NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, জুন ১৯, ২০২৬ | ৫ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
জুয়া-মাদক-প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে কঠোর আইন, বগুড়ায় পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় চুক্তি মানতে ব্যর্থ হলে ফের হামলার হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের অস্ট্রেলিয়ায় বিপুল পরিমাণ মাদকসহ ব্রিটিশ অভিনেত্রী গ্রেপ্তার জি-৭ সম্মেলনে মেলোনির ঠোঁটে চুম্বনের চেষ্টা জেলেনস্কির, ভিডিও ভাইরাল বিশ্বকাপে ছেলের খেলা দেখতে যুক্তরাষ্ট্রে উড়াল দিলেন ভোজিনহার মা মানবিক সহায়তা জোরদার ও নারী নেতৃত্ব বৃদ্ধির আহ্বান বাংলাদেশের পরীর বাসায় টানা ১ মাস রাত যাপন সাকলায়েনের! শুক্রবারের মধ্যেই শান্তিচুক্তির পূর্ণাঙ্গ খসড়া প্রকাশ হবে : জেডি ভ্যান্স ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তিতে ট্রাম্পের স্বাক্ষরের ভিডিও প্রকাশ করলেন ম্যাক্রোঁ মেসিকে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপে অনন্য রেকর্ড গড়লেন হ্যারি কেইন
Logo
logo

আইএমএফ কঠিন কোনো শর্ত দেয়নি : পরিকল্পনামন্ত্রী


খবর   প্রকাশিত:  ০৯ এপ্রিল, ২০২৫, ০৪:০২ এএম

আইএমএফ কঠিন কোনো শর্ত দেয়নি : পরিকল্পনামন্ত্রী

ঢাকা: দেশের প্রয়োজনে, জনগণের প্রয়োজনে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল থেকে বাংলাদেশ আরো ঋণ পাবে বলে প্রত্যাশা করেছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। তিনি বলেছেন, আমরা চাই না ঋণ নিতে, তবে প্রয়োজন হলে আমরা আরো ঋণ পাব। বিশ্ব পরিস্থিতির জন্য এই ঋণ নিতে হয়েছে। সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে আমরা প্রয়োজন অনুযায়ী তাদের কাছে আরো ঋণ নিতে পারব।

 

 

আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর ফার্মগেইট এলাকার ডেইলি স্টার কার্যালয়ে প্রতিবন্ধী নারীদের প্রতি নির্যাতন ও সহিংসতা প্রতিরোধ বিষয়ক আলোচনা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের তিনি এসব কথা বলেন।

এম এ মান্নান বলেন, আমি যতটুকু জেনেছি এমন কোনো কঠিন শর্ত তারা দেয়নি যেটা মানা সম্ভব হবে না। এই শর্তের কথাও আমরাও বলি। আমাদের বেশ কিছু সংস্কারের প্রয়োজন আছে বিশেষ করে আর্থিকখাতে আমরা বলি আসছি। আমরা হুট করেই এই সংস্কার করতে পারছি না। তবে আইএমএফ এর লক্ষ্য আমাদের লক্ষ্য একটাই। এখানে চ্যালেঞ্জ একটাই যদি আমরা কাজ ঠিক না করি সেটাই।

তিনি আরো বলেন, কোনো ঋণই পর্যাপ্ত নয় কারণ, যদি সে ঋণ প্রয়োজনের তুলনায় কম হয়। আইএমএফ এর ঋণ প্রয়োজনের তুলনায় পর্যাপ্ত মনে করেই তো অর্থ মন্ত্রণালয় এই ঋণ চেয়েছে। যদি আরো এক বছর চলমান অবস্থা যদি চলতে থাকে তাহলে হয়তো বা আমাদের আরো ঋণ নিতে হতে পারে। ’

পরিকল্পনা বলেন, ‘প্রথম বিষয়টি হলো এই ঋণের বিষয়ে যখন থেকে প্রক্রিয়া শুরু হয় তখন থেকে আমার মনে কোনো সংশয় ছিল না। কারণ এই ঋণ আমরা পাব। আমি যে সকল কথাবার্তা শুনছিলাম আইএমএফের বিভিন্ন বক্তব্যে বা কাজে আমার পুরো আত্মবিশ্বাস ছিল- এই ঋণ আমরা পাব। ইতিমধ্যে মাননীয় অর্থমন্ত্রী পরিস্কারভাবে বলেদিয়েছেন যে তারা (আইএমএফ) এটা সরকারিভাবে জানিয়েছে যে তারা এটা দেবে। এখন তাদের কিছু ঘরের কাজ বাকি আছে।

তিনি বলেন, সাড়ে ৪ বিলিয়ন ডলার আমাদের অর্থ মন্ত্রণালয়ই তো চেয়েছে। এবং সেটা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এটা অনুমোদিত হয়েছে এটাকে কাজে লাগাব। আমাদের কাজ হচ্ছে তাদের ঋণের অর্থগুলোকে যথাযথভাবে কাজে লাগানো। এবং ঋণের অর্থ যথা সময়ে পরিশোধ করা এখানে আমাদের অতীত রেকর্ড ভালো, এখনও ভালো।