NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, আগস্ট ২৩, ২০২৬ | ৮ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ই-হেলথ প্ল্যাটফর্মের পাইলট প্রকল্প শুরুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর অস্বস্তিকর প্রশ্নে সাংবাদিকের ওপর ক্ষেপলেন ট্রাম্প কিয়েভের ওপর রুশ ক্ষেপণাস্ত্র বর্ষণে বাড়ছে হতাহত, পরিস্থিতি থমথমে যুক্তরাজ্যে ধাওয়া দিতে গিয়ে দুর্ঘটনা, ২ পুলিশ কর্মকর্তাসহ নিহত ৭ গুলিতে প্রাণ হারালেন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন বক্সার তেতে পরীমনির গাড়ি বিতর্ক ‘মাসরুর’ আসলে মাসরুর আরেফিন নন বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসা স্থগিত নীতি বাতিল ইরান যুদ্ধের প্রভাবে এশিয়া থেকে সামরিক সম্পদ সরাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, উদ্বিগ্ন মিত্ররা ট্রাম্প–কিম বৈঠকের ইঙ্গিত, উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিয়েছেন মির্জা ফখরুল
Logo
logo

নেপালে ধর্ষণ আইন সংস্কারের দাবি


খবর   প্রকাশিত:  ১২ জানুয়ারী, ২০২৪, ১১:২০ এএম

>
নেপালে ধর্ষণ আইন সংস্কারের দাবি

২৪ বছর বয়সী এক নেপালি মডেল অভিযোগ করেছেন আট বছর আগে এক সুন্দরী প্রতিযোগীতার আয়োজকরা মাদক সেবন করিয়ে তাকে ধর্ষণ করেন এবং ধর্ষণের দৃশ্য ভিডিও করে তা দিয়ে পরে ব্ল্যাকমেইলও করা হয়।  

এই অভিযোগ ওঠার পর দেশটিতে ধর্ষণ আইন সংস্কারের দাবি উঠেছে। কারণ নেপালের আইনে ধর্ষণের ঘটনার এক বছরের মধ্যে অভিযোগ জানাতে হয়, এক বছর পেরিয়ে গেলে কার্যত ধর্ষণের অভিযোগ তোলার সুযোগই থাকে না। 

আর সে কারণেই ওই মডেল বারবার অনুরোধ করলেও পুলিশ ধর্ষণের অভিযোগ আমলে না নিয়ে কথিত ধর্ষকদের বিরুদ্ধে স্রেফ মানব পাচার এবং অপহরণের মামলা নিয়েছে।  

আইন সংস্কারের পাশপাশি ধর্ষকদের দ্রুত শাস্তির আওতায় আনার দাবিও জানানো হয়েছে। 

দক্ষিণ এশিয়ার বাকি সব দেশের মতো নেপালেও ধর্ষণের শিকার নারী-শিশুদের বিচার প্রাপ্তির হার খুব নগণ্য। ২০২১ সালের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, সারা দেশে যত ধর্ষণের ঘটনা ঘটে, তার সামান্যই প্রকাশিত হয়, মামলা হয় আরও কম। প্রতিবেদনে বলা হয়, মোট মামলার অন্তত দুই তৃতীয়াংশের ক্ষেত্রেই অপরাধীর কোনো শাস্তি হয় না। 

সম্প্রতি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এবং হিউম্যান রাইটস ওয়াচ নেপাল সরকারের প্রতি ধর্ষণের আইনকে ‘আন্তর্জাতিক মানে’ উন্নীত করা দাবি জানায়। 

গত সপ্তাহে নেপালের নারী আইনজীবীরাও ধর্ষণ আইন থেকে এক বছরের ‘শর্ত’ সরিয়ে নেওয়ার দাবি তোলেন। সুপ্রিম কোর্টকে তারা বলেন, এক বছরের মধ্যে অভিযোগ করতে হবে, দেরি হলে ধর্ষণের অভিযোগ জানানোর সুযোগ থাকবে না- এমন বিধান বাতিল করতে হবে, কারণ, এর মাধ্যমে নারী এবং শিশুদের সুবিচার প্রাপ্তির সাংবিধানিক অধিকার ক্ষুন্ন হচ্ছে।