আন্দোলনের পর সরকার যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, সেগুলো কতটা বাস্তবায়ন হয়েছে তা পর্যালোচনা করতে আজ সোমবার জাতীয় কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠক করবে ভারতের ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। একই সঙ্গে পরবর্তী কর্মসূচি কী হবে, বৈঠকে সে সিদ্ধান্তও নেওয়া হবে।
খবর প্রকাশিত: ২৪ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০৮ এএম

আন্দোলনের পর সরকার যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, সেগুলো কতটা বাস্তবায়ন হয়েছে তা পর্যালোচনা করতে আজ সোমবার জাতীয় কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠক করবে ভারতের ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। একই সঙ্গে পরবর্তী কর্মসূচি কী হবে, বৈঠকে সে সিদ্ধান্তও নেওয়া হবে।
দলটি ভারতজুড়ে শিক্ষার্থী, তরুণ ও স্বেচ্ছাসেবকদের প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়েছে। গত ২৫ জুলাই সরকারের আশ্বাসের ভিত্তিতে সিজেপি তাদের প্রথম দফার আন্দোলন স্থগিত করেছিল।
দলটির দাবি, আন্দোলনে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলাগুলো নিষ্পত্তির বিষয়ে আদালত বার বার সরকারের সহযোগিতা চেয়েছেন।
তবে সিজেপির অভিযোগ, আদালতের বার বার অনুরোধের পরও সরকার ওই তালিকা জমা দেওয়ার বিষয়ে কোনো প্রতিশ্রুতি দেয়নি। তাদের দাবি, প্রথম দফার আন্দোলনের পর কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ নিশ্চিত হয়েছিল। তবে আন্দোলনকারীদের দেওয়া আরো কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি এখনো বাস্তবায়ন করা হয়নি।
সিজেপির উত্থাপিত দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দায়ের করা সব এফআইআর প্রত্যাহার বা বাতিল করা। একই সঙ্গে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না—এমন নিশ্চয়তা চায় সংগঠনটি। এ ছাড়া ‘মৃত নেট ভুক্তভোগীদের’ পরিবারের জন্য সম্মানজনক ক্ষতিপূরণ দেওয়ার লিখিত নিশ্চয়তাও চেয়েছে সিজেপি। দলটির ভাষ্য, সরকারের আশ্বাসের ওপর আস্থা রেখে গত জুলাইয়ে তারা আন্দোলন স্থগিত করেছিল। কিন্তু এখন পর্যন্ত সব প্রতিশ্রুতি পূরণ না হওয়ায় তাদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
সিজেপি বলেছে, আগেরবার আন্দোলন থেকে সরে দাঁড়ানো ছিল তাদের সদিচ্ছার প্রমাণ। সংগঠনটি বলেছে, ‘আমাদের সদিচ্ছাকে দুর্বলতা হিসেবে দেখা যাবে না। শান্তিপূর্ণ আন্দোলন শেষ করার জন্য সরকার প্রতিশ্রুতি দেবে, আর রাস্তাঘাট ফাঁকা হয়ে যাওয়ার পর সেই প্রতিশ্রুতি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করবে—এভাবে একটি পুরো প্রজন্মকে অপমান করতে আমরা দেব না।’