NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৬ | ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নেপালের বন্যা জলবায়ু নিয়ে বিশ্বকে আরও সক্রিয় হওয়ার বার্তা দিচ্ছে: জিসিএফ প্রধান বাংলাদেশে প্রায় ৬ লাখ চাকরি ঝুঁকিতে: বিশ্বব্যাংক আমাদের সামনে এখনো কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে : প্রধানমন্ত্রী মক্কা প্যাক্টে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি মানবে সরকার ইরানে ফের যুক্তরাষ্ট্রের হামলা, পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিনদের সতর্কবার্তা নিউইয়র্কে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় নারী ব্যাংক কর্মকর্তা নিহত শাটডাউন ঠেকাতে বড় সিদ্ধান্ত, ৩৭০–৪৮ ভোটে বাজেট বিল পাস মার্কিন হাউসে ‘১৯৪৫-এর বিশ্বব্যবস্থা দিয়ে ২০২৬ চলবে না’: জাতিসংঘ সংস্কারের ডাক গুতেরেসের সাত মাসে শিশু নিখোঁজের ঘটনায় ১৫ হাজার ৭১৭ জিডি শহীদ জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে তারেক রহমানের শ্রদ্ধা
Logo
logo

অবৈধ অভিবাসন ঠৈকাতে ইতালির সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ


খবর   প্রকাশিত:  ১৩ অক্টোবর, ২০২৪, ০২:৩০ এএম

>
অবৈধ অভিবাসন ঠৈকাতে ইতালির সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ

লিবিয়া হয়ে অবৈধভাবে বাংলাদেশিদের ইতালিতে যাত্রার সমস্যা সমাধানে দেশটির ত্রিপোলিতে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত জিউসেপ বুচ্চিনোর সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল এস এম শামীম-উজ-জামান।  

গত রোববার (৩০ অক্টোবর) ইতালির রাষ্ট্রদূত বুচ্চিনোর সঙ্গে তার অফিসে সাক্ষাৎ করেন লিবিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত। এ সময় অবৈধ অভিবাসন ঠৈকাতে এ সহযোগিতা চান বাংলাদেশি দূত।

রাষ্ট্রদূত শামীম-উজ-জামান ইতালির রাষ্ট্রদূতকে দুর্দশাগ্রস্ত বাংলাদেশি অভিবাসীদের দুর্দশার বিষয়ে বিস্তারিত আলাপ করেন। ইতালির রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের উদ্বেগের প্রশংসা করেন এবং যৌথভাবে অপপ্রচার বন্ধ করা, বিশেষ করে তরুণদের বিপদ ও ঝুঁকি সম্পর্কে সংবেদনশীল করার প্রচেষ্টা পুনর্ব্যক্ত করেন।

উভয় পক্ষ দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা বৃদ্ধির উপায় নিয়ে আলোচনা করেন। বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত বুচ্চিনোকে জানান, বাংলাদেশ তৈরি পোশাক খাত, জাহাজ নির্মাণ ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছে।

উভয় পক্ষ দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে সঠিক অভিবাসন, জনশক্তি খাতে সম্ভাব্য সহযোগিতা, কনস্যুলার সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ এবং সমাধান ইত্যাদি বিষয়ে মতবিনিময় করে।  

ইতালির রাষ্ট্রদূত জানান, ইতালি লিবিয়ায় বেশ কয়েকটি প্রকল্প হাতে নিচ্ছে। এর মধ্যে একটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আধুনিকায়ন এবং লিবিয়ায় মোটরওয়ে বিল্ডিং, যেখানে বাংলাদেশি জনশক্তি নিয়োগ করা যেতে পারে।

দুই রাষ্ট্রদূত লিবিয়ার শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের জন্য আন্তর্জাতিক অঙ্গীকার এবং প্রচেষ্টার প্রতি তাদের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন।