NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, আগস্ট ২৩, ২০২৬ | ৮ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ই-হেলথ প্ল্যাটফর্মের পাইলট প্রকল্প শুরুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর অস্বস্তিকর প্রশ্নে সাংবাদিকের ওপর ক্ষেপলেন ট্রাম্প কিয়েভের ওপর রুশ ক্ষেপণাস্ত্র বর্ষণে বাড়ছে হতাহত, পরিস্থিতি থমথমে যুক্তরাজ্যে ধাওয়া দিতে গিয়ে দুর্ঘটনা, ২ পুলিশ কর্মকর্তাসহ নিহত ৭ গুলিতে প্রাণ হারালেন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন বক্সার তেতে পরীমনির গাড়ি বিতর্ক ‘মাসরুর’ আসলে মাসরুর আরেফিন নন বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসা স্থগিত নীতি বাতিল ইরান যুদ্ধের প্রভাবে এশিয়া থেকে সামরিক সম্পদ সরাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, উদ্বিগ্ন মিত্ররা ট্রাম্প–কিম বৈঠকের ইঙ্গিত, উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিয়েছেন মির্জা ফখরুল
Logo
logo

মার্কিন-ইসরায়েলি জ্বালানি স্থাপনায় আঘাতের হুঁশিয়ারি ইরানের


খবর   প্রকাশিত:  ০১ আগস্ট, ২০২৬, ১০:০৮ এএম

মার্কিন-ইসরায়েলি জ্বালানি স্থাপনায় আঘাতের হুঁশিয়ারি ইরানের

ইরানের ওপর নতুন করে সামরিক হামলা হলে ইসরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি স্থাপনায় পাল্টা হামলা চালানো হবে বলে সতর্ক করেছে তেহরান। দেশটির দাবি, এমন পরিস্থিতির জন্য তারা পুরোপুরি প্রস্তুত এবং প্রয়োজন হলে আগে থেকেই তৈরি করা পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে।

 

এই সতর্কবার্তা এমন সময় এসেছে, যখন বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে নতুন সামরিক অভিযান চালাতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সমন্বয় করছে। শুক্রবার ইরানের আধা-সরকারি তাসনিম সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া এক বক্তব্যে দেশটির এক জ্যেষ্ঠ নিরাপত্তা কর্মকর্তা বলেন, ইরানের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে সম্ভাব্য হামলার বিষয়ে পশ্চিমা গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরকে তারা ‘এক ধরনের উন্মাদনা’ হিসেবে দেখছেন। ওই কর্মকর্তা বলেন, সম্ভাব্য যেকোনো হামলার জবাব দিতে ইরান আগে থেকেই বিস্তারিত পাল্টা পরিকল্পনা তৈরি করেছে। এই পরিকল্পনায় ইসরায়েলের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি স্থাপনাগুলোকেও লক্ষ্যবস্তু হিসেবে রাখা হয়েছে।

 


 

তিনি আরো বলেন, কেউ যদি ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নিয়ে পরিস্থিতি আরও উত্তেজনাপূর্ণ করে তোলে, তাহলে তেহরান তাৎক্ষণিকভাবে সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে প্রস্তুত। ইরানের ওই কর্মকর্তা দাবি করেন, গত ৪০ দিনের যুদ্ধ এবং পরবর্তী সংঘর্ষে দেশটির সশস্ত্র বাহিনী তাদের সামরিক সক্ষমতা ও প্রতিশোধমূলক অভিযান চালানোর দৃঢ়তা দেখিয়েছে। তাই ভবিষ্যতে প্রয়োজন হলে একই ধরনের পদক্ষেপ নিতেও তারা সক্ষম। এর আগে বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের লক্ষ্যবস্তুতে আবারও হামলার প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

এরপর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সামরিক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।

 

 যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে শুক্রবার 'দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল' জানায়, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নতুন হামলার নির্দেশ দিয়েছেন এবং এ সপ্তাহের শেষেই অভিযান শুরু হতে পারে। একই সঙ্গে তিনি ইরানকে সতর্ক করে বলেন, তেহরান যদি আবার আলোচনায় না ফেরে, তাহলে তাদের বড় ধরনের সামরিক পদক্ষেপের মুখোমুখি হতে হবে। শুক্রবার ক্যাম্প ডেভিডে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকেও সম্ভাব্য অভিযানের ইঙ্গিত দেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে ‘খুব কঠোরভাবে’ হামলা চালাবে।

পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, শেষ পর্যন্ত ইরান এমন অবস্থায় পৌঁছাবে, যখন তারা আর এই চাপ সহ্য করতে পারবে না।

 


 

ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে বাড়তে থাকা উত্তেজনার মধ্যে দুই পক্ষের এমন কঠোর বক্তব্য নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, নতুন করে সামরিক অভিযান শুরু হলে তা শুধু ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নাও থাকতে পারে। বরং পুরো মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে বড় ধরনের সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনা, কৌশলগত অবকাঠামো এবং আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।