NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, আগস্ট ৩১, ২০২৬ | ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
‘বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল চুক্তি’ ঘোষণা ট্রাম্পের, ৬৫ বিলিয়ন ব্যারেল যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ গুমের শিকার ও নিখোঁজদের নিয়ে জাতিসংঘের উদ্বেগ, ন্যায়বিচার নিশ্চিতের আহ্বান ট্রাম্পের হাতে আর্টেমিস-২ মহাকাশচারীদের কংগ্রেশনাল স্পেস মেডেল অব অনার শহীদ ও ভুক্তভোগীদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ : প্রধানমন্ত্রী কিয়েভের একটি গুদামে রুশ ড্রোন হামলায় নিহত ২৭ নতুন আঞ্চলিক সমঝোতার পথ দেখাল ইরান শচীন-পন্টিংকে ছাড়িয়ে জো রুটের বিশ্বরেকর্ড প্রতারণার অভিযোগ ‘অযৌক্তিক’, দাবি সেলেনা গোমেজের জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন আইরিন খান ট্রাম্পের 'নজিরবিহীন ঘোষণা'য় ভেনেজুয়েলার তেলক্ষেত্র যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে
Logo
logo

আইএমএফ কঠিন কোনো শর্ত দেয়নি : পরিকল্পনামন্ত্রী


খবর   প্রকাশিত:  ০৯ এপ্রিল, ২০২৫, ০৪:০২ এএম

আইএমএফ কঠিন কোনো শর্ত দেয়নি : পরিকল্পনামন্ত্রী

ঢাকা: দেশের প্রয়োজনে, জনগণের প্রয়োজনে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল থেকে বাংলাদেশ আরো ঋণ পাবে বলে প্রত্যাশা করেছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। তিনি বলেছেন, আমরা চাই না ঋণ নিতে, তবে প্রয়োজন হলে আমরা আরো ঋণ পাব। বিশ্ব পরিস্থিতির জন্য এই ঋণ নিতে হয়েছে। সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে আমরা প্রয়োজন অনুযায়ী তাদের কাছে আরো ঋণ নিতে পারব।

 

 

আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর ফার্মগেইট এলাকার ডেইলি স্টার কার্যালয়ে প্রতিবন্ধী নারীদের প্রতি নির্যাতন ও সহিংসতা প্রতিরোধ বিষয়ক আলোচনা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের তিনি এসব কথা বলেন।

এম এ মান্নান বলেন, আমি যতটুকু জেনেছি এমন কোনো কঠিন শর্ত তারা দেয়নি যেটা মানা সম্ভব হবে না। এই শর্তের কথাও আমরাও বলি। আমাদের বেশ কিছু সংস্কারের প্রয়োজন আছে বিশেষ করে আর্থিকখাতে আমরা বলি আসছি। আমরা হুট করেই এই সংস্কার করতে পারছি না। তবে আইএমএফ এর লক্ষ্য আমাদের লক্ষ্য একটাই। এখানে চ্যালেঞ্জ একটাই যদি আমরা কাজ ঠিক না করি সেটাই।

তিনি আরো বলেন, কোনো ঋণই পর্যাপ্ত নয় কারণ, যদি সে ঋণ প্রয়োজনের তুলনায় কম হয়। আইএমএফ এর ঋণ প্রয়োজনের তুলনায় পর্যাপ্ত মনে করেই তো অর্থ মন্ত্রণালয় এই ঋণ চেয়েছে। যদি আরো এক বছর চলমান অবস্থা যদি চলতে থাকে তাহলে হয়তো বা আমাদের আরো ঋণ নিতে হতে পারে। ’

পরিকল্পনা বলেন, ‘প্রথম বিষয়টি হলো এই ঋণের বিষয়ে যখন থেকে প্রক্রিয়া শুরু হয় তখন থেকে আমার মনে কোনো সংশয় ছিল না। কারণ এই ঋণ আমরা পাব। আমি যে সকল কথাবার্তা শুনছিলাম আইএমএফের বিভিন্ন বক্তব্যে বা কাজে আমার পুরো আত্মবিশ্বাস ছিল- এই ঋণ আমরা পাব। ইতিমধ্যে মাননীয় অর্থমন্ত্রী পরিস্কারভাবে বলেদিয়েছেন যে তারা (আইএমএফ) এটা সরকারিভাবে জানিয়েছে যে তারা এটা দেবে। এখন তাদের কিছু ঘরের কাজ বাকি আছে।

তিনি বলেন, সাড়ে ৪ বিলিয়ন ডলার আমাদের অর্থ মন্ত্রণালয়ই তো চেয়েছে। এবং সেটা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এটা অনুমোদিত হয়েছে এটাকে কাজে লাগাব। আমাদের কাজ হচ্ছে তাদের ঋণের অর্থগুলোকে যথাযথভাবে কাজে লাগানো। এবং ঋণের অর্থ যথা সময়ে পরিশোধ করা এখানে আমাদের অতীত রেকর্ড ভালো, এখনও ভালো।