NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, আগস্ট ২৩, ২০২৬ | ৮ ভাদ্র ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
ই-হেলথ প্ল্যাটফর্মের পাইলট প্রকল্প শুরুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর অস্বস্তিকর প্রশ্নে সাংবাদিকের ওপর ক্ষেপলেন ট্রাম্প কিয়েভের ওপর রুশ ক্ষেপণাস্ত্র বর্ষণে বাড়ছে হতাহত, পরিস্থিতি থমথমে যুক্তরাজ্যে ধাওয়া দিতে গিয়ে দুর্ঘটনা, ২ পুলিশ কর্মকর্তাসহ নিহত ৭ গুলিতে প্রাণ হারালেন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন বক্সার তেতে পরীমনির গাড়ি বিতর্ক ‘মাসরুর’ আসলে মাসরুর আরেফিন নন বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসা স্থগিত নীতি বাতিল ইরান যুদ্ধের প্রভাবে এশিয়া থেকে সামরিক সম্পদ সরাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, উদ্বিগ্ন মিত্ররা ট্রাম্প–কিম বৈঠকের ইঙ্গিত, উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিয়েছেন মির্জা ফখরুল
Logo
logo

ছবি পোস্ট করে মেলোনিকে আবার খোঁচা ট্রাম্পের


খবর   প্রকাশিত:  ০৭ জুলাই, ২০২৬, ১০:০৭ এএম

ছবি পোস্ট করে মেলোনিকে আবার খোঁচা ট্রাম্পের

ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির সঙ্গে সম্পর্কটাকে খোঁচাখুঁচির পর্যায়ে নিয়ে গেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যেন ইতালির প্রধানমন্ত্রীকে ক্ষেপিয়ে মজাই পাচ্ছেন তিনি।

ফ্রান্সে জি-৭ সম্মেলনের সময় ছবি তোলা নিয়ে শুরু হওয়া ভুল বোঝাবুঝিকে বয়ে বেড়াচ্ছেন ট্রাম্প। শুধু বয়ে বেড়াচ্ছেন বললে  ভুল হবে, মাঝে মধ্যেই উত্তেজনার আগুনে পেট্রল ঢালছেন তিনি।

 

রবিবার রাতে নিজ মালিকানার ট্রুথ সোশ্যালে মেলোনির সাথে তার একটা ছবি শেয়ার করেছেন ট্রাম্প। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, মেলোনি ঠোঁটে হাসি আর চোখে অপার মুগ্ধতা নিয়ে ট্রাম্পের দিকে তাকিয়ে আছেন।

ট্রাম্প ছবির ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘সংযত থাকার আদেশ প্রয়োজন’।

 

মেলোনির সঙ্গে ট্রাম্পের সম্পর্কে যে তিক্ততা, তাতে এটি তাকে আরো উত্যক্ত করবে নিশ্চয়ই। আগামীকাল তুরস্কের আঙ্কারায় শুরু হতে যাচ্ছে ন্যাটোর শীর্ষ সম্মেলন। সে সম্মেলনে মেলোনির সঙ্গে ট্রাম্পের দেখাও হতে পারে।


 
অথচ একসময় ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির সঙ্গে ট্রাম্পের দারুণ সম্পর্ক ছিল। দ্বিতীয় দফায় ট্রাম্পের অভিষেকের সময়ও উপস্থিত ছিলেন মেলোনি। ট্রাম্পের বিভিন্ন নীতিরও প্রশংসা করেছেন তিনি। কিন্তু ইরানে মার্কিন আগ্রাসনের সময় ন্যাটোর সহায়তা না পেয়ে ক্ষুব্ধ হন ট্রাম্প। মেলোনিও যুদ্ধের বিরুদ্ধে তার অবস্থান স্পষ্ট করেছিলেন।
গত মাসে ফ্রান্সে জি-৭ সম্মেলনে দেখাও হয় দুজনের। কিন্তু তখনই নতুন করে ঝামেলা শুরু হয়, যার শুরুটা করেছেন ট্রাম্প নিজেই।

 

জি-৭ সম্মেলনের সময় ইতালির একটি চ্যানেলকে দেয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘মেলোনি আমার সাথে একটা ছবি তোলার জন্য বারবার মিনতি করেছিলেন। তিনি আমার সাথে ছবি তুলতে এতটাই মরিয়া ছিলেন যে আমি হয়তো ছবি তুলতামই না, কিন্তু তার জন্য আমার মায়া লেগেছিল।’

ট্রাম্পের এ বক্তব্যে কড়া প্রতিক্রিয়া জানান মেলোনি। তিনি একে গালগল্প বলে উড়িয়ে দেন। ট্রাম্পের মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় ইতালির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্তোনিও তাজানি তার পূর্ব নিধারিত যুক্তরাষ্ট্র সফর বাতিল করেন। উত্তেজনা প্রশমনের চেষ্টা না করে ট্রাম্প তাতে বারবার ঘি ঢেলেছেন। যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে ট্রুথ সোশ্যালে তিনি আবার মেলোনির ছবি তোলার জন্য বারবার মিনতির ব্যাপারটি পুনরুল্লেখ করেন। ট্রাম্প বলেছিলেন, কমে যাওয়া জনপ্রিয়তা ফিরে পেতে মেলোনি তার সাথে ছবি তুলতে ব্যাকুল ছিলেন। ট্রাম্পকে নিজের জনপ্রিয়তার দিকে নজর দেয়ার পরামর্শ  দিয়ে মেলোনি বলেছিলেন, তার জনপ্রিয়তা ট্রাম্পের সাথে সম্পর্কের ওপর নির্ভর করে না।

ন্যাটো সম্মেলনের ঠিক আগে আগে এমন হালকা চালের ছবি আর ইঙ্গিতপূর্ণ ক্যাপশন, দুই নেতার সম্পর্কের জটিলতা আরো বাড়াতে পারে।