NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বুধবার, সেপ্টেম্বর ২, ২০২৬ | ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
বাংলাদেশে প্রায় ৬ লাখ চাকরি ঝুঁকিতে: বিশ্বব্যাংক আমাদের সামনে এখনো কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে : প্রধানমন্ত্রী মক্কা প্যাক্টে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি মানবে সরকার ইরানে ফের যুক্তরাষ্ট্রের হামলা, পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিনদের সতর্কবার্তা নিউইয়র্কে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় নারী ব্যাংক কর্মকর্তা নিহত শাটডাউন ঠেকাতে বড় সিদ্ধান্ত, ৩৭০–৪৮ ভোটে বাজেট বিল পাস মার্কিন হাউসে ‘১৯৪৫-এর বিশ্বব্যবস্থা দিয়ে ২০২৬ চলবে না’: জাতিসংঘ সংস্কারের ডাক গুতেরেসের সাত মাসে শিশু নিখোঁজের ঘটনায় ১৫ হাজার ৭১৭ জিডি শহীদ জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে তারেক রহমানের শ্রদ্ধা এসসিও সম্মেলনে শি-মোদি-পুতিন, আলোচনায় যেসব বিষয়
Logo
logo

শান্তিপূর্ণ দেশ গড়তে বৌদ্ধ নেতাদের ভূমিকা পালনের আহ্বান


খবর   প্রকাশিত:  ১৩ জানুয়ারী, ২০২৪, ০৬:০৬ এএম

>
শান্তিপূর্ণ দেশ গড়তে বৌদ্ধ নেতাদের ভূমিকা পালনের আহ্বান

গৌতম বুদ্ধের মহৎ শিক্ষা ও আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়তে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নেতাদের যথাযথ ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।

বৌদ্ধ নেতাদের উদ্দেশে তিনি বলেছেন, ‘বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নেতা এবং সজ্জন হিসেবে সাধারণ মানুষের কাছে আপনাদের গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। আমি আশা করি, একটি সুখী-সমৃদ্ধ ও শান্তিময় বাংলাদেশ গড়তে আপনারা সেই আস্থা ও বিশ্বাসকে পরিপূর্ণভাবে কাজে লাগাবেন।’

শনিবার (৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের নেতাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন।

বুদ্ধ পূর্ণিমার প্রাক্কালে বৌদ্ধ সম্প্রদায় ও দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে আবদুল হামিদ বলেন, এটি বুদ্ধের মহৎ শিক্ষা ও আদর্শ সবার মধ্যে ছড়িয়ে দিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

গৌতম বুদ্ধ সহিংসতা, শোষণ ও বঞ্চনা থেকে মানবজাতিকে মুক্ত করতে সৎ পথ দেখিয়েছেন বলে এসময় উল্লেখ করেন রাষ্ট্রপ্রধান। তিনি বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে একটি শান্তিপূর্ণ ও শোষণমুক্ত সমাজ গঠনে বুদ্ধের এই চিন্তাধারা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

রাষ্ট্রপতি বলেন, আজ বিশ্বের অনেক স্থানে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে। লোভ, হিংসা, প্রতিহিংসার মতো অশুভ প্রবৃত্তি সমাজে শোষণ ও বঞ্চনা বাড়িয়ে দিচ্ছে।

গৌতম বুদ্ধকে মানবতা ও স্বাধীনতার প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বৌদ্ধ নেতাদের উদ্দেশ্যে আরও বলেন, ‘আপনারা বিশ্বের বৃহত্তম ধর্মীয় সম্প্রদায়ের একটি অংশ। এই অঞ্চল তথা বিশ্বে শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা করায় আপনাদের অনেক দায়িত্ব ও কর্তব্য রয়েছে।’

ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ বিশ্ব অর্থনীতিকে অস্থিতিশীল করে তুলেছে। বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের আর্থ-সামাজিক খাতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে উল্লেখ করে হামিদ বলেন, এই কঠিন সময়ে আমাদের একে অপরের পাশে দাঁড়াতে হবে।

প্রত্যাশা ব্যক্ত করে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘আসুন সৎ ও সুন্দর জীবন-যাপনে উদ্বুদ্ধ হই। সকল প্রকার অসৎ কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থেকে ভালো কাজের মাধ্যমে নিজেদের দেশের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলি।’

এসময় ধর্ম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান, বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট-২ এর সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান আরমা দত্ত, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া, রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব ড. সম্পদ বড়ুয়া এবং প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া প্রমুখ বক্তব্য দেন।