NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২৬ | ১৪ কার্তিক ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
বাংলাদেশ-জাপান চারটি সমঝোতা স্মারক ও দুটি অনুদান চুক্তি সই উন্নত দেশ গড়তে প্রবাসী-দেশবাসীকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী স্পেনে দুই ট্রেনের সংঘর্ষে বেড়েই চলছে প্রাণহানি নির্বাচনে আরব দলগুলোর বিরুদ্ধে নেতানিয়াহুর ‘কারচুপির’ অভিযোগ অর্থ আত্মসাতের মামলায় গায়ক ইন্দ্রনীল সেন গ্রেপ্তার ‘ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাব’, তারেক রহমানকে নিয়ে এক্স পোস্টে যা বললেন তাকাইচি নির্বাচনি প্রচারে ট্রাম্পের নতুন কৌশল ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে রাশিয়ার ওপর ভারতকে চাপ দিতে বলল পোল্যান্ড ইসরায়েলের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী কে, চলছে নানা জল্পনা ‘কিং’-এর পোস্টারে প্রেমিক রূপে শাহরুখ
Logo
logo

আমজনতার তারেককে নিয়ে সমালোচনা, যে জবাব দিলেন প্রধানমন্ত্রী


খবর   প্রকাশিত:  ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:১০ এএম

আমজনতার তারেককে নিয়ে সমালোচনা, যে জবাব দিলেন প্রধানমন্ত্রী

জাপান সফরে আমজনতা পার্টির সদস্যসচিব মো. তারেক রহমানকে সফরসঙ্গী করায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওঠা সমালোচনার জবাব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। 

সফরে তারেকের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে প্রশ্ন তোলা এবং এতে সরকারি অর্থের অপচয় হচ্ছে বলে মন্তব্য করায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন তিনি। একই সঙ্গে দেশের গুরুত্বপূর্ণ সমস্যাগুলো নিয়ে আলোচনা না করে একজন ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে সমালোচনা চালানোর বিষয়েও অসন্তোষ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) স্থানীয় সময় বিকালে জাপানের টোকিওতে হোটেল নিউ ওতানির হলরুমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে এসব কথা বলেন তিনি। বাংলাদেশ কমিউনিটি জাপান আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রবাসী বাংলাদেশিরা বিভিন্ন বিষয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন এবং প্রধানমন্ত্রীকে নানা প্রশ্ন করেন।

সভায় আমজনতা পার্টির সদস্যসচিব মো. তারেক রহমানকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলমান ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ ও সমালোচনার প্রসঙ্গ ওঠে। 

এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের কাছে খুব আশ্চর্য লাগল, আমাদের সঙ্গে তারেককে নিয়ে এসেছি এবার। আমজনতার...। গত দুই দিন ধরে সোশ্যাল মিডিয়ায় ওকে নিয়ে দেখলাম অনেক কথা। যে ওর কোনো কন্ট্রিবিউশন নাই, ওকে নিয়ে এসে এখানে সরকারের পয়সা নষ্ট। এই দেশে অনেক সমস্যা আছে, সেগুলো নিয়ে কোনো আলাপ দেখি না।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের নানা সমস্যা থাকলেও সেগুলো নিয়ে তেমন আলোচনা দেখা যায় না। অথচ একজন ব্যক্তিকে নিয়ে সমালোচনাই বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে।

 

 

 

সংস্কারের ধারণা তুলে ধরে তিনি বলেন, সংস্কার বিভিন্নভাবে হতে পারে। শীতাতপনিয়ন্ত্রিত কক্ষে বসে সংস্কারের আলোচনা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি মেহনতি ও খেটে খাওয়া মানুষের জীবনমান উন্নত করার উদ্যোগও বড় ধরনের সংস্কার।

তিনি আরও বলেন, রাজনীতিকেরা মানুষের কাছে ভোট চাইতে যান। সে কারণে তার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার হলো সাধারণ শ্রমজীবী মানুষের জীবনকে আরও সহজ ও স্বস্তিদায়ক করে তোলা।

এর আগে মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাতে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে সমালোচনাকারীদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন আমজনতা পার্টির সদস্যসচিব মো. তারেক রহমান।

পোস্টে তিনি দাবি করেন, জামায়াত ও এনসিপির পক্ষ থেকে তাকে হেয় করার প্রবণতা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে তার রাষ্ট্রীয় সম্মান পাওয়াও অনেকে মেনে নিতে পারছেন না। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার কথোপকথনের প্রসঙ্গ তুলে তারেক লেখেন, প্রধানমন্ত্রী তাকে মজা করে আবারও সফরসঙ্গী হওয়ার কথা বলেছেন।

একই পোস্টে তারেক রহমান আরও বলেন, যারা তাকে সহ্য করতে পারছেন না, তাদের সঙ্গে তার রাজনৈতিক বিরোধ নেই; বরং এই বিরোধ সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে। জুলাই-পরবর্তী সময়ে মুক্তিযুদ্ধের প্রসঙ্গ তোলা যাবে না—এমন বক্তব্যের বিরোধিতা করে তিনি মুক্তিযুদ্ধকে সার্বভৌমত্বের লড়াই হিসেবে উল্লেখ করেন।