NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, আগস্ট ২৩, ২০২৬ | ৮ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ই-হেলথ প্ল্যাটফর্মের পাইলট প্রকল্প শুরুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর অস্বস্তিকর প্রশ্নে সাংবাদিকের ওপর ক্ষেপলেন ট্রাম্প কিয়েভের ওপর রুশ ক্ষেপণাস্ত্র বর্ষণে বাড়ছে হতাহত, পরিস্থিতি থমথমে যুক্তরাজ্যে ধাওয়া দিতে গিয়ে দুর্ঘটনা, ২ পুলিশ কর্মকর্তাসহ নিহত ৭ গুলিতে প্রাণ হারালেন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন বক্সার তেতে পরীমনির গাড়ি বিতর্ক ‘মাসরুর’ আসলে মাসরুর আরেফিন নন বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসা স্থগিত নীতি বাতিল ইরান যুদ্ধের প্রভাবে এশিয়া থেকে সামরিক সম্পদ সরাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, উদ্বিগ্ন মিত্ররা ট্রাম্প–কিম বৈঠকের ইঙ্গিত, উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিয়েছেন মির্জা ফখরুল
Logo
logo

মার্কিন সেনা নিহতের ঘটনায় ইরানি বাহিনীকে ‘দ্রুত শাস্তি’ দিতে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলা শুরু


খবর   প্রকাশিত:  ১৯ জুলাই, ২০২৬, ১০:০৭ এএম

মার্কিন সেনা নিহতের ঘটনায় ইরানি বাহিনীকে ‘দ্রুত শাস্তি’ দিতে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলা শুরু

জর্ডানে মার্কিন সেনা সদস্যদের ওপর হামলার তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সেনা হত্যার প্রতিশোধ নিতে এবং ইরানকে ‘দ্রুত শাস্তি’ দিতে তারা ইরানি বাহিনীর ওপর নতুন করে বিমান হামলা শুরু করেছে।

 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, এই হামলার মূল উদ্দেশ্য হলো হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের ওপর হুমকি দেওয়ার ক্ষেত্রে ইরানের সক্ষমতা কমিয়ে আনা। সেই সাথে জর্ডানে মার্কিন সেনাদের ওপর হামলাকারী ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) বাহিনীকে উপযুক্ত শাস্তি দেওয়া। সেন্টকমের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ১৭ জুলাই জর্ডানে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা প্রতিহত করার সময় দুইজন মার্কিন সেনা সদস্য নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া আরো একজন সেনা সদস্য এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।

হামলায় চারজন মার্কিন সেনা আহত হয়েছিলেন, যাদের চিকিৎসার জন্য জর্ডানের হাসপাতালে নেওয়া হয়। তবে চিকিৎসা শেষে চারজনকেই ইতিমধ্যে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে এবং সামান্য আঘাত পাওয়া অন্য কর্মীরা আবার কাজে ফিরে গেছেন। গত মার্চের পর এই প্রথম ইরানের সরাসরি হামলায় কোনো মার্কিন সেনা নিহত হলেন।

 

এদিকে শুক্রবার (১৭ জুলাই) ইরানের সেনাবাহিনী জানিয়েছিল, তাদের ‘অপারেশন লাইটনিং’-এর ১৪তম পর্বের অংশ হিসেবে তারা জর্ডানের আল-আজরাক বিমান ঘাঁটির জ্বালানি মজুত কেন্দ্রগুলোতে হামলা চালিয়েছে।

একই সাথে তারা জর্ডান ও কুয়েতে অবস্থিত একাধিক মার্কিন সামরিক স্থাপনায় ড্রোন হামলা চালায়।

 

ইরানি সেনাবাহিনীর জনসংযোগ বিভাগের বিবৃতি অনুযায়ী, দেশটির সশস্ত্র বাহিনী কুয়েতের আল-উদাইরি ক্যাম্পের একটি গোলাবারুদের ডিপো, আলি আল-সালেম বিমান ঘাঁটির সদর দফতর ভবন ও গোলাবারুদের ডিপো এবং বেশ কয়েকটি যোগাযোগ সেতুকে লক্ষ্যবস্তু করে হামলা চালিয়েছিল। মার্কিন বাহিনী ইরানের বিরুদ্ধে যে সামরিক হামলা চালিয়েছিল, তার প্রতিশোধ হিসেবেই ইরান টানা সপ্তম রাতের মতো এই অভিযান পরিচালনা করে। আর এর জবাবেই এবার নতুন করে পাল্টা বিমান হামলা শুরু করল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।