NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, অক্টোবর ৩০, ২০২৬ | ১৫ কার্তিক ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
বাংলাদেশ-জাপান চারটি সমঝোতা স্মারক ও দুটি অনুদান চুক্তি সই উন্নত দেশ গড়তে প্রবাসী-দেশবাসীকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী স্পেনে দুই ট্রেনের সংঘর্ষে বেড়েই চলছে প্রাণহানি নির্বাচনে আরব দলগুলোর বিরুদ্ধে নেতানিয়াহুর ‘কারচুপির’ অভিযোগ অর্থ আত্মসাতের মামলায় গায়ক ইন্দ্রনীল সেন গ্রেপ্তার ‘ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাব’, তারেক রহমানকে নিয়ে এক্স পোস্টে যা বললেন তাকাইচি নির্বাচনি প্রচারে ট্রাম্পের নতুন কৌশল ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে রাশিয়ার ওপর ভারতকে চাপ দিতে বলল পোল্যান্ড ইসরায়েলের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী কে, চলছে নানা জল্পনা ‘কিং’-এর পোস্টারে প্রেমিক রূপে শাহরুখ
Logo
logo

প্রবাসীদের বৈধপথে রেমিট্যান্স পাঠানোর আহ্বান


খবর   প্রকাশিত:  ২৮ জানুয়ারী, ২০২৫, ১০:০৩ এএম

>
প্রবাসীদের বৈধপথে রেমিট্যান্স পাঠানোর আহ্বান

প্রবাসীদের বৈধপথে আরও বেশি রেমিট্যান্স পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার নিউইয়র্কের বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল আয়োজিত রেমিট্যান্স বিষয়ক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এ আহ্বান জানান।

শুক্রবার (২৮ অক্টোবর) কনস্যুলেট জেনারেল জানায়, বৃহস্পতিবার কনসাল জেনারেল ড. মোহাম্মদ মনিরুল ইসলামসহ কনস্যুলেটের অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে স্বাগত জানান। এরপর তিনি ‘রেমিট্যান্স-এর গুরুত্ব : বর্তমান প্রেক্ষিত’ শীর্ষক একটি গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন। বৈঠকে নিউইয়র্কস্থ সরকারি ও বেসরকারি এক্সচেঞ্জসমূহের প্রতিনিধিবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বাংলাদেশ সরকারের প্রবাসীবান্ধব নীতি ও সরকার গৃহীত পদক্ষেপসমূহের উল্লেখ করে প্রবাসীদের বৈধ পথে আরও বেশি রেমিট্যান্স পাঠানোর আহ্বান জানান।

রেমিট্যান্স পাঠানোর ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত এক্সচেঞ্জ হাউসগুলোর অবদানের কথা উল্লেখ করে  তিনি তাদের সহযোগিতা ও প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার অনুরোধ করেন। 

বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ বিদ্যমান রয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রিপরিষদ সচিব প্রবাসীদের দেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানান।

বৈঠকে আলোচকরা সরকার ঘোষিত বিভিন্ন প্রণোদনা ও সুবিধাসমূহ যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত সব প্রবাসীদের মধ্যে ব্যাপক প্রচার প্রচারণার মাধ্যমে জনসচেতনতা তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এ বিষয়ে কমিউনিটিকে সম্পৃক্ত করে প্রচার-প্রচারণা চালানো, রেমিট্যান্স পাঠানোর ক্ষেত্রে প্রণোদনার হার বৃদ্ধি করা, রেমিট্যান্স সপ্তাহ বা মেলার আয়োজন করা, ওয়েজ আর্নার বন্ডের সুবিধাসমূহ যাতে প্রবাসীরা সহজে পেতে পারে সে ব্যবস্থা করাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয় । 

পরে কনসাল জেনারেল কনস্যুলেটের বিভিন্ন সেবা কার্যক্রম সম্পর্কে মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে অবহিত করেন। কনস্যুলেটের সার্বিক কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করে ভবিষ্যতে সেবার মান সমুন্নত রাখার জন্য কনস্যুলেটের কর্মকর্তাদের তিনি পরামর্শ দেন।