NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, মঙ্গলবার, নভেম্বর ৩, ২০২৬ | ১৮ কার্তিক ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
পোশাক কারখানা চালু রেখে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর হ্যালোইন উৎসবের ছুটিতে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে বন্দুক হামলা, নিহত ৬ মার্কিন-দক্ষিণ কোরীয় মহড়া পারমাণবিক যুদ্ধের প্রস্তুতি : দাবি উত্তর কোরিয়ার ৩ ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে মেসির গোল, হেডে অ্যাসিস্ট যুবকদের জন্য ৫০০ কোটি টাকার স্টার্টআপ তহবিল ঘোষণা সরকারের : প্রধানমন্ত্রী লন্ডনে ফিলিস্তিনপন্থি বিক্ষোভে ১৩৯ জন গ্রেফতার ফ্রান্সজুড়ে আবারও লাখো মানুষের বিক্ষোভ, সংঘর্ষে উত্তাল রাজপথ ক্যালিফোর্নিয়ায় হ্যালোইন সামগ্রীর দোকানে গুলি, নিহত ১ রাফিনিয়া-ইয়ামালের জোড়ায় প্রতিপক্ষকে ৬ গোলে উড়িয়ে ফের শীর্ষে বার্সেলোনা মুক্তির ছাড়পত্র পেল দেশের প্রথম এআই সিনেমা ‘গ্যাপ’
Logo
logo

দেশে ব্রিটিশ-পাকিস্তান আমলের ৩৬৯টি আইন চালু রয়েছে : মন্ত্রী


খবর   প্রকাশিত:  ০১ ডিসেম্বর, ২০২৩, ০১:০৯ পিএম

>
দেশে ব্রিটিশ-পাকিস্তান আমলের ৩৬৯টি আইন চালু রয়েছে : মন্ত্রী

দেশে ব্রিটিশ ও পাকিস্তান আমলের ৩৬৯টি আইন চালু রয়েছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। বৃহস্পতিবার (৩ নভেম্বর) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে আওয়ামী লীগের সদস্য এম. আব্দুল লতিফের এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে আইনমন্ত্রী এ তথ্য জানান।

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, বর্তমানে দেশে সাবেক ব্রিটিশ ও পাকিস্তান আমলের ‘ল’ চালু রয়েছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণার অব্যবহিত পূর্বে তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তানে প্রচলিত ব্রিটিশ ভারত ও পাকিস্তান আমলে প্রণীত বর্তমানে চালু আইনের সংখ্যা ৩৬৯টি।

মন্ত্রী আরও বলেন, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। তৎপরবর্তীতে ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল তারিখে প্রোক্লেমেশন অব ইনডিপেন্ডেন্স জারি এবং এর ক্ষমতাবলে একই তারিখে জারিকৃত ল’স কন্টিনিউয়েন্স এনফোর্সমেন্ট অর্ডার ব্রিটিশ ভারত ও পাকিস্তান আমলে প্রণীত আইনসমূহ অব্যাহত রাখা হয়। পরে বাংলাদেশের সংবিধানের ১৪৯ অনুচ্ছেদ দ্বারা সংবিধানের বিধানাবলী সাপেক্ষে প্রচলিত সব কার্যকারিতা অব্যাহত রাখা হয়েছে। ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ ল’স (রিভিশন অ্যান্ড ডিক্লারেশন) অ্যাক্ট, ১৯৭৩ (অ্যাক্ট নং এইট অব ১৯৭৩)  প্রণয়নের মাধ্যমে স্বাধীনতাপূর্ব আইনগুলোকে প্রয়োজনীয় সংশোধন ও অভিযোজনপূর্বক বহাল রাখা হয়েছে।

আনিসুল হক বলেন, দেশের প্রচলিত আইনের সংস্কার, সংশোধন ও আধুনিকীকরণ একটি চলমান প্রক্রিয়া। এ লক্ষ্যে অপ্রয়োজনীয় আইনসমূহ বাতিল, প্রচলিত আইনসমূহ পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও সেগুলি যুগোপযোগী সংস্কার, সংশোধন অথবা ক্ষেত্রমতো নতুন আইন প্রণয়ন করা হয়। রুলস অব বিজনেস, ১৯৯৬ অনুযায়ী বিদ্যমান আইনসমূহ এ মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগের প্রশাসনিক এখতিয়ারাধীন। কোনো মন্ত্রণালয় বা বিভাগ থেকে প্রচলিত কোনো আইনকে সংশোধন করার প্রয়োজন হলে বা নতুন আইন প্রণয়ন করতে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব প্রেরণ করা হলে লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ হতে সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়।