NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, নভেম্বর ১, ২০২৬ | ১৭ কার্তিক ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
যুবকদের জন্য ৫০০ কোটি টাকার স্টার্টআপ তহবিল ঘোষণা সরকারের : প্রধানমন্ত্রী লন্ডনে ফিলিস্তিনপন্থি বিক্ষোভে ১৩৯ জন গ্রেফতার ফ্রান্সজুড়ে আবারও লাখো মানুষের বিক্ষোভ, সংঘর্ষে উত্তাল রাজপথ ক্যালিফোর্নিয়ায় হ্যালোইন সামগ্রীর দোকানে গুলি, নিহত ১ রাফিনিয়া-ইয়ামালের জোড়ায় প্রতিপক্ষকে ৬ গোলে উড়িয়ে ফের শীর্ষে বার্সেলোনা মুক্তির ছাড়পত্র পেল দেশের প্রথম এআই সিনেমা ‘গ্যাপ’ তাহসিফের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদে দেওয়া দ্বীপের তথ্য যাচাই করছে পিবিআই মার্কিন নির্বাচনে এবার আগাম ভোটের রেকর্ড? ৩০ নভেম্বর থেকে যুক্তরাজ্যের শিক্ষার্থী ভিসায় নতুন নিয়ম ইউক্রেনে ৫০০ প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিল যুক্তরাষ্ট্র
Logo
logo

অবৈধ অভিবাসন ঠৈকাতে ইতালির সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ


খবর   প্রকাশিত:  ১৩ অক্টোবর, ২০২৪, ০২:৩০ এএম

>
অবৈধ অভিবাসন ঠৈকাতে ইতালির সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ

লিবিয়া হয়ে অবৈধভাবে বাংলাদেশিদের ইতালিতে যাত্রার সমস্যা সমাধানে দেশটির ত্রিপোলিতে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত জিউসেপ বুচ্চিনোর সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল এস এম শামীম-উজ-জামান।  

গত রোববার (৩০ অক্টোবর) ইতালির রাষ্ট্রদূত বুচ্চিনোর সঙ্গে তার অফিসে সাক্ষাৎ করেন লিবিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত। এ সময় অবৈধ অভিবাসন ঠৈকাতে এ সহযোগিতা চান বাংলাদেশি দূত।

রাষ্ট্রদূত শামীম-উজ-জামান ইতালির রাষ্ট্রদূতকে দুর্দশাগ্রস্ত বাংলাদেশি অভিবাসীদের দুর্দশার বিষয়ে বিস্তারিত আলাপ করেন। ইতালির রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের উদ্বেগের প্রশংসা করেন এবং যৌথভাবে অপপ্রচার বন্ধ করা, বিশেষ করে তরুণদের বিপদ ও ঝুঁকি সম্পর্কে সংবেদনশীল করার প্রচেষ্টা পুনর্ব্যক্ত করেন।

উভয় পক্ষ দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা বৃদ্ধির উপায় নিয়ে আলোচনা করেন। বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত বুচ্চিনোকে জানান, বাংলাদেশ তৈরি পোশাক খাত, জাহাজ নির্মাণ ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছে।

উভয় পক্ষ দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে সঠিক অভিবাসন, জনশক্তি খাতে সম্ভাব্য সহযোগিতা, কনস্যুলার সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ এবং সমাধান ইত্যাদি বিষয়ে মতবিনিময় করে।  

ইতালির রাষ্ট্রদূত জানান, ইতালি লিবিয়ায় বেশ কয়েকটি প্রকল্প হাতে নিচ্ছে। এর মধ্যে একটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আধুনিকায়ন এবং লিবিয়ায় মোটরওয়ে বিল্ডিং, যেখানে বাংলাদেশি জনশক্তি নিয়োগ করা যেতে পারে।

দুই রাষ্ট্রদূত লিবিয়ার শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের জন্য আন্তর্জাতিক অঙ্গীকার এবং প্রচেষ্টার প্রতি তাদের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন।