NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, অক্টোবর ২৩, ২০২৬ | ৭ কার্তিক ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
গর্ভের সন্তান বিক্রি করতে চাওয়া সেই আঁখির পাশে প্রধানমন্ত্রী ফ্রান্সের অস্থিরতা নিয়ে ট্রাম্পসহ বিদেশি নেতাদের বক্তব্য ‘অগ্রহণযোগ্য’: ম্যাখোঁ ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কেন বিতর্কে মেটা ঢাকেশ্বরী মন্দিরে সিঁদুর খেলায় মেতেছেন শাওন দ্বিতীয় মেয়ের নাম প্রকাশ করলেন দীপিকা-রণবীর তিন বিভাগে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের কৃষকদের জন্য ৮০০ কোটি ডলার জ্বালানি সহায়তার ঘোষণা ট্রাম্পের সহিংস বিক্ষোভে টালমাটাল ফ্রান্স, নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেছিল পুলিশ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে থাকতে পারে ভিএআর, উন্নত প্রযুক্তির বল ‘চিরকুট’ সিনেমায় মেহেদী-ঐশীর ‘রঙ্গিলা আসমান’
Logo
logo

ছাত্র বিক্ষোভে উত্তাল ফ্রান্স, বন্ধ প্রায় ৪০০ স্কুল


খবর   প্রকাশিত:  ০২ অক্টোবর, ২০২৬, ০২:১০ পিএম

ছাত্র বিক্ষোভে উত্তাল ফ্রান্স, বন্ধ প্রায় ৪০০ স্কুল

শিক্ষাসংক্রান্ত বিভিন্ন অভিযোগের প্রতিবাদে ফ্রান্সে শুরু হওয়া ছাত্র বিক্ষোভ কয়েকটি এলাকায় সহিংস রূপ নিয়েছে। পরিস্থিতির কারণে শুক্রবার দেশটির ৪০০টির বেশি স্কুল ও অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকতে পারে বলে জানিয়েছেন দেশটির শিক্ষামন্ত্রী।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে এই খবর বলা হয়েছে। 

 

বৃহস্পতিবার রাতে ফরাসি সম্প্রচারমাধ্যম ফ্রান্স ২-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শিক্ষামন্ত্রী এদুয়ার জেফ্রে বলেন, ‘৪০০টির কিছু বেশি স্কুল ও অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শুক্রবার বন্ধ থাকবে।’

তিনি বলেন, ‘বিক্ষোভের কারণে কয়েকটি এলাকায় শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

’

 

প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়ান লেকোরনুর ঘনিষ্ঠ একটি সূত্রের বরাতে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত সংকটকালীন বৈঠকে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো জানিয়েছে, লা ফ্রঁস আঁসোমিজের (এলএফআই) সদস্যসহ কট্টর বামপন্থী রাজনীতিকদের একটি অংশই এই বিক্ষোভ আন্দোলন শুরু করেছে।

এলএফআইয়ের সাংসদ লুই বোয়ার্ড ফরাসি সম্প্রচারমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর এই দাবি সরাসরি অস্বীকার করেছেন। শিক্ষক সংকট ও জরাজীর্ণ স্কুল ভবনের প্রতিবাদে গত মাসে প্যারিস অঞ্চলে বিক্ষোভ শুরু হয়। পরে তা ধীরে ধীরে ফ্রান্সের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে।

একপর্যায়ে বিক্ষোভ সহিংস রূপ নিলে কয়েক ডজন মানুষ আহত হন এবং পুলিশ শত শত বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করে।

 

কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার বিক্ষোভকারীরা অন্তত দুটি উচ্চ বিদ্যালয়ে আগুন ধরিয়ে দেন। দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর মার্সেইতে আরেকটি বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের গায়ে অনিচ্ছাকৃতভাবে পেট্রোল ছিটকে পড়ে।

এদিকে পূর্বাঞ্চলীয় শহর স্ট্রাসবুর্গে অন্তত একটি গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর তুলুজে বিক্ষোভকারী তরুণদের সঙ্গে দাঙ্গা পুলিশের সংঘর্ষও হয়।

এসব ঘটনায় পরিস্থিতি আরো উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।