NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বুধবার, জুলাই ১, ২০২৬ | ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
কেন ইউনূসের অপশাসনের তদন্ত করা জরুরি? বরেণ্য চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ারের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক কেতনের টাকায় জীবন সাজাতে চেয়েছিল সিয়া-চেতন টাইব্রেকারে জার্মানির বিদায় ঘণ্টা বাজাল প্যারাগুয়ে সেই ‘চুমুকাণ্ড’ বিতর্কে মুখ খুললেন কঙ্গনা ও বীর ২০৩৮ সালে ৬৪ দলের ফিফা বিশ্বকাপ আয়োজনে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র: হোয়াইট হাউসের বড় ঘোষণা ২৯ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী অন্তর্বর্তী সরকারের দুর্নীতি তদন্তের দাবি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ছাত্র বিক্ষোভের মুখে পদত্যাগের ঘোষণা সার্বিয়ার প্রেসিডেন্টের ‘ধর্মীয় অবমাননা’র অভিযোগ, ১৫ দিন সম্প্রচার বন্ধ জিও নিউজের
Logo
logo

নেপালে ধর্ষণ আইন সংস্কারের দাবি


খবর   প্রকাশিত:  ১২ জানুয়ারী, ২০২৪, ১১:২০ এএম

>
নেপালে ধর্ষণ আইন সংস্কারের দাবি

২৪ বছর বয়সী এক নেপালি মডেল অভিযোগ করেছেন আট বছর আগে এক সুন্দরী প্রতিযোগীতার আয়োজকরা মাদক সেবন করিয়ে তাকে ধর্ষণ করেন এবং ধর্ষণের দৃশ্য ভিডিও করে তা দিয়ে পরে ব্ল্যাকমেইলও করা হয়।  

এই অভিযোগ ওঠার পর দেশটিতে ধর্ষণ আইন সংস্কারের দাবি উঠেছে। কারণ নেপালের আইনে ধর্ষণের ঘটনার এক বছরের মধ্যে অভিযোগ জানাতে হয়, এক বছর পেরিয়ে গেলে কার্যত ধর্ষণের অভিযোগ তোলার সুযোগই থাকে না। 

আর সে কারণেই ওই মডেল বারবার অনুরোধ করলেও পুলিশ ধর্ষণের অভিযোগ আমলে না নিয়ে কথিত ধর্ষকদের বিরুদ্ধে স্রেফ মানব পাচার এবং অপহরণের মামলা নিয়েছে।  

আইন সংস্কারের পাশপাশি ধর্ষকদের দ্রুত শাস্তির আওতায় আনার দাবিও জানানো হয়েছে। 

দক্ষিণ এশিয়ার বাকি সব দেশের মতো নেপালেও ধর্ষণের শিকার নারী-শিশুদের বিচার প্রাপ্তির হার খুব নগণ্য। ২০২১ সালের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, সারা দেশে যত ধর্ষণের ঘটনা ঘটে, তার সামান্যই প্রকাশিত হয়, মামলা হয় আরও কম। প্রতিবেদনে বলা হয়, মোট মামলার অন্তত দুই তৃতীয়াংশের ক্ষেত্রেই অপরাধীর কোনো শাস্তি হয় না। 

সম্প্রতি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এবং হিউম্যান রাইটস ওয়াচ নেপাল সরকারের প্রতি ধর্ষণের আইনকে ‘আন্তর্জাতিক মানে’ উন্নীত করা দাবি জানায়। 

গত সপ্তাহে নেপালের নারী আইনজীবীরাও ধর্ষণ আইন থেকে এক বছরের ‘শর্ত’ সরিয়ে নেওয়ার দাবি তোলেন। সুপ্রিম কোর্টকে তারা বলেন, এক বছরের মধ্যে অভিযোগ করতে হবে, দেরি হলে ধর্ষণের অভিযোগ জানানোর সুযোগ থাকবে না- এমন বিধান বাতিল করতে হবে, কারণ, এর মাধ্যমে নারী এবং শিশুদের সুবিচার প্রাপ্তির সাংবিধানিক অধিকার ক্ষুন্ন হচ্ছে।