NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বুধবার, জুন ১৭, ২০২৬ | ৩ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন গুম ও খুনের শিকার ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা শান্তিচুক্তি ট্রাম্পের ‘আত্মসমর্পণের দলিল’? দুর্দান্ত কামব্যাকে নেদারল্যান্ডসকে রুখে দিল জাপান ভক্তদের ভিড়ে নাজেহাল রাশমিকা, আগলে রাখলেন কৃতি রক্তক্ষয়ী কঙ্গোতে শান্তির পতাকা উত্তোলনে সেনাবাহিনীর বীরত্ব মরক্কোর সঙ্গে ড্র, হতাশায় ‘হেক্সা অভিযান’ শুরু ব্রাজিলের বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চে এক টুকরো বাংলাদেশ! গানে গানে সৈয়দ আব্দুল হাদীকে শ্রদ্ধা, দেওয়া হলো সংবর্ধনা কক্সবাজারে আজ যেসব কর্মসূচিতে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী নিজেকে ‘গুটিয়ে নেওয়ার’ ইঙ্গিত দিচ্ছেন ট্রাম্প?
Logo
logo

রোমাঞ্চকর ম্যাচে কোহলির কাছে হেরে গেল পাকিস্তান


খবর   প্রকাশিত:  ০৪ ডিসেম্বর, ২০২৪, ১০:০২ এএম

>
রোমাঞ্চকর ম্যাচে কোহলির কাছে হেরে গেল পাকিস্তান

পেন্ডুলামের মতো দুলছিল ম্যাচটি। কখনো জয়ের পাল্লা পাকিস্তানের দিকে আবার কখনো ভারতের দিকে। মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে উপস্থিত প্রায় লাখ খানেক দর্শক তখন দারুণ উৎকণ্ঠায়। শেষ পর্যন্ত ম্যাচটি ভারতই জিতে নেয়। শেষ ওভারে প্রয়োজন ছিল ১৬ রান। কোহলি-বীরত্বে সেটা তুলে নেয় ভারত। মহারণের শেষ হাসি হাসে টিম ব্লুজ।

শেষ ওভারে নওয়াজের প্রথম বলেই ক্যাচ তুলে দেন হার্দিক পান্ডিয়া। প্রথম বল থেকে কোনো রান পেল না ভারত। ফলে ৬ বলে ১৬ রানের সমীকরণ হয়ে যায় ৫ বলে ১৬। পিচ কাভারের নিয়ম এখন না থাকায় নতুন ব্যাটসম্যান দিনেশ কার্তিককে বল ফেস করতে হয়। ওভারের ২য় বলে দিনেশ এক রান নিয়ে কোহলিকে স্ট্রাইক দেন। সমীকরণ দাঁড়ায় ৪ বলে ১৫। তৃতীয় বলে কোহলি নেন দুই রান। সমীকরণ- ৩ বলে ১৩। চতুর্থ বলটি হাই ফুলটসে নো হয় এবং কোহলি সেটি ছয় মারেন। ফলাফল- বল তিনটিই থেকে গেল, কিন্তু রান দরকার আর ৬টি। পরের বল ওয়াইড করেন নওয়াজ, ৩ বলে ৫ রানে নেমে আসে সমীকরণ। এদিকে নো বলের বদৌলতে পাওয়া ‘ফ্রি হিট’ থেকে যায়। ফ্রি হিটের বলে (৪র্থ বল) কোহলি বোল্ড হন, কিন্তু বল কিপারকে ফাঁকি দিয়ে ডিপ থার্ডম্যানের দিকে চলে যাওয়ায় দৌড়ে তিন রান নিয়ে নেন দুই ব্যাটসম্যান। সমীকরণ এসে দাঁড়ায় ২ বলে ২ রানে!

নাটক অবশ্য তখনো শেষ হয়নি। ওভারের ৫ম বলে স্টাম্পড হয়ে আউট হয়ে যান দিনেশ কার্তিক। ফলে খেলা গড়ায় একেবারে শেষ বলে।

শেষ বলে ভারতের প্রয়োজন ২ রান। নওয়াজ সেখানে করে বসলেন ওয়াইড। ফলে ১ বলে ১ রানের সমীকরণে গিয়ে ঠেকল ম্যাচ। 

পাকিস্তান সব ফিল্ডারকে ৩০ গজের বৃত্তে নিয়ে আসল, যাতে সিঙ্গেল না হয়। কিন্তু নওয়াজ বলটা করলেন একবারেই সাদামাটা। প্রায় ওভার পিচড বলটা অশ্বিন মিড অফের ওপর দিয়ে জাস্ট তুলে দিলেন। লং অফে ফিল্ডার নেই, বল চলে গেল বাউন্ডারিতে! ৪ উইকেটের রুদ্ধশ্বাস জয় পেয়ে গেল ভারত।

১৬০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি ভারতের। ১০ রানের মধ্যে দুই ওপেনার কেএল রাহুল ও রোহিত শর্মা সাজ ঘরে ফেরেন। ছয় ওভারের মধ্যে আরো এক উইকেট হারায় ভারত। পাওয়ার-প্লেতে ভারতের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৩ উইকেটে ৩১ রান। পাওয়ার-প্লে শেষ হওয়ার পর প্রথম বলেই আরেক উইকেট হারায় ভারত। ৩১ রানে খুইয়ে বসে চার উইকেট। পড়ে যায় চাপেও।

পরের গল্পটা কেবল কোহলি আর পান্ডিয়ার। পঞ্চম উইকেট জুটিতে দুজন মিলে গড়েন ১১৩ রানের জুটি। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের বিপক্ষে দুর্দান্ত অর্ধশতক হাঁকান কোহলি (৮২)। তাকে সঙ্গ দেওয়া হার্দিক পান্ডিয়া করেন ৪০ রান। তাদের কীর্তিতেই মহারণে চাপ সামলে দুর্দান্ত জয় পায় ভারত।