NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বুধবার, নভেম্বর ৪, ২০২৬ | ১৯ কার্তিক ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
জলবায়ু সম্মেলনে যোগ দিতে তুরস্ক সফরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী মধ্যবর্তী নির্বাচনে হারলে ‘মিস্টার ভেটো’ হয়ে উঠবেন ট্রাম্প ওয়ানডে বিশ্বকাপ দেখতে এখনই ১২ কোটির বেশি আবেদন ৮৩২ কোটি টাকার দুর্নীতি মামলায় অভিনেত্রীর নাম পোশাক কারখানা চালু রেখে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর হ্যালোইন উৎসবের ছুটিতে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে বন্দুক হামলা, নিহত ৬ মার্কিন-দক্ষিণ কোরীয় মহড়া পারমাণবিক যুদ্ধের প্রস্তুতি : দাবি উত্তর কোরিয়ার ৩ ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে মেসির গোল, হেডে অ্যাসিস্ট যুবকদের জন্য ৫০০ কোটি টাকার স্টার্টআপ তহবিল ঘোষণা সরকারের : প্রধানমন্ত্রী লন্ডনে ফিলিস্তিনপন্থি বিক্ষোভে ১৩৯ জন গ্রেফতার
Logo
logo

জাল সনদে চাকরি, মামলার মুখোমুখি ৩ কৃষি কর্মকর্তা


খবর   প্রকাশিত:  ০৬ ডিসেম্বর, ২০২৩, ০৬:৫৯ এএম

জাল সনদে চাকরি, মামলার মুখোমুখি ৩ কৃষি কর্মকর্তা

জাল প্রশিক্ষণ সনদপত্র দেখিয়ে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার চাকরি নিয়ে দুর্নীতির মামলার আসামি হয়েছেন তিন কর্মকর্তা। মামলায় তাদের বিরুদ্ধে জালিয়াতির মাধ্যমে চাকরি ও বেতন-ভাতা বাবদ সাড়ে ১০ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে। 

দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১ এ সংস্থাটির সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ জিন্নাতুল ইসলাম বাদী হয়ে পৃথক তিনটি মামলা দায়ের করেছেন। বৃহস্পতিবার (৬ এপ্রিল) দুদকের ঊর্ধ্বতন একটি সূত্র ঢাকা পোস্টকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। 
 
মামলার আসামিরা হলেন- পঞ্চগড় উপজেলা কৃষি অফিসারের কার্যালয়ের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আহসান হাবিব, কুড়িগ্রাম উপজেলা কৃষি অফিসারের কার্যালয়ের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা বিপাশা খাতুন ও উজিরপুরের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের ২৩ জানুয়ারি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের 'উপসহকারী কৃষি কর্মকতার' পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়। আসামিরা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা পদে নিয়োগ পেতে আবেদনের সঙ্গে আনসার ভিডিপি কোটায় প্রার্থী হিসেবে  আবেদনপত্রের সঙ্গে আনসার ভিডিপির জাল প্রশিক্ষণ গ্রহণের সনদপত্র সংযুক্ত করেন। ওই সনদপত্রের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২১ সালের ২০ সেপ্টেম্বর আনসার ভিডিপি কোটায় উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা পদে নিয়োগ পান এবং ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চাকরি করেন। বেতন-ভাতা হিসাবে প্রত্যেকে ৩ লাখ ৫৫ হাজার ৩৬৬ টাকা করে মোট ১০ লাখ ৬৬ হাজার ৯৮ টাকা গ্রহণ করেছেন। মামলায় যা আত্মসাৎ হিসাবে দেখানো হয়েছে। 

অনুসন্ধানকালে পাওয়া রেকর্ডপত্র পর্যালোচনায় আনসার ভিডিপি সনদপত্র জালজালিয়াতির মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে। আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪২০/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।