NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, জুলাই ১০, ২০২৬ | ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
Minister of Home Affairs holds bilateral meetings with Pakistan, Viet Nam and UN leaders at UNHQ জাতিসংঘে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক ও সময়োপযোগী জাতিসংঘ পুলিশ গঠনের আহ্বান পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ একটি জাতীয় আন্দোলন : প্রধানমন্ত্রী আজ রাতেই ইরানে কঠোর হামলার হুমকি ট্রাম্পের মেজাজ হারিয়ে দলীয় কর্মীদের পেটালেন মমতা বেন স্টোকসের বিদায়ী বার্তা ফাঁস, ইংল্যান্ডকে কাঠগড়ায় তুলল আইসিসি অপু বিশ্বাস কি আবার বিয়ে করেছেন? নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন ‘ডে-কেয়ার সেন্টার’ দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ : ডা. জুবাইদা রহমান ছবি পোস্ট করে মেলোনিকে আবার খোঁচা ট্রাম্পের
Logo
logo

যুক্তরাজ্যে ১ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয়ের প্রস্তাব পররাষ্ট্রমন্ত্রীর


খবর   প্রকাশিত:  ১২ জানুয়ারী, ২০২৪, ০৭:৫২ এএম

যুক্তরাজ্যে ১ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয়ের প্রস্তাব পররাষ্ট্রমন্ত্রীর

ঢাকা: যুক্তরাজ্যে ১ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেয়ার জন্য প্রস্তাব করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। রোববার (২৬ জুন) রুয়ান্ডার রাজধানী কিগালিতে কমনওয়েলথ পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সম্মেলনের সাইডলাইনে ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী এলিজাবেথ ট্রসকে এ প্রস্তাব দেন ড. মোমেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ড. মোমেন প্রস্তাব করেন যে, যেহেতু বিচার ও মানবাধিকারের ক্ষেত্রে যুক্তরাজ্য চ্যাম্পিয়ন, তারা ১ লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেয়ার কথা বিবেচনা করতে পারে।

৭০ ও ৯০-এর দশকে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছিল এবং ফেরতও গিয়েছিল উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ওই সময়ে মিয়ানমারের ওপর নিষেধাজ্ঞা ছিল বলে তারা ফেরত গিয়েছিল।

রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়ার জন্য বাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানিয়ে এলিজাবেথ ট্রস বলেন, বিষয়টি বিবেচনা করবে যুক্তরাজ্য। তবে রোহিঙ্গা সমস্যার সবচেয়ে ভালো সমাধান হচ্ছে, তাদের মিয়ানমারে নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবাসন। এখন তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা নেই এবং যুক্তরাজ্য ও পশ্চিমা বিশ্ব সেখানে বিনিয়োগ করছে।

বাংলাদেশ থেকে কম-সংখ্যক শিক্ষার্থীর যুক্তরাজ্যে যাওয়া নিয়ে ব্রিটিশমন্ত্রী উদ্বেগ প্রকাশ করলে আব্দুল মোমেন বলেন, এখন যুক্তরাজ্য কম-সংখ্যক ভিসা ইস্যু করছে। তিনি শিক্ষার্থী ও বিজনেস ভিসা ঢাকা থেকে দেয়ার অনুরোধ করেন।

উভয় মন্ত্রী ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য একসঙ্গে কাজ করতে সম্মত হোন।

বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রিটিশ মন্ত্রীকে ঢাকা সফরের আমন্ত্রণ জানান।