NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, জুলাই ৪, ২০২৬ | ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩
Logo
logo

ভারতীয় ভিসা নিয়ে হাইকমিশনের বিশেষ বার্তা


খবর   প্রকাশিত:  ০৩ জুলাই, ২০২৬, ০৯:০৭ পিএম

ভারতীয় ভিসা নিয়ে হাইকমিশনের বিশেষ বার্তা

দীর্ঘ দুই বছর পর গত ২৮ জুন বাংলাদেশিদের জন্য ট্যুরিস্ট বা পর্যটন ভিসা চালু করেছে ভারত। ভিসা চালুর পর থেকেই দেশের ভারতীয় ভিসা কেন্দ্রগুলোতে উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে।

এমন পরিস্থিতিতে ভিসা আবেদনকারীদের ধৈর্য ও সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশন। 

 

শুক্রবার (৩ জুলাই) দুপুরে এক বার্তায় হাইকমিশন জানায়, বিভিন্ন উদ্দেশ্যে ভারত ভ্রমণ করতে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের কাছ থেকে পাওয়া বিপুল সাড়ায় তারা উৎসাহিত।


 

বার্তায় বলা হয়, ভিসা পরিষেবা আরো বিস্তৃত করা এবং আবেদন প্রক্রিয়াকে আরো সাবলীল ও সুবিধাজনক করে তুলতে তারা কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এ সময় আবেদনকারীদের ধৈর্য ও সহযোগিতার জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানানো হয়।

 

এতে আরো বলা হয়, ভারতীয় হাইকমিশন ভারত ও বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় করা এবং দুই দেশের দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্বকে আরো নিবিড় করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

এর আগে গত ২৫ জুন প্রায় দুই বছর পর বাংলাদেশিদের জন্য পর্যটন ভিসা পুনরায় চালুর ঘোষণা দেন ঢাকায় নিযুক্ত নতুন ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি জানান, ২৮ জুন থেকে ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসা সুবিধা আবার চালু করা হবে। 

ওই সময় তিনি জানান, পর্যায়ক্রমে ভারতের ভিসা কার্যক্রম পুরোপুরি স্বাভাবিক করা হবে।

পাশাপাশি মানবিক দিক বিবেচনায় মেডিক্যাল ভিসা দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে, যাতে চিকিৎসাপ্রত্যাশীরা সহজে সেবা পান।

 

প্রাথমিকভাবে ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, সিলেট ও খুলনায় অবস্থিত ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্রের মাধ্যমে পর্যটন ভিসার আবেদন জমা দেওয়া যাবে। পরবর্তী সময়ে দেশের অন্যান্য শহরের আইভ্যাক কেন্দ্রেও এ সেবা চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন ভারতীয় হাইকমিশনার।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বাংলাদেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর নিরাপত্তাজনিত কারণে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য প্রায় সব ধরনের নিয়মিত ভিসা ইস্যু স্থগিত করে ভারত। একই সঙ্গে সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায় দেশজুড়ে ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্রগুলোর কার্যক্রম।

 

পরে আগস্টের শেষ দিকে সীমিত পরিসরে পাসপোর্ট ফেরত দেওয়া শুরু হলেও পর্যটন ভিসা চালু হয়নি। এ সময় শুধুমাত্র জরুরি প্রয়োজন বিবেচনায় মেডিক্যাল, ব্যবসায়িক, শিক্ষার্থী ও সরকারি কিছু ক্যাটাগরির ভিসা ইস্যু করা হয়েছিল।