NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, জুন ২০, ২০২৬ | ৫ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
জুয়া-মাদক-প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে কঠোর আইন, বগুড়ায় পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় চুক্তি মানতে ব্যর্থ হলে ফের হামলার হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের অস্ট্রেলিয়ায় বিপুল পরিমাণ মাদকসহ ব্রিটিশ অভিনেত্রী গ্রেপ্তার জি-৭ সম্মেলনে মেলোনির ঠোঁটে চুম্বনের চেষ্টা জেলেনস্কির, ভিডিও ভাইরাল বিশ্বকাপে ছেলের খেলা দেখতে যুক্তরাষ্ট্রে উড়াল দিলেন ভোজিনহার মা মানবিক সহায়তা জোরদার ও নারী নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের পরীর বাসায় টানা ১ মাস রাত যাপন সাকলায়েনের! শুক্রবারের মধ্যেই শান্তিচুক্তির পূর্ণাঙ্গ খসড়া প্রকাশ হবে : জেডি ভ্যান্স ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তিতে ট্রাম্পের স্বাক্ষরের ভিডিও প্রকাশ করলেন ম্যাক্রোঁ মেসিকে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপে অনন্য রেকর্ড গড়লেন হ্যারি কেইন
Logo
logo

ফ্রান্স অভিবাসনপ্রত্যাশীদের যে কারণে ফিরিয়ে দিয়েছে


খবর   প্রকাশিত:  ০৫ ডিসেম্বর, ২০২৪, ০৭:৫৬ এএম

ফ্রান্স অভিবাসনপ্রত্যাশীদের যে কারণে ফিরিয়ে দিয়েছে

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: ৪৪ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে ফিরিয়ে দিয়েছে ফ্রান্স। ইতালি এই অভিবাসনপ্রত্যাশীদের দেশেই ঢুকতে দেয়নি, যা নিয়ে ইতালির সঙ্গে ফ্রান্সের বিতর্ক হয়েছিল।

সুদান, ইরিত্রিয়া ও সিরিয়া থেকে অভিবাসনপ্রত্যাশীরা ভূমধ্যসাগর পেরিয়ে ইউরোপে ঢোকার চেষ্টা করছিল। মাঝ সমুদ্রে তাদের নৌকা থেকে উদ্ধার করে একটি এনজিওর জাহাজ।

 

২৩৪ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে নিয়ে জাহাজটি প্রথমে ইতালির বন্দরে নোঙর করার চেষ্টা করে; কিন্তু ইতালি স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, তাদের পক্ষে এই অভিবাসনপ্রত্যাশীদের জায়গা দেওয়া সম্ভব নয়। তাদেরকে ইতালিতে নামতেই দেওয়া হয়নি।

 

 

জাহাজটি সেখান থেকে ফ্রান্সের বন্দরে এসে পৌঁছয়। মঙ্গলবার ফ্রান্স জানিয়েছে, জাহাজে সব মিলিয়ে ২৩৪ জন অভিবাসনপ্রত্যাশী রয়েছে। অভিবাসন প্রত্যাশার যথেষ্ট কারণ দেখাতে না পারায় এর মধ্যে ৪৪ জনকে নামতে দেওয়া হবে না। তাদের আশ্রয়ের কোনো প্রয়োজন নেই। এই ৪৪ জনকে তাদের নিজেদের দেশে ফিরিয়ে দেওয়া হবে বলে ফ্রান্স জানিয়েছে।

এদিকে বাকিদের ক্ষেত্রে কী হবে তা স্পষ্ট করে জানানো হয়নি। সকলেরই কাগজপত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে ফরাসি প্রশাসন। অভিবাসনপ্রত্যাশীদের মধ্যে ৪৪ জন শিশুও আছে। তাদের নিয়ে কী করা হবে, তাও এখনো জানানো হয়নি। তবে আরো অভিবাসনপ্রত্যাশীকে ফেরত পাঠানো হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছে ফরাসি প্রশাসন।

 

ইতালি বলেছে, ভূমধ্যসাগর পার করে যে আফ্রিকান অভিবাসনপ্রত্যাশীরা ইউরোপে ঢুকতে চায়, তাদের একটি বড় অংশ প্রথমে ইতালিতে পৌঁছয়। কারণ সমুদ্র পার করে ইতালিতে পৌঁছনো তাদের পক্ষে সুবিধাজনক। এ কারণেই ইতালিতে সবচেয়ে বেশি অভিবাসনপ্রত্যাশী আছে বলে তাদের দাবি। ইতালি এই চাপ আর নিতে পারছে না বলেও একাধিকবার সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে।

কিন্তু যেভাবে ইতালি অভিবাসনপ্রত্যাশীদের জাহাজ তাদের বন্দরে ঢুকতে দেয়নি, ফ্রান্স তার তীব্র বিরোধিতা করেছে। ফ্রান্স বলেছে, উদ্বাস্তু এবং অভিবাসনপ্রত্যাশীদের নিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের নীতি লঙ্ঘন করেছে ইতালি। সূত্র : ডয়চে ভেলে