NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৬ | ২০ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ইরানের ‘পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন’-এ শিগগিরই হামলার হুমকি ট্রাম্পের ইরানের আর্থিক নেটওয়ার্কে বড় আঘাত, তুরস্কের গোল্ডেন গ্লোবাল ব্যাংকে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ৮১তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের নেতৃত্বে বাংলাদেশ সিরিয়ায় আসাদ আমলের রাসায়নিক অস্ত্র ধ্বংস শুরু, ২০১৪ সালের পর প্রথম যাচাইয়ে স্বাগত জানাল জাতিসংঘ রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপের বৈঠক মার্কিন হামলায় ৩ ইরানি সামরিক পাইলট নিহত: আইআরজিসি সুড়ঙ্গের ভেতর থেকে ভেসে আসছে আরো মানুষের কণ্ঠস্বর রেকর্ড ৯৯৫ কোটি টাকায় আল হিলালে ব্রাজিলের মার্তিনেল্লি টিজারের সমালোচনা কাটিয়ে ‘হ্যারি পটার’ ট্রেলারে মুগ্ধ ভক্তরা ইন্দো-প্যাসিফিকে সহযোগিতা জোরদারে দিল্লিতে কোয়াড শেরপাদের বৈঠক
Logo
logo

জনসংখ্যা হ্রাস: বিয়ে ছাড়াও সন্তান জন্ম দেওয়া যাবে চীনের সিচুয়ানে


খবর   প্রকাশিত:  ০৭ নভেম্বর, ২০২৪, ০৪:৪৮ এএম

>
জনসংখ্যা হ্রাস: বিয়ে ছাড়াও সন্তান জন্ম দেওয়া যাবে চীনের সিচুয়ানে

এশিয়ার দেশ চীনে গত ৬০ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো কমেছে জনসংখ্যা। বিষয়টি নিয়ে বেশ উদ্বিগ্ন দেশটির সরকার। জনসংখ্যা বৃদ্ধিতে ইতোমধ্যেই বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে চীন।

এর অংশ হিসেবে এবার সিচুয়ান প্রদেশে ‘বিয়ে ছাড়া সন্তান জন্ম দেওয়ার নিষেধাজ্ঞা’ তুলে নিয়েছে চীন। সিচুয়ানে প্রায় ৮ কোটি মানুষ বসবাস করেন। শুধু তাই নয় ওই প্রদেশে এখন যত খুশি তত সন্তান নিতে পারবেন বিবাহিত দম্পতিরা।

সোমবার (৩০ জানুয়ারি) সিচুয়ানের স্বাস্থ্য কমিশন ঘোষণা দিয়েছে, আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে প্রাদেশিক সরকারের তালিকায় যে কেউ জন্মনিবন্ধন করাতে পারবেন। আগে বিবাহিত নারী-পুরুষ সর্বোচ্চ দু’টি সন্তানের জন্মনিবন্ধন করাতে পারতেন।

সিচুয়ানের প্রাদেশিক সরকার জানিয়েছে, এ নিয়ম আগামী পাঁচ বছর বলবৎ থাকবে।

চীনের জন্ম নীতিতে অবশ্য অবিবাহিত নারীদের সন্তান জন্ম দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো বাধা নেই। এ ব্যাপারে স্পষ্টভাবে কোনো নিষেধাজ্ঞাও নেই। তবে কোনো নারী যখন জন্মপূর্বকালীন সরকারি সেবা, মাতৃত্বকালীন ছুটির বেতনের সুবিধা নিতে যান তখন তাদের বিয়ের প্রমাণ দেখাতে হয়।

এছাড়া যেসব নারী বিয়ে ছাড়া সন্তান জন্ম দিতে চান তাদের ‘হুকোও’ নামের একটি সেবা পাওয়ার জন্য বড় অংকের জরিমানা গুণতে হয়। এই হুকোওর মাধ্যমে শিশুরা শিক্ষা ও সামাজিক সেবা পেয়ে থাকে।

আশির দশকে চীনে এক সন্তান নীতি গ্রহণ করা হয়। কেউ যদি এ নীতি ভঙ্গ করতেন তাহলে তাকে পেতে হতো কঠোর শাস্তি। মূলত জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে এমন বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নিয়েছিল দেশটি। তবে পরবর্তীতে এটি ভুল প্রমাণিত হয়। আর সেই ভুল বুঝতে পেরে ২০১৬ সালে এই নীতি থেকে সরে আসে চীন।