NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, আগস্ট ১, ২০২৬ | ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
থ্যালাসেমিয়া শনাক্তে গ্রাম পর্যন্ত স্ক্রিনিং চালুর আহ্বান জুবাইদা রহমানের আজ থেকে সব গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক স্পেনের অভিবাসন সংকট নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে ট্রাম্পের সতর্কবার্তা গাজার প্রস্তাবিত শান্তিচুক্তিকে স্বাগত জানাল ইউরোপীয় ইউনিয়ন গ্র্যামি থেকে সরে দাঁড়ানো নিয়ে বিতর্ক, কেন এমন সিদ্ধান্ত নিল বিটিএস? বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় করার অঙ্গীকার জুলাইযোদ্ধা আজিজুরের জীবনসংগ্রামের গল্প শুনলেন প্রধানমন্ত্রী জাপানে ৭.১ মাত্রার ভূমিকম্পে প্রাণহানি বেড়ে ৩৪ ৭৩তম জন্মদিনে ববিতা, ফিরে দেখা রুপালি পর্দার সোনালি পথচলা বিশ্বকাপ ‘বিক্রি’ বিতর্কে অবশেষে মুখ খুললেন ফিফা সভাপতি
Logo
logo

থ্যালাসেমিয়া শনাক্তে গ্রাম পর্যন্ত স্ক্রিনিং চালুর আহ্বান জুবাইদা রহমানের


খবর   প্রকাশিত:  ০১ আগস্ট, ২০২৬, ১০:০৮ এএম

থ্যালাসেমিয়া শনাক্তে গ্রাম পর্যন্ত স্ক্রিনিং চালুর আহ্বান জুবাইদা রহমানের

থ্যালাসেমিয়া ও অন্যান্য জন্মগত বিরল রোগ দ্রুত শনাক্ত এবং কার্যকর প্রতিরোধে ইউনিয়ন ও গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত স্ক্রিনিং কার্যক্রম সমপ্রসারণের আহ্বান জানিয়েছেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান। একই সঙ্গে তিনি থ্যালাসেমিয়া রোগীদের জন্য একটি জাতীয় ডেটাবেজ ও রেজিস্টার তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

 

শুক্রবার (৩১ জুলাই) রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (আইইবি) মিলনায়তনে বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতি আয়োজিত ‘রক্তদাতা সম্মাননা-২০২৬’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জুবাইদা রহমান বলেন, দেশে থ্যালাসেমিয়া ও অন্যান্য জন্মগত বিরল রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের নিয়ে একটি সমন্বিত জাতীয় ডেটাবেজ তৈরি এবং নিয়মিত রোগী নিবন্ধন (রেজিস্টার) সংরক্ষণ সময়ের দাবি। এতে রোগের প্রকৃত চিত্র জানা, চিকিৎসা পরিকল্পনা গ্রহণ এবং নীতিনির্ধারণ সহজ হবে।

তিনি বলেন, অন্তঃসত্ত্বা অবস্থাতেই স্ক্রিনিংয়ের মাধ্যমে থ্যালাসেমিয়া শনাক্ত করা সম্ভব।

পাশাপাশি যেকোনো বয়সেই পরীক্ষার মাধ্যমে রোগটি নির্ণয় করা যায়। তাই জেলা সদর হাসপাতাল, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে শুরু করে গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত স্ক্রিনিং ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম বিস্তৃত করার আহ্বান জানান তিনি।

 

জুবাইদা রহমানের মতে, সরকার যে এক লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের উদ্যোগ নিয়েছে, তাদের থ্যালাসেমিয়া সম্পর্কে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হলে প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্তকরণ, রোগীকে পরামর্শ দেওয়া এবং পরিবারকে প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করা সহজ হবে।

তিনি আরো বলেন, শনাক্ত রোগীদের থ্যালাসেমিয়া মেজর, থ্যালাসেমিয়া মাইনর ও থ্যালাসেমিয়া ট্রেইট এই তিন শ্রেণিতে ভাগ করে চিকিৎসা ও পরামর্শ দিলে রোগী ও তাদের পরিবারের উদ্বেগ অনেকটাই কমবে।

 

স্বেচ্ছায় রক্তদাতাদের ভূয়সী প্রশংসা করে তিনি বলেন, থ্যালাসেমিয়া রোগীদের জীবন বাঁচাতে তাদের অবদান অনন্য। তিনি নিজের মেয়ে জাইমা রহমানের কথাও উল্লেখ করেন, যিনি এ পর্যন্ত সাতবার স্বেচ্ছায় রক্তদান করেছেন।

ডা. জুবাইদা রহমান ১৯৮৯ সাল থেকে থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের পাশে থাকার জন্য বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতির সদস্যদের ধন্যবাদ জানান এবং এই মানবিক উদ্যোগ আরো বিস্তৃত করার আহ্বান জানান।