এক দশকেরও বেশি সময় পর আবারও আলোচনায় ফিরে এসেছে কঙ্গনা রানাউত ও বীর দাসকে ঘিরে পুরোনো ‘চুমু কাণ্ড’। ‘রিভলবার রানি’ সিনেমার শুটিং চলাকালে একটি ঘনিষ্ঠ দৃশ্য ধারণের সময় ‘কাট’ বলার পরও কঙ্গনা নাকি বীর দাসকে চুমু খেতে থাকেন, এমনকি তাঁর ঠোঁট কামড়ে রক্ত বের করে দেন—সম্প্রতি একটি পডকাস্টে ফের এমন দাবি ওঠে।
তবে এই অভিযোগকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন দুই তারকাই।
২০১৪ সালে মুক্তি পাওয়া ‘রিভলবার রানি’ ছবিতে একসঙ্গে অভিনয় করেছিলেন কঙ্গনা ও বীর। যদিও বিতর্কটি প্রথম সামনে আসে ২০২৩ সালে, যখন এক প্রবীণ সাংবাদিক বিষয়টি প্রকাশ্যে আনেন। সে সময় কঙ্গনা ব্যঙ্গ করে লিখেছিলেন, ‘হৃত্বিক রোশনের পর আমি নাকি বেচারা বীর দাসেরও ইজ্জত লুটে নিয়েছি! এটা আবার কবে হলো?’
সম্প্রতি একই অভিযোগ নতুন করে সামনে আসতেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন অভিনেতা ও কমেডিয়ান বীর দাস।
তিনি লেখেন, ‘সকলে জেনে রাখুন, এই গল্পটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক। কঙ্গনা শুটিং সেটে অত্যন্ত পেশাদার ছিলেন এবং আমি এখনও মনে করি তিনি একজন অসাধারণ প্রতিভাবান শিল্পী। তাঁর বিরুদ্ধে এধরনের অপপ্রচার অন্যায়। আমার কমেডির কনটেন্টের জন্য ‘সন্ত্রাসবাদী’ বলেছিলেন, কিন্তু শুটিংয়ের সময় আমাদের মধ্যে কোনও সমস্যা ছিল না।
’
বীরের এই বক্তব্যের জবাবে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে কঙ্গনাও এক্সে লেখেন, ‘ধন্যবাদ বীর। কিন্তু উনি কে? মনে হচ্ছে কোনও অদ্ভুত মানুষ আমাদের নাম ব্যবহার করে নিজের বিকৃত কল্পনাকে তৃপ্ত করছে। আমি নাকি তোমার রক্ত খাচ্ছি আর তুমি এক দশক পরও সেই ট্রমায় কাঁদছ! কী আজগুবি ব্যাপার!’
দুই তারকাই যখন একসুরে অভিযোগটি অস্বীকার করেছেন, তখন বিষয়টি প্রথম উত্থাপনকারী সাংবাদিকের পক্ষ থেকে আর কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
এদিকে কাজের ক্ষেত্রে সম্প্রতি ‘ভারত ভাগ্য বিধাতা’ ছবিতে দেখা গেছে কঙ্গনা রানাউতকে। ১২ জুন মুক্তি পাওয়া সিনেমাটি দর্শকদের মধ্যে তেমন সাড়া ফেলতে পারেনি।