NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, মঙ্গলবার, জুলাই ১৪, ২০২৬ | ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ঢাকার ৪১৬ বছর পূর্তিতে ‘ঢাকা উৎসব’, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে ১০ লাখ ডলারের বেশি অনুদান যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটর গ্রাহামের সম্মানে মার্কিন পতাকা অর্ধনমিত রাখার নির্দেশ ট্রাম্পের চড়া মূল্যে বিক্রি হচ্ছে টেইলর সুইফটের বিয়ের ‘আবর্জনা’! ইতিহাস বলছে আর্জেন্টিনা ফাইনাল খেলবে পানিবন্দি মানুষের জীবন-সম্পদ রক্ষায় মাঠ প্রশাসনকে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ নির্দেশনা স্বামীর গুলিতে প্রাণ হারালেন গুগলে কর্মরত ভারতীয় নারী প্রতারণার মামলায় তানজিন তিশাকে আদালতে হাজিরের নির্দেশ বছরের পর বছর জয়ের ধারা ধরে রাখা সহজ নয় : মেসি প্রধানমন্ত্রী সার্বক্ষণিক বন্যা পরিস্থিতি মনিটর করছেন : মাহদী আমিন
Logo
logo

হিজাব বিরোধিদের সমর্থনে জাতীয় সংগীতে ‘না’ ইরান ফুটবলারদের


খবর   প্রকাশিত:  ০৬ ডিসেম্বর, ২০২৩, ০৭:৫৭ পিএম

>
হিজাব বিরোধিদের সমর্থনে জাতীয় সংগীতে ‘না’ ইরান ফুটবলারদের

বিশ্বকাপের মতো আসরে দেশের প্রতিনিধিত্ব করতে পারাটাও গর্বের। জাতীয় সংগীত চলাকালে গলা মেলানো, আবেগে ফেটে পড়ার দৃশ্যটাও খুব বেশি অচেনা নয়। তবে আজ ইংল্যান্ডের মুখোমুখি যখন হলো ইরান, তখন ইরানিয়ান ফুটবলাররা কি-না সেই জাতীয় সংগীতই গাইলেন না। জাতীয় সংগীত বাজছে, তারা দাঁড়িয়ে রইলেন নির্বিকার হয়ে!

এমন দৃশ্যের দেখা সচরাচর মেলে না। আজ যখন খালিফা আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হলো দুই দল, তখন কেন এমন করলেন ইরানি ফুটবলাররা? তার কারণটা লুকিয়ে আছে তাদের দেশে। ইরানে এখন চলছে হিজাব বিরোধী আন্দোলন।

দুই মাস আগে পুলিশি হেফাজতে তরুণ এক নারীর মৃত্যু ঘটে দেশটিতে। হিজাব ও বোরকা না পড়ে বাড়ির বাইরে বের হওয়ায় মাশা আমিনি নামের সেই তরুণীকে গ্রেপ্তার করে থানা হেফাজতে নিয়ে যায় দেশটির মর‌্যালিটি পুলিশ। 

হেফাজতে নিয়ে যাওয়ার দু’ঘণ্টা পরই গুরুতর আহত অবস্থায় অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাকে। সেখানে তাকে নিবিড় পরিচর্যা ইউনিটে নিয়ে যাওয়া হলেও শেষ রক্ষা হয়নি, তিনি কোমায় চলে যান, শেষমেশ ঢলে পড়েন মৃত্যুর কোলে। 

পুলিশি হেফাজতে তরুণীর মৃত্যুর পর থেকেি দেশটিতে হিজাববিরোধী আন্দোলন করছেন ইরানের নারীরা। চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছেন ১৯৭৯ সালে দেশটিতে ইসলামিক বিপ্লবের পর থেকে চলে আসা আইনকেও।

সেই আন্দোলনকে সমর্থন জানাতেই আজ ইরানের খেলোয়াড়রা জাতীয় সংগীতে গলা মেলালেন না। খলিফা আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামের লাউড স্পিকারে যখন বাজছে ইরানের জাতীয় সংগীত, তখন নির্বিকার হয়ে দাঁড়িয়ে রইলেন সবাই।

ফুটবলের বিশ্বআসরে এমন কাজে আন্দোলনকারীদের বড় সমর্থনই দেবে। তবে সেজন্য খেলোয়াড়দের ওপর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয় কি না, সেটাই এখন দেখার বিষয়।