NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শুক্রবার, আগস্ট ৭, ২০২৬ | ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য : প্রধানমন্ত্রী ভারত সরকারের কাছে ক্ষমা চাইলেন জাকারবার্গ আকাশে ট্রাম্পের হেলিকপ্টার ও যাত্রীবাহী বিমান মুখোমুখি, তদন্তে মার্কিন সংস্থা টি-টোয়েন্টি ইতিহাসের সর্বোচ্চ রানের মালিক এখন জস বাটলার বস্তিতে কেটেছে শৈশব, আজ মুম্বাইয়ে দুই বাড়ির মালিক মিশিগান সিনেট প্রাইমারিতে প্রগতিশীল আবদুল এল-সায়েদের জয়, ডেমোক্র্যাট শিবিরে নতুন বার্তা জনগণ পরিবর্তন চেয়েছে বলেই জুলাই আন্দোলন সফল : প্রধানমন্ত্রী হরমুজ নিয়ে ইরান-মার্কিন চুক্তি হতে পারে আজ : মার্কিন অর্থমন্ত্রী বিদেশি সংবাদমাধ্যমের জন্য নতুন বিধি-নিষেধ পাকিস্তানের যুক্তরাজ্যের চেভেনিং স্কলারশিপের আবেদন শুরু
Logo
logo

এখনো পানিবন্দি দেড় লাখের বেশি পরিবার


খবর   প্রকাশিত:  ১৫ জুলাই, ২০২৬, ১০:০৭ এএম

এখনো পানিবন্দি দেড় লাখের বেশি পরিবার

বন্যা, পাহাড়ধসে এখন পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন স্থানে ৫৪ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। আহত হয়েছেন অন্তত ৩৯ জন।

দেশের সাত জেলায় এক লাখ ৫৫ হাজার ৩১১টি পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৬ লাখ ৯ হাজার ৪১১ জন মানুষ। সোমবার (১৩ জুলাই) দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

 

প্রতিবেদন অনুযায়ী, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবান, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ বন্যাকবলিত হয়েছে।

এ কারণে জেলাগুলোর ৫৯টি উপজেলা প্লাবিত হয়েছে। এ ছাড়া উপদ্রুত অঞ্চলগুলোর ৩৩৪টি ইউনিয়ন এবং ১২টি পৌরসভা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

 

জেলাভিত্তিক পরিসংখ্যানে জানা গেছে, মৃত ৫৪ জনের মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে কক্সবাজার জেলায়, সেখানে ৩১ জন মারা গেছেন। এ ছাড়া চট্টগ্রামে ১৩ জন, বান্দরবানে ছয়, রাঙামাটিতে তিন ও মৌলভীবাজারে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

অন্যদিকে আহত ৩৯ জনের মধ্যে কক্সবাজারে ২৪ জন, চট্টগ্রামে ১২, বান্দরবানে দুই ও খাগড়াছড়িতে একজন রয়েছেন।

 


 

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ও উপদ্রুত মানুষকে জরুরি আশ্রয় দেওয়ার জন্য সরকারিভাবে এক হাজার ৪২টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে, যেখানে এরই মধ্যে ৩৮ হাজার ৪২২ জন বিপন্ন মানুষ আশ্রয় নিয়েছে বলে জানিয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।

বন্যাকবলিত ১১ জেলায় স্বাস্থ্যসেবা সচল রাখতে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সব ধরনের ছুটি বাতিল করেছে সরকার। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি উপজেলায় মেডিক্যাল টিম মোতায়েন করা হয়েছে।

এ বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেন, ‘বন্যা পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করাকে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।

এ জন্য ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলোতে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় ওষুধ, স্যালাইন, অ্যান্টিভেনম ও অন্যান্য চিকিৎসাসামগ্রী দ্রুত মাঠ পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।’

 


 

তিনি আরো বলেন, ‘বর্তমানে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, বান্দরবান, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, কুমিল্লা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় বিশেষ স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। প্রতিটি জেলার সার্বিক স্বাস্থ্য পরিস্থিতি তদারকির জন্য একজন করে জ্যেষ্ঠ চিকিৎসককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণকক্ষ সার্বক্ষণিক তথ্য সংগ্রহ ও সমন্বয়ের কাজ করছে।’