NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৬ | ২০ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
৮১তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের নেতৃত্বে বাংলাদেশ সিরিয়ায় আসাদ আমলের রাসায়নিক অস্ত্র ধ্বংস শুরু, ২০১৪ সালের পর প্রথম যাচাইয়ে স্বাগত জানাল জাতিসংঘ রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপের বৈঠক মার্কিন হামলায় ৩ ইরানি সামরিক পাইলট নিহত: আইআরজিসি সুড়ঙ্গের ভেতর থেকে ভেসে আসছে আরো মানুষের কণ্ঠস্বর রেকর্ড ৯৯৫ কোটি টাকায় আল হিলালে ব্রাজিলের মার্তিনেল্লি টিজারের সমালোচনা কাটিয়ে ‘হ্যারি পটার’ ট্রেলারে মুগ্ধ ভক্তরা ইন্দো-প্যাসিফিকে সহযোগিতা জোরদারে দিল্লিতে কোয়াড শেরপাদের বৈঠক কিউবার বিরুদ্ধে ফের মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, টার্গেটে কাস্ত্রো পরিবারের সদস্য ও ব্যাংক-জ্বালানি খাত মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার মধ্যে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে সিরিয়ার রাসায়নিক অস্ত্র নিয়ে বৈঠক
Logo
logo

পাকিস্তান উস্কানি দিলে ভারত এখন আর বসে থাকে না: মার্কিন রিপোর্ট


খবর   প্রকাশিত:  ১৬ নভেম্বর, ২০২৪, ০৫:২৩ এএম

>
পাকিস্তান উস্কানি দিলে ভারত এখন আর বসে থাকে না: মার্কিন রিপোর্ট

যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর প্রতিনিধিরা গতকাল বুধবার (৮ মার্চ) আন্তর্জাতিক দ্বন্দ্বসহ নানান বিষয় নিয়ে মার্কিন কংগ্রেসের আইনপ্রণেতাদের অবহিত করেন। গোয়েন্দারা ভারত-পাকিস্তান এবং ভারত-চীন নিয়ে বিশেষভাবে আলোচনা করেছেন। তারা জানিয়েছেন, এ দেশগুলোর মধ্যে যে উত্তেজনা চলছে, এতে তাদের আশঙ্কা, পরমাণু শক্তিসমৃদ্ধ দেশগুলোর মধ্যে দ্বন্দ্ব লেগে যেতে পারে।

এছাড়া গোয়েন্দারা জানিয়েছেন, বর্তমানে পাকিস্তান কোনো উস্কানি দিলে ভারতীয় সেনারা বসে থাকেন না। তারা অস্ত্রের মাধ্যমেই এর জবাব দেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অধীনে জবাব দেওয়ার মানসিকতা বেড়েছে বলেও উল্লেখ করেছেন তারা।

এ ব্যাপারে গোয়েন্দাদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে উত্তেজনা বিশেষ উদ্বেগজনক। তবে বর্তমানে নয়া দিল্লি ও ইসলামাবাদ ‘২০২১ সালে লাইন অব কন্ট্রোলে নবায়নকৃত যুদ্ধবিরতি’ ও শান্ত পরিবেশ বজায় রাখার ক্ষেত্রেই বেশি আগ্রহী।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ‘যদিও ভারত-বিরোধী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে সহায়তা করার লম্বা ইতিহাস রয়েছে পাকিস্তানের। তবে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে আগের তুলনায় ভারত সামরিকভাবে পাকিস্তানের উস্কানির জবাব বেশি দেয়। কাশ্মীরের উত্তপ্ত পরিস্থিতি এবং ভারতের ওপর সশস্ত্র হামলার বিষয়টির সঙ্গে দুই দেশের উত্তেজনাকর মনোভাব দ্বন্দ্বের ঝুঁকি বাড়িয়েছে।’

এছাড়া ভারত-চীন সম্পর্কে নিয়ে নিজেদের মন্তব্য জানিয়েছেন মার্কিন গোয়েন্দারা। তারা জানিয়েছেন, সীমান্ত উত্তেজনা নিয়ে ভারত ও চীন আলোচনা করেছে এবং এ বিষয়টি সমাধানও করেছে। কিন্তু ২০২০ সালে এ দুই দেশের সেনাদের মধ্যে যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়েছে, সেই ঘটনার জেরে তাদের মধ্যে সম্পর্ক ‘আন্তরিকতাশূন্যই’ থেকে যাবে।