NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বুধবার, জুলাই ১৫, ২০২৬ | ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ঢাকার ৪১৬ বছর পূর্তিতে ‘ঢাকা উৎসব’, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে ১০ লাখ ডলারের বেশি অনুদান যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটর গ্রাহামের সম্মানে মার্কিন পতাকা অর্ধনমিত রাখার নির্দেশ ট্রাম্পের চড়া মূল্যে বিক্রি হচ্ছে টেইলর সুইফটের বিয়ের ‘আবর্জনা’! ইতিহাস বলছে আর্জেন্টিনা ফাইনাল খেলবে পানিবন্দি মানুষের জীবন-সম্পদ রক্ষায় মাঠ প্রশাসনকে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ নির্দেশনা স্বামীর গুলিতে প্রাণ হারালেন গুগলে কর্মরত ভারতীয় নারী প্রতারণার মামলায় তানজিন তিশাকে আদালতে হাজিরের নির্দেশ বছরের পর বছর জয়ের ধারা ধরে রাখা সহজ নয় : মেসি প্রধানমন্ত্রী সার্বক্ষণিক বন্যা পরিস্থিতি মনিটর করছেন : মাহদী আমিন
Logo
logo

দেশে ব্রিটিশ-পাকিস্তান আমলের ৩৬৯টি আইন চালু রয়েছে : মন্ত্রী


খবর   প্রকাশিত:  ০১ ডিসেম্বর, ২০২৩, ০১:০৯ পিএম

>
দেশে ব্রিটিশ-পাকিস্তান আমলের ৩৬৯টি আইন চালু রয়েছে : মন্ত্রী

দেশে ব্রিটিশ ও পাকিস্তান আমলের ৩৬৯টি আইন চালু রয়েছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। বৃহস্পতিবার (৩ নভেম্বর) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে আওয়ামী লীগের সদস্য এম. আব্দুল লতিফের এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে আইনমন্ত্রী এ তথ্য জানান।

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, বর্তমানে দেশে সাবেক ব্রিটিশ ও পাকিস্তান আমলের ‘ল’ চালু রয়েছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণার অব্যবহিত পূর্বে তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তানে প্রচলিত ব্রিটিশ ভারত ও পাকিস্তান আমলে প্রণীত বর্তমানে চালু আইনের সংখ্যা ৩৬৯টি।

মন্ত্রী আরও বলেন, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। তৎপরবর্তীতে ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল তারিখে প্রোক্লেমেশন অব ইনডিপেন্ডেন্স জারি এবং এর ক্ষমতাবলে একই তারিখে জারিকৃত ল’স কন্টিনিউয়েন্স এনফোর্সমেন্ট অর্ডার ব্রিটিশ ভারত ও পাকিস্তান আমলে প্রণীত আইনসমূহ অব্যাহত রাখা হয়। পরে বাংলাদেশের সংবিধানের ১৪৯ অনুচ্ছেদ দ্বারা সংবিধানের বিধানাবলী সাপেক্ষে প্রচলিত সব কার্যকারিতা অব্যাহত রাখা হয়েছে। ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ ল’স (রিভিশন অ্যান্ড ডিক্লারেশন) অ্যাক্ট, ১৯৭৩ (অ্যাক্ট নং এইট অব ১৯৭৩)  প্রণয়নের মাধ্যমে স্বাধীনতাপূর্ব আইনগুলোকে প্রয়োজনীয় সংশোধন ও অভিযোজনপূর্বক বহাল রাখা হয়েছে।

আনিসুল হক বলেন, দেশের প্রচলিত আইনের সংস্কার, সংশোধন ও আধুনিকীকরণ একটি চলমান প্রক্রিয়া। এ লক্ষ্যে অপ্রয়োজনীয় আইনসমূহ বাতিল, প্রচলিত আইনসমূহ পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও সেগুলি যুগোপযোগী সংস্কার, সংশোধন অথবা ক্ষেত্রমতো নতুন আইন প্রণয়ন করা হয়। রুলস অব বিজনেস, ১৯৯৬ অনুযায়ী বিদ্যমান আইনসমূহ এ মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগের প্রশাসনিক এখতিয়ারাধীন। কোনো মন্ত্রণালয় বা বিভাগ থেকে প্রচলিত কোনো আইনকে সংশোধন করার প্রয়োজন হলে বা নতুন আইন প্রণয়ন করতে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব প্রেরণ করা হলে লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ হতে সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়।