ তাকে গোসল করান। পরে সিল্কের নতুন পাঞ্জাবি ও ধুতি পরান। কবিকে খাইয়ে সোজা নিয়ে আসেন কলকাতা বিমানঘাঁটিতে। বিমানঘাঁটির নতুন আন্তর্জাতিক টার্মিনালে কবিকে বিদায় সংবর্ধনা জানাতে কলকাতাস্থ বাংলাদেশ মিশনের প্রতিনিধি, রাজ্য সরকারের লিয়াজোঁ অফিসার ও কেন্দ্রীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। বিমানে কবির কোনো অসুবিধা না হলেও কলকাতা থেকে ঢাকা পর্যন্ত কবি সম্পূর্ণ নীরব থাকেন। ঢাকার চিত্র তখন উৎসবের মুখর। সকাল থেকেই কবিকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে ভিড় জমাতে শুরু করেন তার অনুরাগীরা। বিমানবন্দর ভবনের ছাদ ও রানওয়ের একাংশ সকাল ১০টার মধ্যে অসংখ্যক মানুষে ভরে যায়। যারা এসেছিলেন তাদের প্রায় সবার হাতেই ছিলো ফুলের মালা। সব প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে সকাল ১১টা ৪০ মিনিটে বিদ্রোহী কবিকে নিয়ে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফকার ফ্রেন্ডশিপ বিমান ঢাকা বিমানবন্দরের মাটি ছুঁয়ে যায়। তৎকালীন বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষামন্ত্রী অধ্যাপক ইউসুফ আলী ও আওয়ামী লীগের অন্যতম সহ-সভাপতি কোরবান আলী কবিকে সরকার ও আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে অভ্যর্থনা জানান। বিমানটি বিমানবন্দরে অবতরণ করার সঙ্গে সঙ্গে অপেক্ষমান জনতা গণবিদারী স্লোগানে স্বাগত জানান চির বিদ্রোহীকে। নিরাপত্তাবেষ্টনী ভেঙে বিমানের চারপাশে ঘিরে ধরে জনতা। ফলে কবিকে বিমানের ভেতর থেকে বাইরে আনাটা প্রায় দুঃসাধ্য হয়ে পড়ে। নিরাপত্তা পুলিশ ২০ মিনিট চেষ্টা করেও জনতাকে দূরে সরাতে পারেনি।<br />
<br />
পরে কবিপুত্র কাজী সব্যসাচী জনতার উদ্দেশ্যে বলেন, কবি অত্যন্ত অসুস্থ। আপনাদের খুশি করার জন্য তবুও আমরা তাকে বাংলাদেশে এনেছি। এরপর বিমানের দরজা থেকে নামানো হয় কবিকে। পরে তাকে একটি অ্যাম্বুলেন্সে তোলা হয়। চোখের দেখা দেখতে না পাওয়া জনতা ভালোবাসার অর্ঘ্য হিসেবে অ্যাম্বুলেন্সের ওপর ফুল ছুঁড়তে থাকেন। সেখান তাকে সরাসরি ধানমন্ডিতে তার জন্যে নির্দিষ্ট বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। সেখানেও বিমানবন্দরের দৃশ্যের পুনরাবৃত্তি। কবিকে এক নজর দেখতে বাড়ির সামনের আঙিনা, এক ফালি সবুজ লন, টানা বারান্দা সবখানেই ভিড় জমান অনুরাগীরা।<br />
কবিকে ধানমন্ডির বাসভবনে নিয়ে আসার ঘণ্টাখানেক পরেই তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী তাকে দেখতে আসেন। কবি তখন ঘুমিয়ে ছিলেন। তিনি কবির শয্যার পাশে মিনিট পাঁচেক দাঁড়িয়ে থাকেন। পরে তিনি চলে যান। সে সময় তিনি মন্তব্য করেন, কবির ঢাকায় আগমন একটি ঐতিহাসিক ঘটনা, যা চিরদিন স্মরণ করা হবে।<br />
<br />
পর দিন দৈনিক পূর্বদেশে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, কবির সামনে শেখ মুজিবুর রহমান আবৃত্তি করেন, তার &lsquo;বিদ্রোহী&rsquo; কবিতা। এর পরে কবি ঘোলাটে চোখে কবি শুধু একবার তাকান শেখ মুজিবুরের দিকে। কবিকে সামনে রেখে ঢাকায় নজরুল জন্মজয়ন্তী পালনের জন্য। বাংলাদেশে আসার পর কবির জন্য সরকারি উদ্যোগে পুরনো ২৮নং রোডের ৩৩০/বি ধানমন্ডি আবাসিক এলাকার বাড়িটি বরাদ্দ করা হয়। সেই সময়ে বাড়িটির নামকরণ করা হয় &lsquo;কবিভবন&rsquo;। সেখানে কবিকে রাখা হয়েছিল রাষ্ট্রীয় মর্যাদায়। বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে কবির অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৭৪ সালের ৯ ডিসেম্বর এক বিশেষ সমাবর্তনে কবিকে সম্মানসূচক ডি-লিট উপাদিতে ভূষিত করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। পরে কবিকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব দেওয়া হয়।<br />
<br />
স্বাধীন বাংলাদেশে কবি কাজী নজরুল ইসলামকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও সর্বোচ্চ সম্মান প্রদানের ক্ষেত্রে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদান অনস্বীকার্য। &nbsp;১৯৭৬ সালে কবি কাজী নজরুল ইসলামকে স্বাধীন বাংলাদেশের নাগরিকত্ব ঐ বছরই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে প্রথমবারের মতো &#39;একুশে পদক&#39; প্রবর্তন করেন এবং জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামকেই সর্বপ্রথম এই সম্মাননায় ভূষিত করা হয়। ১৯৭৬ সালের ২৯ আগস্ট তাঁর মৃত্যুর পর জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারই তাঁকে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদ সংলগ্ন প্রাঙ্গণে সমাহিত করে। কবি কাজী নজরুল ইসলামের তার কবিতা, তার গান, তার অন্যসব সাহিত্যকর্ম এবং সে সবের ভিতরকার সংগ্রামী চেতনার এবং সব অনাচারের বিপরীতে লড়াইয়ের প্রেরণার যে মূলধারা তা ছিল জিয়াউর রহমানের প্রাণের, হৃদয়ে-মগজের ভিতরে গাঁথা এক অমূল্য সম্পদ। জিয়াউর রহমানের মা মিসেস জাহানারা রহমান করাচি রেডিও-তে নজরুলের গান গাইতেন। নজরুল তার একটি গানে লিখেছেন, &nbsp;&ldquo;মসজিদেরই কাছে আমায় কবর দিয়ো ভাই / যেন গোরের থেকে মুয়াজ্জিনের আযান শুনতে পাই&rdquo;। কবির এই ইচ্ছার বিষয়টি বিবেচনা করে কবিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে সমাধিস্থ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয় এবং সে অনুযায়ী তাঁর সমাধি রচিত হয়। তাঁর জানাজার নামায আদায়ের পর রাষ্ট্রপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম, মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান, রিয়াল এডমিরাল এম এইচ খান, এয়ার ভাইস মার্শাল এ জি মাহমুদ, মেজর জেনারেল দস্তগীর জাতীয় পতাকা মন্ডিত নজরুলের মরদেহ বহন করে সোহরাওয়ার্দী ময়দান থেকে বিশ্ববিদ্যালয় মসজিদ প্রাঙ্গনে নিয়ে যান। বাংলাদেশে তাঁর মৃত্যু উপলক্ষ্যে দুই দিনের রাষ্ট্রীয় শোক দিবস পালিত হয়।<br />
<br />
ধানমণ্ডির বাড়িতে কবি কাটিয়েছেন তিন বছর এক মাস ২৯ দিন। কবিভবন থেকে কবিকে নিয়ে যাওয়া হয় পিজি হাসপাতালের ১১৭নং কেবিনে। পিজি হাসপাতালে কবি মৃত্যু পর্যন্ত, অর্থাৎ ছয় মাস ১১ দিন কাটিয়েছেন।<br />
জাতীয় পর্যায়ে ও রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন আয়োজনে কাজী নজরুল ইসলামকে জাতীয় কবি হিসেবে লেখা হয়। তবে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়, জাতীয় আর্কাইভ, নজরুল ইনস্টিটিউট ও বাংলা একাডেমির কোথাও নজরুলকে জাতীয় কবি ঘোষণা করা সংক্রান্ত সরকারি কোনো প্রজ্ঞাপন বা অন্য কোনো দলিল পাওয়া যায়নি। নজরুলকে জাতীয় কবির মর্যাদা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। সংসদে আইন পাস করে এই স্বীকৃতি দেওয়া উচিত। এটা সত্য যে, সরকারি দলিলে বিভিন্ন প্রসঙ্গে নজরুলকে জাতীয় কবি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তাকে জাতীয় কবি উল্লেখ করে বিশ্ববিদ্যালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশও প্রণীত হয়েছে। ভবিষ্যতের জন্য স্বীকৃতি সংরক্ষণের বিষয়টিও কম গুরুত্বপূর্ণ নয়।<br />
<br />
আজকের পৃথিবীতে সবচেয়ে সংকটে যে চেতনা, তার নাম মানবতা। আজকের বিশ্বে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন যে চেতনার, তার নাম মানবতা। আজকের পৃথিবীর অন্যতম বড় সমস্যা দেশে দেশে বিরাজমান ধর্মীয় সংকীর্ণতা, ধর্ম নিয়ে জঙ্গিপনা। নিজ নিজ ধর্ম রক্ষার দোহাই দিয়ে অন্য ধর্মের অনুসারীদের প্রতি হিংসা-বিদ্বেষ ছড়ানো এক ধরনের অলিখিত প্রবণতা হয়ে দাঁড়াচ্ছে সারা বিশ্বে-প্রায় প্রতিটি সমাজে। কবি কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন একজন সার্বজনীন কবি। তিনি সব সময়ের কবি, সব ধর্মের কবি। তিনি কোনো একক বয়স, ধর্ম কিংবা সম্প্রদায়ের কবি নন; তিনি সকল মানুষের কবি।<br />
<br />
সব দেশেই এ কাজে বেশি ভূমিকা রাখতে দেখা যায় সমাজপতি বা ধর্মীয় মোড়লদের। এ থেকে উত্তরণের একমাত্র চেতনার নাম অসাম্প্রদায়িকতা। বর্তমান সময়ের আরেকটি বড় সমস্যা নারীর প্রতি অন্যায়-অবিচার-নিগ্রহ এবং তাদের বিরুদ্ধে সংঘটিত যৌন সন্ত্রাস। আধুনিক বিশ্বের প্রতিটি প্রগতিশীল, গণতন্ত্রকামী সামাজিক-রাজনৈতিক-সাংস্কৃতিক-অর্থনৈতিক আন্দোলনে নজরুলের প্রাসঙ্গিকতা এ সূত্রেই নিরূপিত।&rsquo; তবে বর্তমান বিশ্বে চলমান মানবতার সংকট, সাম্প্রদায়িক সহিংসতা, শিক্ষা ও কর্মক্ষেত্রে নারীর ব্যাপক অংশগ্রহণ সত্ত্বেও নারী-পুরুষের মধ্যে বৈষম্য বৃদ্ধির এই প্রবণতা থেকে মুক্তি পেতে কাজী নজরুল ইসলামে অমর বাণীসমৃদ্ধ কবিতাপাঠের বিকল্প নেই।<br />
<br />
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মজয়ন্তীতে। তার প্রতি গভীরতম শ্রদ্ধা আর ভালবাসা।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1486-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[Sheikh Hasina Alleges Lack of Rule of Law in Bangladesh at UN Rally in New York]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/english/28508</link>
    <pubDate>Sat, 23 May 2026 21:50:25 +0600</pubDate>
    <category> English </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/english/28508</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/05202026_news0902_usal.jpg" />    <p>NEW YORK &mdash; Former Prime Minister of Bangladesh Sheikh Hasina said, &ldquo;There is no rule of law in Bangladesh. Ordinary people do not even have the right to seek legal protection. The constitutional provisions of our country are not being respected.&rdquo;</p>

<p>She made the remarks virtually as the chief guest at a rally titled &ldquo;Lawyers Demanding for Justice,&rdquo; organized by the Combined Lawyers Coordination Council USA in front of the United Nations Headquarters in New York on Tuesday, May 19. The rally was held in protest against what organizers described as the unlawful removal of Supreme Court justices and political interference in the judiciary in Bangladesh.</p>

<p>Following the rally, the organization submitted a memorandum to the Secretary-General of the United Nations. The event was presided over by Advocate Abdur Rakib Montu, convener of the Combined Lawyers Coordination Council USA, and moderated by Member Secretary Advocate Md. Minhajuzzaman Liton.</p>

<p>Among the speakers were Dr. Siddiqur Rahman, president of the United States Awami League; former Justice Monchurul Haque Chowdhury; freedom fighters Dr. Prodip Ranjan Kar and Tofayel Chowdhury; General Secretary Abdus Samad Azad; Vice President Abdur Rahim Badsha; Shaheen Azmal, general secretary of New York State Awami League; Imdad Chowdhury, general secretary of New York Metropolitan Awami League; Advocate Tamanna Ferdous; and Advocate Chanchal Kumar Biswas.</p>

<p>Others present at the rally included Sakhawat Ali, president of Bangabandhu Parishad New York Chapter; Awami League leader Nahid Reza Jony Sikder; H. M. Iqbal, president of United States Swechchhasebak League; Siraj Uddin Ahmed Sohag, general secretary of United States Bongomata Parishad; former vice president of Bangladesh Law Society Mohammad Ali Babul; adviser M. Miah Zakir; former president Morsheda Zaman; Vice Presidents Barrister Akmal Khan and Advocate Sonia Sultana; former Joint General Secretary Md. Saidur Rahman; Publicity and Publications Secretary Advocate Joyjit Acharya; Advocate Md. Sayed Ali; Rumana Akter of United States Mohila Awami League; Jahan Ara Ahmed Lokkhi; Monowara Begum Moni; Awami League leaders Sheikh Jamal Hossain, Abdur Rouf Pasha, and Nurul Islam Milon, among others.</p>

<p>Speakers at the rally alleged that law and order in Bangladesh have severely deteriorated, citing incidents of attacks, lawsuits, mass arrests, harassment of journalists, and killings. They called on the United Nations and the international community to intervene in order to protect human rights in Bangladesh. The speakers also demanded the withdrawal of restrictions on the Awami League, the unconditional release of detained leaders and activists, and the dismissal of cases filed against them.</p>

<p>The speakers further stated that Sheikh Hasina&rsquo;s return to the country is &ldquo;inevitable&rdquo; and &ldquo;only a matter of time.&rdquo;</p>

<p>At the conclusion of the program, Convener Advocate Abdur Rakib Montu and Member Secretary Advocate Md. Minhajuzzaman Liton expressed their gratitude to Sheikh Hasina for addressing the rally virtually.</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/05202026_news0902_usal.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[Colorful Bangladesh Day Parade Held in New York]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/english/28507</link>
    <pubDate>Sat, 23 May 2026 21:41:41 +0600</pubDate>
    <category> English </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/english/28507</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/05232026_news0302_ny_bangladesh_parade.jpg" />    <p>NEW YORK &mdash; The vibrant &ldquo;Bangladesh Day Parade&rdquo; was held Sunday in Jackson Heights, New York, drawing thousands of Bangladeshi Americans along with representatives from the American political mainstream. The parade began at 69th Street in Jackson Heights and proceeded along 37th Avenue before concluding at 87th Street. M. Aziz and M. M. Shahin served as the Grand Marshals of the event.</p>

<p>Among the distinguished guests were Congresswoman Grace Meng, Congressman Tom Suozzi, State Senator Jessica Gonz&aacute;lez-Rojas, State Assemblywoman Catalina Cruz, and City Councilman Shekar Krishnan.</p>

<p><img alt="" src="https://khabor.com/upload/images/news/05232026_news0301_ny_bangladesh_parade.jpg" style="width: 899px; height: 653px;" /></p>

<p>Attorney Moin Chowdhury, chairman of the organizing committee, said that more than 120 social, cultural, and professional organizations participated in the parade. The presence of Bangladeshi officers serving in the New York Police Department was one of the major highlights of the event.</p>

<p>Actors and singers from Bangladesh also joined the celebration, while performers from various cultural organizations showcased the country&rsquo;s heritage through music and dance performances. The event was coordinated by Gias Ahmed and Fahad Solaiman.</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/05232026_news0302_ny_bangladesh_parade.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিউ ইয়র্কে বর্ণিল ‘বাংলাদেশ ডে প্যারেড’ অনুষ্ঠিত]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/28506</link>
    <pubDate>Sat, 23 May 2026 21:37:18 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/28506</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/05232026_news0301_ny_bangladesh_parade.jpg" />    <p>নিউ ইয়র্ক: নিউ ইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল &lsquo;বাংলাদেশ ডে প্যারেড&rsquo;। রোববার আয়োজিত এ প্যারেডে কয়েক হাজার প্রবাসী বাংলাদেশিসহ মার্কিন মূলধারার রাজনৈতিক প্রতিনিধিরা অংশ নেন। প্যারেডটি জ্যাকসন হাইটসের ৬৯ স্ট্রিট থেকে শুরু হয়ে ৩৭ অ্যাভিনিউ দিয়ে ৮৭ স্ট্রিটে গিয়ে শেষ হয়। এতে গ্র্যান্ড মার্শাল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এম আজিজ এবং এম এম শাহীন।</p>

<p><img alt="" src="https://khabor.com/upload/images/news/05232026_news0302_ny_bangladesh_parade.jpg" style="width: 899px; height: 505px;" /></p>

<p>অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মার্কিন কংগ্রেসওম্যান গ্রেস মেং, কংগ্রেসম্যান টম সোউজি, স্টেট সিনেটর জেসিকা গঞ্জালেজ, স্টেট অ্যাসেম্বলিওম্যান ক্যাটালিনা ক্রুজ এবং সিটি কাউন্সিলম্যান শেখর কৃষ্ণান। আয়োজক কমিটির চেয়ারম্যান অ্যাটর্নি মঈন চৌধুরী জানান, ১২০টিরও বেশি সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠন এ প্যারেডে অংশ নেয়। নিউ ইয়র্ক পুলিশ বিভাগে কর্মরত বাংলাদেশি কর্মকর্তাদের উপস্থিতি ছিল প্যারেডের অন্যতম আকর্ষণ।</p>

<p>প্যারেডে বাংলাদেশের অভিনয় ও কণ্ঠশিল্পীরা অংশ নেন। বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের শিল্পীরা নাচ ও গানের মাধ্যমে দেশীয় ঐতিহ্য প্রদর্শন করেন। অনুষ্ঠানের সমন্বয় করেন গিয়াস আহমেদ ও ফাহাদ সোলায়মান।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/05232026_news0301_ny_bangladesh_parade.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিউ ইয়র্কে শুরু ৩৫তম আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/28505</link>
    <pubDate>Sat, 23 May 2026 21:24:19 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/28505</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/05232026_news0201_boimela.jpg" />    <p>নিউ ইয়র্ক: নিউ ইয়র্কে লেখক, সাহিত্যিক, কবি, প্রকাশক ও বইপ্রেমীদের প্রাণবন্ত উপস্থিতিতে শুরু হয়েছে চার দিনের &lsquo;নিউ ইয়র্ক আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা&rsquo;। &lsquo;যতবই ততপ্রাণ&rsquo; স্লোগানে আয়োজিত এবারের ৩৫তম বইমেলায় অংশ নিয়েছেন বাংলাদেশ, কলকাতা ও প্রবাসের কবি-লেখক-প্রকাশকরা।&nbsp;শনিবার নিউ ইয়র্কের কুইন্সে অবস্থিত জ্যামাইকা পারফর্মিং আর্টস সেন্টার মিলনায়তনে বইমেলার উদ্বোধন করেন কথাসাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলন। অনুষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধা, অর্থনীতিবিদ ও শিক্ষক রেহমান সোবহান-কে আজীবন সম্মাননা পদক প্রদান করা হয়। এ সময় তার পাশে ছিলেন অধ্যাপক রওনক জাহান।</p>

<p><img alt="" src="https://khabor.com/upload/images/news/05232026_news0202_boimela.jpg" style="width: 899px; height: 506px;" /></p>

<p>সোমবার পর্যন্ত চলবে এ বইমেলার নানা আয়োজন। শতাধিক লেখক, সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠক বিভিন্ন পর্বে অংশ নেবেন বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা। পাশাপাশি থাকবে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ও অপসংস্কৃতি প্রতিরোধে আলাপ-আলোচনা। নবীন ও প্রবীণদের সমন্বয়ে সাজানো হয়েছে এবারের মেলার কার্যক্রম। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতিকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আরও শক্তভাবে তুলে ধরতে বাংলা সাহিত্য, ইতিহাস ও ঐতিহ্যভিত্তিক গ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদ বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তারা বলেন, প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের কাছে বাংলাদেশ ও বাঙালি সংস্কৃতির ধারা পৌঁছে দিতে অনুবাদ গ্রন্থের বিকল্প নেই। মেলার আয়োজক মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা ডা. জিয়াউদ্দিন আহমেদ এবং মেলা আয়োজন কমিটির আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত লেখক, কবি ও পাঠকদের স্বাগত জানান।</p>

<p><img alt="" src="https://khabor.com/upload/images/news/05232026_news0203_boimela.jpg" style="width: 899px; height: 506px;" /></p>

<p>উদ্বোধনী বক্তব্যে ইমদাদুল হক মিলন বলেন, বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠার অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল বাংলা বই অনুবাদের মাধ্যমে বিশ্বপরিমণ্ডলে বাঙালি সংস্কৃতিকে ছড়িয়ে দেওয়া। তবে প্রত্যাশিত মানের অনুবাদ এখনো গড়ে ওঠেনি। নিউ ইয়র্কের এই বইমেলার সঙ্গে সম্পৃক্তদের সে দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। অন্যদিকে রেহমান সোবহান বলেন, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার ইতিহাস নিয়ে বিতর্কের অবসান প্রয়োজন। ইতিহাসকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করে কোনো জাতির অগ্রযাত্রা টেকসই হতে পারে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।</p>

<p><img alt="" src="https://khabor.com/upload/images/news/05232026_news0206_boimela.jpg" style="width: 899px; height: 569px;" /></p>

<p>অনুষ্ঠানের সূচনা হয় ঐতিহ্যবাহী ঢোলের ধ্বনিতে। ঢুলি মোবারক হোসেন-এর পরিবেশনার পর মালবিকা চ্যাটার্জির নির্দেশনায় &lsquo;সংগীত সাধনা&rsquo;র শিক্ষার্থীরা সমবেত কণ্ঠে পরিবেশন করেন &lsquo;আজি দখিন দুয়ার খোলা&rsquo; ও &lsquo;বাউলা কে বানাইলো রে&rsquo;। এ সময় আবহসংগীত &lsquo;আগুনের পরশমণি&rsquo;র সঙ্গে স্মারকচিত্রে মোমবাতি প্রজ্বলন করেন লেখক-সাহিত্যিক আবদুন নূর, ডা. জিয়াউদ্দিন আহমেদ ও নজরুল ইসলাম।</p>

<p><img alt="" src="https://khabor.com/upload/images/news/05232026_news0204_boimela.jpg" style="width: 899px; height: 497px;" /></p>

<p>অনুষ্ঠানে নৃত্য পরিবেশন করে ভিন্ন মাত্রা যোগ করেন &lsquo;নৃত্যাঞ্জলি&rsquo;র শিল্পীরা। চন্দ্রা ব্যানার্জির পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় তারা &lsquo;আলোকের এই ঝরণাধারায়&rsquo;, &lsquo;হৃদয় আমার নাচেরে&rsquo; ও &lsquo;বাগিচায় বুলবুলি তুই&rsquo; গানের সঙ্গে নৃত্য পরিবেশন করেন। এবারের বইমেলার উদ্বোধনী আয়োজনে বাংলাদেশ, কলকাতা ও প্রবাসের ৩৫ জন কবি, লেখক ও প্রকাশককে উত্তরীয় পরিয়ে সম্মাননা জানানো হয়। সম্মাননা পাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ছিলেন ফরিদুর রেজা সাগর, সুবোধ সরকার, সাদাত হোসাইন, কৌশিক সেনসহ আরও অনেকে।</p>

<p><img alt="" src="https://khabor.com/upload/images/news/05232026_news0205_boimela.jpg" style="width: 899px; height: 508px;" /></p>

<p>পরে &lsquo;মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষিতে বর্তমান বাংলাদেশ এবং ভবিষ্যতের করণীয়&rsquo; শীর্ষক মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন রেহমান সোবহান ও রওনক জাহান। তারা বর্তমান বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং ইতিহাসের সঠিক ধারায় ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন নজরুল ইসলাম। এ সময় তিনি নিজের লেখা &lsquo;স্বাধীনতা ও বঙ্গবন্ধু&rsquo; গ্রন্থটি উপহার দেন রেহমান সোবহান ও রওনক জাহান দম্পতিকে।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/05232026_news0201_boimela.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিন কার্ডপ্রত্যাশীদের নিজ দেশ থেকেই আবেদন করতে হবে]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28504</link>
    <pubDate>Sat, 23 May 2026 21:05:57 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28504</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/05232026_news0101_us_green_card.jpg" />    <p>ওয়াশিংটন ডিসি: প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড প্রশাসন শুক্রবার ঘোষণা দিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের অনুমতি প্রদানকারী গ্রিন কার্ড পেতে আগ্রহী অধিকাংশ বিদেশি নাগরিককে এখন থেকে নিজ নিজ দেশ থেকেই আবেদন করতে হবে।&nbsp;মার্কিন নাগরিকত্ব ও অভিবাসন পরিষেবা (ইউএসসিআইএস)-এর মুখপাত্র জ্যাক কেইলার এক বিবৃতিতে বলেন, &lsquo;এখন থেকে যুক্তরাষ্ট্রে অস্থায়ীভাবে অবস্থানরত কোনো বিদেশি নাগরিক যদি গ্রিন কার্ড পেতে চান, তবে বিশেষ পরিস্থিতি ছাড়া তাকে নিজ দেশে ফিরে গিয়ে আবেদন করতে হবে।&rsquo;</p>

<p>কাহলার বলেন, &lsquo;শিক্ষার্থী, অস্থায়ী কর্মী বা পর্যটক ভিসাধারীদের মতো অ-অভিবাসীরা স্বল্প সময় ও নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রে আসেন।&rsquo; তিনি বলেন, &lsquo;আমাদের ব্যবস্থা এমনভাবে গড়ে তোলা হয়েছে যাতে তাদের সফর শেষ হলে তারা ফিরে যান। তাদের এই সফর গ্রিন কার্ড পাওয়ার প্রক্রিয়ার প্রথম ধাপ হিসেবে কাজ করার কথা নয়।&rsquo;</p>

<p>দ্য ওয়াশিংটনের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র প্রতি বছর ১০ লাখেরও বেশি গ্রিন কার্ড প্রদান করে এবং এতদিন পর্যন্ত আবেদনকারীদের অর্ধেকেরও বেশি ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করতেন। কেইলার বলেন, গ্রিন কার্ডপ্রত্যাশীদের নিজ দেশ থেকে আবেদন করানোর ফলে &lsquo;যারা স্থায়ী বসবাসের অনুমতি না পেয়ে অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে থেকে যাওয়ার চেষ্টা করেন, তাদের খুঁজে বের করে বহিষ্কারের প্রয়োজন কমবে।&rsquo;</p>

<p>তিনি জানান, বিদেশে অবস্থিত মার্কিন কনস্যুলার অফিসগুলোর মাধ্যমে স্টেট ডিপার্টমেন্ট এসব গ্রিন কার্ড আবেদন প্রক্রিয়া পরিচালনা করবে। ডোনাল্ড ট্রাম্প নির্বাচনী প্রচারণায় লাখ লাখ অনথিভুক্ত অভিবাসীকে বহিষ্কারের অঙ্গীকার করেছিলেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর তার প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্রে বৈধভাবে স্থায়ী বসবাসের কয়েকটি পথও বন্ধ করে দিয়েছে।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  Shibbir Ahmed   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/05232026_news0101_us_green_card.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[প্রধানমন্ত্রী ময়মনসিংহ যাচ্ছেন আজ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/bangladesh/28503</link>
    <pubDate>Sat, 23 May 2026 10:59:15 +0600</pubDate>
    <category> সারাবাংলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/bangladesh/28503</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/914-1.jpg" />    <p>খাল পুনঃখনন, নজরুল জন্মজয়ন্তীর জাতীয় অনুষ্ঠান উদ্বোধনসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ শনিবার (২) ময়মনসিংহ জেলা সফরে যাচ্ছেন।</p>

<p>প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং জানায়, সকাল ৯টায় গুলশানের বাসা থেকে সড়কপথে ত্রিশালের উদ্দেশ্যে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর দুপুর ১২টায় ত্রিশালের বালর ইউনিয়নের ধরার খাল পুনঃখনন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে খাল খননের উদ্বোধন করবেন তিনি।</p>

<p>দুপুর ২টায় ত্রিশালের নজরুল ডাক-বাংলোতে বিরতি শেষে বিকেল ৩টায় জাতীয় কবির ১২৭তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষ্যে ত্রিশালের নজরুল মঞ্চে আয়োজিত জাতীয় অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন এবং তিন দিনব্যাপী এ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন।</p>

<p>প্রধানমন্ত্রী বিকেল ৫টায় ত্রিশালের নজরুল অডিটোরিয়ামে ময়মনসিংহ উত্তর, দক্ষিণ ও মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সভায় যোগ দেবেন। এরপর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় সড়কপথে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হবেন।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/914-1.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলনে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য সংস্কারের রূপরেখা তুলে ধরলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28502</link>
    <pubDate>Sat, 23 May 2026 10:58:16 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28502</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/774-99.jpg" />    <p>সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় চলমান বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী সভা &lsquo;বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলন&rsquo;-এর (World Health Assembly) সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশের লিড স্পিচ বা মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।</p>

<p>সম্মেলনে তিনি বৈশ্বিক জনস্বাস্থ্যে বাংলাদেশের সক্রিয় অংশীদারিত্ব এবং দেশের অভ্যন্তরে চলমান স্বাস্থ্য সংস্কার ও সেবার সার্বিক অবস্থান বিশ্বনেতাদের সামনে অত্যন্ত জোরালোভাবে তুলে ধরেন।</p>

<p>বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতা হিসেবে সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বক্তব্য রাখার সময় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেন, &quot;বাংলাদেশ কেবল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার একটি অন্যতম অংশীদারই নয়, বরং স্থানীয় ও বৈশ্বিক জনস্বাস্থ্য উন্নয়নে প্রতিনিয়ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে যাচ্ছে।&quot; তিনি দেশের তৃণমূল পর্যায়ের মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা (Universal Healthcare), ই-হেলথ কার্ড চালু এবং প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা কাঠামোর সম্প্রসারণে বর্তমান সরকারের সুনির্দিষ্ট কর্মসূচি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বিশ্বমঞ্চে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন।</p>

<p>এবারের উচ্চপর্যায়ের বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলনে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিতের নেতৃত্বে বাংলাদেশ একটি শক্তিশালী প্রতিনিধিদল নিয়ে অংশগ্রহণ করেছে।</p>

<p>প্রতিনিধিদলের অন্য গুরুত্বপূর্ণ সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী জিয়াউদ্দিন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সচিব মো কামরুজ্জামান এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস।</p>

<p>সম্মেলনের সাধারণ পরিষদে প্রতিমন্ত্রীর এই বক্তব্য আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য কূটনীতিতে বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করেছে। প্রতিনিধিদলের অন্যান্য সদস্যরাও সম্মেলনের বিভিন্ন টেকনিক্যাল সেশন ও সাইডলাইন বৈঠকে অংশ নিয়ে অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ, জনস্বাস্থ্য খাতে প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন এবং স্বাস্থ্য খাতের অর্থায়ন নিশ্চিতকরণে বাংলাদেশের অর্জন ও বৈশ্বিক অংশীদারিত্বের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করছেন।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/774-99.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[প্রধানমন্ত্রী আমাকে বলেছেন, আমার মেয়ে হত্যার বিচার পাবো : রামিসার বাবা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28501</link>
    <pubDate>Sat, 23 May 2026 10:57:33 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28501</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/965-88.jpg" />    <article>
<p>রাজধানীর পল্লবীতে হত্যাকাণ্ডের শিকার শিশু রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বলেছেন, &lsquo;প্রধানমন্ত্রী আমাকে বলেছেন, একজন মেয়ের বাবা হিসেবে এবং একজন বড় ভাই হিসেবে আমি এখানে (তাঁর বাসায়) এসেছি। তার ভালোবাসা এবং আমাকে দেওয়া যে কথা, সে কথার ওপর আমি ১০০ ভাগ বিশ্বাসী যে, আমার মেয়ে হত্যার বিচার পাবো।</p>
</article>

<article>সুষ্ঠু এবং দ্রুত বিচার পাবো।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>শুক্রবার (২২ মে) দুপুরে জুমার নামাজের পর মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখানের ইছাপুরা ইউনিয়নের মধ্য শিয়ালদী এলাকার বায়তুল আমান জামে মসজিদের পাশের পারিবারিক কবরস্থানে শিশু রামিসার কবর জিয়ারত করেন পরিবারের সদস্যরা। পরে তার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।</p>

<p>এসময় রামিসার বাবা হান্নান বলেন, &lsquo;বাংলাদেশের সাংবিধানিক আইন অনুসারে আমি হত্যাকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি প্রত্যাশা করি।</p>
</article>

<article>প্রধানমন্ত্রী আইনমন্ত্রীকে নির্দেশ দিয়েছেন, দেশের আইন মেনে সর্বোচ্চ শাস্তি যেটা আছে সেটা যাতে নিশ্চিত করা হয়।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>এর আগে রামিসার জন্য মসজিদে দোয়া করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন মুন্সিগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল্লাহসহ স্থানীয় বিএনপির নেতা-কর্মীসহ এলাকাবাসী।</p>

<p>উল্লেখ্য, গত ১৯ মে রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়।</p>
</article>

<article>এ ঘটনায় প্রধান আসামি জাকির হোসেন সোহেল (৩৪) আটক হয়েছেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>নিহত রামিসার গ্রামের বাড়ি সিরাজদিখান উপজেলার ইছাপুরা ইউনিয়নের শিয়ালদী গ্রামে।</p>

<p>সন্তান হারানোর শোকে নির্বাক রামিসার মা-বাবা। শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে মেয়ের কুলখানি ও মিলাদে অংশ নিতে মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখানের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়েন তারা।</p>

<p>পরিবারের স্বজনরা জানান, বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাতে সিরাজদিখানে পারিবারিক কবরস্থানে দাফনের সময় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।</p>
</article>

<article>রামিসার মা এখনো মেয়ের জামা-কাপড় বুকে জড়িয়ে কাঁদছেন। মেয়ের শেষ আবদারের কথা মনে করে ভেঙে পড়ছেন। কয়েকদিন আগে মেয়ের জন্য একটি বোরকা কিনে এনেছিলেন তিনি, যা আর পরা হয়নি রামিসার।
<p>&nbsp;</p>

<p>পুলিশ জানায়, প্রধান অভিযুক্ত সোহেল শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করে মরদেহ গুমের চেষ্টা করেন। এ ঘটনার পর নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।</p>

<p>পুলিশ আরো জানায়, আদালতে তিনি হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। এ ঘটনায় তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকেও গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/965-88.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বাংলাদেশে কোরবানি হতে যাচ্ছে ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’, দ্য টেলিগ্রাফের খবর]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28500</link>
    <pubDate>Sat, 23 May 2026 10:56:43 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28500</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1089-77.jpg" />    <article>
<p>ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে দেশের বিভিন্ন পশুর হাট ও খামারে যখন বাহারি নামের গরু-মহিষ নিয়ে চলছে আলোচনা, তখন নারায়ণগঞ্জে ব্যতিক্রমধর্মী এক মহিষ নজর কেড়েছে বিশ্ব সংবাদমাধ্যমেও। চেহারা ও স্টাইলের অদ্ভুত মিলের কারণে &lsquo;ডোনাল্ড ট্রাম্প&rsquo; নাম পাওয়া মহিষটি নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফও।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>টেলিগ্রাফ তাদের প্রতিবেদনের শিরোনাম করেছে, &ldquo;বাংলাদেশ টু স্যাক্রিফাইস &lsquo;ডোনাল্ড ট্রাম্প&rsquo; দ্য অ্যালবিনো বুল।&rdquo;&nbsp;</p>

<p>নারায়ণগঞ্জ শহরের পাইকপাড়ায় অবস্থিত রাবেয়া অ্যাগ্রো ফার্মে থাকা এই মহিষটির ওজন ৭০০ কেজিরও বেশি। বিরল এলভিনো জাতের হওয়ায় এর গায়ের রং গোলাপি আভাযুক্ত সাদা।&nbsp;</p>

<p>তবে সবচেয়ে বেশি আকর্ষণ তৈরি করেছে মাথার সামনের দিকের স্টাইলিশ পশম, যা অনেকের কাছেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরিচিত হেয়ারস্টাইলের কথা মনে করিয়ে দেয়।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>সেই মিল থেকেই মজার ছলে রাখা হয় &lsquo;ডোনাল্ড ট্রাম্প&rsquo; নামটি। পরে সেটিই ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।&nbsp;</p>

<p>খামারের স্বত্বাধিকারী জিয়াউদ্দিন মৃধা জানান, শুরুতে পরিবারের সদস্য ও পরিচিতজনদের মধ্যেই নামটি নিয়ে হাস্যরস চলছিল। কিন্তু মহিষটির ছবি ও ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে পড়ার পর এটি দেখতে প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ আসছেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1089-77.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[চীনে কয়লাখনিতে গ্যাস বিস্ফোরণে নিহত ৮, ভূগর্ভে আটকা ৩৮]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28499</link>
    <pubDate>Sat, 23 May 2026 10:55:30 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28499</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1204-66.jpg" />    <article>
<p>চীনের উত্তরাঞ্চলের একটি কয়লাখনিতে ভয়াবহ গ্যাস বিস্ফোরণে অন্তত আটজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরো ৩৮ জন শ্রমিক ভূগর্ভে আটকা পড়েছেন।</p>
</article>

<article>শুক্রবার রাতে দেশটির শানসি প্রদেশে এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম।
<p>&nbsp;</p>

<p>রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়া জানায়, শানসি প্রদেশের চাংঝি শহরের লিউশেনইউ কয়লাখনিতে কার্বন মনোক্সাইডের মাত্রা বিপজ্জনক সীমা অতিক্রম করার পর বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সময় শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বিস্ফোরণের সময় খনির ভেতরে মোট ২৪৭ জন শ্রমিক কাজ করছিলেন।</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/05/23/1688932" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>দুর্ঘটনার পরপরই উদ্ধার অভিযান শুরু হয়।</p>
</article>

<article>শনিবার সকাল ৬টা পর্যন্ত ২০১ জন শ্রমিককে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সিনহুয়া। তবে এখনো বহু শ্রমিক খনির ভেতরে আটকা রয়েছেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং নিখোঁজ শ্রমিকদের উদ্ধারে &lsquo;সর্বাত্মক প্রচেষ্টা&rsquo; চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/sport/2026/05/23/1688929" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>চীনের অন্যতম প্রধান কয়লা উৎপাদনকারী অঞ্চল শানসি দীর্ঘদিন ধরেই খনি দুর্ঘটনার জন্য পরিচিত। নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতার কারণে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এ অঞ্চলে এ ধরনের বহু প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা ঘটেছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1204-66.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ট্রাম্পের মন্ত্রিসভা থেকে তুলসী গ্যাবার্ডের পদত্যাগ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28498</link>
    <pubDate>Sat, 23 May 2026 10:54:36 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28498</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1301-55.jpg" />    <p><strong>যুক্তরাষ্ট্রের ডিরেক্টর অব ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স (ডিএনআই) পদ থেকে পদত্যাগ করছেন তুলসী গ্যাবার্ড। তার স্বামী অত্যন্ত বিরল এক ধরনের হাড়ের ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ায় তার পাশে থাকতে এবং তাকে সমর্থন জোগাতেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজ এ খবর জানিয়েছে।</strong></p>

<p>খবরে বলা হয়েছে, শুক্রবার ওভাল অফিসে এক বৈঠকে গ্যাবার্ড প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে তার এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। আগামী ৩০ জুন ডিরেক্টর অব ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্সের কার্যালয়ে তার শেষ কার্যদিবস হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।&nbsp;</p>

<p>তুলসী গ্যাবার্ডের পদত্যাগপত্র হাতে পাওয়ার কথা উল্লেখ করেছে ফক্স নিউজ। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পদত্যাগপত্রে তিনি লিখেছেন, আমার ওপর আস্থা রাখার জন্য এবং গত দেড় বছর ধরে ডিরেক্টর অব ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্সের কার্যালয়কে নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ দেওয়ার জন্য আমি আপনার প্রতি গভীরভাবে কৃতজ্ঞ।</p>

<p>তিনি আরও লিখেছেন, &lsquo;দুর্ভাগ্যবশত, ২০২৬ সালের ৩০ জুন থেকে কার্যকর হতে যাওয়া আমার পদত্যাগপত্রটি জমা দিতে হচ্ছে। আমার স্বামী আব্রাহাম সম্প্রতি অত্যন্ত বিরল এক ধরনের হাড়ের ক্যানসারে আক্রান্ত হয়েছেন।&rsquo; &nbsp;</p>

<p>তিনি বলেন, &lsquo;এই মুহূর্তে, তার পাশে থাকার জন্য এবং এই লড়াইয়ে তাকে পূর্ণ সমর্থন দেওয়ার জন্য আমাকে সরকারি দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াতে হচ্ছে।&rsquo;</p>

<p>ডিএনআই হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তুলসী গ্যাবার্ড মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাকে পুনর্গঠনে বেশ কিছু রূপান্তরমূলক পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। চলতি মাস পর্যন্ত গ্যাবার্ড সরকারের ৫ লাখেরও বেশি পৃষ্ঠার গোপন নথি প্রকাশ করেছেন। এর মধ্যে ট্রাম্প-রাশিয়া তদন্ত, জন এফ কেনেডি ও রবার্ট এফ কেনেডি হত্যাকাণ্ড এবং অন্যান্য বিষয়সংক্রান্ত নথি রয়েছে।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1301-55.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিউইয়র্কে ড্রাই ডকে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ১]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28497</link>
    <pubDate>Sat, 23 May 2026 10:53:54 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28497</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1367-44.jpg" />    <article>
<p>যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরের স্টেটেন আইল্যান্ডের একটি ড্রাই ডকে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে একজন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন এবং অন্তত ৩৬ জন আহত হয়েছেন।</p>
</article>

<article>আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধার এবং আগুন নেভানোর কাজ করার সময় আকস্মিকভাবে এই বিস্ফোরণটি ঘটে।
<p>&nbsp;</p>

<p>কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, স্টেটেন আইল্যান্ড বরোর রিচমন্ড টেরেস এলাকার একটি বেসমেন্টে প্রথমে আগুন লাগে এবং সেখানে দুইজন কর্মী আটকে পড়েন। এই খবর পেয়ে দমকলকর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান। কিন্তু উদ্ধার অভিযান চলাকালীন সময়েই হঠাৎ সেখানে এক শক্তিশালী বিস্ফোরণ ঘটে।</p>
</article>

<article>জীবনের ঝুঁকি নিয়ে উদ্ধারকর্মীরা আটকে পড়া দুইজনকে উদ্ধারের চেষ্টা চালান।
<p>&nbsp;</p>

<p>বিস্ফোরণে আহতদের মধ্যে দুই দমকলকর্মীর অবস্থা বেশ আশঙ্কাজনক। তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এর মধ্যে একজন ফায়ার মার্শাল রয়েছেন, যার কানের পাশের হাড় ভেঙে গেছে এবং মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হওয়ায় তাকে কৃত্রিম শ্বাস-প্রশ্বাসের (ইন্টুবেশন) মাধ্যমে রাখা হয়েছে।</p>
</article>

<article>অন্য দমকলকর্মীর অবস্থাও গুরুতর, তবে চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন তার অবস্থা কিছুটা উন্নতির দিকে।
<p>&nbsp;</p>

<p>এই দুর্ঘটনা প্রসঙ্গে নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানি সাংবাদিকদের বলেন, &lsquo;এটি একটি অত্যন্ত জটিল ও দ্রুত পরিবর্তনশীল জরুরি পরিস্থিতি ছিল। উদ্ধারকর্মীরা বরাবরের মতোই নিজেদের জীবনের তোয়াক্কা না করে বিপদের দিকে ছুটে গিয়েছিলেন, যাতে অন্যরা নিরাপদে ফিরতে পারে।&rsquo;</p>

<p>নিহত ব্যক্তি একজন বেসামরিক নাগরিক বলে নিশ্চিত করা হলেও তার পরিচয় বা বিস্তারিত তথ্য এখনো প্রকাশ করেনি কর্তৃপক্ষ। মেয়র মামদানি জানিয়েছেন, দুর্ঘটনাস্থলের আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসার পরপরই এই বিস্ফোরণের প্রকৃত কারণ উদঘাটনে একটি বিস্তারিত ও আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু হবে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1367-44.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ড পাওয়ার নিয়মে বড় পরিবর্তন]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28496</link>
    <pubDate>Sat, 23 May 2026 10:52:55 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28496</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1448-33.jpg" />    <article>
<p>যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিন কার্ড (স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি) পাওয়ার নিয়মে বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে ট্রাম্প প্রশাসন। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, সাময়িকভাবে যুক্তরাষ্ট্রে থাকা যেসব বিদেশি নাগরিক গ্রিন কার্ডের জন্য আবেদন করতে চান, তারা আর আমেরিকার ভেতরে থেকে আবেদন করতে পারবেন না।</p>
</article>

<article>আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য তাদের অবশ্যই নিজ দেশে ফিরে যেতে হবে এবং স্টেট ডিপার্টমেন্টের মাধ্যমে আবেদন জানাতে হবে।
<p>&nbsp;</p>

<p><a href="https://www.reuters.com/legal/government/uscis-tells-foreigners-seeking-green-cards-return-your-countries-apply-2026-05-22/">রয়টার্সের</a> প্রতিবেদন মতে, মার্কিন নাগরিকত্ব ও অভিবাসন পরিষেবা (ইউএসসিআইএস) এক নীতিগত নির্দেশনার মাধ্যমে এই নতুন নিয়মের কথা জানিয়েছে। তবে সরকারের এই কঠোর পদক্ষেপটি বিভিন্ন মানবাধিকার ও সাহায্য সংস্থার তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে।</p>

<p>মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ ও ইউএসসিআইএস-এর মতে, এই নীতি অভিবাসন ব্যবস্থার ফাঁকফোকর বন্ধ করতে এবং আইন অনুযায়ী কাজ পরিচালনা করতে সাহায্য করবে।</p>
</article>

<article>সংস্থাটি আরো জানিয়েছে যে, এই নিয়মের ফলে তাদের কাজের চাপ কমবে এবং বেঁচে যাওয়া সম্পদ দিয়ে তারা অন্যান্য জরুরি মামলার প্রক্রিয়া আরো দ্রুত শেষ করতে পারবে। কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, বিশেষ কোনো ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়ার প্রয়োজন আছে কি না, তা প্রতিটি মামলার তথ্য আলাদাভাবে যাচাই করে সিদ্ধান্ত নিতে।
<p>&nbsp;</p>

<p>অভিবাসী ও শরণার্থীদের সহায়তাকারী সংস্থা &lsquo;হায়াস&rsquo; এই সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করেছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, এই অমানবিক নিয়মের কারণে মানব পাচারের শিকার ব্যক্তি এবং চরম নির্যাতন ও অবহেলার শিকার শিশুরাও বিপদে পড়বে।</p>
</article>

<article>গ্রিন কার্ডের আবেদনের জন্য তাদের আবারও সেই বিপজ্জনক দেশগুলোতেই ফিরে যেতে বাধ্য করা হচ্ছে, যেখান থেকে তারা প্রাণভয়ে পালিয়ে এসেছিল।
<p>&nbsp;</p>

<p>অভিবাসন ব্যবস্থা কঠোর করার লক্ষ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেওয়া ধারাবাহিক পদক্ষেপগুলোর মধ্যে এটি সর্বশেষ সংযোজন। এর আগেও ট্রাম্প প্রশাসন অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে বেশ কিছু কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছিল। গত বছর শিক্ষার্থী, সাংস্কৃতিক বিনিময় কর্মসূচিতে আসা দর্শনার্থী এবং গণমাধ্যম কর্মীদের ভিসার মেয়াদ কমিয়ে দেয় ট্রাম্প প্রশাসন। ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর থেকে এক বছরের মাথায় ১ লাখেরও বেশি ভিসা বাতিল করে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1448-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[হেডের ওপর কেন ক্ষেপলেন কোহলি?]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/28495</link>
    <pubDate>Sat, 23 May 2026 10:52:03 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/28495</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1485-22.jpg" />    <article>
<p>আইপিএলের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের কাছে বড় ব্যবধানে হারের পর নতুন বিতর্কে জড়ালেন বিরাট কোহলি। ম্যাচ শেষে ট্রাভিস হেডের সঙ্গে করমর্দন না করেই হেঁটে চলে যাওয়ার ঘটনা এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তুমুল আলোচনার জন্ম দিয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>শুক্রবারের ম্যাচে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুকে ৫৫ রানে হারায় হায়দরাবাদ। ম্যাচ শেষে দুই দলের ক্রিকেটাররা যখন একে অপরের সঙ্গে হাত মেলাচ্ছিলেন, তখন দেখা যায় কোহলি প্যাট কামিন্সসহ অন্যদের সঙ্গে করমর্দন করলেও ট্রাভিস হেডকে সম্পূর্ণ এড়িয়ে যান।</p>

<p>ভিডিওতে দেখা যায়, হেড করমর্দনের জন্য হাত বাড়ালেও কোহলি তার দিকে না তাকিয়েই সামনে চলে যান। পরে হেডও বিষয়টি বুঝে সরে দাঁড়ান।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>ধারণা করা হচ্ছে, ম্যাচ চলাকালীন দুজনের মধ্যে কথার লড়াই থেকেই এই অস্বস্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি। ব্যাটিংয়ের সময় কোহলি নাকি হেডকে উদ্দেশ্য করে কিছু মন্তব্য করেছিলেন। জবাবে কোহলি আউট হওয়ার পর হেডও পাল্টা মন্তব্য করেন বলে জানা গেছে।</p>

<p>কোহলি অবশ্য বরাবরই আগ্রাসী মানসিকতার ক্রিকেটার হিসেবে পরিচিত।</p>
</article>

<article>মাঠে আবেগ, স্লেজিং ও প্রতিপক্ষকে চাপে ফেলার নানা আচরণ প্রায়ই দেখা যায় তার মধ্যে। তবে ম্যাচ শেষে হ্যান্ডশেক না করার ঘটনাটি অনেকের কাছেই ভালোভাবে নেওয়া হয়নি।
<p>&nbsp;</p>

<p>ভারতের সাবেক ক্রিকেটার ইরফান পাঠানও বিষয়টি নিয়ে মন্তব্য করেছেন। তার মতে, মাঠে উত্তেজনা থাকতেই পারে, কিন্তু ম্যাচ শেষে এমন আচরণ ঠিক হয়নি।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1485-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নীল গাউনে কানের মঞ্চ মাতালেন ঐশ্বরিয়া]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/28494</link>
    <pubDate>Sat, 23 May 2026 10:50:48 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/28494</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1584-11.jpg" />    <article>
<p>কান চলচ্চিত্র উৎসবের ২০২৬ সালের আসরে সবার নজর ছিল বলিউড কুইন ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের ওপর। রেড কার্পেটে তার সাজগোজ কেমন হবে&mdash;তা নিয়ে কয়েক দিন ধরে চলা সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে নিজের চেনা ছন্দেই ধরা দিলেন এই অভিনেত্রী।</p>
</article>

<article>মুহূর্তের মধ্যেই তিনি হয়ে ওঠেন এবারের উৎসবের অন্যতম আলোচিত ব্যক্তিত্ব।
<p>&nbsp;</p>

<p>এবারের উৎসবে প্রথমবার হাজির হওয়ার জন্যই বেছে নিয়েছিলেন একটি ঝলমলে নীল রঙের ক্যুচার গাউন। &lsquo;লুমিনারা&rsquo; শিরোনামের এই বিশেষ মারমেইড সিলুয়েটের পোশাকটি ডিজাইন করেছেন ভারতীয় ডিজাইনার অমিত আগরওয়াল। এই পোশাকের মাধ্যমেই কানের মঞ্চে অভিষেক হলো অমিতের।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>পোশাকটি নিয়ে ডিজাইনার অমিত আগরওয়াল জানান, গতিশীল আলোর ধারণাকে কেন্দ্র করে এটি তৈরি করা হয়েছে। উদ্দেশ্য ছিল বিশ্বমঞ্চে কয়েক দশক ধরে ঐশ্বরিয়া যে দ্যুতি ছড়াচ্ছেন, তাকেই উদযাপনের মাধ্যমে তার চারপাশে একটি &lsquo;শক্তি ক্ষেত্র&rsquo; তৈরি করা।</p>

<p>ফ্যাশনের পাশাপাশি রেড কার্পেটে ঐশ্বরিয়া তার স্বভাবসুলভ আন্তরিকতা দিয়েও সবার মন জয় করেন। তিনি হাত জোড় করে ফটোগ্রাফারদের অভিবাদন জানান, ফ্লাইং কিস দেন এবং ক্যামেরার দিকে হাত দিয়ে হৃদয়ের (হার্ট) চিহ্ন দেখান।</p>
</article>

<article>সেখানে তার দীর্ঘদিনের বন্ধু ও ল&rsquo;রিয়ালের গ্লোবাল অ্যাম্বাসাডর ইভা লঙ্গোরিয়ার পাশে দাঁড়িয়েও তাকে পোজ দিতে দেখা যায়। তারা দুইজন মনিকা বেল্লুচ্চি অভিনীত এবং পাম ডিঅরের অন্যতম দাবিদার চলচ্চিত্র &lsquo;দ্য বার্থডে পার্টি&rsquo;র প্রদর্শনীতে উপস্থিত হয়েছিলেন। গত বিশ বছরেরও বেশি সময় ধরে কানের মঞ্চে একের পর এক চমৎকার ফ্যাশন মুহূর্ত উপহার দিয়েছেন ঐশ্বরিয়া।
<p>&nbsp;</p>

<p>সূত্র : এবিপি</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1584-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিউইয়র্কে আমেরিকান-বাংলাদেশী ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশন’র দোয়া মাহফিল ও ইসলামিক মেলা অনুষ্ঠিত]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/28493</link>
    <pubDate>Fri, 22 May 2026 19:58:47 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/28493</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/773-99.jpg" />    <p>নিউইয়র্কে ধর্মীয় উৎসবমুখর পরিবেশে আমেরিকান-বাংলাদেশী ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশনের উদ্যোগ দোয়া মাহফিল ও ইসলামিক মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ১৭ মে রোববার ব্রঙ্কসের বাঙালী অধ্যুষিত ব্রঙ্কসের স্টারলিং-বাংলাবাজার এলাকায় প্রথমবারের মতো রাস্তার ওপর খোলা আকাশের নিচে এ ইসলামিক মেলা অনুষ্ঠিত হয়।<img alt="" decoding="async" height="720" sizes="(max-width: 960px) 100vw, 960px" src="https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/05/Islamic_Mela_5.jpg" srcset="https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/05/Islamic_Mela_5.jpg 960w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/05/Islamic_Mela_5-300x225.jpg 300w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/05/Islamic_Mela_5-150x113.jpg 150w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/05/Islamic_Mela_5-768x576.jpg 768w" width="960" /><br />
আমেরিকান বাংলাদেশি ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশন&rsquo;র সভাপতি আব্দুস শহীদের সভাপতিত্বে দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন ইসলামিক স্কলার শায়েখ সাইফুল আজম বাবর আজহারী।</p>

<p><img alt="" decoding="async" height="720" sizes="(max-width: 960px) 100vw, 960px" src="https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/05/Islamic_Mela_7.jpg" srcset="https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/05/Islamic_Mela_7.jpg 960w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/05/Islamic_Mela_7-300x225.jpg 300w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/05/Islamic_Mela_7-150x113.jpg 150w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/05/Islamic_Mela_7-768x576.jpg 768w" width="960" /><br />
অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বেলাল মসজিদের খতীব মাওলানা মো: মাঈনুল ইসলাম। বিশেষ বক্তা ছিলেন বাংলাবাজার জামে মসজিদের খতীব মাওলানা আবুল কাশেম এয়াহইয়া।<br />
আয়োজকরা জানান, দোয়া মাহফিল ও ইসলামিক মেলার গেস্ট অব অনার বাংলাদেশ সোসাইটির ট্রাস্টিবোর্ড চেয়ারম্যান ও গোল্ডেন এইজ হোম কেয়ারের প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড সিইও শাহ নেওয়াজ ব্যক্তিগত জরুরী কাজে ব্যস্ততার জন্যে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেন নি।</p>

<p><img alt="" decoding="async" height="720" loading="lazy" sizes="auto, (max-width: 960px) 100vw, 960px" src="https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/05/Islamic_Mela_2.jpg" srcset="https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/05/Islamic_Mela_2.jpg 960w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/05/Islamic_Mela_2-300x225.jpg 300w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/05/Islamic_Mela_2-150x113.jpg 150w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/05/Islamic_Mela_2-768x576.jpg 768w" width="960" /><br />
সংগঠনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রেজা আব্দুল্লাহর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন সহ সভাপতি জামাল হোসেন, মিয়া মোহাম্মদ দাউদ, সোহান আহমদ টুটুল ও রবিউল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম মিলন, সহ সাধারণ সম্পাদক শরীফ হোসেন, কোষাধ্যক্ষ ও ইভেন্ট কমিটির সদস্য সচিব আল মামুন সরকার, ইভেন্ট কমিটির চীফ কো&Ntilde;অর্ডিনেটর কাজী রবিউজ্জামান, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সাদিকুর রহমান, সাহিত্য সম্পাদক রূপচান মিয়া, ক্রীড়া সম্পাদক জহিরুল ইসলাম, সদস্য খবির উদ্দিন ভূইয়া, কলি চৌধুরী প্রমুখ।<br />
অন্যদের মধ্যে শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন সংগঠনের সিনিয়র সহ সভাপতি ও ইভেন্ট কমিটির আহ্বায়ক এডভোকেট নাসির উদ্দীন, নিউইয়র্ক স্টেটে আসন্ন ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারী নির্বাচনে ডিস্ট্রিক্ট ৮৭ (ব্রঙ্কস) থেকে এসেম্বলিম্যান পদপ্রার্থী জাকির চৌধুরী, সিপিএ প্রমুখ। অনুষ্ঠানে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত ও না&rsquo;ত শরিফ পরিবেশন করা হয়।<br />
<img alt="" decoding="async" height="720" loading="lazy" sizes="auto, (max-width: 960px) 100vw, 960px" src="https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/05/Islamic_Mela_6.jpg" srcset="https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/05/Islamic_Mela_6.jpg 960w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/05/Islamic_Mela_6-300x225.jpg 300w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/05/Islamic_Mela_6-150x113.jpg 150w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/05/Islamic_Mela_6-768x576.jpg 768w" width="960" /><br />
প্রধান অতিথির বক্তব্যে শায়েখ আল্লামা মুহাম্মদ সাইফুল আজম বাবর আল আজহারী বলেন, &ldquo;আমরা আল্লাহর মেহেরবানীতে আমেরিকাতে এসেছি। ফাইন্সসিয়ালী অনেক সলভেন্ট হয়েছি। কিন্তু আমাদের সেকেন্ড জেনারেশন মুসলমান থাকবে কিনা আমরা গ্যারান্টির সাথে বলতে পারছিনা। একটা বিগ লস হচ্ছে।&rdquo; শায়েখ সাইফুল আজম বাবর আজহারী এ বিষয়ে মসজিদভিত্তিক বিশেষ কর্মসূচির কথা উল্লেখ করে বলেন, &lsquo;আমরা যদি প্রত্যেক মসজিদ থেকে কেউ কারো সাথে ঘৃনা না রেখে হাতে হাত ধরে এ পরিস্থিতি মোকাবেলা করি, তাহলে অন্তত আমাদের সেকেন্ড জেনারেশনকে বাঁচাতে পারবো।&rsquo; তিনি এ লক্ষে তার বক্তব্যে কুরআন-সুন্নাহর আলোকে নতুন প্রজন্মের উপযোগি করে মসজিদভিত্তিক নানা কর্মসূচির গ্রহনের পরামর্শ প্রদান করেন।<br />
বক্তারা বলেন, মানবজাতির জন্য ইসলাম পূর্ণাঙ্গ জীবন ব্যবস্থা। মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন প্রিয় নবী মুহাম্মাদুর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বিশ্ববাসীর জন্যে রহমত হিসেবে প্রেরণ করেন। মহানবীর আদর্শ ও ইসলামের সুশীতল ছায়া মানব জাতির আশ্রয়স্থল। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) ধর্মকে মানব জাতির কল্যাণে প্রয়োগ করতে শিখিয়েছেন। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর আদর্শ মেনে চলার মধ্যে রয়েছে ইহকাল ও পরকালে শান্তি এবং মুক্তি।</p>

<p><img alt="" decoding="async" height="720" loading="lazy" sizes="auto, (max-width: 960px) 100vw, 960px" src="https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/05/Islamic_Mela_4-1.jpg" srcset="https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/05/Islamic_Mela_4-1.jpg 960w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/05/Islamic_Mela_4-1-300x225.jpg 300w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/05/Islamic_Mela_4-1-150x113.jpg 150w, https://usanewsonline.com/wp-content/uploads/2026/05/Islamic_Mela_4-1-768x576.jpg 768w" width="960" /></p>

<p>বিশেষ মুনাজাত ও তবারক বিতরণের মাধ্যমে শেষ হয় এ আয়োজন। মোনাজাতে দেশ, জাতির উন্নতি, বিশ্ব শান্তির জন্য বিশেষ দোয়া করা হয়।<br />
পর্দা সহকারে মহিলাদের যোগদান সহ বিপুল সংখ্যক প্রবাসীর অংশগ্রহনে দোয়া মাহফিল ও ইসলামিক মেলার কার্যক্রম শেষ হয়।<br />
মেলায় বাংলাদেশী রকমারী পোশাক, প্রসাধন, অলংকার, উপহার সামগ্রী, রিয়েল এস্টেট, নিউইয়র্ক সিটি ও স্টেট হেলথ ডিপার্টমেন্টের অনুমোদিত বাংলাদেশী ব্যবস্থাপনায় বিভিন্ন ইন্স্যুরেন্স কোম্পানী ও স্থাস্থ্য সেবা, বাঙালি খাবারসহ বিভিন্ন পণ্যের পসরা সাজিয়ে বসে বিক্রেতারা।<br />
সংগঠনের প্রেসিডেন্ট আব্দুস শহীদ মেলায় আগত সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, মূলধারার সাথে বাংলাদেশী কমিউনিটির সেতুবন্ধন রচনাসহ বাংলাদেশে আত্মমানবতার সেবায় কাজ করে যাচ্ছে সংগঠনটি। প্রবাসে দেশীয় ও ইসলামী সংস্কৃতির বিকাশ ঘটাতে প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে তাদের সংগঠনটি।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/773-99.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ডে প‍্যারেডে বর্ণাঢ্য আয়োজন]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/28492</link>
    <pubDate>Fri, 22 May 2026 19:58:13 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/28492</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/964-88.jpg" />    <p>প্রবাসের মাটিতে দেশের কৃষ্টি, সংস্কৃতি আর ঐতিহ্যকে বিশ্বমঞ্চে ছড়িয়ে দিতে নিউইয়র্কে বর্ণাঢ্য আয়োজনে উদযাপিত হলো &lsquo;বাংলাদেশ ডে প্যারেড&rsquo;। গত ১৭ মে জ্যাকসন হাইটসের রাজপথে লাল-সবুজের পতাকা হাতে শামিল হন শত শত প্রবাসী বাঙালি। তাদের স্বতঃস্ফূর্ত আর উৎসবমুখর উপস্থিতিতে নিউইয়র্কের বুকেই যেন জেগে উঠেছিল এক টুকরো বাংলাদেশ। এতে বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধি, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যরা অংশ নেন।<br />
<br />
<img alt="" data-mfp-src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/image%20(18).png" src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/image%20(18).png" /></p>

<p>প্যারেডের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ছিল নিউইয়র্ক পুলিশ ডিপার্টমেন্টের সুসজ্জিত ব্যান্ড দল এবং বাংলাদেশি-আমেরিকান পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যদের সরব উপস্থিতি। অনুষ্ঠানে প্রবীণদের পাশাপাশি, বর্ণিল পোশাক আর হাতে লাল-সবুজের পতাকা নিয়ে নতুন প্রজন্মের কিশোর-তরুণদের উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতো।<br />
<br />
<img alt="" data-mfp-src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/image%20(19).png" src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/image%20(19).png" /></p>

<p>বহুজাতি ও সংস্কৃতির কেন্দ্রস্থল নিউইয়র্কের বুকে এমন আয়োজন বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের আত্মপরিচয়কে আরও সুদৃঢ় করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন অংশগ্রহণকারীরা। তারা বলেন, প্রবাসের মাটিতে এমন আয়োজন নতুন প্রজন্মের কাছে বাংলাদেশের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য তুলে ধরতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তারা জানান, নিউইয়র্কের মতো বহুজাতিক শহরে লাল-সবুজের পতাকা হাতে একসঙ্গে অংশ নিতে পারা তাদের জন্য গর্বের বিষয়।<br />
<br />
<img alt="" data-mfp-src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/image%20(20).png" src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/image%20(20).png" /></p>

<p>অনেকেই বলেন, বাংলাদেশ ডে প্যারেড শুধু একটি উৎসব নয়, এটি প্রবাসীদের মধ্যে ঐক্য, সম্প্রীতি ও দেশপ্রেমের প্রতীক। নতুন প্রজন্মকে শেকড়ের সঙ্গে পরিচিত করাতে এ ধরনের আয়োজন আরও বিস্তৃত হওয়া প্রয়োজন বলেও মত দেন তারা।<br />
<br />
<img alt="" data-mfp-src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/image%20(21).png" src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/image%20(21).png" /><br />
ভক্সপপ</p>

<p>আয়োজকরা জানান, প্রায় শতাধিক সংগঠন এই প্যারেডে যুক্ত ছিলেন। রাস্তাজুড়ে শৃঙ্খলিতভাবে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে বাংলাদেশি শিল্পী ও সাংস্কৃতিক দলগুলো পরিবেশনায় অংশ নেয়, যা প্রবাসীদের পাশাপাশি ভিনদেশিদেরও আকৃষ্ট করে।<br />
<br />
<img alt="" data-mfp-src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/image%20(22).png" src="https://www.prothomalony.com/images/news/news_details/files/image%20(22).png" /></p>

<p>সুশৃঙ্খল এ আয়োজনে বাংলাদেশের জনপ্রিয় কয়েকজন অভিনেতা, অভিনেত্রী ও কণ্ঠশিল্পী অংশ নেন। প্রবাসী সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর শিল্পীরা নাচ ও গানের পরিবেশনায় প্যারেডকে প্রাণবন্ত করে তোলেন। এ সময় রাস্তার দু&rsquo;পাশে দাঁড়িয়ে ভিনদেশিরাও বাঙালির সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য উপভোগ করেন।</p>

<p>এবারের বাংলাদেশ ডে প্যারেড আয়োজক কমিটিতে ছিলেন গ্র্যান্ড মার্শাল এম আজিজ, চেয়ারম্যান অ্যাটর্নি মঈন চৌধুরী, কনভেনর গিয়াস আহমেদ, মেম্বার সেক্রেটারী ফাহাদ সোলায়মান, চিফ ইভেন্ট কো-অর্ডিনেটর লায়ন ফেডি রকি, কো-চেয়ার ক্যাপ্টেন প্রিন্স আলম এবং গ্র্যান্ড স্পন্সর এনওয়াই হোমকেয়ারের ডাইরেক্টর ফয়সল আজিজসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/964-88.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বাসভবন থেকে হেঁটে রাজনৈতিক কার্যালয়ে গেলেন প্রধানমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28491</link>
    <pubDate>Fri, 22 May 2026 19:56:54 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28491</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1088-77.jpg" />    <article>
<p>রাজধানীর গুলশানের বাসভবন থেকে হেঁটে নিজের রাজনৈতিক কার্যালয়ে গেলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।</p>

<p>শুক্রবার (২২ মে) বিকালে বাসায় আসর নামাজের পর তিনি পায়ে হেঁটে গুলশানের দলীয় কার্যালয়ে যান বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>গুলশান অ্যাভিনিউয়ের বাসভবন থেকে ৮৬ নম্বর রোডে অবস্থিত গুলশান রাজনৈতিক কার্যালয়ের দূরত্ব প্রায় ১ কিলোমিটার। হেঁটে এই পথ অতিক্রম করতে আনুমানিক ১৫-২০ মিনিট সময় লাগে।</p>

<p>আতিকুর রহমান রুমন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ছুটির দিনে দলের কার্যালয়ে এসেছেন একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে। সারাদেশের সিটি করপোরেশনের প্রশাসক-মেয়রের একটি অনুষ্ঠান।</p>
</article>

<article>ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের ঈদ উপহারের চেক প্রশাসকদের কাছে দিতেই এই অনুষ্ঠান।
<p>&nbsp;</p>

<p>গত ঈদুল ফিতরের আগে সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতার কর্মীদের ৫ হাজার টাকা করে ঈদ উপহার দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। ওই সময়ের মতো আজ মেয়র-প্রশাসকদের কাছে পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের চেক দেন তিনি।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1088-77.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[হাম ও উপসর্গে আরও ১১ শিশুর প্রাণহানি, মৃতের সংখ্যা ৫০০ ছুঁইছুঁই]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28490</link>
    <pubDate>Fri, 22 May 2026 19:55:40 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28490</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1203-66.jpg" />    <p>হাম ও হামের উপসর্গে সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও ১১ শিশু মারা গেছে। এ সময়ে নিশ্চিত হামে মারা গেছে ২ শিশু। আর হামের উপসর্গে মারা গেছে ৯ শিশু।</p>

<p>শুক্রবার (২২ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম বিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।&nbsp;</p>

<p>হাম ও হামের উপসর্গে সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও ১১ শিশু মারা গেছে। এ সময়ে নিশ্চিত হামে মারা গেছে ২ শিশু। আর হামের উপসর্গে মারা গেছে ৯ শিশু।</p>

<p>এতে বলা হয়, বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার (২২ মে) সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ে এ শিশুদের মৃত্যু হয়েছে।&nbsp;&nbsp;</p>

<p>প্রতিবেদন অনুযায়ী, এ সময়ে সারা দেশে আরও ১ হাজার ২৬১ শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দেয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ দেখা দেয়া রোগীর সংখ্যা ৬০ হাজার ৫৪০।&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যানুসারে, সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামরোগী শনাক্তের সংখ্যা ৫৪। ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত দেশে মোট ৮ হাজার ৩২৯ শিশুর শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে।</p>

<p>১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৪৭ হাজার ৫১১ শিশু। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে ৪৩ হাজার ৪১১ শিশু।</p>

<p>১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গে মারা গেছে ৪১৪ জন। আর নিশ্চিত হামে মারা গেছে ৮৫ জন। মোট মৃত্যু ৪৯৯ জন।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1203-66.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[রামিসা ধর্ষণ-হত্যার পর আলোচনায় ১২ মিনিটের এই শর্টফিল্ম, কারণ কী?]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28489</link>
    <pubDate>Fri, 22 May 2026 19:54:46 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28489</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1300-55.jpg" />    <p>রাজধানীর পল্লবীতে ৮ বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় দেশজুড়ে ক্ষোভ ও শোকের সৃষ্টি হয়েছে। নৃশংস এ ঘটনার পর সামাজিক মাধ্যমে নতুন করে আলোচনায় এসেছে ২০১৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র &lsquo;দ্য ডিসাপিয়ারেন্স অব উইলি বিংহাম&rsquo;।</p>

<p>পরিচালক ম্যাথিউ রিচার্ডস নির্মিত ১২ মিনিটের এই শর্টফিল্মে ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে দণ্ডিত এক অপরাধীর ওপর ভয়াবহ শাস্তি কার্যকরের কাহিনি তুলে ধরা হয়েছে। চলচ্চিত্রটি মূলত বিচারব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা, ভুক্তভোগী পরিবারের মানসিক যন্ত্রণা, প্রতিশোধস্পৃহা এবং মানবিকতার প্রশ্নকে সামনে আনে।</p>

<p>গল্পে দেখা যায়, স্বল্পদৈর্ঘ্যের চলচ্চিত্রটিতে, নিষ্পাপ এক বাচ্চা মেয়েকে ধর্ষণ ও নির্মমভাবে খুন করে উইলি বিংহাম নামের এক ভয়ংকর অপরাধী। তবে ওই দেশ থেকে মৃত্যুদণ্ডের শাস্তি উঠে যাওয়ায় &lsquo;প্রগ্রেসিভ অ্যামপুটেশন&rsquo; নামের এক নতুন ধরণের শাস্তির মুখোমুখি করা হয় তাকে।</p>

<p>নতুন এ শাস্তিতে ধাপে ধাপে ধর্ষকের শরীরের অঙ্গ কেটে নেওয়া হয়। প্রতিবার একটা সার্জারির পর দোষী সাব্যস্ত আসামি সুস্থ হলে তাকে আবার অপারেশন টেবিলে ছুড়ি-কাঁচির নিচে আনা হয়। সচ্ছ কাঁচের জানালা দিয়ে তা দেখতে পান ভুক্তভোগীর বাবা। যতক্ষণ না অপরাধীর প্রতি ভুক্তভোগীর পরিবারের মায়া জন্মায় ততদিন পর্যন্ত ধাপে ধাপে হাত-পা-নাক-কানসহ শরীরের বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ অঙ্গও কেটে নেওয়া হতে থাকে।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>আর প্রতিটি অপারেশনে অপরাধীর অঙ্গ কেটে নেওয়া গ্লাসের অপর পাশ থেকে দেখতে থাকে ভুক্তভোগীর পুরো পরিবার।</p>

<p>এরপর অন্যদের সাবধান করতেই হুইলচেয়ারে করেই অবাধ্য ও বখাটে কিশোরদের সামনে তাকে উদাহরণ হিসেবে দেখানো হয়। এ ছাড়া উইলিকে দিয়ে দেওয়ানো হয় বক্তৃতা, যাতে তার এই পরিণতি দেখে অন্য কেউ এমন অপরাধ করার সাহস না পায়।&nbsp;</p>

<p>শেষ পর্যন্ত শাস্তি শুরুর পাঁচ মাস পর পঞ্চম বারের অস্ত্রোপচারে ভুক্তভোগীর বাবার অনুমতিতে কেটে ফেলা হয় উইলির যৌনাঙ্গ। পুরুষত্ব হারিয়ে উইলি আর কোনো দিন কথা বলেননি। এমনকি সার্জারির আগে তিনি যে কান্নাকাটি আকুতি করতেন তাও বন্ধ হয়ে যায় চিরতরে।&nbsp;</p>

<p>এরপরের সার্জারিতে কেটে নেওয়া হয় তার দুই কান, নাক এবং জিহ্বার অগ্রভাগ। লেজার দিয়ে পুড়িয়ে দেয়া হয় শরীরের চামড়া। এমন সময় উইলি ছিলেন শুধুই মৃত্যুর কামনায়।&nbsp;</p>

<p>অবশেষে আসে কাঙ্ক্ষিত সেই দিন। অপারেশন থিয়েটারের টেবিলে পড়ে থাকা উইলি নামের &lsquo;মাংসপিণ্ডটা&rsquo;র দিকে তাকিয়ে ভুক্তভোগীর বাবার চোখে দেখা যায় তৃপ্তির চাহনি। এ ধাপে উইলির হার্ট বা ব্রেন সার্জারি করা হবে। সে ঢলে পড়বে মৃত্যুর কোলে। তবে সবাইকে অবাক করে এই সার্জারিতে অনুমতি দিলেন না ভুক্তভোগীর বাবা। তিনি কর্তৃপক্ষের বাড়িয়ে দেওয়া ফাইলে স্বাক্ষর করে এ অবস্থায় রেখে দেন উইলিকে।&nbsp;</p>

<p>এই সমাপ্তির মধ্য দিয়ে প্রতিশোধ, ন্যায়বিচার ও মানবিকতার জটিল প্রশ্ন দর্শকদের সামনে তুলে ধরা হয়।</p>

<p>শর্টফিল্মটিতে উইলি বিংহামের চরিত্রে অভিনয় করেছেন কেভিন ডি। ভুক্তভোগীর বাবার ভূমিকায় ছিলেন টিম ফেরিসএবং প্রশাসনিক কর্মকর্তার চরিত্রে অভিনয় করেন গ্রেগরি জে. ফ্রায়ার।</p>

<p>এদিকে রামিসা হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তির দ্রুত বিচার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জোরালো হচ্ছে। সামাজিক মাধ্যমে অনেকেই বলছেন, এমন ভয়াবহ অপরাধের ক্ষেত্রে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা জরুরি। সেই কারণেই পুরোনো এই শর্টফিল্মটি আবারও আলোচনায় উঠে এসেছে।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1300-55.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নথিবিহীন অভিবাসীদের জন্য সুখবর দিল স্পেন]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/28488</link>
    <pubDate>Fri, 22 May 2026 19:53:52 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/28488</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1366-44.jpg" />    <article>
<p><a href="https://www.reuters.com/business/world-at-work/spain-introduce-job-matching-plan-migrants-granted-legal-status-2026-05-22/">স্পেন অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে প্রায় ৫ লাখ নথিবিহীন </a>অভিবাসী কর্মীকে বৈধ করার একটি কর্মসূচি চালু করতে যাচ্ছে। এর অংশ হিসেবে অভিবাসীদের জন্য উপযুক্ত কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করার পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে বলে দেশটির শীর্ষ অভিবাসন কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>জানুয়ারিতে ঘোষিত এই কর্মসূচিটি স্পেন ও ইউরোপজুড়ে কট্টর ডানপন্থী নেতাদের সমালোচনার মুখে পড়েছে। তবে সমাজতান্ত্রিক নেতৃত্বাধীন জোট সরকার বলছে, জনসংখ্যার গড় বয়স বাড়ার প্রেক্ষাপটে তরুণ শ্রমশক্তি বাড়াতে অভিবাসন স্পেনের অর্থনীতিকে ইউরোপের অন্যান্য দেশের তুলনায় আরো এগিয়ে নিতে সাহায্য করবে।</p>

<p>অভিবাসন বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী পিলার ক্যানসেলা জানান, গত সপ্তাহ পর্যন্ত কর্মসূচির প্রথম মাসেই সরকার দুই লাখের বেশি আবেদন পেয়েছে। তিনি বলেন, এসব আবেদনকারীর অনেককেই প্রক্রিয়াকরণের পর অস্থায়ী কাজের অনুমতিও দেওয়া হয়েছে।</p>
</article>

<article>তার ভাষায়, এটি অভিবাসন ব্যবস্থাপনার একটি &lsquo;বুদ্ধিদীপ্ত পদ্ধতি&rsquo;। এটি ভবিষ্যতে সরকারি সেবা ও পেনশন ব্যবস্থা আরো টেকসই করতে সহায়তা করবে।
<p>&nbsp;</p>

<p>সরকারি হিসাব অনুযায়ী, স্পেনের কল্যাণ রাষ্ট্র টিকিয়ে রাখতে আগামী দশকে সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থায় অবদান রাখা প্রায় ২৪ লাখ অতিরিক্ত কর্মীর প্রয়োজন হবে। ক্যানসেলা আরো বলেন, এনজিও এবং বিশেষায়িত সংস্থার সহযোগিতায় কর্তৃপক্ষ প্রায় ১০ লাখ আবেদন প্রক্রিয়াকরণের জন্য প্রস্তুত রয়েছে।</p>
</article>

<article>পাশাপাশি অভিবাসীদের আনুষ্ঠানিক চাকরি খুঁজে পেতে সহায়তা করার একটি পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>এই কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য হলো গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন খাতে চলমান শ্রম ঘাটতি পূরণ করা এবং হাজার হাজার মানুষকে অনানুষ্ঠানিক কাজের পরিসর থেকে বের করে আনা। অভিবাসন বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী পিলার ক্যানসেলা বলেন, &lsquo;যারা প্রায়ই ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতে কাজ করে আমাদের দেশের উন্নয়নে অবদান রাখছেন, তাদের সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর এটি একটি বড় সুযোগ।&rsquo;</p>

<p>তিনি আরো জানান, আনুষ্ঠানিক চাকরি পাওয়ার মাধ্যমেই অভিবাসীদের সমাজে প্রকৃত একীকরণ সম্ভব হবে। অভিবাসন মন্ত্রণালয় অস্থায়ী কাজের অনুমতি পাওয়া ব্যক্তিদের দক্ষতা ও কর্মক্ষেত্রের আগ্রহ সম্পর্কে জানতে একটি স্বেচ্ছামূলক জরিপ চালানোর পরিকল্পনাও করছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>সরকার নির্মাণ, পর্যটন, পরিবহন ও সেবা খাতের ব্যবসায়িক সংগঠনগুলোর সঙ্গে অংশীদারিত্ব করে শ্রমের চাহিদা মূল্যায়ন এবং কর্মসংস্থান খুঁজতে থাকা নিয়মিত অভিবাসীদের সঙ্গে সমন্বয় করার উদ্যোগ নিয়েছে। তবে এসাডে বিজনেস স্কুলের একটি গবেষণা প্রতিবেদনে সতর্ক করা হয়েছে, ২০০৫ সালে অনুরূপ একটি নিয়মিতকরণ কর্মসূচির ফলে অনানুষ্ঠানিক খাতে কিছু চাকরি স্থানান্তরিত হয়েছিল। এ কারণে প্রতিবেদনে আরো বেশি শ্রম পরিদর্শন এবং আনুষ্ঠানিক কর্মসংস্থানে রূপান্তরকে সহায়তা করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।</p>

<p>এ প্রসঙ্গে পিলার ক্যানসেলা বলেন, এই পরিকল্পনার পাশাপাশি শ্রম পরিদর্শন আরো জোরদার করা হবে। তিনি বলেন, &lsquo;যখন মানুষ নিয়মিতকরণ প্রক্রিয়ায় যুক্ত হবে, তখন আমরা তাদের বাস্তব পরিস্থিতি আরো ভালোভাবে বুঝতে পারব, এটি অনেক অদেখা সমস্যাও সামনে নিয়ে আসবে।&rsquo;</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1366-44.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[যেভাবে মোদিকে ‘টেনশনে’ ফেলল ককরোচ জনতা পার্টি]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28487</link>
    <pubDate>Fri, 22 May 2026 19:53:02 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28487</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1447-33.jpg" />    <article>
<p>মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে &lsquo;ককরোচ জনতা পার্টি&rsquo; (সিজেপি)। প্রধান বিচারপতির এক বিতর্কিত মন্তব্যকে ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে জন্ম নেওয়া এই ব্যঙ্গাত্মক অনলাইন আন্দোলন ইতিমধ্যে ইনস্টাগ্রামে অনুসারীর সংখ্যায় ক্ষমতাসীন বিজেপিকেও ছাড়িয়ে গেছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>তরুণদের হতাশা, বেকারত্ব ও রাজনৈতিক অসন্তোষকে হাস্যরসের ভাষায় তুলে ধরা সিজেপি এখন নরেন্দ্র মোদির সরকার ও বিজেপির জন্য নতুন চাপের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। সিজেপি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দল ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নামের ব্যঙ্গাত্মক অনুকরণ।</p>

<p>গতকাল বৃহস্পতিবার সিজেপির ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টের ফলোয়ার সংখ্যা ১ কোটি ছাড়িয়ে যায়। সংখ্যার দিক থেকে বিজেপির অফিসিয়াল অ্যাকাউন্টকে ছাড়িয়ে যায়।</p>
</article>

<article>বিজেপির ইনস্টাগ্রাম ফলোয়ার সংখ্যা প্রায় ৮.৭ মিলিয়ন। রাজনৈতিক দল না হলেও জনপ্রিয়তার নিরিখে দেশের বড় দলগুলোকে পেছনে ফেলে দিয়েছে এই &lsquo;পার্টি&rsquo;। তবে দুই লাখের বেশি অনুসারী থাকা সত্ত্বেও সিজেপির এক্স অ্যাকাউন্টটি বর্তমানে ভারতে দেখা যাচ্ছে না।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>সিজেপির সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অ্যাকাউন্ট দেখতে গেলে অনেক ব্যবহারকারী একটি বার্তা দেখতে পাচ্ছেন, যেখানে বলা হয়েছে, &lsquo;একটি আইনি সমস্যার কারণে&rsquo; অ্যাকাউন্টটি সাময়িকভাবে সীমিত করা হয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>এদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের মহুয়া মৈত্র, শশী থারুররাও &lsquo;ককরোচ জনতা পার্টির&rsquo; হয়ে মুখ খুলেছেন। এক্স-এ কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সংসদ সদস্য মহুয়া মৈত্র অভিযোগ করে লেখেন, &lsquo;দেশের সরকার যুবসমাজকে এতটাই ভয় পায় যে, একটি অনলাইন আন্দোলনকেও সহ্য করতে পারছে না।&rsquo;</p>

<p>তার মতে, এ ধরনের পরিস্থিতিতে বিরোধী দলগুলোর কাজ আরো কঠিন হয়ে পড়ছে। উল্লেখ্য, মহুয়া মৈত্র নিজেও &lsquo;ককরোচ জনতা পার্টির&rsquo; (সিজেপি) একজন ফলোয়ার। একই ধরনের মন্তব্য করেছেন তৃণমূলের আরেক নেতা শশী পাঁজা।</p>
</article>

<article>তিনি বলেন, &lsquo;তরুণদের মধ্যে যে গভীর হতাশা তৈরি হয়েছে, সিজেপির জনপ্রিয়তা তাই প্রমাণ করে।&rsquo; তার মতে, এই অনলাইন আন্দোলনের এক্স অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়া উচিত নয়।
<p>&nbsp;</p>

<p>সূত্রের খবর অনুযায়ী, কেন্দ্রের নির্দেশেই সিজেপির এক্স অ্যাকাউন্ট বন্ধ করা হয়েছে। ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা আইবির দাবি, এই অ্যাকাউন্টটি জাতীয় নিরাপত্তার জন্য সম্ভাব্যভাবে ঝুঁকিপূর্ণ। তবে সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের দাবি, তাদের পক্ষ থেকে কোনো উসকানিমূলক বা বেআইনি পোস্ট করা হয়নি, বরং বিভিন্ন সামাজিক বিষয় নিয়েই পোস্ট করা হচ্ছিল।<br />
তার প্রশ্ন, যদি কোনো ভুল বা অবৈধ কার্যকলাপ না থাকে, তাহলে কেন এই অ্যাকাউন্টের কার্যক্রম বন্ধ করা হলো। তবে এই প্রশ্নের কোনো স্পষ্ট উত্তর এখনো মেলেনি।</p>

<p>সিজেপির দ্রুত জনপ্রিয়তা এবং অল্প সময়ে বিপুল অনুসারী অর্জন অনেককেই বিস্মিত করেছে। তবে এখন পর্যন্ত এমন কোনো প্রমাণ নেই যে, এই অনলাইন আন্দোলন ভারতের বাস্তব রাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে সক্ষম হয়েছে। যদিও সামাজিক মাধ্যমে সিজেপি ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে, তবুও বিজেপি ও বিরোধী কংগ্রেসের মতো বড় দলগুলো এখনও দেশজুড়ে লাখো সক্রিয় সদস্য নিয়ে প্রধান রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে অবস্থান করছে। তবুও সিজেপির জনপ্রিয়তা ও অনলাইন প্রভাব ক্রমাগত বাড়ছে।&nbsp;</p>

<p><strong>&lsquo;ককরোচ জনতা পার্টি&rsquo; যাত্রা</strong></p>

<p>সাধারণত একগুঁয়ে, অপছন্দনীয় কিন্তু সহজে ধ্বংস না হওয়া প্রাণী হিসেবে পরিচিত তেলাপোকা থেকে অনুপ্রাণিত ভারতের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে &lsquo;ককরোচ জনতা পার্টি&rsquo;। &nbsp;মাত্র পাঁচ দিনেই ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপিকে ইনস্টাগ্রাম ফলোয়ার সংখ্যায় পেছনে ফেলে দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)।</p>

<p>বিতর্কের শুরু হয় গত সপ্তাহে ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের একটি মন্তব্যকে ঘিরে। জাল ডিগ্রি ও বেকারত্ব প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি কিছু যুবককে &lsquo;তেলাপোকা&rsquo; ও &lsquo;পরজীবী&rsquo; বলে উল্লেখ করেন। এর পরপরই সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক ক্ষোভ ও আলোচনা শুরু হয়। অনেক তরুণ ব্যঙ্গাত্মকভাবে নিজেদের &lsquo;তেলাপোকা&rsquo; পরিচয়ে একত্রিত হতে থাকেন, আর সেখান থেকেই &lsquo;ককরোচ জনতা পার্টি&rsquo; নামে এই অনলাইন ব্যঙ্গাত্মক প্ল্যাটফর্মের জন্ম হয়।</p>

<p>সিজেপি কোনো বাস্তব রাজনৈতিক দল নয়। এটি মূলত রাজনৈতিক ব্যঙ্গ ও হাস্যরসের ভিত্তিতে গড়ে ওঠা একটি অনলাইন আন্দোলন। এর মজার সদস্যপদ শর্তের মধ্যে রয়েছে, বেকার হওয়া, অলস হওয়া, সব সময় অনলাইনে থাকা এবং পেশাদারভাবে ক্ষোভ প্রকাশ করতে পারা।</p>

<p>এই ধারণার উদ্যোক্তা অভিজিৎ দীপক রাজনৈতিক যোগাযোগ কৌশলবিদ এবং বর্তমানে বস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। তার ভাষায়, পুরো বিষয়টি প্রথমে শুধুই একটি রসিকতা হিসেবে শুরু হয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার আগে তিনি ভারতের আম আদমি পার্টির (এএপি) সঙ্গে কাজ করেছিলেন। এএপি একটি দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলন থেকে গড়ে ওঠা রাজনৈতিক দল, যা সামাজিক মাধ্যমে সক্রিয় উপস্থিতির জন্য পরিচিত।</p>

<p>তিনি বিবিসি মারাঠিকে বলেছিলেন, &lsquo;আমি ভেবেছিলাম আমাদের সবার একত্রিত হওয়া উচিত, হয়তো শুধু একটা প্ল্যাটফর্ম শুরু করা যায়।&rsquo; &nbsp;এরপর যা ঘটল তা তার প্রত্যাশার চেয়ে অনেক বড় ঘটনা। কয়েক দিনের মধ্যেই সিজেপি একটি গুগল ফর্মের মাধ্যমে হাজার হাজার সদস্য সংগ্রহ করে, #MainBhiCockroach (আমিও একটি তেলাপোকা) হ্যাশট্যাগের অনুপ্রেরণা জোগায় এবং বিরোধী নেতাদের সমর্থন লাভ করে। গত বুধবার শীর্ষ বিরোধী নেতা অখিলেশ যাদব এক্স-এ পোস্ট করে লিখেন, &lsquo;বিজেপি বনাম সিজেপি।&rsquo;</p>

<p>এই আলোচনা অফলাইনেও ছড়িয়ে পড়ে। তরুণ স্বেচ্ছাসেবকরা তেলাপোকার বেশে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও প্রতিবাদ কর্মসূচিতে হাজির হয়। এটি ছিল এই তকমাটিকে নাটকীয়ভাবে গ্রহণ করার একটি চেস্টা।</p>

<p>সিজেপির সমর্থকদের মতে, এটি এমন একটি রাজনৈতিক পরিবেশে &lsquo;তাজা বাতাসের ঝলক&rsquo;, যেখানে অনেকেই মনে করেন মতপ্রকাশের সুযোগ সীমিত এবং ভিন্নমতকে সহজে গ্রহণ করা হয় না। এই উদ্যোগকে সমর্থন করেছেন বিরোধী রাজনীতিক মহুয়া মৈত্র ও কীর্তি আজাদ, পাশাপাশি প্রবীণ আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণও।</p>

<p>তবে সমালোচকদের দাবি, সিজেপি মূলত বিরোধী রাজনীতির সঙ্গে সম্পর্কিত একটি অনলাইন প্রচারণা। তারা এর প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের আম আদমি পার্টির (এএপি) সঙ্গে অতীতের সম্পর্ক তুলে ধরে বলেন, এটি স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলনের চেয়ে বেশি পরিকল্পিত ডিজিটাল রাজনৈতিক উদ্যোগ।</p>

<p>তাৎক্ষণিক রাজনৈতিক বিতর্কের বাইরে, সিজেপি অনেক তরুণ ভারতীয়ের হতাশা ও অসন্তোষের প্রতীক হয়ে উঠেছে। তাদের অভিযোগ, তারা প্রতিদিন সামাজিক মাধ্যমে রাজনীতি দেখলেও নিজেদের মতামত বা স্বার্থের যথেষ্ট প্রতিনিধিত্ব খুঁজে পান না। ভারতের ১৪০ কোটিরও বেশি জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেকের বয়স ৩০ বছরের নিচে। বিশ্বের অন্যতম তরুণ জনগোষ্ঠীর দেশ হওয়া সত্ত্বেও, তরুণদের আনুষ্ঠানিক রাজনৈতিক অংশগ্রহণ এখনও তুলনামূলকভাবে কম।</p>

<p>সাম্প্রতিক একটি জরিপে দেখা গেছে, ২৯ শতাংশ তরুণ কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নেন না এবং মাত্র ১১ শতাংশ কোনো রাজনৈতিক দলের সদস্য। সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের ভাষায়, &lsquo;অনেক মানুষ হতাশ, কারণ তারা মনে করেন তাদের কথা শোনা হচ্ছে না এবং তাদের যথাযথভাবে প্রতিনিধিত্বও করা হচ্ছে না।&rsquo;</p>

<p>বিশ্লেষকদের মতে, এই অসন্তোষ শুধু ভারতে নয়, পুরো দক্ষিণ এশিয়াতেই দেখা যাচ্ছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে শ্রীলঙ্কা, নেপাল ও বাংলাদেশে তরুণদের নেতৃত্বে বড় বিক্ষোভ হয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে সরকার পরিবর্তনের পথও তৈরি করেছে। এসব আন্দোলনের পেছনে প্রধান কারণ ছিল কর্মসংস্থানের সংকট, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা।</p>

<p>ভারত এখনো শ্রীলঙ্কা বা নেপালের মতো বড় রাজনৈতিক অস্থিরতার মুখোমুখি হয়নি। তবে যেসব কারণে সেখানে তরুণদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছিল, তার অনেকগুলোই ভারতে বিদ্যমান বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা। দেশের অর্থনীতি দ্রুত বাড়লেও কর্মসংস্থান, আয়-বৈষম্য এবং ক্রমবর্ধমান জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে উদ্বেগ কমেনি। অনেক তরুণের কাছে উচ্চশিক্ষা আর নিশ্চিত চাকরি বা স্থিতিশীল জীবনের নিশ্চয়তা দিতে পারছে না। ফলে সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নতির স্বপ্নও আগের তুলনায় অনিশ্চিত মনে হচ্ছে।</p>

<p>সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে অবশ্য নেপাল বা শ্রীলঙ্কার রাজনৈতিক সংকটের সঙ্গে ভারতের তুলনা করতে রাজি নন। তার মতে, ভারতের পরিস্থিতি আলাদা। তবে তিনি স্বীকার করেন যে তরুণদের মধ্যে হতাশা বাস্তব এবং সেটি এখন মূলত সামাজিক মাধ্যম ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে প্রকাশ পাচ্ছে।</p>

<p>দীপকে বলেন, &lsquo;জেনারেশন জেড বা জেন জি প্রচলিত রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর আস্থা হারাচ্ছে। তারা নিজেদের ভাষা ও সংস্কৃতির সঙ্গে মানানসই নতুন ধরনের রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম গড়ে তুলতে চায়।&rsquo;</p>

<p>সিজেপির ওয়েবসাইটও তাদের ভিন্নধর্মী চিন্তার পরিচয় দিয়েছে। এটি কোনো প্রচলিত রাজনৈতিক দলের ইশতেহারের মতো নয়, বরং মিম, ইন্টারনেট সংস্কৃতি ও হাস্যরসের মিশ্রণে তৈরি একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্ম। নিজেদের তারা &lsquo;অলস ও বেকারদের কণ্ঠস্বর&rsquo; বলে পরিচয় দেয় এবং এমন মানুষদের আন্দোলনে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানায়, যারা সবকিছু স্বাভাবিক বলে দেখানোর সংস্কৃতিতে বিরক্ত।</p>

<p>ওয়েবসাইটটির নকশা ও ভাষাও ইচ্ছাকৃতভাবে ব্যঙ্গাত্মক ও অনানুষ্ঠানিক। কার্টুনধর্মী ছবি, অগোছালো ডিজাইন এবং মজার ভাষার কারণে এটি কোনো রাজনৈতিক সংগঠনের চেয়ে বন্ধুদের মধ্যে চলা একটি রসিকতার মতো মনে হয়। তবে হাস্যরসের আড়ালে সিজেপির কিছু রাজনৈতিক দাবিও রয়েছে। তারা জবাবদিহিতা বৃদ্ধি, গণমাধ্যমে সংস্কার, নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা এবং নারীদের রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বাড়ানোর কথা বলছে। পাশাপাশি বেকারত্ব, সামাজিক মাধ্যমে অতিরিক্ত সময় কাটানো এবং রাজনৈতিক ক্লান্তি নিয়েও আত্মবিদ্রূপমূলক মন্তব্য করছে।</p>

<p>বিশ্লেষকদের মতে, ব্যঙ্গ ও বাস্তবতার এই মিশ্রণই সিজেপির জনপ্রিয়তার মূল কারণ। কারণ এর পেছনে রয়েছে চাকরির সংকট, বৈষম্য, দুর্নীতি এবং রাজনীতি থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ার মতো বাস্তব সমস্যার প্রতিফলন। অনেকের মতে, তেলাপোকাকে প্রতীক হিসেবে বেছে নেওয়াও তাৎপর্যপূর্ণ। এটি কোনো বীরত্বের প্রতীক নয়, বরং প্রতিকূল পরিবেশেও টিকে থাকা, মানিয়ে নেওয়া এবং সহজে হার না মানার প্রতীক।</p>

<p>রাজনীতি ও হাস্যরসের এই মিশ্রণ অবশ্য নতুন নয়। ভারতে দীর্ঘদিন ধরেই রাজনীতিবিদরা জনদৃষ্টি আকর্ষণে নানা নাটকীয় কৌশল ব্যবহার করে আসছেন। একইভাবে সামাজিক মাধ্যমভিত্তিক রাজনৈতিক প্রচারণাও এখন ভাইরাল ভিডিও ও আকর্ষণীয় স্লোগানের ওপর অনেকটাই নির্ভরশীল। এই প্রেক্ষাপটে তেলাপোকাকে প্রতীক করে গড়ে ওঠা একটি অনলাইন রাজনৈতিক আন্দোলনের জনপ্রিয় হওয়া খুব একটা বিস্ময়কর নয়।&nbsp;</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1447-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[হন্ডুরাসে বন্দুকধারীদের হামলায় ৬ পুলিশ কর্মকর্তাসহ নিহত ২৫]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28486</link>
    <pubDate>Fri, 22 May 2026 19:52:10 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28486</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1484-22.jpg" />    <article>
<p>হন্ডুরাসে বন্দুকধারীদের পৃথক হামলায় অন্তত ২৫ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ছয়জন পুলিশ কর্মকর্তা রয়েছেন।</p>
</article>

<article>স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার সংঘটিত এই ঘটনাগুলো দেশটির সাম্প্রতিক বছরের অন্যতম রক্তক্ষয়ী দিন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সংঘবদ্ধ অপরাধ ও সহিংসতা দমনে সরকারের চলমান অভিযান সত্ত্বেও এসব হামলা ঘটেছে, যা দেশটির নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>দেশটির উত্তরাঞ্চলের ত্রুহিলো পৌর এলাকায় একটি পাম চাষের বাগানে হামলা চালিয়ে বন্দুকধারীরা ১৯ জনকে হত্যা করে। স্থানীয় একটি গ্রামীণ সংগঠনের নেতা এএফপিকে জানান, নিহতরা ওই এলাকায় সক্রিয় একটি সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্য ছিলেন।</p>
</article>

<article>তবে স্থানীয় গণমাধ্যমের দাবি, হামলাকারীরা বাগানের শ্রমিকদের লক্ষ্য করে নির্বিচারে গুলি চালায়। নিহতদের মধ্যে ৬১ বছর বয়সি একজনও ছিলেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, কাজের জন্য ব্যবহৃত রাবারের বুট পরা কয়েকজনের মরদেহ বাগানের বাইরে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়ে আছে। অন্যদিকে, গুয়াতেমালা সীমান্তসংলগ্ন পশ্চিমাঞ্চলের ওমোয়া এলাকায় আরেকটি হামলায় ছয় পুলিশ সদস্য নিহত হন।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>পুলিশ জানায়, তারা গ্যাং দমনের একটি অভিযানে অংশ নিতে সেখানে গিয়েছিলেন। কিন্তু পথে সশস্ত্র হামলাকারীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।</p>

<p>দুটি হামলার পর জাতীয় পুলিশ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে দ্রুত বিশেষ অভিযান চালানো হবে। একই সঙ্গে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার, ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং ভুক্তভোগীদের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করেছে সরকার।</p>

<p>হন্ডুরাস দীর্ঘদিন ধরেই গ্যাং সহিংসতা ও সংঘবদ্ধ অপরাধ দমনে সংগ্রাম করছে।</p>
</article>

<article>২০২২ সালে জারি করা জরুরি অবস্থা চলতি বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত দেশের বহু এলাকায় কার্যকর ছিল। তবে ডানপন্থী প্রেসিডেন্ট নাসরি &lsquo;টিটো&rsquo; আসফুরা ক্ষমতা গ্রহণের পর সেই জরুরি অবস্থা তুলে নেওয়া হয়।
<p>&nbsp;</p>

<p>সাম্প্রতিক হামলাগুলো দেশটির নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে। একই সঙ্গে কঠোর নিরাপত্তা নীতির কারণে নাগরিক স্বাধীনতা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কাও বাড়ছে। সম্প্রতি পাস হওয়া নতুন আইনে সরকার গ্যাং ও মাদক চক্রগুলোকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করতে পারবে। পাশাপাশি সংঘবদ্ধ অপরাধ মোকাবেলায় একটি নতুন বিশেষ ইউনিটও গঠন করা হয়েছে।</p>

<p>ত্রুহিলোর হামলাটি আগুয়ান নদী উপত্যকার কাছে ঘটেছে। এই এলাকায় মাদক পাচার ও পাম তেল ব্যবসার সঙ্গে জড়িত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে কয়েক দশক ধরে জমি নিয়ে সংঘর্ষ চলছে।</p>

<p>ত্রুহিলোর পুলিশপ্রধান কার্লোস রোহাস স্থানীয় গণমাধ্যমকে জানান, এসব গোষ্ঠী অবৈধভাবে বড় বড় আফ্রিকান পাম বাগান দখল করে রেখেছে এবং সেখান থেকে আয় করা অর্থ দিয়ে অস্ত্র সংগ্রহ করছে।</p>

<p>তবে স্থানীয় কৃষক সংগঠনগুলোর অভিযোগ, বহুজাতিক কৃষি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোই এসব অপরাধী গোষ্ঠীকে সমর্থন দেয়, যাতে তারা জমি দখল করে রাখতে পারে এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের বিতর্কিত জমি পুনরুদ্ধার করতে বাধা দিতে পারে।</p>

<p>রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, এই অঞ্চলে গত কয়েক বছরে ১৫০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত বা নিখোঁজ হয়েছেন।</p>

<p>বিশেষ করে পরিবেশ ও ভূমি অধিকারকর্মীরা প্রায়ই হামলার শিকার হন। বিশ্বের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর একটি হিসেবে পরিচিত হন্ডুরাসে সম্প্রতি ২০২৪ সালে এক প্রভাবশালী পরিবেশকর্মীকে হত্যার ষড়যন্ত্রের অভিযোগে একজন মেয়রসহ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।<br />
&nbsp;</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1484-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[শৈশবে আপত্তিকর স্পর্শের শিকার হয়েছিলেন উর্বী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/28485</link>
    <pubDate>Fri, 22 May 2026 19:51:19 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/28485</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1583-11.jpg" />    <article>
<p>শৈশবের এক ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা প্রকাশ করেছেন অভিনেত্রী প্রিয়ন্তী উর্বী। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক আবেগঘন পোস্টে তিনি জানিয়েছেন, ছোটবেলায় আপত্তিকর স্পর্শের শিকার হয়েছিলেন, সেই স্মৃতি আজও তাঁকে মানসিকভাবে নাড়া দেয়।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>সম্প্রতি রাজধানীর পল্লবীতে আট বছর বয়সী এক কন্যাশিশুকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় দেশজুড়ে ক্ষোভ ও প্রতিবাদ চলছে। বিভিন্ন অঙ্গনের মানুষের মতো অনেক তারকাও এ ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। আর সেই প্রসঙ্গেই নিজের শৈশবের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন উর্বী।</p>

<p>ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, &lsquo;কিছু ঘটনা মানুষ ভুলে যায় না, শুধু চুপ করে বাঁচতে শিখে।</p>
</article>

<article>আমিও শিখেছিলাম। তাই নিজেকে সব সময় ব্যস্ত রাখি, যেন মাথার ভেতরের শব্দগুলো একটু শান্ত হয়।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি আরো লেখেন, &lsquo;কিন্তু যখনই কোনো শিশুর অ্যাবিউজ কিংবা রেপের খবর দেখি, আমি ভেতর থেকে ভেঙে পড়ি। কারণ, ছোটবেলায় আমিও ইনঅ্যাপ্রোপিয়েট টাচ (আপত্তিকর স্পর্শ) এর শিকার হয়েছিলাম।</p>
</article>

<article>&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>শৈশবের সেই ঘটনার কথা স্মরণ করে অভিনেত্রী বলেন, &lsquo;তখন বুঝতাম না, ঠিক কী হচ্ছে, শুধু মনে হতো, এটা স্বাভাবিক না। আব্বু-আম্মু তো কখনো এভাবে ধরেনি। আজ ভাবি, ৪-৫ বছরের একটা বাচ্চার মনে কতটা ভয় ঢুকে যায় এসব থেকে। কত প্রশ্ন, কত অস্বস্তি, কত-না বলা কান্না জমে থাকে বছরের পর বছর।&rsquo;</p>

<p>উর্বীর কথায়, এমন অভিজ্ঞতা একটি শিশুর নিরাপত্তাবোধ ও মানসিক বিকাশে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলে।</p>
</article>

<article>তাই ধর্ষণ ও নির্যাতনের মতো অপরাধের কঠোর বিচার হওয়া জরুরি বলেও মনে করেন তিনি।
<p>&nbsp;</p>

<p><img alt="No photo description available." src="https://scontent.fdac174-1.fna.fbcdn.net/v/t39.30808-6/517410811_3109999009155132_4706790965504636056_n.jpg?stp=cp6_dst-jpg_tt6&amp;_nc_cat=106&amp;ccb=1-7&amp;_nc_sid=f727a1&amp;_nc_eui2=AeHmFQXbAjWlxMohNbd_a3cC7bvVC3FsAy3tu9ULcWwDLZGpiDf3GhDKJfRoAvVkuH55EoBUPkgCgE-b88gvTOHL&amp;_nc_ohc=HCCq5GDrUyQQ7kNvwEexUL8&amp;_nc_oc=Adqa7wWRy1mwUO9LDLixX-BQTwByHkEomTC91pC-MbbgkVOSwwbjAvRuxX-uUSja8Is&amp;_nc_zt=23&amp;_nc_ht=scontent.fdac174-1.fna&amp;_nc_gid=D5rtlZm39cRebKBiCO9s7g&amp;_nc_ss=7a2a8&amp;oh=00_Af45Uvtp3b-ss4K2gieCHNdtFhr3VotCtnsU8BD_yp54Fw&amp;oe=6A15D9B0" /></p>

<p>পোস্টে তিনি লিখেছেন, &lsquo;আমি আজও বিশ্বাস করি রেপিস্ট আর অ্যাবিউজারদের কঠিন শাস্তি হওয়া উচিত। কারণ, তারা শুধু একটা মানুষকে না, একটা শিশুর নিরাপত্তাবোধ, বিশ্বাস আর শৈশবকে মেরে ফেলে। আর একটা জিনিস আমি খুব বিশ্বাস করি, মানুষের কর্মের ফল একদিন না একদিন এই পৃথিবীতেই ফিরে আসে। আল্লাহ সব দেখেন।&rsquo;</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1583-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার চার্জশিট রোববার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28484</link>
    <pubDate>Fri, 22 May 2026 08:53:34 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28484</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/913-1.jpg" />    <p>রাজধানীর পল্লবীতে হত্যাকাণ্ডের শিকার সাত বছরের শিশু রামিসার বাসায় গিয়ে পরিবারকে সমবেদনা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এসময় রামিসার বড় বোনের ভবিষ্যতের দায়িত্ব নেন তিনি।</p>

<p>বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাত ১০টার দিকে রাজধানীর মিরপুর-১১ নম্বরের বাসায় পৌঁছান তিনি। এসময় উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকসহ আরও অনেকে।</p>

<p>রামিসার বাসা থেকে বের হয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। আগামী রোববার এ হত্যাকাণ্ডের চার্জশিট দেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।&nbsp;</p>

<p>এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী এসেছিলেন। মা, বাবা এবং তার বড় বোন উপস্থিত ছিলেন, সান্ত্বনা দিয়েছেন। আমরা আশ্বস্ত করেছি, পুলিশ ডিপার্টমেন্ট দ্রুততার সঙ্গে আসামিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে। আসামি ১৬৪ ধারায় তার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী করেছে। ​এখন চার্জশিট দেওয়ার পালা। চার্জশিট দেওয়ার আগে ডিএনএ টেস্টটা করতে হবে। ডিএনএ টেস্টের জন্য আমাদের সিআইডি ল্যাবে অলরেডি আদালতের অনুমতি নিয়ে চেষ্টা চলছে। ডিএনএ টেস্টের নিয়ম হচ্ছে যে ৪৮ ঘণ্টা সময় লাগে, যেহেতু এটা বৈজ্ঞানিক বিষয়। সেটা শেষ হবে রোববারের দুপুরের মধ্যে। আমরা রোববারের মধ্যে ইনশাআল্লাহ আদালতে চার্জশিট দাখিল করতে পারব এবং তারপর অত্যন্ত দ্রুততম সময়ের মধ্যে যাতে বিচার কার্য নিষ্পন্ন হয় সেজন্য আমরা চেষ্টা করব, যাতে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা যায় সেজন্য আমাদের পক্ষ থেকে চেষ্টা থাকবে।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী আশ্বস্ত করেছেন, রামিসার বড় বোন&mdash;তার জীবনের সব পড়াশোনার খরচ এবং তার অন্যান্য আনুষঙ্গিক ব্যয় সবকিছু উনি বহন করবেন। এবং রামিসার মা-বাবা এবং রামিসার বড় বোনের জন্য একটা আশ্রয়স্থল&mdash;তারা নিরাপত্তা চেয়েছেন, সেটা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ব্যবস্থা করবেন। ​আমরা এরকম জঘন্যতম অপরাধে, শিশু ধর্ষণ অথবা শুধুমাত্র শিশু ধর্ষণ যাই হোক, এই সমস্ত অপরাধের ক্ষেত্রে যাতে খুব দ্রুততার সাথে এবং সংক্ষিপ্ত সময়ে চার্জশিট দেওয়া যায় এবং বিচারকার্য সম্পন্ন করা যায়&mdash;সেজন্য যদি আইনে আরো কিছু পরিবর্তন আনতে হয়, সে বিষয়ে আইনমন্ত্রী এখানে আছেন, তিনি আজকে কথা দিয়েছেন। ক্যাবিনেট মিটিংয়েও আমাদের এটা আলোচনা হয়েছে। তিনি সেই বিষয়ে আইনি সংস্কারও সাধন করবেন। যেখানে প্রয়োজনীয় সংশোধনের দরকার সেটা আমরা করব। এইভাবে আমরা দেশে এরকম জঘন্যতম অপরাধ যাতে পুনরাবৃত্তি না হয়, সেজন্য চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ।</p>

<p>এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্টমন্ত্রী বলেন, পরিবার চেয়েছে সুষ্ঠু ন্যায়বিচার, দ্রুততম সময়ের মধ্যে&mdash;সেটা পরিবারের এক নম্বর চাওয়া এবং সেটাই স্বাভাবিক। তারপরে তার যে অন্য কন্যা সন্তান আছে, সে যাতে নিরাপদে থাকতে পারে, পড়াশোনা করতে পারে, উন্নত জীবন পায়&mdash;সেজন্য সহায়তা চেয়েছেন। সেটা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ব্যবস্থা করবেন। গ্রেফতার এবং আমাদের আইনি পদক্ষেপ গুলোতে এখন পর্যন্ত তারা সন্তুষ্ট।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/913-1.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের সভা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28483</link>
    <pubDate>Fri, 22 May 2026 08:52:37 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28483</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/772-99.jpg" />    <article>
<p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>বৃহস্পতিবার (২১ মে) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে এ সভা শুরু হয়।</p>

<p>সভায় সরকারের বিভিন্ন প্রশাসনিক ও নীতিনির্ধারণী বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/772-99.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[রামিসার খালি বেঞ্চ দেখে বাবার আহাজারি, কান্নায় ভেঙে পড়ল সহপাঠীরাও]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28482</link>
    <pubDate>Fri, 22 May 2026 08:51:44 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28482</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/963-88.jpg" />    <p>চিরতরে মাটির নিচে ঘুমিয়ে পড়েছে ছোট্ট রামিসা। কিন্তু বাবা আবদুল হান্নান মোল্লার হৃদয় এখনো মেনে নিতে পারছে না মেয়ের না-ফেরার নির্মম বাস্তবতা। প্রিয় কন্যাকে দাফন করে বৃহস্পতিবার (২১ মে) ঢাকায় ফিরে তিনি ছুটে যান মিরপুরের পপুলার মডেল স্কুলে। দ্বিতীয় শ্রেণির সেই পরিচিত শ্রেণিকক্ষে ঢুকে ছোট ছোট সহপাঠীদের ভিড়ে যেন বারবার নিজের মেয়েকেই খুঁজছিলেন তিনি।</p>

<p>ছোট ছোট শিক্ষার্থীদের দেখে হাউমাউ করে কেঁদে ওঠেন বাবা। তার কান্নায় অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়ে রামিসার সহপাঠীরাও।</p>

<p>রাজধানীর পল্লবীতে ৮ বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে গত মঙ্গলবার হত্যা করা হয়। গ্রেফতার আসামি সোহেল রানার জবানবন্দি অনুযায়ী, হত্যার আগে রামিসাকে ধর্ষণ করা হয়।</p>

<p>গত বুধবার রাত ৯টার দিকে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদীখান উপজেলার ইছাপুরা ইউনিয়নের মধ্যম শিয়ালদী গ্রামে এশার নামাজ শেষে রামিসার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে পারিবারিক কবরস্থানে দাদা-দাদির কবরের পাশে তাকে দাফন করা হয়।</p>

<p>মেয়েকে শেষ বিদায় জানিয়ে ঢাকায় ফিরে বৃহস্পতিবার রামিসার স্কুলে যান বাবা আবদুল হান্নান মোল্লা। পপুলার মডেল স্কুলে গিয়ে কিছু সময় কাটান মেয়ের সহপাঠীদের সঙ্গে। কিন্তু শ্রেণিকক্ষে রামিসার খালি জায়গা আর ছোট্ট বন্ধুদের মুখ দেখে আর নিজেকে ধরে রাখতে পারেননি তিনি। বুকফাটা কান্নায় ভেঙে পড়েন অসহায় এই বাবা। তার কান্না ছুঁয়ে যায় শিশু সহপাঠীদেরও&mdash; তারাও বাবাকে ঘিরে ধরে অঝোরে কাঁদতে থাকে।</p>

<p>এর আগে বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে বিচারব্যবস্থার প্রতি তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করতে দেখা যায় রামিসার বাবা আবদুল হান্নান মোল্লাকে। কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, নিজের মেয়ের হত্যার বিচারও আর চান না তিনি। তার ভাষায়, &lsquo;আমি বিচার চাই না, কারণ আপনারা বিচার করতে পারবেন না। আপনাদের বিচার করার কোনো রেকর্ড নেই।&rsquo;</p>

<p>তিনি আরও বলেন, আপনারা বিচার করতে পারবেন না। আমার মেয়েও আর ফিরে আসবে না। আপনাদের বিচারের কোনো উদাহরণ নেই। এটা বড়জোর ১৫ দিন চলবে, আবার কোনো ঘটনা ঘটবে। এরপর এটা ধামাচাপা পড়ে যাবে।</p>

<p>রামিসা হত্যাকাণ্ডে মামলা করেছেন তার বাবা। ঘটনার দিন সন্ধ্যায় সোহেল রানাকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরদিন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাঈদের আদালতে তিনি ধর্ষণ ও হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।</p>

<p>এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে ঢাকার আরেক মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আশরাফুল হকের আদালত কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।</p>

<p>সোহেল রানাকে জিজ্ঞাসাবাদের সঙ্গে জড়িত পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার সময় ঘরের একটি কক্ষে স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটকে রেখেছিলেন সোহেল। পরে মরদেহ টুকরা করে গুমের প্রস্তুতির সময় রামিসার স্বজন ও প্রতিবেশীরা দরজা ভেঙে ঘরের ভেতরে ঢুকে পড়েন। এ সময় জানালার গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যান সোহেল ও তার আরেক সহযোগী। পরে স্থানীয়রা স্বপ্নাকে আটক করে পুলিশের হাতে তুল দেন।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/963-88.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[শিশু রামিসার বড় বোনের দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28481</link>
    <pubDate>Fri, 22 May 2026 08:51:02 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28481</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1087-77.jpg" />    <article>
<article>
<p>রাজধানীর পল্লবীতে ধর্ষণের পর হত্যার শিকার সাত বছরের শিশু রামিসার বাসায় গিয়ে পরিবারকে সমবেদনা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এসময় রামিসার বড় বোনের ভবিষ্যতের দায়িত্ব নেন তিনি।</p>
</article>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাত ১০টার দিকে রাজধানীর মিরপুর-১১ নম্বরের বাসায় পৌঁছান তিনি। এসময় উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকসহ আরও অনেকে।</p>

<p>প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেসসচিব আতিকুর রহমান রুমন প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাতের বিস্তারিত তুলে ধরে বলেন, &lsquo;রামিসার বাবার হাতে প্রধানমন্ত্রী অর্থ সহযোগিতা তুলে দেন।&rsquo;&nbsp;</p>

<p>রামিসার বড় বোন রাইসা আক্তারের লেখাপড়া এবং ভবিষ্যৎ দায়িত্বভার প্রধানমন্ত্রী নিয়েছেন বলে তাঁর প্রেস উইং জানিয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>গত মঙ্গলবার সকালে মিরপুরের পল্লবীর একটি ফ্ল্যাটের খাটের নিচ থেকে রামিসার মস্তকবিহীন দেহ এবং পরে বাথরুম থেকে খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পল্লবী থানায় একটি হত্যা মামলা করা হয়।</p>

<p>পুলিশ প্রথমে প্রধান আসামি সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করে। পরে মূল অভিযুক্ত সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়।</p>
</article>

<article>গ্রেপ্তারের পর শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার বিষয়ে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন ঘাতক সোহেল রানা।
<p>&nbsp;</p>

<p>পুলিশ জানায়, সকালে রামিসা বাসা থেকে বের হওয়ার পর সন্দেহভাজন সোহেল রানা তাকে নিজের কক্ষে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের পর হত্যা করেন। পরে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ খাটের নিচ থেকে উদ্ধার করা হয় এবং বাথরুমে রাখা একটি বালতির ভেতর থেকে তার বিচ্ছিন্ন মাথা উদ্ধার করা হয়।</p>

<p>পুলিশ আরো জানায়, স্থানীয় লোকজন অভিযুক্তের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করলেও সোহেল রানা জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যান। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1087-77.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[শিশু ধর্ষণের অভিযোগ : রণক্ষেত্র চট্টগ্রাম, পুলিশের গাড়িতে আগুন]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/bangladesh/28480</link>
    <pubDate>Fri, 22 May 2026 08:50:09 +0600</pubDate>
    <category> সারাবাংলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/bangladesh/28480</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1202-66.jpg" />    <article>
<p>চট্টগ্রামে শিশু ধর্ষণের অভিযোগকে কেন্দ্র করে বিক্ষুব্ধ জনতার সঙ্গে পুলিশের কয়েক দফা সংঘর্ষ হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত চলা এ সংঘর্ষে দুই সাংবাদিকসহ অন্তত ২৩ জন আহত হয়েছেন।</p>
</article>

<article>এসময় উত্তেজিত জনতা পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়।
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্র জানায়, রাতে চট্টগ্রামের একটি এলাকায় স্থানীয়রা শিশু ধর্ষণের ঘটনার প্রতিবাদে জড়ো হন। একপর্যায়ে তাদের সঙ্গে পুলিশের উত্তেজনা তৈরি হলে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। পরে পরিস্থিতি চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক পর্যন্ত বিস্তৃত হয়।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>সংঘর্ষ চলাকালে বিক্ষুব্ধ জনতা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ার শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ছোড়ে। এ সময় গুলিতে দুই সাংবাদিকসহ তিনজন আহত হন। এ ছাড়া থেমে থেমে সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনায় আরও অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পরে র&zwnj;্যাব ও আর্মড পুলিশের অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।</p>

<p>এদিকে রাত ১১টার দিকে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে আহত সাংবাদিকসহ অন্যদের খোঁজখবর নেন।</p>

<p>শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1202-66.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নেপালের দিক থেকে এক দিনে এভারেস্ট জয়ের রেকর্ড করলেন ২৭৪ পর্বতারোহী]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28479</link>
    <pubDate>Fri, 22 May 2026 08:49:10 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28479</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1299-55.jpg" />    <article>
<p><a href="https://www.internazionale.it/ultime-notizie-reuters/2026/05/21/record-274-climbers-scale-mount-everest-in-a-single-day-from-nepali-side-2">নেপালের দিক থেকে এক দিনে</a> সবচেয়ে বেশিসংখ্যক পর্বতারোহী এভারেস্ট জয় করার নতুন রেকর্ড তৈরি করেছে। একসঙ্গে ২৭৪ জন পর্বতারোহী বুধবার বিশ্বের সর্বোচ্চ এই পর্বতচূড়ায় পৌঁছেছেন।</p>
</article>

<article>নেপালের এক পর্বতারোহণ কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>আট হাজার ৮৪৯ মিটার বা ২৯ হাজার ৩২ ফুট উচ্চতার মাউন্ট এভারেস্ট নেপাল ও চীনের তিব্বত অঞ্চলের সীমান্তে অবস্থিত। দুই দিক থেকেই এই পর্বতে ওঠা যায়। তবে এ বছর তিব্বতের দিক থেকে কোনো পর্বতারোহী এভারেস্টে উঠতে পারেননি।</p>
</article>

<article>কারণ চীনা কর্তৃপক্ষ সেই পথে পর্বতারোহণের অনুমতি দেয়নি।
<p>&nbsp;</p>

<p>নেপালের পর্বতারোহণ কর্মকর্তা ঋষি ভান্ডারি বৃহস্পতিবার জানান, এর আগে নেপালের দিক থেকে এক দিনে সবচেয়ে বেশি ২২৩ জন পর্বতারোহী এভারেস্ট জয় করেছিলেন। সেই রেকর্ড হয়েছিল ২০১৯ সালের ২২ মে।</p>

<p>অন্যদিকে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের তথ্য অনুযায়ী, দুই দিক মিলিয়ে এভারেস্টে সবচেয়ে বেশি মানুষ ওঠার রেকর্ড তৈরি হয়েছিল ২০১৯ সালের ২৩ মে।</p>
</article>

<article>সেদিন মোট ৩৫৪ জন পর্বতারোহী একসঙ্গে চূড়ায় পৌঁছেছিলেন।
<p>&nbsp;</p>

<p>ঋষি ভান্ডারি বলেন, &lsquo;নেপালের দিক থেকে এক দিনে এটাই এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি পর্বতারোহীর সংখ্যা।&rsquo; তবে তিনি জানান, এই সংখ্যা আরো বাড়তে পারে। কারণ অনেক পর্বতারোহী এখনো বেস ক্যাম্পে নিজেদের সফলভাবে চূড়ায় ওঠার তথ্য পাঠাননি।</p>

<p>তিনি আরো বলেন, সাধারণত এপ্রিল ও মে মাসের পর্বতারোহণ মৌসুমে তিব্বতের দিক থেকেও প্রায় ১০০ জন এভারেস্টে ওঠার চেষ্টা করেন।</p>
</article>

<article>কিন্তু এবার সেই পথ বন্ধ থাকায় সব চাপ নেপালের দিকেই পড়েছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>এদিকে এক দিনে এত বেশি মানুষ এভারেস্টে ওঠায় আবারও ভিড় ও নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।</p>

<p>নেপালের পর্যটন বিভাগের কর্মকর্তা হিমাল গৌতম বলেন, প্রাথমিকভাবে তারা জানতে পেরেছেন বুধবার ২৫০ জনের বেশি মানুষ চূড়ায় উঠেছেন। তবে সঠিক সংখ্যা নিশ্চিত করতে সময় লাগবে।</p>

<p>তিনি বলেন, &lsquo;পর্বতারোহীরা ফিরে এসে ছবি ও অন্যান্য প্রমাণ জমা দেন। এরপর তাদের চূড়ায় ওঠা নিশ্চিত করা হয় এবং সনদ দেওয়া হয়। তখনই আমরা চূড়ান্ত সংখ্যা জানাতে পারব।&rsquo;</p>

<p>এ বছর এভারেস্টে ওঠার জন্য নেপাল সরকার ৪৯৪টি অনুমতি দিয়েছে। প্রতিটি অনুমতির মূল্য ১৫ হাজার মার্কিন ডলার।</p>

<p>অনেক পর্বতারোহণ বিশেষজ্ঞ দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছেন, নেপাল সরকার খুব বেশি মানুষকে এভারেস্টে ওঠার অনুমতি দেয়। এতে পাহাড়ে ভয়াবহ ভিড় তৈরি হয়। বিশেষ করে চূড়ার কাছাকাছি &lsquo;ডেথ জোন&rsquo; বা মৃত্যু অঞ্চলে দীর্ঘ লাইন দেখা যায়।</p>

<p>এই অঞ্চলকে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ধরা হয়। কারণ সেখানে বাতাসে অক্সিজেনের পরিমাণ খুব কম থাকে। ফলে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হলে প্রাণহানির ঝুঁকি বেড়ে যায়।</p>

<p>নেপাল সরকারও স্বীকার করেছে যে অতিরিক্ত ভিড় এবং অনভিজ্ঞ পর্বতারোহীদের কারণে দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়ছে। এ জন্য তারা এখন আরো কঠোর নিয়ম এবং বেশি ফি চালু করেছে।</p>

<p>অস্ট্রিয়ার অভিযান পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ফুরতেনবাচ অ্যাডভেঞ্চার্স-এর আয়োজক লুকাস ফুরতেনবাচ বলেন, পর্যাপ্ত প্রস্তুতি এবং সঠিক ব্যবস্থাপনা থাকলে বেশি 0মানুষ থাকা বড় সমস্যা নয়।</p>

<p>তিনি বলেন, &lsquo;আমাদের দলগুলো মূল ভিড়ের পেছনে ছিল। তাই আমরা কোনো বড় সমস্যার মুখে পড়িনি।&rsquo;&nbsp;</p>

<p>বর্তমানে তার প্রতিষ্ঠানের ৪০ জন পর্বতারোহী বিভিন্ন ক্যাম্পে অবস্থান করছেন বলেও জানান তিনি।</p>

<p>বেস ক্যাম্প থেকে তিনি আরো বলেন, &lsquo;দলগুলোর কাছে পর্যাপ্ত অক্সিজেন থাকলে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব। ইউরোপের আল্পস অঞ্চলের অনেক পাহাড়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ ওঠেন। সেই তুলনায় এভারেস্টে ২৭৪ জন খুব বেশি নয়।&rsquo;</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1299-55.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে : ডোনাল্ড ট্রাম্প]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28478</link>
    <pubDate>Fri, 22 May 2026 08:48:22 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28478</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1365-44.jpg" />    <article>
<p>জাহাজ চলাচলের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও কৌশলগত জলপথ &lsquo;হরমুজ প্রণালি&rsquo; সম্পূর্ণভাবে যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। খবর আল জাজিরা</p>

<p>স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২১ মে) হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই দাবি করেন।</p>
</article>

<article>এ সময় হরমুজ প্রণালিতে ইরানের টোল (শুল্ক) আরোপের প্রচেষ্টা নিয়ে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়ে দেন, এটি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।
<p>&nbsp;</p>

<p>মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, হরমুজ প্রণালি একটি আন্তর্জাতিক জলসীমা। সেখানে কোনো একক দেশের টোল আদায় বা একক কর্তৃত্ব খাটানো একেবারেই গ্রহণযোগ্য নয়।</p>

<p>চলতি বছরের গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সংঘাত শুরু হওয়ার পরপরই হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয় ইরান।</p>
</article>

<article>মধ্যপ্রাচ্যের তেল পরিবহনের অন্যতম প্রধান এই রুটটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর থেকে সেখানে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল প্রায় পুরোপুরি স্থবির হয়ে পড়েছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ট্রাম্পের এই মন্তব্যের পর ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার বিদ্যমান উত্তেজনা আরও নতুন মাত্রা পেতে পারে। বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেল সরবরাহের অন্যতম প্রধান মাধ্যম হওয়ায় এই প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই পরাশক্তিগুলোর মধ্যে টানাপোড়েন চলছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1365-44.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[রামিসাকে নিয়ে সাকিবের আবেগঘন পোস্ট]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/28477</link>
    <pubDate>Fri, 22 May 2026 08:47:38 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/28477</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1446-33.jpg" />    <article>
<p>রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারের হত্যার ঘটনা প্রত্যেক মানুষের হৃদয়কে নাড়া দিয়েছে। এমন নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনা স্তব্ধ করে দিয়েছে সাকিব আল হাসানকে।</p>
</article>

<article>৭ বছরের শিশু রামিসাকে নিয়ে আজ আবেগঘন পোস্ট দিয়েছেন সাবেক বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার।
<p>&nbsp;</p>

<p>রামিসার একটি স্কেচ ছবি দিয়ে সামাজিক মাধ্যমে সাকিব লিখেছেন, &lsquo;একটি শিশুর কান্না শুধু একটি পরিবারের শোক নয়, এটি পুরো সমাজের ব্যর্থতার প্রতিধ্বনি। যারা নিষ্পাপ শৈশবকে ধর্ষণ ও হত্যার মতো নৃশংসতায় ধ্বংস করে, তারা মানবতার শত্রু। ন্যায়বিচার বিলম্বিত মানেই অন্যায়ের সাহস বাড়ানো।</p>
</article>

<article>রামিসার জন্য দ্রুততম ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p><iframe allow="autoplay; clipboard-write; encrypted-media; picture-in-picture; web-share" allowfullscreen="true" frameborder="0" height="671" scrolling="no" src="https://www.facebook.com/plugins/post.php?href=https%3A%2F%2Fwww.facebook.com%2FShakib.Al.Hasan%2Fposts%2Fpfbid0pjp1NEQhyLxjUHyHjoLkhVMCafbbbKWL8AcgsvEsvNpwNge5RSrwsuzP4sHeQyLul&amp;show_text=true&amp;width=500" width="500"></iframe></p>

<p>অনেকটা সাকিবের সুরেই সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট দিয়েছেন আরেক সাবেক অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। তিনি লিখেছেন, &lsquo;রামিসার মতো কত নিষ্পাপ প্রাণ হারিয়ে গেছে, সেই হিসেব হয়তো কেউ রাখবে না। কিন্তু এই নৃশংসতার শেষ চাই।</p>
</article>

<article>বিচারহীনতার প্রতিটি ঘটনা অপরাধীদের সাহস বাড়ায়। এই ঘৃণিত অন্যায়ের দ্রুততম ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক। প্রতিটি শিশু বেড়ে উঠুক নির্ভয়ে, নিশ্চিন্তে, আনন্দে...।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>গত মঙ্গলবার (১৯ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মিরপুর ১১ নম্বরের বি ব্লকের একটি বাড়ির তিনতলার ফ্ল্যাট থেকে রামিসার খণ্ডিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার আগে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বড় বোনের সঙ্গে স্কুলে যাওয়ার কথা ছিল তার।</p>
</article>

<article>কিন্তু হঠাৎ করেই সে নিখোঁজ হয়।
<p>&nbsp;</p>

<p>রামিসার মা ফ্ল্যাটের দরজার বাইরে মেয়ের জুতো দেখতে পেয়ে পাশের ফ্ল্যাটে নক করেন। ভেতর থেকে দরজা না খোলায় সন্দেহ বাড়ে। পরে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন দিলে পুলিশ এসে দরজা ভেঙে খাটের নিচ থেকে ধড় এবং শৌচাগার থেকে বিচ্ছিন্ন মাথা উদ্ধার করে। হত্যার আগে শিশু রামিসাকে ধর্ষণ করেন অভিযুক্ত সোহেল রানা। ঘটনার পর শৌচাগারের গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যায় মূল অভিযুক্ত সোহেল রানা।</p>

<p>পরে একই দিন সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সে পেশায় রিকশা মেকানিক এবং দুই মাস আগে স্ত্রীকে নিয়ে ওই ফ্ল্যাটে ভাড়া ওঠেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে রক্তমাখা আলামত জব্দ করেছে এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সোহেল রানার স্ত্রীকে আটক করেছে।&nbsp;</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1446-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ইবোলা আতঙ্কে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ক্যাম্প বাতিল করল কঙ্গো]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/28476</link>
    <pubDate>Fri, 22 May 2026 08:46:28 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/28476</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1483-22.jpg" />    <article>
<p>দেশের পূর্বাঞ্চলে প্রাণঘাতী ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ায় ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ক্যাম্প বাতিল করেছে গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র (ডিআর কঙ্গো)। পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী দেশটির রাজধানী কিনশাসায় এই অনুশীলন ক্যাম্পটি হওয়ার কথা ছিল।</p>
</article>

<article><strong>খবর <a href="https://www.bbc.com/news/articles/c8d80856q2go" target="_blank">বিবিসি</a></strong>

<p>&nbsp;</p>

<p>ইবোলার সংক্রমণে আফ্রিকান দেশটিতে ইতিমধ্যে ১৩০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (২১ মে) দেশটির দক্ষিণ কিভু প্রদেশে নতুন করে একজনের শরীরে এই ভাইরাস শনাক্ত হয়। এর মাধ্যমে স্পষ্ট, ভাইরাসের মূল উৎপত্তিস্থল (এপিসেন্টার) ছাড়িয়ে সংক্রমণ এখন নতুন নতুন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ছে।</p>

<p>পরিস্থিতি বিবেচনায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এই প্রাদুর্ভাবকে &lsquo;আন্তর্জাতিক উদ্বেগের কারণ হতে পারে এমন জনস্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা&rsquo; হিসেবে ঘোষণা করেছে।</p>
</article>

<article>তবে সংস্থাটি আশ্বস্ত করে বলেছে, পরিস্থিতি এখনো বৈশ্বিক মহামারি (প্যান্ডেমিক) পর্যায়ে পৌঁছায়নি।
<p>&nbsp;</p>

<p>কঙ্গো ফুটবল দলের এক মুখপাত্র সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ১৯৭৪ সালের পর এবারই প্রথম কঙ্গো ফুটবল দল বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে। তবে দেশের উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে ঘরের মাঠের প্রস্তুতি ক্যাম্পটি এখন বেলজিয়ামে সরিয়ে নেওয়া হবে।</p>

<p>দলের মুখপাত্র জেরি কালেমো জানান, ঘরের মাঠে ক্যাম্প বাতিল হলেও ইউরোপের মাটিতে পূর্বনির্ধারিত প্রীতি ম্যাচগুলো যথাসময়েই অনুষ্ঠিত হবে।</p>
</article>

<article>বিশ্বকাপ মিশন শুরুর আগে ৩ জুন বেলজিয়ামে ডেনমার্কের বিপক্ষে এবং ৯ জুন স্পেনে চিলির বিপক্ষে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে &lsquo;দ্য লেপার্ডস&rsquo; (কঙ্গো দল)। এরপর ১৭ জুন যুক্তরাষ্ট্রের হিউস্টন শহরে পর্তুগালের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে তাদের বিশ্বকাপ যাত্রা।
<p>&nbsp;</p>

<p>সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে কঙ্গো দল জানিয়েছে, &lsquo;আগামী ২৬ মে কঙ্গোর রাজধানীতে দর্শকদের উপস্থিতিতে একটি উন্মুক্ত অনুশীলন সেশন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু উত্তর কিভু ও ইতুরি প্রদেশে সন্দেহভাজন ইবোলা রোগী শনাক্ত হওয়ায় তা বাতিল করা হয়েছে।&rsquo; এই পরিস্থিতির কারণে দলটির ফরাসি কোচ সেবাস্তিয়ান দেসাব্রে-এর পূর্বনির্ধারিত সংবাদ সম্মেলনটিও অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>কঙ্গো ফুটবল দলের পক্ষ থেকে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানানো হয়েছে, ক্যাম্প বাতিলের পেছনে অন্যতম বড় কারণ যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা। এবারের বিশ্বকাপ যৌথভাবে আয়োজন করছে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডা।</p>

<p>মার্কিন জনস্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, কঙ্গোতে ইবোলা ছড়িয়ে পড়ার কারণে গত ২১ দিনের মধ্যে যারা কঙ্গো, উগান্ডা কিংবা দক্ষিণ সুদানে অবস্থান করেছেন, এমন কোনো অ-মার্কিন নাগরিক যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারবেন না। তবে কঙ্গো জাতীয় দলের সব ফুটবলারই দেশের বাইরে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ক্লাবে খেলেন। ফলে ক্যাম্প বাতিল করায় খেলোয়াড়দের ওপর এই নিষেধাজ্ঞার কোনো প্রভাব পড়বে না।</p>

<p>এদিকে কঙ্গোর ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে যারা মার্কিন ভিসার জন্য আবেদন করেছিলেন, সেই সব সমর্থক ও সাংবাদিকেরা পড়েছেন চরম বিপাকে। ইবোলা প্রাদুর্ভাবের কারণে কঙ্গোতে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস তাদের ভিসা কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে।</p>

<p>এই সিদ্ধান্তের তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন কঙ্গোর জাতীয় টেলিভিশনের এক ক্রীড়া সাংবাদিক। তিনি প্রশ্ন তোলেন, &lsquo;যেখানে প্রাদুর্ভাবের মূল কেন্দ্রস্থল (ইতুরি প্রদেশ) থেকে রাজধানী কিনশাসা প্রায় ১ হাজার ৮০০ কিলোমিটার দূরে এবং রাজধানীতে এখনো কোনো রোগী পাওয়া যায়নি, সেখানে আমাদের কেন বিশ্বকাপে যেতে বাধা দেওয়া হবে? পুরো দেশের ওপর কেন এই নিষেধাজ্ঞা?&rsquo;</p>

<p>কঙ্গোর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, পরিস্থিতি দিন দিন আরও জটিল হচ্ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ৬০০ জন সন্দেহভাজনের মধ্যে ১৩৯ জনের মৃত্যুর কথা বললেও, কঙ্গোর স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্যামুয়েল রজার কাম্বা রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে জানিয়েছেন, মৃতের সংখ্যা ইতিমধ্যে ১৫৯ জনে পৌঁছেছে।</p>

<p>খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ইবোলার একটি বিরল প্রজাতি &lsquo;বুন্দিবুগিও&rsquo;-এর কারণে এবারের প্রাদুর্ভাব ঘটেছে। বর্তমানে এই প্রজাতির কোনো ভ্যাকসিন বা প্রতিষেধক নেই। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, এর কার্যকর টিকা তৈরি করতে আরও অন্তত নয় মাস সময় লেগে যেতে পারে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1483-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[‘ড্রাগন’-এর ফার্স্ট লুকে ভয়ংকর রূপে হাজির এনটিআর]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/28475</link>
    <pubDate>Fri, 22 May 2026 08:45:30 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/28475</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1582-11.jpg" />    <article>
<p>অবশেষে প্রকাশ্যে এলো বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা &lsquo;ড্রাগন&rsquo;-এর ফার্স্ট লুক। &lsquo;কেজিএফ&rsquo; ও &lsquo;সালার&rsquo;খ্যাত পরিচালক প্রশান্ত নীল তাঁর নতুন সিনেমায় জুনিয়র এনটিআরকে হাজির করেছেন এক ভয়ংকর ও রোমাঞ্চকর রূপে।</p>
</article>

<article>সিনেমায় তাঁর চরিত্রের নাম &lsquo;লুগার&rsquo;, যিনি আফগান ট্রেডিং কম্পানির প্রধান ঘাতক।
<p>&nbsp;</p>

<p>চার মিনিট ২৮ সেকেন্ডের টিজারে শুধু মূল চরিত্র নয়, সিনেমার অন্ধকার ও সহিংস জগতেরও পরিচয় তুলে ধরা হয়েছে। শুরু থেকেই অ্যাকশন, রহস্য আর উত্তেজনায় ভরপুর ছিল ফার্স্ট লুক।</p>

<p>টিজারে দেখা যায়, রক্তমাখা তলোয়ার হাতে পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে আছেন জুনিয়র এনটিআর।</p>
</article>

<article>তার ভয়ংকর উপস্থিতি এবং সংলাপ ইতোমধ্যেই দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>জুনিয়র এনটিআরের জন্মদিন উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (২০ মে) রাত ১২টায় প্রকাশ করা হয়েছে এই লুক। ফলে ভক্তদের জন্য এটি যেন বাড়তি চমক হয়ে এসেছে।</p>

<p>বিগ বাজেটের এই সিনেমায় জুনিয়র এনটিআর ছাড়া আরো অভিনয় করছেন অনিল কাপুর, রুক্মিণী বসন্ত, বিজু মেনন, খুশবু সুন্দর, গুরু সোমাসুন্দরম, রাজীব কানাকালা, আশুতোষ রানা, অংশুমান পুষ্কর ও সিদ্ধান্ত গুপ্তাসহ আরো অনেকে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>সিনেমাটিতে অনিল কাপুরকে দেখা যাবে রঘুবীর রাঠোর চরিত্রে, যিনি নারকোটিক্স ব্যুরোর প্রধান। আর নায়িকা হিসেবে অভিনয় করছেন রুক্মিণী বসন্ত।</p>

<p>মাইথ্রি মুভি মেকার্স ও এনটিআর আর্টস প্রযোজিত &lsquo;ড্রাগন&rsquo; মুক্তি পাবে ২০২৭ সালের ১১ জুন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1582-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[৭৯তম বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলনে বাংলাদেশ, নেতৃত্বে ড. এম এ মুহিত]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28474</link>
    <pubDate>Thu, 21 May 2026 10:54:55 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28474</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/912-1.jpg" />    <p>সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় শুরু হওয়া &lsquo;৭৯তম ওয়ার্ল্ড হেলথ অ্যাসেম্বলি&rsquo;-তে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।</p>

<p>গত ১৯ মে সম্মেলনের মূল অধিবেশনে বাংলাদেশের পক্ষে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেন ড. এম এ মুহিত। তার নেতৃত্বে ছয় সদস্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল স্বাস্থ্য খাতের সবচেয়ে বড় এই বৈশ্বিক আসরে অংশ নেয়। মূল অধিবেশনের পাশাপাশি বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলনের একটি সাইড ইভেন্টে গ্লোবাল ভ্যাকসিন অ্যালায়েন্স-এর নীতিনির্ধারণী সভায় বিভিন্ন দেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রীদের সঙ্গেও অংশ নেন তিনি।</p>

<p>সম্মেলনে বাংলাদেশের পক্ষে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেছেন, &#39;নতুন সরকার জাতীয় উন্নয়নের একদম কেন্দ্রবিন্দুতে স্বাস্থ্যকে স্থান দিয়েছে। তবে এখনও দেশের মোট স্বাস্থ্যব্যয়ের ৭০ শতাংশের বেশি মানুষকে নিজের পকেট থেকে দিতে হয়, যা অনেক পরিবারকে দারিদ্র্যের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।&#39;</p>

<p>তিনি জানান, এ পরিস্থিতি বদলাতে সরকার ধাপে ধাপে সরকারি স্বাস্থ্য বরাদ্দ বাড়ানোর পাশাপাশি সবার জন্য সমন্বিত প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা, কার্যকর রেফারাল সিস্টেম এবং যুগোপযোগী ডিজিটালাইজেশনের ওপর কাজ করছে।</p>

<p>বক্তব্যে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বর্তমান সরকারের চলমান স্বাস্থ্য সংস্কারের রূপরেখা তুলে ধরে বলেন, সরকার সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ, সরকারি ও বেসরকারি খাতের স্বাস্থ্য তথ্যের সমন্বয়, সংক্রামক রোগ প্রতিরোধব্যবস্থা শক্তিশালী করা এবং মানসিক স্বাস্থ্য, প্রতিবন্ধীবান্ধব সেবা ও অসংক্রামক রোগ মোকাবিলায় কার্যক্রম জোরদারে কাজ করছে।</p>

<p>তিনি আরও বলেন, স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন নিশ্চিত করতে বিভিন্ন কর্মসূচিও বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।</p>

<p>বিশ্ব স্বাস্থ্য সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যে ড. এম এ মুহিত জলবায়ু ঝুঁকির সামনের সারিতে থাকা বাংলাদেশের ওপর এর নেতিবাচক স্বাস্থ্যগত প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে রোগের ধরন দ্রুত পাল্টে যাচ্ছে এবং দেশের বিদ্যমান চিকিৎসা ব্যবস্থার ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হচ্ছে।</p>

<p>এছাড়া মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত ১৩ লাখের বেশি রোহিঙ্গা নাগরিকের দীর্ঘমেয়াদি উপস্থিতি বাংলাদেশের সীমিত স্বাস্থ্যসেবা ও অবকাঠামোর ওপর বড় চাপ সৃষ্টি করেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।</p>

<p>বাংলাদেশের স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী নিরাপদ, স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক এবং ন্যায্য &lsquo;প্যাথোজেন অ্যাক্সেস অ্যান্ড বেনিফিট শেয়ারিং&rsquo; ব্যবস্থা দ্রুত চূড়ান্ত করার জন্য বিশ্ব নেতাদের প্রতি আহ্বান জানান।</p>

<p>তিনি বলেন, নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোর ওপর বৈশ্বিক স্বাস্থ্য অর্থায়নের সংকোচন, সংঘাত এবং মানবিক সংকটের প্রভাব মারাত্মক হয়ে উঠছে। এ পরিস্থিতিতে সম্পদের দক্ষ ব্যবহারের পাশাপাশি অসংক্রামক রোগ এবং অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স বা অ্যান্টিবায়োটিকের কার্যকারিতা হারানোর মতো নীরব ঘাতক মোকাবিলায় বৈশ্বিক সহযোগিতা আরও জোরদার করা প্রয়োজন।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/912-1.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিউইয়র্কে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাইয়ের ব্যতিক্রমী বাংলা নববর্ষ উদযাপন]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/28473</link>
    <pubDate>Thu, 21 May 2026 10:54:13 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/28473</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/21-b.jpg" />    <p>যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা ও বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক আয়োজনের মধ্য দিয়ে নিউইয়র্কে উদযাপিত হয়েছে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩। নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন ইউএসএ-এর উদ্যোগে গত ১৬ মে (শনিবার) নিউইয়র্কের লং আইল্যান্ডের ওয়ান্টাগ পার্কে অনুষ্ঠিত বৈশাখী উৎসবটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য পরিণত হয় এক প্রাণবন্ত ও আনন্দঘন মিলনমেলায়।</p>

<p>নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির অ্যালামনাই ও তাদের পরিবারবর্গের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো অনুষ্ঠানস্থল উৎসবমুখর হয়ে ওঠে। বৈশাখী শাড়ি, পাঞ্জাবি ও বর্ণিল পোশাকে সজ্জিত অংশগ্রহণকারীদের উপস্থিতিতে পার্কজুড়ে সৃষ্টি হয় এক মনোমুগ্ধকর পরিবেশ। গ্রামীণ বাংলার লোকজ হস্তশিল্প, আলপনা, বাঁশ-বেতের কারুকাজ ও ঐতিহ্যবাহী উপকরণে সাজানো হয় উৎসব প্রাঙ্গণ, যা প্রবাসে এক টুকরো বাংলার আবহ এনে দেয়।</p>

<p>মঙ্গল শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া দিনব্যাপী আয়োজনে ছিল আবৃত্তি, সংগীত, লোকজ পরিবেশনা, নৃত্য, ফ্ল্যাশ মব, দেশীয় খাবারের আয়োজন এবং নানা বিনোদনমূলক কার্যক্রম। অতিথিদের জন্য পরিবেশন করা হয় পান্তা-ইলিশ, বিভিন্ন ধরনের ভর্তা, পিঠা-পুলি, ফুচকা, চটপটি ও দেশীয় মিষ্টান্ন।</p>

<p>অধরা ও মিহিরের সাবলীল উপস্থাপনায় সাজানো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন নিষাদ, শাওন, পাপীমনা, সজল রায় ও তানভীর শাহীন। শিল্পীদের পরিবেশনায় দর্শক-শ্রোতারা মুগ্ধ হন। অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল অ্যালামনাইদের &ldquo;টিকাটুলি&rdquo; গানের সঙ্গে নৃত্য পরিবেশনা এবং সালসাবিল আশরাফের কোরিওগ্রাফিতে চমৎকার ফ্ল্যাশ মব।</p>

<p>শুভেচ্ছা বক্তব্যে কর্নফুলি ট্যাক্স সার্ভিসেস ইনক-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ হাসেম বলেন, প্রবাসে বাংলা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে এ ধরনের আয়োজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি ভবিষ্যতেও এমন সাংস্কৃতিক ও সামাজিক উদ্যোগে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।</p>

<p>অনুষ্ঠানের পৃষ্ঠপোষক ছিল কর্নফুলি ট্যাক্স সার্ভিসেস ইনক, টেকস্পার্কস সলিউশনস, জেক্স এক্স স্টাফিং, প্রোটেক ওয়ার্ল্ড এবং ট্রিবিউন ট্রেনিং একাডেমি।</p>

<p>উৎসবস্থলের নান্দনিক সাজসজ্জায় নেতৃত্ব দেন সৈয়দ ইর্তেজা মোহাম্মদ মঈনউদ্দিন, আনিকা তাবাসসুম খান, শাহ ফারহান রাব্বানী, ফারাহ নাজ রাশিদ আরেফিন, রেহনুমা ঝলক ও নাবিলা তুষ্টি। তাদের সৃজনশীল পরিকল্পনায় পুরো প্রাঙ্গণটি রূপ নেয় বৈশাখের রঙে রাঙানো এক অনন্য পরিবেশে।</p>

<p>সমগ্র আয়োজনের সমন্বয় করেন জুলহাস ইউ আহমেদ, তামজিদ আহমেদ, আফজাল চৌধুরী ইমন, নিয়ামুল আরেফিন এবং শিহাবউদ্দিন চৌধুরী। ফটোগ্রাফি ও ভিডিওগ্রাফির দায়িত্বে ছিলেন তামিম ঢালী এবং শব্দ ব্যবস্থাপনায় ছিলেন তানভীর শাহীন।</p>

<p>আয়োজকরা জানান, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন ইউএসএ ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব, পারস্পরিক সহযোগিতা ও পেশাগত নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ভবিষ্যতেও আরও বৃহৎ পরিসরে এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/21-b.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[‘বাংলাদেশে আইনের শাসন বলতে কিছু নেই’: নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সামনে সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদ ইউএসএ’র সমাবেশে শেখ হাসিনা]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/28472</link>
    <pubDate>Thu, 21 May 2026 10:53:31 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/28472</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/58-a.jpg" />    <p>নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরের সামনে সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদ ইউএসএ আয়োজিত &lsquo;লইয়ার্স ডিমান্ডিং ফর জাস্টিস&rsquo; শীর্ষক সমাবেশে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (ভার্চুয়ালী) বলেছেন, &ldquo;বাংলাদেশে আইনের শাসন বলতে কিছু নেই। সাধারণ মানুষের আইনের আশ্রয় পাবার অধিকারটুকুও নেই। আমাদের সংবিধানের যে বিধানগুলো তা তারা মানে না।&rdquo; ১৯ মে মঙ্গলবার বাংলাদেশে অবৈধভাবে সুপ্রিমকোর্ট জাস্টিস অপসারন ও বিচার বিভাগে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের প্রতিবাদে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য (ভার্চুয়ালী) রাখছিলেন নিষিদ্ধ ঘোষিত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা।<br />
সমাবেশ শেষে জাতিসংঘ মহাসচিবের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে সংগঠনটি।<br />
সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদ ইউএসএ&rsquo;র আহ্বায়ক এডভোকেট আব্দুর রকিব মন্টুর সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব এডভোকেট মো. মিনহাদুজ্জামান লীটনের পরিচালনায় সমাবেশে অতিথির বক্তব্য দেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান, সাবেক বিচারপতি মুনছুরুল হক চৌধুরী, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. প্রদীপ রঞ্জন কর ও বীর মুক্তিযোদ্ধা তোফায়েল চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ আজাদ, সহ সভাপতি আব্দুর রহিম বাদশা, নিউইয়র্ক স্টেট আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন আজমল, নিউইয়র্ক মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ চৌধুরী, অ্যাডভোকেট তামান্না ফেরদৌস, অ্যাডভোকেট চঞ্চল কুমার বিশ্বাস প্রমুখ।<br />
সমাবেশে আরো বক্তব্য দেন ও উপস্থিত ছিরেণ বঙ্গবন্ধু পরিষদ নিউইয়র্ক চ্যাপ্টারের সভাপতি সাখাওয়াত আলী, আওয়ামীলীগ নেতা নাহিদ রেজা জনি সিকদার, যুক্তরাষ্ট্র স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি এইচ এম ইকবাল, যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গমাতা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সিরাজ উদ্দিন আহমেদ সোহাগ, বাংলাদেশ ল&rsquo; সোসাইটির সাবেক সহ সভাপতি মোহাম্মদ আলী বাবুল, উপদেষ্টা এম মিয়া জাকির, সাবেক সভাপতি মোর্শেদা জামান, সহ-সভাপতি ব্যারিস্টার আকমল খান ও অ্যাডভোকেট সোনিয়া সুলতানা, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. সাইদুর রহমান, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এড: জয়জিত আচার্য্য, অ্যাডভোকেট মো. সায়েদ আলী, যুক্তরাষ্ট্র মহিলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক রুমানা আক্তার, জাহান আরা আহমেদ লক্ষ্মী, মনোয়ারা বেগম মনি, আওয়ামীলীগ নেতা শেখ জামাল হোসাইন, আব্দুর রউফ পাশা, নুরুল ইসলাম মিলন প্রমুখ।<br />
সমাবেশে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশে আইন শৃংখলার চরম অবনতি ঘটে চলেছে। প্রতিনিয়ত হামলা, মামলা, গণ গ্রেফতার, সাংবাদিক নির্যাতন, মানুষ হত্যার ঘটনা ঘটছে।<br />
বক্তারা জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বাংলাদেশে মানবাধিকার রক্ষায় আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপ দাবী করেন। তারা বলেন, &ldquo;আওয়ামী লীগের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে হবে। গ্রেফতার নেতা-কর্মীদের নিঃশর্ত মুক্তি ও মামলা প্রত্যাহার করতে হবে।&rdquo;<br />
তারা বলেন, দেশ ও জনগণের স্বার্থে শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন অবশ্যম্ভাবী, এটি কেবল সময়ের ব্যাপার।<br />
সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদ ইউএসএ&rsquo;র আহ্বায়ক এডভোকেট আব্দুর রকিব মন্টু এবং সদস্য সচিব এডভোকেট মো. মিনহাদুজ্জামান লীটন সমাবেশে ভার্চুয়ালী বক্তব্য প্রদানের জন্য শেখ হাসিনার প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/58-a.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বাংলাদেশ-মরক্কো প্রথম বি টু বি প্ল্যাটফর্ম উদ্বোধন]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28471</link>
    <pubDate>Thu, 21 May 2026 10:53:03 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28471</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/771-99.jpg" />    <p><strong>দক্ষিণ-দক্ষিণ বাণিজ্যের জন্য এক যুগান্তকারী মুহূর্তে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম রাবাতে সর্বপ্রথম বাংলাদেশ-মরক্কো বি টু বি মিটিং প্ল্যাটফর্মের আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেছেন। এর মাধ্যমে বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং সবুজ উদ্ভাবনের একটি নতুন করিডোর উন্মোচিত হলো, যা দক্ষিণ এশিয়াকে আফ্রিকা, ইউরোপ ও তার বাইরের দেশগুলোর প্রবেশদ্বার হিসেবে মরক্কোর সঙ্গে সংযুক্ত করবে।&nbsp;</strong></p>

<p>&nbsp;</p>

<p>বুধবার (২০ মে) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানা&zwnj;নো হয়, এই উদ্বোধনটি ছিল প্রতিমন্ত্রীর দুই দিনের মরক্কো সফরের প্রধান আয়োজন এবং এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি ফলাফল।</p>

<p>প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই প্ল্যাটফর্মটি উচ্চমূল্যের, উদ্ভাবন-চালিত এবং জনকেন্দ্রিক অংশীদারিত্বকে উৎসাহিত করার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে; শুধু বাণিজ্যের জন্য বাণিজ্য নয়, বরং এমন বাণিজ্য যা শিল্প গড়ে তোলে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে, প্রযুক্তি হস্তান্তরকে ত্বরান্বিত করে এবং উভয় পক্ষে টেকসই প্রবৃদ্ধি চালনা করে।</p>

<p>দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশের কৌশলগত অবস্থানের ওপর আলোকপাত করে প্রতিমন্ত্রী বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পোশাক রপ্তানিকারক, ১৫০টিরও বেশি দেশে ওষুধ সরবরাহকারী এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি), চামড়া, সিরামিক, হালকা প্রকৌশল ও খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্পের একটি ক্রমবর্ধমান কেন্দ্র হিসেবে দেশটির উত্থানের ওপরও আলোকপাত করেন।&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি মরক্কোর ব্যবসায়ীদের কাছে বাংলাদেশকে একটি প্রধান বিনিয়োগ গন্তব্য হিসেবে বিবেচনা করার জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আমন্ত্রণও পৌঁছে দেন।&nbsp;</p>

<p>নতুন এই প্ল্যাটফর্মের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার হিসেবে বাংলাদেশের পাট ও পাটজাত পণ্যের প্রচার উঠে এসেছে। বাংলাদেশের আধুনিক পাট শিল্প&mdash;যা পচনশীল ও কার্বন শোষণকারী পণ্য উৎপাদন করে এবং যা মোটরগাড়ি ও ফ্যাশন খাতে ক্রমবর্ধমানভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে&mdash;মরক্কোর সম্প্রসারণশীল শিল্পক্ষেত্রের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ।</p>

<p>প্রতিমন্ত্রী ব&zwnj;লেন, আফ্রিকান দেশগুলো যেহেতু ক্রমবর্ধমানভাবে একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের ব্যবহার সীমিত করার দিকে এগোচ্ছে, তাই পাট থেকে তৈরি পচনশীল বিকল্প পণ্যের চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে, যা বাংলাদেশকে একটি প্রধান সরবরাহকারী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবে।&nbsp;</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>প্রতিমন্ত্রী এবং মরক্কো চেম্বার অফ কমার্সের সভাপতি হাসান সাখী ফিতা কাটার মাধ্যমে যৌথভাবে প্রদর্শনীটির উদ্বোধন করেন। রাবাতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস এবং মরক্কো চেম্বার অফ কমার্স, ইন্ডাস্ট্রি অ্যান্ড সার্ভিসেস-এর সহযোগিতায় আয়োজিত এই বিটুবি অনুষ্ঠানে প্রায় ৩০ জন শীর্ষস্থানীয় মরক্কোর ব্যবসায়ী এবং সাত সদস্যের একটি বাংলাদেশি ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল একত্র হন।&nbsp;</p>

<p>এই প্ল্যাটফর্মকে আরও গতিশীল করতে, বিনিয়োগ অংশীদারিত্ব ও যৌথ উদ্যোগের পথ প্রশস্ত করার লক্ষ্যে অর্থনৈতিক অঞ্চল, শিল্প কেন্দ্র ও উদ্ভাবন কেন্দ্রগুলো ঘুরে দেখতে ২০২৬ সালের নভেম্বরে একটি উচ্চ পর্যায়ের মরক্কীয় ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ সফর করবে বলে আশা করা হচ্ছে।&nbsp;</p>

<p>অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন মরক্কোতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত সাদিয়া ফাইজুন্নেসা। &nbsp;</p>

<p>এদিন বিকে&zwnj;লে, প্রতিমন্ত্রী রাবাতের মরক্কান ইনস্টিটিউট ফর ট্রেনিং, রিসার্চ অ্যান্ড ডিপ্লোম্যাটিক স্টাডিজ-এ &lsquo;বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি: আফ্রিকায় মনোযোগ&rsquo; শীর্ষক একটি বক্তৃতা দেন।&nbsp;</p>

<p>তিনি &lsquo;বাংলাদেশ ফার্স্ট&rsquo; নীতির ওপর ভিত্তি করে বিএনপি-নেতৃত্বাধীন সরকারের দূরদর্শী, মূল্যবোধ-চালিত ও জনকেন্দ্রিক পররাষ্ট্রনীতির ওপর আলোকপাত করেন, যার লক্ষ্য জাতীয় স্বার্থ রক্ষার পাশাপাশি গঠনমূলক আন্তর্জাতিক সম্পর্ককে উৎসাহিত করা।&nbsp;</p>

<p>বাংলাদেশ-আফ্রিকা সহযোগিতার ব্যাপক সম্ভাবনার ওপর জোর দিয়ে তিনি উভয় অঞ্চলের জনগণের জন্য শান্তি, সমৃদ্ধি, টেকসই উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের অভিন্ন লক্ষ্য অর্জনের গুরুত্বের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।&nbsp;</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/771-99.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[ইত্যাদি দেখতে গিয়ে শতাধিক দর্শকের মোবাইল চুরি]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/bangladesh/28470</link>
    <pubDate>Thu, 21 May 2026 10:51:48 +0600</pubDate>
    <category> সারাবাংলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/bangladesh/28470</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/962-88.jpg" />    <p><strong>জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ইত্যাদির এবারের আয়োজনকে ঘিরে নরসিংদীর রায়পুরায় দেখা দিয়েছে চরম বিশৃঙ্খলা ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগ। অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশের সময় ঠেলাঠেলি ও হট্টগোলের সুযোগে কয়েকজন সাংবাদিকসহ অন্তত শতাধিক দর্শকের মোবাইল ফোন চুরির ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা।</strong></p>

<p>&nbsp;</p>

<p>বুধবার (২০ মে) সন্ধ্যা ৭টায় রায়পুরার বীরশ্রেষ্ঠ মতিউরনগর গ্রামের রামনগর হাইস্কুল মাঠে অনুষ্ঠানটি শুরু হয়। তবে, অনুষ্ঠান শুরুর আগেই দর্শকদের প্রবেশকে কেন্দ্র করে সৃষ্টি হয় বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি।</p>

<p>ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, অনুষ্ঠানে প্রবেশের জন্য পাসের ব্যবস্থা থাকলেও আয়োজকদের অব্যবস্থাপনার কারণে নারী ও শিশুসহ বিভিন্ন বয়সী দর্শকদের তীব্র ঠেলাঠেলির মধ্যে দিয়ে প্রবেশ করতে হয়েছে। এই বিশৃঙ্খলার সুযোগে একটি সংঘবদ্ধ চক্র মোবাইল ফোন চুরি করে নিয়ে যায়। এতে বেশ কয়েকজন আহত হওয়ার ঘটনাও ঘটে।</p>

<p>জানা গেছে, প্রায় তিন হাজার অতিথির জন্য আসনের ব্যবস্থা থাকলেও কয়েক হাজার অতিরিক্ত ব্যক্তি অনধিকার প্রবেশ করেন। অনেকে পুলিশি বাধা উপেক্ষা করে দেয়াল টপকে অনুষ্ঠানস্থলে ঢুকে পড়েন। এতে প্রধান ফটকে চরম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকলেও তারা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেননি বলে অভিযোগ উঠেছে।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের জেলা প্রতিনিধি আসাদুজ্জামান রিপন বলেন, প্রধান ফটক দিয়ে প্রবেশের সময় প্রশাসনের অব্যবস্থাপনার কারণে হট্টগোল সৃষ্টি হয়। আমি ভেতরে প্রবেশের পর বুঝতে পারি আমার মোবাইল ফোনটি নেই। পরে পুলিশকে বিষয়টি জানালে প্রায় এক ঘণ্টা সেখানে অবস্থান করি। এ সময় ছয়জন সাংবাদিক, একজন জেলা প্রশাসনের কর্মচারীসহ অন্তত ৪০ থেকে ৪৫ জন মোবাইল চুরির অভিযোগ জানান। কিন্তু পুলিশের তেমন কোনো পদক্ষেপ চোখে পড়েনি।</p>

<p>আমন্ত্রিত অতিথি আশরাফুল ইসলাম সবুজ বলেন, অনুষ্ঠানে শৃঙ্খলা বলতে কিছুই ছিল না। টিকিট বা পাস ছাড়াই হাজার হাজার মানুষ প্রবেশ করেছে। প্রধান ফটক ভেঙে ফেলার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। প্রশাসনের দায়িত্বশীল ভূমিকা দেখা যায়নি।</p>

<p>এ বিষয়ে নরসিংদীর পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল-ফারুক বলেন, ইত্যাদি অনুষ্ঠান উপভোগ করতে জেলা ও জেলার বাইরে থেকে হাজার হাজার মানুষ এসেছেন। তাদের সঙ্গে হয়তো চোরও এসেছে। বেশ কয়েকজনের মোবাইল হারানোর বিষয়টি জেনেছি। থানায় অভিযোগ করলে ফোন উদ্ধারের চেষ্টা করা হবে।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/962-88.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[এক টাকার টফি চকোলেট এখন কূটনীতির প্রতীক]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28469</link>
    <pubDate>Thu, 21 May 2026 10:50:35 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28469</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1086-77.jpg" />    <article>
<p>১৯৮৩ সালে ভারতের বাজারে সাধারণ ক্যারামেল টফি চকোলেট হিসেবে যাত্রা শুরু করেছিল &lsquo;মেলোডি&rsquo;। চার দশকের বেশি সময় পর সেই এক টাকার টফিই এখন আন্তর্জাতিক কূটনীতি ও ইন্টারনেট সংস্কৃতির আলোচনায় উঠে এসেছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>সম্প্রতি ইতালির রাজধানী রোমে দেশটির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির সঙ্গে বৈঠকে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাকে &lsquo;মেলোডি&rsquo; টফি উপহার দেন। এরপর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আবারও ভাইরাল হয়ে ওঠে বহুল আলোচিত &lsquo;মেলোদি&rsquo; মিম।</p>

<p><strong>সাধারণ টফি থেকে স্মৃতির অংশ</strong></p>

<p>আশির দশকে ভারতীয় বাজারে কম দামের মিষ্টি ও কনফেকশনারির জনপ্রিয়তার সময় &lsquo;মেলোডি&rsquo; বাজারে আনে পার্লে প্রোডাক্টস। এটি চকোলেটের স্বাদযুক্ত হলেও সস্তা, আবার ক্যারামেলের মিশ্রণে শিশুদের কাছে আকর্ষণীয় ছিল।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>স্কুল ব্যাগে রাখা, পাড়ার দোকান থেকে কেনা বা ফেরত টাকার বদলে পাওয়া&mdash; এভাবেই &lsquo;মেলোডি&rsquo; ভারতীয়দের দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে ওঠে।</p>

<p>টফিটির বিশেষত্ব ছিল এর দ্বৈত স্বাদ&mdash;বাইরে চিবোনো ক্যারামেল, ভেতরে গলে যাওয়া চকোলেট। বছরের পর বছর এর মোড়ক ও স্বাদ প্রায় অপরিবর্তিত রয়েছে। ফলে এটি শুধু একটি পণ্য নয়, বহু ভারতীয়ের শৈশব স্মৃতির অংশে পরিণত হয়।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p><strong>&lsquo;মেলোডি&rsquo; থেকে &lsquo;মেলোদি&rsquo;</strong></p>

<p>২০২৩ সালে দিল্লিতে অনুষ্ঠিত জি-২০ সম্মেলনের সময় নরেন্দ্র মোদি ও জর্জিয়া মেলোনির হাস্যোজ্জ্বল ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সেখান থেকেই দুই নেতার নাম মিলিয়ে তৈরি হয় &lsquo;Melodi বা মেলোদি&rsquo; শব্দটি।</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/world/2026/05/20/1687695" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স (সাবেক টুইটার), ইনস্টাগ্রাম ও বিভিন্ন মিম পেজে দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে ওঠে এই শব্দ। পরে ২০২৪ সালের জি-৭ সম্মেলনে মেলোনি নিজেই মোদির সঙ্গে একটি সেলফি পোস্ট করে হ্যাশট্যাগ (#Melodi) ব্যবহার করলে বিষয়টি আরো ভাইরাল হয়ে যায়।</p>

<p>সাধারণত রাজনৈতিক মিম দ্রুত হারিয়ে গেলেও এই &lsquo;মেলোদি&rsquo; মিম টিকে যায়।</p>
</article>

<article>কারণ দুই নেতাই এটিকে সরাসরি অস্বীকার না করে বরং মজার ছলে গ্রহণ করেন।
<p>&nbsp;</p>

<p><strong>রোম বৈঠকে নতুন মাত্রা</strong></p>

<p>চলতি সপ্তাহে রোমে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের সময় মোদি মেলোনিকে &lsquo;মেলোডি&rsquo; টফির প্যাকেট উপহার দেন। পরে মেলোনি সেই উপহারের ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করলে মুহূর্তেই আলোচনার ঝড় ওঠে।</p>

<p><img alt="kk" height="600" src="https://asset.kalerkantho.com/public/news_images/share/photo/shares/online/2026/05/20/my1241/6a0da7120f785.jpg" width="1000" /></p>

<p>এর পরপরই নেটিজেনরা &lsquo;মেলোডি&rsquo; টফি ও &lsquo;মেলোদি&rsquo; মিমের মিল খুঁজে বের করেন। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে নানা মজার পোস্ট ও সম্পাদিত ছবি। কেউ একে &lsquo;টফি কূটনীতি&rsquo; বলেছেন, আবার কেউ আখ্যা দিয়েছেন &lsquo;২০২৬ সালের সবচেয়ে মিষ্টি ভূরাজনৈতিক মুহূর্ত&rsquo; হিসেবে।</p>

<p><strong>ছোট টফির বড় বার্তা</strong></p>

<p>বিশ্লেষকদের মতে, আধুনিক কূটনীতিতে প্রতীকী বিষয়গুলোর গুরুত্ব অনেক। কখনো রাষ্ট্রীয় নৈশভোজ, কখনো ক্রীড়া জার্সি, আবার কখনো একটি সাধারণ টফিও হয়ে উঠতে পারে সম্পর্কের প্রতীক।</p>

<p>&lsquo;মেলোডি&rsquo;র গল্প দেখিয়ে দেয়, কিভাবে একটি সাধারণ ভোক্তা পণ্য ইন্টারনেট সংস্কৃতি, নস্টালজিয়া এবং রাজনৈতিক প্রতীকের মিশেলে বৈশ্বিক পরিচিতি পেতে পারে।</p>

<p>এক সময় স্কুলগেটের পাশে বিক্রি হওয়া এক টাকার টফি এখন ভারত-ইতালি বন্ধুত্বের অনলাইন প্রতীক হয়ে উঠেছে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1086-77.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্র ফের হামলা করলে ‘আরও অনেক চমক’ দেখাবে ইরান : আরাগচি]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28468</link>
    <pubDate>Thu, 21 May 2026 10:49:27 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28468</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1201-66.jpg" />    <p><strong>যুদ্ধবিরতি ভেঙে যুক্তরাষ্ট্র যদি ফের হামলা শুরু করে&mdash; তাহলে &lsquo;আরও অনেক নতুন চমক&rsquo; দেখাতে বাধ্য হবে তেহরান। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাগচি গতকাল মঙ্গলবার সামাজিক যেগাাযোগমাধ্যম এক্সে এ সতর্কবার্তা দিয়েছেন।</strong></p>

<p>&nbsp;</p>

<p>এক্সপোস্টে আরাগচি বলেছেন, &ldquo;ইরানে যুদ্ধ শুরু করার ২ মাসেরও বেশি সময় পার মার্কিন কংগ্রেস স্বীকার করেছে যে এই যুদ্ধে তারা কয়েক ডজন যুদ্ধবিমান হারিয়েছে, সেগুলোর সম্মিলিত দাম শত শত কোটি ডলার। প্রথম যে মার্কিন বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছিল, সেটি ছিল একটি এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান; আমাদের শক্তিশালী সামরিক বাহিনী সেটি ভূপাতিত করেছিল।&rdquo;</p>

<p>&ldquo;এই যুদ্ধ থেকে যে শিক্ষা এবং জ্ঞান আমরা নিয়েছি, তাতে এটুকু বলতে পারি যে যুক্তরাষ্ট্র যদি যুদ্ধবিরতি ভেঙে ফের হামলা করে, সেক্ষেত্রে নতুন আরও অনেক চমক তাদের সামনে হাজির করবে ইরান।&rdquo;</p>

<p>উল্লেখ্য, ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে দীর্ঘ প্রায় দু&rsquo;যুগ ধরে টানাপোড়েন চলার পর গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। টানা প্রায় ৪০ দিন যুদ্ধের পর ৮ এপ্রিল থেকে যুদ্ধবিরতিতে যায় ওয়াশিংটন ও তেহরান, যা এখনও চলছে।</p>

<p>&nbsp;</p>

<p>তবে এই যুদ্ধবিরতির মধ্যেই একাধিকার &lsquo;ফের ইরানে হামলা&rsquo; শুরু করার হুমকি দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। সর্বশেষ হুমকি দিয়েছেন গতকাল মঙ্গলবার। এ দিন হোয়াইট হাউসে &lsquo;ইরানে ফের অভিযান শুরু হতে পারে কি না&rsquo;&mdash;সাংবাদিকরা এমন প্রশ্ন করলে জবাবে ট্রাম্প বলেন, &ldquo;আমি আশা করি যে আমাদের আর যুদ্ধ করতে হবে না, কিন্তু আমরা তাদের আরেকটি বড় আঘাত করতে পারি। আমি এখনও নিশ্চিত নই।&rdquo;</p>

<p>ট্রাম্পের এই হুমিকর কিছুক্ষণ পর এক্সে এই সতর্কবার্তা পোস্ট করেন আরাগচি।</p>

<p>সূত্র : এএফপি</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1201-66.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বাংলাদেশের সঙ্গে সীমান্তে বেড়া দিতে জমি দিলেন শুভেন্দু]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28467</link>
    <pubDate>Thu, 21 May 2026 10:48:31 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28467</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1298-55.jpg" />    <article>
<p>বাংলাদেশের সঙ্গে সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের জন্য জমি হস্তান্তর শুরু করেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ সরকার। ক্ষমতায় আসার মাত্র ১১ দিনের মধ্যেই প্রথম দফায় ২৭ কিলোমিটার জমি ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) কাছে হস্তান্তর করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম <a href="https://economictimes.indiatimes.com/news/politics-and-nation/bengal-government-hands-over-land-to-bsf-for-border-fencing-cm-suvendu-adhikari-vows-crackdown-on-infiltrators/articleshow/131228267.cms?from=mdr">দি ইকোনমিক টাইমস</a> বলছে, বুধবার বিকেলে সচিবালয় নবান্নের সভাঘরে বিএসএফের সঙ্গে আয়োজিত এক ঊচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে জমি হস্তান্তর করেন তিনি।&nbsp;</p>

<p>এর মধ্য দিয়ে প্রথম ক্যাবিনেট বৈঠকের ১০ দিনের মধ্যে বিএসএফকে আনুষ্ঠানিক জমি হস্তান্তরের প্রক্রিয়াও শুরু করল পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সরকার।</p>

<p>সীমান্তের নিরাপত্তা জোরদার করতে মূলত দুই ধরনের জমি হস্তান্তর করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ৯টি জেলাজুড়ে ছড়িয়ে থাকা মোট ৩২ একর খাসজমি ব্যক্তিগত বা কেনা জমি।</p>
</article>

<article>৫টি জেলায় মোট ৪৩ একর ব্যক্তিগত জমি কেনা হয়েছে। এই ২৭ কিলোমিটার সরকারি ও ব্যক্তিগত জমির দাম সম্পূর্ণ বহন করবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র দপ্তর।
<p>&nbsp;</p>

<p>প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের মোট ৪ হাজার কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে। এর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গেই রয়েছে ২২০০ কিমি।</p>
</article>

<article>সীমান্তে ৬০০ কিমি এলাকায় এখনো কাঁটাতার নেই।
<p>&nbsp;</p>

<p>এদিকে ক্ষমতায় আসার ১১ দিনের মধ্যেই জমি হস্তান্তরের বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, &lsquo;সীমান্তে কাঁটাতারে অনীহা ছিল আগের সরকারের। ৬০০ কিলোমিটারের মধ্যে ৫৫৫ কিলোমিটার বেড়ার জন্য জমি আগের সরকার দিতে পারত। কিন্তু তা দেওয়া হয়নি।&rsquo;</p>

<p>অনুপ্রবেশকারীদের বিষয়ে তিনি আরো বলেন, &lsquo;সিএএর অন্তর্ভুক্ত নন যারা, তারা অনুপ্রবেশকারী।</p>
</article>

<article>তাদের রাজ্য পুলিশ গ্রেপ্তার করে বিএসএফর হাতে তুলে দেবে। তারপর তাদের এ দেশ থেকে বের করে দেওয়া হবে। এই আইন আজ থেকে কার্যকর হবে। অনুপ্রবেশকারীদের সরাসরি বিএসএফের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য একটি চিঠি গত বছর কেন্দ্রীয় সরকার থেকে এ রাজ্যকে পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু এই গুরুত্বপূর্ণ আইন আগের সরকার কাজে লাগায়নি। সেটি আমরা কার্যকর করলাম।&rsquo;</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1298-55.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে ছড়িয়ে যাবে ইরান যুদ্ধ?]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28466</link>
    <pubDate>Thu, 21 May 2026 10:47:22 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28466</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1364-44.jpg" />    <article>
<p>মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা দিন দিন বেড়েই চলছে। যুদ্ধবিরতি নিয়ে দফায় দফায় প্রস্তাব এলেও ফলপ্রসূ হচ্ছে না শান্তি আলোচনা।</p>
</article>

<article>এ অবস্থার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করে আবারও হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান।
<p>&nbsp;</p>

<p>তেহরান বলছে, ওয়াশিংটন যদি ফের ইরানে হামলা চালায়, তাহলে মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়বে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া নতুন করে সামরিক অভিযান চালানোর হুঁশিয়ারির পর ইরানের পক্ষ থেকে এ প্রতিক্রিয়া এসেছে।</p>

<p>এদিকে ইরান বারবার হুঁশিয়ারি দিচ্ছে, নতুন কোনো হামলা হলে তারা মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটি থাকা দেশগুলোতে পাল্টা আঘাত হানবে।</p>
</article>

<article>বুধবার ইরান ইঙ্গিত দিয়েছে, এবার তারা আরো দূরবর্তী লক্ষ্যবস্তুকেও নিশানা করতে পারে।
<p>&nbsp;</p>

<p>রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রচারিত এক বিবৃতিতে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) জানায়, ইরানের বিরুদ্ধে আগ্রাসনের পুনরাবৃত্তি হলে আঞ্চলিক যুদ্ধ এবার মধ্যপ্রাচ্যের সীমানা ছাড়িয়ে যাবে।&rsquo;</p>

<p>ইরানের তাসনিম নিউজ এজেন্সির বরাতে বার্তা সংস্থা <a href="https://www.reuters.com/world/asia-pacific/tankers-exit-hormuz-trump-vance-talk-up-iran-deal-prospects-2026-05-20/">রয়টার্স</a> জানিয়েছে, সর্বশেষ কূটনৈতিক তৎপরতার অংশ হিসেবে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভি তেহরানে পৌঁছেছেন। গত মাসে পাকিস্তানই বিবদমান দুই পক্ষের মধ্যে একমাত্র শান্তি আলোচনা আয়োজন করেছিল।</p>
</article>

<article>তখন থেকেই পাকিস্তান দুই পক্ষের মধ্যে বার্তা আদান-প্রদান করে আসছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>এদিকে ট্রাম্পের অপারেশন &lsquo;এপিক ফিউরি&rsquo; স্থগিত করে যুদ্ধবিরতিতে যাওয়ার ছয় সপ্তাহ পরও যুদ্ধ বন্ধে আলোচনা কার্যত অচল অবস্থায় রয়েছে। এই সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে একটি নতুন প্রস্তাব জমা দিয়েছে ইরান। তবে এ বিষয়ে প্রকাশ্যে দেওয়া ইরানের বক্তব্যে এমন কিছু শর্ত পুনরায় উঠে এসেছে, যা এর আগেই ট্রাম্প প্রত্যাখ্যান করেছিলেন।</p>

<p>এর মধ্যে রয়েছে হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ দাবি, যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, জব্দকৃত সম্পদ মুক্ত করা এবং অঞ্চল থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের দাবি।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>এর আগে ট্রাম্প বলেছিলেন, ইরানে নতুন করে বোমা হামলা চালানোর নির্দেশ দেওয়ার খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন তিনি। তবে কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে আরো সময় দিতে শেষ মুহূর্তে সে সিদ্ধান্ত স্থগিত করেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1364-44.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[মার্কিন পারমাণবিক নীতির যৌথ নিন্দা চীন ও রাশিয়ার]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28465</link>
    <pubDate>Thu, 21 May 2026 10:46:28 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28465</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1445-33.jpg" />    <article>
<p>মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও পারমাণবিক নীতির তীব্র নিন্দা জানিয়েছে চীন ও রাশিয়া। বেইজিংয়ে এক বৈঠকে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন যৌথভাবে আমেরিকার এই নীতির সমালোচনা করেন।</p>
</article>

<article>তবে বৈশ্বিক নিরাপত্তা নিয়ে দুই দেশ একমত হলেও রাশিয়ার বহুল প্রতীক্ষিত নতুন একটি গ্যাস পাইপলাইন চুক্তি এবারও চূড়ান্ত হয়নি।
<p>&nbsp;</p>

<p>বুধবার (২০ মে) বেইজিংয়ে রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনকে রাষ্ট্রীয় সম্মানে স্বাগত জানান শি জিনপিং। এর মাত্র এক সপ্তাহ আগেই বেইজিংয়ে ট্রাম্পকে আতিথ্য দিয়েছিলেন চীনা প্রেসিডেন্ট। বৈঠক শেষে দুই দেশ একটি যৌথ বিবৃতি দেয়।</p>
</article>

<article>সেখানে বলা হয়, ট্রাম্পের নতুন ক্ষেপণাস্ত্র পরিকল্পনা বিশ্বের শান্তির জন্য হুমকি। এ ছাড়া আমেরিকা ও রাশিয়ার মধ্যকার পারমাণবিক চুক্তি নবায়ন না করায় ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর সমালোচনা করা হয়।
<p>&nbsp;</p>

<p>এই বৈঠকে দুই দেশের বন্ধুত্ব জোরালো হলেও রাশিয়া বড় কোনো অর্থনৈতিক সাফল্য পায়নি। মঙ্গোলিয়ার ওপর দিয়ে রাশিয়া থেকে চীনে গ্যাস নেওয়ার জন্য &lsquo;পাওয়ার অফ সাইবেরিয়া ২&rsquo; নামের একটি পাইপলাইন চুক্তি করার কথা ছিল।</p>
</article>

<article>কিন্তু গ্যাসের দাম ও অর্থায়নের বিষয়ে দুই দেশের অমিল থাকায় চুক্তিটি আটকে গেছে। ইউরোপের বাজার হারানোর পর রাশিয়ার জন্য এই চুক্তি খুব দরকারি হলেও, চীন এ বিষয়ে ধীরগতিতে এগোচ্ছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>বিশেষজ্ঞদের মতে, ট্রাম্প ও পুতিন যখন নিজেদের দেশের নানা সমস্যায় ব্যস্ত, তখন শি জিনপিং বিশ্বমঞ্চে নিজেকে এক শক্তিশালী ও শান্তিকামী নেতা হিসেবে তুলে ধরেছেন। এ ছাড়া যৌথ বিবৃতিতে ইরানের ওপর হামলা চালানোর জন্য আমেরিকা ও ইসরায়েলের সমালোচনা করেন দুই নেতা।</p>

<p>সূত্র : <a href="https://www.reuters.com/world/china/xi-putin-meet-beijing-tea-diplomacy-after-trump-visit-2026-05-19/?fbclid=IwY2xjawR7Wn5leHRuA2FlbQIxMABicmlkETFYVmlVZTFjNlJBZ0NLU1c0c3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHiplOvXy4g0cW5udtbi74U0UplJFJUt8n_U12yYzVMTbtf2drKh6TYuYJEA3_aem_bkvjc2Dn51b0CtjCMPDJMg">রয়টার্স</a></p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1445-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[প্রিমিয়ার লিগে সর্বকনিষ্ঠ চ্যাম্পিয়ন আর্সেনাল উইঙ্গার, নাম উঠল গিনেস বুকে]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/28464</link>
    <pubDate>Thu, 21 May 2026 10:45:46 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/28464</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1482-22.jpg" />    <article>
<p>আসি আসি করেও সর্বশেষ তিন মৌসুমে ধরা দেয়নি। অবশেষে যখন ধরা দিল ততদিনে সময়ের বয়স দাঁড়িয়েছে ২২ বছর।</p>
</article>

<article>দীর্ঘ প্রতীিক্ষার পর প্রিমিয়ার লিগে আবারও চ্যাম্পিয়ন হয়েছে আর্সেনাল।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>আর্সেনালের ১৪তম শিরোপা জয়ের মধ্যে দিয়ে রেকর্ড বইয়ে নাম তুলেছেন ম্যাক্স ডাউম্যান। প্রিমিয়ার লিগের সর্বকনিষ্ঠ ফুটবলার হিসেবে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন তিনি। গানারদের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার রাতে ডাউম্যানের বয়স ১৬ বছর ১৪৪ দিন হয়।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p><iframe allowfullscreen="true" allowtransparency="true" frameborder="0" id="twitter-widget-0" scrolling="yes" src="https://platform.twitter.com/embed/Tweet.html?id=2057072093402148999"></iframe></p>

<p>&nbsp;</p>

<p>তাতে ফিল ফোডেনের কীর্তিকে পেছনে ফেলেছেন ডাউম্যান। এতদিন ১৭ বছর ৩৫০ দিনে বয়সে ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে রেকর্ডটা ধরে রেখেছিলেন এই মিডফিল্ডার। ডাউম্যান রেকর্ডটা নিজের করে নেওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডেও নাম তুলেছেন।</p>

<p><iframe allowfullscreen="true" allowtransparency="true" frameborder="0" id="twitter-widget-0" scrolling="yes" src="https://platform.twitter.com/embed/Tweet.html?id=2057083930562433081"></iframe></p>

<p>&nbsp;</p>

<p>শুধু এই রেকর্ডই নয়, আর্সেনালের হয়ে প্রিমিয়ার লিগে আরেকটি কীর্তি গড়েছেন ডাউম্যান।</p>
</article>

<article>ইংল্যান্ডের শীর্ষ লিগের সর্বকনিষ্ঠ গোলদাতা এই উইঙ্গার। ১৬ বছর ৭৩ দিন বয়সে এভারটনের বিপক্ষে গোলটি করেন তিনি। তাতে ভেঙে যায় ২১ বছর আগে গড়া জেমস ভনের রেকর্ড। ২০০৫ সালে ক্রিস্টাল প্যালেসের বিপক্ষে গোলটি করার সময় এভারটনের ফরোয়ার্ডের বয়স হয়েছিল ১৬ বছর ২৭০ দিন।</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1482-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[শাকিবের ‘রকস্টার’ টিজারে মিথিলা রহস্য]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/28463</link>
    <pubDate>Thu, 21 May 2026 10:45:01 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/28463</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1581-11.jpg" />    <article>
<p>অন্তর্জালে উন্মুক্ত হয়েছে শাকিব খানের আসন্ন ঈদের সিনেমা &lsquo;রকস্টার&rsquo;-এর দ্বিতীয় টিজার। তবে এবার টিজারে দর্শকদের নজরের বড় একটি অংশজুড়ে আছেন তানজিয়া জামান মিথিলা।</p>
</article>

<article>টিজারে তার উপস্থিতি, রহস্যময় অভিব্যক্তি আর শাকিব খানের সঙ্গে রোমান্টিক মুহূর্তগুলো নিয়ে ভক্তদের মধ্যে তৈরি হয়েছে নতুন কৌতূহল।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>সান মোশন পিকচার্স লিমিটেড প্রযোজিত সিনেমাটির দ্বিতীয় টিজার বুধবার (২০ মে) সন্ধ্যা ৭টায় প্রকাশ করা হয়। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে টিজারটি শেয়ার করেন শাকিব খান।</p>

<p>সেখানে তিনি লেখেন, &lsquo;আগুন যত উজ্জ্বল হয়, তার অন্ধকারটাও তত গভীর হয়!&rsquo; আরো যোগ করেন, &lsquo;তবু গভীরতম অন্ধকারেও একটি ভালোবাসার ফুল ফুটবার পথ খুঁজে নিতে পারে।</p>
</article>

<article>&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>এই রহস্যময় বার্তার সঙ্গে টিজারে তানজিয়া জামান মিথিলার উপস্থিতি দর্শকদের মধ্যে আলাদা আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে শাকিব খানের সঙ্গে তার রোমান্টিক দৃশ্য, নীরব অভিব্যক্তি এবং আবহ সঙ্গীতের সঙ্গে তার উপস্থিতিকে অনেকেই &lsquo;টিজারের সবচেয়ে আকর্ষণীয় অংশ&rsquo; বলে মন্তব্য করছেন।</p>

<p>বাংলাদেশের মিস ইউনিভার্স খ্যাত তানজিয়া জামান মিথিলার জন্য &lsquo;রকস্টার&rsquo; হতে যাচ্ছে বাংলাদেশের মূলধারার সিনেমায় প্রথম কাজ। এর আগে তিনি বলিউডের রোহিঙ্গা সংকটভিত্তিক একটি সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন।</p>
</article>

<article>সেই অভিজ্ঞতার পর এবার ঢালিউডে তার অভিষেক ঘিরেও দর্শকদের মধ্যে বাড়তি আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকে লিখেছেন, এই সিনেমায় মিথিলাকে একেবারে নতুনভাবে দেখা যাচ্ছে। তার লুক, স্ক্রিন প্রেজেন্স এবং চরিত্রের রহস্যময় দিক দর্শকদের আগ্রহ আরো বাড়িয়ে দিয়েছে। কেউ কেউ বলছেন, &lsquo;রকস্টার&rsquo;-এ মিথিলার চরিত্রই হতে পারে গল্পের সবচেয়ে বড় চমক।</p>

<p>সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন আজমান রুশো।</p>
</article>

<article>মিথিলা ছাড়াও শাকিবের সঙ্গে দেখা যাবে সাবিলা নূর ও সুনিধি নায়েককে। ঈদুল আজহায় প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে এটি।</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1581-11.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[আমিরাতে প্রবাসী সাংবাদিক সমিতির নতুন কমিটি গঠন]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/28462</link>
    <pubDate>Thu, 21 May 2026 10:24:21 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/28462</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/911-1.jpg" />    <p>সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশি সাংবাদিকদের প্রথম সংগঠন &ldquo;প্রবাসী সাংবাদিক সমিতি (প্রসাস)&rdquo;-এর ২০২৬-২০২৭ মেয়াদের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। বুধবার (২০ মে) দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় ১৭ সদস্যবিশিষ্ট এ কমিটি ঘোষণা করা হয়।</p>

<p>নতুন কমিটিতে ডিবিসি নিউজ ও ডেইলি অবজারভারের আরব আমিরাত প্রতিনিধি সাইফুল ইসলাম তালুকদার পুনরায় সভাপতি এবং বাংলা টিভি ও সিপ্লাস টিভি প্রতিনিধি এম আব্দুল মান্নান পুনরায় সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।</p>

<p>কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন-</p>

<p>সহ-সভাপতি নাসিম উদ্দিন আকাশ (দৈনিক সূর্যোদয়), সহ-সভাপতি মোহাম্মদ ছালাহউদ্দিন (দৈনিক ইনকিলাব), সাংগঠনিক সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন সিকদার (বিবিসি একাত্তর), সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মনির উদ্দিন মান্না (প্রবাসের প্রহর), দপ্তর সম্পাদক মইনুল ইসলাম তালুকদার (ডিবিসি নিউজ, আবুধাবি), প্রচার সম্পাদক ওবায়দুল হক মানিক (৫২ টিভি), সহ-প্রচার সম্পাদক মোহাম্মদ সেলিম (বঙ্গ টিভি), অর্থ সম্পাদক ওবায়দুল হক (দৈনিক দেশকাল), সহ-অর্থ সম্পাদক নুরুল্লাহ শাহাজাহান খান (কে টিভি), সাংস্কৃতিক সম্পাদক মাহবুব সরকার (বিশ্ব বাংলা টিভি), তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক সাহেদ ছরোয়ার (কলম টিভি, কলম বিডি নিউজ)।</p>

<p><img alt="" src="https://khabor.com/public/upload/images/news/665-2.jpg" /></p>

<p>এ ছাড়া সদস্য হিসেবে রয়েছেন- মোহাম্মদ আলী রেজা (ঢাকা গেজেট), আব্দুল মান্নান (চট্টগ্রাম মঞ্চ), আলী রশিদ (নিউজ ২৪ চট্টগ্রাম), মো. আরমান চৌধুরী (দৈনিক আমার সময়) এবং আরশাদুল হক (দৈনিক সূর্যোদয় দুবাই)।</p>

<p>সভায় সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বলেন, ২০০১ সালে প্রতিষ্ঠিত প্রবাসী সাংবাদিক সমিতি সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশি সাংবাদিকদের প্রথম সংগঠন হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসীদের বিভিন্ন সমস্যা ও অধিকার নিয়ে কাজ করে আসছে। বিশেষ করে অসহায় ও সমস্যাগ্রস্ত প্রবাসীদের পাশে থেকে সংগঠনটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ভবিষ্যতেও প্রবাসীদের কল্যাণে এ ধারা অব্যাহত থাকবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/911-1.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[সমাজের সব স্তরের অসমতা দূর করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব : স্পিকার]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28461</link>
    <pubDate>Wed, 20 May 2026 10:02:04 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28461</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/910-1.jpg" />    <article>
<p>স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, &lsquo;সমাজের সব স্তরের অসমতা দূর করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। দেশ ও সমাজের নানা স্তরের অসমতা দূর করতে অল পার্টি ককাস কাজ করতে পারে।</p>
</article>

<article>যার মাধ্যমে দেশের উন্নয়নে পিছিয়ে পড়া ও প্রান্তিক জনগণের অবদানের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি নিশ্চিত হবে।&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>মঙ্গলবার (১৯ মে) স্পিকারের সংসদ ভবনস্থ কার্যালয়ে এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম, বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠককালে এসব কথা বলেন তিনি।</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/business/2026/05/19/1687180" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>প্ল্যাটফর্মের আহ্বায়ক ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলে আরো ছিলেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা রাশেদা কে. চৌধূরী, সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান, টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান, উইম্যান উইথ ডিজঅ্যাবিলিটিজ ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের (ডব্লিউডিডিএফ) নির্বাহী পরিচালক আশরাফুন নাহার মিষ্টি, ওয়াটারএইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর হাসিন জাহান প্রমুখ।</p>

<p>সাক্ষাৎকালে তারা দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও নিরাপদ খাদ্যে অধিকার নিশ্চিতে ককাসের ভূমিকা নিয়ে মতবিনিময় করেন।</p>
</article>

<article>তারা সমাজের পিছিয়ে পড়া অনগ্রসর এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে এগিয়ে নিতে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য এর শান্তি, ন্যায়বিচার ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান অভীষ্ট বাস্তবায়নে প্রাতিষ্ঠানিক ও কারিগরি সহায়তা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির সঙ্গে সরকারের রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
<p>&nbsp;</p>
<br />
<a href="https://www.kalerkantho.com/online/country-news/2026/05/19/1687176" target="_blank">&nbsp;</a>

<p>এ সময় প্রতিনিধিদল হাফিজ উদ্দিন আহমদ &lsquo;স্পিকার&rsquo; পদে নির্বাচিত হওয়ায় তাকে অভিনন্দন জানান এবং সম্প্রতি স্পিকারের সহধর্মিণী বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ দিলারা হাফিজের মৃত্যুতে সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/910-1.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[তামাকের বিরুদ্ধে একসঙ্গে কাজ করার প্রত্যয় নারী এমপিদের]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28460</link>
    <pubDate>Wed, 20 May 2026 10:00:42 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28460</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/770-99.jpg" />    <article>
<p>জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত এবং দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে তামাকের ভয়াবহ ছোবল থেকে বাঁচাতে তামাকের বিরুদ্ধে একসঙ্গে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন নারী সংসদ সদস্যরা।</p>

<p>মঙ্গলবার (১৯ মে) রাজধানীর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে তামাকবিরোধী সংসদীয় নারী ফোরামের সভায় এ প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।</p>
</article>

<article>এতে সভাপতিত্ব করেন ফোরামের চেয়ারপারসন ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান।
<p>&nbsp;</p>

<p>সভায় জানানো হয়, তামাকজাত দ্রব্যে কর ও মূল্যবৃদ্ধি তামাক নিয়ন্ত্রণের অন্যতম কার্যকর ও পরীক্ষিত উপায়। বিশ্বের বহু দেশ এই উপায়ে তামাক নিয়ন্ত্রণে সফলতা অর্জন করেছে। যেহেতু ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের বাজেট আসন্ন, তাই এই বাজেটে তামাকজাত দ্রব্যে কর ও মূল্যবৃদ্ধির বিষয়েও সভায় জোর দাবি জানানো হয়।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>সংসদ সদস্য সেলিমা রহমান বলেন, &lsquo;বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের অন্যতম একটি বিষয় ছিল জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও তামাক নিয়ন্ত্রণ। তারই প্রতিফলনস্বরূপ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনেই তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশকে আইনে রূপান্তর করা হয়। তবে আমরা মনে করি, শুধু আইন পাস করাই যথেষ্ট নয়, তামাক নিয়ন্ত্রণ একটি চলমান যুদ্ধ। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এই যুদ্ধে আমাদের জয় হবেই।</p>
</article>

<article>&rsquo;
<p>&nbsp;</p>

<p>তামাকবিরোধী মায়েদের ফোরামের আহ্বায়ক শিবানী ভট্টাচার্য বলেন, হার্ম রিডাকশন (Harm Reduction)-এর নামে তামাক কম্পানিগুলো ই-সিগারেট, ভ্যাপ, নিকোটিন পাউচ ইত্যাদি নানা নামে নতুন নতুন নিকোটিন পণ্য বাজারজাত করছে, যা তামাক ব্যবসায়ী চক্রের এক অভিনব ব্যাবসায়িক কৌশল। এই কৌশলের মাধ্যমে তারা কিশোর-তরুণদের বিভ্রান্ত করছে এবং দেশের কিশোর-তরুণদের এক নেশার জগতে ঠেলে দিচ্ছে। সংশোধিত তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনে এই বিষয়টি প্রতিফলিত না হলেও আমাদের কাজ হবে প্রতিনিয়ত এর বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া। কারণ জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার স্বার্থে কোনো প্রকার তামাকজাত পণ্যেই ছাড় দেওয়া সম্ভব নয়।</p>

<p>তামাকবিরোধী শিক্ষক ফোরামের সহ-আহ্বাক তনুশ্রী হালদার বলেন, তামাকের ক্ষতি কেবল ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যঝুঁকির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; এটি পরিবার, সমাজ এবং রাষ্ট্রীয় অর্থনীতির ওপরও মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/770-99.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[আগামী মাসে চট্টগ্রাম-ঢাকা পাইপলাইনে পুরোদমে তেল সরবরাহ শুরু]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28459</link>
    <pubDate>Wed, 20 May 2026 10:00:01 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28459</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/961-88.jpg" />    <article>
<p>আগামী মাসের শেষে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় পুরোদমে পাইপলাইনের মাধ্যমে তেল সরবরাহ করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। জ্বালানি নিয়ে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবেলায় করণীয় নির্ধারণে গঠিত জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটির বৈঠকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।</p>
</article>

<article>আরো জানানো হয়, জ্বালানি তেলের জন্য চট্টগ্রাম-ঢাকা তেল পাইপলাইনের কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।
<p>&nbsp;</p>

<p>মঙ্গলবার (১৯ মে) জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বিশেষ কমিটির সভাপতি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কমিটির সদস্য ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, &nbsp;হুইপ এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান, হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, মঈনুল ইসলাম খান, মো. সাইফুল আলম, মো. নূরুল ইসলাম, মো. আব্দুল বাতেন, মো. আবুল হাসনাত এবং মোহাম্মদ আবুল হাসানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।</p>

<p>কমিটি সূত্র জানায়, বৈঠকে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে দেশে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে গৃহীত প্রকল্প এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রসারে গৃহীত নীতিমালা ও বর্তমান চিত্র তুলে ধরা হয়।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>এ সময় জানানো হয়, ফিলিং স্টেশন স্থাপন, পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনা নীতিমালা যুগোপযোগীকরণের কাজ চলমান রয়েছে। গ্যাস বিপণন নিয়মাবলি ২০১৪ হালনাগাদপূর্বক গ্যাস বিপণন নিয়মাবলি-২০২৬ প্রণয়ন করা হয়েছে।</p>

<p>এরপর দেশের চলমান জ্বালানি পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয়। বৈঠকে কমিটির সদস্যরা তাদের মতামত দেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>এ ছাড়া জ্বালানি নিয়ে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবেলায় বিরোধী দলের সদস্যদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ লিখিত আকারে কমিটিতে জমা দিতে বলা হয়। প্রয়োজনীয় সুপারিশসহ কমিটির প্রতিবেদন সংসদের আগামী অধিবেশনে জমা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/961-88.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে শিশুদের উচ্ছ্বাস]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/national/28458</link>
    <pubDate>Wed, 20 May 2026 09:59:07 +0600</pubDate>
    <category> জাতীয় </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/national/28458</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1085-77.jpg" />    <article>
<p>&lsquo;আঙ্কেল আমার, আঙ্কেল আমার জন্মদিন&rsquo;-ছোট ছোট কণ্ঠে এমন ডাকেই মুখর হয়ে ওঠে তেজগাঁওয়ের ভূমি ভবনের ডে-কেয়ার সেন্টার। কেউ হাত বাড়িয়ে করমর্দন করছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে।</p>
</article>

<article>কেউ তাকে টেনে নিয়ে যাচ্ছে খেলনার কাছে, আবার কেউ নিজের আঁকা ছবি দেখাতে ব্যস্ত&mdash;শিশুদের এমন উচ্ছ্বাসে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে পুরো পরিবেশ। সেই মুহূর্তে শিশুদের মাঝে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও যেন ফিরে যান নির্ভার শৈশবের স্মৃতিতে।
<p>&nbsp;</p>

<p>গতকাল সকালে ভূমিসেবা মেলা-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে সেখানে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ডে-কেয়ার সেন্টারটি পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী। প্রায় ১৮ মিনিট শিশুদের সঙ্গে সময় কাটান তিনি।</p>
</article>

<article>ডে-কেয়ার সেন্টারজুড়ে তখন খেলনার টুংটাং শব্দ, কচি কণ্ঠের হাসি। ছোট ছোট পায়ে দৌড়ঝাঁপে মুখর ছিল পুরো পরিবেশ। প্রধানমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে শিশুরাও উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠে। সেন্টারে প্রবেশের পরপরই শিশুদের সঙ্গে মিশে যান সরকারপ্রধান।</article>

<article>কয়েকজন শিশু নিজেদের হাতে আঁকা ছবি দেখালে প্রধানমন্ত্রী মন দিয়ে সেগুলো দেখেন। মুগ্ধ হাসিতে প্রশংসাও করেন। কখনো শিশুদের মাথায় আলতো করে হাত বুলিয়ে দেন, কখনো তাদের কথায় প্রাণ খুলে হেসে ওঠেন। একপর্যায়ে শিশুদের নিয়ে কেক কাটেন প্রধানমন্ত্রী। নিজের হাতে শিশুদের চকলেট, টফি ও ললিপপ দেন।</article>

<article>উপহার হিসেবে তুলে দেন গিফট ব্যাগও।
<p>&nbsp;</p>

<p>চকলেট বিতরণের সময় প্রধানমন্ত্রী শিশুদের উদ্দেশে বলেন, &lsquo;আর কেউ কি বাকি আছে, পেয়েছো সবাই?&rsquo; এরপর শিশুদের উদ্দেশে তিনি বলেন, &lsquo;আজকে কার জন্মদিন বলো তো?&rsquo; এ সময় কয়েকজন শিশুকে বলতে শোনা যায়, &lsquo;আঙ্কেল আমার, আঙ্কেল আমার।&rsquo; প্রধানমন্ত্রী বলেন, &lsquo;আজকে তোমাদের সবার জন্মদিন। আসো আমরা একসঙ্গে কেক কাটি।&rsquo; শিশুদের সঙ্গে হাতে হাত রেখে কেক কাটেন তিনি। তখন করতালিতে মুখর হয়ে ওঠে পুরো কক্ষ। শিশুরা আনন্দে বলতে থাকে, &lsquo;হ্যাপি হ্যাপি, হ্যাপি ডে, হ্যাপি বার্থ ডে।&rsquo; এ সময় এক শিশু প্রধানমন্ত্রীকে কেক খাইয়ে দেন।</p>

<p>প্রধানমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করে ছোট্ট শিশু আরিবা। সে বলে, &lsquo;প্রধানমন্ত্রী আঙ্কেলকে দেখে আমি যে কী খুশি, বলতে পারছি না। আঙ্কেলের সঙ্গে মজা করে কেক খেয়েছি। আঙ্কেলও কেক খেয়েছেন। কী মজা, কী মজা। আঙ্কেল খুব ভালো, খুব সুইট।&rsquo; টেবিলে রাখা পুতুল, চকলেট ও ললিপপ দেখিয়ে আরিবা আরও বলে, &lsquo;এই যে আঙ্কেল আমাদের গিফটও দিয়েছেন।&rsquo;</p>

<p>ডে-কেয়ার সেন্টারের কর্মকর্তা মাহিয়া তাসনুভ তামান্না সেখানে শিশুদের যত্ন ও কার্যক্রম সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অবহিত করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী শিশুদের কী ধরনের খাবার দেওয়া হয় এবং তাদের মানসিক বিকাশ ঠিকভাবে হচ্ছে কি না, সে বিষয়ে খোঁজখবর নেন। শিশুদের নিষ্পাপ হাসি আর ভালোবাসার আনন্দঘন সময় কাটিয়ে শিশুদের দিকে হাত নেড়ে বিদায় নেন প্রধানমন্ত্রী। আর শিশুরাও হাত নেড়ে ও সালাম দিয়ে তাঁকে বিদায় জানায়।</p>

<p>এ বিষয়ে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে ঢাকাসহ সারা দেশে ২০টি ডে-কেয়ার সেন্টার পরিচালিত হচ্ছে। চার থেকে ছয় বছর বয়সি শিশুরা এসব কেন্দ্রে সাড়ে ১০ ঘণ্টা সেবা পেয়ে থাকে। তেজগাঁওয়ের কেন্দ্রটিতে মোট ৬০ জন শিশু রয়েছে। গতকাল উপস্থিত ছিল ৫৫ জন।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1085-77.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[জি-৭ সম্মেলনে যোগ দেবেন ট্রাম্প, গুরুত্ব পাবে যেসব বিষয়]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/international/28457</link>
    <pubDate>Wed, 20 May 2026 09:57:57 +0600</pubDate>
    <category> আন্তর্জাতিক </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/international/28457</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/57-a.jpg" />    <article>
<p>বিশ্বের শীর্ষ শিল্পোন্নত দেশগুলোর জোট জি-৭ সম্মেলনের বৈঠকে যোগ দেবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আগামী জুন মাসে ফ্রান্সে এই সম্মেলন হওয়ার কথা রয়েছে।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>সম্প্রতি ইরানের সঙ্গে যুদ্ধসহ বিভিন্ন ইস্যুতে জি-৭-এর সদস্যের সঙ্গে ট্রাম্পের সম্পর্ক তিক্ততার মধ্যে এমন ঘোষণা এলো।</p>

<p>বার্তা সংস্থা <a href="https://www.reuters.com/world/europe/trump-attend-g7-summit-france-axios-reports-2026-05-19/?fbclid=IwY2xjawR59dhleHRuA2FlbQIxMABicmlkETEyQlh5T002YXhRVVZ6QnFKc3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHkgQtdMIt5Cllry8dF_EgCYUQTOwHhguPPAnufgOx-mKyKcZhx78snH9UsXc_aem_XRmxQCyd6ZvoGOoru95k4w">রয়টার্সের</a>&nbsp;এক প্রতিবেদনে জানা যায়, জি-৭ সম্মেলনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের যোগ দেওয়ার তথ্যটি জানিয়েছেন হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা। ট্রাম্প বৈঠকে মার্কিন সাহায্যের সঙ্গে বাণিজ্যের সংযোগ স্থাপন, যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সরঞ্জাম ব্যবহারের প্রসার এবং গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সরবরাহ শৃঙ্খলে চীনের নিয়ন্ত্রণ কমানো নিয়ে কথা বলতে চান।</p>

<p>আগামী জুনের ১৫ থেকে ১৭ তারিখ পর্যন্ত ফ্রান্সের এভিয়ান শহরে জি-৭ শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।</p>
</article>

<article>বর্তমানে কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র এই গ্রুপের সদস্য।</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/57-a.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[বিশ্বকাপ দলে জায়গা পেয়ে কাঁদলেন নেইমার, রাফিনিয়াকে বললেন, ‘আমরা জিততে চলেছি’]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/game/28456</link>
    <pubDate>Wed, 20 May 2026 09:56:43 +0600</pubDate>
    <category> খেলা </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/game/28456</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1200-66.jpg" />    <article>
<p>বিশ্বজুড়ে কাল অগণিত ব্রাজিলের সমর্থকের নজর ছিল কার্লো আনচেলত্তির বিশ্বকাপ দল ঘোষণার দিকে। বেশির ভাগ সমর্থক আনচেলত্তির মুখ থেকে একটি নাম শোনার আশায় ছিলেন&mdash;নেইমার জুনিয়র।</p>
</article>

<article>&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>নামটা ঘোষণা করতেই উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েছেন নেইমার-ভক্তরা। কেউ কেউ স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন। আবার কেউ সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।&nbsp;</p>

<p>তবে ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দলে থাকবেন কি না, তা নিয়ে সবচেয়ে বেশি দুশ্চিন্তায় ছিলেন সম্ভবত নেইমার নিজেই।</p>
</article>

<article>সেই যে ২০২৩ সালে মন্তেভিদিওতে ব্রাজিলের হয়ে সর্বশেষ ম্যাচ খেললেন, সেই ম্যাচে চোটে পড়ার পর এখনো দেশের হয়ে মাঠে নামতে পারেননি।&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>৩৪ বছর বয়স বলছে, এটাই হতে পারে নেইমারের শেষ বিশ্বকাপ। সেখানে খেলতে তিনি কতটা উন্মুখ ছিলেন, সেটা বোঝা যায় বিশ্বকাপ স্কোয়াডে সুযোগ পাওয়ার পর তার প্রতিক্রিয়া দেখে।&nbsp;</p>

<p>বন্ধুরা উল্লাসে মেতে উঠলেও নেইমার নিজের আবেগ ধরে রাখতে পারেননি।</p>
</article>

<article>দীর্ঘ চোটের দুঃস্বপ্ন, মাঠের বাইরে থাকার যন্ত্রণা এবং সব বাধা পেরিয়ে আরেকবার দেশের জার্সিতে বিশ্বমঞ্চে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পাওয়ার আনন্দে প্রেমিকা ব্রুনা বিয়ানকার্দিকে নিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।
<p>&nbsp;</p>

<p>দুই হাতে মুখ ঢেকে আবেগঘন মুহূর্তের একটি ভিডিও নেইমার নিজেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করেছেন, যা মুহূর্তেই বিশ্বজুড়ে ভাইরাল হয়েছে।</p>

<p>ভিডিওটি শেয়ার করে নেইমার লিখেছেন, &lsquo;আমার জীবনের সবচেয়ে উত্তেজনাকর এবং আনন্দের দিনের একটি দৃশ্য আমার ইউটিউব চ্যানেলে। ধন্যবাদ, ব্রাজিল।&rsquo;</p>

<p>কিছুক্ষণ পরেই বার্সেলোনা তারকা রাফিনিয়ার সঙ্গে ভিডিও কলে কথা হয় নেইমারের।</p>
</article>

<article>সন্দেহাতীতভাবে রাফিনিয়াও আছে ব্রাজিলের বিশ্বকাপ দলে। কাঁদতে কাঁদতেই রাফিনিয়াকে নেইমার বলেন, &lsquo;রাফা, আমরা একসঙ্গে বিশ্বকাপ জিততে চলেছি।&rsquo;&nbsp;
<p>&nbsp;</p>

<p>ব্রাজিলের হয়ে সর্বোচ্চ ৭৯ গোল করা নেইমারের ক্যারিয়ারের এটি চতুর্থ বিশ্বকাপ।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1200-66.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[‘দেবদাস’-এর গানের শুটিংয়ে টানা ১৩ ঘণ্টা নেচেছিলেন অন্তঃসত্ত্বা মাধুরী!]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/entertainment/28455</link>
    <pubDate>Wed, 20 May 2026 09:54:38 +0600</pubDate>
    <category> বিনোদন </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/entertainment/28455</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1297-55.jpg" />    <article>
<p>শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত &lsquo;দেবদাস&rsquo; সিনেমা বলিউডে মুক্তির পর ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়। সিনেমাটির জনপ্রিয় গান &lsquo;ডোলা রে ডোলা&rsquo; আজও দর্শকদের কাছে বিশেষভাবে পরিচিত।</p>
</article>

<article>গানটিতে মাধুরী দীক্ষিত ও ঐশ্বরিয়া রাইকে একসঙ্গে নাচতে দেখা গিয়েছিল, যা সেসময় দর্শক মনে ঝড় তুলেছিল।
<p>&nbsp;</p>

<p>তবে অনেকেই জানেন না, এই গানের শুটিংয়ের সময় অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন মাধুরী দীক্ষিত। সম্প্রতি ভারতীয় গণমাধ্যমকে এমন তথ্য জানিয়েছেন প্রয়াত নৃত্য পরিচালক সরোজ খানের সহকারী রুবিনা খান।</p>

<p>তার কথায়, সিনেমাটির কাজ শুরুর সময় মাধুরী চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন।</p>
</article>

<article>এরপরও তিনি পুরো গানের শুটিংয়ে অংশ নেন। &lsquo;ডোলা রে ডোলা&rsquo; গানের শুটিং শেষ করতে প্রায় ১৭ দিন সময় লাগে।
<p>&nbsp;</p>

<p>রুবিনা জানান, গানের একটি বিশেষ নাচের দৃশ্যে মাধুরীকে ঘুরে এসে মাটিতে বসতে হতো। সেই একটি দৃশ্য ঠিকভাবে ধারণ করতেই প্রায় ১৩ ঘণ্টা লেগে যায়।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>তিনি বলেন, &lsquo;সকাল ৯টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত শুটিং চলত। অন্তঃসত্ত্বা থাকার কারণে মাধুরীর মাথা ঘুরত, শরীরও খারাপ লাগত। তারপরও তিনি কখনো নাচের স্টেপ বদলানোর কথা বলেননি।&rsquo;</p>

<p>রুবিনার মতে, নিজের কাজের প্রতি ভীষণ দায়িত্বশীল ছিলেন মাধুরী। গুরু সরোজ খানের নির্দেশ মেনেই তিনি সব দৃশ্য শেষ করেছিলেন।</p>
</article>

<article>
<p>&nbsp;</p>

<p>বলা দরকার, সঞ্জয়লীলা বানসালি পরিচালিত &lsquo;দেবদাস&rsquo; সিনেমায় মাধুরী ছাড়া আরো অভিনয় করেছিলেন শাহরুখ খান, ঐশ্বরিয়া রাই। সিনেমাটি সেসময় বক্স অফিসে বাজিমাত করে।</p>
</article>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1297-55.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিউইয়র্কের আদালতে অভিবাসী গ্রেপ্তারে সীমাবদ্ধতা আরোপ]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/28454</link>
    <pubDate>Wed, 20 May 2026 09:53:51 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/28454</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1363-44.jpg" />    <p>নিউইয়র্কেরআদালতে অভিবাসীদের গ্রেপ্তারে সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হয়েছে। ফেডারেল বিচারক পি. কেভিন ক্যাসটেল &nbsp;এই আদেশ দেন। এই সিদ্ধান্তের ফলে ম্যানহাটনের অভিবাসন আদালতগুলোতে আইসের আগের মতো ব্যাপক গ্রেপ্তার কার্যক্রম কার্যত বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।</p>

<p>বিচারক তার রায়ে বলেন, আদালতের আগের সিদ্ধান্তে একটি ভুল তথ্যের ভিত্তিতে অবস্থান নেওয়া হয়েছিল, যা সংশোধন করা জরুরি। তিনি জানান, আদালত ভবনের ভেতরে বা নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় অভিবাসীদের গ্রেপ্তার নীতি এখন আর আগের মতো নির্বিঘ্নে চালু রাখা যাবে না, কারণ এটি ন্যায়বিচার প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে পারে।</p>

<p>এই বিতর্কের সূত্রপাত হয় গত বছর, যখন ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন দমন নীতির অংশ হিসেবে আইসিই আদালতে উপস্থিত হওয়া অভিবাসীদের গ্রেপ্তার করতে শুরু করে। নিয়মিত শুনানিতে আসা মানুষদের হঠাৎ আটক করা এবং অনেক সময় পরিবারের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন করে নিয়ে যাওয়ার ঘটনাগুলো ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়। বিশেষ করে নিউইয়র্কের ২৬ ফেডারেল প্লাজা ভবনে এ ধরনের দৃশ্য নিয়মিত ঘটতে থাকে, যা মানবাধিকার সংগঠন ও স্থানীয় রাজনীতিকদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।</p>

<p>এই নীতির বিরুদ্ধে ডোর এবং আফ্রিকান কমিউনিটিজ টুগেদার নামে দুটি অভিবাসী অধিকার সংগঠন মামলা দায়ের করে। তাদের অভিযোগ ছিল, আদালতে গ্রেপ্তারের ভয়ের কারণে অভিবাসীরা নিজেদের মামলার শুনানিতে অংশ নিতে ভয় পাচ্ছেন, যা বিচার ব্যবস্থার স্বাভাবিক কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করছে। তারা আরও দাবি করে, আদালতে গ্রেপ্তার দীর্ঘদিনের প্রচলিত নীতির ব্যত্যয় এবং এটি মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঝুঁকি তৈরি করছে।</p>

<p>সরকার পক্ষ শুরুতে এই গ্রেপ্তার নীতিকে বৈধ বলে দাবি করলেও পরবর্তীতে প্রসিকিউটর অফিস একটি চিঠির মাধ্যমে জানায়, নীতিগত ব্যাখ্যায় একটি &ldquo;প্রশাসনিক ভুল&rdquo; হয়েছিল। এই স্বীকারোক্তির পর মামলাটি নতুন মোড় নেয় এবং বিচারক আগের অবস্থান পুনর্বিবেচনা করেন।</p>

<p>নতুন রায়ের ফলে এখন থেকে নিউইয়র্কের ২৬ ফেডারেল প্লাজা, ২০১ ভারিক স্ট্রিট এবং ২৯০ ব্রডওয়ের অভিবাসন আদালতে আইসের গ্রেপ্তার কার্যক্রম কঠোরভাবে সীমিত থাকবে। তবে এই সিদ্ধান্ত পুরো যুক্তরাষ্ট্রে প্রযোজ্য নয়, বরং নির্দিষ্ট এলাকাতেই কার্যকর হবে।</p>

<p>মানবাধিকার আইনজীবীরা এই রায়কে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন। নিউইয়র্ক সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়নের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকলে অভিবাসীরা আদালতে গিয়ে গ্রেপ্তারের ভয় ছাড়াই নিজেদের মামলা পরিচালনা করতে পারবেন। তবে তারা সতর্ক করে দিয়েছেন, সরকার যদি রায় পুরোপুরি বাস্তবায়ন না করে, তাহলে বিষয়টি আবারও আইনি জটিলতায় যেতে পারে।</p>

<p>অন্যদিকে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ বলেছে, অবৈধ অভিবাসীদের আটক করা আইনসঙ্গত এবং প্রয়োজনীয়। তাদের মতে, আইন লঙ্ঘনকারীদের যেখানে পাওয়া যাবে সেখানেই আটক করা সরকারের দায়িত্বের অংশ।</p>

<p>বিচারক জানিয়েছেন, এই রায় চূড়ান্ত নয় এবং মামলার পূর্ণ শুনানি এখনও বাকি রয়েছে। সরকারের পূর্বের অবস্থান পরিবর্তনকে কেন্দ্র করে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, সেটিও পরবর্তী পর্যায়ে নির্ধারণ করা হবে।</p>

<p>এই রায়কে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন নীতি নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক ও সামাজিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। একদিকে মানবাধিকার সংগঠনগুলো এটিকে স্বস্তির সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখছে, অন্যদিকে প্রশাসন বলছে আইন প্রয়োগে কোনো শিথিলতা গ্রহণযোগ্য নয়।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1363-44.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিউইয়র্কে ঢাকা ড্রামার তিন দশক পূর্তি উপলক্ষে মতবিনিময় সভা ও প্রেস কনফারেন্স]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/28453</link>
    <pubDate>Wed, 20 May 2026 09:49:23 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/28453</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1444-33.jpg" />    <p>নিউইয়র্কভিত্তিক নাট্য সংগঠন ঢাকা ড্রামার তিন দশক পূর্তি উদযাপন উপলক্ষে গত ১৭ মে এক মতবিনিময় সভা ও প্রেস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানের শুরুতে তিরিশ বছর পূর্তি উদযাপন পরিষদের চেয়ারপার্সন গার্গী মুখার্জী স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন।</p>

<p>এসময় ঢাকা ড্রামার আর্টিস্টিক ডিরেক্টর গোলাম সারওয়ার হারুন এবং ডা. প্রতাপ দাস সংগঠনটির তিন দশকের গৌরবময় পথচলা ও অর্জনের কথা তুলে ধরেন। পাশাপাশি আয়োজন সফল করতে বিভিন্ন নাট্য সংগঠনের সার্বিক সহযোগিতা ও সম্পৃক্ততা কামনা করেন তারা।</p>

<p>সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য টিটু গাজীসহ বসুনিয়া সুমন, প্রতিমা সুমি, শিরীন বকুল, ইখতিয়ার তামান্না, রিপন রহমান এবং মুনির হাসান ননী জানান, আগামী ১ আগস্ট শনিবার নিউইয়র্কের জামাইকা পারফর্মিং আর্ট সেন্টারে দিনব্যাপী এক নাট্যোৎসবের আয়োজন করতে যাচ্ছে ঢাকা ড্রামা। উৎসবে ছয়টি নাটক মঞ্চস্থ হবে। এতে অংশ নেবে স্বাগতিক দল ঢাকা ড্রামাসহ র&zwj;্যাডিক্যাল এভিলিউশন, ইসিটিএ, বন্ড স্ট্রিট থিয়েটার, অন ডায়লগ এবং থিয়েটার ইন লাইফ।</p>

<p>এছাড়া বাংলাদেশ থিয়েটার আর্কাইভের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ থেকে আগত অধ্যাপক আব্দুস সেলিম ও ড. বাবুল বিশ্বাস বাংলাদেশের ১০০টি নাটকের পোস্টার এবং প্রবাসের নির্বাচিত কিছু পোস্টার নিয়ে একটি বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজন করবেন বলে জানানো হয়।</p>

<p>এছাড়া দিনব্যাপী এই উৎসবের সম্ভাব্য অতিথি তালিকায় রয়েছেন নিউইয়র্ক ইউনিভার্সিটির পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের সাবেক প্রধান রিচার্ড শেকনার, নাট্যকার-পরিচালক-অভিনেতা মামুনুর রশীদ, ব্রডওয়ের জনপ্রিয় শো &lsquo;দ্য লায়ন কিং&rsquo;-এর অ্যাকশন ডিরেক্টর রিক সর্ডলে এবং বিশিষ্ট অভিনেতা রাইসুল ইসলাম আসাদ।</p>

<p>অনুষ্ঠানের প্রধান আকর্ষণ ছিলেন ভারতের জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত নাট্যপরিচালক সুমন মুখোপাধ্যায়। তিনি ঢাকা ড্রামার তিন দশক পূর্তিতে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, সুদীপ্ত ভৌমিক রচিত &lsquo;শিখন্ডী&rsquo; নাটক নিয়ে তিনি এ আয়োজনে অংশ নেবেন। তার উপস্থিতি অনুষ্ঠানটিতে বিশেষ মাত্রা যোগ করে।</p>

<p>নাট্য পরিচালক ও অভিনয়শিল্পী শামসুল আলম বকুল ঢাকা ড্রামার ত্রিশ বছর পূর্তিতে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে জানান, তিনি সেলিনা শেলী রচিত &lsquo;যমুনা&rsquo; নাটক নিয়ে উৎসবে অংশ নেবেন।<br />
বিশিষ্ট লেখক আহমেদ মাজহার নিউইয়র্কের বাংলা নাটকের দর্শকদের ভূমিকার উপর আলোকপাত করে বক্তব্য রাখেন।<br />
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন নাট্যব্যক্তিত্ব রোকেয়া রফিক বেবী, নাট্যকার রুমা মোদক, সীতেশ ধর, আবির আলমগির, শারমিন রেজা ইভাসহ আরও অনেকে। সবশেষে ঢাকা ড্রামার পক্ষ থেকে সমাপনী বক্তব্য রাখেন বাবর খাদেমী।&nbsp;</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1444-33.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[নিউইয়র্কে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাইয়ের বাংলা নববর্ষ উদযাপন]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/28452</link>
    <pubDate>Wed, 20 May 2026 09:48:50 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/28452</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1481-22.jpg" />    <p>নিউইয়র্কে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন করেছে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন ইউ.এস.এ। গত ১৬ মে ২০২৬, শনিবার, নিউইয়র্কের লং আইল্যান্ড এর ওয়ান্টাগ পার্কে বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে বৈশাখী উৎসব ১৪৩৩।<br />
নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির অ্যালামনাই ও তাদের পরিবারবর্গের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো অনুষ্ঠানস্থল পরিণত হয় এক উৎসবমুখর মিলনমেলায়। বৈশাখী শাড়িতে সজ্জিত নারীদের স্নিগ্ধ ও ছন্দময় পদচারণায় উৎসব প্রাঙ্গণ হয়ে ওঠে রঙিন ও আনন্দময়। গ্রামীণ বাংলার লোকজ হস্তশিল্প ও ঐতিহ্যবাহী উপকরণ দিয়ে সাজানো হয় পুরো উৎসবস্থল, যা প্রবাসে এক টুকরো বাংলার আবহ তৈরি করে।<br />
উৎসবে আগত অংশগ্রহণকারীরা পাঞ্জাবি, শাড়ি ও বৈশাখী পোশাকে সজ্জিত হয়ে নববর্ষের আয়োজনকে আরও রঙিন ও উৎসবমুখর করে তোলেন। দিনব্যাপী আয়োজনে ছিল সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, দেশীয় খাবারের আয়োজন এবং বিভিন্ন বিনোদনমূলক কার্যক্রম। খাবারের আয়োজনে ছিল পান্তা-ইলিশ, নানান ধরনের বাঙালি ভর্তা, পিঠা-পুলি, ফুচকা, চটপটি এবং বিভিন্ন ধরনের মিষ্টান্ন ও দেশীয় মিষ্টি, যা অংশগ্রহণকারীদের মাঝে বিশেষ আগ্রহ ও আনন্দের সৃষ্টি করে।<br />
অধরা ও মিহিরের সাবলীল উপস্থাপনায় বৈশাখের ঐতিহ্যকে ধারণ করে সাজানো এ অনুষ্ঠানে ছিল আবৃত্তি, সংগীত, লোকজ পরিবেশনা এবং নান্দনিক সাংস্কৃতিক আয়োজনের এক মনোমুগ্ধকর সমাহার। মঙ্গল শোভাযাত্রার মাধ্যমে শুরু হওয়া এই অনুষ্ঠানের প্রতিটি পর্বে ফুটে ওঠে বাঙালির ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও শেকড়ের আবেগঘন প্রকাশ, যা প্রবাসের পরিবেশেও এক স্বদেশি আবহ তৈরি করে। উপস্থিত দর্শক-শ্রোতারা প্রতিটি পরিবেশনা উপভোগ করেন গভীর মনোযোগ ও আবেগের সাথে, যা পুরো অনুষ্ঠানজুড়ে উৎসবের পরিবেশকে আরও সুন্দর ও উপভোগ্য করে তোলে।<br />
সাংস্কৃতিক পর্বে সংগীত পরিবেশন করেন নিষাদ, শাওন, পাপীমনা, সজল রায় ও তানভীর শাহীন। শিল্পীদের মনোমুগ্ধকর পরিবেশনায় উপস্থিত দর্শক-শ্রোতারা মুগ্ধ হন এবং পুরো উৎসব প্রাঙ্গণ হয়ে ওঠে আরও প্রাণচঞ্চল ও আনন্দমুখর।<br />
অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ ছিল অ্যালামনাইদের &ldquo;টিকাটুলি&rdquo; গানের সঙ্গে নৃত্য পরিবেশনা এবং সালসাবিল আশরাফের কোরিওগ্রাফিতে ফ্ল্যাশ মবের চমৎকার উপস্থাপনা। এই পরিবেশনা দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস সৃষ্টি করে এবং পুরো আয়োজনে যোগ করে ভিন্নমাত্রার আনন্দ ও উৎসবের আমেজ।<br />
শুভেচ্ছা বক্তব্যে কর্নফুলি ট্যাক্স সার্ভিসেস ইনক-এর সিইও মোহাম্মদ হাসেম বলেন, এই ধরনের সাংস্কৃতিক ও সামাজিক কার্যক্রমের সাথে তিনি সবসময় সম্পৃক্ত থাকতে আগ্রহী এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজনকে সমর্থন ও সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি আরও বলেন, প্রবাসে বাংলা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে এমন উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং নতুন প্রজন্মের মাঝে বাঙালি পরিচয় ও সংস্কৃতির চর্চা ছড়িয়ে দিতে এসব আয়োজনের ভূমিকা অনস্বীকার্য। অনুষ্ঠানের স্পন্সরা হলেন &ndash; কর্নফুলি ট্যাক্স সার্ভিসেস ইনক, টেকস্পার্কস সলিউশনস্, জেক্স এক্স স্টাফিং, প্রোটেক ওয়ার্ল্ড এবং ট্রিবিউন ট্রেনিং একাডেমি।<br />
অনুষ্ঠানস্থল বৈশাখী আবহে সাজিয়ে তোলেন সৈয়দ ইর্তেজা মোঃ মঈনউদ্দিন, আনিকা তাবাসসুম খান, শাহ ফারহান রাব্বানী, ফারাহ নাজ রাশিদ আরেফিন, রেহনুমা ঝলক এবং নাবিলা তুষ্টি। তাদের সৃজনশীল পরিকল্পনা ও নান্দনিক উপস্থাপনায় পুরো প্রাঙ্গণটি রূপ নেয় এক খাঁটি বৈশাখী উৎসবের পরিবেশে।<br />
প্রাঙ্গণজুড়ে ফুটিয়ে তোলা হয় গ্রামীণ বাংলার ঐতিহ্যবাহী উপাদান&mdash;রঙিন আলপনা, বাঁশ-বেতের কারুকাজ এবং লোকজ নকশা। প্রবেশপথ থেকে মঞ্চ পর্যন্ত প্রতিটি অংশেই ছিল বৈশাখের প্রাণচাঞ্চল্য ও লোকজ সংস্কৃতির ছোঁয়া।<br />
রঙিন সাজসজ্জা, আলো-সজ্জা ও শৈল্পিক বিন্যাসের মাধ্যমে পুরো আয়োজনটি হয়ে ওঠে প্রবাসে এক টুকরো বাংলার প্রতিচ্ছবি। এতে অংশগ্রহণকারী দর্শনার্থীরা যেন নিজ দেশের শেকড়ের সঙ্গে নতুন করে যুক্ত হওয়ার অনুভূতি পান।<br />
পুরো আয়োজনটি সুষ্ঠু ও নান্দনিকভাবে সমন্বয় করেন জুলহাস ইউ আহমেদ, তামজিদ আহমেদ, আফজাল চৌধুরী ইমন, নিয়ামুল আরেফিন এবং শিহাবউদ্দিন চৌধুরী। তাদের আন্তরিক প্রচেষ্টা ও পরিকল্পনায় অনুষ্ঠানটি হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত সুসংগঠিত ও সফল। অনুষ্ঠানে আয়োজকরা উপস্থিত সকল অতিথি, অংশগ্রহণকারী ও স্বেচ্ছাসেবকদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। পাশাপাশি আগামীতে আরও বৃহৎ পরিসরে এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করে ভবিষ্যৎ অনুষ্ঠানের ঘোষণাও দেন তারা।<br />
অনুষ্ঠানে ফটোগ্রাফি ও ভিডিওগ্রাফির দায়িত্বে ছিলেন তামিম ঢালী। তার আন্তরিক প্রচেষ্টায় পুরো আয়োজনের বিশেষ মুহূর্তগুলো সুন্দরভাবে ক্যামেরায় ধারণ করা হয়। এছাড়া সাউন্ড সিস্টেমের দায়িত্বে ছিলেন তানভীর শাহীন। তার দক্ষ ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠানের প্রতিটি পরিবেশনা হয়ে ওঠে আরও আকর্ষণীয় ও উপভোগ্য।<br />
উল্লেখ্য, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের এই সংগঠন ইতিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত অ্যালামনাইদের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব, পারস্পরিক সহযোগিতা ও পেশাগত নেটওয়ার্কিংয়ের এক সুদৃঢ়, সুসংগঠিত ও অর্থবহ বন্ধন গড়ে তুলেছে।</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1481-22.jpg</url>
    </image>
  </item>


  <item>
    <title><![CDATA[৩৪তম নিউ ইয়র্ক আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলাঃ স্মৃতির সোনালী স্বাক্ষর]]></title>
    <link>https://khabor.com/public/probash/28451</link>
    <pubDate>Wed, 20 May 2026 09:48:21 +0600</pubDate>
    <category> প্রবাস </category>
    <guid isPermaLink="false">https://khabor.com/public/probash/28451</guid>
    
    <description><![CDATA[
     <img src="https://khabor.com/public/upload/images/news/1580-11.jpg" />    <p>ছেলেবেলায় আমার খুব ইচ্ছে ছিলো ঢাকায় যাওয়ার। কিন্তু উপায় ছিলো না। সম্ভাবনাও না। আমার জন্ম যে গ্রামে, তাকে তখন অজপাড়া গাঁ বলাই শ্রেয়। বিদ্যুৎ নেই, রেডিও, টেলিভিশন, পেপার-পত্রিকা নেই। বাড়ির ধারের আড়িয়াল খাঁ নদী তখন আমাদের আনন্দের সর্বময় উপলক্ষ্য। আমরা ছেলেপুলেরা ফুটবল, হাডুডু, দাঁড়িয়াবান্ধা খেলে কাঁদামাখা শরীরে ঝাঁপিয়ে পড়ি তার প্রমত্তা বুকে। সাঁতার কাটি। জলখেলা খেলি। আরও কত কী! প্রায়ই দেখি তিনতলা বড় লঞ্চ ভেঁপু বাজিয়ে ঢাকায় যাচ্ছে। তাতে সুবেশী যাত্রীর ভিড়। আমাদের বুকের ভেতর তখন কেমন করে ওঠে। সেই কেমন করা জুড়ে ঢাকায় যেতে না পারার আক্ষেপ, লোভ যেমন আছে, তেমনি আছে ঘ্রাণও।<br />
তো সেই আক্ষেপ বা ঘ্রাণ থেকেই আমি একবার অদ্ভুত এক ছেলেমানুষী করে ফেললাম। কাঁদা দিয়ে লঞ্চের গায়ে আমার নাম লিখে দিলাম। একদিন বাদে ঢাকার সদরঘাট হয়ে সেই লঞ্চ আবার ফিরে এলো গ্রামের ঘাটে। আমি অবাক হয়ে দেখি কাদা শুকিয়ে আমার নামটা তখন আরও উজ্জ্বল হয়েছে। সেই নাম হাত দিয়ে ছুঁতেই আমার শরীরজুড়ে কেমন অদ্ভুত এক কাঁপন তৈরি হলো। শিহরণ। আহা, আমি না হলেও আমার নামটাতো ঢাকা শহর ঘুরে এসেছে! ওই অনুভূতি বোঝানোর সাধ্য আমার নেই। তবে আমার শৈশবের সেই ছেলেমানুষী যে নেহাৎ ছেলেমানুষীই ছিল না, তা আমি বুঝতে পেরেছিলাম আরও অনেক পরে। যখন আমি দেশ-বিদেশ ঘুরে বেড়াচ্ছি। ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়া থেকে শুরু করে নানান দেশ। তো এই গল্প এখানে কেন? কিংবা আমি কীভাবে বুঝলাম যে ছেলেবেলার সেই ঘটনা নেহাৎ ছেলেমানুষী ছিলো না?<br />
বুঝলাম নিউ ইয়র্ক আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলার ৩৪তম আসর উদ্বোধন করতে এসে। এখানে একটু বলে রাখি, এটি এখন বলা আমার জন্য যতটা সহজ, তখন তা মোটেই এতো সহজ ছিল না। বরং বিষয়টা হজম করতে বেশ বেগ পেতে হয়েছিল। বাংলাদেশের মাদারীপুর জেলার, কালকিনি থানার, কয়ারিয়া গ্রামের সেই টিনটিনে শিশুটি&Ntilde; যে কখনো ঢাকা শহর যেতে পারবে বলেই ভাবেনি, সে কিনা যাচ্ছে নিউ ইয়র্ক আন্তর্জাতিক বাংল বইমেলা উদ্বোধন করতে! যে বইমেলা উদ্বোধন করেছেন সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়, শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়, সমরেশ মজুমদার থেকে শুরু করে হুমায়ূন আহমেদ, ড. আনিসুজ্জমান প্রমুখের মতো রথী-মহারথীরা! এবং আমি তার ইতিহাসের সর্বকনিষ্ঠ উদ্বোধক হতে যাচ্ছি! এই নিয়ে নিজের মধ্যে প্রবল আনন্দ ও উত্তেজনা যেমন ছিল, &nbsp;ছিল দ্বিধা ও দ্বন্ধও। মুক্তধারা কর্ণধার বিশ্বজিত সাহা যখন এই প্রস্তাব আমাকে দিলেন এবং জানালেন যে মেলা পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের ভোটে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে তখন তাঁর সঙ্গে আমার একাধিকবার দীর্ঘ আলাপ-আলোচনা হয়েছে। আর তাতে প্রতিবারই তিনি আমার আনন্দ মিশ্রিত উত্তেজনার সঙ্গে আত্মজিজ্ঞাসা নিঃসৃত নানাবিধ সংশয়ের সঙ্গেও পরিচিত হয়েছিলেন। হয়তো অবাকও হয়েছিলেন। কিন্তু একথাওতো অস্বীকার করার উপায় নেই যে, কয়ারিয়া গ্রামের সেই ছেলেটির পক্ষে হুট করেই এমন ঘটনায় সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ ছিল না। তা সে যত বড় স্বপ্নময় প্রাপ্তি বা সম্মানই হোক না কেন!<br />
তো নিউ ইয়র্কের জন. এফ কেনেডি বিমানবন্দরে যেদিন নামলাম, সেদিন একুশে মে। আকাশে ঝকঝকে রোদ। হিমেল হাওয়া বইছে। সেই হাওয়ায় গা শিউরে উঠছে। আমি সোয়েটারের ওপর ভারি জ্যাকেট চাপালাম। তারপরও গা শিরশির করছে। এরকম রোদে এর আগে এমন ঠাণ্ডা দেখেছিলাম ব্রাসেলস আর অ্যামস্টারডামে। দীর্ঘ বিমানযাত্রায় ক্লান্ত আমি বিশ্বজিত দাকে দেখে প্রথমেই বললাম, &lsquo;আমার ঘুম পাচ্ছে, দাদা। আমি ঘুমাবো।&rsquo;<br />
বিশ্বজিত দা হাসলেন। যেন ঘরপালানো কোনো উদ্ভ্রান্ত ক্লান্ত-কিশোর তার সামনে অসহায় মুখে দাঁড়িয়ে ঘুমানোর জায়গা খুঁজছে। তিনি বললেন, &lsquo;কোনো সমস্যা নেই। সন্ধ্যা অবধি যতটা পারেন ঘুমিয়ে নেবেন।&rsquo;<br />
আমি আঁতকে উঠলাম, &lsquo;সন্ধ্যা পর্যন্ত কেন? আমার একটানা সাত দিন ঘুমাতে হবে।&rsquo;<br />
তিনি বললেন, &lsquo;সাত দিন না হলেও সাতটা পর্যন্ত আপনাকে ঘুমানোর অনুমতি দেওয়া হলো।&rsquo;<br />
আমি কিছুই বুঝলাম না। বললাম, &lsquo;মানে কী! আজতো আর কোনো কাজ নেই।&rsquo;<br />
তিনি তারপরও জবাব দিলেন না। মৃদু হাসলেন কেবল। আমরা ছুটে গেলাম জ্যামাইকা। সেখান থেকে আমাকে ফোনের সিমকার্ড ও ইন্টারনেট প্যাকেজ কিনে দিলেন বিশ্বজিত দা। তারপর বললেন, &lsquo;নিশ্চয়ই ক্ষিদে পেয়েছে? কী খাবেন?&rsquo;<br />
আমি চট করে বলে ফেললাম, পুঁইশাক দিয়ে চিংড়ি মাছ আর ভাত।&rsquo;<br />
&lsquo;আর কিছু না?&rsquo;<br />
&lsquo;উহু। আর কিছু না?&rsquo;<br />
&lsquo;ডাল, পাবদা মাছ, আলুভর্তা, করল্লা ভাজি, ঢেঁড়স ভাজি...।&rsquo;<br />
তিনি লম্বা তালিকা বলতে লাগলেন। আমি অবাক হয়ে শুনতে লাগলাম। তিনি কী করে জানলেন যে এই বিদেশ বিভূঁইয়েও আমার এসব খাবার খেতে ইচ্ছে করছে?<br />
খাওয়া শেষে যে বাসায় উঠলাম, তা সুনসান নীরব। আমি ছাড়া আর কোনো প্রাণীই সেখানে নেই। তবে সুন্দর গোছানো লিভিং রুম, ডাইনিং, কিচেন, বেডরুম দেখে ভাবলাম এআরবিএনবি হয়তো। কিন্তু সেই ভুল ভাঙল পরে। রাব্বানী ভাইয়ের বাসা এটি। তিনি নিউইয়র্ক আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা কমিটির গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এই ভদ্রলোকের সঙ্গে পরে আমার পরিচয় হয়। সেই পরিচয়ের কিছুটা আমি আমার নীলকণ্ঠী উপন্যাসের উৎসর্গপত্রে উল্লেখ করেছি। বাকিটা পরে কখনো বলব। এখন আসি নিউইয়র্ক বইমেলা নিয়ে আমার অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে। তার আগে অবশ্য সেদিন সন্ধ্যা সাতটার ঘটনা বলার লোভ সামলাতে পারছি না।<br />
আমাকে রেখে বিশ্বজিত দা কোথায় যেন চলে গেলেন। একা বাসায় আমি দীর্ঘ ঘুমের প্রস্তুতি নিয়ে শুয়ে পড়লাম। কিন্তু কী আশ্চর্য! এক মুহূর্তের জন্যও ঘুমাতে পারলাম না। এটা জেটলেগের কারণে কিনা জানি না। তবে সন্ধ্যা সাতটায় আমাকে নিয়ে যাওয়া হলো জ্যাকসন হাইট। তখন ঝিরিঝিরি বৃষ্টি পড়ছে। সেই বৃষ্টিতে জ্যাকসন হাইটের এক রে&macr;েঁ&Iacute;ারার হলরুমে গিয়ে আমি থতমত খেয়ে গেলাম। সেখানে মঞ্চ প্রস্তুত করা আছে। দর্শকসারীতে অনেক চেনা-অচেনা লোক বসে আছে। মঞ্চে পেছনের দেয়ালে আমার বিশাল ছবি দিয়ে ব্যানার টানানো হয়েছে। সেই ব্যানারে বড় বড় করে লেখা &lsquo;আমাদের প্রিয় লেখক সাদাত হোসাইনের জন্মদিনে শুভেচ্ছা।&rsquo; আমি রীতিমতো হকচকিয়ে গেলাম। আজ একুশে মে। আমার জন্মদিন। এই সাত সমুদ্র তের নদীর ওপারের এক দেশে, স্বজন-পরিজন বিহীন এই আমার প্রথম জন্মদিন, এর আগে পরিবার ছাড়া কখনো জন্মদিন কাটাইনি। স্বভাবতই মন খানিক ভার হয়ে ছিল। বিশেষ করে আমার কন্যা নোরার জন্য। সে অনেকগুলো ভয়েস মেসেজ পাঠিয়েছে। তাতে বলেছে, &lsquo;তুমি নেই তো কী হয়েছে, আমি তোমার জন্মদিনের কেক কেটেছি বাবা। তারপর তোমার ছবির মুখে সেই কেক খাইয়েও দিয়েছে। মা অবশ্য বকা দিয়ে ছবি থেকে কেক মুছে ফেলতে চেয়েছিল। আমি দেইনি। বলেছি, বাবা এসে দেখবে। আমার তোমার জন্য মন কেমন করছে বাবা। ওখানে কি তোমার জন্মদিনে তুমি কেক কাটবে না?&rsquo;<br />
আমার নোরার কথা মনে পড়ে গেলো। চারদিক থেকে সকলে হইচই করে ছুটে এলো। রঙবেরঙের বেলুন উড়লো। কবিতা, গান, আবৃত্তি শুরু হলো। শুরু হলো আমাকে নিয়ে কী সব সুন্দর সুন্দর কথাও! সেসব শুনে কেমন লজ্জা লাগতে লাগল আমার। কিন্তু একই সঙ্গে বুকের ভেতর অদ্ভুত আর্দ্র এক অনুভবও তৈরি হলো। চোখে খানিক স্যাঁতসেঁতে ভাবও কি? কে জানে! নিশ্চিত নই আমি। হয়তো নোরার কথা মনে পড়েই অমন লাগছে। আমি অবশ্য তা কাউকে বুঝতে দিলাম না। আড়ালে চোখ লুকালাম। তবে ওই ঝলমলে মমতার্দ্র মানুষগুলোর দিকে তাকিয়ে আমার অকস্মাৎ মনে হলো, আমি যেন দেশেই আছি। পরিবারের সঙ্গেই আছি। এই যে মানুষগুলো, তারা সবাই বাংলায় কথা বলে। আনন্দ প্রকাশ করে। উচ্ছ্বসিত হয়। তারা যে ভালোবাসে, তাও বাংলাতেই। সেই ভাষায় আমি লিখি। ভাবি। অনুভব করি। আর সে কারণেই তারা আমায় ভালোবাসে। ওই ভালোবাসার মূল্য আমি কী করে দেব?<br />
২.<br />
৩৪তম নিউ ইয়র্ক আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলার উদ্বোধনের দিন ২৩ মে। বাইশে মে আমি দিনভর ঘুমানোর চেষ্টা করলাম। কিন্তু হলো না। পরদিন রাতেও না। কে জানে, হতে পারে জায়গা পরিবর্তনের কারণে। আমার স্ত্রী নুসরাত অবশ্য ফোনে বলল, &lsquo;তুমি সম্ভবত বইমেলা উদ্বোধন নিয়ে টেনশন করছো।&rsquo;<br />
আমি বললাম, &lsquo;কেন টেনশন করব, কেন?&rsquo;<br />
&lsquo;কারণ তোমাকে দেখতে ভীষণ বাচ্চা লাগে।&rsquo; হাসতে হাসতে বলল সে ।<br />
&lsquo;মানে কী!&rsquo; আমি কপালে চোখ তুলে বললাম। &nbsp;<br />
সে বলল, &lsquo;এতোবড় একটা বইমেলা, তাও এর ৩৪তম আসর, কত কত নামী দামী মানুষ এটি আগে উদ্বোধন করেছেন। এবারও নিশ্চয়ই অনেক বিখ্যাত, বয়স্ক মানুষেরা থাকবেন অতিথির তালিকায়। এসব ভেবে ভেবে তোমার টেনশন হচ্ছে। তাছাড়া, নিউ ইয়র্কের বাংলাদেশিরা তোমাকে কীভাবে গ্রহণ করবে, সম্ভবত সেটি ভেবেও দুশ্চিন্তা হচ্ছে তোমার। তাই না?&rsquo; বলে ঠোঁট টিপে হাসল সে। বলল, &lsquo;সত্যি সত্যিই কিন্তু তোমাকে দেখতে লাগে সদ্য ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হওয়া ছাত্রের মতো...।&rsquo;<br />
আমি তার কথা অগ্রাহ্য করলাম। অস্বীকারও। বললাম, &lsquo;একদমই তা নয়।&rsquo;<br />
কিন্তু নুসরাত যা যা বলেছে, তার সবই সত্যি। এসবই সারাক্ষণ কিলবিল করছিল আমার মাথায়। অদ্ভুত রকমের টেনশন হচ্ছিল। দেশের বাইরে বই নিয়ে অতো বড় আয়োজন। অতিথি তালিকায় বিশ্ববরেণ্য বাঙালি ব্যক্তিত্বদের নাম। তারা সকলেই নিজ নিজ ক্ষেত্রে ভীষণ সফল ও সর্বজনশ্রদ্ধেয় মানুষ। ছেলেবেলা থেকেই ভাবতাম, ইশ কখনো যদি তাদের কারো সঙ্গে সরাসরি দেখা করার সুযোগ পেতাম। কথা বলতে পারতাম! তাহলেই বুঝি জীবন ধন্য হতো। অথচ আজ কিনা সেইসব মানুষের উপস্থিতিতে নিউ ইয়র্ক আন্তর্জাতিক বাংলা বইবেলা উদ্বোধন করবো আমি! সবকিছুই কেম স্বপ্ন স্বপ্ন লাগছিল।<br />
উদ্বোধনের দিন অবশ্য এক পলকে সেই টেনশন কেটে গেল। আর এর পুরো কৃতিত্ব বইমেলা আয়োজক কমিটি ও মেলায় আগত পাঠকদের। আমি গেট দিয়ে ঢুকতেই চারদিক থেকে যেন ছুটে এলো অভাবিত ভালোবাসার অপার স্রোত। জলের কলোরোলের মতো তাদের উচ্ছ্বাস, আবাহন। আমি তাতে অবগাহন করলাম আমার সর্বস্ব নিয়ে। মুহূর্তেই ভুলে গেলাম সকল সংশয়, দ্বিধা, সংকোচ, দুশ্চিন্তা। আমার অকস্মাৎ মনে হলো এরা সবাই আমার চেনা। ভীষণ আপন। পরিবার-পরিজন। এদের সঙ্গে আমার জনম জনমের পরিচয়। একথা অবশ্য মিথ্যেও নয়। আমরা তো সেই একই ভাষায় কথা বলি, ভাবি, ভালোবাসি। অনুভব করি মন ও মানুষ। ভাবনার ভুবন। জীবন ও জগৎ। আমি ফিতা কেটে উদ্বোধন করলাম নিউ ইয়র্ক আন্তর্জাতিক বইমেলার ৩৪তম আসর। তুমুল করতালি, ক্যামেরার ফ্ল্যাশ আর হর্ষধ্বনিতে মুখরিত হয়ে উঠলো বইমেলা প্রাঙ্গণ।<br />
ততক্ষণে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। সঙ্গে তুমুল কনকনে ঠাণ্ডা হাওয়া। আমরা তড়িঘড়ি করে খোলা মাঠ থেকে অডিটোরিয়ামের ভেতর ঢুকে পড়লাম। সেখানে অসংখ্য মানুষের ভিড়। অডিটোরিয়ামের ভেতর ও বাইরে যেন উপচে পড়ছে মানুষে। এই বিদেশ-বিভূঁইয়ে বাংলা বই নিয়ে একটি আয়োজনে এতো মানুষের সমাগত ঘটতে পারে&Ntilde; এ আমার কাছে রীতিমতো অবিশ্বাস্য ঠেকতে লাগল। এর আগে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে গিয়েছি বই নিয়ে নানা আয়োজনে। কিন্তু বাংলাদেশ ও ভারতের পর এতো বড় আয়োজন, এতো লোক-সমাগম, এতো উচ্ছ্বাস আর কোথাও দেখিনি।<br />
মূল অনুষ্ঠান ততক্ষণে শুরু হয়েছে। মঞ্চে উপবিষ্ট স্বপ্নের সব মানুষ। অধ্যাপক গায়ত্রী চক্রবর্তী স্পিভাক, বিশ্ববিখ্যাত কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক। তাঁর লেখা বিশ্বাবিদ্যালয়ে সাবঅল্টার্ন স্টাডিজ কোর্সে পড়েছি। এছাড়াও রয়েছেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক রেহমান সোবহান, মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন সিতারা বেগম বীর প্রতীক, রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক রওনক জাহান, মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের মার্কিন বন্ধু ফিলিস টেইলরসহ অসংখ্য গুণী মানুষ। তাদের সঙ্গে একমঞ্চে আসন ভাগাভাগি করাটা আমার এই ক্ষুদ্র লেখকজীবনের বিশাল প্রাপ্তি। সেই প্রাপ্তিতে যোগ হলো উদ্বোধনী বক্তব্যও। আমার এখনও স্পষ্ট মনে আছে, যখন উদ্বোধনী বক্তব্য দিতে আমার নাম ঘোষণা করা হলো, তখন রীতিমতো ঘামছিলাম আমি। কী বলব কিছুতেই ভেবে পাচ্ছিলাম না। গলাও কাঁপছিল। সেই কাঁপা কাঁপা কণ্ঠেই আমি বলতে শুরু করলাম বহু বছর আগের বাংলাদেশের মাদারীপুর জেলার কালকিনি থানার কয়ারিয়া গ্রামের সেই আদুল গায়ের টিনটিনে ছোট্ট কিশোরের কথা। যে তার ঢাকায় যাওয়ার স্বপ্ন পূরণ করতে ঢাকাগামী লঞ্চের গায়ে কাদা দিয়ে নিজের নাম লিখে দিয়েছিল। সেই ছেলেটি দাঁড়িয়ে আছে মার্কিন মুলুকের নিউ ইয়র্ক শহরের আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলার মঞ্চে উদ্বোধনী বক্তৃতা দিতে। তার এই অবিশ্বাস্য স্বপ্নময় যাত্রা সম্ভব হয়েছে একটি মাত্র কারণে। সেই কারণটি হলো বাংলা ভাষা। এই ভাষায় সে লিখেছে বলেই বিশ্বব্যপী বাংলা ভাষাভাষী মানুষ তার লেখা পড়েছে। পড়ে আন্দোলিত অনুভব করেছে। একাত্ম বোধ করেছে। প্রবল গভীর স্পর্শে স্পর্শিত হয়েছে। তাকে ভালোবেসে কাছে টেনে নিয়েছে। করেছে তাদের দিনযাপনের গহীন গোপন একান্ত অনুভবের সঙ্গী। সুতরাং সেই ভাষার প্রতি প্রগাঢ় ভালোবাসা, কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে আমি আমার বক্তব্য শেষ করলাম। আর সংশয়চিত্তে ভাবছিলাম, কী বলেছি আমি? এই বক্তব্য কি এখানকার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ? উপস্থিত অতিথি ও দর্শকরা কি বিরক্ত হয়েছেন? কিংবা পছন্দ করেছেন আমার কথা? নাকি আমার ওই ভীরু, কাঁপা, সন্ত্রস্ত কণ্ঠস্বর শুনে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছেন? কিন্তু আমার সব শঙ্কা, দ্বিধা মুহূর্তেই কর্পূরের মতো উবে গেল। কারণ, বক্তব্য শেষ হতে না হতেই পুরো হলরুম ভর্তি প্রতিটি মানুষ তুমুল করতালিতে ভাসিয়ে দিলেন চারপাশ। চিৎকার করে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করলেন। তাদের সেই চিৎকার, হর্ষধ্বনি যেন আমার কানে সুমধুর সঙ্গীত হয়ে উঠলো। হয়ে উঠল অদ্ভুত অপার্থিব সুরের মুর্চ্ছনা।<br />
৩.<br />
পরের দিনগুলো হয়ে রইলো চির অমলিন স্মৃতির সোনালি স্বাক্ষর। &nbsp;বিশ্বজিত দা মুক্তধারার স্টল দিয়েছেন বইমেলায়। সেখানে আমার বই আছে। আমি সেই স্টলে গিয়ে দাঁড়ালাম। আর তারপর অভূতপূর্ব এক দৃশ্যের সূচনা হলো। মুক্তধারা ঘিরে নানা বয়সী পাঠকের উপচে পড়া ভীড় হলো। তারা লাইন ধরে আমার বই, স্বাক্ষর সংগ্রহ করতে লাগল। সঙ্গে সেলফি তো আছেই। দেখতে ছোট্ট কিশোরী এক মেয়ে এতো বই কিনল যে দু&rsquo;হাতেও তুলতে পারছিল না সে। আমি তাকে বললাম, &lsquo;কাউকে বলব গাড়িতে পৌঁছে দিতে?&rsquo;<br />
সে বলল, &lsquo;না। আমি নিজেই এই বইগুলো ক্যারি করতে চাই। এগুলো আমার কাছে বিশেষ কিছু।&rsquo;<br />
আমার আচমকা মনে হলো, বাংলাদেশের অমর একুশে বইমেলা আর প্রায় সাড়ে সাত হাজার মাইল দূরের ওই নিউ ইয়র্ক আন্তর্জাতিক বইমেলাকে যেন আলাদা করতে পারছিলাম না আমি। সেইতো চেনা সব মুখ। চেনা সব কথা। চেনা অনুভব। চেনা ব্যকুলতা। সেইতো ভালোবাসায় আর্দ্র চোখ। সেইতো বাংলা ভাষা ও ভালোবাসায় পরিপূর্ণ মানুষ। এসবই আমার ভীষণ আপন। ভীষণ কাছের। গোপন গহীন অনুভব। আমি তাতে আচ্ছন্ন হয়ে রইলাম। প্রতিটি মুহূর্ত শুষে নিতে থাকলাম তৃষ্ণার্ত পথিকের মতন। আর বুক ভরে টেনে নিতে চাইলাম স্বপ্নের সুবাস।<br />
বিশ্বজিত দা বইমেলার প্রায় প্রতিটি দিন আমার সেশন রেখেছিলেন মঞ্চে। তাতে পাঠকের সঙ্গে সরাসরি প্রশ্নোত্তর পর্ব যেমন ছিল, তেমনি ছিল বিভিন্ন লেখকদের সঙ্গে আড্ডা, গল্প, সাহিত্য আলোচনা ও ভাবনা বিনিময়ও। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে বাংলা ভাষার কত কত লেখক যে এসেছেন এই মেলায়! তাদের বইয়ের মোড়ক উন্মোচন হল। আলোচনা হলো বই নিয়ে। সেসব মুগ্ধ হয়ে শুনলাম। &nbsp;সঙ্গে নৃত্য, কবিতা আবৃত্তি, গানতো ছিলই। এ যেন আস্ত এক বাংলাদেশেরই প্রতিচ্ছবি। সেই প্রতিচ্ছবি বুকে জমিয়ে রাখলাম সযত্নে। যখন খুব মন খারাপ হবে, কোনো কিছু নিয়ে বিষাদাক্রান্ত হবো তখন ওই ছবি, ওই অনুভব বুকের গহীন কোণ থেকে আলগোছে বের করে আনবো। আর তারপর রোমন্থন করব পরম মমতায়। ভালোবাসায়। ভাষায়।<br />
প্রিয় নিউইয়র্ক আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা, এই যাত্রা অন্তহীন হোক। ছড়িয়ে পড়ুক প্রাণে প্রাণে, গানে গানে, ঘ্রাণে ঘ্রাণে।<br />
লেখক : কথাসাহিত্যিক</p>]]></description>
     
    <author><![CDATA[  খবর   ]]></author>
    
    <image>
      <url>https://khabor.com/public/upload/images/news/1580-11.jpg</url>
    </image>
  </item>

</channel>
</rss>